বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১১২ / ১৪০ · ১১,১০১১১,২০০ / ১৪,০৮০

১১,১০১.
ইনসুলিন কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
  2. খ) অ্যাড ওয়ার্ড জেনার
  3. গ) গেরহার্ড ডোমাক
  4. ঘ) ফ্রেডরিক গ্র্যান্ড ব্যানটিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফ্রেডরিক গ্র্যান্ড ব্যানটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফ্রেডরিক গ্র্যান্ড ব্যানটিং
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন:
- ইনসুলিন একটি হরমোন।
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of Langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে।
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে।
- ইনসুলিন আবিষ্কার করেন ফ্রেডরিক গ্র্যান্ড ব্যানটিং (Frederick G. Banting)
- তিনি একজন কানাডিয়ান চিকিৎসক, চিকিৎসাবিজ্ঞানী এবং ইনসুলিনের আবিষ্কারক।
- তিনি বিজ্ঞানী Charles H. Best এবং রোমানিয়ান ফিজিওলজিস্ট Nicolas C. Paulescu এর সঙ্গে ১৯২১ সালে ইনসুলিন আবিষ্কার করেছিলেন।
- অপরদিকে স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৯ সালে পেনিসিলিন নামক জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১০২.
কে প্রথম ঈশ্বর কণার ধারণা প্রদান করেন?
  1. ক) পিটার হিগস
  2. খ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  3. গ) জগদীশচন্দ্র বসু
  4. ঘ) ডঃ মরিস বুকাইলি
সঠিক উত্তর:
খ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সত্যেন্দ্রনাথ বসু
ব্যাখ্যা

হিগস বা ঈশ্বর কনার সর্বপ্রথম ধারণা দেন সত্যেন্দ্রনাথ বসু ১৯২৪ সালে। তিনি এই বিষয় নিয়ে গবেষণা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা ল্যাবে।
২য় ধারণা দেন পিটার হিগজ ১৯৬৪ সালে।
২০১২সালে এই কণার অস্ত্বিত্ব আবিষ্কৃত হয়।

১১,১০৩.
এন্ডোসকপি (Endoscopy) -তে প্রয়োগ করা হয়-
  1. আলোর প্রতিসরণ
  2. আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  3. বৈদ্যুতিক তরঙ্গের নিঃসরণ
  4. আলোর আংশিক প্রতিসরণ
সঠিক উত্তর:
আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

এন্ডোসকপি (Endoscopy):
- মানুষের উপর কোনো অস্ত্রোপাচার না করে তার শরীরের ভেতরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দেখার কাজে এন্ডোস্কপি করা হয়।
- এন্ডোসকপি যন্ত্রের মাধ্যমে আমরা শরীরের ফাঁকা অঙ্গসমূহের অভ্যন্তরভাগ পরীক্ষা করে থাকি।
- এন্ডোসকপি সাধারণত তখনই ব্যবহার করা হয় যখন শরীরের অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যা এক্সরে বা সিটি স্ক্যান করে নিশ্চিত হওয়া যায় না।
- এন্ডোসকপির মাধ্যমে চিকিৎসকগন শরীরের অভ্যন্তরে বিশেষ করে পাকস্থলীতে যে কোনো ধরনের অস্বস্থিবোধ, ক্ষত, প্রদাহ এবং অস্বাভাবিক কোষবৃদ্ধি পরীক্ষা করে থাকেন।
- পেটে ব্যাথা, গ্যাস্ট্রিক, আলসার, পরিপাকতন্ত্র, মূত্রনালী, স্ত্রী প্রজননতন্ত্র প্রভৃতির সমস্যার ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ এন্ডোসকপি ব্যবহার নির্ধারণ করেন। এছাড়া পেটের আলসার নির্ণয়ে এন্ডোসকপি করা হয়।
- এন্ডোসকপি যন্ত্র সাধারণত একটি বাঁকানো টেলিস্কোপ। এই যন্ত্রের দুটি নল থাকে, এদের একটির মধ্যদিয়ে বাইরে থেকে রোগীর শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গে আলো প্রেরণ করা হয়।
- আলোক তন্ত্রর ভিতরের দেয়ালে আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে উজ্জ্বল আলো রোগীর দেহ গহব্বরে প্রবেশ করে।
- এই আলো ক্ষতিগ্রস্থ অঙ্গকে আলোকিত করে। দ্বিতীয় আলোক তন্তু নলের ভিতর দিয়ে আলোর প্রতিফলিত অংশ একইভাবে ফিরে আসে।
- প্রতিফলিত আলো অভিনেত্র লেন্সের মাধ্যমে চিকিৎসকের চোখে প্রবেশ করে।
- ফলে চিকিৎসক পরীক্ষণীয় অঙ্গের অভ্যন্তরে কী ঘটছে বা হচ্ছে-তা দেখতে পারে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১০৪.
প্রবল জোয়ারের কারণ কী?
  1. পৃথিবীর আহ্নিক গতি
  2. সমুদ্রের পানির লবণাক্ততা
  3. চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে
  4. বায়ুমণ্ডলের চাপের পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে
ব্যাখ্যা

◉ প্রবল জোয়ার (Spring Tide) ঘটে যখন চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী এক সরলরেখায় থাকে (পূর্ণিমা বা অমাবস্যায়)। এতে চন্দ্র ও সূর্যের সম্মিলিত মহাকর্ষীয় টানে জোয়ারের উচ্চতা সর্বোচ্চ হয়।

জোয়ার-ভাটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আর্ষণ শক্তি পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। সমুদ্র পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং. নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিক শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাটা হয়।- জোয়ার ভাটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

যথা-
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

- সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরলরেখায় অবস্থান করলে উভয়ের আকর্ষণে জোয়ার অত্যন্ত প্রবল হয়।
- অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে অবস্থান করে। এর ফলে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি একই দিক হতে একই সাথে কার্যকরী হয়। সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণের কম হলেও এ সময় উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ আর ও প্রবল হয়।

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১০৫.
ধনুষ্টংকার টিকা কোনটি?
  1. ক) ওপিভি
  2. খ) ওডিভি
  3. গ) বিসিজি
  4. ঘ) ডিপিটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডিপিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডিপিটি
ব্যাখ্যা
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয় ৯টি টিকা।
যক্ষ্মার টিকার নাম হলো- বিসিজি টিকা (Bacillus Calmette–Guérin vaccine)।
ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি ও ধনুষ্টংকার রোগের টিকা ডিপিটি।
১১,১০৬.
ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়?
  1. ক) তামা
  2. খ) সীসা
  3. গ) দস্তা
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
অ্যালুমিনিয়াম:
- ভূপৃষ্ঠে অ্যালুমিনিয়াম ধাতুটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় শতকরা ৮ ভাগ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায়। 
- কিন্ত প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায় না।
- অ্যালুমিনিয়াম অন্যান্য মৌলিক পদার্থের সাথে যৌগ গঠন করে অবস্থান করে।
- এগুলো হলো অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক। 
- এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বক্সাইট, ক্রায়োলাইট, কোরানডাম ইত্যাদি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১০৭.
টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) আইসোটোপ
  2. খ) আইসোটোন
  3. গ) আইসোবার
  4. ঘ) আইসোমার
সঠিক উত্তর:
ক) আইসোটোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ।
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলা হয়।
- ক্যান্সারের চিকিৎসায় সাধারনত কোবাল্ট-৬০ (60Co) আইসোটোপটি ব্যবহৃত হয়।
- টিউমারের উপস্থিতি নির্ণয় ও নিরাময়ে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ 60Co ব্যবহার করা হয়
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি ক্যান্সারের কোষ কলাকে ধ্বংস করে।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও রসায়ন বিজ্ঞান, নবম শ্রেণি। 
১১,১০৮.
স্যাটেলাইট ডিস এন্টেনায় কোন ধরনের দর্পণ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) অবতল দর্পণ
  2. খ) উত্তল দর্পণ
  3. গ) সমতল দর্পণ
  4. ঘ) উত্তল ও অবতল দর্পণ
সঠিক উত্তর:
ক) অবতল দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অবতল দর্পণ
ব্যাখ্যা

অবতল দর্পণের প্রতিফলক তল নিচু। এটি আলোক রশ্মিকে বাস্তবে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করতে পারে, ফলে এটি সদ ও অসদ উভয় প্রকারের বিম্ব গঠন করতে পারে। এজন্য এর ব্যবহার ব্যাপক। 

স্যাটেলাইট ডিস এন্টিনায় অবতল দর্পণ ব্যবহার করা হয়। কমিউনিকেশন স্যাটেলইটের মাধ্যমে প্রেরক এন্টিনাসমূহ তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গকে মহাশূন্যে ছড়িয়ে দেয়। যেহেতু পৃথিবী থেকে স্যাটেলাইটগুলোর দূরত্ব অনেক বেশি তাই পৃথিবীতে আসা দুর্বল তরঙ্গগুলো প্রায় সমান্তরালভাবে অবতল তলে আপতিত হয় এবং প্রতিফলনের নিয়মে ফোকাসে মিলিত হয়। আগত দুর্বল তরঙ্গ একটি ফোকাসে মিলিত হওয়ায় বেশ জোরাল হয়। অতপর এটি বর্ধিত করে গ্রাহক যন্ত্রে প্রেরিত হয়।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১১,১০৯.
AC প্রবাহ কে DC প্রবাহে রূপান্তর করতে কোন ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) জেনারেটর
  2. খ) ডায়োড
  3. গ) ট্রানজিস্টর
  4. ঘ) অ্যামপ্লিফায়ার
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়োড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডায়োড
ব্যাখ্যা
• AC প্রবাহ কে DC প্রবাহে রূপান্তর করতে ডায়োড ব্যবহার করা হয়।

• ডায়োড: ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরনের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
- ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই।
- সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode.
- একটি p টাইপ অর্ধপরিবাহী ও একটি n টাইপ অর্ধপরিবাহী পাশাপাশি জোড়া লাগিয়ে p-n জাংশন ডায়োড তৈরি করা হয়।
- এটি মূলত রেকটিফায়ার হিসেবে কাজ করে।
- রেকটিফায়ার এসি প্রবাহকে ডিসি প্রবাহে রূপান্তর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,১১০.
বৈদ্যুতিক ফিউজে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. তামা ও সীসা
  2. সীসা ও টিন
  3. সীসা ও ব্রোঞ্জ
  4. লোহা ও তামা
সঠিক উত্তর:
সীসা ও টিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সীসা ও টিন
ব্যাখ্যা
• বৈদ্যুতিক ফিউজ: 
- কোনো বৈদ্যুতিক বর্তনীতে বিদ্যুৎ প্রবাহকালে সরবরাহ লাইন থেকে যাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত মাত্রার বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়ে অগ্নিকান্ড ঘটাতে না পারে বা গৃহে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হতে না পারে সে জন্য বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা ফিউজ ব্যবহৃত হয়। 
- বৈদ্যুতিক ফিউজ সাধারণত সীসা ও টিন (সীসা ৭৫% এবং টিন ২৫%) এর সংকরের উপযুক্ত ব্যাসের এক টুকরা সরু তার। 
- এর গলনাংক প্রায় ৩০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 
- এরূপ এক খন্ড তার চীনা মাটির বাক্সে বাড়ির বৈদ্যুতিক বর্তনীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনের সাথে আটকানো থাকে। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১১১.
শূন্যস্থান বা ভ্যাকুয়ামে বাষ্পায়ন কেমন হয়? 
  1. খুব ধীরে 
  2. স্থির থাকে 
  3. বাতাসের মতো 
  4. সবচেয়ে বেশি 
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে বেশি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবচেয়ে বেশি 
ব্যাখ্যা

বাষ্পায়নের নির্ভরশীলতা: 
- বর্ষাকালের বৃষ্টিভেজা দিনগুলোতে ভেজা কাপড় কিছুতেই শুকাতে চায় না। আবার শীতকালে ঘরের ভেতর ছায়াতেও কাপড় ধুয়ে শুকাতে দিলে দ্রুত শুকিয়ে যায়। 
- ভেজা কাপড় শুকানোর বিষয়টি পানির বাষ্পায়ন ছাড়া আর কিছুই না, কাজেই পানির বাষ্পায়ন বেশ কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
- একটা তরলের বাষ্পায়ন কোন কোন বিষয়ের উপর নির্ভর করে তা নিম্নে দেওয়া হলো- 
১। বাতাসের প্রবাহ: বাতাসের প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 
২। তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল: তরলের উপরিভাগের ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। এক গ্লাস পানি বাষ্পীভূত হতে অনেক সময় নেবে কিন্তু সেই পানিটা বড় থালায় ঢেলে দিলে অনেক তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। 
৩। তরলের প্রকৃতি: তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন বেশি। উদ্বায়ী তরলের বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি। 
৪। বাতাসের চাপ: বাতাসের চাপ যত কম হবে বাষ্পায়নের হার তত বেশি। শূন্যস্থানে বাষ্পায়ন সবচেয়ে বেশি, তাই খাদ্য সংরক্ষণের জন্য খাবারকে শুকাতে পাম্প দিয়ে বাতাস বের করে নেওয়া হয়। 
৫। উষ্ণতা: তরল এবং তরলের কাছাকাছি বাতাসের উষ্ণতা বেশি হলে বাষ্পায়ন বেশি হয়। 
৬। বায়ুর শুষ্কতা: বাতাস যত শুষ্ক হবে তরল তত তাড়াতাড়ি বাষ্পায়ন হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,১১২.
কোয়ান্টাম তত্ত্বের মাধ্যমে কোন বিকিরণ ব্যাখ্যা করা হয়?
  1. রেডিও তরঙ্গ
  2. আলোর প্রতিফলন
  3. কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ
ব্যাখ্যা

কোয়ান্টাম তত্ত্ব: 
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রস্তাবনা করেন। 
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে বের হয়ে না, বরং ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট বা গুচ্ছ আকারে নির্গত হয়। 
- প্রতি কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্বনিম্ন মান নির্দিষ্ট থাকে। এই সর্বনিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- প্লাঙ্কের মতে, কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ আকারে সংঘটিত হয়। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন কোয়ান্টাম তত্ত্ব ব্যবহার করে আলোক তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন, যার ফলে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১১৩.
চা পাতায় কোন ভিটামিন থাকে?
  1. ভিটামিন-ই
  2. ভিটামিন-কে
  3. ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স
  4. ভিটামিন-এ
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
- চা পাতা, বৃষ্টির পানিতে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকে
- শাকসবজি, তৈলবীজ এবং হাঙ্গর মাছের যকৃতের তেলে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়।
- সবুজ শাকসবজি, দুগ্ধজাত দ্রব্য ভিটামিন-কে এর প্রধান উৎস।
- মাছের তেল, দুধ, মলা মাছ, মাছের মাথা এবং গাজরে সর্বাধিক ভিটামিন-এ রয়েছে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,১১৪.
পর্যায় সারণীতে কোন মৌলের অবস্থানে ব্যতিক্রমতা পরিলক্ষিত হয়?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) অক্সিজেন
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) আয়রন
সঠিক উত্তর:
ক) হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা

পর্যায় সারণীতে হাইড্রোজেনের অবস্থানে ব্যতিক্রমতা পরিলক্ষিত হয়।
আধুনিক পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেনকে IA শ্রেণিতে স্থান দেয়া হয়েছে। গ্রুপ IA এর সদস্যরা তীব্র ক্ষার ধাতু, কিন্তু হাইড্রোজেন একটি অধাতু।

পর্যায় সারণীতে হাইড্রোজেনের অবস্থান:
আধুনিক পর্যায় সারণিতে মেন্ডেলিফের পর্যায় সারণির অনেক ত্রুটির সংশোধন করা সম্ভব হলেও এখনও হাইড্রোজেনের স্থান নিয়ে মতভেদ রয়েছে। 

• আধুনিক পর্যায় সারণিতে হাইড্রোজেনকে IA শ্রেণীতে স্থান দেয়ার পক্ষে যুক্তিগুলো হলো:
i) IA শ্রেণীর অন্যান্য ক্ষার ধাতুগুলোর ন্যায় (Li-1s2 2s1) হাইড্রোজেন পরমাণুর সর্ব:বহিস্থ স্তরের (এক মাত্র শক্তি স্তরে) s অরবিটালে 1টি মাত্র ইলেকট্রন রয়েছে (H-1s1)।
ii) ক্ষার ধাতুগুলোর মতই হাইড্রোজেন তীব্র তড়িৎধনাত্নক গুণ সম্পন্ন। ঐ ধাতুগুলোর মত হাইড্রোজেন ইলেকট্রন অপসারণের মাধ্যমে ধনাত্নক আয়ন সৃষ্টি করে।
iii) ক্ষার ধাতুর মৌলগুলোর মত হাইড্রোজেনের যোজনীও এক।
iv) Li, Na ইত্যাদি ক্ষার ধাতুর মতই হাইড্রোজেন হ্যালোজেন, অক্সিজেন, সালফার ইত্যাদি অধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে যৌগ গঠন করে।
v) ক্ষার ধাতুর মত হাইড্রোজেনের তীব্র বিজারণ গুণ রয়েছে।

• অন্যদিকে VII-A শ্রেণীতে হাইড্রোজেনের স্থান সম্পর্কে নিচের যুক্তিসমূহের উল্লেখ করা যায়:
i) হাইড্রোজেনের পারমাণবিক সংখ্যা 1, সুতরাং হিলিয়ামের (পারমাণবিক সংখ্যা 2) ঠিক আগের শ্রেণীতে অর্থাৎ VIIA শ্রেণীতে ফ্লোরিনের উপর এর স্থান হওয়া উচিৎ।
ii) হ্যালোজেন মৌলসমূহের মত হাইড্রোজেনও দ্বি-পরমাণুক ও অধাতু। হাইড্রোজেন ফ্লোরিন ও ক্লোরিনের ন্যায় সাধারণ তাপমাত্রায় একটি গ্যাস।
iii) Si, C ইত্যাদি অধাতব মৌলের সাথে হ্যালোজেন SiX4, CX4 যৌগ উৎপন্ন করে, হাইড্রোজেনও অনুরূপ যৌগ SiH4 ও CH4 উৎপন্ন করে।
iv) Na, Ca, Al এই সব ধাতুর সাথে হ্যালোজেন বিক্রিয়া করে যথাক্রমে NaX, CaX2 এবং AIX3, প্রভৃতি হ্যালাইড উৎপন্ন করে । হাইড্রোজেনও NaH, CaH2, ও AlH3, ইত্যাদি সাদৃশ্যপূর্ণ হাইড্রাইড উৎপন্ন করে।
v) হ্যালোজেন মৌলসমূহের মতই পরবর্তী নিষ্ক্রিয় গ্যাস অর্থাৎ হিলিয়াম থেকে হাইড্রোজেনের একটি ইলেকট্রন কম থাকে।
vi) LiH সহ অন্যান্য কোন কোন ধাতুর গলিত হাইড্রাইড থেকে তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় হ্যালোজেনের মতই হাইড্রোজেন উৎপন্ন হয়ে অ্যানোডে জমা হয়।


# উপরের আলোচনা থেকে দেখা যায় যে, IA ও VIIA এই উভয় শ্রেণির যে কোনটিতে হাইড্রোজেনের স্থান দেওয়ার পক্ষে যুক্তি দেয়া যায়। হাইড্রোজেন একটি s-ব্লক মৌল এবং প্রায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই +1 জারণ অবস্থা প্রাপ্ত হয় বলে একে IA শ্রেণিতে স্থান দেয়া হয়।

# কোন কোন বিজ্ঞানী উভয় শ্রেণীতে হাইড্রোজেনের স্থান দেওয়ার পক্ষে যুক্তি থাকায় হাইড্রোজেনকে পর্যায় সারণির উপরে আলাদাভাবে একটি বিশেষ স্থান দেওয়ার প্রস্তাব করেছেন।

১১,১১৫.
কোন পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য 150 V এবং তড়িৎ প্রবাহ 15 A হলে এর রোধ কত?
  1. ক) 0.1Ω
  2. খ) 2250Ω
  3. গ) 10Ω
  4. ঘ) 100Ω
সঠিক উত্তর:
গ) 10Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 10Ω
ব্যাখ্যা

দেওয়া আছে,
বিভব পার্থক্য, V = 150 V
তড়িৎ প্রবাহ, I = 15 A
এবং রোধ, R = ?
আমরা জানি,
I = V/R
বা, R = V/I
বা, R = 150/15
= 10Ω

১১,১১৬.
বায়োগ্যাস তৈরির পর যে অবশিষ্টাংশ থাকে তা-
  1. সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়
  2. জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা য়ায়
  3. হাঁস-মুরগির খাবার হিসেবে ব্যবহার করা যায়
  4. কোনো কাজে লাগে না
সঠিক উত্তর:
সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়
ব্যাখ্যা
বায়োগ্যাস: 
- গোবর ও অন্যান্য পঁচনশীল পদার্থ বাতাসের অনুপস্থিতিতে (অবায়বীয় অবস্থায়) পঁচানোর ফলে যে বর্ণহীন জ্বালানি গ্যাস তৈরী হয়, তাকে বায়োগ্যাস বলে।
- বায়োগ্যাসে শতকরা ৬০-৭০ ভাগ মিথেন থাকে, তাই একে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- মিথেন ছাড়া বায়োগ্যাসে থাকে মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2)।
- সাধারণত অবায়বীয় ব্যাকটেরিয়ার কার্যকারিতায় গোবর ও অন্যান্য আবর্জনা পঁচে বায়োগ্যাস সৃষ্টি হয়।
- এ গ্যাস উৎপাদনের পর অবশিষ্ট অংশ উন্নত মানের সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
[এখানে অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে সার হিসেবে ব্যবহার করাকে নেয়া হয়েছে কারণ অবশিষ্ট অংশ সার হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।] 


বায়োগ্যাস তৈরির সময় রেসিডিউ (অবশিষ্টাংশ) নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে - 
১. উন্নতমানের জৈব সার হিসেবে জমিতে ব্যবহার করা যায়। 
২. মাছের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
৩. মাশরুম চাষ করা যায়। 
৪. মুক্তা চাষে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: ৩৯৫ পৃষ্ঠা, উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১১৭.
নিচের কোনটি সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড নয়?
  1. অক্সালিক এসিড
  2. পামিটিক এসিড
  3. স্টিয়ারিক এসিড
  4. প্রোপানোয়িক এসিড
সঠিক উত্তর:
অক্সালিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সালিক এসিড
ব্যাখ্যা

- অক্সালিক এসিড একটি ডাই-কার্বক্সিলিক এসিড, যা কোনো ফ্যাটি এসিড নয়। ফ্যাটি এসিড সাধারণত দীর্ঘ কার্বন শিকলযুক্ত মনো-কার্বক্সিলিক এসিড হয়ে থাকে। অক্সালিক এসিডের সংকেত  (COOH)2, যেখানে কোনো দীর্ঘ হাইড্রোকার্বন শিকল নেই। 

ফ্যাটি এসিড: 
- অ্যালিফেটিক এসিডের অণুতে একটি মাত্র কার্বক্সিলমূলক থাকলে এদেরকে মনোকার্বক্সিল এসিড বলে। 
- অ্যালিফেটিক মনোকার্বক্সিলিক এসিড শ্রেণীকে ফ্যাটি এসিডও বলা হয়। 
- সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের সাধারণ সংকেত হল CnH2n+1COOH. 
- ফ্যাটি এসিড সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত উভয় প্রকার হতে পারে। 
যেমন- 
১। সম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
• প্রোপানোয়িক এসিড, 
• স্টিয়ারিক এসিড, 
• পামিটিক এসিড। 

২। অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিড: 
• অক্সালিক এসিড, 
• অলিয়িক এসিড, 
• লিনোলিক এসিড। 
- অসম্পৃক্ত ফ্যাটি এসিডের কার্বন শিকলে এক বা একাধিক দ্বি-বন্ধন থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ)।

১১,১১৮.
ভাইরাসের আবিষ্কারক কে?
  1. এডওয়ার্ড জেনার
  2. অ্যাডলফ মায়ার
  3. দিমিত্রি ইভানোভস্কি
  4. মার্টিনাস বেইজেরিঙ্ক
সঠিক উত্তর:
দিমিত্রি ইভানোভস্কি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিমিত্রি ইভানোভস্কি
ব্যাখ্যা

*** ভাইরাসের আবিষ্কারক দিমিত্রি ইভানোভস্কি

- গুটিবসন্ত, পীত জ্বর ইত্যাদি ভাইরাসঘটিত রোগ পৃথিবীতে বহু আগে থেকেই ছিল কিন্তু ভাইরাস সম্পর্কে কোন ধারনাই মানুষের ছিল না।
- বিজ্ঞানী এডওয়ার্ড জেনার ১৭৯৬ সালে প্রথম ভাইরাসঘটিত বসন্ত রোগের কথা উল্লেখ করেন।
- সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত উদ্ভিদ ভাইরাস হলো টোবাকো মোজাইক ভাইরাস (TMV)। অ্যাডলফ মায়ার ১৮৮৬ সালে তামাক গাছের পাতার ছোপ ছোপ দাগবিশিষ্ট রোগকে মোজাইক রোগ নিয়ে কাজ করেছেন যা টোবাকো মোজাইক রোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।
- ভাইরাস আবিষ্কারের কৃতিত্ব রাশিয়ান বিজ্ঞানী দিমিত্রি ইভানোভস্কি কে দেওয়া হয়। ১৮৯২ সালে তিনি তামাক গাছের রোগ (Tobacco Mosaic Disease) নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে প্রথম ভাইরাসের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন।
- দিমিত্রি ইভানোভস্কি বলেন যে, তামাক গাছের মোজাইক রোগজীবাণু ব্যাকটেরিয়া থেকে ক্ষুদ্র এবং এ রোগ-বিষকে ভাইরাস হিসেবে আখ্যায়িত করেন কিন্তু কোন ভাইরাস শনাক্ত করতে পারেননি। তবুও তাঁকেই ভাইরাসের আবিষ্কারক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।   
- পরে মার্টিনাস বেইজেরিঙ্ক ১৮৯৮ সালে এটিকে "ভাইরাস" নামে অভিহিত করেন এবং এর প্রকৃতি ব্যাখ্যা করেন।

উৎস: জীব বিজ্ঞান প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)- ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

১১,১১৯.
সোলার প্যানেলে ব্যবহৃত ফটোভোল্টাইক এফেক্টের আবিষ্কারক কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. বেকেরেল
  3. টেসলা
  4. এডিসন
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল
ব্যাখ্যা

◉ ফটোভোল্টাইক এফেক্ট (Photovoltaic Effect) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে আলোর প্রভাবে কোনো পদার্থে বিদ্যুৎ প্রবাহ সৃষ্টি হয়। ফরাসি পদার্থবিদ Alexandre Edmond Becquerel ১৮৩৯ সালে প্রথম এই প্রক্রিয়াটি আবিষ্কার করেন।
- পরে আলবার্ট আইনস্টাইন ১৯০৫ সালে এর তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দেন এবং এজন্য তিনি ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান (photoelectric effect নিয়ে কাজের জন্য)।

ফটোভোল্টাইক এফেক্ট ও সোলার প্যানেল: 
- ফটোভোল্টাইক এফেক্ট হলো এমন প্রক্রিয়া, যেখানে আলোর শক্তি সেমিকন্ডাক্টর পদার্থে পড়ে ইলেকট্রন মুক্ত করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।
- এই প্রভাব ব্যবহার করে তৈরি যন্ত্রকেই সোলার সেল বলে।
- সোলার সেলগুলো একত্রে সাজিয়ে সোলার প্যানেল তৈরি করা হয়, যা সূর্যের আলোকে সরাসরি বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- এগুলো বাড়ি, শিল্প, মহাকাশযান ও বিভিন্ন ডিভাইসে বিকল্প ও পরিবেশবান্ধব শক্তির উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও EBSCO ওয়েবসাইট। 

১১,১২০.
তাড়িতচুম্বকীয় তরঙ্গ ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো দূরত্বে রেডিও সংকেত প্রেরণ করার কাজটি কে করেছেন? 
  1. গ্রাহাম বেল 
  2. ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল 
  3. জি. মার্কনী 
  4. জন বেয়ার্ড 
সঠিক উত্তর:
জি. মার্কনী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জি. মার্কনী 
ব্যাখ্যা

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অবদান: 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে। 
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। 
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়। 

- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী জি. মার্কনী বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১২১.
কোনটি রক্তের প্রোটিন জাতীয় জৈব পদার্থ? 
  1. ইউরিয়া
  2. ক্রিয়েটিনিন
  3. অ্যামোনিয়া
  4. ফাইব্রিনোজেন
সঠিক উত্তর:
ফাইব্রিনোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইব্রিনোজেন
ব্যাখ্যা
- রক্তের প্রোটিন জাতীয় জৈব পদার্থ হলো- ফাইব্রিনোজেন এবং বাকিগুলো হলো প্রোটিনবিহীন জৈব পদার্থ।

রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা। 
- রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। 
- রক্ত সামান্য ক্ষারীয়। এর pH মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪। 
- সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস। 
- অজৈব লবণের উপস্থিতিতে রক্ত লবণাক্ত। 
- একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 

রক্তের উপাদান: 
- মানব দেহের রক্ত প্রধানতঃ রক্তরস ও রক্ত কণিকা নিয়ে গঠিত। 
- স্থিতি অবস্থায় কিছুক্ষণ রাখলে রক্ত দুই স্তরে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- উপরের হালকা হলুদ বর্ণের প্রায় ৫৫% যে অংশ থাকে তাকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে এবং নিচের গাঢ়তর বাঁকি ৪৫% অংশকে রক্ত কণিকা বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে রক্ত কণিকাগুলো রক্ত রসে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং লোহিত রক্ত কণিকার উপস্থিতিতে রক্ত লাল দেখায়। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১২২.
Bolts মূলত বহন করে-
  1. ক) Shear
  2. খ) Bending
  3. গ) Axial tension
  4. ঘ) Shear and banding
সঠিক উত্তর:
গ) Axial tension
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Axial tension
ব্যাখ্যা
bolts: 
- বোল্ট/নাট সমাবেশগুলি সাধারণত মেশিন এবং কাঠামোতে ব্যবহার করা হয় যাতে সহজে সমাবেশ এবং বিচ্ছিন্নকরণ সক্ষম হয়।
- বল্টু/নাট অ্যাসেম্বলিতে পুনরাবৃত্ত বাহ্যিক লোডিংয়ের কারণে এই জাতীয় সমাবেশগুলির অক্ষীয় শক্তি হ্রাস পায়।
- বোল্ট সাধারনত সকল ধরনের অক্ষীয় টান বা লোড ধারন করে। একটি নির্দিষ্ট লোড এর বেশি ধারন করতে পারে না তখন সমন্বয় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

উৎস: sciencedirect.
১১,১২৩.
চকচকে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী মৌলকে কী বলে? 
  1. উপধাতু
  2. ধাতু
  3. অধাতু
  4. খনিজ
সঠিক উত্তর:
ধাতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধাতু
ব্যাখ্যা
- চকচকে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী মৌলকে ধাতু বলে।

পদার্থ: 
- সকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত।
যথা- ধাতু ও অধাতু।
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি। 
- আবার অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

- ধাতুর কতগুলো বৈশিষ্ট্য আছে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো - 
• ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
• নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
• উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
• পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
• ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
• গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
• ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১২৪.
হাউজ ওয়্যারিং এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত কালো রংয়ের তারটি-
  1. জীবন্ত
  2. নিরপেক্ষ
  3. ধনাত্মক আধানযুক্ত
  4. ঋণাত্মক আধানযুক্ত
সঠিক উত্তর:
জীবন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন্ত
ব্যাখ্যা
The International Electrotechnical Commission (IEC) অনুসারে, 
- Live Wire : কালো, লাল অথবা অনু যে কোন রংয়ের হতে পারে (সাদা, ধূসর এবং সবুজ বাদে) 
- Neutral Wire: সাদা বা ধূসর রংয়ের হতে পারে
- Earth/Ground Wire: সবুজ 

অতএব, সঠিক উত্তর হবে 'ক' । 

উৎস: IEC এর ওয়েবসাইট।
১১,১২৫.
Which of the following is not used in organic farming?
  1. Vermicompost
  2. Green manure
  3. Compost
  4. Chemical fertilizer
  5. Cow dung fertilizer
সঠিক উত্তর:
Chemical fertilizer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chemical fertilizer
ব্যাখ্যা
• জৈব কৃষিতে রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয় না। 

• জৈব কৃষি:
- জৈব কৃষি (Organic Farming) হলো একটি সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থা যা প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে এবং পরিবেশের উপর ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করে।

• জৈব কৃষির বৈশিষ্ট্য:
→ প্রকৃতির ভারসাম্য: জৈব কৃষি প্রকৃতির নিয়ম মেনে কাজ করে, যেখানে মাটি, জল, এবং জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় থাকে।
→ প্রাকৃতিক উপাদান: জৈব সার, জৈব কীটনাশক, এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানের ব্যবহার করা হয়।
→ মাটির স্বাস্থ্য: জৈব সার ব্যবহার করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করা হয় এবং মাটির স্বাস্থ্য উন্নত করা হয়।
→ জৈব বৈচিত্র্য: বিভিন্ন ধরনের ফসল এবং পশুপাখি পালন করে জৈব বৈচিত্র্য বজায় রাখা হয়।
→ পরিবেশ সুরক্ষা: রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশ দূষণ কমানো হয়।
→ খাদ্য নিরাপত্তা: নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করা হয়।
→ অর্থনৈতিক লাভ: জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত খাদ্য পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে এবং ভালো দামে বিক্রি করা যায়।

• জৈব কৃষিতে ব্যবহৃত উপাদান:
→ কেঁচো সার (Vermicompost):
- কেঁচোর সাহায্যে জৈব বর্জ্য পচিয়ে তৈরি করা হয়।
- মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং উপকারী অনুজীবের সংখ্যা বাড়ায়।
→ কম্পোস্ট (Compost):
গোবর, পাতা, খড় ইত্যাদি পচিয়ে তৈরি করা হয়।
মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ বাড়ায়।
→ সবুজ সার (Green Manure):
ধইঞ্চা, সেসবানিয়া ইত্যাদি ফসল মাটিতে চাষ করে পুঁতে দেওয়া হয়।
নাইট্রোজেন স্থিরকরণ ও মাটির গঠন উন্নত করে।
→ গোবর সার (Cow dung fertilizer):
- এটি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি ও ফসলের স্বাস্থ্য উন্নয়নে অত্যন্ত কার্যকর।

• জৈব কৃষিতে অব্যবহৃত উপাদান:
→ রাসায়নিক সার (Chemical Fertilizers):
- ইউরিয়া, টিএসপি, এমওপি ইত্যাদি কৃত্রিম সার জৈব কৃষিতে নিষিদ্ধ।
- এগুলো মাটির স্বাস্থ্য নষ্ট করে এবং পরিবেশ দূষণ ঘটায়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
১১,১২৬.
নিম্নের কোনটির প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহ আবর্তিত হয়?
  1. অভিকর্ষ বল
  2. মহাকর্ষীয় বল
  3. কেন্দ্রাতিগ বল
  4. বৈদ্যুতিক বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষীয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষীয় বল
ব্যাখ্যা

• গ্রহ (Planet):
- মহাকাশে কতকগুলো জ্যোতিষ্ক সূর্যকে নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট পথে পরিক্রমণ করে।
- এদের নিজেদের কোনো আলো বা তাপ নেই।
- মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে গ্রহগুলো সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
- এরা সূর্য থেকে আলো ও তাপ পায়।
- এই তাপেই উত্তপ্ত হয়।
- এরা তারার মতো মিটমিট করে জ্বলে না।
- এসব জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে।
- আমাদের সৌরজগতের আটটি গ্রহ হলো বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১১,১২৭.
খাদ্য তৈরীর জন্য উদ্ভিদ বায়ু থেকে গ্রহণ করে?
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  4. জলীয় বাষ্প
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
খাদ্য তৈরিতে উদ্ভিদ বায়ু থেকে গ্রহণ করে কার্বন ডাই-অক্সাইড। 
- সালোকসংগ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান ৪টি - পানি, কার্বন ডাই অক্সাইড, সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল।
- তার মধ্যে পানি ও ক্লোরোফিল আসে উদ্ভিদের কোষ থেকে, কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডল থেকে এবং সূর্যালোক গ্রহন করে সূর্য থেকে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,১২৮.
কোনো যন্ত্রের কর্মদক্ষতা ৭৫% বলতে কী বোঝায়?
  1. ৭৫ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়
  2. ৭৫ একক শক্তি অপচয় হয়
  3. ৩৫ একক শক্তি অপচয় হয়
  4. ২৫ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়
সঠিক উত্তর:
৭৫ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা

কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা ৭৫% বলতে বোঝায় যন্ত্রটিতে ১০০ একক শক্তি সরবরাহ করলে তার ৭৫ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়, বাকী ২৫ একক শক্তি অপচয় হয়।

• কর্মদক্ষতা:
- যন্ত্রের কার্যকর শক্তি এবং মোট প্রদত্ত শক্তি হিসাব করে যন্ত্রের কর্মদক্ষতা পরিমাপ করা যায়।
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা হচ্ছে যন্ত্রটির কার্যকর শক্তি ও প্রদত্ত মোট শক্তির অনুপাত।
- যন্ত্রের কর্মদক্ষতাকে η (ইটা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- কর্মদক্ষতাকে শতকরায় প্রকাশ করা হয়।
- কোন যন্ত্রের কর্মদক্ষতা ৭৫% বলতে বোঝায় যন্ত্রটিতে ১০০ একক শক্তি সরবরাহ করলে তার ৭৫ একক শক্তি কার্যকররূপে পাওয়া যায়, বাকী ২৫ একক শক্তি অপচয় হয়।
-  কর্মদক্ষতা, η = কার্যকর শক্তি/মোট প্রদত্ত শক্তি। 
- আবার, কর্মদক্ষতা, η = কার্যকর ক্ষমতা/ মোট প্রদত্ত ক্ষমতা।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১২৯.
তড়িতের সিস্টেম লস রোধ করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) ট্রান্সফর্মার
  3. গ) সার্কিট ব্রেকার
  4. ঘ) ইলেকট্রিক লস রিমোভার
সঠিক উত্তর:
খ) ট্রান্সফর্মার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ট্রান্সফর্মার
ব্যাখ্যা

একটা নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভােল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রােধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। সে জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজে রূপান্তর করা হয়।
গ্রাহকদের ব্যবহারের জন্য বিদ্যুৎ শক্তিকে বিতরণ করার আগে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহার করে সেটিকে আবার ব্যবহারযােগ্য ভােল্টেজ নামিয়ে আনা হয়। (উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

১১,১৩০.
ভূ-পৃষ্ঠের সৌরদীপ্ত ও অন্ধকারাচ্ছন্ন অংশের সংযোগ স্থলকে কী বলে?
  1. ছায়াবৃত্ত
  2. গুরুবৃত্ত
  3. ঊষা
  4. গোধূলি
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়াবৃত্ত
ব্যাখ্যা
• ছায়াবৃত্ত:
- পৃথিবীর আলোকিত এবং অন্ধকার অংশের মধ্যবর্তী বৃত্তাকার অংশকে ছায়াবৃত্ত বলে।
- আবর্তনের ফলে পৃথিবীর যে অংশ অন্ধকার থেকে ছায়াবৃত্ত পার হয়ে সবেমাত্র আলোকিত অংশ পৌঁছায় সেখানে প্রভাত হয়।
- প্রভাতের কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সেখানে ঊষা এবং সন্ধ্যার কিছু পূর্বে যে সময় ক্ষীণ আলো থাকে সে সময়কে গোধূলি বলে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,১৩১.
শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে যাওয়াকে বলে-
  1. ক) অ্যানিমিয়া
  2. খ) লিউকেমিয়া
  3. গ) থ্যালাসেমিয়া
  4. ঘ) পলিসাইথিমিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) লিউকেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিউকেমিয়া
ব্যাখ্যা
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের।
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। যেমন:

পলিসাইথিমিয়া: লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়।

অ্যানিমিয়া: লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া।

লিউকেমিয়া: নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়।
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে

লিউকোসাইটোসিস: শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়।

থ্রম্বোসাইটোসিস: এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে।

পারপুরা: ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে। এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়।

থ্যালাসেমিয়া: থ্যালাসেমিয়া একধরনের বংশগত রক্তের রোগ। এ রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে রক্তশূন্যতা সৃষ্টি হয়। হিমোগ্লোবিনের অস্বাভাবিকতার কারণে লোহিত রক্ত কণিকা ভেঙ্গে যায়, ফলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।

- সাধারণত শিশু অবস্থায় এ থ্যালাসেমিয়া রোগটি শনাক্ত হয়। এ রোগের জন্য রোগিকে প্রতি ৩ মাস অন্তর রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয়। তবে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে রক্তশূন্যতার হার কমে যায়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
১১,১৩২.
প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন মৌলিক পদার্থের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১১৮
  2. খ) ৯৮
  3. গ) ৯২
  4. ঘ) ২০
সঠিক উত্তর:
খ) ৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯৮
ব্যাখ্যা

প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন মৌলিক পদার্থের সংখ্যা- ৯৮টি। তবে, এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত মৌলিক পদার্থের সংখ্যা ১১৮টি এবং কৃত্রিমভাবে আবিষ্কৃত মৌলিক পদার্থের সংখ্যা ২০টি।
যে সকল পদার্থ একটি মাত্র উপাদান দিয়ে তৈরি অর্থাৎ যে সব পদার্থকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করলে ওই পদার্থ ছাড়া অন্য কোন পদার্থ পাওয়া যায়না তাদেরকে মৌলিক পদার্থ বলে।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি

১১,১৩৩.
মানবদেহে আমিষ পরিপাক হয়ে কোন এসিডে পরিণত হয় ?
  1. অ্যামাইনো এসিড
  2. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  3. ফ্যাটি এসিড
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামাইনো এসিড
ব্যাখ্যা

কার্বন, অক্সিজেন, হাইড্রোজেন এবং নাইট্রোজেন এই চারটি মৌলের সমন্বয়ে আমিষ তৈরি হয়।
শরীরে আমিষ পরিপাক হওয়ার পর অ্যামাইনো এসিডে পরিণত হয়।
অ্যামাইনো এসিড আমিষ গঠনের একক।
[উৎস: ৯ম- ১০ম শ্রেণি বিজ্ঞান ,পৃষ্ঠা -৫]

১১,১৩৪.
ফলের মিষ্টি গন্ধের জন্য দায়ী কোনটি? 
  1. এস্টার
  2. গ্লুকোজ 
  3. ইথার
  4. অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
এস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস্টার
ব্যাখ্যা
এস্টার: 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের কার্বোক্সিল মূলকের -OH অংশকে অ্যালকক্সি বা অ্যারাইলক্সি দ্বারা প্রতিস্থাপিত করে যে যে যৌগ গঠিত হয় তাকে এস্টার বলে। 
- এস্টারের কার্যকরী মূলক -CO-O-R । 
- কার্বোক্সিলিক এসিডের এস্টারসমূহ সুগন্ধি। 
- এস্টারের কারণেই বিভিন্ন ফলের সুগন্ধি হয়ে থাকে। 
- সংশ্লেষিত এস্টার দিয়ে ফলের সুগন্ধি তৈরি করা হয়। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৩৫.
শনি গ্রহ প্রধানত কোন উপাদান দ্বারা গঠিত?
  1. হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
  2. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  3. লোহা ও সিলিকন
  4. তামা ও দস্তা
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
ব্যাখ্যা

• শনি:
- শনি গ্রহ সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- শনি গ্রহটি বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। ।
-এই গ্রহের নামকরণ করা হয়েছে কৃষি ও সম্পদের রোমান দেবতার নামে, যিনি বৃহস্পতিরও পিতা ছিলেন।
- নিরক্ষীয় ব্যাস প্রায় ৭৪,৮৯৭ মাইল (১২০,৫০০ কিলোমিটার) হওয়ায়, শনি গ্রহ পৃথিবীর চেয়ে ৯ গুণ প্রশস্ত। 
-  শনির একদিন মাত্র ১০.৭ ঘন্টা সময় নেয় (শনির একবার ঘুরতে বা ঘুরতে যে সময় লাগে),
- শনি সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে (শনির সময়ে এক বছর) প্রায় ২৯.৪ পৃথিবী বছরে (১০,৭৫৬ পৃথিবী দিন) পূর্ণ করে।
- ৮ জুন, ২০২৩ পর্যন্ত, শনির কক্ষপথে ১৪৬টি উপগ্রহ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) কর্তৃক তাদের আবিষ্কার

তথ্যসূত্র: NASA. 

১১,১৩৬.
কোন পদ্ধতিতে গ্যাস পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বাইরে বের হয়ে যায়?
  1. ঊর্ধ্বপাতন
  2. পাতন
  3. নিঃসরণ
  4. ব্যাপন
সঠিক উত্তর:
নিঃসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফুর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে।
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে আমরা যে অ্যারোসল ব্যবহার করি তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে।
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় যে গ্যাসের আণবিক ভর যত বেশি তার ব্যাপনের হার তত কম। আর যে গ্যাসের আণবিক ভর যত কম তার ব্যাপনের হার তত অধিক।

নিঃসরণ:
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়।
যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৩৭.
অনবায়নযোগ্য শক্তি নয় কোনটি? 
  1. বায়োগ্যাস 
  2. খনিজ তেল 
  3. কয়লা 
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস 
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস 
ব্যাখ্যা

শক্তির উৎস: 
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার।
যথা-
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
- নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে- সৌর শক্তি, জলবিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, বায়োগ্যাস ও ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি।

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে- কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ও নিউক্লিয় শক্তি ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১৩৮.
কোন কোষ বিভাজনে নিউক্লিয়াস পর পর দুইবার বিভক্ত হয়?
  1. ক) অ্যামাইটোসিস
  2. খ) মাইটোসিস
  3. গ) মিয়োসিস
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) মিয়োসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিয়োসিস
ব্যাখ্যা
- যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস এবং সাইটোপ্লাজম উভয়েই সরাসরি বিভক্ত হয়ে দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি করে, তাকে অ্যামাইটোসিস বা প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন বলা হয়।
-  এক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসটি সরাসরি দুটি অংশে বিভক্ত হয়।
- ব্যাকটেরিয়া, কতিপয় ঈষ্ট এবং অ্যামিবা প্রভৃতি এককোষী জীবে বিশেষ করে আদিকোষী জীবে এ প্রকার কোষ বিভাজন দেখা যায়।
- যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় একটি প্রকৃতকোষের নিউক্লিয়াস এবং ক্রোমোসোম উভয়ই একবার করে বিভক্ত হয় তাকে মাইটোসিস কোষ বিভাজন বলা হয়।
- প্রাণী ও উদ্ভিদের বিভাজন ক্ষমতাসম্পন্ন দৈহিক কোষে মাইটোসিস কোষ বিভাজন ঘটে। 
- জনন মাতৃকোষে মাইটোসিস ঘটে না। 
- যে কোষ বিভাজন প্রক্রিয়ায় ক্রোমোসোম মাত্র একবার এবং নিউক্লিয়াস পরপর দু’বার বিভক্ত হয়, ফলে সৃষ্ট চারটি কোষে ক্রোমোসোম সংখ্যা মাতৃকোষের ক্রোমোসোম সংখ্যার অর্ধেক হয়, তাকে মিয়োসিস কোষ বিভাজন বলা হয়।
- মিয়োসিস সর্বদা জনন মাতৃকোষে ঘটে।
- দৈহিক কোষে মিয়োসিস কখনই ঘটে না। 

সূত্র: এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,১৩৯.
কোন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না?
  1. বোসন কণা
  2. প্রোটন কণা
  3. ইলেকট্রন কণা
  4. নিউট্রন কণা
সঠিক উত্তর:
বোসন কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোসন কণা
ব্যাখ্যা
বোসন: 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি। 
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। 
যথা: গেজ বোসন ও হিগস বোসন। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৪০.
শরীরে থাকা মোট খনিজ পদার্থের মধ্যে নিচের কোনটির পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. লৌহ
  2. ফসফরাস
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা

ক্যালসিয়াম:
- ক্যালসিয়াম (Ca) হলো অস্থি ও দাঁতের প্রধান খনিজ উপাদান।
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের প্রায় ২% ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত।
- শরীরে থাকা মোট খনিজ পদার্থের মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সর্বাধিক
- এটি ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ৯০% পরিমাণে অস্থি ও দাঁতে সংরক্ষিত থাকে। এছাড়া রক্ত ও লসিকাতেও ক্যালসিয়াম বিদ্যমান।
• উদ্ভিজ্জ উৎস: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাঁধাকপি, ফল ইত্যাদি।
• প্রাণিজ উৎস: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি।

ক্যালসিয়ামের কার্যকারিতা:
- হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করে।
- রক্ত সঞ্চালন ও হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে সহায়তা করে।
- স্নায়ু ও পেশির কার্যকারিতা বজায় রাখে।
- শিশুদের রিকেটস (Rickets)- এতে হাড় নরম ও বিকৃত হয়ে যায়।
- বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া (Osteomalacia) – এতে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়।
- দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা দেখা দেয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,১৪১.
ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করে নিচের কোনটি?
  1. ক) ক্লোরোপ্লাস্ট
  2. খ) ক্রোমোপ্লাস্ট
  3. গ) লিউকোপ্লাস্ট
  4. ঘ) গলজি বস্তু
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রোমোপ্লাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রোমোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা
- প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের একটি গুরত্বপূর্ণ অঙ্গাণু। প্লাস্টিডের প্রধান কাজ খাদ্য প্রস্তুত করা, খাদ্য সঞ্চয় করা এবং উদ্ভিদদেহকে বর্ণময় ও আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা। প্লাস্টিড তিন ধরনের- ক্লোরোপ্লাস্ট, ক্রোমোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট।


- ক্লোরোপ্লাস্ট: সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে। পাতা, কচি কান্ড ও অন্যান্য সবুজ অংশে এদের পাওয়া যায়। 


- প্লাস্টিডের গ্রানা অংশ সূর্যালোককে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এই আবদ্ধ সৌরশক্তি স্ট্রোমাতে অবস্থিত উৎসেচক সমষ্টি, বায়ু থেকে গৃহীত কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং কোষের ভেতরকার পানি ব্যবহার করে সরল শর্করা তৈরি করে।


- এতে ক্যারোটিনয়েড নামে এক ধরনের রঞ্জকও থাকে।


- ক্রোমোপ্লাস্ট: এগুলো রঙিন প্লাস্টিড তবে সবুজ নয়। এসব প্লাস্টিডে জ্যান্থফিল, ক্যারোটিন, ফাইকোএরিথ্রিন, ফাইকোসায়ানিন ইত্যাদি রঞ্জক থাকে, তাই কোনটিকে হলুদ, কোনটিকে নীল আবার কোনটিকে লাল দেখায়।


- এদের মিশ্রণজনিত কারণে ফুল, পাতা এবং উদ্ভদের অন্যান্য অংশ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। রঙিন ফুল, পাতা এবং গাজরের মূলে এদের পাওয়া যায়।


- ফুলকে আকর্ষণীয় করে পরাগায়নে সাহায্য করা ক্রোমোপ্লাস্টের প্রধান কাজ। এরা বিভিন্ন ধরনের রঞ্জক পদার্থ সংশ্লেষণ করে জমা করে রাখে।


- লিউকোপ্লাস্ট: যেসব প্লাস্টিডে কোনো রঞ্জক পদার্থ থাকে না, তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে। যেসব কোষে সূর্যের আলো পৌঁছায় না (যেমন: মূল, ভ্রূণ, জনন কোষ ইত্যাদি), সেখানে এদের পাওয়া যায়। এদের প্রধান কাজ খাদ্য সঞ্চয় করা। 


- আলোর সংস্পর্শে এলে লিউকোপ্লাস্ট ক্লোরোপ্লাস্টে রূপান্তরিত হতে পারে।


উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি 
১১,১৪২.
নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়?
  1. কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. পেট্রোলিয়াম
  4. বায়োগ্যাস
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়োগ্যাস
ব্যাখ্যা
◉ জীবাশ্ম জ্বালানি কয়েক মিলিয়ন বছর আগে মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণীর অবশেষ থেকে গঠিত হয়, যেমন কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম। বায়োগ্যাস জৈব বর্জ্য (গোবর, উদ্ভিজ্জ বর্জ্য ইত্যাদি) পচিয়ে উৎপাদিত হয়, তাই এটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়, বরং নবায়নযোগ্য জ্বালানি।

জীবাশ্ম জ্বালানি:
- কোটি কোটি বছর পূর্বে গাছপালা, জীবজন্তু প্রভৃতি প্রচন্ড ভুমিকম্প বা কোন প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে কাদা ও বালির বেশ গভীরে ঢাকা পড়ে। এদেরই দেহাবশেষ এ জীবাশ্ম কঠিন বা তরল আকারে খনি থেকে তুলে তাপ শক্তি উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়। এদেরকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। 

• জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ:
- কয়লা,
- খনিজ তেল,
- প্রাকৃতিক গ্যাস।

বায়োগ্যাস: 
- বায়োগ্যাস হল জৈব পদার্থের পচনের মাধ্যমে উৎপন্ন গ্যাসীয় জ্বালানি।
- এটি মূলত মিথেন এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের মিশ্রণ।
- বায়োগ্যাস নবায়নযোগ্য, কারণ জৈব পদার্থ ক্রমাগত উৎপাদিত হতে থাকে এবং এটি পচিয়ে বায়োগ্যাস তৈরি করা যায়। 
- অক্সিজেনবিহীন পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া বর্জ্য ভেঙে মিথেন উৎপন্ন করে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 
১১,১৪৩.
P-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরিতে কয়টি যোজন ইলেকট্রন প্রয়োজন?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
যে সব মৌলের (যেমন- অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, গ্যালিয়াম বা ইনডিয়াম) তিনটি যোজন ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম P-টাইপ বস্তুতে বা P-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়। যে সকল মৌলের (যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক বা অ্যান্টিমনি) বহির্খোলকে পাঁচটি ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম n-টাইপ বস্তুতে বা n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়। উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।
১১,১৪৪.
মাকড়সার পা আছে -
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
- মাকড়সা arachnids প্রজাতির প্রাণী।
- মাকড়সার আটটি পা এবং শরীর দুটি অংশে বিভক্ত।
- মাকড়সার মধ্যে রেশমের ব্যবহার অত্যন্ত বিকশিত।
- মাকড়সার আচরণ এবং চেহারা বৈচিত্র্যময়। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১১,১৪৫.
ছায়াপথ তার নিজ অক্ষকে কেন্দ্র করে একবারপূর্ণ পরিক্রমণ করতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. সৌর বছর
  2. গ্যালাক্টিক ইয়ার
  3. আলোক বর্ষ
  4. অ্যাস্ট্রোনমিক সাইকেল
সঠিক উত্তর:
গ্যালাক্টিক ইয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্যালাক্টিক ইয়ার
ব্যাখ্যা
• গ্যালাকটিক ইয়ার (Galactic Year) বা কসমিক ইয়ার (Cosmic Year):
- একটি ছায়াপথ (যেমন, আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি) তার কেন্দ্রকে ঘিরে একবার পূর্ণ পরিক্রমণ করতে যে সময় নেয়, তাকে গ্যালাকটিক ইয়ার (Galactic Year) বা কসমিক ইয়ার (Cosmic Year) বলা হয়।
- সৌরজগতের গ্রহসমূহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে আর সূর্য মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সির মধ্যবিন্দুকে কেন্দ্র করে ঘুরছে।
- আমাদের সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে ঘূর্ণন করছে।
- গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে একবার ঘূর্ণন সম্পূর্ণ করতে প্রায় ২২৫ থেকে ২৫০ মিলিয়ন বছর (২২.৫ থেকে ২৫ কোটি বছর) লাগে!

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,১৪৬.
কোনটি গঠনমূলক খাদ্য উপাদান?
  1. স্নেহ
  2. আমিষ
  3. ভিটামিন
  4. রাফেজ
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা
আমিষ হচ্ছে গঠনমূলক খাদ্য উপাদান।

• খাদ্য উপাদান:
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে।
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়।
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।

যথা:
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পুরণ করে।
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে।
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে।

এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন।
যেমন:
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়।
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়।
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে।
- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান।
৭। রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,১৪৭.
লোহার সাথে কী মিশিয়ে ইস্পাত তৈরি করা হয়?
  1. ক) ক্রোমিয়াম
  2. খ) তামা
  3. গ) কার্বন
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ইস্পাত লোহা ও কার্বনের একটি সংকর ধাতু যাতে মান ভেদে মোট ওজনের ০.২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে। ম্যাংগানিজ, ক্রোমিয়াম, ভ্যানাডিয়াম এবং ট্যাংস্টেন লোহার সাথে মিশিয়ে ইস্পাত তৈরী যায়।
১১,১৪৮.
ফরমালিন কী?
  1. ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণ
  2. ফরমালডিহাইডের ৩০% জলীয় দ্রবণ
  3. ফরমালডিহাইডের ১০% জলীয় দ্রবণ
  4. ফরমালডিহাইডের ৬০% জলীয় দ্রবণ
সঠিক উত্তর:
ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণ
ব্যাখ্যা
• ফরমালিন:
- মিথান্যাল বা ফরমালডিহাইডের ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
- ফরমালিনে শতকরা ৪0% মিথান্যাল, ৫২% পানি ও ৮% মিথাইল অ্যালকোহলের মিশ্রিত থাকে।
 
এছাড়াও
- 95.6% ইথানল ও 4.4% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 
- 6 -10% ইথানোয়িক এসিডের জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলে। 

উৎস: রসায়ন, ৯ম- ১০ম শ্রেণি।
১১,১৪৯.
কোলেস্টেরল একধরনের -
  1. অ্যালকোহল
  2. ক্ষার
  3. চর্বি
  4. অ্যালডিহাইড
সঠিক উত্তর:
অ্যালকোহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা
কোলেস্টেরল: 
- কোলেস্টরল এক ধরনের চর্বিজাতীয়, তৈলাক্ত স্টেরয়েড যা কোষের ঝিল্লি বা (সেল মেমব্রেনে)-এ পাওয়া যায় এবং যা সব প্রাণীর রক্তে পরিবাহিত হয়। 
- কোলেস্টেরল এক ধরনের কঠিন বা অসম্পৃক্ত অ্যালকোহল। 
- রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে উচ্চ রক্তচাপ, স্ট্রোক, হার্ট এ্যাটাক ইত্যাদি রোগের আশংকা বেড়ে যায়। 
-  যকৃৎ এবং মগজে এর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- কোলেস্টেরল অন্যান্য স্নেহ পদার্থের সাথে মিশে রক্তে স্নেহের বাহক হিসেবে কাজ করে। 
- স্নেহ এবং প্রোটিনের যৌগকে লাইপোপ্রোটিন বলে। 
- স্নেহের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে লাইপোপ্রোটিন দুই রকম- 
যথা- 
• উচ্চ ঘনত্ব বিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (High Density Lipoprotein- HDL), 
• নিম্ন ঘনত্ববিশিষ্ট লাইপোপ্রোটিন (Low Density Lipoprotein- LDL)। 
- রক্তে LDL-এর পরিমাণ বেশি থাকা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। 
 
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,১৫০.
শক্তির উৎস প্রধানত কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস:

- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার।
- একটি হচ্ছে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অন্যটি হচ্ছে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়।
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে খনিজ তেল, গ্রীন শক্তিও বলা হয়।
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না।
- কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৫১.
প্রোটনের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. প্রোটনের ভর হাইড্রোজেনের ভরের চেয়ে বেশি।
  2. আপেক্ষিক আধান -1.
  3. প্রোটনের সংকেত n.
  4. প্রোটন পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে।
সঠিক উত্তর:
প্রোটন পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটন পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে।
ব্যাখ্যা
প্রোটন:

- প্রোটন সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ মূল কণিকা।
- এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াস বা কেন্দ্রে থাকে।
- হাইড্রোজেন পরমাণু থেকে একটি ইলেকট্রন অপসারণ করলে যে ধনাত্মক বিদ্যুৎবাহী কণা পাওয়া যায় তাকেই প্রোটন বলা হয়।
- ইহার সংকেত H+
- প্রোটনের ভর প্রায় হাইড্রোজেনের ভরের সমান।
- প্রোটনের আসল ভর ও আধান যথাক্রমে 1.67×10-24g ও 1.60×10-19 C
- প্রোটনের আপেক্ষিক ভর 1 একক।
- প্রোটনের আরেকটি সংকেত P
- আপেক্ষিক আধান +1

তথ্যসূত্র - রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৫২.
'কেপলার-৪৫২বি' কী?
  1. একটি মহাকাশযান
  2. পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
  3. সূর্যের মতো একটি নক্ষত্র
  4. NASA-এর অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
ব্যাখ্যা
- 'কেপলার-৪৫২ বি' পৃথিবীর মত একটি গ্রহ। 
- নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ দিয়ে এই গ্রহটিতে খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। 
- এটির নাম দিয়েছেন ‘কেপলার ৪৫২ বি’। 
- ২০০৯ সাল থেকে জীবনধারণের উপযোগী পৃথিবী সদৃশ গ্রহ শনাক্ত করতে কাজ করছে কেপলার। 
- এক বিবৃতিতে নাসার গবেষকরা দাবি করেন, কেপলার ৪৫২ বি আমাদের সূর্যের মতো একটি নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে, কিন্তু ওই নক্ষত্রটি ১৫০ কোটি বছরের পুরনো যা সূর্যের চেয়ে চার শতাংশ বড় ও ১০ শতাংশ উজ্জ্বল। 

উৎস: NASA Website.
১১,১৫৩.
মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে কী বলা হয়? 
  1. হর্টিকালচার 
  2. প্রণকালচার 
  3. এপিকালচার 
  4. পিসিকালচার 
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপিকালচার 
ব্যাখ্যা

আধুনিক চাষ বিষয়ক বিভিন্ন পদ্ধতি: 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- চিংডি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- উদ্যান পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১১,১৫৪.
কোনটি পানিতে অদ্রবণীয়?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  2. খ) পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  3. গ) ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  4. ঘ) সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড
ব্যাখ্যা
ক্ষারক:

- ক্ষারক হলো মূলত ধাতব অক্সাইড বা হাইড্রোক্সাইড।
- কিছু কিছু ক্ষারক আছে যারা পানিতে দ্রবীভূত হয় আর কিছু আছে যারা দ্রবীভূত হয় না।

- যে সমস্ত ক্ষারক পানিতে দ্রবীভূত হয় তাদেরকে বলে ক্ষার। তাহলে ক্ষার হলো বিশেষ ধরনের ক্ষারক।
- সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NaOH), পটাশিয়াম হাইড্রোক্সাইড (KOH), অ্যামোনিয়াম হাইড্রোক্সাইড (NH)4 OH), ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড Ca(OH)2 এগুলো ক্ষার। এদেরকে কিন্তু ক্ষারকও বলা যায়।

- পক্ষান্তরে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড [Al(OH)2] কিন্তু পানিতে দ্রবীভূত হয় না। তাই এটি একটি ক্ষারক হলেও ক্ষার নয়।
- অতএব একথা বলা যায় যে, সকল ক্ষার ক্ষারক হলেও সকল ক্ষারক কিন্তু ক্ষার নয়।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১১,১৫৫.
কোন উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না? 
  1. টেরিস
  2. নারিকেল
  3. ব্রায়াম
  4. স্পাইরোগাইরা
সঠিক উত্তর:
স্পাইরোগাইরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পাইরোগাইরা
ব্যাখ্যা

- 'স্পাইরোগাইরা' উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না 

অপুষ্পক উদ্ভিদ: 

- যেসব উদ্ভিদে ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: মস, ফার্ন ইত্যাদি। 
- এরা স্পোর বা রেনুর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে থাকে। 
- অপুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- 
১। মসবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এদের দেহ কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়। 
- কিন্তু মসবর্গীয় উদ্ভিদের মূল নেই, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড নামক সূত্রাকার অঙ্গ থাকে। 
- সাধারণত এরা পুরানো ভেজা দেয়ালে কার্পেটের মতো নরম আস্তরণ করে জন্মায়। 
যেমন: ব্রায়াম। 

২। সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। 
- এদের মধ্যে যাদের ক্লোরোফিল আছে, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে, তারা শৈবাল। 
যেমন: স্পাইরোগাইরা। 
- আর যাদের দেহে ক্লোরোফিল নেই, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না, তারা ছত্রাক। 
যেমন: এগারিকাস। 

৩। ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। 
- এদের দেহে পরিবহণ টিস্যু রয়েছে ও কচি পাতাগুলো কুণ্ডলীত থাকে। 
- বাড়ির পাশে স্যাতস্যাতে ছায়াযুক্ত স্থানে এবং পুরানো দালানের প্রাচীরে এদের জন্মাতে দেখা যায়। 
যেমন: টেরিস। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১১,১৫৬.
বোরনের অভাবে উদ্ভিদের কোন ধরনের সমস্যা হয়? 
  1. কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় 
  2. উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়
  3. ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয় 
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

সালফার (S): 
- এর অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- কান্ডের শীর্ষ মরে যায় এবং ডাইব্যাক রোগের সৃষ্টি হয়। 
- কান্ডের মধ্যপর্ব ছোট হয় তাই উদ্ভিদ খর্বাকৃতির হয়। 

বোরন (B): 
- বোরনের অভাবে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়। 
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে এবং পাতা বিকৃত হয়, কান্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়। 
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়। 

আয়রন (Fe): 
- এর অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথমে হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনও কখনও সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়। 
- কান্ড দুর্বল ও ছোট হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১৫৭.
1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে কত তাপ প্রয়োজন?
  1. 1 জুল 
  2. 4.2 ক্যালরি 
  3. 1 ক্যালরি 
  4. 0.1 ক্যালরি 
সঠিক উত্তর:
1 ক্যালরি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1 ক্যালরি 
ব্যাখ্যা

তাপ: 
- তাপ হল বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ, তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক যা পুষ্টি বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 
-  তাপ পরিমাপের যন্ত্র ক্যালরিমিটার। 
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। 
- দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১৫৮.
হাড় ও দাঁত গঠনে সহায়তা করে কোনটি?
  1. ক) ক্যালসিয়াম
  2. খ) ফসফরাস
  3. গ) আয়োডিন
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
- ক্যালসিয়াম প্রাণীদের হাড় এবং দাতের একটি প্রধান উপাদান।
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুইভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। অস্থি এবং দাতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে।
- হাড় ও দাতের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতি প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ।
- দেহে পরিমাণের দিক দিয়ে খনিজ লবণগুলোর মধ্যে ক্যালসিয়ামের পরপরই ফসফরাসের স্থান।
- ক্যালসিয়ামের মত হাড় এবং দাত গঠন করা ফসফরাসের প্রধান কাজ।
- ফসফরাসের অভাবে রিকেটস, অস্থিক্ষয়তা, দন্তক্ষয় এসব রোগ দেখা দেয়।
 
উৎসঃ বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি
১১,১৫৯.
ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে কী ব্যবহার করা হয়?
  1. ছত্রাক
  2. শৈবাল
  3. ভাইরাস
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাসের উপকারিতা: 
- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। 
যথা- 
১। বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতংক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়। 
২। ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
৩। ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশল এ বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
৪। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। 
৫। কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হয়েছে। 
৬। জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
৭। লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৬০.
আয়োডিন পাওয়া যায়-
  1. ক) এগারিকাসে
  2. খ) মিউকরে
  3. গ) লাইকেনের
  4. ঘ) শৈবালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) শৈবালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শৈবালে
ব্যাখ্যা

- সামুদ্রিক শৈবালে আয়োডিন পাওয়া যায়।
- হ্যালোজেন হলো সামুদ্রিক লবণ উৎপাদক।
- হ্যালোজেন বলতে ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন ও আয়োডিন এই ৪ টি মৌলকেই বুঝায়।
- তাই আয়োডিনের প্রধান উৎস সামুদ্রিক শৈবাল।

১১,১৬১.
Which of the following COVID-19 vaccines was invented in Russia?
  1. Sputnik V
  2. Senopharm
  3. BinCorid
  4. Russ Vas
সঠিক উত্তর:
Sputnik V
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sputnik V
ব্যাখ্যা
স্পুটনিক-ফাইভ টিকা:

- রাশিয়া 'স্পুটনিক ফাইভ বা স্পুটনিক ভি' করোনা টিকা আবিষ্কার করে।
- ২০২০ সালের ১১ই আগস্ট রাশিয়া টিকা আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়।
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসাবে এবং কোনরকম তথ্য প্রকাশ না করেই অগাস্ট মাসে স্থানীয়ভাবে ব্যবহারের জন্য টিকার লাইসেন্স দেয় রাশিয়া।
- এই টিকা দুই থেকে আট ডিগ্রি সেলসিয়াস (সবচেয়ে ভালো ৩-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় রাখা যায়। ফলে এটি পরিবহন ও সংরক্ষণ করা সহজ।
- ফাইজার, অক্সফোর্ড/অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মর্ডানার মতো টিকাগুলোর মতো এটিও করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সক্ষমতার তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ২৭ এপ্রিল ২০২১।
১১,১৬২.
ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস বেরিয়ে যাবার সঙ্গে বেলুনটি ছুটে যায়। কোন ইঞ্জিনের নীতির সঙ্গে এর মিল আছে?
  1. বাষ্পীয় ইঞ্জিন
  2. অন্তর্দহন ইঞ্জিন
  3. স্টারলিং ইঞ্জিন
  4. রকেট ইঞ্জিন
সঠিক উত্তর:
রকেট ইঞ্জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রকেট ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা

• ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস বেরিয়ে যাবার সঙ্গে বেলুনটি ছুটে যায়। রকেট ইঞ্জিনের নীতির সঙ্গে এর মিল আছে।

- ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বেলুনটি ছুটে যায় এবং এই প্রক্রিয়াটি নিউটনের তৃতীয় সুত্রের (Newton's Third Law of Motion) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- নিউটনের তৃতীয় সুত্রটি হলো: "প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।"
- বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বেলুনের ভিতরের বাতাস উচ্চচাপে বাইরে বেরিয়ে আসে, যা বেলুনের উপর বিপরীত দিকের বল প্রয়োগ করে। এই প্রতিক্রিয়া হিসাবে বেলুনটি বিপরীত দিকে ছুটে যায়।
- এই ধারণাটি রকেট ইঞ্জিনের কার্যপ্রণালীতে ব্যবহৃত হয়।
- রকেট ইঞ্জিনে জ্বালানী পুড়িয়ে উচ্চচাপের গ্যাস বাইরে বেরিয়ে আসে এবং এর ফলে রকেটটি বিপরীত দিকে ধাবিত হয়।

উৎস: ScienceDirect & Britannica Website

১১,১৬৩.
পেপটিক আলসার নির্ণয়ের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি কোনটি?
  1. ইসিজি
  2. এমআরআই
  3. আল্ট্রাসনোগ্রাফি
  4. এন্ডোসকপি 
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ডোসকপি 
ব্যাখ্যা

- পেপটিক আলসার নির্ণয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলো এন্ডোস্কোপি, কারণ এটি সরাসরি খাদ্যনালী, পাকস্থলী ও ডিওডেনামের ভেতরের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে এবং বায়োপসি নিতে সাহায্য করে, যা আলসারের সঠিক কারণ ও ধরন (যেমন H. pylori সংক্রমণ) শনাক্ত করতে সবচেয়ে কার্যকর। যদিও আল্ট্রাসাউন্ড বা এক্স-রে সহায়ক হতে পারে, এন্ডোস্কোপিই "গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য" পদ্ধতি হিসেবে বিবেচিত হয়। 

গ্যাস্ট্রিক ও পেপটিক আলসার: 
- আলসার বলতে যেকোনো এপিথেলিয়াম বা আবরণী টিস্যুর একধরনের ক্ষত বোঝায়। 
- পেপটিক আলসার বলতে খাদ্যনালির কোনো অংশের আলসার বোঝায়, সেটি যদি পাকস্থলীতে হয় তাহলে তাকে গ্যাস্ট্রিক আলসার, ডিওডেনামে হলে ডিওডেনাল আলসার বলা হয়। 
- দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যগ্রহণে অনিয়ম হলে পাকস্থলীতে অম্লের আধিক্য ঘটে এবং অনেক দিন ধরে এ অবস্থা চলতে থাকলে এই অম্ল বা এসিড দিয়ে পাকস্থলী বা অন্ত্রে ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে পেপটিক আলসার হতে পারে। 
- তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবিন ওয়ারেন ও ব্যারি মার্শালের গবেষণায় জানা গেছে, খাদ্যে অনিয়ম, ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া, বিষণ্ণতা বা উৎকণ্ঠা ইত্যাদি পেপটিক আলসারের নিয়ামক হলেও অন্যতম প্রধান কারণ Helicobacter pylori (সংক্ষেপে H. pylori) নামের একটি ব্যাকটেরিয়া। এজন্য তাঁরা ২০০৫ সালে যৌথভাবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।  
- আগে ভাবা হতো পাকস্থলীর তীব্র হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে (pH 1.5-3.5) কোনো ব্যাকটেরিয়া টিকতে পারে না। নিজের ধারণা প্রমাণ করার জন্য ব্যারি মার্শাল H. pylori ব্যাকটেরিয়া মিশ্রিত দ্রবণ পান করে পেপটিক আলসারে ভুগেছিলেন। 
(উল্লেখ্য, এই ব্যাকটেরিয়া যে শুধু আলসারের জন্য দায়ী তাই নয়, এ থেকে পাকস্থলীর ক্যান্সারও হতে পারে। মার্শাল তাঁর নিজের জীবনের উপর মারাত্মক ঝুঁকি নিয়েছিলেন, যা অনুসরণীয় নয়)। 

- পেপটিক আলসার রোগে সাধারণত পেটের ঠিক মাঝ বরাবর, নাভির একটু উপরে একঘেয়ে ব্যথা অনুভূত হয়। খালি পেটে বা অতিরিক্ত তেলজাতীয় খাদ্য খেলে ব্যথা বাড়ে। আলসার মারাত্মক হলে বমি হতে পারে, কখনো কখনো বমি এবং মলের সাথে রক্ত নির্গত হয়। 
- এন্ডোসকপি (Endoscopy) বা বেরিয়াম এক্স-রের মাধ্যমে এ রোগ নির্ণয় করা যায়। 
- এই রোগ থেকে দূরে থাকতে হলে যা করতে হবে তা হলো- 
• নিয়মিত সহজপাচ্য খাদ্য গ্রহণ করা। 
• অধিক তেল এবং মশলাযুক্ত গুরুপাক খাদ্য পরিহার করা। 
• ফুটানো দুধ, পনির এবং কলা খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। 
• নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ করে, কফি, সিগারেট ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ গ্রহণ থেকে বিরত থেকে ইত্যাদি। 
- প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিয়ে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,১৬৪.
কোন বিজ্ঞানী প্রথম কাজ এবং তাপের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করেন?
  1. জুল
  2. ফ্যারাডে
  3. নিউটন
  4. ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুল
ব্যাখ্যা

- বিজ্ঞানী জুল প্রথম যান্ত্রিক কাজ এবং তাপের মধ্যে একটি সঠিক ও গাণিতিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে, যান্ত্রিক শক্তি ও তাপ পরস্পর রূপান্তরযোগ্য এবং তারা পরস্পরের সমানুপাতিক ( W ∝ H)। তার এই যুগান্তকারী আবিষ্কারই পরবর্তীতে তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রের ভিত্তি স্থাপন করে। 

তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্র: 

- কাজ তথা যান্ত্রিক শক্তিকে তাপে বা তাপশক্তিকে কাজে তথা যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করা হলে যান্ত্রিক শক্তি এবং তাপ পরস্পরের সমানুপাতিক হবে। 
সুতরাং, W ∝ H. 
বা, W = JH 
এখানে, W হলো কাজের পরিমাণ, H হলো তাপের পরিমাণ এবং J হচ্ছে জুলের ধ্রুবক। 
- J কে তাপের যান্ত্রিক সমতা বা জুল তুল্যাঙ্কও বলা হয়। 
- বিজ্ঞানী জুল সর্বপ্রথম কাজ ও তাপের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং এ সম্পর্কটি একটি সূত্রের সাহায্যে প্রকাশ করেন। এ সূত্রকে জুলের সূত্র আবার তাপগতিবিদ্যার প্রথম সূত্রও বলা হয়। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১৬৫.
মানবদেহে লোহিত কণিকার আয়ুস্কাল কত দিন?
  1. ১২০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ৭৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
- লোহিত রক্তকণিকার আয়ু ১২০ দিন। লাল অস্থিমজ্জায় লোহিত রক্ত কণিকা তৈরি হয়। লোহিত রক্তকণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।
- রক্ত কণিকার মধ্যে লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এটি শ্বাসকার্যে অক্সিজেন (০₂) পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণী।
১১,১৬৬.
রাজঅম্লে কোন এসিড থাকে না?
  1. ক) হাইড্রোক্লোরিক এসিড
  2. খ) নাইট্রিক অ্যাসিড
  3. গ) সালফিউরিক এসিড
  4. ঘ) সবগুলোই থাকে
সঠিক উত্তর:
গ) সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা
১ মোল নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3) ও ৩ মোল হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCL) এর মিশ্রণকে রাজঅম্ল বা অ্যাকোয়া রেজিয়া বলে।
স্বর্ণের খাঁদ বের করতে এই অম্ল ব্যবহৃত হয়। 

Aqua regia dissolves gold, though neither constituent acid will do so alone, because, in combination, each acid performs a different task.
Nitric acid is a powerful oxidizer, which will actually dissolve a virtually undetectable amount of gold, forming gold ions (Au3+). The hydrochloric acid provides a ready supply of chloride ions (Cl-), which react with the gold ions to produce chloroaurate anions, also in solution.

Source: MIT
১১,১৬৭.
ব্যাকটেরিয়ার কোষে নিচের কোনটি উপস্থিত?
  1. প্লাসটিড
  2. মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. নিউক্লিওলাস
  4. ক্রোমাটিন বস্তু
সঠিক উত্তর:
ক্রোমাটিন বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোমাটিন বস্তু
ব্যাখ্যা
• আদিকোষ:
- ব্যাকটেরিয়াতে আদিকোষ থাকে।
- এ ধরনের কোষে কোনাে সুগঠিত নিউক্লিয়াস (nucleus) থাকে না। এ জন্য এদের আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোষও বলা হয়।
- এসব কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, প্লাস্টিড, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অঙ্গাণু থাকে না তবে রাইবােজোম/ক্রোমাটিন বস্তু উপস্থিত থাকে।
- ক্রোমােজোমে কেবল DNA থাকে।
- ব্যাকটেরিয়ার কোষে রাইবোজোম উপস্থিত।
- ব্যাকটেরিয়া জড় কোষ প্রাচীরবিশিষ্ট এককোষী আদিকেন্দ্রিক অণুজীব।

• এর সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে:
১. ব্যাকটেরিয়ার আকার সাধারণত ০.২-৫০ মাইক্রোমিটার।
২. এরা আণুবীক্ষণিক জীব ।
৩. এরা এককোষী, তবে একসাথে অনেকগুলো কোষ কলোনি করে বা দলবদ্ধভাবে থাকতে পারে ।
৪. এদের কোষ প্রাককেন্দ্রিক। তাই এদের কোষে রাইবোজোম ছাড়া অন্য কোন ঝিল্লীবদ্ধ অঙ্গাণু (যেমন নিউক্রিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, গলগি বডি, লাইসোসোম এবং সাইটোক্কেলেটন ইত্যাদি) থাকে না।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৬৮.
এক হর্স পাওয়ার (H.P) কত ওয়াটের সমান?
  1. 746 W
  2. 764 W
  3. 646 W
  4. 664 W
সঠিক উত্তর:
746 W
উত্তর
সঠিক উত্তর:
746 W
ব্যাখ্যা

- ক্ষমতার একটি প্রচলিত একক হলো হর্স পাওয়ার (HP), যা সাধারণত ইঞ্জিন বা মোটরের ক্ষমতা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। এক হর্স পাওয়ার সমান ৭৪৬ ওয়াট। 

ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়। 
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
সুতরাং, ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 
অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট। 
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- এক হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (H.P) = 746 W. 
- ক্ষমতার মাত্রা [ML2T -3]. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১৬৯.
The upper limit of the human hearing range is approximately:
  1. 26 kHz
  2. 15 kHz
  3. 14 kHz
  4. 23 kHz
  5. 20 kHz
সঠিক উত্তর:
20 kHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20 kHz
ব্যাখ্যা
শ্রাব্যতার সীমা:
- মানুষের কানের শ্রাব্য কম্পাঙ্কের সীমা ২০ হার্জ থেকে ২০,০০০ হার্জ হয়ে থাকে।
- এই সীমার মধ্যে কম্পাঙ্কের শব্দকে শ্রাব্য শব্দ বলে।
- কম্পাঙ্কের যে সীমার মধ্যে সৃষ্ট শব্দ মানুষ শুনতে পায় তাকে শ্রাব্যতার সীমা বলে।
- যে শব্দ শুনতে পাওয়া যায় না তাকে অশ্রাব্য শব্দ বলে। অশ্রাব্য শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ হার্জের কম এবং ২০,০০০ হার্জের বেশি হয়। এ শব্দ কুকুর, বাদুড়, মাকড়সা ইত্যাদি প্রাণী শুনতে পায়।

সূত্র: সাধারণ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১১,১৭০.
Hepatitis - B virus এর জন্য নিচের কোন কোন পরীক্ষাটি করা হয়?
  1. HbsAg
  2. Anti-HbsAg
  3. Anti-HCV
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
HbsAg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HbsAg
ব্যাখ্যা
- হেপাটাইটিস বি সারফেস অ্যান্টিজেন (HBsAg) হল একটি প্রোটিন যা হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের (HBV) পৃষ্ঠে পাওয়া যায়।
- HBsAg-এর পরীক্ষা হল হেপাটাইটিস বি সংক্রমণের জন্য একটি সাধারণ ডায়গনিস্টিক টুল। 

ডায়াগনস্টিক টেস্ট:
HBsAg-এর পরীক্ষা হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ নির্ণয়ের একটি মৌলিক অংশ। এটি একটি সাধারণ রক্ত ​​​​পরীক্ষার মাধ্যমে করা যেতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১১,১৭১.
কোনো পদার্থের এক মোলের তাপমাত্রা এক কেলভিন বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় তাপকে কী বলা হয়? 
  1. আপেক্ষিক সুপ্ততাপ 
  2. সুপ্ততাপ 
  3. আপেক্ষিক তাপ 
  4. মোলার আপেক্ষিক তাপ 
সঠিক উত্তর:
মোলার আপেক্ষিক তাপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোলার আপেক্ষিক তাপ 
ব্যাখ্যা

গ্যাসের মোলার আপেক্ষিক তাপ: 
- কোনো পদার্থের এক মোলের তাপমাত্রা এক কেলভিন বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় তাপকে মোলার আপেক্ষিক তাপ বলে
- কোনো পদার্থের এক মোলের তাপমাত্রা এক কেলভিন বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় তাপকে ঐ পদার্থের মোলার আপেক্ষিক তাপ বা মোলার তাপীয় ক্ষমতা বলে।
- তাপমাত্রা পরিবর্তনের জন্য পদার্থের চাপ এবং আয়তনের পরিবর্তন ঘটে।
- চাপ স্থির রেখে এক মোল গ্যাসের তাপমাত্রা এক কেলভিন বৃদ্ধি করতে প্রয়োজনীয় তাপশক্তিকে স্থির চাপে গ্যাসের মোলার আপেক্ষিক তাপ বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১৭২.
কোনো মাধ্যমে প্রতিসরণের ফলে যৌগিক আলো থেকে মূল বর্ণের আলো পাওয়ার পদ্ধতিকে বলা হয় আলোর-
  1. ক) বর্ণালী
  2. খ) বিক্ষেপন
  3. গ) বিচ্যুতি
  4. ঘ) বিচ্ছুরণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিচ্ছুরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিচ্ছুরণ
ব্যাখ্যা

- সূর্যের সাদা আলো যদি কোনো কাচের প্রিজমের মধ্য দিয়ে যায় তাহলে তা সাতটি রঙ্গে বিশিষ্ট হয়।
- প্রিজম থেকে নির্গত আলোকরশ্মি যদি কোনো পর্দার উপর ফেলা হয় তাহলে পর্দায় সাতটি রঙের পট্টি দেখা যায়। আলোর এই রঙিন পট্টিকে বর্ণালী বলে।
- কোনো মাধ্যমে প্রতিসরণের ফলে যৌগিক আলো থেকে মূল বর্ণের আলো পাওয়ার পদ্ধতিকে আলোর বিচ্ছুরণ বলে।
- বর্ণালীতে বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এ সাতটি রঙ পরপর দেখা যায়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১১,১৭৩.
টিবি রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন কে? 
  1. লুই পাস্তুর
  2. এডওয়ার্ড জেনার
  3. রবার্ট কোচ
  4. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
সঠিক উত্তর:
রবার্ট কোচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট কোচ
ব্যাখ্যা

• রবার্ট কোচ (Robert Koch) হলেন একজন জার্মান চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও মাইক্রোবায়োলজিস্ট। ১৮৮২ সালে তিনি প্রথমবার Mycobacterium tuberculosis ব্যাকটেরিয়াকে আলাদা ও পরিচিত করেন।

- টিউবারকুলোসিস (Tuberculosis বা TB) হলো একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ, যা প্রধানত ফুসফুসকে প্রভাবিত করে। 
- এটি বিশ্বব্যাপী গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা, বিশেষ করে যেখানে জনসংখ্যা ঘন ও স্বাস্থ্যসেবা সীমিত। 
- TB রোগের জীবাণু হলো Mycobacterium tuberculosis, যা ধীরে ধীরে শরীরের টিস্যুতে ক্ষতি করে।

আবিষ্কার ও রবার্ট কোচের অবদান:
- তার গবেষণা দেখায় যে, TB একটি নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়ার কারণে সংক্রমিত হয়।
- এটি সংক্রামক রোগের কারণ নির্ধারণে বিপ্লব ঘটায় এবং রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দেয়।
- কোচের এই আবিষ্কারের জন্য তাকে ১৯০৫ সালে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়, যা তার বৈজ্ঞানিক অবদানের স্বীকৃতি।

TB ব্যাকটেরিয়ার বৈশিষ্ট্য:
- ব্যাকটেরিয়াটি দীর্ঘ, স্লিম, অল্প সরু রূপের।
- এটি অ্যাকিড-ফাস্ট ব্যাকটেরিয়া, অর্থাৎ বিশেষ রং ধরে রাখতে সক্ষম।
- সংক্রমণ সাধারণত শ্বাসনালী ও ফুসফুসের মাধ্যমে ছড়ায়।
- TB রোগ ধীরে ধীরে ফুসফুসের টিস্যু নষ্ট করে এবং শ্বাসকষ্ট, জ্বর, ও ওজন হ্রাসের মতো লক্ষণ সৃষ্টি করে।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

১১,১৭৪.
উদ্ভিদের কোন খনিজের অভাবে ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়?
  1. লৌহ
  2. বোরন
  3. সালফার
  4. ম্যাগনেসিয়াম
সঠিক উত্তর:
বোরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরন
ব্যাখ্যা
বোরন (B): 
- বোরন কোষপ্রাচীরের কাঠামোর মধ্যে অবস্থান করে প্রাচীরটিকে তথা কোষটিকে দৃঢ়তা দেয়। 
- বিপাক ক্রিয়ার বিভিন্ন বিক্রিয়ায় এর নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা রয়েছে। 
- তাই বোরনের অভাবে পর্যাপ্ত দৃঢ়তা না পেয়ে এবং বিপাকে গোলযোগ হওয়ার কারণে উদ্ভিদের বর্ধনশীল অগ্রভাগ মরে যায়। 
- কচি পাতার বৃদ্ধি কমে যায় এবং পাতা বিকৃত হয়, কাণ্ড খসখসে হয়ে ফেটে যায়। 
- ফুলের কুঁড়ির জন্ম ব্যাহত হয়। 

ম্যাগনেসিয়াম (Mg): 
- ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে ক্লোরোফিল সংশ্লেষিত হয় না বলে সবুজ রং হালকা হয়ে যায় এবং সালোকসংশ্লেষণের হার কমে যায়। 
- পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী স্থানে অধিক হারে ক্লোরোসিস হয়। 

লৌহ (Fe): 
- লৌহের অভাবে প্রথমে কচি পাতার রং হালকা হয়ে যায়, তবে পাতার সরু শিরার মধ্যবর্তী স্থানেই প্রথম হালকা হয় এবং ক্লোরোসিস হয়। 
- কখনো কখনো সম্পূর্ণ পাতা বিবর্ণ হয়ে যায়। 
- কাণ্ড দুর্বল এবং ছোট হয়। 

সালফার (S): 
- সালফার উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রোটিন, হরমোন ও ভিটামিনের গাঠনিক উপাদানই শুধু নয়, একই সাথে এটি কোষে পানির সমতা রক্ষা করে। 
- সালফারের অভাবে পাতা হালকা সবুজ হয় এবং পাতায় লাল ও বেগুনি দাগ দেখা যায়। 
- কচি পাতায় বেশি এবং বয়োবৃদ্ধ পাতায় কম ক্লোরোসিস হয়। 
- সালফারের অভাবে মূল, কাণ্ড এবং পাতার শীর্ষ থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে টিস্যু মারা যেতে থাকে, যাকে ডাইব্যাক (dieback) বলে। 
- কাণ্ডের মধ্যপর্ব ছোট হয় বলে গাছ খর্বাকৃতির হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,১৭৫.
দীর্ঘ দৃষ্টি বা হাইপারমেট্রোপিয়ার কারণ কী?
  1. ক) চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ কমে যাওয়া
  2. খ) চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব কমে যাওয়া
  3. গ) চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ বেড়ে যাওয়া
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ কমে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ কমে যাওয়া
ব্যাখ্যা
দীর্ঘ দৃষ্টি বা দূর বদ্ধ দৃষ্টি বা হাইপারমেট্রোপিয়াঃ
এই ত্রুটিগ্রস্থ মানুষ দূরের বস্তু ভালভাবে দেখতে পারে, কিন্তু কাছের বস্তু ভালভাবে দেখতে পারে না। চোখের স্পষ্ট দর্শনের নিকট দূরত্ব দূরে সরে যায় বা বেড়ে যায়। চক্ষুগোলকের ব্যাসার্ধ কমে গেলে বা চোখের লেন্সের ফোকাস দূরত্ব বেড়ে গেলে এই ত্রুটি দেখা দেয়। এই ত্রুটির ফলে চোখের কাছের লক্ষ্যবস্তু থেকে আগত রশ্মিগুচ্ছ চক্ষু লেন্সের মধ্য দিয়ে প্রতিসৃত হয়ে রেটিনার পেছনে একটি বিন্দুতে মিলিত হয়, ফলে রেটিনার পরিবর্তে পেছনে প্রতিবিম্ব গঠিত হয়। ফলে রেটিনায় গঠিত বিম্বটি অস্পষ্ট হয়। তাই চোখ কাছের বস্তু স্পষ্ট দেখতে পায় না। এই ত্রুটি দূর করার জন্যও চোখে চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে ত্রুটির পরিমাণ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ফোকাস দৈর্ঘ্যর বা পাওয়ারের উত্তল লেন্স ব্যবহার করা হয়। উত্তল লেন্স লক্ষ্যবস্তু থেকে আগত রশ্মিকে পরিমাণ মতো সংকুচিত করে, ফলে ফোকাসটি রেটিনাতে পড়ে এবং বস্তুর সুস্পষ্ট বিম্ব তৈরি হয়। এক্ষেত্রে লেন্স চোখের নিকট বিন্দুটি সামনেএগিয়ে আনে।
১১,১৭৬.
আলোর ক্ষুদ্রতম একক -
  1. ক) গ্রাভিটন
  2. খ) ফোটন
  3. গ) ইলেক্ট্রন
  4. ঘ) চির
সঠিক উত্তর:
খ) ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফোটন
ব্যাখ্যা
ফোটন হচ্ছে আলোর কণা বা ক্ষুদ্রতম একক।
প্লাঙ্কের তত্ত্ব অনুসারে - আলোকরশ্মি কোন শক্তি হতে অনবরত বের না হয়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিচ্ছিন্ন প্যাকেট বা শক্তি বের হয়। প্রত্যেক বর্ণের আলোর জন্য এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটের শক্তির নির্দিষ্ট মান রয়েছে। এই এক একটি বিচ্ছিন্ন প্যাকেটকে কোয়ান্টাম বা ফোটন বলে।
ফোটনের কিছু ধর্ম বা বৈশিষ্ট্য দেয়া হলো-
১. পদার্থের ক্ষুদ্র অংশ কে যেমন পরমাণু বলে, তেমনি আলোর ক্ষুদ্র অংশকে ফোটন বলে।
২. ফোটন আলোর বেগে প্রবাহিত হয়।
৩. ফোটনের স্থিতি ভর শূন্য।
৪. প্রতি ফোটনের নির্দিষ্ট শক্তি এবং নির্দিষ্ট রৈখিক ভরবেগ আছে।
৫. ফোটন তড়িৎ নিরপেক্ষ। এর কোন চার্জ নেই।
৬. ফোটন এর কণা-তরঙ্গ দ্বৈত রুপ আছে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১১,১৭৭.
গোয়েন্দা বিভাগে কোন রশ্মি ব্যবহৃত হয়?
  1. বেকেরেল রশ্মি
  2. এক্স রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
এক্স রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্স রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্সরে (রঞ্জন রশ্মি): 
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন। 
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়। 
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। 
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ। 
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m পর্যন্ত। 
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন। 

এক্সরে এর ব্যবহার: 

- হীরক সনাক্তকরণ, 
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা, 
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়, 
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৭৮.
ব্যারোমিটার মূলত কোন বৈজ্ঞানিক মাত্রা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়? 
  1. বায়ুচাপ
  2. আর্দ্রতা
  3. তাপমাত্রা 
  4. বাতাসের গতি 
সঠিক উত্তর:
বায়ুচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুচাপ
ব্যাখ্যা

ব্যারোমিটার: 
- টরেসিলি ১৬৪৩ সালে তরল তলের উচ্চতা ও বায়ুচাপের সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে প্রথম বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপের যন্ত্র আবিস্কার করেন, এর নাম ব্যারোমিটার
- ব্যারোমিটারে পারদ স্তম্ভের উচ্চতাকে বায়ুমণ্ডলীয় চাপের আদর্শ ধরা হয়। 
- আদর্শ বায়ু চাপ 76cm পারদ স্তম্ভের ওজনের সমান। 

​অন্যদিকে, 
- ল্যাকটোমিটার হলো দুধের বিশুদ্ধতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
- থার্মোমিটার (Thermometer) হল তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র।
- স্পিডোমিটার, একটি যন্ত্র যা একটি গাড়ির গতি নির্দেশ করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

১১,১৭৯.
ভ্রূণ অবস্থায় মাতৃগর্ভে হৃদস্পন্দন শুরু হয় কত সপ্তাহ থেকে?
  1. ক) চার সপ্তাহ
  2. খ) ছয় সপ্তাহ
  3. গ) আটাশ সপ্তাহ
  4. ঘ) আঠারো সপ্তাহ
সঠিক উত্তর:
খ) ছয় সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছয় সপ্তাহ
ব্যাখ্যা

ভ্রূণ অবস্থায় মাতৃগর্ভে হৃদস্পন্দন শুরু হয় ছয় সপ্তাহ থেকে এবং আমৃত্যু এ স্পন্দন চলতে থাকে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১১,১৮০.
নাসা প্রথম কত সালে ব্ল্যাক হোলের ছবি প্রকাশ করে?
  1. ক) ২০১২
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১৯
  4. ঘ) ২০২১
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৯
ব্যাখ্যা
নাসা ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক হোলের ছবি প্রকাশ করে।

একটি কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোল হল মহাকাশের এমন একটি স্থান যেখানে মধ্যাকর্ষণ বল এতটাই শক্তিশালী যে সেখান থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না। এমনকি আলোর মত তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণও এই প্রচন্ড আকর্ষণ বল ভেদ করে বের হয়ে আসতে পারে না। ব্ল্যাক হোলে পদার্থের অত্যাধিক ঘনত্বের কারণে এটি এর চার দিকে এই অস্বাভাবিক মধ্যাকর্ষণ বল তৈরি করতে পারে। 

সূত্র: NASA Website. 
১১,১৮১.
ডায়মন্ডের কঠোরতার প্রধান কারণ কী?
  1. দুর্বল আন্তঃআণবিক আকর্ষণ
  2. কার্বন পরমাণুর শক্তিশালী কোভালেন্ট বন্ধন
  3. ভ্যান ডার ওয়ালস বল
  4. হাইড্রোজেন বন্ধন
সঠিক উত্তর:
কার্বন পরমাণুর শক্তিশালী কোভালেন্ট বন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন পরমাণুর শক্তিশালী কোভালেন্ট বন্ধন
ব্যাখ্যা
- ডায়মন্ড হলো কার্বনের একটি স্ফটিক রূপভেদ, যা পৃথিবীর অন্যতম কঠিন পদার্থ হিসেবে পরিচিত।
- এর কঠোরতার প্রধান কারণ হলো কার্বন পরমাণুগুলোর মধ্যে শক্তিশালী কোভালেন্ট বন্ধন।

• কোভালেন্ট বন্ধন:
- প্রতিটি  কার্বন পরমাণু তার চারটি ভ্যালেন্স ইলেকট্রনের মাধ্যমে চারটি অন্যান্য কার্বন পরমাণুর সঙ্গে শক্তিশালী C-C কোভালেন্ট বন্ধন তৈরি করে।
- ফলে এটি একটি ত্রিমাত্রিক (3D) জালিকা কাঠামো তৈরি করে।
- এই বন্ধনগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী, তাই ডায়মন্ড খুব কঠিন এবং এটি সহজে ভাঙে না বা চ্যাপ্টা হয় না।

উৎস: রসায়ন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
১১,১৮২.
স্ট্রোক নিচের কোন শারিরিক সমস্যার জন্য দায়ী?
  1. ক) এপিলেপসি
  2. খ) পারকিনসন
  3. গ) প্যারালাইসিস
  4. ঘ) ডায়াবেটিস
সঠিক উত্তর:
গ) প্যারালাইসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্যারালাইসিস
ব্যাখ্যা
প্যারালাইসিস নামক স্নায়ুবিক শারীরিক সমস্যাটি স্ট্রোকের জন্য হয়ে থাকে সাধারণত। 

প্যারালাইসিস মূলত রোগ নয় বরং রোগের ফলে সৃষ্ট এমন একটি অবস্থা যার ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অথবা নির্দিষ্ট কোন অঙ্গ ধীরে ধীরে অথবা হঠাৎ করেই অবশ হয়ে যায় এবং সে অংশের মাংসপেশিও তাদের কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। প্যারালাইসিসের দরুন এবং এর সুচিকিৎসার অভাবে বা অপচিকিৎসার ফলে ধীরে ধীরে রোগীর অবস্থা আরও ভয়ানক আকার ধারণ করে এবং কালক্রমে তা পঙ্গুত্ব থেকে রোগীকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়।

প্যারালাইসিস বিষয়টি মূলত নিউরোমাসকুলার অর্থাৎ নার্ভ ও মাংসপেশির সঙ্গে সম্পর্কিত। সুতরাং নার্ভের ইনজুরি বা অস্বাভাবিকতার কারণে মাংসপেশির পরিবর্তন বা দুর্বলতা বা অক্ষমতাই প্যারালাসিস হওয়ার জন্য প্রাথমিক সূচক। প্যারালাইসিসের দরুন মাংসপেশির শক্তি কমে যাওয়া,
হঠাৎ মাংশপেশীর টান বেড়ে যাওয়া বা শক্ত হয়ে যাওয়া, মাংসপেশি শুকিয়ে যাওয়া, থলথলে হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হতে পারে। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,১৮৩.
শৈবাল কোন শ্রেণীর উদ্ভিদ?
  1. মসবর্গীয়
  2. সপুষ্পক
  3. সমাঙ্গবর্গীয়
  4.  ফার্নবর্গীয়
সঠিক উত্তর:
সমাঙ্গবর্গীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাঙ্গবর্গীয়
ব্যাখ্যা

- শৈবাল হলো ক্লোরোফিলযুক্ত সরল, থ্যালাস (সমাঙ্গদেহী) জাতীয় গঠনবিশিষ্ট স্বভোজী এবং প্রধানত জলজ জীবগোষ্ঠী। এদের দেহকে মূল, কাণ্ড, পাতা বা শাখাপ্রশাখায় বিভক্ত করা যায় না, তাই এদের সমাঙ্গদেহী উদ্ভিদ বলা হয়। 

অপুষ্পক উদ্ভিদ: 

- যেসব উদ্ভিদে ফুল, ফল ও বীজ উৎপন্ন হয় না তাদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: মস, ফার্ন ইত্যাদি। 
- এরা স্পোর বা রেনুর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে থাকে। 
- অপুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- 
১। মসবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এদের দেহ কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায়। কিন্তু মসবর্গীয় উদ্ভিদের মূল নেই, মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড নামক সূত্রাকার অঙ্গ থাকে। 
- সাধারণত এরা পুরানো ভেজা দেয়ালে কার্পেটের মতো নরম আস্তরণ করে জন্মায়। 
যেমন: ব্রায়াম। 

২। সমাঙ্গবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- এসব উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত করা যায় না। এদের মধ্যে যাদের ক্লোরোফিল আছে, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে, তারা শৈবাল। 
যেমন: স্পাইরোগাইরা। 
- আর যাদের দেহে ক্লোরোফিল নেই, ফলে নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না, তারা ছত্রাক। 
যেমন: এগারিকাস। 

৩। ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদ: 
- ফার্নবর্গীয় উদ্ভিদের দেহ মূল, কাণ্ড ও পাতায় বিভক্ত। এদের দেহে পরিবহণ টিস্যু রয়েছে ও কচি পাতাগুলো কুণ্ডলীত থাকে। 
- বাড়ির পাশে স্যাতস্যাতে ছায়াযুক্ত স্থানে এবং পুরানো দালানের প্রাচীরে এদের জন্মাতে দেখা যায়। 
যেমন: টেরিস। 

সপুষ্পক উদ্ভিদ: 
- যেসব উদ্ভিদে ফুল উৎপন্ন হয় তাদেরকে সপুষ্পক উদ্ভিদ বলে। 
যেমন: আম, কাঁঠাল, ধান, নারিকেল ইত্যাদি। 
- এদের দেহ সুস্পষ্টভাবে মূল, কাণ্ড এবং পাতা বিভক্ত। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।

১১,১৮৪.
চতুর্থ শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ কতটি ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৮ টি
  3. গ) ১৮ টি
  4. ঘ) ৩২ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩২ টি
ব্যাখ্যা
- বোর মডেলে যে শক্তিস্তরের কথা বলা হয়েছে তাকে প্রধান শক্তিস্তর বলা হয়।
- প্রতিটি প্রধান শক্তিস্তরের সর্বোচ্চ ইলেকট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n² । যেখানে n = 1, 2, 3, 4 ইত্যাদি। 
এ সূত্রানুসারে,
- প্রথম বা K শক্তিস্তরের জন্য n = 1, অতএব
K শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n² = ( 2 x 1²) টি = 2 টি
- দ্বিতীয় বা L শক্তিস্তরের জন্য n = 2, অতএব
L শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n² = ( 2 x 2²) টি = 8 টি
- তৃতীয় বা M শক্তিস্তরের জন্য n = 3, অতএব
M শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n² = ( 2 x 3²) টি = 18 টি
- চতুর্থ বা N শক্তিস্তরের জন্য n = 4, অতএব
N শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন থাকতে পারে 2n² = ( 2 x 4²) টি = 32 টি।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
১১,১৮৫.
F = ma সূত্রের জন্য, F এর মাত্রা কোনটি?
  1. MLT-2
  2. ML2T-3
  3. ML2T-1
  4. ML2T2
সঠিক উত্তর:
MLT-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MLT-2
ব্যাখ্যা
• F = ma সূত্রের জন্য, F (বল) এর মাত্রা  MLT-2

• মাত্রা:
- ভৌত রাশিগুলো এক বা একাধিক মৌলিক রাশি দ্বারা গঠিত হয়।
- সুতরাং যে কোনো ভৌত রাশিকে বিভিন্ন সূচকের এক বা একাধিক মৌলিক রাশির গুণফল হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
- কোনো ভৌত রাশিতে বিদ্যমান মৌলিক রাশি গুলোর সূচককে রাশিটির মাত্রা বলে।
- মৌলিক রাশি দৈর্ঘ্য, ভর ও সময়কে যথাক্রমে L, M ও T দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- L কে দৈর্ঘ্যের মাত্রা, M কে ভরের মাত্রা, T কে সময়ের মাত্রা বলে।
- যেমন, বল = ভর × ত্বরণ। সুতরাং, বলের মাত্রা MLT-2.

- কাজের মাত্রা ML2T-2.
- শক্তির মাত্রা ML2T-2.
- টর্কের মাত্রা ML2T-2.
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T-3.

উৎস: পদার্থিবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৮৬.
P-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরিতে কয়টি যোজন ইলেকট্রন প্রয়োজন?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

- যে সব মৌলের (যেমন- অ্যালুমিনিয়াম, বোরন, গ্যালিয়াম বা ইনডিয়াম) তিনটি যোজন ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম P-টাইপ বস্তুতে বা P-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়।
- যে সকল মৌলের (যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক বা অ্যান্টিমনি) বহির্খোলকে পাঁচটি ইলেকট্রন থাকে তাদের ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হলে সিলিকন বা জার্মেনিয়াম n-টাইপ বস্তুতে বা n-টাইপ অর্ধপরিবাহীতে পরিণত হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থ বিজ্ঞান।

১১,১৮৭.
What is the main protein of milk?
  1. Lipids
  2. Carotene
  3. Lactobumin
  4. Casein
সঠিক উত্তর:
Casein
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Casein
ব্যাখ্যা
♦ প্রোটিন: 
- দুধে তিন শ্রেণির প্রোটিন থাকে। 
যেমন- ক্যাজিন (casein), ল্যাক্ট এলবুমিন (lact albumin) ও ল্যাক্টো গ্লোবুলিন (lactoglobulin). 
- ল্যাক্ট এলবুমিন ও ল্যাকটোগ্লোবুলিনকে সেরাম বা হোয়ে-প্রোটিন (whey protein or serum) বলে। 
- দুধের মোট প্রোটিন (0.9-4.6%) এর মধ্যে 82% হলো ক্যাজিন এবং 18% হলো হোয়ে-প্রোটিন। 
- ক্যাজিন হলো দুধের প্রধান প্রোটিন উপাদান। 
- গ্লুটামিন ও এস্পারাজিন অ্যামাইনো এসিড বাদে অন্য সব অ্যামাইনো এসিড ক্যাজিনে আছে, তাই তরুণ-তরুণীদের দেহ বৃদ্ধির জন্য প্রায় সব অপরিহার্য অ্যামাইনো এসিড সমৃদ্ধ দুধের প্রোটিন উৎকৃষ্ট প্রোটিন খাদ্যরূপে বিবেচিত হয়। 
- ক্যাজিন হলো এক প্রকার ফসফোপ্রোটিন। 
- আর্দ্রবিশ্লেষণের ফলে ক্যাজিন ফসফরিক এসিড ও অ্যামাইনো এসিডে বিভক্ত হয়। 
- ক্যাজিন পানিতে অদ্রবণীয়; দুধে এসিড মিশালে ক্যাজিন অধঃক্ষেপরূপে পৃথক হয়ে পড়ে। 
- মায়ের দুধে 0.9% এবং পশুর দুধে 3.2-4.6% প্রোটিন থাকে। 
- আবার দুধের প্রধান প্রোটিন ক্যাজিন চার ধরনের হয়। 
যেমন- αS1 ক্যাজিন, αS2 ক্যাজিন, β ক্যাজিন ও Κ (kappa) ক্যাজিন। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
১১,১৮৮.
তাপমাত্রার এস. আই একক কী?
  1. জুল
  2. সেলসিয়াস
  3. কেলভিন
  4. ফারেনহাইট
সঠিক উত্তর:
কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেলভিন
ব্যাখ্যা
তাপ: 
- তাপ হলো বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে। 
- তাপ শক্তির একটি রূপ। 
- তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক। 
- তাপের SI একক জুল (J)। 
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। 
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো। 
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। 
তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল। 

উষ্ণতা বা তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বা উষ্ণতা হলো বস্তুর তাপীয় অবস্থা যা ঐ বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে তাপ প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- তাপমাত্রার S.I একক কেলভিন। 
- তবে তাপমাত্রার কেলভিন ছাড়াও বহুল প্রচলিত দুটি সেলসিয়াস বা সেন্টিগ্রেড এবং ফারেনহাইট একক আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,১৮৯.
নিচের কোনটি একোয়াকালচারের উদাহরণ নয়?
  1. মৌমাছি চাষ
  2. চিংড়ি চাষ
  3.  শামুক চাষ
  4. ওয়েস্টার চাষ 
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌমাছি চাষ
ব্যাখ্যা

- মৌমাছি চাষ বা এপিকালচার (Apiculture) একোয়াকালচারের (জলজ চাষ) উদাহরণ নয়। এটি হলো মৌমাছি প্রতিপালন এবং তাদের থেকে মধু, মোম ও অন্যান্য পণ্য সংগ্রহের পদ্ধতি। এটি একটি ভূমি-ভিত্তিক কৃষি কার্যক্রম
অন্যদিকে,
- ওয়েস্টার চাষ, চিংড়ি চাষ, এবং শামুক চাষ- এই সবই হলো একোয়াকালচারের উদাহরণ, কারণ এই প্রাণীগুলোকে জলজ পরিবেশে (সমুদ্রের পানি, স্বাদু পানি বা লবণাক্ত পানির মিশ্রণে) চাষ করা হয়। 
 
মৎস্যবিজ্ঞান: 
- জীববিজ্ঞানের যে শাখায় মাছের বিভিন্ন দিক যেমন- শ্রেনীবিন্যাস, মাছ চাষ ও ব্যবস্থাপনা, মাছের প্রজনন, প্রতিপালন, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিপণন, রোগতত্ত্ব তথা মাছ সংশ্লিষ্ট সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে মৎস্যবিজ্ঞান বলে। 
- বর্তমানে মাছ চাষের সাথে অন্যান্য অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পন্ন জলজ প্রাণি যেমন- চিংড়ি, কাঁকড়া, শামুক, ঝিনুক, কচ্ছপ, ব্যাঙ ইত্যাদি চাষ করা হয়। 
- বিজ্ঞানের ভাষায় মাছ চাষকে একোয়াকালচার (Aquaculture) বলা হয়। 
- Aquaculture শব্দটি Latin শব্দ 'Aqua' যার অর্থ “পানি” এবং English শব্দ 'Culture' যার অর্থ "চাষ” নামক দু'টি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। অর্থাৎ, Aquaculture অর্থ পানিতে চাষ অথবা মাছ চাষকে বুঝায়। 
- অন্যভাবে, নিয়ন্ত্রিত বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে অর্থনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন জলজ জীবের চাষকে একোয়াকালচার বলে। একে আবার Aquafarming বলা হয়। যেমন- মাছ চাষ (Fish farming/culture), চিংড়ি চাষ (Shrimp farming/culture), ওয়েস্টার চাষ (Oyster farming/culture), সীউঈড চাষ (Seaweed farming/culture) ইত্যাদি। 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ আধুনিক চাষ পদ্ধতি: 
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
- সামদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
- মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার। 
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১১,১৯০.
খর পানিতে উত্তম ফেনা তৈরি করে কোনটি? 
  1. সাবান
  2. ইমালশান
  3. লবণ
  4. ডিটারজেন্ট
সঠিক উত্তর:
ডিটারজেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিটারজেন্ট
ব্যাখ্যা
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। 

ডিটারজেন্ট: 
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়। 
- এই সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাচাঁমাল ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি। 
- এছাড়া ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রঙ এবং কখনো জীবাণুনাশক পদার্থ। 
- ডিটারজেন্ট খর পানিতে কাজ করে এবং উত্তম ফেনা তৈরি করে। 
- ডিটারজেন্ট লবণের সাথে বিক্রিয়া করে দই বা চুন উৎপন্ন করে না। 
- ডিটারজেন্টের কঠিন তলে ঢোকার ক্ষমতা বেশি। 
- ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায় কিন্তু সাবান ঠান্ডা পানিতে সহজে গলে না। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৯১.
গঠন প্রক্রিয়া অনুযায়ী শিলা কয় প্রকার?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. আট
সঠিক উত্তর:
তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা

- ভূত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত
- গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার। যথা:-
১। আগ্নেয় শিলা,
২। পাললিক শিলা ও
৩। রূপান্তরিত শিলা ।

আগ্নেয় শিলা:
- পৃথিবী সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ের উত্তপ্ত ও গলিত অবস্থা হতে ক্রমান্বয়ে শীতল ও ঘনীভূত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তা আগ্নেয় শিলা নামে পরিচিত।
- আগ্নেয় শিলা দুপ্রকার। যথা: অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা এবং বহিঃজ আগ্নেয় শিলা।

অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা:
- গ্রানাইট
- গ্যাব্রো
- ডলোরাইট
- ল্যাকোলিথ
- ব্যাথোলিথ
- ডাইক
- সিল প্রভৃতি।

বহিঃজ আগ্নেয় শিলা:
- ব্যাসল্ট
- রায়োলাইট
- অ্যান্ডিসাইট।

পাললিক শিলা:
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে পাললিক শিলা বলে।
- পাললিক শিলায় জীবাশ্ম ও স্তর লক্ষ্য করা যায় ।
- পাললিক শিলা নরম, ভঙ্গুর ও সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ৷
- বেলেপাথর, চুনাপাথর, কাঁদাপাথর, কয়লা, কেওলিন, শেল প্রভৃতি পাললিক শিলার উদাহরণ।

রূপান্তরিত শিলা: 
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচন্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে রূপান্তরিত শিলা গঠন করে।
- রূপান্তরিত শিলা স্ফটিকযুক্ত এবং খুব কঠিন হয়।
- এতে জীবাশ্ম দেখা যায় না।
- গ্রানাইট থেকে নিস বা নাইস, কয়লা থেকে গ্রাফাইট, চুনাপাথর পরিবর্তিত হয়ে মার্বেল, বেলেপাথর পরিবর্তিত হয়ে কোয়ার্টজাইট ইত্যাদি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি ৷

১১,১৯২.
হাইপারটেনশন হওয়ার প্রকৃত কারণ-
  1. ক) আজও জানা যায়নি
  2. খ) রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য
  3. গ) অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
  4. ঘ) পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম
সঠিক উত্তর:
ক) আজও জানা যায়নি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আজও জানা যায়নি
ব্যাখ্যা
হাইপারটেনশন হওয়ার প্রকৃত কারণ আজও জানা যায় নি। তবে অতিরিক্ত শারীরিক ওজন, মেদবহুল শরীর, অতিরিক্ত লবণ খাওয়া, ডায়াবেটিস, অস্থিরচিত্ত, মানসিক চাপ, রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য আছে এরকম ব্যক্তিদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
১১,১৯৩.
রক্তরসে পানির পরিমাণ কত?
  1. ৪৫-৫৫%
  2. ৫১-৫২%
  3. ৭০-৭৮%
  4. ৯১ - ৯২%
সঠিক উত্তর:
৯১ - ৯২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯১ - ৯২%
ব্যাখ্যা
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু।
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।
- রক্তকণিকা ৩ ধরনের হতে পারে: লোহিত রক্তকণিকা, শ্বেত রক্তকণিকা এবং অণুচক্রিকা।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।[২০১৭ সংস্করণ]
১১,১৯৪.
লিনিয়াস-এর দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতিতে প্রথম অংশটি কী নির্দেশ করে?
  1. ফ্যামিলি
  2. অর্ডার
  3. স্পিসিস
  4. জেনাস
সঠিক উত্তর:
জেনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনাস
ব্যাখ্যা

◉ দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতিতে প্রথম অংশ জেনাস (Genus) এবং দ্বিতীয় অংশ স্পিসিস (Species) নির্দেশ করে।
যেমন, Homo sapiens নামে, Homo হলো Genus, এবং sapiens হলো Species।

দ্বিপদ নামকরণ:
- একটি জীবের বৈজ্ঞানিক নাম দুটি অংশ বা পদ নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রথম অংশটি তার গণের নাম এবং দ্বিতীয় অংশটি তার প্রজাতির নাম।
- উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) কর্তৃক এবং প্রাণীর নাম International code of Zoological Nomenclature (ICZN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হবে।
- নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়।
- 1753 সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস Species plantarum বইটি রচনা করেন।

নামকরণের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নীতিমালা নিম্নরূপ:
১. নামকরণের ভাষা হবে ল্যাটিন।
২. প্রতিটি জীব-প্রজাতির নামের দু'টি অংশ থাকবে, প্রথম অংশ হলো গণ (Genus) নাম এবং দ্বিতীয় অংশ হলো প্রজাতিক (Species) পদ।
৩. একই দ্বিপদ নাম কোন দু'টি প্রজাতির জন্য প্রযোজ্য হবে না, একটি দ্বিপদ নাম কেবল মাত্র একটি প্রজাতির জন্যই সুনির্দিষ্ট।
৪. গণ নামের প্রথম অক্ষর বড় হাতের হবে, প্রজাতিক পদ ছোট অক্ষরে হবে ।
৫. ছাপানো হলে দ্বিপদ নাম ইটালিক বা মোটা অক্ষরে হবে। হাতে লিখলে দ্বিপদ নামের নিচে দু'অংশে দু'টি টানা দাগ দিতে হবে; যেমন- Homo sapiens বা Homo sapiens.
৬. দ্বিপদ নামের শেষে নাম প্রদানকারীর নাম উল্লেখ করতে হয়, যেমন- Mangifera indica L., L. হলো লিনিয়াসের সংক্ষিপ্ত রূপ। এ নামটি লিনিয়াস দিয়েছিলেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,১৯৫.
শৈত্য প্রবাহের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণ ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. ক) ভার্নালাইজেশন
  2. খ) ইথিলিন
  3. গ) ফ্লোরিজেন
  4. ঘ) অক্সিন
সঠিক উত্তর:
ক) ভার্নালাইজেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভার্নালাইজেশন
ব্যাখ্যা

- শৈত্য প্রবাহের মাধ্যমে উদ্ভিদের ফুল ধারণ ত্বরান্বিত করার প্রক্রিয়াকে ভার্নালাইজেশন বলে।
- অকালে ফলের ঝরা পড়া বন্ধ করে অক্সিন।
- কৃত্রিম উপায়ে ফল পাকাতে ব্যবহার করা হয় ইথিলিন।
- পসটুলেটেড হরমোনের উদাহরণ ফ্লোরিজেন এবং ভার্নালিন।
- ফ্লোরিজেন উদ্ভিদের ফুল ফোটাতে সাহায্য করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী।

১১,১৯৬.
কৌণিক গতির জন্য নিউটন কতটি সূত্র প্রদান করেছেন?
  1. ৩ টি
  2. ৪ টি
  3. ৫ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
- কৌণিক গতির ক্ষেত্রেও নিউটনের  তিনটি সূত্র আছে।
নিম্নে সূত্রগুলো বর্ণনা করা হলো:

প্রথম সূত্র:
- বস্তুর ওপর বাহ্যিক টর্ক ক্রিয়া না করলে, স্থির বস্তু স্থির থাকবে এবং ঘূর্ণনরত বস্তু সমকৌণিক বেগে ঘুরতে থাকবে।

দ্বিতীয় সূত্র:
- ঘূর্ণনরত বস্তুর কৌণিক ভরবেগের পরিবর্তনের হার ঐ বস্তুর ওপর প্রকুক্ত টর্কের সমানুপাতিক এবং কৌণিক ভরবেগের এই পরিবর্তন প্রযুক্ত টর্কের দিকেই ঘটে।

তৃতীয় সূত্র:
- ঘূর্ণনরত বস্তুর ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্রিয়ামূলক টর্কের একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়ামূলক টর্ক আছে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৯৭.
ফ্লোয়েম টিস্যুর অংশ নয় কোনটি? 
  1. সীভ নল
  2. সঙ্গী কোষ
  3. ট্রাকিড
  4. ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা
সঠিক উত্তর:
ট্রাকিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাকিড
ব্যাখ্যা
জটিল টিস্যু: 
- এ টিস্যুর প্রধান কাজ মাটি থেকে পানি ও অজৈব লবণ পরিবহন করে পাতায় পৌঁছানো এবং পাতায় যে খাদ্য প্রস্তুত হয় তা পরিবহন করে উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছানো। 
- এদের কাজ পরিবহন বলে এ টিস্যুকে পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- জটিল টিস্যু দু'প্রকার।
যথা- ১) ফ্লোয়েম টিস্যু ও ২) জাইলেম টিস্যু। 

ফ্লোয়েম টিস্যু: 
- উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করাই এদের কাজ। 
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা- ক) সীভ নল, খ) সঙ্গী কোষ, গ) ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ঘ) ফ্লোয়েম ফ্লাইবার বা বাস্ট তন্তু। 

জাইলেম টিস্যু: 
- এ টিস্যু পরিবহন টিস্যুগুচ্ছের অন্যতম অংশ। 
- ভাস্কুলার উদ্ভিদে জাইলেমের সাহায্যেই খাদ্য দ্রব্যের উপাদানগুলো মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পাতায় পরিবাহিত হয়। 
- উৎপত্তি ও বিকাশের ভিত্তিতে জাইলেম দু'রকম। 
যথা-প্রাথমিক জাইলেম ও সেকেন্ডারি জাইলেম। 
- ভ্রূণ থেকে উদ্ভিদ বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে যে জাইলেমের সৃষ্টি হয় তাকে প্রাথমিক জাইলেম বলা হয়। 
- উদ্ভিদের সেকেন্ডারি বৃদ্ধির সময় ক্যাম্বিয়াম থেকে যে জাইলেমের সৃষ্টি হয় তাকে সেকেন্ডারি জাইলেম বলা হয়। 
- পরিণত অবস্থায় আবৃতবীজী উদ্ভিদে জাইলেম চার রকম কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা- ক) ট্রাকিড, খ) ট্রাকিয়া বা ভেসেল, গ) জাইলেম প্যারেনকাইমা ও ঘ) জাইলেম তন্তু। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,১৯৮.
অচৌম্বক পদার্থের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. চুম্বক আকর্ষণ করে কিন্তু চুম্বকে পরিণত হয় না
  2. চুম্বক আকর্ষণ করে না কিন্তু চুম্বকে পরিণত হতে পারে
  3. চুম্বক আকর্ষণ করে এবং চুম্বকে পরিণত হতে পারে
  4. চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং চুম্বকে পরিণত করা যায় না
সঠিক উত্তর:
চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং চুম্বকে পরিণত করা যায় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং চুম্বকে পরিণত করা যায় না
ব্যাখ্যা

- অচৌম্বক পদার্থ বলতে সেই সকল পদার্থকে বোঝায় যাদের চুম্বক দ্বারা আকর্ষণ বা বিকর্ষণ করা যায় না, যেহেতু এসব পদার্থের মধ্যে কোনো চৌম্বক প্রবেশ্যতা নেই, তাই এদের সাধারণ উপায়ে চুম্বকেও পরিণত করা সম্ভব নয়। 

চৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে এবং যাদের চুম্বকে পরিণত করা যায় তাদের চৌম্বক পদার্থ বলে। 
- বেশিরভাগ চৌম্বক পদার্থে লোহা থাকে তাই চৌম্বক পদার্থকে ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে। ফেরো শব্দটির অর্থ লোহা। 
- উদাহরণ: লোহা, ইস্পাত, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি। 

অচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না এবং যাদের চুম্বকে পরিণত করা যায় না তাদের অচৌম্বক পদার্থ বলে। 
- উদাহরণ: অ্যালুমিনিয়াম, স্টিল, সোনা, রূপা, তামা, পিতল, দস্তা ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,১৯৯.
জৈব রসায়নের জনক-
  1. ক) জাবির ইবনে হায়ান
  2. খ) জন ডাল্টন
  3. গ) ফ্রেডারিক উহলার
  4. ঘ) রবার্ট বয়েল
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্রেডারিক উহলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্রেডারিক উহলার
ব্যাখ্যা

- রসায়নের যে শাখায় হাইড্রোকার্বন ও হাইড্রোকার্বনের বিভিন্ন জাতক সম্বন্ধে আলোচনা করা হয় তাকে জৈব রসায়ন বলে।
- অর্থাৎ হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত দ্বিমৌল যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলে।
- ফ্রেডারিক উহলারকে জৈব রসায়নের জনক বলা হয়।
- জৈব বস্তুর সম্পূর্ণ দহনে কার্বন-ডাই-অক্সাইড এবং অসম্পূর্ণ দহনে কার্বন মনোক্সাইড উৎপন্ন হয়।

১১,২০০.
জীবাশ্ম নিয়ে গবেষণার শাস্ত্রকে কী বলা হয়?
  1. Paleontology
  2. Archaeology
  3. Fossilogy 
  4. Anthropology
সঠিক উত্তর:
Paleontology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paleontology
ব্যাখ্যা

- প্যালিওন্টোলজি (Paleontology) হলো বিজ্ঞানসম্মতভাবে জীবাশ্ম বা ফসিল (fossil) নিয়ে গবেষণা ও অধ্যয়নের শাস্ত্র

জীবাশ্ম: 

- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil), ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি। Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে, পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (palaeontology) বলা হয়। 
- Paleobotany হলো জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে প্রাচীন উদ্ভিদের জীবাশ্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়, এটি জীবাশ্মবিদ্যার (Paleontology) একটি উপশাখা। 

অন্যদিকে, 
- Fossilogy শব্দটি বিজ্ঞানে প্রচলিত বা স্বীকৃত কোনো শাখা নয়। 
- Archaeology হলো প্রাচীন মানুষের বস্তু, স্থাপনা, সংস্কৃতি ও সভ্যতা নিয়ে গবেষণা। 
- Anthropology হলো মানুষের উৎপত্তি, বিকাশ এবং সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণার শাস্ত্র।। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। এবং ব্রিটানিকা।