বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১২ / ১৪০ · ১,১০১১,২০০ / ১৪,০৮০

১,১০১.
কোন বর্ণের আলোর প্রতিসরণ সবচেয়ে বেশি? 
  1. নীল
  2. লাল
  3. সবুজ
  4. বেগুনী
সঠিক উত্তর:
বেগুনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুনী
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ। 
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র। 
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। 
- এদের বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এদের মধ্যে বেগুনী আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি। 
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম। 
- বেগুনী আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি। 
- আর লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১০২.
খাদ্যশক্তি কীসের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়?
  1. ওয়াট
  2. কিলো ক্যালোরি
  3. নিউটন
  4. কিলো জুল
সঠিক উত্তর:
কিলো ক্যালোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিলো ক্যালোরি
ব্যাখ্যা

কিলো ক্যালোরি হলো খাদ্যশক্তি পরিমাপের প্রধান একক।
- ১ কিলো ক্যালোরি = ১০০০ ক্যালোরি।
- এটি ১ কেজি পানির তাপমাত্রা ১°C বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় শক্তি।
- খাদ্যের লেবেলে "Cal" বা "kcal" দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকরা দৈনিক খাদ্য চাহিদা নির্ধারণে এটি ব্যবহার করেন।
- একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের দৈনিক প্রয়োজন প্রায় ২৫০০ কিলো ক্যালোরি।
- খাদ্যের শক্তি হলো খাদ্যে উপস্থিত শর্করা, আমিষ ও ফ্যাট থেকে পাওয়া মোট শক্তি।
- শর্করা, প্রোটিন ও স্নেহ জাতীয় খাদ্য উপাদান থেকে দেহে তাপ উৎপন্ন হয়।
- এই তাপ আমাদের দেহের ভিতরে খাদ্যের পরিপাক, বিপাক, শ্বাসকার্য, রক্তসঞ্চালন ইত্যাদি কাজে সাহায্য করে। শারীরিক পরিশ্রমে শক্তি ব্যয় হয়।
- যেসব খাদ্যে শর্করা, প্রোটিন ও স্নেহ পদার্থ থাকে, সেসব খাদ্য থেকে বেশি ক্যালরি পাওয়া যায়।
- যেসব খাদ্যে পানি ও সেলুলোজের পরিমাণ বেশি থাকে, সেসব খাদ্যে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে।
- তেল বা চর্বি জাতীয় পদার্থে ক্যালরির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে।

অন্যদিকে,
- ওয়াট: এটি বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক।
- নিউটন: এটি বলের একক। 
- কিলো জুল: এটি আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক একক হলেও, বেশির ভাগ দেশে খাদ্য শক্তি বোঝাতে কিলোক্যালোরি বেশি প্রচলিত।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

১,১০৩.
আলো কী ধরণের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে?
  1. ক) তরঙ্গ
  2. খ) কণা
  3. গ) উভয়ই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উভয়ই
ব্যাখ্যা
- তরঙ্গতত্ত্ব অনুসারে আলো তরঙ্গ এবং কণাতত্ত্ব অনুসারে আলো কণা দিয়ে গঠিত৷
- আসলে আলো তরঙ্গ এবং কণা দুই ধরণের বৈশিষ্ট্যই প্রদর্শন করে৷

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই। 
১,১০৪.
মানব দেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা কত?
  1. ক) ৯৮.৪° ফারেনহাইট
  2. খ) ৩৬.৯° ফারেনহাইট
  3. গ) ৩৯.৯° ফারেনহাইট
  4. ঘ) ৯৪.৯° ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮.৪° ফারেনহাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮.৪° ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হলো ৩৬.৯° সেলসিয়াস অর্থাৎ ৯৮.৪° ফারেনহাইট।
মানবদেহের তাপমাত্রা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১,১০৫.
শব্দ রেকর্ড করার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র হল-
  1. ক) Barometer
  2. খ) Lactometer
  3. গ) Phonograph
  4. ঘ) Odometer
সঠিক উত্তর:
গ) Phonograph
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Phonograph
ব্যাখ্যা
শব্দ রেকর্ড করার জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র হলো - Phonograph.

- ফনোগ্রাফ আবিষ্কার করেন এডিসন। 
- এডিসনের সবচেয়ে মৌলিক উদ্ভাবন ছিল ফোনোগ্রাফ, এটি তার নিজেরও সবচেয়ে পছন্দের প্রযুক্তি ছিলো।
- এটিই ছিল সর্বপ্রথম প্রযুক্তি, যা শব্দ রেকর্ড করে তা পুনরায় শোনাতে সক্ষম হয়।
- ১৮৭৭ সালে এডিসন মেনলো পার্ক ল্যাবে ফনোগ্রাফ আবিষ্কার করেন। 
- পরবর্তীকালে আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেলসহ বেশ ক’জন বিজ্ঞানী ফোনোগ্রাফকে আরো উন্নত করে তোলেন। 

সূত্র: National Park Service [লিঙ্ক]
১,১০৬.
"ন্যানো" (n) উপসর্গের মান কত?
  1. 10 -9
  2. 10 -6
  3. 10 -12
  4. 10 -15
সঠিক উত্তর:
10 -9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10 -9
ব্যাখ্যা
- "ন্যানো" (n) উপসর্গের মান হলো 10-9  । 

উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix): 

- বিজ্ঞান বা পদার্থবিজ্ঞান চর্চা করার জন্য নানা কিছু পরিমাপ করতে হয়। 
- কখনো হয়তো গ্যালাক্সির দৈর্ঘ্য মাপতে হয় (6×1024 m) আবার কখনো একটা নিউক্লিয়াসের ব্যাসার্ধ মাপতে হয় (1×10-15 m); দূরত্বের মাঝে এই বিশাল পার্থক্য মাপার জন্য সব সময়েই একই ধরনের সংখ্যা ব্যবহার করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, তাই আন্তর্জাতিকভাবে কিছু S.I উপসর্গ বা গুণিতক (Prefix) তৈরি করে নেওয়া হয়েছে। 
- এই গুণিতক থাকার কারণে একটা ছোট উপসর্গ লিখে অনেক বড় কিংবা অনেক ছোট সংখ্যা বোঝাতে পারবে। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১০৭.
নিচের কোনটি সুনামি সৃষ্টির কারণ নয়? 
  1. হিমবাহ গলন 
  2. সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প 
  3. পানির নিচে বিস্ফোরণ 
  4. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত 
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ গলন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিমবাহ গলন 
ব্যাখ্যা

- হিমবাহ গলন সুনামির কারণ নয়। এটি মূলত ধীরগতির একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া এবং এটি সরাসরি সুনামির মতো আকস্মিক ও বিশাল ঢেউয়ের সৃষ্টি করে না। 

সুনামি (Tsunami): 
- সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ, জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'। 
- সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়, এটা সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বিশালাকৃতির। 
- অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠা জোয়ারের মতো, যা উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে। 
- সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা 'ওয়েভ ট্রেন' বলে। 
- সুনামি হলো পানির এক মারাত্মক ঢেউ যা সমুদ্রের মধ্যে বা বিশাল হ্রদে ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে সৃষ্টি হয়ে থাকে। 
- পানির নিচে কোনো পারমাণবিক বা অন্য কোনো বিস্ফোরণ, ভূপাত ইত্যাদি কারণেও সুনামি হতে পারে। 
- সুনামির ক্ষয়ক্ষতি সমুদ্র উপকূলীয় এলাকাগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকলেও এর আশেপাশে সুনামির ধ্বংসাত্মক লীলা সংঘটিত হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে যে সুনামি সৃষ্টি হয় তা এই মহাসাগরের আশেপাশে ১৪টি দেশে আঘাত হানে এবং মারাত্মক একটি দুর্যোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১০৮.
কোষের প্রাণশক্তি বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) প্রোটোপ্লাজম
  2. খ) রাইবোজোম
  3. গ) নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) ক্রোমোজোম
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
- নিউক্লিয়াস হলো কোষের মস্তিষ্ক এবং প্রাণশক্তি। 
- মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের পাওয়ার হাউজ।
- রাইবোজোম হলো কোষের প্রোটিন ফ্যাক্টরি।
- প্লাস্টিড হলো উদ্ভিদ কোষে খাদ্য তৈরির কারখানা।
- বংশগতির প্রধান উপাদান ক্রোমোজোম।
- লাইসোজোম জীবকোষকে জীবাণুর হাত থেকে রক্ষা করে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,১০৯.
যে ডিভাইস এক ধরনের শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে তাকে কি বলে?
  1. ক) ডায়োড
  2. খ) ক্লিপার
  3. গ) ট্রান্সডিউসার
  4. ঘ) অ্যামপ্লিফায়ার
সঠিক উত্তর:
গ) ট্রান্সডিউসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ট্রান্সডিউসার
ব্যাখ্যা
যে যন্ত্র কোন অতড়িৎ সংকেতকে তড়িৎ সংকেতে রূপান্তরিত করে অথবা তড়িৎ সংকেতকে অতড়িৎ সংকেতে রূপান্তরিত করে তাকে ট্রান্সডিউসার বলে।
- মাইক্রোফোন ও ইয়ারফোন বা স্পিকার উভয়ই এক ধরণের ট্রান্সডিউসার।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
১,১১০.
নিচের কোন মৌলটির প্রতীক এদের ল্যাটিন নাম থেকে নেয়া হয় নি?
  1. ক) I
  2. খ) Au
  3. গ) Pb
  4. ঘ) Fe
সঠিক উত্তর:
ক) I
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) I
ব্যাখ্যা
গোল্ডের প্রতীক Au নেয়া হয়েছে ল্যাটিন Aurum থেকে, লেড এর প্রতীক Pb নেয়া হয়েছে ল্যাটিন Plumbum থেকে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১,১১১.
পরমাণু আধান নিরপেক্ষ হওয়ার কারণ কী? 
  1. নিউট্রন সংখ্যা বেশি 
  2. প্রোটন সংখ্যা ইলেকট্রনের চেয়ে বেশি 
  3. ইলেকট্রনের ভর খুব কম 
  4. প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান 
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন ও ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান 
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- ১। ইলেকট্রন, ২। প্রোটন ও ৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১১২.
সাধারণ জ্বর মাপার থার্মোমিটারে কোন তরল ব্যবহৃত হয়?
  1. পানি
  2. পারদ
  3. তেল
  4. অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারদ
ব্যাখ্যা
• সাধারণ জ্বর মাপার থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহৃত হয়।

• থার্মোমিটার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কোনো বস্তুর তাপমাত্রা নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা যায় তাকে থার্মোমিটার বা তাপমান যন্ত্র বলা হয়।

• থার্মোমিটার বা তাপমান যন্ত্র নির্মাণে এমন পদার্থ ব্যবহার করা হয়, তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে সাথে যার কোনো না কোনো ধর্মের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়।
- কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের নানা প্রকার ভৌত গুণাবলীর (Physical properties) উপর নির্ভর করে বিভিন্ন প্রকার থার্মোমিটার তৈরি করা হয়। 
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে তরল পদার্থের আয়তনের পরিবর্তন হয়, তরলের এ ধর্মকে অবলম্বন করে পারদ থার্মোমিটার, অ্যালকোহল থার্মোমিটার প্রভৃতি তরল থার্মোমিটার (Liquid Thermometers) তৈরি হয়েছে।

• জ্বর মাপার জন্য আমরা সাধারণ যে থার্মোমিটার ব্যবহার করি সেটি হলো পারদ থার্মোমিটার।
- এখানে পারদ হচ্ছে তাপমাত্রিক তরল পদার্থ এবং পারদের আয়তনের প্রসারণ হচ্ছে তার তাপমাত্রিক ধর্ম।
- তাপ দেওয়া হলে পারদের আয়তন বেড়ে যায় এবং একটি সরু নল বেয়ে উঠতে থাকে। কতদুর উঠেছে সেটাই হলো তাপমাত্রার পরিমাপ।
- থার্মোমিটারের গায়ে দাগ কাঁটা থাকে যার মাধ্যমে আমরা শরীরের তাপমাত্রার পরিমাণ বুঝতে পারি।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১,১১৩.
যে লোডের জন্য ফেরান্টি ইফেক্ট আসে, তাকে কি বলে?
  1. ক) ক্যাপাসিটিভ লোড
  2. খ) ইন্ডাকটিভ লোড
  3. গ) রেজিস্টিভ লোড
  4. ঘ) রাব
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যাপাসিটিভ লোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যাপাসিটিভ লোড
ব্যাখ্যা
ক্যাপাসিটিভ লোড: যে লোডের কারনে পাওয়ার ফেক্টর বৃদ্ধি পায় তাকে ক্যাপাসিটিভ লোড বলে।

ফেরান্টি ইফেক্ট: 
- তড়িৎ সরবরাহ লাইন এর শেষ প্রান্তে শুরুর প্রান্তের তুলনায় অত্যধিক বিভব সৃষ্টি হলে তাকে ফেরান্টি ইফেক্ট বলে।
- কন্ডাক্টর এর মধ্যে দিয়ে যখন লোড কারেন্ট প্রবাহিত হয় তখন পরিবাহির ধর্মের জন্য চার্জিং কারেন্ট সৃষ্টি হয়। ফলে মোট প্রবাহমাত্রা বাড়তে থাকে।
- এই কারনে প্রবাহের শেষপ্রান্তে উচ্চবিভবের সৃষ্টি হয়। 

যেহেতু ক্যাপাসিটিভ লোডের জন্য পাওয়ার ফেক্টর বৃদ্ধি পায় এবং তড়িৎ ক্ষমতা বা প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য ফেরান্টি ইফেক্ট তৈরি হয় তাই বলা যায় ক্যাপাসিটিভ লোডের জন্য ফেরান্টি ইফেক্ট হয়।

উৎস: allumiaXengineering[Link]
১,১১৪.
পানির অভাবে দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে কোন রোগের সৃষ্টি করে?
  1. এসিডোসিস
  2. পারকিনসন
  3. থ্রম্বোসিন
  4. থ্যালাসেমিয়া
সঠিক উত্তর:
এসিডোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিডোসিস
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানি খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান। 
- আমাদের দৈহিক ওজনের ৬০%- ৭৫% হচ্ছে পানি। 
- আমাদের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানির প্রয়োজন। 
- পানি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে, খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে। 
- বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়। 
- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত, কারণ প্রায় ঐ পরিমাণ পানি প্রত্যেকদিনই আমাদের শরীর থেকে বের হয়ে যায়। 
- মাছ, মাংস কিংবা শাক-সবজিতে শতকরা ৬০-৯০ ভাগ পানি থাকে। 

- গরম আবহাওয়া ও কঠোর পরিশ্রমে দেহে পানির অভাব দেখা দেয়। 
- শরীরে পানির অভাব হলে তীব্র পিপাসা হয়, রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত ঘটে, ত্বক কুঁচকে যায়। 
- পানির অভাবে স্নায়ু ও পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে। 
- দেহে অম্ল ও ক্ষারের সমতা নষ্ট করে এসিডোসিস রোগের সৃষ্টি হয়। 
- শরীরে পানি ১০% কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে। 
- শরীরে পানির অভাব নিরসনের জন্য যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে খাবার স্যালাইন খাওয়াতে হয়। 
- শরীর থেকে যে পরমাণ পানি ও লবণ বের হয়ে যায়, খবার স্যালাইন তা পূরণ করে শরীরে পানি ও লবণের ভারসাম্য ঠিক রাখে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১১৫.
কোন ভেরিয়েন্টে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে?
  1. ক) B.1.351
  2. খ) B.1.617.2
  3. গ) B.1.1.529
  4. ঘ) B.1.1.7
সঠিক উত্তর:
খ) B.1.617.2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) B.1.617.2
ব্যাখ্যা
- ডেল্টা ভেরিয়েন্ট এর অপর নাম B.1.617.2 .
- এই ভেরিয়েন্ট ভারতে প্রথম সনাক্ত হয় এবং আরো প্রায় ৬০টি দেশে এই ভেরিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। 
- অন্য যে কোন ভেরিয়েন্ট এর তুলনায় এটি ছিল সবচেয়ে বেশি সংক্রামক । 
 
Alpha, B.1.1.7, first seen in the United Kingdom. Designated on Dec. 18, 2020.
Beta,  B.1.351, first seen in South Africa. Designated on Dec. 18, 2020.
Gamma, P.1, first seen in Brazil. Designated on Jan. 11, 2021.
Delta, B.1.617.2, first seen in India. Designated on May 11, 2021.
Omicron, B.1.1.529, seen in multiple countries. Designated on Nov. 26, 2021.

উৎস : cdc.gov, www.aarp.org, পত্রিকা রিপোর্ট।
১,১১৬.
আদি কোষীয় জীব কোনটি?
  1. ব্যাকটেরিয়া
  2. শৈবাল
  3. ছত্রাক
  4. ব্রায়োফাইটস
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
- নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
(i) আদি কোষ এবং 
(ii) প্রকৃত কোষ। 

আদি কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত থাকে তাদেরকে বলা হয় আদি কোষ। 
- এ সকল কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, সেন্ট্রিয়োল, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অনুপস্থিত থাকে। 
- তবে বিক্ষিপ্ত DNA এবং রাইবোসোম থাকে। 
- Mycoplasma নামক PPLO (Pleuro pneumonia like organism), ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ সবুজ ব্যাকটেরিয়া, ইত্যাদি আদি কোষীয় জীব। 

প্রকৃত কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে তাদেরকে বলা হয় প্রকৃত কোষ। 
- শৈবাল, ছত্রাক, ব্রায়োফাইটস, টেরিডোফাইটস, জিমনোস্পার্মস, অ্যানজিওস্পার্মস ইত্যাদি প্রকৃত কোষ দ্বারা গঠিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,১১৭.
নিচের কোনটি লেড (Lead) এর প্রতীক?
  1. Pd
  2. Pb
  3. Ld
  4. Pm
সঠিক উত্তর:
Pb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pb
ব্যাখ্যা
- লেড এর রাসায়নিক প্রতীক  Pb.
- এর পারমাণবিক প্রতীক ৮২।
- এর পারমাণবিক ভর ২০৭। 
- এটি গ্রুপ ১৪ তে অবস্থিত। 

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
১,১১৮.
স্থির অবস্থা থেকে মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর প্রাপ্ত বেগ কিসের সমানুপাতিক? 
  1. সময়ের
  2. ভরের
  3. উচ্চতার
  4. দূরত্বের
সঠিক উত্তর:
সময়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়ের
ব্যাখ্যা
পড়ন্ত বস্তুর সূত্র (Laws of Falling Bodies): 
- সমত্বরণের একটি পরিচিত উদাহরণ হচ্ছে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ g, যার প্রভাবে যেকোনো বস্তু উপর থেকে ছেড়ে দিলে এটি ক্রমাগত ত্বরান্বিত বেগে নিচের দিকে নামতে থাকে। 
- এ ধরনের পড়ন্ত বস্তু দেখে গ্যালিলিও তিনটি সূত্র বের করেন। 
- সূত্রগুলো স্থির অবস্থা থেকে মুক্তভাবে পড়তে থাকা বস্তুর বেলায় ব্যবহার করা যায়। 
সূত্রগুলো হচ্ছে: 
প্রথম সূত্র: স্থির অবস্থান ও একই উচ্চতা থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করবে। 
দ্বিতীয় সূত্র: স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তুর নির্দিষ্ট সময়ে (t) প্রাপ্ত বেগ (v) ঐ সময়ের সমানুপাতিক
অর্থাৎ, v ∝ t  । 
তৃতীয় সূত্র: স্থির অবস্থান থেকে বিনা বাধায় পড়ন্ত বস্তু নির্দিষ্ট সময়ে যে দূরত্ব (h) অতিক্রম করে তা ঐ সময়ের (t) বর্গের সমানুপাতিক।
অর্থাৎ, h ∝ t2  । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১১৯.
মানবদেহে অটোসোমের সংখ্যা কত?
  1. ২২ জোড়া
  2. ২৬ জোড়া
  3. ২৩ জোড়া
  4. ১ জোড়া
সঠিক উত্তর:
২২ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ জোড়া
ব্যাখ্যা

• মানুষের প্রতিটি দেহকোষে মোট ২৩ জোড়া (৪৬টি) ক্রোমোসোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোসোম নারী ও পুরুষের দেহে একই রকম এবং এগুলো দেহের সাধারণ বৈশিষ্ট্য বা দৈহিক গঠন নিয়ন্ত্রণ করে, যাদের অটোসোম বলা হয়।
- বাকি ১ জোড়া হলো সেক্স ক্রোমোসোম।

ক্রোমোজোম: 
- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজোম। 
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু। 
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজোম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি। 
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজোম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। 
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোসোমকে বলা হয় অটোসোম। 
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই। 
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোসোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোসোম। 
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম। 
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১২০.
অক্সিজেনের যোজ্যতা কত?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা

• অক্সিজেনের যোজ্যতা হলো 2। অর্থাৎ, এটি সর্বাধিক দুটি একক বা সমমানের বন্ধন তৈরি করতে পারে।

• যোজ্যতা:
- যোজ্যতা হলো একটি মৌলের ক্ষমতা কতটি হাইড্রোজেন বা অন্যান্য এক-ভ্যালেন্সি পরমাণুর সঙ্গে বন্ধন তৈরি করতে পারে তা নির্দেশ করে।
- এটি মৌলের রাসায়নিক প্রতিক্রিয়াশীলতা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- পারমাণবিক সংখ্যা 8 → ইলেকট্রন বিন্যাস: 1s2 2s2 2p4.
- সর্বশেষ কক্ষপথে ৬টি ইলেকট্রন আছে। 
- সর্বশেষ কক্ষপথে (৮ ইলেকট্রন) পেতে আরও ২টি ইলেকট্রন দরকার। 
- তাই অক্সিজেন সর্বাধিক ২টি বন্ধন তৈরি করতে সক্ষম।

উদাহরণ:
- H2O: প্রতিটি হাইড্রোজেন অক্সিজেনের সঙ্গে একটি একক বন্ধন তৈরি করেছে → মোট ২টি বন্ধন।
- O2: দুটি অক্সিজেন পরমাণুর মধ্যে দ্বিগুণ বন্ধন (double bond) আছে।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১২১.
কোনটি তড়িৎ ডাইপোলের ন্যায় আচরণ করে?
  1. CH4
  2. N2
  3. CO2
  4. CO
সঠিক উত্তর:
CO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO
ব্যাখ্যা
আন্তঃআণবিক বল (Intermolecular forces) :
- পরমাণুর ন্যায় অণুও তড়িৎ নিরপেক্ষ। কিন্তু এদের মধ্যে ঋণাত্মক আধান ও ধনাত্মক আধানগুলো সুষমভাবে বন্টিত নাও থাকতে পারে। - যে সব অণুর ঋণাত্মক ও ধনাত্মক আধানগুলোর ভরকেন্দ্র একই বিন্দুতে অবস্থান করে তাদেরকে অমেরুবর্তী বা অপোলার (non-polar) অণু বলে।
- অপর দিকে যে সব অণুর ঋণাত্মক ও ধনাত্মক আধানগুলোর ভরকেন্দ্র একই বিন্দুতে অবস্থান করে না তাদেরকে মেরুবর্তী বা পোলার (polar) অণু বলে।
- মেরুবর্তী অণুগুলো তড়িৎ ডাইপোল (electrical dipole) এর ন্যায় আচরণ করে
যেমন: H2O, NH3, HCl, CO ইত্যাদি মেরুবর্তী অণু
- অপরদিকে CH4, CO2, H2, N2 ইত্যাদি অমেরুবর্তী অণুর উদাহরণ। মেরুবর্তী অণুগুলো তার পার্শ্ববর্তী অণুগুলোকে আবেশ প্রক্রিয়ায় আবিষ্ট করে, ফলে এদের মধ্যে আকর্ষণ বলের সৃষ্টি হয়। এই বলই আণবিক বল। আণবিক বল খুব অল্প দূরত্বে ক্রিয়াশীল। সেজন্য এই বলকে ক্ষুদ্রসীমার বল (short range force) বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১২২.
২১ জুন সূর্য কোন রেখার উপর লম্বভাবে কিরণ দেয়?
  1. মকরক্রান্তি
  2. বিষুবরেখা
  3. কর্কটক্রান্তি
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্কটক্রান্তি
ব্যাখ্যা
২১ জুন:
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত।
- ২১ জুন সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ঠিক উপরে লম্বভাবে ৯০ ডিগ্রি কোণে অবস্থান করে।

উল্লেখ্য,
- কর্কটক্রান্তি রেখা বা অক্ষাংশ বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
- সূর্য উত্তরায়নের শেষ সীমাও এই দিনে সংঘটিত হয়।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই দিনটি কর্কটক্রান্তি দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১২৩.
একবীজপত্রী উদ্ভিদে কোন ধরণের মূল দেখা যায়?
  1. ট্যাপরুট
  2. গুচ্ছ মূল
  3. পরাশ্রয়ী মূল
  4. অস্থানিক মূল
সঠিক উত্তর:
গুচ্ছ মূল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুচ্ছ মূল
ব্যাখ্যা
• একবীজপত্রী উদ্ভিদে গুচ্ছ প্রকৃতির মূল দেখা যায়। 

• একবীজপত্রী উদ্ভিদ:

- একবীজপত্রী উদ্ভিদ হলো সেই সকল সপুষ্পক উদ্ভিদ যাদের বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে।

• একবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:  
- এদের বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে।
- এদের মূল সাধারণত গুচ্ছ প্রকৃতির হয়।
- পাতার শিরাগুলো সমান্তরালভাবে বিন্যস্ত থাকে।
- কাণ্ডের ভাস্কুলার বান্ডেল বিক্ষিপ্তভাবে বিন্যস্ত থাকে।
- এদের ফুলের পাপড়ি সাধারণত তিন বা ছয়টির গুণিতক হয়।
- উদাহরণ: ধান, গম, ভুট্টা, কলা, নারকেল, ঘাস ইত্যাদি। 

তথ্যসূত্র:
-জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১,১২৪.
নিচের কোনটি আদি কোষ?
  1. শৈবাল
  2. ছত্রাক
  3. নীলাভ সবুজ ব্যাকটেরিয়া
  4. ব্রায়োফাইটস
সঠিক উত্তর:
নীলাভ সবুজ ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলাভ সবুজ ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
- নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
(i) আদি কোষ এবং 
(ii) প্রকৃত কোষ। 

আদি কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত থাকে তাদেরকে বলা হয় আদি কোষ। 
- এ সকল কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, সেন্ট্রিয়োল, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অনুপস্থিত থাকে। 
- তবে বিক্ষিপ্ত DNA এবং রাইবোসোম থাকে। 
- Mycoplasma নামক PPLO (Pleuro pneumonia like organism), ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ সবুজ ব্যাকটেরিয়া, ইত্যাদি আদি কোষীয় জীব। 

প্রকৃত কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে তাদেরকে বলা হয় প্রকৃত কোষ। 
- শৈবাল, ছত্রাক, ব্রায়োফাইটস, টেরিডোফাইটস, জিমনোস্পার্মস, অ্যানজিওস্পার্মস ইত্যাদি প্রকৃত কোষ দ্বারা গঠিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,১২৫.
নীল লিটমাস কাগজ কোন অবস্থায় লালবর্ণ ধারণ করে? 
  1. pH > 7 
  2. pH < 7
  3. pH = 7
  4. সব ক্ষেত্রেই 
সঠিক উত্তর:
pH < 7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
pH < 7
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন।
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = -log[H+

- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়। 
- pH মিটারের pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং 7 এর সমান হলে দ্রবণটি প্রশমন হয়। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে; আবার দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। 
- এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১২৬.
কোনটির প্রভাবে কোনো বস্তু পৃথিবীর দিকে আকৃষ্ট হয়? 
  1. ত্বরণ
  2. বেগ
  3. অভিকর্ষ বল
  4. মহাকর্ষ বল
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষ: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে। 
- মূলত এই অভিকর্ষ বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকে আকৃষ্ট হয়। 
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না। 
- তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যকার আকর্ষণ মূলত হচ্ছে মহাকর্ষ। 
- পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়। 
- মূলত অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১২৭.
নিচের কোনটি ডিএনএ ভাইরাস?
  1. নভেল করোনা
  2. ভ্যাকসিনিয়া
  3. র‍্যাবিস
  4. মাম্পস
সঠিক উত্তর:
ভ্যাকসিনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যাকসিনিয়া
ব্যাখ্যা
• নিউক্লিক অ্যাসিডের ধরন অনুযায়ী ভাইরাস দুই প্রকার। যথা-
১. DNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়।
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- T2 ভাইরাস, ভ্যাকসিনিয়া, ভ্যারিওলা, TIV (Tipula Iridiscent Virus), এডিনোহার্পিস সিমপ্লেক্স ইত্যাদি ভাইরাস।
- Parvoviridae গোত্রের ভাইরাসের DNA একসূত্রক।

২. RNA ভাইরাস:
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়।
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- TMV, HIV, ডেঙ্গু, পোলিও, মাম্পস, র‍্যাবিস, নভেল করোনা ইত্যাদি ভাইরাস।
- Reoviridae গোত্রের (রিও ভাইরাস, ধানের বামন রোগের ভাইরাস) ভাইরাসের RNA দ্বিসূত্রক। 

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১,১২৮.
ইলেক্ট্রনের আপেক্ষিক ভর -
  1. ক) 9.11 × 10-31 kg
  2. খ) 9.11 × 10-28 kg
  3. গ) 1.6 × 10-19 kg
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- ইলেকট্রনের ভর =  9.11 × 10-31 kg
- এই ভর প্রোটন ও নিউট্রনের তুলনায় ১৮৪০ গুণ কম। তাই ইলেকট্রনের আপেক্ষিক ভর 0 ধরা হয়।
- ইলেক্ট্রনের চার্জ = 1.60217662 × 10-19 coulombs অথবা,  - 1.6 × 10-19 C
- ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন জে জে থমসন।

উৎসঃ রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১২৯.
নিচের কোনটি প্রকৃত ফল?
  1. ক) আপেল
  2. খ) কাঁঠাল
  3. গ) চালতা
  4. ঘ) ডুমুর
সঠিক উত্তর:
খ) কাঁঠাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাঁঠাল
ব্যাখ্যা
নিষিক্তকরণের পর গর্ভাশয় এককভাবে অথবা ফুলের অন্যান্য অংশসহ পরিপুষ্ট হয়ে যে অঙ্গ গঠন করে তাকে ফল বলা হয়। শুধু গর্ভাশয় ফলে পরিণত হলে তাকে প্রকৃত ফল বলা হয়।
যেমন- আম, কাঁঠাল।
গর্ভাশয়সহ ফুলের অন্যান্য অংশ পুষ্ট হয়ে যখন ফলে পরিণত হয় তখন তাকে অপ্রকৃত ফল বলে।
যেমন- আপেল, চালতা ইত্যাদি।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩০.
"বীটজবা" কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) টমেটো
  2. খ) কলা
  3. গ) গম
  4. ঘ) তুলা
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
ব্যাখ্যা
টমেটোর উন্নত জাতগুলো হলো: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, শ্রাবণী ইত্যাদি।
কলার উন্নত জাতগুলো হলো: মোহনবাশী, কানাইভোগ, অগ্নিশ্বর, বীটজবা ইত্যাদি।
গমের উন্নত জাতগুলো হলো: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ইত্যাদি।
তুলার উন্নত জাতগুলো হলো: রুপালী, ডেলফোজ ইত্যাদি।

 সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,১৩১.
সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে কত সময় লাগে?
  1. ৬ মিনিট
  2. ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড
  3. ৭ মিনিট ১৭ সেকেন্ড
  4. ৯ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• সূর্য:
- সূর্য একটি নক্ষত্র।
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে।
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড বা ৮.৩২ মিনিট।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৩২.
চায়ের কাপে গরম চা রাখলে নিচের কোন প্রক্রিয়াটি ঘটে?
  1. ক) পাতন
  2. খ) বাষ্পীভবন
  3. গ) শীতলীকরণ
  4. ঘ) ব্যাপন
সঠিক উত্তর:
খ) বাষ্পীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাষ্পীভবন
ব্যাখ্যা
কোনো তরল পদার্থকে তাপ প্রদান করলে ঐ তরলের বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে।
যেমন- চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়। এটি বাষ্পীভবনের উদাহরণ। আবার উক্ত বাষ্পকে শীতল করলে তা তরলে পরিণত হয় যাকে ঘনীভবন বলে।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
১,১৩৩.
কোলাজেন হলো মূলত এক ধরনের -
  1. কার্বোহাইড্রেট
  2. প্রোটিন
  3. লিপিড
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
ব্যাখ্যা
কোলাজেন:
- কোলাজেন হলো শরীরের এক ধরণের প্রোটিন ৷
- এটি টিস্যু এবং কোষের কাঠামো বা কাঠামো গঠন করে।
- এটি ত্বক, হাড়, জয়েন্ট এবং অন্যান্য টিস্যুতে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে বিশেষকরে ত্বককে। 

⇒ কোলাজেন আমাদের দেহে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়। এটি আঠার মতো কাজ করে যা সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে। এটি আমাদের ত্বক, হাড়, টেন্ডন, লিগামেন্ট এবং এমনকি আমাদের রক্তনালীতেও পাওয়া যায়। কোলাজেনকে একটি সহায়ক কাঠামো হিসেবে ভাবুন, যা শক্তি এবং স্থিতিস্থাপকতা প্রদান করে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের দেহ কম কোলাজেন তৈরি করে, যার ফলে বলিরেখা, ঝুলে পড়া ত্বক, জয়েন্টে ব্যথা এবং দুর্বল হাড় দেখা দিতে পারে। এখানেই ভিটামিন সি কার্যকর হয়।

উৎস: Continental Hospitals ওয়েবসাইট।
১,১৩৪.
পশ্চাৎপদের প্রথম বড় অস্থি কোনটি?
  1. ক) টারসাল
  2. খ) ফ্যালানজেস
  3. গ) ফিমার
  4. ঘ) টিবিয়া-ফিবুলা
সঠিক উত্তর:
গ) ফিমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফিমার
ব্যাখ্যা
পশ্চাৎপদ বা নিম্নবাহুর অস্থিসমূহ:
- প্রত্যেকটি পশ্চাৎপদ ৩০টি অস্থি নিয়ে গঠিত। যেমন- ফিমার, টারসাল, টিবিয়া-ফিবুলা, ফ্যালানজেস, মেটাটার্সাস ইত্যাদি। 

ফিমার:
- ফিমার পশ্চাৎপদের প্রথম বড় অস্থি।
- ইহা দেহের সবচেয়ে লম্বা, ভারী ও শক্ত অস্থি।
- এর উর্ধ্বপ্রান্তে একটি গোল মস্তক, গ্রীবা ও ছোট-বড় ট্রোকেল্টার অবস্থিত।
- নিম্নপ্রান্ত দুটি কন্ডাইল বিশিষ্ট।
- ফিমারের মস্তক শ্রোণিচক্রে অ্যাসিটাবুলামের সাথে যুক্ত থাকে।
- এর প্রান্তে প্যাটেল (Patella) নামক চ্যাপ্টা সিগময়েড অস্থি থাকে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৫.
ক্যালসিয়াম কার্বনেট হচ্ছে-
  1. ক) বেকিং সোডা
  2. খ) ব্লিচিং পাউডার
  3. গ) চুন
  4. ঘ) চক
সঠিক উত্তর:
ঘ) চক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চক
ব্যাখ্যা
- চক এর রাসায়নিক নামক্যালসিয়াম কার্বনেট,
- চুনের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম অক্সাইড,
- খাবার লবণের রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড,
- ব্লিচিং পাউডারের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম ক্লোরো হাইপোক্লোরাইড।
- বেকিং সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট৷
উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৩৬.
কোনটি পৌষ্টিক গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে?
  1. যকৃত
  2. বৃক্ক
  3. পিত্তথলি
  4. গলবিল
সঠিক উত্তর:
যকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃত
ব্যাখ্যা
পৌষ্টিক গ্রন্থি:
- যে সব গ্রন্থির রস খাদ্য পরিপাকে অংশ নেয় তাদেরকে পরিপাক গ্রন্থি বা পৌষ্টিক গ্রন্থি বলে। 
- মানবদেহের পরিপাক গ্রন্থিগুলো হলো- লালা গ্রন্থি, যকৃত, অগ্ন্যাশয়, গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থি ও আন্ত্রিক গ্রন্থি। 

যকৃত:
- যকৃত মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি।
- মধ্যচ্ছদার নিচে পাকস্থলীর ডানপাশে গাঢ় বাদামী বর্ণের ত্রিকোণাকার অঙ্গ।

পিত্তথলি:
- যকৃতের সাথে কলস আকৃতির পিত্তথলি সংযুক্ত থাকে।
- যকৃত থেকে নিঃসৃত পিত্তরস পিত্তথলিতে জমা থাকে।
- পিত্তরস ক্ষারীয় গুণসম্পন্ন গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট।

গলবিল:
-  মুখ গহ্বর ও অন্ননালির মধ্যবর্তী ছোট অংশকে গলবিল বলে।
- গ্যালেট নামক ছিদ্রের মাধ্যমে মুখ গহ্বর গলবিলে যুক্ত হয়।

বৃক্ক: 
- বৃক্ক হচ্ছে উন্নত প্রাণীদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৭.
মানুষের মাথার চুলে স্বাভাবিকভাবে কোন প্রকার প্রাকৃতিক তেল উৎপন্ন হয়?
  1. সানফ্লাওয়ার অয়েল
  2. মিনারেল অয়েল
  3. সিবাম অয়েল
  4. গ্লিসারিন অয়েল
সঠিক উত্তর:
সিবাম অয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিবাম অয়েল
ব্যাখ্যা
প্রসাধনী: 
- বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনীর মধ্যে pH মান নিয়ন্ত্রণ করা হয়। 
- শরীরের ত্বকের জন্য আদর্শ pH মান 5.5 । 
- ত্বকের pH মান 5.5 থেকে 6.5 এর মধ্যে থাকলে ত্বক বিভিন্ন এলার্জেন ও ব্যাকটেরিয়া আক্রমনকে প্রতিরোধ করতে পারে। 
- ত্বকের pH মান আদর্শ সীমার চেয়ে বেশি বা কম হলে ত্বকের কোমলতা ও সৌন্দর্য বিনষ্ট হয়। 
- মানুষের মাথার চুলে রয়েছে সেবাম (Sebum) নামক এক প্রকার প্রাকৃতিক তেল, এর pH মান হলো 5.0 । 
- চুলের পরিচর্যায় যে কোনো প্রকার স্যাম্পুর pH মান 5.5 এর কাছাকাছি থাকাই উচিত। 
- চুলের pH মান 6 এর উপর গেলে চুল মসৃণতা হারিয়ে ফেলে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৮.
নিচের কোন গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন নির্গত হয়? 
  1. প্যারোটিড
  2. পিটুইটারি
  3. সাবম্যান্ডিবুলার
  4. আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স
সঠিক উত্তর:
আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স
ব্যাখ্যা
ডায়বেটিস: 
- বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস এক ধরনের বিপাকজনিত রোগ। 
- ইনসুলিনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন নামক এক ধরনের হরমোন নির্গত হয়, যা রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণকে কমিয়ে দেয়। 
- অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন হরমোন নির্গত হয় যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 
- ডায়াবেটিস রোগে ইনসুলিন ব্যবহৃত হয়। 
- কারো ডায়াবেটিস হলে প্যানক্রিয়াস যথেষ্ট ইনসুলিন নির্গত করতে পারে না, কিংবা শরীর ইনসুলিনকে ব্যবহার করতে পারে না। 
- যে কারণে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৩৯.
ব্যারোমিটারের চাপ কমে যাওয়া কিসের লক্ষণ?
  1. তুষার
  2. শৈত্যপ্রবাহ
  3. তীব্র গরম
  4. বৃষ্টিপাত
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা

ব্যারোমিটার হল বায়ুর চাপ পরিমাপ করার যন্ত্র।

ব্যারোমিটার আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী টরেসিলি। যে যন্ত্র দিয়ে বাতাসের চাপ মাপা হয় সে যন্ত্রকে বলা হয় ব্যারোমিটার।
- বাতাসের চাপ সবসময় স্থির থাকে না। কখনো তা বাড়ে আবার কখনো কমে। এর একমাত্র কারণ বাতাসে জলীয় বাষ্পের হ্রাস-বৃদ্ধি।
- বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে গেলে বাতাসের চাপ কমে যায় এবং তা ব্যারোমিটারে ধরা পড়ে।
- বাতাসের চাপ কমলে বুঝতে হবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং বাতাসের চাপ বাড়তে থাকলে আবহাওয়া পরিষ্কার হবে।

১,১৪০.
CT scan শব্দটির পূর্ণরূপ কী? 
  1. Compact Tomography Scan
  2. Close Tomography Scan
  3. Complete Tomography Scan
  4. Computed Tomography Scan
সঠিক উত্তর:
Computed Tomography Scan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Computed Tomography Scan
ব্যাখ্যা
সিটি স্ক্যান (CT scan): 
- সিটিস্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan). 
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে। 
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
- এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক। 
- সিটিস্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনী, ফুসফুস, ব্রেণ ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায। 
- যকৃত, ফুসফুস এবং অগ্নাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটিস্ক্যান ব্যবহৃত হয়। 
- সিটিস্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পার্শ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে। 
- মাথার সিটিস্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়। 
- সিটিস্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কীনা তাও জানা যায়। 
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪১.
বেকিং সোডা কোন ধরণের পদার্থের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড উৎপন্ন করে? 
  1. লবণ
  2. ক্ষারীয়
  3. অম্লধর্মী
  4. নিউট্রাল
সঠিক উত্তর:
অম্লধর্মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অম্লধর্মী
ব্যাখ্যা
বেকিং সোডা (Baking Soda): 
- বেকিং সোডা (NaHCO3) বিভিন্ন খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- বেকিং সোডা ব্যবহার করে খাবার তৈরির বেলায় খাবারের উপাদান হিসেবে ভিনেগার বা লেবুর রস বা টক দই অথবা অন্য এমন কোন উপাদান থাকে যা অম্লধর্মী। 
- এক্ষেত্রে বেকিং সোডা NaHCO3 খাবারের অম্ল উপাদানের (যেমন- ভিনেগার) সাথে বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড (H2CO3) এসিড উৎপন্ন করে। 
- H2CO3 সহজেই বিয়োজিত হয় এবং CO2 গ্যাস উৎপন্ন করে যা রুটিকে ফুলতে সাহায্য করে। 
- বেকিং পাউডার হচ্ছে NaHCO3 ও পটাশিয়াম বাই-টারটারেটের অথবা সোডিয়াম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট এর মিশ্রণ। 
- এটিকে উত্তপ্ত করলে বেকিং পাউডার থেকে CO2 গ্যাস নির্গত হয় যা কেক বা রুটিকে ফুলতে সাহায্য করে। 
• NaHCO3 + KHC4H4O6K → NaC4H4O6 + H2O + CO2
• 3NaHCO3 + NaAl(SO4)2 → Al(OH)3 + 2Na2SO4 + 3CO2 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪২.
Covid-19 রোগের ভাইরাসের নাম কী?
  1. ক) SARS-Cov-1
  2. খ) SARS-Cov-2
  3. গ) Corona Virus
  4. ঘ) Covid-19 Virus
সঠিক উত্তর:
খ) SARS-Cov-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) SARS-Cov-2
ব্যাখ্যা
Covid-19 ভাইরাস:
- Severe Acute Respiratory Syndrome রোগের কারণ হলো SARS করোনা ভাইরাস।
- এই ভাইরাসের কারণে ২০০২ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত চীন, তাইওয়ান, কানাডা প্রভৃতি দেশে বহু লোকের মৃত্যু হয়েছিলো।
- Middle East Respiratory Syndrome রোগের কারণ হলো MERS করোনা ভাইরাস।
- ২০১২ সালে মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকায় এই রোগটি ছড়িয়ে পড়েছিলো।
- COVID-19 এর জন্য দায়ী হলো SARS CoV-2 নামক বিশেষ করোনা ভাইরাস।
- ২০১৯ সালে চীনের উহান প্রদেশে কোভিড-১৯ প্রথম সনাক্ত করা হয়েছিল।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে, ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নজরে আসে।
- এটি অদ্যবধি বাংলাদেশসহ সমস্ত পৃথিবীতে মহামারীর তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।
১,১৪৩.
নিচের কোন শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায়? 
  1. সৌর শক্তি 
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস 
  3. পেট্রোল 
  4. কয়লা 
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি 
ব্যাখ্যা

- 'সৌর শক্তি' একটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, এই শক্তির উৎস স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায়। 

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- বর্তমানে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি হলো এমন এক শক্তির উৎস যা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং এর ফলে শক্তির উৎসটি নিঃশেষ হয়ে যায় না। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সমুদ্রস্রোত, বায়ুপ্রবাহ, পরমাণুর শক্তি, সৌর শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- আমাদের দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল (পেট্রোল), নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৪৪.
পৃথিবীর সবগুলো মহাদেশ একসাথে জুড়ে যে বিশাল একটি মহাদেশ ছিল তার নাম কি ছিল?
  1. ক) প্যান থালাস
  2. খ) প্যানজিয়া
  3. গ) ইউরেশিয়া
  4. ঘ) ইউরো-আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
খ) প্যানজিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যানজিয়া
ব্যাখ্যা
প্লেট টেকটোনিক হচ্ছে একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব। এই তত্ত্বে পৃথিবীর অশ্বমণ্ডল—অর্থাৎ একে অপরের দিকে চলাচল করতে সক্ষম এমন অনমনীয় খণ্ডের সমন্বয়ে তৈরি ভূত্বক বা পৃথিবীর উপরিতলের বর্ণনা করা হয়েছে। সর্বপ্রথম ১৯১২ সালে জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগনার ‘কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ নামে একটি তত্ত্ব প্রদান করেন। তাঁর এই তত্ত্বে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে ‘বহুকাল আগে সবগুলো মহাদেশ পরস্পর সংযুক্ত ছিল। একত্রে এদের প্যানজিয়া বা সুপারকন্টিনেন্ট বলা হতো। পরে কালের আবর্তে ভূত্বকীয় পাতের নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে যায়।’ 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম.
১,১৪৫.
এক্সরে কোনটিতে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে? 
  1. কাচ
  2. প্লাস্টিক
  3. ফটোগ্রাফিক প্লেট
  4. কাঠ
সঠিক উত্তর:
ফটোগ্রাফিক প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফটোগ্রাফিক প্লেট
ব্যাখ্যা
এক্সরে (X-ray): 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান বিজ্ঞানী উইলিয়াম রঞ্জন ক্যাথোড রশ্মি নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে আকস্মিকভাবে এক্সরে আবিষ্কার করেন। 
- পরীক্ষার সময় তিনি দেখেন, ক্ষরণ নলে ক্যাথোড রশ্মি আপতিত হলে এক ধরনের অদৃশ্য রশ্মি নির্গত হয়, যা বেরিয়াম প্ল্যাটিনোসায়ানাইড প্রলেপযুক্ত পাতে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। এই রশ্মির প্রকৃতি অজানা থাকায় তিনি একে "এক্সরে" নামে অভিহিত করেন, যা পরবর্তীতে রঞ্জন রশ্মি নামে পরিচিত হয়। 
- গবেষণার মাধ্যমে তিনি দেখান যে, উচ্চগতিসম্পন্ন ইলেকট্রন ধাতুর প্রতিবন্ধকে আঘাত করলে তার গতিশক্তি এক্সরেতে রূপান্তরিত হয়। 

এক্সরের প্রকারভেদ: 
- এক্সরে দুই প্রকার। 
যথা- 
১। কোমল এক্সরে: 
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক কম বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কোমল এক্সরে বলে। 
- কোমল এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক বড়, ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক কম। 

২। কঠিন এক্সরে: 
- এক্সরে যন্ত্রে তুলনামূলক বেশি বিভব প্রয়োগ করে যে এক্সরে পাওয়া যায় তাকে কঠিন এক্সরে বলে। 
- কঠিন এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য তুলনামূলক ছোট ফলে ভেদন ক্ষমতাও তুলনামূলক বেশি। 

এক্সরের ধর্ম: 
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না। 
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
৫। এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
৬। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৪৬.
কঠিন জারক পদার্থ কোনটি?
  1. হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড
  2. ফেরিক ক্লোরাইড
  3. ফ্লোরিন
  4. সালফিউরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ফেরিক ক্লোরাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরিক ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
• জারক পদার্থ:
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা।
- জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়।
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়।
- যেমন: O2, Cl2, F2, HNO3, H2SO4, H2O2 প্রভৃতি জারক পদার্থ।
- ফ্লোরিন, ক্লোরিন, অক্সিজেন, ওজোন ইত্যাদি হলো গ্যাসীয় জারক পদার্থ।
- তরল ব্রোমিন, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড, নাইট্রিক এসিড, সালফিউরিক এসিড ইত্যাদি হলো তরল জারক পদার্থ।
- আয়োডিন, পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট, পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট, ফেরিক ক্লোরাইড ইত্যাদি হলো কঠিন জারক পদার্থ।

উৎস: রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী-নাগ।
১,১৪৭.
পলল কোণ ভূমিরূপ কোথায় গঠিত হয়?
  1. ক) নদীর অববাহিকায়
  2. খ) পাহাড়ের পাদদেশে
  3. গ) নদীর মোহনায়
  4. ঘ) দোয়াব অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
খ) পাহাড়ের পাদদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাহাড়ের পাদদেশে
ব্যাখ্যা
পার্বত্য অঞ্চল থেকে কোন নদী হঠাৎ করে সমভূমিতে পতিত হলে সেই নদীবাহিত শিলাচূর্ণ, পলিমাটি পাহাড়ের পাদদেশে সঞ্চিত হয়ে ত্রিকোণ ও হাত পাখা আকৃতির ভূমিরূপ সৃষ্টি করে যা যথাক্রমে পলর কোণ ও পলর পাখা নামে পরিচিত।

যেসব অঞ্চলের মাটি অধিক পানি শোষণ করতে পারে সেখানে শিলাচূর্ণ বেশিদূর যেতে না পেরে পাহাড়ের পাদদেশে পলল কোণ সৃষ্টি করে। মাটির পানি শোষণ ক্ষমতা কম হলে সেক্ষেত্রে পলল পাখা ভূমিরূপ গঠিত হয়।
হিমালয়ের পাদদেশে গঙ্গার বিভিন্ন উপনদীর গতিপথে পলল কোণ ও পলল পাখা জাতীয় ভূমিরূপ দেখা যায়।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,১৪৮.
রক্তরসে কোনটি থাকে না?
  1. ক) শর্করা
  2. খ) হিমোগ্লোবিন
  3. গ) লবণ
  4. ঘ) ইউরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
খ) হিমোগ্লোবিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হিমোগ্লোবিন
ব্যাখ্যা
রক্তরসে শর্করা, লবণ ও ইউরিক এসিড সবই থাকে। তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।
অন্যদিকে, হিমোগ্লোবিন লোহিত রক্তকণিকার প্রোটিন অণু যা ফুসফুস থেকে দেহের টিস্যুতে অক্সিজেন বহন করে এবং টিস্যু থেকে ফুসফুসে ফিরে কার্বন ডাই অক্সাইড ফিরিয়ে দেয়।
সূত্রঃ ব্রিটানিকা।
১,১৪৯.
কোনটি মৌলিক গ্যাসের অণু হিসেবে পরিচিত?
  1. H2O
  2. O3
  3. N2
  4. NH3
সঠিক উত্তর:
N2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
N2
ব্যাখ্যা

রাসায়নিক বন্ধন: 
- পদার্থ মাত্রই অসংখ্য পরমাণুর এক সাথে অণু হিসেবে আবদ্ধ থাকার একটি স্থায়ী অবস্থা। তবে নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলো এক পরমাণুক অনুরূপে প্রকৃতিতে স্থায়ীরূপে অবস্থান করে। 
- চারিপার্শ্বের বায়ুতে যে নাইট্রোজেন অক্সিজেন, হাইড্রোজেন, ক্লোরিন ইত্যাদি গ্যাসগুলো আছে এরা প্রত্যেকেই মৌলিক গ্যাস অণু। 
- মৌলিক গ্যাসের অণুগুলো দ্বিপরমাণুক অণু। যেমন- N2, O2, H2, F2, Cl2 ইত্যাদি। 

- ওজোন (O3), ফসফরাস (P4), সালফার (S8) এরাও মৌলিক অণু কিন্তু বহু পরমাণুক অণু। আবার পানি (H2O), খাবার লবণ (NaCl) কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), অ্যামোনিয়া (NH3), অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড (NH4Cl) প্রভৃতি যৌগের অণুতে ভিন্ন ভিন্ন মৌলের পরমাণু মিলে অণুগঠন করেছে। 
- একই ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণু একত্রে মিলিত হয়ে মৌলের একটি অণু সৃষ্টি করে এবং ভিন্ন ধরনের দুই বা ততোধিক পরমাণুর সংযোজনের ফলে যৌগের অণু উৎপন্ন করে। 
- সব অণুর মধ্যেই পরমাণুগুলো এক বিশেষ আকর্ষন বলের দ্বারা পরস্পর পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। 
- এভাবে একই বা ভিন্ন ভিন্ন মৌলের দুই বা ততোধিক পরমাণু মিলিত হয়ে রাসায়নিক বন্ধনের সৃষ্টি হয়। 
- আবার একই মৌলের অসংখ্য পরমাণু পরস্পর যুক্ত হয়েও রাসায়নিক বন্ধন সৃষ্টি করতে পারে। যেমন- ধাতব বন্ধন। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৫০.
Photoelectric Effect ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য কোন তত্ত্ব ব্যবহার করা হয়?
  1. তরঙ্গ তত্ত্ব 
  2.  কণা তত্ত্ব 
  3. তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব 
  4. কোয়ান্টাম তত্ত্ব 
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম তত্ত্ব 
ব্যাখ্যা

কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। 
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে। 
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন। 
- প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়। 
- কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার (Photoelectric Effect) ব্যাখ্যা দেন। 
- এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়। 

কণা তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্বানুসারে আলো বস্তু কণা দ্বারা গঠিত, উৎস থেকে যা সব দিকে নিঃসৃত হয় এবং সরলরেখায় চলে। 
- এই তত্ত্ব আলোর বিচ্ছুরণ, ব্যতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি বৈশিষ্টের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। 

তরঙ্গ তত্ত্ব: 
- আলো তরঙ্গাকারে ইথার নামের একটি কাল্পনিক মাধ্যমের মধ্য দিয়ে সব দিকে নির্গত হয়। 
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিভিন্নতার জন্য আলোর বর্ণ বিভিন্ন হয়। 
- এই তত্ত্ব আলোর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা দিতে সমর্থ হলেও মাইকেলসন-মর্লির পরীক্ষায় ইথারের অস্তিত্ব নাই প্রমাণিত হওয়ায় এই তত্ত্ব বিতর্কিত হয়। 

তাড়িতচৌম্বক তত্ত্ব: 
- এই তত্ত্ব অনুসারে গতিশীল তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্রের দ্রুত পর্যাবৃত্ত পরিবর্তনের ফলে দৃশ্য অদৃশ্য শক্তির বিকিরণ হয় এবং অনুপ্রস্থ তরঙ্গাকারে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- এর দৃশ্য তরঙ্গই আলো। 
- এর জন্য কোন মাধ্যম প্রয়োজন হয় না। 
- এই তত্ত্ব ফটো তড়িৎ প্রতিক্রিয়া, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ বা ব্ল্যাক বডি রেডিয়েশনের ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৫১.
সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য।
সুষম খাদ্যের উপাদান ৬টি।
এগুলো হলো -
- শর্করা,
- আমিষ,
- ভিটামিন,
- খনিজ লবণ,
- চর্বি ও
- পানি।
সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বি জাতীয় খাদ্যের অনুপাত =  ৪ : ১ : ১

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৫২.
মানুষের চোখের রঙ নিয়ন্ত্রণ করে কোন রাসায়নিক উপাদান?
  1. RNA
  2. DNA
  3. ক্রোমোজোম
  4. নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
DNA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNA
ব্যাখ্যা

DNA হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ। যেসব জীবে DNA থাকে না কেবল RNA থাকে সে ক্ষেত্রে RNA জিন হিসেবে কাজ করে। যেমন - তামাক গাছে মোজাইক ভাইরাস (TMV)
জীবের একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জিন কাজ করে, আবার কখনো একটি জিন বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।
মানুষের চোখের রং, চুলের প্রকৃতি, চামড়ার রং ইত্যাদি সবই জিন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

১,১৫৩.
X-অক্ষ বরাবর গতিশীল একটি কণার অবস্থান ( x ) সময় (t) এর সাপেক্ষে x = 2 - 5t + 6t2 সমীকরণ অনুসারে পরিবর্তিত হয়। কণাটির আদিবেগ হলো-
  1. ক) 6 ms-1
  2. খ) 3 ms-1
  3. গ) -5 ms-1
  4. ঘ) -3 ms-1
সঠিক উত্তর:
গ) -5 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) -5 ms-1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: X-অক্ষ বরাবর গতিশীল একটি কণার অবস্থান ( x ) সময় (t) এর সাপেক্ষে x = 2 - 5t + 6t2 সমীকরণ অনুসারে পরিবর্তিত হয়। কণাটির আদিবেগ হলো-

সমাধান:
বেগ = দূরত্বের পরিবর্তন/সময়ের পরিবর্তন = dx/dt
দেয়া আছে, x = 2 - 5t + 6t2 

∴ dx/dt = d(2 - 5t + 6t2 )/dt
= 0 - 5 + 6 × 2t
= - 5 + 12t

t = 0 সময়ে আদিবেগ পাওয়া যায়।
∴ আদিবেগ = - 5 + 12 × 0
= - 5 ms-1
১,১৫৪.
নিচের কোনটি তুলনামূলক অধিক সক্রিয় ধাতুর উদাহরণ?
  1. সোনা (Au)
  2. কপার (Cu)
  3. পটাসিয়াম (K)
  4. প্লাটিনাম (Pt)
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম (K)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটাসিয়াম (K)
ব্যাখ্যা

ধাতুর সক্রিয়তা সিরিজে পটাশিয়াম (K) তালিকার একদম উপরের দিকে অবস্থান করে, যার ফলে এটি অত্যন্ত সক্রিয়।
- অন্যদিকে কপার, সোনা এবং প্লাটিনাম তালিকার নিচের দিকে অবস্থিত এবং এরা তুলনামূলকভাবে নিষ্ক্রিয় বা কম সক্রিয় ধাতু।

• সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া:
- ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া সক্রিয়তার সিরিজ অনুসারে সম্পন্ন হয়।
- পর্যায় তালিকায় মৌল সমূহের ধর্মকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়।
- তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়।
- হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো বেশি সে মৌল ততো বেশি সক্রিয়।
- আর যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো কম সে মৌলটি ততো কম সক্রিয়।
- মৌলের সক্রিয়তার নিম্ন ক্রমানুসারে সাজালো যে মৌল শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে, তাকে সক্রিয়তা সিরিজ বলে।
 

- কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে, তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক।
- এরা এসিডের লঘু দ্রবণ থেকে হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপিত করবে।
- অর্থাৎ হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু ও লঘু এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৫৫.
অপরিবাহী পদার্থের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) কাঠ
  2. খ) এলুমিনিয়াম
  3. গ) সোনা 
  4. ঘ) তামা
সঠিক উত্তর:
ক) কাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কাঠ
ব্যাখ্যা

কাঠের মধ্য দিয়ে তড়িৎ পরিবহনের জন্য কোন মুক্ত ইলেকট্রন না থাকায়, ইহা বিদ্যুৎ অপরিবাহী।
যে সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে তড়িৎপ্রবাহ চলতে পারে না তাদেরকে অপরিবাহী বা অন্তরক পদার্থ বলে। যেমন- প্লাস্টিক, রাবার, কাঠ, কাচ ইত্যাদি।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান

১,১৫৬.
নিচের কোনটি যৌগিক ফলের উদাহরণ? 
  1. আতা
  2. চম্পা
  3. আনারস
  4. কলা
সঠিক উত্তর:
আনারস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনারস
ব্যাখ্যা
ফল: 
- নিষিক্তকরণের পর গর্ভাশয় এককভাবে অথবা ফুলের অন্যান্য অংশসহ পরিপুষ্ট হয়ে যে অঙ্গ গঠন করে তাকে ফল বলে। 
- শুধু গর্ভাশয় ফলে পরিণত হলে তাকে প্রকৃত ফল বলে। 
যেমন- আম, কাঁঠাল। 

- গর্ভাশয় ছাড়া ফুলের অন্যান্য অংশ পুষ্ট হয়ে যখন ফলে পরিণত হয় তখন তাকে অপ্রকৃত ফল বলে। 
যেমন- আপেল, চালতা ইত্যাদি। 
- প্রকৃত ও অপ্রকৃত ফলকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যেমন- সরল ফল, গুচ্ছফল ও যৌগিক ফল।  
১) সরল ফল: 
- ফুলের একটি মাত্র গর্ভাশয় থেকে যে ফলের উৎপত্তি তাকে সরল ফল বলে। 
যেমন- আম, এরা রসাল বা শুষ্ক হতে পারে। 
- আবার সরল ফল দুই প্রকার। 
যথা- 
ক) রসাল ফল: 
- যে ফলের ফলত্বক পুরু এবং রসাল তাকে রসাল ফল বলে। 
- এ ধরনের ফল পাকলে ফলত্বক ফেটে যায় না। 
যেমন- আম, জাম, কলা ইত্যাদি। 

খ) নীরস ফল: 
- যে ফলের ফলত্বক পাতলা এবং পরিপক্ক হলে ত্বক শুকিয়ে ফেটে যায় তাকে নীরস ফল বলে। 
যেমন- শিম, ঢেঁড়স, সরিষা ইত্যাদি। 

২) গুচ্ছ ফল: 
- একটি ফুলে যখন অনেকগুলো গর্ভাশয় থাকে এবং প্রতিটি গর্ভাশয় ফলে পরিণত হয়ে একটি বোঁটার উপর গুচ্ছাকারে থাকে তখন তাকে গুচ্ছ ফল বলে। 
যেমন- চম্পা, নয়নতারা, আকন্দ, আতা, শরীফা ইত্যাদি। 

৩) যৌগিক ফল: 
- একটি মজুরির সম্পূর্ণ অংশ যখন একটি ফলে পরিণত হয় তখন তাকে যৌগিক ফল বলে। 
যেমন- আনারস, কাঁঠাল ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,১৫৭.
শ্বেত রক্তকণিকার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) এতে নিউক্লিয়াস থাকে না
  2. খ) হিমোগ্লোবিন থাকে
  3. গ) এতে ডিএনএ থাকে
  4. ঘ) এটি রক্ত জমাট বাধায় অংশগ্রহণ করে
সঠিক উত্তর:
গ) এতে ডিএনএ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এতে ডিএনএ থাকে
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্তকণিকার নির্দিষ্টকোন আকার নেই। এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। এর গড় আয়ু ১-১৫ দিন। এতে DNA থাকে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি।
১,১৫৮.
নিচের কোনটি সোডিয়ামের আকরিক?
  1. সল্টপিটার
  2. চিলি সল্টপিটার
  3. ডলোমাইট
  4. ক্রায়োলাইট
সঠিক উত্তর:
চিলি সল্টপিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিলি সল্টপিটার
ব্যাখ্যা

- রকসল্ট, চিলি সল্টপিটার, বোরাক্স ইত্যাদি হলো সোডিয়ামের আকরিক।
- সল্টপিটার হলো পটাশিয়ামের আকরিক।
- ডলোমাইট হলো ক্যালসিয়ামের আকরিক।
- ক্রায়োলাইট হলো অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক।
সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

১,১৫৯.
পৃথিবী কোন গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) আকাশগঙ্গা
  2. খ) এন্ড্রোমিডা
  3. গ) স্যাজিটারিয়াস ড্রাফ
  4. ঘ) অ্যালকিয়োনেস
সঠিক উত্তর:
ক) আকাশগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আকাশগঙ্গা
ব্যাখ্যা
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি:
- সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আটটি গ্রহ তাদের নিজস্ব কক্ষপথে অবিরত আবর্তন করে।
- পৃথিবী, গ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালক্সি সবকিছু নিয়েই গঠিত হয় মহাবিশ্ব।
- গ্যালাক্সি মহাবিশ্বের অংশ। এখানে রয়েছে হাজার হাজার কোটি নক্ষত্র ও গ্রহ, উপগ্রহ।
- পৃথিবী যে গ্যালাক্সির অন্তর্ভুক্ত তার নাম হলো মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।
১,১৬০.
ইস্টের সংশ্লিষ্টতা নেই কোন শিল্পে?
  1. মদ্য শিল্পে
  2. রুটি শিল্পে
  3. সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে
  4. এককোষীয় প্রোটিন ভাঙতে
সঠিক উত্তর:
সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে
ব্যাখ্যা
ইস্ট: 
- ইস্ট একটি ছত্রাকজাতীয় এককোষী অণুজীব। 
- এটি বিভিন্ন শিল্প ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
যেমন- 
- বেকারি ও মদ্য শিল্পে ইস্ট ব্যবহৃত হয় ইথানল উৎপাদন ও খাদ্য ফোলাতে। 
- এটি চিনি থেকে গাঁজন প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল ও কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করে। 
- এককোষী প্রোটিন (SCP) তৈরিতে ইস্ট ব্যবহৃত হয়, যা প্রাণীদেহের জন্য প্রোটিনের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। 
- ইস্টে বিভিন্ন ভিটামিন, বিশেষ করে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বিদ্যমান থাকায়, এটি স্বাস্থ্যসম্পূরক ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- খাদ্যোপযোগী এককোষী প্রোটিন উৎপাদনে এটি একটি কার্যকরী উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- তবে সাইট্রিক অ্যাসিড বা ভিটামিন সি উৎপাদনে ইস্টের কোনো ভূমিকা নেই। 

 উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৬১.
তাপের এস. আই. একক কোনটি? 
  1. ওয়াট
  2. কেলভিন
  3. জুল
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুল
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি বা SI পদ্ধতিতে তাপের একক হলো জুল (J)।

• তাপ:
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- তাপের অন্য একটি ব্যবহারিক একক ক্যালরি। 
- এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক। 
- তাপ পরিমাপের যন্ত্র ক্যালরিমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। 
- দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

• তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হলো বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- তাপমাত্রা SI একক কেলভিন। 
- এ ছাড়াও বহুল প্রচলিত দুটি একক হল সেলসিয়াস বা সেন্টিগ্রেড এবং ফারেনহাইট। 
- তাপমাত্রা পরিমাপের যন্ত্র থার্মোমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। 
- দুটি বস্তুর তাপমাত্রা এক হলেও এদের মধ্যে তাপের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৬২.
নিচের কোনটি রক্তের প্লাজমা প্রোটিন নয়?
  1. ক) অ্যালবুমিন
  2. খ) ইউরিয়া
  3. গ) প্রোথ্রম্বিন
  4. ঘ) ফাইব্রিনোজেন
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
রক্তে জৈব পদার্থের ভিতরে প্লাজমা প্রোটিন এর পরিমাণ প্রায় ৭.৫%। প্লাজমা প্রোটিন এর মধ্যে অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন, প্রোথ্রম্বিন, ফাইব্রিনোজেন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
রক্তে বিদ্যমান নাইট্রোজেনঘটিত রেচন পদার্থের মধ্যে রয়েছে ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, ক্রিয়েটিনিন, জ্যানথিন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,১৬৩.
যেকোনো দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য দরকার -
  1. ভোল্টমিটার
  2. অ্যামিটার
  3. গ্যালভানোমিটার
  4. ভেলাটোমিটার
সঠিক উত্তর:
ভোল্টমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোল্টমিটার
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ প্রবাহ হলো মূলত ইলেকট্রনের প্রবাহ। 
- এ প্রবাহ আবার দু'রকম। 
যথা- 
১। এসি প্রবাহ এবং 
২। ডিসি প্রবাহ। 

- কোনো বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের জন্য দরকার এর দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য। 
- এই বর্তনীতে তড়িৎযন্ত্র ও উপকরণসমূহকে শ্রেণি ও সমান্তরাল সংযোগ যুক্ত করা যায়। 
- এছাড়া বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ মাপার জন্য দরকার অ্যামিটার। 
- যেকোনো দু'প্রান্তের বিভব পার্থক্য মাপার জন্য দরকার ভোল্টমিটার। 
- বেগ পরিমাপক যন্ত্র হলো ভেলাটোমিটার। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১,১৬৪.
কোন দিনকে 'শারদ বিষুব' বলা হয়?
  1. ২১শে মার্চ
  2. ২১ জুন
  3. ২৩ সেপ্টেম্বর
  4. ২২ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
২৩ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
বাসন্ত বিষুব ও শারদ বিষুব: 
- ২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখার (০) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়। একে বিষুব বলা হয়।
- প্রকৃতপক্ষে, বাসন্ত বিষুব ও শারদ বিষুব উভয় গোলার্ধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- একটি গোলার্ধে বিষুব অবস্থা চলাকালীন যে ঋতু বিরাজ করে, উক্ত ঋতু অনুসারে ঐ গোলার্ধে বাসন্ত বা শারদ বিষুব হয়।
- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব' নামে অভিহিত।
- অপরদিকে, ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব 'শারদ বিষুব' নামে অভিহিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬৫.
কোন প্রক্রিয়ায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একই বায়ু চাপ থাকে? 
  1. ব্যাপন 
  2. অভিস্রবণ 
  3. নিঃসরণ 
  4. প্রস্বেদন 
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন 
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- ফুলের সুগন্ধ ও H2S গ্যাসের দুর্গন্ধ বাতাসে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। 
- পদার্থের কণা বা অণুসমূহের ইতস্তত স্বতঃস্ফূর্ত চলাচলের কারণে ব্যাপন প্রক্রিয়া ঘটে। 
- ব্যাপন হল সাধারণ সমবায়ুচাপে অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত মন্থর প্রক্রিয়া। 
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একই বায়ু চাপ থাকে। 

নিঃসরণ: 
- বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে পাত্রের সরু ছিদ্রপথে কোন গ্যাসের সজোরে একমুখী বের হওয়াকে নিঃসরণ বলে। 
- গাড়ীর চাকার টিউবের ছিদ্র পথে নিঃসরণ প্রক্রিয়ায় বাতাস বের হয়ে পড়ে। 
- গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে নিঃসরণ প্রক্রিয়া ঘটে। 
- নিঃসরণ হল অধিক চাপের প্রভাবে গ্যাসীয় দ্রুত প্রক্রিয়া। 
- নিঃসরণের বেলায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে অধিক চাপ এবং বাইরে কম চাপ বা ভ্যাকুয়াম অবস্থা থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
১,১৬৬.
মানুষের শিশু বয়সে যে দুধদাঁত বা অস্থায়ী দাঁত ওঠে, তার মোট সংখ্যা কত?
  1. ১২টি
  2. ১৬টি
  3. ১৮টি
  4. ২০টি 
সঠিক উত্তর:
২০টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০টি 
ব্যাখ্যা

দাঁত (Tooth): 
- মাছ, সরিসৃপ এবং সমস্ত মেরুদন্ডী প্রাণির (স্তন্যপায়ী বাদে) দাঁত আজীবন অসংখ্যবার পড়তে ও উঠতে থাকে কিন্তু স্তন্যপায়ীদের (যেমন: মানুষ) দাঁত সারা জীবন মাত্র দুবার গজায়। 
- মানব শিশুদের অস্থায়ী দাঁত বা দুধদাঁতের সংখ্যা ২০ টি, যেগুলো পড়ে গিয়ে পরবর্তীতে ১৮ বছরের মধ্যে উপরে ও নিচের চোয়ালে ১৪-১৬ টি করে মোট ২৮-৩২ টি পর্যন্ত স্থায়ী দাঁত ওঠে। 
- মানুষের স্থায়ী দাঁত চার ধরনের। 
যেমন- 
১। কর্তন দাঁত (Incisor): এই দাঁত দিয়ে খাবার কেটে টুকরা করা হয়। 
২। ছেদন দাঁত (Canine): এই দাঁত দিয়ে খাবার ছেঁড়া হয়। 
৩। অগ্রপেষণ দাঁত (Premolar): এই দাঁত দিয়ে চর্বণ, পেষণ উভয় কাজ করা হয়। 
৪। পেষণ দাঁত (Molar): এই দাঁত খাদ্যবস্তু চর্বণ ও পেষণে ব্যবহৃত হয়। 

- মাড়ির সবচেয়ে পেছনের বা শেষের দাঁত দুটোকে আক্কেল দাঁত বলা হয়। 
- প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ৮ টি কর্তন দাঁত, ৪ টি ছেদন দাঁত, ৮ টি অগ্রপেষণ দাঁত, ৮ টি পেষণ দাঁত এবং ০-৪ টি আক্কেল দাঁত থাকে। 
- প্রতিটি দাঁতের তিনটি অংশ থাকে। 
১। মুকুট: মাড়ির উপরের অংশ, 
২। মূল: মাড়ির ভিতরের অংশ এবং 
৩।  গ্রীবা: দাঁতের মধ্যবর্তী অংশ। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৬৭.
কোলাজেন হলো এক ধরণের -
  1. কার্বোহাইড্রেট
  2. প্রোটিন
  3. লিপিড
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
ব্যাখ্যা

কোলাজেন:
- কোলাজেন হলো শরীরের এক ধরণের প্রোটিন।
- এটি টিস্যু এবং কোষের কাঠামো বা কাঠামো গঠন করে।
- এটি ত্বক, হাড়, জয়েন্ট এবং অন্যান্য টিস্যুতে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে বিশেষকরে ত্বককে।

⇒ কোলাজেন আমাদের দেহে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়। এটি আঠার মতো কাজ করে যা সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে। এটি আমাদের ত্বক, হাড়, টেন্ডন, লিগামেন্ট এবং এমনকি আমাদের রক্তনালীতেও পাওয়া যায়। কোলাজেনকে একটি সহায়ক কাঠামো হিসেবে ভাবুন, যা শক্তি এবং স্থিতিস্থাপকতা প্রদান করে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমাদের দেহ কম কোলাজেন তৈরি করে, যার ফলে বলিরেখা, ঝুলে পড়া ত্বক, জয়েন্টে ব্যথা এবং দুর্বল হাড় দেখা দিতে পারে। এখানেই ভিটামিন সি কার্যকর হয়।

উৎস: Continental Hospitals ওয়েবসাইট।

১,১৬৮.
কোনাে মানুষ শূন্যে ভাসতে পারে না কিন্তু পানিতে ভাসতে পারে। কারণ-
  1. ক) পানির ঘনত্ব বায়ুর ঘনত্বের চেয়ে বেশি
  2. খ) বায়ুর উর্ধ্বমুখী বল পানির উর্ধ্বমুখী বল অপেক্ষা কম
  3. গ) অপসারিত বায়ুর ওজন অপসারিত পানির ওজনের চেয়ে কম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিসের সূত্র থেকে আমরা পাই পানিতে নিমজ্জিত কোন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরলের ওজন বস্তুর হারানো ওজনের সমান। এক্ষেত্রে পানি দ্বারা উপরের দিকে একটি ঊর্ধ্বমুখী বল কাজ করে।
১,১৬৯.
পটাশিয়ামের অভাবজনিত সমস্যা নয় কোনটি? 
  1. পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হওয়া 
  2. পাতা বেগুনি বর্ণের হয়ে যাওয়া
  3. পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হওয়া 
  4. উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হওয়া 
সঠিক উত্তর:
পাতা বেগুনি বর্ণের হয়ে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতা বেগুনি বর্ণের হয়ে যাওয়া
ব্যাখ্যা

• পটাশিয়াম: 
- পটাশিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়। 
- পাতার কিনারায় পুড়ে যাওয়া সদৃশ বাদামি রং দেখা যায় এবং পাতা কুঁকড়ে আসে। 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়। 

ফসফরাস: 
- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়। 
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে। 
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৭০.
অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম কোন অঞ্চলে?
  1. পৃথিবীর কেন্দ্রে
  2. মেরু অঞ্চলে
  3. বিষুবীয় অঞ্চলে
  4. পাহাড়ের উপরে
সঠিক উত্তর:
বিষুবীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ: 
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবে ভূ-পৃষ্ঠে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। 
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির জন্য বিষুব রেখা অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম এবং মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি। 
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে যত মেরু অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া যায় g -এর মান তত বাড়তে থাকে। 
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g-এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g-এর মানকে আদর্শ ধরা হয়। 
- এই মান হচ্ছে 9.80665 ms-2 । 
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2 । 

উৎস:
পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৭১.
কলেরা রোগের মূল কারণ কী?
  1. ভাইরাস
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ফাঙ্গাস
  4. প্রোটোজোয়া
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
• কলেরা (Cholera) একটি পানিবাহিত সংক্রামক রোগ, যার প্রধান লক্ষণ হলো অতিরিক্ত ডায়রিয়া এবং পানি শূন্যতা (dehydration)।

- এই রোগের কারণ হলো Vibrio cholerae নামক একটি ব্যাকটেরিয়া।
- এই ব্যাকটেরিয়া দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে এবং অন্ত্রে সংক্রমণ সৃষ্টি করে।

রোগের লক্ষণ- 
- হঠাৎ পানির মতো পাতলা ডায়রিয়া। 
- বমি
- শরীরের পানি ও লবণ ঘাটতি।
- চোখ বসে যাওয়া, দুর্বলতা, ও মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে যদি দ্রুত চিকিৎসা না হয়।

প্রতিকারের উপায়- 
- বিশুদ্ধ পানি পান করা। 
- সঠিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা।
- ভ্যাকসিন (Oral Cholera Vaccine – OCV) গ্রহণ। 
- ORS (Oral Rehydration Salts) দ্রুত প্রয়োগ। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ।
- World Health Organization (WHO).
১,১৭২.
সেলসিয়াস স্কেলে মৌলিক ব্যবধানকে সমান কতভাগে বিভক্ত করা হয়?
  1. 25 ভাগ
  2. 32 ভাগ
  3. 75 ভাগ
  4. 100 ভাগ
সঠিক উত্তর:
100 ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
100 ভাগ
ব্যাখ্যা
সেলসিয়াস স্কেল: 
- যে স্কেলে বরফ বিন্দুকে 0° এবং স্টিম বিন্দুকে 100° ধরে মধ্যবর্তী মৌলিক ব্যবধানকে 100 ভাগে ভাগ করা হয়েছে, সেই স্কেলকে সেলসিয়াস স্কেল বলে। 
- সেলসিয়াস স্কেলের এক এক ভাগকে এক ডিগ্রি সেলসিয়াস (1° C) বলা হয়। 
যেহেতু, সেলসিয়াস স্কেলে θice = 0° C, θsteam = 100° C এবং N = θsteam - θice = 100° C - 0° C =  100° C. 
সুতরাং, সেলসিয়াস স্কেলের জন্য সমীকরটির রূপ হলো - 
(θ - 0° C)/100° C = (Xθ - Xice)/(Xsteam - Xice
বা, θ = (Xθ - Xice)/(Xsteam - Xice) × 100° C. 
- সেলসিয়াস স্কেলে থার্মোমিটার দাগাঙ্কের জন্য এই সমীকরণ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
১,১৭৩.
CNG এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Compact Natural Gas
  2. খ) Composite Natural Gas
  3. গ) Compressed Natural Gas
  4. ঘ) Cold Neutral Gas
সঠিক উত্তর:
গ) Compressed Natural Gas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Compressed Natural Gas
ব্যাখ্যা
- CNG পূর্ণরুপ "Compressed Natural Gas"
- এটি এক ধরনের জ্বালানি যা যানবাহনে পেট্রোল (পেট্রোল) এবং ডিজেলের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সিএনজি মূলত মিথেন গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত, যা প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ থেকে আহরণ করা হয়।

সুবিধা: 
পরিবেশগত সুবিধা:
গ্যাসোলিন এবং ডিজেলের তুলনায় সিএনজিকে একটি পরিষ্কার জ্বালানী হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এটি কার্বন মনোক্সাইড (CO), নাইট্রোজেন অক্সাইড (NOx), এবং কণা পদার্থের মতো দূষকগুলির কম নির্গমন উৎপন্ন করে।

খরচ সঞ্চয়:
সিএনজি প্রায়শই পেট্রোল এবং ডিজেলের চেয়ে বেশি সাশ্রয়ী হয়, এটি  যানবাহন এবং পাবলিক পরিবহনের জন্য একটি আকর্ষণীয় বিকল্প।

অভ্যন্তরীণ প্রাপ্যতা:
অনেক দেশে উল্লেখযোগ্য প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুদ রয়েছে, যা শক্তি সুরক্ষায় অবদান রাখতে পারে এবং আমদানি করা পেট্রোলিয়ামের উপর নির্ভরতা হ্রাস করতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১,১৭৪.
হেপাটাইটিস 'বি' ভাইরাস শরীরের কোথায় আক্রমণ করে?
  1. যকৃৎ
  2. হৃদপিণ্ড
  3. অগ্ন্যাশয়
  4. ফুসফুস
সঠিক উত্তর:
যকৃৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃৎ
ব্যাখ্যা
• হেপাটাইটিস:
- হেপাটাইটিস লিভার বা যকৃৎ এর একটি প্রদাহ যা হেপাটাইটিসের ৫টি ভাইরাসের (এ, বি, সি, ডি এবং ই) মাধ্যমে ঘটে।
- দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে হেপাটাইটিসের বিভিন্ন ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে।
- হেপাটাইটিস লিভারের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কময়ে দিতে শুরু করে।
- হেপাটাইটিসের ভাইরাসগুলোর মধ্যে টাইপ-বি এবং সি মারাত্মক রূপ নেয় এবং লিভার সিরোসিস এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক আকার ধারণ করে।
- প্রাথমিক অবস্থায় তা চিকিৎসা না করলে গুরুতর হয়ে ওঠে এবং লিভার সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

উৎস: NIH ওয়েবসাইট।
১,১৭৫.
নিচের কোনটি শীতল রক্ত বিশিষ্ট প্রাণি?
  1. ক) ব্যাঙ
  2. খ) কুকুর
  3. গ) বানর
  4. ঘ) ভেড়া
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাঙ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যাঙ
ব্যাখ্যা
• যে প্রাণির শরীরের তাপমাত্রা পরিবেশের সাথে ওঠানামা করে তাকে শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণি বলে।
যেমন- ব্যাঙ একটি শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণি।

- শীতকালে শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণি নিষ্ক্রিয় জীবনযাপন করে। একে শীতনিদ্রা বলে।
- শীতনিদ্রায় যাওয়া প্রাণির বিপাক, শ্বসন, রক্ত সঞ্চালন অত্যন্ত নিম্ন পর্যায়ের থাকে। এ সময় এরা খাদ্য গ্রহণ না করে দেহে সঞ্চিত স্নেহ পদার্থ থেকে প্রয়োজনীয় শক্তি পেয়ে থাকে।

• যে সকল প্রাণির তাপমাত্রা পরিবেশের তাপমাত্রার তারতম্যের সাথে ওঠানামা করে না, তাদেরকে উষ্ণ রক্তবিশিষ্ট প্রাণি বলে।
যেমন- মানুষ, বানর, গরু, ছাগল, ভেড়া, বাদুড় ইত্যাদি প্রাণি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,১৭৬.
যে সব রক্তনালির মাধ্যমে রক্ত হৃদপিন্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বাহিত হয়, তাকে কী বলে?
  1. ক) ধমনি
  2. খ) শিরা
  3. গ) নেফ্রন
  4. ঘ) নিউরন
সঠিক উত্তর:
ক) ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধমনি
ব্যাখ্যা
ধমনি
- যে সব রক্তনালির মাধ্যমে রক্ত হৃদপিন্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বাহিত হয়, তাকে ধমনি বা আর্টারি বলে।
- ধমনির প্রাচীর পুরু এবং তিনটি স্তরে গঠিত।
- এদের গহ্বর ছোট।
- ধমনিতে কোনো কপাটিকা থাকে না।
- ধমনির স্পন্দন আছে।
- ধমনি দেহের বিভিন্ন অংশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শাখা-প্রশাখায় বিভক্ত হয়, এদের শাখা ধমনি বলে।
- ধমনি হৃদপিন্ড থেকে শুরু হয়ে কৈশিক জালিকায় শেষ হয়।
- ধমনির মাধ্যমে হৃদপিন্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অংশ অক্সিজেনযুক্ত রক্ত পরিবাহিত হয়।
- তবে ব্যতিক্রম হলো পালমোনারি ধমনি যা কার্বন ডাই-অক্সাইড যুক্ত রক্ত হৃদপিন্ড থেকে ফুসফুসে নিয়ে আসে এবং Umbilical CO2  যুক্ত রক্ত ভ্রূন থেকে মাতৃদেহে নিয়ে আসে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যাল
১,১৭৭.
‘লেদার ব্যাক’ হলো-
  1. ক) বিরল প্রজাতির কচ্ছপ
  2. খ) বিরল প্রজাতির পাখি
  3. গ) বিরল প্রজাতির হরিণ
  4. ঘ) বিরল প্রজাতির ডলফিন
সঠিক উত্তর:
ক) বিরল প্রজাতির কচ্ছপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিরল প্রজাতির কচ্ছপ
ব্যাখ্যা
The leatherback sea turtle (Dermochelys coriacea) inhabits pelagic (open ocean) environments. Apparently following the blooms of its jellyfish prey, it moves widely throughout the oceans. The shell lengths of few individuals exceed 1.6 metres (5 feet), although some reportedly reach 2.4 metres (8 feet). সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,১৭৮.
কোন ধরনের পদার্থ যেকোনো পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে?
  1. কঠিন
  2. তরল 
  3. বায়বীয় 
  4. পলিমার
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় 
ব্যাখ্যা

- বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট কোনো আকার বা আয়তন নেই, একে যে কোনো পাত্রে রাখলে এটি সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে নেয়। বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আকর্ষণ বল অত্যন্ত কম এবং গতিশক্তি অনেক বেশি থাকে, ফলে অণুগুলো সবদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং বদ্ধ পাত্রের পুরো জায়গা জুড়ে অবস্থান করে। 

পদার্থ: 
- যে বস্তুর নির্দিষ্ট ভর আছে এবং জায়গা দখল করে তাকে পদার্থ বলে। 
- কক্ষ তাপমাত্রায় কোনো কোনো পদার্থ কঠিন, তরল এবং বায়বীয় এই তিন অবস্থায় থাকতে পারে। 

কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট ভর, নির্দিষ্ট আকার এবং নির্দিষ্ট আয়তন থাকে। 
যেমন- ইট, কাঠ, পাথর, মোবাইল ফোন, শুষ্ক ব্যাটারি, বই, গ্লাস, প্লেট ইত্যাদি। 
- সব পদার্থের কণাগুলোর মধ্যেই এক ধরনের আকর্ষণ বল থাকে। একে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল বলা হয়। 
- কঠিন পদার্থের কণাগুলোর মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল সবচেয়ে অনেক বেশি। এ কারণে কঠিন পদার্থের কণাগুলো খুব কাছাকাছি এবং নির্দিষ্ট অবস্থানে থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের নির্দিষ্ট ভর ও নির্দিষ্ট আয়তন আছে কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। 
যেমন- দুধ, সরিষার তৈল, পানি, পারদ, কেরোসিন তৈল, সয়াবিন তৈল, তরল পানীয়, ফলের জুস, অ্যালকোহল ইত্যাদি। 
- তরল পদার্থকে যে পাত্রে রাখা হয় তরল পদার্থ সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। 
- তরলের কণাগুলো কঠিনের পদার্থের কণাগুলোর চেয়ে তুলনামূলকভাবে বেশি দূরত্বে থাকায় এদের মধ্যে আন্তঃকণা আকর্ষণ বল কঠিনের চেয়ে কম হয়। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় বা বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট ভর আছে কিন্তু নির্দিষ্ট আকার কিংবা নির্দিষ্ট আয়তন নেই। 
যেমন- অক্সিজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি। 
- যেকোনো পরিমাণ গ্যাসীয় পদার্থ যেকোনো আয়তনের পাত্রে রাখলে গ্যাসীয় পদার্থ সেই পাত্রের পুরো আয়তন দখল করে। 
- গ্যাসীয় পদার্থের কণাগুলো কঠিন ও তরলের চেয়ে বেশি দূরে দূরে অবস্থান করে বলে এদের আন্তঃকণা আকর্ষণ বল খুবই কম। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৭৯.
CNG-এর অর্থ-
  1. কার্বনমুক্ত নতুন পরিবেশ-বান্ধব তেল
  2. নতুন ধরনের ট্যাক্সি ক্যাব
  3. সীসামুক্ত পেট্রোল
  4. কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
সিএনজি: 
- সিএনজি (CNG) এর অর্থ কমপ্রেস করা প্রাকৃতিক গ্যাস। 
- সিএনজি এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Compressed Natural Gas. 
- প্রাকৃতিক গ্যাসকে অতি উচ্চ চাপে সংকুচিত করা হলে প্রাপ্ত নমুনাকে CNG বলে। 
- এটি পরিবেশ বান্ধব জ্বালানি। 
- বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ দূষণ রোধকল্পে যাবাহনসমূহকে সিএনজিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতে ২০০১ সালে সিএনজি থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮০.
নিচের কোনটির দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত?
  1. ক) মানুষ 
  2. খ) অ্যামিবা
  3. গ) তিমি মাছ 
  4. ঘ) বট গাছ
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যামিবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যামিবা
ব্যাখ্যা
- প্রতিটি জীবদেহ কোষ দিয়ে তৈরি। একটিমাত্র কোষ দিয়ে প্রতিটি জীবের জীবন শুরু হয়। বিভাজনের মাধ্যমে কোষের সংখ্যাবৃদ্ধি জীবদেহের একটি স্বাভাবিক এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ  বৈশিষ্ট্য।


- কোনো কোনো জীবের দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত, এদের বলা হয় এককোষী (unicellular) জীব। যেমন: ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা, প্লাজমোডিয়াম ইত্যাদি। এককোষী জীব বিভাজনের মাধ্যমেই একটি থেকে অসংখ্য এককোষী জীব উৎপন্ন করে।


- আবার অনেক জীব একাধিক কোষ দিয়ে গঠিত, এদের বলা হয় বহুকোষী (multicellular) জীব। যেমন: মানুষ, বট গাছ, তিমি মাছ ইত্যাদি জীব কোটি কোটি কোষ দিয়ে গঠিত।


- এককোষী নিষিক্ত ডিম্বাণু থেকে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একসময় কোটি কোটি কোষের একটি পরিণত মানুষের সৃষ্টি হয়। আবার কোষ বিভাজনের মাধ্যমেই পুং ও স্ত্রী গ্যামেট সৃষ্টি হয়ে নতুন প্রজন্মের জন্ম হয়।


- জীবের বৃদ্ধি ও প্রজননের উদ্দেশ্যে কোষ বিভাজনের (cell division) মাধ্যমে কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটে থাকে।


উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,১৮১.
নিচের কোনটি ওজোন স্তরের ক্ষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. প্যারিস চুক্তি
  2. কিটো প্রটোকল
  3. কারটেজেনা প্রটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি:
- জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC) এর মধ্যে প্যারিস চুক্তি ২০১৫ সালে সম্পাদিত একটি ভলান্টারি চুক্তি।
- এই চুক্তিতে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ প্রশমনে, জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন এর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- ২০২০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত বিশ্বের ১৯২ টি সদস্য রাষ্ট্র এই চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

কিটো প্রটোকল:
- জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত ইউনাইটেড নেশনস্ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (United Nations Framework Convention) কিটো প্রটোকল নামে পরিচিত।

কারটেজেনা প্রটোকল:
বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি সম্পর্কিত জীববৈচিত্র্য কনভেনশন (Bio-diversity Convention) কারটেজেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol) নামে পরিচিত।

মন্ট্রিল প্রটোকল:
মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোন স্তরের ক্ষয় (Montreal Protocol: Ozone layer Depletion) নিয়ে আলোচনা ছিল মূখ্য আলোচ্য বিষয়।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৮২.
পানির স্রোতে আছে-
  1. গতি শক্তি
  2. বিভব শক্তি
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• জলবিদ্যুৎ:
- পানি হলো নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস।
- পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়।
- পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়। একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।
- নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় জলরাশিতে জমা হয় স্থিতিশক্তি, কিন্তু যে শক্তি কাজে লাগানাে হয় তা হলাে গতিশক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাাদন পৃথিবীতে খুবই জনপ্রিয়।
- বাংলাদেশে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৮৩.
রিকেটস রোগে প্রধানত কারা আক্রান্ত হয়?
  1. ক) বৃদ্ধ
  2. খ) শিশু
  3. গ) যুবক-যুবতী
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) শিশু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শিশু
ব্যাখ্যা
রিকেটস রোগে প্রধানত শিশুরা আক্রান্ত হয়ে থাকে। 

ভিটামিন-ডি এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়ে থাকে। 

রিকেটসের মূল কারণগুলো হলো-
১. অপর্যাপ্ত সূর্যালোক।
২. অপর্যাপ্ত ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ খাবার।
৩. ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস- এ দুটো খনিজ লবণের অভাব।
৪. দেহে স্নেহ পদার্থের অভাব- কেননা স্নেহ পদার্থেই ভিটামিন-ডি দ্রবীভূত হয়। স্নেহ পদার্থের অভাবে ভিটামিন-ডি পর্যাপ্ত পরিমাণে শোষিত হতে পারে না এবং দেহের কাজে লাগে না।
এ ছাড়া যকৃত ও কিডনির রোগ এবং খিঁচুনি নিরোধক ওষুধের কারণেও দেহে ভিটামিন-ডি’র অভাব দেখা দিতে পারে।

সূত্র: National Institutes of Health Website. 
১,১৮৪.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কোন মহিলা টেস্টটিউব শিশুর মা হন?
  1. ক) পারভীন ফাতেমা
  2. খ) ফিরোজা বেগম
  3. গ) রওশন জাহান
  4. ঘ) কানিজ ফাতেমা
সঠিক উত্তর:
খ) ফিরোজা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিরোজা বেগম
ব্যাখ্যা
- টেস্ট টিউব বেবি নেয়া হয় মূলত আইভিএফ চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে। ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন পদ্ধতির সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে আইভিএফ।
- এ পদ্ধতিতে স্ত্রীর পরিণত ডিম্বাণু ল্যাপারেস্কোপিক পদ্ধতিতে অত্যন্ত সন্তর্পণে বের করে আনা হয়। পরে প্রক্রিয়াজাতকরণের পর ল্যাবে সংরক্ষণ করা হয়। 
- এছাড়া একই পদ্ধতিতে স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়। পরে ল্যাবে বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয় সবচেয়ে ভালো জাতের একঝাঁক শুক্রাণু।
- ইনকিউবেটরের মধ্যে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পরই বোঝা যায় নিষিক্তকরণের পর ভ্রূণ সৃষ্টির সফলতা সম্পর্কে। ভ্রূণ সৃষ্টির পর সেটিকে একটি বিশেষ নলের মাধ্যমে জরায়ুতে সংস্থাপনের জন্য পাঠানো হয়।

- বাংলাদেশে প্রথম টেস্ট টিউব বেবির জন্ম হয় ২০০১ সালের ২৯ মে ঢাকার একটি ক্লিনিকে।
- দেশের প্রথম টেস্ট টিউব বেবির মা ফিরোজা বেগম (৩৩) ও বাবা আবু হানিফ তাঁদের বিবাহিত জীবনের ১৬ বছর পর এই টেস্ট টিউব বেবি পদ্ধতিতে একসঙ্গে তিন কন্যাসন্তান লাভ করেন।
উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম টেস্ট টিউব বেবি লুইস ব্রাউনের জন্ম হয় ১৯৭৮ সালের ১১ নভেম্বর ইংল্যান্ডে।

সূত্র: প্রথম আলো ও এনটিভি রিপোর্ট।
১,১৮৫.
'The Grand Design' বইটির লেখক কে?
  1. জামাল নজরুল ইসলাম
  2. জি. লেমেটার
  3. টমাস মুর
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা
স্টিফেন হকিং:
- যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত পদার্থবিদ ও গণিতজ্ঞ স্টিফেন হকিং।
- তিনি মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন‌।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত কয়েকটি গ্রন্থ:
A brief history of time,
The Universe in a Nutshell,
The grand design.

উৎস: Physics today &  Encyclopaedia Britannica.
১,১৮৬.
সমুদ্র তলদেশের গভীরতা নির্ণয়ের জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়? 
  1. ব্যারোমিটার 
  2. ফ্যাদোমিটার 
  3. টেলিস্কোপ 
  4. সিসমোমিটার
সঠিক উত্তর:
ফ্যাদোমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যাদোমিটার 
ব্যাখ্যা

সমুদ্র তলদেশের ভূমিরূপ: 
- সাগর, মহাসাগরের পানিরাশির উপরিভাগ সমতল দেখা গেলেও সমুদ্র তলদেশের ভূমিরূপ সমতল নয়। 
- স্থলভাগ যেমন বন্ধুর প্রকৃতির অর্থাৎ কোথাও সমভূমি, কোথাও মালভূমি, কোথাও সুউচ্চ পর্বতশৃঙ্গ, আবার কোথাও গভীর খাত, সমুদ্র তলদেশের ভূমির প্রকৃতিও তেমন বন্ধুর। বরং স্থলভাগের তুলনায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে সমুদ্রের তলদেশ অধিক বন্ধুর প্রকৃতির। 
- সমুদ্র তলদেশে অসংখ্য পাহাড়, পর্বত, আগ্নেয়গিরি, মালভূমি, পর্বতচূড়া এবং সুগভীর খাত বর্তমান। 
- অতীতে জাহাজ হতে শিকল বা শক্ত তারের মাথায় ভারী জিনিস বেঁধে সমুদ্রের মধ্যে নিক্ষেপ করে সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ করা হতো। 
- বর্তমানে অন্যান্য পদ্ধতিসহ শব্দ তরঙ্গের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়। 
- শব্দ তরঙ্গ প্রতি সেকেন্ডে পানির মধ্য দিয়ে প্রায় ১,৪৭৫ মিটার গিয়ে আবার ফিরে আসে, আর এভাবেই সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ করা হয়। 
- সমুদ্রের গভীরতা সাধারণত ফ্যাদমে (এক ফ্যাদম সমান ছয় ফুট) পরিমাপ করা হয়। 
- সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার। 

অন্যদিকে, 
- টেলিস্কোপ (Telescope) মূলত দূরের বস্তু পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- সিসমোমিটার (Seismometer) ভূমিকম্প বা কম্পনের মাত্রা পরিমাপ করার যন্ত্র। 
- ব্যারোমিটার (Barometer) বায়ুর চাপ পরিমাপের যন্ত্র। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

১,১৮৭.
১ নটিক্যাল মাইল = কত কিলোমিটার?
  1. ক) ০.৬২১ কিলোমিটার
  2. খ) ১.৮৫২ কিলোমিটার
  3. গ) ১.৪৭২ কিলোমিটার
  4. ঘ) ২.২৫৪ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৮৫২ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৮৫২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ভূ-খন্ডগত বিস্তৃতি বা আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে বাংলাদেশের বিস্তৃতি প্রায় ৪৪০ কিলোমিটার এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কিলোমিটার।
-  এদেশের মোট সীমারেখা ৪,৭১২ কিলোমিটার।
- এর মধ্যে ভারতের সাথে ৩,৭১৫ কিলোমিটার এবং মিয়ানমারের সাথে ২৮১ কিলোমিটার এবং দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার এবং অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার। - ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,১৮৮.
সূর্য ব্যতীত পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র কোনটি?
  1. ক) মঙ্গল
  2. খ) সিরিয়াস
  3. গ) উলফ ৩৫৯
  4. ঘ) প্রক্সিমা সেন্টারাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রক্সিমা সেন্টারাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রক্সিমা সেন্টারাই
ব্যাখ্যা

- প্রক্সিমা সেন্টারাই হলো সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র।
- পৃথিবী থেকে এটির দূরত্ব ৪.২ কোটি আলোকবর্ষ।
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো রয়েছে তাদের নক্ষত্র বলা হয়। সূর্য এরূপ একটি নক্ষত্র।
- অর্থাৎ সূর্য ব্যতীত পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)

১,১৮৯.
NaOH কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) চুন প্রস্তুতিতে
  2. খ) প্রসাধনী হিসেবে
  3. গ) আতশবাজি হিসেবে
  4. ঘ) টয়লেট ক্লিনার হিসেবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) টয়লেট ক্লিনার হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টয়লেট ক্লিনার হিসেবে
ব্যাখ্যা
- যেসব ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত হয় তাদের বলে ক্ষার।
- NaOH, KOH, Ca(OH)2, NH4OH এরা সবাই ক্ষার। এদের কিন্তু ক্ষারকও বলা হয়।
- কোনো ক্ষারক একটি এসিডকে প্রশমন করলে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়।
- বাসাবাড়িতে পরিচ্ছন্নতা কাজে ক্ষারজাতীয় পদার্থের বেশ ব্যবহার আছে। যেমন: NaOH টয়লেট ক্লিনার হিসেবে, NH4OH কাচ পরিষ্কারক হিসেবে, Ca(OH)2 দেওয়াল চুনকাম করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির রসায়ন বই।
১,১৯০.
চুম্বকের চারপাশে যে অঞ্চলে চৌম্বক বল অনুভূত হয় তাকে কী বলে?
  1. চুম্বক শক্তি
  2. চৌম্বক প্রবাহ
  3. চৌম্বক ক্ষেত্র
  4. চৌম্বক বল
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক ক্ষেত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌম্বক ক্ষেত্র
ব্যাখ্যা

◉ চুম্বকের চারপাশে যে অঞ্চলে চৌম্বক বল অনুভূত হয় তাকে বলা হয় চৌম্বক ক্ষেত্র

চৌম্বক ক্ষেত্র:
- কোনো তড়িৎবাহী তারের চতুর্দিকে যে অঞ্চল জুড়ে একটি চৌম্বক শলাকা বিক্ষেপ দেখায় তাকে ঐ তড়িৎবাহী তারের চৌম্বক ক্ষেত্র বলে।
- লম্বা সোজা পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহিত করা হলে এর চারদিকে যে চৌম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়, তা চুম্বক শলাকার সাহায্যে চৌম্বক ক্ষেত্র রেখা (বা চৌম্বক আবেশ রেখা) অঙ্কিত করে দেখানো যায়। রেখাগুলিকে চৌম্বক বলরেখাও বলা হয়ে থাকে।
- লম্বা সোজা পরিবাহীর জন্য কোনো বিন্দুতে চৌম্বক ক্ষেত্রের মান (১) পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহের সমানুপাতিক এবং (২) বিন্দু থেকে পরিবাহীর দূরত্বের ব্যস্তানুপাতিক।

- এটি একটি অদৃশ্য বল ক্ষেত্র, যা চুম্বকের চারপাশে বিস্তৃত থাকে।
- যখন কোনো চৌম্বকীয় বস্তু বা চার্জযুক্ত কণা এই অঞ্চলে প্রবেশ করে, তখন এটি চৌম্বক বলের প্রভাব অনুভব করে।
- চৌম্বক ক্ষেত্রের দিক নির্ধারণ করা হয় উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরুর দিকে।
- টেসলা হচ্ছে চৌম্বক ক্ষেত্রের এস.আই একক।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৯১.
অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে শ্বসন প্রক্রিয়াকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ২
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
গ) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২
ব্যাখ্যা

অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে শ্বসন প্রক্রিয়াকে দুভাগে ভাগ করা হয়−
যথাঃ
ক) সবাত শ্বসন বা বায়বীয় শ্বসন (aerobic respiration) ও
খ) অবাত শ্বসন, অবায়বীয় শ্বসন (anaerobic respiration)।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৯২.
রাশিয়ার তৈরী করোনা টিকা নিচের কোনটি?
  1. স্পুটনিক টু
  2. স্পুটনিক থ্রী
  3. স্পুটনিক ফোর
  4. স্পুটনিক ফাইভ
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক ফাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক ফাইভ
ব্যাখ্যা
স্পুটনিক-ফাইভ টিকা:

- রাশিয়া 'স্পুটনিক ফাইভ বা স্পুটনিক ভি' করোনা টিকা আবিষ্কার করে।
- ২০২০ সালের ১১ই আগস্ট রাশিয়া টিকা আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়।
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে এবং কোনরকম তথ্য প্রকাশ না করেই অগাস্ট মাসে স্থানীয়ভাবে ব্যবহারের জন্য টিকার লাইসেন্স দেয় রাশিয়া।
- এই টিকা দুই থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াস (সবচেয়ে ভালো ৩-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় রাখা যায়। ফলে এটি পরিবহন ও সংরক্ষণ করা সহজ।
- ফাইজার, অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মর্ডানার মতো টিকাগুলোর মতো এটিও করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সক্ষমতার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ২৭ এপ্রিল ২০২১।
১,১৯৩.
ভাইরাস কোন ধরনের গঠনবিশিষ্ট? 
  1. এককোষী
  2. অকোষীয়
  3. বহু কোষী
  4. জনন কোষী
সঠিক উত্তর:
অকোষীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অকোষীয়
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের জড় বৈশিষ্ট্য: 
ভাইরাস হচ্ছে অকোষীয়। 
• এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, রাইবোসোম, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস ইত্যাদি থাকে না। 
• এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
• এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
• ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
• জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

ভাইরাসের জীব বৈশিষ্ট্য: 
• ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
• পোষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
• এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
• ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
• নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 
• ভাইরাস সুনির্দিষ্টভাবে বাধ্যতামূলক পরজীবী। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৯৪.
পৃথিবীতে আগত সৌর শক্তির কত শতাংশ বায়ুমণ্ডলে প্রতিফলিত হয়?
  1. ক) ৭১ শতাংশ
  2. খ) ২৩ শতাংশ
  3. গ) ৪৮ শতাংশ
  4. ঘ) ২৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৯ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
আগত সৌর শক্তির প্রায় ২৩ শতাংশ বায়ুমণ্ডলে থাকা জলীয় বাষ্প, ধূলিকণা এবং ওজোন শোষণ করে নেয়  এবং 
৪৮ শতাংশ বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে যায় এবং ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে। 
অর্থাৎ, মোট আগত সৌর শক্তির প্রায় ৭১ শতাংশ পৃথিবী সিস্টেম দ্বারা শোষিত হয়। 
বাকি ২৯ শতাংশ বায়ুমণ্ডলে প্রতিফলিত হয়ে মহাকাশে ফিরে যায়। 



উৎস: নাসা ওয়েবসাইট
১,১৯৫.
অভিকর্ষজ ত্বরণ কী কারণে ঘটে? 
  1. তড়িৎ বলের কারণে
  2. অভিকর্ষ বলের কারণে
  3. চৌম্বক বলের কারণে
  4. নিউট্রন বলের কারণে
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বলের কারণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বলের কারণে
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ: 
- বল প্রয়োগ করলে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তন হয়। 
- সময়ের সাথে যে হারে বেগ বৃদ্ধি পায় তাকে ত্বরণ বলে। 
- অভিকর্ষ বলের প্রভাবেও বস্তুর ত্বরণ হয়, এ ত্বরণকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বা মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ বলা হয়। 
- যেহেতু বেগ বৃদ্ধির হারকে ত্বরণ বলে, সুতরাং অভিকর্ষ বলের প্রভাবে কোনো স্থানে মুক্তভাবে পড়ন্ত কোনো বস্তুর বেগ বৃদ্ধির হারকে অভিকর্ষজ ত্বরণ বলে। 
- অভিকর্ষজ ত্বরণকে g দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- যেহেতু অভিকর্ষজ ত্বরণ এক প্রকার ত্বরণ, সুতরাং এর একক হবে ত্বরণের একক অর্থাৎ মিটার/সেকেন্ড । 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,১৯৬.
ডারউইনবাদ কিসের ওপর ভিত্তি করে গঠিত?
  1. অভিযোজন নির্বাচন
  2. পরিবেশগত চাপ
  3. প্রাকৃতিক নির্বাচন
  4. জীন পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক নির্বাচন
ব্যাখ্যা
ডারউইনবাদ প্রাকৃতিক নির্বাচনের ওপর ভিত্তি করে গঠিত।

• ডারউইনবাদ বা ডারউইনের তত্ত্ব:
- ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন জীববিজ্ঞান তথা সমগ্র বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি বৈপ্লবিক চিন্তাধারার সৃষ্টি করেন।
- বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন (Charles Robert Darwin, 1809-1882) ইংল্যান্ডের স্রাসবেরি শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ পরিভ্রমণকালে তিনি ঐ অঞ্চলের উদ্ভিদ এবং প্রাণিকুলের বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য দেখে বিশেষভাবে আকৃষ্ট হন এরপর সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে 1837 খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডে প্রত্যাবর্তনের প্রায় 20 বছর পরে 1859 খ্রিষ্টাব্দে 'প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা প্রজাতির উদ্ভব' (Origin of Species by Means of Natural Selection) নামক বইয়ে তাঁর মতবাদটি প্রকাশ করেন।
- ডারউইনের তত্ত্বটি বিবর্তন তত্ত্ব নামে প্রচলিত হলেও তিনি প্রকৃতপক্ষে জৈব অভিব্যক্তি তথা বিবর্তনের আবিষ্কারক নন।
- ডারউইনের সাফল্য ছিল, জৈব অভিব্যক্তির কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত সংখ্যক -বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে একটি প্রক্রিয়ার (mechanism) ধারণা প্রতিষ্ঠা করা, যা জৈব অভিব্যক্তির যাবতীয় বিষয় ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- জৈব অভিব্যক্তির কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক নির্বাচনকে উল্লেখ করে আরও একজন সমসাময়িক ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী, আলফ্রেড ওয়ালেস (Alfred Russel Wallace, 1823-1913), একই সময়ে কিন্তু স্বাধীনভাবে অনুরূপ তত্ত্ব প্রণয়ন করেন।
- তবে বিভিন্ন ঐতিহাসিক কারণে তাঁর চেয়ে ডারউইনের নামেই তত্ত্বটি অধিক প্রচলিত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৯৭.
চাঁদে বা অন্য কোনো গ্রহে নিলে বস্তুর কী পরিবর্তন ঘটবে?
  1. বস্তুর ভর একই থাকবে, ওজন বদলাবে
  2. বস্তুর ওজন একই থাকবে, ভর বদলাবে
  3. বস্তুর ওজন ও ভর দুটিই বদলাবে
  4. বস্তুর ভর ও ওজন কোনোটিই বদলাবে না
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ভর একই থাকবে, ওজন বদলাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তুর ভর একই থাকবে, ওজন বদলাবে
ব্যাখ্যা
- চাঁদে বা অন্য কোনো গ্রহে নিলে বস্তুর ভর একই থাকবে, ওজন বদলাবে। 

- বস্তুর ওজন বস্তুটির ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফলের সমান। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে যতই উপড়ে ওঠা হয় ততই g এর মান কমে। 
- কিন্তু বস্তুর ভর মৌলিক বৈশিষ্ট্য, এটি বাড়ে না বা কমে না। 
সুতরাং একই বস্তুর ভর ও অভিকর্ষজ ত্বরণ g-এর গুণফল তথা ওজন ভূপৃষ্ঠের উপরের দিকে কমে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,১৯৮.
খাদ্যের শক্তি পরিমাপের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থা মূলত কোন একক ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়? 
  1. ক্যালরি 
  2. কিলোওয়াট 
  3. কিলোক্যালরি 
  4. কিলোজুল 
সঠিক উত্তর:
কিলোজুল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিলোজুল 
ব্যাখ্যা

খাদ্য শক্তি পরিমাপের একক: 
- শক্তির বিভিন্ন রূপ রয়েছে। 
- পুষ্টি উপাদান থেকে নির্গত শক্তি হচ্ছে তাপ শক্তি। 
- তাপ শক্তির একক হচ্ছে ক্যালরি। 
- পদার্থবিজ্ঞানের হিসেবে এক কিলোগ্রাম (1000 গ্রাম) পানির উষ্ণতা 1 ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বৃদ্ধি করতে 1000 ক্যালরি বা 1 কিলোক্যালরি তাপের প্রয়োজন হয়। 
- পুষ্টিবিদেরা খাদ্যের শক্তি বোঝানোর জন্যেও "ক্যালরি” শব্দটি ব্যবহার করে থাকেন, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে খাদ্যের ক্যালরি আসলে কিলোক্যালরি। 
উল্লেখ্য, বিভ্রান্তি এড়াতে এখানে খাদ্য শক্তি বোঝানোর জন্য খাদ্য ক্যালরি অথবা কিলোক্যালরি শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। 
- আন্তর্জাতিক সংস্থার মতে, খাদ্যের শক্তিমূল্য প্রকাশের ক্ষেত্রে খাদ্য ক্যালরি কিংবা কিলোক্যালরির পরিবর্তে কিলোজুল একক ব্যবহার করা উচিত। 
এক্ষেত্রে, 1 খাদ্য ক্যালরি = 1 কিলোক্যালরি = 4.2 কিলোজুল (প্রায়)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৯৯.
বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. তড়িৎ শক্তিতে
  2. শব্দ শক্তিতে
  3. তাপ শক্তিতে
  4. আলোক শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তিতে
ব্যাখ্যা
বায়ু শক্তি: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়। 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে বায়ুকল বলে। 
- বায়ু প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে প্রাচীনকালের মানুষেরা কুয়া থেকে পানি তোলা, জাহাজ চালানো ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতো। 
- নৌকায় পাল তুলে আজও বায়ু শক্তিকে কাজে লাগানো হয়। 
- বর্তমানে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বায়ু কল কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২০০.
শ্বসনে উৎপন্ন রাসায়নিক শক্তি কোন রূপে সংরক্ষিত হয়? 
  1. গ্লুকোজ
  2. প্রোটিন
  3. এটিপি
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
এটিপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটিপি
ব্যাখ্যা
শ্বসন: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহের কোষে অবস্থিত জটিল যৌগিক খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে সরল দ্রব্যে পরিণত হয় এবং শক্তি উৎপন্ন করে তাকে শ্বসন (respiration) বলে। 
- শ্বসনের সময় খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়। 
- শ্বসন প্রতিটি সজীব কোষে দিন ও রাতের সবসময় ঘটে। 
- কোষের সাইটোপ্লাজম বা সাইটোসল (cytosol) এবং কোষস্থ মাইটোকন্ড্রিয়া নামক অঙ্গানুতে সবাত শ্বসন হয়। 
- অবাত শ্বসন হয় সাইটোপ্লাজমে। 
- সবাত ও অবাত শ্বসনে খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে যে রাসায়নিক শক্তি উৎপাদন করে তা কোষের বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করার জন্যে প্রধানত এটিপি (ATP) হিসাবে তৈরি ও পরবর্তীতে ব্যবহৃত হয়। সেজন্য এটিপি (ATP) কে জৈবনিক মুদ্রা বা biological coin বলা হয়। 
- সবাত শ্বসনের এক অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণ জারনের সর্বশেষ ধাপ কোষের মাইটোকন্ড্রিয়াতে হয় এবং অন্যান্য উচ্চশক্তিসম্পন্ন রাসায়নিক পদার্থ এটিপি (ATP) তে রূপান্তরিত হয় এবং সেজন্য মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বা powerhouse of a cell বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।