বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

মোবাইল প্রযুক্তি ও এর বৈশিষ্ট্য

মোট প্রশ্ন৩০৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

মোবাইল প্রযুক্তি ও এর বৈশিষ্ট্য

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৩০৭

১০১.
NFC প্রযুক্তি কী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান
  2. বেতার সংকেতের মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে যোগাযোগ
  3. রেডিও সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা
  4. নিকটবর্তী ডিভাইসের সাথে ডাটা আদান-প্রদান
সঠিক উত্তর:
নিকটবর্তী ডিভাইসের সাথে ডাটা আদান-প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকটবর্তী ডিভাইসের সাথে ডাটা আদান-প্রদান
ব্যাখ্যা

NFC (Near Field Communication) হলো একটি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যা খুব কম দূরত্বে (সাধারণত 4 সেন্টিমিটারের মধ্যে) দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

• NFC সাধারণত নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহৃত হয়:
- মোবাইল পেমেন্ট: যেমন Google Pay, Apple Pay.
- ট্যাগ রিডিং: NFC ট্যাগ থেকে তথ্য পড়া, যেমন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমে টিকেটিং।
- ফাইল ট্রান্সফার: ছোট ফাইল বা ডাটা শেয়ার করা।
- স্মার্ট ডিভাইস কন্ট্রোল: স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০২.
VoLTE সার্ভিসের প্রধান সুবিধা কী?
  1. নেটওয়ার্ক কভারেজ এলাকা ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেয়
  2. প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করে 
  3. ভয়েস কলের সময় ডাটা সংযোগ অবিচ্ছিন্ন থাকে
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
ভয়েস কলের সময় ডাটা সংযোগ অবিচ্ছিন্ন থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয়েস কলের সময় ডাটা সংযোগ অবিচ্ছিন্ন থাকে
ব্যাখ্যা

◉ VoLTE (Voice over LTE) প্রযুক্তি 4G LTE নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ভয়েস কল করার সুযোগ দেয়। এর ফলে ভয়েস কলের মান (HD Voice) অনেক ভালো হয়। সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো— কল করার সময় ইন্টারনেট ডাটা সংযোগ চালু থাকে, অর্থাৎ কল চলাকালীনও ব্রাউজিং, ডাউনলোড বা অ্যাপ ব্যবহার করা যায়।

চতুর্থ প্রজন্ম মোবাইল:
- ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
- 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- চতুর্থ প্রজন্মের (4G) উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMAX, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।

LTE-এর বৈশিষ্ট্য:
- 4G নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে পরিচিত।
- High-speed Data Transmission (ডাউনলোড স্পিড: 100 Mbps+, আপলোড: 50 Mbps+)।
- OFDM (Orthogonal Frequency-Division Multiplexing) প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- VoLTE (Voice over LTE) এর মাধ্যমে উন্নতমানের ভয়েস কল সেবা প্রদান করে। 

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IEEE Communications on 4G LTE.

১০৩.
প্রিপেইড সিস্টেম চালু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইলে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্মের (Second Generation-2G) বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
১. রেডিও সিগন্যাল হিসেবে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার।
২. GSM (Global System for Mobile Communication) ও CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির ব্যবহার।
৩. সীমিত আকারে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৪. GSM পদ্ধতিতে ডেটা ও ভয়েস প্রেরণ করা সম্ভব হয়। 
৫. মোবাইল ডেটা স্থানান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক এবং ভয়েস কল স্থানান্তরের জন্য কোর সুইচ নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। 
৬. প্রিপেইড সিস্টেম চালু হয়।
৭. SMS, MMS এবং ভয়েস মেইল ব্যবহারের সুবিধা।
৮. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন।
৯. কথা বলার সময় অবস্থান পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন অবিচ্ছিন্ন থাকে। 
১০. সমসাময়িক অন্যান্য সকল ফোনের চেয়ে আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা। 
১১. দ্বিতীয় প্রজন্মে মোবাইলে এমএমএস এবং এসএমএস কার্যক্রম সেবা চালু হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
১০৪.
কোন প্রজন্মের মোবাইলে ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করা সম্ভব হয়?
  1. প্রথম
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. দ্বিতীয়
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
- সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (আইপি) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- ৪জি এর গতি ৩জি এর তুলনায় ৫০ গুণ বেশি।

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
- মোবাইল ব্যাংকিং,
- ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম,
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা,
- উচ্চগতিসম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর চালু হয়
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং
- মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডাটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০৫.
ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয় মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মকে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়  মোবাইল ফোনের দ্বিতীয় প্রজন্মকে।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):

- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চালু হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১০৬.
বর্তমানে স্মার্টফোনের স্ক্রীন কোন প্রযুক্তির হয়ে থাকে?
  1. LED
  2. LCD
  3. AMOLED
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোন সেটের প্রকারভেদ:
বর্তমানে ৪ ধরনের মোবাইল ইউনিট বা মোবাইল/সেলুলার সেট দেখা যায়। যথা-

১। সাধারণ মোবাইল ফোন
২। স্মার্ট ফোন
৩। ট্যাবলেট বা ট্যাব ও
৪। ফ্যাবলেট।

স্মার্ট ফোন (Smart Phone)
- স্মার্টফোন হলো অত্যাধুনিক মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম সমৃদ্ধ এক ধরনের মোবাইল ফোন যা পার্সোনাল কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন ফিচারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্থির বা চলমান থাকা অবস্থায় হাতে ব্যবহার্য বিভিন্ন গুরূত্বপূর্ণ ফিচারের সমন্বয় করে।
- স্মার্টফোন যা সাধারনত পকেটে রাখার মত আকারের হয়ে থাকে কার্যকরভাবে সেল ফোনের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যেমন- ফোন করা বা রিসিভ করা, ক্ষুদ্র বার্তা পাঠানো ইত্যাদিকে অন্যান্য জনপ্রিয় ডিজিটাল মোবাইল যন্ত্রাংশের বৈশিষ্ট্যের সাথে সমন্বয় করে।
- অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে পার্সোনাল ডিজিটাল এসিস্ট্যান্ট যার অন্তর্ভুক্ত হলো ক্যালেন্ডারে সাক্ষাৎকার নির্দেশ করে রাখা, মিডিয়া প্লেয়ার, ভিডিও গেইমস, জিপিএস দিকনির্ণায়ক প্রযুক্তি, ডিজিটাল ক্যামেরা ও ডিজিটাল ভিডিও ক্যামেরা।
- অধিকাংশ স্মার্ট ফোন ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা সম্পন্ন এবং বিভিন্ন ধরনের এ্যাপস বা থার্ড-পার্টি সফটওয়্যার উপকরণ চালাতে সক্ষম। 
- স্মার্টফোনের স্ক্রীন এলসিডি (LCD), এলইডি (LED), ওলেড (OLED), অ্যামোলেড (AMOLED) ইত্যাদি প্রযুক্তির হয়ে থাকে এবং এই স্ক্রীনগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রে স্পর্শের মাধ্যমে কাজ করে থাকে।
- বর্তমানে ৪ ধরনের স্মার্ট ফোন দেখা যায়। যথা- আইফোন, উইন্ডোজ ফোন, অ্যান্ড্রয়েড ফোন, ফায়ার ফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০৭.
জাপানের থ্রিজি প্রযুক্তি চালু হয় কত সালে?
  1. ক) 1998
  2. খ) 2001
  3. গ) 2007
  4. ঘ) 2010
সঠিক উত্তর:
খ) 2001
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 2001
ব্যাখ্যা
১ অক্টোবর ২০০১ জাপানের এনটিটি ডোকোমো টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান সর্বপ্রথম থ্রিজি বা তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি চালু করে। থ্রিজির সুবাদে ভিডিও কলিং বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
১০৮.
টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির জনক কে?
  1. ড. স্যামুয়েল হার্স্ট
  2. মার্টিন কুপার
  3. স্টিভ জবস
  4. বিল গেটস
সঠিক উত্তর:
ড. স্যামুয়েল হার্স্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. স্যামুয়েল হার্স্ট
ব্যাখ্যা
• টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবিষ্কারক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট।
- ১৯৬৫ সালে E.A. Johnson সর্বপ্রথম টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি বর্ণনা করেন।
- ১৯৬০ এর দশকে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ১৯৭১ সালে ড. হার্স্ট প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।
- পরবর্তীতে তিনি ১৯৭৫ সালে সফল ও কার্যকর টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন যা ১৯৮২ সালে প্রকাশ্যে আসে।
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্‌।
- তিনি ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- অ্যাপল পরবর্তীতে টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি, স্মার্ট ফোন ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- বিশ্বের প্রথম স্মার্ট ফোন মোবাইল - Simon যা ১৯৯৪ সালে IBM বাজারজাত করে।
- মার্টিন কুপারকে মোবাইল ফোনের জনক বলা হয়।
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন বিল গেটস।

উৎস: WEF ওয়েবসাইট ও elprocus ওয়েবসাইট।
১০৯.
GSM প্রযুক্তিতে কোন প্রজন্মের ফোনে ডেটা ও ভয়েস প্রেরণ করা সম্ভব হয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. রেডিও সিগন্যাল হিসেবে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার।
২. GSM (Global System for Mobile Communication) ও CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির ব্যবহার।
৩. সীমিত আকারে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৪. GSM পদ্ধতিতে ডেটা ও ভয়েস প্রেরণ করা সম্ভব হয়।
৫. GSM স্ট্যান্ডার্ডে Handset Interoperability বা সিম কার্ড ব্যবহারের সুবিধা। CDMA স্ট্যান্ডার্ডে এই সুবিধা নেই।
৬. মোবাইল ডেটা স্থানান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক এবং ভয়েস কল স্থানান্তরের জন্য কোর সুইচ নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
৭. এ প্রজন্ম থেকেই প্রিপেইড সিস্টেম চালু হয়।
৮. SMS, MMS এবং ভয়েস মেইল ব্যবহারের সুবিধা।
৯. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন।
১০. কথা বলার সময় অবস্থান পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন অবিচ্ছিন্ন থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১০.
EDGE-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Enhanced Data Rates for Global Evolution
  2. Enter Data Ratio for Global Evolution
  3. Enhanced Data Ratio for Global Encoding
  4. Enhanced Data Ratio for Global Evolution
সঠিক উত্তর:
Enhanced Data Rates for Global Evolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Enhanced Data Rates for Global Evolution
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- ডেটা রূপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়। তবে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতির সাহায্যে খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান প্রদান করা যায়।
- মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।
- EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) পদ্ধতি কার্যকর হয়। ফলে অধিক পরিমাণ ডেটা স্থানান্তর সম্ভব হয়।
- ডেটা স্থানান্তর উচ্চগতি সম্পন্ন।
- ডেটা রেট ২ এমবিপিএস এর অধিক।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- এক্ষেত্রে GSM, EDGE, UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী W-CDMA বা UMTS স্ট্যান্ডার্ড।
- চ্যানেল অ্যাকসেস বা সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো TD-SCDMA এবং TD-CDMA .
- উচ্চ স্পেকট্রাম কর্মদক্ষতা।
- আর্ন্তজাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১১.
কোন প্রজন্মের মোবাইলে IP ডাটা নেটওয়ার্ক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্ম: 
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- সার্কিট সুইচিং বা, প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার। 
- ফোর-জি প্রযুক্তি হচ্ছে মূলত আইপি-ভিত্তিক এক ধরনের নেটওয়ার্ক যা হাই মোবিলিটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট গতিসম্পন্ন এবং লো মোবিলিটির যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১ গিগাবাইট গতিসম্পন্ন হবে। 
- ৫ থেকে ২০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ, কোনোও কোনোও ক্ষেত্রে ৪০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ ক্ষমতা সম্পন্ন। 
- ফোর-জির মূল সুবিধা এই নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব। 
- ফোর-জির মূল সুবিধা এই নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব। 
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে হাই ডেফিনিশন টেলিভিশন ও ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা পাওয়া সম্ভব। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১১২.
3GPP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. 3rd Generation Partnership Project
  2. 3rd Generation Processing Protocol
  3. 3rd Grade Performance Program
  4. 3rd Generation Packet Platform
সঠিক উত্তর:
3rd Generation Partnership Project
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3rd Generation Partnership Project
ব্যাখ্যা

◉ 3GPP (3rd Generation Partnership Project): এটি একটি আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণকারী সংস্থা, যা মোবাইল টেলিকমিউনিকেশন স্ট্যান্ডার্ড তৈরি ও উন্নয়ন করে।

​মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008):
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে।
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম।
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়। এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে।
- ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, FOMA (Freedom of Multimedia Access) ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রি-জি মোবাইল ফোন চালু হয়।
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)।

​মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়:
1. HSPA (High speed package Access),
2. WCDMA (Wide band code division multiple access),
3. 3GPP (3rd Generation Partnership Project )
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) I

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১১৩.
SIM এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Subscriber Identity Module
  2. System Internet Module
  3. Secure Information Memory
  4. Signal Identification Method
সঠিক উত্তর:
Subscriber Identity Module
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Subscriber Identity Module
ব্যাখ্যা

• SIM এর পূর্ণরূপ Subscriber Identity Module, যা মোবাইল ব্যবহারকারীর পরিচয় যাচাই করে এবং নেটওয়ার্কে সংযোগ প্রদান করে। বর্তমান টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় SIM কার্ড ছাড়া মোবাইল ফোন কার্যত অকার্যকর।

- SIM বা Subscriber Identity Module হলো একটি মাইক্রোচিপ, যা মোবাইল ফোন, স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও অন্যান্য সেলুলার ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যবহারকারীর পরিচয় এবং নেটওয়ার্ক সংযোগ সম্পর্কিত তথ্য সংরক্ষণ করে, যাতে ডিভাইস মোবাইল টাওয়ারের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।

• SIM কার্ডের মূল উদ্দেশ্য:
- নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস: মোবাইল নেটওয়ার্কে সংযোগ তৈরি ও কল, SMS, ডেটা ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করে।
- সিকিউরিটি ও Authentication: ব্যবহারকারীর আসল পরিচয় যাচাই করে নিরাপদ নেটওয়ার্ক সংযোগ নিশ্চিত করে।
- তথ্য সংরক্ষণ: কনট্যাক্ট নাম্বার, SMS এবং কিছু ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষণ করা যায় (যদিও আধুনিক স্মার্টফোনে বেশিরভাগ তথ্য ফোন স্টোরেজ বা ক্লাউডে রাখা হয়)।

• SIM কার্ডের ধরন:
- Standard SIM: বড় আকারের পুরনো SIM কার্ড।
- Micro SIM: তুলনামূলক ছোট, স্মার্টফোনে ব্যবহৃত।
- Nano SIM: সবচেয়ে ছোট, আধুনিক স্মার্টফোনে ব্যবহৃত।
- eSIM: Embedded SIM, ডিভাইসের ভেতরে বিল্ট-ইন, কোনো কার্ড লাগানোর প্রয়োজন নেই।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১৪.
মোবাইল ব্যাংকিং ও ই- কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. তৃতীয় প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভূক্ত।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা ট্রান্সফার।
- GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১১৫.
প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন কে?
  1. ক) গুগলিয়েলমো মার্কনী
  2. খ) রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন
  3. গ) স্টিভ জবস
  4. ঘ) টিম বার্নাস লি
সঠিক উত্তর:
খ) রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন
ব্যাখ্যা
•বিশ শতকের ষাট-সত্তর দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেটের আবিষ্কার করা হয় ।  
•বলা হয় তখন থেকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটার সমূহের মধ্যে আন্ত:সংযোগ বিকিশিত হতে থাকে ।আর বিকাশের ফলে ইন্টারনেট তৈরি হয়।
•১৯৭১ সালে আরপানেটে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন । তিনিই প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন। 

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি
১১৬.
মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা

মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. প্রথম প্রজন্ম (1st Generation-1G)
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (2nd Generation-2G)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (3rd Generation -3G)
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (4th Generation-4G)
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (5th Generation-5G)

১১৭.
মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের জন্য কোনটি অপরিহার্য?
  1. ক) অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission)
  2. খ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)
  3. গ) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous Transmission)
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission)
ব্যাখ্যা

সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission): সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশনকে বলা যায় বিরতিহীন ডেটা ট্রান্সমিশন। এই পদ্ধতিতে বিরতিহীনভাবে প্রেরক যন্ত্র থেকে গ্রাহক যন্ত্রে ডেটা পাঠানাে হয়। যেহেতু প্রেরিত ডেটা ব্যবহার করে গ্রাহক যন্ত্র তার ক্লককে সমন্বিত করে তাই প্রেরণ করার জন্য কোনাে ডেটা না থাকলেও আইডল সিকোয়েন্স (idle sequence) হিসেবে পূর্ব নির্ধারিত ডেটা পাঠানাে হয়।
সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে প্রেরক-স্টেশনে প্রথমেই ডেটাকে প্রাইমারি স্টোরেজে (কম্পিউটারে ব্যবহৃত RAM, Cache, or CPU memory ইত্যাদি) সংরক্ষণ করে ডেটার ক্যারেক্টারগুলােকে ব্লক বা ফ্রেম আকারে ভাগ করে নেয়। প্রতিবার একটি করে ব্লক বা ফ্রেম ক্লকের সাথে সমন্বয় করে সমান বিরতি দিয়ে প্রেরণ করা হয়।
প্রতিটি ব্লক-ডেটার শুরুতে 1 বা 2 বাইটের একটি হেডার ইনফরমেশন এবং ব্লকডেটার শেষে একই পরিমাপের একটি ট্রেইলার ইনফরমেশন সিগন্যাল পাঠানাে হয় এবং বিশাল নেটওয়ার্কে গন্তব্য খুঁজে বের করার জন্য এর মাঝে সাধারণত প্রেরক ও গ্রাহককে চিহ্নিতকরণের সংখ্যা বা অ্যাড্রেস দেয়া থাকে।
গ্রাহক যন্ত্র এই হেডার সিগন্যাল ব্যবহার করে প্রেরকের ক্লক-স্পীডের সাথে সিনক্রোনাইজ বা সমন্বিত করে। ট্রেইলার ব্লকের শেষ নির্দেশ করে এবং কোনাে কোনাে ক্ষেত্রে ব্লকের ভেতরকার ভুল নির্ণয় এবং সংশােধনে সহায়তা করে।
প্রযুক্তিগতভাবে এ পদ্ধতি অপেক্ষাকৃত জটিল এবং ব্যয়বহুল হলেও বেশি ব্যান্ডউইথের ডেটা দূরবর্তী স্থানে পাঠানাের জন্য এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তাই বড় ধরনের নেটওয়ার্কসহ মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক, টিভি নেটওয়ার্ক ইত্যাদি ক্ষেত্রে এটি অপরিহার্য।

১১৮.
NFC প্রযুক্তি কী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. বেতার সংকেতের মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে যোগাযোগ
  2. নিকটবর্তী ডিভাইসের সাথে ডাটা আদান-প্রদান
  3. উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান
  4. রেডিও সম্প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা
সঠিক উত্তর:
নিকটবর্তী ডিভাইসের সাথে ডাটা আদান-প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকটবর্তী ডিভাইসের সাথে ডাটা আদান-প্রদান
ব্যাখ্যা

◉ NFC (Near Field Communication) হলো একটি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যা খুব কম দূরত্বে (সাধারণত 4 সেন্টিমিটারের মধ্যে) দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।

NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

NFC সাধারণত নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহৃত হয়:
- মোবাইল পেমেন্ট: যেমন Google Pay, Apple Pay.
- ট্যাগ রিডিং: NFC ট্যাগ থেকে তথ্য পড়া, যেমন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমে টিকেটিং।
- ফাইল ট্রান্সফার: ছোট ফাইল বা ডাটা শেয়ার করা।
- স্মার্ট ডিভাইস কন্ট্রোল: স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১৯.
মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মে ভয়েসকে নয়েজমুক্ত করা হয়?
  1. ২য় প্রজন্মে
  2. ৩য় প্রজন্মে
  3. ৪র্থ প্রজন্মে
  4. ৫ম প্রজন্মে
সঠিক উত্তর:
২য় প্রজন্মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় প্রজন্মে
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য:
- ভয়েসকে নয়েজ মুক্ত করা।
- ডিজিটাল পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- উন্নতমানের অডিও এর জন্য ডিজিটাল মডুলেশন ব্যবহৃত হয়।
- সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো FDMA, TDMA, CDMA,
- মোবাইল কমিউনিকেশনে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন।
- সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয়।
- সীমিতমাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ডেটা স্থানান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক এবং ভয়েস কল রূপান্তরের জন্য কোর সুইচ নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- এমএমএস এবং এসএমএস সেবা কার্যক্রম চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২০.
কোন প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়?
  1. ক) স্মার্ট হোম প্রযুক্তি
  2. খ) ভার্চুয়াল প্রযুক্তি
  3. গ) ম্যানুয়াল প্রযুক্তি
  4. ঘ) অ্যাডভান্সড প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) স্মার্ট হোম প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্মার্ট হোম প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সর্বাধুনিক প্রয়োগ হলো স্মার্ট হোম প্রযুক্তি।
এই প্রযুক্তিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে হোম অটোমেশন চালু করা হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২১.
IMEI নম্বর দ্বারা—
  1. মোবাইলের ব্যাকআপ নেওয়া হয়
  2. মোবাইলের সনাক্তকরণ
  3. মোবাইলের সফটওয়্যার আপডেট হয়
  4. মোবাইলের ক্যামেরা চিহ্নিত হয়
সঠিক উত্তর:
মোবাইলের সনাক্তকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবাইলের সনাক্তকরণ
ব্যাখ্যা

• IMEI (International Mobile Equipment Identity) নম্বর হল একটি অনন্য ১৫-অঙ্কের কোড যা প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য নির্ধারিত হয়। IMEI নম্বর মোবাইল ফোন/ট্যাবলেটের হার্ডওয়্যার আইডেন্টিফায়ার হিসেবে কাজ করে।

IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।
- IMEI হলো একটি ইউনিক (বিশেষ) পরিচয় নম্বর, যা প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসকে দেওয়া হয়।
- এটি একটি মোবাইল ডিভাইসের "ফিঙ্গারপ্রিন্ট" হিসেবে কাজ করে, যার মাধ্যমে ডিভাইসটি মোবাইল নেটওয়ার্কে চিহ্নিত করা যায়।
- IMEI সাধারণত ১৫টি ডিজিটের হয়ে থাকে।
- এটি নেটওয়ার্ক অপারেটরদের ডিভাইস ট্র্যাক করতে সহায়তা করে (যেমন: চুরি হওয়া ফোন ব্লক করা)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২২.
মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা - কোন ধরনের সেবার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ই-সার্ভিস
  2. খ) ই-গভর্ন্যান্স
  3. গ) ই-লার্নিং
  4. ঘ) ই-কমার্স
সঠিক উত্তর:
খ) ই-গভর্ন্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ই-গভর্ন্যান্স
ব্যাখ্যা
শাসন ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স।
ই-গভর্ন্যান্সের ফলে নাগরিকের হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসান ঘটে।
ই-গভর্ন্যান্সের একটি উদাহরণ হলো মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা। এর ফলে ফলাফল জানার যে বিলম্ব এবং বিড়ম্বনা, তার অবসান ঘটে।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
১২৩.
জাপানের কোন টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান ১৯৭৯ সালে সেলুলার টেলিফোন উৎপাদন শুরু করে?
  1. Panasonic
  2. Toshiba
  3. NTT
  4. Sony
সঠিক উত্তর:
NTT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NTT
ব্যাখ্যা

• NTT → Nippon Telegraph and Telephone জাপানের বৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭৯ সালে সেলুলার টেলিফোন উৎপাদন শুরু করে।

• প্রথম প্রজন্ম (First Generation – 1G) : ১৯৫০–১৯৮৯

- প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন ১৯৭৩ সালে অ্যানালগ সিস্টেম এবং পোর্টেবল ডিভাইসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
- এই প্রযুক্তির আবির্ভাবের মাধ্যমে মোবাইল কমিউনিকেশনে একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হয়।
- ১৯৭৯ সালে, এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTT (Nippon Telegraph and Telephone) সেলুলার টেলিফোন উৎপাদন শুরু করে।
- ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোতে সেলুলার টেলিফোনের সীমিত ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮১ সালে, NMT (Nordic Mobile Telephone) প্রযুক্তির মাধ্যমে ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধাসহ প্রথম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের বিস্তার ঘটে।
 
• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:

- নেটওয়ার্কে রেডিও সিগন্যাল হিসেবে অ্যানালগ সিস্টেমের ব্যবহার।
- সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ব্যবহার।
- অপেক্ষাকৃত কম ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের ব্যবহার।
- মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার।
- ছোট ও হালকা আকারের মোবাইল ফোনের ব্যবহার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২৪.
What is the full form of "LAN" ?
  1. Line Area Network
  2. Left Area Network
  3. Local Area Network
  4. Link Area Network
সঠিক উত্তর:
Local Area Network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Local Area Network
ব্যাখ্যা

LAN দ্বারা বোঝায় Local Area Network.

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- LAN এর পূর্ণনাম হচ্ছে Local Area Network.
- সাধারণত একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে ক্যাবল এর মাধ্যমে এক কম্পিউটার এর সাথে অন্যান্য কম্পিউটার এর যে যোগাযোগ তাকে ল্যান বলে।
- একই ভবনের বিভিন্ন তলায়, পাশাপাশি ভবনের বিভিন্ন তলায়, স্কুল কলেজ, অফিস আদালত, ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারগুলির সংযোগের ফলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠেছে তার নামই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- ১ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় কমিনিউকেশন মিডিয়া হিসাবে সাধারণত ক্যাবল ব্যবহার হয়। সাধারণত সীমিত এলাকার মধ্যে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়। তবে ইন্টারনেটের সংযোগ থাকলে ভাল হয়।

উৎস: এইচ. এস. সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১২৫.
Which data transmission method is used in smartphones?
  1. Packet switching
  2. Circuit switching
  3. Message switching
  4. Time switching
সঠিক উত্তর:
Packet switching
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Packet switching
ব্যাখ্যা

• স্মার্টফোনে ডেটা আদান–প্রদানের জন্য Packet Switching পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যেখানে তথ্য ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ হয়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছে যায়।

• স্মার্টফোন (Smartphone):
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন, যা mobile computing platform-এর ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এটি সাধারণ মোবাইল ফোনের পাশাপাশি বিভিন্ন কম্পিউটিং সুবিধা প্রদান করে।
 
• স্মার্টফোনে ডেটা স্থানান্তর পদ্ধতি:
- স্মার্টফোনে ডেটা রূপান্তরের জন্য Packet Switching পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এই পদ্ধতিতে ডেটা ছোট ছোট অংশ বা প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে প্রেরণ করা হয়।
- ফলে ডেটা স্থানান্তর হয় উচ্চ গতিসম্পন্ন এবং কার্যকর।
 
• Packet Switching ব্যবহারের সুবিধা:
- দ্রুত ডেটা আদান–প্রদান সম্ভব হয়।
- নেটওয়ার্ক ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- একাধিক ব্যবহারকারী একই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১২৬.
ISDN একসাথে কোন কোন তথ্য প্রেরণ করতে পারে?
  1. ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
  2. শুধুমাত্র ভয়েস
  3. শুধুমাত্র ডেটা
  4. শুধুমাত্র ভিডিও
সঠিক উত্তর:
ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
ব্যাখ্যা
• ISDN (Integrated Services Digital Network) একটি ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা যা ভয়েস ও ডেটা একসাথে প্রেরণ করতে সক্ষম। এটি ঐতিহ্যবাহী অ্যানালগ ফোন লাইনের পরিবর্তে ডিজিটাল সংকেত ব্যবহার করে, ফলে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য সংযোগ প্রদান করে। ISDN-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটি একই সাথে ভয়েস কল, ডেটা ট্রান্সমিশন, ভিডিও কনফারেন্স এবং ফ্যাক্স সেবা দিতে পারে। এর মাধ্যমে একই লাইনে একাধিক ধরনের তথ্য প্রেরণ করা যায়, যেমন একটি চ্যানেলে ভয়েস এবং অন্য চ্যানেলে ই-মেইল বা ইন্টারনেট ব্রাউজিং। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) ভয়েস এবং ডেটা একসাথে।

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৭.
Bluetooth  কোন স্ট্যান্ডার্ডের এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 802.13
  3. IEEE 802.14
  4. IEEE 802.15
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.15
ব্যাখ্যা
• PAN: personal area network .- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী বিভিন্ন ইনফরমেশন টেকনোলজি ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে PAN বলে। এর পরিসীমা সাধারণত ১০ মিটার , ক্ষেত্রবিশেষে ২০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। আইইইই ৮০২.১৫ দ্বারা PAN নির্ধারিত হয়ে থাকে। যেমন- ব্লটুথ , প্রিন্টার ইত্যাদি।

• LAN: local area network -সাধারণত 1Km বা তার কম এরিয়ার মধ্যে বেশ কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোন ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে LAN বলে ।এটি আইইইই ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত।

• MAN: Metropoliton Area network -  যখন একটি শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কিছু কম্পিউটার বা তাদের দ্বারা গঠিত LAN কে নিয়ে নেটওয়ার্ক কে MAN বলে ।  এর বিস্তৃতি ১০ কিলোমিটার ধরা হয়। 

• WAN: Wide Area Network - বিভিন্ন ভৌগলিক দূরত্বে অবস্থিত কিছু LAN বা MAN  একত্রে সংযুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করে তাই  Wide Area Network । যেমন - একটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরের সাথে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা স্থাপন করা।

তথ্যসূত্র : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী।
১২৮.
eSIM এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Exponential Subscriber Identity Module
  2. খ) Electronic Subscriber Identity Module
  3. গ) Embedded Subscriber Identity Module
  4. ঘ) Extended Subscriber Identity Module
সঠিক উত্তর:
গ) Embedded Subscriber Identity Module
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Embedded Subscriber Identity Module
ব্যাখ্যা
ই-সিমের পূর্ণ রূপ হলো Embedded Subscriber Identity Module
প্রচলিত প্লাস্টিকের সিমকার্ডের মতো এই সিম সহজে খোলা ও পরিবর্তনের সুযোগ থাকার পরিবর্তে সরাসরি মাদারবোর্ডে যুক্ত থাকে।
শুধু আগে থেকে ইনস্টল করা ডিভাইসগুলোতেই ই-সিম কাজ করে।

উৎস: thedailystar.net
১২৯.
তৃতীয় প্রজন্ম (3G) মোবাইল ফোনের একটি বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. শুধু অ্যানালগ সেলুলার নেটওয়ার্কে ভয়েস কল সমর্থন
  2. ডাটা সেবা সীমিত রেখে কেবল এসএমএস আদান-প্রদান
  3. ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া মাল্টিমিডিয়া স্ট্রিমিং সুবিধা
  4. উচ্চগতির ডাটা স্থানান্তরের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্স সুবিধা প্রদান
সঠিক উত্তর:
উচ্চগতির ডাটা স্থানান্তরের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্স সুবিধা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চগতির ডাটা স্থানান্তরের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্স সুবিধা প্রদান
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: উচ্চগতির ডাটা স্থানান্তরের মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্স সুবিধা প্রদান — 3G প্রযুক্তিতে উচ্চগতির ডাটা ট্রান্সফারের কারণে ভিডিও কনফারেন্স সম্ভব হয়।

• তৃতীয় প্রজন্ম (3G) মোবাইল প্রযুক্তি:
- 3G হলো মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্ম।
- এতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভয়েস ও ডাটা স্থানান্তর করা হয়।
- ডাটা রেট 2 Mbps বা তার বেশি হতে পারে।
- 3G প্রযুক্তিতে উচ্চগতির প্যাকেট-ভিত্তিক ডেটা সেবা সমর্থিত হয়, যা মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ প্রদান করে।
- ইন্টারনেটে ব্রাউজিং, গেম খেলা ও গেম ডাউনলোড করা যায়।
- ভিডিও কনফারেন্স করা যায়।
- গান শোনা, টিভি ও সিনেমা দেখা এবং চাহিদা অনুযায়ী ডাউনলোড করা যায়।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা চালু সম্ভব হয়।
- GSM, EDGE, UMTS, CDMA প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: UMTS, IMT-2000, MC-CDMA, TD-SCDMA, HSPA ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন:
- শুধু অ্যানালগ সেলুলার নেটওয়ার্কে ভয়েস কল সমর্থন → এটি 1G প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য।
- ডাটা সেবা সীমিত রেখে কেবল এসএমএস আদান-প্রদান → এটি 2G পর্যায়ের সীমিত ডাটা সুবিধার সাথে সম্পর্কিত।
- ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া মাল্টিমিডিয়া স্ট্রিমিং সুবিধা → 3G প্রযুক্তি ইন্টারনেটভিত্তিক ডাটা সেবার উপর নির্ভরশীল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গোবিন্দ চন্দ্র রায় এবং সামসুজ্জামান।

১৩০.
৪র্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ____ এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল এর ব্যবহার শুরু হয়।
  1. প্যাকেট সুইচিং
  2. মেসেজ সুইচিং
  3. মাল্টিলেয়ার সুইচিং
  4. ভার্চুয়াল সার্কিট সুইচিং
সঠিক উত্তর:
প্যাকেট সুইচিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যাকেট সুইচিং
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯ - বর্তমান সময় পর্যন্ত):
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওর্য়াকের ব্যবহার।
ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং এর পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে। এটি 2G ও 3G এর চেয়ে অধিক উন্নত প্রযুক্তি। চতুর্থ প্রজন্মের উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMax, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
1. ডাটা ট্রান্সফার রেট হবে সর্বোচ্চ প্রায় ২০Mbps।
2. উচ্চ গতির ফ্রিকোয়েন্সি।
3. ত্রি-মাত্রিক ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা।
4. USB পোর্টের মাধ্যমে সরাসরি কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
5. ইন্টারনেট মডেম ও সিম কার্ড ব্যবহার করে সরাসরি কম্পিউটারে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করার সুযোগ তৈরি হয়।
6. ওয়ারলেস ইন্টারনেট সুবিধা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

 
১৩১.
ISDN একসাথে কোন কোন তথ্য প্রেরণ করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র ভিডিও
  2. শুধুমাত্র ডেটা
  3. ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
  4. শুধুমাত্র ভয়েস
সঠিক উত্তর:
ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
ব্যাখ্যা

• ISDN (Integrated Services Digital Network) একটি ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা যা ভয়েস ও ডেটা একসাথে প্রেরণ করতে সক্ষম। 

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System),
২. আইএসডিএন (ISDN),
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband),
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi),
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax).

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩২.
নিচের কোনটি ডেটা সার্ভিস?
  1. ক) EDGE
  2. খ) TETRA
  3. গ) P2S
  4. ঘ) DMR
সঠিক উত্তর:
ক) EDGE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) EDGE
ব্যাখ্যা
WiMAX 2, LTE (Long Term Evolution) ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সেবা। GSM, EDGE, UTMS, HSPA এগুলো ৩য় প্রজন্মের মোবাইল সেবা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
১৩৩.
IMEI নম্বর বরাদ্দ ও নজরদারির কাজ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. GSMA
  2. ITU
  3. ISO
  4. IEEE
সঠিক উত্তর:
GSMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSMA
ব্যাখ্যা
• IMEI নম্বর বরাদ্দ ও নজরদারির কাজ করে GSMA প্রতিষ্ঠান। GSMA (GSM Association) হলো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা মোবাইল ফোন ও নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি সংক্রান্ত মানদণ্ড নির্ধারণ করে। IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য একটি অনন্য সনাক্তকরণ নম্বর, যা ফোনের চুরি ও জালিয়াতি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। GSMA এই নম্বরগুলো বরাদ্দ দিয়ে থাকে এবং মোবাইল ডিভাইসগুলোর নজরদারি ও যাচাইয়ের কাজ পরিচালনা করে।
- অন্যদিকে, ITU, ISO, ও IEEE বিভিন্ন প্রযুক্তি মানদণ্ড ও যোগাযোগ প্রটোকল নিয়ে কাজ করে, কিন্তু সরাসরি IMEI বরাদ্দ করে না।

- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) GSMA.

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩৪.
মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন কুইজ ও প্রশ্নমালা দিয়ে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করার অ্যাপ -
  1. Kahoot
  2. Rukuku
  3. Blackboard
  4. ATutor
সঠিক উত্তর:
Kahoot
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kahoot
ব্যাখ্যা

মোবাইল লার্নিং: 
- মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করে শিক্ষা গ্রহণ ও প্রসারণের প্রক্রিয়াকে মোবাইল লার্নিং বলে। সংক্ষেপে এম-লার্নিং বলা হয়।
- ক্রম্পটনের মতে, 'এম-লার্নিং হলো বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে সামাজিক মিথোস্ক্রিয়া ও কনটেন্ট আদান-প্রদানের মাধ্যমে শিখন'।
- এর জন্য ট্যাবলেট কম্পিউটার, এমপিথ্রি প্লেয়ার, নোটবুক, মোবাইল ফোন ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
- এটি দূর শিক্ষণের একটি মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
- মোবাইল লার্নিং শিক্ষার্থীদের যেকোন স্থানে বসে বাড়তি কোন যন্ত্রপাতি বা আয়োজন ছাড়া শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।

তবে দূর শিক্ষণ ছাড়াও আনুষ্ঠানিক শ্রেণিকক্ষে মোবাইল লার্নিং-এর মাধ্যমে কার্যকর পাঠদান করা সম্ভব। যেমন:
১. মোবাইলের মাধ্যমে ক্লাসের শিক্ষা উপকরণগুলো শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে সরবরাহ করা যায়।
২. মোবাইলের মাধ্যমে বিভিন্ন কুইজ ও প্রশ্নমালা দিয়ে শিক্ষার্থীদের গাঠনিক মূল্যায়ন করা যায়। এজন্য বিভিন্ন ফ্রি মোবাইল লার্নিং টুল তৈরির প্লাটফরম আছে। যেমন: kahoot.it
৩. বিভিন্ন ওপেনসোর্স সফটওয়‍্যার বা প্লাটফরম ব্যবহার করে মোবাইল অ্যাপস তৈরি করা যায়। এসবের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ, ফলাফল প্রকাশ ও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের মূল্যায়ন করা যায়। এরকম বিনামূল্যে অ্যাপস তৈরির একটি বিখ্যাত প্লাটফরম হলো: ai2.appinventor.mit.edu.

অন্যদিকে, 
Rukuku, Blackboard ATutor হচ্ছে VLE (Virtual Learning Environment) সফটওয়্যার।

ভার্চুয়াল লার্নিং এনভায়রনমেন্ট:
- Virtual Learning Environment (VLE) বলতে নেটওয়ার্ক ভিত্তিক শিক্ষার পরিবেশ বা অনলাইন পরিবেশে শিক্ষা ব্যবস্থাকে বুঝায় যা প্রকৃত শিক্ষা পরিবেশের মত। - এই পদ্ধতিতে এডুকেটর তার শিক্ষা উপকরণ ওয়েবে লার্নারদের সাথে শেয়ার করে। তাই VLE কে বলা হয় 'Virtual Shadow' বা বাস্তবতার ছায়া।
- VLE হচ্ছে টেকনোলজি সামগ্রী সম্বলিত শিক্ষা (Technology Aided Learning)।
- VLE-এর উদাহরণ হল- Moodle Learning Platform, WebCT, Blackboard ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৩৫.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ডাটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ কত?
  1. ক) 15Mbps
  2. খ) 20Mbps
  3. গ) 17Mbps
  4. ঘ) 10Mbps
সঠিক উত্তর:
খ) 20Mbps
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 20Mbps
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯ - বর্তমান সময় পর্যন্ত):
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিকনেটওর্য়াকের ব্যবহার।
ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং এর পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে। এটি 2G ও 3G এর চেয়ে অধিক উন্নত প্রযুক্তি। চতুর্থ প্রজন্মের (৪এ) উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMax, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
1.ডাটা ট্রান্সফার রেট হবে সর্বোচ্চ প্রায় ২০Mbps।
2.উচ্চ গতির ফ্রিকোয়েন্সি।
3.ত্রি-মাত্রিক ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা।
4.USB পোর্টের মাধ্যমে সরাসরি কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
5. ইন্টারনেট মডেম ও সিম কার্ড ব্যবহার করে সরাসরি কম্পিউটারে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করার সুযোগ তৈরি হয়।
6. ওয়ারলেস ইন্টারনেট সুবিধা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

১৩৬.
'মেটা' এর অধীন নয় কোনটি?
  1. ক) Instagram
  2. খ) Workplace
  3. গ) WhatsApp
  4. ঘ) LinkedIn
সঠিক উত্তর:
ঘ) LinkedIn
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) LinkedIn
ব্যাখ্যা
• ফেসবুক ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ।
- ফেসবুক কোম্পানির নতুন নাম মেটা (Meta)
- মেটা নামকরণ হয় ২০২১ সালের ২৮ অক্টোবর।
- মেটা এর অধীন সার্ভিসগুলো হলো - Facebook, Messenger, Instagram, WhatsApp, Workplace.

• LinkedIn ফেসবুক বা টুইটারের মতই একটা social networking site যা চাকুরীজীবী এবং ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষায়িত ভাবে তৈরিকৃত।
- এটি ২০০২ সালের ডিসেম্বর মাসে রেইড হফম্যান এবং পে-প্যালের অনেক মেম্বার মিলে তৈরি করেন।
- ২০১৬ সালে মাইক্রোসফট প্রফেশনাল নেটওয়ার্কিং সাইট লিংকড-ইনকে কিনে নেয়।

উৎস - মেটা ও লিংকড-ইন ওয়েবসাইট  
১৩৭.
সেলুলার নেটওয়ার্কে 'রোমিং' কী?
  1. একাধিক সেল টাওয়ার ব্যবহার করা
  2. স্থানীয় নেটওয়ার্ক ছাড়া অন্য নেটওয়ার্কে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা
  3. বিভিন্ন ডিভাইসে একই সিম কার্ড ব্যবহার করা
  4. ইন্টারনেটের পরিবর্তে মোবাইল ডাটা ব্যবহার করা
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় নেটওয়ার্ক ছাড়া অন্য নেটওয়ার্কে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় নেটওয়ার্ক ছাড়া অন্য নেটওয়ার্কে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা

◉ রোমিং (Roaming) হচ্ছে স্থানীয় নেটওয়ার্ক ছাড়া অন্য নেটওয়ার্কে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা। 

রোমিং (Roaming): 
রোমিং (Roaming) হলো এমন একটি ফিচার যেখানে একটি মোবাইল ফোন তার মূল নেটওয়ার্কের (Home Network) বাইরে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে পারে।
- এটি কল, এসএমএস ও মোবাইল ডাটা ব্যবহারের সুবিধা দেয়। 
- সাধারণত অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হয়। 
- বিশেষত আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সময় রোমিং প্রয়োজন হয়। 

রোমিং সাধারণত দুটি ধরণের হয়:
ডোমেস্টিক রোমিং (Domestic Roaming) – একই দেশে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা।
ইন্টারন্যাশনাল রোমিং (International Roaming) – বিদেশে গিয়ে অন্য অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা।

সোর্স: GSMA (Global System for Mobile Communications) - International Roaming Guide [লিংক]

১৩৮.
তৃতীয় প্রজন্মের সিস্টেম না কোনটি?
  1. ক) EDGE
  2. খ) LTE
  3. গ) HSPA
  4. ঘ) UMTS
সঠিক উত্তর:
খ) LTE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) LTE
ব্যাখ্যা
LTE বা Long Term Evolution হলো সেলুলার স্ট্যান্ডার্ড ভিত্তিক একটি 4G মোবাইল সিস্টেম।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
১৩৯.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে মোবাইল ব্যাংকিং ও ই-কমার্স সেবা চালু করা হয়?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা

• মোবাইল ব্যাংকিং এবং ই-কমার্স সেবা চালু করা হয় তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল ফোনে। তৃতীয় প্রজন্মের প্রযুক্তি উচ্চগতির ডেটা সংযোগের সুযোগ দেয়, যা ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও কল এবং অনলাইন লেনদেনের মতো সেবাকে সম্ভব করে। 3G প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের মোবাইল ডিভাইস থেকে নিরাপদভাবে ব্যাংকিং, পেমেন্ট এবং অনলাইন শপিং করার সুযোগ দেয়, ফলে এটি ডিজিটাল সেবার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

- উত্তর: খ) তৃতীয় প্রজন্ম।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভূক্ত।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা ট্রান্সফার।
- GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৪০.
EDGE কোন মোবাইল প্রযুক্তির আপগ্রেডেড রূপ?
  1. GSM
  2. LTE
  3. CDMA
  4. Wi-Fi
সঠিক উত্তর:
GSM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSM
ব্যাখ্যা

• EDGE (Enhanced Data rates for GSM Evolution) হলো GSM প্রযুক্তির আপগ্রেডেড রূপ। এটি ২জি (2G) নেটওয়ার্কের তুলনায় দ্রুত ডাটা ট্রান্সফার সক্ষমতা দেয়। মূলত এটি সেলুলার নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেল পাঠানো এবং মিডিয়ার ছোট ফাইল ডাউনলোডের জন্য ব্যবহৃত হয়। EDGE প্রযুক্তি GPRS-এর চেয়ে তিনগুণ বেশি ডাটা স্পিড দিতে পারে এবং এটি “২.৫জি” (2.5G) হিসেবে পরিচিত। এটি মূলত GSM নেটওয়ার্কের উপর ভিত্তি করে তৈরি, তাই GSM ব্যবহারকারীরা সহজেই EDGE-এর সুবিধা নিতে পারে। LTE, CDMA বা Wi-Fi এর সাথে EDGE সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

- সঠিক উত্তর: ক) GSM.

• EDGE:
- জিপিআরএস এর চাইতে উন্নত মোবাইল ফোন প্রযুক্তি হলো ইডিজিই।
- EDGE এর পুরো অর্থ হলো Enhanced Data rates for GSM Evolution।

• ইডিজিই এর বৈশিষ্ট্য (Features of EDGE):
১. এটি স্ট্যান্ডার্ড GPRS এর চাইতে চারগুণ বেশি ট্রাফিক বহন করতে পারে।
২. থ্রিডি নেটওয়ার্কের জন্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়ন এর চাহিদাগুলো EDGE পূরণ করেছে।
৩. ৯টি মডুলেশন ও কোডিং স্কিম ব্যবহার করে।
৪. বড় আকারের চিপ ভেন্ডরদের দ্বারা GSM এবং WCDMA/HSPA উভয়টির জন্যই বর্তমানে EDGE সমর্থন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪১.
প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয় কোন প্রজন্মে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. দ্বিতীয় প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয় দ্বিতীয় প্রজন্মে।

দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):

- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১৪২.
বাংলাদেশ চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি চালু করে-
  1. ২০১৭ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

- সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সালে বাংলাদেশ চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক ৪জি চালু করেছে।
- এই দিনে প্রথমবারের মত ৪জি সেবা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু করেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো।
উৎসঃ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১৪৩.
হাতে ব্যবহার্য মোবাইল বাজারজাত করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭৪
  3. গ) ১৯৮৩
  4. ঘ) ১৯৮৬
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৩
ব্যাখ্যা
The Mototola DynaTAC 8000X was the world's first truly portable commercial mobile phone, and cost $4,000 when it first went on sale in the US in 1983.
source: telegraph.co.uk
১৪৪.
GSM এর 'S' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Structure
  2. System
  3. Standard
  4. Signal
সঠিক উত্তর:
System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
System
ব্যাখ্যা
• জিএসএম:
- GSM এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communication.
- জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস) এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএমএস পথিকৃত।
- GSM, TDMA (Time division multiple access) ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হল- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৫.
এনড্রয়েড কী ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম?
  1. উইন্ডোজ
  2. লিনাক্স
  3. ম্যাক ওএস
  4. ইউনিক্স
সঠিক উত্তর:
লিনাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিনাক্স
ব্যাখ্যা

এনড্রয়েড লিন্যাক্স (Linux Kernel) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

• Android:
- Android হলো স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- Open Handset Alliance এই অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করে এবং পরে গুগল এটি কিনে নেয়।
- এটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার।
- Android বর্তমানে গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android package file এর এক্সটেনশন .apk
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।
- Android অপারেটিং সিস্টেমটি প্রথম বাজারে আসে ২০০৮ সালে।

উৎস:
১। কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল [২০২১ সংস্করণ],
২। এনড্রয়েড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [link]

১৪৬.
What is UMTS in the context of mobile telecommunications?
  1. Unified Messaging and Texting Service
  2. Ultra-Modern Tracking System
  3. Underwater Mobile Transmission System
  4. Universal Mobile Telecommunications System
সঠিক উত্তর:
Universal Mobile Telecommunications System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Universal Mobile Telecommunications System
ব্যাখ্যা
সেল সিগন্যাল এনকোডিং:
-বিভিন্ন ট্রান্সমিটার থেকে প্রেরিত সিগন্যালগুলো আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত এনকোডিং পদ্ধতিকে বলা হয় সেল সিগন্যাল এনকোডিং।

সেল সিগন্যাল এনকোডিং এর প্রকারভেদ:

• FDMA - Frequency Division Multiple Access.
• TDMA - Time Division Multiple Access.
• CDMA - Code Division Multiple Access.
• GSM - Global System for Mobile Communications.
UMTS - Universal Mobile Telecommunications System.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৪৭.
মোবাইল সেলের নেটওয়ার্ক কভারেজ সাধারণত কী ধরনের আকার ধারণ করে?
  1. ষড়ভুজাকৃতির
  2. গোলাকৃতি
  3. ত্রিভুজাকৃতি
  4. চতুর্ভুজাকৃতি
সঠিক উত্তর:
ষড়ভুজাকৃতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষড়ভুজাকৃতির
ব্যাখ্যা

• মোবাইল সেলের নেটওয়ার্ক কভারেজ সাধারণত ষড়ভুজাকৃতির আকার ধারণ করে। এর কারণ হলো এটি কার্যকরভাবে এলাকায় সিগন্যাল বিতরণ করতে সাহায্য করে। একটি সেল টাওয়ারের রেডিও তরঙ্গ প্রায় গোলাকৃতি ছড়িয়ে পড়ে, কিন্তু এককভাবে গোলাকৃতি হলে সেলগুলো একে অপরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে জোড়া দেওয়া কঠিন হয় এবং ফাঁকা বা অতিরিক্ত কভারেজ হতে পারে। ষড়ভুজাকৃতি নকশা ব্যবহার করলে প্রতিটি সেলের সীমান্ত নির্দিষ্টভাবে সংযুক্ত থাকে এবং কোন স্থান ফাঁকা থাকে না। এছাড়া এটি নেটওয়ার্ক ডিজাইনকে সহজ করে এবং ফ্রিকোয়েন্সি পুনঃব্যবহার কার্যকরভাবে সম্ভব হয়। তাই সেল কভারেজের জন্য ষড়ভুজাকৃতি সবচেয়ে উপযুক্ত।

- সঠিক উত্তর: ক) ষড়ভুজাকৃতির।

• মোবাইল কমিউনিকেশন:
- একাধিক চলনশীল ডিভাইস অথবা একটি চলনশীল ও অন্যটি স্থির ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত কমিউনিকেশন সিস্টেমকে মোবাইল কমিউনিকেশন বলা হয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ক্যাবল ছাড়া যোগাযোগের প্রযুক্তি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেমের উৎকর্ষতার ফসল হলো মোবাইল কমিউনিকেশন।
- এটি একটি ডুপ্লেক্স বা দ্বিমুখী কমিউনিকেশন সিস্টেম।
- বর্তমানে সারা পৃথিবীতে মোবাইল কমিউনিকেশন একটি অতি প্রয়োজনীয় এবং জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- মোবাইল কমিউনিকেশনে স্থাপিত এক একটি ফিক্সড ল্যান্ড বা বেজ স্টেশন হলো সেল, যা মোবাইল ফোনের জন্য প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক কাভারেজ প্রদান করে। 
- মোবাইল ব্যবহারকারী চলমান অবস্থায় এক সেল এরিয়া থেকে অন্য সেল এরিয়ায় প্রবেশ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার মোবাইল ইউনিটটি পূর্বের সেল এরিয়ার সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বর্তমান সেল এরিয়ার সাথে সংযুক্ত হয়ে যায়। 
- একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মোবাইল ইউনিটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক সেল নেটওয়ার্কের সংযুক্তি ত্যাগ করে অন্য সেল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয়ে যায়, একে Handoff বলা হয়।
- স্বয়ংক্রিয় এই ব্যবস্থা মোবাইল ইউনিটে বজায় থাকার কারণে মোবাইল ইউনিটের শক্তি ব্যয় গড় সর্বদা সমান থাকে।

সূত্র - ব্রিটানিকা।

১৪৮.
বাংলাদেশে জিএসএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে-
  1. ক) বাংলালিংক
  2. খ) টেলিটক
  3. গ) গ্রামীণফোন
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Speciale Mobile (GSM)। এর পরে নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM). বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক ও এয়ারটেল জিএসএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৪৯.
'ই-কমার্স' সেবা কার্যক্রম চালু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইলে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ধারনা শুরু হয় ১৯৯২ সালে।
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- মোবাইল ব্যাংকিং,
- ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম,
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা,
- উচ্চগতিসম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর চালু হয়
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং
- মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডাটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৫০.
একটি এসএমএসে সর্বোচ্চ কতটি অক্ষর ব্যবহার করা যায়?
  1. ক) ১৪০
  2. খ) ১৬০
  3. গ) ১৮০
  4. ঘ) ২৮০
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬০
ব্যাখ্যা
এসএমএস (SMS)
- জিএসএম এর একটি জনপ্রিয় সার্ভিস হচ্ছে এসএমএস (SMS)।
- SMS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Short Message Service.
- একটি এসএমএসে সর্বোচ্চ ১৬০ টি অক্ষর ব্যবহার করা যায়।
- যদি ১৬০ টির বেশি অক্ষর হয়ে যায় তবে সেটি  অটোমেটিকালি মাল্টিপল এসএমএসে পরিণত হয়।
- এসএমএস দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে চালু হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. ব্রিটানিকা
৩. https://www.grameenphone.com
১৫১.
নিচের কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে প্রথম EDGE প্রযুক্তি চালু হয়?
  1. পঞ্চম প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. দ্বিতীয় প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু হয়।
- 3G বা তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি এমন একটি সিস্টেম, যার মধ্যে GSM, EDGE, UMTS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে DECT, WiMAX, ভয়েস কল, এবং ভিডিও কল সেবা প্রদান করা সম্ভব।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল ফোনের তুলনায় তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হল, সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্সসহ বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- উচ্চগতির ডেটা ট্রান্সফার সুবিধা।
- GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- EDGE সিস্টেম চালু হয়, যা সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফার প্রদান করে।
- ডেটা ট্রান্সফারের হার প্রায় 2Mbps পর্যন্ত পৌঁছায়।
- অতি দ্রুত ভয়েস এবং ছবি আদান-প্রদান সম্ভব হয়।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহৃত হতে পারে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৫২.
কোন প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যের মোবাইল ফোনকে "Green Phone" হিসেবে পরিচিতি পাওয়া যায়?
  1. GPRS
  2. LTE
  3. GSM
  4. CDMA
সঠিক উত্তর:
CDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CDMA
ব্যাখ্যা
⚪ CDMA:
- CDMA এর পূর্ণরূপ হলো Code Division Multiple Access.
- এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় বলে একে Green Phone বলা হয়।

⚪ সিডিএমএ এর বৈশিষ্ট্য:
- CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।

- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।

- বেতার তরঙ্গ ব্যান্ডকে কতগুলো কেরিয়ারে বিভক্ত করা হয় যা ১.২৫ মেগাহার্টজ প্রশস্ত।
- প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য আলাদা কোড দেয়া হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
১৫৩.
নিচের কোনটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ডিজিটাল ট্রান্সমিশন
  2. এসএমএস ও এমএমএস
  3. মোবাইল ব্যাংকিং
  4. প্রিপেইড সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
মোবাইল ব্যাংকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবাইল ব্যাংকিং
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) বৈশিষ্ট্য নয়। 
- এটি তৃতীয় প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য।

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC ( NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

• তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা: ITU এর মতে) যাতে GSM EDGE UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১৫৪.
5G নেটওয়ার্কের সাথে প্রধানত কোন প্রযুক্তিটি সম্পর্কিত?
  1. সার্কিট সুইচিং
  2. প্যাকেট সুইচিং
  3. মিলিমিটার ওয়েভ
  4. অ্যানালগ ট্রান্সমিশন
সঠিক উত্তর:
মিলিমিটার ওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিলিমিটার ওয়েভ
ব্যাখ্যা

◉ 5G নেটওয়ার্কের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো অত্যন্ত উচ্চ গতি (high data rate) ও কম লেটেন্সি (low latency)। এই লক্ষ্য অর্জনে 5G-তে মিলিমিটার ওয়েভ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড (সাধারণত 24 GHz–100 GHz) ব্যবহার করা হয়।

5G প্রযুক্তি:
- ২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।
- 5G মোবাইল নেটওয়ার্ককে আরও দ্রুত, উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও কম ল্যাটেন্সি প্রদান করে, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
- এটি স্মার্টফোনের ডাউনলোড স্পিড দ্বিগুণ করতে পারে এবং IoT ডিভাইসের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।
- 5G উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং, AI, VR, AR-এর জন্য ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমকেও সমর্থন করে।
- 5G উন্নত IoT ফাংশনালিটি সমর্থন করে, যেমন উন্নত স্মার্ট হোম প্রযুক্তি, স্মার্ট মেডিকেল ডিভাইস এবং উন্নত রিটেইল অভিজ্ঞতা।
- শহর পরিকল্পনায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য AI ক্যামেরা ব্যবহার করা যায়।
- কৃষকরা দূর থেকে পানি ও মাটি পর্যবেক্ষণ করতে পারে, এবং স্থপতি ও প্রকৌশলী AR ব্যবহার করে নির্মাণ স্থান সম্পর্কে তথ্য সহজে দেখতে এবং অবদান রাখতে পারে।

5G-এর প্রধান তিনটি ধরন:
- Low-band,
- Mid-band,
- High-band।
- টেলিকম কোম্পানি MIMO অ্যান্টেনা ও স্মল সেল ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করে।
- 5G নেটওয়ার্ক ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা সংরক্ষণে নির্ভরশীল, তাই এটি ডেটা ক্ষতি, সাইবার আক্রমণ ও চুরির ঝুঁকিতে থাকে।

অন্যদিকে, 
সার্কিট সুইচিং - 2G নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হতো; 
প্যাকেট সুইচিং - 3G/4G ও ইন্টারনেটের সাধারণ বৈশিষ্ট্য; 
অ্যানালগ ট্রান্সমিশন - আধুনিক মোবাইল নেটওয়ার্ক সম্পূর্ণ ডিজিটাল। 

সোর্স:
১। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা। 
২। International Telecommunication Union (IMT 2020 (5G) in Asia-Pacific – Key Insights).

১৫৫.
মোবাইল স্ট্যান্ডার্ড GPRS-এর RS দ্বারা কী বুঝায়?
  1. Remote Signal
  2. Routing System
  3. Radio System
  4. Range Sharing
সঠিক উত্তর:
Radio System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Radio System
ব্যাখ্যা
• মোবাইলের তৃতীয় প্রজন্ম:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন অ-বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা ITU এর মতে) যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভূক্ত।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা পারাপার।
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডাটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- ডাটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডাটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৬.
IMEI সাধারণত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ইন্টারনেট স্পিড পরিমাপ করা
  2. ফোনকে দ্রুত চার্জ করা
  3. হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা
  4. সিম কার্ড সুরক্ষা প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা
ব্যাখ্যা

• IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো প্রতিটি মোবাইল ফোনের একটি অনন্য ১৫ অঙ্কের সংখ্যা যা ডিভাইসকে সনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করার কাজে ব্যবহৃত হয়। যখন ফোন চুরি হয় বা হারিয়ে যায়, ব্যবহারকারী বা নেটওয়ার্ক অপারেটর এই IMEI নম্বর ব্যবহার করে ফোনটিকে ব্লক করতে পারে, ফলে কেউ সেটি ব্যবহার করতে পারবে না। IMEI ফোনের নিরাপত্তা ও সনাক্তকরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি সরাসরি ইন্টারনেট স্পিড মাপা, ফোন দ্রুত চার্জ করা বা সিম কার্ড সুরক্ষা প্রদানে ব্যবহার হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা।

⚪ IMEI: 
- IMEI এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের 3GPP মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৫৭.
কোন প্রযুক্তি 4G এর বিকল্প নাম হিসেবে পরিচিত?
  1. LTE
  2. WCDMA
  3. EDGE
  4. GSM
সঠিক উত্তর:
LTE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LTE
ব্যাখ্যা

◉ LTE (Long-Term Evolution) হচ্ছে 4G প্রযুক্তির বিকল্প নাম। এটি মূলত 4G নেটওয়ার্কের উন্নত সংস্করণ, যা উচ্চগতির ইন্টারনেট, ভয়েস ও ভিডিও কলিং সুবিধা প্রদান করে।

চতুর্থ প্রজন্ম মোবাইল:
- ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
- 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- চতুর্থ প্রজন্মের (4G) উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMAX, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।

LTE-এর বৈশিষ্ট্য:
- 4G নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে পরিচিত। 
- High-speed Data Transmission (ডাউনলোড স্পিড: 100 Mbps+, আপলোড: 50 Mbps+)। 
- OFDM (Orthogonal Frequency-Division Multiplexing) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। 
- VoLTE (Voice over LTE) এর মাধ্যমে উন্নতমানের ভয়েস কল সেবা প্রদান করে। 

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) WCDMA (Wideband Code Division Multiple Access) হলো 3G প্রযুক্তির একটি স্ট্যান্ডার্ড। 
গ) EDGE (Enhanced Data Rates for GSM Evolution) হলো 2.5G প্রযুক্তি। 
ঘ) GSM (Global System for Mobile Communications) একটি 2G প্রযুক্তি। 

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IEEE Communications on 4G LTE.

১৫৮.
প্রতিটি মোবাইল ফোনকে আলাদাভাবে সনাক্ত করার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) GSM
  2. খ) WCDMA
  3. গ) IMEI
  4. ঘ) IMEE
সঠিক উত্তর:
গ) IMEI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) IMEI
ব্যাখ্যা
• প্রতিটি মোবাইল ফোনকে আলাদাভাবে সনাক্ত করার জন্য IMEI ব্যবহৃত হয়।

IMEI: 
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের 3GPP মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৫৯.
মোবাইল হ্যান্ডসেটের IMEI নম্বরের প্রথম অংশ কী নির্দেশ করে?
  1. তৈরি হওয়ার তারিখ
  2. ম্যানুফেকচারিং কোড
  3. সফটওয়্যার সংস্করণ
  4. নেটওয়ার্ক অপারেটর কোড
সঠিক উত্তর:
ম্যানুফেকচারিং কোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যানুফেকচারিং কোড
ব্যাখ্যা

• IMEI (International Mobile Equipment Identity) নম্বরের প্রথম ৮টি ডিজিটকে TAC (Type Allocation Code) বলা হয়। এই অংশটি মূলত ফোনের প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বা ম্যানুফেকচারিং কোড এবং মডেলের ধরণ নির্দেশ করে।

• IMEI:
- এটি ১৫ ডিজিটের একটি অনন্য আইডেন্টিফিকেশন নম্বর যা দিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রতিটি মোবাইল হ্যান্ডসেটকে আলাদা করা যায়।
- এটি তিনটি অংশে বিভক্ত: প্রথম ৮ ডিজিট (TAC), পরবর্তী ৬ ডিজিট (সিরিয়াল নম্বর) এবং শেষ ১ ডিজিট (চেক ডিজিট)।
- IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১৬০.
'MMS'-সার্ভিসটি কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোন হতে চালু হয়?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
• মোবাইলের দ্বিতীয় প্রজন্ম: 
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব হয়।
- মোবাইলের দ্বিতীয় প্রজন্ম হতে SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস চালু হয়।
- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয় দ্বিতীয় প্রজন্মে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬১.
HSPA, WCDMA, 3GPP ও UMTS এই চারটি স্ট্যান্ডার্ট কোন প্রজন্মের ফোনে চালু হয়?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
HSPA, WCDMA, 3GPP ও UMTS এই চারটি স্ট্যান্ডার্ট ৩য় প্রজন্মের ফোনে চালু হয়।
ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রিজি মোবাইল চালু হয়। 

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, বোর্ড বই
১৬২.
স্মার্টফোনে GPS ব্যবহারের জন্য কোনটি প্রয়োজন?
  1. DHCP
  2. Accelerometer
  3. Gyroscope
  4. Satellite Signal
সঠিক উত্তর:
Satellite Signal
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Satellite Signal
ব্যাখ্যা

• স্মার্টফোনে GPS ব্যবহার করতে মূলত সেটেলাইট সিগন্যাল (Satellite Signal) প্রয়োজন। GPS বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কাজ করে, যা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। ফোনের GPS রিসিভার এই স্যাটেলাইট থেকে সংকেত গ্রহণ করে এবং সময় ও দূরত্বের হিসাব অনুযায়ী ব্যবহারকারীর সঠিক অবস্থান বের করে। অন্য অপশনগুলো যেমন DHCP ইন্টারনেট সংযোগের জন্য, অ্যাক্সেলরোমিটার এবং জাইরোস্কোপ মোবাইলের আন্দোলন, ঘূর্ণন বা স্ক্রীন অরিয়েন্টেশন বুঝতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু অবস্থান নির্ধারণের জন্য সরাসরি প্রয়োজন হয় না। তাই GPS চালু করতে সেটেলাইট সিগন্যাল অপরিহার্য।
 
• GPS: 
- GPS এর পূর্ণরূপ Global Positioning System।
- জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং হলো একটি নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম।
- এটি ব্যবহারকারীদের অবস্থান, নেভিগেশন এবং সময় সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করে।
- এর সাহায্যে আমরা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বসে আমাদের বর্তমান লোকেশন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারি।
- এই প্রযুক্তি দ্বারা যেকোনো বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব।

স্মার্টফোনে GPS-এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার:
- Google Maps, Apple Maps, Waze-এর মাধ্যমে পথনির্দেশনা পাওয়া।
- রাইড-শেয়ারিং অ্যাপ (Uber, Pathao, Bolt) ব্যবহার করে গন্তব্য নির্ধারণ করা।
- লোকেশন-ভিত্তিক সার্ভিস (Location-based Services) যেমন ফেসবুক চেক-ইন বা ফাইন্ড মাই ফোন ব্যবহার করা।
- স্মার্টফোন চুরি হলে তার অবস্থান ট্র্যাক করা।

• DHCP (Dynamic Host Configuration Protocol):  
- DHCP হলো একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা কম্পিউটার বা ডিভাইসকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে IP অ্যাড্রেস প্রদান করে।  
- এটি মূলত ইন্টারনেট বা লোকাল নেটওয়ার্কে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়।  
- DHCP-এর সাথে GPS-এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।  
- IP অ্যাড্রেস পাওয়া মানে অবস্থান নির্ণয় করা যায় না।  

• Accelerometer:  
- Accelerometer হলো একটি সেন্সর যা ডিভাইসের ত্বরণ (Acceleration) পরিমাপ করে।  
- এটি সাধারণত স্ক্রিনের অটো-রোটেশন, পদক্ষেপ গণনা বা গেম কন্ট্রোলের জন্য ব্যবহৃত হয়।  
- GPS-এর মতো অবস্থান নির্ণয় করতে Accelerometer একা যথেষ্ট নয়।  
- এটি শুধুমাত্র মোশন বা ভঙ্গি নির্ধারণে সাহায্য করে।  

• Gyroscope:  
- Gyroscope হলো একটি সেন্সর যা ডিভাইসের ঘূর্ণন বা Orientation পরিবর্তন নির্ণয় করে।  
- এটি মোবাইলের অঙ্গভঙ্গি সনাক্তকরণ বা গেমিং ও ভার্চুয়াল রিয়ালিটি অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহৃত হয়।  
- GPS-এর সাথে সরাসরি সম্পর্ক নেই, এটি কেবল অবস্থান পরিবর্তনের দিক নির্ধারণে সাহায্য করতে পারে।  

• Satellite Signal:  
- স্যাটেলাইট সিগন্যাল হলো GPS-এর জন্য অপরিহার্য উপাদান।  
- GPS স্যাটেলাইট থেকে প্রেরিত সংকেত গ্রহণ করে ডিভাইসের অবস্থান নির্ণয় করে।  
- সঠিক অবস্থান নির্ণয়ের জন্য অন্তত ৪টি স্যাটেলাইটের সংকেত গ্রহণ করতে হয়।  
- স্মার্টফোনে GPS কাজ করতে হলে এটি বাধ্যতামূলক।  

সুতরাং, স্মার্টফোনে GPS ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান হলো - স্যাটেলাইট সিগন্যাল।  

উৎস: 
- Microsoft. [link]
- ScienceDirect. [link]
- Britannica. [link]

১৬৩.
ফোনের IMEI দেখতে হলে কোন কোড ডায়াল করা উচিত?
  1. *#911#
  2. *#IMEI#
  3. *#06#
  4. *#123#
সঠিক উত্তর:
*#06#
উত্তর
সঠিক উত্তর:
*#06#
ব্যাখ্যা
• ফোনের IMEI (International Mobile Equipment Identity) নাম্বার দেখতে হলে সঠিক কোড হলো *#06#। এটি একটি ইউনিক নম্বর যা প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য নির্দিষ্ট এবং ফোন হারিয়ে গেলে সেটি শনাক্ত করতে বা ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারকারীকে ফোনের ডায়াল প্যাডে *#06# টাইপ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিনে IMEI নম্বরটি প্রদর্শিত হয়। এটি কোনো এসএমএস বা কল প্রক্রিয়া নয়, বরং একটি সিস্টেম-নির্ধারিত শর্টকোড। অন্যান্য অপশন যেমন *#911#, *#IMEI# বা *#123# এই কাজে সঠিক নয় এবং কাজও করবে না। তাই IMEI জানার জন্য সঠিক উত্তর: গ) *#06#.

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৬৪.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ব্যবহার
  2. মাইক্রোপ্রসেসর এর ব্যবহার
  3. অপেক্ষাকৃত কম ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের ব্যবহার
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের প্রথম প্রজন্ম:
- প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন ১৯৭৩ সালে অ্যানালগ সিস্টেম ও পোর্টেবল ডিভাইসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।
- এ ফোন তৈরির পর থেকে মোবাইল কমিউনিকেশনে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হয়।
- ১৯৭৯ সালে এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) সেলুলার টেলিফোন উৎপাদন শুরু করে।
- ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকোতে সেলুলার টেলিফোনের কিছু কিছু ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮১ সালে NMT (Nordic Mobile Telephone) কর্তৃক ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধাসহ ১ম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের দ্বিতীয় যাত্রা শুরু করে।

• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- নেটওয়ার্কে রেডিও সিগন্যাল হিসেবে অ্যানালগ সিস্টেমের ব্যবহার।
- সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ব্যবহার।
- অপেক্ষাকৃত কম ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের ব্যবহার।
- মাইক্রোপ্রসেসর এর ব্যবহার।
- ছোট ও হালকা মোবাইল ফোনের ব্যবহার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৫.
5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. ক) LTE (Long Term Evolution
  2. খ) RAT (Radio Access Technology)
  3. গ) HSPA (High Speed Package Access)
  4. ঘ) GSM (Global System for Mobile communication)
সঠিক উত্তর:
খ) RAT (Radio Access Technology)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) RAT (Radio Access Technology)
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ডঃ
1G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-AMPS
2G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-GSM, CDMA
3G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-HSPA,WCDMA, UTMS, 3GPP
4G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড- WiMAX 2, LTE
5G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-RAT, MIMO, 5G NR

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
১৬৬.
কোন যোগাযোগ ব্যবস্থায় উভয় ব্যক্তি একই সময়ে কথা বলা ও শোনা চালিয়ে যেতে পারে, যেমন একটি ফোন কলের ক্ষেত্রে?
  1. Full-duplex
  2. Simple Mode
  3. Simplex
  4. Half-duplex
সঠিক উত্তর:
Full-duplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Full-duplex
ব্যাখ্যা

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।

- সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

- হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
- যেমন- ওয়াকি টকি।

- ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেমন: টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

১৬৭.
IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে কোন প্রযুক্তি কাজ করে?
  1. Bluetooth
  2. Wi-Fi
  3. WiMAX
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
ব্যাখ্যা
⚪ IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে Bluetooth প্রযুক্তি তৈরি হয়েছে।

এটি কম শক্তি খরচে কম দূরত্বের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড মূলত ব্যক্তিগত এলাকা নেটওয়ার্ক (PAN) এর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা ব্লুটুথের মতো প্রযুক্তির জন্য উপযুক্ত।

⚪ ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।

- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

⚪ এছাড়াও,
• Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
• Wimax এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৬৮.
বিশ্বে সর্বপ্রথম ৫জি মোবাইল কমিউনিকেশন ব্যবহার চালু করে কোন দেশ?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. চীন
  3. জাপান
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্ম (5th Generation-5G: 2020-Present):
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ২০১৮ সালের অলিম্পিক গেমসে সফলভাবে 5G নেটওয়ার্ক প্রদর্শনে সফলতা দেখিয়েছে।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়্যারলেস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে wwww নামে পরিচিত।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম।
- এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও (4000 × 2000 পিক্সেল) উপভোগ করা যায়।
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
- ২০২১ সালে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও পরীক্ষামুলকভাবে কয়েকটি স্থানে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বা এজি চালু হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- টেলিটকই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 5G চালু করে।
- ১২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক দেশের ছয়টি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে।
- বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
১৬৯.
বাংলাদেশে 3G (Third Generation) চালু হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১৫ অক্টোবর ২০১২
  2. খ) ১৪ অক্টোবর ২০১৩
  3. গ) ১৫ অক্টোবর ২০১৩
  4. ঘ) ১৪ অক্টোবর ২০১২
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৪ অক্টোবর ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৪ অক্টোবর ২০১২
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ বিবিসি নিউজ।
১৭০.
FOMA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Fiber Optic Mobile Application
  2. Frequency of Mobile Access
  3. Freedom of Mobile Multimedia Access
  4. Fast Online Mobile Access
সঠিক উত্তর:
Freedom of Mobile Multimedia Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Freedom of Mobile Multimedia Access
ব্যাখ্যা
• FOMA এর পূর্ণরূপ হলো Freedom of Mobile Multimedia Access. এটি ছিল বিশ্বের প্রথম ৩জি (3G) মোবাইল পরিষেবা, যা ২০০১ সালে জাপানের মোবাইল অপারেটর NTT DoCoMo চালু করে। FOMA নেটওয়ার্কটি W-CDMA (Wideband Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা তুলনামূলকভাবে উচ্চগতির ডেটা ট্রান্সমিশন এবং উন্নত মাল্টিমিডিয়া সেবা প্রদান করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ভিডিও কল, মাল্টিমিডিয়া মেসেজিং এবং উচ্চমানের ভয়েস কল উপভোগ করতে পারেন। FOMA প্রযুক্তি মোবাইল যোগাযোগে নতুন দিগন্তের সূচনা করে এবং পরবর্তীকালে বিশ্বব্যাপী ৩জি নেটওয়ার্কের মানদণ্ড স্থাপন করে। তাই সঠিক উত্তর: গ) Freedom of Mobile Multimedia Access.

• মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008):
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে।
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম।
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়। এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে।
- ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, FOMA (Freedom of Mobile Multimedia Access) ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রি-জি মোবাইল ফোন চালু হয়।
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)।

• মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়:
1. HSPA (High speed package Access),
2. WCDMA (Wide band code division multiple access),
3. 3GPP (3rd Generation Partnership Project )
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)I

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৭১.
EDGE কোন মোবাইল প্রযুক্তির উন্নত সংস্করণ?
  1. Wi-Fi
  2. CDMA
  3. LTE
  4. GSM
সঠিক উত্তর:
GSM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSM
ব্যাখ্যা
• EDGE (Enhanced Data Rates for GSM Evolution) হলো GSM (Global System for Mobile Communications) প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। এটি মূলত 2.5G বা 2G-এর পরবর্তী ধাপে উন্নয়নের প্রতিনিধিত্ব করে। GSM প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে EDGE দ্রুতগতির ডেটা সেবা প্রদান করে, যা ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল এবং মাল্টিমিডিয়া পরিষেবার জন্য সহায়ক। এটি GPRS-এর (General Packet Radio Service) চেয়ে প্রায় তিনগুণ বেশি ডেটা গতি প্রদান করতে সক্ষম। EDGE-এর মাধ্যমে মোবাইল ব্যবহারকারীরা সীমিত ব্যান্ডউইডথেও আরও উন্নত অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে। সুতরাং, EDGE মূলত GSM প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। সঠিক উত্তর: ঘ) GSM.

• EDGE:
- জিপিআরএস এর চাইতে উন্নত মোবাইল ফোন প্রযুক্তি হলো ইডিজিই।
- EDGE এর পুরো অর্থ হলো Enhanced Data rates for GSM Evolution।

• ইডিজিই এর বৈশিষ্ট্য (Features of EDGE):
১. এটি স্ট্যান্ডার্ড GPRS এর চাইতে চারগুণ বেশি ট্রাফিক বহন করতে পারে।
২. থ্রিডি নেটওয়ার্কের জন্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়ন এর চাহিদাগুলো EDGE পূরণ করেছে।
৩. ৯টি মডুলেশন ও কোডিং স্কিম ব্যবহার করে।
৪. বড় আকারের চিপ ভেন্ডরদের দ্বারা GSM এবং WCDMA/HSPA উভয়টির জন্যই বর্তমানে EDGE সমর্থন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭২.
আইপি নির্ভর ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক কোন মোবাইল প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
গ) চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
আইপি নির্ভর ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক চতুর্থ মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য। 

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য- 
১। ৪জি এর গতি ৩জি এর চেয়ে প্রায় ৫০ গুন বেশি। ৪জি এর প্রকৃত ব্যান্ড উইথ ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ করা হয়েছিল।
২। আল্ট্রা ব্রড-ব্যান্ড গতির ইন্টারনেট ব্যবহার। দ্রুত চলনশীল ডিভাইসের ডেটা স্থানান্তর গতি ১০ মেগাবিট/সেকেন্ড এবং স্থির ডিভাইসের ডেটা স্থানান্তর গতি ১০ গিগাবিট/ সেকেন্ড।
৩। ত্রিমাত্রিক ব্যবহারিক প্রয়োগের ফলে কোনো অনুষ্ঠানে সরাসরি উপস্থিত না হয়েও নিজের উপস্থিতি আছে বলে অনুভূত হবে।
৪। সহায়ক প্রযুক্তির মধ্যে মিথষ্ক্রিয়া বৃদ্ধি পায়। যেমন: ফোনের স্মার্ট কার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্রয়কৃত পণ্যের বিল প্রদান করতে সক্ষম হয়।
৫। টেলিভিশনে অপেক্ষাকৃত উন্নতমানের ছবি এবং ভিডিও লিংক প্রদান করে।
৬। আইপি নির্ভর ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক সিস্টেম কাজ করে।

উদাহরণ: WiMax2, LTE (Long Term Evolution)-Advance ইত্যাদি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১৭৩.
সর্বপ্রথম প্রিপেড পদ্ধতি চালু হয় কোন প্রজন্মে?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
খ) ২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২য়
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে ডিজিটাল পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়। সর্বপ্রথম প্রিপেড পদ্ধতি চালু হয় এই প্রজন্মে। এই প্রজন্মে এমএমএস এবং এসএমএস সেবা কার্যক্রম চালু হয়। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৭৪.
"UMTS" স্ট্যান্ডার্ড কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা হয়?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়।
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে।
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে।
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে।

• তৃতীয় প্রজন্ম:
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে।
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম।
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়, এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে।
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)।

• মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়:
1. HSPA (High speed package Access),
2. WCDMA (Wide band code division multiple access),
3. 3GPP (3rd Gen Partnership Project) এবং
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)I

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১৭৫.
প্রযুক্তিপণ্য প্রতিষ্ঠান অ্যাপল প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত কারা?
  1. ক) স্টিভ ওজনিয়াক
  2. খ) রোনাল্ড ওয়েন
  3. গ) স্টিভ জবস
  4. ঘ) উপরের সকলেই
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সকলেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সকলেই
ব্যাখ্যা
স্টিভ জবস, স্টিভ ওজনিয়াক, রোনাল্ড ওয়েন মিলে ১৯৭৬ সালের ১লা এপ্রিল প্রযুক্তিপণ্য প্রতিষ্ঠান এপল প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই
১৭৬.
NFC প্রযুক্তির মূল ব্যবহার কী?
  1. রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে দূরবর্তী কমিউনিকেশন
  2. স্বল্প দূরত্বে ডিভাইস সংযোগ ও তথ্য বিনিময়
  3. দ্রুত ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সুবিধা
  4. FM/AM রেডিও সিগন্যাল ট্রান্সমিশন
সঠিক উত্তর:
স্বল্প দূরত্বে ডিভাইস সংযোগ ও তথ্য বিনিময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বল্প দূরত্বে ডিভাইস সংযোগ ও তথ্য বিনিময়
ব্যাখ্যা

◉ NFC (Near Field Communication) হল একটি স্বল্প-পরিসরের বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি, যার সাহায্যে খুব কাছাকাছি (প্রায় ৪ সেন্টিমিটার বা তার কম) দুটি ডিভাইস সংযুক্ত হয়ে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

NFC:
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communications.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

NFC সাধারণত নিম্নলিখিত কাজে ব্যবহৃত হয়:
- মোবাইল পেমেন্ট: যেমন Google Pay, Apple Pay.
- ট্যাগ রিডিং: NFC ট্যাগ থেকে তথ্য পড়া, যেমন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমে টিকেটিং।
- ফাইল ট্রান্সফার: ছোট ফাইল বা ডাটা শেয়ার করা।
- স্মার্ট ডিভাইস কন্ট্রোল: স্মার্ট হোম ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭৭.
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ককে কী বলা হয়?
  1. অ্যানালগ সেলুলার নেটওয়ার্ক
  2. ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক
  3. অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক
  4. স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ককে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০)
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭৮.
বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বাণিজ্যিকভাবে ফাইভ–জি প্রযুক্তি সেবা সরবরাহ শুরু করে কোন দেশ?
  1. চীন
  2. দক্ষিণ কোরিয়া
  3. জাপান
  4. উত্তর কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্ম (5th Generation-5G: 2020-Present):

- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ২০১৮ সালের অলিম্পিক গেমসে সফলভাবে 5G নেটওয়ার্ক প্রদর্শনে সফলতা দেখিয়েছে।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়্যারলেস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে wwww নামে পরিচিত।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম।
- এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও (4000 × 2000 পিক্সেল) উপভোগ করা যায়।
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
- ২০২১ সালে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও পরীক্ষামুলকভাবে কয়েকটি স্থানে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বা এজি চালু হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- টেলিটকই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 5G চালু করে।
- ১২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক দেশের ছয়টি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে।
- বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
১৭৯.
GSM নেটওয়ার্কে IMEI নম্বর ব্যবহার করে কী করা যায়?
  1. সিম পরিষেবা সক্রিয় করা
  2. মোবাইল ব্যালেন্স রিচার্জ করা
  3. চুরি হওয়া ফোনকে নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস করতে বাধা দেওয়া
  4. একসাথে অনেক বার্তা পাঠানো
সঠিক উত্তর:
চুরি হওয়া ফোনকে নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস করতে বাধা দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি হওয়া ফোনকে নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস করতে বাধা দেওয়া
ব্যাখ্যা
• GSM নেটওয়ার্কে IMEI নম্বর ব্যবহার করে চুরি হওয়া ফোনকে নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস করতে বাধা দেওয়া যায়। IMEI (International Mobile Equipment Identity) হল প্রতিটি মোবাইল ফোনের একটি অনন্য শনাক্তকারী নম্বর, যা ফোনের হার্ডওয়্যারের সাথে যুক্ত। যখন কোনও ফোন চুরি হয় বা হারিয়ে যায়, তখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা নেটওয়ার্ক অপারেটর এই IMEI নম্বর ব্ল্যাকলিস্ট করে দেয়। এর ফলে, ওই ফোনটি কোন নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে না এবং কল, এসএমএস বা ডেটা সেবা ব্যবহার করতে পারে না। তাই, IMEI নম্বর মোবাইল ফোনের সুরক্ষা বাড়াতে এবং চুরি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- অন্যান্য অপশন যেমন সিম পরিষেবা সক্রিয়করণ, ব্যালেন্স রিচার্জ বা একসাথে বার্তা পাঠানো IMEI নম্বরের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।


• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৮০.
5G নেটওয়ার্কে MIMO কী ধরনের প্রযুক্তি বা ফিচার?
  1. Media Integrated Motion Output
  2. Mobile Interface Mode Operation
  3. Multiple Input Multiple Output
  4. Multi Internet Mobile Option
সঠিক উত্তর:
Multiple Input Multiple Output
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Multiple Input Multiple Output
ব্যাখ্যা

• 5G নেটওয়ার্কে MIMO বলতে বোঝায় Multiple Input Multiple Output প্রযুক্তি (উত্তর: গ)। এটি একটি অ্যাডভান্সড অ্যান্টেনা সিস্টেম, যা একই সময়ে একাধিক ট্রান্সমিটার ও রিসিভার ব্যবহার করে ডেটা পাঠানো এবং গ্রহণ করতে সক্ষম। এর ফলে নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ, ডেটা ট্রান্সফার গতি ও সংযোগ স্থায়িত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। MIMO সিস্টেম বিভিন্ন ডিভাইস থেকে একসাথে সংকেত গ্রহণ করতে পারে, ইন্টারফেরেন্স কমায় এবং নেটওয়ার্কের কর্মদক্ষতা উন্নত করে। বিশেষভাবে 5G-তে Massive MIMO প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যা হাজার হাজার অ্যান্টেনা একসাথে কাজ করে উচ্চ গতির, স্থিতিশীল এবং বেশি ব্যবহারকারীকে সমর্থনযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। এটি আধুনিক মোবাইল নেটওয়ার্কের মূল ভিত্তি।

পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...): 
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়‍্যারলেস ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple input and multiple output) অন্যতম। 
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও উপভোগ করা যায়। 
- যুগের সাথে আধুনিক জীবন ব্যবস্থার উৎকর্ষের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করে বিশ্বসেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি এবং অন্যান্য বেশ কটি প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

১৮১.
মোবাইল ব্যাংকিং ও ই- কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভূক্ত।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা ট্রান্সফার।
- GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৮২.
সেলুলার টেলিফোন ইউনিটে প্রধান অংশ থাকে-
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

- মোবাইল বা সেলুলার টেলিফোন ইউনিটে মূল তিনটি অংশ রয়েছে। যথাঃ
১. একটি কন্ট্রোল ইউনিট,
২. একটি ট্রান্সিভার এবং
৩. একটি এন্টেনা সিস্টেম।
- এই তিনটি মূল উপাদান ছাড়াও মোবাইল ফোনে আরো কিছু উপাদান থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৮৩.
দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য কী?
  1. ত্রি-মাত্রিক ছবির প্রদর্শনের ব্যবস্থা
  2. সার্কিট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার
  3. ওয়ারলেস ইন্টারনেট সুবিধা
  4. মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
সার্কিট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্কিট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• মোবাইলের তৃতীয় প্রজন্ম:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন অ-বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা ITU এর মতে) যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভূক্ত।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা পারাপার।
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডাটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- ডাটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডাটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।

অন্যদিকে,
- ত্রি-মাত্রিক ছবির প্রদর্শনের ব্যবস্থা চালু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার শুরু হয় প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে।
- ওয়ারলেস ইন্টারনেট সুবিধা চালু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৪.
পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম কোন প্রতিষ্ঠান ৩য় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যাবহার শুরু করেন?
  1. ক) NOKIA
  2. খ) MOTOROLA
  3. গ) NTT DoCoMo
  4. ঘ) Radiolinja
সঠিক উত্তর:
গ) NTT DoCoMo
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) NTT DoCoMo
ব্যাখ্যা
২০০১ সালে জাপানের NTT DoCoMo প্রতিষ্ঠান প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু করেন। 

- তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো, সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশন।
বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. ডেটা রূপান্তরের কাজে Packet Switching ও Circuit Switching উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়।
২. উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর। ব্যান্ডউইডথ ২ mbps এর অধিক।
৩. চ্যানেল একসেস TD-SCDMA, TD-CDMA পদ্ধতির।
৪. ব্যাপক আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৫. ভিডিও কলের ব্যবহার শুরু।
৬. নেটওয়ার্কে GPRS ও EDGE পদ্ধতির ব্যবহার।
৭. মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনেই ইন্টারনেট ব্যবহার।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৮৫.
USSD এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Unstructured Supplementary Service Data
  2. খ) Universal Subscriber Service Database
  3. গ) Unified System for Service Delivery
  4. ঘ) User-Specific Service Description
সঠিক উত্তর:
ক) Unstructured Supplementary Service Data
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Unstructured Supplementary Service Data
ব্যাখ্যা
USSD
- USSD এর পূর্ণরূপ Unstructured Supplementary Service Data.
- USSD হচ্ছে এক ধরনের GSM প্রোটোকল, যার মাধ্যমে টেক্সট মেসেজ পাঠানো যায়।
- এটি Wireless Application Protocol (WAP) ব্রাউজিং, মোবাইল মানি সার্ভিস, প্রিপেইড কলব্যাক সার্ভিস, মেন্যু বেজড তথ্য সার্ভিস এবং লোকেশন বেজড কনটেন্ট সার্ভিস প্রভৃতি সেবা প্রদান করে।
১৮৬.
SSL এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Secure Storage Layer
  2. খ) System Sockets Layer
  3. গ) Secure System Layer
  4. ঘ) Secure Sockets Layer
সঠিক উত্তর:
ঘ) Secure Sockets Layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Secure Sockets Layer
ব্যাখ্যা
• SSL:
- SSL (Secure Sockets Layer) হলো একটি নেটওয়ার্কিং প্রোটোকল যা ওয়েব ক্লায়েন্ট এবং ওয়েব সার্ভারের মধ্যে সংযোগ সুরক্ষিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটারের মধ্যে সার্ভার এবং ক্লায়েন্টের এনক্রিপ্ট করা লিঙ্ক স্থাপন করে।
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের পরিচয় প্রমাণ করে। 

উৎস: Kaspersky website.
১৮৭.
১৫ সংখ্যার একটি IMEI নম্বরে, TAC-এর পরপর কোন অংশটি থাকে?
  1. লুন চেক ডিজিট
  2. রিপোর্টিং বডি আইডেন্টিফায়ার
  3. সিরিয়াল নাম্বার
  4. নেটওয়ার্ক কোড
সঠিক উত্তর:
সিরিয়াল নাম্বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়াল নাম্বার
ব্যাখ্যা

• ১৫ সংখ্যার একটি IMEI নম্বর মূলত মোবাইল ডিভাইসের অনন্য পরিচয়। এটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত: প্রথম ৮টি সংখ্যা হলো TAC (Type Allocation Code) যা ডিভাইসের মডেল ও ব্র্যান্ড নির্দেশ করে। TAC-এর পরের অংশটি হলো সিরিয়াল নাম্বার, যা প্রতিটি একই মডেলের ডিভাইসকে আলাদা করে। সাধারণভাবে, সিরিয়াল নাম্বার TAC-এর পর অবস্থিত ৬টি সংখ্যা এবং এটি প্রতিটি ইউনিটের জন্য অনন্য। IMEI নম্বরের শেষ সংখ্যা হলো লুন চেক ডিজিট, যা পুরো নম্বরের সঠিকতা যাচাই করে। তাই, TAC-এর পরের অংশ হলো সিরিয়াল নাম্বার।

উত্তর: গ) সিরিয়াল নাম্বার।


• IMEI:
- IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য ১৫ ডিজিটের নম্বর যা মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মোবাইল ডিভাইসের সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যারের সাথে সম্পর্কিত, এবং এটি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের জন্য এককভাবে নির্ধারিত থাকে।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের ট্র্যাকিং এবং চুরির পরেও ফোন শনাক্ত করা সম্ভব।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।

- IMEI নম্বরটি ফোনের সেটিংস এ অথবা ফোনের ব্যাটারি এর নিচে (কিছু ডিভাইসে) মুদ্রিত থাকে।
- IMEI নম্বরটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে, মোবাইল ফোনের অপারেটর বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফোন ব্লক করা যেতে পারে, যার ফলে ফোনটি ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
- IMEI নম্বর সাধারণত সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে একটি ডিভাইসের উৎপাদন দেশ, কোম্পানি এবং মডেল সম্পর্কিত তথ্যও পাওয়া যায়।

- IMEI নম্বরটি ফোনের নিরাপত্তা এবং মালিকানার প্রমাণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
- IMEI পরিবর্তন বা তাতে কোনো ধরনের ম্যানিপুলেশন অবৈধ এবং আইনত দণ্ডনীয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের চুরি ঠেকানো এবং সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৮৮.
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) এনালগ পদ্ধতির সিগনাল
  2. খ) কম ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকুয়েন্সির ব্যাবহার
  3. গ) সীমিত পরিসরে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা থাকা
  4. ঘ) মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা
সঠিক উত্তর:
গ) সীমিত পরিসরে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সীমিত পরিসরে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা থাকা
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা ছিলো না। এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে সীমিত পরিসরে চালু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
১৮৯.
NFC এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Near Field Communication
  2. Near Fast Communication
  3. Network File Control
  4. Near Frequency Connection
সঠিক উত্তর:
Near Field Communication
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Near Field Communication
ব্যাখ্যা

• NFC এর পূর্ণরূপ হলো Near Field Communication।
- এটি একটি অত্যন্ত স্বল্প দূরত্বের (সাধারণত ৪ সেমি বা তার কম) তারহীন যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা দুটি ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৯০.
উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্কে সংযোগ স্থাপন করতে ওয়াই-ফাই কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. মিডিয়া ওয়েভ
  2. সাউন্ড ওয়েভ
  3. রেডিও ওয়েভ
  4. মাইক্রো ওয়েভ
সঠিক উত্তর:
রেডিও ওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও ওয়েভ
ব্যাখ্যা
• উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্কে সংযোগ স্থাপন করতে ওয়াই-ফাই মূলত রেডিও ওয়েভ (গ) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। ওয়াই-ফাই ডিভাইসগুলো ২.৪ গিগাহার্জ বা ৫ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সিতে রেডিও সিগন্যাল প্রেরণ ও গ্রহণ করে ডেটা আদান-প্রদান করে। এই রেডিও তরঙ্গগুলো অদৃশ্য হলেও, ডিভাইসগুলো একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে সক্ষম হয়। রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশন দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং বেতার হওয়ায় এটি ঘরে, অফিসে বা যেকোনো স্থানে ইন্টারনেট ব্যবহার সহজ করে তোলে। সাউন্ড ওয়েভ ও মিডিয়া ওয়েভ সাধারণত ওয়াই-ফাই প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয় না, আর মাইক্রো ওয়েভ রেডিও ওয়েভের একটি উপশ্রেণি হলেও ওয়াই-ফাই মূলত সাধারণ রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।

• ওয়াই-ফাই:
- Wi-Fi শব্দের অর্থ হলো Wireless Fidelity.
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে হটস্পট বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া ৫০ থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেরেস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz.
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৯১.
মোবাইলে টিভি দেখা শুরু হয় মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
মোবাইল টিভি এবং ভিডিও কলের ব্যাবহার শুরু হয় মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্মে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
১৯২.
Bluetooth প্রযুক্তি সাধারণত কোন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে?
  1. 2.4 GHz
  2. 5 GHz
  3. 900 MHz
  4. 1.8 GHz
সঠিক উত্তর:
2.4 GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2.4 GHz
ব্যাখ্যা

◉ Bluetooth একটি স্বল্প দূরত্বের বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা 2.4 GHz এ কাজ করে।

ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৩.
মোবাইল ফোনে কোন ধরণের ডাটা ট্রান্সমিশন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. হাফ ডুপ্লেক্স
  2. ফুল-ডুপ্লেক্স
  3. সিমপ্লেক্স
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা

• মোবাইল ফোনে সাধারণত ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ফুল-ডুপ্লেক্সে দুই পক্ষই একই সময়ে তথ্য প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে, অর্থাৎ ব্যবহারকারী একদিকে কথা বলার সময় অন্য পক্ষও তার কথা শোনতে পারে। এটি হাফ-ডুপ্লেক্সের মতো নয়, যেখানে একসময় শুধুমাত্র একটি দিকের তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব, যেমন ওয়াকিটকি। সিমপ্লেক্স প্রযুক্তি কেবল একটি দিকেই ডাটা প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন টেলিভিশন সম্প্রচার। মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমে ভয়েস কল ও ডাটা সার্ভিসের জন্য একই সময়ে উভয় দিকের যোগাযোগ প্রয়োজন, তাই ফুল-ডুপ্লেক্স প্রযুক্তি কার্যকর এবং অতি গুরুত্বপূর্ণ।

- সঠিক উত্তর: খ) ফুল-ডুপ্লেক্স।
 
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. সিমপ্লেক্স মোড:

- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৪.
স্মার্টকার্ডে নিচের কোনটি বিদ্যমান?
  1. ক) চৌম্বক টেপ
  2. খ) চৌম্বক কোর
  3. গ) মাইক্রো প্রসেসর
  4. ঘ) র‍্যাম
সঠিক উত্তর:
গ) মাইক্রো প্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাইক্রো প্রসেসর
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার মাইক্রোচিপে থাকা প্রসেসরের ন্যায় স্মার্ট কার্ডে একটি বিশেষ এমবেডেড মাইক্রোপ্রসেসর রয়েছে। কার্ডে দৃশ্যমান স্বর্ন দিয়ে মুদ্রিত প্যাড থাকে যার নীচে মাইক্রোপ্রসেসর থাকে।

১৯৫.
GSM কোন ধরনের মাল্টিপল অ্যাক্সেস প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. OFDMA
  2. BDMA
  3. CDMA
  4. TDMA 
সঠিক উত্তর:
TDMA 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TDMA 
ব্যাখ্যা
• GSM (Global System for Mobile Communications) মূলত TDMA (Time Division Multiple Access) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। TDMA হল এমন একটি মাল্টিপল অ্যাক্সেস পদ্ধতি যেখানে একটির বেশি ব্যবহারকারী একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ভাগাভাগি করে, কিন্তু সময়ের নির্দিষ্ট স্লট অনুযায়ী আলাদা আলাদা কথা বলার সুযোগ পায়। অর্থাৎ, একটি ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেলকে ছোট ছোট সময় স্লটে ভাগ করা হয় এবং প্রতিটি ব্যবহারকারীকে নির্দিষ্ট সময় স্লট বরাদ্দ করা হয়। এর ফলে একই ফ্রিকোয়েন্সিতে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে ডেটা বা ভয়েস ট্রান্সমিশন করতে পারে, যার মাধ্যমে স্পেকট্রাম দক্ষতার সাথে ব্যবহার হয়। তাই GSM সিস্টেমে OFDMA বা CDMA এর পরিবর্তে TDMA প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। আর BDMA হচ্ছে - Big Data Management and Analytics.

• জিএসএম:
- জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (Global System for Mobile Communication-GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- জিএসএম প্রথম চালু হয় ফিনল্যান্ডে।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- GSM, TDMA ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হলো- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৬.
GSM এর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. কল খরচ কম
  2. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
  3. আলাদা কোড সহ ব্যান্ডউইথ বরাদ্দ করে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
• জিএসএম (GSM):
- GSM এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communications হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ব্যক্তি জিএসএম-এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারেন।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস)-এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএসএম পথিকৃৎ।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম-এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- এর সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
১. সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
২. সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
৩. অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
৪. ব্যান্ডউইথকে টাইম স্লটে ভাগ করে।
৫. কলের খরচ বেশী। 
৬. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়

• সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য: 
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৭.
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) আইবিএম
  3. গ) অ্যাপল
  4. ঘ) গুগল
সঠিক উত্তর:
ঘ) গুগল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গুগল
ব্যাখ্যা
- স্মার্টফোনে যে সকল অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত হয় তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল: 
- গুগলের অ্যান্ড্রয়েড
- অ্যাপলের আইওএস (iOS)
- রিমের ব্ল্যাকবেরি
- মাইক্রোসফট উইন্ডোজ
- নকিয়ার সিম্বিয়ান (Symbian) ও
- স্যামসাংয়ের বাডা ।
১৯৮.
4G বা চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. ক) AMPS (Advanced Mobile Phone Service)
  2. খ) HSPA (High Speed Package Access)
  3. গ) RAT (Radio Access Technology)
  4. ঘ) LTE (Long Term Evolution)
সঠিক উত্তর:
ঘ) LTE (Long Term Evolution)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) LTE (Long Term Evolution)
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ডঃ
1G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-AMPS
2G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-GSM, CDMA
3G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-HSPA,WCDMA, UTMS, 3GPP
4G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড- WiMAX 2, LTE
5G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-RAT, MIMO, 5G NR

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
১৯৯.
WiMAX এর ফ্রিকুয়েন্সি কত?
  1. 1.0 - 200 GHz
  2. 1.0 - 100 GHz
  3. 1.4 - 50 GHz
  4. 2.0 - 66 GHz
সঠিক উত্তর:
2.0 - 66 GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2.0 - 66 GHz
ব্যাখ্যা
• WiMax এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.0 - 66 GHz.

• WiMAX:
- উঁচু-নিচু পাহাড়ি অঞ্চল কিংবা দুর্গম এলাকা যেখানে ক্যাবল স্থাপন করা যায় না সেখানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দেবার জন্য ওয়াইম্যাক্স হলো সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি।
- WiMax এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMax এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMax এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- Metropolition Area Network (MAN) টাইপের নেটওয়ার্কে ওয়াইম্যাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়।
- ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক ব্যবহারের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়।
 
• WiMax এর প্রধান অংশ ২টি। যথা-
- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২০০.
LTE-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Long Term Evolution
  2. Local Telephone Exchange
  3. Limited Technology Extension
  4. Light Terminal Equipment
সঠিক উত্তর:
Long Term Evolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Long Term Evolution
ব্যাখ্যা

◉ LTE (Long Term Evolution) হলো 4G (Fourth Generation) মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ, যা উচ্চগতির ইন্টারনেট ও উন্নত যোগাযোগ পরিষেবা প্রদান করে।
এটি 3G নেটওয়ার্কের তুলনায় দ্রুততর ডাটা ট্রান্সফার স্পিড এবং নিম্ন ল্যাটেন্সি (Low Latency) নিশ্চিত করে।

LTE-এর বৈশিষ্ট্য:
- 4G নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে পরিচিত। 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- High-speed Data Transmission (ডাউনলোড স্পিড: 100 Mbps+, আপলোড: 50 Mbps+)।
- OFDM (Orthogonal Frequency-Division Multiplexing) প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- VoLTE (Voice over LTE) এর মাধ্যমে উন্নতমানের ভয়েস কল সেবা প্রদান করে।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IEEE Communications on 4G LTE.