বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২৬ / ১৪০ · ২,৫০১২,৬০০ / ১৪,০৮০

২,৫০১.
এইচআইভি ভাইরাস মানব দেহের কোনটিকে ধ্বংস করে?
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা
  2. খ) শ্বেত রক্তকণিকা
  3. গ) অনুচক্রিকা
  4. ঘ) প্লাজমা
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেত রক্তকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেত রক্তকণিকা
ব্যাখ্যা

মানবদেহে এইচআইভি এর আক্রমণে এইডস রােগ হয়।
এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের শ্বেতকনিকা ধ্বংস হয়। ফলে দেহের রােগ প্রতিরােধ ক্ষমতা লােপ পায়।
এইচআইভি সংক্রমণের সর্বশেষ পর্যায়ে হলাে এইডস। মানব দেহে এইচআইভি ভাইরাস প্রবেশ করার ৬ মাস থেকে ১০ বছরের মধ্যে শরীরে এইডসের লক্ষণ প্রকাশ পায়। এইডস রােগের কোন নির্দিষ্ট লক্ষণ নেই।

২,৫০২.
পরিবাহী পদার্থ কীভাবে বিদ্যুৎ পরিবহন করে? 
  1. ইলেকট্রন দিয়ে 
  2. নিউট্রন দিয়ে
  3. প্রোটন দিয়ে
  4. আলফা কণার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন দিয়ে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন দিয়ে 
ব্যাখ্যা

পরিবাহী পদার্থ: 
-  ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে। সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
যেমন- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো সুপরিবাহী পদার্থ। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে সব সময় মনে রাখতে হবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়, এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫০৩.
ট্রান্সফরমার তৈরিতে কোন ধরনের চুম্বক ব্যবহার করা হয়? 
  1. কঠিন চুম্বক
  2. স্থায়ী চুম্বক
  3. অস্থায়ী চুম্বক
  4. সংকর চুম্বক
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা
চুম্বক: 
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। 
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়। 

কৃত্রিম চুম্বক: 
কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়। 
যথা- 
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক এবং 
২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক। 

অস্থায়ী চুম্বক: 
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। 
- মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফরমার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়। 

স্থায়ী চুম্বক: 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়। 
যথা- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। 
- টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫০৪.
তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক কে?
  1. পিয়েরে কুরি
  2. টমাস আলভা এডিসন
  3. মাদাম কুরি
  4. হেনরী বেকেরেল
সঠিক উত্তর:
হেনরী বেকেরেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরী বেকেরেল
ব্যাখ্যা

• তেজস্ক্রিয় রশ্মি: 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
যেমন- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি তেজস্ক্রিয় পরমাণু। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি"। 
- পরবর্তিতে মাদাম কুরী (Madame Marie Curie) এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী (Pierre Curie) নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত। 

তেজস্ক্রিয়তার প্রকারভেদ: 
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। 
যথা- প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা ও কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা। 
১। প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা: 
- কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

২। কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা: 
- কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫০৫.
আলট্রাসনোগ্রাফি কী?
  1. নতুন ধরনের এক্সরে
  2. ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
  3. শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ বিশ্লেষণ
  4. শক্তিশালী শব্দ দিয়ে পিত্তপাথর বিচূর্ণীকরণ
সঠিক উত্তর:
ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যর শব্দের দ্বারা ইমেজিং
ব্যাখ্যা
• আলট্রাসনোগ্রাফি দিয়ে শরীরের ভেতরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, মাংসপেশি ইত্যাদির ছবি তোলা হয়। এটি করার জন্য খুব উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ ও ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দ ব্যবহার করে তার প্রতিধ্বনিকে শনাক্ত করা হয়।

• আল্ট্রাসনোগ্রাফি:
- শরীরের অভ্যন্তরীণ নরম পেশী বা টিস্যুর সমস্যা নির্ণয়ে আল্ট্রাসাউন্ডকে কাজে লাগিয়ে যে পরীক্ষা করা হয় তাকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বলে।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে উচ্চ কম্পাংকের শব্দের প্রতিফলন বা প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগানো হয়।
- উচ্চ কম্পাংকের শব্দ যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশী থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়।
- রোগ নির্ণয়ে যে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয় সেই শব্দের কম্পাংক ১-১০ মেগাহার্টজ হয়ে থাকে।
- হৃদপিন্ডে অথবা শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য নরম অঙ্গ যেমন- যকৃৎ, পিত্তথলি, প্রধানরক্ত নালী সমূহে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করা হয়।
- বিশেষত ভ্রুণের বৃদ্ধি, বৃদ্ধিপ্রাপ্ত ভ্রুণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের টিউমার সনাক্তকরণে।
- এক্সরের তুলনায় আল্ট্রাসনোগ্রাফি অধিকতর নিরাপদ রোগ নির্ণয়ের কৌশল।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫০৬.
ডায়াস্টোলিক চাপ বলতে কী বোঝায়?
  1. ক) হৃৎপিন্ডের সংকোচন চাপ
  2. খ) হৃৎপিন্ডের প্রসারণ চাপ
  3. গ) হৃৎপিন্ডের সংকোচন চাপ ও প্রসারণ চাপ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) হৃৎপিন্ডের প্রসারণ চাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হৃৎপিন্ডের প্রসারণ চাপ
ব্যাখ্যা
• ডায়াস্টোলিক চাপ বলতে বোঝায় হৃৎপিন্ডের প্রসারণ চাপ

হৃৎপিন্ডের রক্ত সঞ্চালন:
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র হৃদপিন্ড, ধমনি, শিরা ও কৈশিক জালিকা নিয়ে গঠিত।
- মানুষের হৃদপিন্ড অবিরাম সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে ধমনি ও শিরার মাধ্যমে রক্ত পরিবহন করে।
- হৃদপিন্ডের স্বতঃস্ফুর্ত সংকোচনকে সিস্টোল (Systole) এবং স্বতঃস্ফুর্ত প্রসারণকে ডায়াস্টোল (Diastole) বলে।
- উল্লেখ্য, অলিন্দে যখন সিস্টোল হয়, নিলয়ে তখন ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫০৭.
হিগস বোসন কণা আর কী নামে পরিচিত?
  1. নিউট্রিনো কণা 
  2. লাফিং কণা 
  3. ঈশ্বর কণা
  4. ফোটন কণা 
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বর কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বর কণা
ব্যাখ্যা

হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে।
- হিগস বোসন ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।
- এই হিগস বোসন কণাকে ঈশ্বর কণা (God's Particle) বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫০৮.
শুষ্ক বাতাসে কোন গ্যাসটির পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) কার্বন ডাইঅক্সাইড
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন,২০.৯৫% অক্সিজেন, ০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে। বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে যার গড় প্রায় ১%।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান।

২,৫০৯.
ফিটকিরি কোন ধরনের যৌগ?
  1. একলবণ
  2. দ্বি-লবণ
  3. অম্ল
  4. ক্ষার
সঠিক উত্তর:
দ্বি-লবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বি-লবণ
ব্যাখ্যা

ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ।

ফিটকিরি:
- প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশে এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরির ব্যবহার প্রচলিত।
- ফিটকিরি অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, পটাশিয়াম সালফার ও ২৪ অণু পানির যৌগ।
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে [K2SO4.Al2(SO4 )3. 24H2O] |
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে।
- ফিটকিরি মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত।

- ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ।
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস।
- এটি সাধারণত কঠিন অবস্থায় বাজারে প্রচলিত।
- বিভিন্ন কাজে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়।
যেমন-
- এটি জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কোথাও কেটে গেলে, ছিঁড়ে গেলে সেখানে পানিতে ভিজানো ফিটকিরি ঘষে দেওয়া হয়।
- ফিটকিরি কঠিন অবস্থায় থাকে বলে প্রথমে পানিতে ভিজিয়ে নিতে হয় অথবা পানিতে দ্রবীভূত করে তা ক্ষতস্থানে লাগানো হয়।
- খাবার পানি বিশুদ্ধ বা জীবাণুমুক্ত করার জন্য এর সাথে পরিমাণমত ফিটকিরি ব্যবহারের ঘণ্টাখানেক আগে দিয়ে রাখা হয়।
- ফিটকিরি গলে গেলে পানি ছেঁকে নেয়া হয়।
- অনেকে দাড়ি কাটার পর এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরি ব্যবহার করেন।
- এটি আফটার সেভ লোশান হিসেবে কাজ করে। ফিটকিরি রক্তক্ষরণও বন্ধ করে।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫১০.
মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. সবুজ গ্রহ নামে অভিহিত
  2. উপগ্রহের সংখ্যা দুইটি
  3. এর আকার পৃথিবীর আকারের অর্ধেক
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সবুজ গ্রহ নামে অভিহিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবুজ গ্রহ নামে অভিহিত
ব্যাখ্যা
মঙ্গল গ্রহ:
- মঙ্গল হলো সূর্য থেকে চতুর্থ দূরবর্তী গ্রহ।
- বুধের পরেই সৌরজগতের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম গ্রহ।
- এই গ্রহটিকে ‘লাল গ্রহ’ নামে অভিহিত করা হয়।
- সূর্য থেকে মঙ্গল গ্রহের দূরত্ব ২২৮ মিলিয়ন কিলোমিটার।
- এটি একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে ৬৮৭ দিন সময় নেয়।
- এর ব্যাসার্ধ প্রায় ৩৩৯০ কিলোমিটার (২১০৬ মাইল)। 
- এর আকার পৃথিবীর আকারের অর্ধেক।
- সূর্য থেকে মঙ্গল গ্রহে আলো পৌছাতে সময় লাগে ১৩ মিনিট।
- নিজ কক্ষপথে একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে প্রায় ২৪ ঘন্টা।

⇒ মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা দুইটি: ফোবোস ও ডিমোস।

অন্যদিকে,
- ইউরেনাসকে সবুজ গ্রহ বলা হয়।

উৎস: i) NASA (.gov).
ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫১১.
বায়ু পরাগী উদ্ভিদ কোনটি?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) ইক্ষু
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- অনেক উদ্ভিদের ফুলের পরাগায়ন বায়ুর সাহায্যে হয়ে থাকে।
- যে ফুলের পরাগায়ন বায়ুর সাহায্যে সম্পন্ন হয় তাকে বায়ু পরাগী ফুল বলে এবং এ প্রক্রিয়াকে বায়ু পরাগায়ন বলে।
- পাইনাস, ধান, গম, ইক্ষু, ঘাস জাতীয় উদ্ভিদে এ প্রক্রিয়ায় পরাগায়ন ঘটে।

 সূত্র: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫১২.
ব্যাকটেরিয়া কোষে ক্রোমোজোম ছাড়া যে বৃত্তাকার DNA অনু থাকে তাকে কী বলে?
  1. ক) ফ্লাজেলা
  2. খ) পিলি
  3. গ) প্লাজমিড
  4. ঘ) ক্যাপসুল
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাজমিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাজমিড
ব্যাখ্যা
ফ্লাজেলা: ব্যাকটেরিয়ার চলনে সাহায্য করে।
পিলি = ব্যাকটেরিয়াকে পোষক কোষের সাথে আটকে থাকতে সাহায্য করে। 
প্লাজমিড = ব্যাকটেরিয়ার ক্রোমোসোমের বাহিরে একটি বৃত্তাকার অনু। এটি স্বপ্রজনন ক্ষমতা সম্পন্ন। 
ক্যাপসুল = ব্যাটেরিয়ার কোষপ্রাচীরকে ঘিরে অবস্থিত জটিল কার্বোহাইড্রেট দিয়ে গঠিত পুরু স্তর।

উৎস:
একাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই।
২,৫১৩.
এক বায়ু মণ্ডলীয় চাপে বরফের গলনাংক:
  1. 25°C
  2. 0°C
  3. 39°C
  4. 100°C
সঠিক উত্তর:
0°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0°C
ব্যাখ্যা

গলন ও গলনাঙ্ক: 
- কোনো বস্তুর কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে গলন বলে। 
- নির্দিষ্ট চাপে যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কঠিন পদার্থ গলে তরলে রূপান্তরিত হয় তাকে ঐ পদার্থের গলনাঙ্ক বলে। 
- এক বায়ু মণ্ডলীয় চাপে বরফের গলনাংক 0°C, সমস্ত পদার্থ না গলা পর্যন্ত তাপমাত্র অপরিবর্তিত থাকে। 

স্ফুটন ও স্ফুটনাঙ্ক: 
- তাপ প্রয়োগ করে নির্দিষ্ট চাপে যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থের দ্রুত বাষ্পীভবন ঘটানোর প্রক্রিয়াকে স্ফুটন বলে। 
- যে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থের স্ফুটন সংঘটিত হয় তাকে ঐ পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে। 
- এক বায়ু মণ্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫১৪.
'Spring Tide' কোন সময় সংঘটিত হয়?
  1. পূর্ণিমা তিথিতে
  2. সপ্তমী তিথিতে
  3. অষ্টমী তিথিতে
  4. নবমী তিথিতে
সঠিক উত্তর:
পূর্ণিমা তিথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণিমা তিথিতে
ব্যাখ্যা
তেজ কটাল বা ভরা কটাল (Spring Tide): 
- চন্দ্রের মত সূর্যও জোয়ার ভাঁটা সৃষ্টিতে সাহায্য করে। 
- যখন অমাবস্যার সৃষ্টি হয় তখন সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- অন্যদিকে পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অন্যপাশে চন্দ্র অবস্থান করে। এই সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- এ সময় সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণকে সাহায্য করে। 
- মূলত পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারের পানি ফুলে উঠে। এই জোয়ারকেই বলা হয় ভরা কটাল বা তেজ কটাল। 
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী পৃষ্ঠের যে স্থানে চন্দ্রের প্রভাবে মুখ্য জোয়ার হয়, সে স্থানে সূর্যের প্রভাবে গৌণ জোয়ার হয়। 
- আবার চন্দ্রের প্রভাবে যে স্থানে গৌণ জোয়ার হয় ঐ স্থানে সূর্যের আকষর্ণে মুখ্য জোয়ার হয়। 
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে মরা কটাল সংগঠিত হয়। 
 
উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫১৫.
কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন কে?
  1. ক) ম্যাক্স প্লাঙ্ক
  2. খ) আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. গ) হাইগেন
  4. ঘ) রাদারফোর্ড
সঠিক উত্তর:
খ) আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা

কোন কোন ধাতুর উপর আলাে পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয়, একে ফটোতড়িৎ ক্রিয়া বলে।
আলাের তরঙ্গ ধর্মের সাহায্যে এই ঘটনার ব্যাখ্যা করা যায় না।
১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আলাের কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে এই ঘটনার ব্যাখ্যা দেন।
সেজন্য তাঁকে ১৯২১ সালে নােবেল পুরস্কার দেয়া হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫১৬.
কোনটি মৌলিক বল?
  1. ক) মহাকর্ষ বল
  2. খ) তাড়িতচৌম্বক বল
  3. গ) মহাজাগতিক বল
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনাে বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনাে বলের কোনাে রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনাে না কোনাে রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।

এই মৌলিক বলগুলাে হলাে :
১. মহাকর্ষ বল (Gravitational force)
২. তাড়িতচৌম্বক বল (Electromagnetic force)
৩. সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear force)
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল (Weak Nuclear force)

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, ২য় পত্র, ১১শ-১২শ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন

২,৫১৭.
সাবানায়ন প্রক্রিয়ায় কী উৎপন্ন হয়?
  1. ক) ডিটারজেন্ট
  2. খ) সাবান
  3. গ) গ্লিসারিন
  4. ঘ) খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
তেল বা চর্বির সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড বা পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড বিক্রিয়া করে সাবান ও গ্লিসারিন উৎপন্ন করে। সাবান এবং গ্লিসারিন তৈরির এ প্রক্রিয়াকে সাবানায়ন বলে।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
২,৫১৮.
মহাবিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান কোনটি?
  1. অক্সিজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. হিলিয়াম
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
ব্যাখ্যা
- বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাস হলো- হাইড্রোজেন। 
- হাইড্রোজেন গ্যাস মহাবিশ্বের মৌলিক গঠনের প্রায় 75% (ভর) তৈরি করে। 
- এটি আমাদের সূর্য সহ নক্ষত্রগুলিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায় এবং এটি পারমাণবিক ফিউশন প্রতিক্রিয়াগুলির জন্য প্রাথমিক জ্বালানী উৎস। 
- হাইড্রোজেন আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশেও প্রচুর পরিমাণে উপস্থিত থাকে এবং এটি আণবিক মেঘের একটি মূল উপাদান যেখানে নতুন তারকা গঠিত হয়। 
- মহাবিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উপাদান হচ্ছে হিলিয়াম। 
- হাইড্রোজেন ও হিলিমায় যৌথভাবে মহাবিশ্বের ৯৯.৯% উপাদান গঠন করেছে। 
- এই সারিতে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে অক্সিজেন। 

উৎস: The University of Texas; LiveScience and Nature Journal.

অন্যদিকে, 
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে নাইট্রোজেন গ্যাস। 
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন গ্যাসের শতকরা হার: 
• নাইট্রোজেন - ৭৮.০২%, 
• অক্সিজেন - ২০.৭১%, 
• আরগন - ০.৮০%, 
• কার্বন ডাই অক্সাইড - ০.০৩%, 
• জলীয় বাষ্প - ০.৪১%, 
• অন্যান্য গ্যাসসমূহ - ০.০২%, 
• ধূলিকণা ও কণিকা - ০.০১%। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫১৯.
জারণ-বিজারণ একটি- 
  1. রেডক্স বিক্রিয়া
  2. সংযোজন বিক্রিয়া
  3. প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া
  4. আর্দ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
রেডক্স বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডক্স বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা

জারণ-বিজারণ (Oxidation-Reduction) বিক্রিয়ায় একটি পদার্থ ইলেকট্রন দেয় (জারণ) এবং অপরটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে (বিজারণ)। এই ইলেকট্রনের আদান-প্রদানকে রেডক্স বিক্রিয়া বলা হয়। 

• জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
• জারণ বিক্রিয়া একটি যুগপৎ বিক্রিয়া।
• জারণ অর্ধবিক্রিয়া:  Na→ Na+ + e (ইলেকট্রন দান বা জারণ)
বিজারণ অর্ধবিক্রিয়া: CI0 + e → CI- (ইলেকট্রন গ্রহণ বা বিজারণ)

- এই দুই অর্ধবিক্রিয়াকে যোগ করলে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া পাওয়া যায়।
• জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: Na0 + CI0 → Na+ + Cl-→NaCl

এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎস- নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই

২,৫২০.
সর্বাপেক্ষা দক্ষতাসম্পন্ন ইঞ্জিন কোনটি?
  1. পেট্রোল ইঞ্জিন
  2. ডিজেল ইঞ্জিন
  3. বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন
  4. গ্যাস ইঞ্জিন
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা
• সর্বাপেক্ষা দক্ষতাসম্পন্ন ইঞ্জিন হলো বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন। 

• ইঞ্জিনের দক্ষতা:

- ইঞ্জিনের দক্ষতা বলতে বোঝায়, একটি ইঞ্জিন কতটুকু কার্যকরভাবে প্রদত্ত শক্তিকে কাজে রূপান্তর করতে পারে।
- এটি সাধারণত শতকরা হার হিসাবে প্রকাশ করা হয়।
- ইঞ্জিন যত বেশি দক্ষ হবে, তত কম শক্তি অপচয় করে সে বেশি কাজ করতে পারবে। 

• বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনের দক্ষতা বেশি হওয়ার কারণ:
→ শক্তির অপচয় কম:
- বৈদ্যুতিক মোটরগুলিতে জ্বালানি পোড়ানো হয় না, তাই তাপ শক্তির অপচয় হয় না। 
→ কম ঘর্ষণ:
- এতে চলন্ত অংশ কম থাকে, ফলে ঘর্ষণ ও শক্তি ক্ষয় কম হয়। 
→ উচ্চ দক্ষতা হার:  
- আধুনিক বৈদ্যুতিক মোটরের দক্ষতা ৯০–৯৫% পর্যন্ত হতে পারে। 
→ সরাসরি শক্তি রূপান্তর:
- বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে, যেখানে অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনগুলি প্রথমে জ্বালানি পোড়ানোর মাধ্যমে তাপ উৎপন্ন করে এবং তারপর সেই তাপকে কাজে লাগায়।
- এই কারণে বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনগুলির কর্মক্ষমতা বেশি হয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
- U.S. Department of Energy (DOE). 
২,৫২১.
নিচের কোনটি কলয়েড?
  1. ক) চিনির শরবত
  2. খ) ভিনেগার
  3. গ) দুধ
  4. ঘ) অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
গ) দুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দুধ
ব্যাখ্যা
কলয়েড
- যে ধরনের মিশ্রণে অতি ক্ষুদ্র কোনো বস্তুকণা অপর বস্তুকণার মাঝে সাসপেন্ডেড বা ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং রেখে দিলে কখনই কোনো তলানি পড়ে না তাকে বলা হয় কলয়েড।
- কলয়েডে বিদ্যমান উপাদানগুলো একটি আরেকটিতে দ্রবীভূত হয় না, কিন্তু ছড়িয়ে থাকে।
- কলয়েডে যেটি প্রধান উপদান বা পরিমাণে বেশি থাকে, তাকে বলে অবিচ্ছিন্ন ফেজ বা দশা।
- আর যেটি কম পরিমাণে থাকে বা ছড়িয়ে থাকে, তাকে বলে ডিসপারসড ফেজ বা দশা। 

যেমন: দুধ হচ্ছে একটি কলয়েড, যা পানি ও চর্বি দিয়ে তৈরি। চর্বির ক্ষুদ্র কণাগুলো পানিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে, যা খালি চোখে দেখা যায় না, কিন্তু অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে ঠিকই দেখা যায়।
- দুধের মতো কুয়াশা হচ্ছে আরেকটি কলয়েড, যেখানে পানির ছোট ছোট কণাগুলো বাতাসে ছড়িয়ে থাকে। 
-আবার অ্যারোসলও কিন্তু এক ধরনের কলয়েড, যেখানে তরল কীটনাশকের কণাগুলো বাতাসে ভেসে থাকে।
- সাধারণত কলয়েডে বিদ্যমান ভাসমান কণাগুলোর আকার ১-১০০০ ন্যানোমিটার হয়ে থাকে। 
- আর যদি কণাগুলোর আকার ১ মাইক্রোমিটার বা তার বেশি হয়, তখন এটি আর কলয়েড না হয়ে সাসপেনসনে পরিণত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২,৫২২.
একটি কক্ষের তাপমাত্রা 30°C। ফারেনহাইট স্কেলে তাপমাত্রা কত হবে?
  1. ক) 86°F
  2. খ) 80°F
  3. গ) 68°F
  4. ঘ) 62°F
সঠিক উত্তর:
ক) 86°F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 86°F
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
C/5 = (F - 32)/9
⇒ 30/5 = (F - 32)/9
⇒ 6 = (F - 32)/9
⇒ F - 32 = 54
∴ F = 54 + 32
= 86° 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৫২৩.
ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. ফসফেট
  2. আয়োডিন
  3. টেকনেশিয়াম
  4. ইরিডিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরিডিয়াম
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ:
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়।
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-60 থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়।
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-32 এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়।
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেশিয়াম-99 আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫২৪.
মানবদেহের রক্তে শতকরা কতভাগ রক্তরস থাকে?
  1. ক) ৫৫%
  2. খ) ৪৫%
  3. গ) ৬০%
  4. ঘ) ৬৫%
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৫%
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের রক্তে রক্তরস থাকে শতকরা- ৫৫% ভাগ। 

রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু (Fluid Connective Tissue)।
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।
- রক্তকণিকা ৩ ধরনের হতে পারে। 
যথা-
• লোহিত রক্তকণিকা
• শ্বেত রক্তকণিকা এবং 
• অণুচক্রিকা। 

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
২,৫২৫.
নিচের কোন প্লাস্টিডে ক্লোরোফিল থাকে? 
  1. লিউকোপ্লাস্ট
  2. ক্লোরোপ্লাস্ট
  3. ক্রোমোপ্লাস্ট
  4. ক্রোমোটোপ্লাস্ট
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোপ্লাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড (Plastid): 
- বিজ্ঞানী আর্নস্ট হেকেল 1866 সালে উদ্ভিদ কোষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু প্লাস্টিড আবিষ্কার করেন। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় এবং আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
- প্লাস্টিড তিন ধরনের। 
যথা- ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট। 

১। ক্লোরোপ্লাস্ট (Chloroplast): 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। 
- পাতা, কচি কাণ্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা (grana) অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে (stroma) অবস্থিত উৎসেচক সমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভিতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে। 
- এই প্লাস্টিডে ক্লোরোফিল থাকে, তাই এদের সবুজ দেখায়। এছাড়া এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 

২। ক্রোমোপ্লাস্ট (Chromoplast): 
- এগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল (হলুদ), ক্যারোটিন (কমলা), ফাইকোএরিথ্রিন (লাল), ফাইকোসায়ানিন (নীল) ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনোটিকে হলুদ, কোনোটিকে নীল আবার কোনোটিকে লাল দেখায়। 
- এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভিদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। 
- রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে এদের পাওয়া যায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা এদের প্রধান কাজ। 
- এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে। 

৩। লিউকোপ্লাস্ট (Leucoplast): 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রুণ, জননকোষ ইত্যাদি) সেখানে এদের পাওয়া যায়। 
- এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 
- আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫২৬.
নিচের কোন সমুদ্রের পানি সবচেয়ে বেশি লবনাক্ত?
  1. কৃষ্ণ সাগর
  2. মৃত সাগর
  3. বাল্টিক সাগর
  4. লোহিত সাগর
সঠিক উত্তর:
মৃত সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত সাগর
ব্যাখ্যা
স্থলবেষ্টিত মৃত সাগর হলো পৃথিবীর অন্যতম লবনাক্ত সাগর যেখানে লবনাক্তের পরিমাণ ৩৩.৭%।
২,৫২৭.
হৃৎপিণ্ডকে বেষ্টিত করে কোন পর্দা?
  1. পেরিকার্ডিয়াম
  2. মিসেন্ট্রিয়াম
  3. মেনিনজেস 
  4. প্লুরা
সঠিক উত্তর:
পেরিকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা

হৃৎপিণ্ড: 
- হৃৎপিণ্ড রক্ত সংবহনতন্ত্রের অন্তর্গত এক ধরনের পাম্প। 
- হৃৎপিণ্ড অনবরত সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালন ঘটায়। 
- মানুষের হৃৎপিণ্ড বক্ষগহ্বরে ফুসফুস দুটির মাঝখানে এবং মধ্যচ্ছদার ওপরে অবস্থিত। 
- হৃৎপিণ্ডের প্রশস্ত প্রান্তটি উপরের দিকে এবং ছুঁচালো প্রান্তটি নিচের দিকে বিন্যস্ত থাকে। 
- হৃৎপিণ্ডটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম পর্দা দিয়ে বেস্টিত থাকে। 
- উভয় স্তরের মাঝে পেরিকার্ডিয়াল ফ্লুইড থাকে, যেটি হৃৎপিণ্ডকে সংকোচনে সাহায্য করে। 

- মানুষের হৃৎপিণ্ড চারটি প্রকোষ্ঠ নিয়ে গঠিত। 
- উপরের প্রকোষ্ঠ দুটিকে যথাক্রমে ডান এবং বাম অলিন্দ (Atrium) এবং নিচের প্রকোষ্ঠ দুটিকে যথাক্রমে  ডান  এবং বাম নিলয় ( Ventricles) বলে। - দুটি অলিন্দের ভেতরকার প্রাচীর পাতলা কিন্তু নিলয় দুটির প্রাচীর পুরু এবং পেশিবহুল। 
- ডান অলিন্দের সঙ্গে একটি ঊর্ধ্ব মহাশিরা এবং একটি নিম্ন মহাশিরা যুক্ত থাকে। 
- বাম নিলয়ের সঙ্গে চারটি পালমোনারি শিরা যুক্ত থাকে। ডান নিলয় থেকে ফুসফুসীয় ধমনি এবং বাম নিলয় থেকে মহাধমনি উৎপত্তি হয়েছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫২৮.
এক্স-রে হচ্ছে মূলত - 
  1. উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন প্রবাহ
  2. উচ্চ শক্তির প্রোটন প্রবাহ
  3. উচ্চ শক্তির নিউট্রন প্রবাহ
  4. উচ্চ শক্তির পজিট্রন প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন প্রবাহ
ব্যাখ্যা
এক্স-রে: 
- দ্রুতগতি সম্পন্ন  ইলেকট্রন কোন ধাতুতে আঘাত করলে তা থেকে উচ্চভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন যে বিকিরণ উৎপন্ন হয়, তাকে X-Ray বলে। 
- সুতরাং এক্স-রে হচ্ছে মুলত উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন প্রবাহ। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এই রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি চিকিৎসা বিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- 
• এক্স-রশ্মির সাহায্যে ফটোগ্রাফিক প্লেটে হাত, পা বা দেহের হাড়ের ছবি পাওয়া যায়। এজন্য শল্য চিকিৎসায় এক্স-রশ্মি অপরিহার্য। 
• এক্স-রশ্মির জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করার ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার, টিউমার প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় এই রশ্মি ব্যবহৃত হয়। একে এক্স-রে থেরাপি বলে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫২৯.
করোনা ভাইরাসের পিল 'প্যাক্সলোভিড' উদ্ভাবন করে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ফাইজার
  2. মডার্না
  3. অ্যাস্ট্রাজেনেকা
  4. মার্ক অ্যান্ড কো.
সঠিক উত্তর:
ফাইজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইজার
ব্যাখ্যা
- করোনা ভাইরাসের পিল 'প্যাক্সলোভিড' উদ্ভাবন করে ফাইজার। 
- করোনা চিকিৎসায় ফাইজারের পিল ৮৯ শতাংশ কার্যকর। 
উৎস : পত্রিকা রিপোর্ট
২,৫৩০.
আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে নিচের কোনটি আপেক্ষিক নয়?
  1. আলোর দ্রুতি
  2. সময়
  3. ভর
  4. স্থান
সঠিক উত্তর:
আলোর দ্রুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর দ্রুতি
ব্যাখ্যা
• আপেক্ষিক তত্ত্ব:
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন।
- আইনস্টাইনের তত্ত্ব অনুসারে,
- স্থান,
- ভর ও
- সময় হলো আপেক্ষিক।

- আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে, আলোর দ্রুতি আপেক্ষিক নয় অর্থাৎ এটি ধ্রুব।
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়।
- কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ।

- উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়।
- আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়।
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৩১.
কোনটি জৈব অম্ল?
  1. নাইট্রিক এসিড
  2. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  3. এসিটিক এসিড
  4. সালফিউরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
এসিটিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিটিক এসিড
ব্যাখ্যা
দুর্বল এসিড: 
- সাধারণত জৈব এসিড গুলো দুর্বল হয়ে থাকে। 
- বিভিন্ন শাকসবজি ফল-মূলে এ এসিডগুলো বিদ্যমান থাকে। 
- তাই জৈব এসিড খাওয়ার উপযোগী। 
যেমন: ইথানয়িক এসিড, টারটারিক এসিড, এসিটিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, এসকরবিক এসিড, ম্যালিক এসিড ইত্যাদি। 

শক্তিশালী এসিড: 
- অজৈব এসিড গুলো সাধারণত শক্তিশালী এসিড হয়ে থাকে যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক। 
- তাই অজৈব এসিডগুলো খাওয়া যায় না। 
যেমন: হাইড্রোক্লোরিক এসিড, সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৩২.
‘জেজুনাম’ নিচের কোনটির অংশ?
  1. ক্ষুদ্রান্ত্র
  2. বৃহদন্ত্র
  3. শ্বসনতন্ত্র
  4. ব্রংকাস
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রান্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রান্ত্র
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্রান্ত্র:
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশই হচ্ছে ক্ষুদ্রান্ত্র। 
- এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। যথা:
(i) ডিওডেনাম,
(ii) জেজুনাম ও 
(iii) ইলিয়াম।
- ডিওডেনামে মূলত অগ্ন্যাশয়িক রসের এনজাইমের ক্রিয়া ঘটে।
- জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে।
- ডিওডেনামে মূলত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে।

বৃহদন্ত্র:
- পৌষ্টিকনালির শেষোক্ত বৃহৎ নলাকার অংশ যা ক্ষুদ্রান্ত্রের পর থেকে প্রায় ২ মিটার লম্বা মলাশয় পর্যন্ত বিস্তৃত। - বৃহদন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা:
(i) সিকাম,
(ii) কোলন ও 
(iii) মলাশয়।

শ্বসনতন্ত্র:
- ফুসফুস হচ্ছে শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ ৷
- যে সকল অঙ্গ শ্বসনকার্য চালানোর কাজে অংশ নেয় তাদের একসাথে শ্বসনতন্ত্র বলে।
- নাসিকা, গলবিল, স্বরযন্ত্র, শ্বাসনালি, ব্রংকাস, ফুসফুস ও মধ্যচ্ছদা এগুলো নিয়ে শ্বসনতন্ত্র গঠিত।
- এটি দুই খণ্ডে বিভক্ত এবং প্লুরা নাম পর্দা দ্বারা আবৃত। বাতাসের সঙ্গে অক্সিজেন ফুসফুসে প্রবেশ করে। পরে তা রক্তের মাধ্যমে পরিবহন হয়ে দেহের সব অঙ্গে পৌঁছায়।
- ব্রংকাস শ্বসনতন্ত্রের একটি অংশ।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৩৩.
মানব চোখের বয়োবৃদ্ধির কারণে উপযোজন ক্ষমতা কমে যাওয়ার ফলে কাছের বস্তু দেখতে অসুবিধা হয়। এ সমস্যাকে বলা হয় -
  1. ক) প্রেসবায়োপিয়া
  2. খ) মাইয়োপিয়া
  3. গ) হাইপারমেট্রোপিয়া
  4. ঘ) কনজাংটিভাইটিস
সঠিক উত্তর:
ক) প্রেসবায়োপিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রেসবায়োপিয়া
ব্যাখ্যা
চোখের চালশেকে প্রেসবায়োপিয়া বলে। 
মানব চোখের বয়োবৃদ্ধির কারণে উপযোজন ক্ষমতা কমে যাওয়ার ফলে কাছের বস্তু দেখতে অসুবিধা। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি প্রেজবিয়োপিয়া নামে পরিচিত
 সাধারণত বয়স চল্লিশ পার হলে এই সমস্যা দেখা দেয়। ছোট অক্ষর পড়তে অসুবিধা হয় তবে অপেক্ষাকৃত একটু দূরে ধরলে কিছুটা ভালো দেখা যায়।
বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে মানুষের চোখের পেশীর স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় তখন এই সমস্যা দেখা যায়। 
বাইফোকাল লেন্সের চশমা ব্যবহার করে এই ত্রুটি দূর করা যায়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র বই (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি) ,ড. শাহজাহান তপন
২,৫৩৪.
দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধিত করতে পারে-
  1. ট্রান্সফর্মার
  2. ট্রানজিস্টর
  3. রেকটিফায়ার
  4. অ্যামিটার
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n-টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল (Device) তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।

ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৩৫.
নিচের কোনটি নির্গমশীল জলজ উদ্ভিদ?
  1. কচুরিপানা
  2. শাপলা
  3. হেলেঞ্চা
  4. পাতাশেওলা
সঠিক উত্তর:
শাপলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাপলা
ব্যাখ্যা
জলজ উদ্ভিদ: 
- পুকুরে বিভিন্ন ধরনের জলজ উদ্ভিদ জন্মায়। 
যথা- 
ক) শেওলা: 
- অগভীর পুকুরের তলদেশে বা পুকুর পাড়ে বিভিন্ন ধরনের শেওলা জন্মে। 
যেমন-স্পাইরোগাইরা। 

খ ) ভাসমান উদ্ভিদ: 
- এ সকল উদ্ভিদ পানিতে ভেসে থাকে। 
- এদের মূল মাটিতে আটকানো থাকে না। 
যেমন- কচুরিপানা, টোপাপানা, খুদিপানা ইত্যাদি। 

গ) নির্গমশীল উদ্ভিদ: 
- এ সব উদ্ভিদের শিকড় পানির নিচে মাটিতে থাকে কিন্তু পাতা ও কাণ্ডের উপরের অংশ বা শুধু পাতা পানির উপর দাঁড়িয়ে থাকে বা ভেসে থাকে। 
যেমন- শাপলা, পানিফল, শুসনি শাক, আড়াইল। 

ঘ) নিমজ্জিত বা ডুবন্ত উদ্ভিদ: 
- এ ধরনের জলজ উদ্ভিদ পানির তলদেশে থাকে। 
- এদের শিকড় মাটিতে থাকে। 
- এদের পাতা ও ডাল কখনো পানির উপরে আসে না। 
যেমন- কাঁটাঝাঁঝি, পাতাঝাঁঝি, পাতাশেওলা, নাজাস। 

ঙ) লতানো উদ্ভিদ: 
- এদের শিকড় পুকুরের পাড়ে আটকানো থাকে এবং কাণ্ড, পাতা পানিতে ছড়িয়ে থাকে। 
যেমন- হেলেঞ্চা, কলমিলতা, মালঞ্চ। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৩৬.
হিগের কণার (Higgs Particle) প্রকৃতির সাথে কোন বাংলাদেশি বিজ্ঞানীর নাম জড়িয়ে আছে?
  1. স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু
  2. সত্যেন্দ্র নাথ বসু
  3. প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম
  4. ড. কুদরত-ই-খুদা
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্র নাথ বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্র নাথ বসু
ব্যাখ্যা

বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু 1924 সালে কোয়ান্টাম তত্ত্বের ধারণা ব্যবহার করে বিকিরণ সংক্রান্ত কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্ব প্রদান করেন। এজন্য বিজ্ঞানী বসুকে কোয়ান্টাম সংখ্যায়নতত্ত্বের জনক হিসেবে অভিহিত করা হয়, এবং তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একশ্রেণির মৌলিক কণাকে বোসন (Boson) নাম দেওয়া হয়। 1900 থেকে 1930 সাল পর্যন্ত এই সময়টিতে হাইজেনবার্গ, শ্রোডিঙ্গার, ডিরাকসহ অনেক বড় বড় বিজ্ঞানী মিলে পদার্থের কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত করেন।
-----------------------

বোসন (Boson): 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি। 
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। 
- এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। 
যথা- 

(i) গেজ বোসন (Gauge Boson): 
- এদের স্পিন হলো 1 । 
- এই কণাগুলো হলো- গণ্ডুওন (g), ফোটন (γ) এবং W ও Z বোসন। 
• গণ্ডুণ্ডন: গণ্ডুওন কণা হলো সবল নিউক্লিয় বলবাহী কণা। এর নিশ্চল ভর শূন্য। 
• ফোটন: এই কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। এর নিশ্চল ভর শূন্য। 
• W ও Z বোসন: W+, W- এবং W0 এই তিনটি বোসন কণা দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক। এ কণাগুলোর ভর আছে।

(ii) হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা। 
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়। 
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্তানান্তরিত হয়। হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্তানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে। 
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৩৭.
ইলেক্ট্রন -
  1. ক) আধান নিরপেক্ষ
  2. খ) ধণাত্মক আধান যুক্ত
  3. গ) ঋণাত্মক আধান যুক্ত
  4. ঘ) এর কোনো আধান নেই
সঠিক উত্তর:
গ) ঋণাত্মক আধান যুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঋণাত্মক আধান যুক্ত
ব্যাখ্যা
ইলেক্ট্রন পরমাণুর একটি মূল কণিকা যার আধান বা চার্জ ঋণাত্মক বা নেগেটিভ।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
২,৫৩৮.
পেপটিক আলসার হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ কোনটি?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ব্যাকটেরিয়া
  3. গ) প্রোটোজোয়া
  4. ঘ) খাদ্যে অনিয়ম
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন (1951-বর্তমান) ও ব্যারি মার্শালের (1937-বর্তমান) গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপােড়া খাবার খাওয়া, বিষন্নতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া।
এজন্য তাঁরা 2005 সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নােবেল পুরস্কার লাভ করেন। আগে ভাবা হতাে, পাকস্থলীর তীব্র হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে (pH 1.5-3.5) কোনাে ব্যাকটেরিয়া টিকতে পারে না। তাঁর ধারণা প্রমাণ করার জন্য ব্যারি মার্শাল নিজে H. pylori ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত দ্রবণ পান করে পেপটিক আলসারে ভুগেছিলেন!

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।
২,৫৩৯.
ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়া জীবাণু ভক্ষণ করে -
  1. নিউট্রোফিল
  2. ইওসিনােফিল
  3. বেসােফিল
  4. হিস্টামিন
সঠিক উত্তর:
নিউট্রোফিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রোফিল
ব্যাখ্যা
গ্র‍্যানোলোসাইট শ্বেত রক্তকণিকার একটি ধরন৷
এদের সাইটোপ্লাজম সূক্ষ্ম দানাযুক্ত। গ্রানুলােসাইট শ্বেত কণিকাগুলাে নিউক্লিয়াসের আকৃতির ভিত্তিতে তিন প্রকার।
যথা:
১. নিউট্রোফিল,
২. ইওসিনােফিল এবং
৩. বেসােফিল।

- নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়া জীবাণু ভক্ষণ করে।
- ইওসিনােফিল ও বেসোফিল হিস্টামিন নামক রাসায়নিক পদার্থ নিঃসৃত করে দেহে এলার্জি প্রতিরোধ করে।
- বেসােফিল হেপারিন নিঃসৃত করে রক্তকে রক্ত বাহিকার ভেতরে জমাট বাঁধতে বাধা দেয়।

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
২,৫৪০.
SATP তে তাপমাত্রা কত ধরা হয়? 
  1. 0°C
  2. 25°C
  3. 4°C
  4. 100°C
সঠিক উত্তর:
25°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
25°C
ব্যাখ্যা
SATP: 
- SATP হলো Standard Ambient Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- এক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 25°C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 24.789 dm3। 

STP: 
- STP হলো Standard Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- এক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 0°C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 22.4 dm3। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৪১.
রাইজোবিয়াম কী? 
  1. শৈবাল
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ছত্রাক
  4. পরজীবী
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
রাইজোবিয়াম: 
- রাইজোবিয়াম এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। 
- এই ব্যাকটেরিয়া শিম ও ডাল জাতীয় উদ্ভিদের শিকড়ের কাছে অবস্থান নিয়ে বায়ু থেকে নাইট্রোজেন গ্রহন করে শিকড়ে গুটি তৈরি করে। 
- এ ব্যাকটেরিয়া বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন সংযোজন করে নিজের প্রয়োজন মিটায় এবং উদ্ভিদে সরবরাহ করে। 
- শিম জাতীয় উদ্ভিদ যেমন- মুগ, মসুর, ছোলা, মটর, সয়াবিন, চিনাবাদাম, ধইঞ্চা ইত্যাদি ফসলে ব্যাকটেরিয়া সার ব্যবহার করে উত্তম ফসল পাওয়া যায়। 
- নাইট্রোজেন সংবন্ধনকারী রাইজেবিয়াম অণুজীব সার ইউরিয়া সারের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৪২.
প্রমাণ অবস্থায় এক মোল গ্যাসের আয়তন কত?
  1. 0.0224 লিটার
  2. 2.24 লিটার
  3. 0.224 লিটার
  4. 22.4 লিটার
সঠিক উত্তর:
22.4 লিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
22.4 লিটার
ব্যাখ্যা

মোলার আয়তন: 
- যে কোনো উপাদানের এক মোল পরিমাণ পদার্থের আয়তনকে মোলার আয়তন বলে। 
- পদার্থের ভৌত অবস্থা ভেদে মোলার আয়তন ভিন্ন ভিন্ন। 
- কঠিন ও তরল উপাদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পদার্থের মোলার আয়তন বিভিন্ন হয়। তবে গ্যাসের ক্ষেত্রে একই তাপমাত্রা ও চাপে সকল গ্যাসের এক মোলার আয়তন একই হয়। 
- প্রমাণ অবস্থায় এক মোল যে কোনো গ্যাসের আয়তন 22.4 লিটার। 
- 0°C তাপমাত্রাকে প্রমাণ তাপমাত্রা এবং 1 বায়ুমণ্ডলীয় চাপকে প্রমাণ চাপ বলে। 
- তাপমাত্রার বৃদ্ধি ঘটালে গ্যাসের আয়তনের বৃদ্ধি এবং তাপমাত্রার হ্রাস ঘটালে গ্যাসের আয়তনের হ্রাস ঘটে। 
- আবার গ্যাসের উপর আরোপিত চাপের বৃদ্ধি ঘটালে আয়তনের হ্রাস ঘটে। আরোপিত চাপের হ্রাস ঘটালে আয়তনের বৃদ্ধি ঘটে। 
- এক মোল অণু = গ্রাম আণবিক ভর = 6.023×1023 টি অণু। আর প্রতিটির সম্পর্ক হলো যে কোনো গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন প্রমাণ অবস্থায় 22.4 লিটার। 

অর্থাৎ, 
• এক মোল অণু হাইড্রোজেন = 2 গ্রাম হাইড্রোজেন = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল অণু অক্সিজেন = 32 গ্রাম অক্সিজেন = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল অ্যামোনিয়া = 17 গ্রাম অ্যামোনিয়া = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 
• এক মোল কার্বন ডাই-অক্সাইড = 44 গ্রাম কার্বন ডাই-অক্সাইড = প্রমাণ অবস্থায় আয়তন 22.4 লিটার। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৪৩.
পদার্থ যেই অবস্থায় আছে চিরকাল সেই অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যেই প্রবণতা তাকে কি বলে?
  1. ক) বেগ
  2. খ) জড়তা
  3. গ) ভরবেগ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) জড়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জড়তা
ব্যাখ্যা
জড়তা: 
- পদার্থ যেই অবস্থায় আছে চিরকাল সেই অবস্থায় থাকতে চাওয়ার যেই প্রবণতা, তাকে জড়তা বলে
- জড়তা দুই প্রকার: 

১। স্থিতি জড়তা:
- স্থির বস্তুর চিরকাল স্থির থাকতে চাওয়ার যেই ধর্ম বা প্রবণতা তাকে স্থিতি জড়তা বলে।

২। গতি জড়তা:
- গতিশীল বস্তুর চিরকাল স্থির থাকতে চাওয়ার যেই ধর্ম বা প্রবণতা তাকে স্থিতি জড়তা বলে।

গতিশীল গাড়ি হঠাৎ থেমে গেলে গাড়িতে বসা যাত্রী সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে বা হুমড়ি খেয়ে পড়ে। গাড়ি যখন গতিশীল ছিল তখন যাত্রীর শরীরের উপরের অংশ এবং নিচের অংশ উভয়ই গতিশীল ছিল। কিন্তু গাড়ি হঠাৎ থেমে যাওয়ায় গাড়ি সংলগ্ন শরীরের নিচের অংশ সর্বপ্রথম থেমে যায় বা স্থির হয়। কিন্তু উপরের অংশ তখনও গতিশীল থাকায় তা গতিশীলই থাকতে চায়। ফলে আরোহী বা যাত্রী সামনের দিকে ঝুঁকে পরে। এটি গতি জড়তা এর উদাহরণ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৪৪.
​আইনস্টাইন কোন বছরে কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন? 
  1. ১৯০০ সালে

  2. ১৯০৫ সালে
  3. ১৯১৫ সালে
  4. ১৯২০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা

প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেড়িয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেজ আকারে বের হয়। 
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রং এর আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে, এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন। 
- এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়। 
- কিন্তু আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৪৫.
কোন অ্যালকোহলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানীতে ব্যবহার করা হয় যা পরিবেশ বান্ধব?
  1. মিথানল 
  2. ইথানল
  3. প্রোপানল
  4. বেনজিন
সঠিক উত্তর:
ইথানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানল
ব্যাখ্যা

অ্যালকোহল: 
- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়। 
- এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক।
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। 
- পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। 
- রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়, এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়, এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে; তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৪৬.
ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক্যাপাসিটর
  2. অ্যামপ্লিফায়ার
  3. রেজিস্টর
  4. ডায়োড
সঠিক উত্তর:
অ্যামপ্লিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামপ্লিফায়ার
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়, যেটাকে বলা হয় অ্যামপ্লিফায়ার। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
২,৫৪৭.
একটি পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে জুপ্ল্যাঙ্কটন ভক্ষণকারী ছোট মাছ কোন স্তরের খাদক?
  1. উৎপাদক স্তর
  2. প্রথম স্তরের খাদক
  3. দ্বিতীয় স্তরের খাদক
  4. তৃতীয় স্তরের খাদক
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় স্তরের খাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় স্তরের খাদক
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় স্তরের খাদক হলো সেই সকল জীব, যারা প্রথম স্তরের খাদকের ওপর নির্ভর করে খাদ্য গ্রহণ করে; যেমন পুকুরে ছোট মাছ, ব্যাঙ ও কিছু জলজ পতঙ্গ।

• বাস্তুতন্ত্র (Ecosystem):
- নির্দিষ্ট পরিবেশে সজীব ও নির্জীব উপাদানের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার গতিময় ব্যবস্থাকে বাস্তুতন্ত্র বলে।
- এখানে জীব ও পরিবেশ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল।

• বাস্তুতন্ত্রের উপাদান:
- বাস্তুতন্ত্র মূলত দুই প্রকার উপাদান নিয়ে গঠিত—অজৈব উপাদান ও জৈব উপাদান।

• অজৈব উপাদান:
- পানি, মাটি, কার্বন ডাইঅক্সাইড, অক্সিজেন, আলো, তাপ, আর্দ্রতা, খনিজ লবণ প্রভৃতি অজৈব উপাদান।
- এগুলো জীবের বেঁচে থাকা ও খাদ্য উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য।

• জৈব উপাদান:
- জৈব উপাদান তিন প্রকার—উৎপাদক, খাদক ও বিয়োজক।

• উৎপাদক (Producer):
- সবুজ উদ্ভিদ ও শৈবাল সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরি করে।
- এরা স্বভোজী (Autotroph)।
- উদাহরণ: শৈবাল, জলজ উদ্ভিদ, প্ল্যাঙ্কটন।

• খাদক (Consumer):
- যারা নিজে খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে না এবং উৎপাদক বা অন্যান্য জীবের ওপর নির্ভর করে তাদের খাদক বলে।
- খাদক তিন প্রকার—
- প্রথম স্তরের খাদক: উৎপাদককে সরাসরি খায়।
- উদাহরণ: মশার লার্ভা, ভাসমান ক্ষুদ্র প্রাণী (জুপ্ল্যাঙ্কটন), কিছু জলজ পোকা।
- দ্বিতীয় স্তরের খাদক: প্রথম স্তরের খাদককে খায়।
- উদাহরণ: ছোট মাছ, ব্যাঙ, কিছু জলজ পতঙ্গ।
- তৃতীয় স্তরের খাদক: দ্বিতীয় স্তরের খাদককে খায়।
- উদাহরণ: বড় মাছ (শোল, বোয়াল), বক, পানকৌড়ি।

• বিয়োজক (Decomposer):
- মৃত জীবদেহ ভেঙে সরল পদার্থে পরিণত করে।
- উদাহরণ: ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক।
- বিয়োজিত পদার্থ পুনরায় উৎপাদক ব্যবহার করে।
 
• অন্যান্য অপশন:
- উৎপাদক → সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য উৎপাদনকারী স্বভোজী জীব।
- প্রথম স্তরের খাদক → সরাসরি উৎপাদক ভক্ষণকারী তৃণভোজী প্রাণী।
- তৃতীয় স্তরের খাদক → দ্বিতীয় স্তরের খাদকের ওপর নির্ভরশীল উচ্চস্তরের মাংসাশী প্রাণী।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৪৮.
কোন কোষে লিউকোপ্লাস্ট দেখতে পাওয়া যায়? 
  1. ক) রঙ্গিন পাতা
  2. খ) জননকোষ
  3. গ) গাজরের মূলে
  4. ঘ) উদ্ভিদের কচি কাণ্ডে
সঠিক উত্তর:
খ) জননকোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জননকোষ
ব্যাখ্যা

জননকোষে লিউকোপ্লাস্ট দেখতে পাওয়া যায়।

কারণ, এ ধরনের কোষে সূর্যের আলো পৌছায় না।
বর্ণহীন প্লাস্টিডকে লিউকোপ্লাস্ট বলে। এতে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না। লিউকোপ্লাস্টের কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা।
আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট , ক্লোরোপ্লাস্ট এ রুপান্তরিত হতে পারে।
যেমন- মূল, ভ্রূণ, জননকোষ ইত্যাদি।
রঙ্গিন পাতা, ফুল এবং গাজরের মূলে ক্রোমোপ্লাসট রয়েছে।
উদ্ভিদের কচি কাণ্ডে, পাতায় ও অন্যান্য সবুজ অংশে ক্লোরোপ্লাস্ট দেখতে পাওয়া যায়।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

২,৫৪৯.
কোনটি মডারেটর হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. D2O2
  2. D2O
  3. PbO
  4. Fe2O3
সঠিক উত্তর:
D2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
D2O
ব্যাখ্যা
মডারেটর (Moderator):
- নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন।
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন।
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়।
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর।
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো- (i) ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং (ii) গ্রাফাইট।  

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫০.
What is the chemical composition of baking powder?
  1. NaHCO3
  2. KCl
  3. NH4Cl
  4. CaCO3
  5. H2SO4
সঠিক উত্তর:
NaHCO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NaHCO3
ব্যাখ্যা
• বেকিং পাউডার:
- বেকিং পাউডার মূল উপাদান হলো সোডিয়াম বাই কার্বনেট। 
- কেক বা পিঠা ফোলানোর জন্য সাধারণত বেকিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।
- বেকিং পাউডারের মূল উপাদানের সংকেত NaHCO3.

অপশন আলোচনা:
- NaHCO3 - সোডিয়াম বাই কার্বনেট। 
- KCl - পটাসিয়াম ক্লোরাইড।
- NH4Cl - অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড।
- CaCO3 - ক্যালসিয়াম কার্বনেট।
- H2SO4 - সালফিউরিক এসিড।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই।
২,৫৫১.
তড়িৎ চৌম্বক আবেশ আবিষ্কার করেছিলেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. গ্যালিলিও
  2. ম্যাক্সওয়েল
  3. নিউটন
  4. ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
ফ্যারাডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা

তড়িৎ চৌম্বক আবেশ বা ইলেকট্রোম্যাগনেটিজম আবিষ্কার করেছিলেন ইংরেজ বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডে। ফ্যারাডের পরীক্ষায় দেখা যায়, চলমান তড়িৎ প্রবাহ চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে পারে, এবং পরিবর্তনশীল চৌম্বক ক্ষেত্র তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করতে পারে। এই আবিষ্কার আধুনিক বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) ফ্যারাডে।

• তড়িৎ চৌম্বক আবেশ: 
- ওয়েরস্টেড (১৮২০) তড়িৎ প্রবাহে চৌম্বকীয় ক্রিয়া আবিস্কারের পর থেকেই বিজ্ঞানীদের মাথায় চৌম্বক ক্ষেত্রের প্রভাবে তড়িৎ প্রবাহ সৃষ্টির কথা চিন্তা করেন।
- তখন তিন দেশের তিন জন বিজ্ঞানী ইংল্যান্ডে মাইকেল ফ্যারাডে, আমেরিকাতে জোসেফ হেনরী এবং রাশিয়ায় এইচ. এফ. ই. লেনজ পৃথক পৃথক ভাবে এ বিষয়ের উপর গবেষণা করে সফলতা অর্জন করেন। 
- কিন্তু মাইকেল ফ্যারাডে ১৮৩১ সালে সর্বপ্রথম তাঁর গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রকাশ করেছিলেন।
- সেজন্য মাইকেল ফ্যারাডে তড়িৎ চৌম্বক আবেশের আবিষ্কারক হিসাবে পরিচিত। 
- ফ্যারাডের পরীক্ষাগুলো থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, কোনো বদ্ধ কুণ্ডলী এবং কোনো চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আপেক্ষিক গতি থাকলে ঐ কুণ্ডলীতে
একটি আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তির সৃষ্টি হয়। এই ঘটনাকে তড়িৎ চৌম্বক আবেশ বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৫২.
মানুষের মুখে ছেদন দন্ত কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৬ টি
  4. ঘ) ৮ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ টি
ব্যাখ্যা

মানুষের মুখে চার ধরনের দাঁত রয়েছে। এগুলো হলোঃ
১) Incisor( কর্তন)
২) Canine( ছেদন)
৩) Premolar ( অগ্রপেষণ)
৪) Molar ( পেষণ)।
একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের ৩২ টি দাঁতের মধ্যে উপরের পাটিতে থাকে ১৬ টি আর নিচে থাকে ১৬ টি।
প্রতি পাটিতে ১৬ টি দাঁতের মধ্যে সামনের ৪ টি Incisor বা কর্তন দাঁত। তার পরেই যে সুচালো দাঁতটি রয়েছে সেটি হলো Canine বা ছেদন। মাংসাশী প্রানীদের এই দাঁত অনেক লম্বা থাকে। তার পরে দুটি (এক পাশে) অগ্রপেষণ। সবার শেষে আক্কেল দাঁতসহ তিনটি (এক পাশে) দাঁত হলো পেষণ দাঁত যা আমাদের চিবানোর কাজে লাগে।
অর্থাৎ মানুষের মোট ৩২ টি দাঁতের মধ্যে কর্তন দাঁত ৪+৪= ৮ টি। ছেদন ২+২= ৪ টি। অগ্রপেষণ ৪+৪ =৮ টি এবং পেষণ দাঁত ৬+৬ = ১২ টি।
উৎসঃ সপ্তম শ্রেণি, বিজ্ঞান; নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রাণীবিজ্ঞান।

২,৫৫৩.
ক্ষার ধাতুর জারণ সংখ্যা কত?
  1. 0
  2. + 1
  3. - 1
  4. + 2
সঠিক উত্তর:
+ 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
+ 1
ব্যাখ্যা
জারণ সংখ্যা নির্ণয়: 
- যৌগের অণুতে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা যৌগে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের জারণ সংখ্যার উপর নির্ভরশীল। 
- যৌগে কোনো একটি মৌলের জারণ সংখ্যা নির্ণয় করার ক্ষেত্রে যৌগের অণুতে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের প্রমাণ জারণ সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। 
- ক্ষার ধাতুর জারণ সংখ্যা + 1
- ধাতব হাইড্রাইড ব্যতিত অন্যসব মৌলের মধ্যে হাইড্রোজেনের জারণ সংখ্যা + 1. 
- ধাতব হাইড্রাইডের মধ্যে হাইড্রোজেনের জারণ সংখ্যা - 1. 
- অক্সাইড যৌগে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা - 2. 
- পারঅক্সাইড যৌগে অক্সিজেনের জারণ সংখ্যা - 1. 
- ধাতব হ্যালাইডে হ্যালোজেনের জারণ সংখ্যা - 1. 
- মৃৎক্ষার ধাতুর জারণ সংখ্যা + 2. 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫৪.
উদ্ভিদের মূল দিয়ে শোষণকৃত পানি পাতায় পৌঁছায় কোন কলার মাধ্যমে?
  1. মেসোফিল
  2. ফ্লোয়েম
  3. জাইলেম
  4. সীভনল
সঠিক উত্তর:
জাইলেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাইলেম
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মূলের সাহায্যে পানি শোষণ করে।
 - এ পানি জাইলেম ভেসেলের মাধ্যমে উদ্ভিদের মূল থেকে পাতায় পৌঁছে। 

- পাতা উক্ত পানি এবং বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সহায়তায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। 
- পাতার মেসোফিল টিস্যুতে খাদ্য তৈরি হয়। 

- খাদ্য তৈরির পর ফ্লোয়েমের কোষসমূহ বিভিন্ন স্থানের কোষে পৌছায়। 
- ফ্লোয়েমের চারটি কোষীয় উপাদান থাকে। যথা- সীভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম তন্তু।
-  এর মধ্যে সীভনল, সঙ্গীকোষ এবং ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা খাদ্যরস পরিবহনে অংশ নেয়। 
- এ তিনটির মধ্যে সীভনল খাদ্য পরিবহনে প্রধান ভূমিকা রাখে।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫৫.
লসিকায় কোন উপাদানের পরিমাণ সবেচেয়ে বেশি? 
  1. প্রোটিন
  2. কার্বোহাইড্রেট
  3. পানি
  4. স্নেহ পদার্থ
সঠিক উত্তর:
পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি
ব্যাখ্যা
লসিকা: 
- এক ধরনের পরিবর্তিত ঈষৎ ক্ষারধর্মী স্বচ্ছ কলারস যা লসিকা নালির ভেতর দিয়ে পরিবাহিত হয়ে দেহের সকল কোষকে সিক্ত করে। 
- এতে লোহিত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা অনুপস্থিত কিন্তু শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক। 
- লসিকায় ৯৪% পানি ও ৬% কঠিন পদার্থ থাকে। 
যেমন- প্রোটিন, স্নেহ পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত পদার্থ, ফসফরাস, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, কিছু এনজাইম ও অ্যান্টিবডি। 
- মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ ১-২ লিটার। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫৬.
ফুলের বাইরের স্তবককে কী বলে?
  1. বৃতি
  2. দল
  3. পুষ্পাক্ষ
  4. স্ত্রীস্তবক
সঠিক উত্তর:
বৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃতি
ব্যাখ্যা
পুষ্পাক্ষ : ফুলের স্তবকগুলো যে অক্ষের উপর সাজানো থাকে তাকে বলা হয় পুষ্পাক্ষ। সাধারণত এটি গোলাকার এবং ফুলের বৃন্তশীর্ষে অবস্থান করে। পুষ্পাক্ষের উপর বাকি চারটি স্তবক পরপর সাজানো থাকে। এটি পুষ্প পত্রধারণ করে এবং ফুলকে কান্ডের সাথে আবদ্ধ রাখে।

বৃতি : একটি ফুলের বাইরের স্তবককে বলা হয় বৃতি। এর প্রতিটি খন্ডকে বৃত্যংশ বলা হয়। এটি মুকুল অবস্থায় ফুলের অন্য স্তবকগুলোকে রোদ, বৃষ্টি, কীটপতঙ্গের আত্রমণ এবং বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা করে।

দলমন্ডল : বৃতির উপরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন দ্বিতীয় সহকারী স্তবকটি দলমন্ডল। এর প্রতিটি খন্ডকে দলাংশ বা পাপড়ি বলা হয়। এরা সাধারণত রঙ্গিন হয়। এরা ফুলের অত্যাবশ্যকীয় অংশগুলোকে রোদ ও বৃষ্টির হাত থেকে রক্ষা করে।

স্ত্রীস্তবক : পুষ্পের কেন্দ্রে অবস্থিত ফ্লাক্স আকৃতির ডিম্বক উৎপাদনকারী স্তবককে স্ত্রীস্তবক বলা হয়। এটি ফুলের আর একটি অত্যাবশ্যকীয় স্তবক। এর প্রতিটি অংশকে গর্ভপত্র বলা হয়।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫৭.
মহীসোপানের সবচেয়ে উপরের অংশকে কী বলে?
  1. ক) উপকূলীয় ঢাল
  2. খ) মহীঢাল
  3. গ) উত্থিত মহীসোপান
  4. ঘ) নিমজ্জিত শৈলশিরা
সঠিক উত্তর:
ক) উপকূলীয় ঢাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উপকূলীয় ঢাল
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারদিকে স্থলভাগের কিছু অংশ ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে। এরূপে সমুদ্রের উপকূল রেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
মহীসোপানের সমুদ্রের পানির গড় উচ্চতা ১৫০ মিটার। মহীসোপানের সবচেয়ে উপরের অংশকে উপকূলীয় ঢাল বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ।
২,৫৫৮.
জলাতঙ্ক রোগের প্রধান কারণ কী?
  1. অ্যামিবা
  2. প্রটোজোয়া
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
২,৫৫৯.
বাণিজ্যিকভাবে ফুল, ফল ও শাকসবজি চাষকে বলে-
  1. হর্টিকালচার
  2. প্রণকালচার
  3. পিসিকালচার
  4. সেরিকালচার
সঠিক উত্তর:
হর্টিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হর্টিকালচার
ব্যাখ্যা

Horticulture শব্দটি ল্যাটিন hortus (garden/উদ্যান) এবং cultura (চাষাবাদ) থেকে এসেছে। এটি ফুল, ফল, শাকসবজি ও অলঙ্কারিক উদ্ভিদ চাষের বিদ্যা।

আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি:
• মৎস্য চাষ - পিসিকালচার।
• চিংড়ি পালনবিদ্যা- প্রণকালচার।
উদ্যানবিদ্যা - হর্টিকালচার
• রেশমের (পোকার) চাষ - সেরিকালচার।
• মৌমাছির চাষ - এপিকালচার।
• পাখিপালন বিদ্যা- এভিকালচার।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৫৬০.
নিচের কোনটি লব্ধ রাশি?
  1. ক) দৈর্ঘ্য
  2. খ) তাপমাত্রা
  3. গ) সময়
  4. ঘ) বিভব
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিভব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিভব
ব্যাখ্যা
লব্ধ রাশি:
- এই বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিমাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়।
- যে সকল রাশি পরিমাপ করার জন্য অন্য রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় তাকে লব্ধ রাশি বলে।
- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ।

মৌলিক রাশি,
- যে সকল রাশি পরিমাপ করার জন্য অন্য রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না তাকে মৌলিক রাশি বলে।
- যেমন সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি।
- বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়,তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ হলো মৌলিক রাশি।

তথ্যসূত্র - পদার্থিবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৬১.
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার, ঢাকা
  2. ঈশ্বরদী, পাবনা
  3. নশিপুর, দিনাজপুর
  4. জয়দেবপুর, গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি:
→ অবস্থান: জয়দেবপুর, গাজীপুর, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট  এর পার্শে মনোরম পরিবেশে পূর্বতন সার্ডির অবকাঠামো ও জমিতে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (এনএটিএ) আত্মপ্রকাশ করেছে।
→ ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ জাইকার সহায়তা প্রকল্প হিসাবে  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সার্ডি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) ডিএইর অন্তর্ভুক্ত হয়।
→ ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ০৩ এপ্রিল  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা  হিসাবে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(নাটা) এর সরকারী আদেশ জারী করা হয়।
→ ২০১৪ এর জুন মাসে মহাপরিচালক নিয়োগের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি।
২,৫৬২.
জোয়ার-ভাঁটার তেজকটাল কখন ঘটে?
  1. অষ্টমীতে
  2. অমাবস্যায়
  3. পঞ্চমীতে
  4. একাদশীতে
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমাবস্যায়
ব্যাখ্যা
• জোয়ার-ভাঁটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে  ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৬৩.
শূন্যস্থানে আলোর বেগ কত?
  1. ক) 3×108ms-2
  2. খ) 3×106ms-1
  3. গ) 3×109ms-2
  4. ঘ) 3×108ms-1
সঠিক উত্তর:
ঘ) 3×108ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 3×108ms-1
ব্যাখ্যা
শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ ৩০০০০০ কিলোমিটার/সেকেন্ড অর্থাৎ ৩০০০০০০০০ মিটার/সেকেন্ড বা 3×108 ms-1.
ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি- ড. আমির হোসেন
২,৫৬৪.
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে কোনটি ব্যাখ্যা করা যায়? 
  1. অপবর্তন
  2. ব্যতিচার 
  3. সমবর্তন 
  4. কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ 
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ 
ব্যাখ্যা

প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেড়িয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেজ আকারে বের হয়। 
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রং এর আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্বনিম্ন মান আছে। 
- এই সর্বনিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন। 
- এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়, কিন্তু আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৬৫.
রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় কোন আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়? 
  1. ফসফরাস–32 
  2. আয়োডিন–131 
  3. কোবাল্ট–60 
  4. ইরিডিয়াম–192 
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস–32 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসফরাস–32 
ব্যাখ্যা

- চিকিৎসাক্ষেত্রে বর্তমানে বিভিন্ন প্রয়োজনে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হচ্ছে। 
যেমন- 
রোগ নির্ণয়ে: 
- আইসোটোপ ব্যবহার করে একজন রোগীর রোগাক্রান্ত স্থানের ছবি তোলা সম্ভব। এ পদ্ধতিতে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ টেকনিশিয়াম-99 (99Tc) কে শরীরের ভেতরে প্রবেশ করানো হয়।
- এই আইসোটোপ যখন শরীরের নির্দিষ্ট স্থানে জমা হয় তখন ঐ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ গামা রশ্মি বিকিরণ করে, তখন বাইরে থেকে গামা রশ্মি শনাক্তকরণ ক্যামেরা দিয়ে সেই স্থানের ছবি তোলা সম্ভব। এই তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ টেকনিশিয়াম-99 এর লাইফটাইম 6 ঘণ্টা। তাই সামান্য সময়েই এর তেজস্ক্রিয়তা শেষ হয়ে যায় বলে এটি অনেক নিরাপদ। 

রোগ নিরাময়ে: 
- সর্বপ্রথম থাইরয়েড ক্যান্সার নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। রোগীকে পরিমাণমতো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 131I সমৃদ্ধ দ্রবণ পান করানো হয়। এই আইসোটোপ থাইরয়েডে পৌঁছায় এবং এই আইসোটোপ থেকে বিটা রশ্মি নির্গত হয় এবং থাইরয়েডের ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করে।
- এছাড়া ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 60Co ব্যবহার করা হয়। 60C০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষকলাকে ধ্বংস করে।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় 32p এর ফসফেট ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৬৬.
DNA অণুতে অনুপস্থিত-
  1. ইউরাসিল
  2. গোয়ানিন
  3. এডিনিন
  4. সাইটোসিন
সঠিক উত্তর:
ইউরাসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরাসিল
ব্যাখ্যা

• DNA অনুতে অনুপস্থিত - ইউরাসিল। 
• জীবকোষে দুই প্রকার নিউক্লিক অ্যাসিড থাকে। এদের একটি DNA এবং অপরটি হলো RNA ।  

• নিউক্লিক অ্যাসিডে দুই প্রকার নাইট্রোজেন ক্ষারক থাকে। নাইট্রোজেন, কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন দিয়ে এই ক্ষরকসমূহ গঠিত। ক্ষারকগুলো এক রিং বিশিষ্ট বা দুই রিং বিশিষ্ট হতে পারে।
• এই রিং এর সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ক্ষারক দুই প্রকার;
যথা-
(i) পিউরিন:
- দুই রিং বিশিষ্ট ক্ষারককে বলা হয় পিউরিন। । নিউক্লিক অ্যাসিডে দুই প্রকার পিউরিন ক্ষারক থাকে।
যথা-
- অ্যাডিনিন ( A )
- গুয়ানিন ( G )

(ii) পাইরিমিডিন:
- এক রিং বিশিষ্ট ক্ষারক কে বলা হয় পাইরিমিডিন। নিউক্লিক অ্যাসিডে তিন প্রকার পাইরমিডিন ক্ষারক থাকে।
যথা- 
- থাইমিন ( T )
- সাইটোসিন ( C )
- ইউরাসিল ( U )

• ক্ষারকগুলোর মাঝে থাইমিন উপস্থিত থাকে কেবল DNA তে এবং ইউরাসিল উপস্থিত থাকে কেবল RNA তে। 
অর্থাৎ নাইট্রোজেন ক্ষারক গুলোর মধ্যে ইউরাসিল DNA তে অনুপস্থিত থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

২,৫৬৭.
পাথফাইন্ডার-এর মঙ্গলে অবতরণ সাল-
  1. ক) ১৯৯০
  2. খ) ১৯৯৫
  3. গ) ১৯৯৭
  4. ঘ) ২০০০
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৭
ব্যাখ্যা

Quick Facts from NASA

Mars Pathfinder

MISSION TYPE
Rover: ''Sojourner''

LAUNCH
December 4, 1996 UTC

LAUNCH VEHICLE
Delta II

LAUNCH LOCATION
Cape Canaveral Air Force Station, Florida

LANDING
July 4, 1997

LANDING SITE
Ares Vallis, Mars

END OF MISSION
September 27, 1997

২,৫৬৮.
ফ্যাক্স মেশিন কে, কোন সালে আবিষ্কার করেন? 
  1. থমাস এডিসন, ১৮৭৯ সালে 
  2. মাইকেল ফ্যারাডে, ১৮৩১ সালে 
  3. আলেকজান্ডার বেইন, ১৮৪২ সালে 
  4. আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল, ১৮৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
আলেকজান্ডার বেইন, ১৮৪২ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলেকজান্ডার বেইন, ১৮৪২ সালে 
ব্যাখ্যা

ফ্যাক্স (Fax): 
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন। 
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল। 
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়। 
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান। 

ফ্যাক্সের মূলনীতি: 
- ফ্যাক্স মেশিন হলো মূলত টেলিফোন, স্ক্যানার, প্রিন্টার ও মোডেম সম্মিলিত একটি যন্ত্র। প্রেরক কোনো ডকুমেন্ট পাঠাতে চাইলে তিনি প্রথমে টোলফোনে ডায়াল করে প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনের সাথে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করেন। তারপর তার ডকুমেন্টটি ফ্যাক্স মেশিনে রাখলে ডকুমেন্টের যাবতীয় লেখা বা ছবি স্ক্যানারের মাধ্যমে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তর হয়। সেই ছবি মোডেমের সাহায্যে এনালগ সংকেতে রূপান্তর করে টেলিফোন লাইনের সাহায্যে প্রাপকের মোডেমে পাঠায়। প্রাপকের মোডেম সেই এনালগ সংকেতকে পুনরায় ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে ফ্যাক্স মেশিনের প্রিন্টারে পাঠায় এবং প্রিন্টারে সাহায্যে প্রেরকের পাঠানো ডকুমেন্টের হুবহু কপি প্রাপক পেয়ে যান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৬৯.
বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ মাপার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ভোল্টমিটার
  2. খ) থার্মোমিটার
  3. গ) পটেনশিওমিটার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ মাপার জন্য অ্যামিটার ব্যবহার করা হয়।

কোন পরিবাহকের যে কোন প্রস্থচ্ছেদ এর মধ্য দিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বলে।
তড়িৎ প্রবাহ দুই রকম - এসি প্রবাহ এবং ডিসি প্রবাহ |

তড়িৎ প্রবাহের এস আই একক হল অ্যাম্পিয়ার, সংকেত A. এক অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহ মানে কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে এক কুলম্ব আধানের চলাচল।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

২,৫৭০.
'বাস্ট তন্তু' কোন ধরনের টিস্যুর উদাহরণ?
  1. সরল টিস্যু
  2. ভেসেল টিস্যু
  3. জাইলেম টিস্যু
  4. ফ্লোয়েম টিস্যু
সঠিক উত্তর:
ফ্লোয়েম টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোয়েম টিস্যু
ব্যাখ্যা
জটিল টিস্যু: 
- এ টিস্যুর আসল কাজ মাটি থেকে পানি ও অজৈব লবণ পরিবহন করে পাতায় পৌঁছানো এবং পাতায় যে খাদ্য প্রস্তুত হয় তা পরিবহন করে উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছানো। 
- এদের কাজ পরিবহন বলে এ টিস্যুকে পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- জটিল টিস্যু দু'প্রকার। 
যথা- 
১। জাইলেম টিস্যু: 
- জাইলেম টিস্যুর কাজ পানি পরিবহণ করা। 
- ভাস্কুলার উদ্ভিদে জাইলেমের সাহায্যেই খাদ্য দ্রব্যের উপাদানগুলো মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পাতায় পরিবাহিত হয়। 
- পরিণত অবস্থায় আবৃতবীজী উদ্ভিদের জাইলেম চার ধরণের কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা- ট্রাকিড, ট্রাকিয়া বা ভেসেল, জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম তন্তু। 

২। ফ্লোয়েম টিস্যু: 
- ফ্লোয়েম টিস্যু উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করে। 
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা- সীভ নল, সঙ্গী কোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম ফাইবার বা বাস্ট তন্তু। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৭১.
মানবকোষে অক্সিজেন পরিবহন হয় কোনটির মাধ্যমে? 
  1. ফুসফুস
  2. হৃৎপিণ্ড
  3. যকৃত 
  4. রক্ত 
সঠিক উত্তর:
রক্ত 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্ত 
ব্যাখ্যা
• মানবদেহে রক্ত সংবহন (Blood Circulation in human body):
- রক্ত জীবনীশক্তির মূল।
- রক্তনালির মধ্য দিয়ে রক্ত দেহের সর্বত্র প্রবাহিত হয় এবং কোষে অক্সিজেন ও খাদ্য উপাদান সরবরাহ করে।
- ফলে দেহের সব কোষ সজীব এবং সক্রিয় থাকে। যে তন্ত্রের মাধ্যমে রক্ত প্রতিনিয়ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ ও অংশে চলাচল করে, তাকে রক্ত সংবহনতন্ত্র বলে।
- এ তন্ত্রে প্রবাহিত রক্তের মাধ্যমেই খাদ্য, অক্সিজেন এবং রক্তের বর্জ্য পদার্থ দেহের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবাহিত হয়।
- মানবদেহে রক্তপ্রবাহ কেবল হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালিগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, কখনো এর বাইরে আসে না।
- এ ধরনের সংবহনতন্ত্রকে বদ্ধ সংবহনতন্ত্র (Close circulatory system) বলা হয়।
- সারা দেহে রক্ত একবার সম্পূর্ণ পরিভ্রমণের জন্য মাত্র এক মিনিট বা তার চেয়েও কম সময় লাগে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২,৫৭২.
পরমাণুর স্থায়ী মূল কণিকা কয়টি?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. প্রায় একশতটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা

- পরমাণুর স্থায়ী মূল কণিকা তিনটি, যথা- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন।
- পরিমাণুর অস্থায়ী মূল কণিকার সংখ্যা প্রায় ১০০টি। পজিট্রন, নিউট্রিনো, মেসন, পাইওন ইত্যাদি কয়েকটি অস্থায়ী মূল কণিকার উদাহরণ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,৫৭৩.
ওয়াশিং সোডা নামে পরিচিত কোনটি?
  1. সোডিয়াম কার্বনেট
  2. ক্যালসিয়াম বাইকার্বনেট
  3. সোডিয়াম বাইকার্বনেট
  4. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা

ওয়াশিং সোডা এক ধরনের রাসায়নিক যৌগ যার সংকেত Na2CO3 বা সোডিয়াম কার্বনেট যেটি কাপড়ের দাগ তুলতে সহায়তা করে।

source: www.thespruce.com

২,৫৭৪.
ভায়াগ্রা কী?
  1. একটি জলপ্রপাত
  2. নতুন একটি ওষুধ
  3. সাড়া জাগানো চলচ্চিত্রের নাম
  4. নতুন জাহাজের নাম
সঠিক উত্তর:
নতুন একটি ওষুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন একটি ওষুধ
ব্যাখ্যা
- ভায়াগ্রা হলো একটি ওষুধ যা পুরুষদের যৌনক্ষমতা বাড়ায়।
- ভায়াগ্রা ১৯৯৮ সালে বিক্রি শুরু হয় এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই একটি সবচেয়ে বেশি বিক্রীত ওষুধে পরিণত হয়।
- প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আমেরিকান ওষুধ কোম্পানি ফাইজার।
- ভায়াগ্রা হলো ইরেক্টাইল ডিসফাংশন বা লিঙ্গ শিথিলতার চিকিৎসার জন্য ইতিহাসে প্রথম অনুমোদিত ওষুধ।
- ২০০৮ সালে এর বার্ষিক বিক্রি প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারে গিয়ে ঠেকে। যা এক বছরে ওষুধ বিক্রির শীর্ষে ছিল।

উৎস: বিবিসি নিউজ রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
২,৫৭৫.
কোনটি নীল লিটমাসকে লাল করে? 
  1. ক্ষার
  2. ক্ষারক
  3. এসিড
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিড
ব্যাখ্যা
এসিড: 
- এসিড নীল লিটমাসকে লাল করে। 
- এসিডে নীল বর্ণের লিটমাস লাল হয়। 
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য জলীয় দ্রবণে প্রোটন বা ধনাত্মক হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, তাদের এসিড বলে। 
যেমন- এসিটিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, অক্সালিক এসিড। 
- এসিড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এসিডাস থেকে এসেছে। বাংলায় একে অম্ল বলা হয়। 

এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
১. এসিড স্বাদে টক। 
২. এটি নীল লিটমাসকে লাল করে। 
৩. এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে। 
৪. এটি ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই- অক্সাইড উৎপন্ন করে। 
৫. প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে। 
৬. যে এসিড যত বেশি হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, সে তত বেশি শক্তিশালী। 

উৎস: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৭৬.
ক্রেবস চক্র কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. ক) নিউক্লিয়াস
  2. খ) প্লাস্টিড
  3. গ) মাইটোকন্ড্রিয়া
  4. ঘ) এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
সঠিক উত্তর:
গ) মাইটোকন্ড্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাইটোকন্ড্রিয়া
ব্যাখ্যা
মাইটোকন্ড্রিয়ায় ক্রেবস চক্র সংঘটিত হয়। 

দুটি পর্দা দ্বারা আবৃত যে সকল গোলাকার, ডিম্বাকার, সুতোর মতো অঙ্গাণু ইউক্যারিওটিক কোষের সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্ত অবস্থায় ছড়িয়ে থাকে তাদেরকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলে।

মাইট্রোকন্ড্রিয়ার প্রধান কাজসমূহ- 
১। মাইটোকন্ড্রিয়াতে কোষীয় শ্বসনের ক্রেবস চক্ক সংঘটিত হয়। এতে জীবদেহের প্রয়ােজনীয় শক্তি উৎপন্ন হয় । এ জন্য এদেরকে কোষের শক্তিঘর (Power house) বলা হয়।
২। এরা প্রােটিন সংশ্লেষেণের প্রয়ােজনীয় এনজাইম ধারণ করে।
৩। মাইটোকন্ডিয়াতে বিভিন্ন ধরনের ক্যাটায়ন সঞ্চিত থাকে।
৪ ডিম্বাণু ও শুক্রাণু গঠনে অংশগ্রহণ করে।
৫। DNA ও RNA সংশ্লেষ করে।

সূত্র- ২৪ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৫৭৭.
লম্বা সোজা পরিবাহীর চারপাশে চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্ণয় করার নিয়ম কোনটি?
  1. লেফট হ্যান্ড শিফট নিয়ম
  2. হ্যান্ডের ডান হস্ত নিয়ম
  3. ফ্লেমিঙের দক্ষিণ হস্ত নিয়ম
  4. ফ্লেমিঙের বাম হস্ত নিয়ম
সঠিক উত্তর:
ফ্লেমিঙের দক্ষিণ হস্ত নিয়ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লেমিঙের দক্ষিণ হস্ত নিয়ম
ব্যাখ্যা

চৌম্বক ক্ষেত্র: 
- কোনো তড়িৎবাহী তারের চতুর্দিকে যে অঞ্চল জুড়ে একটি চৌম্বক শলাকা বিক্ষেপ দেখায় তাকে ঐ তড়িৎবাহী তারের চৌম্বক ক্ষেত্র বলে। 
- লম্বা সোজা পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত করা হলে এর চারদিকে যে চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়, তা চুম্বক শলাকার সাহায্যে চৌম্বক ক্ষেত্র রেখা (বা চৌম্বক আবেশ রেখা) অঙ্কিত করে দেখানো যায়। রেখাগুলিকে চৌম্বক বলরেখাও বলা হয়ে থাকে। 
- লম্বা সোজা পরিবাহীর জন্য কোনো বিন্দুতে চৌম্বক ক্ষেত্রের মান (১) পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের সমানুপাতিক এবং (২) বিন্দু থেকে পরিবাহীর দূরত্বের ব্যস্তানুপাতিক। 
- ক্রোয়েশিয়ার বিজ্ঞানী নিকোলা টেসলা এর নামানুসারে একে টেসলা (T) বলে। 
- টেসলা হচ্ছে চৌম্বক ক্ষেত্রের এস.আই একক। 
- এক চৌম্বকক্ষেত্র 1 কুলম্ব (C) আধান ক্ষেত্রের দিকের সাথে সমকোণে 1 ms-1 গতিশীল হলে 1 N বল অনুভব করে সেই চৌম্বকক্ষেত্রের মানকে 1 টেসলা বলে। 

- কোনো চুম্বক অথবা একটি গতিশীল চার্জের, চতুর্দিকে যে অঞ্চল জুড়ে একটি চুম্বক শলাকা বিক্ষেপ দেখায় তাকে ঐ চুম্বক বা গতিশীল চার্জের চৌম্বক ক্ষেত্র বলে। 
- একটি একক চার্জ একক বেগে চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে সমকোণে গতিশীল হলে যে বল লাভ করে তাই চৌম্বক ক্ষেত্রের মান। 
- একটি চুম্বক শলাকাকে চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে স্থাপন করলে তার উত্তর মেরু যে দিক নির্দেশ করে, তাই চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক। 
- তড়িৎবাহী তারের জন্য চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক ফ্লেমিঙের দক্ষিণ হস্ত নিয়ম দ্বারা নির্ণয় করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৭৮.
নিচের কোনটি দ্বি-শর্করার উৎস?
  1. ক) মধু
  2. খ) চিনি
  3. গ) আলু
  4. ঘ) সবুজ শাক-সবজি
সঠিক উত্তর:
খ) চিনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চিনি
ব্যাখ্যা
শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট:
শর্করাজাতীয় খাদ্য শরীরে কাজ করার শক্তি যোগায়। শর্করার মৌলিক উপাদান - কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন।

শর্করার শ্রেণিবিভাগ:
১. এক শর্করা (Monosaccharide):
- একটি মনোমার বিশিষ্ট শর্করা
উদাহরণ: - গ্লুকোজ
উৎস: মধু, ফুলের রস ইত্যাদি।

২. দ্বি-শর্করা (Disaccharide):
- দুইটি মনোমার বিশিষ্ট (ডাইমার) শর্করা।
উদাহরণ: সুক্রোজ, ল্যাকটোজ
উৎস: চিনি ও দুধ ইত্যাদি

৩. বহু শর্করা (Polysaccharide):
- বহু মনোমারবিশিষ্ট (পলিমার) শর্করা
উদাহরণ: - শ্বেতসার, গ্লাইকোজেন
উৎস: চাল, আটা, আলু, সবুজ শাক-সবজি ইত্যাদি

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৭৯.
দেহ বৃদ্ধিকারক হরমোন কোনটি?
  1. থাইরক্সিন
  2. প্রোল্যাকটিন
  3. এড্রিনালিন
  4. সোমাটোট্রফিন
সঠিক উত্তর:
সোমাটোট্রফিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোমাটোট্রফিন
ব্যাখ্যা
- মানুষের বৃদ্ধি হরমোন (Human Growth Hormone, HGH) সাধারণভাবে সোমাটোট্রপিন (Somatotrophin) নামে পরিচিত। 
- এটি এক ধরনের পেপটাইড হরমোন যা প্রায় ২০০ টি অ্যামিনো এসিডে গঠিত। 
- মানবদেহের বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত এ হরমোন শরীরে স্বাভাবিকভাবেই উৎপন্ন হয়। 
- মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থিতে এটি উৎপন্ন হয়।
-  বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩০ বছর বয়সের পরে বৃদ্ধি হরমোনের ক্ষরণ কমে যায়। 
- পরবর্তী প্রতি ১০ বছরে ক্ষরণ প্রায় ১৪% হারে হ্রাস পায়। 
- বৃদ্ধি হরমোন যত কমবে, শরীরে ততই বয়সের ছাপ বাড়বে। 
- এ সময় দেহে বৃদ্ধি হরমোন প্রয়োগ করলে বয়সের ছাপ মিলিয়ে যাবে কিংবা ছাপ পড়ার গতি কমে যাবে।
 
উৎস: প্রাণী বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৮০.
কোনো তরঙ্গের উপর সমদশা সম্পন্ন কণাগুলোর গতিপথকে কী বলে? 
  1. কম্পাঙ্ক 
  2. বিস্তার
  3. তরঙ্গদৈর্ঘ্য
  4. তরঙ্গমুখ
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গমুখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গমুখ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গমুখ: 
- পানির মধ্যে আন্দোলন সৃষ্টি করে তরঙ্গ উৎপন্ন হলে তরঙ্গ বৃত্তের আকারে পানির উপর বিস্তৃত হয়। 
- একটু লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, বৃত্তের উপরস্থ পানি কণাগুলাে একবার উপরে উঠছে ও একবার নিচে নামছে বা তরঙ্গচূড়া (crest) ও তরঙ্গখাজ (trough) উৎপন্ন হচ্ছে। 
- তরঙ্গচূড়ায় অবস্থিত সকল কণার দশা একই আবার তেমনি তরঙ্গখাজে অবস্থিত সকল কণার দশা সমান। 
অর্থাৎ, কোনাে তরঙ্গের উপর অবস্থিত সমদশা সম্পন্ন কণাগুলাের গতিপথ (locus)-কে তরঙ্গমুখ বলে। 

কম্পাঙ্ক: 
- তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনো কম্পনশীল কণা একক সময়ে যতগুলো পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করে তাকে ঐ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক f বলে। 
- কোনো কণা t সময়ে N সংখ্যক কম্পন সম্পন্ন করলে কম্পাঙ্ক f = N/t . 
- কম্পাঙ্কের একক s-1। একে হার্জ (hertz) বলে। একে Hz দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- কোনো কণা এক সেকেন্ডে একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করলে তার কম্পাঙ্ককে এক হার্জ বলে। 

বিস্তার (Amplitude): 
- তরঙ্গের উপর অবস্থিত কোনো কম্পনশীল কণা স্থির বা সাম্যাবস্থান থেকে যে কোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে ঐ তরঙ্গের বিস্তার বলে।  

 তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wave length): 
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কোনো কম্পনশীল কণার বা তরঙ্গের উপরস্থ কোনো কণার একটি কম্পন সম্পন্ন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ যে দূরত্ব অতিক্রম করে
তাকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বলে। 
- তরঙ্গের উপরে অবস্থিত পর পর দুটি সমদশা সম্পন্ন কণার দূরত্বই তরঙ্গদৈর্ঘ্য। 
- তরঙ্গদৈর্ঘ্যকে λ (ল্যামডা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।
২,৫৮১.
নিচের কোন অজৈব পদার্থটি রক্তরসে বিদ্যমান?
  1. বিলিরুবিন
  2. ইউরিক এসিড
  3. লৌহ
  4. ক্রিয়েটিনিন
সঠিক উত্তর:
লৌহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহ
ব্যাখ্যা
♦ রক্তরস বা প্লাজমা: 
- রক্তের তরল অংশকে প্লাজমা বলে। রক্তরসের প্রায় ৯০% পানি, বাকি ১০% দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে বিভিন্ন রকমের জৈব এবং অজৈব পদার্থ।

অজৈব পদার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন, যেমন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়োডিন এবং O, CO, এবং N, জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ।

জৈব পদার্থগুলো হলো:
• খাদ্যসার: গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন ইত্যাদি।
• রেচন পদার্থ: ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি।
• প্রোটিন: ফাইব্রিনোজেন, গ্লোবিউলিন, অ্যালবুমিন, প্রোথ্রম্বিন ইত্যাদি।
• প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি: অ্যান্টিটক্সিন, অ্যাগ্লুটিনিন ইত্যাদি।
• অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসৃত বিভিন্ন হরমোন।
• কোলেস্টেরল, লেসিথিন, বিলিরুবিন ইত্যাদি নানা ধরনের যৌগ।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
২,৫৮২.
ছায়াপথের অন্য নাম কী? 
  1. অ্যান্ড্রোমেডা
  2. আকাশগঙ্গা
  3. নক্ষত্রপথ
  4. সৌরপথ
সঠিক উত্তর:
আকাশগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকাশগঙ্গা
ব্যাখ্যা

ছায়াপথ (Milky Way):
- আমরা যে গ্যালাক্সিতে অবস্থান করি তার নাম ছায়াপথ বা আকাশ গঙ্গা।
- অন্ধকার আকাশে এদের উজ্জ্বল দীপ্তি দীর্ঘপথের মতো দেখায়।
- একটি ছায়াপথ লক্ষ কোটি নক্ষত্রের সমষ্টি।
- শীতকালে রাত্রিবেলা পরিষ্কার আকাশে লক্ষ করলে উত্তর-দক্ষিণে বেশ বড় পরিসরযুক্ত তেজোদ্দীপ্ত স্বচ্ছ দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়। তারকা খচিত এই আলোর পথই হলো ছায়াপথ।
- বিজ্ঞানীরা একে বিরাট চক্রাকার মণ্ডল বলে অনুমান করেন।
- সৌরজগৎ ছায়াপথের অন্তর্গত।

উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

২,৫৮৩.
কোন্ দেশ কৃত্রিম উপগ্রহ স্ফূটনিক-১ উৎক্ষেপন করেছিল?
  1. ক) আমেরিকা
  2. খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
- মহাকাশ যাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-১ কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে এই যাত্রার সূচনা করে।
- স্পুটনিক শব্দের অর্থ হল- ভ্রমণসঙ্গী
- ১৯৫৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্পুটনিক-২ কৃত্রিম উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেন।

উৎস: অষ্টম শ্রেণি বিজ্ঞান।
২,৫৮৪.
ভূত্বকের গভীরতা (প্রায়) -
  1. ক) ১৬ কিমি
  2. খ) ১২ কিমি
  3. গ) ১০ কিমি
  4. ঘ) ২০ কিমি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬ কিমি
ব্যাখ্যা
ভূত্বকের গভীরতা ১৬ কিমি (প্রায়)।

- পৃথিবীর বিভিন্ন স্তরকে বলে মণ্ডল।
- ভূগর্ভের রয়েছে তিনটি স্তর—অশ্মমণ্ডল, গুরুমণ্ডল ও কেন্দ্রমণ্ডল।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ওপরের স্তরটি হলো অশ্মমণ্ডল। আর অশ্মমণ্ডলের ওপরের অংশই ভূত্বক।
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। ভূতত্ত্ববিদগণের মতে, দুই বা ততোধিক খনিজ দ্রব্যের সংমিশ্রণে শিলার সৃষ্টি হয়।
- সাধারণত পাথর, নুড়ি, কাঁকর, গ্রানাইট, কাদা, বালু ইত্যাদি দিয়ে ভূত্বক গঠিত।
- মহাদেশীয় ভূত্বকের স্তরকে সিয়াল স্তর বলে, যা সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে গঠিত।

সূত্র: ভূমিরূপ বিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৮৫.
কোন প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না? 
  1. সমোষ্ণ প্রক্রিয়া
  2. রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
  3. সমচাপ প্রক্রিয়া
  4. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে। 
- আমরা জানি, কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। 
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
২,৫৮৬.
পরিবাহী পদার্থের মাধ্যমে বিদ্যুতের প্রবাহ ঘটে কোন কণার মাধ্যমে? 
  1. ফোটন
  2. প্রোটন
  3. ইলেকট্রন
  4. নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থ: 
-  ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে। সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
যেমন- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো সুপরিবাহী পদার্থ। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে সব সময় মনে রাখতে হবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়, এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৮৭.
কোনটি সোডিয়ামের আকরিক?
  1. হেমাটাইট
  2. বক্সাইট
  3. জিপসাম
  4. রকসল্ট
সঠিক উত্তর:
রকসল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রকসল্ট
ব্যাখ্যা
• সোডিয়ামের আকরিক: 
- রকসল্ট,
- চিলি সল্টপিটার,
- ন্যাট্রোন,
- বোরাক্স ইত্যাদি।

• ক্যালসিয়ামের আকরিক:
- চুনাপাথর,
- জিপসাম, 
- ডলোমাইট ইত্যাদি।

• আয়রন বা লোহার আকরিক:
- ম্যাগনেটাইট,
- হেমাটাইট, 
- আয়রন পাইরাইটস,
- লিমোনাইট ইত্যাদি।

• অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক:
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম, 
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৮৮.
সাধারণত মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা কত এর বেশি হলে সেটি তেজষ্ক্রিয়তার ধর্ম প্রদর্শন করে?
  1. ক) ৮২
  2. খ) ৮৩
  3. গ) ৮৪
  4. ঘ) ৮৫
সঠিক উত্তর:
ক) ৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮২
ব্যাখ্যা
তেজষ্ক্রিয়তা:
ভারি মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজষ্ক্রিয়তা বলে।
সাধারণত যে সকল মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ এর বেশি সেই সকল পরমাণু তেজষ্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে।
তবে ৮২ থেকে কম পারমাণবিক সংখ্যা বিশিষ্ট কিছু মৌলের আইসোটোপের ক্ষেত্রে তেজষ্ক্রিয়তা পরিলক্ষিত হয়।

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায় -
১. তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২. তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
৩. তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪. এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৮৯.
কেপলারের প্রথম সূত্র অনুসারে, গ্রহগুলো সূর্যের চারপাশে কীভাবে ঘোরে?
  1. একটি বৃত্তাকার কক্ষপথে
  2. একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে
  3. একটি পরাবৃত্তাকার কক্ষপথে
  4. ক ও গ
সঠিক উত্তর:
একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি উপবৃত্তাকার কক্ষপথে
ব্যাখ্যা
গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের সূত্র (Kepler's Law of Planetary Motion):
- গ্রীক বিজ্ঞানী টলেমী, কোপার্নিকাস, ট্রাইকোব্রাহে প্রমুখ বিজ্ঞানীদের পরস্পর বিরোধী, জটিল এবং অস্পষ্ট তথ্যসমূহ বিশ্লেষণ করে ডেনমার্কের বিজ্ঞানী জন কেপলার সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এ সম্পর্কে তিনি কয়েকটি সূত্র উপস্থাপন করেন।
- তার নাম অনুসারে এগুলো কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত। 

• ১ম সূত্র: সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।

• ২য় সূত্র: প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।

• ৩য় সূত্র: সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের' (semi major axis) ঘনফলের সমানুপাতিক। গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৯০.
সবল নিউক্লিয় বল কোথায় কাজ করে? 
  1. পরমাণুর ইলেকট্রন কক্ষপথে 
  2. পরমাণুর বাইরের স্তরে 
  3. নিউট্রন থেকে বাইরের কক্ষপথে 
  4. পরমাণুর কেন্দ্রে প্রোটন ও নিউট্রনের মধ্যে 
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর কেন্দ্রে প্রোটন ও নিউট্রনের মধ্যে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর কেন্দ্রে প্রোটন ও নিউট্রনের মধ্যে 
ব্যাখ্যা

সবল নিউক্লিয় বল: 
- সবল নিউক্লিয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল। 
- এটি তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ বেশি শক্তিশালী। কিন্তু এটা খুবই অল্প দূরত্বে (10-15 m) কাজ করে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে। 
- তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে আলোর তাপও এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৯১.
প্রতিসরণের সূত্র কে প্রণয়ন করেন?
  1. নিউটন
  2. ম্যাক্সওয়েল
  3. আইনস্টাইন
  4. স্নেল
সঠিক উত্তর:
স্নেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নেল
ব্যাখ্যা

প্রতিসরণ (Refraction):
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
অর্থাৎ, দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে।
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে।

প্রতিসরণের সূত্র:
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে।
- ১৬২০ সালে বিজ্ঞানী স্নেল (Willebrord Snellius) সর্বপ্রথম এ সূত্র প্রকাশ করেন, তাই এ সূত্রটিকে স্নেলের সূত্রও বলা হয়
যেমন-
(১) দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে।
(২) এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব।
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৯২.
'বক্সাইট' কোন খনিজের আকরিক? 
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. ক্যালসিয়াম
  3. আয়রন
  4. সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

• বক্সাইট (Al2O3.2H2O) হলো অ্যালুমিনিয়ামের প্রধান আকরিক।

• ক্যালসিয়ামের আকরিক: 

- চুনাপাথর, 
- জিপসাম, 
- ডলোমাইট ইত্যাদি। 

• সোডিয়ামের আকরিক: 
- রকসল্ট, 
- চিলি সল্টপিটার, 
- ন্যাট্রোন, 
- বোরাক্স ইত্যাদি। 

• আয়রনের আকরিক: 
- ম্যাগনেটাইট, 
- হেমাটাইট, 
- আয়রন পাইরাইটস, 
- লিমোনাইট ইত্যাদি। 

• অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: 
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম, 
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৯৩.
Which numeric system is commonly used in digital electronics?
  1. Octal numbers
  2. Binary numbers
  3. Roman numerals
  4. Fibonacci numbers
  5. Prime numbers
সঠিক উত্তর:
Binary numbers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Binary numbers
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি: 
- বিশেষ কোনো প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত অনেকগুলি ইলেকট্রনিকস বর্তনীকে সমষ্টিগতভাবে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতি বলা হয়। 
যেমন- কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, ইলেকট্রনিকস ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি বহুল পরিচিত ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির উদাহরণ। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ইলেকট্রনিকস পদ্ধতিসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. এনালগ পদ্ধতি (analogue system), 
২. ডিজিটাল পদ্ধতি (digital system), 
৩. মিশ্র পদ্ধতি (hybrid system)। 

ডিজিটাল পদ্ধতি: 
- ডিজিটাল সংকেত হলো বিচ্ছিন্ন তড়িৎ সংকেত। 
- এই সংকেতের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মান আছে। এই দুই মানের মাঝে অন্য কোনো স্তর নাই। সময়ের সাথে এর মান হয় সর্বোচ্চ না হয় সর্বনিম্ন মানে পরিবর্তিত হয়। এই সংকেত চৌকো তরঙ্গের (square waves)। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রম-পরিবর্তনশীল এনালগ সংকেতের বদলে স্তর পরিবর্তনশীল সংকেত ব্যবহার করা হয়। 
- ইলেকট্রনিকসের ডিজিটাল পদ্ধতির এই সংকেতকে ডিজিটাল বা বাইনারী (binary) সংকেত বলা হয়। 

- দুটি পৃথক অবস্থায় কাজ করে এমন যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে এই সংকেত পাওয়া যায়। 
যেমন- ট্রানজিস্টারের সচল বা অন (on) এবং অচল বা অফ (off) অবস্থা দ্বারা দুটি পৃথক অবস্থা বোঝানো সম্ভব। প্রজ্জ্বলিত বাতি এবং নির্বাপিত বাতি অথবা টেপের চৌম্বকায়িত অবস্থা বা অচৌম্বকায়িত অবস্থা দিয়ে ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব। 
- ডিজিটাল সংকেতের স্তর দুটিকে 0 এবং ১ (0 and 1), সত্য এবং মিথ্যা (true and false), কিম্বা উচ্চ এবং নিম্ন (high and low) দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদি ডিজিটাল ইলেকট্রনিকস পদ্ধতির জনপ্রিয় উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৯৪.
কৃষিতে ’স্বর্ণা সার’ আবিষ্কার করেন কে?
  1. ড. মাকসুদুল আলম
  2. ড. আব্দুল খালেক
  3. ড. আব্দুল জমির উদ্দিন
  4. ড. মোবারক আহমেদ খান
সঠিক উত্তর:
ড. আব্দুল খালেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. আব্দুল খালেক
ব্যাখ্যা

স্বর্ণা সার:
- স্বর্ণা এক প্রকার জৈব সার।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার।
- ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক এই সার আবিষ্কার করেন।

উল্লেখ্য,
-'স্বর্ণা' নামের বহুল পরিচিত এই 'জৈবসার'-টি পেটেন্ট করা হয় ১৯৯৩ সালে।
- ড. মোবারক আহমেদ খান ২০০৮ সালে পাট থেকে ঢেউটিন তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন ড. মাকসুদুল আলম।

উৎস: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

২,৫৯৫.
মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণাকে কী বলে?
  1. অণু
  2. পরমাণু
  3. ভরসংখ্যা
  4. নিউট্রন সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
পরমাণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণু
ব্যাখ্যা
- মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে। 

পরমাণুর বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
১. পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক। 
২. সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি। 
৩. পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
৪. একটি পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর কোন অস্তিত্বই থাকে না। 

উৎস: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৯৬.
সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঢেউকে কী বলে?
  1. সুনামি
  2. হারিকেন
  3. টর্নেডো
  4. জলোচ্ছ্বাস
সঠিক উত্তর:
সুনামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামি
ব্যাখ্যা

• সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সামুদ্রিক ঢেউকে সুনামি বলে।

• সুনামি:
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সমুদ্রতলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামি সৃষ্টি করতে পারে।
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়।
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে।
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প।
- ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার।
- এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ।
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়।
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে।
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল।

অন্যান্য অপশন:
- হারিকেন হলো মূলত গ্রীষ্মমন্ডলীয় শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যা বায়ুমণ্ডলীয় চাপের পার্থক্যের কারণে সমুদ্রের উপরে তৈরি হয়।
- টর্নেডো হলো স্থলভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক সংকীর্ণ ও ঘূর্ণায়মান বায়ুস্তম্ভ যা মেঘ থেকে মাটির দিকে বিস্তৃত হয়।
- জলোচ্ছ্বাস হলো ঘূর্ণিঝড় বা বায়ুমণ্ডলীয় নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রের পানির অস্বাভাবিক স্ফীতি যা উপকূলে আছড়ে পড়ে কিন্তু এটি ভূমিকম্প সৃষ্ট নয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৯৭.
কোন প্রক্রিয়াটিকে 'Necessary Evil' বা 'প্রয়োজনীয় অমঙ্গল' হিসাবে অভিহিত করা হয়?
  1. ব্যাপন
  2. সালোকসংশ্লেষণ
  3. অভিস্রবণ
  4. প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা

প্রস্বেদনকে 'Necessary Evil' বা 'প্রয়োজনীয় অমঙ্গল' হিসাবে অভিহিত করা হয়।

প্রস্বেদন (Transpiration):
- প্রস্বেদন হলো উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে উদ্ভিদ তার বায়বীয় অঙ্গ (যেমন পাতা, কাণ্ড এবং অল্প পরিমাণে লেন্টিসেল) থেকে অতিরিক্ত জল কে বাষ্প বা জলীয় বাষ্পাকারে বায়ুমণ্ডলে নির্গত করে দেয়।
- বেশিরভাগ প্রস্বেদন ঘটে পাতার পৃষ্ঠে অবস্থিত পত্ররন্ধ্রের (Stomata) মাধ্যমে।
- এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উদ্ভিদ শোষিত মোট জলের প্রায় ৯৭% থেকে ৯৯% পর্যন্ত জলীয় বাষ্প হিসেবে পরিবেশে ত্যাগ করে।
- এই প্রক্রিয়া প্রধানত পত্ররন্ধ্রীয় (Stomatal), কিউটিকুলার (Cuticular) এবং লেন্টিকুলার (Lenticular) পথে ঘটে থাকে।

প্রস্বেদনকে 'Necessary Evil' বলার কারণ:
 - প্রস্বেদনকে 'প্রয়োজনীয় অমঙ্গল' (Necessary Evil) বলা হয় কারণ এর দুটি বিপরীতমুখী ভূমিকা রয়েছে।
১। প্রয়োজনীয়তা (Necessity):
- এটি শিকড় থেকে বহু উপরে অবস্থিত পাতায় জল ও খনিজ লবণ পরিবহনের জন্য একটি টান (Transpiration Pull) সৃষ্টি করে।
- এটি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে উদ্ভিদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে (কুলিং ইফেক্ট)।
২। অমঙ্গল (Evil):
- এই প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প নির্গত হওয়ার কারণে তীব্র শুষ্ক পরিবেশে বা উচ্চ তাপমাত্রায় উদ্ভিদ পানিশূন্যতায় ভোগে, যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।
- এই কারণে, প্রক্রিয়াটি না হলেও নয় (Necessary), আবার অতিরিক্ত হলে তা উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকরও (Evil)।
- এই দ্বৈত ভূমিকার (অপরিহার্যতা ও ক্ষতিকরতা) জন্য বিজ্ঞানী ইভান জে. কুর্তিস একে 'Necessary Evil' বলে অভিহিত করেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

২,৫৯৮.
নিচের কোনটি নক্ষত্রমণ্ডলী?
  1. সপ্তর্ষিমন্ডল
  2. কালপুরুষ
  3. ক্যাসিওপিয়া
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
• নক্ষত্রমণ্ডলী (Constellation):
- মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে।
- এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে দেখা নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে।
- প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্রদলকেকাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করেবিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে বিভিন্ন নামদিয়েছেন।
- এদের কোনোটা দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটা শিকারির মতো।
- এদের মধ্যে সপ্তর্ষিমন্ডল (GreatBear), কালপুরুষ (Orion), ক্যাসিওপিয়া (Cassiopeia), লঘুসপ্তর্ষি (Little Bear), বৃহৎ কুকুরমণ্ডল (Canis Major) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
২,৫৯৯.
নিচের কোনটি থেকে ভিটামিন ডি পাওয়ার যায়?
  1. ক) আম ও কাঁঠাল
  2. খ) টমেটো ও গাজর
  3. গ) লালশাক ও কচুশাক
  4. ঘ) দুধ ও ডিম
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুধ ও ডিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দুধ ও ডিম
ব্যাখ্যা
দুধ ও ডিমে ভিটামিন ডি পাওয়ার যায়।
- ভিটামিন ডি এর উৎস- ডিমের কুসুম, দুধ, মাখন, তৈলাক্ত মাছ, সামুদ্রিক মাছের যকৃতের তেল, কড মাছের যকৃতের তেল, স্যামন ও হেরিং মাছের চর্বি, ঘি ইত্যাদিতে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।
- তবে ভিটামিন ডি এর প্রধান উৎস সূর্যের আলো। 
- প্রতিদিন সূর্যের আলোতে ৫-১০ মিনিট থাকলে ত্বকের নিচে ভিটামিন ডি তেরি হয়। মূলত ৮০ শতাংশ ভিটামিন ডি সূর্যের আলোর ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৬০০.
কোনটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অংশ নয়?
  1. টিকা প্রদান
  2. বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ
  3. রক্তপরীক্ষা
  4. কসমেটিক সার্জারি
সঠিক উত্তর:
কসমেটিক সার্জারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসমেটিক সার্জারি
ব্যাখ্যা
• প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা হলো এমন একটি মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা, যা জনগণের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য রক্ষায়, রোগ প্রতিরোধে ও দ্রুত চিকিৎসা প্রদানে সহায়ক।
এটি সাধারণত সরকার বা স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান দ্বারা পরিচালিত হয় এবং সবার জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও কার্যকর হয়ে থাকে।

• প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অংশ- 
⇒ টিকা প্রদান (Vaccination):
  - শিশুদের বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে দেওয়া হয় (যেমন: পোলিও, হাম, ডিপথেরিয়া)।
  -  এটি একটি প্রধান প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা।

⇒ বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ:
- পানিবাহিত রোগ যেমন কলেরা, টাইফয়েড প্রতিরোধে অপরিহার্য।

⇒ রক্তপরীক্ষা (Blood test):
- বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ে সহায়ক যেমন: ডায়াবেটিস, অ্যানিমিয়া ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
কসমেটিক সার্জারির বৈশিষ্ট্য হলো
- এটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অন্তর্গত নয়।
- এর উদ্দেশ্য শরীরের বাহ্যিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা, যেমন: নাক সোজা করা, ত্বক টানটান করা ইত্যাদি।
- এটি বিশেষায়িত চিকিৎসা (Specialized care) এবং অনেক ক্ষেত্রে ঐচ্ছিক (Elective Procedure) হিসেবে বিবেচিত হয়।

তথ্যসূত্র:
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ। 
- World Health Organization (WHO): What is Primary Health Care.