বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১২০ / ১৪০ · ১১,৯০১১২,০০০ / ১৪,০৮০

১১,৯০১.
আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা প্রদান করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) হেন্রিখ হার্জ
  2. খ) ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
  3. গ) ক্রিশ্চিয়ান ওয়েরস্টেড
  4. ঘ) ম্যাক্স প্ল্যাংক
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
ব্যাখ্যা
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভ‚তপূর্ব উন্নতি ঘটে।
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল (১৮৩১-১৮৭৯) আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্তে¡র ধারণা দেন।
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেন্রিখ হার্জের (১৮৫৭-১৮৯৪) পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়।
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী মার্কনী (১৮৭৪-১৯৩৭) তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে
সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন।
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও (১৮৫৮-১৯৩৭) একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। পরবর্তীতে বেতার যন্ত্র আবিষ্কার হয়।

উৎস: এস.এস.সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯০২.
p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরি করতে কোন পরমাণু দ্বারা ডোপিং করা হয়?
  1. ইন্ডিয়াম
  2. অ্যান্টিমনি
  3. ফসফরাস
  4. জার্মেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্ডিয়াম
ব্যাখ্যা

• p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরি করতে বিশুদ্ধ সিলিকন বা জার্মেনিয়ামের সাথে ত্রিমূলক (trivalent) পরমাণু ডোপিং করা হয়, যাদের ভ্যালেন্স ইলেকট্রন সংখ্যা ৩টি। এই ধরনের পরমাণু যুক্ত হলে একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি সৃষ্টি হয়, যাকে হোল বলা হয়, এবং হোলই এখানে প্রধান চার্জ বাহক হিসেবে কাজ করে। দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে ইন্ডিয়াম একটি ত্রিমূলক পরমাণু, তাই এটি দ্বারা ডোপিং করলে p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরি হয়। অন্যদিকে অ্যান্টিমনি ও ফসফরাস পঞ্চমূলক এবং জার্মেনিয়াম নিজেই একটি অর্ধপরিবাহী। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) ইন্ডিয়াম।

• p-টাইপ অর্ধপরিবাহী (P-type Semiconductor):
- p-টাইপ অর্ধপরিবাহী হলো এমন এক ধরনের অর্ধপরিবাহী যেখানে হোল (hole) সংখ্যাগরিষ্ঠ বাহক (majority carrier) হিসেবে কাজ করে।
- এটি তৈরির জন্য বিশুদ্ধ সিলিকন বা জার্মেনিয়ামে ত্রিমান (trivalent) অমিশ্র পরমাণু যোগ করা হয়।
- ত্রিমান পরমাণুর ভ্যালেন্স ইলেকট্রন সংখ্যা ৩টি হওয়ায় একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি সৃষ্টি হয়।
- এই ইলেকট্রনের ঘাটতিকে হোল বলা হয়।
- হোলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবহন হয় বলে একে p-টাইপ অর্ধপরিবাহী বলা হয়।

• ডোপিং (Doping):
- ডোপিং হলো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীতে অল্প পরিমাণ অমিশ্র পদার্থ যোগ করার প্রক্রিয়া।
- p-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য ত্রিমান মৌল ব্যবহার করা হয়।
- ত্রিমান মৌলগুলোর মধ্যে ইন্ডিয়াম, বোরন, গ্যালিয়াম উল্লেখযোগ্য।
- এসব মৌল ইলেকট্রনের ঘাটতি তৈরি করে, ফলে হোলের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

• অপশন গুলোর বিশ্লেষণ:
- ইন্ডিয়াম → ত্রিমান মৌল, p-টাইপ তৈরিতে ব্যবহৃত। 
- অ্যান্টিমনি → পেন্টাভ্যালেন্ট, n-টাইপ তৈরিতে ব্যবহৃত। 
- ফসফরাস → পেন্টাভ্যালেন্ট, n-টাইপ তৈরিতে ব্যবহৃত। 
- জার্মেনিয়াম → বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী, ডোপিং উপাদান নয়। 

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

১১,৯০৩.
প্রোটোপ্লাজমে পানির পরিমাণ কতভাগ?
  1. ক) ৯০
  2. খ) ৯৩
  3. গ) ৯৫
  4. ঘ) ৯৮
সঠিক উত্তর:
ক) ৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯০
ব্যাখ্যা

প্রোটোপ্লাজমে পানির পরিমাণ সাধারণত শতকরা ৬৭ থেকে ৯০ ভাগ হয়ে থাকে।
প্রোটোপ্লাস্টের নির্জীব অংশ বাদে অবশিষ্ট অংশটিই প্রোটোপ্লাজম অর্থাৎ, কোষের সমস্ত সজীব অংশকে একত্রে প্রোটোপ্লাজম বলে। অন্যভাবে, কোষের অভ্যন্তরে স্বচ্ছ, আঠালো এবং জেলির ন্যায় অর্ধতরল, কলয়ডালধর্মী সজীব পদার্থকে প্রোটোপ্লাজম বলে। গ্রিক শব্দ protos-প্রথম, plasma-আকার থেকে Protoplosm শব্দটির উৎপত্তি।

আবিষ্কার ও নামকরণ : বিজ্ঞানী পারকিনজি (Purkinje, ১৮৪০) সর্বপ্রথম প্রোটোপ্লাজম কথাটি ব্যবহার করেন। প্রোটোপ্লাজমই যে প্রাণের ভৌত ভিত্তি সে সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন বিজ্ঞানী ম্যাক্স সূজ (Max Schultze, ১৮৬৩) এবং টমাস হাক্সলে (Thomas Huxley, ১৮৬৮)।

প্রোটোপ্লাজমের ভৌত বৈশিষ্ট্য:
ক. প্রোটোপ্লাজম অর্ধস্বচ্ছ, বর্ণহীন, জেলি সদৃশ অর্ধতরল আঠালো পদার্থ।
খ. এটি দানাদার ও কলয়ডালধর্মী।
গ. ইহা কোষস্থ পরিবেশ অনুযায়ী জেলি থেকে তরলে এবং তরল থেকে জেলিতে পরিবর্তিত হতে পারে।
ঘ. প্রোটোপ্লাজমের আপেক্ষিক গুরুত্ব পানি অপেক্ষা বেশি থাকে।
ঙ. উত্তাপ, অ্যাসিড ও অ্যালকোহলের প্রভাবে প্রোটোপ্লাজম জমাট বাধেঁ।

প্রোটোপ্লাজমের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য-
রাসায়নিকভাবে প্রোটোপ্লাজমে জৈব এবং অজৈব পদার্থ আছে। এতে অধিক পরিমাণে আছে পানি। জৈব পদার্থের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আছে বিভিন্ন ধরণের প্রোটিন, এরপর আছে কার্বোহাইড্রেট ও লিপিড ও ভিটামিন। এছাড়াও আছে অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন, কপার, ইত্যাদি।

সূত্র: সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান

১১,৯০৪.
কোন প্রাণীর তিনটি হৃৎপিণ্ড?
  1. ক) হাঙ্গর
  2. খ) ক্যাটল ফিস
  3. গ) সিল মাছ
  4. ঘ) কচ্ছপ
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাটল ফিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যাটল ফিস
ব্যাখ্যা
ক্যাটল ফিস ও অক্টোপাস উভয়ের তিনটি করে হৃৎপিন্ড আছে।
তাছাড়া ব্যাঙের হৃদপিন্ডে ৩টি প্রকোষ্ঠ এবং মানুষের হৃৎপিণ্ডে ৪ টি প্রকোষ্ঠ আছে।
১১,৯০৫.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র কোনটি?
  1. অ্যালটিমিটার
  2. ওডোমিটার
  3. ক্রনোমিটার
  4. অডিওমিটার
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র: 
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 
- সমুদ্রের দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র - ক্রনোমিটার। 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ম্যানোমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার। 
- পানির তলায় তেলের সঞ্চায়ক যন্ত্র - গ্রাডিমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১১,৯০৬.
1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে প্রয়োজনীয় তাপের পরিমাণ কত? 
  1. 1 ক্যালরি
  2. 2.4 জুল 
  3. 1 জুল 
  4. 4.2 ক্যালরি 
সঠিক উত্তর:
1 ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 ক্যালরি
ব্যাখ্যা

তাপ: 
- তাপ হল বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ, তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের S.I একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক যা পুষ্টি বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
-  তাপ পরিমাপের যন্ত্র ক্যালরিমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। 
- দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯০৭.
কোন পদার্থটি কঠিন অবস্থা থেকে তরলে রূপান্তরিত হলে আয়তন হ্রাস পায়?
  1. ক) মোম
  2. খ) তামা
  3. গ) বরফ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) বরফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বরফ
ব্যাখ্যা
(ক) কিছু কিছু পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন বৃদ্ধি পায়। যেমন: মোম, তামা ইত্যাদি।
চাপ বাড়ালে ঐসব পদার্থের গলনাঙ্ক বেড়ে যায়। অর্থাৎ বেশি তাপমাত্রায় গলে।

(খ) কিছু কিছু পদার্থ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় রূপান্তরের সময় আয়তন হ্রাস পায়। যেমন: লোহা, বরফ, বিসমাথ ইত্যাদি।
চাপ বাড়ালে ঐসব পদার্থের গলনাঙ্ক কমে যায়। অর্থাৎ এরা কম তাপমাত্রায় গলে। 

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯০৮.
নিচের কোন রোগটি ভাইরাস দ্বারা হয়?
  1. এনথ্রাক্স
  2. হুপিং কাশি
  3. সিফিলিস
  4. রুবেলা
সঠিক উত্তর:
রুবেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুবেলা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- Bacillus anthracis নামক গ্রাম পজেটিভ অ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা এনথ্রাক্স হয়।
- Bordetella Pertussis নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে শিশুদের হুপিং কাশি হয়ে থাকে।
- Treponema pallidum নামক spirochete ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে সিফিলিস হয়।
- Rubella virus নামক এক ধরনের Togavirus এর কারণে রুবেলা বা জার্মান হাম রোগটি হয়ে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১১,৯০৯.
Vitamin B9 কী নামে পরিচিত?
  1. ক) সাইট্রিক এসিড
  2. খ) এসকরবিক এসিড
  3. গ) ফলিক এসিড
  4. ঘ) ম্যালিক এসিড
সঠিক উত্তর:
গ) ফলিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফলিক এসিড
ব্যাখ্যা
ফলিক এসিড ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অন্তর্গত এক প্রকার বি ভিটামিন। 
ফলিক এসিডের অন্য নাম ভিটামিন বি ৯। 
এর কাজ:
- রক্তকণিকা তৈরিতে অংশ নেয়।
- বংশগতির অন্যতম উপাদান ডিএনএ (DNA) গঠনে কাজ করে।
- কোষ গঠন ও বিভাজনে কাজ করে।

 কলিজা, মাছ, মাংস, বাদাম, সবুজ শাক-সবজি ইত্যাদি এর ভালো উৎস।
 
Folate is the natural form of vitamin B9, water-soluble and naturally found in many foods. It is also added to foods and sold as a supplement in the form of folic acid; this form is actually better absorbed than that from food sources—85% vs. 50%, respectively. Folate helps to form DNA and RNA and is involved in protein metabolism.

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; https://www.hsph.harvard.edu/
১১,৯১০.
একটি ব্যাটারি সেলে কোন ধরণের শক্তির রুপান্তর ঘটে?
  1. ক) তড়িৎ শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি
  2. খ) তাপ শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি
  3. গ) রাসায়নিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি
  4. ঘ) রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপ শক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) রাসায়নিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাসায়নিক শক্তি থেকে তড়িৎ শক্তি
ব্যাখ্যা
ব্যাটারি সেলে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অ্যানোড থেকে ইলেকট্রন সরিয়ে ক্যাথোড  এ জমা হয় । এতে অ্যানোড ও ক্যাথোড এ বিভব পার্থক্য তৈরি হয়। এ অবস্থায়  অ্যানোড ও ক্যাথোড পরিবাহী তার দিয়ে সংযুক্ত করলে ক্যাথোডের ইলেকট্রন গুলো  অ্যানোড এ প্রবাহিত হয় । 

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
১১,৯১১.
'মাঙ্কি পক্স' এর রোগী প্রথম শনাক্ত হয় কোন দেশে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) সেনেগাল
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
- গত ৭ মে প্রথম মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত রোগীর হদিশ মেলে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে
- মাঙ্কি পক্স এক বিশেষ ধরনের বসন্ত।
- একাধিক বন্যপ্রাণীর মাধ্যমে ছড়াতে পারে এই ভাইরাস। তবে এটি সবচেয়ে বেশি ছড়ায় ইঁদুরের মাধ্যমে।
- পাশাপাশি, আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি থাকলে সংক্রমণের আশঙ্কা বেড়ে যেতে পারে বলেও মত বিশেষজ্ঞদের।
- শ্বাসনালি, ক্ষত স্থান, নাক, মুখ কিংবা চোখের মাধ্যমে এই ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে সুস্থ ব্যক্তির দেহে।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার।
১১,৯১২.
মিল্ক অফ লাইম (Milk of Lime) নামে অধিক পরিচিত-
  1. ক) পানি ও ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তৈরি পেস্ট
  2. খ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের পাতলা দ্রবণ
  3. গ) ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাসপেনশান
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও ক্লোরিন গ্যাসের বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) পানি ও ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তৈরি পেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পানি ও ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তৈরি পেস্ট
ব্যাখ্যা
ব্লিচিং পাউডার তৈরি হয় শুকনো ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও ক্লোরিন গ্যাসের বিক্রিয়া ঘটিয়ে। আবার ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের পাতলা দ্রবণ যা চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার (Lime water) নামে পরিচিত সেটি আমাদের ঘরবাড়ি হোয়াইট ওয়াশ করতে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে পানি ও ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তৈরি পেস্ট যা মিল্ক অফ লাইম (Milk of Lime) নামে অধিক পরিচিত, তা পোকামাকড় দমনে ব্যবহৃত হয়। এন্টাসিড ঔষধ হলো মূলত ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড। যা সাসপেনশান ও ট্যাবলেট দুভাবেই পাওয়া যায়। ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের সাসপেনশান মিল্ক অফ ম্যাগনেসিয়া (Milk of Magnesia) নামেই অধিক পরিচিত। কখনও কখনও এন্টাসিডে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইডও থাকে।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি]
১১,৯১৩.
মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য কোন নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয়?
  1. নিউটনের প্রথম সূত্র
  2. নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র
  3. নিউটনের তৃতীয় সূত্র
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নিউটনের তৃতীয় সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউটনের তৃতীয় সূত্র
ব্যাখ্যা
মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।

• নিউটনের প্রথম সূত্র:

- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
- উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

• নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
- বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

• নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমানও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে।

• উদাহরণ:
১. বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
২. একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
৩. মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯১৪.
আলোর কণা তত্ত্বের প্রবর্তক কে?
  1. ক) হাইগেন
  2. খ) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
  3. গ) নিউটন
  4. ঘ) ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
গ) নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিউটন
ব্যাখ্যা

- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৯১৫.
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা কোনটি? 
  1. ক্লোজড কনফারেন্স
  2. অনলি কনফারেন্স
  3. পাবলিক কনফারেন্স
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই
ব্যাখ্যা
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা: 
- ভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে কিছু ব্যক্তি অবস্থান করে টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে কোন সভা অথবা সেমিনার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং। 
- বিভিন্ন ধরনের টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা রয়েছে। 
যেমন- পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স এবং অনলি কনফারেন্স। 
- টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১১,৯১৬.
সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা কোনটি? 
  1. অ্যানথ্রাসাইট
  2. লিগনাইট
  3. বিটুমিনাস
  4. ক্যালাসাইট
সঠিক উত্তর:
অ্যানথ্রাসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানথ্রাসাইট
ব্যাখ্যা
কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- এতে বিদ্যমান মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। 
- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে। 

- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। 
যথা - 
১। অ্যানথ্রাসাইট, 
২। বিটুমিনাস এবং 
৩। লিগনাইট। 
- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯১৭.
বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় -
  1. ক) ৫ মে, ১৯৯৪
  2. খ) ৬ এপ্রিল, ১৯৯৪
  3. গ) ৫ মে, ১৯৯৫
  4. ঘ) ৭ মে, ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ মে, ১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ মে, ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় - ৫ মে, ১৯৯৫।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত – সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
১১,৯১৮.
সবচেয়ে বেশী পটাশিয়াম পাওয়া যায়-
  1. পেয়ারায়
  2. পাকা কলায়
  3. আমে
  4. ডাবে
সঠিক উত্তর:
ডাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাবে
ব্যাখ্যা
পটাশিয়াম (k): 
- খেজুর, পালং শাক, গাজর, বিট, ডাবের পানি ইত্যাদি পটাশিয়ামের ভালো খাদ্য উৎস। 
- পটাশিয়াম দেহে পানির ভারসাম্য রক্ষা করে। 
- কোষের ভেতরে পানির চাপ, অম্ল ও ক্ষারের সমতা রক্ষা করে। 
- পেশি ও স্নায়ুর উদ্দীপনা স্বাভাবিক রাখতে কাজ করে। 
- হৃৎপিন্ডের স্পন্দন স্বাভাবিক রাখে। 
- পটাশিয়ামের অভাবে দেহের পানির সমতা বিনষ্ট হয়। 
- হৃদস্পন্দন অনিয়ন্ত্রিত হয়। 
- মাংসপেশির দুর্বলতা দেখা দেয়। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,৯১৯.
যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে-
  1. ক) ৭৫ ডিবি
  2. খ) ৯০ ডিবি
  3. গ) ১০৫ ডিবি
  4. ঘ) ১২০ ডিবি
সঠিক উত্তর:
গ) ১০৫ ডিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০৫ ডিবি
ব্যাখ্যা
When listening to a personal music system with stock earphones at a maximum volume, the sound generated can reach a level of over 100 dBA, loud enough to begin causing permanent damage after just 15 minutes per day!A clap of thunder from a nearby storm (120 dB) or a gunshot (140-190 dB, depending on weapon), can both cause immediate damage. http://dangerousdecibels.org


শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক ডেসিবেল (ডিবি)।
শব্দের মাত্রা ৪৫ ডিবি হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না।
৮৫ ডিবিতে শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং মাত্রা ১২০ ডিবি হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতানুসারে, সাধারণত ৬০ ডিবি শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে বধির করে ফেলতে পারে এবং ১০০ ডিবি শব্দ সম্পূর্ণ বধিরতা সৃষ্টি করতে পারে।

বাংলাদেশের পরিবেশ অধিদপ্তরের জরিপ অনুসারে, যেকোন ব্যক্তি যেকোন স্থানে আধঘণ্টা বা তার অধিক সময় ধরে ঘটা ১০০ ডিবি বা তার অধিক শব্দ দূষণের ফলে বধির হয়ে যেতে পারে

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১১,৯২০.
মানবদেহে শারীরিক চাপ ও বিপদজনক পরিস্থিতিতে সহায়তাকারী হরমোন কোনটি? 
  1. গ্লুকাগন
  2. ইনসুলিন
  3. থাইরক্সিন
  4. অ্যাডরেনালিন
সঠিক উত্তর:
অ্যাডরেনালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাডরেনালিন
ব্যাখ্যা
মানবদেহের কয়েকটি মুখ্য নালিবিহীন গ্রন্থির পরিচিতি: 
১। পিটুইটারি গ্রন্থি (Pituitary gland): 
- পিটুইটারি গ্রন্থি বা হাইপোফাইসিস মস্তিষ্কের নিচের অংশে অবস্থিত। এটি মানবদেহের প্রধান হরমোন উৎপাদনকারী গ্রন্থি, কারণ একদিকে পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সংখ্যায় যেমন বেশি, অপরদিকে অন্যান্য গ্রন্থির উপর এসব হরমোনের প্রভাবও বেশি। দেহের সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নালিবিহীন গ্রন্থি হলেও এটি আকারে সবচেয়ে ছোট। এই গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপিক, সোমাটোট্রপিক, থাইরয়েড উদ্দীপক হরমোন (TSH), এডরেনোকর্টিকোট্রপিন ইত্যাদি হরমোন নিঃসৃত হয়। এটি অন্যান্য গ্রন্থিকে প্রভাবিত করা ছাড়াও মানবদেহের বৃদ্ধির হরমোন নির্গত করে। 

২। থাইরয়েড গ্রন্থি (Thyroid gland): 
- থাইরয়েড গ্রন্থি গলায় ট্রাকিয়ার উপরের অংশে অবস্থিত। এই গ্রন্থি থেকে প্রধানত থাইরক্সিন হরমোন নিঃসরণ হয়। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন থাইরক্সিন (Thyroxine) সাধারণত মানবদেহে স্বাভাবিক বৃদ্ধি, বিপাকীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। থাইরয়েডের আরেকটি হরমোন ক্যালসিটোনিন (calcitonin) ক্যালসিয়াম বিপাকের সাথে জড়িত। 

৩। প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি (Parathyroid gland): 
- একজন মানুষের সাধারণত চারটি প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থাকে, যার সবগুলোই থাইরয়েড গ্রন্থির পিছনে অবস্থিত। এই গ্রন্থি হতে নিঃসৃত প্যারাথরমোন (Parathormone) মূলত ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। 

৪। থাইমাস গ্রন্থি (Thymus gland): 
- থাইমাস গ্রন্থি গ্রীবা অঞ্চলে অবস্থিত। থাইমাস গ্রন্থি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বিকাশে সাহায্য করে। শিশুকালে এই গ্রন্থি বিকশিত থাকে পরে বয়োবৃদ্ধির সাথে সাথে ছোট হয়ে যায়। এই গ্রন্থি থেকে থাইমোসিন (thymosin) হরমোন নিঃসরণ হয়। পূর্ণবয়স্ক মানুষে সাধারণত এই হরমোন থাকে না, থাকলেও খুবই নিম্ন মাত্রায়। 

৫। অ্যাডরেনাল বা সুপ্রারেনাল গ্রন্থি (Adrenal gland): 
- অ্যাডরেনাল গ্রন্থি কিডনির উপরে অবস্থিত। অ্যাডরেনাল গ্রন্থি দেহের অত্যাবশ্যকীয় বিপাকীয় কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এই গ্রন্থি মূলত কঠিন মানসিক ও শারীরিক চাপ থেকে পরিত্রাণে সাহায্য করে। অ্যাডরেনালিন (adrenalin) এই গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনগুলোর একটি। 

৬। আইলেটস অফ ল্যাংগারহ্যানস (Islets of langerhans): 
- আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস অগ্ন্যাশয়ের মাঝে অবস্থিত, এই কোষগুচ্ছ শরীরের শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে। এর নালিহীন কোষগুলো ইনসুলিন (insulin)ও গ্লুকাগন (glucagon) নিঃসরণ করে যা রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 

৭। গোনাড বা জনন অঙ্গ গ্রন্থি: 
- এটি মেয়েদের ডিম্বাশয় এবং ছেলেদের শুক্রাশয়ে অবস্থিত। জনন অঙ্গ থেকে নিঃসৃত হরমোন দেহের পরিণত বয়সের লক্ষণগুলো বিকশিত করতে ভূমিকা রাখে। এছাড়াও প্রাণীর জনন অঙ্গের বৃদ্ধির পাশাপাশি জননচক্র এবং যৌন আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। জনন অঙ্গ থেকে পরিণত বয়সের পুরুষ-দেহে টেস্টোস্টেরন (testosterone) এবং স্ত্রী-দেহে ইস্ট্রোজেন (estrogens) হরমোন উৎপন্ন হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯২১.
শক্তি পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করে নিচের কোনটি?
  1. ক) খাদক
  2. খ) চূড়ান্ত খাদক
  3. গ) উৎপাদক 
  4. ঘ) সেকেন্ডারি খাদক
সঠিক উত্তর:
খ) চূড়ান্ত খাদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চূড়ান্ত খাদক
ব্যাখ্যা
- একটি বাস্তুতন্ত্রের নির্দিষ্ট এলাকাতে এবং নির্দিষ্ট সময়কালে বিভিন্ন খাদ্যস্তরের জীব কর্তৃক ব্যবহৃত মোট শক্তির হিসেব অনুযায়ী অঙ্কিত লৈখিক চিত্রকে শক্তির পিরামিড বলা হয়।
- সাধারণত কোন বাস্তুতন্ত্রের এক বর্গমিটার এলাকা এবং এক বছর সময়কালের একক হিসেবে ব্যবহৃত শক্তির হিসাব করা হয়। 
- কোন বাস্তুতন্ত্রের এক বর্গমিটার এলাকায় এক বছর সময়কালে প্রথম খাদ্যস্তরের জীব তথা উৎপাদক যে পরিমাণ শক্তি সংগ্রহ করে, তা দ্বিতীয় স্তরের জীব কর্তৃক সংগৃহীত শক্তি থেকে বেশি, আবার দ্বিতীয় স্তরের সংগৃহীত শক্তি তৃতীয় স্তরের জীব কর্তৃক সংগৃহীত শক্তি থেকে বেশি।
-  চতুর্থ স্তরের জীব সবচেয়ে কম শক্তি ব্যবহার করে। এজন্য উৎপাদক পিরামিডের ভূমিতে এবং চূড়ান্ত খাদক শীর্ষে অবস্থান করে
- খাদ্য শৃঙ্খলে শক্তির প্রবাহ সব সময়ই একমুখী। এ শক্তি প্রবাহকে কখনো বিপরীতমুখী করা যায় না। প্রতিটি ধাপে শতকরা ৮০-৯০ ভাগ শক্তি কমে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম। 
১১,৯২২.
লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত কোন এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে? 
  1. লাইপেজ
  2. ট্রিপসিন
  3. টায়ালিন
  4. পেপসিন
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
ব্যাখ্যা
মুখবিবর: 
- মুখ পরবর্তী অংশটি মুখবিবর। 
- মুখ বিবরের ঊর্ধ্ব প্রাচীর তালুর অস্থি ও পেশি দিয়ে, সামনের প্রাচীর ঠোঁটের পেশি দিয়ে এবং পার্শ্ব প্রাচীর গালের পেশি দিয়ে গঠিত। 
- তালুর অগ্রভাগ অস্থিনির্মিত এবং শক্ত, পেছনের অংশ মাংসল ও নরম। 
- তালুর পেছনের অংশের মধ্যভাগ থেকে একটি অপেক্ষাকৃত সরু আলজিহবা মুখবিবরে ঝুলে থাকে। 
- মানুষের ঊর্ধ্ব ও নিম্ন চোয়াল দাঁতযুক্ত। 
- এছাড়া মুখবিবরে তিন জোড়া লালাগ্রন্থি থাকে। 
- নিম্নে চোয়ালের অস্থির সাথে জিহ্বাযুক্ত থাকে। 
- পৃষ্ঠতলের উপর থাকে স্বাদকোরক এগুলো বিভিন্ন রাসায়নিক বস্তুর প্রতি সংবেদনশীল। 
- জিহ্বার অগ্রভাগ মিষ্টি, দুই পার্শ্ব নোনা, পশ্চাৎ ভাগের দুই পার্শ্ব টক এবং পেছনের দিক তিক্ত স্বাদ গ্রহণ করে। 

কাজ: 
- দাঁত খাদ্য দ্রব্যকে কাটা, ছেঁড়া ও পেষণে সাহায্য করে। 
- জিহ্বা খাদ্য দ্রব্যের স্বাদ গ্রহণ করে এবং পেষণের সময় লালারস মিশ্রিত করে খাদ্য দ্রব্যকে পিচ্ছিল করে পেছনে ঠেলে দেয়। 
- লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত “মিউসিন” খাদ্যকে পিচ্ছিল করে আর টায়ালিন ও মল্টেজ এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯২৩.
নিচের কোনটির সাথে রাবার রাসায়নিক বিক্রিয়া করে?
  1. ওজোন
  2. পানি
  3. দুর্বল ক্ষার
  4. দুর্বল এসিড
সঠিক উত্তর:
ওজোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন
ব্যাখ্যা
রাবার: 
- বর্তমান দুনিয়ায় রাবার একটি অতি প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য দ্রব্য। 
- পেন্সিলের লেখা মোছার ইরেজার থেকে শুরু করে সাইকেল, রিক্সা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন এসবই রাবার। 
- এছাড়াও রাসায়নিক, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক শিল্পে, পানির পাইপ, সার্জিকেল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল ইত্যাদি প্রস্তুতিতে বিপুল পরিমাণ রাবার ব্যবহৃত হয়। 
- প্রাকৃতিক রাবার একটি অদানাদার, পানিতে অদ্রবণীয় কঠিন কিন্তু প্লাস্টিকের চেয়ে নরম পদার্থ। 
- রাবার জৈব দ্রাবক এসিটোন, মিথানল ইত্যাদিতে অদ্রবণীয় হলেও ইথার, টারপিন, পেট্রোল ইত্যাদিতে দ্রবণীয়।
- রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 
- রাবার একটি তাপ সংবেদনশীল ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ।
- বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ ও তাপ কুপরিবাহী, তবে বিশেষভাবে তৈরি রাবার বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে। 
- অন্যান্য পদার্থে তাপ দিলে আয়তন বাড়ে কিন্তু রাবারে তাপ দিলে আয়তন কমে। 
- রাবার পানি, এসিড, দুর্বল ক্ষার ইত্যাদির সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তাই প্রলেপ দেয়ার কাজে রাবারকে ব্যবহার করা হয়। 
- রাবার এসিড, ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া না করলেও বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা আক্রান্ত হয়।
- অনুরূপভাবে প্রাকৃতিক রাবার ওজোনের (O3) সাথে বিক্রিয়া করে, ফলে রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ও একসময় নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯২৪.
তড়িৎ বলরেখার ধারণা প্রথম দেন কে? 
  1. কুলম্ব
  2. নিউটন
  3. গাউস
  4. ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
ফ্যারাডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যারাডে
ব্যাখ্যা
তড়িৎ বলরেখা: 
- দুটি আধান পরস্পরকে বল প্রয়োগ করে, এই বল কিভাবে ক্রিয়া করে তা ব্যাখ্যা করার জন্য ফ্যারাডে সর্বপ্রথম বলরেখার ধারণা দেন। এই বলরেখাগুলো ফ্যারাডের কাল্পনিক রেখা, বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। 
- কোনো তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি অতি ক্ষুদ্র ধনাত্মক আধান রাখলে আধানটি এক প্রকার বল অনুভব করে এবং ঐ বলের প্রভাবে ক্ষুদ্র ধনাত্মক আধানটি গতিশীল হয়। 
- তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান রাখলে আধানটি যে পথে গতিশীল হয় সেই পথকে তড়িৎ বলরেখা বলে। 
- তড়িৎগ্রস্থ বস্তুর চারিপার্শ্বে এবং তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে এমন অসংখ্য বল রেখা টানা যেতে পারে। 
- বলরেখাগুলো দিয়ে ফ্যারাডে দুটি আধানের মধ্যে আকর্ষণ ও বিকর্ষণ সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন। 
- পরবর্তিতে বলরেখাগুলো তড়িৎ ক্ষেত্র ব্যাখ্যা করার জন্যও ব্যবহৃত হয়েছে। 
সুতরাং, তড়িৎ ক্ষেত্রকে বুঝানোর জন্য তড়িৎ বলরেখা কল্পনা করা হয়। 

- এই কাল্পনিক তড়িৎ বলরেখাগুলির নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। 
যেমন- 
১। তড়িৎ বলরেখাগুলো বক্ররেখা এবং ধনাত্মক আধানের পৃষ্ঠ থেকে লম্বভাবে নির্গত হয়ে ঋণাত্মক আধানের পৃষ্ঠে লম্বভাবে আপতিত হয়। 
২। এরা কখনো পরস্পরকে ছেদ করেনা। 
৩। এই বলরেখাগুলো স্থিতিস্থাপক সূতার ন্যায় আচরণ করে এবং দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হতে চায়। 
৪। এই বলরেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্বচাপ প্রয়োগ করে। 
৫। শূন্য বা বায়ু মাধ্যমে 1 C আধান থেকে 1/∈0 সংখ্যক বলরেখা নির্গত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯২৫.
CNG এর মূল দাহ্য পদার্থ কোনটি?
  1. বিউটেন
  2. প্রোপেন
  3. ইথেন
  4. মিথেন
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা
• সিএনজি:
- সিএনজি (CNG) এর অর্থ কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস।
- সিএনজি এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Compressed Natural Gas.
- CNG এর মূল দাহ্য পদার্থ  - মিথেন।
- প্রাকৃতিক গ্যাসকে অতি উচ্চ চাপে সংকুচিত করা হলে প্রাপ্ত নমুনাকে CNG বলে।
- এটি পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি।
- বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ দূষণ রোধকল্পে যাবাহনসমূহকে সিএনজিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতে ২০০১ সালে সিএনজি থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯২৬.
অম্লের ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সত্য নয়?
  1. ক) সকল লঘু এসিড টক স্বাদ যুক্ত
  2. খ) লাল লিটমাসকে নীল করে
  3. গ) এসিডগুলো ক্ষয়কারী পদার্থ
  4. ঘ) সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে সংশ্লিষ্ট ধাতুটির লবণ উৎপন্ন করে
সঠিক উত্তর:
খ) লাল লিটমাসকে নীল করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাল লিটমাসকে নীল করে
ব্যাখ্যা

লঘু এসিডের বৈশিষ্ট্যঃ

- সকল লঘু এসিড টক স্বাদযুক্ত
- এসিডগুলো ক্ষয়কারী পদার্থ হিসাবে পরিচিত
- এসিড নীল বর্ণের লিটমাসকে লাল বর্ণে পরিণত করে
- সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে সংশ্লিষ্ট ধাতুটির লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে
- ধাতব কার্বনেটের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে।

উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি

১১,৯২৭.
চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে কী বলে? 
  1. ভরা জোয়ার 
  2. প্রত্যক্ষ জোয়ার 
  3. গৌণ জোয়ার 
  4. মুখ্য জোয়ার 
সঠিক উত্তর:
গৌণ জোয়ার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌণ জোয়ার 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার-ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
​যথা- 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯২৮.
তরল পদার্থের নির্দিষ্ট কী নেই?
  1. আকার
  2. ভর
  3. আয়তন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
আকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকার
ব্যাখ্যা
পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 
যেমন- 
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি থাকার কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরল পদার্থের কণাগুলো কঠিন পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
- যেকোন পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯২৯.
আলফা কণার আয়নিত করার ক্ষমতা বিটা কণার চেয়ে কত গুণ বেশি?
  1. প্রায় 10 গুণ
  2. প্রায় 100 গুণ
  3. প্রায় 1000 গুণ
  4. প্রায় 10000 গুণ
সঠিক উত্তর:
প্রায় 100 গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় 100 গুণ
ব্যাখ্যা
আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি: 
১। আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর 6.6×10-27 কেজি। 
২। ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2×10-19 কুলম্ব। 
৩। এর শক্তি 1 MeV বা 1.6 x 10-13 J হতে 9 MeV বা 1.44 x 10-12 J পর্যন্ত হয়। 
৪। এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
৫। আলফা কণার আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশী। β -কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ -কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশী। 
৬। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৭। ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
৮। জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৯। ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৩০.
কোনটি বায়ুমন্ডলে উত্তম তাপ শোষক হিসাবে কাজ করে?
  1. নাইট্রোজেন
  2. জলীয় বাষ্প
  3. অক্সিজেন
  4. ধূলিকণা
সঠিক উত্তর:
জলীয় বাষ্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলীয় বাষ্প
ব্যাখ্যা

সূর্য তাপ বিকিরণ করে, তাই একে আমরা বিকিরক বলতে পারি। পৃথিবী সূর্যের তাপ শোষণ করে উত্তপ্ত হয়।
পৃথিবীকে আমরা শোষক বলতে পারি। কিন্তু পৃথিবী একইসাথে বিকিরক। রাতের বেলায় উত্তপ্ত পৃথিবী তাপ বিকিরণ করে শীতল হয়। বায়ুমন্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, মিথেন- এসব গ্যাস বিকিরিত তাপের শোষক হিসাবে কাজ করে আমাদের জীবনকে প্রভাবিত করছে৷
সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, সপ্তম শ্রেণী

১১,৯৩১.
মৌলিক গ্যাস সাধারণত কেমন অণু গঠন করে? 
  1. একপরমাণুক
  2. দ্বিপরমাণুক
  3. ত্রিপরমাণুক
  4. বহুপরমাণুক
সঠিক উত্তর:
দ্বিপরমাণুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিপরমাণুক
ব্যাখ্যা
- পদার্থ মাত্রই অসংখ্য পরমাণুর এক সাথে অণু হিসেবে আবদ্ধ থাকার একটি স্থায়ী অবস্থা। তবে নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো এক পরমাণুক অনুরূপে প্রকৃতিতে স্থায়ীরূপে অবস্থান করে। 
- চারিপার্শ্বের বায়ুতে যে নাইট্রোজেন অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি গ্যাসগুলো আছে এরা প্রত্যেকেই মৌলিক গ্যাস অণু। 
- মৌলিক গ্যাসের অণুগুলো দ্বিপরমাণুক অণু। 
যেমন- N2, O2, H2, F2, Cl2 ইত্যাদি। 
- ওজোন (O3), ফসফরাস (P4), সালফার (S8) এরাও মৌলিক অণু কিন্তু বহু পরমাণুক অণু। 
- আবার পানি (H2O), খাবার লবণ (NaCl), কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), অ্যামোনিয়া (NH3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) প্রভৃতি যৌগের অণুতে ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণু মিলে অণুগঠন করেছে। 

- একই ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণু একত্রে মিলিত হয়ে মৌলের একটি অণু সৃষ্টি করে এবং ভিন্ন ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণুর সংযোজনের ফলে যৌগের অণু উৎপন্ন করে। 
- সব অণুর মধ্যেই পরমাণুগুলো এক বিশেষ আকর্ষণ বলের দ্বারা পরস্পর পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এভাবে একই বা ভিন্ন ভিন্ন মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু মিলিত হয়ে রাসায়নিক বন্ধনের সৃষ্টি হয়। 
- আবার একই মৌলের অসংখ্য পরমাণু পরস্পর যুক্ত হয়েও রাসায়নিক বন্ধন সৃষ্টি করতে পারে, যেমন- ধাতব বন্ধন। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৩২.
স্ব-পরাগায়নের ক্ষেত্রে কোনটি ভুল?
  1. একই ফুলে ঘটতে পারে।
  2. বাহকের উপর নির্ভর করতে হয়।
  3. উৎপন্ন নতুন উদ্ভিদে বৈশিষ্ট্যের কোন পরিবর্তন ঘটে না।
  4. প্রজাতির গুণাগুণ অক্ষুন্ন থাকে।
সঠিক উত্তর:
বাহকের উপর নির্ভর করতে হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাহকের উপর নির্ভর করতে হয়।
ব্যাখ্যা
• পরাগায়ন:
- ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণু একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য একটি ফুলের গর্ভমুন্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলা হয়।
- ফল ও বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত পরাগায়ন।
- পরাগায়ন দুই প্রকার। যথা-
১. স্ব-পরাগায়ন এবং
২. পর-পরাগায়ন।

• স্ব-পরাগায়ন:
- একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলা হয়।
- ধুতুরা, সরিষা, কুমড়া ইত্যাদি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে।
- স্ব- পরাগায়নের  জন্য বাহকের উপর নির্ভর করতে হয় না।
- স্ব- পরাগায়নের ফলে উৎপন্ন নতুন উদ্ভিদে বৈশিষ্ট্যের কোন পরিবর্তন ঘটে না এবং প্রজাতির গুণাগুণ অক্ষুন্ন থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৩৩.
সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত স্থলভাগের আংশিক ঢালু অংশকে কী বলা হয়?
  1. মহীসোপান
  2. মহীঢাল
  3. মালভূমি
  4. নিমজ্জিত শৈলশিরা
সঠিক উত্তর:
মহীসোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহীসোপান
ব্যাখ্যা
• স্থলভাগের যে অংশ আংশিক ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হয় তাকে মহীসোপান বলা হয়। 

• ভূপৃষ্ঠের উপরের ভূমিরূপ যেমন উঁচুনিচু তেমনি সমুদ্র তলদেশও অসমান।
- কারণ সমুদ্রতলে আগ্নেয়গিরি, শৈলশিরা, উচ্চভূমি ও গভীর খাত প্রভৃতি বিদ্যমান আছে।

• সমুদ্রের তলদেশের ভূমিরূপকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা-
- মহীসোপান (Continental shelf), 
- মহীঢাল (Continental slope), 
- গভীর সমুদ্রের সমভূমি (Deep sea plains), 
- নিমজ্জিত শৈলশিরা (Oceanic ridges), 
- গভীর সমুদ্রখাত (Oceanic trench)। 

• মহীসোপান:
- পৃথিবীর মহাদেশসমূহের চারদিকে স্থলভাগের কিছু অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে। এরূপে সমুদ্রের উপকূলরেখা থেকে তলদেশ ক্রমনিম্ন নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
- মহীসোপানের সমুদ্রের পানির সর্বোচ্চ গভীরতা ১৫০ মিটার।
- এটি ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১১,৯৩৪.
লেন্সের ক্ষমতার একক কোনটি?
  1. জুল
  2. ডায়াপ্টার
  3. ওয়াট
  4. মিটার
সঠিক উত্তর:
ডায়াপ্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াপ্টার
ব্যাখ্যা

লেন্স:
- দুটি গোলীয় পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোনো স্বচ্ছ সমসত্ত্ব প্রতিসারক মাধ্যমকে লেন্স বলা হয়।
- লেন্স সাধারণত কাচের তৈরি হয়। এছাড়া কোয়ার্টজ, স্বচ্ছ প্লাস্টিক দ্বারাও লেন্স তেরি করা হয়।
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
উত্তল বা অভিসারী লেন্স (Convex Lens)।
অবতল বা অপসারী লেন্স (Concave Lens)।

লেন্সের ক্ষমতা:
- লেন্সের ক্ষমতাকে P দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং এর একক হচ্ছে ডায়াপ্টার।
- দূরত্বকে মিটারে প্রকাশ করে এর বিপরীত রাশি নিলে লেন্সটির ক্ষমতা ডায়াপ্টার পাওয়া যায়।
- ডায়াপ্টারকে সংক্ষেপে D দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- লেন্সের ক্ষমতা ধণাত্মক বা ঋণাত্মক যে কোনোটিই হতে পারে।
- লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক হয়, তাহলে বুঝতে হবে লেন্সটি উত্তল।
- লেন্সের ক্ষমতা ঋণাত্মক হয়, তাহলে লেন্সটি হবে অবতল।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৩৫.
কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রেক্ষিতে আলোর কণিকার নাম কী?
  1. Proton
  2. Photon
  3. Quark
  4. Neutron
সঠিক উত্তর:
Photon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Photon
ব্যাখ্যা
• কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রেক্ষিতে আলোর কণিকাকে ফোটন (Photon) বলা হয়। ফোটন হল আলোর শক্তি কণিকা, যা আলোর তরঙ্গের সঙ্গে একত্রে বিদ্যমান। এটি কোনো বিশ্রাম ভরহীন কণা এবং আলোর বেগে (প্রায় ৩ লাখ কিমি/সেকেন্ড) চলাচল করে। কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুসারে, আলোর শক্তি নির্দিষ্ট পরিমাণে ছোট ছোট কণিকায় ভাগ হয়, যেগুলিকে ফোটন বলা হয়। ফোটন বিদ্যুতচুম্বকীয় বিকিরণ যেমন আলোক, রেডিও তরঙ্গ, এক্স-রে ইত্যাদির মৌলিক কণা। তাই আলোর কণিকার নাম হলো ফোটন।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) Photon.

কোয়ান্টাম তত্ত্ব:

- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে বের হয়ে না, বরং ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট বা গুচ্ছ আকারে নির্গত হয়।
- প্রতি কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্বনিম্ন মান নির্দিষ্ট থাকে। এই সর্বনিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- প্লাঙ্কের মতে, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ আকারে সংঘটিত হয়।
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন, যার ফলে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৩৬.
কোনটি ঊর্ধ্বপাতনযোগ্য পদার্থ নয়?
  1. নিশাদল
  2. ন্যাপথলিন
  3. ইথানল 
  4. আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
ইথানল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানল 
ব্যাখ্যা

ইথানল ঊর্ধ্বপাতনযোগ্য পদার্থ নয়। 

ঊর্ধ্বপাতন
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো কঠিন পদার্থে তাপ প্রয়োগ করা হলে কঠিন পদার্থটি তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।
- নিশাদল (NH4Cl), কর্পূর (C10H16O), ন্যাপথলিন (C10H8), কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), আয়োডিন (I2), অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড (AlCl3) ইত্যাদি পদার্থগুলোতে তাপ প্রয়োগ করা হলে সেগুলো তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয়।
- এই পদার্থগুলোকে উদ্বায়ী পদার্থ বলা হয়।

অন্যদিকে, ইথানল তরল পদার্থ। 

উৎস: রসায়ন- ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

১১,৯৩৭.
একটি পেরিস্কোপ তৈরিতে কয়টি সমতল দর্পণ প্রয়োজন? 
  1. ১ টি 
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা

পেরিস্কোপ: 
- আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 
- পেরিস্কোপ তৈরিতে দুটি সমতল দর্পণ প্রয়োজন হয়। 
- আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। 
- দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায় না তা দেখতে পাওয়া যায়।
- পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা স্ট্রিপ স্থাপন করে। 
- দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। 
- এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলোর বিসরণ ঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। 
- স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। 
- এছাড়া বাঙ্কারে ওতপেতে থাকা সৈন্যরা ভূমিতে কী আছে তা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবোজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১১,৯৩৮.
সবচেয়ে বড় ঘাস কোনটি?
  1. লাউগাছ
  2. বাঁশ
  3. শিমগাছ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
ব্যাখ্যা
বাঁশ:
- সবচেয়ে বড় ঘাসের নাম বাঁশ।
- বাঁশ বহুল ব্যবহূত কয়েক প্রজাতির ফাঁপা কান্ড বিশিষ্ট ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ।
- কাষ্ঠল বৃক্ষের ন্যায় বৈশিষ্ট্য থাকায় অনেক সময় এটিকে Bambusaceae গোত্রের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- বাঁশের পর্বের মধ্যভাগ সুস্পষ্ট ফাঁপা।
- রাইজোম থেকে বাঁশের নতুন কুঁড়ি গজায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমের শুরুতে। 
- পরিপুষ্ট বাঁশের রং ধূসর বা হলুদ।
- সাধারনত এই বাঁশ ড্রাগন বাম্বু, জায়েন্ট বাম্বু নামে পরিচিত।
- এর গড় উচ্চতা ৬৫ থেকে ৮২ফিট হয় (২০ থেকে ২৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।
১১,৯৩৯.
'হেমাটাইট' কোন খনিজ পদার্থের একটি আকরিক?
  1. আয়রন
  2. সোডিয়াম
  3. ক্যালসিয়াম
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
আয়রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়রন
ব্যাখ্যা
• আয়রনের আকরিক: 
- ম্যাগনেটাইট, 
- হেমাটাইট
- আয়রন পাইরাইটস, 
- লিমোনাইট ইত্যাদি। 

• সোডিয়ামের আকরিক: 
- রকসল্ট, 
- চিলি সল্টপিটার, 
- ন্যাট্রোন, 
- বোরাক্স ইত্যাদি। 

• ক্যালসিয়ামের আকরিক: 
- চুনাপাথর, 
- জিপসাম, 
- ডলোমাইট ইত্যাদি। 

• অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: 
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম, 
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯৪০.
সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল কোনটি?
  1. ক) মহাকর্ষ
  2. খ) তড়িৎ চৌম্বকীয়
  3. গ) সবল নিউক্লিয়
  4. ঘ) দুর্বল নিউক্লিয়
সঠিক উত্তর:
গ) সবল নিউক্লিয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সবল নিউক্লিয়
ব্যাখ্যা
সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল সবল নিউক্লিয় বল যা তড়িৎ চুম্বকীয় বলের তুলনায়ও একশো গুণ বেশি শক্তিশালী।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১১,৯৪১.
সিএফসির ফলে কোন ধরনের ক্ষতি হয়?
  1. বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে
  2. এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়
  3. ওজোন স্তর ধ্বংস করে
  4. রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর ধ্বংস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা
- সিএফসি ওজোন স্তর ধ্বংস করে। 

সিএফসি: 
- CFC-এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন। 
- মূলত মিথেন বা ইথেনের ক্লোরিন ও ফ্লোরিনের জাতকসমূহকে সিএফসি বলা হয়। 
- গন্ধহীন, অদাহ্য, অবিষাক্ত এবং নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট এসব যৌগের বাণিজ্যিক নাম ফ্রেয়ন। 

সিএফসি'র ক্ষতিকর দিকসমূহ: 
১. প্রাণীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। 
২. ত্বকের ক্যান্সার, চোখের ছানি এবং বিভিন্ন মারাত্মক রোগ সৃষ্টি। 
৩. খাদ্যশস্যের ক্ষতি করে এবং উৎপাদন কমিয়ে দেয়। 
৪. কৃষিক্ষেত্রে পোকামাকড়ের আক্রমণ বৃদ্ধি করে। 
৫. খাদ্য উৎপাদনকারী শৈবাল ও প্লাঙ্ককটন ধ্বংস করে। 

CFC এর ব্যবহারের দিকসমূহ: 
১। কীটনাশক ও পােকামাকড় দমনের জন্য বিষাক্ত দ্রবণ তৈরিতে দ্রাবক হিসাবে CFC ব্যবহার করা হয়। 
২। শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ইনহেলার, মেডিক্যাল স্প্রে-প্রভূতি ক্ষেত্রে CFC ব্যবহার করা হয়। 
৪। সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে CFC ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: American Chemical Society [লিঙ্ক]
১১,৯৪২.
এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. প্রশমন বিক্রিয়া
  2. বিয়োজন বিক্রিয়া
  3. সংযোজন বিক্রিয়া
  4. জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশমন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা

প্রশমন বিক্রিয়া:
- ধাতুর হাইড্রোক্সাইড তথা এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
- যে বিক্রিয়ায় এসিড ও ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়, তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে।
- এই প্রশমন বিক্রিয়াকে এসিড-ক্ষার বিক্রিয়াও বলা হয়
যেমন- লঘু NaOH দ্রবণে ধীরে ধীরে লঘু HCl দ্রবণ করলে NaCl (লবণ) এবং H2O (পানি) উৎপন্ন হয়।
- প্রশমন বিক্রিয়ায় সব সময় তাপ উৎপন্ন হয় অর্থাৎ প্রশমন বিক্রিয়া একটি তাপ উৎপাদি বিক্রিয়া।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৯৪৩.
রাবার কোন ধরনের টিস্যু?
  1. ক) জটিল টিস্যু
  2. খ) ভাজক টিস্যু
  3. গ) স্থায়ী টিস্যু
  4. ঘ) তরুক্ষীয় টিস্যু
সঠিক উত্তর:
ঘ) তরুক্ষীয় টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তরুক্ষীয় টিস্যু
ব্যাখ্যা
যে টিস্যু থেকে তরুক্ষীর (ষধঃবী) নিঃসৃত হয় তাদেরকে তরুক্ষীর টিস্যু বলা হয়। তরুক্ষীর দুধের মত একরকম সাদা, হলুদ অথবা বর্ণহীন আঠালো তরল পদার্থ। তরুক্ষীরে শ্বেতসার, আমিষ, চর্বি, আঠা উৎসেচক ইত্যাদি থাকে।
যেমন: রাবার, আকন্দ, ছাতিম, আফিম ইত্যাদি।
রেফারেন্সঃ জীববিজ্ঞান বই, এসএসসি লেভেল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৪৪.
দুধের প্রধান প্রোটিন কোনটি?
  1. লিপিড
  2. ক্যারোটিন
  3. ক্যাজিন
  4. ল্যাক্টোবুমিন
সঠিক উত্তর:
ক্যাজিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাজিন
ব্যাখ্যা
প্রোটিন (Protein): 
- দুধে তিন শ্রেণির প্রোটিন থাকে। 
যেমন- ক্যাজিন (casein), ল্যাক্ট এলবুমিন (lact albumin) ও ল্যাক্টো গ্লোবুলিন (lactoglobulin). 
- ল্যাক্ট এলবুমিন ও ল্যাকটোগ্লোবুলিনকে সেরাম বা হোয়ে-প্রোটিন (whey protein or serum) বলে। 
- দুধের মোট প্রোটিন (0.9-4.6%) এর মধ্যে 82% হলো ক্যাজিন এবং 18% হলো হোয়ে-প্রোটিন। 
- ক্যাজিন হলো দুধের প্রধান প্রোটিন উপাদান। 
- গ্লুটামিন ও এস্পারাজিন অ্যামাইনো এসিড বাদে অন্য সব অ্যামাইনো এসিড ক্যাজিনে আছে, তাই তরুণ-তরুণীদের দেহ বৃদ্ধির জন্য প্রায় সব অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড সমৃদ্ধ দুধের প্রোটিন উৎকৃষ্ট প্রোটিন খাদ্যরূপে বিবেচিত হয়। 
- ক্যাজিন হলো এক প্রকার ফসফোপ্রোটিন। 
- আর্দ্রবিশ্লেষণের ফলে ক্যাজিন ফসফরিক এসিড ও অ্যামাইনো এসিডে বিভক্ত হয়। 
- ক্যাজিন পানিতে অদ্রবণীয়; দুধে এসিড মিশালে ক্যাজিন অধঃক্ষেপরূপে পৃথক হয়ে পড়ে। 
- মায়ের দুধে 0.9% এবং পশুর দুধে 3.2-4.6% প্রোটিন থাকে। 
- আবার দুধের প্রধান প্রোটিন ক্যাজিন চার ধরনের হয়। 
যেমন- αS1 ক্যাজিন, αS2 ক্যাজিন, β ক্যাজিন ও Κ (kappa) ক্যাজিন। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
১১,৯৪৫.
অস্থি ও দাঁত গঠনে সহায়তা করে কোনটি?
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
  3. গ) লৌহ ও ফসফরাস
  4. ঘ) জিঙ্ক
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
ব্যাখ্যা

- ক্যালসিয়াম প্রাণীদের হাড় এবং দাতের একটি প্রধান উপাদান।
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুইভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। অস্থি এবং দাতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে।
- হাড় ও দাতের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতি প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ।
- দেহে পরিমাণের দিক দিয়ে খনিজ লবণগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরপরই ফসফরাসের স্থান।
- ক্যালসিয়ামের মত হাড় এবং দাত গঠন করা ফসফরাসের প্রধান কাজ।
- ফসফরাসের অভাবে রিকেটস, অস্থিক্ষয়তা, দন্তক্ষয় এসব রোগ দেখা দেয়।
 
উৎসঃ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি

১১,৯৪৬.
আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে কোনটি?
  1. ট্রিপসিন
  2. টায়ালিন
  3. অ্যামাইলেজ
  4. লাইপেজ
সঠিক উত্তর:
ট্রিপসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রিপসিন
ব্যাখ্যা
আমিষ: 
- আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত। 
- আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। 
- আমিষে সামান্য পরিমাণে সালফার, ফসফরাস এবং আয়রন থাকে। 
- শুধু আমিষ জাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টি বিজ্ঞানে আমিষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

- অগ্ন্যাশয়ে অ্যামাইলেজ, ট্রিপসিন, কাইমোট্রিপসিন এবং লাইপেজ এনজাইম তৈরি হয়। 
- এই এনজাইমগুলো ডিওডেনামে এসে খাদ্যের সঙ্গে মিশে। 
- ট্রিপসিন ও কাইমোট্রিপসিন আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে। 
- লাইপেজ স্নেহ খাদ্য হজমে সাহায্য করে। 
- অ্যামাইলেজ শর্করা জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে। 

অন্যদিকে, 
- মুখবিবরের লালাগ্রন্থি থেকে হজমে সাহায্যকারী উপাদান হিসেবে নিঃসৃত এনজাইমটি হলো টায়ালিন। 
- টায়ালিন এনজাইম স্টার্চ, গ্লাইকোজেন, ডেক্সট্রিন অণুকে আর্দ্রবিশ্লিষ্ট করে প্রথমে দ্রবণীয় স্টার্চ এবং পরে ক্ষুদ্রতর ডেক্সট্রিন অণুতে পরিণত করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,৯৪৭.
pH স্কেলের সীমা কোনটি? 
  1. 0–7 
  2. 0–10 
  3. 0–14 
  4. 1–14 
সঠিক উত্তর:
0–14 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0–14 
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়।
- কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+

- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৯৪৮.
সুনামির শক্তি কিভাবে কমে যায়?
  1. সমুদ্রের কেন্দ্রে পৌঁছালে
  2. বাতাসের সঙ্গে সংযোগে
  3. গভীর পানিতে যাওয়ার সময়
  4. অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় 
সঠিক উত্তর:
অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় 
ব্যাখ্যা

- সুনামি যখন গভীর সমুদ্র থেকে উপকূলের কাছাকাছি অগভীর পানিতে প্রবেশ করে, তখন এর গতিবেগ কমে যায়, কিন্তু মোট শক্তি প্রায় স্থির থাকে। শক্তির এই রূপান্তরের কারণে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কমে যায় এবং তরঙ্গের উচ্চতা বহুগুণ বেড়ে যায়, যা উপকূলে বিধ্বংসী রূপ নেয়। 

সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা সুনামি সৃষ্টি করতে পারে।
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। ইউরেশিয়ান প্লেট ও অস্ট্রেলিয়ান প্লেটের সংঘর্ষে সৃষ্টি হওয়া এই মারাত্মক ভূমিকম্পটি ছিল রিখটার স্কেলে নয় মাত্রার। এই জলোচ্ছাসে তিন লাখের মতো মানুষ নিহত হয় যার মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার আচেহ প্রদেশেই নিহত হয়েছে এক লাখ মানুষ। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায় অর্থাৎ কমে। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৯৪৯.
কোনটির অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়?
  1. ভিটামিন B1
  2. ভিটামিন B12
  3. ভিটামিন B2
  4. ভিটামিন B3
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন B3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন B3
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন B কমপ্লেক্স: 

• থায়ামিন (B1)- দেহে থায়ামিনের চরম অভাবে বেরিবেরি রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায়।
• রাইবোফ্ল্যাভিন (B2)- এর অভাবে ঠোঁটের দুপাশে ফাটল দেখা দেয়, মুখে ও জিভে ঘা হয়, ত্বক খসখসে হয়।
• নিয়াসিন বা নিকোটিনিক এসিড (B3) অভাবে পেলেগ্রা রোগ হয়।
• এই রোগের উপসর্গগুলি হল স্মৃতিভ্রংশ (ডিমেনশিয়া), উদরাময় এবং চর্মরোগ বা ডার্মাটাইটিস। 
• পিরিডক্সিন (B6) এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দেয়।।
• ফলিক এসিড (B9) এর অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ দেখা দিতে পারে। এছাড়া এর অভাবে গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশ ব্যাহত হয়।
• কোবালামিন বা সায়ানোকোবালামিন (B12) এর অভাবে রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া) রোগ দেখা দেয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 
১১,৯৫০.
ড্যানিয়েল সেলে অ্যানোড হিসেবে কোন ধাতুর দন্ড ব্যবহার করা হয়? 
  1. Zn
  2. Fe
  3. Na
  4. Cu
সঠিক উত্তর:
Zn
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zn
ব্যাখ্যা

ড্যানিয়েল সেল (Daniel Cell) হলো একটি প্রকারের প্রাথমিক বৈদ্যুতিক ব্যাটারি যা রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুতের শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 

এতে দুটি ইলেক্ট্রোড থাকে: 
অ্যানোড (Zn): যেখান থেকে ইলেকট্রন নিঃসৃত হয়।
Zn → Zn2++ 2e-

ক্যাথোড (Cu):
যেখান ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
Cu2+ + 2e- → Cu

Zn ইলেকট্রন দানকারী, তাই অ্যানোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: NCTB রসায়ন বই, Britannica: [লিংক]

১১,৯৫১.
কোনটির আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) পানি
  2. খ) কেরোসিন
  3. গ) বায়ু
  4. ঘ) খাবার লবণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাবার লবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খাবার লবণ
ব্যাখ্যা
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে।
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে।

কঠিন পদার্থ
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়।
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে।
- কক্ষ তাপমাতায় বেশির ভাগ পদার্থ কঠিন হলেও তরল ও বায়বীয় অবস্থাতেও পদার্থ অবস্থান করে। তাপমাত্রার পরিবর্তন পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন ঘটায়।
কঠিন পদার্থ: ইট, কাঠ, পাথর, খাবার লবণ, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি।
তরল পদার্থ: দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি।
বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ: অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
১১,৯৫২.
সিরামিক চুম্বক ব্যবহৃত হয় কোনটিতে?
  1. ক) জেনারেটরে
  2. খ) মোটরে
  3. গ) টেপরেকর্ডারে
  4. ঘ) বৈদ্যুতিক পাখায়
সঠিক উত্তর:
গ) টেপরেকর্ডারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টেপরেকর্ডারে
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম চুম্বকঃ কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়।
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক
২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক
অস্থায়ী চুম্বকঃ চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়।

স্থায়ী চুম্বকঃ চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়।

উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯৫৩.
অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের ক্ষেত্রে স্পন্দন দিকের সাথে তরঙ্গ প্রবাহের দিকের মধ্যবর্তী কোণ কত ডিগ্রি হয়?
  1. ক) 90
  2. খ) 45
  3. গ) 0
  4. ঘ) 30
সঠিক উত্তর:
গ) 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 0
ব্যাখ্যা
একটি নমনীয় স্প্রিং এর এক প্রান্ত দেয়ালে বেঁধে অন্য প্রান্ত টান করে ধরে যে কোন প্রান্তে মৃদু আঘাত করলে দেখতে পাবেন স্প্রিংটির কিছু কুন্ডলীকৃত অংশ সংকুচিত হয়েছে। কিন্তু পরবর্তি অংশ প্রসারিত রয়েছে। এবং অতি দ্রুত এ সংকুচিত অংশ সামনে সরে গিয়ে পেছনের কুন্ডলীতে প্রসারিত অংশ সৃষ্টি হচ্ছে। এভাবে সংকোচন-প্রসারণ পর্যায়ক্রমে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই আন্দোলন জড় মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে, কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না, এটি এক প্রকার তরঙ্গ। এর নাম অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের ক্ষেত্রে স্পন্দন দিকের সাথে তরঙ্গ প্রবাহের দিকের মধ্যবর্তী কোণ 0 ডিগ্রি হয়।
১১,৯৫৪.
CFC কি ক্ষতি করে?
  1. রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে।
  2. ওজন স্তর ধ্বংস করে।
  3. এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়।
  4. বায়ুর তাপ কমিয়ে দেয়।
সঠিক উত্তর:
ওজন স্তর ধ্বংস করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজন স্তর ধ্বংস করে।
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউজ প্রভাব সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন গ্রীন হাউজ গ্যাসগুলির মধ্যে কার্বন ডাই-অক্সাইড অন্যতম। এ ছাড়া আছে মিথেন, সিএফসি(CFC), নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি।
মানুষ তার সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশন, এ্যারোসল ব্যবহার করে থাকে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এ সমস্ত যন্ত্রের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।
এ সমস্ত যন্ত্র থেকে CFC (ক্লোরো ফ্লোরো কার্বন) গ্যাস নির্গত হয়, যা বায়ুমন্ডলের ওজোন স্তর ধ্বংসের সহায়ক।
উৎসঃ সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৫৫.
ডুবোজাহাজ হতে পানির উপর কোনো বস্তু দেখার জন্য কোন আলোক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. পেরিস্কোপ 
  2. মাইক্রোস্কোপ
  3. প্রিজম
  4. টেলিস্কোপ
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেরিস্কোপ 
ব্যাখ্যা
• পেরিস্কোপ:
- পেরিস্কোপ হলো এমন একটি আলোক যন্ত্র, যা মূলত আয়না বা প্রিজম দিয়ে তৈরি হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি হয় যেন পানির নিচে থাকা ডুবোজাহাজের ভেতর থেকে মানুষ পানির উপরিভাগে থাকা বস্তু দেখতে পারে।

অন্যদিকে,
- টেলিস্কোপ: দূরবর্তী মহাকাশ পর্যবেক্ষণ। 
- প্রিজম: আলো বিচ্ছুরণ ও প্রতিফলন। 
- মাইক্রোস্কোপ: ক্ষুদ্র জিনিস বড় করে দেখা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,৯৫৬.
প্রতিধ্বনির সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করতে কোন যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ফ্যাদম
  2. খ) ইকোগ্রাফ
  3. গ) ওডোমিটার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ইকোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইকোগ্রাফ
ব্যাখ্যা

• গভীর সমুদ্রের তলদেশে প্রতিফলিত শব্দের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা  নির্ণয় করা হয়। এই কাজের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে ফ্যাদোমিটার বা ইকোগ্রাফ বলে।

• ফ্যাদম: এক ফ্যাদম (Fathom) সমান ৬ ফুট (১.৮৩ মিটার)। যা দীর্ঘকাল পানির গভীরতার নটিক্যাল একক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে।  
• ওডোমিটার - মোটর গাড়ির গতি নির্নায়ক যন্ত্র।

উৎস: জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

১১,৯৫৭.
নিচের কোনটি অধাতব খনিজ পদার্থ?
  1. ক) Mica
  2. খ) Cu
  3. গ) Au
  4. ঘ) Fe
সঠিক উত্তর:
ক) Mica
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Mica
ব্যাখ্যা
ধাতব-অধাতব খনিজ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়।
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে।
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে।

ধাতব খনিজ পদার্থ:
• লোহা (Fe)
• তামা  (Cu)
• সোনা (Au)
• রূপা  (Ag) ইত্যাদি। 

অধাতব খনিজ পদার্থ: 
• কোয়ার্টজ (Quartz)
• মাইকা (Mica)
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 
- আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯৫৮.
চেহারা দেখার জন্য যে দর্পনটি ব্যবহৃত হয় সেটি হলো একটি-
  1. ক) উত্তল দর্পন
  2. খ) অবতল দর্পন
  3. গ) সমতল দর্পন
  4. ঘ) উভোত্তল দর্পন
সঠিক উত্তর:
গ) সমতল দর্পন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সমতল দর্পন
ব্যাখ্যা
সমতল দর্পণ (Plane mirror):
- দর্পণ পৃষ্ঠ যদি সমতল হয় অর্থাৎ কোনো সমতল পৃষ্ঠ যদি প্রতিফলক হিসাবে ব্যবহৃত হয় এবং তাতে আলোক রশ্মির নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তবে তাকে সমতল দর্পণ বলে।
- আমরা চেহারা দেখার জন্য প্রতিদিন যে আয়না ব্যবহার করি, চুল ছাটার সেলুনে, টয়লেটে, ড্রেসিং টেবিলে যে আয়না ব্যবহৃত হয় তা সমতল দর্পণ।

সমতল দর্পণে গঠিত প্রতিবিম্বের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. দর্পণ থেকে বস্তু দূরত্ব যত, দর্পণ থেকে বিম্বের 'দূরত্ব' তত।
২. বস্তু ও বিম্ব সংযোগকারী রেখা দর্পণ তলকে লম্বভাবে ছেদ করে।
৩. সমতল দর্পণে গঠিত বিম্ব অসদ ও সোজা।
৪. বিম্বের আকার বস্তুর আকারের সমান হয়।
৫. বিম্বের পার্শ্ব পরিবর্তন ঘটে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৫৯.
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে বলে -
  1. ক) গামা রশ্মি
  2. খ) অবলোহিত রশ্মি
  3. গ) মহাজাগতিক রশ্মি
  4. ঘ) অতি বেগুনী রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে মহাজগতিক রশ্মি বলে। বিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান। উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,৯৬০.
কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা __________ । 
  1. বেশি
  2. সমান
  3. কিছুটা কম
  4. অনেক বেশি কম
সঠিক উত্তর:
বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেশি
ব্যাখ্যা
সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া: 
- ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া সক্রিয়তার সিরিজ অনুসারে সম্পন্ন হয়। 
- পর্যায় তালিকায় মৌল সমূহের ধর্মকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়। 
- তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
- হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো বেশি সে মৌল ততো বেশি সক্রিয়। 
- আর যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো কম সে মৌলটি ততো কম সক্রিয়। 
- মৌলের সক্রিয়তার নিম্ন ক্রমানুসারে সাজালো যে মৌল শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে, তাকে সক্রিয়তা সিরিজ বলে। 


- কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে, তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক বা বেশি। 
- এরা এসিডের লঘু দ্রবণ থেকে হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপিত করবে। 
- অর্থাৎ হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু ও লঘু এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৬১.
কানের পিনা হচ্ছে -
  1. তরুণাস্থি
  2. অস্থি
  3. অস্থিসন্ধি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তরুণাস্থি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরুণাস্থি
ব্যাখ্যা

• অস্থি (Bone):
- অস্থি যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। এটি দেহের সবচেয়ে দৃঢ় কলা।
- অস্থির মাতৃকা বা আন্তঃকোষীয় পদার্থ এক ধরনের জৈব পদার্থ দিয়ে গঠিত। মাতৃকার মধ্যে অস্থিকোষগুলো ছড়ানো থাকে।
- একদিকে অস্থির পুরাতন অংশ ক্ষয় হতে থাকে এবং অন্যদিকে অস্থির মধ্যে নতুন অংশ গঠন হতে থাকে। এই ভারসাম্য নষ্ট হলে অস্থির বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়। বয়স বাড়লে অবশ্য এমনিতেই ভারসাম্যটি হাড় ক্ষয়ের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে।
- অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি। এছাড়া অস্থিতে প্রায় 40-50 ভাগ পানি থাকে।  

• তরুণাস্থি (Cartilage):

- তরুণাস্থি অস্থির মতো শক্ত নয়। এগুলো অপেক্ষাকৃত নরম এবং স্থিতিস্থাপক। এটি যোজক কলার ভিন্নরূপ।
- এর কোষগুলো একক বা জোড়ায় জোড়ায় খুব ঘনভাবে স্থিতিস্থাপক মাতৃকাতে বিস্তৃত থাকে।
- তরুণাস্থি কোষগুলো থেকে কন্ড্রিন নামক এক ধরনের শক্ত, ঈষদচ্ছ রাসায়নিক বস্তু বের হয়। 
- সব তরুণাস্থি একটি তন্তুময় যোজক কলা নির্মিত আবরণী দিয়ে পরিবেষ্টিত থাকে, একে পেরিকন্ড্রিয়াম বলে। এই আবরণটি দেখতে চকচকে সাদা, তাই আমরা সাধারণত তরুণাস্থিকে সাদা, নীলাভ এবং চকচকে দেখতে পাই।
- আমাদের দেহে কয়েক রকম তরুণাস্থি আছে (যেমন কানের পিনার তরুণাস্থি)। তরুণাস্থি বিভিন্ন অস্থির সংযোগস্থলে, কিংবা অস্থির কিছু অংশে উপস্থিত থাকে।

• অস্থিসন্ধি (Joint):
- দুই বা ততোধিক অস্থির সংযোগস্থলকে অস্থিসন্ধি বলে।
- প্রতিটি অস্থিসন্ধির অস্থিগুলো একরকম স্থিতিস্থাপক রজ্জুর মতো বন্ধনী দিয়ে দৃঢ়ভাবে আটকানো থাকে, ফলে অস্থিগুলো সহজে সন্ধিস্থল থেকে বিচ্যুত হতে পারে না।
- সন্ধিস্থল বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সঞ্চালনে সাহায্য করে।

উৎস: জীব বিজ্ঞান (নবম ও দশম শ্রেণি)।

১১,৯৬২.
মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে দ্বিতীয় প্রতিরক্ষাস্তর কোনটি?
  1. ক) সিলিয়া
  2. খ) নিউট্রোফিল
  3. গ) লালারস
  4. ঘ) লিম্ফোসাইট
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিম্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা

মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে দ্বিতীয় প্রতিরক্ষাস্তর লিম্ফোসাইট। ত্বক, মিউকাস মেমব্রেন, সিলিয়া, লালারস, পাকস্থলী রস, অশ্রু, মূত্র প্রবাহ, নিউট্রোফিল ইত্যাদি প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তর।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১১,৯৬৩.
তাপ সঞ্চালনের পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. পরিবহন
  2. পরিচলন
  3. বিকিরণ
  4. প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
• প্রতিফলন তাপ সঞ্চালনের পদ্ধতি নয়, বরং এটি আলো বা তরঙ্গের একটি ধর্ম।

• তাপ সঞ্চালন:
- উচ্চ তাপমাত্রার স্থান থেকে নিম্ন তাপমাত্রার স্থানে তাপের প্রবাহই হলো তাপ সঞ্চালন।

• তাপ সঞ্চালনের (Heat Transfer) তিনটি প্রধান পদ্ধতি রয়েছে:
→ পরিবহন (Conduction):
- কঠিন পদার্থে তাপের সঞ্চালন ঘটে এই পদ্ধতিতে।
- অণুগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের মাধ্যমে তাপ স্থানান্তরিত হয়।
- উদাহরণ: লোহার রডের এক প্রান্ত গরম করলে অন্য প্রান্তে তাপ পৌঁছায়।

→ পরিচলন (Convection):
- তরল বা গ্যাসীয় মাধ্যমে তাপের সঞ্চালন ঘটে এই পদ্ধতিতে।
- পদার্থের অণুগুলোর চলাচলের মাধ্যমে তাপ স্থানান্তরিত হয়।
- উদাহরণ: পানির তাপমাত্রা বাড়লে তা উপরের দিকে উঠে যায়।

→ বিকিরণ (Radiation):
- তাপ শক্তি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ (যেমন: ইনফ্রারেড) আকারে স্থানান্তরিত হয়।
- মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না (শূন্যস্থানেও কাজ করে)।
- উদাহরণ: সূর্যের তাপ পৃথিবীতে পৌঁছায়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৬৪.
রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো-
  1. ক) Uranium-235
  2. খ) Uranium-238
  3. গ) Uranium-233
  4. ঘ) Plutonium-239
সঠিক উত্তর:
ক) Uranium-235
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Uranium-235
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে।
- এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করছে রাশিয়া।
- রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করছে। অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করবে।
- তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
- মোট ব্যয় প্রায় ১২.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে রাশিয়া সরকার ঋণ দিচ্ছে ১১.৪ বিলিয়ন ডলার।
- ২০২৩ সালে কেন্দ্রটি চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম - ২৩৫।

সূত্র: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
১১,৯৬৫.
নিচের কোনটি আলাদা?
  1. ক) শব্দ
  2. খ) মাটি
  3. গ) পানি
  4. ঘ) বাতাস
সঠিক উত্তর:
ক) শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শব্দ
ব্যাখ্যা

- যা ইন্দ্রিয় গ্রাহ্য, যা কিছু স্থান দখল করে, যার ওজন আছে এবং বল প্রয়োগের সাহায্যে যার স্থির বা গতিশীল অবস্থার পরিবর্তন করা যায়, তাকেই পদার্থ বলে। 
মাটি, পানি, বাতাস এরা সবাই পদার্থ। 
- যা কোনো স্থান দখল করে না, ওজন নেই, বল প্রয়োগের সাহায্যে অবস্থান পরিবর্তন করা যায় না, শুধু উপস্থিতি অনুভব করা যায় তাকে বলা হয় শক্তি। 
শব্দ, আলো, বিদ্যুৎ, তাপ ইত্যাদি হলো শক্তি। 

সূত্র: প্রাথমিক বিজ্ঞান বোর্ড বই, পঞ্চম শ্রেণি

১১,৯৬৬.
পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH কত?
  1. ৩.৫
  2. ৫.৫
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
pH:
- পাকস্থলীতে স্বাভাবিকের তুলনায় এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বলে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
- কোনো দ্রবণের pH মান নির্ণয়ের জন্য যে পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে pH মিটার বলে।
- মাটির pH সাধারণত 4-8 হয়ে থাকে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH = 7.45।
- বিশুদ্ধ পানির pH 20°-27°C তাপমাত্রায় 7। 
- মূত্রে pH-এর মান 7-এর কম থাকে অর্থাৎ মূত্র মৃদু অম্লীয় প্রকৃতির।
- মানুষের জিহ্বার লালার pH 6.6 এর কাছাকাছি হলে খাদ্য দ্রব্য হজমে তা বেশি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে।
- পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH হল 2। 

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৬৭.
একটি মাত্র গর্ভাশয় থেকে উৎপন্ন ফলকে কী বলা হয়? 
  1. অপ্রকৃত ফল
  2. গুচ্ছ ফল
  3. সরল ফল
  4. যৌগিক ফল
সঠিক উত্তর:
সরল ফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরল ফল
ব্যাখ্যা
ফল: 
- নিষিক্তকরণের পর গর্ভাশয় এককভাবে অথবা ফুলের অন্যান্য অংশসহ পরিপুষ্ট হয়ে যে অঙ্গ গঠন করে তাকে ফল বলে। 

ফলের প্রকারভেদ: 
- শুধু গর্ভাশয় ফলে পরিণত হলে তাকে প্রকৃত ফল বলে, যেমন- আম, কাঁঠাল। 
- গর্ভাশয় ছাড়া ফুলের অন্যান্য অংশ পুষ্ট হয়ে যখন ফলে পরিণত হয় তখন তাকে অপ্রকৃত ফল বলে, যেমন-আপেল, চালতা ইত্যাদি। 
- প্রকৃত ও অপ্রকৃত ফলকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- 
১) সরল ফল: 
- ফুলের একটি মাত্র গর্ভাশয় থেকে যে ফলের উৎপত্তি তাকে সরল ফল বলে, যেমন- আম। 
- এরা রসাল বা শুষ্ক হতে পারে। 
- সরল ফল দুই প্রকার। 
ক) রসাল ফল: যে ফলের ফলত্বক পুরু এবং রসাল তাকে রসাল ফল বলে। এ ধরনের ফল পাকলে ফলত্বক ফেটে যায় না। যেমন- আম, জাম, কলা ইত্যাদি। 
খ) নীরস ফল: যে ফলের ফলত্বক পাতলা এবং পরিপক্ক হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায় তাকে নীরস ফল বলে। যেমন-শিম, ঢেঁড়স, সরিষা ইত্যাদি। 

২) যৌগিক ফল: 
- একটি মঞ্জরির সম্পূর্ণ অংশ যখন একটি ফলে পরিণত হয় তখন তাকে যৌগিক ফল বলে। 
যেমন- আনারস, কাঁঠাল। 

 ৩) গুচ্ছ ফল: 
- একটি ফুলে যখন অনেকগুলো গর্ভাশয় থাকে এবং প্রতিটি গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়ে একটি বোঁটার উপর গুচ্ছাকারে থাকে তখন তাকে গুচ্ছ ফল বলে। 
যেমন- চম্পা, নয়নতারা, আকন্দ, আতা, শরীফা ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১১,৯৬৮.
রক্ত জমাট বাঁধার জন্য দায়ী নিচের কোনটি?
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা
  2. খ) লিউকোসাইট
  3. গ) প্লেইটলেট
  4. ঘ) হেপারিন
সঠিক উত্তর:
গ) প্লেইটলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্লেইটলেট
ব্যাখ্যা
- অণুচক্রিকা বা প্লেইটলেট অস্থায়ী প্লেইটলেট প্লাগ সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তপাত বন্ধ করে। রক্তজমাট ত্বরাণ্বিত করতে বিভিন্ন ক্লটিং ফ্যাক্টর ক্ষরণ করে৷ আবার প্রয়োজন শেষে রক্তজমাট বিগলনেও সাহায্য করে৷
- বেসোফিলের সাইটোপ্লাজমে যে দানা থাকে তা থেকে হেপারিন তৈরি হয়। হেপারিন রক্তবাহিকার ভিতরে রক্তজমাট প্রতিরোধ করে।
- লোহিত রক্তকণিকা বা শ্বেত রক্তকণিকা রক্ত জমাট বাঁধার সাথে সম্পর্কিত নয়।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,৯৬৯.
রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক কে?
  1. ক) এডিসন
  2. খ) স্টিফেনসন
  3. গ) জেমস ওয়াট
  4. ঘ) মোর্স
সঠিক উত্তর:
খ) স্টিফেনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্টিফেনসন
ব্যাখ্যা

রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- স্টিফেনসন।
বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- জেমস ওয়াট।
ফনোগ্রাফ ও বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক- টমাস আলভা এডিসন।
টেলিগ্রাফের আবিষ্কারক- স্যামুয়েল মোর্স।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা।

১১,৯৭০.
কোবাল্ট-৬০ আইসোটোপ থেকে নির্গত শক্তিশালী কোন রশ্মি ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়? 
  1. বিটা রশ্মি
  2. গামা রশ্মি
  3. রঞ্জন রশ্মি
  4. আলফা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
আইসোটোপ এবং এর ব্যবহার: 
- আইসোটোপগুলো হলো একটি নির্দিষ্ট মৌলের রূপভেদ। 
- বিভিন্ন ভরসংখ্যা বিশিষ্ট একই মৌলের পরমাণুকে ঐ মৌলের আইসোটোপ বলে। 
- কোনো মৌলের আইসোটোপ সমূহে প্রোটনের সংখ্যা সমান থাকে, কিন্তু নিউট্রোনের সংখ্যা বিভিন্ন হয়। 
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে ‘পরমাণু চিকিৎসায়' তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ প্ৰধানত রোগ নির্ণয়ের এবং রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
- রোগীর শরীরে কোনো স্থানে বা অঙ্গে ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমারের উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের সাহায্যে শনাক্ত করা যায়। 
- কোবাল্ট-60 (60Co) আইসোটোপ থেকে নির্গত শক্তিশালী 'গামা রশ্মি' ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- কোবাল্ট- 60 থেকে নির্গত গামা রশ্মির সাহায্যে অপারেশনের যন্ত্রপতি রোগ জীবাণুমুক্ত করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৭১.
পাহাড়ের উপর রান্না করতে বেশি সময় লাগে কেন?
  1. বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারণে
  2. বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
  3. পাহাড়ের উপর বাতাস কম থাকায়
  4. পাহাড়ের উপর তাপমাত্রা বেশি থাকায়
সঠিক উত্তর:
বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
ব্যাখ্যা
- চাপের কারণে স্ফুটনাঙ্কের পরিবর্তন হয়। 
- চাপ কম হলে স্ফুটনাঙ্ক কমে যায়, চাপ বেশি হলে স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে যায়। 
- এজন্য যারা পর্বতারোহণ করে অনেক উচ্চতায় যায় তাদের রান্না করতে সময় বেশি নেয়৷ 
- বাতাসের চাপ কম বলে সেখানে পানি তুলনামূলকভাবে কম তাপমাত্রায় ফুটতে থাকে, তাই তাপমাত্রা বাড়ানো যায় না, সেজন্য রান্না করতে সময় বেশি লাগে। 
- একই কারণে প্রেশার কুকার তৈরি হয়েছে, এটি আসলে একটি নিশ্ছিদ্র পাত্র, তাই রান্না করার সময় বাষ্প আবদ্ধ হয়ে চাপ বাড়িয়ে দেয় এবং সে কারণে পানির স্ফুটনাঙ্ক বেড়ে যায় বলে বেশি তাপমাত্রায় পানি ফুটতে থাকে। 
- তাপমাত্রা বেশি বলে রান্নাও করা যায় তাড়াতাড়ি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯৭২.
ভাইরাসঘটিত রোগ নয় কোনটি?
  1. পোলিও
  2. টাইফয়েড
  3. জন্ডিস
  4. ইনফ্লুয়েঞ্জা
সঠিক উত্তর:
টাইফয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইফয়েড
ব্যাখ্যা

টাইফয়েড হলো একটি ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ।

ভাইরাসজনিত রোগ:
- এইডস,
- পোলিও,
- ডেঙ্গু,
- ইনফ্লুয়েঞ্জা,
- পীতজ্বর,
- হাম,
- রুবেলা,
- মাম্পস,
- জন্ডিস,
- হার্পিস ইত্যাদি।

ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:
- আমাশয়,
- টাইফয়েড,
- কলেরা,
- কুষ্ঠ,
- যক্ষ্মা,
- ধনুষ্টংকার,
- ডিপথেরিয়া,
- হুপিং কাশি ইত্যাদি।

উৎস: উদ্ভিদ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

১১,৯৭৩.
কোনটি সুপরিবাহী পদার্থ?
  1. ক) কাঠ
  2. খ) প্লাস্টিক
  3. গ) রাবার
  4. ঘ) সোনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনা
ব্যাখ্যা

যে বস্তুর মধ্য দিয়ে বিদ্যুত সহজেই প্রবাহিত হতে পারে বা চলাচল করতে পারে, তাকে সুপরিবাহী বলে। যেমন: লোহা, তামা, রূপা, সোনা ইত্যাদি।
যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ বলে। যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ ইত্যাদি।
সুত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান

১১,৯৭৪.
তাপহারী বিক্রিয়ায় তাপ-
  1. ক) বেড়ে যায়
  2. খ) দ্বিগুণ হয়
  3. গ) উৎপন্ন হয়
  4. ঘ) শোষণ হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) শোষণ হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শোষণ হয়
ব্যাখ্যা
তাপহারী বিক্রিয়ায় তাপের শোষণ এবং তাপ উৎপাদী বিক্রিয়ায় তাপের উৎপাদন ঘটে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১১,৯৭৫.
ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কোনটি?
  1. ক) ব্যারোমিটার
  2. খ) সেক্সট্যান্ট
  3. গ) সিসমোমিটার
  4. ঘ) ম্যানোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) সিসমোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিসমোমিটার
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময় অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ-পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি রয়েছে,তাকে উপকেন্দ্র বলা হয়।
- সাধারণত ভূ-ত্বকের ৩২ কি.মি. এর মধ্যে ভূমিকম্পের উৎস স্থান থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে গভীরতা আরও বেশি হতে পারে।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ-এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে।
- ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার
- ভূমিকম্পনের রেখা যে কাগজে অংকিত হয়, তাকে সিসমোগ্রাফ বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৭৬.
সবুজ উদ্ভিদে কার্বন ডাই-অক্সাইড বিজারণের কতটি গতিপথ শনাক্ত করা হয়েছে? 
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- আলোক নিরপেক্ষ পর্যায়ে আলোর প্রত্যক্ষ প্রয়োজন পড়ে না, তবে আলোর উপস্থিতিতেও এই প্রক্রিয়া চলতে পারে। 
- বায়ুমণ্ডলের CO2 পত্ররন্ধ্রের মধ্য দিয়ে কোষে প্রবেশ করে। 
- আলোক পর্যায়ে তৈরি ATP, NADPH এবং H+ এর সাহায্যে আলোক নিরপেক্ষ পর্যায়ে CO2 বিজারিত হয়ে কার্বোহাইড্রেটে পরিণত হয়। 
- সবুজ উদ্ভিদে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) বিজারণের তিনটি গতিপথ শনাক্ত করা হয়েছে। 
যেমন - 
১। ক্যালভিন চক্র, 
২। হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্র এবং 
৩। ক্রেসুলেসিয়ান এসিড বিপাক। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯৭৭.
সূর্যমূখীর ভাল ফলনের জন্য প্রতি হেক্টর জমিতে সার প্রয়োগ করতে হবে -
  1. ১৮০-২০০ কেজি ইউরিয়া
  2. ১২০-১৫০ কেজি জিপসাম
  3. ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট
  4. ক, খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ক, খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক, খ ও গ
ব্যাখ্যা
সূর্যমূখী চাষ:
- সূর্যমুখী ইংরেজি নাম Sunflower এবং আলো নিরপেক্ষ ফসল হওয়ায় এটা সারা বছর ধরে চাষ করা যায়।
- গাছের বৃদ্ধি পর্যায়ে হালকা বৃষ্টিপাত হলে ভালো ফলন হয়।
- চাষের জন্য দোআঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটি অত্যন্ত উপযোগী।
- কিসো ও বারি সূর্যমুখী ২ জাত উল্লেখযোগ্য।
- প্রতি হেক্টর জমিতে চাষ ৮-১০ কেজি বীজ প্রয়োজন হয়।
- ফলন ১.৫-১.৮ টন/হেক্টর।
- এটা তেল ও ফুল উৎপাদনকারী ফসল হিসেবে চাষ হয়ে থাকে।
- এর বীজে ৪৫-৫০% ভোজ্য তেল থাকে।
- এর তেল সরিষার তেলের চেয়ে অনেক ভালো।

⇒ সার প্রয়োগ:
- সঠিক সময়ে সঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগ করলে সূর্যমূখীর ফলন ভালো হয়।
- প্রতি হেক্টর জমিতে ১৮০-২০০ কেজি ইউরিয়া, ১৬০-১৮কেজি টিএসপি, ১২০-১৫০ কেজি এমওপি, ১২০-১৫০ কেজি জিপসাম, ৮-১০ কেজি জিংক সালফেট, ১০-১২ কেজি বরিক এসিড ও ৮০-১০০ কেজি ম্যানেসিয়াম সালফেট প্রয়োগ করতে হয়।
- ইউরিয়া সারের অর্ধেকসহ বাকী সব সার জমি তৈরির শেষ চাষের সময় ছিটিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
- বাকী অর্ধেক ইউরিয়া দু'ভাগ করে ১ম ভাগ চারা গাজনোর ২০-২৫ দিন পর এবং ২য় ভাগ ৪০-৪৫ দিন পর বা ফুল আসার আগে প্রয়োগ করতে হয়।
- প্রতিবার সেচের পর ইউরিয়া সার প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে পারলে সারের সঠিক ব্যবহার হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৭৮.
Which one is the natural satellite of earth?
  1. ক) Atlas
  2. খ) Ariel
  3. গ) Oberon
  4. ঘ) Moon
সঠিক উত্তর:
ঘ) Moon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Moon
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ হলো চাঁদ
- পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার। চাঁদ পৃথিবীকে ২৯ দিন ১২ ঘন্টায় একবার প্রদক্ষিণ করে।
- উপগ্রহ হলো একপ্রকার জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তু যা তার নিজ কক্ষপথে কোন গ্রহকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।

অন্যদিকে,
- ডিমোস : মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ
- মিরিন্ডা : ইউরেনাস গ্রহের উপগ্রহ
- টাইটান : শনি গ্রহের উপগ্রহ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৯৭৯.
নিচের কোনটি চোখের একমাত্র আলোকসংবেদী অংশ?
  1. পিউপিল
  2. আইরিশ
  3. রেটিনা
  4. অন্ধবিন্দু
সঠিক উত্তর:
রেটিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেটিনা
ব্যাখ্যা

• চোখের একমাত্র আলোকসংবেদী অংশ হলো রেটিনা (গ)। রেটিনা চোখের ভেতরের পেছনের অংশে অবস্থিত এক সূক্ষ্ম ঝিল্লি, যেখানে আলোর রশ্মি কেন্দ্রীভূত হয়ে পড়ে। এতে অসংখ্য আলোকগ্রাহী কোষ বা ফটোরিসেপ্টর (রড ও কোণিকা) থাকে, যা আলো ও রঙ শনাক্ত করে স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে সংকেত পাঠায়। এই সংকেত থেকেই আমরা বস্তু দেখতে পাই। অন্যদিকে পিউপিল হলো আলো প্রবেশের পথ, আইরিশ রঙ নিয়ন্ত্রণ করে, আর অন্ধবিন্দুতে কোনো আলোকসংবেদী কোষ নেই। তাই রেটিনাই একমাত্র অংশ যা সরাসরি আলো অনুভব করতে সক্ষম।

রেটিনা: 
- চক্ষু গোলকের সবচেয়ে ভেতরের স্তর রেটিনা। 
- চোখের 'রেটিনা' স্তরটি আলোক সংবেদী, এতে আলোক সংবেদী কোষ থাকে। 
- আলোক সংবেদী কোষগুলো রড ও কোণ কোষ নিয়ে গঠিত। 
- চোখে রড কোষের সংখ্যা প্রায় সত্তর লক্ষ। 
- কোণ কোষগুলো উজ্জ্বল আলোতে রঙিন বস্তু দর্শনের জন্য উপযোগী। 
- রড কোষগুলো অনুজ্জ্বল আলোতে দর্শনের উপযোগী। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।

১১,৯৮০.
শুকনা চুনে পানি ঢাললে কোনটি ঘটে?
  1. তাপের শোষণ ঘটে
  2. মিশ্রণের তাপমাত্রা হ্রাস পায়
  3. মিশ্রণের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়
  4. বিক্রিয়কের অভ্যন্তরীণ শক্তি উৎপাদের অভ্যন্তরীণ শক্তি থেকে কম হয়
সঠিক উত্তর:
মিশ্রণের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশ্রণের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
• শুকনা চুনে পানি ঢাললে মিশ্রণের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 

• রাসায়নিক বিক্রিয়া:

- রাসায়নিক বিক্রিয়া হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে এক বা একাধিক পদার্থ একত্রিত হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নতুন পদার্থে রূপান্তরিত হয়।

• তাপের পরিবর্তনের ভিত্তিতে বিক্রিয়াকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
যথা-
- তাপোৎপাদী বিক্রিয়া।
- তাপহারী বিক্রিয়া। 

• তাপোৎপাদী বিক্রিয়া:
- যে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে তাপ উৎপন্ন হয়, তাকে তাপোৎপাদী বিক্রিয়া বলা হয়। 

• শুকনা চুন (ক্যালসিয়াম অক্সাইড, CaO) পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Ca(OH)2] তৈরি করে।
- এই বিক্রিয়াটি অত্যন্ত তাপ উৎপাদী (Exothermic) অর্থাৎ তাপ নির্গত হয়। 
- এই বিক্রিয়ায় 63.95 kJ/mol তাপ উৎপন্ন হয়।
- এর ফলে শুকনা চুনে পানি ঢাললে মিশ্রণের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- বিক্রিয়কের অভ্যন্তরীণ শক্তি উৎপাদের অভ্যন্তরীণ শক্তি থেকে বেশি হয়। 

• বিক্রিয়াটি হলো - CaO + H2O → Ca(OH)2 ​+ 63.95 kJ/mol

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১১,৯৮১.
কসমিক রে প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. ইলেক্ট্রন
  2. প্রোটন
  3. নিউট্রন
  4. ফোটন
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন
ব্যাখ্যা

◉ মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic Rays) মূলত মহাকাশ থেকে আসা উচ্চ-শক্তিসম্পন্ন কণার ধারা। এদের মধ্যে প্রায় ৮৯% প্রোটন থাকে। 

​মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays):
- মহাজাগতিক রশ্মি হচ্ছে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণার স্রোত। বহির্বিশ্ব থেকে এসব কণা এসে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে।
- বাইরে থেকে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়।
- ধারণা করা হয় ছায়াপথের বাইরে নতুন নতুন নক্ষত্রের বিস্ফোরণের ফলে বেশির ভাগ মহাজাগতিক রশ্মির সৃষ্টি হয়।
- মহাজাগতিক রশ্মিতে থাকে ৮৯ ভাগ প্রোটন, ৯ ভাগ নিউট্রন এবং ২ ভাগ কার্বন, নাইট্রোজেন, অক্সিজেন ও লোহার ভারী নিউক্লিয়াস।
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।

১১,৯৮২.
অস্থি মূলত কোন ধরণের কলার রূপান্তরিত রূপ? 
  1. স্নায়ুকলা
  2. যোজককলা
  3. পেশিকলা
  4. আবরণী কলা
সঠিক উত্তর:
যোজককলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোজককলা
ব্যাখ্যা
অস্থি (Bone): 
- অস্থি যোজক কলার রূপান্তরিত রূপ। 
- এটি দেহের সবচেয়ে দৃঢ় কলা। 
- অস্থির মাতৃকা বা আন্তঃকোষীয় পদার্থ এক ধরনের জৈব পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
- মাতৃকার মধ্যে অস্থিকোষগুলো ছড়ানো থাকে। 
- একদিকে অস্থির পুরাতন অংশ ক্ষয় হতে থাকে এবং অন্যদিকে অস্থির মধ্যে নতুন অংশ গঠন হতে থাকে। 
- এই ভারসাম্য নষ্ট হলে অস্থির বিভিন্ন ধরনের রোগ হয়। 
- বয়স বাড়লে অবশ্য এমনিতেই ভারসাম্যটি হাড় ক্ষয়ের দিকে বেশি ঝুঁকে পড়ে। 
- অস্থি মূলত ফসফরাস, সোডিয়াম, পটাশিয়াম এবং ক্যালসিয়ামের বিভিন্ন যৌগ দিয়ে তৈরি। 

- এছাড়া অস্থিতে প্রায় 40-50 ভাগ পানি থাকে। 
- জীবিত অস্থিকোষে 40% জৈব এবং 60% অজৈব যৌগ পদার্থ নিয়ে গঠিত। 
- অস্থি বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন 'ডি' এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার প্রয়োজন। 
- এসব খাবারের অভাবে অস্থির স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। 
- সূর্যের আলো ত্বকে অবস্থিত কোলেস্টেরলের এমন রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটায়, যা যকৃৎ এবং বৃক্কে আরও কিছু ধারাবাহিক পরিবর্তনের পর ভিটামিন ডি সংশ্লেষণ করে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ সূর্যালোকের সংস্পর্শে আসা উচিত। 
- যারা সবসময় ঘরে বসে থাকেন বা সারা শরীর আবৃতকারী পোশাক পরেন, তাদের ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯৮৩.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তর সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারণ করে? 
  1. তাপমণ্ডল
  2. স্ট্র্যাটোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. এক্সোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেসোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
মেসোমণ্ডল (Mesosphere): 
- স্ট্রাটোবিরতির উপরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে মেসোমণ্ডল বলে।
- এই স্তরের উপরে তাপমাত্রা হ্রাস পাওয়া থেমে যায়, এই স্তরকে মেসোবিরতি (Mesopause) বলে। 

মেসোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: 
- এই স্তরে ট্রপোমণ্ডলের মতোই উচ্চতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা কমতে থাকে, যা - ৮৩° সেলসিয়াস পর্যন্ত নিচে নেমে যায়। 
মেসোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে শীতলতম তাপমাত্রা ধারণ করে। 
- মহাকাশ থেকে যেসব উল্কা পৃথিবীর দিকে ছুটে আসে সেগুলোর অধিকাংশই এই স্তরের মধ্যে এসে পুড়ে যায়। 

তাপমণ্ডল (Thermosphere): 
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে তাপমণ্ডল বলে। 
- এই মণ্ডলে বায়ুস্তর অত্যন্ত হালকা ও চাপ ক্ষীণ। তাপমণ্ডলের নিম্ন অংশকে আয়নমণ্ডল (Ionosphere) বলে। 

তাপমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: 
- এই স্তরে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা অত্যন্ত দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৮০° সেলসিয়াসে পৌঁছায়। 
- তাপমণ্ডলের উপরের স্তরে তাপমাত্রার পরিমাণ প্রায় স্থির থাকে। 
- তীব্র সৌর বিকিরণে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনি রশ্মির সংঘাতে এই অংশের বায়ু আয়নযুক্ত হয়। 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে পাঠানো বিভিন্ন বেতার তরঙ্গ আয়নমণ্ডলের বিভিন্ন আয়নে বাধা পেয়ে পুনরায় ভূপৃষ্ঠে ফিরে আসে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯৮৪.
জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে বলা হয়-
  1. বেতার তরঙ্গ
  2. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  3. গামা রশ্মির তরঙ্গ
  4. তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যান্ত্রিক তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ: 
- তরঙ্গ সৃষ্টির জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয়। 
- আর জড় মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে সৃষ্ট যে পর্যাবৃত্ত আন্দোলন ঐ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চারিত করে কিন্তু মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরিত হয় না সেই পর্যাবৃত্ত আন্দোলনকে তরঙ্গ বলে। 

যান্ত্রিক তরঙ্গ: 
- জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলন ছাড়াও তরঙ্গ সৃষ্টি হতে পারে। 
- কিন্তু জড় মাধ্যমের কণার আন্দোলনে সৃষ্ট তরঙ্গকে বলা হয় যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
যেমন- পানির তরঙ্গ, শব্দ তরঙ্গ, ভূমি কম্পনের ফলে সৃষ্ট ভূ-তরঙ্গ ইত্যাদি যান্ত্রিক তরঙ্গ। 

যান্ত্রিক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
১. মাধ্যমের কণার স্পন্দন গতির ফলে তরঙ্গ উৎপন্ন হয়। 
২. মাধ্যমের কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপরে নিচে অথবা সামনে পেছনে স্পন্দিত হতে থাকে। মাধ্যমের মধ্য দিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় না। 
৩. তরঙ্গ মাধ্যমের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি ও তথ্য সঞ্চারণ বা স্থানান্তর করে। 
৪. তরঙ্গের কণাগুলো বিভিন্ন বেগে স্পন্দিত হয়। স্পন্দনের বেগ পর্যায়ক্রমে কমে বাড়ে। কিন্তু তরঙ্গ সুষম বেগে সঞ্চারিত হয়। অর্থাৎ কণাগুলোর স্পন্দন গতি এবং তরঙ্গ বেগ এক নয়। 
৫. তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণাগুলোর স্পন্দনের দিক এবং তরঙ্গ সঞ্চালনের দিক এক নাও হতে পারে। 

তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ: 
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে মহাশূন্য, কোন জড় মাধ্যম নেই। 
- আলো, তাপ মাধ্যম ছাড়াই বিশেষ ধরনের তরঙ্গ আকারে সঞ্চারিত হয়, এ তরঙ্গকে বলা হয় তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
যেমন- বেতার তরঙ্গ, এক্স রশ্মি, গামা রশ্মি, তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৮৫.
নিচের কোনটি লাফিং গ্যাস?
  1. NO2
  2. N2O
  3. SO2
  4. N2O5
সঠিক উত্তর:
N2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
N2O
ব্যাখ্যা
• লাফিং গ্যাস:
- লাফিং গ্যাসের রাসায়নিক সংকেত N₂O (ডাই নাইট্রোজেন মনোক্সাইড)।
- এটি একটি বর্ণহীন, মিষ্টি স্বাদের গ্যাস।
- শ্বাস নেওয়ার পর কিছুক্ষণের জন্য মেজাজ চঞ্চল বা হাসির অনুভূতি হয় এজন্যই নাম "Laughing Gas"।

উল্লেখ্য,
- হিলিয়াম (He): হালকা গ্যাস হওয়ায় এটি বেলুন এবং এয়ারশিপে ব্যবহৃত হয়।
- হাইড্রোজেন সালফাইড (H₂S): পচা ডিমের দুর্গন্ধের জন্য দায়ী।
- মিথেন (CH4): পচনশীল জৈব পদার্থ, গবাদি পশুর অস্ত্র থেকে নির্গত হয়।
- আরগন (Ar): এটি বৈদ্যুতিক বাতিতে ব্যবহৃত হয়।
- চিপসের প্যাকেটে নাইট্রোজেন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।


উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
১১,৯৮৬.
Which organ produces bile?
  1. Brain
  2. Kidney
  3. Gallbladder
  4. Liver
  5. Stomach
সঠিক উত্তর:
Liver
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Liver
ব্যাখ্যা
• মানবদেহে যকৃৎ থেকে পিত্তরস উৎপন্ন হয়। 

• পিত্তরস (Bile) বা পিত্ত:
- যকৃত কোষ থেকে নিঃসৃত পিত্তরস হলদে-সবুজ, আঠালো, তিক্ত স্বাদধারী ক্ষারীয় তরল পদার্থ। এর pH মান 8-8.6

• যকৃত কোষ (হেপাটোসাইট) অবিরাম পিত্ত ক্ষরণ করে এবং পিত্তথলিতে জমা রাখে।
- যকৃত কোষ স্টেরয়েড থেকে পিত্ত লবণ, যেমন-সোডিয়াম গ্লাইকোকোলেট (sodium glycocholate) ও সোডিয়াম টরোকোলেট (sodium taurocholate) সংশ্লেষ করে।
- পরিপাক অঙ্গ হিসেবে যকৃতের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পিত্ত উৎপাদন ও ক্ষরণ।

• পিত্তরসের কাজ:
- পিত্তরস চর্বিজাতীয় খাদ্যকে ইমালসিফিকেশন (emulsification) প্রক্রিয়ায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণায় পরিণত করে।
- পিত্তলবণ চর্বি পরিপাককারী এনজাইম লাইপেজকে সক্রিয় করে পরিপাকে সাহায্য করে।
- পিত্তলবণ চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন A, D, E, K-কে শোষণে সহায়তা করে ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 
১১,৯৮৭.
পিতল হলো-
  1. ক) তামা ও টিনের সংকর
  2. খ) তামা ও দস্তার সংকর
  3. গ) নিকেল ও টিনের সংকর
  4. ঘ) টিন ও সীসার সংকর
সঠিক উত্তর:
খ) তামা ও দস্তার সংকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তামা ও দস্তার সংকর
ব্যাখ্যা
• দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে।
• যেমন- কাঁসা বা ব্রোঞ্জ হলো কপার ও টিনের সংকর ধাতু।
• পিতল হলো তামা ও দস্তার (জিঙ্ক) সংকর ধাতু।
• সংকর ধাতু পিতলে ৬৫% তামা এবং ৩৫% দস্তা মিশ্রিত থাকে।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি - রসায়ন বিজ্ঞান বই।
১১,৯৮৮.
সূর্যের পদার্থ সমূহ কোন অবস্থায় থাকে?
  1. ক) তরল
  2. খ) কঠিন
  3. গ) বায়বীয়
  4. ঘ) প্লাজমা
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্লাজমা
ব্যাখ্যা
প্লাজমা:

- পদার্থের চতুর্থ অবস্থার নাম প্লাজমা।
- এই প্লাজমা হলো অতি উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিত গ্যাস।
- প্লাজমার বড় উৎস হচ্ছে সূর্য। তাছাড়াও অন্যান্য নক্ষত্রগুলোও প্লাজমার উৎস।
- প্রায় কয়েক হাজার ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় প্লাজমা অবস্থার উৎপত্তি হয়।
- গ্যাসের ন্যায় প্লাজমার কোন নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই।
- প্লাজমা কণাগুেলো তড়িৎ আধান বহন করে বলে প্লাজমা তড়িৎ পরিবাহী হিসেবে কাজ করে।

বৈশিষ্ট্যসমূহ,
- অতি উচ্চ তাপমাত্রায় পদার্থের এই অবস্থাটি আয়নিত রূপে থাকে।
- অত্যাধিক তাপমাত্রায় (প্রায় ১-২ হাজার ডিগ্রী ) প্লাজমা অবস্থার উদ্ভব ঘটে।
- গবেষণাগারে নিম্নচাপে গ্যাসীয় পদার্থকে উত্তপ্ত করে প্লাজমা তৈরি করা যায়।
- গ্যাসীয় পদার্থের মতো প্লাজমার নির্দিষ্ট কোন আকার বা আয়তন নেই।
- অতি উচ্চ তাপমাত্রায়ও প্লাজমা সহজেই বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯৮৯.
বিড়ালের শ্রাব্যতার উর্ধ্বসীমা কত?
  1. ক) 45000 Hz
  2. খ) 20000 Hz
  3. গ) 35000 Hz
  4. ঘ) 64000 Hz
সঠিক উত্তর:
ঘ) 64000 Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 64000 Hz
ব্যাখ্যা
মানুষের শ্রাব্যতার পাল্লা ২০ Hz ∼ ২০,০০০ Hz
কুকুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪ Hz ∼ ৪৫,০০০ Hz
বিড়ালের শ্রাব্যতার পাল্লা ৪৫ Hz ∼ ৬৪,০০০ Hz
ইদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ১,০০০ Hz ∼ ৯১,০০০ Hz
বাদুরের শ্রাব্যতার পাল্লা ২,০০০ Hz ∼ ১১০,০০০ Hz

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,৯৯০.
মানুষের চোখে রড কোষের কাজ কী?
  1. রং দেখা
  2. অন্ধকারে দেখা
  3. আলোর প্রতিসরণ
  4. চোখের আকৃতি বজায় রাখা
সঠিক উত্তর:
অন্ধকারে দেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্ধকারে দেখা
ব্যাখ্যা

- মানুষের চোখে প্রধানত দুই ধরনের আলোক সংবেদনশীল কোষ থাকে রড (Rod) এবং কোন (Cone)
- এই কোষগুলো চোখের রেটিনাতে অবস্থান করে এবং আলো শোষণ করে আমাদের দৃষ্টিশক্তি নিশ্চিত করে।

• রড কোষ হলো এমন কোষ যা বিশেষভাবে কম আলো, রাত, বা অন্ধকারে দেখার ক্ষমতা প্রদান করে।


• রড কোষের বৈশিষ্ট্য ও কাজ:
- অন্ধকারে দৃষ্টি: রড কোষ খুবই সংবেদনশীল, তাই দুর্বল আলো বা অন্ধকারে দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখে।
- রং শনাক্ত করতে অক্ষম: রড কোষ কেবল আলোর উপস্থিতি এবং তীব্রতা শনাক্ত করতে পারে, কিন্তু রং চিনতে পারে না। ফলে অন্ধকারে সবকিছু ধূসর বা সাদাটে দেখা যায়।
- চলমান ও নরম আলোর জন্য উপযুক্ত: রড কোষ রাতের আলোতে বা কম আলোতে সৃজনশীল এবং অঙ্গভঙ্গি সমন্বয় করতে সাহায্য করে।

• কোন কোষের সঙ্গে তুলনা:
- কোন কোষ সাধারণ আলোতে রং এবং সূক্ষ্ম বিবরণ দেখতে সাহায্য করে।
- কোন কোষ রঙের তিনটি প্রকার শনাক্ত করতে পারে লাল, সবুজ, নীল।
- রড কোষ কেবল গ্রেস্কেল বা কালো-সাদা আলোর মাত্রা শনাক্ত করতে পারে।

সারসংক্ষেপে, রড কোষ হলো রাতের বা দুর্বল আলোতে দৃষ্টি রক্ষাকারী কোষ, যা আমাদের অন্ধকারে দৃষ্টি এবং পরিবেশের আলো অনুযায়ী চোখের অভিযোজন নিশ্চিত করে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
- Britannica [লিংক]।

১১,৯৯১.
ফিউশন প্রক্রিয়ায় তৈরীকৃত বোমার নাম কী?
  1. হাইড্রোজেন বোমা
  2. পারমানবিক বোমা
  3. এটম বোমা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন বোমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন বোমা
ব্যাখ্যা
• ফিউশন প্রক্রিয়ায় তৈরীকৃত বোমার নাম হলো হাইড্রোজেন বোমা বা থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা ।

• ফিউশন:

- ফিউশন হলো এমন একটি পারমাণবিক প্রক্রিয়া, যেখানে দুইটি হালকা পরমাণু (যেমন ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম) একত্রিত হয়ে একটি ভারী পরমাণু (যেমন হেলিয়াম) তৈরি করে।
- এই একত্রিত হওয়ার সময় প্রচুর শক্তি মুক্তি পায়।
- এই নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয় যা পারমাণবিক (fission) বোমার থেকেও অনেক গুণ বেশি।

অন্যদিকে,
- 'পারমানবিক বোমা' তৈরী হয় নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,৯৯২.
জীববিজ্ঞানের কোন বিষয়ে রেশম পোকা পালন বিষয়ে আলোচনা করা হয়?
  1. অরনিথোলজি
  2. এপিকালচার
  3. সেরিকালচার
  4. সিল্ক ওয়ার্ম স্টাডি
সঠিক উত্তর:
সেরিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেরিকালচার
ব্যাখ্যা

- রেশম পোকা পালন বিষয়ে আলোচনা করা হয় জীববিজ্ঞানের সেরিকালচার শাখায়।
- - রেশম পোকার ইংরেজি হলো সিল্ক ওয়ার্ম। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ে আলোচনা করা হয় জীববিজ্ঞানের এপিকালচার শাখায়।
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় পাখি বিষয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে অরনিথোলজি বলা হয়।
সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি 

১১,৯৯৩.
একটি ইলেকট্রিক ডিভাইস যা ডিসিকে বাধা দেয় কিন্তু এসিকে অনুমতি দেয় তাকে বলা হয় -
  1. ক) রেক্টিফায়ার
  2. খ) ইন্ডাক্টর
  3. গ) ক্যাপাসিটর
  4. ঘ) ট্রান্সডিউসার
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপাসিটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপাসিটর
ব্যাখ্যা
ক্যাপাসিটর একটি ইলাস্টিক পর্দার মত কাজ করে, যেখানে DC current বাধাপ্রাপ্ত হয় কিন্তুAC current চলাচল করতে পারে।
DC বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার কারণ এটার কোনো ফ্রিকোয়েন্সি নেই কিন্তু AC current-এর ফ্রিকোয়েন্সি আছে।
Source: researchgate
১১,৯৯৪.
আধুনিক ট্রানজিস্টর তৈরিতে ব্যবহৃত পদার্থ কোনটি?
  1. সিলিকন
  2. তামা
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন
ব্যাখ্যা

• আধুনিক ট্রানজিস্টর তৈরিতে প্রধানত সিলিকন (Silicon) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি অর্ধপরিবাহী (semiconductor) পদার্থ, যা নির্দিষ্ট অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করতে সক্ষম।

সিলিকনের বৈশিষ্ট্য:
- এটি সহজলভ্য এবং সস্তা।
- এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা নিয়ন্ত্রণ করা যায় ডোপিং (doping) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।
- উচ্চ তাপমাত্রায় স্থিতিশীল থাকে, যা ইলেকট্রনিক সার্কিটে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত।

অন্য বিকল্পগুলোর কারণ:
- তামা (Copper) বিদ্যুৎ পরিবাহী, কিন্তু অর্ধপরিবাহী নয়।
- অ্যালুমিনিয়াম (Aluminium) পরিবাহী ধাতু, ট্রানজিস্টরের সংযোগে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মূল পদার্থ নয়।
- কার্বন (Carbon) ট্রানজিস্টরে সাধারণত ব্যবহৃত হয় না, যদিও কার্বন ন্যানোটিউব নিয়ে গবেষণা চলছে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 

১১,৯৯৫.
রাস্তায় ব্যাংকিং করা হয় কেন?
  1. ক) কেন্দ্ৰ মুখি বল দেয়ার জন্য
  2. খ) কেন্দ্র বিমুখি বল দেয়ার জন্য
  3. গ) গাড়িতে জ্বালানির অপচয় রোধের জন্য
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) কেন্দ্ৰ মুখি বল দেয়ার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কেন্দ্ৰ মুখি বল দেয়ার জন্য
ব্যাখ্যা
রাস্তার বাঁকে গাড়ি চালনার জন্য কেন্দ্রমুখী বলের প্রয়োজন। প্রয়োজনীয় কেন্দ্রমুখী বল না পেলে গাড়ি গতিজড়তার দরুণ বাকাঁ পথের স্পর্শক বরাবর ছিটকে চলে যেতে পারে।
কেন্দ্রমুখী বল পাবার জন্য গাড়িকে কেন্দ্রের দিকে কাত করানো প্রয়োজন। সাইকেল আরোহীর ক্ষেত্রে যেটি করা সম্ভব। কিন্তু গাড়ি বা ট্রেনের চালকের ক্ষেত্রে এটি অসম্ভব। যার ফলে কেন্দ্রের দিকে কাত করার জন্য গাড়ির গতি পথকেই কেন্দ্রের দিকে হেলানো রেখে তৈরী করা হয়।

কেন্দ্রের দিকে ঢালু করে তৈরী করাকে বলা হয় রাস্তার ব্যাংকিং।
১১,৯৯৬.
জেনারেটর ও ট্রান্সফরমার তৈরিতে কোন ধরনের চুম্বক ব্যবহার করা হয়? 
  1. স্থায়ী চুম্বক
  2. অস্থায়ী চুম্বক
  3. সংকর চুম্বক
  4. সিরামিক চুম্বক
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম চুম্বক: 
- কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়। যথা- 
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক এবং 
২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক। 

অস্থায়ী চুম্বক: 
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। 
- মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফরমার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়। 

স্থায়ী চুম্বক: 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- স্থায়ী চুম্বক আবার দুই ধরনের হয়। যথা- 
১। সংকর চুম্বক ও 
২। সিরামিক চুম্বক। 
- টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৯৯৭.
বৃদ্ধি ও অযৌন জননের জন্য কোন কোষ বিভাজন অপরিহার্য?
  1. ক) মাইটোসিস
  2. খ) এমাইটোসিস
  3. গ) মিয়োসিস
  4. ঘ) মেটাফেজ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) মাইটোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাইটোসিস
ব্যাখ্যা
মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় কোষ বিভাজনের কারণে প্রতিটি কোষের নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমের মধ্যকার আয়তন ও পরিমাণগত ভারসাম্য রক্ষিত হয়।এর ফলে বহুকোষী জীবের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই।
১১,৯৯৮.
নিচের কোনটি হ্যালোজেন গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) Cl
  2. খ) Br
  3. গ) F
  4. ঘ) Xe
সঠিক উত্তর:
ঘ) Xe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Xe
ব্যাখ্যা
হ্যালোজেন মৌল: 
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল। যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি।
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) বলে। 
- এই হ্যালোজেন গ্রুপের 6 টি মৌল হচ্ছে: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)।
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- হ্যালোজেন মানে লবন উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ।
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়। যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়।
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বি-মৌল অণু গঠন করে। যেমন: Cl₂, I₂ ইত্যাদি।

নিষ্ক্রিয় মৌল:
- গ্রুপ ১৮ তে নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহ অবস্থান করে।
- হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপটন (Kr), জেনন (Xe) ও রেডন (Rn) এ ছয়টি মৌল পর্যায় সারণিতে 18তম গ্রুপের মৌল।
- সাধারণত এরা যৌগ গঠন করে না বলে এরা নিষ্ক্রিয় গ্যাস বা নোবেল গ্যাস হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। 
- এ মৌলগুলো প্রকৃতিতে খুবই কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
- মৌলগুলোর নিষ্ক্রিয়তার কারণ পরে আবিষ্কৃত হয়।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাস আবিষ্কারের জন্য লর্ড রেলি (Lord Rayleigh) ও স্যার উইলিয়াম রামসে (Sir William Ramsay) কে ১৯০৪ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি; রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৯৯৯.
কোন আলাের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. লাল
  2. বেগুনি
  3. নীল
  4. কমলা
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা

আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- লাল রঙের আলাের বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।
- বেগুনি আলোর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।

তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১২,০০০.
পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান কত?
  1. ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
  2. ৮ ঘন্টা ৪৮ মিনিট
  3. ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট
  4. ৭ ঘন্টা ৩৪ মিনিট
সঠিক উত্তর:
১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট
ব্যাখ্যা
• জোয়ার-ভাটার চক্র মূলত চাঁদ ও সূর্যের গৃহীত আকর্ষণ শক্তির কারণে ঘটে। সাধারণত, একদিনে দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা ঘটে। পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান প্রায় ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট। এই সময়ের মধ্যে সমুদ্রের পানি একবার বৃদ্ধি পায় এবং পরে আবার কমে যায়। এই ব্যবধান পৃথিবীর ঘূর্ণনের সঙ্গে সম্পর্কিত, কারণ চাঁদের অবস্থানের পরিবর্তনের কারণে এই সময়ের পরিমাণ কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।
- তাই, পর পর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান হল গ) ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট।


জোয়ার ভাঁটা:

- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার (High Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা (Ebb or low Tide) বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়।
অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু'বার জোয়ার ও দু'বার ভাঁটা হয়।
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার-ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়।
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে।
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাঁটা বলে না।

জোয়ার ভাঁটার কারণ:
- জোয়ার ভাঁটা সম্পর্কে প্রাচীনকালে মানুষ নানা রকম অবাস্তুব কল্পনা করত।
- কিন্তু বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে, চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়।
- জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।