বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১১১ / ১৪০ · ১১,০০১১১,১০০ / ১৪,০৮০

১১,০০১.
বরফ কোন প্রক্রিয়ায় তাপ শোষণ করে পানিতে পরিণত হয় আবার সেই পানি থেকে সমপরিমাণ তাপ অপসারণ করে সমআয়তনের বরফে পরিণত হয়?
  1. প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  2. অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
  3. সমোষ্ণ প্রক্রিয়া
  4. উভমুখী প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া
ব্যাখ্যা
প্রত্যাবর্তী ও অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া: 
- কোনো সিস্টেম যখন এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় যায় বা পরিবর্তিত হয়, তখন অবস্থার এ পরিবর্তন দু'ভাবে সংঘটিত হতে পারে। 
যথা- 
১। প্রত্যাবর্তী বা উভমুখী প্রক্রিয়া (Reversible Process) এবং 
২। অপ্রত্যাবর্তী বা একমুখী প্রক্রিয়া (Irreversible Process) । 

প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া: 
- যে প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী হয়ে প্রত্যাবর্তন করে এবং সম্মুখবর্তী ও বিপরীতমুখী প্রক্রিয়ার প্রতি স্তরে তাপ ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয়, সে প্রক্রিয়াকে প্রত্যাবর্তী বা প্রত্যাগামী প্রক্রিয়া বলে। 

উদাহরণ-১: বরফ তাপ শোষণ করে পানিতে পরিণত হয়। এখন যদি সেই পানি থেকে সমপরিমাণ তাপ অপসারণ করে সমআয়তনের বরফ পাওয়া যায়, তবে এটি প্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়ার একটি উদাহরণ। 

উদাহরণ-২: স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে খুব ধীরে ধীরে কোনো স্প্রিংকে সম্প্রসারণ করতে প্রতি ধাপে স্প্রিং এর উপর যে পরিমাণ কাজ করা হবে, সংকোচনের সময় স্প্রিংটিও সেই একই পরিমাণ কাজ সম্পন্ন করবে। 

উদাহরণ-৩: অল্প উপর থেকে একটি স্থিতিস্থাপক বলকে একটি স্থিতিস্থাপক ইস্পাত পাতের উপর ফেলা হলে বলটি যদি | প্রাথমিক উচ্চতা পর্যন্ত উপরে উঠে আসে তবে বোঝা যাবে যে, শক্তির কোনো অপচয় হয়নি। সুতরাং প্রক্রিয়াটি প্রত্যাবর্তী। 

অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া: 
- যে প্রক্রিয়া বিপরীতমুখী হয়ে প্রত্যাবর্তন করতে পারে না অর্থাৎ সম্মুখবর্তী ও বিপরীতমুখী প্রতি স্তরে তাপ ও কাজের ফলাফল সমান ও বিপরীত হয় না তাকে অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া বলে। 
- প্রকৃতিতে যে সমস্ত পরিবর্তন বা রূপান্তর নিজ থেকেই ঘটে সেগুলোকে স্বতঃস্ফূর্ত পরিবর্তন বলে। যেমন- তাপ সবসময়ই উচ্চতর তাপমাত্রা থেকে নিম্নতর তাপমাত্রার দিকে প্রবাহিত হবে, বস্তু সবসময়ই উঁচু থেকে নিচুতে পড়তে থাকে। 

উদাহরণ-১: দুটি বস্তুর মধ্যে ঘর্ষণের ফলে যে তাপ সৃষ্টি হয় তা একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। কারণ ঘর্ষণের বিরুদ্ধে যে কাজ হয় তাই তাপে রূপান্তরিত হয় এবং এ উৎপাদিত তাপকে কোনো প্রকারেই কাজে রূপান্তরিত করা যায় না। 

উদাহরণ-২: তাপমাত্রার পার্থক্য আছে এমন দুটি বস্তুকে তাপীয় সংস্পর্শে রাখলে তাপ সবসময়ই অধিক তাপমাত্রার বস্তু হতে কম তাপমাত্রার বস্তুতে প্রবাহিত হবে। কিন্তু কখনোই কম তাপমাত্রার বস্ত্র হতে অধিক তাপমাত্রার বস্তুতে তাপ প্রবাহিত হবে না। সুতরাং এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

উদাহরণ-৩: বৈদ্যুতিক রোধের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তাপের সৃষ্টি হয়। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০০২.
সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তনশীল গ্রহের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৭
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ৯
সঠিক উত্তর:
গ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮
ব্যাখ্যা

- সৌরজগতে সূর্যকে কেন্দ্র করে আবর্তনশীল গ্রহের সংখ্যা আটটি।
যথা: বুধ, শুক্র, পৃথিবী, মঙ্গল, বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস ও নেপচুন।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

১১,০০৩.
পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন খনিজ পদার্থ কোনটি?
  1. স্বর্ণ
  2. রূপা
  3. হীরা 
  4. তামা
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হীরা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হীরা 
ব্যাখ্যা
খনিজ পদার্থ:
পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন খনিজ পদার্থ হলো হীরক যা কার্বনের একটি রুপভেদ।
• অসংখ্য কার্বন পরমাণু পরস্পরের সাথে বন্ধনযুক্ত হয়ে এ অণু তৈরি করে।
• একটি হীরক খণ্ডকে টুকরো করতে হলে অনেকগুলো শক্তিশালী সমযোজী বন্ধন ছিন্ন করতে হয় বলে হীরক অত্যন্ত কঠিন।
• ধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে অন্যতম হলো: লোহা (Fe), তামা (Cu), সোনা (Au), কিংবা রূপা (Ag)।
• অধাতব খনিজ পদার্থের মধ্যে রয়েছে কোয়ার্টজ (Quartz), মাইকা (Mica) কিংবা খনিজ লবণ।
• আবার গ্যাস, কয়লা, পেট্রোল এগুলোকে জৈব খনিজ পদার্থ বলে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,০০৪.
নিচের কোনটি উদ্ভিজ্জ আমিষের উদাহরণ? 
  1. ডিম 
  2. পনির
  3. শিমের বীচি
  4. কলিজা
সঠিক উত্তর:
শিমের বীচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিমের বীচি
ব্যাখ্যা

আমিষ (Protein): 
- আমিষ বা প্রোটিন-জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন দিয়ে গঠিত। 
- আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। 
- আমিষে সামান্য পরিমাণে সালফার, ফসফরাস এবং আয়রনও থকে। 
- নাইট্রোজেন এবং শেষোক্ত উপাদানগুলোর উপস্থিতির কারণে আমিষের গুরুত্ব শর্করা ও স্নেহ পদার্থ থেকে আলাদা। শুধু আমিষজাতীয় খাদ্যই শরীরে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টিবিজ্ঞানে আমিষকে একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 

আমিষের উৎস: 
- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ডাল, শিমের বীচি, শুঁটকি মাছ, চিনাবাদাম ইত্যাদি থেকে আমিষ পাওয়া যায়। 
- উৎস অনুযায়ী আমিষ দুই ধরনের। 
যথা- প্রাণিজ আমিষ এবং উদ্ভিজ্জ আমিষ। 

প্রাণিজ আমিষ: 
- মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা বা যকৃৎ ইত্যাদি প্রাণিজ আমিষ। এসব খাদ্যে দেহের প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো এসিড পাওয়া যায়। 

উদ্ভিজ্জ আমিষ: 
- ডাল, চিনাবাদাম, শিমের বীচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ আমিষ। একসময় ধারণা করা হতো এগুলো প্রাণিজ আমিষের তুলনায় কম পুষ্টিকর, কারণ উদ্ভিজ্জ আমিষে প্রয়োজনীয় সবকয়টি অ্যামাইনো এসিড থাকে না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে উদ্ভিজ্জ আমিষ প্রাণিজ আমিষের মতোই সকল অ্যামাইনো এসিড পর্যাপ্ত পরিমাণে ধারণ করে। 
- অনেক সময়, দুই বা ততোধিক উদ্ভিজ্জ আমিষ একত্রে রান্না করা যায়। কিন্তু এতে অ্যামাইনো এসিডের অনুপাতের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,০০৫.
ইউরিয়া সার উদ্ভিদে সরবরাহ করে -
  1. নাইট্রোজেন
  2. পটাসিয়াম
  3. ফসফরাস
  4. খনিজ লবণ
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া সারের কাজ: 
- ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সংবলিত রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 
- ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%। 
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে। 
- গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে। 
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে। কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। 
- উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে। 
- এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে। 

উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন ওয়েবসাইট।
১১,০০৬.
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশবিশেষকে বাংলায় কী বলা হয়? 
  1. ছায়াপথ
  2. ধূমকেতু
  3. উল্কাপিন্ড
  4. নক্ষত্রমালা
সঠিক উত্তর:
ছায়াপথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়াপথ
ব্যাখ্যা
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি ও সৌরজগত: 
- সুদূর আকাশে বায়বীয় পদার্থ ও গ্যাসপূর্ণ স্বল্পালোকিত মেঘের মত আস্তরণকে গ্যালাক্সি বলা হয়। 
- সৌরজগত মিল্কিওয়ে (Milkyway) গ্যালাক্সির ক্ষুদ্র অংশবিশেষ, যা বাংলায় ছায়াপথ নামে অভিহিত। 
- এই ছায়াপথটি অসংখ্য গ্রহ-নক্ষত্রের সমন্বয়ে উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত। 

ধূমকেতু (Comet): 
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। 
- ধূমকেতুর দুইটি অংশ রয়েছে। 
যেমন- মস্তক (Head) বা কেন্দ্র ও পুচ্ছ (Tail)। 
- কোনো কোনো ধূমকেতুর মস্তক বা কেন্দ্র গ্রহ অপেক্ষা বড় হয়ে থাকে। 
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ। 
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে। 
- হ্যালির ধূমকেতু (Hally's Comet) প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টিগোচরীভূত হয়। 

উল্কা ও উল্কাপিন্ড (Meteors & Meteoroids): 
- উল্কা মহাশূন্যে বিচরণরত ক্ষুদ্রাকৃতি বিশিষ্ট কঠিন বস্তু। 
- ক্ষুদ্রায়তনের এই উল্কাপিন্ড একত্রে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে বাতাসের সাথে সংঘর্ষে প্রজ্জ্বলিত হয়ে তুষারপাতের মতো ঝরে পড়তে থাকে, একে উল্কাবৃষ্টি বলে। 
- উল্কা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে পৃথিবী পৃষ্ঠে পতিত হলে, তাকে উল্কাপিন্ড বলে। 
- ১৯০৮ সালে সাইবেরিয়ায় পতিত উল্কাপিন্ডর আঘাতে বনভূমির ব্যাপক এলাকা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০০৭.
কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন সম্বন্ধে জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
  1. জেনেটিক্স
  2. সাইটোলজি
  3. এনাটমি
  4. শারীরবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
সাইটোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইটোলজি
ব্যাখ্যা

◉ সাইটোলজি (Cytology) হলো জীববিজ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে কোষের গঠন, কার্যপ্রণালী, কোষাঙ্গাণু এবং কোষ বিভাজন নিয়ে গবেষণা করা হয়। এটি মূলত কোষতত্ত্ব (Cell Biology)-এর একটি অংশ।

কোষবিদ্যা (Cytology):
- জীবদেহের গঠন ও কার্যের একক হলো কোষ।
- কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন, কাজ ও বিভাজন সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
জেনেটিক্স - এটি বংশগতির বিজ্ঞান, যেখানে DNA, জিন, মিউটেশন ও বংশগত বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। 
এনাটমি - এটি শরীরের গঠন ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন ও বিন্যাস নিয়ে আলোচনা করে। 
শারীরবিদ্যা - জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন, পরিপাক ও আত্তীকরণ, সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ এসব জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহ এ শাখায় আলোচনা করা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০০৮.
নিচের কোন অক্সাইড পানির সাথে যুক্ত হয়ে অম্ল বা এসিড উৎপন্ন করে?
  1. Na2O
  2. CO2
  3. Al2O3
  4. CaO
সঠিক উত্তর:
CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CO2
ব্যাখ্যা

- 'CO2' অক্সাইড পানির সাথে যুক্ত হয়ে অম্ল বা এসিড উৎপন্ন করে

ক্ষারধর্মী অক্সাইড: 

- যে সব ধাতব অক্সাইড অম্লীয় অক্সাইডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ উৎপন্ন করে অথবা এসিডের সাথে বিক্রিয়ায় লবণ ও পানি উৎপন্ন করে, তাকে ক্ষারধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- সোডিয়াম অক্সাইড (Na2O), ক্যালসিয়াম অক্সাইড (CaO), ফেরিক অক্সাইড (Fe2O3) । 

অম্লধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব অক্সাইড পানির সাথে যুক্ত হয়ে অম্ল বা এসিড উৎপন্ন করে, তাকে অম্লধর্মী অক্সাইড বলা হয়। 
- অম্লধর্মী অক্সাইডগুলো প্রধানত অধাতব অক্সাইড। 
যেমন- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), সালফার ডাই-অক্সাইড (SO2), নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড (NO2)। 

উভধর্মী অক্সাইড: 
- যে সব ধাতব অক্সাইড অবস্থাভেদে অম্ল ও ক্ষারক উভয় রূপে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহণ করে, তাকে উভধর্মী অক্সাইড বলে। 
অর্থাৎ, এই জাতীয় অক্সাইড অম্লের অম্লত্ব ও ক্ষারে ক্ষারকত্ব উভয় গুণকে বিনষ্ট করে থাকে। 
যেমন-অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড (Al2O3), জিংক অক্সাইড (ZnO), লেড মনো অক্সাইড (PbO)। 

প্রশম অক্সাইড: 
- যে সব অধাতব অক্সাইড অম্লীয় বা ক্ষারকীয় কোন ধর্মই প্রকাশ করে না, তাকে প্রশম অক্সাইড বলা হয়। 
যেমন- পানি (H2O), কার্বন মনো অক্সাইড (CO), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), নাইট্রিক অক্সাইড (NO)। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০০৯.
ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার কাজে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) নিয়ন
  2. খ) হিলিয়াম
  3. গ) আর্গন
  4. ঘ) রেডন
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেডন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেডন
ব্যাখ্যা
• আর্গন (Argon):
আর্গন প্রধানত ইলেকট্রিক বাল্বে ব্যবহৃত হয়। বাল্বে আর্গন থাকার কারণে টাংস্টেন ফিলামেন্ট সহজে  বাষ্পীভূত হয় না।
- রেডিও-এর বাল্ব ও রেকটিফায়ার-এ আর্গন ব্যবহৃত হয় ৷
- ঝালাই-এর কাজে নিষ্ক্রিয় পরিবেশ সৃষ্টি করতে আর্গন ব্যবহৃত হয়।
-গ্যাস ক্রোমাটোগ্রাফিতে এর ব্যবহার আছে। 
তেজস্ক্রিয়তা মাপার যন্ত্র আর্গন গ্যাস ব্যবহার হয়।

• ক্রিপটন (Krypton):
- আর্গনের মত ক্রিপটনও টিউব বাতিতে ব্যবহৃত হয়।
- কসমিক রশ্মি পরিমাপে আয়নীকরণ প্রকোষ্ঠে ক্রিপটন ব্যবহৃত হয়।
- খনি-শ্রমিকদের ‘ক্যাপ-ল্যাম্পে' ক্রিপটন ব্যবহার করা হয়৷
- তীব্র আলো সৃষ্টির জন্য ফটোগ্রাফিক ফ্ল্যাশ বাল্বে ক্রিপটন ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপক পরিমাপক যন্ত্রে ক্রিপটন ব্যবহার করা হয়।

• জেনন (Xenon):
- দ্রুত গতিসম্পন্ন ফ্লাশ-লাইটে জেনন ব্যবহার করা হয়।
- গামা রশ্মি, নিউটন ও ও অন্যান্য নিউক্লিয় কণা শনাক্তকরণের জন্য বুদবুদ প্রকোষ্ঠে জেনন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।

• রেডন (Radon):
- রেডিও-থ্যারাপি চিকিৎসায় শরীরে ক্ষতিকর বৃদ্ধি নাশে এটি ব্যবহৃত হয়।
- ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করার কাজে রেডন ব্যবহার করা হয়।
- তেজস্ক্রিয় গবেষণার কাজে এটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: LiveMCQ Lecture.
১১,০১০.
“Survival of the fittest” ধারণাটি কার?
  1. ডারউইন
  2. হার্বার্ট স্পেন্সার
  3. ল্যামার্ক 
  4. ওয়াটসন
সঠিক উত্তর:
হার্বার্ট স্পেন্সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্বার্ট স্পেন্সার
ব্যাখ্যা

◉ “Survival of the fittest” ধারণাটি প্রথম ব্যবহার করেন হার্বার্ট স্পেন্সার, একজন সমাজবিজ্ঞানী ও দার্শনিক। পরে চার্লস ডারউইন তার প্রাকৃতিক নির্বাচন (Natural Selection) তত্ত্ব ব্যাখ্যা করার সময় এই বাক্যাংশটি গ্রহণ করেন।
অর্থাৎ, পরিবেশের সাথে সবচেয়ে বেশি মানিয়ে নিতে সক্ষম জীবই টিকে থাকে ও বংশবিস্তার করে।

​প্রাকৃতিক নির্বাচন বা যোগ্যতমের উর্দ্ধতন (Natural Selection or Survival of the Fittest):
- ডারউইনের মতে জীবন ধারণের সংগ্রামে কেবল সেই জীব সাফল্য লাভ করে যাদের দেহে সংগ্রামের পক্ষে অনুকূলে এবং অধিকতর ও সঙ্গত সামঞ্জস্যপূর্ণ অভিযোজন বা প্রকরণ থাকে।
- যে সকল জীবের অভিযোজন বা প্রকরণ সংগ্রাম উত্তরণের উপযোগী নহে তারা পৃথিবী হতে বিলীন হয়ে যায়।
- ডারউইন একে প্রাকৃতিক নির্বাচন (natural selection) বলে অভিহিত করেছেন।
- Herbert Spencer একে যোগ্যতমের উর্দ্ধতন (survival of the fittest) হিসেবে অ্যাখায়িত করেছেন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০১১.
শীতকালের তুলনায় বর্ষাকালে বাষ্পায়নের হার -
  1. কম
  2. বেশি
  3. একই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম
ব্যাখ্যা
- শীত কালে বাতাসের তাপমাত্রা কম হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম তথা শীতকালে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে অর্থাৎ বাতাস শুকনো থাকে।
- এজন্যই শীতকালে জলকণার দ্রুত বাষ্পায়ন হয় এবং ভেজা কাপড় দ্রুত শুকায়। ভেজা কাপড় শুকানো অর্থ কাপড়ের জলকণা বাষ্পায়নের মাধ্যমে উবে যাওয়া।
- বর্ষাকালে বাতাসের তাপমাত্রা বেশি হলেও আপেক্ষিক আর্দ্রতা তথা  বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে বাষ্পায়নের হার কমে যায়। সেজন্য কাপড়ও শুকায় দেরীতে।

[সূত্রঃ পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত]
১১,০১২.
কোনটি গ্রিনহাউজ ইফেক্ট সৃষ্টির সহায়ক?
  1. ক) সিএনজি
  2. খ) নিওন
  3. গ) হিলিয়াম
  4. ঘ) সিএফসি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিএফসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিএফসি
ব্যাখ্যা

বায়ুমন্ডলে বিদ্যমান নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন ব্যতীত অন্যান্য গৌণ গ্যাসসমূহ গ্রিনহাউজ গ্যাস নামে পরিচিত।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ওজন প্রভৃতি।
এছাড়া ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (সিএফসি) এবং হাইড্রো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (এইচসিএফসি) গ্যাসও গ্রিনহাউজ গ্যাস।
এসব গ্যাস পৃথিবী থেকে সূর্যের বিকরিত আলো আটকে রাখে।
এতে পৃথিবী উষ্ণ থাকে।
কিন্তু শিল্পায়ন, নগরায়ন প্রভৃতির কারণে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে এসব গ্রিনহাউজ গ্যাসের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় পৃথিবীর তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
একেই গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং নামে অভিহিত করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি এবং দুর্যোগকোষ)

১১,০১৩.
এক গ্রাম তৈল বা চর্বি = কত?
  1. ক) 9.0 cal
  2. খ) 9.2 cal
  3. গ) 9.4 cal
  4. ঘ) 9.3 cal
সঠিক উত্তর:
ক) 9.0 cal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 9.0 cal
ব্যাখ্যা
তৈল ও চর্বি
- তৈল ও চর্বিকে একত্রে লিপিড বলে। 
- তৈল ও চর্বি হল গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এর উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের এস্টার। 
- উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের মধ্যে সম্পৃক্ত পামিটিক এসিড (C15H31CO2H), স্টেয়ারিক এসিড (C17H35CO2H) এবং অসম্পৃক্ত অলিয়িক এসিড (C17H33CO2H), লিনোলিক এসিড (C17H31CO2H) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

তৈল ও চর্বির পার্থক্য
(১) সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল কঠিন চর্বি এবং অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল তৈল। 
(২) তৈলের গলনাঙ্ক 20°C এর কম হয়, কিন্তু চর্বির গলনাঙ্ক 20°C এর অধিক হয়। 
(৩) তৈল উদ্ভিদদেহে কিন্তু চর্বি প্রাণিদেহে উৎপন্ন হয়। 

তৈল ও চর্বির গুরুত্ব
(১) খাদ্যরূপে তৈল ও চর্বি থেকে আমরা শক্তি থাকি। 
1g তৈল বা চর্বি = 9 cal = 9 ×4.184 J খাদ্যমান। 
(২) তৈল ও চর্বির ক্ষারীয় বিশ্লেষণে সাবান ও উৎপন্ন হয়। 
(৩) রং, বার্নিশ ও প্রসাধনী তৈরিতে তৈল চর্বি ব্যবহূত হয়। 
(৪) তৈলকে নিকেল উপস্থিতিতে হাইড্রোজেনেশন বা হাইড্রোজেন সংযোজন দ্বারা চর্বিতে পরিণত করা যায়। 
যেমন, সয়াবিন তৈলকে হাইড্রোজেনেশন করে মার্জারিন নামক চর্বি তৈরি করা হয়। 
সয়াবিন তৈল (অসম্পৃক্ত গ্লিসারাইড) + H2 ⇒ মার্জারিন (সম্পৃক্ত গ্লিসারাইড)। 
(৫) পরিপাকতন্ত্রে চর্বির তুলনায় তৈল সহজে হজম হয় এবং তৈলে কলেস্টেরল কম থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (হাজারী নাগ)।
১১,০১৪.
দণ্ড চুম্বকের উত্তর মেরু সর্বদা কোন মেরুকে আকর্ষণ করে?
  1. দক্ষিণ মেরু
  2. উত্তর মেরু
  3. পূর্ব মেরু 
  4. পশ্চিম মেরু
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ মেরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ মেরু
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর চৌম্বকক্ষেত্র: 
- একটি দণ্ড চুম্বককে সুতার সাহায্যে ঝুলিয়ে দিলে স্থির অবস্থায় তা সব সময়ই উত্তর দক্ষিণে মুখ করে থাকে। 
- পৃথিবীর চুম্বকত্বের জন্যই এ রকম হয়। 
- পৃথিবীর সব জায়গাতেই ভূচুম্বকের প্রভাব বর্তমান। 
- ঝুলন্ত অবস্থায় দণ্ড চুম্বকের দুই মেরু পৃথিবীর দুই চৌম্বক মেরুকে নির্দেশ করে; এখানে, দণ্ড চুম্বকের উত্তর মেরু উত্তর দিককে নির্দেশ করে। 
- কিন্তু একটি দণ্ড চুম্বকের উত্তর মেরু সর্বদা দক্ষিণ মেরুকে আকর্ষণ করে, ফলে ভূ-চুম্বকের দক্ষিণ মেরু আসলে উত্তর মেরু হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১১,০১৫.
মানব দেহে সাধারণভাবে ক্রোমোজোম থাকে-
  1. ২৫ জোড়া
  2. ২৪ জোড়া
  3. ২৩ জোড়া
  4. ২০ জোড়া
সঠিক উত্তর:
২৩ জোড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ জোড়া
ব্যাখ্যা
• মানবেদেহে সাধারণত ক্রোমোজোম থাকে ২৩ জোড়া। 

• মানবেদেহে ক্রোমোজোম:
 -মানবদেহের প্রতিটি কোষে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে।
- এ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ২২ জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় অটোজোম।
- অটোজোম দেহের নানা প্রকার গঠন প্রণালি ও জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। লিঙ্গ নির্ধারণে এদের কোনও ভূমিকা নেই।
- অপর এক জোড়া ক্রোমোজোমকে বলা হয় সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
- সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নির্ধারণ করে লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম।
- লিঙ্গ নির্ধারক ক্রোমোজোম জোড়াকে X এবং Y নামে চিহ্নিত করা হয়।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০১৬.
মানবদেহের ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি ব্যাহত করে -
  1. ক) B-লিস্ফোসাইট
  2. খ) T-লিস্ফোসাইট
  3. গ) ইন্টারফেরন
  4. ঘ) লাইসোজাইম
সঠিক উত্তর:
গ) ইন্টারফেরন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইন্টারফেরন
ব্যাখ্যা
মানবদেহের প্রতিরক্ষা
- মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ, কলা ও কোষ নিয়মতান্ত্রিকভাবে একত্রে দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনায় কোন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, পরজীবী ও অন্যান্য জীবাণুর আক্রমণ থেকে মানুষকে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে বলা হয় ইমিউনিটি।
- দেহের বিভিন্ন অঙ্গ, কলা ও কোষ সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্রদেহকে রোগাক্রমণের হাত থেকে এবং রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণুর ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে রক্ষা করে তাকে ইমিউন তন্ত্র বলা হয়।

- রোগ প্রতিরোধে ইমিউনিটির প্রধান উদ্দেশ্য তিন প্রকারের। যথা-
১। অণুজীবদের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা,
২। দেহের ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে শনাক্ত করা ও প্রতিস্থাপিত করা
৩। পরিত্যক্ত বা নষ্ট কোষগুলোকে শনাক্ত করা এবং তাদের ধ্বংস করা।

- B-লিস্ফোসাইট: কোষ অ্যান্টিবডির মাধ্যমে রস নির্ভর প্রতিরক্ষা সৃষ্টি করে।
- T-লিস্ফোসাইট: অ্যান্টিবডির মাধ্যমে কোষ নির্ভর প্রতিরক্ষা দিয়ে থাকে।
- কমপ্লিমেন্ট: ১১টির বেশী সিরাম প্রোটিনের সমন্বয়ে জীবাণু সংক্রমন রোধে কাজ করে।
- লাইসোজাইম: ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর ধবংস করে।
- ইন্টারফেরন: এক ধরনের প্রোটিন যা ভাইরাসের বংশবৃদ্ধি ব্যাহত করে।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (প্রাণিবিজ্ঞান), এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,০১৭.
স্বাভাবিক বৃষ্টির পানিতে কী থাকে?
  1. নাইট্রিক অ্যাসিড 
  2. ক্লোরিন
  3. সোডা
  4. কার্বনিক অ্যাসিড
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কার্বনিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বনিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

স্বাভাবিক বৃষ্টির পানি:
- স্বাভাবিক বৃষ্টির পানিতে কার্বনিক অ্যাসিড থাকে।

• স্বাভাবিক (প্রাকৃতিক, অদূষিত) বৃষ্টির পানিতে সামান্য কার্বনিক অ্যাসিড (H₂CO₃) থাকে।
- বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂) বৃষ্টির পানির সাথে মিশে দুর্বল কার্বনিক অ্যাসিড তৈরি করে।
- এ কারণে স্বাভাবিক বৃষ্টির pH প্রায় ৫.৬ (সামান্য অম্লীয়), যেখানে বিশুদ্ধ পানির pH ৭ (নিরপেক্ষ)।

উৎস: USGS Publications Warehouse (.gov) ওয়েবসাইট।

১১,০১৮.
আরশোলার বৈজ্ঞানিক নাম কি?
  1. ক) Apis indica
  2. খ) Periplaneta americana
  3. গ) Bufo melanostictus
  4. ঘ) Plasmodium vivax
সঠিক উত্তর:
খ) Periplaneta americana
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Periplaneta americana
ব্যাখ্যা

Apis indica - মৌমাছি
Periplaneta americana - আরশোলা
Bufo melanostictus - কুনোব্যাঙ
Plasmodium vivax - ম্যালেরিয়ার জীবাণু

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,০১৯.
তাৎক্ষণিক বেগ পেতে হলে-
  1. সময় ব্যবধান শূন্যের কাছাকাছি হতে হবে
  2. সময় ব্যবধান শূন্য হতে হবে
  3. সময় ব্যবধান এক হতে হবে
  4. সময় ব্যবধান অসীম হতে হবে
সঠিক উত্তর:
সময় ব্যবধান শূন্যের কাছাকাছি হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময় ব্যবধান শূন্যের কাছাকাছি হতে হবে
ব্যাখ্যা
বেগ: 
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে বেগ বলে। 

গড় বেগ: 
- যেকোনো সময় ব্যবধানে বস্তুর গড়ে প্রতি একক সময়ে যে সরণ হয় তাকে বস্তুটির গড় বেগ বলে। 
- যেকোনো সময় ব্যবধানে কোনো বস্তুর মোট সরণকে ঐ সময় ব্যবধান দ্বারা ভাগ করে গড় বেগ নির্ণয় করা হয়। 

তাৎক্ষণিক বেগ: 
- বস্তু কণার কোনো বিশেষ মুহূর্তের বেগকে তাৎক্ষণিক বেগ বলা হয়ে থাকে। 
- কোনো বস্তুর তাৎক্ষণিক বেগ নির্ণয় করতে হলে সময় ব্যবধান অবশ্যই অত্যন্ত ক্ষুদ্র (প্রায় শূন্যের কাছাকাছি) হতে হবে। 
- চোখের পাতা বন্ধ বা খুলতে যে সময় ব্যবধান হয় তাকে অত্যন্ত ক্ষুদ্র বা শূন্যের কাছাকাছি ধরা যেতে পারে। গাণিতিকভাবে At→0 দ্বারা সময় ব্যবধান শূন্যের কাছাকাছি বুঝায়। 
অর্থাৎ, সময় ব্যবধান শূন্যের কাছাকাছি হলে সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে তাৎক্ষণিক বেগ বলে। 

তাৎক্ষনিক ত্বরণ: 
- সময় ব্যবধান শূন্যের কাছাকাছি হলে সময়ের সাথে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে তাৎক্ষণিক ত্বরণ বলে।

সমবেগ: 
- বেগ যদি সব সময় ধ্রুব থাকে তাহলে তাকে সমবেগ বলে। 
অর্থাৎ, কোনো বস্তু যদি নির্দিষ্ট দিকে সমান সময়ে সমান পথ অতিক্রম করে তাহলে বস্তুর বেগকে সমবেগ বলে। 
যেমন- শব্দের বেগ, আলোর বেগ ইত্যাদি। 

মধ্যবেগ: 
- কোনো একটি গতিশীল বস্তুর প্রথম ও শেষ বেগ এর অভিমুখ একই হলে তাদের গড়কে মধ্য বেগ বলে। 

অসম বেগ: 
- বেগ যদি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকম হয় তাহলে তাকে অসম বেগ বলে। 
- যদি কোনো বস্তুর বেগের মান বা দিক বা উভয় পরিবর্তিত হয় তখন সেই বেগকে অসমবেগ বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০২০.
নিচের কোনটি ভিন্ন?
  1. ক) হিলিয়াম
  2. খ) নিয়ন
  3. গ) আর্গন
  4. ঘ) জেনন
সঠিক উত্তর:
ক) হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হিলিয়াম
ব্যাখ্যা
- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপ্টন, জেনন এবং রেডন হচ্ছে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের উদাহরণ। 
- পর্যায় সারণীর গ্রুপ-১৮ তে অবস্থিত হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, ক্রিপটন, জেনন, রেডন এই ৬টি গ্যাসকে একত্রে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়।
- হিলিয়াম ব্যতীত অন্য নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলির বহিঃস্থ শক্তিস্তরে অষ্টক পূর্ণ থাকে; অর্থাৎ, ৮টি করে ইলেক্ট্রন থাকে।
- হিলিয়ামের কেবল একটিই শক্তিস্তর রয়েছে এবং সেটাতে দুইটি ইলেক্ট্রন থাকে।
- নিষ্ক্রিয় গ্যাসগুলি অন্য কোন মৌলের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না।

** রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয় এবং কক্ষ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় মৌলিক গ্যাসকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলে। অর্থাৎ পর্যায় সারণির যেসব মৌলের পরমাণু ইলেকট্রন আদান, প্রদান বা শেয়ারের মাধ্যমে বন্ধন গঠন করে না, তাদেরকে নিষ্ক্রিয় গ্যাস বলা হয়।  

সূত্র: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,০২১.
শরীরকে সারা দিন গাঢ় রঙের কাপড়ে ঢেকে রাখলে কোন ভিটামিনের অভাব দেখা যেতে পারে?
  1. ক) ভিটামিন ই
  2. খ) ভিটামিন সি
  3. গ) ভিটামিন ডি
  4. ঘ) ভিটামিন কে
সঠিক উত্তর:
গ) ভিটামিন ডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভিটামিন ডি
ব্যাখ্যা
- সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে শরীরে কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি হয়। 
- নিয়মিতভাবে সারা শরীর সারা দিন কালো বা গাঢ় রঙের কাপড়ে ঢেকে রাখলে কিংবা দীর্ঘদিন ধরে ঘরের বাইরে না বের হলে ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় না এবং এ কারণে ভিটামিন ‘ডি’-এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি; জীববিজ্ঞান বোর্ড বই। 
১১,০২২.
পেশি টিস্যু কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
অবস্থান, গঠন এবং কাজের ভিত্তিতে পেশি টিস্যু তিন ধরনের। যথা- ১. ঐচ্ছিক পেশি, ২. অনৈচ্ছিক পেশি এবং ৩. হৃদপেশি। উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,০২৩.
'জিপসাম' কোন খনিজের আকরিক?
  1. ক্যালসিয়াম
  2. সোডিয়াম
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম
ব্যাখ্যা

• ক্যালসিয়ামের আকরিক: 
- চুনাপাথর, 
- জিপসাম, 
- ডলোমাইট ইত্যাদি। 

• সোডিয়ামের আকরিক: 
- রকসল্ট, 
- চিলি সল্টপিটার, 
- ন্যাট্রোন, 
- বোরাক্স ইত্যাদি। 

• আয়রনের আকরিক: 
- ম্যাগনেটাইট, 
- হেমাটাইট, 
- আয়রন পাইরাইটস, 
- লিমোনাইট ইত্যাদি। 

• অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: 
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম, 
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,০২৪.
Which of the following is not a contagious disease?
  1. Mumps
  2. Small Pox
  3. Typhoid
  4. Tuberculosis
সঠিক উত্তর:
Typhoid
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Typhoid
ব্যাখ্যা
- মাম্পস, স্মলপক্স এবং যক্ষ্মা ছোঁয়াচে রোগ।
- এগুলি সংক্রামিত ব্যক্তি থেকে বিভিন্ন উপায়ে যেমন সরাসরি সংস্পর্শ বা দূষিত বস্তুর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

অন্যদিকে, টাইফয়েড প্রাথমিকভাবে  Salmonella typhi ব্যাকটেরিয়া দ্বারা দূষিত খাবার বা পানি খাওয়ার মাধ্যমে ছড়ায়।
- টাইফয়েড সাধারণত ছোঁয়াচের মাধ্যমে সরাসরি ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়ে না। 

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা। 
১১,০২৫.
জীবদেহে বিপাকীয় কাজের জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয়, সেটি কোন ধরনের খাদ্য জারণের ফলে উৎপন্ন হয়?
  1. ক) অর্গানিক
  2. খ) প্রোটিন
  3. গ) বোটানিক
  4. ঘ) কার্বোহাইড্রেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বোহাইড্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বোহাইড্রেট
ব্যাখ্যা

শর্করা হচ্ছে মানুষের প্রধান খাদ্য।

- কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন নিয়ে শর্করা তৈরি হয়।
- শর্করা বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং অল্প মিষ্টি স্বাদযুক্ত।
- শর্করা আমাদের শরীরে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদন করে।
- জীবদেহে বিপাকীয় (Metabolic) কাজের জন্য যে শক্তির প্রয়োজন হয়, সেটি কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য জারণের ফলে উৎপন্ন হয়৷

উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

১১,০২৬.
নিচের কোন মৌলিক কণিকাটি আধানহীন? 
  1. প্রোটন
  2. নিউট্রন
  3. পজিট্রন
  4. ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন
ব্যাখ্যা
মৌলিক কণিকা: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মধ্যে তিনটি মৌলিক কণিকা থাকে। 
যেমন: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন। 

নিউট্রন: 
- নিউট্রন আধানহীন বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- ইহার ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n. 
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g. 
- আপেক্ষিক আধান শূন্য। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০২৭.
উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ১০টি
  3. ১৬টি
  4. ২০টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা
অত্যাবশ্যকীয় উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য একান্ত প্রয়োজনীয় ১৬টি পুষ্টি উপাদানকে সমষ্টিগতভাবে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বলা হয়
- এই উপাদানগুলো সব ধরনের উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, শারীরবৃত্তীয় কাজ এবং প্রজননের জন্য প্রয়োজন।
- অত্যাবশ্যকীয় ১৬টি উপাদানের মধ্যে উদ্ভিদ কোনো কোনো উপাদান বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে,আবার কোনো কোনো উপাদান সামান্য পরিমাণে গ্রহণ করে।
- উদ্ভিদ কর্তৃক গৃহীত অত্যাবশ্যকীয় খনিজ পুষ্টির পরিমাণের উপর ভিত্তি করে এদেরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে । যেমন: 
(i) ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান এবং 
(ii) মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান ৷

ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান বেশি পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা ম্যাক্রো উপাদান বলা হয়।
- ম্যাক্রো উপাদান ১০টি। যথা: 
- নাইট্রোজেন (N),
- পটাশিয়াম (K),
- ফসফরাস (P),
- ক্যালসিয়াম (Ca),
- ম্যাগনেসিয়াম (Mg),
- কার্বন (C),
- হাইড্রোজেন (H),
- অক্সিজেন (O),
- সালফার (S) এবং 
- লৌহ (Fe)।

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান:
- উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য যেসব উপাদান অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে দরকার হয়, সেগুলোকে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মাইক্রো উপাদান বলে ।
- মাইক্রো উপাদান ৬টি। যথা: 
- দস্তা বা জিংক (Zn),
- ম্যাংঙ্গানিজ (Mn),
- মোলিবডেনাম (Mo),
- বোরন (B),
- তামা বা কপার (Cu) এবং 
- ক্লোরিন (Cl)।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,০২৮.
প্রাথমিক ভাজক টিস্যু হতে নিচের কোন টিস্যুর সৃষ্টি হয়? 
  1. প্লেট ভাজক টিস্যু
  2. মাস ভাজক টিস্যু
  3. প্রাথমিক অস্থায়ী টিস্যু
  4. প্রাথমিক স্থায়ী টিস্যু
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক স্থায়ী টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক স্থায়ী টিস্যু
ব্যাখ্যা
ভাজক টিস্যু: 
- যে টিস্যুর কোষগুলো বিভাজনে সক্ষম অর্থাৎ যে টিস্যুর নতুন কোষ উৎপন্ন করার ক্ষমতা থাকে তাকে ভাজক টিস্যু বলে। 
- ভাজক টিস্যু যে সমস্ত কোষ দ্বারা গঠিত তাদেরকে ভাজক কোষ বলে। 
- সাধারণত উদ্ভিদ দেহের বর্ধিষ্ণু অঞ্চলে (যে স্থানে উদ্ভিদ বৃদ্ধি পায়) অর্থাৎ মূল, কান্ড ও পাতার অগ্রভাগে থাকে। 
- ভাজক টিস্যুর বিভাজনের ফলে উদ্ভিদের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায় অর্থাৎ এরা লম্বা হয় এবং এদের ব্যাস বৃদ্ধি পায়। 
- ভাজক টিস্যু থেকে স্থায়ী টিস্যু সৃষ্টি হয়। 

ভাজক টিস্যুর প্রকারভেদ: 
- (ক) উৎপত্তি, (খ) অবস্থান, (গ) বিভাজন প্রক্রিয়া এবং (ঘ) কাজ ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে ভাজক টিস্যুকে বিভিন্নভাবে ভাগ করা হয়। 

 
উৎপত্তি অনুসারে ভাজক টিস্যুর প্রকারভেদ: 
- উৎপত্তি অনুসারে ভাজক টিস্যু দুই প্রকার। যথা - 
১। প্রাথমিক ভাজক টিস্যু ও 
২। সেকেন্ডারি ভাজক টিস্যু। 

প্রাথমিক ভাজক টিস্যু: 
- যে ভাজক টিস্যু উদ্ভিদের ভ্রূণাবস্থায় সৃষ্টি হয় তাকে প্রাথমিক ভাজক টিস্যু বলে। 
- উদ্ভিদের মূল, কান্ড ও পাতার অগ্রভাগে ভাজক টিস্যু থাকে। 
- এদের বিভাজনের ফলে উদ্ভিদ দৈর্ঘ্যে বৃদ্ধি পায়। 
- প্রাথমিক ভাজক টিস্যু থেকে 'প্রাথমিক স্থায়ী টিস্যু'র সৃষ্টি হয়। 

সেকেন্ডারি ভাজক টিস্যু: 
- সাধারণভাবে স্থায়ী টিস্যু বিভাজনক্ষম নয়। 
- উদ্ভিদের সেকেন্ডারি বৃদ্ধির জন্য কোন কোন স্থায়ী টিস্যুর কোষগুলো বিভাজন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়, ফলে যে ভাজক টিস্যু সৃষ্টি করে তাকে সেকেন্ডারি ভাজক টিস্যু বলে। 
- যে সব কোষের বিভাজন ক্ষমতা নেই সে সব টিস্যু থেকে উৎপন্ন হয় বলে এদের সেকেন্ডারি ভাজক টিস্যু বলা হয়। 
- সেকেন্ডারি ভাজক টিস্যু সব সময় পার্শ্বীয়। 
- এ টিস্যুর বিভাজনের ফলে উদ্ভিদের সেকেন্ডারি বৃদ্ধি হয় অর্থাৎ উদ্ভিদ পাশে বৃদ্ধি পায় বা এর বেড় মোটা হয়। 
- ইন্টারফ্যাসিকুলার ক্যাম্বিয়াম, ফেলোজেন বা কর্ক ক্যাম্বিয়াম হচ্ছে সেকেন্ডারি ভাজক টিস্যু।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০২৯.
তাপ পরিমাপক যন্ত্র-
  1. হাইড্রোমিটার
  2. অ্যালটিমিটার
  3. ক্যালরিমিটার
  4. স্ফিগমেমোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক্যালরিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালরিমিটার
ব্যাখ্যা
• তাপ:
- তাপ হল বস্তুর বা পদার্থের অভ্যন্তরস্থ অণুসমূহের গতির সঙ্গে সম্পর্কিত এক প্রকার শক্তি যা ঠান্ডা ও গরমের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- তাপ শক্তির একটি রূপ, তাই শক্তি তথা কাজের এককই তাপের একক।
- তাপের SI একক জুল (J)।
- এক সময় তাপ পরিমাপের জন্য একক ধরা হতো ক্যালরি। এটি মেট্রিক পদ্ধতির একক যা পুষ্টি বিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়।
- 1 গ্রাম পানির তাপমাত্রা 1° C বাড়াতে বা কমাতে যতটা তাপের প্রয়োজন তাকে 1 ক্যালরি (Cal) ধরা হতো।
- 4.2 জুল যান্ত্রিক শক্তি 1 ক্যালরি তাপের সমতুল্য। তাই, 1 ক্যালরি = 4.2 জুল।
- তাপ পরিমাপক যন্ত্র ক্যালরিমিটার।
- তাপের প্রবাহ তাপের পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না।
- দুটি বস্তুর তাপের পরিমাণ এক হলেও এদের তাপমাত্রার পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।

• আরো কিছু পরিমাপক যন্ত্র:
- তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র - থার্মোমিটার।
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র - ফ্যাদোমিটার।
- উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র - অ্যালটিমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র - হাইড্রোমিটার।
- ভূমিকম্প পরিমাপক যন্ত্রের নাম - সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম - রিখটার স্কেল।
- বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্ৰ - ব্যারোমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র -ট্যাকোমিটার।
- আটিয়াল ও রক্তের চাপ মাপক যন্ত্র - স্ফিগমেমোমিটার।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৩০.
বায়ুচাপ মাপার যন্ত্র কোনটি? 
  1. ল্যাকটোমিটার
  2. স্পিডোমিটার
  3. ব্যারোমিটার
  4. থার্মোমিটার
সঠিক উত্তর:
ব্যারোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যারোমিটার
ব্যাখ্যা
- বায়ুচাপ মাপার যন্ত্র হলো 'ব্যারোমিটার'। 

ব্যারোমিটার: 
- টরেসিলি ১৬৪৩ সালে তরল তলের উচ্চতা ও বায়ুচাপের সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে প্রথম বায়ুমন্ডলীয় চাপ পরিমাপের যন্ত্র আবিস্কার করেন। এর নাম ব্যারোমিটার। 
- ব্যারোমিটারে পারদ স্তম্ভের উচ্চতাকে বায়ুমন্ডলীয় চাপের আদর্শ ধরা হয়। 
- আদর্শ বায়ু চাপ 76cm পারদ স্তম্ভের ওজনের সমান। 

থার্মোমিটার: 
- থার্মোমিটার হলো তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র। 

স্পিডোমিটার: 
- স্পিডোমিটার, একটি যন্ত্র যা একটি গাড়ির গতি নির্দেশ করে। 

ল্যাকটোমিটার: 
- ল্যাকটোমিটার হলো দুধের বিশুদ্ধতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১১,০৩১.
যদি একটি লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ২ মিটার হয়, তাহলে লেন্সের ক্ষমতা কত? 
  1. ০.২ ডায়াপ্টর
  2. ২.০ ডায়াপ্টর
  3. ০.৫ ডায়াপ্টর
  4. ৪.০ ডায়াপ্টর
সঠিক উত্তর:
০.৫ ডায়াপ্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.৫ ডায়াপ্টর
ব্যাখ্যা
লেন্সের ক্ষমতা: 
- প্রধান অক্ষের সমান্তরাল এক গুচ্ছ আলোকরশ্মিকে উত্তল লেন্স কেন্দ্রীভূত বা অভিসারী করে এক বিন্দুতে মিলিত করে। অপরদিকে অবতল লেন্স একগুচ্ছ সমান্তরাল রশ্মিকে অপসারী করে; ফলে ঐ রশ্মিগুচ্ছ কোনো একটি বিন্দু থেকে অপসারিত হচ্ছে বা ছড়িয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়। 
- আলোকরশ্মিকে অভিসারী বা অপসারী করার প্রক্রিয়াটি পরিমাপ করার জন্য লেন্সের "ক্ষমতা” ব্যবহার করা হয়। 
• ১-কে লেন্সের ফোকাস দূরত্ব (মিটারে প্রকাশ করে) দিয়ে ভাগ করা হলে লেন্সের ক্ষমতা পাওয়া যায়, যার একক হল ডায়াপ্টর। 
অর্থাৎ, একটি উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ২ মিটার হলে তার ক্ষমতা হবে ১/২ ডায়াপ্টর = ০.৫ ডায়াপ্টর। 
- লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক বা ঋণাত্মক দুই-ই হতে পারে। 
- কোনো লেন্সের ক্ষমতা +1D বলতে বোঝায়, লেন্সটি উত্তল এবং এটি প্রধান অক্ষের ১ মিটার দূরে আলোকরশ্মিগুচ্ছকে মিলিত করবে। 
- একইভাবে লেন্সের ক্ষমতা -2D হলে বুঝতে হবে লেন্সটি অবতল এবং এটি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোকরশ্মিকে এমনভাবে অপসারিত করে যে, এগুলো কোনো লেন্স থেকে ১/২ মিটার বা ৫০ সেমি দূরের কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,০৩২.
ভূমিকম্পের কোন তরঙ্গ সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন এবং কঠিন ও নরম উভয় পদার্থে প্রবাহিত হতে পারে?
  1. P তরঙ্গ
  2. T তরঙ্গ
  3. L তরঙ্গ
  4. S তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
P তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্পের তরঙ্গ (Earthquake Waves): 
- পুকুরের ঠিক মধ্যে কোনো পাথর নিক্ষেপ করলে যেমন পানির তরঙ্গগুলো পুকুরের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, ঠিক সেরূপে ভূমিকম্পের তরঙ্গগুলো তার মূল উৎস হতে সবদিকে সমভাবে ছড়িয়ে পড়ে। 
- সাধারণত ভূমিকম্পের তরঙ্গ তিন প্রকারের, এরা উৎস হতে গন্তব্য স্থানের দিকে তিনটি ভিন্ন পথে গমন করে। 
যেমন- 
(ক) প্রাথমিক বা P তরঙ্গ (Primary wave): 
- এটি সবচেয়ে দ্রুতগতি সম্পন্ন তরঙ্গ। 
- এর গতি প্রতি সেকেন্ডে ৫ থেকে ৮ কি.মি.। 
- এ জাতীয় তরঙ্গ কেবলমাত্র কঠিন বস্তু নয়, নরম বস্তুর মধ্য দিয়েও প্রবাহিত হতে পারে
অর্থাৎ, এ তরঙ্গ সরাসরি পৃথিবীর কেন্দ্র ভেদ করেও অপর প্রান্তে যেতে পারে। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগের গঠন সম্পর্কে এই P-তরঙ্গের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি জানা সম্ভব। 

(খ) দ্বিতীয় বা S তরঙ্গ (Secondary wave): 
- এই S-তরঙ্গের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ থেকে ৫ কি. মি. হয়। 
- এটি প্রধানত সমকোণে প্রবাহিত হয় এবং পৃথিবীর অভ্যন্তরে বেশি দূর যেতে পারে না, কারণ এ তরঙ্গ তরল পদার্থের মধ্য দিয়ে চলতে পারে না। 

(গ) পৃষ্ঠ বা L তরঙ্গ (Longitudinal wave): 
- পৃষ্ঠ তরঙ্গকে L তরঙ্গ বলা হয়। 
- প্রাথমিক ও দ্বিতীয় তরঙ্গ ভূত্বকের ওপরে পৌঁছবার পর যে তরঙ্গটি খুব মৃদুগতিতে পৃথিবীর উপরিভাগ দিয়ে চলে, তাকে পৃষ্ঠ বা L তরঙ্গ বলে । কারণ, এ তরঙ্গটি পৃথিবীর পৃষ্ঠ দিয়ে সর্বাপেক্ষা দীর্ঘপথ অতিক্রম করে। এ কারণে দূরবর্তী ভূমিকম্পে প্রথম ও দ্বিতীয় তরঙ্গ ভূত্বকের অভ্যন্তর দিয়ে সর্বপ্রথম যে স্থানে পৌছে, তার কিছু সময় পর পৃষ্ঠ তরঙ্গও সে স্থানে পৌছে। 
- তরঙ্গের এ গতির দ্বারাই ভূমিকম্পের কেন্দ্র নিরূপণ করা যায়। 
- এ তরঙ্গের গতিবেগ প্রতি সেকেন্ডে ৩ থেকে ৪ কি. মি.। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী)।

১১,০৩৩.
নিচের কোনটি তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ?
  1. ক) কার্বন - ১১
  2. খ) কার্বন - ১২
  3. গ) কার্বন - ১৩
  4. ঘ) কার্বন - ১৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বন - ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কার্বন - ১৪
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা:
ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়।
যেমন- ইউরেনিয়াম-৯২, নেপচুনিয়াম-৯৩, প্লুটোনিয়াম-৯৪, পোলোনিয়াম-৮৪ ইত্যাদি।

• কার্বন মৌলের ৬ টি প্রােটন ও তিনটি আইসােটোপ রয়েছে। যথা -
i) কার্বন-১২,
ii) কার্বন-১৩ ও
iii) কার্বন-১৪

এই তিনটির মধ্যে কার্বন-১৪ অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়। এতে ৬টি প্রােটন ও ৮টি নিউট্রন রয়েছে।
কার্বন-১৪ ব্যবহৃত হয় মৃত প্রাণি বা উদ্ভিদের বয়স হিসাব করতে।

সূত্র: নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই এবং নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বই (উন্মুক্ত)
১১,০৩৪.
‘জনন কোষের উৎপত্তি’ কোন শাখায় আলোচিত হয়?
  1. ক) কোষবিদ্যা
  2. খ) হিস্টোলজি
  3. গ) ভ্রুণবিদ্যা
  4. ঘ) বিবরতনবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
গ) ভ্রুণবিদ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভ্রুণবিদ্যা
ব্যাখ্যা
ভ্রূণবিদ্যা (Embryology): জনন কোষের উৎপত্তি, নিষিক্ত জাইগোট থেকে ভ্রূণের সৃষ্টি, গঠন, পরিস্ফুটন, বিকাশ প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা এ শাখার প্রধান বিষয়।
হিস্টোলজিঃ জীবদেহের টিস্যুসমূহের গঠন, বিন্যাস এবং কার্যাবলি এ শাখায় আলোচনা করা হয়।
বিবর্তনবিদ্যা (Evolution): পৃথিবীতে প্রাণের বিকাশ, জীবের বিবর্তন এবং ক্রমবিকাশের তথ্যসমূহের আলোচনা এ শাখার বিষয়।
কোষবিদ্যা (Cytology): জীবদেহের কোষের গঠন, কার্যাবলি ও বিভাজন সম্পর্কে যাবতীয় আলোচনা এ শাখার বিষয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,০৩৫.
মানুষের চোখের রঙ নিয়ন্ত্রন করে -
  1. আরএনএ
  2. নিউক্লিয়াস
  3. জিন
  4. ক্যারোটিন
সঠিক উত্তর:
জিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিন
ব্যাখ্যা
•  মানুষের চোখের রং DNA বা জিন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়। 

• নিউক্লিক এসিড:
- নিউক্লিক এসিড দুই ধরনের। যথা- DNA (ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড) এবং RNA (রাইবো নিউক্লিক এসিড)।
- ক্রোমোজোমের প্রধান উপাদান DNA।
- বংশগতি ধারা পরিবহনে ক্রোমোজোমের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী DNA ও RNA এর গুরুত্ব অপরিসীম।
- সাধারণত ক্রোমোজোমের DNA অণুগুলোই জীবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকৃত ধারক এবং জীবদেহের বৈশিষ্ট্যগুলো বহুন করে।
- তাই বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী DNA এর অংশকে জিন নামে অভিহিত করা হয়।
- DNA হলো ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিনের রাসায়নিক রূপ।
- জীবের এক একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জিন কাজ করে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটিমাত্র জিন বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- মানুষের চুলের প্রকৃতি, চামড়ার রং ইত্যাদি সবই DNA বা জিন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।
- মানুষের মতো অন্যান্য প্রাণী ও উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যগুলোও তাদের ক্রোমোজোমে অবস্থিত জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- ক্রোমোজোম জিনকে এক বংশ থেকে পরবর্তী বংশে বহন করার জন্য বাহক হিসাবে কাজ করে বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখে।
- মিয়োসিস কোষ বিভাজনের দ্বারা বংশগতির এ ধারা অব্যাহত থাকে।
- ক্রোমোজোম বংশগতির ধারা অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য কোষ বিভাজনের সময় জিনকে সরাসরি মাতাপিতা থেকে বহন করে পরবর্তী বংশধরে নিয়ে যায়। এ কারণে ক্রোমোজোমকে বংশগতির ভৌতভিত্তি বলা হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১১,০৩৬.
সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে বায়ুমণ্ডলের কোন উপাদান পাতার ভেতর প্রবেশ করে? 
  1. নাইট্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. জলীয় বাষ্প
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- পৃথিবীর সমস্ত শক্তির উৎস হলো সূর্য। 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের সবুজ অংশ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইডকে কাজে লাগিয়ে শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপাদন করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে। 
- উদ্ভিদের পাতার সবুজ প্লাস্টিড সালোকসংশ্লেষণে অংশ নেয়। এ প্লাস্টিডের ভিতরে সৌরশক্তি, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া করে অক্সিজেন ও গ্লুকোজ উৎপন্ন করে।
- পাতাকে সালোকসংশ্লেষণের প্রধান স্থানরূপে কেন গণ্য করা হয়। কারণ- 
১. পাতা চ্যাপ্টা ও সম্প্রসারিত হওয়ায় বেশি পরিমাণ সূর্যরশ্মি এবং অল্প সময়ে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শোষিত হয়। 
২. পাতার কোষগুলোতে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা অনেক বেশি। 
৩. পাতায় অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকায় সালোকসংশ্লেষণের সময় গ্যাসীয় পদার্থের আদান প্রদান সহজে ঘটে। 

- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় আলো একটি অপরিহার্য উপাদান, আলোর প্রধান উৎস সূর্য। 
- সালোকসংশ্লেষণের সময় বায়ুমণ্ডলের কার্বন ডাই-অক্সাইড পত্ররন্ধ্রের ভিতর দিয়ে পাতায় প্রবেশ করে। 
- এরপর সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ক্লোরোফিলের সহায়তায় পানি ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের বিক্রিয়া ঘটে ও গ্লুকোজ উৎপন্ন হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়াটি দুটি প্রথক পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। 
যেমন- (১) আলোক পর্যায় ও (২) আলোক নিরপেক্ষ পর্যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১১,০৩৭.
চাঁদে এক বস্তুর ওজন ৬ কেজি, পৃথিবীতে ঐ বস্তুটির ওজন কত?
  1. ক) ১ কেজি
  2. খ) ৬ কেজি
  3. গ) ২৪ কেজি
  4. ঘ) ৩৬ কেজি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৬ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৬ কেজি
ব্যাখ্যা
• বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভর করে। 
• চাঁদের অভিকর্ষজনিত ত্বরণের মান প্রায় পৃথিবীর ১/৬ ভাগ।
• সুতরাং চাঁদে ৬ নিউটন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে হবে ৩৬ নিউটন (N)।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী
১১,০৩৮.
বায়ুর সাপেক্ষে কেরোসিনের প্রতিসরণাঙ্ক কত?
  1. 1.30
  2. 1.44
  3. 1.33
  4. 2.41
সঠিক উত্তর:
1.44
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1.44
ব্যাখ্যা
পরম প্রতিসরণাঙ্ক: 
- শূন্য মাধ্যমের সাপেক্ষে কোনো মাধ্যমের প্রতিসরণাঙ্ক ঐ মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক। 
অর্থাৎ, আলোক রশ্মি যখন শূন্য মাধ্যম থেকে অন্য কোনো মাধ্যমে প্রবেশ করে তখন শূন্য মাধ্যমের আপতন কোণের সাইন ও সেই মাধ্যমের প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাতকে ঐ মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক বিবেচনা করা হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন শূন্য মাধ্যম থেকে কোনো বস্তু মাধ্যমে তীর্যকভাবে প্রবেশ করে তখন নির্দিষ্ট বর্ণের আলোর জন্য আপতন কোণের সাইন ও প্রতিসরণ কোণের সাইনের অনুপাতকে ঐ মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক বলে। 
গাণিতিকভাবে শূন্য মাধ্যমে আপতন কোণ i এবং অন্য কোন মাধ্যম 'a' তে প্রতিসরণ কোণ r হলে, 'a' মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক μa প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- সাধারণত বায়ু মাধ্যমের সাপেক্ষে কোনো মাধ্যমের প্রতিসরণাঙ্ককে ঐ মাধ্যমের পরম প্রতিসরণাঙ্ক হিসাবে ধরা হয়। 
- কাঁচের পরম প্রতিসরণাঙ্ক 1.5 বলতে বুঝায় যে শূন্য মাধ্যম বা বায়ু মাধ্যম থেকে আলোক রশ্মি তীর্যকভাবে কাঁচের মধ্যে প্রবেশ করলে আপতন কোণের সাইন এবং প্রতিসরণ কোণের সাইন-এর অনুপাত 1.5 হয়। 


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,০৩৯.
The full form of LASER is -
  1. ক) Light Amplitude by Simultaneous Emission of Radiation
  2. খ) Light Amplification by Simultaneous Emission of Radiation
  3. গ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
  4. ঘ) Light Anode by Series Emission of Radioactivity
সঠিক উত্তর:
গ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation. 
- ১৯৬০ সালে আমেরিকান পদার্থবিদ থিওডর মাইম্যান প্রথম লেজার তৈরী করেন।
- কাটা, ড্রিলিং/খনন, ঝালাই, উপগ্রহ ট্র্যাকিং, চিকিৎসা ও জীববিজ্ঞান গবেষণা, কমপ্যাক্ট ডিস্ক ও বার কোড পঠন, সার্জারি ইত্যাদি কর্মকান্ডে লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- লেজারের সবচেয়ে ব্যাপক ব্যবহার তথ্য সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধারকরণ কাজে।
- উদাহরণস্বরূপ সিডি (কমপ্যাক্ট ডিস্ক) রাইটার-এর মাধ্যমে সিডি-তে (আলোক সংবেদনশীল রং সম্পন্ন একটি ডিস্ক) ডাটা লিখতে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন লেজার ব্যবহার করা হয়।

উৎস : ব্রিটানিকা, বাংলাপিডিয়া
১১,০৪০.
কোন ধরনের মাটি চাষাবাদের জন্য খুবই উপযোগী?
  1. ক) পলিমাটি
  2. খ) কাদামাটি
  3. গ) বালু মাটি
  4. ঘ) দোআঁশ মাটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোআঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোআঁশ মাটি
ব্যাখ্যা
দো-আঁশ মাটি এই মাটি বালু, পলি আর কাদা মাটির সমন্বয়েই তৈরি হয়। দো-আঁশ মাটিতে থাকা বালু, পলি আর কাদা মাটির অনুপাতের উপর নির্ভর করে দো-আঁশ মাটির ধরন কেমন হবে।
দো-আঁশ মাটির একদিকে যেমন পানি ধারণক্ষমতা ভালাে আবার প্রয়ােজনের সময় পানি দ্রুত নিষ্কাশনও হতে পারে। তাই ফসল চাষাবাদের জন্য দো-আঁশ মাটি খুবই উপযােগী।
উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান।
১১,০৪১.
কোন ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে যক্ষ্মা হয়?
  1. ক) Streptococcus
  2. খ) Armatimonadetes
  3. গ) Mycobacterium Tuberculosis
  4. ঘ) Chlamydiae
সঠিক উত্তর:
গ) Mycobacterium Tuberculosis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Mycobacterium Tuberculosis
ব্যাখ্যা
যক্ষ্মা সাধারণত Mycobacterium Tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয় যক্ষ্মা একটি বায়ুবাহিত সংক্রামক রোগ। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাস করলে অতি সহজে দেহে রোগ জীবাণুর বিস্তার ঘটে। যক্ষ্মা শুধু ফুসফুসের রোগ এই ধারণাটা সঠিক নয়। যক্ষ্মা অন্ত্র, হাড়, ফুসফুস এরকম দেহের প্রায় যেকোনো জায়গায় হতে পারে। সংক্রমিত গরুর দুধ খেয়েও যে কেউ এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই
১১,০৪২.
আলোর ব্যাপারে কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ক) কোনো তথ্যই ভুল নয়
  2. খ) আলো এক ধরনের তরঙ্গ
  3. গ) আলো এক ধরনের কণা
  4. ঘ) আলো এক ধরনের তাড়িত চৌম্বকীয় তরঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ক) কোনো তথ্যই ভুল নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোনো তথ্যই ভুল নয়
ব্যাখ্যা
আলো একধরনের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ। তরঙ্গতত্ত্ব অনুসারে আলো তরঙ্গ এবং কণাতত্ত্ব অনুসারে আলো কণা দিয়ে গঠিত৷ আসলে আলো তরঙ্গ এবং কণা দুই ধরণের বৈশিষ্ট্যই প্রদর্শন করে৷
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই এবং ব্রিটানিকা
১১,০৪৩.
নিচের কোন জৈব যৌগটিতে হাইড্রোজেনের উপস্থিতি নেই?
  1. ক) ফরমালিন
  2. খ) বিউটিন
  3. গ) ক্লোরোপিক্রিন
  4. ঘ) ইথাইন
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরোপিক্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্লোরোপিক্রিন
ব্যাখ্যা
- গ্যামাক্সিন, হেক্সাক্লোরো ইথেন, ফসজিন, পাইরিন, ক্লোরোপিক্রিন, ফ্রেয়ন ইত্যাদি হলো হাইড্রোজেনবিহীন জৈব যৌগ।
- ফরমালিন, বিউটিন, ফরমিক এসিড, বিউটেন, ইথাইন ইত্যাদি বেশিরভাগ জৈব যৌগতেই হাইড্রোজেন উপস্থিত থাকে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১১,০৪৪.
ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়?
  1. ক) লোহা
  2. খ) তামা
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) সীসা
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
অ্যালুমিনিয়াম:
- ভূপৃষ্ঠে অ্যালুমিনিয়াম ধাতুটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়।
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় শতকরা ৮ ভাগ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায়। 
- কিন্ত প্রকৃতিতে বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায় না।
- অ্যালুমিনিয়াম অন্যান্য মৌলিক পদার্থের সাথে যৌগ গঠন করে অবস্থান করে।
- এগুলো হলো অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক। 
- এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বক্সাইট, ক্রায়োলাইট, কোরানডাম ইত্যাদি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৪৫.
যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে কী বলা হয়?
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোটোন
  3. আইসোবার
  4. আইসোমার
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা
পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic Number):
- কোনো মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটন সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।

আইসোটোপ (Isotope):
- একই মৌলের একাধিক ভর সংখ্যাবিশিষ্ট পরমাণু থাকলে সেগুলিকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- যে সকল পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে। 
- নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে এদের ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। 

আইসোটোন (Isotone):
- যে সকল পরমাণুতে সমান সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাদের পরস্পরকে আইসোটোন বলে।

আইসোবার (Isober):
- যে সকল পরমাণুর ভর সংখ্যা সমান তাদেরকে বলা হয় আইসোবার
- এদের ভর সংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়।

তথ্যসুত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৪৬.
গমের মোজাইক ভাইরাস কীভাবে ছড়ায়?
  1. ইদুঁরের মাধ্যমে
  2. মাইটের মাধ্যমে
  3. বাতাসের মাধ্যমে
  4. পাখির মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
মাইটের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• গমের মোজাইক ভাইরাস:
- গমের মোজাইক ভাইরাস একটি সংক্রামক আঙ্গুরীয় ভাইরাস যা গম ফসলকে আক্রমণ করে।
- গমের মোজাইক ভাইরাস মূলত মাইট নামক ক্ষুদ্র পোকাদের মাধ্যমে ছড়ায়।
- আক্রান্ত গাছ থেকে মাইটরা ভাইরাস গ্রহণ করে এবং অন্য সুস্থ গাছে স্থানান্তরিত হয়ে তাদের আক্রান্ত করে।
- মাইটগুলো ভাইরাসযুক্ত গাছের রস শুষে নেয় এবং পরবর্তীতে সুস্থ গাছে স্থানান্তরিত হয়ে তাদের আক্রান্ত করে।
- কৃষকরা মাইটের আক্রমণ এড়াতে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে যেমন- জৈব পর্যবেক্ষণ, ভাইরাস প্রতিরোধী জাত বা কীটনাশক ব্যবহার করা।

মাইটের বৈশিষ্ট্য:
- মাইট হল অতি ক্ষুদ্র পোকা যা দেখতে অনেকটা গাছের পাতার ধুলোর মতো।
- এরা অদৃশ্য নয়ন অস্ত্র দিয়ে গাছ থেকে রস শুষে নেয়।
- তাদের সরু শরীর ও চলাচল বৈশিষ্ট্যের কারণে এরা গাছের বিভিন্ন অংশে সহজেই প্রবেশ করতে পারে।

মাইট প্রতিরোধের উপায়:
- জৈব পর্যবেক্ষণ এবং সময়মতো কীটনাশক ব্যবহার,
- ভাইরাস প্রতিরোধী গমের জাত চাষ,
- আগাম বীজতলা প্রতিস্থাপন এবং মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা,
- সংক্রামিত গাছ উপড়ে ফেলা এবং জ্বালিয়ে দেওয়া।

উৎস: National Library of Medicine (NIH)।
১১,০৪৭.
শিল্পক্ষেত্রে ইউরিয়া থেকে কোন ধরনের পলিমার তৈরি করা হয়? 
  1. পলিস্টারিন
  2. পলিথিন
  3. ম্যালামাইন
  4. টেফলন
সঠিক উত্তর:
ম্যালামাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালামাইন
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া (Urea): 
- ইউরিয়া একটি মূল্যবান পদার্থ। 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং অ্যামোনিয়া গ্যাসের মিশ্রণকে উচ্চ চাপে এবং 130°-150° C তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে প্রথমে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট (NH2COONH4) উৎপন্ন হয়। 
- পরবর্তীতে অ্যামোনিয়াম কার্বামেট ভেঙে ইউরিয়া (NH2-CO-NH2) প্রস্তুত হয়। 


- শিল্পক্ষেত্রে এবং কৃষিক্ষেত্রে ইউরিয়ার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। 
- শিল্পক্ষেত্রে ইউরিয়া থেকে ম্যালামাইন পলিমার তৈরি করা হয়। 
- কৃষিক্ষেত্রে ইউরিয়াকে সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- জমিতে ইউরিয়া সার দেওয়া হয় যাতে গাছ ইউরিয়া সার থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে। 
- উদ্ভিদ সরাসরি N2 গ্রহণ করে না। 
- মাটিতে ইউরিয়েজ এনজাইমের উপস্থিতিতে ইউরিয়া পানির সাথে বিক্রিয়া করে NH4+, OH- এবং CO2 তৈরি করে।
- উদ্ভিদ এই NH4+ শোষণ করে। 


উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,০৪৮.
নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি কেমন হয়?
  1. হালকা
  2. ভারী
  3. শীতল
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হালকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালকা
ব্যাখ্যা
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি থাকায় জলরাশি গরম থাকে আর তাপমাত্রা বাড়লে পানির ঘনত্ব কমে যায়, ফলে জলরাশি তুলনামূলক হালকা হয়। 
- গরম পানি ঠান্ডা পানির তুলনায় কম ঘনত্ববিশিষ্ট হওয়ায় উপরের দিকে অবস্থান করে, আর ঠান্ডা পানি নিচে অবস্থান করে। 

সমুদ্রস্রোত: 

- সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণ বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন তৈরি করে। 
- সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে। 
- সমুদ্রস্রোতকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
(ক) উষ্ণ স্রোত: 
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি হালকা হয় ও হালকা জলরাশি সমুদ্রের উপরিভাগ দিয়ে পৃষ্ঠপ্রবাহরূপে শীতল মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। এরূপ স্রোতকে উষ্ণ স্রোত বলে। 

(খ) শীতল স্রোত: 
- মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জলরাশি জলের নিচের অংশ দিয়ে অন্তঃপ্রবাহরূপে নিরক্ষীয় উষ্ণমণ্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। এরূপ স্রোতকে শীতল স্রোত বলে। 

সমুদ্রস্রোতের কারণ: 
১। নিয়ত বায়ুপ্রবাহ: 
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহই সমুদ্রস্রোত সৃষ্টির প্রধান কারণ। 
- এসব বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের দিক ও গতি নিয়ন্ত্রণ করে। 
- অয়ন বায়ু, পশ্চিমা বায়ু ও মেরু বায়ুর প্রবাহ অনুযায়ী প্রধান সমুদ্রস্রোতগুলোর সৃষ্টি হয়। 

২। পৃথিবীর আহ্নিক গতি: 
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে ফেরেলের সূত্র অনুসারে বায়ুপ্রবাহের মতো সমুদ্রজলও উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। এর ফলে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 

৩। সমুদ্রের গভীরতার তারতম্য: 
- সমুদ্রের গভীরতার তারতম্য অনুসারে তাপমাত্রার পার্থক্য হয়। 
- অগভীর সমুদ্রের জল দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উপরে ওঠে। তখন গভীরতর অংশের শীতল জল নিচে নেমে আসে। এজন্য ঊর্ধ্বগামী ও নিম্নগামী সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 
- সমুদ্রের পৃষ্ঠে গতি সবচেয়ে বেশি। 
- সমুদ্রের ১০০ মিটার নিচ থেকে গতি কমতে থাকে। 

৪। সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য: 
- সমুদ্রজলে লবণের পরিমাণ সর্বত্র সমান নয়। 
- অধিক লবণাক্ত জল বেশি ভারী বলে তার ঘনত্বও বেশি। 
- বেশি ঘনত্বের জল কম ঘনত্বের দিকে নিম্ন প্রবাহরূপে প্রবাহিত হয় ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি করে। 

৫। সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য: 
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে উষ্ণমণ্ডলের সমুদ্রের জল বেশি উষ্ণ বলে তা জলের উপরের অংশ দিয়ে পৃষ্ঠপ্রবাহ বা বহিঃস্রোতরূপে মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
- অন্যদিকে মেরু অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী জলরাশি জলের নিচের অংশ দিয়ে অন্তঃপ্রবাহ বা অন্তঃস্রোতরূপে নিরক্ষীয় উষ্ণমণ্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। এইভাবে উষ্ণ ও শীতল সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 

৬। মেরু অঞ্চলের সমুদ্রে বরফের গলন: 
- মেরু অঞ্চলের সমুদ্রে বরফ কিছু পরিমাণ গলে গেলে জলরাশি স্ফীত হয় ও সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পরিমাণ হ্রাস পায়। এর ফলে সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি হয়। 

৭। ভূখন্ডের অবস্থান: 
- সমুদ্রস্রোতের প্রবাহপথে কোনো মহাদেশ, দ্বীপ প্রভৃতি ভূখণ্ড অবস্থান করলে সমুদ্রস্রোত তাতে বাধা পেয়ে দিক ও গতিপথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়। 
- অনেক সময় এর প্রভাবে সমুদ্রস্রোত একাধিক শাখায় বিভক্ত হয়। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,০৪৯.
ড্রাই সেলে ধনাত্মক তড়িৎদ্বার হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. ক) অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
  2. খ) কার্বন দন্ড
  3. গ) দস্তার কৌটা
  4. ঘ) ম্যাংগানিজ ডাইঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন দন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন দন্ড
ব্যাখ্যা
- টর্চ লাইট, বিভিন্ন রকম কন্ট্রোলার, নানা রকম খেলনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে যে ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়, তাকে ড্রাই সেল বা শুষ্ক কোষ বলে।
- শুষ্ক কোষে দস্তার কৌটা ঋণাত্মক তড়িৎদ্বারে বা অ্যানোড হিসেবে কাজ করে।
- ধাতব টুপিঁ দিয়ে ঢাকা কার্বন দন্ডের উপরিভাগ ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বা ক্যাথোড হিসেবে কাজ করে। 

সূত্র: বিজ্ঞান বই, অষ্টম শ্রেণি।
১১,০৫০.
স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ কোনটি?
  1. ক) ডিম্বনালি
  2. খ) জরায়ু
  3. গ) ডিম্বাশয়
  4. ঘ) যোনি
সঠিক উত্তর:
গ) ডিম্বাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিম্বাশয়
ব্যাখ্যা
স্ত্রী প্রজননতন্ত্র:
- ডিম্বাশয় স্ত্রী জননতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ।
- স্ত্রীদেহে যে তন্ত্রের সাহায্যে ডিম্বাণু উৎপাদন পুরুষ দেহ থেকে আগত শুক্রাণু দ্বারা ডিম্বাণুর নিষেক, জাইগোট ও ভ্রুণ বিকাশ সম্পন্ন হয় তাকে স্ত্রী প্রজননতন্ত্র বলে।
- স্ত্রী প্রজননতন্ত্রে নিম্নলিখিত অংশগুলো থাকে-
১। ডিম্বাশয়। 
২। ডিম্বনালি।
৩। জরায়ু।
৪। যোনি।

স্ত্রী সেক্স হরমোনের প্রভাব-
- স্ত্রী প্রজননতন্ত্রের ডিম্বাশয় থেকে প্রধানতঃ দু'ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়। যথা-
• ইস্ট্রোজেন (Oestrogen)।
• প্রোজেস্টেরন (Progesterone)।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৫১.
শক্তির একক নয় কোনটি?
  1. আর্গ
  2. ক্যালরি
  3. ইলেকট্রন ভোল্ট
  4. ডাইন
সঠিক উত্তর:
ডাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাইন
ব্যাখ্যা
- আর্গ, ক্যালরি এবং ইলেকট্রন ভোল্ট হলো শক্তির বিভিন্ন পুরাতন একক।
- জুল হলো শক্তির আন্তর্জাতিক একক। 
- ডাইন হলো বলের পুরাতন একক।
- বলের আন্তর্জাতিক একক হলো নিউটন। 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১১,০৫২.
নাসার পুনরায় চাঁদে মানুষ পাঠানোর মিশনের নাম কী?
  1. ক) পারসিভারেন্স
  2. খ) আর্টেমিস
  3. গ) অ্যাস্ট্রো
  4. ঘ) জেমস ওয়েব
সঠিক উত্তর:
খ) আর্টেমিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আর্টেমিস
ব্যাখ্যা
- নাসা পুনরায় চাঁদে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে।
- নাসার এ মিশনের নাম আর্টেমিস।
- এ মিশনের প্রথম ধাপ ‘আর্টেমিস ১’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
- চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দিল নাসার যাত্রীবিহীন মহাকাশযান ‘ওরিয়ন’।
-  এর পূর্বে ১৬ জুলাই ১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ চন্দ্রযানের মাধ্যমে মহাশূন্যচারী নীল আমস্ট্রং চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথম পা রাখেন।

উৎস: নাসার ওয়েবসাইট
১১,০৫৩.
কোন রোগের চিকিৎসায় অ্যাসপিরিন ব্যবহৃত হয়? 
  1. মানসিক
  2. হৃদরোগ
  3. ক্যান্সার
  4. জন্ডিস
সঠিক উত্তর:
হৃদরোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হৃদরোগ
ব্যাখ্যা
অ্যাসপিরিন: 
- অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, ওজন বৃদ্ধি, কায়িক শ্রমের অভাব, ধূমপান ও তামাকের ব্যবহারসহ নানা কারণে হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো অসংক্রামক ব্যাধি বাড়ছে।
- এসব অভ্যাসে রক্তনালিতে চর্বি জমা হওয়ায় রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়, এতে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে।
- আবার মস্তিষ্কের রক্তনালিতে চর্বি জমলে হয় স্ট্রোক, বয়স্ক ব্যক্তিদের রক্তনালিতে চর্বি জমার ঝুঁকি বেশি।
- ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপ, ধূমপায়ীদের এ ঝুঁকি আরও বেশি।
- হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে অনেকেই রক্ত পাতলা করার ওষুধ অ্যাসপিরিন সেবন করেন।
- স্বল্পমাত্রার অ্যাসপিরিন (৭৫-১৫০ মিলিগ্রাম) রক্ত জমাট বাঁধতে বাধা দেয়, ফলে হৃদরোগ বা স্ট্রোক প্রতিরোধে অ্যাসপিরিন ব্যবহৃত হয়। 
- অ্যাসপিরিন ব্যথা ও জ্বর নিরাময়ের জন্যও ব্যবহৃত হয়। 
- তবে এর একটি বড় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো রক্তক্ষরণ।
- পেপটিক আলসার বা রক্তপাতের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের জন্য এই ঝুঁকি প্রবল, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণেরও ঝুঁকি রয়েছে।
- তাই ওষুধটি সেবনে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
যেমন- 
১। ইতিমধ্যে যাঁরা হৃদরোগ বা স্ট্রোকে আক্রান্ত বা বাইপাস সার্জারি হয়েছেন, তাঁদের আজীবন স্বল্পমাত্রার অ্যাসপিরিন সেবন করতে বলা হয়। এটি ভবিষ্যতে আবার হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। তবে রক্তক্ষরণজনিত স্ট্রোকে অ্যাসপিরিন দেওয়া হয় না। 
২। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা উচ্চ কোলেস্টেরলের রোগী, ধূমপায়ী, পরিবারে হৃদরোগ বা স্ট্রোকের ইতিহাস রয়েছে, চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের হৃদরোগ ও স্ট্রোক প্রাথমিকভাবে প্রতিরোধে অ্যাসপিরিন সেবন করা উচিত কি না, তা নিয়ে গবেষণায় দেখা গেছে, অ্যাসপিরিন সেবনে বাড়তি লাভ তো হয়নি, বরং রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়েছে। 
- আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, হৃদরোগ বা স্ট্রোক হয়নি, কেবল ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপসহ অন্যান্য ঝুঁকি আছে, এমন সত্তরোর্ধ্ব ব্যক্তিদের ঝুঁকি কমাতে অ্যাসপিরিন সেবনের দরকার নেই। 
- যেকোনো বয়সী ব্যক্তির যদি রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বা ইতিহাস থাকে, তাহলে অ্যাসপিরিন সেবনের দরকার নেই। ৪০-৭০ বছর বয়স্ক ব্যক্তিদের যদি হৃদরোগের উচ্চ ঝুঁকি থাকে, তবে রক্তক্ষরণের তেমন ঝুঁকি না থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যাসপিরিন শুরু করা যেতে পারে।
- ডায়াবেটিস রোগীদের হৃদরোগের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের পরামর্শ হলো, ডায়াবেটিসের রোগীর যদি হৃদরোগের উচ্চ ঝুঁকি থাকে, তাহলে চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে অ্যাসপিরিন সেবনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা।
১১,০৫৪.
পৃথিবী পৃষ্ঠের অক্ষাংশ মানের সাথে অভিকর্ষজ ত্বরণের সম্পর্ক কী?
  1. অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান বাড়ে
  2. অক্ষাংশ মান কমলে g-এর মান কমে
  3. অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান কমে
  4. অক্ষাংশ মানের সাথে g-এর কোন সম্পর্ক নাই
সঠিক উত্তর:
অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান কমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান কমে
ব্যাখ্যা
⇒ অক্ষাংশ মান বাড়লে g-এর মান কমে।

অভিকর্ষজ ত্বরণ:
- পৃথিবীর আহ্নিক গতির জন্য বিষুব রেখা অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে কম।
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি।
- বিষুবীয় অঞ্চল থেকে যত মেরু অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হওয়া যায় g-এর মান তত বাড়তে থাকে।
- ভূ-পৃষ্ঠে বিভিন্ন স্থানে g -এর মান বিভিন্ন বলে 45° অক্ষাংশে সমুদ্র সমতলে g -এর মানকে আদর্শ ধরা হয়।
- হিসাবের সুবিধার্থে আদর্শমান ধরা হয় 9.81 ms-2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৫৫.
লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হলে প্রতিবিম্বটি হবে- 
  1. সমান
  2. খর্বিত
  3. বিবর্ধিত
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
খর্বিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খর্বিত
ব্যাখ্যা
রৈখিক বিবর্ধন: 
- সমতল দর্পণে বিম্বের আকার এবং আকৃতি লক্ষ্যবস্তুর আকার ও আকৃতির সমান হয়। কিন্তু গোলীয় দর্পণ এবং লেন্সের ক্ষেত্রে গঠিত প্রতিবিম্বের আকার লক্ষ্যবস্তুর সমান, ছোট বা বড় হয়। 
- প্রতিবিম্ব লক্ষ্যবস্তুর তুলনায় কতগুণ বড় বা ছোট সেই রাশিকে তার বিবর্ধন বলে। 
- কোনো বিস্তৃত বস্তুর বিবর্ধন পরিমাপের জন্য বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে ব্যবহার করা হয়। 
- তাই বিম্বের দৈর্ঘ্য এবং লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্যের অনুপাতকে রৈখিক বিবর্ধন বলে। 
ধরা যাক, কোনো লক্ষ্যবস্তুর দৈর্ঘ্য L এবং প্রতিবিম্বের দৈর্ঘ্য Li । 
তাহলে, রৈখিক বিবর্ধন m = Li/Lo  । 
• m > 1 হলে, প্রতিবিম্বটি বিবর্ধিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার বড় হবে। 
• m = 1 হলে, প্রতিবিম্বটি লক্ষ্যবস্তুর সমান হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তুর আকার ও প্রতিবিম্বের আকার সমান হবে। 
m < 1 হলে, প্রতিবিম্বটি খর্বিত হবে। অর্থাৎ, লক্ষ্যবস্তু থেকে প্রতিবিম্বের আকার ছোট হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৫৬.
হাইড্রোজেনের আইসোটোপ নয় কোনটি? 
  1. হিলিয়াম 
  2. ডিউটেরিয়াম 
  3. প্রোটিয়াম 
  4. ট্রিটিয়াম 
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম 
ব্যাখ্যা

- হাইড্রোজেনের আইসোটোপ নয়- হিলিয়াম। এটি সম্পূর্ণ আলাদা একটি মৌল এবং নোবেল গ্যাস, যার পারমাণবিক সংখ্যা ২ । 

আইসোটোপ: 
- 1912 সালে সর্বপ্রথম তেজস্ক্রিয় পদার্থে আইসোটোপ থাকার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। 
- 1916 সালে জে.জে. থমসন (J.J.Thomson) নিয়নের একটি নমুনায় 22 amu ভরের অতি সামান্য পরিমাণে এবং 20 amu ভরের অধিকাংশ নিয়ন অণু শনাক্ত করেন। 
- তিনি সর্বপ্রথম ধারণা করেন, নিয়ন নমুনায় 22 amu (atomic mass unit) ভরের কোনো নতুন মৌল থাকতে পারে। 
- যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে। 
- যেহেতু আইসোটোপগুলোর প্রোটন সংখ্যা বা পারমাণবিক সংখ্যা একই তাই এরা একই মৌলের পরমাণু। 
- হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ: প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম। 
- আইসোটোপসমূহের (গ্রিক শব্দ iso = একই, top = স্থান) প্রোটন সংখ্যা একই হওয়ায় পর্যায় সারণিতে এদের স্থান একই জায়গায় নির্ধারিত। 

আইসোবার: 
- প্রকৃতিতে এমন কিছু পরমাণু রয়েছে যাদের পারমাণবিক সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন কিন্তু ভর সংখ্যা অভিন্ন। এ ধরনের পরমাণুকে পরস্পরের আইসোবার বলে। 
- আইসোবারসমূহের প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় পর্যায় সারণিতে এদের অবস্থানও ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়। 
- এদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মও ভিন্ন ভিন্ন। 

আইসোটোন: 
- প্রকৃতিতে এমন কতিপয় পরমাণু রয়েছে যাদের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা এবং ভর সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন, এসব পরমাণুকে পরস্পরের আইসোটোন বলে। 
- আইসোটোনসমূহের প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায় এরা ভিন্ন ভিন্ন পরমাণুর হয়ে থাকে। 
- পর্যায় সারণিতে এদের অবস্থান ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়। 
- এদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০৫৭.
নিচের কোনটি শৈবালের মধ্যে পাওয়া যায়?
  1. ক) মূল
  2. খ) কাণ্ড
  3. গ) পাতা
  4. ঘ) ক্লোরোফিল
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরোফিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরোফিল
ব্যাখ্যা

সমাঙ্গ বর্গের প্রধানত ক্লোরােফিলযুক্ত ও স্বভােজী উদ্ভিদরাই শৈবাল।
- এরা মাটি, পানি ও অন্য গাছের উপর জন্মাতে পারে।
- এদের দেহ এককোষী বা বহুকোষী হতে পারে।
- এদের দেহে কোন পরিবহন কলা থাকে না।
- এর সবুজ, লাল, বাদামী ইত্যাদি নানা রঙের হতে পারে।
- ‘স্পাইরােগাইরা’ নামক শৈবাল জলাশয়ে পাওয়া যায়।
- সামুদ্রিক শৈবাল থেকে এ্যালজিন প্রস্তুত করা হয় যা আইসক্রিম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
- আয়ােডিন ও পটাশিয়ামের একটি ভাল উৎস সামুদ্রিক শৈবাল।
- মৎস্য চাষে ফাইটোপ্লাংক্টন বিশেষ ভূমিকা রাখে এর প্রধান অংশই শৈবাল।
- চা-পাতার রেড রাস্ট শৈবাল জাতীয় মারাত্মক রােগ।
- পুকুরে শৈবাল ওয়াটাররুম সৃষ্টি করে ফলে জলজ প্রাণী ও মাছের অক্সিজেনের অভাব হয়।
সূত্রঃ বিজ্ঞান সপ্তম শ্রেণি

১১,০৫৮.
শ্বেত রক্ত কণিকা কীভাবে জীবাণুকে ধ্বংস করে?
  1. হজম প্রক্রিয়ায়
  2. অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন করে 
  3. ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় 
  4. লাল রক্তকণিকার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় 
ব্যাখ্যা

শ্বেত রক্ত কণিকা: 
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই। এইগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে, ইংরেজিতে এই কণিকাকে White Blood Cell বা WBC বলে। 
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 
- এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 
- শ্বেত রক্ত কণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
- শ্বেত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে। শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০৫৯.
জৈব যৌগের মূল উপাদান কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. কার্বন
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা
• কার্বনের ক্যাটেনেশন ধর্মের কারণে এটি জৈব যৌগের প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়।

• জৈব যৌগ:
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।

• উদাহরণ:  মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি।

• জৈব যৌগের বৈশিষ্ট্য:
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, সালফার প্রভৃতি মৌল যুক্ত থাকে।
- কার্বন জৈব যৌগের প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয় কারণ কার্বন ক্যাটেনেশন ধর্ম সম্পন্ন মৌল। 
- প্রধানত সমযোজী বন্ধন দ্বারা গঠিত হয়।
- নিম্ন গলনাঙ্ক ও নিম্ন স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট হয়।
- জৈব যৌগ পোলার দ্রাবক যেমন পানিতে অদ্রবণীয়, কিন্তু জৈব দ্রাবক যেমন, ইথার ও বেনজিনে দ্রবণীয়। তবে হাইড্রক্সিল মূলক যুক্ত যৌগ (চিনি, অ্যালকোহল) পানিতে দ্রবণীয়।
- জৈব যৌগের দহনের পর কোন অবশেষ থাকে না।
- জৈব যৌগ গলিত অবস্থায় বা দ্রবণে আয়নিত হয় না বলে তড়িৎ বিশ্লেষ্য নয়। অর্থাৎ বিশুদ্ধ জৈব যৌগ তড়িৎ অপরিবাহী।
- জৈব বিক্রিয়ার কৌশল জটিল ও মন্থর প্রকৃতির হয়। 

তথ্যসূত্র:
- রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৬০.
কোনো গাছের সবুজ পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. ক) ফ্লোরোসিস
  2. খ) সাইটোকাইনোসিস
  3. গ) অ্যামাইটোসিস
  4. ঘ) ক্লোরোসিস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরোসিস
ব্যাখ্যা
- কোনো গাছের সবুজ পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয়- ক্লোরোসিস

ক্লোরোসিস
:
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়।
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস (chlorosis) বলে।
- লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ বা দস্তার অভাবেও ক্লোরোসিস হতে পারে কেননা এগুলোও ক্লোরোফিল উৎপাদনের সাথে কোনো না কোনোভাবে জড়িত।
- ক্লোরোসিসে কোষের বৃদ্ধি এবং বিভাজন হ্রাস পায়, তাই উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে যায়।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,০৬১.
নিচের কোনটি চার্লসের সূত্র?
  1. V ∝ T
  2. PV = K
  3. V ∝ n
  4. P ∝ T
সঠিক উত্তর:
V ∝ T
উত্তর
সঠিক উত্তর:
V ∝ T
ব্যাখ্যা
চার্লসের সূত্র: 
- স্থির চাপে কোন নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা হ্রাসে 0°C তাপমাত্রায় তার আয়তনের 1/273 ভাগ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়। 
গাণিতিক ভাষায়, Vt = V0 (273 + t)/273 ; 
- এ সূত্রকে অন্যভাবেও প্রকাশ করা যায়, “স্থির চাপে নির্দিষ্ট ভরের যে কোন গ্যাসের আয়তন তার পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক”। 
গাণিতিকভাবে, V ∝ T

বয়েলের সূত্র: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন ঐ গ্যাসের উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, PV = K. 

গে-লুস্যাকের চাপের সূত্র: 
- স্থির আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের কোন গ্যাসের চাপ তার পরম তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক। 
গাণিতিকভাবে, P ∝ T. 

অ্যাভোগেড্রোর সূত্র: 
- ১৮১১ সালে ইতালীয় পদার্থবিজ্ঞানী অ্যাভোগেড্রো গ্যাসের আয়তন ও অণুর সংখ্যার মধ্যকার সম্পর্ক প্রকাশকারী যে সূত্র প্রদান করেন তাকে অ্যাভোগেড্রো সূত্র বলে। 
- স্থির তাপমাত্রা ও চাপে কোনো গ্যাসের মোল সংখ্যা বাড়লে তার আয়তনও বৃদ্ধি পায় এবং মোল সংখ্যা হ্রাস করলে আয়তনও হ্রাস পায়। 
অর্থাৎ, "স্থির তাপমাত্রা ও চাপে কোনো গ্যাসের আয়তন তার মোল সংখ্যার সমানুপাতিক”। 
সুতরাং কোনো গ্যাসের আয়তন V এবং মোল সংখ্যা n হলে অ্যাভোগেড্রোর সূত্রানুসারে, V ∝ n (চাপ ও তাপমাত্রা স্থির থাকলে)। 
বা, V = Kn (K সমানুপাতিক ধ্রুবক)। 
- একে NA দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অ্যাভোগেড্রোর সংখ্যার পরীক্ষালব্ধ মান NA = 6.023 × 1023  । 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী ও নাগ) এবং রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৬২.
উচ্চ পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে; কারণ উচ্চ পর্বত চূড়ায়-
  1. অক্সিজেন কম
  2. ঠাণ্ডা বেশি
  3. বায়ুর চাপ বেশি
  4. বায়ুর চাপ কম
সঠিক উত্তর:
বায়ুর চাপ কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ুর চাপ কম
ব্যাখ্যা
- উঁচু পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সম্ভাবনা থাকে। 
কারণ- 
বায়ুর চাপ কম
• শুষ্ক বায়ু এবং 
• অক্সিজেন স্বল্পতা ইত্যাদি কারণে রক্তনালিতে চাপ পড়ে, ফলে রক্তপাত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১,০৬৩.
মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান কতটি অংশে ভাগ করা হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
মানুষের কঙ্কালতন্ত্র: 
- একজন মানুষের দেহে ২০৬ টুকরা হাড় থাকে। 
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
(১) অক্ষীয় কঙ্কাল, 
(২) উপানীয় কঙ্কাল। 

- মুখমণ্ডলীয় ও করোটিকার অস্থি সমন্বয়ে গঠিত মাথার কঞ্চালিক গঠনকে করোটি বলে। করোটিতে মোট ২৯টি অস্থি থাকে। 
- করোটির যে অংশ মস্তিষ্ক আবৃত করে রাখে তাকে করোটিকা বলে। 
- সর্বমোট ১৪টি অস্থি নিয়ে মুখমণ্ডল গঠিত। 
- ৩৩টি অসম আকৃতির সীমিত সঞ্চালনক্ষম অস্থিখণ্ডক সমন্বয়ে মেরুদণ্ড গঠিত। 

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৬৪.
কোন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি? 
  1. শূন্য 
  2. কঠিন 
  3. তরল 
  4. বায়বীয় 
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কঠিন 
ব্যাখ্যা

শব্দ তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য: 
- শব্দ একটি যান্ত্রিক তরঙ্গ কারণ বস্তুকণার কম্পনের ফলে শব্দ তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, এবং সেটি সঞ্চালনের জন্যও একটি স্থিতিস্থাপক মাধ্যমের দরকার হয়। 
- শব্দ একটি অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ কারণ এই তরঙ্গের প্রবাহের দিক এবং মাধ্যমের কণার কম্পনের দিক এক। 
- শব্দ তরঙ্গের বেগ মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। 
যেমন- বায়বীয় মাধ্যমে এর বেগ কম, তরলে তার চেয়ে বেশি, কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি বেশি। 
- শব্দের বেগ মাধ্যমের তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার উপরও নির্ভর করে। 
- অন্যান্য তরঙ্গের মতো, শব্দ তরঙ্গের তীব্রতাও তার বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, শব্দ তরঙ্গের বিস্তার বেশি হলে শব্দের তীব্রতা বেশি হয় এবং তরঙ্গের বিস্তার কম হলে শব্দের তীব্রতা কম হয়। 
- অন্যান্য যেকোনো তরঙ্গের মতোই শব্দ তরঙ্গের প্রতিফলন, প্রতিসরণ এবং উপরিপাতন হতে পারে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,০৬৫.
ডায়াবেটিক চকলেট তৈরীতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ভিনেগার
  2. TBHQ
  3. সরবিটল
  4. লেসিথিন
সঠিক উত্তর:
সরবিটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরবিটল
ব্যাখ্যা

• ডায়াবেটিক চকলেট তৈরিতে সাধারণত সরবিটল ব্যবহৃত হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো গ) সরবিটল। সরবিটল একটি সুগার অ্যালকোহল, যা সাধারণ চিনির তুলনায় ধীরে রক্তে শোষিত হয় এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা দ্রুত বাড়ায় না। এজন্য ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি তুলনামূলকভাবে নিরাপদ মিষ্টিকারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে ভিনেগার সংরক্ষণ বা স্বাদে ব্যবহৃত হলেও চকলেট তৈরিতে নয়, TBHQ একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা তেলজাত খাদ্যে ব্যবহৃত হয়, আর লেসিথিন ইমালসিফায়ার হিসেবে চকলেটের টেক্সচার উন্নত করতে ব্যবহৃত হলেও এটি মিষ্টি উপাদান নয়।

• ডায়াবেটিক চকলেট তৈরীতে ব্যবহৃত উপাদান:
- ডায়াবেটিক চকলেট হলো এমন একটি চকলেট যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।
- সাধারণ চকলেটে চিনি ব্যবহৃত হলেও ডায়াবেটিক চকলেটে চিনি ব্যবহার করা হয় না।
- এর পরিবর্তে এমন সুইটেনার ব্যবহার করা হয় যা রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ায় না।
- এই ধরনের চকলেটে সাধারণত সরবিটল ব্যবহৃত হয়।
- সরবিটল হলো একটি সুগার অ্যালকোহল, যা মিষ্টি স্বাদ দিলেও গ্লুকোজের মতো দ্রুত রক্তে মিশে যায় না।
- তাই এটি ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপযোগী হিসেবে বিবেচিত।

• অপশন আলোচনা:
- ভিনেগার খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হলেও চকলেট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না।
- TBHQ একটি কৃত্রিম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা তেল বা চর্বি সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
- লেসিথিন একটি ইমালসিফায়ার, যা চকলেটের গঠন মসৃণ করতে সাহায্য করে, তবে এটি মিষ্টি উপাদান নয়।

সুতরাং, ডায়াবেটিক চকলেট তৈরীতে ব্যবহৃত উপাদান হলো সরবিটল
সঠিক উত্তর: গ) সরবিটল। 

সূত্র: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী ও অধ্যাপক হারাধন নাগ। 

১১,০৬৬.
ক্লোরোপ্লাস্টে প্লাস্টিডের বর্ণ কীরূপ হয়ে থাকে? 
  1. ক) বর্ণহীন
  2. খ) নীল
  3. গ) সবুজ
  4. ঘ) লাল
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সবুজ
ব্যাখ্যা
প্লাস্টিড তিন ধরণের যথা - ক্রোমোপ্লাস্ট ,লিউকোপ্লাস্ট , ক্লোরোপ্লাস্ট।
ক্রোমোপ্লাস্ট রঙিন প্লাস্টিড কিন্তু সবুজ নয়।
যে সকল প্লাস্টিডে রঞ্জক পদার্থ থাকে না তাদের লিউকোপ্লাস্ট বলে।
সবুজ রঙের প্লাস্টিডকে ক্লোরোপ্লাস্ট বলে।

[উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান]
১১,০৬৭.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম জিআইএস প্রযুক্তি চালু হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
• জিআইএস (GIS):
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Geographic information systems.
- Geographical Information System (GIS) বা ভৌগোলিক তথ্য পদ্ধতি হলো ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ ব্যবস্থা।
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তথ্য সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়। অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।
==============
 → ১৯৬৪ সালে কানাডিয়ান — The Canadian Geographic Information System (CGIS)' এর মাধ্যমে জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।  → সত্তরের দশকে নগর পরিকল্পনায় প্রথম কম্পিউটারভিত্তিক জিআইএস ব্যবহার করা হয়।
 → ১৯৮০ সালের পর জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
 → বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।

• জিআইএসের উপাদান (Elements of GIS):
 → জিআইএস পাঁচটি উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে থাকে।
 →  এগুলো হলো-
১. হার্ডওয়্যার ২. সফট্ওয়্যার ৩. উপাত্ত ৪. উপাত্ত ভিত্তি এবং ৫. প্রশিক্ষিত ও দক্ষ মানুষ৷

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৬৮.
'সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে' এটি গ্রহের গতি সংক্রান্ত কেপলারের কত নম্বর সূত্র?
  1. প্রথম সূত্র
  2. দ্বিতীয় সূত্র
  3. তৃতীয় সূত্র
  4. চতুর্থ সূত্র
সঠিক উত্তর:
প্রথম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম সূত্র
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- কেপলারের প্রথম সূত্র - সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
- কেপলারের দ্বিতীয় সূত্র - প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
- কেপলারের তৃতীয় সূত্র - সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।
- মহাকর্ষ - যে বল মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তু কণাকে পরস্পরের দিকে আকর্ষণ করে তার নাম মহাকর্ষ বল।
- নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র - মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে। এই আকর্ষণ বলের মান বস্তুকণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সামানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তুকণাদ্বয়ের কেন্দ্র সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
- বিশ্বজনীন মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, G-এর মান 6.673×10-11 Nm2kg2 এবং G-এর মাত্রা LMT-2 ।
- আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে G-এর একক Nm2kg2.

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৬৯.
কাকে GIS  এর জনক বলা হয়?
  1. Otto Schmid
  2. Kuiper
  3. Rossgun
  4. Roger Tomlinson
সঠিক উত্তর:
Roger Tomlinson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Roger Tomlinson
ব্যাখ্যা

• GIS  এর জনক বলা হয় Roger Tomlinson কে।

GIS:
- GIS এর পূর্ণরূপ - Geographic Information System.
- ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলে।
- এটি কম্পিউটারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা যার মধ্য দিয়ে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারিসরিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করে থাকে।
- ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম এই কৌশলের ব্যবহার আরম্ভ হয়।
- ১৯৮০ সালের দিক থেকে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

১১,০৭০.
হাইড্রার নামকরণ করেছেন কে?
  1. অ্যারিস্টটল
  2. লিনিয়াস
  3. থিওফ্রাস্টাস
  4. ট্রেম্বলে
সঠিক উত্তর:
লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিনিয়াস
ব্যাখ্যা
হাইড্রা: 
- Hydra আবিষ্কার করেন আব্রাহাম ট্রেম্বলে। 
- Hydra এর নামকরণ করেন বিজ্ঞানী লিনিয়াস। 
- বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রজাতির Hydra পাওয়া যায় তন্মধ্যে Hydra vulgaris সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। 
- কর্ষিকার সাহায্যে এরা খাদ্য গ্রহণ, দেহের সংকোচন, প্রসারণ ও চলাচল সম্পন্ন করে থাকে। 
- ব্যাপন প্রক্রিয়ায় শ্বসন ও রেচন সম্পন্ন করে। 

- মুকুলোদগম ও দ্বিবিভাজনের সাহায্যে অযৌন জনন এবং জননকোষ সৃষ্টি করে যৌন জনন সম্পন্ন করে। 
- Hydra পুনরুৎপত্তি (regeneration) ক্ষমতা প্রাপ্ত। 
- Hydra মিঠাপানির প্রাণী। 
- এরা সাধারণত খাল, বিল, পুকুর, হ্রদ, ডোবা, ঝর্ণার পানিতে বাস করে। 
- ঘোলা পানিতে এদের কম পাওয়া গেলেও পরিস্কার, অপেক্ষাকৃত শীতল এবং স্রোতহীন পানিতে এদেরকে তুলনামূলক বেশি পাওয়া যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,০৭১.
নিচের কোনটি রাসায়নিক পরিবর্তন?
  1. গলন
  2. বাষ্পীভবন
  3. সালোকসংশ্লেষণ
  4. প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
সালোকসংশ্লেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালোকসংশ্লেষণ
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক পরিবর্তন:  
- যে পরিবর্তনের ফলে পদার্থের অণুর গঠনের পরিবর্তন হয় অর্থাৎ সম্পূর্ণ নতুন পদার্থে পরিণত হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। যেমন: 
• লোহায় মরিচা ধরা,
• দুধ থেকে দই হওয়া,
• গাছের পাতা হলুদ হওয়া,
• উদ্ভিদ, মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর বৃদ্ধি,
• ফল পেকে লাল বা হলুদ হওয়া,
• সালোকসংশ্লেষণ, ইত্যাদি।

ভৌত পরিবর্তন: 
- যে পরিবর্তনের ফলে কোন পদার্থের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক গঠনের কোন পরিবর্তন না ঘটে শুধু বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে, তাকে ভৌত পরিবর্তন বলে। যেমন:
• পানিকে তাপ দিয়ে বাষ্পে পরিণত করা (বাষ্পীভবন),
• লবণ পানিতে দ্রবীভূত হওয়া,
• বরফ গলে পানি হওয়া,
• তাপ দ্বারা মোম গলানো (গলন) ইত্যাদি। 

→ সালোকসংশ্লেষণ হল সেই প্রক্রিয়া যেখানে আলোক শক্তি শর্করার আকারে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। আলোক শক্তি দ্বারা চালিত একটি প্রক্রিয়ায়, গ্লুকোজ অণু (বা অন্যান্য শর্করা), পানি এবং কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে তৈরি হয় এবং অক্সিজেন একটি উপজাত হিসাবে নির্গত হয়।

উৎস:
১) রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২) ব্রিটানিকা।
১১,০৭২.
যে ভাজক টিস্যুর কোষ সব তলেই বিভাজিত হয় তাকে কী বলে?
  1. প্লেট ভাজক টিস্যু
  2. রিব ভাজক টিস্যু
  3. মাস ভাজক টিস্যু
  4. গ্রাউন্ড ভাজক টিস্যু
সঠিক উত্তর:
মাস ভাজক টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাস ভাজক টিস্যু
ব্যাখ্যা
বিভাজন প্রক্রিয়া অনুসারে ভাজক টিস্যুর প্রকারভেদ: 
- বিভাজন প্রক্রিয়ার ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে ভাজক টিস্যুকে তিনভাগে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- 
১। মাস ভাজক টিস্যু, 
২। রিব ভাজক টিস্যু ও 
৩। প্লেট ভাজক টিস্যু। 

মাস ভাজক টিস্যু: 
 - যে ভাজক টিস্যুর কোষ সব তলেই বিভাজিত হয় তাকে মাস ভাজক টিস্যু বলে। 
- এ প্রকার বিভাজনের ফলে উদ্ভিদ দেহের আয়তন বাড়ে। 
যেমন- কর্টেক্স, এন্ডোস্পার্ম। 

রিব ভাজক টিস্যু: 
- যে ভাজক টিস্যুর কোষগুলো মাত্র একটি তলে বিভক্ত হয় তাকে রিব ভাজক টিস্যু বলে। 
- এ ধরনের বিভাজনের ফলে এক সারি কোষ সৃষ্টি হয়। 
যেমন- মূল ও কাণ্ডের মজ্জা। 

প্লেট ভাজক টিস্যু: 
- যে ভাজক টিস্যুর কোষগুলো দুটি তলে বিভক্ত হয় তাদের প্লেট ভাজক টিস্যু বলা হয়। 
যেমন- পাতার টিস্যু। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৭৩.
বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে গবেষণা দল দেশি পাটের জীবনরহস্য (জিনোম সিকোয়েন্স) উন্মোচন করে-
  1. ক) ২০১০ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৩ সালে
  4. ঘ) ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে গবেষণা দল দেশি পাটের জীবনরহস্য (জিনোম সিকোয়েন্স) উন্মোচন করে ২০১৩ সালে। তাঁর নেতৃত্বে তোষা পাটের জীবনরহস্য ২০১০ সালে এবং ২০১২ সালে পাটের জন্য ক্ষতিকর একধরনের ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচন করে। সারা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি চাষ হওয়া পাটের দুটি প্রধান জাতের মধ্যে এটি একটি। সূত্রঃ প্রথম আলো।
১১,০৭৪.
সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগ হ্রাসের হারকে কী বলে? 
  1. দ্রুতি
  2. মন্দন
  3. সরণ
  4. বেগ
সঠিক উত্তর:
মন্দন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্দন
ব্যাখ্যা
মন্দন: 
- সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগের হ্রাসের হারকে মন্দন বলে। 
- অন্য ভাবে একক সময়ে গতিশীল বস্তুকণার বেগের পরিবর্তন কমতে থাকলে যে রাশি পাওয়া যায় তাকে মন্দন বলে। 
- মন্দনের একক ও মাত্রা ত্বরণের অনুরূপ। 

ত্বরণ: 
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলা হয়। 
- ত্বরণ একটি ভেক্টর রাশি। 
- কোনো বস্তুর ত্বরণ জানতে হলে বস্তুটির বেগের পরিবর্তনের হার এবং উক্ত পরিবর্তনের দিক উভয়ই জানতে হয়। 

দ্রুতি: 
- কোনো বস্তু একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে বা দূরত্বের হারকে দ্রুতি বলে। 
- এটি একটি স্কেলার রাশি। 
- বেগের মান দ্বারা দ্রুতি পরিমাপ করা হয়। 

সরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট দিকে সরল পথে কোনো বস্তু যে দূরত্ব বা পথ অতিক্রম করে তাকে সরণ বলে। 
- সরণ একটি ভেক্টর রাশি। 
- কোনো গতিশীল বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন একটি  নির্দিষ্ট দিকে হলে সরণ ঘটে। 

বেগ: 
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে বেগ বলে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৭৫.
SATP এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Standard Air Temperature and Pressure
  2. Standard Absolute Temperature and Pressure
  3. Standard Actual Temperature and Pressure
  4. Standard Ambient Temperature and Pressure
সঠিক উত্তর:
Standard Ambient Temperature and Pressure
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Standard Ambient Temperature and Pressure
ব্যাখ্যা
SATP: 
- SATP হলো Standard Ambient Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- এক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 25°C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 24.789 dm3। 

STP: 
- STP হলো Standard Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- এক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 0°C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 22.4 dm3। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৭৬.
অ্যারোসল কোন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে? 
  1. নিঃসরণ 
  2. ব্যাপন 
  3. বাষ্পীভবন 
  4. পাতন 
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন 
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- অসম ঘনত্ব বিশিষ্ট একটি গ্যাস বা তরল অপর গ্যাস বা তরলের মধ্যে স্বাভাবিক ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অণু প্রবেশকে ব্যাপন বলে। 
- ঘরের মশা, আরশোলা, পিঁপড়া মারার ক্ষেত্রে আমরা যে অ্যারোসল ব্যবহার করি তা ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। 
- প্রতিটি ক্ষেত্রে উচ্চ ঘনত্বের অঞ্চল থেকে নিম্ন ঘনত্বের অঞ্চলে উপাদানের পরিব্যাপ্তি ঘটেছে। 
- রাতের বেলা ঘরের কোনে হাসনাহেনা ফুল ফুটলে তার সুবাসও ব্যাপন প্রক্রিয়ায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। 

নিঃসরণ: 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাহ্যিক চাপের প্রভাবে পাত্রের সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ দিয়ে কোনো উপাদানের উচ্চ চাপ অঞ্চল থেকে নিম্ন চাপ অঞ্চলে একমুখী বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলা হয়। 
- যেমন: রিক্সার চাকা থেকে বাতাস বের হয়ে যাওয়া, গ্যাসের পাইপের ছিদ্র দিয়ে গ্যাস বের হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হলো নিঃসরণ। 

বাষ্পীভবন: 
- কোনো তরলকে তাপ প্রদান করে ঐ তরল পদার্থকে বাষ্পে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বাষ্পীভবন বলে। 
- যেমন: চায়ের কাপে গরম চা রাখলে ঐ গরম চা থেকে পানি বাষ্পাকারে উড়ে যায়। 

পাতন: 
- কোনো তরলকে তাপ প্রদানে বাষ্পে পরিণত করে তাকে পুনরায় শীতলীকরণের মাধ্যমে তরলে পরিণত করার পদ্ধতিকে পাতন বলে। 
- অর্থাৎ, পাতন = বাষ্পীভবন + ঘনীভবন। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,০৭৭.
আমিষ পরিপাকে সহায়তা করে কোন এনজাইম?
  1. ক) ট্রিপসিন
  2. খ) রেনিন
  3. গ) টাইরোসিন
  4. ঘ) এমাইলেজ
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রিপসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রিপসিন
ব্যাখ্যা
নির্দিষ্ট এনজাইম নির্দিষ্ট কাজ করে। যেমনঃ আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে ট্রিপসিন এনজাইম। ট্রিপসিন এনজাইম শুধু আমিষের উপর কাজ করে৷
উৎসঃ বিজ্ঞানঃসপ্তম শ্রেণী
১১,০৭৮.
পৃথিবীর প্রায় কত শতাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. চার-ষষ্ঠাংশ
  2. এক-চতুর্থাংশ
  3. চার-অষ্টমাংশ
  4. ছয়-অষ্টমাংশ
সঠিক উত্তর:
ছয়-অষ্টমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়-অষ্টমাংশ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর প্রায় তিন-চতুর্থাংশ বা  ছয়-অষ্টমাংশ বারিমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত।
- বারিমন্ডল হলো ভূ-ত্বকের অবনমিত অংশে অবস্থিত বিশাল পানিরাশি।
- এই বিশাল পানিরাশির সবচেয়ে বড় আধার মহাসাগর এবং সাগর।
- এছাড়া রয়েছে অসংখ্য নদ-নদী, হ্রদ, খাল, বিল ও জলাশয়। 

বারিমণ্ডলের জলের পরিমাণ ভিত্তিক বন্টন:
• সমুদ্র (৯৭.২৫%),
• হিমবাহ (২.০৫%),
• ভূগর্ভস্থ পানি (০.৬৮%),
• হৃদ (০.০১%),
• মাটির আর্দ্রতা (০.০০৫%),
• বায়ুমণ্ডল (০.০০১%),
• নদী(০.০০০১%),
• জীবমণ্ডল (০.০০০০৪%)।

উৎস: 
১. ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
২. ভূগোল প্রথম পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৭৯.
সবুজ উদ্ভিদে সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য কোন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো অপরিহার্য?
  1. ৩০৫nm - ৮০৯nm
  2. ৩৭০nm - ৯২০nm
  3. ২৫০nm - ৭৫০nm
  4. ৩০০nm - ৮১০nm
সঠিক উত্তর:
৩০০nm - ৮১০nm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০nm - ৮১০nm
ব্যাখ্যা
যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্য্যরে আলোক শক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং ঐ
রাসায়নিক শক্তি দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডকে বিজারিত করে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে তাকে সালোক
সংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস বলে।
♦ সালোক সংশ্লেষণ এর  জন্য চারটি প্রয়োজনীয় উপাদান হচ্ছে (১) আলো (২) ক্লোরোফিল (৩) পানি ও (৪) কার্বন
ডাই-অক্সাইড।
♦ সবুজ উদ্ভিদ সালোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য যে কোন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের আলো ব্যবহার করতে পারে না, কেবলমাত্র
৩০০nm থেকে ৮১০nm পর্যন্ত তরঙ্গদৈর্ঘ্যরে আলো উদ্ভিদ ব্যবহার করতে পারে।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,০৮০.
ক্লোরোপ্লাস্ট কেন সবুজ বর্ণের হয়?
  1. ক্যারোটিন বেশি থাকে বলে
  2. জ্যান্থোফিল বেশি থাকে বলে
  3. ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা অধিক মাত্রায় থাকে বলে
  4. সূর্যের আলোর প্রতিফলনের কারণে
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা অধিক মাত্রায় থাকে বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা অধিক মাত্রায় থাকে বলে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : গ) ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা অধিক মাত্রায় থাকে বলে 

• ক্লোরোপ্লাস্ট:
 
- সবুজ বর্ণের প্লাস্টিডকে বলা হয় ক্লোরোপ্লাস্ট। 
- ক্লোরোফিল-a, ক্লোরোফিল-b, ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিলের সমন্বয়ে ক্লোরোপ্লাস্ট গঠিত। 
- ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণকণিকা (pigment) অধিক মাত্রায় ধারণ করে বলে এরা সবুজ বর্ণের। 
- এতে অন্যান্য বর্ণকণিকাও কিছু কিছু পরিমাণে বিদ্যমান থাকে। 
- ১৮৮৩ সালে বিজ্ঞনী শিম্পার সর্বপ্রথম উদ্ভিদ কোষে সবুজ বর্ণের প্লাস্টিড লক্ষ্য করেন এবং নামকরণ করেন ক্লোরোপ্লাস্ট। 

• ক্লোরোপ্লাস্টের গঠন (ভৌত গঠন): 
- সমস্ত ক্লোরোপ্লাস্ট একটি দুই স্তরবিশিষ্ট আংশিক অনুপ্রবেশ্য (semipermeable) মেমব্রেন (ঝিল্লি) দ্বারা আবৃত থাকে। 
- ক্লোরোপ্লাস্ট মেমব্রেনে ফসফোলিপিড-এর পরিবর্তে গ্লাইকোসিল গ্লিসারাইড (glycosyl glyceride) থাকে।
- এটি একটি ব্যতিক্রমী গঠন। 
- ক্লোরোপ্লাস্ট হলো তিন মেমব্রেন দ্বারা তৈরি ৩ প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট একটি অঙ্গাণু। 


উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।

১১,০৮১.
জিআইএস-এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Global Information System
  2. Geographic Internet Setup
  3. Geographic Information System
  4. General Integrated Software
সঠিক উত্তর:
Geographic Information System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Geographic Information System
ব্যাখ্যা
জিআইএস: 
- জিআইএস এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Geographic Information System
- ভৌগোলিক তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থাকে সংক্ষেপে জিআইএস বলে। 
- এটি একটি কম্পিউটার হিসাবে সফ্টওয়ারের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ ব্যবস্থা যার মধ্য দিয়ে ভৌগোলিক তথ্যগুলোর সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানিক ও পারস্পরিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, মানচিত্রায়ণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তৈরিতে সহায়তা করে থাকে। 
- ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম এই কৌশলের ব্যবহার আরম্ভ হয়। 
- ১৯৮০ সালের দিক থেকে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে। 
- বর্তমানে ভূমি ব্যবস্থাপনা, প্রাকৃতিক সম্পদ উন্নয়ন, পানি গবেষণা, আঞ্চলিক গবেষণা, নগর ও আঞ্চলিক পরিকল্পনা, জনসংখ্যা বিশ্লেষণ, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার বিশ্লেষণ প্রভৃতি বহুবিধ কাজে জিআইএস ব্যবহার হয়। 
- জিআইএস-এর মাধ্যমে একটি মানচিত্রের মধ্যে অনেক ধরনের উপাত্ত উপস্থাপন করে সেই উপাত্তগুলোকে মানচিত্রের মধ্যে বিশ্লেষণ করে মানচিত্রটির উপযোগিতা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। 
যেমন- একটা মানচিত্রের মধ্যে পানি ব্যবস্থাপনা, টপোগ্রাফি, ভূমি ব্যবহার, যোগাযোগ, মৃত্তিকা ও রাস্তা এই সবগুলো জিনিস দেখিয়ে তার মধ্য দিয়ে সেই নির্দিষ্ট অঞ্চলের পুরো চিত্র সম্বন্ধে জানা যায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
১১,০৮২.
পানির বিভব শক্তি নিচে নামার সময় কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়? 
  1. গতি শক্তি
  2. তাপ শক্তি
  3. শব্দ শক্তি
  4. রাসায়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
গতি শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গতি শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির রূপান্তর: 
- মানুষ তার চাহিদা অনুসারে শক্তিকে এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তর করে ব্যবহার করছে।
- এ মহাবিশ্বে নানা ঘটনা প্রবাহ চলছে শক্তির রূপান্তর আছে বলে। 
- শক্তি একরূপ থেকে একাধিকরূপে রূপান্তর হলেও মহাবিশ্বের মোট শক্তির কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না।
- এক রূপের শক্তিকে রুপান্তর করে অন্য রূপের শক্তিতে রূপান্তর করা হয় তখন একে শক্তির রূপান্তর বলা হয়। 

যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর: 
- হাতে হাত ঘষলে তাপ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়।
- কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- পানি যখন ভূপৃষ্ট হতে উপরে কোন পাত্রে থাকে তখন তাতে বিভব শক্তি সঞ্চিত থাকে, নিচে প্রবাহিত হবার সময় বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৮৩.
মানবদেহে অক্সিজেন পরিবহনে প্রধান ভূমিকা রাখে- 
  1. শ্বেত রক্তকোষ
  2. লোহিত রক্তকোষ
  3. রক্তরস
  4. অণুচক্রিকা 
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্তকোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত রক্তকোষ
ব্যাখ্যা

- মানবদেহে অক্সিজেন পরিবহনে লোহিত রক্তকোষ (Red Blood Cells) প্রধান ভূমিকা পালন করে। লোহিত রক্তকোষে হিমোগ্লোবিন নামক এক প্রকার লৌহঘটিত রঞ্জক পদার্থ থাকে, এই হিমোগ্লোবিন ফুসফুস থেকে অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন নামক অস্থায়ী যৌগ গঠন করে শরীরের প্রতিটি কোষে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। 

রক্ত: 
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক টিস্যু। 
- ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়। 
- উষ্ণ রক্তবাহী প্রাণীর দেহে রক্ত তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে। 
- রক্তের উপাদান দুটি। যথা- রক্তরস (55%) এবং রক্তকোষ (45%)। 

রক্তরস: 
- রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ, এর রং ঈষৎ হলুদাভ। 
- রক্তরসের প্রায় 91-92% অংশ পানি এবং ৪-9% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। এসব রক্তরসের ভিতর বিভিন্ন ধরনের প্রোটিন এবং বর্জ্য পদার্থ থাকে। 

রক্তকোষ: 
- রক্তকোষ তিন ধরনের। 
যথা- লোহিত রক্তকোষ (Erythrocyte বা Red blood cells বা RBC), শ্বেত রক্তকোষ (Leukocyte বা white blood cells বা WBC) এবং অণুচক্রিকা (Thrombocytes বা Blood platelet)। 
- লোহিত রক্তকোষ হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে, যার জন্য রক্ত লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে অক্সিজেন পরিবহন করে। 
- শ্বেত রক্তকোষ জীবাণু ধ্বংস করে দেহের প্রকৃতিগত আত্মরক্ষায় অংশ নেয়। 
- মানবদেহে বেশ কয়েক ধরনের শ্বেত রক্তকোষ থাকে। 
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধায় অংশ নেয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,০৮৪.
একজন সুস্থ মানুষের হৃৎস্পন্দন প্রতি মিনিটে-
  1. ক) ৬০ - ৮০ বার
  2. খ) ৬০ - ১০০ বার
  3. গ) ৮০ - ১০০ বার
  4. ঘ) ১০০ - ১২০ বার
সঠিক উত্তর:
খ) ৬০ - ১০০ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬০ - ১০০ বার
ব্যাখ্যা
হৃৎস্পন্দন
- একটি সিস্টোল ও একটি ডায়াস্টোলের সমন্বয়ে একটি হৃৎস্পন্দন সম্পন্ন হয় এবং
- একটি হৃৎস্পন্দনে সময় লাগে প্রায় ০.৮ সেকেন্ড।
- একজন সুস্থ মানুষের হৃৎস্পন্দন প্রতি মিনিটে ৬০-১০০ বার হয়। এটাকে হার্ট-বিট বলা হয়।
- মানুষের হৃৎস্পন্দন শোনা যায় স্টেথোস্কোপ যন্ত্রের মাধ্যমে।

সূত্র: ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই
১১,০৮৫.
নিষেকের পরে ডিম্বক পরিবর্তিত হয়ে কোনটি গঠন করে?
  1. ক) ভ্রূণ
  2. খ) বীজ
  3. গ) ফল
  4. ঘ) ফলত্বক
সঠিক উত্তর:
খ) বীজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বীজ
ব্যাখ্যা

- নিষেকের পরে ডিম্বক পরিবর্তিত হয়ে বীজ গঠন করে।
- নিষেকের পরে ডিম্বাণু পরিবর্তিত হয়ে ভ্রূণ গঠন করে।
- নিষেকের পরে গর্ভাশয় পরিবর্তিত হয়ে ফল গঠন করে।
- নিষেকের পরে গর্ভাশয় প্রাচীর পরিবর্তিত হয়ে ফলত্বক গঠন করে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১১,০৮৬.
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় বস্তুর যে তাপীয় ধর্ম স্থির থাকে, সেটি কী?
  1. এন্ট্রপি
  2. চাপ
  3. ওজন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
এন্ট্রপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্ট্রপি
ব্যাখ্যা
এন্ট্রপি: 
- কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে। 
- কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়। ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। 
- আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়। 
- অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে, ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়। 
- বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে। 
- ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এন্ট্রপি। 
- কোনো বস্তুর এন্ট্রপির মান আজো জানা সম্ভব হয়নি। তবে কোনো বস্তু যদি তাপ গ্রহণ বা বর্জন করে, তাহলে বস্তুর এন্ট্রপির পরিবর্তন হয়। 
- কোনো বস্তুর তাপমাত্রার সাপেক্ষে গৃহীত বা বর্জিত তাপ পরিবর্তনের হার দ্বারা এন্ট্রপির পরিবর্তন পরিমাপ করা হয়। 
- রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় বস্তুর যে তাপীয় ধর্ম স্থির থাকে, তাকে এন্ট্রপি বলে। 
অর্থাৎ, এন্ট্রপি হলো বস্তুর এমন একটি ভৌত ধর্ম যা রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় স্থির থাকে। এন্ট্রপিরকে s দ্বারা সূচিত করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৮৭.
ভরা কটাল কখন সংঘটিত হয়? 
  1. সপ্তমী তিথিতে
  2. অষ্টমী তিথিতে
  3. নবমী তিথিতে
  4. পূর্ণিমা তিথিতে
সঠিক উত্তর:
পূর্ণিমা তিথিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণিমা তিথিতে
ব্যাখ্যা
তেজ কটাল বা ভরা কটাল (Spring Tide): 
- চন্দ্রের মত সূর্যও জোয়ার ভাঁটা সৃষ্টিতে সাহায্য করে। 
- যখন অমাবস্যার সৃষ্টি হয় তখন সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- অন্যদিকে পূর্ণিমার সময় পৃথিবীর একপাশে সূর্য ও অন্যপাশে চন্দ্র অবস্থান করে। এই সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করে। 
- এ সময় সূর্যের আকর্ষণ চন্দ্রের আকর্ষণকে সাহায্য করে। 
- মূলত পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণে জোয়ারের পানি ফুলে উঠে। এই জোয়ারকেই বলা হয় ভরা কটাল বা তেজ কটাল। 
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী পৃষ্ঠের যে স্থানে চন্দ্রের প্রভাবে মুখ্য জোয়ার হয়, সে স্থানে সূর্যের প্রভাবে গৌণ জোয়ার হয়। 
- আবার চন্দ্রের প্রভাবে যে স্থানে গৌণ জোয়ার হয় ঐ স্থানে সূর্যের আকষর্ণে মুখ্য জোয়ার হয়। 
- সপ্তমী ও অষ্টমী তিথিতে মরা কটাল সংগঠিত হয়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৮৮.
বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস কী জন্য বিখ্যাত?
  1. প্লবতা সূত্র আবিষ্কারের জন্য
  2. ত্রিকোণমিতির ভিত প্রতিষ্ঠার জন্য
  3. পড়ন্ত বস্তুর সূত্র প্রতিষ্ঠার জন্য
  4. গতির সূত্রাবলী আবিষ্কারের জন্য
সঠিক উত্তর:
প্লবতা সূত্র আবিষ্কারের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লবতা সূত্র আবিষ্কারের জন্য
ব্যাখ্যা
• প্লবতার সূত্র এবং আর্কিমিডিসের নীতি পানির ভিতরে কোনো বস্তুর বৈশিষ্ট্য এবং তরল পদার্থের সাথে তার সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এখানে উভয়ের সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

প্লবতার সূত্র:
- প্লবতার সূত্রটি আর্কিমিডিসের সূত্র নামেও পরিচিত।
- বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস - প্লবতা সূত্র আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- এটি মূলত হল:
"যে কোনো বস্তু যখন কোনো তরলে সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে নিমজ্জিত থাকে, তখন সেই বস্তুটি তরলের দ্বারা একটি ঊর্ধ্বমুখী বল অনুভব করে, যার মান বস্তু দ্বারা স্থানচ্যুত তরলের ওজনের সমান।"
- প্লবতা = শূন্যস্থানে বস্তুর ওজন − তরলে নিমজ্জিত বস্তুর ওজন

আর্কিমিডিসের নীতি:
- আর্কিমিডিসের নীতি হচ্ছে প্লবতার সূত্রের মূল ধারণা এবং এটি প্রাচীন গ্রিক গণিতজ্ঞ আর্কিমিডিস দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। আর্কিমিডিসের নীতির মূল বক্তব্য হলো:
- "যে কোনো বস্তুকে একটি তরলে নিমজ্জিত করলে, তার উপর একটি ঊর্ধ্বমুখী বল কাজ করে যা সেই বস্তু দ্বারা তরলে স্থানচ্যুত তরলের ওজনের সমান।"
- এই নীতি বস্তুর ভাসমানতা এবং তরলে বস্তু কতটা ডুববে তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। এটি জাহাজ নির্মাণ, পণ্যের ভাসমানতা এবং বিভিন্ন পদার্থবিজ্ঞানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উদাহরণ:
- জাহাজ: একটি জাহাজ সমুদ্রের পানিতে ভাসছে কারণ এটি এত বড় যে এটি অনেক পানি স্থানচ্যুত করে এবং তারপরে প্লবতার সূত্রের মাধ্যমে একটি বড় উর্ধ্বমুখী বল অনুভব করে।
- গ্লাসে পানির তলায় নিমজ্জিত বস্তু: যদি একটি বস্তুকে পানিতে নিমজ্জিত করা হয়, এটি একটি ঊর্ধ্বমুখী বল অনুভব করবে যা পানির দ্বারা স্থানচ্যুত পানি ওজনের সমান।

- প্লবতার সূত্র এবং আর্কিমিডিসের নীতি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ রয়েছে।

তথ্যসুত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,০৮৯.
NH4Cl কোন ধরনের এসিড ও ক্ষার থেকে উৎপন্ন লবণ?
  1. মৃদু এসিড ও তীব্র ক্ষার
  2. মৃদু এসিড ও মৃদু ক্ষার
  3. তীব্র এসিড ও মৃদু ক্ষার
  4. তীব্র এসিড ও তীব্র ক্ষার
সঠিক উত্তর:
তীব্র এসিড ও মৃদু ক্ষার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তীব্র এসিড ও মৃদু ক্ষার
ব্যাখ্যা
লবণের আর্দ্র বিশ্লেষণ (Hydrolysis of Salts): 
- এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় লবণ উৎপন্ন হয়। 
- বেশির ভাগ লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়। আবার কোনো কোনো লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয় না, এসব লবণের পানিতে দ্রাব্যতা গুণ নেই। 
- লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয়ে যে দ্রবণ উৎপন্ন করে তা নিরপেক্ষ, অম্লীয় বা ক্ষারীয় প্রকৃতির হয়। 
- কোনো লবণকে পানিতে দ্রবীভূত করে যে বিক্রিয়ার মাধ্যমে লবণটি জলীয় দ্রবণে H3O+ বা OH- আয়নের পরিমাণে বৃদ্ধি ঘটিয়ে দ্রবণটির প্রকৃতি অম্লীয় বা ক্ষারীয় করে, সে বিক্রিয়াকে লবণের আর্দ্র বিশ্লেষণ বলে। 
- লবণের আর্দ্র বিশ্লেষণে লবণটি পানির সাথে বিক্রিয়া করে ওই লবণের উৎপাদন এসিড ও ক্ষার উৎপন্ন করে। 
- যে লবণ পানিতে দ্রবীভূত হয় না সে লবণের আর্দ্র বিশ্লেষণ হয় না। 
- বিভিন্ন প্রকার এসিড ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ নিম্নরূপ: 
যেমন- 
i. তীব্র এসিড ও তীব্র ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ: NaCl, KCl, NaNO3, KNO3, Na2SO4, K2SO4 ইত্যাদি। 
ii. তীব্র এসিড ও মৃদু ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ: NH4Cl, NH4NO3, (NH4)2SO4, CuSO4, FeSO4, FeCl3, AlCl3 ইত্যাদি। 
iii. মৃদু এসিড ও তীব্র ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ: Na2CO3, CH3-COONa, KCN, H-COONa, K2CO3 ইত্যাদি। 
iv. মৃদু এসিড ও মৃদু ক্ষারের বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ: (NH4)2CO3, H-COONH4, CH3-COONH4 ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৯০.
স্থির তরঙ্গের নিস্পন্দ বিন্দুতে কণার বেগ কত ?
  1. ক) শূন্য
  2. খ) সর্বনিম্ন কিন্তু শূন্য নয়
  3. গ) সর্বাধিক
  4. ঘ) কোনােটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) শূন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শূন্য
ব্যাখ্যা

সুস্পন্দ বিন্দু (Antinode) : স্থির তরঙ্গের উপরস্থ যে সকল বিন্দুতে কণার স্পন্দনের বিস্তার সর্বাধিক হয় অর্থাৎ কণার সরণ সর্বোচ্চ হয় সেই সকল বিন্দুকে সুস্পন্দ বিন্দু বলে।
নিস্পন্দ বিন্দু (Node) : স্থির তরঙ্গর উপরস্থ যে সকল বিন্দুতে কণার কোনাে বিস্তার নেই অর্থাৎ কণার সরণ শূন্য হয় সেই সকল বিন্দুকে নিস্পন্দ বিন্দু বলে।
নিস্পন্দ ও সুস্পন্দ বিন্দুর অবস্থানগুলাে স্থির। পর পর দুটি সুস্পন্দ বা দুটি নিস্পন্দ বিন্দুর মধ্যবর্তী দূরত্ব তরঙ্গদৈর্ঘ্যের অর্ধেক। (উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

১১,০৯১.
কোনটি স্থানীয় বায়ু?
  1. ক) মৌসুমী বায়ু
  2. খ) খামসিন বায়ু
  3. গ) নিয়ত বায়ু
  4. ঘ) মেরু বায়ু
সঠিক উত্তর:
খ) খামসিন বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খামসিন বায়ু
ব্যাখ্যা
- স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য ও তাপমাত্রার তারতম্যের ফলে সৃষ্ট বায়ু স্থানীয় বায়ু নামে পরিচিত।
স্থানীয় বায়ুসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- সায়মুম বায়ু : আরব মালভূমির স্থানীয় বায়ু
- খামসিন বায়ু : মিশর
- চিনুক বায়ু : রকি পর্বত
- সিরক্কো বায়ু : উ. আফ্রিকা ও দক্ষিণ ইতালি
- মিস্ট্রাল বায়ু : ফ্রান্সের মালভূমি
- পাম্পেরু বায়ু : আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে
- লু বায়ু : ভারত প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,০৯২.
পদার্থ কোন তাপমাত্রায় চুম্বকত্ব হারায় ?
  1. পরম শূন্য তাপমাত্রায়
  2. কক্ষ তাপমাত্রায়
  3. কুরি তাপমাত্রায়
  4. স্ফুটনাংকে
সঠিক উত্তর:
কুরি তাপমাত্রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুরি তাপমাত্রায়
ব্যাখ্যা
• চুম্বকত্ব (Magnetism):
- চুম্বক পদার্থের ধর্মই হলো চুম্বকত্ব। চুম্বকত্ব পদার্থের ভৌত ধর্ম।
- কারণ পদার্থকে চুম্বকে পরিণত করলে এর ভর, ঘনত্ব, আয়তন ও তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না।
- তবে চুম্বকত্বের উপর তাপমাত্রার বাহ্যিক প্রভাব রয়েছে। অর্থাৎ বাহ্যিকভাবে তাপ প্রয়োগে পদার্থের চুম্বকত্ব নষ্ট হয়ে যায়। 

• কুরি তাপমাত্রা বা কুরি বিন্দু (Curie temperature or Curie point):
- যে তাপমাত্রায় কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় তাকে কুরি তাপমাত্রা বলে। এই তাপমাত্রার পর পদার্থের আর কোন চুম্বকত্ব থাকে না।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৯৩.
সিমেন্টে জিপসাম যোগ করা হয় কেন?
  1. ক) ওজন বাড়ানোর জন্য
  2. খ) দ্রুত জমাট রোধ করার জন্য
  3. গ) ঘনত্ব বৃদ্ধি করার জন্য
  4. ঘ) দ্রুত জমাট বৃদ্ধি করার জন্য
সঠিক উত্তর:
খ) দ্রুত জমাট রোধ করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্রুত জমাট রোধ করার জন্য
ব্যাখ্যা
জিপসাম
-হাজার হাজার বছর পূর্ব থেকে মানুষ নির্মাণ কাজে জিপসাম ব্যবহার করে আসছে। এ জিপসাম হচ্ছে আদ্র ক্যালসিয়াম সালফেট।
-এর রাসায়নিক সংকেত CaSO4. 2H2O ।
-জিপসাম বিশুদ্ধ অবস্থায় কদাচিৎ পাওয়া যায়। বিশুদ্ধ জিপসাম সাদা।
-কাদা, চুন, পাথর, সিলিকা, লৌহ যৌগ ইত্যাদির সংগে মিশ্রিত অবস্থায় জিপসাম খনিতে পাওয়া যায়। এর রং ধুসর বাদামী বা লালাভ বাদামী হয়।

-সিমেন্টে জিপসাম যোগ করা হয় দ্রুত জমাট রোধ করার জন্য।

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,০৯৪.
বায়বীয় পদার্থ অত্যন্ত সংকোচনশীল হওয়ার প্রধান কারণ কী? 
  1. কণিকাগুলোর গতি কম
  2. কণিকাগুলো নির্দিষ্ট স্থানে থাকে
  3. কণিকাগুলোর মধ্যে দূরত্ব কম
  4. কণিকাগুলোর মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি
সঠিক উত্তর:
কণিকাগুলোর মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণিকাগুলোর মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি
ব্যাখ্যা

- বায়বীয় পদার্থ অত্যন্ত সংকোচনশীল হওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে কণিকাগুলোর মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি 

কঠিন পদার্থ: 

- কঠিন পদার্থের মধ্যে কণিকাগুলো গতিশীল কিন্তু তা দেখা সম্ভব নয়। 
- একটি নির্দিষ্ট অবস্থানে থেকে প্রতিটি কণা অবিরত কম্পিত হচ্ছে। 
- এদের মধ্যকার প্রবল আন্তঃআণবিক শক্তি কণাগুলোকে পরস্পর থেকে বিছিন্ন হতে দেয় না, তাই কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন বজায় থাকে। 

তরল পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থ থেকে তরল অবস্থায় আসতে পদার্থ অতিরিক্ত শক্তি গ্রহণ করে। 
- এ অবস্থায় অতিরিক্ত শক্তির কারণে কণিকাগুলো গতির বিস্তার বৃদ্ধি পায় বা কণাগুলো মধ্যের দূরত্ব বেশি হয় এবং আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের প্রভাব কমে যায়। কিন্তু একেবারে লুপ্ত হয় না। 
- সামান্য আকর্ষণ বলের কারণে কণিকা গুচ্ছগুলো পাত্রের মধ্যে থাকে। একারণে এটি পাত্রের যে কোন স্থানে সরে যায় এবং পাত্রের আকার গ্রহণ করতে পারে। 

বায়বীয় পদার্থ: 
- বায়বীয় অবস্থায় পদার্থের মধ্যে আরও অনেক বেশি শক্তি যোগ হয় তখন কণিকাগুলোর গতি অত্যন্ত বেড়ে যায় এলোমেলোভাবে সবদিকে ছুটাছুটি করে পরস্পরের থেকে অনেক দূরত্বে চলে যায়। 
- তখন এই পদার্থের আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল খুবই নগন্য হয়ে যায়। এজন্য বায়বীয় অবস্থায় বস্তুর কোন আকার বা আয়তন নাই এবং অত্যন্ত সংকোচনশীল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,০৯৫.
নিচের কোন ক্ষেত্রের জন্য প্যাসকেলের সূত্রটি প্রযোজ্য?
  1. বায়বীয় ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে
  2. কঠিন ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে
  3. বায়বীয় ও কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়বীয় ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• বায়বীয় ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে প্যাসকেলের সূত্রটি প্রযোজ্য।

• প্যাসকেলের সূত্র:
- প্যাসকেলের সূত্র (Pascal's Law) হলো পদার্থবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নীতি যা তরলের গতিবিদ্যা (fluid dynamics) এর অন্তর্গত।
- এই সূত্রটি প্রথম ফরাসি বিজ্ঞানী ব্লেজ প্যাসকেল প্রস্তাব করেছিলেন।
- প্যাসকেলের সূত্রটি প্রযোজ্য- বায়বীয় ও তরল পদার্থের ক্ষেত্রে।

প্যাসকেলের সূত্র:
- "কোনো আবদ্ধ তরলের মধ্যে চাপের পরিবর্তন হলে, সেই পরিবর্তনটি তরলের সব দিকেই সমানভাবে সঞ্চারিত হয়।"
এই সূত্রটি গাণিতিকভাবে প্রকাশ করা যায়:
P = F/A
এখানে,
- P হলো চাপ (Pressure),
- F হলো বল (Force),
- A হলো ক্ষেত্রফল (Area).

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,০৯৬.
নিচের কোনটির জলীয় দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির?
  1. ক) CH3COONa
  2. খ) NaCl
  3. গ) Na2SO4
  4. ঘ) FeCl3
সঠিক উত্তর:
ঘ) FeCl3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) FeCl3
ব্যাখ্যা

FeCl3  এর জলীয় দ্রবণ অম্লীয় প্রকৃতির। 

অপরদিকে, NaCl হল জলীয় দ্রবণ নিরপেক্ষ এবং Na2SO4,   CH3COONa জলীয় দ্রবণ ক্ষারীয় প্রকৃতির।

সূত্র: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি

১১,০৯৭.
বাষ্পায়ন কোন বিষয়টির উপর নির্ভর করে না?
  1. তরলের প্রকৃতি
  2. পদার্থের ঘনত্ব
  3. তরল তল সংলগ্ন বায়ুর আর্দ্রতা
  4. তরলের উপরি তলের ক্ষেত্রফল
সঠিক উত্তর:
পদার্থের ঘনত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থের ঘনত্ব
ব্যাখ্যা
বাষ্পায়নের উপর বিভিন্ন বিষয়ের প্রভাব: 
- পরিবেশ থেকে সুপ্ত তাপ সংগ্রহ করে কোনো তরল পদার্থের বাষ্পে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াটি হলো বাষ্পায়ন। 
- এ ক্ষেত্রে তরল পদার্থটিকে স্ফুটনাঙ্কে উত্তপ্ত করা হয় না। 
- এটি একটি স্বতঃস্ফুর্ত ঘটনা। এজন্য প্রক্রিয়াটিকে স্বতঃবাষ্পভবনও বলা হয়। 
- কিন্তু তরলের বাষ্পায়ন সাধারণত বেশ কয়েকটি ঘটনা বা বিষয় দ্বারা প্রভাবিত হয়। 
যেমন - 

১। তরলের প্রকৃতি: 
- বিভিন্ন তরল পদার্থের বাষ্পায়নের হার বিভিন্ন। 
- সাধারণত তরলের স্ফুটনাঙ্ক কম হলে বাষ্পায়ন হার বেশি হয়। 
- উদ্বায়ী পদার্থের বাষ্পায়ন হার অত্যন্ত বেশি। 

২। বায়ু প্রবাহ: 
- তরলের উপর বায়ু প্রবাহ বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। 

৩। তরলের উপর চাপ: 
- তরলের উপর বায়ু মন্ডলের চাপ বাড়লে বাষ্পায়ন হার কমে যায়। 
- চাপ কমলে বাষ্পায়ন বৃদ্ধি পায়। 
- শূন্য স্থানে বাষ্পায়নের হার সর্বাধিক। 

৪। তরলের উপরি তলের ক্ষেত্রফল: 
- বাষ্পায়ন কেবল উপরিতলে সংঘঠিত হয়। 
- তরলের উপরিতলের ক্ষেত্রফল যত বেশি বিস্তৃত হবে বাষ্পায়ন তত বেশি হবে। 

৫। তরল তল সংলগ্ন বায়ু বা বাষ্পের তাপমাত্রা: 
- তাপমাত্রা বেশি হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। 

৬। তরল তল সংলগ্ন বায়ুর আর্দ্রতা: 
- বায়ুর আর্দ্রতা যত কম হয় তরলের বাষ্পায়ন তত দ্রুত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,০৯৮.
মাছির পা থাকে-
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ১০টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬টি
ব্যাখ্যা
• মাছির ৬টি পা থাকে।
- মাছি  Diptera বর্গের একদল পতঙ্গের সাধারণ নাম।
- প্রকৃত মাছিরা Brachycera উপবর্গের সদস্য এবং এদলে আছে ঘরের সাধারণ মাছি, ডাঁশ, ফলের মাছি (Fruit fly), সেটসি (Tsetse) মাছি ইত্যাদি।
- গুটিকয় প্রজাতির ডানাবিহীন মাছি ছাড়া অন্যান্য মাছি কেবল ওড়ার উপযোগী একজোড়া ডানা থাকে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১১,০৯৯.
নিচের কোনটি পরিবেশের ১ম স্তরের খাদক?
  1. হরিণ
  2. সাপ
  3. শিয়াল
  4. বাঘ
সঠিক উত্তর:
হরিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিণ
ব্যাখ্যা
♦ খাদক (Consumer):

- কোনো প্রাণীই পরিবেশের জড় পদার্থ থেকে খাদ্য তৈরি করতে পারে না।
- তারা খাদ্যের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সবুজ উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল।
- তাই এদের বলা হয় পরভোজী জীব।

প্রথম শ্রেণির খাদক: 
• যেসব প্রাণী সরাসরি উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে, তাদেরকে বলা হয় তৃণভোজী প্রাণী। এদের অপর নাম প্রথম শ্রেণির খাদক।
• যেমন- ঘাস ফড়িং, মুরগি, গরু, ছাগল, হরিণ ইত্যাদি প্রথম শ্রেণির খাদক।


Image Source: পঞ্চম শ্রেণি বিজ্ঞান বই 

দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক:
• যেসব প্রাণী তৃণভোজী প্রাণীদের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে তাদের বলা হয় গৌণ খাদক বা দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক।
• এরা এক ধরনের মাংসাশী প্রাণী।
• যেমন- শিয়াল, বাঘ ইত্যাদি দ্বিতীয় শ্রেণির খাদক।

তৃতীয় শ্রেণির খাদক:
• যেসব প্রাণী পৌণ খাদকদের খেয়ে বাঁচে তারা ও মাংসাশী প্রাণি (carnivorous)।
• এদের বলা যায় তৃতীয় শ্রেণির বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ খাদক।
• যেমন- সাপ, ময়ূর, বাঘ ইত্যাদি তৃতীয় শ্রেণির খাদক। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,১০০.
বৈদ্যুতিক হিটার ও ইস্ত্রির জন্য কোন ধাতুর তার ব্যবহৃত হয়?
  1. প্লাটিনাম
  2. নাইক্রোম
  3. টাংস্টেন
  4. স্টেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম
ব্যাখ্যা

• বৈদ্যুতিক হিটার ও ইস্ত্রির জন্য নাইক্রোম ধাতুর তার ব্যবহৃত হয়। নাইক্রোম হলো নিকেল ও ক্রোমিয়ামের সংকর ধাতু, যার বৈদ্যুতিক রোধ খুব বেশি। বেশি রোধের কারণে এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়, যা হিটার ও ইস্ত্রির জন্য অত্যন্ত উপযোগী। এছাড়া নাইক্রোম উচ্চ তাপমাত্রায় সহজে গলে না এবং বাতাসে জারিত হয়ে নষ্ট হয় না, ফলে এটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। প্লাটিনাম ও টাংস্টেন দামি এবং অন্য কাজে বেশি ব্যবহৃত হয়, আর স্টেনিয়াম তাপ উৎপাদনে উপযুক্ত নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) নাইক্রোম।


নাইক্রোম তার: 
- বৈদ্যুতিক হিটার এবং ইস্ত্রিসহ আরো অনেক বৈদ্যুতিক যন্ত্রে নাইক্রোমের তার ব্যবহার করা হয়। 
- বৈদ্যুতিক হিটারের মধ্যে অপরিবাহী পদার্থের একটি গোল চাকতি থাকে। 
- চাকতিতে নাইক্রোম তারের কুণ্ডলী সাজিয়ে রাখা হয়। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে তারটি গরম হয় এবং উত্তপ্ত হয়ে তাপ বিকিরণ করে। 
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রির নাইক্রোম তারটি ইস্ত্রির নিচের মসৃণ লৌহ নির্মিত তলটিকে উত্তপ্ত করে। 
- এক্ষেত্রে তাপ উৎপাদন বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। 
- প্রবাহ বেশি হলে ইস্ত্রি বেশি উত্তপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।