বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ১০ / ২৯ · ৯০১১,০০০ / ২,৮৮৩

৯০১.
কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্তকে, ম্যাজিস্ট্রেট কখন গ্রেফতার বা হাজির করতে পারবেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ থেকে অনুমতি পাওয়ার পর
  2. দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর
  3. দায়রা আদালত থেকে অনুমতি পাওয়ার পর
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর
ব্যাখ্যা
• ধারা-৫৪৯ অনুসারে, কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করা হলে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধের একটি বিবরণসহ অভিযুক্তকে কোর্ট মার্শালে বিচারের উদ্দেশ্যে বাহিনী, কোর, জাহাজ বা উপদলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট অথবা নিকটতম স্থল, নৌ বা বিমান বাহিনী কমান্ডিং অফিসারের নিকট অর্পণ করবেন।

কোন সৈনিক, নাবিক বা বৈমানিক দলের কমান্ডিং অফিসারের নিকট হতে লিখিত দরখাস্ত পাওয়ার পর প্রত্যেকটি ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট মার্শালে বিচার্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও হাজির করার জন্য সর্বাধিক চেষ্টা করবেন।

Section 549- Delivery to military authorities of persons liable to the tried by Court-martial
(1) The Government may make rules consistent with this Code and the Army Act, 1952 (XXXIX of 1952), the Air Force Act, 1953 (VI of 1953), and the Navy Ordinance, 1961 (XXXV of 1961), and any similar law for the time being in force as to the cases in which persons subject to military, naval or air force law, shall be tried by a Court to which the Code applies, or by Court martial, and when any person is brought before a Magistrate and charged with an offence for which he is liable to be tried either by a Court to which this Code applies or by a Court-martial such Magistrate shall have regard to such rules, and shall in proper cases deliver him, together with a statement of the offence of which he is accused, to the commanding officer of the regiment, corps, ship or detachment, to which he belongs, or to the commanding officer of the nearest military, naval or air-force station, as the case may be, for the purpose of being tried by Court-martial.

Apprehension of such persons-
(2) Every Magistrate shall, on receiving a written application for that purpose by the commanding officer of any body of soldiers, sailors or airman stationed or employed at any such place, use his utmost endeavours to apprehend and secure any person accused of such offence.
৯০২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারা অনুসারে জেলে থাকা ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর হলে আদালত কাকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন?
  1. জেলা প্রশাসককে
  2. পুলিশ কমিশনারকে
  3. জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে
  4. সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০০ অনুযায়ী, যদি যে ব্যক্তি জেলে থাকে এবং তার জামিন মঞ্জুর করা হয়, তাহলে আদালত জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন, এবং উক্ত অফিসার এই আদেশ পাওয়ার পর তাকে মুক্তি দেবেন।
- অন্য কোনো কর্মকর্তা (জেলা প্রশাসক, পুলিশ কমিশনার বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) এই ক্ষেত্রে মুক্তি আদেশ কার্যকর করার জন্য নির্দেশিত হন না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০০ ধারার বিধান:-হেফাজত হতে মুক্তি দান:
(১) বন্ড সম্পাদিত হওয়ার সাথে সাথে যে ব্যক্তির হাজিরার জন্য উহা সম্পাদন করা হল তাকে মুক্তি দিতে হবে এবং সে জেলে থাকলে জামিন মঞ্জুরকারী আদালত উক্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে মুক্তির আদেশ প্রদান করবেন এবং উক্ত অফিসার এই আদেশ পাবার পর তাকে মুক্তি দিবেন।
(২) যে মামলায় বন্ড সম্পাদন করা হলো কোন ব্যক্তি সেই মামলা ব্যতীত অন্য কোন মামলায় আটক থাকতে বাধ্য হলে এই ধারা, ৪৯৬ ধারা বা ৪৯৭ ধারার কোন বিধানে তার মুক্তি দাবি করা যাবে মর্মে গণ্য করা যাবে না।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 500:- Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him.
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.

৯০৩.
ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন আনীত অভিযোগটি মিথ্যা বা তুচ্ছ, তবে তিনি ফরিয়াদির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০ অনুসারে,
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযােগকারিকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরনের আদেশ দেয়া হবে না।

⇒ ফরিয়াদি / সংবাদদাতা / অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন অভিযােগটি মিথ্য, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তি অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদন্ডে দণ্ডিত হবেন। তবে তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই ক্ষেত্রে অনধিক ৫০০ টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফরিয়াদি সংবাদদাতা ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ হলে ৩০ দিন পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

⇒ দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে বা অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট ১০০ টাকার বেশি ক্ষতিপূরনের আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরন সম্পর্কে আপিল দায়ের করা যাবে।
৯০৪.
একটি গ্রেফতারী পরোয়ানা যদি ঢাকায় জারি করা হয়, তাহলে তা কোথায় কার্যকর করা যাবে?
  1. শুধুমাত্র ঢাকায়
  2. শুধুমাত্র বিভাগীয় শহরগুলোতে
  3. ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে
  4. বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায়
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারা-
গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যেকোনো জায়গায় কার্যকর করা যাবে।

Section 82- Where warrant may be executed:
A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
৯০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের রায়ে দণ্ডিত হলে সাধারণত আপিল করতে পারবে-
  1. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  2. দায়রা জজের নিকট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৮ অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা দণ্ডিত হন, তখন তিনি সাধারণত দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারেন। তবে, কিছু বিশেষ শর্তের অধীনে, যেমন যদি যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেন, বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় দণ্ডিত করেন, তখন আপিল হাইকোর্ট ডিভিশনে দায়ের করতে হবে।
- এই বিধান অনুসারে, সাধারণত দায়রা জজ আদালতে আপিল করা হয়, যদি না অন্য কোনো বিশেষ শর্ত থাকে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধান যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 -Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division;
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.

৯০৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৫৪ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করা যাবে না?
  1. কোন ব্যক্তির কাছে ঘর ভাঙার সরঞ্জাম পেলে
  2. যে ব্যক্তি সশস্ত্র বাহিনীতে পলাতক
  3. যে ব্যক্তি বাংলাদেশের বাইরে অপরাধ করেছে
  4. যাকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যাকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: যাকে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। 

ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ ৯টি বিশেষ ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:
১. যদি কাউকে কোন গুরুতর অপরাধে জড়িত বলে সন্দেহ হয় (যেমন খুন বা চুরির মতো অপরাধ)।
২. যদি কাউকে ঘর ভাঙার সরঞ্জাম (যেমন হাঁসুয়া, হাতুড়ি) সহ আটক করা যায়।
৩. যদি কাউকে "অপরাধী ঘোষিত" করা হয়।
৪. যদি কাউকে চোরাই মাল সহ পাওয়া যায়।
৫. যদি কেউ পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দেয় বা আইনত আটক থেকে পালানোর চেষ্টা করে।
৬. যদি কাউকে সশস্ত্র বাহিনী থেকে পলাতক পাওয়া যায়।
৭. যদি কাউকে বাংলাদেশের বাইরে কোন অপরাধ করতে দেখা যায়, যা বাংলাদেশে দণ্ডনীয়।
৮. যদি মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারার নিয়ম ভঙ্গ করে।
৯. যদি অন্য কোন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ করে।
এইসব ক্ষেত্রে, পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54. When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest-
firstly , any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned;
secondly , any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
thirdly , any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
fifthly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
seventhly , any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
eighthly , any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.
৯০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ক্ষেত্রে রিসিভার নিয়োগ করতে পারে?
  1. বিরোধীয় সম্পত্তি কারো দখলে না থাকলে
  2. বিরোধীয় সম্পত্তির প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হলে
  3. বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা না থাকলে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন। অর্থাৎ কারো দখলে না থাকলে আদালত সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা:

(১) ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিল না, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটের নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ
শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।

Section 146: Power to attach subject of dispute-
(1) If the Magistrate decides that none of the parties was then in such possession, or is unable to satisfy himself as to which of them was then in such possession of the subject of dispute, he may attach it until a competent Court has determined the rights of the parties thereto, or the person entitled to possession thereof: 
Provided that such Magistrate may withdraw the attachment at any time if he is satisfied that there is no longer any likelihood of a breach of the peace in regard to the subject of dispute. 
 
(2) When the Magistrate attaches the subject of dispute, he may, if he thinks fit and if no receiver of the property, the subject of dispute, has been appointed by any Civil Court appoint a receiver thereof, who, subject to the control of the Magistrate, shall have all the powers of a receiver appointed under the Code of Civil Procedure, 1908: 
Provided that, in the event of a receiver of the property, the subject of dispute, being subsequently appointed by any Civil Court, possession shall be made over to him by the receiver appointed by the Magistrate, who shall thereupon be discharged.
৯০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী, যদি অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মচারী হন এবং তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজন না হয়, তাহলে—
  1. মামলাটি বাতিল হবে
  2. মামলাটি স্থগিত করা হবে
  3. মামলাটি হাইকোর্টে যাবে
  4. মামলার কার্যক্রম চলমান থাকতে পারে
সঠিক উত্তর:
মামলার কার্যক্রম চলমান থাকতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার কার্যক্রম চলমান থাকতে পারে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ – অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকলে:
যদি কোনো মামলায় সমন ইস্যু করা হয়ে থাকে অভিযোগের ভিত্তিতে, এবং যেদিন অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজিরার দিন নির্ধারিত হয় অথবা যেকোনো পরবর্তী দিন যেদিন মামলার শুনানি মুলতবি করা হয়েছে, সেইদিন অভিযোগকারী উপস্থিত না থাকলে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে খালাস দিয়ে দেবেন, যদি না ম্যাজিস্ট্রেট কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে মনে করেন যে, মামলার শুনানি অন্য কোনো দিনে স্থগিত করা উচিত।

তবে শর্ত থাকে যে: যদি অভিযোগকারী একজন সরকারি কর্মচারী হন, এবং তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজন না হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতি অব্যাহতি দিতে পারেন, এবং মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-247. Non-appearance of complainant:
If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day:
Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
৯০৯.
সর্বপ্রথম কত সালে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ফৌজদারি কার্যবিধি পাশ হয়?
  1. ১৮৫৯ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৬৩ সালে
  4. ১৮৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬১ সালে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি মূলত একটি পদ্ধতিগত আইন যাকে ইংরেজিতে বলা হয় Adjective law বা Procedural law, সিভিল বা দেওয়ানী মামলায় যেমন দেওয়ানী কার্যবিধি অনুসরণ করে মামলা মোকদ্দমার প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়, তেমনি সকল প্রকার ক্রিমিনাল মামলাতেও ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করতে হয়, যদি না আইনে ভিন্ন কিছু বলা থাকে।

⇒ ফৌজদারি আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, অব্যাহতি, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, খালাস, মুক্তি, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল বিষয় ফৌজদারি কার্যবিধিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি পাস করা হয়। যদিও পরবর্তীতে ১৮৭২, ১৮৮২ এবং ১৮৯৮ সালে  সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ১৮৯৮ সালের ১লা জুলাই হতে কার্যকর আছে। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ধারা ৫৬৫ টি এবং মোট তফসিল ছিল ৫টি, যার মধ্যে ১ টি বাতিল করা হয়েছে। যার ফলে ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্তমানে বলবৎ আছে ৪ টি তফসিল।
৯১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারায় কোন আদালত কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. ২য় এবং ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ
  3. যুগ্ম দায়রা জজ এবং ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সকল শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ এবং ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ এবং ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারা- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে।
নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 

(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৯১১.
ফৌজদারী কার্যবিধিতে বন্ড সম্পাদনের পর আসামীর মুক্তির বিধান কোন ধারায়?
  1. ৪৯৯(২)
  2. ৫০০(১)
  3. ৫০১(১)
  4. ৫০২(১)
সঠিক উত্তর:
৫০০(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০(১)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure) অনুসারে, ধারা ৫০০(১)-এ বন্ড সম্পাদনের পর আসামীর মুক্তির বিধান বর্ণিত আছে। এই ধারায় বলা হয়েছে: "যত তাড়াতাড়ি বন্ড সম্পাদিত হবে, যার উপস্থিতির জন্য বন্ডটি সম্পাদিত হয়েছে সেই ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়া হবে; এবং, যদি তিনি জেলে থাকেন, তবে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার জন্য আদালত জেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে মুক্তির আদেশ জারি করবে, এবং এই আদেশ প্রাপ্তির পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দেবেন।"
এই ধারাটি স্পষ্টভাবে বন্ড সম্পাদনের পর আসামীর মুক্তির প্রক্রিয়া বর্ণনা করে।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.

৯১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭ অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে আপিল দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. আসামীর মৃত্যুর পর
  2. আসামীর খালাসের পর
  3. আসামীর অভিযুক্ত হওয়ার পর
  4. আসামীর সাজা বাড়ানোর পর
সঠিক উত্তর:
আসামীর খালাসের পর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীর খালাসের পর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪১৭ অনুযায়ী, সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে আসামীর খালাসের পর আপিল দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ধারায় খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়-১- হাইকোর্ট বিভাগে ২- দায়রা জজের নিকট।
- খালাস আদেশটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দিলে দায়রা জজের নিকট এবং দায়রা আদালত দিলে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে হবে।
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারে- ১. পাবলিক প্রসিকিউটর ২. অভিযোগকারী। 
৪১৭ (১) ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর এবং ৪১৭ (২) ধারায় অভিযোগকারী খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
- পাবলিক প্রসিকিউটর যেকোনো মামলায় (G.R এবং C.R উভয় মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিলকরতে পারে।
- অভিযোগকারী শুধুমাত্র নালিশী মামলায় (C.R মামলায়) প্রদত্ত খালাস আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করতে পারে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭(৩) ধারা অনুসারে, খালাস আদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগকারী আপিল দায়ের করতে পারে ৬০ দিনের মধ্যে এবং তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১৫৭ ধারা অনুচ্ছেদ অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর খালাসের বিরুদ্ধে ৬ মাসের মধ্যে আপিল দায়ের করতে পারে।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417- Appeal in case of acquittal:
(1) Subject to the provisions of sub-section (4), the Government may, in any case, direct the Public Prosecutor to present an appeal-
(a) to the High Court Division from an original or appellate Order of acquittal passed by any Court of Session;
(b) to the Court of Session from an original or appellate Order of acquittal passed by any Magistrate.
(2) Notwithstanding anything contained in section 418, if such an order is passed in any case instituted upon complaint, and if the order involves an error of law occasioning failure of justice, the complainant may present an appeal-
(a) to the High Court Division from an original order of acquittal passed by any Court of Session;
(b) to the Court of Session from an original order of acquittal passed by any Magistrate.
(3) No appeal by the complaint from an order of acquittal shall be entertained by the High Court Division or a Court of Session] after the expiry of sixty days from the date of the order of acquittal.
(4) If, in any case, the admission of an appeal from an order of acquittal is refused, no appeal from that order of acquittal shall lie under sub-section (1).
৯১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২১ অনুযায়ী, আপিল আদালত কখন আপিল সংক্ষিপ্তভাবে (summary) খারিজ করতে পারে?
  1. যখন রাষ্ট্রপক্ষ আপিলের বিরোধিতা করে
  2. যখন হস্তক্ষেপের মতো পর্যাপ্ত কারণ না থাকে
  3. যখন আপিলকারী আদালতে অনুপস্থিত থাকে
  4. যখন আপিল দায়েরের সময়সীমা অতিক্রান্ত হয়
সঠিক উত্তর:
যখন হস্তক্ষেপের মতো পর্যাপ্ত কারণ না থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন হস্তক্ষেপের মতো পর্যাপ্ত কারণ না থাকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২১ অনুযায়ী, যদি আপিল আদালত মনে করে যে আপিলে হস্তক্ষেপ করার মতো পর্যাপ্ত কারণ নেই, তবে সে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে (summarily) খারিজ করতে পারে। তবে, ধারা ৪১৯ এর অধীনে দাখিলকৃত আপিলে আপিলকারী বা তার উকিলকে শুনানির যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে খারিজ করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২১ ধারামতে আপিল সংক্ষিপ্তভাবে খারিজ (Summary dismissal of appeal)-
(১) ধারা-৪১৯ বা ৪২০ এর আওতায় দরখাস্ত ও নকল পাওয়ার পর আপিল আদালত উহা পড়বেন, এবং যদি ইহা বিবেচনা করেন যে, হস্তক্ষেপ করার মত পর্যাপ্ত কারণ নেই, সেক্ষেত্রে সঙ্গে সঙ্গে আপিল খারিজ করতে পারবেন।
শর্ত থাকে যে, ধারা-৪১৯ এর আওতায় দাখিলকৃত আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী বা তার উকিলকে বক্তব্য পেশ করার যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে আপিল খারিজ করা যাবে না।
(২) এই ধারার আওতায় আপিল খারিজ করার পূর্বে আদালত মামলার নথি তলব করতে পারবেন, কিন্তু আদালত এরূপ তলব করতে বাধ্য হবেন না।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-421: Summary dismissal of appeal:
(1) On receiving the petition and copy under section 419 or section 420, the Appellate Court shall pursue the same, and, if it considers that there is no sufficient ground for interfering, it may dismiss the appeal summarily:
-Provided that no appeal presented under section 419 shall be dismissed unless the appellant or his pleader has had a reasonable opportunity of being heard in support of the same.
(2) Before dismissing an appeal under this section, the Court may call for the record of the case, but shall not be bound to do so.
৯১৪.
আমলঅযোগ্য অপরাধের তথ্য সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে-
  1. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
  2. ফরিয়াদি
  3. বিচারিক আদালত
  4. অপরাধের তদন্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার আমলঅযোগ্য অপরাধের তথ্য সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে

• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধের (Cognizable offence) ক্ষেত্রে FIR করা হয়,অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য (Non-Cognizable) অপরাধের ক্ষেত্রে GD হিসেবে এন্ট্রি করা হয়। 

ধারা-১৫৫: আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ (Information in non-cognizable cases)-
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারামতে থানায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে,থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিষয়টিকে থানায় রক্ষিত ফরম নং ৬৫-তে জি.ডি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করে সংবাদদাতাকে বা অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।অর্থাৎ আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অপরাধের সংবাদটি জিডি এন্ট্রি বা সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
[When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.]
৯১৫.
'দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধসমূহ কোন আদালতে বিচারযোগ্য' - তা ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ২৮
  4. ধারা ২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৮: দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধসমূহ:
এই বিধির অন্যান্য বিধানের অধীন থেকে, দণ্ডবিধির অধীনে কোনো অপরাধ বিচারযোগ্য হবে—
(ক) হাইকোর্ট বিভাগ দ্বারা, বা
(খ) দায়রা আদালত দ্বারা, বা
(গ) দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে উল্লিখিত যেকোনো অন্য আদালত দ্বারা, যেখানে উক্ত অপরাধ বিচারযোগ্য বলে উল্লেখ রয়েছে।

উদাহরণ:
কোনো ব্যক্তি (ক) যদি দায়রা আদালতে অপরাধমূলক হত্যার অভিযোগে বিচারাধীন থাকে, তবে সে স্বেচ্ছায় আঘাত করার অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে, যা একজন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য অপরাধ।
৯১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৫-এর টেবিলের তৃতীয় কলামে কী উল্লেখ থাকে?
  1. শাস্তির পরিমাণ
  2. অপরাধের নাম
  3. দণ্ডবিধির ধারা নম্বর
  4. আপস করার অধিকারী ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
আপস করার অধিকারী ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপস করার অধিকারী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা অনুযায়ী, আপসযোগ্য (compoundable) অপরাধসমূহের তালিকা একটি টেবিল আকারে দেওয়া হয়েছে।
এই টেবিলের—
প্রথম কলামে: অপরাধের নাম বা প্রকৃতি 
দ্বিতীয় কলামে: দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধ
তৃতীয় কলামে: কোন ব্যক্তি সেই অপরাধ আপস করতে পারেন— তা উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।
- ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
- দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
⇒ প্রতিকার- যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।

৯১৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898, এর ২০৩ ধারা মতে নালিশ খারিজ করলে এ বিরুদ্ধে চলবে________
  1. আপিল
  2. রিভিশন
  3. রিভিউ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898,  এর ২০৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজের আদেশ দিলে তার বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায়।
♦যেক্ষেত্রে ২০৩ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ খারিজ করে, সেই ক্ষেত্রে দায়রা জজ বা হাইকোর্ট বিভাগ ৪৩৬ এবং ৪৩৯ ধারায় অধিকতর অনুসন্ধানের [further inquiry] নির্দেশ দিতে পারে।
৯১৮.
ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় কোন আদালতের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে?
  1. আপিল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. মহানগর দায়রা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় হাইকোর্ট বিভাগের অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent Power) আছে।

• একটি মামলার ক্ষেত্রে কি পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে যাবতীয় বিধি দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধিতে রয়েছে। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে এমন অবস্থার উদ্ভব হতে পারে, আদালতের কি করণীয় হবে সেই বিষয়ে কোন সুস্পষ্ট বিধি নেই। এক্ষেত্রে ন্যায় বিচারের প্রয়োজনে আদালত তার সুবিবেচনা অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালনার জন্য যে ক্ষমতা প্রয়োগ করে, তাকেই আদালতের সহজাত বা অন্তর্নিহিত ক্ষমতা (Inherent power of the court) বলে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।

Section 561A- Saving of inherent power of High Court Division
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
৯১৯.
পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগের ক্ষেত্রে আদালত কখন নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন ?
  1. যেক্ষেত্রে সরকার পক্ষের ক্ষতি হতে পারে
  2. যেক্ষেত্রে আসামি পক্ষের ক্ষতি হতে পারে
  3. ক বা খ
  4. সরকার বা আসামি পক্ষ আবেদন করলে
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• নতুন, পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগ এরূপ হয় যে, আদালতের মতে বিচার  শুরু করার ফলে আসামি বা সরকার পক্ষের ক্ষতি হতে পারে, তাহলে আদালত নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন।

• অভিযুক্ত ব্যক্তি যে অপরাধ সংগঠিত করেছেন, সেই অভিযোগ চার্জে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং আইনে সেই অপরাধে কোন নির্দিষ্ট নাম থাকলে তাও উল্লেখ করতে হবে। সুতরাং বলা যায়, চার্জ হল কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বিবরণ যার প্রকৃতি সম্পর্কে অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রাথমিক স্তরে জানার অধিকারী।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২১-২৪০পর্যন্ত চার্জের গঠন এবং বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিধান রয়েছে।ধারাঃ ২২৯ অনুসারে-

যদি নতুন, পরিবর্তিত বা সংযোজিত অভিযোগ এরূপ হয় যে, আদালতের মতে বিচার  শুরু করার ফলে আসামি বা সরকার পক্ষের ক্ষতি হতে পারে, তাহলে আদালত নতুন বিচারের নির্দেশ দিতে পারেন অথবা প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য বিচার মুলতবি রাখার নির্দেশ দিতে পারেন।
[If the new or altered or added charge is such that proceeding immediately with the trial is likely, in the opinion of the Court, to prejudice the accused or the prosecutor as aforesaid, the Court may either direct a new trial or adjourn the trial for such period as may be necessary.]
৯২০.
সমন অমান্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব কোন পদ্ধতিতে বিচার করবেন?
  1. দায়রা আদালতের বিচার পদ্ধতি
  2. সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতি
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার পদ্ধতি
  4. উল্লিখিত যেকোনো একটি
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-
সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।

Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons

(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty. 
 
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
৯২১.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ________ ধারার অধীন ফরিয়াদি না থাকলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, ১ম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর পূর্বানুমতিক্রমে অন্য কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কার্যক্রম বন্ধ করতে পারেন এবং আসামীকে মুক্তি দিতে পারেন।
  1. ২৪৬
  2. ২৪৭
  3. ২৪৮
  4. ২৪৯
সঠিক উত্তর:
২৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪৯
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ২৪৯ (ফরিয়াদী না থাকলে বিচার বন্ধ করার ক্ষমতা) মোতাবেক নালিশ ব্যতিত অন্য কোন উপায়ে রজু মামলায় কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট  কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা পুর্বানুমতিক্রমে অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট, কারণ লিপিবদ্ধ করে মামলার যেকোন পর্যায়ে খালাস অথবা দণ্ডের রায় প্রকাশ না করেই কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবেন এবং অতঃপর আসামীকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
৯২২.
আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, তবে নিম্নের কিরূপ আদেশ দেয়া যাবে?
  1. পুনরায় কারাদণ্ডের আদেশ
  2. অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ
  3. আইন দ্বারা নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যে অর্থদণ্ড আদায়ের আদেশ
  4. আদালতের উপরের কোন ক্ষেত্রে আদেশ দিতে পারে না
সঠিক উত্তর:
আদালতের উপরের কোন ক্ষেত্রে আদেশ দিতে পারে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের উপরের কোন ক্ষেত্রে আদেশ দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
ধারাঃ ৩৮৬- জরিমানা আদায়ের পরোয়ানা (Warrant for levy of fine):

কোন আসামিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করা হলে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নলিখিত দুইটি উপায়ে জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন-

১. অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় ও বিক্রয়;

২. স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে পরোয়ানা কার্যকর করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা দিতে পারবেন। আদালত কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করলে উক্ত ওয়ারেন্ট ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রিদার বলে গণ্য করা হয়।

জরিমানা আদায়ের জন্য অপরাধীর স্থাবর অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয় করে টাকা আদায়ের জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে জরিমানা পরিশোধ করা না হলে, অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং আসামী আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে সেই ক্ষেত্রে পুনরায় কারাদণ্ডের আদেশ বা অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ বা পুনরায় আদায়ের আদেশ দিতে পারবেন না। অপরাধীকে গ্রেফতার বা কারাগারে আটক রেখেও এরূপ কোন পরোয়ানা কার্যকর করা যাবে না।

অর্থাৎ আসামী যদি আরোপিত অর্থদণ্ড না দিয়ে কারা ভোগ করে, এক্ষেত্রে আদালত উল্লিখিত কোনো আদেশ দিতে পারে না।
৯২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে দায়রা আদালতে মামলা প্রাপ্তির কত দিনের মধ্যে বিচার সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া আছে?
  1. ১২০
  2. ১৮০
  3. ৩৬০
  4. ৩৬৫
সঠিক উত্তর:
৩৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
⇒ দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

⇒ মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-339C: Time for disposal of cases:
(1) A Magistrate shall conclude the trial of a case within one hundred and eighty days from the date on which the case is received by him for trial. 
(2) A Sessions Judge, an Additional Sessions Judge or an Assistant Sessions Judge shall conclude the trial of a case within three hundred and sixty days from the date on which the case is received by him for trial. 
(2A) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) or sub-section (2), where a person is accused in several cases and such cases are brought for trial before a Magistrate or a Court of Session, the time limit specified in sub-section (1) or sub-section (2) for the trial of such cases shall run consecutively.
(2B) Notwithstanding the transfer of a case from one Court to another Court, the time specified in sub-section (1) or sub-section (2) shall be the time for concluding the trial of a case.
(4) If a trial cannot be concluded within the specified time, the accused in the case, if he is accused of a non-bailable offence, may be released on bail to the satisfaction of the Court, unless for reasons to be recorded in writing, the Court otherwise directs.
(5) Nothing in this section shall apply to the trial of a case under section 400 or 401 of the Penal Code (Act XLV of 1860), or to the trial of case to which the provisions of Chapter XXXIV apply.
(6) In this section, in determining the time for the purpose of a trial,- 
(b) the days spent on account of the absconsion of an accused after his release on bail, if any, shall not be counted.
৯২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭ অনুযায়ী কোন আইনজীবী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না?
  1. যিনি সরকারি কৌঁসুলি হিসেবে কাজ করেন
  2. যিনি শুধু হাইকোর্টে আইন ব্যবসা করেন
  3. যিনি কোনো জেলায় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে কখনো আইন ব্যবসা করেননি
  4. যিনি একই জেলায় কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নিয়মিত আইন ব্যবসা করেন
সঠিক উত্তর:
যিনি একই জেলায় কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নিয়মিত আইন ব্যবসা করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যিনি একই জেলায় কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নিয়মিত আইন ব্যবসা করেন
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭ অনুযায়ী, কোনো আইনজীবী যদি একটি নির্দিষ্ট জেলার কোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আইন ব্যবসা (প্র্যাকটিস) করেন, তাহলে তিনি ওই আদালতে অথবা ওই আদালতের এখতিয়ারভুক্ত এলাকার অন্য কোনো আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বসতে পারবেন না। এ নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হল স্বার্থের সংঘাত (Conflict of Interest) এবং আদালতের নিরপেক্ষতা ও ন্যায়বিচারের স্বার্থ রক্ষা করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না:
যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts:
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.

৯২৫.
অভ্যাসগত প্রতারক রহিম মিয়া অস্ট্রেলিয়ান ট্যুরিস্ট আদম জাম্পাকে ঢাকা শহরে হয়রানি করে। ট্যুরিস্ট পুলিশ রহিম মিয়াকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে রহিম মিয়াকে দুইশত টাকা জরিমানা আদায়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। এই ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী রহিম মিয়ার সর্বোচ্চ মুচলেকার মেয়াদ হবে-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১১০ ধারার বিধান অনুযায়ী জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শান্তি রক্ষার উদ্দেশ্যে অভ্যাসগত অপরাধী ব্যক্তি কেন ৩ বৎসরের অধিক নয় এমন মেয়াদের জন্য জামিনদার সহ অথবা ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করবে না তার কারন দর্শাতে বলতে পারেন।

♦ Security for good behaviour from habitual offenders:

Section 110. Whenever a District Magistrate, or anyother Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government receives information that any person within the local limits of his jurisdiction- 
 
(a) is by habit a robber, house-breaker, thief, or forger, or 
 
(b) is by habit a receiver of stolen property knowing the same to have been stolen, or 
 
(c) habitually protects or harbours thieves or aids, in the concealment or disposal of stolen property, or 
 
(d) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, the offence of kidnapping, abduction, extortion, cheating or mischief, or any offence punishable under Chapter XII of the Penal Code, or under section 489A, section 489B, section 489C or section 489D of that Code, or 
 
(e) habitually commits, or attempts to commit, or abets the commission of, offences involving a breach of the peace, or 
 
(f) is so desperate and dangerous as to render his being at large without security hazardous to the community, 
 
such Magistrate may, in manner hereinafter provided, require such person to show cause why he should not be ordered to execute a bond, with sureties, for his good behaviour for such period, not exceeding three years, as the Magistrate thinks fit to fix.
৯২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯১ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কখন অভিযুক্তকে তার অন্যত্র বিচার চাওয়ার অধিকার সম্পর্কে জানাবেন?
  1. অভিযোগ গঠনের আগে
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের পরে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  4. রায় ঘোষণার সময়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯১ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে মামলা স্থানান্তরের বিধান করা হয়েছে-
কোন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯০(১)(গ) ধারায় আমলে গ্রহণ করেন, তখন সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেট জানাবে যে, অন্য কোন আদালতের মাধ্যমে সে তার মামলার বিচার বা অনুসন্ধান করাতে অধিকারী; যদি অভিযুক্ত (বা একাধিক অভিযুক্তর ক্ষেত্রে, তাদের মধ্যে কেউ একজন) ঐ ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে বিচার করতে আপত্তি করে, তাহলে সেই মামলাটি ঐ ম্যাজিস্ট্রেট বিচার করবেন না; বরং, তা দায়রা আদালতে পাঠানো হবে বা অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে স্থানান্তর করা হবে।

[When a Magistrate takes cognizance of an offence under sub-section (1),clause (c), of the preceding section,the accused shall before any evidence is taken, be informed that he is entitled to have the case tried by another Court and if the accused or any of the accused if there be more than one objects to being tried by such Magistrate, the case shall instead of being tried by such Magistrate,be sent to the Court of Session or transferred to another Magistrate.]
৯২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী আদালত ফৌজদারি মামলায় আসামীকে ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে হাজির হবার অনুমতি দিতে পারেন?
  1. ২০৪
  2. ২০৫
  3. ২০৫ঘ
  4. ২০৫গ
সঠিক উত্তর:
২০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৫
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫ অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট আসামির ব্যক্তিগত হাজিরা থেকে রেহাই দিতে পারেন (Magistrate may dispense with personal attendance of accused)-
(১) যখন কোন ম্যাজিস্ট্রেট সমন জারি করেন তখন যুক্তিসংগত কারণ থাকলে তিনি আসামিকে ব্যক্তিগত হাজিরা হতে রেহাই দিয়ে, তাকে উকিলের মাধ্যমে হাজির হওয়ার অনুমতি দিতে পারবেন।
(২) কিন্তু তদন্ত বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট তার বিচারিক ক্ষমতায় মামলার যে কোন পর্যায়ে আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইতোপূর্বে বর্ণিত পদ্ধতিতে তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে পারবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-205.Magistrate may dispense with personal attendance of accused:
(1) Whenever a Magistrate issues a summons, he may, if he sees reason so to do, dispense with the personal attendance of the accused, and permit him to appear by his pleader. 
 
(2) But the Magistrate inquiring into or trying the case may, in his discretion, at any stage of the proceedings, direct the personal attendance of the accused, and, if necessary, enforce such attendance in manner hereinbefore provided.
৯২৮.
ফৌজদারী কার্যবিধি কত ধারায় জেল আপীলের বিধান আছে?
  1. ৪২০ ধারায়
  2. ৪১৯ ধারায়
  3. ৪২১ ধারায়
  4. ৪২২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪২০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২০ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারার বিধান আপীলকারী জেলে অবস্থান করলে সেক্ষেত্রে পদ্ধতিঃ আপীলকারী জেলে থাকলে আপীলের নকলসহ তার আপীলের দরখাস্ত জেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর দাখিল করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত অফিসার উক্ত দরখাস্ত ও নকল যথাযথ আপীল আদালত বরাবর প্রেরণ করবেন।

♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারামতে আপীলকারি কারাগারে থাকলে , আপীলকারি তার রায়ের নকলসহ আবেদনপএ কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে দাখিল করবে এবং উক্ত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আদালতে আপীল দাখিল করবেন।

 ♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারার আধিন দায়ের করা আপীলকে  জেল আপীল বলে।

---------------------------------------------------------------------
♦ Section 420. Procedure when appellant in jail: If the appellant is in jail, he may present his petition of appeal and the copies accompanying the same to the officer in charge of the jail, who shall thereupon forward such petition and copies to the proper Appellate Court.
৯২৯.
আদালত কখন বিকল্প রায় প্রদান করবে?
  1. যখন অপরাধটি দণ্ডবিধির অধীন হবে না
  2. যখন অপরাধটি কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত তা নিয়ে কোন সন্দেহ থাকবে না
  3. যখন অপরাধটি দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকবে
  4. যখন অপরাধটি বিশেষ আইনের অন্তর্ভুক্ত হবে
সঠিক উত্তর:
যখন অপরাধটি দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন অপরাধটি দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৭(৩) ধারায় বিকল্প রায় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। দণ্ডবিধির অধীন দণ্ড হলে অপরাধটি উক্ত বিধির দুইটি ধারার মধ্যে কোন ধারার অন্তর্ভুক্ত, সে সম্পর্কে কোন সন্দেহ থাকলে আদালত তা স্পষ্টরুপে প্রকাশ করবে এবং বিকল্প রায় প্রদান করবে।

Section 367(3)- Judgment in alternative:
When the conviction is under the Penal Code and it is doubtful under which of two sections, or under which of two parts of the same section, of that Code the offence falls, the Court shall distinctly express the same, and pass judgment in the alternative.
৯৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুসারে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশের অভিযোগের প্রমাণ আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যেতে পারে?
  1. ২৬৫ঘ ধারার
  2. ২৬৫ছ ধারার
  3. ২৬৫ঠ ধারার
  4. ২৬৫ট ধারার
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঠ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫ঠ ধারার
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঠ ধারায় পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে।
→ ফৌজদারি মামলার বিচার সাধারণত ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে হয়। আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।
- ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সংক্রান্ত বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ আছে।
- দায়রা আদালতে বিচার সংক্রান্ত বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক থেকে ২৬৫জ ধারায় বলা হয়েছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঠ অনুসারে,যে মামলায় ২২১ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ করা হয় এবং অভিযুক্ত দোষারোপিত পূর্ব দণ্ডাদেশ স্বীকার না করে, সেক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্তকে ২৬৫ঙ অথবা ২৬৫ট ধারা অনুসারে দণ্ড দানের পর পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং সে সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করবেন।
তবে শর্ত থাকে যে, আদালত এরূপ কোন অভিযোগ পাঠ করবেন না অথবা অভিযুক্তকে সে সম্পর্কে দোষ স্বীকার করতে বলা হবে না অথবা সরকার পক্ষের বা সাক্ষ্যে পূর্ব দণ্ডাদেশের কথা উল্লেখ করা হবে না,যদি না এবং যতক্ষণ না অভিযুক্ত ২৬৫ঙ বা ২৬৫ট ধারা অনুসারে দণ্ড প্রাপ্ত হয়।
-------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265L. Previous conviction:
 In a case where a previous conviction is charged under the provisions of sub-section (7) of section 221, and the accused does not admit that he has been previously convicted as alleged in the charge, the Court may, after it has convicted the said accused under section 265E or section 265K, take evidence in respect of the alleged previous conviction, and shall record a finding thereon: 
Provided that no such charge shall be read out by the Court nor shall the accused be asked to plead thereto nor shall the previous conviction be referred to by the prosecution or in any evidence adduced by it, unless and until the accused has been convicted under section 265E or section 265K.]
৯৩১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪৭ ধারা অনুযায়ী নালিশকারীর অনুপস্থিতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি _______পাবে।
  1. অব্যহতি
  2. খালাস
  3. মুক্তি
  4. জামিন
সঠিক উত্তর:
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় শুনানির দিন অভিযোগকারীর অনুপস্থিতির ফলাফল আলোচনা করা হয়েছে। যথাযথভাবে সমন জারি হওয়ার পরও অভিযোগকারী শুনানির দিন অনুপস্থিত থাকলে ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে আসামিকে খালাস দিতে পারেন; অথবা পরবর্তী কোন তারিখ পর্যন্ত মামলার শুনানী মুলতবী রাখতে পারেন।
♦অভিযোগকারী সরকারী কমকর্তা হলে এবং তার ব্যক্তিগত হাজিরা প্রয়োজন না হলে, ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে হাজিরা হতে অব্যাহতি দিয়ে মামলায় অগ্রসর হতে পারবেন।
♦ তবে ২৪৭ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত অভিযোগকারীর অনুপস্থিতির কারণে অভিযুক্তকে খালাস দিলে তাকে পুনরায় বিচার করা যাবে, কেননা এক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার ছাড়াই শুধুমাত্র অনুপস্থিতির কারণে তাকে খালাস প্রদান করা হয়েছে।
৯৩২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৭০ ধারার বিধান মতে সমনে তলবী ব্যক্তিকে পাওয়া না গেলে, তার পরিবারের_______সমনের ১ টি কপি দিতে হবে?
  1. সাবালক যে কোন ব্যক্তির বরাবর
  2. সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
  3. যে কোন ব্যক্তির নিকট
  4. সাবালিকা যে কোন সদস্যের উপর
সঠিক উত্তর:
সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবালক পুরুষ ব্যক্তির নিকট
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৭০ ধারা মতে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করেও তলবী ব্যক্তিকে পাওয়া না গেলে জারিকারক তার পরিবারের প্রাপ্তবয়ষ্ক কোন পুরুষ সদস্যকে সমনের একটি কপি দিয়ে তাকে অপর কপির পেছনের পৃষ্ঠায় সমন গ্রহণের স্বাক্ষর করিয়ে নিবেন।
৯৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির বিধান অনুসারে যেক্ষেত্রে বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয়, সেক্ষেত্রে আদালত-
  1. ফরিয়াদিকে জরিমানার আদেশ দিবে
  2. নতুন করে কারাদণ্ড ভোগের আদেশ দিবে
  3. অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
  4. আসামিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ দিবে
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থদণ্ড মওকুফের আদেশ দিবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:

- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
 তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।

--------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 

(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৯৩৪.
ভুল স্থানে বিচার অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত বিচার কার্যক্রম-
  1. প্রথমেই বাতিল হবে
  2. স্থগিত থাকবে
  3. ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
ভুল স্থানে বিচার অনুষ্ঠিত হলে, উক্ত বিচার কার্যক্রম ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে বাতিল হবে।

ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-

কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

Section 531: Proceedings in wrong place
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
৯৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা এলাকায় বিচার হলেও তা বাতিল না হওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫০১
  2. ধারা ৫২১
  3. ধারা ৫৩১
  4. ধারা ৫৪১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১ ফৌজদারি কার্যবিধির একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান যা বলে,  কোন তদন্ত, বিচার বা আদেশ শুধুমাত্র এই কারণে বাতিল হবে না যে, তা ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে, যদি না প্রতীয়মান হয় যে এতে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 531: Proceedings in wrong place-
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
৯৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারা কোন ধরনের দণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. কঠোর কারাদণ্ড
  4. সাধারণ কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারা (Section 35A of the CrPC, 1898) অনুযায়ী, যখন কোন আসামি ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময় জেল হাজতে থাকে এবং পরে তাকে কারাদণ্ড (simple বা rigorous) দেওয়া হয়, তখন সেই হাজতে থাকার সময়টুকু তার দণ্ডের মেয়াদ থেকে বিয়োজন (Deduct) করে দেওয়া হয়।
তবে এই ধারা মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ, যদি কোন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তাহলে বিচার চলাকালে জেলহাজতে কাটানো সময় তার দণ্ড থেকে বাদ যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
- ধারা-৩৫ক (১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- ধারা-৩৫ক (২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.

৯৩৭.
রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় রায় বা আদেশের কপি পেতে অধিকারী?
  1. ৫৪৩ ধারায়
  2. ৫৪৫ ধারায়
  3. ৫৪৮ ধারায়
  4. ৫৫০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৪৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৮ (কার্যধারার নকল)-

কোন ফৌজদারী আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবেঃ
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশতঃ বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

Section 548: Copies of proceedings
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
৯৩৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৮১-এর বিধান কোন ধারার সাপেক্ষে প্রযোজ্য?
  1. ধারা-৭৫
  2. ধারা-৭৬
  3. ধারা-৭৯
  4. ধারা-৮২
সঠিক উত্তর:
ধারা-৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-৭৬
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৮১ এর পূর্ণাঙ্গ বিধান: "The police-officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security) without unnecessary delay bring the person arrested before the Court..."
- অর্থাৎ: গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই আদালতে হাজির করতে হবে ধারা ৭৬-এর জামিন সংক্রান্ত বিধানের অধীনতায়।
- ধারা ৭৬ অনুসারে: আদালত পরোয়ানায় জামিনের শর্ত উল্লেখ করতে পারে। যদি অভিযুক্ত জামিন দেন, তাহলে তাকে মুক্ত (release) করে দেওয়া যাবে এবং আদালতে হাজির করার প্রয়োজন হবে না।
- সুতরাং ধারা ৮১ ধারা ৭৬-এর সাপেক্ষে প্রযোজ্য।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৮১ ধারা অনুযায়ী,
গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করছেন এমন পুলিশ অফিসার অথবা অন্য কোন ব্যক্তি (জামিন বিষয়ে ৭৬ ধারার বিধানের প্রেক্ষিতে) অনাবশ্যক বিলম্ব ব্যতিরেকেই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সেই আদালতে হাজির করবেন, যেখানে হাজির করতে তিনি আইনত বাধ্য।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 81: Person arrested to be brought before Court without delay-
The police- officer or other person executing a warrant of arrest shall (subject to the provisions of section 76 as to security)without unnecessary delay bring the person arrested before the Court before which he is required by law to produce such person.

৯৩৯.
চার্জ গঠনের সময় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে কী জিজ্ঞাসা করবেন?
  1. তার নাম ও পরিচয়
  2. সে অপরাধ করেছে কিনা
  3. সে মুক্তি চায় কিনা
  4. সে আদালতের উপর আস্থা রাখে কিনা
সঠিক উত্তর:
সে অপরাধ করেছে কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সে অপরাধ করেছে কিনা
ব্যাখ্যা
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার ধারার বিধান- চার্জ গঠন:
যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা
৯৪০.
'A' একজন ব্যক্তিকে 'X' আদালতের এখতিয়াধীন এলাকার মধ্যে আহত করে এবং উক্ত ব্যক্তি 'Z' এখতিয়াধীন এলাকার মধ্যে মারা যান। এক্ষেত্রে A-এর মামলাটি কোন আদালতে বিচার করা যাবে?
  1. শুধু X  আদালতে
  2. শুধু Z আদালতে
  3. যে আদালতে A চায়
  4. X বা Z যেকোনো আদালতে
সঠিক উত্তর:
X বা Z যেকোনো আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X বা Z যেকোনো আদালতে
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৯ – অপরাধের স্থানে বা ফলাফলের স্থানে বিচারযোগ্যতা:
যদি কেউ কোনো অপরাধ সংঘটিত করার কারণে অভিযুক্ত হয়, এবং সেই অপরাধের ফলে কোনো পরিণতি (consequence) ঘটে, তাহলে সেই অপরাধ যে কোনো আদালতের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়েছে বা যে আদালতের সীমার মধ্যে তার ফলাফল ঘটেছে, সেই আদালতে তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'A' একজন ব্যক্তিকে 'X' আদালতের এখতিয়াধীন এলাকার মধ্যে আহত করে এবং উক্ত ব্যক্তি 'Z' এখতিয়াধীন এলাকার মধ্যে মারা যান। এক্ষেত্রে A-এর মামলাটি X বা Z আদালতে তদন্ত বা বিচার করা যেতে পারে।

৯৪১.
"Trial more than one offence(একাধিক অপরাধের বিচার)"-উল্লেখিত কোন ধারার শিরোনাম?
  1. ধারা ২৩৫
  2. ধারা ২৩২
  3. ধারা ২৩৩
  4. ধারা ২৩৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩৫
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৩৫ঃএকাধিক অপরাধের বিচার (Trial more than one offence)-

(১) পর পর সংঘটিত কতিপয় কার্য যদি পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় যে,কার্যগুলি একটিমাত্র কার্যের শামিল এবং একই ব্যক্তি উক্ত কার্য সম্পর্কিত বিষয়ে একাধিক অপরাধ সংঘটিত করে থাকলে এ ধরণের প্রত্যেক অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে একটিমাত্র মামলায় তার বিচার সম্পন্ন করা যেতে পারে।

(২) দুটি সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত অপরাধঃ
অভিযোগকৃত কার্যসমূহ যেক্ষেত্রে এরূপ একটি অপরাধ সৃষ্টি করে,যা বর্তমানে কার্যকর এরূপ কোন আইনের,যা দ্বারা অপরাধের সংজ্ঞা দণ্ড প্রদান করা হয় তার দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় বিচার করা যেতে পারে।

(৩) একাধিক কার্য যেক্ষেত্রে একই ধরণের অপরাধ,কিন্তু একত্রিত করা হলে ভিন্নরূপ অপরাধে পরিণত হয়ঃ
কতিপয় কার্যের মধ্যে একটি কার্য একটি কার্য এককভাবে বা একাধিক কার্য একত্রে একটি অপরাধের সৃষ্টি করলে উক্ত অপরাধসমূহে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্ত মিলিত কার্যাদির অপরাধ বা একটি কার্যের একক অপরাধ বা সংযুক্ত একাধিক কার্যের অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যেতে পারে।

(৪) এই ধারায় এরূপ কিছু নেই যা দণ্ডবিধির ধারা ৭১ এর বিধানকে প্রভাবিত করে।
৯৪২.
According to The Code of Criminal Procedure,1898 ________ includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.
  1. charge
  2. inquiry
  3. judicial proceeding
  4. investigation
সঠিক উত্তর:
inquiry
উত্তর
সঠিক উত্তর:
inquiry
ব্যাখ্যা
• Section 4(k) of The Code of Criminal Procedure,1898:

"inquiry" includes every inquiry other than a trial conducted under this Code by a Magistrate or Court.

ফৌজদারি প্রক্রিয়ায়, "বিচার" ব্যতীত অন্যান্য কাজগুলি ইনকোয়ারি বা তদন্তের অন্তর্ভুক্ত হয়। "বিচার" হল আদালতের মূল কার্যক্রম যেখানে বিচারক সরাসরি জড়িত থাকেন এবং পক্ষদ্বয়ের যুক্তি শুনে ও প্রমাণ বিচার করে রায় দেন। 
৯৪৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৯৯ অনুযায়ী কাদেরকে সংশোধনাগারে আটক রাখার বিধান রয়েছে? 
  1. ১২ বছরের কম বয়সী অপরাধী
  2. ১৫ বছরের কম বয়সী অপরাধী
  3. ১৮ বছরের কম বয়সী অপরাধী
  4. ২১ বছরের কম বয়সী অপরাধী
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম বয়সী অপরাধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম বয়সী অপরাধী
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারার বিধান: কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স ১৫ বছরের কম হলে আদালত তাকে ফৌজদারি কারাগারে বন্দী না করে, সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখবার নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারার বিধান- তরুণ অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারি আদালত পনেরো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারি জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃঙ্খলা ও কোন দরকারি শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃঙ্খলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।
(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 399: Confinement of youthful offenders in reformatories:
(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein. 
(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
৯৪৪.
According to Section 494 of The Code of Criminal Procedure, 1898, Withdrawal from prosecution can only be done with the consent of-
  1. Court
  2. Police
  3. Accused
  4. Complainant
সঠিক উত্তর:
Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Court
ব্যাখ্যা
Section 494: Effect of withdrawal from prosecution-
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

অর্থাৎ, ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে।
⇒ অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিবে; আর
⇒ অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিবে।
৯৪৫.
নিম্নের কোন ম্যাজিস্ট্রেট ২০২ ধারার অধীনে অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন না?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২(১) ধারার ভাষ্য অনুযায়ী: “...তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।”
অর্থাৎ, তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এই অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন না। শুধুমাত্র তৃতীয় শ্রেণির ঊর্ধ্বতন ম্যাজিস্ট্রেটগণ (যেমন প্রথম শ্রেণির, দ্বিতীয় শ্রেণির, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট) এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-
১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না।আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।
২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।
(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।
(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 202. Postponement for issue of process:
(1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint:
Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with:
Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint.
(2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant.
(2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath:
Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath.
(2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
৯৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৫০(৫) অনুসারে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানা কত টাকা?
  1. ২৫,০০০ টাকা
  2. ৫০,০০০ টাকা
  3. ১,০০,০০০ টাকা
  4. ৩,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ২৫০ এর কয়েকটি উপ-ধারায় সংশোধনী আনা হয়েছে, যা মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (frivolous or vexatious) অভিযোগের জন্য জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। নিচে সংশোধনীগুলোর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (১): সংশোধনীর মাধ্যমে এই উপ-ধারায় "false and either frivolous or vexatious" শব্দগুলির পর "may" শব্দটির পরিবর্তে "shall" শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ প্রমাণিত হলে ম্যাজিস্ট্রেটের জন্য জরিমানা আরোপ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (২): এই উপ-ধারায় জরিমানার পরিমাণ সংশোধন করা হয়েছে। পূর্বে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য জরিমানা ছিল সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা, যা সংশোধনীর মাধ্যমে বাড়িয়ে ৫০,০০০ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া, যদি অভিযোগকারী কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়, তবে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা জরিমানার পরিবর্তে ২৫,০০০ টাকা জরিমানা করা যাবে।
→ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (৫): এই উপ-ধারায় উল্লেখিত জরিমানার পরিমাণ পূর্বে ৩,০০০ টাকা ছিল, যা সংশোধনীর মাধ্যমে বাড়িয়ে ১,০০,০০০ টাকা (এক লাখ টাকা) করা হয়েছে। এটিই মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের জন্য সর্বোচ্চ জরিমানার পরিমাণ।
 
অর্থাৎ ধারা ২৫০ এর উপ-ধারা (৫) অনুসারে, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ১,০০,০০০ টাকা। এটি সংশোধনীর মাধ্যমে পূর্বের ৩,০০০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো (৫,০০০ টাকা, ২৫,০০০ টাকা, ৫০,০০০ টাকা) ধারা ২৫০ এর বিভিন্ন উপ-ধারায় উল্লিখিত জরিমানার সাথে সম্পর্কিত হলেও, প্রশ্নটি সর্বোচ্চ জরিমানা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছে, তাই উপ-ধারা (৫) এর ১,০০,০০০ টাকাই সঠিক উত্তর।

 ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 False, frivolous or vexatious accusations:
(5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding one lac taka.

৯৪৭.
আগাম জামিন বলতে নিম্নের কোনটিকে বুঝায়?
  1. যুক্তিতর্ক শুনানি পূর্ব জামিন
  2. চার্জ গঠন পূর্ব জামিন
  3. গ্রেফতার পূর্ব জামিন
  4. বিচারপূর্ব জামিন
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার পূর্ব জামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেফতার পূর্ব জামিন
ব্যাখ্যা
• আগাম জামিন (ধারা ৪৯৮)-
আটক হবার বা গ্রেফতারের সম্ভাবনা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে গ্রেফতার হওয়ার পূর্বেই জামিন মঞ্জুর করাকে আগাম জামিন বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধানমতে আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তির জামিন মঞ্জুর করতে পারে, যাকে গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই পুলিশ গ্রেফতার করার সম্ভাবনা রয়েছে।

৪৯৮ ধারার বিধানমতে নিম্নোক্ত আদালত আগাম জামিন মঞ্জুর করতে পারে:
১. হাইকোর্ট বিভাগ
২. দায়রা আদালত

তাছাড়া এই ধারার অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।
৯৪৮.
আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ পাওয়ার ভিত্তিতে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার-
  1. তা GD হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করবে
  2. সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন
  3. তা FIR হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করবে
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় আমলযোগ্য অপরাধের (Cognizable offence) ক্ষেত্রে FIR করা হয়,
-অন্যদিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারায় আমলঅযোগ্য (Non-Cognizable) অপরাধের ক্ষেত্রে GD হিসেবে এন্ট্রি করা হয়। 

ধারা ১৫৫: আমলঅযোগ্য অপরাধের সংবাদ (Information in non-cognizable cases)-
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারামতে থানায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে,থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিষয়টিকে থানায় রক্ষিত ফরম নং ৬৫-তে জি.ডি হিসেবে অন্তর্ভূক্ত করে সংবাদদাতাকে বা অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।

অর্থাৎ আমলঅযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অপরাধের সংবাদটি জিডি এন্ট্রি বা সাধারন ডায়েরীতে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।
------------------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-155: Information in non-cognizable cases-
(1) When information is given to an officer in charge of a police-station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.
-Investigation into non-cognizable cases
(2) No police-officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or send the same for trial. 
(3) Any police-officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police-station may exercise in a cognizable case.
৯৪৯.
The Code of Criminal Procedure, 1898, এর কোন ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করার ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ৪৯১
  2. ৫৬১(এ)
  3. ৪৯৪
  4. ৫১৭
সঠিক উত্তর:
৪৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯১
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯১ ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ direction of the nature of a habeas corpus ইস্যু করতে পারে। যখন কোন ব্যক্তিকে বেআইনীভাব আটক করা হয়, তখন বন্দী হাজির রিট ( writ of habeas corpus] পিটিশন দায়ের করা যায়। যে কোন ব্যক্তি বন্দী হাজির রিট দায়ের করতে পারবে। বন্দী হাজির অর্থ হলো বন্দীকে আদালতে হাজির করা।
৯৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. ২৩২ ধারা
  2. ২৩৩ ধারা
  3. ২৩৪ ধারা
  4. ২৩৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৩৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের (Separate charges for distinct offences) বিধান রয়েছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারা অনুসারে- ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে, প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

উদাহরণ- "ক" একটি ক্ষেত্রে ব্যভিচার এবং অন্য একটি ক্ষেত্রে মানহানির অপরাধে অভিযুক্ত হয়েছে। ব্যভিচার ও মানহানি করার জন্য "ক" এর বিরুদ্ধে অবশ্যই পৃথকভাবে অভিযোগ গঠন করতে হবে এবং তার বিচার পৃথকভাবে করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 233. Separate charges for distinct offences:
For every distinct offence of which any person is accused there shall be a separate charge, and every such charge shall be tried separately, except in the cases mentioned in sections 234, 235, 236 and 239.

Illustration: A is accused of a theft on one occasion, and of causing grievous hurt on another occasion. A must be separately charged and separately tried for the theft and causing grievous hurt.
৯৫১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান নিম্নের কোন ধারাসমূহকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ১০৬(৫) ও ১০৯(৪)
  2. ১০৭(৪) ও ১১৭(৩)
  3. ১৪৫(২) ও ১৪৮(৩)
  4. ১৬৪(১) ও ১৬৪(২)
সঠিক উত্তর:
১০৭(৪) ও ১১৭(৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৭(৪) ও ১১৭(৩)
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান- জামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন:
যদি কোনো ব্যক্তি, যিনি অজামিনযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত নন, তাকে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করে বা আটক করে, অথবা আদালতে হাজির করা হয়, এবং তিনি জামিন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হবে।

তবে শর্ত থাকে যে: সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা বা আদালত চাইলে, জামিন নেওয়ার পরিবর্তে ওই ব্যক্তিকে কোনো জামিনদার ছাড়াই একটি বন্ড স্বাক্ষর করিয়ে মুক্তি দিতে পারেন, যাতে তিনি ভবিষ্যতে নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হন।

এছাড়াও, এই ধারার কোন কিছুই ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না।

৯৫২.
ধারা ৩৮২ অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কোন আদালত নিতে পারেন?
  1. সেশন জজ
  2. হাইকোর্ট
  3. বিচারিক আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারা-গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life. 

৯৫৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার বিধানানুযায়ী একজন পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত তদন্ত কাজ করতে পারেন?
  1. ১৫৬
  2. ১৫৭
  3. ১৫৮
  4. ১৫৯
সঠিক উত্তর:
১৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৬
ব্যাখ্যা
- পুলিশ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারার আমলযোগ্য অপরাধ আমল নিয়ে (প্রাথমিক তথ্য বিবরনীভুক্ত করে)। ১৫৬ (১) ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ব্যতীত অপরাধের তদন্ত করতে পারে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৬ ধারামতে আমলযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই পুলিশ বা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামলার তদন্ত শুরু করতে পারেন।
৯৫৪.
ধারা ৪৮০ অনুযায়ী অপরাধীকে সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করা যেতে পারে?
  1. ১০০ টাকা
  2. ১৫০ টাকা
  3. ২০০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান:- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি:
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারি বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লিখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোনো সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।

৯৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দোভাষীর দায়িত্ব সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৫৪১
  2. ধারা ৫৪২
  3. ধারা ৫৪৩
  4. ধারা ৫৪৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩-এ দোভাষীর (Interpreter) দায়িত্ব সম্পর্কে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ধারা অনুযায়ী: দোভাষীকে অবশ্যই সাক্ষ্য বা বক্তব্য সঠিকভাবে এবং নির্ভুলভাবে অনুবাদ করতে হবে।
- কোনোরূপ বিকৃতি বা পরিবর্তন ছাড়াই অনুবাদ প্রদান করতে হবে।
- দোভাষীকে সত্যনিষ্ঠ হতে হবে এবং সঠিক অনুবাদ দেওয়ার জন্য বাধ্য থাকতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, যখন কোনো ক্রিমিনাল কোর্টে দোভাষী (Interpreter) প্রয়োজন হয়, তার প্রধান দায়িত্ব হল সঠিকভাবে সাক্ষ্য বা বক্তব্যের অনুবাদ প্রদান করা, এবং এই অনুবাদটি সত্যানুগ হতে হবে। দোভাষীকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, তিনি যে কোনো সাক্ষ্য বা বিবৃতি সঠিকভাবে, এবং কোনোরূপ বিকৃতি বা পরিবর্তন ছাড়াই অনুবাদ করবেন।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 543. Interpreter to be bound to interpret truthfully:
 When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
৯৫৬.
চুরির অপরাধের বিচার চলাকালে 'ক' ৮ মাস জেল হাজতে থাকে। বিচারের পর 'ক' এর ৪ মাসের কারাদণ্ড এবং ২০০০ টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়। এক্ষেত্রে 'ক' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. ৪ মাস ভোগ করতে হবে
  2. কোনো সাজা ভোগ করবে না
  3. অর্থদণ্ড মওকুফ হবে
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:

• ধারা-৩৫ক
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদেণ্ডর  মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদণ্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদেণ্ডর মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।

Section 35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody-
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৯৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুসারে কোন সম্পত্তি বিক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া যায়?
  1. ১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
  2. ৫০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
  3. ১০০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
  4. ৫০০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ক) ১০ টাকার কম মূল্যের সম্পত্তি।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন আটককৃত সম্পত্তি, দ্রুত বা স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, অথবা মালিক অজানা বা অনুপস্থিত হন, অথবা ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন মালিকের কল্যাণের জন্য বিক্রি উত্তম, এবং সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোনো সময় ঐ সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।

এজন্য, ধারা ৫২৫ অনুযায়ী বিক্রির অনুমতি পাওয়া সম্পত্তির মূল্যসীমা নির্ধারিত আছে ১০ টাকা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৯৫৮.
অভিযোগ তৈরি না করার ফলে উক্ত মামলায় প্রদত্ত কোন দণ্ডাদেশ-
  1. অবশ্যই অবৈধ হবে
  2. ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে অবৈধ হবে
  3. অভিযুক্ত আবেদন করলে অবৈধ হবে
  4. ফরিয়াদি আবেদন করলে বৈধ হবে
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে অবৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে অবৈধ হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৫- অভিযোগ তৈরি না করার ফলাফল

(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপিল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরি না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge

(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৯৫৯.
দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলাকালীন সময়ে-
  1. আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
  2. আসামী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
  3. আপিলকারী বা আসামী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
আসামী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যাওয়া মানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় এবং আপিলকারী মারা গেলে আপিলটি বাতিল হয়।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল বাতিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে- ৪১৭ বা ৪১৭ক ধারার অধীন প্রত্যেকটি আপীল অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে, এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল ব্যতীত) আপীলকারীর মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে।

ফৌজদারী মামলা বা আপিল বাতিল হবে যদি অভিযুক্ত মারা যায়। সুতরাং কে মারা গেলে আপিল বাতিল হবে, তা নির্ধারণ করতে হলে দেখতে হবে, আপিল চলাকালীন সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেছে কিনা। এটা নির্ধারণ করতে দেখতে হবে আপিলটি কে করেছে। ৪১৭ ধারার অধীন খালাসের বিরুদ্ধে আপিল এবং ৪১৭ক ধারার অধীন অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে না। কারণ খালাস এবং অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে স্বাভাবিকভাবে আপিল করবে পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী।

অন্যদিকে ৪০৭, ৪০৮ বা ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যাওয়া মানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় এবং এই কারণে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিলটি বাতিল হয়।
৯৬০.
ফরিয়াদী কর্তৃক আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর ফি প্রদান করা না হলে, আদালত সর্বোচ্চ কী শাস্তি দিতে পারে?
  1. ৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩০ দিন সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৩ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৩ মাস সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৬ক ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদী কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ: 
(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামী সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থ দানের জন্য আসামীকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদীর জবানবন্দীর জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং 
(খ) ফরিয়াদী কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।
(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপীল আদালত বা হইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
------------------
CrPC-Section-546A: Order of payment of certain fees paid by complainant in non-cognizable cases:
(1) Whenever any complaint of a non-cognizable offence is made to a Court, the Court, if it convicts the accused, may in addition to the penalty imposed upon him, order him to pay to the complainant– 
(a) the fee (if any) paid on the petition of compliant or for the examination of the complainant, and 
(b) any fees paid by the complainant for serving processes on his witnesses or on the accused, 
and may further order that, in default of payment, the accused shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days. 
(2) An order under this section may also be made by an Appellate Court, or by the High Court Division, when exercising its powers of revision.
৯৬১.
কোন ক্ষেত্রে সিভিল সার্জন বা চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হয়ে গেলে
  3. ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করলে এবং তাকে আনা সময় সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল হলে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট

এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

Section 509A: Report of post-mortem examination

Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৯৬২.
The Penal Code, 1860 এর ৩২৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট 'ক' কে ১ (এক) বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। 'ক' উক্ত রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আপীল দায়েরের শর্তে জামিনের আবেদন করেন। 'ক' এর দরখাস্তটি The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারায় আনীত হয়েছে?
  1. ৪২৬
  2. ৪২৮
  3. ৪৩৫
  4. ৪৩৯
সঠিক উত্তর:
৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬
ব্যাখ্যা
আপিল চলমান থাকলে দণ্ড স্থগিত এবং জামিনের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৪২৬ ধারায় আবেদন করা যায়। ৪২৬ ধারায় আপিল আদালতকে আপিল চলাকালীন সময় দণ্ড স্থগিত এবং আসামীকে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। 

৪২৬ ধারা অনুযায়ী-
আপিল চলমান থাকাকালে আপিল আদালতে যে দণ্ডাদেশ বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে, সেই দণ্ডাদেশ বা আদেশ কার্যকর করা স্থগিত করতে পারে এবং আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে। বিচারিক আদালত কর্তৃক কোন ব্যক্তি অনধিক ১ বছরের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে এবং উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান থাকলে এবং বিচারিক আদালত যদি মনে করে যে, উক্ত ব্যক্তি আপিল দায়ের করতে পারে তাহলে বিচারিক আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
হাইকোর্ট বিভাগ যদি সন্তুষ্ট হয় যে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে আপিল বিভাগে অনুমতি সাপেক্ষে আপিল [leave to appeal] করার বিশেষ অনুমতি দেয়া হয়েছে, তখন হাইকোর্ট বিভাগ যে দণ্ড দিয়েছে আপিল চলাকালীন সময় উক্ত দণ্ড স্থগিত বা আসামীকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।

Section 426: Suspension of sentence pending appeal Release of appellant on bail
(1) Pending any appeal by a convicted person, the Appellate Court may, for reasons to be recorded by it in writing, order that the execution of the sentence or order appealed against be suspended and, also, if he is in confinement, that he be released on bail or on his own bond. 
 
(2) The power conferred by this section on an Appellate Court may be exercised also by the High Court Division in the case of any appeal by a convicted person to a Court subordinate thereto. 
 
(2A) When any person is sentenced to imprisonment for a term not exceeding one year by a Court, and an appeal lies from that sentence, the Court may, if the convicted person satisfies the Court that he intends to present an appeal, order that he be released on bail for a period sufficient in the opinion of the Court to enable him to present the appeal and obtain the orders of the Appellate Court under sub-section (1) and the sentence of imprisonment shall, so long as he is so released on bail, be deemed to be suspended. 
 
(2B) Where High Court Division is satisfied that a convicted person has been granted special leave to appeal to the 2[Appellate Division of the Supreme Court] against any sentence which it has imposed or maintained, it may if it so thinks fit order that pending the appeal the sentence or order appealed against be suspended, and also, if the said person is in confinement, that he be released on bail. 
 
(3) When the appellant is ultimately sentenced to imprisonment, or transportation, the time during which he is so released shall be excluded in computing the term for which he is so sentenced.
৯৬৩.
বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় কার দ্বারা প্রণীত বিধি অনুযায়ী?
  1. সরকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশন
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৩-এর প্রভিসো অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি বিধি প্রণয়ন করতে পারেন, এবং সেই বিধি অনুযায়ীই বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) রাষ্ট্রপতি।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারার বিধান দায়রা আদালত:
(১) সরকার প্রত্যেকটি দায়রা বিভাগের জন্য একটি করে দায়রা আদালত স্থাপন করবেন এবং এই আদালতে একজন জজ নিয়োগ করবেন; এবং মহানগরীর জন্য সৃষ্ট দায়রা আদালত মহানগরী দায়রা আদালত নামে অভিহিত হবে।
(২) সরকার সরকারী গেজেটে সাধারণ অথবা বিশেষ আদেশ জারী করে নির্দেশ দিতে পারেন যে কোন স্থানে বা স্থানসমূহে দায়রা আদালত বসবে; কিন্তু এরূপ আদেশ না দেয়া পর্যন্ত দায়রা আদালতসমূহ পূর্বের ন্যায় বসবে।
(৩) এরূপ এক বা একাধিক আদালতে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করার জন্য অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং সহকারী দায়রা জজ ও নিয়োগ করতে পারবেন।
(৩ক) - অনুরূপ এক বা একাধিক এলাকার দায়িত্ব পালনের জন্য সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের শর্তানুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত বিধি মোতাবেক বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যগণ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজ নিযুক্ত হইবেন।
(৪) সরকার এক দায়রা বিবাগের দায়রা জজকে অপর একটি বিভাগের অতিরিক্ত দায়রা জজ নিয়োগ করতে পারেন, এবং এরূপ ক্ষেত্রে তিনি সরকারের নির্দেশানুসারে দুইটি বিভাগের যে কোন একটির এক বা একাধিক স্থানে মামলা নিস্পত্তির জন্য বসতে পারবেন।
(৫) এই আইন বলবৎ হবার সময় যে সকল দায়রা আদালত বিদ্যমান ছিল তার সমস্ত গুলিই এই আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে ধরতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 9. Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court; and the Court of Session for a Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts.
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.

৯৬৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী জামিননামা সম্পাদনের পর মুক্তির আদেশ দেওয়া হয়?
  1. ৪৯৯ ধারা
  2. ৫০০ ধারা
  3. ৫০১ ধারা
  4. ৫০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫০০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০ ধারা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ৫০০ ধারা। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫০০ (Section 500 – Discharge from custody) অনুযায়ী বলা হয়েছে: “As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released…”
অর্থাৎ, যখন জামিননামা (bond) সম্পাদিত হয় - অর্থাৎ অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার জামিনদার জামিনের শর্ত অনুযায়ী বন্ডে স্বাক্ষর করেন - তখন আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।
যদি সেই ব্যক্তি জেলখানায় থাকেন, তাহলে আদালত কারা কর্তৃপক্ষকে একটি মুক্তির আদেশ (release order) দেন। কারা কর্তৃপক্ষ সেই নির্দেশ পেলে তৎক্ষণাৎ মুক্তি প্রদান করতে বাধ্য।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-500. Discharge from custody:
(1) As soon as the bond has been executed, the person for whose appearance it has been executed shall be released; and, when he is in jail, the Court admitting him to bail shall issue an order of release to the officer in charge of the jail, and such officer on receipt of the order shall release him. 
(2) Nothing in this section, section 496 or section 497 shall be deemed to require the release of any person liable to be detained for some matter other than that in respect of which the bond was executed.
৯৬৫.
কোন ধারার বিধানমতে ১৪৪ ধারার অধীন জারিকৃত আদেশ বাতিল করা যায়?
  1. ১৪৬(২)
  2. ১৪৪ (২)
  3. ১৪৪ (৪)
  4. ১৪৪(৬)
সঠিক উত্তর:
১৪৪ (৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৪ (৪)
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌

♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আগু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে। 

♦১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
৯৬৬.
ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারায় উল্লিখিত সময়সীমা কত দিন?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের সময়সীমা- ৮৯ ধারামতে যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি ক্রোকের তারিখ থেকে ২ বৎসরের মধ্যে ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারে।
- পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না;
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার :
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 89: Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the net proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the net proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying there out all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
৯৬৭.
কোন ধারার অধীনে পুলিশ প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (FIR) দায়ের না করেও সন্দেহের ভিত্তিতে আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে?
  1. ১৫৫ ধারা
  2. ১৫৬ ধারা
  3. ১৫৭ ধারা
  4. ১৫৮ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ প্রাথমিক তথ্য বিবরণী দায়ের না করলেও ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী সন্দেহের ভিত্তিতে পুলিশ আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত করতে পারে। এমনকি প্রয়োজনে অপরাধীকে গ্রেফতার এবং আটকের ব্যবস্থা করতে পারবে। 
- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গতভাবে সন্দেহ পোষন করলে, সঙ্গে সঙ্গে একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন। প্রয়োজন হলে অপরাধীকে খুঁজে বের করবেন ও গ্রেফতার করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনাস্থলে যাবেন বা অধস্তন অফিসারকে দায়িত্ব দিবেন। তবে অপরাধ সংঘটনকারীর নাম উল্লেখ করে সংবাদ দিলে এবং ঘটনাটি গুরুতর প্রকৃতির না হলে তখন সরেজমিনে তদন্তের প্রয়োজন নেই । তবে ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে ঘটনাটি সম্পর্কে তদন্ত করবেন না।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-157: Procedure where cognizable offence suspected:
(1) If, from information received or otherwise, an officer in charge of a police station has reason to suspect the commission of an offence which he is empowered under section 156 to investigate, he shall forthwith send a report of the same to a Magistrate empowered to take cognizance of such offence upon a police report and shall proceed in person, or shall depute one of his subordinate officers not being below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf to proceed, to the spot, to investigate the facts and circumstances of the case, and, if necessary, to take measures for the discovery and arrest of the offender:
Where local investigation dispensed with
Provided as follows:-
(a) when any information as to the commission of any such offence is given against any person by name and the case is not of a serious nature, the officer in charge of a police station need not proceed in person or depute a subordinate officer to make an investigation on the spot;
Where police officer in charge sees no sufficient ground for investigation
(b) if it appears to the officer in charge of a police station that there is no sufficient ground for entering on an investigation, he shall not investigate the case.

(2) In each of the cases mentioned in clauses (a) and (b) of the proviso to sub-section (1), the officer in charge of the police station shall state in his said report his reasons for not fully complying with the requirements of that sub-section, and, in the case mentioned in clause (b), such officer shall also forthwith notify to the informant, if any, in such manner as may be prescribed by the Government, the fact that he will not investigate the case or cause it to be investigated.
৯৬৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারায় কাদের সমন্বয়ে বেঞ্চ গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. যুগ্ম দায়রা জজ
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯ ধারার বিধান:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রণীত বিধিমালা সাপেক্ষে, যে কোন দুই বা ততোধিক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ রূপে একসাথে বসতে পারবেন।

Section 19- Benches:
Any two or more of Metropolitan Magistrates may, subject to the rules made by the Chief Metropolitan Magistrate, sit together as Bench.
৯৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী, জামিনপত্রের জরিমানা পরিশোধ না করলে সর্বোচ্চ কত দিনের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১৪(৪) অনুসারে, যদি বন্ডের জরিমানা পরিশোধ না করা হয় এবং অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ ও বিক্রয়ের মাধ্যমে তা আদায় করা সম্ভব না হয়, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আদালতের নির্দেশে সিভিল কারাগারে সর্বোচ্চ ছয় মাসের জন্য কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, কারাদণ্ডের মেয়াদ ছয় মাস পর্যন্ত হতে পারে।
ধারা ৫১৪-এর অধীনে বন্ড ভঙ্গের ক্ষেত্রে আদালত প্রথমে জরিমানা আদায়ের জন্য ব্যক্তির অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ ও বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারে (ধারা ৫১৪(২))।
যদি এই পদ্ধতিতেও জরিমানা আদায় না হয়, তবে ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী সিভিল কারাগারে কারাদণ্ড দেওয়া যায়।
ধারা ৫১৪(৫) অনুসারে, আদালত তার বিবেচনার ভিত্তিতে জরিমানার কিছু অংশ মওকুফ করতে পারে এবং আংশিক পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারে।
অতএব, ধারা ৫১৪(৪) অনুযায়ী, জামিনপত্রের জরিমানা পরিশোধ না করলে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড হতে পারে।

৯৭০.
যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করা হয় হয়েছে, সেই ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ক্রোকি সম্পত্তি বিষয়ে আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ২ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮ (৬ক):
যদি এই ধারার অধীনে সংযুক্ত কোনও সম্পত্তির বিরুদ্ধে সংযুক্তির ছয় মাসের মধ্যে ঘোষিত ব্যক্তির ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি কোনো দাবি উত্থাপন করে বা আপত্তি জানায়, এই মর্মে যে, দাবিকারী বা আপত্তিকারীর উক্ত সম্পত্তিতে স্বত্ব বা স্বার্থ রয়েছে এবং সেই স্বার্থ এই ধারার অধীনে সংযুক্তির জন্য দায়ী নয়, তবে উক্ত দাবি বা আপত্তির তদন্ত করা হবে এবং সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে তা গ্রহণ বা বাতিল করা যেতে পারে।

তবে শর্ত থাকে যে, এই উপ-ধারায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্থাপিত কোনো দাবি বা আপত্তি, যদি দাবিকারী বা আপত্তিকারীর মৃত্যু ঘটে, তবে তার আইনগত প্রতিনিধি উক্ত দাবি বা আপত্তি চালিয়ে যেতে পারবে।
৯৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায়?
  1. ৪১৭ ধারা
  2. ৪১৭ক ধারা
  3. ৪১৮ ধারা
  4. ৪১৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১৭ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১৭ক ধারা
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ক ধারার বিধান অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল:-
(১) কোন আদালতের বিচারে প্রদত্ত দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততার কারণে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল দায়েরের জন্য সরকার পাবলিক প্রসিকিউটরকে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
(২) আদালতে বিচারে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার ক্ষেত্রে একজন ফরিয়াদী দণ্ডাদেশের অপর্যাপ্ততাহেতু আপিল আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবেনঃ
শর্ত থাকে যে, দণ্ডাদেশের তারিখ থেকে ৬০ (ষাট) দিন পার হবার পর এই উপ-ধারার অধীন আপিল আদালত কর্তৃক কোন আপিল গৃহীত হবে না।
(৩) দণ্ডের অপর্যাপ্ততা হেতু কোন আপিল রুজু করা হলে আপিল আদালত দণ্ড বাড়ানোর বিরুদ্ধে কারণ দর্শাবার জন্য আসামীকে যৌক্তিক সুযোগ না দিয়ে দণ্ড বাড়াবেন না এবং কারণ দর্শাবার সময় আসামী তার খালাস প্রাপ্তি বা দণ্ড কমানোর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 417A: Appeal against inadequacy of sentence:
(1) The Government may, in any case of conviction on a trial held by any court, direct the Public Prosecutor to present an appeal to the High Court Division against the sentence on the ground of its inadequacy.
(2) A complainant may, in any case of conviction on a trial held by any Court, present an appeal to the Appellate Court against the sentence on the ground of its inadequacy:
Provided that no appeal under this sub-section shall be entertained by the Appellate Court after the expiry of sixty days from the date of conviction.
(3) When an appeal has been filed against the sentence on the ground of its inadequacy, the Appellate Court shall not enhance the sentence except after giving to the accused a reasonable opportunity of showing cause against such enhancement and while showing cause, the accused may plead for his acquittal or for the reduction of the sentence.
৯৭২.
কোন আদালত যেকোন ব্যক্তির জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. ক এবং খ
  4. যে আদালত জামিন দেয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামানত হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারেন।

ধারা ৪৯৮- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা
(১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।

Section 498- Power to direct admission to bail or reduction of bail-
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৯৭৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুইমাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।

RULINGS
(১) সকল নাগরিক ধর্মসভা করার অধিকার রাখে কিন্তু অন্যকে আঘাত করার বা বিচলিত করার অধিকার ধর্মসভার নামে কেউই পায় না। এরকম আংশকা হলে এ ধারার প্রয়োগ সিদ্ধ। [PLD 1956 FC 190]

(২) যখন পরিস্থিতি গুরুতর হয় এবং আশু ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজনীয় হয় কেবলমাত্র তখনই ম্যাজিষ্ট্রেট এই ধারায় আদেশ জারি করতে পারেন।
৯৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি কত দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৪৫ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা জারি ২ মাস বা ৬০  দিন পর্যন্ত বলবৎ থাকতে পারে। 

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান (১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।
(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।
(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।
(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।
(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুইমাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
৯৭৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ধারা ৪৪২
  2. ধারা ৪৪২ক
  3. ধারা ৪৪৩
  4. ধারা ৪৪৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৪২ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারি হওয়ার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision: 
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৯৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহারের জন্য কার অনুমতি নিতে হবে?
  1. সরকার
  2. আদালত
  3. পুলিশ সুপার
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৪ অনুযায়ী, পাবলিক প্রসিকিউটর (Public Prosecutor) যদি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করতে চান, তাহলে তিনি আদালতের অনুমতি নিতে বাধ্য।
 ধারা ৪৯৪ এর ভাষ্য অনুযায়ী: "Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution..."
অর্থাৎ, রায় ঘোষণার পূর্বে পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের অনুমতি নিয়ে যেকোনো এক বা একাধিক অভিযোগের ক্ষেত্রে বা সম্পূর্ণভাবে মামলা থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারার বিধান: মামলা প্রত্যাহারের ফল:-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৯৭৭.
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড দিতে পারেন?
  1. ১০ লাখ টাকা
  2. ৫ লাখ টাকা
  3. ৩ লাখ টাকা
  4. ২ লাখ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ টাকা
ব্যাখ্যা

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধান-ম্যাজিস্ট্রেট আদালত যে শাস্তি দিতে পারে:

(ক) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
সশ্রম কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৫ বছর।
অর্থদণ্ড: সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা।

(খ) দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
সশ্রম কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ৩ বছর, এর মধ্যে আইন অনুযায়ী একাকী বন্দি করা অন্তর্ভুক্ত।
অর্থদণ্ড: সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা।

(গ) তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট:
সশ্রম কারাদণ্ড: সর্বোচ্চ ২ বছর।
অর্থদণ্ড: সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা।

৯৭৮.
'A' একজন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করলেন, কিন্তু উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের মামলাটি আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই। এক্ষেত্রে, ম্যাজিস্ট্রেট কী করবেন?
  1. 'A' কে লিখিত নালিশ দিতে বলবেন
  2. নালিশের বিষয়ে তদন্ত শুরু করবেন
  3. 'A' কে উপযুক্ত আদালতে পাঠাবেন
  4. নালিশটি দাখিলের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেবেন
সঠিক উত্তর:
'A' কে উপযুক্ত আদালতে পাঠাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'A' কে উপযুক্ত আদালতে পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১- এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।

লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।

মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
৯৭৯.
'without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate' - এই সংজ্ঞাটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩ ধারায়
  2. ৪ক ধারায়
  3. ৬ ধারায়
  4. ৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ক ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা আছে যে-

'Without any qualifying word, a Magistrate shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate.'

অর্থাৎ কোন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ করবে এবং সহকারী দায়রা জজ বলতে যুগ্ম দায়রা জজকে নির্দেশ করবে।
৯৮০.
প্রতিটি মেট্রোপলিটন এলাকায় সর্বোচ্চ ফৌজদারি আদালত কোনটি?
  1. দায়রা আদালত
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মহানগর দায়রা আদালত
  4. চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
মহানগর দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানগর দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
• প্রতিটি জেলায় সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত হলো দায়রা আদালত এবং দায়রা আদালতের বিচারক হলো দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ। অন্যদিকে, মহানগর এলাকায় মহানগর দায়রা আদালত হলো সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত এবং মহানগর দায়রা জজ হলো বিচারক।
 
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধানঃ নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণঃ

(১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন ।

(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।

(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন ।

(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।
৯৮১.
অজামিনযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারাবলে আসামির কোন অবস্থাটি বিবেচনায় আদালত জামিন দিতে পারে?
  1. আর্থিক অভাব
  2. শিক্ষাগত যোগ্যতা
  3. নিকটাত্মীয়ের অসুস্থতা
  4. শারীরিক অক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
শারীরিক অক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শারীরিক অক্ষমতা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারায় জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান রয়েছে। জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের বিধান সমূহ নিম্নরূপ-
♦ জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আসামী ১৬ বৎসরের নিম্ন বয়স্ক বা স্ত্রীলোক বা পীড়িত বা অক্ষম হলে অথবা আদালত উপযুক্ত মনে করলে জামিন দিতে পারেন (May be released on bail)। এক্ষেত্রে জামিন দেওয়া আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা (Discretionary Power)।
♦অভিযুক্ত আসামি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে দোষী হতে পারে বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারন থাকলে, আদালত উক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করবেনা।
♦ অর্থাৎ মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে জামিনে মুক্তি পেতে পারে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি i) ১৬ বছরের কম (any person under the age of sixteen years), ii) স্ত্রীলোক (any woman) অথবা, iii) অসুস্থ বা অক্ষম (any sick or infirm person ) হয়
৯৮২.
ফৌজদারি আদালত সাক্ষী বা অভিযোগকারীর সুরক্ষা নিশ্চিত করার আদেশ দিতে পারে-
  1. কেবল আবেদনের ভিত্তিতে
  2. কেবল হাইকোর্টের নির্দেশে
  3. কেবল স্বপ্রণোদিত হয়ে
  4. স্বপ্রণোদিত হয়ে বা আবেদনের ভিত্তিতে
সঠিক উত্তর:
স্বপ্রণোদিত হয়ে বা আবেদনের ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বপ্রণোদিত হয়ে বা আবেদনের ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা

Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৫৪৪: "অভিযোগকারী, সাক্ষী এবং ভুক্তভোগীদের ব্যয় এবং সুরক্ষা" (Expenses and protection of complainants, witnesses and victims):
(১) সরকার কর্তৃক প্রণীত যে কোনো আদেশ সাপেক্ষে, যে কোনো ফৌজদারি আদালত, যদি উপযুক্ত মনে করে, এই কোডের অধীনে তার সামনে কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্যান্য কার্যধারার উদ্দেশ্যে উপস্থিত কোনো অভিযোগকারী বা সাক্ষীর যুক্তিসঙ্গত ব্যয় সরকার কর্তৃক পরিশোধ করার আদেশ দিতে পারে।

(২) যে কোনো আদালত, সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তির আবেদনের ভিত্তিতে বা স্বপ্রণোদিত হয়ে, একটি ফৌজদারি কার্যধারার যে কোনো পর্যায়ে, কোনো তথ্য প্রদানকারী, অভিযোগকারী, ভুক্তভোগী বা সাক্ষীর সুরক্ষা বা নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে বা পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারেন।

৯৮৩.
The Code of Criminal Procedure,1898 এর কোন ধারায় নালিশের দরখাস্ত প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করেন?
  1. ২০৩
  2. ২০৪
  3. ২০১
  4. ২০০
সঠিক উত্তর:
২০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী মামলা দায়ের করার জন্য অপরাধ আমলে নেওয়ার এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে অপরাধ আমলে নিতে ম্যাজিস্ট্রেট কি পদ্ধতি অনুসরণ করবে সেটাই ২০০ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে। নালিশ গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রথম দায়িত্ব হলো নালিশকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করা। ২০০ বিধান অনুযায়ী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীর জবানবন্দি নিতে বাধা ।

• ২০০ ধারার বিধান করা হয়েছে,নালিশের ভিত্তিতে অপরাধ আমলে নিচ্ছে এমন ম্যাজিস্ট্রেট অবিলম্বে বা তাৎক্ষণিকভাবে-

১. নালিশকারীকে বা
২. উপস্থিত সাক্ষীগণের (যদি থাকে) মধ্যে যে কয়জনকে উপযুক্ত মনে করে তাদের শপথপূর্বক জবানবন্দি গ্রহণ করবে এবং জবানবন্দির সারমর্ম লিখিত আকারে লিপিবদ্ধ করবেন।নালিশকারী বা যে সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি এবং ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্ত জবানবন্দির সারমর্মে স্বাক্ষর করবেন।

• যে ক্ষেত্রে জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই-

ক. যেক্ষেত্রে লিখিত আকারে নালিশ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে ১৯২ ধারার অধীন মামলা স্থানান্তর করার পূর্বে নালিশকারী বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ বা পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই;

খ. যে মামলায় আদালত লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করে;

গ. সরকারী কর্মকর্তা তার অফিসিয়াল দায়িত্ব পালনে লিখিত আকারে নালিশী দরখাস্ত দায়ের করে সেই ক্ষেত্রেও নালিশকারীর বা উপস্থিত সাক্ষীর (যদি থাকে) জবানবন্দি গ্রহণ করার প্রয়োজন নেই।
৯৮৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে চিকিৎসককে সাক্ষী হিসেবে তলব না করেই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যাবে?
  1. যখন চিকিৎসক সাক্ষ্য দিতে অক্ষম
  2. যখন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক মারা গেছেন
  3. যখন চিকিৎসক বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করছেন
  4. উপরিউক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরিউক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরিউক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক অনুযায়ী নিম্নলিখিত যেকোনো পরিস্থিতিতে চিকিৎসককে সাক্ষ্য দিতে তলব না করেও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে—
- ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক মারা গেলে, অথবা
- তিনি সাক্ষ্য দিতে অক্ষম হলে, অথবা
- তিনি বাংলাদেশের বাইরে অবস্থান করলে, এবং
- তাকে হাজির করা অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা সৃষ্টি করলে।
যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত প্রতিটি শর্তই (ক, খ ও গ) ধারা ৫০৯ক-এ উল্লিখিত শর্তের অন্তর্ভুক্ত, এবং শর্তগুলো যেকোনো একটি পৃথকভাবে প্রযোজ্য হতে পারে, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) উপরিউক্ত সবগুলো।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.

৯৮৫.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারা মতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশি আটক রাখা যায় না?
  1. ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১ ধারায়
  2. ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারায়
  3. ফৌজদারী কার্যবিধির ৬৭ ধারায়
  4. ফৌজদারী কার্যবিধির ৬২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারায়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারামতে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের স্থান থেকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যাওয়ার সময় বাদ দিয়ে পুলিশ হেফাজতে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না।
♦ তদন্তকার্য ২৪ ঘন্টার মধ্যে সম্পন্ন করা না গেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট অগ্রবর্তী বা প্রেরণ করতে হবে।

♦ বিনা গ্রেফতারী  পরোয়ানা (Arrest Without Warrant)আটককৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এবং গ্রেফতারী পরোয়ানা অনুযায়ী আটককৃত ব্যক্তিকে অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়া আদালতে হাজির করতে হবে।

---------------------------------------
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারার বিধান গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না: কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়া ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।

♦ Section 61. Person arrested not to be detained more than twenty-four hours: No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.
৯৮৬.
যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না, সেসব কার্যক্রমের উল্লেখ ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ধারা ৫৩১
  2. ধারা ৫৩০
  3. ধারা ৫২৯
  4. ধারা ৫৩৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৯
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৯- যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না: যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা-

(ক) ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন;
(খ) কোন অপরাধের তদন্ত করার জন্য ধারা-১৫৫ এর অধীন পুলিশকে আদেশ দেন;
(গ) ধারা-১৭৬ এর অধীন ইনকোয়ারী করেন;
(ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন;
(ঙ) ধারা-১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অনুচ্ছেদ-(ক) এর অধীন কোন অপরাধ আমলে নেন;
(চ) ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করেন;
(ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন;
(জ) ধারা-৫২৪ কিংবা ধারা-৫২৫ এর অধীন সম্পত্তি বিক্রয় করেন; কিংবা
(ঝ) ধারা-৫২৮ এর অধীন কোন মামলা তুলে নিজে উহার বিচার করেন,

তাহলে তিনি উক্তরুপে ক্ষমতাবান নয়, শুধু এ কারণে তাঁর কার্যক্রম বাতিল করা যাবে না।
৯৮৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৬৭ক অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত করার সময় ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. চার্জশিট তৈরির নির্দেশ দেয়া
  2. মামলা দায়েরের নির্দেশ দেয়া
  3. গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির জবানবন্দী পরীক্ষা করা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৬৭ক – গ্রেপ্তারের বিধান লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে প্রক্রিয়া:
যে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের সামনে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে উপস্থিত করা হয়, তার কর্তব্য হলো যাচাই করা যে গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তা গ্রেপ্তারের বিধানগুলি সঠিকভাবে অনুসরণ করেছেন কি না।

যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত দেখতে পান যে কোনো বিধান অবহেলাজনিতভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে বা পালন করা হয়নি, তাহলে তিনি/এটি লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রযোজ্য সেবা বিধি অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।

৯৮৮.
Under Section 152 of the CrPC, who has the authority to prevent injury to public property?
  1. Any citizen
  2. A Police-officer
  3. A Magistrate
  4. Session court
সঠিক উত্তর:
A Police-officer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A Police-officer
ব্যাখ্যা
Section 152: Prevention of injury to public property:
A police-officer may of his own authority interpose to prevent any injury attempted to be committed in his view to any public property, movable or immovable, or the removal or injury of any public landmark or buoy or other mark use for navigation.

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫২: সরকারী সম্পত্তির ক্ষতি নিবারণ:
কোন পুলিশ অফিসার তার নিজের কর্তৃত্ব বলে তার দৃষ্টিগোচরে কোন স্থাবর বা অস্থাবর সরকারী সম্পত্তির ক্ষতির প্রচেষ্টা অথবা কোন সরকারী চিহ্ন বা বয় (buoy) বা নৌ চলাচলের জন্য ব্যবহৃত অন্য কোন সরকারী চিহ্ন অপসারণের বা ক্ষতির চেষ্টা রোধ করার জন্য হস্তক্ষেপ করতে পারবেন।
৯৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায়, কোন অবস্থায় পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে?
  1. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে
  2. পলাতক আসামি আদালতে উপস্থিত হলে
  3. যিনি সন্দেহভাজন যেকোনো অপরাধের সাথে জড়িত
  4. যিনি মুক্তি পেয়েছেন এবং আদালত তার বিরুদ্ধে নতুন মামলা চালু করেছে
সঠিক উত্তর:
সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ ৯টি ক্ষেত্রে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে-
 ⇒ কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে;
⇒ ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে;
⇒ অপরাধী ঘোষিত হলে;
⇒ চোরাই মাল পাওয়া গেলে;
⇒ পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে;
⇒ সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে;
 ⇒ বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে;
⇒ মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে;
⇒ যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে।
৯৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কে গ্রাম প্রধান নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. সরকার
  2. দায়রা জজ
  3. জেলা জজ
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারি কার্যবিধি ৪৫ ধারার বিধান: গ্রাম প্রধান, হিসাব রক্ষক, জোতদার এবং অপরাপর ব্যক্তিগণ কতিপয় বিষয়ে খবর প্রদানে বাধ্য।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ৪৫(৩) ধারা মতে এই ধারার উদ্দেশ্যে কতিপয় ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রাম প্রধান নিয়োগ: সরকার কর্তৃক এতদ উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধিমালার অধীনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্য কোন আইনের বিধান অনুসারে কোন গ্রামের জন্য গ্রাম প্রধান নিযুক্ত হোক বা না হোক, সময়ে সময়ে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে তার বা তাদের সম্মতি নিয়ে এই ধারার বিধান অনুসারে উক্ত গ্রামে গ্রাম প্রধানের কর্তব্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে নিযুক্ত করতে পারবেন।

-----------------------
♦ Section 45(3) Appointment of village-headman by District Magistrate in certain cases for purposes of this section: Subject to rules in this behalf to be made by the Government, the District Magistrate may from time to time appoint one or more persons with his or their consent to perform the duties of a village- headman under this section whether a village-headman has or has not been appointed for that village under any other law.
৯৯১.
এক ফৌজদারি মামলায় 'A' বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়। উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল চলাকালীন 'A' মারা যায়। এক্ষেত্রে উক্ত আপিল-
  1. পণ্ড হবে
  2. বাতিল হবে
  3. বাতিল হবে না
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল হবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে-
৪১৭ ধারা ও ৪১৭ক ধারা অধীন প্রত্যেকটি আপিলে আসামীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড হয়ে যাবে এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ব্যতিত) আপিলকারীর মৃত্যু হলে চূড়ান্তভাবে পণ্ড বা আপিল Abatement হয়ে যাবে। 
 
অর্থাৎ জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপিলকারী মারা গেলেও আপিল বাতিল হবে না, তখন আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে এবং আসামীর সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।
 
Section 431- Abatement of appeals-
Every appeal under section 417 or section 417A shall finally abate on the death of the accused, and every other appeal under this Chapter
(except an appeal from a sentence of fine) shall finally abate on the death of the appellant.
৯৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারা অনুযায়ী, ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য কত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ক্রোকী সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের সময়সীমা- ৮৯ ধারামতে যার সম্পত্তি ক্রোক হয়েছে সেই ব্যক্তি ক্রোকের তারিখ থেকে ২ বৎসরের মধ্যে অথবা উক্ত ব্যক্তি ব্যতীত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্য কোন ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন করতে পারে।
- পলাতক ব্যক্তি হুলিয়াতে নির্দেশিত সময়ের মধ্যে হাজির হলে অথবা সম্পত্তি ক্রোকের দিন থেকে ২ বছরের মধ্যে হাজির হয়ে যদি আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে,
ⅰ) পলাতক ব্যক্তি হুলিয়া বিষয়ে অবগত ছিল না অথবা
ii) সে হুলিয়া এড়ানোর জন্য আত্মগোপনে বা পলাতক ছিল না;
তাহলে আদালত ক্রোককৃত সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ থেকে ক্রোক ব্যয় বাদ দিয়ে অবশিষ্ট অর্থ ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিককে প্রদানের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার :
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে, সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নিট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 89.Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the net proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the net proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying there out all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
৯৯৩.
মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেন কে?
  1. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ কমিশনার
  4. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৪৪(৭) ধারার বিধান মহানগর এলাকার জন্য প্রযোজ্য নয় অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করতে পারেন না কিন্তু মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনারকে ১৪৪ ধারা জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

- আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-
i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা;
ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংক;
iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা;
iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা;  এবং
v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে।  
-১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে।‌
- ১৪৪ (৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন।‌
৯৯৪.
ফৌজদারি মামলার সমনে কার স্বাক্ষর থাকা আবশ্যক?
  1. অভিযোগকারীর
  2. সমন প্রাপ্ত ব্যক্তির
  3. পুলিশ অফিসারের
  4. আদালতের বিচারকের
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিচারকের
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৮ ধারা- সমনের ফরম: 
(১) কোন আদালত কর্তৃক এই কার্যবিধির বিধান অনুসারে প্রদত্ত প্রত্যেকটি সমন লিখিতভাবে ও দুই কপিতে দিতে হবে এবং উক্ত আদালতের বিচারক বা সুপ্রীম কোর্ট কর্তৃক সময়ে সময়ে প্রণীত বিধি কর্তৃক নির্দেশিত অন্য কোন অফিসার দ্বারা স্বাক্ষরিত ও সীলমোহরকৃত হবে
 
(২) সমন জারিকারক: এরূপ সমন কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক অথবা এতদ্দুদ্দেশ্যে সরকার দ্বারা প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কোন অফিসার কর্তৃক অথবা কোন সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী হবে।

The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 68- Form of summons:
(1) Every summons issued by a Court under this Code shall be in writing in duplicate, signed and sealed by the presiding officer of such Court, or by such other officer as the Supreme Court may, from time to time, by rule, direct.

Summons by whom served:
(2) Such summons shall be served by a police-officer, or subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, by an officer of the Court issuing it or other public servant.

৯৯৫.
'Subordination of Executive, Judicial and Metropolitan Magistrates'- এটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ১১ ধারা
  2. ১২ ধারা
  3. ১৬ ধারা
  4. ১৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ধারা
ব্যাখ্যা
Section 17- Subordination of Executive,Judicial and Metropolitan Magistrates:
(1) All Executive Magistrate appointed under section 10 and 12 (1) shall be subordinate to the District Magistrate who, from time to time, give special order consistent with this Code as to the distribution of business among such Magistrates.

(2) All Judicial Magistrates appointed under section 11 and 12 (3) and all Benches constituted under section 15 shall be subordinate to the Chief Judicial Magistrate who may, from time to time give special orders consistent with this Code and rules made by the Government under section 16 as to the distribution of business among Magistrates and Benches.

(3) All Metropolitan Magistrates including Additional Chief Metropolitan Magistrate, and Special Metropolitan Magistrate appointed under section 12 (5) and Benches constituted under section 19, shall be subordinate to the chief Metropolitan Magistrate, who may, from time to time, give special orders consistent with this Code and rules made by the Government under section 16 as to the distribution of business among such Magistrates and Benches.

(4) All Judicial Magistrates including the Chief Judicial Magistrate shall be subordinate to the Sessions Judge and all Metropolitan Magistrates including the Chief Metropolitan Magistrate shall be subordinate to the Metropolitan Sessions Judge.

বাংলা অর্থ:
(১) ধারা ১০ এবং ১২(১) এর অধীনে নিযুক্ত সকল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন থাকবেন, যিনি সময় সময় এই কোডের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন এমন ম্যাজিস্ট্রেটদের মধ্যে কাজের বন্টন সম্পর্কে।

(২) ধারা ১১ এবং ১২(৩) এর অধীনে নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ধারা ১৫ এর অধীনে গঠিত সকল বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন থাকবেন, যিনি সময় সময় এই কোড এবং সরকার কর্তৃক ধারা ১৬ এর অধীনে প্রণীত বিধিমালার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন এমন ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চগুলির মধ্যে কাজের বন্টন সম্পর্কে।

(৩) ধারা ১২(৫) এর অধীনে নিযুক্ত সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সহ অতিরিক্ত প্রধান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং ধারা ১৯ এর অধীনে গঠিত বেঞ্চসমূহ প্রধান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন থাকবে, যিনি সময় সময় এই কোড এবং সরকার কর্তৃক ধারা ১৬ এর অধীনে প্রণীত বিধিমালার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ দিতে পারবেন এমন ম্যাজিস্ট্রেট ও বেঞ্চগুলির মধ্যে কাজের বন্টন সম্পর্কে।

(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেশন জজের অধীন থাকবেন এবং প্রধান মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন সেশন জজের অধীন থাকবেন।
৯৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় নালিশ খারিজ করতে ম্যাজিস্ট্রেট বিবেচনা করবেন না-
  1. ২০০ ধারার অধীন নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য
  2. ২০২ ধারার অধীন তদন্ত বা অনুসন্ধানের ফলাফল
  3. ১৯২ ধারার অধীন নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
১৯২ ধারার অধীন নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২ ধারার অধীন নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২০৩ ধারায় একজন ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজ করে দিতে পারেন। যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হয়েছিল বা যার নিকট নালিশটি বদলি করা হয়েছিল, শুধুমাত্র সেই ম্যাজিস্ট্রেট ২০৩ ধারায় নালিশ খারিজ করতে পারে্ন।

• নালিশ খারিজ করতে ম্যাজিস্ট্রেট যে সকল বিষয় বিবেচনা করবেন-

ক) ২০০ ধারার অধীন নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য (যদি থাকে) এবং

খ) ২০২ ধারার অধীন তদন্ত বা অনুসন্ধানের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনা করবেন

• নালিশকারীর শপথপূর্বক বক্তব্য (যদি থাকে) এবং ২০২ ধারার অধীন তদন্ত বা অনুসন্ধানের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনা করার পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করে যে, মামলা পরিচালনা বা অগ্রসর হওয়ার কোন কারণ নেই, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশ খারিজ করতে পারেন।
৯৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারায় ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে, উক্ত সম্পত্তির মালিক কর্তৃক কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৬ মাসের মধ্যে
  2. ১ বছরের মধ্যে
  3. ২ বছরের মধ্যে
  4. ৩ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
২ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারঃ

যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে,
সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
৯৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় 'জামিনদারের অব্যাহতি' আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৫০১
  2. ৫০২
  3. ৫০৩
  4. ৫০৫
সঠিক উত্তর:
৫০২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি: জামিনদার যেকোন সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামীকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামী আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরন করবেন।
-------------------------------
CrPC-Section 502: Discharge of sureties:-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants. 
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him. 
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৯৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারায় কীসের সর্বোচ্চ মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. একাধিক বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
  2. একই বিচারে কতিপয় অপরাধে একাধিক দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
  3. একাধিক বিচারে একই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
  4. একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
সঠিক উত্তর:
একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির দণ্ড
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শাস্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।
 
(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদালতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
 
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
১,০০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১(১) অনুযায়ী কোন কর্তৃপক্ষ কারাবাসের স্থান নির্ধারণ করতে পারে?
  1. সরকার
  2. আদালত
  3. পুলিশ সুপার
  4. জেল সুপারিনটেনডেন্ট
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১(১) অনুযায়ী, যদি বর্তমানে কার্যরত কোনো আইনে ভিন্নরূপ কিছু না বলা থাকে, তাহলে "সরকার" এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোন স্থানে আটক রাখা হবে, সে বিষয়ে নির্দেশ প্রদান করার অধিকার রাখে। এটি সরকারের নির্বাহী ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত এবং কারা ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ - কারাবাসের স্থান নির্ণয়ের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী অথবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তন:
এই বিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতে রাখার আদেশপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি যদি দেওয়ানী জেলে আটক থাকেন, তবে যিনি তার কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশ দিয়েছেন সেই আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারেন যে, তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত করা হবে।
(৩) কোন ব্যক্তি (২) উপধারার অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা হতে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না
ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে দেওয়ানী জেল হতে অব্যাহতি পেয়েছে বলে গণ্য করতে হবে, অথবা
খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়াছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে অব্যাতি পাবার অধিকারী।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 541.Power to appoint place of imprisonment:
(1) Unless when otherwise provided by any law for the time being in force, the Government may direct in what place any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code shall be confined.
Removal to criminal jail of accused or convicted persons who are in confinement in civil jail, and their return to the civil jail:
(2) If any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code is in confinement in a civil jail, the Court or Magistrate ordering the imprisonment or committal may direct that the person be removed to a criminal jail. 
(3) When a person is removed to a criminal jail under sub-section (2), he shall, on being released therefrom, be sent back to the civil jail, unless either– 
(a) three years have lapsed since he was removed to the criminal jail, in which case he shall be deemed to have been discharged from the civil jail under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908; or
(b) the Court which ordered his imprisonment in the civil jail has certified to the officer in charge of the criminal jail that he is entitled to be discharged under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908.