বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩৫ / ১৪০ · ৩,৪০১৩,৫০০ / ১৪,০৮০

৩,৪০১.
ভূত্বকের আকস্মিক কম্পনকে কী বলা হয়? 
  1. টর্নেডো
  2. ভূমিকম্প
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. অগ্ন্যুৎপাত
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প (Earthquake): 
- পৃথিবীর কঠিন ভূত্বকের কোনো কোনো অংশ প্রাকৃতিক কোনো কারণে কখনো কখনো অল্প সময়ের জন্য হঠাৎ কেঁপে ওঠে, ভূত্বকের এরূপ আকস্মিক কম্পনকে ভূমিকম্প বলে। 
- ভূকম্পন সাধারণত কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয় আবার কখনো কিছু সময় পর পর অনুভূত হয়। 
- এ কম্পন কখনো অত্যন্ত মৃদু আবার কখনো অত্যন্ত প্রচন্ড হয়। 

ভূমিকম্পের প্রধান কারণ: 
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতকগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত, এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে। 
- অগ্ন্যুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকম্পন সৃষ্টি হয়। 

ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ: 
১। শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি: কোনো কারণে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি ঘটলে বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি হলে ভূমিকম্প হয়। ১৯৩৫ সালে বিহারে এবং ১৯৫০ সালে আসামে এ কারণেই ভূমিকম্প হয়। 
২। তাপ বিকিরণ: ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টি হয়ে ভূমিকম্প হয়। 
৩। ভূগর্ভস্থ বাষ্প: পৃথিবীর অভ্যন্তরে অত্যধিক তাপের কারণে বাষ্পের সৃষ্টি হয়। এই বাষ্প ভূত্বকের নিম্নভাগে ধাক্কা দেওয়ার ফলে প্রচন্ড ভূকম্পন অনুভূত হয়। 
৪। ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস: অনেক সময় ভূগর্ভে হঠাৎ চাপের হ্রাস বা বৃদ্ধি হলে তার প্রভাবে ভূমিকম্প হয়। 
৫। হিমবাহের প্রভাব: হঠাৎ করে হিমবাহ পর্বতগাত্র থেকে নিচে পতিত হলে ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে এবং ভূমিকম্প হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪০২.
তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে নিচের কোন ধাতুর বিজারণ সম্পন্ন করা হয়?
  1. Ca
  2. Cu
  3. Ag
  4. Au
সঠিক উত্তর:
Ca
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ca
ব্যাখ্যা
- তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে 'ক্যালসিয়াম (Ca)' ধাতুর বিজারণ সম্পন্ন করা হয়। 

ধাতব অক্সাইডকে মুক্ত ধাতুতে রূপান্তর: 

- আকরিককে ভষ্মীকরণ বা তাপজারণ করায় যে ধাতব অক্সাইড পাওয়া যায় তাদেরকে বিজারিত করলে ধাতু পাওয়া যায়। 
- বিভিন্নভাবে এ বিজারণ সম্পন্ন করা যায়। 
যেমন- তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিজারণ, কার্বন বিজারণ পদ্ধতি, স্ববিজারণ ইত্যাদি।
- ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজে তাদের অবস্থানের উপর কোন পদ্ধতিতে বিজারণ সম্পন্ন করা হবে তা নির্ভর করে।
যেমন- 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪০৩.
নিচের কোন অবস্থাকে জোয়ার-ভাটা বলা হয় না? 
  1. সমুদ্রের পানি উপকূলে ফুলে ওঠা
  2. সমুদ্রের পানি উপকূলে নেমে যাওয়া
  3. সমুদ্রের মধ্যভাগে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়া
  4. দেশের ভিতরে নদীপথ দিয়ে সমুদ্রের পানি প্রবেশ ও নেমে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
দেশের ভিতরে নদীপথ দিয়ে সমুদ্রের পানি প্রবেশ ও নেমে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশের ভিতরে নদীপথ দিয়ে সমুদ্রের পানি প্রবেশ ও নেমে যাওয়া
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা: 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়। 
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 
- উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়। 
- উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। 
অর্থাৎ, সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাটা হয়। 
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাটা বেশি অনুভূত হয়। 
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে। 
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার-ভাটা বলে না। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪০৪.
শ্বসনের জন্য উত্তম তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ২০°C -  ৪৫° C
  2. খ) ২৫°C - ৩০° C
  3. গ) ৪০°C -  ৪৫° C
  4. ঘ) ২০°C -  ৩৫° C
সঠিক উত্তর:
ক) ২০°C -  ৪৫° C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০°C -  ৪৫° C
ব্যাখ্যা
শ্বসন 
যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহের কোষে অবস্থিত জটিল খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে সরল দ্রব্যে পরিণত হয় এবং সঞ্চিত স্থিতিশক্তি রূপান্তরিত হয়ে গতিশক্তিতে পরিণত হয় তাকে শ্বসন বলে।
• এ প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইড, পানি ও শক্তি উৎপন্ন হয়।

 তাপমাত্রা-
• শ্বসনের জন্য সাধারণত উত্তম তাপমাত্রা ২০°C -  ৪৫° C সেলসিয়াস।  
• ১০°C  সেলসিয়াসের নিচে এবং ৪৫°C  সেলসিয়াসের উপরের তাপমাত্রায় শ্বসনের হার কমে যায়।

SOURCE: জীব বিজ্ঞান  ,এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৩,৪০৫.
রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর রশ্মি বের হয়?
  1. গামা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. কসমিক রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
• রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর রঞ্জন রশ্মি বের হয়।

- রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়।
- রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে।
- রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়।
- এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে।
- ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে।
- ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।
- টিভির পর্দায় ফসফর থাকে, ইলেকট্রন যখন এই ফসফরকে আঘাত করে তখন এখান থেকে মৃদু রঞ্জনরশ্মি নির্গত হয়, এটার পরিমাণ এতই ক্ষুদ্রতর যা উপেক্ষা করা যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪০৬.
Spinal Nerve কয়টি?
  1. ২৯ টি
  2. ২৯ জোড়া
  3. ৩১ টি
  4. ৩১ জোড়া
সঠিক উত্তর:
৩১ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জোড়া
ব্যাখ্যা
• স্নায়ুতন্ত্র:
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যগত একককে স্নায়ুকোষ বা নিউরন বলে।
- মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ হলো স্নায়ুকোষ।
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ হলো মস্তিষ্ক।
- মস্তিষ্কের গড় ওজন - ১.৩৬ কেজি।
- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া।
- সুষুম্না স্নায়ু ৩১ জোড়া।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪০৭.
ভালো মান সম্পন্ন পানির BOD এর মান কত হওয়া উচিত?
  1. 10 ppm
  2. 15 ppm
  3. 6 ppm
  4. 20 ppm
সঠিক উত্তর:
6 ppm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6 ppm
ব্যাখ্যা
প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (Biological Oxygen Demand, BOD): 
- পানিতে উপস্থিত জৈব বর্জ্য পদার্থসমূহের বিয়োজনের জন্য অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। 
- পানিতে যতো বেশি পারিমাণে বিয়োজন যোগ্য জৈব পদার্থ উপস্থিত থাকে তার জন্য অক্সিজেন চাহিদাও ততো বেশি। 
- পানিতে উপস্থিত বিয়োজন যোগ্য জৈব পদার্থের বিয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণকে প্রাণ রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা বা BOD বলে। 
- ভালো মান সম্পন্ন পানির BOD মান 6 ppm এর বেশি হওয়া উচিত নয়। 
অর্থাৎ, প্রতি 1000 mL পানিতে বর্তমান জৈব বর্জ্য দূষকের বিয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেন 6 mg এর বেশি হওয়া উচিত নয়। 
- কোনো পানির BOD এর মান যত বেশি ঐ পানির দূষকের মাত্রা ততো বেশি। 
- পানিতে BOD এর মান যতো বেশি হবে, পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন (DO) এর পরিমাণ ততো হ্রাস পায়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪০৮.
মানবদেহে পানির পরিমাণ-
  1. ক) ৫০%
  2. খ) ৭০%
  3. গ) ৩০%
  4. ঘ) ২৬%
সঠিক উত্তর:
খ) ৭০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭০%
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞান বোর্ড বই ২০২০ঃ ৫০ - ৬৫%
সাধারণ বিজ্ঞান বোর্ড বই ২০২০ঃ ৬০ - ৭৫%
মূল পরীক্ষায় নিজের বিবেচনা থেকে উত্তর করুন।
জীববিজ্ঞান বোর্ড বই ২০২০ঃ ৫০ - ৬৫% এটাকে বেস্ট অপশন ধরা যায় মনে হচ্ছে।
৩,৪০৯.
নিচের কোনটি এককোষী?
  1. ক) ইস্ট
  2. খ) অ্যাগারিকাস
  3. গ) ভাইরাস
  4. ঘ) মস
সঠিক উত্তর:
ক) ইস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইস্ট
ব্যাখ্যা
ইস্ট একটি ছত্রাক জাতীয় এককোষী অণুজীব।
বেকারি ও মদ্য শিল্পে ইথানল প্রস্তুতিতে ইস্ট ব্যবহৃত হয়। ইস্ট ভিটামিনসমৃদ্ধ বলে ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া খাদ্যোপযোগী এককোষীয় প্রোটিন উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪১০.
রেডিয়েশন ডোজের একক কোনটি?
  1. বেকেরেল
  2. ওয়াট
  3. জুল
  4. সিভার্ট
সঠিক উত্তর:
সিভার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিভার্ট
ব্যাখ্যা

• SI একক সিস্টেমে রেডিয়েশন ডোজের একক হলো সিভার্ট (Sv)।

- রেডিয়েশন ডোজ হলো দেহে বিকিরণ দ্বারা শোষিত শক্তির পরিমাণ, যা মানুষের শরীরের কোষ বা টিস্যুতে প্রভাব ফেলে।
- এটি রেডিওঅ্যাকটিভ বিকিরণের ঝুঁকি নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
- ১ সিভার্ট = শরীরের টিস্যু প্রতি কিলোগ্রামে ১ জুল শক্তি শোষণ + রেডিয়েশন টাইপ অনুযায়ী ক্ষতি মান্য।
- সাধারণভাবে ব্যবহার হয় মিলিসিভার্ট (mSv) বা মাইক্রোসিভার্ট (μSv) হিসেবে, কারণ পূর্ণ Sv অনেক বেশি শক্তিশালী।

রেডিয়েশন ডোজের ধরন:
- Absorbed Dose (Gy, Gray): শোষিত শক্তির পরিমাণ।
- Equivalent Dose (Sv): রেডিয়েশন টাইপ অনুযায়ী মানবদেহের ক্ষতির মান।
- Effective Dose (Sv): বিভিন্ন টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি গণনায় ব্যবহৃত।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]

৩,৪১১.
শব্দ দূষণ(নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা ২০০৬ অনুযায়ী, নীরব এলাকায় শব্দের মানমাত্রা কত?
  1. ৫৫ ও ৪৫ ডেসিবল
  2. ৭০ ও ৬০ ডেসিবল
  3. ৩৫ ও ৪০ ডেসিবল
  4. ৫০ ও ৪০ ডেসিবল
সঠিক উত্তর:
৫০ ও ৪০ ডেসিবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ ও ৪০ ডেসিবল
ব্যাখ্যা
শব্দ দূষণ(নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী, 
- নীরব এলাকায় শব্দের মানমাত্রা দিনে (ভোর ৬টা থেকে রাত ৯টা) ৫০ ডেসিবল ও রাতে (রাত ৯টা থেকে ভোর ৬টা) ৪০ ডেসিবল। 
- আবাসিক এলাকায় নীরব এলাকায় দিনে ও রাতে যথাক্রমে ৫৫ ও ৪৫ ডেসিবল; 
- মিশ্র এলাকায় ৬০ ও ৫০ ডেসিবল;
- বাণিজ্যিক এলাকায় ৭০ ও ৬০ ডেসিবল;
- এবং শিল্প এলাকায় ৭৫ ও ৭০ ডেসিবল।

সূত্র-  পরিবেশ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।  
৩,৪১২.
গম, ভূট্টা, ইক্ষু এদের পরাগায়ন ঘটে -
  1. কীটপতঙ্গের সাহায্যে
  2. বাতাসের সাহায্যে
  3. প্রাণীর সাহায্যে
  4. মৌমাছির সাহায্যে
সঠিক উত্তর:
বাতাসের সাহায্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাসের সাহায্যে
ব্যাখ্যা
যেসব ফুলের পরাগায়ন বায়ুর মাধ্যমে হয়ে থাকে তাদের বায়ুপরাগী ফুল বলে। যেমন- ধান, গম, ভুট্টা, ইক্ষু ইত্যাদি।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪১৩.
হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন প্রবাহ উৎপাদন ত্রুটিপূর্ণ হলে বা উৎপন্ন প্রবাহ সঠিক পথে পরিবাহিত না হলে তাকে বলা হয়-
  1. ক) হার্ট অ্যাটাক
  2. খ) হার্ট ফেলিওর
  3. গ) হার্ট ব্লক
  4. ঘ) হার্ট এরর
সঠিক উত্তর:
গ) হার্ট ব্লক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হার্ট ব্লক
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন প্রবাহ উৎপাদন ত্রুটিপূর্ণ হলে বা উৎপন্ন প্রবাহ সঠিক পথে পরিবাহিত না হলে তাকে হৃত অবরোধ বা হার্ট ব্লক বলে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
৩,৪১৪.
সার তৈরিতে কোনটি ব্যাবহৃত হয় না?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) কপার
সঠিক উত্তর:
ঘ) কপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কপার
ব্যাখ্যা
অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন, ফসফরাস ইত্যাদি এবং বিভিন্ন রাসায়নিক যৌগের সমন্বয়ে সার তৈরি হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৩,৪১৫.
নিচের কোনটি একটি ম্যাক্রো উপাদান? 
  1. ক্লোরিন (Cl)
  2. বোরন (B)
  3. দস্তা (Zn)
  4. লৌহ (Fe)
সঠিক উত্তর:
লৌহ (Fe)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহ (Fe)
ব্যাখ্যা
অত্যাবশ্যকীয় উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- 
১। ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। 
- ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। 
যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ বা আয়রন (Fe)। 

২। মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। 
- মাইক্রো উপাদান ৬টি। 
যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাঙ্গানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu) এবং ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪১৬.
একটি পদার্থের স্থির অবস্থায় কোন শক্তি থাকে না?
  1. গতিশীল শক্তি
  2. রাসায়নিক শক্তি
  3. বিভব শক্তি
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গতিশীল শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গতিশীল শক্তি
ব্যাখ্যা

• একটি পদার্থ স্থির অবস্থায় কোন গতিশক্তি থাকে না। 

গতিশক্তি: 
- একটি বস্তু গতিশীল হওয়া বা থাকার ফলে তার গতিশক্তি লক্ষ্য করা যায়। একটি স্থির বস্তুর বেগ শূন্য হলে তার গতিশক্তি শূন্য হবে। 
- একে কাইনেটিক এনার্জি বলা হয়ে থাকে।
- Ek = 1/2 mv2, v = 0 হলে Ek = 0 হয়। 

রাসায়নিক শক্তি: 
- রাসায়নিক শক্তি হলো বস্তুর অণুর অভ্যন্তরীণ বন্ধনের মধ্যে সঞ্চিত শক্তি।
- এই শক্তি বস্তু স্থির বা চলমান যাই হোক না কেন, অভ্যন্তরীণভাবে থাকে।
- যেমনঃ ব্যাটারি বা খাবারে রাসায়নিক শক্তি থাকে যদিও তা স্থির।

বিভব শক্তি: 
- কোনো বস্তু স্থির থাকলেও, যদি তার কোনো অবস্থান বা অবস্থাগত পরিবর্তন থাকে, তবে তার বিভব শক্তি থাকতে পারে।
- পটেনশিয়াল শক্তি বস্তুর অবস্থান বা অবস্থার কারণে থাকে।
- মাটি থেকে কোনো উচ্চতায় থাকলে মাধ্যাকর্ষণজনিত বিভব শক্তি থাকে।

তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান।

৩,৪১৭.
জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য প্রতি লিটার পানিতে কতটুকু অক্সিজেন থাকা প্রয়োজন?
  1. ১.০ মিলিগ্রাম
  2. ৫.০ মিলিগ্রাম
  3. ০.৫ মিলিগ্রাম
  4. ০.০৫ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
৫.০ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.০ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা
- পানিতে বসবাসকারী প্রাণীদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেনের দরকার হয়। আর তারা এই অক্সিজেন পায় পানিতে দ্রবীভূত হয়ে থাকা অক্সিজেন থেকে। 
- জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য ১.০ লিটার বা প্রতি লিটার পানিতে কমপক্ষে ৫.০ মিলিগ্রাম অক্সিজেন থাকা দরকার। 
- এই অক্সিজেন নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে কমে গেলে জলজ প্রাণীগুলোর সমস্যা হতে থাকে। 
- যদি পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন না থাকে, তাহলে মাছসহ অন্যান্য প্রাণী বাচঁতেই পারবে না। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,৪১৮.
পোলিও ভাইরাস দেহে কীভাবে প্রবেশ করে?
  1. ক) দূষিত খাদ্য, পানি দ্বারা
  2. খ) লালা গ্রন্থির দ্বারা
  3. গ) মশা কামড়ালে
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) দূষিত খাদ্য, পানি দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দূষিত খাদ্য, পানি দ্বারা
ব্যাখ্যা
• পোলিও ভাইরাস দেহে দূষিত খাদ্য, পানি দ্বারা প্রবেশ করে।
- পোলিও একটি সংক্রামক রোগ।
- পোলিও ভাইরাস একটি আরএনএ এন্টারো ভাইরাস।
- অন্যান্য ভাইরাসের মত এরও কোনো বিপাকীয় এনজাইম নেই।
- বাংলাদেশ পোলিও মুক্ত হয় ২০০৬ সালে।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৪১৯.
ডায়োড সাধারণত সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়- 
  1. ইনভার্টার হিসেবে
  2. রেকটিফায়ার হিসেবে
  3. অ্যামপ্লিফায়ার হিসেবে
  4. রেজিস্টরের বিকল্প হিসেবে
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার হিসেবে
ব্যাখ্যা
ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। 
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হলো LED (Light Emitting Diode). 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়। 
- একটি ডায়োড সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে। 
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪২০.
নিচের কোনটি পিত্তরস তৈরি করে?
  1. বৃক্ক
  2. কিডনি
  3. যকৃত
  4. মস্তিষ্ক
সঠিক উত্তর:
যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃত
ব্যাখ্যা
যকৃত (Liver): 
- মধ্যচ্ছদার নিচে উদরগহ্বরের উপরে পাকস্থলীর ডান পাশে যকৃত অবস্থিত। 
- এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি। এর রং লালচে খয়েরি। 
- যকৃতের ডান খন্ডটি বাম খন্ড থেকে আকারে কিছুটা বড়। 
- প্রকৃতপক্ষে চারটি অসম্পূর্ণ খন্ড নিয়ে যকৃত পঠিত। 
- প্রতিটি খণ্ড ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র লোবিউল দিয়ে তৈরি। 
- প্রত্যেকটি লোবিউলে অসংখ্য কোষ থাকে। 
- যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয়। 
- যকৃতের নিচের অংশ পিত্তথলি বা পিত্তাশয় সংলগ্ন থাকে। এখানে পিত্তরস জমা হয়। 
- পিত্তরস গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্তস্বাদবিশিষ্ট। 
- পিত্তথলি পিত্তনালির সাহায্যে অগ্ন্যাশয় নালির সাথে মিলিত হয়। 
- এটি যকৃত-অগ্ন্যাশয় নালির মাধ্যমে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। 

যকৃতের কাজ: 
- যকৃত পিত্তরস তৈরি করে। 
- পিত্তরসের মধ্যে পানি, পিত্ত লবণ, কোলেস্টেরল ও খনিজ লবণ প্রধান। এই রস পিত্তথলিতে জমা থাকে। 
- প্রয়োজনে ডিওডেনামে এসে পরোক্ষভাবে পরিপাকে অংশ নেয়। 
- পিত্তরসে কোনো উৎসেচক বা এনজাইম থাকে না। 
- যকৃত উদ্বৃত্ত গ্লুকোজ নিজদেহে গ্লাইকোজেনরূপে সঞ্চয় করে রাখে। 
- পিত্তরস খাদ্যের অম্লভাব প্রশমিত করে এবং ক্ষারীয় পরিবেশ সৃষ্টি করে। 
- পিত্তরস চর্বিজাতীয় খাদ্যকে ক্ষুদ্র দানায় পরিণত করে, যা লাইপেজ সহযোগে পরিপাকে সহায়তা করে। 
- অতিরিক্ত অ্যামাইনো এসিড যকৃতে আসার পর বিভিন্ন রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরিয়া, ইউরিক এসিড ও অ্যামোনিয়ারূপে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ তৈরি করে এবং স্নেহজাতীয় পদার্থ শোষণে সাহায্য করে। 
- রক্তে কখনো গ্লুকোজের মাত্রা কমে গেলে যকৃতের সঞ্চিত গ্লাইকোজেনের কিছুটা অংশ গ্লুকোজে পরিণত হয় এবং রক্তস্রোতে মিশে যায়। এভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রিত থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,৪২১.
তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কী বলে?
  1. ক) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য
  2. খ) তরঙ্গ বেগ
  3. গ) বিস্তার
  4. ঘ) কম্পাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্পাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্পাঙ্ক
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ:

- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাঙ্ক বলে
- একে সাধারণত f দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এর একক হার্জ। সংক্ষেপে লেখা হয় Hz।
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণা কোনো বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে একই দিক থেকে পুনরায় ঐ বিন্দুতে ফিরে এলে তাকে একটি পূর্ণস্পন্দন বলে।
- সঞ্চারণকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। পর্যায়কালকে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। পর্যায়কালের একক সেকেন্ড
- সঞ্চারণকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে।
- তরঙ্গ নির্দিষ্ট দিকে একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ঐ তরঙ্গের বেগ বা সংক্ষেপে তরঙ্গ বেগ বলে

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪২২.
বাংলাদেশের পানিতে প্রতি লিটারে কতটুকু আর্সেনিক অনুমোদনযোগ্য?
  1. ক) ০.০১ mg
  2. খ) ০.০৫ mg
  3. গ) ০.১ mg
  4. ঘ) ০.৫ mg
সঠিক উত্তর:
খ) ০.০৫ mg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০.০৫ mg
ব্যাখ্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম। তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে।
বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম। চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা।
(সূত্রঃ দুর্যোগকোষ)
৩,৪২৩.
When you rub your hands together, mechanical energy is converted into:
  1. Sound
  2. Electrical
  3. Kinetic
  4. Potential
  5. Thermal
সঠিক উত্তর:
Thermal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thermal
ব্যাখ্যা
যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর:
- হাতে হাত ঘষলে তাপ উৎপন্ন হয়।
- এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি (Mechanical Energy) তাপ শক্তিতে (Thermal Energy) রূপান্তর হয়।
- কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- পানি যখন ভূ-পৃষ্ট হতে উপরে কোন পাত্রে থাকে তখন তাতে বিভব শক্তি সঞ্চিত থাকে। নিচে প্রবাহিত হবার সময় বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪২৪.
পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়?
  1. সোডিয়াম
  2. পটাসিয়াম
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. জিংক
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক চুল্লি: 
- নিউক্লিয়ার রিয়‍্যাক্টর বা পারমাণবিক চুল্লি মূলত এক প্রকার তাপীয় যন্ত্র। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম-২৩৫)-এর শৃঙ্খল বিক্রিয়া (chain reaction) ঘটিয়ে অত্যধিক তাপ শক্তি উৎপাদন করা হয়। 
- মূলত ইউরেনিয়াম-২৩৫ (U-235) কে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়ার বিভাজনের (Nuclear Fission) মাধ্যমে পারমাণবিক চুল্লির মধ্যে প্রচুর পরিমাণ তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন, চিকিৎসা বিজ্ঞান, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরীসহ অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 

উল্লেখ্য, 
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহকরূপে হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়

অন্যদিকে,
- জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে হাইড্রোজেন ব্যবহৃত হয়। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু খুবই হালকা হওয়ায় মডারেটর হিসেবে রিয়‍্যাক্টরে হাইড্রোজেন পরমাণুকেই বেশি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মডারেটর হিসেবে পরিষ্কার গ্রাফাইট, সাধারণ হালকা পানি, ভারী পানি ইত্যাদিও ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং IAEA ওয়েবসাইট।
৩,৪২৫.
হাইপোগ্লাইসেমিয়া কিসের অভাবে হয়? 
  1. ভিটামিন-ই
  2. ক্যালসিয়াম
  3. রক্তের গ্লুকোজ
  4. ইনসুলিন
সঠিক উত্তর:
রক্তের গ্লুকোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তের গ্লুকোজ
ব্যাখ্যা
হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগ: 
- ডায়াবেটিস আক্রান্তদের কাছে হাইপো (হাইপোগ্লাসেমিয়া) একটি প্রচলিত শব্দ, বিশেষ করে টাইপ-১ বা ইনসুলিন-নির্ভরশীল রোগীদের ক্ষেত্রে। 
- মূলত ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের বিশেষ করে ইনসুলিন নিতে হয় এমন রোগীদের হাইপোগ্লাইসেমিয়া দেখা দেয়। 
- রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে নিচে নেমে যাওয়াকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে। 
- স্বাভাবিক মাত্রা হলো খালি পেটে ৬.১ মিলিমোল প্রতি লিটারে এবং খাবারের ২ ঘণ্টা পর ৭.৮ মিলিমোল প্রতি লিটারে থাকা উচিত। 
- রক্তের শর্করা ঘন ঘন কমে গেলে বা বেশি হলে দেহ ও মনের ওপর বেশ চাপ সৃষ্টি হয়। 
- খুব বেশি হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। 
- গ্লুকোজ  হচ্ছে আমাদের জীবনীশক্তি বা ফুয়েল, যা প্রতিটি কোষে শক্তি সরবরাহ করে। 
- এই গ্লুকোজ বিপজ্জনক মাত্রায় নেমে গেলে এক এক করে বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম কমে যেতে থাকে। বিশেষ করে মস্তিষ্কের একমাত্র জ্বালানি হচ্ছে গ্লুকোজ। 
- সে কারণে হাইপোগ্লাইসেমিয়া দীর্ঘ সময় চলতে থাকলে রোগী অচেতন হয়ে পড়েন, এমনকি মৃত্যুও হতে পারে। 

হাইপোগ্লাইসেমিয়া রোগের কারণ: 
- ইনসুলিন গ্রহণের মাত্রা বা ওষুধের মাত্রা বেশি এবং খাবার কম হলে, অর্থাৎ খাবার ও ওষুধের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে। 
- সময় না মেনে দেরিতে খাবার খেলে। 
- দীর্ঘক্ষণ কঠোর ব্যায়াম করলে। 
- অসুস্থতার পর খাবার খেতে না পারলে বা খাবার কম খেলে। 
- অত্যধিক মদ্যপান করলে। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো, সমকাল ও যুগান্তর পত্রিকা।
৩,৪২৬.
CT Scan- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Computed Treatment Scan
  2. Computed Tomography Scan
  3. Computer Therapy Scan
  4. Computed Tomology Scan
সঠিক উত্তর:
Computed Tomography Scan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Computed Tomography Scan
ব্যাখ্যা
সিটি স্ক্যান (CT scan):
- সিটিস্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan).
 - যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে ৷
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক ।
- সিটিস্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনি, ফুসফুস, ব্রেন ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায়।
- চিকিৎসা বিজ্ঞানের নিউরোলজি বা স্নায়ুবিজ্ঞান শাখায় সবচেয়ে বেশী CT scan ব্যবহার করা হয়ে থাকে যায়।
- যকৃৎ, ফুসফুস এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটিস্ক্যান ব্যবহৃত হয়।
- সিটিস্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পার্শ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে।
- মাথার সিটিস্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়।
- সিটিস্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কিনা তাও জানা যায়৷
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না।

Hounsfield unit:
- ‘Hounsfield unit’ বা ‘হাউনস ফিল্ড ইউনিট’ CT scan-এ Radiodensity বা তেজস্ক্রিয় ঘনত্বের একটি পরিমাপ যা বিভিন্ন টিস্যুতে তাদের এক্স-রে তীব্রতা হ্রাসের বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সংখ্যায় মান প্রকাশ করা যায়।
- Hounsfield unit বিভিন্ন টিস্যুর তেজস্ক্রিয় ঘনত্বের পরিমাপ এবং পার্থক্য করতে CT scan এ ব্যবহৃত হয়।
- Hounsfield unit কোন টিস্যুর বিস্তারিত Cross-sectional চিত্র তৈরিতে কাজ করে।
- CT scan এর আবিষ্কারক Sir Godfrey Hounsfield এর নামানুসারেই ‘Hounsfield unit’ রাখা হয়েছে।

উৎস: 
১) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Title: "Bushberg's Physics of Medical Imaging"
Authors: Stewart C. Bushberg, John M. Boone, Edwin M. Leidholdt Jr., and J. Anthony Seibert
Publisher: Wolters Kluwer
Edition: 4th Edition (2018)
৩,৪২৭.
কম্পনশীল বস্তুর একটি পূর্ণকম্পনে যে সময় লাগে সে সময়ে তরঙ্গ কর্তৃক অতিক্রান্ত দূরত্বকে বলে? 
  1. ক) বিস্তার 
  2. খ) তরঙ্গবেগ 
  3. গ) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 
  4. ঘ) তরঙ্গচূড়া
সঠিক উত্তর:
গ) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ সঞ্চারকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে।
λ দ্বারা একে প্রকাশ করা হয়।
৩,৪২৮.
ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কী?
  1. ক) ক্রেস্কোগ্রাফ
  2. খ) ক্রোনোমিটার
  3. গ) সিসমোগ্রাফ
  4. ঘ) ফ্যাদোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) সিসমোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিসমোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
সিসমোগ্রাফ
- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ
- এ যন্ত্রে মিটারস্কেল ব্যবহার করা হয় বলে একে সিসমোমিটারও বলা হয়।
- সিসমোগ্রাফ ভূ-পৃষ্ঠের আন্দোলন পরিমাপনের এবং ভূমিকম্পের উৎস খুঁজে বের করার যন্ত্র।
- এর সাহায্যে অন্যান্য বিস্ফোরণ, প্রচন্ড ঝড় ইত্যাদির খোঁজ পাওয়া যায়। 
- ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপের জন্য রিখটার স্কেল ব্যবহার করা হয়।

এছাড়াও,
- সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম ক্রেস্কোগ্রাফ।
- ক্রোনোমিটার (Chronometer) - সূক্ষ্ম সময় মাপার যন্ত্রের নাম।

উৎস: Britannica.
৩,৪২৯.
ইনসুলিন কোন ধরনের পদার্থ?
  1. অ্যান্টিবডি
  2. ভিটামিন
  3. এনজাইম
  4. হরমোন
সঠিক উত্তর:
হরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরমোন
ব্যাখ্যা

ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন এক ধরনের হরমোন। 
- ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় (ডায়াবেটিস) রোগ হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৩০.
হীরক ও গ্রাফাইটের সাধারণ উপাদান কী?
  1. কার্বন
  2. আর্গন 
  3. নিয়ন 
  4. সিলিকন
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা

- হীরক ও গ্রাফাইটের সাধারণ উপাদান হলো কার্বন। 

হীরক ধাতু: 
- কার্বন একটি অধাতু ও বিজারক পদার্থ। 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হচ্ছে হীরক। 
- হীরক কাঁচ কাটতে ব্যবহার করা হয়। 
- গ্রাফাইট উত্তম বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে তা ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- যন্ত্রাংশ লুব্রিকেশন করার জন্য এবং কাদা সহযোগে পুড়িয়ে কাঠ পেন্সিলের সীস তৈরীতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৪৩১.
রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায় কোন রোগে?
  1. ক) লিউকোমিয়া
  2. খ) এনিমিয়া
  3. গ) সিরোসিস
  4. ঘ) ব্লাড ক্যান্সার
সঠিক উত্তর:
খ) এনিমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এনিমিয়া
ব্যাখ্যা
যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। কিন্তু এ অবস্থাকে রক্তশূন্যতা বলে না।
এনিমিয়া হলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায় বলে রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণও কমে যায়।
থ্যালাসেমিয়া এক ধরনের বংশগত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত হলেও রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতার সৃষ্টি হয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,৪৩২.
আকাশ নীল দেখায় কারণ- 
  1. লাল আলোর বেগ বেশি
  2. নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য লম্বা
  3. সূর্যের আলোতে নীল রঙ বেশি থাকে
  4. নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি 
সঠিক উত্তর:
নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি 
ব্যাখ্যা

- সূর্যের আলো যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে, তখন তা বায়ুমণ্ডলের গ্যাস ও সূক্ষ্ম ধূলিকণা দ্বারা বাধাগ্রস্ত হয় এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, একে আলোর বিক্ষেপণ বলা হয়। দৃশ্যমান আলোর সাতটি রঙের মধ্যে নীল ও বেগুনি রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হওয়ায় এদের বিক্ষেপণ সবচেয়ে বেশি হয়। আমাদের চোখ নীল রঙের প্রতি বেশি সংবেদনশীল হওয়ায় আকাশকে নীল দেখা যায়। 

আলোর বিক্ষেপণ: 
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এই কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপণ বলে। 
- আলোর বিক্ষেপণ নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। 
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়। ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,৪৩৩.
যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বলা হয় -
  1. ক) জারক
  2. খ) বিকারক
  3. গ) সংযোজক
  4. ঘ) বিজারক
সঠিক উত্তর:
ক) জারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জারক
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৩,৪৩৪.
বিশুদ্ধ কপার বা কাঁসা বা পিতলের তৈরি জিনিসপত্র দীর্ঘদিন বাতাসে থাকার ফলে এদের উপর কালো বা বাদামী বা সবুজ বর্ণের একটি আস্তরণ পড়ে। এই আস্তরণকে কী বলা হয়?
  1. ক) মরিচা
  2. খ) মরীচিকা
  3. গ) তাম্রমল
  4. ঘ) ধাতুমল
সঠিক উত্তর:
গ) তাম্রমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাম্রমল
ব্যাখ্যা
তাম্রমল:
বিশুদ্ধ কপার বা কাঁসা বা পিতলের তৈরি জিনিসপত্র দীর্ঘদিন বাতাসে থাকার ফলে এদের উপর কালো বা বাদামী বা সবুজ বর্ণের একটি আস্তরণ পড়ে। এই আস্তরণকে কপারের তাম্রমল বলা হয়। তাম্রমল তৈরির মাধ্যমে তামা ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।

মরিচা:
আদ্র বাতাসের সংস্পর্শে বাতাসের অক্সিজেনের সঙ্গে লোহার রাসায়নিক বিক্রিয়ায় সৃষ্টি হয় আয়রন অক্সাইডের একধরনের যৌগ। এই যৌগই মরিচা। মরিচা লোহার রং নষ্ট করে। লোহার সামগ্রীতে মরিচা পড়লে তা ক্রমশ ক্ষয়ে ক্ষয়ে ভঙ্গুর হয়ে যায়।

মরীচিকা:
মরীচিকা হচ্ছে আলাের পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের ফল। আলােকরশ্মি যখন ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে। প্রবেশ করে তখন প্রতিসরণের দরুণ অভিলম্ব থেকে দূরে সরে যায়। আর আলাে যখন ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় মানের কোণে বিভেদতলে আপতিত হয় তখন প্রতিসরিত হয়ে প্রথম মাধ্যমেই ফিরে আসে। আর এভাবেই ঘটে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন।আর এর ফলেই সৃষ্টি হয় মরীচিকার। মরুভূমিতে দিনের বেলায় দেখা যায় এই মরীচিকা।

• ধাতুমল:
শিলাস্তূপে প্রচুর পরিমাণ যৌগ বা মুক্ত মৌল হিসেবে মূল্যবান ধাতু ও অধাতু পাওয়া যায়। এ বিশাল শিলাখণ্ড ভেঙ্গে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় রূপান্তর করা হয়।  পরবর্তীতে বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে ধাতু নিষ্কাশন করা হয়। শিলা থেকে অপদ্রব্যসহ প্রাপ্ত ধাতুকে ধাতুমল বলে।
৩,৪৩৫.
কোনটিকে কোষের মস্তিষ্ক বলা হয়?
  1. মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. নিউক্লিয়াস
  3. ক্রোমোজোম
  4. রাইবোজোম
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা

- নিউক্লিয়াসকে কোষের মস্তিষ্ক বা প্রাণশক্তি বলা হয়।
- রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
- জীবদেহের প্রধান উপাদান ক্রোমোজোম।
- মাইটোকনড্রিয়াকে কোষের পাওয়ার হাউজ বলা হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৪৩৬.
ভিনেগার তৈরি করার সময় কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়? 
  1. নাইট্রোজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. অক্সিজেন
  4. কার্বন মনোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
সিরকা বা ভিনেগার: 
- ইথানয়িক এসিডের 4%-10% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলা হয়। 
- ভিনেগার তরল পদার্থ। 
- সাধারণত আচার তৈরি করার সময় ভিনেগার যোগ করা হয়। 

ভিনেগারের প্রস্তুতি: 
25°C-35°C তাপমাত্রায় রাখা একটি স্টিলের পাত্রে ইথানল (CH3CH2OH) এবং অ্যাসিটোব্যাকটর নিয়ে এর মধ্যে অক্সিজেন গ্যাসের বুদবুদ প্রবাহিত করলে ভিনেগার বা অ্যাসিটিক এসিড বা ইথানয়িক এসিড (CH3COOH) প্রস্তুত হয়। 
- অ্যাসিটোব্যাকটর (Acetobacter) ব্যাকটেরিয়া এমন এক ধরনের এনজাইম নিঃসৃত করে যা ইথানলকে অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করতে সাহায্য করে। 


খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের ভূমিকা: 
- ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে আচার ভালো রাখার জন্য আচারের মধ্যে ভিনেগার দিলে আচারকে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করতে পারে না। 
- ভিনেগারের মূল উপাদান ইথানয়িক এসিড। 
- ভিনেগারকে যখন আচারের মধ্যে দেওয়া হয় তখন ইথানয়িক এসিড কর্তৃক ত্যাগকৃত প্রোটন, H+ ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে এবং খাদ্য দীর্ঘকাল ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা পায়। এভাবে ভিনেগার দিয়ে খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪৩৭.
সোডিয়ামের ভর সংখ্যা ২৩ হলে এর নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. ক) ১০
  2. খ) ১১
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৩
সঠিক উত্তর:
গ) ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২
ব্যাখ্যা
যেহেতু ভরসংখ্যা হলাে প্রােটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যােগফল, কাজেই ভরসংখ্যা থেকে প্রােটন সংখ্যা বিয়ােগ করলে নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়।
সােডিয়ামের (Na) ভরসংখ্যা হলাে 23, এর প্রােটন সংখ্যা 11, ফলে এর নিউট্রন সংখ্যা হচ্ছে = 23 -11= 12।
৩,৪৩৮.
তরঙ্গ একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে বলা হয় -
  1. ক) তরঙ্গ দৈর্ঘ্য
  2. খ) তরঙ্গ বেগ
  3. গ) কম্পাঙ্ক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) তরঙ্গ বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তরঙ্গ বেগ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ বেগ: 
তরঙ্গ একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ বেগ বলে।
তরঙ্গ বেগ = কম্পাঙ্ক × তরঙ্গদৈর্ঘ্য

কম্পাঙ্ক:
তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণা বা কম্পনশীল বস্তু প্রতি সেকেন্ডে যতটি স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে কম্পাঙ্ক বলে।
কোনাে কণা t সময়ে N সংখ্যক কম্পন সম্পন্ন করলে কম্পাঙ্ক, f = N/t
কম্পাঙ্কের একক s-1। একে হার্জ (hertz) বলে। একে Hz দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
কোনাে কণা এক সেকেন্ডে একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করলে তার কম্পাঙ্ককে এক হার্জ বলে।

তরঙ্গ দৈর্ঘ্য:
তরঙ্গ সঞ্চারকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বলে। তরঙ্গের উপর পরপর দুটি সমদশা সম্পন্ন কণার মধ্যবর্তী দূরত্বই তরঙ্গ দৈর্ঘ্য। 

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৪৩৯.
কোন কারণে পরমাণু আধান নিরপেক্ষ থাকে?
  1. পরমাণুর মধ্যে শুধু ইলেকট্রন থাকে
  2. পরমাণুর মধ্যে শুধু প্রোটন থাকে
  3. নিউট্রনের সংখ্যা বেশি থাকে 
  4. প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে 
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে 
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন - ১। ইলেকট্রন, ২। প্রোটন ও ৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- ইলেকট্রন (electron) নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৪০.
সোডিয়ামের (Na) নিউট্রন সংখ্যা কত?
  1. ২৩
  2. ১২
  3. ১১
  4. ৩৫
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা

ভর সংখ্যা: 
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যাকে ঐ পরমাণুর ভর সংখ্যা বলা হয়। 
- ইলেকট্রনের ভর প্রায় শূন্য ধরা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম ধাতুর পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা 11 টি এবং নিউট্রন সংখ্যা হল 12 টি। তাই সোডিয়ামের ভর সংখ্যা 23 । 

পারমাণবিক সংখ্যা: 
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic number) বলে। 
- কোনো একটি মৌলের ধর্ম মৌলের পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে, পারমাণবিক সংখ্যাই মৌলের মৌলিক ধর্ম। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাইরে চারদিকে বিভিন্ন শক্তিস্তরে ইলেকট্রনসমূহ নিজস্ব শক্তি অনুযায়ী বিভিন্ন কক্ষপথে অবস্থান নিয়ে ঘুরতে থাকে। 
- ইহাকে Z দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেন (H) পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 1 টি প্রোটন আছে, কাজেই উহার পারমাণবিক সংখ্যা 1 । আবার, কার্বনের পরমাণুতে 6টি প্রোটন আছে, বিধায় কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা 6 । কার্বন পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা 6 টি এবং নিউট্রন সংখ্যা 6 টি। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৪১.
ইউরাসিল কোথায় পাওয়া যায়?
  1. ক) ডি এন এ
  2. খ) জিন
  3. গ) লোকাস
  4. ঘ) আর এন এ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর এন এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আর এন এ
ব্যাখ্যা
আরএনএ (RNA):
• RNA হলো রাইবোনিউক্লিক এসিড (Ribonucleic Acid)।
• অধিকাংশ RNA-তে একটি পলিউক্লিওটাইডের সূত্র থাকে। এতে পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা, অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেন  বেস (এডিনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন এবং ইউরাসিল) থাকে।
• RNA ভাইরাসের ক্রোমোজোমে স্থায়ী উপাদান হিসেবে RNA পাওয়া যায়।
• কিন্তু কিছুসংখ্যক ভাইরাসের ক্ষেত্রে (যেমন— TMV, Tobacco Mosaic Virus) DNA অনুপস্থিত। অর্থাৎ যে সমস্ত ভাইরাস DNA দিয়ে গঠিত নয় তাদের নিউক্লিক এসিড হিসেবে থাকে RNA । এসব ক্ষেত্রে RNA-ই বংশগতির বস্তু হিসেবে কাজ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,৪৪২.
উদ্ভিদকোষের ক্লোরোপ্লাস্ট গঠন ও সংরক্ষণের জন্য কোনটি প্রয়োজন?
  1. বোরন
  2. ম্যাঙ্গানিজ
  3. কপার
  4. মোলিবডেনাম
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য নিচের উপাদানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
যেমন - 
১। ম্যাঙ্গানিজ: উদ্ভিদকোষের ক্লোরোপ্লাস্ট গঠন ও সংরক্ষণের জন্য ম্যাঙ্গানিজ প্রয়োজন। 
২। কপার: টমেটো, সূর্যমুখী উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য কপার বা তামার প্রয়োজন, শ্বসন প্রক্রিয়ার উপরও কপারের প্রভাব উল্লেখযোগ্য। 
৩। বোরন: উদ্ভিদের সক্রিয়ভাবে বর্ধনশীল অঞ্চলের জন্য বোরন প্রয়োজন, চিনি পরিবহনে বোরন পরোক্ষ প্রভাব বিস্তার করে। 
৪। মোলিবডেনাম: অণুজীব দিয়ে বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য মোলিবডেনাম (Mo) আবশ্যক। 
৫। ক্লোরিন: সুপারবিট এর মূল এবং কান্ডের বৃদ্ধির জন্য ক্লোরিন প্রয়োজন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,৪৪৩.
পদার্থ যেই অবস্থায় আছে চিরকাল সেই অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যে প্রবণতা তাকে বলে - 
  1. বেগ
  2. জড়তা
  3. ভরবেগ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জড়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জড়তা
ব্যাখ্যা
জড়তা: 
- পদার্থ যেই অবস্থায় আছে চিরকাল সেই অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যেই প্রবণতা, তাকে জড়তা বলে। 
- জড়তা দুই প্রকার। 
যথা- 
১। স্থিতি জড়তা: 
- স্থির বস্তুর চিরকাল স্থির থাকতে চাওয়ার যেই ধর্ম বা প্রবণতা তাকে স্থিতি জড়তা বলে। 

২। গতি জড়তা: 
- গতিশীল বস্তুর চিরকাল স্থির থাকতে চাওয়ার যেই ধর্ম বা প্রবণতা তাকে স্থিতি জড়তা বলে। 
- গতিশীল গাড়ি হঠাৎ থেমে গেলে গাড়িতে বসা যাত্রী সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে বা হুমড়ি খেয়ে পড়ে। 
- গাড়ি যখন গতিশীল ছিল তখন যাত্রীর শরীরের উপরের অংশ এবং নিচের অংশ উভয়ই গতিশীল ছিল। কিন্তু গাড়ি হঠাৎ থেমে যাওয়ায় গাড়ি সংলগ্ন শরীরের নিচের অংশ সর্বপ্রথম থেমে যায় বা স্থির হয়। কিন্তু উপরের অংশ তখনও গতিশীল থাকায় তা গতিশীলই থাকতে চায়। ফলে আরোহী বা যাত্রী সামনের দিকে ঝুঁকে পরে। এটি গতি জড়তা এর উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৪৪.
কত তরঙ্গবিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভাল হয়? 
  1. ক) 200 nm
  2. খ) 300 nm
  3. গ) 680 nm
  4. ঘ) 500 nm
সঠিক উত্তর:
গ) 680 nm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 680 nm
ব্যাখ্যা

সাধারণত 400 nm থেকে 480 nm এবং 680 nm তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভাল হয়।
সালোকসংশ্লেষণ একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে সবুজ উদ্ভিদ/গাছপালা সূর্যালোকের উপস্থিততে কার্বনডাইঅক্সাইড ও পানি সহযোগে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে, এই প্রক্রিয়াকেই সালোকসংশ্লেষণ বলে।
গাছপালার বেঁচে থাকার জন্য সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে প্রয়োজনীয়। সালোকসংশ্লেষণ ছাড়া উদ্ভিদের শ্বসনের জন্য কার্বোহাইড্রেট থাকত না। এছাড়াও, সালোকসংশ্লেষে উত্পাদিত কার্বোহাইড্রেটগুলি সেলুলোজ কোষ প্রাচীরের মতো উদ্ভিদ কোষ কাঠামো তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

৩,৪৪৫.
মায়োফাইব্রিল কোন ধরনের কোষে দেখা যায়?
  1. ক) স্নায়ু টিস্যু
  2. খ) পেশি টিস্যু
  3. গ) তন্তুজ যোজক টিস্যু
  4. ঘ) কঙ্কাল যোজক টিস্যু
সঠিক উত্তর:
খ) পেশি টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পেশি টিস্যু
ব্যাখ্যা
পেশি টিস্যু:
- ভ্রণীয় মেসোডার্ম থেকে উৎপন্ন বিশেষ ধরনের টিস্যুকে বলা হয় পেশি টিস্যু।
-এরা সংকোচন এবং প্রসারণশীল টিস্যু।
- এদের মাতৃকা প্রায় অনুপস্থিত।
- পেশি কোষগুলো সরু, লম্বা ও তন্তুময়। তন্তুগুলো মাকু আকৃতির।
- এ ধরনের তন্তুকে মায়োফাইব্রিলও বলা হয়।
- পেশি কোষের  সাইটোপ্লাজমে এক বা একাধিক নিউক্লিয়াস থাকে।
- এদের কোষ পর্দাকে সারকোলেমা বলা হয়।
- আড়াআড়ি ডোরাযুক্ত মায়োফাইব্রিলকে বলা হয় ডোরাকাটা পেশি এবং ডোরাবিহীন মায়োফাইব্রিলকে বলা হয় মসৃণ পেশি।

কাজ:
- পেশি কোষ সংকুচিত এবং প্রসারিত হয়ে অঙ্গ সঞ্চালন, চলন ও অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
৩,৪৪৬.
যদি কোন যৌগের জলীয় দ্রবণ নীল লিটমাসকে লাল করে তাহলে সেটি-
  1. ক) ক্ষার
  2. খ) অম্ল
  3. গ) ক্ষারক
  4. ঘ) খর
সঠিক উত্তর:
খ) অম্ল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অম্ল
ব্যাখ্যা
যদি কোন যৌগের জলীয় দ্রবণ নীল লিটমাসকে লাল করে তাহলে সেটি হচ্ছে অম্ল।
কারণ এসিড বা অম্ল নীল লিটমাসকে লাল করে।
৩,৪৪৭.
পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসাবে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) ইউরেনিয়াম
  2. খ) সোডিয়াম
  3. গ) গ্রাফাইট
  4. ঘ) আয়রন
সঠিক উত্তর:
খ) সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোডিয়াম
ব্যাখ্যা
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।
Liquid sodium is used as a coolant in fast breeder reactors on account of its excellent heat transfer properties.
It must, however, be in the pure form to be compatible with structural materials.

- অন্যদিকে, জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
৩,৪৪৮.
নিচের কোনটি পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা?
  1. 0 K
  2. 170.44 K
  3. 273.16 K
  4. 323.27 K
সঠিক উত্তর:
273.16 K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
273.16 K
ব্যাখ্যা
পানির ত্রৈধ বিন্দু:
- 4.5 mm পারদস্তম্ভ চাপে যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ, পানি ও জলীয় বাষ্প তাপীয় সমতায় থাকে, তাকে পানির ত্রৈধ বিন্দু বলে।
- পানির ত্রৈধ বিন্দুর তাপমাত্রা: 273.16 K.
- এর উপর ভিত্তি করে পরম শূন্য তাপমাত্রা 0 K, বরফ বিন্দু 273.15 K এবং স্টিম বিন্দু 373.15 K ধরা হয়।
- তাপমাত্রা পরিমাপের কেলভিন স্কেলে বরফ বিন্দুকে 273.15 K এবং স্টিম বিন্দুকে 373.15 K ধরে মৌলিক ব্যবধানকে 100 ভাগে ভাগ করা হয়।
- এক একটি ভাগকে এক কেলভিন বলা হয়।
- সেলসিয়াস এবং কেলভিন স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে: K = C+273.15

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৪৯.
বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে শতকরা কত ভাগ মিথেন থাকে? 
  1. ৬৫-৭০ ভাগ
  2. ৬০-৬৫ ভাগ 
  3. ৯৫-৯৯ ভাগ 
  4. ৭৫-৮৫ ভাগ 
সঠিক উত্তর:
৯৫-৯৯ ভাগ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫-৯৯ ভাগ 
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস।
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ।
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়।
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ।
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়।
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস।
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়।
- প্রাকৃতিক গ্যাসে সবচেয়ে বেশি পরিমানে থাকে মিথেন।
- প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলাে হলাে-
• মিথেন- ৮০-৯০%, 
• ইথেন- ১৩%, 
• প্রােপেন- ৩%। 
- এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেনও কিছু পরিমাণ থাকে।
- বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫-৯৯%

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৫০.
হিউমাস কী?
  1. ক) মাটিতে বিদ্যমান জৈব পদার্থ
  2. খ) মাটিতে বিদ্যমান অজৈব পদার্থ
  3. গ) মাটিতে বিদ্যমান বিভিন্ন পদার্থ
  4. ঘ) মাটিতে বিদ্যমান উপকারি জীব
সঠিক উত্তর:
ক) মাটিতে বিদ্যমান জৈব পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাটিতে বিদ্যমান জৈব পদার্থ
ব্যাখ্যা
- মাটিতে বিদ্যমান জৈব পদার্থ হিউমাস নামে পরিচিত।
 -হিউমাস আসলে এমিনো এসিড, প্রোটিন, চিনি, এলকোহল, চর্বি, তেল, লিগ্নিন, ট্যানিন ও অনন্য এরোমেটিক যৌগ নিয়ে গঠিত বিশেষ জটিল পদার্থ।
 -এই হিউমাস তৈরি হয় গাছপালা ও মৃত প্রানির দেহাবশেষ থেকে। 

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
৩,৪৫১.
'বৃক্ক' মানবদেহের কোন তন্ত্রের একটি অঙ্গ?
  1. জননতন্ত্র
  2. পরিপাক তন্ত্র
  3. রেচনতন্ত্র
  4. স্নায়ুতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
রেচনতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেচনতন্ত্র
ব্যাখ্যা
মানুষের রেচন প্রক্রিয়া: 

- রেচন মানবদেহের একটি জৈবিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে দেহে বিপাক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন বর্জ্য পদার্থগুলো নিষ্কাশিত হয়। 
- দেহের এ সকল বর্জ্য পদার্থগুলো শরীরে কোন কারণে জমতে থাকলে নানা রকমের অসুখ দেখা দেয়, পরবর্তীতে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। 
- রেচন প্রক্রিয়ায় দেহের বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশিত হয়ে দেহ থেকে বের করে দিয়ে দেহের শারীরবৃত্তীয় ভারসাম্য রক্ষা করে। 
- শরীরের অতিরিক্ত পানি, লবণ, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জৈব পদার্থগুলো সাধারণত রেচনের মাধ্যমে বাইরে বের করে দেওয়া হয়। 
- রেচন পদার্থ নিষ্কাশনের জন্য মানবদেহে সুনির্দিষ্ট অঙ্গ রয়েছে। 
- যে সব অঙ্গ রেচন কাজে অংশ গ্রহণ করে তাদেরকে রেচন অঙ্গ বলা হয়। এটি রেচনতন্ত্র নামে পরিচিত। 
- রেচনতন্ত্রের মাধ্যমে শতকরা ৮০% রেচন পদার্থ নিষ্কাশিত হয়। বাকি ২০% রেচন পদার্থ বিভিন্ন ক্রিয়াকর্মে উৎপন্ন ও বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়। 
- মানবদেহের রেচনতন্ত্রের একটি অঙ্গ হলো- বৃক্ক বা Kidney.  
- আর বৃক্কের একক হলো নেফ্রন। 

ছবির উৎস: কালের কণ্ঠ

রেচন পদার্থ:  
- রেচন পদার্থ বলতে মূলত নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থকে বোঝায়। 
- রেচন পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে আসে। 
- যেমন: নাইট্রোজেনঘটিত যৌগ অ্যামোনিয়া, ইউরিক অ্যাসিড, ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন, কার্বন ডাইঅক্সাইড, পিত্ত রঞ্জক, বিভিন্ন ধরনের লবণ এবং ঘাম ও পানি বিপাকীয় বর্জ্য পদার্থ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৫২.
B.T.U এর পূর্ণ রূপ কী?
  1. ক) Board Of Trade unit
  2. খ) Board Of Tax unit
  3. গ) Board Of Transport
  4. ঘ) Board Of Transmission
সঠিক উত্তর:
ক) Board Of Trade unit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Board Of Trade unit
ব্যাখ্যা
- B.O.T বা B.T.U : তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান কিলোওয়াট ঘন্টা (kWh) এককে শক্তির পরিমাপ করে।
 -সারা বিশ্বে তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান এ একক ব্যবহার করে।
- এজন্য এ একককে বোর্ড অব ট্রেড ইউনিট (Board Of Trade unit) বলে।
- সংক্ষেপে একে শুধু ইউনিট বলে।

সূত্র - SSC, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বোর্ড বই
৩,৪৫৩.
প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়‒
  1. ক) ইথেন
  2. খ) এমোনিয়া
  3. গ) মিথেন
  4. ঘ) বিউটেন
সঠিক উত্তর:
গ) মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিথেন
ব্যাখ্যা
- প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়‒মিথেন।
- প্রাণীর মলমূত্র বিশেষ করে গরু, ঘােড়া, মহিষ ইত্যাদির গােবরের কিছু পচা লতা-পাতা ও পানি মিশালে গাঁজন বা ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়া সংগঠিত হয়।
- এ প্রক্রিয়ায় যে গ্যাসীয় মিশ্রণ উৎপন্ন হয় তাই বায়ােগ্যাস।
- বায়ােগ্যাসের উপাদানগুলাের মধ্যে মিথেন (CH4), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), হাইডােজেন সালফাইড (H2S) ও হাইড্রোজেন (H2) থাকে।
- এর শতকরা ৬০-৭০ ভাগই মিথেন গ্যাস।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
৩,৪৫৪.
Constellation বলতে নিচের কোনটিকে বোঝানো হয়?
  1. আকাশগঙ্গা
  2. প্রক্সিমা সেন্টারাই
  3. নক্ষত্রমণ্ডলী
  4. উল্কা
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্রমণ্ডলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্রমণ্ডলী
ব্যাখ্যা
নক্ষত্রমণ্ডলী (Constellation):
- মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে।
- এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে দেখা নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে।
- প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্রদলকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে বিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে বিভিন্ন নাম দিয়েছেন। - এদের কোনোটা দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটা শিকারির মতো।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: 
- সপ্তর্ষিমণ্ডল (Great Bear),
- কালপুরুষ (Orion),
- ক্যাসিওপিয়া (Cassiopeia),
- লঘুসপ্তর্ষি (Little Bear),
- বৃহৎ কুকুরমন্ডল (Canis Major) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,৪৫৫.
বিএমআর এর মান নির্ভর করে-
  1. বয়সের উপর
  2. লিঙ্গের উপর
  3. শরীরের গঠনের উপর
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বিএমআর ও ব্যয়িত শক্তির সম্পর্ক: 
- বিএমআর (Body Mass Index) মানবদেহের গড়ন ও চর্বির একটি সূচক নির্দেশ করে। 
- বিএমআর মান বয়স, লিঙ্গ, খাদ্যাভ্যাস ও শরীরের গঠনের উপর নির্ভরশীল। 
- দৈনিক খাদ্য চাহিদার সাথে বিএমআর এর মান নিয়ন্ত্রণ লক্ষ্য করা যায়। 
- বিএমআর শরীরে ৬০-৭৫ ভাগ শক্তি উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে, শরীর খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে মাত্র ১০-২০ শতাংশ ও শ্রমের মাধ্যমে ২০-৩০ শতাংশ শক্তি পেয়ে থাকে। 
- মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে বিএমআর এর মান কমতে থাকে, আবার অনেকেই শুকনো থাকার জন্য খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে ফেলে। এতে বিএমআর মান আরও কমে যায়, ফলে আর শুকানো যায় না। তাই খাদ্য গ্রহণের পরিমাণ না কমিয়ে যদি প্রতিদিন পরিমিত শারীরিক পরিশ্রম করা হয় তাতে বিএমআর মান বেড়ে যাবে এবং স্বাস্থ্য সম্মত উপায়ে শরীরকে সুস্থ সবল রাখা যাবে। 
- বিএমআই (BMI) মান নির্ণয়: বিএমআই = দেহের ওজন (Kg)/দেহের উচ্চতা (মিটার)  । 

মান নির্দেশিকা: 
- বিএমআই ১৮.৫ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর নিচে হলে শরীরের ওজন কম, পরিমিত খাদ্য গ্রহণে ওজন বাড়াতে হবে। 
- বিএমআই ১৮.৫-২৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে সুস্বাস্থ্যের আদর্শ মান। 
- বিএমআই ২৫-২৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে শরীরের অতিরিক্ত ওজন, ব্যায়াম করে ওজন কমানো দরকার। 
- বিএমআই ৩০-৩৪.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার প্রথম স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন। 
- বিএমআই ৩৫-৩৯.৯ কিলোগ্রাম/(মিটার) হলে মোটা হওয়ার দ্বিতীয় স্তর, পরিমিত খাবার ও ব্যায়াম করা প্রয়োজন। 
- বিএমআই ৪০ কিলোগ্রাম/(মিটার) এর উপরে হলে অতিরিক্ত মোটাত্ব, মৃত্যু ঝুঁকির সম্ভাবনা, ডাক্তারের পরামর্শ প্রয়োজন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৫৬.
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীতে আগত রশ্মির কণাকে কী বলে ?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) কসমিক রশ্মি
  4. ঘ) গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) কসমিক রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কসমিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
কসমিক রশ্মি:
- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে কণাসমূহ প্রবেশ করে, তাদের সমষ্টিকে মহাজগতিক রশ্মি বা কসমিক রশ্মি বলে। 
- বিজ্ঞানী ভিক্টর হেস ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৪৫৭.
তেজস্ক্রিয়তা ঘটনাটির প্রকৃতি কেমন?
  1. চাপ নিয়ন্ত্রিত
  2. চৌম্বক ঘটনা দ্বারা প্রভাবিত হয়
  3. স্বতঃস্ফূর্ত
  4. বিদ্যুৎ প্রভাবিত
সঠিক উত্তর:
স্বতঃস্ফূর্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বতঃস্ফূর্ত
ব্যাখ্যা
• তেজস্ক্রিয়তা:
- তেজস্ক্রিয় মৌল হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কণা এবং রশ্মি নির্গত হওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) বলা হয়। 

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ সাধারণত আলফা ও বিটা-এ দুই প্রকারের তেজস্ক্রিয় কণা এবং গামা রশ্মি নিঃসরণ করে।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি সম্পূর্ণ নিউক্লিয়ার ঘটনা এবং এর মাধ্যমে নিউক্লিয়াসের ভাঙনের ফলে একটি মৌল আর একটি নতুন মৌলে রূপান্তরিত হয়।
- তেজস্ক্রিয়া একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রকৃতি নিয়ন্ত্রিত ঘটনা।
- এটি চাপ, তাপ, বিদ্যুৎ বা চৌম্বকক্ষেত্রের ন্যায় বাইরের কোনো প্রক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয় না।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
৩,৪৫৮.
যে ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই একসাথে উপস্থিত থাকে তাকে কী বলে?
  1. ক) আদর্শ ফুল
  2. খ) ক্লীব ফুল
  3. গ) উভলিঙ্গ ফুল
  4. ঘ) সবৃন্তক ফুল
সঠিক উত্তর:
গ) উভলিঙ্গ ফুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উভলিঙ্গ ফুল
ব্যাখ্যা
ফুলের প্রকারভেদ : যে ফুলে পাঁচটি অংশ উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলা হয়। এর যে কোনো একটি অংশ না থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলা হয়।
বৃন্তযুক্ত ফুলকে সবৃন্তক এবং বৃন্তহীন ফুলকে অবৃন্তক ফুল বলা হয়।
যখন কোন ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে তখন সেটি উভলিঙ্গ ফুল।
আবার পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যে কোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল এবং দুটিই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল বলা হয়।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৫৯.
RNA ভাইরাসঘটিত রোগ নয় কোনটি?
  1. মাম্পস
  2. পীতজ্বর
  3. রুবেলা
  4. প্যাপিলোমা
সঠিক উত্তর:
প্যাপিলোমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যাপিলোমা
ব্যাখ্যা
RNA ভাইরাসঘটিত রোগ: 
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়। 
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- ইনফ্লুয়েঞ্জা বি (মানব), পোলিও (মানব), রুবেলা (মানব), পীতজ্বর (মানব), ডেঙ্গু (মানব), Encephalitis (Human), Leukemia (cat), মাম্পস (মানব), Measles (Human), Cold (Human), Newcastle disease (fowl), Rous sarcoma (bird), Rabies (dog), Potato yellow dwarf, Vesicular stomatitis (cattle), Tobacco mosaic, Sugarcane mosaic, fd (Pseudomonas), Cucumber mosaic, f2, fr1, R17 কলিফাজ ইত্যাদি।  

DNA ভাইরাসঘটিত রোগ: 
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়। 
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- হার্পিস সিমপ্লেক্স (মানব), Tipula irridescent, Rabbitpox, Vaccinia (bovine), ভেরিওলা (মানব), Pustular dermatitis (Sheep), এডেনা গ্রুপ, প্যাপিলোমা (মানব), পলিওমা, ΦX174 কলিফাজ, Cauliflower mosaic ও Adenoassociaed ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং ভাইরাসতত্ত্ব পরিচয় (আহমেদ মাতীন)।
৩,৪৬০.
খাদ্যের উপাদান মোট কতটি? 
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. ছয়টি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়টি
ব্যাখ্যা
খাদ্য উপাদান: 
- পুষ্টিবিজ্ঞান অনুসারে তাদেরকেই খাদ্য বলে যেগুলো জীবদেহের বৃদ্ধি, শক্তি উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ এবং ক্ষয়পূরণ করে অর্থাৎ এক কথায় দেহের পুষ্টি সাধন করে। 
- খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয়, তাদেরকে একসঙ্গে পরিশোষক বা নিউট্রিয়েন্টস ( Nutrients) বলে। 
যেমন - গ্লুকোজ, খনিজ লবণ, ভিটামিন ইত্যাদি হচ্ছে নিউট্রিয়েন্টস। 
- খাদ্যের কাজ প্রধানত তিনটি। 
যথা - 
১। খাদ্য দেহের গঠন, বৃদ্ধিসাধন, ক্ষয়পূরণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করে।  
২। খাদ্য দেহে তাপ উৎপাদন করে, কর্মশক্তি প্রদান করে। 
৩। খাদ্য রোগ প্রতিরোধ করে, দেহকে সুস্থ, সবল এবং কর্মক্ষম রাখে। 

- খাদ্যের উপাদান মোট ছয়টি (৬) টি। যথা- 
• শর্করা, 
• আমিষ, 
• স্নেহ, 
• ভিটামিন, 
• খনিজ লবণ এবং 
• পানি। 
- এগুলোর মধ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহ পদার্থ (ফ্যাট) দেহ পরিপোষক খাদ্য। 
- খাদ্যের শর্করা ও স্নেহকে বলা হয় শক্তি উৎপাদক খাদ্য এবং আমিষযুক্ত খাদ্যকে বলা হয় দেহ গঠনের খাদ্য। 
- ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি দেহ সংরক্ষক খাদ্য উপাদান, যেগুলো দেহের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪৬১.
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ শক্তির উৎস-
  1. ক) খনিজ তেল
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) পাহাড়ী নদী
  4. ঘ) ওপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ শক্তির উৎস-খনিজ তেল,প্রাকৃতিক গ্যাস,পাহাড়ী নদী

সাধারণত বিদ্যুৎ শক্তির বাণিজ্যিক হিসাবের জন্য কিলোওয়াট-ঘন্টা একক ব্যবহৃত হয়।
এক কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোন যন্ত্র এক ঘন্টা কাজ করলে যে শক্তি ব্যয় হয় তাকে এক কিলোওয়াট ঘন্টা বলে।
কোন পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য পরিমাপ করা হয় ভোল্ট একক দ্বারা।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান (১ম পত্র) বোর্ড বই
৩,৪৬২.
বংশগতি বিদ্যার জনক কে?
  1. ক) রাদারফোর্ড
  2. খ) মেন্ডেল
  3. গ) ভন লিউয়েন হুক
  4. ঘ) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
সঠিক উত্তর:
খ) মেন্ডেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেন্ডেল
ব্যাখ্যা
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেলকে বংশগতি বিদ্যার জনক বলা হয়৷ 
- তিনি ১৮৬৬ সালে মটরশুঁটি নিয়ে গবেষণাকালে বংশগতির ধারক ও বাহকরূপে যে ফ্যাক্টরের কথা উল্লেখ করেছিলেন সেটি আজ 'জিন' রূপে পরিচিত হয়েছে।
- মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য উদ্ভিদের বংশধরদের মধ্যে কিভাবে প্রকাশ পায়, সে সম্বন্ধে তিনি পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যবান তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন৷
 
অপরদিকে, 
- ১৯১১ সালে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন।
- ১৬৮৩ সালে ডাচ বিজ্ঞানী লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 
- ১৯২৮ সালে স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং প্রথম পেনিসিলিন নামক অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন।
- বিজ্ঞানী জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক ১৯৫৩ সালে DNA অণুর কাঠামোর বর্ণনা দেন৷
- ইংলিশ জীববিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন সর্বপ্রথম বিবর্তনের ধারণা দেন। 
- ১৮৫৯ সালে তাঁর আলোড়ন সৃষ্টিকারী গ্রন্থ 'অরিজিন অব স্পিসিস' এ প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্ব উপস্থাপন করেন যা বৈজ্ঞানিক মহলে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়।

উৎসঃ বিজ্ঞান এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪৬৩.
প্রশমন বিক্রিয়ায় কী উৎপন্ন হয়?
  1. ক) লবণ
  2. খ) পানি
  3. গ) উভয়ই
  4. ঘ) শক্তি
  5. ঙ) কোনোটিই না
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়ই
ব্যাখ্যা
প্রশমন বিক্রিয়ায় এসিড এবং ক্ষার একত্রে মিশালে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই।
৩,৪৬৪.
টয়লেট্রিজ ও ভ্যাসলিন তৈরিতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. গ্যাসোলিন 
  2. পিচ
  3. ন্যাপথা 
  4. প্যারাফিন মোম 
সঠিক উত্তর:
প্যারাফিন মোম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারাফিন মোম 
ব্যাখ্যা

পেট্রোলিয়াম গ্যাস: 
- এ অংশের স্ফুটনাঙ্ক 0°C থেকে 20°C পর্যন্ত। এ অংশে যে হাইড্রোকার্বনসমূহ থাকে তাদের অণুতে কার্বন সংখ্যা 1 থেকে 4 পর্যন্ত। পেট্রোলিয়ামে শতকরা দুই ভাগ পেট্রোলিয়াম গ্যাস থাকে। এ গ্যাসকে চাপ প্রয়োগ করে তরলে পরিণত করে সিলিন্ডারে ভর্তি করা হয় এবং LPG (Liquefied Petroleum Gas) নামে রান্নার কাজে ও অন্যান্য কাজে তাপ উৎপাদনের জন্য ব্যবহার করা হয়। 

পেট্রোল (গ্যাসোলিন): 
- এ অংশের স্ফুটনাঙ্ক 21°C থেকে 70°C পর্যন্ত। এ অংশে যে হাইড্রোকার্বনসমূহ থাকে তাদের অণুতে কার্বন সংখ্যা 5 থেকে 10 পর্যন্ত। পেট্রোলিয়ামে শতকরা 5 ভাগ পেট্রল থাকে। একে গ্যাসোলিনও বলা হয়। যানবাহনের ইঞ্জিনে জ্বালানি হিসেবে গ্যাসোলিন ব্যবহার করা হয়। 

ন্যাপথা: 
- এ অংশের স্ফুটনাঙ্ক 71°C থেকে 120°C পর্যন্ত। এ অংশে যে হাইড্রোকার্বনসমূহ থাকে তাদের অণুতে কার্বন সংখ্যা 7 থেকে 14 পর্যন্ত। পেট্রোলিয়ামে শতকরা 10 ভাগ ন্যাপথা থাকে। জ্বালানি ও পেট্রোকেমিক্যাল শিল্পে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ও অন্যান্য অনেক ব্যবহার্য দ্রব্য তৈরি করা হয়। 

কেরোসিন: 
- এ অংশের স্ফুটনাঙ্ক 121°C থেকে 170°C পর্যন্ত। এ অংশে যে সকল হাইড্রোকার্বন থাকে তাদের অণুতে কার্বন সংখ্যা 11 থেকে 16 পর্যন্ত। পেট্রোলিয়ামে শতকরা 13 ভাগ কেরোসিন থাকে। পেট্রোলিয়ামের এই অংশকে জেট ইঞ্জিনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

ডিজেল: 
- এ অংশের স্ফুটনাঙ্ক 171°C থেকে 270°C পর্যন্ত। এ অংশে যে হাইড্রোকার্বনসমূহ থাকে তাদের অণুতে কার্বন সংখ্যা 17 থেকে 20 পর্যন্ত। যানবাহনের জ্বালানি, পিচ্ছিলকারক পদার্থ ও দ্রাবক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

প্যারাফিন মোম: 
- এ অংশের স্ফুটনাঙ্ক 271°C থেকে 340°C পর্যন্ত। এ অংশে যে হাইড্রোকার্বনসমূহ থাকে তাদের অণুতে কার্বন সংখ্যা 20 থেকে 30 পর্যন্ত। প্যারাফিন মোম টয়লেট্রিজ এবং ভ্যাসলিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

পিচ: 
- এ অংশের স্ফুটনাঙ্ক 340°C থেকে উচ্চ তাপমাত্রা পর্যন্ত। এ অংশে যে হাইড্রোকার্বনসমূহ থাকে তাদের অণুতে কার্বন সংখ্যা 30 এর বেশি। রাস্তা তৈরিতে এটি কাজ লাগে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৪৬৫.
কয়লা কোন ধরনের শিলা?
  1. ক) জৈব শিলা
  2. খ) আগ্নেয় শিলা
  3. গ) পাললিক শিলা
  4. ঘ) রূপান্তরিত শিলা
সঠিক উত্তর:
গ) পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)।
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। যথা: অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস এবং লিগনাইট।
- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে।
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে।
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,৪৬৬.
কোনটির ভর সবচেয়ে নগন্য?
  1. ক) ইলেকট্রন
  2. খ) প্রোটন
  3. গ) নিউট্রন
  4. ঘ) নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
ক) ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনের ভর 9.1093837015 × 10−31 kg
নিউট্রনের ভর 1.67493 × 10−27 kg
প্রোটনের ভর 1.67262 × 10−27 kg


সূত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান। 

৩,৪৬৭.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে অরোরা সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ট্রপোমণ্ডল
  2. খ) স্ট্র্যাটোমণ্ডল
  3. গ) মেসােমন্ডল
  4. ঘ) আয়নমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়নমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়নমন্ডল
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের আয়নোস্ফিয়ারে অরোরা সৃষ্টি হয়।
সূর্য থেকে আসা আয়ন  বায়ুমন্ডলের অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন অণুর সাথে সংঘর্ষের ফলে যে শক্তি উৎপন্ন হয় তা আলোকরূপে নির্গত হয়। অক্সিজেন কণা সবুজ ও লাল আলো এবং নাইট্রোজেন কণা নীল ও পার্পল আলোর সৃষ্টি করে।
পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এলাকায় রাতের আকাশে অরোরা দেখা যায়, বাংলায় যাকে বলে মেরুজ্যোতি বা মেরুপ্রভা। 


ছবিতে অরোরা।

সূত্র: National Geographic ও Nasa
৩,৪৬৮.
সবচেয়ে শক্তিশালী তেজষ্ক্রিয় রশ্মি কোনটি?
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. এক্স-রে রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা

• সবচেয়ে শক্তিশালি তেজষ্ক্রিয় রশ্মি গামা রশ্মি

• তেজষ্ক্রিয় রশ্মি: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি”। পরবর্তিতে মাদাম কুরী  এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:

১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা (a), বিটা কণিকা (β) ও গামা রশ্মি (y) নির্গত হয়।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

অপশন আলোচনা:

আলফা রশ্মি:
- ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম।
- বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।

বিটা রশ্মি:
- ভেদন ক্ষমতা আলফা রশ্মির চেয়ে বেশী।
- বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।

গামা রশ্মি:
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
- এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল।
- বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
- ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
- শক্তি ও ফ্রিকোয়েন্সি সর্বাধিক।
- চার্জ ও ভর নেই।

এক্স-রে রশ্মি:
- এক্স-রে শক্তিশালী হলেও এটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি নয়, বরং কৃত্রিমভাবে উৎপন্ন হয়।

এ কারণে গামা রশ্মি সবচেয়ে শক্তিশালী তেজস্ক্রিয় রশ্মি।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৬৯.
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম প্রধান কারণ নিচের কোনটি?  
  1. ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
  2. খ) সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালন
  3. গ) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
  4. ঘ) সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে। সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণসমূহ হলো -নিয়ত বায়ুপ্রবাহ, পৃথিবীর আহ্নিক গতি প্রভৃতি। স্বল্পতম সময়ে ও সংক্ষিপ্ত পথে জাহাজ চালাতে নাবিকেরা সমুদ্রস্রোত অনুসরণ করেন। স্রোতের অনুকূলে জাহাজ চালিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে গন্তব্য বন্দরে পৌঁছানো যায়।
সমুদ্রস্রোতকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- উষ্ণ স্রোত এবং স্রোত। নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি হালকা হয় 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
৩,৪৭০.
p-n জাংশনের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ কীভাবে প্রবাহিত হয়? 
  1. বিপরীতমুখী ঝোঁকে
  2. মধ্যবর্তী ঝোঁকে
  3. সম্মুখী ঝোঁকে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সম্মুখী ঝোঁকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মুখী ঝোঁকে
ব্যাখ্যা

• p-n জাংশনের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ সকল ক্ষেত্রে মূলত সম্মুখী ঝোঁকে (গ) প্রবাহিত হয়, অর্থাৎ p-পদার্থ থেকে n-পদার্থের দিকে বৈদ্যুতিক ধারা যায়। বিপরীতমুখী ঝোঁকে প্রায়ই খুব সামান্য লিকেজ কারেন্ট ছাড়া প্রবাহ ঘটে না।

p-n জাংশন বা ডায়োড: 
- p-n জাংশন দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলে সম্মুখী ঝোঁকে। 
- একটি p- টাইপ এবং একটি n- টাইপ অর্ধপরিবাহীকে বিশেষ ব্যবস্থায় সংযুক্ত করলে সংযোগ পৃষ্ঠকে p-n জাংশন বলে। 
- একটি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী কেলাসের এক অংশ p- বা n- টাইপ সৃষ্টিকারী অপদ্রব্য এবং অপর অংশে যথাক্রমে n- বা p- টাইপ সৃষ্টিকারী অপদ্রব্য অত্যন্ত সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে উচ্চ তাপমাত্রায় মিশিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়। 
- p-n জাংশন মধ্য দিয়ে শুধুমাত্র একধরনের আধান বাহক অনায়েসে প্রবাহিত হতে পারে কিন্তু বিপরীতধর্মী বাহক প্রবাহিত হতে পারেনা। 
- p-n জাংশনকে জাংশন ডায়োড বলে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ একমুখীকরণে এবং অনেক ইলেকট্রনিক ডিভাইসে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৭১.
নিম্নের কোন ফলে ম্যালিক এসিড বিদ্যমান?
  1. ক) কমলা
  2. খ) আনারস
  3. গ) আমলকি
  4. ঘ) টমেটো
সঠিক উত্তর:
খ) আনারস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আনারস
ব্যাখ্যা
- আপেল, আনারসে থাকে ম্যালিক এসিড;
- আঙ্গুর, কমলা, লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড;
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড;
- টমেটোতে থাকে অক্সালিক এসিড;
- আমলকিতে থাকে এসকরবিক এসিড।

উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৩,৪৭২.
বাংলাদেশে প্রথম এইডস রোগী চিহ্নিত করা হয়-
  1. ক) ১৯৮১ সালে
  2. খ) ১৯৮৫ সালে
  3. গ) ১৯৮৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
৫ জুন ১৯৮১ সালে বিশ্বের প্রথম এইডস রোগী চিহ্নিত করা হয় যুক্তরাষ্ট্রে এবং বাংলাদেশে প্রথম এইডস রোগী চিহ্নিত করা হয় ১৯৮৯ সালে।
৩,৪৭৩.
রেশমের মূল গাঠনিক পদার্থ-
  1. ক) এপিসিন
  2. খ) ব্রাসিসিন
  3. গ) সেরিসিন
  4. ঘ) এরিসিন
সঠিক উত্তর:
গ) সেরিসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেরিসিন
ব্যাখ্যা
রেশম সুতা উৎপাদনের লক্ষ্যে রেশমপোকা প্রতিপালনকে রেশম চাষ বলে। এটি ফলিত প্রাণিবিজ্ঞান এর অন্যতম একটি শাখা। রেশম চাষের ইংরেজি শব্দ Sericulture - এর আভিধানিক অর্থ Culture of Sericine বা সেরিসিন নামক এক ধরনের প্রোটিন এর লালন। এই সেরিসিন হলো রেশমের ‍মূল গাঠনিক পদার্থ।
৩,৪৭৪.
সেন্টার ট্যাপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় কোন ধরনের রেকটিফায়ারে?
  1. ক) হাফ ওয়েভ
  2. খ) ফুল ওয়েভ
  3. গ) ব্রীজ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ফুল ওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফুল ওয়েভ
ব্যাখ্যা
সেন্টার ট্যাপ ট্রান্সফরমার:
- একটি সেন্টার ট্যাপ ট্রান্সফরমার হল এমন একটি ডিভাইস যা তার সেকেন্ডারি উইন্ডিংয়ের মাঝখানে ট্যাপ করে। 
- সেন্টার ট্যাপড ট্রান্সফরমার "টু ফেজ থ্রি ওয়্যার" ট্রান্সফরমার নামেও পরিচিত।
- এটি একটি একক ইনপুট চক্রের জন্য দুটি আউটপুট চক্র সরবরাহ করে। একটি V ভোল্ট ট্রান্সফরমার এটিকে কেন্দ্রে ট্যাপ করে তৈরি করা দুটি অর্ধেক উইন্ডিং জুড়ে প্রতিটি V/2 ভোল্ট পরিমাপ করে। 
- ফুল ওয়েভ রেকটিফায়ার হল সেন্টার ট্যাপ ট্রান্সফরমারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রয়োগ।
- একটি সম্পূর্ণ তরঙ্গ সংশোধনকারীর জন্য এসি সংকেত থেকে সম্পূর্ণ ডিসি আউটপুট প্রয়োজন। কেন্দ্রের ট্যাপ ট্রান্সফরমার উভয় চক্রে কারেন্টের অনুমতি দিয়ে এটি করে।

উৎস: lambdagreeks. 
৩,৪৭৫.
সালোকসংশ্লেষণে ATP ও NADPH2 কোন ধাপে উৎপন্ন হয়?
  1. ক) আলোক-নিরপেক্ষ পর্যায়ে
  2. খ) আলোক পর্যায়ে
  3. গ) চক্রীয় ফসফোরাইলেশনে
  4. ঘ) অচক্রীয় ফসফোরাইলেশনে
সঠিক উত্তর:
খ) আলোক পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলোক পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• সালোকসংশ্লেষণে ATP ও NADPH2 আলোক পর্যায় ধাপে উৎপন্ন হয়।
- সালোকসংশ্লেষণের আলোক পর্যায়ে আলো অপরিহার্য । 
- এ পর্যায়ের সমস্ত বিক্রিয়া আলোর উপস্থিতিতে সংঘটিত হয় বলে একে আলোক রাসায়নিক বিক্রিয়াও বলে। 
- ATP (Adenosine Triphosphate) একটি জৈব যৌগ যা জীবিত কোষকে বিভিন্ন প্রক্রিয়া চালিত করার জন্য শক্তি সরবরাহ করে। 
- NADP (Nicotinamide Adenine Dinucletide Phosphate) একটি সহ উৎপাদ হিসেবে ব্যবহৃত এনাবলিক প্রতিক্রিয়া যা লিপিড বা নিউক্লিক অ্যাসিড এবং NADPH সংশ্লেষণে প্রয়োজন।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭৬.
অবতল লেন্সে কোন ধরনের বিম্ব গঠিত হয়?
  1. ক) অবাস্তব, সোজা ও খর্বিত
  2. খ) বাস্তব ও উলটো
  3. গ) অবাস্তব, সোজা ও বিবর্ধিত
  4. ঘ) অবাস্তব, উলটো ও খর্বিত
সঠিক উত্তর:
ক) অবাস্তব, সোজা ও খর্বিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অবাস্তব, সোজা ও খর্বিত
ব্যাখ্যা
অবতল লেন্সের সামনে লক্ষ্যবস্তু থাকলে তার অবাস্তব, সোজা ও খর্বিত বিম্ব গঠিত হয়। আবার উত্তল লেন্সে লক্ষ্যবস্তুর অবাস্তব, সোজা ও বিবর্ধিত বিম্ব গঠিত হয়। উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।
৩,৪৭৭.
কোন তাপমাত্রায় ১ লিটার পানির ওজন সবচেয়ে বেশি হয়?
  1. ০° সেলসিয়াস
  2. ৪° সেলসিয়াস
  3. - ২৭৩° সেলসিয়াস
  4. ১০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৪° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

পানি: 
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়। 
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
অর্থাৎ, ১ সি.স. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি।

- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। 
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। 
- আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৪৭৮.
বিদ্যুৎ প্রবাহের একক কোনটি? 
  1. ভোল্ট
  2. ওয়াট
  3. জুল
  4. অ্যাম্পিয়ার
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
ব্যাখ্যা
- তড়িৎ কারেন্ট হলো কোন তড়িৎ পরিবাহকের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
- অর্থাৎ কোনো পরিবাহকের যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্যদিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 

অন্যদিকে, 
- ক্ষমতার একক ওয়াট।  
- কাজ ও তাপের একক জুল। 
- তড়িৎ বিভব মাপার জন্য ব্যবহৃত হয় ভোল্ট। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪৭৯.
কোন বস্তুর ত্বরণ বলতে কী বুঝায়?
  1. ক) সময়ের সাথে দ্রুতি পরিবর্তনের হার
  2. খ) সময়ের সাথে দ্রুতির বৃদ্ধির হার
  3. গ) সময়ের সাথে অবস্থান পরিবর্তনের হার
  4. ঘ) সময়ের সাথে বেগ বৃদ্ধির হার
সঠিক উত্তর:
ঘ) সময়ের সাথে বেগ বৃদ্ধির হার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সময়ের সাথে বেগ বৃদ্ধির হার
ব্যাখ্যা
সময়ের সাথে বস্তুর অসম বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলে। ত্বরণ ২ প্রকার হতে পারে, যথা-সুষম ত্বরণ ও অসম ত্বরণ। উৎসঃ ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান
৩,৪৮০.
মানুষের প্রধান খাদ্য কোনটি?
  1. ক) শর্করা
  2. খ) আমিষ
  3. গ) স্নেহ
  4. ঘ) ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
ক) শর্করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শর্করা
ব্যাখ্যা
- শর্করা হচ্ছে মানুষের প্রধান খাদ্য। কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন নিয়ে শর্করা তৈরি হয়। শর্করা বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং অল্প মিষ্টি স্বাদযুক্ত। শর্করা আমাদের শরীরে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদন করে।

- কয়েক ধরনের শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট রয়েছে এবং এদের উৎসও ভিন্ন।
যেমন:

উদ্ভিজ্জ উৎস
শ্বেতসার বা স্টার্চ: ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা স্টার্চের প্রধান উৎস। এছাড়া আলু, রাঙা আলু এবং কচুতেও শ্বেতসার বা স্টার্চ পাওয়া যায়।
সেলুলোজ: বেল, আম, কলা, তরমুজ, বাদাম, শুকনো ফল এবং সব ধরনের শাক-সবজিতে সেলুলোজ থাকে। 
সুক্রোজ: আখের রস, চিনি, গুড় এবং মিছরি এর উৎস।
ফ্রোক্টোজ: আম, পেঁপে, কলা, কমলালেবু প্রভৃতি মিষ্টি ফলে এবং ফুলের মধুতে ফ্রোক্টোজ থাকে। একে ফল শর্করাও বলা হয়ে থাকে।
গ্লকোজ: এটি চিনির তুলনায় মিষ্টি কম। এই শর্করাটি আঙুর, আপেল, গাজর,খেজুর ইত্যাদিতে পাওয়া যায়।

প্রাণিজ উৎস
ল্যাকটোজ বা দুধ শর্করা: গরু, ছাগল এবং অন্যান্য প্রাণীর দুধে এই শর্করা থাকে।
গ্লাইকোজেন: পশু ও পাখিজাতীয় (যেমন: মুরগি, কবুতর প্রভৃতি ইত্যাদি) প্রাণীর যকৃৎ এবং মাংসে (পেশি) গ্লাইকোজেন শর্করাটি থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,৪৮১.
উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র কোনটি?
  1. ট্যাকোমিটার
  2. ক্রেসকোগ্রাফ
  3. ক্রনোমিটার
  4. ওডোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক্রেসকোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রেসকোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
ক্রেসকোগ্রাফ: 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম 'ক্রেসকোগ্রাফ'। 
- এটি আবিষ্কারক হলেন জগদীশচন্দ্র বসু। 
- তিনি প্রচুর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেছিলেন যে, উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবনের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য আছে। 

অন্যদিকে, 
- উড়োজাহাজের গতি নির্নায়ক যন্ত্র - ট্যাকোমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্নায়ক যন্ত্র - ওডোমিটার।
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৩,৪৮২.
তড়িৎ বিভবের ব্যবহারিক একক হলো -
  1. অ্যাম্পিয়ার
  2. ওহম
  3. ভোল্ট
  4. ওয়াট
সঠিক উত্তর:
ভোল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোল্ট
ব্যাখ্যা

তড়িৎ বিভব (Electric Potential): এমন একটি রাশি যা কোনো তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে একটি একক ধনাত্মক আধানকে অসীম দূরত্ব থেকে ওই বিন্দুতে আনতে যে পরিমাণ কাজ করতে হয়, তাকে তড়িৎ বিভব বলে। 
এটি একটি তড়িৎগ্রস্ত বস্তুর এমন একটি অবস্থা যা স্থির করে যে বস্তুটি অন্য বস্তুকে আধান দেবে নাকি গ্রহণ করবে।  যার একক ভোল্ট (V) এবং সূত্রটি হলো V = W/Q (কৃতকার্য/আধান)। 

- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ভোল্ট।

তড়িৎ ক্ষেত্র: 
- একটি আহিত বস্তুর চারপাশে যে অঞ্চলব্যাপী তার প্রভাব বজায় থাকে অর্থাৎ অন্য কোনো আহিত বস্তু আনা হলে সেটি আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল লাভ করে সেই অঞ্চলকে ঐ আহিত বস্তুর তড়িৎ ক্ষেত্র বলে।

তড়িৎ প্রাবল্য: 
- তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে একটি একক ধনাত্মক আধান স্থাপন করলে সেটি যে বল অনুভব করে তাকে ঐ বিন্দুর তড়িৎ প্রাবল্য বলে।

তড়িৎ দ্বিমেরু: 
- এক জোড়া সমান ও বিপরীত বিন্দু আধান অল্প দূরত্বে অবস্থিত থাকলে তাকে তড়িৎ দ্বিমেরু বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

৩,৪৮৩.
প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ ও প্রতিধ্বনির মধ্যে ন্যূনতম সময় পার্থক্য কত?
  1. 1.0 সেকেন্ড
  2. 0.1 সেকেন্ড
  3. 0.05 সেকেন্ড
  4. 0.5 সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
0.1 সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.1 সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ ও প্রতিধ্বনির মধ্যে ন্যূনতম সময়ের পার্থক্য হলো 0.1 সেকেন্ড। মানুষের কানে কোনো শব্দের রেশ বা অনুভূতি প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত স্থায়ী থাকে। তাই, একটি স্পষ্ট প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিফলিত শব্দের মধ্যে সময়ের ব্যবধান কমপক্ষে  0.1 সেকেন্ড হতে হবে, এই সময়ের পার্থক্যের কারণেই উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে দূরত্বের প্রয়োজন হয়। 

শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে, এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
অতএব, প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
- প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 

- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1 । 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে। তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৮৪.
নিচের কোন মৌলটি যৌগ গঠন করে না? 
  1. N
  2. Kr
  3. H
  4. Fe
সঠিক উত্তর:
Kr
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kr
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাস: 
- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপটন (Kr), জেনন (Xe) ও রেডন (Rn) এ ছয়টি মৌল পর্যায় সারণিতে 18তম গ্রুপের মৌল। 
- সাধারণত এরা যৌগ গঠন করে না বলে এরা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নোবেল গ্যাস হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে
- এ মৌলগুলো প্রকৃতিতে খুবই কম পরিমাণে পাওয়া যায়। 
- মৌলগুলোর নিষ্ক্রিয়তার কারণ পরে আবিষ্কৃত হয়। 
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস আবিষ্কারের জন্য লর্ড রেলি (Lord Rayleigh) ও স্যার উইলিয়াম রামসে (Sir William Ramsay) কে ১৯০৪ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৮৫.
কোন জ্বালানিটি Nuclear Power Plant-এ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. Plutonium (Pu-239)
  2. Thorium (Tb-232)
  3. Uranium (U-235)
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Uranium (U-235)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uranium (U-235)
ব্যাখ্যা
- পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি প্রাথমিকভাবে জ্বালানী হিসাবে ইউরেনিয়াম ব্যবহার করে।
- সবচেয়ে সাধারণ ধরনের পারমাণবিক জ্বালানী হল ইউরেনিয়াম-235 (U-235),
- ইউরেনিয়ামের একটি প্রাকৃতিক আইসোটোপ।
- সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সিরামিক পেলেট গঠিত হয় যা জ্বালানী রডগুলিতে স্ট্যাক করা হয়।
- এই জ্বালানী রডগুলি নিয়ে জ্বালানী অ্যাসেম্বলি সাজানো হয় যা পারমাণবিক চুল্লিকে শক্তি দেয়।
৩,৪৮৬.
ভিনেগার প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে কিভাবে কাজ করে? 
  1. খাদ্যের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে
  2. খাদ্যের রঙ পরিবর্তন করে 
  3. খাদ্যের pH কমিয়ে অণুজীবের বংশবিস্তার রোধ করে
  4. খাদ্যের আর্দ্রতা বৃদ্ধি করে 
সঠিক উত্তর:
খাদ্যের pH কমিয়ে অণুজীবের বংশবিস্তার রোধ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাদ্যের pH কমিয়ে অণুজীবের বংশবিস্তার রোধ করে
ব্যাখ্যা

ভিনেগার: 
- প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে ভিনেগার অতুলনীয়। 
- ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড (CH3-COOH) -এর ৬-১০% জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বা সিরকা বলে। 
অর্থাৎ, ভিনেগারের প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো ইথানোয়িক এসিড বা অ্যাসিটিক এসিড। 
- ভিনেগার বহুল ব্যবহৃত ও প্রচলিত প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভস। এটি বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় ও দামে সস্তা এবং অতি সহজে পানিতে দ্রবীভূত হয়। 
- খাদ্যদ্রব্যে প্রিজারভেটিভস হিসেবে ভিনেগার ব্যবহার করলে খাদ্যদ্রব্যের pH এর মান কমে যায় ফলে অণুজীবগুলো বংশ বিস্তার করতে পারে না। 
যেমন- 
- অধিকাংশ অণুজীবের বংশ বিস্তারের অনুকূল pH এর মান 6.5-7.5 এর মধ্যে, তাই প্রাকৃতিক খাদ্য সংরক্ষণে ভিনেগারের কোনো তুলনা হয় না। 

ভিনেগারের ব্যাপক ব্যবহারের কারণ: 
- মাত্র ৬% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণ হওয়ায় এভিনেগারের কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। 
- যদিও ভিনেগার এসিডের দ্রবণ কিন্তু খাদ্যের সাথে এটি গ্রহণে পেটে এসিডিটির কোনো সমস্যা হয় না। 
- ভিনেগার ব্যবহারে খাদ্য দ্রব্য দীর্ঘ সময় টাটকা থাকে। 
- ভিনেগার পানিতে অতি সহজেই যেকোনো অনুপাতে মিশ্রণীয়। 
- ভিনেগার দামে সস্তা এবং সহজেই সংগ্রহ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৮৭.
কোষের প্রোটিন ফ্যাক্টরি নামে পরিচিত কোনটি?
  1. লাইসোসোম
  2. মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. রাইবোজোম
  4. নিউক্লিওসোম
সঠিক উত্তর:
রাইবোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইবোজোম
ব্যাখ্যা

- অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম কিংবা নিউক্লিয়ার মেমব্রেন এর গায়ে, মাইটোকন্ড্রিয়ার ভিতরে অথবা সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো অঙ্গানুগুলোকে বলা হয় রাইবোজোম।
- ১৯৫৫ সালে প্যালাডে প্রথম রাইবোজোম আবিষ্কার করেন।
- রাইবোজোম এর প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ করা। এজন্য রাইবোজোমকে কোষের প্রোটিন ফ্যাক্টরি নামে অভিহিত করা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৩,৪৮৮.
বাংলাদেশে কয় ধরনের পাট চাষাবাদ করা হয়?
  1. তিন প্রকার
  2. দুই প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
চার প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার প্রকার
ব্যাখ্যা

• পাট চাষ ব্যবস্থাপনা:
• মৌসুম: পাট উৎপাদন মৌসুম (বপন থেকে পাট কাটা) হচ্ছে ফাল্গুনের শেষ থেকে আষাঢ়ের শেষ পর্যন্ত।
• জাত : আঁশ ফসলের জন্য চার ধরনের পাট রয়েছে। দেশী পাট, তোষা পাট, কেনাফ ও মেস্তা পাট। 

• জমি তৈরিকরণঃ
- উঁচু ও মধ্যম উঁচু জমি যেখানে বৃষ্টির পানি বেশি সময় দাঁড়ায় না এবং দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য বেশি উপযোগী।
- বৃষ্টিপাতের পরপরই আড়াআড়ি ৫-৭ টি চাষ দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে।
- ঢেলা গুড়ো করতে হবে এবং জমি আগাছামুক্ত করতে হবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,৪৮৯.
রক্তের অণুচক্রিকা কী কাজ করে? 
  1. রক্তক্ষরণ বন্ধ
  2. রোগ প্রতিরোধ
  3. অক্সিজেন পরিবহন
  4. হরমোন নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
রক্তক্ষরণ বন্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তক্ষরণ বন্ধ
ব্যাখ্যা
প্রাণিটিস্যু: 
- বহুকোষী প্রাণিদেহে অনেক কোষ একত্রে কোনো বিশেষ কাজে নিয়োজিত থাকে। 
- একই ভ্রূণীয় কোষ থেকে উৎপন্ন হয়ে এক বা একাধিক ধরনের কিছুসংখ্যক কোষ জীবদেহের কোনো নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে সমষ্টিগতভাবে একটা কাজে নিয়োজিত থাকলে ঐ কোষগুলো সমষ্টিগতভাবে টিস্যু (Tissue) বা তন্ত্র তৈরি করে। 
- একটি টিস্যুর কোষগুলোর উৎপত্তি, কাজ এবং গঠন একই ধরনের হয়। 
- টিস্যু নিয়ে আলোচনাকে টিস্যুতত্ত্ব (Histology) বলে। 
- কোষ এবং টিস্যুর মধ্যে পার্থক্য খুবই নির্দিষ্ট। 
- কোষ হচ্ছে টিস্যুর গঠনগত ও কার্যকরী একক, যেমন- লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা বিভিন্ন ধরনের রক্তকোষ। 
- আবার এরা একত্রে তরল যোজক টিস্যু নামে এক ধরনের টিস্যু হিসেবে পরিচিত। তরল যোজক টিস্যু রক্ত দেহের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় শারীরবৃত্তীয় কাজে অংশ নেয়। 
- তিন ধরনের রক্তকোষ মানব দেহের বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত। 
• লোহিত রক্তকণিকা কোষগুলো ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং হৃদযন্ত্রের সাহায্যে ধমনির মাধ্যমে কৈশিকনালি হয়ে দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে। 
• শ্বেত রক্তকণিকা দেহের রোগ প্রতিরোধ করে। 
রক্তের অণুচক্রিকা কোষগুলো শরীরের কেটে যাওয়া অংশ থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে সাহায্য করে। 

- মানবদেহে নানা ধরনের কোষ আছে, যারা ভিন্ন ভিন্ন কাজে নিয়োজিত। মানবদেহের স্নায়ুকোষ দেহজুড়ে জালের মতো ছড়িয়ে থাকে। দেহের যেকোনো অংশের উদ্দীপনা গ্রহণ করে মস্তিষ্কে প্রেরণ করা, আবার মস্তিষ্কের কোনো বার্তা শরীরের নির্দিষ্ট অংশে পৌঁছে দেওয়াই এদের কাজ। 
- চোখের স্নায়ুকোষগুলো দেখতে এবং কানের স্নায়ুকোষগুলো শুনতে সাহায্য করে। মানুষের চোখের মতো বিভিন্ন ধরনের স্নায়ুকোষ না থাকায় বেশিরভাগ প্রাণীই পৃথিবীর দৃশ্যমান বস্তুগুলো রঙিন হিসেবে দেখতে পারে না, অনেক প্রাণী শুধু দিনে বা রাতে দেখতে পায়। 
- আমাদের কাজকর্মে, হাঁটা-চলায় এবং নড়াচড়ায় পেশিকোষ ব্যবহৃত হয়। 
- শরীরের ত্বকীয় কোষগুলো দেহের আবরণ দেওয়া ছাড়াও শরীরের অবস্থানভেদে বিভিন্ন কাজ করে থাকে। 
- মাথার ত্বকীয় কোষগুলো থেকে চুল গজিয়ে থাকে। 
- শরীরের ত্বকের ঘাম নির্গমনকারী কোষগুলো নির্দিষ্ট স্থানে ঘাম নির্গত করে। 
- অস্থিকোষ দেহে অস্থি অথবা কোমলাস্থি তৈরি করে দেহের দৃঢ়তা দিয়ে থাকে। দেহের আকার, গঠন, অস্থির বৃদ্ধি ইত্যাদিতে অস্থিকোষের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪৯০.
দুইটি আধানের মধ্যবর্তী আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান নির্ভর করে- 
  1. আধান দুইটির পরিমাণের উপর 
  2. আধান দুইটির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর 
  3. আধান দুইটি যে মাধ্যমে অবস্থিত তার প্রকৃতির উপর 
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

তড়িৎ বল: 
- একটি আহিত স্থির বস্তুর নিকট অন্য একটি আহিত বস্তু আনলে বস্তু দু'টির মধ্যে একটি বল কাজ করবে।
- আহিত বস্তু দু'টি যদি সমধর্মী আধান অর্থাৎ দু'টি বস্তুই ধনাত্মক বা দু'টি বস্তুই ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় তবে পরস্পরের মধ্যে বিকর্ষণ বল কাজ করবে।
আবার, আহিত বস্তু দু'টি বিপরীতধর্মী অর্থাৎ একটি বস্তু ধনাত্মক আধানে এবং অপর বস্তু ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় তবে পরস্পরের মধ্যে আকর্ষণ বল কাজ করবে, আর এ বিকর্ষণ বা আকর্ষণ বলকে তড়িৎ বল বলে।
- দু'টি আধানের মধ্যবর্তী এ আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান নির্ভর করে -
১. আধান দু'টির পরিমাণের উপর,
২. আধান দু'টির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর এবং
৩. আধান দু'টি যে মাধ্যমে অবস্থিত তার প্রকৃতির উপর

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৯১.
আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রপাত ঘটে কোন তত্ত্বের উন্নয়নের মাধ্যমে?
  1. ক) স্ট্রিং থিউরী
  2. খ) কোয়ান্টাম থিউরী
  3. গ) রিলেটিভিটি থিউরী
  4. ঘ) থিউরী অব এক্সপানশন
সঠিক উত্তর:
খ) কোয়ান্টাম থিউরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কোয়ান্টাম থিউরী
ব্যাখ্যা
- আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রপাত.১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে।
- এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর (ডার্ক ম্যাটার) বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন।
- ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার তত্ত্ব প্রদান করেন।

 উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।
৩,৪৯২.
অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত পদার্থকে কী বলে?
  1. প্রাণরস
  2. এনজাইম
  3. হরমোন
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ
ব্যাখ্যা
♦ 'গ্রন্থি': যে সমস্ত অঙ্গসমূহ এক বা একাধিক রাসায়নিক যৌগ উৎপাদন এবং ক্ষরণের কাজে নিয়োজিত থাকে তাকে 'গ্রন্থি' বলে । 
- মানবদেহে দুই ধরনের গ্রন্থি রয়েছে- অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি ও বহিঃক্ষরা গ্রন্থি।
১. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি - হাইপোথ্যালামাস, পিটুইটারী, থাইরয়েড, প্যারাথাইরয়েড, অ্যাড্রেনাল, প্যানক্রিয়াস বা অগ্নাশয় , টেস্টিস, ওভারী, প্লাসেন্টা।
২. বহিঃক্ষরা গ্রন্থি – ঘর্মগ্রন্থি , ল্যাক্রিমাল গ্রন্থি, স্তন গ্রন্থি, সেরোমিনাস গ্রন্থি, সেবাসিয়াস গ্রন্থি , মেবোমিয়ান গ্রন্থি , যকৃত এবং মিউকাস ।

• অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি : প্রাণীদেহের নালীবিহীন গ্রন্থিসমূহ হতে নিঃসৃত রস সরাসরি রক্তে মিশ্রিত হয়ে রক্ত দ্বারাই দেহের বিভিন্ন স্থানে পরিবাহিত হয়। এ সকল গ্রন্থিকে অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি বলে।
• এই রস নির্দিষ্ট পরিমাণে নিঃসৃত হয়ে দেহের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
• উদাহরণস্বরূপ-থাইরয়েড নামক অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি কর্তৃক নিঃসৃত হরমোন 'থাইরক্সিন' প্রাণীর বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রিত করে।

অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির বৈশিষ্ট্য:

• কোন নালীপথ নেই। রক্তের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে ক্রিয়াশীল অঙ্গে পৌঁছায়।
• ক্ষরিত পদার্থ হরমোন বা প্রাণরস নামে পরিচিত।
• এ সব গ্রন্থি হতে নিঃসৃত রস দূরবর্তী নির্দিষ্ট অঙ্গে ক্রিয়াশীল হয়।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান ২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৩,৪৯৩.
কোনটি সবচেয়ে শক্তিশালী এসিডের অন্তর্ভুক্ত?
  1. pH = 2
  2. pH = 5
  3. pH = 8
  4. pH = 7
সঠিক উত্তর:
pH = 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
pH = 2
ব্যাখ্যা
বিশুদ্ধ পানির pH = 7 
 pH এর মান কমতে থাকলে এসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। 
 pH এর মান বাড়তে থাকলে ক্ষারের মাত্রা বেড়ে যায়।
যে দ্রবনের বা বস্তুর pH এর মান সবচেয়ে কম উক্ত দ্রবন বা বস্তুর এসিডের মাত্রা সবচেয়ে বেশি। 
তাই অপশনের ক) সঠিক

সূত্র - রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি, বোর্ড বই
৩,৪৯৪.
আপেক্ষিক ভর শূন্য কার?
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) নিউট্রন
  3. গ) ইলেকট্রন
  4. ঘ) মেসন
সঠিক উত্তর:
গ) ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনের আপেক্ষিক ভর শূন্য, নিউট্রনের আপেক্ষিক আধান শূন্য।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৩,৪৯৫.
পানিকে বরফে পরিণত করলে আয়তন -
  1. কমবে
  2. বাড়বে
  3. অপরিবর্তিত থাকবে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাড়বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়বে
ব্যাখ্যা
- পানিকে বরফে পরিণত করলে আয়তন বাড়বে। এই কারণে পানির তুলনায় বরফের ঘনত্ব কম। 
- একই পরিমাণ পানি যখন বরফে পরিণত হয় তখন বরফের আয়তন বেড়ে যায়। 
- সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে বলেই বরফ পানিতে ভাসে। 
- বরফ পানিতে ভাসে কারণ বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি। 

উৎস:
ব্রিটানিকা।
৩,৪৯৬.
প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের প্রধান উপাদান -
  1. সোডিয়াম
  2. ক্যালসিয়াম
  3. পটাসিয়াম
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম:
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান।
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম।
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে।

⇒ রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে।
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ।
- এ ছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে।
- দুগ্ধদানকারী মায়ের জন্য সবচেয়ে জরুরি মিনারেল হলো ক্যালিসিয়াম।
- দুগ্ধদানকারী মায়েরা দুধ উৎপাদনের জন্য বেশি পরিমাণে ক্যালিসিয়াম লাগে।
- ক্যালিসিয়াম শিশু ও দুগ্ধদানকারী মায়ের হাড়, দাঁত ও মাংসপেশির জন্য জরুরি।
- জিংক, আয়োডিন ও আয়রনও গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল কিন্তু ক্যালিসিয়ামের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

উৎস: i) বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Britannica.
৩,৪৯৭.
প্রাণী প্রজাতির নামকরণের জন্য কোন নীতিমালা অনুসরণ করা হয়?
  1. ICZN
  2. ICBN
  3. IZCN
  4. IBCN
সঠিক উত্তর:
ICZN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICZN
ব্যাখ্যা
প্রাণী প্রজাতির নামকরণের জন্য ICZN নীতিমালা অনুসরণ করা হয়।

• দ্বিপদ নামকরণ:
- দু'টি পদ নিয়ে গঠিত কোন জীব-প্রজাতির নামকে বলা হয় দ্বিপদ নাম এবং দু'টি পদের সমন্বয়ে নাম দেয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ।
- উদ্ভিদ প্রজাতির (শৈবাল ও ছত্রাক সহ) নামকরণ করা হয়ে থাকে ICBN (International Code of Botanical Nomenclature বর্তমানে ICN = International Code of Botanical Nomenclature for Algae, Fungi & Plants) -এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- প্রাণী প্রজাতির নামকরণ করা হয় ICZN (International Code of Zoological Nomenclature) - এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens,
- দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম Copsychus saularis,
- বাঘ (রয়েল বেঙ্গল)-এর বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris,
- আম গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica,
- বট গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Ficus benghalensis,
- কুনোব্যাঙ এর বৈজ্ঞানিক নাম Bufo melanostictus,
- ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Tenualosa ilisha,
- ধানের বৈজ্ঞানিক নাম Oryza sativa এবং
- শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম Nymphaea nouchali ইত্যাদি।

উৎস: ১। জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
৩,৪৯৮.
বাদুড় কিভাবে চলে? 
  1. ক) চোখে দেখে 
  2. খ) অন্য প্রাণির সহযোগীতায় 
  3. গ) প্রতিধ্বনির সাহায্যে
  4. ঘ) অপবর্তনের সাহায্যে
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতিধ্বনির সাহায্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রতিধ্বনির সাহায্যে
ব্যাখ্যা
বাদুর, তিমি মাছ, ডলফিন, মাকড়সা তাদের জীবন যাত্রায় প্রতিধ্বনি কাজে লাগায়। 
বাদুর, এরা দেখতে পারে না। বাদুর পথ চলতে, খাদ্যবস্তু এবং তার অবস্থান সনাক্ত করতে শব্দোত্তর তরঙ্গের প্রতিফলন ব্যবহার করে। এরা বিভিন্ন কম্পাঙ্কের শব্দোত্তর তরঙ্গ সৃষ্টি করতে পারে। এবং এদের চলার পথে, চারিদিকে এধরণের তরঙ্গ ছড়িয়ে দিতে দিতে চলে। 
৩,৪৯৯.
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাস?
  1. মিথেন
  2. নাইট্রাস অক্সাইড
  3. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউস:
- গ্রিন হাউস গ্যাস (Greenhouse gases) বলতে বুঝায় যেসব গ্যাস পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সূর্যের তাপ শোষণ করে এবং তা আটকে রাখে, ফলে পৃথিবী উষ্ণ থাকে।
- এই গ্যাসগুলো গ্রিন হাউস ইফেক্টের জন্য দায়ী।
- গ্রিন হাউস ইফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস প্রথম ব্যবহার করেন।

⇒ গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো:
- কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2),
- মিথেন (CH4),
- নাইট্রাস অক্সাইড (N₂O),
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC),
- ফ্লোরিনেটেড গ্যাস (CFCs, HFCs, PFCs),
- ওজোন (O₃)।

উৎস: i) U.S. Environmental Protection Agency (.gov)।
ii) Britannica.
৩,৫০০.
উত্তল লেন্সের আরেকটি নাম কী?
  1. অপসারী লেন্স
  2. ক্ষীণ লেন্স
  3. অভিসারী লেন্স
  4. অবতল লেন্স 
সঠিক উত্তর:
অভিসারী লেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিসারী লেন্স
ব্যাখ্যা

- উত্তল লেন্সের মধ্য দিয়ে আলো যাওয়ার সময় তা একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে একত্রিত হয়, অর্থাৎ আলোকরশ্মিগুলি অভিসারী হয়। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে উত্তল লেন্সকে অভিসারী লেন্স বলা হয়। 

লেন্স (Lens): 
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
- সাধারণত লেন্স কাচের তৈরি হয়। তবে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে প্লাস্টিক, কোয়ার্টজ এমন কী তরল পদার্থ বা অর্ধতরল পদার্থ দিয়েও লেন্স তৈরি হতে পারে। 
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। অভিসারী বা উত্তল লেন্স (Convex Lens): 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে উত্তল লেন্স বা অভিসারী লেন্স বলে। 
- গঠন অনুসারে এই লেন্সের মধ্য ভাগ উঁচু বা মোটা এবং প্রান্ত ভাগ সরু, তাই একে স্থূল মধ্য বা উত্তল লেন্সও বলে। 

২। অপসারী বা অবতল লেন্স (Concave Lens): 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে অপসারী বা অবতল লেন্স বলে। 
- গঠন অনুসারে এই লেন্সের মধ্যভাগ সরু বা পাতলা এবং প্রান্ত ভাগ মোটা তাই একে ক্ষীণ মধ্য বা অবতল লেন্সও বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।