বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১১০ / ১৪০ · ১০,৯০১১১,০০০ / ১৪,০৮০

১০,৯০১.
উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদানগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন কোথা থেকে সংগ্রহ করে?
  1. ক) বাতাস
  2. খ) পানি
  3. গ) বায়ুমন্ডল
  4. ঘ) নাইট্রোজেন
  5. ঙ) কার্বন
সঠিক উত্তর:
খ) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পানি
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদানগুলোর মধ্যে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন পানি থেকে সংগ্রহ করে।কার্বন ও অক্সিজেন বায়ুমন্ডল থেকে গ্রহণ করে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বোর্ড বই।
১০,৯০২.
ওহমের সূত্রকে গাণিতিকভাবে কিভাবে প্রকাশ করা হয়?
  1. Q = It
  2. P = VI
  3. F = ma
  4. V = IR
সঠিক উত্তর:
V = IR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
V = IR
ব্যাখ্যা

• ওহমের সূত্র গাণিতিকভাবে V = IR দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যেখানে V হলো বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ, I হলো বৈদ্যুতিক প্রবাহ এবং R হলো প্রতিরোধ। এটি নির্দেশ করে যে কোনো পরিবাহকের দুই প্রান্তের ভোল্টেজ তার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টের সমানুপাতিক এবং সেই পরিবাহকের বৈদ্যুতিক প্রতিরোধের উপর নির্ভরশীল। এই সূত্র বৈদ্যুতিক পরিমাপ ও সার্কিট বিশ্লেষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
ওহমের সূত্র:
 • সূত্রটির গাণিতিক রূপ হলো-
V = IR

এখানে,
V = ভোল্টেজ বা বিভব পার্থক্য (Volt)
I = কারেন্ট বা বিদ্যুৎ প্রবাহ (Ampere)
R = রোধ  (Ohm)
এই সূত্র অনুসারে, কোনো পরিবাহকের দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য পরিবাহকের রোধ ও পরিবাহকের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কারেন্টর সাথে সম্পর্কযুক্ত।

অন্যদিকে,
• P = VI – এটি বিদ্যুৎ শক্তি বা Power-এর সূত্র।
• Q = It – এটি আধান (Charge) নির্ণয়ের সূত্র।
• F = ma – এটি নিউটনের দ্বিতীয় গতি সূত্র (বলের সূত্র)। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৯০৩.
এইচআইভি সংক্রমণে মানবদেহের কোন কোষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
  1. প্লেটলেট
  2. RBC
  3. T4 লিম্ফোসাইট
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
T4 লিম্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
T4 লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা

• এইচআইভি (HIV) সংক্রমণে মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি নির্দিষ্ট কোষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেটি হলো T4 লিম্ফোসাইট, যাকে CD4 টি-হেলপার সেলও বলা হয়। এই ভাইরাসটি মূলত এই কোষের গায়ে থাকা CD4 রিসেপ্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কোষের ভেতরে প্রবেশ করে এবং ধীরে ধীরে কোষটিকে ধ্বংস করে দেয়। T4 লিম্ফোসাইট শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এই কোষের সংখ্যা কমে গেলে রোগীর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে যায় এবং AIDS-এর মতো জটিল অবস্থার সৃষ্টি হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) T4 লিম্ফোসাইট।
 
• AIDS:
- AIDS হলো Acquired (অর্জিত) Immune (ইমিউন বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) Deficiency (ডেফিসিয়েন্সি বা হ্রাস) Syndrome (সিনড্রোম বা অবস্থা) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। অর্থাৎ, বিশেষ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়াকে এইডস (AIDS) বলে।

• HIV:
- Human Immunodeficiency Virus (HIV) নামক ভাইরাস দ্বারা এ রোগ সৃষ্টি হয়।
- HIV ভাইরাসের আক্রমণে মানুষের শ্বেত রক্তকণিকার ম্যাক্রোফেজ ও T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- এতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। ফলে অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যায়।
- বর্তমান বিশ্বে AIDS একটি মারাত্মক রোগ। এইডস বিশ্বব্যাপি বিস্তৃত (pandemic) একটি ভয়াবহ যৌন রোগ যা প্রতিনিয়ত আরো বিস্তৃত হচ্ছে।

• আক্রমণের পর্যায়:
- HIV ভাইরাসের envelope এ থাকা gp120 প্রোটিনের মাধ্যমে এটি CD4 receptor-এর সাথে যুক্ত হয়।
- ভাইরাস কোষে প্রবেশ করে এবং নিজের প্রতিলিপন করে।
- ধীরে ধীরে T4 লিম্ফোসাইট ধ্বংস হয়ে যায়।
- রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে, এর ফলে চূড়ান্ত অবস্থায় সাধারণ রোগেও মৃত্যু হতে পারে। 

• প্রতিরোধ: 
- নিরাপদ যৌনমিলন করা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক বিধি-বিধান মেনে চলা।
- যৌনমিলনের সময় কনডম ব্যবহার করা।
- অস্বাভাবিক যৌনমিলন, বহুগামিতা, সহকামিতা এবং পতিতাগামিতা পরিহার করা।
- যৌনসঙ্গী নির্বাচনে সতর্ক থাকা।
- HIV আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে যৌনমিলন থেকে বিরত থাকা।
- এইডস আক্রান্ত মায়ের সন্তান ধারণ অথবা সন্তানকে বুকের দুগ্ধ পান করানো থেকে বিরত রাখা।
-  রক্ত গ্রহণের আগে HIV সংক্রমিত কিনা তা পরীক্ষা করা।
- ইনজেকশন গ্রহণের সময় পরিশোধিত বা নতুন সিরিঞ্জ ও সুঁই ব্যবহার করা।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।

১০,৯০৪.
রোগ-প্রতিরোধ বিদ্যার জনক কাকে বলা হয়?
  1. এডওয়ার্ড জেনার
  2. রবার্ট হুক
  3. রবার্ট কচ
  4. লিউয়েন হুক
সঠিক উত্তর:
এডওয়ার্ড জেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডওয়ার্ড জেনার
ব্যাখ্যা
- এডওয়ার্ড জেনার রোগ-প্রতিরোধ বিদ্যার জনক।

 - এডওয়ার্ড জেনার (Edward Jenner):
- অবদান: প্রথম সফল ভ্যাকসিন তৈরি করেন।
- বিখ্যাত কাজ: ১৭৯৬ সালে গরুর গুটি বসন্ত (Cowpox) থেকে গুটি বসন্ত (Smallpox) রোগের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন উদ্ভাবন।

অন্যদিকে,
- অ্যান্টনি ভ্যান লিউয়েনহুক: তিনি প্রথম জীবন্ত এককোষী জীব (Microorganisms) আবিষ্কার করেন।
- রবার্ট কচ: রোগজীবাণু তত্ত্ব (Germ Theory) প্রমাণ করেন এবং টিউবারকিউলোসিসের (TB) জীবাণু আবিষ্কার করেন।
- রবার্ট হুক : Micrographia" বইয়ে কোষ (Cell) সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন এবং "Cell" শব্দটি ব্যবহার করেন।

উৎস: National Library of Medicine ওয়েবসাইট।
১০,৯০৫.
ভূমিকম্প নির্দেশক যন্ত্রের নাম কী?
  1. ক) ব্যারোমিটার
  2. খ) সিসমোমিটার
  3. গ) ল্যাকটোমিটার
  4. ঘ) থার্মোমিটার
সঠিক উত্তর:
খ) সিসমোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিসমোমিটার
ব্যাখ্যা
• ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম সিসমোগ্রাফ।
- এ যন্ত্রে মিটারস্কেল ব্যবহার করা হয় বলে একে সিসমোমিটারও বলা হয়।
- সিসমোগ্রাফ ভূ-পৃষ্ঠের আন্দোলন পরিমাপনের এবং ভূমিকম্পের উৎস খুঁজে বের করার যন্ত্র।
- এর সাহায্যে অন্যান্য বিস্ফোরণ, প্রচন্ড ঝড় ইত্যাদির খোঁজ পাওয়া যায়। 
- ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপের জন্য রিখটার স্কেল ব্যবহার করা হয়।

এছাড়াও,
- সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম ফ্যাদোমিটার।
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম ক্রেস্কোগ্রাফ।
- ক্রোনোমিটার (Chronometer) - সূক্ষ্ম সময় মাপার যন্ত্রের নাম।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১০,৯০৬.
ডোপামিন হরমোন কোথা থেকে ক্ষরিত হয়?
  1. মস্তিষ্ক
  2. অগ্ন্যাশয়
  3. পিটুইহারি গ্রন্থি
  4. লিভার
সঠিক উত্তর:
মস্তিষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মস্তিষ্ক
ব্যাখ্যা
- স্নায়ুকোষ বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করে থাকে।
- মস্তিষ্ক থেকে ক্ষরিত হরমোন ডোপামিন শরীরের পেশির নড়াচড়ায় সাহায্য করে।
- পারকিনসন রোগাক্রান্ত রোগীর মস্তিষ্কে ডোপামিন তৈরির কোষগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়। ডোপামিন ছাড়া ঐ স্নায়ু কোষগুলা পেশি কোষগুলোতে সংবেদন পাঠাতে - পারে না। ফলে মাংসপেশি তার কার্যকারিতা হারায়। এ রোগ সাধারণত ৫০ বছর বয়সের পরে হয়। তবে ব্যতিক্রম হিসেবে যুবক যুবতীদেরও হতে পারে।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১০,৯০৭.
কোনটি গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ?
  1. ক) গম
  2. খ) দাঁতমর্দন
  3. গ) ধান
  4. ঘ) গোলাপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) গোলাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গোলাপ
ব্যাখ্যা
একক গুঁড়িবিহীন ঝোপজাতীয় মাঝারি ধরনের কাষ্ঠল উদ্ভিদকে গুল্ম বলে। যেমন- জবা, গোলাপ, রঙ্গন। গুল্ম বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। গুল্মের চেয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট আকৃতির উদ্ভিদকে উপগুল্ম বলে। যেমন- কালকাসুন্দা, দাঁতমর্দন। ছোট ও নরম কাণ্ড বিশিষ্ট অকাষ্ঠল উদ্ভিদকে বীরুৎ বলে। যেমন- ধান, গম, দূর্বাঘাস ইত্যাদি।
উৎসঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,৯০৮.
'আলোর কণা' তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. অ্যালো হ্যাজেন
  3. গ্যালিলিও
  4. রামফোর্ড
সঠিক উত্তর:
আইজ্যাক নিউটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইজ্যাক নিউটন
ব্যাখ্যা
- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯০৯.
টেলিফোনে কয়টি উপাংশ থাকে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
গ) ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫
ব্যাখ্যা
টেলিফোনে ৫ টি উপাংশ থাকে । ১) সুইচ : যেটি মুল টেলিফোন নেটওয়ার্কের সাথে সংযোগ করে বা বিচ্ছিন্ন করে ২) রিংগার - শব্দ করে জানিয়ে দেয় কেউ যোগাযোগ করছে। ৩) কি-প্যাড - এর মাধ্যমে একজন আরেকজনকে ডায়াল করতে পারে ৪) মাইক্রোফোন - এটি শব্দশক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রুপান্তরিত করে ৫) স্পিকার - এটি তড়িৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রুপান্তরিত করে

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই
১০,৯১০.
বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি এবং হিটারে ব্যবহৃত হয়-
  1. নাইক্রোম তার
  2. টাংস্টেন তার
  3. কপার তার
  4. এন্টিমনি তার
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইক্রোম তার
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি এবং হিটারে নাইক্রোম তার ব্যবহৃত হয়।
- নাইক্রোম তার হচ্ছে নিকেল ও ক্রোমিয়াম ঘটিত সংকর ধাতু নির্মিত এক ধরনের তার।
- এর আপেক্ষিক রোধ বেশি এবং উষ্ণতার হ্রাস বৃদ্ধিতে রোধের পরিবর্তন কম।
- টাংস্টেন তার বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম- দশম শ্রেণী।
১০,৯১১.
'Floriculture' বিশেষভাবে কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ক) ফুল
  2. খ) শাক-সবজি
  3. গ) ফল
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ফুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফুল
ব্যাখ্যা
পুষ্প ও সুদৃশ্য গাছপালার চাষ কৃষি বিজ্ঞানের অন্তর্গত উদ্যানতত্ব বা Horticulture বিষয়ের একটি প্রধান বিভাগ।
উদ্যানের গাছপালা মূলতঃ তিন প্রকার। যথাঃ- শাক-সবজি,ফল ও ফুল।
প্রথম দুটির ব্যবহার খাদ্যরূপে এবং তৃতীয়টির গুরুত্ব চিত্ত বিনোদনে।
ফুল ও সুদৃশ্য গাছপালা উৎপাদনের কলাকৌশল সাধারণভাবে পুষ্পোদ্যান বিদ্যা বা Floriculture নামে অভিহিত।


Floriculture শব্দটির উৎপত্তি ল্যাটিন Flos ও Floris থেকে। 
 (flos, floris = a flower, cultura= cultivation)।
Floriculturist বলতে পুষ্পোদ্যানবিদ বা পুষ্পোদ্যান বিশারদ কে বুঝায়।
আর যে ব্যক্তি পুষ্প ও সুদৃশ্য গাছপালার চাষ করেন অথবা বিক্রয় করেন তিনি Florist নামে পরিচিত।

উৎস : স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০,৯১২.
কোনটি জৈব যৌগ নয়? 
  1. CH4
  2. Na2CO3
  3. CH3OH
  4. C6H5NH2
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
ব্যাখ্যা
জৈব যৌগ: 
- সকল জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু বিদ্যমান। 
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে এক বা একাধিক বিভিন্ন মৌল যেমন- H, O, N, S, P, X ইত্যাদি যৌগ মূলত যুক্ত থাকে। 
- আবার কার্বনের দ্বারা গঠিত সকল যৌগই জৈব যৌগ নয়। 
যেমন- CO2, CO, Na2CO3 ইত্যাদি। 
- কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে। 
যেমন- মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯১৩.
নিউটনীয় বলবিদ্যায় দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় -
  1. আপেক্ষিক
  2. পরিবর্তনশীল
  3. ভেক্টর রাশি
  4. ধ্রুবক
সঠিক উত্তর:
ধ্রুবক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধ্রুবক
ব্যাখ্যা
নিউটনীয় বলবিদ্যায় দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় ধ্রুব - গতি নির্ভর নয়।
কিন্তু আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুসারে
দৈর্ঘ্য, ভর ও সময় আপেক্ষিক, যা বস্তু বা প্রসঙ্গ কাঠামোর উপর নির্ভরশীল।
একে আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা বলে।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০,৯১৪.
কোনটি স্কেলার রাশি?
  1. বল 
  2. বেগ 
  3. ওজন
  4. দ্রুতি
সঠিক উত্তর:
দ্রুতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুতি
ব্যাখ্যা

• স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

• ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৯১৫.
সালফারের যোজনী নয় কোনটি?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন মৌলের পরমাণুসমূহ একে অপরের সাথে সর্বশেষ কক্ষপথের ইলেকট্রন বর্জন, গ্রহণ অথবা ভাগাভাগির মাধ্যমে অণু গঠন করে। অণু গঠনকালে কোনো মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলের পরমাণু যুক্ত হওয়ার ক্ষমতাকে যোজনী বা যোজ্যতা বলা হয়।

সাধারণত সব সময় হাইড্রোজেনের যোজনী এক (1) ধরা হয়। কোনো মৌলের একটি পরমাণু যতগুলো ঐ পরমাণু বা H পরমাণু বা Cl পরমাণুর সাথে যুক্ত হতে পারে সেই সংখ্যাই হলো ঐ মৌলের যোজনী বা যোজ্যতা।

কিছু কিছু মৌলের একাধিক যোজনী থাকে। কোনো মৌলের একাধিক যোজনী থাকলে সেই মৌলের যোজনীকে পরিবর্তনশীল যোজনী বলা হয়। যেমন: Fe এর পরিবর্তনশীল যোজনী 2 এবং 3।
- সালফারের পরিবর্তনশীল যোজনী ২, ৪, ৬

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি। 
১০,৯১৬.
Which is the main organ of the circulatory system?
  1. Skin
  2. Heart
  3. Liver
  4. Kidney
  5. Lungs
সঠিক উত্তর:
Heart
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Heart
ব্যাখ্যা
হৃদপিন্ড:
- রক্ত সংবহন তন্ত্রের প্রধান অঙ্গ হৃদপিন্ড।
- এটা পাম্পের মতো কাজ করে, ফলে রক্ত সংবহনতন্ত্রে রক্ত প্রবাহ সচল থাকে।
- হৃদপিন্ড বক্ষ গহ্বরে দুই ফুসফুসের মাঝখানে একই বাম দিকে অবস্থিত।
- মানব হৃদপিন্ড সম্পূর্ণভাবে চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।
- এর উপরের প্রকোষ্ঠ দুটি বাম ও ডান অলিন্দ এবং নিচের প্রকোষ্ঠ দুটি বাম ও ডান নিলয় নামে পরিচিত।
- নিলয় অলিন্দের তুলনায় আকারে বড়, প্রাচীর পুরু ও পেশিবহুল।
- প্রকোষ্ঠ বিভক্ত থাকলেও গোটা হৃদপিন্ড একটি একক হিসাবে কাজ করে এবং পেরিকার্ডিয়াম নামক পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে।
- হৃদপিন্ড এক বিশেষ ধরনের অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯১৭.
মেরুদণ্ড কতটি অস্থিখণ্ডক (vertebra) দ্বারা গঠিত?
  1. ৩০ 
  2. ২৯
  3. ৩৩
  4. ২৩ 
সঠিক উত্তর:
৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩
ব্যাখ্যা

মেরুদণ্ড (Vertebral column): 
- অ্যাটলাস অস্থি থেকে কক্কিক্স অস্থি পর্যন্ত বিস্তৃত দণ্ডাকৃতির যে গঠন মানবদেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ গঠন করে তাকে মেরুদণ্ড বা শিরদাঁড়া বলে। 
- ৩৩টি অসম আকৃতির সীমিত সঞ্চালনক্ষম অস্থিখণ্ডক সমন্বয়ে মেরুদণ্ড গঠিত, এ সকল অস্থিখণ্ডককে কশেরুকা (vertebra) বলে। 
- কশেরুকাগুলো কোমলাস্থি নির্মিত চাকতি দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকে। 
- এদের সিমফাইসিস স্থির অবস্থায় বা চলমান অবস্থায় এটি দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে। 

কশেরুকার প্রকারভেদ: 
- দেহের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানের ভিত্তিতে ৩৩টি কশেরুকাকে ৫টি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
(১) গ্রীবাদেশীয় (cervical) কশেরুকা- ৭টি, 
(২) বক্ষদেশীয় (thoracic) কশেরুকা- ১২টি, 
(৩) কটিদেশীয় (lumbar) কশেরুকা- ৫টি, 
(৪) শ্রোণিদেশীয় (sacral) কশেরুকা- ৫টি (একীভূত) ও 
(৫) পুচ্ছদেশীয় (coccygeal) কশেরুকা- ৪টি (একীভূত)। 
- পুচ্ছ অঞ্চলের ৪টি কশেরুকা একীভূত হয়ে যথাক্রমে ১টি স্যাক্রাম (sacrum) ও ১টি কক্কিক্স (coccyx) গঠন করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৯১৮.
এক্সরে এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. ক) এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।
  2. খ) সরল পথে গমন করে।
  3. গ) আলোর সমবেগে গমন করে।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
এক্সরের ধর্ম:
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে।
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে চেয়ে অনেক ছোট।
৫। এটি আলোর সমবেগে গমন করে।
৬। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে।
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১০,৯১৯.
টাংস্টেনের ল্যাটিন নাম কোনটি?
  1. Aurum
  2. Wolfram
  3. Ferrum
  4. Kalium
সঠিক উত্তর:
Wolfram
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wolfram
ব্যাখ্যা
- টাংস্টেনের ল্যাটিন নাম  হলো  Wolfram.
- এটি একটি মৌলিক পদার্থ যার চিহ্ন (Symbol) W. 
- এই মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৭৪ । 

অন্যদিকে, 
- গোল্ডের ল্যাটিন নাম হলো Aurum.
- আয়রনের ল্যাটিন নাম হলো Ferrum. 
- পটাশিয়ামের ল্যাটিন নাম হলো Kalium.

উৎস: রসায়ন, নবম - দশম শ্রেণি।
১০,৯২০.
পূর্ণ বয়স্ক ব্যক্তির শরীরে Amino Acid এর সংখ্যা-
  1. ক) ২২টি
  2. খ) ২০ টি
  3. গ) ১০ টি
  4. ঘ) ৮ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০ টি
ব্যাখ্যা
সাধারণত ২০ টি অ্যামিনো এসিড প্রোটিন গঠনে অংশগ্রহণ করে। এদেরকে বলা হয় প্রোটিন অ্যামিনো এসিড।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জীববিজ্ঞান।
মানব শরীরে ২০ টি অ্যামিনো এসিড রয়েছে, যা প্রোটিন গঠনে সহায়তা করে।
উৎসঃ ব্রিটানিকা।
১০,৯২১.
সমন্বিত বর্তনী বা আইসি কী? 
  1. এক ধরনের রোধক যন্ত্র 
  2. বিদ্যুৎ সরবরাহের উৎস 
  3. একটি পূর্ণ ইলেকট্রনিক বর্তনী যা মাইক্রো প্রযুক্তিতে তৈরি 
  4. শুধুমাত্র ট্রানজিস্টারের সমন্বয় 
সঠিক উত্তর:
একটি পূর্ণ ইলেকট্রনিক বর্তনী যা মাইক্রো প্রযুক্তিতে তৈরি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি পূর্ণ ইলেকট্রনিক বর্তনী যা মাইক্রো প্রযুক্তিতে তৈরি 
ব্যাখ্যা

সমন্বিত বর্তনী বা আই, সি (Integrated Circuits or IC): 
- ইলেকট্রনিক্সের একটি শাখা হলো মাইক্রোইলেকট্রনিক্স।
- মাইক্রোইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিক্স বর্তনী তৈরি করা যায় যেগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক্স সার্কিট (microelecrtonic circuit) বা ইনট্রিগ্রেটেড সার্কিট (integrated circuit) বা সমন্বিত বর্তনী বলে। 
- সমন্বিত বর্তনী বা আই, সি-এর মধ্যে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল যন্ত্রাংশ একত্রে মাইক্রো প্রযুক্তির সাহায্য তৈরি করা হয়।ফলে আলাদা আলাদা ট্রানজিস্টার, রোধ, ডায়োড ইত্যাদি পরস্পরের সাথে সংযোগ করে তৈরি করার দরকার হয় না। 
- সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সমন্বিত বর্তনীকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা- 
১। মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০টি উপাদান থাকে। 
২। বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০০টি উপাদান থাকে। 
৩। অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০,০০০টির অধিক উপাদান থাকে। 
- সমন্বিত বর্তনী ব্যবহারে সাধারণ ইলেকট্রনিক বর্তনী অপেক্ষা অনেক বেশি সুবিধা পাওয়া যায়। 
যেমন- 
১। সমন্বিত বর্তনী অতি উচ্চ মাত্রার নির্ভরযোগ্য বর্তনী। 
২। সাধারণ ইলেকট্রনিক বর্তনীর তুলনায় অত্যন্ত কম জায়গা দখল করে। 
৩। সমন্বিত বর্তনী ব্যবহার করলে সাধারণ ইলেকট্রনিক বর্তনীর চেয়ে অনেক কম খরচ পড়ে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৯২২.
n-টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরীর জন্য জার্মেনিয়াম এর সাথে অপদ্রব্য হিসেবে মেশানো হয়-
  1. আর্সেনিক
  2. বোরন
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আর্সেনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্সেনিক
ব্যাখ্যা
p- টাইপ অর্ধপরিবাহীঃ কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সামান্য পরিমাণ ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসেবে মেশানো
হলে, তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহী বলে। যেমন: বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
n-টাইপ অর্ধপরিবাহী : কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সামান্য পরিমাণ পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসেবে মেশানো
হলে তাকে n-টাইপ অর্ধপরিবাহী বলে। যেমন: ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১০,৯২৩.
কোনো সিস্টেমের বিশৃংখলার সূচক পরিমাপক -
  1. ক) কর্মদক্ষতা
  2. খ) এনট্রপি
  3. গ) সিস্টেম লস
  4. ঘ) এনথালপি
সঠিক উত্তর:
খ) এনট্রপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এনট্রপি
ব্যাখ্যা
এনট্রপি: কোনো সিষ্টেমের বিশৃঙ্খলা সূচক পরিমাপকে এন্ট্রপি বলে।
আমরা জানি, কোনো গ্যাসকে রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় সঙ্কুচিত করার সময় কিছু কাজ করা হয়।
ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। আবার রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় গ্যাসকে প্রসারিত হতে দিলে গ্যাসকে কিছু কাজ করতে হয়।
অন্তর্নিহিত শক্তির দ্বারা গ্যাস এই কাজ করে।
ফলে গ্যাসের অভ্যন্তরীণ শক্তি ও তাপমাত্রা উভয়েই হ্রাস পায়।
বিজ্ঞানী ক্লসিয়াস তাপগতিবিদ্যার দ্বিতীয় সূত্র নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় উপলব্ধি করেন যে, সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় যেমন তাপমাত্রা
স্থির থাকে, রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়াও তেমনি কোনো একটি রাশি স্থির থাকে।
ক্লসিয়াস এই রাশিটির নাম দেন এনট্রপি। 

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১০,৯২৪.
স্টার্টিং টর্ক বেশি কোন মোটরের?
  1. ক) সিরিজ মোটর
  2. খ) শান্ট মোটর
  3. গ) কম্পাউন্ড মোটর
  4. ঘ) সিনক্রোনাস মোটর
সঠিক উত্তর:
ক) সিরিজ মোটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সিরিজ মোটর
ব্যাখ্যা
মেশিনে টর্ক, T ∝ ΦIa
Φ = ফ্লাক্স
Ia = আর্মেচার কারেন্ট

সিরিজ মোটরে, ফ্লাক্স আর্মেচার কারেন্টের সমানুপাতিক।
Φ ∝ Ia
∴ টর্ক, T ∝ Ia × Ia
⇒ T ∝ Ia2

অর্থাৎ, ডিসি সিরিজ মোটরে টর্ক আর্মেচার কারেন্টের বর্গের সমানুপাতে পরিবর্তিত হয়। ফলে সিরিজ মোটরের স্টার্টিং টর্ক অন্যান্য মোটরের থেকে বেশী হয়।

উৎস: Electric Machinery Fundamentals by Stephen J. Chapman
১০,৯২৫.
নিচের কোন শক্তিকে গ্রীন শক্তি বলা হয়?
  1. তেল
  2. জলবিদ্যুৎ
  3. কয়লা
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
জলবিদ্যুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা
- 'জলবিদ্যুৎ' শক্তিকে গ্রীন শক্তি বলা হয়। 

শক্তির উৎস: 

- শক্তির উৎস প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা - 
১। নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তিকে বারবার ব্যবহার করা যায়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি পরিবেশ বান্ধব এবং এই শক্তিকে গ্রীন শক্তিও বলা হয়। 
- নবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে- 
• সৌর শক্তি, 
• জলবিদ্যুৎ, 
• বায়ু বিদ্যুৎ, 
• বায়োগ্যাস, 
• ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি। 

২। অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- অনবায়নযোগ্য শক্তিকে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। 
- প্রকৃতিতে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস সীমিত। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদনের খরচ বেশি এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ বান্ধব নয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উদাহরণ হচ্ছে- 
• কয়লা, 
• খনিজ তেল, 
• প্রাকৃতিক গ্যাস, 
• নিউক্লিয় শক্তি বা পারমাণবিক শক্তি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯২৬.
How many elements are found naturally in nature?
  1. 88
  2. 90
  3. 118
  4. 98
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
98
উত্তর
সঠিক উত্তর:
98
ব্যাখ্যা
মৌলিক পদার্থ: 
- এ পর্যন্ত ১১৮টি মৌলিক পদার্থ আবিষ্কৃত হয়েছে। 
- যার মধ্যে ৯৮টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। 
- আর বাকী ২০টি কৃত্রিমভাবে তৈরি মৌলিক পদার্থ। 
- প্রতিটি মৌলিক পদার্থেরই একটি নাম আছে। 
- আর এদেরকে সংক্ষিপ্ত ও সুবিধাজনকভাবে প্রকাশের জন্যই আলাদা প্রতীক ব্যবহার করা হয়। 
- প্রতীক সাধারণত মৌলের ল্যাটিন, গ্রিক বা ইংরেজি নামের একটি বা দুটি আদ্যক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১০,৯২৭.
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত তেজস্ক্রিয় মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা সাধারণত কত হয়?
  1. ১০২ এর বেশি
  2. ৮২ এর বেশি
  3. ৯৪ এর বেশি
  4. ৬৮ এর বেশি
সঠিক উত্তর:
৮২ এর বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২ এর বেশি
ব্যাখ্যা
- কোনো প্রাকৃতিক পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গমনের ঘটনা ঘটলে সেসব পদার্থকে প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলে।
- যেমন- ইউরেনিয়াম, রেডিয়াম, থোরিয়াম ইত্যাদি হলো প্রাকৃতিক তেজস্ক্রিয় মৌল।
- এসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা সাধারণত ৮২ বা তার থেকে বেশি হয়ে থাকে। 
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১০,৯২৮.
সমুদ্র পৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ কত?
  1. ৪০০ মিলিমিটার
  2. ৭৬০ মিলিমিটার
  3. ৫৪০ মিলিমিটার
  4. ৮৯০ মিলিমিটার
সঠিক উত্তর:
৭৬০ মিলিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬০ মিলিমিটার
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠের প্রতি একক জায়গায় বায়ুর গ্যাসের অনুগুলোর সংঘর্ষের ফলে প্রদত্ত বলই হলো বায়ুর চাপ।
- সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুর স্বাভাবিক চাপ ৭৬ সেন্টিমিটার বা ৭৬০ মিলিমিটার বা ২৯.৯২ ইঞ্চি পারদ স্তম্ভের সমান। 
- আদর্শ অবস্থায় বায়ুমণ্ডলের চাপ ১০১৩.২৫ মিলিবার (১০১,৩২৫ প্যাসকেল) বা ৭৬০ পারদ মি.মি., ২৯.৯২ পারদ ইঞ্চি, বা ১৪.৬৯৬ পাউন্ড/ইঞ্চি২।
- এটিএম (atm) এককটি পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের গড় বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সমতুল্য অর্থাৎ পৃথিবীর সমুদ্রপৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলীয় চাপ প্রায় ১ এটিএম। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১০,৯২৯.
প্রাপ্তবয়স্কদের ক্যালসিয়ামের অভাবে কোন রোগ হয়?
  1. রক্তশূন্যতা 
  2. অস্টিওম্যালেসিয়া
  3. রাতকানা 
  4. স্কার্ভি 
সঠিক উত্তর:
অস্টিওম্যালেসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্টিওম্যালেসিয়া
ব্যাখ্যা

ক্যালসিয়াম (Ca): 
- এটি প্রাণীদের হাড় এবং দাঁতের একটি প্রধান উপাদান।
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম।
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে।
- রক্তে এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি লক্ষণীয়।
- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, পালংশাক, কচুশাক, লালশাক, কলমিশাক, বাঁধাকপি এবং ফল।
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি।
- ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিন্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে।
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়।
- এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৯৩০.
ক্রোমোসোমের প্রধান এবং স্থায়ী উপাদান নিম্নের কোনটি?
  1. ক) আরএনএ
  2. খ) ডিএনএ
  3. গ) ইউরাসিল
  4. ঘ) আরএনএ ও হ্যালিক্স
সঠিক উত্তর:
খ) ডিএনএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডিএনএ
ব্যাখ্যা
ডিএনএ (DNA)
- Deoxyribo Nucleic Acid (DNA) হলো ক্রোমোসোমের প্রধান এবং স্থায়ী উপাদান
- ক্রোমোসোমের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ডিএনএ এর পরিমাণ হচ্ছে ৪৫%। এটি ৯০% ক্রোমোসোমে থাকে।
- DNA একটি পলিমার। এর একককে নিউক্লিয়োটাইড বলে।
- নিউক্লিয়োটাইডের তিনটি উপাদান থাকে। যথা- পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ স্যুগার, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, থায়ামিন, সাইটোসিন) এবং ফসফরিক অ্যাসিড।
- রাইবোজ স্যুগারের ২নং কার্বনে একটি অক্সিজেন অণু কম থাকায় একে Deoxyribo' বলা হয়।
- এতে ফসফরিক অ্যাসিড আছে তাই প্রকৃতিগতভাবে এটি একটি অ্যাসিড। একে যেহেতু নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায় তাই সামগ্রিকভাবে একে ‘Deoxyribo Nucleic Acid (DNA)' বলে।
- অনেকগুলো নিউক্লিয়োটাইড একত্রে তৈরি করে পলিনিউক্লিয়োটাইড।
- DNA দ্বিসূত্রক এবং সর্পিলাকার। একটি সূত্র অন্যটির পরিপূরক। সূত্র দুটি নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ক্ষারক দ্বারা আবদ্ধ।
- একটি সূত্রের অ্যাডিনিন অন্য সূত্রের একইস্থানে অবস্থিত থাইমিনের সাথে দুটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা যুক্ত থাকে।
- আবার একটি সূত্রের গুয়ানিন অপর সূত্রের সাইটোসিনের সাথে তিনটি হাইড্রোজেন বন্ধনী দ্বারা যুক্ত থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৩১.
মোম-এর মূল উপাদান কী?
  1. হাইড্রোকার্বন
  2. কার্বন
  3. মিথেন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোকার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোকার্বন
ব্যাখ্যা
মোমের তিন অবস্থা: 
- মোম হলো বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ। 
- হাইড্রোজেন এবং কার্বন মিলে গঠিত জৈব যৌগই হলো হাইড্রোকার্বন। 
- মোমের প্রজ্বলনে মোমের কঠিন, তরল এবং গ্যাসীয় এই তিনটি অবস্থাই দেখা যায়। 
- মোম বাতিতে মোমের মধ্যে একটি সুতা থাকে। এ সুতাতে আগুন জ্বালালে সুতার চারদিকে হাইড্রোকার্বন অণুগুলো তাপে গলে তরলে পরিণত হয়। অর্থাৎ কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় পরিণত হয়। 
- ঐ তরল মোম আগুনের তাপে প্রথমে বাষ্পে পরিণত হয়। অতপর ঐ বাষ্পীয় মোম বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই-অক্সাইড, জলীয় বাষ্প, আলো এবং তাপ উৎপন্ন করে। তরল মোমের কিছু অংশ ঠান্ডা হলে তা কঠিন মোমে পরিণত হয়। 
- অর্থাৎ তাপের প্রভাবে মোমের কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় এই তিন অবস্থারই অস্তিত্ব পাওয়া যায়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৩২.
'রিং স্পট (Ring spot)' রোগটি কোন ফলে দেখা যায়?
  1. ক) আম
  2. খ) পেঁপে
  3. গ) কলা
  4. ঘ) লিচু
সঠিক উত্তর:
খ) পেঁপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পেঁপে
ব্যাখ্যা
রিং স্পট রোগটি পেঁপের মাঝে দেখা যায়।

- রিং স্পট ভাইরাস দ্বারা পেঁপের রিংস্পট রোগ হয়।
- ভাইরাস টি সাধারণত পাপায়য়া রিংস্পট ভাইরাস নাম পরিচিত।
- এটি ৭৬০-৮০০ নেনোমিটার লম্বা এবং এর ব্যাস ১২ নেনোমিটার।
- পেঁপে ছাড়াও এ ভাইরাস কুমড়া জাতীয় উদ্ভিদে মোজাইক রোগের সৃষ্টি করে।
- ক্যাপসিডের বাইরে এর কোন আবরণ নেই।এটি একটি আর.এন.এ ভাইরাস। 

রোগের লক্ষণসমূহ- 
১) উদ্ভিদ জন্মের সাথে সাথে এ রোগের সংক্রমণ ঘটতে পারে । সংক্রমণের ৩০-৪০ দিন এর মধ্যেই প্রথম রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় ।
2) ক্লোরপ্লাস্ট নষ্ট হয়ে পাতায় হলদে-সবুজ মোজাইকের মতো দাগ পড়ে ।
৩) কান্ড পাতার বোঁটা ও ফলে তৈলাক্ত বা পানি সিক্ত গাঢ় সবুজ দাগ সৃষ্টি হয়।
৪) অপেক্ষাকৃতো কম বয়সের পাতায়ই রোগের লক্ষণ প্রথম প্রকাশ পায় ।
৫) আক্রমণ বেশী হলে পাতায় বহুল পরিমানে মোজায়িক সৃষ্টি হয়,পাতা আকৃতিতে ছোট ও কুকড়ে যায়,গাছের মাথায় বিকৃত আকৃতির ক্ষুদ্রাকায় কিছু পাতা লক্ষ্য করা যায়।অন্যান্য পাতা ঝরে পড়ে।কখনো কখনো পাতার কেবল শিরাগুলো থাকে।
৬) আক্রান্ত ফলের উপর পানি ভেজা গোলাকার দাগ পড়ে এবং দাগের মধ্যবর্তী স্থান শক্ত হয়ে যায়।
৭) পেঁপে হলুদ হয়ে যায়,রিংস্পট লক্ষণ প্রকাশিত হয়,আকর ছোট হয়ে যায়।অনেক সময় পুষ্ট হবার আগেই ঝরে যায় ।
৮) পেঁপের মিষ্টতা ও পেপেইন হ্রাস পায় ।
৯) ফলন শতকরা ৯০ ভাগ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে ।

সূত্র: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র (উদ্ভিদবিজ্ঞান), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৩৩.
কোনো রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে, তার বিক্ষেপণ কেমন হবে? 
  1. কম 
  2. বেশি 
  3. মধ্যম 
  4. অনির্ধারিত
সঠিক উত্তর:
কম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম 
ব্যাখ্যা

- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি হবে, তার বিক্ষেপণ তত কম হবে । উদাহরণস্বরূপ, লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এর বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম হয়, একারণেই দূর থেকে স্পষ্টভাবে দেখার জন্য ট্রাফিক সিগন্যাল বা বিপদ সংকেতে লাল আলো ব্যবহার করা হয়। 

আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য: 
- দৃশ্যমান আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম যথাক্রমে বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল। 
- আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়, আবার আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়। 
- লাল রঙের আলাের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম। 
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম। 
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশি। 
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১০,৯৩৪.
সবুজ উদ্ভিদ কোন প্রক্রিয়ায় বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন ছাড়ে?
  1. পরাগায়ন
  2. খাদ্যচক্র
  3. সালোকসংশ্লেষণ
  4. নাইট্রোজেন চক্র
সঠিক উত্তর:
সালোকসংশ্লেষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালোকসংশ্লেষণ
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ: 
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে। 
অর্থাৎ সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন ছাড়ে। 
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কাবন ডাইঅক্সাইড বিজারিত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।

উৎস:  উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৩৫.
গ্যালভানাইজিং প্রক্রিয়ায় নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) নিকেল
  2. খ) জিংক
  3. গ) ক্রোমিয়াম
  4. ঘ) তুঁতে
সঠিক উত্তর:
খ) জিংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জিংক
ব্যাখ্যা

- লোহার তৈরি জিনিসের ওপর জিংকের প্রলেপ দেওয়াকে বলা হয় গ্যালভানাইজিং। গ্যালভানাইজিং এর উদ্দেশ্য হলো লোহার জিনিসকে মরিচার হাত থেকে রক্ষা করা।
- ধাতুর তৈরি জিনিসপত্রের ক্ষয় রোধের জন্য তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির সাহায্যে একটি ধাতুর ওপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং। সাধারণত নিকেল ব ক্রোমিয়াম ধাতু এই প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি

১০,৯৩৬.
রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ এনজাইম ব্যবহার করা হয় -
  1. স্মল পক্স এর ভ্যাকসিন তৈরিতে
  2. DNA অণুকে কাঁটতে
  3. DNA অণু জোড়াদানে
  4. সব ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
DNA অণুকে কাঁটতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DNA অণুকে কাঁটতে
ব্যাখ্যা
রিকম্বিনেট ডিএনএ টেকনলজি
-জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ - প্রত্যাশিত DNA অনুকে ছেদন।
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে কেটে আলাদা করা হয়।
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ এনজাইম ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে। যথা- Eco RI, Hind III, Bam HI ইত্যাদি।
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজান অংশকে অসমভাবে কেঁটে দেয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর জীব বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত)।
১০,৯৩৭.
অপরিশোধিত তেলকে ব্যবহার উপযোগী করার জন্য নিচের কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) পাতন
  2. খ) কেলাসন
  3. গ) আংশিক পাতন
  4. ঘ) বাষ্পীভবন
সঠিক উত্তর:
গ) আংশিক পাতন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আংশিক পাতন
ব্যাখ্যা
পেট্রোলিয়ামের উপাদানসমূহ ও তাদের পৃথকীকরণ:
- পেট্রোলিয়াম সাধারণত 5000 ফুট বা তার চেয়েও গভীরে শিলা স্তরের মধ্যে পাওয়া যায়।
- পেট্রোলিয়ামের সাথে অনেক সময় প্রাকৃতিক গ্যাস থাকে যা পেট্রোলিয়ামের উপরিভাগে চাপ প্রয়োগ করে।
- কূপ খনন করা হলে এই প্রাকৃতিক গ্যাস পেট্রোলিয়ামকে ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগে উঠে আসতে সাহায্য করে।
- যে পেট্রোলিয়াম খনি থেকে সরাসরি পাওয়া যায় তাকে অপরিশোধিত তেল (Crude Oil) বা পেট্রোলিয়াম বলে।
- অপরিশোধিত তেল অস্বচ্ছ কখনো কখনো সালফারের কিছু কিছু যৌগ থাকার কারণে দুর্গন্ধযুক্ত হয়।
- পেট্রোলিয়াম মূলত বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ এবং সরাসরি ব্যবহার উপযোগী নয়।
- অপরিশোধিত তেল আংশিক পাতন পদ্ধতিতে স্ফুটনাঙ্কের উপর ভিত্তি করে পৃথক করা হয়

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১০,৯৩৮.
ড্রাই আইস তৈরীতে কোন গ্যাসের প্রয়োজন হয়?
  1. ক) NH2
  2. খ) CO2
  3. গ) H2
  4. ঘ) H2O
সঠিক উত্তর:
খ) CO2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) CO2
ব্যাখ্যা
শুষ্ক বরফ:

- শুষ্ক বরফ বা ‘ড্রাই আইস' হলো জমাট বা হিমায়িত কার্বন-ডাই-অক্সাইড।
- এ কঠিনীকৃত কার্বন-ডাই-অক্সাইড -78.5°C উষ্ণতায় কঠিন অবস্থা থেকে তরল না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয়।
- তাই এর নাম শুষ্ক বরফ বা ড্রাই আইস।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৩৯.
কোন রঞ্জক পদার্থের জন্য টমেটো লাল রঙের হয়?
  1. ক) এরিথ্রিন
  2. খ) লাইকোপেন
  3. গ) জ্যান্থফিল
  4. ঘ) ফাইকোসায়ানিন
সঠিক উত্তর:
খ) লাইকোপেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাইকোপেন
ব্যাখ্যা
ক্রোমোপ্লাস্ট ফুলের পাপড়ি ও ফলের ত্বকে বিভিন্ন বর্ণবৈচিত্র সৃষ্টি করে৷ ক্রোমোপ্লাস্টে লাল, কমলা ও হলুদ বর্ণের ক্যারোটিনয়েড নামক রঞ্জক পদার্থ থাকে৷ টমেটোর যে লাল রঙ তা ক্রোমোপ্লাস্টের লাইকোপেন নামক রঞ্জক পদার্থের জন্য হয়ে থাকে৷
ক্লোরোপ্লাস্টে সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল নামক রঞ্জক পদার্থ থাকায় সবুজ বর্ণ ধারন করে৷
উদ্ভিদের যেসব অংশে আলো পৌঁছায় না, সেসব অংশের কোষে লিউকোপ্লাস্টিড থাকে৷
উৎসঃ বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১০,৯৪০.
প্রোটিন সংশ্লেষণ করা কোনটির প্রধান কাজ?
  1. ক) ক্লোরোপ্লাস্ট
  2. খ) লাইসোজোম
  3. গ) নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) রাইবোজোম
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাইবোজোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাইবোজোম
ব্যাখ্যা
রাইবোজোমের প্রধান কাজ হলো প্রোটিন সংশ্লেষণ করা। এজন্য রাইবোজোমকে প্রোটিন ফ্যাক্টরি বলা হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৪১.
মানুষের শরীরে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে ভিটামিন 'ডি' তৈরির শেষ ধাপটি কোথায় সম্পন্ন হয়?
  1. অন্ত্রে
  2. ত্বকে
  3. যকৃতে
  4. কিডনিতে
সঠিক উত্তর:
কিডনিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিডনিতে
ব্যাখ্যা
রিকেটস (Rikets): 
- এটি কোনো ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ নয়, ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে এ রোগ হয়। 
- অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণ, দাঁত ও হাড় গঠন প্রভৃতি শারীরবৃত্তীয় কাজে এই ভিটামিন প্রয়োজন। 
- দুধ, মাখন, ডিম, কডলিভার তেল ও হাঙ্গরের তেলে প্রচুর ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়। 
- সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে মানুষের ত্বকে জমা থাকা কোলেস্টেরল থেকেও এটি তৈরি হয়, তবে সেক্ষেত্রে ভিটামিন ডি তৈরির শেষ ধাপটি সংঘটিত হয় কিডনিতে। 

- দেহের হাড়গুলো দুর্বল হওয়া, গিঁট ফুলে যাওয়া, হাড়গুলো বিশেষ করে পায়ের হাড় বেঁকে যাওয়া ইত্যাদি এ রোগের লক্ষণ। 
- এছাড়া এই রোগে অনেক সময় দেহের কাঠামো ঠিক থাকে না, হাড়গুলো ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং বক্ষদেশ সরু হয়ে যায়। 
- শিশুদের পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন 'ডি' সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হবে। 
- চোখ এবং জননাঙ্গ ঢেকে রেখে নবজাতককে কিছুক্ষণ রোদে রাখা ভালো। এতে সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মির প্রভাবে শরীরে কোলেস্টেরল থেকে ভিটামিন 'ডি' তৈরি হয়। 
- নিয়মিতভাবে সারা শরীর সারা দিন কালো বা গাঢ় রঙের কাপড়ে ঢেকে রাখলে কিংবা দীর্ঘদিন ধরে ঘরের বাইরে না বের হলে ত্বক পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় না এবং এ কারণে ভিটামিন 'ডি'-এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৪২.
উচ্চতর জৈব এসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবন কে কি বলা হয়?
  1. বেকিং সোডা
  2. কস্টিক পটাশ
  3. গ্রিজ
  4. সাবান
সঠিক উত্তর:
সাবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবান
ব্যাখ্যা
সাবান:  সাবান হলো উচ্চতর জৈব এসিডের  (যেমন: স্টিয়ারিক এসিড, পামিটিক এসিড)  সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ।
- এটি পানিতে দ্রবীভূত হয়ে ময়লা ও তেল অপসারণ করে।


• সাবান তৈরির রাসায়নিক বিক্রিয়া কে বলা হয় স্যাপোনিফিকেশন।
- এ প্রক্রিয়া তে জৈব এসিডের সাথে ক্ষারের ক্রিয়ায় সাবান তৈরি হয়। 
বিক্রিয়াটি হলো:
                       জৈব এসিড বা স্টিয়ারিক এসিড (C₁₇H₃₅COOH ) + NaOH → C17H35COONa (সোডিয়াম স্টিয়ারেট) + H2O
- এখানে সোডিয়াম স্টিয়ারেট হলো সবানের রাসায়নিক নাম। 

অন্যদিকে, 
বেকিং সোডা: এটির রাসায়নিক নাম হলো সোডিয়াম বাইকার্বনেট (NaHCO₃)।  এটি খাদ্য প্রস্তুতিতে ব্যবহার হয়।

কস্টিক পটাশ: এটির রাসায়নিক নাম হলো পটাশিয়াম হাইড্রক্সাইড (KOH)।  এটি সাবান তৈরির জন্য ব্যবহার হয়, কিন্তু এটি সাবান নয়। 

গ্রিজ: এটি একধরনের ঘন পিচ্ছিল পদার্থ। এটি সাধারণত লুব্রিক্যান্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।


তথ্যসূত্র:
-  রসায়ন ,  নবম-দশম শ্রেণী। 
- রসায়ন ২য় পত্র,  একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
১০,৯৪৩.
পাকস্থলীতে খাদ্যদ্রব্য হজমের জন্য কোন এসিড অত্যাবশ্যক?
  1. সালফিউরিক এসিড
  2. নাইট্রিক এসিড
  3. কার্বোলিক এসিড 
  4. হাইড্রোক্লোরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোক্লোরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোক্লোরিক এসিড
ব্যাখ্যা

- পাকস্থলীতে খাদ্যদ্রব্য হজমের জন্য হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

এসিডের ব্যবহার: 
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং শিল্প কারখানায় এসিডের ব্যবহার অনস্বীকার্য। 
যেমন- 
• সোনার গহনা তৈরির সময় নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়। 
• আইপিএস, গাড়ি, মাইক বাজানোর সময়, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• বাসাবাড়িতে সাপের উপদ্রব কমানোর জন্য কার্বোলিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• আমাদের খাদ্যদ্রব্য হজম করার জন্য পাকস্থলীতে যে এসিড অত্যাবশ্যকীয় তা হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড। 
• সার কারখানায় অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড। 
• এছাড়া ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে নানারকম রং, ঔষধপত্র, কীটনাশকসহ পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক ও রেয়ন তৈরিতে প্রচুর সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• কোনো একটি দেশ কতটা শিল্পোন্নত তা বিচার করা হয় ঐ দেশ কতটুকু সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে। 
• ইস্পাত তৈরির কারখানা, ঔষধ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি অনেক শিল্পে হাইড্রোক্লোরিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির সাথে নাইট্রিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১০,৯৪৪.
বাংলাদেশের উপর দিয়ে যে ভৌগোলিক কাল্পনিক রেখা গেছে তার নাম কি?
  1. ক) দ্রাঘিমা রেখা
  2. খ) বিষুব রেখা
  3. গ) কর্কটক্রান্তি রেখা
  4. ঘ) মকর রেখা
সঠিক উত্তর:
গ) কর্কটক্রান্তি রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কর্কটক্রান্তি রেখা
ব্যাখ্যা
কর্কটক্রান্তি রেখা:

- বাংলাদেশ ট্রপিক অব ক্যানসার বা কর্কটক্রান্তি রেখার উপর অবস্থিত।
- সাড়ে ২৩° উত্তর অক্ষরেখা কর্কটক্রান্তি রেখা নামে পরিচিত।
- কর্কটক্রান্তি রেখা বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম বরাবর প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে।
-বাংলাদেশের উপর দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমারেখা অতিক্রম করেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১০,৯৪৫.
কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন ও কাজ নিয়ে জীববিজ্ঞানের কোন শাখায় আলোচনা করা হয়?
  1. Physiology
  2. Embryology
  3. Morphology
  4. Cytology
সঠিক উত্তর:
Cytology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cytology
ব্যাখ্যা

জীববিজ্ঞানের বিশেষ শাখা:
- জীবের তথা জীববিজ্ঞানের কোন দিকটি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করে জীববিজ্ঞানকে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত করা হয়ে থাকে।
- এখানে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য শাখার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি দেয়া হলো-
অঙ্গসংস্থান (Morphology):
- এ শাখায় জীবের গঠন বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বাহ্যিক গঠনকে বহিঃঅঙ্গসংস্থান (External morphology) এবং অভ্যন্তরীণ গঠনকে অন্তঃঅঙ্গসংস্থান (Internal morphology) বলে।

শারীরবিদ্যা (Physiology):
- জীবের শ্বসন, রেচন, প্রজনন, পরিপাক ও আত্তীকরণ, সবুজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণ এসব জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়াসমূহ এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

ভ্রূণবিদ্যা (Embryology):
- ভ্রূণ সৃষ্টি ও বিকাশের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবের সৃষ্টি হয়।
- জীবের ভ্রূণ গঠন ও বিকাশ নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

কোষবিদ্যা (Cytology):
- জীবদেহের গঠন ও কার্যের একক হলো কোষ।
- কোষ ও কোষাঙ্গাণুর গঠন, কাজ ও বিভাজন সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়

বংশগতিবিদ্যা (Genetics):
- মাতা-পিতার বৈশিষ্ট্য সন্তানে স্থানান্তরিত হয়।
- বংশগতির এ ধারা সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

বাস্তুবিদ্যা (Ecology):
- জীবসমূহ যে পরিবেশে বাস করে সেই পরিবেশ এবং সেই পরিবেশের সাথে ঐ জীবসমূহের আন্তঃসম্পর্ক সম্বন্ধে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

বিবর্তন (Evolution):
- আদি কালের অনেক জীবই বর্তমান কালের জীবসমূহ থেকে অন্য রকম ছিল, কালের বিবর্তনের মাধ্যমে বর্তমান পর্যায়ে এসেছে।
- জীবসমূহের সূচনা ও বিবর্তন নিয়ে এ শাখায় আলোচনা করা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৯৪৬.
কোন মাধ্যম দিয়ে শব্দ সবচেয়ে দ্রুতগতিতে যায়?
  1. শূন্যতায়
  2. পানিতে
  3. বাতাসে
  4. লোহায়
সঠিক উত্তর:
লোহায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহায়
ব্যাখ্যা

- লোহা মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি।

শব্দের বেগ: 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ।
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়।
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়।
- তরল  পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়। 
- বায়োবীয় পদার্থে সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৯৪৭.
তাপ সঞ্চালনের দ্রুততম প্রক্রিয়া কোনটি?
  1. ক) পরিবহন
  2. খ) পরিচলন
  3. গ) বিকিরণ
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) বিকিরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিকিরণ
ব্যাখ্যা
তাপ সঞ্চালন হয় তিন প্রক্রিয়ায়।
১) পরিবহন,
২) পরিচলন,
৩) বিকিরণ।
পরিবহন এবং পরিচলন প্রক্রিয়ায় তাপ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়, এবং এই দুই পদ্ধতিতে মাধ্যমকে উত্তপ্ত করে তাপ সঞ্চালন করতে হয়।
কিন্তু বিকিরণ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালনে মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। সূর্য থেকে তাপ পৃথিবীতে এভাবেই আসে। তাই বলা যায় তাপ সঞ্চালনের দ্রুততম প্রক্রিয়া হচ্ছে বিকিরণ।
১০,৯৪৮.
পৃথিবীতে আবিস্কৃত মৌলের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১১৮ টি
  2. ২০ টি
  3. ৯৮ টি
  4. ১০৮ টি
সঠিক উত্তর:
১১৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮ টি
ব্যাখ্যা
মৌল বা মৌলিক পদার্থ: 
- পৃথিবীতে অসংখ্য পদার্থগুলোর মধ্যে কতগুলো পদার্থ আছে যেগুলোকে ভেঙে যত ক্ষুদ্র কণাতে পরিনত করা হোক না কেন প্রত্যেক ক্ষুদ্র কণাতেই ঐ পদার্থের ধর্ম ও গুণাগুণ বিদ্যমান থাকে। 
- যে পদার্থগুলোকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে ঐ পদার্থ ছাড়া অন্য কোন ধর্ম বিশিষ্ট পদার্থ পাওয়া যায় না তাদেরকে মৌলিক পদার্থ বা সংক্ষেপে মৌল বলা হয়। 
- পৃথিবীতে বর্তমানে আবিস্কৃত মৌলের সংখ্যা ১১৮টি, এর মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া যায় প্রায় ৯৮টি মৌল, বাকি মৌলগুলো কৃত্রিমভাবে ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা হয়েছে।
যেমন- হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, কার্বন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম বা হিলিয়াম এগুলো সব মৌলিক পদার্থ। 
- এই মৌলিক পদার্থগুলোকে প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
যেমন- হাইড্রোজেনের প্রতীক H, আবার সোডিয়ামের প্রতীক Na। 
- প্রতিটি মৌলিক পদার্থের নির্দিষ্ট পারমাণবিক সংখ্যা ও ভরসংখ্যা রয়েছে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৪৯.
কোন রশ্মির সাহায্যে আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি নির্ণয় করা যায়? 
  1. বিটা রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. রঞ্জন রশ্মি
  4. গামা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
এক্সরে (X-ray): 
- নলের যে অংশে ক্যাথোড রশ্মি আপতিত হয় সে অংশ থেকে সবুজাভ হলুদ রং-এর আলোর আভা ছাড়াও এক প্রকার অদৃশ্য রশ্মি বিকিরিত হচ্ছে। 
- এই অদৃশ্য রশ্মির প্রকৃত নাম না জানা থাকায় প্রফেসর রঞ্জন এর নামকরণ করেন এক্সরে (X-Rays)। একে রঞ্জন রশ্মিও বলে। 
- ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনিত হন যে, অধিক গতিসম্পন্ন ইলেকট্রনগুলো কোনো ধাতুর প্রতিবন্ধকে বাধা পেলে গতিশক্তি হারায় এবং এই গতিশক্তি এক্সরেতে রূপান্তরিত হয়। 
- এক্সরের একক হলো রন্টজেন। 
- যে পরিমাণ বিকিরণের জন্য স্বাভাবিক চাপ ও তাপমাত্রায় এক মিলিলিটার বায়ুতে এক কুলম্ব আধান উৎপন্ন করতে পারে তাকে এক রন্টজেন বলে। 

এক্সরের ধর্ম: 
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে। 
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ। 
৪ । এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক ছোট। 
৫। এটি আলোর সমবেগে অর্থাৎ 3×108ms-1 বেগে গমন করে। 
৬। আলোর ন্যায় প্রতিফলন, প্রতিসরণ, অপবর্তন এবং পোলারণ ঘটে। 
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে। 
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। 
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই। 
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে। 
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে। 
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক। 
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে। 

শিল্প ক্ষেত্রে: 
- শিল্প ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে। 
যেমন- 
• আসল ও নকল রত্নের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়, 
• ঢালাই করা ধাতুর ভিতরের ত্রুটি নির্ণয়, 
আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি নির্ণয়
• ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার সন্ধান করা, 
• ঝালাই-এর ত্রুটি নির্ণয়, 
• মূল্যবান ধাতুর বিশুদ্ধতা নির্ণয় ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়, 
• টফি, লজেন্সে কোনো ক্ষতিকর বস্তু আছে কিনা তা সনাক্ত করার জন্য এবং টফি, লজেন্স, সিগারেট ইত্যাদির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের জন্যও এক্সরে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৫০.
এক ফ্যারাডে = ________ C তড়িৎ চার্জ।
  1. 69500
  2. 96500
  3. 98500
  4. 89500
সঠিক উত্তর:
96500
উত্তর
সঠিক উত্তর:
96500
ব্যাখ্যা
ফ্যারাডে (Faraday): 
- এক মোল পরিমাণ ইলেকট্রনের চার্জকে 96500 কুলম্ব ধরা হয়। 
- মোল পরিমাণ তড়িৎ চার্জকে এক ফ্যারাডে বলা হয়। 
- ফ্যারাডের প্রতীক হলো F. 
- এক ফ্যারাডে = 96500 C তড়িৎ চার্জ। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. হাজারী ও নাগ)।
১০,৯৫১.
স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকা ধাতু কোনটি?
  1. পারদ
  2. সোডিয়াম
  3. কপার
  4. ব্রোমিন
সঠিক উত্তর:
পারদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারদ
ব্যাখ্যা
পারদ: 
'পারদ' একমাত্র ধাতু যা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। 
- এর পারমাণবিক সংখ্যা ৮০ । 
- পারদের গলনাঙ্ক প্রায় ৩৮.৮৩° সেলসিয়াস। 
- তাই এটি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল অবস্থায় থাকে। 

অন্যদিকে, 
- সাধারণ তাপমাত্রায় ব্রোমিন তরল অবস্থায় বিদ্যমান থাকে। 
- কিন্তু ব্রোমিন একটি অধাতু। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৫২.
বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের অবস্থানের কারণে কোন ধরনের বায়ু নিয়মিত প্রবাহিত হয়?
  1. ক) সমুদ্র বায়ু
  2. খ) মৌসুমি বায়ু
  3. গ) স্থল বায়ু
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের অবস্থানের কারণে সমুদ্র ও স্থলবায়ু নিয়মিত প্রবাহিত হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই
১০,৯৫৩.
তাপ সঞ্চালনের কোন প্রক্রিয়ায় বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হয়?
  1. পরিবহন
  2. পরিচলন
  3. বিকিরণ
  4. বাষ্পীভবন
সঠিক উত্তর:
পরিচলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিচলন
ব্যাখ্যা
পরিচলনঃ যে পদ্ধতিতে তাপ কোন পদার্থের অণুগুলোর চলাচলের দ্বারা উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশে সঞ্চালিত হয় তাকে পরিচলন বলে।
১. তাপের পরিচলন এর জন্য জড় মাধ্যমের প্রয়োজন হয়
২. কঠিন পদার্থে তাপের পরিচলন সম্ভব নয়
৩. তরল ও বায়বীয় পদার্থে মূলত এই পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়
৪. এটি পরিবহন এর চেয়ে অপেক্ষাকৃত দ্রুত পদ্ধতি
উদাহরণঃ একটি পানিভর্তি কাচের পাত্রে তাপ দিলে ক্রমাগত উষ্ণ পানি উপরে উঠে যায় এবং শীতল পানি নিচে নেমে আসে। এভাবে সমস্ত পানি উত্তপ্ত হয়।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৫৪.
অভিকর্ষজ ত্বরণ কোনটির উপর নির্ভর করে?
  1. ক) পৃথিবীর ভর
  2. খ) পৃথিবীর ব্যাসার্ধ
  3. গ) বস্তুর উচ্চতা
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষজ ত্বরণ, g = GM/R2

G = মহাকর্ষীয় ধ্রুবক, এর মান হচ্ছে 6.673 × 10-11 Nm2kg-2
M = পৃথিবীর ভর
R = পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে বস্তুর উচ্চতা (বস্তুটি পৃথিবীর পৃষ্ঠে থাকলে দূরত্ব হবে পৃথিবীর ব্যাসার্ধের সমান)।

অতএব, অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ভর করে  পৃথিবীর ভর, পৃথিবীর ব্যাসার্ধ,  বস্তুর উচ্চতা সবগুলোর উপর।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১০,৯৫৫.
উদ্ভিদ কোন পুষ্টি উপাদান বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে? 
  1. আয়রন 
  2. কার্বন 
  3. সালফার 
  4. হাইড্রোজেন 
সঠিক উত্তর:
কার্বন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন 
ব্যাখ্যা

পুষ্টি উপাদানের উৎস: 
- উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদানগুলোর মধ্যে কার্বন (C) ও অক্সিজেন (O) বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে। 
- হাইড্রোজেন (H) ও অক্সিজেন (O) পানি থেকে গ্রহণ করে। 
- অন্য সব উপাদান মাটি থেকে মূলের সাহায্যে শোষণ করে। 
- এ উপাদানগুলো মাটিতে বিভিন্ন লবণ হিসেবে থাকে কিন্তু এগুলোকে উদ্ভিদ সরাসরি শোষণ করতে পারে না। 
- এরা বিভিন্ন আয়ন হিসেবে শোষিত হয়। 
যেমন- Ca++, Mg++, NH4+, NO3-, K+ ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৯৫৬.
নিচের কোন ধাপটি শ্রেণিবিন্যাসের আন্তর্জাতিক কোড চিহ্নিত নয়?
  1. ক) সুপার কিংডম
  2. খ) ফ্যামিলি
  3. গ) গণ
  4. ঘ) বর্গ
সঠিক উত্তর:
ক) সুপার কিংডম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুপার কিংডম
ব্যাখ্যা

একটি জীবকে প্রজাতি পর্যায়ে বিন্যাসে মূলত আন্তর্জাতিক কোড চিহ্নিত সাতটি ধাপ আছে।
যথাঃ ১) রাজ্য (Kingdom)
২) পর্ব (Phylum)
৩) শ্রেণি (Class)
৪) বর্গ (Order)
৫) গোত্র (Family)
৬) গণ (Genus)
৭) প্রজাতি (species)


উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১০,৯৫৭.
শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় শ্বসনের কয়টি পর্যায় থাকে? 
  1. তিনটি
  2. দুইটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইটি
ব্যাখ্যা
শ্বসন: 
- যে শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ায় প্রাণী বিরামহীনভাবে পরিবেশ থেকে অক্সিজেন (O2) গ্রহণ করে, সে অক্সিজেনের সাহায্যে কোষ মধ্যস্থ সরল খাদ্যকে জারিত করে খাদ্যস্থিত স্থিতিশক্তিকে গতিশক্তিতে রূপান্তর করে এবং এতে উৎপন্ন কার্বন ডাই-অক্সাইডকে (CO2) দেহ হতে ত্যাগ করে তাকে শ্বসন (Respiration) বলে।
- শ্বসনের দুইটি পর্যায় থাকে। 
যথা- ১। বহিঃশ্বসন (External respiration) ও ২। অন্তঃশ্বসন (Internall respiration) । 

- ফুসফুসের অ্যালভিওলাসের বায়ুর সাথে ফুসফুসীয় রক্ত জালিকার মধ্যে প্রশ্বাস ও নিশ্বাসের সময় যে গ্যাসীয় আদান প্রদান হয় তাকে বহিঃশ্বসন বলে। 
- অপরদিকে রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন (O2) দেহের কলাকোষে প্রবেশ করে কোষস্থ খাদ্যের সাথে বিক্রিয়া করে শক্তি, কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) ও পানি উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে অন্তঃশ্বসন বলে। 
- এতে নিম্নের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে- 

- যে সকল অঙ্গ সম্বিলিতভাবে দেহ ও প্রকৃতির মধ্যে শ্বসন গ্যাস (O2 ও CO2) বিনিময় প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে তাদের সমষ্টিকে শ্বসনতন্ত্র বলে। 
- শ্বসনতন্ত্র রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং বিপাকে সৃষ্ট গ্যাসীয় বর্জ্য অপসারণ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৫৮.
সরিষা কোন ধরণের উদ্ভিদ?
  1. বৃক্ষ
  2. গুল্ম
  3. উপগুল্ম
  4. বীরুৎ
সঠিক উত্তর:
বীরুৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরুৎ
ব্যাখ্যা
• বিরুৎ উদ্ভিদ:
- যেসকল উদ্ভিদ আকারে ছোট হয় ও এদের কাণ্ড নরম সেসকল উদ্ভিদকে বিরুৎ উদ্ভিদ বলে। 
- বিরুৎ বা হার্ব (Herb) হল নরম, সবুজ এবং কোমল কান্ডযুক্ত এক ধরনের উদ্ভিদ।

• সরিষা বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। 

• সরিষার বৈশিষ্ট্য:
- সরিষা Brassicaceae (Cruciferae) পরিবারের একটি উদ্ভিদ।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম- Brassica campestris (সরিষা) / Brassica juncea (রাই সরিষা)।
- কাণ্ড: নরম, সবুজ, শাখান্বিত (কাঠিন্য নেই)।
- আয়ু: একবর্ষজীবী (একটি মৌসুমেই জীবনচক্র সম্পন্ন করে)।
- উচ্চতা: ০.৫–১ মিটার।

• অর্থনৈতিক গুরুত্ব:
- তেল উৎপাদন: বীজে ৩০–৪০% তেল থাকে। এটি রান্না ও শিল্পে ব্যবহার ব্যবহার করা হয়।
- সার হিসাবে: খৈল মাটিতে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা।
১০,৯৫৯.
আকাশে বিজলী চমকায়-
  1. দুই খণ্ড মেঘ পর পর এলে
  2. মেঘের মধ্যে বিদ্যুৎ কোষ তৈরি হলে
  3. মেঘ বিদ্যুৎ পরিবাহী অবস্থায় এলে
  4. মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
সঠিক উত্তর:
মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে
ব্যাখ্যা
- আকাশে বিজলী চমকায় মেঘের অসংখ্য পানি ও বরফ কণার মধ্যে চার্জ সঞ্চিত হলে। 
- ধনাত্নক ও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত দুটি মেঘ কাছাকাছি আসলে আকর্ষণের ফলে চার্জ এক মেঘ থেকে অন্য মেঘে দ্রুত ছুটে যায়। 
- ফলে ইলেক্ট্রনের চার্জ গতিপথে যে তীব্র আলোক উৎপন্ন হয় তাকে বিজলী চমকানো বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৬০.
ইলেকট্রোপ্লেটিং-এ কোনটি ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত হয়?
  1. যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে
  2. যে ধাতুর প্রলেপ দিতে হবে
  3. ব্যাটারি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে
ব্যাখ্যা

- ইলেকট্রোপ্লেটিং বা তড়িৎ প্রলেপন প্রক্রিয়ায় যে বস্তুর ওপর প্রলেপ দিতে হয়, সেটিকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের বা ক্যাথোডের সাথে যুক্ত করা হয়। যেহেতু দ্রবণে থাকা ধাতব আয়নগুলো ধনাত্মক চার্জযুক্ত থাকে, তাই সেগুলি ঋণাত্মক চার্জযুক্ত ক্যাথোডের দিকে আকৃষ্ট হয় এবং সেখানে জমা হয়ে স্তরের সৃষ্টি করে। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 

- সাধারণত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতি প্রয়োগ করে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ইলেকট্রোপ্লেটিং। 
- এই প্রক্রিয়ায় যে ধাতু দিয়ে প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- আর যে ধাতুর উপর প্রলেপ দিতে হবে তাকে ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত করা হয়। 
- তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতির মাধ্যমে ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

অন্যদিকে, 
- ব্যাটারি হলো শক্তির উৎস, এটি নিজে কোনো প্রান্তের সাথে যুক্ত হয় না বরং এর মাধ্যমেই সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৯৬১.
পাখি পালন সংক্রান্ত বিদ্যা কী নামে পরিচিত?
  1. এভিকালচার
  2. সেরিকালচার 
  3. এপিকালচার
  4. পিসিকালচার
সঠিক উত্তর:
এভিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এভিকালচার
ব্যাখ্যা

- পাখি পালন সংক্রান্ত বিদ্যাকে এভিকালচার (Aviculture) বলা হয়, এটি বন্দী অবস্থায় পাখি পালন এবং প্রজননের অনুশীলনকে বোঝায় 

আধুনিক চাষ সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতিসমূহ: 

• মৌমাছি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এপিকালচার।
• রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় সেরিকালচার। 
• মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার। 
• পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার। 
• চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় প্রণকালচার। 
• উদ্যান পালন (ফল, ফুল ও শাকসবজি চাষ) বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার। 
• সামুদ্রিক মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় মেরিকালচার। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 

১০,৯৬২.
'Species Plantarum' বইটির রচয়িতা-
  1. ক) বেন্থাম ও হুকার
  2. খ) থিয়োফ্রাস্টাস
  3. গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
  4. ঘ) জ্যাঁ ল্যামার্ক
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যারোলাস লিনিয়াস
ব্যাখ্যা

- সুইডিস বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস সর্বপ্রথম নামকরণের একটি প্রথা প্রবর্তন করেন। এটি দ্বিপদ নামকরণ প্রথা নামে পরিচিত।
- তাঁকে শ্রেণি বিন্যাসের জনক বলা হয়।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত বইঃ Species Plantarum।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৯৬৩.
গর্ভাবস্থায় আয়রন এবং ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট কখন থেকে নিয়মিত গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়?
  1. প্রথম মাস থেকে
  2. পঞ্চম মাস থেকে 
  3. দ্বিতীয় মাস থেকে 
  4. তৃতীয় মাস থেকে
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় মাস থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় মাস থেকে
ব্যাখ্যা

গর্ভকালীন বিভিন্ন সমস্যা ও সচেতনতা: 
- প্রতিবছর গর্ভকালীন জটিলতায় অনেক নারী মৃত্যুবরণ করেন। 
- গর্ভকালীন সমস্যা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও সচেতনতার অভাব মা ও শিশুর উভয়ের জন্য জীবনঘাতী হতে পারে। 
- তাই সঠিক পরিচর্যা ও চিকিৎসা মায়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

গর্ভকালীন রক্তস্বল্পতা: 
- গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত রক্ত প্রবাহ ও পুষ্টির ঘাটতির কারণে রক্তস্বল্পতা হতে পারে।
- গর্ভকালীন সময় রক্তস্বল্পতা দেখা দিলে ডাক্তারের নিচের পরামর্শগুলো মেনে চলার পরামর্শ দেন- 
• প্রথম মাস থেকে ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট গ্রহণ করতে হয়। 
তৃতীয় মাস থেকে আয়রন ও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। 
• আয়রনযুক্ত খাবার খেতে হবে। যেমন: কচুশাক, কলিজা, তেঁতুল, তরমুজ, ডিম ইত্যাদি। 
• ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেলে আয়রনের শোষণ বৃদ্ধি পায়। যেমন: আমলকি, লেবু, কাঁচামরিচ, পেয়ারা, আনারস, কাঁচা ফলমূল ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৯৬৪.
পিত্তরস কোন অঙ্গের মাধ্যমে ডিওডেনামে পৌঁছায়? 
  1. খাদ্যনালি
  2. শিরা
  3. পিত্তনালি
  4. রক্তনালি
সঠিক উত্তর:
পিত্তনালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিত্তনালি
ব্যাখ্যা
যকৃত (Liver): 
- যকৃত মানবদেহের সর্ববৃহৎ গ্রন্থি। 
- এটি মধ্যচ্ছদের নিচে, পাকস্থলীর ডান পাশে অবস্থিত। 
- যকৃতের রঙ গাঢ় বাদামি এবং এটি আকারে ত্রিকোণাকার। 
- যকৃতের নিচে কলস আকৃতির পিত্তথলি (Gallbladder) সংযুক্ত থাকে। 

যকৃতের কার্যাবলি: 
- যকৃত থেকে ক্ষারীয় প্রকৃতির গাঢ় সবুজ বর্ণের পিত্তরস নিঃসৃত হয়। 
- পিত্তরস পিত্তথলিতে জমা থাকে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পিত্তনালির মাধ্যমে ডিওডেনামে প্রবাহিত হয়। 
- পাচন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। 
- রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে (গ্লাইকোজেন সংরক্ষণ ও মুক্তি)। 
- প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট বিপাক ঘটায়। 
- দেহের বিষাক্ত পদার্থ অপসারণ করে (ডিটক্সিফিকেশন)। 
- রক্তে কোলেস্টেরল ও হরমোন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। 
- যকৃতে বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয়, তাই একে "দেহের রসায়ন গবেষণাগার" বলা হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৬৫.
হৃদপিণ্ড সম্পর্কে কোনটি সত্য নয়?
  1. বক্ষগহবরের বাম দিকে দুই ফুসফুসের মাঝে অবস্থিত
  2. চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট
  3. উপরের প্রকোষ্ঠ দুইটিকে অলিন্দ এবং নিচের দুইটিকে নিলয় বলে
  4. অলিন্দের প্রাচীর পুরু এবং নিলয়ের প্রাচীর পাতলা
সঠিক উত্তর:
অলিন্দের প্রাচীর পুরু এবং নিলয়ের প্রাচীর পাতলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলিন্দের প্রাচীর পুরু এবং নিলয়ের প্রাচীর পাতলা
ব্যাখ্যা
হৃদপিণ্ড: 
- পেশিবহুল ত্রিকোণাকার, ফাপা, চার প্রকোষ্ঠযুক্ত পাম্পের মতো যন্ত্র যার সংকোচন ও প্রসারণের ফলে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালিত হয় তাকে হৃদপিণ্ড বলে।

হৃদপিণ্ডের বৈশিষ্ট্য: 
- বক্ষগহবরের বাম দিকে দুই ফুসফুসের মাঝে অবস্থিত।
- হৃদপেশি নামক বিশেষ অনৈচ্ছিক পেশি দ্বারা গঠিত।
- পেরিকার্ডিয়াম নামক পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে। 
- চার প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট।
- উপরের প্রকোষ্ঠ দুইটিকে অলিন্দ এবং নিচের দুইটিকে নিলয় বলে।
- অলিন্দের প্রাচীর পাতলা এবং নিলয়ের প্রাচীর পুরু।
- ডান অলিন্দ ও ডান নিলয়ের মাঝে তিন পাল্লাবিশিষ্ট ট্রাই কাসপিড কপাটিকা এবং বাম অলিন্দ ও বাম নিলয়ের মাঝে দুই পাল্লা বিশিষ্ট বাই কাসপিড কপাটিকা বিদ্যমান।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
১০,৯৬৬.
বড় দিনের উদ্ভিদ কোনটি?
  1. কার্পাস
  2. আলু
  3. ভুট্টা
  4. ডালিয়া
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা
দিবালোকের দীর্ঘতা ভিত্তিক পুষ্পক উদ্ভিদের শ্রেণীবিভাগ: 
- সারা বছর দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সমান থাকে না, কখনও দিন ছোট ও রাত বড় আবার কখনও দিন বড় ও রাত ছোট থাকে। 
- দিবাকালের দীর্ঘতার উপর ভিত্তি করে পুষ্পক উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। 
যথা- 
১। ছোট দিনের উদ্ভিদ: 
- দিনের দৈর্ঘ্য কম হলে যেসব উদ্ভিদে ফুল ধরে সেসব উদ্ভিদকে বলা হয় ছোট দিনের উদ্ভিদ। 
- দিন ছোট হলে রাত বড় হয় তথা অন্ধকার কাল বেশি থাকে। 
যেমন- সয়াবিন, আলু, ইক্ষু, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া, তামাক, শিম, রোপা আমন, পাট ইত্যাদি ছোট দিনের উদ্ভিদ। 

২। বড় দিনের উদ্ভিদ: 
- রাতের অন্ধকারের চেয়ে দিনের দৈর্ঘ্য বেশি হলে যে সব উদ্ভিদে ফুল ধরে সেসব উদ্ভিদকে বলা হয় বড়দিনের উদ্ভিদ। 
- উদ্ভিদের বিভিন্নতায় দিনের এ দৈর্ঘ্যকাল ১৪-১৮ ঘন্টা হতে পারে। 
যেমন- পালংশাক, লেটুস, আফিম, ভুট্টা, যব, ঝিঙা ইত্যাদি বড় দিনের উদ্ভিদ। 

৩। নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ: 
- যে সব উদ্ভিদের ফুল ধারণের উপর দিন রাতের তুলনামূলক দৈর্ঘ্যের কোন প্রভাব নাই এরাই নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ। 
- প্রয়োজনীয় দৈহিক বৃদ্ধি হলেই এদের ফুল ধরে। 
- এদেরকে বছরের বিভিন্ন সময়ে জন্মানো যায়। 
যেমন- টমেটো, শশা, কার্পাস, সূর্যমুখী, আউশ ধান ইত্যাদি নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৬৭.
জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলার সূর্যের চারপাশে গ্রহগুলোর গতি সম্পর্কিত কতটি মৌলিক সূত্র উপস্থাপন করেন?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
• কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়। যথা

• প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
• দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):
- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
• তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র):
- সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং LIVE MCQ লেকচার।
১০,৯৬৮.
উদ্ভিদের মূল বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান-
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) সোডিয়াম
  3. গ) ম্যাগনেসিয়াম
  4. ঘ) ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের পুষ্টিতে বিভিন্ন খনিজ উপাদানের ভূমিকাঃ 
ফসফরাস: মূল বর্ধনের জন্য ফসফরাস অত্যন্ত প্রয়ােজনীয় উপাদান । ফসফরাস জীবকোষের DNA, RNA, NADP, ATP প্রভৃতির গাঠনিক উপাদান।
নাইট্রোজেন: উদ্ভিদের সাধারণ দৈহিক বৃদ্ধিতে নাইট্রোজেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং কোষ কলায় পানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে।
ম্যাগনেসিয়াম: ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরােফিল অণুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এবং শ্বসন প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।
পটাশিয়াম: পত্ররন্ধ্র খেলা এবং বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে পটাশিয়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। পটাশিয়াম উদ্ভিদে পানি শােষণে সাহায্য করে। কোষবিভাজনের মাধ্যমে উদ্ভিদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে পটাশিয়াম। এটি মূল, ফুল ও ফল উৎপাদন এবং বর্ধনেও সাহায্য করে।
১০,৯৬৯.
মানুষের রক্তে কত ধরনের রক্ত কণিকা আছে?
  1. ৪ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা
মানুষের রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা রয়েছে৷
যথা-
১. লোহিত রক্তকণিকা,
২. শ্বেত রক্তকণিকা ও
৩. অনুচক্রিকা।

- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে যার জন্য রক্ত লাল হয়।
- শ্বেত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ৷
- অণুচক্রিকা হলো গোলাকার, ডিম্বাকার বা রড আকারের। এতে নিউক্লিয়াস থাকে না।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৭০.
আন্তর্জাতিক বা SI এককে সার্বজনীন গ্যাস ধ্রুবকের মান কত?
  1. 22.4 litre
  2. 8.31 JK-1mol-1
  3. 5.43 Nm-2
  4. 8.54 JK-1mol-1
সঠিক উত্তর:
8.31 JK-1mol-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
8.31 JK-1mol-1
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন গ্যাস ধ্রুবক, যাকে সাধারণত R দ্বারা প্রকাশ করা হয়, এটি একটি মৌলিক ভৌত ধ্রুবক যা আদর্শ গ্যাস সূত্রে (Ideal Gas Law) ব্যবহৃত হয়।

• আদর্শ গ্যাস সূত্র হলো:
PV=nRT

যেখানে,

P = চাপ (Pressure)
V = আয়তন (Volume)
n = মৌলের মোল সংখ্যা (Number of moles)
R = সার্বজনীন গ্যাস ধ্রুবক
T = তাপমাত্রা (Kelvin এককে)

সার্বজনীন গ্যাস ধ্রুবকের মান বিভিন্ন এককে ভিন্ন হতে পারে ( অর্থাৎ সবগুলোই সঠিক), যেমন:

8.314 J mol-1K-1

0.0821L atm mol-1K-1   

1.987cal mol-1K-1


তথ্যসূত্র: 
- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পদার্থবিজ্ঞান,  একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী।
- পদার্থবিজ্ঞান – একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনী, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ।
১০,৯৭১.
তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা কোনটি? 
  1. গ্লুঅন
  2. ফোটন
  3. গ্রাভিটন
  4. W এবং Z বোসন
সঠিক উত্তর:
ফোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোটন
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
- এই মৌলিক বলগুলো হলো- 
১। মহাকর্ষ বল, 
২। তাড়িতচৌম্বক বল, 
৩। সবল নিউক্লিয় বল এবং 
৪। দুর্বল নিউক্লিয় বল। 
- তাড়িতচৌম্বক বলের বাহক কণা- ফোটন। 

অন্যদিকে, 
- সবল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- গ্লুঅন। 
- দুর্বল নিউক্লিয় বলের বাহক কণা- W এবং Z বোসন। 
- মহাকর্ষ বলের বাহক কণা- গ্রাভিটন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।
১০,৯৭২.
উইলিয়াম হার্শেল কত শতাব্দীতে infrared তরঙ্গ আবিষ্কার করেন?
  1. ক) ১২০০
  2. খ) ১৩০০
  3. গ) ১৪০০
  4. ঘ) ১৭০০
  5. ঙ) ১৮০০
সঠিক উত্তর:
ঙ) ১৮০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) ১৮০০
ব্যাখ্যা
১৮০০ শতাব্দীতে infrared তরঙ্গ আবিষ্কার করেন উইলিয়াম হার্শেল।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
১০,৯৭৩.
ফুলের সুগন্ধ বাতাসে কোন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে?
  1. অভিস্রবণ
  2. প্রস্বেদন
  3. ব্যাপন
  4. নিঃসরণ
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাপন
ব্যাখ্যা
ব্যাপন: 
- উচ্চ ঘনত্বের স্থান থেকে নিম্ন ঘনত্বের স্থানে কোন কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় পদার্থের স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যাপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে। 
- ফুলের সুগন্ধ ও H2S গ্যাসের দুর্গন্ধ বাতাসে ব্যাপন প্রক্রিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। 
- পদার্থের কণা বা অণুসমূহের ইতস্তত স্বতঃস্ফূর্ত চলাচলের কারণে ব্যাপন প্রক্রিয়া ঘটে। 
- ব্যাপন হল সাধারণ সমবায়ুচাপে অণুসমূহের স্বতঃস্ফূর্ত মন্থর প্রক্রিয়া। 
- ব্যাপনের বেলায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে একই বায়ু চাপ থাকে। 

নিঃসরণ: 
- বাহ্যিক উচ্চ চাপের প্রভাবে পাত্রের সরু ছিদ্রপথে কোন গ্যাসের সজোরে একমুখী বের হওয়াকে নিঃসরণ বলে। 
- গাড়ীর চাকার টিউবের ছিদ্র পথে নিঃসরণ প্রক্রিয়ায় বাতাস বের হয়ে পড়ে। 
- গ্যাস পাত্রের ভেতরে ও বাইরে চাপের পার্থক্যের কারণে নিঃসরণ প্রক্রিয়া ঘটে। 
- নিঃসরণ হল অধিক চাপের প্রভাবে গ্যাসীয় দ্রুত প্রক্রিয়া। 
- নিঃসরণের বেলায় গ্যাস পাত্রের ভেতরে অধিক চাপ এবং বাইরে কম চাপ বা ভ্যাকুয়াম অবস্থা থাকে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
১০,৯৭৪.
কোনটিকে সংযোগকারী জীব (Connecting Link) বলা হয়?
  1. ক) প্লাটিপাস
  2. খ) রাজকাঁকড়া
  3. গ) লিমুলাস
  4. ঘ) মানুষ
সঠিক উত্তর:
ক) প্লাটিপাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্লাটিপাস
ব্যাখ্যা
সংযোগকারী জীব (Connecting Link)
- জীবজগতে যাদের মধ্যে দুটি জীবগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান রয়েছে তাদেরকে সংযোগকারী জীব (Connecting link) বলা হয়।
- উদাহরণ:  প্লাটিপাস।
- প্লাটিপাসের মধ্যে সরীসৃপ এবং স্তন্যপায়ী দুই ধরনের প্রাণীরই বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
- প্লাটিপাস সরীসৃপের মতো ডিম পাড়ে।
- অপরদিকে স্তন্যপায়ীর মতো এদের শরীর লোমে ঢাকা, বুকে রয়েছে দুগ্ধগ্রন্থি।
- শুধু তা-ই নয়, এদের ডিম ফুটে শাবক জন্মালে এরা শাবককে স্তন্য পান করায়।
- সংযোগকারী প্রাণীদের অধিকাংশই পৃথিবীর পরিবর্তনের সাথে কার্যকরীভাবে অভিযোজিত হতে সক্ষম না হওয়ায় ধীরে ধীরে পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। 
- এছাড়া, Gnetum (নিটাম) নামক গুপ্তবীজী উদ্ভিদে ব্যক্তবীজী এবং গুপ্তবীজী দুই ধরনের উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যই দেখা যায়।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৭৫.
নিচের কোন ধাতুটি চুম্বক দ্বারা আকর্ষিত হয় না? 
  1. নিকেল
  2. তামা
  3. লোহা
  4. কোবাল্ট
সঠিক উত্তর:
তামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামা
ব্যাখ্যা
চৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকেই চুম্বক আকর্ষণ করে তাদেরকে চৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট এবং অধিকাংশ ইস্পাতকে আকর্ষণ করে তাই এই পদার্থগুলোকে চৌম্বক পদার্থ বলে। 

অচৌম্বক পদার্থ: 
- যে সকল পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে না তাদেরকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। 
যেমন- তামা, অ্যালুমিনিয়াম, পিতল, কাঠ, রৌপ্য, প্লাস্টিক ইত্যাদি পদার্থগুলোকে আকর্ষণ করে না তাই এই পদার্থগুলোকে অচৌম্বক পদার্থ বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১০,৯৭৬.
মানবদেহের ভারসাম্য রক্ষাকারী অঙ্গ কোনটি?
  1. ক) চোখ
  2. খ) কান
  3. গ) নাক
  4. ঘ) জিহ্বা
সঠিক উত্তর:
খ) কান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কান
ব্যাখ্যা

কানের অংশ হলো তিনটি- বহিঃকর্ণ, মধ্যকর্ণ এবং অন্তঃকর্ণ। অন্তঃকর্ণের স্যাকুলাস ও ইউট্রিকুলাস শরীরের ভারসাম্য রক্ষার সাথে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত।
এটি দেহের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে মস্তিষ্ককে সাহায্য করে এবং দেহ অবস্থানের অনুভূতির উদ্রেক করে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১০,৯৭৭.
অ্যান্টিবডি কী ধরনের জৈব যৌগ? 
  1. কার্বোহাইড্রেট
  2. নিউক্লিক অ্যাসিড
  3. গ্লাইকোপ্রোটিন
  4. লিপিড
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোপ্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোপ্রোটিন
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিবডি: 
- দেহের প্রতিরক্ষাতন্ত্র (immune system) থেকে উৎপন্ন এক ধরনের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন যা রোগ-ব্যাধি সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনকে (যেমন-ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া) ধ্বংস করে তাকে অ্যান্টিবডি বলে। 
- প্রত্যেকটি অ্যান্টিবডি হচ্ছে ইমিউনোগ্লোবিউলিন (সংক্ষেপে Ig) নামে বিশেষ ধরনের একেকটি প্রোটিন অণু। 
- শ্বেত রক্তকণিকার অন্যতম প্রধান কণিকা লিম্ফোসাইট। লিম্ফোসাইট দু'ধরনের: (১) T-কোষ ও (২) B-কোষ। 
- B-লিম্ফোসাইট কয়েক উপধরনে বিভক্ত যার একটি হচ্ছে প্লাজমা B-কোষ, সংক্ষেপে প্লাজমাকোষ নামে পরিচিত। 
- প্লাজমাকোষ থেকে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হয়। 
- প্রয়োজনে প্রত্যেক প্লাজমাকোষ প্রতি সেকেন্ডে কয়েক হাজার অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করতে পারে। 
- মানুষের দেহে প্রায় ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ধরনের অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হতে পারে। 

অ্যান্টিবডির প্রকারভেদ: 
- অ্যান্টিবডির গড়নে যে ভারী শৃঙ্খল রয়েছে তাতে অ্যামাইনো এসিডের ক্রমের (sequence) ভিত্তিতে ভারী শৃঙ্খল ৫ ধরনের: γ-(gamma), α-(alpha), μ-(mu), €-(epsilon) এবং δ-(delta)। 
- এ পাঁচ ধরনের ভারী শৃঙ্খলবিশিষ্ট অ্যান্টিবডিগুলো নিচে বর্ণিত ৫টি শ্রেণিতে বিভক্ত। 
যেমন- 
১। ইমিউনোগ্লোবিউলিন G (IgG), 
২। ইমিউনোগ্লোবিউলিন A (IgA), 
৩। ইমিউনোগ্লোবিউলিন M (IgM), 
৪।  ইমিউনোগ্লোবিউলিন D (IgD) এবং 
৫। ইমিউনোগ্লোবিউলিন E (IgE)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।
১০,৯৭৮.
নিম্নের কোনটি নিষ্ক্রিয় গ্যাসের উদাহরণ?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. ক্রিপ্টন
  4. সালফার
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রিপ্টন
ব্যাখ্যা
ক্রিপ্টন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস। এছাড়াও হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন, জেনন, রেডন এবং ওগানেসন- মোট সাতটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস রয়েছে। 


যে সব গ্যাসীয় মৌল রাসায়নিকভাবে নিস্ক্রিয় অর্থাৎ অন্য কোনো মৌলের সাথে সংযুক্ত হয় না, এমনকি নিজেদের মধ্যেও সংযুক্ত হয় না, সর্বদা এক পরমাণুক অবস্থা বিরাজ করে তাদেরকে নিস্ক্রিয় গ্যাস (Noble Gas) বলে। নিস্ক্রিয় গ্যাস মোট ৭টি। এগুলো হলো : হিলিয়াম (He), নিয়ন (Ne), আর্গন (Ar), ক্রিপ্টন (Kr), জেনন (Xe), রেডন (Rn) এবং ওগানেসন (Og)।

নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলোর ধর্মসমূহ- 
১. নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলো সাধারণ তাপমাত্রা ও চাপে এক পরমাণুক গ্যাস।
২. নিস্ক্রিয় গ্যাসগুলোর কোন বর্ণ, স্বাদ বা গন্ধ নেই।
৩. প্রতি লিটার পানিতে নিস্ক্রিয় গ্যাসের দ্রাব্যতা অনেক কম।
৪. গ্যাসের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত কম।
৫. নিস্ক্রিয় গ্যাসসমূহের মধ্যে দুর্বল আকর্ষণ বল থাকার কারণে এদের গলনতাপ ও বাষ্পীয়ভবন তাপ কম।
৬. নিস্ক্রিয় গ্যাসের আয়নিকরণ শক্তি সবচেয়ে বেশি।

সূত্র- ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১০,৯৭৯.
রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যাওয়ার অবস্থাকে কী বলা হয়?
  1. ডায়াবেটিস
  2. হাইপারগ্লাইসেমিয়া
  3. হাইপোগ্লাইসেমিয়া
  4. অ্যানিমিয়া
সঠিক উত্তর:
হাইপোগ্লাইসেমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইপোগ্লাইসেমিয়া
ব্যাখ্যা

• রক্তে শর্করার মাত্রা কমে গেলে তাকে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে।

• শর্করা গ্রহণ ও স্বাস্থ্যের প্রভাব:
- আহারে শর্করা কম বা বেশি গ্রহণ উভয়ই দেহের জন্য ক্ষতিকর।
- শর্করার অভাবে দেহে অপুষ্টি দেখা দেয়।
- রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে গেলে দেহে বিপাক ক্রিয়ার সমস্যা সৃষ্টি হয়।

• হাইপোগ্লাইসেমিয়া (Hypoglycemia):
- রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের নিচে নেমে গেলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া দেখা দেয়।
- এ অবস্থায় বিভিন্ন শারীরিক লক্ষণ প্রকাশ পায়।

• হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণসমূহ:
- ক্ষুধা অনুভব করা,
- বমি বমি ভাব,
- অতিরিক্ত ঘামানো,
- হৃদস্পন্দন হঠাৎ বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়া।

উৎস: বিজ্ঞান, ৮ম শ্রেণি।

১০,৯৮০.
পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৬ এর আকরিক উৎপন্নকারী মৌলসমূহকে কী বলা হয়?
  1. ক) মুদ্রা ধাতু
  2. খ) অবস্থান্তর মৌল
  3. গ) ল্যান্থানাইড
  4. ঘ) চ্যালকোজেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) চ্যালকোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চ্যালকোজেন
ব্যাখ্যা
- অধিকাংশ ধাতু প্রকৃতিতে ধাতব অক্সাইড ও ধাতব সালফাইড আকরিকরূপে থাকে। 
- পর্যায় সারণির গ্রুপ ১৬ এর মৌলসমূহকে (যেমন O, S, Se, Te ইত্যাদিকে) আকরিক উৎপন্নকারী মৌল বা চ্যালকোজেনস (chalcogens) বলা হয়।

সোডিয়ামের আকরিক: রকসল্ট, চিলি সল্টপিটার, ন্যাট্রোন, বোরাক্স ইত্যাদি।
ক্যালসিয়ামের আকরিক: চুনাপাথর, জিপসাম, ডলোমাইট ইত্যাদি।
আয়রনের আকরিক: ম্যাগনেটাইট, হেমাটাইট, আয়রন পাইরাইটস, লিমোনাইট ইত্যাদি।
অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: বক্সাইট, কোরান্ডাম, ক্রায়োলাইট ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৮১.
আলোক রশ্মি গমন পথে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে পূর্বের মাধ্যমে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে কী বলে? 
  1. অপবর্তন 
  2. ব্যতিচার 
  3. প্রতিফলন
  4. অপসরণ 
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিফলন
ব্যাখ্যা

প্রতিফলন: 
- কোনো আলোক রশ্মি কোনো স্বচ্ছ মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় অন্য কোনো মাধ্যম দ্বারা বাঁধা প্রাপ্ত হলে দুই মাধ্যমের বিভেদতল থেকে প্রথম মাধ্যমে ফিরে আসে। আলোর এই ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে আলোর প্রতিফলন বলে। 
অর্থাৎ, আলোক রশ্মি গমন পথে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে পূর্বের মাধ্যমে ফিরে আসার প্রক্রিয়াকে প্রতিফলন বলে। 
- যে বিভেদ তল থেকে আলো ফিরে আসে তাকে প্রতিফলক তল বা প্রতিফলক পৃষ্ঠ বলে। 
- আর পূর্ববর্তী মাধ্যমে ফিরে আসা আলোকে বলা হয় প্রতিফলিত আলো বা রশ্মি। 
- সাধারণত দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে যে পরিমাণ আলো এসে পড়ে সবসময় তা সম্পূর্ণ প্রতিফলিত হয় না। পতিত আলোর কতটুকু প্রতিফলিত হবে তা দুটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। 
যেমন- 
১. মাধ্যম দুটির প্রকৃতির উপর এবং 
২. আপতিত আলো প্রতিফলক তলের উপর কত কোণে আপতিত হয় তার পরিমাণের উপর। 
- প্রতিফলক তল যত বেশি মসৃণ হয় প্রতিফলন তত বেশি হয়। 
- আবার অস্বচ্ছ প্রতিফলকের চেয়ে স্বচ্ছ প্রতিফলকে প্রতিফলন কম হয়। 
যেমন- সাদা তলে আলোর প্রতিফলন বেশি হয়। কালো রঙের তলে আলোর প্রতিফলন হয় না বললেই চলে। 
- কাঁচ একটি আলোক স্বচ্ছ মাধ্যম। এর উপর আলো আংশিক প্রতিফলিত হয়। 
- আবার আলোক রশ্মি লম্বভাবে পড়লে খুব সামান্য প্রতিফলিত হয়। রশ্মি যত বেশি কোণে আপতিত হয় প্রতিফলনের পরিমাণও তত বেশি হয়। 
- প্রতিফলন তলের মসৃণতা অনুযায়ী প্রতিফলনকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যেমন- ১. নিয়মিত প্রতিফলন এবং ২. ব্যাপ্ত প্রতিফলন। 

আলোর প্রতিফলনের সূত্র: 
- আলোর প্রতিফলন দু'টি সূত্র মেনে চলে, এদের প্রতিফলনের সূত্র বলে। 
সূত্র দু'টি হলো- 
১. আপতিত রশ্মি, আপতন বিন্দুতে প্রতিফলকের উপর অংকিত অভিলম্ব এবং প্রতিফলিত রশ্মি একই সমতলে থাকে। 
২. আপতন কোণ এবং প্রতিফলন কোণ সর্বদা সমান হয়। 
অর্থাৎ, আপতন কোণ i এবং প্রতিফলন কোণ r হলে, ∠i = ∠r. 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৯৮২.
১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = কত জুল?
  1. ৩৬০০ জুল
  2. ১.৬ × ১০ জুল
  3. ৩৬০০০ জুল
  4. ৩.৬ × ১০ জুল
সঠিক উত্তর:
৩.৬ × ১০ জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৬ × ১০ জুল
ব্যাখ্যা
- এক ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো তড়িৎ যন্ত্রের মধ্য দিয়ে এক ঘণ্টা ধরে তড়িৎ প্রবাহিত হলে যে পরিমাণ তড়িৎ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয়, সেটি হচ্ছে এক ওয়াট-ঘণ্টা। 
১ ওয়াট-ঘণ্টা = ১ ওয়াট × ১ঘণ্টা 
= ১ ওয়াট × ৩৬০০ সেকেন্ড 
= ৩৬০০ ওয়াট-সেকেন্ড 
= ৩৬০০ জুল
∴ ১ ওয়াট-ঘণ্টা = ৩৬০০ জুল।

- অনেক সময় ওয়াট-ঘণ্টার পরিবর্তে কিলোওয়াট-ঘণ্টাও ব্যবহার করা হয়। 
১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ১০০০ ওয়াট Χ ৩৬০০ সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ ওয়াট-সেকেন্ড 
= ৩,৬০,০০০০ জুল 
১ কিলোওয়াট-ঘণ্টা = ৩.৬ × ১০ জুল 
অর্থাৎ, শক্তির এককে এটি ৩.৬ মেগা জুল। 
- আন্তর্জাতিকভাবে, তড়িৎ সরবরাহকে কিলোওয়াট-ঘন্টা এককে পরিমাপ করা হয়। 
- এই একককে বোর্ড অব ট্রেড (BOT) ইউনিট সংক্ষেপে ইউনিট বলে। 
- আমরা যে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করি তা এই এককে হিসেব করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৮৩.
লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত কোন এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে?
  1. পেপসিন
  2. লাইপেজ
  3. টায়ালিন
  4. ট্রিপসিন
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
ব্যাখ্যা
মুখবিবর: 
- মুখ পরবর্তী অংশটি মুখবিবর। 
- মুখ বিবরের ঊর্ধ্ব প্রাচীর তালুর অস্থি ও পেশি দিয়ে, সামনের প্রাচীর ঠোঁটের পেশি দিয়ে এবং পার্শ্ব প্রাচীর গালের পেশি দিয়ে গঠিত। 
- তালুর অগ্রভাগ অস্থিনির্মিত এবং শক্ত, পেছনের অংশ মাংসল ও নরম। 
- তালুর পেছনের অংশের মধ্যভাগ থেকে একটি অপেক্ষাকৃত সরু আলজিহবা মুখবিবরে ঝুলে থাকে। 
- মানুষের ঊর্ধ্ব ও নিম্ন চোয়াল দাঁতযুক্ত। 
- এছাড়া মুখবিবরে তিন জোড়া লালাগ্রন্থি থাকে।  
- নিম্নে চোয়ালের অস্থির সাথে জিহ্বাযুক্ত থাকে। 
- পৃষ্ঠতলের উপর থাকে স্বাদকোরক এগুলো বিভিন্ন রাসায়নিক বস্তুর প্রতি সংবেদনশীল। 
- জিহ্বার অগ্রভাগ মিষ্টি, দুই পার্শ্ব নোনা, পশ্চাৎ ভাগের দুই পার্শ্ব টক এবং পেছনের দিক তিক্ত স্বাদ গ্রহণ করে। 

কাজ: 
- দাঁত খাদ্য দ্রব্যকে কাটা, ছেঁড়া ও পেষণে সাহায্য করে। 
- জিহ্বা খাদ্য দ্রব্যের স্বাদ গ্রহণ করে এবং পেষণের সময় লালারস মিশ্রিত করে খাদ্য দ্রব্যকে পিচ্ছিল করে পেছনে ঠেলে দেয়। 
- লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত “মিউসিন” খাদ্যকে পিচ্ছিল করে। 
- আর লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত টায়ালিন ও মল্টেজ এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৮৪.
তরুণাস্থির ম্যাট্রিক্সকে কী বলা হয়?
  1. কনড্রিন
  2. কলাজেন
  3. হায়ালিন 
  4. ইলাস্টিন
সঠিক উত্তর:
কনড্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কনড্রিন
ব্যাখ্যা

তরুণাস্থি বা কোমলাস্থির গঠন (Structure of cartilage): 
- দেহের অভ্যন্তরের নমনীয়, নরম ও স্থিতিস্থাপক যোজক কলাকে তরুণাস্থি বা কার্টিলেজ বলে। 
- মানুষের নাক, কান, হিউমেরাস ও ফিমারের মস্তক, বিভিন্ন অস্থিসন্ধি, শ্বাসনালি, আন্তঃকশেরুকা চাকতি ইত্যাদিতে তরুণাস্থি থাকে। 
- তরুনাস্থির ম্যাট্রিক্সকে কনড্রিন (chondrin) বলে, ইহা অর্ধকঠিন, নমনীয় ও স্থিতিস্থাপক। 
- কনড্রিন কনড্রোমিউকয়েড ও কনড্রোঅ্যালবুনয়েড নামক দু'ধরনের প্রোটিন নিয়ে গঠিত। 
- তরুণাস্থির কোষকে কনড্রোসাইট বলে। 
- কনড্রোসাইটগুলো এককভাবে অথবা গুচ্ছাকারে ল্যাকুনা নামক গহ্বরে অবস্থান করে। 
- তরুণাস্থি পেরিকন্ড্রিয়াম নামক আবরণীতে আবৃত থাকে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৯৮৫.
কোন প্রক্রিয়াটিকে 'Necessary Evil' বা 'প্রয়োজনীয় অমঙ্গল' হিসাবে অভিহিত করা হয়?
  1. ব্যাপন
  2. সালোকসংশ্লেষণ
  3. ট্রান্সলোকেশন
  4. প্রস্বেদন
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা

• প্রস্বেদনকে 'Necessary Evil' বা 'প্রয়োজনীয় অমঙ্গল' হিসাবে অভিহিত করা হয়।

• প্রস্বেদন (Transpiration):
- প্রস্বেদন হলো উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে উদ্ভিদ তার বায়বীয় অঙ্গ (যেমন পাতা, কাণ্ড এবং অল্প পরিমাণে লেন্টিসেল) থেকে অতিরিক্ত জল কে বাষ্প বা জলীয় বাষ্পাকারে বায়ুমণ্ডলে নির্গত করে দেয়।
- বেশিরভাগ প্রস্বেদন ঘটে পাতার পৃষ্ঠে অবস্থিত পত্ররন্ধ্রের (Stomata) মাধ্যমে।
- এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে উদ্ভিদ শোষিত মোট জলের প্রায় ৯৭% থেকে ৯৯% পর্যন্ত জলীয় বাষ্প হিসেবে পরিবেশে ত্যাগ করে।
- এই প্রক্রিয়া প্রধানত পত্ররন্ধ্রীয় (Stomatal), কিউটিকুলার (Cuticular) এবং লেন্টিকুলার (Lenticular) পথে ঘটে থাকে।

• প্রস্বেদনকে 'Necessary Evil' বলার কারণ:
 - প্রস্বেদনকে 'প্রয়োজনীয় অমঙ্গল' (Necessary Evil) বলা হয় কারণ এর দুটি বিপরীতমুখী ভূমিকা রয়েছে।
১। প্রয়োজনীয়তা (Necessity):
- এটি শিকড় থেকে বহু উপরে অবস্থিত পাতায় জল ও খনিজ লবণ পরিবহনের জন্য একটি টান (Transpiration Pull) সৃষ্টি করে।
- এটি বাষ্পীভবনের মাধ্যমে উদ্ভিদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে (কুলিং ইফেক্ট)।
২। অমঙ্গল (Evil):
- এই প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প নির্গত হওয়ার কারণে তীব্র শুষ্ক পরিবেশে বা উচ্চ তাপমাত্রায় উদ্ভিদ পানিশূন্যতায় ভোগে, যা উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত করে এবং প্রয়োজনে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।
- এই কারণে, প্রক্রিয়াটি না হলেও নয় (Necessary), আবার অতিরিক্ত হলে তা উদ্ভিদের জন্য ক্ষতিকরও (Evil)।
- এই দ্বৈত ভূমিকার (অপরিহার্যতা ও ক্ষতিকরতা) জন্য বিজ্ঞানী ইভান জে. কুর্তিস একে 'Necessary Evil' বলে অভিহিত করেন।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। ব্রিটানিকা।

১০,৯৮৬.
কার্বনের এক অণু সমান পুরু একটি স্তরকে কী বলা হয়?
  1. গ্রাফিন
  2. কার্বন-১৪ ডেটিং
  3. গ্রাফাইট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ্রাফিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফিন
ব্যাখ্যা
গ্রাফিন
- বিজ্ঞানের জগতে সুপারম্যাটেরিয়াল তথা বিস্ময় বস্তু গ্রাফিন।
- মূলত কার্বনের এক অণু সমান পুরু একটি স্তরকেই বলা হয় গ্রাফিন।
- এর গঠন এমন যে, নমনীয় হলেও এটি দুর্দান্ত মজবুত, টেকসই ও বিদ্যুৎ পরিবাহী।
- ২০০৪ সালে আবিষ্কার হওয়ার পর থেকে এর নানামুখী ব্যবহার ও চাহিদা বেড়েই চলেছে।
- আর সেই চাহিদা পূরণে এখন নেতৃত্ব দিচ্ছে চীন। চীনের নতুন উৎপাদনশীল শক্তি বিকাশেও ভূমিকা রাখছে গ্রাফিন।
- গ্রাফিন উৎপাদনে বড় অগ্রগতি অর্জনকারী একটি প্রতিষ্ঠান হলো পূর্ব চীনের চেচিয়াং প্রদেশের নিংবো শহরের ন্যাশনাল গ্রাফিন ইনোভেশন সেন্টার বা এনজিআইসি।

অপরদিকে, 
• কার্বন-১৪ ডেটিং হচ্ছে জৈব উপাদান ধারণকারী বস্তুর বয়স নির্ধারণের একটি পদ্ধতি। 
• গ্রাফাইট হচ্ছে অঙ্গার বা কার্বনের একটি রূপ এর স্ফটিক ষট-কৌনিক আকৃতির। 

সূত্র- ব্রিটানিকা।
১০,৯৮৭.
১০ জন ব্যক্তি একটি কাজ ১৪ দিনে শেষ করে। অতিরিক্ত ৪ জন যুক্ত হলে কাজটি শেষ করতে কতদিন লাগবে?
  1. ৮ দিন
  2. ১২ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ১১ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১০ জন ব্যক্তি একটি কাজ ১৪ দিনে শেষ করে। অতিরিক্ত ৪ জন যুক্ত হলে কাজটি শেষ করতে কতদিন লাগবে?

সমাধান:
৪ জন যুক্ত হলে মোট লোকসংখ্যা ১৪ জন।
তাহলে একটি কাজ,
১০ জন করে ১৪ দিনে
১ জনে করে (১৪ × ১০) দিনে
১৪ জন করে ১৪০/১৪ দিনে
= ১০ দিন
১০,৯৮৮.
নিচের কোনটি ভুমিকম্প সৃষ্টির জন্য দায়ী?
  1. ক) ট্রপোমন্ডল
  2. খ) স্ট্রাটোমন্ডল
  3. গ) তাপমন্ডল 
  4. ঘ) টেকটোনিক প্লেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) টেকটোনিক প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টেকটোনিক প্লেট
ব্যাখ্যা
টেকটোনিক প্লেট ভুমিকম্প এবং আগ্নেয়গিরি উদগীরনের জন্য দায়ী। 

প্লেট টেকটোনিক হচ্ছে একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব। এই তত্ত্বে পৃথিবীর অশ্বমণ্ডল—অর্থাৎ একে অপরের দিকে চলাচল করতে সক্ষম এমন অনমনীয় খণ্ডের সমন্বয়ে তৈরি ভূত্বক বা পৃথিবীর উপরিতলের বর্ণনা করা হয়েছে। সর্বপ্রথম ১৯১২ সালে জার্মান আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগনার ‘কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ নামে একটি তত্ত্ব প্রদান করেন। তাঁর এই তত্ত্বে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে ‘বহুকাল আগে সবগুলো মহাদেশ পরস্পর সংযুক্ত ছিল।
একত্রে এদের প্যানজিয়া বা সুপারকন্টিনেন্ট বলা হতো। পরে কালের আবর্তে ভূত্বকীয় পাতের নড়াচড়ায় আলাদা আলাদা মহাদেশে বিভক্ত হয়ে যায়। ’ পরবর্তী বিজ্ঞানীরা তাঁর এই তত্ত্বটির ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন গবেষণা ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আধুনিকতম তত্ত্ব বের করেন, যা সবার কাছে প্লেট টেকটোনিক হিসেবে পরিচিত। এই তত্ত্বের মূল ধারণা হলো, ভূপৃষ্ঠের নিচে পৃথিবীর শিলামণ্ডল কতগুলো অংশে বা খণ্ডে বিভক্ত। এগুলোকে প্লেট বলে। এই প্লেটগুলো গুরুমণ্ডলের আংশিক তরল অংশের ওপরে ভাসমান অবস্থায় আছে। ভূত্বকীয় প্লেটগুলোকে মূলত সাত ভাগে ভাগ করা হয়েছে, যেমন—আফ্রিকান প্লেট, এন্টার্কটিক প্লেট, ইউরেশিয়ান প্লেট, ইন্দো-অস্ট্রেলিয়ান প্লেট, উত্তর আমেরিকান প্লেট, প্যাসিফিক প্লেট, দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট। এই প্লেটগুলো প্রতিবছর কয়েক সেন্টিমিটার কোনো এক দিকে সরে যায়। কখনো একে অন্যের দিকে আসে, কখনো আবার কয়েক মিলিমিটার ওপরে ওঠে বা নিচে নামে। যখন একটি প্লেটের সঙ্গে আরেকটি প্লেট ঘষা বা ধাক্কা খায় তখন ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির উদগিরণের ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হয়, প্লেটগুলো একটি আরেকটির সঙ্গে ঘষা বা ধাক্কা খেলে সেখানে প্রচুর তাপ সৃষ্টি হয়। তাপে ভূ-অভ্যন্তরের পদার্থ গলে যায়। এ গলিত পদার্থ চাপের ফলে নিচ থেকে ভূ-পৃষ্ঠ ভেদ করে বেরিয়ে আসে। একেই আগ্নেয়গিরির উদগিরণ বলে। বেরিয়ে আসা গলিত তরল পদার্থ ম্যাগমা নামে পরিচিত। একইভাবে প্লেটগুলো একটি অন্যটির সঙ্গে ধাক্কা খেলে পৃথিবী কেঁপে ওঠে। একেই ভূমিকম্প বলে। এ ছাড়া বিজ্ঞানীরা এ তত্ত্ব ব্যবহার করে পর্বত সৃষ্টি এবং মহাসাগর ও মহাদেশ সৃষ্টির ব্যাখ্যা দিয়ে থাকেন।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
১০,৯৮৯.
যে সকল জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদেরকে কী বলে?
  1. গ্রহ
  2. উপগ্রহ
  3. নক্ষত্র
  4. চাঁদ
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
সৌরজগৎ ও ভূ-মন্ডল:
⇒মহাবিশ্বের মহাকাশে গ্রহ, উপগ্রহ, নক্ষত্র, ধূমকেতু, নীহারিকা, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি ও উল্কা ইত্যাদিকে জ্যোতিষ্ক বলে।
-যে সকল জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো আছে তাদেরকে নক্ষত্র বলে। যেমন সূর্য।
-আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলে। যেমন-পৃথিবী, সূর্যের আলোতে আলোকিত হয়।
- গ্রহসমূহের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান নিজস্ব আলোকবিহীন জ্যোতিষ্ককে উপগ্রহ বলে। যেমন- চাঁদ, পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ।
- মহাকাশে কখনও কখনও কোন জ্যোতিষ্ক কিছু দিনের জন্য দেখা যায় আবার অদৃশ্য হয়ে যায়। এসব জ্যোতিষ্ক কে ধূমকেতু বলে। যেমন- হ্যালির ধূমকেতু।
- সুদূর আকাশে স্বল্প আলোকিত মেঘের মত আস্তরণকে নীহারিকা বলে। এগুলো আসলে হালকা গ্যাসের অতিকায় পিণ্ড।
- একটি নীহারিকার মাঝে কোটি কোটি নক্ষত্র থাকতে পারে।
- মেঘমুক্ত রাতের আকাশে কোটি কোটি নক্ষত্রকে উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত দীপ্তমান পথের মত দেখায় বলে একে ছায়াপথ বলে।
- মহাশূন্যের কোটি কোটি নক্ষত্র, ধূলিকণা ও বিশাল বাষ্পকুন্ডসহ নীহারিকার এক একটি দলকে বলা হয় গ্যালাক্সি।
- একটিমাত্র গ্যালাক্সিতেই প্রায় ত্রিশ হাজার কোটি নক্ষত্র রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা অনুমান করেছেন।
- বিজ্ঞানীরা বিশ্বভ্রহ্মান্ডে কয়েক হাজার কোটি গ্যালাক্সির আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছেন।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৯০.
আপেলে কোন ধরনের এসিড বিদ্যমান?
  1. টারটারিক এসিড
  2. ম্যালিক এসিড
  3. এসকরবিক এসিড
  4. স্যালিসাইলিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ম্যালিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যালিক এসিড
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন এসিড:

- আঙ্গুর, কমলা, লেবুতে থাকে সাইট্রিক এসিড।
- তেঁতুলে থাকে টারটারিক এসিড।
- আমলকিতে থাকে এসকরবিক এসিড।
- আপেল, আনারসে থাকে ম্যালিক এসিড।
- স্যালিসাইলিক এসিড পাওয়া যায় আঙ্গুর, স্ট্রবেরি, বরই ইত্যাদি ফলে।

তথ্যসূত্র - বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
১০,৯৯১.
তামার সাথে নিচের কোনটি মেশালে পিতল হয়?
  1. নিকেল
  2. টিন
  3. সিসা
  4. দস্তা (জিঙ্ক)
সঠিক উত্তর:
দস্তা (জিঙ্ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দস্তা (জিঙ্ক)
ব্যাখ্যা
সংকর ধাতু: 
- বিভিন্ন ধাতু একত্রে মিশিয়ে সংকর ধাতু তৈরি করা হয়। 
- এই সংকর ধাতু তৈরিতে সকল ধাতুকে সমান পরিমাণে মেশানো হয় না। 
- সংকর ধাতুর মধ্যে একটি থাকে প্ৰধান ধাতু এবং অন্য এক বা একাধিক পদার্থ থাকে অপ্রধান ধাতু বা অধাতু। 
- প্রধান ধাতুর নাম অনুসারে সংকর ধাতুর নামকরণ করা হয়। 
- পিতলে প্রধান ধাতু কপার থাকে 65% এবং অপ্রধান ধাতু জিংক থাকে 35%। এজন্য পিতলও কপারের সংকর ধাতু। 
- স্টিলের মধ্যে লোহা প্রধান ধাতু এবং কার্বন অপ্রধান অধাতু। স্টিলে লোহা থাকে 99% এবং কার্বন থাকে 1% এজন্য স্টিলকে লোহার সংকর ধাতু বলা হয়। 
- কাঁসার মধ্যে প্রধান ধাতু কপার থাকে 90%, টিন থাকে 10%। এজন্য কাঁসা কপারের সংকর ধাতু। 
- কপারের দুইটি সংকর ধাতু আছে, যথা: পিতল (ব্রাস) ও কাঁসা (ব্রোঞ্জ)। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৯২.
মানুষের শ্রবণযোগ্য শব্দের কম্পাঙ্ক সীমা কত?
  1. 20 Hz - 20,000 Hz
  2. 10 Hz - 10,000 Hz
  3. 5 Hz - 50,000 Hz
  4. 50 Hz - 50,000 Hz
সঠিক উত্তর:
20 Hz - 20,000 Hz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20 Hz - 20,000 Hz
ব্যাখ্যা
• মানুষের কান সাধারণত ২০ হার্জ (Hz) থেকে ২০,০০০ হার্জ (Hz) পর্যন্ত কম্পাঙ্কযুক্ত শব্দ শুনতে সক্ষম।

• এর নিম্নসীমা হলো ২০ হার্জ (Hz) ও ঊর্ধ্বসীমা হলো ২০,০০০ হার্জ (Hz)।

- শব্দের কম্পাঙ্ক ২০ Hz-এর কম হলে তাকে বলা হয় ইনফ্রাসাউন্ড বা শব্দেতর তরঙ্গ। — এটি মানুষ শুনতে পায় না।

- শব্দের কম্পাঙ্ক ২০,০০০ Hz-এর বেশি হলে তাকে বলা হয় আল্ট্রাসাউন্ড বা শব্দোত্তর তরঙ্গ। — এটিও মানুষ শুনতে পারে না, তবে ডলফিন, বাদুড়ের মতো প্রাণী শুনতে পারে।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, এইচ.এস.সি. প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
১০,৯৯৩.
ব্লিচিং পাউডার এর সংকেত কী ?
  1. KClO3
  2. NaCl
  3. Ca(OCl)Cl
  4. NaClO2
সঠিক উত্তর:
Ca(OCl)Cl
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ca(OCl)Cl
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ব্লিচিং পাউডার এর সংকেত কী ?

সমাধন:
ব্লিচিং পাউডার:
- ব্লিচিং পাউডার এর রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম ক্লোরাে হাইপােক্লোরাইট, Ca(OCl)Cl.
- বলপেন এর কালি বা অন্য কোনাে রং যেগুলাে সাবান এবং ডিটারজেন্ট দিয়ে তােলা যায় না সেগুলােকে কাপড় থেকে উঠানাের জন্য তথা বর্ণহীন করার জন্য ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া মেঝে, কমােড, বেসিন ইত্যাদি জায়গা থেকে জীবাণু ধ্বংস করার কাজেও ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয়।
- 40°C তাপমাত্রায় কঠিন ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইডের মধ্যে ক্লোরিন গ্যাস চালনা করলে ব্লিচিং পাউডার, Ca(OCl)Cl উৎপন্ন হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম দশম শ্রেণি।

১০,৯৯৪.
ভরবেগ কী ধরনের রাশি?
  1. ভেক্টর
  2. স্কেলার
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেক্টর
ব্যাখ্যা
• ভরবেগ:
- ভরবেগ হলো কোনো বস্তুর ভর ও তার বেগের গুণফল।

• ভরবেগ,
p = mv 
এখানে,
p = ভরবেগ
m = ভর (স্কেলার রাশি)
v = বেগ (ভেক্টর রাশি)

• যেহেতু বেগ একটি ভেক্টর রাশি, তাই ভরবেগও একটি ভেক্টর রাশি । 
• ভরবেগের মান এবং দিক উভয়ই থাকে।
• এটির দিক বেগের দিকেই নির্দেশ করে।
১০,৯৯৫.
আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানস গ্রন্থি ক্ষরিত হরমোন কোনটি? 
  1. গ্লুকাগন
  2. ইনসুলিন
  3. সোমাটোস্ট্যাটিন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানস: 
- অগ্ন্যাশয়ের কতগুলো কোষ গুচ্ছাকারে বিক্ষিপ্ত হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপেরে ন্যায় একেকটি অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি সৃষ্টি করে। এগুলো আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানস। 
- α, β, γ নামক তিন ধরনের কোষ নিয়ে এটি গঠিত। 
আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানস গ্রন্থি ক্ষরিত হরমোনসমূহের নাম- 
১ । ইনসুলিন
২। গ্লুকাগন এবং 
৩। সোমাটোস্ট্যাটিন। 

আইলেটস অব ল্যাঙ্গারহ্যানস গ্রন্থি ক্ষরিত হরমোনসমূহের কাজ - 
১। রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে তাকে কমানো, গ্লাইকোজেন সংশ্লেষ বা গ্লাইকোজেনেসিসে সহায়তা। 
২। রক্তে শর্করার পরিমাণ কমে গেলে তাকে বাড়ানো, গ্লাইকোজেনোলাইসিসে সহায়তা। 
৩। α ও β কোষের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৯৬.
Which of the following planets has no moon?
  1. Saturn
  2. Mars
  3. Earth
  4. Mercury
  5. None of the above
সঠিক উত্তর:
Mercury
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mercury
ব্যাখ্যা
- বুধ (Mercury) ও শুক্র (Venus) গ্রহের কোন উপগ্রহ নেই। 

বুধ গ্রহ: 
- সৌরজগতের গ্রহ ৮টি। 
- সূর্যের নিকটতম ও ক্ষুদ্রতম গ্রহ হলো বুধ। 
- সূর্য থেকে বুধ গ্রহের গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার। 
- বুধ গ্রহের ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার। 
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বুধের সময় লাগে ৮৮ দিন। 
- বুধ গ্রহে মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস বা পানি কোনো কিছু নেই। 

অন্যদিকে, 
- পৃথিবীর উপগ্রহ ১টি (চাঁদ)। 
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের। 
- শনি গ্রহের উপগ্রহের্ সংখ্যা ৮৩টি। 
- বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৮০টি। 

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১০,৯৯৭.
হীরক কোন মৌলের বিশেষ রূপ?
  1. ক) সিলিকন
  2. খ) কার্বন
  3. গ) স্বর্ণ
  4. ঘ) প্লাটিনাম
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কার্বন
ব্যাখ্যা
 একই মৌল প্রকৃতিতে বিভিন্ন ভৌত গুণাগুণ প্রদর্শন করে কিন্তু রাসায়নিক ধর্মের তেমন কোনো পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় না।
• অর্থাৎ কিছু অধাতব মৌলের রাসায়নিক গুণাগুণ মোটামুটি অভিন্ন হলেও ভৌত ধর্মের মধ্যে বিভিন্নতা থাকে।
• এইসব পদার্থ বা মৌলগুলোকেই বহুরূপী মৌল বলে এবং মৌলের এই বৈশিষ্ট্যকে বলা হয় বহুরূপতা।
• উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, গ্রাফাইট ও হিরক একই মৌল কার্বন দ্বারা গঠিত হলেও এদের ভৌত ধর্ম এবং রাসায়নিক ধর্মে পার্থক্য বিদ্যমান।
• অর্থাৎ হীরক ও গ্রাফাইট হলো কার্বনের রূপভেদ। শুধু তাই নয়; প্রকৃতিতে কার্বন বিভিন্ন রূপে পাওয়া যায়।

উৎস : সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৯৮.
ইনসুলিন কোন ধরনের পদার্থ?
  1. শর্করা
  2. প্রোটিন
  3. লিপিড
  4. ভিটামিন
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোটিন
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন: 
- ১৯১৬ সালে Sir Edward Sharpy-Schafer সর্বপ্রথম ইনসুলিন আবিষ্কার ও নামকরণ করেন।
- ইনসুলিন হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন যা মানুষ সহ সকল স্তন্যপায়ী প্রাণীর অগ্ন্যাশয় বিটা কোষ গুচ্ছ হতে ক্ষরিত হয়।
- ইনসুলিন রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজের উচ্চমাত্রাকে কমিয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে।
- কোন কারণে অগ্নাশয় হতে ইনসুলিন মিশ্রিত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় বা ডায়াবেটিস রোগ হয়।
- এমতাবস্থায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য ডায়াবেটিস রোগীকে ইনজেকশনের মাধ্যমে ইনসুলিন গ্রহণ করতে হয়। 
- ১৯৪৫ সালে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা সর্বপ্রথম ইনসুলিনের আণবিক গঠন আবিষ্কার করেন।

- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল আমিষ বা প্রোটিন
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন-B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 
- ইনসুলিন  হরমোনটি তৈরি হয় দেহের প্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় নামের অঙ্গে।
- ইনসুলিন গ্লাইকোজেন সিম্থেটেজ উৎসেচককে সক্রিয় করে গ্লাইকোজেনেসিস পদ্ধতিতে রক্তের অতিরিক্ত গ্লুকোজ গ্লাইকোজেন পরিবর্তিত করে যকৃৎ এবং পেশিকোষে জমা রাখে। 
- ইনসুলিন যকৃতে ফসফোরাইলেজ উৎসেচকের সক্রিয়তা হ্রাস করে গ্লাইকোজেন অ্যানালাইসিসের হার হ্রাস করে।
- ইনসুলিন হরমোন অন্ত্র থেকে গ্লুকোজ শোষণে বাধা দেয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৯৯৯.
এক্স-রে (X-Ray) সম্পর্কে নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক?
  1. এটি চার্জযুক্ত কণার প্রবাহ।
  2. এটি তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ এবং পদার্থের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করতে সক্ষম।
  3. এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর চেয়ে বেশি।
  4. এর শক্তি তরঙ্গদৈর্ঘ্য বৃদ্ধির সাথে বৃদ্ধি পায়।
সঠিক উত্তর:
এটি তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ এবং পদার্থের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করতে সক্ষম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি তড়িৎচৌম্বক তরঙ্গ এবং পদার্থের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করতে সক্ষম।
ব্যাখ্যা

• এক্স-রে (X-Ray):
- এক্স-রে হলো তড়িৎচৌম্বক (Electromagnetic) তরঙ্গ, যা তড়িৎক্ষেত্র ও চৌম্বকক্ষেত্রের দোলন দ্বারা গঠিত।
- এটি কোনো পদার্থগত কণার প্রবাহ নয়, বরং নিরপেক্ষ শক্তি বহনকারী বিকিরণ।
- এক্স-রে পদার্থের মধ্যে প্রবেশ করতে পারে এবং নির্দিষ্ট পর্যায়ে শোষিত হয়, যা একে চিকিৎসা ও শিল্পে বহুল ব্যবহৃত করে।
- শিল্প ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার হয় ধাতু বা যন্ত্রাংশের ত্রুটি নির্ণয়ে।
- এক্স-রের তরঙ্গদৈর্ঘ্য সাধারণত 0.01 nm থেকে 10 nm পর্যন্ত।
- ছোট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কারণে এক্স-রে উচ্চ শক্তিধর এবং পদার্থের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করতে সক্ষম।
- শক্তি নির্ণয়ের সূত্র: E = hν = hc/λ.
- অর্থাৎ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত ছোট, শক্তি তত বেশি।
- এক্স-রে কোনো চার্জযুক্ত কণার প্রবাহ নয়।

• অন্যান্য অপশন:
- এটি চার্জযুক্ত কণার প্রবাহ: এক্স-রে কণাপুঞ্জ নয়, এটি তড়িৎচৌম্বক বিকিরণ।
- এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর চেয়ে বেশি: এক্স-রের তরঙ্গদৈর্ঘ্য দৃশ্যমান আলোর চেয়ে অনেক কম।
- এর শক্তি তরঙ্গদৈর্ঘ্য বৃদ্ধির সাথে বৃদ্ধি পায়: শক্তি ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বিপরীতানুপাতিক।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১১,০০০.
কোন কারখানার সূক্ষ্ম ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মবিল 
  2. খ) হুইল 
  3. গ) ডিটারজেন্ট
  4. ঘ) শব্দোত্তর তরঙ্গ 
সঠিক উত্তর:
ঘ) শব্দোত্তর তরঙ্গ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শব্দোত্তর তরঙ্গ 
ব্যাখ্যা
শব্দোত্তর তরঙ্গের ব্যবহার 
• সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়, ডুবো জাহাজ, হিমশৈল ইত্যাদির অবস্থান জানতে। 
• ধাতব পাত বা ধাতব খন্ডের মধ্যের সূক্ষ্ম ফাটল অনুসন্ধানে ।
• সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করতে।
• ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ধ্বংসের কাজে ৷
• সাধারণভাবে মিশে না এমন (যেমন পানি-পারদ বা পানি-তেল) তরলসমূহের মিশ্রণ তৈরিতে।