বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

The Code of Criminal Procedure, 1898

মোট প্রশ্ন২,৮৮৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

The Code of Criminal Procedure, 1898

PrepBank · পাতা ১৩ / ২৯ · ১,২০১১,৩০০ / ২,৮৮৩

১,২০১.
ফৌজদারি মামলার FIR সাধারণত কোথায় দায়ের করা হয়?
  1. স্থানীয় থানা পুলিশের নিকট
  2. ব্যক্তিগত আইনজীবী নিকট
  3. স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেট নিকট
  4. বিচারকারী আদালত নিকট
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় থানা পুলিশের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় থানা পুলিশের নিকট
ব্যাখ্যা
 ⇒ ফৌজদারি মামলার FIR থানায় বা পুলিশ স্টেশনে করা হয়।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারায় প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (FIR) এর বিধান রয়েছে।
- পুলিশ প্রবিধানের (PRB) ২৪৩ বিধিতেও FIR সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে।
- FIR-এর পূর্ণরূপ হলো First Information Report।
- আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় লিখিত বা মৌখিকভাবে জানালে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তা গ্রহণ করেন।
- ১৫৪ ধারানুসারে ওসি বিপি ২৭ নং ফরমে এ তথ্য লিপিবদ্ধ করেন।
- এই নথিভুক্ত প্রতিবেদনকেই FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী বলা হয়।
- সংক্ষেপে, আমলযোগ্য অপরাধের বিষয়ে অভিযোগ লিপিবদ্ধ করাকেই FIR বা এজাহার বলে।
→ অর্থাৎ  ফৌজদারি মামলার FIR সাধারণত স্থানীয় থানা পুলিশের নিকট দায়ের করা হয়।
১,২০২.
The ordinary powers of Magistrates in The Code of Criminal Procedure are mentioned in-
  1. 2nd Schedule
  2. 3rd Schedule
  3. 4th Schedule
  4. 5th Schedule
সঠিক উত্তর:
3rd Schedule
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3rd Schedule
ব্যাখ্যা
⇒The Third Schedule of the Criminal Procedure Code (CrPC) contains the comprehensive list of ordinary powers granted to different classes of Magistrates.
-This schedule outlines which Magistrates can try what types of cases and what powers they can exercise under various sections of the Code.

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- Section 36. Ordinary powers of Magistrates: All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".
---------------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারার বিধান ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা: সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।
১,২০৩.
“পাবলিক প্রসিকিউটর” কে নিয়োগ করেন?
  1. পুলিশ
  2. সরকার
  3. হাইকোর্ট
  4. ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৯২ অনুসারে, পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা সরকারের (Government) রয়েছে। - ধারা ৪(t)-তে "পাবলিক প্রসিকিউটর" এর সংজ্ঞায়ও এটি স্পষ্ট করা হয়েছে। পাবলিক প্রসিকিউটর ফৌজদারি মামলায় রাষ্ট্রের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন এবং সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:-
(১) সরকার, সাধারণভাবে বা কোনো নির্দিষ্ট মামলা, বা মামলার কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণির জন্য, এবং কোনো নির্দিষ্ট স্থানীয় এলাকার জন্য, “পাবলিক প্রসিকিউটর” নামে একজন বা একাধিক কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে পারবেন।
(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, অথবা যেখানে কোনো পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করা হয়নি, সেখানে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সরকারের নির্ধারিত পদমর্যাদার নিচের কোনো পুলিশ অফিসার না হন — এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section-492: Power to appoint Public Prosecutor:
(1) The Government may appoint, generally, or in any case, or for any specified class of cases, in any local area, one or more officers to be called Public Prosecutors.
(2) The District Magistrate may, in the absence or the Public Prosecutor, or where no Public Prosecutor has been appointed, appoint any other person, not being an officer of police below such ranks as the Government may prescribe in this behalf to be Public Prosecutor for the purpose of any case.

১,২০৪.
The Code of Criminal Procedure 1898- একটি-
  1. Substantive law
  2. Procedural Law
  3. Penal Law
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
Procedural Law
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Procedural Law
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারী কার্যবিধি ( CrPC ) একটি পদ্ধতিগত আইন। এটি পেনাল কোডসহ অন্যান্য আইনের অপরাধের বিচারের প্রক্রিয়া বর্ণনা করে বলে একে procedural law বলে। অন্য দিকে যে আইন অধিকার ও দায়িত্বকে সংজ্ঞায়ন করে এবং প্রতিকার প্রদান করে তাঁকে মৌলিক আইন বা substantive law বলে।
১,২০৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দেয়া হয়?
  1. ৪৯০ ধারা
  2. ৪৯২ ধারা 
  3. ৪৯৪ ধারা
  4. ৫০২ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯২ ধারা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯২ ধারা 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান:- পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগের ক্ষমতা:
(১) সরকার, সাধারণভাবে বা কোনো নির্দিষ্ট মামলা, বা মামলার কোনো নির্দিষ্ট শ্রেণীর জন্য, এবং কোনো নির্দিষ্ট স্থানীয় এলাকার জন্য, “পাবলিক প্রসিকিউটর” নামে একজন বা একাধিক কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে পারবেন।

(২) পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুপস্থিতিতে, অথবা যেখানে কোনো পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ করা হয়নি, সেখানে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, সরকারের নির্ধারিত পদমর্যাদার নিচের কোনো পুলিশ অফিসার না হন — এমন অন্য কোনো ব্যক্তিকে উক্ত মামলার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন।

১,২০৬.
Who is NOT an Ex-officio Justice of the Peace?
  1. Sessions Judges
  2. District Magistrates
  3. Metropolitan Magistrates
  4. Supreme Court Judges
সঠিক উত্তর:
District Magistrates
উত্তর
সঠিক উত্তর:
District Magistrates
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ২৫ ধারায় ‘পদাধিকার বলে জাস্টিস অব দি পিস' শিরোনামে বলা আছে যে, সমগ্র বাংলাদেশে সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিগণ এবং দায়রা জজ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ স্ব স্ব এলাকায় Justice of the Peace থাকবেন।
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর  ২২ ধারা অনুযায়ী মফম্বল এলাকার জন্য সরকার বিদেশি নাগরিক ব্যতীত উপযুক্ত যেকোনো ব্যক্তিকে জাস্টিস অব দি পিস নিয়োগ দিতে পারেন।
- সুপ্রিম কোর্টের প্রত্যেক বিচারক পদাধিকারবলে সমগ্র বাংলাদেশের জাস্টিস অফ দি পিস।
- দায়রা বিচারকগণ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে তাদের অধিক্ষেত্রভুক্ত এলাকার জন্য জাস্টিস অফ দি পিস।

- অর্থাৎ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ পদাধিকারবলে (Ex-officio) জাস্টিস অফ দি পিস নয়।

-------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 22: Justice of the peace for the mafassal:
The Government may, by notification in the official Gazette, appoint such persons resident within Bangladesh and not being the subjects of any foreign State as it thinks fit to be Justices of the Peace within and for the local area mentioned in such notification.
Repealed
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section: 25: Ex-officio Justices of the Peace:
In virtue of their respective offices, the Judges of the Supreme Court are Justices of the Peace within and for of the whole of Bangladesh, Sessions Judges, Chief Judicial Magistrate and Metropolitan Magistrates are Justices of the Peace within their respective jurisdictions.
১,২০৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক অনুসারে, গ্রেপ্তারের স্মারক প্রস্তুতের জন্য অন্তত কতজন সাক্ষীর সত্যায়ন প্রয়োজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. সাক্ষীর প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৬ক: গ্রেপ্তার পদ্ধতি ও গ্রেপ্তারকারী কর্মকর্তার দায়িত্ব- 
গ্রেপ্তার করার সময়, পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্যান্য যে ব্যক্তি গ্রেপ্তার করছেন, তাকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো পালন করতে হবে-
(ক) তার নামের সঠিক, দৃশ্যমান এবং স্পষ্ট পরিচয় বহন করতে হবে, যাতে সহজে শনাক্ত করা যায়;

(খ) তার পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং প্রয়োজনে অভিযুক্ত ও গ্রেপ্তারের সময় উপস্থিত ব্যক্তিদের তার পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে;

(গ) গ্রেপ্তারের একটি স্মারক প্রস্তুত করতে হবে, যা—
(i) অন্তত একজন সাক্ষী দ্বারা সাক্ষ্য সত্যায়িত হতে হবে, যিনি গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তের পরিবারের সদস্য বা সংশ্লিষ্ট এলাকার সুনামধন্য ব্যক্তি হবেন, এবং যদি এমন কোনো সাক্ষী পাওয়া না যায়, তার কারণ স্মারকে উল্লেখ করতে হবে;
(ii) অভিযুক্ত যদি অস্বীকার না করে, তবে স্মারকে অভিযুক্তের স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ থাকবে;

(ঘ) যেখানে অভিযুক্তকে তার বাসা থেকে অন্য স্থানে গ্রেপ্তার করা হয়, সেখানে অভিযুক্তের দ্বারা মনোনীত পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুকে যত দ্রুত সম্ভব, কিন্তু গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে, গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং কন্ট্রোলের স্থানের তথ্য জানাতে হবে;

(ঙ) যদি গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়, তবে তাকে মেডিকেল অফিসার বা নিবন্ধিত চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে, শংসাপত্র সংগ্রহ করতে হবে এবং আঘাতের কারণ নথিভুক্ত করতে হবে;

(চ) অভিযুক্ত চাইলে তাকে নিজের পছন্দের উকিলের সঙ্গে পরামর্শ করার বা নিকটতম আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দিতে হবে, সম্ভব হলে গ্রেপ্তারের ১২ ঘণ্টার মধ্যে।

১,২০৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১০৬ অনুসারে, দণ্ডিত ব্যক্তিকে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকা (bond) প্রদানের আদেশ দিলে এর সর্বোচ্চ মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ মাস 
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১০৬ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি এমন কোনো অপরাধে দণ্ডিত হন যা: শান্তিভঙ্গ বা তা উসকে দেওয়া সংক্রান্ত, অথবা আসামি দ্বারা হুমকি প্রদর্শন (criminal intimidation) সংক্রান্ত, এবং আদালত মনে করেন যে, তাকে ভবিষ্যতে শান্তি বজায় রাখতে বাধ্য করা প্রয়োজন, তাহলে আদালত মুচলেকা (bond) প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
-এই মুচলেকার মেয়াদ সর্বোচ্চ হতে পারে ৩ (তিন) বছর।
- এই আদেশ দিতে পারেন: হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
- যদি দণ্ডটি আপিলে বাতিল হয়, তাহলে মুচলেকাও বাতিল হয়ে যাবে।
 অতএব, ধারা ১০৬ অনুসারে শান্তি রক্ষার জন্য মুচলেকার সর্বোচ্চ সময়কাল ৩ বছর।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-106: Security for keeping the peach on conviction:
(1) Whenever any person accused of any offence punishable under Chapter VIII of the Penal Code, other than an offence punishable under section 143, section 149, section 153A or section 154 thereof, or of assault or other offence involving a breach of the peace, or of abetting the same, or any person accused of committing criminal intimidation, is convicted of such offence before High Court Division, a Court of Session, or the Court of a Metropolitan Magistrate, or a Magistrate of the first class, and such Court is of opinion that it is necessary to require such person to execute a bond for keeping the peace, such Court may, at the time of passing sentence on such person, order him to execute a bond for a sum proportionate to his means, with or without sureties, for keeping the peace during such period, not exceeding three years, as it thinks fit to fix.
(2) If the conviction is set aside on appeal or otherwise, the bond so executed shall become void.
(3) An order under this section may also be made by an Appellate Court or by the High Court Division when exercising its powers of revision.

১,২০৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক অনুযায়ী, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা পুলিশ সুপার
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর 
সঠিক উত্তর:
জেলা পুলিশ সুপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা পুলিশ সুপার
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক (১) অনুসারে, তদন্ত শেষ হওয়ার আগে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার বা সমতুল্য পদমর্যাদার অন্য কোনো কর্মকর্তা যিনি তদন্ত তদারকি করছেন, তিনি তদন্তকারী কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন। সুতরাং, এই ক্ষেত্রে জেলা পুলিশ সুপার সঠিক উত্তর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ক: অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন ইত্যাদি (Interim Investigation Report, etc):
(১) ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (১)-এ যা কিছুই থাকুক না কেন, এই অধ্যায়ের অধীন কোনো মামলার তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার আগে, সংশ্লিষ্ট তদন্তের তদারকিতে থাকা পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সমপর্যায়ের অন্য কোনো কর্মকর্তা, তদন্তকারী কর্মকর্তাকে একটি অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন (interim investigation report) দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন, যাতে মামলার তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে বর্ণনা থাকবে।
(২) যদি উক্ত অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন থেকে বোঝা যায় যে, কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত প্রমাণ রয়েছে, তাহলে পুলিশ কমিশনার, জেলা পুলিশ সুপার, অথবা সংশ্লিষ্ট তদারকি কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারেন। এবং ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল (যার এখতিয়ার প্রযোজ্য), যদি সেই প্রতিবেদনে সন্তুষ্ট হন, তাহলে তারা ওই অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন, তবে উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী শর্ত সাপেক্ষে এবং অন্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায়।
(৩) এই ধারা অনুযায়ী কোনো অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া হলেও, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পরে যদি যথেষ্ট ও প্রামাণিক প্রমাণ পাওয়া যায় যে তিনি অপরাধে জড়িত ছিলেন, তাহলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ধারা ১৭৩ অনুযায়ী দাখিলকৃত পুলিশ প্রতিবেদনে (চার্জশিটে) তার নাম অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য নন, অর্থাৎ তার নাম পুনরায় চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে।
---------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 173A. Interim investigation report, etc.- 
(1) Notwithstanding anything contained in sub-section (1) of section 173, before completion of an investigation of any case under this Chapter, the Police Commissioner or the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may require the Investigating Officer to submit an interim investigation report as to the progress of the investigation of the case.
(2) If the interim investigation report, as required, discloses that there is insufficient evidence against any accused, the Police Commissioner, the District Superintendent of Police or any other officer of equivalent rank supervising the investigation, as the case may be, may direct the Investigating Officer to submit the report to the Magistrate and upon receipt of such report, the Magistrate or the Tribunal, as the case may be, may, if satisfied, order to discharge such accused subject to sub-section (3), without prejudice to the continuation of investigation against the remaining accused persons.
(3) Notwithstanding the discharge of any accused under sub-section (2), if, upon completion of the investigation, it appears on the basis of sufficient and substantive evidence that such person is involved in the commission of the alleged offence, the Investigating Officer shall not be precluded from including his name in the police report under section 173.

১,২১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন?
  1. ৫৩৪
  2. ৫৪৩
  3. ৫৪৪
  4. ৫৪৫
সঠিক উত্তর:
৫৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪৪
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার বিধান ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়:-
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
১,২১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় আদালতকে কোন ধরনের দলিল বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. পক্ষদ্বয়ের কাছে অসুরক্ষিত
  2. আদালতে পেশকৃত
  3. বিবাদির নিকট রক্ষিত
  4. বাদির নিকট রক্ষিত
সঠিক উত্তর:
আদালতে পেশকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে পেশকৃত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারা- পেশকৃত দলিলসমূহ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাঃ
যে কোন আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করলে, এই কোড অনুসারে ইহার সমক্ষে পেশ করা যে কোন দলিল বা বস্তু বাজেয়াপ্ত করতে পারেন।
 
Section 104- Power to impound document, etc, produced:
Any Court may, if it thinks fit, impound any document or thing produced before it under this Code.
১,২১২.
মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে কে পুলিশকে আমলঅযোগ্য অপরাধের তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারে?
  1. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  2. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. দায়রা আদালত
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির  ১৫৫ (২) ধারা অনুযায়ী আমলঅযোগ্য অপরাধের [Non-cognizable offences] বিচার করার এখতিয়ার আছে এমন প্রথম বা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ ব্যতীত কোন পুলিশ কর্মকর্তা আমলঅযোগ্য অপরাধের তদন্ত করবে না।

• অর্থাৎ আমলঅযোগ্য অপরাধের তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারে উক্ত অপরাধটির বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন বা মামলাটি বিচারের জন্য পাঠাতে পারে এমন এখতিয়ারসম্পন্ন-
- মহানগর এলাকার বাইরে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা
-
মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট।
১,২১৩.
ফৌজদারী কার্যবিধির কত ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগ ফেরত দিতে পারেন?
  1. ২০১ ধারা
  2. ২০২ ধারা
  3. ২০৩ ধারা
  4. ২০৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে-
- লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে- আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।
- মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে- যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে মালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-201: Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case:
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case, he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect.  
(2) If the complaint has not been made in writing, such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
১,২১৪.
যদি আপিলকৃত সিদ্ধান্ত কোনো চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করে, তাহলে প্রত্যয়নের সার্টিফিকেট কার মাধ্যমে পাঠানো হবে?
  1. সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে
  2. চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে
  3. চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৪২৫: আপিলের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের আদেশ নিম্ন আদালতে প্রত্যয়ন:
(১) যখন এই অধ্যায়ের অধীনে উচ্চ আদালত বিভাগ (হাইকোর্ট ডিভিশন) আপিলের উপর কোনো মামলা সিদ্ধান্ত দেয়, তখন এটি তার রায় বা আদেশ সেই আদালতে প্রত্যয়ন করবে, যেখানে আপিলকৃত সিদ্ধান্ত, দণ্ড বা আদেশ রেকর্ড করা বা প্রদত্ত হয়েছিল।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি উক্ত সিদ্ধান্ত, দণ্ড বা আদেশ চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক রেকর্ড বা প্রদত্ত হয়ে থাকে, তাহলে প্রত্যয়নের সার্টিফিকেট চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে প্রেরণ করতে হবে, যেখানে যা প্রযোজ্য।

(২) যে আদালতে হাইকোর্ট বিভাগ তার রায় বা আদেশ প্রত্যয়ন করে, সে আদালত উচ্চ আদালতের রায় বা আদেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আদেশ গ্রহণ করবে; এবং যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে রেকর্ড সংশোধন করা হবে।
১,২১৫.
প্রতিটি জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে
  1. জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  3. ডেপুটি কমিশনার
  4. মুখ্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭ ধারার বিধানঃ নির্বাহী, জুডিশিয়াল এবং মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণের অধীনস্থকরণঃ (১) ১০ ধারায় ও ১২(১) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনস্থ হবেন; এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এই কোডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সময়ে সময়ে বিশেষ আদেশ কর্তৃক তাঁর অধীন ম্যাজিস্ট্রেটগণের মধ্যে কাজকর্ম বন্টন করতে পারবেন।
(২) ১১ ধারা ও ১২(৩) ধারা অনুযায়ী, নিযুক্ত সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৫ ধারা অনুসারে গঠিত সমস্ত বেঞ্চ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর অধীন হবেন; তাঁদের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুসারে প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
(৩) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও বিশেষ মহানগর ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২(৫) ধারা অনুযায়ী নিযুক্ত সকল মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট এবং ১৯ ধারা অনুসারে গঠিত বেঞ্চসমূহ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের অধীন হবেন; অনুরূপ ম্যাজিস্ট্রেটগণের ও বেঞ্চসমূহের মধ্যে কার্যভার বন্টনের জন্য তিনি সময়ে সময়ে উক্ত কোড এবং সরকার কর্তৃক ১৬ ধারা অনুযায়ী প্রণীত বিধিসমূহের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বিশেষ আদেশ জারি করতে পারবেন।
(৪) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-সহ সকল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়রা জজ-এর অধীন হবেন এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটসহ সকল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগর দায়রা জজ-এর অধীন হবেন।

♦ অর্থাৎ প্রতিটি জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
১,২১৬.
যদি কোনো ব্যক্তি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারাধীন দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার অপরাধে দণ্ডিত হয়, কোথায় আপিল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট ডিভিশনে
  2. সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  3. সংশ্লিষ্ট যুগ্ম দায়রা জজের নিকট
  4. সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশনে
ব্যাখ্যা

• The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে। নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-

(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫(পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।

১,২১৭.
Which authority has the power to postpone the execution of a death sentence of a pregnant woman according to Section 382?
  1. Sessions Judge
  2. Chief Judicial Magistrate
  3. High Court Division
  4. Appellate Division
সঠিক উত্তর:
High Court Division
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 382. Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮২ অনুযায়ী,
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো নারী যদি গর্ভবতী হিসেবে প্রমাণিত হন, তাহলে হাইকোর্ট বিভাগ মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার আদেশ দিবে; এবং চাইলে, সেই মৃত্যুদণ্ডকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে (transportation for life) রূপান্তর করতে পারে।

১,২১৮.
কোন ক্ষেত্রে ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিচার করা যাবে?
  1. অত্যাবশ্যক কোন কিছু গোপন করেছে
  2. মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে
  3. ক্ষমা মঞ্জুরের শর্ত লঙ্ঘণ করেছে
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
৩৩৯ ধারা- যাকে ক্ষমা প্রদান করা হয়েছে তার বিচার

(১) যেক্ষেত্রে ধারা-৩৩৭ বা ৩৩৮ ধারা এর আলোকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছে, এবং পাবলিক প্রসিকিউটর সার্টিফাই করেন যে, তার মতে ক্ষমা গ্রহণকারী কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে অত্যাবশ্যক কোন কিছু গোপন করে বা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়ে তাকে যে শর্তে ক্ষমা করা হয়েছে তা পালন করেনি, সেক্ষেত্রে যে অপরাধ সম্পর্কে উক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয় সে অপরাধের জন্য অথবা একই বিষয় সম্পর্কে সে যে অপরাধে দোষী রূপে প্রতীয়মান হয়, সেই অপরাধের জন্য তার বিচার করা যাবে।

শর্ত থাকে যে, এরূপ ব্যক্তিকে অন্যান্য আসামীদের কারোও সাথে একত্রে বিচার করা যাবে না, এবং এরূপ বিচারে সে বলতে পারবে যে, যে শর্তে তাকে ক্ষমা মঞ্জুর করা হয়েছিল, তা সে পালন করেছে, এরূপ ক্ষেত্রে উক্ত শর্ত যে পালন করা হয়নি তা প্রমাণ করার দায়িত্ব বাদী পক্ষের।

(২) ক্ষমা গ্রহণকারী কোন ব্যক্তির বিবৃতি এরূপ বিচারে তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য রূপে দাখিল করা যাবে।

(৩) হাইকোর্ট ডিভিশনের বিনা অনুমোদনে এরূপ কোন বিবৃতি সম্পর্কে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের অপরাধের নালিশ গ্রহণ করা যাবে না।

Section 339: Trial of person to whom pardon has been tendered

(1) Where a pardon has been tendered under section 337 or section 338, and the Public Prosecutor certifies that in his opinion any person who has accepted such tender has, either by wilfully concealing anything essential or by giving false evidence, not complied with the condition on which the tender was made such person may be tried for the offence in respect of which the pardon was so tendered, or for any other offence of which he appears to have been guilty in connection with the same matter:
Provided that such person shall not be tried jointly with any of the other accused, and that he shall be entitled to plead at such trial that he has complied with the conditions upon which such tender was made; in which case it shall be for the prosecution to prove that such conditions have not been complied with.

(2) The statement made by a person who has accepted a tender of pardon may be given in evidence against him at such trial.

(3) No prosecution for the offence of giving false evidence in respect of such statement shall be entertained without the sanction of the High Court Division.
১,২১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী শুধুমাত্র অভিযোগ তৈরি না হওয়ার কারণে কোনো দণ্ডাদেশ-
  1. বাতিল হবে
  2. বৈধ হবে না
  3. স্থগিত থাকবে
  4. অবৈধ হবে না
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে না
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩৫ ধারার বিধান: অভিযোগ তৈরী না করার ফলাফল দেয়া হয়েছে-
(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।
(২) আপীল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরী না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।
----------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 535:- Effect of omission to prepare charge-
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 
(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
১,২২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারায় কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা কখন বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন?
  1. দায়রা আদালত অনুমতি দিলে
  2. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অনুমতি দিলে
  3. পুলিশ কমিশনারের সম্মতি সাপেক্ষে
  4. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা মতে,
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ করতে না পারলে পরিস্থিতি সাপেক্ষে সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত অফিসার সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে বেআইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রয়োজনে গ্রেফতার ও আটক করতে  পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৩১ ধারা- জনসমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে কমিশনপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার ক্ষমতা:
এ ধরণের কোন সমাবেশ কর্তৃক যেক্ষেত্রে জননিরাপত্তা দৃশ্যতঃ বিপদগ্রস্ত হয় এবং যেক্ষেত্রে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যায় না, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোন কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামরিক শক্তি প্রয়োগপূর্বক এধরণের সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারেন এবং এধরণের ছত্রভঙ্গ করার অথবা আইন অনুসারে শাস্তি প্রদানের জন্য উক্ত সমাবেশে যোগদানকারী কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও আটক করতে পারবেন; তবে এই ধারার বিধানমতে কার্য চলাকালীন সময় তাঁর পক্ষ কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হলে তিনি যোগাযোগ স্থাপন করবেন এবং অতঃপর কার্য চালিয়ে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়ে তাঁর নির্দেশ পালন করবেন।

Section-131: Power of commissioned military officers to disperse assembly:
When the public security is manifestly endangered by any such assembly, and when no Executive Magistrate can be communi-cated with, any commissioned officer of the Bangladesh Army may disperse such assembly by military force, and may arrest and confine any persons forming part of it, in order to disperse such assembly or that they may be punished according to law; but if, while he is acting under this section, it becomes practicable for him to communicate with 160[an Executive
১,২২১.
জরিমানার টাকা আদালত নিচের কোন ক্ষেত্রে ব্যয় করার আদেশ দিতে পারেন?
  1. সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার ব্যয় নির্বাহ
  2. অপরাধের ফলে সংঘটিত ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ
  3. সরল বিশ্বাসে চোরাইমাল ক্রেতার ক্ষতিপূরণ
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৪৫- জরিমানার টাকা হতে ব্যয় কিংবা ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়ে আদালতের ক্ষমতা

(১) যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারী আদালত বর্তমানে কার্যকর কোন আইনের অধীন জরিমানা করেন কিংবা আপীলে, রিভিশনে বা অন্য কোনভাবে জরিমানা কিংবা যে শাস্তি জরিমানার অংশ হয় তা অনুমোদন করেন, সেক্ষেত্রে আদালত রায় দিবার সময় আদায়কৃত জরিমানা পুরোপুরি বা আংশিকভাবে নিম্নে বর্ণিত কর্মে ব্যয় করার আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনায় যে ব্যয় হয়েছে তা নির্বাহ,

(খ) আদালত যদি মনে করেন যে, কোন ব্যক্তি দেওয়ানী আদালতের মাধ্যমে যুক্তিসংগত ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারে, তাহলে সংশিষ্ট অপরাধে তাহার যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তজ্জন্য তাকে ক্ষতিপূরণ দান,

(গ) কোন ব্যক্তি চুরি, অপরাধজনক আত্মসাৎ, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ, প্রতারণা কিংবা চোৱাই জানিয়া বা চোরাই মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও চোরাইমাল অসৎভাবে গ্রহণ বা রাখা বা স্বেচ্ছায় উহা হস্তান্তর, সহায়তা ইত্যাদি কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হলে এবং উক্ত পণ্য মালিককে প্রত্যর্পণ করা হলে যে ব্যক্তি তা সরল বিশ্বাসে ক্রয় করেছিল তাকে ক্ষতিপূরণ দান,

(২) যে মোকদ্দমায় জরিমানা করা হল তা আপীলযোগ্য হলে আপীল দায়ের করার জন্য প্রদত্ত সময় অতিক্রান্ত না হলে কিংবা আপীল দায়ের করা হলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত উত্তরূপে অর্থ প্রদান করা হবে না।
১,২২২.
মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রে একজন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালাসের আদেশ প্রদানের সময় নালিশকারীর বিরুদ্ধে এরুপ ক্ষতিপূরণের আদেশ দিতে পারেন। যা হবে অনধিক -
  1. ১,০০০ টাকা
  2. ২,০০০ টাকা
  3. ৫,০০০ টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(২) ধারার বিধান অভিযোক্তা (ফরিয়াদী) বা সংবাদবাহক যে কারণ প্রদর্শন করবে, ম্যাজিস্ট্রেট তা নথিবদ্ধ ও বিবেচনা করবেন এবং তিনি যদি এমর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আনীত অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিজনক ছিল, সেক্ষেত্রে কারণ নথিবদ্ধ করে নির্দেশ প্রদান করবেন যে, অভিযোক্তা বা সংবাদবাহক অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বা তাদের প্রত্যেককে বা যে কোন একজনকে ১০০০ (এক হাজার) এর অনধিক অথবা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট হলে ৫০০ (পাঁচশত) টাকার অনধিক, যত টাকা ধার্য্য করবেন, ক্ষতিপূরণ দিবে।

♦অর্থাৎ ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন যে, আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, তাহলে তিনি অভিযুক্ত পক্ষকে অনধিক ১০০০ টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রদানের জন্য ফরিয়াদী বা সংবাদদাতাকে নির্দেশ দিতে পারে এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট হলে অনধিক ৫০০ টাকা প্রদানের আদেশ দিতে পাথা।
১,২২৩.
আদালতের রায়ের ভাষা কী হবে?
  1. শুধু বাংলায়
  2. অভিযোগকারীর ভাষায়
  3. আসামির ভাষায়
  4. আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে
ব্যাখ্যা
 ধারা ৩৬৭: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু-
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

(৩) যদি দণ্ডাদেশ দণ্ডবিধির (Penal Code) অধীন হয় এবং এ বিষয়ে সন্দেহ থাকে যে অপরাধটি ঐ বিধির দুটি ধারার মধ্যে কোনটিতে অথবা একই ধারার দুটি অংশের মধ্যে কোনটিতে অন্তর্ভুক্ত, তাহলে আদালতকে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং বিকল্প রূপে রায় প্রদান করতে হবে।

(৪) যদি এটি খালাসের রায় হয়, তাহলে রায়ে উল্লেখ করতে হবে যে আসামিকে কোন অপরাধে খালাস দেওয়া হলো এবং নির্দেশ দিতে হবে যে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক।

(৫) যদি আসামি এমন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয় যার জন্য মৃত্যুদণ্ড অথবা বিকল্পভাবে আজীবন কারাদণ্ড বা কয়েক বছরের সাজার বিধান রয়েছে, তাহলে আদালতকে রায়ে দণ্ড দেওয়ার কারণ উল্লেখ করতে হবে।

(৬) এই ধারার উদ্দেশ্যে, ধারা ১১৮ অথবা ধারা ১২৩-এর উপধারা (৩) অনুযায়ী দেওয়া কোনো আদেশকেও রায় বলে গণ্য করা হবে।
১,২২৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারার বিধান অনুসারে অজামিনযোগ্য অপরাধে জামিন প্রদানের কারণ লিখিতভাবে রেকর্ড করতে হবে?
  1. ৪৯৭(২) ধারা
  2. ৪৯৭(৩) ধারা
  3. ৪৯৭(৪) ধারা
  4. ৪৯৭(৫) ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৯৭(৩) ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৭(৩) ধারা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৭(৩) উপধারা অনুযায়ী বলা হয়েছে: "An officer or a Court releasing any person on bail under sub-section (1) or sub-section (2) shall record in writing his or its reasons for so doing."
অর্থাৎ, ধারা ৪৯৭(১) বা ৪৯৭(২) অনুযায়ী যদি কোনো আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা বা আদালতকে লিখিতভাবে জামিন প্রদানের কারণ উল্লেখ করতে হবে।

ধারা-৪৯৭- জামিন অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন আবেদন:
৪৯৭ ধারা অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তিকে পুলিশ জামিন অযোগ্য অপরাধে আটক করে অথবা ওয়ারেন্ট ছাড়া আটক করে, তাহলে তাকে জামিন দেওয়া যেতে পারে। (may be released on bail)।
- জামিন অযোগ্য অপরাধে জামিন দেওয়া আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা (Discretionary Power)। আদালত ইচ্ছা করলে জামিন দিতে পারে আবার নাও দিতে পারে ।
- কিন্তু জামিন অযোগ্য অপরাধে আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জামিনে মুক্তি দিবে না (shall not be released on bail) যদি সে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় কোন অপরাধে অপরাধী বলে বিশ্বাস আদালতের যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে।
- অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডণীয় কোন অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন না দেওয়া আদালতের জন্য আদেশসূচক (imperative).।
- জামিন অযোগ্য অপরাধের (যে কোন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে) আদালত নিম্নলিখিত অভিযুক্তদের জামিন দিতে বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, যদি-
১. তার বয়স ১৬ বছরের নিচে হয়;
২. স্ত্রী লোক হয়;
৩. পীড়িত [sick) বা অক্ষম (infirm) লোক হয়।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section- 497.When bail may be taken in case of non-bailable offence:
(1) When any person accused of any non-bailable offence is arrested or detained without warrant by an officer in charge of a police-station, or appears or is brought before a Court, he may be released on bail, but he shall not be so released if there appear reasonable grounds for believing that he has been guilty of an offence punishable with death or transportation for life: 
Provided that the Court may direct that any person under the age of sixteen years or any woman or any sick or infirm person accused of such an offence be released on bail. 
(2) If it appears to such officer or Court at any stage of the investigation, inquiry or trial, as the case may be, that there are not reasonable grounds for believing that the accused has committed a non-bailable offence, but that there are sufficient grounds for further inquiry into his guilt, the accused shall, pending such inquiry, be released on bail, or, at the discretion of such officer or Court, on the execution by him of a bond without sureties for his appearance as hereinafter provided. 
(3) An officer or a Court releasing any person on bail under sub-section (1) or sub-section (2) shall record in writing his or its reasons for so doing. 
(4) If, at any time after the conclusion of the trial of a person accused of a non-bailable offence and before judgment is delivered, the Court is of opinion that there are reasonable grounds for believing that the accused is not guilty of any such offence, it shall release the accused, if he is in custody on the execution by him of a bond without sureties for his appearance to hear judgment delivered. 
(5) The High Court Division or Court of Session and, in the case of a person released by itself, any other Court may cause any person who has been released under this section to be arrested and may commit him to custody.
১,২২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় নারী তল্লাশির বিশেষ বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৫১
  2. ধারা ৫২
  3. ধারা ৫৩
  4. ধারা ৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২ ধারায় স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশীর বিধান রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫২ অনুযায়ী, নারীর তল্লাশি অন্য একজন নারী দ্বারা করতে হবে এবং শালীনতা বজায় রাখতে হবে। এটি নারীর মর্যাদা ও গোপনীয়তা রক্ষার জন্য।
- ৫২ ধারা অনুযায়ী কোন স্ত্রীলোকের দেহ তল্লাশী করার প্রয়োজন হলে শালীনতার প্রতি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রেখে অন্য একজন স্ত্রীলোক দ্বারা তল্লাশী করাতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure- Section 52- Mode of searching women: Whenever it is necessary to cause a woman to be searched, the search shall be made by another woman, with strict regard to decency.
১,২২৬.
একজন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল হবে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. দায়রা জজ আদালতে
  4. বিভাগীয় জজ আদালতে
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালতে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৮ ধারার বিধানঃ যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলঃ যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপীল দায়ের করতে পারবেঃ
♦ নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫ (পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপীল করতে হবে।

(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপীল করতে হবে।

♦ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট যে দণ্ডই প্রদান করুক না কেন আপীল করতে হবে দায়রা আদালতে। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শুধুমাত্র দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দন্ড দিলে আপীল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

♦ সুতরাং চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজ আদালতে আপীল করতে হবে।
১,২২৭.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় আদালতকে মামলা শুনানীর যেকোন পর্যায়ে সাক্ষীকে পুনরায় জেরা করার জন্য তলব করার ক্ষমতা দেওয়া আছে?
  1. ৫৩৭
  2. ৫৪০
  3. ৫৪৩
  4. ৫৪৫
সঠিক উত্তর:
৫৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪০
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধি ,১৮৯৮ এর ধারা ৫৪০ অনুসারে- কোন অনুসন্ধান, বিচারবা অন্য কার্যধারার কোন পর্যায়ে কোন আদালত যেকোন ব্যক্তিকে সাক্ষী হিসাবে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী হিসাবে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোন ব্যক্তির জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবান বন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায় বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দী গ্রহণ করবেন।
১,২২৮.
A warrant of arrest issued in Dhaka can be executed in:
  1. Only Dhaka division
  2. Only metropolitan areas
  3. Anywhere in Bangladesh
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
Anywhere in Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Anywhere in Bangladesh
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898- Section 82: Where warrant may be executed:
- A warrant of arrest may be executed at any place in Bangladesh.
---------------------
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮২ ধারার বিধান পরোয়ানা যেখানে বলবৎ করা যাবে: গ্রেফতারী পরোয়ানা বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় কার্যকরী করা যাবে।
১,২২৯.
The Code of Criminal Procedure,1898 এ নিম্নোক্ত কোন শব্দটির প্রয়োগ নেই?
  1. Inquiry
  2. Re-investigation
  3. Investigation
  4. Further investigation
সঠিক উত্তর:
Re-investigation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Re-investigation
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ (১) ধারার অধীন পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করার পরও পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারার অধীন অধিকতর তদন্ত করতে পারে। [do further investigation]

• অধিকতর তদন্ত করে মৌখিক বা দালিলিক অধিকতর সাক্ষ্য পেলে, পুলিশ ১৭৩ (৩খ) ধারায় অধিকতর রিপোর্ট বা সম্পূরক চার্জ শীট [supplementary charge sheet] দাখিল করতে পারে। তবে ১৭৩ ধারার অধীন পুন:তদন্তের [Re-investigation] কোন বিধান নেই
১,২৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, কে দোভাষীর সেবা (services) নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে?
  1. সাক্ষী নিজে
  2. অভিযুক্ত ব্যক্তি
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. ফৌজদারি আদালত
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, যখন কোনো ফৌজদারি আদালত মনে করেন যে সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে, তখন তিনি দোভাষীর সেবা নিতে পারেন।
- এই ধারা অনুযায়ী দোভাষীর নিয়োগ আদালতের সিদ্ধান্তে হয়, এবং দোভাষী বাধ্য থাকেন সঠিক ও সত্য ব্যাখ্যা প্রদান করতে।
→ দোভাষীর সেবা নেওয়ার সিদ্ধান্ত ফৌজদারি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) ফৌজদারি আদালত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৩ ধারার বিধান- অনুসারে দোভাষী অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন-
কোন সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখা করার জন্য যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক একজন দোভাষীর সেবা দেয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে দোভাষী উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন।
---------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 543- Interpreter to be bound to interpret truthfully:
When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
১,২৩১.
প্রদত্ত কোন শর্ত সাপেক্ষে পাবলিক প্রসিকিউটর মামলা প্রত্যাহার করতে পারে?
  1. রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি ছাড়া
  2. রায় ঘোষণার পরে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. যেকোন পর্যায়ে তবে আদালতের অনুমতি অনাবশ্যক
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল-

পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
১,২৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা অনুসারে অভিযুক্তকে অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে ফরিয়াদি কোথায় প্রতিকার চাইতে পারেন?
  1. সুপ্রিম কোর্টে আপিল করতে পারেন
  2. দায়রা জজ আদালতে আপিল করতে পারেন
  3. দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারেন
  4. কোনো প্রতিকার নেই
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারেন
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট যদি চার্জ গঠনের আগে অভিযোগ ভিত্তিহীন মনে করে, তাহলে অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদান করতে পারেন। তবে, যদি ফরিয়াদি (Complainant) এই আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার চান, তাহলে তিনি দায়রা জজ আদালতে রিভিশন করতে পারেন।

- অব্যাহতি আদেশের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিল করার কোনো বিধান নেই।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৭ ও ৪১৭ক ধারায় শুধু খালাসের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ রয়েছে, অব্যাহতির বিরুদ্ধে নয়।
- যেহেতু আপিল করা যায় না, তাই রিভিশনের সুযোগ রয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী দায়রা জজ আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং বিচারিক আদেশ পর্যালোচনা করতে পারে।

অর্থাৎ ফরিয়াদি যদি মনে করেন যে অভিযুক্তকে ভুলভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে, তাহলে তিনি দায়রা জজ আদালতে রিভিশন আবেদন করতে পারেন, কিন্তু সরাসরি আপিল করতে পারবেন না। 
১,২৩৩.
দায়রা আদালতে অভিযােগকারীর পক্ষে কে মামলা পরিচালনা করে থাকেন?
  1. এটর্নি জেনারেল
  2. পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. সরকারি উকিল
  4. পুলিশ কর্তৃক নিযুক্ত উকিল
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটর
ব্যাখ্যা
দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial)
ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
[In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.]

ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভযোেগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন।
[When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.]
১,২৩৪.
ফৌজদারী কার্যবিধির কোন ধারায় আটককৃত দ্রুত ক্ষয়শীল সম্পত্তি বিক্রির ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫২৩
  2. ধারা ৫২৪
  3. ধারা ৫২৫
  4. ধারা ৫২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট আটককৃত দ্রুত ক্ষয়শীল সম্পত্তি বিক্রির নির্দেশ দিতে পারেন, যদি সম্পত্তির মালিক অজানা বা অনুপস্থিত থাকেন, সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, মালিকের কল্যাণের জন্য বিক্রি উপযোগী হয়, অথবা সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫২৫ ধারা অনুযায়ী- আটককৃত চোরাই মাল দ্রুত ধ্বংসশীল বা ক্ষয়শীল হলে অথবা উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করা মালিকের জন্য কল্যাণকর হলে অথবা উক্ত সম্পত্তির মূল্য ১০ টাকার কম হলে যে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আটকের খবর দেয়া হয়েছে, সেই ম্যাজিস্ট্রেট যে কোন সময় উক্ত সম্পত্তি বিক্রির আদেশ দিতে পারেন।
অর্থাৎ এমন সম্পত্তি দখলের অধিকারী ব্যক্তি যদি অপরিচিত বা অনুপস্থিত থাকে এবং সম্পত্তি দ্রুত ও স্বাভাবিকভাবে ক্ষয়শীল হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট যেকোন সময় তা বিক্রয়ের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 525- Power to sell perishable property:
If the person entitled to the possession of such property is unknown or absent and the property is subject to speedy and natural decay, or if the Magistrate to whom its seizure is reported is of opinion that its sale would be for the benefit of the owner, or that the value of such property is less than ten taka the Magistrate may at any time direct it to be sold; and the provisions of sections 523 and 524 shall, as nearly as may be practicable, apply to the net proceeds of such sale.

১,২৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১৮ অনুযায়ী শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা দিতে আদিষ্ট ব্যক্তি আপিল করতে পারে-
  1. হাইকোর্টে
  2. দায়রা আদালতে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪০৬- শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ধারা-১১৮ অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে-
শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারেন যে, প্রজ্ঞাপনে বর্ণিত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট,যেখানে যা প্রযোজ্য, আপিল চলবে; দায়রা আদালতে নয়।

আরও শর্ত থাকে যে,
যাদের বিরুদ্ধে ধারা-১২৩ এর উপ-ধারা (২) বা (৩ক) এর বিধানানুসারে দায়রা জজ বরাবর মামলা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এই ধারার কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।
১,২৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ কর্তৃক আরও অনুসন্ধানের আদেশ প্রদানের ক্ষমতা রয়েছে, যদি কোন অভিযোগ ধারা ২০৩ বা ধারা ২০৪(৩) অনুসারে খারিজ বা অব্যাহতি দেওয়া হয়ে থাকে?
  1. ধারা ৪০৪
  2. ধারা ৪৩৫
  3. ধারা ৪৩৬
  4. ধারা ৪৯৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৩৬
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৩৬ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ কর্তৃক ধারা ২০৩ বা ধারা ২০৪(৩) অনুসারে খারিজকৃত কোন অভিযোগ বা অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তির সম্পর্কে আরও তদন্ত বা অনুসন্ধানের আদেশ প্রদান করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে, এই অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়ার পূর্বে অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিতে হবে।
- এটি ধারা ৪৩৫ অনুযায়ী যে কোন নথিপত্র পরীক্ষা বা অন্যভাবে পর্যালোচনা করার পরও দেওয়া যেতে পারে।
→ অতএব, ধারা ৪৩৬ অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ তদন্তের আদেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৬ ধারার বিধান অনুসন্ধানের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা:
৪৩৫ ধারা অনুসারে অথবা অন্যভাবে পরীক্ষা করে হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা জজ নির্দেশ দিতে পারবেন যে, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে অথবা তার অধস্তন কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের দ্বারা ২০৩ ধারা বা ২০৪ ধারার (৩) উপধারা অনুসারে খারিজক্ত যেকোনো নালিশ বা কোন অপরাধে অভিযুক্ত কোন অব্যাহতি প্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে আরও তদন্ত করবেন, চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ তদন্ত করতে পারবেন বা তার অধস্তন কোন ম্যাজিস্ট্রেটকে এরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারবেন।
তবে শর্ত এই যে, কোন আদালত কোন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধারার অধীন নির্দেশ দিবেন না, যদি না উক্ত ব্যক্তিকে কোন উক্তরূপ আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শানোর সুযোগ দেয়া হয়।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section: 436- Power to order inquiry:
On examining any record under section 435 or otherwise, the High Court Division or the Sessions Judge may direct the Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate by himself or by any of the Magistrates subordinate to him to make, and the 3 Chief Metropolitan Magistrate or Chief Judicial Magistrate may himself make, or direct any Sub-ordinate Magistrate to make, further inquiry into any complaint which has been dismissed under section 203 or sub-section (3) of section 204, or into the case of any person accused of an offence who has been discharged:
Provided that no Court shall make any direction under this section for inquiry into the case of any person who has been discharged unless such person has had an opportunity of showing cause why such direction should not be made.
১,২৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অপরাধ প্রমাণের অভাবে আসামিকে মুক্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ১৫৮ ধারা
  2. ১৬৭ ধারা
  3. ১৬৯ ধারা
  4. ১৭২ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৬৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৯ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬৯-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, তদন্তে যদি পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাব থাকে, তাহলে পুলিশ: আসামিকে মুক্তি দিতে পারবে (যদি সে হেফাজতে থাকে), মুচলেকা (Bond) নিয়ে তাকে ছেড়ে দিতে পারবে, প্রয়োজনে পরবর্তীতে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হওয়ার শর্ত আরোপ করতে পারবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৯ ধারা অনুসারে-
- তদন্তের পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, আসামিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণের মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ নাই তাহলে আসামি হেফাজতে থাকলে একটি মুচলেকা সম্পাদনের পর উক্ত কর্মকর্তা তাকে মুক্তি দিবেন।
- সেই মোতাবেক উক্ত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে, কখনো প্রয়োজন হলে তার বিচারের জন্য বা তাকে বিচারে সোপর্দ করার জন্য অপরাধটি আমলে নিতে ক্ষমতাসম্পন্ন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির হতে হবে।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,- Section:-169: Release of accused when evidence deficient:
- If, upon an investigation under this Chapter, it appears to the officer in charge of the police station or to the police officer making the investigation that there is not sufficient evidence or reasonable ground of suspicion to justify the forwarding of the accused to a Magistrate,
- such officer shall, if such person is in custody, release him on his executing a bond, with or without sureties, as such officer may direct, to appear, if and when so required, before a Magistrate empowered to take cognizance of the offense on a police-report and to try the accused or send him for trial.
১,২৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৫ ধারার বিধান অনুযায়ী গ্রাম প্রধান নিয়োগ দিতে পারে-
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. দায়রা জজ
  3. জেলা জজ
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৫(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী এই ধারার উদ্দেশ্যে কতিপয় ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক গ্রাম প্রধান নিয়োগঃ সরকার কর্তৃক এতদ উদ্দেশ্যে প্রণীত বিধিমালার অধীনে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট অন্য কোন আইনের বিধান অনুসারে কোন গ্রামের জন্য গ্রাম প্রধান নিযুক্ত হোক বা না হোক, সময়ে সময়ে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে তার বা তাদের সম্মতি নিয়ে এই ধারার বিধান অনুসারে উক্ত গ্রামে গ্রাম প্রধানের কর্তব্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে নিযুক্ত করতে পারবেন।
১,২৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় "Trial in absentia" এর বিধান রয়েছে?
  1. ৩৩৯(ক)
  2. ৩৩৯(খ)
  3. ৩৩৯(গ)
  4. ৩৩৯(ঘ)
সঠিক উত্তর:
৩৩৯(খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩৯(খ)
ব্যাখ্যা
⇒ ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার।গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়,তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ  ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামীকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।

(২) আসামীকে হাজির করার পর কিংবা আসামী হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামী পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশী অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
 
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
১,২৪০.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৪০২ ধারা নিম্নের দণ্ডবিধির কোন ধারার বিধানকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৫৫ ধারা
  3. ৭৫ ধারা
  4. ৬৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ ধারা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০২- শাস্তি পরিবর্তনের ক্ষমতা:

(১) সরকার, দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সম্মতি ছাড়াই, নিম্নলিখিত যে কোনো একটি শাস্তিকে তার পরে উল্লিখিত অন্য যে কোনো শাস্তিতে পরিবর্তন করতে পারে:
মৃত্যুদণ্ড, নির্বাসন, কঠোর কারাদণ্ড যার মেয়াদ তার প্রাপ্য সর্বোচ্চ সময়সীমা অতিক্রম করবে না, একই মেয়াদের সাধারণ কারাদণ্ড, জরিমানা।

(২) এই ধারায় উল্লিখিত কোনো কিছুই দণ্ডবিধির ৫৪ ধারা বা ৫৫ ধারার বিধানগুলিকে প্রভাবিত করবে না।

Section 402- Power to commute punishment:
(1) The Government may, without the consent of the person sentenced, commute any one of the following sentences for any other mentioned after it:-
death, transportation, rigorous imprisonment for a term not exceeding that to which he might have been sentenced, simple imprisonment for a like term, fine.

(2) Nothing in this section shall affect the provisions of section 54 or section 55 of the Penal Code.
১,২৪১.
কঠোর শাস্তির জন্য ক্ষমতাবান ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের ক্ষেত্রে কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন?
  1. অতিরিক্ত সাক্ষ্য তলব করতে এবং গ্রহণ করতে পারেন
  2. পক্ষসমূহের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারেন
  3. ক এবং খ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৯- যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যাপ্ত কঠোর শাস্তি দিতে পারেন না,তখনকার পদ্ধতি

(১) যেক্ষেত্রে এখতিয়ারবান দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর কোন ম্যাজিস্ট্রেট বাদী ও আসামী পক্ষের সাক্ষ্য শ্রবণের পর এ মর্মে অভিমত প্রকাশ করেন যে, আসামী দোষী, এবং তিনি যে শাস্তি প্রদান করতে পারেন তার চেয়ে আসামীর পৃথক ধরণের বা কঠোর শাস্তি পাওয়া উচিত, অথবা ধারা-১০৬ এর অধীন বন্ড সম্পাদন করা তার উচিত, তাহলে তিনি অভিমতটি লিপিবদ্ধ করবেন এবং তিনি যে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের যিনি অধঃস্তন তার বরাবর মামলাটি দাখিল করতে এবং আসামীকে প্রেরণ করতে পারবেন।

(১এ) যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর বিচার একসাথে সম্পন্ন হয় এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাদের যেকোন একজন সম্পর্কে উপধারা-(১) এর অধীন আগানো দরকার মর্মে মনে করেন, সেক্ষেত্রে যেসব আসামীকে তিনি দোষী হিসাবে মনে করেন তাদের সকলকেই চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর প্রেরণ করবেন।

(২) যাঁর বরাবর মামলাটি দাখিল করা হলো সে ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মনে করলে পক্ষসমূহের জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন এবং যারা এই মামলায় পূর্বে সাক্ষ্য প্রদান করেছে, সেসব সাক্ষীকে পুনরায় তলব দিয়ে তাদের জবানবন্দী গ্রহণ করতে পারবেন এবং অতিরিক্ত সাক্ষ্য তলব করতে ও গ্রহণ করতে পারবেন, এবং তিনি আইন অনুসারে যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, মামলায় সেরূপ রায়, শাস্তি বা আদেশ প্রদান করবেন।

শর্ত থাকে যে, ধারা-৩২ ও ৩৩ এর অধীন তাঁর যে শাস্তি দেবার ক্ষমতা আছে তার চেয়ে কঠোর শাস্তি প্রদান করবেন না।
১,২৪২.
আগাম জামিন (anticipatory bail) দিতে পারেন-
  1. হাইকোর্ট
  2. চীপ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
  3. দায়রা কোর্ট
  4. হাইকোর্ট এবং দায়রা কোর্ট উভয়
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট এবং দায়রা কোর্ট উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট এবং দায়রা কোর্ট উভয়
ব্যাখ্যা
•আগাম জামিনের বিধান ৪৯৮ ধারায়। এ ধারায় আগাম জামিন দিতে পারেন হাইকোর্ট বিভাগ ও দায়রা জজ আদালত। এ ধারার অধীনে আদালত যে কোন সময় যে কোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করতে পারেন ও জামানত হ্রাস করতে পারেন।
১,২৪৩.
সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ফৌজদারি আদালতের সর্বোচ্চ কত বছর কারাদণ্ডাদেশ দেয়ার এখতিয়ার রয়েছে?
  1. ৫ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ২ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়।
ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।ধারা ২৬২ এ সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি (Procedure for summary trials) দেয়া আছে। বর্ণিত ব্যতিক্রম ছাড়া বিচারের ক্ষেত্রে বিংশ অধ্যায় (ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার) নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। সেই সাথে কারাদণ্ডের সীমা উল্লেখ করা আছে।

• No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter.
অর্থ্যাৎ সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না।
১,২৪৪.
অর্থ দন্ডের বিরুদ্ধে আনীত আপীল চলাকালে আসামী মারা গেলে আপীলটি-
  1. এবেট হবে
  2. এবেট হবে না
  3. খারিজ হবে
  4. আদালত মাফ করে দিবেন
সঠিক উত্তর:
এবেট হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এবেট হবে না
ব্যাখ্যা
•ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৩১ মতে- জরিমানার বা অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপীলকারী মারা গেলেও আপীল বতিল হবেনা তখন আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিরা স্থলভিষিক্ত হবে। 
•আসামী  সম্পদ থেকে জরিমানার বা অর্থদণ্ড আদায় হবে।
১,২৪৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৪ ধারার বিধানসমূহ কোন ধারা অনুযায়ী অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না?
  1. ধারা ১৬৪
  2. ধারা ২৬১
  3. ধারা ২৬৩
  4. ধারা ৩৬৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬৩
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪-এ অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার নিয়ম বর্ণিত হলেও, এই ধারা ধারা ২৬৩ অনুযায়ী অভিযুক্তের পরীক্ষায় প্রযোজ্য হবে না।
ধারা ২৬৩ অনুযায়ী, যেখানে আপিলযোগ্য নয় এমন মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষীদের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করার প্রয়োজন হয় না, সেখানে ধারা ৩৬৪-এর বিধান প্রয়োগ হয় না।
অর্থাৎ, ধারা ২৬৩-এ যা নির্ধারিত হয়েছে, সেটি ধারা ৩৬৪-এর বিধানের থেকে পৃথক এবং স্বতন্ত্র। তাই ধারা ৩৬৪-এর নিয়ম ধারা ২৬৩ অনুযায়ী অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৬৪ অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:-
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত, অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাঙ্গরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে যে ভাষায় সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখ্যা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।
(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।
(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজির সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরি করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জর্জ যদি উক্ত স্মারক তৈরি করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।
(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
-----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 364. Examination of accused how recorded:
(1) Whenever the accused is examined by any Magistrate, or by any Court other than High Court Division the whole of such examination, including every question put to him and every answer given by him, shall be recorded in full, in the language in which he is examined, or, if that is not practicable, in the language of the Court or in English: and such record shall be shown or read to him, or, if he does not understand the language in which it is written, shall be interpreted to him in a language which he understands, and he shall be at liberty to explain or add to his answers.
(2) When the whole is made conformable to what he declares is the truth, the record shall be signed by the accused and the Magistrate or Judge of such Court, and such Magistrate or Judge shall certify under his own hand that the examination was taken in his presence and hearing and that the record contains a full and true account of the statement made by the accused.
(3) In cases in which the examination of the accused is not recorded by the Magistrate or Judge himself, he shall be bound, as the examination proceeds, to make a memorandum thereof in the language of the Court, or in English, if he is sufficiently acquainted with the latter language; and such memorandum shall be written and signed by the Magistrate or Judge with his own hand, and shall be annexed to the record. If the Magistrate or Judge is unable to make a memorandum as above required, he shall record the reason of such inability.
(4) Nothing in this section shall be deemed to apply to the examination of an accused person under section 263.
১,২৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫চ এর প্রয়োগ হয় কোন পর্যায়ে?
  1. জামিন শুনানিতে
  2. চার্জ গঠনের পূর্বে
  3. চার্জ গঠনের পরে
  4. রায় প্রদানের সময়
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের পরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্জ গঠনের পরে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫চ-এর শিরোনামই হলো "Date for prosecution evidence" (রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যপ্রমাণের জন্য তারিখ নির্ধারণ)। এই ধারা অনুযায়ী, চার্জ গঠন সম্পন্ন হওয়ার পর এবং আসামি কর্তৃক অপরাধ অস্বীকার করা, অথবা বিচার প্রার্থনা করা এর পরবর্তী পর্যায়ে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করেন এবং প্রয়োজনে সাক্ষী বা দলিল হাজিরের জন্য প্রক্রিয়া (সমন/ওয়ারেন্ট) জারি করেন।
- সুতরাং, এই ধারাটির সক্রিয় প্রয়োগ হয় সরাসরি চার্জ গঠনের পরবর্তী পর্যায়ে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫চ ধারা- যদি অভিযুক্ত অপরাধ স্বীকার করতে অস্বীকার করে বা বিচার প্রার্থনা করে বা ২৬৫ঙ ধারায় দণ্ডিত হয় না তাহলে আদালত চার্জ গঠন করে,সাক্ষীদের জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তারিখ নির্ধারণ করবে এবং রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে যেকোনো সাক্ষীকে হাজির হতে বা কোন দলিল বা অন্য কিছু আদালতে উপস্থিত করতে বাধ্য করতে যেকোনো প্রসেস ইস্যু(সমন বা ওয়ারেন্ট জারি) করতে পারে।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 265F: Date for prosecution evidence:
If the accused refuses to plead, or does not plead, or claims to be tried or is not convicted under section 265E, the Court shall fix a date for the examination of witnesses, and may, on the application of the prosecution, issue any process for compelling the attendance of any witness or the production of any document or other thing.

১,২৪৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ___________ ধারায় বলা আছে, পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে মুচলেকা বা জামিন বা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।
  1. ৬০
  2. ৬১
  3. ৬২
  4. ৬৩
সঠিক উত্তর:
৬৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩
ব্যাখ্যা
• ধারা ৬৩: গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির অব্যাহতি-
যে ব্যক্তি কোন পুলিশ অফিসার কর্তৃক গ্রেফতার হয়েছে, তাকে তার নিজের মুচলেকা, অথবা জামিন, অথবা কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ ব্যতীত অব্যাহতি দেয়া যাবে না।

Section 63: Discharge of person apprehended-
No person who has been arrested by a police-officer shall be discharged except on his own bond, or on bail, or under the special order of a Magistrate.
১,২৪৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারা অনুযায়ী, কোন অপরাধীকে জরিমানা প্রদানের দণ্ডাদেশ দিলে আদালত জরিমানা আদায়ের জন্য কী পদক্ষেপ নিতে পারেন?
  1. অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে
  2. স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে
  3. অপরাধীকে সাথে সাথে কারাগারে পাঠানোর আদেশ প্রদানের মাধ্যমে
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' অথবা 'খ'
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারার বিধান- জরিমানা আদায় করার পরোয়ানা:ঃ
(১) যেক্ষেত্রে কোন আসামীকে জরিমানা দণ্ডে দণ্ড দেয়া হয়, সেক্ষেত্রে দণ্ড দানকারী আদালত নিম্নে বর্ণিত দু'টি বা উভয় উপায় অনুযায়ী জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতে পারবেন, অর্থাৎ ইহা-
(ক) অপরাধীর অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করে জরিমানা আদায়ের জন্য পরোয়ানা দিতে পারবেন, অথবা
(খ) খেলাপকারীর স্থাবর বা অস্থাবর বা উভয় প্রকার সম্পত্তিতে দেওয়ানী পদ্ধতি অনুযায়ী পরোয়ানা বলবৎ করে জরিমানার টাকা আদায়ের কর্তৃত্ব দিয়ে জেলার কালেক্টরকে পরোয়ানা প্রদান করতে পারবেনঃ শর্ত থাকে যে, যদি দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকে যে, জরিমানা পরিশোধ করা না হলে অপরাধী কারাদণ্ডে দণ্ডপ্রাপ্ত হবে এবং সে যদি অনাদায়বশতঃ সমগ্র কারাদণ্ড ভোগ করে থাকে, তাহলে কোন আদালত উক্তরূপ পরোয়ানা দিবে না, যদি না বিশেষ কোন কারণ বশত প্রয়োজন মনে করলে আদালত উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন।
(২) সরকার উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ- (ক) এর পরোয়ানা কার্যকরীকরণের পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং উক্ত পরোয়ানা কার্যকরীকরণ প্রসঙ্গে ক্রোককৃত সম্পত্তিতে অপরাধী ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির কোন দাবী সংক্ষেপে নির্ধারণের ব্যবস্থা নেবার জন্য বিধি প্রণয়ন করতে পারবেন।
(৩) আদালত যেক্ষেত্রে উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ (খ) অনুযায়ী কালেক্টরকে পরোয়ানা দিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ (১৯০৮ সনের ৫নং আইন) এর অর্থানুযায়ী উক্ত পরোয়ানাকে ডিক্রি এবং কালেক্টরকে ডিক্রীদার মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং যে নিকটতম দেওয়ানী আদালত অনুরূপ পরিমাণ অর্থের ডিক্রি জারি করতে পারেন উক্ত কার্যবিধির উদ্দেশ্যে সেই আদালতকে উক্ত ডিক্রি দাতা আদালত মর্মে আখ্যায়িত করতে হবে এবং ডিক্রি জারির ব্যাপারে উক্ত কার্যবিধির বিধানাদি অনুরূপভাবে প্রযোজ্য হবে।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-386: Warrant for levy of fine:
(1) Whenever an offender has been sentenced to pay a fine, the Court passing the sentence may take action for the recovery of the fine in either or both of the following ways, that is to say, it may- 
(a) issue a warrant for the levy of the amount by attachment and sale of any movable property belonging to the offender; 
(b) issue a warrant to the Collector of the District authorising him to realise the amount by execution according to civil process against the movable or immovable property, or both, of the defaulter: 
Provided that, if the sentence directs that in default of payment of the fine the offender shall be imprisoned, and if such offender has undergone the whole of such imprisonment in default, no Court shall issue such warrant unless for special reasons to be recorded in writing is considers it necessary to do so. 
(2) The Government may make rules regulating the manner in which warrants under sub-section (1), clause (a), are to be executed, and for the summary determination of any claims made by any person other than the offender in respect of any property attached in execution of such warrant. 
(3) Where the Courts issue a warrant to the Collector under sub-section (1), Clause (b), such warrant shall be deemed to be a decree, and the Collector to be the decree-holder, within the meaning of the Code of Civil Procedure, 1908, and the nearest Civil Court by which any decree for a like amount could be executed shall, for the purposes of the said Code, be deemed to be the Court which passed the Decree, and all the provisions of that Code as to execution of decrees shall apply accordingly: 
Provided that no such warrant shall be executed by the arrest or detention in prison of the offender.
১,২৪৯.
How many types of Special Magistrates are there according to The Code of Criminal Procedure?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 1
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Criminal Procedure- classifies Special Magistrates into 3 types.

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২ ধারামতে Special Magistrate তিন প্রকার। যথা-
ⅰ) বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (Special Executive Magistrate);
ii) বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট (Special Magistrate);
iii) বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (Special Metropolitan Magistrate).

-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ব্যক্তির উপর অর্পণ করলে, উক্ত ব্যক্তিবর্গ বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৩) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে মেট্রোপলিটন এলাকার বাহিরে কোন প্রথম শ্রেণী, দ্বিতীয় শ্রেণী বা তৃতীয় শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ্য ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(৫) ধারার বিধান অনুযায়ী সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শক্রমে, মেট্রোপলিটন এলাকার মধ্যে কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণযোগ ক্ষমতা নির্ধারিত মেয়াদের জন্য কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের উপর অর্পণ করলে, উক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলে গণ্য হবে।
------------------------------------------------------
The Code of Criminal Procedure- Section-12: Special Magistrate:
1) The Government may confer upon any person all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on an Executive Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes of cases, or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area: 
Provided that no power shall be conferred under the sub-section on any police officer below the grade of an Assistant Superintendent of Police and no powers shall be conferred on a such police officer except so far as may be necessary for preserving the peace, preventing crime and detecting apprehending and detaining offenders, in order to bring the offender before a Magistrate, and for the performance by the officer of any other duties imposed upon him by any law for the time being in force. 
(2) The persons on whom the powers under sub-section (1) are conferred shall be called Special Executive Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may by general or special order direct. 
(3) The Government may, in consultation with the High Court Division confer upon any Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on a Judicial Magistrate of the first, second or third class in respect of particular cases or a particular class or classes of cases or in regard to cases generally in any local area outside a Metropolitan area. 
(4) The Magistrate on whom the powers under sub-section (3) are conferred shall be called Special Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may, in consultation with the High Court Division, by general or special order direct. 
(5) The Government may in consultation with the High Court Division confer upon any Metropolitan Magistrate all or any of the powers conferred or conferrable by or under this Code on Metropolitan Magistrate in respect of particular cases or a particular class or classes, or in regard to cases generally in any Metropolitan Area. 
(6) The persons on whom the powers under sub-section (5) are conferred shall be called Special Metropolitan Magistrates and shall be appointed for such term as the Government may in consultation with High Court Division by general or special order direct.
১,২৫০.
ফৌজদারি কার্যবিধির বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার নিয়ে মামলা-
  1. BELA Vs. Bangladesh
  2. BLAST Vs. Bangladesh
  3. Anwar Hossain Chowdhury Vs. Bangladesh
  4. Ministry of Finance Vs. Masdar Hossain
সঠিক উত্তর:
BLAST Vs. Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BLAST Vs. Bangladesh
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার নিয়ে মামলা- BLAST Vs. Bangladesh মামলা।
অর্থাৎ Bangladesh Legal Aid and Services Trust (BLAST) Vs. Bangladesh মামলা। 

⇒ আমাদের দেশে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা কালো আইন হিসেবে পরিচিত কারণ এই আইনে পুলিশকে বিনা পরোয়ানায় যে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এই ক্ষমতা পুলিশের অপব্যবহার করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় পুলিশ সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে, তবে পুলিশ গ্রেপ্তারের কারণ গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে জানাতে বাধ্য নয়, যা সংবিধানের ৩৩(১) অনুচ্ছেদের বিরোধী। ৩৩(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে যত দ্রুত সম্ভব গ্রেপ্তারের কারণ জানাতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ও ১৬৭ ধারার অধীনে পুলিশি ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে BLAST vs Bangladesh (55 DLR 363) মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ এই দুই ধারা সংশোধন করার জন্য সুপারিশ করেছে। হাইকোর্ট মোট ১৫টি নির্দেশনা দিয়েছে, যার মধ্যে প্রথম ৮টি নির্দেশনা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারার অধীনে পুলিশের গ্রেপ্তারের ক্ষমতা নিয়ে।
১,২৫১.
আপিল আদালতের রায় ঘোষণার সময় আসামিকে আদালতে হাজির করা -
  1. বাধ্যতামূলক
  2. বিবেচনামূলক 
  3. হাইকোর্টের আদেশাধীন
  4. আসামির ইচ্ছাধীন
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবেচনামূলক 
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪২৪ অনুযায়ী,
আপিল আদালত যদি প্রয়োজন মনে করে, তাহলে আসামিকে আদালতে হাজির করতে পারে। তবে, এটি বাধ্যতামূলক নয়, বরং আদালতের বিবেচনার ওপর নির্ভর করে।

ধারা ৪২৪- অধস্তন আপিল আদালতের রায়:
অপরাধমূলক কার্যবিধির অধ্যায় XXVI-তে যে সকল নিয়ম অপরাধ সংক্রান্ত মূল বিচারকার্যের আদালতের রায়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তা যথাসম্ভব উচ্চ আদালত বিভাগ ব্যতীত অন্য কোনো আপিল আদালতের রায়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

তবে, যদি আপিল আদালত ভিন্ন কোনো নির্দেশ না দেয়, তাহলে আসামিকে আদালতে হাজির করা বা রায় শোনার জন্য উপস্থিত থাকার প্রয়োজন নেই।

১,২৫২.
নিচের কোন ক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করা যাবে?
  1. চুরির অপরাধ, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য অনধিক ১০ হাজার টাকা
  2. চোরাই মাল গ্রহণ বা রাখার অপরাধ, যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য অনধিক ১৫ হাজার টাকা
  3. অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ অপরাধ, যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য অনধিক ১৫ হাজার টাকা
  4. চুরির অপরাধ, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য অনধিক ২০ হাজার টাকা
সঠিক উত্তর:
চুরির অপরাধ, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য অনধিক ১০ হাজার টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরির অপরাধ, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য অনধিক ১০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা
• গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং যে অপরাধমূলক কাজের জন্য লঘু শাস্তি হয়, সেই সব অপরাধগুলোর বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬০ এর অধীন নিম্নলিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ সংক্ষিপ্ত বিচার করতে পারেন-

> মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
> ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা
> ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ম্যাজিস্ট্রেটের বেঞ্চ। 

• দণ্ডবিধির নিম্নলিখিত অপরাধসমূহের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা হয়-

> মৃত্যুদন্ড,যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা ২ বছরের অধিক কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় নয় এরূপ অপরাধ;
> ৩২৩ ধারা অনুসারে আঘাত;
> ৩৭৯,৩৮০ বা ৩৮১ ধারা অনুসারে চুরি, যেক্ষেত্রে চোরাই মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়;
> ৪০৩ ধারা অনুসারে অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ,৪১১ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গ্রহণ বা রাখা,৪০৪ ধারা অনুসারে চোরাইমাল গোপন বা হস্তান্তর করতে সাহায্য করা, যেক্ষেত্রে উক্ত মালের মূল্য ১০ হাজার টাকার অধিক নয়;
> একই বিধির ৪২৬ ও ৪২৭ ধারা অনুসারে ক্ষতিসাধন, ৪৪৭ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক অনুপ্রবেশ এবং ৪৪৮ ধারা অনুসারে গৃহে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং ৪৫১,8৫৩,8৫৪,8৫৬ ও ৪৫৭ ধারা অনুসারে অপরাধ;
> ৫০৪ ধারা অনুসারে শান্তিভঙ্গের উচ্চানি দেওয়ার উদ্দেশ্যে অপমান করা এবং ৫০৬ ধারা অনুসারে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের অপরাধ এবং ৫০৯ ও ৫১০ অনুসারে অপরাধসমূহ;
> ১৭১ ও ১৭১৯ ধারা অনুসারে কোন নির্বাচনে ঘুষ নেয়ার এবং এক ব্যক্তির পরিবর্তে অন্য ব্যক্তি ব্যবহারকরণের অপরাধ: এবং
উপরোক্ত অপরাধসমূহের যেকোন একটি সংঘটনে সহায়তা করা।
১,২৫৩.
ফৌজদারি কার্যবিধি এর কোন ধারার অধীনে প্রদত্ত মুচলেকার মেয়াদ ৩ বছর?
  1. ১০৭
  2. ১০৮
  3. ১০৯
  4. ১১০
সঠিক উত্তর:
১১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১০
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি এর ১০৭ ধারার (অন্যান্য ক্ষেত্রে শান্তি রক্ষার মুচলেকা) এর মেয়াদ ১ বছর, ১০৮ ধারার (রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তিদের নিকট থেকে সদাচরণ এর জন্য)  মুচলেকার মেয়াদ ১ বছর, ১০৯ ধারার (ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তিদের সদাচরণ এর জন্য) ১ বছর ও ১১০ ধারার (অভ্যাসগত অপরাধীদের সদাচরণ এর জন্য) মুচলেকার মেয়াদ ৩ বছর।
১,২৫৪.
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ঘরের বাইরে অন্য কোথাও থেকে গ্রেপ্তার করলে কত ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুদের জানাতে হবে?
  1. ৬ ঘণ্টার মধ্যে
  2. ১২ ঘণ্টার মধ্যে
  3. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
  4. ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ঘণ্টার মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৪৬ক(ঘ) অনুযায়ী, যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি তার নিজস্ব ঠিকানা থেকে গ্রেফতার না করা হয়, তাহলে গ্রেফতারকারী পুলিশ অফিসার বা অন্য ব্যক্তি অতিস্বল্পতম সময়ে কিন্তু সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা বন্ধুকে জানাতে বাধ্য।
→ Code of Criminal Procedure (Second Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে The Code of Criminal Procedure, 1898 এ নতুন ধারা ৪৬ক (Section 46A) সন্নিবেশিত হয়েছে। এই ধারার উপ-ধারা ঘ(d) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তিকে তার নিজ বাসস্থানের বাইরে অন্য কোনো স্থান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়, তবে গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তা বা অন্য ব্যক্তিকে যত শীঘ্র সম্ভব, তবে গ্রেপ্তারের সময় থেকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির পরিবারের সদস্য, আত্মীয়, বা তার মনোনীত বন্ধুকে গ্রেপ্তারের সময়, স্থান এবং হেফাজতের স্থান সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
সুতরাং, ১২ ঘণ্টার মধ্যে পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানো বাধ্যতামূলক।
------------ 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 46A. Procedure of arrest and duties of officer making arrest:
-In making an arrest, the police-officer or other person making the same shall-
(a) bear an accurate, visible and clear identification of his name which will facilitate easy identification;
(b) disclose his identity and if demanded, shall show his identity card to the person arrested and to the persons present at the time of arrest;
(c) prepare a memorandum of arrest which shall be-
(i)attested by at least one witness, who is a member of the family of the person arrested or a respectable inhabitant of the locality where the arrest is made and where no such witness is available, the reasons thereof be recorded in the memorandum;
(ii) countersigned or thumb-impressed by the person arrested if not refused by him;

(d) intimate, where the accused is arrested from a place other than his residence, to a family member, relative, or a friend nominated by the person arrested, as soon as practicable but not later than twelve hours from the time of such arrest, notifying the time and place of arrest and the place of custody;

(e) ensure, if any mark of injury is found on the body of the person arrested, the examination and first aid treatment of the person by a medical officer or a registered medical practitioner, as the case may be, in accordance with section 46E; obtain a certificate from the attending medical officer or practitioner; and record the reasons for such injury;

(f) allow the person arrested, if he so desires, to consult a lawyer of his choice or to meet any of his nearest relation, preferably within twelve hours of such arrest.

১,২৫৫.
একজন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো ব্যক্তির জামিনের আবেদন নাকচ করেন, তবে ঐ ব্যক্তি কোথায় আপিল করতে পারবেন? 
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজের আদালতে
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক অনুযায়ী, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) কর্তৃক জামিন আবেদন নাকচ বা জামিন গ্রহণে অস্বীকৃতির আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়রা আদালতে (Court of Session) করতে হবে।
- ধারা ৪০৬ক(ক)-এ স্পষ্ট বলা হয়েছে: "যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে।"
সুতরাং, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের জামিন নাকচের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়রা আদালতে করতে হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক: জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
- ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা জামানত নাকচ করার যে কোনো আদেশে যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারবেন—
(ক) যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে;
(খ) যদি আদেশটি প্রদান করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে;
(গ) যদি আদেশটি যেকোনো অন্য নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে।
----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 406A. Appeal from order refusing to accept or rejecting a surety:
Any person aggrieved by an order refusing to accept or rejecting a surety under section 122 may appeal against such order,- 
 (a) if made by the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate or a District Magistrate, to the Court of Session; 
(b) if made by a Metropolitan Magistrate other than the Chief Metropolitan Magistrate, to the Chief Metropolitan Magistrate; or 
(c) if made by any other Magistrate, whether Executive or Judicial, to the District Magistrate or the Chief Judicial Magistrate.

১,২৫৬.
According to section 399, what is the minimum age at which the court can direct a person to a reformatory instead of a criminal jail?
  1. 13 years
  2. 14 years
  3. 15 years
  4. 18 years
সঠিক উত্তর:
15 years
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15 years
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারার বিধান: কোনো অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির বয়স ১৫ বছরের কম হলে আদালত তাকে ফৌজদারি কারাগারে বন্দী না করে, সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত কোনো সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে আটক রাখবার নির্দেশ দিতে পারেন।
-----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 399: Confinement of youthful offenders in reformatories:
(1) When any person under the age of fifteen years is sentenced by any Criminal Court to imprisonment for any offence, the Court may direct that such person, instead of being imprisoned in a criminal jail, shall be confined in any reformatory established by the Government as a fit place for confinement, in which there are means of suitable discipline and of training in some branch of useful industry or which is kept by a person willing to obey such rules as the Government prescribes with regard to the discipline and training of persons confined therein. 
 
(2) All persons confined under this section shall be subject to the rules so prescribed.
------------------------------
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারার বিধান- তরুণ অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।
১,২৫৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারার অধীন সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির আদেশ প্রদান করা হলে-
  1. তাৎক্ষনিকভাবে কার্যকর করা হবে
  2. আপিল করা হলে, আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না
  3. আপিল করা যাবে না
  4. আদালতের ইচ্ছানুযায়ী সময়ে কার্যকর করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আপিল করা হলে, আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল করা হলে, আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫১৭ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধে যে সম্পত্তি বা দলিল বিষয়ে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে আদালত মনে করে, অনুসন্ধান বা বিচার শেষ হওয়ার পর আদালত উক্ত সম্পত্তি বা দলিল ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা অর্পণের মাধ্যমে হস্তান্তরের আদেশ দিতে পারে।

ধারা ৫১৭- যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা হস্তান্তরের আদেশ

(১) কোন ফৌজদারী আদালতে কোন ইনকোয়ারী বা বিচার শেষ হবার উপর উক্ত আদালতে পেশকৃত বা উহার হেফাজতে রক্ষিত কোন সম্পত্তি বা দলিল, যা সম্পর্কে কোন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বা যা কোন অপরাধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে মর্মে প্রতীয়মান হয়, ধ্বংস, বাজেয়াপ্ত বা যে ব্যক্তি উহার দখল দাবী করে তাকে প্রদান বা অন্য কোনভাবে উহার বিহিত ব্যবস্থা করার জন্য আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেরুপ আদেশ প্রদান করতে পারবেন।

(২) যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত এরূপ আদেশ দিবেন এবং সুবিধাজনকভাবে নিজস্ব অফিসার কর্তৃক উক্ত সম্পত্তি উহার অধিকারী ব্যক্তিকে অর্পণ করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত এ মর্মে নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন যে, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত আদেশ বলবৎ করবেন।

(৩) এই ধারার অধীন আদেশ প্রদান করা হলে তা সংশিষ্ট সম্পত্তি গৃহপালিত পশু বা দ্রুত ও স্বাভাবিক ক্ষয়শীল না হলে, এবং উপধারা-(৪) এ বর্ণিত বিধান মতে না হলে ১ (এক) মাসের জন্য কার্যকর করা যাবে না অথবা যেক্ষেত্রে আপিল পেশ করা হয়, সেক্ষেত্রে আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যকর করা যাবে না।

(৪) যে ব্যক্তি কোন সম্পত্তি দখলের অধিকারী মর্মে দাবী করে সে ব্যক্তি আদালতের সন্তুষ্টি বিধানপূর্বক জামিনদারসহ বা ব্যতীত এ মর্মে একটি মুচলেকা সম্পাদন করে যে, এই ধারার অধীন প্রদত্ত আদেশ আপীলে সংশোধিত বা বাতিল হলে সে উক্ত সম্পত্তি আদালতে অর্পণ করবে, সেক্ষেত্রে এই ধারার কোন বিধান উপধারা-(১) অনুসারে আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে সম্পত্তি দেয়ার ব্যাপারে কোন বাধার সৃষ্টি করবে মর্মে মনে করা যাবে না।
১,২৫৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৭ অনুসারে, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামীকে তার এখতিয়ারের বেশি দণ্ড দিতে চাইলে কী পদ্ধতি অনুসরণ করবে?
  1. সরাসরি দণ্ড প্রদান করবে
  2. সরকারের অনুমতি গ্রহণ করবে
  3. দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করবে
  4. হাইকোর্ট বিভাগে মামলার নথি দাখিল করবে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করবে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৭- যেক্ষেত্রে আসামীকে যখন উচ্চতর দণ্ড প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
এই কার্যবিধিতে যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন যখন কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর এ মর্মে অভিমত পোষণ করেন যে, আসামীকে অথবা যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর একসাথে বিচার করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেকোন একজনকে দোষী মর্মে সাব্যস্ত করে ঐ ম্যাজিট্রেট যে দণ্ড দিতে পারেন তদাপেক্ষা অধিক দণ্ড দিতে হবে, সেক্ষেত্রে তিনি তার এরূপ অভিমতের কারণ লিপিবদ্ধ করে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনন্ত সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করতে এবং আসামীকে বা সকল আসামীকে অগ্রবর্তী করতে পারবেন এবং তার ফলে সেই দায়রা আদালতও এমনভাবে মামলার বিচার করবেন যাতে মামলাটি এই কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্রই তৎকর্তৃক বিচার্য।

Section 347- Procedure when, higher punishment should be inflicted on accused:
Notwithstanding anything contained in this Code, whenever a Magistrate of the first class is of opinion, after recording the evidence for the prosecution, that if the accused or, where more accused than one are being tried together, any of such accused is convicted he should receive a punishment more severe than that which such Magistrate is empowered to inflict, he may record his opinion and submit his proceedings, and forward the accused, or all the accused, to the Court of Session to which he is subordinate, whereupon the Court of Session shall try the case as if the case were exclusively triable by it under this Code.
১,২৫৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় জামিন মঞ্জুর করা এবং জামিনের অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪৯৭
  2. ধারা ৪৯৮
  3. ধারা ৪৯৯
  4. ধারা ৪৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৮ এ জামিন মঞ্জুর করা এবং জামিনের অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে যে, মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী জামিনের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হতে হবে না। এছাড়া, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যে কোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করতে পারে অথবা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নির্ধারিত জামিনের পরিমাণ হ্রাস করার নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান: জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
- (১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বন্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপিল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবিকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
- The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
১,২৬০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে ________ অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
  1. দশ বছর কারাদণ্ডযোগ্য
  2. সাত বছর কারাদণ্ডযোগ্য
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য
  4. চৌদ্দ বছর কারাদণ্ডযোগ্য
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬ ধারার বিধান ৪৬ ধারার বিধান কিভাবে গ্রেফতার করতে হয়:
(১) কথা অথবা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ করা না হলে পুলিশ অফিসার অথবা গ্রেফতারকারী অন্য কোন ব্যক্তি গ্রেফতার করার সময় যাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রকৃতপক্ষে তার দেহ স্পর্শ বা আটক করবেন।
(২) গ্রেফতারের চেষ্টায় প্রতিরোধ:
এরূপ ব্যক্তি যদি বলপূর্বক তাকে গ্রেফতারের চেষ্টায় বাধ্য দেয় অথবা গ্রেফতার এড়াইতে চেষ্টা করে তাহলে উক্ত পুলিশ অফিসার পারবেন।
(৩) এই ধারায় এরূপ কোন অধিকার দেয়া হয়নি যার ফলে মৃত্যুদণ্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দ্বারা শাস্তিযোগ্য কোন অপরাধে অভিযুক্ত নহে এরূপ ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে।

 অর্থাৎ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যেতে পারে যদি সে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত হয়।
----------------------------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure- Section- 46. Arrest how made:
(1) In making an arrest the police-officer or other person making the same shall actually touch or confine the body of the person to be arrested, unless there be a submission to the custody by word or action.Resisting endeavour to arrest.
(2) If such person forcibly resists the endeavor to arrest him, or attempts to evade the arrest, such police-officer or other person may use all means necessary to effect the arrest.
(3) Nothing in this section gives a right to cause the death of a person who is not accused of an offence punishable with death or with transportation for life.
১,২৬১.
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট দণ্ড হ্রাস করে-
  1. জরিমানার আদেশ দিতে পারে
  2. ১০ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারে
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮২ ধারার অধীন গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করা যায়-

মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত স্ত্রীলোক গর্ভবতী হলে হাইকোর্ট তার দণ্ডাদেশ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিতে পারবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন। 
[If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life].
১,২৬২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় পুলিশ ডায়েরি সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. ১৬১ ধারায়
  2. ১৬২ ধারায়
  3. ১৭২ ধারায়
  4. ১৭৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৭২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭২ ধারায়
ব্যাখ্যা

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারায় পুলিশ ডায়েরি সম্পর্কে বিধান করা হয়েছে।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(১) ধারায় বলা হয়েছে-
তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক প্রতিদিন একটি ডায়েরিতে তার তদন্তের অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করবেন। কখন তিনি খবর বা তথ্য পেয়েছিলেন, কখন তিনি তদন্ত শুরু এবং সমাপ্ত করেছেন, কোন কোন স্থান বা স্থানসমূহে তিনি পরিদর্শন করেছেন এবং তার তদন্তের মাধ্যমে তিনি কোন কোন ঘটনাসমূহ চিহ্নিত করেছেন সেই বিষয়ে একটি বিবৃতি তিনি পুলিশ ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করবেন।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২(২) পুলিশ ডায়েরীর ব্যবহার:-
যে কোন ফৌজদারি আদালত উক্ত আদালতে অনুসন্ধান বা বিচারাধীন কোন মামলার পুলিশি ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে পারে এবং এই ডায়েরি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ না করে বরং উক্ত মামলার আদালত ব্যবহার করতে পারবে।
-পুলিশ ডায়েরি পুলিশ তার স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করার জন্য [to refresh his memory] ব্যবহার করতে পারে বা এমন পুলিশ কর্মকর্তার পরস্পর বিরোধী বক্তব্য নির্ধারণের উদ্দেশ্যে, আদালত পুলিশ ডায়েরি ব্যবহার করতে পারে।
- তবে অভিযুক্ত বা তার বৈধ প্রতিনিধি পুলিশ ডায়েরি চেয়ে পাঠাতে বা দেখবার অধিকারী হবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭২ ধারা পুলিশ ডায়েরি হলো তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার নথি, যেখানে তিনি প্রতিদিন তদন্তের অগ্রগতি লিখে রাখেন।
ডায়েরিতে যা অন্তর্ভুক্ত থাকবে:
- কখন তথ্য পেয়েছেন এবং তদন্ত শুরু ও শেষ করেছেন।
- কোন কোন স্থান পরিদর্শন করেছেন।
- তদন্তে কী কী ঘটনা চিহ্নিত করেছেন।
 ডায়েরির ব্যবহার:
- আদালত মামলার বিচার বা অনুসন্ধানে এটি দেখতে পারে, তবে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা যাবে না।
- পুলিশ কর্মকর্তা নিজের স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করতে এটি ব্যবহার করতে পারেন।
 - আদালত, পুলিশের পরস্পরবিরোধী বক্তব্য যাচাই করতে এটি ব্যবহার করতে পারে।
যারা এটি দেখতে পারবে না:
- অভিযুক্ত বা তার আইনজীবী পুলিশ ডায়েরি চেয়ে দেখতে বা সংগ্রহ করতে পারবেন না।
- পুলিশ ডায়েরি তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তবে এটি আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
============= 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 172: Diary of proceedings in investigation-
(1) Every police-officers making an investigation under this Chapter shall day by day enter his proceedings in the investigation in a diary setting forth the time at which the information reached him, the time at which he began and closed his investigation, the place or places visited by him, and a statement of the circumstances ascertained through his investigation.

(2) Any Criminal Court may send for the police-diaries of a case under inquiry or trial in such Court and may use such diaries, not as evidence in the case, but to aid it in such inquiry or trial. Neither the accused nor his agents shall be entitled to call for such diaries, not shall he or they be entitled to see them merely because they are referred to by the Court; but, if they are used by the police-officer who made them, to refresh his memory or if the Court uses them for the purpose of contradicting such police-officer, the provisions of the Evidence Act, 1872, section 161 or section 145, as the case may be, shall apply.

১,২৬৩.
আসামী দোষস্বীকার করলে তার শাস্তি হবে ______।
  1. সর্বোচ্চ শাস্তির অর্ধেক
  2. সর্বোচ্চ শাস্তির এক চতুর্থাংশ
  3. সর্বোচ্চ শাস্তির সমপরিমাণ
  4. আদালতের বিবেচনামতো
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিবেচনামতো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিবেচনামতো
ব্যাখ্যা
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালত লিখিত অভিযোগ গঠন করে তা আসামিকে পড়ে শুনাবেন এবং জিজ্ঞেস করবেন যে, আসামি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা দোষ স্বীকার করে কি না? আসামি দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ এবং ২৬৫ঙ ধারা অনুসারে আদালত অভিযোগের সত্যতা স্বীকারের ভিত্তিতে আসামিকে দণ্ড দিতে পারেন।
 
- ২৪৩ ধারা অনুসারে আসামি যদি স্বীকার করে যে, যে অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়েছে, সে তা করেছে, তাহলে যথাসম্ভব আসামির ব্যবহৃত শব্দে তার স্বীকৃতি লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং কেন সে দণ্ডিত হবে না, সে সম্পর্কে আসামি যদি পর্যাপ্ত কারণ না দর্শায় তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে দণ্ডিত করতে পারবেন।
- ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ঙ ধারায় দায়রা আদালতে দোষ স্বীকার করায় দণ্ডাদেশ সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, আসামি যদি দোষ স্বীকার করে তবে আদালত তা লিপিবদ্ধ করবেন এবং আদালত সুবিবেচনা মতে দণ্ডাদেশ প্রদান করতে পারবেন।
 
সুতরাং, আসামি দোষ স্বীকার করলে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৩ ধারামতে ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ২৬৫ঙ ধারামতে দায়রা আদালত উক্ত স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে দণ্ড দিতে পারেন।
---------------
CrPC Section-243. Conviction on admission of truth of accusation:
-If the accused admits that he has committed the offence 284[with which he is charged], his admission shall be recorded as nearly as possible in the words used by him; and, if he shows no sufficient cause why he should not be convicted, the Magistrate may convict him accordingly.

CrPC Section-265E. Conviction of plea of guilty:
- If the accused pleads guilty, the Court shall record the plea and may, in its discretion, convict him thereon.
১,২৬৪.
সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে দায়েরকৃত রিভিশন দায়রা জজ কার নিকট শুনানির জন্য হস্তান্তর করতে পারেন?
  1.  যুগ্ম জেলা জজের কাছে
  2. অতিরিক্ত দায়রা জজের কাছে
  3. অতিরিক্ত জেলা জজের কাছে
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত দায়রা জজের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত দায়রা জজের কাছে
ব্যাখ্যা

রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-
১. হাইকোর্ট বিভাগ,
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ।

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। 
ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।

ধারা ৪৩৯ক(৩) অনুযায়ী, অতিরিক্ত দায়রা জজও রিভিশনের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন, যদি দায়রা জজ সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে কোনো রিভিশন মামলা তাদের কাছে প্রেরণ করেন। এ ক্ষেত্রে, অতিরিক্ত দায়রা জজ দায়রা জজের মতো একই রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন।

১,২৬৫.
কখন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রদত্ত ক্রোক প্রত্যাহার (Withdraw the attachment) করিবেন?
  1. যে কোন সময়ে
  2. ম্যাজিস্ট্রেট সন্তুষ্ট হইলে
  3. রোধীয় বিষয়বস্তু সম্পর্কে আর কোন প্রকার শান্তি ভঙ্গের আশংকা না থাকিলে
  4. উপরে বর্ণিত সবগুলি
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সবগুলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরে বর্ণিত সবগুলি
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারা মতে জমি বা পানি নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট যদি প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে তিনি সম্পত্তি ক্রোক বা রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধি ১৪৬ ধারার বিধান: বিরোধীয় বিষয় ক্রোক করার ক্ষমতা: ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সিদ্ধান্ত নেন যে, পক্ষবৃন্দের কেউই সে সময়ে বিরোধী বিষয়বস্তুতে দখলকার ছিলনা, অথবা তাদের মধ্য থেকে কোন পক্ষ সেই সময়ে উহাতে দখলকার ছিল, সেই সম্পর্কে তিনি নিজে সন্তুষ্ট হতে অপারগ হলে আদালতে পক্ষবৃন্দের অধিকার বা দখল পাইবার অধিকারী ব্যক্তি সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি তা ক্রোক করতে পারবেনঃ

শর্ত থাকে যে, অনুরূপ উপরে বর্ণিত ম্যাজিস্ট্রেট যদি পরিতুষ্ট হন, বিরোধীয় বিষয় সম্পর্কে আর শান্তিভঙ্গের কোনরূপ সম্ভাবনা নেই, সেক্ষেত্রে তিনি যে কোন সময় ক্রোক বাতিল করতে পারেন।

(২) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বিরোধীয় বস্তু ক্রোক করেন, সেক্ষেত্রে তিনি যদি সঠিক হিসাবে মনে করেন এবং কোন দেওয়ানী আদালত যদি ইতিপূর্বে বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ না করে থাকেন, সেক্ষেত্রে তিনি উহার জন্য একটি তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করতে পারবেন এবং ম্যাজিস্ট্রেটোর নিয়ন্ত্রণ দ্বারা উক্ত তত্ত্বাবধায়কের দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়কের যাবতীয় ক্ষমতা থাকবেঃ

শর্ত থাকে যে, কোন দেওয়ানী আদালত যদি পরবর্তী ধাপে উক্ত বিরোধীয় সম্পত্তির কোন তত্ত্বাবধায়ক নিযুক্ত করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক নিযুক্ত তত্ত্বাবধায়ক তাঁর বরাবর দখল অর্পণ করবেন এবং অতঃপর তাকে উক্ত দায়িত্ব থেকে রেহাই দেয়া হবে।
১,২৬৬.
'Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আছে?
  1. ধারা ৪৮৬
  2. ধারা ৪৮৫
  3. ধারা ৪৮৯
  4. ধারা ৪৮৫ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪৮৫ক
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৮৫ক ধারায় দেয়া আছে-

সমন জারির পরও কোন সাক্ষী বৈধ কারণ ব্যতীত ফৌজদারি আদালতে হাজির হতে অবহেলা বা অস্বীকার করলে, যে আদালতের নিকট উক্ত সাক্ষী হাজির হতে বাধ্য সেই আদালত কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিয়ে অনধিক দুইশত পঞ্চাশ টাকা জরিমানা করবে। এক্ষেত্রে আদালত যতদূর সম্ভব সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি অনুসরণ করবেন।

Section 485A- Summary procedure for punishment for non-attendance by a witness in obedience to summons-

(1) If any witness being summoned to appear before a Criminal Court is legally bound to appear at a certain place and time in obedience to the summons and without just excuse neglects or refuses to attend at that place or time or departs from the place where he has to attend before the time at which it is lawful for him to depart, and the Court before which the witness is to appear is satisfied that it is expedient in the interests of justice that such a witness should be tried summarily, the Court, may take cognizance of the offence and after given the offender an opportunity of showing cause why he should not be punished under this section, sentence him to fine not exceeding Taka two hundred and fifty. 
 
(2) In every such case the Court shall follow, as nearly as may be practicable, the procedure prescribed for summary trials.
১,২৬৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করার গ্রহণযোগ্যতা দেয়া হয়েছে?
  1. ১৭৬(২) ধারায়
  2. ৫০৮ ধারায়
  3. ৫০৯ক ধারায়
  4. ৫০৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০৯ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৯ক ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৫০৯ক: ময়নাতদন্তের রিপোর্ট-
 
এই কার্যবিধির অধীন যেক্ষেত্রে ইনকোয়ারী, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে ময়না তদন্তের রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহৃত হওয়া দরকার এবং ময়না তদন্তকারী সিভিল সার্জন বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসার মারা গেলে বা সাক্ষ্য প্রদান করতে অপারগ হন বা বাংলাদেশের সীমার বাহিরে অবস্থান করেন এবং এরূপ বিলম্ব বা অতিরিক্ত ব্যয় ছাড়া বা অসুবিধা ছাড়া তাকে হাজির করা না যায়, যা মামলার অবস্থায় অযৌক্তিক সেক্ষেত্রে সাক্ষী রূপে তাকে তলব না করেই উক্ত রিপোর্ট সাক্ষ্য রূপে ব্যবহার করা যাবে।
 
Section 509A: Report of post-mortem examination-
Where in any inquiry, trial or other proceeding under this Code the report of a post-mortem examination is required to be used as evidence, and the Civil Surgeon or other medical officer who made the report is dead or is incapable of giving evidence or is beyond the limits of Bangladesh and his attendance cannot be procured without an amount of delay, expense or inconvenience which, under the circumstances of the case, would be unreasonable, such report may be used as evidence.
১,২৬৮.
কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কার্যসম্পাদনের আদেশ দিতে সরকার কার সাথে পরামর্শ করবেন?
  1.  রাষ্ট্রপতির সাথে
  2. প্রধানমন্ত্রীর সাথে
  3. অ্যাটর্নি জেনারেলের সাথে
  4. হাইকোর্ট বিভাগের সাথে 
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের সাথে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের সাথে 
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১১(৪) ধারার বিধান হল:
এই ধারায় যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, সরকার হাইকোর্ট ডিভিশনের সাথে পরামর্শসাপেক্ষে নির্ধারিত মেয়াদের জন্য যে কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বাদি পালন করার নির্দেশ দিতে পারবেন এবং অনুরূপ নির্ধারিত মেয়াদকালে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্বসমূহ পালন করবেন না।

অর্থাৎ, সরকার জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যাবলী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সম্পাদনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শ করে থাকেন।

Section 11(4)-
Notwithstanding anything contained in this section, the Government may require any Executive Magistrate to perform the functions of a Judicial Magistrate for a period to be determined in consultation with the High Court Division and during such period, the Magistrate shall not perform the functions of an Executive Magistrate.
১,২৬৯.
"কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে”- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ধারা ২৩৩
  2. ধারা ২৩৫
  3. ধারা ২৩৭
  4. ধারা ২৩৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩৭
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৭ ধারায় কোন ব্যক্তিকে এক অপরাধে চার্জ করে, অন্য অপরাধে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

ধারা ২৩৭ বলা আছে-
২৩৬ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে যে অপরাধের জন্য চার্জ করা হয়,সাক্ষ্য-প্রমাণে যদি দেখা যায় সে ভিন্ন অপরাধ করেছে এবং এই ভিন্ন অপরাধের জন্য তাহাকে উক্ত ধারা অনুসারে চার্জ করা যেতো,তা হলে যে অপরাধ সে করেছে বলে প্রমাণিত হয় তার জন্য চার্জ গঠন করা না হলেও দণ্ডিত করা যাবে।
[If, in the case mentioned in section 236, the accused is charged with one offence, and it appears in evidence that he committed a different offence for which he might have been charged under the provisions of that section, he may be convicted of the offence which he is shown to have committed, although he was not charged with it.]

উদহারণ-'ক' এর বিরুদ্ধে চুরির অপরাধে চার্জ গঠন করা হল।কিন্তু দেখা গেল যে,সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছে বা চোরাইমাল গ্রহণ করেছে।উক্ত অপরাধে চার্জ গঠন করা না হলেও,অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ বা চোরাইমাল গ্রহণের দায়ে তাকে দণ্ডিত করা যাবে।
১,২৭০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারায় পাবলিক প্রসিকিউটর কীভাবে মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন?
  1. অভিযুক্তের অনুরোধে
  2. আদালতের অনুমতি ছাড়া
  3. আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
  4. অভিযোগকারির আবেদন সাপেক্ষে
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪৯৪: মামলা প্রত্যাহারের ফল-
পাবলিক প্রসিকিউটর রায় ঘোষণার পূর্বে আদালতের অনুমতি নিয়ে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে, তার যেকোন এক বা একাধিক অপরাধ প্রত্যাহার করতে পারবেন এবং উক্ত প্রত্যাহারের দরুন-
(ক) অভিযোগ প্রণয়নের পূর্বে তা করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দান করতে হবে; এবং
(খ) অভিযোগ প্রণয়নের পর তা করা হলে বা এই বিধির অধীন কোন অভিযোগ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে, উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে অভিযুক্তকে খালাস দিতে হবে।

Section 494: Effect of withdrawal from prosecution-
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-
(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;
(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.
১,২৭১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮ ধারায় ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে, উক্ত সম্পত্তির মালিক কর্তৃক কত দিনের মধ্যে আবেদন করতে হয়?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৯ ধারার বিধান- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধার:
- যার সম্পত্তি ৮৮ ধারার (৭) উপধারা অনুসারে সরকারের এখতিয়ারভুক্ত রয়েছে বা হয়েছে, সে যদি ক্রোক করার তারিখ থেকে ২ (দুই) বৎসরের মধ্যে যে আদালতের আদেশে সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছিল সেই আদালতের বা সেই আদালত যে আদালতের আওতাধীন সেই আদালতে ইচ্ছাকৃতভাবে হাজির হয় বা তাকে গ্রেফতার করে হাজির করানো হয় এবং এ মর্মে প্রমাণ দ্বারা সে উক্ত আদালতের সন্তুষ্টি উৎপাদনপূর্বক প্রমাণ করে যে,
সে পলাতক (ফেরার) ছিল না বা পরোয়ানার নির্বাহ এড়াবার জন্য সে পলায়ন করেনি এবং তিনি হুলিয়া হতে এরূপ জ্ঞানার্জন করেনি যাতে তিনি উহাতে উল্লেখিত সময়সীমার মধ্যে হাজিরা দিতে পারেন, তাহলে ক্রোক সম্পর্কিত সমস্ত খরচ কেটে নিয়ে উক্ত সম্পত্তি বা তা বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য অথবা আংশিকভাবে বিক্রয় করা হয়ে থাকলে নীট মূল্য ও আংশিক সম্পত্তি তাকে অর্পণ করতে হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898-Section-89: Restoration of attached property:
If, within two years from the date of the attachment any person whose property is or has been at the disposal of the Government, under sub-section (7) of section 88, appears voluntarily or is apprehended and brought before the Court by whose order the property was attached, or the Court to which such Court is subordinate, and proves to the satisfaction of such Court that he did not abscond or conceal himself for the purpose of avoiding execution of the warrant, and that he had not such notice of the proclamation as to enable him to attend within the time specified therein, such property, or, if the same has been sold, the nett proceeds of the sale, or, if part only thereof has been sold, the nett proceeds of the sale and the residue of the property, shall, after satisfying thereout all costs incurred in consequence of the attachment, be delivered to him.
১,২৭২.
ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪৬খ অনুসারে গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে কী উল্লেখ করতে হবে না?
  1. গ্রেফতারের কারণ
  2. হেফাজতকারী অফিসারের নাম
  3. মামলা নম্বর ও আইনের ধারা
  4. অভিযোগকারীর নাম ও তথ্য
সঠিক উত্তর:
মামলা নম্বর ও আইনের ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা নম্বর ও আইনের ধারা
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪৬খ(১) অনুসারে গ্রেফতারকারী অফিসারকে অফিসিয়াল রেজিস্টারে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো উল্লেখ করতে হবে:
- গ্রেফতারের কারণ
- অভিযোগকারীর নাম ও তথ্য
- আত্মীয় বা বন্ধুর নাম ও তথ্য (যাকে গ্রেফতারের তথ্য দেওয়া হয়েছে)
- হেফাজতকারী অফিসারের নাম ও তথ্য
তবে মামলা নম্বর ও আইনের ধারা-এর উল্লেখ এই ধারায় বাধ্যতামূলক করা হয়নি।
অতএব, মামলা নম্বর ও আইনের ধারা উল্লেখ করা এই ধারায় বাধ্যতামূলক নয়

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ধারা ৪৬খ- সরকারি রেজিস্টার, সাধারণ ডায়েরিতে গ্রেপ্তার লিপিবদ্ধকরণ এবং গ্রেপ্তার সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ:
(১) গ্রেপ্তারকারী অফিসার কর্তৃক সরকারি রেজিস্টারে একটি ভুক্তি করা হবে, যেখানে গ্রেপ্তারের কারণ, তথ্য প্রদানকারী বা অভিযোগকারীর নাম ও বিবরণ, ক্ষেত্রমত যে আত্মীয় বা বন্ধুকে গ্রেপ্তার সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে তার নাম ও বিবরণ, এবং গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির হেফাজতে থাকা অফিসারের নাম ও বিবরণ উল্লেখ থাকবে।
(২) একটি পুলিশ স্টেশনের এখতিয়ারের মধ্যে করা প্রতিটি গ্রেপ্তার অবিলম্বে ওই স্টেশনের সাধারণ ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করা হবে, এবং যেখানে গ্রেপ্তারকারী অফিসার উক্ত পুলিশ স্টেশনের সাথে সংযুক্ত নন, সেখানে তিনি গ্রেপ্তার করার পরপরই গ্রেপ্তারের স্মারকলিপির একটি অনুলিপি উক্ত পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে সরবরাহ করার ব্যবস্থা করবেন, যিনি তখন এটি সাধারণ ডায়েরিতে ভুক্তির ব্যবস্থা করবেন।
(৩) উপ-ধারা (১) এবং (২) এর অধীনে রেজিস্টার বা সাধারণ ডায়েরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার, চাহিদা অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির কোনো আত্মীয়, বন্ধু বা প্রতিবেশীর কাছে এই ধরনের গ্রেপ্তার সম্পর্কিত তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবেন।

১,২৭৩.
নিচে উল্লেখিত কোন আদালত রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ
  3. যুগ্ম দায়রা জজ
  4. অতিরিক্ত দায়রা জজ
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
• রিভিশন হলো নিম্ন আদালতের নথি পরীক্ষা করে উর্দ্ধতন আদালত কর্তৃক ভুলত্রুটি সংশোধন করা। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ থেকে এবং ৪৪২ থেকে ৪৪২ক পর্যন্ত রিভিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে-

১. হাইকোর্ট বিভাগ,
২. দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ।

• ৪৩৯ক ধারায় দায়রা জজকে রিভিশন ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্ট বিভাগের রিভিশন সংক্রান্ত যে সকল ক্ষমতা আছে দায়রা জজও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। ৪৩৯ক এর ৩ উপধারায় বলা হয়েছে দায়রা জজের কোন সাধারণ বা বিশেষ আদেশে কোন রিভিশনাল মামলা অতিরিক্ত দায়রা জজের নিকট প্রেরণ করা হলে অতিরিক্ত দায়রা জজ, দায়রা জজের সকল রিভিশনাল এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারবে।

ধারা ৪৩৯ক এর ২ উপধারায় তে দেয়া আছে, দায়রা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করা হলে উক্ত বিষয়ে দায়রা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে দ্বিতীয় রিভিশন দায়ের করা যাবে না।
১,২৭৪.
চীপ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামানত নাকচের আদেশ দিলে কোথায় আপিল করতে হয়?
  1. মহানগর দায়রা আদালত
  2. দায়রা আদালতে
  3. হাইকোর্ট বিভাগের
  4. সবকটি
সঠিক উত্তর:
মহানগর দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহানগর দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক মতে- চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামানত নাকচের আদেশ দিলে মহানগর দায়রা আদালতে আপিল করতে হয়।
১,২৭৫.
অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারাগুলোর বিধান পালন করতে হয়?
  1. ধারা ৮৫ এবং ৮৬
  2. ধারা ৮৭ এবং ৮৮
  3. ধারা ৮৯ এবং ৯০
  4. ধারা ৯১ এবং ৯২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৭ এবং ৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮৭ এবং ৮৮
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৯খ অনুযায়ী "অনুপস্থিতিতে বিচার" (Trial in absentia) শুরু করার আগে কিছু পূর্বশর্ত মানতে হয়। এই ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, বিচার শুরুর আগে ধারা ৮৭ ও ৮৮ এর আবশ্যিক বিধান অবশ্যই পালন করতে হবে।

→ ধারা ৮৭ – Proclamation for person absconding:
- যখন আদালত বিশ্বাস করে যে অভিযুক্ত ব্যক্তি আত্মগোপন করেছে অথবা তাকে গ্রেফতার করা যাচ্ছে না, তখন আদালত প্রকাশ্য আদেশ (proclamation) জারি করে তাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দেয়।
→  ধারা ৮৮ – Attachment of property of person absconding:
- যদি অভিযুক্ত ধারা ৮৭ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির না হয়, তবে আদালত তার সম্পত্তি জব্দের আদেশ দিতে পারে।

এরপর: যদি অভিযুক্তকে এখনো গ্রেপ্তার করা না যায় এবং তার অনুপস্থিতির যথেষ্ট ভিত্তি থাকে, এবং দুইটি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় তার বিরুদ্ধে হাজিরার আদেশ প্রকাশ করা হয়, তবেই ৩৩৯খ ধারার অধীনে অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু করা যায়।

⇒ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯খ ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে। উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
- ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
- আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।
- অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো-
অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে। একে বলা হয় ''Trial in absentia'' বা অনুপস্থিতিতে বিচার।
------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure-Section 339B: Trial in absentia-
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.

১,২৭৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় আপসযোগ্য অপরাধের বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৩৪০
  2. ধারা ৩৪৫
  3. ধারা ৩৫০
  4. ধারা ৩৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৪৫
ব্যাখ্যা

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারা অনুযায়ী, আপসযোগ্য (compoundable) অপরাধসমূহের তালিকা একটি টেবিল আকারে দেওয়া হয়েছে।
এই টেবিলের—
প্রথম কলামে: অপরাধের নাম বা প্রকৃতি 
দ্বিতীয় কলামে: দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধ
তৃতীয় কলামে: কোন ব্যক্তি সেই অপরাধ আপস করতে পারেন— তা উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে।
- ৩৪৫ (১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে।
- দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে ধারা।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ (৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
⇒ প্রতিকার- যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।

১,২৭৭.
ক্রোককৃত সম্পত্তি প্রাণী অথবা পচনশীল প্রকৃতির হলে সেক্ষেত্রে আদালতের করণীয় কী?
  1. যার সম্পত্তি ক্রোক করা হয়েছে তাকে ফিরিয়ে দেয়া।
  2. ক্রোককৃত সম্পত্তির মালিক পলাতক হলে তার উত্তরাধিকার বা নিকটাত্মীয় এর নিকট হস্তান্তর করা।
  3. বিক্রি করে দেয়া।
  4. ক অথবা খ।
সঠিক উত্তর:
বিক্রি করে দেয়া।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রি করে দেয়া।
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৮৮(৫) মোতাবেক ক্রোককৃত সম্পত্তি প্রাণী বা পচনশীল দ্রব্য হলে আদালত প্রয়োজন মনে করলে অবিলম্বে তা বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারবেন।
১,২৭৮.
সাক্ষীর জবানবন্দির সময় তার আচরণ সম্পর্কিত মন্তব্য কে লিপিবদ্ধ করতে পারেন?
  1. আসামি
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. সরকারী কৌঁসুলি
  4. দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৬৩ ধারা- সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে মন্তব্য:
যেক্ষেত্রে কোন দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যদি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন, সাক্ষীর জবানবন্দীর সময়ের তার আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে কোন মন্তব্য (যদি থাকে) লিপিবদ্ধ করবেন।

Section 363: Remarks respecting demeanor of witness:
When a Sessions Judge or Magistrate has recorded the evidence of a witness, he shall also record such remarks (if any) as he thinks material respecting the demeanour of such witness whilst under examination.
১,২৭৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তি কোন অবস্থায় সাক্ষ্য দিতে পারেন?
  1. শপথ ব্যতীত
  2. শপথ গ্রহণপূর্বক
  3. পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়
  4. 'ক' এবং 'খ' উভয়
সঠিক উত্তর:
শপথ গ্রহণপূর্বক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শপথ গ্রহণপূর্বক
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) শপথ গ্রহণপূর্বক।
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় বলা হয়েছে যে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের অস্বীকৃতি বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন, তবে তা শুধুমাত্র শপথ গ্রহণের মাধ্যমে। অর্থাৎ, অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি সাক্ষ্য দিতে চান, তবে তাকে শপথ নিতে হবে, না হলে তিনি সাক্ষ্য দিতে পারবেন না।
এই ধারার মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
- আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষার অধিকার: প্রতিটি অভিযুক্ত ব্যক্তি ফৌজদারি আদালতে নিজেকে আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা করার অধিকার রাখে (ধারা ৩৪০(১))।
- সাক্ষ্য দেওয়ার যোগ্যতা: অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজের বা সহ-অভিযুক্তের পক্ষে শপথ নিয়ে সাক্ষ্য দিতে পারেন (ধারা ৩৪০(৩))।
- সুরক্ষা বিধান: তাকে শুধুমাত্র নিজের লিখিত অনুরোধে সাক্ষী হিসেবে ডাকা যাবে। সাক্ষ্য না দিলে তা তার বিরুদ্ধে কোনো নেতিবাচক অনুমানের কারণ হবে না। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজ পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
তবে শর্ত এই যে-
- সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
- সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial:
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
১,২৮০.
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে _________ আদালত হিসেবে গন্য করতে হবে।
  1. উন্মুক্ত
  2. বদ্ধ
  3. গোপন
  4. সংরক্ষিত
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মুক্ত
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ

শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
১,২৮১.
একজন দায়রা জজ কোন আসামীকে বিচারে খালাস প্রদান করেন। উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আসামী মারা যায়। সেক্ষেত্রে আপিলটির ফলাফল কি হবে?
  1. আপিলটি মেধাতে নিষ্পত্তি হবে
  2. প্রসিকিউশনকে শুনানী করে আদেশ প্রদান করা হবে
  3. আপিলটি অ্যাবেট হবে
  4. আপিলটি খারিজ হবে
সঠিক উত্তর:
আপিলটি অ্যাবেট হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলটি অ্যাবেট হবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩১ ধারায় আপিল বাতিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। ৪৩১ ধারায় বলা হয়েছে-

৪১৭ বা ৪১৭ক ধারার অধীন প্রত্যেকটি আপিল অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে, এবং এই অধ্যায়ের অধীন অন্যান্য প্রত্যেকটি আপিল (অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল ব্যতীত) আপিলকারীর মৃত্যুতে চূড়ান্তভাবে বাতিল হবে।

• অর্থাৎ যখন আপিল চূড়ান্তভাবে পণ্ড [Abate] হবে:
খালাস আদেশের বিরুদ্ধে (ধারা ৪১৭) এবং অপর্যাপ্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে ধারা ৪১৭(ক) আপিল চলাকালে অভিযুক্ত তথা আসামির মৃত্যু হলে;
⇒ অন্যান্য আপিলে অর্থাৎ, জরিমানার বিরুদ্ধে আপিল ছাড়া আপিলকারীর মৃত্যু হলে।

• যখন আপিল পণ্ড [Abate] হবে না:

⇒ জরিমানা/অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল হলে, আপিল বাতিল [Abate] হবে না।

কারণ, জরিমানা/অর্থদণ্ডের ক্ষেত্রে আপিলকারীর অর্থাৎ অভিযোগকারীর মৃত্যু হলে; আপিলকারীর প্রতিনিধি স্থলাভিষিক্ত হবে। পেনাল কোডের ৭০ ধারা অনুযায়ী, আসামির রেখে যাওয়া সম্পত্তি থেকে তা আদায় করা যাবে।
১,২৮২.
ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের সদাচরণের মুচলেকার সময়সীমা সর্বাধিক কত দিন হতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারা:  ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে সদাচরণের মুচলেকা: 
যেক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হন যে-
ক) তাঁর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন রাখার নিমিত্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাসমূহ পরিগ্রহণ করতেছেন এবং এরূপ বিশ্বাস করার হেতু বিদ্যমান যে তিনি কোন অপরাধ সম্পাদনের লক্ষ্যে এরূপ করতেছেন, বা

খ) উক্ত সীমার মধ্যে এরূপ কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জীবিকা নির্বাহের কোন প্রকাশ্য পন্থা নেই বা যে ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে পারে না,

সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর উল্লিখিত পদ্ধতিতে, এরূপ ব্যক্তিকে, তিনি যেরূপ সমীচীন মনে করেন সেই প্রকার অনূর্ধ্ব এক বৎসর সময়সীমার জন্য, তার সদাচরণের জন্য, জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে, একটি মুচলেকা সম্পাদন করে দিবার জন্য কেন তাকে আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
১,২৮৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার (১) উপধারা অনুসারে কে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি দিতে পারে?
  1. সরকার
  2. ম্যাজিস্ট্রেট
  3. পুলিশ সুপার
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৫ ধারার (১) উপধারা অনুসারে, কোনো মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোনো পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪৯৫- সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনার অনুমতি:
(১) কোন মামলার ইনকোয়ারি বা বিচারকারী ম্যাজিস্ট্রেট সরকার কর্তৃক এতদ্‌বিষয় নির্ধারিত পদের নিম্নপদস্থ কোন পুলিশ অফিসার ব্যতীত অন্য যেকোনো ব্যক্তিকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করতে পারবেন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল, সরকারি সলিসিটর, পাবলিক প্রসিকিউটর অথবা সরকার কর্তৃক এই বিষয়ে সাধারণ বা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন অফিসার ব্যতীত কোন ব্যক্তি উক্ত অনুমতি ব্যতিরেকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অধিকারী হবে না।
(২) মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে এরূপ অফিসারের ধারা-৪৯৪ এ উল্লিখিত ক্ষমতা থাকবে এবং তাঁর প্রত্যাহৃত মামলার ক্ষেত্রে উক্ত ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।
(৩) বাদীপক্ষের মামলা পরিচালনাকারী কোন ব্যক্তিতা ব্যক্তিগতভাবে বা কোন অ্যাডভোকেট কর্তৃক এরূপ করতে পারবেন।
(৪) যে অপরাধের জন্য আসামীর বিচার চলছে সেই অপরাধের কোন তদন্তে অংশ গ্রহণ করে থাকলে কোন পুলিশ অফিসারকে বাদী পক্ষের মামলা পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 495- Permission to conduct prosecution:
(1) Any Magistrate inquiring into or trying any case may permit the prosecution to be conducted by any person other than an officer of police below the rank to be prescribed by the Government in this behalf but no person, other than the Attorney-General, Government Solicitor, Public Prosecutor or other officer generally or specially empowered by the Government in this behalf, shall be entitled to do so without such permission.
(2) Any such officer shall have the like power of withdrawing the prosecution as is provided by section 494, and the provisions of that section shall apply to any withdrawal by such officer.
(3) Any person conducting the prosecution may do so personally or by a pleader.
(4) An officer of police shall not be permitted to conduct the prosecution if he has taken any part in the investigation into the offence with respect to which the accused is being prosecuted.

১,২৮৪.
An appeal may lie on a __________.
  1. matter of fact
  2. matter of law
  3. Both A + B
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
Both A + B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Both A + B
ব্যাখ্যা
Section 418- Appeals on what matters admissible:
An appeal may lie on a matter of fact as well as a matter of law.
Explanation- The alleged severity of a sentence shall, for the purposes of this section, be deemed to be a matter of law.

• ধারা ৪১৮- কোন কোন বিষয়ে আপিল গ্রহণযোগ্য:
ঘটনার প্রশ্নে বা আইনের প্রশ্নে আপিল চলতে পারে।
ব্যাখ্যাঃ এই ধারার উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে কোন দণ্ডের কথিত কঠোরতা আইনের বিষয় মর্মে গণ্য হবে।
১,২৮৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর Section 249 এর অধীনে বিচার বন্ধ হলে অভিযুক্ত ব্যক্তি-
  1. খালাস পাবে
  2. মুক্তি পাবে
  3. অব্যহতি পাবে
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তি পাবে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারার বিধান যেক্ষেত্রে ফরিয়াদী না থাকে, সেক্ষেত্রে কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতাঃ

নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যে কোন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যবাহ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি দিতে পারবেন।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ বলতে মামলাটি অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত বোঝায় না বরং মামালাটি বহাল আছে বোঝায়। সাক্ষী পর্যাপ্ত হলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলাটি পুনরায় চালু করতে পারে। যে কারণে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করলো উক্ত কারণ যখন বিদ্যামান থাকেনা তখন থেকে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু করতে পারে।

• মামলার কার্যক্রম বন্ধের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপক্ষ বা নালিশকারী বিচারিক আদালতে উক্ত মামলার বিচার পুনরুজ্জীবিত বা পুনরায় চালুর জন্য আবেদন করতে পারে এবং উক্ত ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম যেখান থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল সেখান থেকে শুরু হবে।

• যে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিল সে উক্ত বন্ধের আদেশ বাতিল করতে পারে এবং মামলার কার্যক্রম শুরু করতে পারে যদি সাক্ষী পাওয়া যায়।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪৯ ধারায় মামলার কার্যক্রম বন্ধের আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে রিভিশন দায়ের করা যায়। একই অভিযোগের জন্য একই অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পুনরায় মামলা দায়ের করা যাবে।
১,২৮৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে-
  1. ২য় তফসিলে
  2. ৩য় তফসিলে
  3. ৪র্থ তফসিলে
  4. ৫ম তফসিলে
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় তফসিলে
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬ ধারার বিধান ম্যাজিষ্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতাঃ সকল জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর কার্যক্রমে অর্পিত ৩য় তফসিল এ বর্ণিত ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ক্ষমতা তাঁদের "সাধারণ ক্ষমতা" নামে আখ্যায়িত।

-----------------------------------
Section 36. Ordinary powers of Magistrates: All Judicial and Executive Magistrates have the powers hereinafter respectively conferred upon them and specified in the third schedule. Such powers are called their "ordinary powers".
১,২৮৭.
কোন ব্যক্তির ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন অগ্রাহ্য হলে, ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় আপিল করতে পারে?
  1. ধারা ৪০৫
  2. ধারা ৪০৭
  3. ধারা ৪০৪
  4. ধারা ৪০৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৪০৫
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৫- ক্রোককৃত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের আবেদন অগ্রাহ্য হলে উহার বিরুদ্ধে আপিল

কোন আদালত সম্পত্তি বা সম্পত্তির বিক্রয়লব্ধ অর্থ প্রদানের জন্য কোন ব্যক্তির ধারা-৮৯ অনুসারে দায়েরকৃত আবেদনপত্র নাকচ করলে তিনি সেই আদালতে আপিল করতে পারেন যে আদালতে পূর্ববর্তী আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে সাধারণতঃ আপিল করা চলে। 

Section 405- Appeal from order rejecting application for restoration of attached property
Any person whose application under section 89 for the delivery of property or the proceeds of the sale thereof has been rejected by any Court may appeal to the Court to which appeals ordinarily lie from the sentences of the former Court.
১,২৮৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার আওতায় যদি কোনো অভিযোগ মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর প্রমাণিত হয়, তবে আদালত কী করতে পারে?
  1. আসামির জামিন বাতিল করতে পারে
  2. আসামির শাস্তি ঘোষণা করতে পারে
  3. অভিযোগকারীকে কারাগারে পাঠাতে পারে
  4. অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে
ব্যাখ্যা
উত্তর: অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে অর্থদণ্ড আরোপ করতে পারে।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারার বিধান মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর অভিযোগ - 
(১) যদি কোনো মামলা অভিযোগের উপর ভিত্তি করে অথবা পুলিশ কর্মকর্তা বা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানানো তথ্যের ভিত্তিতে শুরু হয় এবং ওই মামলা একজন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে বিচারাধীন থাকে, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি মামলাটি শুনে আসামিদের মধ্যে এক বা একাধিককে খালাস বা মুক্তি দেন, এবং ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর ছিল, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তার খালাস বা মুক্তির আদেশে, যদি অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা আদালতে উপস্থিত থাকে, তাকে তাৎক্ষণিকভাবে কারণ দর্শানোর জন্য বলবেন কেন তিনি এমন অভিযোগে ক্ষতিপূরণ প্রদান করবেন না। এবং যদি অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা উপস্থিত না থাকে, তবে তাকে হাজির হতে এবং কারণ দর্শানোর summon জারি করার নির্দেশ দিতে পারেন।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট অভিযোগকারী বা তথ্যদাতার প্রদত্ত কারণ রেকর্ড করে এবং যদি তিনি সন্তুষ্ট হন যে অভিযোগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর ছিল, তবে তিনি রেকর্ডকৃত কারণের ভিত্তিতে এমন ক্ষতিপূরণ আদায় করার নির্দেশ দিতে পারেন, যার পরিমাণ ১,০০০ টাকা (যদি ম্যাজিস্ট্রেট দ্বিতীয় শ্রেণির বা তৃতীয় শ্রেণির হন, তবে ৫০০ টাকা) পর্যন্ত হতে পারে এবং সেই ক্ষতিপূরণ আসামি বা তাদের মধ্যে এক বা একাধিককে প্রদান করতে হতে পারে।
(২ক) ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়ার পর, যদি অভিযোগকারী ক্ষতিপূরণ প্রদান না করেন, তবে তিনি আরও আদেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদান না করা পর্যন্ত ওই ব্যক্তি এক মাসের বেশি না হওয়া পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাবাস ভোগ করবেন।
(২খ) যখন কোনো ব্যক্তি ২(এ) উপধারার অধীনে কারাবাসে যাবেন, তখন দণ্ডবিধির ৬৮ ও ৬৯ ধারা অনুযায়ী সেই ব্যক্তির ওপর প্রযোজ্য শর্তাবলী অনুসৃত হবে।
(২গ) যিনি এই ধারার অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য নির্দেশিত হয়েছেন, তিনি এই আদেশের কারণে তার করা অভিযোগ বা প্রদত্ত তথ্যের জন্য কোনো সিভিল বা ফৌজদারি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি পাবেন না। তবে, যদি এই পরিমাণ কোনো আসামিকে প্রদান করা হয়, তা পরবর্তী সিভিল মামলায় ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে গণনা করা হবে।
(৩) যে অভিযোগকারী বা তথ্যদাতা ২(২) উপধারার অধীনে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশিত হয়েছেন, এবং যদি ক্ষতিপূরণ ১০০ টাকা বা তার বেশি হয়, তবে তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন, যেমন যদি তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।
(৪) যদি এমন কোনো আদেশ থাকে যা আপিলযোগ্য, তবে ক্ষতিপূরণ তখন প্রদান করা হবে না, যতক্ষণ না আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় শেষ না হয়, অথবা যদি আপিল হয়, ততক্ষণ না আপিল নিষ্পত্তি হয়। এবং যদি আপিলযোগ্য না হয়, তবে ওই আদেশের এক মাস পরে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।
(৫) এই ধারায় যা কিছু উল্লেখ করা হয়েছে, তা সত্ত্বেও ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ আদায়ের আদেশের সাথে অতিরিক্তভাবে নির্দেশ দিতে পারেন যে, ক্ষতিপূরণ প্রদানে ব্যর্থ ব্যক্তি ছয় মাসের কারাবাসে দণ্ডিত হবেন অথবা তিন হাজার টাকা জরিমানা করবেন।
-------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 False, frivolous or vexatious accusations:
(1) If in any case instituted upon complaint or upon information given to a police-officer or to a Magistrate, one or more persons is or are accused before a Magistrate or any offence triable by a Magistrate, and the Magistrate by whom the case is heard discharges or acquits all or any of the accused, and is or opinion that the accusation against them or any of them was false and either frivolous or vexatious, the Magistrate may, by his order of discharge or acquittal, if the person upon whose complaint or information the accusation was made is present, call upon him forthwith to show cause why he should not pay compensation to such accused or to each or any of such accused when there are more than one, or, if such person is not present direct the issue of a summons to him to appear and show cause as aforesaid. 
(2) The Magistrate shall record and consider any cause which such complainant or information may show and if he is satisfied that the accusation was false and either frivolous or vexatious may, for reasons to be recorded, direct that compensation to such amount not exceeding one thousand Taka or, if the Magistrate is a Magistrate of the third Class, not exceeding five hundred Taka, as he may determine be paid by such complainant or informant to the accused or to each or any of them. 
(2A) The Magistrate may, by the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that, in default of payment, the person ordered to pay such compensation shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days. 
(2B) When any person is imprisoned under sub-section (2A), the provisions of sections 68 and 69 of the Penal Code shall, so far as may be, apply. 
(2C) No person who has been directed to pay compensation under this section shall, by reason of such order, be exempted from any civil or criminal liability in respect of the complaint made or information given by him: 
Provided that any amount paid to an accused person under this section shall be taken into account in awarding compensation to such person in any subsequent civil suit relating to the same matter. 
(3) A complainant or informant who has been ordered under sub-section (2) by a Magistrate of the second or third class to pay compensation or has been so ordered by any other Magistrate to pay compensation exceeding one hundred taka may appeal from the order, in so far as the order relates to the payment of the compensation, as if such complainant or informant had been convicted on a trial held by such Magistrate. 
(4) When an order for payment of compensation to an accused person is made in a case which is subject to appeal under sub-section (3), the compensation shall not be paid to him before the period allowed for the presentation of the appeal has elapsed, or, if any appeal is presented, before the appeal has been decided and, where such order is made in a case which is not so subject to appeal, the compensation shall not be paid before the expiration of one month from the date of the order. 
(5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.]
১,২৮৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা হয়েছে যে, আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির সাক্ষ্য এফিডেভিট আকারে দেওয়া যেতে পারে?
  1. ধারা ৫০৯
  2. ধারা ৫১০
  3. ধারা ৫১০ক
  4. ধারা ৫১১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫১০ক
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির (Code of Criminal Procedure) ধারা ৫১০ক এর অধীনে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির (formal character) হয়, তবে তা শপথপত্র (Affidavit) আকারে দেওয়া যেতে পারে। এই শপথপত্রটি, সকল ন্যায়সঙ্গত ব্যতিক্রম সাপেক্ষে, কোনো তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যক্রমে প্রমাণ হিসেবে পড়া যায়। এছাড়াও, ধারা ৫১০ক(২) অনুসারে, আদালত যদি উপযুক্ত মনে করে বা প্রসিকিউশন বা অভিযুক্তের আবেদনের ভিত্তিতে, শপথপত্রে উল্লিখিত তথ্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সমন করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
অতএব, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫১০ক এ বলা হয়েছে যে আনুষ্ঠানিক প্রকৃতির সাক্ষ্য শপথপত্র আকারে দেওয়া যেতে পারে।
---------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 510A. Evidence of formal character on Affidavit:
(1) The evidence of any person whose evidence is of a formal character may be given by affidavit and may, subject to all just exceptions, be read in evidence in any inquiry, trial or other proceeding under this Code.
(2) The Court may, if it thinks fit, and shall, on the application of the prosecution or the accused, summon and examine any such person as to the facts contained in his affidavit.

১,২৯০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯২ ধারায় যদি মামলা হস্তান্তরিত হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট বাদীর এবং সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে থাকেন, তাহলে পরবর্তী ম্যাজিস্ট্রেট-
  1. সাক্ষীর পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য
  2. বাদীর পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য
  3. বাদী বা সাক্ষী কারো পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণে বাধ্য নয়
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
বাদী বা সাক্ষী কারো পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণে বাধ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী বা সাক্ষী কারো পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণে বাধ্য নয়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারার বিধান বাদীর জবানবন্দি:
নালিশের প্রেক্ষিতে অপরাধ আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট যত দ্রুত সম্ভব বাদীর এবং উপস্থিত যদি থাকে, সাক্ষীবৃন্দের মধ্যে যে কয়জনকে সঠিকরূপে গণ্য করেন তাহাদের শপথ গ্রহণ করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন এবং জবানবন্দির সারবস্তু নথিবদ্ধ করবেন এবং বাদী বা যে-সব সাক্ষীর জবানবন্দি গৃহীত হয়েছে, তারা ও ম্যাজিস্ট্রেট তাতে সই করবেন:
(ক) লিখিত নালিশ দায়ের করা হলে ধারা-১৯২ এর বিধানমতে মামলাটি হস্তান্তরের পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উক্তভাবে জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই;

(কক) যখন লিখিত নালিশ দায়ের করা হয় এবং আদালত বা সরকারি কর্মচারী তাঁদের সরকারি কাজে কর্তব্যরত অবস্থায় বা সরকারি হিসাবে কথিত কর্তব্য সম্পাদনের সময় এই নালিশ দায়ের করেন, সেক্ষেত্রে বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের দরকার নেই।

(গ) যখন ধারা-১৯২ এর বিধান মতে মামলা হস্তান্তরের করা হয় এবং হস্তান্তরকারী ম্যাজিস্ট্রেট আগেই বাদীর ও সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে যে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর মামলা হস্তান্তরিত হয়, তিনি পুনরায় তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করতে বাধ্য হবেন না।
১,২৯১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় দোভাষী সম্পর্কিত বিধান রয়েছে?
  1. ৫৪৪ ধারা
  2. ৫৪৩ ধারা
  3. ৫৪০ক ধারা
  4. ৫৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৯৮ এর ধারা ৫৪৩-এ দোভাষী (Interpreter) সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন কোনো ক্রিমিনাল কোর্টে সাক্ষ্য বা বক্তব্য অনুবাদের জন্য দোভাষীর প্রয়োজন হয়, তখন দোভাষী বাধ্য থাকবেন:
- উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির সত্য ও সঠিক অনুবাদ আদালতের সামনে উপস্থাপন করতে, এবং কোনোভাবেই বক্তব্য বিকৃত বা পরিবর্তন না করতে।
- এটি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, বিশেষ করে যখন কোনো সাক্ষী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতের ভাষা বুঝতে অক্ষম হন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, যখন কোনো ক্রিমিনাল কোর্টে দোভাষী (Interpreter) প্রয়োজন হয়, তার প্রধান দায়িত্ব হল সঠিকভাবে সাক্ষ্য বা বক্তব্যের অনুবাদ প্রদান করা, এবং এই অনুবাদটি সত্যানুগ হতে হবে। দোভাষীকে নির্দেশ দেওয়া হয় যে, তিনি যে কোনো সাক্ষ্য বা বিবৃতি সঠিকভাবে, এবং কোনোরূপ বিকৃতি বা পরিবর্তন ছাড়াই অনুবাদ করবেন।
------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 543. Interpreter to be bound to interpret truthfully:
 When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
১,২৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৭ অনুসারে পলাতক ব্যক্তির জন্য আদালত কর্তৃক জারি করা হুলিয়ায় সময়সীমা সর্বনিম্ন কত দিন হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৪৫ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৮৭ অনুযায়ী, যখন আদালত মনে করে যে কোনো ব্যক্তি পলাতক হয়েছে বা আত্মগোপন করছে যার কারণে তার বিরুদ্ধে ইস্যু করা পরোয়ানা কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না, তখন সেই ব্যক্তির জন্য একটি হুলিয়া (প্রকৃতির বিজ্ঞপ্তি) জারি করা হয়।
এই হুলিয়ায় তাকে একটি নির্দিষ্ট স্থানে এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। এই সময়সীমা সর্বনিম্ন ৩০ দিন হতে হবে, যাতে পলাতক ব্যক্তি পর্যাপ্ত সময় পায় হাজির হতে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ ধারার বিধান (১) যদি কোন আদালতের এরূপ বিশ্বাস করার কারণ থাকে (সাক্ষ্য গ্রহণ করার পরে অথবা পূর্বে) যে, উক্ত আদালত যার বিরুদ্ধে পরোয়ানা প্রদান করেছেন সেই ব্যক্তি পলাতক হয়েছে অথবা পরোয়ানা কার্যকর না হতে পারে সেজন্য আত্মগোপন করছে, তাহলে উক্ত আদালত তাকে একটি নিদিষ্ট স্থানে এবং হুলিয়া জারীর তারিখ হতে ত্রিশ দিনের কম নহে, এমন নির্দিষ্ট সময়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত হুলিয়া জারি করতে পারবেন।
(২) হুলিয়া নিম্নলিখিতভাবে জারি করতে হবে:
ক) উক্ত ব্যক্তি সাধারণত যেখানে বাস করে সেই শহরে অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা প্রকাশ্যভাবে পাঠ করতে হবে;
খ) উক্ত ব্যক্তি সাধারণত যেখানে বাস করে, সেই বাড়ি অথবা বস্তু অথবা শহর অথবা গ্রামের প্রকাশ্য স্থানে উহা লটকায়ে দিতে হবে; এবং
গ) উহার একটি কপি আদালত ভবনের প্রকাশ্য স্থানে লটকায়ে দিতে হবে।
(৩) হুলিয়া প্রদানকারী আদালত যদি এই মর্মে একটি লিখিত বিবৃতি দেন যে, হুলিয়া একটি নির্দিষ্ট দিনে যথাযথভাবে জারি হয়েছে তাহলো উহা চূড়ান্ত সাক্ষ্য হবে যে, এই ধারার নির্দেশ সম্বলিত হিসাবে এবং উক্ত দিনে হুলিয়া প্রকাশিত হয়েছে।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 87. Proclamation for person absconding:
(1) If any Court has reason to believe (whether after taking evidence or not) that any person against whom a warrant has been issued by it has absconded or is concealing himself so that such warrant cannot be executed, such Court may publish a written proclamation requiring him to appear at a specified place and at a specified time not less than thirty days from the date of publishing such proclamation.
(2) The proclamation shall be published as follows:- 
(a) it shall be publicly read in some conspicuous place of the town or village in which such person ordinarily resides; 
(b) it shall be affixed to some conspicuous part of the house or homestead in which such person ordinarily resides or to some conspicuous place of such town or village; and 
(c) a copy thereof shall be affixed to some conspicuous part of the Court-house. 
(3) A statement in writing by the Court issuing the proclamation to the effect that the proclamation was duly published on a specified day shall be conclusive evidence that the requirements of this section have been complied with, and that the proclamation was published on such day.
১,২৯৩.
জরুরি পরিস্থিতিতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারার আদেশ কেমনভাবে দেয়া যায়?
  1. আদালতে শুনানি শেষে
  2. একতরফাভাবে
  3. উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে
  4. প্রতীকী আদেশ হিসেবে
সঠিক উত্তর:
একতরফাভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতরফাভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪ ধারা বিধান-
(১) যে সকল ক্ষেত্রে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা এই ধারার অধীন কাজ করার জন্য সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতা প্রাপ্ত অন্য কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নহেন) মতে, এই ধারার অধীন অগ্রসর হবার মত যথেষ্ট কারণ রয়েছে এবং আশু বা দ্রুত প্রতিকার বাঞ্ছনীয়, সেই সকল ক্ষেত্রে এরূপ ম্যাজিষ্ট্রেট লিখিত আদেশে ঘটনার মূল বিষয় বস্তু বর্ণনা করে এবং ইহা ১৩৪ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে জারী করে যে কোন ব্যক্তিকে কোন নির্দিষ্ট কাজ করা হতে বিরত থাকার অথবা কোন নির্দিষ্ট সম্পত্তি তার দখলে কিংবা তার ব্যবস্থাধীনে নিবার নির্দেশ দিতে পারবেন, যদি উক্ত ম্যাজিষ্ট্রেট বিবেচনা করেন যে, তার নির্দেশে আইন সংগতভাবে নিযুক্ত কোন ব্যক্তির প্রতি বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতি, অথবা বাধা, বিরক্তি বা ক্ষতির ঝুঁকি, অথবা মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিশদ অথবা জনশান্তির বিরক্তি বা দাঙ্গা বা মারামারি নিরোধের সম্ভাবনা আছে কিংবা নিরোধে সহায়তা করবে।

(২) জরুরী পরিস্থিতিতে অথবা যার উপর আদেশ দেয়া হচ্ছে সময় মত তার উপর নোটিশ জারী করার মত পরিস্থিতি নাই, সেই সকল ক্ষেত্রে এই ধারার আদেশ একতরফাভাবে প্রদান করা যাবে।

(৩) এই ধারার আদেশ কোন ব্যক্তি বিশেষের প্রতি অথবা কোন বিশেষ স্থানে ঘন ঘন গমনকারী বা সফরকারী জনসাধারণের প্রতি নির্দেশিত হতে পারবে।

(৪) যে কোন ম্যাজিষ্ট্রেট স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন ক্রমে এই ধারানুসারে তার নিজের বা তার অধীনস্ত কোন ম্যাজিষ্ট্রেট বা তার পূর্ববর্তী ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন আদেশ বাতিল বা পরিবর্তন করতে পারবেন।

(৫) এরূপ কোন আবেদনপত্র পাওয়া গেলে ম্যাজিষ্ট্রেট আবেদনকারীকে শীঘ্র ব্যক্তিগতভাবে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার নিকট হাজির হবার এবং আদেশের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার সুযোগ দিবেন, এবং ম্যাজিষ্ট্রেট যদি আবেদন সম্পূর্ণরূপে বা আংশিক বাতিল করেন তাহলে তিনি লিখিতভাবে এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৬) মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য বা নিরাপত্তার প্রতি বিপদ, অথবা দাঙ্গা বা মারামারির আশংকার ক্ষেত্রে সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে এই ধারানুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ দুই মাসের অধিককাল বলবৎ থাকবে না।

(৭) এই ধারার বিধানসমূহ মহানগরী এলাকায় প্রযোজ্য হবে না।
১,২৯৪.
কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে-
  1. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ নিয়ে পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  2. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  3. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
  4. তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
সঠিক উত্তর:
তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা
♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারা মতে কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের পরিকল্পনার কথা জানতে পারেন এবং তার নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, তাহলে তিনি ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

♦ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারার বিধান আমলযোগ্য অপরাধ নিবারণের লক্ষ্যে গ্রেফতারঃ কোন পুলিশ অফিসার যদি কোন আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্রের কথা অবগত হন এবং তাঁর নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে, এই অপরাধ সংঘটন অন্যভাবে নিবারণ করা যাবে না, সেক্ষেত্রে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ ও পরোয়ানা ব্যতীত সংশিষ্ট ষড়যন্ত্রকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবেন।

---------------------------------------
♦ Section 151. Arrest to prevent such offences: A police-officer knowing of a design to commit any cognizable offence may arrest, without orders from a Magistrate and without a warrant, the person so designing, if it appears to such officer that the commission of the offence cannot be otherwise prevented.
১,২৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক(২) অনুযায়ী অভিযুক্ত যদি আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করেন, তখন বিচারক কী করতে পারেন?
  1. অভিযুক্তকে জামিন দিতে পারেন
  2. মামলাটি বাতিল করতে পারেন
  3. তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন 
  4. মামলাটি অন্য আদালতে পাঠাতে পারেন
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন 
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক(২) অনুযায়ী, যদি অভিযুক্ত আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করে বা আদালত তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজন মনে করে, তবে বিচারক কারণ লিপিবদ্ধ করে তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন, অথবা প্রয়োজন মনে করলে ওই অভিযুক্তের মামলা আলাদাভাবে গ্রহণ বা বিচার করার নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক: নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে তদন্ত ও বিচার পরিচালনার বিধান:
(১) এই কোডের অধীনে তদন্ত বা বিচারের যে কোনো পর্যায়ে  যদি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট, কারণ লিপিবদ্ধ করে সন্তুষ্ট হন যে, অভিযুক্তদের মধ্যে যে কেউ বা একাধিক জন আদালতে উপস্থিত থাকার জন্য অক্ষম, তবে তিনি, যদি ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করেন, তার উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন এবং তার অনুপস্থিতিতে ওই তদন্ত বা বিচার পরিচালনা করতে পারেন, এবং পরবর্তী যে কোনো পর্যায়ে ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত উপস্থিতি নির্দেশ দিতে পারেন।
(২) যদি এই ধরনের কোনো মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব না করেন, অথবা যদি বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজনীয় মনে করেন, তবে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে, ওই তদন্ত বা বিচার মুলতবি করতে পারেন, অথবা ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির মামলা আলাদাভাবে গ্রহণ বা বিচার করার আদেশ দিতে পারেন।
(৩) এই কোডের অধীনে তদন্তের পর্যায়ে, বিচারক বা ম্যাজিস্ট্রেট লিখিতভাবে কারণ লিপিবদ্ধ করে, যে অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিনে আছেন এবং একজন আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব করছেন, তদন্ত প্রতিবেদন শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ পর্যন্ত তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করতে পারেন।
----------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section- 540A. Provision for inquiries and trial being held in the absence of accused in certain cases:
(1) At any stage of an inquiry or trial under this Code,  if the Judge or Magistrate is satisfied, for reasons to be recorded, that any one or more of the accused is or are incapable of remaining before the Court, he may, if such accused is represented by an advocate, dispense with his attendance and proceed with such inquiry or trial in his absence, and may, at any subsequent stage of the proceedings, direct the personal attendance of such accused.
(2) If the accused in any such case is not represented by an advocate, or if the Judge or Magistrate considers his personal attendance necessary, he may, if he thinks fit, and for reasons to be recorded by him, either adjourn such inquiry or trial, or order that the case of such accused be taken up or tried separately.
(3) At the stage of investigation under this Code, the Judge or Magistrate may, for reasons to be recorded in writing, dispense with the personal attendance of an accused person who is on bail and represented by an advocate, until the date fixed for hearing of the investigation report.

১,২৯৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির  ১৯০ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কয়ভাবে অপরাধ আমলে নিতে পারেন?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাবে
ব্যাখ্যা
আমলে নেয়া অর্থ হলো -অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের বিরুদ্ধে অগ্রসর হওয়ার জন্য উপাদান আছে বলে ম্যাজিস্ট্রেট মানসিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে এবং সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির অধীন অগ্রসর হওয়ার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করলে ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধটি আমলে নিয়েছে বলে গণ্য হবে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৯০ এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান উল্লেখ রয়েছে।

• যে সকল ম্যাজিস্ট্রেটগণ অপরাধ আমলে নিতে পারেন:
i. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
ii. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
iii. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
iv. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অথবা
v. ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্যকোন ম্যাজিস্ট্রেট

• ম্যাজিস্ট্রেট ৩টি উৎসের উপর ভিত্তি করে অপরাধ আমলে (Cognizance) নিতে পারেন। যথা-
i. অভিযোগ (Complaint ) [ধারা ১৯০ (১)(ক)]
ii. পুলিশের লিখিত রিপোর্ট (Report) [ধারা ১৯০ (১)(খ)]
iii. তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান ( knowledge ) বা সন্দেহবশত (suspicion) কোন তথ্য পেলে [ধারা ১৯০ (১)(গ)]

• ক্ষমতাপ্রাপ্ত ২য় ও ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট অভিযোগ ও রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন। [ধারা ১৯০(৩)]
• ৩য় শ্রেণীর ম্যজিস্ট্রেট তথ্য (information), নিজস্ব জ্ঞান (knowledge) বা সন্দেহ (suspicion) এর উপর ভিত্তি করে মামলা আমলে নিতে পারেন না।
• সরকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অপরাধ আমলে নেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন। (Government may empower any Executive Magistrate to take cognizance) [ধারা ১৯০ (৪)]
১,২৯৭.
পুলিশ হেফাজতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ বিষয়ে The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে অনুসন্ধান করবেন ______।
  1. উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সংশ্লিষ্ট আমলী আদালত
  4. সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করতে পারে:
 -যখন কোন ব্যক্তি পুলিশ কাস্টডিতে বা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে বা
- ধারা ১৭৪(আত্মহত্যা,কোন ব্যক্তি/ প্রাণী/ যন্ত্র দ্বারা বা দুর্ঘটনায় নিহত, বা ধারায় উল্লিখিত অন্য কোন সন্দেহজনক কারণে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে)
 
- এই অনুসন্ধান করবে ১৭৪ (৫) ধারায় সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্টেট তথা-
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
 
- ১৭৬ ধারার উপধারা (২) অনুসারে , উল্লিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর হতে লাশ উত্তোলনের [disinter corpses] আদেশ দিতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
- (১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
 
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------------
The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:

(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
Power to disinter corpses(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১,২৯৮.
যদি এক বা একাধিক কাজের প্রকৃতি এমন হয় যে,তার দ্বারা কি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ থাকে তাহলে তার বিচার ___ সময়ে করা যাবে।
  1. ভিন্ন ভিন্ন
  2. একই
  3. অভিযুক্তের আবেদনকৃত
  4. অভিযোগকারীর আবেদনকৃত
সঠিক উত্তর:
একই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই
ব্যাখ্যা
• যদি এক বা একাধিক কাজের প্রকৃতি এমন হয় যে, তার দ্বারা কি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ থাকে তাহলে তার বিচার একই সময়ে করা যাবে।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের বিধান রয়েছে।
এই ধারা অনুসারে, ২৩৪, ২৩৫, ২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে।

তবে ধারা ২৩৬ অনুযায়ী-

যদি একটিমাত্র কাজ অথবা ধারাবাহিক কতিপয় কাজ এরূপ প্রকৃতির হয় যে, যেসকল তথ্য প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে কতিপয় অপরাধের মধ্যে কোনটি গঠিত হয় সে সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, তাহলে আসামিকে এরূপ সকল অথবা কোন একটি সংঘটিত অপরাধে অভিযুক্ত করা যাবে এবং যেকোনো সংখ্যক অভিযোগের বিচার একই সময় হতে পারবে অথবা তাকে উক্ত অপরাধসমূহের মধ্যে যে কোন একটির জন্য বিকল্পভাবে অভিযুক্ত করা যাবে।
[If a single act or series of acts is of such a nature that it is doubtful which of several offences the facts which can be proved will constitute, the accused may be charged with having committed all or any of such offences and any number of such charges may be tried at once;or he may be charged in the alternative with having committed some one of the said offences.]
১,২৯৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৩ অনুযায়ী, আসামিকে তার জ্ঞাত তথ্য প্রকাশে প্ররোচিত করার জন্য নিম্নলিখিত কোনটি নিষিদ্ধ?
  1. উপহার প্রদান
  2. আইনগত পরামর্শ
  3. সাক্ষী প্রদান
  4. প্রভাব প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
প্রভাব প্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রভাব প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৩ - প্রকাশে প্ররোচিত করার জন্য কোনো প্রভাব প্রয়োগ নিষিদ্ধ:
ধারা ৩৩৭ ও ৩৩৮-এ যেভাবে বলা হয়েছে, তা ব্যতীত অন্য কোনোভাবে- বলা দিয়েই হোক বা ভয় দেখিয়েই হোক কিংবা অন্য কোনো পন্থায়—কোনো আসামির ওপর এমন কোনো প্রভাব প্রয়োগ করা যাবে না, যার ফলে সে তার জানা কোনো তথ্য প্রকাশ বা গোপন করতে প্ররোচিত হয়।
১,৩০০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৫ এর উপধারা (৪) অনুযায়ী, ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৫ ধারার মাধ্যমে কোন বিধানকে প্রভাবিত করা যাবে না?
  1. সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদকে
  2. দণ্ডবিধির ৭১ ধারাকে
  3. দণ্ডবিধির ১২৩ ধারাকে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারাকে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৭১ ধারাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৭১ ধারাকে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৫ এর উপধারা (৪) অনুযায়ী, ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৫ ধারার মাধ্যমে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার বিধানকে প্রভাবিত করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৫ ধারার বিধান:
- একাধিক অপরাধের বিচার:
(১) পর পর সংঘটিত কতকগুলি কার্যাদি পরম্পরের সাথে এরূপ সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কার্যগুলি একটিমাত্র ব্যাপারের সামিল এবং একই ব্যক্তি উক্ত ব্যাপারে একাধিক অপরাধ করে থাকে তাহলে এরূপ প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।
- দুইটি সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত অপরাধ:
(২) তর্কিত কার্যগুলি যদি এমন একটি অপরাধ গঠন করে যা বর্তমানে বলবৎ যে, আইনের দ্বারা অপরাধের সংজ্ঞা ও দণ্ড দেয়া। সেই আইনের দুই বা ততোধিক পৃথক ংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হয়, তাহলে উক্ত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্তরূপ প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যাবে এবং একই মামলায় বিচার করা যাবে।
- যে কার্যের দ্বারা একটি অপরাধ হয় কিন্তু একত্রিত হলে ভিন্ন অপরাধ হয়:
(৩) কতকগুলি কার্যের মধ্যে একটি কার্য যদি এককভাবে বা একাধিক কার্যাদি একত্রে একটি অপরাধ গঠন করে এবং সমস্ত কার্যগুলি সম্মিলিতভাবে একটি পৃথক অপরাধ গঠন করে তাহলে উক্ত অপরাধসমূহে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্ত কার্যসমূহের সম্মিলিত অপরাধ বা একটি কার্যের একক অপরাধ বা একাধিক কার্যের একত্রি অপরাধের জন্য অভিযোগ প্রণয়ন করা যাবে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যাবে।
(৪) এই ধারায় এমন কিছু নাই যা দণ্ডবিধির ৭১ ধারাকে প্রভাবিত করবে।
--------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 235:
-Trial for more than one offence:

(1) If, in one series of acts so connected together as to form the same transaction, more offences than one are committed by the same person, he may be charged with, and tried at one trial for, every such offence.
-Offence falling within two definitions
(2) If the acts alleged constitute an offence falling within two or more separate definitions of any law in force for the time being by which offences are defined or punished, the person accused of them may be charged with, and tried at one trial for, each of such offences.
-Acts constituting one offence, but constituting when combined a different offence
(3) If several acts, of which one or more than one would by itself or themselves constitute an offence, constitute when combined a different offence, the person accused of them may be charged with, and tried at one trial for, the offence constituted by such acts when combined, and for any offence constituted by anyone, or more, of such acts. 
(4) Nothing contained in this section shall affect the Penal Code, section 71.