বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সাধারণ বিজ্ঞান

মোট প্রশ্ন১৪,০৮০এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সাধারণ বিজ্ঞান

PrepBank · পাতা ১১৭ / ১৪০ · ১১,৬০১১১,৭০০ / ১৪,০৮০

১১,৬০১.
pH স্কেলের সর্বাধিক সীমা কত? 
  1. 0
  2. 14
  3. 7
  4. 10
সঠিক উত্তর:
14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14
ব্যাখ্যা

pH স্কেল: 
- কোনো পদার্থ অম্লীয় না ক্ষারীয় নাকি নিরপেক্ষ তা নির্দেশক ব্যবহার করে জানা যায়। কিন্তু কোনো পদার্থ কতটা অম্লীয় বা ক্ষারীয় তা বোঝার জন্য ১৯১৯ সালে বিজ্ঞানী সোরেনসেন pH স্কেল ব্যবহার করেন। 
- pH স্কেল ব্যবহার করে কোনো দ্রবণ কতটা অম্লীয় না ক্ষারীয় না নিরপেক্ষ তা বোঝা যায়। 
- pH কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রা প্রকাশ করে। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদমকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+
- pH মিটার দ্বারা কোনো দ্রবণের pH মাপা হয়। 
- pH মিটারে pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে অম্লীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে দ্রবণটি হবে ক্ষারীয়। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 এর সমান হয় তবে দ্রবণটি হবে নিরপেক্ষ। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬০২.
জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গতত্ত্ব কোন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়?
  1. রন্টজেন এক্স-রের মাধ্যমে 
  2. হেনরিখ হার্জের পরীক্ষার মাধ্যমে 
  3. জে. জে. থমসনের ইলেকট্রন আবিষ্কারের মাধ্যমে 
  4. মার্কনীর বেতার পরীক্ষার মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
হেনরিখ হার্জের পরীক্ষার মাধ্যমে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরিখ হার্জের পরীক্ষার মাধ্যমে 
ব্যাখ্যা

- জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গতত্ত্ব হেনরিখ হার্জের পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত হয়। ১৮৮০-এর দশকের শেষের দিকে হার্জ পরীক্ষামূলকভাবে তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ উৎপাদন ও শনাক্তকরণ করেন, যা আলোর গতি ও প্রকৃতির সাথে ম্যাক্সওয়েলের ভবিষ্যদ্বাণীকে সঠিক বলে প্রমাণ করে। 

আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান: 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে।
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়।
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান, পরবর্তীতে বেতার যন্ত্র আবিষ্কার হয়। 
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্স-রে এবং বেকেরেল আবিষ্কার করেন যে, কিছু কিছু পদার্থ থেকে স্বত:স্ফূর্ত ভাবে রশ্মি নির্গমনের মাধ্যমে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। 
- মেরী কুরী (১৮৬৭-১৯৩৪) এবং পিয়েরে কুরী (১৮৫৯-১৯০৬) এ ঘটনার নাম দেন তেজস্ক্রিয়তা। 
- ১৮৯৭ সালে জে.জে. থমসন ইলেক্ট্রন আবিষ্কার করেন যা থেকে পরমাণুর গঠন সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সম্ভব। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬০৩.
নিচের কোনটি পরিবার পরিকল্পনায় অস্থায়ী পদ্ধতি নয়?
  1. ক) টিউবেকটমী
  2. খ) ইমপ্ল্যান্ট
  3. গ) আইইউডি
  4. ঘ) খাবার বড়ি
সঠিক উত্তর:
ক) টিউবেকটমী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) টিউবেকটমী
ব্যাখ্যা

পরিবার পরিকল্পনায় মহিলাদের স্থায়ী পদ্ধতি টিউবেকটমি (Tubectomy)/লাইগেশন। বিস্তারিত জানতে- [এখানে ক্লিক করুন]।

১১,৬০৪.
ফুল ও ফল বিভিন্ন বর্ণের হওয়ার জন্য প্রধানত দায়ী -
  1. ক) ক্রোমোপ্লাস্ট
  2. খ) লিউকোপ্লাস্ট
  3. গ) ক্লোরোপ্লাস্ট
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রোমোপ্লাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রোমোপ্লাস্ট
ব্যাখ্যা
সাইটোপ্লাজমের মধ্যে যে সকল ক্ষুদ্র, দানাদার বিভিন্ন আকারের বস্তু দেখা যায় তাদেরকে বলা হয় প্লাস্টিড।
প্লাস্টিড উদ্ভিদ কোষের এক অনন্য বৈশিষ্ট্য। এর উপস্থিতির কারণে উদ্ভিদের পাতা, ফুল ও ফলের বর্ণ বৈচিত্র্য দেখা যায়।

প্লাস্টিডের কাজ:
খাদ্য প্রস্তুত করে, খাদ্য সঞ্চয় করে, পরাগায়নে সাহায্য করে এবং ক্লোরোপ্লাস্টের প্রয়োজনে প্রোটিন ও নিউক্লিক অ্যাসিড তৈরি করে।

উদ্ভিদ কোষে সাধারণত তিন প্রকার প্লাস্টিড থাকে। যথা— ক্রোমোপ্লাস্ট, ক্লোরোপ্লাস্ট এবং লিউকোপ্লাস্ট।
(A) ক্রোমোপ্লাস্ট- সবুজ ছাড়া অন্যান্য বর্ণ যেমন- লাল, হলুদ ইত্যাদি বহনকারী প্লাস্টিডকে ক্রোমোপ্লাস্ট বলা হয়। ক্রোমোপ্লাস্টে ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল বেশি পরিমাণে এবং ক্লোরোফিল অল্প পরিমাণে থাকে। ফুলের পাপড়িতে ও ফলে ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে । এজন্য ফুল ও ফল বিভিন্ন বর্ণের দেখায়। ফুলের বিভিন্ন বর্ণের দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন পতঙ্গ ও পাখি পরাগায়নে এবং বংশবিস্তারে সাহায্য করে।

(B) ক্লোরোপ্লাস্ট- ক্লোরোপ্লাস্টে ক্লোরোফিল নামক সবুজ বর্ণ কণিকা থাকে। এজন্য পাতা ও কচি শাখা প্রশাখা সবুজ দেখায়। এতে ক্লোরোফিল ব্যতীত অন্যান্য বর্ণ কণিকাও অল্প পরিমাণে থাকে। যেমন- হলুদ বর্ণ কণিকা জ্যান্থোফিল ও কমলা বর্ণ কণিকা ক্যারোটিন। ক্লোরোপ্লাস্ট বিভিন্ন আকৃতির হয়, তবে বড় বড় উদ্ভিদে সাধারণত লেন্স আকৃতির হয়। এটি প্রধানত সালোকসংশ্লেষণে সহায়তা করে।

(C) লিউকোপ্লাস্ট- বর্ণহীন প্লাস্টিড হচ্ছে লিউকোপ্লাস্ট। মাটির নিচের অংশ, তথা রাইজোম, ভূ-নিম্নস্থ কান্ড, মূল প্রভৃতিতে লিউকোপ্লাস্ট থাকে। এটি খাদ্য সঞ্চয় করে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬০৫.
কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) n- টাইপ অর্ধপরিবাহক
  2. খ) p- টাইপ অর্ধপরিবাহক
  3. গ) z- টাইপ অর্ধপরিবাহক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) p- টাইপ অর্ধপরিবাহক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) p- টাইপ অর্ধপরিবাহক
ব্যাখ্যা
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে।
যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,৬০৬.
পাখি পালন বিষয়ক বিজ্ঞানকে কী বলে?
  1. Animal Husbandry
  2. Sericulture
  3. Apiculture
  4. Aviculture
সঠিক উত্তর:
Aviculture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aviculture
ব্যাখ্যা
• Aviculture (এভিকালচার) - পাখি পালন বিষয়ক বিজ্ঞান।

অপশন আলোচনা:
• Animal Husbandry (এনিম্যাল হাসবেন্ড্রি):
- পশুপালন বিষয়ক বিজ্ঞান।

• Sericulture (সেরিকালচার):
- সেরিকালচারে রেশম চাষ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

• Apiculture (এপিকালচার):
- এপিকালচারে মৌমাছি পালন সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

উৎস: Britannica.com
১১,৬০৭.
কোন উদ্ভিদের বীজ উন্মুক্ত অবস্থায় থাকে? 
  1. ইস্ট
  2. ধান
  3. পাইনাস
  4. সরিষা
সঠিক উত্তর:
পাইনাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাইনাস
ব্যাখ্যা
- বীজ উৎপাদন পদ্ধতির উপর নির্ভর করে স্পারমাটোফাইটাকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
(ক) নগ্নবীজী উদ্ভিদ এবং 
(খ) আবৃতবীজী উদ্ভিদ। 
 
নগ্নবীজী উদ্ভিদ: 
- নগ্নবীজী উদ্ভিদের ফুলে কোনো গর্ভাশয় থাকে না, কিন্তু ডিম্বক থাকে। 
- ফলস্বরূপ নিষেকের পরে ডিম্বক বীজে পরিণত হলেও গর্ভাশয় না থাকায় কোনো ফল তৈরি হয় না। 
- এজন্য এদের বীজ উন্মুক্ত অবস্থায় থাকে। 
যেমন- সাইকাস, পাইনাস, থুজা ইত্যাদি এ ধরনের উদ্ভিদ। 

অন্যদিকে, 
- ধান, সরিষা হলো আবৃতবীজী উদ্ভিদ, এদের বীজ ফলের ভিতরে থাকে। 
- ইস্ট এক ধরনের ছত্রাক, এদের কোনো বীজ তৈরি হয় না। 
- ইস্ট স্পোরের মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬০৮.
কোষঝিল্লির গঠন কোন মডেল দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়?
  1. Fluid Mosaic Model
  2. Double Helix Model
  3. Cell Theory
  4. Osmotic Model
সঠিক উত্তর:
Fluid Mosaic Model
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Fluid Mosaic Model
ব্যাখ্যা

• কোষঝিল্লি হলো একটি দ্বিস্তরীয় লিপিড যার মধ্যে প্রোটিন অণুগুলো ভাসমান অবস্থায় থাকে। S. J. Singer ও G. L. Nicolson ১৯৭২ সালে প্রস্তাব করেন যা ফ্লুয়িড মোজাইক মডেল হিসেবে পরিচিত।

- কোষঝিল্লি হলো কোষের বহিঃস্তর যা কোষের ভেতরের উপাদানকে বাইরের পরিবেশ থেকে আলাদা করে রাখে।
- এটি আর্ধভেদ্য, অর্থাৎ কিছু পদার্থকে প্রবেশ করতে দেয় এবং কিছু পদার্থকে বাধা দেয়।
- কোষের ভিতরে বাইরে পানি, আয়ন ও পুষ্টির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের জন্য কোষঝিল্লি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্লুয়িড মোজাইক মডেলর মূল ধারণা:
- তরল: বোঝায় যে ঝিল্লির গঠনটি স্থির নয়, বরং চলমান ও নমনীয়।
- মোজাইক: বোঝায় প্রোটিন ও লিপিড অণুর ছকছক বিন্যাস, যা একে মোজাইক চিত্রের মতো দেখায়।

ফ্লুয়িড মোজাইক মডেলর বৈশিষ্ট্য:
- ঝিল্লি নমনীয় ও গতিশীল।
- প্রোটিনগুলো লিপিড স্তরের মধ্যে ভাসমান অবস্থায় থাকে।
- কোষঝিল্লি selective permeability প্রদর্শন করে।
- এটি communication, transport ও recognition প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়।
 
 তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান বই। 

১১,৬০৯.
কোন পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য 200V এবং তড়িৎ প্রবাহ মাত্রা 20A হলে এর রোধ কত?
  1. 4000Ω
  2. 0.1Ω
  3. 10Ω
সঠিক উত্তর:
10Ω
উত্তর
সঠিক উত্তর:
10Ω
ব্যাখ্যা

দেওয়া আছে,
বিভব পার্থক্য, V = 200 V
তড়িৎ প্রবাহ, I = 20 A
এবং রোধ, R = ?

আমরা জানি,
I = V/R
বা, R = V/I
বা, R = 200/20
= 10Ω

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬১০.
একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের যকৃতের ওজন কতটুকু?
  1. ক) প্রায় ২-৩ কেজি
  2. খ) প্রায় ১.৫-২ কেজি
  3. গ) প্রায় ০.৫-১ কেজি
  4. ঘ) প্রায় ৩-৪ কেজি
সঠিক উত্তর:
খ) প্রায় ১.৫-২ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রায় ১.৫-২ কেজি
ব্যাখ্যা
যকৃত (Liver):
- মানুষের মধ্যচ্ছদার ঠিক নিচে পাকস্থলির ডানদিকে বিস্তৃত গাঢ় লালচে বর্ণের ত্রিকোণাকার ও পিত্তরস নিঃসরণকারী গ্রন্থিকে যকৃত বলা হয়।
- যকৃতের বেশির ভাগ অংশ দেহের ডানদিকে অবস্থিত।
- যকৃত মানবদেহের সর্বাপেক্ষা বৃহৎ গ্রন্থি।
- একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের যকৃতের ওজন প্রায় ১.৫-২.০ কেজি
- এটি চারটি অসম্পূর্ণ খণ্ড নিয়ে বিভক্ত।
- ডান খণ্ডটি অপেক্ষাকৃত বড় এবং এই খণ্ডের নিচে পেয়ালার মতো পিত্তরস ধারণকারী একটি থলে থাকে, একে পিত্তথলি বলে।
- পিত্তথলি ৭-৮ সে.মি. লম্বা।
- পিত্তথলি থেকে পিত্ত ডিওডেনামে উন্মুক্ত হয়।
- পিত্তরস হলদে সবুজ বর্ণের একটি ক্ষার জাতীয় তরল পদার্থ।
- এতে শতকরা ৮০% পানি ও ২০% অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান থাকে।
- যকৃত থেকে ক্ষরণকৃত পিত্তরসে, খাদ্য পরিপাকে সাহায্যকারী কোন এনজাইম না থাকায় খাদ্য পরিপাকে এদের প্রত্যক্ষ কোন ভূমিকা নেই।
- তবে এরা শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন প্রভৃতি খাদ্যকে পরিপাকের পর রক্তস্রোতে পরিবাহিতকরণে সাহায্য করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬১১.
এন্টিবডি উৎপন্ন করে-
  1. ক) মনোসাইট
  2. খ) লিম্ফোসাইট
  3. গ) নিউট্রোফিল
  4. ঘ) বেসোফিল
সঠিক উত্তর:
খ) লিম্ফোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিম্ফোসাইট
ব্যাখ্যা
মনোসাইট এবং নিউট্রোফিল ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণু ধ্বংস করে। লিম্ফোসাইট এন্টিবডি উৎপন্ন করে। বেসোফিল হেপারিন নিঃসৃত করে।
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১১,৬১২.
দুটি বিন্দু আধানের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান-
  1. ক) এদের আধানের পরিমাণের গুণফলের ব্যস্তানুপাতিক
  2. খ) মধ্যবর্তী দূরত্বের সমানুপাতিক
  3. গ) মধ্যবর্তী দূরত্বের ব্যস্তানুপাতিক
  4. ঘ) মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
ব্যাখ্যা

কুলম্বের সূত্র: দুটি বিন্দু আধানের মধ্যে আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল এদের আধানের পরিমানের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক।
এই বল এদের সংযোগ সরল রেখা বরাবর ক্রিয়া করে।
এই বলের মান মাধ্যমের উপর নির্ভর করে।

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১১,৬১৩.
নিচের কোনটি C3 উদ্ভিদ?
  1. ক) ইক্ষু
  2. খ) মুথা ঘাস
  3. গ) ভুট্টা
  4. ঘ) ধান
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধান
ব্যাখ্যা
C3 উদ্ভিদ: ক্যালভিন চক্রের প্রথম স্থায়ী পদার্থ ৩-কার্বনবিশিষ্ট তাই এ চক্রকে C3 চক্রও বলা হয়।
যে সব উদ্ভিদে C3 চক্র বর্তমান তাদেরকে C3 উদ্ভিদ বলা হয়। পৃথিবীর অধিকাংশ উদ্ভিদই C3 উদ্ভিদ।
যেমন- ধান, গম, পাট, বেগুন, টমেটো ইত্যাদি।

Cউদ্ভিদ: যেহেতু এ উদ্ভিদে প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার কার্বনবিশিষ্ট সেহেতু হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্রকে C4 চক্রও বলা হয় এবং যে সব উদ্ভিদে এ চক্র চলে তাদেরকে C4 উদ্ভিদ বলা হয়।
ইক্ষু, ভুট্টা, মুথা ঘাস, কাটানটে, ডাটাশাক ইত্যাদি C4 উদ্ভিদ।

সূত্রঃ উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬১৪.
শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে -
  1. নক্ষত্রমণ্ডলী
  2. শুক্র গ্রহ
  3. বুধ গ্রহ
  4. নীহারিকা
সঠিক উত্তর:
শুক্র গ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্র গ্রহ
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):
- শুক্র গ্রহকে ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়।
- শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়, শুক্র গ্রহ।
- কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই আমরা একে ভুল করে তারা বলি।
- শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা। তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনই দেখা যায় না।
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইডের তৈরি।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
- সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না।
- এখানে বৃষ্টি হয় তবে এসিড বৃষ্টি।
- শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার।
- সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সুতরাং শুক্রে ২২৫ দিনে এক বছর।
- শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।
- সকল গ্রহ এদের নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে পাক খেলেও শুক্র গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়। (বোর্ড বই)

উল্লেখ্য নাসার তথ্য মতে,
- শুক্রের মতো, ইউরেনাসও পূর্ব থেকে পশ্চিমে ঘূর্ণন করে।
- তবে ইউরেনাসের বিশেষত্ব হলো এটি পার্শ্বাভিমুখে ঘূর্ণন করে, যা একে অনন্য করে তুলেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১,৬১৫.
কোন বল দ্বারা মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে?
  1. তাড়িতচৌম্বক বল
  2. সবল নিউক্লিয় বল
  3. মহাকর্ষ বল
  4. দুর্বল নিউক্লিয় বল
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাকর্ষ বল
ব্যাখ্যা
মৌলিক বল: 
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বরং অন্যান্য বল এ সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে। 
মৌলিক বলগুলো হলো - 
১. মহাকর্ষ বল (Gravitational Force), 
২. তাড়িতচৌম্বক বল (Electromagnetic Force), 
৩. সবল নিউক্লিয় বল (Strong Nuclear Force) এবং 
৪. দুর্বল নিউক্লিয় বল (Weak Nuclear Force) । 

মহাকর্ষ বল: 
- মহাবিশ্বের প্রত্যেক বস্তু একে অপরকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বল বলে। 
- বস্তুর ভরের কারণে এ আকর্ষণ ঘটে। 
- এ বলের কারণে গ্রহসমূহ নক্ষত্রের চারদিকে ঘুরে, পৃথিবীর যাবতীয় প্রাণী ও বস্তু ভূ-পৃষ্ঠের সংলগ্ন থাকে, বস্তুর ওজন অনুভূত হয় ইত্যাদি। 
- দুটি বস্তুর মধ্যে গ্রাভিটন নামক এক প্রকার কণার পারস্পরিক বিনিময়ের মাধ্যমে এ বল কার্যকর হয়। 
- অবশ্য গ্রাভিটনের অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। 
- মহাকর্ষ বলের পাল্লা অসীম। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬১৬.
গোয়েন্দা বিভাগে কোন রশ্মি ব্যবহার করা হয়? 
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রঞ্জন রশ্মি
ব্যাখ্যা
রঞ্জন রশ্মি: 
- ১৮৯৫ সালে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম রন্টজেন আবিষ্কার করেন যে, তড়িৎক্ষরণ নল থেকে যখন ক্যাথোড রশ্মি নলের দেয়ালে পড়ে তখন এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি উৎপন্ন হয়। 
- এক্স-রের একক রন্টজেন। 
- এক্স-রে উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন। 
- রঞ্জন রশ্মি বা এক্স-রশ্মি (X-ray) বলতে আলোর চেয়ে অনেক ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের, মূলত ০.১ থেকে ১০ ন্যানোমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্য পরিসরে এবং ৩x১০১৬ থেকে ৩x১০২০ হার্জের কম্পাংক পরিসরে অবস্থিত ও উচ্চ ভেদনক্ষমতাবিশিষ্ট তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণকে বোঝায়। 

এক্স-রে এর ব্যবহার: 
- হীরক সনাক্তকরণ,
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা,
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়,
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬১৭.
পদার্থের একক ভরের মোট তাপের পরিমাণকে বলে-
  1. ক) এনথালপি
  2. খ) এনট্রপি
  3. গ) এনট্রাপি
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা

পদার্থের একক ভরের মোট তাপের পরিমাণকে বলে- আপেক্ষিক তাপ। 

আপেক্ষিক তাপ: 1 kg ভরের কোন বস্তুর তাপমাত্রা 1 K বাড়াতে যে পরিমাণ তাপের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ বস্তুর উপাদানের আপেক্ষিক তাপ বলে। আপেক্ষিক তাপকে ইংরেজি অক্ষর S দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

এনথালপি: একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট সিস্টেমের অভ্যন্তরীন শক্তি এবং কৃতকাজ এর সমষ্টিকে এনথালপি বলে।

এনট্রপি: শক্তি রূপান্তরের অক্ষমতা বা তাপীয় বিশৃক্ষলাকে এনট্রপি বলে।

১১,৬১৮.
শিশুর বয়স কত হলে পিসিভি ভ্যাকসিন দেওয়া হয়?
  1. ক) ৯ সপ্তাহ
  2. খ) ৬ সপ্তাহ
  3. গ) ৯ মাস
  4. ঘ) ১৫ মাস
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
- পিসিভি ভ্যাকসিন দেওয়া হয় নিউমোকক্কাল নিঊমোনিয়ার বিরুদ্ধে। 
- এর ডোজের সংখ্যা  ৩ টি। 
- শিশুর বয়স ৬ সপ্তাহ পূর্ণ হলে এই টিকা দিতে হয়। 
 
উৎস: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। 
১১,৬১৯.
নিচের কোন শক্তি উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ সবচেয়ে কম হয়?
  1. সৌর শক্তি
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. খনিজ তেল
  4. কয়লা
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌর শক্তি
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস ও এর প্রকারভেদ:  
- শক্তির উৎস প্রধানত দুই ধরনের। 
যথা- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস এবং অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। 

১. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস: 
- নবায়নযোগ্য শক্তি এমন একটি শক্তির উৎস, যা প্রকৃতিতে বারবার পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং কখনো ফুরিয়ে যায় না। 
- এটি সাধারণত পরিবেশবান্ধব হওয়ায় গ্রীন শক্তি নামেও পরিচিত। 
- নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদনে দূষণের পরিমাণ কম থাকে। 
- এটি দীর্ঘমেয়াদে টেকসই এবং প্রাকৃতিকভাবে পুনরায় উৎপন্ন হয়। 
উদাহরণ: সৌর শক্তি, বায়ু শক্তি, জলবিদ্যুৎ, সমুদ্রস্রোত, ভূ-তাপীয় শক্তি ইত্যাদি। 

২. অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস:
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস প্রকৃতিতে সীমিত এবং একবার ব্যবহার হয়ে গেলে পুনরায় সৃষ্টি হতে দীর্ঘ সময় লাগে বা আর উৎপন্ন হয় না। 
- এটি পুনরায় ব্যবহার করা যায় না বা খুব ধীরগতিতে পুনরায় গঠিত হয়। 
- অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎপাদন ব্যয়বহুল এবং এটি অনেক ক্ষেত্রে পরিবেশ দূষণের কারণ হতে পারে। 
উদাহরণ: কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, নিউক্লিয় শক্তি ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬২০.
ডিটারজেন্ট এবং সাবানের মধ্যে মূল ভিন্নতা কী?
  1. সাবান ঠান্ডা পানিতে গলে যায়, ডিটারজেন্ট গলে না
  2. উভয়ই ঠান্ডা পানিতে গলে না
  3. উভয়ই ঠান্ডা পানিতে গলে
  4. ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায়, সাবান গলে না
সঠিক উত্তর:
ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায়, সাবান গলে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায়, সাবান গলে না
ব্যাখ্যা

• ডিটারজেন্ট এবং সাবানের মধ্যে মূল ভিন্নতা হচ্ছে - ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায়, সাবান গলে না। 

পরিষ্কারক উপাদান: 
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে। 

ডিটারজেন্ট: 
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়। 
- এই সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাচাঁমাল ব্যবহৃত হয়। 
যেমন- পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি। 
- এছাড়া ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রঙ এবং কখনো জীবাণুনাশক পদার্থ। 
- ডিটারজেন্ট খর পানিতে কাজ করে এবং উত্তম ফেনা তৈরি করে। 
- ডিটারজেন্ট লবণের সাথে বিক্রিয়া করে দই বা চুন উৎপন্ন করে না। 
- ডিটারজেন্টের কঠিন তলে ঢোকার ক্ষমতা বেশি। 
- ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায় কিন্তু সাবান ঠান্ডা পানিতে সহজে গলে না। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬২১.
প্রাপ্তবয়স্কদের ভিটামিন ডি-এর অভাবে প্রধানত কোন রোগ হতে পারে?
  1. স্কার্ভি 
  2. ডায়াবেটিস
  3. অস্টিওমালেসিয়া
  4. হার্ট অ্যাটাক
সঠিক উত্তর:
অস্টিওমালেসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্টিওমালেসিয়া
ব্যাখ্যা

- প্রাপ্তবয়স্কদের ভিটামিন ডি-এর অভাবে যে রোগটি হতে পারে তা হলো অস্টিওমালেসিয়া, যা হাড় নরম ও দুর্বল করে তোলে এবং হাড়ে ব্যথা ও পেশী দুর্বলতার কারণ হয়; এটি শিশুদের রিকেটসের প্রাপ্তবয়স্কদের রূপ, যেখানে হাড় পাতলা ও ভঙ্গুর হয়ে যায়। 

ভিটামিন ডি: 
- একমাত্র প্রাণিজ উৎস থেকেই ভিটামিন 'ডি' পাওয়া যায়। 
- এই ভিটামিন সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির সাহায্যে মানুষের ত্বকে সংশ্লেষিত হয়। 
- ডিমের কুসুম, দুধ এবং মাখন ভিটামিন ডি -এর প্রধান উৎস। 
- বাধাঁকপি, যকৃৎ এবং তেলসমৃদ্ধ মাছে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। 
- ভিটামিন ডি শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ করতে সাহায্য করে, যা হাড় তৈরির কাজে লাগে। 
- ভিটামিন ডি-এর অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং প্রাপ্তবয়স্কদের অস্টিওমালেসিয়া রোগ হয়, যেখানে হাড় নরম ও দুর্বল হয়ে যায়। 
- দৈনিক চাহিদার থেকে অতিরিক্ত ভিটামিন ডি গ্রহণ করলে হাইপারক্যালসেমিয়া হতে পারে, যার ফলে বমি, দুর্বলতা, মূত্রের পরিমাণ বৃদ্ধি, হাড়ের ব্যথা এবং কিডনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। 

অন্যদিকে, 
- স্কার্ভি (Scurvy) ভিটামিন সি-এর অভাবজনিত রোগ। 
- ভিটামিন ডি-এর অভাব ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি অভাবজনিত রোগ নয়। 
- দীর্ঘস্থায়ী ভিটামিন ডি-এর অভাব হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি অভাবজনিত রোগ নয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৬২২.
আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) -এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নিচের কোনটি গ্রহের মর্যাদা হারায়?
  1. শনি
  2. ইউরেনাস
  3. নেপচুন
  4. প্লুটো
সঠিক উত্তর:
প্লুটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লুটো
ব্যাখ্যা

প্লুটো:
- প্লুটো একসময় নবম গ্রহ হিসেবে স্বীকৃত ছিল।
- ২০০৬ সালে IAU এর সংজ্ঞা অনুযায়ী প্লুটো গ্রহের মর্যাদা হারায়।
- এখন এটি একটি বামন গ্রহ (dwarf planet) হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- একটি বস্তুকে গ্রহ হিসেবে চিহ্নিত করতে বিজ্ঞানীরা সাধারণত কিছু শর্ত আরোপ করেন।
১. এটি যথেষ্ট বড় হতে হবে (সাধারণত ১,০০০ কিমি বা তার বেশি)। 
২. নিজের মাধ্যাকর্ষণের কারণে এটি গোলাকার (আনুমানিক ৭০০ কিমি ব্যাস) আকৃতি ধারণ করতে সক্ষম হতে হবে।
৩. এর ভর এমন হতে হবে যাতে কেন্দ্রস্থলে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু না হয়।

• আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) অনুসারে, আমাদের সৌরজগতের ৮টি গ্রহ। যথা-
- বুধ,
- শুক্র,
- পৃথিবী,
- মঙ্গল,
- বৃহস্পতি,
- শনি,
- ইউরেনাস, এবং
- নেপচুন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১১,৬২৩.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন কে? 
  1. জর্জ গ্যামো
  2. এডুইন হাবল
  3. স্টিফেন হকিং 
  4. জি. ল্যামেটার 
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং 
ব্যাখ্যা

বিগ ব্যাং তত্ত্ব: 
- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল; হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটা বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। 
- জি. ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং। 
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই ‘A Brief History of Time’. 
-  বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি. ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

১১,৬২৪.
উদ্ভিদে কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পানি বাষ্পে পরিণত হয়ে বের হয়ে যায়? 
  1. শ্বসন
  2. নিঃসরণ
  3. প্রস্বেদন
  4. অভিসরণ
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্বেদন
ব্যাখ্যা
প্রস্বেদন: 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে যে পরিমাণ পানি শোষণ করে তার সামান্য অংশই বিভিন্ন জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় ব্যয় করে। 
- অধিকাংশ পানি উদ্ভিদদেহ থেকে বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়। 
- যে শারীরতাত্ত্বিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদদেহ থেকে পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায় তাকে প্রস্বেদন বলে। 
- প্রস্বেদনের প্রধান অঙ্গ উদ্ভিদের পাতা। 
- এছাড়া প্রক্রিয়াটি কান্ড এবং তার শাখা প্রশাখার মাধ্যমেও হয়ে থাকে। 
- উদ্ভিদে তিন ধরনের প্রস্বেদন দেখা যায়। যথা- 
(ক) পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন, 
(খ) ত্বকীয় প্রস্বেদন এবং 
(গ) লেন্টিকুলার প্রস্বেদন। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬২৫.
X-Ray এর মাধ্যমে কোন রোগ নির্ণয় করা যায়?
  1. ফ্র্যাকচার
  2. নিউমোনিয়া
  3. টিউমার
  4. উপরের সবগুলি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলি
ব্যাখ্যা

◉ এক্স-রে (X-ray) হল এমন একটি ইমেজিং প্রযুক্তি, যা শরীরের অভ্যন্তরীণ কাঠামো পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হাড়ের সমস্যা, ফুসফুসের রোগ এবং টিউমার শনাক্ত করতে কার্যকর।

এক্স-রে (রঞ্জন রশ্মি):
- জার্মান পদার্থবিদ উইলহেলম রন্টজেন এক্স-রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- ১৮৯৫ সালে এক্স-রশ্মি আবিষ্কৃত হয়।
- এক্স-রশ্মি আবিষ্কারের জন্য বিজ্ঞানী রন্টজেন 1901 সালে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।
- এটি একটি তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ।
- এক্স-রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য 10-8 m থেকে 10-13 m পর্যন্ত।
- এক্স-রশ্মি উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন।

এক্স-রে রশ্মির ব্যবহার:
- হীরক সনাক্তকরণ,
- স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে দাগ বা ফাটল শনাক্ত করা,
- শরীরের ভিতরের কোন বস্তুর বা ফুসফুসে কোন ক্ষতের অবস্থান নির্ণয়,
- গোয়েন্দা বিভাগে কাঠের বাক্স বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক রাখলে তা খুঁজে বের করতে এক্স রশ্মি বা রঞ্জন রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬২৬.
কোন আবিষ্কারের জন্য জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলিকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়?
  1. ভ্যাকুয়াম টিউব
  2. ডায়োড
  3. ট্রায়োড
  4. ট্রানজিস্টর
  5. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর (Transistor): 
- ১৯৪৭ সালে বেল ল্যাবরেটরিতে প্রথম ট্রানজিস্টর তৈরি করা হয়। 
- এই আবিষ্কারের জন্য জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলিকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- এই ট্রানজিস্টর কত দ্রুত এবং কত ব্যাপকভাবে পুরো পৃথিবীকে পাল্টে দেবে সেটি তখনো কেউ অনুমান করতে পারেনি।
- ট্রানজিস্টর ভ্যাকুয়াম টিউবের মতোই কাজ করতে পারে। 
- কিন্তু ভ্যাকুয়াম টিউবের তুলনায় এটি অতি ক্ষুদ্র, ওজন খুবই কম, এটি ব্যবহার করতে খুব অল্প বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়, এটি অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য এবং সবচেয়ে বড় কথা এটি অনেক কম খরচে তৈরি করা সম্ভব।
- ট্রানজিস্টর খুব দ্রুত ভ্যাকুয়াম টিউবকে সরিয়ে তার স্থান দখল করে নিতে শুরু করল এবং পৃথিবীর মানুষ স্বল্প মূল্যে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে তৈরি নানা ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি পেতে শুরু করল।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১১,৬২৭.
গ্যালভানাইজিং (Galvanizing) বলতে কী বোঝায়?
  1. লোহার উপর রুপার প্রলেপ দেওয়া
  2. লোহাকে তাপে গলিয়ে শক্তিশালী করা
  3. লোহাকে দস্তার প্রলেপ দেওয়া
  4. লোহাকে তাপে গলিয়ে বিশুদ্ধ করা
সঠিক উত্তর:
লোহাকে দস্তার প্রলেপ দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহাকে দস্তার প্রলেপ দেওয়া
ব্যাখ্যা

Galvanizing হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে লোহা বা ইস্পাতের উপর দস্তার (Zinc) আবরণ দেওয়া হয়। এই দস্তার স্তর বাতাস ও আর্দ্রতার সংস্পর্শে এসে zinc oxide গঠন করে, যা লোহার উপর প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে। এর ফলে লোহা সহজে মরিচা ধরে না এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়।

গ্যালভানাইজিং: 
- দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন কাজে জিংক বা দস্তা ব্যবহার করা হয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো গ্যালভানাইজিং। 
- লোহার তৈরি দ্রব্যসামগ্রীর উপর দস্তার পাতলা আস্তরণ দেওয়াকে গ্যালভানাইজেশন বলে। 
- জিংক এর আবরণ লোহাকে বাতাসের অক্সিজেন ও পানি থেকে রক্ষা করে, ফলে মরিচা পড়তে পারে না এবং লোহারও ক্ষতি হয় না। 
- দস্তার পরিবর্তে টিন দিয়েও অনেক সময় আবরণ দিয়ে ধাতব পদার্থকে ক্ষয় হতে রক্ষা করা যায়। 

পেইন্টিং: 
- পেইন্টিং বা রং করেও ধাতব পদার্থসমূহের ক্ষয় রোধ করা যায়। 
- বাসার রেফ্রিজারেটর, আলমারি, গাড়ি, স্টিলের আসবাবপত্র এসবেরই ক্ষয় রোধ করা জন্য পেইন্ট দিয়ে রং করা হয়। 
- এই পেইন্ট সময়ের সাথে সাথে নষ্ট হয়ে যেতে পারে, সেক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব আবার পেইন্টিং করে নেওয়া ভালো। 

ইলেকট্রোপ্লেটিং: 
- ইলেকট্রোপ্লেটিং হলো তড়িৎ বিশ্লেষণের সাহায্যে একটি ধাতুর উপর আরেকটি ধাতুর পাতলা আবরণ তৈরির প্রক্রিয়া। 
- এই প্রক্রিয়ায় সাধারনত নিকেল, ক্রোমিয়াম, টিন, সিলভার ও সোনা দিয়ে আবরণ তৈরি করা হয়। 
- এতে একদিকে যেমন ধাতুর ক্ষয় রোধ করা যায়, অন্যদিকে তেমনি বস্তুটি দেখতে আকর্ষণীয় ও চকচকে হয়। 
- খাবারের কৌটা, সাইকেল, এগুলোর ক্ষেত্রে লোহার উপর টিনের ইলেকট্রোপ্লেটিং করা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১১,৬২৮.
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদে শিরাবিন্যাসের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. জালিকাকার শিরাবিন্যাস দেখা যায়
  2. সমান্তরাল শিরাবিন্যাস দেখা যায়
  3. শিরা-উপশিরা গুলো পরস্পর আলাদা থাকে
  4. রেটিকুলেট ভিনেশন দেখা যায় না
সঠিক উত্তর:
জালিকাকার শিরাবিন্যাস দেখা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিকাকার শিরাবিন্যাস দেখা যায়
ব্যাখ্যা
• দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের পাতায় জালিকা বা রেটিকুলেট শিরাবিন্যাস দেখা যায়। 

• পত্রফলকের শিরাবিন্যাস:
পত্রফলকে মধ্যশিরা (অথবা একাধিক প্রধান শিরা), শিরা, উপশিরা থাকে। যে নির্দিষ্ট রীতিতে শিরা-উপশিরাগুলো পত্রফলকে বিন্যস্ত থাকে তাকে শিরাবিন্যাস বলে।
-ফলকের শিরাবিন্যাস উদ্ভিদ শনাক্তকরণে কাজে লাগে। 

• পাতার শিরাবিন্যাস ২ প্রকার। যথা:
→  রেটিকুলেট ভিনেশন (Reticulate venation) বা জালিকা শিরাবিন্যাস:
- পাতার শিরা-উপশিরা ও এদের শাখা-প্রশাখাগুলো পরস্পর যুক্ত হয়ে একটি জালের মতো সৃষ্টি করলে তাকে জালিকা শিরাবিন্যাস বলা হয়।
- দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের পাতায় জালিকা শিরাবিন্যাস দেখা যায়।
- শিরাগুলো শাখান্বিত হয়ে জালের মতো আকৃতি তৈরি করে।
- উদাহরণ- আম, জাম, শিমের পাতা।

→  প্যারালেল ভিনেশন (Parallel venation) বা সমান্তরাল শিরাবিন্যাস:
- পাতার শিরাগুলো পরস্পর যুক্ত না হয়ে সমান্তরালভাবে বিন্যস্ত থাকলে তাকে সমান্তরাল শিরাবিন্যাস বলা হয়।
- একবীজপত্রী উদ্ভিদের সমান্তরাল শিরাবিন্যাস দেখা যায়। 
- শিরাগুলো সমান্তরালভাবে সাজানো থাকে।
- উদাহরণ-  ধান, গম, ঘাস। 

তথ্যসূত্র:
-জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১১,৬২৯.
জীবাশ্মগত বিদ্যাকে বলা হয় -
  1. Helminthology
  2. Paleontology
  3. Parasitology
  4. Ophthalmology
সঠিক উত্তর:
Paleontology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Paleontology
ব্যাখ্যা
জীবাশ্ম: 
- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil) ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি। 
- Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুঁড়ে তোলা। 
- পূর্বে মাটি খুঁড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো। 
- বর্তমানে পৃথিবীর ভূ-ত্বকে প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়। 
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (Paleontology) বলা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৩০.
কোন এসিড শিল্পোন্নয়নের পরিমাপক হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. সালফিউরিক এসিড
  2. নাইট্রিক এসিড
  3. হাইড্রোক্লোরিক এসিড 
  4. কার্বোলিক এসিড
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা

এসিডের ব্যবহার: 
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এবং শিল্প কারখানায় এসিডের ব্যবহার অনস্বীকার্য। 
যেমন-
• সোনার গহনা তৈরির সময় নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করা হয়। 
• আইপিএস, গাড়ি, মাইক বাজানোর সময়, সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়।
• বাসাবাড়িতে সাপের উপদ্রব কমানোর জন্য কার্বোলিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• আমাদের খাদ্যদ্রব্য হজম করার জন্য পাকস্থলীতে যে এসিড অত্যাবশ্যকীয় তা হলো হাইড্রোক্লোরিক এসিড। 
• সার কারখানায় অতি প্রয়োজনীয় একটি উপাদান হলো সালফিউরিক এসিড। 
• এছাড়া ডিটারজেন্ট থেকে শুরু করে নানারকম রং, ঔষধপত্র, কীটনাশকসহ পেইন্ট, কাগজ, বিস্ফোরক ও রেয়ন তৈরিতে প্রচুর সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
কোনো একটি দেশ কতটা শিল্পোন্নত তা বিচার করা হয় ঐ দেশ কতটুকু সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করে তার উপর ভিত্তি করে। 
• ইস্পাত তৈরির কারখানা, ঔষধ, চামড়া শিল্প ইত্যাদি অনেক শিল্পে হাইড্রোক্লোরিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 
• সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির সাথে নাইট্রিক এসিড এসিড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১১,৬৩১.
লাল টিউলিপ ফুলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে কোনটির আক্রমণে?
  1. শৈবাল
  2. ছত্রাক
  3. ভাইরাস
  4. ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাইরাস
ব্যাখ্যা
- বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে ভাইরাসকে বিভিন্নভাবে মানুষের কিছু উপকারে আনতে সক্ষম হয়েছেন। 
যথা- 
১। বসন্ত, পোলিও, এবং জলাতংক রোগের প্রতিষেধক টিকা ভাইরাস দিয়েই তৈরি করা হয়। 
২। ভাইরাস হতে জন্ডিস রোগের টিকা তৈরি করা হয়। 
৩। ভাইরাসকে বর্তমানে বহুল আলোচিত জিনতত্ত্ব ও আণবিক জীববিদ্যা বা জিন প্রকৌশল এ বাহক হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
৪। ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন- ফায ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত আমাশয় রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে। 
৫। কতিপয় ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হয়েছে।
৬। জীব সৃষ্টি প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও ক্রমবিবর্তনের ধারা সম্পর্কে জ্ঞানলাভ করার চাবিকাঠি হলো ভাইরাস, কেননা ভাইরাসে জীব ও জড় উভয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান। 
৭। লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ পড়ে, এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং ফুলের মূল্যও বাড়ে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৩২.
কোন উদ্ভিদের পাতা থেকে নতুন গাছ জন্মায়?
  1. পাথরকুচি
  2. ডালিয়া
  3. ওলকচু
  4. ফণীমনসা
সঠিক উত্তর:
পাথরকুচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাথরকুচি
ব্যাখ্যা
দেহ অঙ্গের মাধ্যমে: 
- দেহ অঙ্গের মাধ্যমেও অযৌন জনন ঘটে। 
- এ ধরনের অযৌন জননকে অঙ্গজ জননও (Vegetative reproduction) বলা হয়। 
- এটা আবার দু'ভাবে হয়। 
যথা- 
(ক) স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন এবং 
(খ) কৃত্রিম উপায়ে অঙ্গজ জনন। 

(ক) স্বাভাবিক অঙ্গজ জনন: 
- কিছু কিছু উদ্ভিদের মূল থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- মিষ্টি আলু, ডালিয়া, কাঁকরোল, পটল ইত্যাদি। 

- কতিপয় উদ্ভিদের কান্ড থেকে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যেমন- আদা, হলুদ, সটি, আলু, ওলকচু ইত্যাদি। 

- কিছু উদ্ভিদের পাতার কিনারায় পত্রাশ্রয়ী মুকুল হতে নতুন উদ্ভিদের সৃষ্টি হয়। 
যথা- পাথরকুচি। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৩৩.
প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের প্রাণীদের দেহ কেমন আকৃতির? 
  1. গোলাকার
  2. লম্বাটে
  3. চ্যাপ্টা
  4. শুঁড়বিশিষ্ট
সঠিক উত্তর:
চ্যাপ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ্যাপ্টা
ব্যাখ্যা
প্লাটিহেলমিনথেস (Platyhelminthes): 
- Platy শব্দের অর্থ চ্যাপ্টা এবং helminthes শব্দের অর্থ কৃমি, এই শব্দ দুটি থেকে প্লাটিহেলমিনথেস শব্দটি এসেছে। 
- এই পর্বের প্রাণীদের জীবনযাত্রা বেশ বৈচিত্র্যময়। 
- এই পর্বের বহু প্রজাতি বহিঃপরজীবী বা অন্তঃপরজীবী হিসেবে অন্য জীবদেহের বাইরে বা ভিতরে বসবাস করে। 
- তবে কিছু প্রজাতি মুক্তজীবী হিসেবে স্বাদু পানিতে আবার কিছু প্রজাতি লবণাক্ত পানিতে বাস করে। 
- এই পর্বের কোনো কোনো প্রাণী ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে মাটিতে বাস করে। 
যেমন- যকৃত কৃমি, ফিতা কৃমি এই পর্বের অন্তর্গত। 

প্লাটিহেলমিনথেস পর্বের সাধারণ বৈশিষ্ট্য: 
দেহ চ্যাপ্টা, উভলিঙ্গ। 
• বহিঃপরজীবী বা অন্তঃপরজীবী। 
• দেহ পুরু কিউটিকল দ্বারা আবৃত। 
• দেহে চোষক ও আংটা থাকে। 
• দেহে শিখা অঙ্গ নামে বিশেষ অঙ্গ থাকে, এগুলো রেচন অঙ্গ হিসেবে কাজ করে। 
• পৌষ্টিকতন্ত্র অসম্পূর্ণ বা অনুপস্থিত। 
উদাহরণ: Fasciola (যকৃৎ কৃমি) Taenia (ফিতা কৃমি)। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১১,৬৩৪.
Vit-C এর অভাবে-
  1. ক) বেরিবেরি
  2. খ) স্কার্ভি
  3. গ) রিকেটস
  4. ঘ) পেলেগ্রা
সঠিক উত্তর:
খ) স্কার্ভি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্কার্ভি
ব্যাখ্যা

ভিটামিন-বি১(B1) এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়। এছাড়া ভিটামিন-সি(C) এর অভাবে স্কার্ভি; ভিটামিন-ডি(D) এর অভাবে রিকেটস; এবং ভিটামিন-এ(A) এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১১,৬৩৫.
কোন পর্বের সকল প্রাণী সামুদ্রিক?
  1. ক) মলাস্কা
  2. খ) একাইনোডার্মাটা
  3. গ) নিডারিয়া
  4. ঘ) পরিফেরা
সঠিক উত্তর:
খ) একাইনোডার্মাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একাইনোডার্মাটা
ব্যাখ্যা

এই পর্বের সকল প্রাণী সামুদ্রিক। পৃথিবীর সকল মহাসাগরে এবং সকল গভীরতায় এদের বসবাস করতে দেখা যায়। এরা অধিকাংশ মুক্তজীবী।
দেহত্বক কাঁটাযুক্ত। দেহ পাঁচটি সমান ভাগে বিভক্ত।
পানি সংবহনতন্ত্র থাকে এবং নালিপদের সাহায্যে চলাচল করে। পূর্ণাঙ্গ প্রাণীতে, অঙ্কীয় ও পৃষ্ঠদেশ নির্ণয় করা যায় কিন্তু মাথা চিহ্নিত করা যায় না।
উদাহরণ: তারামাছ, সমুদ্র শশা।

১১,৬৩৬.
'কসমিক রে' কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) ১৯০৮
  2. খ) ১৯১২
  3. গ) ১৯২৩
  4. ঘ) ১৯৩৬
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯১২
ব্যাখ্যা
Cosmic rays were discovered in 1912 by Victor Hess, when he found that an electroscope discharged more rapidly as he ascended in a balloon. He attributed this to a source of radiation entering the atmosphere from above, and in 1936 was awarded the Nobel prize for his discovery.
Source: srl.caltech.edu
১১,৬৩৭.
MRI যন্ত্র দিয়ে শরীরের কোন অংশ সবচেয়ে ভালোভাবে বিশ্লেষণ করা যায়? 
  1. হজমতন্ত্র
  2. হাড়ের গঠন
  3. দাঁতের গঠন
  4. কোমল টিস্যু
সঠিক উত্তর:
কোমল টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোমল টিস্যু
ব্যাখ্যা
এমআরআই: 
- মানুষের শরীরের প্রায় সত্তরভাগ পানি, যার অর্থ মানুষের শরীরের প্রায় সব অঙ্গপ্রত্যঙ্গে পানি থাকে। 
- পানির প্রতিটি অণুতে থাকে হাইড্রোজেন এবং হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াস হচ্ছে প্রোটন। 
- শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগ করলে প্রোটনগুলো চৌম্বকক্ষেত্রের দিক সারিবদ্ধ হয়ে যায়, তখন নির্দিষ্ট একটি কম্পনের বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ পাঠানো হলে এই প্রোটনগুলো সেই তরঙ্গ থেকে শক্তি গ্রহণ করে তাদের দিক পরিবর্তন করে এবং এই প্রক্রিয়াকে বলে নিউক্লিয়ার ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স। 
- তার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে ম্যাগনেটিক রেজোনেন্স ইমেজিং বা এমআরআই (MRI: Magnetic Resonance Imaging)। এই যন্ত্রটি দেখতে সিটিস্ক্যান যন্ত্রের মতো কিন্তু এর কার্যপ্রণালী সম্পূর্ণ ভিন্ন। 
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্স-রে পাঠিয়ে প্রতিচ্ছবি নেওয়া হয় কিন্তু এমআরআই যন্ত্রে একজন রোগীকে অনেক শক্তিশালী চৌম্বকক্ষত্রের মাধ্যমে তার শরীরে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সির বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ দেওয়া হয়। 

- শরীরের পানির অণুর ভেতরকার হাইড্রোজেনের প্রোটন থেকে ফিরে আসা সংকেতকে কম্পিউটার দিয়ে বিশ্লেষণ করে শরীরের ভেতরকার অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়। 
- সিটিস্ক্যান দিয়ে যা কিছু করা সম্ভব, এমআরআই দিয়েও সেগুলো করা সম্ভব। তবে এমআরআই দিয়ে শরীরের ভেতরকার কোমল টিস্যুর ভেতরকার পার্থক্যগুলো ভালো করে বুঝা সম্ভব। 
- সিটিস্ক্যান করতে যে সময়ের দরকার হয় তার তুলনায় একটু বেশি সময় লাগে এমআরআই করতে। 
- সিটিস্ক্যানে এক্স-রে ব্যবহার করা হয় বলে যত কমই হোক তেজস্ক্রিয়তার একটু ঝুঁকি থাকে, যা এমআরআইয়ে সেই ঝুঁকি নেই। 
- শরীরের ভেতর কোনো ধাতব কিছু থাকলে (যেমন: পেস মেকার) এমআরআই করা যায় না, কারণ আরএফ (RF) তরঙ্গ ধাতুকে উত্তপ্ত করে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৬৩৮.
অবতল লেন্স কী? 
  1. যে লেন্স আলো শোষণ করে 
  2. যে লেন্স আলো প্রতিফলিত করে 
  3. যে লেন্স আলোক রশ্মিকে অপসারিত করে 
  4. যে লেন্স আলোক রশ্মিকে এক বিন্দুতে মিলিত করে 
সঠিক উত্তর:
যে লেন্স আলোক রশ্মিকে অপসারিত করে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে লেন্স আলোক রশ্মিকে অপসারিত করে 
ব্যাখ্যা

লেন্স: 
- দুটি গোলকীয় অথবা একটি গোলকীয় এবং একটি সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা আবদ্ধ কোন স্বচ্ছ প্রতিসারক আলোক মাধ্যমকে লেন্স বলে। 
- লেন্স প্রধানত দুই প্রকার। 
যথা-
১। অভিসারী বা উত্তল লেন্স: 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয় তাকে অভিসারী লেন্স বলে। 

উত্তল লেন্সের ব্যবহার: 
১. উত্তল লেন্সকে আতশী কাঁচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
২. উত্তল লেন্সের সাহায্যে আলোক রশ্মিকে একটি বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে আগুন জ্বালানোর কাজে ব্যবহৃত হয়। 
৩. চশমা, ক্যামেরা, বিবর্ধক কাঁচ, অণুবীক্ষণ যন্ত্র, দূরবীক্ষণ যন্ত্র ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। 

২। অপসারী বা অবতল লেন্স: 
- যে লেন্সের মধ্য দিয়ে এক গুচ্ছ আলোক রশ্মি প্রতিসরিত হয়ে প্রতিসরণের পর চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে বা অপসারিত করে তাকে অপসারী লেন্স বলে। 

অবতল লেন্সের ব্যবহার: 
১. চশমায় ব্যবহার করা হয়। 
২. গ্যালিলিওর দূরবীক্ষণ যন্ত্রে ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৬৩৯.
বিজ্ঞানীরা কোন কণাটিকে “গডস পার্টিকল” নামে অভিহিত করেন?
  1. হিগস বোসন কণা
  2. গেজ বোসন কণা
  3. গ্রাভিটন কণা
  4. লেপটন কণা
সঠিক উত্তর:
হিগস বোসন কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিগস বোসন কণা
ব্যাখ্যা

• বিজ্ঞানীরা “গডস পার্টিকল” বা ঈশ্বর কণা হিসেবে হিগস বোসন কণাকে অভিহিত করেন। এটি একটি মৌলিক কণা, যা হিগস ক্ষেত্রের সাথে যুক্ত এবং অন্যান্য কণাগুলোর ভর উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। হিগস বোসন না থাকলে, মৌলিক কণাগুলি ভরহীন থাকত এবং মহাবিশ্বে পারমাণবিক কাঠামো তৈরি হতো না। ২০১২ সালে সিএমএস ও এটিএলএস এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে (LHC) এই কণার অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়। এর মাধ্যমে স্ট্যান্ডার্ড মডেল তত্ত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ পরীক্ষা ও সমর্থিত হলো। তাই হিগস বোসনকে “গডস পার্টিকল” বলা হয়।

- সঠিক উত্তর: ক) হিগস বোসন কণা।

হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে। 
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা। 
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়। 
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়। 
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে। 
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৪০.
কোন স্তন্যপায়ী প্রাণীটি ডিম দেয়?
  1. ক) কচ্ছপ
  2. খ) সীল
  3. গ) বাদুর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রায় সকল স্তন্যপায়ী প্রাণী, যেমন- বাদুড়, ক্যাঙ্গারু, সীল ইত্যাদি সন্তান প্রসব করে।
কিন্তু একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণী প্লাটিপাস ডিম পাড়ে । প্লাটিপাসকে জীবন্ত জীবাশ্মও বলা হয়ে থাকে।

কচ্ছপ স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,৬৪১.
শূন্য মাধ্যমে 1 C আধান থেকে কতগুলো বলরেখা নির্গত হয়?
  1. একটি
  2. অসীম
  3. 0 টি
  4. 1/∈0 টি
সঠিক উত্তর:
1/∈0 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/∈0 টি
ব্যাখ্যা
তড়িৎ বলরেখা: 
- দুটি আধান পরস্পরকে বল প্রয়োগ করে, এই বল কিভাবে ক্রিয়া করে তা ব্যাখ্যা করার জন্য ফ্যারাডে সর্বপ্রথম বলরেখার ধারণা দেন।
- বলরেখাগুলো ফ্যারাডের কাল্পনিক রেখা, বাস্তবে এর কোনো অস্তিত্ব নেই।
- কোনো তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি অতি ক্ষুদ্র ধনাত্মক আধান রাখলে আধানটি এক প্রকার বল অনুভব করে এবং ঐ বলের প্রভাবে ক্ষুদ্র ধনাত্মক আধানটি গতিশীল হয়।
- তড়িৎ ক্ষেত্রে একটি মুক্ত ধনাত্মক আধান রাখলে আধানটি যে পথে গতিশীল হয় সেই পথকে তড়িৎ বলরেখা বলে।
- তড়িৎগ্রস্থ বস্তুর চারিপার্শ্বে এবং তড়িৎ ক্ষেত্রের মধ্যে এমন অসংখ্য বল রেখা টানা যেতে পারে।

- বলরেখাগুলো দিয়ে ফ্যারাডে দুটি আধানের মধ্যে আকর্ষণ ও বিকর্ষণ সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন।
- পরবর্তিতে বলরেখাগুলো তড়িৎ ক্ষেত্র ব্যাখ্যা করার জন্যও ব্যবহৃত হয়েছে।
সুতরাং, তড়িৎ ক্ষেত্রকে বুঝানোর জন্য তড়িৎ বলরেখা কল্পনা করা হয়।
- এই কাল্পনিক তড়িৎ বলরেখাগুলির নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
যেমন-
১। তড়িৎ বলরেখাগুলো বক্ররেখা এবং ধনাত্মক আধানের পৃষ্ঠ থেকে লম্বভাবে নির্গত হয়ে ঋণাত্মক আধানের পৃষ্ঠে লম্বভাবে আপতিত হয়।
২। এরা কখনো পরস্পরকে ছেদ করেনা।
৩। এই বলরেখাগুলো স্থিতিস্থাপক সূতার ন্যায় আচরণ করে এবং দৈর্ঘ্য বরাবর সংকুচিত হতে চায়।
৪। এই বলরেখাগুলো পরস্পরের উপর পার্শ্বচাপ প্রয়োগ করে। 
৫। শূন্য বা বায়ু মাধ্যমে 1C আধান থেকে 1/∈0 সংখ্যক বলরেখা নির্গত হয়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৪২.
DNA কী?
  1. ক) ক্রোমোজোম
  2. খ) জাইগোট
  3. গ) নিউক্লিওপ্লাজম
  4. ঘ) নিউক্লিক এসিড
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউক্লিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউক্লিক এসিড
ব্যাখ্যা
• মানব দেহে দুই ধরনের নিউক্লিক এসিড থাকে- DNA এবং RNA।
- DNA এর পূর্ণরূপ হল Deoxyribonucleic acid এবং RNA এর পূর্ণরূপ হল Ribonucleic acid।
- জিনের রাসায়নিক গঠন উপাদান হলো DNA।
- এটি একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে।
- ডিএনএ হলো দ্বিসূত্রকবিশিষ্ট পলিনিউক্লিয়োটাইডের সর্পিলাকার গঠন।
- ডিএনএ অণুর আকৃতি অনেকটা প্যাঁচানো সিঁড়ির ন্যায়। 
- ১৯৫৩ সালে জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক বিজ্ঞানীদ্বয় ডিএনএ অণুর গঠন আবিষ্কার করেন। 

 উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৪৩.
কোনটি ডিজিটাল ডিভাইস হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. ফ্লিপ-ফ্লপ
  2. মাল্টিপ্লেক্সার
  3. কাউন্টার
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর একটি অ্যানালগ বা এনালগ-লেভেল উপাদান  (component)। এটি অ্যাম্পলিফায়ার এবং সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

-  যদিও ট্রানজিস্টর ডিজিটাল ডিভাইসের ভিত্তি (যেমন: গেট, ফ্লিপ-ফ্লপ, কাউন্টার ইত্যাদি) তৈরি করে, তবে একা ট্রানজিস্টর কোনো পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল ডিভাইস নয়।
অর্থাৎ ট্রানজিস্টর নিজে ডিজিটাল ডিভাইস নয়, বরং এটি ডিজিটাল ডিভাইস তৈরির মূল উপাদান।

অন্যদিকে,
 ফ্লিপ-ফ্লপ: এটি একটি ডিজিটাল লজিক ডিভাইস যা 1 বিট ডেটা মেমোরি হিসেবে কাজ করে।

 মাল্টিপ্লেক্সার: এটি একাধিক ইনপুট থেকে একটি ইনপুট সিলেক্ট করে। এটি ডিজিটাল লজিক গেট ব্যবহার করে কাজ করে। 

 কাউন্টার: এটি বাইনারি সংখ্যা গণনা করে। এটি দিয়ে সাধারনত ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা গননা করা হয়। 

তথ্যসূত্র: 
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি – একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (NCTB)।
-  পদার্থবিজ্ঞান – একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (NCTB)। 
-   Electrical Counting By W.B. Lewis.
১১,৬৪৪.
কোন হরমোনের প্রভাবে মানুষের মাথার চুল পড়ে যায়?
  1. ক) টেস্টোস্টেরন হরমোন
  2. খ) অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন
  3. গ) সোমাটোট্রফিন হরমোন
  4. ঘ) প্যারাথাইরয়েড হরমোন
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন
ব্যাখ্যা

নারীর চুল পড়া ও পুরুষের টাকের সবচেয়ে বড় কারণ - অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন।
- এই হরমোন সাধারণত পুরুষের শরীরে বেশি পরিমাণে থাকে।
- যাদের শরীরে এই হরমোনের প্রভাব বেশি, তাদেরই বেশি করে চুল পড়ে।
- নারীর মেনোপজের সময় ও পরে অ্যান্ড্রোজেনিক হরমোন আনুপাতিক হারে বেড়ে যায়। তখন হঠাৎ চুল বেশি করে পড়তে শুরু করে।

অন্যদিকে, 
- অ্যাড্রেনালিন হরমোনের প্রভাবে ভয় পেলে গায়ের লোম খাড়া হয়।
- টেস্টোস্টেরন হরমোনের জন্য দাড়ি গোঁফ গজায়।
- প্যারাথাইরয়েড হরমোন রক্তে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ বৃদ্ধি করে।

সূত্র: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট। 

১১,৬৪৫.
জন্মের এক মাসের মধ্যে কোন টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়? 
  1. ডিপিটি
  2. ডিটি
  3. টিটি
  4. বিসিজি
সঠিক উত্তর:
বিসিজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিসিজি
ব্যাখ্যা
- জন্মের এক মাসের মধ্যে 'বিসিজি ও ওপিভি-ও' টিকা নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিনেশন: 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expended Programe on Immounization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৪৬.
একজন মানুষের দেহে হাড়ের সংখ্যা কত?
  1. ২১০
  2. ৩০৯
  3. ৩০৮
  4. ২০৬
সঠিক উত্তর:
২০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৬
ব্যাখ্যা
মানুষের কঙ্কালতন্ত্র:
ভ্রূণীয় মেসোডার্ম স্তর থেকে সৃষ্ট অস্থি, তরুণাস্থি ও লিগামেন্ট এর সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্র দেহের কাঠামো সৃষ্টি করে, নির্দিষ্ট আকার আকৃতি দান করে, ভার বহন করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গাদি সুরক্ষিত রাখে, তাদেরকে একত্রে কঙ্কালতন্ত্র বলে।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্র ২০৬টি অস্থির সমন্বয়ে গঠিত এবং এ ধরনের কঙ্কালতন্ত্রকে অন্তঃকস্কাল বলে। কারণ বাইরে থেকে এ কঙ্কাল দেখা যায় না।

মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়।
যথা-
১. অক্ষীয় কঙ্কাল
২. উপাঙ্গীয় কঙ্কাল

কঙ্কালতন্ত্রে অক্ষীয় অস্থি ৮০টি এর মধ্যে-
● করোটিতে অস্থি সংখ্যা ২২টি
● বক্ষপিঞ্জরে অস্থি সংখ্যা ২৫টি
● মেরুদন্ডে ৩৩টি অস্থি রয়েছে।
২. উপাঙ্গীয় অস্থি ১২৬ টি এর মধ্যে-
● বাহুতে অস্থি সংখ্যা ৬০টি
● পা এ অস্থি সংখ্যা ৬০টি
● বক্ষ অস্থি চক্রে অস্থি সংখ্যা ৪টি
● শ্রেণি অস্থি চক্রে ২টি অস্থি রয়েছে।

উৎস: প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৪৭.
পনির তৈরিতে ব্যবহৃত এনজাইমের নাম-
  1. ক) পেপেইন
  2. খ) রেনিন
  3. গ) ক্যাটালেজ
  4. ঘ) পেকটিন
সঠিক উত্তর:
খ) রেনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেনিন
ব্যাখ্যা
- পনির হলো দুধ থেকে উৎপাদিত দুগ্ধ আমিষ জাতীয় খাদ্য।
- পনিরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ভিটামিন রয়েছে।
- পনির দুগ্ধজাত পণ্যের মধ্যে অন্যতম পণ্য যা রেনিন নামক এনজাইম দুধের ননীকে জমাট বাঁধতে সহায়তা করে এবং পরে ননী থেকে পনির তৈরি করা হয়।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) এর ওয়েবসাইট।
১১,৬৪৮.
COVID-19 কিসের নাম?
  1. মহামারি
  2. ভাইরাস
  3. রোগ
  4. ব্যাক্টেরিয়া
সঠিক উত্তর:
রোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোগ
ব্যাখ্যা

২০১৯ সালের শেষদিকে চীন থেকে একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস সারা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে যার নাম - করোনা ভাইরাস।
করোনা ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক নাম নির্ধারণ করা হয় - SARS-CoV-2 বা severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এই নামটি নির্ধারণ করে। ভাইরাসটির পূর্ব নাম ছিল - 2019 novel coronavirus
এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যে রোগটি হয় তার আনুষ্ঠানিক নাম - COVID - 19
উৎসঃ WHO website.

১১,৬৪৯.
ওভারহেড লাইনে সাধারনত ব্যবহৃত হয়-
  1. Copper conductors
  2. All Aluminium conductors
  3. A.C.S.R conductors
  4. None of these
সঠিক উত্তর:
A.C.S.R conductors
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A.C.S.R conductors
ব্যাখ্যা
ACSR এর অর্থ হল  "Aluminum Conductor Steel Reinforced."
- এটি এক ধরণের বৈদ্যুতিক পরিবাহী যা সাধারণত বিদ্যুৎ প্রেরণের জন্য ওভারহেড পাওয়ার লাইনগুলিতে ব্যবহৃত হয়।
- ACSR কন্ডাক্টরগুলি অ্যালুমিনিয়াম স্ট্র্যান্ড দ্বারা বেষ্টিত ইস্পাতের একটি কেন্দ্রীয় কোর দিয়ে তৈরি।

বৈশিষ্ট্য: 
- কম্পোজিট স্ট্রাকচার,
- ভালো পরিবাহিতা,
- হালকা ওজনের,
- ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা, 
- কম খরচের। 
১১,৬৫০.
সরল দোলন গতি হলো এক ধরনের-
  1. জটিল গতি
  2. অর্ধবৃত্তাকার গতি
  3. উপবৃত্তাকার গতি
  4. রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি
সঠিক উত্তর:
রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি
ব্যাখ্যা
সরল দোলন গতি: 
- কম্পনশীল কোনো বস্তুকণার ত্বরণ সাম্যাবস্থান থেকে কণাটির সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদাই সাম্যাবস্থান অভিমুখী হলে, ঐ কণার গতিকে সরল দোলন গতি বলা হয়। 
অথবা, যদি কোনো পর্যাবৃত্ত গতি সম্পন্ন বস্তুর ত্বরণ তার সাম্যাবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক এবং বিপরীতমুখী অর্থাৎ সর্বদা সাম্য বিন্দু অভিমুখী হয় তবে ঐ বস্তুর গতিকে সরল দোলন গতি বলে। 

সরল দোলন গতির বৈশিষ্ট্য: 
- সরল দোলন গতির কতগুলো নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য আছে। 
- এই বৈশিষ্ট্যসমূহ দিয়ে কোনো কণার গতি সরল দোলন গতি কিনা তা নির্ধারণ করা হয়। 
- নিচে সরল দোলন গতির বৈশিষ্ট্যসমূহ দেয়া হলো- 
১। সরল দোলন গতি হলো এক ধরনের রৈখিক পর্যাবৃত্ত গতি। অর্থাৎ, কোনো বস্তুকণা একই সময়ে বারবার একটি নির্দিষ্ট সরলরেখাংশ বরাবর এদিক-ওদিক যাওয়া-আসা করে। 
২। সরল দোলন গতি বিশিষ্ট কণার ত্বরণ সর্বদা তার সাম্যাবস্থান অভিমুখী হয়। 
৩। কণাটির ত্বরণ সাম্যাবস্থান থেকে সরণের সমানুপাতিক। 
৪। কণাটি যে মুহূর্তে সাম্যাবস্থান অতিক্রম করে সেই মুহূর্তে গতিবেগ সর্বোচ্চ হয়। সরণের শেষ সীমায় গতিবেগ মুহূর্তের জন্য শূন্য হয় এবং তারপরেই কণাটি বিপরীত দিকে যাত্রা শুরু করে। 
৫। সরল দোলন গতির পর্যায়কাল তার বিস্তারের উপর নির্ভরশীল নয়। বিভিন্ন বাহ্যিক কারণে বিস্তার হ্রাস পেতে থাকলেও পর্যায়কাল অপরিবর্তিত থাকে। 
৬। সরল দোলন গতি সম্পন্ন কণার স্পন্দন সীমা সাম্যাবস্থান থেকে উভয় দিকে সমান দূরে অবস্থান করে। 
৭। সরল দোলন গতি সম্পন্ন কণার সরণ সাইন বা কোসাইন অপেক্ষক দ্বারা প্রকাশ করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৫১.
COD এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Carbon Oxygen Density
  2. খ) Chemical Oxygen Demand
  3. গ) Carbon dioxide and Oxygen Demand 
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
খ) Chemical Oxygen Demand
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Chemical Oxygen Demand
ব্যাখ্যা

COD এর পূর্ণরূপ হল Chemical Oxygen Demand।

অর্থাৎ, COD এর বাংলা অর্থ হল রাসয়নিক অক্সিজেন চাহিদা। এক লিটার পানিতে উপস্থিত জৈব ও অজৈব দূষককে রাসয়নিক পদার্থ দ্বারা ভাঙতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়, তাকে উক্ত পানির COD বলে। কোন পানির COD এর মান যত বেশি হয়, সে পানি তত বেশি দূষিত হয়। এছাড়া, BOD এবং COD উভয়ই পানির দূষণ মাত্রা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির রসায়নবিজ্ঞান

১১,৬৫২.
পারমাণবিক চুল্লিতে নিউট্রনের গতি হ্রাসের জন্য কী ব্যবহার করা হয়? 
  1. কোক
  2. গ্রাফাইট
  3. চারকোল
  4. হীরক
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
কার্বন: 
- কার্বনের দানাদার রূপভেদ হল গ্রাফাইট ও ডায়মন্ড বা হীরক। 
- কার্বনের অদানাদার রূপভেদ হল কোক কার্বন, চারকোল, কয়লা ও কার্বন ব্ল্যাক্।  
- কার্বনের ক্যাটেনেশন বা পরমাণু যুক্ত হয়ে চেইন, বলয় গঠনের ক্ষমতা সর্বাধিক। 

গ্রাফাইটের ব্যবহার: 
- কাঠ পেন্সিলের শীষ হিসেবে গ্রাফাইট প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত হয়। 
- বিদ্যুৎ পরিবাহী বলে গ্রাফাইটের বিভিন্ন ধরনের ব্যবহার বিদ্যমান। 
- তন্মধ্যে শুষ্ক ব্যাটারির পজিটিভ দণ্ড হিসেবে এবং গ্রাফাইটের গুঁড়া ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইডের সাথে মিশ্রণ হিসেবে ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। 
- এছাড়া বৈদ্যুতিক চুল্লিতে ইলেকট্রোডরূপে ও ইলেকট্রোটাইপ তৈরিতে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 
- গ্রাফাইট অতি উচ্চ তাপমাত্রায় জ্বলে ও গলে বলে ধাতু ক্রুসিবল তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। 
পারমাণবিক চুল্লিতে নিউটনের গতি হ্রাসের জন্য মন্থরক হিসেবে গ্রাফাইট ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (হাজারী নাগ)।
১১,৬৫৩.
নিচের কোনটি প্লাজমা তৈরির প্রক্রিয়া বা উপায় নয়?
  1. ক) প্রচণ্ড তাপ প্রদান
  2. খ) বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে
  3. গ) শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়ােগ করে
  4. ঘ) নিওন লাইটের উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন
সঠিক উত্তর:
খ) বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

প্লাজমা তৈরির উপায়:

  1. প্রচণ্ড তাপ দিয়ে গ্যাসকে প্লাজমা করা যায়।
  2. শক্তিশালী বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র প্রয়ােগ করেও প্লাজমা করা যায়।
  3. টিউবলাইটের ভেতর প্লাজমা তৈরি হয়।
  4. নিওন লাইটের যে উজ্জ্বল বিজ্ঞাপন দেখা যায় সেগুলাের ভেতরে প্লাজমা তৈরি হয়
  5. বজ্রপাত হলে যে বিজলির আলাে দেখা যায় সেটিও প্লাজমা আবার দূর নক্ষত্রের মাঝে যে পদার্থ সেটিও প্লাজমা অবস্থায় আছে।

(উৎসঃ ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

১১,৬৫৪.
পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে সাধারণত ইলেকট্রন আসক্তির কী পরিবর্তন হয়? 
  1. বৃদ্ধি পায়
  2. হ্রাস পায়
  3. শূন্য হয়ে যায় 
  4. অপরিবর্তিত থাকে 
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা
• পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে মৌলের ইলেকট্রন আসক্তির মান বৃদ্ধি পায়। 

• ইলেকট্রন আসক্তি: 
- গ্যাসীয় অবস্থায় কোনো মৌলের এক মোল গ্যাসীয় পরমাণুতে এক মোল ইলেকট্রন প্রবেশ করিয়ে এক মোল ঋণাত্মক আয়নে পরিণত করতে যে শক্তি নির্গত হয়, তাকে ঐ মৌলের ইলেকট্রন আসক্তি বলে। 
- ইলেকট্রন আসক্তি একটি পর্যায়বৃত্ত ধর্ম। 
- একই পর্যায়ের বামের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বেশি এবং ডানের মৌলের পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কম। 
- পারমাণবিক ব্যাসার্ধ কমলে ইলেকট্রন আসক্তির মান বাড়ে এবং পারমাণবিক ব্যাসার্ধ বাড়লে ইলেকট্রন আসক্তির মান কমে। 
যেমন- Be, Ca, Sr, Ba, Mg এবং Ra মৌলগুলো পর্যায় সারণির ২ নং গ্রুপ-এর মৌল।
- এই মৌলগুলোর মধ্যে Be এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে কম, এর জন্য Be এর ইলেকট্রন আসক্তির মান সবচেয়ে বেশি।
- আবার Ra এর পারমাণবিক ব্যাসার্ধের মান সবচেয়ে বেশি, এর জন্য Ra ইলেকট্রন আসক্তি সবচেয়ে কম। 

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
১১,৬৫৫.
আমিষ বেশি আছে কোনটিতে?
  1. ক) মুগ ডাল
  2. খ) মসুর ডাল
  3. গ) খাসির মাংস
  4. ঘ) ইলিশ মাছ
সঠিক উত্তর:
গ) খাসির মাংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খাসির মাংস
ব্যাখ্যা
ইউএসডিএ (USDA) ওয়েবসাইট অনুসারে,
রান্নার পূর্বে মসুর ডালে প্রতি ১০০ গ্রামে আমিষের পরিমাণ ২৬ গ্রাম। 
অপরদিকে, সিদ্ধ মসুর ডালে প্রতি ১০০ গ্রামে আমিষের পরিমাণ ৯ গ্রাম। 
 
রান্নার পূর্বে খাসির গোশতে প্রতি ১০০ গ্রামে আমিষের পরিমাণ ২১ গ্রাম। 
সিদ্ধ খাসির গোশতে প্রতি ১০০ গ্রামে আমিষের পরিমাণ ২৭ গ্রাম। 
 
পুষ্টিবিদগণ রান্না করার পর বা সিদ্ধ করার পর তার পুষ্টিগুণ বিবেচনা করে থাকে, সেই বিবেচনায় মসুর ডালের তুলনায় খাসির গোশতে আমিষের পরিমাণ বেশি। 
 
============
অপরদিকে,
কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) অনুসারে,
খাদ্যের আমিষের প্রধান উৎস হলো দানাশস্য, ডাল, মাছ, মাংস, ডিম ও দুধ। এদের মধ্যে আমিষের মাত্রার তারতম্য রয়েছে। 
দানা শস্যের আমিষের পরিমাণ শতকরা ৬-১২ ভাগ যা ডাল শস্যে ২০-২৫ ভাগ। 
মাছ, মাংস, ডিম ও দুধে আমিষের পরিমাণ যথাক্রমে শতকরা ১৮-২৫, ১৬-২৫, ১০-১৪ এবং ৩-৪ ভাগ। 

 
 
চার্টে মাংস (লাল) এর তুলনায় ডাল বীজে আমিষের শতকরা হার বেশি দেওয়া রয়েছে বলে ডালবীজকে উন্নতমানের আমিষ বলা যাবে না। কারণ 
 প্রাণীজ আমিষে কোন কোন অ্যামাইনাে অ্যাসিডের কিছুটা ঘাটতি থাকলেও সবগুলো অ্যামাইনাে অ্যাসিডই মোটামুটি ভালো পরিমাণে বিদ্যমান থাকে বলে মাছ, মাংস, ডিম এসব আমিষের উত্তম উৎস। উদ্ভিজ্জ আমিষে এক বা একাধিক অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনাে অ্যাসিডের ঘাটতি থাকায় এদের আমিষ মান উন্নত নয়।
 
মাছ, মাংস, ডিম, পনির, ছানা, কলিজা ইত্যাদি প্রাণীজ আমিষে প্রচুর অ্যামাইনাে অ্যাসিড পাওয়া যায় বলে এদের জৈব মূল্য বেশি।

ডাল, চিনা বাদাম, চাল, আটা, শিমের বীচি ইত্যাদি উদ্ভিজ্জ আমিষ, প্রাণীজ আমিষের তুলনায় কম পুষ্টিকর। উদ্ভিজ্জ আমিষে অ্যামাইনাে অ্যাসিডের পরিমাণ কম থাকে বিধায় এর জৈব মূল্য কম তাই এটি নিম্নমানের আমিষ।
 
তাই আমরা বলতে পারি, খাসির মাংস যেহেতু প্রাণীজ আমিষ, তাই পুষ্টিগুণ বিবেচনায় মসুর ডালের তুলনায় একে উন্নতমানের আমিষ বলা যায়। 

উৎস: ইউএসডিএ (USDA) ওয়েবসাইট; কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট; জীববিজ্ঞান বোর্ড বই, SSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
১১,৬৫৬.
বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে উদ্ভিদ টিস্যু প্রধানত কত প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ২ প্রকার
  4. ৪ এর অধিক
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদ টিস্যু:

বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু প্রধানত দুই প্রকার-
১. ভাজক টিস্যু ও
২. স্থায়ী টিস্যু।

১. ভাজক টিস্যু (Meristematic tissue):
- যে টিস্যুর কোষগুলি বিভাজনে সক্ষম অর্থাৎ যে টিস্যুর নতুন কোষ উৎপন্ন করার ক্ষমতা থাকে তাকে ভাজক টিস্যু বলে।
- ভাজক টিস্যু যে সমস্ত কোষ দ্বারা গঠিত তাদেরকে ভাজক কোষ বলে।
- গঠন ভাজক টিস্যু সাধারণত অত্যন্ত ক্ষুদ্র, আয়তাকার, ডিম্বাকার বা বহুভূজাকার।
- এদের কোষে অধিক পরিমান সাইটোপ্লাজম থাকে এবং এতে কোন গহ্বর থাকে না অথবা থাকলেও অত্যন্ত ক্ষুদ্র।
- এদের নিউক্লিয়াস বেশ বড়, কোষ প্রাচীর অত্যন্ত পাতলা এবং দুটি কোষের মধ্যে আন্তকোষীয় ফাঁক থাকেনা। 

২. স্থায়ী টিস্যু (Permanent Tissue):
- যে টিস্যুর কোষগুলি বিভাজনে অক্ষম এবং আকার, আকৃতি ও বিকাশে স্থায়িত্ব লাভ করেছে তাকে স্থায়ী টিস্যু বলা হয়।
- ভাজক টিস্যুর কোষ বিভাজনের ফলে স্থায়ী টিস্যু তৈরী হয় বিশেষ অবস্থা ছাড়া এইসব স্থায়ী টিস্যু আর বিভাজিত হতে পারেনা।
- প্রাথমিক শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু থেকে সৃষ্ট স্থায়ী টিস্যুকে প্রাথমিক স্থায়ী টিস্যু (primary permanent tissue) এবং সেকেন্ডারী পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু থেকে সৃষ্ট স্থায়ী টিস্যুকে সেকেন্ডারী স্থায়ী টিস্যু (secondary permanent tissue) বলা হয়।


উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,৬৫৭.
'কম্যুটেটর' কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ট্রান্সফরমারের
  2. ডিসি মোটরে
  3. এসি মোটরে
  4. মাইক্রোফোনে
সঠিক উত্তর:
ডিসি মোটরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিসি মোটরে
ব্যাখ্যা

প্রত্যেক ডিসি জেনারেটরের আর্মেচারে উৎপন্ন কারেন্ট সব সময় এসি হয়ে থাকে, ডিসি জেনারেটরের এই এসি ভোল্টেজকে বহিঃসার্কিটে ডিসি পাওয়ার জন্য যে ডিভাইস বা মেকানিজম ব্যবহৃত হয় তাকে কম্যুটেটর বলে।
- নরম লোহার উপরে তামার পুরো পাত একের পর এক সাজিয়ে কুণ্ডলী আকার বানিয়ে কম্যুটেটর বানানো হয় ।
- কম্যুটেটরের প্রধান কাজ হলো AC (অল্টারেন্ট কারেন্ট) কারেন্ট কে DC (ডাইরেক্ট কারেন্ট) কারেন্টে রূপান্তরিত করা ।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি

১১,৬৫৮.
হিমোগ্লোবিন কোন জাতীয় পদার্থ?
  1. আমিষ
  2. স্নেহ
  3. আয়োডিন
  4. লৌহ
সঠিক উত্তর:
আমিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমিষ
ব্যাখ্যা

হিমোগ্লোবিন:
- হিমোগ্লোবিন এক ধরনের আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় পদার্থ।
- হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং লাল হয়।
- এর প্রধান কাজ হলো ধমনি থেকে দেহের সব স্থানে অক্সিজেন ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করা।
- হিমোগ্লোবিনের প্রতিটি অণুতে চারটি আয়রন পরমাণু থাকে। আর প্রতিটি আয়রন পরমাণু একটি করে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- রক্তে ৯৭-৯৮% অক্সিজেন পরিবাহিত হয় লোহত কণিকার অক্সিজেনের মাধ্যমে।
- একটি হিমোগ্লোবিন অণু একই সাথে ৪টি অক্সিজেন অণুর সাথে যুক্ত হতে পারে।
 
- অক্সিজেনের সাথে হিমোগ্লোবিনের রাসায়নিক বিক্রিয়া উভমুখী।

উৎস: জীববিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. গাজী আজমল) এবং প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৫৯.
নিচের কোন ক্ষেত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয় না? 
  1. হাড়ে ফাটল নির্ণয়ে 
  2. দাঁতের গোড়ার ক্ষয় নির্ণয়ে 
  3. পেটের অন্ত্র প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করতে 
  4. রক্তচাপ পরিমাপ করতে  
সঠিক উত্তর:
রক্তচাপ পরিমাপ করতে  
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রক্তচাপ পরিমাপ করতে  
ব্যাখ্যা

- 'রক্তচাপ পরিমাপ করতে' এক্সরে ব্যবহৃত হয় না। 

এক্সরে যন্ত্রের মূলনীতি ও ও এর ব্যবহার: 

- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ। 
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম। 
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন। 
- এক্সরে রঞ্জন রশ্মি নামেও পরিচিত। 

- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান নিচে বর্ণনা করা হলো- 
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়। 
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। 
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়। 
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়। 
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়।
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়। 
- এক্সরের অপ্রয়োজনীয় বিকিরণ সম্পাত যাতে রোগীর ক্ষতি করতে না পারে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। এজন্য এক্সরে নেওয়ার সময় রোগীকে সীসা নির্মিত এপ্রোন দ্বারা যথাসম্ভব আচ্ছাদিত করতে হবে। 
- অতি জরুরী না হলে গর্ভবতী মহিলাদের উদর এবং পেলভিক অঞ্চলের এক্সরে করা উচিত নয়। অন্য কোনো এক্সরে পরীক্ষা প্রয়োজন হলে সীসা নির্মিত এপ্রোন অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৬০.
EPI-এর পূর্ণরূপ কী? 
  1. Extended Program on immunization
  2. Expanded program on immunization
  3. Essential polio immunization
  4. Extended pediatric immunization
সঠিক উত্তর:
Expanded program on immunization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Expanded program on immunization
ব্যাখ্যা

- EPI-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Expanded Program on Immunization যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর একটি কার্যক্রম যার আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 

বাংলাদেশে ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম: 
- রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে টিকার আবিষ্কার এবং টিকার প্রচলন মানুষের জন্য আশীর্বাদ। 
- টিকার মাধ্যমে ১৯৭৯ সালে চূড়ান্তভাবে নির্মূলের পূর্বে গুটি বসন্ত এককভাবে পৃথিবীর প্রায় ৩০-৪০ কোটি মানুষের প্রাণ হরণ করেছে। 
- আবিষ্কৃত পোলিও ভ্যাকসিন OPV এবং এটির ব্যবহার দ্বারা বাংলাদেশ বর্তমানে পোলিও রোগ মুক্ত হয়েছে। 
- এই টিকা বা ভ্যাকসিনের জন্যই রুবেলা, হাম, মাম্পস, যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, পারটুসিস, ধনুষ্টংকার, হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হচ্ছে। 
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization-WHO) এর (Expanded Program on Immunization-EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী কয়েকটি রোগ, যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম ইত্যাদির ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। 
- ভ্যাকসিনেশনের জাতীয় কর্মসূচীতে নিচের ছক অনুযায়ী টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়- 



উৎস:
প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 

১১,৬৬১.
স্বাভাবিক চোখের স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম দূরত্ব কত? 
  1. ১৫ সেন্টিমিটার
  2. ৫০ সেন্টিমিটার 
  3. ২৫ সেন্টিমিটার
  4. ১০০ সেন্টিমিটার 
সঠিক উত্তর:
২৫ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

স্পষ্ট দর্শনের ন্যুনতম বা নিকটতম দূরত্ব: 
- যে নিকটতম দূরত্ব পর্যন্ত চোখ বিনা শ্রান্তিতে স্পষ্ট দেখতে পায় তাকে স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম বা নিকটতম দূরত্ব বলে। 
- স্বাভাবিক চোখের জন্য স্পষ্ট দর্শনের ন্যূনতম (নিকটতম) দূরত্ব ২৫ সেন্টিমিটার। 
অর্থাৎ, চোখের লেন্স থেকে ২৫ সেন্টিমিটার দূরবর্তী বিন্দুতে স্থাপিত বস্তুটিকে সুন্দর সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়। 
- এই সীমা থেকে কম দূরত্বে স্থাপিত বস্তু স্পষ্ট দেখা যায় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৬২.
মানবদেহে মোট কশেরুকার সংখ্যা কতটি?
  1. ৩১ টি
  2. ৩২ টি
  3. ৩৩ টি
  4. ৩৪ টি
সঠিক উত্তর:
৩৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ টি
ব্যাখ্যা
• মেরুদন্ড :
- অ্যাটলাস অস্থি থেকে কক্কিক্স অস্থি পর্যন্ত বিস্তৃত দন্ডাকৃতির যে গঠন মানবদেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ গঠন করে তাকে মেরুদন্ড বা শিরদাঁড়া বলে।
- ৩৩টি অসম আকৃতির সীমিত সঞ্চালনক্ষম অস্থিখন্ডক সমন্বয়ে মেরুদন্ড গঠিত।
- এ সকল অস্থিখন্ডককে কশেরুকা বলে।
- কশেরুকাগুলো কোমলাস্থি নির্মিত চাকতি দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকে।
- এদের সিমফাইসিস স্থির অবস্থায় বা চলমান অবস্থায় এটি দেহের ভারসাম্য রক্ষা করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৬৩.
কোন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ বৈশ্বিক ঝুঁকিতে অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা
  2. খ) ভূমিকম্প
  3. গ) সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
  4. ঘ) মরুকরণ
সঠিক উত্তর:
গ) সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে।
এগুলো হলো:
- মরুকরণ
- বন্যা
- ঝড়
- সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং
- কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা।

- এর মধ্যে বন্যা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১ নম্বরে।
- ঝড়ের ঝুঁকিতে ২ নম্বর এবং সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ১০ নম্বর।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৬৬৪.
দুটি লম্বালম্বি শক্তির পরিমাণ 12N এবং 5N, তাদের লব্ধি পরিমাণ কত?
  1. 14 N
  2. 13 N
  3. 12 N
  4. 11 N
সঠিক উত্তর:
13 N
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13 N
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি লম্বালম্বি শক্তির পরিমাণ 12N এবং 5N, তাদের লব্ধি পরিমাণ কত?

সমাধান: 
দুটি লম্বালম্বি শক্তির পরিমাণ 12N এবং 5N
∴ তাদের লব্ধি পরিমাণ = √(122 + 52)
= √(144 + 25)
= √169
= 13 N
১১,৬৬৫.
কার্বনকে বায়ুতে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।- এটি কোন ধরনের বিক্রিয়া?
  1. সংযোজন বিক্রিয়া
  2. বিয়োজন বিক্রিয়া
  3. প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া
  4. দহন বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
দহন বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দহন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত বিক্রিয়া সমূহ হচ্ছে- 
১। সংযোজন বিক্রিয়া, 
২। বিয়োজন বিক্রিয়া, 
৩। প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া এবং 
৪। দহন বিক্রিয়া ইত্যাদি।

দহন বিক্রিয়া (Combustion Reaction):
- এ প্রক্রিয়ায় কোন মৌল বা যৌগকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার সাথে সংযুক্ত উপাদান মৌলগুলোকে অক্সাইড যৌগে পরিণত করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ,
- কার্বনকে বায়ুতে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- সালফারকে বায়ুতে পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়।
- মিথেন গ্যাসকে বায়ুর অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পোড়ালে মিথেনের উপাদান মৌল কার্বন পরিবর্তিত হয়ে কার্বন ডাই অক্সাইড এবং হাইড্রোজেন পরিবর্তিত হয়ে উহার অক্সাইড পানি উৎপন্ন করে। এ দহন বিক্রিয়ার ফলে প্রচুর তাপ উৎপন্ন হয়। উৎপন্ন তাপ রান্নাসহ অন্যান্য কাজ বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১১,৬৬৬.
প্রাথমিক বর্ণ নয় কোনটি ?
  1. ক) লাল
  2. খ) সবুজ
  3. গ) বেগুনি
  4. ঘ) নীল
সঠিক উত্তর:
গ) বেগুনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেগুনি
ব্যাখ্যা

আলোর প্রাথমিক বা মৌলিক বর্ণ ৩ টি।

  • লাল
  • নীল/আসমানী
  • সবুজ

(উৎসঃ ১১-১২শ শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

১১,৬৬৭.
কোন সরঞ্জাম বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দে রূপান্তরিত করতে সক্ষম?
  1. মাইক্রোফোন
  2. উইন্ডমিল
  3. জেনারেটর
  4. লাউড স্পিকার
সঠিক উত্তর:
লাউড স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাউড স্পিকার
ব্যাখ্যা

• বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দে রূপান্তরিত করতে সক্ষম সরঞ্জাম হলো লাউডস্পিকার। লাউডস্পিকার বৈদ্যুতিক সিগন্যাল গ্রহণ করে তা যান্ত্রিক কম্পন বা স্পন্দনে রূপান্তর করে, যা আমাদের কানে শব্দ হিসেবে শোনা যায়। অন্যদিকে, মাইক্রোফোন শব্দকে বিদ্যুতের সিগন্যাল বা সংকেত হিসেবে রূপান্তরিত করে। জেনারেটর বা উইন্ডমিল বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সরাসরি শব্দ তৈরি করতে পারে না। তাই শব্দ উৎপাদনের জন্য মূলত লাউডস্পিকার ব্যবহৃত হয়।

শক্তির রূপান্তর: 
- মাইক্রোফোন শব্দ শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- বৈদ্যুতিক মোটর তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- জেনারেটর বা ডায়নামো যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- লাউড স্পিকার ও বৈদ্যুতিক ঘন্টা বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তর করে। 
- মোবাইল ফোনের ব্যাটারিকে বিদ্যুৎ দিয়ে চার্জ দেওয়ার ফলে তড়িৎ শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৬৮.
বহিঃক্যারোটিড ধমনির কোনটি গলবিলে রক্ত বহন করে? 
  1. লিঙ্গুয়াল ধমনি
  2. ফ্যারিঞ্জিয়াল ধমনি
  3. অক্সিপিটাল ধমনি
  4. সুপিরিয়র থাইরয়েড ধমনি
সঠিক উত্তর:
ফ্যারিঞ্জিয়াল ধমনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যারিঞ্জিয়াল ধমনি
ব্যাখ্যা
বহিঃক্যারোটিড ধমনি: 
- এটি মাথার ত্বক এবং ঘাড়ে রক্ত সরবরাহ করে। 
- বহিঃক্যারোটিড ধমনি থেকে উৎপন্ন শাখাগুলো- 
সুপিরিয়র থাইরয়েড ধমনি: থাইরয়েড গ্রন্থি ও ল্যারিংক্সে রক্ত বহন করে। 
লিঙ্গুয়াল ধমনি: জিহ্বা ও সাবলিঙ্গুয়াল গ্রন্থিতে রক্ত বহন করে। 
ফেসিয়াল ধমনি: মুখমণ্ডল, চোখ, সাব-ম্যাক্সিলারি গ্রন্থি এবং মুখমণ্ডলের ত্বক ও পেশিতে রক্ত সরবরাহ করে। 
অক্সিপিটাল ধমনি: অক্সিপিটাল অঞ্চলের ত্বক ও পেশিতে রক্ত বহন করে। 
ফ্যারিঞ্জিয়াল ধমনি: গলবিলে রক্ত বহন করে। 
- এছাড়া বহিঃক্যারোটিড ধমনি আন্তঃম্যাক্সিলারি ও সুপারফিসিয়াল টেমপোরাল ধমনিতে বিভক্ত হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৬৯.
বাতাসের তুলনায় পানিতে শব্দের বেগ প্রায় -
  1. দ্বিগুন
  2. তিনগুন
  3. চারগুন
  4. পাঁচগুন
সঠিক উত্তর:
চারগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারগুন
ব্যাখ্যা
- সব তরঙ্গেই একটা বেগ থাকে সেই বেগ তার মাধ্যমের প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে। 
- বাতাসে শব্দের বেগ 330m/s পানিতে এর বেগ 1439m/s
- বাতাসের তুলনায় পানিতে শব্দের বেগ প্রায় চারগুন। 
- ঢিলে একটা দড়িতে একটা তরঙ্গের যত বেগ হবে টান টান করে রাখা দড়িতে হবে তার থেকে বেশি।
- তরঙ্গের ভেতর দিয়ে শক্তি এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে পারে। 
- শক্তি যত বেশি হয় তরঙ্গের বিস্তার তত বেশি হয়। শক্তি তরঙ্গের বিস্তারের বর্গের সমানুপাতিক। অর্থাৎ বিস্তার যদি দ্বিগুণ হয় শক্তি হয় চার গুণ।
 
উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, পদার্থবিজ্ঞান। 
১১,৬৭০.
বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে সাধারণত বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় না, কারণ-
  1. পাখির গায়ে বিদ্যুৎরোধী আবরণ থাকে
  2. পাখির দেহের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না
  3. বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হলেও পাখি মরে না
  4. মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না
সঠিক উত্তর:
মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে সাধারণত বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয় না কারণ মাটির সঙ্গে সংযোগ হয় না। 
- বর্তনী সম্পূর্ণ করতে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জের সংযোগের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বিদ্যুৎবাহী তারে পাখি বসলে বর্তনী পূর্ণ হয় না বলে পাখি বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায় না। 
- কিন্তু পাখিটি যদি অন্য তার স্পর্শ করে কিংবা ভূ - সংযুক্ত কোনো পরিবাহীর সংস্পর্শে আসে, তাহলে বর্তনী পূর্ণ হবে এবং এর ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হওয়ার ফলে পাখিটি মারা যাবে। 

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৬৭১.
ইলেকট্রনিক্সের ইতিহাস শুরু হয় কোন উদ্ভাবনের মাধ্যমে?
  1. টেলিভিশন
  2. কম্পিউটার
  3. রোবট
  4. ট্রানজিস্টর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা

• ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক্সের যাত্রা শুরু হয়। 
- ইলেকট্রনিক্সের ইতিহাস মূলত ট্রানজিস্টরের আবিষ্কার থেকে শুরু হয়। ১৯৪৭ সালে বেল ল্যাবরেটরিতে জন বারডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলে প্রথম ট্রানজিস্টর তৈরি করেন। এটি একটি ছোট, শক্তিশালী এবং কম শক্তি ব্যবহারকারী ডিভাইস যা বিদ্যুৎ সংকেত নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। ট্রানজিস্টরের আগমনের আগে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি প্রধানত ভ্যাকুয়াম টিউবের ওপর নির্ভরশীল ছিল, যা বড়, ভারী এবং অকার্যকর ছিল। ট্রানজিস্টরের কারণে কম্পিউটার, টেলিভিশন, রেডিও, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র দ্রুত, ছোট এবং সাশ্রয়ী হয়। এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক্স যুগের ভিত্তি স্থাপন করেছে। সুতরাং, ইলেকট্রনিক্সের ইতিহাস শুরু হয় ট্রানজিস্টরের উদ্ভাবনের মাধ্যমে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) ট্রানজিস্টর।

• ট্রানজিস্টর:

- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলা হয়।
- এটি ভ্যাকুয়াম টিউবের বিকল্প হিসেবে তৈরি হয়। 

- ১৯৪৭ সালে আমেরিকার Bell Laboratories–এ John Bardeen, Walter Brattain এবং William Shockley প্রথম ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন।
- ট্রানজিস্টর সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ভিত্তি স্থাপন করে।
- এটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) এবং মাইক্রোপ্রসেসর-এর বিকাশের পথ তৈরি করে, যা আধুনিক কম্পিউটার, মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল ডিভাইসের মূল ভিত্তি।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা। 

১১,৬৭২.
ডেঙ্গু জ্বরে রোগীকে কোন জাতীয় ওষুধ দেওয়া নিষেধ?
  1. অ্যাসিটামিনোফেন
  2. স্যালাইন
  3. এসপিরিন
  4. প্যারাসিটামল
সঠিক উত্তর:
এসপিরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসপিরিন
ব্যাখ্যা
• ডেঙ্গু জ্বর:
- ডেঙ্গু একটি ভাইরাসঘটিত রোগ।
- এই ভাইরাসের জীবাণুর নাম ফ্ল্যাভি ভাইরাস বা ভেঙ্গী ভাইরাস।
- এটি একটি RNA ভাইরাস।
- এই ভাইরাসের বাহক হলো Aedes aegypti L. ও Aedes albopictus নামক মশকী (স্ত্রী মশা)।
- এর পোষক দেহ হলো মানুষ।
- প্রতি বছর সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। 
- ডেঙ্গু জ্বরে ১০৩-১০৫° ফারেনহাইট হয়ে থাকে।
- সাধারণত ডেঙ্গু মশা কামড়ানোর ২-৭ দিন পর জ্বর দেখা দেয়।
- ডেঙ্গু জ্বরে রোগীর তীব্র মাথা ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, পেট ব্যাথা, কপাল ব্যথা ও গলা ব্যথা হয়।
- মেরুদণ্ডের ব্যথাসহ কোমরে ব্যথা এই রোগের বিশেষ লক্ষণ। একে হাড়ভাঙ্গা জ্বর বলে। 
- প্লেটিলেট পরীক্ষায় রক্তের অনুচক্রিকার সংখ্যা ১৫০০০০/mm এর অনেক নিচে নেমে আসে।
- ডেঙ্গু জ্বরে রোগীকে এসপিরিন জাতীয় ওষুধ দেয়া যাবে না
- ব্যথা ও জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ দিতে হবে।

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।
১১,৬৭৩.
কোনটিকে পৃথকীকরণ সূত্র বলা হয়?
  1. ক) মেন্ডেলের ১ম সূত্র
  2. খ) মেন্ডেলের ২য় সূত্র
  3. গ) বিবর্তনবাদ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) মেন্ডেলের ১ম সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মেন্ডেলের ১ম সূত্র
ব্যাখ্যা
মেন্ডেলের বংশগতির প্রথম সূত্র
‘জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি একক দায়ী থাকে যাকে ফ্যাক্টর (জিন) বলা হয় এবং ফ্যাক্টর বা জিনগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে। সঙ্কর (hybrid) জীবে ফ্যাক্টর বা জিনগুলো মিশ্রিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং গ্যামিট উৎপাদনের সময় অপরিবর্তিত অবস্থায় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গ্যামিটে গমন করে'। একে পৃথকীকরণ সূত্র বা মনোহাইব্রিড ক্রসের সূত্রও বলে।

মেন্ডেল এর বংশগতির দ্বিতীয় সূত্র
‘দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জীবে সঙ্করায়ন ঘটালে গ্যামিট সৃষ্টিকালে প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের ফ্যাক্টর বা জিন যুগলের স্বাধীন সঞ্চারণ বা বিন্যাস ঘটে এবং কোন একটি ফ্যাক্টর যুগলের সঞ্চারণ অন্য ফ্যাক্টর যুগলের উপর নির্ভরশীল নয়' । একে স্বাধীন সঞ্চারণ বা ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্রও বলে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১১,৬৭৪.
বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো কোন প্রাণীর ‘জিনগত নকশা‘ উন্মোচন করেছেন?
  1. ক) গরু
  2. খ) ভেড়া
  3. গ) ছাগল
  4. ঘ) মহিষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহিষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহিষ
ব্যাখ্যা
প্রাণী হিসেবে প্রথম মহিষের জিন নকশা উন্মোচনে সফলতা লাভ করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।

বেসরকারি কোম্পানি লাল তীর লাইভস্টক লিমিটেড চীনের বেইজিং জেনোম ইনস্টিটিউটের (বিজেআই) সহায়তায় ২০১৪ সালে এই সফলতা অর্জন করে।
মহিষের জীবনরহস্য উন্মোচনের এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন বিজেআইয়ের চেয়ারম্যান জিয়ান উয়াং এবং লাল তীরের বিজ্ঞানী মো. মনিরুজ্জামান। মোট ১৪ জন বিজ্ঞানী দুই বছর তিন মাস সময় ধরে এই গবেষণাটি করেছেন।

এর আগে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাটবিষয়ক মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণা প্রকল্পের আওতায় বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে দেশি ও তোষা পাট এবং ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচিত করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।

সূত্র: প্রথম আলো ও অন্যান্য পত্রিকা রিপোর্ট
১১,৬৭৫.
জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদের তুলনায় বেশি কেন?
  1. কারণ জলজ উদ্ভিদে ক্লোরোফিলের সংখ্যা বেশি থাকে 
  2. কারণ জলজ উদ্ভিদে বেশি সূর্যালোক পড়ে 
  3. কারণ জলজ উদ্ভিদে পানি কম থাকে 
  4. কারণ পানিতে দ্রবীভূত CO2-এর পরিমাণ বেশি থাকে 
সঠিক উত্তর:
কারণ পানিতে দ্রবীভূত CO2-এর পরিমাণ বেশি থাকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারণ পানিতে দ্রবীভূত CO2-এর পরিমাণ বেশি থাকে 
ব্যাখ্যা

সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis): 
- সবুজ উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এরা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) এবং পানি থেকে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে। 
- সবুজ উদ্ভিদে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য তৈরি হওয়ার এই প্রক্রিয়াকে সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- সবুজ উদ্ভিদে প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদ নিজে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় বিপাকীয় প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে ব্যবহার করে এবং অবশিষ্ট খাদ্য ফল, মূল, কাণ্ড অথবা পাতায় সঞ্চিত রাখে। উদ্ভিদে সঞ্চিত এই খাদ্যের উপরে মানবজাতি ও অন্যান্য জীবজন্তুর অস্তিত্ব নির্ভর করে। 
- সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো হলো ক্লোরোফিল, আলো, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি। 
- সালোকসংশ্লেষণ একটি জৈব রাসায়নিক (biochemical) বিক্রিয়া। 
যেমন-

- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান। 
- স্থলজ সবুজ উদ্ভিদ মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পানি শোষণ করে পাতার মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টে পৌঁছায় এবং স্টোমা বা পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে বায়ু থেকে CO2 গ্রহণ করে, যা মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টে পৌঁছে। 
- জলজ উদ্ভিদ পানিতে দ্রবীভূত CO2 গ্রহণ করে। 
- বায়ুমণ্ডলে 0.03% কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) এবং পানিতে 0.3% কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) আছে, তাই জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি। 
- অক্সিজেন এবং পানি সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার উপজাত দ্রব্য (by-product)। 
- সালোকসংশ্লেষণ একটি জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়া (oxidation-reduction process), এ প্রক্রিয়ায় H2O জারিত হয় এবং CO2 বিজারিত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৬৭৬.
প্রতি 1°C তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বাড়ে প্রায় -
  1. 0.6 ms-1
  2. 1.0 ms-1
  3. 0.9 ms-1
  4. 1.6 ms-1
সঠিক উত্তর:
0.6 ms-1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
0.6 ms-1
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগের পরিবর্তন: 
- আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3×108 ms-1 নির্দিষ্ট, কিন্তু শব্দের দ্রুতি সবসময় সমান নয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি 1°C তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। 
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। 
যেমন- 
• বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
• পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং 
• লোহার মধ্যে 5220 ms-1
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি। 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি। 
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৭৭.
নিচের কোন পুষ্টি উপাদানের অভাবে উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোসিস দেখা যায়?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) ফসফরাস
  3. গ) পটাসিয়াম
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
নাইট্রোজেনের অভাব হলে ক্লোরোফিল সৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটে। ফলে পাতাগুলো হলুদ হয়ে যায়। পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস বলে।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৬৭৮.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন‌ কে? 
  1. স্টিফেন হকিং
  2. জি. লেমেটার
  3. জন হুইলার
  4. আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা
স্টিফেন হকিং: 
- স্টিফেন হকিং একজন পদার্থবিদ ও গণিতজ্ঞ। 
- স্টিফেন হকিং মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন‌। 
- তাঁর রচিত বইসমূহ- 
• A Brief History of Time, 
• The Universe in a Nutshell এবং 
• The Grand Design ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানী জি. লেমেটার। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১১,৬৭৯.
কেন্দ্রমণ্ডলে কোন দুটি উপাদানের আধিক্য বিদ্যমান?
  1. সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
  2. ম্যাগনেসিয়াম ও সিলিকন
  3. লোহা ও নিকেল
  4. সিলিকন ও লোহা
সঠিক উত্তর:
লোহা ও নিকেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহা ও নিকেল
ব্যাখ্যা
- কেন্দ্রমণ্ডল ভূ-অভ্যন্তরের সবচেয়ে ভেতরের স্তর। এই স্তরের পুরত্ব প্রায় ৩,৪৮৬ কিলোমিটার।
- কেন্দ্রমণ্ডলের উপাদান সমূহের মধ্যে লোহা ও নিকেল প্রধান।
- অন্যান্য উপাদানের মধ্যে পারদ ও সীসা উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১১,৬৮০.
কোনটি কেপলারের সূত্র নয়?
  1. ক্ষেত্রফল সূত্র
  2. উপবৃত্ত সূত্র
  3. অক্ষের সূত্র
  4. আবর্তনকালের সূত্র
সঠিক উত্তর:
অক্ষের সূত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্ষের সূত্র
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের (Johann Kepler) গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়।
- সূত্র তিনটি:

প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):
- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):
- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র):
- সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৮১.
নিচের কোনটি লব্ধ রাশির উদাহরণ?
  1. সময়
  2. দৈর্ঘ্য
  3. বেগ
  4. ভর
সঠিক উত্তর:
বেগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগ
ব্যাখ্যা
ভৌত রাশি: 
- বিশ্ব প্রকৃতির যা কিছু পরিামাপ করা যায় তাকে রাশি বলা হয়। 
যেমন- একটি লোহার বলের ভর পরিমাপের করা যায় যেখানে ভর একটি রাশি। আবার কাপড়ের দৈর্ঘ্য পরিমাপ করা যায় যেখানে দৈর্ঘ্য একটি রাশি। পানির তাপমাত্রা পরিমাপ করা যায় যেখানে পানির তাপমাত্রাও একটি রাশি ইত্যাদি। 

মৌলিক রাশি: 
- এসকল রাশির মধ্যে কয়েকটি রাশি রয়েছে যেগুলো পরিমাপ করার জন্য অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করার প্রয়োজন হয় না। এ রাশিগুলোকে মৌলিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সময় মাপতে অন্য কোন রাশির উপর নির্ভর করতে হয় না। সুতরাং সময় একটি মৌলিক রাশি। 
- জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় বিজ্ঞানীরা পরিমাপের ক্ষেত্রে এরূপ সাতটি রাশিকে মৌলিক রাশি হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, তাপমাত্রা, তড়িৎপ্রবাহ, দীপন তীব্রতা এবং পদার্থের পরিমাণ। 

লব্ধ রাশি: 
- অপরদিকে, এমন অনেক রাশি আছে যেগুলো মাপার জন্য অন্য রাশির দরকার হয়। 
যেমন- বেগ পরিমাপের জন্য দূরত্ব এবং সময় এই রাশি দুটি জানার প্রয়োজন হয়। অতঃপর দূরত্বকে সময় দিয়ে ভাগ করে বেগের মান বের করতে হয়। এর থেকে বুঝা যায় যে, বেগ একটি লব্ধ বা যৌগিক রাশি। 
- যে সকল রাশি মৌলিক রাশির উপর নির্ভরশীল অর্থাৎ মৌলিক রাশি থেকে পাওয়া যায়, তাদেরকে লব্ধ রাশি বলা হয়। 
যেমন- বেগ, ত্বরণ, কাজ, বল, তাপ, বিভব ইত্যাদি লব্ধ রাশির উদাহারণ, যেগুলো মৌলিক রাশি থেকে গঠিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৮২.
ম্যালেরিয়া রোগের বাহক কী?
  1. এডিস
  2. কিউলেক্স
  3. স্যান্ড ফ্লাই
  4. অ্যানােফিলিস মশা
সঠিক উত্তর:
অ্যানােফিলিস মশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানােফিলিস মশা
ব্যাখ্যা
ম্যালেরিয়া জ্বর:
- Plasmodium নামক অনুজীবের কারণে ম্যালেরিয়া রোগ হয়। 
- অ্যানােফিলিস মশা (Anopheles mosquitoes) এর মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগের জীবাণু বিস্তার লাভ করে। 

⇒ স্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া জ্বরের জন্য দায়ী।
- ১৮৯৭ সালে ভারতে কর্মরত ব্রিটিশ ডাক্তার স‍্যার রোনাল্ড রস প্রমাণ করেন যে Anopheles মশা এই রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে।
- এ আবিষ্কারের কারণে তাকে ১৯০২ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।
- তিনি সুস্থ ও সংক্রমিত পাখিদেরকে অধ্যয়ন করে প্লাসমোডিয়াম জীবাণুর সমগ্র জীবনচক্র সম্পর্কে জ্ঞানার্জন করেন।
- তিনি দেখান যে মশার লালাগ্রন্থিতে প্লাসমোডিয়াম জীবাণু থাকে এবং মশার কামড়ের মাধ্যমে এটি অন্য পোষকের দেহে সংক্রমিত হয়।
- তাঁর এই কাজের উপর ভিত্তি করে অ্যানোফিলিস মশার বংশবিস্তার রোধের মাধ্যমে ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

অন্যদিকে,
- ডেঙ্গু রোগের জীবাণুবাহী মশার প্রজাতি হলো- এডিস।
- ফাইলেরিয়া বা গোদ রোগের জীবাণুবাহী মশা- কিউলেক্স।
- কালাজ্বরের জীবাণুবাহী মশা- স্যান্ড ফ্লাই।
- Aedes aegypti (এডিস এজিপটাই) প্রজাতির মশার কামড়ে ডেঙ্গু ছড়ায়। এছাড়া এডিস এলবোপিকটাস মশার কামরেও ডেঙ্গু রোগ ছড়াতে পারে।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১,৬৮৩.
চিপসের প্যাকেটে থাকে-
  1. নাইট্রোজেন গ্যাস
  2. হাইড্রোজেন গ্যাস
  3. অক্সিজেন গ্যাস
  4. হিলিয়াম গ্যাস
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন গ্যাস
ব্যাখ্যা
• নাইট্রোজেন গ্যাসের  ব্যবহার:
- সাধারণ বৈদ্যুতিক বাতিতে ব্যবহৃত হয়,
- চিপসের প্যাকেটে নাইট্রোজেন ব্যবহৃত হয়।
- এই নাইট্রজেন গ্যাস খাবারের গুণগত মান বজায় রাখে যা বিভিন্ন ধরনের চাপ থেকে উপাদানগুলোর গুঁড়া হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
- ইউরিয়া সার উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও,
- সবচেয়ে হালকা গ্যাস - হাইড্রোজেন।
- দিয়াশলাই এর মাথায় থাকে - লোহিত  ফসফরাস।
- অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডারে থাকে - তরল কার্বন ডাই অক্সাইড।

উৎস: তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান বই ও ব্রিটানিকা।
১১,৬৮৪.
নিচের কোনটি বর্ণাধার নামে পরিচিত?
  1. ক) মাইটোকন্ড্রিয়া
  2. খ) প্লাস্টিড
  3. গ) কোষগহ্বর
  4. ঘ) নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাস্টিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্লাস্টিড
ব্যাখ্যা

প্লাস্টিড উদ্ভিদকোষের প্রধান বৈশিষ্ট্য। সাধারণত প্রাণিকোষে প্লাস্টিড থাকে না। প্লাস্টিডকে বলা হয় বর্ণাধার। পাতা, ফুল বা ফলের যে বিচিত্র রঙ দেখা যায়, তা সবই এই প্লাস্টিডের কারণে। সবুজ প্লাস্টিড প্রধানত খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে। বর্ণহীন প্লাস্টিড খাদ্য সঞ্চয় করে। 

সূত্র: বিজ্ঞান বোর্ড বই, ষষ্ঠ শ্রেণি 

১১,৬৮৫.
বিদ্যুৎ বিলের হিসাব কিভাবে করা হয়?
  1. ক) ওয়াট আওয়ারে
  2. খ) ওয়াটে
  3. গ) ভোল্টে
  4. ঘ) কিলোওয়াট ঘণ্টায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিলোওয়াট ঘণ্টায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কিলোওয়াট ঘণ্টায়
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ শক্তির বাণিজ্যিক বা ব্যবহারিক একক হচ্ছে কিলোওয়াট ঘন্টা।
- বিদ্যুৎ বিলের হিসাব করা হয় কিলোওয়াট ঘণ্টায়।
- এক কিলোওয়াট ঘণ্টা সমান ৩.৬ × ১০৬ জুল।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১১,৬৮৬.
একটি ব্যাটারি সেলে কয়টি অংশ থাকে ?
  1. ক) ১ টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৩ টি
  4. ঘ) ৪ টি 
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ টি
ব্যাখ্যা
♦ একটি ব্যাটারি সেল এ ৩ টি অংশ থাকে, যথা:
- অ্যানোড ,
- ক্যাথোড ,
- ইলেকট্রোলাইট ।

উৎস: নবম- দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই। 
১১,৬৮৭.
নিচের কোনটি বয়েল ও চার্লসের সমন্বয় সূত্র?
  1. V ∝ 1/P
  2. V ∝ T
  3. PT = V
  4. PV/T = ধ্রুবক 
সঠিক উত্তর:
PV/T = ধ্রুবক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PV/T = ধ্রুবক 
ব্যাখ্যা
বয়েল ও চার্লসের সূত্রের সমন্বয়: 
বয়েলের সূত্র: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন এর উপর প্রযুক্ত চাপের ব্যস্তানুপাতিক। 

চার্লসের সূত্র: 
- স্থির চাপে কোনো নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন তার উপর আরোপিত পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক। 

এখন, 
নির্দিষ্ট ভরের কোনো গ্যাসের আয়তন V, চাপ P ও কেনভিন তাপমাত্রা T হলে- 
বয়েলের সূত্র মতে, V ∝ 1/P যখন তাপমাত্রা স্থির। ................ (i)
চার্লসের সূত্র মতে, V ∝ T যখন চাপ স্থির।................. (ii) 

(i) নং ও (ii) নং সম্পর্ক হতে লিখা যায়-
V ∝ (1/P) × T (যখন তাপমাত্রা ও চাপ উভয়েই পরিবর্তনশীল)
বা, V = K × T/P (এখানে, K একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক) 
বা, PV = KT
বা, PV/T = K 
সুতরাং, PV/T = ধ্রুবক 
- এই সূত্রটিই বয়েল ও চার্লসের সূত্রের সমন্বয়।
১১,৬৮৮.
হীরক উজ্জ্বল দেখার কারণ -
  1. ক) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
  2. খ) প্রতিসরণের জন্য
  3. গ) প্রতিফলনের জন্য
  4. ঘ) অপবর্তনের জন্য
সঠিক উত্তর:
ক) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
ব্যাখ্যা
A diamond sparkles(জ্বলজ্বল করে) as when the rays of light enter the diamond they suffer total internal reflection (পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন) at its various faces.
১১,৬৮৯.
কেঁচোর রক্তে হিমোগ্লোবিন থাকে –
  1. ক) শ্বেতকণিকায়
  2. খ) লোহিত
  3. গ) রক্তরসে
  4. ঘ) কোনোটাতেই না
সঠিক উত্তর:
গ) রক্তরসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রক্তরসে
ব্যাখ্যা
- কেঁচো, যাকে অ্যাঙ্গেলওয়ার্মও বলা হয়, লুমব্রিকাস প্রজাতির সদস্য।
- সতেরোটি স্থানীয় প্রজাতি এবং ১৩ টি প্রবর্তিত প্রজাতি (ইউরোপ থেকে) পূর্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দেখা যায়, যার মধ্যে এল. টেরেস্ট্রিস সবচেয়ে সাধারণ। কেঁচো মাটির  আর্দ্রতা এবং জৈব উপাদান টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।
- অধিকাংশ প্রজাতি লালচে বাদামী, তবে কিছু কেঁচো (যেমন, Allolobophora chlorotica, গ্রেট ব্রিটেনের স্থানীয়) সবুজ।
- এল. টেরেস্ট্রিসের লালচে আভা, তার রক্তরসে পিগমেন্ট হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতির ফলে।

উৎস: ব্রিটানিকা 
১১,৬৯০.
ব্যাকটেরিয়ার কোষে নিচের কোনটি উপস্থিত নয়?
  1. ক) প্লাস্টিড
  2. খ) মাইটোকন্ড্রিয়া
  3. গ) নিউক্লিওলাস
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্লাস্টিড, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং নিউক্লিওলাস থাকে না।
সূত্রঃ ৩৮তম বিসিএসের অনুরূপ প্রশ্ন।
১১,৬৯১.
শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে কোন খাদ্য উপাদান?
  1. আমিষ
  2. খনিজ লবণ
  3. ভিটামিন
  4. শর্করা
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন
ব্যাখ্যা

• শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে ভিটামিন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভিটামিন সি, ভিটামিন ডি, এবং ভিটামিন এ ইমিউন সেলের কার্যকারিতা উন্নত করে এবং শরীরকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি ফলমূল ও সবজিতে থাকে, যা সংক্রমণ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন ডি সূর্যের আলো থেকে পাওয়া যায় এবং ইমিউন সিস্টেমের ব্যালান্স বজায় রাখে। ভিটামিন এ চোখ, ত্বক ও শ্বেতরক্তকোষের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে পর্যাপ্ত ভিটামিন থাকা ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে, যাতে শরীর বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে লড়াই করতে পারে।

- সঠিক উত্তর: গ) ভিটামিন।
 
খাদ্য উপাদান: 
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বয়ে গঠিত, এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে, তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধাণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা: 
১। আমিষ: আমিষ দেহের বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়পূরণ করে। 
২। শর্করা: শর্করা দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। 
৩। স্নেহ: স্নেহ বা চর্বিজাতীয় খাদ্য দেহে তাপ ও শক্তি উৎপাদন করে। 
 
- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন: 
৪। ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ: ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ দেহে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপনা যোগায়। 
৫। খনিজ লবণ: খনিজ লবণ দেহের বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
৬। পানি: দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 
 
- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি না জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
৭। রাফেজ: রাফেজ বা খাদ্য আঁশ (Fibre) পানি শোষণ করে এবং মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১১,৬৯২.
বায়ু ও পানির সংস্পর্শে জাহাজ চলাচল করলে কোন ঘর্ষণের সৃষ্টি হয়?
  1. চল ঘর্ষণ
  2. আবর্ত ঘর্ষণ
  3. প্রবাহী ঘর্ষণ
  4. স্থিতি ঘর্ষণ
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাহী ঘর্ষণ
ব্যাখ্যা
ঘর্ষণ ও ঘর্ষণ বল: 
- দু'টি বস্তু পরস্পরের সংস্পর্শে থেকে যদি একটির উপর দিয়ে অপরটি চলতে চেষ্টা করে, তবে বস্তু দু'টির স্পর্শ তলে একটি বাধার সৃষ্টি হয়। এ বাধাকে ঘর্ষণ বলে। 
- আর যে বল গতিশীল বস্তুটির গতির পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলে। 
- ঘর্ষণ সাধারণত চার প্রকার। 
যথা - 
১. স্থিতি ঘর্ষণ (Static friction), 
২. চল বা পিছলানো ঘর্ষণ (Sliding friction), 
৩. আবর্ত ঘর্ষণ (Rolling friction) এবং 
৪. প্রবাহী ঘর্ষণ (Fluid friction) । 

প্ৰবাহী ঘর্ষণ: 
- যখন কোনো বস্তু যেকোনো প্রবাহী পদার্থ যেমন- তরল বা বায়বীয় পদার্থের মধ্যে প্রবাহিত হয় বা গতিশীল থাকে বা যখন কোনো তরল বা বায়বীয় পদার্থের গতিপথে কোনো স্থির বস্তু রাখা হয়, তখন উভয়ের মধ্যে যে ঘর্ষণের সৃষ্টি হয় তাকে প্রবাহী ঘর্ষণ বলে। 
- জাহাজ পানিতে চলার সময় একটি বাঁধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়, আবার পুকুরে সাঁতার কাটার সময় পুকুরের পানির মধ্য দিয়ে একটি বাঁধাকে অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়। আর এ বাঁধাই হলো প্রবাহী ঘর্ষণ। 
- বৃষ্টির পানি বাতাসের মধ্য দিয়ে পড়ার সময় প্রবাহী ঘর্ষণের উৎপত্তি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৯৩.
p-টাইপ জার্মেনিয়াম অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য নিচের কোনটি দিয়ে ডোপিং করতে হয়?
  1. ক) আর্সেনিক
  2. খ) এন্টিমনি
  3. গ) অ্যালুমিনিয়াম
  4. ঘ) ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
p- টাইপ অর্ধপরিবাহী:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সামান্য পরিমাণ ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসেবে মেশানো হলে, তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহী বলে।
- বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্যকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় উচ্চতাপে মেশানো হয়।
- অপদ্রব্যের পরিমাণ এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয় যেন এর পরমাণুগুলো মূল অর্ধপরিবাহী কেলাসের গঠন কাঠামোর কোনো পরিবর্তন না ঘটিয়ে কেলাস ল্যাটিসে অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়ে।
- বিশুদ্ধ জার্মেনিয়ামের সাথে যদি উপযুক্ত মাত্রায় (দশ লক্ষে একটি) অ্যালুমিনিয়ামের মতো ত্রিযোজী মৌল মেশানো হয়, তা হলো ঐ কেলাসের গঠনের কোনো পরিবর্তন হয় না, কিন্তু পার্শ্ববর্তী চতুর্যোজী অর্ধপরিবাহীর সাথে সমযোজী বন্ধন গঠন করতে এর একটি ইলেকট্রনের ঘাটতি পড়ে
- এই ইলেকট্রন ঘাটতি মানেই 'হোল' সৃষ্টি হয়। প্রতিটি AI পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে। এ হোলগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করতে প্রস্তুত থাকে।
- এ জন্য অ্যালুমিনিয়াম পরমানুকে 'গ্রাহক' পরমাণু বলে।
- এভাবে প্রতিটি অ্যালুমিনিয়াম পরমাণু একটি করে হোল সৃষ্টি করে।
- এখানে গরিষ্ঠ আধান বাহক হলো হোল এবং লঘিষ্ঠ আধান বাহক হলো ইলেকট্রন।
- এ কারণে এ ধরনের অর্ধপরিবাহীকে টাইপ p- অর্ধপরিবাহী বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১১,৬৯৪.
কোন ধরনের অ্যালকোহল মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয়?
  1. মিথানল 
  2. ইথানল
  3. রেকটিফাইড স্পিরিট 
  4. পাওয়ার অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার অ্যালকোহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা

- মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানি হিসেবে পাওয়ার অ্যালকোহল ব্যবহার করা হয়। পাওয়ার অ্যালকোহল হলো মূলত পেট্রোল এবং ইথানলের একটি মিশ্রণ, যাতে অল্প পরিমাণে বেনজিন বা অন্য কোনো উদ্বায়ী তরল পদার্থও থাকতে পারে।

অ্যালকোহল: 

- অ্যালকোহল বলতে সাধারণভাবে ইথানলকে বোঝায়। 
- স্টার্চ থেকে গাঁজন ক্রিয়ার মাধ্যমে ইথানল উৎপাদন করা হয়, এটি একটি শক্তিশালী জৈব দ্রাবক। 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। রেকটিফাইড স্পিরিটকে হোমিও ওষুধে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানলকে পারফিউম, কসমেটিক্স, ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়। 
- ইথানল পানীয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। পানীয় হিসেবে ইথানলকে ব্যবহার না করার জন্য রেটিফাইড স্পিরিটের সাথে সামান্য মিথানল যোগ করে দেয়া হয়। রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল যুক্ত থাকলে এটি সম্পূর্ণভাবে পানের অযোগ্য হয়, এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 
- ঔষধ শিল্পে ও খাদ্য শিল্পে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের মধ্যে মিথানল যোগ করা হয় না। 
- ইথানলকে মোটর ইঞ্জিনের জ্বালানী হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে প্রায় ৩০% ইথানল যোগ করে এ ধরনের জ্বালানী তৈরী করা হয়, এভাবে ব্যবহৃত অ্যালকোহলকে পাওয়ার অ্যালকোহল বলে।
- অ্যালকোহলকে জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করলে জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর চাপ কম পড়ে, তাছাড়া এটি পরিবেশ বান্ধব। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১,৬৯৫.
স্কাইল্যাব কি?
  1. ক) একটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণকারী প্রতিষ্ঠান
  2. খ) একটি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র
  3. গ) একটি মহাকাশ স্টেশন
  4. ঘ) একটি ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
গ) একটি মহাকাশ স্টেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) একটি মহাকাশ স্টেশন
ব্যাখ্যা
স্কাইল্যাব (Skylab) হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উৎক্ষেপিত প্রথম মহাকাশ স্টেশন যা ১৪ মে ১৯৭৩ সালে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হয়।
সূত্র: ব্রিটানিকা
১১,৬৯৬.
চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সারিয়ে নেওয়ার পর চৌম্বক পদার্থে যে চুম্বকায়ন মাত্রা অবশিষ্ট থাকে তাকে কী বলে?
  1. চৌম্বক ধারকত্ব
  2. কুরি বিন্দু
  3. রিমেনেন্স
  4. চৌম্বক সহনশীলতা
সঠিক উত্তর:
রিমেনেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিমেনেন্স
ব্যাখ্যা
• রিমেনেন্স:
- চুম্বকায়ন বলের প্রভাব সারিয়ে নেওয়ার পর চৌম্বক পদার্থে যে চুম্বকায়ন মাত্রা অবশিষ্ট থাকে তাকে রিমেনেন্স বলে।

• কুরি তাপমাত্রা বা কুরি বিন্দু:
- যে তাপমাত্রায় কোনো চৌম্বক পদার্থের চুম্বকত্ব সম্পূর্ণ নষ্ট হয় তাকে কুরি তাপমাত্রা বলে ।

• চৌম্বক ধারকত্ব:
- উৎপন্ন চুম্বকত্ব বজায় রাখার ক্ষমতাকে চৌম্বক ধারকতা বলে। ইস্পাত ও নরম লোহাকে একই সমপরিমাণ চুম্বকায়িত করে রেখে দিলে নরম লোহার চেয়ে ইস্পাতের ক্ষেত্রে চুম্বকত্ব হ্রাসের পরিমাণ কম ।

• চৌম্বক সহনশীলতা:
- চুম্বকত্ব হ্রাসের নিয়ামকসমূহ থাকা সত্ত্বেও কোনো চৌম্বক পদার্থের মধ্যে উৎপন্ন চুম্বকত্ব বজায় রাখার ক্ষমতাকে ঐ পদার্থের চৌম্বক সহনশীলতা বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৯৭.
পানিতে শব্দের বেগ কত?
  1. ক) ১২৩৯ মি/সে
  2. খ) ১৩৩৯ মি/সে
  3. গ) ১৪৩৯ মি/সে
  4. ঘ) ১৫৩৯ মি/সে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৩৯ মি/সে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৩৯ মি/সে
ব্যাখ্যা

নবম দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই অনুসারে,
১৯৩ পৃষ্ঠাতে,
পানিতে শব্দের বেগ - ১,৪৯৩ মি/সে

২০৩ পৃষ্ঠাতে,
প্রমাণ তাপমাত্রা ও বায়ুচাপে বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ -
বায়ু মাধ্যম -- ৩৩০ মি/সে
পানি মাধ্যম -- ১,৪৯৩ মি/সে
কঠিন মাধ্যম /লোহায় -- ৫,১৩০ মি/সে

নবম - দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বই (উন্মুক্ত) বই অনুসারে,
প্রমাণ তাপমাত্রা ও বায়ুচাপে বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ -
বায়ু মাধ্যম -- ৩৩২ মি/সে
পানি মাধ্যম -- ১,৪৫০ মি/সে
কঠিন মাধ্যম /লোহায় -- ৫,২২০ মি/সে

অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই অনুসারে,
প্রমাণ তাপমাত্রা ও বায়ুচাপে বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ -
বায়ু মাধ্যম -- ৩৪৩ মি/সে
পানি মাধ্যম -- ১,৪৯৬ মি/সে
অ্যালুমিনিয়ামে -- ৬,৪২০ মি/সে

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান প্রথম পত্র বই অনুসারে,
প্রমাণ তাপমাত্রা ও বায়ুচাপে বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ -
বায়ু মাধ্যম -- ৩৩২ মি/সে
পানি মাধ্যম -- ১,৪৫০ মি/সে
কঠিন মাধ্যম /লোহায় -- ৫,১২১ মি/সে

আমরা সকল পাঠ্য বইয়ের তথ্য আপনাদের দিলাম, আপনারা বিবেচনা করে উত্তর করবেন।

১১,৬৯৮.
নিচের কোনটি মানবদেহে অবস্থিত সাইনাস নয়?
  1. Nasal sinus
  2. Frontal sinus
  3. Maxillary sinus
  4. Sphenoid sinus
সঠিক উত্তর:
Nasal sinus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nasal sinus
ব্যাখ্যা
• শ্বসন অঙ্গের সমস্যা: 
- মানুষের শ্বসন অঙ্গ ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক অথবা অন্য কোন এজেন্ট দ্বারা সংক্রমিত হতে পারে, যা নানা রকম রোগ সৃষ্টি করে। 
যেমন- 
সাইনুসাইটিস (Sinusitis): 
- আমাদের করোটি ও মুখমণ্ডলের অস্থিগুলোর ভেতরে কিছু বায়ুপূর্ণ ফাঁকা স্থান রয়েছে যেগুলোকে সাইনাস বলে। 

- মানুষের মুখমণ্ডলে ৪ জোড়া সাইনাস আছে। 
যথা- 
(ক) ম্যাক্সিলারি সাইনাস, 
(খ) ফ্রন্টাল সাইনাস, 
(গ) এথময়েড সাইনাস এবং 
(ঘ) স্কেনয়েড সাইনাস। 

- এসকল সাইনাস মিউকাস পর্দা দ্বারা আবৃত থাকে এবং পিচ্ছিল মিউকাস সৃষ্টির মাধ্যমে নাসিকা পথকে সিক্ত ও জীবাণুমুক্ত রাখে। 
- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাক দ্বারা সাইনাস আক্রান্ত হলে যে প্রদাহের সৃষ্টি হয় তাকে সাইনুসাইটিস বলে। 
- সাইনুসাইটিস ৮ সপ্তাহের কম সময় থাকলে তাকে একিউট (Acute) সাইনুসাইটিস এবং ৩ মাসের অধিককাল থাকলে তাকে ক্রনিক (Chronic) সাইনুসাইটিস বলে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১,৬৯৯.
পেরিস্কোপ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) উত্তল লেন্স
  2. খ) সমতল দর্পণ
  3. গ) উত্তল দর্পণ
  4. ঘ) অবতল দর্পণ
সঠিক উত্তর:
খ) সমতল দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমতল দর্পণ
ব্যাখ্যা
পেরিস্কোপ তৈরিতে সমতল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।
দুটি সমতল দর্পনের ক্রমিক প্রতিফলন ব্যবহার পেরিস্কোপ তৈরী করা হয়। এখানে শুধুমাত্র প্রতিফলন ঘটে।

পেরিস্কোপ তৈরিতে দুইটি সমতল দর্পণের প্রয়োজন হয়। আলো প্রথম দর্পণে এসে প্রতিফলিত হয়ে দ্বিতীয় দর্পণে পড়ে। দ্বিতীয় দর্পণ থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে পড়ে, তখন যে বস্তুটি সরাসরি দেখা যায়, সেইটা আমরা দেখতে পাই।


উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ওয়েবসাইট।
১১,৭০০.
নিচের কোনটি জীবন্ত জীবাশ্ম?
  1. ক) Pinus
  2. খ) Genetum
  3. গ) Cycas
  4. ঘ) Wolffia
সঠিক উত্তর:
গ) Cycas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Cycas
ব্যাখ্যা
• Cycas একটি জীবন্ত জীবাশ্ম।

• জীবন্ত জীবাশ্ম :
বর্তমান কালের কোন জীবিত উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য অতীত কালের কোন জীবাশ্ম উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্যের সাথে মিল সম্পন্ন হলে তাকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

Cycas কে জীবন্ত জীবাশ্ম বলার কারণ: এটি Cycadales বর্গের অন্তর্গত একটি উদ্ভিদ।
- প্রাথমিক মেসোজোয়িক যুগে Cycadales বর্গের অনেক উদ্ভিদ পৃথিবীব্যাপি বিস্তৃত ছিল।
- এদের অনেকেই এখন বিলুপ্ত। এদের পাওয়া যায় জীবাশ্ম হিসেবে।
- এ বর্গের Cycas সহ ৯টি গণের প্রায় ১০০টি প্রজাতি এখনও পৃথিবীর বুকে টিকে রয়েছে।
- এদের অনেক বৈশিষ্ট্য আদি কালের বিলুপ্ত জীবাশ্ম সাইকাড্স এর বৈশিষ্ট্যের অনুরূপ এবং আদি প্রকৃতির।
- এজন্যই Cycas সহ বর্তমানকালের সকল সাইকাড্সকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।
- Cycadales বর্গের সদস্যদেরকে সাইকাড্স বলে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।