বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ২৩ / ২৯ · ২,২০১২,৩০০ / ২,৮৮৩

২,২০১.
যদি কোনো আসামি উন্মাদ না হয়, কিন্তু বিচার কার্যক্রম বুঝতে না পারে সেক্ষেত্রে আদালত বিচার কার্যক্রম-
  1. স্থগিত করবে
  2. বন্ধ করে দিবে
  3. চালিয়ে যেতে পারবে
  4. সাময়িক মুলতবি ঘোষণা করবে
সঠিক উত্তর:
চালিয়ে যেতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চালিয়ে যেতে পারবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪১ ধারা- আসামি কার্যক্রম না বুঝলে বিচার পদ্ধতি:
যদি কোনো আসামি উন্মাদ না হয়, তবে বিচার কার্যক্রম বুঝতে অক্ষম হয়, তাহলেও আদালত তদন্ত বা বিচার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।

তবে, যদি হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত অন্য কোনো আদালত বিচার করে এবং এতে আসামি দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে সেই বিচার কার্যক্রমের সব নথিপত্র এবং মামলার পরিস্থিতির রিপোর্টসহ মামলাটি হাইকোর্ট ডিভিশনে পাঠাতে হবে। এরপর হাইকোর্ট ডিভিশন যেভাবে যথোপযুক্ত মনে করবে, সেই অনুযায়ী আদেশ দেবে।
২,২০২.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫৪৪ ধারায় আদালত সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে-
  1. নিজ উদ্যোগে
  2. পুলিশের আবেদনমতে
  3. সরকারের নির্দেশমতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ অনুসারে
সঠিক উত্তর:
নিজ উদ্যোগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিজ উদ্যোগে
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪৪: অভিযোগকারী, সাক্ষী ও ভুক্তভোগীর খরচ এবং সুরক্ষা:
(১) সরকারের কোনো অর্ডার থাকার শর্তে, কোনো ফৌজদারি আদালত যদি মঞ্জুর করে, তবে সরকার পক্ষ থেকে অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে, যখন তারা কোনো তদন্ত, বিচার বা এই কোড অনুযায়ী অন্যান্য কার্যক্রমে আদালতে উপস্থিত হন।

(২) কোনো আদালত, কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন বা নিজ উদ্যোগে, ফৌজদারি প্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে, সেই ধরনের কোনো আদেশ দিতে বা পদক্ষেপ নিতে পারে যা কোনো তথ্যদাতা, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয়।

২,২০৩.
সম্পূরক চার্জ শীট দেয়া হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ফরিয়াদির আবেদনক্রমে
  2. অভিযুক্তের আবেদনক্রমে
  3. অধিকতর তদন্তের ক্ষেত্রে
  4. উল্লিখিত কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
অধিকতর তদন্তের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকতর তদন্তের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-
 
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation]। ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।
 
অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।
২,২০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিকে খালাস দিতে পারে?
  1. ধারা ৩৭৪
  2. ধারা ৩৭৭
  3. ধারা ৩৭৬
  4. ধারা ৩৭৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৬
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দণ্ড দিতে পারেন,বা
আসামিকে খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।

Section 376 (Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction)-
In any case submitted under section 374, 405 the High Court Division- 
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
২,২০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা ধার্য করতে পারেন?
  1. দশ লাখ
  2. পাঁচ লাখ
  3. তিন লাখ
  4. দুই লাখ
সঠিক উত্তর:
তিন লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন লাখ
ব্যাখ্যা

⇒  ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২(১)(খ) অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী ধারা ৩২(১)(খ) এর অধীনে দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত  সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, আইন দ্বারা অনুমোদিত নির্জন কারাবাস-সহ, সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা পর্যন্ত জরিমানা।
- সুতরাং, দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করতে পারেন।


⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩২ অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটদের দণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জরিমানার সীমা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট : সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। আইনে অনুমোদিত নির্জন কারাবাস দিতে পারেন। সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট : সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট : সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা পর্যন্ত।

(২) যে-কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা যেই সকল দণ্ডদানের ক্ষমতা লাভ করিয়াছেন, সেই সকল দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত অপরটি যুক্ত যে-কোনো আইনসংগত দণ্ড দিতে পারেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-32.Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely :-
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five lac taka;.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding three lac taka;
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two lac taka.
(2)The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.

২,২০৬.
অনুসন্ধান বা বিচারকালীন সময়ে যদি দেখা যায় একই অপরাধ বিষয়ে নালিশী মামলা ও পুলিশ তদন্ত চলমান, এক্ষেত্রে আদালত কী আদেশ দিতে পারে?
  1. উক্ত কার্যক্রম বাতিল করবেন
  2. উক্ত কার্যক্রম স্থগিত করবেন
  3. তদন্ত কর্মকর্তার নিকট হতে রিপোর্ট তলব করবেন
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ঘ এ একই অপরাধ বিষয়ে নালিশী মামলা ও পুলিশ তদন্ত চলতে থাকলে, তখন যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় তা উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশের ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অনুসন্ধান বা বিচারকালীন সময়ে যদি এটা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবগত করা হয় যে- ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধের বিচার বা অনুসন্ধান শুরু করেছেন উক্ত অপরাধের বিষয়ে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত চলমান আছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট-

⇒ তার অনুসন্ধান বা বিচার কার্যক্রম স্থগিত করবেন; এবং
তদন্ত পরিচালনাকারী পুলিশ কর্মকর্তার নিকট হতে রিপোর্ট তলব করবেন।

এই ক্ষেত্রে একই আদালত কর্তৃক উভয় মামলা একত্রিত করণ এবং বিচার করা যাবে যেন উভয় মোকদ্দমা পুলিশ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

• ধারা ২০৫ঘ : একটি অপরাধের বিষয়ে একই সাথে নালিশী মামলা ও পুলিশী তদন্ত চলতে থাকলে অনুসরণীয় পদ্ধতি:

(১) পুলিশ প্রতিবেদন ব্যতিরেকে অন্য কোন উপায়ে দায়েরকৃত মামলার (অতঃপর নালিশী মামলা মর্মে বর্ণিত হবে) তদন্ত বা বিচার চালাকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট তাঁর আদালতে তদন্ত বা বিচারাধীন অপরাধটি সম্পর্কে একটি পুলিশী তদন্ত চলতেছে মর্মে প্রতীয়মান হলে, সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর দ্বারা পরিচালিত তদন্ত বা বিচারকার্য স্থগিত রাখবেন এবং উক্ত বিষয় সম্পর্কে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত প্রতিবেদন চাবেন।
 
(২) যেক্ষেত্রে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা ধারা-৭৩ এর বিধানসাপেক্ষে প্রতিবেদন পেশ করেন এবং এরূপ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তি নালিশী মোকদ্দমার আসামী তার বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশী মামলা এবং পুলিশ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে দায়েরকৃত মামলার একই সাথে তদন্ত বা বিচার করতে পারবেন যাতে উভয় মামলাই পুলিশ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে দায়ের হয়েছে।
 
(৩) পুলিশ প্রতিবেদনে নালিশী মামলার কোন আসামী জড়িত না হলে, অথবা পুলিশ প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে ম্যাজিস্ট্রেট কোন অপরাধ আমলে গ্রহণ না করলে তিনি যে তদন্ত বা বিচার স্থগিত রেখেছিলেন এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে সেই তদন্ত বা বিচারকার্যে অগ্রসর হবেন।
২,২০৭.
নিচের কোন ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে না?
  1. ঘরে চোরাইমাল পাওয়া গিয়েছে এমন ব্যক্তি।
  2. প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি
  3. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকৃত ব্যক্তি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৫৪ ধারা অনুযায়ী- যখন পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন এমন ৯ ধরনের ব্যক্তি হলেন
- প্রথম: কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত কোন ব্যক্তি
- দ্বিতীয়: আইনসংগত কারণ ব্যতিত যার নিকট ঘর ভাঙ্গার কোন সরঞ্জাম রয়েছে
- তৃতীয়: এই কার্যবিধি অনুসারে অথবা সরকারের আদেশ দ্বারা যাকে অপরাধী ঘোষণা করা হয়েছে:
- চতুর্থ: চোরাইমাল পাওয়া গেলে
- পঞ্চম: পুলিশ অফিসারকে তার কার্যে বাধাদানকারী ব্যক্তি অথবা যে ব্যক্তি আইনসংগত হেফাজত হতে পলায়ন করেছে অথবা পলায়নের চেষ্টা করে:
- ষষ্ঠ: বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী।
- সপ্তম: বাংলাদেশে করা হলে অপরাধ হিসাবে শাস্তিযোগ্য হতো, বাংলাদেশের বাইরে কৃত এরূপ কোন কার্যের সাথে জড়িত ব্যক্তি।
- অষ্টম: কোন মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী যে ৫৬৫ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে প্রণীত কোন নিয়ম লংঘন করে;
- নবম: যাকে গ্রেফতারের জন্য অন্য কোন পুলিশ অফিসারের নিকট হতে অনুরোধ পাওয়া গেছে।
২,২০৮.
যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে পারে-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেনঃ
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass-
(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
২,২০৯.
বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা কার নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন ?
  1. শুধু নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. শুধু পুলিশ কমিশনারের
  3. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনার
  4. সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারের
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩০ ধারা মতে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে আসা প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমিশন প্রাপ্ত বা নন কমিশন প্রাপ্ত কর্মকর্তারা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কমিশনারের নির্দেশ অনুসারে কাজ করবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।

--------------------- 
Duty of officer commanding troops required by Magistrate to disperse assembly
Section 130.(1) When an Executive Magistrate or the Police Commissioner determines to disperse any such assembly by military force, he may require any commissioned or non-commissioned officer in command of any soldiers in the Bangladesh Army to disperse such assembly by military forced, and to arrest and confine such persons forming part of it as the Magistrate or the Police Commissioner may direct, or as it may be necessary to arrest and confine in order to disperse the assembly or to have them punished according to law. 
 
(2) Every such officer shall obey such requisition in such manner as he thinks fit, but in so doing he shall use as little force, and do as little injury to person and property, as may be consistent with dispersing the assembly and arresting and detaining such persons.
২,২১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক মামলা স্থানান্তর সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ৫২৫
  2. ৫২৬
  3. ৫২৬খ
  4. ৫২৭
সঠিক উত্তর:
৫২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আলোচনা করা হয়েছে।যার উপর ভিত্তি করে মামলা হস্তান্তরের আদেশ দিবেন-
১. নিম্ন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে, অথবা
২. মামলার যেকোন পক্ষের আবেদনক্রমে, অথবা
৩. হাইকোর্ট বিভাগ Suo motu এরূপ আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ মামলা হস্তান্তরের শর্তসমূহ-
১. অধস্তন কোন ফৌজদারি আদালতে ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে।
২. কোন অসাধারণ জটিল আইনের প্রশ্ন উদ্ভব হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে।
৩. কোন স্থান বা স্থানের নিকট কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা পরিদর্শন করা উক্ত অপরাধের সন্তোষজনক অনুসন্ধান বা বিচারের জন্য প্রয়োজন হলে।
৪. এই ধারায় প্রদত্ত কোন আদেশে পক্ষসমূহ বা সাক্ষীগনের সাধারণ সুবিধার দিকে নিয়ে যাবে।
৫. ন্যায় উদ্দেশ্যে বা এই কার্যবিধির কোন বিধান অনুসারে এরূপ কোন আদেশ প্রয়োজন হলে
২,২১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন?
  1. ধারা ২৪১
  2. ধারা ২৪৮
  3. ধারা ২৪২
  4. ধারা ২৪৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪২
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
> ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০)
> দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে।২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।
[If after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.]
২,২১২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় Anticipatory Bail এর আবেদন করা যায়?
  1. Section 496
  2. Section 497
  3. Section 498
  4. Section 499
সঠিক উত্তর:
Section 498
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 498
ব্যাখ্যা
♦কোনো অপরাধের জন্য গ্রেফতারের আশঙ্কায় কোন ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া হলে তাকে আগাম জামিন বলে। 
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান অনুসারে আগাম জামিন বা Anticipatory Bail এর দরখাস্ত বিবেচনা করা যায়। এই ধারায় in any case শব্দমালাকে ব্যাখ্যা করে আগাম জামিন দেওয়া হয়।
♦জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।
♦ অর্থাৎ ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের আবেদন করা যায়। এ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা জজ।
২,২১৩.
Under Section 368(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898, what is NOT included in the sentence of transportation?
  1. Duration of transportation
  2. Purpose of transportation
  3. Conditions of transportation
  4. The specific place of transportation
সঠিক উত্তর:
The specific place of transportation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The specific place of transportation
ব্যাখ্যা
Section- 368:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।
২,২১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারার অধীনে জনসাধারণ কোন ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে সাহায্য করতে বাধ্য?
  1. অপরাধ তদন্তে
  2. গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থাপন করতে
  3. কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা বা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
 
৪২(ক) মোতাবেক,
পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

৪২(খ) তে বলা আছে যে,
কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
 
Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
২,২১৫.
'প্রত্যেক রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৩৫৭ ধারা
  2. ৩৬১ ধারা
  3. ৩৬৭ ধারা
  4. ৩৬৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৬৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৭ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭ ধারার বিধান: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু:
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

২,২১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৭২(২) অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে সমন পরিবেশনের প্রমাণ কী?
  1. সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বাক্ষর
  2. পুলিশ কর্মকর্তার স্বাক্ষর
  3. দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষর
  4. কোনো প্রমাণের প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭২ ধারায় প্রজাতন্ত্রের বা সরকারী কর্মচারীর উপর সমন জারির বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির (The Code of Criminal Procedure, 1898) ধারা ৭২(২) অনুযায়ী, যখন কোনো সরকারি চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে সমন পরিবেশন করা হয়, তখন দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষরই সমনের যথাযথ পরিবেশনের প্রমাণ হিসেবে গণ্য হয়। ধারা ৭২(১) অনুযায়ী, সমন দুই প্রতিলিপিতে সরকারি চাকরিজীবীর দপ্তরের প্রধানের কাছে পাঠানো হয়, এবং তিনি ধারা ৬৯ এর বিধান অনুযায়ী সমন পরিবেশনের ব্যবস্থা করেন। পরিবেশনের পর, দপ্তরের প্রধান সমনটি আদালতে ফেরত পাঠান এবং তার স্বাক্ষরের মাধ্যমে পরিবেশনের প্রমাণ নিশ্চিত করেন।

অর্থাৎ ধারা ৭২(২) অনুযায়ী, সরকারি চাকরিজীবীর ক্ষেত্রে সমন পরিবেশনের প্রমাণ হলো দপ্তরের প্রধানের স্বাক্ষর। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-72. Service on servant of Republic:
(1) Where the person summoned is in the active service of the Republic, the Court issuing the summons shall ordinarily send it in duplicate to the head of the office in which such person is employed; and such head shall thereupon cause the summons to be served in manner provided by section 69, and shall return it to the Court under his signature with the endorsement required by that section. 
(2) Such signature shall be evidence of due service.

২,২১৭.
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক কত বছর?
  1. ৬ মাস
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির মুচলেকার মেয়াদ-

ধারা ১০৬:
দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ৩ বছর।

ধারা ১০৭:
দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ব্যতিত অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষা মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১০৮:
রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারীর সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১০৯:
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিবৃন্দের সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ১ বছর।

ধারা ১১০:
অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ মুচলেকার মেয়াদ- অনধিক ৩ বছর।
২,২১৮.
নাবালক অপরাধীদের সংশোধনাগারে রাখার বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ৪০৪ ধারা
  2. ৩৯৫ ধারা
  3. ৩৯৯ ধারা
  4. ৩৮৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৯৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৯ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন আদালত ১৫ বৎসর কম বয়স্ক ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদন্ড দেন, তখন উক্ত আদালত উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি জেলে বন্দি না রেখে সংশোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিতে পারেন
২,২১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ফৌজদারি আপিল Abatement এর বিধান আছে?
  1. ৩০২
  2. ৩৪২
  3. ৪৩১
  4. ৪২০
সঠিক উত্তর:
৪৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩১
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- ৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপীলকারী মারা গেলেও আপীল বতিল হবেনা তখন আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে। 
♦ আসামী  সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে ।
২,২২০.
৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হবে-
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. জেলা জজ আদালতে
  4. বিভাগীয় জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৭ ধারার বিধান খালাসের ক্ষেত্রে আপীলঃ (১) উপধারা ৪ এর বিধান সাপেক্ষে সরকার যেকোন ক্ষেত্রে আপীল দায়েরের জন্য পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দিতে পারেন-
(ক) কোন আদালত কর্তৃক মূল মামলায় বা আপীলে প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে;
(খ) মূল মামলায় বা আপীলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রদত্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে ।
(২) ধারা-৪১৮ এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, উক্তরূপ খালাসের আদেশ যদি ফরিয়াদি কর্তৃক আনীত মামলায় প্রদত্ত হয়ে থাকে এবং আদেশে আইনের ভুল ব্যাখ্যার জন্য ন্যায় বিচারে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ফরিয়াদি উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে এরূপ যে কোন হেতুবাদে আপীল দায়ের করতে পারবে-
(ক) দায়রা আদালত কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ডিভিশনে; (খ) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত মূল খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে।
(৩) খালাসের আদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর ফরিয়াদী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে কোন আপীল দায়ের করলে হাইকোর্ট ডিভিশনে তা গ্রাহ্য হবে না ।
(৪) যদি কোন ক্ষেত্রে খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল গৃহীত না হয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (১) এর অধীন উক্ত খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলবে না ।

♦খালাসের ক্ষেত্রে আপিলের বিধানসমূহ-
১. যেকোন ক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটর (P.P) মূল মামলা ও আপিলে দেওয়া খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে। অর্থাৎ (P.P) কর্তৃক খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আপিল চলে।
২. Complaint Registered Case এর ক্ষেত্রে শুধু মূল মামলায় দেওয়া খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে অভিযোগকারী (Complainant)। অর্থাৎ Complaint Registered Case হলে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় আপিল চলে না।

♦ যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
♦ খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়। [ধারা ৪১৭(3)]
♦খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে। [অনুচ্ছেদ ১৫৭, তামাদি আইন, ১৯০৮]

 অর্থাৎ ৪১৭ ধারা অনুযায়ী যে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের খালাস আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে আপীল দায়ের করতে হবে।

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------

Appeal in case of acquittal
[417](1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal- 
 
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session; 

(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.

(
2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal- 

(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session;
 
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.] 

(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division 4[or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal. 
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
২,২২১.
কোনো জেলার ফৌজদারি আদালতের ওয়ারেন্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্র বহির্ভূত কোনো মেট্রোপলিটন এলাকায় তামিলের জন্য নিচের কার নিকট প্রেরণ করতে হবে?
  1. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির  ৮৩ ধারার বিধান অধিক্ষেত্রের বাহিরে কার্যকরী করবার উদ্দেশ্যে পরোয়ানা প্রেরণঃ (১) যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা জারীকারী আদালতের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে উক্ত পরোয়ানা কার্যকর করা প্রয়োজন দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত পরোয়ানাটি কোন পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত না করে যে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা যে জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট অথবা পুলিশ কমিশনার (মহানগরী এলাকা হলে) এর এখতিয়ারের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে তা কার্যকরী করতে হবে, তাঁর বরাবরে ডাক মারফত অথবা অন্য কোনভাবে তা পাঠাতে পারেন।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেন্ডেন্ট বা পুলিশ কমিশনার বরাবর উক্তরূপে প্রেরণকৃত পরোয়ানার উপর তিনি তার নাম সহি করবেন এবং সম্ভব হলে ইতিপূর্বে উল্লেখিত পদ্ধতিতে নিজের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে তা কার্যকরী করার ব্যবস্থা নিবেন।

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৩ ধারায় আদালতের অধিক্ষেত্রের বাহিরে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করার বিধান রয়েছে। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারিকারক আদালতের অধিক্ষেত্রের বাহিরে পরোয়ানা কার্যকর করতে হলে, যে এলাকায় কার্যকর করতে হবে সেই এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা পুলিশ সুপারিন্টেডেন্ট; অথবা মেট্রোপলিটন এলাকা হলে পুলিশ কমিশনার এর নিকট ডাকযোগে বা অন্য কোন উপায়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা পাঠানো যায়। এক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা পুলিশ সুপারিন্টেডেন্ট অথবা মেট্রোপলিটন এলাকা হলে পুলিশ কমিশনার উক্ত গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করবেন।
২,২২২.
জরিমানা আদায়ের ওয়ারেন্ট কার্যকর করার ক্ষেত্রে আদালতের জন্য নিষিদ্ধ কোনটি?
  1. সম্পত্তি বিক্রি
  2. অপরাধীকে গ্রেপ্তার
  3. কালেক্টরের মাধ্যমে অর্থ আদায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে গ্রেপ্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে গ্রেপ্তার
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৬: জরিমানা আদায়ের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু:
(১) যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে জরিমানা প্রদানের শাস্তি প্রদান করা হয়, তখন আদালত জরিমানা আদায়ের জন্য নিচের এক বা উভয় পদ্ধতিতে ব্যবস্থা নিতে পারে:
(ক) অপরাধীর যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে বিক্রির মাধ্যমে জরিমানার টাকা আদায়ের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারে;
(খ) জেলার কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করতে পারে, যাতে তিনি দেওয়ানি পদ্ধতিতে অপরাধীর অস্থাবর বা স্থাবর উভয় সম্পত্তির বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিয়ে জরিমানা আদায় করতে পারেন।

শর্ত থাকে যে, যদি রায় অনুযায়ী জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়, এবং অপরাধী সেই সম্পূর্ণ দণ্ড ভোগ করে থাকেন, তবে আদালত বিশেষ লিখিত কারণে প্রযোজ্য মনে না করলে আর ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারবে না।

(২) সরকার উপ-ধারা (১), দফা (ক)-এর অধীনে জারিকৃত ওয়ারেন্ট কার্যকর করার পদ্ধতি এবং অন্য কোনো ব্যক্তি অপরাধী ব্যতীত যিনি ওই সম্পত্তির ওপর দাবি করেন, তার দাবির সংক্ষিপ্ত নিষ্পত্তির জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারে।

(৩) যখন আদালত উপ-ধারা (১), দফা (খ)-এর অধীনে কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করে, তখন সেই ওয়ারেন্ট দেওয়ানি আদেশ (decree) বলে গণ্য হবে এবং কালেক্টর decree-holder (আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি) হিসেবে বিবেচিত হবেন। সেক্ষেত্রে, Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী যে নিকটস্থ দেওয়ানি আদালত এমন আদেশ কার্যকর করতে পারে, সেটিকে ঐ আদেশদাতা আদালত বলে গণ্য করা হবে এবং সিপিসির সকল বিধান প্রযোজ্য হবে।

শর্ত থাকে যে, এই ধরনের কোনো ওয়ারেন্ট অপরাধীকে গ্রেপ্তার বা কারাগারে আটক করে কার্যকর করা যাবে না।
২,২২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে পুলিশ ডায়েরির সঠিক ব্যবহার কোনটি?
  1. এটি মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়
  2. এটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যায়
  3. এটি অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ব্যবহার করা যায়
  4. এটি শুধুমাত্র তদন্ত কর্মকর্তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত হয়
সঠিক উত্তর:
এটি শুধুমাত্র তদন্ত কর্মকর্তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি শুধুমাত্র তদন্ত কর্মকর্তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে পুলিশ ডায়েরি শুধুমাত্র তদন্ত কর্মকর্তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে ব্যবহৃত হয়। 

⇒ পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশি ডায়েরি। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরি সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরিতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন। কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করবেন।
- পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার [ধারা ১৭২(২)]-
যে কোন ফৌজদারি আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশি ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে।
-পুলিশ ডায়েরি পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরি ব্যবহার করতে পারে।
-তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।
============= 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation.

(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.
২,২২৪.
হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখে কত ধারা অনুযায়ী-
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদন্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদন্ড বহাল রাখতে পারেন, বাতিল করতে পারেন, অন্য কোন দন্ড দিতে পারেন বা খালাস দিতে পারেন। আসামী আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত, অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারানুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ গর্ভবর্তী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদন্ড স্থগিত বা হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করতে পারেন।
২,২২৫.
ফৌজদারি মামলায় কোন ক্ষেত্রে আপিল করা যায়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধিতে বিধান থাকলে
  2. বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে বিধান থাকলে
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• মামলার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে তাকে আপিল বলে। অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারা হতে ৪৩১ যারা পর্যন্ত আপিলের বিধি-বিধান বর্ণিত হয়েছে।

ধারা ৪০৪: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না- 
উক্ত কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।

Section 404: Unless otherwise provided, no appeal to lie
No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.
২,২২৬.
জনৈক 'ক' একজন ম্যাজিস্ট্রেট। উনার আদালতে দায়ের করা এক অভিযোগ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে দেখেন যে, অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য এবং তিনি মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করেন। এক্ষেত্রে কাকে নোটিশ দিতে হবে?
  1. অভিযুক্তকে
  2. অভিযোগকারীকে
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরকে
  4. অপরাধ আমলে নেয়া তদন্তকারী কর্মকর্তাকে
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটরকে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫(গ) তে যে মামলাসমূহ একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার্য, সেই সকল মামলার স্থানান্তর সম্পর্কে বলা হয়েছে। অপরাধ আমলে নেয়ার ক্ষেত্রে যদি ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, অপরাধটি একমাত্র দায়রা আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তাহলে তিনি-
 
⇒ মামলাটি দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
⇒ জামিন সম্পর্কে এই কার্যবিধির বিধানসমূহের শর্ত সাপেক্ষে আসামিকে হেফাজতে রাখার জন্য প্রেরণ করবেন;
⇒ সাক্ষ্যের জন্য উপস্থাপন করতে হবে এরূপ দলিলাদি এবং জিনিসপত্র (যদি থাকে) তা সহ আদালতে প্রেরণ করবেন;
পাবলিক প্রসিকিউটরকে নোটিশ দিবেন।
২,২২৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭ ধারার কোন উপ-ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ করার যুক্তিসঙ্গত কারণ না পাওয়া যায়, তবে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে (shall be released)?
  1. উপ-ধারা (১)
  2. উপ-ধারা (২)
  3. উপ-ধারা (৪)
  4. উপ-ধারা (৫)
সঠিক উত্তর:
উপ-ধারা (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপ-ধারা (২)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৭(২)-এ বলা হয়েছে যে, যদি কোনো পর্যায়ে তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারকালে আদালত বা কর্মকর্তা মনে করেন যে আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ করার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই, তবে তার বিরুদ্ধে আরও অনুসন্ধানের প্রয়োজন থাকলে আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে — অর্থাৎ "shall be released on bail".
অর্থাৎ, যদি তদন্ত/বিচারের যেকোনো পর্যায়ে মনে হয় যে আসামির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য অপরাধ করার যুক্তিসঙ্গত কারণ নেই (not reasonable grounds), তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া বাধ্যতামূলক (shall be released)।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 497.When bail may be taken in case of non-bailable offence:
(1) When any person accused of any non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, he may be released on bail, but he shall not be so released if there appear reasonable grounds for believing that he has been guilty of an offence punishable with death or transportation for life: 
Provided that the Court may direct that any person under the age of sixteen years or any woman or any sick or infirm person accused of such an offence be released on bail. 
(2) If it appears to such officer or Court at any stage of the investigation, inquiry or trial, as the case may be, that there are not reasonable grounds for believing that the accused has committed a non-bailable offence, but that there are sufficient grounds for further inquiry into his guilt, the accused shall, pending such inquiry, be released on bail, or, at the discretion of such officer or Court, on the execution by him of a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided. 
(3) An officer or a Court releasing any person on bail under sub-section (1) or sub-section (2) shall record in writing his or its reasons for so doing. 
(4) If, at any time after the conclusion of the trial of a person accused of a non-bailable offence and before judgment is delivered, the Court is of opinion that there are reasonable grounds for believing that the accused is not guilty of any such offence, it shall release the accused, if he is in custody on the execution by him of a bond without sureties for his appearance to hear judgment delivered. 
(5) The High Court Division or Court of Session and, in the case of a person released by itself, any other Court may cause any person who has been released under this section to be arrested and may commit him to custody.

২,২২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারা অনুসারে কখন আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. যুক্তিতর্ক শ্রবণের পূর্বে যেকোন সময়
  2. রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
  3. রায় কার্যকরের পূর্বে যেকোন সময়
  4. সাক্ষীদের জবানবন্দী নেয়ার পূর্বে যেকোন সময়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে। রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন। 

⇒ ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। 
অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
২,২২৯.
জামিননামায় অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারে-
  1. জামিনদাতা আদালত
  2. জামিনদাতা পুলিশ
  3. দায়রা আদালত
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৮ (জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা)-

(১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail-
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
২,২৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৪৬খ অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রেফতারীর ঘটনা সেই থানার সাধারণ ডায়েরিতে কখন নথিভুক্ত করা হবে?
  1. গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. গ্রেফতার হওয়ার সাথে সাথে
  3. বিচারকের অনুমতি দিলে
  4. পুলিশ সুপারের অনুমোদনের পর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার হওয়ার সাথে সাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার হওয়ার সাথে সাথে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬খ: গ্রেফতারের রেকর্ড, সাধারণ ডায়েরিতে নথিভুক্তি এবং তথ্য প্রদান:
(১) গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে একটি এন্ট্রি করতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকবে—
- গ্রেফতারের কারণ,
- তথ্যদাতা বা অভিযোগকারী ব্যক্তির নাম ও বিবরণ,
- সেই আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও বিবরণ, যাকে গ্রেফতারের তথ্য জানানো হয়েছে, এবং
- গ্রেফতার ব্যক্তিকে আটক করার দায়িত্বে থাকা অফিসারের নাম ও বিবরণ।

(২) প্রতিটি গ্রেফতারীর ঘটনা সেই থানার সাধারণ ডায়েরিতে সঙ্গে সঙ্গেই নথিভুক্ত করা হবে। যদি গ্রেফতারকারী অফিসার সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা না হন, তবে গ্রেফতার সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের একটি কপি সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার-ইন-চার্জকে প্রদান করতে হবে, যিনি এরপর তা সাধারণ ডায়েরিতে এন্ট্রি করবেন।

(৩) যারা অফিসিয়াল রেজিস্টার বা সাধারণ ডায়েরি রক্ষা করার দায়িত্বে আছেন, তারা চাইলে গ্রেফতার সম্পর্কিত তথ্য গ্রেফতার ব্যক্তির যে কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীকে দিতে বাধ্য থাকবেন।

২,২৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে নিচের কে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  3. অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার বিধান ফৌজদারি আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
(১) সুপ্রিম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারি আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা: (ক) দায়রা আদালত; এবং (খ) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।
(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথা: (ক) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (খ) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
(৩) চার শ্রেণীর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট থাকিবে; যথা: 
(ক) মহানগর এলাকার জন্য মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং অন্যান্য এলাকার জন্য মুখ্য বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট।
(খ) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বলিয়া অভিহিত হইবে;
(গ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট;
(ঘ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।
ব্যাখ্যা: এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চিফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।
---------------------
CrPC-Section 6: Classes of Criminal Courts:
(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- (a) Courts of Sessions ; and (b) Courts of Magistrates. 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
২,২৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে পুলিশকে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করার ক্ষমতা রয়েছে তা নির্দেশ করা হয়?
  1. ১ম কলাম
  2. ৩য় কলাম
  3. ৪র্থ কলাম
  4. ৬ষ্ঠ কলাম
সঠিক উত্তর:
৩য় কলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় কলাম
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৩য় কলাম-এ পুলিশকে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করার ক্ষমতা (অর্থাৎ, কোন অপরাধে পুলিশ আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য) নির্দেশ করা হয়।
- দ্বিতীয় তফসিল মূলত পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারাসমূহ, সংশ্লিষ্ট অপরাধ, এবং তাদের বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য সংবলিত। এর মধ্যে ৩য় কলামটি স্পষ্ট করে দেয় পুলিশ কোন অপরাধের ক্ষেত্রে পরোয়ানা ছাড়া (বিনা ওয়ারেন্টে) গ্রেফতার করতে পারবে এবং কোন ক্ষেত্রে পারবে না।
- অর্থাৎ, এই কলামটি “অমলযোগ্য” (cognizable) এবং “অমল-অযোগ্য” (non-cognizable) অপরাধের পার্থক্য নির্ধারণ করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।
২,২৩৩.
অভিযোগের ভিত্তিতে দায়েরকৃত মামলায়, নির্ধারিত তারিখে অভিযোগকারী উপস্থিত না হলে কী হবে?
  1. অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া হবে
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হবে
  3. অভিযোগকারীকে জরিমানা করা হবে
  4. অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৭: অভিযোগকারীর অনুপস্থিতি:
যদি কোনো মামলা অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হয় এবং যে দিনে অভিযুক্তের হাজিরা দেওয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে বা তার পরবর্তী যে কোনো মুলতবি তারিখে অভিযোগকারী আদালতে উপস্থিত না হন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস (acquit) দেবেন।

তবে, যদি কোনো কারণে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে শুনানিটি অন্য আরেকটি তারিখে মুলতবি করা উচিত, তিনি তা করতে পারবেন।

শর্ত (Proviso):
যদি অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মচারী হন এবং তাঁর ব্যক্তিগত উপস্থিতি মামলার জন্য আবশ্যক না হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর অনুপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন এবং মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন।

২,২৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারায়, কোন শর্তে আপিল হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে?
  1. যখন কোনো যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড প্রদান করেন
  2. যখন কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় অপরাধের বিচার করেন
  3. যখন কোনো ব্যক্তি দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় দণ্ডিত হন
  4. উল্লিখিত সব শর্ত
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব শর্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব শর্ত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৮-এ উল্লিখিত শর্তে, যদি যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেন, অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় অপরাধের বিচারে দণ্ডিত করেন, তবে আপিল হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 -Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division;
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
২,২৩৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯১(২) অনুযায়ী কে এই ধারার অধীনে পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারে?
  1. সরকার
  2. সুপ্রীম কোর্ট
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯১(২)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: “The Supreme Court may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.”
- অর্থাৎ, ধারা ৪৯১ এর অধীনে habeas corpus প্রকৃতির নির্দেশ জারি করার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম বা বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা সুপ্রীম কোর্টের কাছে ন্যস্ত।
- এটি আদালতের স্বাধীনতা ও বিচারিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ, যাতে হাইকোর্ট বিভাগ সংবিধান ও আইনের আলোকে বেআইনীভাবে আটক ব্যক্তিদের দ্রুত ন্যায়বিচার দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:-
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law;
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty;
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court;
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively;
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and
(2) The [Supreme Court] may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.
২,২৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট কী করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র দায়রা আদালতকে নির্দেশ দিতে পারে
  2. মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির দণ্ড কমাতে পারে
  3. আসামির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করতে পারে
  4. অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৭৫ অনুযায়ী, হাইকোর্ট নিম্নলিখিত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
- অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণের আদেশ দিতে পারে (যদি প্রয়োজন মনে করে)।
- মামলার রেকর্ড পর্যালোচনা করে নতুন সাক্ষ্য বা প্রমাণ সংগ্রহ করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে।
- এটি বিশেষভাবে আপিল চলাকালীন প্রযোজ্য, যখন আদালত মনে করে যে অতিরিক্ত তদন্ত বা সাক্ষ্য প্রয়োজন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির দণ্ড বিষয়ে অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে।

-ধারা ৩৭৫-
কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।
হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session.
(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.
(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.
২,২৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৩ ধারার অধীনে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য কোন কর্মকর্তার বিশেষ আদেশ প্রয়োজন?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা জজ
  3. পুলিশ কমিশনার
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
 
Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.
২,২৩৮.
অভিযোগ বিষয়ে শুনানিকালে অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত বিতর্কিত দলিলাদি বিবেচনা করা যাবে কিনা?
  1. হ্যাঁ
  2. এটি আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা
  3. না
  4. মূল দলিল দাখিল সাপেক্ষে বিবেচনা করা যাবে
সঠিক উত্তর:
না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
না
ব্যাখ্যা
ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিল গ্রহণযোগ্য নয়। শুধুমাত্র মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে। চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে,
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
২,২৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি-
  1. Civil law
  2. Procedural law
  3. Substantive law
  4. Substantive criminal law
সঠিক উত্তর:
Procedural law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Procedural law
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন, যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law. সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
২,২৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১২ অনুযায়ী, যদি আসামি দোষ স্বীকার করে এবং দায়রা আদালত বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা দণ্ডিত হয়, তাহলে আপীল করা যাবে-
  1. মামলার সব বিষয়ে
  2. শুধুমাত্র জামিনের জন্য
  3. দোষের প্রমাণ না থাকলে
  4. শুধুমাত্র দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা সম্পর্কে
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা সম্পর্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা সম্পর্কে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১২ (Section 412 of the CrPC, 1898) অনুযায়ী বলা হয়েছে—
"যেখানে একজন আসামি আদালতে দোষ স্বীকার করে এবং দায়রা আদালত বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) তাকে দণ্ডিত করে, সেখানে সেই আসামি শুধুমাত্র আপীল করতে পারবেন দণ্ডের 'পরিমাণ বা বৈধতা' (extent or legality of the sentence) বিষয়ে।"
অর্থাৎ: যদি আসামি স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেন, তাহলে তিনি আর মামলা বা দোষের বিষয়ে আপীল করতে পারবেন না,
- তবে তিনি দণ্ডটা বেশি হয়েছে বা আইনসঙ্গত হয়নি – এই মর্মে আপীল করতে পারবেন।

-সঠিক উত্তর: ঘ) শুধুমাত্র দণ্ডের পরিমাণ বা বৈধতা সম্পর্কে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
২,২৪১.
অভিযুক্তের অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় নিম্নের কোন দলিল বিবেচনায় নেয়া যায় না ?
  1. অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিলপত্র
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী
  3. প্রাথমিক তথ্য বিবরণী
  4. ডাক্তারের সার্টিফিকেট
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিলপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিলপত্র
ব্যাখ্যা
অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিলপত্র তার অব্যাহতি পাওয়ার ক্ষেত্রে বিবেচনাযোগ্য হবে না।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।অভিযোগ ভিত্তিহীন প্রতীয়মাণ হলে,  আদালত চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-

> অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র
> প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং
> প্রসিকিউশন এবং অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট, জব্দ তালিকা, মেডিকেল রিপোর্ট ইত্যাদি।
২,২৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, দোভাষীর প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. সাক্ষীর বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করা
  2. আদালতের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলা
  3. সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা
  4. নিজ মত অনুযায়ী তথ্য উপস্থাপন করা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ বলছে, যখন কোনো ফৌজদারি আদালত সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখ্যা করার জন্য দোভাষীর সেবা গ্রহণ করেন, তখন সেই দোভাষী বাধ্য থাকেন সত্য ও সঠিক ব্যাখ্যা দিতে। আদালতের বিচার সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য, দোভাষীর নিরপেক্ষ ও প্রকৃত অনুবাদ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারা দোভাষীকে সত্য ব্যাখ্যা দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুসারে দোভাষীর প্রধান দায়িত্ব হলো, সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা। তাই সঠিক উত্তর: গ) সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৩ ধারার বিধান- অনুসারে দোভাষী অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন-
কোন সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখা করার জন্য যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক একজন দোভাষীর সেবা দেয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে দোভাষী উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 543- Interpreter to be bound to interpret truthfully:
When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
২,২৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে প্রত্যেক চার্জে কী থাকা বাধ্যতামূলক?
  1. সাক্ষীদের নাম ও ঠিকানা
  2. পুলিশ প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ
  3. মামলার সম্ভাব্য শাস্তির পরিমাণ
  4. আসামি যে অপরাধে অভিযুক্ত, তার বিবরণ
সঠিক উত্তর:
আসামি যে অপরাধে অভিযুক্ত, তার বিবরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামি যে অপরাধে অভিযুক্ত, তার বিবরণ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১(১) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "Every charge under this Code shall state the offence with which the accused is charged."
- "এই কোড অনুসারে প্রত্যেক চার্জে আসামি যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে, তার বিবরণ থাকবে।"
- এটি একটি বাধ্যতামূলক বিধান। চার্জে অবশ্যই অভিযোগের স্পষ্ট বিবরণ থাকতে হবে যাতে আসামি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে এবং আত্মপক্ষ সমর্থন প্রস্তুত করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২১ ধারামতে চার্জে অপরাধের বিবরণ থাকতে হবে:
(১) এই কার্যবিধি অনুসারে প্রত্যেক চার্জে আসামি যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে, তার বিবরণ থাকবে ।
(২) অপরাধের সুনির্দিষ্ট নামই যথেষ্ট বিবরণ: যে আইন কর্তৃক অপরাধটির উদ্ভব হয়েছে, সেখানে উহার কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে চার্জে শুধুমাত্র সে নামেই উহার বিবরণ প্রদান করা যাবে।
(৩) অপরাধের সুনির্দিষ্ট নাম না থাকলে কীভাবে উল্লেখ করতে হবে: যে আইন কর্তৃক অপরাধটির উদ্ভব হয়েছে, সেখানে উহার কোন নির্দিষ্ট নাম না থাকলে উহার সংজ্ঞা এরূপভাবে বর্ণিত হতে হবে যেন আসামি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ স্পষ্টভাবে বুঝতে পারে ।
(৪) যে আইন এবং যে ধারার বিধানমতে অপরাধ সংঘটিত করা হয়েছে মর্মে বর্ণিত হয়েছে, চার্জে তার উল্লেখ করতে হবে।
(৫) চার্জ দ্বারা কি বুঝায়: কোন ক্ষেত্রে চার্জ প্রণীত হলে তা এমর্মে বিবৃত প্রদানের শামিল হয় যে, উক্ত বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অপরাধটি সংঘটনের জন্য আইনগত যে-সব শর্ত বিদ্যমান, তা পূরণ করা হয়েছে ।
(৬) চার্জের ভাষা: চার্জ ইংরেজিতে অথবা আদালতের ভাষায় লিখতে হবে।
(৭) পূর্ববর্তী দণ্ডের বিষয় যেক্ষেত্রে উল্লেখ করতে হবে: আসামি পূর্বে কোন অপরাধের দায়ে দণ্ডিত হওয়ার জন্য পরবর্তী অপরাধের ক্ষেত্রে বর্ধিত দণ্ড বা ভিন্ন প্রকৃতির দণ্ডে দণ্ডনীয় হলে এবং পরবর্তী অপরাধের দণ্ড বৃদ্ধি বা প্রকৃতি পরিবর্তনের জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রমাণ করার দরকার হলে, চার্জে পূর্ববর্তী দণ্ডের ঘটনা, তারিখ ও স্থান বর্ণনা করতে হবে। এধরণের বর্ণনা না করা হয়ে থাকলে আদালত দণ্ডদানের পূর্বে যে কোন সময়ে তা যোগ করতে পারেন।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 221:
(1) Charge to state offence-
- Every charge under this Code shall state the offence with which the accused is charged.
(2 )Specific name of offence sufficient description-
- If the law which creates the offence gives it any specific name, the offence may be described in the charge by that name only.
(3) How stated where offence has no specific name-
- If the law which creates the offence does not give it any specific name, so much of the definition of the offence must be stated as to give the accused notice of the matter with which he is charged.
(4) The law and section of the law against which the offence is said to have been committed shall be mentioned in the charge.
(5) What implied in charge-
- The fact that the charge is made is equivalent to a statement that every legal condition required by law to constitute the offence charged was fulfilled in the particular case.
(6) Language of charge- The charge shall be written either in English or in the language of the Court.
(7) Previous conviction when to be set out-
- If the accused having been previously convicted of any offence is liable, by reason of such previous conviction, to enhanced punishment, or to punishment of a different kind, for a subsequent offence, and it is intended to prove such previous conviction for the purpose of affecting the punishment which the Court may think fit to award for the subsequent offence, the fact, date and place of the previous conviction shall be stated in the charge. If such statement has been omitted, the Court may add it at any time before sentence is passed.

২,২৪৪.
কোনটি সঠিক নয়?
  1. দায়রা জজ আদালতের অনধিক ১ মাসের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না।
  2. দায়রা জজ আদালতের অনধিক ৫০ টাকা অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলে না।
  3. কেবল অর্থদন্ডাদেশ দিলে উক্ত অর্থ অনাদায়ে দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না।
  4. সংক্ষিপ্ত পদ্ধতির বিচারে আদালত প্রদত্ত ১০০ টাকার অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে।
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতির বিচারে আদালত প্রদত্ত ১০০ টাকার অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত পদ্ধতির বিচারে আদালত প্রদত্ত ১০০ টাকার অর্থদন্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে।
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপীল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যকোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
♦অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে আদালত দন্ড আরোপ করে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আপীল করা যাবেনা।  
♦ধারা ৪১৪ অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল নেই। যেমনঃ ২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক দুইশত টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না।
২,২৪৫.
Under Section 125 of The Code of Criminal Procedure, 1898, who has the power to cancel a bond for keeping the peace or good behaviour?
  1. High Court
  2. Sessions Judge
  3. District Magistrate
  4. Superintendent of Police
সঠিক উত্তর:
District Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
District Magistrate
ব্যাখ্যা
Section 125- Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.

ধারা ১২৫: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের মুচলেকা বাতিলের ক্ষমতা:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যথাযথ কারণ প্রদর্শন সাপেক্ষে, যেটি লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে, যে কোনো সময় তার অধিক্ষেত্রের অধীন কোনো আদালত কর্তৃক এই অধ্যায়ের অধীনে শান্তি বজায় রাখা বা সদাচরণের জন্য সম্পাদিত কোনো মুচলেকা বাতিল করতে পারেন, যদি সংশ্লিষ্ট আদালত তার আদালতের চেয়ে উচ্চতর না হয়।
২,২৪৬.
চুরির অপরাধে বিচার চলাকালে তিন মাস জেলহাজতে থাকার পর "X" জামিন পায়। বিচারের পর "X" এর ছয় মাসের কারাদণ্ড হয়। এক্ষেত্রে 'X' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৬ মাস ভোগ করতে হবে
  2. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  3. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে না
  4. ৩ মাস ভোগ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস ভোগ করতে হবে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:

♦ ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

 ♦ ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাথা

♦ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X'  তিন মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি ৬ মাস থেকে ৩ মাস বাদ দিয়ে বাকি ৩ মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
২,২৪৭.
আসামীর মৃত্যু হলে কোন আপিল পণ্ড বা বাতিল হবে?
  1. সকল আপিল
  2. জরিমানা বা অর্থদণ্ডের আপিল
  3. ধারা ৪১৭ ও ৪১৭ক এর অধীন আপিল
  4. কোনো আপিলই বাতিল হবে না
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৭ ও ৪১৭ক এর অধীন আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১৭ ও ৪১৭ক এর অধীন আপিল
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 
 
অর্থাৎ, জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল বাতিল হবে না, তখন আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে এবং আসামীর সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।
২,২৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগে সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি কীভাবে নির্ধারিত হয়?
  1. প্রধান বিচারপতির আদেশে
  2. সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে
  3. আইন মন্ত্রণালয়ের আদেশে
  4. জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন দ্বারা
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত সাধারণ নিয়ম দ্বারা নির্ধারিত হয়।সুতরাং সঠিক উত্তর হবে: খ) সুপ্রিম কোর্টের প্রণীত বিধিতে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৫ ধারার বিধান: হাইকোর্ট ডিভিশনে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:
- সুপ্রীম কোর্ট সময়ে সময়ে সাধারণ নিয়ম প্রণয়নের দ্বারা উক্ত আদালতে আগত মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ প্রণালী নির্ধারণ করবে এবং উক্ত নিয়ম অনুসারে সাক্ষ্য গৃহীত হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section 365. Record of evidence in High Court Division:
- The Supreme Court shall from time to time, by general rule, prescribe the manner in which evidence shall be taken down in cases coming before the Court, and the evidence shall be taken down in accordance with such rule.

২,২৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০০ অনুযায়ী, যদি জামিনে মুক্তির জন্য আদালত আদেশ জারি করে, তবে কে তাকে মুক্তি দেবে?
  1. জামিনদাতা।
  2. পুলিশ কর্মকর্তা।
  3. আদালতের বিচারক।
  4. জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০০(১) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি জামিনে মুক্তির জন্য আদালত আদেশ জারি করে, তখন আদালত ওই ব্যক্তির মুক্তির জন্য জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে একটি আদেশ প্রদান করে। সেই কর্মকর্তা আদেশটি গ্রহণ করার পর ওই ব্যক্তিকে মুক্তি দেন।
- এখানে আদালত জামিনের আদেশ জারি করলেও, মুক্তির কার্যকর বাস্তবায়নটি জেলের কর্মকর্তার মাধ্যমে হয়, কারণ তারা সরাসরি বন্দির মুক্তির দায়িত্বে থাকে।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫০০:
(১) যেহেতু বন্ড সম্পাদিত হয়েছে, যাদের উপস্থিতির জন্য বন্ড সম্পাদিত হয়েছে, তাদের মুক্তি প্রদান করা হবে; এবং, যদি তারা জেলে থাকে, তবে আদালত জামিন মঞ্জুরকারী আদালত মুক্তির জন্য আদেশ জারি করবে জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে, এবং ঐ কর্মকর্তা আদেশ গ্রহণের পর তাকে মুক্তি দিবে।
(২) এই ধারা, ধারা ৪৯৬ বা ধারা ৪৯৭ এর কোন কিছু এমনভাবে বিবেচিত হবে না যা কোনো ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য বাধ্য করে যদি তাকে অন্য কোনো কারণে আটক রাখা হয়, যার সঙ্গে বন্ড সম্পাদিত বিষয় সম্পর্কিত নয়।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
২,২৫০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৬১ অনুযায়ী, কোন শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)-
গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ২৬১ অনুযায়ী,
সরকার যে কোনো দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চকে সংক্ষিপ্তভাবে নিম্নলিখিত অপরাধসমূহ বিচার করার ক্ষমতা প্রদান করতে পারে:

(ক) দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারার অধীনে অপরাধসমূহ: ধারা ২৭৭, ২৭৮, ২৭৯, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৯, ২৯০, ২৯২, ২৯৩, ২৯৪, ৩২৩, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১, ৩৫২ , ৪২৬ , ৪৪৭, এবং ৫০৪।
(খ) পৌরসভা আইনের অধীনে এবং পুলিশ আইনের স্বাস্থ্যবিধির ধারাসমূহের অধীনে অপরাধসমূহ, যা শুধুমাত্র জরিমানা বা এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড (জরিমানা সহ বা ছাড়া) দ্বারা শাস্তিযোগ্য।
(গ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধে সহায়তা বা প্ররোচনা প্রদান।
(ঘ) উপরোক্ত যেকোনো অপরাধ করার চেষ্টা, যখন সেই চেষ্টা নিজেও একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
২,২৫১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ১২৭ অনুযায়ী, বেআইনি সমাবেশ ভঙ্গের জন্য কে হুকুম দিতে পারেন?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৭- ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারের আদেশে জনসমাবেশ ভঙ্গকরণ:
কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কোন বেআইনি সমাবেশ সার্বক্ষণিক শান্তি সম্ভবতঃ বিঘ্ন করবে এমন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির এমন কোন সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার হুকুম দিতে পারেন; এবং তখন জন সমাবেশ সদস্যদের কাজ হবে সেই অনুসারে ছত্রভঙ্গ হওয়া।

[Any Executive Magistrate or officer in charge of a police-station may command any unlawful assembly, or any assembly of five or more persons likely to cause a disturbance of the public peace, to disperse; and it shall thereupon be the duty of the members of such assembly to disperse accordingly.]
২,২৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অভ্যাসগত গৃহভেদকারী (habitual house-breaker) অপরাধীদের কাছ থেকে সৎ আচরণের জন্য মুচলেকা (security for good behaviour) গ্রহণের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ১০৬
  2. ধারা ১০৭
  3. ধারা ১০৯
  4. ধারা ১১০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১১০
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১০-এ Security for good behaviour from habitual offenders সম্পর্কে সুস্পষ্ট বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট,
যদি তথ্য পান যে তাঁর এখতিয়ারাধীন কোনো ব্যক্তি অভ্যাসগতভাবে ডাকাত, গৃহভেদকারী (house-breaker), চোর বা জালিয়াত, অথবা
চোরাই মাল গ্রহণকারী, চোরদের আশ্রয়দাতা বা চোরাই মাল গোপনে রাখা/বিক্রয়ে সহায়তাকারী, কিংবা শান্তিভঙ্গকারী গুরুতর ও বিপজ্জনক প্রকৃতির অপরাধে অভ্যাসগতভাবে জড়িত, তাহলে তিনি সেই ব্যক্তিকে  কেন তিনি সর্বোচ্চ ৩ (তিন) বছরের জন্য জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত সৎ আচরণের মুচলেকা (bond for good behaviour) সম্পাদন করবেন না, সে বিষয়ে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিতে পারেন।

-সুতরাং, অভ্যাসগত গৃহভেদকারী (habitual house-breaker)-এর ক্ষেত্রে ধারা ১১০ প্রযোজ্য হবে, যা সদাচরণের জন্য মুচলেকা গ্রহণের বিধান করে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 110. Security for good behaviour from habitual offenders:
Whenever a District Magistrate, or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government receives information that any person within the local limits of his jurisdiction- 
(a) is by habit a robber, house-breaker, thief, or forger, or
(b) is by habit a receiver of stolen property knowing the same to have been stolen, or
(c) habitually protects or harbours thieves or aids, in the concealment or disposal of stolen property, or
(d) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, the offence of kidnapping, abduction, extortion, cheating or mischief, or any offence punishable under Chapter XII of the Penal Code, or under section 489A, section 489B, section 489C or section 489D of that Code, or
(e) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, offences involving a breach of the peace, or (f) is so desperate and dangerous as to render his being at large without security hazardous to the community, such Magistrate may, in manner hereinafter provided, require such person to show cause why he should not be ordered to execute a bond, with sureties, for his good behaviour for such period, not exceeding three years, as the Magistrate thinks fit to fix.

২,২৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯ অনুযায়ী, ক্ষমা গ্রহণকারীকে অন্য অভিযুক্তদের সাথে—
  1. একত্রে বিচার করা যাবে
  2. একত্রে বিচার করা যাবে না
  3. শুধুমাত্র হাইকোর্টের অনুমতিতে একত্রে বিচার করা যাবে
  4. কেবল সরকারি কৌঁসুলির অনুমতিতে একত্রে বিচার করা যাবে
সঠিক উত্তর:
একত্রে বিচার করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একত্রে বিচার করা যাবে না
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯: যে ব্যক্তিকে ক্ষমা দেওয়া হয়েছে তার বিচার-
(১) যদি ৩৩৭ বা ৩৩৮ ধারার অধীনে কোনো ব্যক্তিকে ক্ষমা দেওয়া হয়ে থাকে এবং সরকারি কৌঁসুলি (Public Prosecutor) এই মর্মে প্রত্যয়ন দেন যে উক্ত ব্যক্তি ক্ষমার শর্ত মেনে চলেননি— হয় ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গোপন করেছেন অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন, তবে ঐ ব্যক্তিকে সেই অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে যার জন্য তাকে ক্ষমা দেওয়া হয়েছিল, অথবা একই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো অপরাধে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে।

শর্তসাপেক্ষে—
- ব্যক্তিকে অন্য কোনো অভিযুক্তের সাথে একত্রে বিচার করা যাবে না; এবং
- তিনি বিচারে এই যুক্তি দেখাতে পারবেন যে তিনি ক্ষমার শর্ত পূরণ করেছেন।
- এই ক্ষেত্রে, প্রসিকিউশনের (অভিযোগপক্ষের) দায়িত্ব হবে প্রমাণ করা যে শর্ত মানা হয়নি।
 
(২) যিনি ক্ষমার প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন তার দেওয়া বিবৃতি সেই বিচারে তার বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে।

(৩) উক্ত বিবৃতির বিষয়ে মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগে কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না, যদি না হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) এর অনুমোদন থাকে।

২,২৫৪.
শুধুমাত্র অভিযোগ তৈরি না হওয়ার কারণে, কোনো দণ্ডাদেশ-
  1. বৈধ হবে না
  2. অবৈধ হবে না
  3. বাতিল হবে
  4. স্থগিত থাকবে
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৫ এ অভিযোগ তৈরী না করার ফলাফল দেয়া হয়েছে-

(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।
(২) আপীল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরী না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Effect of omission to prepare charge-
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 
(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
২,২৫৫.
ফৌজদারী আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কার্যধারার নকল পেতে পারে-
  1. বিনামূল্যে
  2. খরচসহ
  3. ক বা খ
  4. কোনো ভাবেই পাবে না
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল
কোন ফৌজদারী আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবে-
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশতঃ বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

Section 548- Copies of proceedings
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
২,২৫৬.
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়-
  1. সরকারী কর্মকমিশন হতে
  2. জুডিসিয়াল সার্ভিসে নিয়োগকৃত ব্যক্তিদের মধ্যে হতে
  3. আপীল বিভাগের আইনজীবী হতে
  4. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) হতে
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) হতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) হতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির  ১০ ধারার বিধান- নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট:
(১) প্রতিটি জেলায় এবং প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সরকার যত সংখ্যক প্রয়োজন মনে করবেন সেই সংখ্যক ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন এবং তাঁদের মধ্য হতে একজনকে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত করবেন।

(২) সরকার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিযুক্তি করতেও পারবেন এবং অনুরূপ অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সরকারের নির্দেশ অনুসারে এই কোড বা সাময়িকভাবে কার্যকর অপর কোন আইন অনুসারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতাপ্রাপ্ত হবেন।

(৩) কোন সময় কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের পদ শূন্য হবার দরুণ কোন কর্মকর্তা সরকারের আদেশ সাপেক্ষে অস্থায়ীভাবে জেলা প্রশাসনের মুখ্য নিবাহীর ঐ পদটির উত্তরাধিকার হলে তিনি সরকার কর্তৃক জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদত্ত সকল ক্ষমতা ও তাঁর উপর অর্পিত যাবতীয় দায়িত্ব যথাক্রমে প্রয়োগ ও পালন করবেন।

(৪) সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে আদেশ প্রদানপূর্বক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটবৃন্দ তাঁদেরকে উক্ত কোড বলে প্রদত্ত যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা যে স্থানীয় এলাকার মধ্যে প্রয়োগ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন এবং অনুরূপ এলাকা নির্ধারণে ভিন্নরূপ ব্যবস্থিত ক্ষেত্র ব্যতিত অনুরূপ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার ও ক্ষমতা সমগ্র জেলায় পরিব্যপ্ত হবে।

(৫) সরকার সমীচীন  প্রয়োজন মনে করলে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন)-এ নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপে নিয়োগ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ সদস্যকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাদি অর্পণ করতে পারবেন।

(৬) উপ-ধারা-৪ এ বর্ণিত স্থানীয় এলাকা নির্ধারণ সাপেক্ষে, কোন জেলা বা উপজেলায় সহকারী কমিশনার, অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার বা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নিযুক্ত সকল ব্যক্তি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হবেন এবং তাঁদের স্ব স্ব স্থানীয় এলাকার অভ্যন্তরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(৭) এই ধারার কোন কিছুই সরকারকে সাময়িকভাবে বলবৎ কোন আইনবলে পুলিশ কমিশনারকে কোন মেট্রোপলিটন এলাকা সম্পর্কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যাবতীয় বা যে কোন ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবেন না।
২,২৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন তফসিলে জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধের তালিকা পাওয়া যায়?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা
⇒ দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule) মূলত দণ্ডবিধির (Penal Code) বিভিন্ন অপরাধের ধরন, তাদের শাস্তি, এবং আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্যতার বিষয়বস্তু নির্ধারণ করে।
- দ্বিতীয় তফসিলের পঞ্চম কলামে জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধের বিস্তারিত তালিকা থাকে, যার মাধ্যমে জানা যায় কোন অপরাধের জন্য জামিন দেওয়া যাবে এবং কোন অপরাধের জন্য যাবে না।
- এছাড়া, এ তফসিলে অপরাধের ধারা, গ্রেফতার করার ক্ষমতা, মীমাংসাযোগ্যতা ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন কলাম আছে।
অন্যদিকে,
- প্রথম তফসিল বাতিল করা হয়েছে।
- তৃতীয় তফসিল ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা সম্পর্কে।
- চতুর্থ তফসিল ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা সম্পর্কে।
- তাই জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধের তালিকা জানতে দ্বিতীয় তফসিল দেখা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।
২,২৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে জরিমানা ছাড়া অন্য টাকা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য বলে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৫৪৬
  2. ধারা ৫৪৬ক
  3. ধারা ৫৪৭
  4. ধারা ৫৪৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৭ অনুযায়ী, যদি আদালত কোনো ব্যক্তিকে জরিমানা ব্যতীত অন্য কোনো অর্থ প্রদানের আদেশ দেন এবং সেই অর্থ আদায়ের জন্য আলাদা কোনো পদ্ধতি নির্ধারিত না থাকে, তাহলে সেই অর্থকে জরিমানা হিসেবে ধরা হবে এবং সেই অনুযায়ী আদায়যোগ্য হবে। এটি আইনগতভাবে অর্থ আদায়ের একটি সহজীকরণ ব্যবস্থা, যাতে আদালতের আদেশ কার্যকর করা সহজ হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৭ ধারার বিধান:- টাকা প্রদানের আদেশ প্রদত্ত হলে তা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য:
এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ অনুসারে কোন অর্থ জরিমানা ছাড়া দেয়া হলে এবং তা আদায়ের পন্থা সম্পর্কে অন্য কোন বিধান না থাকলে উক্ত অর্থ জরিমানা বলে ধরে নিয়ে আদায় করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-547: Moneys ordered to be paid recoverable as fines:
Any money (other than a fine) payable by virtue of any order made under this code, and the method of recovery of which is not otherwise expressly provided for shall be recoverable as if it were a fine.
২,২৫৯.
ধারা ২৩৪ অনুযায়ী, একই ধরনের সর্বোচ্চ কয়টি অপরাধের ক্ষেত্রে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে,
যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে, এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা, একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three. 

(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law: 

Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.

২,২৬০.
Who are 'Justices of the Peace' within their respective jurisdictions?
  1. Sessions Judges
  2. Metropolitan Magistrates
  3. Both of them
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
Both of them
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both of them
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৫ ধারায় জাস্টিসেস অব দি পিসের বিধান রয়েছে।

• ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস (Ex-officio Justices of the Peace)-
২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 

Section 25: Ex-officio Justices of the Peace-
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
২,২৬১.
কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পুলিশের পরোয়ানা বা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ প্রয়োজন নেই?
  1. অপরাধী ঘোষণা করা হলে
  2. ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম থাকলে
  3. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী হলে
  4. উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সকল পরিস্থিতিতে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারামতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত এবং বিনা পরোয়ানায় (without warrant) নিম্নলিখিত ৯টি ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে। যথা-
(i) কোনো ব্যক্তি আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) করেছে বা জড়িত থাকার যুক্তিযুক্ত সন্দেহ (reasonable suspicion) থাকলে।
(ii) আইনসঙ্গত কারণ ব্যতীত কোন ব্যক্তির নিকট ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম (Implement of house breaking) থাকলে।
(iii) কোন ব্যক্তিকে অপরাধী ঘোষণা করা হলে (proclaimed as an offender)।
(iv) কোন ব্যক্তির নিকট চোরাই মাল (stolen property) পাওয়া গেলে বা উক্ত অপরাধ করেছে বলে সন্দেহ হলে।
(v) কোন ব্যক্তি পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে অথবা আইনসঙ্গত হেফাজত হতে পলায়ন করলে (escape from lawful custody) অথবা পলায়নের চেষ্টা করলে।
(vi) সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়নকারী (deserter)।
(vii) বাংলাদেশের বাহিরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে।
(viii) মুক্তিপ্রাপ্ত আসামী (released convict) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে; অথবা
(ix) যে ব্যক্তিকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
২,২৬২.
সরকার কত ধারা অনুযায়ী অশ্লীল প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে পারে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৭ ধারা
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৮ ধারা
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯(ক) ধারা
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯(গ) ধারা
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯(ক) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯(ক) ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ক ধারা: কতকগুলি প্রকাশনা বাজেয়াপ্ত করা হলো বলে ঘোষণা করার ও উহার জন্য তল্লাশী পরোয়ানা দিবার ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, কোন সংবাদপত্রে বা গ্রন্থে বা কোন দলিলে, তা যেখানেই মুদ্রিত হোক না কেন, নিম্নে বর্ণিত বিষয়াদি অন্তর্ভূক্ত হয়েছে-
(ক) কোন বিষয়বস্তু, যার প্রকাশনা দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫নং আইন)-এর ধারা-১২৩ক অথবা ১২৪্ক অথবা ১৫৩ক অথবা ২৯২ অথবা ২৯৫্ক অথবা ৫০৫ অথবা ৫০৫ক মতে দণ্ডনীয়,
(খ) কোন বিষয়বস্তু যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পীকার, অথবা বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির জন্য মানহানিকর, অথবা
(গ) এরূপ কোন বিষয়বস্তু রয়েছে যা অত্যন্ত শিষ্ঠাচারহীন বা অশ্লীল অথবা কুৎসিত, অথবা
(ঘ) কোন কথা, বা দৃষ্টিগোচর আচরণ, যা কোন ব্যক্তিকে বা কোন শ্রেণীর ব্যক্তিবর্গকে আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনে উত্তেজিত করে বা করতে পারে,

সেক্ষেত্রে সরকার, সরকারী গেজেট গেজেট নোটিফিকেশন কর্তৃক, উহার অভিমতের ভিত্তি বিবৃতি করে, অনুরূপ বিষয়বস্তু, কথা বা দৃষ্টিগোচর আচরণ সম্বলিত গ্রন্থ অথবা অন্য কোন প্রকার দলিল সরকারে বাজেয়াপ্ত বলে ঘোষণা করতে পারবেন, এবং অতঃপর যে কোন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশের যে স্থানে পরিদৃষ্ট হোক না কেন, সে স্থানেই তা আটক করতে পারবেন এবং যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা জারি দ্বারা সাব-ইন্সপেক্টর-এর চেয়ে নিম্নের পদাধিকারী নহেন এরূপ যে কোন পুলিশ অফিসারকে ক্ষমতা দিতে পারবেন এরূপ সকল প্রাঙ্গনে তল্লাশি করার, যেখানে উক্ত গ্রন্থ বা অন্য কোন দলিলের যেকোন সংখ্যা খুঁজে পাওয়া যাবে অথবা পাওয়া যাবার সঙ্গত সন্দেহ করা যেতে পারে।

(২) উপ-ধারা (১) এ "সংবাদপত্র", "গ্রন্থ" এবং "দলিল" শব্দগুলো মুদ্রণালয় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধিকরণ) আইন, ১৯৭৩ (১৯৭৩ সনের ২৩নং আইন)-এ যে অর্থ দেয়া আছে, সেই একই অর্থ বহন করবে।
২,২৬৩.
পুলিশি রিমান্ড(Police remand) বলতে বুঝায়?
  1. আদালত কর্তৃক মামলাটি পূনঃবিচারের জন্য প্রেরণ
  2. আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
  3. আদালত কর্তৃক ফরিয়াদিকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
  4. পুলিশ কর্তৃক অভিযুক্তকে আদালতে প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণ
ব্যাখ্যা
• গ্রেফতার ও রিমান্ড সম্পর্কে  ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ এবং ১৬৭(২) ধারায় যা বলা হয়েছে তা নিম্নরূপ-
ধারা ৬১ অনুযায়ী তদন্ত কার্য সম্পন্ন না করা গেলে,গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশি সময় আটক রাখা যাবে না।তাকে নিকটস্থ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রিটের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

• ধারা ১৬৭(২)এ রিমান্ড বিষয়ে বলা হয়েছে-
(১) যখনই কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং প্রতীয়মান হয় যে,৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করা যাবে না এবং এরুপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে,অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢভিত্তিক,তা হলে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসার,তিনি যদি সাব-ইন্সপেক্টর পদের নিম্নপদস্থ না হন,অবিলম্বে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরিতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত তথ্যের নকলসহ অভিযুক্তকে নিকটতম জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারা অনুসারে অভিযুক্তকে যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হবে,তার সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার অধিক্ষেত্রে থাকুক বা না থাকুক,তিনি তার বিবেচনামতে অভিযুক্তকে উক্তরূপ হেফাজতে আটক রাখার জন্য বিভিন্ন সময়ে কর্তৃত্ব প্রদান করবেন,তবে এরূপ আটকের মেয়াদ সর্বমোট ১৫ দিনের অধিক হবে না।

• মামলাটি বিচার করার অথবা বিচারার্থে পাঠানোর অধিক্ষেত্রে যদি তার না থাকে এবং তিনি আরো আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন,তা হলে তিনি অভিযুক্তকে এইরূপ অধিক্ষেত্র সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন।তবে শর্ত থাকে যে,তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক এ বিষয়ে বিশেষভাবে ক্ষমতাবান নন,এইরূপ কোনো দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে পুলিশের হেফাজতে আটক রাখার কর্তৃত্ব দেবেন না।
২,২৬৪.
ধারা ৩৮৬ এর অধীনে আসামির কোন ধরনের সম্পত্তিতে পরোয়ানা কার্যকর করে ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে জরিমানা আদায় করা যাবে?
  1. কেবল স্থাবর সম্পত্তি
  2. কেবল অস্থাবর সম্পত্তি
  3. স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
  4. কোন ধরনের সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর ও অস্থাবর উভয় সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮৬- জরিমানা আদায়ের পরোয়ানা (Warrant for levy of fine):
কোন আসামিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হলে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি উপায়ে জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-
১. অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয়;
২. স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে পরোয়ানা কার্যকর করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন। আদালত কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করলে উক্ত ওয়ারেন্ট ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার বলে গণ্য করা হয়।

জরিমানা আদায়ের জন্য অপরাধীর স্থাবর, অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করে টাকা আদায়ের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে জরিমানা পরিশোধ করা না হলে, অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং আসামী আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে সেই ক্ষেত্রে পুনরায় কারাদণ্ডের আদেশ বা অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ বা পুনরায় আদায়ের আদেশ দিতে পারবেন না। অপরাধীকে গ্রেফতার বা কারাগারে আটক রেখেও এরূপ কোন পরোয়ানা কার্যকর করা যাবে না। অর্থাৎ, আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, এক্ষেত্রে আদালত উল্লিখিত কোনো আদেশ দিতে পারে না।
২,২৬৫.
নিম্নলিখিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করতে পারেন ?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ এর অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-

> মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট [Metropolitan Magistrate] 
> ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট [Magistrate of the first class]
> ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ [any Bench of Magistrates invested with the powers of a Magistrate of the first class]
২,২৬৬.
'Health and safety of arrested person' সংশ্লিষ্ট বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৬খ
  2. ধারা ৪৬গ
  3. ধারা ৪৬ঘ
  4. ধারা ৪৬ঙ
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬ঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৬ঘ
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৬ঘ – গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা:
যে ব্যক্তি কোনো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির হেফাজতে থাকবে, তার কর্তব্য হবে ঐ গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে যুক্তিসঙ্গত যত্ন নেওয়া।

46D. Health and safety of arrested person.-
It shall be the duty of the person having custody of an arrested person to take reasonable care of his health and safety.

২,২৬৭.
যে মামলায় একজন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যক্তিগত স্বার্থ থাকে সেই মামলার বিচার করতে হলে কার থেকে অনুমতি গ্রহণ করতে হবে?
  1. রিভিশন আদালতের
  2. হাইকোর্ট  বিভাগের
  3. আপিল আদালতের
  4. আপিল বিভাগের
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল আদালতের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারা অনুসারে যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না।

♦ কোন জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় ‘Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa.

♦ অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own cause' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।
২,২৬৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ অনুসারে আপিল রিভিশন ৯০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করার বিধানটি আছ-
  1. ৪৪২ ধারায়
  2. ৪৪২-ক ধারায়
  3. ৪৪২-খ ধারায়
  4. ৪৪৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৪২-ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪২-ক ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৪২ক মতে- কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে আপীল নিম্পত্তি করবেন এবং রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিস্পত্তি করবেন।
২,২৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. সরকার
  3. আপিল বিভাগ
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে।

ধারা ৪১: ক্ষমতাদি প্রত্যাহরকরণ-
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

Section 41: Withdrawal of powers-
(1) The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
২,২৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারানুসারে ম্যাজিস্ট্রেট কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন-
  1. স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে
  3. হাইকোর্টের নির্দেশে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান-
(১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এই ধারার অধীনে কাজ করার জন্য বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট নয়) মতে এই ধারার অধীনে অগ্রসর হওয়ার মতো যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়—সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয়বস্তু বর্ণনা করে এবং তা ধারা ১৩৪-এ বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করে কোনো ব্যক্তিকে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করা থেকে বিরত থাকতে অথবা কোনো নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে না রাখতে নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বিবেচনা করেন যে তাঁর নির্দেশে আইনের দ্বারা নিযুক্ত কোনো ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা জনশান্তির বিঘ্ন, কিংবা দাঙ্গা বা মারামারি প্রতিরোধের সম্ভাবনা আছে অথবা প্রতিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরি পরিস্থিতিতে অথবা যার ওপর আদেশ দেওয়া হচ্ছে, তার ওপর সময়মতো নোটিশ জারি করার সুযোগ না থাকলে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোনো ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোনো বিশেষ স্থানে ঘনঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতিও নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে অথবা কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই ধারানুসারে তাঁর নিজের বা তাঁর অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা তাঁর পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোনো আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্রই ব্যক্তিগতভাবে বা কৌঁসুলীর মাধ্যমে তাঁর নিকট হাজির হওয়ার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর সুযোগ দেবেন, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন, তাহলে তিনি তা করার কারণ লিখিতভাবে লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা থাকা অবস্থায় সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে, এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোনো আদেশ দুই মাসের বেশি বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগর এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

২,২৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ কোন ধরনের শাস্তিতে প্রযোজ্য?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. কারাদণ্ড
  3. জরিমানা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত গর্ভবতী স্ত্রীলোকের শাস্তি স্থগিত করা হয়। হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড কার্যকরী করাকে বিলম্বিত করতে পারে বা তা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে। এই ধারা শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ডের জন্য প্রযোজ্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার বিধান গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.

২,২৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুযায়ী, অপরাধটি যদি কোনো বিশেষ বা স্থানীয় আইনের অধীন হয়, তবে সেটি কখন “একই ধরনের অপরাধ” হিসেবে গণ্য হবে?
  1. যখন শাস্তির মাত্রা একই হয়
  2. যখন অপরাধের স্থান একই হয়
  3. যখন অভিযোগকারীর নাম এক হয়
  4. যখন অপরাধটি একই দিনে সংঘটিত হয়
সঠিক উত্তর:
যখন শাস্তির মাত্রা একই হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন শাস্তির মাত্রা একই হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪(২) তে বলা আছে:
"Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special or local law."
- অর্থাৎ যদি কোনো ব্যক্তি বিশেষ বা স্থানীয় আইনের অধীনে একাধিক অপরাধ করে,
- এবং সেই অপরাধগুলো একই ধারা অনুযায়ী একই মাত্রার শাস্তিযোগ্য হয়,
- তাহলে তা “একই ধরনের অপরাধ” হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
- যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক,তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই নামানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে।
তবে শর্ত এই যে,এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোনো ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা,একই ধরনের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three.

(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law:
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.
২,২৭৩.
UD Case সাধারণত কোন ধরণের মৃত্যুর জন্য রুজু করা হয়?
  1. আত্মহত্যা
  2. দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত
  3. সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
UD Case:
প্রাকৃতিক নিয়মের বাহিরে (যেমনঃ আত্মহত্যা, দূর্ঘটনা, খুন ইত্যাদি, অথবা এইরূপ পরিস্থিতিতে) মারা গেছে যার ফলে যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ হতে পারে যে অপর কোন ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে, এ রকম কোন মৃত্যুর জন্য থানায় যে মামলা রুজু করা হয় তাকে অপমৃত্যু মামলা বা Unnatural Death Case বলে।

পুলিশ কর্মকর্তা B.P. Form No. 48-এ তথ্যটি রেকর্ড করেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ১৭৪ ধারা এবং পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল, ১৯৪৩ এর ২৯৯ বিধি অনুযায়ী অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা (UD Case) শুরু করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৪: আত্মহত্যা ইত্যাদি সম্পর্কে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত ও প্রতিবেদন:
১. যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো পুলিশ অফিসার জানতে পারেন যে কোনো ব্যক্তি-
(ক) আত্মহত্যা করেছে, অথবা
(খ) অপর কোনো ব্যক্তি, পশু, যন্ত্রপাতি বা দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত হয়েছে, অথবা
(গ) এমন পরিস্থিতিতে মারা গেছে যা থেকে সন্দেহ হয় যে কেউ অপরাধ করেছে,
তাহলে তিনি অবিলম্বে নিকটবর্তী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন, যিনি ইনকোয়েস্ট (মৃতদেহ পরীক্ষার তদন্ত) পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

২. এরপর, যদি সরকারের কোনো নির্দেশ বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কোনো সাধারণ/বিশেষ আদেশ না থাকে, তাহলে তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন এবং এলাকার অন্তত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত করবেন এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। রিপোর্টে শরীরে থাকা আঘাত, ক্ষত বা অন্য কোনো চিহ্নের বর্ণনা এবং এগুলো কীভাবে বা কী অস্ত্র দ্বারা সৃষ্ট হয়েছে তা উল্লেখ করা হবে।
বিশেষ নির্দেশ: যদি মৃত্যুর কারণ শত্রুপক্ষের আক্রমণ হয়, তাহলে সরকারের নির্দেশ ছাড়া এই ধরনের তদন্ত ও প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক নয়।

৩. প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার এবং অন্যান্য সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হবে (যারা একমত), এবং তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠানো হবে।

৪. যদি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, বা পুলিশ অফিসার মনে করেন যে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন, তবে তিনি নিকটস্থ সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত যোগ্য চিকিৎসকের কাছে মৃতদেহ পাঠাবেন, যদি আবহাওয়া ও দূরত্বজনিত কারণে মৃতদেহ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে।

৫. ইনকোয়েস্ট করার ক্ষমতা রাখেন:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট;
- বা সরকার/জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
২,২৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩২
  2. ধারা ৩৩
  3. ধারা ৩৪
  4. ধারা ৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫ এর মাঝে  বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে আদালত তাকে প্রতিটি অপরাধের জন্য আলাদা দণ্ড দিতে পারে।
- যদি দণ্ড কারাদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়, তবে আদালত নির্দেশ না দিলে এগুলো ক্রমিকভাবে (consecutive) চলবে।
- তবে মোট দণ্ডের মেয়াদ কোনোভাবেই ১৪ বছরের বেশি হতে পারবে না।
- ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষেত্রে, তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে, তার দ্বিগুণের বেশি মোট শাস্তি দেওয়া যাবে না।
- আপিলের উদ্দেশ্যে, একই বিচারে একাধিক অপরাধে প্রদত্ত ক্রমিক দণ্ডগুলোকে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য করা হবে।
- তাই একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দণ্ডের বিধান দেওয়া হয়েছে ধারা ৩৫ এর মাঝে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তারচেয়ে একাধিক দণ্ড পরপর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবল ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনোভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশি হবে না।
(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধারে নিতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-35. Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate , the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.

২,২৭৫.
এক ফৌজদারি মামলায় 'খ' দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়। উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে 'খ' উচ্চতর আদালতে আপিলের আবেদন করে। আপিল চলাকালীন 'খ' মারা যায়। এক্ষেত্রে উক্ত আপিল-
  1. বাতিল হবে
  2. বাতিল হবে না
  3. পণ্ড হবে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 

অর্থাৎ জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল বাতিল হবে না, তখন আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে এবং আসামীর সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।

Section 431- Abatement of appeals
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter
(except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
২,২৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮১(৪) অনুযায়ী, অপহরণ বা কিডন্যাপিং মামলার বিচার কোথায় হতে পারে?
  1. যেখানে অপহরণ সংঘটিত হয়েছে
  2. যেখানে ভুক্তভোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে
  3. যেখানে ভুক্তভোগীকে লুকিয়ে রাখা বা আটক করা হয়েছে
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮১(৪) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "অপহরণ বা abduction অপরাধের তদন্ত বা বিচার সেই আদালতের এখতিয়ার সীমার মধ্যে করা যেতে পারে, যার এখতিয়ার সীমার মধ্যে ব্যক্তিকে অপহরণ বা abduction করা হয়েছে অথবা নিয়ে যাওয়া হয়েছে বা লুকিয়ে রাখা হয়েছে বা আটক রাখা হয়েছে।"
- সুতরাং, অপহরণের মামলা নিম্নলিখিত যেকোনো স্থানের আদালতে বিচারযোগ্য:
ক) যেখানে অপহরণ সংঘটিত হয়েছে (যেখানে ব্যক্তিকে অপহরণ করা হয়েছে)
খ) যেখানে ভুক্তভোগীকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে (যেখানে তাকে conveyance করা হয়েছে)
গ) যেখানে ভুক্তভোগীকে লুকিয়ে রাখা বা আটক করা হয়েছে (যেখানে তাকে conceal বা detain করা হয়েছে)
এজন্য সঠিক উত্তর হল ঘ) উপরোক্ত সবগুলো।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-181.Being a thug or belonging to a gang of dacoits, escape from custody, etc.
(1) The offence of being a thug, of being a thug and committing murder, of dacoity, of dacoity with murder, of having belonged to a gang of dacoits, or of having escaped from custody, may be inquired into or tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction the person charged is.
- Criminal misappropriation and criminal breach of trust:
(2) The offence of Criminal misappropriation or of criminal breach of trust may be inquired into or tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction any part of the property which is the subject of the offence was received or retained by the accused person, or the offence was committed.
- Theft:
(3) The offence of theft, or any offence which includes theft or the possession of stolen property, may be inquired into or tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction such offence was committed or the property stolen was possessed by the thief or by any person who received or retained the same knowing or having reason to believe it to be stolen.
- Kidnapping and abduction:
(4) The offence of kidnapping or abduction may be inquired into or tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction the person kidnapped or abducted was kidnapped or abducted or was conveyed or concealed or detained.

২,২৭৭.
কোন জেলার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন মামলা অন্য কোন জেলায় অবস্থিত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থানান্তর করার দরখাস্ত কোন আদালতে করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. দায়রা আদালত
  4. চীফ মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী মামলা এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারী আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারী মামলা বা আপীল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• ফৌজদারী মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-

১. আপীল বিভাগের (ধারা-৫২৫ক);
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা-৫২৬);
৩. দায়রা জজের (ধারা-৫২৬খ)।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারার বিধান অনুযায়ী- ফৌজদারি মামলা এক জেলার দায়রা আদালত থেকে অন্য জেলার দায়রা আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য সরাসরি হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। একই জেলার মধ্যে একই দায়রা জজ আদালতের এক ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য ফৌজদারি আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে দায়রা জজ আদালতে আবেদন করতে হবে, উক্ত দায়রা জজ আদালত আবেদন নাকচ করলে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে।
২,২৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩ ধারামতে শান্তি রক্ষার জামানত না দেওয়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের শাস্তি হবে?
  1. জরিমানা
  2. সশ্রম কারাদণ্ড
  3. বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড যেকোন একটি
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩ ধারামতে কারাদণ্ডের ধরণ:
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩(৫) শান্তি রক্ষার জন্য নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে কারাবাস সাধারণ (বিনাশ্রম কারাদণ্ড) হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৩(৬) শৃঙ্খলার জন্য নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে কারাবাস ১০৮ ধারার অধীনে হলে সাধারণ হবে এবং ১০৯ বা ১১০ ধারার অধীনে হলে, আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ অনুসারে কঠোর বা সাধারণ হতে পারে।
------------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section:-123: Kind of imprisonment:
-Section:-123(5) Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple. 
-Section:-123(6) Imprisonment for failure to give security for good behaviour shall, where the proceedings have been taken under section 108 be simple and, where the proceedings have been taken under section 109 or section 110, be rigorous or simple as the Court or Magistrate in each case directs.
২,২৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে "Complaint" এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে
  2. জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে সম্পর্কিত হতে হবে
  3. অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”
"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:

• উপাদান:
- অভিযোগটি [Allegation] অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে;
- জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে;
- অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে।

⇒ নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে। সুতরাং নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

⇒ নালিশ (Complaint) বলতে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে না।
২,২৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ মূলত কোন ধরনের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. প্রথাগত আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. আন্তর্জাতিক আইন
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law)। এটি অপরাধের সংজ্ঞা বা শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ না করে বরং ফৌজদারি মামলা পরিচালনার পদ্ধতি নির্ধারণ করে। যেমন: অভিযোগ দায়ের, গ্রেপ্তার, তদন্ত, জামিন, বিচার, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায় প্রদান ও আপিলের নিয়মাবলী এই আইনে উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে,
- মৌলিক আইন (Substantive Law): অপরাধ ও শাস্তির সংজ্ঞা দেয় (যেমন: দণ্ডবিধি)।
- প্রথাগত আইন: সমাজের রীতিনীতির ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা আইন।
- আন্তর্জাতিক আইন: রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

২,২৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৪ ধারা অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোন শর্তে আপিল করা যাবে না?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট ৫০,০০০ টাকার বেশি জরিমানা করলে।
  2. ম্যাজিস্ট্রেট ২০,০০০ টাকার বেশি জরিমানা করলে।
  3. ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
  4. ম্যাজিস্ট্রেট ১০,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
ব্যাখ্যা
 সঠিক উত্তর: গ) ম্যাজিস্ট্রেট ৫,০০০ টাকা বা তার কম জরিমানা করলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪ অনুযায়ী, ধারা ২৬০ এর অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট যদি সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা জরিমানা করেন, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction]:
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫,০০০ টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 414. No appeal from certain summary convictions:
 Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in any case tried summarily in which a Magistrate empowered to act under section 260 passes a sentence of fine not exceeding five thousand Taka only.
২,২৮২.
দোষ স্বীকার করার পেক্ষিতে প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে আসমি কোন প্রশ্নে আপিল করতে পারেন?
  1. দণ্ড
  2. আইন
  3. এখতিয়ার
  4. কেবল আইন
সঠিক উত্তর:
দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড
ব্যাখ্যা
♦দোষস্বীকারের ভিত্তিতে প্রদত্ত দণ্ডের ক্ষেত্রে ৪১২ ধারা অনুসারে কোন আপীল করা যায় না। কিন্তু ৪১২ ধারা অনুসারে দণ্ডের মাত্র বা বৈধতার বিষয়ে আপীল করা যায়।
♦অর্থাৎ দোষ স্বীকার করার পেক্ষিতে প্রদত্ত রায়ের বিরুদ্ধে আসমি দণ্ডের মাত্র বা বৈধতার প্রশ্নে আপিল করতে পারেন।
২,২৮৩.
সংবিধানের___________অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ নিয়োগ দিয়ে থাকে?
  1. ১১৬ অনুচ্ছেদে
  2. ১১৭ অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৩ অনুচ্ছেদে
  4. ১১৫ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১১৫ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৫ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
♦সংবিধানের  ১১৫ অনুচ্ছদের বিধান অধস্তন আদালতে নিয়োগঃ বিচারবিভাগীয় পদে বা বিচার বিভাগীয় দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক উক্ত উদেশ্যে প্রণীত বিধিসমূহ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করিবেন।
♦যেহেতু দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ হলো বিচার বিভাগীয় পদ। তাই রাষ্ট্রপতি তাদের নিয়োগ ১১৫ অনুচ্ছদের অধীন দিয়ে থাকে।
২,২৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাটি 'BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363)' মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ১৪৪ ধারা
  2. ১৫৪ ধারা
  3. ১৬৭ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত।
এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:
পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
২,২৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট কতটি কলাম আছে?
  1. ৫ টি
  2. ৬ টি
  3. ৭ টি
  4. ৮ টি
সঠিক উত্তর:
৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।
২,২৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিধানবলে পুলিশ গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়া কোন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে?
  1. ১৫৪ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ১৬০ ধারা
  4. ১৬৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।
♦ পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
২,২৮৭.
ধারা ২৬৫ক অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটরের ভূমিকা কী?
  1. অভিযুক্তের পক্ষে মামলা পরিচালনা করা
  2. বিচারকের সহায়ক হিসেবে কাজ করা
  3. অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করা
  4. পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়া সহজ করা
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫ক অনুসারে,
দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

265A- Trial to be conducted by Public Prosecutor:
In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

২,২৮৮.
FIR দায়ের করা যায় ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারার বিধান মোতাবেক?
  1. ১৫৪
  2. ১৫৫
  3. ১৫৬
  4. ১৫৭
সঠিক উত্তর:
১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪
ব্যাখ্যা
♦ ১৫৪ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধ আমলে নিয়ে এফআইআর (FIR) রেকর্ড করার বিধান আছে।

♦ আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা ১৫৪ ধারানুযায়ী বি.পি. ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় যা FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত।

♦ অর্থাৎ আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভবে কিংবা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা নির্ধারিত বইতে লিপিবদ্ধ করাকে FIR বা এজাহার বলে।
২,২৮৯.
জামিনঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ১৬ বছর বয়সের নিম্নের শিশুকে জামিন দিতে আদালতের ক্ষমতা-
  1. বিবেচনামূলক
  2. নির্দেশনামূলক
  3. আদেশসূচক
  4. বাধ্যতামূলক
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৭- জামিনঅযোগ্য অপরাধের মামলার ক্ষেত্রে জামিন

জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন মঞ্জুরের সুযোগ আছে কিন্তু এমন সুযোগ সীমিত। ৪৯৭ ধারায় বলা হয়েছে, জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া যেতে পারে, কিন্তু মুক্তি দেয়া হবেনা যদি বিশ্বাস করার যুক্তিযুক্ত কারণ থাকে যে, সে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন শান্তিযোগ্য কোন অপরাধে দোষী।
৪৯৭ ধারায় may শব্দটি ব্যবহার করায়, এই ধারার অধীন জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন পাওয়া অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকার না বরং জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power)। আদালত ইচ্ছা করলে জামিন দিতে পারে আবার নাও দিতে পারে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় কোন অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন না দেওয়া আদালতের জন্য আদেশসূচক (Imperative)।

তবে জামিনঅযোগ্য বা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের ক্ষেত্রে কতিপয় পরিস্থিতি বিবেচনা করে আদালত অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে-
⇒ যদি তার বয়স ১৬ বৎসরের নিচে হয়; বা
⇒ সে একজন নারী হয়; বা
⇒ সে যদি অসুস্থ বা পীড়িত হয়।
২,২৯০.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে হেবিয়াস কর্পাস সংক্রান্ত নির্দেশনার ক্ষেত্রে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. বেসরকারী হেফাজতে বেআইনি ভাবে আটককৃত কোন ব্যক্তির মুক্তি প্রদানের ।
  2. কারাগারে আটক কোন বন্দি কে সাক্ষী হিসাবে আদালতে হাজিরের।
  3. কোন বন্দি কে বিচারের জন্য এক হেফাজত থেকে অন্য হেফাজতে প্রেরণ করার।
  4. নিবর্তনমূলক আটক আইনে আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করার
সঠিক উত্তর:
নিবর্তনমূলক আটক আইনে আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবর্তনমূলক আটক আইনে আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ উপরের উল্লেখিত অপশন ক, খ, গ এর ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে কিন্তু নিবর্তনমূলক আটক আইনে আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করার আদেশ দিতে পারে না। এইক্ষেত্রে সংবিধানের ১০২ (২)খ (অ) অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রতিকার পাওয়া যায়।
২,২৯১.
'A' is charged with theft. It appears that he committed the offence of criminal breach of trust, or that of receiving stolen goods. He may be convicted of-
  1. Only theft
  2. receiving stolen goods
  3. criminal breach of trust
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে, অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

ধারা ২৩৭ এ বলা আছে-
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য- প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবং এই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো,তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।

উদহারণ- 'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল। কিন্তু দেখা গেল যে, সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে। উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।

Section 237: When a person is charged with one offence, he can be convicted of another-
If, in the case mentioned in section 236, the accused is charged with one offence, and it appears in evidence that he committed a different offence for which he might have been charged under the provisions of that section, he may be convicted of the offence which he is shown to have committed, although he was not charged with it.

Illustration-
A is charged with theft. It appears that he committed the offence of criminal breach of trust, or that of receiving stolen goods. He may be convicted of criminal breach of trust or of receiving stolen goods (as the case may be) though he was not charged with such offence.
২,২৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫৯ ধারার সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি অনুযায়ী গৃহীত সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ হবে-
  1. সারমর্ম আকারে
  2. প্রশ্নোত্তর আকারে
  3. বিবরণ আকারে
  4. সংক্ষিপ্ত আকারে
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫৯ ধারার বিধান: সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি:
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 359: Mode of recording evidence:
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative.
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
২,২৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারায় অধীনস্থ আদালতের মামলার নথি পর্যালোচনাকালীন হাইকোর্ট বিভাগ-
  1. আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে
  2. দণ্ড কার্যকর স্থগিত করতে পারে
  3. আসামিকে নিজ মুচলেকায় মুক্তি দিতে পারে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩৫ (নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা)-

ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারী আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।

Section 435 (Power to call for records of inferior Courts)-
(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record. 
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial,] shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section
২,২৯৪.
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে, আদালত অভিযােগকারীকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশের পাশাপাশি অনধিক কত দিনের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন, অভিযােগটি মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
২,২৯৫.
চার্জে গুরুতর ভুলের কারনে দণ্ডিত ব্যক্তি আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হলে আদালত কি আদেশ দিবেন?
  1. মামলা বাতিলের
  2. নতুন বিচারের
  3. আপিলের
  4. চার্জ সংশোধনের
সঠিক উত্তর:
নতুন বিচারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন বিচারের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ এ চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে-

১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তা হলে উক্ত আদালত যেইরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।

২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলী এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলীর ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।

• উদাহরণ-
দণ্ডবিধির ১৯৬ ধারার অপরাধের দায়ে ক-কে এমন একটি অভিযােগের ভিত্তিতে দণ্ডিত করা হলাে।যাতে উল্লেখ করা হয় নাই যে, যে সাক্ষ্য সে অসৎ ভাবে সত্য বা প্রকৃত বলে ব্যবহার করেছে বা ব্যবহারের চেষ্টা করেছে,তাকে সে মিথ্যা বা বানােয়াট বলে জানিত।আদালত যদি মনে করেন যে,ক-এর অনুরূপ জ্ঞান থাকা সম্ভব ছিল এবং অভিযােগে তার অনুরূপ জ্ঞান সম্পর্কিত বিবৃতি থাকায় সে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে বিভ্রান্ত হয়েছে তা হলে সংশােধিত অভিযােগের ভিত্তিতে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন;কিন্তু কার্যক্রম হতে যদি প্রতীয়মান হয় যে,ক-এর অনুরূপ জ্ঞান থাকা সম্ভব ছিল না,তা হলে আদালতে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।
২,২৯৬.
ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের মামলার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণা না করে কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন না?
  1. নালিশী মামলা
  2. নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলা
  3. এফআইআর দ্বারা দায়েরকৃত মামলা
  4. জিআর মামলা
সঠিক উত্তর:
নালিশী মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশী মামলা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
• অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট নালিশী মামলার ক্ষেত্রে রায় ঘোষণা না করে কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন না।

উল্লেখ আছে, নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
In any case instituted otherwise than upon complaint, [a Metropolitan Magistrate], a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the [Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate] may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.

• দায়রা আদালতের এরূপ কোন ক্ষমতা নেই।
• Complaint case এর ক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য নয়।
২,২৯৭.
মামলার কোন পর্যায়ে পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ প্রত্যাহার করলে আসামিকে "অব্যাহতি" দেওয়া হয়?
  1. রায় ঘোষণার পর
  2. সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে
  3. অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে
  4. অভিযোগ প্রণয়নের পর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution-
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
২,২৯৮.
দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কত দিনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে?
  1. ২ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ধারা মতে যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি শান্তি ভঙ্গ করতে পারে বা সর্বসাধারণের প্রশান্তি বিনষ্ট করতে পারে, সেক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে অনধিক ১ বছর সময়ের জন্য শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

♦ অর্থাৎ ১০৭ ধারামতে দণ্ডিত হওয়ার ক্ষেত্র ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ১ বছর সময়ের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।

♦ শান্তিভঙ্গ বা প্রশান্তি বিনষ্ট হওয়ার আশংকা কোন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে না হলে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১০৭ ধারার অধীন মুচলেকার আদেশ দিতে পারবে না।

♦ যে ম্যাজিস্ট্রেটের ১০৭ ধারার অধীন কাজ করার ক্ষমতা নাই, তিনি যদি যুক্তিসংগতভাবে মনে করেন যে, কোন ব্যক্তি শান্তিভঙ্গ করতে পারে বা সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট করতে পারে এবং উক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা ব্যতীত উক্ত শান্তিভঙ্গ রোধ করা যায় না, তাহলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট কারণ লিপিবদ্ধ করে তাকে গ্রেফতারের জন্য পরোয়ানা প্রদান করে উক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমতাবান কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে পারবেন।
২,২৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির _______ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক এবং ________ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
  1. ২৪২, ২৬৫ক
  2. ২৪১ক, ২৬৫গ
  3. ২৪৩, ২৬৫ঘ
  4. ২৪১খ, ২৬৫গ
সঠিক উত্তর:
২৪১ক, ২৬৫গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪১ক, ২৬৫গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।

আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
২,৩০০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন আদালত ''আদি আমলী আদালত (As a court of original jurisdiction)'' হিসেবে সব মামলা আমলে নিতে পারেন না?
  1. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালত
  4. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারা অনুযায়ী, আদি আমলী আদালত হিসাবে (As a court of original jurisdiction), দায়রা আদালত সব মামলা আমলে নিতে পারে না।
- মামলা আমলে নেওয়ার ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে দায়রা কোর্টে পাঠানোর পর ১৯৩ (১) ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ অপরাধ বিচারার্থে আমলে নিতে পারে।তাছাড়া অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ এমন অপরাধের বিচার করতে পারে যখন-
১. সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে বা
২. দায়রা জজ অপরাধটি বিচারের জন্য তাদেরকে অর্পণ করলে। [ধারা ১৯৩ (২)]

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৩ ধারার বিধান দায়রা আদালত কর্তৃক অপরাধসমূহ আমলে নেয়া:
(১) এই কার্যবিধি অথবা সমকালে কার্যকর থাকা অন্য কোন আইন দ্বারা ব্যক্তভাবে ভিন্নরূপ কোন বিধান দেওয়া থাকিলে তা ব্যতিরেকে, কোন দায়রা আদালত আদিম অধিক্ষেত্রের আদালতরূপে কোন অপরাধকে আমলে নিবেন না, যদি না, এই কার্যবিধি মতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিষয়টি উহার নিকট প্রেরিত না হয়।

(২) সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক যেসব মামলা বিচারের নির্দেশ দিবেন অথবা কোন দায়রা বিভাগের জজ সাধারণ বা বিশেষ আদেশ কর্তৃক যেসব মামলা বিচারের জন্য হস্তান্তর করবেন, অতিরিক্ত ও যুগ্ম দায়রা জজগণ শুধুমাত্র সেসব মামলার বিচার করবেন।

অন্যদিকে,
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০ ধারার বিধান: ম্যাজিষ্ট্রেটগণ কর্তৃক অপরাধসমূহ আমলে লওয়া:
(১) অতঃপর বিহিত ব্যতিক্রম ব্যতীত কোন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট এবং উপধারা-(২) বা (৩) এর বিধান অনুসারে এ ব্যাপারে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন অপরাধ আমলে নিতে পারেন-
(ক) যে তথ্যাবলী ঐরূপ অপরাধ গঠন করেছে তদ্বিষয়ক অভিযোগ প্রাপ্তির পর;
(খ) এরূপ তথ্যাবলী সম্বন্ধীয় পুলিশী রিপোর্টের ভিত্তিতে;
(গ) পুলিশ অফিসার ভিন্ন অন্য যে কোন ব্যক্তির নিকট হতে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে, অথবা তার নিজের এরূপ জ্ঞানের ভিত্তিতে, যে এরূপ অপরাধ সম্পাদিত হয়েছে।