বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা / ২৯ · ৮০১৯০০ / ২,৮৮৩

৮০১.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে জেলা পর্যায়ে কয় ধরণের বিচারিক আদালতের কথা বলা আছে?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
সঠিক উত্তর:
৪ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ধরণের
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬ ধারার ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগ: (১) সুপ্রীম কোর্ট এবং উক্ত কোড ভিন্ন সাময়িকভাবে বলবৎ অপর কোন আইনবলে প্রতিষ্ঠিত আদালতসমূহ ব্যতীত, বাংলাদেশে দুই প্রকারের ফৌজদারী আদালত প্রতিষ্ঠিত হবে; যথা:

(i) দায়রা আদালত; এবং
(ii) ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালত।

(২) দুই প্রকারের ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে; যথাঃ (i) বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট; এবং (ii) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

(৩) চার প্রকারের বিচার বিভাগীয় (জুডিশিয়াল) ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন; যথাঃ

(i) মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, মহানগর এলাকায় এবং মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য এলাকায়;

(ii) মহানগর এলাকায় স্থিত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট মর্মে আখ্যায়িত হবে;

(iii) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট:

(iv) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট।

ব্যাখ্যাঃ এই উপধারার উদ্দেশ্যে, চীফ মোট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" শব্দ দুটিকে যথাক্রমে "অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট" এবং "অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট" বুঝাবে।

-------------------------------------------------
♦ Classes of Criminal Courts
Section 6.(1) Besides the Supreme Court and the Courts constituted under any law for the time being in force, other than this Code, there shall be two classes of Criminal Courts in Bangladesh, namely:- 
(a) Courts of Sessions ; and 
(b) Courts of Magistrates. 
 
(2) There shall be two classes of Magistrate, namely: - 
(a) Judicial Magistrate; and 
(b) Executive Magistrate. 
 
(3) There shall be four classes of judicial Magistrate, namely: - 
(a) Chief Metropolitan Magistrate in Metropolitan Area and Chief judicial Magistrate to other areas; 
(b) Magistrate of the first class, who shall in Metropolitan area, be known as Metropolitan Magistrate; 
(c) Magistrate of the second class; and 
(d) Magistrate of the third class. 
 
Explanation: For the purpose of this sub-section, the word "Chief Metropolitan Magistrate" and "Chief judicial Magistrate" shall include "Additional Chief Metropolitan Magistrate" and "Additional Chief judicial Magistrate" respectively.
৮০২.
ম্যাজিস্ট্রেট কখন ১৪৪ ধারার অধীনে প্রদত্ত আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন?
  1. স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে
  2. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে
  3. শুধুমাত্র উচ্চ আদালতের আদেশে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ (৪) ধারামতে,
যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

Section 144 (4)-
Any Magistrate may, either on his own motion or on the application of any person aggrieved, rescind or alter any order made under this section by himself or any Magistrate subordinate to him, or by his predecessor in office.
৮০৩.
স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ অভিযোগে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মামলা আমলে নেবে?
  1. দায়রা জজ
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ ধারা: স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।

(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।
৮০৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৩৪(১) অনুযায়ী, আদেশটি প্রথমে কীভাবে জারি করা হবে?
  1. পুলিশের মাধ্যমে মৌখিকভাবে
  2. সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে
  3. আদালতের নোটিশ বোর্ডে টানিয়ে
  4. সমন জারির পদ্ধতিতে ব্যক্তিগতভাবে
সঠিক উত্তর:
সমন জারির পদ্ধতিতে ব্যক্তিগতভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমন জারির পদ্ধতিতে ব্যক্তিগতভাবে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৩৪(১) অনুসারে, আদেশটি প্রথমে প্রয়োজনে সমন জারির পদ্ধতিতে (in manner herein provided for service of a summons) সরাসরি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে জারি করতে হবে। অর্থাৎ, আদেশটি সমন দেওয়ার বিধান অনুসারে তার কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে হবে। এটি আদেশ জারির প্রাথমিক পদ্ধতি।
যদি এভাবে পরিবেশন করা সম্ভব না হয়, তাহলে ধারা ১৩৪(২) অনুসারে প্রচারের মাধ্যমে (proclamation) এবং উপযুক্ত স্থানে কপি টাঙিয়ে জানানো হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 134. Service or notification of order:
(1) The order shall, if practicable, be served on the person against whom it is made, in manner herein provided for service of a summons. 
(2) If such order cannot be so served, it shall be notified by proclamation, published in such manner as the Government may by rule direct, and a copy thereof shall be stuck up at such place or places as may be fittest for conveying the information to such person.

৮০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার ব্যাখ্যায় 'Reasonable cause for remand' এর বিধান রয়েছে?
  1. ১৬৭
  2. ২০০
  3. ৩৪৪
  4. ৩৬৪
সঠিক উত্তর:
৩৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৪
ব্যাখ্যা
Section 344- Power to postpone or adjourn proceedings:
(1) If, from the absence of a witness, or any other reasonable cause, it becomes necessary or advisable to postpone the commencement of, or adjourn any inquiry or trial, the Court may, if it thinks fit, by order in writing, stating the reasons therefor, from time to time, postpone or adjourn the same on such terms as it thinks fit, for such time as it considers reasonable, and may by a warrant remand the accused if in custody:

Remand: Provided that no Magistrate shall remand an accused person to custody under this section for a term exceeding fifteen days at a time.

(2) Every order made under this section by a Court other than High Court Division shall be in writing signed by the presiding Judge or Magistrate.

Explanation: Reasonable cause for remand.-If sufficient evidence has been obtained to raise a suspicion that the accused may have committed an offence, and it appears likely that further evidence may be obtained by a remand, this is a reasonable cause for a remand.

ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:

(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৮০৬.
What action can the Court take if it is found that insufficient sureties have been accepted?
  1. Fine the person released on bail
  2. Cancel the bail without issuing any warrant
  3. Ignore the matter and proceed with the case
  4. Issue a warrant of arrest for the person released on bail
সঠিক উত্তর:
Issue a warrant of arrest for the person released on bail
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Issue a warrant of arrest for the person released on bail
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-501: Power to order sufficient bail when that first taken is insufficient: 
-If, through mistake, fraud or otherwise, insufficient sureties have been accepted, or if they afterwards become insufficient, the Court may issue a warrant of arrest directing that the person released on bail be brought before it and may order him to find sufficient sureties, and, on his failing so to do, may commit him to jail.
--------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০১ ধারার বিধান:- প্রথম জামিনদার অপর্যাপ্ত হলে পর্যাপ্ত জামিনদার গ্রহণের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা:
- ভুল বশত, প্রবঞ্চনাবশতঃ বা অন্য কোনভাবে অপর্যাপ্ত জামিনদার গ্রহণ করা হলে, বা তারা পরে অপর্যাপ্ত হয়ে পড়লে জামিনে মুক্ত ব্যক্তিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে আদালত গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারবেন এবং পর্যাপ্ত জামিনদার সংগ্রহের আদেশ প্রদান করতে এবং সংগ্রহ করতে না পারলে তাকে হাজতে প্রেরণের আদেশ দিতে পারবেন। 
৮০৭.
তল্লাশী পরওয়ানা কোন ধারার বিধান অনুসারে ইস্যু করা হয়?
  1. ১০৩
  2. ৯৫
  3. ৯৬
  4. ৯৭
সঠিক উত্তর:
৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৬
ব্যাখ্যা
♦ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করা হয় ফৌজদারি কার্যবিধি-এর ৯৬ ধারা মোতাবেক। ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত মূলত দলিল বা অন্যান দ্রবাদি হাজির করার জন্য তল্লাশি পরোয়ানা জারি করে থাকেন ।

♦ আদালত ৩ টি কারণে তল্লাশি পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন । যথা-

১. কোন ব্যক্তি কোন দলিল বা বস্তু হাজির করতে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও উক্ত দলিল বা বস্তু আদালতে হাজির করবে না বলে আদালত বিশ্বাস করলে;

২. উক্ত দলিল বা বস্তু কার দখলে আছে তা আদালতের জানা না থাকলে; এবং

৩. অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্যে।
৮০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কোন ধরনের সম্পত্তি বিক্রি করার আদেশ দিতে পারেন?
  1. ক্রোককৃত সম্পত্তি
  2. আটককৃত চোরাই মাল
  3. অভিযুক্তের দখলাধীন
  4. সংশ্লিষ্ট অপরাধে ব্যবহৃত
সঠিক উত্তর:
আটককৃত চোরাই মাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটককৃত চোরাই মাল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী-
আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।
-----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.
৮০৯.
একটি অপরাধ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তা জানা যাবে-
  1. সিডিউল ২ কলাম ৩ থেকে
  2. সিডিউল ২ কলাম ৫ থেকে
  3. সিডিউল ২ কলাম ৮ থেকে
  4. সিডিউল ২ কলাম ৪ থেকে
সঠিক উত্তর:
সিডিউল ২ কলাম ৮ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিডিউল ২ কলাম ৮ থেকে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির সিডিউল-২ এর ৮ নং কলামে অপরাধ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য তা উল্লেখ আছে। 
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন, ১৮৯৮ সনের ২২ শে মার্চ প্রকাশিত হয় এবং ১৮৯৮ সনের ১লা জুলাই হইতে কার্যকর হয়। ফৌজদারি কার্যবিধি তে ৫৬৫ টি ধারা আছে, তফসিল ৫ টি। সিডিউল-২ এর ৮টি কলাম আছে। 
৮১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় অপরাধের আপস করা যেতে পারে-
  1. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  2. আদালতের অনুমতি নিয়ে
  3. সকল ক্ষেত্রে অনুমতি নেয়া বাধ্যতামূলক
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 

৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।

• দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।

• ৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে ।

• প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
৮১১.
ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী কয়টি ক্ষেত্রে পুলিশ আদালতের গ্রেফতারি পরওয়ানা ব্যতীত কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে?
  1. ৯টি ক্ষেত্রে
  2. ৮টি ক্ষেত্রে
  3. ৫টি ক্ষেত্রে
  4. ১১টি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
৯টি ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ৯ টি ক্ষেত্রে বিনা পরওয়ানায় গ্রেফতারের বিধান আছে।

♦ পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-

১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)

২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )

৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)

৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )

৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)

৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)

৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)

৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )

৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
৮১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার ক্ষমতা কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায়?
  1. অবৈধ দখল সম্পর্কিত বিরোধ
  2. জমি বা জলাশয়ের সীমানা নিয়ে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা
  3. একত্রিত জমি বা জলাশয়ের মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধ
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ স্থাবর সম্পত্তি অর্থাৎ জমি বা জলাশয় বা তার সীমানা নিয়ে বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দিলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন আদেশ প্রদান করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায়।
⇒ ১৪৫ ধারার আদেশ দ্বারা প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, যার মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।
⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।

• ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা:
(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিস্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ রিপোর্ট বা অন্য কোনোভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ স্পষ্ট হওয়ার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কুলির মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হওয়ার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবি সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।
--------------
Section 145: Procedure where dispute concerning land, etc., is likely to cause breach of peace:
(1) Whenever a District Magistrate, or an Executive Magistrate specially empowered by the Government in this behalf] is satisfied from a police report or other information that a dispute likely to cause a breach of the peace exists concerning any land or water of the boundaries thereof, within the local limits of his jurisdiction, he shall make an order in writing, stating the grounds of his being so satisfied, and requiring the parties concerned in such dispute to attend his Court in person or by pleader, within a time to be fixed by such Magistrate, and to put in written statements of their respective claims as respects the fact of actual possession of the subject of dispute.
৮১৩.
গ্রেফতার করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত _________ কে জনসাধারণ যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য করতে বাধ্য।
  1. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ অফিসার
  4. উল্লেখিত সকলকে
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকলকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকলকে
ব্যাখ্যা
• ধারাঃ ৪২- জনসাধারণ যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশকে সাহায্য করবেন (Public when to assist):

কোন ম্যাজিস্ট্রেট (জুডিসিয়াল বা নির্বাহী) অথবা পুলিশ অফিসার যুক্তিসংগতভাবে সাহায্য চাইলে প্রত্যেকটি লোক তাকে সাহায্য করতে বাধ্য থাকবেন।
ক. উক্ত জুডিসিয়াল বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার যে লোককে গ্রেফতার করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েছেন, সে লোককে গ্রেফতার করতে অথবা তার পলায়ন প্রতিরোধ করতে;
খ. শান্তিভঙ্গের আশংকা প্রতিরোধ অথবা শান্তিভঙ্গ দমন করতে অথবা রেলপথ, খাল, টেলিগ্রাফ অথবা সম্পত্তির প্রতি ক্ষতির প্রচেষ্টা প্রতিরোধের ব্যাপারে সাহায্য করতে বাধ্য।

Section 42: Public when to assist
Every person is bound to assist any Magistrate whether Judicial or Executive or police officer reasonably demanding his aid,- 
(a) in the taking or preventing the escape of any other person whom such Magistrate or police-officer is authorized to arrest; 
(b) in the prevention or suppression of a breach of the peace, or in the prevention of any injury attempted to be committed to any railway, canal, telegraph or public property.
৮১৪.
কোন আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (ADR) সংক্রান্ত বিধান নেই?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮
  3. পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫
  4. অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধি,১৮৯৮
ব্যাখ্যা
• আদালত বা সাধারণ আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আইনসিদ্ধ পদ্ধতি মেনে ও সহমত পোষণ করে বিকল্পভাবে পক্ষগণের বিরোধ বা সমস্যার নিষ্পত্তিকরণই বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, যাকে ইংরেজিতে Alternative Dispute Resolution (ADR) বলা হয়।

পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ তে মামলার বিচারের শুনানিপূর্ব (প্রি-কেস) পর্যায়ে আদালতের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আপস বা সমঝোতার মাধ্যমে পারিবারিক বিরোধ নিষ্পত্তি করার এমনকি বিচার শেষ হবার পরও রায় প্রদানের পূর্বে (পোস্ট-কেস) উক্ত প্রক্রিয়ায় মীমাংসাকরণের বিধান নিশ্চিত করা হয়েছে। এ অধ্যাদেশের ১০ ও ১৩ নম্বর ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির উল্লেখ আছে।

২০০৩ সালে মধ্যস্থতা ও সালিশের মাধ্যমে দেওয়ানি মোকদ্দমা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ এ  এই আইনে ৮৯(ক) ও ৮৯(খ) দুটি ধারা সংযোজিত হয়েছে এবং ২০১২ সালে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এরই সূত্র ধরে পরবর্তী সময়ে অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ তে বিধান ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিকল্পবিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
এছাড়াও শ্রমিক আইন, ২০০৬-এর ধারা-২১০ (১, ২, ৪, ৬, ১৬)-এ এই বিধান রাখা হয়েছে। অন্যদিকে ২০০০ সালের আইনগত সহায়তা আইনে ২০১৩ সালে ২১(ক) ধারা সংযোজন করে মধ্যস্থতার বিধান আনা হয়। সর্বোপরি ২০১৫ সালে আইনগত পরামর্শ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বিধিমালা প্রণয়নের মাধ্যমে একটি স্বতন্ত্র নীতি প্রণীত হয়, যার মাধ্যমে এর গুরুত্ব ফুটে ওঠে। 

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধিতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা ADR এর কোনো বিধান নেই। ৩৪৫ ধারায় যে আপস-সমঝোতার বিধান রয়েছে,তা আইনি প্রক্রিয়ার ই অন্তর্ভুক্ত।
৮১৫.
ফৌজদারী মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুসারে-
  1. পুনরায় সাক্ষীদের পরীক্ষা করবে
  2. আসামীদের পরীক্ষা করবে
  3. বাদী পক্ষদের পরীক্ষা করবে
  4. পুনরায় তদন্ত কর্মকর্তাকে পরীক্ষা করবে
সঠিক উত্তর:
আসামীদের পরীক্ষা করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামীদের পরীক্ষা করবে
ব্যাখ্যা
♦ প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্য শেষে ৩৪২ ধারার আদালত আসামীকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন; আসামী লিখিত বা মৌখিক বা উভয়ভাবে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও সরকার পক্ষের সাক্ষ্যের ব্যাখ্যা দিতে পারেন। এ ধারায় আসামীকে শপথ পড়ানো যাবে না এবং আসামী কোন ঘটনা অস্বীকার করলে বা মিথ্যা জবাব দিলেও এ মিথ্যা জবাবের জন্য দন্ডিত হবে না। উল্লেখ্য এ ধারায় আসামীকে প্রশ্ন করবেন শুধুমাত্র আদালত; বাদীপক্ষ কোন প্রশ্ন করতে পারবে না।
৮১৬.
According to The Code of Criminal Procedure,1898; "Complaint" means-
  1. allegation made orally to a Police officer
  2. allegation made in writing to a Executive Magistrate
  3. allegation made orally or in writing to a Judicial Magistrate
  4. all of above
সঠিক উত্তর:
allegation made orally or in writing to a Judicial Magistrate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
allegation made orally or in writing to a Judicial Magistrate
ব্যাখ্যা
নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(১) (জ) ধারায় নালিশ [Complaint] -কে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ৪(১) (জ) ধারায় বলা হয়েছে,

“ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক কোন ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ এই মর্মে দায়ের করা যে, জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে পুলিশ রিপোর্ট বা প্রতিবেদন অন্তর্ভুক্ত হবে না।”

"Complaint" means the allegation made orally or in writing to a Magistrate, with a view to his taking action under this Code, that some person whether known or unknown, has committed an offence, but it does not include the report of a police-officer:

• উপাদান:
- অভিযোগটি [Allegation] অবশ্যই ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে;
- জ্ঞাত বা অজ্ঞাত কোন ব্যক্তি কোনো অপরাধ করেছে অভিযোগটি সেই সম্পর্কিত হতে হবে;
- অভিযোগটি মৌখিক বা লিখিত আকারে হতে পারে।

• নালিশটি অবশ্যই জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট দায়ের করতে হবে। কারণ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪ক ধারায় বলা হয়েছে, ম্যাজিস্ট্রেট বলতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ বলে ধরতে হবে। সুতরাং নালিশ (Complaint) হলো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নিষ্পত্তির জন্য মৌখিক বা লিখিত আকারে দায়েরকৃত অভিযোগ।

• নালিশ (Complaint) বলতে পুলিশ রিপোর্ট [Police Report] অন্তর্ভুক্ত হবে না।
৮১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার অধীনে পুলিশ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত সুরতহাল রিপোর্ট কার কাছে প্রেরণ করতে হবে?
  1. প্রধান বিচারপতির কাছে
  2. দায়রা আদালতের কাছে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  4. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪(২) ধারার বিধান অনুসারে, পুলিশ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report) জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
⇒ ১৭৪(১) ধারার মতে:
যদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (O.C.) বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো পুলিশ কর্মকর্তা জানতে পারেন যে—
- কোনো ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে,
- কোনো প্রাণী বা যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় মারা গেছে,
- কোনো ব্যক্তি এমনভাবে মারা গেছে, যা থেকে সন্দেহ হয় যে অন্য কেউ অপরাধ করেছে—
তাহলে তিনি নিকটস্থ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন এবং স্থানীয় দুজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত পরিচালনা করবেন।
⇒ ১৭৪(২) ধারার বিধান:
এই তদন্ত শেষে পুলিশের দায়িত্ব সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করা এবং সেটি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো।

⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪(২) ধারা অনুযায়ী, পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবে।
৮১৮.
দায়রা আদালত অনধিক কত দিনের কারাদণ্ড প্রদান করলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না?
  1. অনধিক ১২ মাসের
  2. অনধিক ১ মাসের
  3. অনধিক ৬ মাসের
  4. অনধিক ৩ মাসের
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১ মাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১ মাসের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- আসামী দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে আসামীকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। 

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 

ফৌজদারী কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না, যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে আপিল করা যাবেনা।

[Notwithstanding anything hereinbefore contained, there shall be no appeal by a convicted person in cases in which a Court of Session passes a sentence of imprisonment not exceeding one month only, or in which a Court of Session or Chief Judicial Magistrate or Metropolitan Magistrate or other Magistrate of the first class passes a sentence of fine not exceeding fifty Taka only. 
Explanation- There is no appeal from a sentence of imprisonment passed by such Court or Magistrate in default of payment of fine when no substantive sentence of imprisonment has also been passed.]

ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
৮১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য ব্যক্তি কর্তৃক সম্পত্তি ক্রোকের বিরুদ্ধে দাবি বা আপত্তি জানানো যাবে কত সময়ের মধ্যে?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে,
যদি কারো সম্পত্তি ক্রোক করা হয় এবং সেই সম্পত্তির ওপর কারো দাবি বা আপত্তি থাকে (যিনি অভিযুক্ত ব্যক্তি নন), তাহলে তিনি সেই দাবি বা আপত্তি ক্রোকের ছয় মাসের মধ্যে জানাতে পারবেন। যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার সম্পত্তির ওপর অধিকার আছে এবং সেটি ক্রোক করা উচিত নয়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্তের পর দাবি বা আপত্তি পুরোপুরি বা আংশিকভাবে গ্রহণ বা বাতিল করা যেতে পারে।

অতিরিক্ত শর্ত: যদি দাবিকারী বা আপত্তিকারী মারা যান, তাহলে তার উত্তরাধিকারী সেই দাবি বা আপত্তি চালিয়ে যেতে পারবেন।

Section 88(6A)-  If any claim is preferred to, or objection made to the attachment of, any property attached under this section within six months from the date of such attachment, by any person other than the proclaimed person, on the ground that the claimant or objector has an interest in such property, and that such interest is not liable to attachment under this section, the claim or objection shall be inquired into, and may be allowed or disallowed in whole or in part: 
 
Provided that any claim preferred or objection made within the period allowed by this sub-section may, in the event of the death of the claimant or objector, be continued by his legal representative.
৮২০.
যেক্ষেত্রে ম্যাজিষ্ট্রেট ফাইনাল রিপোর্ট গ্রহণ করেন,সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত -
  1. অব্যাহতি(Discharge) পেতে পারে
  2. খালাস(Acquittal) পেতে পারে
  3. দন্ড(Punishment) পেতে পারে
  4. মুক্তি(Release) পেতে পারে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি(Discharge) পেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি(Discharge) পেতে পারে
ব্যাখ্যা
• পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে,তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-

১. Charge Sheet(অভিযোগ পত্র):প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা প্রমাণ খুঁজে পেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়,তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলা শুরু করেন।

২. Final Report(চূড়ান্ত প্রতিবেদন):প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়,তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি(Discharge) দেন।

• সংক্ষেপে-পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট(Final Report) দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে পারে এবং অভিযুক্তকে অব্যাহতি(Discharge) দিতে পারে।
৮২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারার বিধান নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. শুধু মাত্র অর্থদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. দশ বছরের অধিক কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে, যা নিম্নরূপ:
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না।
-অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 35A: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody-
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence.

(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৮২২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী Special Magistrate বা বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট কত ধরণের?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।

------------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-12: Special Magistrate:
(1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.]
৮২৩.
আদালত আসমিকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করলে তা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে পরোয়ানা দেওয়া যায় কাকে?
  1. জেলা কালেক্টরকে
  2. দেওয়ানি আদালতের বিচারককে
  3. থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে
  4. আদালতের নজিরকে
সঠিক উত্তর:
জেলা কালেক্টরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা কালেক্টরকে
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৩৮৬ মতে আদালত আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ডিত করলে, অর্থদণ্ড প্রদানকারী আদালত অনাদায়ী অপরাধীর অস্থাবর এবং স্থাবর বা উভয় সম্পত্তি দেওয়ানী কার্যপদ্ধতি অনুসারে পরোয়ানা কার্যকর করে পাওনা আদায়ের জন্য জেলা কালেক্টরকে ক্ষমতা দিতে পারে।
৮২৪.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 161 অনুযায়ী সাক্ষীদের পরীক্ষা (Examine) করতে পারেন-
  1. অভিযোগ তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. সকলেই
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগ তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬০ ধারা অনুযায়ী সাক্ষীকে তলব করে, ১৬১ ধারা অনুযায়ী পুলিশ [অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা] অভিযোগের সাথে পরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে/জবানবন্দি নিতে পারবে এবং পুলিশ জবানবন্দি রেকর্ড বা লিপিবদ্ধ করে নিবে এবং নিজে স্বাক্ষর করবে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারার বিধান- পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষা

(১) এই অধ্যায় মতে তদন্ত সম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা, অথবা এ ব্যাপারে সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা যে প্রকার নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন সে প্রকার পদের নিম্নের কোন পদে অধিষ্ঠিত নহেন এরূপ এবং ঐরূপ অফিসারের অধি- যাচন অনুসারে কার্যসম্পাদনকারী যে কোন পুলিশ কর্মকর্তা ঘটনাটির তথ্যাদি এবং পারিপার্শ্বিক- তার সাথে পরিচিত আছে বলে অনুমিত যে কোন ব্যক্তিকে মৌখিকভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।

(২) ঐরূপ ঘটনা সম্বন্ধে উক্ত কর্মকর্তা, যে সকল প্রশ্নের উত্তর তাঁকে ফৌজদারী অভিযোগে অভিযুক্ত করতে বা তাকে দণ্ডিত করতে বা কোন কিছুতে তার অধিকার খোয়াইতে চাইতে পারে সেসব প্রশ্ন ব্যতিরেকে যেসকল প্রশ্ন তাকে করবেন তার যথার্থ উত্তর প্রদান করতে ঐরূপ ব্যক্তি বাধ্য থাকবেন।

(৩) এ ধারামতে পরীক্ষা করার সময় তার নিকট কোন বিবৃতি দেয়া হলে তিনি তা লিপিবদ্ধ করতে পারেন, এবং যদি তিনি ঐরূপ করেন তাহলে, তিনি এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তির, বিবৃতির একটি পৃথক ও সত্য নথি তৈয়ার করবেন, যার বিবৃতি তিনি নথিভুক্ত করেন।
৮২৫.
আপীলকারী কারাগারে থাকলে তখন আপীলের দরখাস্ত কার নিকট দাখিল করা যেতে পারে
  1. আদালতের সংশ্লিষ্ট অফিসারের নিকট
  2. সরাসরি আপীল আদালতে
  3. কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসের নিকট
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরের নিকট
সঠিক উত্তর:
কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাগারের ভারপ্রাপ্ত অফিসের নিকট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪২০ মোতাবেক- আপীলকারী কারাগারে থাকলে রায় নকলসহ আপীলের আবেদনপত্র কারাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট পেশ করতে হবে এবং অতঃপর উক্ত কর্মকর্তা উক্ত আবেদনপত্র এবং নকলসমূহ যথাযথ আপীল আদালতে দাখিল করবে।
৮২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে দায়রা আদালতকে মামলার বিচারকার্য কত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে?
  1. ২৬০ দিনের
  2. ১৮০ দিনের
  3. ৩৬০ দিনের
  4. ১২০ দিনের
সঠিক উত্তর:
৩৬০ দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬০ দিনের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯গ ধারা অনুসারে-

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ১৮০ দিনের মধ্যে; এবং
দায়রা আদালত কোন মামলার বিচার শেষ করবে ৩৬০ দিনের মধ্যে।

• মামলার বিচার নিষ্পত্তি করার এই সময় আদালতের জন্য আদেশসূচক (Directory)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে না পারলে এবং অভিযুক্ত যদি জামিনঅযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়,তাহলে আদালত তার সন্তুষ্টি অনুসারে অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে।
৮২৭.
Under which section of the Code of Criminal Procedure can evidence be taken regarding a previous conviction?
  1. 265E
  2. 265K
  3. 265L
  4. 265F
সঠিক উত্তর:
265L
উত্তর
সঠিক উত্তর:
265L
ব্যাখ্যা
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 265L: Previous conviction:
 In a case where a previous conviction is charged under the provisions of sub-section (7) of section 221, and the accused does not admit that he has been previously convicted as alleged in the charge, the Court may, after it has convicted the said accused under section 265E or section 265K, take evidence in respect of the alleged previous conviction, and shall record a finding thereon: 
Provided that no such charge shall be read out by the Court nor shall the accused be asked to plead thereto nor shall the previous conviction be referred to by the prosecution or in any evidence adduced by it, unless and until the accused has been convicted under section 265E or section 265K.
----------------------------------
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঠ ধারায় পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করা যাবে।
-ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ঠ অনুসারে,যে মামলায় ২২১ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ করা হয় এবং অভিযুক্ত দোষারোপিত পূর্ব দণ্ডাদেশ স্বীকার না করে, সেক্ষেত্রে আদালত অভিযুক্তকে ২৬৫ঙ অথবা ২৬৫ট ধারা অনুসারে দণ্ড দানের পর পূর্ব দণ্ডাদেশের অভিযোগ সম্পর্কে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং সে সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করবেন।

তবে শর্ত থাকে যে, আদালত এরূপ কোন অভিযোগ পাঠ করবেন না অথবা অভিযুক্তকে সে সম্পর্কে দোষ স্বীকার করতে বলা হবে না অথবা সরকার পক্ষের বা সাক্ষ্যে পূর্ব দণ্ডাদেশের কথা উল্লেখ করা হবে না,যদি না এবং যতক্ষণ না অভিযুক্ত ২৬৫ঙ বা ২৬৫ট ধারা অনুসারে দণ্ড প্রাপ্ত হয়। 
৮২৮.
‘ক’-এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে চার্জ গঠন করা হয়েছে। কিন্তু সাক্ষ্যে প্রমাণিত হলো যে, সে প্রকৃতপক্ষে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে। এই পরিস্থিতিতে আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারার বিধান অনুযায়ী কী করতে পারে?
  1. অভিযোগ খারিজ করতে বাধ্য
  2. শুধুমাত্র নতুন চার্জ গঠন করে রায় দিতে পারবে
  3. নতুন চার্জ গঠন ছাড়া রায় দিতে পারবে
  4. মামলাটি পুনরায় তদন্তের আদেশ দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
নতুন চার্জ গঠন ছাড়া রায় দিতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন চার্জ গঠন ছাড়া রায় দিতে পারবে
ব্যাখ্যা

→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারার বিধান:
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য-প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবংএই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো,তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।

উদহারণ-
'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল। কিন্তু দেখা গেল যে, সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে। উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।

৮২৯.
without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a(n) __________________.
  1. Judicial Magistrate.
  2. Executive Magistrate.
  3. District Magistrate.
  4. Cognizance Magistrate.
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judicial Magistrate.
ব্যাখ্যা
♦ Construction of references.
Section 4A. (1) In this Code, unless the context otherwise requires, any reference- 
(a) without any qualifying word, to a Magistrate, shall be construed as a reference to a Judicial Magistrate;

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪ক ধারার বিধান: নির্দেশাবলীর অর্থ: এই কোড অনুসারে, প্রসঙ্গ অন্য কোন নির্দেশ না করলে, কাউকে উল্লেখ করলে তার অর্থ দাঁড়াবে নিম্নরূপ:
(ক) কোন বিশিষ্টার্থক শব্দ ছাড়া কেবল ম্যাজিস্ট্রেট বলে বর্ণিত থাকলে তা দ্বারা একজন বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেট-কে উল্লেখ করা হয়েছে মর্মে বুঝতে হবে;
৮৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৭ ধারা অনুযায়ী, যদি তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হয় এবং অপরাধটির শাস্তি ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ডযোগ্য না হয়, তবে জামিন দেওয়ার ক্ষমতা কার?
  1. পুলিশের
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের
  3. দায়রা আদালতের
  4. ক ও খ উভয়ের
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ম্যাজিস্ট্রেট।

ধারা ১৬৭- যখন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা যায় না:
(১) যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে হেফাজতে রাখা হয় এবং দেখা যায় যে, ধারা ৬১-তে নির্ধারিত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব নয়, তবে এবং যদি অভিযোগ বা তথ্যকে সত্য বলে মনে করার যৌক্তিক কারণ থাকে, তবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা তদন্তকারী পুলিশ অফিসার (যিনি সাব-ইন্সপেক্টরের নিচে নন) অবিলম্বে ডায়েরির প্রাসঙ্গিক অংশের কপি নিকটস্থ বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাবেন এবং একই সঙ্গে অভিযুক্তকে ঐ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করবেন।

(২) যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযুক্তকে হাজির করা হলো (তিনি মামলা বিচার করার এখতিয়ার রাখুন বা না-ই রাখুন) তিনি প্রয়োজনে অভিযুক্তকে পুলিশ বা বিচারিক হেফাজতে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের মধ্যে আটক রাখার আদেশ দিতে পারেন। যদি তিনি মামলা বিচার করার এখতিয়ার না রাখেন এবং মনে করেন অতিরিক্ত আটক দরকার নেই, তবে অভিযুক্তকে সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাবেন।

তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট এবং দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট (যদি সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত না হন), তাঁরা পুলিশ হেফাজতের আদেশ দিতে পারবেন না।

কোনো অবস্থাতেই পুলিশ হেফাজত সর্বমোট ১৫ দিনের বেশি দেওয়া যাবে না। ১৫ দিনের পর আটক দরকার হলে তা শুধু বিচারিক হেফাজতে হতে হবে।

বিচারিক হেফাজত বলতে বোঝানো হয়েছে—ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশে অভিযুক্তকে জেল বা অন্য কোনো পুলিশবহির্ভূত হেফাজতে রাখা।

(২ক) যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশ হেফাজতের অনুমতি দেন, তবে তিনি অভিযুক্তকে নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার দ্বারা পরীক্ষা করার নির্দেশ দিতে পারেন। পুলিশ হেফাজতের মেয়াদ শেষ হলে অভিযুক্তকে অবিলম্বে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে।

যদি শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায় বা অভিযুক্ত অভিযোগ করে যে তাকে নির্যাতন করা হয়েছে, তবে আবারও সরকারি ডাক্তার দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। যদি ডাক্তারি রিপোর্টে নির্যাতনের প্রমাণ মেলে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন।

(৩) পুলিশ হেফাজতের অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটকে কারণ লিখে উল্লেখ করতে হবে।

(৪) যদি কোনো সাধারণ ম্যাজিস্ট্রেট (প্রধান মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া) পুলিশ হেফাজতের অনুমতি দেন, তবে তাঁকে তাঁর আদেশের কপি ও কারণ প্রধান মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেটকে পাঠাতে হবে।

(৪ক) যদি প্রধান মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রধান বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিজে এই আদেশ দেন, তবে তাঁকে তাঁর আদেশের কপি ও কারণ প্রধান মহানগর দায়রা জজ বা দায়রা জজকে পাঠাতে হবে।

(৫) যদি তদন্ত ১২০ দিনের মধ্যে শেষ না হয়—
ক) যদি অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড না হয়, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দিতে পারেন।

খ) যদি অপরাধের শাস্তি মৃত্যু, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের বেশি কারাদণ্ড হয়, তবে দায়রা আদালত জামিন দিতে পারে।

জামিন না দিলে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতকে এর লিখিত কারণ উল্লেখ করতে হবে। যদি মামলায় সরকারের অনুমোদন (Sanction) প্রয়োজন হয়, তবে অনুমোদন পেতে যে সময় লাগবে তা ১২০ দিনের মধ্যে গণনা করা হবে না।

৮) এই জামিন সংক্রান্ত বিধান (উপ-ধারা ৫) দণ্ডবিধির ১৮৬০ সালের ৪০০ ও ৪০১ ধারার অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

৮৩১.
করিম একজন ব্যক্তিকে আক্রমণ করে এবং পরে তাকে হত্যা করে। এ ক্ষেত্রে ধারা ২৩৫-এর অধীনে করিমের বিচার কীভাবে হবে?
  1. শুধুমাত্র হত্যার জন্য বিচার হবে
  2. শুধুমাত্র আক্রমণ এর বিচার হবে
  3. আক্রমণ ও হত্যার জন্য পৃথক দুটি মামলায় বিচার হবে
  4. আক্রমণ এবং হত্যার জন্য একই মামলায় বিচার হবে
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ এবং হত্যার জন্য একই মামলায় বিচার হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ এবং হত্যার জন্য একই মামলায় বিচার হবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ২৩৫: একাধিক অপরাধের বিচার (Trial more than one offence):

(১) পর পর সংঘটিত কতিপয় কার্য যদি পরস্পরের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কার্যগুলি একটিমাত্র কার্যের শামিল এবং একই ব্যক্তি উক্ত কার্য সম্পর্কিত বিষয়ে একাধিক অপরাধ সংঘটিত করে থাকলে এ ধরণের প্রত্যেক অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে একটিমাত্র মামলায় তার বিচার সম্পন্ন করা যেতে পারে।

(২) দুটি সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত অপরাধঃ
অভিযোগকৃত কার্যসমূহ যেক্ষেত্রে এরূপ একটি অপরাধ সৃষ্টি করে,যা বর্তমানে কার্যকর এরূপ কোন আইনের,যা দ্বারা অপরাধের সংজ্ঞা দণ্ড প্রদান করা হয় তার দুই বা ততোধিক পৃথক সংজ্ঞার অন্তর্ভূক্ত হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় বিচার করা যেতে পারে।

(৩) একাধিক কার্য যেক্ষেত্রে একই ধরণের অপরাধ,কিন্তু একত্রিত করা হলে ভিন্নরূপ অপরাধে পরিণত হয়ঃ
কতিপয় কার্যের মধ্যে একটি কার্য একটি কার্য এককভাবে বা একাধিক কার্য একত্রে একটি অপরাধের সৃষ্টি করলে উক্ত অপরাধসমূহে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্ত মিলিত কার্যাদির অপরাধ বা একটি কার্যের একক অপরাধ বা সংযুক্ত একাধিক কার্যের অপরাধের জন্য চার্জ গঠন করা যেতে পারে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যেতে পারে।

(৪) এই ধারায় এরূপ কিছু নেই যা দণ্ডবিধির ধারা ৭১ এর বিধানকে প্রভাবিত করে।
৮৩২.
দাঙ্গার অপরাধে বিচার চলাকালে ছয় মাস জেলহাজতে থাকার পর "X" জামিন পায়। বিচারের পর "X" এর এক বছর কারাদণ্ড হয়। এক্ষেত্রে 'X' কত দিন সাজা ভোগ করবে?
  1. এক বছর ভোগ করতে হবে
  2. ছয় মাস ভোগ করতে হবে
  3. আদালতের বিবেচনায় যত দিনের সাজার রায় দেন
  4. জামিন পেয়েছে এই জন্য কোন কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে না
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস ভোগ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয় মাস ভোগ করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কীভাবে দণ্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
(১) ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দণ্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে।
তবে এই বিধানটি আসামি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদণ্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
(২) যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদণ্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদণ্ড থাকলে সেই অর্থদণ্ড মওকুফ হয়ে যাবে।

- অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক(১) ধারা অনুযায়ী, যেহেতু 'X' ছয় মাস ইতোমধ্যে জেল হাজতে ছিল, তাই তার মোট শাস্তি এক বছর থেকে ছয় মাস বাদ দিয়ে বাকি ছয় মাস তাকে কারাগারে থাকতে হবে।
-------------------------------------
⇒ CrPC Section-35A.: Deduction of imprisonment in cases where convicts may have been in custody:
(1) Except in the case of an offence punishable only with death, when any court finds an accused guilty of an offence and, upon conviction, sentences such accused to any term of imprisonment, simple or rigorous, it shall deduct from the sentence of imprisonment, the total period the accused may have been in custody in the meantime, in connection with that offence. 
(2) If the total period of custody prior to conviction referred to in sub-section (1) is longer than the period of imprisonment to which the accused is sentenced, the accused shall be deemed to have served out the sentence of imprisonment and shall be released at once, if in custody, unless required to be detained in connection with any other offence; and if the accused is also sentenced to pay any fine in addition to such sentence, the fine shall stand remitted.
৮৩৩.
আইনে প্রদত্ত এখতিয়ারের বহির্ভূত কোনো ম্যাজিস্ট্রেট সরল বিশ্বাসে নিম্নের কোন কার্যক্রম সম্পাদন করলে তা বাতিল হবে?
  1. ধারা-১৭৬ এর অধীন তদন্ত করলে
  2. ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করলে
  3. ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করলে
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫২৯- যেসব অনিয়মের কারণে কার্যক্রম বাতিল হয় না:

যদি কোন ম্যাজিস্ট্রেট আইনে ক্ষমতাবান না হওয়া সত্ত্বেও, ভুলক্রমে সরল বিশ্বাসে নিম্নে বর্ণিত কর্মসমূহের কোন একটি করেন যথা-
 
(ক) ধারা-৯৮ এর অধীন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন;
(খ) কোন অপরাধের তদন্ত করার জন্য ধারা-১৫৫ এর অধীন পুলিশকে আদেশ দেন;
(গ) ধারা-১৭৬ এর অধীন ইনকোয়ারী করেন;

(ঘ) যে ব্যক্তিকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার বাহিরে কোন অপরাধ করেছে তাকে তার স্থানীয় সীমার ভিতরে গ্রেফতারের জন্য ধারা-১৮৬ এর অধীন পরোয়ানা জারী করেন;
(ঙ) ধারা-১৯০ এর উপ-ধারা (১) এর অনুচ্ছেদ-(ক) এর অধীন কোন অপরাধ আমলে নেন;
(চ) ধারা-১৯২ এর অধীন কোন মামলা স্থানান্তর করেন;

(ছ) ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ এর অধীন ক্ষমা প্রদর্শন করেন;
(জ) ধারা-৫২৪ কিংবা ধারা-৫২৫ এর অধীন সম্পত্তি বিক্রয় করেন; কিংবা
(ঝ) ধারা-৫২৮ এর অধীন কোন মামলা তুলে নিজে উহার বিচার করেন,
 
তাহলে তিনি উক্তরুপে ক্ষমতাবান নয়, শুধু এ কারণে তাঁর কার্যক্রম বাতিল করা যাবে না। অর্থাৎ উল্লেখিত কোনো কারনে কার্যক্রম বাতিল হবে না।
৮৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা অনুযায়ী তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালিত হয়:
  1. সাক্ষীদের অনুমতিতে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তির নির্দেশে
  3. সাক্ষীদের উপস্থিতিতে
  4. কোনো সাক্ষী ছাড়া গোপনে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের উপস্থিতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীদের উপস্থিতিতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:
(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দু বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈরী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সই দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do. 
 
(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
৮৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতের সামনে সংঘটিত অবমাননার তাৎক্ষণিক শাস্তির বিধান আছে? 
  1. ৪৭০ ধারায়
  2. ৪৮০ ধারায়
  3. ৪৮৫ ধারায়
  4. ৪৯০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৮০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮০ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারায় আদালত অবমাননার (Contempt of Court) শাস্তি সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ৪৮০ অনুযায়ী আদালত অবমাননার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা অর্থদণ্ড বা অর্থদণ্ড না দিলে সর্বোচ্চ ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড হতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮০ ধারার বিধান- অবমাননার কতিপয় ক্ষেত্রে পদ্ধতি-
কোন দেওয়ানী, ফৌজদারী বা রাজস্ব আদালতের দৃষ্টি গোচরে বা উপস্থিতিতে দণ্ডবিধির ধারা-১৭৫, ১৭৮, ১৭৯, ১৮০ বা ২২৮ এ উল্লেখিত কোন অপরাধ করা হলে উক্ত আদালত অপরাধীকে কারাগারে আটক রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন এবং ঐদিন আদালতের অধিবেশন শেষ হবার পূর্বে যেকোন সময় উপযুক্ত মনে করলে অপরাধটি আমলে নিতে পারবেন এবং অপরাধীকে সর্বোচ্চ ২০০ (দু'শত) টাকা অর্থদণ্ডে এবং যথাশীঘ্র জরিমানার টাকা প্রদান করা না হলে এক মাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করতে পারবেন।
 -------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-480: Procedure in certain cases of contempt-
When any such offence as is described in section 175, section 178, section 179, section 180 or section 228 or the Penal Code is committed in the view or presence of any Civil, Criminal or Revenue Court, the Court may cause the offender to be detained in custody and at any time before the rising of the Court on the same day may, if it thinks fit, take cognizance of the offence and sentence the offender to fine not exceeding two hundred taka, and in default of payment, to simple imprisonment for a term which may to one month, unless such fine be sooner paid. 

৮৩৬.
ফৌজদারি মামলায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল চলাকালীন সময়ে-
  1. অভিযোগকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
  2. আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
  3. পাবলিক প্রসিকিউটর মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তি। সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যাওয়া মানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় এবং আপিলকারী মারা গেলে আপিলটি বাতিল হয়।
- ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল বাতিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে- ৪১৭ বা ৪১৭ক ধারার অধীন প্রত্যেকটি আপীল অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে, এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল ব্যতীত) আপীলকারীর মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে।
-ফৌজদারী মামলা বা আপিল বাতিল হবে যদি অভিযুক্ত মারা যায়। সুতরাং কে মারা গেলে আপিল বাতিল হবে, তা নির্ধারণ করতে হলে দেখতে হবে, আপিল চলাকালীন সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা গেছে কিনা। এটা নির্ধারণ করতে দেখতে হবে আপিলটি কে করেছে। ৪১৭ ধারার অধীন খালাসের বিরুদ্ধে আপিল এবং ৪১৭ক ধারার অধীন অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিল বাতিল হবে না। কারণ খালাস এবং অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে স্বাভাবিকভাবে আপিল করবে পাবলিক প্রসিকিউটর বা অভিযোগকারী।
-অন্যদিকে ৪০৭, ৪০৮ বা ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে বা অন্যান্য ক্ষেত্রে শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করে অভিযুক্ত ব্যক্তি।
-সুতরাং এই ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা যাওয়া মানে অভিযুক্ত ব্যক্তি মারা যায় এবং এই কারণে দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের ক্ষেত্রে আপিলকারী মারা গেলে আপিলটি বাতিল হয়।
৮৩৭.
“No appeal in certain cases when accused pleads guilty”- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান?
  1. ৪১২ ধারা
  2. ৪১৩ ধারা
  3. ৪১৪ ধারা
  4. ৪১৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪১২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১২ ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ ধারা- আসামী দোষ স্বীকার করলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আপিল চলবে না:
 ইতোপূর্বে এই কার্যবিধিতে যা-ই উল্লেখ থাকুক না কেন, আসামী দোষ স্বীকার করলে এবং উক্ত স্বীকারোক্তির প্রেক্ষিতে দায়রা আদালত বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে শাস্তি প্রদান করলে দণ্ডের পরিমাণ বা দণ্ডাদেশের বৈধতা ব্যতীত উক্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আপীল দায়ের করা চলবে না।

No appeal in certain cases when accused pleads guilty:
Notwithstanding anything hereinbefore contained where an accused person has pleaded guilty and has been convicted by a Court of Session or any Metropolitan Magistrate or Magistrate of the first class on such plea, there shall be no appeal except as to the extent or legality of the sentence.
৮৩৮.
মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করতে পারেন কে?
  1. পুলিশ কমিশনার
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ কমিশনার
ব্যাখ্যা
•  ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ১৪৪ ধারার বিধানসমূহ মহানগর এলাকার জন্য প্রযোজ্য নয় অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করতে পারেন না, [ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৪৪(৭)] কিন্তু মেট্রোপলিটন এলাকায় পুলিশ কমিশনারকে ১৪৪ ধারা জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
৮৩৯.
ধারা ১৭৩খ অনুযায়ী, অভিযোগ পাওয়ার তারিখ থেকে _________ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে।
  1. ৩০
  2. ৬০
  3. ৯০
  4. ১২০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৩খ: তদন্ত সম্পন্ন করার বিধান:
(১) এই অধ্যায়ের অধীনে প্রতিটি তদন্ত অভিযোগ পাওয়ার তারিখ থেকে ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

(২) যৌক্তিক কারণে ৬০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করা সম্ভব না হলে—তদন্ত কর্মকর্তা কেস ডায়েরিতে দেরির কারণ লিখবেন, নির্দিষ্ট কারণ ও অতিরিক্ত সময় উল্লেখ করে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে সময় বৃদ্ধির আবেদন করবেন, এবং সেই আবেদনটির একটি কপি তদন্তের তদারককারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট আবেদন বিবেচনা করে যৌক্তিক মনে করলে তদন্ত সম্পন্নের জন্য অতিরিক্ত সময় অনুমোদন করতে পারবেন।
তদন্ত কর্মকর্তাকে অবশ্যই সেই বর্ধিত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে।

(৪) যদি বর্ধিত সময়েও তদন্ত শেষ না হয়, তবে তদন্ত কর্মকর্তা—দেরির কারণ লিখিতভাবে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন, এবং সেই কপিটি তাঁর উর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছেও পাঠাবেন।

(৫) ম্যাজিস্ট্রেট ব্যাখ্যা বিবেচনা করার পর (বা ব্যাখ্যা না দিলে)—
(a) অন্য কোনো কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্ত করানোর নির্দেশ দিতে পারবেন;
(b) বিলম্বকে তদন্ত কর্মকর্তার অযোগ্যতা বা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য করতে পারবেন,
এবং তা কর্মকর্তার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (ACR) নোট আকারে লিপিবদ্ধ করবেন,
এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষকে শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বলবেন।

(৬) তদন্ত রিপোর্ট দাখিলের পর, আদালত যদি মনে করে যে কোনো ব্যক্তিকে অভিযুক্ত না করে সাক্ষী হিসেবে রাখা ন্যায়ের স্বার্থে উপযুক্ত, তবে আদালত আদেশ দিয়ে সেই ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে গণ্য করতে পারবেন।

(৭) বিচার শেষে যদি আদালত মনে করে যে তদন্ত কর্মকর্তা—
(i) ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছেন;
(ii) যাকে আসামি করা উচিত ছিল তাকে সাক্ষী করেছেন; অথবা
(iii) যৌক্তিক কারণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বাদ দিয়েছেন - তাহলে আদালত এ বিষয়ে রায় লিপিবদ্ধ করতে পারবেন, এবং কর্মকর্তার এই কাজকে অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিতে পারবেন।

৮৪০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০১ অনুযায়ী সরকার কখন সাজা স্থগিত বা মওকুফ করতে পারে?
  1. রায় ঘোষনার দিন
  2. যে কোনো সময়
  3. রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে
  4. বিচারকের সুপারিশে
সঠিক উত্তর:
যে কোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০১(১) অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তিকে অপরাধের জন্য শাস্তি প্রদান করা হয়, সরকার যে কোনো সময় (at any time) শর্তসাপেক্ষে বা নিঃশর্তে সেই শাস্তির কার্যকারিতা স্থগিত (suspend) বা সম্পূর্ণ/আংশিক মওকুফ (remit) করতে পারে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ ধারা দণ্ড স্থগিত, মওকুফ ও রদবদল প্রসঙ্গে:
(১) কোন ব্যক্তি কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে সরকার যে কোন সময় বিনা শর্তে বা দণ্ডিত ব্যক্তি যা মেনে নেয় সেই শর্তে তার দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখতে বা সম্পূর্ণ দণ্ড বা দণ্ডের অংশ বিশেষ মওকুফ করতে পারবেন।
(২) যখন কোন দণ্ড স্থগিত রাখা বা মওকুফ করার জন্য সরকারের নিকট আবেদন করা হয় তখন যে আদালত উক্ত দণ্ড দিয়াছিলেন বা অনুমোদন করেছিলেন সেই আদালতের প্রিজাইডিং জজকে সরকার উক্ত আবেদন মঞ্জুর করা উচিত কিংবা মঞ্জুর করতে অস্বীকার করা উচিত, সে সম্পর্কে তার মতামত ও মতামতের কারণ বিবৃত করতে এবং এই বিবৃতির সাথে বিচারের নথির নকল অথবা যে নথি বর্তমানে আছে সেই নথির নকল প্রেরণ করার নির্দেশ দিবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 401. Power to suspend or remit sentences:
(1) When any person has been sentenced to punishment for an offence, the Government may at any time without conditions or upon any conditions which the person sentenced accepts, suspend the execution of his sentence or remit the whole or any part of the punishment to which he has been sentenced.
(2) Whenever an application is made to the Government for the suspension or remission of a sentence, the Government, may require the presiding Judge of the Court before or by which the conviction was had or confirmed to state his opinion as to whether the application should be granted or refused, together with his reasons for such opinion and also to forward with the statement of such opinion a certified copy of the record of the trial or of such record thereof as exists.
৮৪১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারার অধীনে স্থানীয় অনুসন্ধান করার জন্য কে দায়িত্বপ্রাপ্ত?
  1. হাইকোর্ট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালত
  4. স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৮ ধারায় স্থানীয় অনুসন্ধান বা Local inquiry এর বিধান রয়েছে। ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ সমাধানের উদ্দেশ্যে স্থানীয় অনুসন্ধান প্রয়োজন হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে উক্ত অনুসন্ধান করতে প্রেরণ করতে পারবেন।
- ১৪৮ ধারার অধীন স্থানীয় অনুসন্ধানের রিপোর্ট মামলার সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে। (The report of the person so deputed may be read as evidence in the case).
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 148. Local inquiry:
(1) Whenever a local inquiry is necessary for the purposes of this Chapter, any District Magistrate may depute any Magistrate subordinate to him to make the inquiry, and may furnish him with such written instructions as may seem necessary for his guidance, and may declare by whom the whole or any part of the necessary expenses of the inquiry shall be paid. 
(2) The report of the person so deputed may be read as evidence in the case.
৮৪২.
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক কত বছর হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান:  ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে সদাচরণের মুচলেকা:
যেক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হন যে-

ক) তাঁর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন রাখার নিমিত্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাসমূহ পরিগ্রহণ করতেছেন এবং এরূপ বিশ্বাস করার হেতু বিদ্যমান যে তিনি কোন অপরাধ সম্পাদনের লক্ষ্যে এরূপ করতেছেন, বা

খ) উক্ত সীমার মধ্যে এরূপ কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জীবিকা নির্বাহের কোন প্রকাশ্য পন্থা নেই বা যে ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে পারে না, সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর উল্লিখিত পদ্ধতিতে, এরূপ ব্যক্তিকে, তিনি যেরূপ সমীচীন মনে করেন সেই প্রকার অনূর্ধ্ব এক বৎসর সময়সীমার জন্য, তার সদাচরণের জন্য, জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে, একটি মুচলেকা সম্পাদন করে দিবার জন্য কেন তাকে আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
৮৪৩.
যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, নালিশকৃত অপরাধ কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন
  2. অনুসন্ধান করতে পারবেন
  3. তদন্ত করতে পারবেন
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন
ব্যাখ্যা
ধারা ২০২: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)-

১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর, তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীনস্ত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোন ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।

তবে শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্র ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না। আরও শর্ত এই যে- যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লেখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন।

২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন, তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন।

(২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য, তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।

(২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন।
৮৪৪.
রিভিশন ক্ষমতাসম্পন্ন আদালত রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন-
  1. পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  2. রিভিশন কার্যক্রম শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে
  3. পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
  4. রিভিশন কার্যক্রম শুরুর ৬০ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
রিভিশন ক্ষমতাসম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।

 • ধারা ৪৪২ক: আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়
(১) কোন আপীল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপীল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।

Section 442A: Time for disposal of appeals and Revision
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৮৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত টাকা জরিমানা করতে পারেন?
  1. দুই লাখ টাকা
  2. তিন লাখ টাকা
  3. পাঁচ লাখ টাকা
  4. এক লাখ টাকা
সঠিক উত্তর:
তিন লাখ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন লাখ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৩২(১)(খ) অনুযায়ী দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সর্বোচ্চ জরিমানার সীমা ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা। ২০২৫ সালের সংশোধনীতে পুরোনো “পাঁচ হাজার টাকা” সীমা বাড়িয়ে এ নতুন সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে (একই সংশোধনীতে প্রথম শ্রেণির জন্য ৫ লাখ ও তৃতীয় শ্রেণির জন্য ২ লাখ নির্ধারিত হয়, এবং ‘whipping’ বিলুপ্ত করা হয়)।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (The Code of Criminal Procedure, 1898) এর ধারা ৩২ অনুযায়ী বিভিন্ন শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটদের দণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ২০২৫ সালের সংশোধনী অনুযায়ী জরিমানার সীমা বৃদ্ধি পেয়েছে।
- প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। আইনে অনুমোদিত নির্জন কারাবাস দিতে পারেন। সর্বোচ্চ জরিমানা এখন ৫,০০,০০০ (পাঁচ লাখ) টাকা পর্যন্ত। বেত্রদণ্ড (whipping) বিলুপ্ত।
- দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ৩,০০,০০০ (তিন লাখ) টাকা পর্যন্ত।
- তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট: সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দিতে পারেন। জরিমানা সর্বোচ্চ ২,০০,০০০ (দুই লাখ) টাকা পর্যন্ত।

নোট: যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আইন অনুযায়ী অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড একসাথে দিতে পারেন।

৮৪৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার আদেশ দিতে পারে?
  1. ১২৫ ধারা
  2. ১২৬ ধারা
  3. ১২৭ ধারা
  4. ১৩১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৭ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ১২৭: ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ অফিসারের আদেশে জনসমাবেশ ভঙ্গকরণ:
কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কোন বেআইনি সমাবেশ সার্বক্ষণিক শান্তি সম্ভবতঃ বিঘ্ন করবে এমন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির এমন কোন সমাবেশকে ছত্রভঙ্গ হওয়ার হুকুম দিতে পারেন; এবং তখন জনসমাবেশ সদস্যদের কাজ হবে সেই অনুসারে ছত্রভঙ্গ হওয়া।

[Any Executive Magistrate or officer in charge of a police-station may command any unlawful assembly, or any assembly of five or more persons likely to cause a disturbance of the public peace, to disperse; and it shall thereupon be the duty of the members of such assembly to disperse accordingly.]
৮৪৭.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কত ধারা অনুযায়ী ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার কারণে আদালতের আদেশ বাতিল হবে না?
  1. ধারা ৫৩০
  2. ধারা ৫৩১
  3. ধারা ৫৩২
  4. ধারা ৫৩৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩১
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

Section 531: Proceedings in wrong place-
No finding sentence or order of any Criminal Court shall be set aside merely on the ground that the inquiry, trial or other proceeding in the course of which it was arrived at or passed, took place in a wrong sessions division, district, or other local area, unless it appears that such error has in fact occasioned a failure of justice.
৮৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার অধীনে, কোন পরিস্থিতিতে পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করবে?
  1. হত্যা
  2. আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনায় মৃত্যু
  3. মৃত্যুর পর অপরাধ সন্দেহ
  4. উপরোক্ত সব ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সব ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার অধীনে, পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করবে যখন কোন ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে, অন্য কেউ তাকে হত্যা করেছে, কোন দুর্ঘটনায় মারা গেছে অথবা এরকম কিছু ঘটনা ঘটেছে যা অন্য কোন অপরাধের সংশ্লিষ্টতার সন্দেহ তৈরি করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ মতে, কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি-
- আত্মহত্যা করেছে, অথবা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে।
- তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য কোনো পুলিশ কর্মকর্তা সুরতহাল তদন্তের জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন এবং মৃত ব্যক্তির লাশ যেখানে রয়েছে সেই স্থানে গিয়ে দুই বা ততোধিক স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত চালাবেন।
-তখন পুলিশ উক্ত মৃত ব্যক্তির দেহের জখম, অস্থিভঙ্গ বা থেতলে যাওয়া এবং অন্যান্য জখমের চিহ্ন সম্পর্কে বর্ণনা করবে এবং যে উপায়ে বা অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা উক্ত জখমের চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয় তার উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report).
---------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-174: Police to inquire and report on suicide, etc.
(1) The officer in charge of a police-station or some other police-officer specially empowered by the Government in that behalf, on receiving information that a person-
(a) has committed suicide, or
(b) has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident, or
(c) has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence,
shall immediately give intimation thereof to the 204[nearest Executive Magistrate] empowered to hold inquests, and, unless otherwise directed by any rule prescribed by the Government, or by any general or special order 205[of the District Magistrate], shall proceed to the place where the body of such deceased person is, and there, in the presence of two or more respectable inhabitants of the neighborhood, shall make an investigation, and draw up a report of the apparent cause of death, describing such wounds, fractures, bruises and other marks of injury as may be found on the body, and stating in what manner, or by what weapon or instrument (if any), such marks appear to have been inflicted:

Provided that, unless the Government otherwise directs, it shall not be necessary under this sub-section, in any case where the death or any person has been caused by enemy action, to make any investigation or to draw up any report or to send any intimation to a Magistrate empowered to hold inquests.
(2) The report shall be signed by such police-officer and other persons, or by so many of them as concur therein, and shall be forthwith forwarded to the District Magistrate.
(3) When there is any doubt regarding the cause of death, or when for any other reason the police-officer considers it expedient so to do, he shall, subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, forward the body, with a view to its being examined, to the nearest Civil Surgeon, or other qualified medical man appointed in this behalf by the Government, if the state of the weather and the distance admit of its being so forwarded without risk of such putrefaction on the road as would render such examination useless.
(5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government or the District Magistrate.
৮৪৯.
কোন ক্ষেত্রে রায় প্রদানের দিন আসামির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়?
  1. আসামি হাজতে থাকলে
  2. আসামিকে খালাস দিলে
  3. আসামিকে ২ মাসের কারাদণ্ড দিলে
  4. আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে
সঠিক উত্তর:
আসামিকে খালাস দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামিকে খালাস দিলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৬: রায় প্রদানের পদ্ধতি
১। মূল বিচারিক আদালতের প্রতিটি মামলার রায় ঘোষণা করতে হবে, অথবা রায়ের মূল সারাংশ ব্যাখ্যা করতে হবে—
(ক) খোলা আদালতে, হয় মামলার অবসানের সাথে সাথে অথবা পরে নির্ধারিত কোনো সময়ে, যার বিষয়ে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদের পূর্বে নোটিশ দিতে হবে; এবং
(খ) আদালতের ভাষায়, অথবা এমন ভাষায় যা আসামি বা তার আইনজীবী বুঝতে পারেন।

তবে যদি প্রসিকিউশন বা ডিফেন্স পক্ষের অনুরোধ থাকে, তাহলে সম্পূর্ণ রায় বিচারক নিজে পড়ে শোনাবেন।

২। যদি আসামি হেফাজতে থাকে, তাহলে তাকে আদালতে হাজির করে রায় শোনানো হবে। যদি হেফাজতে না থাকে, তবে আদালত তাকে রায় শুনতে আসার নির্দেশ দিবে, তবে যদি আসামির ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করা হয় এবং রায় শুধুমাত্র জরিমানার বা খালাসের হয়, সেক্ষেত্রে রায় তার আইনজীবীর উপস্থিতিতে ঘোষণা করা যেতে পারে।

৩। রায় ঘোষণার দিনে যদি কোনো পক্ষ বা তাদের আইনজীবী অনুপস্থিত থাকেন, বা তাদের নোটিশ প্রদানে কোনো ত্রুটি বা ত্রুটিপূর্ণ সেবা হয়,
তবুও শুধু এই কারণেই রায় বাতিল হবে না।

৪। এই ধারার কোনো কিছুই ধারা ৫৩৭-এর ক্ষমতা বা প্রভাব সীমিত করে না।
৮৫০.
ফৌজদারী কার্যবিধির ৫০২ ধারা অনুযায়ী, জামিনদারগণ কার কাছে জামিনের দায়মুক্তির আবেদন করতে পারেন?
  1. পুলিশের কাছে
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
  3. হাইকোর্টের কাছে
  4. উল্লিখিত সকলের কাছে
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে। 
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৫০২ অনুযায়ী, জামিনদার যদি মনে করেন যে জামিনে থাকা ব্যক্তি জামিনের শর্ত লঙ্ঘন করতে পারেন বা আদালতে হাজির না হতে পারেন, তবে জামিনদার ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করে নিজেকে জামিনের দায় থেকে অব্যাহতির জন্য অনুরোধ করতে পারেন। আদালত সে ক্ষেত্রে জামিনপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুনরায় জামিনের শর্ত নির্ধারণ করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০২ ধারার বিধান: জামিনদারের অব্যাহতি:
-জামিনদার যেকোনো সময় জামিননামাটি সম্পূর্ণ বা আংশিক বাতিল করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আবেদন করতে পারবেন। এরূপ আবেদন প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট মুচলেকাটি বাতিল করবেন এবং জামিনে মুক্ত আসামিকে হাজির করার নির্দেশ দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারী করবেন এবং উক্ত জামিনদারকে অব্যাহতি দিবেন। আসামি আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করানো হলে আদালত তাকে নতুন জামিনদার সংগ্রহ করতে বলবেন এবং সে যদি জামিনদার সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে তাকে জেলে প্রেরণ করবেন।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 502: Discharge of sureties-
(1) All or any sureties for the attendance and appearance of a person released on bail may at any time apply to a Magistrate to discharge the bond, either wholly or so far as relates to the applicants.
(2) On such application being made, the Magistrate shall issue his warrant of arrest directing that the person so released be brought before him.
(3) On the appearance of such person pursuant to the warrant, or on his voluntary surrender, the Magistrate shall direct the bond to be discharged either wholly or so far as relates to the applicants, and shall call upon such person to find other sufficient sureties, and, if he fails to do so, may commit him to custody.
৮৫১.
আদালত কখন অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন?
  1. কোন কারণ বশতঃ অভিযুক্ত আদালতে হাজির হইতে অসমর্থ, এই মর্মে আদালত সন্তুষ্ট হইলে
  2. অভিযুক্তর কৌসুলী হাজির থাকিলে
  3. ক এবং খ
  4. কোনো ক্ষেত্রেই নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪০ক- কিছু কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান

(১) দুই বা ততোধিক অভিযুক্ত আদালতে হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোন পর্যায়ে জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশতঃ সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে অভিযুক্তের এডভোকেট হাজির থাকলে অভিযুক্তকে হাজির থেকে মুক্তি দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।

(২) এরূপ কোন মামলায় অভিযুক্তর এডভোকেট না থাকলে কিংবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি অভিযুক্তর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, কিংবা উক্ত অভিযুক্তর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।
৮৫২.
নিম্নের কোন কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে একত্রে চার্জ গঠন করা যাবে?
  1. অভিযুক্ত এবং তার সহযোগীদের
  2. একই স্থানে যারা অপরাধ করেন
  3. একই দিনে,একই স্থানে যেকোনো অপরাধ করলে
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং তার সহযোগীদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং তার সহযোগীদের
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৯ অনুযায়ী-নিম্নলিখিত ব্যক্তিদের একত্রে অভিযুক্ত ও বিচার করা যাবেঃ

> একই ব্যাপারে কৃত একই অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ:
> কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং উক্ত অপরাধে সহায়তা দেয়া বা উক্ত অপরাধ করার চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত
> বারো মাস সময়ের মধ্যে ২৩৪ ধারার অর্থানুসারে যৌথভাবে একই ধরণের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ
> একই ব্যাপারে কৃত বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ

> চুরি,বলপূর্বক পূর্ব সম্পত্তি আদায় বা অপরাধজনক আত্মসাৎ সম্পর্কিত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং এরূপ সম্পত্তি গ্রহণ বা রাখা বা গোপন করা বা হস্তান্তর করার সহায়তার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ।যে সম্পত্তির দখল প্রথমোক্ত ব্যক্তিগণ উক্ত অপরাধ দ্বারা হস্তান্তর করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে অথবা শেষোক্ত কোন অপরাধ করার জন্য সহায়তা দিয়েছে বা অপরাধের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

> দণ্ডবিধির ৪১১ ও ৪১৪ ধারার অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ অথবা এমন চোরাইমাল সম্পর্কে উক্ত ধারা দুইটির যেকোন একটি অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ যে চোরাই মালের দখল একটি অপরাধ দ্বারা হস্তান্তরিত হয়েছে; এবং জাল মুদ্রা সম্পর্কে দ্বাদশ অধ্যায়ের কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং উক্ত মুদ্রা সম্পর্কে উক্ত অধ্যায়ের অন্য কোন অপরাধ বা অপরাধের সহায়তা বা অপরাধের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ।
৮৫৩.
ফৌজদারি মামলায় একজন দোভাষী কী সঠিক ভাবে ব্যাখা করতে বাধ্য?
  1. সাক্ষ্য
  2. বিবৃতি
  3. ক বা খ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪৩ অনুসারে দোভাষী অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন-

কোন সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখা করার জন্য যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক একজন দোভাষীর সেবা দেয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে দোভাষী উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন।

Section 543- Interpreter to be bound to interpret truthfully
When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
৮৫৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৭(২) অনুযায়ী, নাম-ঠিকানা নিশ্চিত হওয়ার পর গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে কীভাবে মুক্তি দেওয়া যায়?
  1. কোনো শর্ত ছাড়াই মুক্তি দেওয়া যায়
  2. মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া যায়
  3. পুলিশ স্টেশনে রেকর্ড করে মুক্তি দেওয়া যায়
  4. ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ ছাড়া মুক্তি দেওয়া যায় না
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দেওয়া যায়
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৭(২)-তে বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তদন্ত বা অন্য কোনো কারণে তাকে হেফাজতে রাখার প্রয়োজন না থাকে, তবে তার নাম-ঠিকানা নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ চাইলে তাকে মুচলেকা নিয়ে মুক্তি দিতে পারবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৭ ধারার বিধান,নাম ও বাসস্থান এর ঠিকানা জানাতে অস্বীকৃতি:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসারের উপস্থিতিতে কোন আমলযোগ্য অপরাধ করে অথবা এরূপ অপরাধ করার অভিযোগে অভিযুক্ত হয় এবং উক্ত অফিসার দাবী করলে নিজের নাম ও বাসস্থান জানাতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে বা এরূপ নাম ও বাসস্থানের কথা ব্যক্ত করে যা উক্ত অফিসার যুক্তিসঙ্গতভাবে মিথ্যা মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে তার নাম বা বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হবার জন্য উক্ত অফিসার তাকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
(২) এধরণের ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেলে প্রয়োজনবোধে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবরে উপস্থিত হবার লক্ষ্যে জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতীত বন্ড সম্পাদনের পর তাকে ছেড়ে দিতে হবে:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে এরূপ ব্যক্তি বাংলাদেশের বাসিন্দা না হয়, সেক্ষেত্রে এক বা একাধিক বাসিন্দাকে তার বন্ডে জামিনদার হতে হবে।
(৩) গ্রেফতারের সময় হতে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার মধ্যে যদি এরূপ ব্যক্তির প্রকৃত নাম ও বাসস্থান পাওয়া না যায় অথবা সে যদি বন্ড সম্পাদনে ব্যর্থ হয়, অথবা প্রয়োজন মতে পর্যাপ্ত জামিনদার আনতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে তাকে সাথে সাথে নিকটস্থ এখতিয়ার সম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠাতে হবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 57: Refusal to give name and residence:
(1) When any person who in the presence of a police-officer has committed or has been accused of committing a non-cognizable offence refuses, on demand of such officer, to give his name and residence or gives a name or residence which such officer has reason to believe to be false, he may be arrested by such officer in order that his name or residence may be ascertained. 
(2) When the true name and residence of such person have been ascertained, he shall be released on his executing a bond, with or without sureties, to appear before a Magistrate if so required: 
Provided that, if such person is not resident in Bangladesh, the bond shall be secured by a surety or sureties resident in Bangladesh. 
(3) Should the true name and residence of such person not be ascertained within twenty-four hours from the time of arrest or should he fail to execute the bond, or, if so required, to furnish sufficient sureties, he shall forthwith be forwarded to the nearest Magistrate having jurisdiction.

৮৫৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৩ ধারায় কমিশন প্রেরণ করে কার সাক্ষ্য গ্রহণ করা যায়?
  1. অভিযুক্তের
  2. সাক্ষীর
  3. ফরিয়াদির
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৩- সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহনের জন্য কমিশন নিয়োগ

ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্যকোন কার্যক্রম প্রসঙ্গে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, দায়রা আদালত অথবা হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহন করা প্রয়োজন কিন্তু বিলম্ব, ব্যয় অথবা অসুবিধা ব্যতীত উক্ত সাক্ষীকে হাজির করা সম্ভব নয় অথবা মামলার পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব,ব্যয় বা অসুবিধা বহন করা অযৌক্তিক তাহলে,

উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালত উক্ত সাক্ষীকে হাজির হতে রেহাই দিতে পারবে এবং উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহনের জন্য সাক্ষী যে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে বাস করেন তাকে কমিশন দিতে পারবেন। সাক্ষী যদি যুক্তরাজ্য বা বাংলাদেশ ব্যতীত কমনওয়েলথের অন্য কোন দেশে বা মায়ানমারে বাস করেন তাহলে সরকার কর্তৃক সরকারী গেজেটে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত উক্ত দেশে এই সম্পর্কে ক্ষমতাবান কোন আদালত বা জজকে কমিশন দেয়া যাবে। এরূপ কমিশন প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা অফিসার সাক্ষী যেখানে আছেন সেখানে গমন করবেন অথবা সাক্ষীকে নিজের নিকট আহ্বান করবেন এবং তার সাক্ষাত করবেন।
৮৫৬.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের বিধান রয়েছে?
  1. ৫৩ ধারা
  2. ৫৪ ধারা
  3. ৫৫ ধারা
  4. ৫৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ সালের ৫৪ ধারা অনুযায়ী, ৯টি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ছাড়াই এবং পরোয়ানা ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারে।
- এই ধারা মূলত "arrest without warrant" বা “বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার” সংক্রান্ত বিধান প্রদান করে।
⇒ পুলিশ ৯ প্রকার ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে:-
১. কোন আমলযোগ্য অপরাধের সাথে জড়িত আছে মর্মে সন্দেহ হলে (Cognizable Offence)
২. ঘর ভাঙ্গার সরঞ্জাম পেলে (Implement of House breaking )
৩. অপরাধী ঘোষিত হলে (Proclaimed offender)
৪. চোরাই মাল পাওয়া গেলে (Stolen property )
৫. পুলিশ অফিসারের কাজে বাধা দিলে, আইনসঙ্গত হেফাজত থেকে পলায়নের চেষ্টা বা পলায়ন করলে (Obstructs)
৬. সশস্ত্র বাহিনী হতে পলায়ন করলে (Deserter from Armed forces)
৭. বাংলাদেশের বাইরে বাংলাদেশের আইনে আমলযোগ্য অপরাধ করলে (Out of BD act committed)
৮. মুক্তিপ্রাপ্ত আসামি ৫৬৫(৩) ধারা ভঙ্গ করলে (Released Convict )
৯. যাকে গ্রেফতারের জন্য অনুরোধ রয়েছে (Requisition of arrest) ।
------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 54.When police may arrest without warrant:
(1) Any police-officer may, without an order from a Magistrate and without a warrant, arrest-
firstly , any person who has been concerned in any cognizable offence or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received, or a reasonable suspicion exists of his having been so concerned;
secondly , any person having in his possession without lawful excuse, the burden of proving which excuse shall lie on such person, any implement of house breaking;
thirdly , any person who has been proclaimed as an offender either under this Code or by order of the Government;
fourthly, any person in whose possession anything is found which may reasonably be suspected to be stolen property and who may reasonably be suspected of having committed an offence with reference to such thing;
fifthly, any person who obstructs a police-officer while in the execution of his duty, or who has escaped, or attempts to escape, from lawful custody;
sixthly, any person reasonably suspected of being a deserter from the armed forces of Bangladesh;
seventhly , any person who has been concerned in, or against whom a reasonable complaint has been made or credible information has been received or a reasonable suspicion exists of his having been concerned in, any act committed at any place out of Bangladesh, which, if committed in Bangladesh, would have been punishable as an offence, and for which he is, under any law relating to extradition or under the Fugitive Offenders Act, 1881, or otherwise, liable to be apprehended or detained in custody in Bangladesh;
eighthly , any released convict committing a breach of any rule made under section 565, sub-section (3);
ninthly, any person for whose arrest a requisition has been received from another police-officer, provided that the requisition specifies the person to be arrested and the offence or other cause for which the arrest is to be made and it appears therefrom that the person might lawfully be arrested without a warrant by the officer who issued the requisition.
৮৫৭.
According to Section 382 of the Code of Criminal Procedure, 1898, which court is authorized for postponing the capital sentence of a pregnant woman?
  1. The High Court Division
  2. The Magistrate Court
  3. The Sessions Court
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
The High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The High Court Division
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-382: Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life. 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীন গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়। মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।
৮৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬১ অনুসারে, পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে যাতায়াতের সময় বাদে সর্বোচ্চ কত ঘণ্টা আটক রাখা যায়?
  1. ১২ ঘণ্টা
  2. ২৪ ঘণ্টা
  3. ৪৮ ঘণ্টা
  4. ৭২ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৬১ অনুযায়ী, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টার বেশি আটক রাখতে পারবেন না।
- এই সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করতে হবে।
- তবে, যদি ধারা ১৬৭ অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট বিশেষ আদেশ দেন, তখন সময়সীমা বাড়ানো যেতে পারে।
- যাতায়াতের সময় (গ্রেপ্তারের স্থান থেকে আদালতে পৌঁছাতে যে সময় লাগে) এই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গণনা করা হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৬১ ধারা-গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে চব্বিশ ঘন্টার বেশী সময় আটক রাখা যাবে না:
কোন পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারকৃত কোন ব্যক্তিকে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময়ের চাইতে অধিক কাল আটক রাখবেন না এবং ১৬৭ ধারার বিধান অনুসারে কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের বিশেষ আদেশ না থাকলে এরূপ আটকের সময় গ্রেফতারের স্থান হতে ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে যাবার সময় বাদ দিয়ে ২৪ (চব্বিশ) ঘন্টার বেশী হবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 61- Person arrested not to be detained more than twenty-four hours:
No police-officer shall detain in custody a person arrested without warrant for a longer period than under all the circumstances of the case is reasonable, and such period shall not, in the absence of a special order of a Magistrate under section 167, exceed twenty-four hours exclusive of the time necessary for the journey from the place of arrest to the Magistrate's Court.

৮৫৯.
রবি একটি মামলায় দোষ স্বীকার করেছে এবং তার ভিত্তিতে আদালত তাকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। এই অবস্থায়, রবি কোন বিষয়ে আপিল করতে পারবে?
  1. আপিল করতে পারবে না
  2. দণ্ডের বৈধতা নিয়ে
  3. দোষ স্বীকার করার প্রক্রিয়া নিয়ে
  4. মামলার পুনর্বিচার নিয়ে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডের বৈধতা নিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডের বৈধতা নিয়ে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না, তা উল্লেখ করা হয়েছে।

ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]:
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে। যেমন- দোষ স্বীকার করার পরও অধিক দণ্ড দিলে, দণ্ডের পরিমাণের (quantum of sentence) বৈধতার বিষয়ে আপিল করা যেতে পারে।
৮৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারায় তল্লাশির সময় সর্বনিম্ন কতজন স্থানীয় ও গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত থাকতে হবে?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ২ জন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৩ ধারা- সাক্ষীর উপস্থিতিতে তল্লাশী কার্যক্রম চালাতে হবে:

(১) এই অধ্যায় মোতাবেক তল্লাশী করার পূর্বে যে অফিসার বা ব্যক্তি তা করতে গিয়েছেন, তিনি যে এলাকার মধ্যে, যে স্থান তল্লাশী করতে হবে তা অবস্থিত, সেই এলাকার দুই বা ততোধিক নিরপেক্ষ ও গণ্যমান্য অধিবাসীকে তল্লাশীর সাক্ষী হবার জন্য আহ্বান করবেন এবং এরূপ করার জন্য তাদেরকে বা তাদের যে কোন একজনের প্রতি লিখিত আদেশ দিতে পারবেন।

(২) তাদের সমক্ষে তল্লাশী করতে হবে, এবং ঐরূপ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি ঐরূপ তল্লাশী করার সময় যেসব জিনিস বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং যেসব স্থানে ঐগুলি যথাক্রমে পাওয়া যায় তার একটি তালিকা তৈয়ারী করবেন এবং ঐরূপ সাক্ষীগণ তাতে সহি দিবেন; কিন্তু আদালত বিশেষভাবে সমন না দিলে এই ধারায় সম্পাদিত তল্লাশী দর্শনকারী ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরা দিতে হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 103- Search to be made in presence of witnesses:
(1) Before making a search under this Chapter, the officer or other person about to make it shall call upon two or more respectable inhabitants of the locality in which the place to be searched is situate to attend and witness the search and may issue an order in writing to them or any of them so to do.

(2) The search shall be made in their presence, and a list of all things seized in the course of such search and of the places in which they are respectively found shall be prepared by such officer or other person and signed by such witnesses; but no person witnessing a search under this section shall be required to attend the Court as a witness of the search unless specially summoned by it.
৮৬১.
বিচার চলাকালীন সময় আসামি হাজতে থাকলে এবং বিচারে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে তার উক্ত হাজতবাসের মেয়াদ বাদ দেওয়া হবে না যদি সে-
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়
  2. মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়
  3. ১২ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলে
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ক ধারায় বিচার চলাকালে আসামীর জেল হাজতে থাকা সময় কিভাবে দন্ড থেকে বাদ যাবে তা বলা হয়েছে যা নিম্নরূপ:
♦ ধারা-৩৫ক(১): ফৌজদারি মামলার বিচার চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ মামলা শুরু হওয়ার পর দন্ডপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত আসামি যে কয়দিন জেলহাজতে ছিল, তা কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। তবে এই বিধানটি আসামী মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হলে প্রযোজ্য হবে না অর্থাৎ ৩৫ক ধারাটি মৃত্যুদন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
♦ ধারা-৩৫ক(২): যদি বিচার চলাকালীন সময়ে হাজতে থাকার মেয়াদ কারাদন্ডের মেয়াদ থেকে বেশী হয় তাহলে আসামি পুরো কারাদন্ড ভোগ করেছে বলে গণ্য হবে এবং জেল থেকে মুক্তি পাবে; পাশাপাশি কোন অর্থদন্ড থাকলে সেই অর্থদন্ডও মওকুফ হয়ে যাবে।
৮৬২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার অধীন ফরিয়াদি বা সাক্ষীর হাজিরা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কার?
  1. আদালত
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অভিযোগকারী
  4. পুলিশ অফিসার
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুলিশ অফিসার
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:

(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।

- ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না:
অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।

- অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে:
শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।
 
(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।

Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,

- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:

- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.

(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
৮৬৩.
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন নিম্নলিখিত কোন ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারবেন না?
  1. উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা
  2. কোন ব্যক্তির আত্মহত্যার আশংকা
  3. দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা
  4. মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা
সঠিক উত্তর:
কোন ব্যক্তির আত্মহত্যার আশংকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন ব্যক্তির আত্মহত্যার আশংকা
ব্যাখ্যা
♦ আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অথবা ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কারো আবেদনের প্রেক্ষিতে অথবা নিজে স্বত্বঃপ্রণোদিত হয়ে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে-

i) আইনানুগভাবে কর্মরত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির আশংকা,

ii) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তা বিপন্ন হবার আশংকা;

iii) উৎপাত বা জনসাধারনের শান্তিভঙ্গের আশংকা ;

iv) দাঙ্গা বা মারামারির আশংকা ; এবং

v) আশু প্রতিরোধ ও দ্রুত প্রতিকার প্রয়োজন হলে 

অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আত্মহত্যার আশংকা থাকলে  ১৪৪ ধারা জারি করতে হয়না।

১৪৪ ধারার আদেশ ম্যাজিস্ট্রেটের স্বেচ্ছাধীন/বিবেচনামূলক (Discretionary) ক্ষমতা।


♦ ১৪৪ ধারা জারির ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত সাধারণ নিয়মাবলী অনুসরণ করা হয় । যথা-

i) সাধারণত নোটিশ জারি করার পর ১৪৪ ধারা জারি করা হয় কিন্তু জরুরী পরিস্থিতিতে নোটিশ ব্যতীত একতরফাভাবে ১৪৪ ধারা জারি করা যায়। এই আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশ হতে পারে।
(ii) ১৪৪ ধারার আদেশে কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করা থেকে বিরত রাখতে অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি ম্যাজিস্ট্রেটের দখলে বা ব্যবস্থাধীনে নেয়ার নির্দেশ থাকতে পারে।
iii) ১৪৪ ধারার আদেশ সাধারণত সর্বোচ্চ ২ মাস পর্যন্ত বলবৎ থাকে; তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দ্বারা ১৪৪ ধারার আদেশকে ২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত বলবৎ রাখতে পারে ।

♦ ১৪৪(৪) ধারামতে কোন ম্যাজিস্ট্রেট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদনক্রমে ১৪৪ ধারার আওতায় তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারেন। ১৪৪ ধারা মেট্রোপলিটন এলাকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবেনা। তবে মেট্রোপলিটন এলাকায় মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ১৪৪ ধারা জারি করতে পারে।

♦ ১৪৪ ধারার আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যাবে।
৮৬৪.
Under the provision of Code of Criminal Procedure, the Court of a Magistrate of the first class may pass a sentence of imprisonment for a term not exceeding five years, or of fine not exceeding _________ tk or both.
  1. Five thousand
  2. Ten thousand
  3. Seven thousand
  4. Fifteen thousand
সঠিক উত্তর:
Ten thousand
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ten thousand
ব্যাখ্যা
• Under the section 32 of Code of Criminal Procedure,1898 the Court of a Magistrate of the first class may pass a sentence of imprisonment for a term not exceeding five years, or of fine not exceeding ten thousand tk or both.

Section 32: Sentences which Magistrates may pass- (1) The Courts of Magistrates may pass the following sentences namely:- 

(a) Courts of Metropolitan Magistrates and of Magistrates of the first class:
Imprisonment for a term not exceeding five years, including such solitary confinement as is authorized by law;
Fine not exceeding ten thousand taka; Whipping.

(b) Courts of Magistrates of the second class:
Imprisonment for a term not exceeding three years, including such solitary confinement as is authorized by law;
Fine not exceeding five thousand taka.

 (c) Courts of Magistrates of the third class:
Imprisonment for a term not exceeding two year; 
Fine not exceeding two thousand taka.

(2) The Court of any Magistrate may pass any lawful sentence, combining any of the sentences which it is authorized by law to pass.


ফৌজদারী কার্যবিধির ৩২ ধারার বিধানঃ (১) ম্যাজিষ্ট্রেটের নিম্নবর্ণিত আদালতসমূহ নিম্নলিখিত দণ্ড দিতে পারবেন যথাঃ

ক) মেট্রোপলিটন এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দশ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত।
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালত আইনে অনুমোদিত নিঃসঙ্গ অবরোধসহ তিন বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড; বেত্রাঘাত৷
(গ) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের দুই বৎসরের অনধিক কারাদণ্ড, দুই হাজার আদালত টাকার অর্থদণ্ড।

২) যেকোন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত আইনের দ্বারা যেসব দণ্ড প্রদানের ক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেসব দণ্ডের মধ্যে একটির সহিত আরেকটির যুক্ত করে যেকোন আইনসঙ্গত দণ্ড প্রদান করতে পারেন।
৮৬৫.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে ধর্ষণের অপরাধ কে আমলে গ্রহণ করতে পারে না?
  1. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ ধারার বিধান:- স্বামীর দ্বারা ধর্ষণের অপরাধ সম্পর্কে বিশেষ বিধান:
(১) এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়া অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট-
(ক) ধর্ষণের অপরাধ আমলে গ্রহণ করবেন না, যদি যৌন সংগমটি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সহিত করে থাকে, কিংবা
(খ) ব্যক্তিকে উক্ত অপরাধের বিচার করার জন্য প্রেরণ করবেন না ।
(২) এবং এই বিধিতে যা-ই থাকুক না কেন, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যেক্ষেত্রে (১) উপধারায় উল্লেখিত অপরাধ সম্পর্কে কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন মনে করবেন, সেক্ষেত্রে উক্ত তদন্তের জন্য বা তদন্তে অংশগ্রহণের জন্য পুলিশ ইন্সপেক্টর পদের নিম্ন পদস্থ কোন অফিসারকে নিয়োগ করা যাবে না।
-----------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 561- Special provisions with respect to offence of rape by a husband
(1) Notwithstanding anything in this Code, no Magistrate except the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate shall-
(a) take cognizance of the offence of rape where the sexual intercourse was by a man with is wife, or
(b) send the man for trial for the offence.
(2) And, notwithstanding anything in this Code, if the Chief Metropolitan Magistrate or a Chief Judicial Magistrate deems it necessary to direct an investigation by a police-officer, with respect to such an offence as is referred to in sub-section (1), no police-officer of a rank below that of police-inspector shall be employed either to make, or to take part in, the investigation.
৮৬৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারায় অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন কবে করা যেতে পারে?
  1. সাজা ঘোষণা হওয়ার পর
  2. অভিযোগ গঠনের পর
  3. অভিযোগ খারিজ করার পর
  4. রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে। রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার অনুযায়ী, আদালত যেকোনো সময় রায় ঘোষণার পূর্বে অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ সংযোজন করতে পারেন। এর উদ্দেশ্য হল যদি অভিযোগে কোন ভুল বা অবহেলা থেকে থাকে বা কিছু বাদ পড়ে যায়, তাহলে তা সংশোধন করার সুযোগ দেওয়া। তবে এই পরিবর্তন বা সংযোজনের পর, আদালত তা অভিযুক্তকে পড়তে এবং বুঝিয়ে শোনাতে বাধ্য। এর ফলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রকৃতি এবং বিস্তারিত জানার অধিকারী হন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে।
------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge:
(1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced.
(2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
৮৬৭.
একই ডাকাত দল H ও K এর বাড়িতে যথাক্রমে রাত ২ ও ৪ টায় ডাকাতি করলে তাদের বিরুদ্ধে কয়টা মামলা হবে?
  1. ভিকটিমের ইচ্ছা মতে
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৩৪ ধারার বিধান- একই ধরনের অনধিক ৩টি অপরাধ ১ বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করে একটি মামলায় বিচার করা যাবে। ২৩৯ ধারায় কোন কোন ব্যক্তিকে একই সাথে অভিযুক্ত করা যায় এই বিষয়ে বিধান আছে।
৮৬৮.
মহানগর এলাকায় কে অপরাধ আমলে নিতে পারে?
  1. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. খ এবং গ উভয়ে
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ উভয়ে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।কোন কোন ম্যাজিস্ট্রেট,কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধ আমলে নিতে পারে সেই সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• এই ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারে-

- মহানগর এলাকায়

১. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
২. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

- মহানগর এলাকার বাইরে

১. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
২. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট
৮৬৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারা অনুসারে, আপিলের ক্ষেত্রে পরপর চলমান একাধিক দণ্ড কীভাবে বিবেচিত হবে?
  1. শুধুমাত্র সর্বোচ্চ দণ্ড কার্যকর হবে
  2. পৃথক দণ্ড হিসেবে গণ্য হবে
  3. একত্রিতভাবে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য হবে
  4. শুধুমাত্র প্রথম দণ্ড কার্যকর হবে
সঠিক উত্তর:
একত্রিতভাবে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একত্রিতভাবে একটি দণ্ড হিসেবে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৫ ধারার বিধান- একই বিচারে কতিপয় অপরাধে দোষী সাব্যস্তের ক্ষেত্রে দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ:
(১) যখন কোন ব্যক্তি একই বিচারে দুই বা ততোধিক অপরাধের জন্য দণ্ডিত হলে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার ব্যবস্থা সাপোক্ষে আদালত উক্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য নির্ধারিত ও আদালতের ক্ষমতার অন্তর্ভূক্ত শাস্তি প্রদান করতে পারেন; এরূপ শান্তি কারাদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলে আদালত যদি একই সাথে চলবে মর্মে নির্দেশ প্রদান না করেন, তাহলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটির পর অপরটি চলবে।

(২) আদালত একটিমাত্র অপরাধের জন্য যে শাস্তি দিতে পারেন, তার চেয়ে একাধিক দণ্ড পর পর চলবার ক্ষেত্রে মোট শাস্তির পরিমাণ যদি অধিক হয়, তখন কেবলমাত্র ইহার জন্য উক্ত আদারতকে বিচারের জন্য অপরাধীকে উচ্চতর আদালতে পাঠাতে হবে না।
 
তবে শর্ত থাকে যে,
(ক) দণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদঃ কোনভাবেই এরূপ ব্যক্তিকে চৌদ্দ বৎসরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে না।
(খ) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যদি এরকমের মামলার বিচার করেন, তাহলে মোট শাস্তির পরিমাণ উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট তার সাধারণ এখতিয়ারে যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার দ্বিগুণের বেশী হবে না।
(৩) আপীলের উদ্দেশ্যে এই ধারার বিধান অনুসারে একই বিচারে বিভিন্ন অপরাধের জন্য প্রদত্ত পর পর চলার একাধিক দণ্ডের মোট পরিমাণকে একটিমাত্র দণ্ড মর্মে ধরে নিতে হবে।
৮৭০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ২৪৯ ধারা মতে মামলার কার্যক্রম বন্ধ (Stop) নিম্নোক্ত কোন মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. GR
  2. CR
  3. Non-GR
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
CR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CR
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ নালিশ ব্যতীত অন্যান্য মামলার যেকোনো পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।
উল্লেখ আছে, নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-249: Power to stop proceedings when no complainant:
-In any case instituted otherwise than upon complaint, a Metropolitan Magistrate, a Magistrate of the first class, or with the previous sanction of the Chief Judicial Magistrate, any other Judicial Magistrate, may for reasons to be recorded by him, stop the proceedings at any stage without pronouncing any judgment either of acquittal or conviction, and may thereupon release the accused.
৮৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৬ষ্ঠ কলামে কী উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. দণ্ডবিধির অধীন উল্লিখিত শাস্তি
  2. অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
  3. আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ
  4. অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য
সঠিক উত্তর:
অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য কিনা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২য় তফসিলের ৬ষ্ঠ কলামে "অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা" উল্লেখ করা হয়েছে।
এটি বোঝায় যে, এই কলামে একটি নির্দিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে এটি নির্ধারণ করা হয় যে, অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (অর্থাৎ, যার জন্য অভিযুক্ত পক্ষ এবং ভুক্তভোগী পক্ষ চুক্তির মাধ্যমে আপস করতে পারে) কিনা।
মীমাংসাযোগ্য অপরাধগুলো সাধারণত অপরাধী এবং ভুক্তভোগীর মধ্যে আপস বা সমঝোতা করার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা যায়, যার ফলে মামলা তুলে নেওয়া হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ দেওয়া হলো:
১ম কলাম - পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ,
২য় কলাম - অপরাধ,
৩য় কলাম - আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ (পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারে কি না),
৪র্থ কলাম - প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা,
৫ম কলাম - অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য,
৬ষ্ঠ কলাম - অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা,
৭ম কলাম - দণ্ডবিধির অধীনে উল্লিখিত শাস্তি,
৮ম কলাম - যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
৮৭২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১৯ অনুযায়ী, শুধুমাত্র তদন্তের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি পুলিশি হেফাজতে থাকেন, তাহলে তাকে _____ দেওয়া হবে।
  1. মুক্তি
  2. খালাস
  3. জামিন
  4. অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
মুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তি
ব্যাখ্যা
ধারা ১১৯: অভিযোগকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যদি ধারা ১১৭ অনুযায়ী তদন্তে প্রমাণ না হয় যে শান্তি রক্ষা করা বা ভালো আচরণ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বন্ডে স্বাক্ষর করানো জরুরি, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট এই বিষয়ে নথিতে উল্লেখ করবেন। যদি সেই ব্যক্তি শুধুমাত্র তদন্তের উদ্দেশ্যে হেফাজতে থাকেন, তাহলে তাকে মুক্তি দেওয়া হবে। যদি ওই ব্যক্তি হেফাজতে না থাকেন, তবে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হবে।

Discharge of person informed against-
If, on an inquiry under section 117, it is not proved that it is necessary for keeping the peace or maintaining good behaviour, as the case may be, that the person in respect of whom the inquiry is made, should execute a bond, the Magistrate shall make an entry on the record to that effect, and if such person is in custody only for the purposes of the inquiry, shall release him, or, if such person is not in custody, shall discharge him.
৮৭৩.
কালাম এর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রদান করেন দায়রা আদালত এবং উক্ত আদেশ অনুমোদনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করে। হাইকোর্ট বিভাগ _______
  1. কালামকে খালাস দিতে পারে।
  2. উক্ত আদেশ বাতিল করে নতুন দণ্ডাদেশ দিতে পারে।
  3. উক্ত দণ্ডাদেশ বহাল রাখতে পারে।
  4. উপরের সবগুলো।
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৩৭৬ ধারা মোতাবেক ৩৭৪ ধারা অনুসারে পেশকৃত কোন মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ __
ক) দণ্ডাদেশ অনুমোদন অথবা আইনানুসারে সমর্থনীয় অন্য কোন দণ্ডাদেশ দিতে পারবেন, অথবা
খ) অপরাধী সাব্যস্ত করার আদেশ বাতিল করতে পারবেন এবং আসামীকে এমন কোন অপরাধের জন্য অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন যে অপরাধের জন্য দায়রা আদালত তাকে অপরাধী সাব্যস্ত করতে পারবেন অথবা একই অভিযোগ বা সংশোধিত অভিযোগের ভিত্তিতে নতুন বিচারের আদেশ দিতে পারবেন, অথবা
গ) আসামীকে খালাস দিতে পারবেন, তবে শর্ত এই যে, আপীলের জন্য নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা উক্ত সময়ের মধ্যে আপীল পেশ করা হলে উহ নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই ধারা অনুসারে অনুমোদনের আদেশ দেয়া যাবে না।
৮৭৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬১-এর অধীনে পুলিশ কর্মকর্তা কী করতে পারেন?
  1. সাক্ষীকে কারাগারে পাঠাতে পারেন
  2. সাক্ষীর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারেন
  3. সাক্ষীকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন
  4. সাক্ষীর বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীকে মৌখিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬১ অনুযায়ী,
পুলিশ কর্মকর্তা কোনো মামলার তদন্তের সময় সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন এবং তাদের বিবৃতি লিপিবদ্ধ করতে পারেন। এই ধারা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:

(১) পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী জিজ্ঞাসাবাদ:
যে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি এই অধ্যায়ের অধীনে তদন্ত করছেন, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত নিম্নপদস্থ না এমন কোনো পুলিশ কর্মকর্তা, মামলার প্রয়োজন অনুযায়ী মৌখিকভাবে যে কোনো ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। সেই ব্যক্তিকে মামলার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত বলে মনে করলে তার কাছে তথ্য জানতে চাওয়া যায়।

(২) প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা:
সাক্ষী ব্যক্তি মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য, তবে এমন কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয় যা তাকে কোনো অপরাধমূলক অভিযোগের মুখোমুখি করতে পারে, কিংবা তাকে কোনো জরিমানা, দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

(৩) বিবৃতি লিপিবদ্ধকরণ:
পুলিশ কর্মকর্তা চাইলে সাক্ষী বা জিজ্ঞাসাবাদকৃত ব্যক্তির বিবৃতি লিখিত আকারে সংরক্ষণ করতে পারেন। যদি তিনি তা করেন, তবে প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য আলাদা বিবৃতি তৈরি করতে হবে।
৮৭৫.
What is the purpose of tendering a pardon according to Section 338 of The Code of Criminal Procedure,1898?
  1. To absolve the accused of all charges
  2. To obtain evidence during the trial
  3. To delay the trial proceedings
  4. To increase the severity of the punishment
সঠিক উত্তর:
To obtain evidence during the trial
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To obtain evidence during the trial
ব্যাখ্যা
Section 338- Power to direct tender of pardon:
At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.

ধারা ৩৩৮- ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দানের ক্ষমতা:
রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় যে দায়রা আদালত মােকদ্দমার বিচার করছেন সেই আদালত বিচারকালে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে জড়িত বা সেই সম্পর্কে গােপন তথ্যের অধিকারি বলে অনুমতি কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে এই শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারবেন বা চীফ মেটোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন।
৮৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, অভিযোগপত্র, সমন, ওয়ারেন্ট বা চার্জে ত্রুটি থাকলেও রায় বাতিল হবে না, যদি না ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা ঘটে?
  1. ধারা ৫৩৫
  2. ধারা ৫৩৩
  3. ধারা ৫৩৭
  4. ধারা ৫৩৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৩৭
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫৩৭-এর শিরোনাম হলো "Finding or sentence when reversible by reason of error or omission in charge or other proceedings"।
ধারা ৫৩৭ এর মাঝে বলা আছে যে, অভিযোগপত্র (complaint), সমন (summons), ওয়ারেন্ট (warrant), চার্জ (charge), ঘোষণাপত্র (proclamation), আদেশ (order), রায় (judgment) বা অন্য কোনো কার্যধারায় (proceedings) কোনো ত্রুটি (error), বাদ পড়া (omission) বা অনিয়ম (irregularity) থাকলেও, সেই কারণে কোনো সক্ষম এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতের (Court of competent jurisdiction) দেওয়া রায় (finding), দণ্ডাদেশ (sentence) বা আদেশ (order) অধ্যায় XXVII-এর অধীনে, আপিলে (appeal) বা পুনর্বিচারে (revision) বাতিল (reversed) বা পরিবর্তন (altered) করা যাবে না, যদি না সেই ত্রুটির কারণে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটে থাকে।

অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৩৭ অনুযায়ী: কোনো আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায়, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র অভিযোগপত্র, সমন, ওয়ারেন্ট, চার্জ বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় ত্রুটি, বাদ বা অনিয়ম থাকার কারণে বাতিল হবে না।
তবে, যদি প্রমাণিত হয় যে এই ত্রুটি বা অনিয়মের কারণে ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা (failure of justice) ঘটেছে, তখনই রায় বাতিল বা পরিবর্তন হতে পারে।
Explanation: আদালত বিবেচনা করবে যে আপত্তি বা ত্রুটি কি বিচার প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে উত্থাপন করা যেত এবং করা উচিত ছিল কিনা।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 537. Finding or sentence when reversible by reason of error or omission in charge or other proceedings:
Subject to the provisions hereinbefore contained, no finding, sentence or order passed by a Court of competent jurisdiction shall be reversed or altered under Chapter XXVII or on appeal or revision on account– 
(a) of any error, omission or irregularity in the complaint, summons, warrant, charge, proclamation, order, judgment or other proceedings before or during trial or in any inquiry or other proceedings under this Code, or 

Explanation–In determining whether any error, omission or irregularity in any proceeding under this Code has occasioned a failure of justice, the Court shall have regard to the fact whether the objection could and should have been raised at an earlier stage in the proceedings.

৮৭৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. হাইকোর্টে আপিল
  2. দায়রা আদালতে রিভিশন
  3. দায়রা আদালতে আপিল
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিভিউ
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার কার্যক্রম সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
ধারা ২৪১(ক)-ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক আসামির অব্যাহতি [Discharge of Accused by Magistrate):
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে ২৪১ক ধারায় অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারে। অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিবে। পুলিশ কেসের ক্ষেত্রে মামলার এফআইআর, চার্জশিট, পুলিশের নিকট দেয়া বা সংগ্রহকৃত তথ্য বা প্রস্তুতকৃত ডকুমেন্ট, তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট প্রদত্ত জবানবন্দি, মেডিকেল সার্টিফিকেট এবং নালিশি কেসের ক্ষেত্রে মামলার অভিযোগ, বিচারিক অনুসন্ধান ও মেডিকেল সার্টিফিকেট ইত্যাদি কাগজপত্র আমলে নিবেন।

⇒ ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিলে ফরিয়াদীর প্রতিকার-
২৪১(ক) ধারার অধীন ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতির আদেশ দিলে, ফরিয়াদী উক্ত অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ কোর্টে রিভিশন দায়ের করতে পারে।

উল্লেখ্য যে, ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ৩ ক্ষেত্রে আপিলের বিধান রয়েছে-
- দণ্ডাদেশ (ধারা ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০);
- অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশ (ধারা ৪১৭ক); এবং
- খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭)।
যেহেতু অব্যাহতির ক্ষেত্রে আপিলের বিধান নেই এবং যেক্ষেত্রে আপিল করা যায় না সেক্ষেত্রে রিভিশনের সুযোগ রয়েছে, সেহেতু উক্ত অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যাবে।

---------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-241A: When accused shall be discharged:
- When the accused appears or is brought before the Magistrate, and if the Magistrate, upon consideration of the record of the case and the documents submitted therewith and making such examination, if any, of the accused as the Magistrate thinks necessary and after giving the prosecution and the accused an opportunity of being heard, considers the charge to be groundless, he shall discharge the accused and record his reasons for so doing.
৮৭৮.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোথায় "Officer in charge of a police station" সম্পর্কে বলা আছে?
  1. Section 4(f)
  2. Section 4(j)
  3. Section 4(p)
  4. Section 4(q)
সঠিক উত্তর:
Section 4(p)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 4(p)
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৪(ত) [Section-4(p): থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer in charge of a police station)- "থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা" বলতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে তাঁর স্থলে থানায় উপস্থিত থাকেন এমন একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে বোঝাবে, যিনি কনষ্টেবল পদের উপরে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অব্যবহিত নীচে; অথবা সরকার নির্দেশ দিলে উপস্থিত অন্য যেকোন পুলিশ অফিসারকেও বুঝাবে।
------------------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 4(p) "officer in charge of a police-station" includes, when the officer in charge of the police-station is absent from the station-house or unable from illness or other cause to perform his duties, the police-officer present at the station house who is next in rank to such officer and is above the rank of constable or, when the Government so directs, any other police-officer so present.
৮৭৯.
দায়রা জজের নিকট রিভিশন আবেদন করলে, তার সিদ্ধান্ত-
  1. চূড়ান্ত
  2. আপিলযোগ্য
  3. পুনঃরিভিশনযোগ্য
  4. রিভিউযোগ্য
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত
ব্যাখ্যা

ধারা ৪৩৯ক – দায়রা জজের রিভিশন ক্ষমতা:
(১) যে কোনো মামলার রেকর্ড দায়রা জজ নিজে তলব করলে, বা অন্য কোনোভাবে তাঁর জ্ঞাত হলে, তিনি ধারা ৪৩৯-এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ যে ক্ষমতাসমূহ প্রয়োগ করতে পারে, সেই সমস্ত বা যেকোনো ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
অর্থাৎ, রিভিশন ক্ষমতার ক্ষেত্রে দায়রা জজ হাইকোর্ট বিভাগের মতোই কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি বা তার পক্ষে কেউ দায়রা জজের নিকট রিভিশনের জন্য আবেদন করে, তাহলে সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত (final) বলে গণ্য হবে। অর্থাৎ, ব্যক্তিগত রিভিশন আবেদনে দায়রা জজের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আর রিভিশন করা যাবে না।

(৩) কোনো মামলাকে দায়রা জজ যেকোনো সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট হস্তান্তর করলে, সেই অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge) এই অধ্যায়ের অধীনে দায়রা জজের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

৮৮০.
অভিযুক্তকে হাজির করার জন্য প্রথমে সমন নাকি ওয়ারেন্ট জারি করা হবে- তা আদালত কিভাবে নির্ধারণ করবেন?
  1. নিজের বিবেচনা অনুযায়ী
  2. দণ্ডবিধির তফসিল অনুযায়ী
  3. ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিল অনুযায়ী
  4. ফরিয়াদির আবেদনক্রমে
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিল অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিল অনুযায়ী
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে যা নিম্নরূপ-

১ম কলাম- পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ;
২য় কলাম- অপরাধ;
৩য় কলাম- পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারে কি পারে না অর্থাৎ আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ;
৪র্থ কলাম- প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা;
৫ম কলাম- অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য;
৬ষ্ঠ কলাম- অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা;
৭ম কলাম- দন্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি;
৮ম কলাম- যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।

২য় তফসিলের ৪র্থ কলামে উল্লেখ করা আছে কোন অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে এবং কোন অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে আগে ওয়ারেন্ট ইস্যু করা যাবে।
৮৮১.
Section 224 of The Code of Criminal Procedure, 1898 primarily deals with the interpretation of words in a:
  1. Verdict
  2. Charge
  3. Testimony
  4. Court order
সঠিক উত্তর:
Charge
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charge
ব্যাখ্যা
Section 224: Words in charge taken in sense of law under which offence is punishable-
In every charge words used in describing an offence shall be deemed to have been used in the sense attached to them respectively by the law under which such offence is punishable.

• ধারা ২২৪ অনুসারে,
কোন অপরাধের বিবরণ দেওয়ার জন্য অভিযোগে ব্যবহৃত শব্দসমূহ যে আইনে উক্ত অপরাধ দণ্ডনীয়, সেই আইনে শব্দগুলো যে অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে সেই একই অর্থেই তা অভিযোগে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধরে নিতে হবে।
৮৮২.
'ক' একজন ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযোগ আমলে নেয়ার সময় দেখতে পান তার কোনো এখতিয়ার নেই। এক্ষেত্রে তিনি কী আদেশ দিবেন?
  1. সরাসরি অভিযোগ খারিজ করবেন
  2. আসামী যদি উপস্থিত থাকে তাকে মুক্তি দিবেন
  3. উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
• ধারা ২০১(১)
লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।
 
ধারা ২০১(২)
মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
 
অর্থাৎ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, তিনি তা উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত পাঠাবে।
 
Section 201: Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case, he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing, such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
৮৮৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারার অধীনে পুলিশ সাক্ষীকে পরীক্ষা করে?
  1. ১৫৪
  2. ১৬১
  3. ১৬৪
  4. ২০০
সঠিক উত্তর:
১৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় পুলিশ অফিসার কর্তৃক সাক্ষী পরীক্ষার বিধান রয়েছে।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনাকারী কোন পুলিশ অফিসার মামলার সাথে পরিচিত যে কোন ব্যক্তি বা সাক্ষীকে পরীক্ষা করতে পারে বা জবানবন্দী রেকর্ড করতে পারে।
৮৮৪.
আপিল বা রিভিশন আদালত কোন ক্ষেত্রে নতুন করে অভিযোগ গঠণের আদেশ দিতে পারে?
  1. নালিশকারী আবেদন করলে
  2. ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
  3. অভিযুক্তপক্ষ আবেদন করলে
  4. ক বা গ
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৩৫ এ অভিযোগ তৈরী না করার ফলাফল দেয়া হয়েছে-

(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরী না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৮৮৫.
দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হওয়ার পর পরোয়ানা ফেরত পাঠানোর দায়িত্ব কার?
  1. বিচারকের
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তার
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরের
  4. দণ্ড সম্পাদনকারী অফিসারের
সঠিক উত্তর:
দণ্ড সম্পাদনকারী অফিসারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড সম্পাদনকারী অফিসারের
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০০- দণ্ড কার্যকর করার পর পরোয়ানা ফেরত:
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।

Section 400- Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
৮৮৬.
জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন আবেদন করতে হবে-
  1. ৪৯৬ ধারায়
  2. ৪৯৭ ধারায়
  3. ৪৯৮ ধারায়
  4. ৪৯৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৯৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৪৯৭ ধারা অনুসারে স্ত্রীলোক ১৬ বছরের কম বয়সের ব্যক্তি, আসুস্থ বা পীড়িত ব্যক্তি জামিন অযোগ্য অপরাধ করেও জামিন পেতে পারেন।
৮৮৭.
কোন ক্ষেত্রে ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করতে পারে?
  1. পক্ষদ্বয়ের আবেদন সাপেক্ষে
  2. হাইকোর্ট বিভাগ নির্দেশ দিলে
  3. সরকার ক্ষমতা অর্পণ করলে
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
সরকার ক্ষমতা অর্পণ করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার ক্ষমতা অর্পণ করলে
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। 

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-
১. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট;
২. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট; বা
৩. ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চ। 
 
• কিন্তু ২৬১ ধারার বিধান অনুযায়ী-
সরকার ২য় বা ৩য় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে কতিপয় ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করার ক্ষমতা দিতে পারে।
৮৮৮.
ক্রোককৃত সম্পত্তিতে হুলিয়াধীন ব্যক্তি ব্যতীত অপর কোন ব্যক্তির কোন স্বার্থ থাকলে, কত দিনের মধ্যে ক্রোকী সম্পত্তি বিষয়ে আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে ক্রোককৃত সম্পত্তি নিয়ে আপত্তি- ক্রোককৃত সম্পত্তিতে হুলিয়াধীন ব্যক্তি ব্যতীত অপর কোন ব্যক্তির কোন স্বার্থ থাকলে, উক্ত ব্যক্তি ৬ মাসের মধ্যে ক্রোক আদেশ প্রদানকারী আদালতে আপত্তি (objections) উত্থাপন করবেন। তার দাবি অগ্রাহ্য হলে আদেশের তারিখ থেকে ১ বছরের মধ্যে সম্পত্তির স্বত্ব (Title) প্রতিষ্ঠার জন্য মামলা দায়ের করতে পারবেন।

♦ অর্থাৎ সম্পত্তি ক্রোকের আদেশের তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে হুলিয়া জারী করা হয়েছে সে ব্যতীত অন্য কোনো ব্যক্তি ক্রোকী সম্পত্তি বিষয়ে আদালতে আপত্তি দাখিল করতে পারে।

--------------------------------
Section 88(6A) If any claim is preferred to, or objection made to the attachment of, any property attached under this section within six months from the date of such attachment, by any person other than the proclaimed person, on the ground that the claimant or objector has an interest in such property, and that such interest is not liable to attachment under this section, the claim or objection shall be inquired into, and may be allowed or disallowed in whole or in part: 
 
Provided that any claim preferred or objection made within the period allowed by this sub-section may, in the event of the death of the claimant or objector, be continued by his legal representative.
৮৮৯.
Which court has inherent powers under Section 561A?
  1. Lower courts
  2. Appellate Division
  3. High Court Division
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা
Section 561A: Saving of inherent power of High Court Division:
Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারামতে, ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ ৩টি ক্ষেত্রে সহজাত ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করা (to give effect to any order under CrPC);
ii) কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করা (to prevent abuse of the process of any court); এবং
iii) ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা (to secure the ends of justice)।
৮৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫(১) ধারার অধীনে কোন কর্তৃপক্ষ পোস্টাল বা টেলিগ্রাফ বিভাগকে কোনো ডকুমেন্ট বা পার্সেল সরবরাহ করার নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৫ ধারার বিধান: চিঠি এবং টেলিগ্রাম সম্পর্কিত পদ্ধতি:-
১) কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, হাইকোর্ট বিভাগ কিংবা দায়রা আদালত তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের উদ্দেশ্যে প্রয়োজন মনে করলে কোন ডাক বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষের হেফাজতে থাকা কোন দলিল, পার্সেল বা বস্তু কোন নির্দিষ্ট লোকের নিকট অর্পণ করতে বলতে পারবেন।

২) অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেট (নির্বাহী কিংবা জুডিশিয়াল) বা পুলিশ কমিশনার বা জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট-এর মতে প্রয়োজন হলে তিনি উক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে, ডাক বা টেলিগ্রাফ বিভাগে তল্লাশী পরিচালনা করার এবং উক্ত দলিল বা পার্সেল আটক করার ব্যবস্থা করতে পারবেন।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 95. Procedure as to letters and telegrams: 
(1) If any document, parcel or thing in such custody is, in the opinion of any District Magistrate, Chief Judicial Magistrate Chief Metropolitan Magistrate High Court Division or Court of Session, wanted for the purpose of any investigation, inquiry, trial or other proceeding under this Code, such Magistrate or Court may require the Postal or Telegraph authorities, as the case may be, to deliver such document, parcel or thing to such person as such Magistrate or Court directs. 
 
(2) If any such document, parcel or thing is, in the opinion of any other Magistrate, whether Executive or Judicial Police Commissioner or District Superintendent of Police, wanted for any such purpose, he may require the Postal or Telegraph Department, as the case may be, to cause search to be made for and to detain such document, parcel or thing pending the orders of any such District Magistrate, Chief Judicial Magistrate, Chief Metropolitan Magistrate or Court.
৮৯১.
আমল অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসার কখন তদন্ত করতে পারেন?
  1. স্বপ্রণোদিত হয়ে
  2. ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে
  3. সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুসারে
  4. অভিযোগকারীর আবেদন অনুসারে
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুসারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ অনুসারে
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৫৫ ধারা- আমল অযোগ্য মামলার সংবাদ:
(১) যখন কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঐরূপ থানার সীমার মধ্যে কোন আমল অযোগ্য অপরাধের সম্পাদনের বিষয়ে সংবাদ প্রদান করা হয়, তখন তিনি, এ ব্যাপারে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট নিদর্শে ঐরূপ অফিসার কর্তৃক রক্ষিত বহিতে উক্ত সংবাদের সারাংশ লিখে রাখবেন বা রাখাবেন এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর যাওয়ার নির্দেশ দিবেন।

(২) আমল অযোগ্য মামলার তদন্ত-
আমলঅযোগ্য অপরাধের বিচার করার বা উহা বিচারার্থ প্রেরণ ক্ষমতা আছে এরূপ ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত কোন পুলিশ অফিসার কোন আমল অযোগ্য ঘটনা তদন্ত করবেন না।


(৩) এরূপ আদেশপ্রাপ্ত যে কোন পুলিশ অফিসার ঐ তদন্তের ব্যাপারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া), কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমলযোগ্য ঘটনায় যে ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন সেই একই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।
৮৯২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৯২ এর অধীন, অনুপস্থিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে পরোয়ানা জারির উদ্দেশ্য কী?
  1. সাক্ষ্য গ্রহণ
  2. জামিন বাতিল
  3. সম্পত্তি ক্রোক
  4. আদালতে উপস্থিত করা
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে উপস্থিত করা
ব্যাখ্যা
ধারা ৯২: হাজিরার মুচলেকা ভঙ্গ করলে গ্রেফতার -
যখন কোনো ব্যক্তি, যাকে এই কোড অনুযায়ী আদালতের সামনে হাজির হওয়ার জন্য মুচলেকা নেওয়া হয়েছে, আদালতে উপস্থিত হয় না, তখন সেই আদালতে সভাপতিত্বকারী কর্মকর্তা একটি পরোয়ানা জারি করতে পারেন, যা নির্দেশ দিবে যে, ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থিত করানো হোক।

Section 92- Arrest by breach of bond for appearance:
When any person who is bound by any bond taken under this Code to appear before a Court, does not so appear, the officer presiding in such Court, may issue a warrant directing that such person be arrested and produced before him.
৮৯৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন অধ্যায়ে Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. XXII
  2. XXI
  3. XXIX
  4. XXX
সঠিক উত্তর:
XXII
উত্তর
সঠিক উত্তর:
XXII
ব্যাখ্যা
♦The Code of Criminal Procedure, 1898 এর XXII (২২)অধ্যায়ে Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
♦সংক্ষিপ্ত বিচার (Summary Trial)- গতানুগতিক ফৌজদারি বিচার পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে যে বিচার করা হয়, তাকে সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial বলে।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির XXII (২২)অধ্যায়ে বা ২৬০ থেকে ২৬৫ ধারায় সংক্ষিপ্ত বিচার বা Summary Trial সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
♦নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্তভাবে বিচার করতে পারেন-ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬০ ধারা অনুযায়ী
i) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট,
ii) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা সম্পন্ন অন্য যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
♦ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬১ ধারা অনুযায়ী সরকারের দ্বারা ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে ২য় বা ৩য় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট পৌরসভা আইনও পুলিশ আইনের সংরক্ষণমূলক ধারাসমূহের অপরাধ (offences against Municipal Acts, and the conservancy clauses of Police Acts) অর্থাৎ যেগুলো জরিমানাযোগ্য, জরিমানাসহ বা ব্যতীত অনধিক ১ মাস মেয়াদের কারাদন্ডে দন্ডনীয় অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন।
৮৯৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩খ অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট নিচের কোনটি তদন্ত কর্মকর্তার অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করতে পারেন?
  1. ইচ্ছাকৃত প্রমাণ সংগ্রহে ব্যর্থতা
  2. যাকে আসামি করা উচিত তাকে সাক্ষী করা
  3. যৌক্তিক কারণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী বাদ দেওয়া
  4. উপরোক্ত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ধারা ১৭৩খ: তদন্ত সম্পন্ন করার বিধান:
(৭) বিচার শেষে যদি আদালত মনে করে যে তদন্ত কর্মকর্তা-
(i) ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছেন;
(ii) যাকে আসামি করা উচিত ছিল তাকে সাক্ষী করেছেন; অথবা
(iii) যৌক্তিক কারণ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীকে বাদ দিয়েছেন - তাহলে আদালত এ বিষয়ে রায় লিপিবদ্ধ করতে পারবেন, এবং কর্মকর্তার এই কাজকে অসদাচরণ বা অযোগ্যতা হিসেবে গণ্য করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিতে পারবেন।

৮৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২২ অনুসারে, চার্জে কোন ধরনের বিবরণ অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে?
  1. অপরাধের বিস্তারিত বিবরণ
  2. সময়, স্থান এবং আসামির নাম
  3. সময়, স্থান এবং অপরাধ সংঘটিত হওয়া ব্যক্তি বা বস্তু
  4. অভিযোগকারী এবং সাক্ষীদের নাম
সঠিক উত্তর:
সময়, স্থান এবং অপরাধ সংঘটিত হওয়া ব্যক্তি বা বস্তু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়, স্থান এবং অপরাধ সংঘটিত হওয়া ব্যক্তি বা বস্তু
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২২ অনুসারে অভিযোগে সময়, স্থান ও ব্যক্তি সম্পর্কে যে যে বিবরণ থাকবে-
(১) চার্জে অপরাধের সময় ও স্থান এবং যার বিরুদ্ধে অপরাধ করা হয়েছে সেই ব্যক্তি অথবা যে জিনিস সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে সেই বস্তু সম্বন্ধে এমন তথ্য থাকবে,যার ফলে অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয় সম্পর্কে যুক্তিসংগতভাবে জানতে পারে।
(২) যখন অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ বা অসাধুভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়,তখন সুষ্পষ্ট দফা বা সুনির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ না করে যে পরিমাণ টাকা সম্পর্কে অপরাধ করা হয়েছে মোটামুটিভাবে তা এবং যে তারিখগুলির মধ্যে অপরাধ করা হয়েছে,তা উল্লেখ করলেই যথেষ্ট হবে এবং এরূপে গঠিত অভিযোগ ২৩৪ ধারার অর্থানুসারে একটি মাত্র অপরাধের অভিযোগ বলে গণ্য হবে। তবে শর্ত এই যে,উক্ত প্রথম ও শেষ তারিখের মধ্যবর্তী সময় এক বছর অতিক্রম করবে না।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 222.Particulars as to time, place and person:
(1) The charge shall contain such particulars as to the time and place of the alleged offence, and the person (if any) against whom, or the thing (if any) in respect of which, it was committed, as are reasonably sufficient to give the accused notice of the matter with which he is charged. 
(2) When the accused is charged with criminal breach of trust or dishonest misappropriation of money, it shall be sufficient to specify the gross sum in respect of which the offence is alleged to have been committed and the dates between which the offence is alleged to have been committed, without specifying particular items or exact dates, and the charge so framed shall be deemed to be a charge of one offence within the meaning of section 234:

৮৯৬.
ফৌজদারি মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যেকোনো সময় অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল কী?
  1. অভিযুক্তকে মুক্তি
  2. অভিযোগকারীকে শাস্তি
  3. অভিযুক্তকে খালাস
  4. অভিযুক্তকে অব্যাহতি
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্তকে খালাস
ব্যাখ্যা
⇒ চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে খালাস [Acquittal] দিবে।

-ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।

- অপরদিকে, ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি  (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে ।
----------------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248.Withdrawal of complaint:
-If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-494: Effect of withdrawal from prosecution:
-Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal,- 
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences; 
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under this Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
৮৯৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারা কোন বিষয়ে বিধান রয়েছে?
  1. হাসপাতালের রিপোর্ট
  2. ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
  3. চিকিৎসা পরীক্ষার রিপোর্ট
  4. সাধারণ মেডিকেল রিপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫০৯ক ধারা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বিষয়ে বিধান রাখে। এই ধারা বলে যে, যখন কোনো ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্যান্য কার্যক্রমে ময়নাতদন্তের রিপোর্টকে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করতে হয়, কিন্তু ময়নাতদন্তকারী সিভিল সার্জন বা মেডিকেল অফিসার মারা গেছে, সাক্ষ্য দিতে অক্ষম, অথবা দেশের বাইরে থাকায় তাকে হাজির করা সম্ভব নয় এবং এর জন্য অযৌক্তিক বিলম্ব, ব্যয় বা অসুবিধা হবে, তখন সেই ময়নাতদন্তের রিপোর্টকে স্বতন্ত্র সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
অর্থাৎ, এই ধারা মূলত ময়নাতদন্ত রিপোর্টকে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণের শর্তাবলী নির্ধারণ করে।
সঠিক উত্তর: খ) ময়নাতদন্তের রিপোর্ট।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট:-
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারি, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
৮৯৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪২ক(২) অনুযায়ী রিভিশন আদালতকে কোন সময়সীমার মধ্যে রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তি করতে হবে?
  1. ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে
  2. ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে
  3. ১২০ কার্যদিবসের মধ্যে
  4. ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবসের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ কার্যদিবসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৪২ক(২) অনুসারে, রিভিশন আদালতকে পক্ষগণের নোটিশ জারির তারিখ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে রিভিশন কার্যক্রম নিষ্পত্তি করতে হবে। এই সময়সীমা গণনায় শুধুমাত্র কার্যদিবস (কাজের দিন) গণনা করা হয়, অর্থাৎ সরকারি ছুটি বা সাপ্তাহিক বন্ধ বাদ দেওয়া হয়।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৪২ক ধারার বিধান:- আপিল ও রিভিশন নিষ্পত্তির সময়:
(১) কোন আপিল আদালত ইহার নিকট দায়েরকৃত আপিল রেসপন্ডেন্টের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করবেন।
(২) রিভিশনের ক্ষমতা সম্পন্ন আদালত পক্ষগণের উপর নোটিশ জারী হবার তারিখ হতে ৯০ (নব্বই) দিনের মধ্যে রিভিশনের কার্যক্রম নিষ্পত্তি করবেন।
(৩) এই ধারায় সময় নির্ধারণের জন্য কেবল কার্যদিবস গণনা করতে হবে।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 442A- Time for disposal of appeals and Revision:
(1) An Appellate Court shall dispose of an appeal filed before it within ninety days from the date of service of notice upon respondents.
(2) A Court having power of revision shall dispose of a proceeding in revision within ninety days from the date of service of notice upon the parties.
(3) In this section, in determining the time, only the working days shall be counted.
৮৯৯.
আদালত কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করবে না?
  1. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে।
  2. কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে।
  3. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে।
  4. কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
সঠিক উত্তর:
কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা থাকলে।
ব্যাখ্যা
♦ তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারায় তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যুর বিধান রয়েছে। ৯৬ ধারা অনুযায়ী আদালত ৩টি কারণে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন। যথা-
i) কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু আদালতে হাজির করা হবে না বলে বিশ্বাস করলে;

ii) উক্তরূপ দলিল বা অন্য কোন বস্তু কার দখলে আছে তা জানা না থাকলে; এবং

iii) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিংস এর উদ্দেশ্যে আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারেন।

♦ ৯৬ ধারামতে জারিকৃত তল্লাশী পরোয়ানা বাতিলের জন্য দায়রা জজের নিকট রিভিশন করা যায়।


♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৬ ধারার বিধান (১) যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা আদেশ অথবা ৯৫ ধারার (১) উপ- ধারার অধীন কোন সমন জারী করা হয়েছে বা হতে পারে, সেই ব্যক্তি সমন বা রিকুইজশনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করবে না।

অথবা যখন এরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলে আদালতের জানা নাই।

অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা এই কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হবে:

তখন ইহা তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করতে পারবে, এবং যে ব্যক্তির উপর এই পরোয়ানা নির্দেশিত হবে তিনি পরোয়ানা ও অতঃপর বর্ণিত বিধান অনুসারে তল্লাশী বা পরিদর্শন করতে পারবেন।

(২) এই ধারায় বিধৃত কোন কিছু জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ক্ষেত্রবিশেষে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অপর কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে ডাক বা তার কর্তৃপক্ষ নিরাপদ রক্ষণে স্থিত কোন দলিল, পার্সেল বা অন্য কোন বস্তু সম্বন্ধে তল্লাশী করার পরোয়ানা মঞ্জুর করবার কর্তৃত্ব দিবেন না।
৯০০.
ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৫২৩ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. মামলা প্রত্যাহার
  2. জামিন সংক্রান্ত বিধান
  3. আটককৃত দ্রুত ক্ষয়শীল সম্পত্তি বিক্রি
  4. জব্দকৃত সম্পত্তির ক্ষেত্রে পুলিশের পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
জব্দকৃত সম্পত্তির ক্ষেত্রে পুলিশের পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জব্দকৃত সম্পত্তির ক্ষেত্রে পুলিশের পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ৫২৩ ধারা জব্দকৃত সম্পত্তি বা চোরাই মালের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত। এই ধারা অনুযায়ী, পুলিশ অফিসার কর্তৃক ধারা ৫১ অনুযায়ী গৃহীত, চোরাই বলে সন্দেহযুক্ত বা অপরাধের সাথে সম্পর্কিত সম্পত্তি জব্দ করলে তা সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট এই সম্পত্তির হেফাজত, প্রদান বা মালিক অজ্ঞাত হলে ঘোষণা জারির বিষয়ে আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৩ ধারার বিধান:- ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত মাল বা চোরাইমাল আটকের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্তৃক গৃহীত পদ্ধতি:
(১) ৫১ ধারা অনুসারে গৃহীত বা চেরাইমাল বলে কথিত বা সন্দেহযুক্ত বা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহ সৃষ্টিকারী অবস্থায় প্রাপ্ত সম্পত্তি কোন পুলিশ অফিসার জব্দ করলে সঙ্গে সঙ্গে তা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে এবং উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তির বিহিত ব্যবস্থা বা উহার দখলের অধিকারী ব্যক্তিকে প্রদান বা এরূপ ব্যক্তিকে না পাওয়া গেলে উহার হেফাজত ও অর্পণ সম্পর্কে যেরূপ মনে করেন সেরূপ আদেশ দিবেন।

- জব্দকৃত মারের মালিক অজ্ঞাত হলে পদ্ধতি:
(২) সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি পরিচিত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন সেরূপ শর্তে (যদি আরোপিত হয়) তাকে সম্পত্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারবেন। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয় তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক রাখতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে, তিনি সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণসহ এই মর্মে একটি ঘোষণা দিবেন যে, উক্ত সম্পত্তিতে কারো কোন দাবী থাকলে ঘোষণা তারিখ হতে এক মাসের মধ্যে তার সামনে হাজির হয়ে উক্ত দাবী প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-523: Procedure by police upon seizure of property taken under section 51 or stolen:
(1) The seizure by any police-officer of property taken under section 51, or alleged or suspected to have been stolen, or found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence, shall be forthwith reported to a Magistrate, who shall make such order as he thinks fit respecting the disposal of such property or the delivery of such property to the person entitled to the possession thereof, or, if such person cannot be ascertained, respecting the custody and production of such property.

-Procedure where owner of property seized unknown:
(2) If the person so entitled is known, the Magistrate may order the property to be delivered to him on such conditions (if any) as the Magistrate thinks fit. If such person is unknown, the Magistrate may detain it and shall, in such case, issue a Proclamation specifying the articles of which such property consists, and requiring any person who may have a claim thereto, to appear before him and establish his claim within [one month] from the date of such proclamation.