বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ১১ / ২৯ · ১,০০১১,১০০ / ২,৮৮৩

১,০০১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারা অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে অভিযোগপত্রে তথ্যের ভুল বা অসম্পূর্ণতা মামলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হবে?
  1. যদি ভুলটি ছোটখাটো হয়
  2. যদি ম্যাজিস্ট্রেট তা নির্দেশ দেন
  3. যদি প্রসিকিউশন আপত্তি তোলে
  4. যদি অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে
সঠিক উত্তর:
যদি অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি অভিযুক্ত বিভ্রান্ত হয় এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারা অনুযায়ী, যদি অভিযোগপত্রে তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ থাকে এবং এর কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভ্রান্ত হয় বা ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হয়, তাহলে সেই ভুল বা অসম্পূর্ণতা মামলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হবে। অর্থাৎ, অভিযোগপত্রে সঠিক এবং পূর্ণ তথ্য না থাকলে তা ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং আদালত এটিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৫ ধারার বিধান: ভুলের প্রভাব:
 - অভিযোগপত্রে অপরাধ বা অপরাধের বিবরণ উল্লেখ করার ক্ষেত্রে কোনো ভুল বা কোনো তথ্য উল্লেখ করতে অসমর্থতা, মামলার যে কোনো পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে গণ্য হবে না, যদি না এই ভুল বা অসম্পূর্ণতার কারণে অভিযুক্ত প্রকৃতপক্ষে বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এবং এর ফলে ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা ঘটে।
-------------
→ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 225. Effect of errors: 
- No error in stating either the offence or the particulars required to be stated in the charge, and no omission to state the offence or those particulars, shall be regarded at any stage of the case as material, unless the accused was in fact misled by such error or omission, and it has occasioned a failure of justice.
১,০০২.
ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক সরেজমিন পরিদর্শনের স্মারকলিপির নকল কে চাইলে তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে?
  1. অভিযুক্ত
  2. ফরিয়াদি
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর
  4. ক বা খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৯খ: সরেজমিনে পরিদর্শন-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনা হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্তে বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে, অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।

২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরববরাহ করতে হবে।

Section 539B: Local inspection-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.

(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:
১,০০৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার অধীন আদালত কর্তৃক পরীক্ষাকালীন অভিযুক্ত মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে-
  1. অতিরিক্ত শাস্তি দেয়া হবে
  2. জরিমানা করা হবে
  3. কোনো শাস্তি দেয়া হবে না
  4. মূল কারাদণ্ড বৃদ্ধি করা হবে
সঠিক উত্তর:
কোনো শাস্তি দেয়া হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনো শাস্তি দেয়া হবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তকে পরীক্ষা করতে পারবে। পরীক্ষা করতে পারবে অর্থ হলো প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এবং অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের আহ্বান জানাবার পূর্বে আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং অভিযুক্তকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তর নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।

Section 342- Power to examine the accused
(1) For the purpose of enabling the accused to explain any circumstances appearing in the evidence against him, the Court may, at any stage of any inquiry or trial without previously warning the accused, put such questions to him as the Court considers necessary, and shall, for the purpose aforesaid, question him generally on the case after the witnesses for the prosecution have been examined and before he is called on for his defence. 
 
(2) The accused shall not render himself liable to punishment by refusing to answer such questions, or by giving false answers to them; but the Court may draw such inference from such refusal or answers as it thinks just. 
 
(3) The answers given by the accused may be taken into consideration in such inquiry or trial, and put in evidence for or against him in any other inquiry into, or trial for, any other offence which such answers may tend to show he has committed. 
 
(4) No oath shall be administered to the accused.
১,০০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় কোন ধরণের মামলার জন্য স্থানীয় অনুসন্ধানের প্রয়োজন হতে পারে?
  1. পারিবারিক মামলা
  2. অপহরণ সংক্রান্ত মামলা
  3. জমি সংক্রান্ত বিরোধ
  4. যৌতুক মামলা
সঠিক উত্তর:
জমি সংক্রান্ত বিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি সংক্রান্ত বিরোধ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় স্থানীয় অনুসন্ধান বা Local inquiry এর বিধান রয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের উদ্দেশ্যে স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে উক্ত অনুসন্ধান করতে প্রেরণ করতে পারবেন।

- ১৪৮ ধারার অধীন স্থানীয় অনুসন্ধানের রিপোর্ট মামলার সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
-------------------- 
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 148: Local inquiry:
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid.

(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
১,০০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অভিযোগের মিথ্যা বা তুচ্ছতার জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়া যেতে পারে?
  1. ২৪৮ ধারায়
  2. ২৫০ ধারায়
  3. ২৫২ ধারায়
  4. ২৫৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৫০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০ ধারায়
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারায় অভিযোগের মিথ্যা বা তুচ্ছতার জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়া যেতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে- কারো বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযোগকারীকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়া হবে না।
ফরিয়াদি/সংবাদদাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন,অভিযােগটি মিথ্যা,তুচ্ছ ও বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(৫) ধারা অনুসারে- এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়াও,ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 (5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.
১,০০৬.
কোন পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার সংবাদ কার নিকট জানাবেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
  3. জেলা পুলিশ সুপারকে
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারা মতে  আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার (design) সংবাদ গ্রহণকারী পুলিশ অফিসার উক্ত সংবাদ তার উর্দ্ধতন পুলিশ অফিসারকে জানাবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫০ ধারার বিধান অনুরূপ অপরাধের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদঃ কোন পুলিশ অফিসার কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সংবাদ পেলে তিনি তাঁর উপরস্থ কোন পুলিশ কর্মকর্তা এবং এরূপ কোন অপরাধ নিবারণ করা বা আমলে আনা যে কর্মকর্তার কর্তব্য সেই কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন।

-------------------------------------------
♦ Section 150. Information of design to commit such offences: Every police-officer receiving information of a design to commit any cognizable offence shall communicate such information to the police-officer to whom he is subordinate, and to any other officer whose duty it is to prevent or take cognizance of the commission of any such offence.
১,০০৭.
পুলিশী তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-
  1. রিলিজ রিপোর্ট
  2. ডিসচার্জ রিপোর্ট
  3. ফাইনাল রিপোর্ট
  4. চার্জ শিট
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
• পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-

১. Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

২. Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
১,০০৮.
পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি কিভাবে গ্রহণ করতে পারে?
  1. ব্যক্তিগতভাবে
  2. এডভোকেট কর্তৃক
  3. ৩য় যেকোনো ব্যক্তি কর্তৃক
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৫ (পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন)-

(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।

(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী জেরা ও পুনঃ জবানবন্দী, যেখানে যেরূপ গ্রহণ করতে পারবেন।

Parties may examine witnesses-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories. 
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.
১,০০৯.
পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করেন কে?
  1. সরকার
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার, সাধারণভাবে বা কোনো নির্দিষ্ট মামলা, বা মামলার কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণীর জন্য, এবং কোনো নির্দিষ্ট স্থানীয় এলাকার জন্য, “পাবলিক প্রসিকিউটর” নামে একজন বা একাধিক কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে পারবেন।

(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, অথবা যেখানে কোনো পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করা হয়নি, সেখানে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সরকারের নির্ধারিত পদমর্যাদার নিচের কোনো পুলিশ অফিসার না হন — এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন।

The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492: Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.

(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.
১,০১০.
স্থানীয় অধিক্ষেত্রের বাইরে সংঘটিত অপরাধের জন্য কার পরোয়ানা বা সমন জারির ক্ষমতা (Power to issue summons or warrant for offence committed beyond local jurisdiction) আছে?
  1. ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় এবং ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৮৬ তে দেয়া আছে,
যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বিশ্বাস করেন যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে অবস্থানকারী কোন ব্যক্তি উক্ত সীমার বাইরে বাংলাদেশের ভিতরে বা বাইরে এমন কোন অপরাধ করেছে যা বাংলাদেশে বিচার্য, তখন তিনি অপরাধটি তার স্থানীয় এলাকায় সংঘটিত হয়েছে বলে ধরে নিয়ে সেই সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারবেন এবং উক্ত ব্যক্তিকে তার নিকট হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন এবং এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট তাকে প্রেরণ করতে পারবেন অথবা অপরাধটি জামিনযোগ্য হলে তাকে হাজির হওয়ার জন্য মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন।

• এরূপ ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে একাধিক এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেট থাকলে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করতে হবে বা হাজির হতে বাধ্য করা হবে তা এই ধারানুসারে কার্যরত ম্যাজিস্ট্রেট ঠিক করতে না পারলে তিনি উপযুক্ত আদেশের জন্য বিষয়টি হাইকোর্টে প্রেরণ করবেন।
১,০১১.
ভুল স্থানে অর্থাৎ ভুল দায়রা বিভাগে বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত বিচারিক কার্যক্রমের জন্য ফৌজদারী-
  1. বাতিল হবে না।
  2. বাতিল হবে যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়
  3. বাতিল হবে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫৩১ মতে- ভুল স্থানে অর্থাৎ ভুল দায়রা বিভাগে বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত বিচারিক কার্যক্রমের জন্য ফৌজদারী আদালতের কোন অনুসন্ধান, শাস্তি বা আদেশ বাতিল হবে না।
• কিন্তু এমন ভুল কার্যক্রমের কারণে যদি ন্যায় বিচার ব্যাহত হয়, তাহলে উক্ত কার্যক্রম বাতিল হবে।
১,০১২.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪ক (১)(a) অনুসারে, এই কোডে কোনো qualifying word ছাড়া “Magistrate” বলতে কী বোঝায়?
  1. Executive Magistrate
  2. District Magistrate
  3. Judicial Magistrate
  4. Metropolitan Magistrate
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪ক (১)(a) অনুযায়ী বলা হয়েছে যে, এই কোডে কোনো qualifying word ছাড়া “Magistrate” শব্দটি ব্যবহৃত হলে সেটি Judicial Magistrate বোঝাবে।
- অর্থাৎ, যদি “Executive Magistrate” বা “District Magistrate” এর মতো কোনো বিশেষণ যুক্ত না থাকে, তবে “Magistrate” বলতে সরাসরি বিচারিক ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটকে বোঝানো হয়।
-  তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো: Judicial Magistrate.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪ক(১)(a) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "In this Code, unless the context otherwise requires, any reference— (a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate;"
- অর্থাৎ, কোডে যখন কোনো qualifying word (যেমন Executive, District, Chief ইত্যাদি) ছাড়া শুধু "Magistrate" শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তখন তা Judicial Magistrate কে বোঝাবে।
- এই ধারা (Construction of references) মূলত Judicial Magistrate এবং Executive Magistrate-এর মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট করার জন্য যুক্ত করা হয়েছে।

১,০১৩.
Under Section 404, in which situation can an appeal be made against a Criminal Court's decision?
  1. If the police recommend an appeal.
  2. Only if the Code or another law allows it.
  3. If the trial court permits an appeal.
  4. If the accused believes the judgment is unfair.
সঠিক উত্তর:
Only if the Code or another law allows it.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Only if the Code or another law allows it.
ব্যাখ্যা
Section-404: Unless otherwise provided, no appeal to lie:
No appeal shall lie from any judgment or order of a Criminal Court except as provided for by this Code or by any other law for the time being in force.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৪ ধারার বিধান: ফৌজদারি মামলায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আপিল করা যায় না:
উক্ত (ফৌজদারি) কার্যবিধিতে বা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে আপিলের বিধান না থাকলে, সেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না।
১,০১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য কী?
  1. অভিযুক্তকে দণ্ড প্রদান করা
  2. অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ
  3. অভিযোগকারীর সাক্ষ্য গ্রহণ
  4. মামলার রায় প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার উদ্দেশ্য হলো অভিযুক্তের সাক্ষ্য গ্রহণ। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে, অভিযুক্ত ঐ সকল সাক্ষ্য সম্পর্কে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবে। এই ক্ষেত্রে আদালতের গুরুতূপূর্ণ দায়িত্ব হলো সাক্ষ্যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে যে সকল বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে সে বিষয় গুলোর প্রতি অভিযুক্তের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেন অভিযুক্ত সেই সকল বিষয় সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারে।
এছাড়া আদালত অভিযুক্তকে মামলা সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন করতে পারবে যেন অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যে উত্থাপিত কোন বিষয় বিশ্লেষণ করতে সক্ষম হয়।
আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানের পূর্বে যেকোনো সময়ে এবং আসামীকে কোন পূর্ব সতর্ক করা ছাড়া, আদালত অভিযুক্তকে এমন প্রশ্ন করতে পারে। কিন্তু এটা অবশ্যই অভিযুক্তকে তার আত্মপক্ষ সমর্থনে আহ্বান করার পূর্বে করতে হবে।

৩৪২ ধারা অনুযায়ী আদালত অভিযুক্তের নিকট যে প্রশ্ন করে, অভিযুক্ত এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অস্বীকার করলে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে, সে শাস্তির জন্য দায়ী হবে না। কিন্তু আদালত এই ক্ষেত্রে অনুমান করতে পারে।
১,০১৫.
ধারা ৩৭৩ অনুযায়ী, মহানগর দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের নকল কাকে প্রেরণ করবে?
  1. হাইকোর্টকে
  2. কেবল জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে
  3. কেবল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উভয়কে
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উভয়কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উভয়কে
ব্যাখ্যা

• ধারা ৩৭৩: দায়রা আদালত সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের অনুলিপি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ-
দায়রা আদালত তার সিদ্ধান্ত ও দণ্ডাদেশের একটি নকল চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

অর্থাৎ মহানগর দায়রা আদালত হলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।

Section 373: Court of Session send copy of finding and sentence to District Magistrate:
In cases tried by the Court of Session, the Court shall forward a copy of its finding and sentence (if any) to the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate, as the case may be, and District Magistrate within the local limits of whose jurisdiction the trial was held.

১,০১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে, একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে মামলা প্রাপ্তির______ দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
  1. ১২০
  2. ১৮০
  3. ৩৬০
  4. ১৫০
সঠিক উত্তর:
১৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-

ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

Section 339C: Time for disposal of cases

(1) A Magistrate shall conclude the trial of a case within one hundred and eighty days from the date on which the case is received by him for trial. 
 
(2) A Sessions Judge, an Additional Sessions Judge or an Assistant Sessions Judge shall conclude the trial of a case within three hundred and sixty days from the date on which the case is received by him for trial. 
 
(2A) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) or sub-section (2), where a person is accused in several cases and such cases are brought for trial before a Magistrate or a Court of Session, the time limit specified in sub-section (1) or sub-section (2) for the trial of such cases shall run consecutively.
 
(2B) Notwithstanding the transfer of a case from one Court to another Court, the time specified in sub-section (1) or sub-section (2) shall be the time for concluding the trial of a case.
 
(4) If a trial cannot be concluded within the specified time, the accused in the case, if he is accused of a non-bailable offence, may be released on bail to the satisfaction of the Court, unless for reasons to be recorded in writing, the Court otherwise directs.
 
(5) Nothing in this section shall apply to the trial of a case under section 400 or 401 of the Penal Code (Act XLV of 1860), or to the trial of case to which the provisions of Chapter XXXIV apply.
 
(6) In this section, in determining the time for the purpose of a trial,- 
 
(b) the days spent on account of the absconsion of an accused after his release on bail, if any, shall not be counted.
১,০১৭.
ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় দেওয়া আছে?
  1. ধারা ১৫
  2. ধারা ১৬
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ১৭ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৬
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি আইন, ১৮৯৮-এর ধারা ১৬-এর শিরোনামই হলো: “Power to frame rules for guidance of Benches”
- এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, সরকার অথবা সরকারের নিয়ন্ত্রণে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'ম্যাজিস্ট্রেটদের বেঞ্চের' (Bench of Magistrates) জন্য নিম্নলিখিত বিষয়ে বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন:
- বিচারযোগ্য মামলার শ্রেণি। 
- আদালতের বসার সময় ও স্থান। 
- বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বেঞ্চ গঠন। 
- ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে মতপার্থক্য নিষ্পত্তির পদ্ধতি। 
অতএব, ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চের জন্য বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা ধারা ১৬-এ দেওয়া আছে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section-16. Power to frame rules for guidance of Benches:
- The Government may, or, subject to the control of the Government, the Chief Judicial Magistrate] may, from time to time, make rules consistent with this Code for the guidance of Magistrates' Benches in any district respecting the following subjects:-
(a) the classes of cases to be tried;
(b) the times and places of sitting;
(c) the constitution of the Bench for conducting trials;
(d) the mode of settling differences of opinion which may arise between the Magistrates in session.

১,০১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারায় আদালতের নিম্নোক্ত কোন আদেশ দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে?
  1. দণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ স্থগিত
  2. দণ্ডাদেশ সম্পূর্ণ বাতিল
  3. মৃত্যুদণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ
  4. উল্লিখিত সকল আদেশ
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ স্থগিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডাদেশ কার্যকরীকরণ স্থগিত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮২- গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

অর্থাৎ নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-
⇒ দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ,
⇒ দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
১,০১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারায় বিশেষ বেঞ্চ কতজন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হয়?
  1. একজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. পাঁচজন
সঠিক উত্তর:
তিনজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনজন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারায় বিশেষ বেঞ্চ তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত হয়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯গ ধারার বিধান: বিশেষ বেঞ্চে শুনানী:
- তিনজন বিচারপতি নিয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন-এর বিশেষ বেঞ্চ এরূপের প্রত্যেকটি আবেদন শুনবেন এবং সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
-----------
⇒ Section 99C. Hearing by Special Bench:
- Every such application shall be heard and determined by a Special Bench of the High Court Division composed of three Judges.
১,০২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বিচারাধীন মামলায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করার ক্ষমতা দায়রা আদালত বা চীফ ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রদান করা হয়েছে?
  1. ধারা ৩৩৭
  2. ধারা ৩৩৮
  3. ধারা ৩৩৯
  4. ধারা ৩৩৯ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৩৮
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৮ (Section 338 of the Code of Criminal Procedure, 1898) অনুযায়ী, দায়রা আদালত, অথবা তার নির্দেশে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারাধীন মামলায় অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করতে পারে, যদি তারা মনে করে যে তার সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এবং এটি রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময় করা যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায়-
-যে দায়রা আদালত মামলার বিচার করছে সেই দায়রা আদালত অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে বা ক্ষমা করার নির্দেশ দিতে পারে; বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে । এই ধারা অনুসারে অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা করতে পারে রায় প্রদানের পূর্বে যেকোন সময়।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 338. Power to direct tender of pardon:
-At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
১,০২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারার অধীন কমপক্ষে কতজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালানোর বিধান রয়েছে?
  1. ৫ জন
  2. ৩ জন
  3. ২ জন
  4. ১ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:

(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.

(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
১,০২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী, একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত consecutive sentences-এর সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. ১০ বছর
  2. ১৪ বছর
  3. ২০ বছর
  4. যেকোনো মেয়াদ
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫(২)(ক) অনুসারে, একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত consecutive sentences (ধারাবাহিক কারাদণ্ড)-এর সর্বোচ্চ সীমা ১৪ বছর। অর্থাৎ, বিভিন্ন অপরাধের জন্য পৃথক কারাদণ্ড দেওয়া হলেও সেগুলোর সমষ্টি ১৪ বছরের বেশি হতে পারবে না।

- ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫(২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি একটিমাত্র বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হন, তাহলে আদালত consecutive sentences প্রদান করতে পারে। 
"তিনটি বা তার অধিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি একটিমাত্র বিচারে দণ্ডিত হন, তবে আদালত তার বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক সাজা প্রদান করতে পারে। এই সাজাগুলো ধারাবাহিকভাবে চলবে, অর্থাৎ একে অপরের পরে কার্যকর হবে। তবে, এই সাজাগুলোর মোট মেয়াদ একসাথে ১৪ বছর ছাড়িয়ে যাবে না।"

(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate, the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
১,০২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৯ অনুযায়ী সাক্ষ্য অপর্যাপ্ত হলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. খালাস পাবে
  2. মুক্তি পাবে
  3. অব্যাহতি পাবে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।

• সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
১,০২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৪(১) অনুযায়ী অধস্তন আদালতের রেকর্ড পরিদর্শনের জন্য বিধি তৈরির ক্ষমতা কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৪(১) অনুযায়ী, সরকারের পূর্ব অনুমোদনক্রমে সুপ্রিম কোর্ট অধস্তন ফৌজদারি আদালতসমূহের রেকর্ড পরিদর্শনের জন্য বিধি তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ, এই ক্ষমতা শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের চার্টার্ড হাইকোর্ট বিভাগকে দেওয়া হয়েছে এবং এর উদ্দেশ্য হলো বিচারকার্য পর্যবেক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
অন্য অপশন গুলো যেমন জাতীয় সংসদ, আইন মন্ত্রণালয় বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট - এ ধরনের নিয়ম তৈরির ক্ষমতা রাখে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 554.Power of chartered High Court Division to make rules for inspection of records of subordinate Courts:
(1) With the previous sanction of the Government, the Supreme Court may, from time to time, make rules for the inspection of the records of subordinate Courts.
Power of other High Court Division to make rules for other purposes.
(2) The Supreme Court] may, from time to time, and with the previous sanction of the Government– 
(a) make rules for keeping all books, entries and accounts to be kept in all Criminal Courts subordinate to it, and for the preparation and transmission of any returns or statements to be prepared and submitted by such Courts; 
(b) frame forms for every proceeding in the said Courts for which it thinks that a form should be provided; 
(c) make rules for regulating its own practice and proceedings and the practice and proceedings of all Criminal Courts subordinate to it; and 
(d) make rules for regulating the execution of warrants issued under this Code for the levy of fines: 
Provided that the rules and forms made and framed under this section shall not be inconsistent with this Code or any other law in force for the time being. 
(3) All rules made under this section shall be published in the official Gazette.
১,০২৫.
যদি যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদে কারাদণ্ড দেন, তাহলে আপিল করতে হবে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ৪০৭-
দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল করতে হবে। 

ধারা ৪০৮-
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা যুগ্ম দায়রা জজ (৫ বা ৫ বছরের কম মেয়াদে কারাদণ্ড দিলে) প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপিল করতে হবে।
তবে যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ড দিলে অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা অপরাধের শাস্তি দিলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

ধারা ৪১০-
দায়রা আদালত প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
১,০২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৭-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. অপরাধীর শাস্তি বাড়ানো
  2. অপরাধের স্থান নির্ধারণ করা
  3. অপরাধীর জামিন দেয়া
  4. অপরাধের শাস্তি কমানো
সঠিক উত্তর:
অপরাধের স্থান নির্ধারণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধের স্থান নির্ধারণ করা
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭৭: তদন্ত ও বিচারকার্যের সাধারণ স্থান:
প্রত্যেক অপরাধ সাধারণত সেই আদালত দ্বারা তদন্ত ও বিচারকার্য সম্পন্ন হবে, যার স্থানীয় এখতিয়ারের সীমার মধ্যে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে।

Ordinary place of inquiry and trial-
Every offence shall ordinarily be inquired into and tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction it was committed.
১,০২৭.
কৃত অপরাধটি দণ্ডবিধির অধীন দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত-
  1. কার্যক্রম বাতিল করবে
  2. রায় প্রদান স্থগিত রাখবে
  3. বিকল্প রায় প্রদান করবে
  4. বিচার মুলতবি রাখবে
সঠিক উত্তর:
বিকল্প রায় প্রদান করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিকল্প রায় প্রদান করবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
 
দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।
 
Section 367(3)- Judgment in alternative:
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
১,০২৮.
অতিরিক্ত দায়রা আদালত নিম্নলিখিত কোন ধরণের আপীল শুনতে এবং নিষ্পত্তি করতে পারে?
  1. যে সকল আপীল সরাসরি অতিরিক্ত দায়রা আদালতের নিকট দায়ের করা হয়
  2. যে সকল আপীল দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট অর্পণ করে
  3. যে সকল আপীল সরকার বিশেষ আদেশ বলে অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট অর্পণ করে
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৯ মতে- দায়রা আদালতে বা দায়রা জজের নিকট পেশকৃত আপীল দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ শ্রবণ করবেন।
• তবে শর্ত থাকে যে, অতিরিক্ত দায়রা জজ সেই আপীলেই শ্রবণ করবেন, যে গুলি সম্পর্কে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্দেশ দেন অথবা দায়রা জজ যেগুলি তার নিকট আপণ করেন।
১,০২৯.
ধারা ১৭২(২) অনুযায়ী, পুলিশ ডায়েরী কীভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. সরাসরি প্রমাণ হিসেবে
  2. অভিযুক্তকে সাজা দিতে
  3. বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে
  4. অভিযোগকারীর মামলা প্রতিষ্ঠিত করতে
সঠিক উত্তর:
বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে
ব্যাখ্যা

• পুলিশের তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করা হয়, সেটা হলো পুলিশী ডায়েরী। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরী সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
(১) প্রতিটি পুলিশ কর্মকর্তা, যে কোনো তদন্ত পরিচালনা করছেন, প্রতিদিন তার তদন্তের অগ্রগতি একটি ডায়েরীতে লিপিবদ্ধ করবেন।
ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে:
- কখন তথ্য বা খবর পৌঁছেছে;
- কখন তিনি তদন্ত শুরু ও শেষ করেছেন;
- কোন কোন স্থান পরিদর্শন করেছেন;
- তদন্তের মাধ্যমে কোন কোন ঘটনা বা পরিস্থিতি তিনি শনাক্ত করেছেন তার বিবরণ;

(২) যে কোনো ফৌজদারী আদালত তদন্ত বা বিচারাধীন মামলার জন্য পুলিশ ডায়েরী চাইতে পারে। ডায়েরী সাক্ষ্য হিসেবে নয়, শুধুমাত্র মামলার তদন্ত বা বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়ক হিসেবে ব্যবহার করা হবে। অভিযুক্ত বা তার প্রতিনিধি ডায়েরী চেয়ে পাঠাতে বা দেখতে পারবে না, শুধুমাত্র আদালতের উল্লেখের কারণে নয়।
তবে, যদি পুলিশ কর্মকর্তা নিজে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য ডায়েরী ব্যবহার করেন, বা আদালত পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্যকে বিপরীত করতে ডায়েরী ব্যবহার করেন, তাহলে Evidence Act, 1872-এর ধারা ১৬১ বা ১৪৫ প্রযোজ্য হবে।

১,০৩০.
মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বিরক্তিকর অভিযোগ দাখিলের জন্য অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে বিচারিক আদালত কী ব্যবস্থা নিতে পার?
  1. জরিমানার আদেশ দিতে পারে
  2. গ্রেফতারের আদেশ দিতে পারে
  3. ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
  4. মামলা দায়েরের নির্দেশ দিতে পারে।
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মোতাবেক ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন তার নিকট দায়েরকৃত অভিযোগ মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি বা খালাসের আদেশ দিবেন এবং পাশাপাশি, অভিযোগকারীকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন আসামিকে বা আসামিদের ক্ষতিপূরণ দিবে না।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মোতাবেক বিচারিক আদালত মিথ্যা অভিযোগ দাখিলকারীকে ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ ও তা অনাদায়ে অনধিক ৩০ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দিতে পারেন। মনে রাখতে হবে, জরিমানা আর ক্ষতিপূরণ এক নয়। জরিনামা এক প্রকার দণ্ড যা সরকার পাবে, অন্যদিকে ক্ষতিপূরণ পাবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ।
১,০৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান নিচের কোন ধারার বিধানকে প্রভাবিত করে না?
  1. ১০৭ ধারার (৪) উপধারা
  2. ১১৭ ধারার (৩) উপধারা
  3. ৪৯৭ ধারা (২) উপধারা
  4. ক এবং খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ধারা ৪৯৬-এর (শেষ প্রবিধান) অনুযায়ী, এই ধারার বিধান ধারা ১০৭(৪) বা ধারা ১১৭(৩)-এর প্রভাবিত করবে না। অর্থাৎ এই ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধে স্বাভাবিক জামিন পাওয়ার যে সাধারণ বিধান আছে, তা ১০৭ ধারার (৪) উপধারা (শান্তিভঙ্গ রোধে জামিন সম্পর্কিত) এবং ১১৭ ধারার (৩) উপধারা (শান্তিভঙ্গ রোধে প্রক্রিয়া চলাকালীন সাময়িক আদেশ) এর বিশেষ বিধানগুলোর ওপর প্রাধান্য পাবে না বা সেগুলোকে খর্ব করবে না। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো—উভয়ই (ক এবং খ)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:
যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।
তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।
এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 496. In what cases bail to be taken:
When any person other than a person accused of a non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, and is prepared at any time while in the custody of such officer or at any stage of the proceedings before such Court to give bail, such person shall be released on bail:
Provided that such officer or Court, if he or it thinks fit, may, instead of taking bail from such person, discharge him on his executing a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided:
Provided, further, that nothing in this section shall be deemed to affect the provisions of section 107, sub-section (4), or section 117, sub-section (3).

১,০৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা' দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫০
  2. ধারা ৫৫৪
  3. ধারা ৫৫২
  4. ধারা ৫৫১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫২
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বে-আইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

Section 552- Power to compel restoration of abducted females
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
১,০৩৩.
কখন অধিকতর তদন্ত করা যায়?
  1. কেবল সাক্ষ্য অপর্যাপ্ত হলে
  2. তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হলে
  3. আসমী আবেদন করলে
  4. মামলার যে-কোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মামলার যে-কোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যে-কোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩ মতে ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট না হন, তাহলে তিনি মামলাটি আমলে নেয়ার পূর্বে পুলিশকে আরও তদন্তের (Further Investigation) নির্দেশ দিতে পারেন। এছাড়া তদন্তকারী পুলিশ অফিসার পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও ১৭৩(৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (Do Further Investigation)। এই অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে আরও কোন সাক্ষ্য পেলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ১৭৩(৩খ) ধারার আওতায় পুনরায় যে চার্জ শীট দাখিল করে তাকে সম্পূরক চার্জ শীট (Supplementary charge sheet) বলে। সম্পূরক চার্জ শীট তদন্ত প্রক্রিয়ার একটি অংশ।

♦ পূর্বে দাখিলকৃত চার্জ শীটের আসামীকে সম্পূরক চার্জ শীট থেকে বাদ দেয়া যায়না; তবে সম্পূরক চার্জ শীটে নতুন করে আসামী যুক্ত করা যায়।

♦ অর্থাৎ মামলার যে-কোনো পর্যায়ে অধিকতর তদন্ত করা যায়
১,০৩৪.
ফৌজদারী কার্যবিধি কত সালের আইন?
  1. ১৮৬০
  2. ১৮৬১
  3. ১৮৯৮
  4. ১৮৭২
সঠিক উত্তর:
১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৮
ব্যাখ্যা
 ♦ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের আইন। ফৌজদারী কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন। কারণ এই আইনে ফৌজদারী আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, মামলার তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়। পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারী কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়। ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।
১,০৩৫.
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারা মোতাবেক?
  1. ৩৬৭
  2. ৩৬৬
  3. ৩৬৯
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীকে মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে ফৌজদারি কার্যবিধি এর ধারা ৩৬৮ মোতাবেক। অর্থাৎ উপরের কোন উত্তরই সঠিক নয়। তাই উত্তর হবে (ঘ)।
১,০৩৬.
A wrongfully strikes B with a cane. A may be separately charged with and convicted of offences under section _________ and ____________ of the Penal Code.
  1. 323, 324
  2. 352, 324
  3. 351, 323
  4. 323, 352
সঠিক উত্তর:
323, 352
উত্তর
সঠিক উত্তর:
323, 352
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৩৫ ধারার বিধান একাধিক অপরাধের বিচার (Trial for more than one offence): পর পর সংঘটিত কতকগুলো কাজ পরস্পরের সাথে এরূপ সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কাজগুলো একটিমাত্র কাজের সামিল এবং একই ব্যক্তি যদি উক্ত ব্যাপারে একাধিক অপরাধ করে থাকে তাহলে এরূপ প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ২৩৫-এর ২ নং উপধারায় একই অপরাধ ২ টি ধারায় শাস্তিযোগ্য হলে পৃথক চার্জ করে একসাথে বিচার করা যাবে। বোতল দিয়ে আঘাত করলে ৩২৩ ধারার আঘাতের অপরাধ ও ৩৫২ ধারার আক্রমণের অপরাধ হয়। তবে এই ক্ষেত্রে যে কোন একটি ধারায় শাস্তি দিতে হবে। ২৩৫ ধারার (২) উপ-ধারার (i) নং উদাহরণ দ্রষ্টব্য।
১,০৩৭.
'চ' খুনের মামলায় দায়রা আদালত কর্তৃক মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত হয়। উক্ত আদেশ হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করা হয় এবং হাইকোর্ট বিভাগ 'চ' কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। এই ঘটনা ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা সমর্থন করে?
  1. ৩৭৪ ধারা
  2. ৩৮১ ধারা
  3. ৩৭৬ ধারা
  4. ৩৮৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৭৬ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৬ ধারা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে। দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে, কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। 

অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী, দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন, বা
অন্য কোন দণ্ড দিতে পারেন, বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

এক্ষেত্রে আদালত মৃত্যুদণ্ড আদেশ বাতিল করে অন্য দণ্ড অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। তাই বলা যায়, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে।
১,০৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৭ অনুযায়ী আদালত কর্তৃক আদেশকৃত জরিমানা ছাড়া অন্য অর্থ কীভাবে আদায়যোগ্য?
  1. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে
  2. দেওয়ানি মামলা দায়ের করে
  3. জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য
  4. পুলিশি হেফাজতের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৭ অনুযায়ী, আদালত যদি জরিমানা ব্যতীত কোনো অর্থ প্রদানের আদেশ দেন এবং তার জন্য অন্য কোনো নির্দিষ্ট আদায়ের পদ্ধতি উল্লেখ না থাকে, তবে সেই অর্থ জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ, সাধারণ জরিমানার আদায়ের নিয়ম অনুযায়ীই সেই টাকা আদায় করা যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৭ ধারার বিধান:- টাকা প্রদানের আদেশ প্রদত্ত হলে তা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য:
এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ অনুসারে কোন অর্থ জরিমানা ছাড়া দেয়া হলে এবং তা আদায়ের পন্থা সম্পর্কে অন্য কোন বিধান না থাকলে উক্ত অর্থ জরিমানা বলে ধরে নিয়ে আদায় করতে হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-547: Moneys ordered to be paid recoverable as fines:
Any money (other than a fine) payable by virtue of any order made under this code, and the method of recovery of which is not otherwise expressly provided for shall be recoverable as if it were a fine.

১,০৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালত চার্জ গঠন করে?
  1. ২৪৫ক ধারা
  2. ২৬৫ক ধারা
  3. ২৬৫খ ধারা
  4. ২৬৫ঘ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঘ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঘ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা- ২৬৫ঘ: চার্জ গঠন করা:
(১) যদি উক্ত পর্যালোচনা এবং শুনানির পর আদালত এই মতামত ব্যক্ত করে যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অপরাধ করার জন্য সন্দেহ সৃষ্টি করার যথেষ্ট কারণ আছে, তবে আদালত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি লিখিত চার্জ গঠন করবে।

(২) যখন আদালত উপধারা (১) অনুযায়ী একটি চার্জ গঠন করে, তখন ওই চার্জটি অভিযুক্তকে পড়া এবং ব্যাখ্যা করা হবে এবং তাকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে, সে অভিযুক্ত অপরাধে দোষী কিনা, অথবা সে বিচার প্রার্থনা করে।
১,০৪০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা রয়েছে কার?
  1. সরকারের
  2. কারা কর্তৃপক্ষের
  3. কারাদণ্ড প্রদানকারী আদালতের
  4. হাইকোর্ট বিভাগের
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪১ ধারার বিধান কারাবাসের স্থান নির্দিষ্টকরণের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে কার্যকর কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী কিংবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তন:
এই কার্যবিধির অধীন কারাদন্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে যদি দেওয়ানী কারাগারে আটক রাখা হয়, তাহলে কারাদণ্ড বা হাজত বাসের আদেশদানকারী আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ করার নির্দেশ দিতে পারবেন।
(৩) কোন ব্যক্তি উপধারা (২) এর অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা থেকে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না-
(ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর পার হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে দেওয়ানী জেল থেকে অব্যাহতি পেয়েছে মর্মে অভিহিত করতে হবে, কিংবা
(খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়েছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা-৫৮ এর অধীন সে অব্যাহতি পাবার অধিকারী।
১,০৪১.
ফরিয়াদী কর্তৃক আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর ফি প্রদান করা না হলে, আদালত কি শাস্তি দিতে পারে?
  1. অনধিক ১৫ দিন সশ্রম কারাদণ্ড
  2. অনধিক ৩০ দিন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক ৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. অনধিক ৬০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৬ক- আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদী কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ

(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামী সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থ দানের জন্য আসামীকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদীর জবানবন্দীর জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং 
(খ) ফরিয়াদী কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।

(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপীল আদালত বা হইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন ।
১,০৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৬(৩) অনুযায়ী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কত শ্রেণিতে বিভক্ত?
  1. ২ শ্রেণি
  2. ৩ শ্রেণি
  3. ৪ শ্রেণি
  4. ৫ শ্রেণি
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ শ্রেণি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৬(৩) এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, Judicial Magistrate-দের চারটি শ্রেণি রয়েছে। এই শ্রেণিগুলো হলো: 
(ক) Chief Metropolitan Magistrate (মেট্রোপলিটন এলাকায়) এবং Chief Judicial Magistrate (অন্যান্য এলাকায়);
(খ) Magistrate of the first class, যিনি মেট্রোপলিটন এলাকায় Metropolitan Magistrate নামে পরিচিত;
(গ) Magistrate of the second class;
(ঘ) Magistrate of the third class।

Explanation অংশে আরও বলা হয়েছে যে, “Chief Metropolitan Magistrate” এবং “Chief Judicial Magistrate” শব্দের মধ্যে Additional Chief Metropolitan Magistrate এবং Additional Chief Judicial Magistrate-কেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-6(3): There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: -
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas;
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate;
(c) Magistrate of the second class; and
(d) Magistrate of the third class.
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.

১,০৪৩.
অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে-
  1. সরকারের অনুমতিতে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুমতিতে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতিতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
এই ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে।অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস [Acquittal] দিবে।

• অপরদিকে,৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে[Discharge] দিতে পারে এবং অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে,আদালত অভিযুক্তকে খালাস[Acquittal] দিতে পারে।
১,০৪৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারার অধীনে কোন পরিস্থিতিতে তদন্ত করা যাবে না?
  1. যদি বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে চায়
  2. যদি আসামির পরিচয় অজানা থাকে
  3. যদি তদন্তের উপযুক্ত কারণ না থাকে
  4. যদি অভিযোগ মৌখিকভাবে দায়ের করা হয়
সঠিক উত্তর:
যদি তদন্তের উপযুক্ত কারণ না থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি তদন্তের উপযুক্ত কারণ না থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭(১)(খ) ধারার বিধান অনুসারে, যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer-in-Charge) দেখেন যে তদন্ত শুরু করার জন্য পর্যাপ্ত কারণ নেই, তাহলে তিনি মামলাটি তদন্ত করবেন না। এই ক্ষেত্রে, তিনি সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটকে বিষয়টি জানাবেন এবং সংবাদদাতাকে (informant) অবহিত করবেন যে, তিনি এই মামলাটি তদন্ত করবেন না বা করাবেন না।

অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
(ক) যদি বাদী মামলা প্রত্যাহার করতে চায় →
- বাদী মামলা প্রত্যাহার করলেও আমলযোগ্য অপরাধ হলে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যেতে পারে।
(খ) যদি আসামির পরিচয় অজানা থাকে →
- আসামির পরিচয় অজানা হলেও পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যেতে পারে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে অপরাধী শনাক্ত করার চেষ্টা করবে।
(ঘ) যদি অভিযোগ মৌখিকভাবে দায়ের করা হয় →
- মৌখিক অভিযোগ গ্রহণ করার পর পুলিশ সেটি লিখিতভাবে রেকর্ড করতে পারে এবং তদন্ত শুরু করতে পারে।

সুতরাং, তদন্ত বন্ধ করার একমাত্র বৈধ কারণ হলো "যথেষ্ট তদন্তের কারণ না থাকা" যা ১৫৭(১)(খ) ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে।
১,০৪৫.
বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কখন পুলিশ তল্লাশি ও বাজেয়াপ্ত করতে পারে?
  1. কোনো অবস্থাতেই নয়
  2. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত মুক্তি দেয়া গেলে
  3. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে সক্ষম হলে
  4. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত জামিনে মুক্তি দেয়া না গেলে
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত জামিনে মুক্তি দেয়া না গেলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনত জামিনে মুক্তি দেয়া না গেলে
ব্যাখ্যা
• Section 51- Search of arrested persons:
Whenever a person is arrested by a police-officer under a warrant which does not provide for the taking of bail, or under a warrant which provides for the taking of bail but the person arrested cannot furnish bail, and Whenever a person is arrested without warrant, or by a private person under a warrant, and cannot legally be admitted to bail, or is unable to furnish bail,
the officer making the arrest or, when the arrest is made by a private person, the police-officer to whom he makes over the person arrested, may search such person, and place in safe custody all articles, other than necessary wearing-apparel, found upon him.

ধারা ৫১:
যখনই কোন ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসার দ্বারা গ্রেফতার করা হয় এমন ওয়ারেন্ট দ্বারা যাতে জামিন গ্রহণের বিধান নেই, অথবা এমন ওয়ারেন্ট যাতে জামিন গ্রহণের বিধান আছে কিন্তু গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামিন দিতে অক্ষম, এবং যখনই কোন ব্যক্তিকে বিনা ওয়ারেন্টে বা কোন ব্যক্তি কর্তৃক ওয়ারেন্ট সাপেক্ষে গ্রেফতার করা হয় এবং আইনত তাকে জামিনে মুক্তি দেয়া যায় না বা সে জামিন দিতে অক্ষম,
তখন গ্রেফতারকারী অফিসার, বা যখন গ্রেফতার কোন ব্যক্তি কর্তৃক করা হয়, যে পুলিশ অফিসারের নিকট গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে হস্তান্তর করা হয়, তিনি ঐ ব্যক্তির তল্লাশি নিতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় পোশাক-পরিচ্ছদ ব্যতীত তার কাছ থেকে পাওয়া অন্যান্য সমস্ত জিনিষপত্র নিরাপদ হেফাজতে রাখতে পারবেন।
১,০৪৬.
খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ কত দিন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ তামাদি আইনের ১৫৭ নং আর্টিকেল অনুসারের খালাসের বিরুদ্ধে আদেশ প্রচারের ৬ মাসের মধ্যে আপিল করার বিধান আছে।
১,০৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল সংক্ষিপ্তভাবে (summary) খারিজ করার বিধান রয়েছে?
  1. ৪১৯ ধারা
  2. ৪২০ ধারা
  3. ৪২১ ধারা
  4. ৪২৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২১ অনুযায়ী, যদি আপিল আদালত মনে করে যে আপিলে হস্তক্ষেপ করার মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তবে সে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে (summarily) খারিজ করতে পারে। তবে, ধারা ৪১৯ এর অধীনে দাখিলকৃত আপিলে আপিলকারী বা তার উকিলকে শুনানির যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে খারিজ করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারামতে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাওয়ার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।
(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-421: Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily:
-Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.
(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
১,০৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় Time for disposal of appeals and Revision এর বিধান আছে?
  1. ৪৪১ক
  2. ৪৪২
  3. ৪৪২ক
  4. ৪৩৯ক
সঠিক উত্তর:
৪৪২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪২ক
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুযায়ী, ধারা ৪৪২ক (Section 442A) এ "Time for disposal of appeals and revisions" সংক্রান্ত বিধান রয়েছে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision:
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.

১,০৪৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৯ ধারা অনুসারে, একজন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেট -
  1. খালাস আদেশ দেবেন
  2. মুক্তির আদেশ দেবেন
  3. অব্যাহতির আদেশ দেবেন
  4. জামিনের আদেশ দেবেন
সঠিক উত্তর:
মুক্তির আদেশ দেবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তির আদেশ দেবেন
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে। উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।

১,০৫০.
গণ-উৎপাত সংঘটনের ক্ষেত্রে মামলা করতে পারে কে?
  1. সরকারি কৌসুলী
  2. ভুক্তভোগী
  3. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  4. যে-কোনো সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি-জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি-জেনারেল
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা: ৯১ এর বিধান জনক্ষতিকর কাজ (Public nuisances): জনক্ষতিকর কাজের ক্ষেত্রে বিশেষ ক্ষতির কারণ না হলেও অ্যাটর্নি জেনারেল বা অ্যাটর্নি জেনারেলের লিখিত সম্মতিপ্রাপ্ত দুই বা ততোধিক ব্যক্তি ঘোষণা এবং নিষেধাজ্ঞা বা মোকদ্দমার পরিস্থিতির আলোকে অন্য কোন যথাযথ প্রতিকারে নিমিত্তে মোকদ্দমা রুজু করতে পারে।
১,০৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারা অনুসারে, রিভিশন কার্যক্রমের সময় আদালত কোন শর্তে কোনো পক্ষকে শুনতে পারে?
  1. যদি পক্ষটি দাবি করে
  2. যদি হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়
  3. যদি আদালত নিজে উপযুক্ত মনে করে
  4. যদি মামলাটি গুরুতর অপরাধের সাথে জড়িত হয়
সঠিক উত্তর:
যদি আদালত নিজে উপযুক্ত মনে করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি আদালত নিজে উপযুক্ত মনে করে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারার প্রদত্ত অংশে (শর্ত থাকে যে) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য শ্রবণ করতে পারবেন।"
- এটি আদালতের বিবেচনাভিত্তিক ক্ষমতা (discretionary power), যেখানে পক্ষের আবেদন বা দাবি নয়, বরং আদালতের নিজস্ব সন্তুষ্টিই একমাত্র মানদণ্ড। অন্য বিকল্পগুলো এই ধারার বিধানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪০ ধারার বিধান:
-কোন আদালত যেক্ষেত্রে তার রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালতে কোন পক্ষেরই ব্যক্তিগতভাবে বা অ্যাডভোকেট কর্তৃক বক্তব্য দাখিলের অধিকার থাকবে না:
শর্ত থাকে যে, আদালত উপযুক্ত মনে করলে এরূপ ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন পক্ষের বক্তব্য ব্যক্তিগতভাবে বা উকিলের কর্তৃক শ্রবণ করতে পারবেন; এবং এই ধারার কোন বিধান ধারা-৪৩৯(২) কে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য করা যাবে না।
----------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 440: Optional with Court to hear parties:
- No party has any right to be heard either personally or by pleader before any Court when exercising its powers of revision: 
Provided that the Court may, if it thinks fit, when exercising such powers, hear any party either personally or by pleader, and that nothing in this section shall be deemed to affect section 439, sub-section (2).

১,০৫২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫০ ধারা সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্ধ করার ক্ষমতা দিয়েছে-
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
  3. যেকোন পুলিশ কর্মকর্তাকে
  4. জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে
সঠিক উত্তর:
যেকোন পুলিশ কর্মকর্তাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেকোন পুলিশ কর্মকর্তাকে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৫০: সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্ধ করার ব্যাপারে পুলিশের ক্ষমতা
চোরাই মর্মে কথিত বা সন্দেহযুক্ত কিংবা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত কোন সম্পত্তি কোন পুলিশ কর্মকর্তা আটক করতে পারবেন। এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধঃস্তন হলে তিনি সাথে সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জব্দ করার ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

Section 550: Powers to police to seize property suspected to be stolen
Any police officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.
১,০৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পুলিশের নিকট FIR দায়েরের মাধ্যমে মামলা দায়ের করা যায়?
  1. ১৯০
  2. ১৫৪
  3. ২০০
  4. ২০৪
সঠিক উত্তর:
১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৪
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের ঘটনা ঘটলে সেটা পুলিশ থানায় একটি এফআইআর (First Information Report) দায়ের করা যায়। এফআইআর হলো সেই অপরাধের প্রাথমিক তথ্য যা পুলিশকে অপরাধ তদন্তের জন্য নির্দেশনা দেয়।

অন্যদিকে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুযায়ী,
কোনো অপরাধের শিকার ব্যক্তি সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে একটি নালিশ/কমপ্লেইন দায়ের করতে পারেন। এই নালিশের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট পুলিশ স্টেশনকে তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন।

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার পুলিশের নিকট এফআইআর দায়েরের মাধ্যমে এবং ২০০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ এর মাধ্যমে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যায়।
১,০৫৪.
কোন আদালত ধারা ৩৪৪-এর অধীনে প্রদত্ত আদেশ লিখিত হওয়ার বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পায়?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: হাইকোর্ট বিভাগ।

ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।

১,০৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১৮ ধারার অধীন শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের জন্য ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক জামানত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার বিধান রয়েছে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা আদালতে
  3. যুগ্ম দায়রা আদালতে
  4. খ এবং গ উভয় আদালতের
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪০৬- শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ধারা-১১৮ অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে-
আরও শর্ত থাকে যে, যাদের বিরুদ্ধে ধারা-১২৩ এর উপ-ধারা (২) বা (৩ক) এর বিধানানুসারে দায়রা জজ বরাবর মামলা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এই ধারার কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।

Section 406- Appeal from order requiring security for keeping the peace or for good behaviour:
Any person who has been ordered by a Magistrate under section 118 to give security for keeping the peace or for good behaviour may appeal against such order to the Court of Session:
Provided, that nothing in this section shall apply to persons the proceedings against whom are laid before a Sessions Judge in accordance with the provisions of sub-section (2) or sub-section (3A) of section 123.
১,০৫৬.
সরকার দ্বারা ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতা প্রত্যাহার করণের বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৩৯ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান হল, ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেন:
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।
(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।
অর্থাৎ ৪১ ধারার বিধান হল সরকার দ্বারা ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 41-Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.
(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
১,০৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, অভিযোগের সারাংশ কোথায় লিপিবদ্ধ করতে হবে?
  1. সাধারণ ডায়েরিতে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তৃক নির্ধারিত বইতে
  3. সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইতে
  4. কোনো বইতে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইতে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, যে কোনও শাস্তিযোগ্য অপরাধ সম্পর্কিত অভিযোগ যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে মৌখিকভাবে জানানো হয়, তবে ওই অভিযোগটি লিখিত আকারে পরিণত করতে হবে এবং অভিযোগকারীকে তা পড়ে শোনাতে হবে। এছাড়া, অভিযোগকারীর সইও নিতে হবে।
- এছাড়া, অভিযোগের সারাংশ পুলিশ স্টেশনের কর্তৃপক্ষকে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইয়ে লিপিবদ্ধ করতে হবে। এই বইটি এমনভাবে তৈরি হবে, যা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত থাকবে এবং এর মাধ্যমে অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষিত হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ:
-আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার মূল বিষয়গুলো হল:
১) থানায় মৌখিক অভিযোগ করলে পুলিশ অফিসার তা লিখে নেবেন।
২) লিখিত অভিযোগটি অভিযোগকারীকে পড়ে শোনাতে হবে।
৩) অভিযোগকারীকে এতে স্বাক্ষর করতে হবে। 
৪) অভিযোগের সারাংশ সরকার নির্ধারিত বইয়ে লিখে রাখতে হবে। 
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases:
-Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
১,০৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩১(১) ধারার অধীনে কোন আদালত আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩১- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:

(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31- Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
১,০৫৯.
ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ করে উকিলের মাধ্যমে হাজিরার অনুমতি দিতে পারেন ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায়?
  1. ২০৪ ধারায়
  2. ২০৫ ধারায়
  3. ২০৫গ ধারায়
  4. ২০৫গগ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫-এ সরাসরি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ করে উকিলের মাধ্যমে হাজিরার অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা বর্ণিত আছে।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর ধারা ২০৫(১)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট যখন সমন জারি করেন, তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা মওকুফ করে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন (Magistrate may dispense with personal attendance of accused)-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতঃপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 205. Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.

১,০৬০.
আদালত আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করলে তা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে পরোয়ানা দেওয়া যায় কাকে?
  1. আদালতের নাজিরকে
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
  3. জেলার কালেক্টরকে
  4. দেওয়ানী আদালতের বিচারককে
সঠিক উত্তর:
জেলার কালেক্টরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলার কালেক্টরকে
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৮৬ ধারা মতে (১) যখন কোন আসামীকে জরিমানা দন্ডে দণ্ডিত করা হয়, তখন দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি বা উভয় উপায় অনুসারে জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা
ক) অপরাধীর অবস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য
খ) খেলাপাকারীর স্থাবর বা অবস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুসারে পরোয়ানা কার্যকর করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়া জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন।
তবে শর্ত এই যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে, জরিমানা পরিশোধ কর না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং সে যদি অনাদায় বশতঃ সমগ্ৰ কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা প্রদান করবেন-না, তবে বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেন।
১,০৬১.
কোনো মামলা আপস মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পন্ন হলে তা আসামির ____________ বলে গণ্য হবে।
  1. মুক্তি
  2. জামিন
  3. অব্যাহতি
  4. খালাস
সঠিক উত্তর:
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস (acquittal) পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
 
প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
১,০৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা মতে সম্পত্তি বা দলিল বাজেয়াপ্ত করা হয়?
  1. ৫০৭ ধারা
  2. ৫১৭ ধারা
  3. ৫২৭ ধারা
  4. ৫৪৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫১৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী-
কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।
 
- ধারা ৫১৭- যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ:
(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধাজনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।
 
(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপিল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।
 
(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এ মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-517: Order for disposal of property regarding which offence committed:
(1) When an inquiry or a trial in any Criminal Court is concluded, the Court may make such order as it thinks fit for the disposal by destruction, confiscation, or delivery to any person claiming to be entitled to possession thereof or otherwise of any property or document produced before it or in its custody or regarding which any offence appears to have been committed, or which has been used for the commission of any offence. 
 
(2) When High Court Division or a Court of Session makes such order and cannot through its own officers conveniently deliver the property to the person entitled thereto, such Court may direct that the order be carried into effect by the 513[Chief Metropolitan Magistrate or] District Magistrate. 
 
(3) When an order is made under this section such order shall not, except where the property is livestock or subject to speedy and natural decay, and save as provided by sub-section (4), be carried out for one month, or, when an appeal is presented, until such appeal has been disposed of. 
 
(4) Nothing in this section shall be deemed to prohibit any Court from delivering any property under the provisions of sub-section (1) to any person claiming to be entitled to the possession thereof, on his executing a bond with or without sureties to the satisfaction of the Court, engaging to restore such property to the Court if the order made under this section is modified or set aside on appeal. 

Explanation- In this section the term "property" includes in the case of property regarding which an offence appears to have been committed, not only such property as has been originally in the possession or under the control of any party, but also any property into or for which the same may have been converted or exchanged, and anything acquired by such conversion or exchange, whether immediately or otherwise.
১,০৬৩.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে প্রথম রিভিশনে প্রদত্ত সিদ্ধান্ত-
  1. চূড়ান্ত নয়
  2. চূড়ান্ত
  3. ২য় বার রিভিশনযোগ্য
  4. হাইকোর্টে রিভিশনযোগ্য
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

Section 439A: Sessions Judge's powers of revision
(1) In the case of any proceeding the record of which has been called for by himself or which otherwise comes to his knowledge, the Sessions Judge may exercise all or any of the powers which may be exercised by the High Court Division under section 439. 
 
(2) Where any application for revision is made by or on behalf of any person before the Sessions Judge, the decision of the Sessions Judge thereon in relation to such person shall be final. 
 
(3) An Additional Sessions Judge shall have and may exercise all powers of a Sessions Judge under this Chapter in respect of any case which may be transferred to him under any general or special order of the Sessions Judge.
১,০৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর কোন ধারা অনুযায়ী বন্ড জমা দেওয়ার সময় জামিনদাতাদের যাচাই বাধ্যতামূলক?
  1. ধারা ৪৯৯(১)
  2. ধারা ৪৯৯(২)
  3. ধারা ৪৯৯(৩)
  4. ধারা ৪৯৯(৪)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৯(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৯(৩)
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯৯: অভিযুক্ত ও জামিনদাতার বন্ড:
(১) কোনো ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার আগে বা নিজের বন্ডে মুক্তি দেওয়ার আগে, পুলিশের কর্মকর্তা বা আদালত যথাযথ মনে করলে নির্দিষ্ট অর্থের একটি বন্ড পূরণ করতে হবে। যখন ব্যক্তি জামিনে মুক্তি পায়, তখন এক বা একাধিক যথেষ্ট যোগ্য জামিনদাতার মাধ্যমে বন্ড সম্পাদিত হবে। এই বন্ডে শর্ত থাকবে যে অভিযুক্ত নির্ধারিত সময় ও স্থানে হাজির হবে এবং পুলিশ বা আদালতের নির্দেশ না থাকা পর্যন্ত নিয়মিত হাজিরা চালিয়ে যাবে।

(২) প্রয়োজন হলে, বন্ডে আরো শর্ত থাকবে যে, জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তি হাইকোর্ট ডিভিশন, সেশন আদালত বা অন্য কোনো আদালতের ডাকে হাজির হবে এবং অভিযোগের উত্তর দেবে।

(৩) এই বন্ড অভিযুক্ত নিজে, তার আইনজীবীর মাধ্যমে, বা আদালতের অনুমোদিত অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে আদালতে জমা দিতে পারবে। তবে জামিনদাতাদের পরিচয় ও যোগ্যতা জাতীয় পরিচয়পত্র বা অন্য যথাযথ উপায়ে যাচাই করা আবশ্যক।

১,০৬৫.
ফৌজদারি মামলার FIR কোথায় করা হয়?
  1. পুলিশ স্টেশনে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে
  3. পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে
  4. দায়রা আদালতে
সঠিক উত্তর:
পুলিশ স্টেশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ স্টেশনে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বা এজাহারের (FIR) বিধান রয়েছে। এছাড়া পুলিশ প্রবিধানের (PRB) ২৪৩ বিধিতে FIR বর্ণিত রয়েছে। FIR এর পূর্ণরূপ হচ্ছে First Information Report। আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভাবে বা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা ১৫৪ ধারানুযায়ী বিপি ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয় যা FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী নামে পরিচিত।
- আমলযোগ্য কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিতভবে কিংবা মৌখিকভাবে খবর দিলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক তা নির্ধারিত বইতে লিপিবদ্ধ করাকে FIR বা এজাহার বলে।
- অর্থাৎ ফৌজদারি মামলার FIR থানায় বা পুলিশ স্টেশনে করা হয়।
------------------------
- A First Information Report (FIR) is officially defined the first collection of information transmitted to the police concerning commission of a major offence.
- Generally victims or witnesses of a heinous crime open criminal proceedings against alleged criminals through filing of an FIR.
১,০৬৬.
'ক' ব্যভিচারের উদ্দেশ্যে দিনের বেলা ঘর ভাঙ্গে এবং ঘরে প্রবেশ করে 'খ' এর সাথে ব্যভিচার সংঘটন করে।এক্ষেত্রে-
  1. একটি অভিযোগপত্রে এবং একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে
  2. আলাদা আলাদা অভিযোগপত্রে এবং একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে
  3. একটি অভিযোগপত্রে এবং একাধিক মামলায় বিচার করা যাবে
  4. একাধিক অভিযোগপত্রে এবং একাধিক মামলায় বিচার করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আলাদা আলাদা অভিযোগপত্রে এবং একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাদা আলাদা অভিযোগপত্রে এবং একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৫(১) অনুসারে একাধিক অপরাধের বিচার (Trial for more than one offence) একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে-

পর পর সংঘটিত কতকগুলো কাজ পরস্পরের সাথে এরূপ সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কাজগুলো একটিমাত্র কাজের সামিল এবং একই ব্যক্তি যদি উক্ত ব্যাপারে একাধিক অপরাধ করে থাকে তাহলে এরূপ প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।
[If, in one series of acts so connected together as to form the same transaction, more offences than one are committed by the same he person, may be charged with, and tried at one trial for, every such offence]

• প্রশ্নে উল্লেখিত,'ক' ব্যভিচারের উদ্দেশ্যে দিনের আলোয় ঘর ভাঙ্গে এবং ঘরে প্রবেশ করে 'খ' এর সাথে ব্যভিচার সংঘটন করে।'ক' এর বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৫৪ ও ৪৯৭ ধারার অধীন অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যাবে এবং তাকে দণ্ডিত করা যাবে।
১,০৬৭.
খালাস এবং মৃত্যুদণ্ডাদেশ ব্যতীত অন্যান্য আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্যকোনো আপীল এখতিয়ার সম্পন্ন ফৌজদারী আদালতে আপীল করতে হবে কত দিনের মধ্যে?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০দিন
  3. ৬০দিন
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০দিন
ব্যাখ্যা
♦তামাদি আইনের ১৫৪ অনুচ্ছেদ মতে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ মোতাবেক হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য যে কোন আদালতে আপিল করতে হবে দন্ডাদেশ বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে।
♦অর্থাৎ কোন দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও দায়রা আদালতের নিকটা ৩০ দিনের মধ্যে, অন্যদিকে হাইকোর্ট বিভাগের নিকট ৬০ দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করতে হয়।
১,০৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ আদালত মামলা হস্তান্তরের আদেশ প্রদান করতে পারবেন?
  1. ৫২৫ক
  2. ৫২৬
  3. ৫২৬ক
  4. ৫২৬খ
সঠিক উত্তর:
৫২৬খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২৬খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী মামলা এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে বা এক এলাকার ফৌজদারী আদালত হতে অন্য এলাকার ফৌজদারী আদালতে স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২৫ক থেকে ৫২৮ পর্যন্ত ফৌজদারী মামলা বা আপীল স্থানান্তরের, প্রত্যাহারের বা তলব সম্পর্কে আদালতের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
-ফৌজদারী মামলা স্থানান্তরের ক্ষমতা আছে-
১. আপীল বিভাগের (ধারা-৫২৫ক)
২. হাইকোর্ট বিভাগের (ধারা-৫২৬)
৩. দায়রা জজের (ধারা-৫২৬খ)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৬খ ধারার বিধান: মামলা হস্তাম্ভর করতে দায়রা জজের ক্ষমতা:
(১) যখন কোন দায়রা জজের দৃষ্টি গোচর করা হয় যে ন্যায় বিচারের জন্য এই ধারার অধীন আদেশ দান করা প্রয়োজন তখন তিনি তার দায়রা বিভাগধীন এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালত কোন নির্দিষ্ট মামলা হস্তান্তরের আদেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) অধস্তন কোন আদালতের রিপোর্টের ভিত্তিতে অথবা নিজের উদ্যোগে দায়রা জজ কাজ করতে পারবেন।
(৩) ৫২৬ ধারার (৪) হতে (১০) উপধারা (উভয় ধারা অন্তর্ভুক্ত) বিধান মতে দায়রা জজের নিকট আবেদন করার ব্যাপারে ৫২৬ ধারার (১) উপধারা মতে হাইকোর্ট বিভাগের আবেদন করার পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে।
⇒ RULINGS: ন্যায় বিচারের স্বার্থে যুক্তিযুক্ত মনে করলে দায়রা জজ এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে কেস হস্তান্তর করতে পারেন। [8 BLD 340]
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: 526B. Power of Sessions Judge to transfer cases:
(1) Whenever it is made to appear to a Sessions Judge that an order under this section is expedient for the ends of justice, he may order that any particular case be transferred from one Criminal Court to another Criminal Court in his sessions division.
(2) The Sessions Judge may act either on the report of the lower Court, or on the Application of a party interested, or on his own initiative.
(3) The provisions of sub-sections (4) to (10) (both inclusive) of section 526 shall apply in relation to an application to the Sessions Judge for an order under sub-section (1) as they apply in relation to an application to the High Court Division for an order sub-section (1) of section 526.
১,০৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কার নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. দায়রা আদলত
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. এটর্নী জেনারেল
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
১,০৭০.
আদালতের হেফাজতে রক্ষতি অপরাধ সংক্রান্ত কোনো সম্পতি ফেরৎ পাওয়ার জন্য আদালতে কী দাখিল করা আবশ্যক?
  1. জামানত
  2. মুচলেকা
  3. চুক্তিপত্র
  4. নিশ্চয়তাপত্র
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারাঃ ৫১৭ মতেঃ (১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন অনুসন্ধান বা বিচার সমাপ্ত হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ করা হয়েছেবা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, তা ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ আদেশ দিতে পারবেন।

(২) যখন হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ প্রদান করেন এবং সুবধিাজনকভাবে নিজস্ব অফিসারের মাধ্যমে উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত আদেশ কার্যকর করবেন।

(৩) এই ধারার অধীন আদেশ দেয়া হলে তা সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং

(৪) উপধারায় বর্ণিত বিধান মতে না হলে একমাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না। অথবা যে ক্ষেত্রে আপীল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপলের নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।

৫) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তির দখলের অধিকারী বলে দাবী করে সেই ব্যক্তি যদি আদালতের সন্তুষ্টি বিধান করে জামিনদারসহ বা ব্যতিত এই মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে। তাহলে এই ধারার কোন বিধান (১) উপধারা অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি প্রদানের ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে বলে মনে করা যাবে না।ব্যাখ্যাঃ যেক্ষেত্রে কোন সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়, সেক্ষেত্রে এই ধারার অধীন সম্পত্তি বলতে সেই সম্পত্তিই বুঝায় না যা মূলতঃ কোন পক্ষের দখলে বা নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। বরং উক্ত সম্পত্তি যাতে রূপান্তরিত বা বিনিময়ের ফলে সঙ্গে সঙ্গে বা অন্য কোনভাবে যা সংগৃহিত হয়েছে তাও বুঝায়।
১,০৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে কী তথ্য থাকে?
  1. অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তি
  2. অপরাধটি জামিনযোগ্য কিনা
  3. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  4. যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে উল্লেখ করা হয় যে কোন অপরাধের বিচার কোন আদালত করবে। এই কলামটি নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারিক কর্তৃপক্ষ বা আদালতের (যেমন, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সেশন আদালত, বা অন্য কোনো আদালত) তথ্য প্রদান করে। এটি ফৌজদারি মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।

১,০৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, কে ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তার অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে?
  1. সরকার
  2. দায়রা আদালত
  3. সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ
  4. সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারার বিধান অনুযায়ী, সরকার ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন ব্যক্তি বা অধীনস্থ কোন কর্মকর্তাকে অর্পিত ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবে।

• ধারা ৪১: ক্ষমতাদি প্রত্যাহরকরণ-
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোন ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করতে হবে। এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে পারবে।

Section 41: Withdrawal of powers-
(1) The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
১,০৭৩.
আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের পূর্বে প্রসিকিউশন কোন মামলা প্রত্যাহার করলে ফলাফল হবে-
  1. আসামি খালাস
  2. আসামির মুক্তি
  3. আসামির অব্যাহতি
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আসামির অব্যাহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামির অব্যাহতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল-

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-

(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং

(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
১,০৭৪.
দায়রা আদালতে সরকারের পক্ষে কে মামলা পরিচালনা করেন?
  1. অভিযোগকারী
  2. পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. আসামি পক্ষ
  4. বার এসোসিয়েশন
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার কার্যে সরকারি আইনজীবী বা পাবলিক প্রসিকিউটর সরকারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন। ২৬৫খ ধারা মতে আসামিকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযাগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভিযোগ প্রমান করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
১,০৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে?
  1. ৪২ ধারায়
  2. ৫২ ধারায়
  3. ৬২ ধারায়
  4. ৭২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে। ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

Section 52- Mode of searching women:
Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১,০৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়'- সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৪০
  2. ধারা ৫৪৪
  3. ধারা ৫৪০
  4. ধারা ৩৪২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৪
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৪ (ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়)-

সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।

Section 544- Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
১,০৭৭.
According to Section 205(2) of The Code of Criminal Procedure, 1898, at what point can a Magistrate direct the personal attendance of the accused?
  1. Only at the beginning of the trial
  2. At any stage of the proceedings
  3. Only if the accused requests it
  4. After the case has been decided
সঠিক উত্তর:
At any stage of the proceedings
উত্তর
সঠিক উত্তর:
At any stage of the proceedings
ব্যাখ্যা
Section 205: Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
১,০৭৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে ক্ষমা প্রদানের শর্ত কী?
  1. অপরাধীকে আদালতে দোষ স্বীকার করতে হবে
  2. অপরাধীকে তার সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে
  3. অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে
  4. অপরাধীকে অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানাতে হবে
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে
ব্যাখ্যা

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার অধীনে ক্ষমা প্রদানের শর্ত অপরাধীকে সম্পূর্ণ এবং সত্য প্রকাশ করতে হবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৩৭: সহযোগীকে ক্ষমা প্রদানের বিধান:
(১) যে কোনো অপরাধ যা শুধুমাত্র দায়রা আদালত দ্বারা বিচারযোগ্য, বা যে অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, বা দণ্ডবিধির ২১১ ধারার অধীনে যে অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, বা দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত ধারাগুলোর অধীনে যে কোনো অপরাধ (যেমন, ধারা ২১৬ক, ৩৬৯, ৪০১, ৪৩৫ এবং ৪৭৭ক), সেক্ষেত্রে একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, অপরাধের তদন্ত বা জিজ্ঞাসাবাদের যে কোনো পর্যায়ে বা বিচারের সময়, অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা অপরাধের কথা জানা থাকতে পারে এমন কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য পাওয়ার উদ্দেশ্যে, উক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমা প্রদান করতে পারেন। তবে এই ক্ষমা প্রদানের শর্ত হবে যে, উক্ত ব্যক্তিকে অপরাধ সম্পর্কিত তার জানা সমস্ত পরিস্থিতি এবং অপরাধ সংঘটনে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তির (প্রধান অপরাধী বা সহযোগী) সম্পর্কে সম্পূর্ণ ও সত্য বিবৃতি দিতে হবে।
শর্তসাপেক্ষে: যদি অপরাধটি তদন্ত বা বিচারের অধীনে থাকে, তাহলে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত) এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না, যদি না তিনি উক্ত তদন্ত বা বিচারকার্য পরিচালনা করছেন। আর যদি অপরাধটি তদন্তাধীন থাকে, তাহলে কোনো ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন না, যদি না তিনি এমন এলাকার ম্যাজিস্ট্রেট হন যেখানে অপরাধের তদন্ত বা বিচার হতে পারে এবং চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।
(১ক) উপধারা (১) অনুযায়ী ক্ষমা প্রদানকারী প্রত্যেক ম্যাজিস্ট্রেটকে তার সিদ্ধান্তের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং অভিযুক্তের আবেদন করলে, তাকে এই রেকর্ডের একটি কপি সরবরাহ করতে হবে।
শর্তসাপেক্ষে: অভিযুক্তকে এই কপির জন্য অর্থ প্রদান করতে হবে, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ কোনো কারণে বিনামূল্যে কপি সরবরাহ করার সিদ্ধান্ত নেন।
(২) এই ধারার অধীনে ক্ষমা গ্রহণকারী প্রত্যেক ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাক্ষী হিসাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং পরবর্তী বিচারেও (যদি থাকে) সাক্ষ্য দিতে হবে।
(২ক) যদি কোনো ব্যক্তি ক্ষমা গ্রহণ করে এবং উপধারা (২) অনুযায়ী জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন যে অভিযুক্ত অপরাধের দোষী হওয়ার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে, তাহলে তিনি অভিযুক্তকে দায়রা আদালতে বিচারের জন্য প্রেরণ করবেন।
(৩) এই ধরনের ব্যক্তি, যদি ইতিমধ্যে জামিনে না থাকে, তাহলে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে রাখা হবে।

অর্থাৎ
- ধারা ৩৩৭ অনুযায়ী, সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান করা যেতে পারে যদি সে অপরাধ সম্পর্কিত সম্পূর্ণ ও সত্য বিবৃতি দেয়।
- ক্ষমা প্রদানের সিদ্ধান্তের কারণ লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং অভিযুক্তের আবেদনে কপি সরবরাহ করতে হবে।
- ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং বিচারের জন্য প্রেরণ করা হবে।
- ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে রাখা হবে (যদি জামিনে না থাকে)।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 337.Tender of pardon to accomplice:
(1) In the case of any offence triable exclusively by the Court of Session, or any offence punishable with imprisonment which may extend to ten years, or any offence punishable under section 211 of the Penal Code, with imprisonment which may extend to seven years, or any offence under any of the following sections of the Penal Code, namely, sections 216A, 369, 401, 435 and 477A, a Metropolitan Magistrate or any Magistrate of the first class may, at any state of the investigation or inquiry into, or the trial of the offence, with a view to obtaining the evidence of any person supposed to have directly or indirectly concerned in or privy to the offence, tender a pardon to such person on condition of his making a full and true disclosure of the whole of the circumstances within his knowledge relative to the offence and to every other person concerned, whether as principal or abettor, in the commission thereof: 
Provided that, where the offence is under inquiry or trial, no Magistrate of the first class other than the Chief Judicial Magistrate shall exercise the power hereby conferred unless he is the Magistrate making the inquiry or holding the trial, and, where the offence is under investigation, no such Magistrate shall exercise the said power unless he is a Magistrate having jurisdiction in a place where the offence might be inquired into or tried and the sanction of the Chief Judicial Magistrate has been obtained to the exercise thereof. 
(1A) Every Magistrate who tenders a pardon under sub-section (1) shall record his reasons for so doing, and shall, on application made by the accused, furnish him with a copy of such record: 
Provided that the accused shall pay for the same unless the Magistrate for some special reason thinks fit to furnish it free of cost. 
(2) Every person accepting a tender under this section shall be examined as a witness in the Court of the Magistrate taking cognizance of the offence and in the subsequent trial, if any. 
(2A) In every case where a person has accepted a tender of pardon and has been examined under sub-section (2), the Magistrate before whom the proceedings are pending shall, if he is satisfied that there are reasonable grounds for believing that the accused is guilty of an offence, [send] him for trial to the Court of Session . 
(3) Such persons, unless he is already on bail, shall be detained in custody until the termination of the trial.

১,০৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারা অনুযায়ী, মামলার পক্ষসমূহ সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য কী করতে পারেন?
  1. নতুন সাক্ষী নিযুক্ত করতে পারেন
  2. মামলার রায় পরিবর্তন করতে পারেন
  3. মামলার বিচারক পরিবর্তন করতে পারেন
  4. সাক্ষীর জবানবন্দির বিষয়ে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারেন
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দির বিষয়ে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর জবানবন্দির বিষয়ে লিখিত প্রশ্নমালা পাঠাতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৫ অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য কমিশন জারি করা হয়, তাহলে মামলার পক্ষসমূহ (যথা, অভিযুক্ত ও রাষ্ট্রপক্ষ) সাক্ষীর জবানবন্দির জন্য লিখিত প্রশ্নমালা (interrogatories) সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে জমা দিতে পারে।
সেই প্রশ্নমালা যদি আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট প্রাসঙ্গিক মনে করেন, তবে তা অনুসারে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।
এছাড়াও, মামলার পক্ষসমূহ এডভোকেটের মাধ্যমে বা ব্যক্তি হিসেবে (যদি হেফাজতে না থাকেন) উপস্থিত থেকে সাক্ষীকে জেরা (cross-examine) ও পুনঃজেরা (re-examine) করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৫ ধারার বিধান: পক্ষগণ সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন:-
(১) এই বিধির অধীন যে মামলায় কমিশন প্রদান করা হয়েছে সেই মামলার পক্ষসমূহ কমিশন দানকারী ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত যে বিষয়কে মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিক মর্মে মনে করেন সেই বিষয়ে প্রশ্নমালা দিতে পারেন এবং উক্ত কমিশন যখন ধারা-৫০৩ এ বর্ণিত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর প্রেরিত হয়, তখন যে ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসারের উপর কমিশন কার্যকর করার দায়িত্ব অর্পিত হয় সেই ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার উক্ত প্রশ্নমালার ভিত্তিতে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
(২) মামলার কোন পক্ষ এডভোকেট কর্তৃক বা কারাগারে না থাকলে ব্যক্তিগতভাবে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার বরাবর উপস্থিত হবে এবং উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দী, জেরা ও পুনঃজবানবন্দী, যেখানে যেরূপ, গ্রহণ করতে পারবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 505: Parties may examine witnesses:-
(1) The parties to any proceeding under this Code in which a commission is issued, may respectively forward any interrogatories in writing which the Magistrate or Court directing the commission may think relevant to the issue and when the commission is directed to a Magistrate or officer mentioned in section 503, such Magistrate or the Officer to whom the duty of executing such commission has been delegated shall examine the witness upon such interrogatories.
(2) Any such party may appear before such Magistrate or officer by pleader, or if not in custody, in person, and may examine, cross-examine and re-examine (as the case may be) the said witness.
১,০৮০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৪৩ অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত যথাযথ কারণ না দেখায় কেন দোষী সাব্যস্ত হওয়া উচিত নয়, তখন-
  1. মামলাটি স্থগিত হবে
  2. অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না
  3. অভিযুক্তকে শুধু জরিমানা করা হবে
  4. অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে
ব্যাখ্যা

ধারা ২৪৩- অভিযোগের সত্যতা স্বীকারে দোষী সাব্যস্তকরণ:
যদি অভিযুক্ত স্বীকার করে যে তিনি যে অপরাধে অভিযুক্ত, তা তিনি করেছেন, তাহলে অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি যতটা সম্ভব তার নিজস্ব শব্দে রেকর্ড করা হবে।
যদি অভিযুক্ত প্রযোজ্য কারণ দেখাতে ব্যর্থ হন কেন তাকে দোষী সাব্যস্ত করা উচিত নয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে সেই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করতে পারবেন।

১,০৮১.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক কোন ধরনের গ্রেফতারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ওয়ারেন্টসহ গ্রেফতার
  2. ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
  3. আদালতের আদেশে আটক
  4. নির্বাহী আদেশে আটক
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪ক-  গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানানো:
যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা কোনো ব্যক্তিকে ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেফতার করলে, তাকে গ্রেফতার করার সময় গ্রেফতারের কারণ সেই ব্যক্তিকে জানাতে হবে।

Section 54A- Person arrested to be informed of reason of arrest: 
Every police-officer arresting any person without warrant shall, at the time of making arrest, communicate to him the reasons for which he is arrested.

১,০৮২.
আপিলকারী কারাগারে থাকলে, কার নিকট আপিলের দরখাস্ত দাখিল করা যেতে পারে?
  1. সরাসরি আপিল আদালতে
  2. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট
  3. আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নিকট
  4. জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪২০ অনুসারে,
 
যদি আপিলকারী জেলে থাকে, তাহলে সে তার আপিলের পিটিশন এবং পিটিশনের সাথে দাখিলকৃত রায় ও আদেশের কপি জেলের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার নিকট দাখিল করতে পারে এবং উক্ত কর্মকর্তা পিটিশনটি সঠিক আপিল আদালতে পাঠাবে।
 
Section 420- Procedure when appellant in jail
If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
১,০৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ অনুযায়ী, অ্যাফিডেভিট গ্রহণের জন্য কে নিযুক্ত হতে পারেন?
  1. পুলিশ সার্কেল অফিসার
  2. স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান
  3. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা
  4. হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৩৯ অনুযায়ী, যে অ্যাফিডেভিট বা হলফনামা হাইকোর্ট ডিভিশনে বা এর কোনো অফিসারের সামনে ব্যবহৃত হবে, তা শপথ সহকারে ঘোষণা করা যায়,
- হাইকোর্ট ডিভিশনের সামনে,
- হাইকোর্ট ডিভিশনের অফিসারের সামনে,
- রাষ্ট্রের করণিকের (Clerk of the State) সামনে,
- হাইকোর্ট কর্তৃক এই উদ্দেশ্যে নিযুক্ত কোনো কমিশনার বা অন্য কোনো ব্যক্তির সামনে,
- কোনো জজের সামনে,
- বাংলাদেশের Court of Record-এ অ্যাফিডেভিট গ্রহণকারী কমিশনারের সামনে।
→ এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, হাইকোর্ট ডিভিশন নিজে কোনো কমিশনার বা অন্য কোনো ব্যক্তি (যেমন—আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ইত্যাদি) নিযুক্ত করতে পারে এই উদ্দেশ্যে।
- অন্যদিকে, পুলিশ সার্কেল অফিসার, স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা  এরা ধারা ৫৩৯-এর আওতায় অ্যাফিডেভিট গ্রহণ করার জন্য নিযুক্ত ব্যক্তিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
⇒ সুতরাং, "ঘ) হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার" হল সঠিক উত্তর, কারণ একমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশনই ধারা ৫৩৯ অনুযায়ী কাউকে এই দায়িত্ব পালনের জন্য নিযুক্ত করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯- যে-সব আদালত ও ব্যক্তির সম্মুখে হলফনামা করা যায়:
হাইকোর্ট ডিভিশন বা হাইকোর্ট ডিভিশনের কোন অফিসারের নিকট ব্যবহার্য অ্যাফিডেভিট ও প্রতিজ্ঞা সম্পর্কে উক্ত হাইকোর্ট বিভাগে বা রাষ্ট্রের করণিকের সামনে কিংবা উক্ত আদালতের দ্বারা এ উদ্দেশ্যে নিযুক্ত কোন কমিশনার বা অন্য কোন ব্যক্তির সামনে কিংবা কোন জজের সামনে বা বাংলাদেশে কোন কোর্ট অব রেকর্ডে অ্যাফিডেভিট গ্রহণকারী কোন কমিশনারের সামনে শপথ করা যাবে এবং এর সত্যতা ঘোষণা করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 539- Courts and persons before whom affidavits may be sworn:
Affidavits and affirmations to be used before High Court Division or any officer of such Court may be swom and affirmed before such Court or the Clerk of the State or any Commissioner or other person appointed by such Court for that purpose, or any Judge, or any Commissioner for taking affidavits in any Court of Record in Bangladesh.
১,০৮৪.
"Remand For Fresh Trial" এর জন্য ফৌজদারী কার্যবিধির কতো ধারা আনুযায়ী Appeal Court নির্দেশ দিতে পারে ?
  1. ৪২৬ ধারায়
  2. ৪২৭ ধারায়
  3. ৪২৮ ধারায়
  4. ৪২৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২৮ অনুসারে আপিল আদালত আতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারে। 
•এছড়াও ৪২৮ ধারামতে আপিল আদালত মামলাটি "Remand for fresh trial" বা নতুনভাবে শুনানীর জন্য ফেরত পাঠাতে পরবে । 
১,০৮৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারায় কোন বিষয় সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা
  2. ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতি
  3. ক্ষমতা প্রত্যাহারের পদ্ধতি
  4. ক্ষমতা অর্পণের নিয়মাবলী
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা প্রত্যাহারের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষমতা প্রত্যাহারের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১ ধারা- ক্ষমতাদি প্রত্যাহারকরণ:
(১) সরকার এই কার্যবিধি অনুসারে কোনো ব্যক্তি বা ইহার অধীনস্থ কোন অফিসারকে অর্পিত সকল বা যে কোন ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে উক্তরূপ ক্ষমতা অর্পণ এই কার্যবিধি অনুসারে হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে আলোচনা করে করতে হয়, সেক্ষেত্রে এ ধরণের প্রত্যাহার সেই আদালতের সাথে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত হয়, সেক্ষেত্রে তা সেভাবে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রত্যাহৃত হতে পারবে।

Section 41- Withdrawal of powers:
(1)The Government may withdraw all or any of the powers conferred under this Code on any person by it or by any officer subordinate to it:
Provided that where the conferring of a power is, under this code, required to be made in consultation with the High Court Division, the withdrawal thereof shall be made in consultation with that Court.

(2) Any powers conferred by the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate may be withdrawn by the chief Judicial Magistrate or the District Magistrate respectively.
১,০৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫চ ধারা অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার না করে, তখন আদালত কী করবে?
  1. অভিযুক্তকে শাস্তি দেবে
  2. মামলা খারিজ করবে
  3. অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেবে
  4. চার্জ গঠন করে সাক্ষী পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করবে
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠন করে সাক্ষী পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠন করে সাক্ষী পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করবে
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারি মামলার বিচার ২ ধরনের আদালতে হয়-
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে (ধারা ২৪১ থেকে ২৫০) এবং
- দায়রা আদালতে (ধারা ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ)।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫চ ধারা-
যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দন্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে, সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোন সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।

Section 265F: Date for prosecution evidence
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.

১,০৮৭.
What is the maximum sentence that a Magistrate specially empowered under Section 29C can pass?
  1. Death sentence
  2. Life imprisonment
  3. Seven years imprisonment
  4. Ten years imprisonment
সঠিক উত্তর:
Seven years imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Seven years imprisonment
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৩ক ধারায় বলা হয়েছে যে,
২৯গ ধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৭ বছরের বেশি কারাদণ্ড দিতে পারবে না। অতএব, সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 33A⇒  Higher powers of certain Magistrates:
The Court of a Magistrate, specially empowered under section 29C, may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation or imprisonment for a term exceeding seven years.
১,০৮৮.
কে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটদের মতো মামলা আমলে নেবার ক্ষমতা দিতে পারেন?
  1. সরকার 
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা জজ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সরকার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার 
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।

• আমলে নেয়া অর্থ হলো -অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে।

• যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:

i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট

• ম্যাজিস্ট্রেট ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে (Cognizance) নিতে পারেন। যথা-

i. অভিযোগ (Complaint ) [ধারা ১৯০ (১)(ক)]
ii. পুলিশের লিখিত রিপোর্ট (Report) [ধারা ১৯০ (১)(খ)]
iii. তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান ( knowledge ) বা সন্দেহবশত (suspicion) কোন তথ্য পেলে [ধারা ১৯০ (১)(গ)]

• ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট অভিযোগ ও রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন। [ধারা ১৯০(৩)]

• ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান (knowledge) বা সন্দেহ (suspicion) এর উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন না।

• সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন। (Government may empower any Executive Magistrate to take cognizance) [ধারা ১৯০ (৪)]
১,০৮৯.
কোন ধারা অনুযায়ী অধিকতর তদন্ত (Further Investigation) করা হয়?
  1. ১৭২(২খ)
  2. ১৭৩(৩ক)
  3. ১৭২(৩ক)
  4. ১৭৩(৩খ)
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৩(৩খ)
ব্যাখ্যা
• অধিকতর তদন্ত [Further Investigation] এবং সম্পূরক চার্জশীট (Supplementary Charge Sheet)-

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৮ ধারায় নিয়োগকৃত পুলিশের উপরস্থ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ মুলতুবি রেখে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ১৭৩ (২) ধারায় অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে [may order further investigation] ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে (do further investigation)।

• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet) দাখিল করতে পারে। ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের (re-investigation) কোন বিধান নেই।

• তথ্য প্রদানকারীর বা থানার ভারপ্রাপ্ত উদ্ধতন কর্মকর্তার আবেদনক্রমে বা ম্যাজিস্ট্রেট তার নিজ উদ্যোগে অধিকর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু আসামীর আবেদনের ভিত্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে না।

• ১৭৩ ধারার অধীন তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করার পর ম্যাজিস্ট্রেট চার্জশীটভুক্ত অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে নিতে পারে এবং যে সকল অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে, তাদের অব্যাহতি দিতে পারে। যাদেরকে ম্যাজিস্ট্রেট একবার অব্যাহতি দিলো তাদের বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট পরবর্তীতে অধিকতর তদন্তের আদেশ দিতে পারে না। বরং ম্যাজিস্ট্রেট ১৯০ ধারায় অপরাধ আমলে নিতে পারে।
১,০৯০.
'যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তা বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায়?
  1. ধারা ৫১৫
  2. ধারা ৫১৭
  3. ধারা ৫১৮
  4. ধারা ৫২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১৭
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।

ধারা ৫১৭ (যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ)-

(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধা- জনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।

(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপীল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপীলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।

(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এমর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
১,০৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার (২) উপধারা অনুসারে মামলা পরিচালনাকারী অফিসারের কী ক্ষমতা রয়েছে?
  1. জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষমতা
  2. তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা
  3. মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা
  4. আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার (২) উপধারা অনুসারে, মামলা পরিচালনাকারী অফিসারের ধারা-৪৯৪-এ উল্লিখিত মামলা প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে, এবং প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

১,০৯২.
যদি কোনো আসামি একই বিচারে একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়, তবে পর্যায়ক্রমিক সাজার (consecutive sentences) ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ১০ বছর
  2. ১২ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ২০ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩৫(২)(ক) অনুসারে, একই বিচারে একাধিক অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর্যায়ক্রমিক (consecutive) কারাদণ্ডের মোট মেয়াদ কোনো অবস্থাতেই ১৪ বছরের বেশি হবে না। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) ১৪ বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপেক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তারচেয়ে একাধিক দণ্ড পরপর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবল ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না:
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ: কোনোভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশি হবে না।
(৩) আপিলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধারে নিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-35. Sentence in cases of conviction of several offences at one trial Maximum term of punishment:
(1) When a person is convicted at one trial of two or more offences, the Court may, subject to the provisions of section 71 of the Penal Code sentence him, for such offences, to the several punishments prescribed therefor which such Court is competent to inflict; such punishments, when consisting of imprisonment or transportation to commence the one after the expiration of the other in such order as the Court may direct, unless the Court directs that such punishments shall run concurrently.

(2) In the case of consecutive sentences, it shall not be necessary for the Court, by reason only of the aggregate punishment for the several offences being in excess of the punishment which it is competent to inflict on conviction of a single offence, to send the offender for trial before a higher Court:
Provided as follows:-
(a) in no case shall such person be sentenced to imprisonment for a longer period than fourteen years;
(b) if the case is tried by a Magistrate , the aggregate punishment shall not exceed twice the amount of punishment which he is, in the exercise of his ordinary jurisdiction, competent to inflict.
(3) For the purpose of appeal, the aggregate of consecutive sentences passed under this section in case of convictions for several offences at one trial shall be deemed to be a single sentence.

১,০৯৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের 'জাস্টিসেস অব দি পিস' বলে গণ্য হবেন?
  1. ২২
  2. ২৫
  3. ২৭
  4. ৩১
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ থেকে ২৫ ধারায় জাস্টিসেস অব দি পিসের বিধান রয়েছে যা নিম্নরূপ-
-ধারা-২২: মফস্বলের জন্য জাস্টিস অব দি পিস (Justice of the peace for the mafassal)- সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের দ্বারা বাংলাদেশের যে কোন উপযুক্ত নাগরিককে কোন স্থানীয় এলাকার জন্য জাস্টিস অব দি পিস হিসাবে নিয়োগ দিতে পারে।

- ধারা-২৫: পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস (Ex-officio Justices of the Peace)- ২৫ ধারার বিধান অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিগণ পদাধিকার বলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিসেস অব দি পিস বলে গণ্য হবেন এবং দায়রা জজ, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকার বলে নিজ নিজ এলাকার জন্য জাস্টিসেস অব দি পিস হবেন। 
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ সারা বাংলাদেশের যে কোন স্থানে বিচার গ্রহণ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আদেশ দিতে পারেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 22. Justice of the peace for the mafassal:
The Government] may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-25: Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court  are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
১,০৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী সরকার কোন দণ্ডিত আসামীর দণ্ড পরিবর্তন/হ্রাস করতে পারে?
  1. ধারা ৪০২
  2. ধারা ৪০১
  3. ধারা ৪০৩
  4. ধারা ৪০৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০২
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০২ ধারায় সরকার দণ্ড হ্রাস বা পরিবর্তন (Commutation) করে অন্য কোন দণ্ড দিতে পারে। ৪০২ ধারায় সরকার মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাবাস ও সশ্রম কারাবাসকে বিনাশ্রম কারাবাসে হ্রাস করতে পারে।যেমন মৃত্যুদণ্ড হ্রাস করে ১০ বৎসর করতে পারে বা ১০ বৎসরের দণ্ড হ্রাস করে ৭ বৎসর করতে পারে।

ধারা ৪০২- সাজা রদ বদলের ক্ষমতা

(১) সরকার দণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তির বিনা সম্মতিতে নিম্নে বর্ণিত যে কোন দণ্ড রদবদল করে ইহার পরে উল্লেখিত যেকোন দণ্ড দিতে পারবেন-মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, আসামী যে সময়ের জন্য সাজাপ্রাপ্ত হতে পারত তার অনধিক সময়ের জন্য সশ্রম কারাদণ্ড, অনুরূপ মেয়াদের জন্য বিনাশ্রম কারাদণ্ড, জরিমানা।
(২) এই ধারার কোন কিছুই দণ্ডবিধির ধারা-৫৪ বা ৫৫ এর বিধানাবলীকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment

(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine. 
(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
১,০৯৫.
গ্রেফতার-পরবর্তী কার্যক্রম হিসেবে Memorandum of Arrest প্রস্তুতের নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় প্রদান করা হয়েছে? 
  1. ৪৬ক ধারায়
  2. ৪৬গ ধারায়
  3. ৬৫ক ধারায়
  4. ৬৭ক ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৬ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬ক ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৬ক-এ Memorandum of Arrest (গ্রেপ্তার স্মারক) প্রস্তুতের বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,(Act No. V of 1898)-এর SCHEDULE V-এ নতুন Form IA, যা "গ্রেপ্তার স্মারক" (Memorandum of Arrest) নামে পরিচিত, ধারা ৪৬ক (Section 46A)-এর অধীনে উল্লেখিত হয়েছে। এই ফর্মটি গ্রেপ্তারের সময় এবং স্থানে প্রস্তুত করতে হয় এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হয়। ফর্মটির উদ্দেশ্য হলো গ্রেপ্তারের বিস্তারিত তথ্য (যেমন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির নাম, ঠিকানা, গ্রেপ্তারের কারণ, শারীরিক অবস্থা, পরিবারকে অবহিত করার তথ্য) রেকর্ড করা, যাতে গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮,-এর SCHEDULE V-তে নতুন Form IA সন্নিবেশিত হয়েছে যা "MEMORANDUM OF ARREST" নামে পরিচিত এবং এটি ধারা 46A অনুসারে প্রস্তুত করতে হবে। এই ফর্মে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির নাম, পিতার নাম, স্বামীর নাম (যদি থাকে), ঠিকানা ও বয়স
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির NID/পাসপোর্ট/জন্ম নিবন্ধন নম্বর (যদি থাকে)
- গ্রেফতারের স্থান
- গ্রেফতারের তারিখ ও সময়
- গ্রেফতারের কারণ (সম্পর্কিত আইন ও ধারা উল্লেখসহ)
- নিশ্চয়তা প্রদানকারী/অভিযোগকারীর নাম ও ঠিকানা (যদি থাকে)
- মামলা/জিডি নম্বর
- গ্রেফতারের পরিপত্র নম্বর ও তারিখ (যদি প্রযোজ্য হয়)
- গ্রেফতারের সময় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা
- শরীরে কোন আঘাতের কারণ থাকলে তা উল্লেখ
- উপস্থিত নিবন্ধিত চিকিৎসকের নাম ও শংসাপত্র (যদি আঘাতপ্রাপ্ত হয় তাহলে এর একটি কপি সংযুক্ত করতে হবে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য/আত্মীয়/বন্ধু/প্রতিবেশীকে জানানো হয়েছে কিনা - হ্যাঁ/না
- গ্রেফতারের তথ্য জানানো ব্যক্তির নাম ও ঠিকানা
- তথ্য প্রাপ্ত ব্যক্তির যোগাযোগ নম্বর
- সেই আদালতের নাম যেখানে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তোলা হবে
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ (যদি অস্বীকার না করে)
- গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য বা স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তির স্বাক্ষর (যদি না পাওয়া যায় তবে কারণ উল্লেখ করতে হবে)
- গ্রেফতার কর্মকর্তার নাম, পদবী, আইডি নম্বর ও স্বাক্ষরও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

নির্দেশনা:
এই মেমো গ্রেফতারের সময় ও স্থানে প্রস্তুত করা হবে এবং গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির সাথে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতে পাঠাতে হবে। আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শংসাপত্র ও মুক্তির দলিল সংযুক্ত করতে হবে। মেমো এর একটি কপি মামলার ডায়েরিতে সংরক্ষণ করতে হবে ভবিষ্যৎ ব্যবহারের জন্য।

১,০৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৩ ধারাটি একই আইনের কোন ধারাকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ১৮২ ধারা
  2. ১৮৮ ধারা
  3. ২৬৬ ধারা
  4. ৩৬৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৮৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৩: একবার দণ্ডিত বা খালাসপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একই অপরাধের জন্য পুনরায় বিচার করা যাবে না

(১) যে ব্যক্তি কোনো আদালতের আইনি অধিকারভুক্ত বিচারাধীন কোন অপরাধে একবার বিচারিত হয়ে দণ্ডিত বা খালাস প্রাপ্ত হয়েছে, তার এই দণ্ড বা খালাস প্রযোজ্য থাকা অবস্থায়, তাকে একই অপরাধের জন্য আবার বিচার করা যাবে না, এবং একে বাদ দিয়ে যে কোনো অপরাধের জন্যও বিচার করা যাবে না, যা তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের সাথে সম্পর্কিত হতে পারত, যা ধারা ২৩৬ অনুযায়ী পৃথক অভিযোগের মাধ্যমে করা যেত, অথবা যা সে ধারা ২৩৭ অনুযায়ী দণ্ডিত হতে পারত।

(২) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে খালাস বা দণ্ডিত হয়েছে, তাকে পরবর্তীতে অন্য কোনো আলাদা অপরাধের জন্য বিচার করা যেতে পারে, যদি সেই অপরাধটি তার পূর্ববর্তী বিচারাধীন মামলায় ধারা ২৩৫(১) অনুযায়ী আলাদা অভিযোগ হিসেবে তার বিরুদ্ধে আনা হতে পারত।

(৩) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে দণ্ডিত হয়েছে এবং সে অপরাধের ফলে কোনো অন্য অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, যা তার প্রথম দণ্ডিত অপরাধ থেকে পৃথক ছিল, তাকে পরবর্তীতে সেই অপরাধের জন্য বিচার করা যেতে পারে, যদি অপরাধের ফলাফল তখন ঘটেনি বা আদালত জানত না যে তা ঘটেছে।

(৪) যে ব্যক্তি কোনো অপরাধে খালাস বা দণ্ডিত হয়েছে এবং সে অপরাধটি যে কোনো কাজ দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল, তাকে সেই একই কাজ দ্বারা সংঘটিত অন্য কোনো অপরাধের জন্য পরবর্তীতে অভিযোগ আনা এবং বিচার করা যেতে পারে, যদি প্রথমে বিচারকারী আদালত সেই অপরাধের বিচার করার জন্য যোগ্য না ছিল।

(৫) এই ধারায় কোনো কিছুই General Clauses Act, ১৮৯৭ এর ধারা ২৬ বা এই কোডের ধারা ১৮৮ এর বিধানকে প্রভাবিত করবে না।
১,০৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারায় কী বলা হয়েছে?
  1. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির জামিন দেওয়া যাবে
  2. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা যাবে না
  3. গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ৭২ ঘণ্টা আটক রাখা যাবে
  4. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিচার করতে হবে
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখা যাবে না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা-গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
 
Section 61- Person arrested not to be detained more than twenty-four hours:
No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
১,০৯৮.
ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য কীভাবে লিপিবদ্ধ করা হবে?
  1. প্রশ্নোত্তর আকারে
  2. বিবরণ আকারে
  3. সংক্ষিপ্ত আকারে
  4. সারমর্ম আকারে
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি:
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।

Section 359: Mode of recording evidence:
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative.
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
১,০৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি 1898 এর Section 167 অনুযায়ী, রিমান্ডে পাঠানোর আগে ম্যাজিস্ট্রেট কী নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. জামিন দিতে 
  2. আদালতে হাজির করতে
  3. চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করতে
  4. মামলা প্রত্যাহার করতে
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮, (Act No. V of 1898)-এর ধারা ১৬৭-এর সংশোধিত রূপে, বিশেষত দ্বিতীয় সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর অধীনে, ধারা ১৬৭(২ক) (Section 167(2A)) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ হেফাজতে আটকের (রিমান্ড) অনুমোদন দেওয়ার আগে নির্দেশ দিতে পারেন যে, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করা হবে। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা যাচাই করা এবং পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ প্রতিরোধ করা। যদি হেফাজতের সময় নির্যাতনের অভিযোগ উঠে বা শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট আবারও চিকিৎসা পরীক্ষার নির্দেশ দিতে পারেন এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারেন।
- অর্থাৎ  ধারা ১৬৭(২ক) অনুসারে, রিমান্ডে পাঠানোর আগে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারেন যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক দ্বারা পরীক্ষা করা হবে।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section-167 (2A) A Magistrate authorizing the detention of an accused person in police custody under sub-section (2), may order that the accused be examined by a medical officer of nearest government hospital before he is handed over to such custody; and upon expiry of the period of police custody, the accused shall be produced before the Magistrate without unnecessary delay; and if, upon such production, there appears to be any mark of injury on the body of the person accused, or the accused alleges that he has been subjected to torture during such custody, the Magistrate shall direct that the accused be examined by a medical officer of the nearest government hospital and where the medical report reveals that the accused has been subjected to torture during police custody, the Magistrate shall proceed in accordance with law.

১,১০০.
ফৌজদারি কার্যবিধি ৫০২ ধারা অনুযায়ী জামিনদার জামিননামা বাতিলের আবেদন করলে ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তব্য-
  1. মুচলেকা বাতিল করবেন
  2. জামিনদারকে দায়মুক্তি দেবেন
  3. আসামীকে হাজির করার জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।

 - জামিনদারের অধিকার:
জামিনদার যে কোন সময় জামিননামা থেকে মুক্তি চাইতে পারেন, এই মুক্তি পূর্ণ বা আংশিক উভয়ই হতে পারে, এজন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে হবে।
-ম্যাজিস্ট্রেটের কর্তব্য:
জামিনদারের আবেদন পেলে তিনি তিনটি কাজ করবেন: ক) মুচলেকা বাতিল করবেন খ) আসামীকে হাজির করার জন্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন গ) জামিনদারকে দায়মুক্তি দেবেন।
- আসামীর ক্ষেত্রে পরবর্তী প্রক্রিয়া:
আসামী দুইভাবে আদালতে আসতে পারে: ক) নিজে হাজির হয়ে খ) গ্রেফতার হয়ে
- আদালতের পদক্ষেপ:
আসামীকে নতুন জামিনদার খুঁজতে নির্দেশ দেবেন, দুটি সম্ভাব্য ফলাফল: ক) নতুন জামিনদার পেলে: জামিনে মুক্তি খ) জামিনদার না পেলে: কারাগারে প্রেরণ
----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.