বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১১৩ / ১৪০ · ১১,২০১১১,৩০০ / ১৪,০৮০

১১,২০১.
'প্রিয়ন' কী?
  1. ক) এক ধরনের আলোক যন্ত্র
  2. খ) একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা
  3. গ) একপ্রকার সামুদ্রিক প্রাণি
  4. ঘ) এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস
সঠিক উত্তর:
খ) একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা
ব্যাখ্যা
- 'প্রিয়ন' হলো ভাইরাসের মতোই একপ্রকার সংক্রামক সত্ত্বা যা PrP (Prion Protein) নামক প্রোটিন বা আমিষ দিয়ে তৈরি ।
- এটিকে 'transmissible spongiform encephalopathies' নামক স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতার জন্য দায়ী করা হয়।
- প্রিয়ন গবাদি পশুর 'Mad cow disease' ও 'scrapie' , মানুষের 'Creutzfeldt–Jakob disease' (CJD), 'Gerstmann–Sträussler–Scheinker syndrome', fatal familial insomnia, এবং 'kuru' - এসব ভয়ানক মারণব্যাধির কারণ।
১১,২০২.
সমন্বিত বর্তনী তৈরিতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়? 
  1. মাইক্রো প্রযুক্তি
  2. রেডিও ওয়েভ
  3. ইলেকট্রোম্যাগনেটিক
  4. নিউক্লিয়ার ফিউশন
সঠিক উত্তর:
মাইক্রো প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রো প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
সমন্বিত বর্তনী বা আইসি (IC): 
- ইলেকট্রনিকসের একটি শাখা হলো মাইক্রোইলেকট্রনিকস। 
- মাইক্রোইলেকট্রনিকস প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিকস বর্তনী তৈরি করা যায়। এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক সার্কিট বা ইনট্রিগ্রেটেড সার্কিট (integrated circuit) বা সমন্বিত বর্তনী। 
- সমন্বিত বর্তনী বা আইসি-এর মধ্যে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রাংশ একত্রে মাইক্রো প্রযুক্তির সাহায্য তৈরি করা হয়, ফলে আলাদা আলাদা ট্রানজিস্টার, রোধ, ডায়োড ইত্যাদি পরস্পরের সাথে সংযোগ করে তৈরি করার দরকার হয় না। 
- সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমন্বিত বর্তনীকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- 
১। মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits): 
- এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০ টি উপাদান থাকে। 

২। বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits): 
- এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০০ টি উপাদান থাকে। 

৩। অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits): 
- এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০,০০০ টির অধিক উপাদান থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২০৩.
তড়িৎ উৎপাদন ও সরবরাহের মাধ্যমে বিদ্যুতের অপচয়কে বলে -
  1. ক) লোড শেডিং
  2. খ) সিস্টেম লস
  3. গ) পরিবহন ত্রুটি
  4. ঘ) অবৈধ সংযোগ 
সঠিক উত্তর:
খ) সিস্টেম লস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিস্টেম লস
ব্যাখ্যা
সিস্টেম লস
বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে উৎপন্ন বিদ্যুৎ শক্তি পরিবাহী তারের সাহায্যে প্রথমে সাব-স্টেশনে এবং সেখান থেকে গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণ করা হয়। বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য যে পরিবাহী তার ব্যবহার করা হয় এরও কিছু পরিমাণ রোধ আছে। ফলে কিছু পরিমাণ বিদ্যুৎ শক্তি তাপে রূপান্তরিত হয়। এ কারণে গ্রাহক পর্যায়ে প্রাপ্ত বিদ্যুৎ শক্তি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শক্তি অপেক্ষা কম হয়। অর্থাৎ বিদ্যুৎ শক্তি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ শক্তি অপেক্ষা কম হয়।

অর্থাৎ বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সময় পরিবাহী তারে যে বিদ্যুৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় তাকে সিস্টেম লস বলে।

SOURCE:এস  এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,২০৪.
নিচের কোন ধাতু ইলেকট্রোপ্লেটিংয়ে সাধারণত ব্যবহৃত হয়? 
  1. ক্রোমিয়াম
  2. ম্যাঙ্গানিজ
  3. লোহার অক্সাইড
  4. অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক্রোমিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোমিয়াম
ব্যাখ্যা
গ্যালভানাইজিং: 
- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে জিংক বা দস্তা ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যালভানাইজিং। 
- লোহার তৈরি দ্রব্যসামগ্রীর উপর দস্তার পাতলা আস্তরণ দেওয়াকে গ্যালভানাইজেশন বলে। 
- জিংক এর আবরণ লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও পানি থেকে রক্ষা করে, ফলে মরিচা পড়তে পারে না এবং লোহারও ক্ষতি হয় না। 
- দস্তার পরিবর্তে টিন দিয়েও অনেক সময় আবরণ দিয়ে ধাতব পদার্থকে ক্ষয় হতে রক্ষা করা যায়। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। 
- এই প্রক্রিয়ায় সাধারনত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। 
- এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয় রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি বস্তুটি দেখতে আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। 
- খাবারের কৌটা, সাইকেল, এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

পেইন্টিং: 
- পেইন্টিং বা রং করেও ধাতব পদার্থসমূহের ক্ষয় রোধ করা যায়। 
- বাসার রেফ্রিজারেটর, আলমারি, গাড়ি, স্টিলের আসবাবপত্র এসবেরই ক্ষয় রোধ করা জন্য পেইন্ট দিয়ে রং করা হয়। 
- এই পেইন্ট সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব আবার পেইন্টিং করে নেওয়া ভালো। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১১,২০৫.
গামা রশ্মির উৎস কোনটি?
  1. ইলেকট্রন
  2. প্রোটন
  3. পরমাণুর নিউক্লিয়াস
  4. নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণুর নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা

• গামা রশ্মি উৎপন্ন হয় পরমাণুর নিউক্লিয়াসের (Atomic Nucleus) ভিতরে।

- যখন কোনো নিউক্লিয়াস তেজস্ক্রিয় (radioactive) হয়ে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়, তখন এটি তার অতিরিক্ত শক্তি নির্গত করে গামা রশ্মির আকারে।
- এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Gamma Decay বা গামা ক্ষয়।
- গামা রশ্মি হলো তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গের (Electromagnetic Wave) একটি অত্যন্ত উচ্চ-শক্তির রূপ, যার তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুবই ক্ষুদ্র 10-12 মিটার।
- এটি দৃশ্যমান আলোর চেয়ে কোটি গুণ বেশি শক্তিধর।

গামা রশ্মির বৈশিষ্ট্য:
- কোনো ভর বা চার্জ নেই।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য অতি ক্ষুদ্র, ফলে অনুপ্রবেশ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি।
- বায়ু, কাগজ বা মানুষের ত্বক ভেদ করতে সক্ষম।
- সীসা (lead) বা কংক্রিটের মোটা স্তর দ্বারা শোষিত বা প্রতিরোধ করা যায়।
- এর বেগ আলোর সমান (3 × 108 m/s)।

গামা রশ্মির ব্যবহার:
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে: ক্যানসার কোষ ধ্বংসে (Radiation therapy)।
- শিল্পক্ষেত্রে: ধাতুর ফাটল শনাক্তে।
- বিজ্ঞান গবেষণায়: তেজস্ক্রিয় পদার্থ সনাক্তে।
- জীবাণুনাশে: খাবার বা চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করতে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]

১১,২০৬.
একটি সুরে কতটি কম্পাঙ্ক থাকতে পারে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৪ টি
  4. অসংখ্য
সঠিক উত্তর:
১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি
ব্যাখ্যা
সুর ও স্বর:
- যদি কোনো উৎস থেকে উৎপন্ন শব্দের একটি মাত্র কম্পাঙ্ক থাকে, তবে তাকে সুর বলে।
- কোনো শব্দের মধ্যে যদি একাধিক কম্পাঙ্ক থাকে তবে তাকে স্বর বলে।

মৌলিক সুর ও উপসুর:
কোনো স্বরের মধ্যে যে সব বিভিন্ন সুর থাকে তাদের মধ্যে যে সুরের কম্পাঙ্ক সবচেয়ে কম তাকে মৌলিক সুর বলে ।
- বাকি সকল সুরই উপসুর।

হারমোনিক :
উপসুরগুলোর কম্পাঙ্ক যদি মূলসুরের কম্পাঙ্কের অখন্ড বা সরল গুণিতক হয় তবে সেসব উপসুরগুলোকে সমমেল বা সুর সঙ্গতি বা হারমোনিক বলে।

অষ্টক:
উপসুরগুলোর কোনোটির কম্পাঙ্ক মূল সুরের কম্পাঙ্কের দ্বিগুণ হলে তাকে অষ্টক বলে ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২০৭.
কীসের সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়?
  1. সেক্সট্যান্ট
  2. মাল্টিমিটার
  3. ওডোমিটার
  4. ওহমমিটার
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেক্সট্যান্ট
ব্যাখ্যা
• অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude)
- একজন ভূগোলবিদের জন্য অক্ষাংশ নির্ণয় করতে জানা খুবই জরুরি।
- আমরা জানি পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ ৩৬০০।
- অক্ষাংশ নির্ণয় করার জন্য গ্লোবটিকে আমরা যদিমাঝখান দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে কেটে নেই, তাহলে এর মধ্যে আমরা পৃথিবীর ঠিক মধ্যকিন্দু পাব। এখন যদি আমরা কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করতে চাই, তাহলে সেই মধ্যবিন্দুর সঙ্গে নির্ণেয় স্থানটির নিরক্ষরেখার (০°) পরিপ্রেক্ষিতে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা নির্ণয় করতে হবে। এই কোণই হলো সেই স্থানের অক্ষাংশ।

অক্ষাংশ নির্ণয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে।
সেগুলো হলো –

•  সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে:
যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।
কোনো স্থানের অক্ষাংশ = ৯০০– (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি বিযুবলম্ব)।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
১১,২০৮.
নিচের কোনটি গাজরের মূলে পাওয়া যায়?
  1. লিউকোপ্লাস্ট
  2. ক্লোরোপ্লাস্ট
  3. ক্রোমোপ্লাস্ট
  4. এমাইলোপ্লাস্ট
সঠিক উত্তর:
ক্রোমোপ্লাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোমোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড: 
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। 
- প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। 
- প্লাস্টিড তিন ধরনের। 
যথা- ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট। 

ক্লোরোপ্লাস্ট: 
- সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। 
- পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 
- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে অবস্থিত উৎসেচক সমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভেতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে। 
- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে। 

ক্রোমোপ্লাস্ট: 
- ক্রোমোপ্লাস্টগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। 
- এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটিকে হলুদ, কোনটিকে নীল আবার কোনটিকে লাল দেখায়। 
- এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। 
- রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে ক্রোমোপ্লাস্ট পাওয়া যায়। 
- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে। 

লিউকোপ্লাস্ট: 
- যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। 
- যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি), সেখানে এদের পাওয়া যায়। এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 
- আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,২০৯.
নিচের কোন বস্তুটি এক্স-রে এর বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে?
  1. লেড
  2. অ্যালুমিনিয়াম
  3. কাঠ
  4. প্লাস্টিক
সঠিক উত্তর:
লেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেড
ব্যাখ্যা
লেড বা সীসার উচ্চ পারমাণবিক সংখ্যা (৮২) এবং সীসার ঘনত্ব এটিকে এক্স-রের তীব্রতা হ্রাস বা ব্লক করার জন্য একটি কার্যকর উপাদান করে তোলে।
সীসা বা লেড এক্স-রেকে বাধা দেয় যে প্রক্রিয়াগুলির সমন্বয়ের মাধ্যমে, সেগুলো হল:
(i) ফটোইলেকট্রিক শোষণ এবং 
(ii) কম্পটন বিচ্ছুরণ। 

এক্স-রে:
- ১৮৯৫ সালে উইলহেম রন্টজেন এক্স-রে আবিষ্কার করেন।
- এক্স-রে এর একক হলো রন্টজেন যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়। 
- এক্স-রে -এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-8m থেকে 10-13m এর কাছাকাছি।
- এক্স-রে গ্যাসীয় মাধ্যমকে আয়নিত করে।

এক্স-রের ব্যবহার:
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায়।
- পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত করা যায়।
- এক্স-রে করে পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায়। 
- রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- দাঁতের ক্যাভিটি ও অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১) Title: "Bushberg's Physics of Medical Imaging"
Authors: Stewart C. Bushberg, John M. Boone, Edwin M. Leidholdt Jr., and J. Anthony Seibert
Publisher: Wolters Kluwer
Edition: 4th Edition (2018)
২) পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২১০.
নিচের কোনটি তাপ কুপরিবাহী নয়?
  1. ক) পানি
  2. খ) কাঁচ
  3. গ) কাঠ
  4. ঘ) রাবার
সঠিক উত্তর:
ক) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পানি
ব্যাখ্যা
যে সব পদার্থ খুব সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে তাকে তাপ সুপরিবাহী বলে।
যেমন - লোহা, তামা, অ্যালুমিনিয়াম, পানি ইত্যাদি।

যে সব পদার্থ সহজে তাপ পরিবহণ করতে পারে না তাকে তাপ কুপরিবাহী পদার্থ বলে।
যেমন - তুলা, কাঠ, পশম, কাঁচ, কাঠ ইত্যাদি।
১১,২১১.
অপ্টিকাল ফাইবার ব্যবহার করা হয় কোন যন্ত্রে?
  1. ক) ইসিজি
  2. খ) সিটিস্ক্যান
  3. গ) এন্ডোস্কোপি
  4. ঘ) এনজিওগ্রাফি
সঠিক উত্তর:
গ) এন্ডোস্কোপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এন্ডোস্কোপি
ব্যাখ্যা
চিকিৎসার কারণে দেহের ভেতরের কোনো অঙ্গকে বাইরে থেকে সরাসরি দেখার প্রক্রিয়ার নাম এন্ডোস্কোপি৷ এন্ডোস্কোপি যন্ত্রে অপটিকাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
১১,২১২.
পৃথিবীর বৃহত্তম ফুল কোনটি?
  1. র‍্যাফলেশিয়া
  2. ফণিমনসা
  3. রক্তজবা
  4. লরেন্স
সঠিক উত্তর:
র‍্যাফলেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাফলেশিয়া
ব্যাখ্যা
• র‍্যাফলেশিয়া (Rafflesia arnoldii) হলো পৃথিবীর বৃহত্তম একক ফুল।
- এটি বিশেষভাবে পরিচিত তার বিশাল আকার এবং দুর্গন্ধের জন্য।

• ফুল: 
- উদ্ভিদের বংশ রক্ষা ও বংশবিস্তারে সাহায্যকারী ফল ও বীজ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে পুষ্প বা ফুল বলা হয়।
- একটি সম্পূর্ণ ফুলে পাঁচটি অংশ উপস্থিত থাকে। যথা-
১. পুষ্পাক্ষ।
২. বৃতি। 
৩. দলমন্ডল। 
৪. পুংস্তবক। 
৫. স্ত্রীস্তবক।
- বৃন্তযুক্ত ফুলকে সবৃন্তক এবং বৃন্তহীন ফুলকে অবৃন্তক ফুল বলা হয়। 
- যখন কোন ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে তখন সেটি উভলিঙ্গ ফুল।  যেমন গোলাপ, ধুতুরা, জবা ইত্যাদি।
- পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যে কোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল বলে, যেমন কুমড়া আবার দুটিই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল বলা হয়।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও হার্ভাড ম্যাগাজিন।
১১,২১৩.
কোনটি হ্যালোজেন মৌল নয়? 
  1. আয়োডিন
  2. ব্রোমিন
  3. আর্গন
  4. ক্লোরিন
সঠিক উত্তর:
আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্গন
ব্যাখ্যা
হ্যালোজেন মৌল: 
- মৌলসমূহের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছিল। 
যেমন: ক্ষার ধাতু, মৃৎক্ষার ধাতু, মুদ্রা ধাতু, হ্যালোজেন, নিষ্ক্রিয় ধাতু ইত্যাদি। 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ-17 এর 6 টি মৌলকে হ্যালোজেন (Halogen) মৌল বলে। 
যেমন: ফ্লোরিন (F), ক্লোরিন (Cl), ব্রোমিন (Br), আয়োডিন (I), অ্যাস্টাটিন (At) এবং টেনেসিন (Ts)। 
- সকল হ্যালোজেন মৌলকে X দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- হ্যালোজেন মানে লবণ উৎপাদনকারী এবং এর মূল উৎস সামুদ্রিক লবণ। 
- হ্যালোজেন মৌলগুলোর সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে লবণ গঠিত হয়। 
যেমন: F এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ফ্লোরাইড লবণ কিংবা Cl এর সাথে Na যুক্ত হয়ে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ (NaCl) বা খাদ্য লবণ গঠিত হয়। 
- হ্যালোজেন মৌলগুলো নিজেরাই নিজেদের মধ্যে ইলেকট্রন ভাগাভাগি করে দ্বি-মৌল অণু গঠন করে। যেমন: Cl2, I2 ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- আর্গন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,২১৪.
বায়ুদূষণের কারণে কোন রোগটি হয়ে থাকে?
  1. ক) নিউমোনিয়া 
  2. খ) হাঁপানি
  3. গ) যক্ষ্মা
  4. ঘ) ফুসফুসের ক্যান্সার
সঠিক উত্তর:
খ) হাঁপানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাঁপানি
ব্যাখ্যা
বায়ুদূষণের কারণে হাঁপানি রোগটি হয়ে থাকে। 

হাঁপানি (Asthma)  শ্বাসনালীর এক ধরনের বৈকল্য, যে কারনে শ্বাসপ্রশ্বাসে অসুবিধা হয়। অধিকাংশ হাঁপানির আক্রমণ মৃদু, তবে উপযুক্ত চিকিৎসা না হলে অবস্থা মারাত্মক হতে পারে। অনেক সময়ে রোগটিতে সাঁ সাঁ শব্দসহ মারাত্মক রকমের শ্বাসকষ্ট হয়।

হাঁপানির দুটি প্রধান ধরন চিহ্নিত করা গেছে। প্রথমটিতে নাক, গলা, সাইনাস, এমনকি ফুসফুসেরও সংক্রমণ ঘটে, যাকে প্রায়শই ক্লোমনালি প্রদাহ বা ব্রংকাইটিস বলা হয়। দ্বিতীয়টি ব্যাপকতর। এটি একটি অ্যালার্জিক বিক্রিয়া যা বংশগত হতে পারে। অ্যালার্জিঘটিত হাঁপানিতে রোগী ফুলের রেণু, গৃহস্থালির ধুলাবালি, ছত্রাক, পশুর লোম, নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্তর গন্ধ, কীটনাশক, বিশেষ খাবার অথবা ঔষধের প্রতি সংবেদনশীল হতে পারে। উভয় ধরনের হাঁপানিতে ক্লোমনালির অভ্যন্তরীণ পথের মিউকাস আবরণী স্ফীত হওয়ার দরুন নালিগুলি সরু হয়ে যায় এবং মিউকাস রোধক তৈরি হয়।

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১১,২১৫.
কাজের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. ক) বল × সরণ
  2. খ) ভর × সরণ
  3. গ) ভর × বল
  4. ঘ) ভর × সময়
সঠিক উত্তর:
ক) বল × সরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বল × সরণ
ব্যাখ্যা
কাজ:

- কাজ = বল × সরণ।
- কাজ একটি স্কেলার রাশি। এর কোন দিক নেই ৷
- কাজের মাত্রা = বলের মাত্রা × সরণের মাত্রা।
- বলের একক হচ্ছে নিউটন (N) এবং সরণর একক হচ্ছে (m)। অতএব, কাজের একক হবে নিউটন মিটার (Nm)। নিউটন মিটারকে জুল (J)বলা হয়।
-  বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের দিকে সরে যায় তখন বল যে কাজ সম্পন্ন করে তাকে ধনাত্মক কাজ বলা হয়।
- বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের বিপরীত দিকে সরে যায় তাহলে সেই বল যে কাজ সম্পন্ন করে তাকে ঋণাত্মক কাজ বলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২১৬.
স্থির তড়িৎ এর ব্যবহার হয় -
  1. স্প্রের সাহায্যে কোন বস্তু রং করতে
  2. ফটোকপি মেশিনে
  3. ক্যামেরায়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

কল কারখানা থেকে নির্গত কালো ধোয়ার কারণে বায়ুদূষণ মুক্ত করা, ছোট বা অসম আকৃতির বস্তুকে স্প্রের সাহায্যে রং করা, উচ্চ বিভব সৃষ্টি করা ইত্যাদির জন্য আমরা স্থির তড়িৎ ব্যবহার করে থাকি।
এমনকি বর্তমানে যে সব মুভি ক্যামেরা এবং স্থির ক্যামেরা ব্যবহার করা হয় সেগুলোও পরিচালনার জন্য স্থির তড়িৎ ব্যবহার করা হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২১৭.
পেপটিক আলসার রোগ নির্ণয় করার জন্য কোন পরিক্ষাটি করা হয়?
  1. এন্ডোসকপি
  2. আলট্রাসনোগ্রাফি
  3. এক্সরে
  4. পি সি আর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি
ব্যাখ্যা
• এন্ডোস্কোপি:
- চিকিৎসার কারণে দেহের ভেতরের কোনো অঙ্গকে বাইরে থেকে সরাসরি দেখার প্রক্রিয়ার নাম এন্ডোস্কোপি।
- এন্ডোস্কোপি যন্ত্রে অপটিকাল ফাইবার ব্যবহার করা হয়।
- পেপটিক আলসার (Peptic Ulcer) মূলত পাকস্থলী বা ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাথমিক অংশ এ ঘটে।
- এটি হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি (Helicobacter pylori) ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসরণ, বা ব্যথানাশক ওষুধ (NSAIDs) গ্রহণের কারণে হতে পারে।
- এন্ডোস্কোপ (Endoscope) নামে ক্যামেরাযুক্ত একটি ছোট টিউব মুখের মাধ্যমে পাকস্থলীতে প্রবেশ করিয়ে সরাসরি আলসার দেখা যায়।
- আলসারের আকার, অবস্থান ও অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।
- যদি ক্যান্সারের সন্দেহ থাকে, তবে আলসারের টিস্যু সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
- H. pylori সংক্রমণ আছে কিনা তা পরীক্ষা করা যায়।

অন্যদিকে,
- আলট্রাসনোগ্রাফি - এটি মূলত নরম টিস্যু ও অন্তঃপ্রবাহী তরল পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা আলসার নির্ণয়ে কার্যকর নয়।
- এক্স-রে - সাধারণ এক্স-রে পেপটিক আলসার সরাসরি সনাক্ত করতে পারে না, তবে কিছু ক্ষেত্রে ব্যারিয়াম এক্স-রে (Barium X-ray) করা হতে পারে, যা তুলনামূলক কম কার্যকর।
- পি সি আর (PCR) -  ভুল, কারণ পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (PCR) মূলত ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার জিনগত উপাদান শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, যা আলসার নির্ণয়ের জন্য সাধারণত করা হয় না।

উৎস: ব্রিটানিকা ও National Institutes of Health।
১১,২১৮.
অর্ধপরিবাহীর যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তির পার্থক্য কোনটি?
  1. ক) প্রায় 1.1 eV
  2. খ) প্রায় 15.0 eV
  3. গ) প্রায় 25.1 eV
  4. ঘ) প্রায় 50.1 eV
সঠিক উত্তর:
ক) প্রায় 1.1 eV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রায় 1.1 eV
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। যেমন— জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ ।
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি।
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের।
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না।
- কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু ও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়।

অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য:
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0 K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে।  
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm এর মধ্যে থাকে। 
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার উঠা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়।  
৫। অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তির পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম।  
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,২১৯.
বর্তমান বৈজ্ঞানিক হিসেবে মহাবিশ্বের আনুমানিক বয়স কত?
  1. ৫.৭৫ বিলিয়ন বছর
  2. ১০.৫০ বিলিয়ন বছর
  3. ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
  4. ২০.৫০ বিলিয়ন বছর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর
ব্যাখ্যা

• বিগ ব্যাং প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) আগে সংঘটিত হয়েছিল।

• মহাবিশ্বের উৎপত্তি:

- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সম্পর্কে যেসব তত্ত্ব প্রচলিত আছে, তার মধ্যে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য হলো বিগ ব্যাং তত্ত্ব—বাংলায় যাকে মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বলা হয়।

 
• বিগ ব্যাং তত্ত্বের মূল ধারণা:

- এই তত্ত্ব অনুযায়ী, মহাবিশ্ব একসময় ছিল অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত এবং অসীম ঘনত্বের (Infinitely Dense) অবস্থায়।
পরবর্তীতে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্ব অত্যন্ত দ্রুত প্রসারিত হতে শুরু করে।

- এই দ্রুত প্রসারণের ফলেই—

- মহাবিশ্ব ধীরে ধীরে ঠান্ডা হয়,
- এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়।
 
• সময়কাল ও বয়স:

- আধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুযায়ী,

- বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) আগে।
- এটিকেই বর্তমানে মহাবিশ্বের আনুমানিক বয়স হিসেবে ধরা হয়।
 
• বৈজ্ঞানিক গ্রহণযোগ্যতা:

- বিগ ব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত ও প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব।
- জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষণে প্রাপ্ত প্রায় সব তথ্য এই তত্ত্বকে সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম।

- বর্তমান সময়ে অধিকাংশ জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী—

- এই তত্ত্বের পক্ষে ঐকমত্য প্রকাশ করেছেন,
- এবং মহাবিশ্বের উৎপত্তি ব্যাখ্যায় এটিকেই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মডেল হিসেবে মান্যতা দিয়েছেন।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

১১,২২০.
সমটান সম্পন্ন একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পনাঙ্কের কতটা পরিবর্তন ঘটবে?
  1. অর্ধেক হবে
  2. দ্বিগুণ হবে
  3. তিনগুণ হবে
  4. চারগুণ হবে
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্ধেক হবে
ব্যাখ্যা
- টানা তারে আড় কম্পনের দৈর্ঘ্যের সূত্রানুযায়ী টান স্থির থাকলে একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য এর কম্পাঙ্কের ব্যস্তানুপাতিক।
অর্থাৎ, তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পনাঙ্ক অর্ধেক হবে। 
১১,২২১.
জাহাজের সার্চলাইটে কোন ধরনের দর্পণ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) উত্তল
  2. খ) অবতল
  3. গ) সমতলীয়
  4. ঘ) গোলীয়
সঠিক উত্তর:
খ) অবতল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অবতল
ব্যাখ্যা
জাহাজ এবং লঞ্চ এর সার্চলাইটে অবতল দর্পণ ব্যবহৃত হয়। 

কোনো গোলকের অবতল পৃষ্ঠ যদি প্রতিফলকরূপে কাজ করে অর্থাৎ আলোর নিয়মিত প্রতিফলন যদি গোলীয় দর্পণের অবতল পৃষ্ঠ হতে সংঘটিত হয় তবে সে দর্পণকে অবতল দর্পণ বলে।

অবতল দর্পণের বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ :
১. অবতল দর্পণে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে।
২. অবতল দর্পণ একটি অভিসারী দর্পণ।
৩. অবতল দর্পণে সব ধরনের (বাস্তব ও অবাস্তব) বিম্ব গঠিত হয়।

অবতল দর্পণ ব্যবহারসমূহ- 
১. সুবিধাজনক আকৃতির অবতল দর্পণ ব্যবহার করে মুখমণ্ডলের বিবর্ধিত এবং সোজা প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, এতে রূপচর্চা ও দাঁড়ি কাটার সুবিধা হয়।
২. দন্ত চিকিৎসকগণ অবতল দর্পণ ব্যবহার করেন।
৩. প্রতিফলক হিসেবে অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়। যেমন– টর্চলাইট, স্টিমার বা লঞ্চের সার্চলাইটে অবতল দর্পণ ব্যবহার করে গতিপথ নির্ধারণ করা হয়।
৪. অবতল দর্পণের সাহায্যে আলোকশক্তি, তাপশক্তি ইত্যাদি কেন্দ্রীভূত করে কোনো বস্তুকে উত্তপ্ত করতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও এটি রাডার এবং টিভি সংকেত সংগ্রহে ব্যবহৃত হয়। যেমন– ডিশ এন্টেনা, সৌরচুল্লী, টেলিস্কোপ এবং রাডার সংগ্রাহক ইত্যাদি।
৫. অবতল দর্পণের সাহায্যে আলোক রশ্মিগুচ্ছকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করা যায় বলে ডাক্তাররা চোখ, নাক, কান ও গলা পরীক্ষা করার সময় এ দর্পণ ব্যবহার করেন।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,২২২.
ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণ সবচেয়ে বেশি ঘটে কোথায়?
  1. টেকটোনিক প্লেটের মধ্যভাগে 
  2. সমুদ্রের গভীরে 
  3. মেরু অঞ্চলে 
  4. টেকটোনিক প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে 
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকটোনিক প্লেটগুলোর সংযোগস্থলে 
ব্যাখ্যা

প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব: 
- প্লেট টেকটোনিক তত্ত্ব অনুসারে, পৃথিবীর শিলামণ্ডল কয়েকটি পৃথক প্লেটে বিভক্ত, যা গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের ওপরে ভাসমান অবস্থায় থাকে।
- এই প্লেটগুলো প্রতিবছর কয়েক সেন্টিমিটার করে সরে যায়, কখনো একে অপরের থেকে দূরে সরে, আবার কখনো পরস্পরের দিকে আসে বা পরস্পরের সঙ্গে ঘষা খায়। 
- প্লেটগুলোর সংযোগস্থলেই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগীরণের ঘটনা বেশি ঘটে, বিশেষত যেখানে উঁচু পর্বতশ্রেণী বিদ্যমান। 
- প্লেটগুলোর সংঘর্ষ ও ঘর্ষণের ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়, যা ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলিয়ে ফেলে। 
- এই গলিত পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত এবং চাপের ফলে ভূপৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে এলে তা লাভা নামে পরিচিত হয় এবং এই প্রক্রিয়াকে আগ্নেয়গিরির উদগীরণ বলা হয়। 
- প্লেটগুলোর সংঘর্ষের ফলে যখন পৃথিবী কেঁপে ওঠে, তখন ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১১,২২৩.
কোন অঙ্গানু ব্যাকটেরিয়ার সালোকসংশ্লেষণে সাহায্য করে?
  1. ক) ফ্ল্যাজেলা
  2. খ) ক্যাপসিউল
  3. গ) ক্রোম্যাটোফোর
  4. ঘ) ভলিউটিন
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রোম্যাটোফোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রোম্যাটোফোর
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজম
- সাইটোপ্লাজমিক মেমব্রেন দিয়ে পরিবেষ্টিত অবস্থায় সাইটোপ্লাজম থাকে।
- এটি সাধারণত বর্ণহীন।
- এতে কোষগহ্বর, চর্বি, শর্করা জাতীয় খাদ্য, প্রোটিন যার অধিকাংশই এনজাইম, বিভিন্ন ধরনের খনিজ পদার্থ যেমন- ফসফরাস, লৌহ ও সালফার ইত্যাদি বিদ্যমান থাকে।
- ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে কিছু পদার্থ বিক্ষিপ্ত অবস্থায় দেখা যায়। যেমন
১। রাইবোসোম (70S),
২। ক্রোম্যাটোফোর,
৩। কোষ কোষগহ্বর এবং
৪। ভলিউটিন।

রাইবোসোম- প্রতিটি রাইবোসোম RNA ও প্রোটিন সহযোগে গঠিত। প্রোটিন সংশ্লেষণ করাই রাইবোসোমের প্রধান কাজ।
ক্রোম্যাটোফোর- কতক ব্যাকটেরিয়াতে ক্রোম্যাটোফোর থাকে। এসব রঞ্জক পদার্থ ব্যাকটেরিয়ার সালোকসংশ্লেষণে সাহায্য করে।
কোষগহ্বর- ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে অত্যন্ত ছোট ছোট কোষ গহবর থাকে।
ভলিউটিন- তরুণ ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে এবং পুরাতন কোষের কোষগহ্বরে ভলিউটিন থাকে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২২৪.
সালফিউরিক এসিডে সালফার এর জারণ সংখ্যা কত?
  1. ক) - ৬
  2. খ) + ২
  3. গ) - ২
  4. ঘ) + ৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) + ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) + ৬
ব্যাখ্যা
ধরি, H2SO4 এ সালফারের জারণ সংখ্যা x 

অতএব, (+ 1) 2 + x + (- 2) × 4 = 0
⇒ 2 + x - 8 = 0
∴ x = + 6

সালফারের জারণ সংখ্যা +6

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি 
১১,২২৫.
কোনটি রক্ত আমাশয়ের জীবাণু?
  1. সিগেলা
  2. জিয়ার ডিয়া
  3. ক্যামপাইলোব্যাকটার
  4. সালমোনলা
সঠিক উত্তর:
সিগেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিগেলা
ব্যাখ্যা
- রক্ত আমাশয়ের প্রধান কারণ হলো এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া যার নাম শিগেলা। 
- এই শিগেলা নামক ব্যাকটেরিয়াও দূষিত খাবার বা পানির মাধ্যমে পরিবাহিত হয়। 

রক্ত আমাশয়ের লক্ষণ হলো - 
- পেটে তীব্র মোচড় দিয়ে ব্যথা হওয়া, 
- অল্প অল্প করে বার বার পায়খানা, 
- পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়া এবং মলস্বারে তীব্র ব্যথা হওয়া। 

Dysentery is an infection of the intestines that causes diarrhoea containing blood or mucus.
- There are 2 main types of dysentery:
• bacillary dysentery or shigellosis, which is caused by shigella bacteria; this is the most common type of dysentery in the UK
• amoebic dysentery or amoebiasis, which is caused by an amoeba (single celled parasite) called Entamoeba histolytica

Source: NHS
১১,২২৬.
চুনের পানিতে লিটমাস পেপার ডুবালে কী হয়?
  1. ক) লাল লিটমাস নীল হয়
  2. খ) নীল লিটমাস লাল হয়
  3. গ) লাল লিটমাস সাদা হয়
  4. ঘ) নীল লিটমাস কালো হয়
সঠিক উত্তর:
ক) লাল লিটমাস নীল হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লাল লিটমাস নীল হয়
ব্যাখ্যা
CaO + H2O = Ca(OH)2
ক্যালসিয়াম অক্সাইড (চুন) + পানি --> ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
Ca(OH)2, স্ন্যাক লাইম নামেই বেশি পরিচিত। এই বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন হয় যার ফলে পানি ফুটতে থাকে। স্ন্যাক লাইম বা Ca(OH)2, পানিতে খুব অল্প পরিমাণে দ্রবীভূত হয়।
আর, পানিতে Ca(OH)2, এর সম্পৃক্ত দ্রবণকেই চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার বলা হয়।

লিটমাস পেপার এসিডে ডুবালে নীল লিটমাস লাল হয়।
আবার, ক্ষারকের দ্রবণে ডুবালে লাল লিটমাসকে নীল করে।

চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার ক্ষারকীয় দ্রবণ। তাই এতে লিটমাস পেপার ডুবালে লাল লিটমাস নীল হবে।
১১,২২৭.
আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে কোনটি তৈরি করা হয়?
  1. ক) পেরিস্কোপ
  2. খ) টেলিস্কোপ
  3. গ) নভো-দূরবীক্ষণ যন্ত্র
  4. ঘ) অণুবীক্ষণ যন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ক) পেরিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পেরিস্কোপ
ব্যাখ্যা

আলোর প্রতিফলনকে কাজে লাগিয়ে পেরিস্কোপ তৈরি হয়। 

পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়। আলো এসে প্রথম দর্পণে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো যখন প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখতে পাই না তা আমরা দেখতে পাই। এটি তৈরি হয় সমকোণে দুবার বাঁকানো একটি লম্বা টিউবের দুই প্রান্তে সমতল দর্পণের দুটি ফালি স্থাপন করে। দর্পণের প্রতিফলন ‘তল’ এমনভাবে স্থাপিত যাতে নলটির অঙের সঙ্গে তা ৪৫ ডিগ্রি কোণ সৃষ্টি করতে পারে। ডুবোজাহাজ বা যুদ্ধের ট্যাংকে পেরিস্কোপের ব্যবহার অপরিহার্য। পেরিস্কোপের সাহায্যে পানির তলায় ডুবে থাকা ডুবোজাহাজ থেকে পানির উপরিভাগের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা যায়।

উৎস: নবম অধ্যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির বিজ্ঞান বই।

১১,২২৮.
জিঙ্ক সালফেটকে কী বলা হয়?
  1. ব্লু ভিট্রিওল
  2. হোয়াইট ভিট্রিওল
  3. চাইনিজ হোয়াইট
  4. গ্রিন ভিট্রিওল
সঠিক উত্তর:
হোয়াইট ভিট্রিওল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোয়াইট ভিট্রিওল
ব্যাখ্যা
• জিঙ্ক সালফেটকে বলা হয় হোয়াইট ভিট্রিওল।

• হোয়াইট ভিট্রিওল:
- জিঙ্ক সালফেট একটি অজৈব লবণ, যা হোয়াইট ভিট্রিওল নামে পরিচিত। এর রাসায়নিক সংকেত ZnSO4·7H2O।

• "ভিট্রিওল" শব্দটি ল্যাটিন vitriolum (কাচের মতো) থেকে এসেছে, কারণ এই লবণগুলি কাচের মতো স্বচ্ছ স্ফটিক গঠন করে।

অন্যদিকে,
• ব্লু ভিট্রিওল (কপার সালফেট):  

- আর্দ্র কপার সালফেটকে বলা হয় ব্লু ভিট্রিওল। 
- এর রাসায়নিক সংকেত CuSO4·5H2O
- এটি সাধারণত ছত্রাকনাশক, কীটনাশক এবং ইলেক্ট্রোপ্লেটিং-এ ব্যবহৃত হয়।

• গ্রিন ভিট্রিওল :  
- আর্দ্র ফেরাস সালফেটকে বলা হয় গ্রিন ভিট্রিওল। এর রাসায়নিক সংকেত FeSO4·7H2O।
- এটি একটি সবুজ রঙের স্ফটিক।
- এটি আয়রনের ঘাটতিজনিত রোগ এবং কিছু শিল্প প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।

• চাইনিজ হোয়াইট:
- জিঙ্ক অক্সাইড ZnO কে চাইনিজ হোয়াইট বলা হয়। 

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
১১,২২৯.
গ্রীণ হাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীতে কী ঘটছে?
  1. ক) পৃথিবীতে বনের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  2. খ) ওজন স্তর ধ্বংস হচ্ছে।
  3. গ) বিলুপ্ত প্রাণীর প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  4. ঘ) শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়া।
সঠিক উত্তর:
খ) ওজন স্তর ধ্বংস হচ্ছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওজন স্তর ধ্বংস হচ্ছে।
ব্যাখ্যা
গ্রীণ হাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীতে ওজন স্তর ধ্বংস হচ্ছে

বাংলাদেশে সম্ভাব্য গ্রীণ হাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলাফল-
১. ভূপৃষ্ঠের নিচু এলাকায় প্লাবন
২. প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতি
৩. লবণাক্ততার বিস্তার
৪. বন্যা ঝড় জলােচ্ছাস
৫. আবহাওয়াগত বিপর্যয়
৬. এসিড বৃষ্টি

সূত্র: NASA Website [লিঙ্ক]
১১,২৩০.
নিচের কোনটি অগ্রমস্তিষ্কের অংশ?
  1. ক) সেরেবেলাম
  2. খ) হাইপোথ্যালামাস
  3. গ) কর্পোরা কোয়াড্রিজেমিনা
  4. ঘ) সেরেব্রাল পেডাঙ্কল
সঠিক উত্তর:
খ) হাইপোথ্যালামাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাইপোথ্যালামাস
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- সেরেব্রাম, থ্যালামাস, হাইপোথ্যালামাস হলো অগ্রমস্তিষ্কের অংশ।
- সেরেব্রাল পেডাঙ্কল, কর্পোরা কোয়াড্রিজেমিনা, সেরেব্রাল অ্যাকুইডাক্ট হলো মধ্যমস্তিষ্কের অংশ।
- সেরেবেলাম, মেডুলা অবলংটা, পনস হলো পশ্চাৎমস্তিষ্কের অংশ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১১,২৩১.
কোন কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হবে?
  1. ক) কপার
  2. খ) আয়রন
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) বরফ
সঠিক উত্তর:
গ) আয়োডিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আয়োডিন
ব্যাখ্যা
যে সকল কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে সরাসরি বাষ্পে পরিণত হয় তাদেরকে উদ্বায়ী পদার্থ বলে। যেমন আয়োডিন, নিশাদল, কর্পূর, ন্যাপথালিন, কঠিন কার্বন ডাই অক্সাইড।
উৎসঃ রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি
১১,২৩২.
বৃহদন্ত্র : কোলন :: ক্ষুদ্রান্ত : ?
  1. ইলিয়াম
  2. মলাশয়
  3. কোলন
  4. সিকাম
সঠিক উত্তর:
ইলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইলিয়াম
ব্যাখ্যা
• পরিপাক নালি:
- মানবদেহে পরিপাক ও পরিশোষণ পরিপাকতন্ত্রের মাধ্যমে সংগঠিত হয়।
- পরিপাকতন্ত্র পরিপাক নালি ও পরিপাক গ্রন্থি নিয়ে গঠিত।
- মানুষের পরিপাক নালি মুখ থেকে পায়ু পর্যন্ত ৮-১০ মিটার বিস্তৃত দীর্ঘ নালি বিশেষ যা কোথাও থলির ন্যায় স্ফীত আবার কোথাও কুণ্ডলীকৃত।

• পরিপাক নালির অংশসমূহ:
- মুখছিদ্র,
- মুখবিবর,
- গলবিল,
- অন্ননালি,
- পাকস্থলি,
- ক্ষুদ্রান্ত্র,
- বৃহদন্ত্র।

• ক্ষুদ্রান্ত:
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশ ক্ষুদ্রান্ত।
• এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। যথা:
- ডিওডেনাম, জেজুনাম ও ইলিয়াম।
- ডিওডেনামে মূলত অগ্ন্যাশয় রসের এনজাইমের ক্রিয়া এবং জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে।

• বৃহদন্ত্র:
- পৌষ্টিকনালির শেষোক্ত বৃহৎ নলাকার অংশ যা ক্ষুদ্রান্ত্রের পর থেকে প্রায় ২ মিটার লম্বা মলাশয় পর্যন্ত বিস্তৃত।
• বৃহদন্ত্র তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা:
- সিকাম, কোলন ও মলাশয়।
- সিকাম বৃহদন্ত্রের প্রথম, বড় স্ফীত ও গোলাকার থলের মতো অংশ।
- সিকাম থেকে একটি ক্ষুদ্র আঙ্গুল ও বন্ধ থলের ন্যায় প্রসারিত অংশকে অ্যাপেনডিক্স বলা হয়।
- এটি একটি নিষ্ক্রিয় অঙ্গ।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৩৩.
রাদারফোর্ডের কোন পরীক্ষার মাধ্যমে পরমাণুর কেন্দ্রের অস্তিত্ব জানা যায়? 
  1. β কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
  2. α কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
  3. ∞ কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
  4. γ কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
α কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
α কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা
ব্যাখ্যা

রাদারফোর্ড পরমাণু মডেল: 
- বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড 1911 সালে α-কণা বিচ্ছুরণ পরীক্ষা শেষে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল উপস্থাপন করেন। সেটি হলো- 

i. পরমাণুর দুটি অংশ একটি নিউক্লিয়াস এবং অপরটি নিউক্লিয়াসের বাইরের অংশ।
ii. পরমাণু প্রায় সমস্ত ভর পরমাণুর আয়তনের তুলনায় খুব সূক্ষ্ম স্থানে পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে। পরমাণুর কেন্দ্রের এ সূক্ষ্ম অংশকে নিউক্লিয়াস বলে। নিউক্লিয়াসের আকার গোলাকার এবং ব্যাস 10-12 10-13 cm এর মধ্যে।
iii. ভারী ধনাত্মক আধান যুক্ত কণা প্রোটন পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে। ইলেকট্রনের ভর অত্যন্ত নগণ্য। পরমাণুর প্রায় সমস্ত ভর নিউক্লিয়াসে কেন্দ্রীভূত থাকে।
iv. পরমাণু আধান নিরপেক্ষ। পরমাণুতে ধনাত্মক আধান যুক্ত প্রোটনের সংখ্যা ও ঋণাত্মক আধান যুক্ত ইলেকট্রনের সংখ্যা সমান থাকে। একটি প্রোটন যে পরিমাণ ধনাত্মক আধান বহন করে, একটি ইলেকট্রন ঠিক ঐ একই পরিমাণ ঋণাত্মক আধান বহন করে।
v. নিউক্লিয়াসের বাইরে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বৃত্তাকার পথে সমদ্রুতগতিতে আবর্তন করে।

• রাদারফোর্ড পরমাণুর মডেলকে সৌর মডেলের সাথে তুলনা করা হয়। কারণ-
- রাদারফোর্ড তাঁর পরমাণু মডেলকে সৌরজগতের সাথে তুলনা করেন।
- সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ কক্ষ পথে বিভিন্ন গ্রহগুলো যেভাবে পরিভ্রমণ করে ঠিক একইভাবে ইলেকট্রনগুলো নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে নিজ নিজ কক্ষপথে তীব্র বেগে পরিভ্রমণ করে।
- তাঁর ধারণা মতে নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের মধ্যে বিদ্যমান স্থির বৈদ্যুতিক আকর্ষণজনিত কেন্দ্রমুখী বল এবং অপরটি ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের কেন্দ্রবিমুখী বল।
- এ দুই প্রকার বলের মান পরস্পর সমান কিন্তু বিপরীতমুখী।
- তাই বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণু মডেলকে সৌর মডেলের সাথে তুলনা করেন।

তথ্যসূত্র: রসায়ন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১,২৩৪.
এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় -
  1. ক) ১০-৭ মি
  2. খ) ১০-৬ মি
  3. গ) ১০-৯ মি
  4. ঘ) ১০-১০ মি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০-১০ মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০-১০ মি
ব্যাখ্যা
- এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুব ছোট।
- এ রশ্মি অত্যন্ত ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- এক্স - রে এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য প্রায় ১০-১০ মি।

[তথ্যসূত্র - পদার্থ বিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, ড সাহজাহান তপন, পৃষ্ঠা - ৩৮8]
১১,২৩৫.
ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটরের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিটকে কী বলে? 
  1. RAM
  2. ROM
  3. IC
  4. Motherboard
সঠিক উত্তর:
IC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IC
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট(IC):
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি(IC) নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
- যার ফলে সাথে সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।
- আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার আইবিএম সিস্টেম ৩৬০।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
১১,২৩৬.
সূক্ষ্ম রক্তনালিকার ব্লকেজ পরীক্ষা করার প্রযুক্তির নাম হলো-
  1. ক) এনজিওগ্রাফি
  2. খ) এন্ডোস্কোপি
  3. গ) এমআরআই
  4. ঘ) সিটিস্ক্যান
সঠিক উত্তর:
ক) এনজিওগ্রাফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এনজিওগ্রাফি
ব্যাখ্যা
এনজিওগ্রাফি
এনজিওগ্রাফি হলো এমন একটি প্রতিবিম্ব তৈরির পরীক্ষা যেখানে শরীরের রক্তনালিকাসমূহ দেখার জন্য এক্সরে ব্যবহার
করা হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তবাহী শিরা বা ধমনীগুলো সরু, ব্লকেজ  ও প্রসারিত হয়েছে কী না তা নির্ণয় করা যায়।
রক্তনালিতে ব্লক  এবং রক্তনালি সরু এবং অপ্রসস্থ হলে শরীরে রক্তের স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘ্নিত হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৩৭.
রক্তরসে শতকরা জৈব ও অজৈব পদার্থের পরিমাণ কত?
  1. ক) ৮-৯%
  2. খ) ১০-১৫%
  3. গ) ৮২-৮৬%
  4. ঘ) ৯১-৯২%
সঠিক উত্তর:
ক) ৮-৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮-৯%
ব্যাখ্যা
রক্তরস হল রক্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি ঈষৎ হলুদাভ তরল যা সাধারণত দেহের বিভিন্ন প্রকার রক্তকোষ ধারণ করে। মানব দেহের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগই হল রক্তরস। রক্তরসে শতকরা প্রায় ৯১-৯২% পানি এবং ৮-৯% জৈব ও অজৈব পদার্থ থাকে। সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১১,২৩৮.
ডিমের কুসুমে কোন প্রোটিন বিদ্যমান?
  1. অ্যালবুমিন
  2. গ্লোবিউলিন
  3. গ্লুটেনিন
  4. হিস্টোন
সঠিক উত্তর:
গ্লোবিউলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লোবিউলিন
ব্যাখ্যা
• গ্লোবিউলিন (Globulin): 
- জাতীয় প্রোটিন পানিতে দ্রবীভূত হয় না কিন্তু লবণের দ্রবণে দ্রবীভূত হয়।
- উচ্চতাপে গ্লোবিউলিন সহজে জমাট বাঁধে।
- যেমন: ডিমের কুসুম (অভোগ্লোবিউলিন), রক্তরস (সিরাম গ্লোবিউলিন), চোখের লেন্স (ক্রিস্টালিন গ্লোবিউলিন), মাংসপেশি (মায়োসিন গ্লোবিউলিন) ইত্যাদি গ্লোবিউলিন প্রোটিনের উদাহরণ। 

অন্যদিকে,
- গ্লুটেলিন (Glutelin): এসব প্রোটিন লঘু অম্লিয় ও ক্ষারিয় দ্রবণে দ্রবীভূত হয়। এ প্রোটিনগুলো উত্তাপে জমাট বাঁধে না। যেমন-ধানের অরাইজেনিন এবং গমের গুটেলিন।
- হিস্টোন (Histone): এ জাতীয় প্রোটিন পানি অথবা পাতলা ক্ষার বা এসিড দ্রবণে দ্রবীভূত হয় এবং উত্তাপে সহজে জমে না। হিস্টোনে ক্ষারীয় অ্যামিনো এসিড যেমন-আরজিনিন ও লাইসিন থাকে। 
- অ্যালবুমিন (Albumin): যে সব প্রোটিন পানিতে বা লবণের দ্রবণে সহজে দ্রবীভত হয়ে ঘোলাটে দ্রবণ তৈরি করে তাদের অ্যালবুমিন বলে।যেমন- ডিমের সাদা অংশ, রক্তরস ও লসিকার সিরাম।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
১১,২৩৯.
20 Hz এর নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে কী বলা হয়? 
  1. শব্দেতর তরঙ্গ 
  2. শব্দোত্তর তরঙ্গ 
  3. শ্রাব্য তরঙ্গ 
  4. আল্ট্রাসনিক তরঙ্গ 
সঠিক উত্তর:
শব্দেতর তরঙ্গ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দেতর তরঙ্গ 
ব্যাখ্যা

শ্রাব্যতার সীমা, শব্দেতর ও শব্দোত্তর তরঙ্গ: 
- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
- কিন্তু কম্পন হলেই শব্দ শোনা যাবে তা কিন্তু নয়। 
- মানুষের শ্রবণ যন্ত্রের সীমাবদ্ধতা আছে। 
- মানুষ শ্রবণ ইন্দ্রিয় 20 Hz থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে। 
- তাই বলা হয় মানুষের শ্রাব্যতার সীমা 20 থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে। 
- 20 থেকে 20,000 Hz এই সীমার নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দেতর তরঙ্গ এবং উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গ। - অবশ্য সবার শ্রাব্যতার পাল্লা সমান নয়। 
- মানুষ ভেদে এর তারতম্য আছে। 
- কয়েকটি প্রাণীর গড় শ্রাব্যতার পাল্লা নিচের ছকে উল্লেখ করা হলো -


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১,২৪০.
কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়? 
  1. এমআরআই
  2. কেমোথেরাপি
  3. এনজিওগ্রাফি
  4. আলট্রাসনোগ্রাফি
সঠিক উত্তর:
কেমোথেরাপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেমোথেরাপি
ব্যাখ্যা
- 'কেমোথারেপি' প্রযুক্তির মাধ্যমে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়। 

কেমোথেরাপি: 
- ক্যান্সারে শরীরের কিছু কোষ বিভাজনের গতি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়। 
- কেমোথেরাপি হলো এমন এক চিকিৎসা, যেখানে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক ঔষধ ব্যবহার করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর দ্রুত বিভাজনরত ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়। 
- কেমোথেরাপি হলো ক্যান্সারের চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি। 
- প্রতিটি জীবদেহ কোষ দ্বারা গঠিত যে কোষ বৃদ্ধি পায় বা বিভাজিত হয়। 
 - জীবদেহের এই কোষ বিভাজনের ওপর ভিত্তি করে কেমোথেরাপি গঠিত হয়েছে। 
- কেমোথেরাপিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক ঔষধ কোষ বিভাজনের নির্দিষ্ট ধাপে প্রয়োগ করা হয়। 
- কোষ বিভাজনের কোন ধাপে কী প্রয়োগ করা হবে তার ওপর নির্ভর করে রাসায়নিক ঔষধগুলো ঠিক করা হয়। 
- এটি একটি নির্দিষ্ট সময় জুড়ে থাকে। যেমন: প্রতিদিনে ১ বার, সপ্তাহে ১ বার বা মাসে ১ বার ইত্যাদি। সাধারণত এভাবে প্রায় ৬ বার ঔষধ প্রয়োগ করা হয়। 
- কেমোথেরাপির বিশেষ ঔষধ ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ ছাড়াও সংশ্লিষ্ট অন্য কোষও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। 

অন্যদিকে, 
- এমআরআই, এনজিওগ্রাফি, আলট্রাসনোগ্রাফি হলো বিভিন্ন ধরনের ইমেজিং পদ্ধতি যেগুলো রোগের নির্ণয় বা নিদান করতে ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,২৪১.
অক্সিজেনের আবিষ্কারক কে? 
  1. রাদারর্ফোড
  2. এডিসন
  3. জোসেফ প্রিস্টলে
  4. ভ্যান হেলমন্ট
সঠিক উত্তর:
জোসেফ প্রিস্টলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোসেফ প্রিস্টলে
ব্যাখ্যা
- ১৭৭৪ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ রসায়নবিদ জোসেফ প্রিস্টলে অক্সিজেন (অম্লজান) আবিষ্কার করেন। 
- অক্সিজেন কথাটির অর্থ অম্ল উৎপাদক। 

অন্যদিকে, 
- ১৯১১ সালে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড পরমাণুর গঠন সম্পর্কে একটি মডেল প্রদান করেন। 
- টমাস আলভা এডিসন ফনোগ্রাফ এবং বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেন। 
- জ্যান ভ্যান হেলমন্ট উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে তার অগ্রণী পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত, সাধারণত "willow tree experiment" হিসাবে পরিচিত। এই পরীক্ষাটি প্রমাণ করেছে যে উদ্ভিদ প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র মাটির চেয়ে মূলত পানি থেকে তাদের ভর অর্জন করে, উদ্ভিদের দেহতত্ত্ব এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে পানির ভূমিকা সম্পর্কে আমাদের বোঝার ক্ষেত্রে অবদান রাখে। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং ব্রিটানিকা।
১১,২৪২.
সালোকসংশ্লেষণ কোন শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে? 
  1. তড়িৎশক্তি
  2. আলোকশক্তি
  3. তাপশক্তি
  4. যান্ত্রিকশক্তি
সঠিক উত্তর:
আলোকশক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোকশক্তি
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis): 
- সবুজ উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, এরা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) এবং পানি থেকে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি করে। 
- সবুজ উদ্ভিদে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য তৈরি হওয়ার এ প্রক্রিয়াকে সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) বলা হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- সবুজ উদ্ভিদে প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদ নিজে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় বিপাকীয় প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে ব্যবহার করে এবং অবশিষ্ট খাদ্য ফল, মূল, কাণ্ড অথবা পাতায় সঞ্চিত রাখে। উদ্ভিদে সঞ্চিত এই খাদ্যের উপরেই মানবজাতি ও অন্যান্য জীবজন্তুর অস্তিত্ব নির্ভর করে। 
- সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো হলো- ক্লোরোফিল, আলো, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড। 
- সালোকসংশ্লেষণ একটি জৈব রাসায়নিক (biochemical) বিক্রিয়া। 
যেমন: 

- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান। 
- স্থলজ সবুজ উদ্ভিদ মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পানি শোষণ করে পাতার মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টে পৌঁছায় এবং স্টোমা বা পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে বায়ু থেকে CO2 গ্রহণ করে, যা মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টে পৌঁছে।
- জলজ উদ্ভিদ পানিতে দ্রবীভূত CO2 গ্রহণ করে। 
- বায়ুমণ্ডলে 0.03% এবং পানিতে 0.3% CO2 আছে, তাই জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি। 
- অক্সিজেন এবং পানি সালোকসংশ্লেষণের উপজাত দ্রব্য (by-product)। 
- এটি একটি জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়া (oxidation-reduction process), এ প্রক্রিয়ায় H2O জারিত হয় এবং CO2 বিজারিত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,২৪৩.
দেহ গঠনে কোন উপাদানের প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) শ্বেতসার
  2. খ) আমিষ
  3. গ) ভিটামিন
  4. ঘ) পানি
সঠিক উত্তর:
খ) আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আমিষ
ব্যাখ্যা

- আমিষ বা প্রোটিন ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধিসাধন ও দেহ গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- শর্করা বা শ্বেতসার শক্তি উৎপাদন করে।
- চর্বি বা স্নেহ তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,২৪৪.
নিচের কোন শক্তির উৎসটি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. কয়লা
  2. বায়োগ্যাস
  3. বায়ুশক্তি
  4. পানির জোয়ারভাটা
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা

• কয়লা অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

• শক্তির উৎস:

- আমরা বিভিন্ন শক্তির উৎস থেকে শক্তি পাই। এই শক্তির উৎস প্রধানত দুই ধরনের—

- নবায়নযোগ্য শক্তি,
- অনবায়নযোগ্য শক্তি।
 
• নবায়নযোগ্য শক্তি:

- নবায়নযোগ্য শব্দ থেকেই বোঝা যায় যে, যে শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় বা নতুন করে উৎপাদন করা যায়, তাকে নবায়নযোগ্য শক্তি বলা হয়।
- অর্থাৎ, কোনো উৎস ব্যবহার করে শক্তি উৎপাদনের পর সেই উৎসটি আবার ব্যবহার করে পুনরায় শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব হলে, সেই শক্তি উৎসকে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস বলা হয়।

• নবায়নযোগ্য শক্তির বৈশিষ্ট্য:

- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস বারবার ব্যবহার করা যায়।
- এই শক্তি সাধারণত পরিবেশবান্ধব।
- দীর্ঘমেয়াদে এই শক্তির উৎস নিঃশেষ হয়ে যায় না।
 
• নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ:

- সূর্যশক্তি,
- বায়ুশক্তি,
- পানি,
- বায়োগ্যাস,
- পানির জোয়ারভাটা।

• অনবায়নযোগ্য শক্তি:

- অনবায়নযোগ্য শক্তি বলতে সেই শক্তিকে বোঝায়, যা একবার ব্যবহার করা হলে তার উৎস থেকে পুনরায় শক্তি উৎপাদন করা যায় না।
- এই শক্তির উৎসগুলো মূলত প্রাকৃতিক সম্পদ, যা পুনরায় উৎপন্ন হতে অত্যন্ত দীর্ঘ সময় লাগে অথবা আদৌ পুনরায় উৎপন্ন হয় না।

- ফলে, মানুষ যেসব হারে এই শক্তি ব্যবহার করছে, তার তুলনায় প্রকৃতিতে এগুলো তৈরি হতে অনেক বেশি সময় প্রয়োজন হয়।
- এই কারণেই অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস একসময় নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

 
• অনবায়নযোগ্য শক্তির বৈশিষ্ট্য:

- একবার ব্যবহার করলে পুনরায় উৎপাদন করা যায় না।
- প্রাকৃতিকভাবে গঠিত হতে দীর্ঘ সময় লাগে।
- অধিক ব্যবহারে শক্তির সংকট সৃষ্টি হতে পারে।
- পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি।
 
• অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ:

- কয়লা,
- তেল,
- প্রাকৃতিক গ্যাস,
- ইউরেনিয়াম।

উৎস: বিজ্ঞান, ৭ম শ্রেণি।

১১,২৪৫.
পৃথিবী কোন দিক থেকে কোন দিকে আবর্তন করে?
  1. পশ্চিম থেকে পূর্ব
  2. পূর্ব থেকে পশ্চিম
  3. দক্ষিণ থেকে উত্তর 
  4. উত্তর থেকে দক্ষিণ
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম থেকে পূর্ব
ব্যাখ্যা

পৃথিবী (Earth) :
- পৃথিবী আমাদের বাসভূমি। এটি সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ।
- পৃথিবী পশ্চিম দিক থেকে পূর্ব দিকে আবর্তন করে।
- অর্থাৎ, পৃথিবী তার নিজস্ব অক্ষে পশ্চিম → পূর্ব দিকে ঘুরে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীর গড় দূরত্ব ১৫ কোটি কিলোমিটার।
- এর ব্যাস প্রায় ১২,৬৬৭ কিলোমিটার।
- পৃথিবী একবার সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে সময় নেয় ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড।
- তাই এখানে ৩৬৫ দিনে এক বছর। চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
- পৃথিবী একমাত্র গ্রহ যার বায়ুমণ্ডলে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও তাপমাত্রা রয়েছে যা উদ্ভিদ ও জীবজন্তু বসবাসের উপযোগী।
- সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের অস্তিত্ব আছে।

উৎস : ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং NASA ওয়েবসাইট। 

১১,২৪৬.
ট্রান্সফরমার কী পরিবর্তন করতে পারে? 
  1. দিক 
  2. শক্তি 
  3. ফ্রিকোয়েন্সি 
  4. বিভব 
সঠিক উত্তর:
বিভব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভব 
ব্যাখ্যা

ট্রান্সফরমার: 
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। 
- ট্রান্সফরমারে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধ ভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়। 
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ। 
- ট্রান্সফরমার যন্ত্রটি উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। 
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- ট্রান্সফরমার সাধারণত দুই প্রকারের হয়। 
যথা- 
১। স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ও 
২। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১,২৪৭.
যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বলা হয় -
  1. ক) বিজারক
  2. খ) বিকারক
  3. গ) জারক
  4. ঘ) ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ক) বিজারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিজারক
ব্যাখ্যা
- জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
- যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
- জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়, বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
এভাবে মনে রাখতে হবে,
জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ
জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ
বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১১,২৪৮.
স্বাভাবিক অবস্থায় মানুষের শরীরে রক্তের pH এর মান কত থাকে?
  1. প্রায় ৭
  2. প্রায় ৭.৮
  3. প্রায় ৭.৪
  4. প্রায় ৬ - ৭ এর মধ্যে
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৭.৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৭.৪
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
দেহের বিভিন্ন তরল পদার্থের মধ্যে রক্ত একটি উৎকৃষ্ট বাফার দ্রবণ। স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তের pH = ৭.৪ এর কাছাকাছি থাকে। তাই রক্ত সামান্য ক্ষারীয় প্রকৃতির বাফার দ্রবণ। রক্তের pH কোনো কারণে ০.৫ এর বেশি পরিবর্তিত হলে জীবন সংকটাপন্ন হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১১,২৪৯.
দুগ্ধ চিনি কোনটি?
  1. ক) গ্লুকোজ
  2. খ) সুক্রোজ
  3. গ) ল্যাকটোজ
  4. ঘ) ম্যালটোজ
সঠিক উত্তর:
গ) ল্যাকটোজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ল্যাকটোজ
ব্যাখ্যা
• দুগ্ধ চিনি ল্যাকটোজ।
- ল্যাকটোজ একটি ডাইস্যাকারাইড বা দ্বি-আণবিক শর্করা
- একটি ল্যাকটোজ দুটি অণু এক অণু গ্যালাকটোজ এবং এক অণু গ্লুকোজ দ্বারা গঠিত।
- দুধের ২ থেকে ৪ শতাংশ শর্করা হল ল্যাকটোজ।

উৎস: গার্হস্থ্যবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৫০.
এক অশ্বক্ষমতা (HP) = কত ওয়াট?
  1. 786 ওয়াট
  2. 800 ওয়াট
  3. 746 ওয়াট
  4. 1000 ওয়াট
সঠিক উত্তর:
746 ওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
746 ওয়াট
ব্যাখ্যা

• 1 অশ্বক্ষমতা (HP) = 746 ওয়াট।

• ক্ষমতা:
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে।
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ -করা হয়।
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- ক্ষমতা, P = সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়।
- কোনো যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা।
- ক্ষমতার এস.আই একক ওয়াট।
- অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়।
- এক অশ্বক্ষমতা (HP) = 746 ওয়াট।
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T- 3.

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৫১.
যে বিজ্ঞান জীবাশ্ম সম্বন্ধে আলোচনা করে -
  1. ফসিওলজি
  2. মরফোলজি
  3. প্যালিয়েন্টোলজি
  4. ফাইটোজেনি
সঠিক উত্তর:
প্যালিয়েন্টোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যালিয়েন্টোলজি
ব্যাখ্যা
জীবাশ্ম: 
- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil), ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি । 
- Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে, পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (palaeontology) বলা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৫২.
কয়লার মূল উপাদান কোনটি?
  1. O
  2. C
  3. Ca
  4. Na
সঠিক উত্তর:
C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C
ব্যাখ্যা

কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- তবে স্থানভেদে কয়লায় ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H), সালফার (S), অক্সিজেন (O) কিংবা নাইট্রোজেন (N) থাকে। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। 
- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে। 
- গাছপালায় বিদ্যমান জৈব পদার্থে থাকা কার্বন প্রথমে জলাভূমির তলদেশে জমা হয়। 
- এ রকম অবস্থায় কার্বনের স্তর আরো ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত, স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)। 
- কয়লা তিন রকমের হয়ে থাকে। 
যথা- ১। অ্যানথ্রাসাইট,  ২। বিটুমিনাস এবং ৩। লিগনাইট। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,২৫৩.
উদ্ভিদের কোষ প্রাচীর কী দিয়ে গঠিত? 
  1. কাইটিন 
  2. লিগনিন 
  3. পেকটিন 
  4. সেলুলোজ 
সঠিক উত্তর:
সেলুলোজ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলুলোজ 
ব্যাখ্যা
সেলুলোজ: 
- উদ্ভিদের কোষ প্রাচীর সেলুলোজ দিয়ে গঠিত
- অসংখ্য β-D গ্লুকোজ অণু পরস্পর β-১-৪ কার্বন বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে সেলুলোজ গঠন করে।
- উদ্ভিদের অবকাঠামো নির্মাণে সেলুলোজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- উদ্ভিদদেহে যেহেতু কোন কঙ্কাল নেই সেহেতু উদ্ভিদের ভার বহনের দায়িত্ব পালন করে সেলুলোজ।
- সেলুলোজের পরিমাণ তুলায় ৯৪%, লিনেনে ৯০% এবং কাঠে ৬০%।
- সেলুলোজকে ঘন H2SO4 বা HCI বা NaOH দ্বারা হাইড্রোলাইসিস করে গগ্লুকোজে পরিণত করা যায়।
- মানুষের পাকস্থলি বা অন্ত্রে সেলুলেজ এনজাইম না থাকায় সেলুলোজ জাতীয় পদার্থ হজম হয় না অর্থাৎ পুষ্টিতে কোন কাজে আসে না। তবে সেলুলোজ গরু-ছাগলে পুষ্টি হিসেবেও কাজ করতে পারে।
- বস্ত্র ও বন শিল্পে প্রধান উপাদান সেলুলোজ, তাই মানব সভ্যতায় এর অবদান অপরিসীম।
- সেলুলোজের কাজ- উদ্ভিদের গাঠনিক উপাদান হিসেবে কাজ করে। 

সেলুলোজের ব্যবহার: 
- কাগজ ও বস্ত্র শিল্প: সেলুলোজ কাগজ ও বস্ত্র শিল্পের প্রধান উপাদান।​ 
- অ্যাসিটেট ফটোগ্রাফিক ফিল্ম: সেলুলোজ অ্যাসিটেট ফটোগ্রাফিক ফিল্ম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।​ 
- নাইট্রেট বিস্ফোরক: সেলুলোজ নাইট্রেট করে বিস্ফোরক পদার্থ হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যেমন স্মোকলেস পাউডার।​ 
- আসবাবপত্র ও নির্মাণ সামগ্রী: সেলুলোজের ডেরিভেটিভস, যেমন সেলুলোজ অ্যাসিটেট, আসবাবপত্র ও নির্মাণ সামগ্রীর লেপন ও প্রলেপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।​ 
- কাঠখেকো কীটপতঙ্গ: কাঠখেকো কীটপতঙ্গের পুষ্টিনালিতে বসবাসকারী পরজীবী মাইক্রোঅর্গানিজমগুলি সেলুলোজ নামক উৎসেচক নিঃসৃত করে কাঠ হজমে সাহায্য করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৫৪.
পাঁচ থেকে পনের কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের ভৌত অবস্থা কোনটি?
  1. বায়বীয়
  2. কঠিন
  3. গ্যাসীয়
  4. তরল
সঠিক উত্তর:
তরল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল
ব্যাখ্যা
অ্যালকেন: 
- অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বনের সাথে হাইড্রোজেন সংযোজন করে অ্যালকেন প্রস্তুত করা হয়। 
- প্রভাবক নিকেল ধাতু (Ni) এর উপস্থিতিতে 150-180° সে. তাপমাত্রায় অ্যালকিন ও অ্যালকাইনের সাথে হাইড্রোজেন সংযুক্ত করে অ্যালকেন প্রস্তুত করা হয়। 

অ্যালকেনের ভৌত ধর্ম: 
- অ্যালকেনের ভৌত ধর্ম বিশেষ করে ভৌত অবস্থা, গলনাংক, স্ফুটনাংক নির্ভর করে যৌগের অণুতে কার্বনের সংখ্যার উপর। 
- এক থেকে চার কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেন গ্যাসীয়। 
- পাঁচ থেকে পনের কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের ভৌত অবস্থা তরল। 
- ষোল থেকে উচ্চতর কার্বন বিশিষ্ট অ্যালকেনের ভৌত অবস্থা কঠিন। 

অ্যালকেনের রাসায়নিক ধর্ম: 
- অ্যালকেন সাধারণভাবে প্যারাফিন (Paraffin) নামে পরিচিত। 
- Param অর্থ কম বা স্বল্প এবং affinis অর্থ আসক্তি। 
- তাই Paraffin অর্থ স্বল্প আসক্তির যৌগ। 
- অ্যালকেন যৌগের অণুতে কার্বন-কার্বন ও কার্বন-হাইড্রোজেন শক্তিশালী একক বন্ধনের মাধ্যমে সংযুক্ত। 
- এ কারণে এরা অনেকটাই রাসায়নিকভাবে বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে না। 
- এমনকি এসিড, ক্ষার, ধাতু ও ক্ষারকের সাথেও কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া করে না। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৫৫.
নিচের কোন রোগটি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ঘটে থাকে?
  1. ক) লিফরোল
  2. খ) লিফকার্ল
  3. গ) ক্লোরোসিস
  4. ঘ) লিফ ব্লাইট
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিফ ব্লাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিফ ব্লাইট
ব্যাখ্যা
ধানের পাতা ধ্বসা (leaf blight) ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ঘটে। এছাড়া আলুর লিফরোল (পাতা কুঁচকাইয়া যাওয়া), পেঁপের লিফকার্ল, ক্লোরোসিস (পাতায় হলুদাভ দাগ) ইত্যাদি রোগ ভাইরাস দ্বারা ঘটে থাকে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
১১,২৫৬.
আইসি তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয় না? 
  1. রেজিস্টর
  2. ট্রানজিস্টর
  3. ক্যাপাসিটর
  4. ট্রান্সফর্মার
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফর্মার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রান্সফর্মার
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট: 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। যার ফলে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।
- ১৯৬৮ সালে বারোস কোম্পানি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার বি-২৫০০ ও বি-৩৫০০ এর উপস্থাপন করে।
- আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার আইবিএম সিস্টেম ৩৬০।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
১১,২৫৭.
অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ কী?
  1. ক) ভাইরাস ধ্বংস করা
  2. খ) জীবাণু বহন করা
  3. গ) জীবাণু ধ্বংস করা
  4. ঘ) ক ও গ 
সঠিক উত্তর:
গ) জীবাণু ধ্বংস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জীবাণু ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ হচ্ছে জীবাণু ধ্বংস করা। 

এন্টিবায়োটিক হলো এমন একটা উপাদান যা ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস থেকে সংগ্রহ করে অন্য ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস কে ধ্বংস জন্য বা তার বংশবৃদ্ধি রোধ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এন্টিবায়োটিক ভাইরাসের ক্ষেত্রে অকার্যকর।  

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিকগুলো:
১. এন্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহারে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শারীরিক স্থূলতার ঝুঁকি থাকে।
২. এন্টিবায়োটিক অন্ত্রের অনেক উপকারী ব্যাকটেরিয়াও মেরে ফেলে যাতে অগ্ন্যাশয়ের কার্যক্ষমতা কমে গিয়ে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায়।

এন্টিবায়োটিকের ক্ষতিকর দিক রোধে করণীয়- 
১) ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া সাধারন রোগে ভুগলেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করা।
২) ডাক্তারের পরামর্শ মত ডোজ ও সময় অনুসারে এন্টিবায়োটিক সেবন করা।
৩) ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্রে দেয়া ঔষধের ব্যাপারে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করা, কোন ঔষধ কেন দেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে ধারনা নেয়া।
৪) মেয়াদ উত্তীর্ণ এন্টিবায়োটিক সেবন না করা।

সূত্র: https://www.nhs.uk/conditions/antibiotics/
১১,২৫৮.
মানবদেহে প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন সরবরাহ করে -
  1. ক) কার্বহাইড্রেট
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) ভিটামিন
  4. ঘ) লবণ
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রোটিন
ব্যাখ্যা
আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দ্বারা গঠিত। আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। সালফার, ফসফরাস ও আয়রন সামান্য পরিমাণে থাকে।
শুধু আমিষ জাতীয় খাদ্যই দেহে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টি বিজ্ঞানে আমিষ একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১১,২৫৯.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার উদ্ভিদ কোনটি?
  1. ক) বট
  2. খ) তালিপাম
  3. গ) বৈলাম
  4. ঘ) তালগাছ
সঠিক উত্তর:
গ) বৈলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৈলাম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উচ্চতম বৃক্ষ হলো বৈলাম। এই বৃক্ষ ২৪০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়।
- বর্তমানে বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার ডুলাহাজাড়ায় বৈলাম বৃক্ষ দেখা যায়।
- বৃক্ষটি বর্তমানে বিপন্নের পথে।

সূত্রঃ দৈনিক সমকাল রিপোর্ট।
১১,২৬০.
একটি আদর্শ ফুলের অংশ নয় কোনটি?
  1. দলমণ্ডল
  2. বৃতি
  3. পুষ্পাক্ষ
  4. বৃন্ত
সঠিক উত্তর:
বৃন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃন্ত
ব্যাখ্যা
• আদর্শ ফুলের বিভিন্ন অংশ:
- একটি আদর্শ ফুলের পাঁচটি অংশ থাকে।
যথা- (ক) পুষ্পাক্ষ, (খ) বৃতি, (গ) দলমণ্ডল, (ঘ) পুংস্তবক এবং (ঙ) স্ত্রীস্তবক।

• পুষ্পাক্ষ:
- ফুলের স্তবকগুলো যে অক্ষের উপর সাজানো থাকে তাকে বলা হয় পুষ্পাক্ষ।
- এটি পুষ্প পত্রধারণ করে এবং ফুলকে কান্ডের সাথে আবদ্ধ রাখে।

• বৃতি:
- একটি ফুলের বাইরের স্তবককে বলা হয় বৃতি। এর প্রতিটি খণ্ডকে বৃত্যংশ বলা হয়।
- সবুজ বৃতি সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে খাদ্য প্রস্তুত করে।

• দলমন্ডল:
- বৃতির উপরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন দ্বিতীয় সহকারী স্তবকটি দলমন্ডল। এর প্রতিটি খণ্ডকে দলাংশ বা পাপড়ি বলা হয়।
- এরা সাধারণত রঙ্গিন হয়।

• পুংস্তবক:
- দলমন্ডলের ভেতরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন পরাগরেণু উৎপাদনকারী স্তবককে পুংস্তবক বলা হয়।
- এটি ফুলের তৃতীয় স্তবক এবং একটি অত্যাবশ্যকীয় অংশ।

• স্ত্রীস্তবক:
- পুষ্পের কেন্দ্রে অবস্থিত ফ্লাক্স আকৃতির ডিম্বক উৎপাদনকারী স্তবককে স্ত্রীস্তবক বলা হয়।
- এটি ফুলের আর একটি অত্যাবশ্যকীয় স্তবক।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী,
১১,২৬১.
প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশ অভিযান -
  1. ক) CALIPSO
  2. খ) Apollo 11
  3. গ) CALIPSO
  4. ঘ) Dawn
সঠিক উত্তর:
খ) Apollo 11
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Apollo 11
ব্যাখ্যা
প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশ অভিযানটির নাম হচ্ছে  Apollo 11

- এপোলো-১১ , মহাকাশ অভিযানের এক মাইলফলক।
- ১৯৬৯ সালের ২১শে জুলাই নেইল আর্মস্ট্রং প্রথম মানব হিসেবে চাঁদে পদার্পণ করেন, তার প্রায় ২০ মিনিট পর বাজ অল্ড্রিন চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করেন। - তাদের আরেক সঙ্গী মাইকেল কলিন্স তখন চাঁদের কক্ষপথে সার্ভিস মডিওল (Service Module) “কলাম্বিয়া”  পরিচালনা করছিলেন।
- নভোচারীরা চাঁদের মাটিতে প্রায় ২১ ঘণ্টা ছিলেন ।
- অতঃপর অভিযান শেষে সকল নভিচারিরা ২৪শে জুলাই নিরাপদে পৃথিবীতে ফিরে আসেন।

সূত্র: NASA Website [লিঙ্ক]
১১,২৬২.
বিভবশক্তি কিসের উপর নির্ভর করে?
  1. ক) বেগ
  2. খ) উচ্চতা
  3. গ) ত্বরণ
  4. ঘ) সরণ
সঠিক উত্তর:
খ) উচ্চতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উচ্চতা
ব্যাখ্যা
m ভরের একটি বস্তুকে ভূ-পৃষ্ঠ হতে অভিকর্ষজ বলের বিরুদ্ধে h উচ্চতায়  উঠানো হলে বিভবশক্তি = mgh
এটি উচ্চতার উপর নির্ভর করে। 

উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১১,২৬৩.
বিদ্যুৎ কোষ বা ব্যাটারিতে শক্তির কোন রূপান্তর ঘটে?
  1. রাসায়নিক শক্তি → বিদ্যুৎ শক্তি 
  2. তাপ শক্তি → যান্ত্রিক শক্তি 
  3. যান্ত্রিক শক্তি → তাপ শক্তি 
  4. আলোক শক্তি → রাসায়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি → বিদ্যুৎ শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাসায়নিক শক্তি → বিদ্যুৎ শক্তি 
ব্যাখ্যা

শক্তির রূপান্তর: 
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে। 
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে। 
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। 
- এক রূপের শক্তিকে রূপান্তর করে যখন অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়।
- এখানে কতিপয় শক্তির রূপান্তর বণনা করা হলো-
১। যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর: 
- হাতে হাত ঘষলে তাপ উৎপন্ন হয়, এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- পানি যখন ভূপৃষ্ট হতে উপরে কোন পাত্রে থাকে তখন তাতে বিভব শক্তি সঞ্চিত থাকে, নিচে প্রবাহিত হবার সময় বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

২ । রাসায়নিক শক্তির রূপান্তর: 
- খাদ্য এবং জ্বালানি যেমন তেল, গ্যাস, কয়লা ও কাঠ হচ্ছে রাসায়নিক শক্তির আধার। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে খাদ্যের শক্তি দেহে মুক্ত হয় এবং অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার সময় দরকারী কাজ করা যায়। 
- বিদ্যুৎ কোষ বা ব্যাটারিতে রাসায়নিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- বিদ্যুৎ শক্তি আবার বাতির ফিলামেন্টে আলোক শক্তি ও তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

৩। তাপ শক্তির রূপান্তর: 
- স্টীম ইঞ্জিনে তাপের সাহায্যে স্টীম উৎপন্ন করে রেলগাড়ি ইত্যাদি চালানো হয়, এখানে তাপ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- তড়িৎ প্রবাহের কারণে বাল্বের ফিলামেন্টের মধ্য দিয়ে বাল্বে তাপ শক্তি এবং আলোক শক্তি সৃষ্টি হয়। 

৪। আলোক শক্তির রূপান্তর: 
- হারিকেনের চিমনিতে হাত দিলে গরম অনুভূত হয়, এখানে আলোক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হচ্ছে। 
- ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলোক সম্পাত করলে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে আলোকচিত্র তৈরি করা হয়, এখানে আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

৫। বিদ্যুৎ শক্তির রূপান্তর: 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি, হিটার ইত্যাদিতে তড়িৎ শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- বৈদ্যুতিক বাল্বে বিদ্যুৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- টেলিফোন ও রেডিওর গ্রাহক যন্ত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- সঞ্চয়ক কোষে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর হয়। 

৬। শব্দ শক্তির রূপান্তর: 
- কারখানার জীবাণু ধ্বংস করা কিংবা ময়লা জামাকাপড় পরিষ্কার করার জন্য শব্দোত্তর তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, এক্ষেত্রে শব্দ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

৭। চৌম্বক শক্তির রূপান্তর: 
- একটি লোহার টুকরোকে দ্রুত ও বারবার চুম্বকন ও বিচুম্বকন করলে তাপ উৎপন্ন হয়, এক্ষেত্রে চৌম্বক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তর হয়। 

৮। নিউক্লিয় শক্তির রূপান্তর: 
- নিউক্লিয় সাবমেরিনে নিউক্লিয় শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা হয়। 
- নিউক্লিয় বোমার ধ্বংস লীলা নিউক্লীয় শক্তির রূপান্তর ভিন্ন আর কিছুই নয়। 
- নিউক্লিয় চুল্লীতে নিউক্লীয় শক্তি অন্যান্য শক্তি বিশেষ করে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর হলে শক্তির চাহিদা অনেকাংশেই পূরণ করে থাকে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৬৪.
মানব ইউরিন খড় বর্ণ হওয়ার জন্য দায়ী -
  1. ক) ত্রিয়েটিনিন
  2. খ) বিলিরুবিন
  3. গ) ইউরোক্রোম
  4. ঘ) ইউরিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোক্রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরোক্রোম
ব্যাখ্যা
Components of Urine
- নেফ্রনের বৃক্কীয় নালিকায় গ্লোমেরুলার ফিলট্রেট এর নির্বাচিত পুনঃশোষণের পর যে খড় বর্ণের, তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত ও অম্লধর্মী তরল রেচন বর্জ্য মূত্রথলিতে জমা হয় তাকে মূত্র (urine) বলে ।
- একজন সুস্থ্য মানুষ দৈনিক গড়ে ১.৫ লিটার মূত্র ত্যাগ করে। 
- ইউরোক্রোম (urochrome) নামক পদার্থ থাকায় মূত্র খড় বর্ণের হয় ।
- মূত্র সামান্য অম্লীয়, এর pH মান ৬.৫
- মূত্রের আপেক্ষিক গুরুত্ব ১.০১ - ১.৫০

সূত্র: জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, আজমল ও আসমত।
১১,২৬৫.
পরমাণুর অস্থায়ী কণিকার উদাহরণ কোনটি?
  1. নিউট্রন
  2. নিউট্রিনো
  3. ইলেকট্রন
  4. প্রোটন
সঠিক উত্তর:
নিউট্রিনো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রিনো
ব্যাখ্যা

পরমাণুর মূল কণিকা: 
ঊনিশ শতকের শেষ দশকে পরমাণু অবিভাজ্য এ ধারণাটির বিলুপ্তি ঘটে এবং পরমাণু কতগুলো অতিসূক্ষ্ম কণিকার সমষ্টি বলে প্রমাণিত হয়। এসব অতিসূক্ষ্ম কণিকাকে আর বিভাজন করা যায় না এবং এরা মূল উপাদান হিসেবে সব পরমাণুতেই থাকে। এদেরকে পরমাণুর মূল কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মূল কণিকা কয়েক ধরনের। 
যেমন- 
(১) স্থায়ী মূল কণিকা: 
- ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন এই তিনটি মূল কণিকা সব মৌলের পরমাণুতে থাকে বলে এগুলোকে স্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- শুধুমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণুতে শুধু ১ টি ইলেকট্রন ও ১ টি প্রোটন আছে, এতে কোনো নিউট্রন নেই। 

(২) অস্থায়ী মূল কণিকা: 
- কিছু কিছু মূল কণিকা কোন কোন মৌলের পরমাণুতে অস্থায়ীভাবে খুব স্বল্প সময়ের জন্য বিরাজ করে। এগুলোকে অস্থায়ী মূল কণিকা বলা হয়। 
- অস্থায়ী মূলকনিকার সংখ্যা প্রায় ১০০। 
- নিউট্রিনো, অ্যান্টি নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য অস্থায়ী মূলকণিকা। 

(৩) কম্পোজিট কণিকা: 
- স্থায়ী ও অস্থায়ী মূলকণিকা ছাড়াও আরও এক প্রকার কণিকা পরমাণুতে থাকে, যাদেরকে কম্পোজিট কণিকা বলা হয়। 
- আলফা কণিকা ও ডিউটেরন কণিকা ইত্যাদি কম্পোজিট কণিকার উদাহরণ। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৬৬.
সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন স্তর
  2. ট্রপোস্ফিয়ার
  3. ওজোন স্তর
  4. জলীয়বাষ্প
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর
ব্যাখ্যা

• সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি থেকে পৃথিবীকে ওজোন স্তর রক্ষা করে।

• বায়ুমণ্ডলের ধারণা:
- পৃথিবীকে চারদিক থেকে ঘিরে রাখা বায়বীয় আবরণকে বায়ুমণ্ডল বলা হয়।
- বায়ুমণ্ডল মূলত নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন দিয়ে গঠিত।
- এছাড়াও এতে জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা, আর্গন, কার্বন ডাই-অক্সাইডসহ অন্যান্য গ্যাস থাকে।
 
• বায়ুমণ্ডলের গুরুত্ব:
- বায়ুমণ্ডলের গ্যাসসমূহ পৃথিবীর পৃষ্ঠে ভারসাম্য বজায় রাখে।
- পৃথিবীর সকল বস্তু ও প্রাণকে বায়ুমণ্ডল নিজের দিকে ধরে রাখে।
- বায়ুমণ্ডল না থাকলে পৃথিবীতে কোনো কিছুই স্থির থাকত না এবং জীবন সম্ভব হতো না।
 
• উচ্চতার সাথে বায়ুমণ্ডলের পরিবর্তন:
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে গেলে বায়ুমণ্ডল ক্রমশ পাতলা হয়।
- উচ্চতার সাথে সাথে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়।
- পাহাড়ের চূড়ায় উঠলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, কারণ সেখানে অক্সিজেন কম থাকে।
 
• বায়ুমণ্ডলের স্তরসমূহ:
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত অংশকে ট্রপোস্ফিয়ার বলা হয়।
- ট্রপোস্ফিয়ারে বায়ুমণ্ডলের অধিকাংশ গ্যাস ও মেঘ অবস্থান করে।
- ট্রপোস্ফিয়ারের ওপরের স্তরকে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার বলা হয়।
- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে রয়েছে ওজোন গ্যাস।
 
• ওজোন স্তরের ভূমিকা:
- স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করে।
- এর ফলে পৃথিবীর মানুষ, প্রাণী ও উদ্ভিদ ক্ষতিকারক রশ্মির প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।
- ওজোন স্তর না থাকলে পৃথিবীতে জীবনের অস্তিত্ব মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ত।
  
• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- নাইট্রোজেন স্তর → বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি (৭৮%) নাইট্রোজেন আছে।
- ট্রপোস্ফিয়ার → এটি বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তর (যেখানে আমরা বাস করি)।
- জলীয়বাষ্প → পানির বাষ্প আবহাওয়া ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
 
উৎস: বিজ্ঞান, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

১১,২৬৭.
'প্রিয়ন' কী?
  1. ক) আলোক যন্ত্র
  2. খ) এন্টিবায়োটিক
  3. গ) সংক্রামক সত্তা
  4. ঘ) মহাজাগতিক পদার্থ
সঠিক উত্তর:
গ) সংক্রামক সত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সংক্রামক সত্তা
ব্যাখ্যা

- 'প্রিয়ন' হলো ভাইরাসের মতোই একপ্রকার সংক্রামক সত্তা যা PrP (Prion Protein) নামক প্রোটিন বা আমিষ দিয়ে তৈরি ।
- এটিকে 'transmissible spongiform encephalopathies' নামক স্নায়ুতন্ত্রের জটিলতার জন্য দায়ী করা হয়।
- প্রিয়ন গবাদি পশুর 'Mad cow disease' ও 'scrapie' রোগ সৃষ্টি করে।
- এটি মানুষের 'Creutzfeldt–Jakob disease' (CJD), 'Gerstmann–Sträussler–Scheinker syndrome', fatal familial insomnia, এবং 'kuru' - এসব ভয়ানক মারণব্যাধির কারণ।

Source: Centers for Disease Control and Prevention and National Library of Medicine.

১১,২৬৮.
তড়িৎ ধারক আবিষ্কার করেন কে?
  1. ভ্যান মুসচেন ব্রোয়েক
  2. বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন
  3. সি. এফ. ডুফে
  4. ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
ভ্যান মুসচেন ব্রোয়েক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যান মুসচেন ব্রোয়েক
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- লিডেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যান মুসচেন ব্রোয়েক ১৭৪৬ সালে তড়িৎ ধারক অবিষ্কার করেন।
- বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন ১৭৪৭ সালে আবিষ্কার করেন যে চার্জ দুই প্রকারঃ ধনাত্মক ও ঋণাত্মক।
- সি. এফ. ডুফে ১৭৩৩ সালে আবিষ্কার করেন যে ঘর্ষণের ফলে উৎপন্ন চার্জ বিপরীতধর্মী।
- ম্যাক্সওয়েল বেতার তরঙ্গের উদ্ভাবন করেন।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১১,২৬৯.
'মিষ্টি আলু' কোন ধরনের খাদ্য?
  1. ক) আমিষ
  2. খ) শ্বেতসার
  3. গ) স্নেহ জাতীয়
  4. ঘ) ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্বেতসার
ব্যাখ্যা

শর্করার শ্রেণীবিভাগঃ
১. এক অণু বিশিষ্ট শর্করা -- গ্লুকোজ
উৎসঃ ফলের রস, মধু ইত্যাদি
২. দুই অণু বিশিষ্ট শর্করা -- সুক্রোজ, ল্যাকটোজ
উৎসঃ চিনি ও দুধ
৩. বহু অণু বিশিষ্ট শর্করা -- শ্বেতসার, গ্লাইকোজেন
উৎসঃ চাল, আটা, আলু, সবুজ পাতা, শাকসবজি
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীঃ জীব বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)

মিষ্টি আলুতে প্রচুর শর্করা এবং চিনি থাকে।
এটি শরীরে শক্তি জোগান দেয়।
কাজে-কর্মেও গতি আসে।
এ ছাড়াও মিষ্টি আলুতে আছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ, বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬সহ প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।
উৎসঃ প্রথম আলোর স্বাস্থ্য সম্পর্কিত রিপোর্ট।

১১,২৭০.
ইলেকট্রন বিন্যাসের সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম দেখায় কোন মৌলটি?
  1. ক) Zn
  2. খ) Cr
  3. গ) Fe
  4. ঘ) Ca
সঠিক উত্তর:
খ) Cr
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Cr
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রন বিন্যাসের সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম দেখায় Cr মৌলটি। 

• ইলেকট্রনের প্রবেশক্রম অনুসারে Cr এর ইলেকট্রন বিন্যাস হওয়ার কথা ছিলো- Cr(24) = 1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 3d4 4s2.
-  কিন্তু প্রচলিত নিয়মানুযায়ী অরবিটাল গুলো পূর্ণ বা অর্ধপূর্ণ অবস্থায় অধিক স্থিতিশীল হয়। তাই শেষদিকে শুধু একটি অরবিটাল (4s) পূর্ণ রাখার চেয়ে, দুটি অরবিটাল (3d, 4s) অর্ধপূর্ণ রাখলে ক্রোমিয়াম অধিকতর সুস্থিতি অর্জন করে।
- এই সুস্থিতি অর্জন করতেই ক্রোমিয়াম সাধারণ নিয়ম ভঙ্গ করে 4s থেকে একটি ইলেকট্রন 3d-তে পাঠিয়ে দেয় এবং নিম্নোক্ত বিন্যাস অর্জন করে: Cr(24) = 1s2 2s2 2p6 3s2 3p6 3d5 4s1.
- ফলে ক্রোমিয়ামের ইলেকট্রন বিন্যাস সাধারণ নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটে।

উৎস: রসায়ন-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৭১.
শিশুদের জন্মের ৯ মাস বয়সে কোন টিকা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়? 
  1. Measles Vaccine
  2. BCG Vaccine
  3. Oral Polio Vaccine
  4. Diphtheria and Tetanus Vaccine
সঠিক উত্তর:
Measles Vaccine
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Measles Vaccine
ব্যাখ্যা
- শিশুদের জন্মের ৯ মাস বয়সে 'Measles Vaccine' টিকা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৭২.
কোন বস্তু স্পষ্ট দর্শনের জন্য ন্যূনতম দূরত্ব -
  1. ২৫ মি.মি.
  2. ২.৫ সে.মি.
  3. ২৫ সে.মি.
  4. ২৫ মি.
সঠিক উত্তর:
২৫ সে.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ সে.মি.
ব্যাখ্যা
দর্শনের ন্যুনতম দূরত্ব:
- যে নিকটতম দূরত্ব পর্যন্ত চোখ বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায় তাকে স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম বা নিকটতম দূরত্ব বলে।
- কোন বস্তু স্পষ্ট দর্শনের জন্য ন্যূনতম দূরত্ব ২৫ সে.মি.।
- চোখের লেন্স থেকে ২৫ সে.মি. দূরবর্তী বিন্দুতে স্থাপিত বস্তুটিকে সুন্দর সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়।
- এর থেকে কম দূরত্বে স্থাপিত বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৭৩.
২৫শে ডিসেম্বর, ২০২১ইং তারিখে NASA মহাশূন্যে যে স্পেস টেলিস্কোপ প্রেরণ করেছে তার নাম কী?
  1. ক) Kapler Space Telescope
  2. খ) James Webb Space Telescope
  3. গ) Habble Space Telescope
  4. ঘ) Neil Armstrong Space Telescope
সঠিক উত্তর:
খ) James Webb Space Telescope
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) James Webb Space Telescope
ব্যাখ্যা
জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ:
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (NASA) মহাকাশে ইতিহাসের বৃহত্তম টেলিস্কোপ পাঠায় (২২ ডিসেম্বর, ২০২১)। 

- টেলিস্কোপটির নাম ‘দ্য জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ' (James Webb Space Telescope)। 
- নাসার সঙ্গে টেলিস্কোপটি তৈরিতে সাহায্য করেছে ইউরোপিয়ান এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি। 
- ১৯৯৭ সালে প্রথম টেলিস্কোপটির ওপর কাজ শুরু হয়। 
- পৃথিবী থেকে ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে এ অবলোহিত রশ্মির টেলিস্কোপটিকে বসানো হবে।

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
১১,২৭৪.
চোখের কোন স্তরটি আলোক সংবেদী?
  1. রেটিনা
  2. স্ক্লেরা
  3. কর্নিয়া 
  4. লেন্স
সঠিক উত্তর:
রেটিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেটিনা
ব্যাখ্যা

- রেটিনা হলো মানুষের চোখের সবচেয়ে ভেতরের আলোক সংবেদী স্তর। এতে রড ও কোণ নামক দুই ধরনের বিশেষ আলোক সংবেদী কোষ থাকে, যা আলোকে বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তর করে অপটিক স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পাঠায় এবং আমাদের দেখতে সাহায্য করে। 

রেটিনা: 
- চক্ষু গোলকের সবচেয়ে ভেতরের স্তর রেটিনা। 
- চোখের 'রেটিনা' স্তরটি আলোক সংবেদী, এতে আলোক সংবেদী কোষ থাকে। 
- আলোক সংবেদী কোষগুলো রড ও কোণ কোষ নিয়ে গঠিত। 
- চোখে রড কোষের সংখ্যা প্রায় সত্তর লক্ষ। 
- কোণ কোষগুলো উজ্জ্বল আলোতে রঙিন বস্তু দর্শনের জন্য উপযোগী। 
- রড কোষগুলো অনুজ্জ্বল আলোতে দর্শনের উপযোগী। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।

১১,২৭৫.
খাবারের স্বাদ বৃদ্ধির জন্য কোন লবণ ব্যবহৃত হয় যা ‘টেস্টিং সল্ট’ নামে পরিচিত?
  1. পটাশিয়াম স্টিয়ারেট
  2. সোডিয়াম স্টিয়ারেট 
  3. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. সোডিয়াম গ্লুটামেট
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম গ্লুটামেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোডিয়াম গ্লুটামেট
ব্যাখ্যা

লবণ: 
- লবণ হলো এসিড ও ক্ষারকের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন পদার্থ। 
- ক্ষারক ও এসিড পরস্পর বিপরীতধর্মী পদার্থ এবং বিক্রিয়া করে একে অপরকে নিষ্ক্রিয় করে নিরপেক্ষ পদার্থ লবণ ও পানি তৈরি করে। 

লবণের ব্যবহার: 
- সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) লবণ খাদ্যের স্বাদ বাড়িয়ে খাওয়ার উপযোগী করে তোলে যা সাধরণ লবণ বা টেবিল লবণ নামেও পরিচিত। তরকারি ছাড়াও আরও অনেক খাবার যেমন- পাউরুটি, আচার, চানাচুর ইত্যাদিতে খাবার লবণ ব্যবহার করা হয়। 
- খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করার জন্য সোডিয়াম গ্লুটামেট লবণ ব্যবহার করা হয় যা 'টেস্টিং সল্ট' নামে পরিচিত। 
- কাপড় কাচার যে সাবান ব্যবহার করা হয় তা মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COONa) লবণ। 
- আর শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট (C17H35COOK) লবণ। 
- কাপড় কাচার সোডা হিসেবে সোডিয়াম কার্বোনেট (Na2CO3) ব্যবহার করা হয় যা একটি লবণ। 
- আবার জীবাণুনাশক হিসেবে তুঁতে (CuSO4.5H2O) বা ফিটকিরি [K2SO4.Al2(SO4)3.24H2O] ব্যবহার করা হয় যা মূলত লবণ। 

কৃষিতে লবণের ব্যবহার: 
- মাটির এসিডিটি নিষ্ক্রিয় করার জন্য যে চুনাপাথর ব্যবহার করা হয়, সেই চুনাপাথর একটি লবণ। 
- আবার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য যে সার ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাদের বেশির ভাগই হলো লবণ। 
যেমন- অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (NH4NO3), অ্যামোনিয়াম ফসফেট ((NH4)3PO4), পটাশিয়াম নাইট্রেট (KNO3) ইত্যাদি। 
- তুঁতে বা কপার সালফেট (CuSO4) কৃষিজমিতে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধে বহুল ব্যবহৃত একটি লবণ। এটি শৈবালের উৎপাদন বন্ধে খুব কার্যকরী। 

শিল্পকারখানায় লবণ: 
- শিল্পকারখানায় নানা কাজে খাবার লবণ অপরিহার্য। 
যেমন- চামড়াশিল্পে চামড়ার ট্যানিং করতে, মাখন ও পনিরের শিল্পোৎপাদনে, কাপড় কাচার সোডা ও খাবার সোডা তৈরি করতে, সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইডের তড়িৎ বিশ্লেষণ ইত্যাদি কাজে খাবার লবণ ব্যবহৃত হয়। 
- বেশ কিছু লবণ যেমন- তুঁতে (CuSO4), মারকিউরিক সালফেট (HgSO4), সিলভার সালফেট (Ag2SO4) শিল্পকারখানায় প্রভাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- টেক্সটাইল ও রং তৈরির কারখানায় রং ফিক্স করার কাজে লবণ প্রয়োজন হয়। 
- ধাতুর বিশুদ্ধকরণে লবণ লাগে। 
- রাবার প্রস্তুতিতে লবণ ব্যবহার করে রাবারকে (ল্যাটেক্স) রাবার গাছের নির্যাস থেকে আলাদা করা হয়। 
- ওষুধ কারখানায় স্যালাইন এবং অন্যান্য ওষুধেও লবণ ব্যবহৃত হয়। 
- ডিটারজেন্ট তৈরিতেও ফিলার হিসেবে লবণ খুবই প্রয়োজনীয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,২৭৬.
হাইড্রোজেন পরমাণুতে কোনটি নেই?
  1. ইলেকট্রন
  2. প্রোটন
  3. নিউট্রন
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন
ব্যাখ্যা
• হাইড্রোজেন (H) পরমাণু:
- হাইড্রোজেন মৌলের প্রতীক H এবং সংকেত H2
- হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা ১ এবং ভর সংখ্যাও ১।
- একটি হাইড্রোজেন পরমাণু বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, এখানে কেন্দ্রের বাইরে কক্ষপথে ১টি ইলেকট্রন এবং কেন্দ্রে ১টি প্রোটন অবস্থান করে।
- হাইড্রোজেন (প্রোটিয়াম) পরমাণুর কেন্দ্রে কোনো নিউট্রন থাকে না।
- তবে হাইড্রোজেনের অন্য দুটি আইসোটোপ- ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম এর ক্ষেত্রে যথাক্রমে ১টি ও ২টি করে নিউট্রন পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থান করে।
- হাইড্রোজেন পরমাণু বলতে স্বাভাবিকভাবে প্রোটিয়াম কেই বোঝায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,২৭৭.
ডায়োডের প্রধান কাজ কী?
  1. একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করা
  2. ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করা
  3. সার্কিটে প্রতিরোধ সৃষ্টি করা
  4. বৈদ্যুতিক প্রবাহ বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একমুখী প্রবাহ নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা

◉ ডায়োড (Diode) হলো একটি সেমিকন্ডাক্টর যন্ত্র, যা কেবল একদিকে তড়িৎ প্রবাহ যেতে দেয় এবং বিপরীত দিকে প্রবাহ বাধা দেয়।

ডায়োড: 
- ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- ডায়োড মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,২৭৮.
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য দেশের মোট আয়তনের শতকরা কত ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন?
  1. ক) ১৮ ভাগ
  2. খ) ২২ ভাগ
  3. গ) ২৫ ভাগ
  4. ঘ) ২৭ ভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য একটি দেশের মোট আয়তনের ২৫% গাছপালা-বন থাকা দরকার। [সূত্র: ais.gov.bd]
১১,২৭৯.
কোন উদ্ভিদের মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড নামক সূত্রাকার অঙ্গ থাকে? 
  1. মস
  2. টেরিস
  3. স্পাইরোগাইরা
  4. এগারিকাস
সঠিক উত্তর:
মস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মস
ব্যাখ্যা

অপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- যেসব উদ্ভিদে ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: মস, ফার্ন ইত্যাদি। 
- এরা স্পোর বা রেনুর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে থাকে। 
- অপুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
১। সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
- এদের মধ্যে যাদের ক্লোরোফিল আছে, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে, তারা শৈবাল। 
যেমন: স্পাইরোগাইরা। 
- আর যাদের দেহে ক্লোরোফিল নেই, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না, তারা ছত্রাক। 
যেমন: এগারিকাস। 

২। মসবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এদের দেহ কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়। কিন্তু মসবর্গীয় উদ্ভিদের মূল নেই, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড নামক সূত্রাকার অঙ্গ থাকে। 
- সাধারণত এরা পুরানো ভেজা দেয়ালে কার্পেটের মতো নরম আস্তরণ করে জন্মায়। 
যেমন: ব্রায়াম। 

৩। ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। 
- এদের দেহে পরিবহণ টিস্যু রয়েছে ও কচি পাতাগুলো কুণ্ডলীত থাকে। 
- বাড়ির পাশে স্যাতস্যাতে ছায়াযুক্ত স্থানে এবং পুরানো দালানের প্রাচীরে এদের জন্মাতে দেখা যায়। 
যেমন: টেরিস। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১১,২৮০.
কোন অঙ্গের মাধ্যমে প্রস্বেদন ঘটে তার উপর ভিত্তি করে প্রস্বেদন কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
• প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন:
- উদ্ভিদদেহ থেকে যে প্রক্রিয়ায় পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বলা হয়।
- প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদদেহ থেকে প্রচুর পানি বাষ্পাকারে বেরিয়ে যায়।
- কোন অঙ্গের মাধ্যমে প্রস্বেদন ঘটে তার উপর ভিত্তি করে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন,
২. কিউটিকুলার প্রস্বেদন এবং
৩. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
১১,২৮১.
প্রাকৃতিক রাবার কোন জৈব দ্রাবকে দ্রবণীয় নয়?
  1. এসিটোন
  2. পেট্রোল
  3. বেনজিন 
  4. ইথার
সঠিক উত্তর:
এসিটোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসিটোন
ব্যাখ্যা

- প্রাকৃতিক রাবার পানিতে অদ্রবণীয়, কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট জৈব দ্রাবকে দ্রবণীয়। যেমন- এসিটোন (acetone) এবং মিথানলের (methanol) মতো জৈব দ্রাবকে প্রাকৃতিক রাবার অদ্রবণীয়। 

রাবার: 
- পেনসিলের লেখা মোছার ইরেজার এক ধরনের রাবার। সাইকেল, রিকশা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন ইত্যাদি রাবারের তৈরি। পানির পাইপ, সার্জিক্যাল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপলও রাবারের তৈরি সামগ্রী। 

রাবারের ভৌত ধর্ম: 
- প্রাকৃতিক রাবার পানিতে অদ্রবণীয় একটি অদানাদার কঠিন পদার্থ। 
- রাবার কিছু কিছু জৈব দ্রাবক (যেমন- এসিটোন, মিথানল) এগুলোতে অদ্রবণীয় হলেও টারপেন্টাইন, পেট্রোল, ইথার, বেনজিন এগুলোতে সহজেই দ্রবণীয়। 
- রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 
- রাবার একটি স্থিতিস্থাপক পদার্থ অর্থাৎ একে টানলে লম্বা হয় এবং ছেড়ে দিলে আগের অবস্থায় ফিরে যায়। 
- বেশিরভাগ রাবারই তাপ সংবেদনশীল অর্থাৎ তাপ দিলে গলে যায়। বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ এবং তাপ কুপরিবাহী। তবে বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে তৈরি বিদ্যুৎ পরিবাহী রাবার আবিষ্কার করেছেন। 

রাবারের রাসায়নিক ধর্ম: 
- প্রায় প্রতিটি পদার্থ তাপ দিলে আয়তনে বাড়ে কিন্তু রাবারের বেলায় ঠিক উল্টোটি ঘটে অর্থাৎ তাপ দিলে রাবারের আয়তন কমে যায়। 
- রাবারের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক ধর্ম হলো এটি বেশ কিছু রাসায়নিক পদার্থ (যেমন- দুর্বল ক্ষার, এসিড, পানি) এগুলোর সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। যে কারণে কোনো কিছু রক্ষা করার জন্য প্রলেপ দেওয়ার কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- রাবার দীর্ঘদিন রেখে দিলে সেটি ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। এর কারণ হলো রাবার বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে। অক্সিজেন ছাড়াও আরও কিছু রাসায়নিক পদার্থ, বিশেষ করে ওজোন (O3) প্রাকৃতিক রাবারের সাথে বিক্রিয়া করে, যার কারণে রাবার ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,২৮২.
কোন শক্তির উৎস কখনও ফুরিয়ে যায় না? 
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস 
  2. নিউক্লিয় শক্তি 
  3. অনবায়নযোগ্য শক্তি 
  4. নবায়নযোগ্য শক্তি 
সঠিক উত্তর:
নবায়নযোগ্য শক্তি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবায়নযোগ্য শক্তি 
ব্যাখ্যা

শক্তির উৎস: 
- শক্তি ছাড়া সভ্যতা এক মুহূর্ত চলতে পারে না কারণ শক্তির বিনিময়ে কাজ পাওয়া যায়। 
- শিল্পায়নের ক্রমবিকাশ এবং জীবনে যাত্রার মানোন্নয়নের জন্য শক্তির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তাই ক্রমবর্ধমান শক্তির চাহিদা মেটানোর জন্য বিজ্ঞানীরা নতুন শক্তির উৎসের সন্ধানে কাজ করছে। 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা- 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- শুধু যে ভবিষ্যতে নতুন ধরনের শক্তির ওপর মানুষ ভরসা করে আছে তা নয়, এই মুহূর্তেও তারা এমন শক্তির ওপর ভরসা করে আছে, যেগুলো ফুরিয়ে যাবে না। 
- সে শক্তিগুলো আসে সূর্যের আলো থেকে, সমুদ্রের জোয়ার-ভাটা কিংবা ঢেউ থেকে, উন্মুক্ত প্রান্তরের বাতাস থেকে, পৃথিবীর গভীরের উত্তপ্ত ম্যাগমা থেকে কিংবা নদীর বহমান পানি থেকে। 
- এই শক্তিগুলো অফুরন্ত, যেগুলোকে বলা হয় নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy)। 
অর্থাৎ, যে শক্তিকে নবায়ন করা যায়, সে কারণে এটার ফুরিয়ে যাওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। 
- এই মুহূর্তে পৃথিবীর সব মানুষ যে পরিমাণ শক্তি ব্যবহার করে, তার পাঁচ ভাগের এক ভাগ হচ্ছে এই নবায়নযোগ্য শক্তি। 
- যত দিন যাচ্ছে মানুষ ততই পরিবেশ সচেতন হচ্ছে, তাই এ রকম শক্তির ব্যবহার আরো বেড়ে যাচ্ছে। 
যেমন- জলবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস, সৌরশক্তি, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- দেশে চাহিদার তুলনায় অনবায়নযোগ্য শক্তির মজুদের পরিমাণ খুব বেশি নয়। তাই শক্তির চাহিদা মেটাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে বিদেশ থেকে খনিজ তেল, কয়লা আমদানি করতে হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
যেমন- কয়লা, খনিজ তেল, নিউক্লিয় শক্তি, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,২৮৩.
হিগস্-বোসন কণা কত সালে আবিষ্কৃত হয়েছিল?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
• হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে। 
- সুইজারল্যান্ডের ইউরোপীয় কণা পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগার CERN-এ অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কণা ত্বরক 'লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার' (LHC)-এর গবেষকদের দ্বারা।
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

• হিগস বোসন কণার বৈশিষ্ট্য:
- হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও  Space.com website।
১১,২৮৪.
কে আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সূচনা করেন?
  1. নিউটন
  2. আইনস্টাইন
  3. গ্যালিলিও
  4. কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা
গ্যালিলিও:
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলি একজন ইতালিয়ান পদার্থবিজ্ঞানী,জ্যোতির্বিজ্ঞানী এবং দার্শনিক।
- বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গাণিতিক সূত্র দেওয়ার পর পরীক্ষা করে সেই সূত্রটি প্রমাণ করার বৈজ্ঞানিক ধারার সূচনা করেন।
- গ্যালিলিওকে আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- তিনি আধুনিক বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সূচনা করেন।
- ১৬০৯ সালে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও একটি উন্নত ধরণের দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- গ্যালিলিও মুক্তভাবে পড়ন্ত বস্তুর জন্য তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- সূত্রগুলো স্থির অবস্থান থেকে মুক্তভাবে পড়ন্ত যেকোনো বস্তুর পরিমাপের বেলায় ব্যবহার করা যায়।

অন্যদিকে -
- ১৫৪৩ সালে কোপার্নিকাস সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন।
- নিউটন বলবিদ্যা ও গতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করেন।
- আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার সূত্র প্রদান করেন।

উৎস: i) পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।  
          ii) Britannica.
১১,২৮৫.
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে কোনটি?
  1. ক) লোহিত রক্ত কণিকা
  2. খ) অনুচক্রিকা
  3. গ) হিমোগ্লোবিন
  4. ঘ) শ্বেত রক্ত কণিকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) শ্বেত রক্ত কণিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শ্বেত রক্ত কণিকা
ব্যাখ্যা
শ্বেত রক্তকণিকা:
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন।
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে।
- ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে।
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম।
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১১,২৮৬.
মুক্তা হল ঝিনুকের--
  1. ক) খোলসের টুকরা
  2. খ) চোখের মণি
  3. গ) প্রদাহের ফল
  4. ঘ) জমাট হরমোন
সঠিক উত্তর:
গ) প্রদাহের ফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রদাহের ফল
ব্যাখ্যা
পার্ল অয়েস্টার নামের বিশেষ ধরনের ঝিনুক থেকে মুক্তা পাওয়া যায়। যখন কোনো বালুকণা বা এমন ছোট কোনো উপাদান ঝিনুকের খোলে ঢুকে পড়ে, যার দরুন ঝিনুকে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। তখন ঝিনুক নেকর বা শুক্তিপুট (মাদার অব পার্ল নামে পরিচিত) নামের এক ধরনের পদার্থ দিয়ে ওটা ঢেকে ফেলে। কয়েক বছরের মধ্যে এর ওপরের একটার পর একটা আবরণ পড়ে। আর এভাবেই তৈরি হয় মুক্তা। সাধারণত পাঁচ বছরের পুরনো ঝিনুক থেকে মুক্তা সংগ্রহ করা হয়।
১১,২৮৭.
কোন জলজ জীবটি বাতাসে নিঃশ্বাস নিতে পারে না?
  1. ক) শুশুক
  2. খ) তিমি
  3. গ) হাঙ্গর
  4. ঘ) ডলফিন
সঠিক উত্তর:
গ) হাঙ্গর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাঙ্গর
ব্যাখ্যা
- ডলফিল বা শুশুক, তিমি জলজ প্রাণি হওয়ার পর ও শ্বাসকার্যের জন্য বায়ুতে আসতে হয়। কারন তাদের ফুলকার পরিবর্তে ফুসফুস থাকে।
- অর্থাৎ, হাঙ্গর বায়ুতে শ্বাস নিতে পারে না।
১১,২৮৮.
ম্যালেরিয়া জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম কোনটি?
  1. ক) Vibrio cholerae
  2. খ) Plasmodium vivax
  3. গ) Clostridium tetani
  4. ঘ) Measles morbillivirus
সঠিক উত্তর:
খ) Plasmodium vivax
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Plasmodium vivax
ব্যাখ্যা

ম্যালেরিয়া জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম- Plasmodium vivax

কলেরা জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম- Vibrio cholerae
ধনুষ্টঙ্কার রোগের জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম- Clostridium tetani
হাম রোগের জীবাণুর বৈজ্ঞানিক নাম - Measles morbillivirus

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান

১১,২৮৯.
কোন পর্বের প্রাণীতে শিখা কোষের উপস্থিতি দেখা যায়?
  1. আর্থ্রোপোডা 
  2. নিডারিয়া 
  3. একাইনোডার্মাটা 
  4. প্লাটিহেলমিনথেস
সঠিক উত্তর:
প্লাটিহেলমিনথেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাটিহেলমিনথেস
ব্যাখ্যা

• প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের প্রাণীতে শিখা কোষের উপস্থিতি দেখা যায়। 

• প্লাটিহেলমিনথেস (Platyhelminthes):
Platy শব্দের অর্থ চ্যাপ্টা এবং helminth শব্দের অর্থ কৃমি, এই শব্দ দুটি থেকে প্লাটিহেলমিনথেস শব্দটি এসেছে।
- এ পর্বের প্রাণীরা চ্যাপ্টা কৃমি নামে পরিচিত।
- এই পর্বের প্রাণীদের জীবনযাত্রা বেশ বৈচিত্র্যময়। এই পর্বের বহু প্রজাতি বহিঃপরজীবী বা অন্তঃপরজীবী হিসেবে অন্য জীবদেহের বাইরে বা ভিতরে বসবাস করে।
- তবে কিছু প্রজাতি মুক্তজীবী হিসেবে স্বাদু পানিতে আবার কিছু প্রজাতি লবণাক্ত পানিতে বাস করে।
- এই পর্বের কোনো কোনো প্রাণী ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে মাটিতে বাস করে। যেমন- যকৃত কৃমি, ফিতা কৃমি এই পর্বের অন্তর্গত।

• প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের বৈশিষ্ট্য:
- দেহ চ্যাপ্টা, উভলিঙ্গ।
- বহিঃপরজীবী বা অন্তঃপরজীবী।
- দেহ পুরু কিউটিকল দ্বারা আবৃত।
- দেহে চোষক ও আংটা থাকে।
- দেহে শিখা অঙ্গ নামে বিশেষ অঙ্গ থাকে, এগুলো রেচন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে।
- পৌষ্টিকতন্ত্র অসম্পূর্ণ বা অনুপস্থিত।
- উদাহরণ: যকৃৎ কৃমি, ফিতা কৃমি।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজি আজমল।

১১,২৯০.
পানির তলায় শব্দ নির্ধারণের যন্ত্র-
  1. ক) অডিওমিটার
  2. খ) অডিওফোন
  3. গ) ফ্যাদোমিটার
  4. ঘ) হাইড্রোফোন
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাইড্রোফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হাইড্রোফোন
ব্যাখ্যা
• পানির তলায় শব্দ নির্ধারণের যন্ত্র হাইড্রোফোন
- হাইড্রোফোন হল একটি পানির নিচের যন্ত্র যা সমস্ত দিক থেকে সমুদ্রের শব্দ সনাক্ত করে এবং রেকর্ড করে।
- অসংখ্য সামুদ্রিক জীব যোগাযোগ, প্রজনন এবং শিকার খোঁজার জন্য শব্দ ব্যবহার করে। যা হাইড্রোফোনের মাধ্যমে শনাক্ত করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,২৯১.
কোথায় আলোর প্রতিফলন ও প্রতিসরণ হয়না কিন্তু আলোর শোষণ হয়?
  1. পৃথিবী
  2. ব্লাক হোল
  3. চাঁদ
  4. নক্ষত্র
সঠিক উত্তর:
ব্লাক হোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্লাক হোল
ব্যাখ্যা
ব্লাক হোল বা কৃষ্ণবিবর মহাবিশ্বের অস্তিত্ব ও প্রকৃতি বিষয়ক একটি বহুল প্রচলিত ধারণা। এই ধারণা অনুযায়ী কৃষ্ণ বিবর মহাবিশ্বের এমন একটি বস্তু যা এত ঘন সন্নিবিষ্ট বা অতি ক্ষুদ্র আয়তনে এর ভর এত বেশি যে এর মহাকর্ষীয় শক্তি কোন কিছুকেই তার ভিতর থেকে বের হতে দেয় না, এমনকি তাড়িত চৌম্বক বিকিরণকেও (যেমন: আলো) নয়। প্রকৃতপক্ষে এই স্থানে সাধারণ মহাকর্ষীয় বলের মান এত বেশী হয়ে যায় যে এটি মহাবিশ্বের অন্য সকল বলকে অতিক্রম করে। ফলে এ থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না। মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার ১৯৬৯ সালে ব্লাক হোল আবিষ্কার করেন।
১১,২৯২.
জলীয় দ্রবণে pH এর সর্বোচ্চ মান কোনটি?
  1. ১০
  2. ১৪
  3. ২০
সঠিক উত্তর:
১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪
ব্যাখ্যা
• জলীয় দ্রবণে pH এর সর্বোচ্চ মান 14 এবং pH এর সর্বনিম্ন মান 0.

pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয় 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয় এবং 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 
 
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৯৩.
কোন রঙের আলোর বিক্ষেপণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম? 
  1. হলুদ
  2. লাল
  3. সবুজ
  4. নীল
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা

লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, তাই এর বিক্ষেপণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

• দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ: 
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4 × 10-7m থেকে 7 × 10-7m মাত্র। 
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়। 
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এদের মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম এবং লাল আলোর সবচেয়ে বেশি। 
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম। 
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি। 
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১,২৯৪.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটে থাকে-
  1. রেজিস্টর
  2. ট্রানজিস্টর
  3. ক্যাপাসিটর
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
- যার ফলে সাথে সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,২৯৫.
সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টরে কোন ধরনের লেন্স ব্যবহৃত হয়? 
  1. অবতল
  2. অ্যানামর্ফিক লেন্স 
  3. দ্বি-উত্তল
  4. উত্তল ও অবতল
সঠিক উত্তর:
অ্যানামর্ফিক লেন্স 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানামর্ফিক লেন্স 
ব্যাখ্যা

• সিনেমাক্সোপ (Cinemascope) প্রজেক্টরে সাধারণত অ্যানামর্ফিক লেন্স (Anamorphic Lens) - (সিলিনড্রিক্যাল লেন্স) ব্যবহার করা হয়।

• Cinemascope কী?
- Cinemascope হলো একটি ওয়াইডস্ক্রিন ফরম্যাট যা ১৯৫০-এর দশকে জনপ্রিয় হয়। এটি 35mm ফিল্ম ব্যবহার করে, কিন্তু চিত্রটিকে হরাইজন্টালি সংকুচিত (squeeze) করে রেকর্ড করা হয়।

- লেন্সের ভূমিকা:
- অ্যানামর্ফিক লেন্স ক্যামেরায় ব্যবহার করা হয় চিত্রটিকে সংকুচিত করে ধারণ করতে (সাধারণত 2:1 অনুপাতের সংকোচন)।

- প্রজেকশন টাইমে আবার একটি অ্যানামর্ফিক প্রজেকশন লেন্স ব্যবহার করে সংকুচিত চিত্রটিকে পুনরায় প্রসারিত করে সঠিক অনুপাত ও রেশিওতে স্ক্রিনে দেখানো হয়।
- ব্যবহার করা হয়:
- 1.5x বা 2x অ্যানামর্ফিক প্রজেকশন লেন্স, যা সংকুচিত চিত্রটিকে 2.35:1 বা 2.39:1 স্ক্রিন রেশিওতে পুনঃপ্রসারিত করে।
- সিনেমাক্সোপ প্রজেক্টরে অ্যানামর্ফিক প্রজেকশন লেন্স ব্যবহার করা হয়, যা সংকুচিত চিত্রকে পুনরায় প্রাকৃতিকভাবে স্ক্রিনে দেখায়।

সূত্র: widescreenmuseum [লিংক]

১১,২৯৬.
নিচের কোন উক্তিটি সত্য?
  1. সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা মহাকর্ষ
  2. একটি গাছ ও পৃথিবীর মধ্যে আকর্ষণ হলো অভিকর্ষ
  3. গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার আকর্ষণ একটি মহাকর্ষ
  4. উপরের সবকয়টি সত্য
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি সত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি সত্য
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষ: এ মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। দুটি বস্তুর একটি যদি পৃথিবী হয় তবে এই আকর্ষণ বলকে অভিকর্ষ বল (Gravitational force) বলে অর্থাৎ কোনো বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণকে অভিকর্ষ (gravitational force) বা মাধ্যাকর্ষণ বলে।পৃথিবী ও যেকোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ।

মহাকর্ষ: মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার আকর্ষণকে মহাকর্ষ বলে।

• অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
• অভিকর্ষ বল কোন বস্তুকে পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে।
• অভিকর্ষ হলো বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল।
• মাধ্যাকর্ষণ শক্তির ধারণা আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী নিউটন।
• অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীর ঘূর্ণনকালীন সময়ে আমরা ছিটকে পড়ি না।
• সূর্য ও চন্দ্রের মধ্যে যে আকর্ষণ তা মহাকর্ষ।
• গ্রহ ও নক্ষত্রের মধ্যকার আকর্ষণও মহাকর্ষ।
• একটি গাছ ও পৃথিবীর মধ্যে আকর্ষণ হলো অভিকর্ষ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,২৯৭.
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় আকাশ নীল দেখানোর কারণ কোনটি?
  1. আলোর প্রতিফলন
  2. আলোর প্রতিসরণ
  3. আলোর বিক্ষেপণ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আলোর বিক্ষেপণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর বিক্ষেপণ
ব্যাখ্যা
আলোর বিক্ষেপণ:
- আলো কোন মাধ্যমে যাওয়ার পথে মাধ্যমের কণাগুলোর সাথে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে দিক পরিবর্তন করে তাকে আলোর বিক্ষেপণ বলে।
- সূর্যাস্তের সময় সূর্যের আলো বায়ুমণ্ডলে ভাসমান ধূলিকণা ,পানিকণা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিশিষ্ট বেগুনী, নীল, আসমানি প্রভৃতি বর্ণের বিক্ষেপণ বেশি ঘটে।
- আলোর বিক্ষেপণ এর ফলেই আকাশ নীল দেখায়।
- সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় আকাশের খানিকটা অংশ গাড় লাল দেখায়।

অন্যদিকে -
- আলোর প্রতিফলন: আলো এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশকালে দুই মাধ্যমের বিভেদতলে আপতিত হয়ে যদি পূর্বের মাধ্যমেই ফিরে আসে তবে তাকে আলোর প্রতিফলন বলে।
- আলোর প্রতিসরণ: আলোক রশ্মি যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে তির্যকভাবে প্রবেশ করে, তখন মাধ্যমদ্বয়ের বিভেদতলে দিক পরিবর্তন করে। এ ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ বলে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,২৯৮.
ঘনত্বের S.I একক কী? 
  1. g/mL
  2. kg/m3
  3. kg/L
  4. g/cm3
সঠিক উত্তর:
kg/m3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
kg/m3
ব্যাখ্যা
ঘনত্ব (Density): 
- একই আয়তনের সকল পদার্থের ভর সমান নয়, তাই পদার্থের একক আয়তনের ভরকে তার ঘনত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
যেমন- দশ একক আয়তনের বস্তুর ভর বিশ একক হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব দুই একক। 
অর্থাৎ, বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে।
গাণিতিকভাবে বলা হয়, V আয়তনের কোন বস্তুর ভর m হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব, ρ = m/V  । 
এখানে, বস্তুর ভরকে m দ্বারা, আয়তনকে V দ্বারা এবং ঘনত্বকে ρ [গ্রীক অক্ষর রো] অথবা d অথবা D অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- যেহেতু ভরের একক কিলোগ্রাম (kg) এবং আয়তনের একক ঘনমিটার (m3), তাই ঘনত্বের একক কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার (সংক্ষেপে কিলোগ্রাম/ঘনমিটার (kg/m3)
- ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে ঘনত্বের একক গ্রাম প্রতি ঘন সেন্টিমিটার (সংক্ষেপে গ্রাম/সিসি (g/cc অথবা g/cm3) বহুল প্রচলিত, এটি S.I এককের উপগুণিতক। 

- ভরের মাত্রাকে আয়তনের মাত্রা দিয়ে ভাগ করলে ঘনত্বের মাত্রা পাওয়া যায়। ঘনত্বের মাত্রা, [ρ] = ML-3  । 
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পানির ঘনত্ব সব চেয়ে বেশি হয় 4° C তাপমাত্রায়। 
- 4° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, 4° C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়। 
- কেবল মাত্র 4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়, তাই পানির ঘনত্ব 1000 kgm-3 অথবা 1gm/cc । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,২৯৯.
পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে সাধারণত ইলেকট্রন আসক্তি কী করে? 
  1. বাড়ে
  2. কমে যায়
  3. শূন্য হয়ে যায়
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন আসক্তি: 
- গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন প্রবেশ করিয়ে এক মোল ঋণাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে শক্তি নির্গত হয়, তাকে ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে। 
- ইলেকট্রন আসক্তি একটি পর্যায়বৃত্ত ধর্ম। 
- একই পর্যায়ের বামের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বেশি এবং ডানের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কম। 
- পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে ইলেকট্রন আসক্তির মান বাড়ে এবং পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বাড়লে ইলেকট্রন আসক্তির মান কমে। 
যেমন- Be, Ca, Sr, Ba, Mg এবং Ra মৌলগুলো পর্যায় সারণির ২ নং গ্রুপ-এর মৌল। এই মৌলগুলোর মধ্যে Be এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে কম, এর জন্য Be এর ইলেকট্রন আসক্তির মান সবচেয়ে বেশি। আবার Ra এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে বেশি, এর জন্য Ra ইলেকট্রন আসক্তি সবচেয়ে কম। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৩০০.
সালোকসংশ্লেষণের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. লাল আলোতে সালোক সংশ্লেষণ কম হয়।
  2. কেলভিন চক্রের অপরনাম C4 চক্র।
  3. জলজ উদ্ভিদে স্থলজ উদ্ভিদের তুলনায় বেশি হয়।
  4. C3 উদ্ভিদে C4 উদ্ভিদের তুলনায় বেশি হয়।
সঠিক উত্তর:
জলজ উদ্ভিদে স্থলজ উদ্ভিদের তুলনায় বেশি হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলজ উদ্ভিদে স্থলজ উদ্ভিদের তুলনায় বেশি হয়।
ব্যাখ্যা
• জলজ উদ্ভিদে স্থলজ উদ্ভিদের তুলনায় বেশি সালোকসংশ্লেষণ হয়।

• কারণ:
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- স্থলজ সবুজ উদ্ভিদ মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পানি শোষণ করে পাতার মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টের পৌছায় এবং স্ট্রোমা বা পত্ররন্ধের মাধ্যমে বায়ু থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে, যা মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টে পৌঁছে।
- জলজ উদ্ভিদ পানিতে দ্রবীভূত কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে।
- বায়ুমন্ডলে ০.০৩% এবং পানিতে ০.৩% কার্বন ডাই অক্সাইড আছে, তাই জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
 
অন্যদিকে,
- একক আলো হিসেবে লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ বেশি হয়।
- কেল্ভিন চক্রের অপরনাম C3 চক্র।
- C4 উদ্ভিদে C3 উদ্ভিদের তুলনায় বেশি সালোকসংশ্লেষণ  হয়।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।