বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১১ / ১৪০ · ১,০০১১,১০০ / ১৪,০৮০

১,০০১.
ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত সমস্যা কোনটি?
  1. এটির অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয়
  2. এটির অভাবে রিকেটস রোগ হয়
  3. এটির অভাবে রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম: 
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। 
- রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে। 

- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাধঁকপি এবং ফল। 
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি। 
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। 
- এ ছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। 
- এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০০২.
শক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র অনুসারে নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায়
  2. শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না
  3. শক্তিকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর করা যায়
  4. শক্তির রূপান্তরে মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হয় না
সঠিক উত্তর:
শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায়
ব্যাখ্যা
শক্তির সংরক্ষণশীলতা সূত্র: 
- শক্তির নিত্যতার বিধি অনুসারে শক্তিকে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না
- শক্তিকে এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় রূপান্তর করা যায় মাত্র
- পৃথিবীর মোট শক্তির পরিমানগত কোন পরিবর্তন হয় না।
- প্রকৃতপক্ষে নতুন কোনো শক্তি সৃষ্টি করা যায় না বা শক্তি ধ্বংসও করা যায় না।
- এ বিশ্ব সৃষ্টির মুহূর্তে যে পরিমাণ শক্তি ছিল মহাবিশ্বে আজও সেই পরিমাণ শক্তি রয়েছে।
- এই শক্তি একটু বাড়েওনি বা কমেওনি, এটাই শক্তির অবিনশ্বরতা বা নিত্যতা বা সংরক্ষণশীলতা। 

- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে।
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে।
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না
- এক রূপের শক্তিকে রুপান্তর করে যখন অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০৩.
সূর্যের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা প্রায় কত ডিগ্রি সেলসিয়াস? 
  1. ৭৫০০° সেলসিয়াস
  2. ৬০০০° সেলসিয়াস
  3. ৩০০০° সেলসিয়াস
  4. ৪৫০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৬০০০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

সূর্য (Sun): 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- সূর্যের পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস। 
- এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড। 
- হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের। 
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০০৪.
টেলিফোন লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়-
  1. তড়িৎ শক্তি
  2. চৌম্বক শক্তি
  3. শব্দ শক্তি
  4. আলোক শক্তি
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ শক্তি
ব্যাখ্যা
• তড়িৎশক্তি (বা বিদ্যুৎ শক্তি) মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
- মোবাইল টেলিফোন সিস্টেমে, আমাদের কথাবার্তা (শব্দ সিগন্যাল) প্রথমে বিদ্যুৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত হয় এবং তারপর এই বিদ্যুৎ সিগন্যাল ওয়্যারলেস মাধ্যমে রেডিও তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- টেলিফোনের লাইনের মধ্যে (যেমন ল্যান্ডলাইন) সরাসরি বিদ্যুৎ সিগন্যাল প্রবাহিত হয়।

মোবাইল টেলিফোনের সিস্টেমে যে তড়িৎশক্তি প্রবাহিত হয়, তার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নিম্নরূপ:

১. ভয়েস টু ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যাল রূপান্তর:
- যখন আপনি মোবাইল ফোনে কথা বলেন, তখন আপনার কণ্ঠস্বর (শব্দ তরঙ্গ) মোবাইলের মাইক্রোফোনে পড়ে। মাইক্রোফোন এই শব্দ তরঙ্গকে তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।

২. অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল রূপান্তর:
- এই তড়িৎ সিগন্যাল প্রথমে অ্যানালগ ফরম্যাটে থাকে। ফোনের ভেতরে ADC (Analog-to-Digital Converter) এই অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে (বাইনারি কোড - 0 এবং 1 এর সিরিজ) রূপান্তরিত করে।

৩. ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং:
- এই ডিজিটাল সিগন্যাল এরপর প্রসেস হয় - এর মধ্যে কম্প্রেশন (ডাটা সাইজ কমানো), এনক্রিপশন (সুরক্ষার জন্য), এবং সিগন্যাল এনহ্যান্সমেন্ট (শব্দের মান উন্নত করা) অন্তর্ভুক্ত।

৪. রেডিও তরঙ্গে রূপান্তর:
- এই প্রক্রিয়াকৃত ডিজিটাল সিগন্যাল পরে মোবাইলের ট্রান্সমিটার দ্বারা রেডিও তরঙ্গে (বিদ্যুতচুম্বকীয় তরঙ্গ) রূপান্তরিত হয়, যা মোবাইল টাওয়ারে প্রেরিত হয়।

৫. সিগন্যাল ট্রান্সমিশন:
- মোবাইল টাওয়ার এই রেডিও তরঙ্গ গ্রহণ করে এবং তারপর তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- এই তড়িৎ সিগন্যাল টেলিকম নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রবাহিত হয় - যা ফাইবার অপটিক কেবল, কপার কেবল বা মাইক্রোওয়েভ লিংকের মাধ্যমে হতে পারে।
- নেটওয়ার্কের মধ্যে, সিগন্যাল মোবাইল স্যুইচিং সেন্টার (MSC) দ্বারা প্রক্রিয়াকৃত হয়, যেখানে সিগন্যাল রাউটিং ও প্রসেসিং হয়।

৬. প্রাপকের দিকে:
- প্রাপকের নিকটবর্তী মোবাইল টাওয়ার থেকে আবার রেডিও তরঙ্গ হিসেবে সিগন্যাল প্রেরিত হয়।
- প্রাপকের মোবাইল ফোন এই রেডিও তরঙ্গ গ্রহণ করে এবং আবার তড়িৎ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে।
- ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ রূপান্তরের পর, স্পিকারের মাধ্যমে এই তড়িৎ সিগন্যাল আবার শব্দে পরিণত হয়।
- তাই, সমগ্র প্রক্রিয়াটিতে শব্দ→তড়িৎ→রেডিও তরঙ্গ→তড়িৎ→রেডিও তরঙ্গ→তড়িৎ→শব্দ এই রূপান্তর চক্র চলে।
- যদিও রেডিও তরঙ্গ ওয়্যারলেস মাধ্যমে প্রবাহিত হয়, তবুও নেটওয়ার্কের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে সিগন্যাল তড়িৎশক্তি হিসেবেই প্রবাহিত হয়।
১,০০৫.
পানিতে সালোকসংশ্লেষণের হার কত শতাংশ?
  1. ক) ০.০৩
  2. খ) ০.০০৩
  3. গ) ০.৩
  4. ঘ) ০.০০৩৩%
সঠিক উত্তর:
গ) ০.৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ০.৩
ব্যাখ্যা

- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- স্থলজ সবুজ উদ্ভিদ মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পানি শোষণ করে পাতার মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টের পৌছায় এবং স্ট্রোমা বা পত্ররন্ধের মাধ্যমে বায়ু থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে, যা মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টে পৌঁছে।
- জলজ উদ্ভিদ পানিতে দ্রবীভূত কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে।
- বায়ুমন্ডলে ০.০৩% এবং পানিতে ০.৩% কার্বন ডাই অক্সাইড আছে, তাই জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০০৬.
এক পরমাণু পুরুত্ববিশিষ্ট গ্রাফাইটের স্তরকে বলে -
  1. ক) গ্রাফিন
  2. খ) হীরক 
  3. গ) চারকোল 
  4. ঘ) ফুলারিন
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রাফিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রাফিন
ব্যাখ্যা
এক পরমাণু পুরুত্ববিশিষ্ট গ্রাফাইটের স্তরকে গ্রাফিন বলে।
এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা অত্যন্ত বেশি। বিভিন্ন গ্রেডের উড পেন্সিলের “সীস” হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও সোডিয়াম ধাতুর নিষ্কাশনে গ্রাফাইট এনোড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
১,০০৭.
গ্যালভানিক কোষের অ্যানোডে কোন বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়?
  1. ক) জারন
  2. খ) বিজারণ
  3. গ) প্রশমন
  4. ঘ) বিয়োজন
সঠিক উত্তর:
ক) জারন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জারন
ব্যাখ্যা

• গ্যালভানিক কোষ (Galvanic Cell)

সংজ্ঞা: এটি একটি স্বতঃস্ফূর্ত বৈদ্যুতিক উৎস। অর্থাৎ প্রতিক্রিয়াটি নিজে থেকেই সংঘটিত হয় এবং বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপন্ন করে।

অ্যানোড:
এটি ঋণাত্মক হয়।
এখানে জারণ (Oxidation) বিক্রিয়া সংঘটিত হয়।
ক্যাথোড:
এটি ধনাত্মক হয়।
এখানে বিজারণ (Reduction) বিক্রিয়া সংঘটিত হয়।

• ইলেকট্রোলাইটিক কোষ (Electrolytic Cell)

সংজ্ঞা: এটি একটি অ-স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়ায় বৈদ্যুতিক শক্তি ব্যবহার করে রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটায়।

অ্যানোড:
- এখানে বিজারণ (Reduction) নয়, বরং জারণ (Oxidation) প্রতিক্রিয়া সংঘটিত হয়।

ক্যাথোড:
- এখানে বিজারণ (Reduction) ঘটে।

১,০০৮.
ওজোন স্তর ক্ষয়কারী প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. ক্লোরোফ্লুরোকার্বন
  3. মিথেন
  4. নাইট্রোজেন অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফ্লুরোকার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফ্লুরোকার্বন
ব্যাখ্যা
• ওজোন স্তর ক্ষয়কারী প্রধান উপাদান হলো CFC বা ক্লোরোফ্লুরোকার্বন। 

• ওজোন স্তর:

- ওজোন স্তর হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি স্তর যেখানে তুলনামুলকভাবে বেশি মাত্রায় ওজোন গ্যাস থাকে ।

• ওজোন স্তরের ভূমিকা- 
-  সূর্য থেকে বিচ্ছুরিত অতিবেগুনি রশ্মিকে (Ultra-Violet Ray) শোষণ করে ভূপৃষ্ঠে আসতে দেয় না, যার ফলে জীবজগৎ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পায় ।
 - বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখে ।
 - জীববৈচিত্র রক্ষা করে ।
 - ওজোন গ্যাস সূর্যের তাপ ও অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে, ফলে এই স্তরের তাপমাত্রা খুব বেশি হলেও তা বায়ুমন্ডলীয় তাপের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে ।

• CFC (Chlorofluorocarbons) হলো এমন রাসায়নিক যৌগ যা সাধারণত রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, স্প্রে ক্যান এবং ফোম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- এই যৌগগুলো বায়ুমণ্ডলে উঠে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে (stratosphere) পৌঁছে ওজোন (O3) গ্যাসকে ধ্বংস করে।

• ক্ষয় প্রক্রিয়া:
- CFC গ্যাস UV রশ্মিতে ভেঙে যায় → ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত হয়।
- একটি ক্লোরিন পরমাণু → হাজার হাজার ওজোন অণু ধ্বংস করতে সক্ষম।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা।
১,০০৯.
সালোকসংশ্লেষণের এর মাধ্যমে খাদ্য প্রস্তুত করে কোষের কোন অঙ্গাণু?
  1. ক) সাইটোপ্লাজম
  2. খ) নিউক্লিয়াস
  3. গ) প্লাস্টিড
  4. ঘ) গলজি বস্তু
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাস্টিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্লাস্টিড
ব্যাখ্যা

প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় এবং আকর্ষনীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা।প্লাস্টিড তিন ধরনের। যথা- ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট।
লিউকোপ্লাস্ট বর্ণহীন অর্থাৎ এদের কোন রঞ্জক পদার্থ থাকে না, ক্রোমোপ্লাস্ট সবুজ বর্ণ ছাড়া অন্যান্য বর্ণ ধারণ করে এবং সবুজ প্লাস্টিডের নাম ক্লোরোপ্লাস্ট। ক্লোরোপ্লাস্টের ভিতর সবুজ বর্ণ কণিকা ক্লোরোফিল থাকে। সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করা এর কাজ। ক্লোরোফিল অনুর উপাদান ম্যাগনেসিয়াম।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০১০.
প্রোটন এর আধান-
  1. ক) ঋণাত্মক
  2. খ) ধণাত্মক
  3. গ) নিরপেক্ষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ধণাত্মক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধণাত্মক
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন।
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় 1840 গুণ হালকা ।
- ইলেকট্রন একক ঋণাত্মক তড়িৎধর্মী কণা।
- ইলেকট্রনের আসল ভর ও প্রকৃত আধান যথাক্রমে 9.11 × 10-28 গ্রাম ও 1.60 × 10-19 কুলম্ব।
- ঋণাত্মক আধান বিশিষ্ট।

প্রোটন
- ইলেকট্রনের মত প্রোটনও সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা।
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে।
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়।
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান।
- প্রোটনের আসল ভর ও আধান যথাক্রমে 1.67 × 10-24 গ্রাম ও 1.60× 10-19 কুলম্ব।
- ধণাত্মক আধান বিশিষ্ট।

নিউট্রন
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- ১৯৩২ সালে চ্যাডউইক (James Chadwick) নিউট্রন আবিষ্কার করেন।
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান।
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান।
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675 × 10-24 গ্রাম।

উৎস: রসায়ন, এসএসএসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,০১১.
আধুনিক পর্যায় সারণিতে গ্রুপের সংখ্যা-
  1. ক) ৭
  2. খ) ৯
  3. গ) ১৪
  4. ঘ) ১৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮
ব্যাখ্যা
- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন। এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামে পরিচিত।
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়।
- মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি।
- এ সারণিতে মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে। 
- পর্যায়গুলোকে ১ম পর্যায়, ২য় পর্যায়, ৩য় পর্যায়, ৪র্থ পর্যায়, ৫ম পর্যায়, ৬ষ্ঠ পর্যায়, ৭ম পর্যায় এভাবে ভাগ করা হয়েছে।
- আর গ্রুপগুলোকে যথাক্রমে ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯,১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮ গ্রুপ এভাবে সাজানো হয়েছে। 
- সমগ্র পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা রয়েছে
- প্রতিটি পর্যায়ের বাম দিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮ তে গিয়ে শেষ হয়েছে।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১২.
মুক্তার প্রধান রাসায়নিক উপাদান কোনটি?
  1. ক) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  2. খ) ক্যালসিয়াম বাই কার্বনেট
  3. গ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম কার্বনেট
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্যালসিয়াম কার্বনেট
ব্যাখ্যা

মুক্তা বা মতি এক ধরনের রত্ন বিশেষ, যা শম্বুক জাতীয় প্রাণী ঝিনুকের অভ্যন্তরে তৈরি হয়। তবে সব ঝিনুকে মুক্তা থাকে না।
মাসল শ্রেণির ঝিনুকের পেটে মুক্তা হয়। এর রাসায়নিক উপাদান হলো কনকায়োলিন ক্যালসাইট এবং ক্যালসিয়াম কার্বোনেট।
খাওয়ার সময় ঝিনুক যখন তার খোলস ফাঁক করে তখন যদি বালুর কণা বা অন্য কোনো কঠিন পদার্থের চূর্ণ তার দেহের মধ্যে ঢুকে যায় এবং চেষ্টা সত্ত্বেও সেটি বের করতে না পারে, তখন এই কণাটির জন্য ঝিনুকের দেহে প্রদাহ বা জ্বলনের সৃষ্টি হয়। তখন ঝিনুকের অঙ্গ থেকে সাদা ঘন আঠালো রস ক্ষরিত হয়ে বহিরাগত কণাটিকে বেষ্টন করে স্তরে স্তরে জমাট বাঁধতে থাকে। এই কঠিন জমাট বস্তুটিই ধীরে ধীরে মুক্তায় রূপান্তরিত হয়।

ক্যালসিয়াম কার্বনেট হল একটি রাসায়নিক যৌগ যার সংকেত হচ্ছে CaC03।
এটা প্রধানত তিনটি উপাদান কার্বন, অক্সিজেন এবং ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত। পাথর বা শিলার মধ্যে এটা একটা সাধারণ উপাদান এবং মুক্তা, সামুদ্রিক প্রাণীর খােলস,শামুক,ডিমের খােসা ইত্যাদির প্রধান উপাদান।

উৎসঃ অষ্টম শ্রেণির বোর্ড বই ও USGS and others।

১,০১৩.
আলোকরশ্মি গমন পথে কোনো মাধ্যম দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হয়ে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. ক) আলোর প্রতিফলন
  2. খ) আলোর প্রতিসরণ
  3. গ) আলোর ব্যাতিচার
  4. ঘ) আলোর অপবর্তন
সঠিক উত্তর:
ক) আলোর প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলোর প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে।
আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে।
যে বিভেদ তল থেকে আলো ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক তল বা প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলে, আর পূর্ববর্তী মাধ্যমে ফিরে আসা আলোকে বলা হয় প্রতিফলিত আলো বা রশ্মি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৪.
মৌমাছি হুল ফুটালে বা পিঁপড়া কামড়ে সৃষ্ট জ্বালাপোড়া নিষ্ক্রিয় করতে নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. অ্যাপামিন
  2. মেলিটিন
  3. ক্যালামিন
  4. ফরমিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ক্যালামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালামিন
ব্যাখ্যা
ক্ষারকের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য: 
- নির্দেশকের সাথে বিক্রিয়ার মাধ্যমে রং পরিবর্তন করে। 
- সকল ক্ষারক লাল লিটমাস কাগজের রং পরিবর্তন করে নীল করে। 
- এছাড়া আরো কিছু নির্দেশক আছে যেগুলো নিয়মিতভাবে পরীক্ষাগারে ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- মিথাইল অরেঞ্জ, মিথাইল রেড, ফেনলফথেলিন ইত্যাদি রং পরিবর্তন করে। 
যেমন- 

- পানিতে দ্রবণীয় ক্ষারক অর্থাৎ ক্ষারসমূহ পানিতে হাইড্রক্সাইড আয়ন (OH-) উৎপন্ন করে। 
যেমন- 
• NaOH → Na+ + OH
• KOH → K+ + OH
• NH4OH → NH4+ + OH
- ক্ষারক এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ উৎপন্ন করে। 
- ক্ষারক ও এসিড পরস্পর বিপরীতধর্মী পদার্থ এবং বিক্রিয়া করে একে অপরকে নিষ্ক্রিয় করে নিরপেক্ষ পদার্থ লবণ ও পানি তৈরি করে। 

প্রাত্যহিক জীবনে ক্ষারকের ব্যবহার: 
-  মৌমাছি হুল ফুটালে বা পিঁপড়া কামড় দিলে জ্বলে কারণ পিঁপড়ার কামড়ের মাধ্যমে মূলত ফরমিক এসিড নিঃসৃত হয়, যা আমাদের শরীরে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে। 
- আর মৌমাছি হুল ফুটালে ফরমিক এসিড, মেলিটিন (Melittin) এবং অ্যাপামিন (Apamin) নামক এসিডিক পদার্থ নিঃসৃত হয়, যার কারণে জ্বালাপোড়াও হয় আবার আক্রান্ত স্থান ফুলেও যায়। 
- যেহেতু এসব ক্ষেত্রে জ্বালাপোড়ার কারণ হচ্ছে এসিড, তাই এসিডকে নিষ্ক্রিয় করতে মলম, লোশন (যেমন-চুন) ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- এরকম একটি লোশন হলো ক্যালামিন (Calamine), যা মূলত জিংক কার্বোনেট (ZnCO3)। 
- বেকিং সোডা ব্যবহার করেও ভালো ফল পাওয়া যায়। 

মাটির এসিডিটি দূর ক্ষারকের ব্যবহার: 
- মাটিতে এসিডিটি বাড়লে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়। তখন ক্ষারক ব্যবহার করে এসিডিটিকে প্রশমিত করা যায় এবং উর্বরতা ফিরিয়ে আনা যায়। 
- এক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত ক্ষারক হলো চুন (CaO) এবং মিল্ক অব লাইম (Ca(OH)2)। 
- অবশ্য এ কাজে চুনাপাথরও (CaCO3) ব্যবহার করা হয়। 
- বাসাবাড়িতে পরিষ্কারক হিসেবে প্রচুর পরিমাণে অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ব্যবহৃত হয়। 
- টুথপেস্ট বা টুথ পাউডার নিত্যদিনের একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় বস্তু, যা ক্ষারীয়। খাওয়ার পরে সাধারণত মুখে এসিডীয় অবস্থা তৈরি হয়। আর টুথপেস্ট বা পাউডার দিয়ে ব্রাশ করলে একদিকে যেমন দাঁত পরিষ্কার হয়, অন্যদিকে তেমনি পেস্ট বা পাউডারের ক্ষার সৃষ্ট এসিডকে নিষ্ক্রিয় করে। ফলে দাঁতের ক্ষয় রোধ হয়। 
- আবার থালা-বাসন পরিষ্কার করার জন্য যে শক্ত সাবান বা তরল সাবান ব্যবহার করা হয়, সেগুলোতেও ক্ষারক থাকে। 
- এমনকি যে কাপড় কাচার সাবান ব্যবহার করা হয়, তাও তৈরি করা হয় সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও চর্বি বা তেল থেকে। 
- একইভাবে শেভিং ফোম বা নরম সাবান তৈরি করা হয় পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও চর্বি বা তেল থেকে। 
- গ্যাস্ট্রিকের ব্যথা বা এসিডিটির কারণে যে এন্টাসিড খাওয়া হয় তা হলো ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রোক্সাইড (Mg(OH)2) ও অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (Al(OH)3) নামের ক্ষার। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০১৫.
কর্মদক্ষতা কী? 
  1. বল ও কাজের অনুপাত
  2. মোট প্রদত্ত শক্তি ও সময়ের গুণফল
  3. কার্যকর ক্ষমতা ও অপচয়কৃত ক্ষমতার অনুপাত
  4. কার্যকর শক্তি এবং প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত
সঠিক উত্তর:
কার্যকর শক্তি এবং প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যকর শক্তি এবং প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত
ব্যাখ্যা

• কর্মদক্ষতা: 
- যন্ত্রের কার্যকর শক্তি এবং মোট প্রদত্ত শক্তির অনুপাত থেকে যন্ত্রের কর্মদক্ষতা পরিমাপ করা যায়। 
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা হচ্ছে যন্ত্রটির কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত। 
- যন্ত্রের কর্মদক্ষতাকে η (ইটা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- কর্মদক্ষতাকে শতকরায় প্রকাশ করা হয়। 
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা 80% বলতে বোঝায় যন্ত্রটিতে 100 একক শক্তি সরবরাহ করলে তার 80 একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়, বাকী 20 একক শক্তি অপচয় হয়। 
∴ কর্মদক্ষতা, η = কার্যকর শক্তি/মোট প্রদত্ত শক্তি 
= কার্যকর ক্ষমতা/ মোট প্রদত্ত ক্ষমতা 
= {(E1 - E2)/E1} ×100% 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০১৬.
ট্রানজিস্টর প্রথম কবে আবিষ্কার করা হয়? 
  1. ১৯৩৮ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর (Transistor) হচ্ছে একটি ইংরেজি শব্দ। 
- Transfer এবং Resistor এই দুটি পৃথক ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে Transistor শব্দটি গঠিত হয়েছে। 
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলা যায়। 
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার ইলেকট্রনিক্স এর জগতে বিপ্লব সংঘটিত করেছে। 
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন (J.Bardeen), ডবিউ ব্রাটেন (W. Brattain) ও ডবিউ সক্লে (W. Shockley) ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 
- এই গুরত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তিন জনকে ১৯৫৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার প্রদান করা হয়। 
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
- দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n-টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল (Device) তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে। 
- একটি জাংশন ট্রানজিস্টর দুটি p-n জাংশনের সমন্বয়ে গঠিত এবং এর তিনটি প্রান্ত রয়েছে। 
- গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকার। 
যথা- 
(১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং 
(২) n-p-n ট্রানজিস্টর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৭.
ভূগর্ভস্থ পানি পৃথিবীর মোট পানির কত ভাগ? 
  1. ২.০৫ ভাগ 
  2. ০.৬৮ ভাগ 
  3. ০.০০১ ভাগ 
  4. ৯৭.২৫ ভাগ 
সঠিক উত্তর:
০.৬৮ ভাগ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৬৮ ভাগ 
ব্যাখ্যা

- ভূগর্ভস্থ পানি পৃথিবীর মোট পানির প্রায় ০.৬১% থেকে ০.৬৮%। এই পরিমাণটি পৃথিবীর সমস্ত মিঠা পানির একটি বিশাল অংশ, তবে মোট বৈশ্বিক পানির (লবণাক্ত এবং মিঠা পানি উভয়ই) একটি ছোট শতাংশ। 

বারিমণ্ডল: 
- 'Hydrosphere'-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। 'Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি, এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। 
- বারিমণ্ডল বলতে বোঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ। 
- পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর) এবং মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। 
- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। 
- জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ ও শতকরা হার হচ্ছে- 
• সমুদ্র = ৯৭.২৫%, 
• হিমবাহ = ২.০৫%, 
• ভূগর্ভস্থ পানি = ০.৬৮%, 
• হ্রদ = ০.০১%, 
• মাটির আর্দ্রতা = ০.০০৫%, 
• বায়ুমণ্ডল = ০.০০১%, 
• নদী = ০.০০০১% এবং 
• জীবমণ্ডল = ০.০০০০৪% ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০১৮.
কোষের প্রাণশক্তি বলা হয় কোনটিকে?
  1. মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. নিউক্লিয়াস
  3. প্লাস্টিড
  4. গলজি বস্তু
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা

- মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের পাওয়ার হাউজ।
- রাইবোজোম হলো কোষের প্রোটিন ফ্যাক্টরি।
- প্লাস্টিড হলো উদ্ভিদ কোষে খাদ্য তৈরির কারখানা।
- নিউক্লিয়াস হলো কোষের মস্তিষ্ক এবং প্রাণশক্তি। ১৮৩১ সালে রবার্ট ব্রাউন নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন। লোহিত রক্তকণিকা, অণুচক্রিকা ইত্যাদি কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,০১৯.
তেজস্ক্রিয়তার ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. তাপ, চাপ, দ্বারা প্রভাবিত হয় না
  2. আবিষ্কারক হেনরী বেকেরেল
  3. উৎপত্তি স্থল নিউক্লিয়াস
  4. প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
• তেজস্ক্রিয়তা:
- স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এই রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- তার নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় বেকেরেল রশ্মি।
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মিনামে পরিচিত।
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা- 
১. প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা:
- কোনো পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয়তা বলে।

২. কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা:
- কৃত্রিম উপায়ে কোনো মৌলকে তেজস্ক্রিয় মৌলে পরিণত করলে যে তেজস্ক্রিয়তা ঘটে তাকে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা বলে।

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়।
- তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। 
- এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২০.
কৃষিজমিতে শৈবালের উৎপাদন বন্ধে কোন লবণ ব্যবহৃত হয়? 
  1. NaCl
  2. KNO3
  3. Na2CO3
  4. CuSO4
সঠিক উত্তর:
CuSO4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CuSO4
ব্যাখ্যা
লবণ: 
- লবণ হলো এসিড ও ক্ষারকের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থ। 
- ক্ষারক ও এসিড পরস্পর বিপরীতধর্মী পদার্থ এবং বিক্রিয়া করে একে অপরকে নিষ্ক্রিয় করে নিরপেক্ষ পদার্থ লবণ ও পানি তৈরি করে। 

লবণের ব্যবহার: 
- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে যা সাধরণ লবণ বা টেবিল লবণ নামেও পরিচিত। তরকারি ছাড়াও আরও অনেক খাবার যেমন- পাউরুটি, আচার, চানাচুর ইত্যাদিতে খাবার লবণ ব্যবহার করা হয়। 
- খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করার জন্য সোডিয়াম গ্লুটামেট লবণ ব্যবহার করা হয় যা 'টেস্টিং সল্ট' নামে পরিচিত। 
- কাপড় কাচার যে সাবান ব্যবহার করা হয় তা মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) লবণ। 
- আর শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COOK) লবণ। 
- কাপড় কাচার সোডা হিসেবে সোডিয়াম কার্বোনেট (Na2CO3) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ। 
- আবার জীবাণুনাশক হিসেবে তুঁতে (CuSO4.5H2O) বা ফিটকিরি [K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O] ব্যবহার করা হয় যা এক প্রকারের লবণ। 

কৃষিতে লবণের ব্যবহার: 
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য যে চুনাপাথর ব্যবহার করা হয়, সেই চুনাপাথর একটি লবণ। 
- আবার, মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাদের বেশির ভাগই হলো লবণ। 
যেমন- অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ যা শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুব কার্যকরী। 

শিল্পকারখানায় লবণ: 
- শিল্পকারখানায় নানা কাজে খাবার লবণ অপরিহার্য। 
যেমন- চামড়াশিল্পে চামড়ার ট্যানিং করতে, মাখন ও পনিরের শিল্পোৎপাদনে, কাপড় কাচার সোডা ও খাবার সোডা তৈরি করতে, সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তড়িৎ বিশ্লেষণ ইত্যাদি কাজে খাবার লবণ ব্যবহৃত হয়। 
- আবার বেশ কিছু লবণ যেমন- তুঁতে (CuSO4), মারকিউরিক সালফেট (HgSO4), সিলভার সালফেট (Ag2SO4) শিল্পকারখানায় প্রভাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- টেক্সটাইল ও রং তৈরির কারখানায় রং ফিক্স করার কাজে লবণ প্রয়োজন হয়, ধাতুর বিশুদ্ধকরণে লবণ লাগে। 
- রাবার প্রস্তুতিতে লবণ ব্যবহার করে রাবারকে (ল্যাটেক্স) রাবার গাছের নির্যাস থেকে আলাদা করা হয়। 
- ওষুধ কারখানায় স্যালাইন এবং অন্যান্য ওষুধেও লবণ ব্যবহৃত হয়। 
- ডিটারজেন্ট তৈরিতেও ফিলার হিসেবে লবণ খুবই প্রয়োজনীয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০২১.
বাংলাদেশে শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি EPI পরিচালনা করে কোন সংস্থা?
  1. FAO
  2. WHO
  3. UNESCO
  4. World Bank 
সঠিক উত্তর:
WHO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WHO
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে EPI কর্মসূচি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর অধীনে পরিচালিত।

• বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization – WHO):
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর অধীনে পরিচালিত Expanded Program on Immunization (EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে টিকা প্রদান করা হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশে EPI-তে মোট টিকার সংখ্যা ১২ টি।
- যক্ষ্মা
- ডিফথেরিয়া
- হুপিং কাশি
- ধনুষ্টংকার
- পোলিওমাইলাইটিস
- হাম
- হেপাটাইটিস–বি জনিত রোগ
- হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ–বি জনিত রোগ
- রুবেলা
- নিউমোনিয়া
- জরায়ুমুখ ক্যান্সার
- টাইফয়েড

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, WHO website, প্রথম আলো এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।

১,০২২.
পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH-এর মান কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
pH:
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
- কোনো দ্রবণের pH মান নির্ণয়ের জন্য যে পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে pH মিটার বলে।

উল্লেখ্য,
- মাটির pH সাধারণত ৪-৮ হয়ে থাকে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH: ৭.৪৫।
- বিশুদ্ধ পানির pH: ৭।
- মূত্রে pH-এর মান ৭-এর কম থাকে অর্থাৎ মূত্র মৃদু অম্লীয় প্রকৃতির।
- মানুষের জিহ্বার লালার pH ৬.৬ এর কাছাকাছি হলে খাদ্য দ্রব্য হজমে তা বেশি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে।
- পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH: ২।
- শরীরের ত্বকের জন্য আদর্শ pH মান ৫৫।
- ক্ষুদ্রান্তরের উপযোগী pH হল ৮।


উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২৩.
কাচ ও সিরিজ কাগজ তৈরিতে কোন খনিজটি ব্যবহার করা হয়? 
  1. মাইকা
  2. ম্যাগনেটাইট
  3. চুনাপাথর 
  4. কোয়ার্টজ
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
ব্যাখ্যা

খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
যথা- 
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: লোহা, তামা, সোনা, রূপা ইত্যাদি। 
২। অধাতব খনিজ পদার্থ: কোয়ার্টজ, মাইকা কিংবা খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

- মাইকা খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা (Fe) তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 
- কোয়ার্টজ খনিজ পদার্থ কাচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০২৪.
বৈদ্যুতিক প্রবাহের SI একক কোনটি?
  1. ভোল্ট
  2. ওয়াট
  3. অ্যাম্পিয়ার
  4. ওহম
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাম্পিয়ার
ব্যাখ্যা

• বৈদ্যুতিক প্রবাহের SI একক হলো অ্যাম্পিয়ার (Ampere), যা বিদ্যুৎ প্রবাহের মাত্রা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ভৌত রাশি এবং তাদের পরিমাপ (Physical Quantities and Their Measurement):
- পানি ঠান্ডা করলে তা বরফে পরিণত হয়, আবার গরম করলে তা বাষ্পে রূপান্তরিত হয়—এটি একটি পরিচিত ভৌত পরিবর্তন।
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে এসব পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করলেও, কেবল পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রকৃত বৈজ্ঞানিক জ্ঞান অর্জন সম্ভব নয়।
- প্রকৃত বিজ্ঞান বুঝতে হলে পরিমাপের মাধ্যমে বিষয়গুলো নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করতে হয়।
- উদাহরণস্বরূপ—
- কোন তাপমাত্রায় পানি বরফে পরিণত হয়,
- কোন তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে রূপান্তরিত হয়,
- এগুলো পরিমাপের মাধ্যমেই নির্দিষ্টভাবে জানা যায়।
- বিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পরিমাপের মাধ্যমে ভৌত রাশিগুলোকে নির্ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা।
 
• ভৌত রাশি (Physical Quantity):
- যে সকল রাশির পরিমাপ করা যায় এবং যেগুলোকে সংখ্যা ও এককের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়, সেগুলোকে ভৌত রাশি বলা হয়।
 
• SI পদ্ধতি ও মৌলিক ভৌত রাশি:
- আন্তর্জাতিক একক পদ্ধতি (SI System) অনুযায়ী মোট সাতটি মৌলিক ভৌত রাশি নির্ধারিত আছে।
 
• SI একক পদ্ধতির মৌলিক ভৌত রাশি, একক ও প্রতীক:
• দৈর্ঘ্য:
- একক: মিটার (meter),
- প্রতীক: m

• ভর:
- একক: কিলোগ্রাম (kilogram),
- প্রতীক: kg

• সময়:
- একক: সেকেন্ড (second),
- প্রতীক: s

• বৈদ্যুতিক প্রবাহ:
- একক: অ্যাম্পিয়ার (ampere),
- প্রতীক: A

• তাপমাত্রা:
- একক: কেলভিন (kelvin),
- প্রতীক: K

• পদার্থের পরিমাণ:
- একক: মোল (mole),
- প্রতীক: mol

• দীপন তীব্রতা:
- একক: ক্যান্ডেলা (candela),
- প্রতীক: cd

• Other Options:
ক) ভোল্ট হলো বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্যের একক।
খ) ওয়াট হলো ক্ষমতার একক।
ঘ) ওহম হলো বৈদ্যুতিক রোধের একক।

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১,০২৫.
বজ্রপাতের সময় আপনি নিজের গাড়ী করে যাচ্ছেন। নিজেকে সুরক্ষা রাখার জন্য আপনি কোন উপায়টি গ্রহণ করবেন?
  1. ক) গাড়ির মধ্যে বসে থাকবেন
  2. খ) কোন গাছের তলায় আশ্রয় নিবেন
  3. গ) বাইরে এসে মাটির উপর শুয়ে থাকবেন
  4. ঘ) বাইরে এসে আকাশের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকবেন
সঠিক উত্তর:
ক) গাড়ির মধ্যে বসে থাকবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গাড়ির মধ্যে বসে থাকবেন
ব্যাখ্যা
• বজ্রপাতের সময় আপনি নিজের গাড়ী করে যাচ্ছেন। নিজেকে সুরক্ষা রাখার জন্য আপনি গাড়ির মধ্যে বসে থাকবেন।
- আমাদের দেশে সরকারি নির্দেশনায় গাড়ির ভেতরে থাকতে বলা হয়েছে।
- বজ্রপাতের সময়ে গাড়ির ভেতরে কোন ধাতব অংশের সাথে যেন স্পর্শ না লাগে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
- বাইরে খোলা জায়গাতে যেতে সরাসরিভাবে নিষেধ করা হয়েছে।
- যদি কোন বিল্ডিং বা ছাদ বিশিষ্ট গাড়ি আশেপাশে না থাকে তাহলেই কেবল বাইরে শুয়ে পরতে হবে, যেন আশেপাশের সবকিছুর চেয়ে নিজের উচ্চতাটা কম থাকে।
১,০২৬.
বৃহস্পতি কোন ধরনের গ্রহ হিসেবে পরিচিত? 
  1. লাল গ্রহ 
  2. গ্রহরাজ 
  3. সূর্যের নিকটতম গ্রহ 
  4. ক্ষুদ্রতম গ্রহ 
সঠিক উত্তর:
গ্রহরাজ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহরাজ 
ব্যাখ্যা

বৃহস্পতি: 
- বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ। 
- বৃহস্পতি গ্রহকে গ্রহরাজ বলা হয়। 
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই। 
- সৌরজগতে বৃহস্পতির দ্বিতীয় সর্বাধিক উপগ্রহ রয়েছে। 
- বৃহস্পতি গ্রহে বৃহৎ লাল বিন্দু (Great Red Spot) দেখা যায়। 

অন্যদিকে,
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ এবং ইউরেনাস সৌরজগতের তৃতীয় বৃহত্তম গ্রহ। 
- মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০২৭.
মানব হৃদপিন্ড কয় প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৮
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
ব্যাখ্যা
মানব  হৃদপিন্ড ৪ প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট 

- উপরে দুটি অলিন্দ ( ডান এবং বাম অলিন্দ)
- নিচে দুটি নিলয়( ডান এবং বাম নিলয় )

- ডান নিলয় এবং ডান অলিন্দ এর সংযোগস্থলে ট্রাইকাসপিড কপাটিকা থাকে। 
- বাম নিলয় এবং বাম অলিন্দের সংযোগস্থলে ডাইকাসপিড কপাটিকা থাকে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, বিজ্ঞান বই। 
১,০২৮.
কোন রোগটি একবার হলে বার বার হওয়ার আশঙ্কা থাকে?
  1. ক) হাঁপানি
  2. খ) নিউমোনিয়া
  3. গ) যক্ষ্মা
  4. ঘ) ব্রংকাইটিস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রংকাইটিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রংকাইটিস
ব্যাখ্যা
- শ্বাসনালির ভিতরে আবৃত প্রদাহকে ব্রংকাইটিস বলে।
- ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে ঝিল্লিগাত্রে প্রদাহ হতে পারে।
- অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, স্যাঁতসেঁতে ধূলিকণা মিশ্রিত আবহাওয়া, ঠাণ্ডা লাগা এবং ধূমপান থেকেও এ রােগ হওয়ার আশংকা থাকে। 
- একবার ব্রংকাইটিস হলে বারবার এ রােগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
- সাধারণত শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরা এ রােগে বেশি আক্রান্ত হয়।
- ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দূষণ (যেমন কলকারখানার ধুলাবালি এবং ধোঁয়াময় পরিবেশ) এ রােগের কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়।

[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
১,০২৯.
নিচের কোনটি নগ্নবীজী উদ্ভিদ?
  1. ক) ক্লোরেলা
  2. খ) ধান
  3. গ) পাইনাস
  4. ঘ) ফার্ণ
সঠিক উত্তর:
গ) পাইনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পাইনাস
ব্যাখ্যা

সাইকাস, পাইনাস নগ্নবীজী উদ্ভিদ। এদের ফুলে ডিম্বাশয় না থাকায় ডিম্বকগুলাে নগ্ন থাকে।
উৎসঃ ষষ্ঠ শ্রেণীর বিজ্ঞান বাের্ড বই

১,০৩০.
কোন বিজ্ঞানী রক্ত-সঞ্চালন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন?
  1. ক) আন নাফিস
  2. খ) ইবনে সিনা
  3. গ) উইলিয়াম হার্ভে
  4. ঘ) লুই পাস্তুর
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম হার্ভে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম হার্ভে
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ বিজ্ঞানী উইলিয়াম হার্ভে ১৬২৮ সালে রক্ত-সঞ্চালন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
সূত্রঃ ২৯তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
১,০৩১.
চিকনগুনিয়া রোগ বহনকারী মশার নাম কী?
  1. ক) অ্যানোফিলিস
  2. খ) কিউলেক্স
  3. গ) এডিস
  4. ঘ) ম্যানসোনাইড
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এডিস
ব্যাখ্যা
- অ্যানোফিলিস মশার মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগের বিস্তার লাভ করে।
- ফাইলেরিয়া রোগ ছড়ায় কিউলেক্স মশার মাধ্যমে।
- এডিস মশা দ্বারা ডেঙ্গু জ্বর, পীত জ্বর এবং চিকনগুনিয়া রোগ ছড়ায়।

 সূত্র : সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও WHO ওয়েবসাইট।
১,০৩২.
যদি ওভারহেড লাইনের স্যাগ বাড়ানো হয় তবে টেনশন-
  1. ক) বাড়বে
  2. খ) কমবে
  3. গ) অপরিবর্তিত থাকবে
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
খ) কমবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কমবে
ব্যাখ্যা

Sag:
- এর অর্থ ঝুলে থাকা।
- ট্রান্সমিশন লাইন কতটুকু ঝুলে থাকে তাই হলো স্যাগ।

S = WL2/8T
এখানে,
S = স্যাগ
W = তারের ওজন
L = তারের দৈর্ঘ্য
T = তারের টান

সূত্রানুযায়ী, স্যাগ টান বা টেনশনের ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ যদি স্যাগ বাড়ে তাহলে টেনশন কমবে আর স্যাগ কমলে টেনশন বাড়বে।
১,০৩৩.
টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের বেশিষ্ট্য হচ্ছে-
  1. অবীজী উদ্ভিদ
  2. দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে
  3. প্রধান দেহটি স্পোরোফাইটিক এবং অপুষ্পক
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• টেরিডোফাইটা:
- গ্রিক শব্দ Pteron (পক্ষল বা ডানা) এবং Phyton (উদ্ভিদ) হতে Pteridophyta শব্দের উৎপত্তি। এরা হলো ডানাবিশিষ্ট উদ্ভিদ।
- মূল, কান্ড ও পাতা দ্বারা গঠিত এবং পরিবহন টিস্যুবিশিষ্ট অপুষ্পক স্বভোজী উদ্ভিদগুলো টেরিডোফাইটা নামে পরিচিত।
- পৃথিবীতে প্রায় দশ হাজার প্রজাতির টেরিডোফাইট উদ্ভিদ রয়েছে। টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের মধ্যে অন্যতম কয়েকটি হলো Pteris, Psilotum, Lycopodium, Equisetum ইত্যাদি।

টেরিডোফাইটা উদ্ভিদের বেশিষ্ট্য:

- এদের প্রধান দেহটি স্পোরোফাইটিক এবং অপুষ্পক।
- এরা অবীজী উদ্ভিদ।
- দেহ মূল, কান্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত।
- এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে।
- জননাঙ্গ বহুকোষী এবং চতুর্দিকে বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে।
- গ্যামিটোফাইট থ্যালাস প্রকৃতির এবং মোটামুটি স্বাধীন ও স্বতন্ত্র। এ পর্যায়কে প্রোথ্যালাস বলে।
- ভ্রূণ সৃষ্টি হয়।
- অধিকাংশ সদস্যে কান্ড রাইজোমে পরিণত হয়।
- এদের অস্থানিক মূল বিদ্যমান।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৩৪.
মানুষ (Homo sapiens) কোন শ্রেণীর প্রাণী?
  1. ত্রিস্তরী
  2. দ্বিস্তরী
  3. একস্তরী 
  4. স্তরবিহীন
সঠিক উত্তর:
ত্রিস্তরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিস্তরী
ব্যাখ্যা

- ভ্রূণীয় বিকাশের স্তরের ওপর ভিত্তি করে মানুষকে ত্রিস্তরী (Triploblastic) প্রাণী বলা হয়। মানুষের ভ্রূণীয় অবস্থায় তিনটি স্তর যেমন- এক্টোডার্ম (Ectoderm - বহিঃস্তর), মেসোডার্ম (Mesoderm - মধ্যস্তর) এবং এন্ডোডার্ম (Endoderm - অন্তস্তর) পরিলক্ষিত হয়। এই তিনটি স্তর থেকেই পরবর্তীতে মানুষের দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ও তন্ত্র গঠিত হয়। 

ভ্রূণীয় স্তর: 
- ভ্রূণীয় স্তরের উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক. একস্তরী প্রাণী: 
- এরা সরল ধরনের প্রাণী। 
- এদের দেহের কোষসমূহ একটি মাত্র স্তরে সজ্জিত। 
যেমন- স্কাইফা (Scypha gilatinosum)। 

খ. দ্বিস্তরী প্রাণী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর (Ectoderm) ও অন্তঃস্তর (Endoderm) নামক দুটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- অরেলিয়া (Aurelia aurita)। 

গ. ত্রিস্তরী প্রাণী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর, মধ্যস্তর (Mesoderm) ও অন্তঃস্তর নামক তিনটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে ত্রিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- মানুষ (Homo sapiens)। 

ঘ. স্তরবিহীন প্রাণী: 
- যে সকল প্রাণীর দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত তাদেরকে স্তরবিহীন প্রাণী বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৩৫.
গ্রন্থি টিস্যুতে রূপান্তরিত হতে পারে কোনটি?
  1. ক) আবরণী টিস্যু
  2. খ) স্নায়ু টিস্যু
  3. গ) পেশি টিস্যু
  4. ঘ) যোজক টিস্যু
সঠিক উত্তর:
ক) আবরণী টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আবরণী টিস্যু
ব্যাখ্যা
আবরণী টিস্যু (Epithelial Tissue) এই টিস্যু বিভিন্ন অঙ্গের আবরণ (lining) হিসেবে কাজ করে।
তবে অঙ্গকে আবৃত রাখাই আবরণী টিস্যুর একমাত্র কাজ নয়।
এই টিস্যুর আরও চারটি কাজ হলাে: অঙ্গকে আবৃত রাখা, সেটিকে বাইরের আঘাত থেকে রক্ষা করা (protection), প্রােটিনসহ বিভিন্ন পদার্থ ক্ষরণ বা নিঃসরণ করা (secretion), বিভিন্ন পদার্থ শােষণ করা (absorption) এবং কোষীয় স্তর পেরিয়ে সুনির্দিষ্ট পদার্থের পরিবহন (transcellular transport)।

 আবরণী টিস্যু কোনাে অঙ্গের বা নালির ভিতরের ও বাইরের অংশ তৈরি করে থাকে। আবার এই টিস্যু রূপান্তরিত হয়ে রক্ষণ, ক্ষরণ, শােষণ, ব্যাপন, পরিবহন এই সব কাজে অংশ নেয়। আবরণী টিস্যু রূপান্তরিত হয়ে গ্রন্থি টিস্যু এবং জনন টিস্যুতে পরিণত হয় এবং দেহের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে অংশগ্রহণ করে থাকে।


[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
১,০৩৬.
সাইটোকাইনেসিস মূলত শুরু হয় ক্যারিওকাইনেসিসের কোন দশাতে?
  1. ক) প্রোফেজ
  2. খ) মেটাফেজ
  3. গ) এনাফেজ
  4. ঘ) টেলোফেজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) টেলোফেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টেলোফেজ
ব্যাখ্যা
ক্যারিওকাইনেসিসকে নিউক্লিয়াসের বিভাজন বলে, নিউক্লিয়াসের বিভাজন শেষ হওয়ার সাথে সাথে শুরু হয় সাইটোকাইনেসিস যা মূলত টেলোফেজ দশাতেই শুরু হয়।
উৎসঃ অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
১,০৩৭.
শব্দ একপ্রকার-
  1. ক) সাউন্ড
  2. খ) কাজ
  3. গ) ক্ষমতা
  4. ঘ) শক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শক্তি
ব্যাখ্যা
শব্দ একপ্রকার শক্তি, যা আমাদের শ্রবণের অনুভূতি জন্মায়।
উৎসঃ সপ্তম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
১,০৩৮.
অভিকর্ষজ ত্বরণের আদর্শমান কোনটি?
  1. 9.81 ms-1
  2. 9.82 ms-1
  3. 9.81 ms-2
  4. 9.82 ms-2
সঠিক উত্তর:
9.81 ms-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.81 ms-2
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ:
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির জন্য বিষুব রেখা অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি।
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে যত মেরু অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া যায় g-এর মান তত বাড়তে থাকে।
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g -এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g -এর মানকে আদর্শ ধরা হয়।
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৯.
নিম্নের কোনটি ধাতব খনিজ পদার্থ?
  1. কোয়ার্টজ
  2. লোহা
  3. মাইকা
  4. জিপসাম
সঠিক উত্তর:
লোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা
ব্যাখ্যা

- লোহা একটি ধাতব খনিজ পদার্থ। ধাতব খনিজ পদার্থগুলো সাধারণত শক্ত হয়, তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবহন করে এবং একটি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ঔজ্জ্বল্য বা দ্যুতি থাকে। 

খনিজ পদার্থ: 

- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশিরভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুই রকম হতে পারে। 
যেমন- 
১। ধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি তাদেরকে ধাতব খনিজ বলে। 
• লোহা (Fe), 
• তামা (Cu), 
• সোনা (Au), 
• রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

২। অধাতব খনিজ পদার্থ: 
- যেসব খনিজ ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি নয় তাদের অধাতব খনিজ পদার্থ বলে। 
• কোয়ার্টজ (Quartz), 
• মাইকা (Mica), 
• গ্রাফাইট, 
• জিপসাম, 
• কয়লা, 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,০৪০.
পয়েন্ট মিউটেশনের ফলে কোন রোগ সৃষ্টি হয়?
  1. ক) টার্নার্স সিনড্রোম
  2. খ) গিলবার্ট সিনড্রোম
  3. গ) হান্টিংটনস রোগ
  4. ঘ) হিমোফিলিয়া রোগ
সঠিক উত্তর:
গ) হান্টিংটনস রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হান্টিংটনস রোগ
ব্যাখ্যা
পয়েন্ট মিউটশনের ফলে হান্টিংটনস রোগ (Huntington’s Disease) হয়। এই রোগ হলে মস্তিষ্ক ঠিকমত কাজ করে না। শরীরের পেশীগুলোর মধ্যে সমন্বয় করার ক্ষমতা লোপ পায় এবং পরে মানসিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে মৃত্যও ঘটে। সাধারণত চল্লিশ বছরের আগে এই রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় না। পয়েন্ট মিউটশনের ফলে সিকেল সেল নামে রক্তকণিকার আরেকটি রোগ হয়। এই রোগে শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
১,০৪১.
ব্যাটারীর ক্যাপাসিটি পরিমাপ করা হয়____ দ্বারা।
  1. ক) Ampere-Hour
  2. খ) Volt
  3. গ) Ampere
  4. ঘ) Weight
সঠিক উত্তর:
ক) Ampere-Hour
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Ampere-Hour
ব্যাখ্যা
ব্যাটারী ক্যাপাসিটি: 
- ব্যাটারী ক্যাপাসিটি হলো একটি ব্যাটারীর ধারণক্ষমতা অর্থাৎ একটি ব্যাটারী চার্জিত অবস্থায় সর্বোচ্চ কি পরিমান চার্জ ধারণ করে এবং ডিসচার্জড অবস্থায় কি পরিমান চার্জ ত্যাগ করে।
- এটি ডিসচার্জড অবস্থার সর্বোচ্চ ভোল্টেজ এবং সর্বনিন্ম ভোল্টেজ এর মধ্যবর্তী সময়ে তড়িৎ প্রবাহ থেকে পরিমাপ করা হয়।
- ব্যাটারীর ক্যাপাসিটি পরিমাপ করা হয় mAH বা, AH এককে। AH হলো অ্যাম্পিয়ার আওয়ার। mAH হলো মিলি অ্যাম্পিয়ার আওয়ার।
- একটি ব্যাটারীর ক্যাপাসিটি 200mAH বলতে বুঝায় ঐ ব্যাটারী 200mA এর প্রবাহ 1H ধরে চালনা করতে পারবে।

উৎস: sciencedirect.
১,০৪২.
উচ্চ পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে; কারণ উচ্চ পর্বত চূড়ায়-
  1. ক) অক্সিজেন কম
  2. খ) ঠাণ্ডা বেশি
  3. গ) বায়ুর চাপ বেশি
  4. ঘ) বায়ুর চাপ কম
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়ুর চাপ কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়ুর চাপ কম
ব্যাখ্যা
পর্বতের চূড়ায় বায়ুর চাপ কম হওয়ার কারণে পর্বতের চূড়ায় আরোহণ করলে নাক দিয়ে রক্তপাত হতে পারে।

উৎসঃ  নবম দশম শ্রেণির জীবজ্ঞান বই।
১,০৪৩.
ক্ষমতার একক কোনটি?
  1. ক্যালরি
  2. ওয়াট 
  3. জুল
  4. নিউটন 
সঠিক উত্তর:
ওয়াট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াট 
ব্যাখ্যা

ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা হচ্ছে কাজ করার হার। 
অর্থাৎ, t সময়ে W কাজ করা হয়ে থাকলে ক্ষমতা P হচ্ছে, 
• P = W/t
- কাজ করার অর্থ হচ্ছে শক্তির রূপান্তর। 
- শক্তির যেহেতু ধ্বংস নেই তাই কাজ করার মাঝে দিয়ে শক্তির রূপান্তর করা হয় মাত্র। 
- তাই ক্ষমতা হচ্ছে শক্তির রূপান্তরের হার। কাজ বা শক্তি যেহেতু স্কেলার তাই ক্ষমতাও স্কেলার। 
- ক্ষমতার একক হচ্ছে ওয়াট (W) । 
- ক্ষমতার মাত্রা: [P] = [ML2T -3]। 
- যদি প্রতি সেকেন্ডে 1 জুল কাজ করা হয় তাহলে 1 ওয়াট (W) কাজ করা হয়েছে বা শক্তির রূপান্তর হয়েছে বুঝায়। 
- আবার 100 W এর একটা বাতি জ্বালানর অর্থ এই বাতিতে প্রতি সেকেন্ডে 100 J শক্তি ব্যয় হচ্ছে। 

অন্যদিকে, 
- ক্যালরি তাপ বা শক্তির একটি পুরোনো একক। 
- জুল কাজ (work) বা শক্তির (energy) আন্তর্জাতিক একক। 
- নিউটন বলের (force) আন্তর্জাতিক একক। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০৪৪.
DNA কাঁটার জন্য বিশেষ কোন এনজাইম ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) রেস্ট্রিকশন এনজাইম
  2. খ) লাইগেজ এনজাইম
  3. গ) লাইপেজ এনজাইম
  4. ঘ) লেকটেজ এনজাইম
সঠিক উত্তর:
ক) রেস্ট্রিকশন এনজাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রেস্ট্রিকশন এনজাইম
ব্যাখ্যা
রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির ধাপ: 
- রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির প্রধান ধাপসমূহ হলো - 
(ক) প্রত্যাশিত DNA নির্বাচন ও পৃথকিকরণ, 
(খ) বাহক নির্বাচন, 
(গ) প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন, 
(ঘ) ছেদনকৃত প্রত্যাশিত DNA অণুকে বাহক প্লাজমিডে সংযোজন এবং 
(ঙ) পোষক নির্বাচন ও রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ -কে পোষকে স্থাপন। 

প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন: 
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে মূল DNA থেকে কেটে আলাদা করা হয়। 
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে একটি বিশেষ এনজাইম (রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ দ্বারা DNA ছেদন করা হয়) ব্যবহার করা হয়। 
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে। 
যথা- Eco RI, Hind III, Bam III ইত্যাদি। 
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজানো অংশকে (Sequence) কেঁটে দেয়। 
- ভিন্ন ভিন্ন রেস্ট্রিকশন এনজাইম ভিন্ন ভিন্ন DNA sequence বিশিষ্ট স্থানে কর্তন করে থাকে। 
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম এমনভাবে DNA অণু কর্তন করে যে DNA অণু দুটি স্ট্রান্ডের একটির প্রান্ত অপরটির থেকে লম্বা থাকে। 
- ফলে প্রত্যাশিত DNA খন্ডটি নতুন DNA অণুর সাথে সহজে যুক্ত হতে পারে। 
- খন্ডিত DNA অণুর প্রান্তদ্বয় আঁঠালো প্রকৃতির হয়, তাই একে আঁঠালো প্রান্ত (Sticky end) বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,০৪৫.
আয়নাতে কাচের পেছনে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়?
  1. লোহা
  2. রুপা
  3. তামা
  4. পারদ
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রুপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুপা
ব্যাখ্যা
- আয়নার পশ্চাতে পূর্বে মার্কারি বা পারদ এর প্রলেপ দেওয়া হতো, তবে বর্তমানে সিলভারের প্রলেপ দেওয়া হয়। 
- অ্যালুমিনিয়ামও কিছুটা কম আলো প্রতিফলিত করতে পারে বিধায় পূর্বে তা ব্যবহার করা হতো। 

আয়না অথবা দর্পণ (Mirror): 
- আয়নায় নিয়মিত প্রতিফলনের কারণে স্পষ্ট প্রতিবিম্বের তৈরি হয়। 
- আয়না তৈরি করার জন্য কাচের পেছনে প্রতিফলনের উপযোগী রূপার প্রলেপ দেওয়া হয়। 
- কাচের সামনের পৃষ্ঠ থেকে 4% আলো প্রতিফলিত হলেও পেছনের পৃষ্ঠ থেকে পুরো আলো প্রতিফলিত হয় বলে সেটি মূল প্রতিবিম্বটি তৈরি করে। 
- টেলিস্কোপ বা অন্য অপটিক্যাল (Optical) যন্ত্রে যখন মূল প্রতিবিম্বটি খুব গুরুত্বপূর্ণ হয় তখন কাচের উপরেই রূপা বা অ্যালুমিনিয়ামের প্রলেপ দেওয়া হয় যেন একটি 4% হালকা আরেকটি 96% স্পষ্ট, এ রকম দুটি প্রতিবিম্ব তৈরি না হয়ে একটা 100% স্পষ্ট প্রতিবিম্ব তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৪৬.
বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে কম হলে বস্তুটি পানিতে - 
  1. ভেসে থাকবে
  2. ডুবে যাবে
  3. অর্ধেক ভেসে থাকবে
  4. সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়ে ভাসবে
সঠিক উত্তর:
ভেসে থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেসে থাকবে
ব্যাখ্যা
আর্কিমিডিসের সূত্র: 
- কোনো বস্তু তরল কিংবা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হলে, বস্তুটি কিছু পরিমাণ তরল বা বায়বীয় পদার্থ অপসারণ করে এবং বস্তুটি কিছু ওজন হারায়। 
- বস্তুর এই হারানো ওজন বস্তু দ্বারা অপসারিত তরল বা বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান। 

বস্তুর ভাসা ও ডোবার শর্ত: 
ধরা যাক, 
- একটি বস্তুর ওজন (বস্তুর উপর অভিকর্ষজ ত্বরণ জনিত বল) W নিউটন, বস্তুটির পানিতে ডোবালে এর উপর পানির প্লবতা (ঊর্ধ্ব চাপ জনিত বল) W1 নিউটন। এক্ষেত্রে - 
১. W > W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে বেশি হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে যাবে। 
২. W < W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন থেকে কম হলে বস্তুটি পানিতে ভেসে থাকবে। 
৩. W = W1 হলে, অর্থাৎ বস্তুর ওজন অপসারিত পানির ওজন সমান হলে বস্তুটি পানিতে ডুবে ডুবে ভাসবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৭.
"আবহাওয়া" বলতে কী বোঝায়?
  1. পৃথিবীর আবর্তন প্রক্রিয়া
  2. দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ুর গড় অবস্থা
  3. নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পমেয়াদী বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা
  4. কোনো দেশের বার্ষিক তাপমাত্রার হিসাব
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পমেয়াদী বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পমেয়াদী বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া: 
- বায়ুমণ্ডল ও তার গঠনকারী উপাদানভেদে বায়ুমন্ডলের বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন ভূ-প্রাকৃতিক অঞ্চলে বৈচিত্র্যময় হয়। 
- বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে চাপ, তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুপ্রবাহের পার্থক্য তৈরি হলেই প্রতিদিনের বায়ুপ্রবাহ, বায়ুতাপ ও চাপের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। 
- কোনো স্থানের দৈনন্দিন বায়ুর গড় তাপ, চাপ, বায়ুপ্রবাহের বৈশিষ্ট্য, বায়ুর আর্দ্রতা, বারিপাত ইত্যাদি উপাদানের অবস্থা। অর্থাৎ কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্পকালীন সময়ের বায়ুমণ্ডলের উপাদানসমূহের অবস্থাকে বলা হয় আবহাওয়া। 
- আবহাওয়া নিয়ত পরিবর্তনশীল এবং এটি একটি ক্ষুদ্র এলাকার বায়ুমণ্ডলের স্বল্পমেয়াদী অবস্থাকে তুলে ধরে। 
- আবহাওয়া সম্পর্কিত যে কোনো তথ্য সংগ্রহ করা যায় “আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র” থেকে। 
- সাধারণত আবহাওয়া প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল বলেই প্রতিঘন্টা বা প্রতি দিনের আবহাওয়া পর্যালোচনা করে আবহাওয়ার গড় বের করা হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৮.
স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রমের একক-
  1. ক) স্নায়ুটিস্যু
  2. খ) নিউরন
  3. গ) প্যারিসিম্প্যাথেটিক স্নায়ু
  4. ঘ) মেসেনসেফালন
সঠিক উত্তর:
খ) নিউরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিউরন
ব্যাখ্যা
বহুসংখ্যক নিউরন বা স্নায়ুকোষের সমন্বয়ে স্নায়ুটিস্যু গঠিত হয়। নিউরনই স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যক্রমের একক।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,০৪৯.
জলজ উদ্ভিদের পানিতে ভাসার জন্য কোন বিশেষ অঙ্গ সাহায্য করে?
  1.  নিউক্লিয়াস
  2. বায়ু কুঠুরী
  3. ক্লোরোপ্লাস্ট
  4. রাইবোসোম
সঠিক উত্তর:
বায়ু কুঠুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু কুঠুরী
ব্যাখ্যা

- জলজ উদ্ভিদের কাণ্ড এবং পাতায় বিশেষ ধরনের টিস্যু থাকে, যা পাতলা প্রাচীরযুক্ত কোষ এবং বৃহৎ আন্তঃকোষীয় স্থান বা বায়ুকুঠুরী দ্বারা গঠিত হয়। এই বায়ুকুঠুরী উদ্ভিদকে প্লবতা প্রদান করে, যা তাদের সহজেই পানিতে ভাসতে সাহায্য করে। 

জলজ উদ্ভিদ: 
- কচুরিপানা, ক্ষুদিপানা, ওড়িপানা, সিংগারা, টোপাপানা, শাপলা, পদ্ম, শ্যাওলা, হাইড্রিলা, কলমি, হেলেঞ্চা, কেশরদাম ইত্যাদি নানা রকম জলজ উদ্ভিদ। এদের বেশির ভাগই পানিতে জন্মে এবং কিছু কিছু আছে (যেমন- কলমি, হেলেঞ্চা, কেশরদাম) যারা পানিতে আর মাটিতে দু'জায়গাতেই জন্মে। 
অর্থাৎ, পানি না থাকলে বেশির ভাগ জলজ উদ্ভিদ জন্মাতই না, কিছু কিছু হয়তো জন্মাত কিন্তু বাঁচতে পারত না কিংবা বেঁচে থাকলেও বেড়ে উঠতে পারত না। 
- তখন পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয় ঘটত, কারণ এই জলজ উদ্ভিদগুলো একদিকে যেমন সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে অক্সিজেন তৈরি করে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা ঠিক রাখে, অন্যদিকে এদের অনেকগুলো বিশেষ করে শ্যাওলাজাতীয় জলজ উদ্ভিদগুলো জলজ প্রাণীদের খাদ্যভান্ডার হিসেবে কাজ করে। 
- জলজ উদ্ভিদের কাণ্ড আর অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ খুব নরম হয়, যেটা পানির স্রোত আর জলজ প্রাণীর চলাচলের সঙ্গে মানানসই। পানি ছাড়া শুকনো মাটিতে এদের জন্ম হলে এরা ভেঙে পড়ত এবং বেড়ে উঠতে পারত না, এমনকি বাঁচতেও পারত না। 
- জলজ উদ্ভিদগুলো সাধারণত অঙ্গজ উপায়ে বংশবিস্তার করে, পানি না থাকলে এই বংশবিস্তার বাধাগ্রস্ত হতো। 
- জলজ উদ্ভিদ সহজে পানিতে ভাসতে পারে, কারণ এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে। 
- অধিকাংশ জলজ উদ্ভিদের কাণ্ড ফাঁপা। এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে, তাই এরা পানিতে ভাসতে পারে। এই বায়ু কুঠুরী জলজ উদ্ভিদকে পানিতে ভাসিয়ে রাখতে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০৫০.
ফোটনের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) ফোটন ভরহীন
  2. খ) ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ
  3. গ) ফোটন কণা ও তরঙ্গ ধর্ম প্রদর্শন করে
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
আলোক শক্তি কোন উৎস থেকে অবিচ্ছন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়। প্রত্যেক রং এর আলোর জন্য এই শক্তি প্যাকেটের শক্তির একটা সর্বনিম্ন মান আছে। এই সর্ব নিম্নমানের শক্তিসম্পন্ন কণিকাকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটন ভরহীন ও তড়িৎ নিরপেক্ষ। এটি কণা এবং তরঙ্গ উভয় ধর্ম প্রদর্শন করতে পারে।
উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৫১.
অপুষ্পক উদ্ভিদ নিচের কোনটি?
  1. ফার্ণ
  2. ধান
  3. আম
  4. নারিকেল
সঠিক উত্তর:
ফার্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফার্ণ
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদজগৎ: 
- অধিকাংশ উদ্ভিদ নিজেই নিজের খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। 
- এদের দেহ অসংখ্য কোষ দিয়ে গঠিত। 
- এদের কোষপ্রাচীর সেলুলোজ দ্বারা নির্মিত। 
- এদের কোষে সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও কোষ গহ্বর বিদ্যমান। 
- উদ্ভিদে সবুজ কণিকা বা ক্লোরোফিল থাকে, তাই এরা খাদ্য প্রস্তুত করতে পারে। 
উদাহরণ: আম, জাম, কাঁঠাল ইত্যাদি। 
- সুবিশাল উদ্ভিদজগৎকে তাদের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে আবার নানা ভাগে বিভক্ত করা যায়। 

অপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- যেসব উদ্ভিদে ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: মস, ফার্ণ ইত্যাদি। 
- এরা স্পোর বা রেনুর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে থাকে। 
- অপুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
১। সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ, 
২। মসবর্গীয় উদ্ভিদ এবং 
৩। ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ। 

সপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- উদ্ভিদে ফুলের উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে উদ্ভিদকে সপুষ্পক ও অপুষ্পক এই দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। 
- যেসব উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয় তাদেরকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: আম, কাঁঠাল, ধান, নারিকেল ইত্যাদি। 
- এদের দেহ সুস্পষ্টভাবে মূল, কাণ্ড এবং পাতা বিভক্ত। 
- ফুলের মাধ্যমে পরাগায়ন প্রক্রিয়ায় এদের বংশবিস্তার ঘটে। 
- বীজের আবরণের উপর নির্ভর করে সপুষ্পক উদ্ভিদকে আবার নগ্নবীজী এবং আবৃতবীজী এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 
- নগ্নবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকে না বলে ফল উৎপন্ন হয় না, তাই বীজ নগ্ন অবস্থায় থাকে। 
উদাহরণ: সাইকাস, পাইনাস ইত্যাদি। 
- আর আবৃতবীজী উদ্ভিদের ফুলে গর্ভাশয় থাকায় ফল উৎপাদন হয় এবং বীজ আবৃত থাকে। 
উদাহরণ: আম, জাম, সুপারি ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,০৫২.
মানবদেহের 'আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস' গ্রন্থির অবস্থান কোথায়?
  1. অগ্নাশয়ে
  2. গলার উপরের অংশে উভয় পাশে
  3. গ্রীবা অঞ্চলে
  4. মস্তিষ্কের নিচের অংশে
সঠিক উত্তর:
অগ্নাশয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নাশয়ে
ব্যাখ্যা
আইলেটস্ অফ ল্যাংগারহ্যানস- এ গ্রন্থির অবস্থান অগ্ন্যাশয়ের মাঝে। এ গ্রন্থি থেকে ইনসুলিন, গুকাগণ প্রভৃতি হরমোন নিঃসৃত হয় যা শরীরের শর্করা বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।
 
পিটুইটারী গ্রন্থি- এটি মস্তিষ্কের নিচের অংশে অবস্থিত। এ গ্রন্থিকে হরমোন সৃষ্টিকারী প্রধান গ্রন্থি বা প্রভুগ্রন্থি বলে। কারণ এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন সংখ্যা যেমন বেশি তেমন বিভিন্ন গ্রন্থির উপর এসব হরমোন এর প্রভাবও বেশি। এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, শক্তিশালী ও সবচেয়ে ছোট গ্রন্থি। এ গ্রন্থি থেকে গোনাডোট্রপিন, এডরেনোকর্টিকোট্রপিন, থাইরোট্রপিন, প্রোল্যাকটিন ইত্যাদি হরমোন নিঃসৃত হয়।

থাইরয়েড গ্রন্থি- গলার উপরের অংশে উভয় পার্শ্বে অবস্থিত। প্রজাপতি আকৃতির চোখ বের হয়ে আসা রোগটি এ গ্রন্থির সমস্যার কারণে হয়। আয়োডিন এর অভাবে থাইরয়েড গ্রন্থি ফুলে যায় ও গলগন্ড গঠন করে। বিপাকের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এ গ্রন্থি থেকে ট্রাইআয়োডোথাইরোনিন, থাইরক্সিন, ক্যালসিটোনিন এ তিনটি হরমোন নিঃসৃত হয়।

প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি- দু’জোড়া প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি থাইরয়েড গ্রন্থির পেছনে এবং আংশিক থাইরয়েড গ্রন্থির মধ্যে অবস্থিত। এ গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোনের নাম প্যারাথাইরক্সিন হরমোন। মূলতঃ শরীরের ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম বিপাক নিয়ন্ত্রণ করে।

থাইমাস গ্রন্থি- এ গ্রন্থি গ্রীবা অঞ্চলে অবস্থিত। শিশুকালে এ গ্রন্থি বিকশিত হতে থাকে, বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছোট হয়।
এ গ্রন্থি থেকে থাইরক্সিন হরমোন নিঃসৃত হয়।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৩.
এক্স-রে এক ধরনের-
  1. তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ
  2. অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  3. শব্দ তরঙ্গ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
-  যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সঙ্গে সমকোণে অগ্রসর হয়, তাকে  অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে।
-  ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বা তড়িৎচৌম্বকীয় ( যেমন, রেডিও , এক্স রে আলো) তরঙ্গ হল অনুপ্রস্থ তরঙ্গের উদাহরণ। 

এক্স-রে 

- জার্মান বিজ্ঞানী রন্টজেন ১৮৯৫ সালে এক্স-রে তথা রঞ্জন রশ্মি আবিস্কার করেন। 
- এই আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রনজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার পান। 
- এক্স-রে এক ধরনের চার্জহীন বা তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ (যে তরঙ্গ তার চলার পথে তড়িৎ বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত বা বিচ্যুত হয় না)।
- এটি সরলপথে আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108 ms-1 বেগে গমন করে। 
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রে তৈরীর প্রক্রিয়া হলো কুলীজ নল পদ্ধতি।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে। 
- এক্স-রে বিকিরণ পরিমাপ করার জন্য যে একক ব্যবহার করা হয় তাকে রন্টজেন বলা হয়। 

এক্স-রের ব্যবহার :
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায় ৷
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়।
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।

-  তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ভিত্তিতে এক্স-রে সাধারনত ২ ধরনের হয়: 
১) কোমল এক্স-রে,
২) কঠিন এক্স-রে।
-  এক্স-রে যন্ত্রে প্রযুক্ত বিভব পার্থক্য বেশি হলে যে এক্স-রে উৎপাদিত হয় তাকে কঠিন এক্স-রে বলে। 
- কম বিভব পার্থক্য প্রয়োগ করে যে এক্স-রে পাওয়া যায় তাকে কোমল এক্স-রে বলে। 

তথ্যসূত্র - ১. HSC পদার্থবিজ্ঞান , শাহজাহান তপন।
২. ব্রিটানিকা।
১,০৫৪.
গ্যালভানিক কোষে কোন ভিত্তিতে অ্যানোড ও ক্যাথোড নির্ধারিত হয়?
  1. ধাতুর সক্রিয়তার উপর ভিত্তি করে
  2. তড়িৎ প্রবাহের শক্তির উপর ভিত্তি করে
  3. ধাতুর লবণের দ্রবণের তাপমাত্রার উপর ভিত্তি করে
  4. তড়িৎচুম্বকীয় ক্ষেত্রের উপর ভিত্তি করে
সঠিক উত্তর:
ধাতুর সক্রিয়তার উপর ভিত্তি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধাতুর সক্রিয়তার উপর ভিত্তি করে
ব্যাখ্যা
গ্যালভানিক কোষ: 
- গ্যালভানিক কোষের ক্ষেত্রে অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার গঠনের পদ্ধতি তড়িৎবিশ্লেষ্য কোষ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। 
- একটি ধাতব দন্ডকে ঐ ধাতুর লবণের দ্রবণের মধ্যে স্থাপন করা হয়। 
- এভাবে ভিন্ন ভিন্ন ধাতুর দন্ডকে ঐ স্ব স্ব ধাতুর লবণের দ্রবণের মধ্যে স্থাপন করে অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার গঠন করা হয়। তবে অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বার নির্ধারিত হয় ধাতুর সক্রিয়তার উপর ভিত্তি করে। 
- তড়িৎদ্বার হিসেবে ব্যবহৃত ধাতব দন্ড দুটোর মধ্যে অধিক সক্রিয় ধাতব দন্ডটি অ্যানোড তড়িৎদ্বার এবং অপেক্ষাকৃত কম সক্রিয় ধাতব দন্ডটি ক্যাথোড তড়িৎদ্বার হিসেবে কাজ করে। 
- গ্যালভানিক কোষের অ্যানোড তড়িৎদ্বার ও ক্যাথোড তড়িৎদ্বারকে ব্যাটারির সাহায্যে সংযুক্ত না করে শুধু পরিবাহি তারের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়। তবে নির্দেশক বাল্ব যুক্ত করে তড়িৎ প্রবাহকে নিশ্চিত করা হয়। 
- দুটো তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণকে লবণ সেতু দ্বারা সংযোগ করা হয়। 
- লবণ সেতুর মধ্যস্থ তড়িৎ বিশ্লেষ্য উভয় তড়িৎদ্বারের সাথে যুক্ত ধাতব লবণের দ্রবণের সাথে কোন বিক্রিয়া করে না। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৫.
সোডিয়ামের ভরসংখ্যা কত?
  1. ক) ১১
  2. খ) ১২
  3. গ) ২৩
  4. ঘ) ৩২
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩
ব্যাখ্যা

সোডিয়ামের একটি পরমাণুতে ১১টি প্রোটন এবং ১২টি নিউট্রন আছে।

তাই, সোডিয়ামের ভরসংখ্যা ১১+১২=২৩।
কোনো মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে বিদ্যমান প্রোটন ও নিউট্রনের মোট সংখ্যাকে ওই মৌলের ভরসংখ্যা বলে। অর্থাৎ, ভরসংখ্যা = প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১,০৫৬.
একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সাধারণত কতটি অংশ নিয়ে গঠিত? 
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৭ টি
সঠিক উত্তর:
২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ টি
ব্যাখ্যা
দ্বিপদ নামকরণ: 
- বিপুল সংখ্যক প্রাণীর গঠন ও প্রকৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জনের সঠিক উপায় হলো শ্রেণিবিন্যাস। 
- প্রাণীদেহে বিদ্যমান বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ও বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে মিল, অমিল ও পরস্পরের মধ্যে যে সম্পর্ক রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। 
- জীবজগতকে ধাপে ধাপে বিন্যস্ত করার এই পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলে। 
- বর্তমানে প্রয়োজনের তাগিতে জীববিজ্ঞানের একটী স্বতন্ত্র শাখা গড়ে উঠেছে যার নাম শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যা। 

- শ্রেণিবিন্যাসের ইতিহাসে অ্যাারিস্টটল, জন রে এবং ক্যারোলাস লিনিয়াসের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 
- প্রকৃতি বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াসকে শ্রেণিবিন্যাসের জনক বলা হয়। 
- ক্যারোলাস লিনিয়াসই সর্বপ্রথম প্রজাতির বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করেন এবং দ্বিপদ বা দুই অংশ বিশিষ্ট নামকরণ প্রথা প্রবর্তন করেন। 
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুই অংশ বা পদবিশিষ্ট হয়। 
- এই নামকরণকে দ্বিপদ নামকরণ বা বৈজ্ঞানিক নামকরণ বলে। 
যেমন মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম- Homo Sapiens. 
- বৈজ্ঞানিক নাম ল্যাটিন বা ইংরেজি ভাষায় লিখতে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,০৫৭.
স্নায়ুকোষের কত শতাংশ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে?
  1. এক-দ্বিতীয়াংশ
  2. এক-তৃতীয়াংশ
  3. এক-চতুর্থাংশ
  4. এক-পঞ্চমাংশ
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৫৮.
The largest gland in the human body, located in the upper right abdomen, is called:
  1. Thyroid gland
  2. Pancreas
  3. Kidney
  4. Liver
  5. Spleen
সঠিক উত্তর:
Liver
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Liver
ব্যাখ্যা
• যকৃত: 
- যকৃত মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি। 
- মধ্যচ্ছদার নিচে পাকস্থলীর ডানপাশে গাঢ় বাদামী বর্ণের ত্রিকোণাকার অঙ্গ। 
- যকৃতের সাথে কলস আকৃতির পিত্তথলি সংযুক্ত থাকে। 
- যকৃত থেকে নিঃসৃত পিত্তরস পিত্তথলিতে জমা থাকে। 
- পিত্তরস ক্ষারীয় গুণসম্পন্ন গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট। 
- পিত্তনালির মাধ্যমে পিত্তরস যকৃত থেকে ডিওডেনামে আসে। 

- যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয়। 
- যকৃত পিত্তরস তৈরি করে। 
- ক্ষারীয় পিত্তরস পিত্তথলিতে জামা রাখে। 
- পিত্তরসে কোন এনজাইম থাকে না, তাই যকৃত উদ্বৃত্ত গ্লুকোজ নিজ দেহে গ্লাইকোজেন হিসেবে সঞ্চিত রাখে। 
- রক্তে গ্লুকোজের ঘাটতি হলে গ্লুকোজ সরবরাহ করে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 

- পিত্তরস চর্বি জাতীয় খাদ্যকে ক্ষুদ্র দানায় পরিণত করে পরিপাকে সহায়তা করে। 
- অতিরিক্ত অ্যামাইনো অ্যাসিড যকৃতে আসার পর রাসায়নিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইউরিয়া, ইউরিক অ্যাসিড ও নাইট্রোজনজনিত বর্জ্য পদার্থ তৈরি করে এবং স্নেহ জাতীয় পদার্থ শোষণে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৯.
এডিস মশা নিচের কোন রোগটির বাহন?
  1. ক) গোদ রোগ
  2. খ) ম্যালেরিয়া
  3. গ) চিকুনগুনিয়া
  4. ঘ) ফাইলেরিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) চিকুনগুনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চিকুনগুনিয়া
ব্যাখ্যা
এডিস মশার কারণে চিকুনগুনিয়া রোগ হয়। 

- চিকুনগুনিয়া এক ধরণের ভাইরাল সংক্রমণ যেটা এডিস নামের একটি মশার কামড়ানোর ফলে হয়। 
- এই মশাটি সাধারণত দিনের বেলায় কামড়ায়। 
- চিকুনগুনিয়া সংক্রামিত মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

চিকুনগুনিয়া রোগের লক্ষণসমূহ- 
১. প্লাটিলেট কমে যায়। শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখ লাল হওয়া ও চোখ ব্যথা, চোখ থেকে পানি পড়া, অরুচি বা বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেয়।
২. বিভিন্ন স্থানে হামের মতো র‌্যাশ হতে পারে।
৩. গায়ে রক্ত জমে ছিটা ছিটা দাগ থাকতে পারে।

সূত্র- Centers for Disease Control and Prevention [লিঙ্ক]
১,০৬০.
লোহাকে গ্যালভানাইজিং করা হয় কোনটি ব্যবহার করে?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম
  2. খ) দস্তা
  3. গ) নিকেল
  4. ঘ) টিন
সঠিক উত্তর:
খ) দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দস্তা
ব্যাখ্যা

তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি ধাতুর তৈরি জিনিসপত্রের উপর অন্য একটি কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দেয়াকে ইলেক্ট্রোপ্লেটিং বলে।
কোনাে ধাতুর উপর জিংক বা দস্তার প্রলেপ দেওয়াকে গ্যালভানাইজিং বলে।
তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি ধাতুর তৈরি জিনিসপত্রের উপর টিনের প্রলেপ দেওয়া কে টিনপ্লেটিং বলা হয়।
রাবারের তৈরি জিনিসপত্র শক্তিশালী ও টেকসই করার লক্ষ্যে রাবারের সাথে সালফার মেশানােকে ভলকানাইজিং বলে।
[সূত্রঃ রসায়ন নবম-দশম শ্রেণি]

১,০৬১.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় এক অণু গ্লুকোজের সাথে কত অণু অক্সিজেন উৎপন্ন হয়?
  1. ক) ২অণু
  2. খ) ৪অণু
  3. গ) ৬অণু
  4. ঘ) ৮অণু
সঠিক উত্তর:
গ) ৬অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬অণু
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ:
যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ ক্লোরোফিলের সাহায্যে সূর্যালোকশক্তি ব্যবহার করে পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের সমন্বয়ে শর্করা (গ্লুকোজ) উৎপন্ন করে এবং উপজাত হিসেবে অক্সিজেন ত্যাগ করে, তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।

আলো ও ক্লোরোফিল প্রভাবকের উপস্থিতিতে সালোকসংশ্লেষণ বিক্রিয়া -
6CO+ 12H2O → C6H12O6 + 6H2O + 6O2
বা, ৬ অণু কার্বনডাই অক্সাইড + ১২ অণু পানি → ১ অণু গ্লুকোজ + ৬ অণু পানি + ৬ অণু অক্সিজেন।

অর্থাৎ, সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় এক অণু গ্লুকোজের সাথে ৬ অণু অক্সিজেন উৎপন্ন হয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৬২.
নিচের কোনটি লসিকার কাজ নয়? 
  1. পুষ্টি সরবরাহ
  2. প্রজনন
  3. প্রোটিন পরিবহন
  4. দেহ রসের সংবহন
সঠিক উত্তর:
প্রজনন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজনন
ব্যাখ্যা
- লসিকার কাজ নয়- প্রজনন। 

লসিকা: 
- এক ধরনের পরিবর্তিত ঈষৎ ক্ষারধর্মী স্বচ্ছ কলারস যা লসিকা নালির ভেতর দিয়ে পরিবাহিত হয়ে দেহের সকল কোষকে সিক্ত করে। 
- লসিকায় লোহিত রক্ত কণিকা ও অণুচক্রিকা অনুপস্থিত কিন্তু শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যাধিক। 
- লসিকায় ৯৪% পানি ও ৬% কঠিন পদার্থ থাকে। 
যেমন- প্রোটিন, স্নেহ পদার্থ, কার্বোহাইড্রেট, নাইট্রোজেনযুক্ত পদার্থ, ফসফরাস, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, কিছু এনজাইম ও অ্যান্টিবডি। 
- মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ ১-২ লিটার। 

লসিকার কাজ: 
• প্রোটিন পরিবহন: কলার ফাঁকা স্থান থেকে প্রোটিন লসিকার মাধ্যমে রক্তে ফিরে আসে। 
• স্নেহ পরিবহন: যে সব স্নেহ কলা কৈশিক নালির বাধা অতিক্রমে অক্ষম সেগুলো লসিকার মাধ্যমে পরিবাহিত হয়।
• পুষ্টি সরবরাহ: দেহের যে সব কলা কোষে রক্ত পৌঁছাতে পারে না সেখানে লসিকা অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ করে।
• শোষণ: স্নেহ পদার্থ অন্ত্র থেকে শোষিত হয়ে লসিকার মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। 
• প্রতিরক্ষা: লসিকায় অবস্থিত প্রচুর শ্বেত কণিকা দেহের প্রতিরক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকে। 
• প্রতিরোধ: B-লিম্ফোসাইট থেকে উৎপন্ন অ্যান্টিবডি দেহের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। 
দেহ রসের সংবহন: রক্ত সংবহনের এক অংশ থেকে অন্য অংশে তরল পদার্থের পরিবহনে অংশ নেয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬৩.
৪র্থ শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. 2
  2. 8
  3. 32
  4. 18
সঠিক উত্তর:
32
উত্তর
সঠিক উত্তর:
32
ব্যাখ্যা
বোর তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ইলেকট্রন বিন্যাসের নিয়ম: 
- বোর তত্ত্বানুসারে ইলেকট্রনসমূহ তাদের নিজ নিজ শক্তি অনুযায়ী নিউক্লিয়াসের চারিদিকে কতগুলো অনুমোদিত কক্ষপথ বা শক্তিস্তরে পরিভ্রমণ করে, এইরূপ শক্তিস্তরকে প্রধান শক্তিস্তর বলে। 
- প্রত্যেক পরমাণুতে একাধিক প্রধান শক্তিস্তর বিদ্যমান। 
- প্রধান শক্তিস্তরগুলোকে n দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। n = ১ হলে ১ম শক্তিস্তর বা K- শেল যা নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে। পরবর্তী উচ্চতর শক্তিস্তরগুলো যথাক্রমে ২য় শক্তিস্তর বা L- শেল, ৩য় শক্তিস্তর বা M- শেল, ৪র্থ শক্তিস্তর বা N- শেল ইত্যাদি। 
- নিউক্লিয়াস থেকে পরবর্তী শেলগুলোর দুরত্ব ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে। 
- নিউক্লিয়াসের সবচেয়ে নিকটতম শেলটি সবচেয়ে কম শক্তিসম্পন্ন। 
- দুরত্ব যত বাড়ে, শেল তত শক্তি সম্পন্ন হয়। 
- ইলেকট্রন সর্বদা কম শক্তিসম্পন্ন স্তরে অবস্থান করে। তবে, শক্তি শোষণের মাধ্যমে উচ্চ শক্তি সম্পন্ন স্তরে যেতে পারে। 
- প্রতিটি শেলে সর্বাধিক 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন (n = 1, 2, 3......) থাকতে পারে। 
• ১ম শেলে (K- শেল) অর্থাৎ n = 1 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = 2 × (1)2 = 2 টি, 
• ২য় শেলে (L- শেল) অর্থাৎ n = 2 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = 2 × (2)2 = 8 টি, 
• ৩য় শেলে (M- শেল) অর্থাৎ n = 3 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = 2 × (3)2 = 18 টি এবং 
৪র্থ শেলে (N- শেল) অর্থাৎ n = 4 শেলে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা = 2n2 = 2 × (4)2 = 32 টি । 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬৪.
নিচের কোনটি তাপ ইঞ্জিনের বিপরীতমুখী হয়ে কাজ করে?
  1. জেনারেটর
  2. সৌর প্যানেল
  3. তাপীয় পাম্প
  4. থার্মোস্ট্যাট
সঠিক উত্তর:
তাপীয় পাম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপীয় পাম্প
ব্যাখ্যা

একটি তাপ ইঞ্জিন উচ্চ তাপমাত্রা থেকে তাপ গ্রহণ করে কাজ সম্পাদন করে, কিন্তু তাপীয় পাম্প তার বিপরীত কাজ করে। এটি বিদ্যুৎ বা অন্য কোনো শক্তির সাহায্যে কাজ সম্পাদন করে তাপকে নিম্ন তাপমাত্রা থেকে উচ্চ তাপমাত্রার দিকে স্থানান্তর করে।
-
রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনারও একই মূলনীতিতে কাজ করে।

তাপীয় ইঞ্জিন:
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। যথা:
১. বাষ্পীয় ইঞ্জিন,
২. পেট্রোল ইঞ্জিন,
৩. ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি।
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে।
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে।
- তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে।
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে।
- অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে।
- ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে।

অন্যদিকে,
• তাপীয় পাম্প:
- তাপীয় পাম্প (Heat Pump) হলো এমন একটি যন্ত্র যা তাপগতিবিদ্যার নীতির ওপর ভিত্তি করে তাপকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে। এটি রেফ্রিজারেটর বা এয়ার কন্ডিশনারের মতোই কাজ করে।
- একটি তাপীয় পাম্প যান্ত্রিক কাজ (বিদ্যুৎ) ব্যবহার করে তাপকে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করে, যা তাপ ইঞ্জিনের কাজের সম্পূর্ণ বিপরীত।
- অর্থাৎ, তাপ ইঞ্জিন তাপকে কাজে পরিণত করে, আর তাপীয় পাম্প কাজকে তাপ স্থানান্তরে পরিণত করে।

উল্লেখ্য,
- জেনারেটর কোনো তাপীয় যন্ত্র নয়, বরং এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- সৌর প্যানেল আলোক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এটি তাপ ইঞ্জিনের বিপরীত নয়।
- থার্মোস্ট্যাট হলো একটি নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, যা তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কিন্তু নিজে তাপ স্থানান্তর করে না।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬৫.
লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির সম্পর্কে কোন্ বিবৃতিটি মিথ্যা? 
  1. Ni-Cd ব্যাটারির তুলনায় এদের শক্তির ঘনত্ব বেশি 
  2. এতে লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড ক্যাথোড ব্যবহার করা হয় 
  3. 'মেমরি এফেক্ট'-এর কারণে এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন হয় 
  4. এখানে অতিরিক্ত চার্জিং-এর ফলে আগুন লাগতে পারে
সঠিক উত্তর:
'মেমরি এফেক্ট'-এর কারণে এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন হয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'মেমরি এফেক্ট'-এর কারণে এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন হয় 
ব্যাখ্যা

- লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি সম্পর্কে 'মেমরি এফেক্ট'-এর কারণে এদের পর্যায়ক্রমিক সম্পূর্ণ ডিসচার্জের প্রয়োজন হয়- এই বিবৃতিটি মিথ্যা, কারণ মেমরি এফেক্ট (স্মৃতি প্রভাব) মূলত Ni-Cd ব্যাটারির একটি সমস্যা, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির নয়, বরং লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির অতিরিক্ত চার্জিং বা সম্পূর্ণ ডিসচার্জ না করলে তাদের পারফরম্যান্স কিছুটা কমতে পারে কিন্তু মেমরি এফেক্ট হয় না। 

লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি (Lithium ion Battary): 
- বিজ্ঞানী উইটিংহাম (Whittinghum) সর্বপ্রথম 1970 সালে লিথিয়াম ব্যাটারির প্রস্তাব করেন। 
- এটি একটি সেকেন্ডারী সেল। 

লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির গঠন: 
- লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির তিনটি মূল কার্যকরী উপাদান হচ্ছে ঋণাত্মক ইলেকট্রোড, ধনাত্মক ইলেকট্রোড এবং ইলেকট্রোলাইট। 
- ধনাত্মক তড়িৎদ্বার সাধারণত কার্বন হতে তৈরী করা হয়। ধনাত্মক তড়িৎদ্বার ধাতব অক্সাইডের তৈরী এবং ইলেকট্রোলাইট হচ্ছে জৈব দ্রাবকে দ্রবীভূত লিথিয়াম লবণ। 
- বানিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত ঋণাত্মক ইলেকট্রোড হয় গ্রাফইট এবং ধনাত্মক ইলেকট্রোড হিসাবে নিম্নলিখিত তিনটি পদার্থের যে কোন একটি ব্যবহৃত হয়-
(i) লিথিয়াম কোবাল্ট অক্সাইড স্তর (Li-CoO2), 
(ii) লিথিয়াম আয়রন ফসফেট এবং 
(iii) লিথিয়াম ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড (Li-Mn2O4)। 
ইলেকট্রোলাইট হিসাবে ব্যবহৃত হয় জৈব কার্বনেটের মিশ্রণ। যেমন- লিথিয়ামের জটিল ইথিলিন কার্বনেট (EC) ডাইইথাইল কার্বনেট ইত্যাদি। 
- নিম্নে একটি লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি গঠনচিত্র দেয়া হলো- 

- লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির সুবিধা ও অসুবিধা দেওয়া হলো- 
সুবিধা: 
১। বিভিন্ন আকার আকৃতির পাওয়া যায় যা বিভিন্ন যন্ত্রপাতিতে সাইজেই ফিট হয়। 
২। অন্যান্য ব্যাটারি হতে হালকা। 
৩। অন্যান্য জলীয় ব্যাটারি হতে এদের বিভব পার্থক্য অধিক (উন্মুক্ত সার্কিটে)। 
৪। কোন মেমোরী প্রভাব নেই। 
৫। অব্যবহৃত অবস্থায় চার্জ হারানোর হার কম (5-10%) অন্যান্য কার্যকারী ক্ষেত্রে হার 30% । 
৬। ব্যাটারির উপাদান পরিবেশগতভাবে বন্ধুভাবাপন্য। 

অসুবিধা: 
১। চার্জের ফলে ইলেক্ট্রোলাইটের মধ্যে জমাট বাধে যা আয়নের পরিবহনে বাধা দেয়। 
২। উচ্চ মাত্রায় চার্জ করা এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ব্যাটারির ধারকতা হারায়। 
৩। ২৫° C তাপমাত্রায় পূর্ণ চার্জের ফলে উভমূখীতা হারায়। 
৪। আভ্যন্তরীণ রোধ বেশি। 
৫। উচ্চ ক্ষমতার যন্ত্রের ক্ষেত্রে একটি বড় ব্যাটারি ব্যবহার অসুবিধা বরং একাধিক ছোট ব্যাটারি ব্যবহার করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। 
৬। উচ্চ তাপমাত্রায় এ ব্যাটারি ব্যবহার বিপদজনক। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র (তড়িৎ রসায়ন), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬৬.
দ্রবণ শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. ক্ষরণ
  2. জলপ্রপাত
  3. অনুধ্যান
  4. নিমজ্জন
সঠিক উত্তর:
ক্ষরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষরণ
ব্যাখ্যা
দ্রবণ: দ্রাব গলন; ক্ষরণ; তরলীভবন; solution।
বিগলন : গলে যাওয়া; দ্রবণ।

দ্রবণ (Solution):
কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় যেকোনো ভৌত অবস্থায় একাধিক উপাদানের সম্পূর্ণ সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যাতে উপাদানগুলোর পরিমাণের অনুপাত একটি সীমার মধ্যে আবদ্ধ থাকে তাকে দ্রবণ বলা হয়।
- দ্রবণের প্রতিটি অংশের গঠন, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম অভিন্ন হয়।
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদান কম পরিমাণে থাকে অর্থাৎ যা দ্রবীভূত হয়, তাকে দ্রব বলা হয় ।
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানের পরিমাণ বেশি এবং যার মধ্যে দ্রব যোগ করা হয় তাকে দ্রাবক বলা হয় ।

উৎস: Accessible Dictionary.
১,০৬৭.
ধাতব কার্বোনেটের সাথে এসিডের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়-
  1. লবণ
  2. পানি
  3. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
◉ ধাতব কার্বোনেটের সাথে এসিডের বিক্রিয়ায় লবণ, পানি ও ডাইঅক্সাইড উৎপন্ন হয়।

সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া:
- এসিডের অণুতে প্রতিস্থাপন যোগ্য হাইড্রোজেন বর্তমান থাকে।
- এ হাইড্রোজেন ধাতু বা ধাতুর ন্যায় ক্রিয়াশীল মূলক দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়।

ধাতব কার্বোনেট ও হাইড্রোজেন কার্বোনেটের সাথে এসিডের বিক্রিয়া:
- এসিড ধাতব কার্বোনেট বা ধাতব হাইড্রোজেন কার্বোনেট এর সাথে বিক্রিয়া করে লবণ, পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে থাকে। যেমন-
• Na2CO3(s) + 2HCl(aq) → 2NaCl(aq) + H2O(l) + CO2(g).
• NaHCO3(s) + HCl(aq) → NaCl(aq) + H2O(l) + CO2(g).

ধাতুর অক্সাইডের সাথে এসিডের বিক্রিয়া:
- এসিড ধাতুর অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে।
- ধাতুর অক্সাইড সমূহ ক্ষার ধর্মী এটির সাথে এসিডের বিক্রিয়া ঘটে।

ধাতুর হাইড্রোক্সাইডের সাথে এসিডের বিক্রিয়া:
- এসিড ধাতুর হাইড্রোক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে থাকে।
- ধাতুর হাইড্রোক্সাইড ক্ষার বিধায় এটির সাথে এসিডের বিক্রিয়া ঘটে।
- এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়।

সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া:
- ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া সক্রিয়তার সিরিজ অনুসারে সম্পন্ন হয়।
- পর্যায় তালিকায় মৌল সমূহের ধর্মকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়।
- তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়।
- হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬৮.
পিটুইটারি গ্রন্থি ক্ষরিত হরমোন কোনটি?
  1. ক) থাইরক্সিন
  2. খ) অক্সিটোসিন
  3. গ) থাইমোসিন
  4. ঘ) ইনসুলিন
সঠিক উত্তর:
খ) অক্সিটোসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অক্সিটোসিন
ব্যাখ্যা
পিটুইটারি গ্রন্থি:
- এটি মস্তিষ্কে হাইপোথ্যালামাসের সাথে সংযুক্ত একটি গোলাকার ছোট গ্রন্থি।
- এ গ্রন্থি থেকে সর্বাধিক সংখ্যক হরমোন ক্ষরিত হয়।
- এসব হরমোন অন্যান্য প্রায় সকল গ্রন্থির উপর প্রভাব বিস্তার করে কাজের সমন্বয় ঘটায়।
- এজন্য এ গ্রন্থিকে প্রভু গ্রন্থি বলা হয়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬৯.
পর্যায় সারণিতে বাম থেকে ডানে গেলে পরমাণুর আকারে কী পরিবর্তন হয়?
  1. বৃদ্ধি পায়
  2. হ্রাস পায়
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. প্রথমে বৃদ্ধি পায় পরে হ্রাস পায়
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
• পর্যায় সারণিতে বাম থেকে ডানে গেলে পরমাণুর আকার হ্রাস পায়। 

• পর্যায় সারণি:

- যে সারণির মাধ্যমে মৌলিক পদার্থগুলোকে তাদের পারমাণবিক সংখ্যা (atomic number) এবং ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের ভিত্তিতে কতকগুলো ছকে সাজানো হয় তাকে পর্যায় সারণি বলা হয়। 

• পর্যায় সারণিতে ৭ টি পর্যায় ও ১৮ টি গ্রুপ রয়েছে। 
- পর্যায় সারণিতে একই পর্যায়ে বাম থেকে ডানে গেলে মৌলের ইলেকট্রন সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও বহিঃস্থ স্তর সংখ্যা একই থাকে।
- এর ফলে যেসব পরিবর্তন হয় তা নিম্নরূপ:
→ পারমাণবিক ব্যাসার্ধ:
- পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে নিউক্লিয়াসের চার্জ বাড়ে, যা ইলেকট্রন ঘনত্বকে নিউক্লিয়াসের দিকে আকর্ষণ করে এবং এর ফলে পারমাণবিক ব্যাসার্ধ হ্রাস পায়।  
- ফলে পরমাণুর আকার হ্রাস পায়। 
→ ধাতব ধর্ম:
- একই পর্যায়ে বাম থেকে ডানে গেলে ধাতব ধর্ম হ্রাস পায়, কারণ পরমাণুগুলোর ইলেকট্রন ত্যাগ করার প্রবণতা হ্রাস পায়।  
→ অধাতব ধর্ম:
- অধাতব ধর্ম বৃদ্ধি পায়, কারণ পরমাণুগুলোর ইলেকট্রন গ্রহণ করার প্রবণতা বৃদ্ধি করে।  
→ তড়িৎ ঋণাত্মকতা:
- তড়িৎ ঋণাত্মকতা বৃদ্ধি পায়, কারণ পরমাণুগুলোর ইলেকট্রনকে নিজের দিকে আকর্ষণ করার প্রবণতা বাড়ে।  
→ ইলেকট্রন আসক্তি:
- ইলেকট্রন আসক্তি বাড়ে, কারণ পরমাণুগুলো সহজে একটি অতিরিক্ত ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পারে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১,০৭০.
হেপাটাইটিস B নির্ণয়ের জন্য কোন পরীক্ষা করা হয়?
  1. কফ পরীক্ষা
  2. রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিজেন পরীক্ষা
  3. রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিবডি পরীক্ষা
  4. সিটিস্ক্যান
সঠিক উত্তর:
রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিজেন পরীক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিজেন পরীক্ষা
ব্যাখ্যা
• হেপাটাইটিস বি:
- সাধারণত লিভার প্রদাহকে হেপাটাইটিস বলা হয়। ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হয়ে লিভার প্রদাহ হলে তাকে ভাইরাল হেপাটাইটিস বলা হয়। 
- এটি জন্ডিসের প্রধান কারণ। 
- হেপাটাইটিস রোগের কারণ হলো হেপাটাইটিস বি ভাইরাস । 

• হেপাটাইটিস বি এর লক্ষণ:
- ক্রমশ জ্বর, মাথা ব্যথা, পেট ব্যথা, ক্ষুধামন্দা, খাবারে অরুচি, বমি বমি ভাব, দুর্বল বোধ, পাতলা পায়খানা, হাড়ের গিঁটে ব্যথা ইত্যাদি লক্ষণ প্রকাশ পায়।
- পরবর্তীতে প্রস্রাব হলুদ হয়, চোখের সাদা অংশ এবং সমস্ত শরীর হলুদ বর্ণ দেখায়, পেটে ও পায়ে পানি জমা হতে পারে।
- আক্রান্ত ব্যক্তি সবসময় অস্বস্তি অনুভব করে। শেষ পর্যন্ত লিভার সিরোসিস, লিভার ক্যান্সার হেপাটাইটিস B ও C ভাইরাসের সংক্রমণে হয়ে থাকে।

• রোগ নির্ণয়:
-  হেপাটাইটিস B নির্ণয়ের জন্য রক্তের এইচবি সারফেস অ্যান্টিজেন (HBsAg) পরীক্ষা করতে হয়।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১,০৭১.
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাসের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি?
  1. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. আর্গন
  3. নাইট্রোজেন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি গ্যাস হলো নাইট্রোজেন (গ)। এটি প্রায় ৭৮% বায়ুর মধ্যে থাকে।
 
বায়ুমণ্ডল: 
- জীবন ধারণের জন্য পৃথিবীর জীবকুলের কাছে যেসব জিনিস অপরিহার্য বায়ুমণ্ডল তাদের মধ্যে অন্যতম। 
- যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে বলে বায়ুমণ্ডল। 
- পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে বায়ুমণ্ডলও ভূপৃষ্ঠের চারদিকে জড়িয়ে থেকে অনবরত আবর্তন করছে। 
- বায়ুমণ্ডলের বর্ণ, গন্ধ, আকার কিছুই নেই, তাই একে খালি চোখে দেখা যায় না, কেবল অনুভব করা যায়। 
- বায়ুমণ্ডলের বিশালতা এবং এর ক্রিয়াদি সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের গবেষণা নিরন্তর চলছে। 
- বিভিন্ন উপগ্রহ ও গবেষণার মাধ্যমে জানা গেছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 
- বায়ুমণ্ডলের ব্যাপ্তি যত বিশাল হোক না কেন, এর প্রায় ৯৭ ভাগ উপাদানই ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাই মানুষ, উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর উপর এর প্রভাব অত্যন্ত বেশি। 
- বায়ুমণ্ডল প্রধানত তিন প্রকার উপাদান দ্বারা গঠিত। যেমন- বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা ও কণিকা। 

বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদান: 
• নাইট্রোজেন (N2) ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন (O2) ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন (Ar) ⇒ ০.৮০, 
• কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ⇒ ০.০৩, 
• অন্য গ্যাসসমূহ (নিয়ন, হিলিয়াম, ক্রিপটন, জেনন, ওজোন, মিথেন ও নাইট্রাস অক্সাইড) ⇒ ০.০২, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং 
• ধূলিকণা ও কণিকা ⇒ ০.০১ । 
- বায়ুমণ্ডল নানাপ্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুটি- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। 
- বায়ুমণ্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ এবং বাকি শতকরা ১.২৭ ভাগ অন্যান্য গ্যাস, জলীয়বাষ্প ও কণিকাসমূহ জায়গা জুড়ে আছে। 
- জীবজগৎ পরস্পর অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের গ্রহণ ও ত্যাগের মাধ্যমে বেঁচে আছে। 
- ওজোন গ্যাসের স্তর সূর্য থেকে আসা অতিবেগুনি রশ্মিকে শোষণ করে জীবজগৎকে রক্ষা করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০৭২.
বাংলাদেশে দীর্ঘতম গাছের নাম কি?
  1. বৈলাম
  2. অর্জুন
  3. মেহগনি
  4. ইউক্যালিপটাস
সঠিক উত্তর:
বৈলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈলাম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বা উঁচু গাছের নাম বৈলাম। 
- এই বৃক্ষ ২৪০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। 
- বর্তমানে বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার ডুলাহাজাড়ায় বৈলাম বৃক্ষ দেখা যায়। 
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির গহীন অরণ্যে পাওয়া যায়। 
- বৃক্ষটি বর্তমানে বিপন্নের পথে। 

উৎস: দৈনিক সমকাল পত্রিকা।
১,০৭৩.
কোন সাল থেকে পৃথিবীতে এস.আই পরিমাপের পদ্ধতি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়?
  1. ১৯৪৫
  2. ১৯৫৬
  3. ১৯৬০
  4. ১৯৬৮
সঠিক উত্তর:
১৯৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬০
ব্যাখ্যা
এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি: 
- পূর্বে কোনো কিছুর পরিমাণ নির্ণয়ের বিভিন্ন একক পদ্ধতি প্রচলিত ছিল। 
- একই পরিমাপের জন্য প্রচলিত বিভিন্ন একক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- এমকেএস (মিটার, কিলোগ্রাম, সেকেন্ড), এফপিএস (ফুট, পাউন্ড, সেকেন্ড) ও সিজিএস (সেন্টিমিটার, গ্রাম, সেকেন্ড) পদ্ধতি নামে প্রচলিত। 
- দীর্ঘকাল ধরে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন একক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। 
অথাৎ, একই রাশি পরিমাপের জন্য বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন একক ব্যবহার করা হতো। এককের এই বিভিন্নতার কারণে নানা অসুবিধার কথা বিবেচনা করে ১৯৬০ সাল থেকে পৃথিবীর সমগ্র দেশে একটি সাধারণ পরিমাপের পদ্ধতি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যাকে এস.আই বা ইন্টারন্যাশনাল সিস্টেম অব ইউনিট বলা হয়। 
- এই আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে সকল ভৌত রাশির জন্য কেবল একটি নির্দিষ্ট একক নির্ধারণ করা হয়েছে। 
যেমন: 
• দৈর্ঘ্যের একক মিটার, 
• ভরের একক কিলোগ্রাম, 
• সময়ের একক সেকেন্ড, 
• তাপমাত্রার একক কেলভিন, 
• বৈদ্যুতিক আধানের একক কুলম্ব, 
• আলোক ঔজ্জ্বল্যের একক ক্যান্ডেলা ও 
• পদার্থের পরিমাণের একক মোল। 
- এই এককগুলো বর্তমানে এস. আই পদ্ধতির মৌলিক একক। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,০৭৪.
কোনটিকে প্রোটিন উৎপাদনের কারখানা বলা হয়?
  1. ক) মাইট্রোকন্ডিয়া
  2. খ) ক্লোরোপ্লাস্ট
  3. গ) রাইবোজোম
  4. ঘ) নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
গ) রাইবোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাইবোজোম
ব্যাখ্যা

- রাইবোজোমের প্রধান কাজ প্রোটিন সংশ্লেষণ করা। তাই একে বলা হয় প্রোটিন ফ্যাক্টরি।
- নিউক্লিয়াস কোষের সব ধরনের জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। তাই একে কোষের মস্তিষ্ক, কোষের প্রাণ বা প্রাণকেন্দ্র বলা হয়।
- কোষের যাবতীয় জৈবিক কাজের শক্তি সরবরাহ করে বলে মাইটোকনড্রিয়াকে কোষের 'পাওয়ার হাউস' বা 'শক্তিঘর' বলা হয়।
- সবুজ বর্ণের প্লাস্টিডকে বলা হয় ক্লোরোপ্লাস্ট।
- ক্লোরোপ্লাস্ট খাদ্য সংশ্লেষে সাহায্য করে বলে 'কোষের রান্নাঘর' বা 'শর্করা জাতীয় খাদ্যের কারখানা' বলে।
- এটি শক্তি রূপান্তরের অঙ্গানু।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,০৭৫.
একটি সিন্টোল ও একটি ডায়াস্টোলের সমন্বয়ে একটি হৃদস্পন্দন সম্পন্ন করতে সময় লাগে-
  1. ০.৫ সেকেন্ড
  2. ০.৮ সেকেন্ড
  3. ০.২ সেকেন্ড
  4. ০.৪ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
০.৮ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৮ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
হৃদস্পন্দন:
- একটি সিস্টোল ও একটি ডায়াস্টোলের সমন্বয়ে একটি হৃৎস্পন্দন সম্পন্ন হয় এবং
- একটি হৃদস্পন্দনে সময় লাগে প্রায় ০.৮ সেকেন্ড।
- একজন সুস্থ মানুষের হৃৎস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৬০-১০০ বার হয়। এটাকে হার্ট-বিট বলা হয়।
- মানুষের হৃৎস্পন্দন শোনা যায় স্টেথোস্কোপ যন্ত্রের মাধ্যমে।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম - দশম শ্রেণি।
১,০৭৬.
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের কোন অংশ বেতার তরঙ্গ প্রতিফলনের মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে যোগাযোগ সম্ভব করে?
  1. আয়নোস্ফিয়ার
  2. মেসোস্ফিয়ার
  3. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  4. ট্রপোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
আয়নোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়নোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের যে অংশ বেতার তরঙ্গ প্রতিফলনের মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে যোগাযোগ সম্ভব করে, তা হলো আয়নোস্ফিয়ার। আয়নোস্ফিয়ার বায়ুমণ্ডলের উপরের একটি স্তর, যেখানে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে গ্যাসগুলো আয়নিত হয়ে বিদ্যুত্‌ চার্জযুক্ত কণায় পরিণত হয়। এই আয়নিত কণাগুলো রেডিও বা বেতার তরঙ্গকে প্রতিফলিত বা বাঁকিয়ে আবার পৃথিবীর দিকে ফিরিয়ে দিতে পারে। ফলে বেতার তরঙ্গ সরাসরি দৃষ্টিসীমার বাইরে গিয়েও বহু দূরত্ব অতিক্রম করতে সক্ষম হয়। এ কারণেই রেডিও সম্প্রচার, দূরপাল্লার যোগাযোগ এবং নৌ ও বিমান যোগাযোগে আয়নোস্ফিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
 
তাপমণ্ডল (Thermosphere): 
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুস্তরকে তাপমণ্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার বলে।
- তাপমন্ডলের বৈশিষ্ট্য নিম্নে তুলে ধরা হলো- 
ক) তাপ বায়ুমণ্ডলের খুব হালকা এবং এখানে তাপের পরিবহনও নগণ্য। 
খ) তীব্র সৌর বিকিরনে রঞ্জন রশ্মি ও অতিবেগুনী রশ্মির সংঘাতে এই অংশে বায়ু আয়নযুক্ত হয়। এই জন্য একে আয়নমণ্ডল বা আয়নোস্ফিয়ার বলা হয়। 
গ) পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে যে বেতার তরঙ্গ পাঠানো হয় তা এই স্তরের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে। 
ঘ) এই স্তরে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা অত্যন্ত দ্রুত হারে বৃদ্ধি পেয়ে ১৪৮০০ সেলসিয়াসে এসে পোঁছায়। 

অন্যান্য অপশনসমূহ,
- ট্রপোস্ফিয়ার: আবহাওয়া ও জলবায়ুর ঘটনাবলী ঘটে।
- স্ট্রাটোস্ফিয়ার: এখানে ওজোন স্তর থাকে, যা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি শোষণ করে।
- মেসোস্ফিয়ার: উল্কাপিণ্ড পুড়ে যায় এই স্তরে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,০৭৭.
স্টিফেন হকিং নিম্নের কোন সংস্থার পরিচালক ছিলেন?
  1. The Royal Institution of Great Britain
  2. Royal Institute for Theory and Space
  3. Centre for Theoretical Cosmology
  4. Nasa Space Research Institute
সঠিক উত্তর:
Centre for Theoretical Cosmology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Centre for Theoretical Cosmology
ব্যাখ্যা
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time.
- তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত Centre for Theoretical Cosmology এর পরিচালক ছিলেন। 

- He was director of research at the Centre for Theoretical Cosmology at the University of Cambridge, where he was a Lucasian professor of mathematics.

Source: britannica, www.theguardian.com
১,০৭৮.
আধুনিক পর্যায় সারণিতে মোট কতটি গ্রুপ আছে? 
  1. ৭ 
  2. ৮ 
  3. ১৮
  4. ২০ 
সঠিক উত্তর:
১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮
ব্যাখ্যা

আধুনিক পর্যায় সারণি: 
- ১৯১৪ সালে বিজ্ঞানী বোর মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসের ভিত্তিতে বিস্তৃত আকারে একটি পর্যায় সারণি তৈরি করেন। এটি দীর্ঘ পর্যায় সারণি বা বোরের সারণি নামেও পরিচিত।
- বোরের পর্যায় সারণিকে আধুনিক পর্যায় সারণি বলা হয়। 
- মৌলের পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাসই পর্যায় সারণির মূল ভিত্তি। 
- আধুনিক পর্যায় সারণির মৌলগুলোকে পর্যায় ও গ্রুপ বরাবর ভাগ করা হয়েছে। 
- সমগ্র আধুনিক পর্যায় সারণিকে ৭টি পর্যায় ও ১৮টি গ্রুপ হিসেবে ভাগ করা রয়েছে। 
- প্রতিটি পর্যায়ের বাম দিক থেকে গ্রুপ-১ এর মৌল দিয়ে শুরু করে গ্রুপ-১৮ তে গিয়ে শেষ হয়েছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৭৯.
পটাশ অ্যালামকে কী বলা হয়?
  1. ক) কস্টিক সোডা
  2. খ) ফিটকিরি
  3. গ) চুন
  4. ঘ) সাবান
সঠিক উত্তর:
খ) ফিটকিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিটকিরি
ব্যাখ্যা
• পটাশ অ্যালামকে ফিটকিরি বলা হয়।

পটাশ অ্যালাম:
- পটাশ অ্যালাম বা ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ। 
- পটাশ অ্যালাম সাধারণ মানুষের কাছে ফিটকিরি নামে পরিচিত। 
- এটি সাধারণত পানি বিশুদ্ধকরণ কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- এটি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ।
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- পটাস অ্যালামে 24 অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 
- এর রাসায়নিক সংকেত K2SO4.Al2(SO4)3 24H2O.

উৎস: রসায়ন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮০.
General relativity বইতে মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন কে?
  1. আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. নিউটন
  3. জন হুইলার
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Black hole):
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অবস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে।
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না।
- তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না।
- নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)।
- ১৯৬৭ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন।

উল্লেখ্য,
- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন আলবার্ট আইনস্টাইন।
- ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর General relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন।
- তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয় Event Horizon Telescope (EHT).

⇒ Black hole এর বৈশিষ্ট্য:
- এতে মহাকর্ষ এতো বেশি থাকে যে আলোও এর থেকে বের হতে পারে না।
- Black Hole ছোট বা বড় যেকোনো আকারের হতে পারে
- Black Hole দেখা যায় না।

উৎস: i) Space.com
ii) পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮১.
শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র কোনটি?
  1. ট্যাকোমিটার
  2. ওডোমিটার
  3. অডিওমিটার
  4. অ্যালটিমিটার
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিওমিটার
ব্যাখ্যা
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র- অডিওমিটার। 

অন্যদিকে, 
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ট্যাকোমিটার। 
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র- অ্যালটিমিটার। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১,০৮২.
স্বর্ণপাতের উপর আলফা কণার বিক্ষেপণের মাধ্যমে পরমাণুতে নিউক্লিয়াসের উপস্থিতি প্রমাণ করেন কে?
  1. রাদারফোর্ড
  2. জন ডাল্টন
  3. নিলস বোর
  4. ডেমোক্রিটাস
সঠিক উত্তর:
রাদারফোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাদারফোর্ড
ব্যাখ্যা
পরমাণুর মৌলিক ধারণা: 
- সর্বপ্রথম খ্রিষ্টপূর্ব ৪৬০ অব্দে গ্রিক দার্শনিক লুসিপাস এবং ডেমোক্রিটাস হামান দিস্তার সাহায্যে পদার্থকে অতি সূক্ষ্ম কণায় পরিণত করেন। 
- তিনি এ সূক্ষ্ম কণার নাম দেন অ্যাটমা যার অর্থ অবিভাজ্য অর্থাৎ পদার্থ অতি সূক্ষ্ম অসংখ্য কণার সমন্বয়ে গঠিত। 
- প্রায় একই সময়ে ভারতের বিজ্ঞানী আচার্য কণাদ ডেমোক্রিটাসের মতবাদকে সমর্থন করেন। 
- ১৮০৩ সালে ব্রিটিশ স্কুল শিক্ষক জন ডাল্টন বলেন পরমাণু অবিভাজ্য একে সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না।  
- ১৮০৮ সালে জন ডাল্টন প্রস্তাব করেন যে, মৌলিক পদার্থগুলো অবিভাজ্য। যা অতিশয় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণার সমন্বয়ে গঠিত, এ ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণাকে পরমাণু বলে। 
- পরবর্তীতে ১৮৯৮ সালে জোসেফ জন থমসন পরমাণুর গঠন সম্পর্কে প্রস্তাব করেন যে, পরমাণু একটি গোলক বিশেষ যার সবদিকে সমানভাবে ধনাত্মক আধান বিস্তৃত। 
- ইলেকট্রনসমূহ এ গোলকের অভ্যন্তরে এমনভাবে সজ্জিত থাকে যে, গোলকের কেন্দ্রের প্রতি এদের আকর্ষণ এবং বিকর্ষণ পরস্পর সমান। 
- ১৯০৪ সালে থমসন তাঁর প্রস্তাবিত পরমাণুর গঠন সম্পর্কিত ধারণাকে আরও উন্নত করেন এবং বলেন যে, “পরমাণু ইলেকট্রনের সমন্বয়ে গঠিত যা স্থিতিস্থাপক গোলকের স্যুপে অবস্থিত ধনাত্মক চার্জকে প্রশমিত করে, যা Plum Pudding Model নামে পরিচিত। 
- ১৯১১ সালে বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড বলেন যে, পরমাণু বিভাজ্য, একে বিভাজিত করলে ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন ইত্যাদি কণিকা পাওয়া যায়। 
- বিজ্ঞানী আর্নেস্ট রাদারফোর্ড স্বর্ণপাতের উপর α-কণার বিক্ষেপণের মাধ্যমে পরমাণুতে নিউক্লিয়াসের উপস্থিতি প্রমাণ করেন। 
- সর্বশেষ ১৯১৩ সালে নিলস বোর রাদারফোর্ডের পরমাণু মডেলের আরও উৎকর্ষ সাধন করেন। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৩.
টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে নিচের কোনটি ব্যবহার  করা হয়?
  1. 32P
  2. 36P
  3. 39P
  4. 60CO
সঠিক উত্তর:
60CO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
60CO
ব্যাখ্যা

রোগ নিরাময়ে:
- সর্বপ্রথম থাইরয়েড ক্যানসার নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- রোগীকে পরিমাণমতো তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 131I সমৃদ্ধ দ্রবণ পান করানো হয়।
- এই আইসোটোপ থাইরয়েডে পৌঁছায়।
- এ আইসোটোপ থেকে বিটা রশ্মি নির্গত হয় এবং থাইরয়েডের ক্যানসার কোষকে ধ্বংস করে।
- এছাড়া ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্রেইন ক্যানসার নিরাময়ে ব্যবহার করা হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 60CO ব্যবহার করা হয়।
60CO থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যানসারের কোষকলাকে ধ্বংস করে।
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় 32P এর ফসফেট ব্যবহার  করা হয়।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

১,০৮৪.
মানবদেহের প্রতিটি কোষে কয়টি লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজম থাকে?
  1. ২টি
  2. ২২টি
  3. ৪৪টি
  4. ৪৬টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
ক্রোমোজম:

- বংশগতির প্রধান উপাদান হচ্ছে ক্রোমোজম।
- এটি নিউক্লিয়াসের অন্যতম বস্তু ।
- Strasburger (১৮৭৫) নিউক্লিয়াসে ক্রোমোজম আবিষ্কার করেন কিন্তু তিনি এর নামকরণ করেননি।
- Weldeyer ১৮৮৮ সালে সর্বপ্রথম ক্রোমোজম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- প্রত্যেক প্রজাতির নিউক্লিয়াসে একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজম থাকে। 
- মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজমকে বলা হয় অটোসোম।
- অটোসোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
- লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই।
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোজম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজম।
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজম।
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৫.
The driving force of an ecosystem is-
  1. Carbon Mono oxide
  2. Biogas
  3. Solar Energy
  4. Carbon dioxide
সঠিক উত্তর:
Solar Energy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Solar Energy
ব্যাখ্যা
বাস্তুতন্ত্রে শক্তি প্রবাহ:

- জীব জগতের সকল শক্তির মূল উৎস সৌর শক্তি।
- সূর্যের যত আলো পৃথিবীতে আসে তার মাত্র শতকরা ২ ভাগ সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে কাজে লাগিয়ে শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে।
- সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় সৌরশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
- এ প্রক্রিয়া চলার সময় সবুজ উদ্ভিদ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক যৌগ যেমন- পানি, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, আয়রন, সালফার ইত্যাদি ব্যবহার করে। এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই জড় ও জীবজগতের মধ্যে সংযোগ সৃষ্টি হয়।
- সবুজ উদ্ভিদের মাধ্যমেই সৌর শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রুপান্তরিত হয়।
- এই রাসায়নিক শক্তি বিভিন্ন প্রাণিতে খাদ্য শৃঙ্খলের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়।
- উৎপাদক থেকে আরম্ভ করে সর্বোচ্চ খাদক পর্যন্ত শক্তি রুপান্তরের সময় প্রতিটি ধাপে শক্তি হ্রাস পেতে থাকে।

তথ্যসুত্র - জাতীয় শিক্ষক বাতায়ন।
১,০৮৬.
উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ এক ধরনের -
  1. জারণ বিজারণ বিক্রিয়া
  2. বিজারণ বিক্রিয়া
  3. জারণ বিক্রিয়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জারণ বিজারণ বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারণ বিজারণ বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। 
- সজীব উদ্ভিদ কোষস্থ ক্লোরোফিল সূর্যের আলোকশক্তিকে ATP এবং NADPH+H' নামক রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ রাসায়নিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে CO2 বিজারণের মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে ও উপজাত হিসেবে O2 নির্গত করে।
- এ প্রক্রিয়ায় দরকার হয় কার্বন ডাইঅক্সাইড, পানি, সূর্যালোক এবং ক্লোরোফিল। উৎপন্ন হয় শর্করা (গ্লুকোজ)। এ বিক্রিয়ায় উপজাত দ্রব্য হিসেবে অক্সিজেন ও পানি উৎপন্ন হয়।
- সূর্যালোকের দরকার হয় মূল শক্তির জন্য এবং ক্লোরোফিল দরকার হয় সূর্য শক্তিকে শোষণ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরের জন্য। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদে তৈরিকৃত খাদ্য উদ্ভিদ নিজে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় বিপাকীয় প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে ব্যবহার করে এবং অবশিষ্ট খাদ্য ফল, মূল, কান্ড অথবা পাতায় সঞ্চিত হয়।
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ বিক্রিয়া বলা হয়। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র(উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,০৮৭.
নিচের কোনটি নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরে মডারেটর হিসেবে ব্যবহার করা হয়? 
  1. ডাইহাইড্রোজেন মনোঅক্সাইড
  2. হাইড্রোজেন পার অক্সাইড
  3. ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
  4. ক্যালসিয়াম অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিউটেরিয়াম অক্সাইড
ব্যাখ্যা
নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর: 
- নিউক্লিয় বিভাজন থেকে উৎপন্ন তাপশক্তিকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়া দরকার, যাতে অতি অল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন হয়ে সমগ্র প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে না যায় এবং যাতে দীর্ঘ সময় ধরে সমহারে শক্তির সরবরাহ পাওয়া যায়। একে নিয়ন্ত্রিত বিভাজন বা নিউক্লিয় রিঅ্যাকটর বলা হয়। 
- পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নিউক্লিয় রিঅ্যাকটরকে এই নিয়ন্ত্রিত বিভাজনের উপযোগী করে তৈরি করা হয়। 

মডারেটর (Moderator): 
- নিউক্লিয় বিক্রিয়ার জন্য তাপীয় নিউট্রন অর্থাৎ ধীর গতির নিউট্রন প্রয়োজন। 
- অথচ এই বিক্রিয়ায় নির্গত নিউট্রনের শক্তি প্রায় 181MeV অর্থাৎ দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রন, সেইজন্য এর গতি কমিয়ে তাপীয় নিউট্রন তৈরি করা প্রয়োজন। 
- মডারেটরের কাজ হলো দ্রতগতি সম্পন্ন নিউট্রনগুলিকে আবার পরবর্তী বিভাজনে কাজে লাগাতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ মন্দন ঘটিয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত করে নিতে হয়। 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে পাঠালে উচ্চ গতির নিউট্রন মন্দীভূত হয়ে তাপীয় নিউট্রনে পরিণত হতে পারে, তাদের বলা হয় মডারেটর। 
- বহুল প্রচলিত দুটি মডারেটর হলো- 
১। ভারী জল বা ডিউটেরিয়াম অক্সাইড (D2O) এবং 
২। গ্রাফাইট। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৮.
উদ্ভিদের মূখ্য পুষ্টি উপাদান কয়টি?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ১০টি
  4. ঘ) ১৩টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০টি
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মুখ্য উপাদান বলা হয়। উদ্ভিদের ম্যাক্রো উপাদান ১০টি এবং মাইক্রো উপাদান ৬ টি। 

উদ্ভিদে প্রায় ৬০টি অজৈব উপাদান শনাক্ত করা হয়েছে।
এই ৬০টি উপাদানের মধ্যে ১৬টি উপাদান উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়, এর মধ্যে ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান (Essential elements) বলা হয়। 

উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি উপাদানের প্রকারভেদ :
অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টি উপাদানের পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দু'ভাবে ভাগ করা হয়েছে। যথা- 

ম্যাক্রো উপাদান:

উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সকল উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয় সেগুলোকে ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
এরূপ উপাদানের সংখ্যা ১০টি।
যথা - নাইট্রোজেন (N), পটাসিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S) এবং লৌহ (Fe)।

মাইক্রো উপাদান:
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যে সব উপাদান সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রো উপাদান বলা হয়।
এদের সংখ্যা ৬টি।
যথা- দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), মলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), কপার বা তামা (Cu) ও ক্লোরিন (Cl)।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৮৯.
আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) 400 nm থেকে 700 nm
  2. খ) 500 nm থেকে 700 nm
  3. গ) 600 nm থেকে 900 nm
  4. ঘ) 400 nm থেকে 900 nm
সঠিক উত্তর:
ক) 400 nm থেকে 700 nm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 400 nm থেকে 700 nm
ব্যাখ্যা

কোনো তরঙ্গের পরপর দুটি, একই দশা সম্পন্ন কণার মধ্যকার দূরত্বকে তরঙ্গ দৈর্ঘ্য (Wave length) বলা হয়।
আলো হচ্ছে বিদ্যুৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ। 
সব ধরনের আলো আমরা দেখতে পাই না। 
যে আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ৪০০ ন্যানোমিটার থেকে ৭০০ ন্যানোমিটার পর্যন্ত সেই আলো আমরা দেখতে পাই। 
ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এর আলো বেগুনি রঙের হয়ে থাকে। তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বাড়তে থাকলে রং পরিবর্তন হতে থাকে।
আই আলোই হচ্ছে দৃশ্যমান আলো। 

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান, পৃষ্ঠা - ২১৩ - ২১৪, বোর্ড বই। 

১,০৯০.
Which train does not touch the rail tracks?
  1. Electric train
  2. Coal powered train
  3. Magnetic train
  4. Diesel train
সঠিক উত্তর:
Magnetic train
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Magnetic train
ব্যাখ্যা
• ম্যাগনেটিক ট্রেন (Magnetic levitation train বা Maglev train) হলো এমন একটি ট্রেন যা চুম্বকের সাহায্যে রেললাইন থেকে একটু উপরে ভেসে চলে। এতে চাকা থাকে না এবং এটি রেললাইন স্পর্শ করে না।

- এটি ম্যাগনেটিক লেভিটেশন (Magnetic Levitation) প্রযুক্তি ব্যবহার করে চলে, যেখানে চুম্বকের বিপরীত মেরু একে অপরকে ঠেলে দেয়, ফলে ট্রেনটি রেললাইন থেকে সামান্য উপরে উঠে ভেসে চলে।

• অপশন আলোচনা:
ক) Electric train – এটি বিদ্যুৎচালিত হলেও রেললাইন স্পর্শ করে চাকার মাধ্যমে চলে।

খ) Coal powered train – এটি কয়লা ব্যবহার করে এবং রেললাইন স্পর্শ করে চলে।

ঘ) Diesel train – এটি ডিজেল ব্যবহার করে এবং রেললাইন স্পর্শ করে চলে।

সঠিক উত্তর: গ) Magnetic train

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১,০৯১.
একটি ব্যাটারিতে সাধারণত কয়টি অংশ থাকে? 
  1. দুইটি
  2. চারটি
  3. তিনটি
  4. ছয়টি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
ব্যাটারি: 
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়। 
- একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়। 
- ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে। 
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। 
যেমন- অ্যানোড, ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট। 

- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে এগুলোকে ডিসি সাপ্লাই বলা হয়। 
- আমাদের বাসায় যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০বার ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি (Alternating Current) বলা হয়। 
- একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫ V, সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০ V । 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০ V থেকে বেশি হলে আমরা সেটি অনুভব করতে পারি, আবার ২২০ V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৯২.
সবচেয়ে ছোট অণু কোনটি?
  1. ক) CO2
  2. খ) H2O
  3. গ) H2
  4. ঘ) O2
সঠিক উত্তর:
গ) H2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) H2
ব্যাখ্যা
অণু:
মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা ঐ পদার্থের ধর্মাবলী অক্ষুন্ন রেখে স্বাধীনভাবে অবস্থান করতে পারে তাকে অণু বলে। দুই বা ততোধিক পরমাণু পরস্পরের সাথে রাসায়নিক বন্ধন-এর মাধ্যমে যুক্ত হয়ে অণু গঠন করে।
যেমন- দুটি অক্সিজেন পরমাণু (O) পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিজেন অণু (O2) গঠন করে।
আবার, একটি কার্বন পরমাণু (C) দুটি অক্সিজেন পরমাণুর (O) সাথে যুক্ত হয়ে একটি কার্বন ডাই-অক্সাইড অণু (CO2) গঠন করে।

অণুর বৈশিষ্ট্য: 
- স্বাধীন অস্তিত্ব আছে।
- বস্তুর বৈশিষ্ট্য বজায় রাখে।
- সব চেয়ে ছোট অণু হাইড্রোজেন অণু। 
- খালি চোখে দেখা যায় না।
- কোন চার্জ নাই।

সূত্র: বিজ্ঞান, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি।
১,০৯৩.
ফুল উৎপাদনের বিজ্ঞানকে কী বলা হয়? 
  1. হর্টিকালচার
  2. অর্গানিক ফার্মিং
  3. সেরিকালচার
  4. ফ্লোরিকালচার
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিকালচার
ব্যাখ্যা
ফুল: 
- ফুল বা সুদৃশ্য গাছপালা উৎপাদনের জ্ঞান ফ্লোরিকালচার বা পুষ্পোদ্যান বিদ্যা নামে পরিচিত। 
- ফুল মানসিক আনন্দ দানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
- কতগুলো ফুলের সৌন্দর্য মানুষ আকৃষ্ট করে। আবার কতগুলো ফুলের গন্ধ খুবই মনোমুগ্ধকর। 
- ফুল গৃহ, স্কুল কলেজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শোভা বর্ধনের জন্য খুবই প্রয়োজন। 
- ফুল শুধু মানুষের মনতুষ্টির জন্যও নয় এর অর্থনৈতিক অবদান অপরিসীম। 
- বর্তমানে বাংলাদেশে ফুল ও সুদৃশ্য গাছ বাণিজ্যিক উৎপাদন বিশেষ ভাবে গোলাপ চোখে পড়ছে। 
- এছাড়াও বিভিন্ন সুগন্ধি প্রস্তুতি ফুলের নির্যাস ব্যবহৃত হয়ে আসছে। 
- গোলাপ ফুলকে ফুলের রাণী বলা হয়ে থাকে। এর কোমলতা, বর্ণ, সুগন্ধ এমন কেউ নেই যাকে আকৃষ্ট করে না। সাজ সজ্জায় কাটা ফুল হিসেবে কদর রয়েছে। এছাড়া সুগন্ধি প্রস্তুতিতে ব্যবহৃত হয়। 

গুরুত্বপূর্ণ আরো কিছু আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- চিংডি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১,০৯৪.
জড়তার ধারণা পাওয়া যায় নিউটনের কোন সূত্র থেকে?
  1. ক) ১ম সূত্র
  2. খ) ২য় সূত্র
  3. গ) ৩য় সূত্র
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম সূত্র
ব্যাখ্যা
নিউটনের প্রথম সূত্র:
- বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু চিরকাল স্থির থাকবে এবং গতিশীল বস্তু সুষম দ্রুতিতে সরলপথে চলতে থাকবে।
- সূত্রটি জড়তার ধারণা দেয়। 
উদাহরণ: চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে যাত্রীরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র:
বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকে ঘটে।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত্মুখী প্রতিক্রিয়া থাকে। অর্থাৎ, যখন একটি বস্তু অন্য একটি বস্তুর ওপর বল প্রয়ােগ করে, তখন সেই বস্তুটিও প্রথম বস্তুটির ওপর বিপরীত দিকে সমান বল প্রয়ােগ করে।
উদাহরণ:
বন্দুক থেকে গুলি ছোঁড়া হলে পেছনের দিকে বন্দুক চালনাকারীকে ধাক্কা দিবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৯৫.
উচ্চ রক্তচাপ আছে এমন ব্যক্তিদের ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ -
  1. < 80 mmHg
  2. > 95 mmHg
  3. > 120 mmHg
  4. > 160 mmHg
সঠিক উত্তর:
> 95 mmHg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
> 95 mmHg
ব্যাখ্যা
উচ্চ রক্তচাপকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন (Hypertension) বলে। 
শরীর ও মনের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ যদি বয়সের জন্য নির্ধারিত মাত্রার উপরে অবস্থান করতে থাকে, তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলে।
 
রক্তের চাপ যদি কম থাকে তা হলে তাকে নিম্নরক্তচাপ বলে।
কোনো ব্যক্তির সিস্টোলিক রক্তচাপ যদি হয় সব সময় ১৬০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি এবং 
ডায়াস্টোলিক সব সময় ৯৫ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি থাকে, তবে তার উচ্চ রক্তচাপ আছে বলা যায়।

উত্তেজনা, চিন্তা, বিষন্নতা, নিদ্রাহীনতা বা অন্য কোনো কারণে যদি রক্তচাপ সাময়িকভাবে নির্দিষ্ট সীমানা অতিক্রম করে, তবে তাকে হাইপারটেনশন বলা যাবে না এবং এ অবস্থায় কোনো ওষুধরেও প্রয়োজন হয় না।
উচ্চ রক্তচাপ বংশগত (Genetic High blood pressure) হতে পারে। উচ্চরক্তচাপ ভীতির কোনো কারণ নয় তবে নিয়মিত ঔষধ সেবনে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

সুত্রঃ হৃদযন্ত্রের যত কথা, বিজ্ঞান, এসএসসি। 
১,০৯৬.
 কৃষ্ণগহবর হতে এমনকি আলোও বের হতে পারে না, কারণ -
  1. মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি
  2. মহাকর্ষ শক্তি খুবই কম
  3. ভাসমান ধূলিকণা খুবই বেশি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণবিবর (Black hole):
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অবস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে।
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না, তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না।
- নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)।
- ১৯৬৭ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন। জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন।

উল্লেখ্য,
- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর General relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয় Event Horizon Telescope (EHT).

⇒ কৃষ্ণবিবর (Black hole)- এর বৈশিষ্ট্য:
- এতে মহাকর্ষ  শক্তি এত বেশি থাকে যে আলোও এর থেকে বের হতে পারে না।
- Black Hole ছোট বা বড় যেকোনো আকারের হতে পারে।
- Black Hole দেখা যায় না।

উৎস: i) Space.com
ii) পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৯৭.
গ্রহাণুসমূহ কোন দুইটি গ্রহের কক্ষপথের মাঝ দিয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে?
  1. মঙ্গল ও শনি
  2. বুধ ও শুক্র
  3. বৃহস্পতি ও শনি
  4. মঙ্গল ও বৃহস্পতি
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল ও বৃহস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঙ্গল ও বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা
- মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথের মাঝ দিয়ে অতিক্ষুদ্র গ্রহের মতো কিছু বস্তু সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে; তাদের গ্রহাণু বলা হয়।
- গ্রহাণু আবিষ্কারের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২০০০ গ্রহাণু আবিষ্কৃত হয়েছে। এদের সর্ববৃহৎটির নাম সেরেস। 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১,০৯৮.
সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণে কার ক্রোমোজোম মূল ভূমিকা পালন করে?
  1. ক) পিতার
  2. খ) মাতার
  3. গ) পিতা-মাতা উভয়ের
  4. ঘ) কখনো পিতার আবার কখনো মাতার
সঠিক উত্তর:
ক) পিতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পিতার
ব্যাখ্যা
আমাদের দেশে কন্যা-সন্তান প্রসব করার কারণে অজ্ঞতাবশতঃ অনেক সময় মাতাকে অপবাদ দেয়া হয়।
প্রকৃতপক্ষে প্রত্যাশিত শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণে মাতার কোনও ভূমিকা নেই। কেননা, মাতৃকোষে সব সময়ই কেবলমাত্র 'X' ক্রোমোসোম বহনকারী ডিম্বাণু সৃষ্টি হয়। অপরদিকে পিতার জননকোষ তথা শুক্রাণু 'X' এবং 'Y' ক্রোমোসোম বহন করে।
গর্ভধারণকালে কোন্ ধরনের ক্রোমোসোম (X অথবা Y) বহনকারী শুক্রাণু 'X' ক্রোমোসোম বহনকারী ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হবে, তার উপর নির্ভর করে ভবিষ্যত সন্তানের লিঙ্গ। যদি পিতার 'X' ক্রোমোসোম বহনকারী শুক্রাণু মাতার 'X' ক্রোমোসোম বহনকারী ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে, তবে উৎপন্ন জাইগোট হবে 'XX' তথা সন্তান হবে কন্যা।
অন্যদিকে যদি পিতার 'Y' ক্রোমোসোম বহনকারী শুক্রাণু মাতার 'X' ক্রোমোসোম বহনকারী ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে, তবে উৎপন্ন জাইগোট হবে 'XY' তথা ভূমিষ্ট হবে পুত্র সন্তান।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৯৯.
গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার কোথায় সৃষ্টি হয়? 
  1. সূর্যের সমান্তরাল রেখায়
  2. পৃথিবীর কেন্দ্রস্থলে 
  3. চন্দ্রের নিকটবর্তী অংশে 
  4. চাঁদের বিপরীত পাশে 
সঠিক উত্তর:
চাঁদের বিপরীত পাশে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদের বিপরীত পাশে 
ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। 
- ফলে জোয়ার-ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১। মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২। গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩। ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪। মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১০০.
জীবাশ্ম সম্পর্কিত বিদ্যাকে কী বলা হয়? 
  1. Physiology
  2. Ecology
  3. Palaeontology
  4. Morphology
সঠিক উত্তর:
Palaeontology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Palaeontology
ব্যাখ্যা
জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil): 
- ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি। 
- Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- প্রাগৈতিহাসিক জীবের সাক্ষ্য বা চিহ্ন হিসেবে মোল্ড (mold), কাস্ট (cast), হাত বা পায়ের ছাপ, গমন পথ (track), ট্রেইল (trail), গর্ত (boring), মলাশ্ম বা কপ্রোলাইট (coprolite) কে জীবাশ্ম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (palaeontology) বলা হয়। 
- বিবর্তনের সর্বাপেক্ষা নির্ভরযোগ্য এবং প্রামাণিক সাক্ষ্য (উপাদান) হচ্ছে জীবাশ্ম। 
- জীবাশ্ম সম্পর্কিত জ্ঞান সংগ্রহ করতে হলে ভূ-পৃষ্ঠের শিলাস্তর সম্বন্ধেও জ্ঞান লাভ করতে হয় বলে বিবর্তনের এই প্রমাণকে ভূতত্ত্বীয় প্রমাণও (geological evidence) বলা হয়। 

অন্যদিকে, 
- Physiology হচ্ছে জীবদেহের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি নিয়ে আলোচনা করে (যেমন—শ্বসন, রক্তসঞ্চালন)। 
- Ecology হলো জীব ও তাদের পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। 
- Morphology হচ্ছে জীবের গঠন ও আকৃতি নিয়ে আলোচনা করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।