বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১২২ / ১৪০ · ১২,১০১১২,২০০ / ১৪,০৮০

১২,১০১.
মা-এর রক্তে হেপাটাইটিস-বি (Hepatitis-B) ভাইরাস থাকলে নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কি হওয়া উচিত?
  1. ৩০ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন দিতে হবে
  2. ৭ দিন ইনকিউবেটরে রাখতে হবে
  3. জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
  4. জন্মের ১ মাস পর কেবলমাত্র (HBIG) শট দিতে হবে
সঠিক উত্তর:
জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• মা-এর রক্তে হেপাটাইটিস-বি (Hepatitis-B) ভাইরাস থাকলে নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকি ব্যবস্থাপনা হচ্ছে - জন্মের ১২ ঘণ্টার মধ্যে ভ্যাকসিন ও এইচবিআইজি (HBIG) শট দিতে হবে।

• হেপাটাইটিস:
- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃৎ এর একটি প্রদাহ যা হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাসের ( এ, বি, সি, ডি এবং ই) মাধ্যমে ঘটে।
- দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে।
- হেপাটাইটিস লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কময়ে দিতে শুরু করে।
- হেপাটাইটিসের ভাইরাসগুলোর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে।
- প্রাথমিক অবস্থায় তা চিকিৎসা না করলে গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

• ভাইরাসের নাম- ধরণ- সংক্রমণের মাধ্যম:
- Hepatitis A- RNA - পানি, দূষিত খাবার;
- Hepatitis B- DNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
- Hepatitis C- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম;
- Hepatitis D- RNA- রক্ত, যৌন মাধ্যম, লালা;
- Hepatitis E- RNA- পানি, দূষিত খাবার।

উৎস: জীববিজ্ঞান, প্রথম পত্র- গাজী আজমল, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,১০২.
কোন পানির প্লবতা বেশি হয়?  
  1. সমুদ্রের
  2. পুকুরের
  3. নদীর
  4. সুইমিং পুলের
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের
ব্যাখ্যা
সাগরে সাঁতার কাটা সহজ: 
- কোন প্রবাহী অর্থাৎ তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত কোনো বস্তুর উপর তরল বা বায়বীয় পদার্থ লম্বভাবে যে ঊর্ধ্বমূখী বল প্রয়োগ করে তাকে প্লবতা বলে। 
- সমুদ্রের পানিতে নানা রকম লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। যার কারণে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব সাধারণ পানির থেকে বেশি হয়। ফলে সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি আর নদীর পানির প্লবতা কম। 
- যেহেতু সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি, সেহেতু সমুদ্রের পানিতে সাতারুর শরীর হালকা বোধ হয়। 
- ফলে সাঁতার কাটা অধিকতর সহজ হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
১২,১০৩.
শরীরের কোন অংশের মাংশপেশীর কার্যাবলি নষ্ট হওয়াকে কী বলে?
  1. ক) পারকিনসন
  2. খ) প্যারালাইসিস
  3. গ) স্ট্রোক
  4. ঘ) থাইরয়েড
সঠিক উত্তর:
খ) প্যারালাইসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যারালাইসিস
ব্যাখ্যা
শরীরের কোন অংশের মাংসপেশীর কার্যাবলি নষ্ট হওয়াকে প্যারালাইসিস বলে। প্যারালাইসিস সাধারণত স্ট্রোকের কারণে হয়। এছাড়া মেরুদন্ডের বা ঘাড়ের সুষুম্নাকাণ্ড আঘাত বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে প্যারালাইসিস হতে পারে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই।
১২,১০৪.
গ্যাসের পরমশূন্য তাপমাত্রা নির্ভর করে- 
  1. বাহ্যিক বলের উপর
  2. গ্যাসের ভর ও ঘনত্বের উপর
  3. গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
পরমশূন্য তাপমাত্রা: 
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলে। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রা হলো - 273°C । 
- পরমশূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্দ হয়ে যায়। এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
১২,১০৫.
উদ্ভিদ হরমোনকে কী বলা হয়?
  1. ক) প্ল্যান্টহরমোন
  2. খ) ফাইটোহরমোন
  3. গ) সাইটোহরমোন
  4. ঘ) ফটোহরমোন
সঠিক উত্তর:
খ) ফাইটোহরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফাইটোহরমোন
ব্যাখ্যা
ফাইটোহরমোন
- যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ উদ্ভিদদেহে উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন বা প্রাণরস বলে।
- উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন বলা হয়। 
- যেমন: অক্সিন (Auxin), জিবেরেলিন (Gibberellin), সাইটোকাইনিন (Cytokinin), অ্যাবসিসিক এসিড (Abscisic acid), ইথিলিন (Ethylene) ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি
১২,১০৬.
জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ কর্তৃক শনাক্তকৃত সর্বাধিক পুরোনো সুপারনোভা কোনটি? 
  1. জিআরপি ৯৯৯
  2. জিআরপি ১৮০ 
  3. জিআরপি ২৫০৩১৪এ
  4. জিআরপি ১০০১
সঠিক উত্তর:
জিআরপি ২৫০৩১৪এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিআরপি ২৫০৩১৪এ
ব্যাখ্যা

সুপারনোভা: 
- সুপারনোভা হলো শক্তিশালী ও আলোকিত নাক্ষত্রিক বিস্ফোরণ, যা সাধারণত বিশাল নক্ষত্রের জীবনের শেষে ঘটতে দেখা যায়। বিশাল এ বিস্ফোরণের মাধ্যমে মূলত নক্ষত্র ধ্বংস হওয়ার পর তারা বা কৃষ্ণবিবরে পরিণত হয়। 
- মহাবিশ্বের শুরুর দিকে বিশাল এক নক্ষত্র বিস্ফোরিত হয়েছিল। সেই বিস্ফোরণের আলো শত শত কোটি বছর মহাকাশে পাড়ি দিয়ে অবশেষে নাসার জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে সুপারনোভা জিআরপি ২৫০৩১৪এ। 
- নাসার তথ্যমতে, এই সুপারনোভার সময় মহাবিশ্বের বয়স ছিল ৭৩০ মিলিয়ন বা ৭৩ কোটি বছর, জিআরপি ২৫০৩১৪এ এখন পর্যন্ত সরাসরি শনাক্ত করা সবচেয়ে পুরোনো সুপারনোভা। 
- এর মাধ্যমে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ তার নিজের আগের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। এর আগে ওয়েব টেলিস্কোপ ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন বা ১৮০ কোটি বছর পুরোনো একটি সুপারনোভা শনাক্ত করেছিল। 

- নেদারল্যান্ডসের র‍্যাডবাউড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী অ্যান্ড্রু লেভান বলেন, ‘একমাত্র ওয়েব টেলিস্কোপের পক্ষেই এটি সরাসরি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এই আলো আসলে একটি সুপারনোভা বা বিশালাকার নক্ষত্রের মৃত্যু থেকে এসেছে। এই পর্যবেক্ষণ এটিও প্রমাণ করে, মহাবিশ্বের বয়স যখন বর্তমানের তুলনায় মাত্র ৫ শতাংশ ছিল, সেই সময়েরও একক কোনো নক্ষত্রকে আমরা এখন খুঁজে পেতে পারি।’ 
- ২০২৪ সালে ফ্রান্স ও চীনের উৎক্ষেপণ করা এসভিওএম টেলিস্কোপ মহাকাশে একটি শক্তিশালী গামা–রে বার্স্ট বা তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ঝলক দেখতে পায়। সাধারণত বিশালাকার নক্ষত্রের মৃত্যুর সময় এমন দীর্ঘস্থায়ী ঝলক দেখা যায়। 
- নাসার সুইফট অবজারভেটরি দ্রুত এর অবস্থান শনাক্ত করে। এরপর ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের নর্ডিক অপটিক্যাল টেলিস্কোপে শনাক্ত করা হয় ইনফ্রারেড আভা। পরে চিলিতে অবস্থিত ভেরি লার্জ টেলিস্কোপ নিশ্চিত করে যে নক্ষত্র বিস্ফোরণের এ ঘটনা বিগ ব্যাংয়ের মাত্র ৭৩ কোটি বছর পর হয়েছে। 

উৎস: আর্থ ডটকম এবং প্রথম আলো পত্রিকা (২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫) [লিঙ্ক]।

১২,১০৭.
একটি জাহাজ সমুদ্র থেকে নদীতে প্রবেশ করলে জাহাজের তল-
  1. ক) আরও ডুববে
  2. খ) ভাসবে
  3. গ) একই থাকবে
  4. ঘ) ভাসা ডোবা নির্ভর করবে জাহাজটির তৈরীর সরঞ্জামের উপর
সঠিক উত্তর:
ক) আরও ডুববে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আরও ডুববে
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের পানির ঘনত্ব নদীর পানির তুলনায় বেশি। অর্থাৎ সমুদ্রের পানির ওজন নদীর পানির তুলনায় বেশি। 
আর্কিমিডিসের নীতি অনুসারে আমরা জানি, জাহাজ পানিতে ভেসে থাকার জন্য তার ওজনের সমপরিমাণ পানি অপসারিত হয়। 
সুতরাং, জাহাজ সমুদ্র থেকে নদীতে প্রবেশ করলে বেশি পরিমাণ পানি অপসারণ করবে। 
অর্থাৎ, নদীতে প্রবেশ করলে জাহাজের তল বেশি ডুববে। 
১২,১০৮.
সাল্ক ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয় কোন রোগ প্রতিরোধের জন্য?
  1. ক) পোলিও
  2. খ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  3. গ) ডিপথেরিয়া
  4. ঘ) যক্ষা
সঠিক উত্তর:
ক) পোলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পোলিও
ব্যাখ্যা
আমেরিকান চিকিৎসক জোনাস সাল্ক ১৯৫০ এর দশকের গোড়ার দিকে প্রথম পোলিও ভ্যাকসিন উদ্ভাবন করেছিলেন যা inactivated poliovirus vaccine (IPV) বা সাল্ক ভ্যাকসিন নামে পরিচিত।

এই টিকাতে তিনি মৃত পোলিও ভাইরাস ব্যবহার করেন। তিনি এই টিকায় বৈজ্ঞানিক কাজে ব্যবহৃত এক ধরনের বিশেষ কোষ (হেলা কোষ) ব্যবহার করেন, এবং ১৯৫২ সালে সর্বপ্রথম এর পরীক্ষা চালান। ডাঃ টমাস ফ্রান্সিস জুনিয়র ১৯৫৫ সালের ১২ এপ্রিল গোটা বিশ্বে এই টিকার কথা ঘোষণা করেন।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং Encyclopedia Britannica
১২,১০৯.
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়-
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৮৭ সালে
  3. গ) ১৯৭৮ সালে
  4. ঘ) ২০১৭ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম টিকাদান কর্মসূচি চালু হয় ৭ এপ্রিল, ১৯৭৯ সালে কিন্তু সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি চালু হয় ১৯৮৫ সালে। ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,১১০.
তড়িৎ কোষে কোনটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে?
  1. প্রতিরোধ
  2. ইলেকট্রোলাইট
  3. ক্যাপাসিটার
  4. ট্রান্সফরমার
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোলাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলেকট্রোলাইট
ব্যাখ্যা

• তড়িৎ কোষ (Electric Cell): এটি এমন একটি ডিভাইস যা রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে।

- ইলেকট্রোলাইট (Electrolyte): তড়িৎ কোষে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল উপাদান হলো ইলেকট্রোলাইট।
- এটি এমন একটি পদার্থ যা আয়ন উৎপন্ন করে।
- ইলেকট্রোলাইট বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্য মাধ্যম সরবরাহ করে।
- উদাহরণ: সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4) অম্লীয় তড়িৎ কোষে।

অন্যান্য উপাদানসমূহ:
- প্রতিরোধ (Resistor): এটি বিদ্যুৎ প্রবাহকে সীমিত বা নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না।
- ক্যাপাসিটার (Capacitor): এটি বিদ্যুতকে সংরক্ষণ করে, কিন্তু উৎপাদন করে না।
- ট্রান্সফরমার (Transformer): এটি বিদ্যুতের ভোল্টেজ পরিবর্তন করে, কিন্তু উৎপাদন নয়।

সুতরাং, তড়িৎ কোষে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মূল উপাদান হলো ইলেকট্রোলাইট।


তথ্যসূত্র: NCTB মাধ্যমিক রসায়ন।  

১২,১১১.
কোন পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে?
  1. কাঁচ
  2. সিলিকন
  3. প্লাস্টিক
  4. লোহা
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থ: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 
- মূলতঃ সকল ধাতব পদার্থই পরিবাহী। 
- পরিবাহী পদার্থে আধান প্রদান করলে আধানগুলো কোনো জায়গায় আবদ্ধ না থেকে সমস্ত পরিবাহীতে ছড়িয়ে পরে। 
- তাই দুটি আহিত বস্তুকে কোনো পরিবাহী দিয়ে যুক্ত করলে সহজেই আধান এক বস্তু থেকে অপর বস্তুতে সঞ্চালিত হয়ে তড়িৎ প্রবাহের সৃষ্টি করে। 
- পরিবাহী তড়িৎ প্রবাহে বাঁধা দান করে না বললেই চলে। 
- পরিবাহী পদার্থকে তাপ প্রয়োগ করলে তড়িৎ প্রবাহে বাধা দান করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

অপরিবাহী পদার্থ: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন-কাঁচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 
- মূলতঃ প্রায় সকল অধাতব পদার্থই অপরিবাহী। 

অর্ধপরিবাহী পদার্থ: 
- যে পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশী এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 
- এই পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১১২.
শব্দের প্রতিধ্বনি সৃষ্টি হওয়ার কারণ কী?
  1. প্রতিসরণ
  2. প্রতিফলন
  3. অপবর্তন
  4. শোষণ
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
- কোনো উৎস থেকে সৃষ্ট শব্দ যখন দূরবর্তী কোনো মাধ্যমে বাধা পেয়ে উৎসের কাছে ফিরে আসে তখন মূল ধ্বনির যে পুনরাবৃত্তি হয় তাকে শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।
- অর্থাৎ, প্রতিফলিত শব্দকে বলা হয় প্রতিধ্বনি।
- শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যবর্তী দূরত্ব ন্যূনতম ১৬.৬ মিটার হওয়া প্রয়োজন।
[- বায়ুতে শব্দের গতিবেগ সেকেন্ডে 1120 ফুট বা 332 মিটার হলে 1/10 সেকেন্ডে শব্দ 112 ফুট বা 33.2 মিটার পথ অতিক্রম করে।
- উৎস থেকে উৎপন্ন শব্দটি প্রতিফলিত হয়ে উৎসের কাছে ফিরে আসে, সুতরাং কোন শব্দের প্রতিধ্বনি স্পষ্ট করে শুনতে হলে প্রতিফলক এবং উৎসের দূরত্ব কমপক্ষে 112/2 = 56 ফুট বা 33.2/2 = 16.6 মিটার হওয়া দরকার।]
- শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে সমুদ্র ও কুয়ার গভীরতা নির্ণয় করা যায়।
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে।
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১১৩.
ক্রোমিয়ামের সর্বশেষ শক্তিস্তরে কয়টি ইলেকট্রন থাকে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
সঠিক উত্তর:
১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি
ব্যাখ্যা
- ক্রোমিয়ামের ইলেকট্রন হলো- ২, ৮, ১৩ এবং ১ । 
অতএব, ক্রোমিয়ামের সর্বশেষ শক্তিস্তরে ১টি ইলেকট্রন থাকতে পারবে। 

ইলেকট্রন বিন্যাস: 

- বোরের মডেলে যে শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে তাকে প্রধান শক্তিস্তর বলা হয়। 
- প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2, যেখানে n = 1 2, 3, 4 ইত্যাদি। 
- নিম্নে কতগুলো মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস দেখানো হলো- 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১১৪.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন কাজকে পর্যায়ক্রম অনুযায়ী সাজাতে হলে কোন কাজটি সর্বপ্রথমে হবে?
  1. পুনর্বাসন
  2. ঝুঁকি (Risk) চিহ্নিতকরণ
  3. দুর্যোগ প্রস্তুতি
  4. দুর্যোগ প্রশমন কর্মকাণ্ড
সঠিক উত্তর:
ঝুঁকি (Risk) চিহ্নিতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝুঁকি (Risk) চিহ্নিতকরণ
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা: 
- ঝুঁকি অর্থ আপদ, বিপদাপন্নতার উপাদান এবং পরিবেশের আন্তঃক্রিয়া বা সম্মিলন ও সক্ষমতার ফলে উদ্ভূত সম্ভাব্য ক্ষতিকর অবস্থা। 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ঝুঁকি চিহ্নিতকরণ কাজটি সর্বপ্রথমে করতে হবে। 

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য হলো: 
• দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করা, 
• সম্পদ এবং পরিবেশের যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা, 
• প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং 
• দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালভাবে সম্পন্ন করা। 
--------------------- 
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত আইন ও নীতিমালা:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২, 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫,
- জাতিয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা (NPDM) ২০২১-২০২৫,
- বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, একাদশ শ্রেণির ভূগোল- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১১৫.
ব্যাকটেরিয়া গঠিত রোগ নয় কোনটি?
  1. যক্ষ্মা
  2. কলেরা
  3. টাইফয়েড
  4. মাম্পস
সঠিক উত্তর:
মাম্পস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাম্পস
ব্যাখ্যা
• ব্যাকটেরিয়া:
- গ্রিক শব্দ Bakterion (little rod) থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটির উৎপত্তি।
- ব্যাকটেরিয়া (একবচনে ব্যাকটেরিয়াম) এক ধরনের ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব।
- অ্যান্টনি ভ্যান লীউয়েনহুককে ব্যাকটেরিওলজি ও প্রোটোজুওলজির জনক বলা হয়ে থাকে।
- জার্মান বিজ্ঞানী এরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে এসব ক্ষুদ্রজীবদের ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন।
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর ১৮৬৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়ার ওপর ব্যাপক গবেষণা এবং ব্যাকটেরিইয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্টিত করেন।
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব, এদের কোষে জড় কোষ প্রাচীর থাকে।

- মানবদেহে ব্যাকটেরিয়া গঠিত কিছু রোগ হলো:
• যক্ষ্মা
• নিউমোনিয়া
• কলেরা
• টাইফয়েড
• কলেরা
• ডিপথেরিয়া
• আমাশয়
• ধনুষ্টংকার
• হুপিংকাশি ইত্যাদি।

- মাম্পস ভাইরাস গঠিত রোগ

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১২,১১৬.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
  2. খ) তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ হ্রাস পায়।
  3. গ) মাধ্যমের ঘনত্ব হ্রাস পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা

পরীক্ষা করে দেখা গেছে আলাের দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3x108 ms-1 নির্দিষ্ট। কিন্তু শব্দের দ্রুতি সবসময় সমান নয়।
0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1

তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। হিসাব করে দেখা গেছে প্রতি 1°C বা 1K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়।

বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
 
মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়।
যেমন- বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1, পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং লােহার মধ্যে 5220 ms-1 |

বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি। কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।
বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

সূত্র: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১২,১১৭.
ভূ-চুম্বকের উত্তর মেরু কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) এন্টার্কটিকা মহাদেশের ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে
  2. খ) কানাডার উত্তর দিকে বুথিয়া উপদ্বীপে
  3. গ) প্রশান্ত মহাসাগরের কিরিবাতি দ্বীপে
  4. ঘ) দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপে
সঠিক উত্তর:
ক) এন্টার্কটিকা মহাদেশের ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এন্টার্কটিকা মহাদেশের ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

১৬০০ খ্রিস্টাব্দে রাণী এলিজাবেথের পারিবারিক চিকিৎসক ড. গিলবার্ট বিভিন্ন পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণ করেন যে পৃথিবী একটি চুম্বক।
এই ভূ-চুম্বকের দক্ষিণ মেরু কানাডার উত্তর দিকে বুথিয়া উপদ্বীপে এবং উত্তর মেরু এন্টার্কটিকা মহাদেশের ভিক্টোরিয়া অঞ্চলে অবস্থিত।
প্রকৃতপক্ষে ভূ-চুম্বকের দক্ষিণ মেরু ভৌগলিক উত্তর মেরু থেকে প্রায় ২৫০০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং ভূ-চুম্বকের উত্তর মেরু ভৌগলিক দক্ষিণ মেরু থেকে প্রায় ২২০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১২,১১৮.
পারমাণবিক বোমার তুলনায় হাইড্রোজেন বোমার বিধ্বংসী ক্ষমতা কত গুণ?
  1. 1000
  2. 100
  3. 10
  4. 5
সঠিক উত্তর:
1000
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1000
ব্যাখ্যা

• পারমাণবিক বোমা (অ্যাটম বোমা) ফিশন প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপন্ন করে, যেখানে হাইড্রোজেন বোমা (থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা) ফিউশন প্রক্রিয়ায় কাজ করে। ফিউশনে হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়, যা ফিশনের তুলনায় অনেক বেশি। ইতিহাসে দেখা যায়, হিরোশিমায় ব্যবহৃত পারমাণবিক বোমার শক্তি ছিল প্রায় ১৫ কিলোটন, আর হাইড্রোজেন বোমার শক্তি কয়েক মেগাটন পর্যন্ত হতে পারে। তাই সাধারণভাবে বলা হয়, হাইড্রোজেন বোমার বিধ্বংসী ক্ষমতা পারমাণবিক বোমার তুলনায় প্রায় ১০০০ গুণ বেশি। সঠিক উত্তর: ক) 1000.

• হাইড্রোজেন বোমা:
- হাইড্রোজেন বোমায় মূলত পারমাণবিক বিক্রিয়া ঘটে।  
- এখানে ফিশন ও ফিউশন উভয় বিক্রিয়া ব্যবহৃত হয়।  
- হাইড্রোজেন বোমার মূল শক্তি ফিউশন বিক্রিয়া থেকে আসলেও, সেই বিক্রিয়া শুরু করার জন্য প্রথমে একটি ফিশন বিক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।
- প্রথমে ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়।  
- সেই শক্তি দিয়ে হাইড্রোজেন আইসোটোপ (ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম)-এর ফিউশন বিক্রিয়া শুরু হয়।  
- এই ফিউশন বিক্রিয়ায় অতি অল্প সময়ে বিপুল শক্তি উৎপন্ন হয়।  
- হাইড্রোজেন বোমা কে বলা হয় থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা।  
- এটি সাধারণ পারমাণবিক বোমার তুলনায় অনেক গুণ বেশি শক্তিশালী।  

• নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া: 
- যে বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে তাকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় পরমাণুর বা আয়নের সর্ববহিস্থ শক্তিস্তর থেকে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে। নিউক্লিয়াসের কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- কিন্তু নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে, এখানে ইলেকট্রনের কোনো ভূমিকা নেই। 
- এ বিক্রিয়ার ফলে নতুন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়। 
- যে বিক্রিয়ার ফলে ছোট ছোট মৌলের নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে বড় মৌলের নিউক্লিয়াস অথবা কোনো বড় মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙে একাধিক ছোট মৌলের নিউক্লিয়াস তৈরি হয় সেই বিক্রিয়াকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে। 
- নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- বিভিন্ন রকমের নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া আছে; তবে এদের মধ্যে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ও নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া অন্যতম। 
 
• নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় ছোট ছোট নিউক্লিয়াসসমূহ একত্রিত হয়ে বড় নিউক্লিয়াস গঠন করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন (Fusion) বিক্রিয়া বলে। 
নিচে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার উদাহরণ দেওয়া হলো-

• নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো বড় এবং ভারী মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙে ছোট ছোট মৌলের নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া বলে। 
- এই বিক্রিয়ার সাথে নিউট্রন আর প্রচুর (Fission) পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- স্বল্পগতির নিউট্রন দিয়ে কে আঘাত করলে নিউক্লিয়াসটি প্রায় দুইটি সমান অংশে বিভক্ত হয়ে এর নিউক্লিয়াস ও তিনটি নিউট্রন ও তার সাথে প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। এটি একটি নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া। 

- এই বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়, যা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পারমাণবিক অস্ত্র, বিশেষত পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস:
 ব্রিটানিকা [link]

১২,১১৯.
নিচের কোনটি ক্ষারক হলেও ক্ষার নয়?
  1. সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
ক্ষারক হলো মূলত ধাতব অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড।
কিছু কিছু ক্ষারক আছে যারা পানিতে দ্রবীভূত হয় আর কিছু আছে যারা দ্রবীভূত হয় না।
যে সমস্ত ক্ষারক পানিতে দ্রবীতূত হয় তাদেরকে বলে ক্ষার।
তাহলে ক্ষার হলো বিশেষ ধরনের ক্ষারক। ক্ষারগুলো হলো 
- সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH),
- পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH),
- অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH4OH),
- ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 এগুলো ক্ষার। এদেরকে কিন্তু ক্ষারকও বলা যায়।
- পক্ষান্তরে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Al(OH)3] কিন্তু পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই এটি একটি ক্ষারক হলেও ক্ষার নয়।
অতএব একথা বলা যায় যে, সকল ক্ষার ক্ষারক হলেও সকল ক্ষারক কিন্তু ক্ষার নয়।

[সূত্র: বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি]
১২,১২০.
উদ্ভিদের স্থায়ী টিস্যুর বৈশিষ্ট্য কী?
  1. অপরিণত কোষ দ্বারা গঠিত
  2. কোষগুলো বিভাজনে অক্ষম
  3. কোষের আকার ও গঠন নির্দিষ্ট নয়
  4. যান্ত্রিক কাজে দৃঢ়তা প্রদান করে
সঠিক উত্তর:
কোষগুলো বিভাজনে অক্ষম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষগুলো বিভাজনে অক্ষম
ব্যাখ্যা

- যে ধরনের কোষকলা বা টিস্যুর কোষগুলো বিভাজনে অক্ষম এবং পরিণত তাকে স্থায়ী টিস্যু বলে। স্থায়ী কলার কোষের আকার ও গঠন নির্দিষ্ট। খাদ্য উৎপাদন, খাদ্য সঞ্চয়, খাদ্য-পানি-খনিজ লবণ পরিবহন, বিভিন্ন অঙ্গের দৃঢ়তা প্রদান করা ইত্যাদি স্থায়ী টিস্যুর কাজ।
- যে টিস্যুর কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম তাকে ভাজক টিস্যু বলে। উদ্ভিদের বর্ধনশীল অঙ্গে এ ধরনের টিস্যু অবস্থান করে। মূল ও কাণ্ডের অগ্রভাগে সবচেয়ে বেশি ভাজক টিস্যু থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১২,১২১.
নিচের কোনটি রোধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ক) ইলেকট্রন উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভবে প্রবাহিত হয়।
  2. খ) ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।
  3. গ) ইলেকট্রন উচ্চ বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।
  4. ঘ) ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে নিন্ম বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।
সঠিক উত্তর:
খ) ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।
ব্যাখ্যা
রোধের ক্ষেত্রে ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়। 

- রোধ হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিবাহীর ধর্ম।
- পরিবাহীর যে ধর্মের জন্য এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ চলাচল বাধাগ্রস্ত হয় তাই হলো রোধ।
- রোধের এসআই (SI) একক ও’ম (Ω)। একে ওমেগাও বলা হয়, এটি একটি গ্রিক চিহ্ন।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ তৈরি হয় ইলেকট্রনের প্রবাহের জন্য।
- কোনো পরিবাহীর দুই প্রান্তে বিভব পার্থক্য থাকলে এই প্রবাহ শুরু হয়, এক্ষেত্রে ইলেকট্রন নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ বিভবের দিকে প্রবাহিত হয়।
- এই ইলেকট্রন স্রোত পরিবাহীর মধ্য দিয়ে চলার সময় পরিবাহীর অভ্যন্তরস্থ অণু-পরমাণুর সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ফলে এর গতি বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং বিদ্যুৎ প্রবাহও বিঘ্নিত হয়।
- পরিবাহীর এই বাধাদানের ধর্ম হলো রোধ।

সূত্র: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১২,১২২.
ইনসুলিন কতটি অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ৫০টি
  2. ৫২টি
  3. ৫১টি
  4. ৫৩টি
সঠিক উত্তর:
৫১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১টি
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 

- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১২৩.
নিচের কোনটির ক্ষেত্রে দ্রাঘিমারেখার ভূমিকা রয়েছে?
  1. সময় নির্ধারণ
  2. জলবায়ু নির্ধারণ
  3. ঋতু পরিবর্তন
  4. বায়ু প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
সময় নির্ধারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময় নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমারেখার উপর সূর্যের অবস্থানের ভিত্তিতে সময় নির্ধারণ করা হয়

পুরো পৃথিবীকে মোট ৩৬০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখায় বিভক্ত করা হয়েছে। প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। মূল মধ্যরেখা বা ০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখায় অবস্থিত লন্ডনের গ্রিনিচ মানমন্দিরের সময়কে পৃথিবীর প্রমাণ সময় ধরা হয়।

মূল মধ্যরেখার পূর্বদিকে অবস্থিত অঞ্চলসমূহের ক্ষেত্রে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে ৪ মিনিট করে যোগ করে সেই স্থানের সময় নির্ণয় করতে হয়।
মূল মধ্যরেখার পশ্চিমদিকে অবস্থিত অঞ্চলসমূহের ক্ষেত্রে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে ৪ মিনিট করে সময় বিয়োগ করে সেই স্থানের সময় নির্ণয় করতে হয়।

১৮০ ডিগ্রি দ্রাঘিমারেখা আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত যা প্রশান্ত মহসাগরের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে।

অন্যদিকে,
দ্রাঘিমারেখা আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান বা নিয়ামক নয়। যার কারণে জলবায়ু নির্ধারণ, ঋতু পরিবর্তন কিংবা বায়ু প্রবাহের ক্ষেত্রে দ্রাঘিমোরেখান কোন ভূমিকা নেই।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১২,১২৪.
গাড়ি থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় কোন বিষাক্ত গ্যাস বের হয়?
  1. ক) কার্বন মনোঅক্সাইড
  2. খ) হাইড্রোজেন
  3. গ) নাইট্রোজেন
  4. ঘ) অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন মনোঅক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্বন মনোঅক্সাইড
ব্যাখ্যা
- গাড়ি থেকে নির্গত কালো ধোঁয়ায় যে বিষাক্ত গ্যাস থাকে, তা দিয়ে গাড়ির ইঞ্জিন চলে।
- সেই ফুয়েল পোড়াতে প্রয়োজন অক্সিজেন৷
- ফুয়েলের সাথে পর্যাপ্ত অক্সিজেন না থাকলে ফুয়েল ঠিকমত বার্ন করেনা।
- যানবাহন থেকে নির্গত কালো বিষাক্ত গ্যাসটির নাম হচ্ছে কার্বন মনোক্সাইড।
- এই গ্যাসটি বায়ু দূষণের জন্য দায়ী।
- যেসব সংক্রামক উপাদান বায়ু দেমিসে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে সেই সব উপাদানকে বলা হয় দূষক।
- পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঘটনাকে বলা হয় দূষণ।

উৎস: Texas Commission on Environmental Quality ওয়েবসাইট।
১২,১২৫.
কোন ঘটনা সাধারণত সুনামি সৃষ্টি করে? 
  1. বৃষ্টি 
  2. সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প 
  3. পাহাড় ধস 
  4. নদীর বন্যা 
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প 
ব্যাখ্যা

সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। 
- যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। 
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 

- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

১২,১২৬.
এক্স-রের কোন ধর্মটি সঠিক?
  1. এতে চার্জ থাকে 
  2. এটির ভেদন ক্ষমতা খুবই কম 
  3. এটি গ্যাসকে আয়নিত করতে সক্ষম  
  4. এটি দৃশ্যমান আলো 
সঠিক উত্তর:
এটি গ্যাসকে আয়নিত করতে সক্ষম  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি গ্যাসকে আয়নিত করতে সক্ষম  
ব্যাখ্যা

এক্স-রে (X-Rays): 
- জার্মান বিজ্ঞানী প্রফেসর উইলিয়াম রঞ্জন ১৮৯৫ সালে ক্যাথোড রশ্মি থেকে এক্স-রে (X-Rays) আবিষ্কার করেন। 
- প্রফেসর রঞ্জন একে "X-Rays" নামে অভিহিত করেন। পরবর্তীতে একে "রঞ্জন রশ্মি" নামেও ডাকা হয়। 
- উচ্চগতির ইলেকট্রন কোনো ধাতব প্রতিবন্ধকের (Target) সাথে সংঘর্ষে বাধাপ্রাপ্ত হলে তার গতিশক্তি এক্স-রেতে রূপান্তরিত হয়। 

এক্সরের ধর্ম: 
- এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
- এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
- এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
- এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
- আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
- এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
- এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
- এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না, সুতরাং এক্স-রের কোন চার্জ নাই। 
- এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
- এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
- এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
- এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,১২৭.
ক্যারোলাস লিনিয়াস রচিত বইয়ের নাম কী?
  1. ক) Species Plantaram
  2. খ) Sapiens
  3. গ) Philosophia Botanica
  4. ঘ) Historia Plantarum
সঠিক উত্তর:
গ) Philosophia Botanica
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Philosophia Botanica
ব্যাখ্যা
ভুলে অপশন দুইটা দেয়া। তবে, Plantarum বানানটি ভুলের কারনে গ) Philosophia Botanica কে সঠিক ধরা হল।
১৭৫৩ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস 'Species Plantarum' বইটি রচনা করেন। এই বইটি উদ্ভিদবিজ্ঞানের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করে, কারণ এর প্রকাশনার মাধ্যমে তিনি দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতির প্রবর্তন করেন এবং গণ ও প্রজাতির সংজ্ঞা দেন। উৎসঃ জীব বিজ্ঞানঃনবম-দশম শ্রেণী
তাঁর রচিত আরেকটি বিখ্যাত বই হলো ‘Philosophia Botanica’।
১২,১২৮.
নিচের কোন শ্বেত রক্তকণিকার সাইটোপ্লাজম দানাবিহীন?
  1. ক) লিম্ফোসাইট
  2. খ) নিউট্রোফিল
  3. গ) ইওসিনোফিল
  4. ঘ) বেসোফিল
সঠিক উত্তর:
ক) লিম্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা

- শ্বেত রক্তকণিকার সাইটোপ্লাজমে ক্ষুদ্র দানার উপস্থিতির ভিত্তিতে শ্বেত রক্তকণিকা দুধরনের - গ্র‍্যানিউলোসাইট এবং অ্যাগ্রানুলোসাইট।
- যে শ্বেত রক্তকণিকার সাইটোপ্লাজম দানাদার সে সব কণিকাকে গ্র‍্যানিউলোসাইট বলে। নিউট্রোফিল, ইওসিনোফিল এবং বেসোফিল হলো গ্র‍্যানিউলোসাইট।
- যে শ্বেত রক্তকণিকার সাইটোপ্লাজম দানাবিহীন, তাদেরকে অ্যাগ্রানুলোসাইট বলে। মনোসাইট এবং লিম্ফোসাইট হলো এ ধরনের শ্বেত রক্তকণিকা।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১২,১২৯.
শব্দ তরঙ্গের তীব্রতা তার বিস্তারের-
  1. সমানুপাতিক
  2. বর্গের সমানুপাতিক
  3. ঘনের সমানুপাতিক
  4. বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
বর্গের সমানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্গের সমানুপাতিক
ব্যাখ্যা
শব্দ তরঙ্গ (Sound Wave): 
- শব্দ তরঙ্গ তৈরি করতে তার একটা উৎসের দরকার, তা প্রবাহিত করার জন্য একটা মাধ্যমের দরকার এবং সেই শব্দ গ্রহণ করার জন্য কোনো এক ধরনের রিসিভার দরকার। 
যেমন- ইলেকট্রনিক স্পিকারে যে পাতলা ডায়াফ্রাম রয়েছে সেটিকে সুনির্দিষ্টভাবে কাঁপিয়ে শব্দ তৈরি করা হয়। স্কুলের ঘণ্টার মাঝে আঘাত করলে সেটি কাঁপতে শুরু করে শব্দ তৈরি করে, এবং তখন হাত দিয়ে সেটাকে চেপে ধরে কম্পন বন্ধ করে ফেললে সাথে সাথে শব্দও বন্ধ হয়ে যায়। গিটারের তারে টোকা দিলে সেটি কাঁপতে থাকে এবং শব্দ তৈরি করে। ল্যাবরেটরিতে সুর শলাকা দিয়ে নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের শব্দ তৈরি করা যায়। 
- শব্দের কম্পাঙ্ক যদি 20 Hz থেকে 20,000 Hz (অর্থাৎ 20 kHz) এর মাঝখানে থাকে তাহলে সেই শব্দ শোনা যায়। 
(তবে কানে হেডফোন লাগিয়ে অবিরত গান শুনে কিংবা প্রচণ্ড শব্দদূষণে থাকলে অনেক সময় শোনার ক্ষমতা কমে যায়।) 
- শব্দের কম্পাঙ্ক 20 Hz থেকে কম হলে সেটাকে শব্দেতর বা ইনফ্রাসাউন্ড বলে এবং 20 kHz থেকে বেশি হলে সেটাকে শব্দোত্তর বা আলট্রাসাউন্ড বলে। 
- 20 Hz থেকে কম কিংবা 20 kHz থেকে বেশি কম্পাঙ্ক তৈরি করা হলে সেটি বাতাসে যে আলোড়ন সৃষ্টি করে তা শুনতে পাওয়া যায় না। এ ধরনের শব্দের অস্তিত্ব বুঝতে হলে বিশেষ ধরনের মাইক্রোফোন বা রিসিভার ব্যবহার করতে হবে। 

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক। 
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। 
- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে আরো বেশি। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়। 
- যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৩০.
ক্রোমোপ্লাস্টে কোনটির আধিক্য থাকে?
  1. ক্লোরোফিল
  2. লিউকোপ্লাস্ট
  3. লাইকোপিন
  4. ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল
সঠিক উত্তর:
ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল
ব্যাখ্যা
ক্রোমোপ্লাস্ট- সবুজ ছাড়া অন্যান্য বর্ণ যেমন- লাল, হলুদ ইত্যাদি বহনকারী প্লাস্টিডকে ক্রোমোপ্লাস্ট বলা হয়।
ক্রোমোপ্লাস্টে ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল বেশি পরিমাণে এবং ক্লোরোফিল অল্প পরিমাণে থাকে। ফুলের পাপড়িতে ও ফলে
ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে। এজন্য ফুল ও ফল বিভিন্ন বর্ণের দেখায়। ফুলের বিভিন্ন বর্ণের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন পতঙ্গ ও পাখি
পরাগায়নে এবং বংশবিস্তারে সাহায্য করে।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২,১৩১.
যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ গলতে শুরু করে তাকে বলে -
  1. তাপীয় সমতা
  2. ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু
  3. নিম্ন স্থির বিন্দু
  4. মধ্য স্থির বিন্দু
সঠিক উত্তর:
নিম্ন স্থির বিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্ন স্থির বিন্দু
ব্যাখ্যা
নিম্ন স্থির বিন্দু:
যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ বরফ পানির সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে, অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ বরফ গলতে শুরু করে তাকে নিম্ন স্থির বিন্দু বা বরফ বিন্দু বলে।

ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু:
যে তাপমাত্রায় প্রমাণ চাপে বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পের সাথে সাম্যাবস্থায় থাকতে পারে অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় বিশুদ্ধ পানি জলীয় বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করে তাকে ঊর্ধ্ব স্থির বিন্দু বা স্টিম বিন্দু বলে 

তাপীয় সমতা:
যে অবস্থায় তাপীয়ভাবে সংযুক্ত বস্তুগুলোর মধ্যে তাপের আদান-প্রদান ঘটে না, তাকে তাপীয় সমতা বলে।

থার্মোমিটার:
যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুর তাপমাত্রা নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা যায়, তাকে থার্মোমিটার বা তাপমান যন্ত্র বলে।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৩২.
যদি কোন যৌগের জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাসকে নীল করে তাহলে যৌগটি-
  1. অম্ল
  2. ক্ষার
  3. লবণ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক্ষার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষার
ব্যাখ্যা
• ক্ষার:
- ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল যৌগমূলকের যে সব হাইড্রোক্সাইড পানিতে দ্রবণীয় তাদেরকে ক্ষার বলে।
- ক্ষার বা ক্ষারক এসিডকে প্রশমিত করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে।
- ক্ষার জলীয় দ্রবণে হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) দান করে।
- ক্ষারের জলীয় দ্রবণ লাল লিটমাসকে নীল করে।
- ক্ষারের জলীয় দ্রবণকে স্পর্শ করলে সাবানের ন্যায় পিচ্ছিল মনে হয়।
- উদাহরণ: : সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১২,১৩৩.
আধুনিক পর্যায় সারণিতে মৌলগুলো কী অনুসারে সাজানো হয়েছে?
  1. পারমাণবিক ভর
  2. ঘনত্ব
  3. পারমাণবিক সংখ্যা
  4. ধাতব ধর্ম
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক সংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক সংখ্যা
ব্যাখ্যা
• আধুনিক পর্যায় সারণিতে মৌলগুলো তাদের পারমাণবিক সংখ্যা অনুসারে সাজানো হয়েছে। 

• পর্যায় সারণি:
- আবিষ্কৃত মৌল সমূহকে তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলির সামঞ্জস্য রেখে যে সারণিতে পর্যায় ক্রমে স্থান দেয়া হয়েছে তাকে পর্যায় সারণি (Periodic table) বলে।

• আধুনিক পর্যায় সারণিতে (Modern Periodic Table) মৌলগুলোর পারমাণবিক সংখ্যা অর্থাৎ প্রোটন সংখ্যার ক্রম অনুসারে সাজানো হয়েছে।
- ১৯১৩ সালে মোসলে পারমাণবিক ভরের পরিবর্তে পারমাণবিক সংখ্যা অনুসারী মৌলগুলোকে পর্যায় সারণিতে সাজানোর প্রস্তাব দেন।
- এর পূর্বে মেন্ডেলিভের পর্যায় সারণিতে মৌলগুলো তাদের পারমাণবিক ভর অনুযায়ী সাজানো ছিলো। 

• আধুনিক পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য:
- পর্যায় সারণির মৌলগুলোকে তাদের পারমাণবিক সংখ্যা (প্রোটন সংখ্যা) অনুসারে সাজানো হয়।
- পর্যায় সারণিতে 18টি গ্রুপ এবং 7টি পর্যায় রয়েছে।
- একটি গ্রুপ হল পর্যায় সারণীর উল্লম্ব কলাম, যা মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসের উপর ভিত্তি করে গঠিত।
- একটি পর্যায় হল পর্যায় সারণীর অনুভূমিক সারি।
- প্রতিটি পর্যায় বামদিকের গ্রুপ ১ থেকে শুরু করে ডানদিকে গ্রুপ ১৮ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মূল পর্যায় সারণির নিচে ল্যান্থানাইড ও অ্যাক্টিনাইড সারির মৌল হিসেবেও দেখানো হলেও এগুলো যথাক্রমে ৬ এবং ৭ পর্যায়ের অংশ।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১২,১৩৪.
নিচের কোনটি বারিমন্ডলের অংশ নয়?
  1. পাহাড়
  2. নদী
  3. সাগর
  4. হ্রদ
সঠিক উত্তর:
পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাহাড়
ব্যাখ্যা
• 'পাহাড়' বারিমন্ডলের অংশ নয়।  

• বারিমন্ডল:

- পৃথিবীর জলভাগই হলো বারিমন্ডল। বারিমন্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere।
- Hydro অর্থ পানি এবং Sphere অর্থ ক্ষেত্র। অর্থাৎ আভিধানিক অর্থে Hydrosphere এর অর্থ পানির ক্ষেত্র বা আধার।
- বারিমন্ডল হলো ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশি।
- পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- এই বিশাল পানিরাশির সবচেয়ে বড় আধার মহাসাগর এবং সাগর।
- এছাড়া রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, হ্রদ, খাল, বিল ও জলাশয়।

• বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন:
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও ভূগোল প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৩৫.
The basic structural and functional unit of the nervous system is called:
  1. Axon
  2. Dendrite
  3. Synapse
  4. Neuron
  5. Glial cell
সঠিক উত্তর:
Neuron
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Neuron
ব্যাখ্যা
• স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৩৬.
কোনো মৌলের বিভিন্ন উপকক্ষের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা জানার জন্য নিম্নের কোন নীতি ব্যবহৃত হয় না?
  1. প্ল্যাঙ্কের নীতি
  2. পলির বর্জন নীতি
  3. হুণ্ডের নীতি
  4. আউফবাউ নীতি
সঠিক উত্তর:
প্ল্যাঙ্কের নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্ল্যাঙ্কের নীতি
ব্যাখ্যা

• কোনো মৌলের বিভিন্ন উপকক্ষের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রধানত তিনটি নীতি ব্যবহার করা হয়-হুণ্ডের নীতি, পলির বর্জন নীতি, এবং আউফবাউ নীতি। আউফবাউ নীতি বলে যে, ইলেকট্রন সবসময় সবচেয়ে কম শক্তির উপকক্ষে প্রথমে অবস্থান করে। হুণ্ডের নীতি অনুযায়ী সমমানের অরবিটালে ইলেকট্রনগুলো একে একে প্রবেশ করে এবং সম্ভব হলে স্পিন একই রাখে। পলির বর্জন নীতি ইলেকট্রনের স্পিন ও কক্ষপথ সম্পর্কিত বিধিনিষেধ নির্ধারণ করে। তবে, প্ল্যাঙ্কের নীতি মূলত কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাথে সম্পর্কিত এবং এটি ইলেকট্রনের উপকক্ষে সংখ্যা নির্ধারণে সরাসরি ব্যবহার হয় না। তাই নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, প্ল্যাঙ্কের নীতি এখানে প্রযোজ্য নয়।

• প্ল্যাঙ্কের নীতি (Planck’s Principle):
- প্ল্যাঙ্কের নীতি মূলত ক kvant energy (কোয়ান্টাম শক্তি) সম্পর্কিত।
- এটি আলো বা ফোটনের শক্তি এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের সাথে সম্পর্কিত।
- মৌলের উপকক্ষের ইলেকট্রনের সংখ্যা নির্ধারণে এটি সরাসরি ব্যবহার হয় না।
- প্ল্যাঙ্কের নীতি ইলেকট্রনের অবস্থান বা গাণিতিক বন্টনের জন্য প্রযোজ্য নয়।

• পলির বর্জন নীতি (Pauli Exclusion Principle):
- পলির বর্জন নীতি বলে যে, কোনো দুটি ইলেকট্রন একই কোয়ান্টাম অবস্থায় থাকতে পারে না।
- এটি মৌলের বিভিন্ন উপকক্ষের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।
- উপকক্ষের প্রতি দুটো ইলেকট্রন একই স্পিনের বিপরীতে থাকতে হবে।

• হুণ্ডের নীতি (Hund’s Rule):
- হুণ্ডের নীতি অনুযায়ী, সমজাতীয় অরবিটালে ইলেকট্রন প্রথমে এককভাবে অবস্থান নেয় যতক্ষণ না তারা জোড়া হয়।
- এটি ইলেকট্রনের বণ্টন প্যাটার্ন নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
- তাই উপকক্ষের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা জানার ক্ষেত্রে এটি প্রাসঙ্গিক।

• আউফবাউ নীতি (Aufbau Principle):
- আউফবাউ নীতি বলে যে, ইলেকট্রন সর্বনিম্ন শক্তির স্তর থেকে শুরু করে উপরের স্তরে যায়।
- এটি ইলেকট্রনের ক্রম অনুযায়ী উপকক্ষে বসবাসের নিয়ম দেয়।
- তাই উপকক্ষের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা নির্ধারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ।  

সুতরাং, মৌলের বিভিন্ন উপকক্ষের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা জানার জন্য প্ল্যাঙ্কের নীতি ব্যবহার করা হয় না।  
সঠিক উত্তর: ক) প্ল্যাঙ্কের নীতি।

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

১২,১৩৭.
হ্যালির ধূমকেতু শেষবার কবে দেখা গিয়েছিল?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
• ধূমকেতু (Comet):
- মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে যাদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে, এসব জ্যোতিকে ধূমকেছূ বলে।
- ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিক।
- সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উপয় হরে পাবার অদৃশ্য হয়ে যায়।
- সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে।
- সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায়।

- এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এর লেজ লম্বা হতে থাকে।
- এরা অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে অনেক বছর পর পর এরা আবির্ভূত হয়।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়।
- মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৩৮.
আইনস্টাইন নােবেল পুরস্কার পান-
  1. ক) আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর
  2. খ) মহাকর্ষীয় ধ্রুবক আবিষ্কারের জন্য
  3. গ) কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কারের জন্য
  4. ঘ) আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
ব্যাখ্যা

কোন কোন ধাতুর উপর আলো পড়লে তাৎক্ষণিক ইলেকট্রন নির্গত হয় একে ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া বলে। ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাহায্যে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন। এই জন্য তিনি ১৯২১ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১২,১৩৯.
d-ব্লক মৌলের সংখ্যা কত?
  1. ক) ২০
  2. খ) ২৮
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৪০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪০
ব্যাখ্যা
d-ব্লক মৌল:

- যেসব মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্বশেষ ইলেকট্রনটি d অরবিটালে প্রবেশ করে তাদের d-ব্লক মৌল বলে।
- পর্যায় সারণির চতুর্থ পর্যায়ের স্ক্যানডিয়াম, Sc ( 21 ) থেকে জিঙ্ক, Zn(30) এবং পঞ্চম পর্যায়ের ইট্রিয়াম, Y (39) থেকে ক্যাডমিয়াম, cd(48) হলো d-ব্লক মৌল।
- এছাড়া ষষ্ঠ পর্যায় ও সপ্তম পর্যায়ে d-ব্লক মৌল আছে।
- পর্যায় সারণির '3' থেকে গ্রুপ 12 এর মৌলসমূহ এ শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
- এ শ্রেণিতে সর্বমোট 40টি মৌল আছে।
- এ ব্লকের মৌলের পরমাণুর d1 থেকে 10 পর্যন্ত ইলেকট্রন থাকতে পারে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৪০.
ফুসফুস থেকে অক্সিজেনময় রক্ত দেহে সরবরাহের জন্য হৃদপিন্ডে বহন করে কোনটি?
  1. করোনারি ধমনি
  2. ইনমিনেট ধমনি
  3. পালমোনারী ধমনি
  4. পালমোনারি শিরা
সঠিক উত্তর:
পালমোনারি শিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালমোনারি শিরা
ব্যাখ্যা
করোনারি ধমনি : অ্যাওর্টা অ্যাওর্টিক আর্চ গঠনের পূর্বেই ডান ও বাম করোনারি ধমনি উৎপন্ন করে। এরা অক্সিজেন যুক্ত রক্ত হৃদপেশীতে সরবরাহ করে।

ইনমিনেট ধমনি : এটি একটি খাটো ও মোটা ধমনি। এটি অভিন্ন ক্যারোটিড ধমনি ও ডান সাবক্লেভিয়ান ধমনিতে বিভক্ত।

পালমোনারী ধমনি : দেহ থেকে গৃহীত CO2 সমৃদ্ধ রক্ত অক্সিজেনময় হওয়ার জন্য ফুসফুসে বহন করে।

পালমোনারি শিরা : ফুসফুস থেকে অক্সিজেনময় রক্ত দেহে সরবরাহের জন্য হৃদপিন্ডে বহন করে।

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৪১.
নিচের কোন ভাইরাসটি উদ্ভিদদেহে রোগ সৃষ্টি করে?
  1. রুবিওলা ভাইরাস
  2. অ্যাডেনো ভাইরাস
  3. ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস
  4. টুংরো ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
টুংরো ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টুংরো ভাইরাস
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- রুবিওলা ভাইরাস মানবদেহে রুবেলা বা জার্মান হাম রোগের জন্য দায়ী।
- অ্যাডেনো ভাইরাস মানবদেহে ভাইরাল নিউমোনিয়ার জন্য দায়ী।
- ভ্যাকসিনিয়া ভাইরাস গবাদি পশুর ক্ষেত্রে গো- বসন্ত রোগের জন্য দায়ী।
- টুংরো ভাইরাস ধানের টুংরো রোগের জন্য দায়ী।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১২,১৪২.
নিচের কোন জোড়াটি সঠিক? 
  1. দ্রুতি — ভেক্টর রাশি
  2. সরণ — স্কেলার রাশি
  3. সময় — ভেক্টর রাশি
  4. বেগ — ভেক্টর রাশি
সঠিক উত্তর:
বেগ — ভেক্টর রাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ — ভেক্টর রাশি
ব্যাখ্যা

• বেগ — ভেক্টর রাশি; বেগের মান ও দিক উভয়ই থাকে।

• ভৌত রাশি:

- বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে জানার জন্য বিভিন্ন রাশি পরিমাপ করতে হয়। যেমন—দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, উচ্চতা, সরণ, বেগ ইত্যাদি।
- এই প্রতিটি পরিমেয় বিষয়কে একটি করে রাশি বলা হয় এবং এগুলোকে ভৌত রাশি বলা হয়।

- পদার্থবিজ্ঞানের অন্তর্গত সকল ভৌত রাশিকে একইভাবে প্রকাশ করা যায় না।

- কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশ করতে শুধুমাত্র মান প্রয়োজন হয়।
- আবার কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশ করতে মান ও দিক উভয়ই প্রয়োজন হয়।

- এই বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- এগুলো হলো—

ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি (Scalar Quantity),
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি (Vector Quantity).
 
• স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি (Scalar Quantity):

- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, সেগুলোকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়।

উদাহরণ:

- দৈর্ঘ্য,
- ভর,
- সময়,
- তাপমাত্রা।
 
• ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি (Vector Quantity):

- যেসব ভৌত রাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, সেগুলোকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়।

উদাহরণ:

- সরণ,
- বেগ,
- ত্বরণ,
- বল।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,১৪৩.
পদার্থবিজ্ঞানে সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদ প্রথম কে প্রদান করেন?
  1. গ্যালিলিও গ্যালিলি
  2. নিকোলাস কোপারনিকাস
  3. জোহানেস কেপলার
  4. আইজ্যাক নিউটন
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপারনিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপারনিকাস
ব্যাখ্যা

• নিকোলাস কোপারনিকাস সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদ প্রদান করে পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন।

• পদার্থবিজ্ঞান:
বিশ্ব প্রকৃতিতে যা স্থান দখল করে এবং বল প্রয়োগে বাধা সৃষ্টি করে তাকে পদার্থ বলে।
পদার্থ ও শক্তির প্রকৃতি এবং এদের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয়, তাকে পদার্থবিজ্ঞান বলে।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে বস্তু ও শক্তির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন এবং ফলাফল পরিমাপগতভাবে প্রকাশ করাই পদার্থবিজ্ঞানের মূল লক্ষ্য।

• পদার্থবিজ্ঞানের পরিসর:
- বিজ্ঞানের মৌলিক ভিত্তি হলো পদার্থবিজ্ঞান।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, প্রকৌশলশাস্ত্র, জীববিজ্ঞান, মনোবিজ্ঞান প্রভৃতি শাখায় পদার্থবিজ্ঞানের নীতি ব্যবহৃত হয়।
- পদার্থবিজ্ঞানকে বলবিজ্ঞান, তাপবিজ্ঞান, শব্দবিজ্ঞান, আলোকবিজ্ঞান, চুম্বকত্ববিজ্ঞান, তড়িৎবিজ্ঞান, কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান ইত্যাদি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।

• পদার্থবিজ্ঞানের ক্রমবিকাশ:
- থেলিস সূর্যগ্রহণ ও জ্যামিতি বিষয়ে ধারণা প্রদান করেন।
- পিথাগোরাস জ্যামিতিক উপপাদ্য ও সূত্র প্রবর্তন করেন।
- ডেমোক্রিটাস পদার্থের অবিভাজ্য একক পরমাণু ধারণা প্রদান করেন।
- আর্কিমিডিস ভাসমানতার নীতি ও জ্যামিতিতে অবদান রাখেন।
- জাবির ইবনে হাইয়ান রসায়নে অবদান রাখেন।
- আল-খোয়ারিজমি গণিতে গবেষণা করেন এবং Algebra শব্দটির উৎপত্তি তাঁর গ্রন্থ থেকে।
- ইবনে আল-হাইয়াম আলোকবিজ্ঞানে অবদান রাখেন।
- আল-বিরুনি পৃথিবীর পরিধি নির্ণয় করেন।
- রজার বেকন পরীক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ধারণা প্রদান করেন।
- নিকোলাস কোপারনিকাস সূর্যকেন্দ্রিক মতবাদ প্রদান করেন।
- জোহানেস কেপলার গ্রহের গতিসূত্র আবিষ্কার করেন।
- গ্যালিলিও গ্যালিলি পরীক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির ভিত্তি সুদৃঢ় করেন।
- আইজ্যাক নিউটন মহাকর্ষ সূত্র, ক্যালকুলাসের নীতি ও আলোর কণাতত্ত্ব প্রবর্তন করেন।
- জেমস ওয়াট বাষ্পীয় ইঞ্জিন উদ্ভাবন করেন।
- ওয়েরস্টেড, ফ্যারাডে, লেঞ্জ তড়িৎচুম্বকত্বে অবদান রাখেন।
- ম্যাক্সওয়েল তড়িৎচুম্বক তত্ত্ব প্রদান করেন।
- মার্কনি বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন।
- রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
- বেকেরেল ও মেরি কুরি তেজস্ক্রিয়তা বিষয়ে অবদান রাখেন।
- জে. জে. থমসন ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন।
- ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তন করেন।
- আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব এবং ভর-শক্তি সমীকরণ E=mc² প্রদান করেন।
- রাদারফোর্ড নিউক্লিয় তত্ত্ব প্রদান করেন।
- নীলস বোর পরমাণু মডেল প্রস্তাব করেন।
- অটো হান নিউক্লিয় বিভাজন প্রমাণ করেন।
- সত্যেন্দ্রনাথ বসু বোস-আইনস্টাইন তত্ত্ব প্রদান করেন।

• অন্যান্য অপশন :
- গ্যালিলিও গ্যালিলি পরীক্ষামূলক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির জনক হিসেবে পরিচিত।
- জোহানেস কেপলার গ্রহের গতিসূত্র প্রদান করেন।
- আইজ্যাক নিউটন মহাকর্ষ সূত্র ও ক্লাসিক্যাল বলবিজ্ঞানের ভিত্তি স্থাপন করেন।

১২,১৪৪.
রিখটার স্কেল দ্বারা কি পরিমান করা হয়?
  1. ক) ভূ - আলোড়নের সংখ্যা
  2. খ) কম্পন সংখ্যা
  3. গ) ভূ - কম্পন শক্তি
  4. ঘ) ক্ষয় - ক্ষতির মাত্রা
সঠিক উত্তর:
গ) ভূ - কম্পন শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভূ - কম্পন শক্তি
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:
- ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম রিখটার স্কেল।
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র - ফ্যাদোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
- বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১২,১৪৫.
ক্রোমোপ্লাস্টে কোন ধরনের রঞ্জক পদার্থ থাকে?
  1. জ্যান্থফিল
  2. ক্যারোটিন
  3. ফাইকোসায়ানিন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• ক্রোমোপ্লাস্টে ক্যারোটিন, জ্যান্থফিল এবং ফাইকোসায়ানিনের মতো বিভিন্ন রঙিন রঞ্জক পদার্থ থাকে যা ফুল ও ফলের বিচিত্র বর্ণ সৃষ্টি করে।

• প্লাস্টিড: 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
প্লাস্টিড তিন ধরনের - ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট। 

• ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। 
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে অবস্থিত উৎসেচক সমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভেতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে। 
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 

• ক্রোমোপ্লাস্ট: 
- এগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটিকে হলুদ, কোনটিকে নীল আবার কোনটিকে লাল দেখায়। 
- এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে এদের পাওয়া যায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। 
- এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে। 

• লিউকোপ্লাস্ট: 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি), সেখানে এদের পাওয়া যায়। 
- এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 
- আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট, ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,১৪৬.
যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ অবস্থান করে তখন কোনটি ঘটে? 
  1. পূর্ণিমা
  2. অমাবস্যা
  3. চন্দ্রগ্রহণ
  4. সূর্যগ্রহণ
সঠিক উত্তর:
সূর্যগ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যগ্রহণ
ব্যাখ্যা
সূর্যগ্রহণ: 
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। 
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। 
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। 
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে। 

চন্দ্ৰগ্ৰহণ: 
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান। 
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়। 
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া। 

পূর্ণিমা: 
- পূর্ণিমা তখনই হয়, যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে। 

অমাবস্যা: 
- চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে।
- চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
১২,১৪৭.
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট কোনটি?
  1. ক) দুইটি বীজপত্র থাকে
  2. খ) প্রধান মূল থাকে
  3. গ) পাতার শিরাবিন্যাস জালিকাকার
  4. ঘ) উপরের সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ : যেসব উদ্ভিদের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাদের দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বলে । যেমন — আম , জাম, কাঁঠাল, মটর, ছোলা, রেড়ি, পাট, কলা ইত্যাদি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ। উপরের সবগুলো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট।

source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
১২,১৪৮.
সরু চোঙের ব্যাসার্ধ নির্ণয়ে কোন যন্ত্র ব্যবহৃত হয়? 
  1. মিটার স্কেল
  2. স্ক্রু গজ
  3. তুলা যন্ত্র
  4. স্লাইড ক্যালিপার্স
সঠিক উত্তর:
স্ক্রু গজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ক্রু গজ
ব্যাখ্যা
স্ক্রু গজ: 
- স্ক্রু গজকে মাইক্রোমিটার স্ক্রু গজও বলা হয়। 
- এটি ইস্পাত দ্বারা নির্মিত হয়। 
স্ক্রু গজ যন্ত্রের সাহায্যে ক্ষুদ্র বস্তুর দৈর্ঘ্য, সরু তারের ব্যাস, সরু চোঙের ব্যাসার্ধ ইত্যাদি পরিমাপ করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৪৯.
হাইড্রোজেন বোমায় ক্রিয়া করে-
  1. ফিশন বিক্রিয়া 
  2. ফিউশন বিক্রিয়া
  3. ফিশন ও ফিউশন উভয়টিই
  4. সাধারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ফিশন ও ফিউশন উভয়টিই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিশন ও ফিউশন উভয়টিই
ব্যাখ্যা

• হাইড্রোজেন বোমা:
- হাইড্রোজেন বোমায় মূলত পারমাণবিক বিক্রিয়া ঘটে।  
- এখানে ফিশন ও ফিউশন উভয় বিক্রিয়া ব্যবহৃত হয়।  
- হাইড্রোজেন বোমার মূল শক্তি ফিউশন বিক্রিয়া থেকে আসলেও, সেই বিক্রিয়া শুরু করার জন্য প্রথমে একটি ফিশন বিক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।

- প্রথমে ফিশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়।  
- সেই শক্তি দিয়ে হাইড্রোজেন আইসোটোপ (ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম)-এর ফিউশন বিক্রিয়া শুরু হয়।  
- এই ফিউশন বিক্রিয়ায় অতি অল্প সময়ে বিপুল শক্তি উৎপন্ন হয়।  
- হাইড্রোজেন বোমা কে বলা হয় থার্মোনিউক্লিয়ার বোমা।  
- এটি সাধারণ পারমাণবিক বোমার তুলনায় অনেক গুণ বেশি শক্তিশালী।  
- সঠিক উত্তর: গ) ফিশন ও ফিউশন উভয়টিই।  
- উল্লেখ্য, অপশনে, "ফিশন ও ফিউশন উভয়টিই" - না থাকে - তাহলে, "ফিউশন বিক্রিয়া" - উত্তর হিসেবে গণ্য হবে।  

• নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া: 
- যে বিক্রিয়ায় কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে তাকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ায় পরমাণুর বা আয়নের সর্ববহিস্থ শক্তিস্তর থেকে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে। নিউক্লিয়াসের কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- কিন্তু নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের পরিবর্তন ঘটে, এখানে ইলেকট্রনের কোনো ভূমিকা নেই। 
- এ বিক্রিয়ার ফলে নতুন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সৃষ্টি হয়। 
- যে বিক্রিয়ার ফলে ছোট ছোট মৌলের নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে বড় মৌলের নিউক্লিয়াস অথবা কোনো বড় মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙে একাধিক ছোট মৌলের নিউক্লিয়াস তৈরি হয় সেই বিক্রিয়াকে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া বলে। 
- নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- বিভিন্ন রকমের নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া আছে; তবে এদের মধ্যে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া ও নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া অন্যতম। 
 
• নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ায় ছোট ছোট নিউক্লিয়াসসমূহ একত্রিত হয়ে বড় নিউক্লিয়াস গঠন করে তাকে নিউক্লিয় ফিউশন (Fusion) বিক্রিয়া বলে। 
নিচে নিউক্লিয়ার ফিউশন বিক্রিয়ার উদাহরণ দেওয়া হলো-

• নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া: 
- যে নিউক্লিয়ার প্রক্রিয়ায় কোনো বড় এবং ভারী মৌলের নিউক্লিয়াস ভেঙে ছোট ছোট মৌলের নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া বলে। 
- এই বিক্রিয়ার সাথে নিউট্রন আর প্রচুর (Fission) পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- স্বল্পগতির নিউট্রন দিয়ে কে আঘাত করলে নিউক্লিয়াসটি প্রায় দুইটি সমান অংশে বিভক্ত হয়ে এর নিউক্লিয়াস ও তিনটি নিউট্রন ও তার সাথে প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন হয়। এটি একটি নিউক্লিয়ার ফিশন বিক্রিয়া। 

- এই বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর শক্তি উৎপন্ন হয়, যা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পারমাণবিক অস্ত্র, বিশেষত পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস:
 ব্রিটানিকা [link]

১২,১৫০.
মানবদেহের কোন হরমোন দাঁড়ি ও গোফ গজাতে সাহায্য করে?
  1. রিলাক্সিন
  2. প্রোজেস্টেরন
  3. টেস্টোস্টেরণ
  4. অ্যাড্রানালিন
সঠিক উত্তর:
টেস্টোস্টেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেস্টোস্টেরণ
ব্যাখ্যা
মানব প্রজননে হরমোন এর ভূমিকা: 
- হরমোন এক ধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থ যা নালিহীন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়। 
- হরমোন নির্দিষ্ট অথচ স্বল্প মাত্রায় নিঃসৃত হয়ে নানাবিধ শারীরবৃত্তীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি বা কম নিঃসৃত হলে দেহের বিভিন্ন কাজের ব্যাঘাত ঘটে এবং দেহে নানা রকম অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। 
- মানব দেহে প্রজনন সংক্রান্ত হরমোনগুলো হলো- 

শুক্রাশয় এর অনাল গ্রন্থি: 
- এ অনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের নাম- টেস্টোস্টেরণ এবং অ্যান্ড্রোজেন। 
- এ হরমোন শুক্রাণু উৎপাদন করে। দাঁড়ি ও গোফ গজায়। গলার স্বর বদলায়। 

পিটুইটারী গ্রন্থি: 
- এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) বৃদ্ধি উদ্ধীপক হরমোন এবং (খ) উৎপাদক হরমোন। 
- এ হরমোন জনন গ্রন্থির বৃদ্ধি, ক্ষরণ ও কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। মাতৃদেহের স্তন দুগ্ধ ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। জরায়ুর সংকোচন নিয়ন্ত্রণ করে। 

থাইরয়েড গ্রন্থি: 
- এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- থাইরক্সিন হরমোন। 
- এ হরমোন দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি করে। যৌন লক্ষণ প্রকাশ ও বিপাকে সহায়তা করে। 

অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি: 
- এ গুন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- অ্যাড্রানালিন হরমোন। 
- এ হরমোন যৌন অঙ্গের বৃদ্ধি করে। যৌন লক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে। 

ডিম্বাশয় এর অনাল গ্রন্থি: 
- এ অনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) ইস্ট্রোজেন, (খ) প্রোজেস্টেরন এবং (গ) রিলাক্সিন। 
- এ হরমোন নারী সুলভ লক্ষণগুলো সৃষ্টি করে। ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ করে। গর্ভাবস্থায় জরায়ু, ভ্রূণ ও অমরা ইত্যাদির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। ডিম্বাণু উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। 

অমরা গ্রন্থি: 
- অমরা থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) গোনাডোট্রপিক এবং (খ) প্রোজেস্টেরন। 
- এ হরমোন ডিম্বাশয়ের অনাল গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে। স্তন গ্রন্থির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৫১.
দুইটি স্থানের দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য কত হলে, সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট হয়?
  1. ১ ডিগ্রি
  2. ২ ডিগ্রি
  3. ৪ ডিগ্রি
  4. ১০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
১ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমাংশ:
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব কিংবা পশ্চিমে অবস্থিত কোন স্থানের কৌণিক দূরত্বকে ঐ স্থানের দ্রাঘিমাংশ বলে।
- এটি বিষুবরেখা থেকে পৃথিবীর উত্তর বা দক্ষিণ দিকে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বের পরিমাপ।
- দ্রাঘিমাংশের পরিমাপ মোট ৩৬০ ডিগ্রি, যেখানে ০° থেকে ১৮০° পূর্ব এবং ০° থেকে ১৮০° পশ্চিমে দ্রাঘিমাংশ নির্ধারিত।
- স্থান এবং সময় নির্ণয়ের জন্য দ্রাঘিমাংশ ব্যবহার করা হয়।
- পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০° ঘুরে, অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় পৃথিবী ১৫° দ্রাঘিমাংশ পার করে।
তাই, পৃথিবীর দুটি স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১° হলে ঐ দুটি স্থানের সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।(কারণ ৬০ মিনিট ÷ ১৫° = ৪ মিনিট)

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৫২.
'প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে' - নিউটনের কোন সূত্রকে সমর্থন করে?
  1. ক) ১ম সূত্র
  2. খ) ২য় সূত্র
  3. গ) ৩য় সূত্র
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য় সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য় সূত্র
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র:
বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে।
উদাহরণ:
বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।
একজন মাঝি নৌকা চালানোর সময় নিউটনের তৃতীয় সূত্র প্রয়োগ করে।
মহাকাশযান উৎক্ষেপিত হয় নিউটনের তৃতীয় সূত্রের নীতিতে।
মহাকাশযানকে উৎক্ষেপ করার জন্য যে নীতির উপর ভিত্তি করে রকেট নির্মিত হয় তা নিউটনের তৃতীয় গতিসূত্র।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৫৩.
‘হাইড্রোজেন সালফাইড’ এর ক্ষেত্রে সঠিক নয়-
  1. ক) এটি হালকা হলুদাভ গ্যাস।
  2. খ) এতে রয়েছে পচা ডিমের গন্ধ।
  3. গ) এর রাসায়নিক সংকেত H2S।
  4. ঘ) জীবের জন্য এই গ্যাস বিষাক্ত।
সঠিক উত্তর:
ক) এটি হালকা হলুদাভ গ্যাস।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এটি হালকা হলুদাভ গ্যাস।
ব্যাখ্যা

হাইড্রোজেন সালফাইডঃ
এটি একটি রাসায়নিক যৌগ।
এর রাসায়নিক সংকেত H2S।
১৭৭৭ খ্রিষ্টাব্দে সুইডিশ রসায়নবিদ কার্ল উইলহেম শিলি হাইড্রোজেন সালফাইড আবিষ্কার করেন।
এটি বর্ণহীন গ্যাস।
এতে রয়েছে পচা ডিমের গন্ধ।
সাধারণ প্রাকৃতিক বাতাসের থেকে এই গ্যাস একটু ভারি।
জীবের জন্য এই গ্যাস বিষাক্ত।

১২,১৫৪.
নিচের কোনটি হিলিয়াম অপেক্ষা হালকা গ্যাস?
  1. লিথিয়াম
  2. হাইড্রোজেন
  3. সোডিয়াম
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিলিয়ামের ব্যবহার:
- হিলিয়াম খুবই হাল্কা এবং অদাহ্য হওয়ায় বেলুনে ও উড়োজাহাজে ব্যবহৃত হয়।
- একমাত্র হাইড্রোজেন গ্যাস হিলিয়াম অপেক্ষা হালকা
- হাইড্রোজেন (H2) গ্যাসের তুলনায় হিলিয়াম (He) গ্যাসের উত্তোলন ক্ষমতা প্রায় ৯২%।
- হাইড্রোজেনের দাহ্যতার কারণে তা বিপজ্জনক হওয়ায় বর্তমানে একমাত্র হিলিয়াম ব্যবহৃত হয়।
- অলিম্পিক সাইক্লিস্ট প্রতিযোগীরা তাদের সাইকেলের টায়ার বাতাসের পরিবর্তে হাল্‌কা ও অদাহ্য হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা পূর্ণ করে।
- হাপানী রোগীর শ্বাসকাজে সহায়তার জন্য এবং গভীর পানির ডুবুরিগণ এবং অধিক চাপে কর্মরত ব্যক্তিগণ ৪০% হিলিয়াম ও অক্সিজেনের 20% মিশ্রণের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করেন।
- ধাতু সংকরের গলন ও জোড়া লাগানোর সময় হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা নিষ্ক্রিয় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়।
- নিম্ন তাপমাত্রায় গবেষণাকার্যে তরল হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়।
যেমন- তরল হিলিয়াম NMR (NMR = Nuclear Magnetic Resonance Spectroscopy) মেশিন শীতলকরণে ব্যবহৃত হয়।
- হিলিয়ামের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক সর্বনিম্ন এবং পরমশূন্য তাপমাত্রার খুবই নিকটে।

অন্যদিকে,
- লিথিয়াম ও সোডিয়াম ধাতু, আর অক্সিজেন গ্যাস হিলিয়ামের চেয়ে ভারী।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী নাগ)।

১২,১৫৫.
জোয়ার ও ভাটাকে মোট কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা
• সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়।
এর কারণ মূলত দুটি; যথা:-
১. চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং
২. পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।

• সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়।

• জোয়ার-ভাটার শ্রেণিবিভাগ:-
জোয়ার-ভাটাকে নিম্নলিখিত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে ; যথা:-
১. মুখ্য জোয়ার
২. গৌণ জোয়ার
৩. ভরা কটাল
৪. মরা কটাল


তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৫৬.
এক কিলোওয়াট - ঘন্টা সমান কত?
  1. ৬.৩ মেগা জুল
  2. ৩.৬ মেগা জুল
  3. ৩.৫ মেগা জুল
  4. ১ মেগা জুল
সঠিক উত্তর:
৩.৬ মেগা জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৬ মেগা জুল
ব্যাখ্যা
কিলোওয়াট-ঘন্টা: 
- এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা। 
∴ ১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট × ১ঘণ্টা। 

- আবার, অনেক সময় ওয়াট-ঘণ্টার পরিবর্তে কিলোওয়াট-ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়। 
∴ ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট × ৩৬০০ সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ জুল 
∴ ১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ৩,৬০,০০০০ জুল = ৩.৬ মেগা জুল। 
অর্থাৎ, শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল। 

- আন্তর্জাতিকভাবে তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘন্টা এককে পরিমাপ করা হয়। 
- এই একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট সংক্ষেপে ইউনিট বলে। 
- আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করি তা এই এককে হিসেব করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৫৭.
শস্যজাত ফসলের বীজ সংরক্ষণের জন্য বীজের আর্দ্রতা কত ভাগ প্রয়োজন হয়?
  1. ১০%
  2. ১৩%
  3. ১৭%
  4. ২৫%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা
বীজ সংরক্ষণ:
- বীজ যদি অধিক আর্দ্রতায় রাখা হয় তাহলে বীজ দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কারণ এর ফলে বীজের শ্বসন বৃদ্ধি পায়, রোগ বালাই ও পোকামাকড় এর আক্রমণ বাড়ে। - অনেক সময় মোল্ড দেখা দেয়।
- যেহেতু বীজের জীবনকাল আর্দ্রতার উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল, তাই বীজ সংরক্ষণের জন্য বীজ শুকানো প্রয়োজন।
- শস্যজাত ফসলের বীজ সংরক্ষণের জন্য ১০% আর্দ্রতা খুবই উপকারী।
- তবে ৪% বা এর নিচের আর্দ্রতা বীজের অঙ্কুরোদ্গমের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

অন্যদিকে,
- বীজের আর্দ্রতা প্রতি ১% কমাতে বীজের জীবনকাল দ্বিগুণ হয়।

উৎস - Seed Science and Technology, TNAU AGRITECH website।
১২,১৫৮.
সিলিকন ডায়োডের ক্ষেত্রে নী (Knee) ভোন্টেজ হলো-
  1. 0.4 V
  2. 0.5 V
  3. 0.6 V
  4. 0.7 V
সঠিক উত্তর:
0.7 V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.7 V
ব্যাখ্যা
জাংশান ডায়োড:
- একটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহীকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করা হলে সংযোগ পৃষ্ঠকে তথা সৃষ্ট ব্যবস্থাকে p-n জাংশান বা জাংশান ডায়োড বলে।
- দুটি অর্ধপরিবাহী সমন্বয়ে গঠিত বলে একে অর্ধপরিবাহী ডায়োডও বলে।

• সম্মুখী ঝোঁক: যখন p-n জাংশনে বহিঃস্থ ভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যার ফলে এটি বিভব প্রাচীরকে হ্রাস করে বা নিষ্ক্রিয় করে তড়িৎপ্রবাহ চালু করে তখন একে সম্মুখী ঝোঁক বলা হয় ।
• বিমুখী ঝোঁক: যখন p-n জাংশনে বহিঃস্থ ভোল্টেজ এমনভাবে প্রয়োগ করা হয়, যার ফলে বিভব প্রাচীর-এর উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, তখন একে বিমুখী ঝোঁক বলা হয়।

নী ভোল্টেজ:
- প্রযুক্ত ভোল্টেজের মান একটি নির্দিষ্ট মান অতিক্রম করার পর তড়িৎ প্রবাহ দ্র“ত সূচকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে। ডায়োডের এই নির্দিষ্ট ভোল্টেজকে প্রারম্ভিক বা সূচন ভোল্টেজ (Threshold Voltage) বা নী ভোল্টেজ বলে।
- সিলিকন ডায়োডের জন্য এই ভোল্টেজের মান 0.7V.
- জার্মেনিয়াম এর ক্ষেত্রে এই মান 0.3V.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৫৯.
সংকর ধাতু ব্রোঞ্জে কপারের পরিমাণ কত?
  1. ১০%
  2. ৯০%
  3. ৩৫%
  4. ৬৫%
সঠিক উত্তর:
৯০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০%
ব্যাখ্যা
• সংকর ধাতু ব্রোঞ্জে কপারের পরিমাণ ৯০% এবং টিনের পরিমাণ ১০%।

• সংকর ধাতু:

- একাধিক ধাতুর মিশ্রণকে সংকর ধাতু বলা হয়।
- একাধিক ধাতুকে গলিত অবস্থায় মিশ্রিত করে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়।
- সাধারণত বিশুদ্ধ ধাতু অপেক্ষা সংকর ধাতু বেশি ব্যবহার উপযোগী হয়ে থাকে।
- যেমন বিশুদ্ধ স্বর্ণ দিয়ে গয়না তৈরি করা হয় না কারণ বিশুদ্ধ স্বর্ণ নরম হওয়ায় গয়না টেকসই হয় না। স্বর্ণের সাথে সামান্য পরিমান রূপা মিশ্রিত করে গয়না তৈরি করা হয়। 

• কয়েকটি সংকর ধাতুর উপাদান ও সংযুক্তি:

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৬০.
কোনটি নাইট্রোজেনের অভাব জনিত লক্ষণ?
  1. পাতা বেগুনি রং ধারণ করে
  2. পাতা হলুদ রং ধারণ করে
  3. পাতায় মৃত অঞ্চলের সৃষ্টি হয়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
পাতা হলুদ রং ধারণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতা হলুদ রং ধারণ করে
ব্যাখ্যা


সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৬১.
থার্মোসেটিং প্লাস্টিকের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. সবসময় ভঙ্গুর প্রকৃতির হয়
  2. তাপ প্রয়োগে এগুলো গলে যায় না বরঞ্চ কালো কয়লায় পরিণত হয়।
  3. শক্ত ও কম নমনীয় হয়
  4. বারবার গলিয়ে নতুন আকৃতি দেওয়া যায়
সঠিক উত্তর:
বারবার গলিয়ে নতুন আকৃতি দেওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারবার গলিয়ে নতুন আকৃতি দেওয়া যায়
ব্যাখ্যা
• বারবার গলিয়ে নতুন আকৃতি দেওয়া যায় থার্মোপ্লাস্টিকের বৈশিষ্ট্য।

• গঠন ও তাপীয় বেশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে কৃত্রিম পলিমারকে আবার দুই শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
যেমন-
১। থার্মোপ্লাস্টিক ও
২। থার্মোর্সেটিং প্লাস্টিক।

• থার্মোসেটিং প্লাস্টিক:
- এরা অপেক্ষাকৃত শক্ত ও কম নমনীয় হয়।
- তাপ প্রয়োগে এগুলো গলে যায় না বরঞ্চ কালো কয়লায় পরিণত হয়।
- এ জাতীয় পলিমার অণুতে পরমাণুগুলোর শিকলের মধ্যে সমযোজী এবং পার্শ্ববর্তী শিকলের গঠনের সাথে দৃঢ়ভাবে হাইড্রোজেন বন্ধন বর্তমান থাকে।
- যেমন- ব্যাকেলাইট প্লাস্টিক, ফাইবার গ্লাস, কৃত্রিম রেজিন ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
১২,১৬২.
টেলিভিশন কে আবিষ্কার করেন? 
  1. জন লজি বেয়ার্ড
  2. জি. মার্কনী
  3. জেমস হ্যারিসন
  4. আলেকজান্ডার গ্রাহামবেল
সঠিক উত্তর:
জন লজি বেয়ার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন লজি বেয়ার্ড
ব্যাখ্যা
রঙিন টেলিভিশন: 
- টেলিভিশন এমন একটি যন্ত্র, যেখানে দূরবর্তী কোনো টেলিভিশন সম্প্রচার স্টেশন থেকে শব্দের সাথে সাথে ভিডিও বা চলমান ছবিও দেখা যায়। 
- ১৯২৬ সালে জন লজি বেয়ার্ড প্রথম টেলিভিশনের মাধ্যমে ভিডিও বা চলমান ছবি পাঠিয়েছিলেন। 
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি আলাদা সিগন্যাল হিসেবে পাঠানো হয়। 
- চলমান ছবি বা ভিডিও পাঠাতে হলে প্রতি সেকেন্ডে ২৫টি স্থিরচিত্র পাঠাতে হয় এবং আমাদের চোখে তখন সেগুলোকে আলাদা আলাদা স্থিরচিত্র মনে না হয়ে একটি চলমান ছবি বলে মনে হয়। 
- টেলভিশনে রঙিন ছবি পাঠানোর জন্য টেলিভিশন ক্যামেরা প্রতিটি ছবিকে লাল, সবুজ ও নীল (RGB) এই তিনটি মৌলিক রং এ ভাগ করে তিনটি আলাদা ছবি তুলে দেয়। 
- টেলিভিশন ক্যামেরার ভেতরে আলো CCD ( Charge Coupled Device) ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয়। এই বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গ ব্যবহার করে এন্টেনার ভেতর দিয়ে পাঠানো হয়। 
- বর্তমানে ইলেকট্রন গান দিয়ে স্ক্রিনে ছবি তৈরি না করে লাল, সবুজ ও নীল রংয়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলইডি ( Light Emitting Diode) -তে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে ছবি তৈরি করা হয়। এলইডি টেলিভিশনের ছবির ঔজ্জ্বল্য অনেক বেশি এবং গুণগত মানও অনেক ভালো। 
- এন্টেনার সাহায্যে টেলিভিশনের সিগন্যাল পাঠানো ছাড়াও কো-এক্সিয়াল ক্যাবল দিয়েও সিগন্যাল পাঠানো যায়। এই ধরনের সম্প্রচার ক্যাবল টিভি নামে পরিচিত। 
- এ ছাড়াও স্যাটেলাইট টিভি নামে এক ধরনের টিভি অনুষ্ঠানের সম্প্রচার করা হয়, এটি মহাকাশে পাঠানো উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট থেকে সরাসরি পৃথিবীতে পাঠানো হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৬৩.
লোহার গ্যালভানাইজিং বলতে কী বোঝায়?
  1. ক) লোহার উপর সীসার প্রলেপ দেয়া
  2. খ) লোহার ওপর কপারের প্রলেপ দেয়া
  3. গ) লোহাকে ইস্পাতে পরিণত করে তার ওপর কালো রঙের প্রলেপ দেয়া
  4. ঘ) লোহার ওপর দস্তার প্রলেপ দেয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) লোহার ওপর দস্তার প্রলেপ দেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লোহার ওপর দস্তার প্রলেপ দেয়া
ব্যাখ্যা
• গ্যালভানাইজিং:
- লোহাকে গলিত দস্তায় ডুবিয়ে লোহার উপর দস্তার পাতলা প্রলেপ দেয়া হয়।
- ঘরের টিনে সহজে মরিচা পড়তে পারে না। গুড়া দুধের টিন বা টিনজাত খাবারের টিনগুলো মূলত লোহা ও ইস্পাতের তৈরি। এর উপর টিনে ধাতুর পাতলা প্রলেপ দেয়া থাকে ফলে এতে মরিচা ধরে না এবং ভিতরকার খাবার নষ্ট হয় না।
- এক ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেয়াকেই গ্যালভানাইজিং বলে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৬৪.
আদর্শ তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ কত?
  1. শূন্য
  2. অসীম
  3. তুল্যরোধের সমান
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
অসীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসীম
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্সের (Ideal Current Source) প্রতিরোধ অসীম (infinite) হয়।

একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্স সবসময় নির্দিষ্ট পরিমাণ কারেন্ট সরবরাহ করে, যেটি লোড বা ভোল্টেজের পরিবর্তনের ওপর নির্ভর করে না। এর জন্য সোর্সের অভ্যন্তরীণ রোধ অসীম হতে হবে, যাতে কোনো ভোল্টেজ পরিবর্তন হলেও কারেন্ট অপরিবর্তিত থাকে।
যদি রোধ শূন্য (zero) হতো, তাহলে ওহমের সূত্র (V = IR) অনুযায়ী, সামান্য ভোল্টেজ পরিবর্তনেও বিশাল কারেন্ট প্রবাহিত হতে পারত, যা বাস্তবে সম্ভব নয়।
তাই, একটি আদর্শ কারেন্ট সোর্সের রোধ অসীম হতে হয়, যাতে এটি যেকোনো লোডের জন্য নির্দিষ্ট কারেন্ট সরবরাহ করতে পারে।

Source:
"Fundamentals of Electric Circuits" – Charles K. Alexander & Matthew N. O. Sadiku.
2. "Basic Engineering Circuit Analysis" – J. David Irwin & R. Mark Nelms.
১২,১৬৫.
প্রোটিন মূলত -
  1. ক) শর্করার পরিবর্তিত রূপ
  2. খ) অ্যামিনো অ্যাসিডের পলিমার
  3. গ) নাইট্রিক এসিডের পলিমার
  4. ঘ) কার্বনের একটি রূপভেদ
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যামিনো অ্যাসিডের পলিমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যামিনো অ্যাসিডের পলিমার
ব্যাখ্যা
প্রোটিন মূলত উচ্চ ভর বিশিষ্ট নাইট্রোজেন যুক্ত জটিল যৌগ যা অ্যামিনো অ্যাসিডের পলিমার। জীন নির্দিষ্ট অনুক্রমে অনেকগুলি আলফা অ্যামিনো অ্যাসিড পেপটাইড বন্ধন দ্বারা পলিপেপটাইড শৃঙ্খল পলিমার তৈরি করে এবং তা সঠিকভাবে ভাঁজ হয়ে একটি প্রোটিন তৈরি হয়।

ভৌত,রাসায়নিক গুনাবলি এবং দ্রবনীয়তার ভিত্তিতে প্রোটিনকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা :-
ক) সরল প্রোটিন ৷
খ) যুগ্ম প্রোটিন ৷
গ) উৎপাদিত প্রোটিন ৷

দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে সরল প্রোটিনকে আবার ৭ ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা :-
১) অ্যালবিউমিন
২) গ্লোবিউলিন 
৩) গ্লুটোলিন 
৪) প্রোলামিন
৫) হিস্টোন
৬) প্রোটামিন
৭) স্ক্লোরোপ্রোটিন

যুগ্ম প্রোটিনকেও আবার ৬ ভাগে ভাগ করা যায় ৷
যথা :-
১) নিউক্লিওপ্রোটিন
২) গ্লাইকোপ্রোটিন বা মিউকোপ্রোটিন
৩) লিপোপ্রোটিন
৪) ক্রোমোপ্রোটিন 
৫) মেটালোপ্রোটিন
৬) ফসফোপ্রোটিন 

প্রোটিনের কাজ সমূহ- 
- দেহের বৃদ্ধি, কোষ গঠন ও ক্ষয়পূরণ হল প্রোটিনের প্রধান কাজ।
- তাপ শক্তি উৎপাদন।
- দেহস্থ উৎসেচক, হরমোন ইত্যাদি সৃষ্টি করা।
- অপরিহার্য অ্যামাইনো অ্যাসিডের চাহিদা পূরণ করা হল প্রোটিনের অন্যতম কাজ।

সূত্র- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৬৬.
সুপ্ত তাপের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক? 
  1. পদার্থের আকার পরিবর্তনের সময় তাপ উৎপন্ন হয়
  2. পদার্থের ভরের কারণে তাপ বৃদ্ধি পায়
  3. পদার্থের আণবিক অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সম্পৃক্ত
  4. পদার্থের কঠোরতা বৃদ্ধির কারণে তাপ থাকে
সঠিক উত্তর:
পদার্থের আণবিক অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সম্পৃক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থের আণবিক অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সম্পৃক্ত
ব্যাখ্যা

- সুপ্ত তাপ হলো সেই তাপ যা কোনো পদার্থকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় (যেমন গলন, বাষ্পীভবন) রূপান্তর করতে লাগে, কিন্তু পদার্থের তাপমাত্রা পরিবর্তিত হয় না।
- সুপ্ত তাপ সরাসরি আণবিক শক্তি এবং অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত, তাপমাত্রা বাড়ানোর জন্য নয়।
- এটি আণবিক স্তরে শক্তি সংরক্ষণ করে।

উদাহরণ: 
- বরফ গলে পানি হতে গেলে বা পানি বাষ্পে রূপান্তর হলে। 
- বরফের তাপমাত্রা ০°C এ স্থির থাকলেও, বরফ গলতে তাপ শোষিত হয়।
- এই তাপকে বলা হয় গলন সুপ্ত তাপ। 

তথ্যসূত্র: NCTB, মাধ্যমিক রসায়ন, Britannica 

১২,১৬৭.
ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সহায়তা করা কোনটির প্রধান কাজ?
  1. ক্রোমাটোপ্লাস্ট
  2. ক্লোরোপ্লাস্ট
  3. ক্রোমোপ্লাস্ট
  4. লিউকোপ্লাস্ট
সঠিক উত্তর:
ক্রোমোপ্লাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোমোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা
ক্রোমোপ্লাস্ট (Chromoplast): 
- ক্রোমোপ্লাস্ট রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল (হলুদ), ক্যারোটিন (কমলা), ফাইকোএরিথ্রিন (লাল), ফাইকোসায়ানিন (নীল) ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনোটিকে হলুদ, কোনোটিকে নীল আবার কোনোটিকে লাল দেখায়। 
- এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভিদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। 
- রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে এদের পাওয়া যায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা এদের প্রধান কাজ। 
- এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৬৮.
কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে কোন প্রক্রিয়ার ফলে ধীরে ধীরে ফুলে উঠে?
  1. অন্তঅভিস্রবণ
  2. বহিঅভিস্রবণ
  3. প্রস্বেদন
  4. শ্বসন
সঠিক উত্তর:
অন্তঅভিস্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তঅভিস্রবণ
ব্যাখ্যা
অভিস্রবণ দু'ধরনের।
যথা -
১. অন্তঅভিস্রবণ:
- দ্রাবক যখন কোষের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করে তখন অন্তঅভিস্রবণ ঘটে।
- অন্তঅভিস্রবণের ফলে মাটি থেকে পানি মূলরােমে প্রবেশ করে; উদ্ভিদ মাটি থেকে পানি শােষণ করতে পারে।
উদাহরণ- কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে রাখলে ধীরে ধীরে ফুলে উঠে।

২. বহিঅভিস্রবণ:
- দ্রাবক যখন কোষের ভেতর থেকে বাইরে আসে তখন বহিঅভিস্রবণ ঘটে।
- টসটসে আঙ্গুর ঘন চিনির কিম্বা লবণের দ্রবণে ডুবিয়ে রাখলে কিছুটা চুপসে যায়। কারণ বহিঅভিস্রবণের ফলে আঙ্গুরের ভেতরের পানি বাইরের ঘন দ্রবণে চলে আসে।

- অন্তঅভিস্রবণ এবং বহিঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ার সম্মিলিত কার্যক্রমের ফলে উদ্ভিদের কোষ থেকে কোষান্তরে পানির চলাচল ঘটে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৬৯.
স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব কোনটি?
  1. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  2. পটাশিয়াম ক্লোরাইড
  3. অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
  4. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা
দ্রব (Solute): 
- দুটি উপাদানের সমন্বয়ে উৎপন্ন দ্রবণে যে উপাদানটির আপেক্ষিক পরিমাণ কম থাকে এবং যে উপাদানটি অপর উপাদানের মধ্যে দ্রবীভূত থাকে তাকে দ্রব বলা হয়। 
- খাদ্য লবণকে পানিতে দ্রবীভূত করে যে দ্রবণ প্রস্তুত করা হয় তাতে খাদ্য লবণ দ্রব। 
একইভাবে, 
- চিনির জলীয় দ্রবণে চিনি দ্রব। 
- দ্রাবকের মধ্যে দ্রবের দ্রবীভূত হওয়ার ক্ষমতা অনুযায়ী দ্রবকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
(i) স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব এবং 
(ii) অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব। 

স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব: 
- এ ধরনের দ্রব দ্রাবকের মধ্যে খুবই সামান্য পরিমাণে দ্রবীভূত হয়ে সম্পৃক্ত দ্রবণ উৎপন্ন করে। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় যেসব লবণের দ্রাব্যতা 0.01 গ্রাম অণু/লিটার বা 001 mol.L-1 এর চেয়ে কম তাদের স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব বলা হয়। 
যেমন - সিলভার ক্লোরাইড (AgCl), সিলভার ব্রোমাইড (AgBr), সিলভার আয়োডাইড (AgI), সিলভার কার্বনেট (Ag2CO3), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO3),  ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড (CaF2), ক্যালসিয়াম সালফেট (CaSO4), ক্যালসিয়াম হাইড্রক্সাইড Ca(OH)2, লেড ক্লোরাইড (PbCl2) ইত্যাদি স্বল্প দ্রবণীয় দ্রব। 

অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব: 
- বেশ কিছু দ্রব আছে যারা পানিতে সম্পূর্ণভাবে দ্রবীভূত হয়ে যায়। 
- এদের দ্রাব্যতা গুণ অনেক বেশি হওয়ায় এরা দ্রবণে সম্পূর্ণভাবে আয়নিত অবস্থায় থাকে। 
- এ জাতীয় দ্রবের আণবিক অবস্থা ও আয়নিক অবস্থার মধ্যে কোনো সাম্যাবস্থা বিরাজ করে না। 
যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), সোডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3), পটাশিয়াম ক্লোরাইড (KCI), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl), অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3) ইত্যাদি অতিমাত্রায় দ্রবণীয় দ্রব। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৭০.
ভরবেগ কোন ধরনের রাশি?
  1. স্কেলার রাশি
  2. ভেক্টর রাশি
  3. মাত্রাহীন রাশি
  4. ধ্রুব রাশি
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর রাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর রাশি
ব্যাখ্যা

• ভেক্টর রাশি — ভরবেগের মানের পাশাপাশি দিকও থাকে, তাই এটি ভেক্টর রাশি।

• ভরবেগ:
- ভরবেগ = বস্তুর ভর × বেগ।
- গাণিতিকভাবে, p = mv.
- এখানে p → ভরবেগ, m → ভর, v → বেগ।
- SI একক → kg·m/s.

• ভরবেগের প্রকৃতি:
- ভরবেগের মান ও দিক উভয়ই আছে।
- বেগের দিক পরিবর্তিত হলে ভরবেগের দিকও পরিবর্তিত হয়।
- তাই ভরবেগ একটি ভেক্টর রাশি।

• অন্যান্য অপশন:
- স্কেলার রাশি → যার শুধু মান আছে, দিক নেই।
- মাত্রাহীন রাশি → যার কোনো একক বা মাত্রা নেই।
- ধ্রুব রাশি → যার মান অপরিবর্তিত থাকে।

উৎস:
1) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
2) Science Expert, Live Publications.

১২,১৭১.
গ্যালভানাইজিং পদ্ধতিতে কী ব্যবহৃত হয়? 
  1. দস্তা
  2. প্লাস্টিক
  3. টিন
  4. সোনা
সঠিক উত্তর:
দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্তা
ব্যাখ্যা
গ্যালভানাইজিং: 
- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে জিংক বা দস্তা ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যালভানাইজিং। 
- লোহার তৈরি দ্রব্যসামগ্রীর উপর দস্তার পাতলা আস্তরণ দেওয়াকে গ্যালভানাইজেশন বলে। 
- জিংক এর আবরণ লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও পানি থেকে রক্ষা করে, ফলে মরিচা পড়তে পারে না এবং লোহারও ক্ষতি হয় না। 
- দস্তার পরিবর্তে টিন দিয়েও অনেক সময় আবরণ দিয়ে ধাতব পদার্থকে ক্ষয় হতে রক্ষা করা যায়। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 

- ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। 
- এই প্রক্রিয়ায় সাধারনত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। 
- এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয় রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি বস্তুটি দেখতে আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। 
- খাবারের কৌটা, সাইকেল, এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

পেইন্টিং: 
- পেইন্টিং বা রং করেও ধাতব পদার্থসমূহের ক্ষয় রোধ করা যায়। 
- বাসার রেফ্রিজারেটর, আলমারি, গাড়ি, স্টিলের আসবাবপত্র এসবেরই ক্ষয় রোধ করা জন্য পেইন্ট দিয়ে রং করা হয়। 
- এই পেইন্ট সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব আবার পেইন্টিং করে নেওয়া ভালো। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১২,১৭২.
মাশরুম এক ধরণের-
  1. অপুষ্পক উদ্ভিদ
  2. ফাঙ্গাস
  3. স্ব-জীবী উদ্ভিদ
  4. অর্কিড
সঠিক উত্তর:
ফাঙ্গাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাঙ্গাস
ব্যাখ্যা
- ফাংগাস বহুবচনে ফানজাই, একটি ল্যাটিন শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ ‘মাশরুম' বা ব্যাঙের ছাতা সদৃশ বস্তু।
- ফানজাই বা ছত্রাক এমন একটি উদ্ভিদ গোষ্ঠী যারা বিভিন্ন পরিবেশে মৃতজীবী অথবা পরজীবী হিসেবে বসবাস করে এবং উদ্ভিদ ও প্রাণীদেহে নানা ধরনের রোগ সৃষ্টি করে। 
- এদের সকলেই আমাদের আর্থিক ক্ষতি সাধন করে না, অনেক ছত্রাক আমাদের প্রভূত উপকার করে থাকে।
- এরা এককোষী সরলতম গঠন থেকে শুরু করে বহু-কোষী জটিল দেহের অধিকারী।
-  উদ্ভিদ বিজ্ঞানের যে শাখায় ছত্রাক সম্পর্কিত বিষয়ে আলোচনা, পর্যালোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে ছত্রাক বিজ্ঞান বা মাইকোলজি (Mycology গ্রীক শব্দ, mykes অর্থ ছত্রাক এবং logos অর্থ জ্ঞান) বলে।
 
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত  বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৭৩.
নিচের কোনটি কৃত্রিম পলিমার?
  1. নাইলন
  2. টেরিলিন
  3. ক ও খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
পলিমার: 
- গ্রিক শব্দ 'পলি' (poly) অর্থ বহু বা অনেক এবং 'মেরোস' (meros) অর্থ একক বা অংশ। 
- এ দুটি শব্দ থেকেই পলিমার শব্দের উৎপত্তি। 
- প্রকৃতঅর্থে পলিমার বলতে বোঝায় বহু অংশযুক্ত উচ্চ আণবিক ভর সম্পন্ন বৃহদাকার অণু। 
- পলিমার সাধারণত দুই প্রকার। 
যথা- 
ক) প্রাকৃতিক পলিমার ও 
খ) কৃত্রিম পলিমার। 

ক) প্রাকৃতিক পলিমার: 
- সাধারণভাবে প্রাকৃতিক উৎস বিশেষ করে উদ্ভিদ ও প্রাণি থেকে প্রাপ্ত পলিমার এ জাতীয় পলিমার। 
যেমন- প্রাকৃতিক রাবার, স্টার্চ, সেলুলোজ ইত্যাদি। 

খ) কৃত্রিম পলিমার: 
- পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত পলিমার সমূহ এ জাতীয় পলিমার। 
যেমন- পলিইথিলিন, পলিস্ট্যারিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC), নাইলন, টেফলন, টেরিলিন ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৭৪.
জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কোন ধরনের শক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) গতি শক্তি
  2. খ) বিভব শক্তি
  3. গ) যান্ত্রিক শক্তি
  4. ঘ) ঘর্ষণ শক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) বিভব শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিভব শক্তি
ব্যাখ্যা
জলবিদ্যুৎ:
- পানি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস।
- পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়।
- পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়।
- একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন পৃথিবীতে খুবই জনপ্রিয়।
- বাংলাদেশে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে।
- জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিভব শক্তি বা স্থিতি শক্তি ব্যবহার করা হয়। 
- পানির স্রোতের সাহায্যে একটি টার্বাইন ঘোরানো হয়।
- এই ট্রার্বাইনের ঘূর্ণন থেকেই এখানে যান্ত্রিক শক্তি ও চৌম্বকশক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়।
- প্রবাহিত পানির স্রোত থেকে যান্ত্রিক শক্তি সংগ্রহ করে চৌম্বক শক্তির সমন্বয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১২,১৭৫.
প্রতি চাকে কয়টি কর্মী মৌমাছি থাকে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) অসংখ্য
  4. ঘ) ১টি
সঠিক উত্তর:
গ) অসংখ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অসংখ্য
ব্যাখ্যা

- মৌমাছি উপকারী পতঙ্গের মধ্যে অন্যতম।
- প্রতি চাকে একটি রানী, কয়েকটি পুরুষ মৌমাছি এবং অসংখ্য কর্মী মৌমাছি থাকে।
- মৌমাছি মূলত বসন্তকালের ফুল হতে মধু আহরণ করে।
- তাই মৌমাছির মধু ঋতু বলা হয় বসন্তকালকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,১৭৬.
জলীয় দ্রবণে pH এর সর্বোচ্চ মান কোনটি?
  1. ১০
  2. ১৪
  3. ২০
সঠিক উত্তর:
১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪
ব্যাখ্যা
• জলীয় দ্রবণে pH এর সর্বোচ্চ মান 14 এবং pH এর সর্বনিম্ন মান 0.

pH স্কেল:
- কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন।
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়।
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
অর্থাৎ, pH = - log[H+]
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়।
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে।
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৭৭.
সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না -
  1. পাতায়
  2. শাখা-প্রশাখায়
  3. সবুজ কাণ্ডে
  4. মূলে
সঠিক উত্তর:
মূলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূলে
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ কোষস্থ ক্লোরোফিল, বায়ুস্থ অক্সিজেন এবং পানির সহযোগে শর্করা জাতীয় খাদ্য এবং অক্সিজেন তৈরী হয় তাকেই সালোকসংশ্লেষণ বলে। 


- সালোকসংশ্লেষণ এর জন্য ক্লোরোফিল আবশ্যক।
- ক্লোরোফিল থাকে ক্লোরোপ্লাস্টে। 
- এর বর্ণ সবুজ।
- উদ্ভিদের সবুজ অংশে ক্লোরোফিল থাকে।
- মূলে কোনো ক্লোরোফিল থাকে না, তাই মূলে সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না। মূল সাধারণত খাদ্য সঞ্চয় করে থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৭৮.
মাটির pH কত হলে তাকে অ্যালকালিন(Alkaline) মাটি বলা হয়?
  1. 7
  2. 8
  3. 6
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8
ব্যাখ্যা
• মাটির pH মান নির্ধারণ করে সেটি অম্লীয় (Acidic), নিরপেক্ষ (Neutral), অথবা ক্ষারীয়/অ্যালকালিন (Alkaline) কিনা।
• সাধারণত, pH 7-এর বেশি হলে মাটিকে ক্ষারীয় (Alkaline) মাটি বলা হয়।

• pH মান অনুযায়ী মাটির ধরন:

• pH < 7 = অম্লীয় (Acidic) মাটি; 
• pH = 7 = নিরপেক্ষ (Neutral) মাটি; 
• pH > 7 = ক্ষারীয় বা অ্যালকালিন (Alkaline) মাটি; 

উৎস: রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,১৭৯.
নিম্নের কোনটি ফুলের প্রজনন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে? 
  1. দল ও বৃতি
  2. দল ও বৃন্ত
  3. বৃন্ত ও পুষ্পাধার
  4. পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক
সঠিক উত্তর:
পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক
ব্যাখ্যা
প্রজনন অঙ্গ: ফুল 
- প্রজননের জন্য রূপান্তরিত বিশেষ ধরনের বিটপ (Shoot) হলো ফুল। 
- ফুল উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদের প্রজনন অঙ্গ। 
- একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি স্তবকের মধ্যে দুটি স্তবক (পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক) প্রজননের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ যারা সরাসরি প্রজননে অংশ নেয়, কিন্তু অন্য স্তবকগুলো সরাসরি অংশ না নিলেও প্রজননে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করে। 
- যে ফুলে এই পাঁচটি স্তবকই উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- জবা, ধুতুরা। 
- এই পাঁচটি স্তবকের যেকোনো একটি স্তবক না থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলে। যেমন- লাউ, কুমড়া। 
- বৃন্তযুক্ত ফুলকে সবৃন্তক যেমন- জবা, কুমড়া এবং বৃন্তহীন ফুলকে অবৃন্তক ফুল বলে যেমন- হাতীশুঁড়। 
- যখন কোনো ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে, তাকে উভলিঙ্গ ফুল (Bisexual flower) যেমন- জবা, ধুতুরা। 
- পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যেকোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল (Unisexual flower) যেমন লাউ, কুমড়া এবং দুটোই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল (Neuter flower) বলে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৮০.
Lunar eclipse occurs on-
  1. A new moon day
  2. A full moon day
  3. A half moon day
  4. A moonless day
সঠিক উত্তর:
A full moon day
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A full moon day
ব্যাখ্যা
- Solar eclipses occur at the new moon, and lunar eclipses occur at full moon.
- But a solar eclipse does not occur at every new moon, nor does a lunar eclipse occur at every full moon, because the Moon's orbital plane is inclined to the ecliptic, the plane of the orbit of Earth around the Sun.

উৎস: britannica.com
১২,১৮১.
DNA is found in :
  1. ক) Chromosome
  2. খ) Golgi Complex
  3. গ) Ribosome
  4. ঘ) Lysosome
সঠিক উত্তর:
ক) Chromosome
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Chromosome
ব্যাখ্যা
- জেনেটিক্স বা বংশগতির ভৌত ভিত্তি হলো ক্রোমোজোম৷ আর রাসায়নিক ভিত্তি হলো ডিএনএ (DNA) যার পূর্ণরূপ Deoxyribo Nucleic Acid.
- DNA থাকে ক্রোমোজোমের ভেতর আর ক্রোমোজোম থাকে নিউক্লিয়াসের ভেতর।
- বিজ্ঞানী Watson ও Crick ১৯৫৩ সালে DNA অণুর Double Helix বা দ্বিসূত্র কাঠামোর বর্ণনা দেন৷

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৮২.
ডায়োড সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
  2. এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।
  3. একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস।
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• ডায়োড:
- ডায়োড হলো একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা একটি নির্দিষ্ট সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করতে সক্ষম, তবে উল্টো সংযোগে প্রবাহিত হয় না।
- ডায়োডের বিভিন্ন ব্যবহার রয়েছে। সাধারণ ডায়োডের পাশাপাশি, বিভিন্ন রঙের ছোট আলো যেমন Light Emitting Diode (LED) ব্যবহার করা হয়।
- একটি p-টাইপ অর্ধপরিবাহী এবং একটি n-টাইপ অর্ধপরিবাহী মিলিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- 'ডায়োড' মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে, যা এসি (Alternating Current) প্রবাহকে ডিসি (Direct Current) প্রবাহে রূপান্তর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৮৩.
বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) ট্রান্সেন্ডিং
  2. খ) মিক্সিং
  3. গ) ডোপিং
  4. ঘ) লুপিং
সঠিক উত্তর:
গ) ডোপিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডোপিং
ব্যাখ্যা
ডোপিং
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে।
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়।
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১২,১৮৪.
রক্তরস শ্বসনের ফলে কোষে উৎপন্ন CO2 -কে নিচের কোন রূপে ফুসফুসে পরিবহণ করে?
  1. পানি রূপে
  2. গ্লুকোজ রূপে
  3. অক্সিজেন রূপে
  4. বাইকার্বনেট রূপে
সঠিক উত্তর:
বাইকার্বনেট রূপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাইকার্বনেট রূপে
ব্যাখ্যা
রক্তরস বা প্লাজমা: 
- রক্তের তরল অংশকে প্লাজমা বলে। 
- রক্তরসের প্রায় ৯০% পানি, বাকি ১০% দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে বিভিন্ন রকমের জৈব এবং অজৈব পদার্থ। 
- অজৈব পদার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থের আয়ন (যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়োডিন এবং O2, CO2, এবং N2, জাতীয় গ্যাসীয় পদার্থ)। 
- জৈব পদার্থগুলো হলো- 
১. খাদ্যসার: গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন ইত্যাদি। 
২. রেচন পদার্থ: ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি। 
৩. প্রোটিন: ফাইব্রিনোজেন, গ্লোবিউলিন, অ্যালবুমিন, প্রোথ্রম্বিন ইত্যাদি। 
৪. প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি: অ্যান্টিটক্সিন, অ্যাগ্লুটিনিন ইত্যাদি। 
৫. অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির নিঃসৃত বিভিন্ন হরমোন। 
৬. কোলেস্টেরল, লেসিথিন, বিলিরুবিন ইত্যাদি নানা ধরনের যৌগ। 

রক্তরসের কাজ: 
১. রক্তকোষসহ রক্তরসে দ্রবীভূত খাদ্যসার দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত করা। 
২. টিস্যু থেকে বর্জ্য পদার্থ নির্গত করে, সেগুলো রেচনের জন্য বৃক্কে পরিবহণ করা। 
৩. রক্তরস শ্বসনের ফলে কোষের সৃষ্ট CO2 কে বাইকার্বনেট হিসেবে ফুসফুসে পরিবহণ করা। 
৪. রক্ত জমাট বাঁধার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো পরিবহণ করা। 
৫. হরমোন, এনজাইম, লিপিড প্রভৃতি দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করা। 
৬. রক্তের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করা। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৮৫.
হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে দেহে কোন রোগটি দেখা দেয়?
  1. কোয়াশিয়রকর
  2. স্কার্ভি
  3. অ্যানিমিয়া 
  4. বেরিবেরি
সঠিক উত্তর:
অ্যানিমিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানিমিয়া 
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ:
- জীবদেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও পুষ্টির জন্য ভিটামিনের মতো খনিজ পদার্থ বা খনিজ লবণও খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান।
- খনিজ পদার্থ প্রধানত কোষ গঠনে সাহায্য করে।
- প্রাণীরা প্রধানত উদ্ভিজ্জ খাদ্য থেকে খনিজ পদার্থ পায়। 
- লৌহ (Fe) রক্তের একটি উপাদান যা খনিজ পদার্থ হিসেবে রক্তে থাকে।
- প্রতি ১০০ ml রক্তে লৌহের পরিমাণ প্রায় ৫০ mg।
- যকৃৎ, অস্থিমজ্জা, প্লীহা এবং লোহিত রক্তকণিকায় এটি সঞ্চিত থাকে।
- লৌহের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে ফুলকপির পাতা, নটেশাক, নিম পাতা, ডুমুর, কাঁচা কলা, ভুট্টা, গম, বাদাম, বজরা ইত্যাদি।
- আর প্রাণিজ উৎস হচ্ছে  মাছ, মাংস, ডিম, যকৃৎ ইত্যাদি। 
- লৌহের প্রধান কাজ হিমোগ্লোবিন গঠনে সাহায্য করা। আর হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে দেহে রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া) রোগ দেখা দেয়
- রক্তশূন্যতা রোগের কিছু লক্ষণ হলো: চোখ ফ্যাকাসে হওয়া, হাত-পা ফোলা, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, বুক ধরফড় করা ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৮৬.
যেসব পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন, তাদের বলা হয় -
  1. আইসোমার
  2. আইসোটোন
  3. আইসোটোপ
  4. আইসোবার
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা

• যেসব পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন, তাদের বলা হয় আইসোবার। 

• আইসোবার:
- 'Iso' অর্থ সমান এবং 'bar' শব্দটি ওজন বা ভরকে বোঝায়। তাই আইসোবার হলো সেইসব পরমাণু, যারা ভিন্ন মৌলের হওয়া সত্ত্বেও তাদের ভর সংখ্যা A, অর্থাৎ প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যা সমান।
- কার্বন-14 এবং নাইট্রোজেন-14 হলো আইসোবার। উভয়ের ভর সংখ্যা 14 হলেও তাদের পারমাণবিক সংখ্যা (6 এবং 7) ভিন্ন।
- যেহেতু এদের পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন, তাই এদের রাসায়নিক ধর্ম ভিন্ন হয়।

• আইসোটোন:
- এদের নিউট্রন সংখ্যা (N) সমান কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা (Z) ও ভর সংখ্যা (A) উভয়ই ভিন্ন হয়।

• আইসোটোপ:
- এদের পারমাণবিক সংখ্যা (Z) সমান কিন্তু ভর সংখ্যা (A) ভিন্ন হয়।

• আইসোমার:
- যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই কিন্তু শক্তি অবস্থা, গঠন, ও ধর্ম ভিন্ন তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,১৮৭.
আমরা যে গ্যালাক্সিতে বাস করি তার নাম কী?
  1. আরসা মাইনর ড্রফ
  2. আরসা মেজর ২ ড্রফ
  3. আকাশগঙ্গা
  4. বুটেস ১
সঠিক উত্তর:
আকাশগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকাশগঙ্গা
ব্যাখ্যা
 মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি:
- সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আটটি গ্রহ তাদের নিজস্ব কক্ষপথে অবিরত আবর্তন করে।
- পৃথিবী, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালক্সি সবকিছু নিয়েই গঠিত হয় মহাবিশ্ব।
- গ্যালাক্সি মহাবিশ্বের অংশ।
- এখানে রয়েছে হাজার হাজার কোটি নক্ষত্র ও গ্রহ, উপগ্রহ।
- পৃথিবী যে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার নাম হলো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ।
- এটি মাত্র এক লাখ আলোকবর্ষ পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) ২৭ জুন, ২০২১, কালের কন্ঠ।
১২,১৮৮.
কোন কারণে শরীরের কিছু টিস্যু এক্স-রে ইমেজিং-এ অন্ধকার দেখায়?
  1. এক্স-রের বেশিরভাগ অংশ শোষণের জন্য।
  2. এক্স-রে প্রতিফলনের জন্য।
  3. এক্স-রে সহজে অতিক্রমণ করতে দেয়ার জন্য।
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
এক্স-রে সহজে অতিক্রমণ করতে দেয়ার জন্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্স-রে সহজে অতিক্রমণ করতে দেয়ার জন্য।
ব্যাখ্যা
• এক্স-রের তীব্রতা হ্রাসের বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে টিস্যুর উজ্জ্বলতা ও অন্ধকার অবস্থা নির্ধারিত হয়।
- X-ray attenuation হচ্ছে এক্স-রের তীব্রতা হ্রাস। 
- X-ray attenuation হচ্ছে কোন বস্তুর মধ্য দিয়ে এক্স-রে নির্গত হওয়ার সময় এক্স-রের তীব্রতা হ্রাস হওয়াকে বুঝায়।
- শরীরের নরম টিস্যু (যেমন রক্ত, ত্বক, চর্বি এবং পেশী) বেশিরভাগ এক্স-রেকে অতিক্রম করতে দেয় এবং ফিল্ম বা ডিজিটাল মিডিয়াতে গাঢ় ধূসর দেখায়।
- একটি হাড় বা একটি টিউমার, যা নরম টিস্যুর চেয়ে বেশি ঘন, কিছু এক্স-রে হাড় বা টিউমারের মধ্য দিয়ে যেতে দেয় এবং এক্স-রেতে সাদা দেখায়।

এক্স-রে:
- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন।
- এক্স-রে এক ধরনের তড়িতচৌম্বক তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এক্স-রে তৈরীর প্রক্রিয়া হলো কুলীজ নল পদ্ধতি।

এক্স-রের ব্যবহার :
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায় ৷
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায় ।
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।

এক্স-রে সাধারণত ২ ধরনের হয়।
১) কোমল এক্স-রে,
২) কঠিন এক্স-রে।

উৎস:
১) Title: "Bushberg's Physics of Medical Imaging"
Authors: Stewart C. Bushberg, John M. Boone, Edwin M. Leidholdt Jr., and J. Anthony Seibert
Publisher: Wolters Kluwer
Edition: 4th Edition (2018)
২) একাদশ শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই, শাহজাহান তপন স্যার।
১২,১৮৯.
রান্নার কাজে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য কোনটি বেশি কার্যকর?
  1. খোলা পাত্রে রান্না
  2. বৈদ্যুতিক হিটার ব্যবহার
  3. দীর্ঘ সময় রান্না করা
  4. প্রেসার কুকার ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
প্রেসার কুকার ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রেসার কুকার ব্যবহার
ব্যাখ্যা

• রান্নার কাজে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য প্রেসার কুকার ব্যবহার সবচেয়ে কার্যকর।

• বিদ্যুতের কার্যকর ব্যবহার ও অপচয় রোধের ধারণা:
- বিদ্যুৎ একটি সীমিত সম্পদ, তাই এর কার্যকর ব্যবহার ও অপচয় রোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- দৈনন্দিন জীবনে বিশেষ করে রান্নার কাজে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হলে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় সম্ভব।

• রান্নার কাজে বিদ্যুৎ সাশ্রয়:
- প্রেসার কুকার ব্যবহার করলে রান্নার সময় কম লাগে।
- কম সময়ে রান্না সম্পন্ন হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ হ্রাস পায়।
- তাপ অপচয় কম হয়, ফলে শক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।

• বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের গুরুত্ব:
- বিদ্যুৎ বিল কমে।
- জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ সংকট কমাতে সহায়তা করে।
- পরিবেশ সংরক্ষণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- খোলা পাত্রে রান্না: এতে তাপ অপচয় বেশি হয় এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয় না।
- বৈদ্যুতিক হিটার ব্যবহার: এতে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়।
- দীর্ঘ সময় রান্না করা: এতে বিদ্যুৎ অপচয় বৃদ্ধি পায়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

১২,১৯০.
হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে-
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) আয়রন
  3. গ) ম্যাগনেসিয়াম
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস দাঁত ও হাড় গঠন, রক্ত তঞ্চন, পেশী সংকোচন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে।

এছাড়াও,
- আয়রন রক্তের হিমোগ্লোবিনের অন্যতম প্রধান উৎস।
- ম্যাগনেসিয়াম শরীর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং
- আয়োডিনের অভাবে থাইরয়েড গ্লান্ডের কর্মকান্ড ব্যাহত হয় এবং গলগন্ড, বামনত্ব, প্রভৃতি দেখা দেয়।

উৎস:- জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১৯১.
10 kg ভরের একটি স্থির বস্তুর ওপর 10s ব্যাপী 10 N বল প্রয়োগ করা হয়েছে। বস্তুটির গতিশক্তি কত?
  1. 50 J
  2. 500 J
  3. 1000 J
  4. 1500 J
সঠিক উত্তর:
500 J
উত্তর
সঠিক উত্তর:
500 J
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 10 kg ভরের একটি স্থির বস্তুর ওপর 10s ব্যাপী 10 N বল প্রয়োগ করা হয়েছে। বস্তুটির গতিশক্তি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে, ভর, m = 10 kg
বল, F = 10 N সময়, t = 10 s
প্রাথমিক বেগ, u = 0 (বস্তুটি স্থির)

আমরা জানি,
F = ma
⇒ a = F/m = 10/10
= 1 m/s2

এখন, v = u + at সূত্র ব্যবহার করে,
v = 0 + 1 × 10 = 10 m/s

গতিশক্তি, Ek = (1/2)mv2
⇒ Ek = (1/2) × 10 × (10)2
⇒ Ek = 5 × 100
⇒ Ek = 500 J

∴ বস্তুটির গতিশক্তি = 500 J

১২,১৯২.
নিচের দৃশ্যমান আলোর মধ্যে কোনটির আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম?
  1. লাল
  2. নীল
  3. হলুদ
  4. কমলা
সঠিক উত্তর:
নীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীল
ব্যাখ্যা
• দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়।
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনি, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৯৩.
P-টাইপ জার্মেনিয়াম অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য নিচের কোনটি দিয়ে ডোপিং করতে হয়?
  1. Aluminum
  2. Phosphorus
  3. Bromine
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Aluminum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aluminum
ব্যাখ্যা
• P-টাইপ জার্মেনিয়াম অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য ডোপিং উপাদান হিসেবে Aluminum ব্যবহার করা হয়। জার্মেনিয়াম একটি অর্ধপরিবাহী উপাদান, যা ডোপিংয়ের মাধ্যমে তার পরিবাহিতা বাড়ানো যায়। P-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরি করতে এমন উপাদান প্রয়োজন যা জার্মেনিয়ামের চেয়ে একটি কম শক্তিবাহু ইলেকট্রন সরবরাহ করে। Aluminum একটি ট্রাইভ্যালেন্ট উপাদান, অর্থাৎ এর বাইরের স্তরে তিনটি ইলেকট্রন থাকে। এটি জার্মেনিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে ইলেকট্রনের ঘাটতি বা ‘হোল’ সৃষ্টি করে, যা পজিটিভ চার্জ বহনকারী হিসাবে কাজ করে।
- তাই সঠিক উত্তর: ক) Aluminum.

• ডোপিং (Doping):

- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে ।
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায় ।
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। যথা-
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি।

• P- টাইপ অর্ধপরিবাহী:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সামান্য পরিমাণ ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসেবে মেশানো হলে, তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহী বলে।
- বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্যকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় উচ্চতাপে মেশানো হয়।
- অপদ্রব্যের পরিমাণ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যেন এর পরমাণুগুলো মূল অর্ধপরিবাহী কেলাসের গঠন কাঠামোর কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেলাস ল্যাটিসে অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে।
- বিশুদ্ধ জার্মেনিয়ামের সাথে যদি উপযুক্ত মাত্রায় (দশ লক্ষে একটি) অ্যালুমিনিয়ামের মতো ত্রিযোজী মৌল মেশানো হয়, তা হলো ঐ কেলাসের গঠনের কোনো পরিবর্তন হয় না, কিন্তু পার্শ্ববর্তী চতুর্যোজী অর্ধপরিবাহীর সাথে সমযোজী বন্ধন গঠন করতে এর একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি পড়ে।

- এই ইলেকট্রন ঘাটতি মানেই 'হোল' সৃষ্টি হয়। প্রতিটি AI পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে। এ হোলগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকে।
- এ জন্য অ্যালুমিনিয়াম পরমানুকে 'গ্রাহক' পরমাণু বলে।
- এভাবে প্রতিটি অ্যালুমিনিয়াম পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে।
- এখানে গরিষ্ঠ আধান বাহক হলো হোল এবং লঘিষ্ঠ আধান বাহক হলো ইলেকট্রন।
- এ কারণে এ ধরনের অর্ধপরিবাহীকে টাইপ p- অর্ধপরিবাহী বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৯৪.
ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে-
  1. সিলভার ব্রোমাইডের
  2. সিলভার ক্লোরাইডের
  3. সিলভার সালফেটের
  4. সিলভার নাইট্রেটের
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলভার ব্রোমাইডের
ব্যাখ্যা
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে সিলভার ব্রোমাইডের। 
- সিলভার ব্রোমাইডের রাসায়নিক সংকেত হলো AgBr. 
- ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ সাধারণত সিলভার  হ্যালাইডের (ব্রোমাইড বা আয়োডাইড) আবরণ থাকে। 
- ব্রোমাইড একটি রাসায়নিক যৌগ যাতে একটি ব্রোমাইড আয়ন বা লিগ্যান্ড রয়েছে। 
- এটি −১ (Br) আধান সহ আয়নিত একটি ব্রোমাইড পরমাণু। 
যেমন- সিজিয়াম ব্রোমাইড এর সিজিয়াম ধনাত্মক আয়ন(CS+)বৈদ্যুতিক ভাবে আকর্ষিত হতে পারে ব্রোমাইড অ্যানায়ন(Br) এর প্রতি। 
- ফলে বৈদ্যুতিকভাবে নিরপেক্ষ আয়নিক যৌগ CsBr গঠিত হয়। 
Dry plate, in photography, glass plate coated with a gelatin emulsion of silver bromide. It can be stored until exposure, and after exposure it can be brought back to a darkroom for development at leisure. 
 
উৎস: ব্রিটানিকা এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১২,১৯৫.
এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি হতে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে বৃদ্ধির জন্যে কত তাপের প্রয়োজন?
  1. ১০ ক্যালরি
  2. ২ ক্যালরি
  3. ৩ ক্যালরি
  4. ৪ ক্যালরি
সঠিক উত্তর:
১০ ক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ। 
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন হয়, তাকে 1 ক্যালরি (Cal) বলে। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। 
তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
∴ এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়াতে ৪.২ জুল তাপের প্রয়োজন হয়। 
আবার, এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা ১০ (২০ ডিগ্রি হতে ৩০ ডিগ্রি) ডিগ্রি সেলসিয়াসে বৃদ্ধির জন্যে ১০ ক্যালরি তাপের প্রয়োজন

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৯৬.
শক্তির সংরক্ষণশীলতার সূত্র অনুযায়ী কোন তথ্যটি সঠিক নয়? 
  1. শক্তিকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর করা যায় 
  2. শক্তির সৃষ্টি বা ধ্বংস আছে 
  3. শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না
  4. শক্তির রূপান্তরে মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হয় না 
সঠিক উত্তর:
শক্তির সৃষ্টি বা ধ্বংস আছে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তির সৃষ্টি বা ধ্বংস আছে 
ব্যাখ্যা

শক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র: 
- শক্তির নিত্যতার বিধি অনুসারে শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না, শক্তিকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর করা যায় মাত্র। 
- পৃথিবীর মোট শক্তির পরিমানগত কোন পরিবর্তন হয় না। 
- প্রকৃতপক্ষে নতুন কোনো শক্তি সৃষ্টি করা যায় না বা শক্তি ধ্বংসও করা যায় না। 
- এ বিশ্ব সৃষ্টির মুহূর্তে যে পরিমাণ শক্তি ছিল মহাবিশ্বে আজও সেই পরিমাণ শক্তি রয়েছে। 
- এই শক্তি একটু বাড়েওনি বা কমেওনি, এটাই শক্তির অবিনশ্বরতা বা নিত্যতা বা সংরক্ষণশীলতা। 
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে। 
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে। 
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। 
- এক রূপের শক্তিকে রূপান্তর করে যখন অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,১৯৭.
মহাকাশে তারকার বিস্ফোরণকে কী বলে?
  1. ব্ল্যাকহোল
  2. শ্বেতবামন
  3. সুপারনোভা
  4. আলফা সেন্টুরি
সঠিক উত্তর:
সুপারনোভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপারনোভা
ব্যাখ্যা
সুপারনোভা:
- সুপারনোভা শব্দটির বাংলা করলে দাড়ায় ‘অতিনবতারা’।
- সুপারনোভা হল এক ধরনের নাক্ষত্রিক বিস্ফোরণ প্রক্রিয়া, যার কারণে একটি নক্ষত্র ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে যায় এবং অবশেষরূপে থাকে শীতল নীহারিকা এবং কৃষ্ণবিবর।
- কোটি কোটি বছর ধরে জ্বলতে থাকা তারকার যখন জ্বালানি সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়ে যায়, তখন নক্ষত্রটি তার পরিণতিতে পৌঁছে যাওয়ার আগে স্ফিত এবং উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং বিস্ফোরিত হয়। - - দূর হতে আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় তারকাটি উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে।
- উজ্জ্বল হয়ে ওঠা এই ঘটনাটাই সুপারনোভা হিসেবে পরিচিত।
- এই ধরনের বিস্ফোরণে বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় এবং সে সময়ে সংশ্লিষ্ট নক্ষত্রটি সাময়িকভাবে কখনো কখনো পুরো ছায়াপথের চেয়েও বেশি উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।
- আর এই সুপারনোভা ঘটনার মাধ্যমেই একটি নক্ষত্রের মৃত্যু ঘটে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৯৮.
সাধারণ খাওয়ার স্যালাইনে কী থাকে?
  1. 9% NaCl
  2. 0.9% NaCl
  3. 0.7% NaCl
  4. 7% NaCl
সঠিক উত্তর:
0.9% NaCl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.9% NaCl
ব্যাখ্যা
• সাধারণ খাওয়ার স্যালাইনে  0.9% NaCl আছে।

• খাওয়ার স্যালাইন:
- খাওয়ার স্যালাইন (Oral Rehydration Saline/Orsaline) শরীরের পানি ও লবণের (Electrolytes) ঘাটতিপূরণ করার জন্য মুখে গ্রহনযোগ্য লবণ ও গ্‌লুকোজ মিশ্রিত পানি।
- ডায়রিয়া/কলেরায় ঘন ঘন পাতলা পায়খানার কারণে অতি অল্প সময়ে শরীর থেকে প্রচুর পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়।
- বিশেষ করে সোডিয়াম এবং পটাশিয়ামের ঘাটতি জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়।
- তখন খাওয়ার স্যালাইন ব্যবহার করা হয়।
- নরমাল স্যালাইনে পানি, সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও গ্লুকোজ বা শর্করা থাকে।
- প্রতি লিটার নরমাল স্যালাইনে ০.৯% সোডিয়াম ক্লোরাইড, গ্লুকোজের পরিমাণ ২০ গ্রামের বেশি নয় এবং এর প্রায় পুরোটাই অন্ত্রে লবণ শোষণে ব্যবহৃত হয়ে যায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,১৯৯.
গামা রশ্মি নিচের কোনটি ভেদ করতে পারে না?
  1. ক) কাগজের পৃষ্ঠা
  2. খ) পুরু সিসার পাত
  3. গ) পুরু অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) সবগুলো ভেদ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
খ) পুরু সিসার পাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পুরু সিসার পাত
ব্যাখ্যা
আলফা রশ্মি খুব বেশি আয়নিত করে শক্তি ক্ষয় করতে পারে বলে একটা কাগজের পৃষ্ঠা দিয়েই এটাকে থামানো সম্ভব। 
বিটা রশ্মি বা ইলেকট্রনকে থামাতে কয়েক মিলিমিটার পুরু অ্যালুমিনিয়াম দরকার হয়। 
গামা রশ্মির চার্জ নেই বলে এটিকে থামাতে পুরু সিসার পাতের দরকার হয়।
 
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি; পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই। 
১২,২০০.
পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস নিচের কোনটি? 
  1. ডায়নামো
  2. সৌরকোষ
  3. ব্যাটারি 
  4. ডিসি জেনারেটর
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়নামো
ব্যাখ্যা

- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস হচ্ছে 'জেনারেটর বা ডায়নামো'

তড়িৎ প্রবাহ: 
- তড়িৎ কারেন্ট হলো কোন তড়িৎ পরিবাহকের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহকের যে কোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্যদিয়ে একক সময়ে যে পরিমাণ আধান প্রবাহিত হয় তাকে তড়িৎ প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার। 
- তড়িৎ প্রবাহ দুই প্রকার। 
যথা- 
১. পর্যায়বৃত্ত বা এসি প্রবাহ: 
- যখন নির্দিষ্ট সময় পরপর তড়িৎ প্রবাহের দিক পরিবর্তিত হয়, সেই তড়িৎ প্রবাহকে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- বর্তমান বিশ্বের সকল দেশের তড়িৎ প্রবাহই পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ। 
- এর কারণ তুলনামূলকভাবে এটি উৎপন্ন ও সরবরাহ করা সহজ এবং সাশ্রয়ী। 
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের উৎস জেনারেটর বা ডায়নামো। 
- দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে জেনারেটরের সাহায্যে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ উৎপন্ন করা হয়। 
- পর্যায়বৃত্ত প্রবাহের দিক পরিবর্তন দেশভেদে বিভিন্ন হয়। 
যেমন- বাংলাদেশে পর্যায়বৃত্ত প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে পঞ্চাশবার এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি সেকেন্ডে ষাটবার দিক পরিবর্তন করে। 

২. অপর্যায়বৃত্ত বা একমুখী বা ডিসি প্রবাহ: 
- যখন সময়ের সাথে সাধারণত তড়িৎ প্রবাহের দিকের কোনো পরিবর্তন না ঘটে, অর্থাৎ যে তড়িৎ প্রবাহ সবসময় একই দিকে প্রবাহিত হয়, সেই প্রবাহকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ বলে। 
- তড়িৎ কোষ বা ব্যাটারি থেকে অপর্যায়বৃত্ত প্রবাহ পাওয়া যায়। 
- আবার ডিসি জেনারেটরের সাহায্যেও এই প্রকার তড়িৎ প্রবাহ উৎপন্ন করা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।