বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১২১ / ১৪০ · ১২,০০১১২,১০০ / ১৪,০৮০

১২,০০১.
অপটিক্যাল ফাইবারে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়- 
  1. শব্দ তরঙ্গের মাধ্যমে
  2. চৌম্বক সংকেতের মাধ্যমে
  3. আলোক সংকেতের মাধ্যমে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
আলোক সংকেতের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক সংকেতের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- বর্তমানে পৃথিবীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তুর ব্যবহার বেড়ে গেছে। আগে যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হতো এখন সেখানে আলোর সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হয়। 
- মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় যায় কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে যায় বলে সেটাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব। 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু। এর ভেতরের অংশকে বলে কোর (core) এবং বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড (clad)। 
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়। 
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম। 
- দৃশ্যমান আলো হলে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,০০২.
নিচের কোনটি জাইলেম টিস্যু?
  1. সীভ নল
  2. সঙ্গী কোষ
  3. বাস্ট তন্তু
  4. ট্রাকিড
সঠিক উত্তর:
ট্রাকিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাকিড
ব্যাখ্যা
জটিল টিস্যু: 
- এ টিস্যুর আসল কাজ মাটি থেকে পানি ও অজৈব লবণ পরিবহন করে পাতায় পৌঁছানো এবং পাতায় যে খাদ্য প্রস্তুত হয় তা পরিবহন করে উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছানো। 
- এদের কাজ পরিবহন বলে এ টিস্যুকে পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- জটিল টিস্যু দু'প্রকার। যথা- 
১. জাইলেম টিস্যু ও 
২. ফ্লোয়েম টিস্যু। 

জাইলেম টিস্যু: 
- জাইলেম টিস্যুর কাজ পানি পরিবহণ করা। 
- ভাস্কুলার উদ্ভিদে জাইলেমের সাহায্যেই খাদ্য দ্রব্যের উপাদানগুলো মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পাতায় পরিবাহিত হয়। 
- পরিণত অবস্থায় আবৃতবীজী উদ্ভিদের জাইলেম চার ধরণের কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা- ট্রাকিড, ট্রাকিয়া বা ভেসেল,  জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম তন্তু। 

ফ্লোয়েম টিস্যু: 
- ফ্লোয়েম টিস্যু উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করে। 
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা- সীভ নল, সঙ্গী কোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম ফাইবার বা বাস্ট তন্তু। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০০৩.
জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের জন্য কোন গ্যাস দায়ী?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. ঘ) ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন ডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা

গ্রীনহাউজ গ্যাস (CO2, CO, CH4, N2O ইত্যাদি) বৃদ্ধি পাবার ফলে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে যায় যাকে গ্রীন হাউজ ইফেক্ট বলা হয়। গ্রীন হাউজ ইফেক্টের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল। এছাড়া সমুদ্রের উচ্চতা বেড়ে যাবে, ঝড় ও জ্বলোচ্ছ্বাস এর তীব্রতা বেড়ে যাবে, বনাঞ্চল ধ্বংস হবে। সামগ্রিকভাবে জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

 
১২,০০৪.
হিগস্‌ বোসন কণা কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

 • হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে।
কণাটি ২০১২ সালের ৪ জুলাই আবিষ্কৃত হয়।
- সুইজারল্যান্ডের ইউরোপীয় কণা পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগার CERN-এ অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কণা ত্বরক 'লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার' (LHC)-এর গবেষকদের দ্বারা।
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

• হিগস বোসন কণার বৈশিষ্ট্য:
- হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে।
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও Space.com website.

১২,০০৫.
নিচের কোনটিকে কোষের 'Protein Factory' বলা হয়?
  1. নিউক্লিওলাস
  2. প্লাস্টিড
  3. মাইটোকন্ড্রিয়া
  4. রাইবোসোম
সঠিক উত্তর:
রাইবোসোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাইবোসোম
ব্যাখ্যা
রাইবোসোম: 
- সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় বিরাজমান অথবা অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার গায়ে অবস্থিত যে দানাদার কণায় প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে তাকে বলা হয় রাইবোসোম। 
- প্যালাডে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে রাইবোসোম আবিষ্কার করেন। 
- রাইবোসোম অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং প্রায় গোলাকার। 
- এটি উদ্ভিদ এবং প্রাণী উভয় কোষেই উপস্থিত থাকে। 
- সাধারণত অমসৃণ অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার উভয় দিকে এরা সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করে। 
- রাইবোসোম এর প্রধান কাজ প্রোটিন সংশ্লেষণ করা এবং স্নেহ জাতীয় পদার্থের বিপাক সাধন করা। 
- এজন্য রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়। 
- এটি আমিষ সংশ্লেষণের স্থান নির্ধারণ করে, প্রোটিনের পলিপেপটাইড চেইন সংযোজন করে এবং এ সকল কাজে প্রয়োজনীয় এনজাইম সরবরাহ করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২,০০৬.
তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাপ নির্ণয়কারী যন্ত্রটির নাম কী?
  1. ক) ভোল্টমিটার 
  2. খ) গ্যালভানোমিটার
  3. গ) ম্যাগনেটোমিটার
  4. ঘ) স্পেট্রমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যালভানোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যালভানোমিটার
ব্যাখ্যা

তড়িৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাপ নির্ণয়কারী যন্ত্রটির নাম গ্যালভানোমিটার
গ্যালভানোমিটার ব্যবহৃত হয় বৈদ্যুতিক প্রবাহ সনাক্তকরণ এবং পরিমাপের জন্য। 

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১২,০০৭.
ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো পড়লে আলোকশক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. বিদ্যুৎ শক্তিতে 
  2. যান্ত্রিক শক্তিতে
  3. তাপ শক্তিতে
  4. রাসায়নিক শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তিতে
ব্যাখ্যা
আলোক শক্তির রূপান্তর: 
• হারিকেনের চিমনিতে হাত দিলে গরম অনুভূত হয়। 
এখানে, আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হচ্ছে। 

• ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলোক সম্পাত করলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে আলোকচিত্র তৈরি করা হয়। 
এখানে, আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০০৮.
লাফিং গ্যাসের অপর নাম কী?
  1. ক) নাইট্রাস অক্সাইড
  2. খ) ফ্রেয়ন
  3. গ) ক্লোরোপিক্রিন
  4. ঘ) ক্লোরিন গ্যাস
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রাস অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রাস অক্সাইড
ব্যাখ্যা
লাফিং গ্যাসের অপর নাম নাইট্রাস অক্সাইড (N2O)। 
কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম ক্লোরোপিক্রিন (CCl3NO2)
 
Nitrous oxide (N2O), also called dinitrogen monoxide, laughing gas, or nitrous, one of several oxides of nitrogen, a colourless gas with pleasant, sweetish odour and taste, which when inhaled produces insensibility to pain preceded by mild hysteria, sometimes laughter. 
 
উৎস: ব্রিটানিকা।
১২,০০৯.
সমুদ্র সমতলে g -এর আদর্শ মান কোনটি?
  1. ক) 40° অক্ষাংশে 0.980656 ms-2
  2. খ) 45° অক্ষাংশে 98.0656 ms-2
  3. গ) 45° অক্ষাংশে 9.80656 ms-2
  4. ঘ) 45° অক্ষাংশে 9.18 ms-2
সঠিক উত্তর:
গ) 45° অক্ষাংশে 9.80656 ms-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 45° অক্ষাংশে 9.80656 ms-2
ব্যাখ্যা
মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ, (g): 
- উপর থেকে একটি ধাতব মুদ্রা এবং একটি পাখির পালক এক সঙ্গে ছেড়ে দেয়া হলে অভিকর্ষের প্রভাবে অর্থাৎ পৃথিবীর আকর্ষণে দুটি বস্তুই মাটিতে পড়বে। 
- হয়তো দেখা যাবে ধাতব মুদ্রাটি আগে পড়বে, আর হালকা পাখির পালকটি আঁকাবাঁকা পথে ভাসতে ভাসতে একটু দেরিতে মাটিতে পৌঁছাবে। 

- কিন্তু উপরের চিত্রে দেখানে হয়েছে একটি বায়ু শূন্য নলের মধ্যে এক সাথে ছেড়ে দেয়া মুদ্রা এবং পালক এক সাথেই মাটিতে বা নলের তল দেশে পড়ছে। 
- এদের উপর বাতাসের কোন বাঁধা বা প্রভাব নেই; কাজ করছে কেবল পৃথিবীর আকর্ষণ বল। 
- এই বলের প্রভাবে বস্তু দুটির নিম্নমুখী ত্বরণ হচ্ছে। 
- বস্তু দুটি যখন ছেড়ে দেয়া হয় এদের ওপর কোন বল প্রয়োগ করা হয় নাই, তখন এদের বেগ ছিল শূন্য। 
- যতই নিচে পড়ছে এদের বেগ বাড়ছে। এর কারণ পৃথিবীর আকর্ষণ জনিত ত্বরণ। 
- একে বলা হয় মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর ত্বরণ বা অভিকর্ষজ ত্বরণ। 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের কাছাকাছি সব বস্তুর উপর এই ত্বরণের মান সমান। 
- g দিয়ে এই ত্বরণকে প্রকাশ করা হয়। 
- এর মান পৃথিবী পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে সামান্য তারতম্য হয়, কারণ পৃথিবীর সর্বত্র আকর্ষণ বল সমান নয়। 
- এই মানের পরিবতর্ন 1% থেকেও কম। 
- মোটামুটিভাবে পৃথিবী পৃষ্ঠে তথা ভূ-পৃষ্ঠে g-এর মান প্রায় 10 ms-2
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে যতই উপরে ওঠা যায় g-এর মান ততই কমতে থাকে। 
- ভূ-পৃষ্ঠের বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর আদর্শ মান হচ্ছে 9.80656 ms-2. 
- হিসেবের সুবিধার জন্য আদর্শ মান ধরা হয় 9.81 ms -2

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০১০.
গাড়ির ব্যাটারির অত্যাবশ্যকীয় উপাদান কোনটি?
  1. সালফিউরিক অ্যাসিড
  2. হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড
  3. নাইট্রিক অ্যাসিড
  4. ফসফরিক অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

অম্ল বা অ্যাসিড: 
- আরহেনিয়াস মতবাদ অনুসারে, হাইড্রোজেন পরমানু যুক্ত যে সকল যৌগ জলীয় দ্রবণে প্রোটন (H+) দান করে তাকে অম্ল বা এসিড বলে। যেমন- HCl, H2SO4, HNO3 ইত্যাদি অম্ল।
- লুইস মতবাদ অনুসারে, যে সকল যৌগ বা আয়ন অন্য কোন যৌগ বা আয়ন থেকে এক জোড়া ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পারে তাকে অম্ল বা এসিড বলে। যেমন: H+, AICI3, ইত্যাদি।
- HCl, H2SO4, HNO3, H3PO4 ইত্যাদি বিভিন্ন শক্তিশালী এসিডের উদাহরণ। 

বিভিন্ন শক্তিশালী এসিডের ব্যবহার: 
- সার কারখানায় নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3), সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄), ফসফরিক অ্যাসিড (H₃PO₄) ব্যবহার করে বিভিন্ন রকমের সার প্রস্তুত করা হয়।
- টয়লেট পরিষ্কারের জন্য ব্যবহৃত পরিষ্কারকের মূল উপাদানহলো হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড (HCI), নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3) বা সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄) এর মত শক্তিশালী অ্যাসিড।
- বাসাবাড়ির আইপিএস (IPS) বা গাড়ির ব্যাটারির অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলো সালফিউরিক অ্যাসিড (H₂SO₄)।

তথ্যসূত্র: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১২,০১১.
তেজ কটাল কখন সংঘটিত হয়?
  1. ক) সপ্তমী তিথিতে
  2. খ) অমাবস্যায়
  3. গ) পূর্ণিমায়
  4. ঘ) খ + গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ + গ
ব্যাখ্যা
- অমাবস্যা তিথিতে সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর একই পাশে এবং পূর্ণিমা তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর দুইপাশে একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- যার কারণে অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে সূর্য ও চন্দ্রের মিলিত আকর্ষণে প্রবল জোয়ার সংঘটিত হয় যা ভরা কটাল বা তেজ কটাল নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল)
১২,০১২.
ইস্ট্রোজেন হরমোন নিঃসৃত হয় কোন অংশ থেকে?
  1. ক) শুক্রাশয়
  2. খ) অগ্নাশয় গ্রন্থি
  3. গ) ডিম্বাশয়
  4. ঘ) থাইমাস গ্রন্থি
সঠিক উত্তর:
গ) ডিম্বাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিম্বাশয়
ব্যাখ্যা
ডিম্বাশয় থেকে ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্ট্রেরণ ও রিলাক্সিন হরমোন নিঃসৃত হয়।
১২,০১৩.
এক্স রে মূলত-
  1. ধনাত্মক আধান যুক্ত
  2. ঋণাত্মক আধান যুক্ত
  3. আধান নিরপেক্ষ
  4. বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের দিকে বিচ্যুত হয়
সঠিক উত্তর:
আধান নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধান নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা

এক্স-রে:
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন।
- এই আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রনজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার পান।
- এক্স-রে আদান নিরপেক্ষ বা তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এটি সরলপথে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3 × 108 ms-1 বেগে গমন করে।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10- 8 m থেকে 10- 13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে।
- এক্স-রে বিকিরণ পরিমাপ করার জন্য যে একক ব্যবহার করা হয় তাকে রন্টজেন বলা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১২,০১৪.
আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের নাম কী?
  1. শুক্র গ্রহ
  2. সপ্তর্ষি
  3. লুব্ধক
  4. ধ্রুবতারা
সঠিক উত্তর:
লুব্ধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুব্ধক
ব্যাখ্যা

নক্ষত্র বা তারা (Stars):  
- যেসব জ্যোতিষ্ক জ্বালানির মাধ্যমে নিজস্ব আলো তৈরি করে এবং নিজস্ব উত্তাপ আছে তাদের নক্ষত্র বা তারা (Stars) বলে।
- মহাবিশ্বের সৃষ্টিলগ্নে কোনো নক্ষত্র ছিল না, ছিল বিশাল ধূলিকণা ও গ্যাসের পিন্ড।
- এর মধ্যে হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম থেকে নিউক্লিয় ফিউশন বিক্রিয়ায় তাপ ও আলো নির্গতকারী নক্ষত্রের জন্ম হয়।
- আলোর তীব্রতা অনুসারে মহাবিশ্বের নক্ষত্রগুলোকে তিন বর্ণে ভাগ করা হয়েছে- লাল (এরা বৃহৎ), হলুদ (মাঝারি) ও নীল (ছোট)।
- নক্ষত্রের দূরত্ব মাপার একক- আলোক বর্ষ এবং জ্যামিতিক ভিত্তিতে মহাবিশ্বের দূরত্ব মাপার একক- পারসেক।
- আলো ৩ লক্ষ কিলোমিটার/সেকেন্ড বেগে এক বছরে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে আলোক বর্ষ (Light year) বলে। ১ পারসেক = ৩.২৬ আলোক বর্ষ।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র; অন্যদিকে সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা বা আলফা সেন্টোরাই।
- আলফা সেন্টোরাই পৃথিবীর দ্বিতীয় নিকটতম নক্ষত্র পৃথিবী থেকে যার দূরত্ব ৪.২ আলোক বর্ষ।
- আকাশের উজ্জলতম নক্ষত্রের নাম লুব্ধক বা সিরিয়াস (Sirius) যা একটি যুগলতারা। 
- মেঘমুক্ত রাতের আকাশে তাকালে কিছু নক্ষত্র একত্রে জোটবদ্ধ হয়ে আছে বলে মনে হয় যাদেরকে নক্ষত্র মণ্ডলী (Constellation) বলে।

উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং NASA Science - Universe Glossary.

১২,০১৫.
৮ টি সংখ্যার গড় ১৫। একটি সংখ্যা যুক্ত করলে গড় হয় ১৭, নতুন সংখ্যাটি কত?
  1. ২৫
  2. ২৯
  3. ৩৩
  4. ৩১
সঠিক উত্তর:
৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৮ টি সংখ্যার গড় ১৫। একটি সংখ্যা যুক্ত করলে গড় হয় ১৭, নতুন সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
৮ টি সংখ্যার গড় ১৫
∴ ৮ টি সংখ্যার সমষ্টি = (১৫ × ৮)
= ১২০

আবার,
৯ টি সংখ্যার গড় ১৭
∴ ৯ টি সংখ্যার সমষ্টি = (১৭ × ৯)
= ১৫৩

∴ নতুন সংখ্যাটি = (১৫৩ - ১২০)
= ৩৩
১২,০১৬.
কার্বন পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা ৬টি। এর পারমাণবিক সংখ্যা কত?
  1. ১২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পরমাণবিক সংখ্যা (Atomic number) বলে।
- মৌলের ধর্ম এর পারমাণবিক সংখ্যার উপর নির্ভর করে।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাইরে চারদিকে বিভিন্ন শক্তিস্তরে ইলেকট্রনসমূহ নিজস্ব শক্তি অনুযায়ী বিভিন্ন কক্ষপথে অবস্থান নিয়ে ঘুরতে থাকে।
- যেমন, কার্বন পরমাণুতে প্রোটন সংখ্যা 6 টি এবং নিউট্রন সংখ্যা হল 6 টি।
- কার্বনের পারমাণবিক সংখ্যা ৬। 

সূত্র: রসায়ন, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০১৭.
একটি মহাকাশযান পৃথিবীর সাপেক্ষে 0.8c বেগে চলছে। একটি আলোকরশ্মি একই দিকে c বেগে চললে, মহাকাশযানের সাপেক্ষে আলোর বেগ কত হবে?
  1.  0.2c
  2. 0.8c
  3.  c
  4. 1.8c
সঠিক উত্তর:
 c
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 c
ব্যাখ্যা

• আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব (Special Theory of Relativity):
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব (Special Theory of Relativity) অনুসারে,আলোর বেগ (c) সকল পর্যবেক্ষকের জন্য ধ্রুবক।
- যে কোনো রেফারেন্স ফ্রেম থেকেই সেটি পরিমাপ করা হোক না কেন, এর মান সর্বদা c = 3 × 108 m/s
- নিউটনীয়ভাবে মনে হতে পারে, চলমান মহাকাশযান থেকে আলোর বেগ 1.8c বা বেশি হবে। কিন্তু আপেক্ষিকতার তত্ত্ব অনুযায়ী, আলোর বেগ কখনো c-এর বেশি হয় না।

- অতএব, মহাকাশযানের সাপেক্ষেও আলোর বেগ থাকবে c.

উৎস: Encyclopaedia Britannica. [লিংক]

১২,০১৮.
নিচের কোন পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই? 
  1. রূপা 
  2. তামা 
  3. কাচ 
  4. সিলিকন 
সঠিক উত্তর:
কাচ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাচ 
ব্যাখ্যা

পরিবাহী পদার্থ: 
-  ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে। সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
যেমন- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো সুপরিবাহী পদার্থ। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে সব সময় মনে রাখতে হবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়, এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
যেমন- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,০১৯.
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কী হবে?
  1. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
  2. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  3. উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে
  4. সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
ব্যাখ্যা
• গ্রিন হাউস ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি- নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে।

- গ্রীন হাউস ইফেক্টের কারনে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকার এক বিরাট অংশ পানির নীচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
- আইসিসি ২০০৭ সালে তার সতর্কীকরণে বলেছে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সে.মি. বাড়লে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী ১০-১৫ শতাংশ ভূমি পানির নিচে চলে যাবে। আনুমানিক ৩.৫ কোটি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে।

• গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়।
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে।
- ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে।
- এর ফলে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে।
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।

• কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে:
- জলীয় বাষ্প,
- কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- মিথেন,
- ওজোন,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎস:
১. বাংলাপিডিয়া।
২. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৩. অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।
১২,০২০.
মেরুদণ্ডী প্রাণী কোনটি? 
  1. কেঁচো
  2. ব্যাঙ
  3. কাঁকড়া 
  4. প্রজাপতি 
সঠিক উত্তর:
ব্যাঙ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাঙ
ব্যাখ্যা

- মেরুদণ্ডের উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে প্রাণীজগৎকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
১। মেরুদণ্ডী প্রাণী: 
- যেসব প্রাণীর মেরুদণ্ড আছে, তাদেরকে বলা হয় মেরুদণ্ডী প্রাণী। 
যেমন- মাছ, ব্যাঙ, পাখি, টিকটিকি, গরু, ছাগল, মানুষ ইত্যাদির মেরুদণ্ড আছে। 
- এদের মেরুদণ্ড আছে, দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে, পাখনা বা দুই জোড়া পা থাকে, চোখ সরল প্রকৃতির। 
- মানুষ ছাড়া সকল মেরুদণ্ডী প্রাণীর লেজ থাকে। 
- এরা ফুলকা বা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়। 

২। অমেরুদণ্ডী প্রাণী: 
- যেসব প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, তাদেরকে বলা হয় অমেরুদণ্ডী প্রাণী। 
যেমন- মশা, মাছি, প্রজাপতি, চিংড়ি, কাঁকড়া, কেঁচো ইত্যাদি অমেরুদণ্ডী প্রাণী। 
- অমেরুদণ্ডী প্রাণীর মেরুদণ্ড নেই, এদের দেহের ভিতর কঙ্কাল থাকে না, চোখ সরল প্রকৃতির বা একটি চোখের মধ্যে অনেকগুলো চোখ থাকে যা পুঞ্জাক্ষি এবং এদের লেজ নেই। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১২,০২১.
কোনটি ধাতু নয়? 
  1. ক) ক্যালসিয়াম 
  2. খ) তামা 
  3. গ) পারদ 
  4. ঘ) হীরা 
সঠিক উত্তর:
ঘ) হীরা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হীরা 
ব্যাখ্যা
হীরা মূলত কার্বনের একটি রুপভেদ।
কার্বন একটি অধাতু। তাই হীরাও অধাতু।

গ্রাফাইট কার্বনের আরেকটি রুপভেদ।
১২,০২২.
একটি ফসিল কতবছরের পুরনো এটি কিসের সাহায্যে নির্ণয় করা যায়?
  1. আইসোথার্ম
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোবার
  4. আইসোইয়ার
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোটোপ
ব্যাখ্যা

অনেক সময় দেখা যায় যে বিজ্ঞানীরা বলেন অমুক ফসিলটি এত বছরের পুরনো। এই কাজটি বিজ্ঞানীরা করে থাকেন আইসোটোপের ক্ষয় নির্ণয়ের মাধ্যমে।
কোনো ফসিলে স্থায়ী ও অস্থায়ী আইসোটোপের অনুপাত থেকে বোঝা যায় ফসিলটি কত বছরের পুরনো।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

১২,০২৩.
রিমোট কন্ট্রোলের সংকেত পরিবহনে কোন রশ্মি ব্যবহার হয়?
  1. ইনফ্রারেড
  2. এক্স-রে
  3. গামা রশ্মি
  4. অতিবেগুনি
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রারেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রারেড
ব্যাখ্যা

◉ রিমোট কন্ট্রোল (যেমন: টিভি, এসি, ডিভিডি প্লেয়ার) সংকেত পাঠানোর জন্য ইনফ্রারেড রশ্মি ব্যবহার করে।

​অবলোহিত রশ্মি:
- উইলিয়াম হার্শেল ১৮০০ সালে Infrared Ray আবিষ্কার করেন।
- দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গের চেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ অবলোহিত বিকিরণ বা অবলোহিত রশ্মি।
- বর্ণালির 10-6m থেকে 10-3m তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর অবলোহিত বিকিরণের।
- সূর্যের আলো থেকে আমারা যে তাপ পাই তা অবলোহিত বিকিরণ।
- এছাড়া কাঠের আগুন, বৈদ্যুতিক চুলা, গ্যাস বা যে কোন জ্বালানি থেকে উৎপন্ন তাপ মাত্রই অবলোহিত রশ্মি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,০২৪.
আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে অ্যানিম্যালিয়া জগতের প্রাণীদের কয়টি পর্বে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৮
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ১০
সঠিক উত্তর:
গ) ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯
ব্যাখ্যা

আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসে সকল প্রাণী অ্যানিম্যালিয়া জগতের অন্তর্ভুক্ত। অ্যানিম্যালিয়া জগতের প্রাণীদের নয়টি পর্বে ভাগ করা হয়েছে।
এই নয়টি পর্বের প্রথম আটটি পর্বের প্রাণীরা অমেরুদণ্ডী এবং শেষ পর্বের প্রাণীরা মেরুদণ্ডী।
(উৎসঃ ৪১ থেকে ৫০ নং সবগুলো প্রশ্নের ব্যাখ্যাই ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান থেকে নেয়া)

১২,০২৫.
উদ্ভিদ তার সালোকসংশ্লেষনের সময় নিচের কোন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো বেশি প্রতিফলিত করে?
  1. ইনফ্রারেড
  2. দশ্যমান আলো
  3. আল্ট্রা ভায়োলেট
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রারেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্রারেড
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদ তার সালোকসংশ্লেষনের সময় ইনফ্রারেড তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো প্রতিফলিত করে। 
- ইনফ্রারেড আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চেয়ে বেশি হয়। 
- আমরা ইনফ্রারেড আলো দেখতে পারি না, কিন্তু ল্যান্ডস্যাট স্যাটেলাইটের সাহায্যে দেখা যায়। 
- গাছপালা দ্বারা প্রতিফলিত ইনফ্রারেড আলোর পরিমাণ সঠিকভাবে পরিমাপ করে, আমরা সেই গাছপালা স্বাস্থ্যের অবস্থা নিরূপণ করতে পারি।
 
উৎস: nasa.gov
১২,০২৬.
'সেরিকালচার' বলতে কী বুঝায়? 
  1. রেশম চাষ 
  2. পাখি পালন 
  3. মৎস্য চাষ 
  4. মৌমাছি চাষ 
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেশম চাষ 
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- মৌমাছি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এপিকালচার।
- মৎস্য চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- পিসিকালচার। 
- রেশম চাষ বিদ্যাকে বলা হয়- সেরিকালচার। 
- উদ্যান পালন বিদ্যাকে বলা হয়- হর্টিকালচার। 
- পাখি পালন বিদ্যাকে বলা হয়- এভিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১২,০২৭.
'Mercury' কোন গ্রহের নাম?
  1. ক) বুধ
  2. খ) মঙ্গল
  3. গ) শুক্র
  4. ঘ) বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
ক) বুধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বুধ
ব্যাখ্যা
Mercury হলো বুধ গ্রহ। 
Venus হলো শুক্র গ্রহ। 
Jupiter হলো বৃহস্পতি গ্রহ।
Mars হলো মঙ্গল গ্রহ।
 
১২,০২৮.
বাঘের হৃৎপিণ্ড কয় প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
সঠিক উত্তর:
গ) চার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চার
ব্যাখ্যা
স্তন্যপায়ী (Mammalia) শ্রেণির প্রাণীর দেহ লোমে আবৃত থাকে; ব্যতিক্রমি স্তন্যপায়ী প্রাণী ছাড়া এরা সবাই সন্তান প্রসব করে; উষ্ণ রক্তের প্রাণী; চোয়ালে বিভিন্ন ধরনের দাঁত থাকে; শিশুরা মাতৃ দুগ্ধ পান করে বড় হয়; এবং এদের হৃৎপিন্ড চার প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট। উদাহরণ : মানুষ, উট, বাঘ। সূত্রঃ বিজ্ঞান ৮ম শ্রেণি।
১২,০২৯.
বৈদ্যুতিক হিটার ও ইস্ত্রিতে কোন ধাতুর তার ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) তামা
  2. খ) নাইক্রোম
  3. গ) স্টেনিয়াম
  4. ঘ) প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর:
খ) নাইক্রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নাইক্রোম
ব্যাখ্যা
- নাইক্রোমের তার সহজেই গরম হয়ে যায় বলে একে বৈদ্যুতিক হিটার এবং ইস্ত্রি সহ আরো অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রে ব্যাবহার করা হয়।
- বৈদ্যুতিক হিটারের মধ্যে অপরিবাহী পদার্থের একটি গােল চাকতি থাকে। চাকতিতে নাইক্রোম তারের কুন্ডলী সাজিয়ে রাখা হয়। বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তারটি গরম হয় এবং উত্তপ্ত হয়ে তাপ বিকিরণ করে।
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রির নাইক্রোম তারটি ইস্ত্রির নিচের মসৃণ লৌহ নির্মিত তলটিকে উত্তপ্ত করে।
- এক্ষেত্রে তাপ উৎপাদন বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। প্রবাহ বেশি হলে ইস্ত্রি বেশি উত্তপ্ত হয়।
(উৎসঃ  মাধ্যমিক পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই)
১২,০৩০.
পানিতে ঢিল ফেললে নিচের কোন তরঙ্গের সৃষ্টি হয়?
  1. অগ্রগামী তরঙ্গ
  2. স্থির তরঙ্গ
  3. দীঘল তরঙ্গ
  4. অনুদৈর্ঘ তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
অগ্রগামী তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রগামী তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
অগ্রগামী তরঙ্গ 
যখন কোনো মাধ্যমের  ভিতর আন্দোলন এক স্তর থেকে অন্য স্তরে তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হতে হতে নির্দিষ্ট বেগে কেবল সামনের দিকে অগ্রসর হয় তখন তাকে অগ্রগামী তরঙ্গ বলে।
 
- পুকুরের পানিতে ঢিল ছোঁড়া হলে ঢেউ পানির মধ্য দিয়ে ক্রমাগত অগ্রসর হতে থাকে। এটি অগ্রগামী তরঙ্গের উদাহরণ।

স্থির তরঙ্গ 
একই রকম দুটি অগ্রগামী তরঙ্গ বিপরীত দিক থেকে সমভাবে অগ্রসর হয়ে একে অপরের উপর আপতিত হলে যে তরঙ্গের উদ্ভব  হয় তাকে স্থির তরঙ্গ বলে । 

অনুদৈর্ঘ তরঙ্গ 
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর কম্পনের দিকের সাথে সমান্তরালে অগ্রসর হয় সেটাই দীঘল তরঙ্গ/অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।
- বায়ু মাধ্যমে প্রবাহিত শব্দ তরঙ্গ দীঘল তরঙ্গ/অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের একটি উদাহরণ।


উৎস: পদার্থ  বিজ্ঞান, এইচ এস সি পোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৩১.
রঙিন টেলিভিশনে কোন মৌলিক রংগুলো থাকে? 
  1. বেগুনী, নীল ও সবুজ
  2. লাল, নীল ও সবুজ
  3. লাল, নীল ও হলুদ
  4. সবুজ, হলুদ ও লাল
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল ও সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল, নীল ও সবুজ
ব্যাখ্যা
- রঙিন টেলিভিশনে লাল, নীল ও সবুজ এই তিনটি মৌলিক রং থাকে। 

টেলিভিশন: 
- ১৯২৬ সালে জন লজি বেয়ার্ড প্রথম টেলিভিশনের মাধ্যমে ভিডিও বা চলমান ছবি পাঠিয়েছিলেন। 
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি আলাদা সিগন্যাল হিসেবে পাঠানো হয়। 
- চলমান ছবি বা ভিডিও পাঠাতে হলে প্রতি সেকেন্ডে ২৫টি স্থিরচিত্র পাঠাতে হয় এবং আমাদের চোখে তখন সেগুলোকে আলাদা আলাদা স্থিরচিত্র মনে না হয়ে একটি চলমান ছবি বলে মনে হয়। 
- টেলভিশনে রঙিন ছবি পাঠানোর জন্য টেলিভিশন ক্যামেরা প্রতিটি ছবিকে লাল, সবুজ ও নীল (RGB) এই তিনটি মৌলিক রং-এ ভাগ করে তিনটি আলাদা ছবি তুলে দেয়। 
- টেলিভিশন ক্যামেরার ভেতরে আলো CCD ( Charge Coupled Device) ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয়। 
- এই বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গ ব্যবহার করে এন্টেনার ভেতর দিয়ে পাঠানো হয়। 
- বর্তমানে ইলেকট্রন গান দিয়ে স্ক্রিনে ছবি তৈরি না করে লাল, সবুজ ও নীল রংয়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলইডি ( Light Emitting Diode) -তে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে ছবি তৈরি করা হয়। 
- এলইডি টেলিভিশনের ছবির ঔজ্জ্বল্য অনেক বেশি এবং গুণগত মানও অনেক ভালো। 
- এন্টেনার সাহায্যে টেলিভিশনের সিগন্যাল পাঠানো ছাড়াও কো-এক্সিয়াল ক্যাবল দিয়েও সিগন্যাল পাঠানো যায়। 
- এই ধরনের সম্প্রচার ক্যাবল টিভি নামে পরিচিত। 
- এছাড়াও স্যাটেলাইট টিভি নামে এক ধরনের টিভি অনুষ্ঠানের সম্প্রচার করা হয়, এটি মহাকাশে পাঠানো উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট থেকে সরাসরি পৃথিবীতে পাঠানো হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,০৩২.
জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় কীটপতঙ্গের জীবন নিয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. এন্টোমোলজি
  2. সাইটোলজি
  3. এন্ডোক্রাইনোলজি
  4. ইকোলজি
সঠিক উত্তর:
এন্টোমোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্টোমোলজি
ব্যাখ্যা
জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা: 
- ভৌত জীববিজ্ঞান শাখায় তত্ত্বীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত নিচে উল্লিখিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়- 
১। অঙ্গসংস্থান (Morphology): 
- জীবের সার্বিক অঙ্গসংস্থানিক বা দৈহিক গঠন বর্ণনা এ শাখার আলোচ্য বিষয়। দেহের বাহ্যিক বর্ণনার বিষয়কে বহিঃ অঙ্গসংস্থান (External Morphology) এবং দেহের অভ্যন্তরীণ বর্ণনার বিষয়কে অন্তঃ অঙ্গসংস্থান (Internal Morphology) বলা হয়। 

২। শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা বা ট্যাক্সোনমি (Taxonomy): 
- জীবের শ্রেণিবিন্যাস এবং তার রীতিনীতিগুলো এ শাখার আলোচ্য বিষয়। 

৩। শারীরবিদ্যা (Physiology): 
- জীবদেহের নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জৈবরাসায়নিক কার্যাদি, যেমন: শ্বসন, রেচন, সালোকসংশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয় এ শাখায় আলোচনা করা হয়। এছাড়া জীবের যাবতীয় শারীরবৃত্তীয় কাজের বিবরণ এ শাখায় পাওয়া যায়। 

৪। হিস্টোলজি (Histology): 
- জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৫। ভূণবিদ্যা (Embryology): 
- জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা এ শাখার প্রধান বিষয়। 

৬। কোষবিদ্যা (Cytology): 
- জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৭।  বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্স (Genetics): 
- জিন ও জীবের বংশগতিধারা সম্পর্কে এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

৮। বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): 
- পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

৯। বাস্তুবিদ্যা (Ecology): 
- এ শাখায় প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে জীবের আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়। 

১০। এন্ডোক্রাইনোলজি (Endocrinology): 
- জীবদেহে হরমোনের (hormone) কার্যকারিতাবিষয়ক আলোচনা এ শাখার বিষয়। 

ফলিত জীববিজ্ঞান: 
- এ শাখায় রয়েছে জীবন-সংশ্লিষ্ট প্রায়োগিক বিষয়গুলো। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শাখা নিচে উল্লেখ করা হলো- 
১। জীবাশ্মবিজ্ঞান (Palaeontology): 
- প্রাগৈতিহাসিক জীবের বিবরণ এবং জীবাশ্ম সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

২। কীটতত্ত্ব (Entomology): 
- কীটপতঙ্গের জীবন, উপকারিতা, অপকারিতা, ক্ষয়ক্ষতি, দমন ইত্যাদি সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

৩। পরজীবীবিদ্যা (Parasitology): 
- পরজীবিতা, পরজীবী জীবের জীবনপ্রণালি এবং রোগ সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

৪। অণুজীববিজ্ঞান (Microbiology): 
- ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, আণুবীক্ষণিক ছত্রাক এবং অন্যান্য অণুজীব সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

৫। জিনপ্রযুক্তি (Genetic Engineering): 
- জিনপ্রযুক্তি ও এর ব্যবহার সম্পর্কিত বিজ্ঞান। 

- এছাড়াও এ শাখায় মৎস্যবিজ্ঞান (Fisheries), কৃষিবিজ্ঞান (Agriculture), চিকিৎসাবিজ্ঞান (Medical Science), প্রাণরসায়ন (Biochemistry), পরিবেশবিজ্ঞান (Environmental Science), সামুদ্রিক জীববিজ্ঞান (Marine Biology), বনবিজ্ঞান (Forestry), জীবপ্রযুক্তি (Biotechnology), ফার্মেসি (Pharmacy), বন্য প্রাণিবিদ্যা (Wildlife), জীবপরিসংখ্যানবিদ্যা (Biostatistics), বায়োইনফরমেটিকস্ (Bioinformatics) ইত্যাদি শাখা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,০৩৩.
শরীরের বিভিন্ন অংশের ইমেজিং করার জন্য কোন যন্ত্র শক্তিশালী রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির চৌম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করে?
  1. ইসিজি
  2. এমআরআই
  3. আলট্রাসনোগ্রাফি
  4. সিটিস্ক্যান
সঠিক উত্তর:
এমআরআই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমআরআই
ব্যাখ্যা
এমআরআই: 
- মানুষের শরীরের প্রায় সত্তরভাগ পানি, যার অর্থ মানুষের শরীরের প্রায় সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পানি থাকে। 
- পানির প্রতিটি অণুতে থাকে হাইড্রোজেন এবং হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াস হচ্ছে প্রোটন। 
- শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগ করলে প্রোটনগুলো চৌম্বকক্ষেত্রের দিক সারিবদ্ধ হয়ে যায়, তখন নির্দিষ্ট একটি কম্পনের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ পাঠানো হলে এই প্রোটনগুলো সেই তরঙ্গ থেকে শক্তি গ্রহণ করে তাদের দিক পরিবর্তন করে এবং এই প্রক্রিয়াকে বলে নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স। 
- তার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স ইমেজিং বা এমআরআই (MRI: Magnetic Resonance Imaging)। এই যন্ত্রটি দেখতে সিটিস্ক্যান যন্ত্রের মতো কিন্তু এর কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণ ভিন্ন। 
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্স-রে পাঠিয়ে প্রতিচ্ছবি নেওয়া হয় কিন্তু এমআরআই যন্ত্রে একজন রোগীকে অনেক শক্তিশালী চৌম্বকক্ষত্রের মাধ্যমে তার শরীরে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেওয়া হয়। 

- শরীরের পানির অণুর ভেতরকার হাইড্রোজেনের প্রোটন থেকে ফিরে আসা সংকেতকে কম্পিউটার দিয়ে বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়। 
- সিটিস্ক্যান দিয়ে যা কিছু করা সম্ভব, এমআরআই দিয়েও সেগুলো করা সম্ভব। তবে এমআরআই দিয়ে শরীরের ভেতরকার কোমল টিস্যুর ভেতরকার পার্থক্যগুলো ভালো করে বুঝা সম্ভব। 
- সিটিস্ক্যান করতে যে সময়ের দরকার হয় তার তুলনায় একটু বেশি সময় লাগে এমআরআই করতে। 
- সিটিস্ক্যানে এক্স-রে ব্যবহার করা হয় বলে যত কমই হোক তেজস্ক্রিয়তার একটু ঝুঁকি থাকে, যা এমআরআইয়ে সেই ঝুঁকি নেই। 
- শরীরের ভেতর কোনো ধাতব কিছু থাকলে (যেমন: পেস মেকার) এমআরআই করা যায় না, কারণ আরএফ (RF) তরঙ্গ ধাতুকে উত্তপ্ত করে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,০৩৪.
শব্দের গতি কোন মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি?
  1. শূন্য
  2. তরল
  3. কঠিন
  4. বায়বীয়
সঠিক উত্তর:
কঠিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগ: 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়।
- তরল পদার্থে শব্দের বেগ কঠিন পদার্থের চেয়ে কম হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে সবচেয়ে কম। 
- শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উল্লেখ্য,
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,০৩৫.
মানবদেহের রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তরের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. লাইসোজোম
  2. গ্যাস্ট্রিক জুস
  3. সিলিয়া
  4. লিম্ফোসাইট
সঠিক উত্তর:
লিম্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর:
- ত্বক,
- লোম,
- লাইসোজাইম এনজাইম
- সিলিয়া,
- কানের মোম,
- অশ্রু, শ্লেষ্মা ও লালা,
- পাকস্থলির অ্যাসিড ও এনজাইম,
- রেচন ও জনন অঙ্গের অ্যাসিড,
- মাইক্রোবায়োম, 

• দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর:
- ফ্যাগোসাইটস,
- ন্যাচারাল কিলার কোষ,
- কমপ্লিমেন্ট তন্ত্র,
- সাইটোকাইনস,
- ইন্টারফেরন,
- অ্যাকিউট ফেজ প্রোটিন,
- প্রদাহ,
- জ্বর,
- রক্ত তঞ্চন,
• সুনির্দিষ্ট বা স্পেসিফিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মানবদেহের তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর গঠন করে
- স্পেসিফিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (অর্জিত অনাক্রম্যতা)

• তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর:

- লিম্ফোসাইটস,
- অ্যান্টিবডি,
- স্মৃতিকোষ,

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৩৬.
ঘর্ষণ বলের দিক কেমন হয়?
  1. গতির দিকে
  2. গতির বিপরীতে
  3. লম্বভাবে
  4. কোন দিক থাকে না
সঠিক উত্তর:
গতির বিপরীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গতির বিপরীতে
ব্যাখ্যা
• ঘর্ষণ বল: 
- যখন কোনো বস্তু অন্য বস্তুর উপর দিয়ে চলতে চেষ্টা করে বা চলতে থাকে তখন বস্তুদ্বয়ের স্পর্শতলে এ গতির বিরুদ্ধে যে বাধাদানকারী বল সৃষ্টি হয়, তাই ঘর্ষণ বল।

• ঘর্ষণ বল সব সময়ই প্রয়োগ করা বলের বিপরীত দিকে কাজ করে অর্থাৎ গতির বিপরীতে কাজ করে।
- সেজন্য স্বাভাবিকভাবেই ঘর্ষণ বল গতিকে কমিয়ে দেয়। 

• ঘর্ষণের সময় তাপ উৎপন্ন হয়। ঘর্ষণ যেমন উপকারী তেমনি অপকারী ও ।
- এই কারনে ঘর্ষণকে বলা হয় প্রয়োজনীয় উপদ্রব।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
১২,০৩৭.
প্রক্রিয়াজাত খাদ্য বেশি সময় ধরে সংরক্ষণের জন্য কী ব্যাবহৃত হয়?
  1. ক) ভিনেগার
  2. খ) প্রিজারভেটিভস
  3. গ) সোডা
  4. ঘ) ইথিলিন
সঠিক উত্তর:
খ) প্রিজারভেটিভস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রিজারভেটিভস
ব্যাখ্যা
প্রক্রিয়াজাত খাদ্য বিশেষ করে ফলের জুস, সস, কেক, বিস্কুট প্রভৃতিতে বেশি সময় ধিরে সংরক্ষণের জন্য প্রিজারভেটিভস দেওয়া হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১২,০৩৮.
কোনটির প্রধান কাজ দেহে বৃদ্ধির জন্য কোষ গঠন করা?
  1. ক) স্নেহ
  2. খ) শর্করা
  3. গ) আমিষ
  4. ঘ) ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমিষ
ব্যাখ্যা
প্রোটিন বা আমিষ:
- মাছ, ডিম, মাংস ও দুগ্ধজাত খাদ্য এগুলো প্রোটিন জাতীয় খাদ্য।
- উৎসের উপর ভিত্তি করে প্রোটিনকে প্রাণিজ এবং উদ্ভিজ প্রোটিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
- মাছ, মাংস, ডিম ও দুগ্ধজাত দ্রব্য ইত্যাদি প্রাণিজ প্রোটিন।
- অপরদিকে ডাল, বাদাম, শিম ও বরবটির বীজ ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ প্রোটিন। 

প্রোটিনের কাজ:
১। প্রোটিনের প্রধান কাজ হচ্ছে দেহে বৃদ্ধির জন্য কোষ গঠন করা। 
যেমন- দেহের পেশি, হাড় বা অস্থি, রক্ত কণিকা ইত্যাদি প্রোটিন দ্বারা গঠিত। 
২। দেহে শক্তি উৎপন্ন করা। 
৩। দেহে রোগ প্রতিরোধকারী এন্টিবডি প্রোটিন থেকে তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১২,০৩৯.
বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সেলসিয়াস?
  1. ২৮.০৫ ডিগ্রি
  2. ২৬.০১ ডিগ্রি
  3. ২৭.৫ ডিগ্রি
  4. ২৫.০২ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
২৬.০১ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬.০১ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৬.০১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সবচেয়ে উষ্ণতম মাস এপ্রিলের গড় তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সবচেয়ে শীতল তম মাস জানুয়ারির গড় তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ২০৩ সে.মি.।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১২,০৪০.
ধানের বৈজ্ঞানিক নাম কী? 
  1. Mangifera indica
  2. Corchorus capsularis
  3. Oryza sativa
  4. Artocarpus heterophyllus
সঠিক উত্তর:
Oryza sativa
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oryza sativa
ব্যাখ্যা

- কয়েকটি জীবের দ্বিপদ নাম নিচে দেওয়া হলো- 
সাধারণ নাম ⇔ বৈজ্ঞানিক নাম: 
ধান ⇔ Oryza sativa.
• পাট ⇔ Corchorus capsularis.
• আম ⇔ Mangifera indica.
• কাঁঠাল ⇔ Artocarpus heterophyllus.
• শাপলা ⇔ Nymphaea nouchali.
• জবা ⇔ Hibiscus rosa-sinensis.
• কলেরা জীবাণু ⇔ Vibrio cholerae.
• ম্যালেরিয়া জীবাণু ⇔ Plasmodium vivax.
• আরশোলা ⇔ Periplaneta americana.
• মৌমাছি ⇔ Apis indica.
• ইলিশ ⇔ Tenualosa ilisha.
• কুনো ব্যাঙ ⇔ Duttaphrynus melanostictus (Bufo melanostictus).
• দোয়েল ⇔ Copsychus saularis.
• রয়েল বেঙ্গল টাইগার ⇔ Panthera tigris.
• মানুষ ⇔ Homo sapiens ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং লাইভ লেকচার।

১২,০৪১.
কোন পদার্থের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই? 
  1. পরিবাহী পদার্থ 
  2. অপরিবাহী পদার্থ
  3. অর্ধপরিবাহী পদার্থ 
  4. সুপরিবাহী পদার্থ 
সঠিক উত্তর:
অপরিবাহী পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরিবাহী পদার্থ
ব্যাখ্যা

পরিবাহী পদার্থ: 
- ধাতব পরমাণুর কিছু ইলেকট্রন প্রায় মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং সেগুলো এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে, সেজন্য সেগুলোকে পরিবাহী পদার্থ বলা হয়। 
- সোনা, রূপা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম এগুলো সুপরিবাহী পদার্থ। 
- পরিবাহী পদার্থ দিয়ে চার্জকে স্থানান্তর করা যায়, তবে সব সময় মনে রাখতে হবে এই স্থানান্তর হয় ইলেকট্রন দিয়ে, বিদ্যুতের প্রবাহ হয় ইলেকট্রন দিয়ে, নেগেটিভ চার্জের ইলেকট্রন। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের ভেতর তড়িৎ বা বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য কোনো মুক্ত ইলেকট্রন নেই সেই পদার্থগুলো হচ্ছে বিদ্যুৎ অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ। 
- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ এগুলো হচ্ছে অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ। 
- মূলত অধাতুগুলো বিদ্যুৎ অপরিবাহী হয়। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- কিছু কিছু পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতা সাধারণ তাপমাত্রায় পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি, তবে তাপমাত্রা বাড়ালে পরিবহন ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই ধরনের পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। 
- সিলিকন বা জার্মেনিয়াম সেমিকন্ডাক্টরের উদাহরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,০৪২.
নিচের কোন মৌলটি যৌগ গঠন করে না?
  1. ক) H
  2. খ) N
  3. গ) Fe
  4. ঘ) Kr
সঠিক উত্তর:
ঘ) Kr
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Kr
ব্যাখ্যা
নিষ্ক্রিয় গ্যাস: 
- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপটন (Kr), জেনন (Xe) ও রেডন (Rn) এ ছয়টি মৌল পর্যায় সারণিতে 18তম গ্রুপের মৌল।
- সাধারণত এরা যৌগ গঠন করে না বলে এরা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নোবেল গ্যাস হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। 
- এ মৌলগুলো প্রকৃতিতে খুবই কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
- মৌলগুলোর নিষ্ক্রিয়তার কারণ পরে আবিষ্কৃত হয়।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস আবিষ্কারের জন্য লর্ড রেলি (Lord Rayleigh) ও স্যার উইলিয়াম রামসে (Sir William Ramsay) কে ১৯০৪ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৪৩.
ইনসুলিন হচ্ছে একটি -
  1. ক) নিউক্লিক এসিড
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) অ্যামাইনো এসিড
  4. ঘ) গ্লুকোজ
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
ব্যাখ্যা

ইনসুলিন হচ্ছে এক ধরনের হরমোন যা অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত হয়।
- ইনসুলিন মূলত অ্যামিনাে অ্যাসিড নিয়ে গঠিত একটি সরল প্রােটিন।
- রক্তে চিনির পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে, অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন নির্গমন বৃদ্ধি করে দেয়।
- ইনসুলিন অনুতে ৪৮/৫১টি এমাইনো এসিড থাকে।

"A peptide is a short chain of amino acids. The amino acids in a peptide are connected to one another in a sequence by bonds called peptide bonds. Typically, peptides are distinguished from proteins by their shorter length, although the cut-off number of amino acids for defining a peptide and protein can be arbitrary."
Source: Nature.com

তাই প্রশ্নের ধরন অনুসারে,
সঠিক উত্তর - খ) প্রোটিন।
তবে, যদি অপশনে প্রোটিন না থাকে তাহলে "অ্যামাইনো এসিড" উত্তর হবে।

১২,০৪৪.
'ডুরালমিন' সংকর ধাতুর মধ্যে কোন উপাদান সর্বোচ্চ পরিমাণে থাকে?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. কপার
  3. ম্যাঙ্গানিজ
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
- 'ডুরালমিন' সংকর ধাতুর মধ্যে 'অ্যালুমিনিয়াম' উপাদান সর্বোচ্চ পরিমাণে থাকে যা শতকরা ৯৫ ভাগ। 

সংকর ধাতু: 

- বিভিন্ন ধাতু একত্রে মিশিয়ে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- এই সংকর ধাতু তৈরিতে সকল ধাতুকে সমান পরিমাণে মেশানো হয় না। 
- সংকর ধাতুর মধ্যে একটি থাকে প্ৰধান ধাতু এবং অন্য এক বা একাধিক পদার্থ থাকে অপ্রধান ধাতু বা অধাতু। 
যেমন - পিতলের মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং জিংক 35% থাকে। 
- প্রধান ধাতুর নাম অনুসারে সংকর ধাতুর নামকরণ করা হয়। 
যেমন- 
• স্টিলের মধ্যে লোহা প্রধান ধাতু এবং কার্বন অপ্রধান অধাতু। স্টিলে লোহা থাকে 99% এবং কার্বন থাকে 1% এজন্য স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়। 
• কাঁসার মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 90%, টিন থাকে 10%। এজন্য কাঁসা কপারের সংকর ধাতু। 
• আবার, পিতলে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং অপ্রধান ধাতু জিংক থাকে 35%। এজন্য পিতলও কপারের সংকর ধাতু। 
- কপারের দুইটি সংকর ধাতু আছে। যথা: পিতল (ব্রাস) ও কাঁসা (ব্রোঞ্জ)। 
 
 
উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,০৪৫.
আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রের নাম কী?
  1. লুব্ধক
  2. ধ্রুবতারা
  3. শুক্র গ্রহ
  4. সপ্তর্ষি
সঠিক উত্তর:
লুব্ধক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুব্ধক
ব্যাখ্যা

লুব্ধক:
- আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র লুব্ধক ।
- লুব্ধক পৃথিবীর আকাশের উজ্জ্বলতম তারা।
- লুব্ধক এত উজ্জ্বল দুটি কারণে- এর স্বকীয় উজ্জ্বলতা এবং এর অবস্থান পৃথিবীর খুবই নিকটে।
- এটি একটি জোড়া বা যুগ্মতারা।
- লুব্ধক বলতে মূলত 'সিরিয়াস' (Sirius) তারাটিকে বোঝায়।

তথ্যসূত্র - Britannic.com

১২,০৪৬.
কোলেস্টেরল দেহের কোথায় সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে?
  1. ত্বকে
  2. মগজে
  3. বৃক্কে
  4. পাকস্থলীতে
সঠিক উত্তর:
মগজে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মগজে
ব্যাখ্যা
কোলেস্টেরল: 
- কোলেস্টেরল এক বিশেষ ধরনের জটিল স্নেহ পদার্থ বা লিপিড এবং স্টেরয়েড -এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। 
- মানুষের প্রায় প্রত্যেক কোষ এবং টিস্যুতে কোলেস্টেরল থাকে। 
- যকৃত এবং মগজে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- কোলেস্টেরল অন্যান্য স্নেহ পদার্থের সাথে মিশে রক্তে স্নেহের বাহক হিসেবে কাজ করে। 
- স্নেহ এবং প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে। 
- স্নেহের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে লাইপোপ্রোটিন দুই রকম। 
যথা- 
১। উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (High Density Lipoprotein-HDL) এবং 
২। নিম্ন ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (Low Density Lipoprotein-LDL)। 

- রক্তের LDL-এর পরিমাণের বৃদ্ধির সাথে কোলেস্টেরলের আধিক্যের সম্পর্ক আছে। 
- রক্তে LDL-এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 
- রক্তে HDL -এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য উপকারী। 
- রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক পরিমাণ ১০০-২০০ mg/dl। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,০৪৭.
কোন ধরনের রক্ত কণিকার ‍নির্দিষ্ট কোন আকার নেই?
  1. ক) লোহিত কণিকা
  2. খ) শ্বেতকণিকা
  3. গ) অণুচক্রিকা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতকণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতকণিকা
ব্যাখ্যা
শ্বেতরক্তকণিকার  ‍নির্দিষ্ট কোন আকার নেই। 

- রক্তরসে উপস্থিত বর্ণহীন, বিভিন্ন আকৃতির নিউক্লিয়াসযুক্ত বৃহদাকৃতির রক্তকোশগুলিকে শ্বেতরক্তকণিকা বলে।

শ্বেত রক্ত কণিকা-
- শ্বেত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস আছে।
- শ্বেত রক্তকণিকার আকার অনিয়মিত ও বড়।
- শ্বেত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন নেই।
- শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা লোহিত রক্তকণিকার তুলনায় অনেক কম।
- শ্বেত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১২,০৪৮.
উৎপত্তি স্থান থেকে শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে যে বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দিয়ে প্রবাহিত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) নদী উপত্যকা
  2. খ) দোয়াব
  3. গ) নদীসংগম
  4. ঘ) অববাহিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) অববাহিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অববাহিকা
ব্যাখ্যা
- উৎপত্তি স্থান থেকে শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে যে বিস্তৃর্ণ অঞ্চল দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে নদী সমুদ্র বা হ্রদে পতিত হয় সেই সমগ্র অঞ্চলকে নদী অববাহিকা বলে।
- প্রবাহমান দুটো নদীর মধ্যবর্তী ভূমিকে দোয়াব বলা হয়।
- যে উপত্যকার মধ্য দিয়ে নদী প্রবাহিত হয় তাকে নদীর উপত্যকা বলা হয়।
- দুই বা ততোধিক নদীর মিলনস্থলকে নদীসংগম বলে।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১২,০৪৯.
বরফের আপেক্ষিক তাপ কোনটি?
  1. 2100 Jkg-1K-1
  2. 1400 Jkg-1K-1
  3. 2000 Jkg-1K-1
  4. 4200 Jkg-1K-1
সঠিক উত্তর:
2100 Jkg-1K-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2100 Jkg-1K-1
ব্যাখ্যা
- বরফের আপেক্ষিক তাপ হচ্ছে- 2100 Jkg-1K-1  । 

আপেক্ষিক তাপ (Specific Heat): 

- একই পদার্থের পরিমাণ বা ভর ভিন্ন হলে তাদের তাপধারণ ক্ষমতাও ভিন্ন হয়। 
যেমন- 0.5 kg পানির তাপ ধারণ ক্ষমতা থেকে 5 kg পানির তাপধারণ ক্ষমতা বেশি। 
- সমান ভরের ভিন্ন ভিন্ন পদার্থের তাপধারণ ক্ষমতার তুলনা করতে হলে সব ক্ষেত্রে ভরের পরিমাণ নির্দিষ্ট করতে হয়। তাই এক্ষেত্রে একক ভর বা 1 kg ভরের বস্তুর তাপধারণ ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়। 
- তাই 1 kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1 K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে। 
- আপেক্ষিক তাপের একক Jkg-1K-1
- সীসার আপেক্ষিক তাপ 130 Jkg-1K-1 বলতে বুঝায় 1 kg সীসার তাপমাত্রা 1 K বাড়াতে 130 J তাপের প্রয়োজন। 
- নিচে কয়েকটি পদার্থের আপেক্ষিক তাপ উল্লেখ করা হলো- 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৫০.
শক্তির কোন উৎসটি পরিবেশের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর?
  1. ক) ফসিল ফুয়েল
  2. খ) জিওথার্মাল
  3. গ) বায়োগ্যাস
  4. ঘ) জলবিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
ক) ফসিল ফুয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফসিল ফুয়েল
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তরে পরিবেশের উপর প্রভাবের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে ফসিল জ্বালানি বা তেল, গ্যাস এবং কয়লা। এই তিনটিতেই কার্বনের পরিমাণ অনেক বেশি এবং এগুলাে পুড়িয়ে যখন তাপশক্তি তৈরি হয় তখন কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়, যেটি একটি গ্রিনহাউস গ্যাস।
অর্থাৎ এই গ্যাস পৃথিবীতে তাপকে ধরে রাখতে পারে এবং এ কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যাচ্ছে, যেটি বৈশ্বিক উষ্ণতা নামে পরিচিত।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

১২,০৫১.
গোধূলির কারণ কি?
  1. প্রতিফলন
  2. প্রতিসরণ
  3. বিক্ষেপণ
  4. এর কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বিক্ষেপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্ষেপণ
ব্যাখ্যা
আলোর বিক্ষেপণ:
- গোধূলির প্রধান কারণ হলো আলোর বিক্ষেপণ।
- আলো কোন মাধ্যমে যাওয়ার পথে মাধ্যমের কণাগুলোর সাথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে দিক পরিবর্তন করে তাকে আলোর বিক্ষেপণ বলে। 
- সূর্যাস্তের সময় সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলে ভাসমান ধূলিকণা, পানিকণা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট বেগুনী, নীল, আসমানি প্রভৃতি বর্ণের বিক্ষেপণ বেশি ঘটে।
- আলোর বিক্ষেপণ এর ফলেই আকাশ নীল দেখায়। 
- সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় আকাশের খানিকটা অংশ গাড় লাল দেখায়।

অন্যদিকে -
• আলোর প্রতিফলন:
- আলো এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশকালে দুই মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হয়ে যদি পূর্বের মাধ্যমেই ফিরে আসে তবে তাকে আলোর প্রতিফলন বলে।

• আলোর প্রতিসরণ:
- আলোক রশ্মি যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করে, তখন মাধ্যমদ্বয়ের বিভেদতলে দিক পরিবর্তন করে। এ ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,০৫২.
৭৫ কেজি ওজন বিশিষ্ট একজন বয়স্ক মানুষের প্রতি মিনিটে কত বার শ্বাস-প্রশ্বাস সংঘটিত হয়?
  1. ৮ বার
  2. ১৬ বার
  3. ১২ বার
  4. ৬ বার
সঠিক উত্তর:
১২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বার
ব্যাখ্যা
শ্বাসক্রিয়া: 
- যে প্রক্রিয়ায় ফুসফুসে অক্সিজেন সমৃদ্ধ বায়ু প্রবেশ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড সমৃদ্ধ বায়ু ফুসফুস থেকে বের হয়ে যায় তাকে শ্বাসক্রিয়া (Breathing) বলে। 
- নির্দিষ্ট সময়ে যে আয়তনের বায়ু ফুসফুসের মধ্যে আসা-যাওয়া করে তাকে ফুসফুসীয় বায়ুপ্রবাহ বা পালমোনারি ভেন্টিলেশন বলে। 
- ৭৫ কেজি ওজন বিশিষ্ট বয়স্ক মানুষে প্রতি মিনিটে ১২ বার প্রশ্বাস-নিশ্বাস সংঘটিত হয়। 
- এ সময়ে ফুসফুসের মধ্যে প্রায় ৬ লিটার বায়ু আসা-যাওয়া করে। 
- বক্ষ ও উদর গহ্বরের মধ্যবর্তী পেশিক্ষয় অনুপ্রস্থ পর্দা (ডায়াফ্রাম) এবং পর্কাশুর ( Ribs) মধ্যবর্তী স্থানসমূহে বিদ্যমান ইন্টারকস্টাল পেশির যুগপৎ সংকোচন-শ্লথে শ্বসনক্রিয়া সংঘটিত হয়। 
- মানুষের শ্বসন কৌশল দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। 
যথা- 
(ক) শ্বাস গ্রহণ ও 
(খ) শ্বাস ত্যাগ। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৫৩.
কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে-
  1. সালফার
  2. কার্বন
  3. আর্গন
  4. সিলিকন
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক জ্বালানির উৎস:
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক জ্বালানির মধ্যে অন্যতম হলো প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা এবং পেট্রোলিয়াম। 
- এছাড়া রান্নার কাজে ব্যবহৃত কাঠের খড়ি, গাছের পাতা, পাটকাঠি, ধানের গুঁড়া এবং খড় বা গোবর দিয়ে তৈরি লাকড়ি, এগুলোকেও প্রাকৃতিক জ্বালানি হিসেবে গণ্য করা যায়।
 
• কয়লা:
কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের একধরনের পাললিক শিলা। এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন। তবে স্থানভেদে এতে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H2), সালফার (S), অক্সিজেন (02) কিংবা নাইট্রোজেন (N2) থাকে।
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে।
- প্রাকৃতিক গ্যাস আর খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে।
- গাছপালায় বিদ্যমান জৈব পদার্থে থাকা কার্বন প্রথমে জলাভূমির তলদেশে জমা হয়। এভাবে জমা হওয়া কার্বনের স্তর আস্তে আস্তে পলি বা কাদার নিচে চাপা পড়ে যায় এবং বাতাসের সংস্পর্শ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এরকম অবস্থায় কার্বনের স্তর আরও ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত, স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)। পিট অনেকটা হিউমাসের মতো পদার্থ।
- পরবর্তী সময়ে উচ্চ চাপে ও তাপে এই পিট পরিবর্তিত হয়ে কার্বনসমৃদ্ধ কয়লায় পরিণত হয়।
- কয়লা তিন রকমের হয়। যেমন: অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস এবং লিগনাইট।

উৎস: বিজ্ঞান- নবম ও দশম শ্রেণি।

১২,০৫৪.
লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) উৎপন্ন হয়:
  1. কক্ষ তাপমাত্রায় চাপ বাড়িয়ে
  2. প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে
  3. প্রাকৃতিক গ্যাসকে পানির সাথে মিশিয়ে
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস ধীরে ধীরে জ্বালিয়ে
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করে
ব্যাখ্যা

• লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস বা এলএনজি উৎপন্ন হয় প্রাকৃতিক গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করার মাধ্যমে, যা (খ) অপশনে উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাসকে প্রায় মাইনাস ১৬২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় শীতল করা হলে তা তরল অবস্থায় পরিণত হয়। এই প্রক্রিয়ায় গ্যাসের আয়তন প্রায় ৬০০ গুণ কমে যায়, ফলে সংরক্ষণ ও পরিবহন অনেক সহজ হয়। কক্ষ তাপমাত্রায় শুধু চাপ বাড়িয়ে এলএনজি তৈরি করা যায় না। একইভাবে পানির সাথে মেশানো বা গ্যাস জ্বালিয়ে এলএনজি উৎপন্ন করা অসম্ভব। তাই সঠিক উত্তর হলো অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় ঠান্ডা করা।
 
প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস। 
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ। 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ। 
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস। 
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,০৫৫.
অ্যাটমের ভরসংখ্যা বলতে কী বোঝায়?
  1. প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টি
  2. ইলেকট্রনের সংখ্যা
  3. নিউট্রনের সংখ্যা
  4. প্রোটনের সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও নিউট্রনের সমষ্টি
ব্যাখ্যা

পারমাণবিক সংখ্যা: 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটনের অবস্থান। 
- কোনো একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে যত সংখ্যক প্রোটন থাকে, প্রোটনের সেই সর্বমোট সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে। 
- একে 'Z' দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- 1913 খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী মোসলে সর্বপ্রথম পারমাণবিক সংখ্যা নির্ণয়ের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। 
- অক্সিজেনের পারমাণবিক সংখ্যা, Z = 8. সুতরাং অক্সিজেন নিউক্লিয়াসে 8 টি প্রোটন আছে। 

পারমাণবিক ভর সংখ্যা: 
- পারমাণবিক ভর সংখ্যা বলতে পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত নিউট্রন এবং প্রোটনের সমষ্টির সংখ্যাকে বোঝানো হয়। 
- একে নিউক্লিয়ন সংখ্যাও বলে। 
- সুতরাং, পারমাণবিক ভর সংখ্যা = (প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা)। 
- যেমন- কার্বনের পারমাণবিক ভর সংখ্যা 12 বলতে বোঝায় কার্বন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে 6 টি প্রোটন এবং 6 টি নিউট্রন আছে। 
- পারমাণবিক ভর সংখ্যাকে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
অর্থাৎ, A = (P + n)। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,০৫৬.
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে শব্দের বেগ-
  1. বাড়ে
  2. কমে
  3. স্থির থাকে
  4. শূন্য হয়ে যায়
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা
তাপমাত্রা বাড়লে মাধ্যমের ঘনত্ব কমে, ফলে শব্দের বেগ বাড়ে-
১. শীতকালের চেয়ে গ্রীষ্মকালে শব্দের বেগ বেশি
২. রাতের বেলার চেয়ে দিনের বেলায় শব্দের বেগ বেশি
বাতাসের আর্দ্রতা/জলীয় বাষ্প বেড়ে গেলে বাতাসের ঘনত্ব কমে, ফলে শব্দের বেগ বেড়ে যায়-
১. এক পশলা বৃষ্টির পর বাতাসের আর্দ্রতা/জলীয় বাষ্প বেড়ে যায়, ফলে শব্দের বেগ বেড়ে যায়। এই কারণে বর্ষাকালে জোরে শব্দ শোনা যায়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,০৫৭.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা -
  1. ৩৭০ কিলোমিটার
  2. ৩৪৫ কিলোমিটার
  3. ৩২০ কিলোমিটার
  4. ২০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৩৭০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০ কিলোমিটার।

১ নটিক্যাল মাইল =১.৮৫৩ কিলোমিটার ।

সেই হিসাবে অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা দৈর্ঘ্য ৩৭০.৪ কিলোমিটার ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম দশম শ্রেণি

১২,০৫৮.
H+ সংকেত দ্বারা পরমাণুর কোন কণিকা বুঝায়?
  1. প্রোটন
  2. নিউট্রন
  3. নিউট্রিনো
  4. ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
ব্যাখ্যা
পরমাণুর মৌলিক কণিকাসমূহ: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মৌলিক কণিকাগুলো হলো- ১. ইলেকট্রন ২. প্রোটন ও ৩. নিউট্রন। 

প্রোটন (Proton): 
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা। 
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে। 
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়। 
- ইহার সংকেত H+ .
- প্রোটনের আরেকটি সংকেত P.
- প্রোটনের আসল ভর 1.67×10-24 g ও আধান 1.60× 10-19 C. 
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান। 
- প্রোটনের আপেক্ষিক আধান +1.
- প্রোটনের আপেক্ষিক ভর 1 একক। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৫৯.
দিক নির্ণায়ক কম্পাসে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) স্থায়ী চুম্বক
  2. খ) বৈদ্যুতিক চুম্বক
  3. গ) অস্থায়ী চুম্বক
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) স্থায়ী চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা

যে সকল চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে নষ্ট হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে।
স্থায়ী চুম্বকের ব্যবহারঃ
চৌম্বক কম্পাস বা দিকদর্শন যন্ত্র: সমুদ্রে জাহাজ নিয়ন্ত্রণের জন্য চৌম্বক কম্পাস বহু শতাব্দী ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি নৌবাহবিজ্ঞানের (Navigation) অন্তর্ভূক্ত একটি যন্ত্র।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১২,০৬০.
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ঘঠে কোন তত্তের মধ্য দিয়ে?
  1. আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  2. হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা তত্ত্ব
  3. প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  4. ব্ল্যাকহোল তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা ঘঠে প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্তের মাধ্যমে।

প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব:
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। যা পদার্থের শক্তি এবং রশ্মির কোয়ান্টাইজেশনের ধারণা নিয়ে আসে। 
- এটি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেড়িয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেজ আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রং এর আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে।
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- এই তত্ত্বের সাহায্যে কৃষ্ণবস্তু বিকিরণ, ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করা যায়।
- কিন্তু আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন, সমবর্তন ব্যাখ্যা করা যায় না।

উল্লেখ্য,
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা দেন।

উৎস:
১.পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি,
২. ব্রিটানিকা।

১২,০৬১.
মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথ দুইটির মাঝামাঝি অবস্থানে যে গ্যাসীয় পদার্থসমূহের বলয় রয়েছে তা কী নামে পরিচিত?
  1. উল্কা
  2. গ্রহাণুপুঞ্জ
  3. নক্ষত্র
  4. ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
গ্রহাণুপুঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহাণুপুঞ্জ
ব্যাখ্যা
গ্রহাণুপুঞ্জ (Asteroids):
- মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথ দুইটির মাঝামাঝি অবস্থানে গ্রহাণুপুঞ্জ রয়েছে।
- সৌরজগতে মঙ্গল ও বৃহস্পতি এই দুইটি গ্রহের মধ্যবর্তী অংশে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রহ একত্রে পূঞ্জীভূত হয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
- এগুলোকে একত্রে গ্রহাণুপুঞ্জ বলে।
- গ্রহাণুপুঞ্জসমূহ একটি বলয়ের মতো ঘিরে থাকে, যা গ্রহাণুপুঞ্জ বলয় নামে অভিহিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৬২.
অক্সিহিমোগ্লোবিন ভেঙ্গে অক্সিজেন কোষে কোন প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করে? 
  1. অভিস্রবণ
  2. পরিবহন
  3. ব্যাপন
  4. নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
ব্যাখ্যা
অক্সিজেন পরিবহন (Transportation of Oxygen): 
- রক্তের মাধ্যমে দু'ভাবে কোষে অক্সিজেন পরিবাহিত হয়। 
- ৯৭-৯৮% অক্সিজেন পরিবাহিত হয় লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিনের সাথে রাসায়নিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন হিসেবে এবং ২-৩% পরিবাহিত হয় প্লাজমায় দ্রবীভূত হয়ে। 
- প্রতিটি হিমোগ্লোবিন অণু ৪টি লৌহ যুক্ত হিম ও ৪টি গ্লোবিনের সমন্বয়ে গঠিত। 
- একটি করে লৌহ অণু প্রতিটি হিম গ্রুপের কেন্দ্রে অবস্থান করে এবং প্রতিটি লৌহ অণুর সাথে একটি করে অক্সিজেন অণুযুক্ত হতে পারে। ফলে একটি হিমোগ্লোবিন অণু একই সাথে ৪টি অক্সিজেন অণুর সাথে যুক্ত হতে পারে। 
- অক্সিজেনের সাথে হিমোগ্লোবিনের রাসায়নিক বিক্রিয়া উভমুখী। 
• Hb4 + 4O2 ⇔ 4HbO
হিমোগ্লোবিন + অক্সিজেন ⇔ অক্সিহিমোগ্লোবিন 
- হিমোগ্লোবিনের সাথে অক্সিজেন এর পরিমাণ বেশি থাকলে অক্সিজেন ও হিমোগ্লোবিন মিলে HbO2 তৈরি করবে। আবার অক্সিজেনের পরিমাণ যেখানে কম সেখানে HbO2 ভেঙ্গে অক্সিজেন এবং হিমোগ্লোবিন পৃথক হবে। 
- ফুসফুসে অ্যালভিওলাসের প্রাচীর গাত্রের কৈশিক জালকে অক্সিজেন এর পরিমাণ বেশি। ফলে অক্সিজেন এবং Hb4 যুক্ত হয়ে HbO2 উৎপন্ন করে এবং সংবহনতন্ত্রের মাধ্যমে পরিবাহিত হয়ে দেহকোষের কাছে আসে। 
- দেহকোষে যেহেতু অক্সিজেনের পরিমাণ কম তাই HbO2 ভেঙ্গে অক্সিজেন মুক্ত হয়ে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কোষে প্রবেশ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৬৩.
তেজস্ক্রিয়তা প্রথম আবিষ্কার করেন কে? 
  1. মার্কো পলো 
  2. হেনরী বেকেরেল 
  3. আলবার্ট আইনস্টাইন 
  4. আইজ্যাক নিউটন 
সঠিক উত্তর:
হেনরী বেকেরেল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরী বেকেরেল 
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। যেমন- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল (Henry Becquerel) আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় 'বেকেরেল রশ্মি'। 
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। 
যথা- 
১। প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা: 
- কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফুর্ত ভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

২। কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা: 
- কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য: 
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত রশ্মি পর্যবেক্ষণ করে নিম্নলিখিত তথ্যগুলো পাওয়া যায়। 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা (α), বিটা কণিকা (β) ও গামা রশ্মি (γ)নির্গত হয়। 
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। 
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,০৬৪.
কোন প্রক্রিয়ায় মাতৃকোষ সরাসরি বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য কোষ তৈরি হয়? 
  1. খণ্ডায়ন 
  2. দ্বিভাজন প্রক্রিয়া 
  3. কুঁড়ি বা বাড উৎপাদন 
  4. অযৌন রেণু সৃষ্টি 
সঠিক উত্তর:
দ্বিভাজন প্রক্রিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিভাজন প্রক্রিয়া 
ব্যাখ্যা

অযৌন জনন: 
- দুটি গ্যামিটের মিলন ছাড়া অন্য উপায়েও জনন হতে পারে। 
- পুংগ্যামিট ও স্ত্রী গ্যামিটের মিলন ছাড়া উদ্ভিদে যে প্রজনন ঘটে তাকে অযৌন জনন বলে।  
- অযৌন জনন বিভিন্নভাবে হতে পারে। 
যথা - 
১। দ্বিভাজন প্রক্রিয়া: 
- ব্যাকটেরিয়া ও কয়েক প্রকার এককোষী শৈবালের ক্ষেত্রে মাতৃকোষটি সরাসরি বিভাজিত হয়ে দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে। 
- প্রতিটি অপত্য কোষ বৃদ্ধি পেয়ে পুর্ণাঙ্গ কোষে পরিণত হয়। 

২। কুঁড়ি বা বাড (Bud) উৎপাদনের মাধ্যমে: 
- এককোষী ছত্রাকের মাতৃকোষ হতে এক বা একাধিক কুঁড়ি বা বাড় উৎপন্ন হয়। 
- কুঁড়িগুলো মাতৃকোষ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অপত্য কোষে পরিণত হয়। 

৩। অযৌন রেণু বা স্পোর সৃষ্টির মাধ্যমে: 
- নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদে স্পোর বা রেণুর মাধ্যমে অযৌন জনন ঘটে। 
যেমন- শৈবাল, ছত্রাক, মস, ফার্ণ ইত্যাদি। 
- কিছু কিছু শৈবালে চলরেণু বা জুস্পোর (Zoospore) সৃষ্টির মাধমে মাতৃ উদ্ভিদের অনুরূপ উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়। 
যেমন- Trentepohlia, Oedogonium, Vaucheria, Chaetophora, Ulothrix ইত্যাদি। 

৪। খণ্ডায়নের মাধ্যমে: 
- কিছু কিছু সূত্রাকর শৈবাল স্রোত বা আঘাতজনিত কারণে অনেকগুলো খণ্ডে বিভক্ত হয়। 
- পরে প্রতিটি খণ্ড বিভাজনের মাধ্যমে অপত্য উদ্ভিদদেহে পরিণত হয়। 
উদাহরণ- Spirogyra, Oscillatoria ইত্যাদি শৈবাল। 

৫। দেহ অঙ্গের মাধ্যমে: 
- দেহ অঙ্গের মাধ্যমেও অযৌন জনন ঘটে। 
- এ ধরনের অযৌন জননকে অঙ্গজ জননও বলা হয়। 
- এটা আবার দু'ভাবে হয়। 
যথা- (ক) স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন এবং (খ) কৃত্রিম উপায়ে অঙ্গজ জনন। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,০৬৫.
কয়লা কোন ধরনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. হাইড্রোজেন জ্বালানি
  2. তেজস্ক্রিয় জ্বালানি
  3. পুনর্নবীকরণযোগ্য জ্বালানি
  4. জীবাশ্ম জ্বালানি
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্ম জ্বালানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবাশ্ম জ্বালানি
ব্যাখ্যা

কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের একধরনের পাললিক শিলা। 
- এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন। তবে স্থানভেদে এতে ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H2), সালফার (S), অক্সিজেন (O2) কিংবা নাইট্রোজেন (N2) থাকে। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস আর খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা
- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে।
- গাছপালায় বিদ্যমান জৈব পদার্থে থাকা কার্বন প্রথমে জলাভূমির তলদেশে জমা হয়। এভাবে জমা হওয়া কার্বনের স্তর আস্তে আস্তে পলি বা কাদার নিচে চাপা পড়ে যায় এবং বাতাসের সংস্পর্শ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এরকম অবস্থায় কার্বনের স্তর আরও ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত, স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)।
- পিট অনেকটা হিউমাসের মতো পদার্থ।
- পরবর্তীসময়ে উচ্চ চাপে ও তাপে এই পিট পরিবর্তিত হয়ে কার্বনসমৃদ্ধ কয়লায় পরিণত হয়।

- কয়লা কয়েক রকমের হয়ে থাকে। 
যেমন- অ্যানথ্রাসাইট, বিটুমিনাস এবং লিগনাইট। 
- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো আর এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,০৬৬.
ঘর্মাক্ত দেহে পাখার বাতাস আরাম দেয় কেন?
  1. গায়ের ঘাম বের হতে দেয় না
  2. বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
  3. পাখার বাতাস শীতল জলীয়বাষ্প ধারণ করে
  4. পাখার বাতাস সরাসরি লোমকূপ দিয়ে শরীরে ঢুকে যায়
সঠিক উত্তর:
বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাষ্পায়ন শীতলতার সৃষ্টি করে
ব্যাখ্যা
- আমাদের দেহের স্বাচ্ছন্দবোধ অনেকাংশে বায়ুর আর্দ্রতার উপর নির্ভর করে। 
- হাঁটা-চলা, কাজে কর্মে বা পরিশ্রান্ত হলে বা শরীরের ভেতরের গরমের কারণে দেহে ঘামের সৃষ্টি হয়। 
- ঘাম মূলত শরীরের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা জলকণা। 
- দেহের সংস্পর্শে আসা বাতাস ও দেহ থেকে সুপ্ত তাপ গ্রহণ করে এই জলকণা বাষ্পায়িত হয় ফলে আমাদের দেহ বা শরীর ঠান্ডা বা শীতলতা অনুভব করে ফলে আমরা আরাম বা স্বচ্ছন্দ বোধ করি। 
- কিন্তু গ্রীষ্মকালে ও বর্ষাকালে বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকায় বাষ্পায়ন খুব কম হয় বা হয় না বললেই চলে ফলে দেহের ঘাম শুকায় না এবং দেহে অস্বস্তি বোধ হয় বা আমরা স্বচ্ছন্দ বোধ করি না। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৬৭.
​পরমাণুর কেন্দ্রে কোন কণিকাগুলো অবস্থান করে? 
  1. ইলেকট্রন ও প্রোটন 
  2. প্রোটন ও নিউট্রন 
  3. ইলেকট্রন ও নিউট্রন 
  4. প্রোটন, নিউট্রন ও ইলেকট্রন 
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও নিউট্রন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও নিউট্রন 
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
​- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- 
১। ইলেকট্রন, 
২। প্রোটন ও 
৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রকে নিউক্লিয়াস বলা হয়। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,০৬৮.
তড়িৎ রাসায়নিক কোষে ব্যবহৃত ধাতব বা গ্রাফাইট দণ্ডকে কী বলা হয়? 
  1. রেজিস্টার 
  2. ইলেকট্রন 
  3. ইলেকট্রোড 
  4. ক্যাপাসিটর 
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোড 
ব্যাখ্যা

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ (Electrochemical cell): 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে রাসায়নিক শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে অথবা বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানো হয় তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষে একই বা দুইটি ভিন্ন তড়িৎ বিশ্লেষ্যের দ্রবণে দুইটি ধাতব দণ্ড বা একটি ধাতব দণ্ড ও একটি গ্রাফাইট দণ্ড আংশিক ডুবানো থাকে। 
- অতঃপর দণ্ড দুটিকে একটি ধাতব তার দিয়ে সরাসরি বা ব্যাটারির মাধ্যমে সংযোগ দেওয়া হয়। 
- কোষে ব্যবহৃত ধাতব দণ্ড বা গ্রাফাইট দণ্ডকে তড়িৎদ্বার বা ইলেকট্রোড (Electrode) বলা হয়। 
- তড়িৎ রাসায়নিক কোষ দুই প্রকার। 
যথা- 
১। তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ (Electrolytic Cell): 
- যে কোষে বাইরের কোনো উৎস থেকে তড়িৎ প্রবাহিত করে কোষের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানো যায় সেই কোষকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ বলে। 

২। গ্যালভানিক কোষ (Gavlanic Cell): 
- যে কোষে রাসায়নিক পদার্থসমূহ বিক্রিয়া করে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে সেই কোষকে গ্যালভানিক কোষ বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,০৬৯.
শহরের রাস্তায় ট্রাফিক লাইট যে ক্রম অনুসারে জ্বলে তা হলো -
  1. লাল-সবুজ-হলুদ-লাল-সবুজ
  2. লাল-হলুদ-সবুজ-লাল-হলুদ
  3. লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
  4. লাল-হলুদ-লাল-সবুজ-হলুদ
সঠিক উত্তর:
লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
ব্যাখ্যা
- শহরের রাস্তায় ট্রাফিক লাইট যে ক্রম অনুসারে জ্বলে তা হলো: লাল-হলুদ-সবুজ- হলুদ-লাল।
- ট্রাফিক সিগন্যালে লাল মানে থামতে হবে।
- হলুদ বাতি জ্বলে উঠলে নিতে হবে যাত্রার প্রস্তুতি। অর্থাৎ আরও কিছু সময় অপেক্ষা করার পরই যাত্রা শুরু নির্দেশক হলুদ আলো।
- আর সবুজ বাতি জ্বলে উঠলেই এগিয়ে যেতে হবে।
- চলন্ত অবস্থায় হলুদ বাতি জ্বলে উঠলে গতি কমিয়ে থামানোর প্রস্তুতি নিতে হবে।
- লালবাতি জ্বলে উঠলে থামতে হবে।

উৎস: সময় নিউজ রিপোর্ট। [Link]
১২,০৭০.
বিশাল খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকালে দিগন্তরেখার আকৃতি কীরূপ দেখা যায়?
  1. ক) বৃত্তাকার
  2. খ) সরলরেখার ন্যায়
  3. গ) উপবৃত্তাকার
  4. ঘ) চ্যাপ্টাকৃতির
সঠিক উত্তর:
ক) বৃত্তাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বৃত্তাকার
ব্যাখ্যা
- বিশাল খোলা মাঠে বা সমুদ্রের তীরে দাঁড়িয়ে চারিদিকে তাকালে মনে হয় আকাশ ও ভূ-পৃষ্ঠ (পৃথিবীর উপরিভাগ) একটি বৃত্তাকার রেখায় মিশে গেছে। 
- এ বৃত্ত রেখার নাম দিগন্তরেখা। 
- পর্বতের উপরে বা প্লেনে যত উপরে উঠা যায়, ততই দিগন্ত রেখার পরিধি বৃদ্ধি পেলেও এর আকার বৃত্তাকার থাকে। 
- পৃথিবী গোলাকৃতির না হলে এরূপ হতো না।
 
উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২,০৭১.
নিচের কোনটি নোবেল গ্যাস?
  1. হাইড্রোজেন
  2. নিয়ন 
  3. অক্সিজেন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
নিয়ন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ন 
ব্যাখ্যা

পর্যায় সারণির ১৮ নম্বর গ্রুপের মৌলগুলোকে নোবেল গ্যাস বা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়। নিয়ন (Ne) হলো একটি নোবেল গ্যাস।
- এই গ্যাসগুলো রাসায়নিকভাবে অত্যন্ত নিষ্ক্রিয় কারণ এদের ইলেকট্রন বিন্যাস অত্যন্ত স্থিতিশীল।

• নিষ্ক্রিয় গ্যাস:
- পর্যায় সারণির যেসব মৌলের পরমাণু সমূহ ইলেকট্রন আদান, প্রদান বা শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন গঠন করে না তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়। 
- যৌগ গঠন না করার বৈশিষ্ট্যের কারণে এদেরকে নোবেল গ্যাস বলা হয়। 

পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৮ এর মৌল গুলোকে বলা হয় নিষ্ক্রিয় গ্যাস। এ গ্রুপের মৌল গুলো হলো—
- হিলিয়াম (He),
- নিয়ন (Ne), 
- আর্গন (Ar), 
- ক্রিপটন (Kr), 
- জেনন (Xe), 
- রেডন (Rn), 
- ওগানেসন (Og)।

- এগুলোর মধ্যে প্রথম ৬টি প্রকৃতিতে প্রাপ্ত।
- ওগানেসন (Og) পরীক্ষাগারে তৈরি এবং তেজস্ক্রিয়।

• গ্রুপ ১৮ এর মৌল অর্থাৎ নিষ্ক্রিয় গ্যাস গুলোকে বলা হয় নোবেল গ্যাস।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।

১২,০৭২.
করোনা ভাইরাস ভেরিয়েন্ট 'B.1.617.2' কী নামে পরিচিত?
  1. ক) গামা
  2. খ) ডেল্টা
  3. গ) আলফা
  4. ঘ) ওমিক্রন
সঠিক উত্তর:
খ) ডেল্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডেল্টা
ব্যাখ্যা
- ডেল্টা ভেরিয়েন্ট এর অপর নাম B.1.617.2 .
- এই ভেরিয়েন্ট ভারতে প্রথম সনাক্ত হয় এবং আরো প্রায় ৬০টি দেশে এই ভেরিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। 
- অন্য যে কোন ভেরিয়েন্ট এর তুলনায় এটি ছিল সবচেয়ে বেশি সংক্রামক । 
 
Alpha, B.1.1.7, first seen in the United Kingdom. Designated on Dec. 18, 2020.
Beta,  B.1.351, first seen in South Africa. Designated on Dec. 18, 2020.
Gamma, P.1, first seen in Brazil. Designated on Jan. 11, 2021.
Delta, B.1.617.2, first seen in India. Designated on May 11, 2021.
Omicron, B.1.1.529, seen in multiple countries. Designated on Nov. 26, 2021.

উৎস : cdc.gov, www.aarp.org, পত্রিকা রিপোর্ট।
১২,০৭৩.
মিথেন গ্যাসকে অক্সিজেনের সংস্পর্শে পোড়ালে নিচের কোন গ্যাসটি উৎপন্ন হয়?
  1. সালফার ডাই অক্সাইড
  2. কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. কার্বন মনোক্সাইড
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই।
১২,০৭৪.
ইলেকট্রনের আধানের ধর্ম কী?
  1. ধনাত্মক
  2. ঋণাত্মক
  3. নিরপেক্ষ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋণাত্মক
ব্যাখ্যা
• সকল পদার্থের পরমাণু হাইড্রোজেন ছাড়া তিনটি কণা দিয়ে তৈরি।
- সেগুলো হচ্ছে ইলেকট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন। এই কণাগুলোকে পরমাণুর সাংগঠনিক (fundmental) বা মৌলিক কণা বলে।
- পরমাণুর কেন্দ্রে বা নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে এবং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে ঘিরে ঘুরতে থাকে।

• ইলেকট্রন:
- ইলেকট্রন হলো পরমাণুর একটি মৌলিক কণিকা যার আধান বা চার্জ ঋণাত্মক (নেগেটিভ)।
- এ আধানের পরিমাণ - 1.6 × 10- 19 কুলম্ব। একে e প্রতীক দিয়ে প্রকাশ করা হয়। একটি ইলেকট্রনের ভর 9.11 × 10- 28 g।
- ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান -1 ধরা হয় এবং এর ভর প্রোটন ও নিউট্রনের ভরের তুলনায় 1840 গুণ কম। তাই এর আপেক্ষিক ভরকে শূন্য ধরা হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১২,০৭৫.
একটি দ্রবণের pH মান কিসের ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদম?
  1. জলীয় অণু (H2O)
  2. হাইড্রোজেন আয়ন (H+)
  3. হাইড্রোক্সাইড আয়ন (OH-)
  4. ক্লোরাইড আয়ন (Cl-)
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন আয়ন (H+)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন আয়ন (H+)
ব্যাখ্যা

একটি দ্রবণের pH মান হলো হাইড্রোজেন আয়ন (H+) ঘনত্বের ঋণাত্মক লগারিদম।

pH স্কেল:
-কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়।
- কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন।
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়।
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+)-এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+)-এর ঘনমাত্রার ঋনাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের PH বলে। অর্থাৎ, pH = -log[H+]
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়।
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে।
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি নিরপেক্ষ হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,০৭৬.
ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য তার যে গঠন দায়ী তা হলো—
  1. ক) পিল্লি
  2. খ) ফ্লাজেলা
  3. গ) শীথ
  4. ঘ) ক্যাপসুলস
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্লাজেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্লাজেলা
ব্যাখ্যা
- ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে।
-  ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্যাজেলা গঠিত ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে। 
- ফ্ল্যাজেলা অপেক্ষা খাটো ও শক্ত উপাঙ্গকে পিলি বলে। পিলি পিলিন নামক এক প্রকার প্রোটিন দিয়ে গঠিত। ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে। 
ক্যাপসিউল পলিস্যাকারাইড বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি স্তর, যা ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের দিকে থাকে। এটি কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে। একে স্লাইম স্তরও বলা হয়।এটি ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২,০৭৭.
'বাঁধাকপি'তে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?
  1. ভিটামিন এ
  2. ভিটামিন বি
  3. ভিটামিন সি
  4. ভিটামিন ডি 
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন সি
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ভিটামিনের উৎস:
- ভিটামিন এ - দুধ, মাখন, চর্বি, ডিম, গাজর, আম, কাঁঠাল, রঙিন শাকসবজি, মলা মাছ ইত্যাদি।
- ভিটামিন বি - ঈস্ট, ঢেঁকিছাঁটা চাল, আটা, অঙ্কুরিত ছোলা, মুগডাল, মটর, ফুলকপি, চিনাবাদাম, শিমের বীচি, কলিজা, হৃদ্পিণ্ড, দুধ, ডিম, মাংস, সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি ।
- ভিটামিন সি - পেয়ারা, বাতাবী লেবু, কামরাঙা, কমলা, আমড়া, বাঁধাকপি, টমেটো, আনারস, কাঁচামরিচ, তাজা শাকসবজি ইত্যাদি।
- ভিটামিন ডি - ডিম, দুধ, কলিজা, দুগ্ধজাত দ্রব্য, মাছের তেল, ভোজ্য তেল ইত্যাদি।
- উপরে উল্লিখিত সকল খাবার হতে ভিটামিন 'ই' ও ভিটামিন 'কে' পাওয়া যায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৭৮.
কোন ধরনের যৌগ টলেন বিকারকের উপস্থিতিতে চিহ্নিত হয়? 
  1. অ্যালডিহাইড
  2. কার্বোক্সিলিক এসিড
  3. কিটোন
  4. অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
অ্যালডিহাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালডিহাইড
ব্যাখ্যা

• টলেন বিকারক হলো একটি রাসায়নিক পদার্থ যা বিশেষ করে কার্বনিল সমৃদ্ধ যৌগগুলোর উপস্থিতি শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত একটি জার্নিক নীল আয়রন (Tollens’ reagent) যা অয়ন আকারে থাকে। টলেন বিকারক অ্যালডিহাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে তাত্ক্ষণিকভাবে একটি ধাতব রূপে চাদরের মতো চকমকান সিলভার (silver mirror) সৃষ্টি করে। এই প্রতিক্রিয়াটি হয় অ্যালডিহাইডের অক্সিকরণ এবং সিলভার আয়নের হ্রাস দ্বারা। তবে কার্বোক্সিলিক অ্যাসিড, কিটোন বা অ্যালকোহল সাধারণভাবে টলেন বিকারকের সঙ্গে এই ধরণের ধাতব চাদর উৎপন্ন করতে পারে না। সুতরাং, টলেন বিকারক বিশেষভাবে অ্যালডিহাইড চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়।

টলেন বিকারক:
- অতিরিক্ত NH4OH দ্রবণে AgNO3 যোগ করলে যে বর্ণহীন দ্রবণ উৎপন্ন হয় তাকে টলেন বিকারক বলা হয়। এতে [Ag(NH3)2]+ আয়ন থাকে। এটি একটি মৃদু জারক।
AgNO3 + NH4OH→ [Ag(NH3)2]OH + NH4NO3 + H2O

টলেন বিকারকসহ অ্যালডিহাইডকে একটি কাঁচের টেস্টটিউবে উত্তপ্ত করলে টেস্টটিউবের গায়ে কাঁচের মত ধাতব সিলভারের প্রলেপ পড়ে দর্পণের মত দেখায়। ইহাকে সিলভার দর্পন বলে। কিটোন এ বিক্রিয়া প্রদর্শন করে না। এ বিক্রিয়াটি তাই অ্যালডিহাইড শনাক্তকরণের বিক্রিয়া।
CH3CHO (অ্যালডিহাইড) + 2[Ag(NH3)2] OH→ H3C-COONH4 + 2Ag↓ + 3NH3↑ + H2O

এছাড়াও, অ্যালডিহাইড শনাক্তকরণে ফেহলিং দ্রবণ ব্যাবহার করা হয়। 

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- অ্যালকোহল - অ্যাসিটাইল ক্লোরাইড পরীক্ষা অথবা লুকাস বিকারক দ্বারা অ্যালকোহল শনাক্তকরণ পরীক্ষা করা হয়। 
-  কিটোন - আইডোফর্ম টেস্ট অথবা 2,4-ডাইনাইট্রোফিনাইলহাইড্রাজিন (2,4-DNPH) টেস্ট দ্বারা কিটোন শনাক্ত করা হয়। 
- কার্বোক্সিলিক এসিড - সোডিয়াম বাইকার্বোনেট টেস্ট দ্বারা শনাক্ত করা হয়। 

উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১২,০৭৯.
তাপমাত্রার এস আই একক কোনটি?
  1. ক) সেলসিয়াস
  2. খ) রোমার
  3. গ) কেলভিন
  4. ঘ) ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
গ) কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কেলভিন
ব্যাখ্যা
সেন্টিগ্রেড বা সেলসিয়াস, কেলভিন, রোমার, ফারেনহাইট ইত্যাদি তাপমাত্রা পরিমাপের বিভিন্ন একক হলেও তাপমাত্রার এস আই একক হল কেলভিন।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,০৮০.
সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ত্বকের কোন অংশ থেকে ভিটামিন 'ডি' তৈরি হয়?
  1. ক) এনড্রোজেন
  2. খ) ইস্ট্রোজেন
  3. গ) কোলেস্টেরল
  4. ঘ) মিনারেল
সঠিক উত্তর:
গ) কোলেস্টেরল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কোলেস্টেরল
ব্যাখ্যা
কোলেস্টেরল হাইড্রোকার্বন কোলেস্টেইন (Cholestane) থেকে উৎপন্ন একটি যৌগ। 
উচ্চশ্রেণির প্রাণিজ কোষের এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
কোলেস্টেরল লিপোপ্রোটিন নামক যৌগ সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তে প্রবাহিত হয়। 
 
কোলেস্টেরল কোষপ্রাচীর তৈরি এবং রক্ষার কাজ করে। 
প্রতিটি কোষের ভেদ্যতা (Permeability) নির্ণয় করে বিভিন্ন দ্রব্যাদি কোষে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে। 
মানবদেহের জনন হরমোন এনড্রোজেন ও ইস্ট্রোজেন তৈরিতে সাহায্য করে। 
অ্যাডরেনাল গ্রন্থির হরমোন ও পিত্তরস তৈরিতে কোলেস্টেরলের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। কোলেস্টেরল পিত্ত তৈরি করে। 
 
সূর্যালোকের উপস্থিতিতে চামড়ার কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন 'ডি' তৈরি হয়, যা রক্তের মাধ্যমে কিডনিতে গিয়ে ভিটামিন 'ডি'র কার্যকর রূপে পরিণত হয় এবং আবার রক্তে ফিরে আসে। 
কোলেস্টেরল মাত্রা দেহের চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিনকে (এ, ডি, ই এবং কে) বিপাকে সহায়তা করে।
স্নায়ুকোষের কার্যকারিতার জন্য কোলেস্টেরল প্রয়োজন। দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সাথে কোলেস্টেরল ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান বোর্ড বই। 
১২,০৮১.
জরায়ুর মধ্যে ভ্রূণের মৃত্যু হতে পারে -
  1. ক) ভিটামিন A এর অভাবে
  2. খ) ভিটামিন C এর অভাবে
  3. গ) ভিটামিন D এর অভাবে
  4. ঘ) ভিটামিন E এর অভাবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন E এর অভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন E এর অভাবে
ব্যাখ্যা
 -জরায়ুর মধ্যে ভ্রূণের মৃত্যু হতে পারে ভিটামিন E এর অভাবে। 
- পাম তৈল ভিটামিন E এর ভাল উৎস। 
- সস্য দানার তেল, সূর্যমুখী তেল, তুলাবীজের তেল, লেটুস পাতায় ভিটামিন E পাওয়া যায়। 

সূত্র - নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান, বোর্ড বই
১২,০৮২.
জলজ উদ্ভিদে বড় বায়ুকুঠুরি সম্বলিত প্যারেনকাইমাকে কী বলে?
  1. Aerochyma
  2. Aquenchyma
  3. Alveolchyma
  4. Aerenchyma
সঠিক উত্তর:
Aerenchyma
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aerenchyma
ব্যাখ্যা
সরল টিস্যু (Simple tissue): 
- যে স্থায়ী টিস্যুর প্রতিটি কোষ আকার, আকৃতি ও গঠনের দিক থেকে অভিন্ন, তাকে সরল টিস্যু বলে। 
- কোষের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে সরল টিস্যুকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। প্যারেনকাইমা, 
২। কোলেনকাইমা এবং 
৩। স্ক্লেরেনকাইমা। 

প্যারেনকাইমা (Parenchyma): 
- উদ্ভিদদেহের সব অংশে এদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। 
- এ টিস্যুর কোষগুলো জীবিত, সমব্যাসীয়, পাতলা প্রাচীরযুক্ত এবং প্রোটোপ্লাজম দিয়ে পূর্ণ। 
- এই টিস্যুতে আন্তঃকোষীয় ফাঁক দেখা যায়। 
- কোষপ্রাচীর পাতলা এবং সেলুলোজ দিয়ে তৈরি হয়। 
- এসব কোষে যখন ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে, তখন তাকে ক্লোরেনকাইমা (Chlorenchyma) বলে। 
- জলজ উদ্ভিদের বড় বড় বায়ুকুঠুরিযুক্ত প্যারেনকাইমাকে অ্যারেনকাইমা (Aerenchyma) বলে। 
- প্যারেনকাইমা টিস্যুর প্রধান কাজ দেহ গঠন করা, খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং খাদ্যদ্রব্য পরিবহন করা। 

উল্লেখ্য,
- Aerochyma, Aquenchyma, Alveolchyma - বলতে কোনো বৈজ্ঞানিক টার্ম নেই।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,০৮৩.
পৃথিবীর নিকটতম ব্ল্যাক হোল কোনটি?
  1. Gaia BH1
  2. Gaia-BH3
  3. Sagittarius A
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
Gaia BH1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gaia BH1
ব্যাখ্যা
- Gaia BH1 হলো পৃথিবীর নিকটতম ব্ল্যাক হোল।
- Gaia-BH3 হলো পৃথিবীর দ্বিতীয় নিকটতম ব্ল্যাক হোল।
- ১৯৬৯ সালে মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর শব্দটি ব্যবহার করেন।
- একটি কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল হলো মহাকাশের এমন একটি স্থান যেখানে মধ্যাকর্ষণ বল এতটাই শক্তিশালী যে সেখান থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না।
- এমনকি আলোর মত তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণও এই প্রচন্ড আকর্ষণ বল ভেদ করে বের হয়ে আসতে পারে না
- আইনস্টাইনের বিখ্যাত সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্ব ভবিষ্যদ্বাণী করে যে, মহাশূন্যে ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব থাকতে পারে।
- ব্ল্যাক হোলে পদার্থের অত্যাধিক ঘনত্বের কারণে এটি এর চার দিকে এই অস্বাভাবিক মধ্যাকর্ষণ বল তৈরি করতে পারে।

উৎস:
১. NASA website.
২. [scientificamerican.com]
৩. [space.com]
১২,০৮৪.
'Zakerana dhaka' কোন প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নাম?
  1. সাপ
  2. ব্যাঙ
  3. টিকটিকি
  4. কচ্ছপ
সঠিক উত্তর:
ব্যাঙ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাঙ
ব্যাখ্যা

দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ: 
- ক্যারোলাস লিনিয়াস সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন।
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়, এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে।
যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo Sapiens.
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। 

- তরুণ প্রাণিবিজ্ঞানী সাজিদ আলী হাওলাদার সম্প্রতি নতুন প্রজাতির এক ব্যাঙ আবিষ্কার করেছেন, যা কেবল ঢাকায় পাওয়া যায়।
- ব্যাঙটির বৈজ্ঞানিক নামকরণ হয়েছে Zakerana dhaka । 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা কাজী জাকের হোসেনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এই গণের নাম জাকেরানা রাখা হয়েছে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১২,০৮৫.
অপুষ্পক উদিভদের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) সাইকাস
  2. খ) পাইনাস
  3. গ) স্পাইরোগাইরা
  4. ঘ) সুপারি
সঠিক উত্তর:
গ) স্পাইরোগাইরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্পাইরোগাইরা
ব্যাখ্যা

স্পাইরোগাইরা একটি অপুষ্পক উদ্ভিদ। কারণ, এ ধরনের উদ্ভিদে ফুল এবং ফল হয় না। এরা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন করে। এদের অনেকের দেহকে মূল, কাণ্ড, ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। এরা সমাঙ্গদেহি উদ্ভিদ।
অপরদিকে, সাইকাস এবং পাইনাস নগ্নবীজী সুপুষ্পক উদ্ভিদ।
সুপারি হল আবৃতবীজী সুপুষ্পক উদ্ভিদ।

সূত্র: ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বই। 

১২,০৮৬.
পৃথিবীর অন্তঃস্থলের তাপমাত্রা কত?
  1. ৩০০০–৪০০০° সেলসিয়াস
  2. ৪০০০–৫০০০° সেলসিয়াস
  3. ৫০০০–৬০০০° সেলসিয়াস
  4. ৬০০০–৭০০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৫০০০–৬০০০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০০–৬০০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর অন্তঃস্থল বা Inner Core প্রধানত লোহা ও নিকেল দিয়ে গঠিত। এর তাপমাত্রা প্রায় সূর্যের পৃষ্ঠের সমান (৫০০০–৬০০০° সেলসিয়াস)।

পৃথিবীর কেন্দ্র (Earth’s Core):

- পৃথিবীর কেন্দ্রক হলো অত্যন্ত উত্তপ্ত ও ঘন বল-আকৃতির অংশ।
- এটি পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২,৯০০ কিমি গভীরে অবস্থিত।
- মোট ব্যাসার্ধ: প্রায় ৩,৪৮৫ কিমি।

বহিঃকেন্দ্র (Outer Core):
- পুরুত্ব: প্রায় ২,২০০ কিমি।
- উপাদান: তরল লোহা (Fe) ও নিকেল (Ni) এর মিশ্রণ (NiFe alloy)।
- তাপমাত্রা: ৪,৫০০°–৫,৫০০° সেলসিয়াস।

অন্তঃকেন্দ্র (Inner Core):
- ব্যাসার্ধ: প্রায় ১,২২০ কিমি।
- উপাদান: কঠিন স্ফটিক আকারের লোহা (প্রধানত Fe)।
- তাপমাত্রা: প্রায় ৫,২০০° সেলসিয়াস (সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রায় ৬,০০০° সেলসিয়াস — সূর্যের পৃষ্ঠের সমান)।
- চাপ: প্রায় ৩.৬ মিলিয়ন বায়ুমণ্ডল (atm)।

উৎস: 
১। National Geographic ওয়েবসাইট। 
২। বিবিসি পত্রিকার রিপোর্ট। [লিংক] 
১২,০৮৭.
একটি ইটের গুণাগুণ প্রভাবিত হয়-
  1. ক) ব্যবহৃত ক্লে এর উপর
  2. খ) শুকানোর উপর
  3. গ) পোড়ানোর
  4. ঘ) সব কয়টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সব কয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সব কয়টি
ব্যাখ্যা
একটি ভালো ইটের গুণাগুন: 
- এই ইটের সাইজ দেখতে খুবই ভাল এবং গাড় লাল থাকে। 
- সর্বত্র সমান ভাবে পোরানো থাকে। 
- দুটো ইট পরস্পর আঘাত করলে পরিষ্কার টন টন শব্দ হবে। 
- কোন চির বা ফাঁক থাকবে না।
- ধার গুলো বা কোন গুলো সমান থাকে।
- ৪(চার) ফুট উপর থেকে আরেকটি ইটের উপর ফেলে দিলে সহজে ভাঙ্গে না।
- পানি শোষণ ক্ষমতা ১৫% এর বেশী হবে না। (Lab Test).
- লোড নেওয়ার ক্ষমতা ১০৫ কেজি/সেমি ২ (Lab Test).

অর্থাৎ একটি ভালো ইট এর গুণাগুণ প্রভাবিত করতে ভালো ক্লে, সঠিক ভাবে শুকানো ও পোড়ানো প্রয়োজন।

উৎস:
bspi.edu.bd.
১২,০৮৮.
একটি Transistor এ Input voltage 10v ও Collector current 2mA হলে Input impedance কত?
  1. 20kΩ
  2. 0.2kΩ
  3. 10kΩ
  4. 5kΩ
সঠিক উত্তর:
5kΩ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5kΩ
ব্যাখ্যা
Input impedance = 10/(2 × 10- 3)
= 5 × 1000
= 5kΩ
১২,০৮৯.
দূরত্ব বাড়লে বৈদ্যুতিক তারে শক্তি অপচয় বৃদ্ধির প্রধান কারণ কী?
  1. তারের রোধ বৃদ্ধি
  2. চৌম্বক ফ্লাক্স হ্রাস
  3. ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন
  4. ইন্ডাকট্যান্স শূন্য হওয়া
সঠিক উত্তর:
তারের রোধ বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারের রোধ বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

• দূরত্ব বাড়লে বৈদ্যুতিক তারে শক্তি অপচয়ের প্রধান কারণ হলো তারের রোধ বৃদ্ধি।

• বিদ্যুৎ পরিবহন:
- বৈদ্যুতিক তারের নিজস্ব রোধ থাকে।
- রোধের কারণে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়।
- বিদ্যুতের একটি অংশ তাপে অপচয় হয়।
- দূরত্ব যত বেশি, তারের দৈর্ঘ্য তত বেশি।
- দৈর্ঘ্য বাড়লে রোধও বৃদ্ধি পায়।
- ফলে শক্তি অপচয় বৃদ্ধি পায়।

• ভোল্টেজ বৃদ্ধি করার প্রয়োজন:
- শক্তি অপচয় কমানোর জন্য ভোল্টেজ বাড়ানো হয়।
- ভোল্টেজ বাড়ালে কারেন্ট কমে।
- কারেন্ট কম হলে I²R লস কম হয়।
- তাই দূরবর্তী সঞ্চালনে স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয়।

• স্টেপ-আপ ট্রান্সফরমারের কাজ:
- ভোল্টেজ বৃদ্ধি করে।
- কারেন্ট হ্রাস করে।
- লাইন লস কমায়।
- দূরত্বে বিদ্যুৎ পরিবহন সহজ করে।

• অন্যান্য অপশন:
- চৌম্বক ফ্লাক্স হ্রাস → এটি সঞ্চালন লাইনের প্রধান অপচয়ের কারণ নয়।
- ফ্রিকোয়েন্সি পরিবর্তন → বিদ্যুৎ পরিবহনে সাধারণত ফ্রিকোয়েন্সি অপরিবর্তিত থাকে।
- ইন্ডাকট্যান্স শূন্য হওয়া → বাস্তবে সঞ্চালন লাইনে ইন্ডাকট্যান্স শূন্য হয় না।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি পদার্থ বিজ্ঞান বই ও ব্রিটানিকা।

১২,০৯০.
সর্বপ্রথমে যে উফশি ধান এ দেশে চালু হয়ে এখনো বর্তমান রয়েছে তা হলো-
  1. ইরি - ৮
  2. ইরি - ১
  3. ইরি - ২০
  4. ইরি - ৩
সঠিক উত্তর:
ইরি - ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরি - ৮
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ধান চাষের ইতিহাস হাজার বছরের পুরনো হলেও এদেশে সর্বপ্রথম উফশী ধানের প্রচলন হয় ১৯৬৭ সালে ‘ইরি-৮’ ধানের মাধ্যমে। 
- ইরি-৮ হলো আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত একটি উফশী ধান। 
- পরবর্তীতে ১৯৭০ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পর ইরি ধানের স্থলে ব্রি ধান প্রচলিত হয়। 
- বর্তমানে দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষি জমিতে ব্রি ধানের চাষ হচ্ছে। 

উৎস: IRRI ও BRRI ওয়েবসাইট।
১২,০৯১.
বিশুদ্ধ সোনা কত ক্যারেটের হয়?
  1. ক) ২৪
  2. খ) ২২
  3. গ) ২০
  4. ঘ) ১৮
সঠিক উত্তর:
ক) ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৪
ব্যাখ্যা
24k স্বর্ণকে বিশুদ্ধ স্বর্ণ বা 100 শতাংশ স্বর্ণ বলা হয়। এটি স্বতন্ত্র উজ্জ্বল হলুদ রঙ ধারণ করে।
১২,০৯২.
“সূর্যই হচ্ছে সৌরজগতের কেন্দ্র এবং পৃথিবী ও অন্যান্য গ্রহগুলো এর চারিদিকে ঘূর্ণায়মান” - এই মতবাদের প্রবক্তা কে?
  1. ক) কোপার্নিকাস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) রজার বেকন
  4. ঘ) নিউটন
সঠিক উত্তর:
ক) কোপার্নিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোপার্নিকাস
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘােরে।
বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমী জোরালােভাবে বলেন যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে।
কোপারনিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ ব্যাক্ত করেন। তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের পরিবর্তে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। তার মডেলের মূল কথা ছিল পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘােরে।
পরবর্তীতে বিজ্ঞানী কেপলার ও গ্যলিলিও, কোপারনিকাসের মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন।
সূত্রঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি

১২,০৯৩.
মানুষের কঙ্কালতন্ত্র কতটি অস্থির সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ২০৪ টি
  2. ২০৬ টি
  3. ২০৫ টি
  4. ২০৮ টি
সঠিক উত্তর:
২০৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬ টি
ব্যাখ্যা
মানুষের কঙ্কালতন্ত্র: 
- ভ্রূণীয় মেসোডার্ম স্তর থেকে সৃষ্ট অস্থি, তরুণাস্থি ও লিগামেন্ট এর সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্র দেহের কাঠামো সৃষ্টি করে, নির্দিষ্ট আকার আকৃতি দান করে, ভার বহন করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গাদি সুরক্ষিত রাখে, তাদেরকে একত্রে কঙ্কালতন্ত্র বলে। 
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্র ২০৬টি অস্থির সমন্বয়ে গঠিত এবং এ ধরনের কঙ্কালতন্ত্রকে অন্তঃকঙ্কাল বলে, কারণ বাইরে থেকে এ কঙ্কাল দেখা যায় না। 
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়। 
যথা- (১) অক্ষীয় কঙ্কাল (Axial skeleton) (২) উপাঙ্গীয় কঙ্কাল (Appendicular skeleton)। 
- কঙ্কালতন্ত্রের যে অস্থিগুলো দেহের অক্ষ রেখা বরাবর অবস্থান করে কোমল, নমনীয় অঙ্গগুলোকে ধারণ করে ও রক্ষা করে এবং দেহ কাণ্ডের গঠনগুলো সংযুক্ত করে অবলম্বন দান করে তাদের একত্রে অক্ষীয় কঙ্কাল বলে।
- অক্ষীয় কঙ্কাল প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত।
যথা- (ক) করোটি, (খ) মেরুদণ্ড ও (গ) বক্ষপিঞ্জর।
- মানুষের একজোড়া অগ্রপদ বা হাত, একজোড়া পশ্চাৎপদ বা পা, বক্ষ অস্থিচক্র (Pectoral girdle) ও শ্রোণিচক্র (Pelvic girdle) নিয়ে উপাঙ্গীয় কঙ্কালতন্ত্র গঠিত। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৯৪.
গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ থেকে বিভিন্ন প্রাণীর নমুনা সংগ্রহ করেন কে?
  1. আল বিরুনী
  2. ক্যারোলাস লিনিয়াস
  3. চার্লস রবার্ট ডারউইন
  4. লিউয়েন হুক
সঠিক উত্তর:
চার্লস রবার্ট ডারউইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্লস রবার্ট ডারউইন
ব্যাখ্যা
বিবর্তন: 
- বিবর্তন একটি জৈবিক পদ্ধতি। এর প্রকৃত অর্থ হলো ক্রমবিকাশ। 
- পৃথিবীতে বর্তমানে যত জীব রয়েছে তারা বিভিন্ন সময়ে এ ভূমণ্ডলে আবির্ভূত হয়েছে। আবার অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী সময়ের আবর্তে বিলুপ্ত হয়েছে। 
যেমন- ডাইনোসর আজ থেকে কয়েক মিলিয়ন বছর আগে বিলুপ্ত হয়েছে। 
- কয়েক লক্ষ বা হাজার বছর সময়ের ব্যাপকতায় জীব প্রজাতির পৃথিবীতে আবির্ভাব ও টিকে থাকার জন্য যে পরিবর্তন ও অভিযোজন প্রক্রিয়া তাকে জৈব বিবর্তন বলা হয়। 
- হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টেফেন জে. গোল্ড (১৯৯১) এর মতে 'Evolution' পরিপদটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন জার্মান জীববিদ Albrecht von Haller (১৭৭৪ সালে)। 
- তিনি বলেন ধীর অথচ ক্রমাগত ও পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কোন সত্ত্বা সরল থেকে জটিল হওয়ার ধারাবাহিক পরিবর্তনই বিবর্তন। 
- কোন প্রাণী বা উদ্ভিদ ধীরে ধীরে ধারাবাহিক রূপান্তরের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ নতুন প্রাণী বা উদ্ভিদ এ পরিণত হওয়াকে অভিব্যক্তি বলা হয়। 
- অভিব্যক্তির মূল কথা হলো প্রজাতিগুলো পরিবর্তনযোগ্য অর্থাৎ দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে জীবের চেহারায় পরিবর্তন ঘটে। 

- ইংরেজ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস রবার্ট ডারউইন অভিব্যক্তির কলাকৌশল সম্পর্কিত তাঁর মতামত ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ২৮ নভেম্বর 'The Origin of Species by means of Natural Selection' নামক বইটিতে প্রকাশ করেন। 
- তাঁর মতামত প্রাকৃতিক নির্বাচন মতামত নামে পরিচিত। 
- তিনি (১৮৩১) H.M. B. S. Beagle নামক জাহাজে প্রকৃতিবিদ হিসেবে চাকরি পেয়ে বিশ্ব ভ্রমণে বাহির হন। 
- চার্লস রবার্ট ডারউইন আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন দ্বীপ, তাহিতি, নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, মরিশাস, মালদ্বীপ, ব্রাজিল ও গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জে প্রায় পাঁচ বছর ধরে পরিভ্রমণ করেন এবং বিভিন্ন প্রাণীর নমুনা সংগ্রহ করেন। 
- ডারউইনের দায়িত্ব ছিল বিভিন্ন স্থানের উদ্ভিদ ও প্রাণী পর্যবেক্ষণ করা এবং এদের নমুনা সংরক্ষণ করা। 
- গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জে ভ্রমণকালে ডারউইন প্রত্যেক দ্বীপের পাখি ও কচ্ছপকে কিছুটা ভিন্ন চেহারায় দেখতে পান। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৯৫.
সালােকসংশ্লেষণে সূর্যের আলাের রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা হলাে-
  1. ০%
  2. ১০ - ১৫%
  3. ৩ - ৬%
  4. ১০০%
সঠিক উত্তর:
৩ - ৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ - ৬%
ব্যাখ্যা
[তাত্ত্বিকভাবে সালােকসংশ্লেষণে সূর্যের আলাের রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা সর্বোচ্চ ১১%। কিন্তু, বাস্তবক্ষেত্রে: সালােকসংশ্লেষণে সূর্যের আলাের রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা ৩% - ৬%। - FAO Agricultural Services Bulletin - 128] - [লিঙ্ক]

সালোকসংশ্লেষণ: 

- যে উদ্ভিদ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায়, সবুজ উদ্ভিদ সূর্যের আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া


- সালোকসংশ্লেষণের জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে- আলো, ক্লোরোফিল, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড। 
- সালোকসংশ্লেষণে সূর্যের আলোর রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা হলো ৩-৬%। 
- সালোকসংশ্লেষণের জন্য সুবিধাজনক তাপমাত্রা হলো  ২২-২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 
- সূর্য থেকে আসা আলোর শতকরা ১ থেকে ২ ভাগ মাত্র সালোক সংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। 
- লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয় এবং সবুজ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে কম কার্যকর হয়। 
- উদ্ভিদ কোষের ক্লোরোপ্লাস্টে সালোকসংশ্লেষণ হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৯৬.
নিচের কোনটি সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র?
  1. Proxima Centauri
  2. Vega
  3. Sirius
  4. Mars
সঠিক উত্তর:
Proxima Centauri
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Proxima Centauri
ব্যাখ্যা

• সূর্যের সবচেয়ে নিকটতম নক্ষত্র হলো Proxima Centauri (প্রক্সিমা সেন্টারাই)।

• প্রক্সিমা সেন্টারাই:
- ১৯১৫ খ্রিষ্টাব্দে স্কটিশ জ্যোতির্বিদ ও দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের ইউনিয়ন অবজারভেটরির পরিচালক রবার্ট আইনেস এই নক্ষত্রটি পর্যবেক্ষণ করেন।
- তিনি নক্ষত্রটি "প্রক্সিমা সেন্টারাই" নামকরণের প্রস্তাব দেন (মূলত প্রক্সিমা সেন্টারাস)।
- পৃথিবী থেকে এটির দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ।
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো রয়েছে তাদের নক্ষত্র বলা হয়। সূর্য এরূপ একটি নক্ষত্র।
- অর্থাৎ সূর্য ব্যতীত পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই।

• নক্ষত্র:
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে।
- সূর্য এরূপ একটি নক্ষত্র।
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিণ্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে।
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না ।
- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে।
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।

অন্যান্য অপশন:
- Vega বা অভিজিৎ নক্ষত্রটি পৃথিবী থেকে প্রায় ২৫ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- Sirius বা লুব্ধক আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র হলেও এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৮.৬ আলোকবর্ষ দূরে যা প্রক্সিমা সেন্টারাইয়ের দ্বিগুণ।
- Mars বা মঙ্গল কোনো নক্ষত্র নয় বরং এটি সৌরজগতের একটি গ্রহ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,০৯৭.
শব্দ বিস্তারের জন্য-
  1. ক) কোন মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না
  2. খ) স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের প্রয়োজন হয়
  3. গ) বায়বীয় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের প্রয়োজন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
• শব্দ তরঙ্গ:
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- কারণ বস্তুর কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয় এবং সেটি সঞ্চালনের জন্য স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়
- এটি একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং কম্পনের দিক এক।
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে, বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে আরো বেশি।
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে।
- শব্দের তীব্রতা অন্যান্য তরঙ্গের মতো তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক।
- অর্থাৎ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হবে এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি (বোর্ড বই)। 
১২,০৯৮.
সৌর জগতের গ্রহগুলোর গতি সংক্রান্ত সূত্র কে প্রদান করেন? 
  1. নিউটন
  2. কেপলার
  3. গ্যালিলিও
  4. কোপারনিকাস
সঠিক উত্তর:
কেপলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেপলার
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র: 
- প্রাচীনকাল থেকেই বিজ্ঞানীরা সৌর জগতের সূর্য ও গ্রহগুলির গতিবিধি সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু ছিলেন। 
- বিভিন্ন সময়ে বিজ্ঞানীরা এ সম্পর্কে বিভিন্ন ব্যাখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেন। 
- গ্রীক বিজ্ঞানী টলেমী, কোপার্নিকাস, ট্রাইকোব্রাহে প্রমুখ বিজ্ঞানীদের পরস্পর বিরোধী, জটিল এবং অস্পষ্ট তথ্যসমূহ বিশ্লেষণ করে। 
- ডেনমার্কের বিজ্ঞানী জন কেপলার সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে। 
- জন কেপলার সৌর জগতের গ্রহগুলির গতি সংক্রান্ত তিনটি সূত্র উপস্থাপন করেন, তার নাম অনুসারে এগুলো কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত। 
যেমন- 
প্রথম সূত্র: সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সুর্যকে প্রদক্ষিণ করছে। 
দ্বিতীয় সূত্র: প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্ৰ সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে। 
তৃতীয় সূত্র: সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের (semi major axis) ঘনফলের সমানুপাতিক। গ্রহগুলো উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,০৯৯.
এসিড বৃষ্টিতে কোনটির পরিমাণ বেশি থাকে?
  1. ক) সালফিউরিক এসিড
  2. খ) কার্বনিক এসিড
  3. গ) ইথানয়িক এসিড
  4. ঘ) হাইড্রোক্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ক) সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা

- এসিড বৃষ্টি বা অম্ল বৃষ্টি হলো একধরণের বৃষ্টিপাত যেক্ষেত্রে পানি অম্লীয় প্রকৃতির হয়। এক্ষেত্রে পানির pH 7 এর চেয়ে কম হয়ে থাকে। এটি এমন এক ধরনের বৃষ্টি যাতে এসিড উপস্থিত থাকে।
- এসিড বৃষ্টিতে সালফিউরিক এসিড এবং নাইট্রিক এসিডের পরিমাণ বেশি থাকে।
- অপরদিকে, হাইড্রোক্লোরিক এসিড অল্প পরিমাণে থাকে।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির বিজ্ঞান

১২,১০০.
কোনটি মৃৎক্ষার ধাতু?
  1. ম্যাগনেসিয়াম
  2. স্ট্রনসিয়াম
  3. বেরিয়াম
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণির 1 নং গ্রুপে 7 টি মৌল আছে। 
- এদের মধ্যে হাইড্রোজেন ছাড়া বাকি 6 টি মৌল লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাসিয়াম (K), রুবিডিয়াম (Rb), সিজিয়াম (Cs) এবং ফ্রান্সিয়াম (Fr) -কে ক্ষারধাতু বলে।
- এই ছয়টি মৌলের প্রত্যেকটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোজেন গ্যাস এবং ক্ষার তৈরি করে বলে এদেরকে ক্ষার ধাতু (Alkali Metals) বলা হয়। 

মৃৎক্ষার ধাতু: 
- পর্যায় সারণির 2 নং গ্রুপে বেরিলিয়াম (Be), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), ক্যালসিয়াম (Ca), স্ট্রনসিয়াম (Sr), বেরিয়াম (Ba) এবং রেডিয়াম (Ra) এই 6 টি মৌল আছে, যাদেরকে মৃৎক্ষার ধাতু বলে।
- এই মৃৎক্ষার ধাতুগুলোকে মাটিতে বিভিন্ন যৌগ হিসেবে পাওয়া যায়, আবার এরা ক্ষার তৈরি করে। এজন্য সামগ্রিকভাবে এদের মৃৎক্ষার ধাতু (Alkaline Earth Metals) বলা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।