বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ২২ / ২৯ · ২,১০১২,২০০ / ২,৮৮৩

২,১০১.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ কোন ধরণের আইন?
  1. মৌলিক আইন
  2. বিশেষ আইন
  3. পদ্ধতিগত আইন
  4. প্রশাসনিক আইন
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্ধতিগত আইন
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (Code of Criminal Procedure, 1898) একটি পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law / Adjective Law)। এটি অপরাধের সংজ্ঞা বা শাস্তি নির্ধারণ করে না (যা দণ্ডবিধি করে), বরং কীভাবে অপরাধের তদন্ত, বিচার, আপিল ইত্যাদি পরিচালিত হবে – তার পদ্ধতি নির্ধারণ করে।
⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।

২,১০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২০ অনুসারে, জেলে থাকা আপিলকারী তার আপিল আবেদন জমা দিতে হবে-
  1. থানার ইনচার্জকে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. সরাসরি হাইকোর্টে
  4. জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২০ অনুসারে, জেলে অবস্থানরত ব্যক্তি তার আপিলের দরখাস্ত এবং রায়ের নকল জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবেন, এবং তিনি তা যথাযথ আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২০ ধারার বিধান আপিলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
- আপিলকারী জেলে থাকলে আপিলের নকলসহ তার আপিলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপিল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 420. Procedure when appellant in jail:
-If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
২,১০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৫ অনুসারে চার্জে ভুল বা অসম্পূর্ণতা কখন গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য হবে?
  1. সবসময় গুরুত্বপূর্ণ
  2. যখন আদালত ভুল শনাক্ত করে
  3. যখন পুলিশ রিপোর্টে ভুল থাকে
  4. যখন আসামি বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়
সঠিক উত্তর:
যখন আসামি বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন আসামি বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচার বিঘ্নিত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৫ অনুযায়ী অভিযোগপত্রে ভুল বা অসম্পূর্ণতা কেবল তখনই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায় যখন তার কারণে আসামি প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচার ব্যর্থ হয়।
- সুতরাং, শুধুমাত্র ভুল বা অসম্পূর্ণতা থাকলেই তা গুরুত্বপূর্ণ নয়; এটা তখনই গুরুত্বপূর্ণ হবে যখন দুটি শর্ত একসাথে পূরণ হবে:
১. আসামি প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয়েছে।
২. এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটেছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারার বিধান: ভুলের প্রভাব:
 - অভিযোগপত্রে অপরাধ বা অপরাধের বিবরণ উল্লেখ করার ক্ষেত্রে কোনো ভুল বা কোনো তথ্য উল্লেখ করতে অসমর্থতা, মামলার যে কোনো পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য হবে না, যদি না এই ভুল বা অসম্পূর্ণতার কারণে অভিযুক্ত প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে।
-------------
→ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 225. Effect of errors: 
- No error in stating either the offence or the particulars required to be stated in the charge, and no omission to state the offence or those particulars, shall be regarded at any stage of the case as material, unless the accused was in fact misled by such error or omission, and it has occasioned a failure of justice.

২,১০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট কতটি কলাম রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule) এর ৮টি কলাম:
১. ১ম কলাম: পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ।
২. ২য় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. ৩য় কলাম: পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারবে কি পারবে না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. ৪র্থ কলাম: প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা।
৫. ৫ম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ৬ষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. ৭ম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি।
৮. ৮ম কলাম: যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
২,১০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারার অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ কোন পরিস্থিতিতে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করতে
  2. আদালতের আদেশ কার্যকর করতে
  3. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারা অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ তিনটি প্রধান কারণে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে:
১) আদালতের আদেশ কার্যকর করতে
২) আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করতে
৩) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে
অতএব, হাইকোর্ট বিভাগ উপরের সবগুলো পরিস্থিতিতেই সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
-Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
২,১০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারায় ১৫ বছরের কম বয়সী অপরাধী কিশোরদের জন্য বিচার কিভাবে সম্পন্ন হবে?
  1. কোন বিচার হবে না
  2. হাইকোর্ট বিভাগ বিচার করবেন
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন
  4. হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারা- কিশোরদের ক্ষেত্রে এখতিয়ার:
কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট করতে পারবেন।

Jurisdiction in the case of juveniles:
Any offence, other than one punishable with death or transportation for life, committed by any person who at the date when he appears or is brought before the Court is under the age of fifteen years, may be tried by Chief Judicial Magistrate or the Chief Metropolitan Magistrate, or by any Magistrate specially empowered by the Government to exercise the powers conferred by or under any law providing for the custody, trial or punishment of youthful offenders, by any Magistrate empowered by or under such law to exercise all or any of the powers conferred thereby.
২,১০৭.
আদালতের অফিসার বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সমন জারির ক্ষেত্রে কার নির্দেশনা অনুসরণ করতে হয়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনা
  2. সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রণীত বিধি
  4. সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের নির্দেশনা
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৮(২) অনুসারে আদালতের অফিসার বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সমন জারির ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি অনুসরণ করতে হয়। 
সুতরাং, আদালতের অফিসার বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক সমন জারির ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধি অনুসরণ করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারার বিধান সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
(২) সমন জারিকারক : এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।
---------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 68.
-Form of summons:
1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.
- Summons by whom served:
2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.

২,১০৮.
অপরাধীর বয়স কত হলে তাকে জেলে আটকের পরিবর্তে সংশোধনাগারে আটক রাখার আদেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. ১২ বছরের কম
  2. ১৪ বছরের কম
  3. ১৫ বছরের কম
  4. ১৮ বছরের কম
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারার বিধান তরুণ অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।
--------------------
CrPC-Section:399-Confinement of youthful offenders in reformatories:
(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein.
(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
২,১০৯.
Under Section 148(1), who can be directed to pay the necessary expenses of the local inquiry?
  1. Only the accused
  2. Only the complainant
  3. Any party as declared by the inquiry officer
  4. Any party as declared by the District Magistrate
সঠিক উত্তর:
Any party as declared by the District Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Any party as declared by the District Magistrate
ব্যাখ্যা
Section 148: Local inquiry-
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 
 
(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির-১৪৮: স্থানীয় তদন্ত:
(১) যখন এই অধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একটি স্থানীয় তদন্ত প্রয়োজন হয়, তখন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে এই তদন্ত পরিচালনার জন্য নিয়োগ করতে পারেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনার জন্য তাকে লিখিত নির্দেশনা সরবরাহ করতে পারেন। তিনি নির্ধারণ করতে পারেন যে, তদন্তের সমস্ত বা আংশিক ব্যয় কার দ্বারা পরিশোধিত হবে।

(২) এভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির প্রতিবেদন মামলায় প্রমাণ হিসেবে পড়া যেতে পারে।
২,১১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায়, অভিযোগ বাতিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. মামলা পুনরায় উত্থাপন করবেন
  2. অভিযোগকারীকে পুলিশ হেফাজতে দেবেন
  3. সাক্ষীদের নতুন করে পরীক্ষা করবেন
  4. অভিযোগ বাতিলের কারণ সংক্ষেপে রেকর্ড করবেন
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ বাতিলের কারণ সংক্ষেপে রেকর্ড করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ বাতিলের কারণ সংক্ষেপে রেকর্ড করবেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারার অধীনে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগের যথেষ্ট ভিত্তি না পেয়ে মামলা বাতিল করেন, তবে তিনি ওই সিদ্ধান্তের কারণ সংক্ষেপে রেকর্ড করবেন।
- অর্থাৎ, তিনি সেই নির্দিষ্ট কারণে একটি লিখিত নথিতে রেকর্ড করবেন যা তাকে অভিযোগ বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিতে প্রেরণা দিয়েছে।
- ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগের ভিত্তি এবং তদন্তের ফলাফল যাচাই করে এটি নিশ্চিত করেন যে, মামলা চালানোর জন্য কোনো যথেষ্ট কারণ নেই।
------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,-Section 203.Dismissal of complaint:
The Magistrate before whom a complaint is made or to whom it has been transferred, may dismiss the complaint, if after considering the statement on oath (if any) of the complainant and the result of the investigation or inquiry (if any) under section 202; there is in his judgment no sufficient ground for proceeding. In such cases he shall briefly record his reasons for so doing.
২,১১১.
FIR কে স্বাক্ষর করবে?
  1. সাক্ষী
  2. সংবাদদাতা
  3. পুলিশ সদস্য
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
সংবাদদাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবাদদাতা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) সংবাদদাতা।

এফআইআর (FIR- First Information Report)
অপরাধমূলক কোনো কিছু ঘটার পর সে বিষয়ে প্রতিকার পাওয়ার জন্য থানায় যে সংবাদ দেওয়া বা জানানো হয়, তাকে এজাহার বা এফআইআর বলে। প্রকৃতপক্ষে, এজাহারের মাধ্যমে থানায় মামলা করা হয়। এজাহারের ক্ষেত্রে পিআরবি বা পুলিশ রেগুলেশন বেঙ্গল ১৯৪৩ এর ২৪৩ প্রবিধান এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় এজাহারের বিষয়বস্তু গুলো অনুসরণ করা হয়। 

 FIR লেখার প্রক্রিয়া: অভিযোগকারী (Informant) যদি মৌখিকভাবে তথ্য দেয়—
- ওসি বা তার নির্দেশে পুলিশ সদস্য সেই তথ্য লিখে নেবে;
- সেই লিখিত তথ্য সংবাদদাতাকে পড়ে শোনানো হবে;
- সংবাদদাতা নিশ্চিত হবেন যে তার বক্তব্য সঠিকভাবে লেখা হয়েছে;
- এরপর সেই লিখিত FIR-এ সংবাদদাতাকেই স্বাক্ষর করতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫৪: আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ:

যখন কেউ কোনো আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হওয়ার সংবাদ থানায় জানায়, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেই তথ্য গ্রহণ করতে বাধ্য। যদি সেই তথ্য মৌখিকভাবে জানানো হয়, তাহলে তিনি নিজে বা তার নির্দেশে কেউ তা লিখে নেবেন। এরপর সেই লিখিত বক্তব্য সংবাদদাতাকে পড়ে শুনাতে হবে যেন সে নিশ্চিত হতে পারে, তার কথাই ঠিকভাবে লেখা হয়েছে। এরপর সেই ব্যক্তি স্বাক্ষর করবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা সরকার নির্ধারিত রেজিস্টারে ঐ বিবরণ লিপিবদ্ধ করে রাখবেন।

২,১১২.
দণ্ডিত ব্যক্তির শান্তি রক্ষার মুচলেকা কতদিনের জন্য নেওয়া যায়?
  1. ১ বৎসরের জন্য
  2. ৩ বৎসরের জন্য
  3. ৬ মাসের জন্য
  4. ৭ বৎসরের জন্য
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসরের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বৎসরের জন্য
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৬ ধারা অনুযায়ী দন্ডিত ব্যক্তির শান্তি রক্ষার মুচলেকা নেওয়া যায় ৩ বৎসরের জন্য। জামিনদার সহ বা ব্যতীত। যে আদালত দন্ড দেয় সেই আদালত দন্ড দেওয়ার সময় শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার আদেশও দিতে পারেন।
২,১১৩.
ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন যে স্থানে বসবে, সেই স্থান কি ধরনের আদালত হিসাবে গণ্য হবে?
  1. গোপন আদালত
  2. নিরাপদ আদালত
  3. উন্মুক্ত আদালত
  4. বন্ধ আদালত
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত আদালত
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

Section 352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
২,১১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারায় ফৌজদারি আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
  1. আদালতের কার্যক্রম সর্বদা গোপন রাখতে হবে
  2. আদালতের কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে
  3. আদালতের কার্যক্রম শুধুমাত্র আইনজীবীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে
  4. শুধুমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তির পরিবার আদালতে উপস্থিত থাকতে পারবে
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে
ব্যাখ্যা
উত্তর: আদালতের কার্যক্রম সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির - ধারা ৩৫২ এর বিধান: আদালত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে: 
যে স্থানটি কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ফৌজদারি আদালত হিসেবে ব্যবহৃত হবে, সেটি উন্মুক্ত আদালত বলে গণ্য হবে, যেখানে সাধারণ জনগণ উপস্থিত হতে পারবে, যদি আদালতের কক্ষ বা স্থান তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে স্থান ধারণ করতে সক্ষম হয়।
তবে শর্ত থাকে যে, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রয়োজন মনে করেন, তাহলে তদন্ত বা বিচার কার্যক্রমের যে কোনো পর্যায়ে তিনি আদেশ দিতে পারেন যে—
সাধারণ জনগণ বা নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি আদালতের সেই কক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না বা সেখানে অবস্থান করতে পারবে না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 352: Courts to be open:-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
২,১১৫.
আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন কালে আসামী (Guilty Plead) করায় আদালত আসামীকে দন্ড প্রদান করে। এই ক্ষেত্রে আসামীর–
  1. দণ্ডের পরিমাণ বা দণ্ডের বৈধতা বা যৌক্তিকতা বিষয়ে আপীল করতে পারবে
  2. দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে না
  3. দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলবে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ ধারামতে কোন আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং উক্ত দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে আদালত তাকে কোন দন্ড দিলে উক্ত দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।
তবে এক্ষেত্রে দোষ স্বীকারের উপর ভিত্তি করে দেয়া শাস্তির বৈধতা নিয়ে আপিল করা যেতে পারে।

♦Guilty Plead অর্থ হলো অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করা। আসামী অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দন্ড দিলে সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল চলে না। Guilty Plead বা অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের উপর ভিত্তি করে আসামীকে দন্ড দেওয়া হলে আসামী উক্ত দণ্ডের পরিমাণ এবং বৈধতা বা যৌক্তিকতা বিষয়ে আপীল করতে পারবে।
২,১১৬.
মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রে একজন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালাসের আদেশ প্রদানের সময় নালিশকারীর বিরুদ্ধে জরিমানার আদেশ দিতে পারে, যা হবে অনধিক–
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১,০০০ টাকা
  3. ৩,০০০ টাকা
  4. ৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৫০ মতে যে অভিযোগকারী বা সংবাদদাতার বিরুদ্ধে মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর অভিযোগ দায়েরের জন্য চীফ জুডিশিয়াল/প্রথম/দ্বিতীয় ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন । অনাদায়ে অনধিক ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিতে পারেন। ♦তাছাড়া ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৬ মাসের জেল এবং অনধিক ৩০০০ টাকা জরিমানার আদেশ দিতে পারেন।
♦২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণের ও অনধিক ৩০০০ টাকা জরিমানার আদেশ দিতে পারেন।
২,১১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা দেয়ার আদেশ দিতে পারেন-
  1. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
  2. ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  4. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৮, ১০৯ এবং ১১০ ধারার অধীন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন ব্যক্তি যেমন অভ্যাসগত দস্যু বা ভবঘুরে ব্যক্তিকে সদাচরনের জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
২,১১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮৫ক অনুযায়ী, সাক্ষী যদি বৈধ কারণ ব্যতীত আদালতে হাজির না হয়, তবে আদালত সর্বাধিক কত টাকা জরিমানা করতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ২৫০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।

Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons:
(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty. 
 
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
২,১১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা আছে কতো ধারায়?
  1. ৪৫ ধারায়
  2. ৬৪ ধারায়
  3. ৪৬ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারায় গ্রেফতারের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে, এই ধারা অনুযায়ী সাধারনত কোন ব্যক্তির দেহ স্পর্শ, অবরোধ বা বন্দী করে গ্রেফতার করা যায়।
♦গ্রেফতারে বাধা প্রদান করলে গ্রেফতারের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা যে কোন ধরনের পন্থা অবলম্বন করতে পারবে। তবে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত না হলে, গ্রেফতার করতে গিয়ে কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না।
২,১২০.
দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে- উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি ________ কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয়, তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
  1. ২ বছরের
  2. ৩ বছরের
  3. ৫ বছরের
  4. ৭ বছরের
সঠিক উত্তর:
২ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের
ব্যাখ্যা
• জামিনযোগ্য অপরাধ:
ফৌজদারি কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।

ফৌজদারি কার্যবিধি ২য় তফসিলে উল্লেখিত রয়েছে যে,
দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি দুই বছরের কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয় তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
২,১২১.
খুনের মামলায় একজন অভিযুক্ত দাবী করে, সে ঘটনার দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল এবং চিকিৎসাধীন সম্পর্কিত দলিল চার্জ গঠনের শুনানীর সময় দাখিল করে।দাখিলকৃত দলিলের গ্রহণযোগ্যতা কি?
  1. বিবেচনা করে আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে
  2. বিবেচনা করে আদালত অভিযুক্তকে মুক্তি দিবে
  3. অগ্রহণযোগ্য
  4. বিবেচনা করে আদালত অভিযুক্তকে খালাস দিবে
সঠিক উত্তর:
অগ্রহণযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রহণযোগ্য
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্তের দাখিলকৃত দলিল গ্রহণযোগ্য নয়শুধুমাত্র মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। ২৪১ক ধারায় ও ২৬৫গ ধারায় চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।চার্জ শুনানী শেষে যদি আদালত মনে করে যে অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিবে।

• অব্যাহতির ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় বিবেচনা করবে-
⇒ অভিযুক্ত ব্যক্তির অব্যাহতি পাওয়ার দরখাস্ত বিবেচনার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত মামলার রেকর্ড এবং উক্ত রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র বিবেচনা করবে
⇒ প্রয়োজন মনে করলে,অভিযুক্ত ব্যক্তির জবানবন্দি নিবে(যদি থাকে) এবং প্রসিকিউশন,অভিযুক্তকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিবে।

• মামলার রেকর্ড ও রেকর্ডের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ :
মামলার রেকর্ড অর্থ ব্যক্তির হলো ১৭৩ ধারায় দাখিলকৃত পুলিশ রিপোর্ট। রিপোর্টের সাথে দাখিলকৃত কাগজপত্র অর্থ হলো পুলিশ কর্তৃক ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধকৃত সাক্ষীদের জবানবন্দি, ১৬৪ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক লিপিবদ্ধকৃত বিবৃতি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, সুরতহাল রিপোর্ট,জব্দ তালিকা ইত্যাদি।
২,১২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী দোষ স্বীকারের পর দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের সীমাবদ্ধতা রয়েছে?
  1. ধারা ৪১২
  2. ধারা ৪১৩
  3. ধারা ৪১৪
  4. ধারা ৪১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪১২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]:
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 412. No appeal in certain cases when accused pleads guilty:
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
২,১২৩.
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতা (Inherent power) আছে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায়?
  1. 564
  2. 560
  3. 561A
  4. 561
সঠিক উত্তর:
561A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
561A
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।

The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
২,১২৪.
অভিযুক্ত যদি আদালতে হাজির হওয়ার পর পলাতক হন, তাহলে তার হাজির হওয়ার জন্য আদেশ কোথায় প্রকাশ করতে হবে?
  1. জাতীয় দৈনিকে
  2. সরকারি ওয়েবসাইটে
  3. জাতীয় বাংলা দৈনিকে এবং সরকারি ওয়েবসাইট উভয় স্থানে
  4. উল্লিখিত কোথাও না
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত কোথাও না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত কোথাও না
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত কোথাও না।

ধারা ৩৩৯খ(২) অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত আদালতে হাজির হওয়ার পর পলাতক হন বা হাজির হতে ব্যর্থ হন, তাহলে উপ-ধারা (১)-এ বর্ণিত জাতীয় দৈনিক বা সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশের নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।
এই ক্ষেত্রে আদালত লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারার বিধান- আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৭ এবং ধারা ৮৮-তে যা কিছুই থাকুক না কেন, যদি আদালতের বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকে যে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি পলাতক অথবা নিজেকে এমনভাবে গোপন করে রেখেছে যাতে তাকে গ্রেফতার করে বিচারার্থে হাজির করা সম্ভব হচ্ছে না এবং তাকে দ্রুত গ্রেফতার করার সম্ভাবনা নেই, তবে অভিযোগের বিষয়ে বিচার গ্রহণকারী আদালত, জাতীয়ভাবে ব্যাপক প্রচারিত দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত এক আদেশের মাধ্যমে, উক্ত ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে উপস্থিত হতে নির্দেশ দেবে। এবং যদি উক্ত ব্যক্তি ওই নির্দেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, তবে তার অনুপস্থিতিতেই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

শর্তসাপেক্ষে, আদালত প্রয়োজনে আরও নির্দেশ দিতে পারে যে অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজিরার আদেশটি জেলা ও দায়রা জজ আদালত, প্রধান বিচারিক হাকিম আদালত, প্রধান মহানগর হাকিম আদালত, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বাংলাদেশ পুলিশ বা অন্য কোনো সরকারি ওয়েবসাইট—যার জনসাধারণের কাছে ব্যাপক প্রবেশাধিকার রয়েছে—সেখানে প্রকাশ করা হবে।

(২) আসামিকে হাজির করার পর কিংবা আসামি হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামি পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশি অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।

২,১২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আপিল বিভাগ কোন ক্ষেত্রে মামলা বা আপিল স্থানান্তর করে থাকে?
  1. সাক্ষীদের সুবিধার উদ্দেশ্যে
  2. পক্ষগণের সুবিধার উদ্দেশ্যে
  3. ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যে
  4. উল্লিখিত যেকোন ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোন ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত যেকোন ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ক ধারার বিধান:- মামলা ও আপীল স্থানান্তরের ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের ক্ষমতা:
(১) যেক্ষেত্রে এটা প্রতীয়মান হয় যে, এরূপ স্থানান্তর ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্য বা পক্ষগণ বা সাক্ষীদের সাধারণ সুবিধার উন্নয়ন ঘটাবে সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগ কোন নির্দিষ্ট মামলা বা আপিল হাইকোর্ট বিভাগের এক স্থায়ী বেঞ্চ থেকে উহার অন্য স্থায়ী বেঞ্চে কিংবা হাইকোর্ট বিভাগের কোন স্থায়ী বেঞ্চের এখতিয়ারের মধ্যকার কোন ফৌজদারী আদালত থেকে হাইকোর্ট বিভাগের অন্য কোন স্থায়ী বেঞ্চের মধ্যকার এখতিয়ারের মধ্যকার একই বা উচ্চতর ক্ষমতা সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।

(২) যে হাইকোর্ট ডিভিশনের স্থায়ী বেঞ্চ কিংবা ক্ষেত্রমতে আদালতে মামলা বা আপীল স্থানান্তরিত হয়, সে বেঞ্চ বা আদালত এমনভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন যাতে মূলতঃ সেখানেই উক্ত মামলা বা আপীল দায়ের করা বা উপস্থাপিত হয়েছিল।
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 525A- Power of Appellate Division to transfer cases and appeals:
(1) The Appellate Division may direct the transfer of any particular case or appeal from one permanent Bench of the High Court Division to another permanent Bench of the High Court Division, or from any Criminal Court within the jurisdiction of one permanent Bench of the High Court Division to any other Criminal Court of equal or superior jurisdiction within the jurisdiction of another permanent Bench of the High Court Division, whenever it appears to it that such transfer promote the ends of justice, or tend to the general convenience of parties or witnesses.

(2) The permanent Bench of the High Court Division or the Court, as the case may be, to which such case or appeal is transferred shall deal with the same as if it had been originally instituted in, or presented to, such Bench or Court, as the case may be.
২,১২৬.
কোন ক্ষেত্রে সিভিল সার্জন বা চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে গেলে
  3. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করলে এবং তাকে আনা সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল হলে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

Section 509A: Report of post-mortem examination
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
২,১২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুসারে দায়রা বিভাগ বা জেলার সংখ্যা বা সীমা পরিবর্তনের ক্ষমতা কার আছে?
  1. সরকারের
  2. স্থানীয় প্রশাসনের
  3. আইন কমিশনের
  4. প্রধান বিচারপতির
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি (The Code of Criminal Procedure), ১৮৯৮ এর ধারা ৭(২) অনুসারে, দায়রা বিভাগ (Sessions Division) বা জেলার (District) সংখ্যা বা সীমানা পরিবর্তনের ক্ষমতা একমাত্র সরকারের রয়েছে।
-ধারা ৭(২) এর পাঠ্য:
"The Government may alter the limits or the number of such divisions and districts."
বাংলা অর্থ: সরকার দায়রা বিভাগ ও জেলার সীমা বা সংখ্যা পরিবর্তন করতে পারেন।
- আদালতের সীমা নির্ধারণ, স্থানান্তর, অথবা প্রশাসনিক সীমানা পুনর্বিন্যাস করার জন্য সরকারই এই ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৭ ধারা: দায়রা বিভাগ এবং জেলা-
(১) বাংলাদেশ দায়রা বিভাগের অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
বাংলাদেশ বিভিন্ন দায়রা বিভাগে বিভক্ত থাকবে এবং এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে প্রতিটি দায়রা বিভাগ একটি জেলা হিসেবে গণ্য হবে বা একাধিক জেলা নিয়ে গঠিত হবে।
(২) বিভাগ এবং জেলার সীমানা পরিবর্তনের ক্ষমতা:
সরকার এই দায়রা বিভাগ এবং জেলার সংখ্যা বা সীমানা পরিবর্তন করার ক্ষমতা রাখে।
(৩) বিদ্যমান বিভাগ এবং জেলা বহাল থাকবে:
এই কার্যবিধি কার্যকর হওয়ার সময় যে দায়রা বিভাগ এবং জেলা বিদ্যমান থাকবে, সেগুলো দায়রা বিভাগ এবং জেলা হিসেবে বহাল থাকবে, যতক্ষণ না সেগুলো পরিবর্তন করা হয়।
(৪) মেট্রোপলিটন এলাকা:
মেট্রোপলিটন এলাকা এই কার্যবিধির উদ্দেশ্যে একটি দায়রা বিভাগ হিসেবে গণ্য হবে।

২,১২৮.
'Local inquiry' করতে পারে-
  1. পুলিশ
  2. বেসরকারী ব্যক্তি
  3. নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট
  4. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় স্থানীয় অনুসন্ধান বা Local inquiry এর বিধান রয়েছে-
(১) এই অধ্যায়ের স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে প্রেরণ করতে পারবেন এবং তার উপদেশের মধ্যে লিখিত নির্দেশ দিতে পারবেন এবং এরূপ অনুসন্ধানের প্রয়োজনীয় ব্যয় সম্পূৰ্ণ বা আংশিক কে বহন করবে তা ঘোষণা করতে পারবেন।

(২) এরূপে প্রেরিত ব্যক্তির রিপোর্ট কেসের সাক্ষ্য হিসাবে বুঝতে হবে।

(৩) এই অধ্যায়ের অধীন পরিচালিত প্রসিডিং-এর কোন পক্ষ যদি কোন খরচ বহন করে থাকেন, তাহলে ১৪৫ ধারা, ১৪৬ ধারা বা ১৪৭ ধারার অধীন সিদ্ধান্ত প্রদানকারী ম্যাজিষ্ট্রেট নির্দেশ দিবেন যে, কে উক্ত খরচ প্রদান করবে, উক্ত পক্ষ কিংবা প্রসিডিং-এর অন্য কোনপক্ষ, এবং সম্পূর্ণ বা আংশিক বা আনুপাতিক হারে প্রদান করবেন। আদালত যেরূপ যুক্তিসংগত বিবেচনা করেন সেরূপ সাক্ষীদের এবং কৌসুলীদের ফি এই খরচার অন্তর্ভুক্ত হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারামতে,
সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর অধস্তন। তাই বলা যায়, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় অনুসন্ধান (Local inquiry) করতে পারে।
২,১২৯.
কোন আদালত ''আদি আমলী আদালত (As a court of original jurisdiction)'' হিসেবে সব মামলা আমলে নিতে পারেন না?
  1. দায়রা আদালত
  2. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. মহানগর আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
• আদি আমলী আদালত হিসাবে (As a court of original jurisdiction), দায়রা আদালত সব মামলা আমলে নিতে পারে না। মামলা আমলে নেওয়ার ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে দায়রা কোর্টে পাঠানোর পর ১৯৩ (১) ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ অপরাধ বিচারার্থে আমলে নিতে পারে।তাছাড়া অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ এমন অপরাধের বিচার করতে পারে যখন-

১. সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা বিচারের নির্দেশ দিলে বা

২. দায়রা জজ অপরাধটি বিচারের জন্য তাদেরকে অর্পণ করলে। [ধারা ১৯৩ (২)]
২,১৩০.
ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মাপকাঠি কী?
  1. প্রমাণের ভারসাম্য
  2. সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ
  3. অংশগ্রহণমূলক প্রমাণ
  4. সম্ভাব্যতার ভারসাম্য
সঠিক উত্তর:
সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ
ব্যাখ্যা
⇒ প্রমাণের মান (standard of proof)- একটি মামলায় জয়ী হওয়ার জন্য মামলাটির যতটুকু প্রমাণ করতে হয়, সেই মাপকাঠিকে বলা হয় প্রমাণের মান বা standard of proof। মামলার প্রকৃতির উপর প্রমাণের মান বা standard of proof নির্ভর করে। অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মান এক ধরণের এবং ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মান আরেক ধরণের যা নিম্নে আলোচনা করা হল-

⇒ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মান (Standard of proof in civil case)-
একটি দেওয়ানি মোকদ্দমা কতটুকু প্রমাণ করতে হবে তা হল Civil Standard of Proof। দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের মানকে যে নীতি দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয় তা হল Balance of Probability বা Preponderence of Evidence. যে পক্ষের সাক্ষ্যের মূল্য বেশী সে পক্ষ দেওয়ানি মোকদ্দমায় জয়ী হবে বা প্রতিকার পাবে। অর্থাৎ দেওয়ানি মামলায় প্রমাণের সংখ্যাধিক্য থাকলেই যথেষ্ট অর্থাৎ ১০০টি তথ্যের মধ্যে ৫১টি সত্য (more than 50% truth) হওয়াই যথেষ্ট বা যখন 'মিথ্যার চেয়ে সত্যের সম্ভাবনা বেশী'(more probably true than false) যা সম্ভাব্যতার ভারসাম্য নীতি বা balance of probabilities নামে পরিচিতি।

⇒ ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মান (Standard of proof in criminal case)-
ফৌজদারি মামলায় মামলাকারী অভিযুক্ত ব্যক্তির অপরাধ এমনভাবে প্রমাণ করবেন যাতে প্রতিকূল সকল স্বাভাবিক সন্দেহের পরিসমাপ্তি ঘটে যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত নীতি বা Proved Beyond all reasonable doubts নামে পরিচিতি।
২,১৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অনুযায়ী, অভিযুক্ত জবানবন্দি সত্য বলে স্বীকার করলে কোন কার্যটি সম্পন্ন হয়?
  1. শুধু বিচারক স্বাক্ষর করেন
  2. শুধু অভিযুক্ত স্বাক্ষর করেন
  3. সরকারি আইনজীবী স্বাক্ষর করেন
  4. অভিযুক্ত এবং বিচারক উভয়ে স্বাক্ষর করেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং বিচারক উভয়ে স্বাক্ষর করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং বিচারক উভয়ে স্বাক্ষর করেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:-
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত, অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাঙ্গরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে যে ভাষায় সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখ্যা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।


(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজির সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরি করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জর্জ যদি উক্ত স্মারক তৈরি করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।


(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।

২,১৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬খ অনুযায়ী, গ্রেফতারের ঘটনা কোথায় নথিভুক্ত করতে হবে?
  1. থানার সাধারণ ডায়েরিতে
  2. আদালতের রেজিস্টারে
  3. পুলিশের নিজস্ব কেইস ডায়েরিতে
  4. তদন্তকারী অফিসারের প্রতিবেদনে
সঠিক উত্তর:
থানার সাধারণ ডায়েরিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার সাধারণ ডায়েরিতে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬খ: গ্রেফতারের রেকর্ড, সাধারণ ডায়েরিতে নথিভুক্তি এবং তথ্য প্রদান:
(১) গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে একটি এন্ট্রি করতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকবে—
- গ্রেফতারের কারণ,
- তথ্যদাতা বা অভিযোগকারী ব্যক্তির নাম ও বিবরণ,
- সেই আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও বিবরণ, যাকে গ্রেফতারের তথ্য জানানো হয়েছে, এবং
- গ্রেফতার ব্যক্তিকে আটক করার দায়িত্বে থাকা অফিসারের নাম ও বিবরণ।

(২) প্রতিটি গ্রেফতারীর ঘটনা সেই থানার সাধারণ ডায়েরিতে সঙ্গে সঙ্গেই নথিভুক্ত করা হবে। যদি গ্রেফতারকারী অফিসার সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা না হন, তবে গ্রেফতার সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের একটি কপি সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার-ইন-চার্জকে প্রদান করতে হবে, যিনি এরপর তা সাধারণ ডায়েরিতে এন্ট্রি করবেন।

(৩) যারা অফিসিয়াল রেজিস্টার বা সাধারণ ডায়েরি রক্ষা করার দায়িত্বে আছেন, তারা চাইলে গ্রেফতার সম্পর্কিত তথ্য গ্রেফতার ব্যক্তির যে কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীকে দিতে বাধ্য থাকবেন।

২,১৩৩.
আপিল আদালত হাইকোর্ট ডিভিশন হলে, অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের ক্ষেত্রে কাকে আদেশ দিতে পারেন?
  1. পুলিশকে গ্রহণের জন্য নির্দেশ দিতে পারে
  2. দায়রা আদালতকে গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২৮- আপিল আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে বা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন

(১) এই অধ্যায়ের অধীন কোন আপিল বিবেচনার সময় আপিল আদালত যদি অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ দরকার মর্মে মনে করেন, তাহলে তার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন এবং এই সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন, অথবা আপিল আদালত যখন হাইকোর্ট ডিভিশন হয় তখন কোন দায়রা আদালত বা কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক তা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) দায়রা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক যখন অতিরিক্ত সাক্ষ্য গৃহীত হয়, ইহা বা তিনি উক্ত সাক্ষ্য সত্যায়নপূর্বক আপিল আদালতে প্রেরণ করবেন এবং উক্ত আদালত অতঃপর আপিল নিষ্পত্তির দিকে অগ্রসর হবেন।

(৩) আপিল আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের সময় আসামী বা তাহার কৌসুলী উপস্থিত থাকবেন।

(৪) অধ্যায়-২৫ এর বিধান সাপেক্ষে এই ধারার অধীন এমনভাবে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে, যেন তা একটি অনুসন্ধান।
২,১৩৪.
মহানগরীর জন্য প্রতিষ্ঠিত দায়রা আদালতকে কী বলা হয়?
  1. জেলা ও দায়রা জজ আদালত
  2. মহানগরী দায়রা আদালত
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. সিটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
মহানগরী দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানগরী দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯(১)-এ বলা হয়েছে যে, সরকার মহানগরীর জন্য দায়রা আদালত স্থাপন করবে এবং সেই আদালতকে মহানগরী দায়রা আদালত নামে অভিহিত করা হবে। এটি একটি বিশেষ ধরনের দায়রা আদালত যা মহানগরী অঞ্চলের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়, যেখানে একটি নির্দিষ্ট মহানগরীর বিচারিক কাজ পরিচালিত হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারার বিধান দায়রা আদালত:
(১) সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবেন এবং এই আদালতে একজন জজ নিয়োগ করবেন; এবং মহানগরীর জন্য সৃষ্ট দায়রা আদালত মহানগরী দায়রা আদালত নামে অভিহিত হবে।
(২) সরকার সরকারি গেজেটে সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ জারী করে নির্দেশ দিতে পারেন যে কোন স্থানে বা স্থানসমূহে দায়রা আদালত বসবে; কিন্তু এরূপ আদেশ না দেয়া পর্যন্ত দায়রা আদালতসমূহ পূর্বের ন্যায় বসবে।
(৩) এরূপ এক বা একাধিক আদালতে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করার জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং সহকারী দায়রা জজ ও নিয়োগ করতে পারবেন।
(৩ক) - অনুরূপ এক বা একাধিক এলাকার দায়িত্ব পালনের জন্য সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যগণ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ নিযুক্ত হইবেন।
(৪) সরকার এক দায়রা বিবাগের দায়রা জজকে অপর একটি বিভাগের অতিরিক্ত দায়রা জজ নিয়োগ করতে পারেন, এবং এরূপ ক্ষেত্রে তিনি সরকারের নির্দেশানুসারে দুইটি বিভাগের যে কোন একটির এক বা একাধিক স্থানে মামলা নিস্পত্তির জন্য বসতে পারবেন।
(৫) এই আইন বলবৎ হবার সময় যে সকল দায়রা আদালত বিদ্যমান ছিল তার সমস্ত গুলিই এই আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে ধরতে হবে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 9. Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court; and the Court of Session for a Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore.
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
২,১৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুযায়ী, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করার শর্ত কী?
  1. রিপোর্টের সত্যতা নিশ্চিত করতে হবে
  2. রিপোর্টে উল্লেখিত তথ্য অপরিহার্য হতে হবে
  3. রিপোর্টের ভাষা আদালতের উপযুক্ত হতে হবে
  4. সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা না গেলে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা না গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা না গেলে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-
 
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।
 
Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
২,১৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে একই বিচারে কোনো ব্যক্তি কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে, সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেয়া যাবে?
  1. ১২ বছরের
  2. ১০ বছরের
  3. ১৪ বছরের
  4. ২০ বছরের
সঠিক উত্তর:
১৪ বছরের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছরের
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
 
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
---------------
The Code of Criminal Procedure, 1898-Section:-35.Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.
(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:

Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate, the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.
২,১৩৭.
হাইকোর্ট বিভাগ পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা প্রয়োগ করে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে __________ ধারার অধীনে শান্তি বজায় রাখার জন্য মুচলেকার আদেশ দিতে পারে।
  1. ১০৩
  2. ১০৬
  3. ১০৭
  4. ১০৮
সঠিক উত্তর:
১০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৬: দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য জামিনদানে বাধ্য করা:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি পেনাল কোডের অধ্যায় VIII এর অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ (ধারা ১৪৩, ১৪৯, ১৫৩এ বা ১৫৪ ব্যতীত), বা হামলা বা শান্তি ভঙ্গের সাথে সম্পর্কিত অন্য কোনো অপরাধ, অথবা এ ধরনের অপরাধের সহায়তা প্রদান, অথবা অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের জন্য অভিযুক্ত হয়ে উচ্চ আদালত বিভাগ, সেশন আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দোষী সাব্যস্ত হয় এবং সেই আদালত মনে করে যে, ঐ ব্যক্তিকে শান্তি বজায় রাখার জন্য একটি বন্ড সম্পাদন করানো প্রয়োজন, তাহলে আদালত সেই ব্যক্তিকে তার আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী জামিনের জন্য একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের বন্ড সম্পাদনের নির্দেশ দিতে পারে। এই বন্ডে সর্বাধিক তিন বছরের জন্য শান্তি বজায় রাখার শর্ত থাকতে পারে এবং তা কোনো জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত হতে পারে।

(২) যদি আপিল বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আদেশ বাতিল হয়, তাহলে সম্পাদিত বন্ডটি বাতিল হয়ে যাবে।

(৩) আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগও তাদের আপিল বা পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা প্রয়োগ করে এই ধারার অধীনে আদেশ দিতে পারে।
২,১৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৯৫ অনুসারে, ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা কোনো চিঠি বা পার্সেল তদন্তের প্রয়োজনে চাইতে চাইলে, কে সরাসরি আদেশ দিতে পারে না?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৯৫(১) স্পষ্ট করে বলছে— যদি ডাক (Postal) বা টেলিগ্রাফ (Telegraph) কর্তৃপক্ষের কাছে থাকা কোনো চিঠি, পার্সেল বা বস্তু তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়ায় প্রয়োজন হয়, তবে সরাসরি আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (District Magistrate)
- চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Judicial Magistrate)
- চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Chief Metropolitan Magistrate)
- সেশন কোর্ট (Court of Session)
- হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division)
 কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (Home Ministry)-এর নাম এই তালিকায় নেই।
অতএব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরাসরি আদেশ দিতে পারে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি:-
১) কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেটচীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।

২) অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 95. Procedure as to letters and telegrams: 
(1) If any document, parcel or thing in such custody is, in the opinion of any District Magistrate, Chief Judicial Magistrate Chief Metropolitan Magistrate High Court Division or Court of Session, wanted for the purpose of any investigation, inquiry, trial or other proceeding under this Code, such Magistrate or Court may require the Postal or Telegraph authorities, as the case may be, to deliver such document, parcel or thing to such person as such Magistrate or Court directs. 
 
(2) If any such document, parcel or thing is, in the opinion of any other Magistrate, whether Executive or Judicial Police Commissioner or District Superintendent of Police, wanted for any such purpose, he may require the Postal or Telegraph Department, as the case may be, to cause search to be made for and to detain such document, parcel or thing pending the orders of any such District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Court.

২,১৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারা অনুসারে দায়রা আদালতের বিচারকদের নিয়োগ সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়
  2. প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়
  3. আইনমন্ত্রী কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়
  4. সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ সালের ৯ ধারা এবং ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৯(৩ক) উপ-ধারা অনুযায়ী, দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এটি সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি প্রণীত বিধি সাপেক্ষে করা হয়।

⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।

ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।

⇒অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করতে পারেন।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.

(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 

 (3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.

(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct. 
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.

২,১৪০.
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে, তবে দায়রা আদালত ২৬৫চ ধারায় কী পদক্ষেপ নিবে?
  1. অভিযুক্তকে মুক্তি দিবে
  2. অভিযোগ খারিজ করবে
  3. সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে
  4. উল্লিখিত কোনো ব্যবস্থা নিবে না
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫চ ধারা-
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।

Section 265F: Date for prosecution evidence
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.
২,১৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) প্রতিরোধ করতে পারে?
  1. ধারা ১৪৯
  2. ধারা ১৫১
  3. ধারা ১৫২
  4. ধারা ১৫০
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৯ অনুযায়ী, প্রতিটি পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ (cognizable offence) প্রতিরোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারে এবং তার সর্বোচ্চ সক্ষমতা অনুযায়ী তা বন্ধ করতে বাধ্য।
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 149. Police to prevent cognizable offences:
- Every police-officer may interpose for the purpose of preventing, and shall, to the best of his ability, prevent, the commission of any cognizable offence.
২,১৪২.
আদালত কোন ধরনের মামলায় ফরিয়াদি কর্তৃক অর্থদণ্ড ব্যতীত কতিপয় ফি প্রদানের আদেশ দিতে পারেন?
  1. আমলঅযোগ্য
  2. আমলযোগ্য
  3. জামিনঅযোগ্য
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
আমলঅযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমলঅযোগ্য
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৬ক- আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদি কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফি প্রদানের আদেশ: 

(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামী সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থ দানের জন্য আসামীকে আদেশ দিতে পারবেন-

(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদীর জবানবন্দীর জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং
(খ) ফরিয়াদী কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।

(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপীল আদালত বা হইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন ।
২,১৪৩.
যখন ম্যাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করে তখন আসামি-
  1. খালাস পেতে পারে
  2. দণ্ড পেতে পারে
  3. অব্যাহতি পেতে পারে
  4. মুক্তি পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি পেতে পারে
ব্যাখ্যা
♦তদন্ত শেষ হওয়ার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ১৭৩ ধারার অধীন ম্যাজিষ্ট্রেটকে যে প্রতিবেদন প্রদান করেন তাই পুলিশ রিপোর্ট। পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট ২ প্রকার। যথা-
(i) চূড়ান্ত প্রতিবেদন/ফাইনাল রিপোর্ট  এবং
(ii) অভিযোগপত্র (চার্জশীট)।
♦চূড়ান্ত প্রতিবেদন (Final Report): তদন্তে আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পর্কে প্রমান পাওয়া না গেলে আসামীকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য তদন্ত কর্মকর্তা যে প্রতিবেদন জমা দেন তাকে চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা Final Report বলে। সুতরাং যখন ম্যাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোট গ্রহণ করে তখন আসামি অব্যাহতি পায়।
২,১৪৪.
ফৌজদারী আদালতের কোন রায়, মামলার কার্যক্রম বা আদেশ বাতিলের জন্য [For quashment] ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করা যায়?
  1. ১৫১
  2. ৫৬১
  3. ৫৬১ ক
  4. ৫৬০
সঠিক উত্তর:
৫৬১ ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬১ ক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় এবং দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারায় সহজাত ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু পার্থক্য হলো ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৬১ক ধারায় শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগকে সহজাত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে কিন্তু দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫১ ধারার অধীন হাইকোর্ট বিভাগ এবং দেওয়ানী আদালত উভয়কে সহজাত ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
২,১৪৫.
পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ কোন আদালত দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. ক অথবা খ উভয়ই 
সঠিক উত্তর:
ক অথবা খ উভয়ই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক অথবা খ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৮(১) অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত— উভয়েই কোনো মামলায় পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ, হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) অথবা দায়রা আদালত (Court of Session) উভয়ই পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৮: জামিনে মঞ্জুর করার বা জামিনের পরিমাণ হ্রাসের ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীনে সম্পাদিত প্রতিটি মুচলেকায় (bond) টাকার পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি যথাযথভাবে বিবেচনা করে নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অতিরিক্ত হবে না; এবং হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত, যে কোনো মামলায়, দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর আপিল থাকুক বা না থাকুক, নির্দেশ দিতে পারেন যে, যে কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মঞ্জুর করা হোক, অথবা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রয়োজনীয় জামিনের পরিমাণ হ্রাস করা হোক।
- (২) কোনো আদালত, অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার সময়, তার পলাতক হওয়া রোধ করতে বা তার সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করতে যুক্তিসঙ্গত এবং ন্যায্য শর্ত আরোপ করতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 498.Power to direct admission to bail or reduction of bail:
(1) The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
(2) Any Court, while releasing the accused on bail, may impose reasonable and fair conditions to prevent his abscondence or to ensure his good behaviour.

২,১৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারা মূলত কোন ধরনের ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. জামিন প্রদান
  2. তদন্তের অনুমতি
  3. গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি
  4. হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ
সঠিক উত্তর:
হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারা হাইকোর্ট ডিভিশনকে হেবিয়াস কর্পাস সম্পর্কিত নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেয়। এর মানে হলো, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি বা অযৌক্তিকভাবে আটক থাকে, হাইকোর্ট তাকে মুক্তির আদেশ দিতে পারে বা তাকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিতে পারে। এই ধারা আটককৃত ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষায় এবং বেআইনি হেফাজত রোধে ব্যবহৃত হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারি আপিল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারি বা বেসরকারি হেফাজতে বেআইনি অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দিকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দিকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দিকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:- 
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law; 
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty; 
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court; 
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively; 
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and 
(2) The Supreme Court may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section. 
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.
২,১৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণের পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫১০ক
  2. ধারা ৫০৮
  3. ধারা ৫১১
  4. ধারা ৫০৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১১
ব্যাখ্যা
ধারা ৫১১ (পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস কিভাবে প্রমাণ করতে হবে)-
এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় বর্তমান কার্যকর অন্য কোন আইনে বর্ণিত পদ্ধতি ছাড়া নিম্নোক্তভাবে পূর্ববর্তী দণ্ড বা খালাস প্রমাণ করা যাবে-

(ক) যে আদালত উক্ত দণ্ড বা খালাস দিয়েছিলেন সেই আদালতের নথিপত্র যে অফিসারের হেফাজতে থাকে সেই অফিসারের স্বহস্তের স্বাক্ষর কর্তৃক সত্যায়িত উক্ত দণ্ডাদেশ বা আদেশের উদ্ধৃতি কর্তৃক, কিংবা
(খ) দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে যে কারাগারে সাজা বা তার অংশ বিশেষ দেয়া হয়েছিল সেই কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসারের স্বাক্ষরিত সার্টিফিকেট কর্তৃক কিংবা যে আটকের পরোয়ানা অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল তা পেশ করে;

উপরোক্ত দুটি ক্ষেত্রে প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ও অভিযুক্ত ব্যক্তি যে একই, সে সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান করতে হবে।

Section 511- Previous conviction or acquittal how proved
In any inquiry, trial or other proceeding under this Code, a previous conviction or acquittal may be proved, in addition to any other mode provided by any law for the time being in force- 
(a) by an extract certified under the hand of the officer having the custody of the records of the Court in which such conviction or acquittal was had to be a copy of the sentence or order; or 
(b) in case of a conviction, either by a certificate signed by the officer in charge of the jail in which the punishment or any part thereof was inflicted, or by production of the warrant of commitment under which the punishment was suffered; together with, in each of such cases, evidence as to the identity of the accused person with the person so convicted or
২,১৪৮.
অপরাধের স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলে বা একাদিক আদালতের এখতিয়ারে অপরাধটি সংঘটিত হলে-
  1. যে কোনো একটি আদালতে বিচার করা যাবে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে
  3. সুপ্রিমকোর্ট বিচার করবে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ এবং ১৮৫ ধারার অপরাধের স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের এখতিয়ারে অপরাধটি সংঘটিত হলে কোথায় বিচার করতে হবে সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।
♦ ১৮২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তা দেখা দিলে বা একাধিক আদালতের অধিক্ষেত্রে অপরাধটি সংঘটিত হলে যেকোন একটি আদালতে বিচার করা যাবে।
♦ ১৮৫ ধারা অনুযায়ী অপরাধের স্থান নিয়ে কোন অনিশ্চয়তার ক্ষেত্রে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে হাইকোর্ট বিভাগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
২,১৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি কত সালে সর্বশেষ সংশোধন হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
⇒ ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি প্রণীত হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়।
- বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
- ফৌজদারি কার্যবিধি সর্বশেষ সংশোধন হয় ২০১২ সালে।
⇒ Section-11-[(2A) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Chief Judicial Magistrate, Additional Chief Judicial Magistrate and other Judicial Magistrates shall hold its sitting.]
- Sub-section (2A) was inserted after the sub-section (2) by section 2 of the Code of Criminal Procedure, (Amendment) Act, 2012 (Act No. XXXVII of 2012).

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure, 1898) সেকশন ১১ এর একটি সংশোধনী। এখানে একটি নতুন উপ-ধারা (২ক) যোগ করা হয়েছে।
এই সংশোধনীর মূল বক্তব্য হলো:
- সরকার সরকারি গেজেটে সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারবে যে:
প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত , অতিরিক্ত প্রধান জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত ,  অন্যান্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের আদালত কোন স্থান বা স্থানসমূহে তাদের বসার আয়োজন করবে।
অর্থাৎ এই সংশোধনীর মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, তারা বিভিন্ন ধরনের ম্যাজিস্ট্রেট আদালতগুলো কোথায় বসবে তা নির্ধারণ করে দিতে পারবে। এই নির্দেশনা সরকারি গেজেটে প্রকাশ করতে হবে।
উল্লেখ্য,
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।
⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
২,১৫০.
Summary Trial- ফৌজদারি কার্যবিধির কত নং অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. XXX
  2. XXII
  3. XXIII
  4. XI
সঠিক উত্তর:
XXII
উত্তর
সঠিক উত্তর:
XXII
ব্যাখ্যা
♦গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ২২(XXII) নং অধ্যায়ে এবং ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
♦নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়। যথা-
i) মৃত্যুদন্ড, যাবজ্জীবন কারাদন্ড বা ২ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধ ব্যতীত অন্যান্য অপরাধ অর্থাৎ ২ বছর বা এর কম মেয়াদের কারাদন্ড যোগ্য অপরাধের বিচার।
ii) দন্ডবিধির ২৬৪, ২৬৫, ২৬৬ ধারামতে ওজন ও পরিমান সম্পর্কিত অপরাধ, ৩২৩ ধারামতে আঘাত, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চুরি, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি অসৎভাবে আত্মসাৎ, ১০ হাজার টাকার কম মূল্যের চোরাইমাল গ্রহণ, গোপন ও হস্তান্তর;
iii) দন্ডবিধির ২৭৭,২৭৯,২৮৫, ২৮৯, ২৯০-২৯৪, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১,৩৫২ ধারার অপরাধ ।
iv) ক্ষতি (Mischief), দন্ডবিধির ৪৪৭ ধারামতে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ, ৪৪১, ৪৫৩, ৪৫৪, ৪৫৬ ও ৪৫৭ ধারামতে কৃত অপরাধ, অপরাধজনক ভীতি প্রদর্শন, ৫০৯ ও ৫১০ ধারামতে ইভটিজিং বা মাতলামি;
v) পূর্বে বর্ণিত অপরাধ সমূহে সহায়তা ও অপরাধসমূহ করার চেষ্টা (abetment and attempt to commit the foregoing offences); এবং
vi) ১৮৭১ সালের গবাদি পশুর অনধিকার প্রবেশ আইনের ২০ ধারার অধীন অপরাধের সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়।
♦এছাড়াও মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯ এর অধীনে সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করা যায়। মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমান আদালত সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে বিচার পরিচালনা করে থাকে।
♦অর্থাৎ যেগুলো জরিমানাযোগ্য, জরিমানাসহ বা ব্যতীত অনধিক ১ মাস মেয়াদের কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
২,১৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারায় 'সাফাই সাক্ষী' এর উল্লেখ আছে?
  1. ২৬৫খ
  2. ২৬৫ঘ(১)
  3. ২৬৫ছ(২)
  4. ২৬৫ঝ(৩)
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঝ(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঝ(৩)
ব্যাখ্যা
• আসামীপক্ষ যদি সাক্ষী হাজির করে তখন তাকে “সাফাই সাক্ষী” বলে।
• ফৌজদারী কার্যবিধি,  ১৮৯৮ এর ধারা ২৬৫ ঝ(৩) মোতাবেক আসামী যদি কোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু উপস্থিত করতে বাধ্য করার জন্য পরোয়ানা দেয়ার আবেদন করে, আদালত যদি লিপিবদ্ধ কারণে এরূপ মনে না করেন যে, বিরক্তি বা বিলম্ব ঘটার বা ন্যায় বিচার ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই উক্ত আবেদন করা হয়েছে বিধায় আবেদন অগ্রাহ্য করা উচিত, তাহলে এরূপ পরোয়ানা ইস্যু করবেন।
২,১৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭(৩) অনুযায়ী, অভিযোগকারী খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে বা সেশন আদালতে কত দিনের মধ্যে আপিল দাখিল করা যেতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭(৩) অনুসারে, অভিযোগকারী যদি খালাসের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে চান, তাহলে তাদেরকে ৬০ দিনের মধ্যে আপিল দাখিল করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-১- হাইকোর্ট বিভাগে ২- দায়রা জজের নিকট।
- খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে।
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে- ১. পাবলিক প্রসিকিউটর ২. অভিযোগকারী
৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
- পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে।
- অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417- Appeal in case of acquittal:
(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal-
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session;
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal-
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session;
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal.
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
২,১৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন অধ্যায়ে 'Summary Trial' সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. XX অধ্যায়ে
  2. XXII অধ্যায়ে
  3. XII অধ্যায়ে
  4. XXV অধ্যায়ে
সঠিক উত্তর:
XXII অধ্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
XXII অধ্যায়ে
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর XXII(২২) অধ্যায়ে 'Summary Trial' সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

• সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)-
গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ২৬০ ধারা অনুযায়ী, নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করতে পারেন-
i) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট,
ii) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সম্পন্ন অন্য যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬১ ধারা অনুযায়ী,
সরকারের দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ২য় বা ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
২,১৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের সম্পত্তি বিক্রি করার আদেশ দিতে পারেন?
  1. সংশ্লিষ্ট অপরাধে ব্যবহৃত
  2. অভিযুক্তের দখলাধীন
  3. ক্রোককৃত সম্পত্তি
  4. আটককৃত চোরাই মাল
সঠিক উত্তর:
আটককৃত চোরাই মাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটককৃত চোরাই মাল
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী-
আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।
 
Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
২,১৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী, কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা হলে আপীল করা যায় না?
  1. ১০০ টাকা
  2. ৫০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪১৩ অনুযায়ী—
“... there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only.”
অর্থাৎ, যদি কোনও দায়রা আদালত বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (যেমন চীফ জুডিশিয়াল বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট) ৫০ টাকা বা তার কম জরিমানা করে, তবে সেই দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি আপীল করতে পারবেন না।
- এটি মামলার পরিমাণ ও গুরুত্ব অনুসারে আপীলযোগ্যতার সীমা নির্ধারণ করে দেয়, যাতে ছোটখাটো মামলায় বিচার প্রক্রিয়া দীর্ঘ না হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 413. No appeal in petty cases:
- Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only.

Explanation- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.
২,১৫৬.
হাইকোর্ট বিভাগের হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতার বিধান কত ধারায়?
  1. ৪৯৫
  2. ৪৯১
  3. ৪৯৪
  4. ৫০২
সঠিক উত্তর:
৪৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯১
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হেবিয়াস কর্পাস বা বন্দী প্রদর্শন রীটের মত ব্যবস্থার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তি ভুল কর্তৃপক্ষের দ্বারা কিংবা আইন বহির্ভূত পন্থায় আটককৃত হচ্ছে কিনা এ বিষয়ে হাইকোর্ট বিভাগকে তদন্ত করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারায়। ৪৯১ ধারামতে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির আদেশ প্রদান করতে পারে-

i) আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির;

ii) বেআইনী বা অযৌক্তিকভাবে সরকারি বা বেসরকারী হেফাজতে আটক ব্যক্তির মুক্তি;

iii) জেলখানা বা কারাগারে আটক কোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দী দেয়ার জন্য আদালতে হাজির করা;

iv) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের নিকট বিচার বা সাক্ষাৎ দেয়ার জন্য হাজির;

v) এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে বিচারের জন্য কোন বন্দিকে স্থানান্তর।
২,১৫৭.
অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে?
  1. মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন
  2. সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন
  3. উক্ত ব্যক্তিকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন
  4. উল্লিখিত সব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হলে অর্থাৎ উক্ত ব্যক্তির বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ থেকে ৪৭৫ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬৪ ধারামতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা আসামী মানসিকভাবে অসুস্থ বা উন্মাদ(পাগল) হলে এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে অপরাগ হলে, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করবেন। যথা-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আসামীর মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি অনুসন্ধান করবেন এবং মানসিকভাবে অসুস্থ আসামীকে জেলার সিভিল সার্জন বা সরকার নির্দেশিত মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী হিসেবে উক্ত সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসারের জবানবন্দী গ্রহণ করবেন এবং
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখবেন।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 464- Procedure in case of accused being lunatic:
(1) When a Magistrate holding an inquiry or a trial has reason to believe that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defense, the Magistrate shall inquire into the fact of such unsoundness, and shall cause such person to be examined by the Civil Surgeon of the district or such other medical officer as the Government directs, and thereupon shall examine such Surgeon or other officer as a witness, and shall reduce the examination to writing.
(1A) Pending such examination and inquiry the Magistrate may deal with the accused in accordance with the provisions of section 466.
(2) If such Magistrate is of opinion that the accused is of unsound mind and consequently incapable of making his defence, he shall record a finding to that effect and shall postpone further proceedings in the case.
২,১৫৮.
ফৌজদারি অভিযােগ(Charge) কোন ভাষায় লিখতে হয়?
  1. বাংলা
  2. ইংরেজি
  3. অভিযুক্তের ভাষায়
  4. ফরিয়াদির ভাষায়
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইংরেজি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০ পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছেচার্জের বিষয়বস্তু ধারা ২২১ এ উল্লেখ করা আছে। একটি চার্জে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো থাকবে-

> অপরাধের নাম;
> অপরাধের নির্দিষ্ট নাম না থাকলে,উক্ত অপরাধের সংজ্ঞা সুস্পষ্টভাবে প্রদান করতে হবে;
> উক্ত অপরাধ যে আইনে এবং যে ধারার আওতায় পড়ে তা উল্লেখ করতে হবে;
> অভিযােগ গঠন হলে ধরে নেয়া হবে অপরাধটি সংঘটিত করার সকল উপাদান বিদ্যমান বা শর্ত পূরণ হয়েছে;
> অভিযােগ ইংরেজি বা আদালতের ভাষায় লিখতে হয়;
>পরবর্তী অপরাধের শাস্তি বৃদ্ধি বা ভিন্নধরনের শাস্তি প্রদানের দরকার হলে,অভিযােগে বা চার্জে পূর্ববর্তী দন্ডের ঘটনা,তারিখ ও স্থান উল্লেখ করতে হবে;
> চার্জে আদালত শাস্তিদানের পূর্বে যে কোন সময় পূর্ববর্তী দন্ডের বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন।

Section 221:
(1) Charge to state offence-
Every charge under this Code shall state the offence with which the accused is charged.

(2 )Specific name of offence sufficient description-
If the law which creates the offence gives it any specific name, the offence may be described in the charge by that name only.

(3) How stated where offence has no specific name-
If the law which creates the offence does not give it any specific name, so much of the definition of the offence must be stated as to give the accused notice of the matter with which he is charged.
(4) The law and section of the law against which the offence is said to have been committed shall be mentioned in the charge.

(5) What implied in charge-
The fact that the charge is made is equivalent to a statement that every legal condition required by law to constitute the offence charged was fulfilled in the particular case.

(6) Language of charge-
The charge shall be written either in English or in the language of the Court.

(7) Previous conviction when to be set out-
If the accused having been previously convicted of any offence is liable, by reason of such previous conviction, to enhanced punishment, or to punishment of a different kind, for a subsequent offence, and it is intended to prove such previous conviction for the purpose of affecting the punishment which the Court may think fit to award for the subsequent offence, the fact, date and place of the previous conviction shall be stated in the charge. If such statement has been omitted, the Court may add it at any time before sentence is passed.
২,১৫৯.
কোনো ফৌজদারি আদালত পুলিশ ডায়রি মূলত কী উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারে?
  1. আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য
  2. সাজার একমাত্র ভিত্তি হিসেবে
  3. তদন্ত বা বিচারকাজে সাহায্য করার জন্য
  4. আসামির বিরুদ্ধে সরাসরি প্রমাণ হিসেবে
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচারকাজে সাহায্য করার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচারকাজে সাহায্য করার জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭২(২) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: কোনো ফৌজদারি আদালত তদন্ত বা বিচারাধীন মামলার পুলিশ ডায়রি তলব করতে পারবেন এবং এইরূপ ডায়রি মামলার সাক্ষ্য হিসেবে নয়, বরং এইরূপ তদন্ত বা বিচারে সাহায্য করার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
- সুতরাং, পুলিশ ডায়রি সরাসরি সাক্ষ্য বা প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না, বরং তা আদালতের তদন্ত বা বিচারকার্যকে সাহায্য করার জন্য ব্যবহার করা হয়, যেমন—তদন্তের ধারাবাহিকতা বোঝা, সময়রেখা নির্ণয় করা, বা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা করার সময় অসামঞ্জস্যতা চিহ্নিত করা।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮, ১৭২ ধারা: তদন্ত কার্যক্রমের ডায়েরি
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্তকারী প্রত্যেক পুলিশ কর্মকর্তা প্রতিদিনের তদন্ত কার্যক্রম একটি ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করিবেন, যেখানে তথ্য প্রাপ্তির সময়, তদন্ত শুরু ও শেষ করার সময়, পরিদর্শিত স্থানসমূহ এবং তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া পরিস্থিতি বা ঘটনার বিবরণ উল্লেখ থাকিবে।
(২) যেকোনো ফৌজদারী আদালত তদন্তাধীন বা বিচারাধীন কোনো মামলার পুলিশ ডায়েরি তলব করিতে পারেন এবং উক্ত ডায়েরিসমূহ মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার না করিয়া, বরং তদন্ত বা বিচারে সহায়তার জন্য ব্যবহার করিতে পারেন। আসামী বা তাহার প্রতিনিধিগণ এই ডায়েরি তলব করার অধিকারী হইবেন না, বা শুধুমাত্র আদালত কর্তৃক ডায়েরিগুলি উল্লেখিত হওয়ার কারণে সেগুলি দেখারও অধিকারী হইবেন না; কিন্তু, যদি ডায়েরি প্রস্তুতকারী পুলিশ কর্মকর্তা তাহার স্মৃতি সতেজ করার জন্য সেগুলি ব্যবহার করেন অথবা আদালত যদি উক্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে জেরা করার উদ্দেশ্যে সেগুলি ব্যবহার করেন, তবে ক্ষেত্রমত সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ১৬১ ধারা বা ১৪৫ ধারার বিধানাবলী প্রযোজ্য হইবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation.

(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.

২,১৬০.
হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রাখে কত ধারা অনুযায়ী?
  1. S. 373 of CrPC
  2. S. 375 of CrPC
  3. S. 376 of CrPC
  4. S. 377 of CrPC
সঠিক উত্তর:
S. 376 of CrPC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
S. 376 of CrPC
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে। দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে, কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। অর্থাৎ, মৃতুদণ্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এর ৩৭৪ ধারার অধীন অনুমোদন নিতে হবে। ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড বিষয়ে বা তার নির্দোষিতা বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করতে পারবেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দন্ড দিতে পারেন,বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত,অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।
২,১৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সার্চ ওয়ারেন্ট জারীর বিধান আছে?
  1. ৯৫ ধারায়
  2. ৯৬ ধারায়
  3. ৯৭ ধারায়
  4. ৯৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৯৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা [Search-warrant] ইস্যুর বিধান রয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;
ⅱ) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান:
(১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।
অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।
অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:
তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।
(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 96: When search-warrant may be issued:
(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
২,১৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৪ ধারা অনুযায়ী, কোন শর্ত পূরণ না হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কোনো সমন বা ওয়ারেন্ট জারি করা যাবে না?
  1. অভিযোগকারী আদালতে উপস্থিত না হলে
  2. অভিযুক্ত নির্দিষ্ট সময়ে হাজির না হলে
  3. অভিযুক্তর সাক্ষীদের তালিকা দাখিল না করা হলে
  4. অভিযোগকারীর সাক্ষীদের তালিকা দাখিল না করা হলে
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীর সাক্ষীদের তালিকা দাখিল না করা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীর সাক্ষীদের তালিকা দাখিল না করা হলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৪ ধারা:
(১) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কোনো অপরাধের বিষয়ে বিচারাধীন হয়ে মনে করেন যে মামলাটি চালানোর জন্য যথেষ্ট ভিত্তি রয়েছে এবং দ্বিতীয় তফসিলের চতুর্থ কলামের মতে এটি এমন একটি মামলা যেখানে প্রথমে সমন জারি করা উচিত, তাহলে তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করবেন। যদি মামলাটি এমন হয় যেখানে প্রথমেই ওয়ারেন্ট জারি করা প্রয়োজন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন অথবা প্রয়োজনে সমন জারি করে অভিযুক্তকে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিতে পারেন। যদি তার নিজস্ব এখতিয়ার না থাকে, তবে তিনি অন্য কোনো যোগ্য ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানোর জন্য নির্দেশ দিতে পারেন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর অধীনে কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে সমন বা ওয়ারেন্ট জারি করা যাবে না, যতক্ষণ না অভিযোগকারী পক্ষ সাক্ষীদের তালিকা দাখিল করে।

(খ) কোনো লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচালিত মামলায়, উপ-ধারা (১)-এর অধীনে জারি করা প্রতিটি সমন বা ওয়ারেন্টের সাথে অভিযোগের একটি অনুলিপি সংযুক্ত থাকবে।

(২) এই ধারার কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৯০ ধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

(৩) যদি কোনো প্রচলিত আইনে প্রক্রিয়া ফি বা অন্যান্য ফি প্রদান করতে হয়, তবে ফি প্রদান না করা পর্যন্ত কোনো প্রক্রিয়া জারি করা হবে না। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি প্রদান করা না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগটি খারিজ করতে পারেন।
২,১৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী কে মামলা প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. অভিযোগকারী
  2. বিচারকারী আদালত
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. আমল গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল:
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

২,১৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. অভিযুক্তের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির বিধান
  2. সন্দেহযুক্ত চোরাই মাল বাজেয়াপ্তির বিধান
  3. অভিযুক্তের জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান
  4. সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগের বিধান
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারার বিধান: সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগ-
 - ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জাবনবন্দী গ্রহন করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,
 
- উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-503.When attendance of witness may be dispensed with Issue of commission and procedure thereunder:
(1) Whenever in the course of an inquiry, a trial or any other proceeding under this Code, it appears to 488[a Metropolitan Magistrate], 489[a Chief Judicial Magistrate], a Court of Session or the High Court Division that the examination of a witness is necessary for the ends of justice, and that the attendance of such witness cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such Magistrate or Court may dispense with such attendance and may issue a commission to any District Magistrate, 490[Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate], within the local limits of whose jurisdiction such witness resides, to take the evidence of such witness. 
 
(2B) When the witness resides in the United Kingdom or any other country of the Commonwealth other than Bangladesh, or in the Union of Burma, or any other country in which reciprocal arrangement in this behalf exists, the commission may be issued to such Court or Judge having authority in this behalf in that country as may be specified by the Government by notification in the official Gazette. 
 
(3) The Magistrate or officer to whom the commission is issued, or if he is the 491[Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate], he, or 492[any other Magistrate] as he appoints in this behalf, shall proceed to the place where the witness is or shall summon the witness before him, and shall take down his evidence in the same manner, and may for this purpose exercise the same powers, as in trials of warrant-cases under this Code.
২,১৬৫.
Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 অনুসারে, ধারা ৪১৪-এ জরিমানার পরিমাণ কত টাকা পর্যন্ত হলে আপিল করা যায় না?
  1. ২০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৫,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 অনুসারে, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৪-এর সংশোধনের মাধ্যমে পূর্বে উল্লিখিত "two hundred taka" (২০০ টাকা) শব্দগুলির পরিবর্তে "five thousand taka" (৫,০০০ টাকা) শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ হলো, ধারা ২৬০-এর অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট যদি সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করেন, তবে সেই আদেশের বিরুদ্ধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোনো আপিল করতে পারবেন না। তবে, জরিমানার পরিমাণ ৫,০০০ টাকার বেশি হলে বা কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে আপিল করা যাবে।

অর্থাৎ সংশোধিত ধারা ৪১৪ অনুসারে, সংক্ষিপ্ত বিচারে সর্বোচ্চ ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না। অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) ৫,০০০ টাকা। 

২,১৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী কোন আদালত মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সব আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল বা পরিবর্তন করে অন্য কোনো দণ্ড, এমনকি তা বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারার বিধান ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ:
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন, অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামীকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নূতন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামীকে খালাস দিতে পারবেন,
তবে শর্ত এই যে, আপীলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপীল পেশ করা হলে উহ নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
----------------------------
⇒ CrPC Section-376: Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
In any case submitted under section 374 the High Court Division- 
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 
Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.
২,১৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারা অনুযায়ী কে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. পুলিশ অফিসার
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত
সঠিক উত্তর:
মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুসারে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট তখনই সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারযোগ্য হয়, যখন রিপোর্ট প্রস্তুতকারী সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসার, মারা গেছেন,সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম,বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছেন,এবং তাকে হাজির করতে গেলে অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা সৃষ্টি হবে।এই পরিস্থিতিতে রিপোর্টকে সাক্ষ্য হিসেবে কে গ্রহণ করবে বা সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট আদালতই সেই কর্তৃত্ব রাখে।
অর্থাৎ, আদালত বিবেচনা করে যদি মনে করে যে রিপোর্ট গ্রহণ করা ন্যায়সঙ্গত হবে, তাহলে সে তা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে পারে, এমনকি ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসককে তলব না করেই।
সঠিক উত্তর: ঘ) মামলার সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
২,১৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৭ম কলামে কোন বিষয় উল্লেখ আছে?
  1. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  2. আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
  3. অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
  4. দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে, যা নিম্নরূপ-

- দ্বিতীয় তফশিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ
২য় কলাম- অপরাধ
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা
৭ম কলাম- দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
২,১৬৯.
হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা বলে কি করতে পারে
  1. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে
  2. খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না
  3. দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারে
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩৯(৪) মতে- হাইকোর্ট বিভাগ রিভিশন ক্ষমতা বলে দণ্ডবৃদ্ধি করতে পারে কিন্তু খালাসের আদেশ দণ্ডে পরিণত করতে পারে না।
২,১৭০.
যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য বন্ড সম্পাদিত হয়েছে, সেই ব্যক্তিকে-
  1. খালাস দিতে হবে
  2. মুক্তি দিতে হবে
  3. অব্যাহতি দিতে হবে
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
মুক্তি দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তি দিতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০০- হেফাজত হতে মুক্তি দান

(১) বন্ড সম্পাদিত হওয়ার সাথে সাথে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য উহা সম্পাদন করা হল তাকে মুক্তি দিতে হবে এবং সে জেলে থাকলে জামিন মঞ্জুরকারী আদালত উক্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন এবং উক্ত অফিসার এই আদেশ পাবার পর তাকে মুক্তি দিবেন। 

(২) যে মামলায় বন্ড সম্পাদন করা হলো কোন ব্যক্তি সেই মামলা ব্যতীত অন্য কোন মামলায় আটক থাকতে বাধ্য হলে এই ধারা, ৪৯৬ ধারা বা ৪৯৭ ধারার কোন বিধানে তার মুক্তি দাবী করা যাবে মর্মে গণ্য করা যাবে না।

Section 500- Discharge from custody
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him.
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
২,১৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. দায়রা আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  3. দায়রা আদালতে রিভিশন
  4. হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
-অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশীট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশী কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।
 
-ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিলে ফরিয়াদীর প্রতিকার- উক্ত অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের।

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ৩ ক্ষেত্রে আপিলের বিধান রয়েছে-
- দণ্ডাদেশ (ধারা ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০);
- অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশ (ধারা ৪১৭ক); এবং
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭)।

যেহেতু অব্যাহতির ক্ষেত্রে আপিলের বিধান নেই এবং যেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না সেক্ষেত্রে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে, সেহেতু উক্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।
২,১৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেট পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখতে পারেন?
  1. অপরাধ খুব গুরুতর হলে
  2. মামলার খরচাদি আদায়ের জন্য
  3. নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য
  4. মামলার অভিযোগকারী উপস্থিত না থাকলে
সঠিক উত্তর:
নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর : নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোনও অপরাধের বিষয়ে অভিযোগ (নালিশ) পান, তাহলে তিনি অভিযোগটি গ্রহণ করার আগেই সেই অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে পারেন। এজন্য তিনি প্রথমেই সমন বা পরোয়ানা ইস্যু করা স্থগিত রাখতে পারেন এবং নিজে তদন্ত করতে পারেন, অথবা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ অফিসার বা তার মতে উপযুক্ত অন্য কাউকে সেই ঘটনার অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারেন। তবে, এই অনুসন্ধানের পূর্বে ২০০ ধারা অনুসারে অভিযোগকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা আবশ্যক, যদি না মামলাটি আদালতের নিজস্ব করা হয়।

⇒ যদি মামলাটি এমন কোনো অপরাধ সংক্রান্ত হয় যা শুধু দায়রা আদালতে বিচার্য, তাহলে অভিযুক্তকে ডাকার আগেই ম্যাজিস্ট্রেট অনুসন্ধান করতে পারেন এবং প্রাথমিক সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন। অভিযুক্তকে ডাকার পরে ফরিয়াদীকে তার সব সাক্ষী হাজির করতে বলা হয় এবং তাদের শপথ করিয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

⇒ যদি অনুসন্ধানকারী ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ না হন, তাহলে তিনিও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার মতো তদন্তের ক্ষমতা রাখেন—তবে গ্রেপ্তারের পরোয়ানা ছাড়া।

⇒ পুলিশ যদি চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট সেই রিপোর্ট গ্রহণ করে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
২,১৭৩.
আসামির রিমান্ডের ধারা কত?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৩
  2. পেনাল কোড ১৫৩
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭০
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭
ব্যাখ্যা
♦সাধারণত তদন্তের স্বার্থে এবং তথ্য সংগ্রহের জন্য আদালত কর্তৃক আসামীকে পুলিশ হেফাজতে প্রেরণকে Remand বলে। আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারামতে রিমান্ডের আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦যদিও রিমান্ড বলতে আমরা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারাকে বুঝি, কিন্তু ১৬৭ ধারায় রিমান্ড শব্দটি ব্যবহার করা হয়নি। ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারানুযায়ী ২৪ ঘন্টার মধ্যে তদন্ত শেষ না হলে, পুলিশ কর্মকর্তার আবেদনের ভিত্তিতে তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত যেকোন ধরনের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের স্বার্থে রিমান্ড মঞ্জুর করতে পারেন। সাধারণত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা সরকার কর্তৃক ক্ষমতা প্রাপ্ত ২য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট রিমান্ডের আদেশ দিতে পারে। তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিষ্ট্রেট রিমান্ডের আদেশ প্রদান করতে পারে না।
২,১৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ অনুযায়ী, কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের স্থানে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র তদন্তের পর্যায়ে
  2. শুধুমাত্র বিচার পর্যায়ে
  3. মামলার শেষ পর্যায়ে
  4. তদন্ত, বিচার, বা কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
তদন্ত, বিচার, বা কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত, বিচার, বা কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost.
২,১৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫৬১ক ধারার অধীনে, হাইকোর্ট বিভাগ কোন উদ্দেশ্যে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে কোনো আদেশ কার্যকর করা
  2. আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা
  3. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে। 

⇒ একটি মামলার বিচার পরিচালনার জন্য প্রযোজ্য পদ্ধতিগুলি দেওয়ানী ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা রয়েছে। তবে বাস্তব জীবনে এমন কিছু পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে, যেখানে আদালতের করণীয় সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোন বিধান নেই। এই ধরনের ক্ষেত্রে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য আদালত তার নিজস্ব বিবেচনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকে আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলা হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, sections-561A: Saving of inherent power of High Court Division:
-Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
২,১৭৬.
কোন ক্ষেত্রে পুলিশ ওয়ারেন্ট ব্যতীত কাউকে গ্রেফতার করতে পারে না?
  1. কেউ আমলযোগ্য অপরাধ করলে
  2. কারও কাছে ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পাওয়া গেলে
  3. কেউ প্রতারণা করলে
  4. পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে গেলে
সঠিক উত্তর:
কেউ প্রতারণা করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেউ প্রতারণা করলে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।
♦পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence).
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking).
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender).
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property).
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs).
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces).
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed).
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict).
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest).
♦অর্থাৎ ক,খ ও ঘ নং অপশন ৫৪ ধারার বিধান মোতাবেক গ্রেফতার করতে পারে। তবে কেউ প্রতারণা করলে পুলিশ ওয়ারেন্ট ব্যতীত গ্রেফতার করতে পারে না।
২,১৭৭.
কোন ফৌজদারি আদালত আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. সকল দায়রা আদালত
  3. সকল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. সকল ফৌজদারি আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ৩১ ধারা- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31- Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
২,১৭৮.
ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন সাক্ষী হাজির হতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাক্ষীকে-
  1. জরিমানা করতে পারেন
  2. গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠাতে পারেন
  3. মৌখিকভাবে সতর্ক করতে পারেন
  4. হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন
সঠিক উত্তর:
হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।

ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না:
অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।

অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে:
শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।

(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
২,১৭৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৪৫ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. গণ-উৎপাত
  2. রাজনৈতিক অসন্তোষ
  3. পাবলিক পরীক্ষা কেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা
  4. ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
সঠিক উত্তর:
ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমি বিরোধজনিত শান্তি ভঙ্গের আশঙ্কারোধ
ব্যাখ্যা
♦ ধারা-১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা (Dispute concerning land, etc. is likely to cause breach of peace)- স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
♦ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
♦ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার বিধান (১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।

(২) এই ধারার উদ্দেশ্যে জমি বা পানি বলতে দালান, বাজার, মৎস্যাগার, ফসল বা সম্পত্তির খাজনা বা মুনাফাও বুঝায়।

(৩) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশক্রমে এরূপ ব্যক্তি ব্যক্তিগণের উপর আদেশের একটি সমন জারীর জন্য এই আইনে বর্ণিত পদ্ধিতিতে জারী করতে হবে এবং অন্ততঃপক্ষে একটি নকল সুবিধাজনক স্থানে বা বিরোধের বিষয় বস্তুর নিকটে লটকায়ে জারী করতে হবে।
২,১৮০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারা অনুসারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে বিচারক কী সম্পর্কে অবহিত করবেন?
  1. সাক্ষীর বিবরণ
  2. জামিনের শর্ত
  3. আপিলের সময়সীমা
  4. দণ্ড কার্যকরের তারিখ
সঠিক উত্তর:
আপিলের সময়সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলের সময়সীমা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৩৭১ অনুসারে, যখন কোনো দায়রা বিচারক (Sessions Judge) মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন, তখন তিনি আসামিকে অবশ্যই অবহিত করবেন যে, সে যদি আপিল করতে চায়, তাহলে কত দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে।
- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুসারে, বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: আসামীর আবেদনে রায় প্রভৃতির অনুলিপি তাহাকে দিতে হইবে:
(১) আসামি আবেদন করলে রায়ের একটি নকল অথবা সে ইচ্ছা করলে ও সম্ভব হলে তার নিজের ভাষায় বা আদালতের ভাষায় উহার একটি অনুবাদ তাকে অবিলম্বে দিতে হবে। ২০ অধ্যায়ের মামলা ব্যতীত অন্য যেকোনো মামলায় এরূপ নকল বিনা মূল্যে দিতে হবে।
-মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়:
(৩) যখন কোন দায়রা জজ কোন আসামিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তখন উক্ত দায়রা জজ তাকে আরও জানাইবেন যে সে আপিল করতে চাইলে কতদিনে মধ্যে আপিল করতে পারবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-371.
- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application:
(1) On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a 402[case under Chapter XX], be given free of cost.
-Case of person sentenced to death:
(3) When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
২,১৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ৫৪
  2. ৫৭
  3. ৬১
  4. ৫৯
সঠিক উত্তর:
৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
--------------------------------
⇒CrPC Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station. 
(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him. 
(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.
২,১৮২.
যেক্ষেত্রে বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয়, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. আসামিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবে
  2. অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
  3. ফরিয়াদিকে জরিমানার আদেশ দিবে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে, যা নিম্নরূপ:
 
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদেণ্ডর  মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
 
(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
 
Section 35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody-
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
২,১৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারা অনুসারে বন্ড স্বাক্ষরের পর কী ঘটে?
  1. মামলা খারিজ করা হয়
  2. অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়
  3. অভিযুক্তকে শাস্তি দেওয়া হয়
  4. অভিযুক্তকে আরও তদন্তের জন্য আটক রাখা হয়
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) অভিযুক্তকে মুক্তি দেওয়া হয়। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারা অনুযায়ী, যখন জামিননামা (বন্ড) স্বাক্ষরিত হয়, তখন সেই বন্ডের জন্য জামিন দেওয়া ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয়।
যদি সে জেলে থাকে, আদালত মুক্তির আদেশ জেলখানার অফিসারের কাছে পাঠায়, আর সেই অফিসার আদেশ পাওয়ার পর তাকে মুক্তি দেয়।
তবে, যদি অন্য কোনো কারণে অভিযুক্তকে আটক রাখা প্রয়োজন হয়, তাহলে মুক্তি বাধ্যতামূলক নয়।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
২,১৮৪.
FIR এর পূর্ণরূপ কী?
  1. First Investigation Report
  2. First Information Report
  3. Final Information Report
  4. Formal Investigation Report
সঠিক উত্তর:
First Information Report
উত্তর
সঠিক উত্তর:
First Information Report
ব্যাখ্যা
⇒ FIR এর পূর্ণরূপ হল "First Information Report" (ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট)। এটি পুলিশে একটি লিখিত বা মৌখিকভাবে প্রাপ্ত প্রথম তথ্য, যা পুলিশের কাছে একটি অপরাধ ঘটানোর সংবাদ প্রদান করা হয়। FIR একটি অপরাধের সূত্রপাত এবং সেটি সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য প্রদান করে। এই রিপোর্টে সাধারণত অভিযুক্তের নাম, অপরাধের বিবরণ এবং ঘটনার সময় বা স্থান সম্পর্কিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- এটি অপরাধের প্রাথমিক চিহ্ন হিসেবে কাজ করে এবং তদন্ত শুরু করার জন্য একটি আইনগত ভিত্তি প্রদান করে। FIR প্রাথমিকভাবে থানায় পুলিশের দায়িত্বে জমা পড়ে এবং এটি ভবিষ্যতে তদন্তের জন্য অপরিহার্য দলিল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তবে, অন্য যে অপশনগুলো দেওয়া হয়েছে যেমন First Investigation Report, Final Information Report, এবং Formal Investigation Report, এগুলো ভুল। FIR মূলত "First Information Report" নামেই পরিচিত।
২,১৮৫.
The obligation of true interpretation under section 543 applies when interpreting:
  1. Evidence only
  2. Statements only
  3. Foreign documents
  4. Both evidence and statements
সঠিক উত্তর:
Both evidence and statements
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both evidence and statements
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৩ ধারার বিধান- অনুসারে দোভাষী অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন-
কোন সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখা করার জন্য যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক একজন দোভাষীর সেবা দেয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে দোভাষী উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন।
--------------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 543- Interpreter to be bound to interpret truthfully:
When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
২,১৮৬.
ফৌজদারি মামলায় G.R Case এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. নালিশের মাধ্যমে দায়ের করা মামলা
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দায়েরকৃত মামলা
  3. সরাসরি আদালতে দায়েরকৃত মামলা
  4. এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
সঠিক উত্তর:
এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এজাহারের মাধ্যমে পুলিশের কাছে করা মামলা
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে, বাংলাদেশে অপরাধমূলক মামলাগুলোর দুটি প্রধান ধারা রয়েছে – জি.আর (General Register Case) ও সি.আর (Complaint Register Case)।

জি.আর মামলা:
থানায় দায়ের করা সাধারণ মামলা, যা পুলিশের মাধ্যমে তদন্ত করা হয়।

জি.আর মামলার প্রক্রিয়া:
১৫৪ ধারায় এফআইআর দায়ের: কোনো ব্যক্তি থানায় অভিযোগ জানালে তা FIR (First Information Report) হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
১৫৬ ধারার অধীনে তদন্ত: পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে। অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারে (প্রয়োজনে)।
চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা চার্জশিট দাখিল: তদন্ত শেষে পুলিশ চার্জশিট বা চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করে।
বিচার শুরু: আদালত চার্জ গঠন করে ও সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সি.আর মামলা:
সি.আর মামলা হলো কমপ্লেইন্ট রেজিস্ট্রার (Complaint Register) কেস বা নালিশী মামলা। আদালতে সরাসরি দায়ের করা মামলা, যেখানে ম্যাজিস্ট্রেট সরাসরি অভিযোগ গ্রহণ করেন ও তদন্তের নির্দেশ দেন।

সি.আর মামলার প্রক্রিয়া:
অভিযোগ দাখিল: বাদী আদালতে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। ম্যাজিস্ট্রেট এটি পর্যালোচনা করেন।
২০০ ধারামতে জবানবন্দী গ্রহণ: অভিযোগকারীকে হলফনামার মাধ্যমে তার অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে হয়।
২০২ ধারার অধীনে তদন্তের নির্দেশ: যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে তদন্ত প্রয়োজন, তবে পুলিশ বা অন্য কোনো সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
১৭৩ ধারার অধীনে তদন্ত রিপোর্ট: তদন্ত সংস্থা তাদের রিপোর্ট দাখিল করে।
২০৩ ধারায় মামলা খারিজ বা স্বীকৃতি: ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে অভিযোগের ভিত্তি নেই, তবে মামলা খারিজ হতে পারে।
অন্যথায়, আদালত চার্জ গঠন করেন ও বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেন।

২,১৮৭.
গ্রেফতারকারী অফিসার যদি সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা না হন, তবে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬খ অনুযায়ী তিনি কী করতে বাধ্য?
  1. অভিযুক্তকে সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দিতে
  2.  থানায় মৌখিকভাবে তথ্য জানাতে
  3. গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের কপি ওসি-কে দিতে
  4. আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের কপি ওসি-কে দিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের কপি ওসি-কে দিতে
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬খ: গ্রেফতারের রেকর্ড, সাধারণ ডায়েরিতে নথিভুক্তি এবং তথ্য প্রদান:
(১) গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে একটি এন্ট্রি করতে হবে, যাতে উল্লেখ থাকবে—
- গ্রেফতারের কারণ,
- তথ্যদাতা বা অভিযোগকারী ব্যক্তির নাম ও বিবরণ,
- সেই আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও বিবরণ, যাকে গ্রেফতারের তথ্য জানানো হয়েছে, এবং
- গ্রেফতার ব্যক্তিকে আটক করার দায়িত্বে থাকা অফিসারের নাম ও বিবরণ।

(২) প্রতিটি গ্রেফতারীর ঘটনা সেই থানার সাধারণ ডায়েরিতে সঙ্গে সঙ্গেই নথিভুক্ত করা হবে। যদি গ্রেফতারকারী অফিসার সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা না হন, তবে গ্রেফতার সম্পন্ন হওয়ার সাথে সাথেই গ্রেফতারের মেমোরান্ডামের একটি কপি সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার-ইন-চার্জকে প্রদান করতে হবে, যিনি এরপর তা সাধারণ ডায়েরিতে এন্ট্রি করবেন।

(৩) যারা অফিসিয়াল রেজিস্টার বা সাধারণ ডায়েরি রক্ষা করার দায়িত্বে আছেন, তারা চাইলে গ্রেফতার সম্পর্কিত তথ্য গ্রেফতার ব্যক্তির যে কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীকে দিতে বাধ্য থাকবেন।

২,১৮৮.
ধারা ২৩৪ অনুযায়ী, একই ধরনের একাধিক অপরাধ কত সময়ের মধ্যে সংঘটিত হলে একত্রে বিচার করা যাবে?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১২ মাস
সঠিক উত্তর:
১২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে,
যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে। অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয়

আইনের একই ধারানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে।

তবে শর্ত এই যে, এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরণের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোন ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা, একই ধরণের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়।

২,১৮৯.
ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে অব্যাহতি দিলে তার বিরুদ্ধে ফরিয়াদি কী ব্যবস্থা নিতে পারেন?
  1. রিভিশন
  2. আপীল
  3. রিভিউ
  4. উচ্চতর আদালতে মামলা দায়ের।
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা- ২৪১ক মোতাবেক আসামী ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট  মামলার নথি ও তৎসহ দাখিলকৃত যাবতীয় কাগজপত্র বিবেচনা করে যদি ম্যাজিস্ট্রেট  প্রয়োজন মনে করেন সেই মোতাবেক আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ করে এবং ফরিয়াদী ও আসামীকে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দান করে যদি মনে করেন যে, অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে তিনি আসামীকে অব্যাহতি দিবেন এবং এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন। ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে অব্যাহতি দিলে তার বিরুদ্ধে ফরিয়াদি রিভিশন দায়ের করতে পারেন।
২,১৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার অধীনে, যদি আদালত মনে করে যে কোনো বৈধ অভিযোগ গঠন সম্ভব নয়, তাহলে কী করা হবে?
  1. দণ্ডাদেশ রদ করা হবে
  2. নতুন করে সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে
  3. মামলাটি হাইকোর্টে পাঠানো হবে
  4. অভিযুক্তকে আরও তদন্তের জন্য আটক রাখা হবে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ রদ করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ রদ করা হবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ মনে করে যে—
অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনে গুরুতর ভুল ছিল, এবং মামলার প্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে কোনো বৈধ অভিযোগ গঠন করা সম্ভব নয়, তাহলে আদালত দণ্ডাদেশ বাতিল বা রদ (quash) করতে পারে।

অর্থাৎ, যদি আদালত নিশ্চিত হয় যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগভাবে কোনো অভিযোগ টেকসই নয়, তবে তাকে সাজা দেওয়া যাবে না, এবং আদালত দণ্ডাদেশ রদ করে তাকে অব্যাহতি দেবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার বিধান চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তাহলে উক্ত আদালত যে-রূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।
২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলি এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলির ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।
--------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 232: Effect of material error:
(1) If any Appellate Court, or the High Court Division in the exercise of its powers of revision or of its powers under Chapter XXVII, is of opinion that any person convicted of an offence was misled in his defence by the absence of a charge or by an error in the charge, it shall direct a new trial to be had upon a charge framed in whatever manner it thinks fit.
(2) If the Court is of opinion that the facts of the case are such that no valid charge could be preferred against the accused in respect of the facts proved, it shall quash the conviction.
২,১৯১.
প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ ফৌজদারি আদালতের বিচারক হন
  1. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা জজ
  3. দায়রা জজ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধানঃ নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণঃ (১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন ।

(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।

(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।

(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন

♦ অর্থাৎ প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত হলো দায়রা আদালত এবং দায়রা আদালতের বিচারক হলো দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ। অন্যদিকে মহানগর এলাকায় মহানগর দায়রা আদালত হলো সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত এবং মহানগর দায়রা জজ হলো বিচারক।
২,১৯২.
ধারা ৩৫২-এর অধীনে সর্বসাধারণ বা কোনো বিশেষ ব্যক্তির আদালতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার আদেশ দিতে পারেন-
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. আদালতের কর্মচারী
  4. সরকারি কৌঁসুলি
সঠিক উত্তর:
বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ

শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

Section 352: Courts to be open
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.

২,১৯৩.
ধারা ৩৫৯-এর অধীনে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করার এখতিয়ার নেই-
  1. ম্যাজিস্ট্রেটের
  2. দায়রা জজের
  3. আইনজীবীর
  4. উল্লিখিত কারো নেই
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনজীবীর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি-
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।

Section 359: Mode of recording evidence-
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative.
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
২,১৯৪.
সরকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ার প্রদত্ত হয়েছে এমন কোন বেঞ্চকে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা দিতে পারে ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারার অধীন?
  1. ৩৬
  2. ২৬১
  3. ৩৩
  4. ২৬০
সঠিক উত্তর:
২৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬১
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬১ ধারার বিধান কম ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের উপর ক্ষমতা অর্পণঃ সরকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট-বেঞ্চকে নিম্নে বর্ণিত অপরাধসমূহের সবকয়টির বা যে কোনটির বিচার সংক্ষিপ্ত প্রণালীতে করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেনঃ–

(ক) দণ্ডবিধির ধারা-২৭৭, ২৭৮, ২৭৯, ২৮৫, ২৮৬, ২৮৯, ২৯০, ২৯২, ২৯৩, ২৯৪, ৩২৩, ৩৩৪, ৩৩৬, ৩৪১, ৩৫২, ৪২৬, ৪৪৭ এবং ৫০৪ এর অধীন অপরাধসমূহ;
(খ) পৌরসভা আইন ও পুলিশ আইনের সংরক্ষণমূলক ধারাসমূহের অপরাধ, যাহা শুধুমাত্র জরি- মানাযোগ্য অথবা জরিমানাসহ বা জরিমানা ব্যতীত ১(এক) মাসের অনধিক মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয়; (গ) পূর্ববর্তী অপরাধসমূহের যেকোনটির সংঘটনে সহায়তা করা;
(ঘ) পূর্ববর্তী অপরাধসমূহের যেকোন একটি করার প্রচেষ্টা করা, যেখানে এরূপ প্রচেষ্টা অপরাধ বলে পরিগণিত হয় ।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬০ ধারার বিধান অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা হলো মেট্রেপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট। কিন্তু ২৬১ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা দিতে পারে।
২,১৯৫.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৮২ অনুযায়ী, গর্ভবতী মহিলার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করবে কোন আদালত?
  1. দায়রা আদালত
  2. জেলা আদালত
  3. আপিল বিভাগ
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৮২ অনুযায়ী: "If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life."
 - অর্থাৎ, যদি কোনো নারী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন এবং দেখা যায় তিনি গর্ভবতী, তাহলে: হাইকোর্ট বিভাগ অবশ্যই তার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার নির্দেশ দিবে; এবং চাইলে, দণ্ডটি আজীবন কারাদণ্ডে (transportation for life) রূপান্তর করতে পারে।
 অতএব, ধারা ৩৮২ অনুযায়ী এই ক্ষমতা কেবল হাইকোর্ট বিভাগের।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো নারী যদি গর্ভবতী হিসেবে প্রমাণিত হন, তাহলে: হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার আদেশ দিবে; এবং চাইলে, সেই মৃত্যুদণ্ডকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে (transportation for life) রূপান্তর করতে পারে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 382. Postponement of capital sentence on pregnant woman:
- If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
২,১৯৬.
জামিনদার যদি জামিননামাটি বাতিল করার আবেদন করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদক্ষেপ নেবেন?
  1. জামিনদারকে শাস্তি দেবেন
  2. জামিননামাটি বাতিল করবেন
  3. আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দেবেন
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫০২: জামিনদারের অব্যাহতি:

জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody. 
২,১৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার কোনো কার্যক্রম নিচের কোন কারণে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না?
  1. তদন্তে গাফিলতির জন্য
  2. তদন্ত অসম্পূর্ণ থাকার জন্য
  3. তদন্তে পক্ষপাতিত্বের জন্য
  4. কর্মকর্তার তদন্তের ক্ষমতা না থাকার জন্য
সঠিক উত্তর:
কর্মকর্তার তদন্তের ক্ষমতা না থাকার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্মকর্তার তদন্তের ক্ষমতা না থাকার জন্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ ধারার উপ-ধারা (২) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, "No proceeding of a police-officer in any such case shall at any stage be called in question on the ground that the case was one which such officer was not empowered under this section to investigate." অর্থাৎ, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার কোনো কার্যক্রম শুধুমাত্র এই যুক্তিতে কোনো পর্যায়েই চ্যালেঞ্জ বা প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না যে, তিনি ঐ মামলার তদন্ত করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত (Empowered) ছিলেন না।
- অন্যগুলোর (গাফিলতি, অসম্পূর্ণতা, পক্ষপাতিত্ব) জন্য তদন্ত কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ বা চ্যালেঞ্জ করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৬: আমলযোগ্য অপরাধে তদন্ত (Investigation into cognizable cases)
(১) কোনো থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OC) ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই এমন কোনো আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারবেন, যা সেই থানার এলাকার মধ্যে ঘটে এবং যার বিচার করার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট আদালতের রয়েছে (চ্যাপ্টার XV অনুযায়ী)।
(২) তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার কোনো কার্যক্রমকে এই যুক্তিতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না যে, তিনি ঐ মামলার তদন্তে অধিকারী ছিলেন না।
(৩) ধারা ১৯০ অনুযায়ী ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটও উক্ত ধরনের অপরাধে তদন্তের আদেশ দিতে পারেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 156. Investigation into cognizable cases:
(1) Any officer in charge of a police-station may, without the order of a Magistrate, investigate any cognizable case which a Court having jurisdiction over the local area within the limits of such station would have power to inquire into or try under the provisions of Chapter XV relating to the place of inquiry or trial. 
(2) No proceeding of a police-officer in any such case shall at any stage be called in question on the ground that the case was one which such officer was not empowered under this section to investigate. 
(3) Any Magistrate empowered under section 190 may order such and investigation as above mentioned.

২,১৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারায় অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার শর্ত কি?
  1. কোন পক্ষের আবেদনক্রমে দিতে হবে
  2. উচ্চতর আদালতের অনুমতি নিতে হবে
  3. অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩৬ (অনুসন্ধানের আদেশ দেয়ার ক্ষমতা)- হাইকোর্ট তার অধীনস্থ কোন আদালতকে বা দায়রা জজ তার অধীনস্থ কোন-

১. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নিজেদের দ্বারা বা
২. তাদের অধীনস্থ কোন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা অধিকতর অনুসন্ধান করার আদেশ দিতে পারে এবং
৩. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অনুসন্ধান করতে পারে বা তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে অনুসন্ধান করার নির্দেশ দিতে পারে নিম্নলিখিত বিষয়ে-

i. ২০৩ ধারায় খারিজ হয়েছে এমন যেকোন নালিশ বিষয়ে বা
ii. ২০৪ (৩) ধারায় খারিজ করা হয়েছে এমন কোন নালিশ বিষয়ে বা
iii. যে মামলায় কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সেই মামলায়। অধিকতর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিতে পারবে।

শর্ত থাকে যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন তদন্তের নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কেন উক্তরূপ নির্দেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাবার সুযোগ দেয়া হয়।

Section 436 (Power to order inquiry)-
On examining any record under section 435 or otherwise, the High Court Division or the Sessions Judge may direct the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate by himself or by any of the Magistrates subordinate to him to make, and the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate may himself make, or direct any Sub-ordinate Magistrate to make, further inquiry into any complaint which has been dismissed under section 203 or sub-section (3) of section 204, or into the case of any person accused of an offence who has been discharged: 
 
Provided that no Court shall make any direction under this section for inquiry into the case of any person who has been discharged unless such person has had an opportunity of showing cause why such direction should not be made.
২,১৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যাবে না?
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মসমর্পণ করতে না চাইলে
  3. অপরাধ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য হলে
  4. অপরাধ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য না হলে
সঠিক উত্তর:
অপরাধ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য না হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য না হলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারা- গ্রেফতারের পদ্ধতি:
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।

(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধ: এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন ।

(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।
২,২০০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, অভিযুক্তকে তার বাড়ি ছাড়া অন্য কোথাও গ্রেপ্তার করলে, কত ঘণ্টার মধ্যে তার পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়কে জানাতে হবে?
  1. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থান এবং হেফাজতের স্থান জানিয়ে, যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় থেকে বারো ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত একজন পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে অবহিত করবেন।"
Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025-এর মাধ্যমে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এ এই ধারা ৪৬ক সন্নিবেশিত করা হয়েছে, যা গ্রেপ্তারের পদ্ধতি ও গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য নির্ধারণ করে।
অতএব, সঠিক উত্তর ১২ ঘণ্টা।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক- গ্রেপ্তার পদ্ধতি এবং গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য: কোনো গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ অফিসার বা অন্য গ্রেপ্তারকারী ব্যক্তি—
(ক) তার নামের একটি সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচিতি বহন করবেন যা সহজে শনাক্তকরণে সহায়তা করবে;
(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করবেন এবং যদি দাবি করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি এবং গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে তার পরিচয়পত্র দেখাবেন;
(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারকলিপি (memorandum) প্রস্তুত করবেন যা—
(i) কমপক্ষে একজন সাক্ষী দ্বারা সত্যায়িত হবে, যিনি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা যে এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেখানকার একজন গণ্যমান্য বাসিন্দা এবং যদি এই ধরনের কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকলিপিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
(ii) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি অসম্মতি না জানান, তবে তার দ্বারা প্রতিস্বাক্ষরিত বা টিপসইযুক্ত হবে;
(ঘ) যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থান এবং হেফাজতের স্থান জানিয়ে, যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় থেকে বারো ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত একজন পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে অবহিত করবেন;
(ঙ) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে ৪৬ঙ ধারা অনুযায়ী ক্ষেত্রমত একজন মেডিকেল অফিসার বা একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা ওই ব্যক্তির পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করবেন; উপস্থিত মেডিকেল অফিসার বা প্র্যাকটিশনারের কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন; এবং এই ধরনের আঘাতের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন;
(চ) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে, যদি তিনি ইচ্ছা পোষণ করেন, তার পছন্দের একজন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে বা তার নিকটতম কোনো আত্মীয়ের সাথে দেখা করার সুযোগ দেবেন, preferably (সম্ভবত) গ্রেপ্তারের বারো ঘণ্টার মধ্যে।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
- In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;
(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;
(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;
(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.