বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ২৫ / ১৪০ · ২,৪০১২,৫০০ / ১৪,০৮০

২,৪০১.
কোন আরএনএ -এর প্রধান কাজ প্রোটিন তৈরি করা?
  1. ক) মেসেঞ্জার আরএনএ
  2. খ) জেনেটিক আরএনএ
  3. গ) ট্রান্সফার আরএনএ
  4. ঘ) রাইবোসোমাল আরএনএ
সঠিক উত্তর:
খ) জেনেটিক আরএনএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনেটিক আরএনএ
ব্যাখ্যা
আরএনএ (RNA):
- RNA এর পুরো নাম- Ribo Nucleic Acid. 
- এটি ক্রোমোসোমের স্থায়ী উপাদান নয়। 
- ক্রোমোসোমে এর পরিমাণ হচ্ছে ০.২-১.৪%।
- প্রতিটি RNA অণু একসূত্রকবিশিষ্ট।
- ভাইরাস ক্রোমোসোমে স্থায়ী উপাদান হিসেবে RNA থাকে।

- গঠন এবং কাজের উপর নির্ভর করে আরএনএ কে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
(ক) ট্রান্সফার আরএনএ,
(খ) রাইবোসোমাল আরএনএ,
(গ) মেসেঞ্জার আরএনএ,
(ঘ) জেনেটিক আরএনএ এবং
(ঙ) মাইনর আরএনএ। 

জেনেটিক আরএনএ (gRNA):
- অধিকাংশ উদ্ভিদ ভাইরাসে এবং কয়েক প্রকার প্রাণী ভাইরাসে (ইনফ্লুয়েঞ্জা, পোলিও ভাইরাস) শুধুমাত্র RNA থাকে এবং এ RNA বংশগত বৈশিষ্ট্য বহন করে।
- এরূপ যে সব RNA বংশতির ধারক ও বাহক রূপে কাজ করে তাদেরকে জেনেটিক আরএনএ বলে।
- এক্ষেত্রে ঐ সকল জীবদেহে DNA অনুপস্থিত থাকে ।

কাজ
- প্রধান কাজ প্রোটিন তৈরি করা
- তবে ক্ষেত্র বিশেষে বংশগতীয় বস্তু হিসেবেও কাজ করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪০২.
শোষক মূল উদ্ভিদের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) রাস্না
  2. খ) স্বর্ণলতা
  3. গ) সুন্দরী
  4. ঘ) গরান
সঠিক উত্তর:
খ) স্বর্ণলতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্বর্ণলতা
ব্যাখ্যা

স্বর্ণলতা উদ্ভিদে শোষক মূল লক্ষ্য করা যায়।
পরজীবী উদ্ভিদে ক্লোরোফিল থাকে না বলে খাদ্য এর জন্য আশ্রয়দাতা উদ্ভিদের দেহে বিশেষ ধরনের মূল প্রবেশ করিয়ে খাদ্যরস শোষণ করে থাকে, এ ধরনের মূলগুলোকে শোষক মূল বলে।
পরাশ্রয়ী বায়বীয় মূল জাতীয় উদ্ভিদে মূল বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প গ্রহণ করে। যেমন- রাস্না
সমুদ্র উপকুলে লবনাক্ত ও কর্দমাক্ত মাটিতে উদ্ভিদের প্রধান মূল হতে শাখা মূল মাটির উপরে খাড়াভাবে উঠে আসে। এই সকল মূলে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে। এ ধরনের রূপান্তরিত মূলকে শ্বাসমূল বলে। যেমন- সুন্দরী, গরান ইত্যাদি।

সূত্র: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

২,৪০৩.
সৌরজগতের গ্রহ কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
- সৌরজগতে মোট গ্রহের সংখ্যা ৮টি
যেমন:
- বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুন।
- এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতি। 
- সবচেয়ে ছোট ও সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ। 
- বুধ ও শুক্র গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই। 
- শুক্র গ্রহের বায়ুমন্ডল নেই।
- প্লুটো বর্তমানে সৌরজগতের গ্রহ নয়। এটি বামন গ্রহের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। 
২,৪০৪.
ঈস্ট কোষ থেকে নিঃসৃত এনজাইম নয় কোনটি?
  1. ডায়াস্টেস
  2. মলটেস
  3. জাইমেস
  4. ইনভারটেস
সঠিক উত্তর:
ডায়াস্টেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াস্টেস
ব্যাখ্যা
ঈস্ট (Yeast): 
- ঈস্ট এক প্রকার ছত্রাক জাতীয় নিম্ন স্তরের এককোষী উদ্ভিদ। 
- পঁচা প্রাণিজ বা উদ্ভিজ পদার্থ থেকে ঈস্ট খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে। 
- ঈস্টের কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে। 

মল্ট(Mould): 
- বার্লির দানাকে পানিতে 15°C তাপমাত্রায় অন্ধকারে খোলা অবস্থায় রেখে দিলে বার্লির দানা অংকুরিত হয় এবং অংকুরিত শুষ্ক বার্লির দানাকে গুঁড়া করে নিলে মল্ট গুড়া পাওয়া যায়। 
- মল্ট থেকে ডায়াস্টেস এনজাইম নিঃসৃত হয়। 

এনজাইম: 
- এনজাইম হল এক প্রকার প্রাণ-শক্তিহীন, অদানাদার, নাইট্রোজেন বিশিষ্ট, অজানা, রহস্যময় জটিল জৈব যৌগ। 
- ঈস্ট (Yeast), ছত্রাক (fungus) বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষ হতে এনজাইম নিঃসৃত হয়। 
যেমন - ঈস্ট কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস প্রভৃতি এনজাইম থাকে। 
- এনজাইমগুলো নিজে পরিবর্তিত না হয়ে জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
- এজন্য এনজাইমকে জৈব প্রভাবক বলে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৪০৫.
স্পাইনাল নার্ভ কয় জোড়া?
  1. ৩০ জোড়া
  2. ৩১ জোড়া
  3. ৩২ জোড়া
  4. ৩৫ জোড়া
সঠিক উত্তর:
৩১ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জোড়া
ব্যাখ্যা
- সুষুম্না কান্ড বা Spinal Cord কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি অংশ।
- Spinal Cord বা স্নায়ু রজ্জু মস্তিষ্ক থেকে মেরুদন্ডের ভেতরে অবস্থিত।
- Spinal Cord প্রায় ১৮ ইঞ্চি লম্বা।
- এখান থেকে ৩১ জোড়া স্নায়ু (Spinal Nerve) উৎপন্ন হয়

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪০৬.
তাপ সঞ্চালনের প্রক্রিয়া কয়টি?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
তাপ সঞ্চালন তিন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়। 
যথা- 
১। পরিবহন, 
২। পরিচলন ও 
৩। বিকিরণ। 

• বিকিরণ পদ্ধতি: 
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে। 
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে। 
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান। 
- তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গাকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়। 

• পরিচলন পদ্ধতি: 
-কোনো পদার্থের অণুগুলি তাপ গ্রহণ করে, উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশের দিকে অণুগুলি চলাচলের মাধ্যমে তাপের সঞ্চালন ঘটায় এই পদ্ধতিকেই পরিচলন পদ্ধতি বলা হয়। 
- তরল এবং বাষ্পীয় পদার্থের মধ্যে তাপ পরিচলন পদ্ধতির মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 

• পরিবহন পদ্ধতি: 
-যে পদ্ধতিতে পদার্থের অণুগুলি তাদের স্থান পরিবর্তন করে না, শুধুমাত্র অণুগুলি স্পন্দনের মাধ্যমে এক অণু পার্শ্ববর্তী অণুকে তাপ প্রদান করে। এভাবেই পদার্থের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতম অংশের দিকে তাপ সঞ্চালিত হওয়াকে পরিবহন বলা হয়। 
- কঠিন বস্তুতে পরিবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪০৭.
বারিমন্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ কী?
  1. Biosphere
  2. Hydrosphere
  3. Aerosphere
  4. Atmosphere
সঠিক উত্তর:
Hydrosphere
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hydrosphere
ব্যাখ্যা

বারিমন্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere.
‘Hydro’ শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere’ শব্দের অর্থ মন্ডল।
পৃথিবীর সকল স্থানেই বারিমন্ডলের অস্তিত্ব রয়েছে। যেমন-বায়ুমন্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসাবে, ভূ-পৃষ্ঠে পানি রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূ-গর্ভে রয়েছে ভূ-গর্ভস্থ তরল পানি হিসাবে। পৃথিবীর মোট জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ রয়েছে সমুদ্রে। মাত্র ৩ ভাগ রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভ‚-গর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা জীবমন্ডল ও বায়ুমন্ডলে। মহাসাগর, সাগর ওউপসাগরের জলরাশি লবনাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভ‚-গর্ভের পানি, বৃষ্টির পানি ও ঝর্ণার পানি মিঠা। আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমন্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা :
১। মহাসাগর (Ocean),
২। সাগর (Sea),
৩। উপসাগর (Bay),
৪। হ্রদ (Lake)।

২,৪০৮.
ফ্যানের পাখার ঘূর্ণন কী ধরনের পর্যায়বৃত্ত গতি? 
  1. বৃত্তাকার
  2. উপবৃত্তাকার
  3. সরলরৈখিক 
  4.  অনিয়মিত 
সঠিক উত্তর:
বৃত্তাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃত্তাকার
ব্যাখ্যা

পর্যায়বৃত্ত গতি (Periodic Motion): 
- একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর যদি গতির পুনরাবৃত্তি হয়, তবে সেই গতিকে পর্যায়বৃত্ত গতি বলা হয়।
- যে সময়কাল পরপর এই পুনরাবৃত্তি ঘটে, তাকে বলে এই গতির পর্যায়কাল।
- পর্যায়বৃত্ত গতিতে চলনশীল একটি বস্তুকণা তার গতিপথের প্রতিটি বিন্দুকে এক পর্যায়কাল পরপর একই বেগে অতিক্রম করে।
- আমাদের হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন পর্যায়বৃত্ত কারণ হৃৎপিণ্ডটি নির্দিষ্ট সময় পরপর একইভাবে স্পন্দিত হয়।
- পর্যায়বৃত্ত গতি বৃত্তাকার (ফ্যানের পাখা), উপবৃত্তাকার (সূর্যকে ঘিরে হ্যালির ধূমকেতুর কক্ষপথ), সরলরৈখিক (স্প্রিংয়ে ঝুলিয়ে রাখা দুলতে থাকা বস্তু) কিংবা অন্য যেকোনো আকৃতির পথে হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪০৯.
প্রাণীদেহে শুষ্ক ওজনের শতকরা কত ভাগ প্রোটিন থাকে?
  1. প্রায় ২০%
  2. প্রায় ২৫%
  3. প্রায় ৪০%
  4. প্রায় ৫০%
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৫০%
ব্যাখ্যা
আমিষ: 
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন এই চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়। 
- শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর সেগুলো অ্যাামাইনো এসিডে পরিণত হয়। 
- মানুষের শরীরে এ পর্যন্ত ২০ ধরনের অ্যামাইনো এসিডের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং এই অ্যামাইনো এসিড হচ্ছে আমিষ গঠনের একক। 
- প্রাণিদেহের গঠনে প্রোটিন অপরিহার্য। 
- দেহকোষের বেশির ভাগই প্রোটিন দিয়ে তৈরি। 
- দেহের হাড়, পেশি, লোম, পাখির পালক, নখ, পশুর শিং- এগুলো সবই প্রোটিন দিয়ে তৈরি হয়। 
- প্রাণীদেহের শুষ্ক ওজনের প্রায় ৫০% হচ্ছে প্রোটিন। 
- উৎস বিবেচনায় আমিষ দুই প্রকার। 
যথা- 

প্রাণিজ উৎস: 
- প্রাণী থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা প্রাণিজ আমিষ। 
যেমন: মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ছানা, পনির ইত্যাদি।

উদ্ভিজ উৎস: 

- আর উদ্ভিদ থেকে যে আমিষ পাওয়া যায় তা উদ্ভিজ্জ আমিষ। 
যেমন: ডাল, শিমের বিচি, মটরশুঁটি, বাদাম ইত্যাদি। 
- উদ্ভিজ্জ খাদ্যের মধ্যে ডাল, সয়াবিন, মটরশুঁটি বীজ এবং ভুট্টার মধ্যে পুষ্টিমূল্য বেশি এমন প্রোটিন পাওয়া যায়। 
- অন্যান্য উদ্ভিজ্জ খাদ্যে অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড থাকে না বলে এদের পুষ্টিমূল্য কম। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪১০.
পৃথিবীর প্রথম সৃষ্ট জীব কি?
  1. অ্যামিবা
  2. তেলাপোকা
  3. বাদুরা
  4. বানর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিবা
ব্যাখ্যা
- এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা কঠিন, কারণ পৃথিবীর প্রথম সৃষ্ট জীব সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের মধ্যে এখনও মতভেদ রয়েছে। 
তবে অপশনে দেওয়া সবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সম্ভাব্য উত্তর হলো- অ্যামিবা। 
কারণ- 
- অ্যামিবা একটি এককোষী জীব, যা জটিল বহুকোষী জীবের তুলনায় অনেক সরল। 
- প্রাথমিক জীবনের বিকাশ সম্ভবত এককোষী জীব দিয়ে শুরু হয়েছিলো। 
- আর তেলাপোকা, বাদুড় ও বানর সবগুলোই জটিল বহুকোষী প্রাণী, যা অনেক পরে বিবর্তিত হয়েছে। 
২,৪১১.
কোন প্রকার কণার পারস্পারিক বিনিময়ের দ্বারা সবল নিউক্লীয় বল ক্রিয়াশীল হয়?
  1. গ্রাভিটন
  2. ফোটন
  3. বোসন
  4. মেসন
সঠিক উত্তর:
মেসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসন
ব্যাখ্যা
- 'মেসন' কণার পারস্পারিক বিনিময়ের দ্বারা সবল নিউক্লীয় বল ক্রিয়াশীল হয়। 

মৌলিক বল: 

- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বরং অন্যান্য বল এ সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
মৌলিক বলগুলো হলো - 
১. মহাকর্ষ বল (Gravitational Force), 
২. তাড়িতচৌম্বক বল (Electromagnetic Force), 
৩. সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear Force) এবং 
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল (Weak Nuclear Force) । 

সবল নিউক্লিয় বল: 
- সবল নিউক্লিয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল। 
- এটি তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ বেশি শক্তিশালী। কিন্তু এটা খুবই অল্প দূরত্বে (10-15m) কাজ করে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে। 
- তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে আলোর তাপও এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

 
উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪১২.
ডেঙ্গু জ্বরে শরীরে -
  1. হিমোগ্লোবিন কমে যায়
  2. Pletalet বেড়ে যায়
  3. Platelet কমে যায়
  4. হিমোগ্লোবিন বেড়ে যায়
সঠিক উত্তর:
Platelet কমে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Platelet কমে যায়
ব্যাখ্যা
- ডেঙ্গু জ্বর একটি এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ভাইরাস জনিত গ্রীষ্মমণ্ডলীয় রোগ।
- এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ভাইরাস সংক্রমণের তিন থেকে পনেরো দিনের মধ্যে সচরাচর ডেঙ্গু জ্বরের উপসর্গগুলো দেখা দেয়।
- উপসর্গগুলির মাঝে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, পেশিতে ও গাঁটে ব্যথা এবং গাত্রচর্মে ফুসকুড়ি।
- এর ফলে রক্তপাত হয়, রক্ত অনুচক্রিকা(Platelet) এর মাত্রা কমে যায় এবং রক্ত প্লাজমার নিঃসরণ ঘটে।
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে কখনোবা ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোম দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু শক সিন্ড্রোমে রক্তচাপ বিপজ্জনকভাবে কমে যায়।
২,৪১৩.
pH স্কেল ব্যবহার করে কোনটি নির্ণয় করা হয়?
  1. দ্রবণের অম্লীয়তা বা ক্ষারীয়তা
  2. দ্রবণের ঘনত্ব
  3. দ্রবণের আর্দ্রতা 
  4. দ্রবণের তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
দ্রবণের অম্লীয়তা বা ক্ষারীয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রবণের অম্লীয়তা বা ক্ষারীয়তা
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 
 
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪১৪.
এমআরআই যন্ত্রে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে শরীরের অঙ্গের বিস্তারিত প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়?
  1. এক্স-রে
  2. রেডিও তরঙ্গ
  3. লেজার তরঙ্গ 
  4. আল্ট্রাসোনিক তরঙ্গ 
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

এমআরআই (MRI): 
- এমআরআই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)। 
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্র কাজ করে। এই নীতি ব্যবহার করে কোনো অণুর প্রকৃতি সম্পর্কে তথ্য জানা যায়। 
- এমআরআই একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি। 
- এই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না। 
- শরীরের যে অংশের এমআরআই স্ক্যান করা হয় সেখান থেকে প্রাপ্ত সংকেতকে একটি কম্পিউটারের সাহায্যে পরিবর্তিত করে সেই অংশের অত্যন্ত স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে। এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে। 
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়। ব্রেণ এবং মেরু রুজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪১৫.
নিচের কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ক) ধাতু দেখতে চকচক করে
  2. খ) অক্সিজেন তাপ পরিবহন করে না
  3. গ) ধাতব পদার্থ বিদ্যুৎ সুপরিবাহী
  4. ঘ) কার্বন বিদ্যুৎ সুপরিবাহী
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বন বিদ্যুৎ সুপরিবাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বন বিদ্যুৎ সুপরিবাহী
ব্যাখ্যা
ধাতু দেখতে চকচক করে।
এরা তাপ এবং বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
যেমনঃ অ্যালুমিনিয়ামের পাত্রে রান্না করা সহজ এর তাপ সুপরিবাহীতার জন্য৷
অন্যদিকে অধাতু, ধাতুর মত চকচক করে না। এরা তাপ এবং বিদ্যুৎও পরিবহন করে না।
অধাতু (যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন) তাপ এবং বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
উৎসঃ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
২,৪১৬.
তড়িৎ পরিবাহিতার একক কী?
  1. ও’ম 
  2. সিমেন্স 
  3. ভোল্ট 
  4. কুলম্ব 
সঠিক উত্তর:
সিমেন্স 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিমেন্স 
ব্যাখ্যা

পরিবাহিতা (Conductance): 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক।
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়ে I পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে,
I ∝ V
বা, I = GV;  এখানে G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। 
- একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে। 
- তড়িৎ পরিবাহিতার একক সিমেন্স (Siemens), একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 
- একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশি। আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশি। 
- প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তার রোধের মানের বিপরীত সংখ্যা। 
- উপাদান, তাপমাত্রা এবং আকার আকৃতির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে। 
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সকল পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়। 
- সকল ধাতুই উত্তম পরিবাহী কিন্তু একই আকার আকৃতির সকল ধাতুর তড়িৎ পরিবাহিতা সমান নয়। 
যেমন- রূপার তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি, অপরদিকে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা সাধারণ তাপমাত্রায় খুবই কম। 

অন্যদিকে, 
- ও’ম → এটি রোধের (Resistance) একক। 
- ভোল্ট → এটি ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য এর একক। 
- কুলম্ব → এটি আধানের (Charge) একক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪১৭.
মহাবিশ্বের বয়স কত?
  1. প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন বছর
  2. প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর
  3. প্রায় ৮ বিলিয়ন বছর
  4. প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা
- মহাবিশ্বের বয়স প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর। 
- আমাদের সৌরজগৎ ৪.৬ বিলিয়ন বছর, পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন বছর ধরে, এবং মানুষ মাত্র কয়েক লক্ষ বছর ধরে অস্তিত্বে রয়েছে।
- অন্য কথায়, মহাবিশ্ব আমাদের প্রজাতির চেয়ে প্রায় ৫৬,০০০ গুণ বেশি সময় ধরে অস্তিত্বে রয়েছে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।
২,৪১৮.
যক্ষ্মা রোগের টিকা কোনটি?
  1. এম এম আর
  2. টিটি
  3. ডিপিটি
  4. বিসিজি
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিসিজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসিজি
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা রোগের টিকা:
- Bacillus Calmatte Guerin-BCG হলো যক্ষ্মা রোগের টিকা।
- যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক হিসেবে দেয়া হয় বিসিজি (Bacillus Calmatte Guerin) টিকা।
- টিকার আবিষ্কারক ক্যালসাট ও গুয়েচিন।
- ব্যাকটেরিয়া থেকে যক্ষ্মা রোগের প্রতিষেধক টিকা তৈরি করা হয়।
- ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি ও টিটেনাস প্রতিষেধক হিসেবে ডিপিটি (DPT) টিকা দেয়া হয়।
- পোলিও রোগের টিকার নাম ওপিভি (Oral Polio Vaccine).

অপরদিকে,
- হাম রোগের টিকা এমএমআর।
- ডি.পি.টি. ভ্যাকসিনের লক্ষ্য হলো-হঠাৎ শিশু মৃত্যু(ডিপথেরিয়া, পারটুসিস ও টিটেনাসের কারণে), মস্তিষ্কের গোলযোগ, অটিজম, অন্ধত্ব, মৃগি জনিত মৃত্যু প্রতিহত করা।
-  টিটি (টিটেনাস টক্সয়েড)  শিশুকে ধনুষ্টঙ্কার থেকে বাঁচতে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের এ টিটি টিকা নিতে হয়। 

উৎস: Britannica.
২,৪১৯.
ফুসফুস আবৃত থাকে কোন পর্দা দ্বারা? 
  1. ডায়াফ্রাম
  2. প্লুরা
  3. পেরিকার্ডিয়াম
  4. আলভিওলাস
সঠিক উত্তর:
প্লুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লুরা
ব্যাখ্যা
ফুসফুস (Lung): 
- ফুসফুস শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ। 
- বক্ষগহ্বরের ভিতর হৃৎপিণ্ডের দুই পাশে দুটি ফুসফুস অবস্থিত। 
- এটি স্পঞ্জের মতো নরম, কোমল ও হালকা লালচে রঙের। 
- ডান ফুসফুস তিন খণ্ডে এবং বাম ফুসফুস দুই খণ্ডে বিভক্ত। 
- ফুসফুস দুই ভাঁজবিশিষ্ট প্লুরা নামক পর্দা দিয়ে আবৃত। 
- দুই ভাঁজের মধ্যে এক প্রকার রস নির্গত হয়। ফলে শ্বাসক্রিয়া চলার সময় ফুসফুসের সাথে বক্ষগাত্রের কোনো ঘর্ষণ হয় না। 
- ফুসফুসে অসংখ্য বায়ুথলি বা বায়ুকোষ, সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম শ্বাসনালি ও রক্তনালি থাকে। 
- বায়ুথলিগুলোকে বলে অ্যালভিওলাস (Alveolus)। 
- বায়ুথলিগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুক্লোম শাখাপ্রান্তে মৌচাকের মতো অবস্থিত। 
- নাসাপথ দিয়ে বায়ু সরাসরি বায়ুথলিতে যাতায়াত করতে পারে। 
- বায়ুথলি পাতলা আবরণী দিয়ে আবৃত এবং প্রতিটি বায়ুথলি কৈশিকনালিকা দিয়ে পরিবেষ্টিত। 
- বায়ু প্রবেশ করলে এগুলো বেলুনের মতো ফুলে ওঠে এবং পরে আপনা-আপনি সংকুচিত হয়। 
- বায়ুথলি ও কৈশিক নালিকার গাত্র এত পাতলা যে এর ভিতর দিয়ে গ্যাসীয় আদানপ্রদান ঘটে। 


উৎস:
 জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪২০.
অসমোসিস শব্দটির অর্থ কী?
  1. ব্যাপন
  2. অভিস্রবণ
  3. পানি শোধন
  4. প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিস্রবণ
ব্যাখ্যা
অভিস্রবণ বা অসমোসিস প্রক্রিয়া:
- অসমোসিস শব্দটির অর্থ অভিস্রবণ। 
- একই দ্রব ও দ্রাবক যুক্ত দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণ যখন একটি অর্ধভেদ্য পর্দা বা বৈষম্যভেদ্য পর্দা দ্বারা পৃথক করা হলে দ্রাবক পদার্থের অণুগুলো কম ঘনত্বের দ্রবণ (দ্রব কম, দ্রাবক বেশি) থেকে বেশি ঘনত্বের দ্রবণের (দ্রব বেশি, দ্রাবক কম) দিকে যায় তাকে অভিস্রবণ বা অসমোসিস বলে। 
- কিসমিসকে পানিতে ভিজিয়ে রাখা হলে সেটি ফুলে উঠে এটি অভিস্রবণের উদাহরণ। 
- উদ্ভিদ মূলরোমের সাহায্যে অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি শোষণ করে। 

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উদ্ভিদবিজ্ঞান।
২,৪২১.
প্রথম গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন কে? 
  1. ড. এডওয়ার্ড সক 
  2. লুই পাস্তুর
  3. রবার্ট কচ 
  4. ড. এডওয়ার্ড জেনার 
সঠিক উত্তর:
ড. এডওয়ার্ড জেনার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. এডওয়ার্ড জেনার 
ব্যাখ্যা

- ব্রিটিশ চিকিৎসক এবং বিজ্ঞানী ড. এডওয়ার্ড জেনার ১৭৯৬ সালে গুটিবসন্ত রোগের প্রথম সফল টিকা আবিষ্কার করেন।

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় টিকার ভূমিকা: 

- ভ্যাকসিন শব্দটি ল্যাটিন শব্দ ভ্যাকসিনাস (vaccinus) থেকে এসেছে যার আক্ষরিক অর্থ হলো from cow বা 'গরু থেকে প্রাপ্ত'। 
- ড. এডওয়ার্ড জেনার (Dr. Edward Janner) ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে প্রথম গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন। 
- গুটি বসন্তের টিকা আবিষ্কারের অনেক বছর পর লুই পাস্তুর জলাতঙ্ক রোগের টিকা আবিষ্কার করেন। 
- টিকা হলো প্রাণিদেহে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের নিষ্ক্রিয় পরিদ্রুত সাসপেনশন। টিকায় বিদ্যমান অণুজীবগুলো (ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া) জীবিত, অর্ধমৃত বা মৃতও হতে পারে। এদের এমনভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয় যাতে এরা জীবকোষে কোনো রোগ সৃষ্টি করতে না পারে, কিন্তু রোগের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করে। 
- অ্যান্টিবডি রোগের জীবাণুর বৃদ্ধি প্রতিহত করে এবং স্থায়ী কার্যক্ষমতা নষ্ট করে। 
- অধিকাংশ ক্ষেত্রে টিকা ভাইরাস থেকে তৈরি করা হয়। সাধারণত কোনো রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব দিয়েই ওই রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
- টিকা প্রবেশ করালে প্রাণিদেহে ওই একই জীবাণু বা নিকট সম্পর্কিত রোগ জীবাণুর আক্রমণ প্রতিরোধক্ষম হয়ে ওঠে। 
- দেহে টিকা দেওয়া মানে হলো ওই রোগের জীবাণু দেহে প্রবেশে করানো। কিন্তু যেহেতু এ জীবাণুগুলো বিশেষ পদ্ধতিতে নিষ্ক্রিয় থাকে সেহেতু এরা জীবদেহে কোনো রোগ সৃষ্টি না করে রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। 
- আধুনিক জৈবপ্রযুক্তি প্রয়োগ করে বর্তমানে পোলিও, টিটেনাস, হাম্পস, ডিপথেরিয়া, যক্ষ্মা, হুপিংকাশি, টাইফয়েড, হেপাাইটিস ইত্যাদি রোগের টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে। 
- কিন্তু মরণব্যাধি এইডস (AIDS) এর ভাইরাস HIV কিংবা হেপাইটিস-সি ভাইরাসের প্রতিষেধক কোনো টিকা আজও আবিষ্কার হয়নি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪২২.
দেহের প্রধান সৈনিক হিসেবে কাজ করে কোনটি? 
  1. রক্ত 
  2. অ্যান্টিজেন 
  3. প্রোটিন 
  4. অ্যান্টিবডি 
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিবডি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টিবডি 
ব্যাখ্যা

অ্যান্টিবডি (Antibody): 
- অ্যান্টিবডি অ্যান্টিজেনের বিপরীত বস্তু বা নিজস্ব বস্তু বা কণিকা বা কোষ অথবা কোষগুচ্ছ। 
- অ্যান্টিবডি প্রধানত অ্যান্টিজেনের সাড়ায় দেহের B-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপাদিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। 
- এরা রক্তের প্লাজমা ও কলারসে বর্তমান থাকে। 
- এরা অ্যান্টিজেনের সাথে যুক্ত হতে পারে এবং ক্লোনাল নির্বাচন দ্বারা উৎপাদিত হয় এবং দেহের প্রধান সৈনিক বা রক্ষণাবেক্ষণের হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। 
- অ্যান্টিবডিগুলো অনুপ্রবেশকারী বা বহিরাগত অ্যান্টিজেনকে ভক্ষণ করে, কখনো বিনষ্ট করে, কখনো মেরে ফেলে, কখনো বাইরে নিক্ষেপ করে। 
- অ্যান্টিজেন হচ্ছে non-self আর অ্যান্টিবডি হচ্ছে self বস্তু। 

অ্যান্টিবডির প্রকার: 
- মানবদেহের রক্তে পাঁচ রকমের ইমিউনোগ্লোবিউলিন অর্থাৎ অ্যান্টিবডি দেখা যায়। 
যথা- IgG, IgA, IgM, IgD ও IgE। 
- এগুলো মানবদেহের প্রতিরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- পাঁচ প্রকার অ্যান্টিবডির মধ্যে IgG রক্তরসে সর্বাধিক মাত্রায় থাকে এবং IgD ও IgE সবচেয়ে কম পরিমাণে থাকে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪২৩.
অ্যাকোয়া রেজিয়া বা রাজঅম্ল কোনটি? 
  1. ক) HNO3 + 3HCl
  2. খ) 2NO3 + 3HCl
  3. গ) 3HNO3 + 3HCl
  4. ঘ) 3HNO3 + HCl
সঠিক উত্তর:
ক) HNO3 + 3HCl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) HNO3 + 3HCl
ব্যাখ্যা
অ্যাকোয়া রেজিয়া বা রাজঅম্ল
- এক মোল গাঢ় নাইট্রিক এসিড (HNO3) এবং তিন মোল গাঢ় হাইডোক্লোরিক এসিডের (HCl) মিশ্রণকে অ্যাকোয়া রেজিয়া বা রাজঅম্ল বলে।
- অভিজাত ধাতুসমূহ (যেমন- স্বর্ণ, প্লাটিনাম) যে কোনো গাঢ়তার হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা নাইট্রিক এসিডে দ্রবীভূত হয় না, কিন্তু এরা অ্যাকোয়া রেজিয়া বা রাজ অম্লে দ্রবীভূত হয়।
২,৪২৪.
মহাকর্ষ বল কী? 
  1. পৃথিবীর নিজস্ব শক্তি 
  2. বস্তুর ভরের পরিমাণ 
  3. পৃথিবী এবং বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ শক্তি
  4. পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা 
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী এবং বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী এবং বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণ শক্তি
ব্যাখ্যা

মহাকর্ষ বল: 
- মানুষ লাফ দিয়ে উপরের দিকে উঠতে চাইলে বেশি দূর উঠতে পারে না, আবার ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে কারণ পৃথিবী তাদেরকে তার নিজের দিকে টানে বা আকর্ষণ করে। 
- মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তুকণা পরস্পরকে আকর্ষণ করে, এই আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। এই ঘটনাকে (Phenomenon) বলে মহাকর্ষ। 
- পৃথিবী সকল বস্তুকে তার নিজের দিকে টানে। শুধু পৃথিবী নয়, এ মহাবিশ্বের সকল বস্তুকণাই একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। 
- এই বিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ বল তাই মহাকর্ষ বল। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

২,৪২৫.
কিসের অভাব থাকলে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়?
  1. ক) অক্সিহিমোগ্লোবিন
  2. খ) হিমোগ্লোবিন
  3. গ) গ্লোবিউলিন
  4. ঘ) অ্যালবুমিন
সঠিক উত্তর:
খ) হিমোগ্লোবিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হিমোগ্লোবিন
ব্যাখ্যা

লােহিত কণিকার কাজঃ

১. দেহের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করা।
২. নিষ্কাশনের জন্য কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইডকে টিস্যু থেকে ফুসফুসে বহন করা।
৩. হিমােগ্লোবিনের সাহায্যে রক্তের অম্ল-ক্ষারের সমতা বজায় রাখার জন্য বাফার হিসেবে কাজ করা।

- লোহিত রক্তকণিকার হিমোগ্লোবিন অক্সিহিমোগ্লোবিন হিসেবে অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবহন করে।

- রক্তে প্রয়োজনীয় পরিমাণ হিমোগ্লোবিন না থাকলে রক্তস্বল্পতা বা রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 

উৎসঃ জীববিজ্ঞান ও বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

২,৪২৬.
নিম্নের কোনটিতে ভিটামিন 'এ' পাওয়া যায়?
  1. গাজর
  2. ফুলকপি
  3. কাঁচামরিচ
  4. কলিজা
সঠিক উত্তর:
গাজর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজর
ব্যাখ্যা

খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন:
- স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভিটামিনের পরিমাণ খুব কম হলেও এর গুরুত্ব অপরিসীম। দেহের বৃদ্ধির জন্য এবং সুস্থ থাকার জন্য ভিটামিন আবশ্যক। সুষম খাদ্যে বিভিন্ন প্রকার উপাদান থাকে। ফলে এতে প্রচুর ভিটামিন পাওয়া যায়।
- ভিটামিনকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- (ক) চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন ও (খ) পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন।

• চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: ভিটামিন 'এ', 'ডি', 'ই' এবং 'কে' (A, D, E, K) ।
• পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন: ভিটামিন 'বি' কমপ্লেক্স ও 'সি' (Vit-B Complex ও Vit-C)

⇒ ভিটামিন 'এ' (Vit-A) উৎস: দুধ, মাখন, চর্বি, ডিম, গাজর, আম, কাঁঠাল, রঙিন শাকসবজি, মলা মাছ ইত্যাদি।

⇒ ভিটামিন 'বি' (Vit-B) উৎস: ঈস্ট, ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, অঙ্কুরিত ছোলা, মুগডাল, মটর, ফুলকপি, চিনাবাদম, শিমের বীচি, কলিজা, হৃদপিন্ড, দুধ, ডিম, মাংস, সবুজ শাকসব্জি ইত্যাদি।

⇒ ভিটামিন 'সি' (Vit-C) উৎস: পেয়ারা, বাতাবী লেবু, কামরাঙা, কমলা, আমড়া, বাঁধাকপি, টমেটো, আনারস, কাঁচামরিচ, তাজা শাকসব্জি ইত্যাদি।

⇒ ভিটামিন 'ডি' (Vit-D) উৎস: ডিম, দুধ, কলিজা, দুগ্ধজাত দ্রব্য, মাছের তেল, ভোজ্য তেল ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- উপরে উল্লিখিত সকল খাবার হতে ভিটামিন 'ই' ও ভিটামিন 'কে' পাওয়া যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৪২৭.
শুষ্ক বরফ কী?
  1. কঠিন নাইট্রোজেন
  2. কঠিন অক্সিজেন
  3. হিমায়িত পানি
  4. হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
- শুষ্ক বরফ (Dry ice) হলো হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)। 
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন ঘটে, অর্থাৎ এটি তার কঠিন অবস্থান থেকে সরাসরি গ্যাসীয় অবস্থায় পরিণত হয়। 
- "শুষ্ক বরফ" আসলে কঠিন হিমায়িত কার্বন ডাই-অক্সাইড, যা -78.5° C তাপমাত্রায় (বা -109.3° ফারেনহাইট) পরমানন্দ (sublimation) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গ্যাসে পরিণত হয়। 
- এ কারণে এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
২,৪২৮.
নিচের কোন শর্করাটি উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে পাওয়া যায় না?
  1. সেলুলোজ
  2. গ্লাইকোজেন
  3. গ্লুকোজ
  4. শ্বেতসার
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোজেন
ব্যাখ্যা
শর্করা: 
- শর্করা হচ্ছে মানুষের প্রধান খাদ্য। 
- কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন নিয়ে শর্করা তৈরি হয়। 
- শর্করা বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং অল্প মিষ্টি স্বাদযুক্ত। 
- শর্করা আমাদের শরীরে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদন করে। 
- কয়েক ধরনের শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট রয়েছে এবং এদের উৎসও ভিন্ন। 
যেমন: 

উদ্ভিজ্জ উৎস: 

শ্বেতসার বা স্টার্চ: 
- ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা স্টার্চের প্রধান উৎস। 
- এছাড়া আলু, রাঙা আলু এবং কচুতেও শ্বেতসার বা স্টার্চ পাওয়া যায়। 

সেলুলোজ: 
- বেল, আম, কলা, তরমুজ, বাদাম, শুকনো ফল এবং সব ধরনের শাক-সবজিতে সেলুলোজ থাকে। 

সুক্রোজ: 
- আখের রস, চিনি, গুড় এবং মিছরি এর উৎস। 

ফ্রোক্টোজ: 
- আম, পেঁপে, কলা, কমলালেবু প্রভৃতি মিষ্টি ফলে এবং ফুলের মধুতে ফ্রোক্টোজ থাকে। একে ফল শর্করাও বলা হয়ে থাকে।

গ্লুকোজ: 
- এটি চিনির তুলনায় মিষ্টি কম। 
- এই শর্করাটি আঙুর, আপেল, গাজর, খেজুর ইত্যাদিতে পাওয়া যায়। 

প্রাণিজ উৎস: 

ল্যাকটোজ বা দুধ শর্করা: 
- গরু, ছাগল এবং অন্যান্য প্রাণীর দুধে এই শর্করা থাকে। 

গ্লাইকোজেন: 
- পশু ও পাখিজাতীয় (যেমন: মুরগি, কবুতর প্রভৃতি ইত্যাদি) প্রাণীর যকৃৎ এবং মাংসে (পেশি) গ্লাইকোজেন শর্করাটি থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪২৯.
AIDS প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কোনটি?
  1. ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা
  2. প্রচুর পানি পান করা
  3. ব্যায়াম করা
  4. HIV সংক্রমণের উপায় সম্পর্কে সচেতনতা
সঠিক উত্তর:
HIV সংক্রমণের উপায় সম্পর্কে সচেতনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HIV সংক্রমণের উপায় সম্পর্কে সচেতনতা
ব্যাখ্যা

- AIDS প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো HIV সংক্রমণের উপায় সম্পর্কে সচেতনতা, কারণ সচেতনতার মাধ্যমে নিরাপদ যৌন অভ্যাস (যেমন-কনডম ব্যবহার), জীবাণুমুক্ত সিরিঞ্জ ব্যবহার এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়ানোর মতো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব, যা সংক্রমণের ঝুঁকি কমায় 

এইডস রোগ: 

- এইডস (AIDS) একটি সংক্রামক রোগ যা সারা বিশ্বে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। 
- ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম আমেরিকায় এই রোগ চিহ্নিত হয়। তখন থেকেই এটি একটি মরণব্যাধি হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। আফ্রিকার দেশগুলোতে এই রোগের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। 
- প্রাকৃতিকভাবে মানুষের শরীরে রোগজীবাণু প্রতিরোধের ক্ষমতা থাকে, যা ইমিউনিটি হিসেবে পরিচিত। 
-  HIV (Human Immunodeficiency Viruses) ভাইরাসটি AIDS রোগ সৃষ্টি করে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে দুর্বল করে ফেলে। এই HIV ভাইরাস যখন শরীরে প্রবেশ করে, তখন এটি রক্তের T-লিম্ফোসাইট (শ্বেত রক্তকণিকা) আক্রমণ করে, ফলে শরীরের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে যায়। 
- HIV সংক্রমণের পর প্রথম ৫ বছর পর্যন্ত শরীরে কোনো লক্ষণ প্রকাশ পায় না, তবে এই সময়েই আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের মধ্যে রোগটি ছড়াতে পারে। 
- এইডস সংক্রমিত হয় প্রধানত যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে, তবে মায়ের বুকের দুধ বা রক্ত সঞ্চালন বা ড্রাগ ব্যবহারকারীদের সিরিঞ্জ ব্যবহারের মাধ্যমে এটিতে সংক্রমণ হতে পারে। 
- AIDS প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে HIV সংক্রমণের উপায় সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৩০.
400 Hz কম্পাঙ্কে স্পন্দিত কোন স্পিকার থেকে উৎপন্ন শব্দ তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 0.8 হলে বায়ুতে শব্দ তরঙ্গের বেগ কত?
  1. 398 ms-1
  2. 360 ms-1
  3. 320 ms-1
  4. 380 ms-1
সঠিক উত্তর:
320 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
320 ms-1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 400 Hz কম্পাঙ্কে স্পন্দিত কোন স্পিকার থেকে উৎপন্ন শব্দ তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 0.8 হলে বায়ুতে শব্দ তরঙ্গের বেগ কত?

সমাধান: 
এখানে, 
কম্পাঙ্ক, f = 400 Hz = 400 s-1
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, λ = 0.8 m
তরঙ্গ বেগ, v = ?

আমরা জানি,
v = fλ
= 400 s-1 × 0.8 m
= 320 ms-1
উত্তর: 320 ms-1 
২,৪৩১.
সর্বাপেক্ষা বৃহৎ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে -
  1. ক) ইনফ্রারেড
  2. খ) আল্ট্রা ভায়োলেট
  3. গ) মাইক্রোওয়েভ
  4. ঘ) রেডিও ওয়েভ
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেডিও ওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেডিও ওয়েভ
ব্যাখ্যা
- সর্বাপেক্ষা বৃহৎ তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে - রেডিও ওয়েভ। 
- সর্বাপেক্ষা ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে - গামা রে। 
 
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হয় সেটাকে আমরা বলি আল্ট্রা ভায়োলেট আলো, আরও ছোট হলে এক্স-রে আরও ছোট হলে গামা রে- যেটা তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বের হয়।
- আবার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড় হয় সেটাকে আমরা বলি ইনফ্রারেড, আরও বড় হলে মাইক্রোওয়েভ এবং আরও বড় হলে রেডিও ওয়েভ

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪৩২.
নিচের কোনটি লিথান জিনের অনুপাত?
  1. ২ : ১
  2. ১ : ২
  3. ৩ : ১
  4. ৯ : ৭
সঠিক উত্তর:
২ : ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ : ১
ব্যাখ্যা
মারণ জিন বা (Lethal Gene): 
- ২ : ১ অনুপাতটি মেন্ডেলের ১ম সূত্রের একটি ব্যতিক্রম। 
- লিথাল জিনের কারণে মেন্ডেলের ১ম সূত্রের ৩ : ১ ফিনোটাইপিক অনুপাত পরিবর্তিত হয়ে ২ : ১ অনুপাতে পরিণত হয়। 
- হোমোজাইগাস অবস্থায় কোন জিন জীবের মৃত্যুর কারণ হলে সে জিনকে মারণ জিন বা লিথাল জিন বলে। 
- ফরাসি বংশগতিবিদ ক্যুয়েনো (Cuenot) সর্বপ্রথম লক্ষ করেন যে, দুটি হলুদাভ (yellowish) রঙের ইঁদুরের প্রজননে ২ : ১ অনুপাতে যথাক্রমে হলুদাভ এবং হলুদবিহীন রঙের ইঁদুর পাওয়া যায়। 
- অন্যান্য গবেষকের গবেষণায় আরো দেখা গেল, হলুদাভ দুটি ইঁদুরের প্রজননে প্রাপ্ত শাবক সংখ্যা, হলুদাভ এবং হলুদবিহীন ইঁদুরের প্রজননে প্রাপ্ত শাবক সংখ্যার তুলনায় প্রায় ১/৪ অংশ কম। 
- উল্লিখিত দুটি তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রমাণিত হয় যে, হলুদ রং এর জন্য দায়ী জিন হোমাজাইগাস অবস্থায় থাকলে সে জাইগোট বেঁচে থাকতে পারে না এবং জন্মের পূর্বেই মারা যায়। 
- হলুদাভ স্ত্রী ইঁদুরের গর্ভে মৃত ভ্রূণ পাওয়ার মধ্যে উপরিউক্তি ব্যাখ্যার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৪৩৩.
পাথরের তেল বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) পেট্রোলিয়াম
  2. খ) কয়লা
  3. গ) প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) পেট্রোলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেট্রোলিয়াম
ব্যাখ্যা
পেট্রোলিয়ামকে পাথরের তেল বলা হয়। 

- পরিবহনের জ্বালানি হিসেবে পেট্রোলিয়াম থেকে পাওয়া যায় নানা রকম কৃত্রিম বস্তু , এগুলো হলো টেরিলিন, পলিয়েস্টার, ক্যাশমিলন ইত্যাদি ।
- এছাড়া পেট্রোলিয়াম থেকে তৈরি হয় নানা রকম প্রসাধনী।
- এসব ব্যবহার থাকা সত্বেও এর মূল ব্যবহার জ্বালানি হিসেবে, পেট্রোলিয়াম জাত সামগ্রীর প্রধান ব্যবহার হলো বিদ্যুৎ ও যান্ত্রিক শক্তির উপাদান।
- পেট্রোলিয়াম একটি ল্যাটিন শব্দ। এটি তৈরি হয়েছে পেট্রো ও অলিয়াম মিলে।
- ল্যাটিন ভাষায় পেট্রো শব্দের অর্থ পাথর এবং অলিয়াম শব্দের অর্থ তেল ।
- পেট্রোলিয়াম হলো পাথরের তেল অর্থাৎ পাথরের মধ্যে সঞ্চিত তেল
- টারশিয়ারি যুগে অর্থাৎ আজ থেকে পাঁচ ছয় কোটি বছর আগে সমুদ্রের তল দেশে পাললিক স্তরে গাছপালা ও সামুদ্রিক প্রাণী চাপা পড়ে যায়।
- বিভিন্ন রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে এরা রূপান্তরিত হয় খনিজ তেলে।
- আজকের স্থলভাগের অনেকাংশ প্রাগৈতিহাসিক যুগে সমুদ্রের তলদেশে ছিল।

সূত্র: ৭৮ পৃষ্ঠা, সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৩৪.
RT - PCR stands for -
  1. Reverse Transcription Polymerase Chain Reaction
  2. Reverse Time Palhogene Chain Reaction
  3. Real Time Chain Reaction
  4. Real Time Critical Reaction
সঠিক উত্তর:
Reverse Transcription Polymerase Chain Reaction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Reverse Transcription Polymerase Chain Reaction
ব্যাখ্যা
RT - PCR:
- RT - PCR এর পূর্ণরূপ: Reverse Transcription Polymerase Chain Reaction.
- আরটি-পিসিআর করোনাকালের বহুল পরিচিত একটি পরিভাষা।
- মূলত কোভিড-১৯ ভাইরাস শনাক্তকরণের পরীক্ষা এটি।
- সবেচেয়ে নির্ভরযোগ্য পরীক্ষাপদ্ধতি হিসেবে বিশ্বব্যাপী বেশ জনপ্রিয়।
- পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে দেহের ভেতরে ডিএনএ থেকে আরএনএ তৈরি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সক্রিপশন।
- আবার এর বিপরীত ঘটনাও ঘটানো সম্ভব।
- অর্থাৎ আরএনএ থেকে ডিএনএ তৈরি করা যাকে বলা হয় রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন।
- আরটি-পিসিআরের প্রথম অংশ আরটি রিভার্স ট্রান্সক্রিপশনের সংক্ষিপ্ত রূপ।
- পিসিআর মেশিনের সাহায্যে একটি ডিএনএ থেকে দুটি, দুটি থেকে চারটি, চারটি থেকে আটটি।
- এভাবে আনুপাতিক হারে অণুর সংখ্যা লাখো কোটি গুণ বাড়ানো যায়।
- সংখ্যা বাড়ানোর এই প্রক্রিয়াকেই বলে পলিমারেজ চেইন রি-অ্যাকশন বা পিসিআর।

উৎস: ৩১ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো।
২,৪৩৫.
প্রকৃতিতে কয় ধরনের মৌলিক বল আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

• প্রকৃতিতে ৪ ধরনের মৌলিক বল আছে।

• বল: 
- যা স্থির বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তাকে গতিশীল করে বা করতে চায় অথবা যা গতিশীল বস্তুর উপর ক্রিয়া করে তার গতির পরিবর্তন করে বা করতে চায় তাকে বল বলে। 
- বল সবসময় জোড়ায় জোড়ায় ক্রিয়া করে। 
- প্রকৃতিতে চার ধরনের মৌলিক বল আছে। 
যথা:- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।

১। মহাকর্ষ বল: 
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল। 
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে। 
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে। 
- এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই। 
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে। 

২. তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল: 
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে। 

৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল: 
- দুর্বল নিউক্লীয় বলকে দুর্বল বলা হয় কারণ এটা তড়িৎ চৌম্বক বল থেকে দুর্বল (প্রায় ট্রিলিওন গুণ) কিন্তু মোটেও মহাকর্ষ বল থেকে দুর্বল নয়। 
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৮ m) কাজ করে। 

৪। সবল নিউক্লীয় বল: 
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০-১৫ m) কাজ করে। 
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৩৬.
‘চিকনগুনিয়া’ কিসের মাধ্যমে ছড়ায়?
  1. ক) এডিস মশার মাধ্যমে
  2. খ) পানির মাধ্যমে
  3. গ) বানরের মাধ্যমে
  4. ঘ) বাতাসের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ক) এডিস মশার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এডিস মশার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
এডিস মশা (Aedes aegypti) দ্বারা ডেঙ্গু জ্বর, চিকনগুনিয়া (Chikungunya virus) রোগ ছড়ায়।
Source: cdc.gov, who.int
২,৪৩৭.
পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ধাতু কোনটি?
  1. লোহা
  2. সিলিকন
  3. পারদ
  4. তামা
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীতে যে ধাতুটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় তা হলো অ্যালুমিনিয়াম।
- ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%), লোহার পরিমাণ ৫%, ক্যালসিয়াম ৩.৬% ইত্যাদি। 
- অ্যালুমিনিয়াম অন্যান্য মৌলিক পদার্থের সাথে যৌগ গঠন করে অবস্থান করে যা অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক। 
যেমন- বক্সাইট, ক্রায়োলাইট, কোরানডাম ইত্যাদি। 

যেহেতু অ্যালুমিয়াম অপশনে নেই, তাই সঠিক উত্তর লোহা

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৩৮.
আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে -
  1. ক্যাপাসিটর
  2. বায়ুশূন্য টিউব
  3. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
  4. পাঞ্চ কার্ড
সঠিক উত্তর:
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
ব্যাখ্যা

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি): 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি)।
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
- যার ফলে সাথে সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৩৯.
দুটি স্কেলার রাশির গুণফলে সর্বদা কোন রাশি পাওয়া যায়?
  1. ক) স্কেলার রাশি
  2. খ) ভেক্টর রাশি
  3. গ) ক + খ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) স্কেলার রাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্কেলার রাশি
ব্যাখ্যা
স্কেলার রাশি:
- যেসব ভৌত রাশিকে শুধু মান দ্বারা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করা যায়, দিক নির্দেশের প্রয়োজন হয় না তাদের স্কেলার রাশি বলে।
যেমন- দৈর্ঘ্য, দ্রুতি, ভর, কাজ ইত্যাদি। 

- শুধু মানের পরিবর্তন হলে স্কেলার রাশির পরিবর্তন হয়। 
- স্কেলার রাশির যোগ, বিয়োগ, গুণ ইত্যাদি বীজগণিতের নিয়মে হয়।
- দুটি স্কেলার রাশির কোনোটির মান শূন্য না হলে এদের গুণফল শূন্য হয় না।
- দুটি স্কেলার রাশির গুণফলে সর্বদা একটি স্কেলার রাশি পাওয়া যায়

ভেক্টর রাশি
:
- যেসব ভৌত রাশিকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয় তাদের ভেক্টর রাশি বলে।
যেমন- সরণ, বেগ, ত্বরণ, ওজন ইত্যাদি।

- শুধু মান অথবা শুধু দিক অথবা উভয়ের পরিবর্তন হলে ভেক্টর রাশির পরিবর্তন হয়।
- ভেক্টর রাশির যোগ, বিয়োগ, গুণ ইত্যাদি বীজগণিতের নিয়মে হয় না।
- দুটি ভেক্টর রাশির কোনো একটির মান শূন্য না হলেও এদের ভেক্টর গুণফল শূন্য হতে পারে।
- দুটি ভেক্টর রাশির গুণফল একটি ভেক্টর রাশি অথবা একটি স্কেলার রাশি হতে পারে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৪০.
যকৃত থেকে কী নিঃসৃত হয়? 
  1. হরমোন
  2. লালা
  3. পাচক রস
  4. গাঢ় সবুজ বর্ণের পিত্তরস
সঠিক উত্তর:
গাঢ় সবুজ বর্ণের পিত্তরস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাঢ় সবুজ বর্ণের পিত্তরস
ব্যাখ্যা
যকৃত (Liver): 
- যকৃত মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি। 
- এটি মধ্যচ্ছদের নিচে, পাকস্থলীর ডান পাশে অবস্থিত। 
- যকৃতের রঙ গাঢ় বাদামি এবং এটি আকারে ত্রিকোণাকার। 
- যকৃতের নিচে কলস আকৃতির পিত্তথলি (Gallbladder) সংযুক্ত থাকে। 

যকৃতের কার্যাবলি: 
- যকৃত থেকে ক্ষারীয় প্রকৃতির গাঢ় সবুজ বর্ণের পিত্তরস নিঃসৃত হয়। 
- পিত্তরস পিত্তথলিতে জমা থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পিত্তনালির মাধ্যমে ডিওডেনামে প্রবাহিত হয়। 
- পাচন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 
- রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে (গ্লাইকোজেন সংরক্ষণ ও মুক্তি)। 
- প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট বিপাক ঘটায়। 
- দেহের বিষাক্ত পদার্থ অপসারণ করে (ডিটক্সিফিকেশন)। 
- রক্তে কোলেস্টেরল ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। 
- যকৃতে বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয়, তাই একে "দেহের রসায়ন গবেষণাগার" বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৪১.
তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপ করার জন্য কোন একক ব্যবহৃত হয়?
  1. ওহম
  2. ভোল্ট
  3. অ্যাম্পিয়ার
  4. কুলম্ব
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
ব্যাখ্যা

• তড়িৎ প্রবাহ বা বৈদ্যুতিক কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত একক হলো অ্যাম্পিয়ার। এটি বৈদ্যুতিক পরিবাহী মাধ্যমে ইলেকট্রনের প্রবাহের মাত্রা নির্দেশ করে। এক অ্যাম্পিয়ার কারেন্ট মানে হলো প্রতি সেকেন্ডে এক কুলম্ব চার্জ প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যদিকে, ওহম হল প্রতিরোধের একক, ভোল্ট হল বৈদ্যুতিক চাপের একক, এবং কুলম্ব হল চার্জের পরিমাণের একক। তাই বৈদ্যুতিক কারেন্ট পরিমাপের জন্য সঠিক একক হলো অ্যাম্পিয়ার।

• তড়িৎ প্রবাহ:
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হচ্ছে অ্যাম্পিয়ার।
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
- যার প্রতীক হলো A
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপ করার জন্য অ্যামিটার নামক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।

অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আধান বা চার্জের একক হলো কুলম্ব।
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক হলো ভোল্ট।
- রোধ পরিমাপের একক হলো ওহম।

উৎস: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৪২.
কোলেস্টেরল মূলত এক ধরনের-
  1. অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল
  2. সম্পৃক্ত অ্যালকোহল
  3. জৈব এসিড
  4. এমিনো এসিড
সঠিক উত্তর:
অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা
• কোলেস্টেরল:
- কোলেস্টরল এক ধরনের চর্বিজাতীয়, তৈলাক্ত স্টেরয়েড যা কোষের ঝিল্লি বা (সেল মেমব্রেনে)-এ পাওয়া যায় এবং যা সব প্রাণীর রক্তে পরিবাহিত হয়।
- কোলেস্টেরলকে কঠিন বা অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল বলা হয়।
- রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, হার্ট এ্যাটাক ইত্যাদি রোগের আশংকা বেড়ে যায়।
- যকৃৎ এবং মগজে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- স্নেহ এবং প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে।
- স্নেহের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে লাইপোপ্রোটিন দুই রকম-
- উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (High Density Lipoprotein - HDL)। 
- নিম্ন ঘনত্ববিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (Low Density Lipoprotein - LDL)। 
- রক্তে LDL-এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪৪৩.
প্লবতার মান পরিমাপের জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. তরলের ঘনত্ব
  2. বস্তুর আয়তন
  3. তরল বা বায়বীয় পদার্থের উচ্চতা
  4. বস্তুর অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজন
সঠিক উত্তর:
বস্তুর অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজন
ব্যাখ্যা
প্লবতা: 
- তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত কোন বস্তুর উপর তরল বা বায়বীয় পদার্থ লম্বভাবে ঊর্ধ্বমুখী বল বা চাপ প্রয়োগ করে, এই ঊর্ধ্বমুখী বলকে বলা হয় প্লবতা। 
- পানির মধ্যে একটি ফুটবল ডুবিয়ে ছেড়ে দিলে দেখা যায়, বলটিকে পানি কীভাবে ঊর্ধ্বমুখী ধাক্কা দিচ্ছে। 
- প্লবতার মান বস্তুর নিমজ্জিত অংশ কর্তৃক অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান হয়। 

প্লবতার মান: 
- তরলের মধ্যে একটি কঠিন বস্তু নিমজ্জিত করলে বস্তুর প্রতিটি বিন্দুতে তরল সর্বমুখী চাপ প্রয়োগ করে। 
- নিমজ্জিত বস্তুর উপর ক্রিয়াশীল ঊর্ধ্বমুখী বল বা প্লবতা বস্তু কর্তৃক অপসারিত প্রবাহীর ওজনের সমান। 
- এই ঊর্ধ্বমুখী বলের কারণে নিমজ্জিত বস্তুর ওজন কমে যায় বা ওজন হারায় বলে প্রতীয়মান হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৪৪.
স্ফুটনের বিপরীত প্রক্রিয়ার নাম কী? 
  1.  গলন 
  2. বাষ্পায়ন 
  3. ঘনীভবন 
  4.  উত্তপ্তকরণ 
সঠিক উত্তর:
ঘনীভবন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘনীভবন 
ব্যাখ্যা

গলন (Melting): 
- তাপ প্রয়োগে কোনো পদার্থের কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে গলন বলে। 
1.0 বায়ুমণ্ডলীয় চাপে তাপ প্রয়োগের ফলে যে তাপমাত্রায় কোনো কঠিন পদার্থ তরলে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে উক্ত কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ক বলে। 
- প্রত্যেক বিশুদ্ধ কঠিন পদার্থের একটি নির্দিষ্ট গলনাঙ্ক থাকে। 
যেমন: 1.0 বায়ুমণ্ডলীয় চাপে বরফের গলনাঙ্ক 0°C । 

স্ফুটন (Boiling): 
- তাপ প্রয়োগ করে তরলকে গ্যাসে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে স্ফুটন বলে। 
1.0 বায়ুমণ্ডলীয় চাপে তাপ প্রয়োগের ফলে যে তাপমাত্রায় কোনো তরল পদার্থ গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে উক্ত তরল পদার্থের স্ফুটনাঙ্ক বলে। 
- প্রত্যেক বিশুদ্ধ তরলের একটি নির্দিষ্ট স্ফুটনাঙ্ক থাকে। 
যেমন: 1.0 বায়ুমন্ডলীয় চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক 100°C । 
- স্ফুটনের বিপরীত প্রক্রিয়াটির নাম ঘনীভবন। 
- স্ফুটনের জন্য তাপ দিতে হয়, ঘনীভবনের সময় তাপ সরিয়ে নিতে হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৪৫.
সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থান করছে-
  1. গ্রহ
  2. ধূমকেতু
  3. সূর্য
  4. উল্কা
সঠিক উত্তর:
সূর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য
ব্যাখ্যা
• সৌরজগৎ (Solar System):
- সূর্য এবং তার গ্রহ, উপগ্রহ, গ্রহাণুপুঞ্জ, অসংখ্য ধূমকেতু ও অগণিত উল্কা নিয়ে সৌরজগৎ গঠিত।
- সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রে অবস্থান করছে।

- গ্রহগুলো মহাকর্ষ বলের প্রভাবে সূর্যের চারদিকে ঘুরছে।
- সৌরজগতের যাবতীয় গ্রহ-উপগ্রহের নিয়ন্ত্রক হলো সূর্য।
- সূর্যকে ভিত্তি করে সৌরজগতের যাবতীয় কাজ-কর্ম চলে।
- এই মহাবিশ্বের বিশালতার মধ্যে সৌরজগৎ নিতান্তই ছোট।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
২,৪৪৬.
একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক কত ঘণ্টা ঘুমানোর প্রয়োজন?
  1. ক) ৪ ঘণ্টা
  2. খ) ৬ ঘণ্টা
  3. গ) ১০ ঘণ্টা
  4. ঘ) ১২ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
একজন মানুষের দৈনিক ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর প্রয়োজন। 

বিশ্রামের গুরুত্ব : শরীর চর্চার পাশাপাশি শারীরিক বিশ্রামও অত্যন্তপ্রয়োজন। এছাড়া মানসিক ও শারীরিক পরিশ্রমের পরই বিশ্রাম প্রয়োজন। ঘুমানো, শুয়ে থাকা ইত্যাদি বিশ্রামের অংশ। বিশ্রামের ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশে পুনঃশক্তি সঞ্চয় হয় এবং স্নায়ুবিক শক্তি উজ্জীবিত হয়। কর্মে নতুন উদ্দীপনা ফিরিয়ে এনে কর্মক্ষম করে তোলে । একজন ব্যক্তির স্বাভাবিক সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকার জন্য দৈনিক ৬-৮ ঘণ্টা বিশ্রাম বা ঘুমানো আবশ্যক।

সূত্র: ৬৬ পৃষ্ঠা, জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৪৭.
স্টোলন দ্বারা অঙ্গজ জনন ঘটে কোন উদ্ভিদে?
  1. পেঁয়াজ
  2. কচু
  3. আলু
  4. আদা
সঠিক উত্তর:
কচু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কচু
ব্যাখ্যা
রূপান্তরিত কাণ্ডের মাধ্যম: 
- উদ্ভিদের কোন অংশকে কাণ্ড বলে তা নিশ্চয়ই সবাই জানে তবে কিছু কাণ্ডের অবস্থান ও বাইরের চেহারা দেখে তাকে কাণ্ড বলে মনেই হয় না, এরা পরিবর্তিত কাণ্ড। 
- বিভিন্ন প্রতিকূলতায়, খাদ্য সঞ্চয়ে অথবা অঙ্গজ জননের প্রয়োজনে এরা পরিবর্তিত হয়। 
- এদের বিভিন্ন রূপ নিম্নে দেওয়া হলো- 
(ক) কন্দ (বাল্ব): 
- এরা অতি ক্ষুদ্র কাণ্ড। 
- এদের কাক্ষিক ও শীর্ষ মুকুল নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়, যেমন- পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি। 

(খ) স্টোলন: 
- কচুর লতি হচ্ছে কচুর শাখা কাণ্ড, এগুলো জননের জন্যই পরিবর্তিত হয়। 
- স্টোলনের অগ্রভাগে মুকুল উৎপন্ন হয়। 
- এভাবে স্টোলন উদ্ভিদের জননে সাহায্য করে, যেমন- কচু, পুদিনা। 

(গ) রাইজোম: 
- এরা মাটির নিচে ভূমির সমান্তরালে অবস্থান করে। 
- কাণ্ডের মতো এদের পর্ব, পর্বসন্ধি স্পষ্ট, পর্বসন্ধিতে শঙ্কপত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল জন্মে। 
- এরাও খাদ্য সঞ্চয় করে মোটা ও রসাল হয়। 
- অনুকূল পরিবেশে এসব মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে আলাদা আলাদা উদ্ভিদ উৎপন্ন করে, যেমন- আদা। 

(ঘ) টিউবার: 
- কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দের সৃষ্টি করে, এদের টিউবার বলে। 
- ভবিষ্যতে এ কন্দ জননের কাজ করে। 
- কন্দের গায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত থাকে, এগুলো দেখতে চোখের মতো তাই এদের চোখ বলা হয়। 
- একটি চোখের মধ্যে একটি কুঁড়ি থাকে, আঁশের মতো অসবুজ পাতার (শঙ্কপত্র) কক্ষে এসব কুঁড়ি জন্মে। 
- প্রতিটি চোখ থেকে একটি স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম হয়, যেমন- আলু। 

(ঙ) বুলবিল: 
- কোনো কোনো উদ্ভিদের কাক্ষিক মুকুলের বৃদ্ধি যথাযথভাবে না হয়ে একটি পিণ্ডের মতো আকার ধারণ করে, এদের বুলবিল বলে। 
- এসব বুলবিল কিছুদিন পর গাছ থেকে খসে মাটিতে পড়ে এবং নতুন গাছের জন্ম দেয়, যেমন- চুপড়ি আলু। 

(চ) অফসেট: 
- কচুরিপানা, টোপাপানা ইত্যাদি জলজ উদ্ভিদে শাখা কাণ্ড বৃদ্ধি পেয়ে একটি নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন করে। 
- কিছুদিন পর মাতৃউদ্ভিদ থেকে এটি বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন উদ্ভিদে পরিণত হয়, যেমন- কচুরিপানা।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
২,৪৪৮.
লোহিত রক্তকণিকা কোথায় থেকে তৈরি হয়?
  1. বৃক্কে
  2. হৃৎপিণ্ডে
  3. প্লীহায়
  4. অস্থিমজ্জায়
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
ব্যাখ্যা

• লোহিত রক্ত কণিকা:
- লোহিত রক্ত কণিকার আয়ুষ্কাল ১২০ দিন।
- লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়।
- লোহিত রক্তকণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।

উৎস: জীববিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৪৯.
স্নায়ু তন্ত্রের গাঠনিক একক কোনটি?
  1. নেফ্রন
  2. নিউরন
  3. ডেনড্রাইট
  4. সিনাপস
সঠিক উত্তর:
নিউরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউরন
ব্যাখ্যা
স্নায়ু টিস্যু: 
- স্নায়ুতন্ত্র এক বিশেষ ধরনের টিস্যু দ্বারা গঠিত, এ বিশেষ ধরনের টিস্যুকে বলা হয় স্নায়ু টিস্যু। 
- এরা পরিবেশ থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ করে দেহের ভেতরে পরিবাহিত করতে পারে এবং সে অনুযায়ী উপযুক্ত উদ্দীপনা সৃষ্টি করতে পারে। 
- স্নায়ু টিস্যু যে বিশেষ কোষ দ্বারা গঠিত তাকে স্নায়ু কোষ বা নিউরন বলা হয়, তাই নিউরন হলো স্নায়ু তন্ত্রের গাঠনিক একক। এটা ভ্রূণীয় এক্টোডার্ম জাত। 
- নিউরন বিভিন্ন ধরনের বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ উদ্দীপনা ও স্নায়ু তাড়না গ্রহণ করতে পারে এবং দেহের অভ্যন্তরে তা পরিবহন করতে পারে। 
- একটা পরিণত নিউরনের তিনটি অংশ থাকে। 
যথা- কোষদেহ, ডেনড্রাইট এবং অ্যাক্সন। 
- কোষ দেহ বহুভুজাকৃতি এবং নিউকিদ্বয়াসযুক্ত। কোষের সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, রাইবোসোম, আন্তঃপ্লাজমীয় নালিকা ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে। তবে নিউরনের সাইটোপ্লাজমে সক্রিয় সেন্ট্রিয়োল থাকে না বলে নিউরন বিভাজিত হয় না। 

- কোষ দেহ থেকে একাধিক শাখা কোষ বের হয়। 
- এরা উদ্দীপনা বা স্নায়ু তাড়না নিউরনের (সেনসরি নিউরন) দেহের দিকে পরিবাহিত করে। 
- সাধারণত এরা অ্যাক্সন এর বিপরীত দিকে হয় এবং সংখ্যায় এক বা একাধিক থাকে। 
- নিউরনের কোষ দেহ থেকে একটা লম্বা তন্তু স্নায়ু উদ্দীপনা পরবর্তী নিউরনের ডেনড্রাইটের দিকে পরিবহন করে। 
- একটা নিউরনে একমাত্র অ্যাক্সন থাকে। 
- পর পর দু'টো নিউরনের প্রথমটার অ্যাক্সন এবং পরেরটার ডেনড্রাইটের মধ্যে একটা স্নায়ু সন্ধি গঠিত হয়। একে সাইন্যাপস বা সিনাপস বলা হয়।
- সিনাপস এর মধ্য দিয়েই একটা নিউরন থেকে স্নায়ু উদ্দীপনা পরবর্তী নিউরনে প্রবাহিত হয়। স্নায়ু তন্ত্রে এরা অবস্থান করে। প্রাণীর স্নায়ু তন্ত্রে অসংখ্য নিউরন থাকে।
- এরা উদ্দীপনা গ্রহণ করে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করে এবং তা বাস্তবায়ন করে, উচ্চতর প্রাণীতে স্মৃতি সংরক্ষণ করে ও দেহের বিভিন্ন অঙ্গের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৫০.
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ভিডিও কনফারেন্সিং একটি ___ প্রক্রিয়া। 
  1. বহুমুখী
  2. একমুখী
  3. উভমুখী
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উভমুখী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভমুখী
ব্যাখ্যা
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা: 
- ভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে কিছু ব্যক্তি অবস্থান করে টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে কোন সভা অথবা সেমিনার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং। 
- বিভিন্ন ধরনের টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা রয়েছে। 
যেমন- পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স এবং অনলি কনফারেন্স। 
- টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী প্রক্রিয়ায় স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২,৪৫১.
তীব্র ক্ষার নয় কোনটি?
  1. NaOH
  2. Al(OH)3
  3. КОН
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
Al(OH)3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Al(OH)3
ব্যাখ্যা
ক্ষারক: 
- ধাতুর অক্সাইডকে ক্ষারক বলে। 
- ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে। 

ক্ষার: 
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সব হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে। 

তীব্র ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়োনিত হয় তাদেরকে তীব্র ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- NaOH, КОН, Ca(OH)2 ইত্যাদি তীব্র ক্ষার। 

মৃদু ক্ষার: 
- যে সব ক্ষার জলীয় দ্রবণে আংশিক আয়নিত হয় তাদেরকে মৃদু ক্ষার বলা হয়। 
যেমন- NH4OH, Fe(OH)3, Al(OH)3 ইত্যাদি মৃদু ক্ষার। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৫২.
স্থায়ী চুম্বক কোথায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয়?
  1. কলিং বেল
  2. ট্রান্সফরমারে
  3. কম্পাসে
  4. জেনারেটরে
সঠিক উত্তর:
কম্পাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পাসে
ব্যাখ্যা

কম্পাসে দিক নির্ণয়ের জন্য ছোট ও হালকা স্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়, যেটি পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সাথে সমান্তরালভাবে অবস্থান করে।

​স্থায়ী চুম্বক: 
​- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
​- চৌম্বক কম্পাস, মাইক্রোফোন, স্পিকার ইত্যাদিতে ​স্থায়ী চুম্বক ব্যব অহার করা হয়। 

​অস্থায়ী চুম্বক:
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়।
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে।
- মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফরমার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়। 

​তড়িৎ চুম্বক: 
- একটি বৃত্তাকার কুন্ডলী বা সলিনয়েডে তড়িৎ প্রবাহিত হলে এর মধ্যে চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয় এবং এটি একটি চুম্বকে পরিণত হয়।
- তড়িৎ প্রবাহের ফলে এ চুম্বক সৃষ্টি হয় বলে একে তড়িৎ চুম্বক বলে। 
​- কলিং বেলে ​তড়িৎ চুম্বক ব্যবহার করা হয়। 

​উৎস: 
​১। পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
​২। পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৫৩.
নিচের কোনটির কারণে আমের এন্থ্র্যাকনোজ রোগ হয়ে থাকে?
  1. নেমাটোড
  2. ছত্রাক
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
ব্যাখ্যা
এন্থ্র্যাকনোজ রোগ:
- আমের এন্থ্র্যাকনোজ রোগের কারণ Colletotrichum gloeosporioides নামক এক ধরনের ছত্রাক।

⇒ লক্ষণ -
- আমের এনথ্রাকনোজ হলে কচি পাতায় অনিয়মিত দাগ দেখা যায় ।
- আমের মুকুল কালো হয়ে যায়, আমের গুটি ঝড়ে যায় ।
- বড় আম আক্রান্ত হলে আক্রান্ত স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয়।

উৎস: কৃষি বাতায়ন ওয়েবসাইট।
২,৪৫৪.
হৃদপিণ্ডকে আচ্ছাদিত করা পাতলা ঝিল্লিটিকে কী বলা হয়?
  1. পেরিকার্ডিয়াম
  2. এন্ডোকার্ডিয়াম
  3. এপিকার্ডিয়াম
  4. মায়োকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
পেরিকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা

হৃদপিণ্ডের আবরণ:
- হৃদপিণ্ড একটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা ঝিল্লিতে আবৃত
- এর বাইরের স্তরটিকে প্যারাইটাল ও ভেতরেরটিকে ভিসেরাল বলে।
- স্তর দুটির মাঝে তরল পদার্থপূর্ণ পেরিকার্ডিয়াম গহ্বর থাকে যা হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- পেরিকার্ডিয়াম হৃদপিণ্ডকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে।
- হৃদপিণ্ডের স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে।
- হৃদপিণ্ডকে সর্বদা সিক্ত রেখে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে।

হৃদপিণ্ডের প্রাচীর:
- অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। এসব পেশিকে হৃদপেশী বা কার্ডিয়াক পেশি (Cardiac muscle) বলে।
- পেশিগুলো তিন স্তরবিশিষ্ট।
যেমন -
ক. এপিকার্ডিয়াম (Epicardium):
- এটি হৃদপ্রাচীরের সবচেয়ে বাইরের স্তর এবং যোজক কলায় তৈরি।
- এই স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে।

খ. মায়োকার্ডিয়াম (Myocardium):
- এটি হৃদপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর। স্তরটি পুরু, দৃঢ় প্রকৃতির এবং এগুলো হৃদপিণ্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

গ. এন্ডোকার্ডিয়াম (Endocardium):
- এটি হৃদপ্রাচীরের ভেতরের স্তর যা হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীর গঠন করে, হৃদকপাটিকাসমূহ ঢেকে রাখে এবং রক্তের সাথে হৃদপিণ্ডের অবিচ্ছিন্ন সংযোগ ঘটায়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৫৫.
কোন প্রক্রিয়াটি যান্ত্রিক তরঙ্গের ক্ষেত্রে ঘটে? 
  1. প্রতিফলন
  2. প্রতিসরণ
  3. ব্যতিচার
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
যান্ত্রিক তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলন ছাড়াও তরঙ্গ সৃষ্টি হতে পারে। জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে বলা হয় যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- বিভিন্ন জড় পদার্থের কম্পন থেকে তা বিভিন্ন উপায়ে শব্দ সৃষ্টি হয়। 
যেমন- পানির তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, ভূমি কম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গ ইত্যাদি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 

যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
১. যান্ত্রিক ক্ষেত্রে তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন ঘটে। 
২. এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তরঙ্গ সঞ্চারণের জন্য সময় প্রয়োজন হয়। 
৩. মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের বা স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 
৪. তরঙ্গ সৃষ্টি ও সঞ্চালনের জন্য অবিচ্ছিন্ন স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যম প্রয়োজন। 
৫. তরঙ্গ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা স্থানান্তর করে। 
৬. তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণাগুলোর স্পন্দনের দিক এবং তরঙ্গ সঞ্চারণের দিক এক নাও হতে পারে। 
৭. তরঙ্গের কণাগুলোর বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়। স্পন্দনের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে বাড়ে। কিন্তু তরঙ্গ সুষম বেগে সঞ্চারিত হয়, অর্থাৎ কণাগুলোর স্পন্দন গতি এবং তরঙ্গ বেগ এক নয়। 
৮. মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপর নিচে অথবা সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। মাধ্যমের মধ্য দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৫৬.
নাইলন 6 : 6 উৎপাদনে কোন যৌগ ব্যবহৃত হয়না?
  1. HOOC - (CH2)4 - COOH
  2. NH2 - (CH2)6 - NH2
  3. TiO2
  4. NH3
সঠিক উত্তর:
NH3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NH3
২,৪৫৭.
কোনো মাধ্যমের ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা বেশি হলে শব্দের বেগ কী হয়? 
  1. বেড়ে যায়
  2. কমে যায়
  3. ধীরগতি হয়
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগের পরিবর্তন: 
- আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3×108 ms-1 নির্দিষ্ট, কিন্তু শব্দের দ্রুতি সবসময় সমান নয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি 1°C তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। 
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। 
যেমন - 
• বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
• পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং 
• লোহার মধ্যে 5220 ms-1
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি। 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি। 
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৫৮.
কোনটির প্রভাবে রক্তের রং লাল হয়? 
  1. নিউট্রিফিল
  2. অনুচক্রিকা
  3. হিমোগ্লোবিন
  4. অক্সিগ্লোবিন
সঠিক উত্তর:
হিমোগ্লোবিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমোগ্লোবিন
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে। 
- কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪৫৯.
প্রাণিবিজ্ঞানের কোন শাখায় পাখি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়?
  1. ক) Ornithology
  2. খ) Ichthyology
  3. গ) Herpetology
  4. ঘ) Conchology
সঠিক উত্তর:
ক) Ornithology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Ornithology
ব্যাখ্যা

- Ornithology শাখায় পাখি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
- Ichthyology শাখায় মৎসবিদ্যা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
- Herpetology শাখায় সরীসৃপ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
- Conchology শাখায় কম্বোজ প্রাণী বা Mollusca পর্বভুক্ত প্রাণী সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

২,৪৬০.
ডিমের নরম খোসা শক্ত হয় কি কারণে?
  1. বাতাসের সংস্পর্শে
  2. এলবুমিনের সংস্পর্শে
  3. আলোর সংস্পর্শে
  4. বাতাস ও আলোর সংস্পর্শে
সঠিক উত্তর:
বাতাসের সংস্পর্শে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতাসের সংস্পর্শে
ব্যাখ্যা
ডিম গঠন প্রক্রিয়া
- মুরগির বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডিম্বাশয়ের ডিম্বাণুগুলো আকারে বড় হতে থাকে।
- ডিম্বাণুগুলোর ভেতরে আস্তে আস্তে কুসুম জমা হয়ে পূর্ণাঙ্গ কুসুমে পরিণত হয়। এক একটি কুসুম ভাইটালিন মেমব্রেন নামক এক প্রকার পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। 
- মুরগি যখন বয়স্কা হয় তখন কয়েকটি ডিম্বাণু পর পর শীঘ্র বড় হয়ে পূর্ণ কুসুমে পরিণত হয়। কুসুমের পূর্ণতার পর থলির শিরা উপশিরা বিহীন নির্দিষ্ট স্থানে ফাটল ধরার পরে ঐ স্থান দিয়ে বের হয়ে আসে। এই প্রক্রিয়াকে কুসুমক্ষরণ (ovulation) বলে।
- ডিম্বাশয় নালির প্রথম ভাগ এই নির্গত কুসুমটিকে ধরে ফেলে এবং পরে ডিম্বাশয় নালির বাকি অংশগুলোর মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়।
- নিষিক্তকরণের পরক্ষণ থেকেই কোষের সংখ্যা বাড়তে থাকে। মুরগির দলে মোরগ না রাখলেও ডিম পাড়ার কোন ব্যাঘাত বা ডিমের সংখ্যার তারতম্য হয় না, কুসুমটি নিষিক্তকরণ হোক তা না হোক উহা যখন ডিম্বাশয়নালির বাকি অংশ দিয়ে আস্তে আস্তে অগ্রসর হয় তখন ওটা ডিমের সাদা অংশ, খোসার পর্দা, খোসা ইত্যাদি সংগ্রহ করে পূর্ণাঙ্গ ডিমে পরিণত হয়।
- একটি শক্তিশালী ডিমের খোসা গঠনের জন্য সঠিক CO2 মাত্রা অপরিহার্য।
- ওভাবে পূর্ণ ডিমটি তৈরি হতে ২৪-২৫ ঘণ্টা সময় লাগে। একটি ডিম কুসুম, ভ্রণ, ঘন সাদা অংশ, পাতলা সাদা অংশ, চ্যালেজা, খোসার আবরণ, বায়ুকোষ ও খোসা নিয়ে গঠিত।
- ডিমের নরম খোসা শক্ত হয় বায়ুর সংস্পর্শে এসে। 
- সম্পূর্ণ ডিমটার আছে - জল ৬৩.৬%, আমিষ-১২.৮৩, খনিজ ১০.৭০, স্নেহ ১০.৬ খনিজ পদার্থ এবং ভিটামিন।
- এ জন্য ডিমকে Nature’s multivitamin বলে।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও ব্রিটানিকা। 
২,৪৬১.
বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়?
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. পটাশিয়াম
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের খনিজ উপাদান: 
- মাটিতে নাইট্রোজেনের উৎস নাইট্রোজেন লবণ। 
- বায়ুমণ্ডলে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না। 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে আয়নিত অবস্থায় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে। 
- বিশ্বে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত সার। 
- বজ্রপাত একটি শক্তিশালী সার প্রদানকারী এজেন্ট। 
- প্রতিবার বজ্রপাত ঘটলে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বা অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে অ্যামোনিয়াম এবং নাইট্রেট তৈরি করে। 
- নাইট্রোজেন তারপর বৃষ্টিতে মাটিতে ধুয়ে যায়। 
- গাছপালা তখন মাটি থেকে নাইট্রোজেন শোষণ করে এবং বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করে। 
- যেহেতু ইহা ক্লোরোফিলের একটি মূল উপাদান বিধায় নাইট্রোজেন গাছের সবুজায়ন ঘটায়। 

Lightening is a potent fertilizing agent. Every time it strikes, nitrogen in the atmosphere is combined with hydrogen or oxygen to form ammonium and nitrate, two forms of nitrogen. The nitrogen then goes into solution in atmospheric moisture and is washed to the ground in rainfall. Plants then absorb nitrogen from the ground and utilize it for growth. Since it is a key constituent in chlorophyll, the green pigment of plants, nitrogen causes a greening of the plant. 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং cals.arizona.edu
২,৪৬২.
এক্স-রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কোন মানটির কাছাকাছি হয়?
  1. ক) 10-7 m
  2. খ) 10-8 m
  3. গ) 10-9 m
  4. ঘ) 10-10 m
সঠিক উত্তর:
ঘ) 10-10 m
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 10-10 m
ব্যাখ্যা
এক্সরে রশ্মি
- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম। 
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন। 
- এক্সরে রঞ্জনরশ্মি নামেও পরিচিত। 

চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। 
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। 
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়। 
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
২,৪৬৩.
ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি -
  1. বৃদ্ধি পায়
  2. একই থাকে
  3. হ্রাস পায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:
- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিূকম্প বলে।
- একটি শান্ত পুকুরে টিল ছুড়লে যেভাবে ঢেউ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তেমনি পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেখানে তরঙ্গ শক্তি উৎপত্তি হয় সেখানে থেকে মুক্ত শক্তি টেউয়ের মত শিলায় তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৬৪.
দেহে রোগ প্রতিরোধকারী এন্টিবডি কোন খাদ্য উপাদান থেকে তৈরি হয়?
  1. স্নেহ
  2. প্রোটিন
  3. শর্করা
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
ব্যাখ্যা
প্রোটিন বা আমিষ: 
- মাছ, ডিম, মাংস ও দুগ্ধজাত খাদ্য এগুলো প্রোটিন জাতীয় খাদ্য। 
- উৎসের উপর ভিত্তি করে প্রোটিনকে প্রাণিজ এবং উদ্ভিজ প্রোটিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। 
- মাছ, মাংস, ডিম ও দুগ্ধজাত দ্রব্য প্রোটিনের উৎস প্রাণী, তাই এগুলো প্রাণিজ প্রোটিন। 
- অপরদিকে ডাল, বাদাম, শিম ও বরবটির বীজ ইত্যাদির উৎস উদ্ভিদ, তাই এগুলো উদ্ভিজ্জ প্রোটিন। 
- শিশুদের খাদ্যে প্রোটিনের অভাব ঘটলে কোয়াশিয়রকর রোগ হয়। 
- এ রোগের কারণে দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও গঠন বাধাগ্রস্ত হয়। 
- শিশুদেহের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হলে শিশু পুষ্টিহীনতা বা অপুষ্টিতে ভোগে। 

প্রোটিনের কাজ: 
১. প্রোটিনের প্রধান কাজ হচ্ছে দেহে বৃদ্ধির জন্য কোষ গঠন করা। 
যেমন- দেহের পেশি, হাড় বা অস্থি, রক্ত কণিকা ইত্যাদি প্রোটিন দ্বারা গঠিত। 
২. দেহে শক্তি উৎপন্ন করা। 
৩. দেহে রোগ প্রতিরোধকারী এন্টিবডি প্রোটিন থেকে তৈরি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
২,৪৬৫.
আলোর বর্ণ নির্ধারণ করে তার- 
  1. গতিবেগ
  2. বিস্তার 
  3. তরঙ্গদৈর্ঘ্য
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গদৈর্ঘ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গদৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা
• আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৪৬৬.
ল্যাক্টোমিটার (Lactometer) দ্বারা কী পরিমাপ করা হয়?
  1. দুধের ঘনত্ব
  2. দুধের আর্দ্রতা
  3. দুধের pH মান
  4. দুধের শর্করা পরিমাণ
সঠিক উত্তর:
দুধের ঘনত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুধের ঘনত্ব
ব্যাখ্যা

ল্যাক্টোমিটার (Lactometer) হলো একটি বিশেষ যন্ত্র, যা দুধের বিশুদ্ধতা নির্ণয়ের জন্য দুধের ঘনত্ব (Density) পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।

ল্যাক্টোমিটারের কাজ:
- দুধে পানি মেশানো হয়েছে কিনা তা নির্ণয় করা যায়।
- বিশুদ্ধ দুধের তুলনায় মিশ্রিত বা পাতলা দুধের ঘনত্ব কম হয়, যা ল্যাক্টোমিটারের মাধ্যমে চিহ্নিত করা সম্ভব।
- হাইড্রোমিটারের মতোই কাজ করে, তবে এটি বিশেষভাবে দুধের জন্য ডিজাইন করা।

আরো কিছু পরিমাপক যন্ত্র:
- উড়োজাহাজের গতি পরিমাপক যন্ত্র হলো - ট্যাকোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় এর যন্ত্র - ফ্যাদোমিটার।
- বায়ুর চাপ নির্ণয় এর যন্ত্র - ব্যারোমিটার।
- বায়ুর গতিবেগ নির্ণয় এর যন্ত্র - এনিমোমিটার।
- বায়ুর আর্দ্রতা নির্ণয়কারী যন্ত্র - হাইগ্রোমিটার।
- তরলের ঘনত্ব নির্ণয়কারী যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
- দুধের বিশুদ্ধতা নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয় - ল্যাক্টোমিটার।
- বৃষ্টির পরিমাণ হিসেব করতে ব্যবহৃত হয় - রেইনগেজ।
- মোটর গাড়ির গতি পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয় - ওডোমিটার। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 

২,৪৬৭.
শ্বসনতন্ত্রের অঙ্গ নয় কোনটি?
  1. ইলিয়াম
  2. নাসিকা
  3. গলবিল
  4. ব্রংকাস
সঠিক উত্তর:
ইলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলিয়াম
ব্যাখ্যা
শ্বসনতন্ত্র: 
- ফুসফুস হচ্ছে শ্বসনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ। 
- যে সকল অঙ্গ শ্বসনকার্য চালানোর কাজে অংশ নেয় তাদের একসাথে শ্বসনতন্ত্র বলে। 
- নাসিকা, গলবিল, স্বরযন্ত্র, শ্বাসনালি, ব্রংকাস, ফুসফুস ও মধ্যচ্ছদা এগুলো নিয়ে শ্বসনতন্ত্র গঠিত।
- এটি দুই খণ্ডে বিভক্ত এবং প্লুরা নাম পর্দা দ্বারা আবৃত।
- বাতাসের সঙ্গে অক্সিজেন ফুসফুসে প্রবেশ করে, পরে তা রক্তের মাধ্যমে পরিবহন হয়ে দেহের সব অঙ্গে পৌঁছায়। 

ক্ষুদ্রান্ত্র: 
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশই হচ্ছে ক্ষুদ্রান্ত্র। 
- এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। যথা- 
• ডিওডেনাম, 
• জেজুনাম ও 
ইলিয়াম। 
- ডিওডেনামে মূলত অগ্ন্যাশয়িক রসের এনজাইমের ক্রিয়া ঘটে। 
- জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে। 
- ডিওডেনামে মূলত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৬৮.
পৃথিবীর একপাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে কখন?
  1. ক) অমাবস্যা তিথি
  2. খ) পূর্নিমা তিথি
  3. গ) সপ্তমী তিথি
  4. ঘ) অষ্টমী তিথি
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্নিমা তিথি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্নিমা তিথি
ব্যাখ্যা
অমাবস্যা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর এক পাশে চাঁদ ও অপর পাশে সূর্য অবস্থান করে। ফলে এ দুই তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমসূত্রে থাকে এবং উভয়ের মিলিত আকর্ষণে যে প্রবল জোয়ারের সৃষ্টি হয় তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বলে।
সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সমকোণে অবস্থান করার ফলে চন্দ্রের আকর্ষণে এ সময়ে চাঁদের দিকে জোয়ার হয়। সূর্যের আকর্ষণের জন্য এ জোয়ারের বেগ তত প্রবল হয় না। এ রূপ জোয়ারকে মরা কটাল বলে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়।
২,৪৬৯.
কুরী বিন্দুর পর চুম্বকত্ব থাকে না কোনটির?
  1. ক) ডায়াচৌম্বক পদার্থের
  2. খ) প্যারাচৌম্বক পদার্থের
  3. গ) ফেরোচৌম্বক পদার্থের
  4. ঘ) অচৌম্বক পদার্থের
সঠিক উত্তর:
গ) ফেরোচৌম্বক পদার্থের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফেরোচৌম্বক পদার্থের
ব্যাখ্যা
যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে চুম্বকায়নকারী ক্ষেত্রের দিকে শক্তিশালী চুম্বকত্ব লাভ করে তাদেরকে ফেরোচৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।

ফেরােচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট:
১) এরা চুম্বক দ্বারা খুব বেশি আকর্ষিত হয়।
২) এরা কঠিন এবং স্ফটিকাকারের হয়।
৩) এদের চৌম্বক ধারকত্ব ধর্ম রয়েছে।
৪) এদের নির্দিষ্ট কুরী বিন্দু রয়েছে। কুরী বিন্দুর ওপরে এর কোনাে চুম্বকত্ব থাকে না। যেমন: লোহার কুরি তাপমাত্রা ১০৪৩ K.

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।
২,৪৭০.
চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন?
  1. বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
  2. আলোর বিচ্ছুরণে
  3. অপাবর্তনে
  4. দৃষ্টিভ্রমে
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
ব্যাখ্যা
- চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে অর্থাৎ আলোক রশ্মি বেঁকে যায়। 
- চাঁদ যখন দিগন্তের কাছে থাকে তখন আলোক রশ্মি তুলনামূলকভাবে অধিক পরিমাণে বেঁকে যায়।
- বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের কারণে দিগন্তের নিকটে চাঁদ ও সূর্যকে ডিম্বাকৃতি এবং তুলনামূলকভাবে বড় দেখা যায়। 

উৎস: scientificamerican.com
২,৪৭১.
হৃদপিণ্ডের কোন স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে?
  1. মায়োকার্ডিয়াম
  2. এপিকার্ডিয়াম
  3. এন্ডোকার্ডিয়াম
  4. পেরিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
এপিকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
হৃদপিণ্ডের আবরণ: 
- হৃদপিণ্ড একটি দ্বিস্তরী পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা ঝিল্লিতে আবৃত। 
- এর বাইরের স্তরটিকে প্যারাইটাল ও ভেতরেরটিকে ভিসেরাল বলে। 
- স্তর দুটির মাঝে তরল পদার্থপূর্ণ পেরিকার্ডিয়াম গহ্বর থাকে যা হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। 
- পেরিকার্ডিয়াল হৃদপিণ্ডকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করে। 
- হৃদপিণ্ডের স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হৃদপিণ্ডকে সর্বদা সিক্ত রেখে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে। 

হৃদপিণ্ডের অন্তর্গঠন (Internal Structure): 
হৃদপিণ্ডের প্রাচীর: 
- অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত। এসব পেশিকে হৃদপেশী বা কার্ডিয়াক পেশি (Cardiac muscle) বলে। 
- পেশিগুলো তিন স্তরবিশিষ্ট। 
যেমন - 

ক. এপিকার্ডিয়াম (Epicardium): 
- এটি হৃদপ্রাচীরের সবচেয়ে বাইরের স্তর এবং যোজক কলায় তৈরি। 
- এই স্তরে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি লেগে থাকে। 

খ. মায়োকার্ডিয়াম (Myocardium): 
- এটি হৃদপ্রাচীরে মধ্যবর্তী স্তর। স্তরটি পুরু, দৃঢ় প্রকৃতির এবং এগুলো হৃদপিণ্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে। 

গ. এন্ডোকার্ডিয়াম (Endocardium): 
- এটি হৃদপ্রাচীরের ভেতরের স্তর যা হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের অন্তঃপ্রাচীর গঠন করে, হৃদকপাটিকাসমূহ ঢেকে রাখে এবং রক্তের সাথে হৃদপিণ্ডের অবিচ্ছিন্ন সংযোগ ঘটায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৪৭২.
E = mc2 সূত্রে m দ্বারা কি বুঝায়?
  1. ক) শক্তি
  2. খ) আলোর দ্রুতি
  3. গ) বস্তুর ভর
  4. ঘ) বস্তুর ওজন
সঠিক উত্তর:
গ) বস্তুর ভর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বস্তুর ভর
ব্যাখ্যা

E = mc2
এখানে,
E (energy) = শক্তি
M (mass) = ভর
C (Light-velocity) = আলোর বেগ = 3×108 (মি./সে.)
আইনস্টাইনের বিখ্যাত E = mc2 সূত্র দ্বারা, শক্তি ও ভর যে অভিন্নতা নির্দেশ করে।
এই সূত্র অনুসারে m ভরের কোন বস্তুতে সঞ্চিত শক্তির পরিমাণ ঐ ভরের সাথে আলোর বেগ (c) এর বর্গের গুনফল এর সমান।

২,৪৭৩.
অভিসারী লেন্স বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) উত্তল লেন্স
  2. খ) অবতল লেন্স
  3. গ) সমতল লেন্স
  4. ঘ) দ্বিঅবতল লেন্স
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তল লেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তল লেন্স
ব্যাখ্যা
দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দিয়ে সীমাবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলে। লেন্স দু-প্রকার।
যথা- উত্তল বা অভিসারী লেন্স এবং অবতল বা অপসারী লেন্স।

লেন্সের ক্ষমতা বলতে আলোকরশ্মিগুচ্ছকে অভিসারী বা অপসারী করার প্রক্রিয়াকে নির্দেশ করে। লেন্সের ক্ষমতার প্রচলিত একক হলো ডায়াপ্টার। এসআই একক হলো রেডিয়ান/মিটার। লেন্সের ক্ষমতার মান ধনাত্মক কিংবা ঋণাত্মক উভয় প্রকার হতে পারে। সিমেন্স, লাক্স এবং বেকরেল যথাক্রমে পরিবাহিতা, দীপন ক্ষমতা এবং তেজস্ক্রিয়তার একক।

(সূত্রঃ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণী এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
২,৪৭৪.
তেজস্ক্রিয়তা কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না?
  1. চাপ দিয়ে
  2. তাপ দিয়ে
  3. চৌম্বকক্ষেত্র দিয়ে
  4. উপরের সবকটি 
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি 
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা: 
- অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াসগুলো কোনো এক ধরনের বিকিরণ করে স্থিতিশীল হওয়ার চেষ্টা করে এবং এই প্রক্রিয়াটাকে বলা হয় তেজস্ক্রিয়তা। 
- নিউক্লিয়াসের ভেতর থেকে যে বিকিরণ বের হয়ে আসে তাকে বলে তেজস্ক্রিয় রশ্মি। 
- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা 82 অতিক্রম করলেই (পারমাণবিক সংখ্যা ৪2 থেকে বেশি) যে নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় হয়ে থাকে তা নয়, অন্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসও তেজস্ক্রিয় হতে পারে।
- 1896 সালে হেনরি বেকেরেল (Henri Becquerel) প্রথম ইউরেনিয়াম থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। 
- পরবর্তীতে আরনেস্ট রাদারফোর্ড (Ernest Rutherford), পিয়ারে কুরি (Pierre Curie), মেরি কুরি (Marie Curie) এবং অন্যা বিজ্ঞানীরা অন্যান্য মৌলের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- এটি বাইরের চাপ, তাপ, বৈদ্যুতিক বা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে কোনোভাবে প্রভাবিত বা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, কাজেই এটি একটি নিউক্লী ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তার কারণে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়ে নিউক্লিয়াসের গঠন পরিবর্তিত হয়ে সেটিও ভিন্ন একটি মৌলে রূপান্তরিত হয়ে যেতে পারে। 
- নিউক্লিয়াস থেকে যে তিনটি প্রধান তেজস্ক্রিয় রশ্মি বের হয়, সেগুলো হচ্ছে আলফা, বিটা এবং গামা রশ্মি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৭৫.
উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন কোনটি?
  1. ২৩ জুন
  2. ২১ জুন
  3. ২৪ জুলাই
  4. ২৩ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জুন
ব্যাখ্যা

• উত্তর গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল ও দক্ষিণ গোলার্ধে শীতকাল:
​ - ২১ এ মার্চের পর থেকে পৃথিবী তার নিজ কক্ষপথে এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে উত্তর মেরু ক্রমশ সূর্যের দিকে হেলতে থাকে।
-​ এর সঙ্গে সঙ্গে যত দিন যায় তত উত্তর মেরুতে আলোকিত অংশ বাড়তে থাকে।
​- এভাবে ২১ এ জুনে গিয়ে সূর্যকর্কটক্রান্তি রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দিতে থাকে।
-​ ফলে ২১ এ জুন উত্তর গোলার্ধে বড় দিন এবং ছোট রাত হয়। 

- ​ঐ দিনই সূর্যের উত্তরায়ণের শেষ এবং তার পরের দিন থেকে পুনরায় সূর্য দক্ষিণ দিকে আসতে থাকে।
​ - দিন বড় হওয়ার কারণে উত্তর গোলার্ধে ২১ এ জুনের দেড় মাস পূর্ব থেকেই গ্রীষ্মকাল শুরু হয় এবং পরের দেড় মাস পর্যন্ত গ্রীষ্মকাল স্থায়ী হয়।

​- এই সময়ে দক্ষিণ গোলার্ধে ঠিক বিপরীত অবস্থা দেখা যায় অর্থাৎ শীতকাল অনুভূত হয়।
-​ এ সময় সূর্য হেলে থাকার কারণে এ গোলার্ধে সূর্য কম সময় ধরে কিরণ দেয়। ফলে দিন ছোট এবংরাত বড় হয়। 
​- দিনে ভূপৃষ্ঠ যতটুকু উত্তপ্ত হয়, রাতে তাপ বিকিরণের ফলে তা ঠান্ডা হয়ে যায়।
​-  এখানে তখন শীতের আবহাওয়া বিরাজ করে। দক্ষিণ গোলার্ধে এ সময়কে শীতকাল বলে।

​উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৪৭৬.
১০০০ ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘন্টা চললে কত শক্তি ব্যয় হয়?
  1. ক) ৩৬০০০ জুল
  2. খ) ৩০৬০০০ জুল
  3. গ) ৩৬০০০০ জুল
  4. ঘ) ৩৬০০০০০ জুল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৬০০০০০ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৬০০০০০ জুল
ব্যাখ্যা
এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনাে তড়িৎ যন্ত্রে মধ্যে দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় (যেমন বাতি জ্বললে আলােক শক্তি বা পাখা ঘুরালে যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়) সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা।
১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট x ১ ঘণ্টা
অনেক সময় ওয়াট ঘণ্টার পরিবর্তে কিলােওয়াট ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়।

এক কিলােওয়াট ঘণ্টা কতটুকু শক্তি সেটাও বের করা যায়।
১ কিলােওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট x ৩৬০০ সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড
= ৩,৬০,০০০০ জুল
অর্থাৎ শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল।

অর্থাৎ,
১০০o ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘন্টা চললে শক্তি ব্যয় হয় = ৩,৬০,০০০০ জুল


আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলােওয়াট-ঘণ্টা এককে পরিমাপ করা হয়। এই একককে বাের্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট বা সংক্ষেপে ইউনিট বলে। আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশােধ করি তা এই এককেই হিসাব করা হয়।
রেফারেন্সঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান
২,৪৭৭.
কোনটি বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ?
  1. লেবু
  2. দূর্বাঘাস
  3. কালকাসুন্দা
  4. রঙ্গন
সঠিক উত্তর:
দূর্বাঘাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দূর্বাঘাস
ব্যাখ্যা
গুল্ম:
- একক গুঁড়িবিহীন ঝোপজাতীয় মাঝারি ধরনের কাষ্ঠল উদ্ভিদকে গুল্ম বলে।
- যেমন- জবা, গোলাপ, রঙ্গন, লেবু।
- গুল্ম বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ।

উপগুল্ম:
- গুল্মের চেয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট আকৃতির উদ্ভিদকে উপগুল্ম বলে।
- যেমন- কালকাসুন্দা, দাঁতমর্দন।

বীরুৎ:
- ছোট ও নরম কাণ্ড বিশিষ্ট অকাষ্ঠল উদ্ভিদকে বীরুৎ বলে।
- যেমন- ধান, সরিষা, মরিচ, গম, দূর্বাঘাস ইত্যাদি।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৪৭৮.
মেন্ডেলের প্রথম সূত্রকে কী বলে?
  1. পৃথকীকরণ সূত্র
  2. স্বাধীনভাবে সঞ্চারণের সূত্র
  3. মনোহাইব্রিড সূত্র
  4. ডাইহাইব্রিড সূত্র
সঠিক উত্তর:
পৃথকীকরণ সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথকীকরণ সূত্র
ব্যাখ্যা
• মেন্ডেলের সূত্র: 
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতির দুটি সূত্র প্রদান করেন ।
- জীনতত্ত্বের জনক বলে পরিচিত মেন্ডেল মূলত পেশায় অস্ট্রিয়ার একজন ধর্মযাজক ছিলেন।
- গ্রেগর জোহান মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের ফিনোটাইপিক অনুপাত ৩:১।
- মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অনুপাত ৯:৩:৩:১।
- মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের অপর নাম - মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র/ জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র/ পৃথকীকরণ সূত্র।
- মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অপর নাম - স্বাধীন সঞ্চারণ বা ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র।

• মেন্ডেলের বংশগতির প্রথম সূত্র: 
- মেন্ডেলের প্রথম সূত্রকে পৃথকীকরণ সূত্র বলা হয়।
- ‘জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি একক দায়ী থাকে যাকে ফ্যাক্টর (জিন) বলা হয় এবং ফ্যাক্টর বা জিনগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে। সঙ্কর (hybrid) জীবে ফ্যাক্টর বা জিনগুলো মিশ্রিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং গ্যামিট উৎপাদনের সময় অপরিবর্তিত অবস্থায় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গ্যামিটে গমন করে'। 

• মেন্ডেল এর বংশগতির দ্বিতীয় সূত্র: 
- ‘দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জীবে সঙ্করায়ন ঘটালে গ্যামিট সৃষ্টিকালে প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের ফ্যাক্টর বা জিন যুগলের স্বাধীন সঞ্চারণ বা বিন্যাস ঘটে এবং কোন একটি ফ্যাক্টর যুগলের সঞ্চারণ অন্য ফ্যাক্টর যুগলের উপর নির্ভরশীল নয়'। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৭৯.
পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ কোনটি? 
  1. চাঁদ
  2. শুক্র
  3. প্লুটো
  4. ইউরেনাস
সঠিক উত্তর:
চাঁদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদ
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক গ্রহ ও উপগ্রহ: 
- যে গ্যালাক্সি বা ছায়াপথে বাস করা হয় তার নাম আকাশ গঙ্গাঁ (Milky Way), এই ছায়াপথে রয়েছে সূর্য ও এর পরিবার, যাকে সৌরজগৎ বলা হয়। 
- সৌরজগতে রয়েছে সূর্য ও একে ঘিরে আবর্তনশীল ৮টি গ্রহ। 
- যেসব বৃহৎ বস্তু সূর্যের চারদিকে ঘুরে তাদের বলা হয় গ্রহ। 
- সূর্যকে ঘিরে আবর্তনশীল আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন। 
- কোনো কোনো গ্রহের রয়েছে একাধিক উপগ্রহ, যারা গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরে এদের বলা হয় উপগ্রহ। 
যেমন- পৃথিবীকে কেন্দ্র করে ঘুরছে চাঁদ, তাই চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ। সুতরাং, পৃথিবী সূর্যের একটি গ্রহ এবং চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ। 

- জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা, গ্রহের জন্মের সময় কোনো নক্ষত্রকে ঘিরে কয়েকটি মহাজাগতিক মেঘ আবর্তিত হতো। এরা মহাকর্ষ বলের কারণে ঘনীভূত হয়ে অবশেষে জমাট বেঁধে গ্রহে রূপান্তরিত হয়। এভাবেই আবার গ্রহের চারপাশে জমা হয়ে উপগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে, এসব উপগ্রহ হলো প্রাকৃতিক উপগ্রহ। 
- গ্রহ ও উপগ্রহের কোনো আলো ও উত্তাপ নেই, এদের উপর সূর্যের যে আলো পড়ে তা প্রতিফলিত হয়। 
- উপগ্রহগুলো এদের গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ বলের প্রভাবে গ্রহের চারদিকে ঘুরে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

২,৪৮০.
নিম্নের কোন রোগটি Vertical Transmission এর মাধ্যমে ছড়ায়?
  1. Hepatitis B
  2. Diphtheria
  3. Typhoid
  4. Malaria
সঠিক উত্তর:
Hepatitis B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hepatitis B
ব্যাখ্যা
Vertical Transmission বলতে পিতামাতা থেকে তাদের সন্তানদের মধ্যে ভাইরাসের প্রজন্মগত সংক্রমণকে বোঝায়।
hepatitis B মূলত Vertical Transmission এর মাধ্যমে ছড়ায়। 
 
গর্ভবতী মা যদি হেপাটাইটিস বি পজিটিভ হয়, সেক্ষেত্রে জন্মের পর পরই নবজাতককে হেপাটাইটিস বি ইমিউন গ্লোবুলিন ও হেপাটাইটিস বি ভ্যাকসিন উভয়ই দেওয়া হয়।

উৎস:  www.urmc.rochester.edu, sciencedirect.com
২,৪৮১.
হীরক কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. পেন্সিলের সীসে 
  2. যন্ত্রাংশ লুব্রিকেশনে 
  3. বিদ্যুৎ পরিবাহীতে 
  4. কাচ কাটতে
সঠিক উত্তর:
কাচ কাটতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাচ কাটতে
ব্যাখ্যা

- হীরক বা হীরা পৃথিবীর সবচেয়ে কঠোরতম প্রাকৃতিক পদার্থ, এর এই চরম কাঠিন্যের কারণে এটি অত্যন্ত শক্ত বস্তু কাটতে বা ঘষতে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে কাচ কাটার জন্য হীরার ছোট টুকরো বা হীরা বসানো যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কঠিন শিলা ছিদ্র করার জন্য ড্রিল বিটেও হীরা ব্যবহৃত হয়। 

কার্বন অধাতুর ব্যবহার: 
- কার্বন একটি অধাতু ও বিজারক পদার্থ। 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক। 
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হচ্ছে হীরক। 
- হীরক কাচ কাটতে ব্যবহার করা হয়। 
- গ্রাফাইট উত্তম বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে তা ইলেকট্রোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- যন্ত্রাংশ লুব্রিকেশন করার জন্য এবং কাদা সহযোগে পুড়িয়ে কাঠ পেন্সিলের সীস তৈরীতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৮২.
মহাবিশ্বের মৌলিক বলসমূহের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল বল কোনটি?
  1. তড়িৎচুম্বকীয় বল
  2. মহাকর্ষ বল
  3. সবল নিউক্লীয় বল
  4. দুর্বল নিউক্লীয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা

মহাবিশ্বের মৌলিক বলের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল বলটি হলো মহাকর্ষ বল (Gravitational Force)।

• প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। যথা:
- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।
১। মহাকর্ষ বল:
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে।
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে।
এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।

২. তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল:
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।

৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল:
- দুর্বল নিউক্লীয় বল মহাবিশ্বের চারটি মৌলিক বলের মধ্যে দ্বিতীয় দুর্বলতম বল, যা মহাকর্ষ বলের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী কিন্তু সবল নিউক্লীয় ও তড়িৎচুম্বকীয় বলের চেয়ে দুর্বল।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৮ m) কাজ করে।

৪। সবল নিউক্লীয় বল:
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৫ m) কাজ করে।
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৮৩.
মেরু রেখা বা অক্ষের উত্তর প্রান্ত বিন্দুকে বলা হয়-
  1. কুমেরু
  2. বিষুব রেখা
  3. সুমেরু
  4. দ্রাঘিমা রেখা
সঠিক উত্তর:
সুমেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমেরু
ব্যাখ্যা
- ভূ-পৃষ্ঠের যেকোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে। 
- পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটিকে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে। 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয়। 
- দক্ষণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলা হয়। 
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরু বৃত্ত বলা হয়। 
- ৬৬.৫° দক্ষিণ  অক্ষরেখাকে কুমেরু বৃত্ত বলা হয়। 
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে আছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৮৪.
চারটি মৌলিক বল তার বর্তমান রূপ লাভ করে কখন?
  1. ক) ল্যাপটন কাল
  2. খ) হ্যাড্রন কাল
  3. গ) কোয়ার্ক কালে
  4. ঘ) প্ল্যাঙ্ক কালে
সঠিক উত্তর:
গ) কোয়ার্ক কালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কোয়ার্ক কালে
ব্যাখ্যা
বিগ ব্যাং এর পরে

10-12s থেকে 10-6s

সময়কালকে কোয়ার্ক কাল বলে, এই সময়েই চারটি মৌলিক বল তাদের বর্তমান রুপ লাভ করে৷
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
২,৪৮৫.
উদ্ভিদ সালােকসংশ্লেষণের সময় বাতাসের কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে, এই অত্যাবশ্যক কাজ কিভাবে সম্ভব হয়?
  1. অভিস্রবণ
  2. শ্বসন
  3. ব্যাপন
  4. অসমোসিস
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
ব্যাখ্যা

জীবের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজে ব্যাপন প্রক্রিয়া ঘটে।
যেমন- উদ্ভিদ সালােকসংশ্লেষণের সময় বাতাসের কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে। এই অত্যাবশ্যক কাজ ব্যাপন দ্বারা সম্ভব হয়।
উদ্ভিদ দেহে শোষিত পানি বাষ্পাকারে প্রস্বেদনের মাধ্যমে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় বের করে দেয়।
প্রাণীদের শ্বসনের সময় অক্সিজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের আদান-প্রদান ও রক্ত থেকে পুষ্টি উপাদান, অক্সিজেন প্রভৃতি লসিকায় বহন ও লসিকা থেকে কোষে পরিবহন করা ব্যাপন দ্বারা সম্পন্ন হয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

২,৪৮৬.
কোন তাপমাত্রায় অণুর মলিকিউলার মুভমেন্ট থেমে যায়?
  1.  - 273°C
  2. 0°C
  3. 116°C
  4. 298 K
সঠিক উত্তর:
 - 273°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 - 273°C
ব্যাখ্যা

• অণুর মলিকিউলার মুভমেন্ট বা অণুগুলোর চলাচল তাপের উপর নির্ভর করে। তাপমাত্রা যত বেশি, অণুগুলোর গতিশীলতা তত বেশি হয়। কিন্তু তাপমাত্রা অনেক কমে গেলে, অণুগুলোর চলাচল কমে আসে। তাপমাত্রার এমন একটি সীমা আছে যেখানে অণুগুলোর গতি প্রায় সম্পূর্ণ থেমে যায়। এই তাপমাত্রাকে শূন্যতম তাপমাত্রা বা অভিসম শূন্য (absolute zero) বলা হয়। অভিসম শূন্য হল -273°C বা 0 K, যা তাপমাত্রার তাত্ত্বিক ন্যূনতম সীমা। এ সময় অণুগুলোতে কোনো শক্তি থাকে না এবং তারা অচল থাকে। সুতরাং, অণুর মলিকিউলার মুভমেন্ট থেমে যায় -273°C তাপমাত্রায়।

- সঠিক উত্তর: ক) -273°C
 
 • পরম শূন্য তাপমাত্রা:
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা বলে।
- পরম শূন্য তাপমাত্রা হলো - 273°C.
- পরম শূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না।
- পরম শূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্দ হয়ে যায়। এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়।
- পরম শূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়।

• অণুর মলিকিউলার মুভমেন্ট থামা (Absolute Zero):
- অণুর সমস্ত অভ্যন্তরীণ গতিশীলতা বা মলিকিউলার মুভমেন্ট থেমে যায় অত্যন্ত কম তাপমাত্রায়।
- এই তাপমাত্রাকে বলা হয় - অ্যাবসলিউট জিরো (Absolute Zero)।
- এটি তাত্ত্বিকভাবে -273°C বা 0 K তাপমাত্রায় ঘটে।
- এমন অবস্থায় অণুগুলি পুরোপুরি স্থির হয়ে যায়, এবং তাদের কাইনেটিক শক্তি শূন্যের সমান হয়।
- প্রকৃতপক্ষে, প্রাকৃতিকভাবে এই তাপমাত্রা পৌঁছানো সম্ভব নয়, তবে ল্যাবরেটরিতে খুব কাছাকাছি পৌঁছানো যায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।

২,৪৮৭.
প্রকৃত ফলের বৈশিষ্ট্য হলো-
  1. ক) পরাগধানী ফলে পরিণত হয়
  2. খ) গর্ভদন্ড ফলে পরিণত হয়
  3. গ) গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়
  4. ঘ) গর্ভমুন্ড ফলে পরিণত হয়
সঠিক উত্তর:
গ) গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়
ব্যাখ্যা

শুধু গর্ভাশয় ফলে পরিণত হলে তাকে প্রকৃত ফল বলে।
যেমন- আম, জাম।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।

২,৪৮৮.
কোনটি মৃৎক্ষার ধাতু? 
  1. সোডিয়াম
  2. বেরিয়াম
  3. লিথিয়াম
  4. সিজিয়াম
সঠিক উত্তর:
বেরিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেরিয়াম
ব্যাখ্যা
ক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণির 1 নং গ্রুপে 7 টি মৌল আছে। 
- এদের মধ্যে হাইড্রোজেন ছাড়া বাকি 6 টি মৌল লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাসিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb), সিজিয়াম (Cs) এবং ফ্রান্সিয়াম (Fr) -কে ক্ষারধাতু বলে। 
- এই ছয়টি মৌলের প্রত্যেকটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস এবং ক্ষার তৈরি করে বলে এদেরকে ক্ষার ধাতু (Alkali Metals) বলা হয়। 

মৃৎক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণির 2 নং গ্রুপে বেরিলিয়াম (Be), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), স্ট্রনসিয়াম (Sr), বেরিয়াম (Ba) এবং রেডিয়াম (Ra) এই 6 টি মৌল আছে, যাদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে। 
- এই মৃৎক্ষার ধাতুগুলোকে মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়, আবার এরা ক্ষার তৈরি করে। এজন্য সামগ্রিকভাবে এদের মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals) বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪৮৯.
কোনটি মিথোজীবী?
  1. ক) স্বর্ণলতা
  2. খ) র‍্যাফ্লেসিয়া 
  3. গ) লাইকেন 
  4. ঘ) কলশপত্রী
সঠিক উত্তর:
গ) লাইকেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাইকেন 
ব্যাখ্যা
যেসব উদ্ভিদ পুষ্টির জন্য অপর কোনাে জীবের সাহচর্যে জীবন ধারণ করে , তাদের মিথোজীবী উদ্ভিদ বলা হয় । যেমন –  লাইকেন , রাইজোবিয়াম ইত্যাদি।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
২,৪৯০.
a + b = 5 এবং ab = 6 হলে, a3 + b3 এর মান কত?
  1. 15
  2. 20
  3. 28
  4. 35
সঠিক উত্তর:
35
উত্তর
সঠিক উত্তর:
35
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = 5 এবং ab = 6 হলে, a3 + b3 এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + b = 5
এবং ab = 6

আমরা জানি,
a3 + b3 = (a + b)3 - 3ab(a + b)
⇒ a3 + b3 = 53 - 3 · 6 · 5
⇒ a3 + b3 = 125 - 90
⇒ a3 + b3 = 35
২,৪৯১.
নিচের কোনটি কম্পাঙ্ক (ফ্রিকোয়েন্সি)  নির্দেশ করে? 
  1. ক) 1s
  2. খ) 1s-1
  3. গ) 2s-1
  4. ঘ) 2s
সঠিক উত্তর:
খ) 1s-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 1s-1
ব্যাখ্যা
কম্পাঙ্ক (Frequency):
তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ঐ কণার বা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে।
কম্পাঙ্ককে সাধারণত f দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
কম্পাঙ্কের একক হার্জ। সংক্ষেপে লেখা হয়, Hz.
1 Hz= 1s-1
২,৪৯২.
'ওয়াট' কীসের একক?
  1. কাজ
  2. ক্ষমতা
  3. শক্তি
  4. রোধ
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ক্ষমতা (Power):
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়।
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ / প্রয়োজনীয় সময়)
বা, P = (বল সরণ)/ সময়
বা, P = বল × বেগ
∴ ক্ষমতা = বল × বেগ
বা, P = Fv
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা।
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৯৩.
রক্তের তরল হলুদ বর্ণের জলীয় পদার্থটির নাম কি?
  1. ক) যোজক কলা
  2. খ) রক্তরস
  3. গ) রক্ত কণিকা
  4. ঘ) অ্যান্টিটক্সিন  
সঠিক উত্তর:
খ) রক্তরস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রক্তরস
ব্যাখ্যা
- রক্ত এক প্রকার যোজক কলা।
- এর অন্তঃকোষ মাধ্যমটি তরল, হলুদ বর্ণের জলীয় পদার্থ দ্বারা গঠিত।
- এ তরল পদার্থকে প্লাজমা বা রক্তরস বলে।
- এ প্লাজমার মধ্যে রক্তকণিকাগুলো ভাসমান অবস্থায় থাকে।
- রক্তের দু’টি উপাদান (১) রক্তরস এবং (২) রক্ত কণিকা।
- সমগ্র রক্তের ৫৫% রক্তরস এবং বাকি ৪৫% রক্তকণিকা।
- রক্ত কণিকা প্রধানত তিন ধরনের, যথা: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা। 

সূত্র: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
২,৪৯৪.
আমাদের হাতের দুটি তালু পরস্পরের সাথে ঘর্ষণের ফলে তাপ উৎপন্ন হয়, এটি কোন ধরণের প্রক্রিয়া?
  1. ক) সমোষ্ণ প্রক্রিয়া
  2. খ) প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  3. গ) রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
  4. ঘ) অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
দুটি বস্তুর মধ্যে ঘর্ষণের ফলে যে তাপ সৃষ্টি হয় তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।
কারণ ঘর্ষণের বিরুদ্ধে যে কাজ হয় তাই তাপে রূপান্তরিত হয় এবং এ উৎপাদিত তাপকে কোনো প্রকারেই কাজে রূপান্তরিত করা যায় না।

সূত্রঃ পদার্থ বিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৪৯৫.
কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত রশ্মি নিচের কোনটি?
  1. বিটা রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. আলফা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা

• আইসোটোপ এবং এর ব্যবহার: 
- আইসোটোপগুলো হলো একটি নির্দিষ্ট মৌলের রূপভেদ। 
- বিভিন্ন ভরসংখ্যা বিশিষ্ট একই মৌলের পরমাণুকে ঐ মৌলের আইসোটোপ বলে। 
- অর্থাৎ কোনো মৌলের আইসোটোপ সমূহে প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকে, কিন্তু নিউট্রোনের সংখ্যা বিভিন্ন হয়। 
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে ‘পরমাণু চিকিৎসায়' তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ প্ৰধানত রোগ নির্ণয়ের এবং রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
- রোগীর শরীরে কোনো স্থানে বা অঙ্গে ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমারের উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের সাহায্যে শনাক্ত করা যায়। 
- কোবাল্ট-60 (60Co) আইসোটোপ থেকে নির্গত শক্তিশালী গামা রশ্মি ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- কোবাল্ট- 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মির সাহায্যে অপারেশনের যন্ত্রপতি রোগ জীবাণুমুক্ত করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৯৬.
গ্রিন হাউজ কী?
  1. ক) সবুজ আলোর আলোকিত ঘর
  2. খ) সবুজ গাছপালা
  3. গ) কাঁচের তৈরি ঘর
  4. ঘ) সবুজ ভবনের নাম
সঠিক উত্তর:
গ) কাঁচের তৈরি ঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাঁচের তৈরি ঘর
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউজ হলো কাঁচের তৈরি ঘর। 

গ্রিন হাউজ:
- শীতপ্রধান দেশে গ্রিন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রিন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট বলে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC)।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৯৭.
ধাতব খনিজ পদার্থের উদাহরণ কোনটি? 
  1. লোহা 
  2. কোয়ার্টজ 
  3. মাইকা 
  4. খনিজ লবণ 
সঠিক উত্তর:
লোহা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা 
ব্যাখ্যা

ধাতব-অধাতব খনিজ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
যথা- 
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: লোহা, তামা, সোনা, রূপা ইত্যাদি। 
২। অধাতব খনিজ পদার্থ: কোয়ার্টজ, মাইকা কিংবা খনিজ লবণ ইত্যাদি। 
- মাইকা খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 
- কোয়ার্টজ খনিজ পদার্থ কাচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৯৮.
তুলার উন্নত জাত কোনটি?
  1. ম্যানিলা
  2. কার্ডিনাল
  3. ডেলফোজ
  4. পেট্রোনিস
সঠিক উত্তর:
ডেলফোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেলফোজ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
- গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
- ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
- তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
- ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
- আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
- টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
- মরিচ: যমুনা।
- বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
- আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
- তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২,৪৯৯.
নিচের কোনটি অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ছত্রাক
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. রিকেটসিয়া
  4. শৈবাল
সঠিক উত্তর:
শৈবাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈবাল
ব্যাখ্যা
- অণুজীবগুলো খুব ছোট এবং মাইক্রোস্কোপ ছাড়া দেখা যায় না, অপশনে শুধু শৈবালই ছোট নয়, বাকি সবই অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত। 

শৈবাল: 

- শৈবাল সমাঙ্গদেহী বিভাগের অন্তর্গত ক্লোরোফিল সমন্বিত এক প্রকার প্রাচীনতম নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ। 
- শৈবালের দেহ থ্যালাসের ন্যায় কিন্তু দেহকোষে ক্লোরোফিল থাকাতে এরা স্বভোজী। 
অর্থাৎ আলোকের উপস্থিতিতে এবং পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের সহায়তায় এরা নিজেরা নিজেদের দেহকোষে খাদ্য (শর্করা) প্রস্তুত করতে সক্ষম। 
- শৈবালের দেহকোষে প্রধান রঞ্জক পদার্থ সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল উপস্থিত থাকলেও অনেক সময় নানা রকম ভিন্ন রঞ্জক পদার্থ দিয়ে এরা আবৃত থাকে। 
- শৈবালের দেহকোষে সুগঠিত ও স্বতন্ত্র নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং অন্যান্য কোষ অঙ্গাণু থাকে। 
- শৈবাল কখনও এককভাবে, কখনও দলবদ্ধভাবে নালা নর্দমা, পুকুর, হ্রদ, নদী, সাগর, এক কথায় পৃথিবীর সমস্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে রয়েছে এদের প্রায় ত্রিশ হাজার প্রজাতি। 
- জলাশয়ে পানির নিচে মাটিতে আবদ্ধ শৈবালকে ‘বেনথিক শৈবাল’ বলা হয়। 
- পাথরের গায়ে জন্মানো শৈবালকে ‘লিথোফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- উচ্চশ্রেণির জীবের টিস্যুর অভ্যন্তরে জন্মানো শৈবালকে ‘এন্ডোফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- যে সমস্ত শৈবাল অন্যান্য উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ অথবা অন্য শৈবালের গায়ে জন্মায় তাদের ‘এপিফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- সম্পূর্ণ ভাসমান এককোষী শৈবালদেরকে ফাইটোপ্লাঙ্কটন বলা হয়। 

অন্যদিকে, 
- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, রিকেটসিয়া ইত্যাদিকে নিম্নশ্রেণির জীব বলা হয়। 
- এদের মধ্যে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও রিকেটসিয়া অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্য ছাড়া দেখা যায় না। এরা অণুজীবের অন্তর্ভুক্ত। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
২,৫০০.
নিচের কোন গ্রহটি গ্রহরাজ নামে পরিচিত?
  1. শুক্র
  2. প্লুটো
  3. বুধ
  4. বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা

বৃহস্পতি:
- সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বলে একে গ্রহরাজ বলা হয়।
- পৃথিবীর তুলনায় বৃহস্পতি প্রায় ১৩০০ জন বড়।
- সূর্য থেকে গড় দূরত্ব ৭৭ কোটি কিলোমিটার।
- বৃহস্পতির সূর্যের চারিদিকে একবার আবর্তন করতে সময় লাগে প্রায় ১২ বছর।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে হাইড্রোজেন, অ্যামোনিয়া, মিথেন এবং হিলিয়াম রয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।