বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১৩ / ১৪০ · ১,২০১১,৩০০ / ১৪,০৮০

১,২০১.
যে কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে তাকে কী বলা হয়?
  1. প্লাজমা কোষ
  2. প্রকৃত কোষ
  3. আদি কোষ 
  4. ডিপ্লয়েড কোষ 
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত কোষ
ব্যাখ্যা

- নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা-
১) আদি কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত থাকে তাদেরকে বলা হয় আদি কোষ। 
- এ সকল কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, সেন্ট্রিয়োল, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অনুপস্থিত থাকে। 
- তবে বিক্ষিপ্ত DNA এবং রাইবোসোম থাকে। 
- Mycoplasma নামক PPLO (Pleuro pneumonia like organism), ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ সবুজ ব্যাকটেরিয়া, ইত্যাদি আদি কোষীয় জীব। 

২) প্রকৃত কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে তাদেরকে বলা হয় প্রকৃত কোষ। 
- শৈবাল, ছত্রাক, ব্রায়োফাইটস, টেরিডোফাইটস, জিমনোস্পার্মস, অ্যানজিওস্পার্মস ইত্যাদি প্রকৃত কোষ দ্বারা গঠিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,২০২.
প্রোটিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা কত?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- হাইড্রোজেনের আইসোটোপ প্রোটিয়ামের নিউট্রন সংখ্যা হচ্ছে শূন্য (০)। 

আইসোেটাপ: 
- যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে একে অপরের আইসোটোপ বলে। 
- নিচের টেবিলে দেখানো তিনটি পরমাণুরই প্রোটন সংখ্যা সমান। 
- কাজেই তারা একে অপরের আইসোটোপ। 
- হাইড্রোজেনের সাতটি আইসোটোপ (1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H এবং 7H) আছে। 
- এর মধ্যে শুধু তিনটি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়, অন্যগুলোকে ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুত করা হয়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২০৩.
জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে কোন গ্রিনহাউস গ্যাস?
  1. জলীয় বাষ্প
  2. মিথেন
  3. ক্লোরোফ্লোরা কার্বন
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
• জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে বায়ুমণ্ডলে যে  গ্রিনহাউজ গ্যাসের পরিমাণ সব চাইতে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে তা হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড। 

জীবশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে তৈরি  গ্রিনহাউস গ্যাসে,
- কার্বন ডাই অক্সাইড - ৪৯%,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি - ১৪% ,
- মিথেন - ১৮%,
-নাইট্রাস অক্সাইড - ৬%,
- অন্যান্য গ্যাস - ১৩% থাকে। 
- এদের মধ্যে কলকারখানা ও যানবাহনে জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে কার্বন - ডাই - অক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

উৎস: নাসা ওইয়েবসাইট (climate.nasa.gov). 
১,২০৪.
গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়া কোষের কোথায় ঘটে?
  1. সাইটোপ্লাজম
  2. মাইটোকন্ডিয়া
  3. নিউক্লিয়াস
  4. ক্রোমোজোম
সঠিক উত্তর:
সাইটোপ্লাজম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইটোপ্লাজম
ব্যাখ্যা

• গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়া (Glycolysis Process):
- গ্লাইকোলাইসিস হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে গ্লুকোজ অণু ভেঙে দুইটি পাইরুভেট (Pyruvate) অণুতে রূপান্তরিত হয়।
- এটি কোষে শক্তি উৎপাদনের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে কাজ করে।
- গ্লাইকোলাইসিসে ATP এবং NADH উৎপাদিত হয়, যা পরে মাইটোকন্ড্রিয়ায় আরও শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- এই প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজন নেই, তাই এটি অ্যানারোবিক প্রক্রিয়া হিসেবেও পরিচিত।
- গ্লাইকোলাইসিস ঘটে সাইটোপ্লাজমে, মাইটোকন্ড্রিয়ায় নয়, নিউক্লিয়াস বা ক্রোমোজোমে নয়।  

- সুতরাং, গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়া কোষের কোথায় ঘটে তা হলো - সাইটোপ্লাজম।  
- সঠিক উত্তর: ক) সাইটোপ্লাজম। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 

১,২০৫.
কোন জারক রস পাকস্থলীতে দুগ্ধ জমাট বাঁধায়?
  1. ক) এমাইলেজ
  2. খ) পেপসিন
  3. গ) রেনিন
  4. ঘ) ট্রিপসিন
সঠিক উত্তর:
গ) রেনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রেনিন
ব্যাখ্যা
- দুধ একটি আদর্শ খাবার।
- এতে সুষম খাদ্যের ৬ টি উপাদানই বিদ্যমান।
- দুধে যে শর্করা থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলে।
- এতে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেসিন বলে।
- দুধকে জমাট বাঁধায় রেনিন

উৎস: ব্রিটানিকা এবং জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
১,২০৬.
নিচের কোন গ্রন্থিটি ইনসুলিন নিঃসরণ করে?
  1. অ্যাড্রেনালিন
  2. পিটুইটারি
  3. থাইম্যান
  4. অগ্ন্যাশয়
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
ব্যাখ্যা
• ইনসুলিন:
- ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
- কোন কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়।
- বাংলাদেশে এ ধরনের রোগীর সংখ্যা লক্ষ লক্ষ।
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন।
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২০৭.
মানুষের মধ্যে মঙ্গোলয়েড ও নিগ্রয়েড জাতির মধ্যে যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় সেটির কারণ -
  1. ক) প্রজাতিগত বৈচিত্র্য
  2. খ) জিনগত বৈচিত্র্য
  3. গ) বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য
  4. ঘ) স্বভাবগত বৈচিত্র
সঠিক উত্তর:
খ) জিনগত বৈচিত্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জিনগত বৈচিত্র্য
ব্যাখ্যা
জীব-বৈচিত্র্য
- পৃথিবীতে জীবের বৈচিত্র্যতা রয়েছে। এর জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে সর্বত্রই প্রাণীর অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়।
- প্রাণীগুলোর মধ্যে কোনোটি এতোই ছোট যে এদের খালি চোখে দেখা যায় না, আবার কোনোটি আকারে বড় তাই খালি চোখে দেখা যায়।
- এদের মধ্যে কোনোটি মানুষের জন্য উপকারি, কোনোটি ক্ষতিকর।
- এদের স্বভাব, বৈচিত্র্য, আবাস স্থলের ভিন্নতা ও দলগতভাবে এদের বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য দেখা যায়।
- তাই প্রাণিদের শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে সুসংবদ্ধ জ্ঞান থাকা অতীব প্রয়োজনীয়।

প্রাণিজগতের বিভিন্নতা বা প্রাণী বৈচিত্র্য (Animal diversity):
- বৈচিত্র্যময় এ পৃথিবীতে বিরাজমান সকল প্রাণীর মধ্যে যে জিনগত, বাস্তুসংস্থানগত ও প্রজাতিগত বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে প্রাণী বৈচিত্র্য বলে।
- প্রকৃতিতে তিন ধরনের প্রাণী বৈচিত্র্য দেখা যায়। যথা-

১। জিনগত বৈচিত্র্য (Genetic diversity)- একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে জিনগত পার্থক্যের কারণে যে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকে জিনগত বৈচিত্র্য বলে। এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই প্রজাতির মধ্যে ঘটে তাই একে অন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। যেমন- মানব প্রজাতির বিভিন্ন রেস এর মধ্যে নাক ও কানের গঠনগত পার্থক্য, একই পিতা-মাতার সন্তানের মধ্যে পার্থক্য। আবার মানুষ (Homo sapiens) একই প্রজাতিভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মঙ্গোলয়েড, ককেশয়েত, নিগ্রয়েড ইত্যাদি রেস দেখা যায় এবং এদের দেহের গঠন, গায়ের রং, চুলের রং ও আকৃতি ইত্যাদিতে অনেক পার্থক্য দেখা যায়।

২। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity)- ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে বিদ্যমান বৈচিত্র্যকে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলে। এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই গণভুক্ত প্রজাতিগুলোর মধ্যে ঘটে তাই একে আন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। একই গনভুক্ত প্রজাতির মধ্যে ক্রোমোসোম সংখ্যা ও আঙ্গিক গঠনে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। যেমন- রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Panthera tigris) ও সিংহ (Panthera leo) একই গণভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ক্রোমোসোম সংখ্যা ও জিনের বিন্যাস ভিন্ন হওয়ার ফলে এদের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বিরাজ করে ।

৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity)- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথস্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশিয় একক বা বায়োম সৃষ্টি হয়। যেমন- তুন্দ্রা বায়োম, মরূ বায়োম, তৃণ ভূমি বায়োম ইত্যাদি । বিভিন্ন বায়োমে বসবাসকারি জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে। যেমন- বন, তৃণভূমি, জলাভূমি, হ্রদ, নদী, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন জীব সম্প্রদায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২০৮.
এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত মোট মৌলিক পদার্থের সংখ্যা কত?
  1. ১১৬ টি
  2. ১১৭ টি
  3. ১১৮ টি
  4. ১১৯ টি
সঠিক উত্তর:
১১৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮ টি
ব্যাখ্যা
• এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত মৌলিক পদার্থের সংখ্যা ১১৮ টি। 

• মৌলিক পদার্থ:
- যে পদার্থকে ভাঙলে সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো পদার্থ পাওয়া যায় না তাকে মৌলিক পদার্থ বা মৌল বলে।
-  কিছু মৌলের উদাহরণ হলো নাইট্রোজেন, ফসফরাস, কার্বন, অক্সিজেন, হিলিয়াম, ক্যালসিয়াম, আর্গন, ম্যাগনেসিয়াম, সালফার ইত্যাদি।
- এ পর্যন্ত 118টি মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে 9৪টি মৌল প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।
- বাকি মৌলগুলো গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে। এগুলোকে কৃত্রিম মৌল বলে।

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
১,২০৯.
সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করার মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. বিদ্যুতের বিল কমানো
  2. অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে বর্তনীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন করা
  3. বৈদ্যুতিক লোডের শক্তি বৃদ্ধি করা
  4. বিদ্যুৎ সরবরাহ স্থায়ীভাবে বন্ধ করা
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে বর্তনীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে বর্তনীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন করা
ব্যাখ্যা

• অতিরিক্ত তড়িৎ প্রবাহের কারণে বর্তনীকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিচ্ছিন্ন করা সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করার মূল উদ্দেশ্য।

• সার্কিট ব্রেকার ও ফিউজ:
- যান্ত্রিক কারণে কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে হঠাৎ তড়িৎ প্রবাহ বেড়ে গেলে যন্ত্রটি গরম হয়ে আগুন ধরে যেতে পারে।
- বাড়িতে, হাসপাতালে, বিদ্যালয়ে, ছোট বড় শিল্প কারখানায় এই কারণেই তড়িৎ প্রবাহে দুর্ঘটনা হয়।
 - হঠাৎ করে অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে সরবরাহ লাইনে সার্কিট ব্রেকার কিংবা ফিউজ ব্যবহার করা হয়।
- সার্কিট ব্রেকার এমনভাবে তৈরি করা হয় যে এর ভেতর থেকে নিরাপদ সীমার বেশি তড়িৎ প্রবাহিত হলেই বর্তনীকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। - ফিউজ সে তুলনায় খুবই সরল একটা পদ্ধতি, একটি যন্ত্রে যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় সেটি যন্ত্রে ঢোকানোর আগে সরু ও নিম্ন গলনাংকের একটা তারের ভেতর দিয়ে নেয়া হয়।
- কোনো কারণে নির্ধারিত মানের অধিক তড়িৎ প্রবাহ হলে ফিউজের সরু তার উত্তপ্ত হয়ে পুড়ে তড়িৎ প্রবাহ বন্ধ করে দেয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২১০.
নিউটনের কোন সূত্র বলের পরিমাণ (momentum) সম্পর্কে ধারণা দেয়? 
  1. প্রথম সূত্র
  2. দ্বিতীয় সূত্র
  3. তৃতীয় সূত্র
  4. কোনোটি নয় 
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় সূত্র
ব্যাখ্যা

নিউটনের প্রথম সূত্র (ইনর্শিয়ার সূত্র):
- কোন বস্তুর উপর যদি বাহ্যিক বল প্রয়োগ না করা হয়, তবে বস্তুটি তার বিশ্রাম অবস্থায় থাকবে বা সমত্ব বেগে সরলরেখায় চলতে থাকবে।
অর্থাৎ, এটি শুধুমাত্র গতিশীলতার ধারণা দেয়, কিন্তু সরাসরি বল ও পরিমাণের সম্পর্ক দেয় না।

নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র (F = ma):

- কোনো বস্তুর ভরবেগের পরিবর্তনের হার তার উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যেদিকে ক্রিয়া করে, ভরবেগের পরিবর্তনও সেদিকেই ঘটে।
- এই সূত্রটি গাণিতিকভাবে  F = ma দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যেখানে F হল প্রযুক্ত বল, m হল বস্তুর ভর এবং a হল ত্বরণ।
- তাই, পরিমাণ বা momentum-এর পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা ব্যাখ্যা করে নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র।

নিউটনের তৃতীয় সূত্র:
- প্রতিটি ক্রিয়ার জন্য সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া থাকে।
অর্থাৎ, এটি বলের জোড়ার সম্পর্ক দেখায়, কিন্তু একক বস্তুতে পরিমাণ পরিবর্তনের ধারণা সরাসরি দেয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২১১.
বায়ুমণ্ডলে শতকরা কতভাগ আর্গন বিদ্যমান?
  1. ক) ৭৮.০
  2. খ) ০.৮
  3. গ) ০.৪১
  4. ঘ) ০.৩
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৮
ব্যাখ্যা

আয়তন অনুযায়ী বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন উপাদানের শতকরা পরিমাণ-
নাইট্রোজেন- ৭৮.০২%
অক্সিজেন- ২০.৭১%
আর্গন - ০.৮০%
কার্বন ডাই অক্সাইড- ০.০৩%
জলীয় বাষ্প- ০.৪১%
অন্যান্য গ্যাসসমূহ- ০.০২%
ধূলিকণা ও কণিকা- ০.০১%

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২১২.
কোন পোকা সরিষা ফসলের প্রধান শত্রু?
  1. ড্যামসেল ফ্লাই
  2. কাটুই পোকা
  3. লেডিবার্ড বিটল
  4. জাব পোকা
সঠিক উত্তর:
জাব পোকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাব পোকা
ব্যাখ্যা
সরিষা:
- সরিষা এদেশের বিভিন্ন তৈল জাতীয় ফসলের মধ্যে অন্যতম।
- সরিষার বীজ থেকে তৈল ও খৈল পাওয়া যায়।
- তৈলে ক্ষতিকর ইরোসিক এসিড বিদ্যমান।
- আর খৈল ভালো জৈব সার ও পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- সুনিষ্কাশিত বেলে দো-আঁশ মাটি সরিষা চাষের জন্য উপযুক্ত।
- সরিষা বীজ প্রধানত মধ্য অক্টোবর থেকে নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত বোনা যায়।
- সরিষা ফসলের ক্ষতিকর পোকা হলো জাব পোকা, পরগাছা হলো অরোবাংকি এবং ও রোগ হলো পাতায় দাগ পড়া রোগ।

⇒ রোগ ও পরগাছা দমন:
- সরিষা গাছে পাতায় দাগ পড়া বা অলটারনেরিয়া ব্লাইট রোগ হয়।
- এ রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে পাতায় বাদামী বা গাঢ় বাদামী দাগ পড়ে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে পাতা, কা-, শুঁটি ও বীজেও এই দাগ পড়ে।
- এ রোগ দমনের জন্য ২ গ্রাম ডাইথেন এম-৪৫ বা রোভরাল ডব্লিউপি ১ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে ১২ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করতে হবে।
- এছাড়া সরিষা ক্ষেতে অরোবাংকি নামক এক প্রকার পরগাছা জন্মে যা সরিষার মারাত্মক ক্ষতিসাধন করে।
- অরোবাংকি দেখা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা নিড়ানি দিয়ে জমি থেকে উঠিয়ে ধ্বংস করে ফেলতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৩.
'উড স্পিরিট' হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. ইথানল
  2. ফারমেন্টেশন
  3. মিথানল
  4. এনজাইম
সঠিক উত্তর:
মিথানল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথানল
ব্যাখ্যা
অ্যালকোহলের শিল্পোৎপাদন:

মিথানল: মিথানল সম্পৃক্ত মনোহাইড্রিক অ্যালকোহল গোত্রের প্রথম অ্যালকোহল। প্রকৃতিতে মিথানল এস্টার হিসাবে পাওয়া যায়। এক সময়ে কাঠের বিধ্বংসী পাতনের মাধ্যমে এ অ্যালকোহল উৎপাদিত হতো বলে এর আরেক নাম উড স্পিরিট (Wood Spirit)

ইথানল: সম্পৃক্ত অ্যালকোহল গোত্রের দ্বিতীয় সদস্য হচ্ছে ইথানল যা অ্যালকোহল হিসাবে সমাধিক পরিচিত। প্রাপ্ত কাচামালের আমদানীর উপর ভিত্তি করে নানা পদ্ধতিতে ইথানল উৎপন্ন করা হয়। ফারমেন্টেশন বা গাঁজন পদ্ধতিতে শ্বেতসার বা চিটাগুড় হতে অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়।

ফারমেন্টেশন: জটিল অণুবিশিষ্ট জৈব পদার্থকে এনজাইমের প্রভাবে বিয়োজিত বা আর্দ্র বিশ্লেষিত করে সরল অণুবিশিষ্ট পদার্থে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে ফারমেন্টেশন বা চোলাইকরণ বা গাঁজন বলা হয়। যেমন: শ্বেতসার
হতে ইথানল উৎপাদন।

এনজাইম: এনজাইম হল এক প্রকার প্রাণ-শক্তিহীন, অদানাদার, নাইট্রোজেন বিশিষ্ট, অজানা, রহস্যময় জটিল জৈব যৌগ। ঈস্ট (Yeast), ছত্রাক (fungus) বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষ হতে এনজাইম নিঃসৃত হয়। যেমন, ঈস্ট কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস প্রভৃতি এনজাইম থাকে। এনজাইমগুলো নিজে পরিবর্তিত না হয়ে জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। এজন্য এনজাইমকে জৈব প্রভাবক বলে।

ঈস্ট: ইস্ট এক প্রকার ছত্রাক জাতীয় নিম্ন স্তরের এককোষী উদ্ভিদ। পচা প্রাণিজ বা উদ্ভিজ পদার্থ থেকে ইস্ট খাদ্য সংগ্রহ করে বেঁচে থাকে। ইস্টের কোষে জাইমেস, ইনভারটেস, মলটেস ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের এনজাইম থাকে।

তথ্যসূত্র - রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২১৪.
একই প্রজাতির সদস্যদের মধ্যে জিনগত পার্থক্যের ফলে যে বৈচিত্র্য দেখা যায়, তাকে কী বলা হয়?
  1. বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য
  2. বংশগতীয় বৈচিত্র্য
  3. প্রাণিক বৈচিত্র্য
  4. প্রজাতিগত বৈচিত্র্য
সঠিক উত্তর:
বংশগতীয় বৈচিত্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বংশগতীয় বৈচিত্র্য
ব্যাখ্যা

জীববৈচিত্র্য (Biodiversity): 
- পৃথিবীতে বিরাজমান জীবগুলোর প্রাচুর্য এবং ভিন্নতাই হলো জীববৈচিত্র্য (Biodiversity)। 

জীববৈচিত্র্যের প্রকারভেদ: 
- জীববৈচিত্র্যকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা-
১। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity): 
- প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলতে সাধারণত পৃথিবীতে বিরাজমান জীবগুলোর মোট প্রজাতির সংখ্যাকেই বুঝায়। 
- পৃথকযোগ্য বৈশিষ্ট্যের কারণেই এক প্রজাতি থেকে অন্য প্রজাতি ভিন্নতর হয়। 
যেমন- বাঘের সাথে হরিণের আকার, স্বভাব, হিংস্রতা, সংখ্যা বৃদ্ধির ধরন ভিন্ন হয়ে থাকে। 
- এক প্রজাতির সাথে অন্য প্রজাতির বিভিন্ন বিষয়ে ভিন্নতাই প্রজাতিগত বৈচিত্র্য। 

২। বংশগতীয় বৈচিত্র্য (Genetical diversity): 
- একই প্রজাতিভুক্ত সদস্যগণের মধ্যেও অনেক বিষয়ে পার্থক্য দেখা যায়। 
যেমন- একই প্রজাতি কিন্তু তাদের গড়ন, আকার, রোগ-প্রতিরোধ এবং পরিবেশ প্রতিকূলতা সহ্য করার ক্ষমতা ভিন্ন। এই পার্থক্যগুলো তৈরি হয় তাদের জিন সংগঠনের সামান্য বৈচিত্র্যের কারণে। কারণ জিনের মাধ্যমেই জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য বংশানুক্রমে সঞ্চারিত হয়। 
- প্রত্যেক বৈশিষ্ট্যের জন্য নির্দিষ্ট জিন থাকে। বিভিন্ন কারণে এই জিনের গঠন এবং বিন্যাসের পরিবর্তন হয়ে জীবের বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন হয় এবং নতুন প্রজাতির উদ্ভব হতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় জীবের মধ্যে যে বৈচিত্র্য ঘটে, তাকেই বলা হয় বংশগতীয় বৈচিত্র্য। 

৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity): 
- একটি বাস্তুতন্ত্রের ভৌত উপাদান, রাসায়নিক উপাদান এবং জৈবিক উপাদানগুলোর মধ্যে কোনো প্রকার পরিবর্তন দেখা দিলে সেখানকার বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যে ব্যাঘাত ঘটে। এসব পরিবর্তন অবশ্যই ধীর এবং ধারাবাহিক। এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য সেখানে বসবাসরত জীবের মধ্যেও পরিবর্তন সাধিত হয়। ফলে যে জীববৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয়, তাকেই বলা হয় বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য। 
- একটি ছোট পুকুরের বাস্তুতন্ত্রে যেসব উদ্ভিদ এবং প্রাণীর বসতি গড়ে উঠে তা নদীর বাস্তুতন্ত্র থেকে ভিন্নতর। 
- বন, তৃণভূমি, হ্রদ, নদী, জলাভূমি, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্যসমৃদ্ধ এক একটি জীব সম্প্রদায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২১৫.
দুধে থাকে-
  1. সাইট্রিক এসিড
  2. ল্যাকটিক এসিড
  3. নাইট্রিক এসিড
  4. এসিটিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ল্যাকটিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যাকটিক এসিড
ব্যাখ্যা
- আমরা প্রতিদিন যেসব খাবার গ্রহণ করে থাকি তার মধ্যে বিভিন্ন ধরণের এসিড থাকে।
যেমন- 
• ভিনেগারে থাকে ইথানয়িক এসিড, 
দুধে থাকে ল্যাকটিক এসিড
• সফট ড্রিংকসে থাকে কার্বনিক এসিড, 
• কমলালেবু বা লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড, 
• তেতুলে থাকে টারটারিক এসিড, 
• চায়ে থাকে ট্যানিক এসিড। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২১৬.
বাংলাদেশে রঙ্গিন টেলিভিশন চালু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮১ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৬৪ সালে।
বাংলাদেশে রঙিন টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮০ সালে।
বাংলাদেশ বেতার প্রথম উদ্বোধন করা হয় ১৯৩৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট

১,২১৭.
অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহণ করে কোনটি?
  1. ক) কৈশিকনালী
  2. খ) শিরা
  3. গ) ধমনি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধমনি
ব্যাখ্যা
- যে সকল রক্তবাহী নালি হৃৎপিন্ড থেকে উৎপন্ন হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে, তাকে ধমনি বলে। 
- ধমনির প্রাচীর পুরু গহ্বর ছোট এবং এর গহ্বরে কপাটিকা থাকে না।
- ধমনি অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি
১,২১৮.
সকল জৈব যৌগে কোন পরমাণুটি অবশ্যই বিদ্যমান থাকবে?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্বন
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ:
- সকল জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু বিদ্যমান
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে এক বা একাধিক বিভিন্ন মৌল যেমন- H, O, N, S, P, X ইত্যাদি যৌগ মূলত যুক্ত থাকে।
- আবার কার্বনের দ্বারা গঠিত সকল যৌগই জৈব যৌগ নয়। যেমন- CO2, CO, Na2CO3 ইত্যাদি।
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।
যেমন:- মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,২১৯.
বঙ্গবন্ধু স্যাটালাইট তার কক্ষ পথে ঘুরার দ্রুতি হলো—
  1. ক) 4k ms-1
  2. খ) 3.07k m sec-1
  3. গ) 4.07k m sec-1
  4. ঘ) 5.07k m sec-1
সঠিক উত্তর:
খ) 3.07k m sec-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 3.07k m sec-1
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু স্যাটালাইট তার কক্ষ পথে ঘুরার দ্রুতি হলো 3.07k m sec-1
- মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান হবে ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। 
- মহাকাশে কার্যকর হওয়ার পর বাংলাদেশ থেকে স্যাটেলাইটটি নিয়ন্ত্রণের জন্য দুটি গ্রাউন্ড স্টেশন (ভূমি থেকে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা) তৈরি করা হয়েছে। 
- বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটে মোট ৪০টি ট্রান্সপন্ডার থাকবে।
- রকেটের নাম: ফ্যালকন-৯।
- উৎক্ষেপণকারী: স্পেসএক্স।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
রিপোর্ট প্রকাশের তারিখ: ১৩ মে, ২০১৮। 
১,২২০.
অ্যান্টাসিড দ্রবণে pH এর মাত্রা কত?
  1. ≤ 6.5
  2. ≥ 7.0
  3. > 10
  4. > 14
সঠিক উত্তর:
≥ 7.0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
≥ 7.0
ব্যাখ্যা

পানি কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তার পরিমাপক হলো pH. এর সীমা ০-১৪, যেখানে ৭ নিরপেক্ষতা নির্দেশ করে, ৭ এর নিচে অম্লতা নির্দেশ করে, এবং ৭ এর উপরে ক্ষারক নির্দেশ করে। অ্যান্টাসিড হলো ক্ষারকীয় দ্রবণ। তাই এর pH এর মাত্রা ৭.০ এর বেশি।

Source: usgs.gov

 
১,২২১.
Mpemba প্রভাব বলতে কী বোঝায়?
  1. বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে
  2. বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডার চেয়ে ধীরে জমে
  3. ঠান্ডা পানি গরমের চেয়ে দ্রুত ফুটে
  4. গরম পানিতে বরফ ধীরে গলে
সঠিক উত্তর:
বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে
ব্যাখ্যা

• Mpemba প্রভাব বলতে এমন একটি বিস্ময়কর ভৌত ঘটনা বোঝায়, যেখানে নির্দিষ্ট কিছু শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় দ্রুত জমে যায়। এটি প্রথম লক্ষ্য করেন তানজানিয়ার এক ছাত্র এরাস্টো মপেম্বা। সাধারণ ধারণা অনুযায়ী ঠান্ডা পানি আগে জমার কথা, কিন্তু বাস্তবে কখনো কখনো গরম পানিতে বাষ্পীভবন বেশি হওয়া, দ্রবীভূত গ্যাস কম থাকা, তাপ পরিবহণের পার্থক্য এবং পরিবেশের সাথে তাপ বিনিময়ের কারণে গরম পানি দ্রুত বরফে পরিণত হয়। এই ঘটনাই Mpemba প্রভাব নামে পরিচিত। সঠিক উত্তর হলো ক) বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে।

• Mpemba প্রভাব (Mpemba Effect):
- Mpemba প্রভাব হলো একটি বিস্ময়কর ভৌত ঘটনা যেখানে নির্দিষ্ট কিছু শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় দ্রুত জমে যায়।
- এই প্রভাবটি প্রথম লক্ষ্য করেন তানজানিয়ার এক ছাত্র এরাস্টো ম্পেম্বা, যার নাম অনুসারেই এর নামকরণ করা হয়েছে।
- সাধারণ ধারণা অনুযায়ী ঠান্ডা পানি আগে জমার কথা, কিন্তু বাস্তবে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে গরম পানি দ্রুত বরফে পরিণত হতে পারে।
- এর সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দ্রুত বাষ্পীভবন, সংবহন প্রবাহ (convection), দ্রবীভূত গ্যাসের পরিমাণ এবং পাত্রের তাপ পরিবাহিতা।
- তবে এই প্রভাব সব সময় ঘটে না, এটি নির্ভর করে পরিবেশ, পানির পরিমাণ ও তাপমাত্রার উপর।

- সুতরাং, Mpemba প্রভাব বলতে বোঝায় - বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে।
- সঠিক উত্তর: ক) বিশেষ শর্তে গরম পানি ঠান্ডা পানির চেয়ে দ্রুত জমে। 

Image Source - Theweather.com

সূত্র:
- phys.org [link]

১,২২২.
একটি আদর্শ মৃত্তিকায় শতকরা কত ভাগ খনিজ পদার্থ থাকে?
  1. ৫০ ভাগ
  2. ২৫ ভাগ
  3. ৩৫ ভাগ
  4. ৪৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৪৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ ভাগ
ব্যাখ্যা

- মৃত্তিকা ৪টি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত।
- এগুলো হচ্ছে-খনিজ বা অজৈব পদার্থ, জৈব পদার্থ, পানি ও বায়ু। 
- একটি আদর্শ মৃত্তিকায় সাধারণত শতকরা ৪৫ ভাগ খনিজ পদার্থ, ২৫ ভাগ পানি, ২৫ ভাগ বায়ু এবং ৫ ভাগ জৈব পদার্থ থাকে ।
- তবে মৌসুম পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রধানত পানি এবং বায়ুর অনুপাতের পরিবর্তন ঘটে। 
- মৃত্তিকা উপাদানের এই অনুপাত মৃত্তিকার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করে থাকে। 

উৎস: মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা, সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

১,২২৩.
নিচের কোনটি ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়? 
  1. ইনফ্লুয়েঞ্জা
  2. কলেরা
  3. টাইফয়েড
  4. নিউমোনিয়া
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনফ্লুয়েঞ্জা
ব্যাখ্যা
- ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: 
• যক্ষ্মা, 
টাইফয়েড
• আমাশয়, 
কলেরা
• গনোরিয়া, 
নিউমোনিয়া
• ডিপথেরিয়া, 
• হুপিংকাশি এবং 
• ধনুষ্টংকার ইত্যাদি। 

- ভাইরাসজনিত রোগ: 
• জলাতঙ্ক, 
ইনফ্লুয়েঞ্জা
• হার্পিস, 
• গুটি বসন্ত, 
• জল বসন্ত এবং 
• এইডস ইত্যাদি। 

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২২৪.
লাল আলোতে নীল রং এর বস্তু কেমন দেখায়?
  1. বেগুনি
  2. সবুজ
  3. হলুদ
  4. কালো
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
- লাল আলোতে নীল, হলুদ ইত্যাদি রংয়ের বস্তুকে কালো দেখায়। 
- আমরা জানি, কোন বর্ণ ঐ বর্ণের আলো ছাড়া অন্য সকল বর্ণের আলোকে শোষণ করে নেয়। 
- এক্ষেত্রে লাল আলোতে হলুদ বস্তুর রং লাল আলো শোষণ করে নেবে। 
- ফলে কোনো বর্ণের আলো প্রতিফলিত হবে না। 
- সুতরাং লাল আলোতে হলুদ বস্তু কালো দেখাবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান,  নবম-দশম শ্রেণি। 
১,২২৫.
এক্স-রে হচ্ছে মূলত___________ প্রবাহ।
  1. উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন
  2. উচ্চ শক্তির প্রোটন
  3. উচ্চ শক্তির পজিট্রন
  4. উচ্চ শক্তির নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
এক্স-রে: 
- দ্রুতগতি সম্পন্ন  ইলেকট্রন কোন ধাতুতে আঘাত করলে তা থেকে উচ্চভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন যে বিকিরণ উৎপন্ন হয়, তাকে X-Ray বলে। 
সুতরাং, এক্স-রে হচ্ছে মুলত উচ্চ শক্তির ইলেকট্রন প্রবাহ। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এই রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- 
• এক্স-রশ্মির সাহায্যে ফটোগ্রাফিক প্লেটে হাত, পা বা দেহের হাড়ের ছবি পাওয়া যায়। এজন্য শল্য চিকিৎসায় এক্স-রশ্মি অপরিহার্য। 
• এক্স-রশ্মির জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করার ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ক্যান্সার, টিউমার প্রভৃতি রোগের চিকিৎসায় এই রশ্মি ব্যবহৃত হয়। একে এক্স-রে থেরাপি বলে। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২২৬.
নিচের কোনটি ভাইরাসজনিত রোগ?
  1. যক্ষ্মা
  2. টাইফয়েড
  3. কলেরা
  4. জলাতঙ্ক
সঠিক উত্তর:
জলাতঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাতঙ্ক
ব্যাখ্যা

• জলাতঙ্ক হলো র‍্যাবিস ভাইরাসের সংক্রমণে সৃষ্ট রোগ।

• ভাইরাসজনিত রোগসমূহ:

• ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ:

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২২৭.
অলিন্দের সম্প্রসারণের স্থিতিকাল কত?
  1. ০.৭ সেকেন্ড
  2. ০.৫ সেকেন্ড
  3. ০.১ সেকেন্ড
  4. ০.৩ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
০.৭ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৭ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
হৃদচক্র: 
- হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্ত দেহের অভ্যন্তরে গতিশীল থাকে। 
- এমনকি বিশ্রামরত অবস্থায়ও এর সংকোচন ও প্রসারণ চক্রাকারে চলতে থাকে। 
- হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলোর সংকোচনকে সিস্টোল এবং সম্প্রসারণকে ডায়াস্টোল বলে। 
- এক বারের সিস্টোল ও ডায়াস্টোলকে একত্রে হৃদস্পন্দন বা হার্টবিট (Heart Beat) বলে। 
- একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের হৃদপিণ্ডের স্বাভাবিক স্পন্দনের হার প্রতি মিনিটে ৭০-৮০ বার, গড়ে ৭৫ বার। 
- হৃদপিণ্ডের প্রতি স্পন্দনে হৃদপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের যে চক্রাকার প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি ঘটে তাকে হৃদচক্র বা কার্ডিয়াক চক্র বলে। 
- কার্ডিয়াক চক্র চলাকালীন হৃদপিণ্ডের মধ্যে কিভাবে রক্ত সংবহন হয় তা পর্যায়ক্রমিক ৪টি দশায় সম্পন্ন হয়। 
যেমন- 
ক. অলিন্দের সংকোচন (Atrial diastole), 
খ. অলিন্দের সম্প্রসারণ (Atrial systole), 
গ. নিলয়ের সংকোচন (Ventricular systole) এবং 
ঘ. নিলয়ের সম্প্রসারণ (Ventricular diastole)। 

অলিন্দের সম্প্রসারণ: 
- অলিন্দের সম্প্রসারণের স্থিতি ০.৭ সেকেন্ড। 
- এ সময় অলিন্দ দুটি প্রসারিত অবস্থায় থাকে। 
- এতে ডান অলিন্দটি সুপিরিয়র ভেনাক্যাভা ও ইনফিরিয়র ভেনাক্যাভা এর মাধ্যমে এবং বাম অলিন্দটি পালমোনারি শিরার মাধ্যমে রক্ত গ্রহণ করে। 
- এ সময় অলিন্দ নিলয়ী কপাটিকাগুলো বন্ধ থাকে। 
- অলিন্দের প্রসারণ সমাপ্তি হওয়ার পরপরই আবার অলিন্দের সংকোচন প্রক্রিয়া শুরু হয়। 

অন্যদিকে, 
- অলিন্দের সংকোচনের স্থিতি ০.১ সেকেন্ড। 
- নিলয়ের সংকোচনের স্থিতি ০.৩ সেকেন্ড। 
- নিলয়ের সম্প্রসারণের স্থিতি ০.৫ সেকেন্ড। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২২৮.
আদর্শ ডায়োডের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) সম্মুখী ঝোঁকে নিখুঁত পরিবাহী হিসেবে কাজ করে
  2. খ) বিমুখী ঝোঁকে নিখুঁত পরিবাহী হিসেবে কাজ করে
  3. গ) সম্মুখী ঝোঁকে নিখুঁত অপরিবাহীর ন্যায় আচরণ করে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) সম্মুখী ঝোঁকে নিখুঁত পরিবাহী হিসেবে কাজ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সম্মুখী ঝোঁকে নিখুঁত পরিবাহী হিসেবে কাজ করে
ব্যাখ্যা
একটি p-টাইপ সেমিকন্ডাক্টর ও n- টাইপ সেমিকন্ডাক্টর সমন্বয়ে p-n জাংশন তৈরি হয়।
দুটি সেমিকন্ডাক্টর এর সমন্বয়ে গঠিত বলে একে সেমিকন্ডাক্টর ডায়োড বলে।

 p-n জাংশন এ বহিস্থ ভোল্টেজ দুই ভাবে প্রয়োগ করা যায়। 
সম্মুখী ঝোঁক - ভোল্টেজ যদি এমনভাবে প্রয়োগ  করা হয় যে কোষের ধনাত্মক প্রান্ত p  টাইপ বস্তুর সাথে এবং ঋণাত্মক প্রান্ত n টাইপ বস্তুর সাথে যুক্ত থাকে। 
বিমুখী ঝোঁক - ভোল্টেজ যদি বিপরীত অভিমুখে প্রয়োগ করা হয় , কোষের ধনাত্মক প্রান্ত n টাইপ এবং ঋণাত্মক প্রান্ত p টাইপ বস্তুর সাথে সংযুক্ত থাকে। 

আদর্শ ডায়োডে সম্মুখী ঝোঁক থাকাকালে একটি নিখুঁত পরিবাহী ও বিমুখী ঝোঁকে এটি নিখুঁত অপরিবাহীর ন্যায় কাজ করে।
বাস্তবে কোনো ডায়োডই আদর্শ ডায়োডের ন্যায় আচরণ করে না।
১,২২৯.
নিষেকের পর ডিম্বক কীসে রূপান্তরিত হয়?
  1. ফল
  2. বীজ
  3. টেস্টা
  4. সস্য
সঠিক উত্তর:
বীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীজ
ব্যাখ্যা
নিষেকের পর ডিম্বক বীজে রূপান্তরিত হয়।

• নিষেকক্রিয়ার পর গর্ভাশয় ও ডিম্বকের বিভিন্ন পরিবর্তন
নিষেকক্রিয়ার পূর্বে --- নিষেকক্রিয়ার পরে
গর্ভাশয় ----------------- ফল
গর্ভাশয় ত্বক ------------ ফলত্বক
ডিম্বক ------------------ বীজ
এক্সাইন ---------------- টেস্টা
ইন্টাইন ---------------- টেগমেন
ভ্রূণপোষক টিস্যু ------- নিঃশেষ হয়ে যায়
ডিম্বাণু (নিষিক্ত) -------- ভ্রূণ
সস্য মাতৃকোষ -------- সস্য
সাহায্যকারী কোষ ----- নষ্ট হয়ে যায়
প্রতিপাদ কোষ -------- নষ্ট হয়ে যায়
মাইক্রোপাইল -------- মাইক্রোপাইল
হাইলাম -------------- হাইলাম
ডিম্বকনাড়ী ---------- বীজবৃন্ত

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৩০.
কোনো পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে যদি পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয় তাহলে সেটি -
  1. ক) প্যারা চৌম্বক পদার্থ
  2. খ) ডায়া চৌম্বক পদার্থ
  3. গ) ফেরো চৌম্বক পদার্থ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ফেরো চৌম্বক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফেরো চৌম্বক পদার্থ
ব্যাখ্যা
ফেরো চৌম্বকত্ব:
এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ।

প্যারা চৌম্বকত্ব:

এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে। অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ। 

ডায়া চৌম্বক:
এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ। 


সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৩১.
কেমােথেরাপির জনক হলেন-
  1. ক) গােল্ড সেইন
  2. খ) পল এহর্লিক
  3. গ) উইলিয়াম রনজেন
  4. ঘ) মাদাম কুরি
সঠিক উত্তর:
খ) পল এহর্লিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পল এহর্লিক
ব্যাখ্যা
- কেমােথেরাপি হলাে এমন একধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ (উচ্চতর এন্টিবায়ােটিকও হতে পারে) ব্যবহার করে দেহের ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত কোষ ধ্বংস করা হয়।
- পল এহর্লিককে কেমােথেরাপির জনক বলা হয়। উৎসঃ প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,২৩২.
নিচের কোনটি প্রোটিন?
  1. ক) এনজাইম
  2. খ) অ্যান্টিবডি
  3. গ) হরমোন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রোটিন জীবদেহের একটি অত্যন্তগুরুত্বপূর্ণ জৈব রাসায়নিক পদার্থ। 
- বিভিন্ন অ্যামাইনো অ্যাসিড বিভিন্নভাবে শৃঙ্খলিত হয়ে এক একটি প্রোটিন গঠন করে।
-  আর অ্যামাইনো অ্যাসিড হলো প্রোটিনের মূল গাঠনিক একক।
- প্রোটিন অণু বহু সংখ্যক অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে তৈরি। 
- প্রোটিন শব্দটি সর্বপ্রথম প্রয়োগ করেন জি. মুলার ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে। 
- প্রোটিন অসংখ্য অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত বৃহদাকার যৌগিক জৈব অণু।
-  একটি কোষের অভ্যন্তরে সারাক্ষণ শত শত প্রকার প্রোটিন তৈরি হয়।
- জীবদেহের প্রায় সর্বত্রই প্রোটিন বিরাজমান। 
- জৈব ক্রিয়া-বিক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এনজাইম, অ্যান্টিবডি, হরমোন। এগুলো সবই প্রোটিন। 
- সব এনজাইম প্রোটিন কিন্তু সব প্রোটিন এনজাইম নয়।
 
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উদ্ভিদবিজ্ঞান; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,২৩৩.
মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিলিটার রক্তে কতগুলো শ্বেত রক্তকণিকা থাকে?
  1. ক) ৪-১০ হাজার
  2. খ) ১৫-৩০ হাজার
  3. গ) ১ লাখ থেকে ১.১০ লাখ
  4. ঘ) ১ মিলিয়ন+
সঠিক উত্তর:
ক) ৪-১০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪-১০ হাজার
ব্যাখ্যা
রক্তের তিনটি কনিকার মধ্যে শ্বেত কনিকা অন্যতম। এদের গড় আয়ু ১-১৫ দিন। এতে হিমোগ্লোবিন থাকে না। নিউক্লিয়াস এবং ডিএনএ থাকে। এটি ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে। মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিলিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকনিকা থাকে। কিন্তু এই সংখ্যা বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হলে লিউকোমিয়া বা ব্লাডক্যান্সার দেখা দেয়।
উৎসঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী
১,২৩৪.
মানব মস্তিষ্কের কোন অংশ আবেগ অনুভূতির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে?
  1. সেরেব্রাম
  2. থ্যালামাস
  3. হাইপোথ্যালামাস
  4. সেরেবেলাম
  5. মেডুলা অবলংগাটা
সঠিক উত্তর:
হাইপোথ্যালামাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইপোথ্যালামাস
ব্যাখ্যা
মস্তিষ্ক:
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের যে স্ফীত অংশ করোটির মধ্যে অবস্থান করে এবং মানবদেহের সকল কার্যাবলী নিয়ন্ত্রণ করে তাকে মস্তিষ্ক বলে।
- প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের মস্তিষ্কের আয়তন প্রায় ১৫০০ ঘন সেন্টিমিটার, গড় ওজন প্রায় ১.৩৬ কেজি এবং প্রায় ১০০ বিলিয়ন নিউরন থাকে।
- মস্তিষ্ক স্নায়ুতন্ত্রের সবচেয়ে বড়, জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- মানব মস্তিষ্ক ৩টি প্রধান অংশে বিভক্ত। যথা-
(১) অগ্রমস্তিষ্ক,
(২) মধ্যমস্তিষ্ক ও
(৩) পশ্চাৎ মস্তিষ্ক।

(১) অগ্রমস্তিষ্ক:
- অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে।
- এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা-
(ক) সেরেব্রাম,
(খ) থ্যালামাস ও
(গ) হাইপোথ্যালামাস।

• সেরেব্রাম:
- মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ (মস্তিষ্কের প্রায় ৮০% গঠন করে)।
- প্রতিটি সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার ৫টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা- ফ্রন্টাল লোব, প্যারাইটাল লোব, অক্সিপিটাল লোব, টেম্পোরাল লোব ও লিম্বিক লোব।
- সেরেব্রাম বাকশক্তি, স্মৃতি শক্তি, চিন্তা, বুদ্ধি-বৃত্তি, সৃজনশীলতা, ইচ্ছা শক্তি, সহজাত প্রবৃত্তি, কর্মপ্রেরণা প্রভৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট।
- সর্বোপরি মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

• থ্যালামাস:
- সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে দুটি ক্ষুদ্র ও ডিম্বাকৃতির থ্যালামাস থাকে যা ধূসর পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- থ্যালামাস সংবেদী-উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং রিলে করে সেরেব্রামে পাঠায়।

• হাইপোথ্যালামাস:
- এটি থ্যালামাসের ঠিক নিচে ধূসর পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- এটি অন্ততঃ এক ডজন পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত থাকে।
- স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের সকল কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ক্ষুধা, তৃষ্ণা, রাগ, ভাল লাগা, ভীতি, আবেগ প্রভৃতির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- পিটুইটারী গ্রন্থিও বিভিন্ন হরমোন নিঃসরণ করে।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৩৫.
রক্তে হিমোগ্লোবিন থাকে—
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকায়
  2. খ) শ্বেত রক্তকণিকায়
  3. গ) অনুচক্রিকায়
  4. ঘ) প্লাজমায়
সঠিক উত্তর:
ক) লোহিত রক্তকণিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লোহিত রক্তকণিকায়
ব্যাখ্যা
রক্তরস (Plasma):
রক্তের বর্ণহীন তরল অংশকে রক্তরস বলে। সাধারণত রক্তের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ রক্তরস। 
এর মধ্যে যে পদার্থগুলো থাকে তা হলো:
- প্রোটিন, যথা অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন ও ফাইব্রিনোজেন
-গ্লুকোজ
- ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চর্বিকণা
- খনিজ লবণ
- ভিটামিন
- হরমোন
- এন্টিবডি
- বর্জ্য পদার্থ যেমন: কার্বন ডাই-অক্সাইড, ইউরিয়া, ইউরিক এসিড ইত্যাদি।

মানুষের রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা রয়েছে৷
যথা-
১. লোহিত রক্তকণিকা,
২. শ্বেত রক্তকণিকা ও
৩. অনুচক্রিকা।

• লোহিত রক্তকণিকা
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে যার জন্য রক্ত লাল হয়।
- লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস নেই।
- এ কণিকা দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।
- লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।

• শ্বেত রক্তকণিকা
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকারনেই।
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১ থেকে ১৫ দিন।
- শ্বেত রক্তকণিকাকে দেহের প্রহরী বলা হয়।

• অণুচক্রিকা
- অণুচক্রিকা হলো গোলাকার, ডিম্বাকার বা রড আকারের।
- এতে নউক্লিয়াস থাকে না।
- অণুচক্রিকা দেহের রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- অনুচক্রিকার গড় আয়ু ৫ থেকে ১০দিন।




উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৩৬.
কোন জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড বাতাসে আসে?
  1. ক) ডিজেল
  2. খ) পেট্রোল
  3. গ) অকটেন
  4. ঘ) সিএনজি
সঠিক উত্তর:
ক) ডিজেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডিজেল
ব্যাখ্যা

ডিজেল পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড বাতাসে আসে।
Source: eia.gov

সালফারযুক্ত ডিজেল জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করলে এর দহন প্রক্রিয়ায় সালফারের জারন থেকে সালফার অক্সাইড উৎপন্ন ও নির্গত হয়।
সালফার ডাই অক্সাইড এর পরিমাণ বেশি হবে না কম হবে তা ডিজেলে উপস্থিত সালফারের উপর নির্ভর করে।
(http://doe.portal.gov.bd)

জেনে রাখা ভাল,
অন্যদিকে ডিজেল একটি হাইড্রোকার্বন হওয়ায় এটির দহনে সবসময়ই কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি উৎপন্ন হয়। সকল হাইড্রোকার্বনই এমন দহন বিক্রিয়া দেয়।
যুক্ত্রাষ্ট্রের Energy Information Administration (EIA) এর তথ্যমতে, ২০১৮ সালে ডিজেল পোড়ানোর কারণে ৪৬১ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) নির্গত হয়েছে। যা ঐ বৎসরে যুক্তরাষ্ট্রের মোট কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণের শতকরা ৯ ভাগ।
(https://www.eia.gov)
প্রশ্ন - কোন জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড বাতাসে আসে? উত্তরঃ ডিজেল।
সালফার ডাই অক্সাইড বায়ুমন্ডলে যুক্ত হওয়ার পরিমাণ নির্ভর করে ডিজেলের সাথে সালফারের উপস্থিতির উপর।

তবে, মনে রাখতে হবে, ডিজেল পোড়ালে সবচেয়ে বেশি বায়ুমন্ডলে যুক্ত হয়- কার্বন ডাই অক্সাইড।
প্রশ্ন - ডিজেল পোড়ালে সবচেয়ে বেশি কোন গ্যাসটি বায়ুমণ্ডলে যুক্ত হয়?
উত্তর হবে - কার্বন ডাই অক্সাইড

Sources: Bangladesh Govt. & U.S. Energy Information Administration (EIA) Websites.

১,২৩৭.
বাংলাদেশের উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব নয় কোনটি?
  1. বাজার ব্যবস্থার অবনতি
  2. শ্রমের গতিশীলতা
  3. অর্থনৈতিক উন্নতি
  4. সম্পদের সুসম বণ্টন
সঠিক উত্তর:
বাজার ব্যবস্থার অবনতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজার ব্যবস্থার অবনতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উন্নয়নে যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব নয়- বাজার ব্যবস্থার অবনতি । 

যোগাযোগ ব্যবস্থা: 

- দেশের অর্থনৈতিক উন্নতিতে যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব অপরিসীম। 
- যে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা যত উন্নত সে দেশ তত বেশি উন্নত। 
- বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। 
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাংলাদেশের যোগাযোগ রয়েছে। 
- বিশ্বব্যাপী যোগাযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জলপথ ও বিমানপথ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। 
- এছাড়া সড়ক ও রেলপথে প্রতিবেশী দেশের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে। 

উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব: 
- উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা বর্তমান সভ্যতার অঙ্গ। 
- বাংলাদেশের উন্নয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা তথা পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রভাব অপরিসীম। 
যেমন- 
১। অর্থনৈতিক উন্নতি
২। বাজার ব্যবস্থার উন্নতি, 
৩। সম্পদের সুসম বণ্টন
৪। শ্রমের গতিশীলতা
৫। রাজনৈতিক গুরুত্ব, 
৬। সামাজিক গুরুত্ব, 
৭। জরুরি অবস্থার মোকাবেলা, 
৮। জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং 
৯। কর্মসংস্থান। 

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)। 
১,২৩৮.
পৃথিবীতে ১ কেজি চালের ভর-
  1. ১ কেজি
  2. ৯.৮ কেজি
  3. ১ নিউটন
  4. ৯.৮ নিউটন
সঠিক উত্তর:
১ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কেজি
ব্যাখ্যা

যখন আমরা ১কেজি লিখিত একটি চাউলের প্যাকেট বা একটি দুধের টিন কিনি-তখন বুঝি ঐ প্যাকেটের চাউলের বা টিনের দুধের ভর ১ কেজি কিন্তু ওজন ১ কেজি নয়, পৃথিবীতে এগুলাের ওজন হবে ৯.৮ নিউটন।
উৎসঃ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি

১,২৩৯.
কোন টিকা মেনিনজাইটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করেছিলো?
  1. টিটেনাস টক্সয়েড (TT)
  2. হিব (Hib)
  3. এম এম আর (MMR)
  4. এইচআইভি (HIV)
সঠিক উত্তর:
হিব (Hib)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিব (Hib)
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়াজনিত মেনিনজাইটিস অন্যান্য বয়সের তুলনায় শিশুদের প্রায়শই আঘাত করে।
হিব (Hib) ভ্যাকসিন হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি সংক্রমণ জাতীয় রোগ যেমন মেনিনজাইটিস, নিউমোনিয়া এবং এপিগ্লোটাইটিস প্রতিরোধ করে থাকে।
হিব টিকা চালু হওয়ার পর থেকে মেনিনজাইটিস রোগীর সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে।
উল্লেখ্য,
এইডস রোগের ভাইরাসকে সংক্ষেপে এইচআইভি (HIV) বলা হয়।

সোর্স: www.urmc.rochester.edu
১,২৪০.
ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের 'Big One' বলতে বোঝায়-
  1. চূড়ান্ত ভূমিকম্প
  2. শেয়ার বাজারের পতন
  3. বাৎসরিক মোটর চালনা উৎসব
  4. আণবিক যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ক্যালিফোর্নিয়ার 'Big One': 
- ক্যালিফোর্নিয়ার 'Big One' মূলত সম্ভাব্য একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্পের ধারণা, যা স্যান আন্দ্রেয়াস ফল্ট লাইনে সংঘটিত হতে পারে। 
- স্যান আন্দ্রেয়াস ফল্ট হলো উত্তর আমেরিকান প্লেট এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেটের মধ্যবর্তী একটি টেকটনিক ফল্ট লাইন, যা ভূমিকম্পের জন্য অত্যন্ত সক্রিয়। 
- এই ফল্ট লাইনটি প্রায় ১৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ক্যালিফোর্নিয়ার মধ্য দিয়ে চলে। 
- এটি দুটি টেকটোনিক প্লেটের মিথস্ক্রিয়ার একটি প্রধান স্থান, যেখানে প্রতিনিয়ত চাপ জমা হয়। 
- ১৯০৬ সালের সান ফ্রান্সিসকো ভূমিকম্প (7.9 মাত্রা) এবং ১৯৮৯ সালের লোমা প্রিয়েতা ভূমিকম্পের মতো ঘটনা দেখিয়েছে যে স্যান আন্দ্রেয়াস ফল্ট লাইন কতটা বিপজ্জনক।
- ভূতাত্ত্বিকরা মনে করেন, স্যান আন্দ্রেয়াস ফল্টে জমা হওয়া চাপ অবশেষে একটি বিশাল ভূমিকম্প ঘটাতে পারে। 
- তবে স্যান আন্দ্রেয়াসের দক্ষিণ অংশে ১৭০০ সালের পর থেকে বড় কোনো ভূমিকম্প ঘটেনি, যা ভবিষ্যৎ 'Big One'-এর আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।
১,২৪১.
রক্তে Platelet এর কাজ কী?
  1. অক্সিজেন পরিবহন করা
  2. রক্তের ঘনত্ব ও সান্দ্রতা রক্ষা করা
  3. রক্তের PH ঠিক রাখা
  4. রক্ত জমাট বাধতে সাহায্য করা
সঠিক উত্তর:
রক্ত জমাট বাধতে সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্ত জমাট বাধতে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
• অণুচক্রিকার কাজ:
(i) অস্থায়ী প্লেটলেট প্লাগ (platelet plug) সৃষ্টির মাধ্যমে রক্তপাত বন্ধ করে।
(ii) রক্তজমাট ত্বরান্বিত করতে বিভিন্ন ক্লটিং ফ্যাক্টর (clotting factor) ক্ষরণ করে।
(iii) প্রয়োজন শেষে রক্তজমাট বিগলনে সাহায্য করে।
(iv) ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস ধ্বংস করে।
(v) দেহের কোথাও ব্যথার সৃষ্টি হলে নিউট্রোফিল ও মনোসাইটকে আকৃষ্ট করতে রাসায়নিক পদার্থ ক্ষরণ করে।
(vi) রক্তবাহিকার এন্ডোথেলিয়ামের অন্তঃপ্রাচীর সুরক্ষার জন্য গ্রোথ-ফ্যাক্টর ক্ষরণ করে।
(vii) সেরোটনিন (serotonin) নামক রাসায়নিক পদার্থ ক্ষরণ করে রক্তপাত বন্ধের উদ্দেশে রক্তবাহিকাকে দ্রুত সঙ্কোচনে উদ্বুদ্ধ করে।
(viii) স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি অণুচক্রিকা থাকলে রক্তনালির ভিতরে অদরকারী রক্তজমাট সৃষ্টি, স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয়।

অন্যদিকে,
- লোহিত রক্তকনিকার কাজ:
- অক্সিজেন পরিবহন করা।
- ঘনত্ব ও সান্দ্রতা রক্ষা করা
- রক্তের PH ঠিক রাখা

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,২৪২.
ভেক্টর রাশির ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক? 
  1. ভেক্টর রাশির মান ও দিক নেই।
  2. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
  3. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায় না।
  4. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে।
সঠিক উত্তর:
দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। 
- আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১। ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশির ধর্ম: 
- ভেক্টর রাশিগুলো কিছু মৌলিক নিয়ম বা ধর্ম অনুসরণ করে। 
যেমন- 
১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে। 
২. সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না। 
৩. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি। 
৪. দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি। 
৫. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না। 
৬. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়। 

২। স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪৩.
দুটি বস্তুর মধ্যে তাপের আদান-প্রদান নির্ভর করে-
  1. ক) বস্তু দুটির তাপমাত্রার উপর
  2. খ) বস্তু দুটির প্রকৃতির উপর
  3. গ) মধ্যবর্তী মাধ্যমের প্রকৃতির উপর
  4. ঘ) বস্তু দুটির অন্তর্নিহিত তাপ শক্তির উপর
সঠিক উত্তর:
ক) বস্তু দুটির তাপমাত্রার উপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বস্তু দুটির তাপমাত্রার উপর
ব্যাখ্যা

ভিন্ন তাপমাত্রার দুটি বস্তুকে পরস্পরের সংস্পর্শে আনা হলে তাদের মধ্যে তাপের আদান প্রদান ঘটে।
যে বস্তুটির তাপমাত্রা বেশি সেটি তাপ ছেড়ে দেয় বা বর্জন করে, আর যে বস্তুটির তাপমাত্রা কম সেটি তাপ নেয় বা গ্রহণ করে। দুটি বস্তুর তাপমাত্রা সমান না হওয়া পর্যন্ত তাপের এই আদান প্রদান বা গ্রহণ- বর্জন চলতে থাকে।
যদি তাপের এই আদান প্রদানের সময় অন্য কোনো ভাবে তাপ নষ্ট না হয়, তবে বেশি তাপমাত্রার বস্তুটি যে পরিমাণ তাপ বর্জন করবে কম তাপমাত্রার বস্তুটি ঠিক সেই পরিমাণ তাপ গ্রহণ করবে। অর্থাৎ মোট বর্জিত তাপ = মোট গৃহীত তাপ।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,২৪৪.
প্রোটিন গঠনের জন্য কোন মৌলিক উপাদান অপরিহার্য?
  1. কার্বন
  2. অক্সিজেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

- নাইট্রোজেন (N) হলো প্রোটিনে একটি বিশেষ মৌল, যা অ্যামিনো গ্রুপ (-NH2) গঠনে অপরিহার্য।

প্রোটিন:
-
প্রোটিন হলো জীবজগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ জৈব যৌগ।
- এটি অ্যামিনো অ্যাসিড থেকে গঠিত।
- প্রতিটি অ্যামিনো অ্যাসিডে থাকে নাইট্রোজেন (N), যা অ্যামিনো (-NH2) গ্রুপে থাকে।
- অন্য উপাদান যেমন কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন প্রোটিনের অংশ হলেও, নাইট্রোজেন প্রোটিনের মূল ভৌত কাঠামো গঠনে অপরিহার্য।
-
নাইট্রোজেন ছাড়া প্রোটিন তৈরি সম্ভব নয়। 

অ্যামিনো অ্যাসিডের প্রধান উপাদানগুলো:
- নাইট্রোজেন (N), 
- কার্বন (C), 
- হাইড্রোজেন (H) ও 
- অক্সিজেন (O)। 

 তথ্যসূত্র: NCTB, উচ্চমাধ্যমিক জীববিজ্ঞান।

১,২৪৫.
শব্দ তরঙ্গের বেগ কোন পদার্থে সবচেয়ে বেশি?
  1. কঠিন 
  2. বায়ু 
  3. তরল 
  4. ভ্যাকুয়াম
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
ব্যাখ্যা

শব্দ: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক। 
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। 
যেমন- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে বায়বীয় মাধ্যমের চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে বেগ সবচেয়ে বেশি বেশি। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়। 
- অন্যান্য যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২৪৬.
একজন দৌড়বিদ 9.8 s সময়ে 100 m দূরত্ব অতিক্রম করলে তার গড় দ্রুতি কত? 
  1. ক) 10.2 ms-1
  2. খ) 1.02 ms-1
  3. গ) 0.102 ms-1
  4. ঘ) 102.0 ms-1
সঠিক উত্তর:
ক) 10.2 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 10.2 ms-1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন দৌড়বিদ 9.8 s সময়ে 100 m দূরত্ব অতিক্রম করলে তার গড় দ্রুতি কত? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব, d = 100 m, 
মোট সময়, t = 9.8 s, 
গড় দ্রুতি, V = ? 

আমরা জানি, 
গড় দ্রুতি, V = d/t 
= 100 m/9.8 s 
= 10.2 ms-1

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪৭.
চন্দ্র, সূর্য এবং পৃথিবী সমকোণে অবস্থান করে কখন?
  1. মরা কটালের সময়
  2. তেজ কটালের সময়
  3. গৌণ জোয়ারের সময়
  4. মুখ্য জোয়ারের সময়
সঠিক উত্তর:
মরা কটালের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরা কটালের সময়
ব্যাখ্যা

• যখন চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর সাথে পরস্পর সমকোণে বা ৯০° অবস্থানে থাকে, তখন চাঁদের আকর্ষণ বল এবং সূর্যের আকর্ষণ বল একে অপরের ওপর লম্বভাবে কাজ করে। এর ফলে জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে ওঠে না, যাকে মরা কটাল বলা হয়।

• জোয়ার-ভাটা:
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- এর কারণ মূলত দুটি যা চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা -

১. মুখ্য জোয়ার:
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়।
- এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে।

২. গৌণ জোয়ার:
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়।
- এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে।

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল:
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪. মরা কটাল:
- সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না, এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল বলে।
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাঁটা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৪৮.
ফোটনের চার্জ কত?
  1. ক) 1.67×10-19
  2. খ) 1.67×1019
  3. গ) 1.67×10-27
  4. ঘ) 0
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 0
ব্যাখ্যা
ফোটন হচ্ছে আলোর কণা বা একক।
প্লাঙ্কের তত্ত্ব অনুসারে - আলোকরশ্মি কোন শক্তি হতে অনবরত বের না হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন প্যাকেট বা শক্তি বের হয়। প্রত্যেক বর্ণের আলোর জন্য এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটের শক্তির নির্দিষ্ট মান রয়েছে। এই এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।

ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য দেয়া হল:-
• পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি কোন বিকিরণের ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
• ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
• ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
• প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
• ফোটন এর কণা তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে ।
• E = ফোটনের শক্তি, h = প্ল্যাঙ্ক ধ্রুবক, ν = ফোটনের কম্পাঙ্ক ও হলে তার শক্তি E=hν.
১,২৪৯.
সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সংঘটিত হয়- 
  1. পুকুরে
  2. সাগরে
  3. নদীতে
  4. খালে-বিলে
সঠিক উত্তর:
সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগরে
ব্যাখ্যা
সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ।
- যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ।
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ।
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে।
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়।
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে।
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প।
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়।
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৫০.
ইটিপি কোন ধরনের বর্জ্য পরিশোধন করে?
  1. কঠিন
  2. তরল
  3. গ্যাসীয়
  4. বস্তুকণা
সঠিক উত্তর:
তরল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল
ব্যাখ্যা
- রাসায়নিক শিল্প কারখানার তরল বর্জ্যকে effluent বলে। 
- এ সকল বর্জ্যে বিভিন্ন দূষক পদার্থ থাকে যা বাতাস, পানি ও মাটি তথা সমগ্র পরিবেশ দূষিত করে। 
- তাই শিল্প কারখানার এ সব বর্জ্য পদার্থকে পারিপার্শ্বিক পরিবেশে পরিত্যাগের পূর্বে এদের মধ্যে বিদ্যমান ক্ষতিকর পদার্থসমূহকে পৃথক করা প্রয়োজন। 
- শিল্পজাত তরল বর্জ্যের বিশোধনকল্পে প্রতিটি শিল্প কারখানায় তরল বর্জ্য বিশোধন প্লান্ট (Effluent Treatment Plant, ETP) স্থাপন করা আবশ্যক। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫১.
নিচের কোনটি অবস্থান্তর মৌল নয়?
  1. লোহা
  2. তামা
  3. সোডিয়াম
  4. ক্রোমিয়াম
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম
ব্যাখ্যা

• পর্যায় সারণির গ্রুপ-৩ থেকে গ্রুপ-১২ এর মৌলগুলোকে অবস্থান্তর মৌল বলে। সোডিয়াম (Na) এর অবস্থান গ্রুপ-১ এ হওয়ায় এটি অবস্থান্তর মৌল নয়।

• অবস্থান্তর মৌল:
- অবস্থান্তর মৌল হলো সেই ধাতু যাদের d-অরবিটাল আংশিকভাবে পূর্ণ থাকে।
- সাধারণত এগুলো ডি-ব্লক মৌল হিসেবে পরিচিত, যা পিরিয়ডিক টেবিলের গ্রুপ ৩ থেকে ১২ এ থাকে।
- অবস্থান্তর মৌল বিভিন্ন অক্সিডেশন স্টেটে থাকতে পারে এবং তাদের যৌগ রঙিন হয়।

• বৈশিষ্ট্য:
- উচ্চ ঘনত্ব এবং উচ্চ গলনাঙ্ক।
- রঙিন যৌগ গঠন এবং ক্যাটালিস্ট হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- বিভিন্ন অক্সিডেশন স্টেটে প্রবেশ করতে সক্ষম।

• উদাহরণ:
- লোহা (Fe): ইলেকট্রন বিন্যাস 3d6 4s2 → অবস্থান্তর মৌল।
- তামা (Cu): ইলেকট্রন বিন্যাস 3d10 4s1 → অবস্থান্তর মৌল।
- ক্রোমিয়াম (Cr): ইলেকট্রন বিন্যাস 3d5 4s1 → অবস্থান্তর মৌল।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 

১,২৫২.
উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় কোন খনিজ উপাদানটি সাহায্য করে? 
  1. পটাসিয়াম
  2. ফসফরাস
  3. নাইট্রোজেন
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা
পুষ্টি উপাদানের গুরুত্ব: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
যেমন- 
ম্যাগনেসিয়াম (Mg): 
- ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 
- এটি উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 

নাইট্রোজেন (N): 
- নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন ও ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষকলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 

ফসফরাস (P): 
- নিউক্লিক অ্যাসিড, বিভিন্ন ফসফোলিপিড, NADP, ATP ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্যের সাংগঠনিক উপাদান। 
- উদ্ভিদের মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 

পটাসিয়াম (K): 
- উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। 
- পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাসিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। 
- ইহা মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫৩.
যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণার স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
  2. অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
  3. যান্ত্রিক তরঙ্গ
  4. তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুপ্রস্থ তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• অনুপ্রস্থ তরঙ্গ হলো সেই তরঙ্গ যা মাধ্যমের কণার স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয়।

• তরঙ্গের প্রকারভেদ:
- যে তরঙ্গ সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয় তাকে যান্ত্রিক তরঙ্গ বলে।
- যে তরঙ্গ সঞ্চারণের জন্য কোনো মাধ্যম প্রয়োজন হয় না তাকে তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ বলে।
- মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের ফলে যে যান্ত্রিক তরঙ্গ সৃষ্টি হয় তা দুই ধরনের। যথা—অনুপ্রস্থ তরঙ্গ, অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ।

• অনুপ্রস্থ তরঙ্গ (Transverse wave):
- পানির মধ্যে তরঙ্গ সৃষ্টি হলে পানির কণাগুলো সাম্য অবস্থান থেকে উপর-নিচে ওঠা-নামা করে। কিন্তু তরঙ্গ পানির পৃষ্ঠ বরাবর সামনে অগ্রসর হয়।
- অর্থাৎ, যে তরঙ্গ মাধ্যমের কণাগুলোর স্পন্দনের দিকের সাথে সমকোণে অগ্রসর হয় তাকে অনুপ্রস্থ তরঙ্গ বলে। এ তরঙ্গকে আড় তরঙ্গও বলা হয়।
- যেমন—আলোক তরঙ্গ, বেতার তরঙ্গ, পানির তরঙ্গ।

• অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ (Longitudinal wave):
- অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গে মাধ্যমের কণাগুলো কম্পনের দিকের সমান্তরালে আন্দোলিত হয়, কিন্তু নিজ অবস্থান পরিবর্তন করে না।
- নমনীয় স্প্রিংয়ে মৃদু আঘাত করলে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়।
- এ তরঙ্গে তরঙ্গ শীর্ষ বা তরঙ্গ পাদ থাকে না।
- বরং সংকোচন ও প্রসারণের পর্যায়ক্রমিক বিন্যাস থাকে।

• অন্যান্য অপশন:
- অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ → কণার কম্পন ও তরঙ্গের অগ্রসর হওয়ার দিক সমান্তরাল।
- যান্ত্রিক তরঙ্গ → সঞ্চারণের জন্য জড় মাধ্যম প্রয়োজন হয়।
- তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ → সঞ্চারণের জন্য কোনো মাধ্যম প্রয়োজন হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৫৪.
১ গ্রাম ফ্যাট থেকে প্রায় কত কিলোক্যালরি শক্তি উৎপন্ন হয়? 
  1. ৪ কিলোক্যালরি
  2. ৬ কিলোক্যালরি
  3. ৯ কিলোক্যালরি
  4. ১২ কিলোক্যালরি
সঠিক উত্তর:
৯ কিলোক্যালরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ কিলোক্যালরি
ব্যাখ্যা
খাদ্যের কাজ: 
- মানবদেহের বেঁচে থাকার জন্য খাদ্যের কোনো বিকল্প নেই, খাদ্য দেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অপরিহার্য কাজ করে থাকে। 
যেমন- 
১। দেহের গঠন, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ: 
- মাতৃগর্ভে ভ্রূণ সৃষ্টির পর হতে ২০/২৫ বছর বয়স পর্যন্ত দেহ গঠন ও বৃদ্ধিসাধন প্রক্রিয়া চলতে থাকে। 
- এছাড়া কায়িক শ্রম, রোগ-বালাই, ইত্যাদিতে দেহ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। 
- খাদ্য মানব দেহে এসব গঠন, বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করে থাকে। 
যেমন- দেহের পেশি গঠনে প্রোটিন ও অস্থি বা হাড় গঠনে ক্যালসিয়াম কাজ করে। 

২। তাপ ও শক্তি উৎপাদন: 
- দেহের স্বাভাবিক উষ্ণতা বজায় রাখা ও অভ্যন্তরীণ কাজ সম্পাদন করে দেহকে সচল রাখার জন্য খাদ্য তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। 
- দেহে তাপ ও শক্তি উৎপন্ন হয় বলেই দেহ সচল ও সক্রিয় থাকে। 
- স্নেহ জাতীয় খাদ্য হতে দেহে সর্বাধিক তাপ ও শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- শর্করা জাতীয় খাদ্য হতে উৎপন্ন শক্তিও দেহে অতি প্রয়োজনীয়। 
যেমন- ১ গ্রাম শর্করা হতে ৪ কিলোক্যালরি (প্রায়), ১ গ্রাম প্রোটিন হতে ৪ কিলোক্যালরি (প্রায়) এবং ১ গ্রাম ফ্যাট হতে ৯ কিলোক্যালরি (প্রায়) শক্তি পাওয়া যায়। 

৩। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি: 
- খাদ্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে দেহকে জীবাণু ও রোগের আক্রমণ হতে রক্ষা করে। 
- প্রধানত ভিটামিন ও খনিজ লবণ জাতীয় খাদ্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে দেহকে সুস্থ রাখে। 

৪। দেহের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ: 
- মানবদেহে প্রতিনিয়ত অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক কর্মক্রিয়া চলতে থাকে। 
- হৃৎপিণ্ড (Heart), ফুসফুস (Lung), পাকস্থলী (Stomatch), মস্তিষ্ক (Brain), বৃক্ক (Kidney), যকৃত (Liver) ইত্যাদি সবসময় সক্রিয় অবস্থায় থাকে। 
- এনজাইম ও হরমোনসমূহ শরীরের অভ্যন্তরীণ জৈব রাসায়নিক কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে। 
- এছাড়া বিপাক, পরিপাক, শোষণ ইত্যাদি কাজ সংঘটিত হয়। 
- এসব কাজে প্রোটিন, খনিজ লবণ, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, পানি ইত্যাদি বিশেষভাবে ভূমিকা রাখে। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫৫.
স্টেইনলেস স্টিলের উপাদান নয়-
  1. ক) লোহা
  2. খ) দস্তা
  3. গ) ক্রোমিয়াম
  4. ঘ) নিকেল
সঠিক উত্তর:
খ) দস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দস্তা
ব্যাখ্যা
স্টেইনলেস স্টিল ৭৪% লোহা, ১৮% ক্রোমিয়াম ও ৮% নিকেলের সংমিশ্রনে তৈরি।
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই।
১,২৫৬.
​0°C তাপমাত্রায় প্রতিধ্বনি শোনার জন্য শব্দের উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব কত?
  1. 10.0 m
  2. 12.5 m 
  3.  18.6 m
  4. 16.6 m
সঠিক উত্তর:
16.6 m
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16.6 m
ব্যাখ্যা

শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে।
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না।
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে।
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে।

- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়।
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে।
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৫৭.
ফলিক এসিডের অন্য নাম কোনটি?
  1. ক) ভিটামিন বি ১২
  2. খ) ভিটামিন বি ৬
  3. গ) ভিটামিন বি ১
  4. ঘ) ভিটামিন বি ৯
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন বি ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভিটামিন বি ৯
ব্যাখ্যা
ফলিক এসিড ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অন্তর্গত এক প্রকার বি ভিটামিন। 
ফলিক এসিডের অন্য নাম ভিটামিন বি ৯। 
এর কাজ:
- রক্তকণিকা তৈরিতে অংশ নেয়।
- বংশগতির অন্যতম উপাদান ডিএনএ (DNA) গঠনে কাজ করে।
- কোষ গঠন ও বিভাজনে কাজ করে।

 কলিজা, মাছ, মাংস, বাদাম, সবুজ শাক-সবজি ইত্যাদি এর ভালো উৎস।
 
Folate is the natural form of vitamin B9, water-soluble and naturally found in many foods. It is also added to foods and sold as a supplement in the form of folic acid; this form is actually better absorbed than that from food sources—85% vs. 50%, respectively. Folate helps to form DNA and RNA and is involved in protein metabolism.

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; https://www.hsph.harvard.edu/

১,২৫৮.
মানবদেহের কোন অংশে বহিঃশ্বসন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়?
  1. রক্তনালিতে
  2. অগ্ন্যাশয়ে
  3. কোষের অভ্যন্তরে
  4. ফুসফুসের অ্যালভিওলাসে
সঠিক উত্তর:
ফুসফুসের অ্যালভিওলাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুসফুসের অ্যালভিওলাসে
ব্যাখ্যা

শ্বসন: 
- যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় প্রাণী বিরামহীনভাবে পরিবেশ থেকে অক্সিজেন (O2) গ্রহণ করে, সে অক্সিজেনের সাহায্যে কোষ মধ্যস্থ সরল খাদ্যকে জারিত করে খাদ্যস্থিত স্থিতিশক্তিকে গতিশক্তিতে রূপান্তর করে এবং এতে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইডকে (CO2) দেহ হতে ত্যাগ করে তাকে শ্বসন (Respiration) বলে।
- শ্বসনের দুইটি পর্যায় থাকে। 
যথা- ১। বহিঃশ্বসন (External respiration) ও ২। অন্তঃশ্বসন (Internal respiration)। 
- ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের বায়ুর সাথে ফুসফুসীয় রক্ত জালিকার মধ্যে প্রশ্বাস ও নিশ্বাসের সময় যে গ্যাসীয় আদান প্রদান হয় তাকে বহিঃশ্বসন বলে। 
- অপরদিকে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন (O2) দেহের কলাকোষে প্রবেশ করে কোষস্থ খাদ্যের সাথে বিক্রিয়া করে শক্তি, কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ও পানি উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে অন্তঃশ্বসন বলে। 
- এতে নিম্নের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে- 
 
- যে সকল অঙ্গ সম্বিলিতভাবে দেহ ও প্রকৃতির মধ্যে শ্বসন গ্যাস (O2 ও CO2) বিনিময় প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে তাদের সমষ্টিকে শ্বসনতন্ত্র বলে। 
- শ্বসনতন্ত্র রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বিপাকে সৃষ্ট গ্যাসীয় বর্জ্য অপসারণ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৫৯.
মধ্যম উচ্চতার মেঘ কোনটি?
  1. ক) সিরাস
  2. খ) নিম্বাস
  3. গ) কিউম্যুলাস
  4. ঘ) স্ট্রেটাস
সঠিক উত্তর:
গ) কিউম্যুলাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কিউম্যুলাস
ব্যাখ্যা

মেঘকে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, আকৃতি, রঙ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর অনেকভাবেই ভাগ করা হয়। প্রশ্ন অনুসারে ব্যাখ্যায় দেয়া হল।

World Meteorological Organization অনুসারেঃ

উঁচু আকাশের মেঘঃ
যারা সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে ৬০০০ মিটারের উপরে থাকে । যেমন-সিরাস (Cirrus), সিরোকিউমুলাস (Cirro-Cumulus) সিরোস্ট্রাটাস (Cirro-Stratus).

মাঝারি আকাশের মেঘঃ
২০০০ মিটার থেকে ৬০০০ মিটারের মধ্যে থাকে। অল্টোকিউমুলাস (Alto-cumulus), অল্টো স্ট্রাটাস (Alto-stratus), এই মাঝারি আকাশের মেঘ।

নীচু আকাশে মেঘঃ
যারা ২০০০ মিটারের নিচে অবস্থান করে। যেমন, স্ট্রাটাস (Stratus), নিম্বো স্ট্রাটাস (Nimbo- status), কিউমুলো-নিম্বাস (Cumulonimbus, কিউমুলাস (Cumulus) এবং স্ট্রাটো-কিউমুলাস (Strato-cumulus)

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Cumulus নিচু থেকে মাঝারি উচ্চতায় থাকে। আরেকটা ব্যাপার উল্লেখযোগ্য যে, WMO এবং অন্যান্য সংস্থার শ্রেণিবিভাগে নির্দিষ্টভাবে নিম্বাস নামে বর্তমানে কোন মেঘ নেই, Cumulonimbus, Nimbo- status আছে।

১,২৬০.
পূর্ণ বয়স্ক মানবদেহে রক্ত উৎপাদন হয় কোথায়?
  1. যকৃতে
  2. প্লীহায়
  3. অস্থিমজ্জায়
  4. হৃদপিণ্ডে
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জায়
ব্যাখ্যা

পূর্ণ বয়স্ক মানবদেহে রক্ত উৎপাদন হয়ে থাকে অস্থিমজ্জায়। আর ভ্রূনাবস্থায় যকৃত, প্লীহা প্রভৃতি অঙ্গে রক্ত উৎপাদিত হয়।
হৃদপিণ্ড রক্তকে সারা শরীরে সঞ্চালিত করে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,২৬১.
কোন বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণকে বলে -
  1. মহাকর্ষ বল
  2. অভিকর্ষ বল
  3. তাড়িৎচৌম্বক বল
  4. সবল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
- মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর আকর্ষণকে মহাকর্ষ বল বলে। 
- পৃথিবীর সাথে কোন বস্তুর আকর্ষণকে বলকে অভিকর্ষ বল বলে
- অভিকর্ষ এক ধরনের মহাকর্ষ। 
- কোন বস্তুকে পৃথিবী যে বল দ্বারা তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে তাকে বস্তুর ওজন বলে। 
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎচৌম্বক বল বলে।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াসের ভিতরে দুটি নিউক্লীয়নের মধ্যে যে শক্তিশালী বল কাজ করে তাকে সবল নিউক্লীয় বল বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ, পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬২.
মানুষের শরীরের রক্তের গ্রুপ কয়টি?
  1. ক) চারটি
  2. খ) পাঁচটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) দুইটি
সঠিক উত্তর:
ক) চারটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চারটি
ব্যাখ্যা
- মানুষের রক্তের গ্রুপকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- O, A, B এবং AB।

রক্তের গ্রুপ
:
- লোহিত রক্ত কণিকার প্লাজমা মেমব্রেনে অবস্থিত বিভিন্ন অ্যান্টিজেনের উপস্থিতির ভিত্তিতে রক্তের শ্রেণীবিন্যাসকে 'রক্ত গ্রুপ' বলে। 
- রক্ত কণিকায় আ্যান্টিজেনের উপস্থিত ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে রক্তের যে শ্রেণীবিন্যাস, তা ব্লাড গ্রুপ নামে পরিচিত। 
- মানুষের রক্তে A ও B এ দু'ধরনের আ্যান্টিজেন থাকতে পারে।

O রক্তের গ্রুপ:
- O গ্রুপের রক্তের কণিকা ঝিল্লিতে কোন অ্যান্টিজেন নাই।
- O রক্তের গ্রুপের লোকেরা সাধারণত সর্বজনীন রক্ত দাতা হিসাবে পরিচিত এবং শুধুমাত্র O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে।

AB রক্তের গ্রুপ
:
- AB রক্তের গ্রুপে A ও B দুটি অ্যান্টিজেন থাকে।
- AB রক্তের গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয় কারণ সব গ্রুপের রক্ত এটি গ্রহণ করতে পারে এবং শুধুমাত্র AB রক্তের গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

A রক্তের গ্রুপ
:
- A রক্তের গ্রুপে A অ্যান্টিজেন থাকে।
- A রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র A এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং টাইপ A এবং AB ব্যক্তিদের দান করতে পারে।

B রক্তের গ্রুপ
:
- B রক্তের গ্রুপে B অ্যান্টিজেন থাকে।
- B রক্তের গ্রুপের ব্যক্তি শুধুমাত্র B এবং O রক্তের গ্রুপ থেকে রক্ত ​​গ্রহণ করতে পারে এবং B এবং AB গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত ​​দান করতে পারে।

উৎস
: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬৩.
পেনিসিলিনের আবিষ্কারক কে?
  1. ক) আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং
  2. খ) লুই পান্তর
  3. গ) লিয়েন হুক
  4. ঘ) রবার্ট হুক
সঠিক উত্তর:
ক) আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলেকজেন্ডার ফ্লেমিং
ব্যাখ্যা
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিনের আবিষ্কার করেন।

- Penicillium notatum থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করা হয়।
- বর্তমানে Penicillium chrysogenum থেকে বানিজ্যিক ভিত্তিতে পেনিসিলিন তৈরি করা হয়।
- পেনিসিলিনটি কান, নাক এবং গলার ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া এটি সাইনাস, ত্বক, নিম্ন শ্বাস নালীর, পেট, অন্ত্র, কিডনি এবং মূত্রাশয়ের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬৪.
একটি 'বৈদ্যুতিক জেনারেটর' হচ্ছে-
  1. বৈদ্যুতিক আধানের উৎস
  2. তাপশক্তির উৎস
  3. একটি বিদ্যুৎ চুম্বক
  4. শক্তির কনভার্টার
সঠিক উত্তর:
শক্তির কনভার্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তির কনভার্টার
ব্যাখ্যা
জেনারেটর (Generator):

- একটি 'বৈদ্যুতিক জেনারেটর' হচ্ছে শক্তির কনভার্টার।
- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করার যন্ত্রকে জেনারেটর বলে।
- তড়িৎ চৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে জেনারেটর তৈরি করা হয়।
- জেনারেটর দুই ধরনের হয়ে থাকে । যেমন, ডি. সি. জেনারেটর ও এ. সি. জেনারেটর। 
-  এ. সি. জেনারেটরই বহুল ব্যবহৃত হয়। 
- মোটর ও জেনারেটরের গঠন প্রায় একই।
- মোটরে তড়িৎ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক শক্তি সৃষ্টি করা হয়।
- আর জেনারেটরে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তড়িৎ শক্তি সৃষ্টি করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬৫.
দৃশ্যমান আলোর মধ্যে কোন রঙ- এর আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) নীল
  2. খ) লাল
  3. গ) সবুজ
  4. ঘ) বেগুনী
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি।
১,২৬৬.
‘বায়োটেকনোলজি বা Biotechnology’ শব্দের প্রবর্তন করেন কে?
  1. ক) স্ট্রাসবুর্গার
  2. খ) কার্ল এরেকি
  3. গ) ওয়াটসন
  4. ঘ) জোহান মেন্ডেল
সঠিক উত্তর:
খ) কার্ল এরেকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কার্ল এরেকি
ব্যাখ্যা

হাঙ্গেরীয় প্রকৌশলী কার্ল এরেকি (১৯১৯) সর্বপ্রথম Biotechnology শব্দটি প্রবর্তন করেন। জীবপ্রযুক্তি জীববিজ্ঞানের একটি উন্নয়নশীল ফলিত শাখা।
Biotechnology শব্দটি Biology এবং Technology এর সমন্বয়ে গঠিত।
Biology শব্দের অর্থ জীব সম্পর্কিত বিদ্যা এবং Technology শব্দের অর্থ প্রযুক্তি।
অর্থাৎ Biotechnology হলো Biological Science এর সাথে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বিত বিদ্যা। ১৯৭০ এর পর থেকে এ শব্দটি বর্তমান বিশ্বে ব্যাপকহারে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
সূত্রঃ জীববিজ্ঞান(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।

১,২৬৭.
কোনাে তরঙ্গের উপর সমদশা সম্পন্ন কণাগুলাের গতিপথকে কী বলে?
  1. ক) তরঙ্গদৈর্ঘ্য
  2. খ) বিস্তার
  3. গ) কম্পাঙ্ক
  4. ঘ) তরঙ্গমুখ
সঠিক উত্তর:
ঘ) তরঙ্গমুখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তরঙ্গমুখ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ মুখ (Wave front) : পানির মধ্যে আন্দোলন সৃষ্টি করে তরঙ্গ উৎপন্ন হলে তরঙ্গ বৃত্তের আকারে পানির উপর বিস্তৃত হয়। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, বৃত্তের উপরস্থ পানি কণাগুলাে একবার উপরে উঠছে ও একবার নিচে নামছে বা তরঙ্গচূড়া (crest) ও তরঙ্গখাজ (trough) উৎপন্ন হচ্ছে। তরঙ্গচূড়ায় অবস্থিত সকল কণার দশা একই আবার তেমনি তরঙ্গখাজে অবস্থিত সকল কণার দশা সমান। কোনাে তরঙ্গের উপর অবস্থিত সম দশাসম্পন্ন কণাগুলাের গতিপথ(locus)-কে তরঙ্গ মুখ বলে।
(উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
১,২৬৮.
রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃৎপিন্ডে বহন করে নিয়ে আসে যে নালী তাকে কী বলে?
  1. ভেইন
  2. আর্টারি
  3. ক্যাপলারি
  4. নার্ভ
সঠিক উত্তর:
ভেইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেইন
ব্যাখ্যা
• রক্তনালী:
- যেসব রক্তনালির মাধ্যমে রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত হয়, তাকে ধমনি বা আর্টারি বলে।
- যে সব রক্তনালীর মাধ্যমে সাধারণত কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ রক্ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে হৃৎপিন্ডে বহন করে নিয়ে আসে, তাদের শিরা (Vein) বলে।
- ক্যাপিলারি হলো ক্ষুদ্র রক্তনালী যা আর্টারি ও ভেইনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।

অন্যদিকে,
- নার্ভ হলো স্নায়ুতন্ত্রের অংশ, যা রক্তনালী নয় এবং রক্ত বহন করে না।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।
১,২৬৯.
"আনারসে" কোন এসিড থাকে?
  1. এসকরবিক এসিড
  2. টারটারিক এসিড
  3. ম্যালিক এসিড
  4. অক্সালিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ম্যালিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালিক এসিড
ব্যাখ্যা
- আনারসে ও আপেল থাকে ম্যালিক এসিড।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আমলকিতে থাকে এসকরবিক এসিড।
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।
- টমেটোতে থাকে অক্সালিক এসিড।।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,২৭০.
কোনটি এককোষী জীবের উদাহরণ?
  1. গরু
  2. অ্যামিবা
  3. বৃক্ষ
  4. মানুষ
সঠিক উত্তর:
অ্যামিবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিবা
ব্যাখ্যা
জীবের বৈশিষ্ট্য: 
- জীবদেহ জীবকোষ (Cell) দ্বারা গঠিত। 
- ব্যাকটেরিয়া, অ্যামিবা ইত্যাদি জীব মাত্র একটি কোষ দ্বারা গঠিত, তাই এরা এককোষী (Unicellular) জীব। 
- বৃক্ষ, গুল্ম, পশু-পাখি, মানুষ প্রভৃতি জীব অসংখ্য জীবকোষ দ্বারা গঠিত, তাই এরা বহুকোষী (Multicellular) জীব। 
- জীবকোষে সজীব প্রোটোপ্লাজম থাকে। 
- নিউক্লিয়াসসহ অন্যান্য কোষাঙ্গাণু প্রোটোপ্লাজমে অবস্থান করে। তাই প্রোটোপ্লাজমকে জীবনের ভৌত ভিত্তি বলা হয়। 
- জড়বস্তু কোন জীবকোষ দ্বারা গঠিত নয় এবং জড়বস্তুতে কোন প্রোটোপ্লাজম নেই। 
- জীবের বংশবৃদ্ধির (Reproduction) তথা শিশু জীব জন্ম দেয়ার ক্ষমতা থাকে যা জড়বস্তুতে নেই। 
-  জীবদেহে বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় (Physiological) কার্যকলাপ, যেমন- শ্বসন, পরিপাক, বৃদ্ধি, উত্তেজনায় সাড়া দেয়া, পরিবেশের সাথে অভিযোজন ইত্যাদি সংঘটিত হয়। 
- জড় বস্তুতে কোন শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপ ঘটে না। 
- জীবের মৃত্যু আছে, জড় বস্তুর মৃত্যু নেই। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭১.
তেজস্ক্রিয়তা একটি-
  1. স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা
  2. অবিরাম প্রক্রিয়া
  3. নিউক্লিয়ার ঘটনা
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• তেজস্ক্রিয়তা:
- বিজ্ঞানী হেনরি বেকরেল ১৮৯৬ সালে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড এবং ভিলার্ড পরীক্ষার মাধ্যমে দেখান যে, তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে তিন প্রকার রশ্মি নির্গত হয়। যথা-
১. আলফা রশ্মি,
২. বিটা রশ্মি এবং
৩. গামা রশ্মি।

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- যে সকল মৌলের পারমাণবিক ওজন ২০৬ এর অধিক, সে সকল পদার্থ তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা
- তেজস্ক্রিয়তা একটি অবিরাম প্রক্রিয়া
- তেজস্ক্রিয় রশ্মি বা কণা ধনাত্মক চার্জ যুক্ত, ঋণাত্মক চার্জ যুক্ত এবং চার্জ নিরপেক্ষ হতে পারে।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি নিউক্লিয়ার ঘটনা
- তেজস্ক্রিয়তার ফলে নতুন মৌলের সৃষ্টি হয় যেমন- রেডিয়াম হতে হিলিয়াম ও র‍্যাডন সৃষ্টি হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭২.
প্রোটিস্টার কোষের ক্রোমাটিন পদার্থে কী থাকে? 
  1. ডিএনএ 
  2. আরএনএ 
  3. প্রোটিন 
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

প্রোটিস্টা (Protista): 
প্রোটিস্টা (Protista) জগতের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে দেওয়া হলো- 
- এরা এককোষী বা বহুকোষী, একক বা কলোনিয়াল (দলবদ্ধ) বা ফিলামেন্টাস এবং সুগঠিত নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট। 
- কোষে ক্রোমাটিন বস্তু নিউক্লিয়ার পর্দা দ্বারা পরিবৃত্ত থাকে। 
- ক্রোমাটিন বস্তুতে DNA, RNA এবং প্রোটিন থাকে। 
- কোষে সকল ধরনের অঙ্গাণু থাকে। 
- খাদ্যগ্রহণ শোষণ বা ফটোসিনথেটিক পদ্ধতিতে ঘটে। 
- মাইটোসিস কোষ বিভাজনের মাধ্যমে অযৌন প্রজনন ঘটে এবং কনজুগেশনের মাধ্যমে অর্থাৎ জৈবনিকভাবে ভিন্ন কিন্তু গঠনগতভাবে এক, এরূপ দুটি গ্যামেটের মিলনের মাধ্যমে যৌন প্রজনন ঘটে। 
- কোনো ভ্রুণ গঠিত হয় না। 
উদাহরণ: অ্যামিবা, প্যারামেসিয়াম, এককোষী ও বহুকোষী শৈবাল ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২৭৩.
পর্যায় সারণীর কোন মৌলসমূহ রঙিন যৌগ গঠন করে?
  1. ক্ষারধাতুসমূহ
  2. অবস্থান্তর মৌল
  3. নিষ্ক্রিয় গ্যাসসমূহ
  4. হ্যালোজেন গ্রুপের মৌল
সঠিক উত্তর:
অবস্থান্তর মৌল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবস্থান্তর মৌল
ব্যাখ্যা
অবস্থান্তর মৌল: 
- পর্যায় সারণির ৩নং গ্রুপ থেকে ১২নং গ্রুপের মৌলসমূহকে অবস্থান্তর মৌল বলে। 

অবস্থান্তর মৌলসমূহের বৈশিষ্ট্য: 
- পরিবর্তনশীল যোজ্যতা প্রদর্শন করে।
- রঙিন যৌগ গঠন করে
- জটিল যৌগ গঠন করে।
- প্রভাবকরূপে ক্রিয়া করে।
- প্যারাচুম্বকীয় ধর্ম প্রদর্শন করে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৭৪.
মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস জীবাণু দ্বারা কোন রোগে আক্রান্ত হয়?
  1. ক) কলেরা
  2. খ) যক্ষ্মা
  3. গ) এইডস
  4. ঘ) ডেঙ্গু
সঠিক উত্তর:
খ) যক্ষ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) যক্ষ্মা
ব্যাখ্যা
- কলেরা রোগের জন্য দায়ী জীবাণু ভিব্রিও কলেরা।
- যক্ষ্মা রোগের জন্য দায়ী জীবাণু  মাইকোব্যাক্টেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস। 
- এইডস এর জীবাণুর নাম এইচ আই ভি।
- ডেঙ্গু এর জীবাণুর নাম এডিস ইজিপ্টি।

উৎস: একাদশ শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই।
১,২৭৫.
জারক ও বিজারক উভয় ধর্ম দেখা যায় কোনটিতে?
  1. ক) FeSO4
  2. খ) O2
  3. গ) H2S
  4. ঘ) SO2
সঠিক উত্তর:
ঘ) SO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) SO2
ব্যাখ্যা
• জারণ হলো এক প্রকারের বিক্রিয়া যাতে কোনো রাসায়নিক সত্তা (অণু, পরমাণু, মূলক বা আয়ন) ইলেকট্রন প্রদান করে।
- জারণ বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে যে সত্তা তাকে বিজারক ও যার দ্বারা জারণ সংঘটিত হয় তাকে জারক বলে।
- যে পদার্থটির জারণ ঘটে, তা জারিত হয়েছে বলা হয়।

জারক মনে রাখার উপায়:- সকল পারঅক্সাইড,অক্সি এসিড, ক্যাটায়ন, ইক্ লবণ, অক্সিজেন, ওজোন গ্যাস, হ্যালোজেন ও রাজঅম্ল জারক।
FeSO4 বাদে অক্সিজেনেরর প্রাচুর্য আছে এমন সকল যৌগ জারক।

বিজারক মনে রাখার উপায়:- সকল আস্ লবণ, ধাতু, C ও CO ও হাইড্রোজেন বিজারক।

তাছাড়া H2O2, SO2 , O3 তিনটি পদার্থে জারক, বিজারক দুইটা ধর্মই আছে।
O3 হচ্ছে উত্তম জারক পদার্থ। 

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর রসায়ন (২য় পত্র) বোর্ড বই ও মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৭৬.
আলোর কণাতত্ত্বের সাহায্যে কোন ঘটনা ব্যাখ্যা করা যায় না?
  1. ক) বিচ্ছুরণ
  2. খ) ঋজুগতি
  3. গ) প্রতিফলন
  4. ঘ) প্রতিসরণ
সঠিক উত্তর:
ক) বিচ্ছুরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিচ্ছুরণ
ব্যাখ্যা
কণাতত্ত্ব: 
কোন উজ্জ্বল বস্তু থেকে অনবরত ঝাঁক ঝাঁক অতি ক্ষুদ্র কণা নির্গত হয়। এ কণাগুলো প্রচণ্ড বেগে সরলরেখা বরাবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং যখন আমাদের চোখে গিয়ে আঘাত করে তখন ঐ বস্তু সম্পর্কে আমাদের দর্শানুভূতি হয়। কণাগুলোর বিভিন্ন আকারের জন্য বিভিন্ন বর্ণের সৃষ্টি হয়।
আলোর প্রকৃতি সম্বন্ধে এ তত্ত্ব প্রবর্তন করেন স্যার আইজাক নিউটন ১৬৭২ সালে। 

এই তত্ত্বের সাহায্যে আলোর ঋজুগতি, প্রতিফলন, প্রতিসরণ ইত্যাদি আলোকীয় ঘটনা ব্যাখ্যা করা যায়।
কিন্তু ব্যাতিচার, সমবর্তন, বিচ্ছুরণ ইত্যাদি ঘটনার কোন ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয় না।
১,২৭৭.
কৃষ্ণ বিবরের নাম 'কৃষ্ণ বিবর' হওয়ার কারণ কী?
  1. এটা মহাশূন্যের সে অংশ যেখানে কোনো পদার্থ নেই
  2. এটা সম্পূর্ণভাবে কার্বন দিয়ে তৈরি
  3. এর মহাকর্ষ এত বেশি যে এটা থেকে মহাশূন্যে আলো বিকিরিত হতে পারে না
  4. এটি এমন একটি নক্ষত্র যা শুধু কালো বর্ণের আলো প্রতিফলিত করে
সঠিক উত্তর:
এর মহাকর্ষ এত বেশি যে এটা থেকে মহাশূন্যে আলো বিকিরিত হতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এর মহাকর্ষ এত বেশি যে এটা থেকে মহাশূন্যে আলো বিকিরিত হতে পারে না
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালে আমেরিকান বিজ্ঞানী জন হুইলার কৃষ্ণ বিবর শব্দটি সৃষ্টি করেন। একটি তারকায় যদি যথেষ্ট ভর ও ঘনত্ব থাকে, তাহলে তার মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র এত শক্তিশালী হবে যে, আলোক সেখান থেকে নির্গত হতে পারবে না। এসব তারকা থেকে আলো আসতে পারে না বলে আমরা এদের দেখতে পাই না।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,২৭৮.
তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্যের একটি উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ইথানয়িক এসিড
  2. সালফিউরিক এসিড
  3. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. কপার সালফেট
সঠিক উত্তর:
ইথানয়িক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথানয়িক এসিড
ব্যাখ্যা
তড়িৎ বিশ্লেষ্য: 
- যেসব পদার্থ কঠিন অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহণ করে না কিন্তু গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহণ করে এবং বিদ্যুৎ পরিবহনের সাথে সাথে ঐ পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটায় তাদেরকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। 
- তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় আয়নিত হয় থাকে। 
- এই আয়নের মাধ্যমে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবহণ করে। 
- আয়নিক যৌগ এবং কিছু পোলার সমযোজী যৌগ গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী হয়। 
যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), কপার সালফেট (CuSO4), সালফিউরিক এসিড (H2SO4), ইথানয়িক এসিড (CH3COOH) ইত্যাদি গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহণ করে। 

- তড়িৎ বিশ্লেষ্য আবার দুই প্রকার। 
যথা- 
১। তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্য: 
- যে সকল তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণে বা গলিত অবস্থায় সম্পূর্ণরূপে আয়নিত হয় তাদেরকে তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। 
যেমন- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), কপার সালফেট (CuSO4), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) ইত্যাদি। 

২। মৃদু তড়িৎ বিশ্লেষ্য: 
- যে সকল তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণে খুব অল্প পরিমাণে আয়নিত হয় থাকে তাদেরকে মৃদু তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। 
যেমন- অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড, ইথানয়িক এসিড (CH3COOH) ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৭৯.
কোন রঙের আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম?
  1. নীল
  2. লাল
  3. বেগুনি
  4. সবুজ
সঠিক উত্তর:
বেগুনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুনি
ব্যাখ্যা
দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র। 
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। 
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি। 
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম। 
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি। 
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৮০.
দুধকে জমাট বাঁধায়-
  1. ল্যাকটোজ
  2. কেসিন
  3. গ্যালাক্টোজ
  4. রেনিন
সঠিক উত্তর:
রেনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেনিন
ব্যাখ্যা

- দুধ একটি আদর্শ খাবার।
- কারণ এতে সুষম খাদ্যের ৬ টি উপাদানই বিদ্যমান।
- দুধে যে শর্করা থাকে তাকে ল্যাকটোজ বলে।
- এতে যে প্রোটিন থাকে তাকে কেসিন বলে।
- দুধকে জমাট বাঁধায় রেনিন।

১,২৮১.
পরিবাহী পদার্থ কোনটি? 
  1. প্লাস্টিক
  2. তামা
  3. জার্মেনিয়াম 
  4. সিলিকন 
সঠিক উত্তর:
তামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামা
ব্যাখ্যা

অপরিবাহী: 
- যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহিত হতে পারে না সে সব পদার্থকে অপরিবাহী বলে। 
যেমন- কাচ, কাঠ, প্লাস্টিক ইত্যাদি। 

পরিবাহী: 
- যে সব পদার্থের মধ্য দিয়ে আধান সহজে এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে প্রবাহিত হতে পারে সে সব পদার্থকে পরিবাহী বলে। 
যেমন- রূপা, তামা, লোহা ইত্যাদি। 

অর্ধ-পরিবাহী: 
- যে সব পদার্থের তড়িৎ পরিবহণ ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি তাদেরকে বলা হয় অর্ধ-পরিবাহী পদার্থ। 
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৮২.
সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কি রঙের দেখাবে?
  1. লাল
  2. কমলা
  3. কালো
  4. নীল
সঠিক উত্তর:
কালো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালো
ব্যাখ্যা
- একটা বস্তু সব রং শোষন করে যেটা প্রতিফলিত করে, সেটাকেই তার রং বলে মনে হয়। 
- একটি হলুদ রংয়ের বস্তুর উপর সবুজ আলো ফেললে, হলুদ রংয়ের বস্তুটি সবুজ আলো শোষন করে ফেলবে এবং কোন রং প্রতিফলিত করবে না। 
- এই কারনে সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কালো রঙের দেখায়। 

উৎস: [লিঙ্ক]
১,২৮৩.
স্ট্রাটোমণ্ডলের কোন গ্যাস সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে?
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. ওজোন
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ওজোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন
ব্যাখ্যা

স্ট্রাটোমণ্ডল: 
- ট্রপোমণ্ডলের ঠিক উপরেই শুরু হয়েছে স্ট্রাটোমণ্ডল।
- স্ট্রাটোমণ্ডলের এই স্তর ট্রপোমণ্ডল থেকে শুরু করে প্রায় ৫০ কিলোমিটার বিস্তৃত। 
- স্ট্রাটোমণ্ডলের এই স্তরে রয়েছে ওজোন নামের একটি গ্যাস যা সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে। 
- এই স্তর এবং এর উপরের দিকে বায়ুমণ্ডলের অন্যান্য গ্যাস খুব কম পরিমাণে আছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১,২৮৪.
যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন দান করে তাকে বলে-
  1. ক) জারক
  2. খ) বিজারণ
  3. গ) জারণ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে।
যেমন- সকল ধাতু, হাইড্রোজেন।
ইলেকট্রন দান বা বর্জনের প্রক্রিয়াকে বলা হয় জারন।

আবার যে মৌল বা যৌগ ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে।
যেমন- অক্সিজেন, ক্লোরিন, ফ্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন, পটাশিয়াম ইত্যাদি।
ইলেকট্রন গ্রহণের উক্ত প্রক্রিয়াকে বলে বিজারন।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২৮৫.
কোন পদার্থের উপস্থিতিতে মূত্রের রং হালকা হলুদ হয়?
  1. ইউরিয়া
  2. ক্রিয়েটিনিন
  3. ইউরোক্রোম
  4. অ্যামোনিয়া
সঠিক উত্তর:
ইউরোক্রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোক্রোম
ব্যাখ্যা
• ইউরোক্রোম নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতিতে মূত্রের রং হালকা হলুদ হয়। 

• মূত্র:
- নেফ্রনের রেনাল টিউবিউলসে গ্লোমেরুলার ফিলট্রেটের নির্বাচিত পুনঃশোষণের পর যে খড় বর্ণের, তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত ও অম্লধর্মী তরল রেচন বর্জ্য মূত্রথলিতে জমা হয় তাকে মূত্র বলে।

• একজন সুস্থ মানুষ দৈনিক গড়ে ১.৫ লিটার মূত্র ত্যাগ করে।
- মূত্রের রাসায়নিক উপাদানের মধ্যে ৯৫% (৯৫-৯৭%) পানি এবং ৫% (৩-৫%) কঠিন পদার্থ। কঠিন পদার্থের মধ্যে জৈব ও অজৈব উপাদান রয়েছে।
- খাদ্যে তরল পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকলে মূত্রের মাত্রা বৃদ্ধি পায় ও শরীরে ঘাম বেশি হলে মূত্রের পরিমাণ কমে যায়।
- খাদ্যের প্রকৃতিও অনেক সময় মূত্রের পরিমাণের পার্থক্য ঘটায়। লবণাক্ত খাবার সাধারণত মূত্রের পরিমাণ বাড়ায়।

• দেহে দৈনিক স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত মূত্র (> ২.৫ লিটার) উৎপাদিত হলে তাকে পলিউরিয়া (polyuria),
- মূত্রের পরিমাণ <৪০০ মি.লি. হলে অলিগোরিয়া (oliguria) এবং
- মূত্রের পরিমাণ<১০০ মি.লি. হলে অ্যানুরিয়া (anuria) বলে।
• কিছু দ্রব্য মূত্রের স্বাভাবিক প্রবাহকে বাড়িয়ে দেয়। এসব দ্রব্য ডাইইউরেটিকস (diuretics) বা মূত্রবর্ধক নামে পরিচিত। পানি, লবণাক্ত পানি, চা ও কফি এ ধরনের দ্রব্য।

• মূত্রের বৈশিষ্ট্য:
→ বর্ণ: স্বাভাবিক মূত্র হালকা হলুদ বা খড় বর্ণের (straw colour)। মূত্রে ইউরোক্রোম (urochrome) নামক রঞ্জক পদার্থ থাকায় মূত্রের রং হালকা হলুদ হয়। 
→ পরিমাণ: প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের মূত্রের পরিমাণ ৫০০-২৫০০ মিলিলিটার। পানি পানের মাত্রা, খাদ্যের ধরন ইত্যাদির ওপর মূত্রের উৎপাদন নির্ভর করে।
→ আপেক্ষিক গুরুত্ব: মূত্রের স্বাভাবিক আপেক্ষিক গুরুত্ব ১.০১- ১.৫০।
→ বিক্রিয়া: তাজা মূত্র স্বচ্ছ ও হালকা অম্লধর্মী। মূত্রের গড় pH মান হচ্ছে প্রায় ৬.৫। 
→ গন্ধ: মূত্রের গন্ধ অনেকটা অ্যারোমেটিক (aromatic)। মূত্রে জৈবপদার্থ থাকার জন্য এমন গন্ধ হয়। এছাড়া দুর্গন্ধযুক্ত পদার্থ ইউরিনোড এর উপস্থিতির জন্য মূত্রে গন্ধ হয়।
- স্বাভাবিক মূত্রকে ফেলে রাখলে অ্যামোনিয়ার গন্ধ হয়। মূত্রের ইউরিয়া জীবাণুর সংস্পর্শে এসে অ্যামোনিয়ায় রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি। 
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
১,২৮৬.
বিলিরুবিন দেহের কোথায় তৈরি হয়? 
  1. যকৃতে
  2. প্লীহাতে
  3. কিডনিতে
  4. পিত্তথলিতে
সঠিক উত্তর:
যকৃতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যকৃতে
ব্যাখ্যা
বিলিরুবিন: 
- বিলিরুবিন পুরোপুরি তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায় এবং এটি জমা থাকে প্লীহাতে। 
- বিলিরুবিন এক ধরণের হলুদ রঙের পদার্থ, যা রক্তে উপস্থিত লাল রক্ত কনিকার ১২০ দিনের চক্র পূরণ হলে ভেঙ্গে তৈরি হয়। 
- বিলিরুবিনে বিলি থাকে, যেটা লিভারে তৈরি পাচক তরল পদার্থ এবং এটি গলব্লাডারে থাকে। 
- এটা খাবারকে হজম করতে এবং মল তৈরি হতে সাহায্য করে। 
- জন্ডিস হবার মূল কারণ হল রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা অধিক পরিমাণে বেড়ে যাওয়া। 
- যদি কোন কারণের ফলে বিলিরুবিন বিলির সাথে মিশতে না পারে কিংবা যখন লাল রক্ত কণিকা সামান্য থেকে কম পরিমাণে ভাঙতে শুরু করে, তখন রক্তে বিলিরুবিনের স্তর দ্রুত বাড়তে থাকে। আর এই ভাবে এটা অন্য অঙ্গে পৌঁছে সেখানে হলুদ ভাবের সৃষ্টি করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,২৮৭.
জটিল টিস্যুর অপর নাম কী?
  1. প্যারেনকাইমা টিস্যু 
  2. ক্ষরণকারী টিস্যু
  3. সরল টিস্যু
  4. পরিবহন টিস্যু
সঠিক উত্তর:
পরিবহন টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবহন টিস্যু
ব্যাখ্যা

জটিল টিস্যু: 
- বিভিন্ন ধরনের কোষের সমন্বয়ে যে স্থায়ী টিস্যু তৈরি হয়, তাকে জটিল টিস্যু বলে। 
- এরা উদ্ভিদে পরিবহনের কাজ করে, তাই এদের পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- এ টিস্যু দুই ধরনের। যথা- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম। 
- জাইলেম এবং ফ্লোয়েম একত্রে উদ্ভিদের পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ গঠন করে। 

জাইলেম টিস্যু: 
- জাইলেম দুই ধরনের। 
যেমন- প্রাথমিক ও গৌণ জাইলেম। 
- প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে সৃষ্ট জাইলেমকে প্রাথমিক জাইলেম বলে। 
- প্রাথমিক বৃদ্ধি শেষে যেসব ক্ষেত্রে গৌণবৃদ্ধি ঘটে, সেখানে গৌণ জাইলেম সৃষ্টি হয়। 
- প্রাথমিক জাইলেম আবার দুই ধরনের। 
- প্রাথমিক অবস্থায় একে প্রোটোজাইলেম এবং পরিণত অবস্থায় মেটাজাইলেম বলে। 
- মেটাজাইলেমে অভ্যন্তরীণ ফাঁকা গহ্বরটি বড় থাকে। 
- জাইলেমে কয়েক ধরনের কোষ থাকে। 
যেমন: ট্রাকিড, ভেসেল জাইলেম প্যারেনকাইমা ও জাইলেম ফাইবার। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২৮৮.
নিচের কোনটির অভাবে গাছের পাতা বেগুনি হয়ে যায়?
  1. ক) ফসফরাস
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) পটাসিয়াম
  4. ঘ) ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
- ফসফরাসের অভাবে গছের পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং উদ্ভিদ খর্বাকার হয়।

- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হাল্কা হতে হতে একসময় হ্লুদ হয়ে যায়। 

- পটাসিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়।
- বিশেষ করে পাতার শিরার মধ্যবর্তী স্থানে ক্লোরোসিস হয়ে হলুদবর্ণ ধারণ করে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়।

- ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হাল্কা হয়ে যায়।
- সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৮৯.
আপেক্ষিক তত্ত্বটি কে উপস্থাপন করেন?
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. হাইজেনবার্গ
  3. মার্কস প্ল্যাঙ্ক
  4. আলবার্ট আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা

• উত্তর: ঘ) আলবার্ট আইনস্টাইন। 
আপেক্ষিক তত্ত্ব (Theory of Relativity) প্রস্তাব করেন আলবার্ট আইনস্টাইন, যা সময়, স্থান ও গতির সম্পর্ক ব্যাখ্যা করে।

আপেক্ষিক তত্ত্ব: 
- ১৯০৫ সালে আলবার্ট আইনস্টাইন আপেক্ষিক তত্ত্ব প্রকাশ করেন। 
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক। 
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে স্থান, ভর ও সময় পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। উচ্চ গতিশীল বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক তত্ত্ব বলা হয়। 
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। 
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বকে দু'ভাগে ভাগ করেন। যথা- 
• বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব। 
• সার্বিক আপেক্ষিক তত্ত্ব। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন। যথা - 
• প্রথম স্বীকার্য- স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে । 
• দ্বিতীয় স্বীকার্য- শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৯০.
ইনসুলিনের প্রধান কাজ কী? 
  1. রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি করা
  2. রক্তের গ্লুকোজ দেহকোষের প্রবেশে সাহায্য করা
  3. রক্তে গ্লুকোজকে ইউরিয়াতে রূপান্তর করা
  4. রক্তে গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেনে রূপান্তর রোধ করা 
সঠিক উত্তর:
রক্তের গ্লুকোজ দেহকোষের প্রবেশে সাহায্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তের গ্লুকোজ দেহকোষের প্রবেশে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯১.
নিচের কোনটি কম্পোজিট কণিকা?
  1. ক) অ্যান্টি নিউট্রিনো
  2. খ) আলফা কণিকা
  3. গ) ইলেকট্রন
  4. ঘ) মেসন
সঠিক উত্তর:
খ) আলফা কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আলফা কণিকা
ব্যাখ্যা
পরমাণূর মূল কণিকা তিন ধরনের, যথা স্থায়ী মূল কণিকা, অস্থায়ী মূল কণিকা এবং কম্পোজিট কণিকা।

১.স্থায়ী মূল কণিকা:
ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা হাইড্রোজেন পরামাণু ছাড়া সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূলকণিকা বলা হয়। (হাইড্রোজেন-১ পরমাণুতে শুধু ১.০টি ইলেকট্রন ও ১.০টি প্রোটন আছে) এতে কোন নিউট্রন নেই।

২.অস্থায়ী মূল কণিকা:
কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা।।

৩.কম্পোজিট কণিকা:
স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ।

উৎস: রসায়ন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯২.
নিউক্লিয় ফিশন ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা কোন সমীকরণ দিয়ে সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়? 
  1. W = mg
  2. E = m2c
  3. F = ma
  4. E = mc2
সঠিক উত্তর:
E = mc2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
E = mc2
ব্যাখ্যা

• ভর-শক্তি সমীকরণ: 
- আইনস্টইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি সমীকরণ E = mc2.
- এই সমীকরণ প্রমাণ করে, ভর ও শক্তি ভিন্ন সত্তার নয়, বরং একই সত্তার দুটি ভিন্নরূপ মাত্র। 
- নিউক্লিয় ফিশন ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা এই সমীকরণ দিয়ে সঠিক ভাবে পরিমাপ করা যায়। 
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র থেকে আমরা যে শক্তি পেয়ে থাকি তাও এই সমীকরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। 
অর্থাৎ, এই সমীকরণ মহাজগতিক সকল শক্তির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৯৩.
কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ নামে তত্ত্ব প্রদান করা হয় কত সালে? 
  1. ক) ১৯১২
  2. খ) ১৯০৫
  3. গ) ১৯২০
  4. ঘ) ১৯৬৩ 
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯১২
ব্যাখ্যা
১৯১২ সালে জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগনার ‘কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ নামে একটি তত্ত্ব প্রদান করেন। তাঁর এই তত্ত্বে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে ‘বহুকাল আগে সবগুলো মহাদেশ পরস্পর সংযুক্ত ছিল। একত্রে এদের প্যানজিয়া বা সুপারকন্টিনেন্ট বলা হতো। পরে কালের আবর্তে ভূত্বকীয় পাতের নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে যায়।’ 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
১,২৯৪.
সালোকসংশ্লেষণ সংঘটিত হয় কোথায়? 
  1. রাইবোজোম
  2. ক্রোমোসোম
  3. প্লাস্টিড
  4. মাইটোকন্ড্রিয়া 
সঠিক উত্তর:
প্লাস্টিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাস্টিড
ব্যাখ্যা
• সালোকসংশ্লেষণ:
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য।
- যে জৈবরাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের সবুজ অংশ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন-ডাই-অক্সাইডকে কাজে লাগিয়ে শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপাদন করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড বা ক্লোরোফিল সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়।
- এ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে।
- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে কেন গণ্য করা হয়।
কারণ-
১. পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-
অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়।
২. পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি।
৩. পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে।

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১,২৯৫.
বাংলাদেশে সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী সাইক্লোন কোন সালে ঘটেছিল? 
  1. ১৯৬০ সালে 
  2. ১৯৮৫ সালে 
  3. ১৯৭০ সালে 
  4. ২০০৭ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে 
ব্যাখ্যা

সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- সাইক্লোন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "Kyklos" থেকে, যার অর্থ হলো Coil of Snakes বা সাপের কুণ্ডলী। 
অর্থাৎ, নিম্নচাপের কারণে যখন বাতাস প্রচণ্ড গতিবেগে ঘুরতে থাকে, তখন সেটাকে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে। 
- দক্ষিণ এশিয়াতে যা সাইক্লোন, আমেরিকাতে সেটা হ্যারিকেন (Hurricane) এবং দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোতে টাইফুন (Typhoon) নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বত, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং মাঝখানে ফানেল আকৃতির উপকূলীয় এলাকা বিদ্যমান। 
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। 
- ১৯৬০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অসংখ্য সাইক্লোন বাংলাদেশে আঘাত এনেছে যার মধ্যে ১৯৬০, ১৯৬১, ১৯৬৩, ১৯৬৫, ১৯৭০, ১৯৮৫, ১৯৯১, ২০০৭ ও ২০০৯ সালের সাইক্লোন ছিল প্রলয়ংকরী। 
- তবে ১৯৭০ সালের সাইক্লোনটি সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী সাইক্লোন হিসেবে পৃথিবীর ইতিহাসে চিহ্নিত হয়েছে। 

- মূলত সাইক্লোন সৃষ্টিতে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- সাধারণত সাইক্লোন তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়, দুর্ভাগ্যবশত বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এই তাপমাত্রা বিদ্যমান থাকে। 
- সমুদ্রের উত্তপ্ত পানি বাষ্পীভবনের ফলে উপরে উঠে যখন জল কণায় পরিণত হয় তখন বাষ্পীভবনের সুপ্ত তাপটি বাতাসে ছেড়ে দেয়। সে কারণে বাতাস উত্তপ্ত হয় এবং বাষ্পীভবন আরো বেড়ে যায়, ফলে বায়ুমণ্ডল অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি করে। নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে আশপাশের বাতাস সেখানে ছুটে আসে, যা বাড়তি তাপমাত্রার কারণে ঘুরতে ঘুরতে উপরে উঠতে থাকে এবং সাইক্লোন সৃষ্টি করে। 
- এই প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের বেগ অনেক বেশি হয়। তবে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার চাইতে বেশি হলে সেটাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে সবচেয়ে শক্তিশালী সাইক্লোন হয়েছিল ১৯৯১ সালে, তখন বাতাসের বেগ ছিল ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার। 
- সাইক্লোন অত্যন্ত শক্তিশালী, একটি দুর্বল সাইক্লোনও শক্তিতে মেগাটন শক্তির কয়েক হাজার পারমাণবিক বোমার সমান। 
- তাছাড়া যেহেতু সাইক্লোন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তাই এটি প্রতিরোধ করা প্রায় অসাধ্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২৯৬.
সালোকসংশ্লেষণের জন্য উদ্ভিদ কোন দুটি উপাদান গ্রহণ করে?
  1. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  2. পানি ও মাটি
  3. কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি
  4. আলো ও বায়ু
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) কার্বন ডাইঅক্সাইড ও পানি

- সালোকসংশ্লেষণের জন্য উদ্ভিদ প্রধানত যে দুটি উপাদান (কাঁচামাল) পরিবেশ থেকে সরাসরি গ্রহণ করে, তা হলো 
পানি (H2O) এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2)।
⋅ পানি (H2O): মূলের সাহায্যে মাটি থেকে শোষণ করে নেয়। 
⋅ কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2): পত্ররন্ধ্রের (stomata) মাধ্যমে বাতাস থেকে গ্রহণ করে। 
এছাড়াও, এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সূর্যালোক এবং ক্লোরোফিলের উপস্থিতি অপরিহার্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১,২৯৭.
কোন রোগ প্রতিরোধের জন্য নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা দেওয়া হয়? 
  1. কলেরা 
  2. প্লেগ 
  3. টাইফয়েড 
  4. ধনুষ্টংকার 
সঠিক উত্তর:
ধনুষ্টংকার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধনুষ্টংকার 
ব্যাখ্যা

টিকার প্রকারভেদ: 
- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
যেমন- 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবাণু জীবন্ত টিকা: 
- কালচার করা, ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করে দেওয়া জীবিত জীবাণু নিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এ ধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি। 
উদাহারণ- ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- এ ধরনের টিকা জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি। 
উদাহরণ- ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু: 
- অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে রাসায়নিক উপাদান (নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ) আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ- হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৯৮.
‘সিএফসি’ কী ক্ষতি করে?
  1. ওজোন স্তর ধ্বংস করে
  2. এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়
  3. বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে
  4. রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর ধ্বংস করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর ধ্বংস করে
ব্যাখ্যা

• CFC গ্যাস: 
-  CFC গ্যাস হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন। 
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরকে ক্ষতি করে কিন্তু এর মধ্যে ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে। 
- সিএফসি এর মধ্যে CFC12 এবং CFC13 সর্বাধিক ক্ষতিকর। 
- CFC12 এবং CFC13 এর কার্বন যৌগপ্তলো জায়মান দশায় ক্লোরিন উৎপাদন করে। 
- উৎপন্ন ক্লোরিন ওজোনের সাথে বিক্রিয়া করে ওজোনের অণু ধ্বংস করে।
- এক লক্ষ ওজোনের অণু ধ্বংসের জন্য একটি ক্লোরিনের অণুই যথেষ্ট।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৯৯.
ডায়োড প্রধানত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. রেকটিফায়ার হিসেবে
  2. বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  3. তাপ শক্তি উৎপাদনে
  4. শব্দ তরঙ্গ রূপান্তরে
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার হিসেবে
ব্যাখ্যা
ডায়োড: 
- ডায়োড শব্দটি ‘ডাই’ এবং ‘ইলেক্ট্রোড’ এই দুইটি কথার সমন্নয়ে গঠিত। 
- দুই ইলেক্ট্রোড বিশিষ্ট্র ইলেক্ট্রনিকস কম্পোনেন্টই হলো ডায়োড। 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না। 
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন তৈরি করা হয়, এই p-n জাংশনই হচ্ছে ডায়োড। 
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে। 
- রেকটিফায়ার এসি (AC) প্রবাহকে ডিসি (DC) প্রবাহে রূপান্তর করে। 
- ডায়োডের দুইটা বর্তর্নী রয়েছে যার একটি অ্যানোড এবং অন্যটি ক্যাথোড। 
- সাধারণত অ্যানোডকে পজেটিভ বা ফরোয়ার্ড বেস টার্মিনাল এবং ক্যাথোডকে নেগেটিভ রিভার্স বেস টার্মিনাল বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩০০.
তরঙ্গ বেগ, কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের মধ্যকার সম্পর্ক কোনটি? 
  1. v = 1/f
  2. v = f/t
  3. v = fλ
  4. v = t/f
সঠিক উত্তর:
v = fλ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
v = fλ
ব্যাখ্যা
তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ও বেগের সম্পর্ক: 
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী মাধ্যমের স্পন্দনশীল একটি কণা একটি পূর্ণ স্পন্দন হতে যে সময় লাগে, সেই সময়ে তরঙ্গ সামনের দিকে এগিয়ে যায়। 
- তরঙ্গের অতিক্রান্ত এই দূরত্বই তরঙ্গ দৈর্ঘ্য, λ. 
- আর পূর্ণ স্পন্দনের সময়কে বলা হয় পর্যায়কাল। 
- পর্যায়কালকে T দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
অর্থাৎ T সেকেন্ডে তরঙ্গে অতিক্রান্ত দূরত্ব λ. 
∴ এক সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব হবে λ/T. 

- কোনো বস্তুর একক সময়ে অর্থাৎ 1 সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্বকে বেগ বলে। 
অতএব এক্ষত্রে তরঙ্গের বেগ, v = λ/T 
বা, v = (1/T) × λ 
v = fλ   [যেহেতু পর্যায়কাল T এবং কম্পাঙ্ক f হলে, f = 1/T]. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।