বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ১২ / ২৯ · ১,১০১১,২০০ / ২,৮৮৩

১,১০১.
ধারা ৩৯৯ অনুযায়ী, কোন বয়সের কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে রাখা হবে?
  1. ২১ বছরের কম
  2. ১৮ বছরের কম
  3. ১৬ বছরের কম
  4. ১৫ বছরের কম
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।

১,১০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুসারে, কোন পুলিশ অফিসার ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করলে কী করতে বাধ্য?
  1. গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে
  2. লিখিত রিপোর্ট দিতে
  3. ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিতে 
  4. গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে নিয়ে যেতে
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪ক অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার হলে পুলিশ অফিসারকে অবশ্যই তাকে গ্রেফতারের কারণ অবহিত করতে হবে। এটি অভিযুক্ত ব্যক্তির মৌলিক অধিকার এবং বেআইনি আটক প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক-  গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানানো:
যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করলে, তাকে গ্রেফতার করার সময় গ্রেফতারের কারণ সেই ব্যক্তিকে জানাতে হবে।
-----
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54A. Person arrested to be informed of reason of arrest:
- Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

১,১০৩.
কঠোর শাস্তির জন্য ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মামলা প্রেরণ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের ক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. পক্ষসমূহের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন
  2. সাক্ষীকে পুনরায় তলব করতে পারবেন
  3. অতিরিক্ত সাক্ষ্য তলব করতে ও গ্রহণ করতে পারবেন
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৯- যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যাপ্ত কঠোর শাস্তি দিতে পারেন না,তখনকার পদ্ধতিঃ

(১) যেক্ষেত্রে এখতিয়ারবান দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর কোন ম্যাজিস্ট্রেট বাদী ও আসামী পক্ষের সাক্ষ্য শ্রবণের পর এ মর্মে অভিমত প্রকাশ করেন যে, আসামী দোষী, এবং তিনি যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার চেয়ে আসামীর পৃথক ধরণের বা কঠোর শাস্তি পাওয়া উচিত, অথবা ধারা-১০৬ এর অধীন বন্ড সম্পাদন করা তার উচিত, তাহলে তিনি অভিমতটি লিপিবদ্ধ করবেন এবং তিনি যে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের যিনি অধঃস্তন তার বরাবর মামলাটি দাখিল করতে এবং আসামীকে প্রেরণ করতে পারবেন।

(১এ) যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর বিচার একসাথে সম্পন্ন হয় এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাদের যেকোন একজন সম্পর্কে উপধারা-(১) এর অধীন আগানো দরকার মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে যেসব আসামীকে তিনি দোষী হিসাবে মনে করেন তাদের সকলকেই চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর প্রেরণ করবেন।

(২) যার বরাবর মামলাটি দাখিল করা হলো সে ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মনে করলে পক্ষসমূহের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন এবং যারা এই মামলায় পূর্বে সাক্ষ্য প্রদান করেছে, সেসব সাক্ষীকে পুনরায় তলব দিয়ে তাদের জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং অতিরিক্ত সাক্ষ্য তলব করতে ও গ্রহণ করতে পারবেন, এবং তিনি আইন অনুসারে যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, মামলায় সেরূপ রায়, শাস্তি বা আদেশ প্রদান করবেন।

শর্ত থাকে যে, ধারা-৩২ ও ৩৩ এর অধীন তাঁর যে শাস্তি দেবার ক্ষমতা আছে তার চেয়ে কঠোর শাস্তি প্রদান করবেন না।

Section 349 (Procedure when Magistrate cannot pass sentence sufficiently severe)-

(1) Whenever a Magistrate of the second or third class, having jurisdiction, is of opinion, after hearing the evidence for the prosecution and the accused, that the accused is guilty, and that he ought to receive a punishment different in kind from, or more severe than, that which such Magistrate is empowered to inflict, or that he ought to be required to execute a bond under section 106, he may record the opinion and submit his proceedings, and forward the accused, to the [Chief Judicial Magistrate or a Magistrate of the first class empowered in this behalf by the Chief Judicial Magistrate to whom he is subordinate. 
 
(1A) When more accused than one are being tried together and the Magistrate considers it necessary to proceed under sub-section (1) in regard to any of such accused, he shall forward all the accused who are in his opinion guilty to the Chief Judicial Magistrate or a Magistrate of the first class empowered in this behalf by the Chief Judicial Magistrate. 
 
(2) The Magistrate to whom the proceedings are submitted may, if he thinks fit, examine the parties and recall and examine any witness who has already given evidence in the case and may call for and take any further evidence, and shall pass such judgment, sentence or order in the case as he thinks fit, and as is according to law: 
 
Provided that he shall not inflict a punishment more severe than he is empowered to inflict under sections 32 and 33.
১,১০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, কমিশন কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেওয়ার জন্য কত সময়ের জন্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যায়?
  1. এক মাস
  2. ছয় মাস
  3. এক বছর
  4. ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত নির্ধারিত সময়
সঠিক উত্তর:
ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত নির্ধারিত সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত নির্ধারিত সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৮ ধারা অনুযায়ী, যখন ধারা ৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীনে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তখন সেই কমিশন কার্যকর এবং ফেরত দেওয়ার জন্য বিচার, অনুসন্ধান বা অন্য কার্যক্রম "ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত নির্ধারিত সময়ের" জন্য মুলতবি রাখা যেতে পারে।
- এখানে কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা (যেমন ১ মাস, ৬ মাস বা ১ বছর) বেঁধে দেওয়া হয়নি। বরং, আদালত মামলার প্রকৃতি ও পরিস্থিতি অনুযায়ী যতটা সময় প্রয়োজন বলে যুক্তিসঙ্গত মনে করে, ততটাই সময় দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৮- অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবিকরণ:
- সে ক্ষেত্রে ৫০৩ বা ৫০৬ ধারার অধীন কমিশন দেয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে উহা কার্যকরীকরণ ও ফেরত দেয়ার জন্য ন্যায়সংগতভাবে পর্যাপ্ত কোন নির্ধারিত সময়ের জন্য সংশ্লিষ্ট অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রম মুলতবি রাখা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 508- Adjournment of inquiry or trial:
In every case in which a commission is issued under section 503 or section 506, the inquiry, trial or other proceeding may be adjourned for a specified time reasonably sufficient for the execution and return of the commission.
১,১০৫.
ধারা ৮১ অনুসারে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে কখন আদালতে হাজির করতে হবে?
  1. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ৭২ ঘণ্টার মধ্যে
  4. কোনো বিলম্ব ছাড়া যত দ্রুত সম্ভব
সঠিক উত্তর:
কোনো বিলম্ব ছাড়া যত দ্রুত সম্ভব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো বিলম্ব ছাড়া যত দ্রুত সম্ভব
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারানুযায়ী,
গ্রেফতারী পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনতঃ বাধ্য।

Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security)without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.
১,১০৬.
আদালত কখন অভিযুক্তকে মামলা সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্ন করতে পারে?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণের পরে
  2. শুধুমাত্র জেরার সময়
  3. রায় ঘোষণার পর
  4. বিচার চলাকালীন যেকোনো সময়
সঠিক উত্তর:
বিচার চলাকালীন যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার চলাকালীন যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়। আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

Section 342- Power to examine the accused:
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence.

(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just.

(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed.

(4) No oath shall be administered to the accused.

উল্লেখ্য,
এই ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
১,১০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ধারার বিধান অনুযায়ী অবিলম্বে বা তাৎক্ষনিক কার্যকরের প্রয়োজন হলে কে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে পারে?
  1. যে কোন ব্যক্তি
  2. পুলিশ অফিসারের নির্দেশে যে কোন ব্যক্তি
  3. আদালতের নির্দেশে যে কোন ব্যক্তি
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রটের নির্দেশে যে কোন ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
আদালতের নির্দেশে যে কোন ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের নির্দেশে যে কোন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৭৭ ধারার বিধান: পরোয়ানা যার কাছে প্রেরণ করতে হবে:
(১) গ্রেফতারী পরোয়ানা সাধারণতঃ এক বা একাধিক পুলিশ অফিসার বরাবর নির্দেশিত হবে এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জারীকৃত পরোয়ানা সর্বদাই তদ্রূপ নির্দেশিত হবে, তবে যেক্ষেত্রে পরোয়ানা অবিলম্বে কার্যকরী করা আবশ্যক হয় এবং অবিলম্বে কোন পুলিশ অফিসার পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে এরূপ পরোয়ানা জারীকারী আদালত অন্য এক বা একাধিক ব্যক্তি বরাবর তা নির্দেশিত করতে পারবেন এবং এরূপ এক বা একাধিক ব্যক্তি তা কার্যকরী করবেন।

(২) একাধিক ব্যক্তির কাছে প্রেরিত পরোয়ানাঃ যেক্ষেত্রে কোন পরোয়ানা একাধিক অফিসার বা ব্যক্তি বরাবর নির্দেশিত হয়, সেক্ষেত্রে তাদের সকলে বা যে কোন এক বা একাধিক জন তা কার্যকরী করতে পারবেন।
---------------------
The Code of Criminal Procedure, Section 77. Warrants to whom directed:
(1) A warrant of arrest shall ordinarily be directed to one or more police-officers, and, when issued by a Metropolitan Magistrate, shall always be so directed; but any other Court issuing such a warrant may, if its immediate execution is necessary and no police-officer is immediately available, direct it to any other person or persons; and such person or persons shall execute the same.

Warrants to several persons:
(2) When a warrant is directed to more officers or persons than one, it may be executed by all, or by any one or more, of them.
১,১০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা অনুসারে, সমন কীভাবে প্রদান করতে হবে?
  1. লিখিতভাবে এবং এক কপিতে
  2. লিখিতভাবে এবং দুই কপিতে
  3. লিখিতভাবে এবং তিন কপিতে
  4. মৌখিকভাবে এবং এক কপিতে
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে এবং দুই কপিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিখিতভাবে এবং দুই কপিতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৮(১) এ বলা হয়েছে: “কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি অনুযায়ী নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হতে হবে।”
- অর্থাৎ, সমন একটি আনুষ্ঠানিক নোটিশ যেটি, লিখিতভাবে হতে হবে, দুই কপিতে প্রস্তুত করতে হবে (একটি কপি রেকর্ডে, অপরটি প্রাপকের জন্য), এবং সেটি অবশ্যই বিচারক বা অনুমোদিত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সীল থাকতে হবে। মৌখিকভাবে বা এক কপিতে সমন প্রদান আইন অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য নয়।
→ সুতরাং, ধারা ৬৮ অনুযায়ী, সমনের বৈধতা নিশ্চিত করতে হলে তা “লিখিত ও দুই কপিতে” হতে হবে, তাই সঠিক উত্তর "খ"।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারার বিধান সমনের ফরম:
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে।
(২) সমন জারিকারক : এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section- 68. Form of summons:
1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.
Summons by whom served:
2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.

১,১০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীনে গর্ভবতী স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার জন্য কোন আদালত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. জেলা আদালত
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা অনুযায়ী, গর্ভবতী স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার জন্য শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ কর্তব্যপ্রণালী প্রয়োগ করতে পারে। এর আওতায়, হাইকোর্ট বিভাগ যদি দেখতে পায় যে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো মহিলা গর্ভবতী, তবে হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যেতে পারে এবং প্রয়োজনবোধে তা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তরিত করা যেতে পারে।

- এটি স্পষ্টভাবে ৩৮২ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, হাইকোর্ট বিভাগ এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। তাই উত্তর হবে ক) হাইকোর্ট বিভাগ।

অন্য আদালত (যেমন দায়রা আদালত বা জেলা আদালত) এই ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা রাখে না, কারণ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারায় শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
১,১১০.
কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা হলে, ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নের কোন পদক্ষেপ গ্রহন করবেন?
  1. দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন
  2. কমান্ডিং অফিসারের নিকট অর্পণ করবেন
  3. জবানবন্দী গ্রহণ করবেন
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
কমান্ডিং অফিসারের নিকট অর্পণ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমান্ডিং অফিসারের নিকট অর্পণ করবেন
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৯ অনুসারে,

কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা হলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের একটি বিবরণসহ অভিযুক্তকে কোর্ট মার্শালে বিচারের উদ্দেশ্যে বাহিনী, কোর, জাহাজ বা উপদলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট অথবা নিকটতম স্থল, নৌ বা বিমান বাহিনী কমান্ডিং অফিসারের নিকট অর্পণ করবেন।

কোন সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর প্রত্যেকটি ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও হাজির করার জন্য সর্বাধিক চেষ্টা করবেন।
১,১১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে দায়রা আদালতে অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্বে কে থাকেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অফিসার
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী, দায়রা আদালতে মামলা পরিচালনা করবেন পাবলিক প্রসিকিউটর। তিনি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বর্ণনা দিয়ে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করবেন।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
⇒ কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial)
-ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
- ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভিযোগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265A.Trial to be conducted by Public Prosecutor:
-In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265B.Opening case for prosecution:
-When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.
১,১১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৩ ধারা কোন আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. হাইকোর্ট
  2. দায়রা আদালত
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. পারিবারিক আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩ শিরোনাম: "Court of Session to send copy of finding and sentence to District Magistrate"
- এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে,  "In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and the District Magistrate..."
⇒ অর্থাৎ, এই ধারা "দায়রা আদালতের" (Court of Session) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
যখন দায়রা আদালত কোনো মামলা বিচার করে রায় ও দণ্ড প্রদান করে, তখন তার একটি অনুলিপি:
মহানগর এলাকায় হলে → চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
অন্য এলাকায় হলে →  চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রেরণ করতে হবে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ- দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন। অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.
১,১১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ ধারা অনুযায়ী, রেকর্ড এবং রায় কীভাবে লেখা হবে?
  1. ইংরেজি ভাষায়
  2. আদালতের ভাষায়
  3. আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিচারকের মাতৃভাষায়
  4. উল্লিখিত সবগুলো উপায়ে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো উপায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো উপায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ ধারা অনুযায়ী, রেকর্ড এবং রায় ইংরেজি ভাষায়, আদালতের ভাষায়, অথবা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত হলে বিচারকের মাতৃভাষায় লেখা হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫ ধারা অনুযায়ী:
(১) ধারা ২৬৩ অনুসারে যে সমস্ত রেকর্ড তৈরি করা হয় এবং ধারা ২৬৪ অনুসারে যে সমস্ত রায় রেকর্ড করা হয়, তা সঞ্চালনকারী বিচারক ইংরেজি ভাষায় অথবা আদালতের ভাষায় লিখবেন, অথবা যদি ওই বিচারক যেই আদালতে তদ্বীজীভূত হন, সেই আদালত নির্দেশ দেন, তবে বিচারকের মাতৃভাষায় লিখতে হবে।
(২) সরকার যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চকে যে বেঞ্চগুলি সাফভাবে অপরাধ বিচার করতে সক্ষম, তাদেরকে ওই রেকর্ড বা রায় প্রস্তুত করতে নির্ধারিত কর্মকর্তাকে নিয়োগ করতে অনুমতি দিতে পারে, এবং ওই রেকর্ড বা রায় প্রস্তুত হওয়ার পর তা ওই বেঞ্চের প্রতিটি সদস্য দ্বারা সই করা হবে, যারা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন।
(৩) যদি এমন কোনো অনুমোদন না দেওয়া হয়, তবে বেঞ্চের কোনো সদস্য দ্বারা প্রস্তুত করা রেকর্ড এবং উক্ত সদস্য দ্বারা সই করা রেকর্ডই সঠিক রেকর্ড হিসেবে গণ্য হবে।
(৪) যদি বেঞ্চের সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ থাকে, তবে যে সদস্যের বিপরীত মতামত থাকবে, তিনি একটি আলাদা রায় লিখতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 265. Language of record and judgment:
(1) Records made under section 263 and judgments recorded under section 264 shall be written by the presiding officer, either in English or in the language of the Court, or, if the Court to which such presiding officer is immediately sub-ordinate so directs, in such officer's mother-tongue.
Bench may be authorised to employ clerk
(2) The Government may authorize any Bench of Magistrates empowered to try offences summarily to prepare the aforesaid record or judgment by means of an officer appointed in this behalf by the Court to which such Bench is immediately subordinate, and the record or judgment so prepared shall be signed by each member of such Bench present taking part in the proceedings. 
(3) If no such authorization be given, the record prepared by a member of the Bench and signed as aforesaid shall be the proper record. 
(4) If the Bench differ in opinion, any dissentient member may write a separate judgment.
১,১১৪.
আদালতে কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য?
  1. ঘটনার প্রশ্নে
  2. আইনের প্রশ্নে
  3. সাক্ষ্যের প্রশ্নে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য

ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।

Section 418- Appeals on what matters admissible

An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation-The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.
১,১১৫.
Complainant তার Complaint প্রত্যাহার করলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খালাস (acquit) দিবেন
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (release) দিবেন
  3. অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি (discharge) দিবেন
  4. Complaint খারিজ (dismiss) করবেন
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খালাস (acquit) দিবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খালাস (acquit) দিবেন
ব্যাখ্যা
চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস(Acquittal) দিবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিবে।

[If a complainant,at any time before a final order is passed in any case under this Chapter,satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same,and shall thereupon acquit the accused.]

• অপরদিকে, ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিতে পারে।
১,১১৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৫ ধারায় কোন বিষয় সম্পর্কে বিধান রয়েছে?
  1. অভিযোগ তৈরি করার প্রক্রিয়া
  2. অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল
  3. অভিযোগ বাতিল করার নিয়ম
  4. অভিযোগ সংশোধন করার পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩৫- অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল:
(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপিল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরি না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge:
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby.

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
১,১১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৩ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি প্রাইভেট প্লিডার নিযুক্ত করে মামলা পরিচালনা করতে চান, তাহলে কে সেই মামলার তত্ত্বাবধান করবেন?
  1. আদালত
  2. পুলিশ অফিসার
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৩ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ব্যক্তিগতভাবে (প্রাইভেটলি) একজন আইনজীবী (Pleader) নিযুক্ত করে কোনো ফৌজদারি মামলার প্রসিকিউশন পরিচালনা করতে চান, তাহলে সেই আইনজীবীকে অবশ্যই পাবলিক প্রসিকিউটরের নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কাজ করতে হবে।
অর্থাৎ, মামলার মূল নিয়ন্ত্রণ থাকবে পাবলিক প্রসিকিউটরের হাতে। ব্যক্তিগতভাবে নিযুক্ত আইনজীবী শুধুমাত্র সহায়ক হিসেবে কাজ করবেন, কিন্তু স্বতন্ত্রভাবে পরিচালনা করতে পারবেন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৯৩ অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটর যে মামলায় ভারপ্রাপ্ত হয়েছেন, সেই মামলা যে আদালতে তদন্তাধীন, বিচার বা আপীলাধীন রয়েছে, তিনি সেই আদালতে কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারবেন, এবং কোন বেসরকারি ব্যক্তি যদি এরূপ কোন মামলার কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ পরিচালনার জন্য অ্যাডভোকেট নির্দেশ দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে নির্দেশাধীন অ্যাডভোকেট উক্ত মামলায় তাঁর নির্দেশাধীন কাজ করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 493-Public Prosecutor may plead in all Court in cases under his charge Pleaders privately instructed to be under his direction:
The Public Prosecutor may appear and plead without any written authority before any Court in which any case of which he has charge is under inquiry, trial or appeal, and if any private person instructs a pleader to prosecute in any Court any person in any such case, the Public Prosecutor shall conduct the prosecution, and the pleader so instructed shall act therein, under his directions.
১,১১৮.
ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রদত্ত নিম্নের কোনটি 'নালিশ' এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. নারাজি দরখাস্ত
  2. লিখিত অভিযোগ
  3. পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট
  4. মৌখিক অভিযোগ
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১)(জ) ধারায় নালিশ বা অভিযোগের সংজ্ঞা রয়েছে। আমলযোগ্য বা আমল অযোগ্য কোন অপরাধের বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ করাকে নালিশ বা অভিযোগ বা Complaint বলে ।

নালিশে পুলিশ অফিসারের রিপোর্ট অন্তর্ভূক্ত হবে না, তবে ম্যাজিস্ট্রেট নারাজি পিটিশনকে নালিশ (complaint) হিসেবে গণ্য করতে পারেন।
১,১১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭(৩) ধারা অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তির সঠিক নাম বা বাসস্থান জানা না যায়, তাহলে তাকে কোথায় পাঠানো হবে?
  1. থানায়
  2. আদালতে
  3. নির্বাহী যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
সঠিক উত্তর:
নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারা- নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবেঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।

(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
১,১২০.
Provisions relating to 'Discharge of sureties' is provided in-
  1. Section 501
  2. Section 502
  3. Section 505
  4. Section 507
সঠিক উত্তর:
Section 502
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 502
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

 - জামিনদারের অধিকার:
জামিনদার যে কোন সময় জামিননামা থেকে মুক্তি চাইতে পারেন, এই মুক্তি পূর্ণ বা আংশিক উভয়ই হতে পারে, এজন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে হবে।
-ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তব্য:
জামিনদারের আবেদন পেলে তিনি তিনটি কাজ করবেন: ক) মুচলেকা বাতিল করবেন খ) আসামীকে হাজির করার জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন গ) জামিনদারকে দায়মুক্তি দেবেন।
- আসামীর ক্ষেত্রে পরবর্তী প্রক্রিয়া:
আসামী দুইভাবে আদালতে আসতে পারে: ক) নিজে হাজির হয়ে খ) গ্রেফতার হয়ে
- আদালতের পদক্ষেপ:
আসামীকে নতুন জামিনদার খুঁজতে নির্দেশ দেবেন, দুটি সম্ভাব্য ফলাফল: ক) নতুন জামিনদার পেলে: জামিনে মুক্তি খ) জামিনদার না পেলে: কারাগারে প্রেরণ
----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
১,১২১.
দণ্ড কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. যেকোন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার করেছে
  4. শাস্তি প্রদানকারী বিচারক বা তাদের স্থলাভিষিক্ত বিচারক
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী বিচারক বা তাদের স্থলাভিষিক্ত বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী বিচারক বা তাদের স্থলাভিষিক্ত বিচারক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার বিধান- কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
- যে জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড দিয়াছেন তিনি বা তার স্থলাভিষিক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন।

Section 389: Who may issue warrant:
Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.
১,১২২.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখিত মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার সময় আদালতের জন্য-
  1. mandatory
  2. Directory
  3. Obligatory
  4. Imperative
সঠিক উত্তর:
Directory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Directory
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
১,১২৩.
সাধারণত গ্রেফতারী পরওয়ানা কার বরাবরে নির্দেশ করা হয়?
  1. পুলিশ
  2. আনসার
  3. র‍্যাব
  4. উপরের সকলের বরাবরে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধি ৭৭ ধারা মতে সাধারণত পুলিশের বরাবরে গ্রেফতারী পরওয়ানা নির্দেশ করা হয়। ক্ষেত্রবিশেষে আদালত যে কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট বা পরওয়ানা নির্দেশ করতে পারেন।
১,১২৪.
In which section of the Code of Criminal Procedure is the provision for framing a written charge by the Sessions Court?
  1. 265C
  2. 265D
  3. 265E
  4. 265F
সঠিক উত্তর:
265D
উত্তর
সঠিক উত্তর:
265D
ব্যাখ্যা
ম্যাজিস্ট্রেট এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

-ধারা ২৬৫(ঘ) তে অভিযোগ গঠন সম্পর্কে বলা আছে-
বিবেচনা ও শুনানির পর যদি আদালত অভিমত ব্যক্ত করেন যে, অভিযুক্ত একটা অপরাধ করেছে বা এরূপ মনে করার কারণ আছে,তাহলে আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ (চার্জ) গঠন করবেন।
যেক্ষেত্রে আদালত অভিযোগ গঠন করেন,সেক্ষেত্রে অভিযোগ অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে ও ব্যাখা করতে হবে এবং অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে,সে দোষ স্বীকার করে কিংবা বিচার প্রার্থনা করে কিনা।
-----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-265D: Framing charge:
(1) If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Court is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, it shall frame in writing a charge against the accused. 
(2) Where the Court frames a charge under sub-section (1), the charge shall be read and explained to the accused shall be asked whether he pleads guilty of the offence charged or claims to be tried.
১,১২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন-
  1. জেলা জজ
  2. সরকার
  3. দায়রা আদালত
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৮- ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দানের ক্ষমতা:
রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় যে দায়রা আদালত মােকদ্দমার বিচার করছেন সেই আদালত বিচারকালে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে জড়িত বা সেই সম্পর্কে গােপন তথ্যের অধিকারি বলে অনুমতি কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে এই শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারবেন বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ Section 338- Power to direct tender of pardon:
At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
১,১২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারামতে কি বাজেয়াপ্ত করা হয়?
  1. যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে
  2. অভিযুক্তের কাছে থাকা দলিল
  3. অভিযুক্তের সম্পত্তি
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।

• ধারা ৫১৭ (যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ)-

(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধা- জনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।

(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপীল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপীলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।

(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এমর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
১,১২৭.
আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ পাওয়ার ভিত্তিতে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার-
  1. তা FIR হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করবে
  2. তা GD হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করবে
  3. সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধের (Cognizable offence) ক্ষেত্রে FIR করা হয়,অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য (Non-Cognizable) অপরাধের ক্ষেত্রে GD হিসেবে এন্ট্রি করা হয়। 

ধারা ১৫৫: আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ (Information in non-cognizable cases)-
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারামতে থানায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে,থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিষয়টিকে থানায় রক্ষিত ফরম নং ৬৫-তে জি.ডি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করে সংবাদদাতাকে বা অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।অর্থাৎ আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অপরাধের সংবাদটি জিডি এন্ট্রি বা সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 155: Information in non-cognizable cases-
(1) When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.
Investigation into non-cognizable cases
(2) No police-officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or send the same for trial. 
 
(3) Any police-officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police-station may exercise in a cognizable case.
১,১২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে দায়রা আদালতকে কত দিনের মধ্যে বিচার নিষ্পত্তি করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে?
  1. ১৮০ দিনের মধ্যে
  2. ২৭০ দিনের মধ্যে
  3. ৩৬০ দিনের মধ্যে
  4. ৩৮০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৩৬০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-
 
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।
 
• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
১,১২৯.
According to which section of the Code of Criminal Procedure does the Sessions Court acquit the accused?
  1. 265G
  2. 265H
  3. 265J
  4. 265K
সঠিক উত্তর:
265H
উত্তর
সঠিক উত্তর:
265H
ব্যাখ্যা
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265H: Acquittal:
-If, after taking the evidence for the prosecution, examining the accused and hearing the prosecution and the defence on the point, the Court considers that there is no evidence that the accused committed the offence, the Court shall record an order of acquittal.
-------------------
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫জ ধারার বিধান-খালাস:
-বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ, আসামীর জবানবন্দী গ্রহণ এবং বাদীপক্ষ ও আসামীপক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করার পর আদালত যদি মনে করেন যে, আসামী অপরাধ করেছে এরূপ কোন সাক্ষ্য নাই তাহলে আদালত আসামীকে খালাস দিবার আদেশ লিপিবদ্ধ করবেন।
১,১৩০.
অপরাধ সংঘটনের স্থান অনিশ্চিত হলে অনুসন্ধান বা বিচারের স্থান কোন আইনের কত ধারায়?
  1. ধারা ১৬0
  2. ধারা ১৭৭
  3. ধারা ১৮১
  4. ধারা ১৮২
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৮২
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধিতে ১৭৭ ধারার বিধান মোতাবেক সাধারণত অপরাধ সংঘটন যে স্থানে হবে সেই স্থানের আদালতেই তার অনুসন্ধান ও বিচার হবে।
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৯ ধারার  বিধান মোতাবেক অপরাধ সংঘটন একস্থানে এবং অপরাধের পরিণাম অন্যস্থানে হয় তাইলে ২ স্থানের যেকোন একটিতে বিচার করা যাবে। 
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারার বিধান মোতাবেক অপরাধ সংঘটন স্থান অনিশ্চিত হলে যে কোন আদালতে বিচার বা অনুসন্ধান করতে পারবে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮২ ধারার বিধান যখন ইহা অনিশ্চিত থাকে যে, কয়েকটি স্থানীয় এলাকার কোনটিতে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, অথবা যে ক্ষেত্রে কোন অপরাধ আংশিকভাবে একটি স্থানীয় এলাকায় এবং আংশিকভাবে অন্য একটি স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়,অথবা যেক্ষেত্রে কোন অপরাধ চলছে এমন হয়, এবং একাধিক স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হতে থাকে,অথবা যেক্ষেত্রে বিভিন্ন এলাকায় কৃত কতিপয় কার্যের সমষ্টি হয়, সেক্ষেত্রে এরূপ স্থানীয় এলাকায় যে কোন একটিতে এখতিয়ারবান আদালতে উহার অনুসন্ধান ও বিচার চলবে।
১,১৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সরেজমিনে পরিদর্শন (Local inspection) এর বিধান আছে?
  1. ৫৩৯ ধারায়
  2. ৫৩৯ক ধারায়
  3. ৫৩৯খ ধারায়
  4. ৫৪০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৩৯খ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩৯খ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।
 ------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
 
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
১,১৩২.
What must be returned to the Court after a commission issued under Section 503 or Section 506 has been executed?
  1. Only the commission
  2. The deposition only
  3. The witness only
  4. Both commission and deposition
সঠিক উত্তর:
Both commission and deposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both commission and deposition
ব্যাখ্যা
Section 507- Return of commission:
(1) After any commission issued under section 503 or section 506 has been duly executed, it shall be returned, together with the deposition of the witness examined thereunder, to the Court out of which it issued; and the commission, the return thereto and the deposition shall be open at all reasonable times to inspection of the parties, and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in the case by either party, and shall form part of the record. 
 
(2) Any deposition so taken, if it satisfies the conditions prescribed by section 33 of the Evidence Act, 1872, may also be received in evidence at any subsequent stage of the case before another Court. 

ধারা ৫০৭- কমিশন ফেরত প্রদান:

(১) ধারা-৫০৩ বা ৫০৬ এর অধীন প্রদত্ত কোন কমিশন যথাযথভাবে সম্পাদিত হবার পর উক্ত কমিশন অনুসারে গৃহীত সাক্ষীর সাক্ষ্যসহ কমিশনটি যে আদালত হতে প্রদত্ত হয়েছিল, সেই আদালতে ফেরত দিতে হবে এবং কমিশন ইহার বিবরণী এবং সাক্ষ্য সকল যুক্তিসংগত সময়ে পক্ষসমূহের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং সকল সংগত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে যে কোন পক্ষের মামলায় সাক্ষ্যে পড়া যাবে এবং তা নথির অংশ হবে।
 
(২) এভাবে গৃহীত সাক্ষ্য সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা-৩৩ এ নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করলে তা মামলার কোন পরবর্তী পর্যায়ে অন্য কোন আদালতেরও সাক্ষ্যে গৃহীত হতে পারে।
১,১৩৩.
কোন ধারা অনুযায়ী অধিকতর তদন্ত (Further Investigation) করা হয়?
  1. ১৭২(২খ)
  2. ১৭৩(৩ক)
  3. ১৭৩(৩খ)
  4. ১৭২ (৩ক)
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ)
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation) এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)

• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

• তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

• ১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
১,১৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী আপিল আদালত আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারেন?
  1. ধারা ৪১৯
  2. ধারা ৪২০
  3. ধারা ৪২১
  4. ধারা ৪২২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪২১
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪২১ অনুসারে, আপিল আদালত ধারা ৪১৯ বা ৪২০-এর অধীনে দরখাস্ত ও নকল পাওয়ার পর আপিল পর্যালোচনা করে যদি মনে করে যে হস্তক্ষেপের মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তাহলে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ করতে পারে। তবে, ধারা ৪১৯-এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলে আপীলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশের যৌক্তিক সুযোগ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২১- আপিল খারিজের সারবস্তু:-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপীলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।
(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-421: Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily:
-Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.
(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.

১,১৩৫.
“Examination of arrested person by medical officer” শিরোনামে কোন ধারা সংযোজিত হয়েছে?
  1. ধারা 46A
  2. ধারা 46B
  3. ধারা 46E
  4. ধারা 46D
সঠিক উত্তর:
ধারা 46E
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা 46E
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এ "Examination of arrested person by medical officer" শিরোনামটি ধারা 46E-তে সংযোজিত হয়েছে। এই ধারায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির মেডিকেল পরীক্ষা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত বিধান রয়েছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬ঙ - মেডিকেল অফিসার কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরীক্ষা:
(১) যখন কোনো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে অসুস্থ মনে হয় বা তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন থাকে, তখন গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে একটি সরকারি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার দ্বারা পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করতে হবে; এবং যদি এই ধরনের মেডিকেল অফিসার পাওয়া না যায়, তবে একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা তা করাতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি একজন নারী, সেখানে তার শরীরের পরীক্ষা, যদি সম্ভব হয়, একজন নারী মেডিকেল অফিসার বা একজন নারী মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা বা তাদের তত্ত্বাবধানে, অথবা ক্ষেত্রমত একজন নারী স্টাফ নার্স বা একজন নারী অ্যাটেনডেন্টের উপস্থিতিতে পরিচালিত হবে।
(২) যেখানে উপ-ধারা (১) এর অধীনে পরীক্ষা এবং চিকিৎসা করা হয়, সেখানে ক্ষেত্রমত মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার কর্তৃক এই ধরনের পরীক্ষা এবং চিকিৎসার প্রতিবেদনের সাথে একটি সার্টিফিকেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসারকে, সেইসাথে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি বা তার দ্বারা মনোনীত কোনো ব্যক্তিকে সরবরাহ করতে হবে।
(৩) যেখানে একজন অসুস্থ বা আহত গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট তার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যেখানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গুরুতরভাবে আহত বা অসুস্থ যার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা প্রয়োজন এবং শারীরিকভাবে তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা অসম্ভব হয়ে পড়ে, সেখানে ম্যাজিস্ট্রেটের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত শর্তাবলী অনুযায়ী তাকে ইলেকট্রনিক ভিডিও লিংকেজের মাধ্যমে হাজির করা যেতে পারে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46E - Examination of arrested person by medical officer:
(1) When any person arrested appears to be sick or bears any mark of injury, he shall, soon after the arrest is made, be examined and provided with first aid treatment by a medical officer of a Government hospital; and if such medical officer is not available, by a registered medical practitioner:
Provided that where the arrested person is a female, the examination of her body shall, if practicable, be conducted by or under the supervision of a female medical officer or a female medical practitioner, or in the presence of a female staff nurse or a female attendant, as the case may be.
(2) Where an examination and treatment are conducted under sub-section (1), a certificate along with the report of such examination and treatment shall be furnished by the medical officer or registered medical practitioner, as the case may be, to the concerned police-officer, as well as to the arrested person or to a person nominated by him.
(3) Where an arrested person, being sick or injured, is produced before the Magistrate, the Magistrate may pass necessary orders for his medical treatment: 
Provided that where the arrested person is severely injured or sick in a manner which requires his admission into a hospital and renders his physical production before the Magistrate impracticable, he may be produced through electronic video linkage, subject to the satisfaction of the Magistrate and to such terms as the Magistrate may determine.

১,১৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ক্ষেত্রে বিরোধীয় সম্পত্তি ক্রোক করতে পারে?
  1. কারো দখলে না থাকলে
  2. বিরোধীয় সম্পত্তির ধ্বংসের বা ক্ষতির সম্ভাবনা থাকলে
  3. শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা না থাকলে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
কারো দখলে না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারো দখলে না থাকলে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন। অর্থাৎ, কারো দখলে না থাকলে আদালত সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা:
 
(১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।
 
(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
 
Section 146: Power to attach subject of dispute-
(1) If the Magistrate decides that none of the parties was then in such possession, or is unable to satisfy himself as to which of them was then in such possession of the subject of dispute, he may attach it until a competent Court has determined the rights of the parties thereto, or the person entitled to possession thereof: 
Provided that such Magistrate may withdraw the attachment at any time if he is satisfied that there is no longer any likelihood of a breach of the peace in regard to the subject of dispute. 
 
(2) When the Magistrate attaches the subject of dispute, he may, if he thinks fit and if no receiver of the property, the subject of dispute, has been appointed by any Civil Court appoint a receiver thereof, who, subject to the control of the Magistrate, shall have all the powers of a receiver appointed under the Code of Civil Procedure, 1908: 
Provided that, in the event of a receiver of the property, the subject of dispute, being subsequently appointed by any Civil Court, possession shall be made over to him by the receiver appointed by the Magistrate, who shall thereupon be discharged.
১,১৩৭.
চার্জ গঠনের শুনানীর দিন দায়রা আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে অভিযোগের সত্যতা না পেলে, নিম্নের কোন ধরনের আদেশ দিতে পারে?
  1. অভিযুক্তকে খালাস দিবে
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর
  3. বিচার কার্যক্রম বাতিল করতে পারে
  4. অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।
 
• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।
আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
১,১৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ হলে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা যাবে?
  1. Section 46A
  2. Section 46C
  3. Section 46E
  4. Section 54A
সঠিক উত্তর:
Section 46E
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 46E
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮-এর (Act No. V of 1898) দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর অধীনে ধারা ৪৬ঙ (Section 46E)-এর উপ-ধারা (৩)-এর প্রভিশন (Proviso) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গুরুতরভাবে অসুস্থ বা আহত হয় এবং শারীরিকভাবে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থাপন করা অসম্ভব হয়, তবে তাকে ইলেকট্রনিক ভিডিও লিংকের মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা যাবে। এই প্রক্রিয়া ম্যাজিস্ট্রেটের সন্তুষ্টি এবং তার নির্ধারিত শর্ত সাপেক্ষে সম্পন্ন হবে। এই বিধান গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এবং বিচার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ প্রদানের জন্য সন্নিবেশিত হয়েছে।

- অর্থাৎ ধারা ৪৬ঙ (Section 46E)-এর উপ-ধারা (৩)-এর প্রভিশন অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি গুরুতর অসুস্থ বা আহত হলে এবং শারীরিকভাবে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজিরা অসম্ভব হলে, তাকে ইলেকট্রনিক ভিডিও লিংকের মাধ্যমে হাজির করা যাবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 46E. Examination of arrested person by medical officer.-
(1) When any person arrested appears to be sick or bears any mark of injury, he shall, soon after the arrest is made, be examined and provided with first aid treatment by a medical officer of a Government hospital; and if such medical officer is not available, by a registered medical practitioner:

Provided that where the arrested person is a female, the examination of her body shall, if practicable, be conducted by or under the supervision of a female medical officer or a female medical practitioner, or in the presence of a female staff nurse or a female attendant, as the case may be.

(2) Where an examination and treatment are conducted under sub-section (1), a certificate along with the report of such examination and treatment shall be furnished by the medical officer or registered medical practitioner, as the case may be, to the concerned police-officer, as well as to the arrested person or to a person nominated by him.

(3) Where an arrested person, being sick or injured, is produced before the Magistrate, the Magistrate may pass necessary orders for his medical treatment:
Provided that where the arrested person is severely injured or sick in a manner which requires his admission into a hospital and renders his physical production before the Magistrate impracticable, he may be produced through electronic video linkage, subject to the satisfaction of the Magistrate and to such terms as the Magistrate may determine.”

১,১৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮ অনুসারে প্রবেশের অনুমতি না পেলে গ্রেফতারকারী কী করতে পারবেন?
  1. স্থানটি জব্দ করতে পারবেন
  2. স্থানটি তালাবদ্ধ করে দিতে পারবেন
  3. দরজা-জানালা ভেঙে প্রবেশ করতে পারবেন
  4. শুধুমাত্র দিনের বেলায় অভিযান চালাতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
দরজা-জানালা ভেঙে প্রবেশ করতে পারবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দরজা-জানালা ভেঙে প্রবেশ করতে পারবেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮ অনুসারে, যদি গ্রেফতারকারী ব্যক্তি প্রবেশের জন্য অনুমতি না পায়, তাহলে তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে দরজা বা জানালা ভেঙে প্রবেশ করতে পারবেন, তবে এই কাজটি করার আগে তাকে তার কর্তৃপক্ষ এবং উদ্দেশ্য জানিয়ে অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৮ অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকারী কর্মকর্তা:
- নিজের কর্তৃত্ব ও উদ্দেশ্য জানানোর পরও প্রবেশের অনুমতি না পান,
- ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করার জরুরি প্রয়োজন দেখা দেয় (যাতে অভিযুক্ত পলায়নের সুযোগ না পায়),
তাহলে তিনি বাহিরের বা ভিতরের দরজা-জানালা ভেঙে প্রবেশ করতে পারবেন।

মহিলাদের ব্যক্তিগত স্থানের ক্ষেত্রে:
মহিলাকে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে (প্রভিশো ধারা ৪৮)।
শুধুমাত্র গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে এই ক্ষমতা প্রযোজ্য, অন্য কোনো কাজের জন্য নয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 48. Procedure where ingress not obtainable:
If ingress to such place cannot be obtained under section 47 it shall be lawful in any case for a person acting under a warrant and in any case in which a warrant may issue, but cannot be obtained without affording the person to be arrested an opportunity of escape, for a police-officer to enter such place and search therein, and in order to effect an entrance into such place, to break open any outer or inner door or window of any house or place, whether that of the person to be arrested or of any other person, if after notification of his authority and purpose, and demand of admittance duly made, he cannot otherwise obtain admittance:

Breaking open zanana: 
Provided that, if any such place is an apartment in the actual occupancy of a woman (not being the person to be arrested) who, according to custom, does not appear in public such person or police-officer shall, before entering such apartment, give notice to such woman that she is at liberty to withdraw and shall afford her every reasonable facility for withdrawing, and may then break open the apartment and enter it.
১,১৪০.
অভিযুক্তের বাড়ি ব্যতীত অন্য কোথাও গ্রেপ্তার হলে, কত ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা আত্মীয়কে অবহিত করতে হবে?
  1. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. অবিলম্বে না করলেও চলে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
→ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নতুন ধারা ৪৬ক (Section 46A) সন্নিবেশিত হয়েছে। এই ধারার উপ-ধারা ঘ(d) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজ বাসস্থানের বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে যত শীঘ্র সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা তার মনোনীত বন্ধুকে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক- গ্রেপ্তার পদ্ধতি এবং গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য: কোনো গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ অফিসার বা অন্য গ্রেপ্তারকারী ব্যক্তি—
(ক) তার নামের একটি সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচিতি বহন করবেন যা সহজে শনাক্তকরণে সহায়তা করবে;
(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করবেন এবং যদি দাবি করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি এবং গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে তার পরিচয়পত্র দেখাবেন;
(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারকলিপি (memorandum) প্রস্তুত করবেন যা—
(i) কমপক্ষে একজন সাক্ষী দ্বারা সত্যায়িত হবে, যিনি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা যে এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেখানকার একজন গণ্যমান্য বাসিন্দা এবং যদি এই ধরনের কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকলিপিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
(ii) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি অসম্মতি না জানান, তবে তার দ্বারা প্রতিস্বাক্ষরিত বা টিপসইযুক্ত হবে;
(ঘ) যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থান এবং হেফাজতের স্থান জানিয়ে, যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় থেকে বারো ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত একজন পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে অবহিত করবেন;
(ঙ) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে ৪৬ঙ ধারা অনুযায়ী ক্ষেত্রমত একজন মেডিকেল অফিসার বা একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা ওই ব্যক্তির পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করবেন; উপস্থিত মেডিকেল অফিসার বা প্র্যাকটিশনারের কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন; এবং এই ধরনের আঘাতের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন;
(চ) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে, যদি তিনি ইচ্ছা পোষণ করেন, তার পছন্দের একজন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে বা তার নিকটতম কোনো আত্মীয়ের সাথে দেখা করার সুযোগ দেবেন, preferably (সম্ভবত) গ্রেপ্তারের বারো ঘণ্টার মধ্যে।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
- In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;
(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;
(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;
(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

১,১৪১.
ফৌজদারি মামলায় দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অনধিক _________ অর্থদণ্ড দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে।
  1. ২ হাজার
  2. ৫ হাজার
  3. ১০ হাজার
  4. ৩ হাজার
সঠিক উত্তর:
৫ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ হাজার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-
 
(১) ম্যাজিস্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ
(ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার টাকার অর্থদণ্ড।
 
২) যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
 
Section 32- Sentences which Magistrates may pass:
 
(1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 
(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class: Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping. 
(b) Courts of Magistrates of the second class: Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law; Fine not exceeding five thousand taka; 
(c) Courts of Magistrates of the third class: Imprisonment for a term not exceeding two year;  Fine not exceeding two thousand taka. 
(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.
১,১৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ এর অধীন কে মামলার যেকোনো পর্যায়ে কোনো রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধুমাত্র ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অনুমতিপ্রাপ্ত যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. শুধুমাত্র দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
অনুমতিপ্রাপ্ত যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুমতিপ্রাপ্ত যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।

উল্লেখ আছে, নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
[In any case instituted otherwise than upon complaint,a Metropolitan Magistrate,a Magistrate of the first class or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction and may thereupon release the accused.]
১,১৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০-এর অধীনে আদালত কোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র সমনকৃত ব্যক্তির
  2. শুধুমাত্র অভিযোগকারীর
  3. শুধুমাত্র অভিযুক্ত ব্যক্তির
  4. উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করার ক্ষমতা:

এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 540: Power to summon material witness or examine person present:
Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
১,১৪৪.
বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হলে, পরিবার বা বন্ধুকে অবহিত করতে হবে কত ঘণ্টার মধ্যে?
  1. ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
→The Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নতুন ধারা ৪৬ক (Section 46A) সন্নিবেশিত হয়েছে। এই ধারার উপ-ধারা ঘ(d) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজ বাসস্থানের বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে যত শীঘ্র সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা তার মনোনীত বন্ধুকে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক- গ্রেপ্তার পদ্ধতি এবং গ্রেপ্তারকারী অফিসারের কর্তব্য: কোনো গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ অফিসার বা অন্য গ্রেপ্তারকারী ব্যক্তি—
(ক) তার নামের একটি সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচিতি বহন করবেন যা সহজে শনাক্তকরণে সহায়তা করবে;
(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করবেন এবং যদি দাবি করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি এবং গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে তার পরিচয়পত্র দেখাবেন;
(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারকলিপি (memorandum) প্রস্তুত করবেন যা—
(i) কমপক্ষে একজন সাক্ষী দ্বারা সত্যায়িত হবে, যিনি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা যে এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেখানকার একজন গণ্যমান্য বাসিন্দা এবং যদি এই ধরনের কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকলিপিতে লিপিবদ্ধ করতে হবে;
(ii) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি অসম্মতি না জানান, তবে তার দ্বারা প্রতিস্বাক্ষরিত বা টিপসইযুক্ত হবে;
(ঘ) যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বাসস্থান ব্যতীত অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থান এবং হেফাজতের স্থান জানিয়ে, যত দ্রুত সম্ভব কিন্তু গ্রেপ্তারের সময় থেকে বারো ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি কর্তৃক মনোনীত একজন পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে অবহিত করবেন;
(ঙ) যদি গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে ৪৬ঙ ধারা অনুযায়ী ক্ষেত্রমত একজন মেডিকেল অফিসার বা একজন নিবন্ধিত মেডিকেল প্র্যাকটিশনার দ্বারা ওই ব্যক্তির পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করবেন; উপস্থিত মেডিকেল অফিসার বা প্র্যাকটিশনারের কাছ থেকে একটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবেন; এবং এই ধরনের আঘাতের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন;
(চ) গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে, যদি তিনি ইচ্ছা পোষণ করেন, তার পছন্দের একজন আইনজীবীর সাথে পরামর্শ করতে বা তার নিকটতম কোনো আত্মীয়ের সাথে দেখা করার সুযোগ দেবেন, preferably (সম্ভবত) গ্রেপ্তারের বারো ঘণ্টার মধ্যে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
- In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;
(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;
(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;
(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

১,১৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগ সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করতে পারে?
  1. ৩৬৪
  2. ৩৬৫
  3. ৩৬৬
  4. ৩৬৭
সঠিক উত্তর:
৩৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৫
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৬৫ (হাইকোর্ট বিভাগে সাক্ষ্য লিপিবদ্ধকরণ) মোতাবেক সুপ্রীমকোর্ট সময়ে সময়ে সাধারণ নিয়ম প্রণয়নের দ্বারা উক্ত আদালতে আগত মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের পদ্ধতি নির্ধারণ করবে এবং উক্ত নিয়মানুসারে সাক্ষ্য গৃহীত হবে।
১,১৪৬.
"nemo debet bis vexari" নীতির অর্থ কী?
  1. কাউকে দণ্ডিত করা উচিত নয়
  2. একজন ব্যক্তিকে শুধুমাত্র প্রথমবার কঠোরভাবে দণ্ডিত করা উচিত
  3. একজন ব্যক্তিকে অবশ্যই মুক্তি দিতে হবে
  4. একজন ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার একই অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে না
সঠিক উত্তর:
একজন ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার একই অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন ব্যক্তিকে দ্বিতীয়বার একই অপরাধের জন্য বিচার করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দন্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে।
১,১৪৭.
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে হাজির করা হলে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৭ক ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা।
  2. আসামিকে জামিনের ব্যবস্থা করে দেওয়া।
  3. গ্রেফতারকারী কর্মকর্তাকে সরাসরি শাস্তি দেওয়া।
  4. গ্রেফতার সংক্রান্ত বিধান কতটুকু মানা হয়েছে তা পরীক্ষা করা।
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার সংক্রান্ত বিধান কতটুকু মানা হয়েছে তা পরীক্ষা করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার সংক্রান্ত বিধান কতটুকু মানা হয়েছে তা পরীক্ষা করা।
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৭ক অনুসারে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে হাজির করা হলে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের প্রধান দায়িত্ব হল গ্রেফতার সংক্রান্ত বিধান কতটুকু মানা হয়েছে তা পরীক্ষা করা।
সুতরাং, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৬৭ক অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের প্রধান দায়িত্ব হল গ্রেফতার সংক্রান্ত বিধান কতটুকু মানা হয়েছে তা পরীক্ষা করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬৭ক (Section 67A, CrPC) অনুযায়ী, কোনো ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের সামনে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে হাজির করা হলে আদালত পরীক্ষা করবে গ্রেফতারের বিধানগুলো সঠিকভাবে মানা হয়েছে কি না। যদি দেখা যায় যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অবহেলার কারণে বিধান লঙ্ঘন করেছেন, তবে আদালত লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে প্রযোজ্য সার্ভিস রুল অনুযায়ী সেই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে।
----------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-67A. Procedure in case of non-compliance with provisions relating to arrest
The Magistrate or Court, as the case may be, before whom the arrested person is produced, shall examine whether the provisions of this Code relating to arrest have been duly complied with by the officer making the arrest; and if the Magistrate or Court finds that any such provision or provisions have been negligently violated or not complied with, he or it may, for reasons to be recorded in writing, direct appropriate action to be taken against the concerned officer in accordance with the applicable service rules.

১,১৪৮.
'Power to issue order absolute at once in urgent cases o nuisance or apprehended danger'-সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বিধান বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ১৩৩
  2. ধারা ১৪৫
  3. ধারা ১৪৪
  4. ধারা ১২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৪
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ১১ এর শিরোনাম- "TEMPORARY ORDERS IN URGENT CASES OF NUISANCE OR APPREHENDED DANGER." উক্ত অধ্যায়ে ধারা ১৪৪ আছে।

• আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা,
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা ;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা ; এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে 

• স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে। ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলী অনুসরণ করা হয় । যথা-

i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরী পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।

• ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।
১,১৪৯.
ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার নিম্নের কোন আদালতের অন্তনির্হিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে?
  1. আপলি বিভাগ
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. মহানগর দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি এর ধারা ৫৬১ক তে বলা হয়েছে- ফৌজদারী কার্যবিধি এর অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য বা কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য বা অন্য কোনভাবে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন আদেশ প্রদানের নিমিত্ত হাইকোর্ট বিভাগের যে সহজাত ক্ষমতা আছে এই বিধির কোন কিছু তা সীমাবদ্ধ বা ক্ষুন্ন বা প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
১,১৫০.
Under what circumstances may the Magistrate restrict public access to the Court?
  1. Only during a final judgment
  2. Only if the accused requests privacy
  3. Only during a jury trial
  4. At any stage of the inquiry or trial, if deemed fit
সঠিক উত্তর:
At any stage of the inquiry or trial, if deemed fit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
At any stage of the inquiry or trial, if deemed fit
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫২ ধারার বিধান- আদালত উন্মুক্ত থাকবে:
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারী আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-352: Courts to be open-
The place in which any Criminal Court is held for the purpose of inquiring into or trying any offence shall be deemed an open Court, to which the public generally may have access, so far as the same can conveniently contain them:
Provided that the presiding Judge or Magistrate may, if he thinks fit, order at any stage of any inquiry into, or trial of, any particular case, that the public generally, or any particular person, shall not have access to, or be or remain in, the room or building used by the Court.
১,১৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭ক(১) অনুযায়ী, কোন অবস্থায় সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে সাজা সংক্রান্ত আপিল দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. যখন সাজা ঠিক থাকে
  2. যখন সাজা অপর্যাপ্ত হয়
  3. যখন সাজা অত্যন্ত বেশি
  4. উল্লিখিত সবক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
যখন সাজা অপর্যাপ্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সাজা অপর্যাপ্ত হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭ক(১) এর বিধান অনুযায়ী:
- সরকার যে কোনো দণ্ডাদেশের (conviction) ক্ষেত্রে পাবলিক প্রসিকিউটরকে সাজা অপর্যাপ্ত (inadequacy of sentence) হওয়ার ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে।
- আদালত কর্তৃক প্রদত্ত সাজা (যেমন: কারাদণ্ড বা জরিমানা) অপরাধের গুরুত্ব ও প্রকৃতির তুলনায় কম মনে হলে সরকার এ আপিল করতে পারে।
- আপিলে শুধুমাত্র সাজা বাড়ানোর (enhancement of sentence) আবেদন করা যায়।
- তবে, আপিল আদালত সাজা বাড়ানোর আগে আসামীকে শুনানির সুযোগ দিতে বাধ্য (ধারা ৪১৭ক(৩))।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭ক(১) (Section 417A(1)) অনুসারে, সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে সাজা সংক্রান্ত আপিল দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে যখন সাজা অপর্যাপ্ত হয়।
অর্থাৎ, যদি কোনো আসামীর অপরাধের জন্য দেওয়া সাজা অপর্যাপ্ত বা অপ্রতুল মনে হয়, তখন সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে আপিল দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারে যাতে সাজার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়।
তবে, যখন সাজা অত্যন্ত বেশি বা ঠিক থাকে, তখন এ ধরনের আপিল দাখিল করার জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ দিতে পারে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
১,১৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা অনুযায়ী "সাধারণ নাগরিক" (private person) কোন ধরনের অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবেন?
  1. জামিনযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ
  2. জামিন অযোগ্য ও আমলঅযোগ্য অপরাধ
  3. জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ
  4. উল্লিখিত সকল অপরাধে
সঠিক উত্তর:
জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫৯ ধারা অনুযায়ী, সাধারণ নাগরিক শুধুমাত্র সেই ধরনের অপরাধে কাউকে গ্রেফতার করতে পারবেন যেগুলো জামিন অযোগ্য (অর্থাৎ জামিন পাওয়া যায় না) এবং আমলযোগ্য (অর্থাৎ পুলিশ তদন্তের যোগ্য, মামলা নেওয়ার যোগ্য)।
- জামিন অযোগ্য (Non-bailable): যে অপরাধে জামিন পাওয়ার অধিকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেই, আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।
- আমলযোগ্য (Cognizable): যে অপরাধে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া গ্রেপ্তার করতে পারে এবং তদন্ত করতে পারে।
- Proclaimed offender: আইনত ঘোষিত অপরাধী।
অতএব, ধারা ৫৯ অনুসারে, সাধারণ নাগরিক জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ বা ঘোষিত অপরাধী (proclaimed offender)-কে গ্রেপ্তার করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং এই ধরনের গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালি:
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
(২) এই ধরনের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে একজন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।
(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবিকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-59: Arrest by private persons and procedure on such arrest:
(1) Any private person may arrest any person who in his view commits a non-bailable and cognizable offence, or any proclaimed offender, and without unnecessary delay, shall make over any person so arrested to a police-officer, or, in the absence of a police-officer, take such person or cause him to be taken in custody to the nearest police-station. 
(2) If there is reason to believe that such person comes under the provisions of section 54, a police-officer shall re-arrest him. 
(3) If there is reason to believe that he has committed a non-cognizable offence, and he refuses on the demand of a police-officer to give his name and residence, or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he shall be dealt with under the provisions of section 57. If there is no sufficient reason to believe that he has committed any offence, he shall be at once released.

১,১৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার অধীনে কোন আদালত জামিন মঞ্জুর বা জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. শুধুমাত্র দায়রা আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট ও দায়রা আদালত
  3. হাইকোর্ট ডিভিশন ও ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
  4. হাইকোর্ট ডিভিশন ও দায়রা আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন ও দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন ও দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার অধীনে হাইকোর্ট ডিভিশন ও দায়রা আদালত জামিন মঞ্জুর বা জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বন্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপিল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যে-কোনো ক্ষেত্রে যেকোনো ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
১,১৫৪.
জহির একজন মুদি দোকানি। সে তার পাশের দোকানে চোরাইমাল আছে জানতে পেরেও এই দোকানিকে আটক করে এবং পরবর্তীতে পুলিশে সোপর্দ করে। ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা তার এই কাজকে সমর্থন করে?
  1. ৫৬
  2. ৫৭
  3. ৫৯
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা-৫৯ (বেসরকারী লোক কর্তৃক গ্রেফতার ও এইরূপ ক্ষেত্রে পদ্ধতি) অনুযায়ী- যে কোন সাধারণ নাগরিক তার মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংগঠনকারীকে অথবা অপরাধী বলে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে পুলিশ অফিসারের নিকট দিবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত্রে নিকটস্থ থানার হেফাজতে নিয়ে যাবেন অথবা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।
১,১৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান সাপেক্ষে সকল নির্বাহী বা জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটগণ কার অধস্তন বলে গণ্য হবে?
  1. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট
  2. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট
  3. দায়রা জজ
  4. জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৩৫ (নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা)-

ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারী আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।

সেই সাথে উক্ত ধারার ব্যাখায় বলা হয়েছে, এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে নির্বাহী কিংবা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, যা-ই হোক, সকল ম্যাজিস্ট্রেট দায়রা জজের অধঃস্তন হিসাবে পরিগণিত হবে।

Section 435- Power to call for records of inferior Courts

(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record. 
 
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial, shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section
১,১৫৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় সাক্ষী কী ধরনের জবানবন্দি দিতে বাধ্য নয়?
  1. ব্যক্তিগত মতামত
  2. তদন্তকারীর সমস্ত প্রশ্ন
  3. মামলার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য
  4. এমন প্রশ্ন যার উত্তর তাকে অপরাধে অভিযুক্ত করতে পারে
সঠিক উত্তর:
এমন প্রশ্ন যার উত্তর তাকে অপরাধে অভিযুক্ত করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমন প্রশ্ন যার উত্তর তাকে অপরাধে অভিযুক্ত করতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা, ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়- তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ের সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তার নিকট জিজ্ঞাসিত মামলা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে কিন্তু যে প্রশ্নের জবাব উক্ত সাক্ষীকে ফৌজদারী অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী বাধ্য নয়।
--------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police:
(1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case. 
 
(2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture. 
 
(3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
১,১৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২ অনুযায়ী, নিচের কোন ক্ষেত্রে জনসাধারণ সহায়তা করতে বাধ্য নয়?
  1. শান্তিভঙ্গ রোধে
  2. ব্যক্তিগত বিবাদে
  3. গ্রেফতার কার্যক্রমে
  4. সরকারি সম্পত্তি রক্ষায়
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত বিবাদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তিগত বিবাদে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪২ অনুসারে জনসাধারণ শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে সহায়তা করতে বাধ্য, কিন্তু ব্যক্তিগত বিবাদে সহায়তা করতে বাধ্য নয়।
- ধারা ৪২-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে জনসাধারণ নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে সহায়তা করতে বাধ্য:
(ক) গ্রেফতার বা পলায়ন প্রতিরোধে।
(খ) শান্তিভঙ্গ দমন বা প্রতিরোধে। 
(গ) রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তির ক্ষতি প্রতিরোধে।
তবে ব্যক্তিগত বিবাদ এই ধারার আওতাভুক্ত নয়।
- সুতরাং, ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২ অনুযায়ী ব্যক্তিগত বিবাদে জনসাধারণ সহায়তা করতে বাধ্য নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২ ধারা অনুসারে জনসাধারণ ২টি ক্ষেত্রে নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা পুলিশ অফিসারকে সহযোগিতা এবং সাহায্য করতে বাধ্য:
১: গ্রেফতার বা পলায়ন প্রতিরোধ-
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২(ক) মোতাবেক পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট যে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য আইনগতভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়েছেন সে ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য বা তার পলায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
২: অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সরকারি সম্পত্তি রক্ষা-
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২(খ) তে বলা আছে যে, কোথাও শান্তি ভঙ্গ হলে তা দমন  কিংবা শান্তি ভঙ্গের সম্ভাবনা দেখা দিলে তা প্রতিরোধ অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ বা সরকারি সম্পত্তি ক্ষতিসাধনের  চেষ্টা প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসাধারণ সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 42: Public when to assist-
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.

১,১৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৪ অনুযায়ী আপিল করার জন্য কোনটি প্রয়োজন?
  1. রাষ্ট্রপতির আদেশ
  2. আদালতের অনুমতি
  3. দণ্ডিত ব্যক্তির আবেদন
  4. ফৌজদারি কার্যবিধি বা অন্য কোনো আইনে আপিলের বিধান
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি বা অন্য কোনো আইনে আপিলের বিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি বা অন্য কোনো আইনে আপিলের বিধান
ব্যাখ্যা
⇒ মামলার কোন পক্ষ বিচারিক আদালতের (Trial court) সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট হলে, উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল বা সংশোধনের জন্য ঐ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যে আবেদন করে তাকে আপিল বলে।
-অর্থাৎ আপিল হলো উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তের বিচারিক পুনঃমূল্যায়ন।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারা হতে ৪৩১ ধারা পর্যন্ত আপিলের বিধি-বিধান বর্ণিত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারার বিধান: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না:
উক্ত (ফৌজদারি) কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-404: Unless otherwise provided, no appeal to lie:
No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.
১,১৫৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৫০(২) ধারানুসারে, ফরিয়াদী 'A' মিথ্যা অভিযোগ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হন। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক কত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ১০০০
  2. ২০০০
  3. ৩০০০
  4. ৪০০০
সঠিক উত্তর:
১০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদ দাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে,কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি/সংবাদ দাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য,তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে,ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন।

তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'A' কে ক্ষতিপূরণ বাবদ অনধিক অনধিক ১০০০ টাকা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
১,১৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক অনুসারে, অ্যাফিডেভিটে বিশ্বাসের ভিত্তিতে উল্লেখিত তথ্যের ক্ষেত্রে কী উল্লেখ করতে হবে?
  1. সরকারি অনুমোদন
  2. শুধুমাত্র সাক্ষীর নাম
  3. আদালতের পূর্বানুমতি
  4. বিশ্বাসের যুক্তিসঙ্গত কারণ
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসের যুক্তিসঙ্গত কারণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বাসের যুক্তিসঙ্গত কারণ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক-এ বলা হয়েছে: "...such facts as he has reasonable ground to believe to be true, and, in the latter case, the deponent shall clearly state the grounds of such belief."
অর্থাৎ অ্যাফিডেভিটে যে তথ্য সাক্ষী নিজে প্রত্যক্ষ করেছেন, তা পৃথকভাবে উল্লেখ করতে হবে, আর যেসব তথ্য তিনি যুক্তিসঙ্গতভাবে সত্য বলে বিশ্বাস করেন, তার ক্ষেত্রেও সেগুলোর বিশ্বাসের ভিত্তি বা যুক্তিসঙ্গত কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে।
- এটা আদালতকে বুঝতে সাহায্য করে যে, হলফনামায় উল্লেখিত তথ্য অনুমানের ওপর ভিত্তি করে নয়, বরং যুক্তিসঙ্গত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক - সরকারি কর্মচারীর আচরণের প্রমাণে অ্যাফিডেভিট:
(১) এই আইনের অধীনে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যধারা প্রসঙ্গে কোন আদালতে যদি দরখাস্ত করা হয় এবং উহাতে কোন সরকারি কর্মচারী সম্পর্কে অভিযোগ করা হয় তাহলে দরখাস্তকারী দরখাস্তে বর্ণিত ঘটনাবলি সম্পর্কে উক্তরূপে সাক্ষ্য দেওয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
এই ধারার অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালত ব্যবহার্য অ্যাফিডেভিট সম্পর্কে ৫৩০ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে বা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে শপথ করা যাবে বা উহার সত্যতা ঘোষণা করা যাবে।
এই ধারা অনুসারে অ্যাফিডেভিট সেই সকল ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে ও সেই সকল ঘটনা পৃথকভাবে বর্ণনা করবে যে সকল ঘটনা তার সত্য বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ আছে এবং শেষোক্ত ক্ষেত্রে সাক্ষীকে সেরূপ বিশ্বাসের কারণ স্পষ্টরূপে উল্লেখ করতে হবে।
(২) আদালত অ্যাফিডেভিটের কোন কুৎসাজনক ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয় কেটে দেওয়ার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 539A. Affidavit in proof of conduct of public servant:
(1) When any application is made to any Court in the course of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, and allegations are made therein respecting any public servant, the applicant may give evidence of the facts alleged in the application by affidavit, and the Court may, if it thinks fit, order that evidence relating to such facts be so given.
An affidavit to be used before any Court other than High Court Division under this section may be sworn or affirmed in the manner prescribed in section 539, or before any Magistrate. 
Affidavits under this section shall be confined to, and shall state separately, such facts as the deponent is able to prove from his own knowledge and such facts as he has reasonable ground to believe to be true, and, in the latter case, the deponent shall clearly state the grounds of such belief. 
(2) The Court may order any scandalous and irrelevant matter in an affidavit to be struck out or amended.
১,১৬১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অনুসন্ধানের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা বর্ণিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪৩৪
  2. ধারা ৪৩৫
  3. ধারা ৪৩৬
  4. ধারা ৪৩৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বা দায়রা জজ খারিজ হওয়া নালিশ বা অব্যাহতি প্রাপ্ত মামলায় আবার তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন। তবে, তদন্তের আগে অভিযুক্তকে কারণ জানানোর সুযোগ দিতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারার বিধান অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা:
৪৩৫ ধারা অনুসারে অথবা অন্যভাবে পরীক্ষা করে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের দ্বারা ২০৩ ধারা বা ২০৪ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে খারিজক্ত যেকোনো নালিশ বা কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আরও তদন্ত করবেন, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ তদন্ত করতে পারবেন বা তার অধস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে এরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন।
তবে শর্ত এই যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কোন উক্তরূপ আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শানোর সুযোগ দেয়া হয়।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 436- Power to order inquiry:
On examining any record under section 435 or otherwise, the High Court Division or the Sessions Judge may direct the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate by himself or by any of the Magistrates subordinate to him to make, and the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate may himself make, or direct any Sub-ordinate Magistrate to make, further inquiry into any complaint which has been dismissed under section 203 or sub-section (3) of section 204, or into the case of any person accused of an offence who has been discharged:
Provided that no Court shall make any direction under this section for inquiry into the case of any person who has been discharged unless such person has had an opportunity of showing cause why such direction should not be made.
১,১৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আদালতকে শুনানীর যেকোন পর্যায়ে সাক্ষী তলবের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ৫৩৭ ধারায়
  2. ৫৪০ ধারায়
  3. ৫৪৩ ধারায়
  4. ৫৪৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৪০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০- গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করার ক্ষমতা

এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন।

Section 540- Power to summon material witness or examine person present
Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
১,১৬৩.
এক রাতে "ক" এর বাসায় চুরি হয়।হিসেব করে দেখা যায়, চুরিকৃত মালের মূল্য ২৫ হাজার টাকা।উক্ত চুরির জন্য "খ" কে আটক করা হয়।"খ" এর বিচার কি সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যাবে?
  1. যাবে
  2. যাবে না
  3. আদালত চাইলে করা যাবে
  4. "খ" এর ইচ্ছানুযায়ী যাবে
সঠিক উত্তর:
যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবে না
ব্যাখ্যা
•"খ" এর বিচার ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যাবে না।কারন উক্ত চুরিকৃত মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক।

• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়।ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।ধারা ২৬০ অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-

১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা
৩. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ। 

• দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হয়-

⇒মৃত্যুদন্ড,যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ২ বছরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় নয় এরূপ অপরাধ
⇒৩২৩ ধারা অনুসারে আঘাত
⇒৩৭৯,৩৮০ বা ৩৮১ ধারা অনুসারে চুরি,যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়
⇒৪০৩ ধারা অনুসারে অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ,৪১১ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গ্রহণ বা রাখা,৪০৪ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গোপন বা হস্তান্তর করতে সাহায্য করা,যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়
⇒একই বিধির ৪২৬ ও ৪২৭ ধারা অনুসারে ক্ষতিসাধন,৪৪৭ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ এবং ৪৪৮ ধারা অনুসারে গৃহে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং ৪৫১,8৫৩,8৫৪,8৫৬ ও ৪৫৭ ধারা অনুসারে অপরাধ
⇒৫০৪ ধারা অনুসারে শান্তিভঙ্গের উস্কানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে অপমান করা এবং ৫০৬ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ এবং ৫০৯ ও ৫১০ অনুসারে অপরাধসমূহ 
⇒১৭১ ও ১৭১(চ) ধারা অনুসারে কোন নির্বাচনে ঘুষ নেয়ার এবং এক ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য ব্যক্তি ব্যবহারকরণের অপরাধ;
এবং উপরোক্ত অপরাধসমূহের যেকোন একটি সংঘটনে সহায়তা করা।
১,১৬৪.
আপিল সংক্ষিপ্ত খারিজের (Summary dismissal) আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত-
  1. উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনতে বাধ্য
  2. আপিলকারি বা তার উকিলের বক্তব্য শুনতে বাধ্য
  3. মামলার নথি তলব করতে বাধ্য
  4. ক এবং গ
সঠিক উত্তর:
আপিলকারি বা তার উকিলের বক্তব্য শুনতে বাধ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারি বা তার উকিলের বক্তব্য শুনতে বাধ্য
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ

(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-

শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না ।

Section 421- Summary dismissal of appeal

(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
১,১৬৫.
'নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না।'- এই নীতির প্রতিফলন ঘটেছে ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ৪৫৬ ধারায়
  2. ৩৫৮ ধারায়
  3. ৫০৬ ধারায়
  4. ৫৫৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৫৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
• 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি হচ্ছে- 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa, যার অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না। ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৬ ধারায় এই নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

৫৫৬ ধারা অনুসারে,
যে মামলায় কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে একজন পক্ষ বা ব্যক্তিগত ভাবে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট, উর্দ্ধতন আপিল আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত জজ বা ম্যাজিট্রেট সে মামলার বিচার করবেন না এবং কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজের প্রদত্ত রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শ্রবণ করবেন না।
 
Section 556- Case in which Judge or Magistrate is personally interested-
No Judge or Magistrate shall, except with the permission of the Court to which an appeal lies from his Court, try for trial any case to or in which he is a party, or personally interested, and no Judge or Magistrate shall hear an appeal from any judgment or order passed or make himself.
১,১৬৬.
পুলিশী তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-
  1. চার্জ শিট
  2. ফাইনাল রিপোর্ট
  3. রিলিজ রিপোর্ট
  4. ডিসচার্জ রিপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

⇒ সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
১. Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

২. Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
১,১৬৭.
“কোন অপরাধে প্রথমে সমন ইস্যু হবে নাকি ওয়ারেন্ট”—এ তথ্য দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে থাকে?
  1. ২য় কলাম
  2. ৪র্থ কলাম
  3. ৬ষ্ঠ কলাম
  4. ৭ম কলাম
সঠিক উত্তর:
৪র্থ কলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ কলাম
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৪র্থ কলাম-এ উল্লেখ আছে, কোন অপরাধের ক্ষেত্রে প্রথমে সমন (Summons) ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট (Warrant) ইস্যু করা হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৮ম কলামে 'যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য' তা উল্লেখ আছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
-যা নিম্নরূপ-
 -দ্বিতীয় তফসিল- (Second Schedule)
১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ। 
২য় কলাম- অপরাধ। 
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ। 
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা। 
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য। 
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা। 
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি।
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।

১,১৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারায় কোন পরিস্থিতিতে নতুন বিচারের নির্দেশ দেওয়া হয়?
  1. সাক্ষী অনুপস্থিত থাকলে
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের ভুলের কারণে
  3. আসামি অনুপস্থিত থাকলে
  4. চার্জ গঠনে ভুল থাকলে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনে ভুল থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনে ভুল থাকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩২ (চার্জে কৃত গুরুতর ভুলের ফলাফল)-
১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তা হলে উক্ত আদালত যেইরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।

২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলী এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলীর ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।

Section- 232: Effect of material error:
(1) If any Appellate Court, or the High Court Division in the exercise of its powers of revision or of its powers under Chapter XXVII, is of opinion that any person convicted of an offence was misled in his defence by the absence of a charge or by an error in the charge, it shall direct a new trial to be had upon a charge framed in whatever manner it thinks fit. 

(2) If the Court is of opinion that the facts of the case are such that no valid charge could be preferred against the accused in respect of the facts proved, it shall quash the conviction.
১,১৬৯.
আসামীর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান সম্পর্কিত ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা কত?
  1. ধারা ৫৪০
  2. ধারা ৩৪০
  3. ধারা ৫৪০ক
  4. ধারা ৩৩৯ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪০ক
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান

(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধা বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন, এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
১,১৭০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪২১ ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে-
  1. নতুন সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন
  2. মামলার নথি তলব করতে পারেন
  3. আপিলকারীর সাজার মেয়াদ বাড়াতে পারেন
  4. আপিলকারীর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ দায়ের করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি তলব করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার নথি তলব করতে পারেন
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২১- আপিলের সংক্ষিপ্ত খারিজ:
(১) ধারা ৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাবার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন-
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।

(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।

Section 421- Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily: Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.

(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
১,১৭১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান মতে অভিযুক্তের আবেদনক্রমে মামলা স্থানান্তর করা যায়?
  1. ১৯০ ধারা
  2. ১৯১ ধারা
  3. ১৯২ ধারা
  4. ১৬৪ (২) ধারা
সঠিক উত্তর:
১৯১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১ ধারা
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৯১ ধারার বিধান মতে ধারা ১৯০ (১)(গ) অনুযায়ী কোন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ আমলে গ্রহণ করলে তিনি সাক্ষ্যগ্রহণের আগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিহিত করবেন যে সে চাইলে অন্যকোন আদালতের মাধ্যমে তার মামলার বিচার বা অনুসন্ধান করাতে পারে। অভিযুক্ত সুযোগটি গ্রহণ করলে বা অভিযুক্তের আবেদনক্রমে আমলী আদালত মামলাটি অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বা দায়রা আদালতে পাঠিয়ে দিবেন।
১,১৭২.
শাস্তি কার্যকর করার জন্য প্রত্যেকটি পরোয়ানা জারি করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. শুধুমাত্র দায়রা আদালতে
  3. শাস্তি প্রদানকারী বিচারক
  4. স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী বিচারক
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮৯: কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
শাস্তি কার্যকর করার জন্য প্রত্যেকটি পরোয়ানা শাস্তি প্রদানকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট বা তাদের স্থলাভিষিক্ত বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট জারি করতে পারে।

Section 389: Who may issue warrant:
Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.
১,১৭৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর 339C(2) ধারার বিধান মতে দায়রা আদালত কর্তৃক মামলা নিষ্পত্তির সময়সীমা কত দিন?
  1. ২৬০
  2. ১৮০
  3. ৩২০
  4. ৩৬০
সঠিক উত্তর:
৩৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:
১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।
২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।

৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।
১,১৭৪.
কোন ব্যক্তি কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই বিচারাধীন ফৌজদারী মামলায় হাজির এবং পরিচালনা করতে পারবেন?
  1. পাবলিক প্রসিকিউটর
  2. প্লিডার
  3. অ্যাডভোকেট
  4. সলিসিটর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৯৩ মোতাবেক- পাবলিক প্রসিকিউটর কোন প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়ায় বিচারাধীন ফৌজদারী মামলায় হাজির এবং পরিচালনা করতে পারবে।
১,১৭৫.
ফৌজদারী কার্যবিধি ৪২০ ধারায় অনুযায়ী কারাগারে থাকা অবস্থায় আপিল করার আবেদন কাকে জমা দিতে হবে?
  1. জেলা প্রশাসক
  2. স্থানীয় থানার ইনচার্জ
  3. আদালতের রেজিস্ট্রার
  4. কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারার বিধান আপীলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
- আপীলকারী জেলে থাকলে আপীলের নকলসহ তার আপীলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপীল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারামতে আপীলকারি কারাগারে থাকলে, আপীলকারি তার রায়ের নকলসহ আবেদনপএ কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবে এবং উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আদালতে আপীল দাখিল করবেন।
⇒ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারার আধিন দায়ের করা আপীলকে  জেল আপীল বলে।
---------------------------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 420. Procedure when appellant in jail: 
-If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
১,১৭৬.
ধারা ৩৭৬ এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগের কী ক্ষমতা আছে?
  1. দণ্ড বহাল রাখা
  2. খালাস দেওয়া
  3. অন্য কোনো দণ্ড প্রদান
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, 
যে কোনো মামলা ধারা ৩৭৪ বা ৪০৫ অনুযায়ী হাইকোর্টে পেশ করা হয়, সেখানে হাইকোর্ট বিভাগ নিম্নলিখিত ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারে:
(ক) দণ্ড বহাল রাখতে পারে, অথবা আইন অনুযায়ী অন্য কোনো দণ্ড প্রদান করতে পারে।

(খ) দোষ প্রমাণ বাতিল করতে পারে, এবং অভিযুক্তকে সেই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে যার জন্য দায়রা আদালত তাকে দণ্ড দিতে পারত, অথবা একই বা সংশোধিত অভিযোগে নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারে।

(গ) অভিযুক্তকে খালাস (acquit) দিতে পারে।

শর্ত: এই ধারা অনুযায়ী কোনো দণ্ড বহাল রাখার আদেশ দেওয়া যাবে না যতক্ষণ পর্যন্ত—

আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ না হয়, অথবা

নির্ধারিত সময়ে আপিল করলে সেই আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত।

Section 376- Power of High Court Division to confirm sentence or annul conviction:
In any case submitted under section 374, 405 the High Court Division- 
(a) may confirm the sentence, or pass any other sentence warranted by law, or 
(b) may annul the conviction, and convict the accused of any offence of which the Sessions Court might have convicted him, or order a new trial on the same or an amended charge, or 
(c) may acquit the accused person: 

Provided that no order of confirmation shall be made under this section until the period allowed for preferring an appeal has expired, or, if an appeal is presented within such period, until such appeal is disposed of.

১,১৭৭.
সরেজমিন পরিদর্শনের স্মারকলিপির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বাক্য সঠিক?
  1. মামলার নথির অংশ হবে
  2. ফরিয়াদী কিংবা আসামী চাইলে এর নকল বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর চাইলে এর নকল বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন

১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Section 539B: Local inspection
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
১,১৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় সার্চ ওয়ারেন্ট জারীর বিধান আছে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
  2. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৭ ধারায়
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৮ ধারায়
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা [ Search-warrant ] ইস্যুর বিধান রয়েছে।

♦ ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-

i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;

ⅱ) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

♦ ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।

------------------------
♦  When search-warrant may be issued:

Section 96.(1) Where any Court has reason to believe that a person to whom a summons or order under section 94 or a requisition under section 95, sub-section (1), has been or might be addressed, will not or would not produce the document or thing as required by such summons or requisition, 
 
or where such document or thing is not known to the Court to be in the possession of any person, 
 
or where the Court considers that the purposes of any inquiry, trial or other proceeding under this Code will be served by a general search or inspection, 
 
it may issue a search-warrant; and the person to whom such warrant is directed, may search or inspect in accordance therewith and the provisions hereinafter contained. 
 
(2) Nothing herein contained shall authorize any Magistrate other than a District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, as the case may be or Chief Metropolitan Magistrate to grant a warrant to search for a document, parcel or other thing in the custody of the Postal or Telegraph authorities.
১,১৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী কে আদালতের ভাষা নির্ধারণ করবে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. উক্ত আদালত
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার আদালতের ভাষা নির্ধারণ করতে পারবে।

ধারা ৫৫৮- আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা
এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

Section 558- Power to decide language of Courts
The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
১,১৮০.
১৯০(১) ধারার বিধান মতে ম্যাজিস্ট্রেট কত প্রকারে অপরাধের আমল নিতে পারেন?
  1. ৩ ভাবে
  2. ৪ ভাবে
  3. ২ ভাবে
  4. অসংখ্যভাবে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
ব্যাখ্যা
♦ The Code of Criminal Procedure 1898 (CrPC )এর ১৯০(১) ধারার বিধান মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট তিন ভাবে অপরাধের আমল নিতে পারেনঃ
১। complaint এর ভিত্তিতে
২। পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে
৩। পুলিশ ব্যতীত অন কোনো ব্যক্তির তথ্যের ভিত্তিতে বা নিজের জ্ঞান থেকে বা সন্দেহের ভিত্তিতে কগনিজেন্স নিতে পারেন।
১,১৮১.
"Nemo debet bis vexari" is most closely associated with which legal concept?
  1. Right to privacy
  2. Habeas corpus
  3. Double jeopardy
  4. Presumption of innocence
সঠিক উত্তর:
Double jeopardy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Double jeopardy
ব্যাখ্যা
⇒ Nemo debet bis vexari is a Latin legal maxim that means "no one should be vexed (tried or prosecuted) twice for the same cause." This principle is fundamental to the concept of double jeopardy, which prevents a person from being tried again for the same offense after a legitimate acquittal or conviction.

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৩ ধারায় বলা হয়েছে, একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বা দ্বিতীয়বার বিচার করা যাবে না [person once convicted or acquitted not to be tried for same offence twice]। ৪০৩ ধারা [nemo debet bis vexari] নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত যার অর্থ হলো কোন ব্যক্তিকে দ্বিতীয় বারের জন্য বিচারাধীন করা যাবে না যার জন্য তাকে একবার বিচার করা হয়েছিল।

⇒ এক্ষেত্রে তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে-
১. অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে যে অপরাধের চার্জ করা হয়েছে তাকে সেই অপরাধের জন্য বিচার করতে
২. উক্ত বিচার অবশ্যই এখতিয়ারসম্পন্ন কোন আদালত কর্তৃক হতে হবে
৩. বিচারে অবশ্যই খালাসের [Acquittal] বা দণ্ডের [Conviction] আদেশ থাকতে হবে।

⇒দোবারা সাজা নীতি প্রযোজ্য হবে না-
১. অভিযোগ খারিজ করে যদি কোন ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয় বা
২. ২৪৯ ধারার অধীন মামলার প্রক্রিয়া বন্ধ করে যদি কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হয় বা
৩. কোনো আসামীকে অব্যাহতি দেয়া হলে,

⇒ যেহেতু উপরে উল্লেখিত অব্যাহতি বা মুক্তি ৪০৩ ধারার অধীন খালাস বলে গণ্য হবে না, তাই উক্ত ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার দোবারা সাজা বা jeopardy নীতি প্রযোজ্য হবে না। অব্যাহতি বা মুক্তির আদেশের বিরুদ্ধে ৪০৩ ধারা প্রযোজ্য না।
-অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে অভিযোগ হতে অব্যাহতি বা মুক্তি দেওয়া হলে তাকে পুনরায় বিচারের সম্মুখীন করা যাবে এবং এই ক্ষেত্রে ৪০৩ ধারার double Jeopardy নীতি বাধা হবে না।
১,১৮২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩ অনুসারে তল্লাশির সময় কতজন সম্মানিত স্থানীয় বাসিন্দাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকতে বলা হয়?
  1. একজন বা তার বেশি
  2. দুইজন বা তার বেশি
  3. তিনজন বা তার বেশি
  4. চারজন বা তার বেশি
সঠিক উত্তর:
দুইজন বা তার বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইজন বা তার বেশি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৩(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সার্চ-ওয়ারেন্টের অধীনে কোনো স্থানে তল্লাশি শুরু করার আগে, তল্লাশি পরিচালনাকারী কর্মকর্তা বা ব্যক্তিকে সেই এলাকার দুজন বা তার বেশি সম্মানিত বাসিন্দাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য ডাকতে হবে। এই সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তল্লাশি পরিচালনা করতে হবে এবং তল্লাশির সময় জব্দকৃত জিনিসপত্রের একটি তালিকা তৈরি করতে হবে, যা এই সাক্ষীরা স্বাক্ষর করবেন। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো তল্লাশি প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ রাখা, যাতে কোনো অনিয়ম বা অভিযোগের সুযোগ না থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।
(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.

১,১৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯(৩) ধারায়, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি নাম ও বাসস্থান প্রদান করতে অস্বীকৃতি জানান, তবে -
  1. তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে
  2. তাকে নতুন করে গ্রেফতার করা হবে
  3. ৫৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  4. তাকে আটকে রাখা হবে এবং তদন্ত করা হবে
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারা- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালী:

(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকেগ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করাার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
১,১৮৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধান মতে দায়রা আদালত আসামীকে অব্যাহতি (discharge) দিতে পারেন?
  1. 241A
  2. 245
  3. 265C
  4. 265H
সঠিক উত্তর:
265C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
265C
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে।২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।
আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে,অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন,তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
১,১৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৯ অনুযায়ী, জামিনে মুক্তির পূর্বে অভিযুক্তের বন্ডের অর্থমূল্য কে নির্ধারণ করে?
  1. জামিনদার
  2. পুলিশ
  3. আদালত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৯৯- আসামী ও জামিনদারের বন্ড:
(১) কোন ব্যক্তিকে জামিনে বা তার নিজের বন্ডে মুক্তি দেয়ার পূর্বে উক্ত ব্যক্তি পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত যেরূপ পর্যাপ্ত মনে করেন সেরূপ পরিমাণ অর্থের জন্য একটি বন্ড সম্পাদন করবে এবং যেক্ষেত্রে তাকে জামিন মুক্তি দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক পর্যাপ্ত জামিনদার এ শর্তে বন্ড সম্পাদন করবে যে, উক্ত ব্যক্তি বন্ডে বর্ণিত সময়ে ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত ভিন্নরূপ নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অনুরূপে হাজির হতে হবে।

(২) মামলার জন্য এরূপ প্রয়োজন হলে জামিনে মুক্ত ব্যক্তির জন্য আরও শর্ত থাকবে যে, অভিযোগের জবাব দানের জন্য আহবান করা হলে হাইকোর্ট ডিভিশন, দায়রা আদালত বা অন্য কোন আদালতে তাকে হাজির হতে হবে।

Section 499- Bond of accused and sureties:
(1) Before any person is released on bail or released on his own bond, a bond for such sum of money as the police-officer or Court, as the case may be, thinks sufficient shall be executed by such person, and, when he is released on bail, by one or more sufficient sureties conditioned that such person shall attend at the time and place mentioned in the bond, and shall continue so to attend until otherwise directed by the police-officer or Court, as the case may be.

(2) If the case so require, the bond shall also bind the person released on bail to appear when called upon at the High Court Division, Court of Session or other Court to answer the charge.
১,১৮৬.
বাংলাদেশে ফৌজদারি আদালতের কত প্রকার শ্রেণী বিদ্যমান?
  1. ১ প্রকার
  2. ২ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৪ প্রকার
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে ফৌজদারি আদালতের ২টি প্রধান শ্রেণী বিদ্যমান:
১) সেশন আদালত (Courts of Sessions);
২) ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (Courts of Magistrates)।

⇒ বাংলাদেশে ফৌজদারি আদালতের দুটি প্রধান শ্রেণী বিদ্যমান:
- দায়রা আদালত: এই শ্রেণীর মধ্যে রয়েছে দায়রা জজ আদালত, অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত, এবং যুগ্ম দায়রা জজ আদালত।
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালত: এই শ্রেণীর মধ্যে রয়েছে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, এই দুই শ্রেণীর মধ্যে আলাদা বিচারিক কাঠামো এবং দায়িত্ব থাকে, এবং আদালতের বিচারিক ক্ষমতা নির্ভর করে তাদের শ্রেণী অনুযায়ী।
১,১৮৭.
দণ্ডবিধিতে বর্ণিত সকল অপরাধের তদন্ত, বিচার, ইনকোয়ারি কোন আইন অনুসারে হবে?
  1. ফৌজদারি কার্যবিধি।
  2. দেওয়ানী কার্যবিধি।
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন।
  4. দণ্ডবিধি
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: দন্ডবিধি অনুযায়ী অপরাধের বিচারঃ (১) দন্ডবিধিতে বর্ণিত সকল অপরাধের তদন্ত, ইনকোয়ারী, বিচার ও অন্য ব্যবস্থা অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে করা হবে।

(২) অন্যান্য আইন অনুযায়ী অপরাধের বিচারঃ অন্য আইনে উল্লেখিত সমস্ত অপরাধের তদন্ত, ইনকোয়ারী, বিচার এবং অন্য ব্যবস্থা একই বিধান অনুযায়ী করা হবে; কিন্তু বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে এসমস্ত অপরাধের তদন্ত, ইনকোয়ারী, বিচার অথবা অন্য ব্যবস্থা গ্রহণের পদ্ধতি অথবা স্থান সম্পর্কে বিধান থাকলে তা-ই প্রযোজ্য হবে।

♦অর্থাৎ দণ্ডবিধিতে বর্ণিত সকল অপরাধের তদন্ত, বিচার, ইনকোয়ারি ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে হবে।

♦ যে আইনে কোন মোকদ্দমা বা মামলার বিচার করার পদ্ধতি অর্থাৎ মামলা দায়ের থেকে শুরু করে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা পর্যন্ত যে সকল আইনী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করে বিচার করতে হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি বা নিয়ম যে আইনে উল্লেখ থাকে সেই নিয়ম সংশ্লিষ্ট আইনকে পদ্ধতিগত আইন [Procedural Law or Adjective Law) বলে। যেমন ফৌজদারী কার্যবিধি, দেওয়ানী কার্যবিধি, তামাদি আইন ইত্যাদি। Procedural Law এবং Adjective Law উভয় পদ্ধতিগত আইন বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।

♦ যে আইন কোন অধিকারকে সংজ্ঞায়িত করে, সৃষ্টি করে এবং অর্পণ করে বা কোন শাস্তিকে সংজ্ঞায়িত করে এবং দায় আরোপ করে সেই আইনকে তত্ত্বগত বা মৌলিক আইন [Substantive Law] বলে। যেমন: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।

♦ দণ্ডবিধিতে বিভিন্ন অপরাধকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, উক্ত অপরাধের শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। এই কারণে এটা তত্ত্বগত আইন। কিন্তু এই অপরাধের বিচার পদ্ধতি দণ্ডবিধিতে উল্লেখ করা হয়নি। দণ্ডবিধিতে উল্লেখিত অপরাধের বিচার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে ফৌজদারী কার্যবিধিতে। এই কারণে ফৌজদারী কার্যবিধি হলো পদ্ধতিগত আইন।

♦ ভারতীয় উপমহাদেশে সর্বপ্রথম আইন কমিশন গঠন করা হয় ১৮৩৪ সালে। প্রথম আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন থমাস ব্যাবিংটন ম্যাকুলে (Lord Macaulay)। প্রথম আইন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন G.W. Anderson, F. Millet, এবং J.M. Macleod। ১৮৩৭ সালে এই কমিশন দন্তবিধি প্রণয়নের জন্য খসড়া জমা দেয় এবং ৬ অক্টোবর ১৮৬০ সালে বিলটি পাস হয় এবং দণ্ডবিধি ১লা জানুয়ারী ১৮৬২ সালে আইনটি কার্যকর হয়।
১,১৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় কোন আদালত হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ দিতে পারে?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট ডিভিশন
  3. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. উল্লিখিত সকলেই
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারা হাইকোর্ট ডিভিশনকে হেবিয়াস কর্পাস সম্পর্কিত নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা দেয়। এর মানে হলো, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনি বা অযৌক্তিকভাবে আটক থাকে, হাইকোর্ট তাকে মুক্তির আদেশ দিতে পারে বা তাকে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দিতে পারে। এই ধারা আটককৃত ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষায় এবং বেআইনি হেফাজত রোধে ব্যবহৃত হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯১ ধারার বিধান: হেবিয়াস কর্পাস প্রকৃতির নির্দেশ প্রদানের ক্ষমতা-
(১) হাইকোর্ট ডিভিশন যখনই সঠিক মনে করেন, তখন এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে-
(ক) ইহার ফৌজদারি আপিল এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি সম্পর্কে আইন অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থিত করা হোক;
(খ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে সরকারি বা বেসরকারি হেফাজতে বেআইনি অযৌক্তিকভাবে আটক কোন ব্যক্তিকে মুক্তি দেয়া হোক;
(গ) আদালতের বিবেচনাধীন বা অনুসন্ধানাধীন কোন বিষয়ে সাক্ষী হিসাবে জবানবন্দি নিয়ে উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থিত কোন জেলে আটক কোন বন্দিকে আদালতে হাজির করা হোক,
(ঘ) কোন কোর্ট মার্শাল বা কমিশনারের বিবেচনাধীন কোন বিষয় বিচারের জন্য বা সাক্ষী দিবার জন্য উক্তরূপে আটক কোন বন্দিকে যথাক্রমে উক্ত কোর্ট মার্শাল বা কমিশনার বরাবর হাজির করা হোক,
(ঙ) উপরোক্ত সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন বন্দিকে বিচারের উদ্দেশ্যে এক হেফাজত হতে অন্য হেফাজতে অপসারণ করা হোক; এবং 
(২) মামলার পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে এই ধারার অধীন নিয়ম প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) এই ধারার কোন বিধানই বর্তমান কার্যকর কোন নিবারণমূলক আটক আইনের অধীন আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 491.Power to issue directions of the nature of a habeas corpus:
(1) The High Court Division may, whenever it thinks fit, direct:- 
(a) that a person within the limits of its appellate criminal jurisdiction be brought up before the Court to be dealt with according to law; 
(b) that a person illegally or improperly detained in public or private custody with such limits be set at liberty; 
(c) that a prisoner detained in any jail situate within such limits be brought before the Court to be there examined as a witness in any matter pending or to be inquired into in such Court; 
(d) that a prisoner detained as aforesaid be brought before a Court-martial or any Commissioners for trial or to be examined touching any matter pending before such Court-martial or Commissioners respectively; 
(e) that a prisoner within such limits be removed from one custody to another for the purpose of trial ; and 
(2) The Supreme Court may, from time to time, frame rules to regulate the procedure in cases under this section. 
(3) Nothing in this section applies to persons detained under any law for the time being in force providing for preventive detention.

১,১৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৯ অনুসারে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন তা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হলে কে তা নির্ধারণ করবেন?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৯ (২) অনুযায়ী, যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন তা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তা নির্ধারণ করবেন। তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করবেন যে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের স্থলাভিষিক্ত বলে গণ্য হবেন এবং এই বিধি বা সংশ্লিষ্ট কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৯- জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতা তাদের স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তিগণ কর্তৃক প্রয়োগের বিধান:
(১) এই বিধির অন্য বিধানাবলি সাপেক্ষে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা ও কর্তব্য তার স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তি প্রয়োগ বা সম্পাদন করতে পারবেন।
(২) কোন ম্যাজিস্ট্রেটের (চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) স্থলাভিষিক্ত কে সে সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি হলে এই বিধি, বা এই বিধির কোন কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে যে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত স্থলাভিষিক্ত বলে গণ্য হবেন, তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যেখানে যেমন, লিখিত আদেশ কর্তৃক নির্ধারণ করবেন।
(৩) কোন অতিরিক্ত বা সহকারী দায়রা জজের পদের উত্তরাধিকারীকে সে সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি হলে, এই বিধি বা এই বিধির কোন কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে যে জজ উক্ত অতিরিক্ত বা সহকারী দায়রা জজের পদের উত্তরাধিকারী বলে অভিহিত হবেন তাহা দায়রা জজ লিখিত আদেশ কর্তৃক নির্ধারণ করবেন।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 559- Provision for powers of Judges and Magistrates being exercised by their successors in office:
(1) Subject to the other provisions of this Code, the powers and duties of a Judge or Magistrate may be exercised or performed by his successor in office.
(2) When there is any doubt as to who is the successor in office of any Magistrate, the Chief Metropolitan Magistrate or, the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate, the District Magistrate shall determine by order in writing the Magistrate who shall, for the purposes of this Code or of any proceedings or order thereunder, be deemed to be the successor in office of such Magistrate.
(3) When there is any doubt as to who is the successor in office of any Additional or Assistant Sessions Judge, the Sessions Judge shall determine by order in writing the Judge who shall, for the purposes of this Code or of any proceedings or order thereunder, be deemed to be the successor in office of such Additional or Assistant Sessions Judge.
১,১৯০.
হাইকোর্ট বিভাগ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর কোন ধারার অধীনে যুগ্ম জেলা জজ বা সহকারী জজকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করতে পারে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর ধারা ২৩ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge), সিনিয়র সহকারী জজ (Senior Assistant Judge) বা সহকারী জজ (Assistant Judge)-কে নির্দিষ্ট মামলা বা কার্যক্রমের বিষয়ে এখতিয়ার গ্রহণ করার জন্য ক্ষমতা প্রদান করতে পারে। এই ধারার উপ-ধারা (১) স্পষ্টভাবে বলে যে, হাইকোর্ট বিভাগ যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে নির্দিষ্ট কার্যক্রম গ্রহণ বা বিচারের জন্য অনুমোদন দিতে পারে। এছাড়াও, জেলা জজ এই ধরনের কার্যক্রম যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের আদালতে হস্তান্তর করতে পারেন।

- ধারা ২৩-এর প্রাসঙ্গিক অংশ: "The High Court Division may, by general or special order, authorise any Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge to take cognizance of, or any District Judge to transfer to a Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge under his administrative control, any of the proceedings next hereinafter mentioned or any class of those proceedings specified in the order."

- এই ধারাটি হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতাকে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে যে তারা যুগ্ম জেলা জজ বা সহকারী জজদের বিশেষ এখতিয়ার প্রদান করতে পারে।

তাই, সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ২৩।

১,১৯১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'একই অপরাধে দু'বার বিচার না হওয়ার' নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫(২)
ব্যাখ্যা
⇒ একই অপরাধে দ্বিতীয়বার বিচার নিষিদ্ধ (Double Jeopardy)
সংবিধান: অনুচ্ছেদ ৩৫(২) “কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধে একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত হলে, তাকে সেই একই অপরাধে পুনরায় বিচার করা যাবে না।”
-এটি একটি মৌলিক অধিকার। যা ব্যক্তিকে একই অপরাধে পুনরায় বিচার ও শাস্তির হাত থেকে রক্ষা করা।

-ফৌজদারী কার্যবিধি: ধারা ৪০৩: একবার দণ্ড বা খালাসপ্রাপ্ত হলে, সেই একই অপরাধ বা একই ঘটনায় পুনরায় বিচার করা যাবে না।
এটি সংবিধানের অধিকারের বিচারিক প্রয়োগ নিশ্চিত করে।

- ব্যতিক্রম (Exception):
১. নালিশ খারিজ (Dismissal of complaint)
২. অব্যাহতি (Discharge)
৩. ধারা ২৪৯ অনুযায়ী মামলা প্রত্যাহার
- “খালাস” নয়, তাই এগুলোর পর পুনরায় বিচার সম্ভব।
১,১৯২.
Such confessions shall be recorded and signed in the manner provided in section__________
  1. ১৬৪
  2. ৩৬৪
  3. ১৬১
  4. ১৬২
সঠিক উত্তর:
৩৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৪
ব্যাখ্যা
♦ Confessional statement ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার বিধান মোতাবেক রেকর্ড করা হয়, তবে রেকর্ড করার সময় ম্যাজিস্ট্রেট কিছু নিয়ম অনুসরণ করে থাকেন যা এই আইনের ৩৬৪ ধারায় বলা আছে। প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি ১৬৪ ধারায় উল্লেখ আছে যেখানে বলা হয়েছে ৩৬৪ ধারার নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে।
১,১৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা বর্ণিত আছে?
  1. ধারা ১৪৪
  2. ধারা ১৪৫
  3. ধারা ১৪৬
  4. ধারা ১৪৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৬
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ধারা ১৪৬-এ সুনির্দিষ্টভাবে ম্যাজিস্ট্রেটের বিরোধীয় বিষয় ক্রোক (Attachment of subject of dispute) করার ক্ষমতা এবং তার শর্তাবলী বর্ণিত আছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিস্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাওয়ার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবে
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 146. Power to attach subject of dispute:
(1) If the Magistrate decides that none of the parties was then in such possession, or is unable to satisfy himself as to which of them was then in such possession of the subject of dispute, he may attach it until a competent Court has determined the rights of the parties thereto, or the person entitled to possession thereof: 
Provided that such Magistrate]may withdraw the attachment at any time if he is satisfied that there is no longer any likelihood of a breach of the peace in regard to the subject of dispute.
(2) When the Magistrate attaches the subject of dispute, he may, if he thinks fit and if no receiver of the property, the subject of dispute, has been appointed by any Civil Court appoint a receiver thereof, who, subject to the control of the Magistrate, shall have all the powers of a receiver appointed under the Code of Civil Procedure, 1908: 
Provided that, in the event of a receiver of the property, the subject of dispute, being subsequently appointed by any Civil Court, possession shall be made over to him by the receiver appointed by the Magistrate, who shall thereupon be discharged.

১,১৯৪.
অভিযোগ প্রত্যাহারের পর আদালত কর্তৃক দণ্ডাদেশ রদ করা না হলে, তাহলে আদালত ধারা ২৪০ এর অধীনে-
  1. অভিযুক্তকে সরাসরি গ্রেফতার করতে পারে
  2. অভিযোগ পুনরায় দায়ের করতে পারে
  3. নতুন মামলার প্রস্তাব করতে পারে
  4. অভিযোগ সম্পর্কে পুনরায় অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারে
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ সম্পর্কে পুনরায় অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ সম্পর্কে পুনরায় অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪০ অনুযায়ী-

যখন একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ গঠন করা হয় এবং এক বা একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ড দেয়া হয়, তখন ফরিয়াদী বা সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী কর্মকর্তা আদালতের অনুমতি নিয়ে অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ প্রত্যাহার করতে পারেন অথবা আদালত নিজ উদ্দেগ্যে এরূপ অভিযোগ বা অভিযোগসমূহের অনুসন্ধান বা বিচার স্থগিত রাখতে পারেন।
এরূপ প্রত্যাহার করা হলে উক্ত অভিযোগে বা অভিযোগসমূহ হতে খালাস দেয়া হলো বলে পরিগণিত হবে; যদি না দণ্ডাদেশ রদ করা হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত দণ্ডাদেশ রদকারী আদালতের আদেশ সাপেক্ষে প্রত্যাহৃত অভিযোগ বা অভিযোগসমূহ সম্পর্কে অনুসন্ধান বা বিচার করতে পারবেন।

Section 240: Withdrawal of remaining charges on conviction on one of several charges-
When a charge containing more heads than one is framed against the same person, and when a conviction has been had on one or more of them, the complainant, or the officer conducting the prosecution, may, with the consent of the Court, withdraw the remaining charge or charges, or the Court of its own accord may stay the inquiry into, or trial of, such charge or charges. Such withdrawal shall have the effect of an acquittal on such charge or charges, unless the conviction be set aside, in which case the said Court (subject to the order of the Court setting aside the conviction) may proceed with the inquiry into or trial of the charge or charges so withdrawn.
১,১৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে?
  1. ধারা ২৬৫ঠ
  2. ধারা ২৬৫চ
  3. ধারা ২৬৫ট
  4. ধারা ২৬৫গ
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৫ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৫ঠ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঠ ধারায় পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে।

ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঠ অনুসারে,যে মামলায় ২২১ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ করা হয় এবং অভিযুক্ত দোষারোপিত পূর্ব দণ্ডাদেশ স্বীকার না করে, সেক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্তকে ২৬৫ঙ অথবা ২৬৫ট ধারা অনুসারে দণ্ড দানের পর পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং সে সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত এরূপ কোন অভিযোগ পাঠ করবেন না অথবা অভিযুক্তকে সে সম্পর্কে দোষ স্বীকার করতে বলা হবে না অথবা সরকার পক্ষের বা সাক্ষ্যে পূর্ব দণ্ডাদেশের কথা উল্লেখ করা হবে না,যদি না এবং যতক্ষণ না অভিযুক্ত ২৬৫ঙ বা ২৬৫ট ধারা অনুসারে দণ্ড প্রাপ্ত হয়।
১,১৯৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আসামীর নিকট যে প্রশ্ন করে, তা উত্তর দিতে অস্বীকার করলে-
  1. তাকে শাস্তি দেয়া হবে
  2. জরিমানা করা হবে
  3. মূল কারাদণ্ড বৃদ্ধি করা হবে
  4. কোনো শাস্তি দেয়া হবে না
সঠিক উত্তর:
কোনো শাস্তি দেয়া হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো শাস্তি দেয়া হবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীকে পরীক্ষা করতে পারবে।

পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং আসামীকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত আসামীকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন আসামী তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত আসামীকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই আসামীকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত আসামীর নিকট যে প্রশ্ন করে, আসামী এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342 (Power to examine the accused)-
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused.
১,১৯৭.
আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে ৪৮০ ধারা অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ শাস্তি কোনটি?
  1. ২০০ টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে ১ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
  2. ২০০০ টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
  3. ৩০০ টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে ১ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
  4. ৫০০ টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে ১ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা অর্থদন্ড এবং অনাদায়ে ১ মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮০- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি

কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

Section 480- Procedure in certain cases of contempt:
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid.
১,১৯৮.
একটি অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের রয়েছে, এই তথ্যটি ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোথায় পাওয়া যাবে?
  1. ৩য় কলামে
  2. ৬ষ্ঠ কলামে 
  3. ৭ম কলামে
  4. ৮ম কলামে
সঠিক উত্তর:
৮ম কলামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম কলামে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮ম (শেষ) কলামে specifically উল্লেখ থাকে যে সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের রয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফশিলে বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য একটি সারণীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে মোট ৮টি কলাম রয়েছে। এই কলামগুলো বিচার প্রক্রিয়া, পুলিশি ক্ষমতা, জামিন, শাস্তি ও বিচারব্যবস্থা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়।
- ১ম কলামে উল্লেখ থাকে দণ্ডবিধির (Penal Code) কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধটি হয়েছে।
- ২য় কলামে লেখা থাকে সেই ধারার অধীনে অপরাধটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
- ৩য় কলামে বলা হয়, পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না, অর্থাৎ এটি আমলযোগ্য (Cognizable) না আমল-অযোগ্য (Non-cognizable)।
- ৪র্থ কলামে বলা থাকে, প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে না ওয়ারেন্ট, তা নির্ধারণ করা হয়।
- ৫ম কলামে উল্লেখ থাকে অপরাধটি জামিনযোগ্য (Bailable) না জামিন-অযোগ্য (Non-bailable)।
- ৬ষ্ঠ কলামে বলা হয় অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কি না — অর্থাৎ ভুক্তভোগী চাইলেই কি সেটি মিটমাট করে নিতে পারে।
- ৭ম কলামে উল্লেখ থাকে সংশ্লিষ্ট ধারায় নির্ধারিত শাস্তির পরিমাণ।
- ৮ম তথা শেষ কলামে বলা হয়, সেই অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের আছে।

১,১৯৯.
মাজিস্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহন করলে অভিযোগকারী নারাজি পিটিশন দায়ের করে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট নারাজি পিটিশনও প্রত্যাখ্যান করলে সেই ক্ষেত্রে প্রতিকার কি ?
  1. হাইকোর্টে আপিল
  2. দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের
  3. দায়রা কোর্ট মামলার নথি তলব করে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে।
  4. ম্যাজিস্ট্রেটর নিকট রিভিউ আবেদন করা যাবে।
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের
ব্যাখ্যা
♦ নারাজি পিটিশন (Naraji Petition)- নারাজি অর্থ আমি মানি না। তদন্ত করার পর তদন্ত কর্মকর্তা বা পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট ফাইনাল রিপোর্ট প্রদান করলে অভিযোগকারী বা ফরিয়াদী পক্ষ নারাজি পিটিশন দায়ের করতে পারে। ম্যাজিস্ট্রেট নারাজি পিটিশনকে নালিশ (complaint) হিসেবে গ্রহণ করে ১৯০খ ধারায় মামলাটি আমলে নিতে পারেন।
♦ নারাজি পিটিশন পাওয়ার পরে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদী বা অভিযোগকারীকে ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা মোতাবেক পরীক্ষা করে সরাসরি ১৯০(১) ধারা মোতাবেক অভিযোগটি আমলে নিতে পারেন অথবা তিনি অধিকতর তদন্তের জন্য নতুন তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করতে পারেন অথবা বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন।
♦ এক্ষেত্রে বাদী বা অভিযোগকারী একাধিকবার নারাজি পিটিশন দাখিল করতে পারেন।
♦ ম্যাজিষ্ট্রেট নারাজি পিটিশন প্রত্যাখান বা নামঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রিভিশন বা নতুন অভিযোগ (Fresh complaint) দায়ের করতে পারে।
♦ অন্যদিকে ম্যাজিষ্ট্রেট নারাজি পিটিশন মঞ্জুর করলে তার বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি রিভিশন দায়ের করতে পারে।
১,২০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৪ অনুযায়ী আদেশের সর্বোচ্চ কার্যকাল কত?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
সঠিক উত্তর:
দুই মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure, 1898) ১৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী, এই ধারার অধীনে জারি করা কোনো আদেশের সর্বোচ্চ কার্যকাল দুই মাস। এটি ধারার উপ-ধারা (৬)-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে, সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্য কোনো নির্দেশ না দিলে এই সময়সীমা বহাল থাকে।

- ১৪৪ ধারার উপ-ধারা (৬)-এ বলা হয়েছে: “মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশঙ্কার ক্ষেত্রে সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোনো আদেশ দুই মাসের অধিক কাল বলবৎ থাকবে না।”
- এর অর্থ হলো, সাধারণ পরিস্থিতিতে ১৪৪ ধারার আদেশ সর্বোচ্চ ২ মাস কার্যকর থাকতে পারে। তবে, সরকার বিশেষ ক্ষেত্রে এই সময়সীমা বাড়াতে পারে, যদি তারা প্রজ্ঞাপন জারি করে। এছাড়া, এই ধারার আদেশ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য নয় (উপ-ধারা ৭)।
সুতরাং, ১৪৪ ধারার আদেশের সর্বোচ্চ কার্যকাল হলো দুই মাস, যদি না সরকার অন্যথায় নির্দেশ দেয়।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 144 Power to issue order:
-(6) No order under this section shall remain in force for more than two months from the making thereof; unless, in cases of danger to human life, health or safety, or a likelihood of a riot or an affray, the Government, by notification in the official Gazette, otherwise directs. 
-(7) The provisions of this section shall not apply to a Metropolitan Area.