বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১১৪ / ১৪০ · ১১,৩০১১১,৪০০ / ১৪,০৮০

১১,৩০১.
হৃৎপিণ্ডের বহিঃস্তরের নাম কী?
  1. মায়োকার্ডিয়াম
  2. এন্ডোকার্ডিয়াম
  3. পেরিকার্ডিয়াম
  4. এপিকার্ডিয়াম
সঠিক উত্তর:
এপিকার্ডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকার্ডিয়াম
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ডের বহিঃস্তরকে এপিকার্ডিয়াম বলে।

• হৃৎপিণ্ডের গঠন:
- হৃৎপিণ্ড বক্ষ গহ্বরের বাম দিকে দুই ফুসফুসের মাঝখানে অবস্থিত একটি ত্রিকোণাকার ফাঁপা অঙ্গ।
- এটি হৃৎপেশি নামক এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।
- এটি পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।

• হৃৎপিণ্ডের প্রাচীরে তিনটি স্তর থাকে।
যথা-
১। বহিঃস্তর বা এপিকার্ডিয়াম:
- বহিঃস্তর মূলত যোজক কলা দ্বারা গঠিত।
- এতে বিক্ষিপ্তভাবে চর্বি থাকে।
- এটি আবরণী কলা দিয়ে আবৃত থাকে।

২। মধ্যস্তর মায়োকার্ডিয়াম:
- এটি বহিঃস্তর এবং অন্তঃস্তরের মাঝখানে অবস্থান করে।
- এটি দৃঢ় অনৈচ্ছিক পেশি দিয়ে গঠিত।

৩। অন্তঃস্তর এন্ডোকার্ডিয়াম:
- এটি সব থেকে ভেতরের স্তর।
- হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠগুলো অন্তঃস্তর দিয়ে আবৃত থাকে।
- অন্তঃস্তরটি হৃৎপিণ্ডের কপাটিকাগুলোকেও আবৃত করে রাখে।
- হৃৎপিণ্ডের ভেতরের স্তর ফাঁপা এবং চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩০২.
পোস্ট অফিস বক্স নিচের কোন নিয়মটি মেনে চলে?
  1. হুইটস্টোন ব্রিজের নীতি
  2. ফ্যারাডের সূত্র
  3. ওহমের সূত্র
  4. জুলের সূত্র
সঠিক উত্তর:
হুইটস্টোন ব্রিজের নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুইটস্টোন ব্রিজের নীতি
ব্যাখ্যা
পোস্ট অফিস বক্স: 
- যে রোধ বাক্সের রোধগুলোকে হুইটস্টোন ব্রিজের তিনটি বাহু হিসেবে বিবেচনা করে এর সাহায্যে হুইটস্টোন ব্রিজের নীতি ব্যবহার করে কোনো অজানা রোধ নির্ণয় করা যায়, তাকে পোস্ট অফিস বক্স বলে। 
- পোস্ট অফিস বক্স হুইটস্টোন ব্রিজের নীতির আরেকটি রূপ। 
- পূর্বে পোস্ট অফিসের লোকজন টেলিগ্রাম, টেলিফোন লাইনের তারের রোধ নির্ণয়ের জন্য এই যন্ত্র ব্যবহার করতেন বলে একে পোস্ট অফিস বক্স বলা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
১১,৩০৩.
রিখটার স্কেল কোন বিষয় পরিমাপে ব্যবহৃত হয়? 
  1. ভূমিকম্পের মাত্রা
  2. আগ্নেয়গিরির তাপমাত্রা
  3. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ
  4. বাতাসের চাপ
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্পের মাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্পের মাত্রা
ব্যাখ্যা
রিখটার স্কেল: 
- ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে। 
- 1935 সালে আমেরিকার ভূকম্প বিশারদ চার্লস ফ্রান্সিস রিখটার ভূমিকম্পের যে মাত্রামাপক স্কেল প্রণয়ন করেন সেই স্কেলকে রিখটার স্কেল বলে। 
- রিখটার পরিমাপক স্কেল হলো কোন ভূমিকম্পের প্রাবল্যকে সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা, এটি একটি 10 মাত্রা ভিত্তিক লগারিদম পরিমাপ। 
অর্থাৎ এই পরিমাপে যে কোন সংখ্যার ভূমিকম্প- পূর্ববর্তী সংখ্যার চাইতে 10 গুণ বেশি শক্তিশালী।যেমন তিন মাত্রার ভূমিকম্পের চেয়ে চার মাত্রার ভূমিকম্প দশগুণ বেশি শক্তিশালী। 

ভূমিকম্প: 
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। 
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। 
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
১১,৩০৪.
ক্রিকেট ব্যাট তৈরি করা হয় কোন গাছের কাঠ থেকে?
  1. ক) উইলো গাছ
  2. খ) পাইন গাছ
  3. গ) সেগুন গাছ
  4. ঘ) ইউক্যালিপটাস গাছ
সঠিক উত্তর:
ক) উইলো গাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উইলো গাছ
ব্যাখ্যা
উইলো গাছের কাঠ থেকে ক্রিকেট ব্যাট তৈরি করা হয়। 
- ক্রিকেট ব্যাট ব্যবহারের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় ১৬২৪ সালে।
- সবচেয়ে পুরোনো বলে স্বীকৃত ব্যাটটি প্রদর্শিত হচ্ছে লন্ডনের ওভালের একটি সংগ্রহশালায়।
- এটি ১৭২৯ সালে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।
- সে সময় সাধারণত উইলো কাঠ দিয়ে তৈরি হতো ক্রিকেট ব্যাট।
- ১৮০০ শতকের আগেও ক্রিকেট ব্যাটের আকার ছিল অনেকটা এখনকার হকিস্টিকের মতো।
-  ১৮৩৫ সালে ক্রিকেট ব্যাটের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ঠিক করা হয় ৩৮ ইঞ্চি। 

উৎসঃ প্রথম আলো
১১,৩০৫.
কৃষ্ণ বিবরের ভর -
  1. ক) শূন্য
  2. খ) প্রায় শূন্য
  3. গ) প্রায় অসীম
  4. ঘ) সসীম
সঠিক উত্তর:
গ) প্রায় অসীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রায় অসীম
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
১১,৩০৬.
নীহারিকা কী? 
  1. সূর্যের কাছাকাছি এক ধূমকেতু
  2. মহাকাশে গ্রহ ও উপগ্রহের সমষ্টি
  3. মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ 
  4. পৃথিবীর নিকটে আলো উৎপন্ন করা জ্যোতিষ্ক
সঠিক উত্তর:
মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ 
ব্যাখ্যা

- নীহারিকা (nebula) হলো ধূলিকণা, হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস এবং প্লাজমা দ্বারা গঠিত এক ধরনের বিশাল আন্তঃনাক্ষত্রিক মেঘ। দূরবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে এদেরকে মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ বা মেঘের মতো দেখায়। 

নীহারিকা (Nebula): 
- নীহারিকা হলো মহাকাশে অসংখ্য স্বল্পালোকিত তারকার আস্তরণ। 
- এদের আকার বিচিত্র। কিছু নীহারিকার দেহ গ্যাসীয় পদার্থে পূর্ণ, তাই এদেরকে গ্যাসীয় নীহারিকা বলে। 
- এক একটি নীহারিকার মধ্যবর্তী দূরত্ব ব্যাপক। 
- এক একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে। 
- এরা যেহেতু পৃথিবী থেকে কোটি কোটি আলোক বর্ষ দূরে রয়েছে, তাই এদের মাঝে যেসব নক্ষত্র রয়েছে তাদের পৃথকভাবে শনাক্ত করা যায় না। 

ছায়াপথ (Milky Way): 
- কোনো একটি গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশকে ছায়াপথ বা আকাশ গঙ্গা বলে। 
- অন্ধকার আকাশে এদের উজ্জ্বল দীপ্তি দীর্ঘপথের মতো দেখায়। একটি ছায়াপথ লক্ষ কোটি নক্ষত্রের সমষ্টি। 
- শীতকালে রাত্রিবেলা পরিষ্কার আকাশে লক্ষ্য করলে উত্তর-দক্ষিণে বেশ বড় পরিসরযুক্ত তেজোদ্দীপ্ত স্বচ্ছ দীর্ঘ আলোর রেখা দেখা যায়, তারকা খচিত এই আলোর পথই হলো ছায়াপথ। 
- বিজ্ঞানীরা একে বিরাট চক্রাকার মণ্ডল বলে অনুমান করেন। 
- সৌরজগৎ এরকম একটি ছায়াপথের অন্তর্গত। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৩০৭.
কোন ধাতু স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল?
  1. সালফার
  2. ম্যাঙ্গানিজ
  3. মার্কারী
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
মার্কারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্কারী
ব্যাখ্যা
- পারদ (Hg - মার্কারী) একমাত্র ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে।
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ৮০।
- পারদের গলনাঙ্ক প্রায় ৩৮.৮৩° সেলসিয়াস।
- তাই এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে।

অন্যদিকে,
- সাধারণ তাপমাত্রায় ব্রোমিন তরল অবস্থায় বিদ্যমান থাকে।
- কিন্তু ব্রোমিন একটি অধাতু।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩০৮.
কোনটি সিমেন্ট তৈরির অন্যতম কাঁচামাল?
  1. ইউরিয়া
  2. কয়লা
  3. জিপসাম
  4. বিটুমিন
সঠিক উত্তর:
জিপসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিপসাম
ব্যাখ্যা

• জিপসাম (CaSO4.2H2O) হলো সিমেন্ট তৈরির অন্যতম কাঁচামাল।

- সিমেন্ট ও প্লাস্টার অব প্যারিস তৈরির কাঁচামালসিমেন্ট শিল্পের সহায়ক উপাদানসমূহ:
- চুনাপাথর, কাদামাটি, জিপসাম প্রভৃতি সিমেন্ট শিল্পের প্রধান কাঁচামাল।
- যেসব দেশে এসব উপাদান বেশি পাওয়া যায় সেসব দেশ সিমেন্ট শিল্পে উন্নতি লাভ করেছে।
- বাংলাদেশে এসব কাঁচামালের অভাব রয়েছে।
- ফলে এদেশ সিমেন্ট শিল্পে তেমন উন্নতি লাভ করতে পারেনি।
 

উৎস: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

১১,৩০৯.
একটি নবজাতকের স্বাভাবিক ওজন কত?
  1. ১.৫-২.০ কেজি
  2. ২.৫-৩.০ কেজি
  3. ৩.৫-৫.০ কেজি
  4. ৫.৫-৬.০ কেজি
সঠিক উত্তর:
২.৫-৩.০ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২.৫-৩.০ কেজি
ব্যাখ্যা
শিশুর বিকাশ: 
- শিশুর বর্ধন ও বিকাশ পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। 
- শিশুর বয়স বাড়ার সাথে তার ওজন ও উচ্চতা যেমন বৃদ্ধি পায় তেমনি তার অঙ্গ সঞ্চালন, শক্তি, সামর্থ্যও বৃদ্ধি পায়। 
- তার দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রতঙ্গ এবং মাথার আকার ও গঠনের যথেষ্ট পরিবর্তন হয়। 
- মাথার (মগজ) বর্ধনের ফলে শিশুর শিক্ষণ ক্ষমতা বেড়ে যায় এবং সেই সাথে সাথে তার স্মৃতিশক্তি ও যুক্তির ক্ষমতাও বাড়ে। 
- এই ভাবেই শিশুরা শারীরিক ও মানসিকভাবে বেড়ে উঠে। 
- একজন পূর্ণদেহী মানুষ হতে একটি শিশুকে অনেক ধাপ অতিক্রম করতে হয়। 
- একেক ধাপের পরিণতি পরবর্তী ধাপের প্রস্তুতি ও সুস্থ বিকাশের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন- 
১। জন্মপূর্বকাল (Prenatal Period): 
- সূচনামুহূর্ত থেকে জন্মগ্রহণ পর্যন্ত সময়কাল। 
- মাতৃগর্ভের অর্থাৎ যখন থেকে মানব সন্তানের জন্ম হয় তখন থেকে ৯ মাস বা ২৮০ দিন পর্যন্ত এই ধাপ বিস্তৃত। 
- এই সময়কাল বেশ সংক্ষিপ্ত, কিন্তু এই সময়ের বর্ধন খুব দ্রুত। কারণ এই সময়ের মধ্যে স্পষ্ট হয় মানব কাঠামো এবং তার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য। 
- নবজাতকের স্বাভাবিক ওজন ২.৫-৩.০ কেজি। 
- একটি সুস্থ সদ্যজাত শিশু জন্মের পরই চিৎকার করে কাঁদে। 
- তারা দিনে ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রায় ২০ ঘন্টাই ঘুমায়। 
- কান্নাই তাদের একমাত্র অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যম। 

২। নবজাতকাল (Neonatal Period): 
- শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার সাথে সাথে নবজাতকাল শুরু হয় এবং শেষ হয় ২ সপ্তাহ বা ১৪ দিন পর। 
- কাজেই অন্যান্য বিকাশমূলক স্তরের চেয়ে নবজাতকাল বেশ সংক্ষিপ্ত। 
- এই ধাপে শিশু নতুন পরিবেশের সাথে পরিচিত হয় এবং খাপ খাইয়ে চলার প্রচেষ্টা শুরু হয়। 
- একটি ভিন্নতর পরিবেশের সাথে সঙ্গতি বিধান করার সময় নবজাত শিশুর অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩১০.
নবায়নযোগ্য শক্তির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. একবার ব্যবহার করা যায়
  2. পরিবেশের ক্ষতি করে
  3. বারবার ব্যবহার করা যায়
  4. সীমিত পরিমাণে পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর:
বারবার ব্যবহার করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারবার ব্যবহার করা যায়
ব্যাখ্যা

- নবায়নযোগ্য শক্তি বলতে এমন সব শক্তির উৎসকে বোঝায় যা প্রাকৃতিক উৎস থেকে পাওয়া যায় এবং স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পুনরায় পূরণ বা রিফিল হয়

শক্তি: 

- শক্তি ছাড়া সভ্যতা এক মুহূর্ত চলতে পারে না। 
- শক্তির বিনিময়ে কাজ পাওয়া যায়, তাই জীবনের জন্য প্রয়োজন শক্তির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ। 
- শিল্পায়নের ক্রমবিকাশ এবং জীবনে যাত্রার মানোন্নয়নের জন্য শক্তির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তাই ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য বিজ্ঞানীরা নতুন শক্তির উৎসের সন্ধান করে চলছে। 

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable energy): 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
যেমন- সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ শক্তি, বায়োমাস শক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তি (Non-renewable energy): 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির (যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি) মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। 
- শক্তির চাহিদা মেটাতে আমাদেরকে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে বিদেশ থেকে খনিজ তেল, কয়লা আমদানি করতে হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি জনপ্রিয় করা এবং এদের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে পারলে একদিকে যেমন অর্থের সাশ্রয় হবে এবং অন্যদিকে দূষণের হাত থেকে পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে। 
- শক্তির সঠিক ও কার্যকর ব্যবহারে সবার সচেতন হওয়া প্রয়োজন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩১১.
ধনুষ্টঙ্কার রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার নাম কী?
  1. Bordetella pertussis
  2. Clostridium tetani
  3. Corynebacterium diphtheriae
  4. Bacillus dysenteriae
সঠিক উত্তর:
Clostridium tetani
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Clostridium tetani
ব্যাখ্যা

• রোগ: ধনুষ্টঙ্কার, ব্যাকটেরিয়ার নাম: Clostridium tetani.

• রোগ ও সংশ্লিষ্ট ব্যাকটেরিয়ার তালিকা:

- যক্ষ্মা:
- ব্যাকটেরিয়ার নাম: Mycobacterium tuberculosis.

- নিউমোনিয়া:
- ব্যাকটেরিয়ার নাম: Diplococcus pneumoniae.

- টাইফয়েড:
- ব্যাকটেরিয়ার নাম: Salmonella typhosa.

- কলেরা:
- ব্যাকটেরিয়ার নাম: Vibrio cholerae.

- ডিপথেরিয়া:
- ব্যাকটেরিয়ার নাম: Corynebacterium diphtheriae.

- আমাশয়: 
ব্যাকটেরিয়ার নাম: Bacillus dysenteriae.

- ধনুষ্টঙ্কার:
- ব্যাকটেরিয়ার নাম: Clostridium tetani.

- হুপিং কাশি:
ব্যাকটেরিয়ার নাম: Bordetella pertussis.

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩১২.
সুষম খাদ্যের উপাদান-
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬টি
ব্যাখ্যা

- মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য।
- সুষম খাদ্যের উপাদান হচ্ছে ৬টি।
- এগুলো হলোঃ
১. শর্করা বা শ্বেতসার,
২. আমিষ বা প্রোটিন,
৩. ফ্যাট বা চর্বি,
৪. ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ,
৫. খনিজ লবণ ও
৬. পানি।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৩১৩.
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ ও মহাজাগতিক পশ্চাৎপট বিকিরণ কোন বৈজ্ঞানিক শাখার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক্রিপ্টোলজি 
  2. কসমোলজি
  3. জ্যোতির্বিজ্ঞান
  4. অ্যাস্ট্রোফিজিক্স
সঠিক উত্তর:
কসমোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসমোলজি
ব্যাখ্যা

- কসমোলজি মহাবিশ্বের উৎপত্তি, বিকাশ, ইতিহাস, ভবিষ্যৎ এবং বৃহৎ আকারের গঠন ও বিবর্তন নিয়ে অধ্যয়ন করে। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ (expansion) এবং মহাজাগতিক পটভূমি বিকিরণের মতো বিষয়গুলো কসমোলজির মূল আলোচ্য বিষয়।

মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য: 

- মহাবিশ্ব কেন সৃষ্টি হলো, কিভাবে সৃষ্টি হলো, কেনইবা এটি টিকে আছে এ সম্পর্কে আমাদের কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই। তবে এটি কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে এর বিবর্তনের ধারা সম্পর্কে অনেক কিছুই জানা হয়েছে। 
- রাতের আকাশে অসংখ্য তারা বা নক্ষত্র দেখতে পাওয়া যায়, এমন অসংখ্য নক্ষত্র নিয়ে গঠিত হয়েছে একটি গ্যালাক্সি। 
- সপ্তদশ শতাব্দীতে টেলিস্কোপের ব্যবহার থেকে জানা যায়, সূর্য ছায়াপথ গ্যালাক্সির (Milky way) অন্যান্য নক্ষত্রের মতোই একটি সাধারণ নক্ষত্র, তখন মনে করা হতো, সূর্য হচ্ছে গ্যালাক্সির কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু বিংশ শতাব্দীতে এসে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন, সূর্যের অবস্থান গ্যালাক্সির কেন্দ্র থেকে অনেক অনেক দূরে। এরূপ কোটি কোটি গ্যালাক্সি নিয়ে গঠিত হয়েছে এই মহাবিশ্ব। 
- ছায়াপথ গ্যালাক্সিতে নক্ষত্রের সংখ্যা প্রায় 1011 । মহাবিশ্বে এরকম প্রায় 1011 সংখ্যক গ্যালাক্সি রয়েছে আর প্রত্যেকটি গ্যালাক্সিতে রয়েছে গ্যালাক্সির প্রায় সমসংখ্যক নক্ষত্র। 

- পৃথিবী মহাবিশ্বের তুলনায় অতি অতি ক্ষুদ্র। পৃথিবী থেকে মহাকাশে নক্ষত্রদের দেখতে কাছাকাছি মনে হলেও এদের পরস্পরের মধ্যে রয়েছে অনেক আলোক বর্ষের ব্যবধান। 
- সভ্যতার সেই শুরু হতেই বিজ্ঞানীগণ এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য এবং পরিণতি সম্পর্কে বিভিন্ন ধারণা পোষণ করে আসছেন। এসব ধারণা এবং বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবে বিজ্ঞানের একটি শাখা সৃষ্টি হয়েছে, যা কসমোলজি (Cosmology) বা 'মহাজাগতিক বিজ্ঞান' নামে পরিচিত। 
- বিংশ শতাব্দীতে দুই জন বিখ্যাত বৈজ্ঞানিকের দ্বারা দুটি পরীক্ষা সংঘটিত হয়, যেগুলোর মাধ্যমে মহাবিশ্ব সম্পর্কে একটি সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ধারণা প্রায় সকল পদার্থ বিজ্ঞানীদের মাঝে গৃহীত হয়েছে।
- পরীক্ষা দুটি হলো- ১। মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ এবং ২। মহাজাগতিক পশ্চাৎপট বিকিরণ। 

অন্যদিকে, 
- ক্রিপ্টোলজি (Cryptology): এটি গোপন তথ্য বা বার্তা সংরক্ষণ এবং নিরাপদ প্রেরণের বিজ্ঞান।
- জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy): এটি মহাকাশের বস্তু (গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ) এবং তাদের ঘটনা নিয়ে অধ্যয়ন করে, তবে কসমোলজি মহাবিশ্বের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট নিয়ে কাজ করে। 
- অ্যাস্ট্রোফিজিক্স (Astrophysics): এটি মহাজাগতিক বস্তু ও ঘটনার ভৌত প্রক্রিয়াগুলো ব্যাখ্যা করে, যা কসমোলজির একটি অংশ হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩১৪.
কোন প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না?
  1. সমচাপ প্রক্রিয়া
  2. সমোষ্ণ প্রক্রিয়া
  3. রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
  4. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
এনট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে।
- আমরা জানি, কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়।
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে।
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় এনট্রপির কোনো পরিবর্তন হয় না। 
- পৃথিবীর এনট্রপি ক্রমাগত বাড়ছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।
১১,৩১৫.
Which of the following is not a metal?
  1. Gold
  2. Diamond
  3. Silver
  4. Copper
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Diamond
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Diamond
ব্যাখ্যা
ধাতু: 
- ভূ-পৃষ্টের উপরিভাগ বিভিন্ন রকম যৌগিক পদার্থ দিয়ে তৈরি যেমন- সিলিকন ডাই অক্সাইড (বালি), ক্যালসিয়াম কার্বনেট (চুনাপাথর) ইত্যাদি। 
- এসকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত। 
যথা- ধাতু ও অধাতু। 
- ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার (Silver), গোল্ড (Gold), কপার (Copper) ও জিংক ইত্যাদি হচ্ছে ধাতু। 
- আবার কার্বন (গ্রাফাইট ও হীরক-Diamond), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ই্যাদি হচ্ছে অধাতু। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়। 
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 

- ধাতুর কতগুলো বৈশিষ্ট্য আছে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো- 
ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহি। 
ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
১১,৩১৬.
সূর্য কী?
  1. গ্রহ
  2. নক্ষত্র
  3. উপগ্রহ
  4. ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
সূর্য (Sun): 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- সূর্যের পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস। 
- এটি হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড। 
- হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটি মাঝারি আকারের হলুদ বর্ণের। 
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ লক্ষ কিলোমিটার। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩১৭.
ডেঙ্গু রোগের কারণ -
  1. Male Aedes
  2. Female Aedes
  3. Female Anopheles
  4. Male Anopheles
সঠিক উত্তর:
Female Aedes
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Female Aedes
ব্যাখ্যা
- ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে ডেঙ্গু রোগ হয়।
- ডেঙ্গুর ভাইরাস এডিস ইজিপ্টি নামক স্ত্রী মশার মাধ্যমে ছড়ায়।
 
Dengue virus is transmitted by female mosquitoes mainly of the species Aedes aegypti and, to a lesser extent, Ae. albopictus. These mosquitoes are also vectors of chikungunya, yellow fever and Zika viruses.
 
উৎস: who.int
১১,৩১৮.
একবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডের ভাস্কুলার বান্ডেল কিভাবে সাজানো থাকে?
  1. বৃত্তাকার ভাবে
  2. সমান্তরাল অবস্থায়
  3. বিক্ষিপ্তভাবে
  4. কোনো ভাস্কুলার বান্ডেল নেই
সঠিক উত্তর:
বিক্ষিপ্তভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্ষিপ্তভাবে
ব্যাখ্যা

একবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডের ভাস্কুলার বান্ডেল বিক্ষিপ্তভাবে সাজানো থাকে।

একবীজপত্রী উদ্ভিদ:
একবীজপত্রী উদ্ভিদ হলো সেই সকল সপুষ্পক উদ্ভিদ যাদের বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে।

একবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
- এদের বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে।
- এদের মূল সাধারণত গুচ্ছ প্রকৃতির হয়।
- পাতার শিরাগুলো সমান্তরালভাবে বিন্যস্ত থাকে।
- কাণ্ডের ভাস্কুলার বান্ডেল বিক্ষিপ্তভাবে বিন্যস্ত থাকে।
- এদের ফুলের পাপড়ি সাধারণত তিন বা ছয়টির গুণিতক হয়।
উদাহরণ: ধান, গম, ভুট্টা, কলা, নারকেল, ঘাস ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

১১,৩১৯.
পটাশ অ্যালামের অপর নাম কী? 
  1. ব্লিচিং পাউডার
  2. বেকিং সোডা
  3. চুন
  4. ফিটকিরি
সঠিক উত্তর:
ফিটকিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিটকিরি
ব্যাখ্যা

ফিটকিরি: 
- প্রাচীনকাল থেকেই আমাদের দেশে এন্টিসেপটিক হিসেবে ফিটকিরির ব্যবহার প্রচলিত। 
- ফিটকিরি অ্যালুমিনিয়াম সালফেট, পটাশিয়াম সালফার ও ২৪ অণু পানির যৌগ। 
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে [K2SO4.Al2(SO4)3. 24H2O] । 
- ফিটকিরি বা পটাস অ্যালামে ২৪ অণু কেলাস পানি যুক্ত থাকে। 
- ফিটকিরি মানুষের কাছে পটাশ অ্যালাম নামে পরিচিত। 
- ফিটকিরি একটি দ্বি-লবণ অর্থাৎ দুটি লবণ (পটাসিয়াম সালফেট এবং অ্যালুমিনিয়াম সালফেট) এর সাধারণ মিশ্রণ। 
- অ্যালাম কঠিন অবস্থায় সুনির্দিষ্ট আকৃতির কেলাস। 
- এটি সাধারণত কঠিন অবস্থায় বাজারে প্রচলিত। 

অন্য অপশনগুলো-
ক) ব্লিচিং পাউডার - Ca(OCl)2, আলাদা রাসায়নিক পদার্থ।
খ) বেকিং সোডা - NaHCO3, রান্নায় ব্যবহৃত হয়।
গ) চুন - CaO বা Ca(OH)2, নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩২০.
একটি বস্তুর ভর ২০ কেজি। এর ওপর একটি বল প্রযুক্ত হওয়ায় এর ত্বরণ হলো ২ মি./সে । প্রযুক্ত বলের মান কত ছিল?
  1. ৬০ নিউটন
  2. ৪০ নিউটন
  3. ৭৫ নিউটন
  4. ৮০ নিউটন
সঠিক উত্তর:
৪০ নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ নিউটন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বস্তুর ভর ২০ কেজি। এর ওপর একটি বল প্রযুক্ত হওয়ায় এর ত্বরণ হলো ২ মি./সে । প্রযুক্ত বলের মান কত ছিল? 

সমাধান: 
এখানে, 
বস্তর ভর, m = ২০ কেজি, 
ত্বরণ, a = ২ মি/সে
বল, F = ? 

আমরা জানি,
F = ma
= ২০ কেজি × ২ মি/সে
= ৪০ নিউটন 

সুতরাং, প্রযুক্ত বলের মান = ৪০ নিউটন। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩২১.
পেপটিক আলসার সৃষ্টি করে কোন ব্যাকটেরিয়া?
  1. ক) Providencia spp.
  2. খ) Acinetobacter baumannii
  3. গ) Flavobacterium spp.
  4. ঘ) Helicobacter pylori
সঠিক উত্তর:
ঘ) Helicobacter pylori
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Helicobacter pylori
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন (1951-বর্তমান) ও ব্যারি মার্শালের (1937-বর্তমান) গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপােড়া খাবার খাওয়া, বিষন্নতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া।

এজন্য তাঁরা 2005 সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নােবেল পুরস্কার লাভ করেন। আগে ভাবা হতাে, পাকস্থলীর তীব্র হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে (pH 1.5-3.5) কোনাে ব্যাকটেরিয়া টিকতে পারে না। তাঁর ধারণা প্রমাণ করার জন্য ব্যারি মার্শাল নিজে H. pylori ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত দ্রবণ পান করে পেপটিক আলসারে ভুগেছিলেন!

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।
১১,৩২২.
ধারকের ব্যবহার নয় কোনটি?
  1. বেতার গ্রাহক যন্ত্রে টিউনিং এর কাজে ব্যবহার
  2. বিবর্ধক যন্ত্রে কাপলিং কাজে
  3. বৈদ্যুতিক পাখাকে জোরে ঘুরাতে
  4. বর্তনীতে এসি ব্লকিং হিসাবে
সঠিক উত্তর:
বর্তনীতে এসি ব্লকিং হিসাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্তনীতে এসি ব্লকিং হিসাবে
ব্যাখ্যা

ধারকের ব্যবহারসমূহ হলো নিম্নরূপ -
- টেলিফোন, টেলিগ্রাফ, বেতার গ্রাহক যন্ত্রে টিউনিং এর কাজে
- বিবর্ধক যন্ত্রে কাপলিং কাজে
- বৈদ্যুতিক পাখাকে জোরে ঘুরাতে
- বৈদ্যুতিক বর্তনীতে ডিসি ব্লকিং হিসাবে
- বর্তনীতে চার্জিং ও ডিসচার্জিং এর কাজে
- ফিলটার সার্কিটে এবং স্পন্দকে ব্যবহার
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১১,৩২৩.
Flora বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) উদ্ভিদকূলকে
  2. খ) প্রাণীকুলকে
  3. গ) পক্ষিকুলকে
  4. ঘ) মৎস্যকুলকে
সঠিক উত্তর:
ক) উদ্ভিদকূলকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উদ্ভিদকূলকে
ব্যাখ্যা

- প্রাণিকুল (ইংরেজি: fauna) বলতে একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল বা সময়ে প্রাকৃতিকভাবে জীবিত প্রাণি এবং তাদের জীবনকে বোঝায়।
- উদ্ভিদের জন্য সংশ্লিষ্ট শব্দটি হলো উদ্ভিদকুল (flora)।
- উদ্ভিদকুল, প্রাণিকুল এবং জীবনের অন্যান্য রূপ যেমন ছত্রাককে সম্মিলিতভাবে জীবন হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক জীববিজ্ঞান

১১,৩২৪.
শিশু জন্মের পরপরই বা ১৪ দিনের মধ্যে কোন রোগের টিকা দেয়া হয়?
  1. যক্ষ্মা
  2. নিউমোনিয়া
  3. রুবেলা
  4. হাম
সঠিক উত্তর:
যক্ষ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যক্ষ্মা
ব্যাখ্যা
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের ফ্যাক্ট-শিট অনুযায়ী শিশু জন্মের পরপরই যক্ষ্মা বা টিবি প্রতিরোধে বিসিজি টিকা দেয়া হয়। 
- শিশু জন্মের ছয় সপ্তাহের মধ্যে আরও তিনটি টিকা দিতে হয়। যথা-
• পোলিওর প্রতিষেধক ওরাল পোলিও ভ্যাকসিন-ওপিভি,
• নিউমোনিয়ার প্রতিষেধক নিউমোককাল কনজুগেট ভ্যাকসিন-পিসিভি এবং
• পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা।

 - শিশুর জন্মের ৬, ১০ ও ১৪ সপ্তাহে এসব টিকার একটি করে ডোজ অর্থাত চার সপ্তাহ বিরতিতে একেকটি টিকার তিন ডোজ সম্পন্ন করা হয়।
- পেন্টাভ্যালেন্ট হল ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশ (পারটুসিস), ধনুষ্টংকার (টিটেনাস), হিমোফিলিস, ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি এবং হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ থেকে শিশুদের রক্ষা করতে সমবেত একটি টিকা।
- শিশুর বয়স নয় মাস থেকে ১৫ মাসের মধ্যে হাম ও রুবেলার প্রতিষেধক এমআর টিকা দেয়া হয়।
- শিশুর ৬ মাস থেকে ৫ বছরের মধ্যে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়াতে হয়।

উৎস: bbc
১১,৩২৫.
অম্লীয় মাটির pH কত হলে গাছপালা জীবিত থাকতে পারে না?
  1. 3
  2. 6
  3. 7
  4. 9
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা

• গাছপালা সাধারণত মধ্যম বা হালকা অম্লীয় মাটিতেই ভালোভাবে বৃদ্ধি পায়। মাটির pH যদি অত্যন্ত অম্লীয় হয়, যেমন pH ৩, তাহলে মাটিতে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান যেমন নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম গাছের জন্য গ্রহণযোগ্য অবস্থায় থাকে না। এছাড়া, অতিরিক্ত অম্লত্ব অনেক ধরনের ক্ষতিকারক ধাতু যেমন অ্যালুমিনিয়ামকে দ্রবীভূত করে, যা গাছের মূলের ক্ষতি করতে পারে। ফলে গাছপালা যথাযথভাবে বৃদ্ধি পায় না বা মৃত্যুবরণ করতে পারে। অন্যদিকে, pH ৬, ৭ বা ৯-এর মাটি সাধারণত গাছপালার জীবনের জন্য সহনীয় এবং পুষ্টি গ্রহণের জন্য উপযুক্ত। তাই অত্যন্ত অম্লীয় মাটিতে (pH ৩) গাছপালা বাঁচতে পারে না।

- সঠিক উত্তর: ক) 3

pH স্কেল: 
- কোনো এসিড দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। একইভাবে কোনো ক্ষার দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এসিড দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের গাঢ়ত্ব যদি বেশি হয়, তবে তা সবল এসিড, আর যদি কম হয় তবে তা দুর্বল এসিড। 
- ক্ষারের ক্ষেত্রে একই বিষয় প্রযোজ্য, তবে সেটি হাইড্রোক্সিল আয়নের ঘনমাত্রার উপর। 
- কিন্তু এসিড যদি খুবই লঘু হয় অথবা ক্ষার দ্রবণটি যদি খুবই লঘু হয়, তবে সেক্ষেত্রে H+ আয়ন অথবা OH- আয়নের ঘনমাত্রা 10 এর ঋণাত্বক ঘাত দ্বারা প্রকাশ করতে হয়। 
- অম্লীয় মাটিতে pH 4.5 এর নিচে নেমে গেলে গাছপালা মারা যায়। pH 5.5 এর নিচে নেমে গেলে গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে।
- বিষয়টিকে আরো সহজ করার জন্য বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন। 
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+

- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়। 
- pH মিটারের pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশী হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং ঠিকঠিক 7 এর সমান হলে দ্রবণটি প্রশমন হয়। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে। আর যদি দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 
- তবে দ্রবণের সঠিক pH মান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে pH মিটারের সাহায্য নেয়া হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩২৬.
কম্পাঙ্কের একক কোনটি?
  1. মিটার
  2. সেকেন্ড
  3. হার্জ
  4. ডায়াপ্টার
সঠিক উত্তর:
হার্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্জ
ব্যাখ্যা
পর্যায়কাল (Time period) :
তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোন কণার একটি স্পন্দন সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে তাকে ঐ তরঙ্গের পর্যায়কাল বলে। পর্যায়কালকে T অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। পর্যায়কালের একক সেকেন্ড (s) ।

কম্পাঙ্ক (Frequency) : তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা এক সেকেন্ডে যতগুলো স্পন্দন সম্পন্ন করে তাকে ঐ কণার বা তরঙ্গের কম্পাঙ্ক বলে। কম্পাঙ্ককে সাধারণত f দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- কম্পাঙ্কের একক হার্জ। সংক্ষেপে লেখা হয়, Hz।

বিস্তার (Amplitude) : তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণা সাম্য অবস্থান থেকে যে কোনো একদিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে তরঙ্গের বিস্তার বলে। 

দশা (Phase) : তরঙ্গ সঞ্চারণকারী কোনো কণার যে কোনো মুহূর্তের গতির সম্যক অবস্থানকে তার দশা বলে।

অন্যদিকে, লেন্সের ক্ষমতার একক ডায়াপ্টার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩২৭.
রিখটার স্কেল ব্যবহার করা হয় কী পরিমাপের জন্য?
  1. ক) সুনামি
  2. খ) ভূমিকম্প
  3. গ) টর্নেডো
  4. ঘ) সাইক্লোন
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা

- রিকটার স্কেল ও সিসমোগ্রাফ দুটাই ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয় রিকটার স্কেলে মাধ্যমে।
- অপরদিকে, সিসমােগ্রাফ ভূপৃষ্ঠের আন্দোলন পরিমাপনের এবং ভূমিকম্পের উৎস খুঁজে বের করার যন্ত্র। এর সাহায্যে অন্যান্য বিস্ফোরণ, প্রচণ্ড ঝড় ইত্যাদির খোঁজ পাওয়া যায়। এছাড়া মেরু অঞ্চলের বরফের গভীরতা, খনিজ তেল ভাণ্ডার ইত্যাদিও এর সাহায্যে বের করা সম্ভব।

তথ্যসূত্র : ব্রিটানিকা

১১,৩২৮.
আমাশয় রোগের জন্য দায়ী নিচের কোন ব্যাকটেরিয়া?
  1. ক) Entamoeba histolytica
  2. খ) Staphylococcus aureus
  3. গ) Staphylococcus epidermidis
  4. ঘ) Staphylococcus haemolyticus
সঠিক উত্তর:
ক) Entamoeba histolytica
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Entamoeba histolytica
ব্যাখ্যা

আমাশয় রোগের জন্য দায়ী Entamoeba histolytica নামক ব্যাকটেরিয়া। 

আমাশয় (Dysentery) অন্ত্রে সংক্রমনের কারণে প্রদাহজনিত পেট ব্যাথা ও শ্লেষ্মা বা রক্তসহ পাতলা পায়খানা সৃষ্টিকারী রোগ। আমাশয় প্রধানত দুপ্রকার, অ্যামিবিয় আমাশয় বা অ্যামিবিয়াসিস আর ব্যাসিলারি আমাশয় বা শিগেলোসিস।

অ্যামিবীয় আমাশয় (Amoebic dysentery, Amoebiasis) Entamoeba histolytica হল এককোষী পরজীবীঘটিত আমাশয়। এ এককোষী জীবাণু অন্ত্রের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি আক্রমণ করে এবং রোগ শুরু হলে শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির স্থানে স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং সেগুলি থেকে শ্লেষ্মা, পচা দেহকোষ, অ্যামিবা-কোষ নির্গত হয়। রোগ লক্ষণে থাকে পেটব্যথা, ঘন ঘন শ্লেষ্মা সহকারে ঘন ঘন মলত্যাগ (দিনে ৩০ বার বা ততোধিক হতে পারে), মলত্যাগে যন্ত্রনা, বমি ও সাধারণ দৌর্বল্য।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

১১,৩২৯.
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে উপরের স্তর কোনটি?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. এক্সোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
এক্সোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডল:
- যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে বায়ুমণ্ডল বল হয়। 

• বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
যথা-
- ট্রপোমণ্ডল,
- স্ট্রাটোমণ্ডল,
- মেসোমণ্ডল,
- তাপমণ্ডল ও
- এক্সোমণ্ডল।

এর মধ্যে ট্রপোমণ্ডল হলো বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর এবং এক্সোমণ্ডল হলো সবচেয়ে উপরের স্তর। 

• এক্সোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Exosphere:
-  এক্সোমণ্ডল, তাপমন্ডল অতিক্রম করে ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এটি ক্রমান্বয়ে আন্ত:গ্রহ স্থান (Interplanetary Space) এ প্রবেশ করে। 
-  এ স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
-  এ স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে, কেননা মাধ্যাকর্ষণের ঘাটতির কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলো সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১১,৩৩০.
কোন যন্ত্রে তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের জন্য আর্গন ব্যবহার করা হয়? 
  1. থার্মোমিটার 
  2. স্পেকট্রোফোটোমিটার 
  3. গাইগার মূলার কাউন্টার 
  4. পিএইচ মিটার 
সঠিক উত্তর:
গাইগার মূলার কাউন্টার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাইগার মূলার কাউন্টার 
ব্যাখ্যা

আর্গন: 
- বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্টকে জারণ থেকে রক্ষা করার জন্য গ্যাসভর্তি বাল্বে আর্গন ব্যবহার করা হয়। সাধারণ টিউব লাইটগুলিতে আর্গন এবং মারকারি বাষ্পের মিশ্রণ ব্যবহার করা হয়। 
- রসায়ন গবেষণাগারে যেখানে অতি নিষ্ক্রিয় আবহাওয়ার প্রয়োজন হয় সেখানে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 
- ঝালাই এর কাজে যেখানে নিষ্ক্রিয় আবহাওয়া প্রয়োজন হয় সেখানে অক্সিজেনের সাথে আর্গন ব্যবহার করা হয়। আজকাল অ্যালুমিনিয়াম এবং মরিচাবিহীন স্টীলের ঝালাই এর কাজে প্রচুর পরিমাণে আর্গন ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩৩১.
ভেক্টর রাশির কোন ধর্মটি সঠিক নয়? 
  1. ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে।
  2. ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না। 
  3. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায় না।
  4. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না।
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায় না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায় না।
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি: 
- কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়। 
- আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এ জন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি এবং 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

 ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশির ধর্ম: 
ভেক্টর রাশিগুলো কিছু মৌলিক নিয়ম বা ধর্ম অনুসরণ করে। 
যেমন- 
১. ভেক্টর রাশির মান ও দিক আছে। 
২. সমজাতীয় ভেক্টরসমূহকে যোগ করা যায় কিন্তু ভিন্ন প্রকৃতির ভেক্টর যোগ করা যায় না। 
৩. দুটি ভেক্টর রাশির ভেক্টর গুণফল একটি ভেক্টর রাশি। 
৪. দুটি ভেক্টর রাশির স্কেলার গুণফল একটি স্কেলার রাশি। 
৫. ভেক্টরের যোগ, বিয়োগ, গুণ সাধারণ গাণিতিক নিয়ম মেনে চলে না। 
৬. ভেক্টর রাশিকে উপাংশে বিভক্ত করা যায়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৩২.
মুক্তা হলো ঝিনুকের -
  1. খোলসের টুকরা
  2. চোখের মণি
  3. প্রদাহের ফল
  4. জমাট হরমোন
সঠিক উত্তর:
প্রদাহের ফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রদাহের ফল
ব্যাখ্যা
• মুক্তা হলো ঝিনুকের প্রদাহের ফল।

• মুক্তা:
- মুক্তা (Pearl) বা মতি এক ধরনের মূল্যবান রত্ন, যা শম্বুক জাতীয় প্রাণী ঝিনুকের অভ্যন্তরে তৈরি হয়।
- মাসেল শ্রেণির ঝিনুকের পেটে মুক্তা তৈরি হয়।
- মুক্তার রাসায়নিক উপাদান হলো কনকায়োলিন, ক্যালসাইট, এবং ক্যালসিয়াম কার্বোনেট।
- যখন ঝিনুক খোলস ফাঁক করে খাবার গ্রহণ করে, তখন যদি বালুকণা বা অন্য কোনো কঠিন বস্তু তার দেহে প্রবেশ করে এবং তা ঝিনুকের পক্ষে বের করা সম্ভব না হয়, তখন ঝিনুকের শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি হয়।
- ঝিনুকের দেহ থেকে ক্ষরিত সাদা ঘন আঠালো রস কণাটিকে বেষ্টন করে স্তরে স্তরে জমাট বাঁধে।
- এই জমাট বাঁধা পদার্থ ধীরে ধীরে মুক্তায় পরিণত হয়।
- ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO₃) হলো একটি রাসায়নিক যৌগ, যা মূলত কার্বন, অক্সিজেন এবং ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত।
- এটি মুক্তা, সামুদ্রিক প্রাণীর খোলস, শামুক এবং ডিমের খোসার প্রধান উপাদান, এবং শিলার মধ্যেও প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বোর্ড বই এবং রসায়ন বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১১,৩৩৩.
কোন পানির প্লবতা বেশি? 
  1. নদীর
  2. পুকুরের
  3. সমুদ্রের
  4. সুইমিং পুলের
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রের
ব্যাখ্যা
সাগরে সাঁতার কাটা সহজ: 
- কোন প্রবাহী অর্থাৎ তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত কোনো বস্তুর উপর তরল বা বায়বীয় পদার্থ লম্বভাবে যে ঊর্ধ্বমূখী বল প্রয়োগ করে তাকে প্লবতা বলে। 
- সমুদ্রের পানিতে নানা রকম লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। 
- যার কারণে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব সাধারণ পানির থেকে বেশি হয়। 
- ফলে সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি আর নদীর পানির প্লবতা কম
- যেহেতু সমুদ্রের পানির প্লবতা বেশি, সেহেতু সমুদ্রের পানিতে সাতারুর শরীর হালকা বোধ হয়। 
- ফলে সাঁতার কাটা অধিকতর সহজ হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
১১,৩৩৪.
পরিবেশ অনুসারে বাস্তুসংস্থান প্রধানত কয় প্রকারের হয়ে থাকে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে টিকে থাকার জন্য কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের জড় পরিবেশ ও জীব সম্প্রদায়ের মধ্যে সুপ্রতিষ্ঠিত এরূপ আন্তঃসম্পর্ককে বলা হয় বাস্তুসংস্থান। 
বাস্তুসংস্থানকে আবার বাস্তুতন্ত্র বা প্রকৃতি বলেও আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। তবে বাস্তুসংস্থানকে সচরাচর প্রকৃতি বলা হয় ৷
 পরিবেশ অনুসারে বাস্তুসংস্থান প্রধানত দু'ধরনের। যথা-
১. স্থলজ বাস্তুসংস্থান
২. জলজ বাস্তুসংস্থান 

উৎস: বিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৩৫.
মুখ্য জোয়ার পৃথিবীর কোন অংশে সংঘটিত হয়?
  1. পৃথিবীর যে পাশে সূর্য অবস্থান করে
  2. সূর্যের বিপরীত পার্শ্বে অবস্থিত পৃথিবীর অংশে
  3. পৃথিবীর যে পাশে চন্দ্র অবস্থান করে
  4. চন্দ্রের বিপরীত পার্শ্বে অবস্থিত পৃথিবীর অংশে
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর যে পাশে চন্দ্র অবস্থান করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর যে পাশে চন্দ্র অবস্থান করে
ব্যাখ্যা

• জোয়ার-ভাঁটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে  ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩৩৬.
নিচের কোনটি টমাস আলভা এডিসনের আবিস্কার নয়?
  1. ক) ফনোগ্রাফ
  2. খ) সিনেমাটোগ্রাফ
  3. গ) বৈদ্যুতিক বাতি
  4. ঘ) টেলিফোন
সঠিক উত্তর:
ঘ) টেলিফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টেলিফোন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যাঃ
১৮৭৭ ও ১৮৭৮ সালে টমাস আলভা এডিসন ফনোগ্রাফ(১৮৭৭), সিনেমাটোগ্রাফ এবং বৈদ্যুতিক বাতি(১৮৭৮) আবিস্কার করেন।
অন্যদিকে,
আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল ১৮৭৬ সালে টেলিফোন আবিস্কার করেন।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৩৩৭.
লিউকেমিয়া রোগের প্রধান লক্ষণ কোনটি?
  1. হিমোগ্লোবিনের গঠনগত ত্রুটি
  2. অনুচক্রিকার সংখ্যা কমে যাওয়া
  3. লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বৃদ্ধি
  4. শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা

- লিউকেমিয়া রোগের প্রধান লক্ষণ হলো শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক বৃদ্ধি, যা অপরিণত ও অকার্যকর শ্বেত রক্ত কণিকা হিসেবে অস্থি মজ্জা ও রক্তে জমা হয়ে স্বাভাবিক রক্তকণিকা উৎপাদন ব্যাহত করে। 

রক্ত ও এর অস্বাভাবিক অবস্থা: 

- রক্ত হলো প্রাণীদেহের একটি লাল বর্ণের, অস্বচ্ছ, লবণাক্ত এবং সামান্য ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষের রক্ত লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতির কারণে লাল রঙের হয়। 
- রক্তের বিভিন্ন উপাদানের ভারসাম্য বিঘ্নিত হলে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা তৈরি হয়। 

রক্তের বিভিন্ন অস্বাভাবিক অবস্থা: 
১। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা বা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে অ্যানিমিয়া হয়। 

২। লিউকেমিয়া: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে (৫০,০০০-১,০০০,০০০) একে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলা হয়। 

৩। পলিসাইথেমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পেলে একে পলিসাইথেমিয়া বলে। 

৪। পারপুরা: 
- অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে গেলে পারপুরা হয়। ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা দেখা দিতে পারে। 

৫। থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া হলো বংশগত রক্তের রোগ, যা সাধারণত শিশু অবস্থায় শনাক্ত হয়। এ রোগে হিমোগ্লোবিনের গঠনগত ত্রুটির কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। রোগীকে সাধারণত প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালন করতে হয়, তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমতে পারে। 

৬। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা ২০,০০০-৩০,০০০ হলে একে লিউকোসাইটোসিস বলা হয়। নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এটি হতে পারে। 

৭। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে গেলে একে থ্রম্বোসাইটোসিস বলা হয়। রক্তনালির অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বাঁধাকে থ্রম্বোসিস বলা হয়। হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৩৩৮.
কোনটি তরল ধাতু হিসেবে পরিচিত?
  1. সোডিয়াম
  2. অ্যালুমিনিয়াম
  3. পারদ
  4. ওসমিয়াম
সঠিক উত্তর:
পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারদ
ব্যাখ্যা
কয়েকটি ধাতু সম্পর্কে গুরত্বপূর্ণ তথ্য:

• পারদ একমাত্র ধাতু যা তরল অবস্থায় থাকে, এটি তাপ কুপরিবাহী, ধাতুর মধ্যে পারদের গলনাঙ্ক সবচেয়ে কম।
• সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম।
• সবচেয়ে সক্রিয় ধাতু- পটাসিয়াম (K)।
• সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ধাতু- লোহা।
• উড়োজাহাজ তৈরিতে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু ব্যবহার করা হয়।
• লিথিয়াম, সোডিয়াম এবং পটাসিয়াম ধাতু পানি আপেক্ষা হালকা।
• লোহা বায়ুর অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে মরিচা (Fe2O3.nH2O) গঠন করে।
• সোডিয়াম ধাতুকে কেরোসিনের নিচে রাখা হয়।
• সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু- প্লাটিনাম।
• পারমাণবিক চুল্লিতে তাপ পরিবাহক হিসেবে সোডিয়াম (Na) ধাতুকে ব্যবহার করা হয়।
• ভূ-পৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি থাকে অ্যালুমিনিয়াম (Al) ধাতু (ভূত্বকের প্রায় ৭%)।
• কাস্ট আয়রন/ ঢালাই লোহা: এটি সবচেয়ে অবিশুদ্ধ লোহা, এতে প্রায় ২-৪.৫% কার্বন থাকে।
• ইস্পাত বা স্টিল: এতে লোহার সাথে ০.১৫- ১.৫% কার্বন থাকে।
• অ্যান্টমনি ধাতুকে আঘাত করলে শব্দ হয় না।
• মুদ্রা ধাতু: তামা বা কপার, সিল্ভার, গোল্ড ইত্যাদি।
• কালো সোনা: জিরকন, ম্যাগনেটাইট, ইলমোনাইট, কোরান্ডাম, মোনানজাইট, রিটাইল প্রভৃতির সমন্বয়ে গঠিত মূল্যবান খলিজ কালো সোনা নামে পরিচিত।
• পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী ধাতু- ওসমিয়াম (প্লাটিনাম জাতীয়)।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি রসায়ন বই ও ব্রিটানিকা।
১১,৩৩৯.
পানিতে দ্রবীভুত ভিটামিন কোনটি?
  1. ক) রেটিনল
  2. খ) টোকোফেরল
  3. গ) ফাইলোকুইনন
  4. ঘ) ফলিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফলিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফলিক এসিড
ব্যাখ্যা
• পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন ফলিক এসিড

দ্রবণীয়তার ওপর ভিত্তি করে ভিটামিনকে প্রধানত দু'ভাগে ভাগ করা যায়:
১. পানিতে দ্রবীভুত ভিটামিন এবং
২. তৈল জাতীয় পদার্থে দ্রবীভুত ভিটামিন।



ফলিক এসিড:
- ফলিক এসিড (Folic acid) অন্যতম ভিটামিন বি কমপ্লেক্স।
- একই জৈবিক গুণসম্পন্ন কয়েক ধরনের ফলিক এসিড পাওয়া যায়।

ফলিক এসিডের উৎস:
- কলিজা, বৃক্ক, মাংস, মাছ, বাদাম, সবুজ শাক-সবজি, যকৃত ও বিচিতে প্রচুর পরিমাণে ফলিক এসিড পাওয়ার যায়।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৪০.
এসিডের ভুল উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ভিনেগার বা বেকিং সোডা এসিড জাতীয়
  2. খ) আমাদের ত্বক সাধারণত এসিডিক
  3. গ) টুথপেস্ট এসিড জাতীয়
  4. ঘ) সার তৈরিতে এসিড ব্যবহৃত হয়
সঠিক উত্তর:
গ) টুথপেস্ট এসিড জাতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টুথপেস্ট এসিড জাতীয়
ব্যাখ্যা
১. ভিনেগার বা বেকিং সোডা এসিড জাতীয়।
২. বাজারে মুখ ধােয়ার জন্য যেসব প্রসাধনী সামগ্রী পাওয়া যায়, তাতে লেখা থাকে pH-এর মান ৫.৫। এর কারণ আমাদের ত্বক সাধারণত এসিডিক হয় এবং এর pH ৪-৬ এর মধ্যে থাকে। তবে নবজন্ম নেওয়া শিশুদের ত্বকের pH-এর মান ৭ এর কাছাকাছি থাকে। তাই বড়দের জন্য যেসব প্রসাধনী ব্যবহৃত হয়, তা শিশুদের জন্য প্রযােজ্য নয়। এতে শিশুদের ত্বকের ক্ষতি হতে পারে।
৩. টুথপেস্ট বা টুথ পাউডার আমাদের নিত্যদিনের একটি অত্যন্ত প্রয়ােজনীয় বস্তু, যা ক্ষারীয়। খাওয়ার পরে সাধারণত আমাদের মুখে এসিডীয় অবস্থা তৈরি হয়। আর টুথপেস্ট বা পাউডার দিয়ে ব্রাশ করলে একদিকে যেমন দাঁত পরিষ্কার হয়, অন্যদিকে তেমনি পেস্ট বা পাউডারের ক্ষার সৃষ্ট এসিডকে নিষ্ক্রিয় করে। ফলে দাঁতের ক্ষয় রােধ হয়।
৪. ফসল উৎপাদনের জন্য সার হলাে অতি প্রয়ােজনীয় একটি জিনিস। সার হিসেবে আমরা যেগুলাে ব্যবহার করি তার অন্যতম হলাে অ্যামােনিয়াম নাইট্রেট, অ্যামােনিয়াম সালফেট ও অ্যামােনিয়াম ফসফেট। আর সার কারখানায় এগুলাে তৈরি করা হয় যথাক্রমে নাইট্রিক এসিড, সালফিউরিক এসিড এবং ফসফরিক এসিড দিয়ে।
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩৪১.
সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. মহীসোপান ও মহীঢালের অবস্থান
  2. সূর্যরশ্মি
  3. চন্দ্রকিরণ
  4. বায়ু প্রবাহ
সঠিক উত্তর:
বায়ু প্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ু প্রবাহ
ব্যাখ্যা
• সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ হলো বায়ু প্রবাহ। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বায়ুর চাপ ও তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু এক স্থান থেকে আরেক স্থানে প্রবাহিত হয়। এই বায়ু যখন সমুদ্রের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন তা জলপৃষ্ঠকে ঠেলে দিয়ে একটি নির্দিষ্ট দিকে স্রোত সৃষ্টি করে। বিশেষ করে, বাণিজ্যিক বায়ু ও পশ্চিমlies বায়ু সমুদ্রস্রোতের গঠনে মুখ্য ভূমিকা রাখে। যদিও সূর্যরশ্মি ও চন্দ্রের আকর্ষণ কিছুটা প্রভাব ফেলে, মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে বায়ু প্রবাহ।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) বায়ু প্রবাহ।


বায়ুপ্রবাহ (Wind Movement ):

- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ।
- প্রধান বায়ুপ্রবাহের গতি অনুসরণ করে সমুদ্রের প্রধান স্রোতগুলো প্রবাহিত হয়।
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্রস্রোত পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে এবং প্রত্যয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।
- মৌসুমী বায়ুপ্রবাহের গতিপথ অনুসরণ করে ভারত মহাসাগরের স্রোতসমূহ প্রবাহিত হয়।
- ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে মৌসুমী বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তিত হলে সমুদ্রস্রোতের গতি ও দিক পরিবর্তিত হয়।
- যেমন: উত্তর পূর্ব অয়ন বায়ু ও দক্ষিণ পূর্ব অয়ন বায়ুপ্রবাহের প্রভাবে নিরক্ষীয় অঞ্চলে যথাক্রমে উত্তর নিরক্ষীয় স্রোত এবং দক্ষিণ নিরীক্ষীয় স্রোতের উৎপত্তি হয়।
- অপরদিকে দক্ষিণ পশ্চিম প্রত্যয়ন বায়ুর প্রভাবে উত্তর আটলান্টিক ও প্রশান্তমহাসাগরে যথাক্রমে উপসাগরীয় স্রোত ও কুরোশিও স্রোত উত্তর-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৪২.
পাইপলাইনের কোথাও ছিদ্র হয়ে তীব্র বেগে গ্যাস বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনাটি কোন প্রক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. দহন
  2. বিকিরণ
  3. ব্যাপন
  4. নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
নিঃসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
নিঃসরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
যেমন- 
১। রিক্সার চাকা ছিদ্র হয়ে যাওয়ায় টিউব থেকে বাতাস বেরিয়ে পড়ার ঘটনাই হচ্ছে নিঃসরণ। 
২। পাকা রাস্তা দিয়ে দ্রুত গতিতে বাস বা ট্রাক চলছে, হঠাৎ করে চাকা ফেটে গিয়ে ভিতরের বায়ু বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনাই নিঃসরণ। 
৩। শহর এলাকায় যে পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ করা হয় শ্বে পাইপের কোথাও ছিদ্র হয়ে গেলে তীব্র বেগে গ্যাস বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনাই হচ্ছে নিঃসরণ। 

ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাসের বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বত:স্ফূর্ত অনু প্রবেশকে ব্যাপন বলা হয়। 
যেমন- 
১। কোনো কক্ষের মধ্যে অথবা এয়ারকন্ডিশনার যুক্ত বাসের মধ্যে চলার সময় বায়ুর গুমোট ভাব ও দুর্গন্ধ তাড়ানোর জন্য এয়ার ফ্রেসনার ছড়িয়ে দেয়া হয় তার গন্ধ ব্যাপন প্রক্রিয়াই চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
২। রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনা-হেনা বা গোলাপ ফুল ফুটলে তার গন্ধও ব্যাপন প্রক্রিয়াই চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
৩। ঘরের মসা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে যে অ্যারোসল ব্যবহার করা হয় তার গন্ধ ব্যাপন প্রক্রিয়াই চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৪৩.
রেশম পোকা পালনকে কী বলা হয়?
  1. এপিকালচার
  2. সেরিকালচার
  3. পিসিকালচার
  4. ভিটিকালচার
সঠিক উত্তর:
সেরিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেরিকালচার
ব্যাখ্যা

◉ রেশম পোকা পালন ও রেশম সুতো উৎপাদনের প্রক্রিয়াকে সেরিকালচার (Sericulture বলে। 

​সেরিকালচার:
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রেশম পোকার চাষ পদ্ধতিকে বলে সেরিকালচার।
- রেশম পকার ইংরেজি নাম Silk Worm.
- বৈজ্ঞানিক নাম: Bombyx Mori.
- তুঁতজাত রেশম মথের প্রতিপালন এবং এর গুটি থেকে অপরিশোধিত রেশম নিষ্কাশন ও পরিশোধন করে ব্যবহারোপযোগী পণ্যে পরিণত করার সার্বিক পদ্ধতিই সেরিকালচার নামে পরিচিত।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​এপিকালচার (Apiculture): মৌমাছি পালনকে বোঝায়, মূলত মধু সংগ্রহের জন্য।
পিসিকালচার (Pisciculture): মাছ চাষ বা পালনকে বোঝায়।
ভিটিকালচার (Viticulture): মদ তৈরীর জন্য আঙ্গুর চাষ করার প্রক্রিয়া।

​উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,৩৪৪.
বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক হিসেবে কাকে অভিহিত করা হয়? 
  1. জর্জ গ্যামো 
  2. স্টিফেন হকিং 
  3. এডউইন হাবল 
  4. জর্জ লেমাইটার 
সঠিক উত্তর:
জর্জ লেমাইটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ লেমাইটার 
ব্যাখ্যা

বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব (Big Bang Theory): 
- ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ জর্জ লেমাইটার (George Lemaitre) প্রসারণশীল বিশ্ব সংক্রান্ত তত্ত্ব প্রদান করেন যা হাবলের সূত্রের সাথে মিলে যায়। 
- ১৯৩১ সালে তিনি আরো প্রস্তাব করেন যে, প্রসারণশীল বিশ্বকে যদি সময়ের সাথে পিছিয়ে নেয়া হয়, তাহলে একটা বিন্দুতে উপনীত হতে পারা যায়, যেখানে মহাবিশ্বের সমস্ত ভর পুঞ্জীভূত ছিল, যাকে আদিম পরমাণু বলা যেতে পারে এবং এখান থেকেই স্থান-কালের উদ্ভব। 
- তাই জর্জ লেমাইটারকে বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক বলা হয়ে থাকে
- জর্জ গ্যামো মহাবিশ্বের প্রসারণ সম্পর্কে ধারণা করেছিলেন যে, যেহেতু গ্যালাক্সিসমূহ পরষ্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে তাই সুদূর অতীতে নিশ্চয়ই তারা পরষ্পরের খুব কাছাকাছি ছিল। 
অর্থাৎ, কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এই তত্ত্বের নাম মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বা বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব। 

- বিগ ব্যাংগ বা মহাবিস্ফোরণ পরিচিতি বিস্ফোরণ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক একটি ঘটনা। সাধারণ বিস্ফোরণ একটি নির্দিষ্ট স্থান বা কেন্দ্র থেকে শুর করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু বিগ ব্যাংগের বিস্ফোরণ একই সময় সকল স্থানে অর্থাৎ সর্বত্র ঘটেছিল। 
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাংগ বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরু বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়। অর্থাৎ, বিগ ব্যাংগের পূর্বে কিছুই ছিল না। 
- বিগ ব্যাগ-এর পর 10-43 s পর্যন্ত কী ঘটেছিল তা কেউ জানতে পারেনি, কিছুটা ধারণা পেয়েছে মাত্র। 
- মহাবিশ্ব শুরু হয়েছিল একটি অপরিমেয় ক্ষুদ্র, অসীম তাপ ও অসীম ঘনত্ববিশিষ্ট শক্তির উৎস থেকে। একে বলা হয় অনন্যতা বা অদ্বৈত বিন্দু (Singularity)। এতে সব মৌলিক বলগুলো একত্রে একীভূত বল হিসেবে ছিল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩৪৫.
নিচের কোনটি প্রাণিজ শর্করা? 
  1. সেলুলোজ
  2. সুক্রোজ
  3. শ্বেতসার
  4. গ্লাইকোজেন
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোজেন
ব্যাখ্যা
শর্করা: 
- শর্করা হচ্ছে মানুষের প্রধান খাদ্য। 
- কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন নিয়ে শর্করা তৈরি হয়। 
- শর্করা বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং অল্প মিষ্টি স্বাদযুক্ত। 
- শর্করা আমাদের শরীরে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদন করে। 
- কয়েক ধরনের শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট রয়েছে এবং এদের উৎসও ভিন্ন। 
যেমন: 
উদ্ভিজ্জ উৎস: 
১। শ্বেতসার বা স্টার্চ: ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা স্টার্চের প্রধান উৎস। এছাড়া আলু, রাঙা আলু এবং কচুতেও শ্বেতসার বা স্টার্চ পাওয়া যায়। 
২। সেলুলোজ: বেল, আম, কলা, তরমুজ, বাদাম, শুকনো ফল এবং সব ধরনের শাক-সবজিতে সেলুলোজ থাকে। 
৩। সুক্রোজ: আখের রস, চিনি, গুড় এবং মিছরি এর উৎস। 
৪। ফ্রোক্টোজ: আম, পেঁপে, কলা, কমলালেবু প্রভৃতি মিষ্টি ফলে এবং ফুলের মধুতে ফ্রোক্টোজ থাকে। একে ফল শর্করাও বলা হয়ে থাকে। 
৫। গ্লুকোজ: এটি চিনির তুলনায় মিষ্টি কম। এই শর্করাটি আঙুর, আপেল, গাজর,খেজুর ইত্যাদিতে পাওয়া যায়। 

প্রাণিজ উৎস: 
১। ল্যাকটোজ বা দুধ শর্করা: গরু, ছাগল এবং অন্যান্য প্রাণীর দুধে এই শর্করা থাকে। 
২। গ্লাইকোজেন: পশু ও পাখিজাতীয় (যেমন: মুরগি, কবুতর প্রভৃতি ইত্যাদি) প্রাণীর যকৃৎ এবং মাংসে (পেশি) গ্লাইকোজেন শর্করাটি থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩৪৬.
কোনটি কার্বনের কঠিন ক্রিস্টালাইন রূপ?
  1. অরূপ কার্বন
  2. কার্বন ন্যানোটিউব
  3. ডায়ামন্ড
  4. কাচ 
সঠিক উত্তর:
ডায়ামন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়ামন্ড
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) ডায়ামন্ড

Carbon-এর বৈশিষ্ট্য
- পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠে ১৯তম সর্বাধিক প্রচুর মৌল।
- মহাবিশ্বে হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, অক্সিজেন, নিয়ন ও নাইট্রোজেনের পরেই কার্বন প্রচুর।
- মহাকাশে হিলিয়াম নিউক্লিয়াসের ফিউশন থেকে কার্বন তৈরি হয়।

কার্বনের রূপ
- Crystalline forms: Diamond, Graphite.
- Fullerenes: Buckyballs, Nanotubes.
- Q-carbon: নতুন ক্রিস্টালাইন ও চৌম্বকীয় রূপ। 
- Amorphous carbon: কোনো নির্দিষ্ট স্ফটিক গঠন নেই। 
- অন্যান্য: Carbon black, Charcoal, Coke.

ব্যবহার
- Coal ও Coke: জ্বালানি কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- Charcoal: শোষণকারী পদার্থ, ফিল্টার, জ্বালানি, গানপাউডারে হিসেবে ব্যবহৃত হয়।  
- Carbon black: কালি, রং, রাবার (টায়ার) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।  
- Bone black (Animal charcoal): গ্যাস ও রং শোষণ এর কাজে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১১,৩৪৭.
নিষেকক্রিয়ার মাধ্যমে সংঘটিত প্রজনন কোনটি?
  1. অ্যাগামোস্পার্মি
  2. পার্থেনোজেনেসিস
  3. অযৌন জনন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
অপুংজনি (Parthenogenesis)- নিষেক ছাড়া একটি গ্যামিট হতে ভ্রূণ সৃষ্টি তথা নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি প্রক্রিয়াকে অপুংজনি বা পার্থেনোজেনেসিস বলে। পার্থেনোজেনেসিস দু’ধরনের হতে পারে। যথা- হ্যাপ্লয়েড এবং ডিপ্লয়েড ।

অ্যাগামোস্পার্মি : নিষেক ছাড়া কার্যক্ষম বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়াকে অ্যাগামোস্পার্মি বলে। ইহা এক ধরনের অযৌন জনন প্রক্রিয়া।

অযৌন জনন : দুটি গ্যামিটের মিলন ছাড়া অন্য উপায়েও জনন হতে পারে। পুংগ্যামিট ও স্ত্রী গ্যামিটের মিলন ছাড়া উদ্ভিদে যে প্রজনন ঘটে তাকে অযৌন জনন বলে।

সূত্রঃ উদ্ভি্দবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৪৮.
দুইটি আধানের মধ্যবর্তী আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান কোনটির ওপর নির্ভর করে না?
  1. আধান দুইটির পরিমাণের ওপর
  2. আধান দুইটির ভরের ওপর
  3. আধান দুইটির মধ্যবর্তী দূরত্বের ওপর
  4. আধান দুইটি যে মাধ্যমে অবস্থিত তার প্রকৃতির ওপর
সঠিক উত্তর:
আধান দুইটির ভরের ওপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধান দুইটির ভরের ওপর
ব্যাখ্যা
• তড়িৎ বল:
- একটি আহিত স্থির বস্তুর নিকট অন্য একটি আহিত বস্তু আনলে বস্তু দু'টির মধ্যে একটি বল কাজ করবে।
- আহিত বস্তু দু'টি যদি সমধর্মী আধান অর্থাৎ দু'টি বস্তুই ধনাত্মক বা দু'টি বস্তুই ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় তবে পরস্পরের মধ্যে বিকর্ষণ বল কাজ করবে। আবার আহিত বস্তু দু'টি বিপরীতধর্মী অর্থাৎ, একটি বস্তু ধনাত্মক আধানে এবং অপর বস্তু ঋণাত্মক আধানে আহিত হয় তবে পরস্পরের মধ্যে আকর্ষণ বল কাজ করবে, আর এ বিকর্ষণ বা আকর্ষণ বলকে তড়িৎ বল বলে।
- দু'টি আধানের মধ্যবর্তী এ আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান নির্ভর করে-
১. আধান দু'টির পরিমাণের ওপর,
২. আধান দু'টির মধ্যবর্তী দূরত্বের ওপর এবং
৩. আধান দু'টি যে মাধ্যমে অবস্থিত তার প্রকৃতির ওপর।
- দুইটি আধানের মধ্যবর্তী আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান নির্ভর করে না আধান দুইটির ভরের ওপর।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৪৯.
রাফেজের গঠন উপাদান কী?
  1. প্রোটিন
  2. গ্লুকোজ
  3. সেলুলোজ
  4. অ্যামাইনো অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
সেলুলোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলুলোজ
ব্যাখ্যা
রাফেজ বা আঁশ: 
- রাফেজ বা আঁশযুক্ত খাবার হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
- রাফেজ প্রধানত উদ্ভিদ থেকে পাওয়া যায়। 
- শস্যবীজ, ডাল, আলু, খোসাসমেত টাটকা ফল এবং শাকসবজি রাফেজের প্রধান উৎস। এগুলো ছাড়াও শুকনা ফল, জিরা, ধনে, মটরশুঁটি প্রভৃতিতে বেশ ভালো পরিমাণ রাফেজ পাওয়া যায়। এই খাবারগুলোর দীর্ঘ তন্তুময় অংশকে রাফেজ বলে। 
- রাফেজ মূলত সেলুলোজ দিয়ে তৈরি উদ্ভিদের কোষপ্রাচীর। 
- রাফেজ দেহে কোনো পুষ্টি জোগায় না সত্যি কিন্তু কোষ্ঠকাঠিন্য, হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। তবে ঠিক কীভাবে এ রোগগুলো প্রতিরোধ করে তা এখন পর্যন্ত সুস্পষ্টভাবে জানা যায়নি। 
- রাফেজ সরাসরি খাদ্যনালির মধ্য দিয়ে পরিবাহিত হতে পারে, এটি হজম হয় না। 

রাফেজভুক্ত খাবারের গুরুত্ব: 
১. এটি পরিপাকে সহায়তা করে। রাফেজ পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে। 
২. শরীর থেকে অপাচ্য খাদ্য নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 
৩. এটি শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করে। 
৪. বারবার ক্ষুধার প্রবণতা কমাতে এটি কাজ করে। 
৫. রাফেজযুক্ত খাদ্য গ্রহণে পিত্তথলির রোগ, খাদ্যনালি ও মলাশয়ের ক্যান্সার, অর্শ, হৃদরোগ ও স্থূলতার ঝুঁকি অনেকাংশে হ্রাস করে। 
- এ কারণে প্রতিদিন ২০-৩০ গ্রাম আঁশযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত, শাকসবজি ও ফল থেকে এ পরিমাণ আঁশ পাওয়া সম্ভব। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩৫০.
পিনটাইপ ইনসুলেটর সাধারণত ____ ভোল্টেজের উপরে ব্যবহৃত হয়-
  1. 1 KV
  2. 11 KV
  3. 22 KV
  4. 33 KV
সঠিক উত্তর:
33 KV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
33 KV
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের ইনসুলেটর 
- Pin Insulators
- Suspension Insulators
- Post Insulators 
- Strain Insulators
- Shackle Insulators

পিনটাইপ ইনসুলেটর সাধারণত 33 KV ভোল্টেজের উপরে ব্যবহৃত হয়। 
১১,৩৫১.
হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান কে?
  1. স্টিফেন হকিং
  2. আইনস্টাইন
  3. ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট
  4. জি. লেমেটার
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট
ব্যাখ্যা
• হিগের কণা:
- ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে এমন একটি কণার ধারনা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং এর ফলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে। এই কণাটিকে হিগের কণা বলা হয়।
- হিগস কণা একটি বোসন কণা।
- হিগস বোসন কণাটি ঈশ্বর কণা (God particle) নামে পরিচিত।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওর লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা নামে চিহ্নিত করেন।
- ৪ই জুলাই ২০১২ সালে এই বোসন কণাটি আবিষ্কৃত হয়।
- হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান 'পিটার ডব্লিউ হিগস ও ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট'।
- হিগের কণা সৃষ্টিতে অবদান রাখেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর 'কণা পরিসংখ্যান তত্ত্ব'।
- বিজ্ঞানী হিগের সাথে সতেন্দ্রনাথকে জড়িয়ে হিগের কণার নাম দেন- হিগস বোসন কণা।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. দার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩. CERN ওয়েবসাইট।
১১,৩৫২.
শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য উৎস ও প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব কত মিটার? 
  1. ১৭.৬ মিটার
  2. ১৬.৬ মিটার
  3. ১৭.৮ মিটার
  4. ১৭.৯ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬.৬ মিটার
ব্যাখ্যা
শব্দ: 
- কোন শব্দ শোনার পর প্রায় 0.1 সেকেন্ড পর্যন্ত এর রেশ আমাদের মস্তিষ্কে থাকে। 
- এই সময়কে শব্দানুভূতির স্থায়িত্বকাল বলে। 
- এই সময়ের মধ্যে প্রতিধ্বনি হলে তা শোনা যাবে না। 
- অতএব প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি হতে হবে। 
সুতরাং প্রতিফলক এবং শব্দের উৎসের মধ্যে দূরত্ব এমন হতে হবে যেন শব্দ তরঙ্গ উৎসের কাছে ফিরে আসতে 0.1 সেকেন্ড বা তার বেশি সময় লাগে। 

- বাতাসে শব্দের দ্রুতি তাপমাত্রার সাথে পরিবর্তিত হয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
- 0°C বা 273 K উষ্ণতায় প্রতিফলিত শব্দ শোনার জন্য শব্দ উৎস এবং প্রতিফলকের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m হতে হবে। 
- তাপমাত্রা বেশি হলে প্রতি ডিগ্রির জন্য দূরত্ব 0.3m বেশি হতে হবে। 
- তাই প্রতিধ্বনি শোনার শর্তটি হলো শ্রোতা বা উৎস এবং প্রতিফলক তলের মধ্যে ন্যূনতম দূরত্ব 16.6 m (0°C বা 273 K তাপমাত্রায়) বজায় রাখতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৫৩.
শব্দের বেগের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. আদ্রতা বৃদ্ধি পেলে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়।
  2. শীতকালের চেয়ে বর্ষাকালে শব্দের বেগ বেশি হয়।
  3. শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩৩২ মিটার।
  4. পানিতে শব্দের বেগ বায়ু অপেক্ষা ৪.৫ গুন বেশি।
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩৩২ মিটার।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩৩২ মিটার।
ব্যাখ্যা
• শব্দের বেগ:
- মাধ্যম ছাড়া শব্দ চলতে পারে না। তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ ০।

- কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি যা ৫২২১ মি./সে,
- বায়বীয় মাধ্যমে সবচেয়ে কম যা ৩৩২ মি./সে।
- তরল মাধ্যমে শব্দের বেগ ১৪৫০ মি./সে।
- বাতাসের তুলনায় পানিতে শব্দের বেগ প্রায় চারগুন।
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। এই কারণে বর্ষাকালে জোরে শব্দ শোনা যায়।
- তাপমাত্রা বাড়লে মাধ্যমের ঘনত্ব কমে, ফলে শব্দের বেগ বাড়ে।
- শীতকালের চেয়ে বর্ষাকালে শব্দের বেগ বেশি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি  ও ব্রিটানিকা।
১১,৩৫৪.
তেজস্ক্রিয়তা কীভাবে প্রভাবিত হয়?
  1. চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা
  2. চাপ দ্বারা
  3. তড়িৎক্ষেত্র দ্বারা
  4. কোনোভাবে প্রভাবিত হয় না
সঠিক উত্তর:
কোনোভাবে প্রভাবিত হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোভাবে প্রভাবিত হয় না
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফুর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। 
- ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। 
- স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় “বেকেরেল রশ্মি”। 
- এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নামে পরিচিত পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে। 

- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও অবিরাম ঘটনা। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা, বিটা কণিকা ও গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
- তাপ, চাপ, তড়িৎক্ষেত্র, চৌম্বকক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না। 
- তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। 
- পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়। 
- তেজস্ক্রিয়তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৫৫.
'যকৃত কৃমি' একটি _____________ প্রতিসাম্য প্রাণীর উদাহরণ? 
  1. অরীয় 
  2. গোলীয় 
  3. দ্বি-অরীয়
  4. দ্বি-পার্শ্বীয় 
সঠিক উত্তর:
দ্বি-পার্শ্বীয় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বি-পার্শ্বীয় 
ব্যাখ্যা

প্রতিসাম্য: 
- যে সকল প্রাণীর দেহকে কোনো না কোনো অক্ষ বা তল বরাবর সমান অংশে ভাগ করা যায় তাদেরকে প্রতিসাম্য প্রাণী বলে। 
- প্রতিসাম্যতার উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
ক. গোলীয় প্রতিসাম্য: 
- যখন কোনো প্রাণী দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে প্রাণিটিকে এর কেন্দ্র বিন্দু দিয়ে অতিক্রান্ত যেকোনো তলেই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন তাকে গোলীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- ভলভক্স (Volvox aureus)। 
 
খ. অরীয় প্রতিসাম্য: 
- যখন কোন প্রাণীর দেহকে অণুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর দুয়ের অধিক তলে সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন সে ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- সমুদ্র তারা (Astropecten auranciacus)। 
 
গ. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য: 
- কোনো প্রাণিদেহে যখন কোনো অঙ্গের সংখ্যা একটি বা এক জোড়া হওয়ায় অনুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর শুধু দুটি তল পরস্পরের সমকোণে অতিক্রম করতে পারে, ফলে ঐ প্রাণিদেহে চারটি সদৃশ অংশে বিভক্ত হতে পারে। এ ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa)। 
 
ঘ. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য: 
- জীবদেহকে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর উলম্বভাবে দ্বিবিভক্ত করার ফলে যদি দুটি সমান ও সাদৃশ্যপূর্ণ অংশে বিভক্ত হয় তবে এ প্রতিসাম্যকে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- যকৃত কৃমি (Fasciola hepatica)। 
 
ঙ. অপ্রতিসাম্য: 
- যখন জীবদেহকে উলম্বভাবে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর ছেদ করলে তা দুটি অসমান ও সাদৃশ্যবিহীন অংশে বিভক্ত হয় তখন তাকে অপ্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)।
 
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩৫৬.
নিচের কোনটি ফাইটোহরমোনের উদাহরণ?
  1. লিগনিন
  2. অক্সিন
  3. ক্লোরোফিল
  4. কার্বোহাইড্রেট
সঠিক উত্তর:
অক্সিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিন
ব্যাখ্যা

ফাইটোহরমোন: 
- যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ উদ্ভিদদেহে উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন বা প্রাণরস বলে। 
- উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন (Phytohormones) বলা হয়, কেউ কেউ ফাইটোহরমোনকে উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারক বস্তু (Plant growth substances) হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। 
- অধিকাংশ বিজ্ঞানীদের মতে, যে রাসায়নিক বস্তুটি কোষে উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষ বা কোষপুঞ্জের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে, সেটাই হচ্ছে হরমোন (Hormone)। 
- উদ্ভিদের প্রতিটি কোষই হরমোন উৎপন্ন করতে পারে। 
- এরা কোনো পুষ্টিদ্রব্য নয় তবে ক্ষুদ্রমাত্রায় উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
যেমন: অক্সিন (Auxin), জিবেরেলিন (Gibberellin), সাইটোকাইনিন (Cytokinin), অ্যাবসিসিক এসিড (Abscisic acid), ইথিলিন (Ethylene) ইত্যাদি। 

- এসব হরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে, যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায়নি, এদের পসটুলেটেড হরমোন (Postulated hormones) বলে। এরা প্রধানত উদ্ভিদের ফুল ও জনন সংশ্লিষ্ট অঙ্গের বিকাশে সাহায্য করে, যেমন- ফ্লোরিজেন (Florigen) এবং ভার্নালিন (Vernalin) প্রধান। 
- ধারণা করা হয়, ফ্লোরিজেন পাতায় উৎপন্ন হয় এবং তা পত্রমূলে স্থানান্তরিত হয়ে পত্রমুকুলকে পুষ্পমুকুলে রূপান্তরিত করে। তাই দেখা যায়, ফ্লোরিজেন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৩৫৭.
চন্দ্রে অবতরণকারী প্রথম চন্দ্রযানের নাম-
  1. ক) ভয়েজার-১
  2. খ) অ্যাপোলো-১১
  3. গ) ভয়েজার-২
  4. ঘ) চ্যালেঞ্জার
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাপোলো-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাপোলো-১১
ব্যাখ্যা
মানুষ প্রথম চাঁদে পা রাখে ২০ জুলাই, ১৯৬৯ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র চন্দ্রবিজয়ী বিশ্বের প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র দেশ।
- এপোলো-১১ নামক চন্দ্রযানে করে নীল আর্মস্ট্রং ও এডউইন অলড্রিন চাঁদে অবতরণ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা.কম
১১,৩৫৮.
তড়িৎ প্রবাহের প্রচলিত দিক কোনটি?
  1. ক) ইলেকট্রন প্রবাহের দিক
  2. খ) ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিক
  3. গ) প্রোটন প্রবাহের দিক
  4. ঘ) প্রোটন প্রবাহের বিপরীত দিক 
সঠিক উত্তর:
খ) ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইলেকট্রন প্রবাহের বিপরীত দিক
ব্যাখ্যা
তড়িৎপ্রবাহের আধান বাহকের ধরন নিরপেক্ষ সংজ্ঞা দিতে ধনাত্মক আধানের প্রবাহের দিককে তড়িৎপ্রবাহের প্রচলিত দিক নির্ধারণ করা হয়েছে।
সুতরাং,যেসব ধাতুতে আধান বাহক (ইলেকট্রন) ঋণাত্মক হয়, তাতে ইলেকট্রন চলাচলের দিকের বিপরীত দিকটি হয় তড়িৎপ্রবাহের প্রচলিত দিক।

SOURCE: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,৩৫৯.
বেলে বুনটের মাটিতে এমপি সার কত কিস্তিতে দিতে হয়?
  1. ২ কিস্তি
  2. ৩ কিস্তি
  3. ৪ কিস্তি
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২ কিস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ কিস্তি
ব্যাখ্যা
জমি চাষ:
- জাত ও মৌসুম ছাড়া সার প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরও কিছু কিছু নীতিমালা মেনে চলতে হয়। যেমন:
১। পাহাড়ের পাদভূমির মাটি ও লাল বেলে মাটিতে এমপি সার দেড়গুণ দিতে হয়।
২। গঙ্গাবাহিত পলিমাটি ও সেচ প্রকল্প এলাকার মাটিতে দস্তা সার বেশি পরিমাণে দিতে হয়।
৩। হাওড় এলাকার মাটিতে সার কম পরিমাণে দিতে হয়।
৪। স্থানীয় জাতের ধানে সারের পরিমাণ অর্ধেক দিলেই চলে।
৫। পূর্ববর্তী ফসলে প্রতিটি সার সঠিক পরিমাণে প্রয়োগ হয়ে থাকলে উপস্থিত ফসলে প্রতিটি সারের অর্ধেক পরিমাণ ব্যবহার করলেই চলে।
৬। পূর্ববর্তী ফসলে দস্তা সার ব্যবহার হয়ে থাকলে পরবর্তী ২টি ফসলে আর এ সার ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না।
৭। বেলে মাটিতে এম পি সার ২ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হয়।
৮। কোন জমিতে সবুজ সার ফসলের চাষ হলে পরবর্তী ফসলে ইউরিয়া সার ৪০-৫০% কমিয়ে ব্যবহার করলেও চলে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৬০.
বায়ুমণ্ডলে শতকরা কতভাগ আর্গন বিদ্যমান?
  1. ৭৮.০
  2. ০.৮
  3. ০.৪১
  4. ০.৩
সঠিক উত্তর:
০.৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৮
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডল: 
- পৃথিবী পৃষ্ঠের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য বায়বীয় আবরণ রয়েছে তাই হলো বায়ুমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Atmosphere। বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর অপরিহার্য অংশ। 
- বায়ুমণ্ডল মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তন করে। তবে বায়ু কঠিন ভূমির সাথে সমানভাবে চলতে না পারায় সামান্য পশ্চাতে পড়ে থাকে। 
- বিজ্ঞানীগণের ধারণা, বায়ুমণ্ডলের বয়স প্রায় ৩৫০ কোটি বছর। 
- বায়ুমণ্ডল ভূ-অভ্যন্তরের নির্গত গ্যাস থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে মাত্র ৩০ কিলোমিটারের মধ্যে বায়ুমণ্ডলের ৯০ শতাংশ অবস্থান করছে। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডল বিস্তৃত। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ ও জলীয় বাষ্পের সংমিশ্রণে গঠিত। 
- বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুটি উপাদান হলো নাইট্রোজেন (৭৮.০২%) এবং অক্সিজেন (২০.৭১%), যা মোট উপাদানগুলোর প্রায় ৯৯%। অবশিষ্ট ১% অন্যান্য উপাদান। 
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলের উপাদানগুলো প্রায় একই রকম থাকে যা সমমণ্ডল (Homosphere) নামে পরিচিত। 
- আর ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন এই ৯০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বে বায়ুমণ্ডলের যে অংশ রয়েছে সেখানে বিভিন্ন গ্যাসের অনুপাত সমান থাকে না বলে তাকে বিষমমণ্ডল (Heterosphere) বলে। 

বায়ুমণ্ডলের উপাদান ও এর শতকরা সংযুক্তি: 
১. নাইট্রোজেন ⇒ ৭৮.০২%, 
২. অক্সিজেন ⇒ ২০.৭১%, 
৩. আর্গন ⇒ o.৮০%, 
৪. কার্বন ডাই-অক্সাইড ⇒ ০.০৩%, 
৫. ওজোন ⇒ ০.০০০১%, 
৬. অন্যান্য গ্যাস ⇒ ০.০১৯৯%, 
৭. জলীয়বাষ্প ⇒ ০.৪১% এবং 
৮. ধূলিকণা ও কনিক্স ⇒ ০.০১%। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৬১.
গর্ভাবস্থায় নিচের কোনটি স্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি?
  1. ক) ৫০ পাউণ্ড
  2. খ) ২৮ পাউণ্ড
  3. গ) ৪০ পাউণ্ড
  4. ঘ) ১৫ পাউণ্ড
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮ পাউণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮ পাউণ্ড
ব্যাখ্যা

স্বাভাবিক উচ্চতা ও ওজনের একজন গর্ভবতী মহিলার জন্য আদর্শ ওজন বৃদ্ধি হলো গড়ে ২৮ পাউণ্ড।
কিন্তু ওজন বৃদ্ধি 25 থেকে 40 পাউন্ড পর্যন্ত হতে পারে।

সোর্স: https://www.urmc.rochester.edu/

১১,৩৬২.
ট্রান্সফরমার কোন নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. তাড়িতচৌম্বক আবেশ
  2. নিউটনের গতি সূত্র
  3. বৈদ্যুতিক বিভব
  4. হিট ট্রান্সফার নীতি
সঠিক উত্তর:
তাড়িতচৌম্বক আবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাড়িতচৌম্বক আবেশ
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার: 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- এই ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- এখানে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। 
- কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। 
- ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়।
যথা- 
১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও 
২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩৬৩.
মেরুরজ্জু থেকে কয় জোড়া মেরুরজ্জীয় স্নায়ু (Spinal nerves) বের হয়?
  1. ১১ জোড়া
  2. ২৩ জোড়া
  3. ৩১ জোড়া
  4. ৪৬ জোড়া
সঠিক উত্তর:
৩১ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জোড়া
ব্যাখ্যা

• মেরুরজ্জু (Spinal cord):
- মেরুরজ্জু স্নায়ুতন্ত্রের অংশ। 
- মেরুরজ্জু করোটির পেছনে অবস্থিত ফোরামেন ম্যাগনাম (Foramen magnum) নামক ছিদ্র থেকে কটিদেশের কশেরুকা পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মেরুরজ্জু বা সুষুম্না কাণ্ড মেরুদণ্ডের কশেরুকার ভেতরের ছিদ্রপথে সুরক্ষিত থাকে।
- মেরুরজ্জুতে শ্বেত পদার্থ এবং ধূসর পদার্থ থাকে। তবে এদের অবস্থান মস্তিষ্কের ঠিক উল্টো। অর্থাৎ শ্বেত পদার্থ থাকে বাইরে আর ভিতরে থাকে ধূসর পদার্থ।
- দুই কশেরুকার মধ্যবর্তী ছিদ্র দিয়ে মেরুরজ্জু থেকে ৩১ জোড়া মেরুরজ্জীয় স্নায়ু (Spinal nerves) বের হয়। এসব ঘাড়, গলা, বুক, পিঠ, হাত ও পায়ের স্নায়ু। এসব স্নায়ু মিশ্র প্রকৃতির।
- মেরুরজ্জীয় স্নায়ুগুলো শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে সংকেত আদান-প্রদান করে।
- এই স্নায়ুগুলো ৮ জোড়া সারভিকাল, ১২ জোড়া থোরাসিক , ৫ জোড়া লাম্বার , ৫ জোড়া স্যাক্রাল এবং ১ জোড়া কক্সিজিয়াল স্নায়ু নিয়ে গঠিত। 

উৎস: জীব বিজ্ঞান (নবম ও দশম শ্রেণি)।

১১,৩৬৪.
ক্লোরোপ্লাস্টে কোন ধরনের রঞ্জক থাকে?
  1. জ্যান্থফিল
  2. ফাইকোএরিথ্রিন
  3. ফাইকোসায়ানিন
  4. ক্যারোটিনয়েড
সঠিক উত্তর:
ক্যারোটিনয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যারোটিনয়েড
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড: 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
- প্লাস্টিড তিন ধরনের। 
যথা- 
১। ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। 
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে অবস্থিত উৎসেচক সমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভেতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে। 
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 

২। ক্রোমোপ্লাস্ট: 
- ক্রোমোপ্লাস্টগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটিকে হলুদ, কোনটিকে নীল আবার কোনটিকে লাল দেখায়। 
- এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে এদের পাওয়া যায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। 
- এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে। 

৩। লিউকোপ্লাস্ট: 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি), সেখানে এদের পাওয়া যায়। এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 
- আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩৬৫.
প্রমাণ চাপে বরফ কোন তাপমাত্রায় গলে যায়?
  1. ক) ০° সেলসিয়াস
  2. খ) ৪° সেলসিয়াস
  3. গ) ২৫° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ১০০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
ক) ০° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
পানি: 
- পানি একটি তরল পদার্থ। 
- সাধারণ তাপমাত্রায় পানি তরল হলেও অত্যন্ত শীতল অবস্থায় কঠিন বরফে পরিণত হয়। আবার উচ্চ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় বাষ্পে পরিণত হয়। 
- জীবজগতের সকল উদ্ভিদ ও প্রাণির দেহ গঠনের জন্য পানি একটি অপরিহার্য উপাদান। 

পানির ধর্ম: 
- বিশুদ্ধ পানি স্বচ্ছ, স্বাদহীন, গন্ধহীন ও বর্ণহীন হয়ে থাকে। 
- পানির কিছু সাধারণ ধর্ম নিম্নে উল্লেখ করা হলো - 

পানির রাসায়নিক গঠন: 
- পানি দুই পরমাণু হাইড্রোজেন ও এক পরমাণু অক্সিজেন দিয়ে গঠিত। 
- পানির আনবিক সংকেত H2O এবং আণবিক ভর ১৮। 

গলনাংক: 
- আমরা জানি শীতল অবস্থায় পানি কঠিন বরফ হিসেবে থাকে। 
- প্রমাণ চাপে বরফ ০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গলে যায়। 
- অর্থাৎ পানির গলনাংক ০° সেলসিয়াস। 

স্ফূটনাংক: 
- প্রমাণ চাপে অর্থাৎ ৭৬০ মি মি পারদ চাপে পানি ১০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানি বাষ্পে পরিণত হয়। 
- অর্থাৎ পানির স্ফুটনাংক ১০০° সেলসিয়াস। 

ঘনত্ব: 
- ৪° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয়। 
- ৪° সেলসিয়াসের চেয়ে কম ও বেশি তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব কমতে থাতে। 
- ৪° সেলসিয়াসে পানির ঘনত্ব ১ গ্রাম/কিউবিক সেন্টিমিটার বা ১০০০ কেজি/ঘনমিটার অর্থাৎ ১ সি সি পানির ভর ১ গ্রাম এবং ১ ঘন মিটিার পানির ভর ১০০০ কেজি।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,৩৬৬.
GPRS এর Full Meaning কী?
  1. ক) General Packet Radio Services
  2. খ) Global Packet Radio Services
  3. গ) Global Package Radio Services
  4. ঘ) General Package Radio Services
সঠিক উত্তর:
ক) General Packet Radio Services
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) General Packet Radio Services
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত GPRS প্রযুক্তির পূর্ণরূপ General Packet Radio Service। ইন্টারনেটের জন্য প্রথমে GPRS এবং পরে EDGE প্রযুক্তি চালু হয়। GPRS এর স্পিড 50Kbit/s এবং EDGE এর স্পিড 250Kbit/s।
১১,৩৬৭.
সর্বাধিক স্নেহজাতীয় পদার্থ কোন খাদ্যে বিদ্যমান?
  1. দুধ
  2. চিনি
  3. আলু
  4. শিম
সঠিক উত্তর:
শিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিম
ব্যাখ্যা
- দুধে ফ্যাটের পরিমাণ - প্রতি ১০০ গ্রামে ১ গ্রাম। 
- চিনিতে ফ্যাট নেই। 
- আলুতে ফ্যাটের পরিমাণ - প্রতি ১০০ গ্রামে ০.১ গ্রাম।
- শিমে ফ্যাটের পরিমাণ - প্রতি ১০০ গ্রামে ১.২ গ্রাম।

উৎস: USDA
১১,৩৬৮.
মহাবিশ্ব নিজে নিজে সম্প্রসারিত হচ্ছে- এই উক্তিটি সর্বপ্রথম কে করেন?
  1. ক) স্টিফেন হকিং
  2. খ) টলেমী
  3. গ) নিউটন
  4. ঘ) হাবল
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাবল
ব্যাখ্যা
এডউইন হাবল বলেন, 'মহাবিশ্ব নিজে নিজে সম্প্রসারিত হচ্ছে'।

- তার পুরো নাম হচ্ছে এডউইন পাওয়েল হাবল।
- তিনি ছিলেন ২০ শতকের একজন বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী। 
- সৃষ্টির প্রথমাবস্থায় মহাবিশ্ব সুষম এবং সমতাপীয়রূপে একটি অতি উচ্চ শক্তি ঘনত্ব এবং উচ্চ তাপমাত্রা ও চাপবিশিষ্ট বিন্দুবৎ পদার্থ ছিল।
- মহাবিশ্ব সৃষ্টির ১০৪৩ সেকেন্ড পর পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো কার্যকারিতা লাভ করে, তাই এই সময়কে প্ল্যাংকের সময় বলা হয়।
- প্ল্যাংকের সময়ের প্রায় ১০৩৫ সেকেন্ড পর একটি অবস্থান্তর অবস্থার সূচনা ঘটে যার ফলে মহাজাগতিক স্ফীতি শুরু হয়, এই সময় মহাবিশ্ব সম্প্র্রসারিত হতে শুরু করে।

সূত্র: নাসা ওয়েবসাইট।
১১,৩৬৯.
মহাবিশ্বের বর্তমান বয়স কত?
  1. প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন বছর
  2. প্রায় ৪.৬ বিলিয়ন বছর
  3. প্রায় ৮ বিলিয়ন বছর
  4. প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা

• মহাবিশ্ব:
- মহাবিশ্বের বয়স ১৩.৭ বিলিয়ন প্রায় ১৪ বিলিয়ন বছর। 
- আমাদের সৌরজগৎ ৪.৬ বিলিয়ন বছর, পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন বছর ধরে, এবং মানুষ মাত্র কয়েক লক্ষ বছর ধরে অস্তিত্বে রয়েছে।
- অন্য কথায়, মহাবিশ্ব আমাদের প্রজাতির চেয়ে প্রায় ৫৬,০০০ গুণ বেশি সময় ধরে অস্তিত্বে রয়েছে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট

১১,৩৭০.
যে যন্ত্রের সাহায্যে কাচের বা গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ পরিমাপ করা যায়, তাকে কী বলে?
  1. স্পিডোমিটার
  2. স্ফেরোমিটার
  3. ওডোমিটার
  4. স্লাইড ক্যালিপার্স
সঠিক উত্তর:
স্ফেরোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ফেরোমিটার
ব্যাখ্যা
• স্ফেরোমিটার:
- এ যন্ত্রের সাহায্যে গোলীয় তলের (spherical surface) বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা যায় বলে এর নাম হয়েছে স্ফেরোমিটার।
- স্ফেরোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে কাচের বা অন্যান্য পাতলা পাতের পুরুত্ব এবং গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা হয়।
- স্ফেরোমিটার একটি কেন্দ্রীয় স্ক্রু এবং তিনটি সমান দৈর্ঘ্যের পা থাকে।
- এটি তলের উচ্চতা (h) পরিমাপ করে এবং বক্রতার ব্যাসার্ধ (R) নির্ণয়ে ব্যবহার করা হয়।

• বক্রতার ব্যাসার্ধ R হলে,
R = {(d2/6h) + (h/2)}
​যেখানে, d হলো স্ফেরোমিটারের যেকোনো দুই পায়ের মধ্যবর্তী গড় দূরত্ব এবং h হলো কেন্দ্রীয় পিনের উচ্চতা।

• ওডোমিটার:
- এটি গাড়ী যতক্ষণ চালিয়ে যাওয়া হয়েছে, তার মোট দৈর্ঘ্য পরিমাপ করে।
অর্থাৎ, এটি গাড়ীর মোট চলাচল পরিমাপ করে।

• স্পিডোমিটার:
- এটি গাড়ীর তাৎক্ষণিক গতি পরিমাপ করে।
যেমন- কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা বা মাইল প্রতি ঘণ্টা।

• স্লাইড ক্যালিপার্স:
- যে পরিমাপক যন্ত্রের সাহায্যে কোন বস্তুর দু-প্রান্তের মধ্যবর্তী দূরত্ব নির্ণয় করে পরিমাপ করা যায় তাকে স্লাইড ক্যালিপার্স বলে। এই যন্ত্রের সাহায্যে সিলিন্ডারের ব্যাস মাপা যায়।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
১১,৩৭১.
মানুষের চোখের শ্বেত মন্ডলের সামনের অংশের নাম -
  1. রেটিনা
  2. কর্নিয়া
  3. আইরিস
  4. তারার
সঠিক উত্তর:
কর্নিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নিয়া
ব্যাখ্যা
চোখ: 
- কর্নিয়ার পেছনে অস্বচ্ছ আবরণীকে আইরিশ বলা হয়। 
- একটি শক্ত গোলকের মধ্যে বিভিন্ন জৈব পদার্থের সমন্বয়ে চক্ষু গঠিত, গোলকটির নাম অক্ষি গোলক। 
- গোলকটির বাইরের অংশ একটি শক্ত সাদারঙের অস্বচ্ছ তন্তু দিয়ে আবৃত, এই আবরণীর নাম শ্বেতমন্ডল। 
- শ্বেত মন্ডলের সামনে খানিকটা অংশ উত্তল ও স্বচ্ছ, এই অংশের নাম কর্নিয়া। 
- শ্বেত মন্ডলের ভেতরের গায়ে কালো রঙের আস্তরণ থাকে এক বলে কৃষ্ণমন্ডল। 
- আইরিশ চোখের উপর পতিত আলো নিয়ন্ত্রণ করে। বিভিন্ন মানুষের আইরিশের রঙ বিভিন্ন হয়। 
- অক্ষিগোলকের ভেতরের পৃষ্ঠে গোলাপী রঙের ঈষদচ্ছ আলোক সংবেদন আবরণকে রেটিনা বলে। 
- এটি রড এবং কোন নামে কতগুলো স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা গঠিত এবং এগুলো চক্ষু স্নায়ুর সাথে সংযুক্ত থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৭২.
নিচের কোন রাশিটি শুধু মান দ্বারাই সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করা যায়?
  1. ক) দ্রুতি
  2. খ) ত্বরণ
  3. গ) ওজন
  4. ঘ) মন্দন
সঠিক উত্তর:
ক) দ্রুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্রুতি
ব্যাখ্যা

- যে সকল ভৌত রাশিকে সম্পূর্ন রুপে প্রকাশ করার জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয় তাকে ভেক্টর রাশি বলে। যেমন : সরণ, বেগ, ওজন, ত্বরণ, মন্দন ইত্যাদি।
শুধু মান অথবা শুধু দিক অথবা উভয়ের পরিবর্তনে ভেক্টর রাশির পরিবর্তন হয়। 
- যে সকল ভৌত রাশিকে শুধু মান দিয়ে প্রকাশ করা যায়, দিক নির্দেশের প্রয়োজন হয় না তাদের স্কেলার রাশি বলে। যেমন : দৈর্ঘ্য, দ্রুতি, ভর ইত্যাদি।
শুধু মানের পরিবর্তনে স্কেলার রাশির পরিবর্তন হয়।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি 

১১,৩৭৩.
স্ফেরোমিটারের কেন্দ্রীয় স্ক্রু দ্বারা কী পরিমাপ করা হয়?
  1. ঘনত্ব 
  2. ব্যাস 
  3. ভর 
  4. উচ্চতা 
সঠিক উত্তর:
উচ্চতা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চতা 
ব্যাখ্যা

- স্ফেরোমিটারের কেন্দ্রীয় স্ক্রুটিকে উপরে বা নিচে নামিয়ে একটি সমতল থেকে গোলীয় তলের সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন বিন্দুর দূরত্ব মাপা হয়। এই দূরত্বটি মূলত উচ্চতা (height বা Sagitta) নির্দেশ করে

স্ফেরোমিটার: 

- স্ফেরোমিটার যন্ত্রের সাহায্যে কাচের বা অন্যান্য পাতলা পাতের পুরুত্ব এবং গোলীয় তলের বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা হয়। 
- এ যন্ত্রের সাহায্যে গোলীয় তলের (spherical surface) বক্রতার ব্যাসার্ধ মাপা যায় বলে এর নাম হয়েছে স্ফেরোমিটার। 
- স্ফেরোমিটার একটি কেন্দ্রীয় স্ক্রু এবং তিনটি সমান দৈর্ঘ্যের পা থাকে।
- স্ফেরোমিটার দ্বারা তলের উচ্চতা (h) পরিমাপ করে এবং বক্রতার ব্যাসার্ধ (R) নির্ণয়ে ব্যবহার করা হয়। 
- বক্রতার ব্যাসার্ধ R হলে, 
R = {(d2/6h) + (h/2)} 
​যেখানে, d হলো স্ফেরোমিটারের যেকোনো দুই পায়ের মধ্যবর্তী গড় দূরত্ব এবং h হলো কেন্দ্রীয় পিনের উচ্চতা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. শাহজাহান তপন)।

১১,৩৭৪.
অস্থি বা হাড়ে কত ভাগ ক্যালসিয়াম ফসফেট থাকে?
  1. ক) ৪০
  2. খ) ৫০
  3. গ) ৬০
  4. ঘ) ৭০
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬০
ব্যাখ্যা
মানবদেহে হাড় ও দাঁত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম। অস্থির বা হাড়ের প্রায় ৬০% ক্যালসিয়াম ফসফেট। এছাড়া প্রাণীদেহে ফসফোপ্রোটিন বা ফসফোলিপিড হিসেবেও ফসফরাস থাকে। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩৭৫.
স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবােজাহাজ থেকে দেখার জন্য কী ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) টেলিস্কোপ
  2. খ) পেরিস্কোপ
  3. গ) নভোবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) আল্ট্রাসাউন্ড
সঠিক উত্তর:
খ) পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ তৈরি হয় একটি লম্বা সরু টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের (আয়না) দুটি ফালি বা সট্রিপ স্থাপন করে। দর্পণ দুটিকে টিউবের দেয়ালের সাথে ৪৫° কোণে স্থাপন করা হয়। এরা পরস্পরের সাথে সমান্তরাল থাকে এবং ৯০° কোণে আলাের বিসরণঘটায় বা বাঁকিয়ে দেয়। স্টেডিয়ামে ভিড়ের মধ্যে খেলা দেখার এবং সমুদ্র পৃষ্ঠে কী আছে তা ডুবােজাহাজ থেকে দেখার জন্য পেরিস্কোপ ব্যবহার করা হয়। (উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)
১১,৩৭৬.
কোন ধরণের সংঘর্ষে ভরবেগ সংরক্ষিত হলেও গতিশক্তি সংরক্ষিত হয় না?
  1. স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ
  2. অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ
  3. দ্বিমাত্রিক সংঘর্ষ 
  4. সংঘর্ষে কোনো শক্তিই সংরক্ষিত হয় না
সঠিক উত্তর:
অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ
ব্যাখ্যা

• সংঘর্ষ:
- অতি অল্প সময়ের জন্য বৃহৎ কোনো বল ক্রিয়া করে বস্তুর গতির হঠাৎ ও ব্যাপক পরিবর্তন করাকে সংঘর্ষ বলে।
- সাধারণত সংঘর্ষের সময় বস্তুর গতিশক্তি সংরক্ষিত হয় কিনা, তার ওপর ভিত্তি করে সংঘর্ষকে দুভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা:

• অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ:

- যে সংঘর্ষে ভরবেগ সংরক্ষিত হয়, কিন্তু গতিশক্তি সংরক্ষিত হয় না, তাকে অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ বলে।
- একটি রাবারের বল দৃঢ় পাটাতনে আঘাত করলে, বলটির আকার বিকৃত হয় এবং এর গতিশক্তি হ্রাস পায়।
- এ কারণেই রাবারের বলের সাথে পাটাতনের যে সংঘর্ষ, হা হলো অস্থিতিস্থাপক।
- সংঘর্ষের পরে সংঘর্ষে অংশগ্রহণকারী বস্তু দুটি যদি একত্রে যুক্ত হয় এবং একই বেগে চলতে থাকে, তবে সেই সংঘর্ষ হবে পূর্ণভাবে অস্থিতিস্থাপক।
- উদহরণ: যখন একটি গুলি লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করে লক্ষ্যবস্তুর ভেতরে ঢুকে পড়ে, তখন গুলি ও লক্ষ্যবস্তুর সংঘর্ষ হলো অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ।

• স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ:

- যে সংঘর্ষে ভরবেগ ও গতিশক্তি উভয়ই সংরক্ষিত থাকে, তাকে স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ বলে।
- পারমাণবিক, নিউক্লিয় ও মৌলিক কণাগুলোর মধ্যে যে সংঘর্ষ ঘটে, তা স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩৭৭.
কাজের শর্ত কোনটি?
  1. ক) বল প্রয়োগ এবং সরণ
  2. খ) ভর এবং বেগ
  3. গ) বেগ এবং শরণ
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) বল প্রয়োগ এবং সরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বল প্রয়োগ এবং সরণ
ব্যাখ্যা
কাজের শর্ত দুইটি। 
এক -  বল প্রয়োগ করতে হবে এবং 
দুই - বল প্রয়োগ করলে সরণ ঘটতে হবে।  
কাজ = বল × সরণ
বা, W=Fx
কাজ একটি স্কেলার রাশি। এর কোন দিক নেই । 

উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১১,৩৭৮.
নিচের কোন উদ্ভিদটি জীবন্ত জীবাশ্ম? 
  1. Cycus
  2. Netum
  3. Genetum
  4. Royal Plam
সঠিক উত্তর:
Cycus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cycus
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম: 
- বর্তমান কালের কোন জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীত কালের কোন জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল সম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বা জীবন্ত ফসিল বলা হয়। 
যেমন- সাইকাস (Cycus)। 

Cycas কে জীবন্ত জীবাশ্ম বলার কারণ: 
- এটি Cycadales বর্গের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ। 
- প্রাথমিক মেসোজোয়িক যুগে Cycadales বর্গের অনেক উদ্ভিদ পৃথিবীব্যাপি বিস্তৃত ছিল। 
- এদের অনেকেই এখন বিলুপ্ত, ফলে এদের পাওয়া যায় জীবাশ্ম হিসেবে। 
- এ বর্গের Cycas সহ ৯টি গণের প্রায় ১০০টি প্রজাতি এখনও পৃথিবীর বুকে টিকে রয়েছে। 
- এদের অনেক বৈশিষ্ট্য আদিকালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাড্স এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ এবং আদি প্রকৃতির। 
- এজন্যই Cycas সহ বর্তমানকালের সকল সাইকাড্সকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়। 
- Cycadales বর্গের সদস্যদেরকে সাইকাড্স বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৭৯.
হিগস বোসন কণার অস্তিত্ব প্রথম ধরা পড়ে কত সালে?
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

১৯৬৪ সালে পিটার হিগস এবং তাঁর পাঁচজন সহযোগী মিলে সর্বপ্রথম এ কণা সম্পর্কিত তত্ত্ব প্রদান করেন।
সুইজারল্যান্ডের সার্ন এর লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারে ২০১৩ সালে প্রথম এ কণার অস্তিত্ব ধরা পড়ে।
পদার্থবিজ্ঞানী লিওন লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা নামে অভিহিত করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১১,৩৮০.
Magsulph দেওয়ার আগে নিচের কোন জিনিস দেখে নেওয়া সবচেয়ে জরুরি?
  1. Urine output
  2. Temperatue
  3. Blood pressure
  4. Pulse
সঠিক উত্তর:
Urine output
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Urine output
ব্যাখ্যা
চিকিৎসা বা থেরাপিউটিক উদ্দেশ্যে ম্যাগনেসিয়াম সালফেট (ম্যাগসাল্ফ) পরিচালনা করার আগে, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের ওষুধের নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে বেশ কয়েকটি পরীক্ষা এবং মূল্যায়ন করা উচিত। ম্যাগনেসিয়াম সালফেট ব্যবহার করার আগে এখানে মূল বিবেচ্য বিষয়গুলি রয়েছে:

রোগীর মূল্যায়ন:
- যেকোনো অ্যালার্জি, ওষুধের প্রতি পূর্ববর্তী প্রতিক্রিয়া এবং বর্তমান ওষুধ বা সম্পূরক সহ রোগীর চিকিৎসা ইতিহাস পর্যালোচনা করুন।
- গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ (রক্তচাপ, হৃদস্পন্দন, এবং শ্বাসযন্ত্রের হার) সহ রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্যের মূল্যায়ন করুন।
- রোগীর রেনাল (কিডনি) ফাংশন এবং ইলেক্ট্রোলাইটের মাত্রা নির্ধারণ করুন, কারণ ম্যাগনেসিয়াম প্রাথমিকভাবে কিডনি দ্বারা নির্গত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১১,৩৮১.
বায়ু টারবাইনের সাহায্যে কোন শক্তি বিদ্যুতে রূপান্তরিত হয়?
  1. রাসায়নিক শক্তি
  2. তাপশক্তি
  3. গতিশক্তি
  4. স্থিতিশক্তি
সঠিক উত্তর:
গতিশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গতিশক্তি
ব্যাখ্যা

◉ বায়ু টার্বাইন (Wind Turbine) বাতাসের গতিশক্তিকে (Kinetic Energy) ঘূর্ণনশক্তিতে রূপান্তর করে, যা জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।

বায়ু শক্তি:
- পৃথিবী পৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে বায়ু প্রবাহিত হয়।
- বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করা যায়।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে বায়ু প্রবাহজনিত গতিশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তাকে বায়ুকল (টারবাইন) বলে।
- বায়ু প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে প্রাচীনকালের মানুষেরা কুয়া থেকে পানি তোলা, জাহাজ চালানো ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতো।
- নৌকায় পাল তুলে আজও বায়ু শক্তিকে কাজে লাগানো হয়।
- বর্তমানে প্রযুক্তি ব্যবহার করে বায়ু কল কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩৮২.
ভূ-ত্বক গঠনকারী প্রধান ধাতু কোনটি?
  1. অক্সিজেন
  2. ম্যাগনেসিয়াম
  3. আয়রন
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

ভূ-ত্বক গঠনকারী প্রধান উপাদান হলো অক্সিজেন। এটি হলো অধাতু।
ভূ-ত্বক গঠনকারী প্রধান ধাতু হলো অ্যালুমিনিয়াম। এর পরে পরিমাণের দিক দিয়ে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১১,৩৮৩.
নিচের কোনটি মানবদেহের রাসয়নিক দূত হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) উৎসেচক
  2. খ) হরমোন
  3. গ) স্নায়ুতন্ত্র
  4. ঘ) পেশী
সঠিক উত্তর:
খ) হরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হরমোন
ব্যাখ্যা

যে জৈব-রাসায়নিক তরল শরীরের কোনো কোষ বা গ্রন্থি থেকে শরীরের একটি নির্দিষ্ট অংশে নিঃসরিত হয়ে রক্তরস বা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় উৎপত্তিস্থল থেকে দূরে বাহিত হয়ে দেহের বিভিন্ন বিপাকীয় ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে এবং ক্রিয়ার পর ধ্বংস প্রাপ্ত হয় তাদের হরমোন বলে।

সে হিসেবে হরমোনকে রাসায়নিক দূত বলা যায়।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১১,৩৮৪.
কোনটিতে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?
  1. ক) বৈদ্যুতিক ঘন্টা
  2. খ) বৈদ্যুতিক মোটর
  3. গ) তাপীয় ইঞ্জিন
  4. ঘ) বৈদ্যুতিক পাখা
সঠিক উত্তর:
ক) বৈদ্যুতিক ঘন্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বৈদ্যুতিক ঘন্টা
ব্যাখ্যা

- বৈদ্যুতিক ঘন্টায় বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- বৈদ্যুতিক মোটরে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- বৈদ্যুতিক পাখার ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- তাপ ইঞ্জিন তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তরিত করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৩৮৫.
অমরা গ্রন্থি থেকে কোন হরমোন নিঃসৃত হয়?
  1. প্রোজেস্টেরন
  2. থাইরক্সিন
  3. অ্যাড্রানালিন
  4. ইস্ট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
প্রোজেস্টেরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোজেস্টেরন
ব্যাখ্যা

• অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি: 
- এই গুন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- অ্যাড্রানালিন হরমোন। এ হরমোন যৌন অঙ্গের বৃদ্ধি করে এবং যৌন লক্ষণ প্রকাশে সহায়তা করে।

• ডিম্বাশয় এর অনাল গ্রন্থি: 
- এই অনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) ইস্ট্রোজেন, (খ) প্রোজেস্টেরন এবং (গ) রিলাক্সিন। এ হরমোন নারী সুলভ লক্ষণগুলো সৃষ্টি করে, ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ করে, গর্ভাবস্থায় জরায়ু, ভ্রূণ ও অমরা ইত্যাদির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে এবং ডিম্বাণু উৎপাদনে বিশেষ ভূমিকা রাখে। 

• অমরা গ্রন্থি: 
- অমরা থেকে নিঃসৃত হরমোন হলো- (ক) গোনাডোট্রপিক এবং (খ) প্রোজেস্টেরন। এ হরমোন ডিম্বাশয়ের অনাল গ্রন্থিকে উত্তেজিত করে এবং স্তন গ্রন্থির বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৩৮৬.
পরিমাপের মৌলিক রাশি কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৮টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
ব্যাখ্যা

যে সকল রাশি পরিমাপের জন্য অন্য রাশির সাহায্য দরকার হয় না বা অন্য রাশি পরিমাপের জন্য যে রাশিগুলাে দরকার হয় সেইসব রাশিকে মৌলিক রাশি বলে।
মৌলিক রাশি সাতটি।
যথাঃ দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, বৈদ্যুতিক প্রবাহ, তাপমাত্রা, পদার্থের পরিমাণ এবং দীপন তীব্রতা।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

১১,৩৮৭.
কোন প্রাণী জিহ্বার সাহায্যে শোনে?
  1. ঘড়িয়াল
  2. কচ্ছপ
  3. গিরগিটি
  4. সাপ
সঠিক উত্তর:
সাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপ
ব্যাখ্যা

- সাপ জিহ্বার সাহায্যে শোনে। সাপের কান নেই।
- গিরগিটি গায়ের রং পরিবর্তন করে আত্মরক্ষা করে।
- কচ্ছপ দীর্ঘজীবী প্রাণী। কচ্ছপ প্রায় ১৫০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারে।
- ঘড়িয়াল বিরল প্রজাতির মিঠা জলের কুমির বর্গের সরীসৃপ প্রাণী।

১১,৩৮৮.
নিচের কোন আয়নটি শিখা পরীক্ষায় সোনালী হলুদ বর্ণ দেখায়?
  1. ক) Na
  2. খ) K
  3. গ) Ca
  4. ঘ) Cu
সঠিক উত্তর:
ক) Na
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Na
ব্যাখ্যা
- প্রত্যেক মৌলের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যপূর্ণ রেখা বর্ণালী আছে।
- বর্ণালীর প্রতি রঙিন রেখা নির্দিষ্ট তরঙ্গ-দৈর্ঘ্যের বা নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কের আলো শক্তির সাথে সম্পর্কযুক্ত।
- তাই বিভিন্ন উদ্বায়ী ধাতব ক্লোরাইডকে বুনসেন বার্নারের শিখায় উত্তপ্ত করলে বিভিন্ন ধাতব আয়ন বিভিন্ন বর্ণযুক্ত শিখা সৃষ্টি করে।
যেমন-
সোডিয়াম আয়ন থেকে সোনালী হলুদ
• পটাশিয়াম আয়ন থেকে হালকা বেগুনি এবং 
• ক্যালসিয়াম আয়ন থেকে ইটের মত লাল শিখা উৎপন্ন হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)। 
১১,৩৮৯.
থ্রম্বোসাইটোসিস রোগে রক্তের কোন কণিকা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়? 
  1. অনুচক্রিকা
  2. শ্বেত রক্ত কণিকা
  3. লোহিত রক্ত কণিকা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অনুচক্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচক্রিকা
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 
যেমন- 
১। পলিসাইথিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। 

২। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

৩। লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

৪। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

৫। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- থ্রম্বোসাইটোসিস রোগে অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিণ্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে।

৬। পারপুরা: 
- ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। 
- এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৭। থ্যালাসেমিয়া: 
- থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। 
- এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। 
- হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। 
- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। 
- এ রোগের জন্য রোগিকে প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। 
- তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩৯০.
মানুষের নিঃশ্বাসে কি পরিমাণ শব্দ হয়?
  1. ক) 0 dB
  2. খ) 5 dB
  3. গ) 10 dB
  4. ঘ) 15 dB
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) 10 dB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 10 dB
ব্যাখ্যা
মানুষের নিঃশ্বাসে 10 dB এবং কথা-বার্তায় 40-60 dB শব্দ হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩৯১.
ধাতুর ক্ষয়রোধের পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. ইলেকট্রোপ্লেটিং
  2. পানিতে ধৌতকরণ
  3. রং করা
  4. গ্যালভানাইজিং
সঠিক উত্তর:
পানিতে ধৌতকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানিতে ধৌতকরণ
ব্যাখ্যা
• পানিতে ধৌতকরণ ধাতুর ক্ষয়রোধের কোনো পদ্ধতি নয়। 

• ধাতুর ক্ষয়:

- ধাতু যখন বাতাসের অক্সিজেন, আর্দ্রতা বা অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, তখন তাকে ধাতুর ক্ষয় বলা হয়।

• এটি একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যেখানে ধাতু বাতাসের অক্সিজেন, জলীয় বাষ্প, বা অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে এসে অক্সিডাইজড (জারিত) হয় এবং ক্ষয়ে যায়। 
- এটিকে মরিচা পড়া বা ক্ষয়ে যাওয়া বলা হয়। 

• ধাতুর ক্ষয় বিভিন্ন কারণে হতে পারে, যেমন:  
→ রাসায়নিক বিক্রিয়া:
- যখন ধাতু বাতাসের অক্সিজেন বা অন্যান্য রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে আসে, তখন তাদের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে, যা ধাতুর ক্ষয় ঘটায়।
→ বায়ু দূষণ:
- বায়ু দূষণের কারণে অ্যাসিড বৃষ্টি বা অন্যান্য ক্ষতিকারক পদার্থ ধাতুর সংস্পর্শে এলে, তা দ্রুত ক্ষয়ে যেতে পারে।

• ধাতু ক্ষয়রোধের উপায়:
(i) রং করা,
(ii) ইলেকট্রোপ্লেটিং,
(iii) গ্যালভানাইজিং করে ইত্যাদি।

• ধাতু বা সংকর ধাতু যদি বাতাসের অক্সিজেন এবং পানির সংস্পর্শে না আসে তবে ধাতু ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না।
 • কম সক্রিয় ধাতু সাধারণত বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে না। কিন্তু বেশি সক্রিয় ধাতু বাতাসের অক্সিজেন এবং পানির সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে।
- অতএব, বেশি সক্রিয় ধাতুর ক্ষয় হওয়া থেকে ধাতুকে রক্ষা করার জন্য বেশি সক্রিয় ধাতুর উপর কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়।
- এভাবে বেশি সক্রিয় ধাতুকে ক্ষয় হওয়া থেকে রক্ষা করা যায়।
- একটি অধিক সক্রিয় ধাতুর উপর কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দুইভাবে দেওয়া যায়। যথা-ইলেকট্রোপ্লেটিং ও গ্যালভানাইজিং।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১১,৩৯২.
বাণিজ্যিকভাবে ফুল, ফল ও সবজি উৎপাদন করাকে কী বলে?
  1. ক) হর্টিকালচার
  2. খ) পিসিকালচার
  3. গ) সেরিকালচার
  4. ঘ) এপিকালচার
সঠিক উত্তর:
ক) হর্টিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হর্টিকালচার
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিকভাবে ফুল, ফল ও সবজি উৎপাদন করাকে হর্টিকালচার বলে। 

উদ্যানতত্ত্ব  উদ্যানতত্ত্ব হচ্ছে সমন্বিত একটি বিষয়, মাটি থেকে বিভিন্ন প্রকার উৎপাদন এর অন্তর্ভূক্ত। সাধারণভাবে উদ্যানতত্ত্ব বলতে বাণিজ্যিক ভিত্তিক বাগান করা বুঝায় যাতে লাভের জন্য ফুল, ফল ও সবজি উৎপাদন করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
১১,৩৯৩.
নিচের কোনটি গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা পালন করে?
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) ফসফরাস
  3. গ) সোডিয়াম
  4. ঘ) আয়োডিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়োডিন
ব্যাখ্যা
আয়োডিনের অভাবে গলগণ্ড রোগ হয়ে থাকে। 

গলগণ্ড বা ঘ্যাগ হলো অস্বাভাবিক বৃদ্ধিপ্রাপ্ত থাইরয়েড গ্রন্থি। থাইরয়েড গন্থিটি গলার সামনের দিকের নিচের অংশে থাকে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় এটির অবস্থান দৃশ্যমান নয়। থাইরয়েড গ্রন্থির আকার অনেকটা প্রজাপতির মতো।

লক্ষণ-
গলগন্ডের প্রাথমিক লক্ষণ হল সাধারণত ঘাড়ে একটি লক্ষণীয় ফোলাভাব। 

আরও অন্যান্য উপসর্গগুলো হল- 
১.  বা শ্বাস নিতে অসুবিধা হওয়া
২. কাশি 
৩. মাথার উপরে হাত বাড়ালে মাথা ঘোরা
৪. কণ্ঠে কর্কশতা অনুভব হয়। 

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি
১১,৩৯৪.
মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় পেতে থাকে স্নায়ু কোষের- 
  1. অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেলে
  2. এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে
  3. এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
  4. এক-চতুর্থাংশ বেড়ে গেলে
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
ব্যাখ্যা
স্নায়ুতন্ত্র: 
- স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ মস্তিষ্ক। 
- স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একক কে বলে নিউরন। 
- মস্তিষ্কের নিউরন থাকে ১০ মিলিয়ন। 
- মানুষের মস্তিষ্কের ওজন ১.৩৬ কেজি। 
- মস্তিষ্ককে আবৃতকারী পর্দার নাম মেনিনজেস। 
- মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং রক্ত প্রবাহে বাধা পাওয়াকে বলে স্ট্রোক। 
স্নায়ুকোষের এক-চতুর্থাংশ বা ২৫% ধ্বংস হয়ে গেলে মস্তিষ্কের ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। 
- স্নায়ুকোষ ধ্বংস হলে মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকার রোগ যেমন স্মৃতিভ্রংশ, বুদ্ধিবৈকল্য ইত্যাদি হতে পারে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩৯৫.
যদি পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হঠাৎ করে দ্বিগুণ হয়ে যায় কিন্তু এর ভর অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে অভিকর্ষজ ত্বরণ কীভাবে পরিবর্তিত হবে? 
  1. চারগুণ হবে
  2. অর্ধেক হবে
  3. এক চতুর্থাংশ হবে
  4. দ্বিগুণ হবে
সঠিক উত্তর:
এক চতুর্থাংশ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক চতুর্থাংশ হবে
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ g তার ভর M এবং ব্যাসার্ধ R-এর উপর নির্ভর করে সূত্র g = GM/R2 দ্বারা, যেখানে G হলো অভিকর্ষ ধ্রুবক। যদি পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হঠাৎ দ্বিগুণ হয়ে যায়, অর্থাৎ R → 2R, কিন্তু ভর অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে নতুন অভিকর্ষজ ত্বরণ হবে gnew = GM/(2R)2 = GM/4R2 = g/4। অর্থাৎ অভিকর্ষজ ত্বরণ চার গুণ কমে যাবে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) এক চতুর্থাংশ হবে।

• অভিকর্ষজ ত্বরণ (Gravitational Acceleration):
- পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ g নির্ভর করে পৃথিবীর ভর (M) এবং ব্যাসার্ধ (R) এর উপর। সূত্র হলো: g = GM/R2, যেখানে G হলো মহাজাগতিক অভিকর্ষধ্রুবক।
- যদি পৃথিবীর ব্যাসার্ধ হঠাৎ দ্বিগুণ হয়ে যায় (R → 2R) কিন্তু ভর অপরিবর্তিত থাকে (M অপরিবর্তিত), তাহলে g এর মান কিভাবে পরিবর্তিত হবে তা নির্ণয় করতে হবে।
- সূত্র অনুযায়ী নতুন অভিকর্ষজ ত্বরণ g' হবে: g' = GM/(2R)2 = GM/(4R2) = g/4।  
- অর্থাৎ, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ হলে অভিকর্ষজ ত্বরণ চারগুণ কমে যাবে, কারণ এটি ব্যাসার্ধের বর্গের বিপরীত আনুপাতিক।  
- এর ফলে, বস্তু পৃথিবীর পৃষ্ঠে আগের তুলনায় অনেক ধীরে পড়বে।  

সুতরাং, অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তন: গ) এক চতুর্থাংশ​।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন। 

১১,৩৯৬.
রঙিন টেলিভিশনের মৌলিক রং কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• রঙিন টেলিভিশন: 
- টেলিভিশন এমন একটি যন্ত্র, যেখানে দূরবর্তী কোনো টেলিভিশন সম্প্রচার স্টেশন থেকে শব্দের সাথে সাথে ভিডিও বা চলমান ছবিও দেখা যায়। 
- ১৯২৬ সালে জন লজি বেয়ার্ড প্রথম টেলিভিশনের মাধ্যমে ভিডিও বা চলমান ছবি পাঠিয়েছিলেন। 
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি আলাদা সিগন্যাল হিসেবে পাঠানো হয়। 
- চলমান ছবি বা ভিডিও পাঠাতে হলে প্রতি সেকেন্ডে ২৫টি স্থিরচিত্র পাঠাতে হয় এবং আমাদের চোখে তখন সেগুলোকে আলাদা আলাদা স্থিরচিত্র মনে না হয়ে একটি চলমান ছবি বলে মনে হয়। 
- টেলভিশনে রঙিন ছবি পাঠানোর জন্য টেলিভিশন ক্যামেরা প্রতিটি ছবিকে লাল, সবুজ ও নীল (RGB) এই তিনটি মৌলিক রং -এ ভাগ করে তিনটি আলাদা ছবি তুলে দেয়। 

- টেলিভিশন ক্যামেরার ভেতরে আলো CCD ( Charge Coupled Device) ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয়। এই বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গ ব্যবহার করে এন্টেনার ভেতর দিয়ে পাঠানো হয়। 
- বর্তমানে ইলেকট্রন গান দিয়ে স্ক্রিনে ছবি তৈরি না করে লাল, সবুজ ও নীল রংয়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলইডি ( Light Emitting Diode) -তে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে ছবি তৈরি করা হয়। এলইডি টেলিভিশনের ছবির ঔজ্জ্বল্য অনেক বেশি এবং গুণগত মানও অনেক ভালো। 
- এন্টেনার সাহায্যে টেলিভিশনের সিগন্যাল পাঠানো ছাড়াও কো-এক্সিয়াল ক্যাবল দিয়েও সিগন্যাল পাঠানো যায়। এই ধরনের সম্প্রচার ক্যাবল টিভি নামে পরিচিত।  এছাড়াও স্যাটেলাইট টিভি নামে এক ধরনের টিভি অনুষ্ঠানের সম্প্রচার করা হয়, এটি মহাকাশে পাঠানো উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট থেকে সরাসরি পৃথিবীতে পাঠানো হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩৯৭.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ওজোন গ্যাসের স্তর অবস্থান করে?
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. থার্মোমণ্ডল
  3. স্ট্র্যাটোমণ্ডল
  4. মেসোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
স্ট্র্যাটোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্র্যাটোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

◉ বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোমণ্ডলে ওজোন গ্যাসের স্তর অবস্থান করে।

• স্ট্রাটোমণ্ডল: 

- ট্রপোমণ্ডলের ঠিক উপরেই শুরু হয়েছে স্ট্রাটোমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তর ট্রপোমণ্ডল থেকে শুরু করে প্রায় ৫০ কিলোমিটার বিস্তৃত। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ওজোন নামের একটি গ্যাসের স্তর রয়েছে, এই গ্যাস সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে আমাদের রক্ষা করে। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তর এবং এর উপরের দিকে বায়ুমণ্ডলের অন্যান্য গ্যাস খুব কম পরিমাণে আছে। 

• ট্রপোমণ্ডল: 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে বারো কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলকে বলা হয় ট্রপোমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে বায়ুর বেশির ভাগ প্রয়োজনীয় উপাদানসমূহ যেমন অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প থাকে। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে মানুষ ও অন্যান্য জীবের জীবনকে প্রভাবিত করে এমন সব ঘটনা ঘটে। 
যেমন- এই স্তরে মেঘ, বৃষ্টি, বায়ু প্রবাহ, ঝড়, কুয়াশা এসব হয়; তাই ট্রপোমণ্ডল বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর। 

• মেসোমণ্ডল: 
- স্ট্রাটোমণ্ডল শেষ হয়ে বায়ুমণ্ডলের এই স্তর শুরু হয়। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তর প্রায় ৮০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরের উচ্চতা বাড়ার সাথে সাথে বায়ুর তাপমাত্রা কমতে থাকে। 

• তাপমণ্ডল: 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তর প্রায় বায়ুশুন্য। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে বায়ুর তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ে, তাই এর নাম তাপমণ্ডল। 
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১১,৩৯৮.
হিমোগ্লোবিন কোন জাতীয় পদার্থ?
  1. আমিষ
  2. স্নেহ
  3. আয়োডিন
  4. লৌহ
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা
হিমোগ্লোবিন: 
- হিমোগ্লোবিন এক ধরনের আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় পদার্থ। 
- হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং লাল হয়। 
- এর প্রধান কাজ হলো ধমনি থেকে দেহের সব স্থানে অক্সিজেন ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করা। 
- হিমোগ্লোবিনের প্রতিটি অণুতে চারটি আয়রন পরমাণু থাকে। আর প্রতিটি আয়রন পরমাণু একটি করে অক্সিজেন গ্রহণ করে। 
- রক্তে ৯৭-৯৮% অক্সিজেন পরিবাহিত হয় লোহত কণিকার অক্সিজেনের মাধ্যমে। 
- একটি হিমোগ্লোবিন অণু একই সাথে ৪টি অক্সিজেন অণুর সাথে যুক্ত হতে পারে। 

- অক্সিজেনের সাথে হিমোগ্লোবিনের রাসায়নিক বিক্রিয়া উভমুখী। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. গাজী আজমল) এবং প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৩৯৯.
চাঁদে প্রথম অবতরণ করে কোন মিশন?
  1. ভোস্টক-১
  2. অ্যাপোলো-১১
  3. লুনা-২
  4. চন্দ্রযান
সঠিক উত্তর:
অ্যাপোলো-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাপোলো-১১
ব্যাখ্যা

• অ্যাপোলো-১১ (Apollo-11) ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা NASA পরিচালিত একটি ঐতিহাসিক মিশন, যার মাধ্যমে মানবজাতি প্রথমবার চাঁদে অবতরণ করে।

সময় ও উদ্দেশ্য:
- প্রেরণ তারিখ: ১৬ জুলাই, ১৯৬৯।
- চাঁদে অবতরণ: ২০ জুলাই, ১৯৬৯। 
- ফেরত আসে: ২৪ জুলাই, ১৯৬৯। 
- উদ্দেশ্য: মানুষকে চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করানো এবং নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা।
 
প্রধান নভোচারী:
- নিল আর্মস্ট্রং (Neil Armstrong)- প্রথম ব্যক্তি যিনি চাঁদে পদার্পণ করেন।
- বাজ অলড্রিন (Buzz Aldrin)- দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি চাঁদের মাটিতে হাঁটেন।
- মাইকেল কলিন্স (Michael Collins)- চাঁদের কক্ষপথে কমান্ড মডিউল পরিচালনা করেন।

ঐতিহাসিক উক্তি:
- চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রেখে নিল আর্মস্ট্রং বলেন “That's one small step for man, one giant leap for mankind.”
- (বাংলা অনুবাদ: “মানুষের জন্য এটি এক ক্ষুদ্র পদক্ষেপ, কিন্তু মানবজাতির জন্য এক বিশাল অগ্রগতি।”)
 
মিশনের মূল সাফল্য:
- প্রথমবার চাঁদের মাটিতে মানুষের পদচিহ্ন।
- প্রায় ২১ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট চাঁদের পৃষ্ঠে অবস্থান।
- প্রায় ২১.৫ কেজি চাঁদের শিলা ও ধুলা সংগ্রহ।
- পৃথিবীতে ফিরে এসে নিরাপদ অবতরণ।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]
- নাসা অফিশিয়াল ওয়েবসাইট

১১,৪০০.
নিচের কোনটি কার্বনের চৌম্বকীয় রূপ?
  1. হীরা
  2. ফুলারিন
  3. কার্বন ব্ল্যাক
  4. Q-কার্বন
সঠিক উত্তর:
Q-কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Q-কার্বন
ব্যাখ্যা

Q-কার্বন হচ্ছে কার্বনের একটি চৌম্বকীয় রূপ। 

কার্বনের বিভিন্ন রূপ
কার্বনের বিভিন্ন রূপ রয়েছে এবং প্রতিটি রূপের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নিচে কয়েকটি রূপ আলোচনা করা হলো:

হীরা
- এটি কার্বনের একটি রূপ যা খুব কঠিন।
- হীরা সাধারণত অলঙ্কার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

গ্রাফাইট
- এটি কার্বনের আরেকটি রূপ যা নরম এবং পিচ্ছিল।
- এটি পেন্সিল এবং পিচ্ছিলকারক হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

ফুলারিন
- এটি কার্বনের একটি রূপ যা C₆₀ নামক অণু দ্বারা গঠিত।
- এই অণুগুলো দেখতে অনেকটা ফুটবলের মতো।

কার্বন ন্যানোটিউব
- এগুলো হলো কার্বনের নলাকার গঠন।
- ন্যানোপ্রযুক্তি এবং নতুন যৌগ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

Q-কার্বন
- এটি কার্বনের একটি কঠিন এবং চৌম্বকীয় রূপ।

অরূপ কার্বন
- এই কার্বনের কোনো নির্দিষ্ট স্ফটিক গঠন নেই।
- উদাহরণ: কার্বন ব্ল্যাক, কাঠকয়লা এবং কোক।

উৎস: ব্রিটানিকা।