বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২৭ / ১৪০ · ২,৬০১২,৭০০ / ১৪,০৮০

২,৬০১.
তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে বুঝায় - 
  1. আয়তন প্রসারণ
  2. ক্ষেত্র প্রসারণ
  3. দৈর্ঘ্য প্রসারণ
  4. তলীয় প্রসারণ
সঠিক উত্তর:
আয়তন প্রসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়তন প্রসারণ
ব্যাখ্যা
তরল পদার্থের প্রসারণ: 
- তাপ প্রয়োগে কঠিন পদার্থের মতো তরল পদার্থেরও প্রসারণ ঘটে। 
- কঠিন পদার্থের সুনির্দিষ্ট আকার থাকায় এর বিভিন্ন প্রসারণ স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয়। এর দৈর্ঘ্য, ক্ষেত্রফল এবং আয়তনের প্রসারণ সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা সহজ হয়। 
- কিন্তু তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকলেও আকার বা দৈর্ঘ্য নেই। 
- যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তাপের প্রভাবে তরল পদার্থের আয়তনের পরিবর্তনই কেবল প্রতীয়মান হয়। 
- তাই তরল পদার্থের প্রসারণ বলতে এর আয়তনের প্রসারণকেই বুঝায়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, একই পরিমাণ তাপ প্রয়োগে সম আয়তনের কঠিন পদার্থের তুলনায় তরল পদার্থের আয়তনের প্রসারণ বেশি হয়। 
- আবার একই পরিমাণ তাপে বিভিন্ন প্রকার তরলের প্রসারণের পরিমাণও সমান হয় না। 
- তাপে পদার্থের প্রসারণ পর্যবেক্ষণের জন্য ঐ পদার্থকে তাপ দিতে হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৬০২.
নিচের কোনটি ল্যাটিন নাম থেকে উদ্ভূত মৌলের প্রতীক নয়?
  1. সিলভার (Ag)
  2. পটাসিয়াম (K)
  3. আয়রন (Fe)
  4. ক্রোমিয়াম (Cr)
সঠিক উত্তর:
ক্রোমিয়াম (Cr)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোমিয়াম (Cr)
ব্যাখ্যা
- ল্যাটিন নাম থেকে উদ্ভূত মৌলের প্রতীক নয়- ক্রোমিয়াম (Cr)। 

মৌলের প্রতীক (Symbols of Elements): 

- কোনো মৌলের ইংরেজি বা ল্যাটিন নামের সংক্ষিপ্ত রূপকে প্রতীক বলে। 
- প্রত্যেকটি মৌলকে সংক্ষেপে প্রকাশ করতে তাদের আলাদা আলাদা প্রতীক ব্যবহার করা হয়। 
- মৌলের প্রতীক লিখতে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। 
যথা- 
১। প্রথমত মৌলের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে প্রতীক লেখা হয় এবং তা ইংরেজি বর্ণমালার বড় হাতের অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেন (Hydrogen) এর প্রতীক (H), কার্বন (Carbon) এর প্রতীক (C), অক্সিজেনের প্রতীক (O) ইত্যাদি। 


২। যদি দুই বা দুইয়ের অধিক মৌলের ইংরেজি নামের প্রথম অক্ষর একই হয় তবে একটি মৌলকে নামের প্রথম অক্ষর (ইংরেজি বর্ণমালার বড় হাতের) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। অন্যগুলোর ক্ষেত্রে প্রতীকটি দুই অক্ষরে লেখা হয়। নামের প্রথম অক্ষরটি ইংরেজি বর্ণমালার বড় হাতের অক্ষর এবং নামের অন্য একটি অক্ষর ছোট হাতের অক্ষর দিয়ে লেখা হয়। 
যেমন- 


৩। কিছু মৌলের প্রতীক তাদের ল্যাটিন নাম থেকে নেওয়া হয়েছে। 
যেমন- 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬০৩.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো-
  1. Uranium 235
  2. Uranium 238
  3. Uranium 233
  4. Uranium 239
সঠিক উত্তর:
Uranium 235
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uranium 235
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। 
- এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করেছে রাশিয়া। 
- রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করেছে। অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করছে। 
- তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার। 
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট। 
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম - ২৩৫ । 

উৎস: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
২,৬০৪.
মানবদেহের রাসায়নিক গবেষণাগার কোনটি?
  1. অগ্ন্যাশয়
  2. যকৃৎ
  3. লালাগ্রন্থি
  4. গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি
সঠিক উত্তর:
যকৃৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃৎ
ব্যাখ্যা
পৌষ্টিক গ্রন্থি (Digestive glands):
- যেসব গ্রন্থির রস খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয় তাদেরকে পরিপাকগ্রন্থি বা পৌষ্টিকগ্রন্থি বলে।
- মানবদেহে পৌষ্টিকগ্রন্থিগুলো হলো:
• লালাগ্রন্থি, 
• যকৃৎ, 
• অগ্ন্যাশয়, 
• গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি, 
• আন্ত্রিক গ্রন্থি। 

যকৃৎ (Liver):
• মধ্যচ্ছদার নিচে উদরগহ্বরের উপরে পাকস্থলীর ডান পাশে যকৃৎ অবস্থিত।
• এটি মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি।
• যকৃতের ডান খণ্ডটি বাম খণ্ড থেকে আকারে কিছুটা বড়। প্রকৃতপক্ষে চারটি অসম্পূর্ণ খণ্ড নিয়ে যকৃৎ গঠিত।
• যকৃতে পিত্তরস (bile) তৈরি করে।
• পিত্তরস ক্ষারীয় গুণ সম্পন্ন।
• যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয় ৷

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬০৫.
কোন রোগ প্রতিরোধে নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা দেওয়া হয়? 
  1. টাইফয়েড 
  2. ইনফ্লুয়েঞ্জা 
  3. জলাতঙ্ক 
  4. ধনুষ্টংকার 
সঠিক উত্তর:
ধনুষ্টংকার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনুষ্টংকার 
ব্যাখ্যা

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
- কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিকার প্রকারভেদ নিম্নরূপ: 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা: 
- এতে কালচার করা জীবাণুদের ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করা হয়। 
উদাহরণ: BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এ ধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ: ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি এই টিকা। 
উদাহরণ: ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু: 
- সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ: হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬০৬.
নিচের কোনটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নির্দেশ করে?
  1. ০° দ্রাঘিমারেখা
  2. ১২০° দ্রাঘিমারেখা
  3. ৯০° দ্রাঘিমারেখা
  4. ১৮০° দ্রাঘিমারেখা
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারনের এই সমস্যা সমাধানের উদেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আর্ন্তজাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬০৭.
কোন পদার্থ পাত্রের সম্পূর্ণ আয়তন পূরণ করে? 
  1. গ্যাসীয় পদার্থ
  2. কঠিন পদার্থ
  3. তরল পদার্থ
  4. কঠিন ও তরল উভয়ই
সঠিক উত্তর:
গ্যাসীয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যাসীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
কঠিন পদার্থ (Solids): 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে, একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি। 
- এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে, ফলে কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার হয়। 
- কঠিন পদার্থের উপর চাপ প্রয়োগ করলে এরা সংকুচিত হয় না। 
- আবার, তাপমাত্রা বাড়ালে কঠিন পদার্থের আয়তন খুবই কম পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলো চলাচল বা স্থান ত্যাগ করতে পারেনা, তবে নিজস্ব স্থানে কম্পন সৃষ্টি করতে পারে। 

তরল পদার্থ (Liquids): 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরল পদার্থের কণাগুলো কঠিন পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিন পদার্থের চেয়ে কম হয়। 
- তরল পদার্থে চাপ প্রয়োগ করলে আয়তন হ্রাস পায় না। 
- তবে তাপ প্রয়োগ করলে তরল পদার্থের আয়তন বৃদ্ধি পায়, এই আয়তন বৃদ্ধির পরিমাণ কঠিন পদার্থের চেয়ে বেশি। 

গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থ (Gases): 
- গ্যাসীয় পদার্থের নিদিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ ভিন্ন ভিন্ন আয়তনের পাত্রে রাখলে পদার্থটি ধারক পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরল পদার্থের চেয়ে অনেক বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে, তাই এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 
- চাপ প্রয়োগ করলে গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন অনেক কমে যায়। আবার, তাপ প্রয়োগ করলে গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন অনেক বেড়ে যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬০৮.
’সুপার বাষ্প’ কি কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. সমুদ্রের তেল উত্তোলনে
  2. সমুদ্রের তেল অপসারণে
  3. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ে
  4. সমুদ্রের সীমানা নির্ণয়ে
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের তেল উত্তোলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের তেল উত্তোলনে
ব্যাখ্যা
সুপার বাষ্প (Superheated Steam): 
- সুপার বাষ্প হলো এমন একটি বাষ্প যা স্যাচুরেটেড (saturated) বাষ্পকে আরও উত্তপ্ত করে তৈরি করা হয়, যাতে তার তাপমাত্রা বাড়ে কিন্তু পানির ফোঁটা থাকে না। 
- এর তাপমাত্রা সাধারণত 100°C-এর অনেক বেশি হয়ে থাকে এবং এটি খুবই উচ্চ শক্তির হয়ে থাকে। 
- সুপার বাষ্পের অন্যতম ব্যবহার হলো সমুদ্রের তেল উত্তোলন (Offshore Oil Recovery)। 
- সুপার বাষ্পকে ভূগর্ভে প্রবেশ করানো হয় যাতে সেখানে থাকা ভারী তেল গলে তরল আকারে সহজে পাম্প করা যায়। 
- এটি বিশেষ করে "thermal enhanced oil recovery (EOR)" পদ্ধতির অধীনে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: U.S. Department of Energy – Office of Fossil Energy and Carbon Management [লিঙ্ক]।
২,৬০৯.
নিচের কোনটি উদ্ভিদের চলন প্রক্রিয়া?
  1. ক) সাইটোকাইনিন
  2. খ) পসটুলেশন
  3. গ) ফটোট্রপিজম
  4. ঘ) অক্সিনেশন
সঠিক উত্তর:
গ) ফটোট্রপিজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফটোট্রপিজম
ব্যাখ্যা
ফটোট্রপিক চলন বা ফটোট্রপিজম
- ফটোট্রপিক চলন এক ধরনের বক্রচলন।
- উদ্ভিদের কাণ্ড এবং শাখা-প্রশাখার সবসময় আলোর দিকে চলন ঘটে এবং মূলের চলন সবসময় আলোর বিপরীত দিকে হয়।
- কাণ্ডের আলোর দিকে চলনকে পজিটিভ ফটোট্রপিজম এবং মূলের আলোর বিপরীত দিকে চলনকে নেগেটিভ ফটোট্রপিজম বলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬১০.
রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে কি নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) Sericulture
  2. খ) Pisciculture
  3. গ) Horticulture
  4. ঘ) Fishiculture
সঠিক উত্তর:
ক) Sericulture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Sericulture
ব্যাখ্যা
মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা - পিসিকালচার;
মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা - এপিকালচার;
চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা - প্রণকালচার;
মৌমাছির চাষ - এপিকালচার;
রেশমের চাষ - সেরিকালচার;
উদ্যানবিদ্যা - হর্টিকালচার;
পাখি পালন বিদ্যা - এভিকালচার;
সামুদ্রিক মৎস পালনবিদ্যা - মেরিকালচার
২,৬১১.
ডায়োড কোন কাজের জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়? 
  1. তাপ উৎপাদনের জন্য
  2. পরিবাহক বাড়াতে
  3. এসি থেকে ডিসি তে রূপান্তর করতে
  4. শব্দ প্রবাহে সাহায্য করতে
সঠিক উত্তর:
এসি থেকে ডিসি তে রূপান্তর করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসি থেকে ডিসি তে রূপান্তর করতে
ব্যাখ্যা
ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। 
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হচ্ছে Light Emitting Diode. 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে, আর রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬১২.
হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে-
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) আয়রন
  3. গ) ম্যাগনেসিয়াম
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
ব্যাখ্যা
Calcium plays a role in making the jaw bones healthy and strong to hold the teeth in place. However, calcium needs phosphorus to maximise its bone strengthening benefits. Children's teeth need adequate calcium and phosphorus to form a hard structure during growth.
Source: ncbi.nlm.nih.gov
২,৬১৩.
What is the alternative name of a p-n junction?
  1. Semiconductor
  2. Semiconductor rectifier
  3. Transistor
  4. Triode
  5. VLSI
সঠিক উত্তর:
Semiconductor rectifier
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Semiconductor rectifier
ব্যাখ্যা
• p-n জাংশন এর অপর নাম হলো অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ার। 

• অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ার:
- অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ার হলো এমন একটি p-n জাংশন ভিত্তিক ডিভাইস, যা AC (Alternating Current) কে DC (Direct Current)-তে রূপান্তর করে। এটি মূলত একটি অর্ধপরিবাহী ডায়োড।

• p-n জাংশন হলো একটি অর্ধপরিবাহী উপাদান যেখানে p-টাইপ এবং n-টাইপ উপাদান একসাথে যুক্ত থাকে।
- এটি একমুখী বৈদ্যুতিক প্রবাহে সহায়তা করে, অর্থাৎ এটি একদিকে বিদ্যুৎ যেতে দেয়, আরেকদিকে দেয় না।
- এই বৈশিষ্ট্যটির জন্য p-n জাংশনকে রেকটিফায়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে ডায়োড আকারে। তাই এর অপর নাম অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ার।

• অর্ধপরিবাহী রেকটিফায়ারের বৈশিষ্ট্য:
→ একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহ:
- বিদ্যুৎ শুধু একদিকে প্রবাহিত হতে পারে (Forward Bias)। 
- বিপরীত দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে বাধা দেয় (Reverse Bias)।  
→ গঠন:
- একটি p-টাইপ ও একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহী পদার্থ দিয়ে এটি গঠিত। 
→ কাজের ধরন:
- এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।  

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
২,৬১৪.
উত্তল লেন্সের অপর নাম কোনটি? 
  1. ক্ষীণ মধ্য লেন্স
  2. অবতল লেন্স
  3. অভিসারী লেন্স
  4. অপসারী লেন্স
সঠিক উত্তর:
অভিসারী লেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিসারী লেন্স
ব্যাখ্যা
লেন্স: 
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। অভিসারী বা উত্তল লেন্স এবং 
২। অপসারী বা অবতল লেন্স। 

অভিসারী বা উত্তল লেন্স: 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অভিসারী লেন্স বলে। 
- উত্তল লেন্সের অপর নাম অভিসারী লেন্স। 

অপসারী বা অবতল লেন্স: 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে তাকে অপসারী লেন্স বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬১৫.
কোন উদ্ভিদের মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে?
  1. ছত্রাক
  2. মস
  3. ফার্ন
  4. শৈবাল
সঠিক উত্তর:
মস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মস
ব্যাখ্যা
• মস:
- মস বর্গের উদ্ভিদে মূলের পরিবর্তে চুলের মত সূক্ষ্ম রাইজয়েড জন্মে।
- মূলের কাজ রাইজয়েড দিয়ে সম্পন্ন হয়।
- ক্লোরোফিল থাকার জন্য এরা নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুত করতে পারে।
- এরা সবুজ ও স্বভোজী।
- মস জাতীয় উদ্ভিদে কান্ড ও পাতা রয়েছে।
- তবে সাধারণ উদ্ভিদের ন্যায় এদের মূল নেই।
- স্যাঁতসেঁতে জায়গায় এদের দেখা যায়।

• অপশন আলোচনা:
• ফার্ন:
- ফার্ন বর্গের উদ্ভিদের দেহকে মূল, কান্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়।
- এরা নিজের খাদ্য নিজে প্রস্তুত করতে পারে।
- টেরিস বা ঢেঁকিশাক একটি ফার্ন জাতীয় উদ্ভিদ।

• ছত্রাক:
- পঁচা স্যাঁতসেঁতে জায়গায় ভ্যাপসা আবহাওয়ায় ব্যাঙের ছাতা বা ছত্রাক জন্মাতে দেখা যায়।
- এই ব্যাঙের ছাতার আরেকটি নাম হলো এগারিকাস।
- বাসি, পঁচা রুটির উপর তুলার আঁশের মত এক প্রকার বস্তু জন্মাতে দেখা যায়।
- একে রুটির ছত্রাক বা মিউকর বলে।
- এসব উদ্ভিদ ক্লোরোফিলবিহীন।
- এ কারণে এদের রঙ সাদা।

• শৈবাল:
- আবদ্ধ জলাশয়, জমে থাকা বৃষ্টির পানি, নর্দমা, কল পাড়ের স্যাঁতসেতে মাটিতে সবুজ শেওলা জন্মে থাকে।
- এসব শেওলা জাতীয় উদ্ভিদকে শৈবাল বলা হয়।
- এদেরদেহে ক্লোরোফিল থাকে তাই নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬১৬.
শুক্রাশয় থেকে কোন হরমোন নি:সৃত হয়?
  1. ক) ইস্ট্রোজেন
  2. খ) প্রোজেস্টেরন
  3. গ) অ্যান্ড্রোজেন
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যান্ড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যান্ড্রোজেন
ব্যাখ্যা
আমাদের শরীরে নিম্নলিখিত গ্রন্থিগুলো প্রজনন-সংক্রান্ত হরমোন নিঃসরণ করে:
• পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary gland)
• থাইরয়েড গ্রন্থি (Thyroid gland)
• অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি (Adrenal gland) (iv) শুক্রাশয়ের অনালগ্রন্থি (Testis)
• ডিম্বাশয়ের অনালগ্রন্থি (Ovary)
• অমরা (Placenta ) 

পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে বিভিন্ন ধরনের বৃদ্ধি উদ্দীপক হরমোন এবং উৎপাদক হরমোন নিঃসৃত হয়। এ হরমোনগুলো জননগ্রন্থির বৃদ্ধি, ক্ষরণ এবং কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, মাতৃদেহে স্তনগ্রন্থির বৃদ্ধি এবং দুগ্ধ ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। 

থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন নিঃসৃত হয়। এ হরমোন দৈহিক এবং মানসিক বৃদ্ধি, যৌনলক্ষণ প্রকাশ এবং বিপাকে সহায়তা করে।

অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত কিছু হরমোন যৌনাঙ্গ বৃদ্ধি ও যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে।

শুক্রাশয় থেকে নিঃসৃত টেস্টোস্টেরন ও অ্যান্ড্রোজেন শুক্রাণু উৎপাদন, দাড়ি-গোঁফ গজানো, গলার স্বর পরিবর্তন ইত্যাদি যৌনলক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে।

ডিম্বাশয় থেকে নিঃসৃত ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন মেয়েদের নারীসুলভ লক্ষণগুলো সৃষ্টি, ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ এবং গর্ভাবস্থায় জরায়ু, ভ্রূণ, অমরা ইত্যাদির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। তাছাড়া ডিম্বাণু উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি 
২,৬১৭.
কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা হলো?
  1. ভিটামিন -এ
  2. ভিটামিন -সি
  3. পটাশিয়াম
  4. লৌহ
সঠিক উত্তর:
লৌহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহ
ব্যাখ্যা
- কচুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, যা মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী। 
- কচুর মূল উপাদান হলো আয়রন (Fe), যা রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রেখে শরীরে অক্সিজেনের সরবরাহ ঠিক রাখে।
- কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। এটি দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া চোখসম্পর্কিত জটিলতা কমায়।
- কচুশাকে থাকা স্যাপোনিনস, টেনিনস, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্লাভোনয়েড উচ্চ রক্তচাপ কমায়।
-  কচুর ডাঁটায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে, তাই গরমের সময় কচুর ডাঁটা রান্না করে খেলে শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ হয়।
- নিয়মিত কচুশাক খেলে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকিও কমে।
- কচুশাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে, এ কারণে এটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
- রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে কচুশাক। নিয়মিত শাকটি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।
- এটি হজমশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।
- অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান রয়েছে।

অর্থাৎ কচুতে আয়রন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি সবই থাকে। কিন্তু কচুশাকের প্রধান উপাধান বলা হলে তা হলো লৌহ।

উৎস: 
প্রথম আলো( ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১)।
২,৬১৮.
C4 উদ্ভিদ কোনটি?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) ধান
  3. গ) গম
  4. ঘ) পাট
সঠিক উত্তর:
ক) ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভুট্টা
ব্যাখ্যা

দু’জন অস্ট্রেলীয় বিজ্ঞানী M. D. Hatch এবং C. R. Slack (১৯৬৬) ইক্ষু উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণার সময় দেখান যে, সালোকসংশ্লেষণের সময় এদের প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার-কার্বনবিশিষ্ট। এ চারকার্বনবিশিষ্ট পদার্থসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অক্সালো অ্যাসিটিক অ্যাসিড। তাদের নাম অনুযায়ী সালোকসংশ্লেষণের এ চক্রকে হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র বলা হয়।
যেহেতু এ উদ্ভিদে প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার কার্বনবিশিষ্ট সেহেতু হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্রকে C4 চক্রও বলা হয় এবং যে সব উদ্ভিদে এ চক্র চলে তাদেরকে C4 উদ্ভিদ বলা হয়। ইক্ষু, ভুট্টা, মুথা ঘাস, কাটানটে, ডাটাশাক ইত্যাদি C4 উদ্ভিদ।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬১৯.
ভূত্বক প্রধানত কয়টি বড় টেকটোনিক্স প্লেট দ্বারা গঠিত?
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৫ টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৮ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ টি
ব্যাখ্যা

প্লেট টেকটোনিক্স (Plate Tectonics): ভূতাত্ত্বিক মতবাদ অনুসারে ভূত্বক প্রধানত আটটি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত, যেগুলি নিম্নস্থ ভ্রাম্যমান উষ্ণ গুরুমন্ডলীয় পদার্থের ওপর ভাসছে। প্লেটের বিচলন (movement) ও পারস্পরিক ক্রিয়া ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত, পর্বত সৃষ্টি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলীর নিয়ন্ত্রক বলে ধারণা করা হয়।

তিন ধরনের পারস্পরিক প্লেট সীমানার কথা জানা যায়। যথা: সমকেন্দ্রাভিমুখী সীমা, অপসারী সীমা ও পরিবর্তক চ্যুতি সীমা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়,নবম দশম শ্রেনি।

২,৬২০.
সম্পূর্ণ প্রাণীর ক্লোনিংকে কী বলা হয়?
  1. জিন ক্লোনিং 
  2. সেল ক্লোনিং 
  3. রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং 
  4. প্রাকৃতিক ক্লোনিং
সঠিক উত্তর:
রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং 
ব্যাখ্যা

ক্লোনিং পদ্ধতি: 
- প্রাকৃতিক ক্লোন বলতে একটি জীব অথবা এক দল জীবকে বুঝানো হয়, যাদের উদ্ভব ঘটে অযৌন অঙ্গজ প্রজননের দ্বারা। এগুলোর প্রকৃতি হয় পুরোপুরি তার মাতৃজীবের মত। 
- একটি কোষ বা একগুচ্ছ কোষ যখন একটিমাত্র কোষ থেকে উৎপত্তি হয় এবং সেগুলোর প্রকৃতি মাতৃকোষের মতো হয়, তখন তাকেও ক্লোন বলে। 
- প্রকৃতিতে ব্যাকটেরিয়া, অনেক শৈবাল, বেশির ভাগ প্রোটোজোয়া এবং ইস্ট ছত্রাক ক্লোনিং পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে। 
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে তিন ধরনের ক্লোনিং করা হয়। 
যথা- 
১। জিন ক্লোনিং: একই জিনের অসংখ্য নকল তৈরি করাকে জিন ক্লোনিং বলে। জিন ক্লোনিং রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ টেকনোলজির সাহায্যে ঘটানো হয়। 
২। সেল ক্লোনিং: একই কোষের অসংখ্য হুবহু একই রকমের কোষ সৃষ্টি করাকে সেল ক্লোনিং বলে। 
৩। জীব ক্লোনিং: দুটির পরিবর্তে একটিমাত্র জীব থেকে জিনগত হুবহু এক বা একাধিক জীব তৈরির পদ্ধতিকে জীব ক্লোনিং বলে। 

- ডলি নামক ভেড়া হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ডিম্বাণু থেকে যে প্রাণী সৃষ্টি হয়, তা হুবহু তার মাতার মতো হয়। 
- এই ক্লোনিং পদ্ধতি ব্যবহার করে ইঁদুর, খরগোস, গরু ও শকুর এমনকি বানর পর্যন্ত ক্লোন করা হয়েছে। 
- সম্পূর্ণ প্রাণীর ক্লোনিংকে বলে রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং। যেমন- ‘ডলি’ নামক ভেড়া তার উদাহরণ। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৬২১.
কোনটি হ্যালোজেন মৌল নয়?
  1. রেডন
  2. আয়োডিন
  3. টেনেসিন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
রেডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডন
ব্যাখ্যা
• হ্যালোজেন মৌল:
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল। যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি।
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে।
- এই হ্যালোজেন গ্রুপের 6 টি মৌল হচ্ছে: ফ্লোরিন (F), (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)।
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- হ্যালোজেন মানে লবন উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়। যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়।
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বি-মৌল অণু গঠন করে। যেমন: Cl2, I2 ইত্যাদি।

• নিস্ক্রিয় মৌল:
- যে সব গ্যাসীয় মৌল রাসায়নিকভাবে নিস্ক্রিয় অর্থাৎ অন্য কোনো মৌলের সাথে সংযুক্ত হয় না, এমনকি নিজেদের মধ্যেও সংযুক্ত হয় না, সর্বদা এক পরমাণুক অবস্থা বিরাজ করে তাদেরকে নিস্ক্রিয় গ্যাস (Noble Gas) বলে।
- নিস্ক্রিয় মৌল মোট ৭টি- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) এবং ওগানেসন (Og)।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬২২.
প্রতি 1°C তাপমাত্রা বৃদ্ধি হলে শব্দের দ্রুতি প্রায় কত বৃদ্ধি পায়?
  1. 60 ms-1
  2. 6 ms-1
  3. 0.6 ms-1
  4. 0.06 ms-1
সঠিক উত্তর:
0.6 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.6 ms-1
ব্যাখ্যা

শব্দের বেগের পরিবর্তন: 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3×108 ms-1 নির্দিষ্ট। 
- কিন্তু শব্দের দ্রুতি সবসময় সমান নয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1 । 
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি 1°C বা 1 K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। 
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। 
যেমন- 
• বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
• পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং 
• লোহার মধ্যে 5220ms-1। 
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি। 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি। 
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬২৩.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট সম্পর্কে প্রথম আলোচনা হয়-
  1. ক) ১৯৪৭ সালে
  2. খ) ১৯৪৮ সালে
  3. গ) ১৯৫২ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫২ এর দিকেই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট সম্পর্কে আলোচনা শুরু হলেও সত্যিকার ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরি হয় ষাটের দশকে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬২৪.
ফলকে টিনজাত করে সংরক্ষণ করাকে কী বলে?
  1. মোম আবৃতকরণ
  2. স্টোরেলাইজেশন
  3. ক্যানিং
  4. নির্জলীকরণ
সঠিক উত্তর:
ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যানিং
ব্যাখ্যা
ক্যানিং বা টিনজাত করে সংরক্ষণ (Canning) :
- আম, আনারস, লিচু, কমলা ইত্যাদি ফলকে টিনজাত করে সংরক্ষণ করা যায়।
- সাধারণত মানসম্পন্ন টাটকা, পাকা ফল পরিস্কার করে খোসা ছাড়ানো হয় এবং ছোট ছোট টুকরা করা হয়।
- টিনজাত করার আগে ফলকে ষ্টেরিলাইজেশন করে নেয়া হয় এবং প্রিজারভেটিভ যোগ করে স্টেরিলাইজড পাত্রে রাখা হয় । পাত্রটিকে বায়ুশুন্য করা হয় এবং বায়ুরোধী অবস্থায় ঠান্ডা করে লেবেল লাগিয়ে সংরক্ষণ করা হয়।

মোম আবৃতকরণ পদ্ধতি :
সম্পূর্ণ ফলকে মোম দিয়ে আবৃত করা হয়। এ কারণে ফলে শ্বসন ও প্রস্বেদন কম হয়। রোগ জীবাণু ও পোকামাকড় দ্বারাও ফল আক্রান্ত হয় না । এই অবস্থায় ফলকে অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায়।

 স্টোরেলাইজেশন:
স্টোরেলাইজেশন বলতে একটি পৃষ্ঠ, উপাদান বা পরিবেশ থেকে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক এবং স্পোর সহ সমস্ত ধরণের অণুজীবকে সম্পূর্ণরূপে নির্মূল বা মেরে ফেলার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। এটি সাধারণত চিকিৎসা, পরীক্ষাগার এবং শিল্প সেটিংসে ব্যবহৃত হয় যাতে নিশ্চিত করা হয় যে সরঞ্জাম, যন্ত্র এবং পৃষ্ঠগুলি যে কোনও কার্যকর অণুজীব থেকে মুক্ত যা সম্ভাব্য সংক্রমণ বা দূষণের কারণ হতে পারে।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬২৫.
নিচের কোনটির স্বীকৃত নিয়ম অনুসারে উদ্ভিদের নামকরণ করা হয়?
  1. ক) ICZN
  2. খ) IUCN
  3. গ) ICBN
  4. ঘ) IAEA
সঠিক উত্তর:
গ) ICBN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ICBN
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিকভাবে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম নীতি মেনে জীবের বৈজ্ঞানিক নাম নির্ধারণ করা হয়।
উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) এবং প্রাণীর নাম International Code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হবে।
প্রকৃতপক্ষে এই কোড পুস্তকাকারে লিখিত একটি দলিল। নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২,৬২৬.
কোন রঙের আলোতে সবুজ পাতা কালো দেখায়? 
  1. সাদা
  2. কালো
  3. লাল
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
শোষণ: 
- জগতের সৌন্দর্যের বড় একটা অংশ আসে বিভিন্ন রং থেকে। 
- সবুজ পাতার মাঝে একটা লাল গোলাপ ফুল দেখাবে কুচকুচে কালো কিংবা লাল আলোতে সবুজ পাতাকে দেখাবে কুচকুচে কালো। 
- বিষয়টা আসলে সহজ, সাধারণ দৃশ্যমান আলোতে (অনেক সময় বলে সাদা আলো), আসলে দৃশ্যমান সীমার মধ্যের সব তরঙ্গদৈর্ঘ্যই আলো থাকে, রং যেহেতু তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে, তাই বলা যেতে পারে সেখানে সব রঙের আলো রয়েছে। 
- যখন সবগুলো রং থাকে তখন সেখানে আলাদাভাবে কোনো রং দেখা যায় না, তখন আলোটাকে বলা হয় বর্ণহীন কিংবা সাদা আলো। এই আলোটা যখন একটা লাল গোলাপ ফুলে পড়ে, তখন গোলাপ ফুলটা লাল রং ছাড়া অন্য সবগুলো রং শোষণ করে নেয়। তাই যে আলোটা প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, সেখানে লাল ছাড়া আর কোনো রং থাকে না এবং গোলাপ ফুলটাকে মনে হয় লাল। 
- ঠিক সে রকম সবুজ পাতাটাতে সব রং এসে পড়ে এবং পাতাটা সবুজ ছাড়া অন্য সব রং শোষণ করে নেয়, তখন যে রংটা প্রতিফলিত, হয় সেটাতে সবুজ ছাড়া অন্য কোনো রঙের আলো থাকে না বলে পাতাটাকে দেখায় সবুজ। 
- যদি সম্পূর্ণ লাল আলোতে এই গোলাপ ফুল এবং পাতাটাকে দেখা হতো তাহলে ফুলটাকে ঠিকই লাল দেখা যেত কারণ এটা লাল রং শোষণ করে না কিন্তু পাতাটাকে তার সঠিক রঙে না দেখিয়ে দেখাবে কালো। কারণ পাতাটা লাল রংকে শোষণ করে ফেলবে এবং কোনো রঙের আলো প্রতিফলিত করবে না। 
- ঠিক একই কারণে সবুজ আলোতে পাতাটা সবুজ দেখালেও সেই রঙের আলো গোলাপ ফুল পুরোপুরি শোষণ করে নেবে বলে গোলাপ ফুল থেকে প্রতিফলিত হওয়ার মতো কোনো রঙের আলো থাকবে না বলে সেটাকে দেখাবে কালো। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬২৭.
যকৃতের রোগ কোনটি?
  1. জন্ডিস
  2. টাইফয়েড
  3. হাম
  4. কলেরা
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস
ব্যাখ্যা
জন্ডিস: 
- জন্ডিস হলো ভাইরাস জনিত রোগ। 
- জন্ডিস হলে রক্তে বিলরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায় ফলে ত্বক, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়। 
- বিলিরুবিন তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায়। জমা হয় প্লীহাতে। 
- যকৃতের মধ্যে অবস্থিত প্লীহা বিলিরুবিন উৎপন্ন হওয়ার প্রধান স্থান হিসেবে স্বীকৃত। 
- যা কনজুগেশনের মাধ্যমে যকৃতে পৌঁছায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬২৮.
White Blood Cell নামে পরিচিত কোনটি?
  1. লোহিত রক্ত কণিকা
  2. অনুচক্রিকা
  3. শ্বেত রক্ত কণিকা
  4. হিমোগ্লোবিন
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কণিকা
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্ত কণিকা: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। 
- শ্বেত রক্ত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্ত কণিকা বলে। 
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলতে শ্বেত রক্ত কণিকাকে বুঝানো হয়। 
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 
- এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
- শ্বেত রক্ত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্ত কণিকা থাকে। 
- শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬২৯.
রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয় নিচের কোনটি দ্বারা? 
  1. ক) দুর্বল এসিড
  2. খ) দুর্বল ক্ষার
  3. গ) জলীয় বাষ্প
  4. ঘ) ওজোন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওজোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ওজোন
ব্যাখ্যা
রাবার:
- বর্তমান দুনিয়ায় রাবার একটি অতি প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য দ্রব্য। পেন্সিলের লেখা মোছার ইরেজার থেকে শুরু করে সাইকেল, রিক্সা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন এসবই রাবার।
- এছাড়াও রাসায়নিক, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক শিল্পে, পানির পাইপ, সার্জিকেল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল ইত্যাদি প্রস্তুতিতে বিপুল পরিমাণ রাবার ব্যবহৃত হয়। 
- প্রাকৃতিক রাবার একটি অদানাদার, পানিতে অদ্রবণীয় কঠিন কিন্তু প্লাস্টিকের চেয়ে নরম পদার্থ। 
- রাবার জৈব দ্রাবক এসিটোন, মিথানল ইত্যাদিতে অদ্রবণীয় হলেও ইথার, টারপিন, পেট্রোল ইত্যাদিতে দ্রবণীয়। রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 
- রাবার একটি তাপ সংবেদনশীল ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ। বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ ও তাপ কুপরিবাহী। তবে বিশেষভাবে তৈরি রাবার বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে।
- অন্যান্য পদার্থে তাপ দিলে আয়তন বাড়ে কিন্তু রাবারে তাপ দিলে আয়তন কমে। 
- রাবার পানি, এসিড, দুর্বল ক্ষার ইত্যাদির সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তাই প্রলেপ দেয়ার কাজে রাবারকে ব্যবহার করা হয়। 
- রাবার এসিড, ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া না করলেও বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা আক্রান্ত হয়। অনুরূপভাবে প্রাকৃতিক রাবার ওজোনের (O₃) সাথে বিক্রিয়া করে, ফলে রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ও একসময় নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৬৩০.
উচ্চ রক্তচাপ হয় -
  1. ক) সিস্টোলিক চাপ ১২০ মিলিমিটার পারদের নিচে
  2. খ) ডায়াস্টোলিক চাপ ৮০ মিলিমিটার পারদের নিচে
  3. গ) ক ও খ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

উচ্চ রক্তচাপ (High blood pressure or hypertension): উচ্চ রক্তচাপকে নীরব ঘাতক হিসেবে গণ্য করা হয়। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপাের্টে বলা হয়েছে 2020 সালের মধ্যে স্ট্রোক ও করােনরি ধমনির রােগ হবে বিশ্বের এক নম্বর মরণব্যাধি এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলােতে এর প্রকোপ ছড়িয়ে পড়বে মহামারী আকারে। হৃদ্‌রােগ এবং স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ হলাে উচ্চ রক্তচাপ।
উচ্চ রক্তচাপ কী? রক্ত চলাচলের সময় রক্তনালিগাত্রে যে চাপ সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তচাপ বলে। আর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রক্তচাপকে উচ্চ রক্তচাপ বলা হয়। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে সাধারণত সিস্টোলিক চাপ ১২০ মিলিমিটার পারদের নিচে এবং ডায়াস্টোলিক চাপ ৮০ মিলিমিটার পারদের নিচের মাত্রাকে কাক্ষিত মাত্রা হিসেবে ধরা হয়। আর এই রক্তচাপ যখন মাত্রাতিরিক্ত হয় তখনই আমরা তাকে উচ্চ রক্তচাপ বলে থাকি।
উৎস: নবম দশম শ্রেণি,জীববিজ্ঞান

২,৬৩১.
মাইক্রোপ্রসেসরের মূল কাজ কী?
  1. তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করা
  2. তথ্য সংরক্ষণ করা
  3. তথ্য গ্রহণ করা
  4. ফলাফল প্রদর্শন করা
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করা
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর: 
- সমন্বিত (Integrated Circuit) বর্তনী আবিষ্কারের ফলে বর্তমানে পার্সোনাল কম্পিউটারগুলোতে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং গাণিতিক/যুক্তি ইউনিটগুলো একই সংগে মাইক্রোপ্রসেসরে থাকে। 
- ফলে আধুনিক কম্পিউটারে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বলতে মাইক্রোপ্রসেসরকেই বুঝায়। 
- মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্যের উপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে। 
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো- 
১. ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা। 
২. গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা। 
৩. কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা। 
৪. স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা। 

- এই সমস্ত কাজ সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরে প্রয়োজনীয় বর্তনী থাকে। 
- উপরে উল্লেখিত কাজগুলো সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরের সংগঠনকে আবার তিনভাগে ভাগ করা হয়। 
১। নিয়ন্ত্রণ অংশ, 
২। গাণিতিক/যুক্তি অংশ এবং 
৩। স্মৃতি । 


উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৩২.
মানুষের করোটিক স্নায়ুর সংখ্যা -
  1. ১২টি
  2. ২৪টি
  3. ৩১টি
  4. ৪৬টি
সঠিক উত্তর:
২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪টি
ব্যাখ্যা
যেসব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি হয়ে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বেরিয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় সেগুলোকে করোটিক স্নায়ু বলে।
- মানুষের মস্তিষ্কে ১২ জোড়া অর্থাৎ ২৪টি করোটিক স্নায়ু আছে।
- সম্মুখ অংশ থেকে পরপর এদের রোমান সংখ্যা দিয়ে সূচিত করা হয়।
- মানবদেহে সুষুম্না কাণ্ড থেকে ৩১ জোড়া সুষুম্না স্নায়ু উৎপন্ন হয়।

- মানুষের জীবকোষে ক্রোমোজোম আছে ২৩ জোড়া। 

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
২,৬৩৩.
হাইড্রোজেন অপেক্ষা কম সক্রিয় মৌল কোনটি?
  1. সোডিয়াম
  2. লিথিয়াম
  3. সিলভার
  4. আয়রন
সঠিক উত্তর:
সিলভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলভার
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেন অপেক্ষা কম সক্রিয় মৌল হচ্ছে- সিলভার । 

সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া: 
- ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া সক্রিয়তার সিরিজ অনুসারে সম্পন্ন হয়। 
- পর্যায় তালিকা অনুসারে, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়। 
- তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
- হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো বেশি সে মৌল ততো বেশি সক্রিয়। আর যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো কম সে মৌলটি ততো কম সক্রিয়। 
- মৌলের সক্রিয়তার নিম্ন ক্রমানুসারে সাজালো যে মৌল শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে, তাকে সক্রিয়তা সিরিজ বলে। 

- কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক। 
- এরা এসিডের লঘু দ্রবণ থেকে হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপিত করবে। 
অর্থাৎ, হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু ও লঘু এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। 
- হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু + লঘু এসিড → লবণ + হাইড্রোজেন। 
যেমন- অধিক সক্রিয় জিংক ধাতু ও লঘু হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা লঘু সালফিউরিক এসিড বা লঘু নাইট্রিক এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। 
• Zn(s) + 2HCl(aq) → ZnCl2(aq) + H2(g) 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৩৪.
দূরবীক্ষণ যন্ত্রে কোন ধরনের লেন্স ব্যবহার করা হয়?
  1. উত্তল
  2. অবতল
  3. সমতল
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
উত্তল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তল
ব্যাখ্যা
উত্তল লেন্সের ব্যবহার:
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

অবতল লেন্সের ব্যবহার:
১. চশমায় ব্যবহার করা হয়।
২. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬৩৫.
সঞ্চালন তারে রোধের কারণে যে তড়িৎ শক্তির অপচয় হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) লোড শেডিং
  2. খ) সিস্টেম লস
  3. গ) B.O.T
  4. ঘ) B.T.U
সঠিক উত্তর:
খ) সিস্টেম লস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিস্টেম লস
ব্যাখ্যা
সিস্টেম লস: সঞ্চালন তারে রোধের কারণে যে তড়িৎ শক্তির অপচয় হয় তাকে সিস্টেম লস বলে।
লোড শেডিং:  যখন প্রয়োজনের তুলনায় উৎপাদন কম হয়, সে সময় কোনো কোনো সাবস্টেশনে গ্রাহকের চাহিদার
তুলনায় কম তড়িৎ শক্তি থাকায়, কিছু সময়ের জন্য বাধ্য হয়ে কিছু কিছু এলাকায় তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ রাখে। একে লোড
শেডিং বলে।
B.O.T বা B.T.U: তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান কিলোওয়াট ঘন্ট (Kilowatt Hour বা  kWh) তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান কিলোওয়াট ঘন্ট এককে শক্তির পরিমাপ
করে। সারা বিশ্বে তড়িৎ সরবরাহ প্রতিষ্ঠান এ একক ব্যবহার করে। এজন্য এ একককে বোর্ড অব ট্রেড ইউনিট (B.O.T বা  B.T.U) বলে। সংক্ষেপে একে শুধু ইউনিট (unit) বলে।

উৎস: এস.এস.সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৩৬.
নিউটনের গতিসূত্রের প্রথমটি পদার্থবিজ্ঞানের কোন রাশি সম্পর্কে ধারণা দেয়?
  1. জড়তা 
  2. সরণ 
  3. ত্বরণ 
  4. ভরবেগ 
সঠিক উত্তর:
জড়তা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জড়তা 
ব্যাখ্যা

নিউটনের গতিসূত্রসমূহ: 
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিওর ধারণার উপর ভিত্তি করে স্যার আইজ্যাক নিউটন গতির সূত্রগুলো প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ভর, গতি এবং বলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে স্যার আইজাক নিউটন তিনটি সূত্র প্রকাশ করেন যা তাঁর অমর গ্রন্থ ন্যাচারালিস ফিলোসোফিয়া ম্যাথমেটিকাতে ১৬৮৭ খ্রিঃ প্রকাশিত হয়। 
- এই সূত্র তিনটি নিউটনের গতিসূত্র নামে পরিচিত। 
প্রথম সূত্র: 
- "বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির অবস্থায় থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম বেগে সরল পথে চলতে থাকবে”। 
অর্থাৎ, বাইরে থেকে বল ক্রিয়া না করলে (১) স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং (২) গতিশীল বস্তু সুষম গতিতে চলতে থাকবে। 
- নিউটনের গতির প্রথম সূত্র বস্তুর জড়তা-ধর্ম বিবৃত করে এবং বলের সংজ্ঞা প্রদান করে। 
- স্থির বস্তু সর্বদাই স্থির থাকতে চায় এবং গতিশীল বস্তু সর্বদাই গতিশীল থাকতে চাওয়ার এই প্রবণতাকে জড়তা বলা হয়। এজন্য এই সূত্রকে জড়তার সূত্রও বলা হয়। 
- যদি কোনো বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করা হয় তাহলে তার গতির পরিবর্তন বা স্থিতির পরিবর্তন হবে না। 
অর্থাৎ, বল প্রয়োগ না করলে বস্তুর ত্বরণ শূন্য হয়। 

দ্বিতীয় সূত্র: 
- কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে। 
- যখন বস্তুর উপর বাহ্যিক লব্ধি বল প্রযুক্ত হয়। 
- নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র হতে ভরবেগের পরিবর্তন, বলের অভিমুখ, বলের পরিমাপ, বল ও ত্বরণের মধ্যে সম্পর্ক এবং বলের একক সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। 

তৃতীয় সূত্র: 
- প্রত্যেক ক্রিয়ার একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬৩৭.
আকৃতি, অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী টিস্যু কত ধরনের?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
কোষের আকৃতি, প্রাণীদেহে তার অবস্থান এবং কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী টিস্যু ৩ ধরনের।
যথা -
- স্কোয়ামাস আবরণী টিস্যু,
- কিউবয়ডাল আবরণী টিস্যু এবং
- কলামনার আবরণী টিস্যু।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬৩৮.
দিনের বেলায় গাছের পাতা সবুজ দেখায় কেন?
  1. ক) পাতার ক্লোরোফিল সবুজ বাদে সকল বর্ণকে শোষণ করে
  2. খ) দিনের বেলায় সবুজ বাদে অন্য বর্ণকে চেনা যায় না
  3. গ) সূর্যরশ্মির ফলে পাতা সবুজ দেখায়
  4. ঘ) উপরের কোনোটিই সঠিক নয়
সঠিক উত্তর:
ক) পাতার ক্লোরোফিল সবুজ বাদে সকল বর্ণকে শোষণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পাতার ক্লোরোফিল সবুজ বাদে সকল বর্ণকে শোষণ করে
ব্যাখ্যা
আমরা যেকোনো বস্তুকে যে রঙে দেখি, সে বস্তু তার উপর আপতিত রঙের মধ্যে শুধু ওই রঙের আলোই প্রতিফলিত করে, বাকি রঙ শুষে নেয়, ফলে আমরা বস্তুটির দৃশ্যমান রঙ দেখি। দিনের বেলায় গাছের পাতাও সবুজ দেখায় একই কারণে। গাছের পাতার ক্লোরোফিল সবুজ বর্ণ বাদে বাকি সব বর্ণ শোষণ করে এবং সবুজ বর্ণ প্রতিফলন করে।
২,৬৩৯.
কোনটিকে কোষের 'রান্নাঘর' বলা হয়? 
  1. নিউক্লিয়াস
  2. ক্লোরোপ্লাস্ট
  3. রাইবোজোম
  4. মাইটোকন্ড্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোপ্লাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড: 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
- প্লাস্টিড তিন ধরনের। 
যথা- ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট। 

ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- সবুজ বর্ণের প্লাস্টিডকে বলা হয় ক্লোরোপ্লাস্ট। 
- ক্লোরোপ্লাস্ট খাদ্য সংশ্লেষে সাহায্য করে বলে ক্লোরোপ্লাস্টকে 'কোষের রান্নাঘর' বা 'শর্করা জাতীয় খাদ্যের কারখানা' বলে। 
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে অবস্থিত উৎসেচক সমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভেতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে। 
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 

অন্যদিকে, 
- রাইবোজোমের প্রধান কাজ প্রোটিন সংশ্লেষণ করা। তাই একে বলা হয় প্রোটিন ফ্যাক্টরি। 
- নিউক্লিয়াস কোষের সব ধরনের জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই একে কোষের মস্তিষ্ক, কোষের প্রাণ বা প্রাণকেন্দ্র বলা হয়। 
- কোষের যাবতীয় জৈবিক কাজের শক্তি সরবরাহ করে বলে মাইটোকনড্রিয়াকে কোষের 'পাওয়ার হাউস' বা 'শক্তিঘর' বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬৪০.
তাপমাত্রার এস আই একক কোনটি?
  1. ডিগ্রী সেলসিয়াস
  2. কেলভিন
  3. ফারেনহাইট
  4. ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেলভিন
ব্যাখ্যা



সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬৪১.
আলোক রশ্মি বহনের কাজে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ম্যাগনিফাইং গ্লাস
  2. খ) ফাইবার গ্লাস
  3. গ) অপটিক্যাল ফাইবার
  4. ঘ) ফ্লোট গ্লাস
সঠিক উত্তর:
গ) অপটিক্যাল ফাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার:
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাঁচতন্তু। 
- এটা মানুষের চুলের মতো চিকন এবং নমনীয়। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। 
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচ অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি দেখার জন্য) যে আলোক নলটি ব্যবহার করে এটি একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। 
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২,৬৪২.
শীত, গ্রীষ্ম, লজ্জা, ক্রোধ প্রভৃতি অনুভূতিবোধ থাকে -
  1. ক) চোখে
  2. খ) সেরিব্রাল কর্টেক্সে
  3. গ) মনে
  4. ঘ) অস্থিতে
সঠিক উত্তর:
খ) সেরিব্রাল কর্টেক্সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেরিব্রাল কর্টেক্সে
ব্যাখ্যা
মস্তিষ্কের প্রধান অংশ হলো গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম।
সেরিব্রামের বাইরের স্তরের নাম কর্টেক্স, কর্টেক্সের অপর নাম গ্রে ম্যাটার। এটা ডান ও বাম খন্ডে বিভক্ত। এদের ডান ও বাম সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার বলে।
মানব মস্তিষ্কে সেরিব্রাল হেমিস্ফিয়ার অধিকতর উন্নত ও সুগঠিত। এই দুইখন্ড ঘনিষ্ঠভাবে স্নায়ুতন্তু দ্বারা সংযুক্ত। স্নায়ুকোষগুলো গুরুমস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশে গুচ্ছ বেঁধে স্নায়ুকেন্দ্র সৃষ্টি করে।
কোন উদ্দীপকের প্রতি কি সাড়া দিবে, সে সিদ্ধ্বান্ত গ্রহণে সাড়া দিবে। এই যেমন আমাদের কোন কিছু অপছন্দ হলে আমাদের রাগের অনুভূতি জন্মায়, কোন অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়লে আমরা লজ্জা পাই।
দর্শন, শ্রবণ, ঘ্রাণ, চিন্তা-চেতনা, স্মৃতি, জ্ঞান, বুদ্ধি, বিবেক ও পেশি চালনার ক্রিয়াকেন্দ্র গুরুমস্তিষ্কে বা সেরিব্রামে অবস্থিত।
উৎসঃ জীব বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী
২,৬৪৩.
হার্প (HAARP) বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর নিয়ে গবেষণা করে?
  1. ক) আয়নমণ্ডল
  2. খ) ট্রপোমণ্ডল
  3. গ) স্ট্রাটোমণ্ডল
  4. ঘ) মেসোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
ক) আয়নমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আয়নমণ্ডল
ব্যাখ্যা
হার্প (HAARP)
- HAARP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে High-frequency Active Auroral Research Program.
- হার্প আয়নোস্ফিয়ার বা আয়নমন্ডলের বৈশিষ্ট্য এবং আচরণ নিয়ে গবেষণা করে।
- আয়নোস্ফিয়ার হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ মাইল থেকে ৪০০ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুমন্ডলীয় এলাকা।
- আয়নোস্ফিয়ারে উচ্চ কম্পাঙ্কের রেডিও তরঙ্গ পাঠানো হয় এবং এর প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হয়।
- হার্প এর অবস্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায়।
- এটি ইউএস এয়ার ফোর্স, নেভি, ইউনিভার্সিটি অফ আলাস্কা ফেয়ারব্যাংকস এবং ডিফেন্স এডভান্সড রিসার্চ প্রোজেক্টস এজেন্সির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চলে।
- ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট স্থান পরিবর্তন করে এটিকে ইউনিভার্সিটি অফ আলাস্কা ফেয়ারব্যাংকসে নিয়ে আসা হয়।

সূত্র: https://haarp.gi.alaska.edu
২,৬৪৪.
নিম্নের কোন রােগটি DNA ভাইরাসঘটিত?
  1. ডেঙ্গুজ্বর
  2. স্মলপক্স
  3. কোভিড-১৯
  4. পােলিও
সঠিক উত্তর:
স্মলপক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মলপক্স
ব্যাখ্যা
- স্মলপক্স রোগটি DNA ভাইরাসঘটিত।
- ভেরিওলা ভাইরাস মানবদেহে স্মলপক্স বা গুটি বসন্ত সৃষ্টি করে।
- ভাইরাসে নিউক্লিক এসিড হিসেবে DNA ও RNA থাকে।
- অন্যান্য জীবদেহে DNA ও RNA একই সাথে অবস্থান করলেও ভাইরাসে DNA ও RNA একই সাথে অবস্থান করতে পারেনা।

• DNA ভাইরাসঘটিত রোগ:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- হার্পিস সিমপ্লেক্স (মানব), Tipula irridescent, Rabbitpox, Vaccinia (bovine), ভেরিওলা (মানব), Pustular dermatitis (Sheep), এডেনা গ্রুপ, প্যাপিলোমা (মানব), পলিওমা, ΦX174 কলিফাজ, Cauliflower mosaic ও Adenoassociaed ইত্যাদি।

• RNA ভাইরাসঘটিত রোগ:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- ইনফ্লুয়েঞ্জা বি (মানব), পোলিও (মানব), রুবেলা (মানব), পীতজ্বর (মানব), ডেঙ্গু (মানব), Encephalitis (Human), Leukemia (cat), মাম্পস (মানব), Measles (Human), Cold (Human), Newcastle disease (fowl), Rous sarcoma (bird), Rabies (dog), Potato yellow dwarf, Vesicular stomatitis (cattle), Tobacco mosaic, Sugarcane mosaic, fd (Pseudomonas), Cucumber mosaic, f2, fr1, R17কলিফাজ ইত্যাদি।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৪৫.
অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম কোথায়?
  1. মহাসাগরে
  2. মেরুতে
  3. বিষুব অঞ্চলে
  4. পর্বত শৃঙ্গে
সঠিক উত্তর:
বিষুব অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুব অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম বিষুব অঞ্চলে। 

• অভিকর্ষজ ত্বরণ:
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে মুক্তভাবে ভূ-পৃষ্টে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে।
 একে g অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

• g এর বস্তু নিরপেক্ষ হলেও স্থান নিরপেক্ষ নয়। এর মান পৃথিবীর ব্যাসার্ধের উপর নির্ভর করে।
- ব্যাসার্ধ বেশি হলে g এর মান কম হয় এবং ব্যাসার্ধ কম হলে g এর মান বেশি হয়।

• বিষুব অঞ্চলে g  এর মান কম কারণ সেখানে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বেশি ।
• অপরদিকে মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম হওয়ার কারনে g  এর মান  সেখানে বেশি হয় যা সর্বাধিক। 
• সাধারনত g  এর গড় মান হিসেবে 9.8 ms-2 ধরা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৪৬.
কোন ধরনের ট্রান্সফর্মার বিদ্যুৎ পরিবহনে ব্যবহৃত হয়?
  1. স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
  2. তাড়িত চৌম্বক ট্রান্সফরমার
  3. স্টেপ-ডাউন ট্রানফরমার
  4. আধুনিক ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

• বিদ্যুৎ পরিবহনে প্রধানত স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়। কারণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পর তা লম্বা দূরত্বে প্রেরণ করার সময় ভোল্টেজ বাড়ানো প্রয়োজন যাতে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় শক্তি ক্ষয় কম হয়। স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ভোল্টেজ বৃদ্ধি করে কারেন্ট কমিয়ে দেয়, ফলে পরিবহনের সময় তাপ ক্ষয় কমে। গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর আগে ভোল্টেজ কমানোর জন্য পরে স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।
- তাই বিদ্যুৎ পরিবহন ব্যবস্থায় স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

• ট্রান্সফরমার:
- ট্রান্সফরমার বা ট্রান্সফর্মার একটি স্থির বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম যার দ্বারা কোনাে পরিবর্তী তড়িৎ ব্যবস্থায় অপরিবর্তীত কম্পাঙ্কতে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎশক্তিকে ভােল্টেজের মান অনুযায়ী কমিয়ে বা বাড়িয়ে এক সার্কিট থেকে অন্য সার্কিটে স্থানান্তর করা যায়।
- এ.সি. (Alternating Current) ব্যবস্থায় কম ভােল্টেজকে বেশি ভােল্টেজে বা বেশি ভােল্টেজকে কম ভােল্টেজে রূপান্তর করার জন্য ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়।
- কম থেকে বেশি ভােল্টেজে রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত ট্রান্সফর্মারকে ''স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মার'' বা ''উচ্চধাপী ট্রান্সফর্মার'' এবং বেশি থেকে কমভােল্টেজে রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত ট্রান্সফর্মারকে''স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফরমার'' বা ''নিম্নধাপী ট্রান্সফর্মার'' বলা হয়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান বই, নবম-দশম শ্রেণী।

২,৬৪৭.
যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. পরম শূন্য তাপমাত্রা
  2. কুরি তাপমাত্রা
  3. রিমেনেন্স
  4. চৌম্বক সহনশীলতা
সঠিক উত্তর:
কুরি তাপমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুরি তাপমাত্রা
ব্যাখ্যা

• কুরি তাপমাত্রা বা কুরি বিন্দু: 
- যে তাপমাত্রায় কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় তাকে কুরি তাপমাত্রা বলে। 

• রিমেনেন্স: 
- চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সারিয়ে নেওয়ার পর চৌম্বক পদার্থে যে চুম্বকায়ন মাত্রা অবশিষ্ট থাকে তাকে রিমেনেন্স বলে। 

• চৌম্বক ধারকত্ব: 
- চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সরিয়ে নেওয়ার পরেও কোনো চৌম্বব পদার্থের মধ্যে উৎপন্ন চুম্বকত্ব বজায় রাখার ক্ষমতাকে চৌম্বক ধারকতা বলে। 
- ইস্পাত ও নরম লোহাকে একই সমপরিমাণ চুম্বকায়িত করে রেখে দিলে নরম লোহার চেয়ে ইস্পাতের ক্ষেত্রে চুম্বকত্ব হ্রাসের পরিমাণ কম। 

• চৌম্বক সহনশীলতা: 
- চুম্বকত্ব হ্রাসের নিয়ামকসমূহ থাকা সত্ত্বেও কোনো চৌম্বক পদার্থের মধ্যে উৎপন্ন চুম্বকত্ব বজায় রাখার ক্ষমতাকে ঐ পদার্থের চৌম্বক সহনশীলতা বলে। 

• পরম শূন্য তাপমাত্রা:
- এটি হলো সর্বনিম্ন তাত্ত্বিক তাপমাত্রা (0 K বা - 273.15°C), যেখানে পদার্থের অণুগুলোর গতিশক্তি শূন্য হয়ে যায়। এর সাথে চুম্বকত্ব নষ্ট হওয়ার সরাসরি সম্পর্ক নেই।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২,৬৪৮.
শক্তির সংরক্ষণশীলতার নীতি অনুযায়ী, শক্তি রূপান্তরের আগে ও পরে-
  1. শক্তির পরিমাণ বেড়ে যায়
  2. শক্তির পরিমাণ কমে যায়
  3. শক্তি হারিয়ে যায়
  4. শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা
শক্তির সংরক্ষণশীলতার নীতি (Principle of conservation of Energy): 
- পৃথিবীতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। 
যেমন- আলোক শক্তি, তাপ শক্তি, সৌর শক্তি, রাসায়নিক শক্তি, পারমাণবিক শক্তি, বৈদ্যুতিক শক্তি, যান্ত্রিক শক্তি, শব্দ শক্তি ও চৌম্বক শক্তি। 
- যান্ত্রিক শক্তি আবার দুই ধরনের। 
যথা- গতি শক্তি ও বিভব শক্তি। 
- শক্তি নিয়ত এক রূপ থেকে অন্য রূপে পরিবর্তিত হয়। 
যেমন- তাপ শক্তি থেকে আলোক শক্তি, গতি শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি, বিভব শক্তি থেকে গতি শক্তি ইত্যাদি। 
- শক্তির সৃষ্টি ও বিনাশ সম্ভব নয়। 
- কেবল এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর হয় মাত্র। একে বলে শক্তির নিত্যতা বা সংরক্ষণশীলতা। 
- শক্তির নিত্যতাকে একটি সূত্র দিয়ে প্রকাশ করা হয়। একে বলা হয় শক্তির সংরক্ষণশীলতার নীতি। 
নীতিটি হল: 'শক্তির সৃষ্টি বা বিনাশ নেই। শক্তি কেবল এক রূপ থেকে অন্য এক বা একাধিক রূপে পরিবর্তিত হতে পারে। রূপান্তরের আগে ও পরে মোট শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে এবং মহাবিশ্বে মোট শক্তির পরিমাণ নির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয়'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৪৯.
কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লার শব্দেতর তরঙ্গ কোনটি?
  1. 04 Hz
  2. 64000 Hz
  3. 45 Hz
  4. 45000 Hz
সঠিক উত্তর:
04 Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
04 Hz
ব্যাখ্যা
- কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লার শব্দেতর তরঙ্গ - 04 Hz

শ্রাব্যতার সীমা, শব্দেতর ও শব্দোত্তর তরঙ্গ: 
- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন, কিন্তু কম্পন হলেই শব্দ শোনা যাবে তা কিন্তু নয়। 
- মানুষের শ্রবণ যন্ত্রের সীমাবদ্ধতা আছে। 
- মানুষ শ্রবণ ইন্দ্রিয় 20 Hz থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে। 
- তাই বলা হয় মানুষের শ্রাব্যতার সীমা 20 থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে। 
- এই সীমার নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দেতর তরঙ্গ এবং উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গ। 
- অবশ্য সবার শ্রাব্যতার পাল্লা সমান নয়। প্রাণিভেদে এর তারতম্য আছে। 
- কয়েকটি প্রাণীর গড় শ্রাব্যতার পাল্লা নিচের ছকে উল্লেখ করা হলো - 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৫০.
একটি কাচদণ্ডকে রেশম দ্বারা ঘষলে কী ঘটবে?
  1. ক) রেশম ও কাচদণ্ড উভয়ই ঋণাত্মক আধানে আহিত হবে
  2. খ) রেশম থেকে ইলেকট্রন কাচদণ্ডে যাবে
  3. গ) কাচদণ্ড থেকে ইলেকট্রন রেশমে যাবে
  4. ঘ) ইলেকট্রনের কোনো আদান-প্রদান হবে না
সঠিক উত্তর:
গ) কাচদণ্ড থেকে ইলেকট্রন রেশমে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাচদণ্ড থেকে ইলেকট্রন রেশমে যাবে
ব্যাখ্যা
- সাধারণ অবস্থায় পদার্থের পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে।
- তবে প্রত্যেক পরমাণুই প্রয়োজনের অতিরিক্ত ইলেকট্রনের প্রতি আকর্ষণ থাকে। ইলেকট্রনের প্রতি এই আসক্তি বিভিন্ন বস্তুতে বিভিন্ন রকম। তাই দুটি বস্তুকে যখন পরস্পরের সংস্পর্শে আনা হয়, তখন যে বস্তুর ইলেকট্রন আসক্তি বেশি সে বস্তুটি অপর বস্তুটি থেকে মুক্ত ইলেকট্রন সংগ্রহ করে ঋণাত্মক আধানে আহিত হয়।   

- সাধারণ অবস্থায় কাচদণ্ডের পরমাণুসমূহে প্রোটন এবং ইলেকট্রণের সংখ্যা সমান থাকায় তা তড়িৎ নিরপেক্ষ থাকে।  
- কাচদণ্ডকে রেশমের কাপড় দিয়ে ঘর্ষণের ফলে কাচদণ্ডের পরমাণুসমূহ থেকে কিছু সংখ্যক ইলেকট্রন বিচ্ছিন্ন হয়ে রেশমের কাপড়ের সাথে যুক্ত হয়।  
- রেশমের কাপড়ে ইলেকট্রন যুক্ত হওয়ায় এটি ঋণাত্মক তড়িতাহিত হয়।  
- অন্যদিকে কাচদণ্ডে ইলেকট্রন কমে যাওয়ায়, এতে ইলেকট্রনের সংখ্যার চেয়ে প্রোটনের সংখ্যা বেশি হয়, ফলে এটা ধনাত্মক তড়িতাহিত হয়। 

উৎস- এস.এস. সি পদার্থ বিজ্ঞান- ২য় পত্র (বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটি)
২,৬৫১.
কাঁদুনে গ্যাসের (Tear Gas) অপর নাম কী?
  1. ফসজিন
  2. বেনজাইল আয়োডাইড
  3. ক্লোরোপিক্রিন
  4. মিথাইল আইসোসায়ানেট
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোপিক্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোপিক্রিন
ব্যাখ্যা

• কাঁদুনে গ্যাসের (Tear Gas) অপর একটি নাম হলো ক্লোরোপিক্রিন (Chloropicrin)।
• কাঁদুনে গ্যাস: 
- কাঁদুনে গ্যাসকে তার কার্যকারিতার কারণে ল্যাক্রিমেটর (Lacrimator) নামেও ডাকা হয়। ল্যাক্রিমেটর কথাটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ 'lacrima' থেকে, যার অর্থ 'অশ্রু' বা 'জল'।
- কাঁদুনে গ্যাস কোনো একক রাসায়নিক নয়, বরং অনেক যৌগের একটি শ্রেণী। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
• ক্লোরোপিক্রিন: এটি PS গ্যাস নামেও পরিচিত এবং এর রাসায়নিক সংকেত CCl3NO2 , এটি একটি কার্যকর ল্যাক্রিমেটর এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধেও ব্যবহৃত হয়েছিল।
• ক্লোরোঅ্যাসিটোফেনন: এটি CN গ্যাস নামে সুপরিচিত এবং বহু বছর ধরে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়েছে।
• ২-ক্লোরোবেনজিলিডিন ম্যালোনোনাইট্রাইল: এটি CS গ্যাস নামে পরিচিত এবং এটিই বর্তমানে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও শক্তিশালী কাঁদুনে গ্যাস।



উৎস: ব্রিটানিকা

২,৬৫২.
পৃথিবীর মিঠা পানির প্রধান উৎস কোনটি?
  1. সমুদ্র 
  2. মহাসমুদ্র
  3. নদী ও হ্রদ 
  4. বায়ুমণ্ডল 
সঠিক উত্তর:
নদী ও হ্রদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদী ও হ্রদ 
ব্যাখ্যা

বারিমণ্ডল: 
- 'Hydrosphere'-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। 
- 'Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি, এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। 
- বারিমণ্ডল বলতে বোঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ। 
- পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর) এবং মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। 
- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। 
- পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। 

- জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ ও শতকরা হার হচ্ছে- 
• সমুদ্র = ৯৭.২৫, 
• হিমবাহ = ২.০৫, 
• ভূগর্ভস্থ পানি = ০.৬৮, 
• হ্রদ = ০.০১, 
• মাটির আর্দ্রতা = ০.০০৫, 
• বায়ুমণ্ডল = ০.০০১, 
• নদী = ০.০০০১ এবং 
• জীবমণ্ডল = ০.০০০০৪ ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৬৫৩.
কচু খেলে গলা চুলকায়। কারণ কচুতে আছে -
  1. CaCO3
  2. CaC2O4
  3. Ca3(PO4)2
  4. CaSO4
সঠিক উত্তর:
CaC2O4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CaC2O4
ব্যাখ্যা
কচু নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
১) কচু শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, বি, সি,ক্যালসিয়াম ও লৌহ। ভিটামিন এ জাতীয় খাদ্য রাতকানা প্রতিরোধ করে আর ভিটামিন সি শরীরের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। তাই শিশুদের ছোট বেলা থেকেই কচুর শাক খাওয়ানো উচিত।
২) কচুতে আছে আয়রন, যা রক্ত শূন্যতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
৩) কচুতে আছে নানা রকমের ভিটামিন যা গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য দারুণ উপকারী।
৪) কচুর ডাঁটায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে,তাই গরমের সময় কচুর ডাঁটায় রান্না করে খেলে শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ হয়।

৫) কচুর শাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে আঁশ থাকে যা হজমে সহায়তা করে।
৬) কচুতে আছে প্রচুর ফাইবার, ফোলেট ও থায়ামিন যা মানব শরীরের জন্য অনেক দরকারি উপাদান।
৭) কচু খেলে রক্তের কোলেস্টরল কমে তাই উচ্চরক্ত চাপের রোগীদের জন্য ওল কচুর রস বেশ উপকারী।
8) নিয়মিত কচু খেলে কোলন ক্যান্সার ও ব্রেষ্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।
৯) কচু শাক বা কচু খেলে অনেক সময় গলা চুলকায়; কারণ কচুতে (ক্যালসিয়াম অক্সলেট) CaC2O4 আছে।

অপশন আলোচনা:
- ক্যালসিয়াম কার্বনেট = CaCO3,
- ক্যালসিয়াম ফসফেট = Ca3(PO4)2,
- ক্যালসিয়াম সালফেট = CaSO4.

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই ও পত্রিকার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রতিবেদন।
২,৬৫৪.
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পদ্ধতি প্রধানত কয়টি ?
  1. ক) দুইটি
  2. খ) তিনটি
  3. গ) চারটি
  4. ঘ) পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
ক) দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুইটি
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত বাস্তুতত্ত্ববিদ E.P. Odum (1971) এর মতে ‘মানুষের সুস্থ, স্বাভাবিক, সুন্দর, ও সুখময় জীবন ধারা অক্ষুন্ন রাখার উদ্দেশ্যে অনুকূল ভারসাম্যপূর্ণ ও বসবাসযোগ্য পরিবেশ বজায় রাখার তাগিদে জীব সম্প্রদায়কে অপচয়, ধ্বংস ও বিলুপ্তির কবল থেকে রক্ষার জন্য সুপরিকল্পিত ও বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থা গ্রহণ করার কৌশলকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বলে’।

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ পদ্ধতি : জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পদ্ধতি মূলত দুটি। যথা-
(ক) ইন সিটু কনজারভেশন এবং
(খ) এক্স সিটু কনজারভেশন।

সূত্রঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৫৫.
বায়ুমণ্ডলে ওজোনের পরিমাণ কত?
  1. ০.০০০২%
  2. ০.০০০৩%
  3. ০.০০০৪%
  4. ০.০০০১%
সঠিক উত্তর:
০.০০০১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০০০১%
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত। 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমণ্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত। 
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমণ্ডল (Heterosphere) বলে। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের পরিমাণ: 
উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ 
• নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২,
• অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন (Ar )⇒ o.৮০, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)⇒ ০.০৩, 
 ওজোন (O3) ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১, 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৫৬.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিকসের সবচেয়ে বড় অবদান কোনটি? 
  1. ডিজিটাল ঘড়ি
  2. স্মার্ট টিভি
  3. মোবাইল ফোন
  4. কম্পিউটার
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিকস: 
- ইলেকট্রনিকসের সবচেয়ে বড় অবদান হলো ডিজিটাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে শুধু কম্পিউটার। 
- কম্পিউটারে সকল তথ্যের আদান-প্রদান বা তথ্য প্রক্রিয়া করা হয় ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস দিয়ে। 
- ইন্টারনেট বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কেও ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়। 
- শব্দ, ছবি বা ভিডিও ইত্যাদি সিগন্যাল শুরু হয় অ্যানালগ সিগন্যাল হিসেবে এবং ব্যবহারও হয় অ্যানালগ সিগন্যাল হিসেবে কিন্তু সেগুলো ডিজিটাল সিগন্যাল হিসেবে সংরক্ষণ প্রক্রিয়াকরণ বা প্রেরণ করা হয়। 
- অ্যানালগ সিগন্যালে খুব সহজেই নয়েজ (Noise) প্রবেশ করে সিগন্যালের গুণগত মান নষ্ট করতে পারে কিন্তু সেটি একবার ডিজিটাল সিগন্যালে পরিবর্তিত করে নিলে সেখানে Noise এত সহজে অনুপ্রবেশ করতে পারে না; কাজেই সিগন্যালের গুণগত মান অবিকৃত থাকে। 
- ডিজিটাল সিগন্যাল প্রক্রিয়া করার জন্য বিশেষ ধরনের আইসি (IC) তৈরি করা হয়, এই আইসিগুলো ধীরে ধীরে অনেক ক্ষমতাশালী হয়ে উঠছে। 
অর্থাৎ, অনেক কম সময়ে নির্ভুলভাবে অনেক বেশি পরিমাণ ডিজিটাল সিগন্যালে প্রক্রিয়া করতে পারে। 
- কাজেই যতই দিন যাচ্ছে ডিজিটাল প্রক্রিয়া করার বিষয়টি ততই সহজ হয়ে যাচ্ছে এবং এটি বলাই বাহুল্য নয় যে আমাদের চারপাশের জগৎটি একটি ডিজিটাল জগতে রূপান্তরিত হচ্ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬৫৭.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র?
  1. থার্মোমিটার
  2. পাইরোমিটার
  3. রিখটার স্কেল
  4. ব্যারোমিটার
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:

- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
২,৬৫৮.
মানব চোখের লেন্স কোন ধরনের হয়ে থাকে? 
  1. অবতল
  2. সমতল
  3. দ্বি-অবতল
  4. দ্বি-উত্তল
সঠিক উত্তর:
দ্বি-উত্তল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বি-উত্তল
ব্যাখ্যা
- মানুষের চোখের গঠন এবং কার্যাবলী অনেকটা ক্যামেরার মতো। 
- মানব চোখের লেন্সটি উভ উত্তল বা দ্বি উত্তল। 
- চোখের আলোকসংবেদী অংশের নাম রেটিনা। 
- কোনো বস্তু হতে আলোক রশ্মি চোখের লেন্স দ্বারা প্রতিসরিত হয়ে রেটিনায় বিম্ব গঠন করে। 
- রেটিনায় গঠিত বিম্বটি হয় সদ, উল্টো ও খর্বিত। 
- রেটিনা আলোক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে পরিণত করে। 
- মানুষের চোখে রেটিনা ও চক্ষুলেন্সের মধ্যবর্তী স্থান ভিট্রিয়াস হিউমার নামক জেলী জাতীয় পদার্থ দ্বারা পূর্ণ থাকে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৫৯.
বলের একক -
  1. ক) জুল
  2. খ) নিউটন
  3. গ) বেকেরেল
  4. ঘ) ওয়াট
সঠিক উত্তর:
খ) নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউটন
ব্যাখ্যা
- বলের একক - নিউটন। 
- ক্ষমতার একক - ওয়াট। 
- তেজস্ক্রিয়তার একক - বেকরেল।
- কাজের একক - জুল ।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই। 
২,৬৬০.
কোন ভাজক টিস্যুর কোষ দুটি তলে বিভক্ত হয়? 
  1. স্থায়ী টিস্যু 
  2. রিব ভাজক টিস্যু 
  3. প্লেট ভাজক টিস্যু 
  4. মাস ভাজক টিস্যু 
সঠিক উত্তর:
প্লেট ভাজক টিস্যু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লেট ভাজক টিস্যু 
ব্যাখ্যা

বিভাজন প্রক্রিয়া অনুসারে ভাজক টিস্যুর প্রকারভেদ: 
- বিভাজন প্রক্রিয়ার ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে ভাজক টিস্যুকে তিনভাগে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- 
১। মাস ভাজক টিস্যু: 
- যে ভাজক টিস্যুর কোষ সব তলেই বিভাজিত হয় তাকে মাস ভাজক টিস্যু বলে। 
- এ প্রকার বিভাজনের ফলে উদ্ভিদ দেহের আয়তন বাড়ে। 
যেমন- কর্টেক্স, এন্ডোস্পার্ম। 

২। রিব ভাজক টিস্যু: 
- যে ভাজক টিস্যুর কোষগুলো মাত্র একটি তলে বিভক্ত হয় তাকে রিব ভাজক টিস্যু বলে। 
- এ ধরনের বিভাজনের ফলে এক সারি কোষ সৃষ্টি হয়। 
যেমন- মূল ও কান্ডের মজ্জা। 

৩। প্লেট ভাজক টিস্যু: 
- যে ভাজক টিস্যুর কোষগুলো দুটি তলে বিভক্ত হয় তাদের প্লেট ভাজক টিস্যু বলা হয়। 
যেমন- পাতার টিস্যু। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৬৬১.
ভাইরাসের ক্যাপসিডে কোনটি থাকে?
  1. একাধিক লিপিড স্তর
  2. একাধিক শর্করা অণু
  3. একাধিক নিউক্লিয়াস 
  4. একাধিক প্রোটিন অণু
সঠিক উত্তর:
একাধিক প্রোটিন অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক প্রোটিন অণু
ব্যাখ্যা

- ভাইরাসের ক্যাপসিড (capsid) অসংখ্য প্রোটিন অণু বা সাবইউনিট (যাদের ক্যাপসোমেয়ার বলা হয়) দিয়ে গঠিত একটি আবরণ। এই প্রোটিন আবরণটি ভাইরাসের জেনেটিক উপাদান (DNA বা RNA) কে রক্ষা করে

ভাইরাসের রাসায়নিক গঠন: 
- রাসায়নিকভাবে ভাইরাসে দুটি উপাদান যথা- নিউক্লিক অ্যাসিড এবং প্রোটিন থাকে। 
- ভাইরাসের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক অ্যাসিড, এটি একটি বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। 
- নিউক্লিক অ্যাসিড দুই ধরনের।
যথা- DNA ও RNA। 
- অন্যান্য জীবদেহে একইসাথে DNA ও RNA অবস্থান করলেও ভাইরাস দেহে একই সাথে DNA ও RNA অবস্থান করে না। 
- ক্যাপসিড আবরণটি অসংখ্য প্রোটিন অণু দিয়ে গঠিত, ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রোটিন অণুকে ক্যাপসোমিয়ার বলা হয়। 
- ক্যাপসিড সাধারণত জৈবিক দিক দিয়ে নিষ্ক্রিয়, এরা নিউক্লিক অ্যাসিডকে রক্ষা করে, ভাইরাসকে পোষক দেহে সংক্রমণে সাহায্য করে এবং অ্যান্টিজেন হিসেবে কাজ করে। 
- কোন কোন ভাইরাসে (যেমন- ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস এবং HIV ইত্যাদি) ক্যাপসিডের বাইরে জৈব পদার্থের একটি আবরণ থাকে। 
- এটি লিপিড, লিপোপ্রোটিন, শর্করা বা স্নেহ জাতীয় পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
- লিপিড বা লিপোপ্রোটিনের এক একটি স্তরকে পেপলোমিয়ার বলা হয়। 
- লিপোপ্রোটিনের আবরণ দিয়ে গঠিত ভাইরাসকে লিপোভাইরাস বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬৬২.
pH হল-
  1. ক) এসিড নির্দেশক
  2. খ) ক্ষার নির্দেশক
  3. গ) নিরপেক্ষতা নির্দেশক
  4. ঘ) উপরের সবগুলি
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলি
ব্যাখ্যা
কোন রাসায়নিক পদার্থের pH এর মান যদি 7 এর কম হয় তাহলে সে পদার্থটি এসিড অন্যদিকে কোন রাসায়নিক পদার্থের pH এর মান 7 এর বেশি হয় সে পদার্থটি ক্ষার এবং পদার্থটির pH এর মন যদি বরাবর 7 হয় তাহলে পদার্থটি নিরপেক্ষ।
২,৬৬৩.
বলবিদ্যার সূত্র কয়টি?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা

নিউটনের বলবিদ্যার সূত্র তিনটি। যথা:

প্রথম সূত্র: বাইরে থেকে কোন বস্তুর উপর বল প্রয়োগ না করলে, স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু চিরকাল সমবেগে সরলরেখায় বা সরল পথে চলতে থাকে।
দ্বিতীয় সূত্র: কোন বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তন সেদিকেই ঘটে।
তৃতীয় সূত্র: প্রত্যেক ক্রিয়ারই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে৷

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান

২,৬৬৪.
পাখিপালন বিদ্যাকে কী বলে?
  1. সেরিকালচার
  2. এভিকালচার
  3. অর্থিনোলজি
  4. হর্টিকালচার
সঠিক উত্তর:
এভিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এভিকালচার
ব্যাখ্যা
- পাখিপালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার।

এছাড়াও
- মৎস্যচাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার।
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার।
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার।
- চিংড়ি চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- প্রণকালচার।
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- মেরিকালচার।
- পাখি সম্পর্কিত বিদ্যাকে Ornithology বলে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৬৬৫.
নিচের কোনটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. এলএনজি
  3. জিওথার্মাল
  4. খনিজ তেল
সঠিক উত্তর:
জিওথার্মাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিওথার্মাল
ব্যাখ্যা
- যেসব শক্তি বা জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় কিংবা যে সব শক্তি বা জ্বালানির উৎস ব্যবহারে নিঃশেষ হয়ে যায় না তাদের নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা শক্তি বলে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে রয়েছে:
- সৌরতাপ
- বায়ু
- জিওথার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি
- জলবিদ্যুৎ
- বায়োগ্যাস ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- খনিজ তেল, কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস/এলএনজি হলো অনবায়নযোগ্য জ্বালানি। অর্থাৎ এসব জ্বালানির উৎস অফুরন্ত নয়।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
২,৬৬৬.
ভরা কটাল প্রধানত কোন দুটি দিনে বেশি দেখা যায়? 
  1. অমাবস্যা ও পূর্ণিমা
  2. প্রতিপদ ও চতুর্দশী
  3. অষ্টমী ও একাদশী
  4. ষষ্ঠী ও নবমী
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যা ও পূর্ণিমা
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৬৭.
উপকূলীয় বনের বৃক্ষ কোনটি?
  1. জারুল
  2. গর্জন
  3. শাল
  4. গরান
সঠিক উত্তর:
গরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গরান
ব্যাখ্যা

উপকূলীয় বন:
- সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা বনকে উপকূলীয় বন বলা হয়।
- এ ছাড়া পরিকল্পিত উপায়ে সমুদ্র উপকূলে সামাজিক বন গড়ে তোলা হলেও তাকে উপকূলীয় বন বলে।
- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় উপকূলীয় বন অবস্থিত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন সুন্দরবন নামে পরিচিত।
- প্রতিনিয়ত সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বনও বলা হয়।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- এ বনের মোট আয়তন ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- এ বন পৃথিবীর বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি। এ ছাড়া পশুর, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি এ বনের উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ।
- এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর এবং নানা প্রজাতির পাখি, কীটপতঙ্গ এ বনে বাস করে।
- এ বনের বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত কাঠ গৃহনির্মাণ, নিউজপ্রিন্ট তৈরি ও জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।

২,৬৬৮.
নিচের কোন এনজাইমটি আন্ত্রিক রসে নেই?
  1. ক) মলটেজ
  2. খ) সুক্রেজ
  3. গ) ল্যাকটেজ
  4. ঘ) টায়ালিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টায়ালিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের মুখবিবরে কেবলমাত্র শর্করার পরিপাক ঘটে।
- মুখবিবরে লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালারস খাদ্য পরিপাকের রাসায়নিক কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করে।
- মিউসিন খাদ্য বস্তুর সাথে মিশ্রিত হয়ে খাদ্য বস্তুকে নরম ও পিচ্ছিল করে। 
- লালারসে টায়ালিন ও মলটেজ থাকে।
- পাকস্থলি রসে শর্করা পরিপাককারী কোন এনজাইম নেই।
- অগ্ন্যাশয় রসে অ্যমাইলেজ ও মলটেজ থাকে।
- আন্ত্রিক রসে অ্যমাইলেজ, মলটেজ, সুক্রেজ, ল্যাকটেজ, আইসোমলটেজ।

সূত্র: প্রাণিবিদ্যা, এইচএসসি। 
২,৬৬৯.
নিম্নের কোন মৌলটির অভাবে রিকেটস রোগ হয়?
  1. ক) লৌহ (Fe)
  2. খ) ক্যালসিয়াম (Ca)
  3. গ) ফসফরাস (P)
  4. ঘ) পটাসিয়াম (K)
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যালসিয়াম (Ca)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যালসিয়াম (Ca)
ব্যাখ্যা
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।


- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও  ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর  ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে।


- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাধঁকপি এবং ফল।

প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি।


- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। এ ছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 


- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে।


উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২,৬৭০.
ল্যান্থানাইড এবং অ্যাকটিনাইড সিরিজের মৌলসমূহ কোন ব্লকের?
  1. ক) s-ব্লক
  2. খ) p-ব্লক
  3. গ) d-ব্লক
  4. ঘ) f-ব্লক
সঠিক উত্তর:
ঘ) f-ব্লক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) f-ব্লক
ব্যাখ্যা
f-ব্লক মৌল : যেসব মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ ইলেকট্রনটি f-অরবিটালে প্রবেশ করে সেসব মৌলকে f-ব্লক মৌল বলে ।
ল্যান্থানাইড (Lanthanides) এবং অ্যাকটিনাইড (Actinides) সিরিজের মৌলসমূহ f-ব্লকের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৭১.
আঘাত করলে কোনো শব্দ হয় না কোনটিতে? 
  1. ক) Sb
  2. খ) Sn
  3. গ) Fe
  4. ঘ) Cu
সঠিক উত্তর:
ক) Sb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Sb
ব্যাখ্যা
এন্টিমনি (Sb) -এই ধাতুকে আঘাত করলে কোনো শব্দ হয় না।
এটি একটি মৌলিক পদার্থ এবং পারমাণবিক সংখ্যা ৫১।
এটি একটি চকচকে ধূসর ধাতু।
২,৬৭২.
কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম নয়? 
  1. প্লাটিপাস
  2. ভেড়া
  3. লিমুলাস
  4. স্ফোনোডন
সঠিক উত্তর:
ভেড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেড়া
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- কতগুলো জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনোরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছে, অথচ তাদের সমগোত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটেছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। 
- লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী এর উদাহরণ। 
- অন্যদিকে ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলোবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ। 
- প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগের লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আর্থ্রোপোডাগুলো বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৬৭৩.
আগ্নেয়গিরিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
আগ্নেয়গিরিকে প্রধানত ৩ ভাগে ভাগ করা যায় । 
১) সক্রিয় আগ্নেয়গিরিঃ সক্রিয় আগ্নেয়গিরি হলো সেসব আগ্নেয়গিরি যেখান থেকে এখনো অগ্ন্যুৎপাত হয়। উদাহরণঃ ইতালির ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি
২) সুপ্ত আগ্নেয়গিরিঃ সুপ্ত আগ্নেয়গিরি থেকে বহু বছর অগ্ন্যুৎপাত না হলেও যে কোনো সময় অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা থাকে। উদাহরণঃ জাপানের ফুজিয়ামা
৩) মৃত আগ্নেয়গিরিঃ মৃত আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্ন্যুৎপাত হবার সম্ভাবনা নেই। উদাহরণঃ পোপো আগ্নেয়গিরি

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৬৭৪.
Photoelectric Effect ব্যাখ্যার জন্য কোন তত্ত্ব প্রস্তাব করা হয়েছে?
  1. কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  2. কণিকা তত্ত্ব
  3. তরঙ্গ তত্ত্ব
  4. তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• Photoelectric Effect বা আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যার জন্য কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাব করা হয়েছে। এই তত্ত্ব প্রথম দেন আলবার্ট আইনস্টাইন। কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুযায়ী আলো ধারাবাহিক তরঙ্গ নয়, বরং শক্তির ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্যাকেট বা কণা আকারে নির্গত হয়, যাদের ফোটন বলা হয়। যখন নির্দিষ্ট ন্যূনতম কম্পাঙ্কের আলো কোনো ধাতুর পৃষ্ঠে আপতিত হয়, তখন ফোটন ধাতুর ইলেকট্রনকে শক্তি সরবরাহ করে। পর্যাপ্ত শক্তি পেলে ইলেকট্রন ধাতুর পৃষ্ঠ ত্যাগ করে বেরিয়ে আসে। তরঙ্গ তত্ত্ব দিয়ে এই ঘটনাটি সম্পূর্ণভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়নি, তাই কোয়ান্টাম তত্ত্বই সঠিক উত্তর।
 
কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। 
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। 
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়। 
- কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন। 
- এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়। 

কণা তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্বানুসারে আলো বস্তু কণা দ্বারা গঠিত, উৎস থেকে যা সব দিকে নিঃসৃত হয় এবং সরলরেখায় চলে। 
- এই তত্ত্ব আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি বৈশিষ্টের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। 

তরঙ্গ তত্ত্ব: 
- আলো তরঙ্গাকারে ইথার নামের একটি কাল্পনিক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সব দিকে নির্গত হয়। 
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিভিন্নতার জন্য আলোর বর্ণ বিভিন্ন হয়। 
- এই তত্ত্ব আলোর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা দিতে সমর্থ হলেও মাইকেলসন-মর্লির পরীক্ষায় ইথারের অস্তিত্ব নাই প্রমাণিত হওয়ায় এই তত্ত্ব বিতর্কিত হয়। 

তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্ব অনুসারে গতিশীল তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রের দ্রুত পর্যাবৃত্ত পরিবর্তনের ফলে দৃশ্য অদৃশ্য শক্তির বিকিরণ হয় এবং অনুপ্রস্থ তরঙ্গাকারে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- এর দৃশ্য তরঙ্গই আলো। 
- এর জন্য কোন মাধ্যম প্রয়োজন হয় না। 
- এই তত্ত্ব ফটো তড়িৎ প্রতিক্রিয়া, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ বা ব্ল্যাক বডি রেডিয়েশনের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬৭৫.
উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে কোনটি?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) ম্যাগনেসিয়াম
  3. গ) ফসফরাস
  4. ঘ) পটাসিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগনেসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা
পুষ্টি উপাদানের গুরুত্ব
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
যেমন- 

ম্যাগনেসিয়াম (Mg)
- ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
- এটি উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 

নাইট্রোজেন (N)
- নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন ও ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষকলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 

ফসফরাস (P)
- নিউক্লিক অ্যাসিড, বিভিন্ন ফসফোলিপিড, NADP, ATP ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্যের সাংগঠনিক উপাদান। 
- উদ্ভিদের মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 

পটাসিয়াম (K)
- উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। 
- পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাসিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- ইহা মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৬৭৬.
ভেড়ার অ্যানথ্রাক্স রোগ কোন অণুজীব দ্বারা সংক্রমিত হয়?
  1. ভাইরাস
  2. ছত্রাক
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. প্রোটোজোয়া
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া: 
- মানুষের অধিকাংশ মারাত্মক রোগ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হয়ে থাকে। 
যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া,  টাইফয়েড, কলেরা, ডিপথেরিয়া, আমাশয়, ধনুষ্টংকার, হুপিংকাশি ইত্যাদি। 
- আবার ব্যাকটেরিয়া গবাদি পশু ও অন্যান্য প্রাণীদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগ সৃষ্টি করে। 
যেমন- গরু-মহিষের যক্ষ্মা, হাঁস-মুরগির কলেরা, ভেড়ার অ্যানথ্রাক্স, গলাফোলা, ইঁদুরের প্লেগ ইত্যাদি। 

ভাইরাস: 
- সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক, গুটিবসন্ত, নিউমোনিয়া, জলবসন্ত, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগ সবই ভাইরাসজনিত রোগ। 
- মানুষের ন্যায় অন্যান্য প্রাণীসহ গাছপালারও ভাইরাসজনিত রোগ হয়। 
- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ, আদিকালে রোগ সৃষ্টিকারী যে কোনো বিষাক্ত পদার্থকেই ভাইরাস বলা হত।
- এরা অকোষীয় এবং আকারে এতই ছোট যে খালি চোখেতো দূরের কথা, সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রেও দেখা যায় না।
- এদেরকে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখতে হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৭৭.
রাসায়নিক বিচূর্নিভবন প্রক্রিয়ার উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. Hydration
  2. Exfoliation
  3. Hydrolysis
  4. Acid reaction
সঠিক উত্তর:
Exfoliation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Exfoliation
ব্যাখ্যা
- রাসায়নিক বিচূর্নিভবন প্রক্রিয়ার উদাহরণ নয়- Exfoliation, কারণ এটি একটি ভৌত বিচূর্নিভবন প্রক্রিয়ার উদাহরণ। 

বিচূর্নিভবন (Weathering): 

- প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা শিলার দুর্বল ও ক্ষয় হওয়ার প্রক্রিয়াকে বিচূর্নিভবন (Weathering) বলে। 
- প্রথমে ভূপৃষ্ঠের শিলা বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে এজেন্ট দ্বারা অন্য স্থানে অপসারিত হয়। 
- তিন প্রক্রিয়ায় বিচূর্নিভবন হতে পারে। 
যেমন- 
১। ভৌত বিচুর্নিভবন (Physical Weathering): 
- এই প্রক্রিয়ায় শিলা বিভিন্ন ভৌত শক্তির দ্বারা প্রভাবিত হয় এবং খণ্ড বিখণ্ড হয়ে অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হয়। 
- এক্ষেত্রে শিলার গঠনকারী খনিজসমূহের রাসায়নিক গঠন অক্ষুণ্ণ থাকে, শুধু শিলার আকার এবং আকৃতির পরিবর্তন হয়। 
যেমন- একটি বড় গ্রানাইট (এক ধরনের আগ্নেয় শিলা) পাথর ভৌত বিচূর্নিভবনের দ্বারা অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নুড়ি পাথরে পরিণত হয়ে থাকে। 
- বিভিন্ন ধরনের ভৌত বিচূর্নিভবন প্রক্রিয়ার মাঝে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- 
যেমন- 
• হিমজনিত প্রক্রিয়া (Frost action), 
• লবণ স্ফটিক গঠনজনিত (Salt crystal growth), 
• তাপের পরিবর্তন জনিত (Thermal Action) এবং 
এক্সফলিয়েসন (Exfoliation)। 

২। রাসায়নিক বিচূর্নিভবন (Chemical Weathering): 
- রাসায়নিক প্রক্রিয়া দ্বারা শিলা বিচূর্ণ হলে তা রাসায়নিক বিচূর্নিভবন সংঘটিত করে, এক্ষেত্রে শিলা শুধু আকারে নয়, রাসায়নিক গঠনেও পরিবর্তিত হয়। 
- বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক বিচূর্নিভবন প্রক্রিয়ার মাঝে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- 
যেমন- 
• জারণ (Oxidation), 
পানিযোজন (Hydration)
আর্দ্রবিশ্লেষণ (Hydrolysis) এবং 
অম্লীয় বিক্রিয়াজনিত (Acid reaction)। 

৩। জৈব বিচূর্নিভবন (Biological Weathering): 
- উদ্ভিদ এবং প্রাণীর কার্যক্রমের দ্বারা অনেক ক্ষেত্রে শিলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হতে পারে। 
যেমন- কিছু কিছু উদ্ভিদ পাথরে জন্মাতে পারে। 
- এসব উদ্ভিদের শিকড় পাথরের গায়ে চাপ সৃষ্টি করে আরও গভীরে প্রবেশ করে এবং এর ফলে পাথরে ফাটলের সৃষ্টি হয়, সময়ের পরিক্রমায় সেই পাথর ক্ষয় হয়ে আরও ছোটো টুকরায় পরিণত হয়। 
- আমরা অনেকেই বিভিন্ন দালানের গায়ে বট বা পাকুর গাছ জন্মাতে দেখেছি, এসব গাছের শিকড়ের কারণে ভবনের দেয়ালে বা ছাদে ফাটল সৃষ্টি হয়। 
- ছোটো ছোটো অণুজীব দ্বারাও শিলা ক্ষয় হতে পারে, এক্ষেত্রে সে সকল অনুজীব থেকে নিঃসৃত রাসায়নিক শিলা ক্ষয়ে সাহায্য করে। 

উৎস: বিজ্ঞান (অনুসন্ধানী পাঠ), নবম শ্রেণি।
২,৬৭৮.
সাবান প্রতির সময় একে শক্ত করতে কী ব্যবহৃত হয় ?
  1. NaOH
  2. KOH
  3. Na2CO3
  4. CaCO3
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
ব্যাখ্যা
সাবান শিল্পে নিম্নলিখিত কাঁচামাল ব্যবহৃত হয়ঃ
১। তৈল ও চর্বি : ট্যালো, পাম তেল, নারিকেল তেল, সোয়াবিন তেল, তুলা বীজ তেল ইত্যাদি।
২। ক্ষার : কস্টিক পটাস (KOH), কস্টিক সোডা (NaOH)।
৩। ফিলার : সাবানকে শক্ত করার জন্য ফিলার ব্যবহৃত হয়। যেমন- স্টার্ক, ট্যালক, সোডিয়াম কার্বনেট, বোরাক্স ইত্যাদি।
৪। রঞ্জক : চর্বিতে দ্রবণীয় কমলা, হলুদ, সবুজ, নীল বিভিন্ন ধরনের অ্যাজোরঞ্জক সাবানে ব্যবহৃত হয়।
৫। সুগন্ধি : সাবানকে আর্কষণীয় ও জনপ্রিয় করার জন্য এতে বিভিন্ন প্রকারের সুগন্ধি ব্যবহৃত হয়। যেমন- ল্যাভেন্ডার তেল, বার্মোট তেল, সাইট্রোনল ও সিন্ট্রোনেলা তেল, জিরালিওল, লেমন ঘাস তেল প্রভৃতি।

সূত্রঃ রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৭৯.
শব্দের প্রতিফলন ঘটার জন্য ন্যূনতম দূরত্ব কত হতে হয়?
  1. 1.65 মি.
  2. 16.5 মি.
  3. 0.165 মি.
  4. 33 মি.
সঠিক উত্তর:
16.5 মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16.5 মি.
ব্যাখ্যা

• শব্দের প্রতিফলন (Reflection of Sound):
- যখন কোনো শব্দ তরঙ্গ কোনো কঠিন ও মসৃণ পৃষ্ঠে আঘাত করে ফিরে আসে, তখন সেই ঘটনাকে বলা হয় শব্দের প্রতিফলন।
- শব্দ প্রতিফলনের জন্য পৃষ্ঠটি হতে হবে কঠিন, মসৃণ ও সমতল (যেমন: দেওয়াল, পাহাড়, ভবন ইত্যাদি)।

- বায়ুতে শব্দের বেগ ৩৩০ মিটার প্রতি সেকেন্ড হলে, শব্দটি প্রতিফলিত দেয়ালে গিয়ে ফিরে আসার মোট সময় হবে ০.১ সেকেন্ড।
-  সুতরাং, 2d = v × t অনুযায়ী, 2d = 330 × 0.1 = 33, অর্থাৎ d = 16.5 মিটার।
-  তাই শব্দের প্রতিফলন ঘটার জন্য ন্যূনতম দূরত্ব হতে হবে ১৬.৫ মিটার।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।

২,৬৮০.
উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. প্রজাতির নামের প্রথম অক্ষর Small letter হবে
  2. উদ্ভিদের নামটি হবে দ্বিপদী
  3. নামকরণের ভাষা হবে ল্যাটিন
  4. দ্বিপদী নামের অক্ষর হবে গ্রিক
সঠিক উত্তর:
দ্বিপদী নামের অক্ষর হবে গ্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিপদী নামের অক্ষর হবে গ্রিক
ব্যাখ্যা
বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার (ICBN):

• ICBN -এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে- International code of Botanical Nomenclature.
• এটি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের আন্তর্জাতিক সংবিধান।
• উদ্ভিদ নামকরণের আন্তর্জাতিক নীতিমালাকে বলা হয় 'International code Botanical Nomenclature', সংক্ষেপে ICBN।
• এ বিধানের নিয়মনীতিগুলো International Botanical Congress কর্তৃক নির্ধারিত হয় এবং ইংরেজি, জার্মান ও ফরাসি ভাষায় প্রকাশ করা হয়।
• প্রাণির ক্ষেত্রে নামকরণের আন্তর্জাতিক নীতিমালাকে বলা হয় 'International code of Zoological Nomenclature', সংক্ষেপে ICZN ।

♦ ICBN-এর নিয়মানুযায়ী উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের উল্লেখযোগ্য নিয়মাবলি নিম্নরূপ:

- উদ্ভিদের নামটি হবে দ্বিপদী।
- নামকরণের ভাষা হবে ল্যাটিন।
- দ্বিপদী নামের অক্ষর হবে রোমান।
- দ্বিপদী নাম ছাপার অক্ষরে লিখতে হলে ইটালিক হরফে লিখতে হবে।
- গণ নামের প্রথম অক্ষর Capital letter এবং প্রজাতির নামের প্রথম অক্ষর Small letter হবে।
- হাতে লিখলে গণ ও প্রজাতির নিচে পৃথক পৃথকভাবে দাগ টানতে হবে।
- যে বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম কোন উদ্ভিদের বর্ণনা দিবেন দ্বিপদী নামের শেষে তাঁর নামও সংক্ষিপ্তভাবে সংযোজন করতে হবে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
২,৬৮১.
কোন ধরণের কোষ বিভাজন সর্বদা জনন মাতৃকোষে ঘটে থাকে?
  1. ক) অ্যামাইটোসিস
  2. খ) মাইটোসিস
  3. গ) মায়োসিস
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) মায়োসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মায়োসিস
ব্যাখ্যা
মায়োসিস কোষ বিভাজন সর্বদা জনন মাতৃকোষে ঘটে থাকে। 

যে কোষ বিভাজনের ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোজোম সংখ্যার অর্ধেক হ্রাস পায় তাকে মায়োসিস কোষ বিভাজন বলে।

মায়োসিস কোষ বিভাজনের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. এটি জীবের জনন মাতৃকোষে ঘটে থাকে।
২. মাতৃকোষটি বিভাজিত হয়ে চারটি অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়।
৩. অপত্য কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয়।
৪. এ প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট অপত্য কোষ জনন কোষ হিসেবে জীবের যৌন জননে অংশ নেয়।
৫. মিয়োসিসে নিউক্লিয়াস দুবার এবং ক্রোমোসোম একবার বিভক্ত হয়।

সূত্র- ৬০ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৮২.
রুবিওলা ভাইরাসের পোষক-
  1. ক) মানুষ
  2. খ) গরু
  3. গ) বাদুড়
  4. ঘ) পাখী
সঠিক উত্তর:
ক) মানুষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মানুষ
ব্যাখ্যা
রুবিওলা ভাইরাসের পোষক হচ্ছে মানুষ। 

- রুবিওলা ভাইরাস হাম নামক রোগ সৃষ্টি করে। 
- হাম ভাইরাসজনিত একটি রোগ। জার্মান মিজলস নামেও পরিচিত হাম।
- সাধারণত শিশুরা হামে আক্রান্ত হয়।
- হাঁচি-কাশির মাধ্যমে হামের জীবাণু ছড়িয়ে থাকে। 

- লক্ষণসমূহ- 
১. শিশুদের ক্ষেত্রে শুরুতে জ্বর, সর্দিভাব, শুকনো কাশি দেখা দেয়।
২. শিশুর খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আসতে পারে।
৩. গালের ভেতরের দিকে লালচে হয়ে যায়।
৪. লালচে ভাবের মধ্যে সাদা দানা জাতীয় ক্ষত দেখা যায়।
৫. শিশুর দেহে হামের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ লালচে দাগ বা মর্বিলি ফর্ম র‌্যাশ হয়।
৬. এই দাগ মাথা থেকে শুরু করে শরীরের নিচের দিকে ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র- ৯৭ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং WHO Website [লিঙ্ক]
২,৬৮৩.
চন্দ্রযান - ৩ এর রোভারের নাম কি?
  1. ইউরো
  2. বিক্রম
  3. ভিরামুথুভেল
  4. প্রজ্ঞান
সঠিক উত্তর:
প্রজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজ্ঞান
ব্যাখ্যা
- ভারত বিশ্বের ৪র্থ দেশ হিসেবে চাঁদে সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করছে।
- ১৪ জুলাই ২০২৩ তারিখে চন্দ্রযান - ৩ যাত্রা শুরু করে। 
- ২৩ আগস্ট ২০২৩ তারিখে চন্দ্রযান - ৩ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করে।
- ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম ইউরো।
-  চন্দ্রযান - ৩ এর ল্যান্ডারের নাম বিক্রম।
-  চন্দ্রযান - ৩ এর রোভারের নাম প্রজ্ঞান
-  চন্দ্রযান - ৩ মিশনের প্রকল্প পরিচালকের নাম পি ভিরামুথুভেল। 

উৎস: LIVE MCQ Newspeaker
২,৬৮৪.
গ্যাসীয় পদার্থে আন্তঃআণবিক দূরত্ব কেমন হয়?
  1. সর্বাধিক
  2. তরলের চেয়ে কম
  3. কঠিনের সমান
  4. সর্বনিম্ন 
সঠিক উত্তর:
সর্বাধিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বাধিক
ব্যাখ্যা

- গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলো একে অপরের থেকে অনেক দূরে অবস্থান করে, যার ফলে এদের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থান বা আন্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের বেলায় আস্তঃআণবিক দূরত্ব সবচেয়ে বেশি ও আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল সবচেয়ে কম থাকে। তাই গ্যাসীয় অবস্থায় অণুসমূহ সবচেয়ে বেশি বিশৃঙ্খল অবস্থায় থাকে। 
- তখন অণুসমূহ অধিকতর কম্পন, আবর্তন ও স্থানাস্তর গতি সহকারে আন্তঃআণবিক আকর্ষণকে উপেক্ষা করে মুক্তভাবে চলাচল করে। তখন অণুসমূহ পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তাই গ্যাসের নির্দিষ্ট আকৃতি ও আয়তন নেই। 
- যেহেতু অণুসমূহ আর পরস্পরের নিকটে থাকে না, সেহেতু গ্যাসীয় অবস্থায় পদার্থের আয়তন কঠিন বা তরল অবস্থা থেকে অনেক বেশি হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।

২,৬৮৫.
ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ নয় কোনটি?
  1. জ্বর
  2. জন্ডিস
  3. টিটেনাস
  4. গণোরিয়া
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস
ব্যাখ্যা
• ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ নয় বসন্ত।
- এটি একটি ভাইরাস জনিত রোগ।

• ব্যাকটেরিয়া জনিত রোগ:
- ডিপথেরিয়া,
- গণোরিয়া,
- টাইফয়েড,
- জ্বর,
- কুষ্ঠ,
- টিটেনাস,
- নিউমোনিয়া,
- কলেরা ইত্যাদি।

• ভাইরাস জনিত রোগ:
- বসন্ত,
- হাম,
- সর্দি,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- জন্ডিস,
- এইডস,
- পোলিও ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২,৬৮৬.
ফেরোচৌম্বক পদার্থের মধ্যে বিদ্যমান অঞ্চলগুলোকে বলা হয় -
  1. ক) ক্রান্তীয় অঞ্চল
  2. খ) ডোমেইন
  3. গ) হোল
  4. ঘ) বিষুবীয় অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
খ) ডোমেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডোমেইন
ব্যাখ্যা
ফেরোচৌম্বক পদার্থের মধ্যে বিদ্যমান অঞ্চলগুলোকে ডোমেইন বলা হয়। 

- যে সকল পদার্থকে অসম চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করলে পদার্থটি অপেক্ষাকৃত দুর্বলতর অঞ্চল হতে সবলতর অঞ্চলের দিকে তীব্রভাবে গতিশীল হয়, তাদের ফেরোচৌম্বক পদার্থ বলে।
- ফেরোচৌম্বক পদার্থ চুম্বক দ্বারা প্রবলভাবে আকৃষ্ট হয়।
- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট, ইস্পাত ইত্যাদি ফেরোচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।
- ফেরো চৌম্বক পদার্থের ধর্মকে ফেরো চৌম্বকত্ব বলে।
- ফেরোচৌম্বকত্ব শুধুমাত্র কেলাসিত গঠন সম্বলিত কঠিন পদার্থেরই থাকতে পারে। 

- ফেরোচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
২. এরা কঠিন এবং স্ফটিকাকারের হয়।
৩. এদের চৌম্বক ধারকত্ব ধর্ম রয়েছে।
৪. এদের নির্দিষ্ট কুরী বিন্দু রয়েছে।
৫. এদের চৌম্বকগ্রাহিতা বা প্রবণতা খুব বেশি এবং ধনাত্মক।
৬. এদের হিসটেরেসিস ধর্ম রয়েছে।

সূত্র: ১৬৩ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
২,৬৮৭.
নিচের কোন ধাতুর গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম?
  1. পারদ
  2. গ্যালিয়াম
  3. সীসা
  4. সিজিয়াম
সঠিক উত্তর:
পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারদ
ব্যাখ্যা
• গলনাঙ্ক:
- যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ গলতে শুরু করে, তাকে ঐ পদার্থের গলনাঙ্ক বলে।
- অপশনের পদার্থ গুলোর মধ্যে পারদের গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম; যার মান -৩৮.৮৩°C।
- ফলে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল পদার্থ।

অন্যদিকে,
- গ্যালিয়াম এর গলনাঙ্ক - ২৯.৭৬৪৬ °সে।
- সীসার গলনাঙ্ক - ৩২৭°C।
- সিজিয়াম গলনাঙ্ক - ২৮.৪ °C ।

 উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৬৮৮.
সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে শনি গ্রহের কতদিন সময় লাগে?
  1. ৭ মাস
  2. ১২ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২৯.৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২৯.৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯.৪ বছর
ব্যাখ্যা
শনি গ্রহ:
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- শনি গ্রহ উজ্জ্বল বলয় দ্বারা বেষ্টিত এবং এর ভূ-ত্বক বরফে ঢাকা।
- সূর্যের চারদিকে শনির একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ২৯.৪ বছর।
- গ্রহটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৯ গুণ বড়।
- এর উপগ্রহ রয়েছে ১৪৬টি।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৮৯.
কোনটির জাইলেম ইংরেজি Y বা V আকৃতির মতো? 
  1. দ্বিবীজপত্রী মূলে
  2. দ্বিবীজপত্রী কাণ্ডে
  3. একবীজপত্রী মূলে
  4. একবীজপত্রী কাণ্ডে
সঠিক উত্তর:
একবীজপত্রী কাণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একবীজপত্রী কাণ্ডে
ব্যাখ্যা
একবীজপত্রী উদ্ভিদ কাণ্ডের অন্তর্গঠনগত শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
১। সাধারণত কাণ্ডরোম অনুপস্থিত। 
২। বহিঃত্বকে কিউটিকল উপস্থিত। 
৩। অন্তঃত্বক ও পরিচক্র থাকে না। 
৪। অধঃত্বক আছে এবং সাধারণত স্ক্লেরেনকাইমা কোষ দিয়ে গঠিত। 
৫। ভাস্কুলার বান্ডলগুলো গ্রাউন্ড টিস্যুতে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো। 
৬। জাইলেম Y অথবা V আকৃতির। 
৭। মেটাজাইলেম পরিধির দিকে এবং প্রোটোজাইলেম কেন্দ্রের দিকে অবস্থিত। 
৮। ভাস্কুলার বান্ডল সংযুক্ত, সমপার্শ্বীয় ও বদ্ধ (জাইলেম ও ফ্লোয়েমের মাঝে ক্যাম্বিয়াম নেই) প্রকৃতির। 


উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
২,৬৯০.
নিচের কোন বিবৃতিটি গামা রশ্মির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ভুল?
  1. এর ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি
  2. এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ
  3. এর ফোটনগুলোর শক্তি অনেক কম
  4. এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুব ছোট
সঠিক উত্তর:
এর ফোটনগুলোর শক্তি অনেক কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এর ফোটনগুলোর শক্তি অনেক কম
ব্যাখ্যা

গামা রশ্মির ফোটনগুলোর শক্তি অনেক বেশি। এর উচ্চ শক্তিই এর উচ্চ ভেদন ক্ষমতার কারণ। 

গামা রশ্মি (Gamma Ray):
- গামা রশ্মি হচ্ছে শক্তিশালী বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ।
- গামা রশ্মির কোনো চার্জ নেই (আধানহীন), কিন্তু শক্তিশালী হওয়ার কারণে এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য খুব কম (কম্পন অনেক বেশি)।
- শক্তি বেশি বা কম হলেও এর বেগ সব সময়েই আলোর বেগের সমান।
- যখন কোনো নিউক্লিয়াস আলফা কণা কিংবা বিটা কণা বিকিরণ করে 'উত্তেজিত' অবস্থায় থাকে তখন বাড়তি শক্তি গামা রশ্মি হিসেবে বের করে এটি নিরুত্তেজ হয়।
- গামা রশ্মি চার্জহীন এবং ভরহীন কণা, তাই এর বিকিরণে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা কিংবা নিউক্লিওন সংখ্যার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- গামা রশ্মির যেহেতু চার্জ নেই তাই এটাকে বিদ্যুৎ কিংবা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে প্রভাবিত করা যায় না।
- চার্জ না থাকলেও এটি বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় অণু-পরমাণুকে আয়নিত করতে পারে এবং সেখান থেকে গামা রশ্মির অস্তিত্বও বোঝা যায়।
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুব কম (প্রায় ১০- ১২ মিটারের নিচে), যা এর উচ্চ শক্তির একটি সূচক। 
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও ফোটনের শক্তি একে অপরের বিপরীতানুপাতিক।
- গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা (Penetrating Power) অত্যন্ত বেশি। এটি কয়েক সেন্টিমিটার পুরু সীসার পাত বা কয়েক মিটার পুরু কংক্রিট ভেদ করতে পারে।
- গামা রশ্মিকে থামাতে সাধারণত কয়েক সেন্টিমিটার সিসার পুরু পাতের দরকার হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৬৯১.
বিলিরুবিন তৈরি হয় -
  1. কিডনীতে
  2. পিত্তথলিতে
  3. প্লিহায়
  4. যকৃতে
সঠিক উত্তর:
যকৃতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃতে
ব্যাখ্যা
- বিলিরুবিন পুরোপুরি তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায়। এটি জমা থাকে প্লীহাতে। 

বিলিরুবিন: 
- বিলিরুবিন এক ধরণের হলুদ রঙের পদার্থ, যেটা রক্তে উপস্থিত লাল রক্ত কনিকার ১২০ দিনের চক্র পূরণ হলে ভেঙ্গে তৈরি হয়। 
- বিলিরুবিনে বিলি থাকে, যেটা লিভারে তৈরি পাচক তরল পদার্থ এবং এটি গলব্লাডারে থাকে। 
- এটা খাবারকে হজম করতে এবং মল তৈরি হতে সাহায্য করে।  
- জন্ডিস হবার মূল কারণ হল রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অধিক পরিমাণে বেড়ে যাওয়া। 
- যদি কোন কারণের ফলে বিলিরুবিন বিলির সাথে মিশতে না পারে কিংবা যখন লাল রক্ত কনিকা সামান্য থেকে কম পরিমাণে ভাঙতে শুরু করে, তখন রক্তে বিলিরুবিনের স্তর দ্রুত বাড়তে থাকে। আর এই ভাবে এটা অন্য অঙ্গে পৌঁছে সেখানে হলুদ ভাবের সৃষ্টি করে। 

• ব্রিটানিকা থেকে -
Bilirubin, a brownish-yellow pigment of bile, secreted by the liver in vertebrates, which gives to solid waste products (feces) their characteristic color.
It is produced in bone marrow cells and in the liver as the end product of red-blood-cell (hemoglobin) breakdown.

উৎস: University of California Website ও ব্রিটানিকা। 
২,৬৯২.
ফুসফুসের আবরণকে বলা হয়-
  1. ক) pericardium
  2. খ) Peritoneum
  3. গ) Pleura
  4. ঘ) Periosteum
সঠিক উত্তর:
গ) Pleura
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Pleura
ব্যাখ্যা
একটি দ্বিস্তর বিশিষ্ট ঝিল্লি দ্বারা ফুসফুস আবৃত থাকে। এই ঝিল্লিটিকে বলা হয় ফ্লুরা (Pleura)।
২,৬৯৩.
IC চিপ তৈরিতে মূলত ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) সিলিকা
  2. খ) সিলিকন
  3. গ) ক্রোমিয়াম
  4. ঘ) নিকেল
সঠিক উত্তর:
খ) সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলিকন
ব্যাখ্যা
Integrated Circuit (IC) বা কম্পিউটার চিপ তৈরিতে সিলিকন ব্যবহার করা হয়।
মূলত IC অর্ধ-পরিবাহী উপাদানের ওপরে নির্মিত অতিক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক বর্তনী।

Source: Britannica
২,৬৯৪.
পরিবাহী পদার্থের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করা হলে, রোধের কীরূপ পরিবর্তন হবে?
  1. ক) দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে
  2. খ) দ্বিগুণ কমবে
  3. গ) চারগুণ বৃদ্ধি পাবে
  4. ঘ) চারগুণ কমবে
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে
ব্যাখ্যা
- রোধ হচ্ছে বিদ্যুৎ প্রবাহের বাধা, তাই কোনো পদার্থের দৈর্ঘ্য (L) যত বেশি হবে তার বাধা তত বেশি হবে অর্থাৎ রোধও বেশি হবে।
R ∝ L

- আবার সরু একটা পথ দিয়ে যত সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারবে, চওড়া একটা পথ দিয়ে তার থেকে অনেক সহজে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারবে অর্থাৎ প্রস্থচ্ছেদ (A) যত বেশি হবে রোধ তত কম হবে।
R ∝ (1/A)

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
২,৬৯৫.
ট্রানজিস্টরে কয়টি টার্মিনাল থাকে?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টরে তিনটি টার্মিনাল থাকে। যথা: এমিটার, বেস এবং কালেক্টর।
- ট্রানজিস্টর হলো তিন প্রান্ত (Terminal) বিশিষ্ট একটি ডিভাইস (Device)।
- ১৯৪৮ সালে আমেরিকায় বেল ল্যাবরেটরীতে প্রথম এর আবিষ্কার হয়।
- আবিষ্কারের পর থেকেই ট্রানজিস্টর ইলেকট্রনিক জগতে বিপ্লবের সৃষ্টি করেছে।
- ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির এটি একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।
- বিবর্ধক হিসেবে এর ব্যবহার সর্বাধিক।
- সাধারণ ট্রানজিস্টরে ইলেকট্রন এবং হোল উভয় ধরনের চার্জ বাহক থাকে বলে একে বাইপোলার ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রনিক বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৯৬.
হাবলের টেলিস্কোপ হল একটি-
  1. ক) এক্সরে টেলিস্কোপ
  2. খ) গামা-রে টেলিস্কোপ
  3. গ) অপটিক্যাল টেলিস্কোপ
  4. ঘ) রেডিও টেলিস্কোপ
সঠিক উত্তর:
গ) অপটিক্যাল টেলিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অপটিক্যাল টেলিস্কোপ
ব্যাখ্যা
রেডিও টেলিস্কোপঃ যে যন্ত্রের সাহায্যে তারকা, গ্যালাক্সি, কোয়াসার এবং অন্যান্য নভোমন্ডলীয় বস্তু থেকে প্রাকৃতিকভাবে নির্গত তড়িৎ চৌম্বক তরঙ্গ (রেডিও তরঙ্গ) সনাক্ত ও পরিমাপ করে ঐ সব বস্তু সম্পর্কে অনুসন্ধান চালানো হয় , তাকে রেডিও টেলিস্কোপ বলে।

গামা রে টেলিস্কোপঃ গামা রে হচ্ছে সবচেয়ে ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অর্থাৎ বেশী কম্পাঙ্ক বিশিষ্ট। গামা-রে টেলিস্কোপে  গামা রশ্মির ব্যবহার করা হয়। 

এক্সরে টেলিস্কোপঃ মহাকাশে সংঘটিত বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক ঘটনা যেমন- নক্ষত্রের বিস্ফোরণ থেকে এক্সরে নির্গত হয়। এক্সরে র তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অনেক ক্ষুদ্র বলে সাধারণ দর্পণ এক্ষেত্রে কাজ করে না । এক্সরে টেলিস্কোপ এসব রশ্মি পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ করে মহাজাগতিক ঘটনা সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে।

অপটিক্যাল টেলিস্কোপঃ এই টেলিস্কোপের সাহায্যে দৃশ্যমান আলোর সহায়তায় দৃশ্যমান আলো নিঃসরণকারী বা প্রতিফলনকারী বস্তু পর্যবেক্ষণ করা হয় । 

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৬৯৭.
রঙিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়?
  1. ক) মৃদু রঞ্জন রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) কসমিক রশ্মি
সঠিক উত্তর:
ক) মৃদু রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মৃদু রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
রঙ্গিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর রঞ্জন রশ্মি (X-Ray) বের হয়।
Source: Massachusetts Institute of Technology (MIT)।

Gamma rays are often considered the most dangerous type of radiation to living matter.
Source: energy.chem.libretexts.org

গামা রশ্মি চার্জ নিরপেক্ষ অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। এই রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে এই রশ্মির ভেদন ক্ষমতা খুব বেশি, স্বল্প আয়নায়ন ক্ষমতা সম্পন্ন, এই রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে ও ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এর কোন ভর নেই।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
২,৬৯৮.
ডাইনোসর কত বছর আগে বিলুপ্ত হয়েছে? 
  1. কয়েক শত বছর আগে
  2. কয়েক দশক আগে
  3. কয়েক হাজার বছর আগে
  4. কয়েক মিলিয়ন বছর আগে
সঠিক উত্তর:
কয়েক মিলিয়ন বছর আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়েক মিলিয়ন বছর আগে
ব্যাখ্যা
বিবর্তন: 
- বিবর্তন একটি জৈবিক পদ্ধতি, এর প্রকৃত অর্থ হলো ক্রমবিকাশ। 
- পৃথিবীতে বর্তমানে যত জীব রয়েছে তারা বিভিন্ন সময়ে এ ভূ-মন্ডলে আবির্ভূত হয়েছে, আবার অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী সময়ের আবর্তে বিলুপ্ত হয়েছে। 
যেমন- ডাইনোসর আজ থেকে কয়েক মিলিয়ন বছর আগে বিলুপ্ত হয়েছে, আবার কোন কোন জীব ধীর গতিতে পরিবর্তন ঘটিয়ে এখনও টিকে আছে। 
- কয়েক লক্ষ বা হাজার বছর সময়ের ব্যাপকতায় জীব প্রজাতির পৃথিবীতে আবির্ভাব ও টিকে থাকার জন্য যে পরিবর্তন ও অভিযোজন প্রক্রিয়া তাকে জৈব বিবর্তন বলা হয়। 

- 'Evolution' পরিপদটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন হার্বার্ট স্পেন্সার। 
- তিনি বলেন ধীর অথচ ক্রমাগত ও পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কোন সত্ত্বা সরল থেকে জটিল হওয়ার ধারাবাহিক পরিবর্তনই বিবর্তন। 
- কোন প্রাণী বা উদ্ভিদ ধীরে ধীরে ধারাবাহিক রূপান্তরের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ নতুন প্রাণী বা উদ্ভিদ এ পরিণত হওয়াকে অভিব্যক্তি বলা হয়। 
- অভিব্যক্তির মূল কথা হলো প্রজাতিগুলো পরিবর্তনযোগ্য অর্থাৎ দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে জীবের চেহারায় পরিবর্তন ঘটে। 
- ইংরেজ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস রবার্ট ডারউইন অভিব্যক্তির কলাকৌশল সম্পর্কিত তাঁর মতামত ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ২৮ নভেম্বর 'The Origin of Species by means of Natural Selection' নামক বইটিতে প্রকাশ করেন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৬৯৯.
নিচের কোনটি ডিপ্লয়েড?
  1. ক) শুক্রাণু
  2. খ) ডিম্বাণু
  3. গ) জাইগোট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) জাইগোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাইগোট
ব্যাখ্যা

যৌন প্রজননের জন্য নিষেক প্রয়ােজন। এটি একটি জৈবিক প্রক্রিয়া। যৌন প্রজননে ডিম্বাণু এবং শুক্রাণুর মিলনকে নিষেক বলে।
শুক্রাণু সক্রিয়ভাবে ডিম্বাণুতে প্রবেশ করে এবং এদের নিউক্লিয়াস দুটি পরস্পর একীভূত হয়। একীভূত হয়ে যে কোষটি উৎপন্ন হয় তাকে জাইগােট বলে।
ডিম্বাণু এবং শুক্রাণু উভয়ই হ্যাপ্নয়েড (n) অর্থাৎ এক প্রস্থ ক্রোমােজোম (Chromosome) বহন করে।
জাইগােট ডিপ্লয়েড (2n) বা দুই প্রস্থ ক্রোমােজোমবিশিষ্ট। স্ত্রী ও পুং উভয় জননকোষের পূর্ণতা প্রাপ্তি নিষেকের পূর্বশর্ত।

২,৭০০.
কোনো তরঙ্গে কণার সর্বাধিক স্থানচ্যুতি ও বিশ্রাম অবস্থার মধ্যে দূরত্বকে কী বলে?
  1. তরঙ্গদৈর্ঘ্য
  2. বিস্তার
  3. সময়কাল
  4. ফেজ পার্থক্য
সঠিক উত্তর:
বিস্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিস্তার
ব্যাখ্যা

• বিস্তার (Amplitude):
- মাধ্যমের কণার বিশ্রাম অবস্থান থেকে সর্বাধিক স্থানচ্যুতি পর্যন্ত দূরত্ব।
- তরঙ্গের শক্তি এবং তীব্রতা নির্ধারণ করে।
- জল ঢেউয়ের উচ্চতা, শব্দ তরঙ্গের চাপ ইত্যাদি বিস্তারের উদাহরণ।
- বিস্তার পরিবর্তন করলে তরঙ্গের শব্দ বা আলোতে তীব্রতা পরিবর্তিত হয়।

• তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength):
- একই ফেজে থাকা দুটি বিন্দুর মধ্যে দূরত্ব (যেমন, শিখর থেকে পরবর্তী শিখর পর্যন্ত)।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য তরঙ্গের প্রকার (উদাহরণ: আলো, শব্দ) নির্ধারণ করে।

• সময়কাল (Time Period):
- এক সম্পূর্ণ কম্পনের জন্য প্রয়োজনীয় সময়।
- সময়কাল নির্ধারণ করে তরঙ্গের ফ্রিকোয়েন্সি।

• ফেজ পার্থক্য (Phase Difference):
- দুই বিন্দুর কম্পনের আপেক্ষিক অবস্থানের পার্থক্য।
- ফেজ পার্থক্য নির্ধারণ করে দুই তরঙ্গের সংযোজন বা বিঘ্নন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ- শ্রেণি।