বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১১৬ / ১৪০ · ১১,৫০১১১,৬০০ / ১৪,০৮০

১১,৫০১.
নিচের কোন পরমাণুর ইলেকট্রন সহজে চলাচল করতে পারে না?
  1. ক) গ্লাস
  2. খ) গ্রাফাইট
  3. গ) কপার
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক) গ্লাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্লাস
ব্যাখ্যা
পরিবাহী পদার্থের ইলেকট্রন এক পরমাণু থেকে অন্য পরমাণুতে সহজেই চলাচল করতে পারে। যেমনঃ ধাতু; বিশেষ করে সিলভার ও কপার।
কার্বন অধাতু হলেও এর রূপভেদ গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবাহী৷ অপরিবাহী পদার্থের ক্ষেত্রে এর পরমাণুর ইলেকট্রন সহজে চলাচল করতে পারে না। যেমনঃ প্লাস্টিক, গ্লাস ও রাবার৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি
১১,৫০২.
মেরুদণ্ডী প্রাণী হিসেবে মাছ কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. Amphibia
  2. Aves
  3. Mammalia
  4. Pisces
সঠিক উত্তর:
Pisces
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pisces
ব্যাখ্যা
- মেরুদণ্ডী প্রাণী হিসেবে মাছ Pisces শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
- Amphibia এ শ্রেণির প্রাণীরা প্রথম স্থলচর মেরুদণ্ডী। মূলত স্থলচর হলেও জননকালে ডিম পাড়তে এরা পানিতে আসতে বাধ্য হয়। মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর প্রায় সব বসবাসযোগ্য স্থানে উভচর পাওয়া যায়। বর্তমানে এদের প্রজাতির সংখ্যা ৭,১৭১।
- Aves শ্রেণিভুক্ত প্রাণিদের পাখি বলা হয়। বর্তমানে পৃথিবীতে ১০ হাজারের বেশি প্রজাতির পাখি রয়েছে।
- বিবর্তনের দিক থেকে Mammalia সবচেয়ে আধুনিক প্রাণি। বর্তমানে প্রায় ৬০০০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী রয়েছে। মানুষও এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত প্রাণি।

উৎস:
১. প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [springer.com]
১১,৫০৩.
tRNA- এর 'ক্লোভার-লিফ' মডেল কে প্রণয়ন করেন?
  1. ক) James Watson
  2. খ) R.Holley
  3. গ) Gregor Mendel
  4. ঘ) Walther Flemming
সঠিক উত্তর:
খ) R.Holley
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) R.Holley
ব্যাখ্যা

tRNA- এর 'ক্লোভার-লিফ' মডেল R.Holley ও তার সহকর্মীরা ১৯৬৫ এ মডেল প্রণয়ন করেন।

এ মডেল অনুযায়ী tRNA এর বাহ্যিক গঠন ক্লোভার পাতার ন্যায় এবং এতে পাঁচটি বাহু থাকে। বাহুগুলো হল- এমাইনো এসিড বাহু, T বাহু, D বাহু, অতিরিক্ত বাহু এবং অ্যান্টিকোডন বাহু।
অপরদিকে, Walther Flemming ১৮৮২ সালে ক্রোমোসোম আবিষ্কার করেন 
Gregor Mendel হলেন বংশগতিবিদ্যার জনক।
James Watson and Francis Crick ১৯৫৩ সালে DNA এর ডাবল হেলিক্স আবিষ্কার করেন।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১১,৫০৪.
দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে কী বলে? 
  1. প্রতিসরণ
  2. প্রতিফলন
  3. অপবর্তন
  4. পোলারন
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা
প্রতিসরণ (Refraction): 
- কোনো সমসত্ব ও স্বচ্ছ মাধ্যমে আলো সরলরেখায় চলে। এর গতির কোন পরিবর্তন হয় না। 
- কিন্তু আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন এর গমন পথ বেঁকে যায় (আলো লম্বভাবে মাধ্যম পরিবর্তন করলে দিক পরিবর্তন হয় না তবে বেগের পরিবর্তন হয়)। 
- এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে যাওয়ার সময় দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে তীর্যকভাবে আপতিত আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
অর্থাৎ, দুটি স্বচ্ছ মাধ্যমের বিভেদ তলে আলোক রশ্মির দিক পরিবর্তনের ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে। 
- বিভেদ তলের উপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত লম্বকে অভিলম্ব বলে। 
- আপতন বিন্দুতে আপতিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে আপতন কোণ এবং প্রতিসরিত রশ্মি ও অভিলম্বের মধ্যে সৃষ্ট কোণকে প্রতিসরণ কোণ বলে। 

প্রতিসরণের সূত্র (Laws of Refraction): 
- আলোর প্রতিসরণ দু'টি সূত্র মেনে চলে এদের প্রতিসরণের সূত্র বলে। 
- সূত্র দু'টি হলো - 
(১) দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এবং প্রতিসরিত রশ্মি একই সমতলে অবস্থান করে। 
(২) এক জোড়া নির্দিষ্ট মাধ্যম এবং নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাত সর্বদা ধ্রুব। 
অর্থাৎ, sin i/sin r = একটি ধ্রুব (সংখ্যা)। 
- প্রতিসরণের দ্বিতীয় সূত্রটি জার্মান বিজ্ঞানী স্নেলের নামানুসারে স্নেলের সূত্র নামে অভিহিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫০৫.
দৈর্ঘ্য পরিমাপের CGS একক কোনটি?
  1. ক) সেন্টিমিটার
  2. খ) মিটার
  3. গ) কিলোমিটার
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

CGS বা সিজিএস পদ্ধতি (Centimeter-gram-second system) পরিমাপের একটি বিশেষ ধরনের পদ্ধতিকে বোঝায়
এখানে, দৈর্ঘ্যের একক সেন্টিমিটার, ভরের একক গ্রাম এবং সময়ের একক সেকেন্ড

১১,৫০৬.
কোন যন্ত্রের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপ করা যায়?
  1. ক) ক্রোনোমিটার
  2. খ) গাইগার-মুলার কাউন্টার
  3. গ) রিখটার স্কেল
  4. ঘ) ক্রেস্কোগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
খ) গাইগার-মুলার কাউন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গাইগার-মুলার কাউন্টার
ব্যাখ্যা
Geiger Counter, with Geiger-Mueller (GM) Tube or Probe—A GM tube is a gas-filled device that, when a high voltage is applied, creates an electrical pulse when radiation interacts with the wall or gas in the tube. These pulses are converted to a reading on the instrument meter. If the instrument has a speaker, the pulses also give an audible click. Common readout units are roentgens per hour (R/hr), milliroentgens per hour (mR/hr), rem per hour (rem/hr), millirem per hour (mrem/hr), and counts per minute (cpm). GM probes (e.g., ''pancake'' type) are most often used with handheld radiation survey instruments for contamination measurements.
source:hps.org
১১,৫০৭.
কোন তাপ সঞ্চালন প্রক্রিয়ায় জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না?
  1. পরিচলন
  2. বিকিরণ
  3. পরিবহন
  4. সংবহন
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকিরণ
ব্যাখ্যা

- তাপ সঞ্চালনের বিকিরণ পদ্ধতিতে কোনো জড় মাধ্যমের (কঠিন, তরল বা গ্যাসীয়) প্রয়োজন হয় না, এই প্রক্রিয়ায় তাপ তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের আকারে সঞ্চালিত হয়, যা শূন্যস্থানের মধ্য দিয়েও ভ্রমণ করতে পারে। 

তাপ: 
- সূর্য থেকে তাপ পাওয়া যায়। 
- সূর্য এবং পৃথিবীর মধ্যে দূরত্ব 1.5×108 কি.মি.। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে তাপ আসে বিকিরণ পদ্ধতিতে। 
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে। 
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে। 
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান। তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গ আকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়। 

অন্যদিকে, 
- পরিচলন বা সংবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালনের জন্য তরল বা গ্যাসীয় মাধ্যমের প্রয়োজন হয় এবং মাধ্যমের কণাগুলো স্থানান্তরের মাধ্যমে তাপ বহন করে। 
- পরিবহন মূলত কঠিন পদার্থের মধ্য দিয়ে তাপ সঞ্চালনের প্রক্রিয়া, যেখানে মাধ্যমের কণাগুলোর সরাসরি সংযোগ বা কম্পনের প্রয়োজন হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫০৮.
কোন যন্ত্র বা পদ্ধতিতে অক্ষাংশ নির্ণয় করা সম্ভব?
  1. ওহমমিটার
  2. সেক্সট্যান্ট
  3. ওডোমিটার
  4. মাল্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
ব্যাখ্যা

• অক্ষাংশ নির্ণয়ের জন্য সেক্সট্যান্ট (খ) ব্যবহার করা হয়। সেক্সট্যান্ট একটি নৌযানের বা নক্ষত্র পর্যবেক্ষণের যন্ত্র, যা সূর্য, চাঁদ বা তারা থেকে কোনো বস্তুর কোণ পরিমাপ করতে সক্ষম। মূলত এটি জ্যোতির্বিদ্যা ও নৌপথ নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়। সমুদ্রপথে অবস্থান নির্ধারণের জন্য সেক্সট্যান্ট দিয়ে সূর্য বা তারা এবং দিগন্তের মধ্যে কোণ পরিমাপ করে ভৌগোলিক অক্ষাংশ নির্ধারণ করা যায়। অন্যদিকে, ওহমমিটার, ওডোমিটার ও মাল্টিমিটার  যথাক্রমে বিদ্যুৎ বা গাড়ির দূরত্ব মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়; এগুলি অক্ষাংশ নির্ণয়ের কাজে আসে না। তাই অক্ষাংশ নির্ণয়ের জন্য সঠিক যন্ত্র হলো সেক্সট্যান্ট।

• অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude):
- একজন ভূগোলবিদের জন্য অক্ষাংশ নির্ণয় করতে জানা খুবই জরুরি।
- আমরা জানি পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ ৩৬০০।
- অক্ষাংশ নির্ণয় করার জন্য গ্লোবটিকে আমরা যদিমাঝখান দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে কেটে নেই, তাহলে এর মধ্যে আমরা পৃথিবীর ঠিক মধ্যকিন্দু পাব। এখন যদি আমরা কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করতে চাই, তাহলে সেই মধ্যবিন্দুর সঙ্গে নির্ণেয় স্থানটির নিরক্ষরেখার (০°) পরিপ্রেক্ষিতে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা নির্ণয় করতে হবে। এই কোণই হলো সেই স্থানের অক্ষাংশ।

- অক্ষাংশ নির্ণয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে।
সেগুলো হলো –

• সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে:
যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
কোনো স্থানের অক্ষাংশ = ৯০০– (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি বিযুবলম্ব)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১১,৫০৯.
মেরাসমাস রোগের ফলে কী হয়?
  1. ক) পেশী ও মেদ ক্ষয় হয়
  2. খ) দেহের ওজন বৃদ্ধি পায়
  3. গ) দেহের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে
  4. ঘ) রক্তনালী সরু হয়ে পড়ে
সঠিক উত্তর:
ক) পেশী ও মেদ ক্ষয় হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেশী ও মেদ ক্ষয় হয়
ব্যাখ্যা
ম্যারাসমাস
- ম্যারাসমাস  নবজাতক এবং কম বয়সী শিশুদের অপুষ্টি ও দুর্বলতাজনিত ব্যাধি।
- বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে দুই বছরের কম বয়সী দরিদ্র শিশুদের মধ্যে এটি একটি সাধারণ ব্যাধি।
- অপর্যাপ্ত খাদ্যগ্রহণ, পুষ্টিকর খাদ্যের অভাব ও ক্যালরি ঘাটতি এই অসুখের কারণ।
- ম্যারাসমাসের লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে অত্যধিক দুর্বলতা, দৈহিক ওজন বৃদ্ধিতে বাধা এবং ওজনহানি।
- এ ব্যাধিতে শরীরে পানি জমে না বা যকৃতের আকার বৃদ্ধি পায় না; তবে মস্তিষ্ক ও করোটির বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, ফলে দেহ হয় দীর্ঘ ও চর্মসার, ওজনের আনুপাতিক হিসাবে মাথা হয় বড়।
- ত্বকের নিচে চর্বি জমে খুব কম, চোখ কোটরাগত ও ত্বক ঢিলে দেখায়।
- শিশু হয়নিষ্ক্রিয় স্বভাবের, মাংসপেশী হয় শিথিল ও নিস্তেজ, ব্যাপকভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত।
- শিশুর কান্নার শব্দ হয় ক্ষীণ ও কর্কশ।
- আক্রান্ত শিশুদের প্রায় ৪০ শতাংশ মারা যায়।
- ১৯৯৫ সালে বিশ্ব ব্যাংক ও ইউনিসেফের সহায়তায় সরকার বাংলাদেশ সমন্বিত পুষ্টি প্রকল্প শুরু করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১,৫১০.
ব্যাকটেরিয়া বসবাস করে-
  1. ক) স্থলে
  2. খ) জলে
  3. গ) বাতাসে
  4. ঘ) সর্বত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) সর্বত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সর্বত্র
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া মাটিতে, পানিতে, বাতাসে, জীবদেহের বাইরে এবং ভেতরে বাস করে। এমনকি মানুষের অন্ত্রেও ব্যাকটেরিয়া বাস করে। যেমন- Escherichia coli। এরা আমাদেরকে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স সরবরাহ করে। মাটি বা পানি যেখানে জৈব পদার্থ বেশি, ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাও সেখানে বেশি। জৈবসমৃদ্ধ আবাদি মাটিতে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তবে বায়ুস্তরের সবচেয়ে উঁচুতে ব্যাকটেরিয়া থাকে না।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
১১,৫১১.
নিউট্রন কে আবিষ্কার করেন? 
  1. রাদারফোর্ড 
  2. ডারউইন 
  3. চ্যাডউইক 
  4. আইনস্টাইন 
সঠিক উত্তর:
চ্যাডউইক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ্যাডউইক 
ব্যাখ্যা

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা।
- বিজ্ঞানী চ্যাডউইক ১৯৩২ সালে নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n. 
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g. 
- আপেক্ষিক আধান শূন্য। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫১২.
পরমশূন্য তাপমাত্রা হল-
  1. ক) 0 F
  2. খ) 0 K
  3. গ) 0°C
  4. ঘ) -273 K
সঠিক উত্তর:
খ) 0 K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 0 K
ব্যাখ্যা
স্থির চাপে গাণিতিকিভাবে যে তাপমাত্রায় যেকোনো গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়, সেই তাপমাত্রাকে (-273°C বা 0K) পরম শূন্য তাপমাত্রা বলা হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১১,৫১৩.
ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য তার যে গঠন দায়ী তা হলো—
  1. পিল্লি
  2. ফ্লাজেলা
  3. শীথ
  4. ক্যাপসুলস
সঠিক উত্তর:
ফ্লাজেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লাজেলা
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া: 
- ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার তার যে গঠন দায়ী হলো ফ্ল্যাজেলা। 
- ফ্ল্যাজেলা: ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে। 
- ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্ল্যাজেলা গঠিত। 
- ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করা। 
- ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে রাখতে পিলি সহায়তা করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫১৪.
’সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র‘  কোথায় অবস্থিত? 
  1. কাঠমান্ডু, নেপাল
  2. ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
  3. গান্ধীনগর, ভারত
  4. কলম্বো, শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান

​​SAARC:

- এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- এটি প্রতিষ্ঠত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে ঢাকায়।
- SAARC ৮টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। যথা:
- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তান।
- সার্ক এর মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা দ্বীপ রাষ্ট্র।
- SAARC এর সচিবালয় কাঠমান্ডু, নেপালে অবস্থিত।
- সচিবালয়: ১৯৮৭ সালের ১৭ জানুয়ারী নেপালের কাঠমান্ডু-তে।
- এর সর্বশেষ সদস্য হলো আফগানিস্তান।

​• SAARC এর আঞ্চলিক কেন্দ্র:
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: গুজরাট, গান্ধীনগর, ভারত।
- সার্ক কৃষি কেন্দ্র: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক যক্ষা ও এইডস কেন্দ্র: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলঙ্কা।
- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।

১১,৫১৫.
কিসের মাধ্যমে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায়?
  1. প্রিজম
  2. অপটিক্যাল ফাইবার
  3. পেরিস্কোপ
  4. বাইনোকুলার
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
- বর্তমামে পৃথিবীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তুর ব্যবহার বেড়ে গেছে। 
- আগে যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হতো এখন সেখানে আলোর সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হয়। 
- মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় যায় কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে যায় বলে সেটাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব। 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু। 
- এর ভেতরের অংশকে বলে কোর (core) এবং বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড (clad)। 
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। 
- এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়। 
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম। 
- দৃশ্যমান আলোতে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫১৬.
কোথায় সাঁতার কাটা সহজ? 
  1. পুকুরে
  2. খালে
  3. নদীতে
  4. সাগরে
সঠিক উত্তর:
সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগরে
ব্যাখ্যা
সাগরে সাঁতার কাটা সহজ: 
- কোন প্রবাহী অর্থাৎ তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত কোনো বস্তুর উপর তরল বা বায়বীয় পদার্থ লম্বভাবে যে ঊর্ধ্বমূখী বল প্রয়োগ করে তাকে প্লবতা বলে। 
- সমুদ্রের পানিতে নানা রকম লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। 
- যার কারণে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব সাধারণ পানির থেকে বেশি হয়। 
- ফলে সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি আর নদীর পানির প্লবতা কম। 
- যেহেতু সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি, সেহেতু সমুদ্রের পানিতে সাতারুর শরীর হালকা বোধ হয় ফলে সাগরে বা সমুদ্রে সাঁতার কাটা অধিকতর সহজ হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫১৭.
ধাতুর ক্ষেত্রে নিচের কোন বৈশিষ্ট্যটি সঠিক নয়?
  1. আঘাত করলে টুন টুন শব্দ করে
  2. পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়
  3. তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী
  4. গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক কম
সঠিক উত্তর:
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক কম
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগের যে অংশ তুলনামূলক নরম, সহজেই গুড়ো হয়ে যায়, পানিতে ভিজলে নরম হয়ে যায় এবং গাছ পালা জন্মে তাকে মাটি বলে। 
- আবার, যে অংশ শক্ত, ভিজলে নরম হয় না, আকৃতিতে বড় বড় এবং গাছ পালা জন্মায় না তাকে শিলা বলে। 
- ভূপৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি। 
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি। 
- আবার অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 

- ধাতুর কতগুলো বৈশিষ্ট্য আছে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো - 
ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫১৮.
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন করে-
  1. দক্ষিণ হতে উত্তর দিকে
  2. পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে
  3. উত্তর হতে দক্ষিণ দিকে
  4. পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন:
- পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তনের দিক পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে। 
- সৌরজগতের মাঝারী আকারের একটি গ্রহ। 
- পৃথিবী নিজ কক্ষপথটি ডিম্বাকৃতি ও মোট ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড বা এক বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে থাকে।
- পৃথিবী নিজ অক্ষে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড সময়ে আবর্তন করে।
- পৃথিবীর একটি মাত্র উপগ্রহ হলো চন্দ্র।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫১৯.
আয়োডিনের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) লবণ
  2. খ) সামুদ্রিক শৈবাল
  3. গ) এগারিকাস
  4. ঘ) লাইকেন
সঠিক উত্তর:
খ) সামুদ্রিক শৈবাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সামুদ্রিক শৈবাল
ব্যাখ্যা
সামুদ্রিক শৈবালে আয়োডিন পাওয়া যায়।
হ্যালোজেন হলো সামুদ্রিক লবণ উৎপাদক।
হ্যালোজেন বলতে ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন ও আয়োডিন এই ৪ টি মৌলকেই বুঝায়।
তাই আয়োডিনের প্রধান উৎস সামুদ্রিক শৈবাল।
১১,৫২০.
মোটর ও জেনারেটর তৈরিতে কোন চুম্বক ব্যবহার করা হয়? 
  1. স্থায়ী চুম্বক
  2. অস্থায়ী চুম্বক
  3. সংকর চুম্বক
  4. সিরামিক চুম্বক
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা
চুম্বক: 
- চুম্বক হচ্ছে সেই সকল পদার্থ যাদের আকর্ষণ ও দিকদর্শী ধর্ম আছে। 
- এ সকল পদার্থ দিয়ে উপযুক্ত পদার্থকে চুম্বক ধর্ম প্রদান করা যায়। 

কৃত্রিম চুম্বক: 
- কৃত্রিম চুম্বক দুই ধরনের হয়। 
যথা - 
১. অস্থায়ী বা কোমল চুম্বক এবং 
২. স্থায়ী বা কঠিন চুম্বক। 

অস্থায়ী চুম্বক: 
- চৌম্বক পদার্থকে কোন চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্যে আনলে সেটি চুম্বকে পরিণত হয়। 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত হবার সাথে সাথে যে কৃত্রিম চুম্বকের মত চুম্বকত্ব বিলুপ্ত হয় তাকে অস্থায়ী চুম্বক বলে। 
- মোটর, জেনারেটর, ট্রান্সফর্মার ইত্যাদি তৈরিতে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার করা হয়। 

স্থায়ী চুম্বক: 
- চৌম্বক ক্ষেত্র অপসারিত করলেও যে কৃত্রিম চুম্বকের চুম্বকত্ব সহজে বিলুপ্ত হয় না তাকে স্থায়ী চুম্বক বলে। 
- স্থায়ী চুম্বক দুই ধরনের হয়- সংকর চুম্বক ও সিরামিক চুম্বক। 
- টেপরেকর্ডার ও কম্পিউটারের স্মৃতির ফিতায় সিরামিক চুম্বক বহুল ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫২১.
কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাস নয়?
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. ওজোন
  4. মিথেন
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা

- অক্সিজেন গ্রীন হাউস গ্যাস নয়। 

গ্রীন হাউস গ্যাস: 
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে- 
• জলীয় বাষ্প, 
• কার্বন ডাই অক্সাইড, 
• নাইট্রাস অক্সাইড, 
• মিথেন, 
• ওজোন, 
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry.

১১,৫২২.
কোনটি শুষ্ক বরফের উপাদান? 
  1. NH3
  2. CO2
  3. H2O
  4. PH3
সঠিক উত্তর:
CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO2
ব্যাখ্যা

• শুষ্ক বরফ:
- শুষ্ক বরফ( Dry ice ) হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) এর কঠিন রূপ। 
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন হয়, যার অর্থ এটি তার কঠিন রূপ থেকে সরাসরি তার গ্যাসীয় অবস্থায় চলে যায়। 
- "শুষ্ক বরফ" আসলে কঠিন হিমায়িত কার্বন ডাই অক্সাইড, যা ঠাণ্ডা -78.5 °C (-109.3° ফারেনহাইট) তাপমাত্রায় পরমানন্দ বা গ্যাসে পরিণত হয়। 
- তাই এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

১১,৫২৩.
নিচের কোনটি কৃত্রিম গ্রিনহাউস গ্যাস?
  1. মিথেন
  2. নাইট্রাস অক্সাইড
  3. ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
ব্যাখ্যা

◉ সঠিক উত্তরটি হলো গ) ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCs), এটি সম্পূর্ণ কৃত্রিম গ্যাস, মানুষের তৈরি। ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার, অ্যারোসল স্প্রে ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।

​গ্রিনহাউস গ্যাস:
- যেসব গ্যাস পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে থেকে তাপ শোষণ করে এবং তা পুনরায় বিকিরণ করে, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় সেসব গ্যাস কে গ্রিনহাউস গ্যাস বলা হয়।

​কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) হলো অন্যতম প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস।
- জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। প্রতি বছর জীবাশ্ম জ্বালানি পুড়িয়ে ২১.৩ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়।
- এছাড়া এটি বন উজাড়ের কারণে ও শিল্পকারখানা থেকে নির্গত গ্যাসের কারণেও সৃষ্টি হয়।

​কার্বন ডাই-অক্সাইড ছাড়া অন্য গ্রিনহাউস গ্যাস গুলো হলো -
- মিথেন (CH4),
- নাইট্রাস অক্সাইড (N2O),
- জলীয় বাষ্প (H2O vapor),
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFCs)।

উৎস:
১। মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
২। ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

১১,৫২৪.
তাপ ইঞ্জিন মূলত -
  1. যান্ত্রিক শক্তিকে তাপশক্তিতে রুপান্তরিত করে।
  2. তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত করে।
  3. রাসায়নিক শক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রুপান্তরিত করে।
  4. বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত করে।
সঠিক উত্তর:
তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপান্তরিত করে।
ব্যাখ্যা
তাপ ইঞ্জিন: তাপশক্তিকে কাজে পরিণত করার জন্য একটি যন্ত্রের বা যান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।
এ যন্ত্র বা যান্ত্রিক ব্যবস্থাকে তাপীয় ইঞ্জিন বা তাপ ইঞ্জিন বলে।
যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে।
যেমন বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি।

উৎস: এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫২৫.
আলোর মরীচিকা (Mirage) কী কারণে ঘটে?
  1. আলোর বিচ্ছুরণ
  2. আলোর ব্যতিচার
  3. আলোর প্রতিসরণ
  4. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

◉ আলোর মরীচিকা (Mirage) হলো একটি আলোক বিভ্রম (Optical Illusion), যা গরম মরুভূমি বা পিচঢালা রাস্তায় ঘটে। এটি মূলত আলোর অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের কারণে ঘটে।

মরীচিকা: 
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের কারণে মরুভূমিতে সৃষ্ট মরীচিকা অতি পরিচিত উদাহরণ।
- উত্তপ্ত মরুভূমিতে মরুচারী পথিক প্রায়শ মরীচিকা দেখতে পান এবং বিভ্রান্ত হন। মরীচিকা হল এক ধরণের দৃষ্টি ভ্রম।
- প্রচন্ড সূর্য তাপে মরুভূমির বালু খুব তাড়াতাড়ি গরম হয়। ফলে বালু সংলগ্ন বাতাসও খুব গরম হয়। এতে বালু সংলগ্ন স্তরের বায়ু খুব হালকা হয়।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে যত উপরে ওঠা যায় বায়ু স্তরের তাপমাত্রা তত কম হয়। তাই ভূ সংলগ্ন বায়ু স্তর থেকে যতই ওপরে ওঠা যায় বায়ু স্তর তত ঘন হয়।
- এঅবস্থায় মরুভূমিতে দূরে কোন খেজুর গাছ থেকে পথিকের চোখে আসা আলোক রশ্মি ধাপে ধাপে ঘনতর মাধ্যম থেকে লঘুতর মাধ্যমে প্রবেশ করতে থাকে, ফলে প্রতিসরিত রশ্মি অভিলম্ব থেকে ক্রমশ দূরে সরে যেতে থাকে।
- এভাবে বাঁকতে বাঁকতে এমন কোন স্তরে পৌঁছায় যেখানে আপতন কোণ ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় হয়।
- ফলে আপতিত আলোক রশ্মির প্রতিসরণ না হয়ে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১,৫২৬.
নিচের কোনটি বারিমণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. পর্বত
  2. নদী
  3. সাগর
  4. মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বত
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডল: 
- আমরা জানি, পৃথিবীর আকৃতি বর্তুলাকার। 
- এই ভূ-ভাগের উপরিভাগকে দুইটি অংশে বিভক্ত করা যায়। 
যথা- স্থলভাগ এবং জলভাগ। 
- পৃথিবীর জলভাগই হলো বারিমণ্ডল। 
- বারিমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere। Hydro অর্থ পানি এবং Sphere অর্থ ক্ষেত্র। অর্থাৎ আভিধানিক অর্থে Hydrosphere এর অর্থ পানির ক্ষেত্র বা আধার। 
- সুতরাং বারিমণ্ডল বলতে ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত যে বিশাল পানিরাশি রয়েছে তাকে বুঝায়। 
- পানি একটি যৌগিক পদার্থ। অক্সিজেন (O) এবং হাইড্রোজেন (H) এর সমন্বয়ে পানি (H2O) গঠিত। 
- মহাসাগর, সাগর, উপসাগর, হ্রদ, নদীসহ অন্যান্য জলাধার নিয়ে বারিমণ্ডল গঠিত। 
- নিম্নে বারিমণ্ডলের অর্ন্তভুক্ত আধারগুলোর সংজ্ঞা উল্লেখ করা হলো- 
• মহাসাগর (Ocean): 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর অবস্থিত বিশাল আকৃতির পানির আধারকে মহাসাগর বলে। যেমন- প্রশান্ত মহাসাগর। 

• সাগর (Sea): 
- স্বল্প আয়তনবিশিষ্ট উন্মুক্ত পানিরাশিকে সাগর বলে। এগুলো মহাসাগর অপেক্ষা ছোট। যেমন- আরব সাগর। 

• উপসাগর (Bay or Gulf): 
- তিনদিকে স্থল দ্বারা বেষ্টিত পানিরাশিকে উপসাগর বলে। যেমন- বঙ্গোপসাগর। 

• হ্রদ (Lake): 
- চারদিকে স্থল দ্বারা বেষ্টিত পানিরাশিকে হ্রদ বলে। যেমন- বৈকাল হ্রদ। 

• নদী (River): 
- উঁচু পর্বত বা মালভূমি থেকে হিমবাহ, প্রস্রবণ, বরফগলা পানি বা বৃষ্টির পানিতে সৃষ্ট কোনো জলধারা যখন মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাবে ভূমির ঢাল বরাবর অগ্রসর হয়ে সমভূমি ও নিম্নভূমির উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিশাল জলাশয়, হ্রদ বা সমুদ্রে গিয়ে পতিত হয় তখন তাকে নদী বলে। যেমন-পদ্মা নদী। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫২৭.
'অ্যানিমিয়া' রোগের ফলে মানবদেহে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. লোহিত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়
  2. লোহিত কণিকার সংখ্যা হ্রাস পায়
  3. শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়
  4. হিমোগ্লোবিনের সংখ্যা বেড়ে যায়
সঠিক উত্তর:
লোহিত কণিকার সংখ্যা হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত কণিকার সংখ্যা হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন- 

১। পলিসাইথিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। 

২। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

৩। লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

৪। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

৫। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- থ্রম্বোসাইটোসিস রোগে অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

৬। পারপুরা: 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। 
- এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৭। থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। 
- এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। 
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 
- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। 
- এ রোগের জন্য রোগিকে প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। 
- তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫২৮.
একটি ৪০ ওয়াটের বাতি ১০ মিনিট ধরে জ্বললে বাতিটির ব্যয়িত শক্তির জুল কত হবে?
  1. ২১ X ১০ জুল
  2. ৬০ X ১০ জুল
  3. ৪০ X ১০ জুল
  4. ২৪ X ১০ জুল
সঠিক উত্তর:
২৪ X ১০ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ X ১০ জুল
ব্যাখ্যা

বৈদ্যুতিক ক্ষমতার,P =৪০ ওয়াট , সময় T= ১০ মিনিট=৬০০ সেকেন্ড।

 আমরা জানি,
কাজ(W)=( P X T) জুল
= (৪০ X ৬০০)
= ২৪০০০ বা ২৪ X ১০৩ জু

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণী

১১,৫২৯.
এস্টারের কার্যকরী মূলক হিসেবে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. -COOR
  2. -OH
  3. -CO
  4. -CHO
সঠিক উত্তর:
-COOR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-COOR
ব্যাখ্যা

• এস্টারের কার্যকরী মূলক হলো -COOR, যেখানে R একটি অ্যালকাইল বা অ্যারাইল মূলককে নির্দেশ করে। এস্টার মূলত কার্বোক্সিলিক অ্যাসিড ও অ্যালকোহলের বিক্রিয়ায় তৈরি হয়, এ প্রক্রিয়াকে এস্টারিফিকেশন বলে। এই যৌগে কার্বনাইল গ্রুপ (C=O) একটি অক্সিজেন পরমাণুর মাধ্যমে অন্য একটি কার্বনযুক্ত মূলকের সঙ্গে যুক্ত থাকে, যা -COOR গঠন সৃষ্টি করে। অন্য অপশন গুলোর মধ্যে -OH হলো অ্যালকোহলের কার্যকরী মূলক, -CO কিটোন বা অ্যাসিডের অংশ এবং -CHO অ্যালডিহাইডের কার্যকরী মূলক। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) -COOR

এস্টার: 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের -OH অংশকে অ্যালকক্সি বা অ্যারাইলক্সি দ্বারা প্রতিস্থাপিত করে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে এস্টার বলে।
- এস্টারের কার্যকরী মূলক -COOR।
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সুগন্ধিযুক্ত হয়। 
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফল সুগন্ধি হয়ে থাকে।
- সংশ্লেষিত এস্টার দিয়ে ফলের সুগন্ধি তৈরি করা হয়।
- তেল, চর্বি, আঠা, সেলুলোজ, রঙ, ভার্ণিশ ইত্যাদির দ্রাবক হিসেবে এস্টার ব্যবহৃত হয়।
- বিউটাইল অ্যাসিটেট 'পেনিসিলিন' -এর দ্রাবক হিসেবে এস্টার ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৩০.
ডারউইনবাদ কিসের ওপর ভিত্তি করে গঠিত?
  1. অর্জিত বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার
  2. পরিবেশগত চাপ
  3. প্রাকৃতিক নির্বাচন
  4. জীন পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক নির্বাচন
ব্যাখ্যা

• ডারউইনবাদ বা ডারউইনিজম মূলত প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural Selection) মতবাদের ওপর ভিত্তি করে গঠিত।
- উল্লেখ্য: 'অর্জিত বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার' হলো ল্যামার্কবাদের মূল ভিত্তি।

• ডারউইনবাদ বা ডারউইনের তত্ত্ব:
- ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন জীববিজ্ঞান তথা সমগ্র বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি বৈপ্লবিক চিন্তাধারার সৃষ্টি করেন।
- বিজ্ঞানী চার্লস ডারউইন (Charles Robert Darwin, 1809-1882) ইংল্যান্ডের স্রাসবেরি শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত গ্যালাপ্যাগোস দ্বীপপুঞ্জ পরিভ্রমণকালে তিনি ঐ অঞ্চলের উদ্ভিদ এবং প্রাণিকুলের বিস্ময়কর বৈশিষ্ট্য দেখে বিশেষভাবে আকৃষ্ট হন এরপর সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে 1837 খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডে প্রত্যাবর্তনের প্রায় 20 বছর পরে 1859 খ্রিষ্টাব্দে 'প্রাকৃতিক নির্বাচনের দ্বারা প্রজাতির উদ্ভব' (Origin of Species by Means of Natural Selection) নামক বইয়ে তাঁর মতবাদটি প্রকাশ করেন।
- ডারউইনের তত্ত্বটি বিবর্তন তত্ত্ব নামে প্রচলিত হলেও তিনি প্রকৃতপক্ষে জৈব অভিব্যক্তি তথা বিবর্তনের আবিষ্কারক নন।
- ডারউইনের সাফল্য ছিল, জৈব অভিব্যক্তির কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত সংখ্যক -বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে একটি প্রক্রিয়ার (mechanism) ধারণা প্রতিষ্ঠা করা, যা জৈব অভিব্যক্তির যাবতীয় বিষয় ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- জৈব অভিব্যক্তির কারণ হিসেবে প্রাকৃতিক নির্বাচনকে উল্লেখ করে আরও একজন সমসাময়িক ব্রিটিশ প্রকৃতি বিজ্ঞানী, আলফ্রেড ওয়ালেস (Alfred Russel Wallace, 1823-1913), একই সময়ে কিন্তু স্বাধীনভাবে অনুরূপ তত্ত্ব প্রণয়ন করেন।
- তবে বিভিন্ন ঐতিহাসিক কারণে তাঁর চেয়ে ডারউইনের নামেই তত্ত্বটি অধিক প্রচলিত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৫৩১.
অণুচক্রিকা (Platelet) সম্পর্কে কোনটি সঠিক? 
  1. এটি রক্ত তঞ্চনে সাহায্য করে 
  2. এতে নিউক্লিয়াস থাকে 
  3. এটি দীর্ঘায়ু কোষ যা প্রায় ৬ মাসের উপড়ে বেঁচে থাকে
  4. এটি সম্পূর্ণরূপে অস্থিমজ্জার অংশ নয়
সঠিক উত্তর:
এটি রক্ত তঞ্চনে সাহায্য করে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি রক্ত তঞ্চনে সাহায্য করে 
ব্যাখ্যা

অণুচক্রিকা: 
- অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইটকে ইংরেজিতে প্লেটলেট (Platelet) বলে। অণুচক্রিকাগুলো গোলাকার, ডিম্বাকার অথবা রড আকারের হতে পারে। এদের সাইটোপ্লাজম দানাদার এবং সাইটোপ্লাজমে কোষ অঙ্গাণু- মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বস্তু থাকে; কিন্তু নিউক্লিয়াস থাকে না। 
- অনেকের মতে, অণুচক্রিকাগুলো সম্পূর্ণ কোষ নয়; এগুলো অস্থিমজ্জার বৃহদাকার কোষের ছিন্ন অংশ। 
- অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। 
- পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘনমিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় দেড় থেকে সাড়ে চার লাখ। অসুস্থ দেহে এদের সংখ্যা সাধারণত আরো বেশি বা কম হয়। 

- অণুচক্রিকার প্রধান কাজ হলো রক্ত তঞ্চন করা বা জমাট বাঁধানোতে (blood clotting) সাহায্য করা। 
- যখন কোনো রক্তবাহিকা বা কোনো টিস্যু আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে কেটে যায়, তখন সেখানকার অণুচক্রিকাগুলো সক্রিয় হয়ে উঠে অনিয়মিত আকার ধারণ করে এবং থ্রম্বোপ্লাসটিন (Thromboplastin) নামক পদার্থ তৈরি করে। এ পদার্থগুলো রক্তের প্রোটিন প্রোথ্রমবিনকে থ্রমবিনে পরিণত করে। 
- থ্রমবিন পরবর্তীকালে রক্তরসের প্রোটিন-ফাইব্রিনোজেনকে ফাইব্রিন জালকে পরিণত করে রক্তকে জমাট বাঁধায় কিংবা রক্তের তঞ্চন ঘটায়। 
- ফাইব্রিন একধরনের অদ্রবণীয় প্রোটিন, যা দ্রুত সুতার মতো জালিকা প্রস্তুত করে। এটি ক্ষতস্থানে জমাট বাঁধে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করে। 
- তবে রক্ত তঞ্চন প্রক্রিয়াটি আরও জটিল, এ প্রক্রিয়ার জন্য আরও বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ এবং ভিটামিন K ও ক্যালসিয়াম আয়ন জড়িত থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৫৩২.
প্রস্বেদন উদ্ভিদ জীবনে কীভাবে সাহায্য করে? 
  1. উদ্ভিদকে ঠান্ডা রাখে
  2. কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে
  3. পানি ও খনিজ লবণ শোষণে সহায়ক হয়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন: 
- প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন উদ্ভিদের একটি বিশেষ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। 
- উদ্ভিদের বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় কাজের জন্য পানি অপরিহার্য, তাই উদ্ভিদ মূলরোমের সাহায্যে মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণ পানি শোষণ করে। 
- শোষিত পানির কিছু অংশ উদ্ভিদ তার বিভিন্ন বিপাকীয় কাজে ব্যবহার করে এবং বাকি অংশ বাষ্পাকারে বায়ুমণ্ডলে পরিত্যাগ করে। 
- উদ্ভিদের দেহাভ্যন্তর থেকে পাতার মাধ্যমে বাষ্পাকারে পানির এই নির্গমনের প্রক্রিয়াকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে। 
- প্রস্বেদন প্রধানত পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে হয়, এছাড়া কান্ড ও পাতার কিউটিক্স এবং কান্ডের ত্বকে অবস্থিত লেন্টিসেল নামক এক বিশেষ ধরনের অঙ্গের মাধ্যমেও অল্প পরিমাণ প্রস্বেদন হয়। 
- প্রস্বেদন কোথায় সংঘটিত হচ্ছে তার ভিত্তিতে প্রস্বেদন তিন প্রকার। 
যথা- ১. পত্ররন্দ্রীয় প্রস্বেদন, ২. ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন এবং ৩. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন। 

প্রস্বেদনের গুরুত্ব: 
- উদ্ভিদ জীবনে প্রস্বেদন একটি অনিবার্য প্রক্রিয়া। 
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়, এতে উদ্ভিদের মৃত্যুও হতে পারে। 
- তাই আপাতদৃষ্টিতে উদ্ভিদের জীবনে প্রস্বেদনকে ক্ষতিকর প্রক্রিয়া বলেই মনে হয়, এজন্য প্রস্বেদনকে বলা হয় উদ্ভিদের জন্য এটি একটি "Necessary evil"। 
- তবুও প্রস্বেদন উদ্ভিদ জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ, প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদ তার দেহ থেকে পানিকে বের করে অতিরিক্ত পানির চাপ থেকে মুক্ত থাকে। 
- প্রস্বেদনের ফলে কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়, কোষরসের ঘনত্ব বৃদ্ধি অন্তঃঅভিস্রবণের সহায়ক হয়ে উদ্ভিদকে পানি ও খনিজ লবণ শোষণে সাহায্য করে। এটি উদ্ভিদদেহকে ঠান্ডা রাখে এবং পাতার আর্দ্রতা বজায় রাখে। - প্রস্বেদনের ফলে খাদ্য তৈরির জন্য পাতায় অবিরাম পানি সরবরাহ সম্ভব হয়। 
- পাতায় প্রস্বেদনের ফলে জাইলেম বাহিকায় পানির যে টান সৃষ্টি হয়, তা মূলরোম কর্তৃক পানি শোষণ ও উদ্ভিদের শীর্যে পরিবহনে সাহায্য করে। 
- উদ্ভিদের প্রস্বেদন প্রক্রিয়া সালোকসংশ্লেষণ ও শ্বসনের মতো পরিবেশে তেমন কোনো প্রভাব রাখে না। তবে পানিচক্রে বাষ্পীভবনে, অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠের পানি জলীয়বাষ্প হিসেবে বায়ুমন্ডলে প্রেরণ করতে স্থলজ উদ্ভিদের প্রস্বেদন প্রক্রিয়া ভূমিকা রাখে। 
- প্রস্বেদনের ফলে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বায়ুমণ্ডলে পৌঁছায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১১,৫৩৩.
সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স নয় কোনটি? 
  1. বর্ণান্ধতা
  2. হিমোফিলিয়া
  3. জন্ডিস
  4. মায়োপিয়া
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন্ডিস
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: গ) জন্ডিস এবং ঘ) মায়োপিয়া। 
তবে যদি একটি উত্তর বেছে নিতে হয়, তাহলে গ) জন্ডিস বেশি স্পষ্ট উত্তর।

• সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স (Sex-linked Inheritance):
- সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স হলো সেই জেনেটিক প্যাটার্ন যেখানে জিন কোনো ক্রোমোজোমের মাধ্যমে পিতামাতা থেকে সন্তানদের কাছে যায়, বিশেষ করে X বা Y ক্রোমোজোমের মাধ্যমে।
- সাধারণত পুরুষ এবং মহিলা ভিন্নভাবে প্রভাবিত হয়, কারণ পুরুষের একটি একক X ক্রোমোজোম থাকে এবং মহিলার দুটি X ক্রোমোজোম থাকে।
- উদাহরণস্বরূপ, বর্ণান্ধতা এবং হিমোফিলিয়া প্রায়শই X-linked রেসেসিভ রোগ হিসেবে দেখা যায়।  

• বর্ণান্ধতা (Color Blindness):
- বর্ণান্ধতা হলো X-linked রেসেসিভ জিন দ্বারা প্রভাবিত রোগ।
- এটি চোখের রঙ শনাক্ত করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।  
- পুরুষরা সাধারণত বেশি প্রভাবিত হন কারণ তাদের একটি একক X ক্রোমোজোম থাকে।  

• হিমোফিলিয়া (Hemophilia):
- হিমোফিলিয়া হলো রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা, যা X-linked রেসেসিভ জিন দ্বারা ঘটে।  
- পুরুষরা এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, মহিলারা সাধারণত ক্যারিয়ার।  

• জন্ডিস (Jaundice):
- জন্ডিস হলো লিভারের রোগ বা বাইল সমস্যা সম্পর্কিত অবস্থা।  
- এটি কোনো সেক্স-লিংকড জেনেটিক রোগ নয়, বরং অ্যানিমিয়া, লিভার ইনফেকশন বা গলব্লাডারের সমস্যা থেকে হতে পারে।  

• মায়োপিয়া (Myopia):
- মায়োপিয়া বা নিকটদৃষ্টি হলো চক্ষু সমস্যা।  
- এটি সাধারণত জেনেটিক এবং পরিবেশগত কারণে হয়, কিন্তু X বা Y ক্রোমোজোমের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।  

সুতরাং, সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স নয় এমন রোগ হলো - গ) জন্ডিস।  
সঠিক উত্তর: গ) জন্ডিস। 

সূত্র: NIH.

১১,৫৩৪.
শুষ্ক অবস্থায় মানুষের দেহের রোধ কত থাকে?
  1. ১০০০০ ওহম
  2. ১০ কিলোওহম
  3. ২০ কিলো ওহম
  4. ৫০ কিলোওহম
সঠিক উত্তর:
৫০ কিলোওহম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ কিলোওহম
ব্যাখ্যা
• রোধ (Resistance) হলো একটি বৈদ্যুতিক ধর্ম, যা কোনো পরিবাহকের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে।
এর একক হলো ওহম (Ω)। 

মানুষের দেহও একধরণের পরিবাহী অর্থাৎ যার ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে। মানুষের দেহেও স্বাভাবিক রোধ রয়েছে।

মানুষের দেহের বৈদ্যুতিক রোধ (Resistance) নির্ভর করে:
⇒ ত্বক শুকনা না ভেজা,
⇒ শরীরের ভিতরের ও বাইরের অংশে সংযোগ কোথায় হয়েছে,
⇒ ত্বকের পুরুত্ব এবং সংস্পর্শের পৃষ্ঠের আয়তন। 

 শুষ্ক অবস্থায়:
⇒ মানুষের শরীরের বাইরের ত্বকে  রোধ অনেক বেশি থাকে।
⇒ সাধারণভাবে শুষ্ক ত্বকে রোধ হয় প্রায় ৪০,০০০ থেকে ১,০০,০০০ ওহম পর্যন্ত।
গড় হিসেবে ধরা হয়:  ৫০,০০০ ওহম (৫০ কিলোওহম)

 ভেজা অবস্থায়:
⇒ পানি ত্বকের রোধ অনেক কমিয়ে দেয়।
⇒ রোধ কমে গিয়ে ১,০০০ ওহম বা তারও কম হতে পারে, যা বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র: 
-  ৯ম ও ১০ম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান।
-  পদার্থবিজ্ঞান – একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
-  Occupational Safety and Health Guidelines” – OSHA (USA)
১১,৫৩৫.
রোদে কাপড় শুকায় কোন প্রক্রিয়ায়?
  1. ক) স্ফুটন
  2. খ) বাষ্পীভবন
  3. গ) উর্ধ্বপাতন
  4. ঘ) ঘনীভবন
সঠিক উত্তর:
খ) বাষ্পীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাষ্পীভবন
ব্যাখ্যা

রোদের তাপে কাপড়ের পানি বাস্পে পরিণত হয়। ফলশ্রুতিতে কাপড় শুকিয়ে যায়।

কোনো তরল পদার্থকে তাপ প্রদান করলে ঐ তরলের বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে।
যেমন- চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়। এটি বাষ্পীভবনের উদাহরণ।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি

১১,৫৩৬.
ফোটন কণার ধর্ম কী?
  1. তড়িৎ নিরপেক্ষ
  2. ঋণাত্মক চার্জযুক্ত
  3. ধনাত্মক চার্জযুক্ত 
  4. তড়িৎ চার্জযুক্ত
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎ নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা

- ফোটন হলো আলোর মৌলিক কণা এবং এটি তড়িৎ নিরপেক্ষ, অর্থাৎ এর কোনো বৈদ্যুতিক চার্জ নেই। এই কারণে এটি তড়িৎ ক্ষেত্র বা চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত বা বিচ্যুত হয় না। 

ফোটন কণা: 
- ফোটন কণা তাড়িতচৌম্বক বল বহন করে। 
- ফোটন কণার নিশ্চল ভর শূন্য (০)। 
- প্রতিটি কোয়ান্টাম আকার তার বা শক্তি তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গের কম্পাংকের উপর নির্ভরশীল। 
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের মূল কথা হলো, তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ তরঙ্গধর্মী নয়, বরং এক ধরণের কণার স্রোত, এই কণার নাম ফোটন (Photon)। 

ফোটন কণার ধর্মসমূহ: 
১। প্রতিটি ফোটন কণাই তড়িৎ নিরপেক্ষ। 
২। শূন্য মাধ্যমে প্রতিটি ফোটন কণাই আলোর বেগে (C = 3×108 ms-1) চলাচল করে। কোনো ঘটনাতেই ফোটনের বেগের কোনো হ্রাস বৃদ্ধি ঘটে না। ৩। প্রতি ফোটন দ্বারা বাহিত শক্তির পরিমান E = hf (যেখানে f = বিবিরণের কম্পাঙ্ক, h = প্লাংকের ধ্রুবক)। ফোটনের স্রোতে ফোটন কণার সংখ্যা যত বেশি হয়, বাহিত শক্তির পরিমাণও তত বেশি হয়, ফলে বিকিরণের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । নিউটনীয় বলবিদ্যায় ফোটনের ভর ব্যাখ্যা করা যায় না। ফোটনের যে ভর আছে এই ধারণা বর্জনীয়। সহজে বলা যায়, ফোটনের স্থির ভর শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৩৭.
মৌমাছি হুল ফুটালে যে জ্বালাপোড়া হয়, তা নিষ্ক্রিয় করতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) জিংক কার্বোনেট
  2. খ) অক্সালিক এসিড
  3. গ) কার্বোনিক এসিড
  4. ঘ) অ্যাপামিন
সঠিক উত্তর:
ক) জিংক কার্বোনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জিংক কার্বোনেট
ব্যাখ্যা
- পিঁপড়ার কামড়ের মাধ্যমে মূলত ফরমিক এসিড নিঃসৃত হয়, যা আমাদের শরীরে জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করে। 
- আর মৌমাছি হুল ফুটালে ফরমিক এসিড, মেলিটিন এবং অ্যাপামিন নামক এসিডিক পদার্থ নিঃসৃত হয়, যার কারণে জ্বালাপোড়া হয় আবার আক্রান্ত স্থান ফুলেও যায়।
- এসব জ্বালাপোড়ার কারণ হচ্ছে এসিড, যা নিষ্ক্রিয় করতে জিংক কার্বোনেট, বেকিং সোডা ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারি।

 উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

১১,৫৩৮.
কোনটি নিউট্রন তারার বৈশিষ্ট্য?
  1. অতি উচ্চ ঘনত্ব
  2. নিম্ন তাপমাত্রা
  3. নিম্ন চৌম্বকক্ষেত্র
  4. গ্যাসীয় অবস্থা
সঠিক উত্তর:
অতি উচ্চ ঘনত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতি উচ্চ ঘনত্ব
ব্যাখ্যা
• নিউট্রন তারা:
- নিউট্রন তারা (Neutron Star) হলো একটি অত্যন্ত ঘন, মৃত তারা যা একটি সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর সৃষ্টি হয়।

• নক্ষত্রটি যখন সুপারনোভা হিসেবে বিস্ফোরিত হয়, তখন এর কোর বা মূলবস্তুর চাপ এত বেশি হয় যে, প্রোটন ও ইলেকট্রন একত্রিত হয়ে নিউট্রন গঠন করে। একে তাই বলা হয় নিউট্রন স্টার বা নিউট্রন নক্ষত্র।
• একটি ঘূর্ণায়মান নক্ষত্র যখন চুপসে গিয়ে নিউট্রন নক্ষত্রে পরিণত হয়, তখন কৌণিক ভরবেগ সংরক্ষণ করার জন্যে নক্ষত্রের কৌণিক বেগ অনেক বৃদ্ধি পায়। 

• মূল বৈশিষ্ট্য:
⇒  ঘনত্ব:
- একটি নিউট্রন তারার ঘনত্ব অনেক বেশি হয়ে থাকে। 
⇒ আয়তন:
- সাধারণত আয়তন খুব কম, অথচ এর ভর প্রায় সূর্যের সমান।
⇒ চৌম্বক ক্ষেত্র:
- এদের শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র থাকে।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি; ড. শাহজাহান তপন।
১১,৫৩৯.
বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ধারণে মূল ভূমিকা কার?
  1. বায়ুর আর্দ্রতা
  2. বায়ুর প্রকৃতি
  3. বায়ুর ঘনত্ব
  4. বায়ুর চাপ
সঠিক উত্তর:
বায়ুর আর্দ্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর আর্দ্রতা
ব্যাখ্যা
• বায়ুর আর্দ্রতা:
- বায়ুতে জলীয়বাষ্পের উপস্থিতিকে বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না।
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা।
- বায়ুর আর্দ্রতার উপর বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে।
- বায়ুমন্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম।

- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে।
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। যথা- পরম আর্দ্রতা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা।
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা।
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা হলো কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাত।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৪০.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত?
  1. ট্রপোমন্ডল
  2. স্ট্র্যাটোমন্ডল
  3. আয়নোস্ফিয়ার
  4. এক্সোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমন্ডল
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমন্ডল।

• বায়ুমন্ডল:

- ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলের গঠনকারী উপাদানসমূহের প্রকৃতি, উষ্ণতার পার্থক্য ও অন্যান্য গ্যাসীয় উপাদানের তারতম্যের জন্য বায়ুমন্ডলকে ৫টি স্তরে ভাগ করা যায়।
- ভূ-পৃষ্ঠ হতে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে এই পাঁচটি স্তর হলো- ট্রপোমন্ডল, স্ট্রাটোমন্ডল,মেসোমন্ডল, তাপমন্ডল ও এক্সোমন্ডল।
- ভূ-পৃষ্ঠ হতে ৮০ কিলোমিটারর মধ্যে সমমন্ডল অবস্থিত যা তিনটি স্তর অর্থাৎ ট্রপোমন্ডল, স্ট্রাটোমন্ডল ও মেসোমন্ডল নিয়ে গঠিত।
- বিষমমন্ডল প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত যা ২টি স্তর নিয়ে গঠিত।
- এগুলো হলো- তাপমন্ডল ও এক্সোমন্ডল।
- বায়ুমন্ডলের যে স্তরটি ভূ-ত্বকের সব থেকে নিচের স্তরে অবস্থিত সেটি হলো ট্রপোমন্ডল।
- এই স্তরে বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, তুষারপাত, শিশির ইত্যাদির সৃষ্টি হয়।
- ট্রপোমন্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি বা ট্রপোপজ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৪১.
নিচের কোনটি অপুষ্পক উদ্ভিদের বৈশিষ্ঠ নয়?
  1. স্পোর বা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজনন হয়।
  2. উদ্ভিদে ফুল ও ফল হয় না।
  3. দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না।
  4. শুষ্ক পরিবেশে বেশি জন্মে।
সঠিক উত্তর:
শুষ্ক পরিবেশে বেশি জন্মে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুষ্ক পরিবেশে বেশি জন্মে।
ব্যাখ্যা
অপুষ্পক উদ্ভিদ:
- উদ্ভিদের মধ্যে কিছুসংখ্যক উদ্ভিদে ফুল ও ফল হয় না। এরা স্পোর বা রেণু সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন করে।
- এদের অনেকের দেহকে মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। এরা সমাঙ্গঁদেহী উদ্ভিদ। যথা: স্পাইরোগাইরা।
- আবার কিছু উদ্ভিদের কাণ্ড ও পাতা রয়েছে। তবে সাধরণত উদ্ভিদের ন্যায় মূল নেই। মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড রয়েছে।
- এদের স্যাঁতসেঁতে ইট, মাটি, দেয়াল ও গাছের বাকলে জন্মাতে দেখা যায়।
- এ ছাড়া পানিতে ভাসমান অবস্থায়ও এদের দেখা যায়। সাধারণত এরা পুরাতন ভেজা দেয়ালে কার্পেটের মতো নরম আস্তরণ করে ঠাসা ঠাসিভাবে জন্মে। যেমন : মস।
- ফার্ন অপুষ্পক উদ্ভিদের মধ্যে সর্বোন্নত উদ্ভিদ।
- ফার্নের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। বাড়ির পাশে স্যাঁতসেঁতে ছায়াযুক্ত স্থানে এবং পুরানো দালানের প্রাচীরে এরা প্রচুর পরিমাণে জন্মে। যেমন: ঢেঁকিশাক। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১১,৫৪২.
রক্ত কণিকার উৎপত্তি কোথায় ঘটে?
  1. ফুসফুস 
  2. হৃৎপিণ্ড
  3. অস্থিমজ্জা
  4. যকৃত
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিমজ্জা
ব্যাখ্যা

• রক্ত কণিকার উৎপত্তি প্রধানত অস্থিমজ্জাতে ঘটে। অস্থিমজ্জা হল হাড়ের মধ্যবর্তী স্পঞ্জ জাতীয় অংশ, যা লাল ও হলুদ মজ্জা দ্বারা গঠিত। লাল অস্থিমজ্জা মূলত রক্তকণিকা উৎপাদনের জন্য দায়ী। এখানে স্টেম সেল বা মূল কোষ থাকে, যেগুলো থেকে লোহিত কণিকা, শ্বেতকণিকা এবং রক্তের অন্যান্য কোষ গঠিত হয়। শিশু ও তরুণদের হাড়ের অধিকাংশ অংশে লাল অস্থিমজ্জা থাকে, কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি কিছুটা কমে যায় এবং হলুদ মজ্জার পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই রক্ত কণিকার উৎপত্তি অস্থিমজ্জাই।

- সঠিক উত্তর: গ) অস্থিমজ্জা।

• রক্ত:
- রক্ত একটি অস্বচ্ছ তরল পদার্থ।
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে রক্তের রং লাল দেখায়।
- এটি ক্ষারধর্মী, লবণাক্ত স্বাদযুক্ত পদার্থ।
- এটি রক্তরস ও রক্ত কণিকার সমন্বয়ে গঠিত।

• রক্ত কণিকা:
- মানবদেহে তিন প্রকার রক্ত কণিকা দেখা যায়।
যথা-
- লোহিত রক্ত কণিকা,
- শ্বেত রক্ত কণিকা এবং
- অণুচক্রিকা।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- হৃৎপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালনে ভুমিকা রাখে।
- যকৃত রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণী, NCTB।

১১,৫৪৩.
দহন বিক্রিয়ার ফলে কোন গ্যাস তৈরি হয়? 
  1. H2
  2. N2
  3. O2
  4. CO2
সঠিক উত্তর:
CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO2
ব্যাখ্যা
সাধারণ জ্বালানি (কাঠ, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস): 
- রান্নার কাজে সাধারণত কাঠ, কয়লা বা প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 
- এসকল বস্তু দহন করে যে তাপ পাওয়া যায় তা দিয়ে রান্না করা হয়। 
- দহন বলতে এমন রাসায়নিক বিক্রিয়া বোঝায় যেখানে কোন পদার্থ অক্সিজেনের সাথে স্বত:স্ফূর্ত বিক্রিয়া করে তাপ ও আলো দেয়। 
- কাঠের উপাদান সেলুলোজ যার মূল উপাদান কার্বন। 
- দহনের ফলে কাঠ অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে প্রধানত CO2, তাপ ও আলো উৎপন্ন করে। 
যেমন- 
• কাঠ + O2 → তাপ + CO2 + আলো 
- একইভাবে, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ালেও তাপ, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও আলো পাওয়া যায়। 
• C (কয়লা) + O2 → তাপ + CO2 + আলো 
• CH4 (মিথেন বা প্রাকৃতিক গ্যাস) + O2 → তাপ + CO2 + H2O + আলো । 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৪৪.
যেসব এসিড পানিতে দ্রবীভূত হয়ে সম্পূর্ণরূপে আয়নিত হয়, সেগুলোকে কী বলা হয়?
  1. দুর্বল এসিড
  2. শক্তিশালী এসিড
  3. জৈব এসিড
  4. খনিজ এসিড
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী এসিড
ব্যাখ্যা

• যেসব এসিড পানিতে দ্রবীভূত হয়ে সম্পূর্ণরূপে আয়নিত হয় এবং অধিক পরিমাণে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) উৎপন্ন করে, সেগুলোকে শক্তিশালী এসিড বলা হয়।

• শক্তিশালী ও দুর্বল এসিড:
- যেসব এসিড পানিতে দ্রবীভূত হয়ে সম্পূর্ণরূপে আয়নিত হয় এবং প্রচুর পরিমাণে হাইড্রোজেন আয়ন (H+) উৎপন্ন করে, তাদেরকে শক্তিশালী এসিড বলা হয়।
- অপরদিকে, যেসব এসিড পানিতে সম্পূর্ণরূপে আয়নিত হয় না, বরং আংশিকভাবে আয়নিত হয়, সেগুলোকে দুর্বল এসিড বলা হয়।
- অর্থাৎ, দুর্বল এসিডের ক্ষেত্রে এসিডের সব অণু থেকে H+ আয়ন উৎপন্ন হয় না।
- কিন্তু শক্তিশালী এসিডের ক্ষেত্রে পানিতে দ্রবীভূত হলে প্রায় সব অণুই H+ আয়নে বিযুক্ত হয়।
 
• গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- সব জৈব এসিডই যে দুর্বল হবে, তা নয়।
- উদাহরণস্বরূপ, কার্বনিক এসিড (H2CO3) একটি জৈব এসিড হলেও এটি দুর্বল এসিড।
- আবার কোনো এসিড খনিজ (Inorganic) হলেই যে তা শক্তিশালী হবে, এমনটিও নয়।
 
• দুর্বল এসিডের উদাহরণ:
- এসিটিক এসিড (CH3COOH),
- সাইট্রিক এসিড (C6H8O7),
- অক্সালিক এসিড (HOOC–COOH)।
 
• শক্তিশালী এসিডের উদাহরণ:
- সালফিউরিক এসিড (H2SO4),
- নাইট্রিক এসিড (HNO3),
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl)। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৫৪৫.
মোটর গাড়ীতে ব্যবহৃত দর্পণ—
  1. ক) অবতল দর্পণ
  2. খ) সমতল দর্পণ
  3. গ) উত্তল দর্পণ
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তল দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তল দর্পণ
ব্যাখ্যা
মোটর গাড়ীতে উত্তল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।

- উত্তল দর্পণের প্রতিফলক তল উঁচু থাকে। এটি আপতিত আলোক রশ্মিকে চারিদিকে ছড়িয়ে দেয়।
- এই দর্পণে সবসময় অসদ, সোজা এবং লক্ষ্যবস্তু থেকে ছোট প্রতিবিম্ব গঠিত হয়, তাই যে সব ক্ষেত্রে বড় আকারের বা বেশি এলাকার দৃশ্য সহজে এক সাথে ছোট করে দেখার প্রয়োজন সে সব ক্ষেত্রে উত্তল দর্পণ ব্যবহার করা হয়। 

উত্তল দর্পণের ব্যবহারসমূহ- 
১. বড় বড় ভবন হাসপাতাল, অফিস বা শপিং মলে মাঝে মাঝে উত্তল দর্পণ বসান হয় এতে পুরো তলার মধ্যে কোথায় কী আছে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে খুটিনাটি দেখা যায় এবং লোকজন চলাচলে পরস্পরের সাথে ধাক্কা ধাক্কির ঝুঁকিও এড়ানো যায় ।
২. এক ধরণের বিশালাকার উত্তল দর্পণ মন্দির, মসজিদ, সপিং কমপ্লেক্স- বিভিন্ন জনসমাগম স্থানে উপর থেকে ঝুলিয়ে দেয়া হয়। এত নিচের সমস্ত এলাকা এক সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা যায়। এদের বলা হয় সীলিং ডোম মিরর। এটি ভবনের ছাদের সাথে কোণায়, পাশে বা কেন্দ্র বরাবরও স্থাপন করা হয়।
২. সানগ্লাসে উত্তল দর্পণ ব্যবহার করা হয়। এতে সানগ্লাস পরিহিত ব্যাক্তির চোখে পতিত সৌর রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে চোখকে উত্তাপ ও তীক্ষ্ণ আলো থেকে রক্ষা করে।
৩. মোটর গাড়ী, মোটর সাইকেল ইত্যাদি দ্রুতগামী গাড়ির চালকের সামনে একটি উত্তল দর্পণ থাকে। একে বলা হয় রিয়ার ভিউ মিরর। চালক গাড়ি চালানোর সময় পেছনের দৃশ্য দেখার জন্য এটি প্রয়োজন হয়।
এতে পেছন থেকে আসা গাড়ি এবং পেছনের দিকের বিস্তীর্ণ এলাকার চিত্র এক সাথে চালকের চোখে পড়ে। রিয়ার ভিউ মিরর চালককে অনেক রকম দূর্ঘটনা থেকে রক্ষা করতে পারে।
৪. ইদানিং শহরের রাস্তায় অনেক এটিএম বুথ চোখে পরে। এই বুথে গ্রাহকের সামনে দেয়ালে উত্তল দর্পণ লাগানো থাকে। এতে বুথ ব্যবহারকারী তার পেছনে কেউ আছে কিনা নিরীক্ষণ করতে পারেন । এটি একটি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা। এতে ডাকাত ছিনতাইকারীর থেকে সতর্ক থাকা যায় ।
৫. যে সব এলাকায় বা যায়গায় সহজে যাওয়া যায়না বা ঢোকা সম্ভব হয় না সেসব স্থান দেখা বা নিরীক্ষণের জন্য একটি সঠিক মাপের লাঠির সাথে একটি উত্তল দর্পণ এবং আলোর উৎস লাগিয়ে নেয়া হয়। গাড়ীর তলা পরীক্ষা করা জন্য পুলিশ চেক পোষ্ট বা গুরুত্বপূর্ণ ভবনে এর ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। গাড়ি মেরামতের কাজসহ বিভিন্ন কারিগরি কাজে এর ব্যবহার চোখে পড়ে ।
৬. রাস্তার আলো প্রতিফলক হিসাবে কোন কোন দেশে রাস্তায় বিশাল বিশাল সাইজের ধাতব উত্তল দর্পণ বসান হয়। এই দর্পণ বিস্তীর্ণ এলাকায় আলো ছড়িয়ে দিতে পারে।
৭. অনেক যায়গায় রাস্তার বাঁকে বিশাল সাইজের ধাতব উত্তল দর্পণ বসান হয়। এতে বাকের কারণে দূর থেকে থেকে আগত যেসব গাড়ি, যা বরাবর তাকিয়ে দৃষ্টি গোচর হওয়া সম্ভব নয় তা দেখা যায়। ফলে মারাত্মক সংঘর্ষ এড়ানো যায় ।

সূত্র: ২১৩ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৪৬.
ইলেকট্রনিক টিউবলাইটে সবুজ আলো সৃষ্টি করার জন্য কী গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) জেনন
  2. খ) হিলিয়াম
  3. গ) নিয়ন
  4. ঘ) আর্গন
সঠিক উত্তর:
ক) জেনন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জেনন
ব্যাখ্যা
জেননের ব্যবহার - ইলেকট্রনিক টিউবলাইটে সবুজ আলো সৃষ্টি করার জন্য জেনন ব্যবহার করা হয়৷
ফটোগ্রাফিক ফ্ল্যাশ টিউবে অতি উজ্জ্বল আলো সৃষ্টি করার জন্য জেনন গ্যাস ব্যবহার করা হয়৷
উৎসঃ রসায়ন এইচএসসি প্রোগ্রাম- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,৫৪৭.
VLSI-এর পূর্ণ রূপ কী?
  1. Variable Light System Integrated
  2. Very Low Scale Integrated
  3. Variable Large Scale Integrated
  4. Very Large Scale Integrated
সঠিক উত্তর:
Very Large Scale Integrated
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Very Large Scale Integrated
ব্যাখ্যা

- VLSI-এর পূর্ণ রূপ হল Very Large Scale Integrated Circuit.

সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (Integrated Circuits or IC): 
- ইলেকট্রনিকসের একটি শাখা হলো মাইক্রোইলেকট্রনিকস। 
- মাইক্রোইলেকট্রনিকস প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিকস বর্তনী তৈরি করা যায়। 
- এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক সার্কিট (microelecrtonic circuit) বা ইনট্রিগ্রেটেড সার্কিট (integrated circuit) বা সমন্বিত বর্তনী। 
- সমন্বিত বর্তনী বা আইসি-এর মধ্যে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রাংশ একত্রে মাইক্রো প্রযুক্তির সাহায্য তৈরি করা হয়, ফলে আলাদা আলাদা ট্রানজিস্টার, রোধ, ডায়োড ইত্যাদি পরস্পরের সাথে সংযোগ করে তৈরি করার দরকার হয় না। 
- সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমন্বিত বর্তনীকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন-
১। মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits), 
২। বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits) এবং 
৩। অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৪৮.
মিল্ক অফ লাইম (Milk of Lime)-এর রাসায়নিক সংকেত নিচের কোনটি?
  1. Ca(OH)2
  2. CH3COONa
  3. CH3COOH
  4. CuSO4.5H2O
সঠিক উত্তর:
Ca(OH)2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ca(OH)2
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন মৌলের রাসায়নিক সংকেত: 
- সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত - CH3COONa, 
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত- Ca(OH)2
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত- NaHCO3
- চুনাপাথরের  রাসায়নিক সংকেত- CaCO3
- ভিনেগারের  রাসায়নিক সংকেত- CH3COOH, 
- চুনের  রাসায়নিক সংকেত- CaO, 

- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত- CuSO4.5H2O, 
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত- ZnCO3
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত- [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O], 
- গ্লুবার লবণ এর রাসায়নিক সংকেত- Na2SO4.10H2O, 
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত- Na2CO3.10H2O, 
- ক্লোরোফর্ম এর রাসায়নিক সংকেত- CHCl3
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক সংকেত- Ca(OCl)Cl. 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১,৫৪৯.
দুটি লম্বালম্বি বলের পরিমাণ 40N এবং 9N, তাদের লব্ধি বলের পরিমাণ কত?
  1. 38 N
  2. 41 N
  3. 37 N
  4. 46 N
সঠিক উত্তর:
41 N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
41 N
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি লম্বালম্বি বলের পরিমাণ 40N এবং 9N, তাদের লব্ধি বলের পরিমাণ কত?

সমাধান:
দুটি লম্বালম্বি বলের পরিমাণ 40N এবং 9N
∴ তাদের লব্ধি বলের পরিমাণ = √(402 + 92)
= √(1600 + 81)
= √1681
= 41 N
১১,৫৫০.
কোন গ্যাসের আধিক্যের ফলে ইউরেনাস গ্রহকে নীলাভ সবুজ বর্ণ দেখায়?
  1. নাইট্রোজেন
  2. আর্গন
  3. মিথেন
  4. নিয়ন
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা
ইউরেনাসের বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগ অনেক শীতল। ইউরেনাসের নীলাভ সবুজ বর্ণ শীতল মিথেন গ্যাসের প্রভাবে হয়।
- তাই একে সবুজ গ্রহ বলে।
Source: NASA
১১,৫৫১.
রাতকানা রোগের প্রধান কারণ কী?
  1. ভিটামিন A-এর অভাব 
  2. ভিটামিন B-এর অভাব
  3. ভিটামিন C-এর অভাব
  4. ভিটামিন D-এর অভাব
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন A-এর অভাব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন A-এর অভাব 
ব্যাখ্যা

• রোগ: রাতকানা,
মূল কারণ: ভিটামিন ‘এ’-এর অভাব,
ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী: শিশু,
প্রতিরোধ: ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল।

• রাতকানা (Night Blindness):
- রাতকানা একটি রোগ, যেখানে স্বল্প আলোতে, বিশেষ করে রাতে, স্পষ্টভাবে দেখতে সমস্যা হয়।
- শিশুরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।
- দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে চোখ সম্পূর্ণরূপে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।

• কারণ ও ঝুঁকি:
- রাতকানা রোগ মূলত ভিটামিন ‘এ’-এর অভাবে হয়ে থাকে।
- অপুষ্টি ও অপর্যাপ্ত খাদ্যগ্রহণ এ রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

• প্রতিরোধ ও করণীয়:
- রাতকানা প্রতিরোধে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অত্যন্ত কার্যকর।
- আক্রান্ত শিশুদের সবুজ শাকসবজি ও রঙিন ফলমূল খাওয়ানো উচিত।
- আমাদের দেশে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন টিকা কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

১১,৫৫২.
মানুষের শরীরের রক্তনালীগুলো দেখবার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) আলট্রাসনোগ্রাফি
  2. খ) এমআরআই
  3. গ) সিটি স্ক্যান
  4. ঘ) এনজিওগ্রাফি
সঠিক উত্তর:
ঘ) এনজিওগ্রাফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এনজিওগ্রাফি
ব্যাখ্যা
- এনজিওগ্রাফি ব্যবহার করে মানবদেহের ভেতরের কোন অঙ্গকে বাইরে থেকে দেখা যায়। 
- এনজিওগ্রাফি মূলত ব্যবহার করা হয় এক্স-রে এর মাধ্যমে শরীরের রক্তনালীগুলো দেখবার জন্য। 
- সাধারণত এক্স-রে করে রক্তনালীগুলোর নিখুতভাবে দেখা যায়না। তাই রক্তনালীর ভেতর ভালভাবে পরিক্ষা করার জন্য এনজিওগ্রাফি করা হয়।
- সাধারণত রক্তনালীগুলো খুবই সরু হয়। এগুলো কেটে অপারেশন করা খুবই সময় স্বাপেক্ষ এবং একই সাথে কষ্টেরও বটে। 
- অপারেশনের ঝামেলা থেকে বাচার জন্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই এনজিওগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- এনজিওগ্রাফির মাধ্যমে কোনোরকম সার্জারি না করেই তাৎক্ষণিক ভাবে রক্তনালী ব্লকের চিকিৎসা করা সম্ভব। 
- যে প্রক্রিয়ায় এনজিওগ্রাম করার সময় ধমনির ব্লক মুক্ত করা হয় তাকে এনজিওপ্লাস্টি বলা হয়।

অপরদিকে, 
- আলট্রাসনোগ্রাফি মূলত স্ত্রীরোগ এবং প্রসূতিবিজ্ঞানে ব্যবহার করা হয়। 
- সিটি স্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা, ধমনী, ফুসফুস ইত্যাদির সম্পূর্ণ ছবি পাওয়া যায়। 
- MRI দিয়ে শরীরের ভেতরের নরম কোমল টিস্যুর পার্থক্য ভালো করে পর্যবেক্ষণ করা যায়। 

সূত্র- ৩৯৯ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫৫৩.
ধূমকেতু কী? 
  1. একটি চন্দ্র 
  2. একটি জ্যোতিষ্ক 
  3. একটি গ্রহ 
  4. একটি উপগ্রহ 
সঠিক উত্তর:
একটি জ্যোতিষ্ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি জ্যোতিষ্ক 
ব্যাখ্যা

ধূমকেতু (Comet): 
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। 
- ধূমকেতুর দুইটি অংশ রয়েছে। 
যেমন: মস্তক (Head) বা কেন্দ্র ও পুচ্ছ (Tail)। 
- কোনো কোনো ধূমকেতুর মস্তক বা কেন্দ্র গ্রহ অপেক্ষা বড় হয়ে থাকে। 
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ। 
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে। 
- হ্যালির ধূমকেতু (Hally's Comet) প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টিগোচরীভূত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৫৪.
থিওরি অব রিলেটিভিটির প্রণেতা কে?
  1. ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. খ) চার্লস ডারউইন
  3. গ) আইজ্যাক নিউটন
  4. ঘ) আন্দ্রে শাখারভ
সঠিক উত্তর:
ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
আইনস্টাইন থিওরি অব রিলেটিভিটির বা আপেক্ষিকতা তত্ত্বের প্রবক্তা ৷ ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রদান করেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই
১১,৫৫৫.
পলিথিন কোন বিক্রিয়ার মধ্যমে তৈরি হয়?
  1. সংযোজন
  2. ঘনীভবন
  3. পানিগ্রাহী
  4. সালফোনেশন
সঠিক উত্তর:
সংযোজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংযোজন
ব্যাখ্যা
• সংযোজন বিক্রিয়া:
- যে বিক্রিয়ায় দুই বা ততোধিক যৌগ বা মৌল যুক্ত হয়ে নতুন যৌগ উৎপন্ন করে সে বিক্রিয়াকে সংযোজন বিক্রিয়া বলা হয়। 

• সংযোজন পলিমার:
- যে পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় কোন ক্ষুদ্র অণুর অপসারণ ব্যাতিত মনোমার অণুসমূহ পরস্পর যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শিকল পলিমার গঠন করে এবং গঠিত পলিমারের আণবিক ভর মনোমারের আণবিক ভরের পূর্ণ গুণিতক হয় তাকে সংযোজন পলিমার বলে।
- সাধারণত দ্বিবন্ধন যুক্ত যৌগসমূহ যেমন অ্যালকিন, প্রতিস্থাপিত অ্যালকিন ও ভিনাইল যৌগসমূহে সংযোগ পলিমারকরণ (addition polymerization) ঘটে।

• পলিথিন:
- ১০০০-১২০০ বায়ু চাপে ইথিন গ্যাসকে তরলীকৃত করে সমান্য অক্সিজেনের উপস্থিতিতে ২০০০০ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে ইথিনের অসংখ্য অণু পরপর যুক্ত হয়ে যুত পলিমার পলিথিন গঠন করে।
- পলিথিন তৈরির এই প্রক্রিয়া টি সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে। 
- পলিথিন একটি সাদা অসচ্ছ ও শক্ত প্লাস্টিক পদার্থ।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী। 
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৫৬.
মহাবিশ্বের মৌলিক বলের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল বল কোনটি?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. সবল নিউক্লীয় বল
  3. দুর্বল নিউক্লীয় বল
  4. তড়িৎচুম্বকীয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা

মহাবিশ্বের মৌলিক বলের মধ্যে সবচেয়ে দুর্বল বলটি হলো মহাকর্ষ বল (Gravitational Force)।

প্রকৃতিতে মাত্র চার ধরনের মৌলিক বল আছে। যথা:
- মহাকর্ষ বল, তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল, দুর্বল নিউক্লীয় বল এবং সবল নিউক্লীয় বল।
১। মহাকর্ষ বল:
- এই সৃষ্টিজগতের সকলবস্তু তাদের ভরের কারণে একে অপরকে যে বল দিয়ে আকর্ষণ করে, সেটাই হচ্ছে মহাকর্ষ বল।
- এই বলের কারণে গ্যালাক্সির ভেতরে নক্ষত্ররা ঘুরপাক খায় কিংবা সূর্যকে ঘিরে পৃথিবী ঘোরে, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদ ঘোরে।
- পৃথিবীর মহাকর্ষ বল যখন আমাদের ওপর কাজ করে, তখন তাকে মধ্যাকর্ষণ বল বলে।
এই মধ্যাকর্ষণ বল আমাদেরকে নিচের দিকে (পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে) টেনে রেখেছে এবং এর কারণেই আমরা নিজেদের ওজনের অনুভূতি পাই।
- ভর আছে সেরকম যেকোন বস্তু অন্য বস্তুকে মহাকর্ষ বল দিয়ে আকর্ষণ করে।

২. তড়িৎ চৌম্বক বা বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল:
- দুটি আহিত কণা তাদের আধানের কারণে একে অপরের ওপর যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল প্রয়োগ করে তাকে তড়িৎ চৌম্বক বল বলে।

৩। দুর্বল নিউক্লীয় বল:
- দুর্বল নিউক্লীয় বল মহাবিশ্বের চারটি মৌলিক বলের মধ্যে দ্বিতীয় দুর্বলতম বল, যা মহাকর্ষ বলের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী কিন্তু সবল নিউক্লীয় ও তড়িৎচুম্বকীয় বলের চেয়ে দুর্বল।
- মহাকর্ষ এবং তড়িৎ চৌম্বক বল যেকোন দূরত্ব থেকে কাজ করতে পারে কিন্তু এই দুর্বল নিউক্লীয় বল খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৮ m) কাজ করে।

৪। সবল নিউক্লীয় বল:
- সবল নিউক্লীয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল, তড়িৎ চৌম্বকীয় বল থেকেও ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালি কিন্তু এটাও খুবই অল্প দূরত্বে (১০- ১৫ m) কাজ করে।
- সূর্য থকে প্রাপ্ত আলো ও তাপ এই বল দিয়ে তৈরি হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৫৫৭.
একটি সাধারণ ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য মাত্র -
  1. ২.৫V
  2. ১.০V
  3. ১.৫V
  4. ২.০V
সঠিক উত্তর:
১.৫V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৫V
ব্যাখ্যা
ব্যাটারি: 
- ব্যাটারি বলতে একাধিক কোষের (Cell) সমন্বয়কে বুঝানো হয়। একটি তড়িৎ ব্যাটারি বলে উল্লেখ করলেও প্রকৃতপক্ষে ব্যাটারি হলো একাধিক তড়িৎ কোষের সমন্বয়। ব্যাটারি সেলে ব্যবহারের জন্য তড়িৎ শক্তি জমা থাকে। 
- ব্যাটারিতে সাধারণত তিনটি অংশ থাকে। 
যেমন- অ্যানোড, ক্যাথোড এবং মাঝখানে থাকে ইলেকট্রোলাইট। 

- ব্যাটারি সেলের বিভব পার্থক্য সবসময় সমান থাকে বলে এগুলোকে ডিসি সাপ্লাই বলা হয়।
- আমাদের বাসায় যে বৈদ্যুতিক সাপ্লাই দেওয়া হয়, সেগুলো প্রতি সেকেন্ডে ৫০বার ধনাত্মক থেকে ঋণাত্মক বিভবে পরিবর্তিত হয় বলে সেগুলোকে এসি (Alternating Current) বলা হয়। 
- একটি সাধারন ব্যাটারি সেলে বিভব পার্থক্য মাত্র ১.৫V । সেই তুলনায় আমাদের বাসার বিদ্যুৎ সাপ্লাই ২২০V । 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ ৫০V থেকে বেশি হলে আমরা সেটি অনুভব করতে পারি। আবার ২২০V সাপ্লাই থেকে অনেক বড় ইলেকট্রিক শক খাওয়া সম্ভব এবং এই ইলেকট্রিক শকের কারণে শরীরের ভেতর দিয়ে যথেষ্ট বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় বলে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১১,৫৫৮.
কোন বিজ্ঞানী রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন?
  1. ডারউইন
  2. লুই পাস্তুর
  3. প্রিস্টলী
  4. ল্যাভয়সিয়ে
সঠিক উত্তর:
লুই পাস্তুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লুই পাস্তুর
ব্যাখ্যা
- বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন। 
- তিনি ছিলেন ফ্রেঞ্চ রসায়নবিদ এবং অণুজীববিজ্ঞানী। 
- ১৮৮৫ সালে লুই পাস্তুর জলাতঙ্কের টিকা আবিষ্কার করেন এবং টিকাজগতে বিপ্লব ঘটান। 
- এছাড়াও তিনি মুরগির কলেরা, গবাদি পশুর অ্যানথ্রাক্স, পাস্তুরাইজেশন পদ্ধতি প্রভৃতি উদ্ভাবন করেন। 

উৎস: ব্রিটনিকা।
১১,৫৫৯.
লিউকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার হয়-
  1. ক) লোহিত রক্তকণিকা বেড়ে গেলে
  2. খ) অণুচক্রিকা কমে গেলে
  3. গ) শ্বেত রক্তকণিকা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে
  4. ঘ) শ্বেত রক্তকণিকা কমে গেলে
সঠিক উত্তর:
গ) শ্বেত রক্তকণিকা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শ্বেত রক্তকণিকা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে
ব্যাখ্যা
নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিকোমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি৷
১১,৫৬০.
আন্তর্জাতিকভাবে রসায়নবিদদের অনুমোদিত সবুজ রসায়ন নীতি কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
সবুজ রসায়ন: 
- ১৯৯১ সালে Paul Anastas সর্বপ্রথম গ্রিন কেমিস্ট্রি ধারণার অবতারণা করেন। 
- সবুজ রসায়নে (Green Chemistry) মূলত পরিবেশবান্ধব যৌগ ও তার উৎপাদন কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়। 
- এটি মূলত রাসায়নিক গবেষণা ও প্রকৌশলের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর যৌগের ব্যবহার ও উৎপাদন নিরুৎসাহিত করে। 
- পরিবেশের উপর রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত বিক্রিয়ক ও উৎপন্ন উৎপাদের ক্ষতিকর প্রভাব হ্রাসকল্পে সবুজ রসায়নের অধ্যয়ন ও অনুশীলন আবশ্যক। 
- পল এনাসথাস এবং পরবর্তীতে United States Environment Protection Agency ও John C. Warner সবুজ রসায়নের ১২টি নীতি প্রণয়ন করেন। 
- নিচে এসব নীতিমালা আলোচনা করা হলো - 
১। প্রতিরোধ, 
২। পরমাণু অর্থনীতির সর্বোচ্চকরণ, 
৩। নিরাপদ উৎপাদ, 
৪। উৎপাদের বিষক্রিয়া হ্রাস, 
৫। নিরাপদ দ্রাবক ও সহায়ক পদার্থ, 
৬। শক্তির কর্মদক্ষতার পরিকল্পনা, 
৭। নিরাপদ কাঁচামাল ব্যবহার, 
৮। প্রভাবকীয় বিক্রিয়ক ব্যবহার, 
৯। ক্ষুদ্রাংশকরণ পরিকল্পনা, 
১০। বিক্রিয়ায় সময় অপ্রয়োজনীয় জাতক সৃষ্টি রোধ, 
১১। যথাসময়ে দূষণ এবং 
১২। দুর্ঘটনা প্রতিরোধ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
১১,৫৬১.
​ট্রান্সফরমার কী? 
  1. একটি যন্ত্র যা তড়িৎ প্রবাহকে বৃদ্ধি করে 
  2. একটি যন্ত্র যা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে 
  3. একটি যন্ত্র যা তড়িৎ শক্তি সংরক্ষণ করে 
  4. একটি তড়িৎ যন্ত্র যা বিভব রূপান্তর করে 
সঠিক উত্তর:
একটি তড়িৎ যন্ত্র যা বিভব রূপান্তর করে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি তড়িৎ যন্ত্র যা বিভব রূপান্তর করে 
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার: 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। 
- ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৬২.
টিউবলাইটে সাধারণত কোন গ্যাস ব্যবহার করা হয়?
  1. অক্সিজেন
  2. আর্গন
  3. রেডন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্গন
ব্যাখ্যা

• টিউবলাইটের ভেতরে খুব কম চাপে নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিসেবে আর্গন এবং সামান্য পারদ বাষ্প ব্যবহার করা হয়।

• আর্গনের ব্যবহার:
১. বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টকে জারণ থেকে রক্ষা করার জন্য গ্যাসভর্তি বাল্বে আর্গন ব্যবহার করা হয়। সাধারণ টিউব লাইটগুলিতে আর্গন এবং মারকারি (পারদ) বাষ্পের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়।
২. রসায়ন গবেষণাগারে যেখানে অতি নিষ্ক্রিয় আবহাওয়ার প্রয়োজন হয় সেখানে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
৩. ঝালাই এর কাজে যেখানে নিষ্ক্রিয় আবহাওয়া প্রয়োজন হয় সেখানে অক্সিজেনের সাথে আর্গন ব্যবহার করা হয়। আজকাল এ্যালুমিনিয়াম এবং মরিচাবিহীন স্টীলের ঝালাই এর কাজে প্রচুর পরিমাণে আর্গন ব্যবহার করা হচ্ছে।
৪. তেজষ্ক্রিয়তা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।।
৫. বিভিন্ন ধাতু যেমন অ্যালুমিনিয়াম বা স্টেইনলেস স্টিল জোড়া দেওয়ার সময় (TIG Welding) বাতাস থেকে অক্সিজেন সরিয়ে দিয়ে পরিষ্কার ঢালাই নিশ্চিত করতে আর্গন শিল্ডিং গ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৬. রেডিওকার্বন ডেটিং: ভূতাত্ত্বিক গবেষণায় পটাশিয়াম-আর্গন ডেটিং পদ্ধতিতে শিলা বা খনিজের বয়স নির্ণয় করা হয়।

উৎস: রসায়ন বই, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।

১১,৫৬৩.
তরঙ্গস্থিত কোনো কণা একটি পূর্ণ কম্পন সম্পন্ন করতে যে সময় নেয়, তাকে ঐ তরঙ্গের কী বলে?
  1. স্পন্দন
  2. পর্যায়কাল 
  3. কম্পাঙ্ক
  4. দশা
সঠিক উত্তর:
পর্যায়কাল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্যায়কাল 
ব্যাখ্যা

• পর্যায়কাল (Time period):
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার একটি পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায় কাল বলে।
- পর্যায়কালকে T' দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- পর্যায়কালের একক সেকেন্ড (s)।

• পূর্ণ কম্পন বা স্পন্দন (Complete Vibration):
- তরঙ্গ সৃষ্টিকারী কণা কোন বিন্দু থেকে যাত্রা শুরু করে একই দিক থেকে পুনরায় ঐ বিন্দুতে ফিরে এলে তাকে একটি পূর্ণ স্পন্দন বলে।

• কম্পাঙ্ক (Frequency):
- তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো পূর্ণ স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ঐ কণার বা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে।
- কম্পাঙ্ককে সাধারণত f দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- কম্পাঙ্কের একক হার্জ, সংক্ষেপে লেখা হয় Hz।

• দশা (Phase):
- তরঙ্গ সঞ্চারকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তের গতির সম্যক অবস্থাকে তার দশা বলে।
- কোনো একটি মুহূর্তের গতির অবস্থা বলতে ঐ বিশেষ মুহূর্তে কণাটির সরণ, বেগ, ত্বরণ ইত্যাদি বুঝায়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৬৪.
কোন বিজ্ঞানীর মতে 'পরিবেশের প্রভাবের ফলেই বিবর্তন সংঘটিত হতে পারে'? 
  1. ডারউইন
  2. ল্যামার্ক
  3. ভাইসম্যান
  4. জেনোফেন
সঠিক উত্তর:
ল্যামার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যামার্ক
ব্যাখ্যা
ল্যামার্কিজম (Lamarckism): 
- ফরাসী প্রকৃতি বিজ্ঞানী Jcan Baptist Lamarck (১৭৪৪-১৮২৯), ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে ফিলোসফিক জুলজিক (Philosophic Zoologique) গ্রন্থে অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশগতি (theory of inheritance of acquired character) নামক বিবর্তন সম্পর্কীত মতবাদ প্রকাশ করেন। 
- ল্যামার্কের মতবাদের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো, পরিবেশের প্রভাবের ফলেই বিবর্তন সংঘটিত হতে পারে। 
- পরিবেশের প্রভাবে জীবের দৈহিক গঠনের পরিবর্তন হয়। 
- তাঁর মতে বিবর্তন কতিপয় রীতি-নীতি মেনে চলে। এই রীতি-নীতিগুলোই বিবর্তনের ক্রম ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে। 
- ল্যামার্ক তাঁর বিবর্তন তত্ত্বেও এ রীতি-নীতিগুলোই ব্যাখ্যা করেছেন। 
- আধুনিক বিজ্ঞানীদের মধ্যে Dodson, 1960 ল্যামার্কের একজন বিশিষ্ট সমর্থক। 
- Dodson ল্যামার্কবাদকে চারটি সূত্রে ব্যাখ্যা করেছেন যা ল্যামার্কীয় সুত্র বলেও পরিচিত। 
সূত্র ১. জীবদেহ এবং দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আকারে ক্রমবর্ধিত হওয়ার একটি লক্ষণ সর্বদাই পরিলক্ষিত হয়। 
সূত্র ২. জীবন ধারণের প্রয়োজনে কোন নতুন চাহিদা এবং এ চাহিদার ফলে জীবন অভ্যাসের যে পরিবর্তন হয় তার ফলেই নতুন প্রত্যঙ্গের উৎপত্তি হয়। 
সূত্র ৩. কোন একটি অঙ্গ প্রতিনিয়ত ব্যবহৃত হলে তা উন্নত এবং সুগঠিত হয়, কিন্তু ব্যবহৃত না হলে ক্রমান্বয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হতে হতে অবশেষে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এ সুত্রটি ব্যবহার ও অব্যবহারের সূত্র নামে পরিচিত। 
সূত্র ৪. কোন একটি জীবের দেহে উন্নতি বা ক্ষয়প্রাপ্তির মাধ্যমে যে সকল পরিবর্তন সাধিত হয় তা অর্জিত বৈশিষ্ট্যরূপে অঙ্গীভূত হয় এবং পরবর্তী প্রজন্মে (Generation) সঞ্চারিত ও বিকশিত হয়। এ সূত্রটি অর্জিত বৈশিষ্ট্য সঞ্চারণের সূত্র (Law of inhertance of acquired character) নামে অভিহিত। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৬৫.
পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় বৃহৎ অণুকে কী বলা হয়? 
  1. মনোমার অণু 
  2. পলিমার অণু
  3. আয়নিক যৌগ 
  4. মৌলিক অণু 
সঠিক উত্তর:
পলিমার অণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলিমার অণু
ব্যাখ্যা

পলিমারকরণ (Polymerization) বিক্রিয়া: 
- প্রভাবক, উচ্চ চাপ ও তাপের প্রভাবে যখন এক বা একাধিক যৌগের অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটি বৃহদাকার অণু তৈরি করে তখন তাকে পলিমারকরণ বিক্রিয়া বলে। 
- এক্ষেত্রে বৃহদাকার অণুটিকে পলিমার অণু এবং ক্ষুদ্র অণুটিকে মনোমার অণু বলা হয়। 
- যে বিক্রিয়ায় অসংখ্য মনোমার থেকে পলিমার উৎপন্ন হয় তাকে পলিমারকরণ বিক্রিয়া বলে। 
- 1200 atm চাপে 200 °C তাপমাত্রায় ও O2 প্রভাবকের উপস্থিতিতে ইথিলিনের অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু যুক্ত হয়ে বৃহৎ পলিমার অণু পলিথিন উৎপন্ন করে, এ বিক্রিয়া হচ্ছে ইথিলিনের পলিমারকরণ বিক্রিয়া। 
এখানে, ইথিলিন মনোমার এবং পলিথিন পলিমার অণু হিসেবে বিবেচিত। যেখানে, n দ্বারা ইথিলিনের অসংখ্য অণুর সংখ্যা বোঝায়। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৫৬৬.
যকৃত কোন ভিটামিন সঞ্চয় করতে পারে না?
  1. ভিটামিন এ
  2. ভিটামিন ডি
  3. ভিটামিন সি
  4. ভিটামিন কে
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন সি
ব্যাখ্যা
- যকৃতের ভিটামিন সি সঞ্চয় করা সম্ভব নয়, কারণ ভিটামিন সি (আসকর্বিক অ্যাসিড) একটি জলে-দ্রবণীয় ভিটামিন, যা শরীরের মাধ্যমে সহজে ফেলে দেওয়া হয়। 

যকৃত: 

- দেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি হলো যকৃত। 
- যকৃত পেটের উপরিভাগে ডানদিকে অবস্থিত। 
- প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের শরীরে যকৃতের ওজন প্রায় ১.৫-২.০ কেজি। 
- যকৃত থেকে পিত্তরস নামক এক প্রকার রস নিঃসৃত হয়ে যকৃতনালীর মধ্যে দিয়ে ধীরে ধীরে এসে পিত্তথলিতে জমা হয়। 
- পিত্তনালীর মাধ্যমে পিত্তরস যকৃত থেকে ডিওডেনামে আসে। 
- যকৃতকে শরীরের জৈব রসায়নাগার বলে। 

- যকৃত অতিরিক্ত গ্লুকোজ ও গ্লাইকোজেনকে চর্বিরূপে জমা রাখে। 
- যকৃত অতিরিক্ত এমাইনো এসিডকে ইউরিয়ায় পরিণত করে। 
- যকৃত ভিটামিন এ, ডি, ই, কে ও ফলিক এসিড সঞ্চয় করে। 
- যকৃতের হেপাটোসাইট কোষ অনবরত পিত্তরস তৈরি করে পিত্তথলিতে জমা করে। 
- যকৃত কোলেস্টেরল উৎপাদন করে। 
- যকৃত দেহ থেকে বিভিন্ন রোগজীবাণু অপসারিত করে। 
- এছাড়াও যকৃত চর্বি ও কোলেস্টেরল পরিপাক ও শোষণে সহায়তা করে। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৬৭.
নিম্নলিখিত কোনটি ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট?
  1. Zn
  2. N
  3. Cu
  4. Mo
সঠিক উত্তর:
N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
N
ব্যাখ্যা

নাইট্রোজেন (N) একটি ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট। 

(a) ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান (macro-nutrient বা macro-element):
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়। ম্যাক্রো উপাদান 9 টি, যথা: নাইট্রোজেন (N), পটাশিয়াম (K), ফসফরাস (P), ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), সালফার (S)।

(b) মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান (micro-nutrient বা micro-element):
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে প্রয়োজন হয় তাদেরকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট 7 টি, যথা: দস্তা বা জিংক (Zn), ম্যাংগানিজ (Mn), মোলিবডেনাম (Mo), বোরন (B), তামা বা কপার (Cu), ক্লোরিন (Cl) এবং লৌহ (Fe)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৫৬৮.
কোনটি তাপ ইঞ্জিনের বিপরীতমুখী হয়ে কাজ করে?
  1. বাষ্পীয় ইঞ্জিন
  2. রেফ্রিজারেটর
  3. পেট্রোল ইঞ্জিন
  4. ডিজেল ইঞ্জিন
সঠিক উত্তর:
রেফ্রিজারেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেফ্রিজারেটর
ব্যাখ্যা
• বাসাবাড়ির রেফ্রিজারেটর তাপ ইঞ্জিনের ঠিক বিপরীতে কাজ করে।

• তাপীয় ইঞ্জিন:

- যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। যথা:
১. বাষ্পীয় ইঞ্জিন,
২. পেট্রোল ইঞ্জিন,
৩. ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি।
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে।
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে।
- তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে।
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে।
- অর্থাৎ, ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে।
- ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে।
- বাসাবাড়ির রেফ্রিজারেটর তাপীয় পাম্পের একটি উদাহরণ যা আসলে একটি তাপ ইঞ্জিনের ঠিক বিপরীত।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৬৯.
আমিষের গঠন একক কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন
  2. অ্যামাইনো অ্যাসিড
  3. কার্বন
  4. ম্যালিক এসিড
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

আমিষ বা প্রোটিন:
- আমিষ বা প্রোটিনের গঠন উপাদান হলো- কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H₂), অক্সিজেন (০₂) এবং নাইট্রোজেন (N₂)।
- আমিষে ১৬% নাইট্রোজেন থাকে।
- কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন মৌল সমন্বয়ে আমিষ বা প্রোটিনের গঠন একক অ্যামাইনো অ্যাসিড তৈরি হয়।
- একাধিক অ্যামাইনো অ্যাসিড মিলিত হয়ে পলিপেপটাইড ও পরিশেষে প্রোটিন গঠিত হয়।
- প্রোটিন গঠনকারী অ্যামাইনো অ্যাসিডের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনো অ্যাসিড মানবদেহের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
- উৎস অনুসারে আমিষ দুই প্রকার-
• প্রাণিজ আমিষ।
• উদ্ভিজ্জ আমিষ।

⇒ আমিষের কাজ:
• দেহ কোষ ও পেশি গঠন।
• ক্ষয়পূরণ।
• দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি।
• দেহকে এডিমা (শরীরে পানি জমা) হতে রক্ষা করা।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৭০.
রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক পরিমাণ কোনটি?
  1. ৫০-১০০ mg/dl
  2. ১০০-২০০ mg/dl
  3. ১৫০-২৫০ mg/dl
  4. ২৫০-৩৫০ mg/dl
সঠিক উত্তর:
১০০-২০০ mg/dl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০-২০০ mg/dl
ব্যাখ্যা
কোলেস্টেরল: 
- কোলেস্টেরল এক বিশেষ ধরনের জটিল স্নেহ পদার্থ বা লিপিড এবং স্টেরয়েড -এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। 
- মানুষের প্রায় প্রত্যেক কোষ এবং টিস্যুতে কোলেস্টেরল থাকে। 
- যকৃৎ এবং মগজে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- কোলেস্টেরল অন্যান্য স্নেহ পদার্থের সাথে মিশে রক্তে স্নেহের বাহক হিসেবে কাজ করে। 
- স্নেহ এবং প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে। 
- স্নেহের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে লাইপোপ্রোটিন দুই রকম। যথা- 
১। উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (High Density Lipoprotein-HDL) এবং 
২। নিম্ন ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (Low Density Lipoprotein-LDL)। 

- রক্তের LDL-এর পরিমাণের বৃদ্ধির সাথে কোলেস্টেরলের আধিক্যের সম্পর্ক আছে। 
- রক্তে LDL-এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 
- রক্তে HDL -এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য উপকারী। 
- রক্তে কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক পরিমাণ ১০০-২০০ mg/dl. 
- রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ায়। 
- হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে। 
- মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 
-  রক্তে কোলেস্টেরল বেড়ে গেলে LDL-এর পরিমাণ বেড়ে যায় আর HDL-এর পরিমাণ কমে যায়। 
- LDL-এর পরিমাণ ১৫০ mg/dl থেকে বেশি হলে তাকে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫৭১.
একটি আদর্শ ফুলের কয়টি অংশ থাকে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
ফুল:
- ফুল উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদের একটি যৌন প্রজনন অঙ্গ।
- উদ্ভিদের বংশ রক্ষা ও বংশবিস্তারে সাহায্যকারী ফল ও বীজ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে পুষ্প বা ফুল বলা হয়।
- যে ফুলে পাঁচটি অংশ উপস্থিত থাকে তাকে সম্পূর্ণ ফুল বলা হয়।
- এর যে কোনো একটি অংশ না থাকলে সে ফুলকে অসম্পূর্ণ ফুল বলা হয়।
- এটি আবৃতবীজী উদ্ভিদে জননাঙ্গ ধারণ করে।
- একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে। যথা-
• পুষ্পাক্ষ,
• বৃতি,
• দলমন্ডল,
• পুংস্তবক,
• স্ত্রীস্তবক।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৭২.
পানির ঘনত্ব ও তাপমাত্রার সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিচের কোন বিবরণটি সঠিক?
  1. বরফ (০° C) সর্বাধিক ঘন, পানি সব সময় তাপমাত্রা বাড়লে সংকুচিত হয়
  2. পানি ৪° C-এ সর্বাধিক ঘন হয়, বরফের চেয়ে বেশি ঘন
  3. পানি ১০০° C-এ সর্বাধিক ঘন, কারণ এটি বাষ্পে রূপান্তরিত হতে থাকে
  4. পানি ২৫° C-এ সর্বাধিক ঘন হয়, কারণ কক্ষ তাপমাত্রায় অণু স্থিতিশীল
সঠিক উত্তর:
পানি ৪° C-এ সর্বাধিক ঘন হয়, বরফের চেয়ে বেশি ঘন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি ৪° C-এ সর্বাধিক ঘন হয়, বরফের চেয়ে বেশি ঘন
ব্যাখ্যা

• পানির ঘনত্বের পরিবর্তন (Density Anomaly of Water):
- পানি একটি বিশেষ ধরনের পদার্থ, যার ঘনত্ব তাপমাত্রার সাথে অস্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত হয়। 
- সাধারণত পদার্থ তাপমাত্রা বাড়লে প্রসারিত হয় এবং ঠান্ডা হলে সংকুচিত হয়।
- পানির ক্ষেত্রে ০° C থেকে ৪° C পর্যন্ত তাপমাত্রা বাড়লে ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়।

- পানি অণুগুলির মধ্যে থাকা হাইড্রোজেন বন্ধন এর কারণে এই অস্বাভাবিক আচরণ দেখা যায়।
- ০° C-এ পানি বরফে পরিণত হয়, যেখানে অণুগুলি খোলামেলা ক্রিস্টাল কাঠামো তৈরি করে। এজন্য বরফের ঘনত্ব পানির তুলনায় কম হয় এবং বরফ পানির ওপর ভেসে থাকে।

- পানির এই density anomaly নদী, হ্রদ ও অন্যান্য জলাধারে জীবজন্তুর টিকে থাকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ঠান্ডা পরিবেশেও পানির নিচে উষ্ণ স্তর বজায় রাখতে সাহায্য করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান , নবম-দশম শ্রেণি

১১,৫৭৩.
হিগস বোসন কণার অস্তিত্ব কত সালে ধরা পড়ে?
  1. ২০০০
  2. ২০১৩
  3. ২০১৫
  4. ২০২০
সঠিক উত্তর:
২০১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩
ব্যাখ্যা
• হিগস বোসন কণা:
- হিগস বোসন (Higgs boson) একটি মৌলিক কণা যা কণা পদার্থবিজ্ঞানের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 

• ১৯৬৪ সালে পিটার হিগস এবং তাঁর পাঁচ সহযোগী মিলে সর্বপ্রথম এ কণা সম্পর্কিত তত্ত্ব প্রদান করেন।
- এটি কণা পদার্থবিদ্যার স্ট্যান্ডার্ড মডেলে (Standard Model) উল্লেখিত ১৭টি মৌলিক কণার একটি।
- সুইজারল্যান্ডের সার্ন (European Organization for Nuclear Research, CERN) এর লার্জ হ্যাডরন কোলাইডার (Large Hadron Collider) বা LHC যন্ত্রে ২০১৩ সালে এ কণার অস্তিত্ব ধরা পড়ে। 
- বছরই পিটার হিগস (Peter Higgs) ও ফ্রানকোসিস এঙ্গলার্ট (Francosis Englert) এ কাজের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওন লেডারম্যান (Leon Lederman) ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা বা God particle নামে অভিহিত করেন।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
১১,৫৭৪.
আরশোলা কোন পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণী? 
  1. ক) Annelida
  2. খ) Arthropoda
  3. গ) Mollusca
  4. ঘ) Platyhelminthes
সঠিক উত্তর:
খ) Arthropoda
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Arthropoda
ব্যাখ্যা

আরশোলা Arthropoda পর্বের প্রাণী।
আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. কাইটিন নির্মিত বহিঃকঙ্কাল দিয়ে দেহ আবৃত এবং সম্পূর্ণ জীবনকালে পুরানো বহিঃকঙ্কালটি একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর পরিত্যক্ত হয় এবং পর্যায়ক্রমে নতুন বহিঃকঙ্কাল গঠিত হয়।
২. বাহ্যিকভাবে খণ্ডায়িত দেহের প্রতি খণ্ডকে পার্শ্বীয় সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ (Jointed appendages) বর্তমান।
৩. হিমোসিল (Haemocoel) নামক প্রকৃত সিলোম উপস্থিত যা রক্ত তথা দেহ তরলে (Body fluid) পূর্ণ।
৪. মস্তকের উভয় পাশে একটি করে মোট দুটি পুঞ্জাক্ষি (Compound eye) বর্তমান।
৫. এদের রেচন অঙ্গ হচ্ছে সবুজ গ্রন্থি (Green glands) অথবা মালপিজিয়ান নালিকা (Malpighian tubules)।
৬. শ্বসন চলে দেহপ্রাচীর (Body surface), ফুলকা (Gills), ট্রাকিয়া (Tracheae) অথবা গ্রন্থ-ফুসফুস (Book-lungs) এর মাধ্যমে।
৭. সাধারণত একলিঙ্গ (Dioecious)। এদের নালীযুক্ত প্রজনন অঙ্গ বর্তমান। অনেকে পার্থেনোজেনেসিস (Parthenogenesis) প্রক্রিয়ায় বংশ বিস্তার করে থাকে।
৮. নিষেক সাধারণত অভ্যন্তরীণ, পরিস্ফুটন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ, পরোক্ষ পরিস্ফুটনের ক্ষেত্রে এক বা একাধিক লার্ভা দশা দেখতে পাওয়া যায়।

সূত্র: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১১,৫৭৫.
এক আলোকবর্ষ = কত কিলোমিটার?
  1. 3.0857 × 1013 km
  2. 9.468 × 1012 km
  3. 1495 × 108 km
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
9.468 × 1012 km
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9.468 × 1012 km
ব্যাখ্যা
- আলো একবছর সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোকবর্ষ বলে।
- এটি দূরত্বের একক।
- এক আলোকবর্ষ = 9.4607 × 1015 m = 9.468 × 1012 km.
- সূর্য ও পৃথিবীর 
- এক অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট = 1495 × 108 km.
- এক পারসেক = 3.0857 × 1013 km.
- এক পারসেক বলতে বোঝায় ১ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল দৈর্ঘ্যের চাপ যে দূরত্বে এক সেকেন্ড কোণ উৎপন্ন করে।

উৎস:
১. পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. Live MCQ লেকচার শীট।
১১,৫৭৬.
বক্সাইট খনিজ থেকে কোন ধাতু উত্তোলন করা যায়? 
  1. লেড 
  2. জিংক
  3. আয়রন 
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

খনিজ (Minerals): 
- মাটির উপরিভাগে বা মাটির তলদেশে যেসকল পদার্থ থেকে প্রয়োজনীয় দ্রবাদি যেমন-বিভিন্ন প্রকার ধাতু বা অধাতু ইত্যাদি সংগ্রহ করা হয় তাদেরকে খনিজ বলা হয়। 
- যে অঞ্চল থেকে খনিজ উত্তোলন করা হয় তাকে খনি বলে। 

আকরিক: 
- যে সকল খনিজ থেকে লাভজনকভাবে ধাতু বা অধাতুকে সংগ্রহ বা নিষ্কাশন করা য়ায সে সকল খনিজকে আকরিক বলে। 
যেমন- 
• গ্যালেনা থেকে লাভজনকভাবে লেড ধাতু নিষ্কাশন করা যায়, তাই গ্যালেনাকে লেড ধাতুর আকরিক বা লেড ধাতুর খনিজ বলা হয়। 
বক্সাইট থেকে লাভজনকভাবে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা যায়, অতএব বক্সাইটকে অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক বা খনিজ বলা হয়। কাদামাটি থেকে লাভজনকভাবে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু নিষ্কাশন করা যায় না, সেজন্য কাদামাটি শুধু অ্যালুমিনিয়ামের খনিজ কিন্তু আকরিক নয়। 
• আয়রনের সালফাইডকে আয়রন পাইরাইটস বলা হয়, আয়রন পাইরাইটস থেকে আয়রন ধাতু নিষ্কাশন করা যায়। 
অতএব, আকরিক অবশ্যই খনিজ হবে কিন্তু খনিজ হলে সেটা আকরিক নাও হতে পারে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৫৭৭.
ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য দায়ী কোনটি? 
  1. ইথার
  2. এস্টার
  3. গ্লুকোজ
  4. অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
এস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস্টার
ব্যাখ্যা
এস্টার: 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের -OH অংশকে অ্যালকক্সি বা অ্যারাইলক্সি দ্বারা প্রতিস্থাপিত করে যে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে এস্টার বলে। 
- এস্টারের কার্যকরী মূলক -CO-O-R । 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সুগন্ধি। 
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফল সুগন্ধি হয়ে থাকে। 
- সংশ্লেষিত এস্টার দিয়ে ফলের সুগন্ধি তৈরি করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৭৮.
লাউড স্পীকারে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. ক) তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে।
  3. গ) বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে
  4. ঘ) শব্দ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে
সঠিক উত্তর:
ক) তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে।
ব্যাখ্যা
লাউড স্পিকারে তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

- লাউড স্পিকার তড়িৎ সংকেতকে শব্দে পরিবর্তিত করে।
- লাউড স্পিকারের শব্দ হলো মাইক্রোফোনের সাহায্যে তড়িৎ সংকেতে রুপান্তরিত শব্দের অনুরূপ শব্দ।
- তড়িৎ শক্তি বলতে কোনো তড়িৎ উৎসের কাজ করার সামর্থ্যকে বোঝায়।  

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।  
১১,৫৭৯.
প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনির মধ্যে ন্যূনতম সময় ব্যবধান কত হতে হবে? 
  1. 0.1 সেকেন্ড 
  2. 0.01 সেকেন্ড
  3. 0.05 সেকেন্ড 
  4. 1.00 সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
0.1 সেকেন্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.1 সেকেন্ড 
ব্যাখ্যা

- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনির মধ্যে ন্যূনতম সময় ব্যবধান 0.1 সেকেন্ড হতে হবে, কারণ মানুষের কান দুটি শব্দকে আলাদাভাবে বোঝার জন্য কমপক্ষে এই সময়টুকু প্রয়োজন হয়; এর কম হলে শব্দ দুটি মিশে যাবে এবং প্রতিধ্বনি শোনা যাবে না। 

শব্দ: 

- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 
- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1। 
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3 m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৮০.
উদ্ভিদে প্রধানত কোথায় সালোকসংশ্লেষণ ঘটে?
  1. মূল 
  2. কাণ্ড 
  3. পাতা 
  4. ফুল 
সঠিক উত্তর:
পাতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাতা 
ব্যাখ্যা

উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণে উৎপাদিত পদার্থ: 
- উদ্ভিদ অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় মূলের সাহায্যে পানি শোষণ করে। 
- এ পানি জাইলেম ভেসেলের মাধ্যমে উদ্ভিদের মূল থেকে পাতায় পৌঁছে। 
- পাতা উক্ত পানি এবং বায়ুর কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সহায়তায় শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। 
- নিম্নস্তরের সবুজ উদ্ভিদের প্রায় সকল কোষেই খাদ্য তৈরি হয়। কিন্তু উচ্চস্তরের উদ্ভিদে কেবলমাত্র সবুজ অংশ এবং পাতায় সালোকসংশ্লেষণ ঘটে। 
- পাতায় সংশ্লেষিত খাদ্য উদ্ভিদের বিভিন্ন অঙ্গে প্রয়োজন অনুযায়ী পৌঁছানোর প্রক্রিয়াকে বলা হয় খাদ্য পরিবহন। 
- উদ্ভিদ পাতা থেকে বিভিন্ন স্থানে যে খাদ্য পরিবহন করে তা দ্রবীভূত তরল অবস্থায় থাকে বলে একে খাদ্যরস বলা হয়। 
- এ খাদ্যরস বিভিন্ন স্থানে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহারের পর উদ্ভিদ অতিরিক্ত খাদ্যরসকে অদ্রবণীয় অবস্থায় রূপান্তরিত করে এবং সংরক্ষণ করে। 
- পাতার মেসোফিল টিস্যুতে খাদ্য তৈরি হয়, খাদ্য তৈরির পর ফ্লোয়েমের মাধ্যমে খাদ্য বিভিন্ন স্থানের কোষে পৌঁছায়। 
- ফ্লোয়েমের চারটি কোষীয় উপাদান থাকে। যথা- সীভনল, সঙ্গীকোষ, ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ফ্লোয়েম তন্তু। 
- এর মধ্যে সীভনল, সঙ্গীকোষ এবং ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা খাদ্যরস পরিবহনে অংশ নেয়। 
- এ তিনটির মধ্যে আবার সীভনল খাদ্য পরিবহনে প্রধান ভূমিকা রাখে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৮১.
DNA কাঁটার জন্য বিশেষ কোন এনজাইম ব্যবহার করা হয়? 
  1. লাইগেজ এনজাইম
  2. লেকটেজ এনজাইম
  3. লাইপেজ এনজাইম
  4. রেস্ট্রিকশন এনজাইম
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম
ব্যাখ্যা
রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির ধাপ: 
- রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির প্রধান ধাপসমূহ হলো - 
(ক) প্রত্যাশিত DNA নির্বাচন ও পৃথকিকরণ, 
(খ) বাহক নির্বাচন, 
(গ) প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন, 
(ঘ) ছেদনকৃত প্রত্যাশিত DNA অণুকে বাহক প্লাজমিডে সংযোজন এবং 
(ঙ) পোষক নির্বাচন ও রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ -কে পোষকে স্থাপন। 

প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন: 
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে মূল DNA থেকে কেটে আলাদা করা হয়। 
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে একটি বিশেষ এনজাইম (রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ দ্বারা DNA ছেদন করা হয়) ব্যবহার করা হয়। 
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে। 
যথা- Eco RI, Hind III, Bam III ইত্যাদি। 
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজানো অংশকে (Sequence) কেঁটে দেয়। 
- ভিন্ন ভিন্ন রেস্ট্রিকশন এনজাইম ভিন্ন ভিন্ন DNA sequence বিশিষ্ট স্থানে কর্তন করে থাকে। 
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম এমনভাবে DNA অণু কর্তন করে যে DNA অণু দুটি স্ট্রান্ডের একটির প্রান্ত অপরটির থেকে লম্বা থাকে। 
- ফলে প্রত্যাশিত DNA খন্ডটি নতুন DNA অণুর সাথে সহজে যুক্ত হতে পারে। 
- খন্ডিত DNA অণুর প্রান্তদ্বয় আঁঠালো প্রকৃতির হয়, তাই একে আঁঠালো প্রান্ত (Sticky end) বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৮২.
এ্যাজোলা কী? 
  1. পাহাড়ি আগাছা
  2. শস্যজাতীয় উদ্ভিদ
  3. মাটির নিচের উদ্ভিদ
  4. ভাসমান জলজ পানা
সঠিক উত্তর:
ভাসমান জলজ পানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাসমান জলজ পানা
ব্যাখ্যা
এ্যাজোলা: 
- এ্যাজোলা হচ্ছে ভাসমান জলজ পানা, যা পুকুর, ডোবা, নালা, ধানের জমিতে ভাসমান অবস্থায় থাকে। 
- এ্যাজোলার দৈহিক ওজন প্রতি ৫ দিনে দ্বিগুন হতে পারে। 
- এ্যাজেলা প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতি হেক্টর জমিতে ২০০-৫০০ কেজি নাইট্রোজেন যোগ করা যেতে পারে। 
- বোরো ধানের জমিতে অতি সহজ ও সফলভাবে এ্যাজোলা চাষ করা যায়। 
- এ্যাজোলা মাটির উর্বরতা ও গুনাগুনের উন্নয়ন ঘটায়। 
- এ্যাজোলা ব্যবহার করলে সালফার ও জিংকের ঘাটতিও দূর হয়। 
- এ্যাজোলার পাতার গহ্বরে অ্যানাবিনা এ্যাজোলি (Anabaena asollae) নামক নীলাভ সবুজ শেওলার একটি প্রজাতি মিথোজীবীরূপে বাস করে যা বায়ুমণ্ডল থেকে মুক্ত নাইট্রোজেন সংযোজন করে এ্যাজোলার পাতার গহ্বরে জমা করে। 
- এ এ্যাজোলা মাটিতে চাষ দিয়ে মেশালে মাটিতে নাইট্রোজেন যোগ হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৮৩.
ব্যাটারির এক ধরণের সংযােগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় কিন্তু উল্টো সংযােগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না কোন যন্ত্রে?
  1. ক) ডায়োড
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) ক্যাপাসিটর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়োড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়োড
ব্যাখ্যা

ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযােগে হয় না।
ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছােট ছােট আলো হল Light Emitting Diode.
ডায়ােডের আরাে একটি ব্যবহার হচ্ছে AC থেকে DC তৈরি করা অর্থাৎ ডায়োড রেক্টিফায়ার হিসাবে কাজ করে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৫৮৪.
স্থানচ্যুত হাড় বা হাড়ে ফাটল শনাক্তকরণে কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়? 
  1. বিটা রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা

এক্স-রে (রঞ্জন রশ্মি): 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্সরে উৎপন্ন হয়।
- এক্সরের একক রন্টজেন। 
- এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন। 
- রঞ্জনরশ্মি বা এক্স-রশ্মি (X-ray) বলতে আলোর চেয়ে অনেক ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উচ্চ ভেদনক্ষমতাবিশিষ্ট তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকে বোঝায়। 

এক্স-রে এর ব্যবহার: 
- হীরক সনাক্তকরণে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করণে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়ে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৮৫.
আলেকজান্ডার ফ্লেমিং কেন বিখ্যাত?
  1. ক) অশ্বশক্তি আবিষ্কারের জন্য
  2. খ) আপেক্ষিক তত্ত্ব আবিষ্কারের জন্য
  3. গ) হাইড্রোজেন আবিষ্কারের জন্য
  4. ঘ) এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারের জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারের জন্য
ব্যাখ্যা
পেনিসিলিন এক ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক যা পেনিসিলিয়াম নামক ছত্রাক থেকে তৈরি হয়। ১৯২৯ সালে আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
১১,৫৮৬.
নিচের কোনটি আবৃতবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ফুলের গর্ভাশয় থেকে ফল উৎপন্ন হয়
  2. এদের এন্ডোস্পার্ম ট্রিপ্লয়েড
  3. এদের জাইলেম টিস্যুতে সঙ্গীকোষ থাকে
  4. বীজ ফলের ভেতরে থাকে
সঠিক উত্তর:
এদের জাইলেম টিস্যুতে সঙ্গীকোষ থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এদের জাইলেম টিস্যুতে সঙ্গীকোষ থাকে
ব্যাখ্যা
আবৃতবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
১। এদের ফুল হয়।
২। ফুলের গর্ভাশয় থেকে ফল উৎপন্ন হয়।
৩। বীজ আবৃত অবস্থায় অর্থাৎ ফলের ভেতরে থাকে ।
৪। এদের কোন অবস্থায়ই আর্কিগোনিয়া সৃষ্টি হয় না।
৫। এদের দ্বিনিষেক ঘটে।
৬। এদের এন্ডোস্পার্ম (বীজের শাঁস) ট্রিপ্লয়েড, নিষেকের পর তৈরি হয়।
৭। এদের জাইলেম টিস্যুতে ভেসেল থাকে।
৮। এদের ফ্লোয়েম টিস্যুতে সঙ্গীকোষ থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৮৭.
কোন যন্ত্রটি ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. জেনারেটর
  2. ট্রান্সফরমার
  3. অ্যামিটার
  4. ভোল্টমিটার
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফরমার
ব্যাখ্যা

• ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য অর্থাৎ উচ্চ ভোল্টেজকে নিম্ন ভোল্টেজে বা নিম্ন ভোল্টেজকে উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তর করতে ট্রান্সফরমার ব্যবহৃত হয়।
- এটি তড়িৎচৌম্বকীয় আবেশ (Electromagnetic Induction) নীতির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।

• ট্রান্সফরমার: 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলত দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- ১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও ২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

অন্যান্য অপশন:
- জেনারেটর: এটি যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে বা বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে, কিন্তু বিদ্যমান ভোল্টেজ পরিবর্তন করে না।
- অ্যামিটার: এটি বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহের (Current) মান পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ভোল্টমিটার: এটি বর্তনীর দুই বিন্দুর মধ্যকার বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজ পরিমাপ করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫৮৮.
প্রাণিদেহের তরল যোজক কলা কোনটি?
  1. ক) কোমলাস্থি
  2. খ) লসিকা
  3. গ) মূত্র
  4. ঘ) ঘাম
সঠিক উত্তর:
খ) লসিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লসিকা
ব্যাখ্যা

- তরল যোজক কলার মাতৃকা তরল। মাতৃকায় বিভিন্ন ধরনের জৈব পদার্থ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। তরল যোজক কলা দুই ধরনের- রক্ত এবং লসিকা।
- কোমলাস্থি ও অস্থি হলো স্কেলিটাল যোজক টিস্যু।
- মূত্র ও ঘাম হলো দেহ থেকে নির্গত বর্জ্য পদার্থ।

সূত্র: মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি 

১১,৫৮৯.
কোন কাজে টিএনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) তেলের খনি অনুসন্ধানে
  2. খ) বিস্ফোরক হিসেবে
  3. গ) পোকামাকড় ধ্বংস করা জন্য
  4. ঘ) হৃদরোগের ঔষুধরূপে
সঠিক উত্তর:
খ) বিস্ফোরক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিস্ফোরক হিসেবে
ব্যাখ্যা
- টিএনটি এর পূর্ণ নাম হচ্ছে ২, ৪, ৬ ট্রাইনাইট্রো টলুইন।

ব্যবহার
- শক্তিশালী বিস্ফোরক রুপে 
- হাত বোমায়
- সেনাবাহিনীর Bomb Shell এবং জাহাজ ধ্বংসকারক  Torpedo প্রস্তুতকরণে
- বিল্ডিং ও পাহাড় Amatol নামক বিস্ফোরক প্রস্তুতকরণে

সূত্র- রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, হাজারী ও নাগ, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি
১১,৫৯০.
হিলিয়াম অপেক্ষা হালকা গ্যাস কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন
  2. নিয়ন
  3. আর্গন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

নিষ্ক্রিয় গ্যাস হিলিয়ামের ব্যবহার: 
- হিলিয়াম খুবই হাল্কা এবং অদাহ্য হওয়ায় বেলুনে ও উড়োজাহাজে ব্যবহৃত হয়। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন গ্যাস হিলিয়াম অপেক্ষা হালকা গ্যাস। 
- হাইড্রোজেন (H2) গ্যাসের তুলনায় হিলিয়াম (He) গ্যাসের উত্তোলন ক্ষমতা প্রায় 92%। 
- হাইড্রোজেনের দাহ্যতার কারণে তা বিপজ্জনক হওয়ায় বর্তমানে একমাত্র হিলিয়াম ব্যবহৃত হয়। 
- অলিম্পিক সাইক্লিস্ট প্রতিযোগীরা তাদের সাইকেলের টায়ার বাতাসের পরিবর্তে হাল্‌কা ও অদাহ্য হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা পূর্ণ করে। 
- হাপানী রোগীর শ্বাসকাজে সহায়তার জন্য এবং গভীর পানির ডুবুরিগণ এবং অধিক চাপে কর্মরত ব্যক্তিগণ ৪০% হিলিয়াম ও অক্সিজেনের 20% মিশ্রণের সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করেন। 
- ধাতু সংকরের গলন ও জোড়া লাগানোর সময় হিলিয়াম গ্যাস দ্বারা নিষ্ক্রিয় পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। 
- নিম্ন তাপমাত্রায় গবেষণাকার্যে তরল হিলিয়াম ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- তরল হিলিয়াম NMR (NMR = Nuclear Magnetic Resonance Spectroscopy) মেশিন শীতলকরণে ব্যবহৃত হয়। 
- হিলিয়ামের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক সর্বনিম্ন এবং পরমশূন্য তাপমাত্রার খুবই নিকটে। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, (হাজারী ও নাগ)।

১১,৫৯১.
ইনসোমনিয়া একটি-
  1. ক) নিদ্রাজনিত রোগ
  2. খ) স্নায়ুরোগ
  3. গ) চোখের রোগ
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) নিদ্রাজনিত রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিদ্রাজনিত রোগ
ব্যাখ্যা
ইনসোমোনিয়া হচ্ছে একটি নিদ্রাহীনজনিত সমস্যা। 

ইনসোমনিয়ার উপসর্গ সমূহ-
১. ঘুম না আসা
২. মাথাব্যাথা করা
৩. কাজে মনোনিবেশ করতে না পারা
৪. সারাদিন ক্লান্তিতে কাটা
৫. মুড সুয়িং ইত্যাদি।

সূত্র: NHS Website [লিঙ্ক]
১১,৫৯২.
কয়লা রূপান্তরিত হয়ে নিচের কোন শিলায় পরিণত হয়? 
  1. নিস
  2. মার্বেল
  3. স্লেট
  4. গ্রাফাইট
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
শিলা: 
- ভূত্বক যেসব উপাদান দ্বারা গঠিত তাদের সাধারণ নাম শিলা। 
- ভূতত্ত্ববিদগণের মতে দুই বা ততোধিক খনিজ দ্রব্যের সংমিশ্রণে এসব শিলার সৃষ্টি হয়। 
- ভূত্বক গঠনকারী সকল কঠিন ও কোমল পদার্থই শিলা। 
উদাহরণস্বরূপ নুড়ি, কাঁকর, গ্রানাইট, কাদা, বালি প্রভৃতি। 
- গঠনপ্রণালি অনুসারে শিলাকে তিনটি প্রধান শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- (১) আগ্নেয় শিলা, (২) পাললিক শিলা ও (৩) রূপান্তরিত শিলা। 

রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks): 
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। 
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে। 
যেমন- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট, কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস এবং কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়। 
- রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই শিলা স্ফটিকযুক্ত, খুব কঠিন হয়; এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না; কোনো কোনো রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর দেখা যায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৫৯৩.
সাধারণত কত তাপমাত্রায় একজস্টিং করা হয়?
  1. ক) 30°C - 45°C 
  2. খ) 45°C - 55°C
  3. গ) 80°C - 90°C 
  4. ঘ) 95°C - 110°C
সঠিক উত্তর:
ঘ) 95°C - 110°C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 95°C - 110°C
ব্যাখ্যা
একজস্টিং:
এটি এক ধরনের কৌটাজাতকরণ পদ্ধতি। মাছ কৌটাজাতকরণের ক্ষেত্রে  একজস্টিং করা হয়।
কৌটাকে ফুটন্ত পানিতে ২/৩ অংশ ডুবিয়ে অথবা বাষ্পের সাহায্যে তাপ প্রয়োগ করে কৌটার সব বায়ু অপসারণ করে দেয়া হয়। এ কাজের জন্য ৮-১০ মিনিট সময়ই যথেষ্ট । 

• একজসটিং করার জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রা হলো: 95°C-110°C

• পাত্রের মধ্যস্থিত বায়ু দুর করার জন্য তাপ প্রয়োগ করে একজস্টিং করা হয়। যার কারনে পাত্রের ভেতরে মরিচা পড়েনা এছাড়া একজস্টিং করার ফলে বায়ুবীয় অনুজীব দ্বারা খাদ্য দুষিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। উপরিউক্ত কারনে কৌটা জাত করার সময় একজস্টিং করা হয়।

SOURCE: রসায়ন ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৯৪.
সামদ্রিক মৎস্য চাষের বিজ্ঞানকে কী বলা হয়? 
  1. মেরিকালচার 
  2. প্রণকালচার 
  3. হর্টিকালচার
  4. পিসিকালচার
সঠিক উত্তর:
মেরিকালচার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরিকালচার 
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- চিংডি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১১,৫৯৫.
মহাকর্ষসূত্র ও ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন কে? 
  1. গ্যালিলিও গ্যালিলি
  2. জোহান কেল্লার
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. নিকোলাস কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
আইজ্যাক নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইজ্যাক নিউটন
ব্যাখ্যা
আইজ্যাক নিউটন: 
- আইজ্যাক নিউটন (১৬৪২-১৭২৭) ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন। 
- তিনি মহাকর্ষসূত্র, ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন। 
- এছাড়া তিনি আলোর কণাতত্ত্ব আবিষ্কার করেন। 
- তিনি হচ্ছেন ক্ল্যাসিক্যাল মেকানিক্স এর জনক। 

নিকোলাস কোপার্নিকাস: 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। 
- তিনিই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। 
- পরবর্তীতে জোহান কেল্লার (১৫৭১-১৬৩০) গ্রহের গতি সম্পর্কিত সূত্র আবিস্কার করেন যা কেপলারের সূত্র নামে পরিচিত। 
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন। 

গ্যালিলিও গ্যালিলি: 
- গ্যালিলিও গ্যালিলি (১৫৬৪-১৬৪২) কে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির জনক বলা হয়। 
- তিনিই প্রথম প্রমাণ করেন যে পরীক্ষণ এবং বিভিন্ন রাশির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির মূল ভিত্তি। 
- পরীক্ষালব্ধ ফলাফল ছাড়া কখনোই কোন ঘটনা গাণিতিকভাবে প্রমাণ করা যায় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৫৯৬.
কোন যন্ত্রের সাহায্যে আধান শনাক্ত করা যায়?
  1. ক) এমিটার
  2. খ) ভোল্টমিটার
  3. গ) গ্যালভানোমিটার
  4. ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তড়িৎবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যাখ্যা
কোন বস্তুতে আধানের অস্তিত্ব নির্নয়ের যন্ত্র হলো - তড়িৎবীক্ষন যন্ত্র।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
১১,৫৯৭.
মাঙ্কিপক্স ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বর কোনটি?
  1. ১৬২৬৩
  2. ১০৬৫৫
  3. ক+খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক+খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক+খ
ব্যাখ্যা
মাঙ্কিপক্স ভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হটলাইন নম্বর
- মাঙ্কিপক্সের লক্ষণ দেখা গেলে সন্দেহভাজনদের দ্রুততম সময়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬২৬৩ ও ১০৬৫৫ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

মাঙ্কিপক্স ভাইরাস
- আন্তর্জাতিক উদ্বেগ থেকে আফ্রিকার কিছু অংশে এমপক্সের প্রাদুর্ভাবকে জরুরি জনস্বাস্থ্য অবস্থা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও।
- আগে মাঙ্কিপক্স নামে পরিচিত অত্যন্ত সংক্রামক এই রোগে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে অন্তত ৪৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এমপক্স লক্ষণগুলো 
- এই রোগে আক্রান্তদের প্রাথমিক লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে জ্বর, মাথাব্যথা, ফোলা, পিঠে এবং পেশিতে ব্যথা।
- আক্রান্ত ব্যক্তির একবার জ্বর উঠলে গায়ে ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে। সাধারণত মুখ থেকে শুরু হয়ে পরে হাতের তালু এবং পায়ের তলদেশসহ শরীরের অন্যান্য অংশে তা ছড়িয়ে পড়ে।
- অত্যন্ত চুলকানো বা ব্যথাদায়ক এই ফুসকুড়িগুলো পরিবর্তন হয় এবং বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে স্ক্যাব বা গোল গোল পুরু আস্তরে পরিণত হয়ে শেষে পড়ে যায়। এর ফলে দাগ সৃষ্টি হতে পারে।

সূত্র- স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
১১,৫৯৮.
জীবদেহের কোথায় শ্বসন সংঘটিত হয়?
  1. ক) নিউক্লিয়াসে
  2. খ) মাইটোকন্ড্রিয়ায়
  3. গ) কোষ গহ্বরে
  4. ঘ) ক্রোমোজোমে
সঠিক উত্তর:
খ) মাইটোকন্ড্রিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাইটোকন্ড্রিয়ায়
ব্যাখ্যা

মাইট্রোকন্ডিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গানু। শ্বসনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে। মাইট্রোকন্ডিয়ায় ৭৩% প্রোটিন, ২৫-৩০% লিপিড, সামান্য পরিমাণে ডিএনএ, আরএনএ, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে।
শক্তি উৎপাদনের সকল প্রক্রিয়া এর ভিতরে ঘটে থাকে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে 'পাওয়ার হাউস' বলা হয়।
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৫৯৯.
কলেরা রোগ নিরাময়ে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা কাজ করছে?
  1. ক) WHO
  2. খ) FAO
  3. গ) ICDDR,B
  4. ঘ) UNICEF
সঠিক উত্তর:
গ) ICDDR,B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ICDDR,B
ব্যাখ্যা

- কলেরা রােগ নিরাময়ের জন্য কাজ করছে ICDDR,B (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh) এর প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৬০।

অপরদিকে,
- WHO (World Health Organization) প্রতিষ্ঠিত হয়- ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
সদরদপ্তর- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- FAO (Food and Agricultural Organization) গঠিত হয় ১৯৪৫ সালে, সদরদপ্তর- রােম।
- UNICEF (United Nations Children's Fund) প্রতিষ্ঠিত হয়- ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৬ সালে।
সদরদপ্তর- নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১১,৬০০.
কোনটির মাধ্যমে বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপ করা যায়? 
  1. পাইরোমিটার 
  2. ম্যানোমিটার 
  3. ব্যারোমিটার
  4. হাইগ্রোমিটার 
সঠিক উত্তর:
হাইগ্রোমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইগ্রোমিটার 
ব্যাখ্যা

বায়ুর আর্দ্রতা (Humidity): 
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প ধারণ করা না হলে পানিচক্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হত না। 
- বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণ করাকে তাই বলা হয় বায়ুর আর্দ্রতা। 
অর্থাৎ, বায়ুর আর্দ্রতার উপর বায়ুর জলীয়বাষ্প ধারণক্ষমতা নির্ভর করে। 
- বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ শতকরা ১ ভাগেরও কম। 
- আর্দ্র বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ প্রায় শতকরা ২ থেকে ৫ ভাগ বেশি থাকে। 
- বায়ুর এই আর্দ্রতা হাইগ্রোমিটার দ্বারা পরিমাপ করা যায়। 
- বায়ুর আর্দ্রতা মূলত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। পরম আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণকে বলা হয় পরম আর্দ্রতা। 

২। আপেক্ষিক আর্দ্রতা: 
- কোনো নির্দিষ্ট আয়তনের জলীয়বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ আর একই আয়তনের বায়ুতে একই উষ্ণতায় পরিপৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়বাষ্প প্রয়োজন এ দুটির অনুপাতকে বলা হয় আপেক্ষিক আর্দ্রতা। 

অন্যদিকে, 
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার। 
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার। 
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।