বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ৩৩ / ১৪০ · ৩,২০১৩,৩০০ / ১৪,০৮০

৩,২০১.
রক্তনালির ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনাকে কী বলা হয়?
  1. অ্যানিমিয়া
  2. থ্যালাসেমিয়া
  3. পলিসাইথিমিয়া
  4. থ্রম্বোসাইটোসিস
সঠিক উত্তর:
থ্রম্বোসাইটোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থ্রম্বোসাইটোসিস
ব্যাখ্যা
রক্ত উপাদানের অস্বাভাবিক অবস্থা: 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন- 
১. পলিসাইথিমিয়া: 
- হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এবং রক্তকোষের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় অত্যাধিক বৃদ্ধি পাওয়া। 

২. অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা: 
- হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক অবস্থার তুলনায় কমে যাওয়া। 

৩. লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কোষের সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কোষের সংখ্যা সেসবের চাইতেও অত্যধিক হারে বেড়ে যায়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 
- লিউকেমিয়ার বেশ কিছু ধরন রয়েছে যেগুলো অনেকাংশে নিরাময়যোগ্য। 

৪. লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কোষের সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যায়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

৫. থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- এ অবস্থায় অণুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালির অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালির রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস এবং গুরু মস্তিষ্কের রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

৬. পারপুরা: 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে ত্বকের নিচে রক্তপাত হয়ে এ অবস্থা হতে পারে। 
- এ অবস্থায় অণুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৭. থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। 
- এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তস্বল্পতা সৃষ্টি হয়। 
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায়, ফলে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। 
- এ রোগটি মানুষের অটোজোমে অবস্থিত প্রচ্ছন্ন জিনের দ্বারা ঘটে। যখন মাতা ও পিতা উভয়ের অটোজোমে এ জিনটি প্রচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে, তখন তাদের সন্তানদের মধ্যে প্রচ্ছন্ন জিন দুটি একত্রিত হয়ে এই রোগের প্রকাশ ঘটায়। 
- সাধারণত শিশু অবস্থায় থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। এ রোগের জন্য রোগীকে নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। 
- তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তস্বল্পতার হার কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২০২.
কোন ফুলকে উভলিঙ্গ (Bisexual) বলা হয়?
  1. লাউ 
  2. জবা 
  3. কুমড়া 
  4. হাতীশুঁড়
সঠিক উত্তর:
জবা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জবা 
ব্যাখ্যা

প্রজনন অঙ্গ: ফুল 
- প্রজননের জন্য রূপান্তরিত বিশেষ ধরনের বিটপ (Shoot) হলো ফুল। 
- ফুল উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ। 
- একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি স্তবকের মধ্যে দুটি স্তবক (পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক) প্রজননের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ যারা সরাসরি প্রজননে অংশ নেয়, কিন্তু অন্য স্তবকগুলো সরাসরি অংশ না নিলেও প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করে। 
- যে ফুলে এই পাঁচটি স্তবকই উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- জবা, ধুতুরা। 
- এই পাঁচটি স্তবকের যেকোনো একটি স্তবক না থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- লাউ, কুমড়া। 
- বৃন্তযুক্ত ফুলকে সবৃন্তক যেমন- জবা, কুমড়া এবং বৃন্তহীন ফুলকে অবৃন্তক ফুল বলে যেমন- হাতীশুঁড়। 
- যখন কোনো ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে, তাকে উভলিঙ্গ ফুল (Bisexual flower) যেমন- জবা, ধুতুরা। 
- পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যেকোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল (Unisexual flower) যেমন লাউ, কুমড়া এবং দুটোই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল (Neuter flower) বলে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,২০৩.
কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লার শব্দেতর তরঙ্গ কোনটি? 
  1. 45 Hz
  2. 40 Hz
  3. 04 Hz
  4. 45000 Hz
সঠিক উত্তর:
04 Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
04 Hz
ব্যাখ্যা
- কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লার শব্দেতর তরঙ্গ - 04 Hz. 

শ্রাব্যতার সীমা, শব্দেতর ও শব্দোত্তর তরঙ্গ: 
- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
- কিন্তু কম্পন হলেই শব্দ শোনা যাবে তা কিন্তু নয়। 
- মানুষের শ্রবণ যন্ত্রের সীমাবদ্ধতা আছে। 
- মানুষ শ্রবণ ইন্দ্রিয় 20 Hz থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে। 
- তাই বলা হয় মানুষের শ্রাব্যতার সীমা 20 থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে। 
- এই সীমার নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দেতর তরঙ্গ এবং উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গ। 
- অবশ্য সবার শ্রাব্যতার পাল্লা সমান নয়। 
- মানুষ ভেদে এর তারতম্য আছে। 
- কয়েকটি প্রাণীর গড় শ্রাব্যতার পাল্লা নিচের ছকে উল্লেখ করা হলো- 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২০৪.
কোন হরমোন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে?
  1. অক্সিন
  2. সাইটোকাইনিন
  3. ফ্লোরিজেন
  4. ভার্নালিন
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিজেন
ব্যাখ্যা
ফাইটোহরমোন: 
- যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ উদ্ভিদদেহে উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন বা প্রাণরস বলে। 
- উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন (Phytohormones) বলা হয়। কেউ কেউ ফাইটোহরমোনকে উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারক বস্তু (Plant growth substances) হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। 
- যে রাসায়নিক বস্তুটি কোষে উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষ বা কোষপুঞ্জের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন (Hormone) বলে। 
- উদ্ভিদের প্রতিটি কোষই হরমোন উৎপন্ন করতে পারে। 
- এরা কোনো পুষ্টিদ্রব্য নয় তবে ক্ষুদ্রমাত্রায় উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
যেমন: অক্সিন (Auxin), জিবেরেলিন (Gibberellin), সাইটোকাইনিন (Cytokinin), অ্যাবসিসিক এসিড (Abscisic acid), ইথিলিন (Ethylene) ইত্যাদি। 

- এসব হরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে, যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায়নি, এদের পসটুলেটেড হরমোন (Postulated hormones) বলে। 
- এরা প্রধানত উদ্ভিদের ফুল ও জনন সংশ্লিষ্ট অঙ্গের বিকাশে সাহায্য করে। 
- এদের মধ্যে ফ্লোরিজেন (Florigen) এবং ভার্নালিন (Vernalin) প্রধান। 
- ফ্লোরিজেন পাতায় উৎপন্ন হয় এবং তা পত্রমূলে স্থানান্তরিত হয়ে পত্রমুকুলকে পুষ্পমুকুলে রূপান্তরিত করে। 
- ফ্লোরিজেন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২০৫.
মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ কত?
  1. ৩-৪ লিটার
  2. ১-২ লিটার
  3. ৪-৫ লিটার
  4. ৫-৬ লিটার
সঠিক উত্তর:
১-২ লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১-২ লিটার
ব্যাখ্যা
লসিকা: 
- এক ধরনের পরিবর্তিত ঈষৎ ক্ষারধর্মী স্বচ্ছ কলারস যা লসিকা নালির ভেতর দিয়ে পরিবাহিত হয়ে দেহের সকল কোষকে সিক্ত করে। 
- লসিকায় লোহিত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা অনুপস্থিত কিন্তু শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক। 
- লসিকায় ৯৪% পানি ও ৬% কঠিন পদার্থ থাকে। 
যেমন- প্রোটিন, স্নেহ পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত পদার্থ, ফসফরাস, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, কিছু এনজাইম ও অ্যান্টিবডি। 
- মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ ১-২ লিটার। 

লসিকার কাজ: 
প্রোটিন পরিবহন: কলার ফাঁকা স্থান থেকে প্রোটিন লসিকার মাধ্যমে রক্তে ফিরে আসে। 
স্নেহ পরিবহন: যে সব স্নেহ কলা কৈশিক নালির বাধা অতিক্রমে অক্ষম সেগুলো লসিকার মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। 
পুষ্টি সরবরাহ: দেহের যে সব কলা কোষে রক্ত পৌঁছাতে পারে না সেখানে লসিকা অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে। 
শোষণ: স্নেহ পদার্থ অন্ত্র থেকে শোষিত হয়ে লসিকার মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। 
প্রতিরক্ষা: লসিকায় অবস্থিত প্রচুর শ্বেত কণিকা দেহের প্রতিরক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকে। 
প্রতিরোধ: B-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপন্ন অ্যান্টিবডি দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। 
দেহ রসের সংবহন: রক্ত সংবহনের এক অংশ থেকে অন্য অংশে তরল পদার্থের পরিবহনে অংশ নেয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২০৬.
কোনটি অদিক রাশির উদাহরণ? 
  1. সরণ
  2. ত্বরণ
  3. তাপমাত্রা
  4. ওজন
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা
ভেক্টর: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। 
- আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি, 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২০৭.
কোণটির আণবিক ভর ৩২?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) হিলিয়াম
  4. ঘ) হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
খ) অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
হাইড্রোজেনের আণবিক ভর ২, হিলিয়ামের আণবিক ভর ৪, নাইট্রোজেনের আণবিক ভর ২৮, অক্সিজেনের আণবিক ভর ৩২৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৩,২০৮.
অণুবীক্ষণ যন্ত্র কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) গ্যালিলিও
  2. খ) লিউয়েন হুক
  3. গ) রবার্ট হুক
  4. ঘ) মাইকেল ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
খ) লিউয়েন হুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিউয়েন হুক
ব্যাখ্যা

১৬৮৩ সালে ডাচ বিজ্ঞানী লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন এবং এই যন্ত্র ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়া, হাইড্রা, ভলভক্স ইত্যাদি আবিষ্কার করেন ।
গ্যালিলিও টেলিস্কোপ ও থার্মোমিটার আবিষ্কার করেন।
রবার্ট হুক প্রথম কোষপ্রাচীর আবিষ্কার করেন।
মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো ও তড়িৎ বিশ্লেষণের সূত্র আবিস্কার করেন।
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ এবং ব্রিটানিকা।

৩,২০৯.
কোন উদ্ভিদের দেহ খন্ডিত হলে সেই খন্ডিত অংশ স্বাধীন উদ্ভিদ হিসেবে জীবনযাপন শুরু করে?
  1. ক) স্পাইরোগাইরা
  2. খ) ছত্রাক
  3. গ) এমিবা
  4. ঘ) হাইড্রা
সঠিক উত্তর:
ক) স্পাইরোগাইরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্পাইরোগাইরা
ব্যাখ্যা

স্পাইরোগাইরা, মিউকর ইত্যাদি উদ্ভিদের কোনো কারণ দেহ খন্ডিত হলে সেই খন্ডিত অংশ স্বাধীন উদ্ভিদ হিসেবে জীবনযাপন শুরু করে৷
উৎসঃবিজ্ঞানঃঅষ্টম শ্রেণী

৩,২১০.
শুকানোর মাধ্যমে খাদ্য সংরক্ষণ করা যায় কারণ-
  1. শুকানো প্রক্রিয়ায় তাপে জীবাণু মরে
  2. পচনের বিক্রিয়ার পানি লাগে
  3. শুষ্ক খাদ্যে আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব কম
  4. পচনকারী জীবাণু পানি ছাড়া বাঁচে না
সঠিক উত্তর:
পচনকারী জীবাণু পানি ছাড়া বাঁচে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পচনকারী জীবাণু পানি ছাড়া বাঁচে না
ব্যাখ্যা
• খাদ্য সংরক্ষণের বিভিন্ন কৌশল:

১। শুষ্ককরণ (Drying Process) : রোদে শুকিয়ে খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়। এতে খাদ্যের উপর পানির পরিমাণ কমে ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হয়। পচনশীল জীবাণু পানি ছাড়া বাঁচে না তাই খাদ্যবস্তু থেকে পানি শুকিয়ে নিয়ে তা সংরক্ষণ করা যায়। এতে খাদ্যের ছত্রাক, জীবাণু ও এনজাইম প্রতিহত হয় এবং কোনো বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়াই খাদ্য অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়। ধান বা চাল, গম, ডাল ইত্যাদি রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায়।

২। শীতলীকরণ (Cooling Process): এ পদ্ধতিতে নিম্ন তাপমাত্রায় অণুজীবের পুনরুৎপাদন এবং বংশবিস্তার হ্রাস পায়। তাছাড়া যে সকল এনজাইম খাদ্য পচনে সাহায্য করে এদের কার্যকলাপ হ্রাস পায়, ফলে খাদ্য সংরক্ষিত থাকে।

৩। ভ্যাকুয়াম প্যাকিং : বায়ুশূণ্য পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া বাঁচার জন্য প্রয়োজনীয় �2O2​ পায় না। ফলে অণুজীব মারা যায় এবং খাদ্য সংরক্ষিত অবস্থায় থাকে।

৪। লবণ যুক্তকরণ/কিউরিং (Curing): অসমোসিস পদ্ধতিতে লবণ মাছ, মাংস থেকে আর্দ্রতা সরিয়ে নেয়। তাছাড়া লবণ ক্লস্ট্রিডিয়াম বটুলিনাম নামক অণুজীব যা খাদ্য পচনজনিত বিষ ক্রিয়া সৃষ্টি করে এর বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্থ করে।

৫। চিনিযুক্তকরণ : চিনির শিরাপ বা কেলাস আকারে ফল সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। এ পদ্ধতিতে খাদ্য কেলাসন না হওয়া পর্যন্ত চিনিতে রান্না করা হয়। প্রক্রিয়াকৃত খাদ্য শুষ্ক অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয়। যেমন- লাউ, কুমড়ো এদের মোরোব্বা এ পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা হয়।

৬। পিকলিং (Pickling): এটি হচ্ছে খাদ্যকে কোনো Anti-microbial তরলে সংরক্ষণ করা। এতে খাদ্যকে কোনো তরলে ডুবিয়ে রাখা হয় যাতে ব্যাকটেরিয়া এবং অণুজীব ধ্বংস হয়। সাধারণত অ্যালকোহল, সরিষার তেল, ব্রাইন (NaCl এর গাঢ় জলীয় দ্রবণ) এক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

৭। লাইযুক্তকরণ (Liquidation): লাই দ্রবণ হিসেবে NaOH বা KOH বা 3Na2​CO3​ এর দ্রবণ ব্যবহৃত হয়। এ দ্রবণ খাদ্যকে এতে বেশি ক্ষারীয় করে যে ব্যাকটেরিয়া বাঁচতে পারে না। তাছাড়া লাই দ্রবণ চর্বিকে সাবানায়ন করে। এতে খাদ্যের গঠন এবং স্বাদ পরিবর্তন হয়।

৮। জেলিকরণ (Jelly): খাদ্যকে এমন একটি পদার্থের সাথে রান্না করা হয় যা শীতল করলে কঠিন জেল এ পরিণত হয়। এক্ষেত্রে পানির পরিমাণ কমে খাদ্য সংরক্ষিত হয়।

৯। Smoking বা ধুমায়িতকরণ: খাদ্যদ্রব্যকে কাঠ পুড়িয়ে ধোঁয়া তৈরি করে সে ধোঁয়াতে উন্মুক্ত করে সংরক্ষণ করা হয়। এতে খাদ্যের সেলফ লাইফ বাড়ে বা অনেকদিন টাটকা থাকে।

১০। তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays): গামা রশ্মি, UV রশ্মি, IR রশ্মি প্রয়োগ করে খাদ্য সংরক্ষণ করা যায়। এর সাহায্যে অণু জীব বিনষ্ট করা হয়। অনুজীব বংশবিস্তার করতে পারে না।
৩,২১১.
'নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য' এই কথা কে প্রমাণ করেন?
  1. ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
  2. ওটো হান ও আইনস্টাইন
  3. আইনস্টাইন ও স্ট্রেসম্যান
  4. স্ট্রেসম্যান ও সত্যেন্দ্রনাথ বসু
সঠিক উত্তর:
ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান
ব্যাখ্যা
ভৌত বিজ্ঞানের অবদান: 
- বিংশ শতাব্দিীতে পদার্থবিজ্ঞানে আরো নতুন নতুন আবিষ্কার যুক্ত হয়। 
- ম্যাক্স প্ল্যাংক বিকিরণ সম্পর্কীত কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন। 
- আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রদান করেন। এছাড়া তিনি বিখ্যাত ভর-শক্তির সূত্র (E=mc2) আবিষ্কার করেন। 
- ১৯১১ সালে আর্নেস্ট রাদারফোর্ড পরমাণু বিষয়ক নিউক্লিয় তত্ত্ব এবং নীলস্ বোর হাইড্রোজেন পরমাণু ইলেকট্রন স্তরের ধারণা প্রদান করেন। পরবর্তীতে নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে আরো উন্নতি সাধিত হয়।
- ১৯৩৮ সালে ওটো হান ও স্ট্রেসম্যান প্রমাণ করেন যে, নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য। 
অর্থাৎ, ফিশনের ফলে একটি বড় ভর সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে প্রায় সমান ভর বিশিষ্ট দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয়। এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে নিউক্লিয় বোমা ও নিউক্লিয় চুল্লীর উদ্ভাবন হয়। নিউক্লিয়াস বিভাজন থেকে যে শক্তি উৎপাদন হয়, সেই শক্তির পরিমাণ বিপুল। এজন্য বর্তমান আধুনিক বিশ্ব নিউক্লিয় শক্তিকে শক্তির একটি প্রধান উৎস হিসেবে বিবেচনা করছে। 
- সত্যেন্দ্রনাথ বসু পদার্থবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তার তত্ত্ব বোস-আইনস্টাইন তত্ত্ব নামে পরিচিত। তার নামানুসারে বিশেষ এক শ্রেণির মৌলিক কণার নামকরণ করা হয়েছে 'বোসন' নামে। 
- ভারতীয় নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী চন্দ্রশেখর ভেংকটারমন রমন প্রভাব আবিষ্কার করেন। 
- এছাড়া পাকিস্তানী বিজ্ঞানী আব্দুস সালাম তাড়িতচুম্বক বল ও দুর্বল পারমাণবিক বলের অভিন্নতা প্রদান করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২১২.
ডাউন সিন্ড্রোম রোগের ফলে কী হয়?
  1. ক) বুদ্ধিমত্তা স্বাভাবিকের তুলনায় কম হয়।
  2. খ) শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
  3. গ) চলাচলের ক্ষমতা হারিয়ে যায়।
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
ডাউন সিন্ড্রোম- ট্রাইসোমি ২১ নামেও পরিচিত।
এটি একটি জেনেটিক রোগ যেখানে ২১ নং ক্রোমোজোমে আরেকটি অতিরিক্ত ক্রোমোজোম বিদ্যমান।
এই রোগে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয় ও বুদ্ধিমত্তা স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকে।
৩,২১৩.
নিম্নের কোনটি ধাতুর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. উজ্জ্বলতা
  2. আঘাত করলে টুন টুন শব্দ করা 
  3. তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহিতা
  4. ঘনত্ব কম হওয়া 
সঠিক উত্তর:
ঘনত্ব কম হওয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘনত্ব কম হওয়া 
ব্যাখ্যা

ধাতু-অধাতু: 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ যেমন-সিলিকন ডাই-অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

ধাতুর বৈশিষ্ট্য: 
ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 
পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২১৪.
পরমাণু চার্জ নিরপেক্ষ হয়, কারণ পরমাণুতে - 
  1. নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াসে থাকে।
  2. নিউট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান।
  3. ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান।
  4. প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান।
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান।
ব্যাখ্যা
- পরমাণুর একটি কেন্দ্র আছে, যার নাম নিউক্লিয়াস। 
- এই নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- সুতরাং পরমাণুর সকল ধনাত্মক আধান এবং প্রায় সম্পূর্ণ ভরই নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত। 
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ভ্রমণ করে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২১৫.
STP তে তাপমাত্রা কত ধরা হয়? 
  1. 0° C 
  2. 25° C 
  3. 373° K 
  4. 100° C 
সঠিক উত্তর:
0° C 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0° C 
ব্যাখ্যা

SATP: 
- SATP হলো Standard Ambient Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- SATP এর ক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 25° C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 24.789 dm3। 

STP: 
- STP হলো Standard Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- STP এর ক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 0° C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 22.4 dm3। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২১৬.
নিউক্লিয়াসের সংযোজনকে বলা হয়-
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) ফিউশন
  3. গ) মেসন
  4. ঘ) ফিশন
সঠিক উত্তর:
খ) ফিউশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিউশন
ব্যাখ্যা

- নিউক্লিয়াসের সংযোজনকে ফিউশন বলে।
- নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ফিশন বলে।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,২১৭.
কোনটি প্রাণী বৈচিত্র্যের প্রকারভেদ নয়?
  1. জিনগত বৈচিত্র্য
  2. আকৃতি বৈচিত্র্য
  3. প্রজাতিগত বৈচিত্র্য
  4. বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য
সঠিক উত্তর:
আকৃতি বৈচিত্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকৃতি বৈচিত্র্য
ব্যাখ্যা
প্রাণিজগতের বিভিন্নতা বা প্রাণী বৈচিত্র্য (Animal diversity):
- বৈচিত্র্যময় এ পৃথিবীতে বিরাজমান সকল প্রাণীর মধ্যে যে জিনগত, বাস্তুসংস্থানগত ও প্রজাতিগত বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে প্রাণী বৈচিত্র্য বলে।
- প্রকৃতিতে তিন ধরনের প্রাণী বৈচিত্র্য দেখা যায়।
যথা- জিনগত বৈচিত্র্য, প্রজাতিগত বৈচিত্র্য, বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য। 

১। জিনগত বৈচিত্র্য (Genetic diversity): 
- একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে জিনগত পার্থক্যের কারণে যে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকে জিনগত বৈচিত্র্য বলে।
- এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই প্রজাতির মধ্যে ঘটে তাই একে অন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। যেমন- মানব প্রজাতির বিভিন্ন রেস এর মধ্যে নাক ও কানের গঠনগত পার্থক্য, একই পিতা-মাতার সন্তানের মধ্যে পার্থক্য।

২। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity):
- ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে বিদ্যমান বৈচিত্র্যকে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলে। এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই গণভুক্ত প্রজাতিগুলোর মধ্যে ঘটে তাই একে আন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে।
- একই গনভুক্ত প্রজাতির মধ্যে ক্রোমোসোম সংখ্যা ও আঙ্গিক গঠনে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। যেমন- রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Panthera tigris) ও সিংহ (Panthera leo) একই গণভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ক্রোমোসোম সংখ্যা ও জিনের বিন্যাস ভিন্ন হওয়ার ফলে এদের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বিরাজ করে।

৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity):
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথষ্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশিয় একক বা বায়োম সৃষ্টি হয়। যেমন- তুন্দ্রা বায়োম, মরূ বায়োম, তৃণ ভূমি বায়োম ইত্যাদি।
- বিভিন্ন বায়োমে বসবাসকারি জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে। যেমন- বন, তৃণভূমি, জলাভূমি, হ্রদ, নদী, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন জীব সম্প্রদায়।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২১৮.
Platelet বা অণুচক্রিকা প্রধানত কোথায় তৈরি হয়?
  1. যকৃত
  2. প্লাজমায়
  3. হৃদপিণ্ড
  4. অস্থিমজ্জা
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জা
ব্যাখ্যা

◉ অণুচক্রিকা (Platelet) হলো রক্তের একটি ক্ষুদ্রকণিকা, যা রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে (Blood clotting) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি অস্থিমজ্জায় (Bone marrow) তৈরি হয়।

রক্তের উপাদান: 
- রক্ত এক প্রকার যোজক কলা। 
- এর অন্তঃকোষ মাধ্যমটি তরল, হলুদ বর্ণের জলীয় পদার্থ দ্বারা গঠিত, এ তরল পদার্থকে প্লাজমা বা রক্তরস বলে। 
- এ প্লাজমার মধ্যে রক্তকণিকাগুলো ভাসমান অবস্থায় থাকে। 
- রক্তের দু'টি উপাদান- (১) রক্তরস এবং (২) রক্ত কণিকা। সমগ্র রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% রক্তকণিকা। 
- রক্ত কণিকা প্রধানত তিন ধরনের। 
যথা- লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা। 

অণুচক্রিকা: 
- ইংরেজিতে এদেরকে প্লাটিলেট (Platelet) বলে। 
- অণুচিক্রকা আকারে ছোট, বর্তুলাকার ও বর্ণহীন, এরা গুচ্ছাকারে থাকে। 
- অস্থিমজ্জার মধ্যে অণুচক্রিকা উৎপন্ন হয়। 
- অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। 
- পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। 
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- কোন রক্তবাহী নালির ক্ষতি হলে এরা অনতিবিলম্বে থ্রোম্বোপ্লাষ্টিন নামক এক প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসরণ করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২১৯.
উদ্ভিদের খাদ্য প্রস্তুত প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় শক্তির উৎস-
  1. পানি
  2. মাটি
  3. আলো
  4. বায়ু
সঠিক উত্তর:
আলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলো
ব্যাখ্যা

- সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- এই প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় শক্তির উৎস আলো।
- লাল আলোতে সবচেয়ে বেশি সালোক সংশ্লেষণ হয়।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
- উৎপন্ন হয় কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,২২০.
নিম্নলিখিত উদ্ভিদের মধ্যে কোনটি 'বাল্ব' জাতীয় রূপান্তরিত কাণ্ডের উদাহরণ?
  1. পেঁয়াজ
  2. আদা
  3. আলু
  4. কচুরিপানা
সঠিক উত্তর:
পেঁয়াজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেঁয়াজ
ব্যাখ্যা
রূপান্তরিত কাণ্ডের মাধ্যম: 
- উদ্ভিদের কোন অংশকে কাণ্ড বলে তা নিশ্চয়ই সবাই জানে তবে কিছু কাণ্ডের অবস্থান ও বাইরের চেহারা দেখে তাকে কাণ্ড বলে মনেই হয় না, এরা পরিবর্তিত কাণ্ড। 
- বিভিন্ন প্রতিকূলতায়, খাদ্য সঞ্চয়ে অথবা অঙ্গজ জননের প্রয়োজনে এরা পরিবর্তিত হয়। 
- এদের বিভিন্ন রূপ নিম্নে দেওয়া হলো- 
(ক) কন্দ (বাল্ব): 
- এরা অতি ক্ষুদ্র কাণ্ড। 
- এদের কাক্ষিক ও শীর্ষ মুকুল নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়, যেমন- পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি। 

(খ) স্টোলন: 
- কচুর লতি হচ্ছে কচুর শাখা কাণ্ড, এগুলো জননের জন্যই পরিবর্তিত হয়। 
- স্টোলনের অগ্রভাগে মুকুল উৎপন্ন হয়। 
- এভাবে স্টোলন উদ্ভিদের জননে সাহায্য করে, যেমন- কচু, পুদিনা। 

(গ) রাইজোম: 
- এরা মাটির নিচে ভূমির সমান্তরালে অবস্থান করে। 
- কাণ্ডের মতো এদের পর্ব, পর্বসন্ধি স্পষ্ট, পর্বসন্ধিতে শঙ্কপত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল জন্মে। 
- এরাও খাদ্য সঞ্চয় করে মোটা ও রসাল হয়। 
- অনুকূল পরিবেশে এসব মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে আলাদা আলাদা উদ্ভিদ উৎপন্ন করে, যেমন- আদা। 

(ঘ) টিউবার: 
- কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দের সৃষ্টি করে, এদের টিউবার বলে। 
- ভবিষ্যতে এ কন্দ জননের কাজ করে। 
- কন্দের গায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত থাকে, এগুলো দেখতে চোখের মতো তাই এদের চোখ বলা হয়। 
- একটি চোখের মধ্যে একটি কুঁড়ি থাকে, আঁশের মতো অসবুজ পাতার (শঙ্কপত্র) কক্ষে এসব কুঁড়ি জন্মে। 
- প্রতিটি চোখ থেকে একটি স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম হয়, যেমন- আলু। 

(ঙ) বুলবিল: 
- কোনো কোনো উদ্ভিদের কাক্ষিক মুকুলের বৃদ্ধি যথাযথভাবে না হয়ে একটি পিণ্ডের মতো আকার ধারণ করে, এদের বুলবিল বলে। 
- এসব বুলবিল কিছুদিন পর গাছ থেকে খসে মাটিতে পড়ে এবং নতুন গাছের জন্ম দেয়, যেমন- চুপড়ি আলু। 

(চ) অফসেট: 
- কচুরিপানা, টোপাপানা ইত্যাদি জলজ উদ্ভিদে শাখা কাণ্ড বৃদ্ধি পেয়ে একটি নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন করে। 
- কিছুদিন পর মাতৃউদ্ভিদ থেকে এটি বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন উদ্ভিদে পরিণত হয়, যেমন- কচুরিপানা।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৩,২২১.
উদ্ভিদের মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট কোনটি? 
  1. কার্বন
  2. সালফার
  3. লৌহ
  4. দস্তা
সঠিক উত্তর:
দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্তা
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়। 
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন। 
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন - 
১। ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং 
২। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান। 

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। 
যথা -
• নাইট্রোজেন (N), 
• পটাশিয়াম (K), 
• ফসফরাস (P), 
• ক্যালসিয়াম (Ca), 
• ম্যাগনেসিয়াম (Mg), 
কার্বন (C)
• হাইড্রোজেন (H), 
• অক্সিজেন (O), 
সালফার (S) এবং 
লৌহ বা আয়রন (Fe)। 

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে।
- মাইক্রো উপাদান ৬টি।
যথা - 
দস্তা বা জিংক (Zn)
• ম্যাঙ্গানিজ (Mn), 
• মোলিবডেনাম (Mo), 
• বোরন (B), 
• তামা বা কপার (Cu) এবং 
• ক্লোরিন (Cl)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২২২.
একটি নীল কাচকে উত্তপ্ত করলে এর থেকে কোন রঙ বের হবে?
  1. লাল
  2. নীল
  3. সবুজ
  4. হলুদ
সঠিক উত্তর:
হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলুদ
ব্যাখ্যা
• একটি নীল কাচকে উত্তপ্ত করলে এর থেকে বের হবে হলুদ রং।
- যখন কোনো নীল কাঁচকে উত্তপ্ত করা হয় তখন সেই কাচ আগুনের অবলোহিত রশ্মির সাথে বিক্রিয়া করে হলুদ রং তৈরি করে।
- যার ফলে উৎপন্ন হলুদ রং নির্গত হয়।
৩,২২৩.
অযৌন জনন কয় প্রকার?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
খ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২
ব্যাখ্যা
নিম্নশ্রেণীর জীবে অযৌন জননের প্রবণতা বেশি৷ অযৌন জনন প্রধানত দুই প্রকার৷
যথা- স্পোর উৎপাদন ও অঙ্গজ জনন৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি
৩,২২৪.
'পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে' ধারণাটি প্রথম প্রমাণ করেন কে? 
  1. বিজ্ঞানী গ্যালিলিও
  2. নিকোলাস কোপার্নিকাস
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. জোহান কেল্লার
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস
ব্যাখ্যা
- বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘােরে। 
- বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমী জোরালােভাবে বলেন যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে। 
- কোপার্নিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ ব্যাক্ত করেন, তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের পরিবর্তে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। 
- তার সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের মূল কথা ছিল 'পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘােরে'। 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। 
- নিকোলাস কোপার্নিকাসই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। 
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী গ্যলিলিও প্রথম কোপার্নিকাসের মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২২৫.
ফ্লোয়েমে কোন ধরনের কোষ থাকে?
  1. ট্রাকিড
  2. সীভ নল
  3. জাইলেম তন্তু
  4. ভেসেল
সঠিক উত্তর:
সীভ নল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীভ নল
ব্যাখ্যা

জটিল টিস্যু:
- এ টিস্যুর আসল কাজ মাটি থেকে পানি ও অজৈব লবণ পরিবহন করে পাতায় পৌঁছানো এবং পাতায় যে খাদ্য প্রস্তুত হয় তা পরিবহন করে উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছানো।
- এদের কাজ পরিবহন বলে এ টিস্যুকে পরিবহন টিস্যুও বলা হয়।
- জটিল টিস্যু দু'প্রকার।
যথা-
১। জাইলেম টিস্যু:
- জাইলেম টিস্যুর কাজ পানি পরিবহণ করা।
- ভাস্কুলার উদ্ভিদে জাইলেমের সাহায্যেই খাদ্য দ্রব্যের উপাদানগুলো মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পাতায় পরিবাহিত হয়।
- পরিণত অবস্থায় আবৃতবীজী উদ্ভিদের জাইলেম চার ধরণের কোষ দ্বারা গঠিত।
যথা- ট্রাকিড, ট্রাকিয়া বা ভেসেল, জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম তন্তু

২। ফ্লোয়েম টিস্যু:
- ফ্লোয়েম টিস্যু উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করে।
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত।
যথা- সীভ নল, সঙ্গী কোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম ফাইবার বা বাস্ট তন্তু

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২২৬.
নিচের কোন বিবৃতি সত্য?
  1. ক) বরফকে উত্তপ্ত করে পানিতে পরিণত করলে আয়তন কমবে
  2. খ) সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে
  3. গ) বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা

এক খন্ড বরফকে উত্তপ্ত করে পানিতে পরিণত করলে আয়তন কমবে এবং একই পরিমাণ পানি যখন বরফে পরিণত হয় তখন বরফের আয়তন বেড়ে যায়।
সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে কারণ বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি যার ফলে বরফ পানিতে ভাসে।
Source: britannica.com

৩,২২৭.
নিচের কোন বিশেষ ইলেকট্রনিকস ডিভাইসে ব্যাটারির এক ধরণের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় উল্টো সংযোগে হয় না?
  1. ক) ডায়োড
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) আইসি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়োড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়োড
ব্যাখ্যা

ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরণের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode।
ডায়োডের আরো একটি ব্যবহার হচ্ছে AC থেকে DC তৈরি করা অর্থাৎ ডায়োড রেক্টিফায়ার হিসাবে কাজ করে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,২২৮.
শামুক পালন বিষয়ক বিদ্যাকে কী বলা হয়?
  1. Heliciculture
  2. Oenology
  3. Pomology
  4. Vermiculture
সঠিক উত্তর:
Heliciculture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Heliciculture
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ: 
• শামুক পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয়- Heliciculture. 

অন্যদিকে, 
- Oenology - মদ উৎপাদন বিষয়ক বিদ্যা।
- Pomology - ফল চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- Vermiculture - কেঁচো চাষ বিষয়ক বিদ্যা।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩,২২৯.
রক্ত কণিকায় কিসের উপস্থিতির কারণে রক্ত লাল দেখায়?
  1. ক) বেসোফিল
  2. খ) হেপারিন
  3. গ) হিমোগ্লোবিন
  4. ঘ) ফাইব্রিনোজেন
সঠিক উত্তর:
গ) হিমোগ্লোবিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিমোগ্লোবিন
ব্যাখ্যা
হিমোগ্লোবিন এক ধরনের আমিষ জাতীয় রঞ্জক পদার্থ। লোহিত রক্ত কণিকায় এর উপস্থিতির কারণে রক্ত লাল দেখায়। রক্তে উপযুক্ত পরিমাণে হিমোগ্লোবিন না থাকলে রক্ত স্বল্পতা বা রক্তশূন্যত দেখা দেয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি
৩,২৩০.
কোনটি অফুরন্ত নবায়নযোগ্য সম্পদ?
  1. ক) মাটি
  2. খ) পানি
  3. গ) খাদ্য
  4. ঘ) গ্যাস
সঠিক উত্তর:
খ) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানি
ব্যাখ্যা


উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,২৩১.
ব্যাকটেরিয়ার নামকরণ করেন কে?
  1. লিউয়েন হুক
  2. রবার্ট হুক
  3. লুই পাস্তুর
  4. এহরেনবার্গ
সঠিক উত্তর:
এহরেনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এহরেনবার্গ
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া: 
- গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে। যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড। 
- ব্যাকটেরিয়া (এক = বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব। 
- গাঠনিক উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়। 
- ওলন্দাজ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক ১৬৭৫ খ্রিস্টাব্দে তাঁর নিজের আবিষ্কৃত সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। 
- তিনি এদের নাম দেন Animalcule অর্থাৎ ক্ষুদ্র প্রাণী। তাই তাকে Father of Bacteriology অর্থাৎ ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়। 
- জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন। 
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন। 
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব। 
- ব্যাপক অর্থে ব্যাকটেরিয়া বলতে আর্কিব্যাকটেরিয়া, ইউব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, অ্যাকটিনোব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি গ্রুপকে বোঝায়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৩২.
নিচের কোনটি গ্রীনহাউস গ্যাস?
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. হাইড্রোজেন
  4. মিথেন
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা

• গ্রীন হাউস গ্যাস: 
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে- 
• জলীয় বাষ্প,
• কার্বন ডাই অক্সাইড,
• নাইট্রাস অক্সাইড,
• মিথেন,
• ওজোন,
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড (CS2) এবং কার্বনিল সাইফাইড (COS) পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry.

৩,২৩৩.
বিপরীতধর্মী আহিত দুটি বস্তুর মধ্যে কী ধরণের তড়িৎ বল কাজ করে?
  1. মাধ্যাকর্ষণ
  2. বিকর্ষণ
  3. আকর্ষণ
  4. চৌম্বক বল
সঠিক উত্তর:
আকর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকর্ষণ
ব্যাখ্যা
তড়িৎ বল: 
- একটি আহিত স্থির বস্তুর নিকট অন্য একটি আহিত বস্তু আনলে বস্তু দু'টির মধ্যে একটি বল কাজ করবে, আহিত বস্তু দু'টি যদি সমধর্মী আধান অর্থাৎ দু'টি বস্তুই ধনাত্মক বা দু'টি বস্তুই ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় তবে পরস্পরের মধ্যে বিকর্ষণ বল কাজ করবে, আবার আহিত বস্তু দু'টি বিপরীতধর্মী অর্থাৎ একটি বস্তু ধনাত্মক আধানে এবং অপর বস্তু ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় তবে পরস্পরের মধ্যে আকর্ষণ বল কাজ করবে, এ বিকর্ষণ বা আকর্ষণ বলকে তড়িৎ বল বলে। 
- দু'টি আধানের মধ্যবর্তী এ আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান নির্ভর করে- 
১. আধান দু'টির পরিমাণের উপর, 
২. আধান দু'টির মধ্যবর্তী দূরত্বের উপর, 
৩. আধান দু'টি যে মাধ্যমে অবস্থিত তার প্রকৃতির উপর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৩৪.
জেরপথ্যালমিয়া রোগের কারণ কোনটি?
  1. ক) ভিটামিন A এর দীর্ঘস্থায়ী অভাব
  2. খ) ভিটামিন C এর দীর্ঘস্থায়ী অভাব
  3. গ) ভিটামিন E এর দীর্ঘস্থায়ী অভাব
  4. ঘ) ভিটামিন D এর দীর্ঘস্থায়ী অভাব
সঠিক উত্তর:
ক) ভিটামিন A এর দীর্ঘস্থায়ী অভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভিটামিন A এর দীর্ঘস্থায়ী অভাব
ব্যাখ্যা
ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। এর অভাব দীর্ঘস্থায়ী হলে চোখের কর্নিয়ায় আলসার হতে পারে - এ অবস্থাকে জেরপথ্যালমিয়া রোগ বলে।
এ রোগ হলে একজন মানুষ পুরোপুরি অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
ভিটামিন এ এর অভাবে দেহের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্থ হয়। অনেক সময় সর্দি, ঘা, কাশি, গলাব্যাথা হয়। 

[সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই]
৩,২৩৫.
মোবাইল ফোনে যোগাযোগের জন্য কোন ধরনের তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়?
  1. দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ
  2. অতিবেগুনি রশ্মি
  3. মাইক্রোওয়েভ
  4. গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা

◉ মোবাইল ফোন যোগাযোগ সাধারণত মাইক্রোওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে (প্রায় 800 MHz থেকে 2.6 GHz) পরিচালিত হয়। এই তরঙ্গগুলো দীর্ঘ দূরত্বে তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণে উপযোগী এবং অ্যান্টেনা দ্বারা সহজে প্রেরণযোগ্য।

মাইক্রোওয়েভ:
- মাইক্রোওয়েভ এক ধরনের ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ যা সেকেন্ডে প্রায় 1 গিগা বা তার চেয়ে বেশিবার কম্পন বিশিষ্ট।
- মাইক্রোওয়েভ ব্যবহার করে ডাটা স্থানান্তর অর্থাৎ কম্পিউটার প্রদত্ত ডাটা, কথা এবং ছবি ইত্যাদি অনেক দ্রুত স্থানান্তর করা সম্ভব।
- মাইক্রোওয়েভ সিস্টেমে মূলত দুটো ট্রান্সসিভার (Transceiver) থাকে।
- এর একটি সিগন্যাল ট্রান্সমিট (Transmit) করে এবং অন্যটি রিসিভ (Receive) করে।
- মাইক্রোওয়েভ এর ফ্রিকুয়েন্সী রেঞ্জ হচ্ছে 300MHz থেকে 30GHz.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।

৩,২৩৬.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক্যালকুলেটর
  2. টেলিভিশন
  3. রেডিও
  4. টেপ রেকর্ডার
সঠিক উত্তর:
ক্যালকুলেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালকুলেটর
ব্যাখ্যা
• ক্যালকুলেটর ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির একটি উদাহরণ।

ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি:
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিক্স বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বলা হয়।
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিক্স ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ।
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. এনালগ পদ্ধতি:
- এনালগ সংকেত হলো অবিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত।
- এনালগ সংকেত অনেকটা শব্দ তরঙ্গের মত সময়ের সাথে সাথে অবিচ্ছিন্ন ভাবে মান বাড়তে বাড়তে সর্বোচ্চ মানে পৌঁছিয়ে আবার অবিচ্ছিন্ন ভাবে কমতে কমতে সর্বনিম্ন মানে পৌঁছায়। এই সংকেতকে সাইন তরঙ্গের (sine wave) সাথে তুলনা করা যায়।
- এনালগ পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল (analogue) সংকেতের বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করা হয়।
- তাপমাত্রা, চাপ, প্রবাহ হলো ক্রমাগত পরিবর্তনশীল কয়েকটি এনালগ সংকেতের উদাহরণ। এসব সংকেতকে ভোল্টেজে রূপান্তরিত করলে যে ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, তাই হলো এনালগ সংকেতের।
- এ ধরণের প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিবর্ধক, ফিল্টার প্রভৃতি এনালগ বর্তনী ব্যবহার করা হয়।
- রেডিও, টেপ রেকর্ডার, টিভি ইত্যাদি এনালগ ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির উদাহরণ।

২. ডিজিটাল পদ্ধতি:
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত।
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়। এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়।
- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়।
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব।
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে 0 এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ।

৩. মিশ্র পদ্ধতি:
- এনালগ ও ডিজিটাল বর্তনীর সংমিশ্রণে তৈরি পদ্ধতিকে মিশ্র ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বলে।
- শিল্প-কারখানায় প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণে, চিকিৎসা ক্ষেত্রে মিশ্র ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- চাপ, তাপমাত্রা, রক্তচাপ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া, তরল পদার্থের স্তর ইত্যাদি ক্রম-পরিবর্তনশীল বিষয় সংগৃহীত উপাত্ত এনালগ ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি গ্রহণ করে।
- এই উপাত্তগুলিকে ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে যথা যোগ্য সংখ্যা ও সংকেতে রূপান্তর করে পাঠ নেয়া হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৩৭.
পৃথিবীর বাইরে কোথায় প্লাজমার আধিক্য দেখা যায়? 
  1. পাহাড়ের চূড়ায়
  2. ভূগর্ভস্থ স্থানে
  3. সমুদ্রের গভীরে
  4. মহাবিশ্বে এবং সূর্যে
সঠিক উত্তর:
মহাবিশ্বে এবং সূর্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাবিশ্বে এবং সূর্যে
ব্যাখ্যা
প্লাজমা: 
- পদার্থের কঠিন, তরল এবং বায়বীয় ছাড়া আরও একটি অবস্থা হচ্ছে 'প্লাজমা'। 
- এটিও পদার্থের চতুর্থ একটি অবস্থা। 
- চারটি অবস্থাই পদার্থের অভ্যন্তরের তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- প্লাজমা অবস্থা সচরাচর চোখে ধরা পড়ে না। 
- কঠিন থেকে তরলে তাপমাত্রা বা শক্তি অধিক হয়। তরল থেকে বাষ্পে তাপ ও শক্তি আরও অধিক হয়। তাপ শক্তি অত্যন্ত অধিক হলে বা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থ প্লাজমা অবস্থায় পরিণত হয়। 
- এ অবস্থায় বস্তুর অণুগুলো ইলেকট্রন, প্রোট্রন ও নিউট্রনে রূপান্তরিত হয়। 
- অন্যভাবে বলা যায় গ্যাসীয় অণুসমূহ আয়তনযুক্ত হয়। 
- প্লাজমা অবস্থা নিয়ন সাইন, ফ্লোরোসেন্ট লাইট (টিউব লাইট, এনার্জি বাল্ব) এর মধ্যে গ্যাস পরমাণু আয়নিত বা প্লাজমা অবস্থায় থাকে। 
- পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বে প্লাজমা অবস্থারই প্রাধান্য বেশি। 
- সূর্য এবং অধিকাংশ নক্ষত্র, উত্তর মেরুতে দৃশ্যমান মেরুজ্যোতি পদার্থের প্লাজমা অবস্থা। 
- শিল্প কারখানায় প্লাজমা টর্চ ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৩৮.
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত?
  1. ৩৯০.১৫ কেলভিন
  2. ৩১০.১৫ কেলভিন
  3. ৩৭৭.০৪ কেলভিন
  4. ২৯৮.৩২ কেলভিন
সঠিক উত্তর:
৩১০.১৫ কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১০.১৫ কেলভিন
ব্যাখ্যা
মানবদেহের তাপমাত্রা:
- যে থার্মোমিটারের সাহায্যে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় তাকে ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার বলে।
- এই থার্মোমিটারে ফারেনহাইট স্কেল ব্যবহার করা হয়।
- ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটারে ৯৫-১১০° ফারেনহাইট পর্যন্ত দাগ কাটা থাকে।
- মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৯৮.৪° ফারেনহাইট বা ৩৬.৯° সেলসিয়াস।
- কেলভিন স্কেলে মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩১০.১৫ কেলভিন।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,২৩৯.
কোয়াসি মুন কী?
  1. চাঁদের চারপাশে ঘূর্ণায়মান ছোট উপগ্রহ
  2. পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ঘোরে কিন্তু স্থায়ী নয় এমন ক্ষুদ্র গ্রহাণু
  3. সূর্যের চারপাশে ঘূর্ণায়মান গ্রহ
  4. পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রাকৃতিক উপগ্রহ
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ঘোরে কিন্তু স্থায়ী নয় এমন ক্ষুদ্র গ্রহাণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ঘোরে কিন্তু স্থায়ী নয় এমন ক্ষুদ্র গ্রহাণু
ব্যাখ্যা

• কোয়াসি-মুন।
- কোয়াসি-মুন এমন একটি বস্তু, যা পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ঘোরে, কিন্তু স্থায়ীভাবে পৃথিবীর উপগ্রহ নয়।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি একটি অজানা 'কোয়াসি-মুন' বা আধা-চাঁদ সদৃশ বস্তু আবিষ্কার করেছেন।
- নতুন এই মহাজাগতিক বস্তুটির নাম '২০২৫ পিএন৭'।
- এটি সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে, তবে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি অবস্থান করে।
- হাওয়াইয়ের হেলেয়াকালা আগ্নেয়গিরিতে অবস্থিত 'প্যান-স্টারস'- মানমন্দির গত ২৯ আগস্ট '২০২৫ পিএন৭'-কে প্রথমবারের মতো পর্যবেক্ষণ করে।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৩,২৪০.
নিচের কোনটি অজৈব যৌগ?
  1. ফেনল
  2. অ্যামোনিয়া
  3. বেনজিন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়া
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত হাইড্রোকার্বন এবং হাইড্রোকার্বন থেকে উদ্ভূত যৌগসমূহকে জৈব যৌগ বলে।
অ্যামিনো এসিড, ফেনল, বেনজিন ইত্যাদি হলো জৈব যৌগ।

- যেকোনো দুই বা ততোধিক মৌলের সমন্বয়ে অজৈব যৌগ গঠিত হয়।
অ্যামোনিয়া, কার্বনিক এসিড, ভারী পানি ইত্যাদি সবই অজৈব যৌগ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,২৪১.
হিউম্যান প্যাপিলোমা একটি -
  1. ছত্রাক
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ভাইরাস
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
হিউম্যান প্যাপিলোমা (Human papilloma-HPV):
- হিউম্যান প্যাপিলোমা একধরনের ভাইরাস।
- হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস Papovaviridae ফ্যামেলি অন্তর্গত ভাইরাসগুলোর একটি উপগোষ্ঠী যা মানুষকে সংক্রামিত করে।
- এর ফলে আঁচিল এবং টিউমারের পাশাপাশি যৌনাঙ্গের ক্যান্সার হয়।
- বিশেষ করে মহিলাদের জরায়ু ক্যান্সার হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৩,২৪২.
বিখ্যাত ‘আইরিশ দুর্ভিক্ষ’-এর কারণ কী?
  1. ভাইরাস আক্রমণ
  2. শৈবাল আক্রমণ
  3. ছত্রাক আক্রমণ
  4. ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক আক্রমণ
ব্যাখ্যা

আইরিশ দুর্ভিক্ষ:
- বিখ্যাত ‘আইরিশ দুর্ভিক্ষ’-এর কারণ ছত্রাক আক্রমণ।

⇒ আয়ারল্যান্ডের ঠান্ডা কিন্তু তুষারমুক্ত পরিবেশ ছিল আলু চাষের জন্য অনুকূল।
- এর স্বাদ অল্প সময়ে এতোটাই জনপ্রিয়তা পায় যে শস্যের পর আলুই আইরিশদের বিকল্প প্রধান খাবার হয়ে ওঠে।
- আয়ারল্যান্ডে আলু প্রবেশের পরপরই ১৫৯০ থেকে ১৮৪৫ সালের মধ্যে তাদের জনসংখ্যা ১০ লাখ থেকে বেড়ে ৮০ লাখে দাঁড়ায়।

⇒ ১৮৪৫ থেকে ১৮৫২ সাল পর্যন্ত আয়ারল্যান্ডে সংঘটিত হয় একটি ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়।
- এই সময়ে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ অনাহারে মারা যায় এবং প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।
- এই দুর্ভিক্ষের প্রধান কারণ ছিল আলু ফসলের উপর অতিরিক্ত নির্ভরতা এবং Phytophthora infestans নামক ছত্রাকের সংক্রমণ, যা আলু ফসলকে ব্যাপকভাবে ধ্বংস করে দেয়।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.

৩,২৪৩.
কোনটি দেহকোষ নয়?
  1. স্নায়ুকোষ
  2. লোহিত রক্তকণিকা
  3. শুক্রাণু
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
শুক্রাণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্রাণু
ব্যাখ্যা
• দেহকোষ (Somatic cell):
- বহুকোষী জীবের দেহ গঠনে এসব কোষ অংশগ্রহণ করে।
- মাইটোসিস পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে দেহকোষ বিভাজিত হয় এবং এভাবে দেহের বৃদ্ধি ঘটে।
- বিভিন্ন তন্ত্র ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ গঠনে দেহকোষ অংশ নেয়।
উদাহরণ: স্নায়ুকোষ, রক্ত, রক্তকণিকাসমূহ, ফুসফুস, হৃদপিন্ড,অস্থিকোষ ইত্যাদি।

• জননকোষ (Gametic cell):
- যৌন প্রজনন ও জনঃক্রম দেখা যায়, এমন জীবে জননকোষ উৎপন্ন হয়।
- মিয়োসিস পদ্ধতিতে জনন মাতৃকোষের বিভাজন ঘটে এবং জনন কোষ উৎপন্ন হয়।
- অপত্য জননকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃজনন কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক থাকে।
- পুং ও স্ত্রী জননকোষ মিলিত হয়ে নতুন জীবের দেহ গঠনের সূচনা করে।
- পুং ও স্ত্রী জননকোষের মিলনের ফলে সৃষ্ট এই প্রথম কোষটিকে জাইগোট (Zygote) বলে।
- জাইগোট বারবার বিভাজনের মাধ্যমে জীবদেহ গঠন করে।
উদাহরণ: শুক্রাণু ও ডিম্বাণু।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম- ১০ম শ্রেণি।
৩,২৪৪.
মুখ্য জোয়ারের অপর নাম কী?
  1. পরোক্ষ জোয়ার
  2. প্রত্যক্ষ জোয়ার
  3. মরা কটাল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ জোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ জোয়ার
ব্যাখ্যা

• জোয়ার-ভাঁটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে  ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৪৫.
কোন রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম?
  1. লাল
  2. কমলা
  3. সবুজ
  4. নীল
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা

• লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি এবং বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম।

• দৃশ্যমান আলো:
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য 380-780nm।
- মৌলিক রং ৩টি-লাল, সবুজ, আসমানী।
- লাল আলোতে সবুজ বস্তুকে কালো দেখায়।
- নীল কাচের মধ্য দিয়ে সাদা ফুল নীল দেখায়।

• বেগুনি (Violet) 380-424 nm - তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম, প্রতিসরণ, বিচ্যুতি (বিক্ষেপণ সবচেয়ে বেশি,
• নীল (Indigo) 424-450 nm - নীল আলোর বিক্ষেপণের কারনে আকাশ নীল দেখায়,
• আসমানী (Blue) 450-500 nm,
• সবুজ (Green) 500-575 nm,
• হলুদ (Yellow) 575-590 nm - মধ্য রশ্মি বলা হয়,
• কমলা (Orange) 590-647 nm এবং 
লাল (Red) 647-780 nm - তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, প্রতিসরণ, বিচ্যুতি, বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,২৪৬.
ট্রান্সফরমার কী কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. বিদ্যুৎ উৎপাদন করা
  2. ব্যাটারির চার্জ সংরক্ষণ করা
  3. এসি (AC) ভোল্টেজ বাড়ানো বা কমানো
  4. ডিসি (DC) ভোল্টেজ পরিবর্তন করা
সঠিক উত্তর:
এসি (AC) ভোল্টেজ বাড়ানো বা কমানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসি (AC) ভোল্টেজ বাড়ানো বা কমানো
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফরমার (Transformer): 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- যে পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানো যায়, সেই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সফরমার। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশের ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়, যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- দুই পাশে কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা যদি সমান হয়, তাহলে বাম দিকে যে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হবে ডান দিকে ঠিক সেই এসি ভোল্টেজ ফেরত পাওয়া যাবে। ডান দিকে প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ বেশি হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ বেশি হবে। প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ কম হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ কম হবে। 
- বাম দিকের কয়েল যেখানে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তার নাম প্রাইমারি কয়েল বা মুখ্য কুণ্ডলী এবং ডান দিকে যেখানে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয় তার নাম সেকেন্ডারি কয়েল বা গৌণ কুণ্ডলী। 
- প্রতি সেকেন্ডে কতটুকু বৈদ্যুতিক শক্তি প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেটা পরিমাপ করা হয় VI (ভোল্টেজ × কারেন্ট) দিয়ে, একটা ট্রান্সফরমারে প্রাইমারিতে যে পরিমাণ VI প্রয়োগ করা হয়, সেকেন্ডারি কয়েল থেকে ঠিক সেই পরিমাণ VI ফেরত পাওয়া যায়। কাজেই সেকেন্ডারিতে যদি ভোল্টেজ দশ গুণ বাড়িয়ে নেয়া যায় তাহলে সেখানে বিদ্যুৎও দশ গুণ কমে যাবে। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৪৭.
সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব-
  1. ক) ৯৩ লক্ষ কিলোমিটার
  2. খ) ৯৩ মিলিয়ন কিলোমিটার
  3. গ) ৯৩ মিলিয়ন মাইল
  4. ঘ) ১৫০ মিলিয়ন মাইল
সঠিক উত্তর:
গ) ৯৩ মিলিয়ন মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯৩ মিলিয়ন মাইল
ব্যাখ্যা
Earth orbits our Sun, a star. Earth is the third planet from the Sun at a distance of about 93 million miles (150 million km).
Source: NASA
৩,২৪৮.
বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম -
  1. রাজ কাঁকড়া
  2. গন্ডার
  3. পিপীলিকাভুক ম্যানিস
  4. স্লো লোরিস
সঠিক উত্তর:
রাজ কাঁকড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজ কাঁকড়া
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- কতগুলাে জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনােরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনাে পৃথিবীতে বেঁচে আছে অথচ তাদের সমগােত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। 
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী হচ্ছে জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। 
- অন্যদিকে ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলােবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। 
- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগে লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আথ্রোপোডাগুলাে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৪৯.
রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) ফিনলে
  2. খ) লিউয়েন হুক
  3. গ) উইলিয়াম হার্ভে
  4. ঘ) জোনাস সাল্ক
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম হার্ভে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম হার্ভে
ব্যাখ্যা
রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন উইলিয়াম হার্ভে। 

১৬২৮ সালে ৫০ বছর বয়সে হার্ভে প্রকাশ করলেন তাঁর অবিস্মরণীয় গ্রন্থ ‘Exercitatio Anatomica de Moto Cordis er Sanguinis in Animalibus’। বাংলা করলে দাঁড়ায়, ‘প্রাণীজগতের রক্ত এবং হৃৎপিন্ডের গতি সম্বন্ধীয় পর্যবেক্ষণ’, যা সূচনা করলো এক বৈপ্লবিক চেতনার। হার্ভেই প্রথম সঠিক এবং বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করলেন যে রক্ত হৃৎপিন্ড থেকে ফুসফুসে যায় এবং পরে ফুসফুস থেকে হৃৎপিন্ডে ফিরে এসে তা আবার সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে। এটি একটি চক্রাকার প্রক্রিয়া।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
৩,২৫০.
নিচের কোনটি ভুল?
  1. ক) তরল পদার্থে কোন বস্তু দ্রবীভূত থাকলে স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়
  2. খ) চাপ বাড়লে তরলের স্ফুটনাংক বেড়ে যায় এবং চাপ কমলে স্ফুটনাঙ্ক কমে
  3. গ) বায়বীয় অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরকে ঘনীভবন বলে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) তরল পদার্থে কোন বস্তু দ্রবীভূত থাকলে স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তরল পদার্থে কোন বস্তু দ্রবীভূত থাকলে স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়
ব্যাখ্যা
১. তরল পদার্থে কোন বস্তু দ্রবীভূত থাকলে স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে যায়। যেমনঃ যে তাপমাত্রায় পানি ফুটবে, চিনির পানি সে তাপমাত্রায় ফুটবে না। তার চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় ফুটবে।
২. চাপ বাড়লে তরলের স্ফুটনাংক বেড়ে যায় এবং চাপ কমলে স্ফুটনাঙ্ক কমে। স্বাভাবিক চাপে পানির স্ফুটনাংক ১০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
৩. বায়বীয় অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরকে ঘনীভবন বা তরলীকরণ (Liquification) বলে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৫১.
কোন অর্গানেলটি পর্দা দ্বারা আবেষ্টিত থাকে না?
  1. রাইবোসোম
  2. ক্লোরোপ্লাস্ট
  3. মাইটোকন্ড্রিয়া
  4. পারোক্সিসোম
সঠিক উত্তর:
রাইবোসোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইবোসোম
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত অপশনসমূহের মধ্যে 'রাইবোসোম' পর্দা দ্বারা আবেষ্টিত থাকে না। 
 
• রাইবোসোম: 
- সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় বিরাজমান অথবা অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার গায়ে অবস্থিত যে দানাদার কণায় প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে তাই রাইবোসোম। 
- রাইবোসোম অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং প্রায় গোলাকার। 
- রাইবোসোমের কোনো আবরণী নেই। 
- সাইটোপ্লাজমে একাধিক রাইবোসোম মুক্তোর মালার মতো অবস্থান করলে তাকে পলিরাইবোসোম বা পলিসোম বলে। 
- আদিকোষ ও প্রকৃতকোষ-এই উভয় প্রকার কোষেই রাইবোসোম উপস্থিত থাকার কারণে রাইবোসোমকে সর্বজনীন অঙ্গাণু বলা হয়। 
 
• ক্লোরোপ্লাস্ট:  
- সবুজ বর্ণের প্লাস্টিডকে বলা হয় ক্লোরোপ্লাস্ট। 
- ক্লোরোফিল-a, ক্লোরোফিল-b, ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিলের সমন্বয়ে ক্লোরোপ্লাস্ট গঠিত। 
- ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা (pigment) অধিক মাত্রায় ধারণ করে বলে এরা সবুজ বর্ণের। 
- এতে অন্যান্য বর্ণকণিকাও কিছু কিছু পরিমাণে বিদ্যমান থাকে। 
- ১৮৮৩ সালে বিজ্ঞনী শিম্পার সর্বপ্রথম উদ্ভিদ কোষে সবুজ বর্ণের প্লাস্টিড লক্ষ্য করেন এবং নামকরণ করেন ক্লোরোপ্লাস্ট। 

ক্লোরোপ্লাস্টের গঠন (ভৌত গঠন): 
- সমস্ত ক্লোরোপ্লাস্ট একটি দুই স্তরবিশিষ্ট আংশিক অনুপ্রবেশ্য (semipermeable) মেমব্রেন (ঝিল্লি) দ্বারা আবৃত থাকে। 
- ক্লোরোপ্লাস্ট মেমব্রেনে ফসফোলিপিড-এর পরিবর্তে গ্লাইকোসিল গ্লিসারাইড (glycosyl glyceride) থাকে।
- এটি একটি ব্যতিক্রমী গঠন। 
- ক্লোরোপ্লাস্ট হলো তিন মেমব্রেন দ্বারা তৈরি ৩ প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট একটি অঙ্গাণু। 

• মাইটোকন্ড্রিয়া: 
- প্রকৃত জীবকোষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু হলো মাইটোকন্ড্রিয়া।
- কোষের যাবতীয় জৈবনিক কাজের শক্তি সরবরাহ করে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের 'পাওয়ার হাউস' বা শক্তিঘর বলা হয়।
- এ অঙ্গাণুতে ক্রেবস্ চক্র, ফ্যাটি অ্যাসিড চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট প্রক্রিয়া প্রভৃতি ঘটে থাকে।
- দ্বিস্তরবিশিষ্ট আবরণী ঝিল্লি দ্বারা সীমিত সাইটোপ্লাজমন্ত্র যে অঙ্গাণুতে ক্রেবস্ চক্র, ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি ঘটে থাকে এবং শক্তি উৎপন্ন হয় সেই অঙ্গাণুকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে। 
- মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গানু। 

• পারোক্সিসোম: 
- পারঅক্সিসোম প্রায় সব ধরনের কোষে দেখা গেলেও প্রাণীর কিডনি ও লিভার কোষে অধিক থাকে। 
- অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের আউটপকেটিং-এর মাধ্যমে এরা তৈরি হয়। 
- এরা এক আবরণী বিশিষ্ট, ব্যাস ০.২-১৭ µm, এবং এরা দানাদার। 
- এর ভেতরে ক্রিস্টাল বা দানার আকারে সঞ্চয়ী এনজাইম জমা থাকে। 
- এর মধ্যে catalase প্রধান এনজাইম, এদেরকে মাইক্রোসোম (microsome) নামেও অভিহিত করা হয়। 
- ১৯৬৭ সালে বেলজিয়াম সাইটোলজিস্ট Christian de Duve কোষের সাইটোপ্লাজম থেকে পারঅক্সিসোম অঙ্গাণুটি আবিষ্কার করেন। 
- পারঅক্সিসোম প্রাণীর কিডনি ও লিভার কোষে অধিক থাকে। 
 
উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৫২.
'আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন' ব্যবহার করা হয় কোন যন্ত্রে?
  1. ক) এন্ডোস্কপি
  2. খ) আল্ট্রাসনোগ্রাফি
  3. গ) ইকোকার্ডিওগ্রাফি
  4. ঘ) ম্যাগনেটিক রেসোন্যান্স ইমেজিং
সঠিক উত্তর:
ক) এন্ডোস্কপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এন্ডোস্কপি
ব্যাখ্যা
এন্ডোসকোপি এন্ডোসকোপি বলতে সাধারণভাবে কোনো কিছুর ভিতরে দেখাকে বুঝায়। 
কিন্তু এন্ডোসকপি বলতে আমরা বুঝি চিকিৎসাজনিত কারণে বা প্রয়োজনে দেহের অভ্যন্তরস্থ কোনো অঙ্গ বা গহ্বরকে বাহির থেকে পর্যবেক্ষণ। 
এন্ডোসকোপ যন্ত্রের মাধ্যমে আমরা শরীরের ফাঁকা অঙ্গসমূহের অভ্যন্তরভাগ পরীক্ষা করে থাকি । 
 
এন্ডোসকোপ যন্ত্রে দুটি নল থাকে, এদের একটির মধ্য দিয়ে বাইরে থেকে রোগীর শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গে আলো প্রেরণ করা হয়। 
আলোক তন্তুর ভিতরের দেয়ালে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে উজ্জ্বল আলো রোগীর দেহ গহ্বরে প্রবেশ করে।
এই আলো রোগাক্রান্ত বা ক্ষতিগ্রস্থ অঙ্গকে আলোকিত করে।
দ্বিতীয় আলোক তন্ত্র নলের ভিতর দিয়ে আলোর প্রতিফলিত অংশ একইভাবে ফিরে আসে। প্রতিফলিত আলো অভিনেত্র লেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসকের চোখে প্রবেশ করে। ফলে চিকিৎসক পরীক্ষনীয় অঙ্গের অভ্যন্তরে কী ঘটছে বা হচ্ছে তা দেখতে পারেন ।
 
উৎস : পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,২৫৩.
Platyhelminthes পর্বের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. একস্তরী, সিলোমযুক্ত, অসীম
  2. ত্রিস্তরী, চ্যাপ্টাদেহী, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম
  3. দ্বিস্তরী, কুণ্ডলীযুক্ত, অপ্রতিসম 
  4. ত্রিস্তরী, গোলাকৃতি, উভয়লিঙ্গিক
সঠিক উত্তর:
ত্রিস্তরী, চ্যাপ্টাদেহী, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিস্তরী, চ্যাপ্টাদেহী, দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম
ব্যাখ্যা

- Platyhelminthes পর্বের প্রাণীরা ত্রিস্তরী (Triploblastic), অর্থাৎ এদের দেহে তিনটি ভ্রূণীয় কোষস্তর (এক্টোডার্ম, মেসোডার্ম ও এন্ডোডার্ম) থাকে। এদের দেহ উপর-নিচে চ্যাপ্টা, পাতা বা ফিতার মতো হয়, যে কারণে এদেরকে চ্যাপ্টা কৃমি (flatworm) বলা হয়। এরা দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম (Bilaterally symmetrical), যার অর্থ হলো এদের দেহকে কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর শুধুমাত্র একটি তলে দুটি সমান ও অভিন্ন অংশে ভাগ করা যায়। 

Platyhelminthes (চ্যাপ্টাদেহী কৃমি): 
- Platyhelminthes শব্দটি Greek শব্দ Platy = চ্যাপ্টা এবং Helminthes = কৃমি এ দুটি শব্দ নিয়ে গঠিত।
- ১৮৫৯ সালে Gogenbour এ পর্বের নামকরণ করেন। এ পর্বের আবিষ্কৃত প্রজাতির সংখ্যা ২৯,৪৮৭।

Platyhelminthes পর্বের বৈশিষ্ট্য: 
১। এরা ত্রিস্তরী (Triploblastic), চ্যাপ্টাদেহী ও সাধারণত চোষক বা আংটাযুক্ত অন্তঃপরজীবী কৃমিজাতীয়। 
২। এদের দেহগহ্বর অপ্রকৃত সিলোম। 
৩। এরা উভয়লিঙ্গিক ও দেহ সিলিয়াযুক্ত এপিডার্মিস অথবা কিউটিকল দ্বারা আবৃত। 
৪। এদের স্বনিষেক হয়। 
৫। শিখাকোষ (flame cell) নামক কোষের সাহায্যে রেচন সম্পাদন করে। 
৬। এদের পরিপাকতন্ত্র অসম্পূর্ণ (পায়ুবিহীন)। 
৭। এদের দেহ দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসম। 

- শিখাকোষ (flame cell) হলো planaria (মিঠা পানিতে মুক্তভাবে বাস করা ফ্ল্যাটওয়ার্ম) প্রাণীদের মেসোডার্মে বিদ্যমান টিউবের সাথে সংযুক্ত কোষ। এ কোষগুলো গর্তবিশিষ্ট বাল্ব ধরনের যাদের গুচ্ছাকারে সিলিয়া থাকে। সিলিয়াগুলো প্রচণ্ডভাবে আন্দোলিত হয়ে টিউবের ভেতরে পানির স্রোত তৈরি করে। ফলে বর্জ্য বস্তুসমূহ নির্গমন ছিদ্রের মাধ্যমে বাইরে নিষ্ক্রান্ত হয়। এভাবেই শিখাকোষ রেচন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে। 
উদাহরণ: Taenia solium-ফিতাকৃমি, Fasciola hepatica-যকৃতকৃমি, Schistosoma ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।

৩,২৫৪.
জটিল অণুবীক্ষণ যন্ত্রে গঠিত চুড়ান্ত বিম্ব কেমন হয়?
  1. উলটো ও খর্বিত
  2. সোজা ও বিবর্ধিত
  3. উলটো ও বিবর্ধিত
  4. সোজা ও খর্বিত
সঠিক উত্তর:
উলটো ও বিবর্ধিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উলটো ও বিবর্ধিত
ব্যাখ্যা
• জটিল অণুবীক্ষণ যন্ত্র (Microscope) সাধারণত দুইটি প্রধান লেন্স দিয়ে তৈরি হয়:

- অভিলক্ষ লেন্স (Objective lens)
- অভিনেত্র লেন্স (Eyepiece / Ocular lens)
- দুটি লেন্স ব্যবহারের ফলে চূড়ান্তভাবে যে বিম্ব দেখা যায় তা হয়:উলটো (inverted) ও বিবর্ধিত (magnified)
এই দুইটি লেন্স মিলে একটি ক্ষুদ্র বস্তুকে অনেক বড় এবং বিশদভাবে দেখায়। 


• অভিলক্ষ লেন্স (Objective lens):
- বস্তুটির খুব কাছাকাছি রাখা হয়।
- এটি একটি বাস্তব, উলটো ও বিবর্ধিত বিম্ব তৈরি করে।
- এই বিম্বটি চোখের লেন্সের সামনের দিকে (যেখান থেকে আমরা দেখি) অবস্থান করে।

• অভিনেত্র লেন্স (Eyepiece):
- এটি অভিলক্ষ লেন্সের গঠিত বিম্বটিকে আবার বিবর্ধিত ভার্চুয়াল বিম্ব হিসেবে দেখায়।
- এই দ্বিতীয় বিম্বটিও হয় উলটো ও বিবর্ধিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,২৫৫.
গ্যালাক্সি প্রধানত কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
গ্যালাক্সি:

- প্রধানত গ্যালাক্সি ২ প্রকার।
- স্বাভাবিক গ্যালাক্সিঃ আমরা জানি যে, গ্যালাক্সি হল মহাবিশ্বের মৌলিক উপাদান। আমাদের ছায়াপথ ছাড়াও মহাবিশ্বে লক্ষ লক্ষ গ্যালাক্সি রয়েছে। এদের বলা হয় স্বাভাবিক গ্যালাক্সি।
- রেডিও গ্যালাক্সিঃ যেসব গ্যালাক্সি রেডিও কম্পাঙ্কের তড়িৎ চৌম্বক বিকিরিণ নিঃসরণ করে তাদের রেডিও গ্যালাক্সি বলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,২৫৬.
কোন এসিডের সোডিয়াম লবণকে ডিটারজেন্ট বলা হয়?
  1. ক) ফ্যাটি এসিড
  2. খ) বেনজিন সালফোনিক এসিড
  3. গ) বেনজোয়িক এসিড
  4. ঘ) সাইট্রিক এসিড
সঠিক উত্তর:
খ) বেনজিন সালফোনিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেনজিন সালফোনিক এসিড
ব্যাখ্যা

সাবানঃ দীর্ঘ কার্বন শিকলবিশিষ্ট ফ্যাটি এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ৷
ডিটারজেন্টঃ দীর্ঘ কার্বন শিকল বিশিষ্ট বেনজিন সালফোনিক এসিডের সোডিয়াম লবণ৷
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি

৩,২৫৭.
কোনটি উদ্ভিদের মুখ্য পুষ্টি উপাদান নয়-
  1. ম্যাঙ্গানিজ
  2. অক্সিজেন
  3. ক্যালসিয়াম
  4. লৌহ
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান:
-ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য উপাদান:

- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রোমৌল বা মুখ্য উপাদান বলা হয়।
- উদ্ভিদের ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। যথা -
১. নাইট্রোজেন,
২. পটাসিয়াম,
৩. ক্যালসিয়াম,
৪. লৌহ,
৫. ম্যাগনেসিয়াম,
৬. কার্বন,
৭. হাইড্রোজেন,
৮. অক্সিজেন,
৯. ফসফরাস ও
১০. সালফার।

- ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় সেগুলোকে ম্যাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাইক্রোমৌল বা গৌণ উপাদান বলা হয়।
- উদ্ভিদের গৌণ উপাদান হলো ৬টি। যথা -
১. দস্তা/ জিংক,
২. ম্যাঙ্গানিজ,
৩. মলিবডেনাম,
৪. বোরন,
৫. তামা এবং
৬. ক্লোরিন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।
৩,২৫৮.
তাড়িতচুম্বক তৈরি করার জন্য সলিনয়েডের মধ্যে সাধারণত কোন ধাতুটি ঢোকানো হয়? 
  1. রূপা
  2. লোহা
  3. তামা
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা
তাড়িতচুম্বক (Electromagnet): 
- শুধু বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করা যায়। তবে, যদি একটি লোহার টুকরো কয়েল বা সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয় এবং সলিনয়েড দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করা হয়, তাহলে অনেক শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়। 
- লোহা, কোবাল্ট এবং নিকেল এই ধাতুগুলোর চৌম্বকীয় ধর্ম রয়েছে। এদের ভেতর ছোট ছোট চৌম্বকের মতো অনেক কণিকা এলোমেলোভাবে থাকে। ফলে সাধারণ অবস্থায় লোহা চৌম্বক হিসেবে কাজ করে না। 
- কিন্তু যখন লোহার টুকরোটি বিদ্যুৎপ্রবাহিত সলিনয়েডের ভেতরে রাখা হয়, তখন ওই চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে লোহার অভ্যন্তরের ছোট ছোট চৌম্বক কণিকাগুলো এক সারিতে সজ্জিত হয়। ফলে লোহার নিজস্ব চৌম্বক ক্ষেত্র গঠিত হয় এবং এটি সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে একটি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। 
- এইভাবে তৈরি হওয়া চুম্বককে বলা হয় তাড়িতচুম্বক। 
- যখন সলিনয়েডে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন লোহার অভ্যন্তরের চৌম্বক কণিকাগুলো আবার এলোমেলো হয়ে পড়ে এবং চৌম্বকত্ব হারিয়ে যায়। 
- স্পিকারে বা এয়ারফোনে যে শব্দ শোনা যায় সেখানে তাড়িতচুম্বক ব্যবহার করা হয়। এখানে শব্দের কম্পন এবং তীব্রতার সমান বিদ্যুৎপ্রবাহ পাঠানো হয়, সেই বিদ্যুৎ একটা তাড়িতচুম্বক বা ইলেকট্রোম্যাগনেটের চৌম্বকত্ব শব্দের কম্পন বা তীব্রতার উপযোগী করে তৈরি করে সেটা একটা ডায়াফ্রামকে কাঁপায় এবং সেই ডায়াফ্রাম সঠিক শব্দ তৈরি করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৫৯.
কোন তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি? 
  1. ২৪° সেলসিয়াস
  2. ১০০° সেলসিয়াস
  3. ৪° সেলসিয়াস
  4. ০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৪° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

• পানি: 
- বিশুদ্ধ পানি স্বাদহীন, গন্ধহীর আর বর্ণহীন। 
- পানির ঘনত্ব তাপমাত্রার ওপরে নির্ভর করে। 
- পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায়। 
- আর সেটি হচ্ছে ১ গ্রাম/ সি.সি বা ১০০০ কেজি/মিটার কিউব। 
অর্থাৎ, ১ সি.স. পানির ভর হলো ১ গ্রাম বা ১ কিউবিক মিটার পানির ভর হলো ১০০০ কেজি।

- যে তাপমাত্রায় বরফ গলে যায়, সেটিই হচ্ছে বরফের গলনাংক। 
- বরফের গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 
- ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় বরফের ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম, তাই বরফ পানিতে ভাসে।
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান (পদার্থবিজ্ঞান অংশ)।
- অন্যদিকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরল পদার্থ বাষ্পে পরিণত হয়, তাকে স্ফুটনাংক বলে। 
- আর পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,২৬০.
একটি পরমাণুর তৃতীয় কক্ষপথে সর্বোচ্চ কয়টি ইলেক্ট্রন থাকতে পারে?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ১৬টি
  3. গ) ১৮টি
  4. ঘ) ৩৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮টি
ব্যাখ্যা
পরমাণুর কক্ষপথে 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন থাকে।
এখানে, n = কক্ষপথের সংখ্যা।

তাহলে, তৃতীয় কক্ষপথে থাকবে = ২ × 32 = 18টি ইলেকট্রন।

সূত্র: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৩,২৬১.
কোন স্কেলের সাহায্যে ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয়?
  1. হাইড্রোমিটার
  2. ফ্যাদোমিটার
  3. ব্যারোমিটার
  4. রিখটার স্কেল
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
ব্যাখ্যা
রিখটার স্কেল:

- ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে। 
- 1935 সালে আমেরিকার ভূকম্প বিশারদ চার্লস ফ্রান্সিস রিখটার ভূমিকম্পের যে মাত্রামাপক স্কেল প্রণয়ন করেন সেই স্কেলকে রিখটার স্কেল বলে।
- রিখটার পরিমাপক স্কেল হলো কোন ভূমিকম্পের প্রাবল্যকে সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা, এটি একটি 10 মাত্রা ভিত্তিক লগারিদম পরিমাপ।
অর্থাৎ এই পরিমাপে যে কোন সংখ্যার ভূমিকম্প- পূর্ববর্তী সংখ্যার চাইতে 10 গুণ বেশি শক্তিশালী।যেমন তিন মাত্রার ভূমিকম্পের চেয়ে চার মাত্রার ভূমিকম্প দশগুণ বেশি শক্তিশালী।

ভূমিকম্প:
 
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। 
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। 
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। 
- বড় ধরনের ভূমিকম্প নদীর গতিপথও পরিবর্তন করতে পারে। যেমন - ভূমিকম্পের ফলে আমাদের অন্যতম প্রধান নদী ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ বদলে গিয়েছিল। 
- পৃথিবীর মাঝে জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। 
- ২০১০ সালে হাইতিতে, ২০১১ সালে জাপানে এবং ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্প ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। 
- জাপানের ভূমিকম্পের পর সেখানে সৃষ্ট সুনামি নিউক্লিয়ার শক্তি কেন্দ্রে আঘাত করে একটি নিউক্লিয়ার দুর্ঘটনা ঘটিয়েছিল। 
- রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প আমরা অনুভব করতে পারি। 
- এই স্কেলে এক মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে তার শক্তি ৩০গুন বেড়ে যাওয়া। 
- ১৯৮৪ সালে মানিকগঞ্জ এলাকায় রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার বড় একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। 

অন্যদিকে, 
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র হাইড্রোমিটার। 
- বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার। 
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৩,২৬২.
উদ্ভিদের মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন ও বর্ধনে সাহায্য করে নিচের কোনটি?
  1. ক) পটাশিয়াম
  2. খ) ম্যাগনেসিয়াম
  3. গ) আয়রন
  4. ঘ) নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
ক) পটাশিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পটাশিয়াম
ব্যাখ্যা
পটাশিয়াম:
- উদ্ভিদের বহু জৈবিক ক্রিয়া-বিক্রিয়ায় পটাশিয়াম সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
- পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম।
- পটাশিয়াম উদ্ভিদে পানি শোষণে সাহায্য করে।
- কোষবিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে পটাশিয়াম।
- এটি মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনেও সাহায্য করে

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,২৬৩.
ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য কোন তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়? 
  1. শব্দেতর তরঙ্গ 
  2. ভূ-কম্পীয় তরঙ্গ
  3. শব্দোত্তর তরঙ্গ
  4. তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
শব্দোত্তর তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দোত্তর তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
শব্দ শক্তির রূপান্তর: 
- কারখানার জীবাণু ধ্বংস করা কিংবা ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়। 
- এ ক্ষেত্রে শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- অনুনাদের সময় শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- আবার টেলিফোন ও রেডিওর প্রেরক যন্ত্রে শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৬৪.
ভিটামিন-ডি এর অপর নাম -
  1. টোকোফেরল
  2. ক্যালসিফেরল
  3. আয়োফেরল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিফেরল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিফেরল
ব্যাখ্যা
ভিটামিন-ডি এর অপর নাম ক্যালসিফেরল।
ভিটামিন-ডি এর অভাবে 'রিকেটস' রোগ হয়।

ভিটামিন-ই এর রাসায়নিক নাম - টোকোফেরল।
৩,২৬৫.
ফিউজ তার কিসের সংকর?
  1. টিন ও লোহা
  2. টিন ও সীসা
  3. সোনা ও রূপা
  4. সীসা ও ব্রোঞ্জ
সঠিক উত্তর:
টিন ও সীসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিন ও সীসা
ব্যাখ্যা
বৈদ্যুতিক ফিউজ তার: 
- তড়িৎ যন্ত্রপাতির মধ্য দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হলে তা নষ্ট হয়ে যায়। 
- অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে আগুন পর্যন্ত লেগে যেতে পারে। 
- এ ধরনের বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য বর্তনীতে এক ধরনের বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয় যা হলো ফিউজ তার ব্যবহার করা। 
ফিউজ সাধারণত টিন ও সীসার একটি সংকর ধাতুর তৈরি ছোট সরু তার। 
- এটি একটি চিনামাটির কাঠামোর উপর দিয়ে আটকানো থাকে। 
- এই তারটি সরু এবং গলনাঙ্ক কম। 
- এই তারের মধ্য দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মাত্রার অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহিত হলে এটি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে গলে যায়। 
- ফলে তড়িৎ বর্তনী বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 
- এভাবে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দিয়ে ফিউজ যন্ত্রপাতিকে রক্ষা করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৩,২৬৬.
সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার কোনটি?
  1. ক) তৈল
  2. খ) সাবান
  3. গ) ডিটারজেন্ট
  4. ঘ) চর্বি
সঠিক উত্তর:
ঘ) চর্বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চর্বি
ব্যাখ্যা
তৈল ও চর্বি: 
- তৈল ও চর্বিকে একত্রে লিপিড বলে। 
- তৈল ও চর্বি হল গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এর উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের এস্টার। 
- উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের মধ্যে সম্পৃক্ত পামিটিক এসিড (C15H31CO2H), স্টেয়ারিক এসিড (C17H35CO2H) এবং অসম্পৃক্ত অলিয়িক এসিড (C17H33CO2H), লিনোলিক এসিড (C17H31CO2H) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

তৈল ও চর্বির পার্থক্য: 
(১) সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হলো কঠিন চর্বি এবং অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হলো তৈল। 
(২) তৈলের গলনাঙ্ক 20°C এর কম হয়, কিন্তু চর্বির গলনাঙ্ক 20°C এর অধিক হয়।
(৩) তৈল উদ্ভিদ দেহে কিন্তু চর্বি প্রাণি দেহে উৎপন্ন হয়। 

তৈল ও চর্বির গুরুত্ব: 
(১) খাদ্যরূপে তৈল ও চর্বি থেকে আমরা শক্তি থাকি। 
[1g তৈল বা চর্বি = 9 cal = 9 ×4.184 J খাদ্যমান] 
(২) তৈল ও চর্বির ক্ষারীয় বিশ্লেষণে সাবান ও উৎপন্ন হয়। 
(৩) রং- বার্নিশ ও প্রসাধনী তৈরিতে তৈল চর্বি ব্যবহূত হয়। 
(৪) তৈলকে নিকেল উপস্থিতিতে হাইড্রোজেনেশন বা হাইড্রোজেন সংযোজন দ্বারা চর্বিতে পরিণত করা যায়। 
যেমন - সয়াবিন তৈলকে হাইড্রোজেনেশন করে মার্জারিন নামক চর্বি তৈরি করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (হাজারী নাগ)। 
৩,২৬৭.
মানবদেহে ফুসফুস থেকে ধমনী এবং কৈশিকনালির মাধ্যমে দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে কোন রক্ত কণিকা?
  1. লোহিত রক্ত কণিকা
  2. শ্বেত রক্ত কণিকা
  3. অণুচক্রিকা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্ত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্ত কণিকা
ব্যাখ্যা

লোহিত রক্ত কণিকা কোষগুলো ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণ করে হৃদযন্ত্র, ধমনী এবং কৈশিকনালির মাধ্যমে দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে।

মানব দেহের রক্তের কাজ পরিচালনায় বিভিন্ন প্রকার কোষের ভূমিকা:
 - তিন প্রকারের রক্ত কণিকা (যেমন- লোহিত রক্ত কণিকা, শ্বেত রক্ত কণিকা এবং অণুচক্রিকা) তথা রক্ত কোষ প্রাণী দেহে বিভিন্ন ধরনের কাজ করে।
- ধমনী, শিরা এবং কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়।
- লোহিত রক্ত কণিকা কোষগুলো ফুসফুসে অক্সিজেন গ্রহণ করে হৃদযন্ত্র, ধমনী এবং কৈশিকনালির মাধ্যমে দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে।
- শ্বেত রক্ত কণিকা জীবাণু ধ্বংস করে আত্মরক্ষায় অংশ নেয়, রোগ প্রতিরোধ করে এবং দেহের বিভিন্ন অঙ্গ গঠনেও অংশ নেয়।
- অণুচক্রিকা কোষগুলো রক্ততঞ্চন অথবা রক্ত জমাট বাঁধায় অংশ নেয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি, প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৬৮.
তাপ গতিবিদ্যার জনক কে?
  1. ক) লর্ড বেন্টিংক
  2. খ) লর্ড উইলিয়াম
  3. গ) লর্ড কেলভিন
  4. ঘ) জন ডালটন
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কেলভিন
ব্যাখ্যা
লর্ড কেলভিন ১৮৫০ সালে তাপ গতিবিদ্যার দুইটি সূত্র দিয়েছিলেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৩,২৬৯.
কোয়াশিয়রকর রোগ কেন হয়?
  1. ক) শর্করার স্বল্পতার জন্য
  2. খ) ভিটামিন ই এর অভাবে
  3. গ) খনিজ পুষ্টির অভাব
  4. ঘ) আমিষের স্বল্পতার অভাবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিষের স্বল্পতার অভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিষের স্বল্পতার অভাবে
ব্যাখ্যা
কোয়াশিয়রকর রোগ হয় আমিষের অভাবে ২-৪ বছরের শিশুদের। এ রোগের লক্ষণগুলো হলো- শিশুর বৃদ্ধি হ্রাস পায়, পেটের পীড়া দেখা দেয়, পেশি ক্ষয় হতে থাকে, পানি জমে শরীর ফুলে যায়। ‌
৩,২৭০.
জারক রস বলতে কি বুঝায়?
  1. অম্ল
  2. প্রোটিন
  3. অনুঘটক
  4. নিউক্লীয় প্রোটিন
সঠিক উত্তর:
অনুঘটক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুঘটক
ব্যাখ্যা
অগ্ন্যাশয়:
- এটি ২০ সেন্টিমিটার লম্বা ও ৫ সেন্টিমিটার চওড়া একটি মিশ্র গ্রন্থি যা পাকস্থলীর নিচে উদর গহ্বরের ডিওডেনামের ফাঁকা থেকে প্লীহা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এতে এক্সোক্রেইন ও এন্ডোক্রেইন নামক দুটি অংশ আছে।
- অগ্ন্যাশয় রস বর্ণহীন, ক্ষারধর্মী ও পরিষ্কার জলীয় দ্রবণ।

কাজ-
ক) অগ্নাশয় থেকে নিঃসৃত খাদ্য পরিপাককারী জারক রস, যেমন- ট্রিপসিন প্রোটিনকে, অ্যামাইলোপসিন কার্বোহাইড্রেটকে এবং লাইপেজ চর্বিজাতীয় খাদ্য পরিপাক করে ।
খ) অগ্নাশয় থেকে ক্ষরিত ইনসুলিন ও গ্লুকাগন রক্তশর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
গ) ট্রিপসিন, লাইপেজ ইত্যাদি জারক রস প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও চর্বিজাতীয় খাদ্য পরিপাকে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৭১.
নিচের কোনটি উভলিঙ্গ ফুল?
  1. কুমড়া
  2. লাউ
  3. পেঁপে
  4. ধুতুরা
সঠিক উত্তর:
ধুতুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধুতুরা
ব্যাখ্যা

- যখন কোন ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে তখন সেটি উভলিঙ্গ ফুল। যেমন: গোলাপ, ধুতুরা, জবা ইত্যাদি।
- পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যে কোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল বলে, যেমন: কুমড়া, পেঁপে, লাউ। আবার দুটিই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৭২.
মেরুজ্যোতি বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে দেখা যায় ?
  1. এক্সোমণ্ডল
  2. মেসোমণ্ডল
  3. তাপমণ্ডল
  4. ট্রপোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
ব্যাখ্যা
তাপমণ্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এই স্তরের বাতাস অত্যন্ত হালকা ও ক্ষীণ।
- তাপমণ্ডল নিচের দিক থেকে আয়নোস্ফিয়ার, এক্সোস্ফিয়ার ও ম্যাগনেটোস্ফিয়ার নামক তিনটি স্তরে বিভক্ত।
- তাপমণ্ডলের আয়নোস্ফিয়ারে মেরুজ্যোতি(Aurora) তৈরি হয়।
- পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এলাকায় রাতের আকাশে মেরুজ্যোতি দেখা যায়।
- আয়নোস্ফিয়ারে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়।

উল্লেখ্য,
বায়ুমন্ডলকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ট্রপোমণ্ডল,
২. স্ট্রাটোমন্ডল,
৩. মেসোমণ্ডল,
৪. তাপমণ্ডল ও
৫. এক্সোমণ্ডল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেনি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।
৩,২৭৩.
অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনের উদাহরণ কোনটি? 
  1. প্রোপেন 
  2. ইথিন 
  3. বিউটেন 
  4. বেনজিন 
সঠিক উত্তর:
বেনজিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনজিন 
ব্যাখ্যা

হাইড্রোকার্বন (Hydrocarbons): 
- হাইড্রোকার্বন হলো শুধু কার্বন ও হাইড্রোজেন এর সমন্বয়ে গঠিত যৌগ। 
যেমন- মিথেন (CH4), ইথিন (C2H4), সাইক্লোহেক্সেন (C6H12), বেনজিন (C6H6) ইত্যাদি। 
- এই যৌগগুলোতে কার্বন আর হাইড্রোজেন ছাড়া আর কোনো মৌল নেই। 
- হাইড্রোকার্বন মূলত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন: 
- অ্যালিফেটিক কথাটির অর্থ হলো চর্বিজাত। 
- এই শ্রেণির হাইড্রোকার্বন মূলত প্রাণীর চর্বি থেকে পাওয়া গিয়েছিল, তাই এ ধরনের হাইড্রোকার্বনের নাম অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন দেওয়া হয়েছে। 
- অ্যালিফেটিক হাইড্রোকার্বন দুই ধরনের। যথা- (i) মুক্ত শিকল হাইড্রোকার্বন এবং (ii) বদ্ধ শিকল হাইড্রোকার্বন। 
যেমন- বিউটেন (CH3-CH2-CH2-CH3), ইথিন (CH2=CH2), ইথাইন (CH=CH) ও প্রোপেন (CH3-CH2-CH3) ইত্যাদি। 

২। অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন: 
- গ্রিক শব্দ অ্যারোমা (Aroma) থেকে অ্যারোমেটিক শব্দটি এসেছে। 
- অ্যারোমেটিক শব্দের অর্থ হলো সুগন্ধ। 
- প্রথমে যে অ্যারোমেটিক যৌগগুলো পাওয়া গিয়েছিল সেগুলো ছিল সুগন্ধযুক্ত, তাই এ ধরনের নামকরণ করা হয়েছে। 
যেমন- বেনজিন (C6H6) বা ন্যাপথলিন (C10H8) হচ্ছে অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বনের উদাহরণ। 
- অ্যারোমেটিক যৌগগুলো সাধারণত 5, 6 কিংবা 7 সদস্যের সমতলীয় যৌগ (planar compounds)। এগুলোতে একান্তর (alternate) দ্বিবন্ধন থাকে, অর্থাৎ পর্যায়ক্রমে কার্বন-কার্বন একটি একক বন্ধন এবং তারপর একটি দ্বিবন্ধন থাকে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,২৭৪.
নিচের কোনটি ঘূর্ণিঝড়ের প্রচণ্ড শক্তি হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) সুপ্ত তাপ
  2. খ) আপেক্ষিক তাপ
  3. গ) লীন তাপ
  4. ঘ) বিকীর্ণ তাপ
সঠিক উত্তর:
ক) সুপ্ত তাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুপ্ত তাপ
ব্যাখ্যা
- পানির বাষ্পায়নের সময় পানি যে রকম তার বাষ্পীভবনের সুপ্ততাপটুকু নিয়ে নেয়, এর উল্টোটাও সত্যি। 
- যদি কোনো প্রক্রিয়ায় বাষ্প পানিতে রূপান্তরিত হয় তখন সেটি তাপ সরবরাহ করে। 
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় সমুদ্রের জলীয় বাষ্পে ভরা বাতাস উপরে উঠে যখন জলকণায় রূপান্তরিত হয় তখন বাষ্পীভবনের সুপ্ততাপটা শক্তি হিসেবে বের হয়ে আসে। 
- এই শক্তিটা ঘূর্ণিঝড়ের প্রচণ্ড শক্তি হিসেবে কাজ করে।
 
 উৎস: নবম-দশম শ্রেণি; পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই। 
৩,২৭৫.
নেপচুনের কয়টি উপগ্রহ রয়েছে?
  1. ১৩টি 
  2. ১৬টি
  3. ১৪টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা

• নেপচুনের তথ্য:
- নেপচুন আমাদের সৌরজগতের অষ্টম এবং সবচেয়ে দূরবর্তী গ্রহ।
- নেপচুনই আমাদের সৌরজগতের একমাত্র গ্রহ যা খালি চোখে দেখা যায় না।
- ১৬১২ এবং ১৬১৩ সালে গ্যালিলিও তার ছোট টেলিস্কোপ দিয়ে পর্যবেক্ষণের সময় নেপচুনকে একটি স্থির নক্ষত্র হিসেবে রেকর্ড করেছিলেন। 
- নিরক্ষীয় ব্যাস ৩০,৭৭৫ মাইল (৪৯,৫২৮ কিলোমিটার) হওয়ায়, নেপচুন পৃথিবীর চেয়ে প্রায় চারগুণ প্রশস্ত।
- সূর্য থেকে নেপচুনের গড় দূরত্ব ৪.৫ বিলিয়ন কিলোমিটার।
- নেপচুনের এক দিনে প্রায় ১৬ ঘন্টা সময় লাগে (নেপচুনের একবার আবর্তন বা ঘূর্ণন করতে যে সময় লাগে)।
- নেপচুন সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ সম্পূর্ণ করে (নেপচুনিয়ান সময়ে এক বছর) প্রায় ১৬৫ পৃথিবী বছরে (৬০,১৯০ পৃথিবী দিন)।
- নেপচুনের নামকরণ করা হয়েছিল রোমান সমুদ্র দেবতার নামে।
- নেপচুনের ১৬টি উপগ্রহ আছে।
- নেপচুনের বৃহত্তম উপগ্রহ ট্রাইটন আবিষ্কার করেন ১০ অক্টোবর, ১৮৪৬ সালে, জোহান গটফ্রাইড গ্যাল গ্রহটি আবিষ্কার করার মাত্র ১৭ দিন পরে।

উৎস: NASA.

৩,২৭৬.
হৃদপিণ্ড থেকে ফুস্ফুসে রক্ত সরবরাহ করে কোন রক্তনালী?
  1. হেপাটিক শিরা
  2. কার্ডিয়াক ধমনী
  3. পালমোনারি শিরা
  4. পালমোনারি ধমনী
সঠিক উত্তর:
পালমোনারি ধমনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালমোনারি ধমনী
ব্যাখ্যা
• যেসব নালীর মাধ্যমে হৃদপিণ্ড থেকে সারাদেহে বা সারাদেহ থেকে রক্ত হৃদপিণ্ড তে সঞ্চালিত হয় সেগুলো কে বলা হয় রক্তনালী। 

• পালমোনারি ধমনী (Pulmonary Artery) হল সেই রক্তনালী, যা হৃদপিণ্ডের ডান নিলয় (right ventricle) থেকে ফুসফুসে (lungs) রক্ত বহন করে।

- এ ধমনী শরীরের একমাত্র ধমনী, যা অক্সিজেনবিহীন (deoxygenated) রক্ত বহন করে।
-  অধিকাংশ ধমনী অক্সিজেনযুক্ত রক্ত বহন করে, কিন্তু পালমোনারি ধমনী ব্যতিক্রম—এটি অক্সিজেনবিহীন রক্তকে ফুসফুসে নিয়ে যায়। 

- পরবর্তীতে ফুস্ফুস থেকে অক্সিজেন যুক্ত রক্ত পালমোনারি শিরার মাধ্যমে আবার হৃদপিণ্ডের বাম অলিন্দ বা আট্রিয়ামে ফিরে আসে। পালমোনারি শিরা আবার দেহের একমাত্র শিরা যা অক্সিজেন যুক্ত রক্ত বহন করে। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান – নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB)। 
-জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
- Gray's Anatomy – The Anatomical Basis of Clinical Practice.
৩,২৭৭.
তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে কোনটি? 
  1. ট্রান্সফরমার
  2. অ্যামপ্লিফায়ার 
  3. ডায়োড 
  4. ট্রান্সজিস্টর 
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

তাড়িতচৌম্বক আবেশ: 
- একটি তারের কুণ্ডলীতে চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন করার সময় কুণ্ডলীর ভেতর ভোল্টেজ এবং বিদ্যুৎ সৃষ্টি করাকে তাড়িতচৌম্বক আবেশ বলে। 

ট্রান্সফরমার: 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এটি পরিবর্তী প্রবাহে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলত দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- ১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও ২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৭৮.
কোন গ্যাসটি বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে?
  1. ক) কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  2. খ) জলীয় বাষ্প
  3. গ) সিএফসি
  4. ঘ) নাইট্রিক অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) সিএফসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিএফসি
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের ওজন স্তর অবক্ষয়ের জন্য সিএফসি গ্যাসের ভূমিকা সর্বোচ্চ। 

CFC-এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন। মূলত মিথেন বা ইথেনের ক্লোরিন ও ফ্লোরিনের জাতকসমূহকে সিএফসি বলা হয়।
গন্ধহীন, অদাহ্য, অবিষাক্ত এবং নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট এসব যৌগের বাণিজ্যিক নাম ফ্রেয়ন।

সিএফসি (CFC) এর ব্যবহার- 
১। কীটনাশক ও পােকামাকড় দমনের জন্য বিষাক্ত দ্রবণ তৈরিতে দ্রাবক হিসাবে CFC ব্যবহার করা হয়।
২। শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ইনহেলার, মেডিক্যাল স্প্রে-প্রভূতি ক্ষেত্রে CFC ব্যবহার করা হয়।
৪। সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে CFC ব্যবহার করা হয়।
৫। CFC এর ফুটনাংক কম হওয়ায় বিভিন্ন ধরণের রেফ্রিজারেশন এবং শীতাতাপ নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হয়।
৬। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে CFC যৌগের ব্যবহার রয়েছে।

সূত্র: United States Environmental Protection Agency
৩,২৭৯.
ট্রানজিস্টরের বেসের কাজ কী?
  1. সিগন্যাল গ্রহণ করা
  2. বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ রাখা
  3. কারেন্ট প্রবাহের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা
  4. বিদ্যুতের উৎস হিসেবে কাজ করা
সঠিক উত্তর:
কারেন্ট প্রবাহের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারেন্ট প্রবাহের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে, আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়, যেটাকে বলা হয় অ্যামপ্লিফায়ার। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৮০.
কিসের প্রভাবে শুক্র সৌরজগৎ এর উষ্ণতম গ্রহ?
  1. শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত ও অস্ত যায় বলে
  2. শুক্রের কোন উপগ্রহ নেই বলে
  3. এই গ্রহে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল আছে বলে
  4. এসিড বৃষ্টি হয় বলে
সঠিক উত্তর:
এই গ্রহে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল আছে বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই গ্রহে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল আছে বলে
ব্যাখ্যা
শুক্র গ্রহ: 
• সৌরজগতে মোট আটটি গ্রহের মধ্যে শুক্র সূর্যের দ্বিতীয় নিকটতম ও পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ। 
• শুক্র গ্রহকে সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে সন্ধ্যাতারা এবং ভোরে পূর্ব আকাশে শুকতারা হিসেবে দেখতে পাওয়া যায়।
• শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত ও অস্ত যায়।

• শুক্র সৌরজগৎ এর উষ্ণতম গ্রহ।
• এই গ্রহে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল থাকায় এটি তাপ ধরে রাখে।
• বুধ সূর্যের নিকটতম গ্রহ। কিন্তু বুধে কোন বায়ুমণ্ডল নেই বলে তাপ ধরে রাখতে পারে না। 

• শুক্রের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের আধিক্যের কারণে এসিড বৃষ্টি হয়ে থাকে।
• বুধ গ্রহের ন্যায় শুক্রেরও কোন উপগ্রহ নেই।

- আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলির গড় তাপমাত্রা হল:
• বুধ: ১৬৭° সেলসিয়াস।
• শুক্র: ৪৬৪° সেলসিয়াস।
• পৃথিবী: ১৫° সেলসিয়াস।
• মঙ্গল: -৬৫° সেলসিয়াস।
• বৃহস্পতি: -১১০° সেলসিয়াস।
• শনি: -১৪০°C
• ইউরেনাস: -১৯৫° সেলসিয়াস।
• নেপচুন: -২০০° সেলসিয়াস।
• বামন গ্রহ প্লুটো: -২২৫° সেলসিয়াস।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
৩,২৮১.
প্রাণীদের অন্ত্রে অন্তঃপ্রাচীরে কোন ধরনের আবরণী টিস্যু দেখা যায়?
  1. স্তম্ভাকৃতি আবরণী টিস্যু
  2. আঁইশ আকৃতি আবরণী টিস্যু
  3. ঘনাকৃতি আবরণী টিস্যু
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
স্তম্ভাকৃতি আবরণী টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্তম্ভাকৃতি আবরণী টিস্যু
ব্যাখ্যা
প্রাণী টিস্যুর প্রকারভেদ:

- কোন বিশেষ টিস্যু গঠনকারী কোষের সংখ্যা, বৈশিষ্ট্য এবং তাদের নিঃসৃত বা সৃষ্ট আন্তঃকোষীয় পদার্থ বা মাতৃকার বৈশিষ্ট্য, পরিমাণ, উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে প্রাণী টিস্যুকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
(ক) আবরণী টিস্যু,
(খ) যোজক টিস্যু,
(গ) পেশি টিস্যু এবং
(ঘ) স্নায়ু টিস্যু।

আবরণী টিস্যু: আবরণী টিস্যুর কোষগুলো ঘন সন্নিবেশিত এবং একটি ভিত্তি পর্দার উপর বিন্যস্ত থাকে। এ প্রকার টিস্যুর মাতৃকা থাকে না।
• কাজ- কোন অঙ্গের বা নালীর ভেতরের এবং বাইরের আবরণ তৈরি করে। ত্বকীয় টিস্যু রূপান্তরিত হয়ে রক্ষণ, ক্ষরণ, শোষণ, ব্যাপন এবং পরিবহন ইত্যাদি কাজে অংশ নেয়। এটি রূপান্তরিত হয়ে গ্রন্থি টিস্যু এবং জার্মিনাল টিস্যুতে পরিণত হয়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।

• প্রকারভেদ: কোষের আকৃতি, প্রাণী দেহে অবস্থান এবং কাজের প্রকৃতি অনুযায়ী আবরণী টিস্যু তিন প্রকার। যথা-

১. আঁইশ আকৃতি আবরণী টিস্যু- এ প্রকার টিস্যুর কোষগুলো আঁইশের ন্যায় চ্যাপ্টা এবং নিউক্লিয়াস বড়। যেমন- বৃক্কের বোম্যান্স ক্যাপসুল প্রাচীর।
• কাজ- প্রধানত ছাঁকন এবং আবরণ সৃষ্টি।

২. ঘনাকৃতি আবরণী টিস্যু- এ টিস্যুর কোষগুলো ঘনকের ন্যায়। যেমন- বৃক্কের সংগ্রাহক নালিকা।
• কাজ- প্রধানত পরিশোষণ এবং আবরণ সৃষ্টি।

৩. স্তম্ভাকৃতি আবরণী টিস্যু- এ টিস্যুর কোষগুলো স্তম্ভের ন্যায় সরু এবং লম্বা। যেমন- প্রাণীদের অন্ত্রে অন্তঃপ্রাচীর।
• কাজ- প্রধানত ক্ষরণ, রক্ষণ এবং শোষণ। 



উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,২৮২.
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি প্রযোজ্য
  1. ক) জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে না।
  2. খ) জারণ বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন এবং নিউট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
  3. গ) জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই।
সঠিক উত্তর:
গ) জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
ব্যাখ্যা
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:

- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
- যে বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে তাকে জারণ-বিজারণ বা রেডক্স বিক্রিয়া বলে।
- যে বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন ত্যাগ হয় তাকে জারণ বিক্রিয়া বলে।
- যে বিক্রিয়ায় ইলেকট্রন গ্রহণ হয় তাকে বিজারণ বিক্রিয়া বলে। তবে এই জারণ ও বিজারণ একই সাথে সংঘটিত হয়।
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় যখন ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে তখন একটি বিক্রিয়ক ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং অপর আরেকটি বিক্রিয়ক সেই ইলেকট্রনকে গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৮৩.
Transformer এর শর্ট সার্কিট টেষ্ট করা হয় ____ জানার জন্য
  1. কোন নির্দিষ্ট লোডে Cu loss
  2. নো লোডে iron loss
  3. নো লোডে Cu loss
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট লোডে Cu loss
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন নির্দিষ্ট লোডে Cu loss
ব্যাখ্যা
• ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন প্যারামিটার যেমন কোর লস, কপার লস, সমতুল্য রেজিস্ট্যান্স, সমতুল্য রিয়্যাকট্যান্স, নো লোড কারেন্ট প্রভৃতি নির্ণয়ের জন্য ওপেন সার্কিট টেস্ট ও শর্ট সার্কিট টেস্ট করা হয়।

• ট্রান্সফরমারের লো-টেনশন সাইড শর্ট সার্কিট রেখে হাই টেনশন সাইডে বিভিন্ন টেস্টিং ইনস্ট্রুমেন্ট সংযুক্ত করে যে টেস্ট বা পরীক্ষা করা হয় তাই ক্লোজ সার্কিট টেস্ট বা শর্ট সার্কিট টেস্ট হিসেবে পরিচিত।

- ট্রান্সফরমারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি রেজিস্ট্যান্স ও রিয়্যাকট্যান্স এবং কপার লস নির্ণয়ের জন্য শর্ট সার্কিট টেস্ট করা হয়।

• শর্ট সার্কিট টেস্ট করার জন্য ট্রান্সফরমারের সাথে পরিমাপ করার যন্ত্রপাতি গুলো হাই-টেনশন সাইডে সংযুক্ত করা হয়। এক্ষেত্রে ট্রান্সফরমারকে নিচের চিত্রের মতো করে প্রস্তুত করা হয়।
১. ট্রান্সফরমারের হাই টেনশন সাইড শর্ট সার্কিট অবস্থায় রাখা হয়
২. পাওয়ার পরিমাপের জন্য নো টেনশন কয়েলে একটি ওয়াটমিটার সংযুক্ত করা হয়।
৩. সিরিজে একটি অ্যাম্পিয়ার মিটার এবং
৪. ভোল্টেজ পরিমাপের জন্য একটি ভোল্টমিটার সংযোগ হয়
৫. এরপর পরীক্ষনীয় ইনপুটে অটো ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে ভোল্টেজ ধীরে ধীরে বাড়িয়ে এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যাতে সার্কিটে রেটেড কারেন্ট প্রবাহিত হয়।

• ট্রান্সফরমারের শর্ট সার্কিট টেস্ট করার সময় যে কারেন্ট প্রবাহিত হয় তা ফুল লোডে প্রবাহিত কারেন্টের সমান হয়ে থাকে। ফলে এই কারেন্ট যে কপার লস ঘটাবে তা ফুল লোড কপার লসের সমান হবে। ক্লোজ সার্কিট অবস্থায় রেটেড কারেন্ট প্রবাহ করতে হলে প্রয়োগকৃত ভোল্টেজ রেটেড ভোল্টেজের চেয়ে অনেক কম হতে হবে। ফলে ভোল্টেজের ফাংশন হওয়ায় নো-লোড কারেন্টের মান খুবই কম হবে যা নগন্য ধরা যায়। ফলে ওয়াট মিটারে যে পাঠ পাওয়া যাবে তা ট্রান্সফরমারের কপার লস নির্দেশ করবে।

- ট্রান্সফরমারের কপার লস লোডের উপর নির্ভরশীল।

উৎস: voltagefacts.blogspot.com.
৩,২৮৪.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব প্রথম প্রবর্তন করেন কে?
  1. জর্জ লেমিটার
  2. আলবার্ট আইন্সটাইন
  3. স্টিফেন হকিং
  4. ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
জর্জ লেমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ লেমিটার
ব্যাখ্যা

• জর্জ লেমিটার: বিগ ব্যাং তত্ত্বের জনক
- ১৯৩১ সালে বেলজিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও ক্যাথলিক পাদ্রী জর্জ লেমিটার প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে বিগ ব্যাং তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- এই তত্ত্ব ১৯৩০-এর দশকে প্রচলিত বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে একটি বিপ্লবাত্মক বিচ্যুতি ছিল, যা আজ প্রায় সব জ্যোতির্বিজ্ঞানীর দ্বারা গৃহীত,।
- সেই সময়ে অনেক জ্যোতির্বিজ্ঞানী এখনও মহাবিশ্বের প্রসারণশীল ধারণা মেনে নিতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন।
- সমগ্র দৃশ্যমান মহাবিশ্ব গ্যালাক্সি সমূহের বিস্ফোরণ দিয়ে শুরু হয়েছিল, তা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল।
- এই তত্ত্বের আধুনিকতম ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking) তাঁর 'A Brief History of Time' বইয়ে।

উৎস: American Museum of Natural History.

৩,২৮৫.
​ট্রান্সফরমারে কুণ্ডলী দুটির জন্য সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়?
  1. প্লাস্টিকের কাচ 
  2. কাঠ 
  3. কাগজের টুকরা 
  4. কাঁচা লোহার মজ্জা 
সঠিক উত্তর:
কাঁচা লোহার মজ্জা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঁচা লোহার মজ্জা 
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার: 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে, কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৮৬.
ভাইরাসের দেহে কয়টি কোষ থাকে?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) একটিও নাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) একটিও নাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) একটিও নাই
ব্যাখ্যা
ভাইরাস হল এক প্রকার অতিক্ষুদ্র অনুজীব যারা শুধুমাত্র জীবিত কোষের অভ্যন্তরে বংশবৃদ্ধি করতে পারে।
ভাইরাস অকোষীয়। অর্থাৎ দেহে কোষপ্রাচীর, সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, মাইট্রোকন্ডিয়া এবং রাইবোজোম অনুপস্থিত।
কেবল প্রোটন এবং নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA or RNA) দিয়ে ভাইরাসের দেহ গঠিত।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৮৭.
স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের চাপ ও আয়তন-এর গুণফল কী? 
  1. ধ্রুবক 
  2. শূন্য 
  3. পরিবর্তনশীল
  4. অসীম 
সঠিক উত্তর:
ধ্রুবক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্রুবক 
ব্যাখ্যা

আদর্শ গ্যাস (Ideal Gas): 
- যে গ্যাসসমূহ সকল তাপমাত্রা ও চাপে বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, অ্যাভোগাড্রোর সূত্র তথা আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT কে মেনে চলে তাদেরকে আদর্শ গ্যাস বলে।
- প্রকৃতপক্ষে কোনো গ্যাসই সম্পূর্ণরূপে গ্যাস সূত্রসমূহ তথা PV = nRT সমীকরণ মেনে চলে না।
- আদর্শ গ্যাস হলো একটি কাল্পনিক গ্যাস।
- স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি আয়তনের উপর নির্ভর করে না। 

আদর্শ গ্যাসের বৈশিষ্ট্য: 
- আদর্শ গ্যাসে নিচের উল্লিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ বর্তমান থাকে- 
১. স্থির তাপমাত্রায় গ্যাসের চাপ ও আয়তনের গুণফল একটি ধ্রুবক
অর্থাৎ, PV = K. তাই এক্ষেত্রে যদি স্থির তাপমাত্রায় চাপ বনাম PV এর লেখ অঙ্কন করা যায় তবে তা একটি সরলরেখা হবে। 
২. আদর্শ গ্যাস সকল তাপমাত্রা ও চাপে PV = nRT সমীকরণ মেনে চলে। 
৩. স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এর আয়তনের উপর নির্ভরশীল নয়। অর্থাৎ স্থির তাপমাত্রায় আদর্শ গ্যাসের আয়তনের পরিবর্তন হলেও এদের অভ্যন্তরীণ শক্তির কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 
৪. চাপ অপরিবর্তিত রেখে গ্যাসের তাপমাত্রা 0°C হতে -273.15°C কমালে গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৮৮.
গুচ্ছ ফলের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) কাঁঠাল
  2. খ) আকন্দ
  3. গ) জাম
  4. ঘ) আনারস
সঠিক উত্তর:
খ) আকন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আকন্দ
ব্যাখ্যা
গুচ্ছ ফলঃ একটি ফুলে যখন অনেকগুলো গর্ভাশয় থাকে এবং প্রতিটি গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়ে একটি বোঁটার উপর গুচ্ছাকারে থাকে তখন তাকে গুচ্ছ ফল বলে।
যেমন- চম্পা, আতা, আকন্দ, শরীফা, নয়নতারা ইত্যাদি।

সূত্রঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী।
৩,২৮৯.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ নয়?
  1. ক) জন্ডিস
  2. খ) অ্যাজমা
  3. গ) এইডস
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাজমা
ব্যাখ্যা

ভাইরাসজনিত রোগগুলো হলো - এইডস,ডেঙ্গু জ্বর, পোলিও, হাম, জন্ডিস, হার্পিস, গুটি বসন্ত, জল বসন্ত, মাম্পস, সারস, ইবোলা, সোয়াইন ফ্লু, বার্ড ফ্লু ইত্যাদি।
অ্যাজমা বা হাঁপানি ছোঁয়াচে নয়, জীবাণুবাহিত রোগও নয়।

৩,২৯০.
পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবহনকারী ধাতু হিসেবে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ম্যাগনেসিয়াম
  2. লিথিয়াম
  3. জিংক
  4. সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক চুল্লিতে (Nuclear Reactor) নিউক্লীয় বিক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন বিশাল পরিমাণ তাপ সরিয়ে নেওয়ার জন্য শীতলকারক বা তাপ পরিবাহক (Coolant) হিসেবে তরল সোডিয়াম (Sodium) ধাতু ব্যবহৃত হয়।
- সোডিয়ামের উচ্চ তাপ পরিবাহিতা এবং এটি অনেক উচ্চ তাপমাত্রায়ও তরল থাকার ক্ষমতা (উচ্চ স্ফুটনাঙ্ক) থাকার কারণে এটি তাপ স্থানান্তরের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

পারমাণবিক চুল্লি: 
- নিউক্লিয়ার রিয়‍্যাক্টর বা পারমাণবিক চুল্লি মূলত এক প্রকার তাপীয় যন্ত্র। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে শক্তি উৎপাদনের জন্য নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লিয়ার চেইন বিক্রিয়া ব্যবহার করা হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লিতে পারমাণবিক জ্বালানি (ইউরেনিয়াম-২৩৫)-এর শৃঙ্খল বিক্রিয়া (chain reaction) ঘটিয়ে অত্যধিক তাপ শক্তি উৎপাদন করা হয়। 
- মূলত ইউরেনিয়াম-২৩৫ (U-235) কে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে নিউক্লিয়ার বিভাজনের (Nuclear Fission) মাধ্যমে পারমাণবিক চুল্লির মধ্যে প্রচুর পরিমাণ তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- পারমাণবিক চুল্লি বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন, চিকিৎসা বিজ্ঞান, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরীসহ অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহকরূপে হিসাবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
- জ্বালানি হিসাবে ইউরেনিয়াম ও মডারেটর হিসাবে হাইড্রোজেন ব্যবহৃত হয়। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু খুবই হালকা হওয়ায় মডারেটর হিসেবে রিয়‍্যাক্টরে হাইড্রোজেন পরমাণুকেই বেশি ব্যবহার করা হয়। এছাড়া মডারেটর হিসেবে পরিষ্কার গ্রাফাইট, সাধারণ হালকা পানি, ভারী পানি ইত্যাদিও ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং IAEA ওয়েবসাইট।

৩,২৯১.
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ শক্তির মূল উৎস কী?
  1. ক) পানির গতি শক্তি
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তি
  3. গ) পানির বিভব শক্তি
  4. ঘ) রাসায়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) পানির বিভব শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পানির বিভব শক্তি
ব্যাখ্যা
নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় সঞ্চিত জলরাশিতে বিভবশক্তি জমা হয়।
পানি নিচে প্রবাহিত হওয়ার সময় এই বিভবশক্তি গতিশক্তিতে পরিণত হয়। পানি প্রবাহের সাহায্যে টারবাইনের চাকা ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
এভাবে যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৯২.
ক্ষারধর্মী অক্সাইড কোনটি? 
  1. NO2
  2. SO2
  3. CaO
  4. N2O
সঠিক উত্তর:
CaO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CaO
ব্যাখ্যা

অম্লধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব অক্সাইড পানির সাথে যুক্ত হয়ে অম্ল বা এসিড উৎপন্ন করে, তাকে অম্লধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
- অম্লধর্মী অক্সাইডগুলো প্রধানত অধাতব অক্সাইড। 
যেমন- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO2)। 

ক্ষারধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অম্লীয় অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ উৎপন্ন করে অথবা এসিডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন করে, তাকে ক্ষারধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম অক্সাইড (Na2O), ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO), ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3) । 

উভধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অবস্থাভেদে অম্ল ও ক্ষারক উভয় রূপে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে, তাকে উভধর্মী অক্সাইড বলে। 
অর্থাৎ, এই জাতীয় অক্সাইড অম্লের অম্লত্ব ও ক্ষারে ক্ষারকত্ব উভয় গুণকে বিনষ্ট করে থাকে। 
যেমন-অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড (Al2O3), জিংক অক্সাইড (ZnO), লেড মনো অক্সাইড (PbO)। 

প্রশম অক্সাইড: 
- যে সব অধাতব অক্সাইড অম্লীয় বা ক্ষারকীয় কোন ধর্মই প্রকাশ করে না, তাকে প্রশম অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- পানি (H2O), কার্বন মনো অক্সাইড (CO), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), নাইট্রিক অক্সাইড (NO)। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৯৩.
বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
  1. কিউরিসিটি রোভার
  2. স্পুটনিক - ১
  3. স্পুটনিক - ২ 
  4. ব্র্যাক অন্বেষা
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক - ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক - ১
ব্যাখ্যা

স্পুটনিক:
- স্পুটনিক ছিল একাধিক কৃত্রিম উপগ্রহের একটি সিরিজ।
- স্পুটনিক ১ ছিল বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ।
- এর প্রথমটি ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এই উৎক্ষেপণের মাধ্যমেই শুরু হয় মহাকাশ যুগ।
- এটি একটি ৮৩.৬ কেজি (১৮৪ পাউন্ড) ওজনের ধাতব ক্যাপসুল ছিল।
- এটি পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরতে থাকে—যার সর্বোচ্চ দূরত্ব (অ্যাপোজি) ছিল ৯৪০ কিমি এবং সর্বনিম্ন দূরত্ব (পেরিজি) ছিল ২৩০ কিমি।
- প্রতি ৯৬ মিনিটে এটি একবার করে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করত।
- স্পুটনিক ১ প্রায় তিন মাস কক্ষপথে ঘুরে ১৯৫৮ সালের ৪ জানুয়ারি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে পুড়ে যায়।
- এই উৎক্ষেপণ আমেরিকানদের মাঝে প্রবল আলোড়ন তোলে—কারণ তারা ভাবত, যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তিতে সোভিয়েত ইউনিয়নের চেয়ে এগিয়ে।
- এই ঘটনার পর শুরু হয় মহাকাশ প্রতিযোগিতা, যা ঠান্ডা যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,২৯৪.
জনন মাতৃকোষ বিভাজিত হয় কোন পদ্ধতিতে?
  1. ক) মাইটোসিস
  2. খ) মিয়োসিস
  3. গ) এমাইটোসিস
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) মিয়োসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মিয়োসিস
ব্যাখ্যা

জনন মাতৃকোষ মিয়োসিস পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।

৩,২৯৫.
কোনটি এক্সরের ধর্ম প্রকাশ করে?
  1. প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে না
  2. তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ
  3. বক্র পথে গমন করে
  4. ভেদন ক্ষমতা কম
সঠিক উত্তর:
তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• এক্সরের ধর্ম বোঝায় তার বৈশিষ্ট্য ও আচরণ। প্রদত্ত অপশনের মধ্যে “তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ” সঠিক, কারণ এক্সর তড়িৎ ও চুম্বকীয় প্রভাবের সাথে সম্পর্কিত এবং এটি আড়ভাবে ছড়িয়ে বা বিকশিত হতে পারে। অন্য অপশন গুলো- যেমন প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে না পারা, বক্র পথে গমন করা বা ভেদন ক্ষমতা কম- এক্সরের মূল বৈশিষ্ট্যের সাথে প্রাসঙ্গিক নয়। তাই এক্সরের প্রধান ধর্ম হলো এটি তাড়িতচুম্বকীয় এবং আড়ভাবে প্রবাহিত হতে পারে।

এক্সরের বৈশিষ্ট্য:

- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
- এক্সরে সরল পথে গমন করে।
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
- এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট।
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3 × 108 ms-1 বেগে গমন করে।
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
- ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।

এক্সরের প্রকারভেদ:
- এক্সরে দুই প্রকার।
- কোমল এক্সরে ও কঠিন এক্সরে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৯৬.
শনি গ্রহ প্রধানত কোন উপাদান দিয়ে গঠিত?
  1. রডিয়াম ও কার্বন
  2. হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
  3. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  4. লোহা ও সিলিকন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
ব্যাখ্যা

• শনি:
- শনি গ্রহ সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- শনি গ্রহটি বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। ।
-এই গ্রহের নামকরণ করা হয়েছে কৃষি ও সম্পদের রোমান দেবতার নামে, যিনি বৃহস্পতিরও পিতা ছিলেন।
- নিরক্ষীয় ব্যাস প্রায় ৭৪,৮৯৭ মাইল (১২০,৫০০ কিলোমিটার) হওয়ায়, শনি গ্রহ পৃথিবীর চেয়ে ৯ গুণ প্রশস্ত। 
-  শনির একদিন মাত্র ১০.৭ ঘন্টা সময় নেয় (শনির একবার ঘুরতে বা ঘুরতে যে সময় লাগে),
- শনি সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে (শনির সময়ে এক বছর) প্রায় ২৯.৪ পৃথিবী বছরে (১০,৭৫৬ পৃথিবী দিন) পূর্ণ করে।
- ৮ জুন, ২০২৩ পর্যন্ত, শনির কক্ষপথে ১৪৬টি উপগ্রহ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) কর্তৃক তাদের আবিষ্কার

উৎস: NASA.

৩,২৯৭.
নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. গ) সমুদ্রের পানি
  4. ঘ) পেট্রোল
সঠিক উত্তর:
গ) সমুদ্রের পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সমুদ্রের পানি
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে আসলে জ্বালানি হবে না, শক্তির উৎস হবে। তবে, প্রশ্নের ধরণ দেখে বুঝতে সমস্যা হবার কথা নয়।

যে শক্তিকে নবায়ন করা যায় অর্থাৎ যা ফুরিয়ে যাবার আশংকা নেই তাই নবায়নযোগ্য শক্তি৷
যেমনঃ সূর্যের আলো, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা, সমুদ্রের ঢেউ, নদীর বহমান পানি, বায়ুশক্তি, জিওথার্মাল ইত্যাদি।
অনবায়নযোগ্য শক্তি হলো, যে শক্তি একবার ব্যবহার করা হলে তা থেকে পুনরায় শক্তি উৎপন্ন করা যায় না। এটি হলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ।
যেমনঃ তেল, গ্যাস, কয়লা, ইউরেনিয়াম ইত্যাদি।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৩,২৯৮.
ডোপামিনের অভাবে কোন রোগ হয়?
  1. এপিলেপ্সি
  2. স্ট্রোক
  3. পারকিনসন
  4. মেনিনজাইটিস
সঠিক উত্তর:
পারকিনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারকিনসন
ব্যাখ্যা
স্নায়ুকোষ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে থাকে।
মস্তিষ্ক থেকে ক্ষরিত হরমোন ডোপামিন শরীরের পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করে।
পারকিনসন রোগাক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ু কোষগুলা পেশি কোষগুলোতে সংবেদন পাঠাতে পারে না। ফলে মাংসপেশি তার কার্যকারিতা হারায়। এ রোগ সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে হয়। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে যুবক যুবতীদেরও হতে পারে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
৩,২৯৯.
মহাশূন্য থেকে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন যে রশ্মি বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে তাকে কী বলে? 
  1. গামা রশ্মি 
  2. আল্ট্রাভায়েলেট রশ্মি 
  3. মহাজাগতিক রশ্মি 
  4. ইনফ্রারেড রশ্মি 
সঠিক উত্তর:
মহাজাগতিক রশ্মি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাজাগতিক রশ্মি 
ব্যাখ্যা
মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays): 
- মহাজগতিক রশ্মি ইংরেজি হলো Cosmic rays. 
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বা Cosmic rays বলা হয়। 
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। 
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হলো মহাজাগতিক। 
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
৩,৩০০.
একজন রোগীর দেহের তাপমাত্রা 40°C হলে ফারেনহাইট স্কেলে তা কত হবে?
  1. ক) 40°F
  2. খ) 104°F
  3. গ) 102°F
  4. ঘ) 72°F
সঠিক উত্তর:
খ) 104°F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 104°F
ব্যাখ্যা
আমরা জানি, 
C/5 = (F-32)/9
বা, 40/5 = (F-32)/9
বা, (F-32)/9 = 8
বা, (F-32) = 72
বা, F = 72+32
∴ F = 104