বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১১৫ / ১৪০ · ১১,৪০১১১,৫০০ / ১৪,০৮০

১১,৪০১.
ব্যাকটেরিওলজির জনক কে?
  1. লিউয়েন হুক
  2. রবার্ট কচ
  3. লুই পাস্তুর
  4. এহরেনবার্গ
সঠিক উত্তর:
লিউয়েন হুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিউয়েন হুক
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া: 
- গ্রিক শব্দ Bakterion = Little rod থেকে ব্যাকটেরিয়া শব্দটি এসেছে, যার অর্থ ক্ষুদ্র দন্ড। 
- ব্যাকটেরিয়া (এক বচনে ব্যাকটেরিয়াম) সাধারণত ক্লোরোফিলবিহীন, প্রাককেন্দ্রিক এককোষী ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক জীব। 
- গাঠনিক উপাদান ও পুষ্টি পদ্ধতির জন্য ব্যাকটেরিয়াকে উদ্ভিদ বলা হয়। 
- ওলন্দাজ বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক ১৬৭৫ খ্রিস্টাব্দে তাঁর নিজের আবিষ্কৃত সরল অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানিতে ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি এদের নাম দেন Animalcule অর্থাৎ ক্ষুদ্র প্রাণী। তাই অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুককে Father of Bacteriology অর্থাৎ ব্যাকটেরিওলজির জনক বলা হয়। 
- জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ব্যাকটেরিয়া নামকরণ করেন। 
- ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর (১৮২২-১৮৯৫) ব্যাকটেরিয়ার উপর ব্যাপক গবেষণা করে ব্যাকটেরিয়া তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠিত করেন। 
- ব্যাকটেরিয়া আদিকোষী জীব, ব্যাপক অর্থে ব্যাকটেরিয়া বলতে আর্কিব্যাকটেরিয়া, ইউব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, অ্যাকটিনোব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি গ্রুপকে বোঝায়। 
- বর্তমানে মাইকোপ্লাজমাকেও ব্যাকটেরিয়া হিসেবে ধরা হয়। 
- ১৯৭০ সালের পূর্বে আর্কিব্যাকটেরিয়া এবং ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য জানা সম্ভব হয়নি কিন্তু ১৯৯৬ সালে একটি আর্কিব্যাকটেরিয়ার জিনোম সিকুয়েন্সিং পর্যবেক্ষণ করার পর এদের মধ্যে ব্যাপক পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। 
- ব্যাকটেরিয়া মাটিতে, পানিতে, বাতাসে, জীবদেহের বাইরে এবং ভেতরে বাস করে। 
- এমনকি মানুষের অন্ত্রেও ব্যাকটেরিয়া বাস করে। যেমন- Escherichia coli। 
- এরা আমাদেরকে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স সরবরাহ করে। 
- মাটি বা পানি যেখানে জৈব পদার্থ বেশি, ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাও সেখানে বেশি। 
- জৈবসমৃদ্ধ আবাদি মাটিতে ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, তবে বায়ুস্তরের সবচেয়ে উঁচুতে ব্যাকটেরিয়া থাকে না। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪০২.
আলোক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ কোনটি?
  1. ডালিয়া
  2. ঝিঙা
  3. শসা
  4. চন্দ্রমল্লিকা
সঠিক উত্তর:
শসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শসা
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের আলাে-অন্ধকারের ছন্দের উপর ভিত্তি করে পুষ্পধারী উদ্ভিদকে তিন ভাগে করা হয়:
(a) ছোটদিনের উদ্ভিদ(Short Day Plant): পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ৮-১২ ঘণ্টা আলাে প্রয়ােজন। যেমন: চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া।
(b) বড়দিনের উদ্ভিদ (Long Day Plant): পুষ্পায়নে দৈনিক গড়ে ১২-১৬ ঘণ্টা আলাে প্রয়ােজন। যেমন: লেটুস, ঝিঙা।
(c) আলােক নিরপেক্ষ উদ্ভিদ (Day Neutral Plant): পুষ্পায়নে দিনের আলাে কোনাে প্রভাব ফেলে না। যেমন: শসা, সূর্যমুখী।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১১,৪০৩.
সালফার-ট্রাই-অক্সাইড এর সংকেত কোনটি?
  1. ক) H2O
  2. খ) SO3
  3. গ) H2SO4
  4. ঘ) O2
সঠিক উত্তর:
খ) SO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) SO3
ব্যাখ্যা
H2O-পানি, SO3-সালফার-ট্রাই-অক্সাইড, H2SO42-অক্সিজেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১১,৪০৪.
এক গ্রাম পানির তাপমাত্রা এক ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়াতে বা কমাতে কতটুকু তাপের প্রয়োজন হয়? 
  1. ১.৪ জুল
  2. ২.৪ জুল
  3. ৩.২ জুল
  4. ৪.২ জুল
সঠিক উত্তর:
৪.২ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.২ জুল
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- তাপ হল বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ, তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের S.I একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য, তাই 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 

তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হল বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- তাপমাত্রার S.I একক কেলভিন। 
- তবে তাপমাত্রার কেলভিন ছাড়াও বহুল প্রচলিত সেলসিয়াস বা সেন্টিগ্রেড এবং ফারেনহাইট এই দুটি একক আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪০৫.
ইনসুলিন নিঃসৃত হয় কোথা থেকে?
  1. ক) অগ্ন্যাশয়
  2. খ) লিভার
  3. গ) পিটুইটারী গ্ল্যান্ড
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্ন্যাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অগ্ন্যাশয়
ব্যাখ্যা
অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহেন্স থেকে গ্লুকানল এবং ইনসুলিন নির্গত হয়।
ইনসুলিনের অভাবেই ডায়াবেটিস রোগ হয়। 

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
১১,৪০৬.
রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে হৃৎপিন্ডে ফিরে আসে কোন নালির মাধ্যমে?
  1. ফুসফুসীয় ধমনী
  2. ধমনী
  3. শিরা
  4. কৈশিক জালিকা
সঠিক উত্তর:
শিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিরা
ব্যাখ্যা
শিরা (Vein):

• যেসব নালির ভিতর দিয়ে রক্ত প্রবাহিত বা সঞ্চালিত হয়, তাকে রক্তনালি বা রক্তবাহিকা বলে।
• গঠন, আকৃতি এবং কাজের ভিত্তিতে রক্তবাহিকা বা রক্তনালি তিন ধরনের - ধমনি, শিরা এবং কৈশিক জালিকা।
• ধমনী: অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃদপিন্ড থেকে সমগ্র দেহে নিয়ে যায়।  
• কৈশিক জালিকা: ক্ষুদ্রতম ধমনি এবং ক্ষুদ্রতম শিরার মধ্যে সংযোগ সাধন করে। 
• শিরা: যেসব নালি দিয়ে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে হৃৎপিন্ডে ফিরে আসে তাদের শিরা বলে। 
• শিরার প্রাচীর ধমনির মতো তিন স্তরবিশিষ্ট।
• শিরার প্রাচীর কম পুরু, কম স্থিতিস্থাপক ও কম পেশিময়।
• এদের নালিপথ একটু চওড়া এবং কপাটিকা থাকে।
• ফুসফুস থেকে হৃৎপিন্ডে আসা শিরাটি ছাড়া অন্য সব শিরা কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে হৃৎপিণ্ডে নিয়ে আসে।
• ফুসফুসীয় শিরা বা পালমোনারি শিরা অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত ফুসফুস থেকে হৃৎপিন্ডে পৌঁছে দেয়।
• একইভাবে, পালমোনারি ধমনী কার্বন ডাই অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত হৃদপিন্ড থেকে ফুস্ফুসে নিয়ে যায়। 
• লসিকা এক রকম হালকা হলুদ বর্ণের স্বচ্ছ ক্ষারীয় তরল যোজক কলা।


উৎস: উচ্চ-মাধ্যামিক জীববিজ্ঞান বই। 
১১,৪০৭.
ছত্রাকের জেনোম সিকোয়েন্স উন্মোচন করেন কে?
  1. ক) মাকসুদুল আলম
  2. খ) মোবারক আহমদ খান
  3. গ) ইসমাইল হোসেন খান
  4. ঘ) বজলুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ক) মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
২০১২ সালে পাটসহ পাঁচশ উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকারক ছত্রাকের জীবন রহস্য (জেনোম সিকোয়েন্স) উম্মোচন করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
এছাড়াও তিনি ২০১০ সালে দেশি পাটের জীবনরহস্য উম্মোচন করেন।
উল্লেখ্য,
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উৎপাদনের প্রক্রিয়াটি আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী মোবারক আহমদ খান।
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।

উৎসঃ ডেইলি স্টার আর্কাইভ।
১১,৪০৮.
HIV সাধারণত কোন মাধ্যমে সংক্রমিত হয় না? 
  1. রক্ত 
  2. মাতৃ দুধ 
  3. পানি বা খাদ্য 
  4. যৌন সংস্পর্শ 
সঠিক উত্তর:
পানি বা খাদ্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি বা খাদ্য 
ব্যাখ্যা

এইডস (AIDS): 
- এইডস একটি সংক্রামক রোগ। 
- এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায় এবং অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে। 
- এইডস হলো Acquired Immune Deficiency Syndrome (AIDS)।
- ১৯৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম এইডস রোগ শনাক্ত হয়। তবে, আফ্রিকার দেশগুলোতেই এর প্রকোপ বেশি। 
- মানবদেহের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউনিটি থাকে। 
- Human Immune Deficiency Virus (HIV) নামক ভাইরাসের আক্রমণে দেহের এই স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। ফলে শরীরে নানা ধরনের রোগ যেমন-শ্বাসতন্ত্রের রোগ, মস্তিষ্কের রোগ, পরিপাকতন্ত্রের রোগ, টিউমার ইত্যাদি হয়। 
- এইডস এর চিকিৎসা এখনও আবিষ্কৃত হয়নি, তাই একে মরণব্যাধি রোগ বলা হয়। 

এইডস সংক্রমণ: 
- এইডস যেহেতু সংক্রামক রোগ সেহেতু এ রোগ এক দেহ হতে অন্য দেহে সংক্রমিত হয়। 
অর্থাৎ, এইডস রোগীর সঙ্গে যৌন সম্পর্কে আসলে অন্য ব্যক্তিরও এইডস হতে পারে। 
- বিভিন্নভাবে এইডস সংক্রমিত হয়। 
যেমন- 
১। এইডস-এর জীবাণু একজন মানুষের দেহে সুপ্ত অবস্থায় দীর্ঘদিন থাকে এবং বায়ু সংস্পর্শে অতি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। 
২। যৌন ক্রিয়ার মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তির দেহ হতে HIV সুস্থ দেহে প্রবেশ করে। 
৩। এইডস আক্রান্তগর্ভবতী মায়ের গর্ভের সন্তানের মধ্যে HIV সংক্রমিত হতে পারে। 
৪। এইডস আক্রান্ত স্তন্যদানকারী মায়ের দুধ হতে নবজাতকের দেহে HIV সংক্রমিত হতে পারে। 
৫। এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের মাধ্যমে ও সিরিঞ্জের সাহায্যে ড্রাগ ব্যবহারকারী অন্যান্য ব্যক্তির দেহে HIV সংক্রমিত হতে পারে। 
৬। রক্ত, বীর্য, লালা ও অশ্রুর মাধ্যমে এ রোগ অসুস্থ দেহ হতে সুস্থ দেহে সংক্রমিত হতে পারে। 
- HIV আক্রান্ত ব্যক্তি মাদকদ্রব্য গ্রহণ করলে এইডস দ্রুত সংক্রমিত হতে পারে। 
- এইডস আক্রান্ত ব্যক্তিদের সমাজচ্যুত না করে তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতিশীল হওয়া উচিত। 
- খাদ্য, পানি, কীটপতঙ্গ বা রোগীর সাধারণ স্পর্শের মাধ্যমে এ রোগ সংক্রমিত হয় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪০৯.
নিম্নের কোন উপাদানটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে?
  1. চর্বি
  2. শর্করা
  3. আমিষ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা

রক্তের হিমোগ্লোবিন:
- দেহের অস্থি, পেশি, বিভিন্ন অঙ্গতন্ত্র, রক্তকণিকা ইত্যাদি অধিকাংশই আমিষ দ্বারা তৈরি।
- আমিষ দেহের এন্টিবডি উৎপাদনে মূখ্য ভূমিকা পালন করে।
- আমিষ/ প্রোটিন রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরিতে সাহায্য করে।

⇒ রক্ত:
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়।
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৪১০.
চোখের দীর্ঘদৃষ্টি ত্রুটি দূর করার জন্য কোন লেন্স ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) উত্তল
  2. খ) অবতল
  3. গ) টরিক লেন্স
  4. ঘ) বাই-ফোকাল লেন্স
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উত্তল
ব্যাখ্যা
চোখের দীর্ঘদৃষ্টির ত্রুটি দূর করার জন্য একটি উত্তল লেন্সের চশমা ব্যবহার করতে হবে।
ফলে কাছাকাছি বিন্দু থেকে আসা আলােকরশ্মি চশমার লেন্সে এবং চোখের লেন্সে পর পর দুইবার প্রতিসরিত হওয়ার কারণে ফোকাস দূরত্ব কমে যাবে এবং প্রয়ােজন মতাে অভিসারী হয়ে প্রতিবিম্বটি রেটিনা এর উপরে পড়বে।

উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান
১১,৪১১.
বৈদ্যুতিক কলিংবেল তৈরীতে কোন ধরনের চুম্বকের প্রয়োজন হয়?
  1. ক) স্থায়ী চুম্বক
  2. খ) অস্থায়ী চুম্বক
  3. গ) প্যারাচুম্বক
  4. ঘ) ডায়াচুম্বক
সঠিক উত্তর:
খ) অস্থায়ী চুম্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্থায়ী চুম্বক
ব্যাখ্যা
যে সকল তড়িৎযন্ত্রের ক্ষণস্থায়ী চুম্বকের প্রয়োজন হয় অর্থ্যাৎ ব্যবহারকালে চুম্বকত্বের বারবার পরিবর্তনের দরকার হয়, সে সকল যন্ত্রে অস্থায়ী চুম্বক ব্যবহার হয়। যেমন, বৈদ্যুতিক কলিং বেল, ক্রেন, ট্রান্সফর্মারের কোর, টেলিফোনের ডায়াগ্রাম ইত্যাদি। উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান (২য় পত্র) বোর্ড বই।
১১,৪১২.
আল্ট্রাসনিক শব্দ বলতে বুঝায়-
  1. ক) যার গতি শব্দের গতি থেকে কম
  2. খ) যার গতি শব্দের গতি থেকে বেশি
  3. গ) যে শব্দ সাধারণভাবে মানুষ শুনতে পায়
  4. ঘ) যে শব্দ কোনো কোনো জীবজন্তু শুনতে পায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) যে শব্দ কোনো কোনো জীবজন্তু শুনতে পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যে শব্দ কোনো কোনো জীবজন্তু শুনতে পায়
ব্যাখ্যা

শ্রবণোত্তর, শব্দোত্তর বা আল্ট্রাসনিক শব্দ মানুষ শুনতে না পেলেও বাদুর, কুকুর, মৌমাছির ন্যায় কিছুকিছু প্রাণী উৎপন্ন করতে পারে আবার তা শুনতেও পারে।

আমাদের কানে যে শব্দ শোনা যায় তার কম্পাঙ্কের সীমা হলো 20 Hz থেকে 20,000 Hz।
কম্পাঙ্কের এই পাল্লাকে শ্রাব্যতার পাল্লা বলে।
আবার যে শব্দ তরঙ্গের কম্পাঙ্ক ২০,০০০Hz এর বেশি হয় তাকে শ্রবণোত্তর, শব্দোত্তর বা আল্ট্রাসনিক শব্দ বলে।
রোগ নির্ণয়ে, কাপড়ের ময়লা পরিস্কার করা, সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়, ধাতব পিন্ড বা পাতে সূক্ষ্মতম ফাটল অনুসন্ধানে, সূক্ষ্ম ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে, ক্ষতিকর রোগ জীবাণু ধ্বংসের কাজে এই শব্দ ব্যবহৃত হয়।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি এবং এইসএসসি।

১১,৪১৩.
কোন উপাদানের অভাবে উদ্ভিদে ক্লোরোসিস দেখা দেয়?
  1. নাইট্রোজেন
  2. ফসফরাস
  3. পটাশিয়াম
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
• নাইট্রোজেন:
- নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে।
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়।
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে 'ক্লোরোসিস' বলে।

• ফসফরাস:
- ফসফরাসের অভাব হলে পাতা বেগুনি হয়ে যায়।
- পাতায় মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয় এমনকি পাতা, ফুল ও ফল ঝরে যেতে পারে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়।

• পটাশিয়াম:
- পটাশিয়ামের অভাবে পাতার শীর্ষ এবং কিনারা হলুদ হয় এবং মৃত অঞ্চল সৃষ্টি হয়।
- পাতার কিনারায় পুড়ে যাওয়া সদৃশ বাদামি রং দেখা যায় এবং পাতা কুঁকড়ে আসে।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি কম হয় এবং শীর্ষ ও পার্শ্ব মুকুল মরে যায়।

উৎস:  জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪১৪.
কোন মৌল থেকে প্রথম তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করা হয়েছিল? 
  1. থোরিয়াম
  2.  প্লুটোনিয়াম
  3. রেডন
  4. ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয়তা: 
- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে সেটাকে স্থিতিশীল রাখার জন্য নিউট্রনের সংখ্যাও বেড়ে যেতে থাকে, কিন্তু তারপরও নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা 82 অতিক্রম করার পর থেকে নিউক্লিয়াসগুলো অস্থিতিশীল হতে শুরু করে। এই অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াসগুলো কোনো এক ধরনের বিকিরণ করে স্থিতিশীল হওয়ার চেষ্টা করে এবং এই প্রক্রিয়াটাকে বলা হয় তেজস্ক্রিয়তা। 
- নিউক্লিয়াসের ভেতর থেকে যে বিকিরণ বের হয়ে আসে তাকে বলে তেজস্ক্রিয় রশ্মি। 
- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটনের সংখ্যা 82 অতিক্রম করলেই (পারমাণবিক সংখ্যা ৪2 থেকে বেশি) যে নিউক্লিয়াসগুলো তেজস্ক্রিয় হয়ে থাকে তা নয়, অন্য পরমাণুর নিউক্লিয়াসও তেজস্ক্রিয় হতে পারে। 
- একটি মৌলের বাহ্যিক ধর্ম, প্রকৃতি, এবং রাসায়নিক গুণাগুণ নির্ভর করে বাইরের ইলেকট্রনের শ্রেণিবিন্যাসের ওপর। 
- 1896 সালে হেনরি বেকেরেল (Henri Becquerel) প্রথম ইউরেনিয়াম থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মির অস্তিত্ব প্রমাণ করেন। 
- পরবর্তীতে আরনেস্ট রাদারফোর্ড, পিয়ারে কুরি, মেরি কুরি এবং অন্যা বিজ্ঞানীরা অন্যান্য মৌলের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- এটি বাইরের চাপ, তাপ, বৈদ্যুতিক বা চৌম্বক ক্ষেত্র দিয়ে কোনোভাবে প্রভাবিত বা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না, কাজেই এটি একটি নিউক্লী ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তার কারণে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়ে নিউক্লিয়াসের গঠন পরিবর্তিত হয়ে সেটিও ভিন্ন একটি মৌলে রূপান্তরিত হয়ে যেতে পারে। 
- নিউক্লিয়াস থেকে যে তিনটি প্রধান তেজস্ক্রিয় রশ্মি বের হয়, সেগুলো হচ্ছে আলফা, বিটা এবং গামা রশ্মি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৪১৫.
লা নিনা বলতে বুঝায়? 
  1. ক) বালক 
  2. খ) বালিকা 
  3. গ) পুরুষ 
  4. ঘ) কন্যা 
সঠিক উত্তর:
খ) বালিকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বালিকা 
ব্যাখ্যা
এল নিনো একটি স্পেনিশ শব্দ যার অর্থ বালক। বিষুবরেখার অপরপাশ থেকে নেমে আসা উষ্ণ পানির স্রোতের কারণে সৃষ্ট জলবায়ুর প্রতিক্রিয়াকে ব্যক্ত করার জন্য ইকুয়েটর ও পেরুর জেলেরা এল নিনো শব্দের ব্যবহারের প্রচলন করে।

লা নিনো শব্দটিও স্পেনিশ যার অর্থ বালিকা। এল নিনো প্রভাবে সাগরে উষ্ণ পানির স্রোত প্রবাহিত হবার পর পরবর্তীতে সাগরের পানির উষ্ণতা কমে আসে। সাগরের পানির এ উষ্ণতা কমে আসাই লা নিনো নামে পরিচিত। লা নিনোর প্রভাবে অতিবৃষ্টি ও বন্যা হয়। 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
১১,৪১৬.
মহাবিশ্বের সকল কণাকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের সকল কণাকে দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যথাঃ (ক) ফার্মিওন ও (খ) বোসন।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)
১১,৪১৭.
ভাইরোলজির জনক-
  1. ক) দিমিত্রি আইভানোভসকি
  2. খ) এফ. সি. বাডেন
  3. গ) ডব্লিউ. এম. স্ট্যানলি
  4. ঘ) আর. এস. শেফারম্যান
সঠিক উত্তর:
গ) ডব্লিউ. এম. স্ট্যানলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডব্লিউ. এম. স্ট্যানলি
ব্যাখ্যা
ভাইরোলজি বিজ্ঞানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা যেখানে ভাইরাসের আকার, গঠন, বংশবিস্তার, রোগতত্ত্ব ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয়। W. M. Stanley-কে ভাইরোলজির জনক বলা হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
১১,৪১৮.
ATP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Adenosine Triphosphate
  2. খ) Adeenosine Triphosphate
  3. গ) Adeenosine Trephosphate
  4. ঘ) Adinosine Treposphate
  5. ঙ) None
সঠিক উত্তর:
ক) Adenosine Triphosphate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Adenosine Triphosphate
ব্যাখ্যা
ATP-Adenosine Triphosphate কে জৈবমুদ্রা বা শক্তিমুদ্রা বলা হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই।
১১,৪১৯.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য কোনটি? 
  1. পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা
  2. ত্রাণ ও পূর্ণবাসন নিশ্চিত করা
  3. ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্ৰান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি।

- এগুলো হলো:
(ক) দুর্যোগকালিন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
(খ) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূর্ণবাসন নিশ্চিত করা এবং
(গ) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪২০.
নিম্নের কোন ভ্যাকসিন নিষ্ক্রিয়কৃত জীবন্ত টিকা নয়?
  1. কলেরা 
  2. হাম 
  3. পোলিও 
  4. যক্ষ্মা
সঠিক উত্তর:
কলেরা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলেরা 
ব্যাখ্যা

- কলেরা ভ্যাকসিন সাধারণত মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ ভ্যাকসিন, তাই এটি নিষ্ক্রিয়কৃত জীবন্ত টিকার মধ্যে পড়ে না।

টিকার প্রকারভেদ: 

- মানবদেহের বিভিন্ন রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে দমন করতে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টিকা আবিষ্কার করেছেন। 
- কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিকার প্রকারভেদ নিম্নরূপ: 
১। নিষ্ক্রিয়কৃত জীবন্ত টিকা: 
- এতে কালচার করা জীবাণুদের ক্ষতিকর বৈশিষ্ট্য নিষ্ক্রিয় বা দুর্বল করা হয়। 
উদাহরণ: BCG, হাম, মাম্পস, পোলিও, জলাতঙ্ক, যক্ষ্মা, গুটিবসন্ত, প্লেগ, টাইফয়েড প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

২। মৃত জীবাণুভিত্তিক নিষ্প্রাণ টিকা: 
- এ ধরনের টিকা মৃত জীবাণু দিয়ে তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ: ইনফ্লুয়েঞ্জা, কলেরা প্রভৃতি ভ্যাকসিন। 

৩। নিষ্ক্রিয় বিষভিত্তিক টিকা: 
- জীবাণু নিঃসৃত টক্সয়েড দিয়ে তৈরি এই টিকা। 
উদাহরণ: ডিপথেরিয়া, টিটেনাস (ধনুষ্টংকার) প্রভৃতি রোগের ভ্যাকসিন। 

৪। দেহ তলের রাসায়নিক বস্তু: 
- সংক্রমণকারী জীবাণুর দেহ তল থেকে নির্দিষ্ট প্রোটিনের অংশ আলাদা করে ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 
উদাহরণ: হেপাটাইটিস-B ভ্যাকসিন, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) ভ্যাকসিন প্রভৃতি। 

৫। ডিএনএ টিকা: 
- রিকমবিনেন্ট DNA পদ্ধতিতে DNA ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪২১.
যে ভাজক টিস্যুর কোষ সব তলেই বিভাজিত হয় তাকে কী বলে?
  1. গ্রাউন্ড ভাজক টিস্যু
  2. মাস ভাজক টিস্যু
  3. রিব ভাজক টিস্যু
  4. প্লেট ভাজক টিস্যু
সঠিক উত্তর:
মাস ভাজক টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাস ভাজক টিস্যু
ব্যাখ্যা
বিভাজন প্রক্রিয়া অনুসারে ভাজক টিস্যুর প্রকারভেদ: 
- বিভাজন প্রক্রিয়ার ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে ভাজক টিস্যুকে তিনভাগে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- 
১। মাস ভাজক টিস্যু, 
২। রিব ভাজক টিস্যু ও 
৩। প্লেট ভাজক টিস্যু। 

মাস ভাজক টিস্যু: 
 - যে ভাজক টিস্যুর কোষ সব তলেই বিভাজিত হয় তাকে মাস ভাজক টিস্যু বলে। 
- এ প্রকার বিভাজনের ফলে উদ্ভিদ দেহের আয়তন বাড়ে। 
যেমন- কর্টেক্স, এন্ডোস্পার্ম। 

রিব ভাজক টিস্যু: 
- যে ভাজক টিস্যুর কোষগুলো মাত্র একটি তলে বিভক্ত হয় তাকে রিব ভাজক টিস্যু বলে। 
- এ ধরনের বিভাজনের ফলে এক সারি কোষ সৃষ্টি হয়। 
যেমন- মূল ও কাণ্ডের মজ্জা। 

প্লেট ভাজক টিস্যু: 
- যে ভাজক টিস্যুর কোষগুলো দুটি তলে বিভক্ত হয় তাদের প্লেট ভাজক টিস্যু বলা হয়। 
যেমন- পাতার টিস্যু। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪২২.
বারিমন্ডলে ভূগর্ভস্থ পানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ২.০৫%
  2. খ) ০.৬৮%
  3. গ) ৫.৫০%
  4. ঘ) ০.০৩%
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৬৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০.৬৮%
ব্যাখ্যা
বারিমন্ডলের পানির প্রধান উৎসসমূহ:
সমুদ্র - ৯৭.২৫%
হিমবাহ - ২.০৫%
ভূগর্ভস্থ পানি - ০.৬৮%
হ্রদ - ০.০১%
নদী - ০.০০০১%

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪২৩.
পৃথিবীর প্রায় কত শতাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) এক-চতুর্থাংশ
  2. খ) দুই-চতুর্থাংশ
  3. গ) দুই-তৃতীয়াংশ
  4. ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তিন-চতুর্থাংশ
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- বারিমন্ডল হলো ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশি।
- এই বিশাল পানিরাশির সবচেয়ে বড় আধার মহাসাগর এবং সাগর।
- এছাড়া রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, হ্রদ, খাল, বিল ও জলাশয়। 

বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন:
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

সূত্র:
১. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২. ভূগোল প্রথম পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪২৪.
নিচের কোনটি স্নায়ুরোগ হিসেবে পরিচিত?
  1. পারকিনসন'স
  2. উচ্চ রক্তচাপ
  3. সিওপিডি
  4. মায়োকার্ডাইটিস
সঠিক উত্তর:
পারকিনসন'স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারকিনসন'স
ব্যাখ্যা
পারকিনসন'স ডিজিজ স্নায়ুরোগ হিসেবে পরিচিত।

• স্নায়ুরোগ:

- স্নায়ুরোগ হল স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এমন যেকোনো অবস্থা।
- স্নায়ুতন্ত্র শরীরের একটি জটিল নেটওয়ার্ক যা মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ড থেকে শরীরের বাকি অংশে বার্তা প্রেরণ এবং গ্রহণ করে।
- স্নায়ু রোগের ফলে বিভিন্ন ধরণের লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:
- স্নায়ুতে ব্যথা, অসাড়তা, ঝিনঝিনি বা জ্বালাপোড়া;
- মাংসপেশীর দুর্বলতা বা পক্ষাঘাত;
- চলাফেরায় অসুবিধা;
- সমন্বয়ের অভাব;
- বক্তৃতা বা গিলে ফেলার সমস্যা;
- মূত্রাশয় বা অন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ হারানো;
- সংবেদনশীলতা হ্রাস;
- জ্ঞান হারানো।
- উদাহরণ: স্ট্রোক, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, আলঝেইমার'স ডিজিজ, GBS, মেনিনজাইটিস প্রভৃতি স্নায়ুরোগ হিসাবে পরিচিত।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিউর, উচ্চ রক্তচাপ, এনজাইনা, মায়োকার্ডাইটিস, এন্ডোকার্ডাইটিস ইত্যাদি হৃদরোগ হিসাবে পরিচিত।
- নিউমোনিয়া, অ্যজমা, সিওপিডি, ব্রঙ্কিয়েকটেসিস ইত্যাদি ফুসফুসের রোগ হিসাবে পরিচিত।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,৪২৫.
ভেক্টর রাশির ক্ষেত্রে কোন বৈশিষ্ট্যটি সঠিক?
  1. ভেক্টর রাশির মান ও দিক নেই।
  2. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
  3. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায় না।
  4. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে।
সঠিক উত্তর:
দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি।
ব্যাখ্যা
ভেক্টর: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। 
- আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি, 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

 ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশির ধর্ম: 
- ভেক্টর রাশিগুলো কিছু মৌলিক নিয়ম বা ধর্ম অনুসরণ করে। 
যেমন- 
১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে। 
২. সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না। 
৩. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি। 
৪. দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি। 
৫. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না। 
৬. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪২৬.
নক্ষত্রের ব্যাপারে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. এরা জ্বলন্ত গ্যাসপিণ্ড
  2. এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাসে তৈরি
  3. এরা অতি উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বলছে
  4. দিনের বেলায় নক্ষত্রগুলোর অস্তিত্ব থাকে না
সঠিক উত্তর:
দিনের বেলায় নক্ষত্রগুলোর অস্তিত্ব থাকে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনের বেলায় নক্ষত্রগুলোর অস্তিত্ব থাকে না
ব্যাখ্যা
যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে৷ নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাস পিণ্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি৷ এই গ্যাস অতি উচ্চ তাপমাত্রায় (৬০০০° সেলসিয়াস) জ্বলছে৷ সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি
১১,৪২৭.
নিচের কোনটিকে মৌলিক কণিকা বলা হয়? 
  1. প্রোটন
  2. ইলেকট্রন 
  3. নিউট্রন 
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন- ১। ইলেকট্রন, ২। প্রোটন ও ৩। নিউট্রন। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে। 
- আর পরমাণুর নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে। 
- ইলেকট্রন (electron) নিউক্লিয়াসের বাহিরে থাকে এবং তার চারদিকে ঘূর্ণায়মান থাকে।‌ 
- পরমাণু আধান নিরপেক্ষ, কারণ একটি পরমাণুতে যতটি প্রোটন আছে ততটি ইলেকট্রনও আছে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪২৮.
জমিতে নাইট্রোজেন ও ফসফরাসের পরিমাণ নির্ণয়ের জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. কীটনাশক
  2. তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ
  3. রাসায়নিক সার
  4. গাইগার মুলার কাউন্টার
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- কিছু কিছু আইসোটোপ আছে যাদের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে (নিজে নিজেই) ভেঙে আলফা, বিটা, গামা ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত করে। 
- একটি মৌলের যে সকল আইসোটোপ তেজস্ক্রিয় রশ্মি নিঃশরণ করে তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে। 
- এখন পর্যন্ত এ ধরনের আইসোটোপের সংখ্যা ৩০০০ থেকে বেশি। এদের মধ্যে কিছু প্রকৃতিতে পাওয়া গেছে, অন্যগুলো গবেষণাগারে তৈরি করা হয়েছে। 
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ এর নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার দিয়ে মানুষ অনেক কিছু করতে পারে যেটি অন্যভাবে করা দুঃসাধ্য ছিল। 
- বর্তমানে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ চিকিৎসাক্ষেত্রে, কৃষিক্ষেত্রে, খাদ্য ও বীজ সংরক্ষণে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে, কোনো কিছুর বয়স নির্ণয়সহ আরও অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। 

কৃষিক্ষেত্রে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 
১। ফসলের পুষ্টিতে: 
- ফসলের পুষ্টির জন্য জমিতে পরিমাণমতো সার ব্যবহার করতে হয়। 
- সার মূল্যবান বস্তু, তাই অতিরিক্ত ব্যবহার করা আর্থিক ক্ষতির কারণ। 
- একদিকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত সার ব্যবহার পরিবেশের ক্ষতির কারণ, অপরদিকে প্রয়োজনের চেয়ে কম পরিমাণ সার ব্যবহার করা হলে ফসলের উৎপাদন কম হয়। 
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করে জমিতে কী পরিমাণ নাইট্রোজেন ও ফসফরাস আছে তা জানা যায়। আর তা জেনে জমিতে আরও কী পরিমাণ নাইট্রোজেন ও ফসফরাস দিতে হবে তারও হিসাব করা যায়। 
- উদ্ভিদ মূলের মাধ্যমে তেজস্ক্রিয় নাইট্রোজেন ও তেজস্ক্রিয় ফসফরাস গ্রহণ করে এবং তা উদ্ভিদের শরীরের বিভিন্ন অংশে শোষিত হয়। এসব তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। গাইগার মুলার কাউন্টার ব্যবহার করে এ তেজস্ক্রিয় রশ্মি শনাক্ত ও পরিমাপ করা হয়। 

২। ক্ষতিকারক পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ করতে: 
- ফসলের জন্য ক্ষতিকারক পোকামাকড় সব সময়ই মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। এগুলো যেমন ফসলের উৎপাদন কমায় তেমনই এদের মাধ্যমে রোগজীবাণুও উদ্ভিদে প্রবেশ করে। 
- এসব পোকামাকড় ধ্বংস করার জন্য ফসলে এবং জমিতে কীটনাশক দেওয়া হয়। এ কীটনাশক পরিবেশ ও আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 
- শুধু তাই নয়, এ কীটনাশক ক্ষতিকারক পোকামাকড়ের সাথে সাথে অনেক উপকারী পোকামাকড়ও ধ্বংস করে। 
- তেজস্ক্রিয় আইসোটোপসমৃদ্ধ কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে জানা সম্ভব হয়েছে সর্বনিম্ন কতটুকু পরিমাণ কীটনাশক একটি ফসলের জন্য ব্যবহার করা যাবে। 

৩। ফসলের মানোন্নয়নে: 
- বিভিন্ন ধরনের তেজস্ক্রিয় রশ্মির নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে উদ্ভিদ কোষের জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে উন্নত মানের ফসল উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪২৯.
পিত্তরসের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. অম্লীয়
  2. নিরপেক্ষ
  3. ক্ষারীয়
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ক্ষারীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষারীয়
ব্যাখ্যা

যকৃৎ (Liver): 
- মধ্যচ্ছদার নিচে উদরগহ্বরের উপরে পাকস্থলীর ডান পাশে যকৃৎ অবস্থিত। 
- যকৃৎ মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি। 
- যকৃৎ-এর রং লালচে খয়েরি। 
- যকৃতের ডান খণ্ডটি বাম খণ্ড থেকে আকারে কিছুটা বড়। 
- প্রকৃতপক্ষে চারটি অসম্পূর্ণ খণ্ড নিয়ে যকৃৎ গঠিত। প্রতিটি খণ্ড ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র লোবিউল দিয়ে তৈরি। প্রত্যেকটি লোবিউলে অসংখ্য কোষ থাকে যে কোষ পিত্তরস (bile) তৈরি করে। 
- পিত্তরস ক্ষারীয় গুণ সম্পন্ন। 
- যকৃতে বিভিন্ন রকম জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, তাই একে রসায়ন গবেষণাগার বলা হয়। 
- যকৃতের নিচের অংশ পিত্তথলি বা পিত্তাশয় সংলগ্ন থাকে যেখানে পিত্তরস জমা হয়। এই পিত্তরস গাঢ় সবুজ বর্ণের এবং তিক্ত স্বাদবিশিষ্ট। 
- পিত্তথলি পিত্তনালির সাহায্যে অগ্ন্যাশয় নালির সাথে মিলিত হয়। এটি যকৃৎ-অগ্ন্যাশয় নালির মাধ্যমে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৪৩০.
‘টেডারক্স’ কী?
  1. যুদ্ধ বিমান
  2. শক্তিশালী মাদক
  3. ক্যানসারের ঔষধ
  4. মারাত্মক রোগ ইবোলার টিকা
সঠিক উত্তর:
ক্যানসারের ঔষধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যানসারের ঔষধ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ক্যানসারের ঔষধ-টেডারক্স:
- ক্যানসারের ঔষধ ‘টেডারক্স’ এর সর্বশেষ সংস্করণ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন ইরানি গবেষকরা।
- দাবি করা হচ্ছে, ঔষধের সর্বশেষ এই সংস্করণটি ক্যানসার রোগীদের দীর্ঘজীবি হতে সাহায্য করে।
- ইরানের একটি ফার্মাসিউটিক্যাল জ্ঞান-ভিত্তিক কোম্পানি ঔষধটি উৎপাদন করেছে।
- ৩ থেকে ৬ নভেম্বর তেহরানে অনুষ্ঠিত ‘ইরান ন্যানো ২০২৪’ প্রদর্শনীতে এটি উন্মোচন করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ক্যান্সার এমন একটি জটিল রোগ যা বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- নিয়ন্ত্রণহীনভাবে শরীরের কোনও অংশে কোষের অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়াকে ক্যান্সার বলা হয়।
- সাধারণত প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে এবং সঠিক চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ করলে রোগীর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
- ক্যান্সার কতটা দ্রুত ছড়াবে সেটি সুনির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন।
- এটি কতটা প্রাণঘাতী হতে পারে তা কোন স্টেজে ধরা পড়ছে তার পাশাপাশি এর লক্ষণ কতটা ধরা পড়ে এর উপরেও নির্ভর করে।

তথ্যসূত্র:- বিবিসি বাংলা ও দৈনিক ইনকিলাব।
১১,৪৩১.
দ্রবণের pH মান কোন সীমার মধ্যে থাকে?
  1. 0 থেকে 7 এর মধ্যে
  2. 0 থেকে 14 এর মধ্যে
  3. 7 থেকে 14 এর মধ্যে
  4. 6 থেকে 14 এর মধ্যে
সঠিক উত্তর:
0 থেকে 14 এর মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0 থেকে 14 এর মধ্যে
ব্যাখ্যা
pH স্কেল: 
- বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন। 
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = -log[H+

- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়। 
- pH মিটারের pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশি হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং 7 এর সমান হলে দ্রবণটি প্রশমন হয়। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে। আর যদি দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। 
- এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪৩২.
স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH কত?
  1. ৭.০
  2. ৭.২
  3. ৭.৪
  4. ৭.৭
সঠিক উত্তর:
৭.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭.৪
ব্যাখ্যা
pH:
- পাকস্থলীতে স্বাভাবিকের তুলনায় এসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে পাকস্থলীর অ্যাসিডিটি বলে।
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে।
- কোনো দ্রবণের pH মান নির্ণয়ের জন্য যে পরিমাপ যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে pH মিটার বলে।
- মাটির pH সাধারণত 4-8 হয়ে থাকে।
- স্বাভাবিক অবস্থায় মানব দেহের রক্তের pH = 7.45।
- বিশুদ্ধ পানির pH 20°-27°C তাপমাত্রায় 7।
- মূত্রে pH-এর মান 7-এর কম থাকে অর্থাৎ মূত্র মৃদু অম্লীয় প্রকৃতির।
- মানুষের জিহ্বার লালার pH 6.6 এর কাছাকাছি হলে খাদ্য দ্রব্য হজমে তা বেশি কার্যকরি ভূমিকা রাখতে পারে।
- পাকস্থলীতে খাদ্য দ্রব্য হজম করার জন্য উপযোগী pH হল 2।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪৩৩.
কোন তত্ত্ব প্রয়োগ করে পারমানবিক বোমা উদ্ভাবিত হয়?
  1. ক) নিউক্লিয়ার ফিশন
  2. খ) নিউক্লিয়ার ফিউশন
  3. গ) নিউক্লিয়ার মেসন
  4. ঘ) নিউক্লিয়ার মডিউল
সঠিক উত্তর:
ক) নিউক্লিয়ার ফিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিউক্লিয়ার ফিশন
ব্যাখ্যা
পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়।
প্রক্রিয়া দুটি হল :
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন 
২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন 

নিউক্লিয়ার ফিশন :
যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি
খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে।


- ১৯৩৮ সালে ওটো হান (১৮৭৯-১৯৬৮) ও স্ট্রেসম্যান (১৯০২-১৯৮০) প্রমাণ করেন যে, নিউক্লিয়াস ফিশনযোগ্য ।
- অর্থাৎ ফিশনের ফলে একটি বড় ভর সংখ্যা বিশিষ্ট নিউক্লিয়াস ভেঙ্গে প্রায় সমান ভর বিশিষ্ট দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং
প্রচুর শক্তি উৎপাদিত হয়।
- এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে নিউক্লিয় বোমা ও নিউক্লিয় চুল্লীর উদ্ভাবন হয়। নিউক্লিয়াস বিভাজন থেকে যে শক্তি উৎপাদন হয়, সেই শক্তির পরিমাণ বিপুল ।

নিউক্লিয়ার ফিউশন : যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়
এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 

উৎস: এস.এস.সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪৩৪.
প্রশমন বিক্রিয়া একটি -
  1. তাপ উৎপাদি বিক্রিয়া
  2. তাপহারি বিক্রিয়া
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তাপ উৎপাদি বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ উৎপাদি বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
প্রশমন বিক্রিয়া: 
- ধাতুর হাইড্রোক্সাইড তথা এসিডের সাথে ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। 
- যে বিক্রিয়ায় এসিড ও ক্ষার বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়, তাকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে। 
- এই বিক্রিয়াকে এসিড-ক্ষার বিক্রিয়াও বলা হয়। 
যেমন - লঘু NaOH দ্রবণে ধীরে ধীরে লঘু HCl দ্রবণ করলে NaCl (লবণ) এবং H2O (পানি) উৎপন্ন হয়। 
- প্রশমন বিক্রিয়ায় সব সময় তাপ উৎপন্ন হয় অর্থাৎ প্রশমন বিক্রিয়া একটি তাপ উৎপাদি বিক্রিয়া। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪৩৫.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা -
  1. ০.০১ মিলিগ্রাম
  2. ০.৩ মিলিগ্রাম
  3. ০.১ মিলিগ্রাম
  4. ০.০৩ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
০.০১ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০১ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা

আর্সেনিক:
- বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।
- ধূসর আভাযুক্ত সাদা রংবিশিষ্ট ভঙ্গুর প্রকৃতির একটি অর্ধধাতু বা উপধাতু হচ্ছে আর্সেনিক (Arsenic)।
- প্রকৃতিতে আর্সেনিক বিভিন্ন যৌগ আকারে পাওয়া যায়।
- ৩৩ আণবিক সংখ্যাবিশিষ্ট আর্সেনিকের আণবিক ভর ৭৪.৯২।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত আর্সেনিক একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম।
- তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে।
- চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৯৩ সালে চাপাইনবাবগঞ্জে দেশে প্রথম নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়।

উৎস: ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

১১,৪৩৬.
আধুনিক পর্যায় সারণিতে কতটি পর্যায় আছে?
  1. ৫ টি
  2. ৭ টি
  3. ৮ টি
  4. ১১ টি
সঠিক উত্তর:
৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ টি
ব্যাখ্যা

• পর্যায় সারণি (Periodic Table):
- পর্যায় সারণি হলো এমন একটি সারণি, যেখানে মৌলগুলোকে তাদের পারমাণবিক সংখ্যা অনুযায়ী সাজানো হয়।

• আধুনিক পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য-
- পর্যায় সারণিতে ৭ টি পর্যায় বা আনুভূমিক সারি রয়েছে।
- সারণিতে ১৮ টি গ্রুপ বা খাড়া স্তম্ভ রয়েছে।
-  প্রতিটি পর্যায় বাম দিকে গ্রুপ ১ থেকে শুরু করে ডানদিকে গ্রুপ ১৮ পর্যন্ত বিস্তৃত। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।

১১,৪৩৭.
কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নেয়া হলে তার ওজন - 
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. অর্ধেক হয়
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা
- যখন কোনো বস্তুকে বিষুবরেখা থেকে মেরুতে নেয়া হয় তখন তার ওজন বাড়তে থাকে। 
- বস্তুর ভর একটি ধ্রুব রাশি। 
- কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষীয় ত্বরণের উপর নির্ভরশীল। 
- যে স্থানে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, সে স্থানে বস্তুর ওজনও বেশি। 
- অভিকর্ষীয় ত্বরণ যে স্থানে কম বস্তুর ওজন সে স্থানে কম। 
- যেহেতু মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ বেশি, তাই মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন বেশি। 
- বিষুব অঞ্চলে অভিকর্ষীয় ত্বরণ কম তাই বিষুব অঞ্চলে বস্তুর ওজনও কম। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষীয় ত্বরণ শূন্য, এজন্য পৃথিবীর কেন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪৩৮.
গর্ভাবস্থার লক্ষণ-
  1. ক) Pelvic infection
  2. খ) মাসিক বন্ধ থাকা
  3. গ) ডিসমেনোরিয়া
  4. ঘ) যোনিপথে স্রাব
সঠিক উত্তর:
খ) মাসিক বন্ধ থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাসিক বন্ধ থাকা
ব্যাখ্যা
নারীদের প্রতি মাসের একটি নির্দিষ্ট সময়ে পিরিয়ড হয়ে থাকে (সাধারণত ২৮ দিন পর পর)। এটি বন্ধ হয়ে যাওয়া গর্ভাবস্থার অন্যতম একটি প্রধান লক্ষণ। এছাড়াও গর্ভাবস্থায় আরো কিছু লক্ষণ দেখা যেতে পারে যেমন, দূর্বলতা, মাথা ঘোরানো, বমি বমি ভাব, হজমে সমস্যা বা কোষ্ঠকাঠিন্য, স্তনের পরিবর্তন ইত্যাদি।
১১,৪৩৯.
রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও সিংহ-এর মধ্যে কোন ধরনের বৈচিত্র্য বিদ্যমান? 
  1. জিনগত বৈচিত্র্য 
  2. স্বভাবগত বৈচিত্র্য 
  3. বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য 
  4. প্রজাতিগত বৈচিত্র্য 
সঠিক উত্তর:
প্রজাতিগত বৈচিত্র্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতিগত বৈচিত্র্য 
ব্যাখ্যা

জীব-বৈচিত্র্য: 
- পৃথিবীতে জীবের বৈচিত্র্যতা রয়েছে। এর জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে সর্বত্রই প্রাণীর অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়। 
- প্রাণীগুলোর মধ্যে কোনোটি এতোই ছোট যে এদের খালি চোখে দেখা যায় না, আবার কোনোটি আকারে বড় তাই খালি চোখে দেখা যায়। 
- এদের মধ্যে কোনোটি মানুষের জন্য উপকারি, কোনোটি ক্ষতিকর। 
- এদের স্বভাব, বৈচিত্র্য, আবাস স্থলের ভিন্নতা ও দলগতভাবে এদের বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য দেখা যায়। 
- তাই প্রাণিদের শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে সুসংবদ্ধ জ্ঞান থাকা অতীব প্রয়োজনীয়। 
 
প্রাণী বৈচিত্র্য (Animal diversity): 
- বৈচিত্র্যময় এ পৃথিবীতে বিরাজমান সকল প্রাণীর মধ্যে যে জিনগত, বাস্তুসংস্থানগত ও প্রজাতিগত বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে প্রাণী বৈচিত্র্য বলে। 
- প্রকৃতিতে তিন ধরনের প্রাণী বৈচিত্র্য দেখা যায়।
যথা- 
১। জিনগত বৈচিত্র্য (Genetic diversity): 
- একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে জিনগত পার্থক্যের কারণে যে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকে জিনগত বৈচিত্র্য বলে। 
- এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই প্রজাতির মধ্যে ঘটে তাই একে অন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। 
যেমন- মানব প্রজাতির বিভিন্ন রেস এর মধ্যে নাক ও কানের গঠনগত পার্থক্য, একই পিতা-মাতার সন্তানের মধ্যে পার্থক্য।
আবার মানুষ (Homo sapiens) একই প্রজাতিভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মঙ্গোলয়েড, ককেশয়েত, নিগ্রয়েড ইত্যাদি রেস দেখা যায় এবং এদের দেহের গঠন, গায়ের রং, চুলের রং ও আকৃতি ইত্যাদিতে অনেক পার্থক্য দেখা যায়। 
 
২। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity): 
- ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে বিদ্যমান বৈচিত্র্যকে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলে। 
- এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই গণভুক্ত প্রজাতিগুলোর মধ্যে ঘটে তাই একে আন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। 
- একই গনভুক্ত প্রজাতির মধ্যে ক্রোমোসোম সংখ্যা ও আঙ্গিক গঠনে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। 
- যেমন- রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Panthera tigris) ও সিংহ (Panthera leo) একই গণভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ক্রোমোসোম সংখ্যা ও জিনের বিন্যাস ভিন্ন হওয়ার ফলে এদের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বিরাজ করে। 
 
৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity): 
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথস্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশিয় একক বা বায়োম সৃষ্টি হয়। 
যেমন- তুন্দ্রা বায়োম, মরূ বায়োম, তৃণ ভূমি বায়োম ইত্যাদি । 
- বিভিন্ন বায়োমে বসবাসকারি জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে। 
যেমন- বন, তৃণভূমি, জলাভূমি, হ্রদ, নদী, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন জীব সম্প্রদায়। 
 
উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১,৪৪০.
কোনটি বিদ্যুৎ কুপরিবাহী?
  1. তামা
  2. রাবার
  3. লোহা
  4. রূপা
সঠিক উত্তর:
রাবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাবার
ব্যাখ্যা
• সুপরিবাহী পদার্থ:
- যে সব পদার্থ খুব সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে তাকে তাপ সুপরিবাহী বলে।
- যেমন- লোহা, তামা, রূপা, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি।

• কুপরিবাহী পদার্থ:
- যে সব পদার্থ সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে না তাকে তাপ কুপরিবাহী পদার্থ বলে।
- যেমন- তুলা, কাঠ, পশম, রাবার, কাঁচ, পাস্টিক ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪৪১.
সর্বশেষ আবিষ্কৃত মৌলিক কণা -
  1. ক) হিগস-বোসন
  2. খ) ফোটন
  3. গ) পজিট্রন
  4. ঘ) মেসন
সঠিক উত্তর:
ক) হিগস-বোসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হিগস-বোসন
ব্যাখ্যা
- সর্বশেষ আবিষ্কৃত মৌলিক কণা হলো হিগস-বোসন ।
- ২০১২ সালের ৪ জুলাই LHC (Large Hadron Collider ) এর বিজ্ঞানীরা ঘোষণা করেছিলেন যে তারা একটি আকর্ষণীয় সংকেত সনাক্ত করেছেন যা সম্ভবত হিগস বোসন থেকে।

সূত্র- ব্রিটানিকা
১১,৪৪২.
নিউক্লিয় ফিশন ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা কোন সমীকরণ দিয়ে সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়? 
  1. F = ma
  2. W = mg
  3. E = m2c
  4. E = mc2
সঠিক উত্তর:
E = mc2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
E = mc2
ব্যাখ্যা
ভর-শক্তি সমীকরণ: 
- আইনস্টইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি সমীকরণ E = mc2.
- এই সমীকরণ প্রমাণ করে, ভর ও শক্তি ভিন্ন সত্তার নয়, বরং একই সত্তার দুটি ভিন্নরূপ মাত্র। 
- নিউক্লিয় ফিশন ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা এই সমীকরণ দিয়ে সঠিক ভাবে পরিমাপ করা যায়। 
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র থেকে আমরা যে শক্তি পেয়ে থাকি তাও এই সমীকরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। 
অর্থাৎ, এই সমীকরণ মহাজগতিক সকল শক্তির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম। 

উৎস: পদার্থ দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪৪৩.
নিচের কোনটি পীট কয়লার বৈশিষ্ট্য -
  1. মাটির অনেক গভীরে থাকে
  2. দহন ক্ষমতা কয়লার তুলনায় অধিক
  3. শুষ্ক এবং শক্ত
  4. ভিজা ও নরম
সঠিক উত্তর:
ভিজা ও নরম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিজা ও নরম
ব্যাখ্যা
পীট কয়লা সবচেয়ে নিম্নমানের কয়লা।
যা মাটির ভূগর্ভে থেকে পাওয়া যায়।
পীট কয়লা ভিজা ও নরম, দহনে খুব কম তাপ উৎপন্ন করে।

উৎসঃ রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,৪৪৪.
নিচের কোনটিকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়?
  1. ক) পিঁপড়া
  2. খ) তেলাপোকা
  3. গ) রাজকাঁকড়া
  4. ঘ) মশা
সঠিক উত্তর:
গ) রাজকাঁকড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাজকাঁকড়া
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম:
কতগুলাে জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনােরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনাে পৃথিবীতে বেঁচে আছে অথচ তাদের সমগােত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী এর উদাহরণ।
অন্যদিকে ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলােবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ।

প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগে লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আথ্রোপোডাগুলাে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

সূত্র: নব জীবনের সুচনা, বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪৪৫.
কোষ বিভাজনে সাহায্য করে কোনটি?
  1. সাইটোপ্লাজম
  2. মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. সেন্ট্রিওল
  4. রাইবোজোম
সঠিক উত্তর:
সেন্ট্রিওল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্ট্রিওল
ব্যাখ্যা

সেন্ট্রিওল- একটি স্বচ্ছ দানাবিহীন সাইটোপ্লাজম দ্বারা নিমজ্জিত এবং নিউক্লিয়াসের কাছাকাছি অবস্থিত দুটি ফাঁপা নলাকার বা দন্ডাকার অঙ্গাণুকে বলা হয় সেন্ট্রিওল। এটি প্রাণী কোষের সেন্ট্রোসোম এলাকায় অবস্থান করে। উদ্ভিদ কোষে সাধারণত এটি থাকে না। তবে নিম্নশ্রেণীর উদ্ভিদ কোষ যেমন ছত্রাকে থাকে।
কাজ- কোষ বিভাজনের সময় অ্যাস্ট্রাল-রে গঠন এবং মেরুনির্দেশ করে। কোষ বিভাজনে সাহায্য করে।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১১,৪৪৬.
RNA ভাইরাসের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. Harpes simplex
  2. Mumps 
  3. Rubella 
  4. Influenza B 
সঠিক উত্তর:
Harpes simplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Harpes simplex
ব্যাখ্যা

- RNA ভাইরাসের উদাহরণ নয়- Harpes simplex.

DNA ভাইরাসঘটিত রোগ: 

- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA থাকে তাদেরকে DNA ভাইরাস বলা হয়। 
- DNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- Harpes simplex (Human), Tipula Iridescent, Rabbitpox, Vaccinia (bovine), Variola (Human), Pustular dermatitis (Sheep), এডেনা গ্রুপ, প্যাপিলোমা (মানব), পলিওমা, ΦX174 কলিফাজ, Cauliflower mosaic, Adenoassociaed ইত্যাদি। 

RNA ভাইরাসঘটিত রোগ: 
- যে ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে RNA থাকে তাদেরকে RNA ভাইরাস বলা হয়। 
- RNA ভাইরাসের উদাহরণ হলো- Influenza B (Human), পোলিও (মানব), Rubella (Human), পীতজ্বর (মানব), ডেঙ্গু (মানব), Encephalitis (Human), Leukemia (cat), Mumps (Human), Measles (Human), Cold (Human), Newcastle disease (fowl), Rabies (dog), Vesicular stomatitis (cattle), Tobacco mosaic, Sugarcane mosaic, filamentous bacteriophage fd (Pseudomonas), Cucumber mosaic ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং ভাইরাসতত্ত্ব পরিচয় (আহমেদ মাতীন)।

১১,৪৪৭.
সিনেমা প্রজেক্টরের মৌলিক রং গুলো কি কি?
  1. ক) আসমানী,সবুজ, নীল
  2. খ) নীল, সবুজ, লাল
  3. গ) সাদা, লাল, সবুজ
  4. ঘ) হলুদ, লাল, নীল
সঠিক উত্তর:
খ) নীল, সবুজ, লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নীল, সবুজ, লাল
ব্যাখ্যা

তিনটি মৌলিক রং হচ্ছে লাল, নীল, সবুজ। এই ৩টি রং এর সমন্বয়ে বাকী রং গুলো তৈরি করা যায়।
উৎসঃ ব্রিটানিকা।

১১,৪৪৮.
কোন যন্ত্রের মাধ্যমে যান্ত্রিক শক্তি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. সোলার প্যানেল
  2. জেনারেটর
  3. ইলেকট্রিক ইস্ত্রি
  4. মাইক্রোফোন
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেটর
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন- শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর- তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো- যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- সোলার প্যানেল: এটি আলোক শক্তিকে সরাসরি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে, এখানে যান্ত্রিক শক্তির কোনো ভূমিকা নেই।
- ইলেকট্রিক ইস্ত্রি: এটি তড়িৎ শক্তিকে তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- সোলার প্যানেল: এটি আলোক শক্তিকে সরাসরি তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে, এখানে যান্ত্রিক শক্তির কোনো ভূমিকা নেই।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪৪৯.
হৃৎস্পন্দন লিপিবদ্ধের যন্ত্র-
  1. ক) স্টেথোস্কোপ
  2. খ) ক্রেস্কোগ্রাফ
  3. গ) কার্ডিওগ্রাফ
  4. ঘ) স্ফিগমােম্যানােমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ডিওগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কার্ডিওগ্রাফ
ব্যাখ্যা
হৃৎস্পন্দন লিপিবদ্ধের যন্ত্র-কার্ডিওগ্রাফ; মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র-স্ফিগমােম্যানােমিটার; হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের শব্দ নির্ণায়ক যন্ত্র-স্টেথোস্কোপ এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র-ক্রেস্কোগ্রাফ।
[সূত্রঃ সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি]
১১,৪৫০.
ট্রানজিস্টরে অর্ধপরিবাহী হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. লোহা
  2. জার্মেনিয়াম
  3. ম্যাঙ্গানিজ
  4. কার্বন
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মেনিয়াম
ব্যাখ্যা

• ট্রানজিস্টরে অর্ধপরিবাহী হিসেবে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ব্যবহৃত হয়।

• ট্রানজিস্টর:
- ১৯৪৮ সালে জে. বার্ডিন ও ডব্লিউ. এইচ. ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ইলেকট্রিক সার্কিট বা বর্তনীতে ট্রানজিস্টর বিবর্ধক ও সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যে যন্ত্র এর অন্তর্গামীতে প্রদত্ত সংকেত বহির্গামীতে বিবর্ধিত করে তাকে অ্যামপ্লিফায়ার বলে।
- ট্রানজিস্টর দুই ধরনের। যথা- n-p-n এবং p-n-p ।  

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
২. পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪৫১.
1 atm = কত প্যাসকেল?
  1. 1.01325 × 102
  2. 1.01325 × 10- 2
  3. 1.01325 × 10- 5
  4. 1.01325 × 105
সঠিক উত্তর:
1.01325 × 105
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1.01325 × 105
ব্যাখ্যা
চাপ (Pressure): 
- গ্যাসপাত্রে গ্যাসের অণুসমূহ অবিরত ইতস্তত ছুটাছুটি করার ফলে গ্যাস পাত্রের একক ক্ষেত্রফলের ওপর গ্যাস অণুসমূহ যে বল প্রয়োগ করে, তাকে গ্যাসের চাপ বলে। 
- বহুকাল থেকে গ্যাসের চাপের একক বায়ুচাপ বা বায়ুমণ্ডল বা অ্যাটমসফিয়ার (atmosphere, সংক্ষেপে atm) ব্যবহৃত হয়ে আসছে। 
- ০°C তাপমাত্রায় 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে যে পরিমাণ বায়ুচাপ 760 mm পারদ স্তম্ভের চাপের সমান হয়, তাকে এক বায়ুমণ্ডল চাপ বা এক বায়ুচাপ (atm) বলে।
- মি.মি. পারদ mm (Hg) এককেও চাপ প্রকাশ করা হয়। 
- বিজ্ঞানী টরিসেলির (E.Torricelli) নামানুসারেও নিম্নচাপের ক্ষেত্রে টর (torr) একক ব্যবহৃত হয়। 
∴ 1 torr = 1 mm (Hg)। 
- সাধারণভাবে বিভিন্ন গণনার কাজে চাপের একক atm, mm (Hg) বা torr ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজে S.I এককে গ্যাসের চাপ নিম্নরূপে প্রকাশ করা হয়। 
- S.I এককে গ্যাসের চাপকে নিউটন/মিটার2 বা প্যাসকেল (Pa) এককে প্রকাশ করা হয়। 
- প্রতি বর্গমিটারে এক নিউটন বলকে প্যাসকেল (Pascal) বলা হয়।
[1Pa = 1 Nm-2 [Nm-2 = kgms-2.m-2 = kgm-1.s-2]. 

1 বায়ুমণ্ডল চাপ = 1 atm = 0.76 m (Hg) স্তম্ভের ভর। 
= 0.76 m x (13.5951 x 103 kgm-3) x 9.80665 ms-2
1 atm = 101.325 x 103 Nm-2 = 101.325 × 103 Pa = 101.325 kPa. 
1 atm = 101.325 kPa = 1.01325 × 105 Pa = 1.01325 × 105 Nm-2 = 760 mm (Hg). 

চাপের বিভিন্ন এককের সম্পর্ক: 
- গ্যাসের চাপকে নিম্নোক্ত বিভিন্ন এককে প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- 
1 atm = 76.0 cm (Hg) = 760 mm (Hg) = 101.325 kPa = 101.325× 103 Pa = 760 torr = 1 bar. 
উল্লেখ্য,
- S.I এককে যে পরিমাণ বল এক কিলোগ্রাম ভর বিশিষ্ট কোন বস্তুর ওপর প্রযুক্ত হয়ে এক মিটার/(সেকেন্ড)2 ত্বরণ সৃষ্টি করে, তাকে এক নিউটন (N) বলে। 
∴ 1 N বল = 1 kgms-2

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
১১,৪৫২.
নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে কোন সার প্রস্তুত করা হয়?
  1. ক) টিএসপি
  2. খ) পটাশ
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) সবুজ সার
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

নাইট্রোজেন গ্যাসকে একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় অ্যামােনিয়ায় রূপান্তরিত করা হয় এবং অ্যামােনিয়া থেকে ইউরিয়া সার উৎপন্ন করা হয়।
তাই উদ্ভিদ খাদ্য উপাদান হিসেবে ইউরিয়া সার হতে নাইট্রোজেনই গ্রহণ করে।
ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেন থাকে ৪৬%।

১১,৪৫৩.
গঠনের দিক থেকে ভাইরাস কতটি অংশে বিভক্ত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের গঠনঃ
বিভিন্ন প্রকার ভাইরাসের গঠন বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে।
সাধারণভাবে প্রতিটি ভাইরাস প্রধানত দুটি অংশে বিভক্ত।
যথা -
- প্রােটিন আবরণ তথা ক্যাপসিড ও
- নিউক্লিক এসিড।

ক্যাপসিড (Capsid):
অপেক্ষাকৃত জটিল ভাইরাসে নিউক্লিক এসিডের বাইরে একে ঘিরে অবস্থিত প্রােটিন আবরণটি হলাে ক্যাপসিড। এ প্রােটিন আবরণটি অসংখ্য প্রােটিন অণু দ্বারা গঠিত। ক্যাপসিড আবরণের এক একটি প্রােটিন অণুকে ক্যাপসােমিয়ার (capsomere) বলে।
এ ক্যাপসােমিয়ার অণুসমূহ নির্দিষ্ট ভাইরাস নির্দিষ্ট ধরণের।
কোনাে কোনাে প্রাণি ভাইরাসের ক্যাপসিডের বাহিরে একটি লিপােপ্রােটিনের স্তর থাকে এবং এর একককে পেপলােমার (peplomer) বলে। এ ধরনের ভাইরাসকে লিপপাভাইরাস (lipovirus) বলে।

নিউক্লিক এসিড (Nucleic Acid):
প্রতিটি ভাইরাস দেহের কেন্দ্রে অবস্থান করে নিউক্লিক এসিড।
নিউক্লিক এসিড ভাইরাসের বংশগতি নির্ধারক পদার্থ। নিউক্লিক এসিড দু'ধরনের তথা DNA (ডি অক্সিরাইবাে নিউক্লিক এসিড) ও RNA (রাইবাে নিউক্লিক এসিড)।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)
১১,৪৫৪.
‘গ্রীন হাউজ ইফেক্ট’ বলতে বুঝায়- 
  1. তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
  2. সূর্যালোকের অভাবে সালোকসংশ্লেষণে ঘাটতি।
  3. উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূ-মণ্ডলের অবলোকন।
  4. প্রাকৃতিক চাষের বদলে ক্রমবর্ধমানভাবে কৃত্রিম চাষের প্রয়োজনীয়তা।
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউস ইফেক্ট: 
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রীন হাউস ইফেক্ট বলে। 
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যেসব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাঁধা দেয় এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে। 
- পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে, ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- গ্রীন-হাউজ ইফেক্ট এর ফলে তাপ আটকে পড়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪৫৫.
এক্সরের (x-ray) আবিষ্কারক-
  1. ক) আলফ্রেড নোবেল
  2. খ) মাইকেল ফ্যারাডে
  3. গ) উইলিয়াম রন্টজেন
  4. ঘ) হেনরি বেকেরেল
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম রন্টজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম রন্টজেন
ব্যাখ্যা

- ক্যাথোড রশ্মি হচ্ছে এক রাশি ইলেকট্রন।
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্সরে উৎপন্ন হয়।
- এক্সরের একক রন্টজেন।
- এক্সরে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন।
- তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন হেনরি বেকেরেল।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৪৫৬.
ক্লোরোপ্লাস্ট গঠন ও সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় উপাদান কোনটি?
  1. তামা
  2. ম্যাঙ্গানিজ
  3. মলিবডেনাম
  4. দস্তা
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাঙ্গানিজ
ব্যাখ্যা

পুষ্টি উপাদানের গুরুত্ব: 
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
যেমন- 
১। নাইট্রোজেন (N)- নিউক্লিক অ্যাসিড, প্রোটিন ও ক্লোরোফিলের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। উদ্ভিদের স্বাভাবিক দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষ কলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 
২। ফসফরাস (P)- নিউক্লিক অ্যাসিড, বিভিন্ন ফসফোলিপিড, NADP, ATP ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্যের সাংগঠনিক উপাদান। উদ্ভিদের মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান। 
৩। পটাসিয়াম (K)- উদ্ভিদের পানি শোষণে সাহায্য করে। পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাসিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। ইহা মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনে সাহায্য করে।
৪। ম্যাগনেসিয়াম (Mg)- ক্লোরোফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। উদ্ভিদের শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 
৫। আয়রন (Fe)- উদ্ভিদের বায়বীয় শ্বসন এর উপর নির্ভরশীল। ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে আয়রনের ভূমিকা অপরিসীম। 
৬। ম্যাঙ্গানিজ (Mn)ক্লোরোপ্লাস্ট গঠন ও সংরক্ষণের জন্য ম্যাঙ্গানিজ প্রয়োজন। 
৭। তামা (Cu)- টমেটো, সূর্যমুখী উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য এবং শ্বসন প্রক্রিয়ার উপর তামার প্রভাব উল্লেখযোগ্য। 
৮। বোরন (B)- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বর্ধনশীল অঞ্চলের জন্য বোরন প্রয়োজন। চিনি পরিবহনে বোরন পরোক্ষ প্রভাব বিস্তার করে। 
৯। দস্তা বা জিংক (Zn)- অ্যামাইনো অ্যাসিড সংশ্লেষণের জন্য দস্তা (Zn) প্রয়োজন। উদ্ভিদের স্বাভাবিক বিপাকীয় কার্যে এর প্রয়োজন হয়। 
১০। মলিবডেনাম (Mo)- অণুজীব দ্বারা বায়বীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য এটি আবশ্যক। 
১১। ক্লোরিন (CI)- সুগারবীট এর মূল ও কাণ্ডের বৃদ্ধির জন্য ক্লোরিন প্রয়োজন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪৫৭.
শীতকালে শরীরের চামড়া ফাটে কেন?
  1. ক) আর্দ্রতার অভাবে
  2. খ) রৌদ্রের অভাবে
  3. গ) ভিটামিনের অভাবে
  4. ঘ) স্নেহ জাতীয় পদার্থের অভাবে
সঠিক উত্তর:
ক) আর্দ্রতার অভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আর্দ্রতার অভাবে
ব্যাখ্যা

বায়ুতে সব সময় একই রকম আদ্রতা থাকে না। স্থান ও ঋতুভেদে বায়ুর আদ্রতা পরিবর্তন ঘটে।
আমাদের দেশে গ্রীষ্মকালে বায়ুর আর্দ্রতা বেশি থাকে। ফলে এ সময় শরীরের ঘাম সহজে শুকাতে চায়না এবং অস্বস্তি লাগে।
পক্ষান্তরে শীতকালে বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকে বায়ু দ্রুত শরীরের অনাবৃত অংশে যেমন- ঠোঁট, গায়ের চামড়া প্রভৃতি হতে জলীয়বাষ্প শোষণ করে নেয়।
এজন্য শীতকালে ভিজা কাপড় দ্রুত শুকায় কিন্তু গায়ের চামড়া ফেটে যায়।
ঠোঁট ও গায়ের চামড়া ফাটা বন্ধ করতে পমেট বা গ্লিসারিন লাগিয়ে চামড়াকে ভিজা রাখা হয়।

১১,৪৫৮.
ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে বলা হয় পরস্পরের ___।
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোটোন
  3. আইসোবার
  4. আইসোমার 
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা

• ভর সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন পরমাণুগুলোকে বলা হয় আইসোবার। 

আইসোবার:
- এটি হলো সেই পরমাণু বা নিউক্লিয়াস, যেগুলোর ভর সংখ্যা (A) সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা (Z) এবং নিউট্রন সংখ্যা (N) ভিন্ন।
- অর্থাৎ, এগুলোতে মোট নিউক্লিয়ন সংখ্যা একই থাকলেও, মৌলিক পরিচয় বা পারমাণবিক সংখ্যা আলাদা।
- এই কারণে সমপরমাণুর রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য ভিন্ন হতে পারে।
উদাহরণ:
- 14C (কার্বন-14) এবং 14​N (নাইট্রোজেন-14)।
- উভয়ের ভর সংখ্যা 14 সমান।
- কার্বনের প্রোটন সংখ্যা 6 এবং নিউট্রন সংখ্যা 8।
- নাইট্রোজেনের প্রোটন সংখ্যা 7 এবং নিউট্রন সংখ্যা 7।
- তাই এগুলো আইসোবার।

• অপশন আলোচনা:
আইসোটোপ: প্রোটন সংখ্যা সমান, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন। উদাহরণ: 12C ও 14C.
আইসোটোন: নিউট্রন সংখ্যা সমান, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন। উদাহরণ: 14C ও 15N.
আইসোমার: একই নিউক্লিয়াসের বিভিন্ন উত্তেজিত বা স্থিতিশীল অবস্থার পার্থক্য।

উৎস:
- NCTB, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৪৫৯.
নিচের কোনটি কৃত্রিম পলিমার নয়?
  1. টেফলন
  2. নাইলন
  3. স্টার্চ
  4. পলিস্ট্যারিন
সঠিক উত্তর:
স্টার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টার্চ
ব্যাখ্যা
পলিমার: 
- পলিমার শব্দটি গ্রিক শব্দ (পলি অর্থ 'বহু বা অনেক' এবং মেরোস অর্থ 'অংশ') থেকে উৎপত্তি হয়েছে। 
অর্থাৎ, পলিমার বলতে একই ধরনের অনেকগুলো ছোট ছোট অংশ যুক্ত হয়ে যে উচ্চ আণবিক ভবিশিষ্ট বৃহদাকার অণু তৈরি হয় তাকে বুঝায়। 
- যে ক্ষুদ্র অণু যুক্ত হয়ে পলিমার তৈরি হয় তাকে মনোমার বলা হয়। 
- পলিমার সাধারণত দুই প্রকার। 
যথা - 

১। প্রাকৃতিক পলিমার: 
- সাধারণভাবে প্রাকৃতিক উৎস বিশেষ করে উদ্ভিদ ও প্রাণি থেকে যে সমস্ত পলিমার পাওয়া যায়, তাদেরকে প্রাকৃতিক পলিমার বলে। 
যেমন: প্রাকৃতিক রাবার, স্টার্চ, তুলা, রেশম, পশম, সিল্ক, উল, পাট ইত্যাদি। 
- প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন বিভিন্ন শস্য দানা বিশেষ করে চাল, গম, ভুট্টা, যব, গোল-আলু এ সব স্টার্চ গ্লুকোজের প্রাকৃতিক পলিমার। 
- মাছ, মাংস, ডিম এসব প্রোটিন অ্যামাইনো এসিডের পলিমার। 

২। কৃত্রিম পলিমার: 
- পরীক্ষাগারে বা শিল্প-কারখানায় কৃত্রিমভাবে প্রস্তুত করে যে সমস্ত পলিমার পাওয়া যায়, তাদেরকে কৃত্রিম পলিমার বলে। 
যেমন: পলিইথিলিন, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC), পলিস্ট্যারিন, টেফলন, টেরিলিন, নাইলন ইত্যাদি। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪৬০.
‘গ্রীন হাউজ ইফেক্ট’ বলতে কী বুঝায়?
  1. বৃষ্টিপাতের হ্রাসের প্রক্রিয়া
  2. পৃথিবীর চারপাশে ওজোন স্তর গঠনের প্রক্রিয়া
  3. সূর্যালোকের অভাবে সালোকসংশ্লেষণে ঘাটতি
  4. তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপ আটকা পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
গ্রীন হাউস ইফেক্ট: 
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবর্তনশীল আবহাওয়ার প্রক্রিয়াকে গ্রীন হাউস ইফেক্ট বলে। 
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত যেসব গ্যাসীয় CO2, CFC, N2O2, CO, O3 ইত্যাদি পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে আচ্ছাদন রূপে ঢেকে রেখে পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে বিকিরিত তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাঁধা দেয় এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত রাখে তাদেরকে গ্রীন হাউজ গ্যাস বলে। 
- পরিবেশ দূষণ এবং গাছপালা কেটে ফেলার ফলে গ্রীন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বাড়ছে, ফলে সূর্য থেকে তাপ বিকিরিত হয়ে পৃথিবীতে ঢোকার পর যতটা আবার পৃথিবীর বাইরে বিকিরিত হওয়া উচিত তা হচ্ছে না, ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- গ্রীন-হাউজ ইফেক্ট এর ফলে তাপ আটকে পড়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪৬১.
মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম কী? 
  1. মায়োকার্ডিয়াম
  2. পেরিকার্ডিয়াম
  3. অস্ট্রিয়াম
  4. মেনিনজেস
সঠিক উত্তর:
মেনিনজেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেনিনজেস
ব্যাখ্যা
স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
- স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪৬২.
বাতাস একটি -
  1. ডায়াচুম্বকীয় পদার্থ
  2. প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ
  3. ফেরোচুম্বকীয় পদার্থ 
  4. অ্যান্টিফেরোচুম্বকীয় পদার্থ 
সঠিক উত্তর:
প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ
ব্যাখ্যা
- বায়ু যা প্রাথমিকভাবে নাইট্রোজেন (N2), অক্সিজেন (O2) এবং কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2), জলীয় বাষ্প (H2O) এবং গ্যাসের মতো অল্প পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস নিয়ে গঠিত। 
এদের মধ্যে,
- অক্সিজেন একটি প্যারাম্যাগনেটিক উপাদান। 
- নাইট্রোজেন, আর্গন এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ডায়াম্যাগনেটিক উপাদান। 
যাইহোক, 
- অক্সিজেনের প্যারাম্যাগনেটিক বৈশিষ্ট্য অন্যান্য গ্যাসগুলোর ডায়াম্যাগনেটিক বৈশিষ্ট্যের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই, সামগ্রিকভাবে বায়ুকে একটি প্যারাম্যাগনেটিক উপাদান হিসাবে বিবেচনা করা হয়। 

নিচে Introduction to Electricity, Magnetism, and Circuits by Samuel J. Ling; Jeff Sanny; William Moebs; and Daryl Janzen বইটি থেকে সরাসরি কিছু প্যারাম্যাগনেটিক এবং ডায়াম্যাগনেটিক উপাদানের তালিকা দেয়া হল। 

--------------------
⇒ দুটি বৈশিষ্ট্যের উপর নির্ভর করে আমরা ডায়াচৌম্বক ও প্যারাচৌম্বক পদার্থ নির্ণয় করতে পারি -
প্রথমত, 
• ডায়াচৌম্বক পদার্থের চৌম্বক গ্রাহীতা (χm) ক্ষুদ্র কিন্তু ঋণাত্মক অর্থাৎ (χm < 0),  
• অপরদিকে প্যারাচৌম্বক পদার্থের চৌম্বক গ্রাহীতা (χm) ক্ষুদ্র কিন্তু ধণাত্মক অর্থাৎ (χm > 0) । 
→ বায়ুর চৌম্বক গ্রাহীতা [Magnetic Susceptibility] (χair) হচ্ছে 3.6 × 10-7 বা 0.00000036, যা ধনাত্মক অর্থাৎ (χm > 0) । 

[উৎস: Introduction to Electricity, Magnetism, and Circuits by Samuel J. Ling; Jeff Sanny; William Moebs; and Daryl Janzen.] 

দ্বিতীয়ত, 
• ডায়াচৌম্বক পদার্থের আপেক্ষিক চৌম্বক প্রবেশ্যতার (μr) মান 1 এর চেয়ে ছোট অর্থাৎ (μr < 1), 
• অপরদিকে প্যারাচৌম্বক পদার্থের আপেক্ষিক চৌম্বক প্রবেশ্যতার (μr) মান 1 এর চেয়ে সামান্য বড় অর্থাৎ (μr > 1)। 
→ বায়ুর আপেক্ষিক চৌম্বক প্রবেশ্যতার [Relative Magnetic Permeability] (μair) মান 1.00000036, যা 1 এর চেয়ে সামান্য বড় অর্থাৎ (μr > 1)। 

[উৎস: Introduction to Magnetic Materials (2nd edition), B. D. Cullity and C. D. Graham (2008)] 

আবার, 
• অক্সিজেন একটি প্যারাচৌম্বক পদার্থ যার চৌম্বক গ্রাহীতা (χ) হচ্ছে 1.8 × 10-6 [ধনাত্মক মান দ্বারা প্যারাচৌম্বক পদার্থ বোঝায়]। 
• নাইট্রোজেন একটি ডায়াচৌম্বক পদার্থ যার চৌম্বক গ্রাহীতা (χn) হচ্ছে - 6.7 × 10-9 [ঋণাত্মক মান দ্বারা ডায়াচৌম্বক পদার্থ বোঝায়]। 

→ বায়ুমণ্ডলের বাতাসে নাইট্রোজেনের পরিমাণ 78.02% এবং অক্সিজেনের পরিমাণ 20.71% । 
→ বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট পরিমাণ বাতাসে অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের চৌম্বক গ্রাহীতা (1.8 × 10-6) × 20.71%  > (6.7 × 10-9) × 78.02% [অর্থাৎ,  χ > χn
→ তাই বাতাসে অক্সিজেনের প্যারাম্যাগনেটিক বৈশিষ্ট্য নাইট্রোজনের ডায়াম্যাগনেটিক বৈশিষ্ট্যের তুলনায় অনেক অনেক বেশি শক্তিশালী। 

[উৎস: Introduction to Electricity, Magnetism, and Circuits by Samuel J. Ling; Jeff Sanny; William Moebs; and Daryl Janzen.] 

উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায়, বায়ুতে প্যারাচৌম্বক পদার্থের সকল বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয়। 
তাই, সামগ্রিকভাবে বায়ুকে একটি প্যারাম্যাগনেটিক পদার্থ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। 
=========================
ডায়া চৌম্বক পদার্থ: 
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়। 
- অর্থাৎ, সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ। 

প্যারা চৌম্বক পদার্থ: 
- এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। 
- এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ। 

ফেরো চৌম্বক পদার্থ: 
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। 
- এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪৬৩.
রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান হরমোন কোনটি?
  1. ইস্ট্রোজেন
  2. অ্যাড্রেনালিন
  3. থাইরক্সিন
  4. ইনসুলিন
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনসুলিন
ব্যাখ্যা

•  ইনসুলিন হলো রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান হরমোন।

• ইনসুলিন:
- ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইনসুলিন অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়।
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন।
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে।

অন্যান্য অপশন:
- ইস্ট্রোজেন: ওভারি (ডিম্বাশয়) থেকে নিঃসৃত হয়ে প্রজনন এবং সেকেন্ডারি যৌন বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে, গ্লুকোজের সাথে কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
- অ্যাড্রেনালিন: এটি স্ট্রেসের সময় অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়ে অস্থায়ীভাবে রক্তের শর্করা বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু নিয়মিত নিয়ন্ত্রণ করে না।
- থাইরক্সিন: এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়ে দেহের বিপাকীয় হার (Metabolic Rate) নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু গ্লুকোজের সরাসরি নিয়ন্ত্রক নয়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪৬৪.
কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত কোন বিকিরণ ক্যান্সার কোষ দূর করতে সহায়ক?
  1. আলফা রশ্মি
  2. রঞ্জন রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. বিটা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা

• কোবাল্ট-৬০ থেকে প্রধানত গামা রশ্মি নির্গত হয়, যা গভীর টিস্যু পর্যন্ত প্রবেশ করতে পারে। এই রশ্মি ক্যান্সার কোষের DNA ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং তাদের বিভাজন প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়। ফলে কোষগুলো ধ্বংস হয় এবং টিউমারের আকার কমতে থাকে। আলফা বা বিটা রশ্মি ত্বক বা পৃষ্ঠের কোষে প্রভাব ফেলে, কিন্তু গভীর টিস্যুতে প্রবেশ করতে পারে না। রঞ্জন রশ্মিও কিছু চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়, তবে কোবাল্ট-৬০ মূলত গামা রশ্মি ব্যবহার করে ক্যান্সার থেরাপিতে কার্যকর।

- সঠিক উত্তর: গ) গামা রশ্মি।

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। 
- আবার নিরাময়ের জন্য কোবাল্ট-৬০ থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-১৩১ তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- রক্তের লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য টেকনেশিয়াম-৯৯ আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- ব্রেইন ক্যন্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৪৬৫.
সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিড বিক্রিয়া করলে কী উৎপন্ন হয়? 
  1. অক্সাইড ও গ্যাস 
  2. ক্ষার ও পানি 
  3. লবণ ও পানি 
  4. লবণ ও হাইড্রোজেন 
সঠিক উত্তর:
লবণ ও হাইড্রোজেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লবণ ও হাইড্রোজেন 
ব্যাখ্যা

এসিড (Acid): 
- রাসায়নিক দ্রব্যাদির মধ্যে এসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- এসিড এক ধরনের গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক দ্রব্য যা পানিতে দ্রবীভূত করলে এসিডের অণু বিয়োজিত হয়ে (ভেঙে) হাইড্রোজেন আয়ন বা প্রোটন (H+) দান করে। 
যেমন- 
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCI), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) এরা তীব্র এসিড; অতএব, এরা জলীয় দ্রবণে নিম্নরূপে বিয়োজিত হয়- 
• HCl(aq) → H+(aq) + Cl-(aq) 
• H2SO4(aq) → 2H+(aq) + SO42-(aq) 
- কার্বনিক এসিড (H2CO3), এসিটিক এসিড (CH3COOH) এরা মৃদু এসিড; অতএব, এরা জলীয় দ্রবণে নিম্নরূপে বিয়োজিত হয়- 
• H2CO3(aq) ⇔ 2H+(aq) + CO32-(aq) 
• CH3COOH(aq) ⇔ H+(aq) + CH3COO-(aq) 

- এসিড ও পানির দ্রবণে এসিডের পরিমাণ যদি বেশি থাকে তবে তাকে গাঢ় এসিড বলে। আবার, এসিডের জলীয় দ্রবণে পানির পরিমাণ যদি এসিডের তুলনায় অনেক বেশি হয় তবে তাকে লঘু এসিড বলে।
- এসিড টক স্বাদযুক্ত। 
- এসিড দ্রবণ নীল রঙের লিটমাস পেপারকে লাল রঙের লিটমাস পেপারে রূপান্তরিত করে। 
- এসিড ধাতব অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।
• CaO + 2HCl  → CaCl2 + H2
- এসিড সক্রিয় ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস তৈরি করে। 
• 2Na + 2HCl → 2NaCl + H2

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৪৬৬.
ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে সহায়তা করে কোনটি? 
  1. ক্যাপসিউল
  2. পিলি
  3. মেসোসোম
  4. সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন
সঠিক উত্তর:
পিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিলি
ব্যাখ্যা
একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষের গঠন: 
- ব্যাকটেরিয়ার গঠন বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। 
- একটি আদর্শ ব্যাকটেরিয়াম কোষে সাধারণত যে সকল অংশগুলো থাকে তা হলো- 
(ক) ফ্ল্যাজেলা, 
(খ) ক্যাপসিউল, 
(গ) কোষ প্রাচীর, 
(ঘ) প্লাজমামেমব্রেন, 
(ঙ) মেসোসোম, 
(চ) সাইটোপ্লাজম, 
(ছ) ক্রোমোসোম এবং 
(জ) প্লাজমিড। 
 
ফ্ল্যাজেলা: 
- ফ্ল্যাজেলা প্রোটোপ্লাজম দিয়ে গঠিত এক প্রকার সূত্রাকৃতির উপাঙ্গ যা কোষ প্রাচীর ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে আসে। 
- ফ্ল্যাজেলিন নামক প্রোটিন দিয়ে ফ্ল্যাজেলা গঠিত। 
- ফ্ল্যাজেলার সাহায্যে ব্যাকটেরিয়া তরল মাধ্যমে চলাফেরা করে। 
- ফ্ল্যাজেলা অপেক্ষা খাটো ও শক্ত উপাঙ্গকে পিলি বলে। 
- পিলি পিলিন নামক এক প্রকার প্রোটিন দিয়ে গঠিত। 
- ব্যাকটেরিয়াকে কোন কিছুর সাথে আটকে থাকতে পিলি সহায়তা করে। 

ক্যাপসিউল: 
- ক্যাপসিউল পলিস্যাকারাইড বা পলিপেপটাইড দিয়ে গঠিত একটি স্তর, যা ব্যাকটেরিয়া কোষের বাইরের দিকে থাকে। 
- এটি কোষ প্রাচীরকে ঘিরে রাখে। 
- একে স্লাইম স্তরও বলা হয়। 
- এটি ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিকূল অবস্থা হতে রক্ষা করে। 

সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন: 
- কোষ প্রাচীরের ঠিক নিচে সাইটোপ্লাজমকে ঘিরে সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন অবস্থান করে। 
- এটি একটি সজীব ঝিল্লী। 
- সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন প্রোটিন ও লিপিড দিয়ে গঠিত। 
- এর সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন অনেক মেটাবোলিক কাজ করে। 

মেসোসোম: 
- ব্যাকটেরিয়া কোষের সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন অনেক সময় ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়। একে মেসোসোম বলা হয়। 
- এটি কোষ বিভাজনে সহায়তা করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪৬৭.
2NaOH + H₂SO₄ বিক্রিয়ায় কী কী উৎপন্ন হয়?
  1. Na2SO₄ ও 2H2O
  2. NaO2 ও 2H2
  3. Na2SO4 ও 2H2
  4. NaOH ও 2SO2
সঠিক উত্তর:
Na2SO₄ ও 2H2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na2SO₄ ও 2H2O
ব্যাখ্যা

2NaOH + H₂SO₄ বিক্রিয়ায় Na₂SO₄ ও 2H₂O উৎপন্ন হয়। 

এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া (প্রশমন বিক্রিয়া)
- আমরা জানি, এসিড জলীয় দ্রবণে H⁺ আয়ন দান করে এবং ক্ষার জলীয় দ্রবণে OH⁻ আয়ন দান করে।
- তাই, এসিড ও ক্ষার একত্রে মিশ্রিত হলে এসিডের H⁺ এবং ক্ষারের OH⁻ বিক্রিয়া করে পানি উৎপন্ন করে।
- উদাহরণ: HCl পানিতে H⁺ দেয় এবং NaOH পানিতে OH⁻ দেয়। এই দ্রবণ দুটিকে একত্রিত করলে পানি উৎপন্ন হয়।

এসিড-ক্ষার সমতা
- এসিডের বাকি ঋণাত্মক আয়ন Cl⁻ এবং ক্ষারের ধনাত্মক আয়ন Na⁺ বিক্রিয়া করে লবণ (NaCl) উৎপন্ন করে।
- এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন হওয়াকে প্রশমন বিক্রিয়া বলে। কারণ, এই বিক্রিয়ায় এসিড তার এসিডত্ব এবং ক্ষার তার ক্ষারকত্ব হারায় এবং প্রশম পদার্থ লবণ ও পানি উৎপন্ন হয়।

উদাহরণসমূহ:
2NaOH(aq) + H₂SO₄(aq) → Na₂SO₄(aq) + 2H₂O(l)
- এক মোল সালফিউরিক এসিড দুই মোল সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডকে সম্পূর্ণরূপে প্রশমিত করে।
- এটি প্রমাণ করে যে, কোনো নির্দিষ্ট এসিডের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অপর কোনো নির্দিষ্ট ক্ষারের নির্দিষ্ট পরিমাণকে সম্পূর্ণরূপে প্রশমিত করতে পারে।

NaOH(aq) + HCl(aq) → NaCl(aq) + H₂O(l)
- এখানে এক মোল হাইড্রোক্লোরিক এসিড এক মোল সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডকে সম্পূর্ণরূপে প্রশমিত করে।
- দুই মোল HCl দুই মোল NaOH কে সম্পূর্ণরূপে প্রশমিত করবে।

উৎস: রসায়ন - ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১১,৪৬৮.
বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড 
  3. আর্গন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

- বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হচ্ছে- নাইট্রোজেন। 

বায়ুমণ্ডল: 

- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere; বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। 
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। 
- বায়ুমণ্ডলভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদানের নাম ⇒ শতকরা অংশ: 
• নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২, 
• অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১, 
• আর্গন ⇒ o.৮০, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩, 
• ওজোন ⇒ ০.০০০১, 
• অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯, 
• জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১ এবং 
• ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪৬৯.
মানুষের রক্তের শ্রেনিবিন্যাস করেন কোন বিজ্ঞানী?
  1. ক) কার্ল লেন্ড স্টেইনার
  2. খ) কার্ল লিনিয়াস
  3. গ) লিউয়েন হুক
  4. ঘ) জগদীশ চন্দ্র বসু
সঠিক উত্তর:
ক) কার্ল লেন্ড স্টেইনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কার্ল লেন্ড স্টেইনার
ব্যাখ্যা
১৯০১ সালে বিজ্ঞানী কার্ল লেন্ড স্টেইনার মানুষের রক্তের শ্রেনিবিন্যাস করে তা 'A', 'B', 'O', এবং 'AB' এ চারটি গ্রুপের নামকরণ করেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণী জীববিজ্ঞান বোর্ড বই
১১,৪৭০.
নিচের কোন গ্যাসটির ব্যাপনের হার সবচেয়ে কম?
  1. সালফার
  2. কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. অক্সিজেন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরিন
ব্যাখ্যা
♦ ব্যাপন:
- একই তাপমাত্রা ও বায়ুমন্ডলীয় চাপে কোনো পদার্থের অধিকতর ঘনস্থান হতে কম ঘন স্থানে বিস্তার লাভ প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
- যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম সে গ্যাসের ব্যাপন হার তত বেশি হয়।
- বিপরীতভাবে যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি সে গ্যাসের ব্যাপন হার তত কম হয়। 
• অক্সিজেনের আণবিক ভর ৩২
• কার্বন ডাই অক্সাইডের আণবিক ভর ৪৪
• ক্লোরিনের আণবিক ভর ৭০
• সালফারের আণবিক ভর ৬৪

- ক্লোরিনের আণবিক ভর সবচেয়ে বেশি, তাই ক্লোরিনের ব্যাপনের হারও সবচেয়ে কম হবে।

উৎস:
১. রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]।
২. উদ্ভিদবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪৭১.
কোন ভিটামিন রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে? 
  1. ভিটামিন ‘কে’
  2. ভিটামিন ‘সি’ 
  3. ভিটামিন ‘বি’
  4. ভিটামিন ‘ডি’
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন ‘কে’
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন ‘কে’
ব্যাখ্যা

- 'ভিটামিন কে' রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

ভিটামিন কে (Vitamin K): 
- ভিটামিন কে-এর রাসায়নিক নাম ফাইলোকুইনন বা ন্যাপথোকুইনন। 
- এটি তাপ, আর্দ্রতা ও বায়ুর সংস্পর্শে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। 

ভিটামিন কে -এর উৎস: 
- সবুজ শাক সবজি, ডিমের কুসুম, দুধ, যকৃত, মাংস, মাছ, লেটুস পাতা, বাঁধাকপি, ফুলকপি, মটরশুঁটি ইত্যাদিতে ভিটামিন কে পাওয়ার যায়। 

ভিটামিন কে-এর কাজ: 
১. কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে রক্ত জমাট বাঁধতে ভিটামিন কে সাহায্য করে। রক্ত জমাটকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন প্রোথ্রম্বিনের সক্রিয়করণে ভিটামিন কে কাজ করে। 
২. পিত্ত প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
৩. যকৃতের স্বাভাবিক কার্যকলাপ বজায় রাখে। 

ভিটামিন কে-এর অভাবজনিত অবস্থা: 
- এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধা ব্যাহত হয়। ফলে, সামান্য কাটা ছেঁড়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪৭২.
যখন লিফট উপরের দিকে ত্বরণ সহকারে চলে, তখন আরোহীর অনুভূত ওজন কেমন হয়? 
  1. শূন্য
  2. প্রকৃত ওজনের সমান
  3. প্রকৃত ওজনের চেয়ে কম
  4. প্রকৃত ওজনের চেয়ে বেশি
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত ওজনের চেয়ে বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃত ওজনের চেয়ে বেশি
ব্যাখ্যা
লিফটে ও মহাশূন্যে ওজনের তারতম্য: 
- পৃথিবীর কোনো স্থানে g এর মান নির্দিষ্ট, ফলে সেখানে কোনো ব্যক্তির ওজনও নির্দিষ্ট। 
- তা সত্ত্বেও পৃথিবীতে কোনো স্থানে কোনো ব্যক্তি তার ওজনের ভিন্নতা অনুভব করতে পারেন, এমনকি নিজেকে ওজনহীনও মনে করতে পারেন। কারণ প্রকৃত ওজন (W = mg) এবং কোনো ব্যক্তির অনুভূত ওজন একই রাশি না। 
যেমন- লিফটের ভিতরে অনুভূত ওজন এর একটি উদাহরণ। 
(১) স্থির লিফটের ভিতরে অনুভূত ওজন: 
- স্থির লিফটের ভিতরে একজন আরোহী লিফটের মেঝের উপর তাঁর প্রকৃত ওজনের (W = mg) সমান বল প্রয়োগ করেন। লিফটের মেঝে বা তলদেশও আরোহীর উপর সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া বল প্রয়োগ করে, যা আরোহী ওজন হিসেবে অনুভব করেন। এক্ষেত্রে অনুভূত ওজন প্রকৃত ওজনের সমান মানের হয়। 

(২) সমবেগে গতিশীল লিফটে অনুভূত ওজন: 
- সমবেগে উপরে অথবা নিচে গতিশীল লিফটের আরোহীও একই সাথে সমবেগে গতিশীল থাকেন। ফলে আরোহীর উপর শুধু তার প্রকৃত ওজন (পৃথিবীর আকর্ষণ বল) ক্রিয়া করে। আরোহী লিফটের উপর প্রকৃত ওজনের সমান বল প্রয়োগ করেন ও লিফটের মেঝে এর সমান প্রতিক্রিয়া বল আরোহীর উপর প্রয়োগ করে। আরোহীর অনুভূত ওজন তাঁর প্রকৃত ওজনের সমান মানের হয়। 

(৩) উপরের দিকে ত্বরণযুক্ত লিফটে ওজন: 
- স্থির অবস্থা থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করতে লিফটের কেবল বা তারের মাধ্যমে (লিফট ও আরোহীর মোট ওজনের চেয়ে বেশি) একটি অতিরিক্ত ঊর্ধ্বমুখী বল লিফটের উপর প্রয়োগ করতে হবে। লিফটের মেঝে বা তলদেশ আরোহীর উপর তাঁর প্রকৃত ওজনের চেয়ে বেশি বল প্রয়োগ করবে। ফলে আরোহীর অনুভূত ওজন তাঁর প্রকৃত ওজনের চেয়ে বেশি হয়। এই অনুভূত ওজনকে প্রতিক্রিয়া বল হিসেবেও চিন্তা করা যায়। 

(৪) নিচের দিকে ত্বরণযুক্ত লিফটে ওজন: 
- উপরে অবস্থিত স্থির লিফটকে নিচের দিকে চলমান করতে লিফটের কেবল বা তারের মাধ্যেমে প্রযুক্ত টানকে (লিফট ও আরোহীর মোট ওজনের থেকে) কমিয়ে দিতে হবে। লিফটের সাথে সাথে নিচে চলমান আরোহীর উপর লিফটের তলদেশ বা মেঝে আরোহীর প্রকৃত ওজনের চেয়ে কম মানের বল প্রয়োগ করে। তাই আরোহীর অনুভূত ওজন তার প্রকৃত ওজনের চেয়ে কম হয়। 

(৫) মুক্তভাবে পড়ন্ত লিফটের ভিতরে ওজন: 
- দুর্ভাগ্যক্রমে লিফটের ভারবহী কেবল বা তারটি ছিড়ে গেলে লিফটটি আরোহীসহ নিচের দিকে মুক্তভাবে (বাতাসের বাধা ও অন্যান্য ঘর্ষণ উপেক্ষা করলে) পড়তে থাকে। লিফটের দড়িতে কোনো টান না থাকায় (কেবল ছিড়ে যাওয়ায়) লিফটের তলদেশ বা মেঝে আরোহীর উপর কোনো বল প্রয়োগ করে না। ফলে আরোহী নিজেকে ওজনহীন অনুভব করেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১১,৪৭৩.
ম্যাগনেসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ১২ হলে, Mg2+ এর ইলেক্ট্রন সংখ্যা কত?
  1. ১৬
  2. ১৪
  3. ১২
  4. ১০
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
• কোন মৌলের প্রোটন সংখ্যাই ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা।
• আবার কোনো মৌলে প্রোটন সংখ্যার সমান সংখ্যক ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের বাইরে অবস্থান করে।
- তাই মৌলের প্রোটন সংখ্যা তথা পারমাণবিক সংখ্যা হবে ইলেট্রন সংখ্যার সমান।

• কোনো মৌলের ভরসংখ্যা ও পারমাণবিক সংখ্যার পার্থক্য হল নিউট্রন সংখ্যা।
অর্থাৎ,
ভর সংখ্যা = প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা।

- ম্যাগনেসিয়ামের পারমাণবিক সংখ্যা ১২।
- অর্থাৎ ম্যাগনেসিয়ামের ইলেট্রন সংখ্যা ১২।
- Mg2+ এর মানে হচ্ছে - ম্যাগনেসিয়াম ২টি ইলেক্ট্রন ত্যাগ করেছে।
- তাই, Mg2+ এর ইলেক্ট্রন সংখ্যা ১০।

সূত্র: বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি।
১১,৪৭৪.
কার্বনের তেজস্ক্রিয় আইসোটোপে প্রোটন কতটি?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৭
  3. গ) ৮
  4. ঘ) কোনটাই না
সঠিক উত্তর:
ক) ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬
ব্যাখ্যা
৬ টি প্রোটন এবং ৮ টি নিউট্রন সমৃদ্ধ কার্বনের C14 আইসোটোপটি তেজস্ক্রিয়।উল্লেখ্য যে প্রোটন সংখ্যা অপরিবর্তিত থাকে আইসোটোপে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১১,৪৭৫.
অপটিক্যাল ফাইবার কী?
  1. সরু তার
  2. ধাতব তার
  3. সরু কাচ তন্তু
  4. সরু ধাতব তার
সঠিক উত্তর:
সরু কাচ তন্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরু কাচ তন্তু
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ফাইবার: 
অপটিক্যাল ফাইবার হলো খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে পুনঃপুন পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। 
- এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তুর অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত ডাক্তার মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি) দেখার জন্য যে আলোক নলটি ব্যবহার করে সেটি হচ্ছে একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। 
- এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- সংকেত যত দূরই যাক না কেন এর শক্তি হ্রাস পায় না। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১১,৪৭৬.
সিলিকন এবং জার্মেনিয়ামের বৈশিষ্ট্য কীভাবে সম্পর্কিত? 
  1. উভয় পরিবাহী 
  2. উভয় অপরিবাহী 
  3. সিলিকন পরিবাহী, জার্মেনিয়াম অর্ধপরিবাহী
  4. উভয় অর্ধপরিবাহী 
সঠিক উত্তর:
উভয় অর্ধপরিবাহী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভয় অর্ধপরিবাহী 
ব্যাখ্যা

অর্ধপরিবাহী: 
- যে পদার্থের তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা পরিবাহী এবং অপরিবাহী পদার্থের মাঝামাঝি অর্থাৎ যার মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ করতে পারে কিন্তু তা পরিবাহীর চেয়ে অনেক কম, কিন্তু অপরিবাহীর চেয়ে বেশি এদেরকে অর্ধপরিবাহী বলে। 
যেমন- জার্মেনিয়াম ও সিলিকন ইত্যাদি। 
- পরিবাহী এবং অর্ধপরিবাহীর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য হলো পরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা হ্রাস পায়, কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 
অর্থাৎ, তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে পরিবাহীর রোধ বৃদ্ধি পায় আর অর্ধপরিবাহীর রোধ হ্রাস পায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪৭৭.
কোন আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয় না?
  1. ক) কমলা
  2. খ) নীল
  3. গ) হলুদ
  4. ঘ) লাল
সঠিক উত্তর:
গ) হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হলুদ
ব্যাখ্যা

- সাধারণত লাল, নীল, কমলা ও বেগুনি অংশটুকুতেই সালোকসংশ্লেষণ ভালো হয়।
- কিন্তু সবুজ কিংবা হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষ ভালো হয় না।
- একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আলোর পরিমাণ বাড়লে সালোকসংশ্লেষণের হারও বেড়ে যায়।
- কিন্তু আলোর পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে গেলে পাতার ভিতরকার এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, ক্লোরোফিল উৎপাদন কম হয়। ফলে সালোকসংশ্লেষণের হারও কমে যায়।
- সাধারনত ৪০০-৪৮০ ন্যানোমিটার এবং ৬৮০ ন্যানোমিটার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে ভালো হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৪৭৮.
সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে কোন খনিজ পদার্থ ব্যবহার করা হয়? 
  1. কোয়ার্টজ
  2. চুনাপাথর
  3. মাইকা
  4. ম্যাগনেটাইট
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্টজ
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ: 
- পৃথিবীর অধিকাংশই খনিজই মাটি কিংবা শিলা থেকে পাওয়া খনিজ পদার্থ যার বেশির ভাগ খনিজ পদার্থই কঠিন অবস্থায় পাওয়া যায়। 
- এখন পর্যন্ত প্রকৃতিতে প্রায় ২৫০০ রকমের খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে। 
- খনিজ পদার্থ ধাতব কিংবা অধাতব দুটোই হতে পারে। 
- ধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে অন্যতম হলো - 
• লোহা (Fe), 
• তামা  (Cu), 
• সোনা (Au) এবং 
• রূপা (Ag) ইত্যাদি। 

- অধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে রয়েছে - 
• কোয়ার্টজ (Quartz), 
• মাইকা (Mica) এবং 
• খনিজ লবণ ইত্যাদি। 

- আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে। 
- মাইকা (Mica) খনিজ পদার্থ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ নিরোধক হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- কোয়ার্টজ (Quartz) খনিজ পদার্থ কাচ, সিরিজ কাগজ, রেডিও বা ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- ম্যাগনেটাইট খনিজ পদার্থ লোহা (Fe) তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। 
- চুনাপাথর খনিজ পদার্থ ঘরবাড়ি তৈরিতে এবং সিমেন্ট, সোডা, গ্লাস, লোহা ও স্টীল উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া মাটি এসিডিক হলেও এটি ব্যবহার করে মাটিকে প্রশমন করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪৭৯.
গ্রীনহাউস এফেক্টের প্রভাবে নিচের কোনটি ঘটে না? 
  1. সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়া
  2. আবহাওয়ার পরিবর্তন হওয়া
  3. ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা বেড়ে যাওয়া
  4. সমুদ্রের পানির উচ্চতা কমে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের পানির উচ্চতা কমে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের পানির উচ্চতা কমে যাওয়া
ব্যাখ্যা
গ্রীনহাউস এফেক্ট: 
- পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো যেমন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, ঔষধ, জ্বালানি, পানিসহ প্রয়োজনীয় উপকরণাদি পরিবেশ থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে পাওয়া যাবে। 
- পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশেষ করে বনাঞ্চল ধ্বংস হলে বৃষ্টিপাতের হার কমে যায়, চাষাবাদের যথেষ্ট ক্ষতি হয়। 
- গ্রীনহাউস গ্যাস (যেমন- CO2, CO, CH4, N2O ইত্যাদি) বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তাপমাত্রা বেড়ে যায়, যাকে গ্রীনহাউস এফেক্ট (Green house effect) বলে। 

গ্রীনহাউস এফেক্টের কারণে- 
সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাবে এবং উপকূল অঞ্চল তলিয়ে যাবে, 
আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে
• বনাঞ্চল ধবংস হবে, 
• বিভিন্ন রোগবালাইয়ের প্রভাবে ফসলের ক্ষতি হবে, 
• মানুষের মধ্যে নতুন সব রোগের প্রকোপ দেখা দিবে, 
ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা বেড়ে যাবে। 
- পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে গ্রীনহাউস এফেক্ট থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তাই এখন থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪৮০.
নিচের কোনটি মানবদেহের শ্রবণ ও ভারসাম্য রক্ষাকারী স্নায়ু হিসেবে পরিচিত?
  1. অডিটরি স্নায়ু
  2. ট্রকলিয়ার স্নায়ু
  3. অলফ্যাক্টরি স্নায়ু
  4. হাইপোগ্লোসাল স্নায়ু
সঠিক উত্তর:
অডিটরি স্নায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অডিটরি স্নায়ু
ব্যাখ্যা
• মানবদেহের শ্রবণ ও ভারসাম্য রক্ষাকারী স্নায়ু হিসেবে পরিচিত "অডিটরি স্নায়ু"।

•  স্নায়ুতন্ত্র:
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অংশ মস্তিষ্ক।
- প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি।
- মস্তিষ্কের আবরণীর নাম মেনিনজেস।
- একটি পূর্নাঙ্গ স্নায়ু কোষকে নিউরন বলে।
- মস্তিষ্কে প্রায় ১০ বিলিয়ন (১ হাজার কোটি) নিউরন থাকে।

• করোটিক স্নায়ু:

- করোটিক স্নায়ু মস্তিষ্ক, মুখ, ঘাড় এবং ধড়ের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠায়।
- আমরা যে স্বাদ, গন্ধ, কথা শুনতে এবং অনুভূতি অনুভব করি তাতে করোটিক স্নায়ু সহায়তা করে।
- মানুষের ১২ জোড়া করোটিক স্নায়ু রয়েছে।

• নিম্নে আরো কিছু করোটিক স্নায়ুর নাম ও কাজ উল্লেখ করা হলো:
(১) অলফ্যাক্টরি - ঘ্রাণ অনুভূতি মস্তিষ্কে পৌঁছায়।
(২) অপটিক - দর্শন অনুভূতি মস্তিষ্কে পৌঁছায়।
(৩) অকুলোমোটর - অক্ষিগোলকের সঞ্চালন। (মধ্যমস্তিষ্কের অঙ্কীয়দেশে অবস্থান)
(৪) ট্রকলিয়ার - অক্ষিগোলকের সঞ্চালন। (মধ্যমস্তিষ্কের পৃষ্ঠ-পার্শ্বদেশে অবস্থান)
(৫) ট্রাইজেমিনাল - সংশ্লিষ্ট অঙ্গ থেকে সংবেদ মস্তিষ্কে প্রেরণ।
(৬) অ্যাবডুসেন্স - অক্ষিগোলকের সঞ্চালন। (পনস ও মেডুলার সংযোগস্থলের অঙ্কীয়দেশে অবস্থান)
(৭) ফ্যাসিয়াল - স্বাদ গহণ, চর্বন, গ্রীবা সঞ্চালন।
(৮) অডিটরি (অ্যাকাউস্টিক) - শ্রবণ ও ভারসাম্য রক্ষা।
(৯) গ্লসোফ্যারিঞ্জিয়াল - স্বাদ গ্রহণ, জিহ্বা ও গলবিলের সঞ্চালন।
(১০) ভেগাস (নিউমোগ্যাস্ট্রিক) - সংশ্লিষ্ট অঙ্গের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ।
(১১) স্পাইনাল অ্যাক্সেসরি - মাথা ও কাঁধের সঞ্চালন।
(১২) হাইপোগ্লোসাল - জিহ্বার সঞ্চালন।

উৎস: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র(একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণি), গাজী আজমল ও গাজী আসমত।
১১,৪৮১.
নিচের কোন শক্তি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে সঞ্চিত থাকে?
  1. আলোক শক্তি
  2. শব্দ শক্তি
  3. বিদ্যুৎ শক্তি
  4. পারমাণবিক শক্তি 
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারমাণবিক শক্তি 
ব্যাখ্যা

• নিউক্লিয়াসে আবদ্ধ শক্তিই পারমাণবিক শক্তি।

• পারমাণবিক শক্তি:

- আমরা জানি, সকল পদার্থ পরমাণু দিয়ে গঠিত।
- পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত নিউক্লিয়াসে অত্যন্ত শক্তিশালী বলের মাধ্যমে কণিকাগুলো আবদ্ধ থাকে।
- এই শক্তিকেই পারমাণবিক শক্তি বলা হয়।
- পারমাণবিক শক্তি প্রয়োজনে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে কাজে লাগানো যায়।

• আলোক শক্তি:

- সূর্য থেকে তাপ শক্তির সঙ্গে যে শক্তি সরাসরি আসে, তাকে আলোক শক্তি বলা হয়।
- আলোক শক্তি ছাড়া আমরা কিছুই দেখতে পারি না।
- সূর্য হলো আলোক শক্তির প্রধান উৎস।
- এছাড়া আগুন ও বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালিয়েও আমরা আলোক শক্তি পাই।

 
• শব্দ শক্তি:

- আমরা যখন কথা বলি, গান করি বা শাঁখ বাজাই, তখন এক ধরনের শক্তির উৎপত্তি হয়, যাকে শব্দ শক্তি বলা হয়।
- শব্দ শক্তির সাহায্যে আমরা একে অপরের কথা শুনতে পারি।
- টেলিফোন, রেডিও ও টেলিভিশনে শব্দ শক্তির ব্যবহার করা হয়।
- পদার্থের কম্পনের ফলে শব্দের উৎপত্তি হয়।

 
• বিদ্যুৎ শক্তি:

- বিদ্যুৎ শক্তি হলো শক্তির একটি অত্যন্ত পরিচিত ও প্রয়োজনীয় রূপ।
- বিদ্যুৎ শক্তির সাহায্যে আমরা বাতি জ্বালাই, পাখা চালাই এবং কল-কারখানায় বিভিন্ন যন্ত্র পরিচালনা করি।
- অনেক দেশে রেলগাড়িও বিদ্যুৎ শক্তির মাধ্যমে চলে।
- বিদ্যুৎ শক্তি তারের সাহায্যে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহন করা যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।

১১,৪৮২.
গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের উপযোগী করতে কী ব্যবহার করা হয়? 
  1. ডায়নামো
  2. রেকটিফায়ার
  3. স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার 
  4. স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার 
সঠিক উত্তর:
স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার 
ব্যাখ্যা

• স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুৎকে কমিয়ে গ্রাহকের ব্যবহারের উপযোগী (২২০ ভোল্ট) মানে রূপান্তর করে।

• তড়িতের সিস্টেম লস: 
- দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত পাওয়ার প্লান্টগুলোতে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করে, এই বিদ্যুৎকে প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন এলাকায় পাঠাতে হয়। 
- বিদ্যুৎ বিতরণ করার জন্য প্রথমে বিভিন্ন এলাকার সাব-স্টেশনে পাঠানো হয়। 
- সাব-স্টেশন থেকে বিদ্যুৎ বিতরণ-ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ শক্তিকে একেবারে গ্রাহক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়। 
- বিদ্যুৎ শক্তিকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বিতরণ করার জন্য যে পরিবাহী তার ব্যবহার করা হয়, কম হলেও তাদের কিছু পরিমাণ রোধ থাকে। 
- একটা রোধের (R) ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ (I) হলে সবসময়েই (I2R) তাপ উৎপন্ন হয় এবং এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ শক্তির লস বা ক্ষয় হয়। 
- একটা নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রোধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। 
- সে জন্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার দিয়ে উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয়। 
- গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ শক্তিকে বিতরণ করার আগে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করে সেটিকে আবার ব্যবহারযোগ্য ভোল্টেজে নামিয়ে আনা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৪৮৩.
ট্রানজিস্টারের টার্মিনাল নয়-
  1. ক) কালেক্টর
  2. খ) ট্যাপ
  3. গ) বেস
  4. ঘ) অ্যাামিটার
সঠিক উত্তর:
খ) ট্যাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ট্যাপ
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টারের টার্মিনাল ৩ টি। যথা- কালেক্টর, বেস এবং অ্যামিটার।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪৮৪.
মানব দেহের মেরুদন্ডে রক্ত সঞ্চালন করে কোন ধমনী?
  1. সার্ভিক্যাল ধমনী
  2. ভার্টিব্রাল ধমনী
  3. সিলিয়াক ধমনী
  4. থাইরোসার্ভিকাল ধমনী
সঠিক উত্তর:
ভার্টিব্রাল ধমনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভার্টিব্রাল ধমনী
ব্যাখ্যা

সাবক্লেভিয়াল ধমনিঃ -
দেহের প্রতিপাশে ফুসফুসের উপর দিয়ে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত হয়ে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত বহন করে।
যেমন -
১. আন্তঃম্যামারি ধমনি: স্তনগ্রন্থি, বক্ষীয় প্রাচীর ও পেরিকার্ডিয়ামে রক্ত বহন করে।
২. থাইরোসার্ভিকাল ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি, ল্যারিংক্স ও ঘাড়ের পেশিতে রক্ত বহন করে।
৩. সার্ভিকাল ধমনি: অক্সিপুটের পেশিতে রক্ত বহন করে।
৪. ভার্টিব্রাল ধমনি: মেরুদন্ডের রক্ত সরবরাহ করে।
৫. সিলিয়াক ধমনি: পাকস্থলী ও যকৃতে রক্ত সরবরাহ করে।
৬. ফ্রেনিক ধমনি: ডায়াফ্রামে রক্ত সরবরাহ করে।
৭. বৃক্কীয় ধমনি: বৃক্কে রক্ত সরবরাহ করে।
৮. মেসেন্টেরিক ধমনি: অন্ত্রের বিভিন্ন অংশে রক্ত সরবরাহ করে।
৯. জনন ধমনি: গোনাডে রক্ত সরবরাহ করে।
১০. ইলিয়াক ধমনি: পেলভিস অঞ্চল, উরু, পা ইত্যাদি অংশে রক্ত সরবরাহ করে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।

১১,৪৮৫.
উঁচু টাওয়ার বা বিল্ডিং এর উপর লাল রঙের বাতি জ্বালানো হয়। কারণ -
  1. ক) লাল আলোর বিচ্ছুরণ বেশি
  2. খ) লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি
  3. গ) লাল আলোর বিক্ষেপণ বেশি
  4. ঘ) লাল আলোর বিচ্যুতি বেশি
সঠিক উত্তর:
খ) লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি
ব্যাখ্যা

আলাের বিক্ষেপণ নির্ভর করে এর রং ও তরঙ্গদৈর্ঘ্যের উপর।
আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ তত কম হয়।
লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম। তাই লাল আলো অনেক দূর থেকে দেখা যায়। সে জন্য উঁচু টাওয়ার বা বিল্ডিং এর উপর লাল রঙের বাতি জ্বালানো হয় যাতে বিমান বা হেলিকপ্টার নিচ দিয়ে উড়ে যাবার সময় অনেক দূর থেকে দেখে সতর্ক হতে পারে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রােগ্রাম, উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪৮৬.
বাংলাদেশের অবস্থান গ্রিনিচের কত ডিগ্রি পূর্বে?
  1. ৯০°
  2. ৭৫°
  3. ৪৫°
  4. ৬০° 
সঠিক উত্তর:
৯০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০°
ব্যাখ্যা

• গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় — ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৪৮৭.
যে বর্তনীর সাহায্যে A.C প্রবাহকে D.C প্রবাহে রূপান্তর করা হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. ট্রান্সফরমার 
  2. রেকটিফায়ার
  3. অসিলেটর 
  4. অ্যাম্পলিফায়ার
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকটিফায়ার
ব্যাখ্যা

- রেকটিফায়ার (Rectifier) এমন একটি বর্তনী যা অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC) (এসি)-কে ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC) (ডিসি)-এ রূপান্তরিত করে, যা ডায়োডে ব্যবহার করে করা হয় এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিতে এই রূপান্তর অপরিহার্য। 

রেকটিফায়ার: 
- যে পদ্ধতিতে পরিবর্তী প্রবাহকে (A.C) একমুখী (D.C) প্রবাহে পরিবর্তন করে তাকে একমুখীকরণ বা রেকটিফিকেশন (Rectification) বলে এবং যে বর্তনীর সাহায্যে এই ক্রিয়া সম্পাদন করা হয়, তাকে একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার (Rectifier) বলা হয়। 
- একমুখীকারক বা রেকটিফায়ার মূলত দুই প্রকার।
যথা- 
(ক) অর্ধতরঙ্গ একমুখীকারক এবং (খ) পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকারক। 

পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার: 
- পূর্ণ তরঙ্গ ব্রিজ রেকটিফায়ার তৈরি করা হয় চারটি ডায়োড ব্যবহার করে। এই চারটি ডায়োডের ন্যায় সংযোগ করে একটি ব্রিজ গঠন করা হয়। 
- রেকটিফাই বা একমুখী করার জন্য এসি উৎসকে একটি ট্রান্সফর্মারের মাধ্যমে ব্রিজের কোনার দুই বিপরীত প্রান্তে সংযোগ দেওয়া হয়। 
- অন্য দুই বিপরীত কোনার সাথে লোড রেজিস্টান্স সংযোগ দেওয়া হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, শাহজাহান তপন এবং পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪৮৮.
রাসায়নিক পদার্থসমূহের রাজা -
  1. ক) CO
  2. খ) NO
  3. গ) H2SO4
  4. ঘ) N2O
সঠিক উত্তর:
গ) H2SO4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) H2SO4
ব্যাখ্যা
সালফিউরিক এসিড (H2SO4): ১০০% বিশুদ্ধ সালফিউরিক এসিডকে সালফান এবং ধূমায়মান সালফিউরিক এসিডকে ওলিয়াম (H2S2O7) বলে। সালফিউরিক এসিডকে রাসায়নিক পদার্থসমূহের রাজা বলা হয় কারণ প্রায় প্রত্যেক শিল্পে কোনো না কোনো স্তরে H2SO4 এসিড ব্যবহৃত হয়।
১১,৪৮৯.
নিচের কোনটি শ্বসন প্রক্রিয়ার বাহ্যিক প্রভাবক নয়?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. গ) পানি
  4. ঘ) অজৈব লবণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) অজৈব লবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অজৈব লবণ
ব্যাখ্যা
- শ্বসন প্রক্রিয়ার প্রভাবকগুলো বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ দুই রকম হতে পারে।

 

- বাহ্যিক প্রভাবক:

তাপমাত্রা
: ২০° সেলসিয়াসের নিচে এবং ৪৫° সেলসিয়াসের উপরের তাপমাত্রায় শ্বসন হার কমে যায়। শ্বসনের জন্য উত্তম তাপমাত্রা ২০° সেলসিয়াস থেকে ৪৫° সেলসিয়াস।

অক্সিজেন: সবাত শ্বসনে পাইরুবিক এসিড জারিত হয়ে CO₂ ও H₂O উৎপন্ন করে। কাজেই অক্সিজেনের অভাবে সবাত শ্বসন কোনোক্রমেই চলতে পারে না।
পানি: পরিমিত পানি সরবরাহ শ্বসন ক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে। কিন্তু অত্যন্ত কম কিংবা অতিরিক্ত পানির উপস্থিতিতে শ্বসন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।

আলো: শ্বসন কার্যে আলোর প্রয়োজন পড়ে না সত্যি কিন্তু দিনের বেলা আলোর উপস্থিতিতে পত্ররন্ধ্র খোলা থাকায় O₂ গ্রহণ ও  CO₂ ত্যাগ করা সহজ হয় বলে শ্বসন হার একটু বেড়ে যায়।

কার্বন ডাই-অক্সাইড: বায়ুতে CO₂ -এর ঘনত্ব বেড়ে গেলে শ্বসন হার একটু খানি কমে যায়।

- অভ্যন্তরীণ প্রভাবক:

খাদ্যদ্রব্য
: শ্বসন প্রক্রিয়ায় খাদ্যদ্রব্য (শ্বসনিক বস্তু) ভেঙ্গে  শক্তি, পানি এবং CO₂ নির্গত করে, তাই কোষে খাদ্যদ্রব্যের পরিমাণ ও ধরণ শ্বসন হার নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎসেচক: শ্বসন প্রক্রিয়ায় অনেক ধরনের এনজাইম বা উৎসেচক সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে। কাজেই এনজাইমের ঘাটতি শ্বসনের হার কমিয়ে দেয়।

কোষের বয়স: অল্প বয়স্ক কোষে, বিশেষ করে ভাজক কোষে প্রোটোপ্লাজম বেশি থাকে বলে সেখানে বয়স্ক কোষ থেকে শ্বসনের হার বেশি হয়।

অজৈব লবণ: কোনো কোনো লবণ শ্বসন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করলেও কোষের সুষ্ঠ ও স্বাভাবিক কাজের জন্য এবং স্বাভাবিক শ্বসন প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য কোষের ভিতরে অজৈব লবণ থাকতে হয়।

কোষমধ্যস্থ পানি: বিভিন্ন শ্বসনিক বস্তু দ্রবীভূত করতে এবং এনজাইমের কার্যকারিতা প্রকাশের জন্য পানির প্রয়োজন।


উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১১,৪৯০.
On the Origin of Species গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ক) Jean-Baptiste Lamarck
  2. খ) Charles Darwin
  3. গ) Alfred Russel Wallace
  4. ঘ) Gregor Mendel
সঠিক উত্তর:
খ) Charles Darwin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Charles Darwin
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ হয়নি
১১,৪৯১.
নিউটনের মহাকর্ষ বলের মান কোনটির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত?
  1. কেবল কণার গতি
  2. কণার ভরের গুণফল
  3. কণার ভরের যোগফল
  4. কেবল কক্ষপথের দৈর্ঘ্য
সঠিক উত্তর:
কণার ভরের গুণফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণার ভরের গুণফল
ব্যাখ্যা

মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

• মহাকর্ষ ও নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র (Gravitation and Newton's Law of Gravitation):
- ১৬১৮ খ্রি. বিজ্ঞানী জে কেপলার সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহগুলোর ঘূর্ণন ও তাদের গতি সম্পর্কীয় সূত্রাবলি প্রকাশ করেন।
- কিন্তু মহাজাগতিক বস্তুসমূহ এবং সৌর মন্ডলীর গ্রহ উপগ্রহসমূহ কোন বলের প্রভাবে ঘুরছে বা সাম্যবস্থায় আছে সে সম্পর্কে কেপলার বা তৎকালীন বিজ্ঞানীদের কোনো সুষ্পষ্ট ধারণা ছিল না।
- ১৬৮৭ সালে বিজ্ঞানী আইজাক নিউটন মহাবিশ্বের পরস্পর যোগসূত্রহীন বস্তুসমূহের সাম্যাবস্থা বজায় থাকা এবং সূর্যের চারদিকে গ্রহসমূহের ঘূর্ণনের কারণ হিসাবে এক ধরনের সার্বজনীন বলের ধারণা উপস্থাপন করেন। এর নাম দেয়া হয় মহাকর্ষ বল।
- এই বল হলো মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তু কণার মধ্যে পরস্পরকে আকর্ষণ বল।
- অর্থাৎ যে বল দ্বারা মহা বিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- এই মহাকর্ষ বল সম্পর্কে নিউটন একটি সূত্র দেন।
- এটি নিউটনের মহাকর্ষ বলের সূত্র নামে খ্যাত।

•  সূত্রটি হলো:
- মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরল রেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৪৯২.
মানবদেহে ইনসুলিন নিঃসরণ করে ___। 
  1. থাইরয়েড
  2. যকৃত
  3. কিডনি
  4. অগ্ন্যাশয়
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যাশয়
ব্যাখ্যা

• ইনসুলিন হলো মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হরমোন, যা ইনসুলিন নিঃসরণ করে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

- রক্তে শর্করার মাত্রা বেশি হলে ইনসুলিন নিঃসরণ হয় এবং কোষে গ্লুকোজ প্রবেশ করিয়ে শক্তি উৎপাদন ও সংরক্ষণে সাহায্য করে।
- এটি দেহকে সুস্থ রাখার জন্য অপরিহার্য।

• অগ্ন্যাশয় ও ইনসুলিনের সম্পর্ক:
- প্যানক্রিয়াস হলো একটি অঙ্গ যা পেটের পিছনের দিকে অবস্থান করে।
- এটি দুটি প্রধান কাজ করে; এটি পাচন শক্তি নিঃসরণ এবং হরমোন নিঃসরণ উভয় কাজ করে।
- অগ্ন্যাশয়ের মধ্যে ল্যাংগারহ্যান্স (Islets of Langerhans) নামে বিশেষ কোষ থাকে।
- এই ল্যাংগারহ্যান্স এর মধ্যে বিটা কোষ (Beta cells) ইনসুলিন হরমোন উৎপন্ন করে।
- ইনসুলিন রক্তে গ্লুকোজকে কোষের মধ্যে প্রবেশ করায় এবং গ্লুকোজকে গ্লাইকোজেন (যকৃত ও মাংসপেশিতে) বা চর্বি হিসেবে সংরক্ষণে সাহায্য করে।
- এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা ডায়াবেটিস ও অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বই। 

১১,৪৯৩.
ম্যালপিজিয়ান নালিকা কোন পর্বের প্রাণীর রেচন অঙ্গ?
  1. Echinodermata
  2. Platyhelminthes
  3. Arthropoda
  4. Annelida
সঠিক উত্তর:
Arthropoda
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arthropoda
ব্যাখ্যা
•  Arthropoda পর্বের প্রাণীর রেচন অঙ্গ ম্যালপিজিয়ান নালিকা।

• আথ্রোপোডা (Arthropoda):
- এই পর্বটি প্রাণিজগতের সবচেয়ে বৃহত্তম পর্ব। এরা পৃথিবীর প্রায় সর্বত্র সকল পরিবেশে বাস করতে সক্ষম। এদের বহু প্রজাতি অন্তঃপরজীবী ও বহিঃপরজীবী হিসেবে বাস করে। বহু প্রাণী স্বলে, স্বাদু পানিতে ও সমুদ্রে বাস করে। এ পর্বের অনেক প্রজাতির প্রাণী ডানার সাহায্যে উড়তে পারে।
- দেহ বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত ও সন্ধিযুক্ত উপাঙ্গ বিদ্যমান।
- মাথায় একজোড়া পুঞ্জাক্ষি ও অ্যান্টেনা থাকে।
- নরম দেহ কাইটিন সমৃদ্ধ শক্ত আরণী দ্বারা আবৃত।
- দেহে রক্তপূর্ণ গহ্বর হিমােসিল নামে পরিচিত।
- উদাহরণ : প্রজাপতি, চিংড়ি, আরশােলা, কাঁকড়া ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
• Echinodermata পর্বের সকল প্রাণীই সামুদ্রিক। পূর্ণাঙ্গ প্রাণীর দেহ পঞ্চঅরীয় প্রতিসম অথবা পাঁচটি সমভাগে বিভাজ্য এবং এদের রেচনতন্ত্র নেই।
• Annelida পর্বের প্রাণীদের দেহের প্রায় প্রতিটি খণ্ডকে অবস্থিত নেফ্রিডিয়া নামক প্যাঁচানো নালিকা প্রধান রেচন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
• Platyhelminthes পর্বের প্রাণীদের রেচনতন্ত্র শিখা কোষ নিয়ে গঠিত।

উৎস:
১. জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
২. জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।
৩. অষ্টম শ্রেণি, বিজ্ঞান।
১১,৪৯৪.
শরীরে পানি কত ভাগ কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়?
  1. ১৬%
  2. ১২%
  3. ১৪%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০%
ব্যাখ্যা

• মানব শরীরের প্রায় ৬০%- ৭৫% জল দিয়ে গঠিত। জল শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, পুষ্টি পরিবহন এবং পদার্থবিনিময় প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে পানি কমে গেলে ডিহাইড্রেশন হয়। যদি শরীরের মোট পানির পরিমাণের প্রায় ১০%–১৬% কমে যায়, তখন মারাত্মক প্রভাব দেখা দিতে পারে। বিশেষভাবে, শরীরে প্রায় ১০% পানি হ্রাস হলে স্নায়ুতন্ত্রে প্রভাব পড়ে এবং মানুষ সংজ্ঞা হারাতে পারে। এই পর্যায়ে মস্তিষ্ক ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না, অজ্ঞান হওয়া সম্ভব এবং জীবনসংকটজনক অবস্থার সৃষ্টি হয়। তাই পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং জীবন রক্ষার জন্য অপরিহার্য।

সঠিক উত্তর: গ) ১০%
 
- উল্লেখ্য, অধিকাংশ মানুষ ৩–৪% পরিমাণ শরীরের জল কমে গেলেও তা সহজেই সহ্য করতে পারে এবং এতে কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা দেখা দেয় না। ৫–৮% হ্রাস হলে ক্লান্তি এবং মাথা ঘোরা অনুভূত হতে পারে। মোট শরীরের জলের ১০% এর বেশি হ্রাস হলে শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে, যা তীব্র তৃষ্ণার সঙ্গে যুক্ত থাকে। শরীরের জলের ১৫–২৫% ক্ষতি হলে মৃত্যুও ঘটতে পারে।

 • মানবদেহ ও পানি:
- পানি খাদ্যের একটি প্রধান উপাদান।
- দেহের গঠন ও অভ্যন্তরীণ কাজ পানি ছাড়া চলতে পারে না।
- আমাদের দৈহিক ওজনের ৬০%- ৭৫% হচ্ছে পানি।
- আমাদের রক্ত, মাংস, স্নায়ু, দাঁত, হাড় ইত্যাদি প্রতিটি অঙ্গ গঠনের জন্য পানির প্রয়োজন।
পানি জীবদেহে দ্রাবকের কাজ করে, খাদ্য উপাদানের পরিপাক ও পরিশোষণে সাহায্য করে।
- বিপাকের ফলে দেহে উৎপন্ন ইউরিয়া, অ্যামোনিয়া ইত্যাদি শরীরের জন্য ক্ষতিকর এবং
- বিষাক্ত পদার্থগুলোকে পানি মূত্র ও ঘাম হিসেবে শরীর থেকে বের করে দেয়।
- একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক ২-৩ লিটার পানি পান করা উচিত, কারণ প্রায় ঐ পরিমাণ পানি প্রত্যেকদিনই আমাদের শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
- শরীরে পানি ১০% কমে গেলে সংজ্ঞা লোপ পায়, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৪৯৫.
চাঁদ, সূর্য এবং পৃথিবী কখন একে অপরের সাথে সমকোণে থাকে?
  1. ভরা কটালের সময়
  2. মরা কটালের সময়
  3. পূর্ণিমার সময়
  4. মুখ্য জোয়ারের সময়
সঠিক উত্তর:
মরা কটালের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরা কটালের সময়
ব্যাখ্যা
• জোয়ার-ভাঁটা: 
- সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। 
- এর কারণ মূলত দুটি যা চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি। 
- সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 

জোয়ার-ভাঁটার কারণ: 
- জোয়ার-ভাটার প্রধান দুটি কারণ হলো- 
(ক) মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব এবং 
(খ) কেন্দ্রাতিগ/বহির্মুখী শক্তি। 

জোয়ার-ভাঁটার শ্রেণিবিভাগ: 
- জোয়ার-ভাঁটাকে নিম্নলিখিত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১. মুখ্য জোয়ার, 
২. গৌণ জোয়ার, 
৩. ভরা কটাল এবং 
৪. মরা কটাল। 

মরা কটাল: 
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাঁটা হয়।
- সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না, এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল বলে। 
- অর্থাৎ, এই মরা কটালের সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী সমকোণে অবস্থান করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৪৯৬.
What type of process happens in iron during rust formation?
  1. Only Physical Change
  2. Oxidation Reaction
  3. Reduction Reaction
  4. Thermal Reaction
  5. Combustion Reaction
সঠিক উত্তর:
Oxidation Reaction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oxidation Reaction
ব্যাখ্যা
• লোহায় মরিচা পড়ার সময় লোহাতে জারণ বিক্রিয়া ঘটে। 

• মরিচা:

- বিশুদ্ধ লোহা, জলীয় বাষ্প ও বায়ুর অক্সিজেন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে লোহার যে অক্সাইড গঠন করে তাকে মরিচা বলে।

• লোহাকে বাতাসে দীর্ঘসময় রেখে দিলে বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সাথে লোহা বিক্রিয়া করে মরিচা তৈরি করে।
- লোহার উপর মরিচা পড়া অনেক ধীর গতিতে সংঘটিত হয়।
- লোহায় মরিচা পড়ার এই প্রক্রিয়া টি জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া। 
- এখানে এক ধাপে জারণ এবং অন্যধাপে বিজারণ ঘটে থাকে। 

• মরিচা পড়ার প্রক্রিয়া:
- লোহা (Fe) অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে।
- এই বিক্রিয়ায় লোহা অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয় এবং ইলেকট্রন ত্যাগ করে।
- এর ফলে লোহাতে জারণ ঘটে।
- ত্যাগকৃত ইলেকট্রনটি অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন আয়ন গ্রহণ করে পানি তৈরি করে, যা বিজারণ বিক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে।
- ফলে, লোহার অক্সাইড (Fe2O3) গঠিত হয়, যা মরিচা নামে পরিচিত।
- এই পুরো প্রক্রিয়াটি জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ঘটে থাকে। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা। 
১১,৪৯৭.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে ভারি ধাতু কোনটি?
  1. রন্টজেনিয়াম
  2. প্লাটিনাম
  3. ইস্পাত
  4. ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরেনিয়াম
ব্যাখ্যা
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হীরক। (হীরক ধাতু নয়। এটি কার্বনের একটি রূপভেদ)
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু - টাংস্টেন।
- সবচেয়ে ভারি ধাতু - রন্টজেনিয়াম (Roentgenium)। আনবিক ভর - ২৭২.০।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে ভারি ধাতু - ইউরেনিয়াম (Uranium)। আনবিক ভর - ২৩৮.০৩।
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম (Platinum)। এর আনবিক ভর - ১৯৫.০৭৮
- সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম (Lithium)। এর আনবিক ভর - ৬.৯৪

উৎস: ব্রিটানিকা ও রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৪৯৮.
কোনটি আয়রন বা লোহার আকরিক?
  1. বক্সাইট
  2. হেমাটাইট
  3. ক্রায়োলাইট
  4. জিপসাম
সঠিক উত্তর:
হেমাটাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেমাটাইট
ব্যাখ্যা

হেমাটাইট আয়রন বা লোহার আকরিক। 

আয়রন বা লোহার আকরিক:
- ম্যাগনেটাইট,
- হেমাটাইট,
- আয়রন পাইরাইটস,
- লিমোনাইট। 

অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক:
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম,
- ক্রায়োলাইট। 

ক্যালসিয়ামের আকরিক:
- চুনাপাথর,
- জিপসাম,
- ডলোমাইট।

আরও,
সোডিয়ামের আকরিক:
- রকসল্ট,
- চিলি সল্টপিটার,
- ন্যাট্রোন,
- বোরাক্স। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি [২০১৭ সংস্করণ]। 

১১,৪৯৯.
কোন সালের বন্যা সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী ও বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল? 
  1. ১৯৭৪ সালে 
  2. ১৯৮৪ সালে 
  3. ১৯৯৮ সালে 
  4. ২০০৪ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সালে 
ব্যাখ্যা

বন্যা (Flood): 
- নদীমাতৃক ও বৃষ্টিবহুল বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে বর্ষা মৌসুমে সংঘটিত বন্যা অন্যতম। 
- ব্যাপকতার ভিত্তিতে বাংলাদেশে সাধারণ ও ভয়াবহ-এই দুই ধরনের বন্যা হয়ে থাকে। 
- বন্যায় প্লাবিত এলাকার জন-জীবন ও সম্পদের বিপুল ক্ষতি সাধিত হয়। 

বন্যার প্রভাব: 
- বাংলাদেশের বন্যার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক। 
- অধিক বৃষ্টিপাতের দরুণ ২০১২ সালে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটে আকষ্মিক বন্যায় ১০০ মানুষ নিহত হয় ও প্রায় ২,৫০,০০০ লোক পানিবন্দী হয়ে পড়ে। 
- ২০০৭ সালের বন্যায় বাংলাদেশের ঢাকা, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেটসহ দেশের সকল বিভাগে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়। ফলে, বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পদসহ মোট ৫০০ লোকের প্রাণহানি হয়। 
- বন্যার পানিতে ব্যাপক এলাকা প্লাবিত হয়ে বিপুল পরিমাণ ফসলের ক্ষতি, মানুষসহ অন্যান্য প্রাণির প্রাণহানি, অর্থ-সম্পদ ধ্বংস এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত করে। 
- বাংলাদেশে বিগত শতাব্দীতে বড় ধরনের বন্যা সংঘটিত হয়েছে। 
- ১৯৫৪ থেকে ২০০৪ সালের মধ্যে ১৯৭৪, ১৯৭৮, ১৯৮৪, ১৯৮৮, ২০০৪ সালের বন্যা ছিল ভয়াবহ। এর মধ্যে ১৯৯৮ সালের দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৫০০.
নাইট্রাস অক্সাইড মূলত কোন ধরনের পদার্থের উদাহরণ? 
  1. তেজস্ক্রিয় পদার্থ 
  2. উত্তেজক পদার্থ  
  3. বিস্ফোরক পদার্থ 
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
উত্তেজক পদার্থ  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তেজক পদার্থ  
ব্যাখ্যা

বিস্ফোরক পদার্থ (Explosive substance): 
- টিএনটি, পার-অক্সাইড, নাইট্রোগ্লিসারিন ইত্যাদি এক ধরনের বিস্ফোরক পদার্থ।এসব পদার্থ ব্যবহারের সময় মনে রাখতে হবে এসব পদার্থে আগুন লাগলে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হতে পারে, যার জন্য শরীরের এবং গবেষণাগারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই এ দ্রব্যগুলো খুব সাবধানে নাড়াচাড়া করতে হয়। 

দাহ্য পদার্থ (Flammable substance): 
- অ্যালকোহল, ইথার ইত্যাদি দাহ্য পদার্থ। এসব পদার্থে দ্রুত আগুন ধরে যেতে পারে। তাই এদের আগুন বা তাপ থেকে সব সময় দূরে রাখতে হবে। 

বিষাক্ত পদার্থ (Toxic substance): 
- বেনজিন, ক্লোরোবেনজিন, মিথানল এ ধরনের পদার্থ। এ পদার্থ শরীরে লাগলে বা শ্বাস-প্রশ্বাস অথবা ক্ষতের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে শরীরের নানা ধরনের ক্ষতি হতে পারে। এ ধরনের পদার্থ ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রোন, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি গগলস, মাস্ক ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে। 

উত্তেজক পদার্থ (Irritant substance): 
- ডাস্ট, লঘু এসিড, ক্ষার, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ। এগুলো ত্বক, চোখ, শ্বাসতন্ত্র ইত্যাদির ক্ষতি করে। তাই এ ধরনের পদার্থ ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রোন, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি গগলস ব্যবহার করতে হবে। 

স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ পদার্থ (Health risk substance): 
- বেনজিন, টলুইন, জাইলিন ইত্যাদি এ ধরনের পদার্থ। এ ধরনের পদার্থ ত্বকে লাগলে বা শ্বাসপ্রশ্বাসের সাথে শরীরের ভেতরে গেলে তা শরীরের স্বল্পমেয়াদি বা দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিসাধন করে। এগুলো শরীরে প্রবেশ করলে ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগ কিংবা শ্বাসতন্ত্রের ক্ষতি হতে পারে। তাই এগুলোকে সতর্কভাবে রাখতে হবে এবং ব্যবহারের সময় অ্যাপ্রোন, হ্যান্ড গ্লাভস, সেফটি গগলস ও মাস্ক পরে নিতে হবে। 

তেজস্ক্রিয় পদার্থ (Radioactive substance): 
- ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম ইত্যাদি তেজস্ক্রিয় পদার্থ। এসব পদার্থ থেকে ক্ষতিকারক রশ্মি বের হয় যা ক্যান্সারের মতো মরণব্যাধি সৃষ্টি করতে পারে কিংবা একজনকে বিকলাঙ্গ করে দিতে পারে। তাই এসব পদার্থ ব্যবহারের সময় বিশেষ সতর্ক থাকা প্রয়োজন। 

পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর (Dangerous for environment): 
- লেড, মার্কারি ইত্যাদি পদার্থগুলো পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। তাই এগুলোকে ব্যবহার করার সময় যথেষ্ট সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। ব্যবহারের পরে এগুলো যেখানে-সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে। এসব পদার্থকে যথাসম্ভব পুনরুদ্ধার করে আবার ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে। তাহলে এগুলো সহজে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়তে পারবে না। 

ক্ষত সৃষ্টিকারী (Corrosive): 
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড, সালফিউরিক এসিড, সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের ঘন দ্রবণ এ জাতীয় পদার্থের উদাহরণ। এ পদার্থগুলো শরীরে লাগলে শরীরে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে গ্রহণ করলে তা শরীরের ভেতরের অঙ্গেরও ক্ষতিসাধন করতে পারে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।