বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২৮ / ১৪০ · ২,৭০১২,৮০০ / ১৪,০৮০

২,৭০১.
নিচের কোনটি জিমনোস্পার্মের বৈশিষ্ট্য?
  1. ফল সৃষ্টি হয় কিন্তু বীজ সৃষ্টি হয় না
  2. ফল সৃষ্টি হয় না কিন্তু বীজ সৃষ্টি হয়
  3. আর্কিগোনিয়া থাকে না।
  4. শুধু জলজ পরিবেশে জন্মে
সঠিক উত্তর:
ফল সৃষ্টি হয় না কিন্তু বীজ সৃষ্টি হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফল সৃষ্টি হয় না কিন্তু বীজ সৃষ্টি হয়
ব্যাখ্যা
• জিমনোস্পার্ম বা নগ্নবীজী উদ্ভিদে বীজ সৃষ্টি হয় কিন্তু ফল সৃষ্টি হয় না। 

• জিমনোস্পার্ম বা নগ্নবীজী উদ্ভিদ:

- যেসব উদ্ভিদে গর্ভাশয় থাকে না বলে ফল উৎপন্ন হয় না এবং বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে সেগুলোকে নগ্নবীজী উদ্ভিদ বলা হয়। 

• নগ্নবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
- উদ্ভিদ বহুবর্ষজীবী, চিরসবুজ। 
- রেণুপত্র অর্থাৎ স্পোরোফিলগুলো ঘনভাবে সন্নিবেশিত হয়ে স্ট্রোবিলাস বা কোন (cone) তৈরি করে।
- মেগাস্পোরোফিল-এ (স্ত্রীরেণুপত্র) কোনো গর্ভাশয় তৈরি হয় না অর্থাৎ এদের গর্ভাশয়, গর্ভদণ্ড ও গর্ভমুণ্ড নেই।
- পরাগায়নকালে পরাগরেণু সরাসরি ডিম্বক রন্ধ্রে পতিত হয়।
- ডিম্বক মেগাস্পোরোফিলের কিনারে নগ্ন অবস্থায় থাকে।
- গর্ভাশয় নেই তাই এদের কোনো ফল সৃষ্টি হয় না।
- ফল সৃষ্টি হয় না বলে বীজ (নিষিক্ত ডিম্বক) নগ্ন অবস্থায় থাকে।
- নগ্নবীজী উদ্ভিদে দ্বিনিষেক ঘটে না (ব্যতিক্রম Ephedra)। 
- জাইলেম টিস্যুতে সত্যিকার ভেসেল কোষ থাকে না (ব্যতিক্রম Gnetum) এবং ফ্লোয়েম টিস্যুতে সঙ্গীকোষ থাকে না।
- জীবনচক্রে অসমআকৃতির (heteromorphic) জনুক্রম বিদ্যমান।
- সাধারণত আর্কিগোনিয়া সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র:
-জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২,৭০২.
চোখে প্রবেশ করা আলোর প্রতিচ্ছবি চোখের কোন অংশে গঠিত হয়?
  1. কর্নিয়া
  2. রেটিনা
  3. লেন্স
  4. অপটিক স্নায়ু
সঠিক উত্তর:
রেটিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেটিনা
ব্যাখ্যা

• চোখে প্রবেশ করা আলোর প্রতিচ্ছবি রেটিনায় গঠিত হয়।

• চোখ: 
- স্বাভাবিক চোখের স্পষ্ট দর্শনের নিকটতম দূরত্ব ২৫ সে.মি.।
- স্বাভাবিক চোখের স্পষ্ট দর্শনের দূরতম দূরত্ব অসীম।
- দর্শানুভূতির স্থায়িত্বকাল (Persistence of Vision) ০.১ সেকেন্ড।
- লাল-বেগুনি আলোতে দর্শানুভূতি সবচেয়ে কম।
- সবুজ-হলুদ আলোতে দর্শানুভূতি সবচেয়ে বেশি।

• চোখের প্রধান অংশসমূহ ও তাদের ভূমিকা:
• কর্নিয়া (Cornea) আলো প্রবেশের প্রধান অংশ।
• লেন্স (Lens) আলোর প্রতিসরন ও ফোকাস নিশ্চিত করে।
রেটিনা (Retina) আলোর প্রতিচ্ছবি তৈরি করে।
• অপটিক স্নায়ু (Optic Nerve) রেটিনার সিগন্যাল মস্তিষ্কে পাঠায়।
• অ্যাকুয়াস হিউমার (Aqueous Humor) চোখের সামনের তরল পদার্থ।
• ভিট্রিয়াস হিউমার (Vitreous Humor) চোখের পেছনের জেলির মতো পদার।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী। পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭০৩.
নিচের কোনটি এককোষী প্রাণীর উদাহরণ?
  1. হাইড্রা
  2. ব্যাঙ
  3. প্রজাপতি
  4. অ্যান্টামিবা
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টামিবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টামিবা
ব্যাখ্যা

- অ্যান্টামিবা (Entamoeba histolytica) দেহ শুধুমাত্র একটি কোষ নিয়ে গঠিত

কোষের ভিত্তিতে প্রাণীর শ্রেণিবিন্যাস:
- কোষের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
১। এককোষী প্রাণী:
- যে সকল প্রাণীর দেহ একটি মাত্র কোষ নিয়ে গঠিত তাদেরকে এককোষী প্রাণী বলে।
যেমন- অ্যান্টামিবা (Entamoeba histolytica)।

২। বহুকোষী প্রাণী:
- যে সকল প্রাণীর দেহ অসংখ্য কোষ দিয়ে গঠিত তাদেরকে বহুকোষী প্রাণী বলে।
যেমন- হাইড্রা (Hydra vulgaris)।

অন্যদিকে,
- প্রজাপতি একটি জটিল বহুকোষী প্রাণী।
- ব্যাঙ একটি বহুকোষী প্রাণী, যার উন্নত অঙ্গ ও তন্ত্র রয়েছে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

২,৭০৪.
নিচের কোনটি অজৈব যৌগ?
  1. ক) মরিচা
  2. খ) ইথেন
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) পেন্টাইন
সঠিক উত্তর:
ক) মরিচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মরিচা
ব্যাখ্যা
অজৈব যৌগ:

- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয়।
- এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতসমূহকে বলা হয় জৈব যৌগ।
- জৈব যৌগ: মিথেন, ইথেন, বেনজিন, ইউরিয়া, প্রোপিন, পেন্টাইন ইত্যাদি।
- অজৈব যৌগ: পানি, খাবার লবণ, খাবার সোডা, কাপড় কাচার সোডা, কস্টিক সোডা, চুন, মরিচা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭০৫.
কোন রাসায়নিক পদার্থ পাকস্থলীতে খাদ্য পরিপাকের মূল ভূমিকা পালন করে?
  1. সাইট্রিক অ্যাসিড
  2. এসিটিক এসিড
  3. ফরমিক এসিড
  4. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোক্লোরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোক্লোরিক এসিড
ব্যাখ্যা

পাকস্থলীতে খাদ্য পরিপাকের মূল ভূমিকা পালন করে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (Hydrochloric Acid)।

হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের ভূমিকা:
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) পাকস্থলীর গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত একটি শক্তিশালী অ্যাসিড।
- এটি পাকস্থলীর ভেতরে একটি অত্যন্ত অম্লীয় পরিবেশ তৈরি করে (pH 1.5-3.5), যা খাবার হজমের জন্য অপরিহার্য।
- এই অম্লীয় পরিবেশের কারণে পেপসিনোজেন নামক নিষ্ক্রিয় এনজাইম সক্রিয় পেপসিনে রূপান্তরিত হয়, যা প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে।
- এটি খাবারের সাথে আসা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতেও সহায়তা করে।
- হাইড্রোক্লোরিক এসিডের অম্লীয় পরিবেশ খাবারের জটিল উপাদানগুলোকে সহজে ভেঙে ফেলে, যা পরবর্তীতে ক্ষুদ্রান্তে শোষিত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ:
-  সাইট্রিক অ্যাসিড: সাধারণত লেবু জাতীয় ফলে পাওয়া যায়, যা পরিপাক প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নয়।
- এসিটিক এসিড: ভিনেগারের প্রধান উপাদান, যা মানবদেহে প্রাকৃতিকভাবে পরিপাকের জন্য উৎপন্ন হয় না।
- ফরমিক এসিড: মূলত পিঁপড়া এবং কিছু অন্যান্য পোকামাকড়ের দেহে পাওয়া যায় এবং এটি পরিপাক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭০৬.
নিচের কোন কার্যক্রমটি সাড়াদান ব্যবস্থাপনার অন্তর্ভূক্ত?
  1. তল্লাশি ও উদ্ধার
  2. ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা
  3. নিরাপদ স্থানে অপসারণ
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্রান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- ’দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

সাড়াদান (Response):
- দুর্যোগের পরপরই সাড়াদান করা প্রয়োজন।

- সাড়াদানের আওতাভূক্ত কার্যক্রমগুলো হলো:
• নিরাপদ স্থানে অপসারণ,
• তল্লাশি ও উদ্ধার,
• ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপন এবং
• ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৭০৭.
শ্বেতকণিকা বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতার চিকিৎসায় কোন তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়? 
  1. কোবাল্ট-60 
  2. টেকনেশিয়াম-99m 
  3. ফসফরাস-32
  4. আয়োডিন-131 
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস-32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস-32
ব্যাখ্যা

- ফসফরাস-32 লিউকেমিয়া বা শ্বেতকণিকা বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতার (polycethemia vera) চিকিৎসায় ব্যবহৃত একটি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ। 

চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 

- শরীরের কোনো স্থানে কোনো ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ (60Co) থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা তার অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 (131I) ব্যবহৃত হয়। এই তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করতে সহায়তা করে। 
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কী কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- হার্টে পেইসমেকার বসাতে প্লুটোনিয়াম-২৩৮ ব্যবহার করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32, C-14, DNA, RNA) এবং কার্বন ব্যবহার করে ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিডের গঠনের হার পর্যালোচনা করে মানুষের জীবন রহস্য সম্পর্কে অনেক তথ্য উদঘাটনে সক্ষম হয়েছে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭০৮.
সাধারণত সাইক্লোন তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা কত হওয়া প্রয়োজন?
  1. ক) ২০° ফারেনহাইটের বেশি
  2. খ) ২৭° সেলসিয়াসের বেশি
  3. গ) ১৫ কেলভিনের বেশি
  4. ঘ) ৩৬° সেলসিয়াসের বেশি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৭° সেলসিয়াসের বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৭° সেলসিয়াসের বেশি
ব্যাখ্যা

নিম্নচাপ ও উচ্চ তাপমাত্রা সাইক্লোন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাধারণত সাইক্লোন তৈরিতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হওয়া প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যবশত বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এই তাপমাত্রার চেয়ে বেশি থাকে।

সূত্র: মাধ্যমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

২,৭০৯.
পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে দূরত্ব কোন এককে মাপা হয়?
  1. কিলোমিটার
  2. নটিক্যাল মাইল
  3. আলোক বর্ষ
  4. আলোক মাইল
সঠিক উত্তর:
আলোক বর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক বর্ষ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৭১০.
ETP দিয়ে কী করা হয়?
  1. বায়ু দূষণ রোধ করা হয়।
  2. এসিড বৃষ্টি রোধ করা হয়।
  3. শিল্পে উৎপাদন বৃদ্ধি করা হয়।
  4. বর্জ্য পানি পরিশোধন করা হয়।
সঠিক উত্তর:
বর্জ্য পানি পরিশোধন করা হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্জ্য পানি পরিশোধন করা হয়।
ব্যাখ্যা
ইটিপি (ETP): 
- রাসায়নিক শিল্প কারখানার বর্জ্য পানি বা তরল পদার্থে জৈব ও অজৈব পদার্থ মিশ্রিত থাকে, এ বর্জ্য পানিকে effluent বলা হয়। 
- এরূপ শিল্প কারখানার effluent থেকে ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থকে পৃথক করার প্রক্রিয়াকে effluent treatment plant বা ETP বলে। 
- কারখানার প্রকৃতিভেদে বর্জ্য পানিতে দূষকের বিভিন্ন প্রকৃতি যেমন ধাতব আয়ন, জৈব পদার্থ ও জৈব যৌগ হতে পারে। 
- চন্দ্রঘোনার পেপার মিলের বর্জ্য দূষিত পানি দ্বারা কর্ণফুলি নদীর পানির দূষণ ঘটছে। 
- ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর পানিতে ট্যানারির দূষিত বর্জ্য পানি দ্বারা দূষণ ঘটে চলেছে। 
- নদীর বর্জ্য দূষিত পানির মারাত্মক দূষণ প্রতিরোধ করতে ETP হলো আধুনিক চিন্তার গ্রিন কেমিস্ট্রির বারটি নীতির অন্যতম প্রয়োগ। 
- বাংলাদেশে বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে শিল্প কারখানা জোন সৃষ্টি করে বিভিন্ন শিল্পের বর্জ্য পানিকে সমন্বিত প্রক্রিয়ায় কম্বাইন্ড ইটিপি বা CETP এর মাধ্যমে পরিশোধন প্রক্রিয়ার কার্যক্রম অনুমোদিত হয়েছে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
২,৭১১.
পাহাড়ি রাস্তার বিপজ্জনক বাঁকে সমতল দর্পন কত ডিগ্রী কোণে স্থাপন করা হয়?
  1. ক) 30°
  2. খ) 45°
  3. গ) 60°
  4. ঘ) 90°
সঠিক উত্তর:
খ) 45°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 45°
ব্যাখ্যা

পাহাড়ি রাস্তা গুলো মাঝে মাঝে ৯০° ডিগ্রি কোণে বা তার কাছাকাছি পরিমাণে বেকে যায়।  এতে করে বাঁকের উভয় পাশ থেকে আগত গাড়ি গুলো একটা আরেকটা কে দেখতে পায় না। ফলে পাহাড়ি রাস্তার বাঁক গুলোতে মারাত্মক দূর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। 

এই সমস্যা দূর করতে ৯০ ডিগ্রি কোণের বাঁক গুলোতে ৪৫ ডিগ্রি কোণে সমতল দর্পন স্থাপন করা হয়। এর ফলে বাঁকের উভয় পাশের ড্রাইভার একে অপরকে দর্পনের সাহায্যে দেখতে পায়। তাই পাহাড়ি রাস্তায় দূর্ঘটনা এড়াতে বড় বড় সমতল দর্পন স্হাপন করা হয়।

 SOURCE: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২,৭১২.
পেরিস্কোপের প্রধান অংশ কোনটি?
  1. দুটি বৃত্তাকার লেন্স
  2. একটি ফোকাল লেন্স
  3. একটি বৃত্তাকার লেন্স ও একটি দর্পণ
  4. দুটি সমতল দর্পণ
সঠিক উত্তর:
দুটি সমতল দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি সমতল দর্পণ
ব্যাখ্যা

- সাধারণত পেরিস্কোপ মূলত আলোর প্রতিফলনের সূত্র কাজে লাগিয়ে তৈরি করা হয়। এতে একটি দীর্ঘ টিউব বা নলের দুই প্রান্তে দুটি সমতল দর্পণ একে অপরের সমান্তরালে এবং নলের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। উপরের দর্পণে আলো প্রতিফলিত হয়ে নিচে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে এবং সেখান থেকে পুনরায় প্রতিফলিত হয়ে দর্শকের চোখে পৌঁছায়, যার ফলে সরাসরি দেখা যায় না এমন বস্তুও দেখা সম্ভব হয়

পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি করা হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়।
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা এর মাধ্যমে দেখা যায়। 
- এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে। 
- ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য। 
- পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।  

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

২,৭১৩.
কোন বিজ্ঞান শাখা মহাবিশ্বের সৃষ্টি, গঠন ও বিবর্তন নিয়ে গবেষণা করে? 
  1. Astronomy
  2. Cosmology
  3. Geology
  4. Meteorology
সঠিক উত্তর:
Cosmology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cosmology
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য: 
- মহাবিশ্ব কেন সৃষ্টি হলো, কিভাবে সৃষ্টি হলো, কেনইবা এটি টিকে আছে এ সম্পর্কে আমাদের কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই। তবে এটি কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে এর বিবর্তনের ধারা সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা হয়েছে। 
- রাতের আকাশে অসংখ্য তারা বা নক্ষত্র দেখতে পাওয়া যায়, এমন অসংখ্য নক্ষত্র নিয়ে গঠিত হয়েছে একটি গ্যালাক্সি। 
- সপ্তদশ শতাব্দীতে টেলিস্কোপের ব্যবহার থেকে জানা যায়, সূর্য ছায়াপথ গ্যালাক্সির (Milky way) অন্যান্য নক্ষত্রের মতোই একটি সাধারণ নক্ষত্র। তখন মনে করা হতো, সূর্য হচ্ছে গ্যালাক্সির কেন্দ্রবিন্দু। 
- বিংশ শতাব্দীতে এসে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন, সূর্যের অবস্থান গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে অনেক অনেক দূরে। 
- এরূপ কোটি কোটি গ্যালাক্সি নিয়ে গঠিত হয়েছে এ মহাবিশ্ব। 
- ছায়াপথ গ্যালাক্সিতে নক্ষত্রের সংখ্যা প্রায় 1011 । মহাবিশ্বে এরকম প্রায় 1011 সংখ্যক গ্যালাক্সি রয়েছে। আর প্রত্যেকটি গ্যালাক্সিতে রয়েছে গ্যালাক্সির প্রায় সমসংখ্যক নক্ষত্র। 

- পৃথিবী মহাবিশ্বের তুলনায় অতি ক্ষুদ্র। পৃথিবী থেকে মহাকাশে নক্ষত্রদের দেখতে কাছাকাছি মনে হলেও এদের পরস্পরের মধ্যে রয়েছে অনেক আলোক বর্ষের ব্যবধান। 
- সভ্যতার সেই শুরু হতেই বিজ্ঞানীগণ এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য এবং পরিণতি সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণা পোষণ করে আসছেন। এসব ধারণা এবং বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিজ্ঞানের একটি শাখা সৃষ্টি হয়েছে, যা কসমোলজি (Cosmology) বা 'মহাজাগতিক বিজ্ঞান' নামে পরিচিত। 
- বিংশ শতাব্দীতে দুই জন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিকের দ্বারা দুটি পরীক্ষা সংঘটিত হয়, যেগুলোর মাধ্যমে মহাবিশ্ব সম্পর্কে একটি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণা প্রায় সকল পদার্থ বিজ্ঞানীদের মাঝে গৃহীত হয়েছে। পরীক্ষা দুটি হলো- 
১। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ এবং 
২। মহাজাগতিক পশ্চাৎপট বিকিরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭১৪.
সাধারণত কত তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়?
  1. ক) ৩০০-৩৮০ ন্যানোমিটার
  2. খ) ৩৫০-৪০০ ন্যানোমিটার
  3. গ) ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার
  4. ঘ) ৪৫০-৫০০ ন্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার
ব্যাখ্যা
লাল, নীল, কমলা এবং বেগুনি অংশটুকুতেই সালোকসংশ্লেষ ভালো হয় আর সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষ ভালো হয় না। একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আলোর পরিমাণ বাড়লে সালোকসংশ্লেষণের হারও বেড়ে যায়। কিন্তু আলোর পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে গেলে পাতার ভিতরকার এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরোফিল উৎপাদন কম হয়। ফলে সালোকসংশ্লেষণের হারও কমে যায়। সাধারনত ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার এবং ৬৮০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭১৫.
মানবদেহের দীর্ঘতম মাংসপেশি কোনটি?
  1. ফিমার
  2. বাইসেপস ফিমোরিস
  3. পেকটোরালিস মেজর
  4. সারটোরিয়াস
সঠিক উত্তর:
সারটোরিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সারটোরিয়াস
ব্যাখ্যা

- The longest muscle in human body is the sartorius, a long thin muscle that runs down the length of the upper thigh, crossing the leg down to the inside of the knee.
- The primary functions of the Sartorius are knee flexion and hip flexion and adduction.
সূত্র: Encyclopedia Britannica

২,৭১৬.
নিম্নের কোনটির সাহায্যে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়?
  1. স্ফিগমোমিটার
  2. হাইগ্রোমিটার
  3. সেক্সট্যান্ট
  4. ক্রনোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক্রনোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রনোমিটার
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
১। যেহেতু ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য দুটি স্থানের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
- এ কারণে স্থান দুটির সময়ের পার্থক্য যা হয় তাকে ৪ দিয়ে ভাগ করে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

২। যে কোনো স্থানের সময় গ্রীনিচের সময় অপেক্ষা অধিক হলে বুঝতে হবে স্থানটি গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত এবং কম হলে স্থানটি গ্রীনিচের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গ্রীনিচের দ্রাঘিমাকে ০° ধরে সময়ের পার্থক্য অনুযায়ী অন্যান্য স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।
- ক্রনোমিটার নামক ঘড়ি গ্রীনিচ সময় অনুসারে চলে।
- তাই এই ঘড়ি দেখে কোনো স্থানের স্থানীয় সময়ের সাথে গ্রীনিচ সময়ের পার্থক্য নির্ণয় করা যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭১৭.
'স্তরবিহীন প্রাণী' নিচের কোনটি?
  1. স্কাইফা
  2. মানুষ
  3. অরেলিয়া
  4. অ্যামিবা
সঠিক উত্তর:
অ্যামিবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিবা
ব্যাখ্যা
ভ্রূণীয় স্তর: 
- ভ্রূণীয় স্তরের উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 

ক. একস্তরী: 
- এরা সরল ধরনের প্রাণী। 
- এদের দেহের কোষসমূহ একটি মাত্র স্তরে সজ্জিত। 
যেমন- স্কাইফা (Scypha gilatinosum)। 

খ. দ্বিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর (Ectoderm) ও অন্তঃস্তর (Endoderm) নামক দুটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- অরেলিয়া (Aurelia aurita)। 

গ. ত্রিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর, মধ্যস্তর (Mesoderm) ও অন্তঃস্তর নামক তিনটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে ত্রিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- মানুষ (Homo sapiens)। 

ঘ. স্তরবিহীন প্রাণী: 
- যে সকল প্রাণীর দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত তাদেরকে স্তরবিহীন প্রাণী বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭১৮.
নিচের কোনটি শর্করা বিশ্লেষী এনজাইম?
  1. লাইপেজ
  2. গ্যাস্ট্রিন
  3. টায়ালিন
  4. কোলাজিনেজ
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
ব্যাখ্যা
• টায়ালিন একটি শর্করা বিশ্লেষী এনজাইম। 

• পরিপাক:
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় মানুষের পৌষ্টিক নালির অভ্যন্তরে জটিল, অদ্রবণীয়, অশোষণযোগ্য খাদ্য উপাদানগুলো নির্দিষ্ট উৎসেচক বা এনজাইম এবং প্রাণরস বা হরমোনের উপস্থিতিতে বিশ্লেষিত হয়ে শোষণযোগ্য এবং দ্রবণীয় সরল উপাদানে পরিণত হয়, তাকে পরিপাক বলে।

• খাদ্য পরিপাক প্রণালী:
- মানুষে অধিকাংশ খাদ্য (শর্করা, আমিষ ও স্নেহদ্রব্য) বৃহৎ অণু হিসেবে মুখগহ্বরে গৃহীত হয়।
- খাদ্যবস্তুর এমন বৃহত্তর জটিল অণুগুলো ক্ষুদ্রতম অণুতে পরিণত না হওয়া পর্যন্ত শোষণ উপযোগী হয় না। 
- মানবদেহে শর্করা , আমিষ ও স্নেহ জাতীয় খাদ্যগুলো জটিল অবস্থা থেকে কতকগুলো এনজাইমের ক্রিয়ায় পরিপাক হয়ে সরল উপাদানে পরিণত হয়। 

• শর্করা জাতীয় খাদ্য- ভাত, রুটি, চিনি, শাক-সবজি।
→ শর্করা বিশ্লেষী বা অ্যামাইলোলাইটিক এনজাইম: টায়ালিন, অ্যামাইলেজ, মল্টেজ, সুক্রেজ। 
→ উৎপন্ন সরল উপাদান: গ্লুকোজ

• আমিষ জাতীয় খাদ্য: মাছ, মাংস, ডিম, ডাল। 
→ আমিষ বিশ্লেষী বা প্রোটিওলাইটিক এনজাইম: পেপসিন, ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন ইত্যাদি। 
→ উৎপন্ন সরল উপাদান: অ্যামিনো এসিড

• স্নেহদ্রব্য জাতীয় খাদ্য- ভোজ্যতেল, ঘি, মাখন, প্রাণিজ চর্বি)
→ স্নেহ বিশ্লেষী বা লাইপোলাইটিক এনজাইম: পাকস্থলিয় ও আন্ত্রিক লাইপেজ, ফসফোলাইপেজ, কোলেস্টেরল এস্টারেজ, লেসিথিনেজ ইত্যাদি। 
→ উৎপন্ন সরল উপাদান: ফ্যাটি এসিড ও গ্লিসারল

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি। 
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
২,৭১৯.
নিচের কোন যৌগটির জলীয় দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির?
  1. NaCl 
  2. Na2SO4 
  3. Na2CO3 
  4. FeCl3
সঠিক উত্তর:
FeCl3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FeCl3
ব্যাখ্যা

লবণ: 
- প্রশমন বিক্রিয়ায় এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ এবং পানি উৎপন্ন হয়। 
- লবণের ধনাত্মক আয়নটি ক্ষার থেকে আসে, তাই ধনাত্মক আয়নকে ক্ষারীয়মূলক (Basic radical) বলে। 
- আর লবণের ঋণাত্মক আয়নটি এসিড বা অম্ল থেকে আসে, তাই লবণের ঋণাত্মক আয়নকে অম্লীয় মূলক (Acid radical) বলে। 
- তীব্র এসিড ও তীব্র ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ নিরপেক্ষ প্রকৃতির। 
যেমন- NaCl, Na2SO4 ইত্যাদির জলীয় দ্রবণ নিরপেক্ষ। 
- তীব্র এসিড ও মৃদু ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণের জলীয় দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির। 
যেমন- FeCl3, Zn(NO3)2 ইত্যাদির জলীয় দ্রবণ অম্লীয়। 
- তীব্র ক্ষার ও মৃদু এসিডের জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির। 
যেমন- Na2CO3, CH3COONa (সোডিয়াম ইথানয়েট) ইত্যাদির জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭২০.
ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী ভেড়ার নাম কী?
  1. ক) নেনী
  2. খ) টর্মি
  3. গ) শেলী
  4. ঘ) ডলি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডলি
ব্যাখ্যা
- কোনো জীব থেকে সম্পূর্ণ অযৌন প্রক্রিয়ায় হুবহু নতুন জীব সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে ক্লোনিং বলে।
- ড. ইয়ান উইলমুট প্রথম ক্লোন পদ্ধতিতে একটি ভেড়ার জন্ম দেন।
- সর্বপ্রথম যুক্তরাজ্যে Adult Cell ক্লোন করে যে ভেড়ার জন্ম দেওয়া হয়েছিল তার নাম ডলি।
- ডব্লিউ.এইচ.ও (WHO) বর্তমানে মানব শিশুর ক্লোন নিষিদ্ধ করেছে।
২,৭২১.
মধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ সর্বোচ্চ-
  1. ভূপৃষ্ঠে
  2. ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০০ মিটার গভীরে
  3. এভারেস্টের চূড়ায়
  4. ভূকেন্দ্রে
সঠিক উত্তর:
ভূপৃষ্ঠে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূপৃষ্ঠে
ব্যাখ্যা
• অভিকর্ষজ ত্বরণের মান:
- অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ভূপৃষ্ঠে সর্বোচ্চ।
- ভূপৃষ্ঠ থেকে যত নিচে/উপরে যাওয়া যায় এর মান তত কমতে থাকে।
- এজন্য g এর মান পাহাড়ে বা খনির ভেতরে কম।
- মেরু অঞ্চলে g এর মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি।
- পৃথিবীর কেন্দ্রে এ এর মান শূন্য।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২,৭২২.
বায়ুতে কোন গ্যাসটির অভাব হলে সামান্য আগুনেই পৃথিবীময় আগুন ছড়িয়ে পড়তো?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) জলীয়বাষ্প
সঠিক উত্তর:
গ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
- বায়ুর সক্রিয় অক্সিজেনের লঘুকারক হিসেবে নাইট্রোজেন বায়ুতে বিদ্যমান।
- নাইট্রোজেন না থাকলে বিশুদ্ধ অক্সিজেন দ্বারা শ্বাসক্রিয়ার ফলে জীবদেহে এত বেশি তাপ উৎপন্ন হতো যে— জীবদেহ নিজের শরীরের তাপেই দগ্ধ হতো।   
- তাছাড়া শুধু অক্সিজেন দ্বারা দহন  ক্রিয়া এতো দ্রুত সংঘটিত হতো যে সামান্য আগুনেই পৃথিবীময় আগুন ছড়িয়ে পড়তো এবং অগ্নিনিয়ন্ত্রণ সম্ভব হতো না। 
- এছাড়াও নাইট্রোজেন উদ্ভিদ ও জীবদেহে প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের প্রধান উপকরণ। 
- বায়ুস্থ নাইট্রোজেনকে কাজে লাগিয়ে সার ও বিভিন্ন রাসায়নি যৌগ বর্তমানে ব্যাপক হারে উৎপাদন ও ব্যবহার করা হচ্ছে।
 
উৎস: পরিবেশ শিক্ষা- বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৭২৩.
শ্বেতসারের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) ধান
  2. খ) গাজর
  3. গ) খেজুর
  4. ঘ) আম
সঠিক উত্তর:
ক) ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধান
ব্যাখ্যা

ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা শ্বেতসারের প্রধান উৎস।
এছাড়া আলু, রাঙ্গা আলু বা, কচুতে শ্বেতসার বা, স্টার্চ পাওয়া যায়।
আঙ্গুর, আপেল, গাজর, খেজুর ইত্যাদিতে গ্লুকোজ পাওয়া যায়।
আম, পেঁপে, কলা, ইত্যাদিতে ফ্রুক্টোজ বিদ্যমান।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

২,৭২৪.
দেহকোষের পুনরুজ্জীবন ঘটানোর জন্য প্রয়োজন -
  1. ক) কার্বোহাইড্রেট
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) স্নেহদ্রব্য
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
ব্যাখ্যা
- খাদ্য উপাদানসমূহের মধ্যে আমিষ বা প্রোটিন অন্যতম যা কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- আমিষের গঠন একক হলো অ্যামাইনো অ্যাসিড। একাধিক অ্যামাইনো অ্যাসিড মিলিত হয়ে প্রোটিন গঠিত হয়। 
- লাইসিন, লিউসিন, আইসোলিউসিন, মিথিওনিন, ট্রিপটোফ্যান, ভ্যালিন, ফিনাইল অ্যালানিন ও থ্রিওনিন এ ৮টি অ্যামাইনো অ্যাসিডকে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড বলা হয়।

উৎস অনুসারে প্রোটিন ২ প্রকার-(১) প্রাণিজ 
প্রোটিন ও (২) উদ্ভিজ্জ প্রোটিন।
মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির, ডাল, বাদাম, শিমের বিচি, সয়াবিন, মটরশুঁটি ইত্যাদি প্রোটিনের ভালো উৎস।

- দেহকোষ ও পেশি গঠন, ক্ষয়পূরণ, দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি ইত্যাদি প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলি।
- শারীরিক অবস্থা বয়স, ও শ্রমভেদে মানবদেহে প্রোটিনের দৈনিক চাহিদা বিভিন্ন ধরনের হয়।
- প্রাপ্ত বয়স্কদের তুলনায় শিশু, বাড়ন্তবয়সের বালক-বালিকা, কিশোর-কিশোরী, গর্ভবর্তী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের প্রোটিন চাহিদা বেশি হয়।

উৎসঃ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭২৫.
নিচের কোনটি মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড নয়?
  1. মিথিওনিন
  2. সিস্টিন
  3. থ্রিওনাইন
  4. ট্রিপেটোফ্যান
সঠিক উত্তর:
সিস্টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টিন
ব্যাখ্যা
• "সিস্টিন" মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো এসিড নয়।

• আমিষ:

- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন- এই চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়।
- শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যাামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
- এই ৮ টি অ্যামাইনো এসিড ছাড়া অন্য সবগুলো অ্যামাইনো এসিড আমাদের শরীরে সংশ্লেষ করতে পারে।
- প্রাণিজ প্রোটিনে এই অপরিহার্য আটটি অ্যামাইনো এসিড বেশি থাকে বলে এর পুষ্টিমূল্য বেশি।
- উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মধ্যে ডাল, সয়াবিন, মটরশুঁটি বীজ এবং ভুট্টার মধ্যে পুষ্টিমূল্য বেশি এমন প্রোটিন পাওয়া যায়।
- অন্যান্য উদ্ভিজ্জ খাদ্যে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড থাকে না বলে এদের পুষ্টিমূল্য কম।
- প্রাণিদেহের গঠনে প্রোটিন অপরিহার্য।
- দেহকোষের বেশির ভাগই প্রোটিন দিয়ে তৈরি।
- দেহের হাড়, পেশি, লোম, পাখির পালক, নখ, পশুর শিং ইত্যাদি সবগুলোই প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়।
- প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রোটিন।
- মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং এই অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক।
• ২০ টি অ্যামাইনো এসিডের মধ্যে ৮ টি অ্যামাইনো এসিডকে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড বলা হয়। যথা:
- লাইসিন,
- ট্রিপেটোফ্যান,
- মিথিওনিন,
- ভ্যালিন,
- লিউসিন,
- আইসোলিউসিন,
- ফিনাইল অ্যালানিন ও
- থ্রিওনাইন

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭২৬.
ইটিপি কোন বর্জ্য পরিশোধন করে?
  1. কঠিন
  2. তরল
  3. বস্তুকণা
  4. গ্যাসীয়
সঠিক উত্তর:
তরল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল
ব্যাখ্যা
- রাসায়নিক শিল্প কারখানার তরল বর্জ্যকে effluent বলে। 
- এ সকল বর্জ্যে বিভিন্ন দূষক পদার্থ থাকে যা বাতাস, পানি ও মাটি তথা সমগ্র পরিবেশ দূষিত করে। 
- তাই শিল্প কারখানার এ সব বর্জ্য পদার্থকে পারিপার্শ্বিক পরিবেশে পরিত্যাগের পূর্বে এদের মধ্যে বিদ্যমান ক্ষতিকর পদার্থসমূহকে পৃথক করা প্রয়োজন। 
- শিল্পজাত তরল বর্জ্যের বিশোধনকল্পে প্রতিটি শিল্প কারখানায় তরল বর্জ্য বিশোধন প্লান্ট (Effluent Treatment Plant, ETP) স্থাপন করা আবশ্যক। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭২৭.
মৌসুমি জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী? 
  1. বায়ুর তাপমাত্রা সব সময় সমান থাকে
  2. বায়ুর চাপ সবসময় স্থির থাকে
  3. কোনো ঋতুতে বৃষ্টি হয় না
  4. ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুর প্রবাহ দিক পরিবর্তন হয়
সঠিক উত্তর:
ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুর প্রবাহ দিক পরিবর্তন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋতু পরিবর্তনের সাথে বায়ুর প্রবাহ দিক পরিবর্তন হয়
ব্যাখ্যা
মৌসুমি জলবায়ু: 
- মৌসুমি শব্দটি এসেছে আরবি শব্দ “মওসুম” থেকে যার অর্থ ঋতু। 
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে এ বায়ু প্রবাহের দিক পরিবর্তন হয় বলে একে মৌসুমি জলবায়ু বলা হয়। 
- কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তির নিকটবর্তী অঞ্চল জুড়ে যে জলবায়ু বিস্তৃত তা মৌসুমি জলবায়ু। 

মৌসুমি জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য: 
- গ্রীষ্মকালে উত্তর গোলার্ধে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার উপর দিয়ে লম্বভাবে কিরণ দেয় এবং এই সময় দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, মধ্য এশিয়া, উত্তর-পশ্চিম ভারত প্রভৃতি স্থানে বায়ুর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়।  
- দক্ষিণ গোলার্ধের উচ্চচাপ বলয় থেকে আসা দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ুএশিয়া মহাদেশের নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে প্রবলবেগে ছুটে যায়। 
- এই বায়ুকেই বলা হয় উত্তর গোলার্ধের মৌসুমি বায়ু। 
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী একে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বলা হয়, কারণ নিরক্ষরেখা অতিক্রম করলে ডানদিকে বেঁকে দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ু দক্ষিণ পশ্চিম দিক থেকে উত্তর পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭২৮.
শব্দ দূষণ পরিমাপ করতে কোন একক ব্যবহার করা হয়?
  1. Nanometer
  2. Hertz
  3. Decibel
  4. Newton
সঠিক উত্তর:
Decibel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Decibel
ব্যাখ্যা

• শব্দ দূষণ পরিমাপের জন্য সাধারণত ডেসিবেল (Decibel) একক ব্যবহার করা হয়। শব্দের তীব্রতা বা লাউডনেসকে ডেসিবেলে মাপা হয়। বেশি ডেসিবেলের শব্দ মানুষের কানের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং দীর্ঘ সময় ধরে শোনা হলে শুনার সমস্যা তৈরি করতে পারে। অন্য একক যেমন ন্যানোমিটার, হার্টজ বা নিউটন শব্দের দূষণ মাপার জন্য ব্যবহার হয় না। তাই শব্দ দূষণের মাত্রা বোঝাতে ডেসিবেল সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক।

শব্দদূষণ:
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার উর্ধ্বে সৃষ্ট যে কোনো শব্দ যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাই হলো শব্দ দূষণ।
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক হচ্ছে ডেসিবল।
- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবল হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না।
- ৮৫ ডেসিবল শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুর করে এবং মাত্রা ১২০ ডেসিবল হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)- এর মতে, সাধারণত ৬০ ডেসিবেল শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং ১০০ ডেসিবেল শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে।
- সুতরাং, ৬০ ডেসিবলের চেয়ে বেশি মাত্রার শব্দ শব্দদূষণ ঘটায়।

উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭২৯.
এক্স রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কেমন? 
  1. আলোর চেয়ে অনেক ছোট
  2. আলোর চেয়ে অনেক বড়
  3. আল্ট্রাসনিক তরঙ্গের মতো
  4. আলোর সমান
সঠিক উত্তর:
আলোর চেয়ে অনেক ছোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর চেয়ে অনেক ছোট
ব্যাখ্যা
এক্স-রশ্মির ধর্ম: 
- এক্স রশ্মি সরল পথে গমন করে। 
- এক্স রশ্মি প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্স রশ্মির ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
- এক্স রশ্মি জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 
- এক্স রশ্মির তরঙ্গ তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
- এক্স রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
- এক্স রশ্মি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
- এক্স রশ্মি আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটায়। 
- এক্স রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্স-রে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
- এক্স-রে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
- এক্স রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্স অদৃশ্য রশ্মি, সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৩০.
কোনটিকে চুম্বকে পরিণত করা যায়?
  1. তামা
  2. ইস্পাত
  3. পিতল
  4. স্বর্ণ
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্পাত
ব্যাখ্যা
• চৌম্বক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায়, তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে।
- বেশির ভাগ চৌম্বক পদার্থে লোহা থাকে তাই চৌম্বক পদার্থকে ফেরো চৌম্বক পদার্থ বা ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থও বলা হয়।
- ফেরো শব্দটির অর্থ লোহা।
- উদাহরণ: লোহা, ইস্পাত, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।

• অচৌম্বক পদার্থ:
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং যাদেরকে চুম্বকে পরিণত করা যায় না, তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে।
- উদাহরণ: সোনা, রূপা, তামা, পিতল, অ্যালুমিনিয়াম, দস্তা, টিন, কাঠ, কাগজ, প্লাস্টিক, রাবার ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৩১.
টানা তারের ক্ষেত্রে টান (T) ও একক দৈর্ঘ্যের ভর (m) অপরিবর্তিত থাকলে কম্পাঙ্ক (f) তারের দৈর্ঘ্য (l)-এর সাথে কী সম্পর্কযুক্ত?
  1. দৈর্ঘ্যের সমানুপাতিক
  2. দৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক
  3. দৈর্ঘ্যের বর্গের সমানুপাতিক
  4. দৈর্ঘ্যের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক
ব্যাখ্যা

• টান (T) ও একক দৈর্ঘ্যের ভর (m) অপরিবর্তিত থাকলে টানা তারের কম্পাঙ্ক তারের দৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক।

• টানা তারের আড় কম্পনের সূত্র:
- একটি তারকে দুই প্রান্তে দৃঢ়ভাবে বেঁধে নির্দিষ্ট বলে টান টান করে রাখা হয়।
- তারটিকে দৈর্ঘ্যের সাথে লম্বভাবে টেনে ছেড়ে দিলে আড় তরঙ্গ উৎপন্ন হয়।
- উৎপন্ন তরঙ্গ প্রান্তে প্রতিফলিত হয়ে স্থির তরঙ্গ সৃষ্টি করে।
- স্থির তরঙ্গের ফলে তারটি নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কে কাঁপতে থাকে।
- ফরাসী বিজ্ঞানী মার্সেন ১৬৩৬ সালে টানা তারের কম্পনের সূত্রসমূহ আবিষ্কার করেন।

• দৈর্ঘ্যের সূত্র:
- কোনো কম্পমান তারের টান (T) ও একক দৈর্ঘ্যের ভর (m) অপরিবর্তিত থাকলে কম্পাঙ্ক (f) তারের দৈর্ঘ্য (l)-এর ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ, f ∝ 1 / l যখন T ও m স্থির থাকে।
- তারের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেলে কম্পাঙ্ক হ্রাস পায়।
- তারের দৈর্ঘ্য কমলে কম্পাঙ্ক বৃদ্ধি পায়। তাই ছোট তার তীক্ষ্ণ সুর এবং বড় তার গুরু সুর উৎপন্ন করে।

• টানের সূত্র:
- কোনো কম্পমান তারের দৈর্ঘ্য (l) স্থির থাকলে কম্পাঙ্ক (f) টান (T)-এর বর্গমূলের সমানুপাতিক।
অর্থাৎ, f ∝ √T যখন l ও m স্থির থাকে।

• ভরের সূত্র:
- দৈর্ঘ্য (l) ও টান (T) স্থির থাকলে কম্পাঙ্ক (f) প্রতি একক দৈর্ঘ্যের ভর (m)-এর বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক।
অর্থাৎ, f ∝ 1 / √m যখন l ও T স্থির থাকে।

উপর্যুক্ত তিনটি সূত্র একত্র করে পাওয়া যায়,


উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2) Science Expert, Live Publications.

২,৭৩২.
পাচক রস নামে পরিচিত কোন গ্রন্থি?
  1. ক) Liver
  2. খ) Salivary glands
  3. গ) Pancreas
  4. ঘ) Gastric glands
সঠিক উত্তর:
ঘ) Gastric glands
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Gastric glands
ব্যাখ্যা

পাচক রস গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি নামে পরিচিত। 

গ্যাস্ট্রিকগ্রন্থি পাকস্থলীর প্রাচীরে থাকে।
এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত রস (ট্রিপসিন, লাইপেজ, এমাইলেজ) গ্যাস্ট্রিক রস বা, পাচক রস নামে পরিচিত।
যকৃৎ এর ইংরেজি হচ্ছে Liver. একে আবার কলিজাও বলা হয়। শরীরের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি হচ্ছে যকৃৎ। এটি পরিপাকতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এর রং লালচে খয়েরি।
মানুষের দেহে তিন জোড়া লালাগ্রন্থি আছে। দুই কানের সামনে ও নিচে এক জোড়া চোয়ালের নিচে একজোড়া এবং চিবুকের নিচে একজোড়া রয়েছে।
অগ্নাশয় পাকস্থলীর পেছনে আড়াআড়িভাবে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশ্রগ্রন্থি। ইহা বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

২,৭৩৩.
কোন তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাট স্কেল সমান তাপমাত্রা প্রদর্শন করে?
  1. ক) - ৪০ ডিগ্রি
  2. খ) ৪০ ডিগ্রি
  3. গ) ১০০ ডিগ্রি
  4. ঘ) ০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
ক) - ৪০ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) - ৪০ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হলো -
C/5 = (F - 32)/9 [C = সেলসিয়াস তাপমাত্রা, F = ফারেনহাইট তাপমাত্রা]

এখন, সেলসিয়াস স্কেল ও ফারেনহাইট স্কেলের তাপমাত্রা সমান (x) হলে,
x/5 = (x - 32)/ 9
Or, 9x = 5x - 160
Or, 4x = -160
Or, x = -40

অর্থাৎ, - 40 ডিগ্রিতে সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং ফারেনহাইট তাপমাত্রা সমান।
২,৭৩৪.
গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর কত প্রকার?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলা যায়।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন ( J. Bardeen ), ডবিণ্ঢউ ব্রাটেন (W. Brattain) ও ডবিউ সকলে (W. Shockley) ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন।
- এই গুরত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তিনজনকে ১৯৫৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

সংজ্ঞা: দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
সুতরাং একটি জাংশন ট্রানজিস্টর দুটি p-n জাংশনের সমন্বয়ে গঠিত।

গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকার:
(১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং
(২) n-p-n ট্রানজিস্টর। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৩৫.
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. নাইট্রাস অক্সাইড
  3. মিথেন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) নাইট্রোজেন

- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো সেই গ্যাস যারা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপ ধরে রেখে গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে অবদান রাখে।
- প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাসগুলো হলো:
⋅ কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)
⋅ মিথেন (CH4)
⋅ নাইট্রাস অক্সাইড (N2O)
⋅ ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC)
⋅ ওজোন (O3) ইত্যাদি

অন্যদিকে,
- নাইট্রোজেন (N2) এবং অক্সিজেন (O2) বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকলেও (নাইট্রোজেন ≈ ৭৮% এবং অক্সিজেন ≈ ২১%) এরা গ্রিন হাউস গ্যাস নয়। এদের তাপ ধরে রাখার ক্ষমতা খুবই কম, তাই এরা গ্রিন হাউস প্রভাব সৃষ্টি করে না।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২,৭৩৬.
সূর্য কোন ধরনের পদার্থ দ্বারা তৈরী?
  1. ক) কঠিন
  2. খ) তরল
  3. গ) গ্যাসীয়
  4. ঘ) প্লাজমা
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যাসীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গ্যাসীয়
ব্যাখ্যা
আপনার বিবেচনা থেকে মূল পরীক্ষায় উত্তর করতে পারেন। আমরা শুধু তথ্যগুলো দিয়ে দিচ্ছি।

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই সহ নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন রেফারেন্স বই অনুসারে, সূর্য তৈরি হয়েছে হাইড্রোজেন (৯১%), হিলিয়াম (৮.৭%) সহ আরো বেশ কয়েকটি গ্যাসের সমন্বয়ে। কিন্তু বিভিন্ন বিক্রিয়ার মাধ্যমে সূর্যের মধ্যের প্রচুর তাপ সৃষ্টি হওয়াও গ্যাস গুলো প্লাজমাতে রূপান্তরিত হয়।
প্রশ্নকর্তা যেহেতু একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই থেকে প্রশ্নটি করেছেন। তাই উৎস অনুযায়ী সঠিক উত্তর “গ্যাসীয় পদার্থ”।
লক্ষ্য করুন, নাসার ওয়েবসাইটেও প্রায় একই ধরনের কথা বলা হয়েছে। সূর্য গ্যাসীয় পদার্থ দিয়ে তৈরী। তবে গ্যাসীয় পদার্থগুলো মূলত প্লাজমা যা পদার্থের চতুর্থ অবস্থা।
The Sun is our nearest star. It is, as all stars are, a hot ball of gas made up mostly of Hydrogen. The Sun is so hot that most of the gas is actually plasma, the fourth state of matter. Source: https://www.nasa.gov/

২,৭৩৭.
পাকা আনারসে কোন ধরনের এস্টার বিদ্যমান থাকে?
  1. ক) অকটাইল অ্যাসিটেড
  2. খ) মিথাইল বিউটারেট
  3. গ) অ্যামাইল অ্যাসিটেড
  4. ঘ) ইথাইল বিউটারেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইথাইল বিউটারেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইথাইল বিউটারেট
ব্যাখ্যা

- এস্টার হলো জৈব কার্বক্সিলিক এসিডের একটি জাতক।
- এস্টার বিভিন্ন ফুল ও ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য দায়ী।
- পাকা আনারসে ইথাইল বিউটারেট,
- পাকা কলায় অ্যামাইল অ্যাসিটেড,
- পাকা কমলায় অকটাইল অ্যাসিটেড,
- নাশপাতিতে ৩-মিথাইল বিউটাইল ইথানোয়েট এস্টার বিদ্যমান থাকে।

২,৭৩৮.
কোয়াসারের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি নয়? 
  1. সৌরজগতের চেয়ে ছোট 
  2. দেখতে নক্ষত্রের মতো 
  3. লোহিত সরণ খুব বেশি 
  4. তীব্র বেতার বিকিরণের উৎস
সঠিক উত্তর:
সৌরজগতের চেয়ে ছোট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌরজগতের চেয়ে ছোট 
ব্যাখ্যা

- কোয়াসারের প্রধান বৈশিষ্ট্য নয়- সৌরজগতের চেয়ে ছোট। 

কোয়াসার (Quasar): 

- মহাবিশ্বে এ যাবৎ কালের আবিস্কৃত সবচেয়ে বিস্ময়কর বস্তু সম্ভবত কোয়সার। 
- কোয়াসার হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু। 
- একটি কোয়সারের মোট শক্তির পরিমাণ একটি সম্পূর্ণ গ্যালাক্সির শক্তির চেয়ে প্রায় 100 গুণ বেশি। অথচ একটি কোয়াসারের ব্যাপ্তি আমাদের সৌরজগতের প্রায় দ্বিগুণের মতো। 
- বিজ্ঞানীদের অনেকেই মনে করেন কোয়াসার হলো গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত ঘূর্ণায়মান বঢ্যাক হোল যা ক্রমাগত সন্নিকটবর্তী নক্ষত্রসমূহকে গ্রাস করে চলছে। 
সুতরাং কোয়াসারের শক্তির উৎস বঢ্যাক হোল কর্তৃক নক্ষত্র গলধঃকরণ হতে পারে। 
- কোয়াসার এখনও মহাবিশ্বের অতি রহস্যময় এক বস্তু। 
- তবে কোয়াসারের যে বৈশিষ্ট্যগুলো এখন পর্যন্ত জানা সম্ভব হয়েছে তাদের মধ্যে উলেখযোগ্য হলো- কোয়াসার দেখতে নক্ষত্রের মতো, তাদের রং নীলাভ, কতকগুলো কোয়াসার তীব্র বেতার বিকিরণের উৎস, কোয়াসারের লোহিত সরণ খুবই বেশি প্রভৃতি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৩৯.
ইউরিয়া থেকে উদ্ভিদ কোন খাদ্য উপাদান গ্রহণ করে?
  1. নাইট্রোজেন
  2. সালফার
  3. ফসফরাস
  4. জিংক
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
• ইউরিয়া সার: 
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া প্রধান। 
- ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে।
- এই সারে ৪০-৪৭ শতাংশ নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে। 
- এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে। 

• ইউরিয়া সারের কাজ:
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে। 
- গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে। 
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে। কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। 
- উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে। 
- এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বিসিআইসি ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২,৭৪০.
একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল কত হবে? 
  1. শূন্য
  2. অসীম
  3. ভূ-পৃষ্ঠ থেকে কম
  4. ভূ-পৃষ্ঠের সমান
সঠিক উত্তর:
অসীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসীম
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য, তাই একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল অসীম হবে। 
- একটি পূর্ণ দোলন এর জন্য সরল দোলকের যে সময় লাগে তাকে দোলনকাল বলে। 
- দোলনকাল অভিকর্ষজ ত্বরণের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৪১.
খর পানি বলতে কী বুঝায়?
  1. ক) যে পানি ঘোলা ও লবণাক্ত
  2. খ) যে পানিতে সাবানের ফেনা ভালো হয় না
  3. গ) যে পানি ঘোলা ও জোয়ারভাটা সম্পন্ন
  4. ঘ) যে পানিতে চিনির শরবত তৈরি করা যায় না
সঠিক উত্তর:
খ) যে পানিতে সাবানের ফেনা ভালো হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যে পানিতে সাবানের ফেনা ভালো হয় না
ব্যাখ্যা
যে পানি সাবানের সাথে সহজে ফেনা উৎপন্ন করে না, অনেক সাবান খরচ করার পর ফেনা উৎপন্ন করে তাকে খর পানি বলে।
খর পানিতে সাবান ফেনা না দিলেও ডিটারজেন্ট উত্তম ফেনা দেয়।
২,৭৪২.
একটি আদর্শ ফুলের কয়টি অংশ থাকে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
ফুল:
- ফুল উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদের একটি যৌন প্রজনন অঙ্গ।
- উদ্ভিদের বংশ রক্ষা ও বংশবিস্তারে সাহায্যকারী ফল ও বীজ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে পুষ্প বা ফুল বলা হয়।
- যে ফুলে পাঁচটি অংশ উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলা হয়।
- এর যে কোনো একটি অংশ না থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলা হয়। 
- এটি আবৃতবীজী উদ্ভিদে জননাঙ্গ ধারণ করে।
- একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে। যথা-
• পুষ্পাক্ষ,
• বৃতি,
• দলমন্ডল,
• পুংস্তবক,
• স্ত্রীস্তবক।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৪৩.
সৌরজগতের উৎপত্তি আজ থেকে কত বছর পুর্বে সংগঠিত হয়েছে?
  1. ক) ৪.৫ থেকে ৫ বিলিয়ন বছর
  2. খ) ৮.৫ বিলিয়ন বছর
  3. গ) ৯ বিলিয়ন বছর
  4. ঘ) ১৩.৮ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪.৫ থেকে ৫ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪.৫ থেকে ৫ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের উৎপত্তি বিগ ব্যাং এর প্রায় ৮.৫ থেকে ৯ বিলিয়ন বছর পরে এবং আজ থেকে ৪.৫ থেকে ৫ বিলিয়ন বছর পূর্বে৷ গত ১৩.৮ বিলিয়ন বছর ধরে তারকার জন্মমৃত্যু চক্রাকারে চলে আসছে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৭৪৪.
Who is the discoverer of the law governing the refraction of light?
  1. Willebrord
  2. Young
  3. Newton
  4. Galileo
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
Willebrord
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Willebrord
ব্যাখ্যা
প্রতিসরণ (Refraction): 
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
অর্থাৎ, দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে। 
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে। 

প্রতিসরণের সূত্র: 
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে। 
- ১৬২০ সালে বিজ্ঞানী স্নেল (Willebrord Snellius) সর্বপ্রথম এ সূত্র প্রকাশ করেন, তাই এ সূত্রটিকে স্নেলের সূত্রও বলা হয়। 

যেমন- 
(১) দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে। 
(২) এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব। 
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৪৫.
পরমাণুর N শেলে সর্বোচ্চ কয়টি ইলেকট্রন থাকতে পারে?
  1. 2 টি
  2. 8 টি
  3. 18 টি
  4. 32 টি
সঠিক উত্তর:
32 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
32 টি
ব্যাখ্যা
• পরমাণুর শক্তিস্তর:
- বোর মডেলে যে শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে তাকে প্রধান শক্তিস্তর বলা হয়। 
- প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2, যেখানে n = 1, 2, 3, 4 ইত্যাদি।

এ সূত্রানুসারে, 
- প্রথম বা K শক্তিস্তরের জন্য n = 1 হলে, 
- K শেল বা প্রথম শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n2 = ( 2 x 12) টি = 2 টি। 

- দ্বিতীয় বা L শক্তিস্তরের জন্য n = 2 হলে, 
- L শেল বা দ্বিতীয় শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n2 = ( 2 x 22) টি = 8 টি। 

- তৃতীয় বা M শক্তিস্তরের জন্য n = 3 হলে, 
- M শেল বা তৃতীয় শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n2 = ( 2 x 32) টি = 18 টি। 

- চতুর্থ বা N শক্তিস্তরের জন্য n = 4 হলে, 
- N শেল বা চতুর্থ শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n2 = ( 2 x 42) টি = 32 টি। 
- এভাবে প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা নির্ণয় করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৪৬.
নিচের কোনটি মনেরা কিংডম এর অন্তর্ভুক্ত? 
  1. ক) ব্যাকটেরিয়া
  2. খ) প্রোটোজোয়া 
  3. গ) শৈবাল 
  4. ঘ) ক্রাইসফাইটস
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা

হুইটেকার ১৯৬৯ সালে একটি Five Kingdom শ্রেণীবিন্যাস পদ্ধতির প্রস্তাব করেন। তিনি সমস্ত কোষীয় জীবকে পাঁচটি কিংডম এ ভাগ করেন।
কিংডম ১- মনেরা- এতে আদিকেন্দ্রিক জীব যেমন- ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কিংডম ২- Protista- প্রোটোজোয়া, ক্রাইসোফাইটস কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কিংডম ৩- Plantae- এতে সবুজ শৈবাল, বাদামী শৈবাল, লোহিত শৈবাল, ব্রায়ফাইটস ইত্যাদিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
কিংডম ৪- Fungi- ট্রু ফানজাই, কাইট্রিডিসকে রাখা হয়েছে।
কিংডম ৫ - Animalia- এতে সকল বহুকোষী প্রাণীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, জীববিজ্ঞান ১ম পত্র

২,৭৪৭.
নিচের কোনটিকে জীব ও জড়ের সেতুর সেতুবন্ধন বলে?
  1. ক) ব্যাকটেরিয়া
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) ছত্রাক
  4. ঘ) অ্যামিবা
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাইরাস
ব্যাখ্যা
প্রাণ-রসায়নবিদগণ ভাইরাসের জড়-বৈশিষ্ট্যসমূহকে প্রাধান্য দেন, আর অনুজীব বিজ্ঞানিগণ ভাইরাসের জীব-বৈশিষ্ট্যসমূহকে প্রাধান্য দেন। এজন্য ভাইরাসকে জীব ও জড়ের সেতুবন্ধন বলে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
২,৭৪৮.
রক্ত কোন ধরনের টিস্যু? 
  1. স্নায়ু টিস্যু 
  2. পেশী টিস্যু 
  3. তরল যোজক টিস্যু 
  4. আবরণী টিস্যু 
সঠিক উত্তর:
তরল যোজক টিস্যু 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল যোজক টিস্যু 
ব্যাখ্যা

রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক টিস্যু। 
- ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়। 
- উষ্ণ রক্তবাহী প্রাণীর দেহে রক্ত তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে। 
- রক্তের উপাদান দুটি- রক্তরস (55%) এবং রক্তকোষ (45%)। 

- রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ, এর রং ঈষৎ হলুদাভ। এর প্রায় 91-92% অংশ পানি এবং ৪-9% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। এসব রক্তরসের ভিতর বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন এবং বর্জ্য পদার্থ থাকে। 

- রক্তকোষ তিন ধরনের, যথা- লোহিত রক্তকোষ (Erythrocyte বা Red blood cells বা RBC), শ্বেত রক্তকোষ (Leukocyte বা white blood cells বা WBC) এবং অণুচক্রিকা (Thrombocytes বা Blood platelet)। 
- লোহিত রক্তকোষ হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে, যার জন্য রক্ত লাল হয়। হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেন পরিবহন করে। 
- শ্বেত রক্তকোষ জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়। মানবদেহে বেশ কয়েক ধরনের শ্বেত রক্তকোষ থাকে। 
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধায় অংশ নেয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭৪৯.
DNA-এর ডাবল হেলিক্স মডেলের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন কে?
  1. ওয়াটসন
  2. চার্লস ডারউইন
  3. গ্রেগর মেন্ডেল
  4. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
সঠিক উত্তর:
ওয়াটসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াটসন
ব্যাখ্যা

জেমস ডি. ওয়াটসন (James D. Watson) এবং ফ্রান্সিস ক্রিক (Francis Crick) ১৯৫৩ সালে DNA-এর ডাবল হেলিক্স গঠন আবিষ্কার করেন।
- এই আবিষ্কারের মাধ্যমে জিনের তথ্য সংরক্ষণ ও প্রজনন প্রক্রিয়া বোঝা সম্ভব হয়।
- ১৯৬২ সালে নোবেল পুরস্কার ওয়াটসন, ক্রিক ও মরিস উইলকিনস কে দেয়া হয় Physiology or Medicine ক্ষেত্রে।

অপরদিকে,
চার্লস ডারউইন: বিবর্তন তত্ত্ব আবিষ্কার করেছিলেন।
গ্রেগর মেন্ডেল: বীজানুতত্ত্বের (Genetics) মৌলিক নিয়ম আবিষ্কার করেছিলেন।
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং: পেনিসিলিন আবিষ্কার করেছিলেন।

তথ্যসূত্র:NCTB জীববিজ্ঞান বই, Britannica: [লিংক]

২,৭৫০.
Natural protien এর কোড নাম -
  1. Protien P-53
  2. Protien-51
  3. Protien P-49
  4. Protien-54
সঠিক উত্তর:
Protien P-49
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Protien P-49
ব্যাখ্যা
- অ্যামিনো এসিডের পলিমারকে প্রোটিন বা আমিষ বলে। 
-  প্রোটিন মূলত উচ্চ ভর বিশিষ্ট নাইট্রোজেন যুক্ত জটিল যৌগ যা অ্যামিনো অ্যাসিডের পলিমার। 
- এটি একটি পেপটাইড যৌগ। 
- ন্যাচারাল প্রোটিনের কোড নাম P-49 যা একটি জটিল জৈব যৌগ। 
- এটি দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। 
২,৭৫১.
নিচের কোনটি ভুল?
  1. পতঙ্গ পরাগী ফুল: সরিষা
  2. বায়ু পরাগী ফুল: শিমুল
  3. পানি পরাগী ফুল: পাতাশেওলা
  4. প্রাণি পরাগী ফুল: কদম
সঠিক উত্তর:
বায়ু পরাগী ফুল: শিমুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু পরাগী ফুল: শিমুল
ব্যাখ্যা
পতঙ্গ পরাগী ফুল:
পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গিন ও মধু গ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুণ্ড আঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়। যেমন: 
- জবা,
- কুমড়া, 
- সরিষা ইত্যাদি।

বায়ু পরাগী ফুল:
বায়ু পরাগী ফুল হালকা ও মধুগ্রন্থিহীন। এসব ফুলের সুগন্ধ নেই। এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে। যেমন:
- ধান, 
- গম,
- ভুট্টা ইত্যাদি। 

পানি পরাগী ফুল:
পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই। যেমন:
- পাতাশেওলা।

প্রাণি পরাগী ফুল :
প্রাণীপরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে। যেমন:
- কদম,
- শিমুল,
- কচু ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২,৭৫২.
মৃৎক্ষার ধাতু কোনটি?
  1. Mg
  2. Rb
  3. Na
  4. Li
সঠিক উত্তর:
Mg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mg
ব্যাখ্যা
মৃৎক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে গ্রুপ-2 এ অবস্থিত মৌলগুলোকে মৃৎক্ষার ধাতু (alkaline earth metal) বলা হয়। 
যেমন- Be, Mg, Ca, Sr প্রত্যেকেই মৃৎক্ষার ধাতু। 
- এরাও ক্ষার ধাতুর মতো তড়িৎ ধনাত্মক মৌল, দুটি করে ইলেকট্রনকে দান করে দ্বিধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
- অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সাইড যৌগ গঠন করে, এদের অক্সাইড সমূহ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ক্ষারীয় দ্রবন উৎপন্ন করে। 
- মৃৎক্ষার ধাতুর মৌলগুলো বিভিন্ন যৌগ হিসেবে মাটিতে থাকে বলে এদের এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 

ক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেন ব্যতীত গ্রুপ-1 এ অবস্থিত মৌলসমূহকে ক্ষার ধাতু (alkali metal) বলা হয়। 
যেমন- Li, Na, K, Rb এর প্রত্যেকেই ক্ষার ধাতু। 
- এদের বিশেষ ধর্ম হলো এরা প্রত্যেকেই পানির সাথে বিক্রিয়া করে হাইড্রোজেন গ্যাস ও ক্ষার উৎপন্ন করে থাকে। 
- এরা প্রত্যেকেই একটি মাত্র ইলেকট্রনকে দান করে ধনাত্মক একযোজী আয়নে পরিণত হয় এবং আয়নিক বন্ধনের মাধ্যমে যৌগ গঠন করে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৫৩.
নিম্নের কোনটি আদি কোষ নয়?
  1. ক) ব্যাকটেরিয়া
  2. খ) সায়ানোব্যাকটেরিয়া
  3. গ) নীলাভ সবুজ শৈবাল
  4. ঘ) মানব দেহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) মানব দেহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মানব দেহ
ব্যাখ্যা

অপশনটা হবে, মানব দেহের কোষ বা জীব কোষ। যাইহোক, উত্তর ঠিক আছে।
আদিকোষঃ
এ ধরনের কোষে কোনাে সুগঠিত নিউক্লিয়াস (nucleus) থাকে না। এ জন্য এদের আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষও বলা হয়।
এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবােজোম থাকে।
ক্রোমােজোমে কেবল DNA থাকে।
নীলাভ সবুজ শৈবাল বা ব্যাকটেরিয়ায় এ ধরনের কোষ পাওয়া যায়।

প্রকৃত কোষ বা সুকেন্দ্রিক কোষ (Eukaryotic cell):
এসব কোষের নিউক্লিয়াস সুগঠিত। অর্থাৎ নিউক্লিয়ার ঝিল্লি (nuclear membrane) দিয়ে নিউক্লিও-বস্তু পরিবেষ্টিত ও সুসংগঠিত।
এসব কোষে রাইবােজোমসহ সকল অঙ্গাণু উপস্থিত থাকে। ক্রোমােজোমে DNA, প্রােটিন, হিস্টোন এবং অন্যান্য উপাদান থাকে। অধিকাংশ জীবকোষ এ ধরনের হয়।

২,৭৫৪.
9.8 N ওজনের কোনো বস্তুর চন্দ্রে ওজন কত?
  1. ক) 19.6N
  2. খ) 16N
  3. গ) 7.8N
  4. ঘ) 1.63N
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1.63N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1.63N
ব্যাখ্যা
চাঁদে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর ছয় ভাগের এক ভাগ। 9.8 N ওজনের কোনো বস্তুর চাঁদে ওজন 9.8N/6 = 1.63N
২,৭৫৫.
ট্রিপসিন এনজাইম কাজ করে কীসের উপর?
  1. ক) লিপিড
  2. খ) চর্বি
  3. গ) কার্বোহাইড্রেট
  4. ঘ) আমিষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিষ
ব্যাখ্যা
ট্রিপসিন এনজাইম সবসময় শুধু আমিষের উপর কাজ করে৷
উৎসঃ সপ্তম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৭৫৬.
সেলুলোজ থেকে কোনটি প্রস্তুত করা হয়?
  1. ক) তুলা
  2. খ) রেশম
  3. গ) রেয়ন
  4. ঘ) পশম
সঠিক উত্তর:
গ) রেয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রেয়ন
ব্যাখ্যা
রেয়ন
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রাকৃতিক উদ্ভিজ সেলুলোজ থেকে রেয়ন প্রস্তুত করা হয়। 
- কৃত্রিম তন্তুর মধ্যে রেয়ন হলো প্রথম ও প্রধান তন্তু। 
- রেয়ন বস্ত্র মোটামুটি টেকসই হলেও বেশ সুন্দর, উজ্জ্বল, অভিজাত ও মনোরম।
- অধিক তাপে রেয়ন গলে যায়। তাই রেয়ন বস্ত্র কম তাপে সতর্কতার সাথে ইস্ত্রি করা উচিত। 
- রেয়ন তৈরির উপজাত পরিবেশের জন্য হুমকি। রেয়ন শিল্পে পরিবেশ বান্ধব প্রস্তুতি নিতে হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৫৭.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে হিগের কণার অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়েছে?
  1. ক) ক্রলার ট্রান্সপোর্টার
  2. খ) লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার
  3. গ) স্মল হ্যাড্রন কলাইডার
  4. ঘ) ন্যাশনাল ইগনিশন ফ্যাসিলিটি
সঠিক উত্তর:
খ) লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার
ব্যাখ্যা
লার্জ হ্যাড্রন কলাইডার যন্ত্রের সাহায্যে ২০১৩ সালে হিগসের কণার অস্তিত্ব ধরা পড়ে৷ এই কণাকে ঈশ্বর কণা বলে অভিহিত করা হয়।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৭৫৮.
লোহা, কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে কোন সংকর ধাতু প্রস্তুত করা হয়?
  1. পিতল
  2. কাঁসা
  3. ডুরালুমিন
  4. মরিচাবিহীন ইস্পাত
সঠিক উত্তর:
মরিচাবিহীন ইস্পাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরিচাবিহীন ইস্পাত
ব্যাখ্যা

• মরিচাবিহীন ইস্পাত লোহা, কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে প্রস্তুত করা হয় এবং এটি মরিচা প্রতিরোধী ও অধিক টেকসই।

• সংকর ধাতু:
- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়।
- একাধিক ধাতুকে গলিত অবস্থায় মিশ্রিত করে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়।
- সাধারণ বিশুদ্ধ ধাতুর অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়।
- যেমন—বিশুদ্ধ স্বর্ণ নরম হওয়ায় গহনা তৈরির উপযোগী নয়, তাই স্বর্ণের সাথে সামান্য পরিমাণ রূপা মিশিয়ে গহনা তৈরি করা হয়।
- আবার লোহার সাথে কার্বন, নিকেল ও ক্রোমিয়াম মিশিয়ে মরিচাবিহীন স্টিল প্রস্তুত করা হয়, যা লোহার তুলনায় অধিক শক্ত ও টেকসই।

• উল্লেখযোগ্য সংকর ধাতু ও ব্যবহার:
- ইস্পাত → লোহা ৯৯%, কার্বন ১%; ব্যবহার—যানবাহনের যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিন, ছুরি, কাঁচি, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি।
- মরিচাবিহীন ইস্পাত → লোহা ৭৪%, ক্রোমিয়াম ১৮%, নিকেল ৮%; ব্যবহার—যন্ত্রাংশ ও ইঞ্জিন, ছুরি, কাঁচি, অস্ত্রোপচারের যন্ত্রপাতি ইত্যাদি।
- পিতল (ব্রাস) → তামা ৬৫%, জিঙ্ক ৩৫%; ব্যবহার—অলংকার, বৈদ্যুতিক সুইচ, দরজার হাতল, পাত্র ইত্যাদি।
- কাঁসা (ব্রোঞ্জ) → তামা ৯০%, টিন ১০%; ব্যবহার—যন্ত্রাংশ, ঘণ্টা, তৈজসপত্র ইত্যাদি।
- ডুরালুমিন → অ্যালুমিনিয়াম ৯৫%, কপার ৪%, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম ও লোহা ১%; ব্যবহার—উড়োজাহাজের কাঠামো, বাইসাইকেলের যন্ত্রাংশ ইত্যাদি।
- স্বর্ণ → ২৪ ক্যারেটে ১০০% স্বর্ণ; ২১ ক্যারেটে ৮৭.৫% স্বর্ণ ও ১২.৫% অন্যান্য ধাতু; ২২ ক্যারেটে ৯১.৬৭% স্বর্ণ ও ৮.৩৩% অন্যান্য ধাতু; ব্যবহার—অলংকার প্রস্তুতিতে।

• অন্যান্য অপশন:
- পিতল → তামা ও জিঙ্কের সংকর ধাতু।
- কাঁসা → তামা ও টিনের সংকর ধাতু।
- ডুরালুমিন → অ্যালুমিনিয়ামভিত্তিক সংকর ধাতু, উড়োজাহাজ নির্মাণে ব্যবহৃত।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৫৯.
ইউরিয়া সার ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. শাকসব্জির স্বাদ বৃদ্ধি করা
  2. গাছের কাণ্ডকে শক্ত করা
  3. গাছকে সবুজ ও সতেজ করা
  4. গাছের পোকামাকড় রোধ করা
সঠিক উত্তর:
গাছকে সবুজ ও সতেজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাছকে সবুজ ও সতেজ করা
ব্যাখ্যা

• ইউরিয়া সার ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো গাছকে সবুজ ও সতেজ করা, অর্থাৎ সঠিক উত্তর গ)। ইউরিয়া সারে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে, যা উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। নাইট্রোজেন গাছের পাতার ক্লোরোফিল তৈরিতে সহায়তা করে, ফলে গাছ সবুজ রঙ ধারণ করে এবং খাদ্য তৈরির প্রক্রিয়া ভালোভাবে সম্পন্ন হয়। এর ফলে গাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়, পাতার আকার বড় হয় এবং সামগ্রিকভাবে গাছ সুস্থ ও সতেজ থাকে। তবে অতিরিক্ত ইউরিয়া ব্যবহার গাছ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাই সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করা জরুরি।

ইউরিয়া সার: 
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া প্রধান। 
- নাইট্রোজেনজাতীয় সারের মধ্যে ইউরিয়াতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে। 
- গৃহপালিত পশুর মূত্রে ইউরিয়া থাকে এবং মাটি এ উৎস থেকেও ইউরিয়া পায়। 
- ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন প্রধানত লাভ করে। 
- এই সারে ৪০-৪৭ শতাংশ নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে। 
- এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে। 
- তাছাড়া গাছে নাইট্রোজেনের অভাজনিত লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে ইউরিয়ার দ্রবণ তৈরি করে সিঞ্চন যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি উদ্ভিদের পাতায় প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ পত্র - রন্ধ্রের মাধ্যমে ইউরিয়া পরিশোষণ করতে পারে। 
- ইউরিয়া সারের প্রধান কাজ হচ্ছে রোগাক্রান্ত ও বিনষ্ট শিকড়যুক্ত উদ্ভিদ সতেজ হয়ে যায়। 

উৎস:
- উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বিসিআইসি ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

২,৭৬০.
কোনটির পুষ্পায়নে আলোর প্রভাব নেই?
  1. ভুট্টা
  2. সয়াবিন
  3. টমেটো
  4. শিম
সঠিক উত্তর:
টমেটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমেটো
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদে আলো-অন্ধকারের ছন্দকে বায়োলজিক্যাল ক্লক বলা হয়। 
- উদ্ভিদের আলো-অন্ধকারের ছন্দের উপর ভিত্তি করে পুষ্পধারী উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। স্বল্প দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ: 
- যে সব উদ্ভিদে পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ৮-১২ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন। 
যেমন- সয়াবিন, আলু, ইক্ষু, তামাক, শিম, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া ইত্যাদি। 

২। দীর্ঘ দিবা দৈর্ঘ্যের উদ্ভিদ: 
- পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ১২-১৬ ঘণ্টা আলো প্রয়োজন হয়। 
যেমন- পালংশাক, আফিম, ভুট্টা, যব, লেটুস, ঝিঙা ইত্যাদি। 

৩। আলোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ: 
- পুষ্পায়নে আলো কোনও প্রভাব ফেলে না। 
যেমন- টমেটো, কার্পাস, আউশ ধান, শসা, সূর্যমুখী ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৬১.
ক্যাথোড রশ্মি মূলত প্রবাহ কীসের প্রবাহ?
  1. ক) পজিট্রন
  2. খ) প্রোটন
  3. গ) নিউট্রন
  4. ঘ) ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
- ক্যাথোড থেকে নির্গত এক প্রকার অতিক্ষুদ্র কণিকা নলের দেয়ালের গায়ে ধাক্কা খাওয়ার ফলে প্রতিপ্রভার সৃষ্টি হয়।
- ক্যাথোড থেকে নির্গত হয় বলেই এই অতিক্ষুদ্র কণিকার স্রোতকে ক্যাথোড রশ্মি বলে। 
- ক্যাথোড রশ্মি “ইলেকট্রন”- এর প্রবাহ ছাড়া অন্য কিছু নয় ।
- জার্মানীর বিজ্ঞানী প্রফেসর উইলিয়াম রঞ্জন (Wilhelm Roentgen) ক্ষরণ নলে ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় ১৮৯৫ খ্রিস্টাব্দে আকস্মিক ভাবে এক্সরে আবিষ্কার করেন।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৭৬২.
ব্যাকটেরিয়ার কোষে নিচের কোনটি উপস্থিত থাকে?
  1. মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. রাইবোজোম 
  3. প্লাস্টিড
  4. নিউক্লিওলাস
সঠিক উত্তর:
রাইবোজোম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইবোজোম 
ব্যাখ্যা

• ব্যাকটেরিয়া হলো প্রোকারিওটিক বা আদিঘোষী জীব। আদিঘোষী কোষে কোনো ঝিল্লিবেষ্টিত বা পর্দাঘেরা অঙ্গাণু থাকে না।
- রাইবোজোম হলো একটি ঝিল্লিহীন অঙ্গাণু যা প্রোটিন সংশ্লেষণের কাজে নিয়োজিত এবং এটি ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় থাকে।

• আদিকোষ:
- ব্যাকটেরিয়াতে আদিকোষ থাকে।
- এ ধরনের কোষে কোনাে সুগঠিত নিউক্লিয়াস (nucleus) থাকে না। এ জন্য এদের আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষও বলা হয়।
- এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবােজোম/ক্রোমাটিন বস্তু উপস্থিত থাকে।
- ক্রোমােজোমে কেবল DNA থাকে।
- ব্যাকটেরিয়ার কোষে রাইবোজোম উপস্থিত।
- ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব।

• এর সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে:
১. ব্যাকটেরিয়ার আকার সাধারণত ০.২-৫০ মাইক্রোমিটার।
২. এরা আণুবীক্ষণিক জীব ।
৩. এরা এককোষী, তবে একসাথে অনেকগুলো কোষ কলোনি করে বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে ।
৪. এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক। তাই এদের কোষে রাইবোজোম ছাড়া অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্রিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোক্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৬৩.
নিচের কোন শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না?
  1. জলবিদ্যুৎ
  2. বায়োগ্যাস
  3. কয়লা
  4. ভূতাপীয় শক্তি
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা
- 'কয়লা' একটি অনবায়নযোগ্য শক্তি, যার কারণে তা পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 

শক্তির উৎস: 

- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
i) নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং 
ii) অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

নবায়নযোগ্য শক্তি: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হলো - 
• সৌর শক্তি, 
• জলবিদ্যুৎ, 
• বায়ু বিদ্যুৎ, 
• বায়োগ্যাস, 
• ভূতাপীয় শক্তি। 

অনবায়নযোগ্য শক্তি: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনাবয়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হলো - 
কয়লা
• খনিজ তেল, 
• প্রাকৃতিক গ্যাস, 
• নিউক্লিয় শক্তি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৬৪.
নিউক্লিয় বিক্রিয়ার সময় নিউক্লিয়াসকে আঘাত করা হয় সাধারণত কোনটি দ্বারা?
  1. প্রোটন
  2. ইলেকট্রন
  3. পজিট্রন
  4. নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন
ব্যাখ্যা

- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার সময় নিউক্লিয়াসকে আঘাত করা হয় সাধারণত নিউট্রন দ্বারা।

- নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া:
- যে বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে তাকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে।
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় পরমাণুর বা আয়নের সর্ববহিস্থ শক্তিস্তর থেকে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে।
- নিউক্লিয়াসের কোনো পরিবর্তন হয় না।
- কিন্তু নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে।

- নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া:
- যে নিউক্লিয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো বড় এবং ভারী মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙে ছোট ছোট মৌলের নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া বলে।
- এর সাথে নিউট্রন আর প্রচুর (Fission) পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- স্বল্পগতির নিউট্রন দিয়ে   23592U কে আঘাত করলে নিউক্লিয়াসটি প্রায় দুটি সমান অংশে বিভক্ত হয়ে   14156Ba ও  9236Kr এর নিউক্লিয়াস ও তিনটি নিউট্রন  10n  ও তার সাথে প্রচুর পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়।
 
উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

২,৭৬৫.
নিচের কোনটি পদার্থ? 
  1. বিদ্যুৎ 
  2. তাপ 
  3. আলো 
  4. বাতাস 
সঠিক উত্তর:
বাতাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাস 
ব্যাখ্যা

পদার্থ: 
- দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বস্তু যেমন: বই, খাতা, কলম, চেয়ার টেবিল, বাতাস, পানি, বরফ, জলীয় বাষ্প, তেল, দুধ, কেরোসিন, তরল পানীয়, সোডা ওয়াটার ইত্যাদি সবই পদার্থ। 
- পদার্থের ভর আছে, জায়গা দখল করে এবং জড়তা আছে। 
- পদার্থ সাধারণত তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যেমন: কঠিন, তরল ও বায়বীয়। 
- বাতাস হচ্ছে একটি মিশ্র পদার্থ যা পদার্থের তিন অবস্থায় রূপান্তর ঘটে। 
১। কঠিন পদার্থ: 
- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি। 

২। তরল পদার্থ: 
- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি। 

৩। বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ: 
- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- তাপ, বিদ্যুৎ ও আলো হচ্ছে এক ধরনের শক্তি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৬৬.
ক্রোমোসোমে একটি নির্দিষ্ট জিনের অবস্থানকে কী বলা হয়? 
  1. অ্যালিল
  2. ফিনোটাইপ
  3. লোকাস
  4. জেনোটাইপ
সঠিক উত্তর:
লোকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোকাস
ব্যাখ্যা
জেনেটিক্সে ব্যবহৃত কয়েকটি প্রয়োজনীয় সংজ্ঞা: 
জিন (Gene): 
- উইলহেম জোহানসেন (গ্রিক genes-born) ১৯০৯ খিস্টাব্দে জিন শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে মেন্ডেল এর অনুমানকৃত জীবের বৈশিষ্ট্য নির্ধারক বস্তুটি হলো এলিমেন্টিস বা ফ্যাক্টর (elementes or factor) যা পরবর্তীকালে জিন নামে অভিহিত হয়। 
- জিন হচ্ছে বংশগতির মৌলিক একক এবং এরা বংশ পরম্পরায় সঞ্চারিত হয়ে বংশগতিধারা অব্যাহত রাখে। 
- জিন হচ্ছে পলিপেপটাইড সংশ্লেষের জন্য সংকেত প্রদানকারী DNA অণুর অংশ বিশেষ। 

লোকাস: 
- ক্রোমোসোমে একটি নির্দিষ্ট জিনের অবস্থানকে লোকাস বলা হয়। 

অ্যালিল: 
- ক্রোমোসোমের একই লোকাসে অবস্থানকারী জিনগুলোকে পরস্পরের অ্যালিল বলা হয়। 
- জিনগুলোর একত্রে অবস্থান করাকে অ্যালিলোমর্ফ বলে। 

জেনোটাইপ: 
- জীবদেহের দৃশ্যমান অথবা সুপ্ত বেশিষ্ট্যগুলোর নিয়ন্ত্রক জিনসমূহের গঠনকে জেনোটাইপ বলে। 

ফিনোটাইপ: 
- জীবদেহের দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্যসমূহকে ফিনোটাইপ বলে। 
- ফিনোটাইপ প্রকৃতপক্ষে জিনোটাইপের জিনসমূহের বাহ্যিক প্রকাশ। 
- মেন্ডেলের বংশগতির প্রথম সূত্রের ফিনোটাইপিক অনুপাত ৩ : ১ এবং দ্বিতীয় সূত্রের ফিনোটাইপিক অনুপাত ৯ : ৩ : ৩ : ১। 

হোমোজাইগাস জীব: 
- জীবে একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য দায়ী জিন জোড়া একই রকমের (উভয় জিনই প্রকট বা প্রচ্ছন্ন) হলে তাকে হোমোজাইগাস জীব বলে। 

হেটারোজাইগাস জীব: 
- জিন জোড়া ভিন্ন রকমের হলে সে জীবকে হেটারোজাইগাস জীব বলে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৬৭.
পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন কোনটি? 
  1. vit - A
  2. vit - K
  3. vit - C
  4. vit - D
সঠিক উত্তর:
vit - C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
vit - C
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) vit - C

ভিটামিন শোষণ (Absorption of Vitamins):

• চর্বিতে দ্রবীভূত ভিটামিন
- চর্বিতে দ্রবীভূত ভিটামিন গুলো হচ্ছে A, D, E, K।
- এগুলো ক্ষুদ্রান্ত্রের ভিলাইয়ে শোষিত হয়।
- সাধারণ পিত্তলবণ এ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।

• পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন
- পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন C ও কয়েক প্রকার B ভিটামিন।
- ব্যাপন ও সক্রিয় শোষণ প্রক্রিয়ায় ক্ষুদ্রান্ত্রের ইলিয়াম অংশে শোষিত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)। 

২,৭৬৮.
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্রে বলের মান কোন বিষয়গুলোর উপর নির্ভর করে? 
  1. মাধ্যমের ধরন ও তড়িৎ প্রবাহ
  2. কণাদ্বয়ের আয়তন ও তাপমাত্রা
  3. কণাদ্বয়ের আকার ও তাদের রঙ
  4. কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব
সঠিক উত্তর:
কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণাদ্বয়ের ভর ও মধ্যবর্তী দূরত্ব
ব্যাখ্যা

মহাকর্ষ: 
- লাফ দিয়ে উপরের দিকে উঠতে চাইলে বেশি দূর উঠা যায় না, আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে; এমনকি গাছের ফল মাটিতে পড়ে বা ক্রিকেট বলকে উপরের দিকে ছুড়ে দিলে মাটিতে পড়ে কারণ পৃথিবী সবকিছুকে তার নিজের দিকে টানে বা আকর্ষণ করে। 
অর্থাৎ, পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। 
- শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। 
- এ বিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল তাই মহাকর্ষ বল। 

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র: 
- দুটি বস্তুকণার মধ্যকার এ আকর্ষণ বলের মান শুধু কণাদ্বয়ের ভর এবং এদের মধ্যকার দূরত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এদের প্রকৃতি কিংবা মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে না। 
- বস্তু কণাদ্বয়ের ভর বেশি হলে আকর্ষণ বলও বেশি হয় আর তাদের মধ্যে দূরত্ব বেশি হলে বল কম হয়। 
- এ আকর্ষণ সম্পর্কে নিউটনের একটি সূত্র আছে যা নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র নামে পরিচিত। 
সূত্র: 
- মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এ বল বস্তুকণাদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

২,৭৬৯.
মানব দেহের রক্তের গ্রুপিংয়ের জন্য দায়ী হচ্ছে:
  1. লোহিত রক্ত কণিকা
  2. বিলিভার্জিন
  3. এন্টিবডি
  4. অ্যান্টিজেন
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিজেন
ব্যাখ্যা
[রক্তের গ্রুপ নির্ধারণের ক্ষেত্রে অ্যান্টিজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ এগুলি রক্তের লোহিত রক্ত কণিকার উপর উপস্থিত থাকে এবং এন্টিবডির সাথে প্রতিক্রিয়া করে। বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতি রক্তের গ্রুপ যেমন A, B, AB, বা O নির্ধারণ করে।]

- মানুষের লোহিত রক্ত কণিকায় 'A' এবং 'B' নামক দু'ধরনের অ্যান্টিজেন (Antigen) এবং রক্ত রসে 'a' ও 'b' দু'ধরনের অ্যান্টিবডি (Antibodies) থাকে।
- অ্যান্টিজেন এক প্রকারের পদার্থ যা কোন জীবদেহে প্রবেশ করানোর ফলে ঐ জীবদেহে অ্যান্টিবডি তৈরি হয় এবং অ্যান্টিবডি হলো এক প্রকারের পদার্থ যা জীবদেহে রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে।
- অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে মানুষের রক্তকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা হয় যাকে রক্তের গ্রুপ বলে।
- বিজ্ঞানী কার্লল্যান্ড স্টেইনার ১৯০১ সালে মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করে তা 'A', 'B', 'O' এবং ‘AB' এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন।
- আজীবন মানুষের রক্তের গ্রুপ একই রকম থাকে যা পরিবর্তন হয় না।
- অতএব রক্তে বিভিন্ন অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে রক্তের গ্রুপকে চিহ্নিত করা যায়।
- নিম্নের ছকে রক্তের গ্রুপের অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেনের উপস্থিতি দেখানো হলো -

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৭০.
কোন উদ্ভিদে ব্যক্তবীজী এবং গুপ্তবীজী দুই ধরনের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যই দেখা যায়?
  1. ক) নিটাম
  2. খ) আম
  3. গ) সাইকাস
  4. ঘ) মেহগনি
সঠিক উত্তর:
ক) নিটাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিটাম
ব্যাখ্যা
সংযোগকারী জীব (Connecting Link)
- জীবজগতে যাদের মধ্যে দুটি জীবগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান রয়েছে তাদেরকে সংযোগকারী জীব (Connecting link) বলা হয়।
- উদাহরণ:  প্লাটিপাস।
- প্লাটিপাসের মধ্যে সরীসৃপ এবং স্তন্যপায়ী দুই ধরনের প্রাণীরই বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
- প্লাটিপাস সরীসৃপের মতো ডিম পাড়ে।
- অপরদিকে স্তন্যপায়ীর মতো এদের শরীর লোমে ঢাকা, বুকে রয়েছে দুগ্ধগ্রন্থি।
- শুধু তা-ই নয়, এদের ডিম ফুটে শাবক জন্মালে এরা শাবককে স্তন্য পান করায়।
- সংযোগকারী প্রাণীদের অধিকাংশই পৃথিবীর পরিবর্তনের সাথে কার্যকরীভাবে অভিযোজিত হতে সক্ষম না হওয়ায় ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। 
- এছাড়া, Gnetum (নিটাম) নামক গুপ্তবীজী উদ্ভিদে ব্যক্তবীজী এবং গুপ্তবীজী দুই ধরনের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যই দেখা যায়।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৭১.
চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপিত কোনো চৌম্বক পদার্থের চৌম্বক আবেশ ও চৌম্বক তীব্রতার অনুপাতকে বলা হয় -
  1. চৌম্বক প্রাবল্য
  2. চৌম্বক প্রবেশ্যতা
  3. চৌম্বক গ্রাহিতা
  4. চৌম্বক প্রবণতা
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক প্রবেশ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক প্রবেশ্যতা
ব্যাখ্যা
♦ চৌম্বক প্রবেশ্যতা (Magnetic permeability): 
- চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপিত কোনো চৌম্বক পদার্থের চৌম্বক আবেশ (B) ও চৌম্বক তীব্রতা (H) এর অনুাতকে ঐ পদার্থের চৌম্বক প্রবশ্যেতা বলে।
- একে μ (মিউ) দ্বারা প্রকাশ করা হয় 

- এর একক TmA-1

♦ চৌম্বক প্রাবল্য (Magnetic Intensity): 
- চৌম্বকক্ষেত্রের কোনো চৌম্বক আবেশ এবং চৌম্বক প্রবেশ্যতার অনুপাতকে চৌম্বক প্রাবল্য বা তীব্রতা বলে ।
- একে H দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
এর একক Am-1

চৌম্বক গ্রাহিতা বা প্রবণতা (Magnetic susceptibiliby): 
- কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকায়ন তীব্রতা (I) এবং চৌম্বক তীব্রতা (H) এর অনুপাতকে চৌম্বক গ্রাহিতা বা প্রবণতা বলে । 
- এটি একটি এককবিহীন রাশি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৭২.
মানুষের হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের প্রসারণকে বলে-
  1. সিস্টোল
  2. স্ফিগমোম্যানোমিটার
  3. পেরিকার্ডিয়াম
  4. ডায়াস্টোল
সঠিক উত্তর:
ডায়াস্টোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াস্টোল
ব্যাখ্যা
মানুষের হৃৎপিণ্ড (Heart): 

• একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে প্রতি মিনিটে হৃৎপিণ্ড সংকুচিত ও প্রসারিত হয় ৭০ থেকে ৮০ বার এবং গড় হিসাবে ৭৫ বার। (হৃদচক্রের হার- ০.৮ সেকেন্ড)
• পূর্ণ বয়স্ক মানুষের হৃৎপিণ্ডের ওজন প্রায় ২৫০-৩৫০ গ্রাম।
• হৃৎপিণ্ড ৩ স্তর বিশিষ্ট পেশি দ্বারা গঠিত। যথা: এপিকার্ডিয়াম, মায়োকার্ডিয়াম এবং এন্ডোকার্ডিয়াম।
• পেরিকার্ডিয়াম নামের পর্দার/ ঝিল্লির আবরণে ঢাকা থাকে পুরো হৃৎপিণ্ড।
• মানুষের হৃৎপিণ্ডে প্রকোষ্ঠের সংখ্যা চারটি।
• হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের প্রসারণকে বলে- ডায়াস্টোল এবং সংকোচনকে বলে- সিস্টোল।

• প্রবাহমান রক্ত রক্তনালীর গায়ে যে পার্শ্বচাপ দেয় তাকে রক্তচাপ বলে। রক্তচাপ ২ প্রকার। যথা:
১. সিস্টোলিক রক্তচাপ (১১০-১৪০ মি.মি. পারদ)
২. ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ (৬০-৯০ মি.মি. পারদ)

• একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তির সিস্টোলিক চাপ ১২০ মি.মি. পারদ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ ৮০ মি.মি. পারদ। একে ১২০/৮০ রূপে প্রকাশ করা হয়।
• মানবদেহের রক্তচাপ (Blood Pressure) নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম- স্ফিগমোম্যানোমিটার।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
২,৭৭৩.
নিচের কোন অবস্থায় ট্রান্সফরমার কাজ করবে না?
  1. যখন AC কারেন্ট প্রাইমারি কয়েলে দেওয়া হয়
  2. যখন কয়েল দুটি চৌম্বকীয় কোরের উপর আবৃত থাকে
  3. যখন DC কারেন্ট প্রাইমারি কয়েলে দেওয়া হয়
  4. যখন সেকেন্ডারি কয়েল লোডের সঙ্গে যুক্ত থাকে
সঠিক উত্তর:
যখন DC কারেন্ট প্রাইমারি কয়েলে দেওয়া হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন DC কারেন্ট প্রাইমারি কয়েলে দেওয়া হয়
ব্যাখ্যা

• ট্রান্সফরমার (Transformer):
- ট্রান্সফরমার হলো একটি ইলেকট্রিক ডিভাইস যা AC ভোল্টেজকে অন্য ভোল্টেজে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
- এর মূল উপাদান হলো দুটি কয়েল: প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি , যা সাধারণত একটি লৌহ বা ফেরাইট কোরের চারপাশে আবৃত থাকে।

• কাজের মূল নীতি:
- ট্রান্সফরমারের কাজ ফ্যারাডে’র ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন-এর উপর নির্ভর করে।
- সেকেন্ডারি ভোল্টেজ তৈরি হয় প্রাইমারি কয়েলের পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র (dΦ/dt) থেকে।
- AC কারেন্ট প্রাইমারি কয়েলে পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে, তাই ট্রান্সফরমার কাজ করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।

২,৭৭৪.
NASA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. National Aeronautics and Space Agency
  2. North American Space Administration
  3. National Aeronautics and Space Administration
  4. National Aerospace Space Agency
সঠিক উত্তর:
National Aeronautics and Space Administration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Aeronautics and Space Administration
ব্যাখ্যা

NASA:
- NASA মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
- NASA-এর পূর্ণরূপ হলো: National Aeronautics and Space Administration.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৮।
- বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু: ১ অক্টোবর, ১৯৫৮।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা হিসেবে মহাকাশ গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি উন্নয়ন, এবং মহাকাশ অনুসন্ধানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।

২,৭৭৫.
কোন ধরনের ভিটামিন দাঁত ও হাড়ের জন্য প্রয়োজন?
  1. ক) ভিটামিন এ
  2. খ) ভিটামিন বি
  3. গ) ভিটামিন সি
  4. ঘ) ভিটামিন ডি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন ডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন ডি
ব্যাখ্যা
- অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে এই ভিটামিন প্রয়োজন।
- রিকেটস (Rikets) কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়, ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে এ রোগ হয়। 
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তেল ও হাঙ্গরের তেলে প্রচুর ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়।
- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমা থাকা কোলেস্টেরল থেকেও এটি তৈরি হয়, তবে সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি সংঘটিত হয় কিডনিতে।
- দেহের হাড়গুলো দুর্বল হওয়া, গিঁট ফুলে যাওয়া, হাড়গুলো বিশেষ করে পায়ের হাড় বেঁকে যাওয়া ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ।
- এছাড়া এই রোগে অনেক সময় দেহের কাঠামো ঠিক থাকে না, হাড়গুলো ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং বক্ষদেশ সরু হয়ে যায়।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম- দশম শ্রেণি।
২,৭৭৬.
উদ্ভিদের কোন অংশের মাধ্যমে প্রস্বেদন ঘটে?
  1. মূল
  2. স্টোমাটা
  3. ক্লোরোফিল
  4. ফুল
সঠিক উত্তর:
স্টোমাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টোমাটা
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র, কিউটিকল ও লেন্টিসেলের মাধ্যমে প্রস্বেদন ঘটে। 

• প্রস্বেদন:
- যে শারীরতাত্ত্বিক (physiological) প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের বায়বীয় অঙ্গ (সাধারণত পাতা) হতে অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে।

• বায়ুমণ্ডলে উন্মুক্ত উদ্ভিদের যে কোনো অংশে প্রস্বেদন সংঘটিত হয়।
- পাতাই উদ্ভিদের প্রধান প্রস্বেদন অঙ্গ।
- গড় হিসেবে শোষিত পানির মাত্র ১% দেহে অবস্থান করে ও কাজে লাগে, বাকি ৯৯% পানি দেহ থেকে বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়। এটি উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় প্রক্রিয়া। 

প্রস্বেদন হওয়ার স্থানের উপর ভিত্তি করে প্রস্বেদন ৩ প্রকার।
যথা:

পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন (Stomatal transpiration):
- এ প্রক্রিয়ায় স্টোমাটা বা পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন ঘটে। 
- এ প্রক্রিয়ায় শতকরা ৯৫-৯৮ ভাগ প্রস্বেদন হয়ে থাকে। 

ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন (Cuticular transpiration):
- এ প্রক্রিয়ায় পত্রত্বকের কিউটিকলের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন ঘটে। 
- এ প্রক্রিয়ায় শতকরা ২-৫ ভাগ প্রস্বেদন হয়ে থাকে। 

লেন্টিকুলার প্রস্বেদন (Lenticular transpiration):
- এ প্রক্রিয়ায় কাণ্ডের লেন্টিসেলের মধ্য দিয়ে প্রস্বেদন ঘটে।
- এ প্রক্রিয়ায় শতকরা প্রায় ১ ভাগ প্রস্বেদন হয়ে থাকে। 

তথ্যসূত্র:
-জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২,৭৭৭.
সিলিয়াযুক্ত আবরণী টিস্যু কোথায় বিদ্যমান?
  1. ক) হাইড্রার এন্ডোডার্ম
  2. খ) মেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্বাসনালীর প্রাচীরে
  3. গ) মেরুদণ্ডী প্রাণীর অন্ত্রে
  4. ঘ) শুক্রাণুতে
সঠিক উত্তর:
খ) মেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্বাসনালীর প্রাচীরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্বাসনালীর প্রাচীরে
ব্যাখ্যা

সিলিয়াযুক্ত আবরণী টিস্যু বিদ্যমান মেরুদণ্ডী প্রাণীর শ্বাসনালীর প্রাচীরে।

হাইড্রার এন্ডোডার্ম এ রয়েছে ফ্লাজেলাযুক্ত আবরণী টিস্যু।
হাইড্রার এন্ডোডার্ম ও মেরুদণ্ডী প্রাণীদের অন্ত্রে ক্ষণপদযুক্ত আবরণী টিস্যু রয়েছে।
শুক্রানু এবং ডিম্বাণুতে জনন অঙ্গের আবরণী টিস্যু রয়েছে। এরা প্রজননে অংশগ্রহণ করে প্রজাতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

২,৭৭৮.
মানব হৃদপিন্ড সম্পূর্ণভাবে কয়টি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা

হৃদপিন্ড:
- রক্ত সংবহন তন্ত্রের প্রধান অঙ্গ হৃদপিন্ড।
- এটা পাম্পের মতো কাজ করে, ফলে রক্ত সংবহনতন্ত্রে রক্ত প্রবাহ সচল থাকে।
- হৃদপিন্ড বক্ষ গহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝখানে একই বাম দিকে অবস্থিত।
- মানব হৃদপিন্ড সম্পূর্ণভাবে চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।
- এর উপরের প্রকোষ্ঠ দুটি বাম ও ডান অলিন্দ এবং নিচের প্রকোষ্ঠ দুটি বাম ও ডান নিলয় নামে পরিচিত।
- নিলয় অলিন্দের তুলনায় আকারে বড়, প্রাচীর পুরু ও পেশিবহুল।
- প্রকোষ্ঠ বিভক্ত থাকলেও গোটা হৃদপিন্ড একটি একক হিসাবে কাজ করে এবং পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।
- হৃদপিন্ড এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৭৯.
নিচের কোনটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী?
  1. ক) ব্যাঙ
  2. খ) সাপ
  3. গ) কচ্ছপ
  4. ঘ) অক্টোপাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) অক্টোপাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অক্টোপাস
ব্যাখ্যা
মেরুদন্ডের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রাণিকুলকে দুভাগে ভাগ করা হয়- মেরুদন্ডী প্রাণী ও অমেরুদন্ডী প্রাণী।
- যেসব প্রাণিদেহে মেরুদন্ড বা শিরদাঁড়া উপস্থিত তাদের মেরুদন্ডী প্রাণী বলে। যেমন: মাছ, ব্যাঙ, বাদুর, তিমি, সাপ, কচ্ছপ ইত্যাদি।
- যেসব প্রাণিদেহে মেরুদন্ড বা শিরদাঁড়া অনুপস্থিত তাদের অমেরুদন্ডী প্রাণী বলে। যেমন: তেলাপোকা, শামুক, মশা, অ্যামিবা, অক্টোপাস ইত্যাদি।

সূত্র: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৮০.
নিম্নের কোন উক্তিটি সত্য?
  1. ক) আইসোটোপে ভর সংখ্যা অভিন্ন হয়।
  2. খ) আলফা, বিটা, গামা তেজস্ক্রিয় রশ্মি।
  3. গ) নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
খ) আলফা, বিটা, গামা তেজস্ক্রিয় রশ্মি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলফা, বিটা, গামা তেজস্ক্রিয় রশ্মি।
ব্যাখ্যা
আলফা রশ্মি (α-কণা), বিটা রশ্মি (β-কণা) ও গামা রশ্মি (γ-কণা) হলো তেজস্ক্রিয় রশ্মি।
এ সব রশ্মির বিকিরণের ফলেই নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

শক্তি উৎপাদনের ক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন প্রকৃতির নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। এরা হলোঃ
ক) নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া
খ) নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া 

- নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া সংঘঠিত হলে অনেক বেশি তাপ শক্তির উদ্ভব ঘটে। এ তাপকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

- নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের ভারী নিউক্লিয়াসকে উচ্চগতি সম্পন্ন নিউট্রন দ্বারা আঘাত করার ফলে দুটি ভিন্ন ভর ও পারমাণবিক সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়।
এ প্রক্রিয়াতে প্রচুর তাপের সৃষ্টি হয়। এ তাপকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

-  আইসোটোপ: যেসব মৌলের পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরমাণুর আইসোটোপ বলে। পারমাণবিক সংখ্যা বলতে মৌলের পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা বোঝায়।
২,৭৮১.
নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. লোহা - চৌম্বক পদার্থ
  2. অ্যালুমিনিয়াম - অচৌম্বক পদার্থ
  3. নিকেল - চৌম্বক পদার্থ
  4. পারদ - চৌম্বক পদার্থ
সঠিক উত্তর:
পারদ - চৌম্বক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারদ - চৌম্বক পদার্থ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) পারদ - চৌম্বক পদার্থ (কারণ পারদ একটি অচৌম্বক পদার্থ)

- পারদ একটি অচৌম্বক পদার্থ (বিশেষত ডায়াম্যাগনেটিক), তাই এটি চৌম্বক পদার্থ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা যায় না। 

অন্যদিকে, 
- লোহা, নিকেল এবং কোবাল্ট হলো ফেরোচৌম্বক পদার্থ, যার অর্থ এগুলো চুম্বক দ্বারা দৃঢ়ভাবে আকৃষ্ট হয় এবং চুম্বক ক্ষেত্রে রাখলে নিজেরাও চুম্বকে পরিণত হতে পারে।

- অ্যালুমিনিয়াম একটি প্যারাচৌম্বক পদার্থ, যা চুম্বক দ্বারা খুব কম পরিমাণে আকৃষ্ট হয়, তাই এটিকে প্রায়শই অচৌম্বক পদার্থের শ্রেণীভুক্ত করা হয়।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 

২,৭৮২.
নিরাপদ কৃত্রিম খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে পরিচিত?
  1. সোডিয়াম নাইট্রেট
  2. ক্যালসিয়াম প্রোপানয়েট
  3. সোডিয়াম বেনজ্যোয়েট
  4. ক্যালসিয়াম কার্বাইড
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম বেনজ্যোয়েট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম বেনজ্যোয়েট
ব্যাখ্যা
• নিরাপদ কৃত্রিম খাদ্য সংরক্ষক হিসেবে পরিচিত সোডিয়াম বেনজ্যোয়েট।

• খাদ্য সংরক্ষক:
- খাদ্যবস্তুর পচন রোধকরূপে নির্দিষ্ট স্বল্প মাত্রায় ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থসমূহকে কৃত্রিম বা রাসায়নিক ফুড প্রিজারভেটিভস্ বলা হয়।
- আন্তর্জাতিকভাবে অনুমোদিত রাসায়নিক ফুড প্রিজারভেটিভসসমূহ তিন শ্রেণিভুক্ত। যেমন,
(ক) অ্যান্টি মাইক্রোবায়েল এজেন্ট,
(খ) অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এজেন্ট,
(গ) কিলেটিং এজেন্ট। 

ক) অ্যান্টি মাইক্রোবায়েল:
- অ্যান্টিমাইক্রোবায়েল রাসায়নিক প্রিজারভেটিভস্ ব্যাকটেরিয়া, ঈস্ট ও মোল্ডস-এর বৃদ্ধি প্রতিহত করে।
- এসব রাসায়নিক পদার্থ মাইক্রো অর্গানিজম কোষের মেমব্রেন ফাটিয়ে দেয়, এনজাইমের ক্রিয়া রোধ করে থাকে।
- এ সব প্রিজারভেটিভ অম্লধর্মী হয়। যেমন-
১) সোডিয়াম বেনজোয়েট ও বেনজয়িক এসিড,
২) পটাসিয়াম সরবেট, সোডিয়াম সরবেট ও ক্যালসিয়াম সরবেট, (
৩) সায়ট্রিক এসিড,
৪) অ্যাসিটিক এসিড,
৫) ক্যালসিয়াম প্রোপানোয়েট,
৬) নাইট্রেট ও নাইট্রাইট লবণ,
৭) সালফাইট, SO2 গ্যাস (পটাসিয়াম মেটা বাইসালফাইট)।

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী ও নাগ।
২,৭৮৩.
জন্মের সময় বাচ্চার ওজন কত কেজির কম হলে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ধরা হয়?
  1. ২ কেজি
  2. ২.৫ কেজি
  3. ৩ কেজি
  4. ৩.৫ কেজি
সঠিক উত্তর:
২.৫ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.৫ কেজি
ব্যাখ্যা
Low birth weight:

Low birth weight is a term used to describe babies who are born weighing less than 5 pounds, 8 ounces (2,500 grams).
An average newborn usually weighs about 8 pounds. A low-birth-weight baby may be healthy even though they are small.
But a low-birth-weight baby can also have many serious health problems.

Source:urmc.rochester.edu

২,৭৮৪.
ক্যান্সার চিকিৎসায় যে বিকিরণ ব্যবহার করা হয় তা হলো ---
  1. ক) আলফা রে (Alpha rays)
  2. খ) বিটা রে (Beta rays)
  3. গ) গামা রে (Gama rays)
  4. ঘ) এক্স রে (X-rays)
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রে (Gama rays)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রে (Gama rays)
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের প্রধানত দু’ধরনের ব্যবহার আছে।
যেমন -
ক) রোগ নিরাময়ে ও
খ) কোন রোগ বা রোগাক্রান্ত স্থান নির্ণয়।

১. শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য Co - 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।

২. থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 ( 131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

৩. শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leukemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 ( 32P ) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।

৪. দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99Tc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

৫. প্লুটোনিয়াম -২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)।
২,৭৮৫.
একটি গোলকের ব্যাসার্ধ r = 5.00 ± 0.02 cm. গোলকের আয়তনের শতকরা ত্রুটি কত হবে?
  1. 0.12%
  2. 0.6%
  3. 1.20%
  4. 3 %
সঠিক উত্তর:
1.20%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1.20%
ব্যাখ্যা

আমরা জানি,
গোলকের আয়তন, V = (4/3) πr2
অতএব, আয়তন V ব্যাসার্ধ r-এর ঘাত ৩ এর সমানুপাতিক।
V∝r3
আবার,         
ΔV/V = 3(Δr/r)
এখানে,
Δr = 0.02cm
r = 5cm
তাহলে,
ΔV/V = 3 × (0.02/5)
         = 3 × 0.004
         = 0.012

শতকরা ত্রুটি = 0.012 × 100
                     = 1.2%

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান , নবম-দশম শ্রেণি।

২,৭৮৬.
আকাশ নীল কেন দেখা যায়? 
  1. বাতাসে অক্সিজেনের কারণে 
  2. বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বেশি থাকার কারণে 
  3. সূর্যের আলোতে নীল রঙের আধিক্য থাকার কারণে 
  4. বায়ুমণ্ডলের সূক্ষ্ম কণার কারণে নীল আলো বেশি ছড়ায় 
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলের সূক্ষ্ম কণার কারণে নীল আলো বেশি ছড়ায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলের সূক্ষ্ম কণার কারণে নীল আলো বেশি ছড়ায় 
ব্যাখ্যা

বিক্ষেপণ: 
- সূর্যের মধ্যে বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সাত রঙের আলো আছে। 
- এক আলোক তরঙ্গ যখন অত্যন্ত ক্ষুদ্র কোনো কণার উপর পড়ে, তখন এ কণাগুলো আলোক তরঙ্গকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দেয়, আর এ ছড়িয়ে দেয়াকে আলোর বিক্ষেপন বলে। 
- আলোর বিক্ষেপন নির্ভর করে আলোক তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর। 
- যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, তার বিক্ষেপণ তত বেশি। 
- নীল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম তাই নীল আলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, ফলে আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যরশ্মি যখন বায়ুমণ্ডলে সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও অণুতে আপতিত হয়, তখন নীল রঙ ও এর কাছাকাছি রঙগুলোর বিক্ষেপন বেশি হয়। ফলে বেগুনি, আসমানী ও নীল রঙের প্রাচুর্য্য ঘটায় বলে আকাশ নীল দেখায়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২,৭৮৭.
অণুচক্রিকা মূলত কোথায় উৎপন্ন হয়?
  1. হৃৎপিণ্ড
  2. ত্বক 
  3. লিভার 
  4. অস্থিমজ্জা
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জা
ব্যাখ্যা

অণুচক্রিকা: 
- ইংরেজিতে এদেরকে প্লাটিলেট (Platelet) বলে।
- অণুচিক্রকা আকারে ছোট, বর্তুলাকার ও বর্ণহীন, এরা গুচ্ছাকারে থাকে। 
- অণুচক্রিকা মূলত অস্থিমজ্জার মধ্যে উৎপন্ন হয়। 
- অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। 
- পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। 
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- কোন রক্তবাহী নালির ক্ষতি হলে এরা অনতিবিলম্বে থ্রোম্বোপ্লাষ্টিন নামক এক প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসরণ করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৭৮৮.
'এপিলেপসি' রোগ দেহের কোথায় হয়?
  1. ক) হৃৎপিণ্ডে
  2. খ) মস্তিষ্কে
  3. গ) ফুসফুসে
  4. ঘ) যকৃতে
সঠিক উত্তর:
খ) মস্তিষ্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মস্তিষ্কে
ব্যাখ্যা
- এপিলেপসি মস্তিষ্কের একটি রোগ, যাতে আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরে খিঁচুনি বা কাপুনি দিতে থাকে।
- এই রোগকে মৃগী রোগ ও বলা হয়।
- স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীদের এই রোগ দেখা যায়। 
- মাথায় আঘাতের কারণে ম্যানিনজাইটিস, এনসেফালাইটিস, জন্মগত মস্তিষ্কের বিকৃতি, টিউমার ইত্যাদি কারণেও এপিলেপসির উপসর্গ দেখা যায়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২,৭৮৯.
যে তাপ সঞ্চালন পদ্ধতিতে কোনো জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না, সেটি হলো- 
  1. পরিবাহীতা
  2. পরিবহন
  3. বিকিরণ
  4. পরিচলন 
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ
ব্যাখ্যা

- বিকিরণ এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে তাপ কোনো জড় মাধ্যম (কঠিন, তরল বা গ্যাসীয়) ছাড়াই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হতে পারে। এই পদ্ধতিতে তাপ তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের আকারে প্রবাহিত হয়, যা শূন্যস্থানের মধ্য দিয়েও ভ্রমণ করতে পারে। যেমন— সূর্য থেকে তাপ বিকিরণ পদ্ধতিতে পৃথিবীতে আসে। 

তাপ সঞ্চালন: 
- তাপ বেশি তাপমাত্রার স্থান থেকে কম তাপমাত্রার স্থানে যেতে পারে, তাপের এই স্থান পরিবর্তনকে তাপ সঞ্চালন বলে। 
- তাপ সঞ্চালন তিন ভাবে হয়। 
যথা- পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ। 

তাপ বিকিরণ: 
- পৃথিবীতে সূর্যই তাপের মূল উৎস। 
- সূর্য আর পৃথিবীর মাঝখানে প্রায় সবটুকুই ফাঁকা, কোনো বায়বীয় পদার্থও নেই। 
- সূর্য থেকে তাপ আসে বিকিরণের মাধ্যমে, যেখানে কোনো জড় মাধ্যম নেই, সেখানে তাপ বিকিরণের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 
- আলো এক রকমের তরঙ্গ, যা কোনো মাধ্যম ছাড়া এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে। 
- বিকিরণের সময় তাপ আলো বা বিদ্যুৎচুম্বকীয় তরঙ্গাকারে সঞ্চালিত হয়। আসলে মাধ্যম থাকুক বা না থাকুক, উত্তপ্ত বস্তু বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ নির্গত করে।
- কোনো পদার্থ তাপ বিকিরণ করলে তাকে বিকিরক বলে। আবার কোনো পদার্থ তাপ শোষণ করলে তাকে বলে শোষক। 
- কোনো পদার্থ তার তাপমাত্রার জন্য তাপ বিকিরণ বা শোষণ করলে তাকে তাপীয় বিকিরণ (Thermal radiation) বা তাপীয় শোষণ বলে। 
- বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে, কোনো পদার্থ ভালো তাপ বিকিরক হলে সেটি ভালো তাপ শোষকও হয়। তা না হলে একটি বিকিরক ক্রমাগত বেশি পরিমাণ তাপ বিকিরণ কার ক্রমশ শীতল হতে থাকবে এবং একটি শোষক ক্রমাগত বেশি পরিমাণ তাপ শোষণ করে ক্রমশ উত্তপ্ত হতে থাকবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

২,৭৯০.
বীজ উৎপাদনকারী উদ্ভিদকে কী বলে?
  1. স্পারমাটোফাইটা
  2. টেরিডোফাইট
  3. ব্রায়োফাইট
  4. থ্যালোফাইট
সঠিক উত্তর:
স্পারমাটোফাইটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পারমাটোফাইটা
ব্যাখ্যা
• স্পারমাটোফাইটা:
- বীজ উৎপাদনকারী উদ্ভিদকে স্পারমাটোফাইটা (Spermatophyta) বলা হয়।
- এরা উদ্ভিদ জগতের উপজগত ফ্যানেরোগ্যামিয়ার (Phanerogamia) অন্তর্ভুক্ত। Phanerogamia শব্দের প্রকৃত অর্থ-দৃশ্যমান জনন অঙ্গধারী উদ্ভিদ।
- বর্তমান পৃথিবীতে স্পারমাটোফাইটা উদ্ভিদের প্রাধান্য সবচেয়ে বেশি।
- স্পারমাটোফাইটা উদ্ভিদের জীবন চক্রের প্রধান অংশ স্পোরোফাইট।
- উদ্ভিদের স্পোরোফাইটিক অংশ দীর্ঘস্থায়ী এবং গ্যামিটোফাইট অতি সংক্ষিপ্ত।
• বীজ উৎপাদন পদ্ধতির উপর নির্ভর করে স্পারমাটোফাইটাকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. নগ্নবীজী এবং
২. আবৃতবীজী উদ্ভিদ।

১. নগ্নবীজী উদ্ভিদ:
- যে সব উদ্ভিদের বীজ সরাসরি উদ্ভিদের অক্ষে জন্মে এবং কোন ফল উৎপন্ন হয় না, এদেরকে জিমনোস্পার্মি (Gymnospermeae) বা নগ্নবীজী উদ্ভিদ বলা হয়।
- এদের গর্ভাশয় থাকে না তাই ফল হয় না। বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষ (Sequoia gigantea ) এ গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
যেমন- Cycas, Pimus, Gnetum ইত্যাদি হলো উল্লেখযোগ্য নগ্নবীজী উদ্ভিদ।

২. আবৃতবীজী উদ্ভিদ:
- যে সকল উদ্ভিদের ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় এবং ফলের বীজ নির্দিষ্ট আবরণ দিয়ে আবৃত অবস্থায় থাকে তাকে আবৃতবীজী উদ্ভিদ (Angiosperm) বলে।
- আজ থেকে প্রায় ১২০ মিলিয়ন বছর পূর্বে Cretaceous যুগের প্রথম দিকে আবৃতবীজী উদ্ভিদের উদ্ভব হয়েছিল বলে ধরে নেয়া হয়।
- Cretaceous যুগের শেষের দিকেই (আজ থেকে ৮০ মিলিয়ন বছর পূর্বে) পৃথিবীর অধিকাংশ অঞ্চলে আবৃতবীজী উদ্ভিদ প্রাধান্য বিস্তার লাভ করে ফেলে।
- বর্তমানে আবৃতবীজী উদ্ভিদ প্রজাতির সংখ্যা প্রায় আড়াই লক্ষ ধারণা করা হয়।
- এরা পানিতে, সিক্ত মাটিতে, মরুভূমিতে, পাথুরে পাহাড়ি অঞ্চলে এমনকি পরাশ্রয়ী ও পরভোজী হিসেবে অন্য উদ্ভিদের উপর জন্মায়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৭৯১.
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি?
  1. ক) ভূ-তাপ
  2. খ) পারমাণবিক শক্তি
  3. গ) খনিজ তেল
  4. ঘ) জলবিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
গ) খনিজ তেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খনিজ তেল
ব্যাখ্যা
- জীবাশ্ম জ্বালানি হল এক প্রকার জ্বালানি যা বায়ুর অনুপস্থিতিতে অবাত পচন প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়।
- মৃত গাছের পাতা, মৃতদেহ ইত্যাদি জীবনের উপাদান হাজার হাজার বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়ে এ জ্বালানি তৈরি হয়।

বিভিন্ন জীবাশ্ম জ্বালানির মধ্যে রয়েছে:
- খনিজ তেল
- কয়লা
- প্রাকৃতিক গ্যাস প্রভৃতি।

- জীবাশ্ম জ্বালানিসমূহ অনবায়নযোগ্য। অর্থাৎ এসব জ্বালানি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না এবং এদের মজুদ সীমিত।

অন্যদিকে,
পারমাণবিক শক্তি, জিও থার্মাল বা ভূ-তাপ শক্তি, জলবিদ্যুৎ হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক)
২,৭৯২.
জীবের শ্রেণিবিন্যাসের শাখাটিকে কী বলা হয়? 
  1. ইকোলজি
  2. ট্যাক্সোনমি
  3. অ্যানাটমি
  4. মাইক্রোবায়োলজি
সঠিক উত্তর:
ট্যাক্সোনমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্যাক্সোনমি
ব্যাখ্যা
জীবের শ্রেণিবিন্যাস: 
- আজ পর্যন্ত বিভিন্ন উদ্ভিদের প্রায় চার লক্ষ এবং প্রাণীর প্রায় তের লক্ষ প্রজাতির নামকরণ ও বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে। তবে এ সংখ্যা চূড়ান্ত নয়, কেননা প্রায় প্রতিদিনই আরও নতুন নতুন প্রজাতির বর্ণনা সংযুক্ত হচ্ছে। 
- এই অসংখ্য জীবকে সুষ্ঠুভাবে বিন্যাস করা বা সাজানোর প্রয়োজন। জীবজগৎকে একটি স্বাভাবিক নিয়মে শ্রেণিবিন্যাস করার প্রয়োজনীয়তা অবশ্য অনেক আগে থেকেই প্রকৃতিবিদগণ অনুভব করেছিলেন। 
- সেই প্রয়োজনের তাগিদেই জীববিজ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে, যার নাম ট্যাক্সোনমি বা শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা। 
- শ্রেণিবিন্যাসের লক্ষ্য হচ্ছে মূলত এই বিশাল এবং বৈচিত্র্যময় জীবজগৎকে সহজভাবে অল্প পরিশ্রমে এবং অল্প সময়ে সঠিকভাবে জানা। 

- শ্রেণিবিন্যাসে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন সুইডিস প্রকৃতিবিদ ক্যারোলাস লিনিয়াস (1707-1778)। 
- তিনি 1735 সালে উপসালা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসাশাস্ত্রে ডিগ্রি লাভের পর ঐ বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানাটমির অধ্যাপক নিযুক্ত হয়েছিলেন। 
- বিভিন্ন ধরনের উদ্ভিদ, বিশেষ করে ফুল সংগ্রহ আর জীবের শ্রেণিবিন্যাসে তাঁর অনেক আগ্রহ ছিল। 
- তিনিই প্রথম জীবের পূর্ণ শ্রেণিবিন্যাসের এবং নামকরণের ভিত্তি প্রবর্তন করেন। 
- অসংখ্য নমুনা জীবের বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণ করে তিনি জীবজগৎকে দুটি ভাগে, যথা- উদ্ভিদজগৎ এবং প্রাণিজগৎ হিসেবে বিন্যস্ত করেন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৯৩.
কার্বলিক এসিডের রাসায়নিক নাম কী ?
  1. ক) ফেনল
  2. খ) ডয়টেরিয়াম অক্সাইড
  3. গ) ট্রাইক্লোরো মিথেন
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
ক) ফেনল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফেনল
ব্যাখ্যা
কার্বলিক অ্যাসিড, যেটি ফেনল হিসেবেও পরিচিত, একটি অ্যারোমেটিক জৈব যৌগ।
• ফেনলের আণবিক সংকেত: C6H5OH ।
• এটি সাদা দানাদার কঠিন পদার্থ এবং সহজে উদ্বায়ী।
• ফেনলের অণুতে একটি ফিনাইল মূলক থাকে (-C6H5) যা একটি হাইড্রোক্সিল মূলক (-OH) এর সাথে বন্ধনে যুক্ত থাকে।

অপরদিকে -
» মার্বেল পাথর এর  রাসায়নিক নাম   ---ক্যালসিয়াম কার্বনেট
» ভারী জল এর  রাসায়নিক নাম   - --ডয়টেরিয়াম অক্সাইড
» ক্লোরোফর্ম  এর  রাসায়নিক নাম  - -----ট্রাইক্লোরো মিথেন

SOURCE: রসায়ন বিজ্ঞান, এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
২,৭৯৪.
খাবার সোডার রাসায়নিক নাম কী? 
  1. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
  2. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  3. সোডিয়াম বাইকার্বনেট
  4. ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম বাইকার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম বাইকার্বনেট
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক সংকেত: 
- খাবার সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম বাইকার্বনেট (NaHCO3). 

- চুনাপাথরের রাসায়নিক নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3). 
- চুনের নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO). 
- কলিচুন বা চুনের পানির নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2
- চুন (CaO) এর সাথে পানি (H2O) সংমিশ্রণে কলিচুন বা চুনের পানি উৎপন্ন হয়। 
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত Na2CO3.10H2O. 
- মরিচার রাসায়নিক নাম - Fe2O3.nH2O. 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৯৫.
Dengue fever is spread by-
  1. Aedes aegypti mosquito
  2. Common House flies
  3. Anopheles mosquito
  4. Rats and squirrels
সঠিক উত্তর:
Aedes aegypti mosquito
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aedes aegypti mosquito
ব্যাখ্যা
ডেঙ্গু জ্বর: 
- ডেঙ্গু জ্বর একটি এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস জনিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগ। 
- Aedes Aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। 
- এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়। 
- উপসর্গগুলির মাঝে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যথা এবং গাত্রচর্মে ফুসকুড়ি। 
- দুই থেকে সাত দিনের মাঝে সাধারণত ডেঙ্গু রোগী আরোগ্য লাভ করে। 
- সেখান থেকে জানা যায়, চীনে এই রোগটি ৯৯২ খৃষ্টাব্দে শনাক্ত করা হয়েছিল। 
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মহামারী আকারে প্রথম ডেঙ্গু শনাক্ত হয় ১৯৫০ সালের দিকে ফিলিপিন্স এবং থাইল্যান্ডে। 
- বাংলাদেশে প্রথম ডেঙ্গু শনাক্ত হয় ১৯৬০ সালে। 
- প্রথমে এই জ্বরটি ঢাকায় একসঙ্গে অনেকের হয়েছিল বলে এর নাম হয়ে যায় 'ঢাকা ফিভার'। 
- ২০০০ সালে বাংলাদেশে এটি প্রথম মহামারী আকারে দেখা যায়। 
 
উৎস: World Health Organization ওয়েবসাইট।
২,৭৯৬.
অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক কোনটি?
  1. ক) বক্সাইট
  2. খ) কোরান্ডাম
  3. গ) ক্রায়োলাইট
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: বক্সাইট, কোরান্ডাম, ক্রায়োলাইট ইত্যাদি।
- সোডিয়ামের আকরিক: রকসল্ট, চিলি সল্টপিটার, ন্যাট্রোন, বোরাক্স ইত্যাদি।
- ক্যালসিয়ামের আকরিক: চুনাপাথর, জিপসাম, ডলোমাইট ইত্যাদি।
- আয়রনের আকরিক: ম্যাগনেটাইট, হেমাটাইট, আয়রন পাইরাইটস, লিমোনাইট ইত্যাদি।

উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৭৯৭.
কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অংশ কোনটি?
  1. ক) সুষুম্না স্নায়ু
  2. খ) করোটিকা স্নায়ু
  3. গ) সুষুম্নাকাণ্ড
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) সুষুম্নাকাণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুষুম্নাকাণ্ড
ব্যাখ্যা

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২,৭৯৮.
What is the primary greenhouse gas responsible for long-term global warming?
  1. Methane (CH4)
  2. Nitrous oxide (N₂O)
  3. Carbon dioxide (CO2)
  4. Ozone (O3)
সঠিক উত্তর:
Carbon dioxide (CO2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Carbon dioxide (CO2)
ব্যাখ্যা

⇒ কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাস, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নে সর্বাধিক ভূমিকা রাখে।

গ্রিনহাউস গ্যাস:
- যেসব গ্যাস পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থেকে তাপ শোষণ করে এবং তা পুনরায় বিকিরণ করে, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় সেসব গ্যাস কে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়।
- গ্রিনহাউস গ্যাসগুলির মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য।
- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO) হলো অন্যতম প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস।
- জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। প্রতি বছর জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে ২১.৩ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়।
- এছাড়া এটি বন উজাড়ের কারণে ও শিল্পকারখানা থেকে নির্গত গ্যাসের কারণেও সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি ও ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

২,৭৯৯.
ডায়াস্টোল (Diastole) কী বোঝায়?
  1. হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ
  2. হৃৎপিণ্ডের রক্ত সঞ্চালন
  3. হৃৎপিণ্ডের সংকোচন
  4. ধমনীতে রক্তের চাপ বৃদ্ধি 
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ
ব্যাখ্যা

- ডায়াস্টোল বলতে হৃৎপিণ্ডের পেশীগুলোর শিথিলকরণ বা প্রসারণের পর্যায়কে বোঝায়, যে সময়ে হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলি রক্তে পূর্ণ হয়। এই পর্যায় চলাকালীন ধমনীতে রক্তচাপ সবচেয়ে কম থাকে, যা ডায়াস্টোলিক চাপ নামে পরিচিত। 

হৃৎপিণ্ড (Heart): 
- মানুষের রক্ত সঞ্চালন ব্যবস্থার মূল অংশ হলো হৃৎপিণ্ড, ধমনি, শিরা এবং কৈশিক জালিকা। 
- হৃৎপিণ্ড অবিরাম সংকোচিত ও প্রসারিত হয়ে রক্তকে ধমনি ও শিরার মাধ্যমে সারা দেহে প্রেরণ করে। 
- হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণ একটি নির্দিষ্ট ছন্দে ঘটে, যা রক্ত সঞ্চালনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 
- সিস্টোল (Systole) হলো হৃৎপিণ্ডের সংকোচন পর্যায়, যখন রক্ত অলিন্দ থেকে ভেন্ট্রিকলে অথবা ভেন্ট্রিকল থেকে ধমনিতে প্রবাহিত হয়। 
- ডায়াস্টোল (Diastole) হলো হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ পর্যায়, যখন হৃৎপিণ্ড রক্ত গ্রহণের জন্য আলগা হয়ে যায়। 
- সিস্টোলের সময় হৃৎপিণ্ডের চাপ সবচেয়ে বেশি থাকে, যা সিস্টোলিক চাপ নামে পরিচিত। 
- অলিন্দে যখন সিস্টোল হয়, তখন ভেন্ট্রিকল ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৮০০.
নিচের কোন পদ্ধতিতে দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়?
  1. সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে
  2. স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
  3. ধ্রুবতারার সাহায্যে
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ের পদ্ধতিঃ
অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়: (উন্নতি কোণ ব্যবহার করে)
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে 
২। ধ্রুবতারার সাহায্যে 

দ্রাঘিমাংশ নির্ণয় করা হয়: (সময়ের পার্থক্য ব্যবহার করে)
১। স্থানীয় সময়ের পার্থক্য দ্বারা
২। গ্রিনিচের সময় দ্বারা

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।