বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ২৪ / ২৯ · ২,৩০১২,৪০০ / ২,৮৮৩

২,৩০১.
দায়রা আদালত কখন খালাস বা দণ্ডের রায় (Judgment of acquittal or conviction) প্রদান করবেন?
  1. মামলার শেষে
  2. আইনের প্রশ্ন শ্রবণের পর
  3. যুক্তিতর্ক শ্রবণের পর
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• আইনের প্রশ্ন এবং যুক্তিতর্ক শ্রবণের পর দায়রা আদালত খালাস বা দণ্ডের রায় প্রদান করবেন।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারা ২৬৫ঞ তে দায়রা আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের বিধান দেয়া আছে-
আসামি পক্ষের সাক্ষীদের পরীক্ষা গ্রহণ করার পর প্রসিকিউটর তার বক্তব্যের সারসংক্ষেপ পেশ করবেন এবং আসামি বা তার আইনজীবী তার উত্তর প্রদানে অধিকারী হবেন:শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আসামির আইনজীবী আইনগত কোন প্রশ্ন উত্থাপন করেন,এরূপ আইনগত প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতিক্রমে তার বক্তব্য পেশ করতে পারবেন।

ধারা ২৬৫ট এর অধীন,আইনের প্রশ্ন এবং যুক্তিতর্ক শ্রবণের পর দায়রা আদালত খালাস বা দন্ডের রায় (Judgment of acquittal or conviction) প্রদান করবেন।
২,৩০২.
কত ধারার বিধান মতে কোন থানার স্থানীয় সীমার মধ্যে মিথ্যা ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি রক্ষিত থাকলে, ঐ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শন বা তল্লাশীর জন্য বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন?
  1. ১৫০ ধারার
  2. ১৫২ ধারার
  3. ১৫১ ধারার
  4. ১৫৩ধারার
সঠিক উত্তর:
১৫৩ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩ধারার
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারা মতে কোন থানার স্থানীয় সীমার মধ্যে মিথ্যা ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি রক্ষিত থাকলে, ঐ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উক্ত ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশীর জন্য বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে প্রবেশ করতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩ ধারার বিধান ওজন ও পরিমাপের সরঞ্জাম পরীক্ষাঃ (১) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা যেক্ষেত্রে যৌক্তিকভাবে মনে করেন যে, তাঁর থানার সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জায়গায় এরূপ ওজন, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় বা রক্ষিত হয়, যা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি ওজন, পরিমাণ বা ওজনের যন্ত্রপাতি পরিদর্শন বা তল্লাশির লক্ষ্যে বিনা পরোয়ানায় উক্ত স্থানে ঢুকতে পারবেন।

(২) উক্ত স্থানে তিনি যদি এরূপ কোন বাটখারা, পরিমাপ বা ওজনের যন্ত্রপাতি তাঁর দৃষ্টিতে পড়ে, যাহা খাঁটি নহে, সেক্ষেত্রে তিনি তা আটক করতে পারবেন এবং সাথে সাথে অধিক্ষেত্রসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর উক্ত আটকের সংবাদ দিবেন।

-------------------------
♦ Section 153. Inspection of weights and measures: (1) Any officer in charge of a police- station may, without a warrant, enter any place within the limits of such station for the purpose of inspecting or searching for any weights or measures or instruments for weighing, used or kept therein, whenever he has reason to believe that there are in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false.

(2) If he finds in such place any weights, measures or instruments for weighing which are false, he may seize the same, and shall forthwith give information of such seizure to a Magistrate having jurisdiction.
২,৩০৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারামতে সম্পত্তি বা দলিল বাজেয়াপ্ত করা হয়?
  1. ৩৩৯ ধারা মতে
  2. ৩৭০ ধারা মতে
  3. ৪৪২ ধারা মতে
  4. ৫১৭ ধারা মতে
সঠিক উত্তর:
৫১৭ ধারা মতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১৭ ধারা মতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী যখন কোন ফৌজদারি আদালতে কোন অপরাধের অনুসন্ধান বা বিচার সমাপ্ত হয়, তখন যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার জন্য আদালত আদেশ দিতে পারে।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১৭ ধারার বিধান (১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন অনুসন্ধান বা বিচার সমাপ্ত হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ করা হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, তা ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোন ভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ আদেশ দিতে পারবেন।
(২) যখন হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ প্রদান করেন এবং সুবধিাজনকভাবে নিজস্ব অফিসারের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত আদেশ কার্যকর করবেন।
(৩) এই ধারার অধীন আদেশ দেয়া হলে তা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং
(৪) উপধারায় বর্ণিত বিধান মতে না হলে একমাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না। অথবা যে ক্ষেত্রে আপীল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপলের নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
৫) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তির দখলের অধিকারী বলে দাবী করে সেই ব্যক্তি যদি আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে জামিনদারসহ বা ব্যতিত এই মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে। তাহলে এই ধারার কোন বিধান (১) উপধারা অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি প্রদানের ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে বলে মনে করা যাবে না।ব্যাখ্যাঃ যেক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, সেক্ষেত্রে এই ধারার অধীন সম্পত্তি বলতে সেই সম্পত্তিই বুঝায় না যা মূলতঃ কোন পক্ষের দখলে বা নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। বরং উক্ত সম্পত্তি যাতে রূপান্তরিত বা বিনিময়ের ফলে সঙ্গে সঙ্গে বা অন্য কোনভাবে যা সংগৃহিত হয়েছে তাও বুঝায়।
২,৩০৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা মতে আদালত মানহানিকর আলামত ধ্বংস করার আদেশ দিতে পারে?
  1. ৫১৭
  2. ৫১৯
  3. ৫২১
  4. ৫২৩
সঠিক উত্তর:
৫২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২১
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২১ ধারায় বলা হয়েছে- আসামীকে দণ্ড প্রদানের পর আদালত তার হেফাজতে থাকা মানহানিকর সকল কপি এবং খাদ্য, পানীয় ঔষধ বা ঔষধ জাতীয় মিশ্রণ ধ্বংস করে ফেলার আাদেশ দিতে পারেন।
২,৩০৫.
চার্জশিট কী?
  1. অভিযোগপত্র
  2. বাদী পক্ষের বক্তব্য
  3. বিচারকের রায়
  4. অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
অভিযোগপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগপত্র
ব্যাখ্যা
অভিযোগপত্র বা চার্জশিট হলো-
আদালতে দায়েরকৃত একটি আনুষ্ঠানিক লিখিত নথি যাতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপরাধের বিবরণ, সংশ্লিষ্ট আইনের ধারা এবং তা প্রমাণের জন্য প্রাথমিক প্রমাণাদি উল্লেখ থাকে। এটি অভিযুক্তকে বিচারের মুখোমুখি করে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে। অভিযোগপত্র সঠিকভাবে দায়েরের পরই আদালত অভিযুক্তের বিচারের প্রক্রিয়া শুরু করে। সুতরাং এটি বিচার প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়।
২,৩০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারা অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচ বৎসরের কারাদণ্ড এর সাজা দিতে পারেন কে?
  1. দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিষেশ ক্ষমতা প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন।
- (১) ম্যাজিস্ট্রেটগণের আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারেন; যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত: আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গে অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দশ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা; বেত্রদণ্ড।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত: আইনে অনুমোদিত পরিমাণ নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; পাঁচ হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত: দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড; দুই হাজার টাকার অনধিক জরিমানা।

(২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইন দ্বারা যেই সকল দণ্ডদানের ক্ষমতা লাভ করিয়াছেন, সেই সকল দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত অপরটি যুক্ত যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড দিতে পারেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-32: Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences  namely:-
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding "five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding "ten thousand taka; Whipping.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding "three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding "five thousand taka;
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
২,৩০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন অধ্যায়ে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণের বিধান রয়েছে?
  1. অধ্যায় XXXVI
  2. অধ্যায় XXXIX
  3. অধ্যায় XL
  4. অধ্যায় XLI
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় XL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যায় XL
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) এর অধ্যায় XL (Chapter XL) এর মধ্যে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণের বিধান রয়েছে। এই অধ্যায়টি "Of Commissions for the Examination of Witnesses" শিরোনামে পরিচিত এবং এতে ধারা 503 থেকে 508A পর্যন্ত বিধানগুলো রয়েছে। এই ধারাগুলোতে সাক্ষীর উপস্থিতি ছাড়া কমিশন জারির প্রক্রিয়া, কমিশন কার কাছে পাঠানো যাবে, কীভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, এবং কমিশন ফেরত প্রদানের নিয়মাবলী বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
অতএব, সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য কমিশন প্রেরণের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় XL এর অধীনে রয়েছে।

২,৩০৮.
পাবলিক প্রসিকিউটর কোন সময়ে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. রায় ঘোষণার পূর্বে
  2. চার্জ গঠনের আগে
  3. রায় ঘোষণার পরে
  4. বিচারিক কার্যধারা শুরুর আগে
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল:
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
২,৩০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২ অনুযায়ী সাজা রদবদলের ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২(১) অনুসারে, সরকার দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা জরিমানা রদ বদল করে পরবর্তী উল্লিখিত যেকোনো সাজায় পরিবর্তন করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০২: সাজা রদ বদলের ক্ষমতা-
(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লিখিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামি যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানবলীকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 402: Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.

২,৩১০.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী গ্রেফতার হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার হিসাব করতে গেলে কোন সময় বাদ দিতে হবে?
  1. জিজ্ঞাসাবাদের সময় বাদ যাবে।
  2. কোনো সময় বাদ যাবে না।
  3. গ্রেফতারের পর থেকে FIR লিখা পর্যন্ত সময়।
  4. গ্রেফতারস্থল থেকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাওয়ার পথের সময় বাদ দেওয়া হবে।
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারস্থল থেকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাওয়ার পথের সময় বাদ দেওয়া হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারস্থল থেকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাওয়ার পথের সময় বাদ দেওয়া হবে।
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রেফতার হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টার হিসাব করতে গেলে গ্রেফতারস্থল থেকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাওয়ার সময় বাদ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
২,৩১১.
'গ' এর বিরুদ্ধে 'ঘ' এক ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করে। পরবর্তীতে উক্ত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এক্ষেত্রে ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত 'ঘ' কর্তৃক 'গ' কে অনধিক কত টাকার ক্ষতিপূরণ আদেশ দিতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ১০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
 
⇒ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।
 
⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন- অভিযােগটি মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবে। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।
 
⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে, ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
 
⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
২,৩১২.
প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগে কত শ্রেণির জজ থাকবে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারায় দায়রা আদালতের বিধান রয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৭ ধারার বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে কতিপয় দায়রা বিভাগ থাকবে, এবং ৯ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবে। মেট্রোপলিটন এলাকার দায়রা আদালতকে মেট্রোপলিটন দায়রা আদালত (Metropolitan Court of Sessions) বলা হবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
i) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge).
২,৩১৩.
কোনো জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন মামলা অন্য কোন জেলায় অবস্থিত ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্থানান্তর করার দরখাস্ত কোন আদালতে করতে হবে?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগের মামলা স্থানান্তর ও প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে। এই ধারার বিধান অনুযায়ী ফৌজদারি মামলা এক জেলার দায়রা আদালত থেকে অন্য জেলার দায়রা আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য সরাসরি হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে। একই জেলার মধ্যে একই দায়রা জজ আদালতের এক ফৌজদারি আদালত থেকে অন্য ফৌজদারি আদালতে মামলা স্থানান্তরের জন্য প্রথমে দায়রা জজ আদালতে আবেদন করতে হবে, উক্ত দায়রা জজ আদালত আবেদন নাকচ করলে হাইকোর্টে আবেদন করতে হবে।
২,৩১৪.
ভিন্ন কোনো বিধান না থাকার সাপেক্ষে, দণ্ডবিধি ব্যতীত অন্য আইনের অধীন _________ অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনযোগ্য হবে।
  1. ১ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
  2. ৩ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
  3. ৫ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
  4. ২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
ব্যাখ্যা
• জামিনযোগ্য অপরাধঃ-

ফৌজধারী কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।

ফৌজদারী কার্যবিধি ২য় তফসিলে উল্লেখিত রয়েছে যে,
দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি দুই বছরের কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয়  তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
২,৩১৫.
ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে অব্যাহতি দিতে পারে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায়?
  1. ২০৪
  2. ২০২
  3. ২০৩
  4. ২০৫
সঠিক উত্তর:
২০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।

(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।

Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
২,৩১৬.
গর্ভবতী নারীর মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে কী ধরনের দণ্ডে রূপান্তর করা যেতে পারে?
  1. অর্থদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮২- গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

অর্থাৎ, নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
⇒ দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ,
⇒ দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
২,৩১৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান অনুযায়ী, কাকে আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না?
  1. ফরিয়াদিকে
  2. সাক্ষীকে
  3. অভিযুক্তকে
  4. ক বা খ কে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ কে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।

- ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না:
অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।

- অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে:
শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।
 
(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।

২,৩১৮.
এক ব্যক্তির সম্পত্তি ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারার অধীনে ক্রোক করা হয়। ১ বছর পর তিনি আদালতে হাজির হয়ে প্রমাণ করেন যে, তিনি পলাতক ছিলেন না এবং পরোয়ানা এড়াতে পলায়ন করেননি। এক্ষেত্রে, আদালত কী সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে
  2. তাকে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া হবে
  3. তাকে শাস্তি দেওয়া হবে
  4. তার বিরুদ্ধে মামলা করবে
সঠিক উত্তর:
তাকে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে সম্পত্তি ফেরত দেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
• আদালত তাকে তার ক্রোককৃত সম্পত্তি ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে, তবে ক্রোকের সমস্ত খরচ কেটে নেওয়া হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:

যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।

Section 89: Restoration of attached property-
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
২,৩১৯.
“অভ্যাসগতভাবে ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করে” এমন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা যায় ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অনুসারে?
  1. ৫৪ক
  2. ৫৫(১)(গ)
  3. ৫৫(১)(খ) 
  4. ৫৫(১)(ক)
সঠিক উত্তর:
৫৫(১)(গ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫(১)(গ)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৫(১)(গ) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার নিম্নলিখিত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেন: "যে ব্যক্তি খ্যাতি অনুযায়ী অভ্যাসগতভাবে জবরদস্তি (চাঁদা আদায়) করে বা জবরদস্তি করার উদ্দেশ্যে অভ্যাসগতভাবে ব্যক্তিকে আঘাতের ভয় দেখায় বা দেখানোর চেষ্টা করে।"
- সুতরাং, "অভ্যাসগতভাবে ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায় করে" এমন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা যায় ধারা ৫৫(১)(গ) অনুসারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫ ধারার বিধান ভবঘুরে, অভ্যাসগত দস্যু প্রভৃতি গ্রেফতার:
(১) থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অনুরূপভাবে নিম্নে উল্লিখিথ ব্যক্তিদেরকে গ্রেফতার করতে বা গ্রেফতারের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-
(ক) এরূপ থানার এলাকার মধ্যে কোন ব্যক্তি এ পরিস্থিতিতে নিজের উপস্থিতি গোপন রাখার লক্ষ্যে সাবধানতা গ্রহণ করতেছে, যদরুণ যৌক্তিকভাবে বিশ্বাস করা যেতে পারে যে, কোন আমলযোগ্য অপরাধ করার লক্ষ্যেই সে এরূপ সতর্কতা গ্রহণ করতেছে, অথবা
(খ) এরূপ থানার এলাকার মধ্যে কোন প্রকাশ্য জীবিকা নেই এরূপ কোন ব্যক্তিকে অথবা নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ প্রদান করতে পারে না এরূপ কোন ব্যক্তিকে, অথবা
(গ) অভ্যাসগতভাবে ডাকাত, গৃহভংগকারী, বা চোর হিসাবে পরিচিত বা চোরাই হিসাবে অবগত হয়ে অভ্যাসগতভাবে চোরাই মাল গ্রহণ করার দুর্নাম আছে, এরূপ কোন ব্যক্তিকে অথবা অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক আদায় করে রূপে পরিচিত অভ্যাসগতভাবে বলপূর্বক গ্রহণের লক্ষ্যে অন্যকে আঘাতের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে বা করার চেষ্টা করে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, Section 55. Arrest of vagabonds, habitual robbers, etc:
(1) Any officer in Charge of a police-station may, in like manner, arrest or cause to be arrested- 
(a) any person found taking precautions to conceal his presence within the limits of such station, under circumstances which afford reason to believe that he is taking such precautions with a view committing a cognizable offence; or 
(b) any person within the limits of such station who has no ostensible means of subsistence, or who cannot give a satisfactory account of himself; or 
(c) any person who is by repute an habitual robber, house-breaker or thief, or an habitual receiver of stolen property knowing it to be stolen, or who by repute habitually commits extortion or in order to the committing of extortion habitually puts or attempts to put persons in fear of injury.

২,৩২০.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ habeas corpus প্রকৃতির নির্দেশ জারি করতে পারে?
  1. ৪৯০ ধারা
  2. ৪৯১ ধারা
  3. ৪৯৫ ধারা
  4. ৪৯৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯১ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারা হাইকোর্ট বিভাগকে “directions of the nature of a habeas corpus” জারির ক্ষমতা প্রদান করে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি বেআইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে সরকারি বা বেসরকারি হেফাজতে আটক থাকে, তবে হাইকোর্ট বিভাগ তাকে মুক্তির নির্দেশ দিতে পারে।
- ধারা ৪৯১ অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত নির্দেশসমূহ দিতে পারে:
১) আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ,
২) বেআইনী আটক থেকে মুক্তি,
৩) সাক্ষ্য প্রদানের জন্য বন্দিকে হাজির,
৪) কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের সামনে হাজির,
৫) এক হেফাজত থেকে অন্য হেফাজতে স্থানান্তর।
অর্থাৎ Habeas corpus প্রকৃতির নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা হাইকোর্ট বিভাগের রয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারার অধীনে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ যখনই উপযুক্ত মনে করেন, তখন নির্দেশ দিতে পারবেন যে,
ক) ইহার ফৌজদারী আপীল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইনানুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক;
খ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে সরকারী বা বেসরকারী হেফাজতে বে-আইনীভাবে বা অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দী দিবার জন্য উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দীকে আদালতে হাজির করা হোক;
ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দীকে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট হাজির করা হোক;
ঙ) উপরিউক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দীকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান বলবৎ কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের প্রতি প্রযোজ্য নহে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:-
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law;
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty;
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court;
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively;
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and
(2) The [Supreme Court] may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section.
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.

২,৩২১.
কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে তা নির্ধারণ করেন কে?
  1. সংশ্লিষ্ট আদালত
  2. কারা কর্তৃপক্ষ
  3. সরকার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪১- কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা

(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-
(ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানী জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
২,৩২২.
কারাদণ্ড নির্দেশপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে তা নির্ধারণ করেন-
  1. বিচারিক আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. সরকার
  4. কারা কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে, তা সরকার নির্ধারণ করেন।

 • ধারা ৫৪১: কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা-
(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তনঃ
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-
(ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানী জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।

২,৩২৩.
Provisions relating to 'Discharge of sureties' is provided in-
  1. Section 512
  2. Section 502
  3. Section 514
  4. Section 522
সঠিক উত্তর:
Section 502
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 502
ব্যাখ্যা
• Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.

ধারা ৫০২: জামিনদারের অব্যাহতি-
 
জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।
২,৩২৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর বিধান অনুযায়ী, মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড ধার্য করতে পারবেন?
  1. ১ লাখ
  2. ২ লাখ
  3. ৩ লাখ
  4. ৫ লাখ
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৩২: বিভিন্ন শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট যে সাজা দিতে পারবেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিম্নলিখিত সাজা দিতে সক্ষম-
(ক) মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
- সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত একাকী বন্দিত্ব (solitary confinement) অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
- সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
- সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত একাকী বন্দিত্ব অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
- সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত:
- সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।
- সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড।

(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন অনুযায়ী যে কোনো সাজা দিতে পারবে, একাধিক ধরণের সাজা একত্রিত করে।

২,৩২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারায় কোন ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে?
  1. আটককৃত সম্পত্তি ধ্বংস করার
  2. আটককৃত সম্পত্তি বিক্রি করার
  3. আটককৃত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার
  4. আটককৃত সম্পত্তি মালিককে ফেরত দেওয়ার
সঠিক উত্তর:
আটককৃত সম্পত্তি বিক্রি করার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটককৃত সম্পত্তি বিক্রি করার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা রয়েছে দ্রুত ক্ষয়শীল, কম মূল্যের, অথবা মালিকের অনুপস্থিত/অজ্ঞাত অবস্থায় আটককৃত সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ প্রদান করার।
অতএব, এই ধারার মূল ক্ষমতা হলো আটককৃত সম্পত্তি বিক্রি করার ক্ষমতা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.

২,৩২৬.
নিম্নের কোনটি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত?
  1. শান্তি রক্ষার জন্য জামানত দাবি করার ক্ষমতা
  2. মুচলেকা বাতিল করে জামিনদারকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা
  3. অন্যায়ভাবে আটক ব্যাক্তিকে খুঁজে বের করার তল্লাশি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ২ ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট এর কথা উল্লেখ রয়েছে-
⇒ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
⇒ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

• ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮ এর ৩য় তফসিলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতাসমূহ-

৬৪ ধারা
তার উপস্থিতিতে অপরাধকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা বা গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়া এবং হাজতে প্রেরণ করার ক্ষমতা,

৬৫ ধারা

কোনো অপরাধীকে গ্রেফতার করা, বা নিজের উপস্থিতিতে গ্রেফতারের নির্দেশ দেয়ার ক্ষমতা, যাকে গ্রেফতারের নিমিত্তে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট ওয়ারেন্ট জারি করতে পারে,

৮৩,৮৪ ও ৮৬ ধারা

পরোয়ানা পৃষ্ঠাংকন করা, বা পরোয়ানা অনুসারে গ্রেফতারকৃত কোনো আসামিকে অপসারণের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা, 

৯৫(২)ধারা

ডাক বা তার কর্তৃপক্ষের হেফাজতে অবস্থিত দলিলের জন্য তল্লাশির পরোয়ানা জারি এবং উক্ত দলিলাদি বা ব্যক্তিতে আটক করার ক্ষমতা, 

১০০ ধারা

অন্যায়ভাবে আটক ব্যাক্তিকে খুঁজে বের করার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা জারির ক্ষমতা,

১০৫ ধারা

যে স্থানে তল্লাশির জন্য তিনি তল্লাশি পরোয়ানা প্রদান করতে উপযুক্ত, এইরূপ কোন স্থানে তার উপস্থিতিতে তল্লাশি আদেশ দানের ক্ষমতা,

১০৭,
১০৯,১১০ ধারা
শান্তি রক্ষার জন্য জামানত দাবি করার ক্ষমতা, সদাচরণের জন্য ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের মুচলেকা সম্পাদন এবং জামানত দাবী করার ক্ষমতা, 

১২৬ক ধারা

মুচলেকা বাতিল করে জামিনদারকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা,

১২৭,১২৮,১৩০ ধারা

বেআইনী সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার আদেশ দেয়ার ক্ষমতা,ছত্রভঙ্গ করার জন্য অসামরিক বাহিনী এবং সামরিক শক্তি প্রয়োগের ক্ষমতা, 
১৩৩ ধারা
স্থানীয় উৎপাত সম্পর্কে আদেশ দেয়ার ক্ষমতা, 
১৪২ ধারা
আশু ব্যবস্থা হিসাবে, জনসাধারণের উৎপাতের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারির ক্ষমতা ।
২,৩২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য আবেদনকারীকে কত বছরের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য আবেদনকারীকে দুই বছরের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে,
সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-89: Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
২,৩২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে?
  1. যে ক্ষেত্রে আসামি জামিনে মুক্ত আছে
  2. যে ক্ষেত্রে আসামি আগাম জামিন নিয়েছে
  3. যে ক্ষেত্রে আসামি পলাতক এবং গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
যে ক্ষেত্রে আসামি পলাতক এবং গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ক্ষেত্রে আসামি পলাতক এবং গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১২ ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ:-
(১) যদি প্রমাণিত হয় যে, আসামী পালিয়েছে এবং তার গ্রেফতারের সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেই অপরাধের জন্য তাকে বিচার করার বা বিচারের জন্য প্রেরণ করার ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত তার অনুপস্থিতিতে বাদীপক্ষ দ্বারা দাখিলকৃত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দী গ্রহণ করতে ও তা লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। এরুপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার জন্য অযোগ্য হয়ে পড়লে অথবা বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক হয়ে পড়লে প্রদত্ত সাক্ষ্য সে যে অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে সেই অপরাধের ইনকোয়ারী বা বিচারে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে ।
(২) অপরাধী অজানা হলে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ-
যদি প্রতীয়মান হয় যে, কোন অজানা ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ করেছে, তাহলে হাইকোর্ট ডিভিশন নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এই বিষয়ে ইনকোয়ারী করবেন এবং অপরাধ সম্পর্কে যারা সাক্ষ্য দিতে পারেন তাদেরকে পরীক্ষা করবেন। এরূপ সাক্ষী মারা গেলে বা সাক্ষ্য দিবার অযোগ্য হয়ে পড়লে বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে থাকলে গৃহীত জবানবন্দী পরবর্তীকালে উক্ত অপরাধ অভিযুক্ত যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবহার করা যাবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-512: Record of evidence in absence of accused:
(1) If it is proved that an person has absconded, and that there is no immediate prospect of arresting him, the Court competent to try such person for the offence complained of may, in his absence, examine the witnesses (if any) produced on behalf of the prosecution, and record their depositions. Any such deposition may be given in evidence against him on the inquiry into, or trial for, the offence with which he is charged, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or incon- venience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable.

(2) Record of evidence when offender unknown.-
If it appears that an offence punishable with death or transportation has been committed by some person or persons unknown, the High Court Division may direct that any Magistrate of the first class shall hold an inquiry and examine any witnesses who can give evidence concerning the offence. Any depositions so taken may be given in evidence against any person who is subsequently accused of the offence, if the deponent is dead or incapable of giving evidence or beyond the limits of Bangladesh.
২,৩২৯.
ফৌজদারি আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৩০০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
 
• ধারা ৪৮০- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি-
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
 
Section 480: Procedure in certain cases of contempt-
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
২,৩৩০.
বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের তদন্ত বা বিচার কোন শর্তে করা যাবে?
  1. কোনো শর্ত ছাড়া
  2. রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে
  3. সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে
  4. সুপ্রিম কোর্টে আবেদন সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 – ধারা ১৮৮ (Liability for offences committed outside Bangladesh): 
যদি- বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বাংলাদেশের সীমার বাইরে কোথাও কোনো অপরাধ করে, অথবা কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নিবন্ধিত জাহাজ বা উড়োজাহাজে (ship or aircraft) যেখানেই থাকুক না কেন, অপরাধ করে, তাহলে তাকে সেই অপরাধের জন্য এমনভাবে বিচার করা যাবে, যেন সে বাংলাদেশের ভেতরে, যেখানে তাকে পাওয়া যায়, সেখানেই অপরাধটি করেছে।

শর্ত (Proviso):
তবে এই অধ্যায়ের পূর্ববর্তী ধারাগুলোর যেকোনো বিধান সত্ত্বেও, এমন কোনো অপরাধের অভিযোগ বাংলাদেশে তদন্ত বা বিচার করা যাবে না সরকারের অনুমোদন (sanction of the Government) ছাড়া।

দ্বিতীয় শর্ত (Second Proviso):
এই ধারার অধীনে যদি কারও বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা কার্যক্রম নেওয়া হয়, এবং যদি তা এমন প্রকৃতির হয় যে, যদি অপরাধটি বাংলাদেশেই সংঘটিত হত তবে সেই কার্যক্রম একই অপরাধে পরবর্তী বিচারকে (subsequent proceedings) বাধা দিত,
তাহলে একই অপরাধে তাকে Extradition Act, 1974 অনুযায়ী বাংলাদেশের বাইরে অন্য কোনো অঞ্চলে পুনরায় বিচার করা যাবে না।

২,৩৩১.
সর্বপ্রথম ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ফৌজদারি কার্যবিধি কত সালে পাশ করা হয়?
  1. ১৮৯৮ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৭২ সালে
  4. ১৯০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬১ সালে
ব্যাখ্যা

⇒  ১৮৬১ সালের পূর্বে ব্রিটিশ ভারতে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা বিভিন্ন স্থানীয় প্রথা, রেগুলেশন এবং মুসলিম আইন দ্বারা পরিচালিত হতো। এই ব্যবস্থায় একতা ছিল না।
⇒  ১৮৬১ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি: এটি ছিল ব্রিটিশ ভারত জুড়ে ফৌজদারি পদ্ধতির জন্য প্রণীত প্রথম সমন্বিত এবং সাধারণ আইন বা কোড। এই আইনটি একটি অভিন্ন বিচার ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাইলফলক ছিল।
⇒  পরবর্তী কোডসমূহ: ১৮৬১ সালের আইনটি পরে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং অবশেষে ১৮৯৮ সালের কোড দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে (বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত) দীর্ঘকাল ধরে মৌলিক আইন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে (যদিও ভারত ১৯৭৩ সালে নতুন আইন করেছে)।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি পাশ করা হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

২,৩৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে?
  1. ধারা ১৭৩(২খ)
  2. ধারা ১৭৩(৩ক)
  3. ধারা ১৭৩(৩খ)
  4. ধারা ১৭৩(১খ)
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৩(৩খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৩(৩খ)
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ১৭৩(৩খ) অনুযায়ী, পুলিশ প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট (চার্জ শীট) দাখিল করার পরও অধিকতর তদন্ত (Further Investigation) চালিয়ে গেলে যদি নতুন মৌখিক বা দালিলিক প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে পুলিশ সম্পূরক চার্জ শীট (Supplementary Charge Sheet) ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দাখিল করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।
- অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।
- তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।
-১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-173: Report of police-officer:
-(3B) Nothing in this section shall be deemed to preclude further investigation in respect of an offence after a report under sub-section (1) has been forwarded to the Magistrate and, whereupon such investigation, the officer in charge of the police-station obtains further evidence, oral or documentary, he shall forward to the Magistrate a further report or reports regarding such evidence in the form prescribed; and the provisions of sub-section (1) to (3A) shall, as far as may be, apply in relation to such report or reports as they apply in relation to a report forwarded under sub-section (1).
২,৩৩৩.
শান্তিভঙ্গের আশঙ্কায় স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে অভিযোগ কোথায় দাখিল করতে হবে?
  1. থানায় পুলিশের নিকট
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. সরাসরি দায়রা আদালতে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান:
(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোনোভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ স্পষ্ট হওয়ার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কুলির মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হওয়ার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবি সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।
(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, ম্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।
(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারির জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধতিতে জারি করতে হবে এবং অন্ততপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারি করতে হবে।

→ অর্থাৎ স্থাবর সম্পত্তি নিয়ে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দিলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগ দায়ের করা যায়।
২,৩৩৪.
কোন ব্যক্তি যদি পুলিশ হেফাজতে মারা যান, তবে তদন্তের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্বপ্রাপ্ত হবে?
  1. শুধুমাত্র জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধুমাত্র প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  3. শুধুমাত্র প্রথম ব দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. যেকোনো নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যেকোনো নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোনো নিকটতম ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
(১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
 
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
২,৩৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট কখন অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করবেন?
  1. অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি করলে
  2. অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি না করলে
  3. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার পর
  4. অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হলে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি না করলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারায় বলা হয়েছে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি না করেন, তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির (যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
- এরপর, অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন। এর পর ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে সাক্ষীদের সমন ইস্যু করার জন্য নির্দেশ দিতে পারেন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন।
এটি নির্দেশ করে যে, অভিযুক্ত যদি স্বীকারোক্তি না করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার শুনানি অব্যাহত রাখবেন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুযায়ী-
(১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি পূর্ববর্তী ধারা(২৪৩) অনুসারে অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত যদি উক্তরূপে স্বীকারোক্তি না করে,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির(যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।তবে শর্ত থাকে যে,কোনো আদালত যখন নালিশ করে তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি হিসাবে কারো বক্তব্য শুনতে বাধ্য হবেন না।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন,তাহলে ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীর প্রতি হাজির হওয়ার বা কোন দলিল বা কোনো জিনিস হাজির করার নির্দেশ দিয়ে সমন ইস্যু করতে পারবেন।
(৩) এরূপ আবেদনের ভিত্তিতে কোন সাক্ষীর প্রতি সমন দেওয়ার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারবেন যে, বিচারের উদ্দেশ্যে হাজির হওয়ার জন্য তার যুক্তিসংগত খরচ আদালতে জমা দিতে হবে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-244. Procedure when no such admission is made:
(1) If the Magistrate does not convict the accused under the preceding section or if the accused does not make such admission, the Magistrate shall proceed to hear the complainant (if any), and take all such evidence as may be produced in support of the prosecution, and also to hear the accused and take all such evidence as he produces in his defence:
Provided that the Magistrate shall not be bound to hear any person as complainant in any case in which the complaint has been made by a Court.
(2) The Magistrate may, if he thinks fit, on the application of the complainant or accused, issue a summons to any witness directed him to attend or to produce any document or other thing.
(3) The Magistrate may, before summoning any witness on such application, require that his reasonable expenses, incurred in attending for the purposes of the trial, be deposited in Court.
২,৩৩৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৬ক অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে কখন আইনজীবীর সাথে সাক্ষাতের সুযোগ দিতে হবে?
  1. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) ১২ ঘণ্টার মধ্যে।

ধারা ৪৬ক- গ্রেপ্তার পদ্ধতি এবং গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য: 

যে পুলিশ কর্মকর্তা বা ব্যক্তি কোনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করবেন, তাকে-
(ক) নিজের নাম ও পরিচয় স্পষ্টভাবে বহন করতে হবে, যাতে সহজে শনাক্ত করা যায়।

(খ) নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে হবে, এবং চাইলে পরিচয়পত্র দেখাতে হবে।

(গ) একটি গ্রেপ্তার স্মারক (memorandum of arrest) প্রস্তুত করতে হবে, যা-
(i) কমপক্ষে একজন সাক্ষী (অভিযুক্তের পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তি) দ্বারা স্বাক্ষরিত হতে হবে;
(ii) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ থাকতে হবে (যদি তিনি অস্বীকার না করেন)।

(ঘ) অভিযুক্তকে যদি বাড়ির বাইরে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে তার পরিবারের সদস্য/আত্মীয়/মনোনীত বন্ধুকে সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান ও হেফাজতের জায়গা জানাতে হবে।

(ঙ) যদি অভিযুক্তের শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকে, তবে ডাক্তারের পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, ডাক্তারের সনদ সংগ্রহ করতে হবে, এবং আঘাতের কারণ লিখে রাখতে হবে।

(চ) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে চাইলে আইনজীবীর সাথে দেখা করার বা আত্মীয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ দিতে হবে, অগ্রাধিকারভিত্তিতে ১২ ঘণ্টার মধ্যে।

২,৩৩৭.
আপিলের পিটিশন কে দাখিল করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র আপিলকারী
  2. শুধুমাত্র উকিল
  3. আপিলকারী বা তার উকিল
  4. আদালতের ক্লার্ক
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী বা তার উকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী বা তার উকিল
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪১৯: আপিলের দরখাস্ত:
প্রত্যেকটি আপিল দায়ের করতে হবে পিটিশন বা দরখাস্ত আকারে। আপিলের পিটিশন আপিলকারী বা তার উকিল দাখিল করবে। যে রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হচ্ছে তার কপি আপিলের পিটিশনের সাথে দাখিল করতে হবে।

Section 419- Petition of appeal:
Every appeal shall be made in the form of a petition in writing presented by the appellant or his pleader, and every such petition shall (unless the Court to which it is presented otherwise directs) be accompanied by a copy of the judgment or order appealed against.
২,৩৩৮.
খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে The Code of Criminal Procedure, 1898, অনুযায়ী আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ _________।
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১৮০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦যদি আইনের ভুল ব্যাখ্যার কারণে ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয় তবেই ফরিয়াদি খালাসের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে।
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 ধারা ৪১৭(৩) মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়।
♦The Limitation Act, 1908 এর অনুচ্ছেদ ১৫৭ অনুযায়ী  খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে। [
♦ খালাসের বিরুদ্ধে আপিল গৃহীত না হলে বা প্রত্যাখ্যাত হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
২,৩৩৯.
No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of _______.
  1. Appeal
  2. Review
  3. Revision
  4. Second appeal
সঠিক উত্তর:
Revision
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Revision
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারার বিধান:
-কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা এডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে নাঃ
শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯ (২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
----------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 440: Optional with Court to hear parties:
-No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 

Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).
২,৩৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারায় জরিমানা আদায়ের জন্য কালেক্টর কোন পদ্ধতি অনুসরণ করবেন?
  1. ফৌজদারি পদ্ধতি
  2. দেওয়ানী পদ্ধতি
  3. প্রশাসনিক পদ্ধতি
  4. সামরিক পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানী পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) দেওয়ানী পদ্ধতি।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬(১)(খ) ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন কোনো আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন আদালত জেলা কালেক্টরকে জরিমানা আদায়ের জন্য দেওয়ানী পদ্ধতিতে পরোয়ানা জারি করার নির্দেশ দিতে পারে। অর্থাৎ, জেলা কালেক্টর দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী জরিমানা আদায় করবে এবং এটি কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারার বিধান- জরিমানা আদায় করার পরোয়ানা:
(১) যেক্ষেত্রে কোন আসামিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত দু'টি বা উভয় উপায় অনুযায়ী জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা-
(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা
(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত হবে এবং সে যদি অনাদায়বশত সমগ্র কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা দিবে না, যদি না বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন।
(২) সরকার উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ- (ক) এর পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উক্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির কোন দাবি সংক্ষেপে নির্ধারণের ব্যবস্থা নেবার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) আদালত যেক্ষেত্রে উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী কালেক্টরকে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫নং আইন) এর অর্থানুযায়ী উক্ত পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং যে নিকটতম দেওয়ানী আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন উক্ত কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে উক্ত ডিক্রি দাতা আদালত মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং ডিক্রি জারির ব্যাপারে উক্ত কার্যবিধির বিধানাদি অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।
শর্ত থাকে যে, অপরাধীকে গ্রেফতার বা কারাগারে আটক রাখার মাধ্যমে এইরূপ পরোয়ানা কার্যকর করা যাবে না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-386: Warrant for levy of fine:
(1) Whenever an offender has been sentenced to pay a fine, the Court passing the sentence may take action for the recovery of the fine in either or both of the following ways, that is to say, it may-
(a) issue a warrant for the levy of the amount by attachment and sale of any movable property belonging to the offender;
(b) issue a warrant to the Collector of the District authorising him to realise the amount by execution according to civil process against the movable or immovable property, or both, of the defaulter:
Provided that, if the sentence directs that in default of payment of the fine the offender shall be imprisoned, and if such offender has undergone the whole of such imprisonment in default, no Court shall issue such warrant unless for special reasons to be recorded in writing is considers it necessary to do so.
(2) The Government may make rules regulating the manner in which warrants under sub-section (1), clause (a), are to be executed, and for the summary determination of any claims made by any person other than the offender in respect of any property attached in execution of such warrant.
(3) Where the Courts issue a warrant to the Collector under sub-section (1), Clause (b), such warrant shall be deemed to be a decree, and the Collector to be the decree-holder, within the meaning of the Code of Civil Procedure, 1908, and the nearest Civil Court by which any decree for a like amount could be executed shall, for the purposes of the said Code, be deemed to be the Court which passed the Decree, and all the provisions of that Code as to execution of decrees shall apply accordingly:
Provided that no such warrant shall be executed by the arrest or detention in prison of the offender.
২,৩৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫ক অনুসারে, যেক্ষেত্রে বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয়, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
  2. ফরিয়াদিকে জরিমানার আদেশ দিবে
  3. নতুন করে কারাদণ্ড ভোগের আদেশ দিবে
  4. আসামিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবে
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
২,৩৪২.
BLAST বনাম বাংলাদেশ (55 DLR 363) মামলায় কোন আইনের অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়টি আলোচনা করা হয়?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫৪ ও ১৬৭
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ১৯০ ও ২১০
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ১০০ ও ১২৫
  4. ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ২২৫ ও ২৩০
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫৪ ও ১৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫৪ ও ১৬৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা এবং ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার সম্পর্কে BLAST VS Bangladesh (55 DLR 363) মামলা বহুল পরিচিত। এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিস্তারিত আলোচনা নিম্নরূপ:

পটভূমি:
বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST) নামক একটি এনজিও কর্তৃক ১৯৯৬ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসরণ করছে না।

মামলার বিষয়বস্তু:
এই মামলায় BLAST দাবি করে যে পুলিশ অনেক সময় অভিযুক্তদের অবৈধভাবে হেফাজতে রাখে এবং নির্যাতন করে। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার (নিরাপত্তা প্রাপ্তির অধিকার) এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।

আদালতের রায়:
হাইকোর্ট বিভাগ ২০০৩ সালে এই মামলার রায় প্রদান করে। হাইকোর্ট বিভাগ মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করার সুপারিশ করেছেন। হাইকোর্ট বিভাগের ১৫টি নির্দেশনার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারের ক্ষমতা সংক্রান্ত। রায়ে বলা হয়, নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া যাবে। তবে সে ক্ষেত্রে হেফাজতে থাকার সময় ও কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে। অভিযুক্তর উপস্থিতিতেই এটি করতে হবে। পরবর্তীতে অভিযুক্তকে কাছাকাছি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হবে।
২,৩৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার তদন্ত সমাপ্ত করার বিধানটি ?
  1. বিবেচনামূলাক
  2. বাধ্যতামূলাক
  3. নির্দেশনামূলক
  4. কোনটাই নয়
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার তদন্ত সমাপ্ত করার বিধানটি নির্দেশনামূলক।

♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারার বিধানঃ
(১) যখন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে হেফাজতে আটক রাখা হয় এবং ইহা প্রতীয়মান হয় যে, ৬১ ধারায় নির্ধারিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করা যাবে না এবং এরূপ বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে, অভিযোগ বা সংবাদ দৃঢ় ভিত্তিক, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা তিনি যদি সাব-ইনসপেকটর পদের নিম্ন পর্যায়ের না হন তাহলে সঙ্গে সঙ্গে অতঃপর নির্ধারিত ডায়েরীতে লিখিত ঘটনা সম্পর্কিত নকল নিকটবতী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, এবং একই সময়ে আসামীকে উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

(২) এই ধারার অধীন আসামীকে যে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করা হয়, সংশ্লিষ্ট মামলার বিচার করার এখতিয়ার থাকুক বা না থাকুক, তিনি উপযুক্ত মনে করলে আসামীকে হেফাজতে আটক রাখার জন্য সময়ে সময়ে ক্ষমতা প্রদান করবেন, তবে এরূপ আইনের মেয়াদ সর্বসাকুল্যে পনেরো দিনের অধিক হবে না। তার যদি মামলাটি বিচার করার বা বিচারের জন্য পাঠাবার এখতিয়ার না থাকে এবং তিনি যদি আরও আটক রাখা অপ্রয়োজনীয় মনে করেন তাহলে তিনি আসামীকে এরূপ এখতিয়ারবান ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন, তবে শর্ত এই যে, তৃতীয় শ্রেণীর কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এবং সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত নহেন এরূপ কোন দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট আসামীকে পুলিশ হেফাজতে আটক রাখার আদেশ দিবেন না ।

(৩) এই ধারার অধীন আসামীকে পুলিশহেফাজতে আটক রাখার ক্ষমতাদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট তার এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেট এরূপ আদেশ দিলে তিনি আদেশ দিবার কারণসহ আদেশের একটি নকল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন, তিনি যার অব্যবহিত অধস্তন।

(৫) অপরাধ সংঘটন সম্পর্কিত সংবাদ প্রাপ্তির তারিখ অথবা এরূপ তদন্তের জন্য ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ প্রাপ্তির তারিখ হতে একশত বিশ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে,

ক) অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন বা তদন্তের আদেশদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট, তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে তার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন; এবং

খ) তদন্ত সম্পর্কিত অপরাধটি যদি মৃত্যুদণ্ডে, যাবজীবন কারাদণ্ডে বা দশ বৎসরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ না হয় তবে দায়রা আদালত ইহার সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আসামীকে যদি এই উপধারার অধীন জামিনে মুক্তি দেয়া না হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা ক্ষেত্র বিশেষে দায়রা আদালত ইহার কারণ লিপিবদ্ধ করবেনঃ

আরও শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনের বিধান অনুযায়ী উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গ্রহণ করা প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে অনুমোদন গ্রহণ করতে যে সময় লাগিবে এই উপধারায় নির্ধারিত সময় হতে তা বাদ দিতে হবে।

ব্যাখ্যাঃ উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের বিবেচনার জন্য প্রয়োজনীয় দলিলপত্রসহ মামলাটি যে দিন তার নিকট পেশ করা হবে, অনুমোদন গ্রহণের সময় সেই দিন হতে গণণনা শুরু হবে এবং কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের আদেশ পাবার তারিখে উহা সমাপ্ত বলে গণ্য হবে।
২,৩৪৪.
আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন?
  1. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে
  2. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে:

(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।

অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই। অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে :
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এখানে বর্ণিত কোন কিছুই জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ব্যতিত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষের হেফাজতে অবস্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু তল্লাশীর জন্য পরোয়ানা মঞ্জুর করার কর্তৃত্ব দিবে না।

♦ অর্থাৎ ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-

i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;

ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

♦৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।
২,৩৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১ অনুসারে কোন পরিস্থিতিতে ভুল স্থানে বিচার অনুষ্ঠিত হলেও তা বাতিলযোগ্য নয়?
  1. সাক্ষী উপস্থিত ছিল না
  2. ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে
  3. মামলার অভিযোগ ছিল দুর্বল
  4. বিচারকের অনুপস্থিতিতে বিচার
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১ অনুযায়ী, “কোন তদন্ত, বিচার বা কার্যধারা কেবলমাত্র এই কারণে বাতিল হবে না যে তা ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা স্থানীয় এলাকায় পরিচালিত হয়েছে, যদি না এটি প্রতীয়মান হয় যে এতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।”
অর্থাৎ, যদি একটি ফৌজদারি মামলা ভুল জায়গায় (যেমন: অন্য জেলা, অন্য দায়রা বিভাগ) পরিচালিত হয়, তাহলেও সেটিকে শুধুমাত্র ভুল স্থানেই বিচার হয়েছে বলে বাতিল করা যাবে না, যদি না প্রমাণ হয় যে এর ফলে ন্যায়বিচারে ব্যাঘাত ঘটেছে।
- ধারা ৫৩১ আসলে আদালতের এখতিয়ারগত বা ভৌগোলিক ভুল বিচারস্থল সম্পর্কিত এবং ন্যায়বিচার বিঘ্নিত না হলে, এই কারণে কোন আদেশ বা দণ্ড বাতিলযোগ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা:
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 531: Proceedings in wrong place:
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
২,৩৪৬.
আপিল শুনানীর সময় বা স্থান সম্পর্কে কাকে নোটিশ দিতে হবে?
  1. আপিলকারীকে
  2. আপিলকারীর উকিলকে
  3. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অফিসারকে
  4. উল্লিখিত সকল ব্যক্তিকে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২২- আপিলের নোটিশ

আপিল আদালত যদি সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ না করেন, সেক্ষেত্রে যে সময় ও যে স্থানে উক্ত আপিল শ্রবণ করা যাবে সেই সময় ও স্থান সম্পর্কে আপিলকারী বা তার উকিলকে এবং এ সম্পর্কে সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অফিসারকে নোটিশ দিবেন এবং উক্ত অফিসার আবেদন করলে তাকে আপিলের কারণসমূহের একটি নকল দিবেন এবং ধারা-৪১৭ অনুসারে আপিলের ক্ষেত্রে আপিল আদালত আসামীকে অনুরূপ নোটিশ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

Section 422- Notice of appeal
If the Appellate Court does not dismiss the appeal summarily, it shall cause notice to be given to the appellant or his pleader, and to such officer as the Government may appoint in this behalf, of the time and place at which such appeal will be heard, and shall, on the application of such
officer, furnish him with a copy of the grounds of appeal; and, in cases of appeals under or section 417, the Appellate Court shall cause a like notice to be given to the accused.
২,৩৪৭.
মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে কোন আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট ডিভিশন
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯ ধারা- ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিচার:
(১) যখন কোনো ব্যক্তিকে ৩৩৭ বা ৩৩৮ ধারার অধীনে ক্ষমা দেওয়া হয়েছে এবং পাবলিক প্রসিকিউটর মনে করেন যে, ওই ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছে অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে এবং ক্ষমার শর্ত লঙ্ঘন করেছে — তখন তাকে সেই অপরাধের জন্য, যার জন্য তাকে ক্ষমা দেওয়া হয়েছিল, অথবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো অপরাধের জন্য বিচারের মুখোমুখি করা যেতে পারে।

শর্ত: তাকে অন্য আসামিদের সঙ্গে একত্রে বিচার করা যাবে না। সে নিজেকে রক্ষা করতে বলতে পারবে যে, ক্ষমার শর্ত পালন করেছে। তখন প্রসিকিউশনের দায়িত্ব হবে প্রমাণ করা যে, সে শর্ত ভঙ্গ করেছে।

(২) ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তির দেওয়া বিবৃতি তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারবে।

(৩) তার মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে মামলা করতে হলে উচ্চ আদালতের (হাইকোর্ট ডিভিশন) অনুমতি (অনুমোদন) লাগবে।
২,৩৪৮.
ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব কার?
  1. বাদীর
  2. পুলিশের
  3. আদালতের
  4. সরকারি উকিলের
সঠিক উত্তর:
আদালতের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলায় চার্জ গঠনের দায়িত্ব আদালতের।

• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়। চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে। সেই সাথে ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০ এবং ২৩ এ যথাক্রমে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ) মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

• ধারা ২৪২ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতকে এবং ধারা ২৬৫ঘ দায়রা আদালতকে অভিযোগ গঠনের ক্ষমতা দিয়েছে। মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে সেই অপরাধ বিষয়ে আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।
২,৩৪৯.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার অধীন রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার বিচার করতে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তিকে দণ্ডিত করলে তার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা দায়রা জজ আদালতে
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. বিশেষ ট্রাইবুনালে।
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০৮ ধারা মতে সধারণত প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট/চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে হয় দায়রা জজ/মেট্রোপলিটন দায়রা জজের আদালতে। ব্যতিক্রম হলো রাস্ট্রদ্রোহ মামলার ক্ষেত্রে আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। 
♦রাষ্ট্রদ্রোহিতার : দন্ডবিধির ১২৪ক ধারামতে কথিত বা লিখিত শব্দাবলীর দ্বারা অথবা চিহ্নাদি দ্বারা বা দৃশ্যমান প্রতীকের দ্বারা আইনবলে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করলে বা করার উদ্যোগ গ্রহণ করলে অথবা বৈরিতা সৃষ্টি করলে বা করার উদ্যোগ গ্রহণ করলে তাকে রাষ্ট্রদ্রোহ বলা হয়।
সরকার বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তার অভিযোগ ব্যতীত আদালত রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা আমলে নিবেনা।
♦শুধুমাত্র দায়রা আদালত, চীফ জুডিশিয়াল বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার বিচার করে থাকেন। যা ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর দ্বিতীয় তফসিলে সরাসরি উল্লেখ আছে। রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলার ক্ষেত্রে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০৮ ধারা মতে আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে। দন্ডবিধির ১২৪ক ধারা ছাড়াও সংবিধানের ৭খ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রদ্রোহিতার বিধান রয়েছে।
২,৩৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার অধীন কমিশনপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট কীভাবে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন?
  1. নিজের মতো করে প্রশ্ন করে
  2. সাক্ষীর ইচ্ছা অনুযায়ী
  3. পক্ষগণের দেওয়া প্রশ্নমালার ভিত্তিতে
  4. আদালতের নির্দেশিত প্রশ্নমালা অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের দেওয়া প্রশ্নমালার ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের দেওয়া প্রশ্নমালার ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৫: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন-

(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।

(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী জেরা ও পুনঃ জবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 505: Parties may examine witnesses-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.
২,৩৫১.
অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে দায়রা আদালত কি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?
  1. খালাস দিতে পারে
  2. মুক্তি দিতে পারে
  3. দণ্ড দিতে পারে
  4. অব্যাহতি দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
দণ্ড দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড দিতে পারে
ব্যাখ্যা
 অভিযুক্ত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে [Plea Of Guilty] দায়রা আদালত ২৬৫ঙ ধারায় অভিযুক্তকে দন্ডিত করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২০,২২ এবং ২৩ এ মামলার বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
- দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ )

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঘ অনুসারে, দায়রা আদালত চার্জ গঠনের সময় অভিযুক্তকে প্রশ্ন করবে যে, যেই অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তা স্বীকার করে কিনা।যদি স্বীকার করে তাহলে তাকে ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত করতে পারেন। এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা অপরাধ স্বীকার করেনা বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না, তাহলে আদালত সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু (সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারেন।
২,৩৫২.
ক-এর বিরুদ্ধে একটি চেকের মামলা দায়ের করার পর সমন, ওয়ারেন্ট ও W/P&A ইস্যু করার পরও সে আদালতে হাজির হয় নি। এমতাবস্থায় আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপ কী?
  1. পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিচারে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া।
  2. পুনরায় গ্রেফতরারি পরওয়ানা জারি করা
  3. তাঁর বিরুদ্ধে বিচার শুরু করা
  4. তাঁর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করা
সঠিক উত্তর:
পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিচারে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বিচারে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া।
ব্যাখ্যা
♦ আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার (Trial in absentia): স্বাভাবিকভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা বেআইনী, অর্থাৎ আসামীর উপস্থিতিতে বিচার করতে হয়। কিন্তু কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়, যাকে Trial in absentia বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ, ৫১২ এবং ৫৪০ক ধারায় আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের বিধান রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন আইনে Trial in absentia-এর বিধান রয়েছে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার অধীন পলাতক বা ফেরারী আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচারের পদ্ধতি- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালনের পর অর্থাৎ হুলিয়া জারি ও সম্পত্তি ক্রোকের পর যদি আদালত মনে করে যে, আসামী গ্রেফতার ও বিচার এড়ানোর জন্য পলায়ন করেছে, আত্মগোপান করেছে এবং আসামীকে গ্রেফতার করার কোনো আশু সম্ভাবনা নাই, তাহলে মামলা আমল গ্রহণকারী আদালত কমপক্ষে ২টি বহুল প্রচারিত বাংলা দৈনিক জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে আসামীকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশ অনুসারে আদালতে হাজির হতে ব্যর্থ হলে আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার অনুষ্ঠিত হবে।
♦ তবে ৩৩৯-খ এর ২ উপধারা অনুযায়ী, আসামী কোন ভাবে আদালতে একবার হাজির হওয়ার পর বা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর পলায়ন করলে বা হাজির হতে ব্যর্থ হলে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন না করেই তার অনুপস্থিতিতেই আদালত বিচারকার্য পরিচালনা করবেন।
২,৩৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত কখন অভিযুক্তকে অব্যাহতি বা শাস্তি মওকুফ করতে পারে?
  1. যদি তিনি আপিল করেন
  2. যদি তিনি জামিন পান
  3. যদি তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন
  4. যদি তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন
সঠিক উত্তর:
যদি তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৮৪: দোষী ব্যক্তির অব্যাহতি (ক্ষমা প্রার্থনা বা আত্মসমর্পণ করলে):
যদি কোনো আদালত ধারা ৪৮০ বা ধারা ৪৮২ এর অধীনে কাউকে শাস্তি প্রদান করে, অথবা বিচার করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করে,

কারণ:
তিনি আইনগতভাবে যা করতে বাধ্য ছিলেন তা করতে অস্বীকার করেছেন বা বাদ দিয়েছেন, অথবা
আদালতের প্রতি ইচ্ছাকৃত অবমাননা বা বিঘ্ন সৃষ্টি করেছেন,

তাহলে আদালত নিজের বিবেচনায়—
- সেই দোষী ব্যক্তিকে অব্যাহতি দিতে পারে, অথবা শাস্তি মওকুফ করতে পারে, যদি তিনি আদালতের আদেশ/নির্দেশ মেনে নেন, অথবা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

২,৩৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. ৫০,০০০ টাকা
  2. ১,০০,০০০ টাকা
  3. ২,০০,০০০ টাকা
  4. ৩,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২,০০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩২ (সংশোধিত): ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত সাজা:
(১) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নিম্নলিখিত সাজা প্রদান করতে পারবেন, যথা:-
(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, যার মধ্যে আইন দ্বারা অনুমোদিত একাকী কারাবাস অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে;
- তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত:
- দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড;
- দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

(২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন দ্বারা অনুমোদিত যেকোনো সাজার সমন্বয়ে একটি বৈধ সাজা প্রদান করতে পারবেন।
২,৩৫৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে নিতে পারেন?
  1. অপরাধ স্বীকার করলে
  2. মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে
  3. হাজির হতে অস্বীকৃতি জানালে
  4. মিথ্যা অভিযোগ দিলে
সঠিক উত্তর:
হাজির হতে অস্বীকৃতি জানালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজির হতে অস্বীকৃতি জানালে
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।

ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না:
অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।

অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে:
শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।

(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।

Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,

- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:

- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
২,৩৫৬.
কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ অনুসারে ১২০ দিনের মধ্যে মামলার তদন্তকার্য সম্পন্ন করার বিধানটি-
  1. নির্দেশনামূলক
  2. বিচার-বিবেচনামূলক
  3. বাধ্যতামূলক
  4. নিষেধাজ্ঞামূলক
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দেশনামূলক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারায় পুলিশের তদন্তের সর্বোচ্চ সময় ১২০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে। এটি নির্দেশনামূলক। যদি উক্ত ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ না হলেঃ

- যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন বা যে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন, তিনি অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি [release the accused on bail] দিতে আদেশ দিতে পারেন; যদি না অপরাধটির জন্য শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বৎসরের অধিক কারাবাস হয়; অথবা

- দায়রা আদালত তার সন্তুষ্টি অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় অপরাধ বা ১০ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত অপরাধের ক্ষেত্রেও আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।
২,৩৫৭.
যুগ্ম দায়রা জজ আসামীকে ৬ বছরের কারাদণ্ড দিলে, সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি হাইকোর্টে আপীল করে। এই ক্ষেত্রে আপীলকারী মারা গেলে আপীলটি-
  1. খারিজ হবে
  2. পণ্ড বা বাতিল হবে (abatement)
  3. চলমান থাকবে
  4. স্থগিত থাকবে
সঠিক উত্তর:
পণ্ড বা বাতিল হবে (abatement)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পণ্ড বা বাতিল হবে (abatement)
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- যেহেতু কারাদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে, তাই আপীলটি করেছে আসামী। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপীলকারী মারা যাওয়া অর্থ হলো আসামী মারা যাওয়া। তাই আপীলটি বাতিল হবে।
২,৩৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২০ অনুযায়ী, জেলে থাকা আপিলকারী তার আপিল দরখাস্ত কাকে দাখিল করবে?
  1. পুলিশ সুপারকে
  2. সরাসরি আদালতে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২০ অনুসারে, জেলে অবস্থানরত ব্যক্তি তার আপিলের দরখাস্ত এবং রায়ের নকল জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবেন, এবং তিনি তা যথাযথ আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারার অধীনে দায়ের করা আপিলকে জেল আপিল বলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারার বিধান আপিলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
- আপিলকারী জেলে থাকলে আপিলের নকলসহ তার আপিলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপিল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 420. Procedure when appellant in jail:
-If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
২,৩৫৯.
নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে রিভিশন দায়ের করা যায় না।
  1. আপীলযোগ্য মামলায়
  2. আপীলযোগ্য মামলায় আপীল না করা হলে
  3. অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৯(৫) মতে- আপীলযোগ্য মামলায় আপীল করতে হবে রিভিশন করা যাবেনা।
• আবার যেক্ষেত্রে আপীল করার বিধান আছে, কিন্তু আপীল করা হয়নি, সেই ক্ষেত্রে যে পক্ষ আপীল করতে পারতো, সেইপক্ষ রিভিশন করতে পারবে না।
২,৩৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী দায়রা আদালত কত মাসের কারাদণ্ড দিলে আপিল করা যাবে না?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ২ মাস
  4. ১ মাস
সঠিক উত্তর:
১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৩ স্পষ্টভাবে বলে—যদি দায়রা আদালত (Court of Session) ১ মাসের বেশি নয় এমন কারাদণ্ড দেয়, অথবা যদি দায়রা আদালত, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর অন্য ম্যাজিস্ট্রেট ৫০০০ টাকার বেশি নয় এমন অর্থদণ্ড আরোপ করে, তাহলে সেই তুচ্ছ মামলার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases]:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০০০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 413. No appeal in petty cases:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding five thousand Taka only. 
Explanation:- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.

২,৩৬১.
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট কত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন?
  1. দশ বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. তিন বছর
  4. দুই বছর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুযায়ী, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (Metropolitan Magistrate বা Magistrate of the First Class) সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। এছাড়াও তারা সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং চাবুকের দণ্ড দিতে পারেন (যদি আইন অনুমোদন করে)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান: (১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথা:
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকা অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকা অর্থদণ্ড।
২) যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যে-সব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোনো আইনসংগত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 32.Sentences which Magistrates may pass:
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:-
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping.
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka;
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year; Fine not exceeding two thousand taka.
(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
২,৩৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি-
  1. সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে
  2. রিসিভার নিয়োগ করবে
  3. বাদীর মালিকানাধীন হবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৭) ধারা মতে ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রি- পলাতক ব্যক্তি হুলিয়ায় বর্ণিত সময়ের মধ্যে হাজির না হলে ক্রোককৃত সম্পত্তি সরকারের এখতিয়ারাধীন হবে এবং আদালত উপযুক্ত মনে করলে যে কোন সময় ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ প্রদান করতে পারে।
- তবে হুলিয়া জারির ৬ মাস অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত এবং কোন আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ক্রোককৃত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দেয়া হয় না। কিন্তু ক্রোকের সম্পত্তি প্রাণী সম্পদ অথবা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত তা অবিলম্বে বিক্রির আদেশ দিবেন।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারা মতে পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না;
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
---------
CrPC Section-88(7) If the proclaimed person does not appear within the time specified in the proclamation, the property under attachment shall be at the disposal of the Government, but it shall not be sold until the expiration of six months from the date of the attachment and until any claim preferred or objection made under sub-section (6A) has been disposed of under that sub-section, unless it is subject to speedy and natural decay, or the Court considers that the sale would be for the benefit of the owner, in either of which cases the Court may cause it to be sold whenever it thinks fit.
২,৩৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারার অনুযায়ী, এক বছরের মধ্যে একই ধরনের তিনটি অপরাধ সংঘটিত হলে কী করা যাবে?
  1. একসাথে অভিযোগ গঠন করা যাবে
  2. আলাদা আলাদা মামলা গঠন করা হবে
  3. অপরাধীকে একাধিক দণ্ড দেওয়া হবে
  4. অপরাধীকে একবারে খালাস দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর:
একসাথে অভিযোগ গঠন করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একসাথে অভিযোগ গঠন করা যাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোন ব্যক্তি একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে সংঘটিত করে, তবে সেগুলিকে একত্রে অভিযোগ গঠন করে একটি মামলায় বিচার করা যাবে, যদি অপরাধগুলি একই ধরনের এবং একই পরিমাণ দণ্ডনীয় হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে-
- যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক,তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই নামানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে।
তবে শর্ত এই যে,এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোনো ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা,একই ধরনের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together:
(1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three.
(2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law:
Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.
২,৩৬৪.
খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুযায়ী আপিল দায়েরের তামাদি মেয়াদ ________?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১৮০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦প্রশ্নটি লেখাতে ভুল আছে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধিতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার তামাদির মেয়াদ ৬০ দিন উল্লেখ করা হয়েছে ৪১৭ (৩)) এবং এই সময় শুধুমাত্র নালিশকারী কর্তৃক খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের সময় ৬ মাস উল্লেখ করা হয়েছে তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ অনুচ্ছেদে এবং এই সময় শুধুমাত্র পাবলিক প্রসিকিউটর কর্তৃক খালাসের বিরুদ্ধে আপীল দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। প্রশ্নটি সঠিক হবে যদি ৬ মাসের পরিবর্তে ৬০ দিন উত্তর করা হয় বা প্রশ্নে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর পরিবর্তে the Limitation Act, 1908 লেখা হয়। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ বা পাবলিক প্রসিকিউটর আপীল করলে, আপীল করার তামাদির মেয়াদ ৬ মাস। কিন্তু সি.আর মামলায় নালিশকারী বা অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করলে আপীল করার তামাদির মেয়াদ ৬০ দিন।
♦অর্থাৎ খালাস আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদিকে খালাস আদেশ প্রদানের ৬০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়। [ধারা ৪১৭(৩)] এবং খালাস আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ খালাস আদেশ প্রদানের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করতে পারে। [অনুচ্ছেদ ১৫৭, তামাদিআইন, ১৯০৮]
♦সুতরাং প্রশ্নটির সব কিছু বিবেচনা করে উত্তর ৬ মাস গ্রহণ করা হল।
২,৩৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি কোন ভাষায় লিপিবদ্ধ করতে হবে?
  1. ইংরেজি ভাষায়
  2. আদালতের ভাষায়
  3. অভিযুক্তের ভাষায়
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অনুযায়ী, অভিযুক্তের জবানবন্দি যে ভাষায় গ্রহণ করা হবে, সে ভাষায়ই তা লিপিবদ্ধ করতে হবে। যদি অভিযুক্তের ভাষায় এটি সম্ভব না হয়, তাহলে আদালতের ভাষায় বা ইংরেজি ভাষায় জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করা যাবে। এছাড়া, অভিযুক্ত যদি ওই ভাষাটি না বোঝে, তবে তাকে বুঝানোর জন্য অন্যান্য ভাষায় ব্যাখ্যা দিতে হবে। তাই, সঠিক উত্তর হল "উপরের সবকটি" ভাষা ব্যবহার করা হতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 364. Examination of accused how recorded:
(1) Whenever the accused is examined by any Magistrate, or by any Court other than High Court Division the whole of such examination, including every question put to him and every answer given by him, shall be recorded in full, in the language in which he is examined, or, if that is not practicable, in the language of the Court or in English: and such record shall be shown or read to him, or, if he does not understand the language in which it is written, shall be interpreted to him in a language which he understands, and he shall be at liberty to explain or add to his answers. 
(2) When the whole is made conformable to what he declares is the truth, the record shall be signed by the accused and the Magistrate or Judge of such Court, and such Magistrate or Judge shall certify under his own hand that the examination was taken in his presence and hearing and that the record contains a full and true account of the statement made by the accused. 
(3) In cases in which the examination of the accused is not recorded by the Magistrate or Judge himself, he shall be bound, as the examination proceeds, to make a memorandum thereof in the language of the Court, or in English, if he is sufficiently acquainted with the latter language; and such memorandum shall be written and signed by the Magistrate or Judge with his own hand, and shall be annexed to the record. If the Magistrate or Judge is unable to make a memorandum as above required, he shall record the reason of such inability. 
(4) Nothing in this section shall be deemed to apply to the examination of an accused person under section 263.
২,৩৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪০ক ধারা মূলত কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জামিনের নিয়ম
  2. সাক্ষ্য প্রমাণের পদ্ধতি
  3. মামলার রায় প্রদান
  4. অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার পরিচালনা
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান-
(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জন আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
২,৩৬৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় ম্যাজিস্টেটগণের সাধারণ ক্ষমতার কথা উল্লেখ আছে?
  1. দ্বিতীয় তফসিলে
  2. তৃতীয় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিলে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।ফৌজদারী কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
১ম তফসিল- বাতিল।
২য় তফসিল- পেনাল কোডের অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য, আমলযোগ্য এবং আমলঅযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য এবং জামিনঅযোগ্য অপরাধ ইত্যাদি।
৩য় তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা।
৪র্থ তফসিল- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা
৫ম তফসিল- ফরমসমূহ।
২,৩৬৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৭৩ ধারার অধীন দায়রা আদালতের রায় ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি প্রেরণ করতে হবে-
  1. তদন্তকারী পুলিশ বরাবর
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  3. সংশ্লিষ্ট থানার নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. বর্ণিত প্রত্যেকের কাছেই
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ,
⇒ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
⇒ এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
২,৩৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় জামিনদারের অব্যাহতির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৬
  2. ধারা ৪৯৭
  3. ধারা ৪৯৮
  4. ধারা ৫০২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫০২
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০২-এর অধীন জামিনদারের অব্যাহতি (Discharge of sureties)-এর বিধান রয়েছে। এই ধারা অনুসারে, জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জামিনদার যেকোনো সময় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করে জামিননামা সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করতে পারেন। আবেদন গ্রহণের পর ম্যাজিস্ট্রেট গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আসামীকে হাজির করান এবং জামিনদারকে অব্যাহতি দেন। আসামী হাজির হলে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলা হয়, ব্যর্থ হলে জেলে প্রেরণ করা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি: জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,-Section 502: Discharge of sureties:-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.

২,৩৭০.
অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজনের ফলে যদি আসামি বা সরকার পক্ষের ক্ষতি হয় তখন আদালত-
  1. অভিযোগ পরিবর্তন স্থগিত করতে পারেন
  2. বিচার চালিয়ে যাবেন
  3. বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি মামলায় একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি কি ধরণের অপরাধ করেছে এবং কার বিরুদ্ধে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে তা চার্জ হতেই জানা যায়।অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে।
সুতরাং বলা যায়,চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

ধারাঃ ২২৯ অনুসারে-
যদি নতুন,পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগ এরূপ হয় যে,আদালতের মতে বিচার  শুরু করার ফলে আসামি বা সরকার পক্ষের ক্ষতি হতে পারে,তাহলে আদালত নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন অথবা প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন।
[If the new or altered or added charge is such that proceeding immediately with the trial is likely, in the opinion of the Court, to prejudice the accused or the prosecutor as aforesaid, the Court may either direct a new trial or adjourn the trial for such period as may be necessary.]
২,৩৭১.
নালিশি মামলায় আসামি খালাস পেলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে _____দিনের মধ্যে আপিল করতে হয় -
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১৮০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪১৭ মতে খালাস আদেশের বিরুদ্ধে নালিশকারী আপীল করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং পাবলিক প্রসিকিউটর আপীল করতে পারে ৬ মাসের মধ্যে। যেহেতু নালিশী মামলায় খালাস দেওয়া হয়েছে, সেহেতু নালিশকারী ৬০ দিনের মধ্যে আপীল করতে পারবে।
২,৩৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪১(ক) অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কখন আসামিকে অব্যাহতি দিতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র চূড়ান্ত শুনানিতে
  2. অভিযোগ প্রমাণিত হলে
  3. চার্জ গঠনের পরে
  4. চার্জ গঠনের আগে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের আগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের আগে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪১ক বা Section 241A অনুযায়ী, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন বা তথ্য-প্রমাণে সমর্থিত নয়, তাহলে তিনি চার্জ গঠনের আগেই অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
- অতএব, চার্জ গঠনের আগেই যদি অভিযোগের ভিত্তি না থাকে, ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- ধারা ২৪১ক-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.

২,৩৭৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪০৫ অনুসারে কোন আবেদন অগ্রাহ্য হলে আপিল করা যায়?
  1. সম্পত্তির ক্রোক করার আবেদন
  2. ঋণ আদায়ের আবেদন
  3. জমির মালিকানা দাবির আবেদন
  4. ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন
সঠিক উত্তর:
ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৫- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন অগ্রাহ্য হলে তার বিরুদ্ধে আপিল:
কোন আদালত সম্পত্তি বা সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ প্রদানের জন্য কোন ব্যক্তির ধারা ৮৯-এর অধীন রুজুকৃত আবেদনপত্র অগ্রাহ্য করলে তিনি সেই আদালতে আপিল করতে পারেন, যে আদালতে পূর্ববর্তী আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে সাধারণত আপিল করা চলে।

[Any person whose application under section 89 for the delivery of property or the proceeds of the sale thereof has been rejected by any Court may appeal to the Court to which appeals ordinarily lie from the sentences of the former Court.]
২,৩৭৪.
দায়িত্বপ্রাপ্ত মামলা যে আদালতে বিচারাধীন, পাবলিক প্রসিকিউটর সেই আদালতে-
  1. লিখিত কর্তৃত্ব সাপেক্ষে হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
  2. কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
  3. লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়া হাজির হতে পারবেন, তবে মামলা পরিচালনা করতে পারবেন না
  4. মৌখিক বা লিখিত কর্তৃত্ব সাপেক্ষে হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৯৩ অনুসারে,

পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোন বেসরকারী ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য এডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন এডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন।

The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
২,৩৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কিভাবে কার্যকর করা যাবে?
  1. যেকোনো ভাবে
  2. পাথর নিক্ষেপ করে কার্যকর করতে হবে
  3. ফায়ারিং স্কোয়াডে রেখে কার্যকর করতে হবে
  4. মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে
সঠিক উত্তর:
মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান: কোন ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত হলে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রেখে তা কার্যকর করা হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান: (১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।
⇒ CrPC-Section-368: Sentence of death: (1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
Sentence of transportation (2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
২,৩৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭ ধারায় রায় সম্পর্কিত কোন বিধান আছে?
  1. রায়ের ভাষা
  2. রায়ের বিষয়বস্তু
  3. রায় সংশোধনের কার্যপদ্ধতি
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
 ধারা ৩৬৭: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু-
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

Section 367- Language of judgment Contents of judgment:
(1) Every such judgment shall, except as otherwise expressly provided by this Code, be written by the presiding officer of the Court or form the dictation of such presiding officer in the language of the Court, or in English; and shall contain the point or points for determination, the decision thereon and the reasons for the decision; and shall be dated and signed by the presiding officer in open Court at the time of pronouncing it and where it is not written by the presiding officer with his own hand, every page of such judgment shall be signed by him.

(2) It shall specify the offence (if any) of which, and the section of the Penal Code or other law under which, the accused is convicted, and the punishment to which he is sentenced.
২,৩৭৭.
ধারা ৩৪০ অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি সাক্ষ্য দিতে না পারলে অন্য সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালত কী করতে পারবে?
  1. অনুমান করতে পারবে
  2. অনুমান করতে পারবে না
  3. সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়াই দণ্ড দিতে পারবে
  4. নতুন সাক্ষ্য আহ্বান করতে পারবে
সঠিক উত্তর:
অনুমান করতে পারবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমান করতে পারবে না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারার বিধান- যাহার বিরুদ্ধে কার্যক্রম দায়ের করা হইয়াছে তাহার আত্মপক্ষ সমর্থন করিবার অধিকার ও সাক্ষী হইবার যোগ্যতা:
(১) ফৌজদারি আদালতে কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তির অথবা এরূপ কোন আদালতে এই আইনানুসারে যার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে কৌসুলীর দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার তার থাকবে।

(২) এরূপ কোন আদালতে যার বিরুদ্ধে ১০৭ ধারা অথবা দশম অধ্যায়, একাদশ অধ্যায়, দ্বাদশ অধ্যায়, ষষ্ঠ বিংশ অধ্যায় বা ৫৫২ ধারা অনুসারে মামলা রুজু করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি নিম্নে উক্ত মামলার সাক্ষী হিসাবে হাজির হতে পারবে।

(৩) কোন অপরাধের দায়ে ফৌজদারি আদালতে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে প্রণীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক সাক্ষ্য দিতে পারবে:

তবে শর্ত এই যে,
ক) সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
খ) সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে যে কোন মন্তব্য করতে পারবে না অথবা ইহা দ্বারা তার বিরুদ্ধে বা তার সাথে এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন আসামীর বিরুদ্ধে কোন অনুমানের উদ্ভব হবে না।
২,৩৭৮.
কোন অপরাধের তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হলে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে হবে এই বিধানটি প্রযোজ্য হবে না-
  1. দণ্ডবিধির ৪০০ এবং ৪০১ ধারার জন্য
  2. দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার জন্য
  3. দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারার জন্য
  4. দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার জন্য
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০০ এবং ৪০১ ধারার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০০ এবং ৪০১ ধারার জন্য
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৬৫(৫) ধারা মতে কোন অপরাধের তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে  শেষ না হলে আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে হবে। তবে এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হলো The Penal Code, 1860 এর ৪০০ ধারা (ডাকাত দলের সদস্য হওয়ার শাস্তি) ও ৪০১ ধারা (চোর দলের সদস্য হওয়ার শাস্তি)।
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৬৫(৫) ধারা অনুযায়ী ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে না পারলে ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ও ১০ বছরের অধিক কারাদণ্ড ছাড়া অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। ধারা ১৬৭(৫) এর বিধান দণ্ডবিধির ধারা ৪০০ ও ৪০১ এর অধীন অপরাধ তদন্তের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
২,৩৭৯.
জামিন (bail) সম্পর্কিত বিধানাবলী ফৌজদারী কার্যবিধির কোন অধ্যায়ে রয়েছে?
  1. ২৯ অধ্যায়ে
  2. ৩২ অধ্যায়ে
  3. ৩৬ অধ্যায়ে
  4. ৩৯ অধ্যায়ে
সঠিক উত্তর:
৩৯ অধ্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ অধ্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধিতে জামিন সংক্রান্ত বিধানাবলী স্পষ্টভাবে অধ্যায় ৩৯ (Chapter XXXIX)-এ উল্লেখ করা হয়েছে।
এই অধ্যায়ে ধারা ৪৯৬ থেকে ৫০২ পর্যন্ত জামিনের বিভিন্ন দিক যেমন:
- জামিনযোগ্য অপরাধে জামিন (ধারা ৪৯৬)
- অজামিনযোগ্য অপরাধে জামিন (ধারা ৪৯৭)
- জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ (ধারা ৪৯৮)
- জামিনদার ও বন্ড সংক্রান্ত বিধান (ধারা ৪৯৯-৫০২)
ইত্যাদি বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
 সুতরাং, সঠিক উত্তর অধ্যায় ৩৯ (ধারা ৪৯৬-৫০২)।

জামিনের সংজ্ঞা:
ফৌজদারী কার্যবিধিতে জামিনের নির্দিষ্ট কোনো সংজ্ঞা নেই। তবে সাধারণ অর্থে, পুলিশি হেফাজত থেকে বা গ্রেফতারি পরোয়ানা ফতে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট শর্তে (যেমন নির্দিষ্ট দিনে আদালতে হাজির হওয়া) মুক্তি দিয়ে তাকে জামিনদারের নিকট হস্তান্তর করাকেই জামিন বলা হয়।

জামিনের শর্ত (দুটি মূল উপাদান):
১. জামিননামা (Bail bond):
- এটি একটি নির্দিষ্ট ফরম যা অভিযুক্ত ব্যক্তি পূরণ করে আদালতে জমা দেয়।
- আদালত বা পুলিশ জামিনের জন্য নির্ধারিত অর্থ (জামিনের পরিমাণ) জামিননামায় উল্লেখ থাকে।
- জামিন নেওয়ার সময় জামিননামার অর্থ পরিশোধ বাধ্যতামূলক নয়।
- যদি আসামি পরবর্তীতে আদালতে হাজির না হয় বা শর্ত ভঙ্গ করে, তখন জামিননামায় উল্লেখিত অর্থ পরিশোধ করতে হয়। না করলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে পারে।
২. জামিনদার (Surety):
- জামিনদার সেই ব্যক্তি, যিনি জামিননামায় স্বাক্ষর করে দায়বদ্ধ হন যে, জামিন প্রাপ্ত ব্যক্তি শর্ত পূরণ না করলে তিনি ওই নির্ধারিত অর্থ পরিশোধ করবেন।
২,৩৮০.
দণ্ডিত ব্যক্তির দন্ড স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী 
  2. সরকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. খ+গ
সঠিক উত্তর:
খ+গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ+গ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি এর ৪০১ ধারা সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ মতে সরকার ও রাষ্ট্রপতি উভয়ের ক্ষমতা আছে।
২,৩৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৫ অনুযায়ী কে তদন্তের সময় তল্লাশী পরিচালনা করবেন?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৫ অনুযায়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোনো পুলিশ কর্মকর্তা তল্লাশী পরিচালনা করবেন।

• তদন্তের সময় তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে ধারা ১৬৫ অনুযায়ী কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের সময় যুক্তিসংগতভাবে বিশ্বাস করেন যে-
অপরাধ সম্পর্কে তদন্তের জন্য প্রয়োজনীয় কোন জিনিস কোন স্থানে পাওয়া যাবে এবং অহেতুক বিলম্ব ব্যতীত অন্য কোনভাবে উক্ত জিনিস সংগ্রহ করা যাবে না,তখন উক্ত কর্মকর্তা তার এরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করে,উক্ত থানার সীমানার মধ্যে অবস্থিত যে কোন স্থানে সেই জিনিসের জন্য তল্লাশি পরিচালনা করবেন।
তিনি যদি নিজের তল্লাশি,পরিচালনা করতে অসমর্থ হন তাহলে তার অধস্তন কোন কর্মকর্তাকে তল্লাশি করতে বলবেন।১০২ ও ১০৩ ধারায় বর্ণিত তল্লাশি সম্পর্কিত সাধারণ বিধানসমূহ যথাসম্ভব এই ধারানুসারে পরিচালিত তল্লাশির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
২,৩৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৭ অনুসারে, অ-আমলযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি তার নাম ও ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে বা মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে কী করা যাবে?
  1. তাকে সতর্ক করা হবে
  2. তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে
  3. তাকে জরিমানা করা হবে
  4. তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে
সঠিক উত্তর:
তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে গ্রেপ্তার করা যাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৭(১) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি একজন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোনো অ-আমলযোগ্য অপরাধ (non-cognizable offence) করে বা করতে অভিযুক্ত হয় এবং সেই অফিসারের দাবি করলে তার নাম ও ঠিকানা দিতে অস্বীকার করে অথবা মিথ্যা নাম বা ঠিকানা দেয়, তাহলে পুলিশ অফিসার তার নাম ও ঠিকানা নির্ণয়ের উদ্দেশ্যে তাকে গ্রেপ্তার করতে পারবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান,নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
(২) এধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।
(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-57.Refusal to give name and residence:
(1) When any person who in the presence of a police-officer has committed or has been accused of committing a non-cognizable offence refuses, on demand of such officer, to give his name and residence or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he may be arrested by such officer in order that his name or residence may be ascertained. 
(2) When the true name and residence of such person have been ascertained, he shall be released on his executing a bond, with or without sureties, to appear before a Magistrate if so required: 
Provided that, if such person is not resident in Bangladesh, the bond shall be secured by a surety or sureties resident in Bangladesh. 
(3) Should the true name and residence of such person not be ascertained within twenty-four hours from the time of arrest or should he fail to execute the bond, or, if so required, to furnish sufficient sureties, he shall forthwith be forwarded to the nearest Magistrate having jurisdiction.

২,৩৮৩.
একটি মামলার বিচার চলাকালীন ম্যাজিস্ট্রেট প্রমাণের অভাবে, শাস্তির রায় না দিয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেন এবং অভিযুক্তকে মুক্তি দেন। ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার অধীনে তা করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৭০
  2. ধারা ২৪৭
  3. ধারা ২৪৯
  4. ধারা ৩৭৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোনো পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।

Section-249: Power to stop proceedings when no complainant:
In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
২,৩৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী সরকার নিযুক্ত বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট সাক্ষী হিসেবে না ডেকেই প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫১০
  3. ধারা ৫১১
  4. ধারা ৫১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১০
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫১০ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কেমিক্যাল এক্সামিনার, সহকারী কেমিক্যাল এক্সামিনার, সেরোলজিস্ট, হস্তাক্ষর বিশেষজ্ঞ, আঙুলের ছাপ বিশেষজ্ঞ বা আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের রিপোর্ট – সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা ছাড়াই – যেকোনো তদন্ত, বিচার বা কার্যক্রমে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮:- ধারা: ৫১০: রাসায়নিক পরীক্ষক, সেরোলজিস্ট ইত্যাদির রিপোর্ট:
- এই বিধির অধীনে কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যধারার সময় কোনো বিষয় বা জিনিস পরীক্ষা বা বিশ্লেষণ এবং রিপোর্ট করার জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত কোনো রাসায়নিক পরীক্ষক বা সহকারী রাসায়নিক পরীক্ষক বা কোনো সেরোলজিস্ট, হস্তলিপি বিশেষজ্ঞ, আঙুলের ছাপ বিশেষজ্ঞ বা আগ্নেয়াস্ত্র বিশেষজ্ঞের স্বাক্ষরযুক্ত একটি রিপোর্ট বলে বিবেচিত কোনো নথি, তাকে সাক্ষী হিসাবে তলব না করেই, এই বিধির অধীনে যেকোনো তদন্ত, বিচার বা অন্যান্য কার্যধারায় প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। 
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 510. Report of Chemical Examiner, serologist, etc:
- Any document purporting to be a report under the hand of any Chemical Examiner or Assistant Chemical Examiner to Government or any serologist, handwriting expert, finger print expert or fire-arm expert appointed by the Government, upon any matter or thing duly submitted to him for examination or analysis and report in the course of any proceeding under this Code, may, without calling him as a witness, be used as evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code.

২,৩৮৫.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতা ________ বছর।
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেটগণ যে দণ্ড দিতে পারেন:
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন, যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
২,৩৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা কোন তফসিলে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২য় তফসিল
  2. ৩য় তফসিল
  3. ৪র্থ তফসিল
  4. ৫ম তফসিল
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিল
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩য় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতার বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে। এই তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণ কী ধরনের আদেশ দিতে পারেন বা কতটুকু ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, তা নির্ধারিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে, যা নিম্নরূপ:
১ম তফসিল (First Schedule)- বাতিল। 
২য় তফসিল (Second Schedule)- আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে। 
৩য় তফসিল (Third Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। 
৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule)- ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে। 
৫ম তফসিল (Fifth Schedule)- ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

২,৩৮৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারা অনুযায়ী আদালত যদি মনে করে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি চার্জের ভুলের কারণে বিভ্রান্ত হয়েছে, তবে আদালত কী করতে পারেন?
  1. দণ্ডাদেশ বহাল রাখবেন
  2. নতুন বিচার নির্দেশ দেবেন
  3. আসামিকে অব্যাহতি দেবেন
  4. চার্জ সংশোধন করে পুনরায় তদন্ত করবেন
সঠিক উত্তর:
নতুন বিচার নির্দেশ দেবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন বিচার নির্দেশ দেবেন
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) নতুন বিচার নির্দেশ দেবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার বিধান চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেওয়া হয়েছে-
১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তাহলে উক্ত আদালত যে-রূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।
২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলি এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলির ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।
-----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 232: Effect of material error:
(1) If any Appellate Court, or the High Court Division in the exercise of its powers of revision or of its powers under Chapter XXVII, is of opinion that any person convicted of an offence was misled in his defence by the absence of a charge or by an error in the charge, it shall direct a new trial to be had upon a charge framed in whatever manner it thinks fit.
(2) If the Court is of opinion that the facts of the case are such that no valid charge could be preferred against the accused in respect of the facts proved, it shall quash the conviction.
২,৩৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কখন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারবেন না?
  1. দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা
  2. জনসাধারণের শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা
  3. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
  4. মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা
সঠিক উত্তর:
ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ
ব্যাখ্যা
⇒ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোনো ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশঙ্কা,
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারণের শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা ;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কা ; এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে

-  স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
অর্থাৎ ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কা রোধ করতে ১৪৪ ধারা জারি করতে হয় না তখন ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারেন।

⇒ ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলি অনুসরণ করা হয় । যথা-
i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরি পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।
⇒ ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
২,৩৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারে অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, অভিযুক্তের জিজ্ঞাসাবাদ ও রায় ঘোষণা একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে?
  1. ধারা ২৬০
  2. ধারা ২৬২
  3. ধারা ২৬৪
  4. ধারা ২৬৪ক 
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৪ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৪ক 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ (Act No. V of 1898)-এর দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২৬৪ক (Section 264A) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, সংক্ষিপ্ত বিচারে (summary trials) নিম্নলিখিত প্রক্রিয়াগুলো, যদি সম্ভব হয়, একই অধিবেশনে সম্পন্ন করা যেতে পারে:
- অভিযোগ গঠন (framing of charges),
- সাক্ষ্যগ্রহণ (recording of evidence),
- ধারা ৩৪২-এর অধীনে অভিযুক্তের জিজ্ঞাসাবাদ (examination of the accused),
- এবং রায় ঘোষণা (pronouncement of judgment)।
এই বিধান ধারা ২৬২-এর বিপরীতে প্রযোজ্য এবং আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে যেকোনো স্থানে এই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করার অনুমতি দেয়।
------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-264A. Special procedure for summary trials.- Notwithstanding anything contained in section 262, the framing of charges, recording of evidence, examination of the accused under section 342, and pronouncement of judgment may, if practicable, be completed in the same session at any place within the jurisdiction of the Court.

২,৩৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯ ধারা অনুযায়ী জবানবন্দি বা দলিল পেশ করা হলে,উক্ত বিষয়ে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কে কমিশন নিয়োগ করতে পারে?
  1. তদন্ত বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত
  2. তদন্তকারী আদালত
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার
  4. বিচারিক আদালত
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ১৮৯(জবানবন্দীর নকল ও পেশকৃত দলিলসমূহ সাক্ষ্য রূপে গ্রহণ করতে নির্দেশ দেবার ক্ষমতা)-

যেক্ষেত্রে ধারা-১৮৮(দেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে) এ বর্ণিত কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচার হয়,সেক্ষেত্রে সরকার সঠিক মনে করলে নির্দেশ দিতে পারবেন যে,যেই স্থানে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে মর্মে অভিযোগ করা হয়েছে,সেই এলাকায় বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা বরাবর যে সাক্ষ্য প্রদান করা হয়েছে,উহার প্রতিলিপি অথবা যেসব দলিলাদি পেশ করা হয়েছে তা তদন্ত বা বিচার অনুষ্ঠানকারী আদালত কর্তৃক সেসব ক্ষেত্রে প্রমাণ রূপে গৃহীত হবে,যেসব ক্ষেত্রে উক্ত আদালত উক্ত জবানবন্দি বা দাখিল সম্বন্ধীয় বিষয়ে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন নিযুক্ত করতে পারেন।

[Whenever any such offence as is referred to in section 188 is being inquired into or tried,the Government may,if it thinks fit,direct that copies of depositions made or exhibits produced before a judicial officer in or for the territory in which such offence is alleged to have been committed shall be received as evidence by the Court holding such inquiry or trial in any case in which such Court might issue a commission for taking evidence as to the matters to which such depositions or exhibits relate.]
২,৩৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২ অনুযায়ী, কোন ম্যাজিস্ট্রেট অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২ অনুযায়ী, যদি কোনো নারী বা ১৬ বছরের নিচে কোনো বালিকাকে অপহরণ বা অবৈধভাবে আটক করার অভিযোগ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট শপথপূর্বক অভিযোগ আকারে আনা হয়, তাহলে তারা ঐ নারীকে তার স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে অথবা ঐ বালিকাকে তার স্বামী, মাতা-পিতা বা আইনগত অভিভাবকের নিকট ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
এছাড়া, প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আদেশ কার্যকর করার ক্ষমতাও এই ম্যাজিস্ট্রেটদের রয়েছে।
- সুতরাং, ধারা ৫৫২ অনুযায়ী উল্লিখিত সকল ম্যাজিস্ট্রেট (জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট) এই আদেশ প্রদানের ক্ষমতা রাখেন। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বে-আইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section 552- Power to compel restoration of abducted females
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
২,৩৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারায় কে আটককৃত মালামাল বিক্রির আদেশ দিতে পারে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট
  2. পুলিশ কমিশনার
  3. জব্দকারী পুলিশ অফিসার
  4. সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী-
আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
২,৩৯৩.
_________ may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা অনুসারে শুণ্যস্থানে কী বসবে?
  1. The High Court Division
  2. Any Sessions Judge
  3. The High Court Division or any Sessions Judge
  4. Any Sessions Judge or Additional Sessions Judge
সঠিক উত্তর:
The High Court Division or any Sessions Judge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The High Court Division or any Sessions Judge
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 435: Power to call for records of inferior Courts:
1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record.
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান- নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারী আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।
২,৩৯৪.
"Power of superior officers of police"- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ধারা ৫৫০
  2. ধারা ৫৫১
  3. ধারা ৫৪৭
  4. ধারা ৫৫৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫১
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫১- ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের ক্ষমতা

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাঁর থানার এলাকার মধ্যে যেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ঊর্ধ্বতন পদের পুলিশ কর্মকর্তাগণও তারা যে স্থানীয় এলাকায় নিযুক্ত সেই এলাকার সর্বত্র সেসব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

Section 551- Power of superior officers of police

Police officers superior in rank to an officer in charge of a police-station may exercise the same powers, throughout the local area to which they are appointed, as may be exercised by such officer within the limits of his station.
২,৩৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা জনসাধারণকে অপরাধ দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সাহায্যের বাধ্যবাধকতা প্রদান করে?
  1. ৪০ ধারা
  2. ৪১ ধারা
  3. ৪২ ধারা
  4. ৪৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে, জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
১: গ্রেফতার বা পলায়ন প্রতিরোধ-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২(ক) মোতাবেক পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

২: অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষা-
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২(খ) তে বলা আছে যে, কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের  চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
২,৩৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কত ধারা মোতাবেক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা হয়?
  1. ৭০
  2. ৬১
  3. ৮১
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
• বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ৬১ ধারায় ও পরোয়ানাসমেত গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ৮১ ধারায় আদালতে হাজির করা হয়।
[ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬১ ও ৮১]
২,৩৯৭.
আদালত বেইল বন্ডের জন্য অধিক পরিমাণ অর্থ নির্ধারণ করলে উক্ত অর্থ যুক্তি সঙ্গত হারে কমানোর জন্য আবেদন করতে হয়-
  1. ৪৯৮ ধারায়
  2. ৪৯৯ ধারায়
  3. ৫০০ ধারায়
  4. ৫০১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৯৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতাঃ (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

♦জামিনঅযোগ্য অপরাধে আটক বা গ্রেফতারের আশংকা আছে এমন ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালতে আগাম জামিনের (Anticipatory Bail) আবেদন করতে পারেন। ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী আদালত জামানতের পরিমাণ হ্রাস করতে পারে।
♦ অর্থাৎ ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিনের আবেদন করা যায়। এ ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা জজ।
২,৩৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের অপরাধ পুনরাবৃত্তি না করার আদেশ প্রদান করতে পারে?
  1. গণ-উপদ্রব
  2. অস্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত যেকোনো অপরাধ
  3. বিশেষ আইনের অধীন যেকোনো অপরাধ
  4. যেকোনো ফৌজদারি অপরাধ
সঠিক উত্তর:
গণ-উপদ্রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণ-উপদ্রব
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৩ ধারা- ম্যাজিস্ট্রেট গণ-উপদ্রব পুনরাবৃত্তি করা বা অব্যাহত রাখা নিষিদ্ধ করতে পারবেন:
কোনো জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রাপ্ত ক্ষমতায় ক্ষমতাবলে অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোনো ব্যক্তির প্রতি দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনে উল্লেখিত গণ-উপদ্রবের পুনরাবৃত্তি না করার বা উহা অব্যাহত না রাখার আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 143- Magistrate may prohibit repetition or continuance of public nuisance:
A District Magistrate or any other Executive Magistrate] empowered by the Government or the District Magistrate in this behalf, may order any person not to repeat or continue a public nuisance, as defined in the Penal Code or any special law.
২,৩৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ থাকবেন?
  1. ধারা ১৬
  2. ধারা ১৭
  3. ধারা ১৮
  4. ধারা ১৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারা অনুযায়ী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ (Executive Magistrates) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (District Magistrate) অধীনস্থ থাকবেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের কার্যভার বণ্টন করতে পারেন এবং সময় সময় বিশেষ নির্দেশ প্রদান করতে পারেন, তবে তা ফৌজদারি কার্যবিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা:
"সকল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, যাদের ১০ ও ১২(১) ধারা অনুসারে নিয়োগ করা হয়, তারা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ থাকবেন, এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সময়ে সময়ে এই ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে কার্যভার বণ্টন সংক্রান্ত বিশেষ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।"

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭(১) ধারা অনুযায়ী, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটগণ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ থাকেন এবং তিনি প্রয়োজন অনুসারে তাদের কাজের বণ্টন করতে পারেন।
২,৪০০.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী, তিনি 'খ'-এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত হাজির হওয়ার নির্ধারিত তারিখে 'খ' হাজির থাকলেও, 'ক' হাজির হন নি। উক্ত মামলার ফলাফল হতে পারে-
  1. 'খ' খালাস বা অব্যাহতি পাবে
  2. ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে অব্যাহতি দিতে পারে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারে
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ে,নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে(শুনানী মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন; তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানী মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন।

তবে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও
⇒ মামলাটি নিয়ে অগ্রসর হতে পারেন।

Section 247: Non-appearance of complainant-
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: 

Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.