বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

মোবাইল প্রযুক্তি ও এর বৈশিষ্ট্য

মোট প্রশ্ন৩০৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

মোবাইল প্রযুক্তি ও এর বৈশিষ্ট্য

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৩০৭

২০১.
বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
সঠিক উত্তর:
দুই ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ভাগে
ব্যাখ্যা
• সেলুলার বা মোবাইল ফোন প্রযুক্তি:
- মোবাইল ফোন বর্তমান বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম।
- ১৯৪০ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে সর্ব প্রথম মোবাইল ফোন চালু হয়।
- তার বিহীন দুটি ডিভাইেেসর মধ্যে ডাটা ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে সিস্টেম ব্যবহৃত হয় তাকে মোবাইল যোগাযোগ বলে।
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:

১. GSM:
- GSM হচ্ছে মূলত FDMA ও TDMA এর একটি সম্মিলিত চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS বলে।
- UMTS এর পূর্ণরূপ- Universal Mobile Telecommunication System।

২. CDMA:
- CDMA এর পূর্ণরূপ- Code Division Multiple Access।
- ট্রান্সমিশন পাওয়ার কম হওয়ায় রেডিয়েশন কম থাকে।
- অপেক্ষাকৃত ভালো মানের কল পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২০২.
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৯
  2. খ) ১৯৯৯
  3. গ) ১৯৯১
  4. ঘ) ১৯৯২
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯১
ব্যাখ্যা
১৯৯১ সালে GSM এর সুবিধা নিয়ে সর্বপ্রথম দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
২০৩.
অ্যাসেম্বলি কোন প্রজন্মের ভাষা?
  1. তৃতীয় প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. প্রথম প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের ভাষা: 
১) প্রথম প্রজন্মের ভাষা(১৯৪৫ - ১৯৫০): Machine Language বা যান্ত্রিক ভাষা। 
২) দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৫০ - ১৯৬০): Assembly language বা অ্যাসেম্বলি ভাষা। 
৩) তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৬০ - ১৯৭০): High level language বা উচ্চস্তরের ভাষা। C++, BASIC, PASCAL, FORTRAN, Java, C, Ruby, Perl. 
৪) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা(১৯৭০ - ১৯৮০): Very high level language বা অতি উচ্চস্তরের ভাষা। SQL, NOMAD, FOCUS. 
৫) পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০ - বর্তমান): Natural language বা স্বাভাবিক ভাষা। Prolog, OPSS, Mercury. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি। 
২০৪.
কোনটি CDMA প্রযুক্তির একটি মূল সুবিধা?
  1. উচ্চ মাত্রার ইন্টারফেরেন্স
  2. ব্যবহারকারীর সংখ্যা সীমিত
  3. স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার
  4. নিম্ন নিরাপত্তা
সঠিক উত্তর:
স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির মূল সুবিধাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার। এটি একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে একাধিক ব্যবহারকারীকে আলাদা কোড ব্যবহার করে তথ্য প্রেরণ করতে দেয়, ফলে ফ্রিকোয়েন্সি পুনঃব্যবহার এবং ব্যান্ডউইথের সর্বোত্তম ব্যবহার সম্ভব হয়। CDMA সিস্টেমে ব্যবহারকারীরা একে অপরের সিগন্যালকে “কোড” এর মাধ্যমে আলাদা করতে পারে, যা ইন্টারফেরেন্স কমায় এবং নেটওয়ার্কের ক্ষমতা বাড়ায়। অন্যদিকে, এটি উচ্চ নিরাপত্তা প্রদান করে এবং ব্যবহারকারীর সংখ্যা সীমিত করার মতো সমস্যা থাকে না। তাই স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার CDMA-এর অন্যতম প্রধান সুবিধা।

উত্তর: গ) স্পেকট্রামের কার্যকর ব্যবহার।

⚪ বর্তমানে মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-GSM এবং CDMA.
• GSM: 
- GSM হচ্ছে মূলত FDMA ও TDMA এর একটি সম্মিলিত চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS বলে।
- UMTS এর পূর্ণরূপ- Universal Mobile Telecommunication System.

• CDMA: 
- CDMA এর পূর্ণরূপ- Code Division Multiple Access.
- ট্রান্সমিশন পাওয়ার কম হওয়ায় রেডিয়েশন কম থাকে।
- অপেক্ষাকৃত ভালো মানের কল পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২০৫.
GSM কে কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম বলা হয়?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
GSM কে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম বলা হয়।

• জিএসএম:
- Global System for Mobile Communication (GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড প্রযুক্তি।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস) এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএমএস পথিকৃত।
- GSM, TDMA (Time division multiple access) ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হল- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কল কন্ট্রোল, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কল ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৬.
IEEE 802.15-এর সাথে সাধারণত কোন প্রযুক্তি সম্পর্কিত?
  1. Bluetooth
  2. Wi-Fi
  3. LTE
  4. Zigbee
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.15 সাধারণত Bluetooth প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড যা পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। Bluetooth ডিভাইসগুলোর মধ্যে ছোট দূরত্বে ওয়্যারলেস যোগাযোগ সম্ভব করে, যেমন ফোন, হেডফোন, ল্যাপটপ ইত্যাদির মধ্যে ডাটা ট্রান্সফার। অন্যদিকে, Wi-Fi (IEEE 802.11) বড় এরিয়ায় ওয়্যারলেস ইন্টারনেট কানেকশন দেয়। LTE মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর Zigbee (IEEE 802.15.4) কম পাওয়ার স্মল স্কেল নেটওয়ার্কের জন্য। তাই IEEE 802.15 এর মূল উদ্দেশ্য হলো Bluetooth-এর মাধ্যমে ছোট দূরত্বে ডিভাইসের মধ্যে দ্রুত এবং নিরাপদ ওয়্যারলেস যোগাযোগ নিশ্চিত করা।
সঠিক উত্তর: ক) Bluetooth.

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

• Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
• Wimax এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২০৭.
International Roaming শব্দটি কোনটির সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ক) মোবাইল
  2. খ) ব্যাংক
  3. গ) ভ্রমণ
  4. ঘ) পাসপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ক) মোবাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মোবাইল
ব্যাখ্যা

ইন্টারন্যাশনাল রোমিং সেবার মাধ্যমে একজন মোবাইল ব্যবহারকারী তার নিজ ভূখণ্ডের বাইরে থেকেও তার মোবাইল থেকে কল করতে ও রিসিভ করতে পারেন। শুধু তাই-ই নয়, এসময় তার মোবাইলে আসা এসএমএসও সরাসরি পৌঁছে যাবে তার ভিজিটিং নেটওয়ার্কে এবং একইভাবে তিনিও চাইলে এসএমএস করতে পারবেন যে কাউকে।
সুত্রঃ টেলিটক এর ওয়েবসাইট।

২০৮.
তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল ফোন প্রযুক্তি প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে কোথায় চালু হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক
  2. জাপানের টোকিও
  3. দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল
  4. যুক্তরাজ্যের লন্ডন
সঠিক উত্তর:
জাপানের টোকিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপানের টোকিও
ব্যাখ্যা

• ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে 3G মোবাইল ফোন প্রযুক্তি চালু হয়।

• তৃতীয় প্রজন্ম (3G): (২০০১–২০০৮).
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন অ-বাণিজ্যিকভাবে চালু করে।
- এটি মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত।
 
• ২G ও ৩G–এর প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য:
- দ্বিতীয় প্রজন্মে (2G) ডাটা ট্রান্সমিশনের জন্য সার্কিট সুইচিং ব্যবহৃত হতো।
- তৃতীয় প্রজন্মে (3G) সার্কিট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহৃত হয়।
 
• 3G প্রযুক্তির সংজ্ঞা ও অন্তর্ভুক্ত প্রযুক্তি:
- 3G (Third Generation) হলো এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি, যা আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সংস্থা ITU (International Telecommunication Union)–এর মান অনুযায়ী নির্ধারিত।
- 3G প্রযুক্তির আওতায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—
- GSM,
- EDGE,
- UMTS,
- CDMA 2000, ইত্যাদি।
 
• 3G প্রযুক্তিতে প্রদত্ত সেবাসমূহ:
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিম্নলিখিত সেবাগুলো প্রদান করা সম্ভব—
- DECT,
- WiMAX,
- Voice Call,
- Video Call, ইত্যাদি।
 
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- উচ্চগতিসম্পন্ন ডাটা পারাপার সুবিধা প্রদান করে।
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়।
- EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) প্রযুক্তি চালু হয়, যা উচ্চগতির ডাটা ট্রান্সফারে সহায়ক।
- ডাটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2 Mbps।
- ডাটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং—উভয় পদ্ধতি ব্যবহৃত হতে পারে।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০৯.
GSM এর ফ্রিকোয়েন্সী না কোনটি?
  1. ক) 400
  2. খ) 900
  3. গ) 1400
  4. ঘ) 1900
সঠিক উত্তর:
গ) 1400
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 1400
ব্যাখ্যা
GSM এ মূলত 400, 900, 1800, 1900 এই চারধরনের ফ্রিকোয়েন্সী ব্যবহৃত হয়৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
২১০.
বাণিজ্যিকভাবে বিশ্বের কোন দেশে সর্বপ্রথম 3G প্রযুক্তি চালু হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. তাইওয়ান
  3. জাপান
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
• 3G:
- ১ অক্টোবর ২০০১ জাপানের এনটিটি ডোকোমো টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান সর্বপ্রথম থ্রিজি বা তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি চালু করে।
- থ্রিজির সুবাদে ভিডিও কলিং বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 3G সেবা চালু করে টেলিটক।
- টেলিটক বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 5G চালু করে।
- ১২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক দেশের ছয়টি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে।
- বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু হয়েছে।

উৎস: বিবিসি নিউজ রিপোর্ট এবং Sciencedirect website.
২১১.
NFC-এর সর্বোচ্চ কার্যকর সীমা কত?
  1. ১ মিটার
  2. ১০০ মিটার
  3. ১০ মিটার
  4. ৪ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
৪ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
• NFC (Near Field Communication) প্রযুক্তির সর্বোচ্চ কার্যকর সীমা সাধারণত খুবই কম, যা প্রায় ৪ সেন্টিমিটার বা তার চেয়ে সামান্য বেশি। এটি একটি সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস যোগাযোগ পদ্ধতি, যা প্রধানত নিরাপদ ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন মোবাইল পেমেন্ট বা স্মার্ট কার্ড স্ক্যানিং। NFC ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সাধারণত খুব কাছাকাছি অবস্থানে হতে হয়, কারণ এর সংকেত সীমা বেশি দূরত্বে পৌঁছায় না। তাই দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৪ সেন্টিমিটার। এই সীমার কারণে NFC নিরাপদ ও দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করে।

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) geeksforgeeks [লিংক]
২১২.
মোবাইল ফোনের প্রথম প্রজন্মের সময়কাল কত?
  1. ক) ১৯৭৯-১৯৯০
  2. খ) ১৯৮০-১৯৮৯
  3. গ) ১৯৮৯-১৯৯৭
  4. ঘ) ১৯৯০-১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৯-১৯৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৯-১৯৯০
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের প্রথম প্রজন্মের সময়কাল হলো ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
২১৩.
স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালানোর জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্ল্যাটফর্ম কোনটি?
  1. Adobe Photoshop
  2. Arduino
  3. Excel
  4. iMovie
সঠিক উত্তর:
Arduino
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Arduino
ব্যাখ্যা

• স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্ল্যাটফর্ম হলো Arduino। এটি একটি ওপেন সোর্স ইলেকট্রনিক্স প্ল্যাটফর্ম যা সহজেই সেন্সর, মোটর, লাইট এবং অন্যান্য ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত করা যায়। ব্যবহারকারীরা প্রোগ্রামিং করে বিভিন্ন স্বয়ংক্রিয় কার্যক্রম যেমন আলো চালু/বন্ধ করা, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ বা নিরাপত্তা সিস্টেম পরিচালনা করতে পারেন। Arduino-এর সহজ ইন্টারফেস এবং কম খরচের হার এটিকে শিক্ষার্থী ও হোম অটোমেশন উভয়ের জন্য জনপ্রিয় করেছে। অন্যদিকে Adobe Photoshop, Excel, এবং iMovie মূলত গ্রাফিক্স, ডেটা বা ভিডিও সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাই স্মার্ট হোম অটোমেশনের সঙ্গে এগুলো সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
 
• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২১৪.
5G প্রযুক্তিতে MIMO বলতে কী বোঝায়?
  1. Multiple Input Multiple Output
  2. Multi Internet Mobile Option
  3. Mobile Interface Mode Operation
  4. Media Integrated Motion Output
সঠিক উত্তর:
Multiple Input Multiple Output
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Multiple Input Multiple Output
ব্যাখ্যা
পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...): 
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়‍্যারলেস ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple input and multiple output) অন্যতম। 
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও উপভোগ করা যায়। 
- যুগের সাথে আধুনিক জীবন ব্যবস্থার উৎকর্ষের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখে মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থার চরম এবং সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয় বিবেচনা করে বিশ্বসেরা মোবাইল ফোন কোম্পানি এবং অন্যান্য বেশ কটি প্রতিষ্ঠান এর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২১৫.
GPRS-এর ‘P’ এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Packet
  2. Protocol
  3. Position
  4. Phone
সঠিক উত্তর:
Packet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Packet
ব্যাখ্যা
• GPRS এর পূর্ণরূপ হলো General Packet Radio Service। এখানে ‘P’ মানে Packet. GPRS হলো একটি প্যাকেট-সুইচড মোবাইল ডাটা পরিষেবা।

• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. GSM (Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।

২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
২১৬.
মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত EDGE কী নির্দেশ করে?
  1. একটি ডেটা সংরক্ষণ প্রযুক্তি
  2. নেটওয়ার্ক সংযোগকারী ডিভাইস
  3. তৃতীয় প্রজন্মভিত্তিক মোবাইল ডেটা প্রযুক্তি
  4. উপরের কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্মভিত্তিক মোবাইল ডেটা প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্মভিত্তিক মোবাইল ডেটা প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

◉ EDGE এর পূর্ণরূপ হচ্ছে - Enhanced Data Rate For GSM Evolution.
- এটি একটি তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি।

মোবাইল ফোনে তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন অ- বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা ITU এর মতে) যাতে GSM, EDGE, UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা পারাপার।
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডাটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- ডাটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps.
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডাটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২১৭.
সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. মাইক্রোসফট
  2. আইবিএম
  3. অ্যাপল
  4. ইন্টেল
সঠিক উত্তর:
আইবিএম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইবিএম
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করে আইবিএম।

• স্মার্টফোন:
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন যা মোবাইল কম্পিউটিং প্লাটফর্মের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- বেলসাউথ প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে আনেন।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- স্মার্টফোন ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- স্মার্টফোনে ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।
- ব্ল্যাকবেরি স্মার্টফোনের প্রথম নির্মাতা হচ্ছে - BlackBerry Limited এবং Research In Motion.
- 'প্রিমো' স্মার্টফোনের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান - ওয়ালটন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২১৮.
কোন ফোনের মাধ্যমে স্মার্টফোন যাত্রা শুরু করে?
  1. এরিকসন
  2. ব্লাকবেরি
  3. নোকিয়া
  4. সাইমন
সঠিক উত্তর:
সাইমন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইমন
ব্যাখ্যা
- প্রযুক্তি কোম্পানী IBM বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে যার নাম ছিল সাইমন।
- 16 আগস্ট, 1994-এ জনসাধারণের কাছে বিক্রি হয়েছিল।
- এতে একটি টাচস্ক্রিন, ইমেইল ক্ষমতা, একটি ক্যালকুলেটর এবং একটি স্কেচ প্যাড সহ কয়েকটি অন্তর্নির্মিত অ্যাপ রয়েছে৷
- এটির কোড-নাম ছিল "অ্যাঙ্গলার" এবং ভেগাসের ফল কমডেক্স কনভেনশনে উন্মোচন করা হয়েছিল।
- ব্যাটারি একবার চার্জ করলে ১ ঘণ্টা চালানো যেত।
- বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ডিভাইসটি কেবলমাত্র 50,000 ইউনিট স্থানান্তরিত করতে ছয় মাস ব্যয় করেছে।

উৎস:
১. Time megazine.
২. World Economic Forum.
২১৯.
৫জি সিগন্যাল ট্রান্সমিশনের জন্য কোন ধরনের অ্যান্টেনা ব্যবহার করা হয়?
  1. Omni-directional
  2. MIMO
  3. Yagi
  4. Dipole
সঠিক উত্তর:
MIMO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MIMO
ব্যাখ্যা

৫জি সিগন্যাল ট্রান্সমিশনের জন্য MIMO (মাল্টিপল-ইনপুট মাল্টিপল-আউটপুট) অ্যান্টেনা ব্যবহার করা হয়।

৫জি: 
- ৫জি হলো পঞ্চম প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি। 
- ২০১৯ সালে চালু হওয়া এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত এই প্রযুক্তি দ্রুততর কানেক্টিভিটি, উচ্চতর ব্যান্ডউইথ এবং “নিম্ন ল্যাটেন্সি” (অর্থাৎ অপেক্ষার সময় অনেক কম) প্রদান করে। 
- এর ফলে ফোন কল, স্ট্রিমিং, ভিডিও কনফারেন্সিং, গেমিং এবং ব্যবসায়িক অ্যাপ্লিকেশনগুলোর কর্মক্ষমতা অনেক উন্নত হয়, পাশাপাশি সংযুক্ত সিস্টেম ও মোবাইল অ্যাপের প্রতিক্রিয়াশীলতাও বৃদ্ধি পায়। 
- ৫জি স্মার্টফোনের ডাউনলোড গতি দ্বিগুণ করতে সক্ষম এবং ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) সংযুক্ত যন্ত্রপাতির জন্য পারফরম্যান্স অনেক বেশি উন্নত করে।
- ৫জি প্রযুক্তি উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং (ML), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটির (AR) ডেটা প্রক্রিয়াকরণকে উন্নত করে, যা পারফরম্যান্স এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা দুটোই বৃদ্ধি করে। 
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমের কাজেও সহায়তা করে। 
- ৫জি “ওপেনরোমিং” প্রযুক্তিও সমর্থন করে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী চলাচলের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেলুলার নেটওয়ার্ক থেকে ওয়াই-ফাইতে অথবা ওয়াই-ফাই থেকে সেলুলারে কোনো বিরতি ছাড়াই ও পাসওয়ার্ড ছাড়াই পরিবর্তন করতে পারে। 
 - ৫জি সিগন্যাল ট্রান্সমিশনের জন্য টেলিকম কোম্পানিগুলো একটি ভিন্ন ধরনের অ্যান্টেনা ব্যবহার করে, যাকে MIMO (মাল্টিপল-ইনপুট মাল্টিপল-আউটপুট) বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২২০.
টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক কে?
  1. স্টিভ জবস্‌
  2. টিম বার্নারস লি
  3. মার্শাল ম্যাকলুহান
  4. ফেড্রিক এঙ্গেলবার্গার
সঠিক উত্তর:
স্টিভ জবস্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিভ জবস্‌
ব্যাখ্যা
• টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্‌।

• টাচস্ক্রিন:

- টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবিষ্কারক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট।
- ১৯৬৫ সালে E.A. Johnson সর্বপ্রথম টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি বর্ণনা করেন।
- ১৯৬০ এর দশকে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ১৯৭১ সালে ড. হার্স্ট প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।
- পরবর্তীতে তিনি ১৯৭৫ সালে সফল ও কার্যকর টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন যা ১৯৮২ সালে প্রকাশ্যে আসে।
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্‌।
- তিনি ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- অ্যাপল পরবর্তীতে টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি, স্মার্ট ফোন ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- বিশ্বের প্রথম স্মার্ট ফোন মোবাইল - Simon যা ১৯৯৪ সালে IBM বাজারজাত করে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- বিশ্বগ্রাম এর প্রবক্তা - মার্শাল ম্যাকলুহান।
- রোবটিক্সের জনক - ফেড্রিক এঙ্গেলবার্গার।
- WWW এর জনক - টিম বার্নারস লি।

উৎস: WEF ওয়েবসাইট ও elprocus ওয়েবসাইট।
২২১.
নিচের কোন Abbreviation-টি ভুল?
  1. GSM: Global System for Mobile Telecommunication
  2. FDMA: Frequency Division Multiple Access
  3. TDMA: Time Division Multiple Access
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
GSM: Global System for Mobile Telecommunication
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSM: Global System for Mobile Telecommunication
ব্যাখ্যা
• জিএসএম (GSM-Global System for Mobile communication):
- ১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Speciale Mobile (GSM)।
- এর পর নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM)।
- জিএসএম প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের (Third generation) ভার্সনকে Universal Mobile Telecommunication System (UMTS) দ্বারা প্রমিতকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক ও এয়ারটেল জিএসএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
- জিএসএম হচ্ছে FDMA (Frequency Division Multiple Access) এবং TDMA (Time Division Multiple Access) এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- FDMA এর সর্বমোট চ্যানেল সংখ্যা হচ্ছে ১২৪ এবং প্রতিটি চ্যানেল হচ্ছে ২০০ KHz।
- ৯৩৫-৯৬০ MHz আপলিংক (Uplink) এবং ৯৩৫-৯৬০ MHz ডাউনলিংক (Downlink) উভয়ের জন্যই ২৫ MHz বরাদ্দ থাকে।
- দ্বৈত পৃথকীকরণ (Duplex separation) হচ্ছে ৪৫ MHz।
- যদি ২০০ KHz চ্যানেলের মধ্যে TDMA ব্যবহৃত হয় তবে একটি ফ্রেমে (Frame) পরিণত হতে ৮ টাইম স্লট (Time Slot) দরকার।
- ফ্রেম সময়কাল হচ্ছে ৪.৬১৫ মিলিসেকেন্ড।
- জিএসএম সর্বপ্রথম মোবাইল রেডিও সিস্টেমের জন্য TDMA এর উন্নয়ন সাধন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২২২.
সাধারণ একটি IMEI নম্বরে কয়টি ডিজিট থাকে?
  1. 15
  2. 12
  3. 14
  4. 16
সঠিক উত্তর:
15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
15
ব্যাখ্যা
• সাধারণ একটি IMEI (International Mobile Equipment Identity) নম্বর ১৫ সংখ্যার হয়। এটি প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য একটি স্বতন্ত্র পরিচয় নম্বর হিসেবে কাজ করে। মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটররা এই নম্বর ব্যবহার করে ফোন সনাক্ত করতে পারে এবং হারানো বা চুরি হওয়া মোবাইল ব্লক করার জন্যও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। IMEI নম্বর মূলত চারটি অংশে বিভক্ত থাকে—TAC (Type Allocation Code), FAC (Final Assembly Code), SNR (Serial Number) এবং SP (Spare বা Check Digit)। এর মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ফোন কোথায় তৈরি হয়েছে এবং তার আসলত্ব যাচাই করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) 15.

• IMEI:
- IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য ১৫ ডিজিটের নম্বর যা মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মোবাইল ডিভাইসের সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যারের সাথে সম্পর্কিত, এবং এটি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের জন্য এককভাবে নির্ধারিত থাকে।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের ট্র্যাকিং এবং চুরির পরেও ফোন শনাক্ত করা সম্ভব।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- IMEI নম্বরটি ফোনের সেটিংস এ অথবা ফোনের ব্যাটারি এর নিচে (কিছু ডিভাইসে) মুদ্রিত থাকে।
- IMEI নম্বরটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে, মোবাইল ফোনের অপারেটর বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফোন ব্লক করা যেতে পারে, যার ফলে ফোনটি ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
- IMEI নম্বর সাধারণত সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে একটি ডিভাইসের উৎপাদন দেশ, কোম্পানি এবং মডেল সম্পর্কিত তথ্যও পাওয়া যায়।
- IMEI নম্বরটি ফোনের নিরাপত্তা এবং মালিকানার প্রমাণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
- IMEI পরিবর্তন বা তাতে কোনো ধরনের ম্যানিপুলেশন অবৈধ এবং আইনত দণ্ডনীয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের চুরি ঠেকানো এবং সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২২৩.
রেডিও সিগন্যাল হিসেবে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি হতে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) দ্বিতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক হতে রেডিও সিগন্যাল হিসেবে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য :
১. রেডিও সিগন্যাল হিসেবে ডিজিটাল সিস্টেমের ব্যবহার।
২. GSM (Global System for Mobile Communication) ও CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির ব্যবহার।
৩. সীমিত আকারে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৪. GSM পদ্ধতিতে ডেটা ও ভয়েস প্রেরণ করা সম্ভব হয়। 
৫. মোবাইল ডেটা স্থানান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচ নেটওয়ার্ক এবং ভয়েস কল স্থানান্তরের জন্য কোর সুইচ নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। 
৬. এ প্রজন্ম থেকেই প্রিপেইড সিস্টেম চালু হয়।
৭. SMS, MMS এবং ভয়েস মেইল ব্যবহারের সুবিধা।
৮. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন।
৯. সমসাময়িক অন্যান্য সকল ফোনের চেয়ে আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২২৪.
প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওর্য়াকের ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল থেকে?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯-বর্তমান সময় পর্যন্ত)
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওর্য়াকের ব্যবহার। ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে। এটি 2G ও 3G এর চেয়ে অধিক উন্নত প্রযুক্তি।
চতুর্থ প্রজন্মের (4G) উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMax, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান

২২৫.
5G মোবাইল প্রযুক্তি কখন চালু হয়েছিল?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা

২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।

5G প্রযুক্তি:
- ২০১৯ সালে 5G মোবাইল প্রযুক্তি চালু হয়েছিল।
- 5G মোবাইল নেটওয়ার্ককে আরও দ্রুত, উচ্চ ব্যান্ডউইথ ও কম ল্যাটেন্সি প্রদান করে, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের কর্মক্ষমতা উন্নত করে।
- এটি স্মার্টফোনের ডাউনলোড স্পিড দ্বিগুণ করতে পারে এবং IoT ডিভাইসের কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।
- 5G উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং, AI, VR, AR-এর জন্য ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমকেও সমর্থন করে।
- 5G উন্নত IoT ফাংশনালিটি সমর্থন করে, যেমন উন্নত স্মার্ট হোম প্রযুক্তি, স্মার্ট মেডিকেল ডিভাইস এবং উন্নত রিটেইল অভিজ্ঞতা।
- শহর পরিকল্পনায় ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের জন্য AI ক্যামেরা ব্যবহার করা যায়।
- কৃষকরা দূর থেকে পানি ও মাটি পর্যবেক্ষণ করতে পারে, এবং স্থপতি ও প্রকৌশলী AR ব্যবহার করে নির্মাণ স্থান সম্পর্কে তথ্য সহজে দেখতে এবং অবদান রাখতে পারে।

5G-এর প্রধান তিনটি ধরন:
- Low-band,
- Mid-band,
- High-band।
- টেলিকম কোম্পানি MIMO অ্যান্টেনা ও স্মল সেল ব্যবহার করে সিগন্যাল প্রেরণ করে।
- 5G নেটওয়ার্ক ক্লাউড-ভিত্তিক ডেটা সংরক্ষণে নির্ভরশীল, তাই এটি ডেটা ক্ষতি, সাইবার আক্রমণ ও চুরির ঝুঁকিতে থাকে।

সোর্স: ব্রিটানিকা। 

২২৬.
4G নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ ডাটা ট্রান্সফার স্পিড কত?
  1. ক) 10 mbps
  2. খ) 25 mbps
  3. গ) 50 mbps
  4. ঘ) 100 mbps
সঠিক উত্তর:
ঘ) 100 mbps
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 100 mbps
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেমে আলট্রা-ব্রডব্যান্ড গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়। দ্রুত চলনশীল ডিভাইসের ক্ষেত্রে এর ডাটা ট্রান্সফার গতি 100 mbps এবং স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে 1 gbps.
২২৭.
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) LTE
  2. খ) HSPA
  3. গ) CDMA
  4. ঘ) TACS
সঠিক উত্তর:
খ) HSPA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) HSPA
ব্যাখ্যা
HSPA তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির একটি উদাহরণ।

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য-
১। ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভয়েস এবং ডেটা স্থানান্তরিত হয়।
২। ডেটা রূপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়। তবে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতির সাহায্যে খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান প্রদান করা যায়।
৩। মডেম সংযোজনের মাধ্যমে ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়।
৪। EDGE (Enhanced Date Rates For Global Evolution) পদ্ধতি কার্যকর হয়। ফলে অধিক পরিমাণ ডেটা স্থানান্তর সম্ভব হয়।
৫। ডেটা স্থানান্তর উচ্চগতি সম্পন্ন। ডেটারেট ২ এমবিপিএস এর অধিক।
৬। মোবাইল ব্যাংকিং, ইকমার্স, ভিডিও কনফারেন্সিং ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
৭।  সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো TD-SCDMA এবং TD-CDMA
৮। উচ্চ স্পেকট্রাম কর্মদক্ষতা।
৯। আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।  

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২২৮.
SMS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Short Message Service
  2. Short Mail Service
  3. Simple Message Service
  4. Simple Mail Service
সঠিক উত্তর:
Short Message Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Short Message Service
ব্যাখ্যা
- SMS – এর পূর্ণরূপ Short Message Service.
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন থেকে (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়।
 
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২২৯.
কোন প্রজন্মের মোবাইলে ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করা সম্ভব হয়?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) দ্বিতীয়
সঠিক উত্তর:
গ) চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩০.
মোবাইল ইন্টারনেটে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার হয় না?
  1. GPRS
  2. WAP
  3. EDGE
  4. DSL
সঠিক উত্তর:
DSL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DSL
ব্যাখ্যা

DSL (Digital Subscriber Line) হলো একটি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে স্থির (Fixed-line) ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। এটি মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয় না।

• মোবাইল ইন্টারনেট: 
- GPRS, EDEG, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন মোবাইল ফোনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
- এখন মোবাইল ফোনেই ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে উপযুক্ত হ্যান্ডসেট ব্যবহার করতে হয়। কারণ সকল ধরনের হ্যান্ডসেট ইন্টারনেট ব্যবহারে সক্ষম হয় না।
- এ ক্ষেত্রে খানিকটা উচু মানের হ্যান্ডসেট ও স্মার্টফোন ব্যাবহার করে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়।
- বর্তমানে বাজারে স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোন কিনতে পাওয়া যায়।

• মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা:
- সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায়।
- যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
- দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২৩১.
Which service was introduced on mobile phones during 2G?
  1. 3D video call
  2. Quantum Communication
  3. SMS and MMS
  4. Cloud storage
সঠিক উত্তর:
SMS and MMS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SMS and MMS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ)  SMS and MMS.

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

২৩২.
মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৪৫
  2. খ) ১৯৪০
  3. গ) ১৯৫৯
  4. ঘ) ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪০
ব্যাখ্যা
১৯৪০ সালে ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী ১ম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে।
২৩৩.
Gyroscopes play a crucial role in improving the accuracy of which mobile feature?
  1. Step counting in fitness apps.
  2. Fingerprint recognition.
  3. Touchscreen sensitivity.
  4. All of these.
সঠিক উত্তর:
Step counting in fitness apps.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Step counting in fitness apps.
ব্যাখ্যা
Gyroscope (জাইরোস্কোপ):
- জাইরোস্কোপ হচ্ছে একটি দ্রুত ঘূর্ণায়মান চাকা বা আলোর সঞ্চালনকারী রশ্মি ধারণকারী যন্ত্র যা কোন বস্তুর একটি নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে বিচ্যুতি শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- Gyroscope সাধারণত কোন কিছুর কৌণিক বেগ বা Angular Velocity মাপতে সাহায্য করে। 
- এটি পুরোনো আবিষ্কারে যেমন ব্যবহৃত হত তেমনিভাবে নিত্য নতুন আবিষ্কারেও ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, পুরোনো আবিষ্কারের ক্ষেত্রে সাইকেলের   চাকাগুলি জাইরোস্কোপ হিসাবে কাজ করে যা কৌণিক বেগের সাথে সম্পৃক্ত।
- বর্তমান আবিষ্কার সমূহের ক্ষেত্রে, গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র  তাদের আঘাত করার টার্গেট ট্র্যাক এবং গাইড করতে জাইরোস্কোপ ব্যবহার করা হয়।

মোবাইল প্রযুক্তি ও জায়রোস্কোপ:
- বর্তমানে, স্মার্ট ফোন গুলোতে Pedometer বা Step Count এর বিভিন্ন অ্যাপ পাওয়া যায় যা দিয়ে আমরা কী পরিমাণ হাঁটলাম বা কী পরিমাণ দৌড়ালাম তা জানা সম্ভব।
- এখানে, Step Count এর জন্য স্মার্ট ফোনগুলোতে Accelerometer sensor ব্যবহার করা হয়।
- আর Step Count- র Accuracy যাতে ঠিক থাকে এইজন্য Gyroscope sensor ব্যবহার করা হয়।
- আমরা হাঁটলে বা দৌড়ালে আমাদের কৌণিক বেগ Gyroscope sensor সহজেই পরিমাপ করতে পারে যা Step count- এর Accuracy-র জন্য দরকার।

অপশন আলোচনা:
ক) Step counting in fitness apps এর জন্য মোবাইলে Accelerometer sensor ব্যবহৃত হয়।
খ) Fingerprint recognition এর জন্য মোবাইলে Fingerprint sensor or Fingerprint scanner ব্যবহৃত হয়।
গ) Touchscreen sensitivity এর জন্য মোবাইলে Capacitive touch sensor ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১) ব্রিটানিকা।
২) Natural Center For Biotechnology Information
২৩৪.
Mobile Phone -এর কোনটি input device নয়?
  1. ক) Keypad
  2. খ) Touch Screen
  3. গ) Camera
  4. ঘ) Power Supply
সঠিক উত্তর:
ঘ) Power Supply
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Power Supply
ব্যাখ্যা
Mobile Phone এর input device হলো keypad, touchscreen, camera etc.
Power Supply মূলত output device.
২৩৫.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি কী ছিল?
  1. CDMA
  2. TDMA
  3. FDMA
  4. EDGE
সঠিক উত্তর:
FDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FDMA
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- এই প্রজন্মে এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
- সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো এফডিএমএ(Frequency Division Multiple Acces - FDMA)।
- সমসাময়িক কালের সাধারণ টেলিফোনের তুলনায় মোবাইল ফোনসমূহ আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা।
- সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সি তুলনামূলকভাবে কম।
- কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এতে মাইক্রোপ্রসেসর এবং সেমি কন্ডাক্টর প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- একই এলাকায় অন্য মোবাইল ট্রান্সমিটারের দ্বারা সৃষ্ট রেডিও ইন্টারফারেন্স নেই।
- উদাহরণ: এডভান্সড মোবাইল ফোন সিস্টেম (Advanced Mobile Phone System-AMPS), নর্ডিক মোবাইল টেলিফোন (Nordic Mobile Telephone), টোটাল একসেস কমিউনিকেশন সিস্টেম (Total Access Communication System-TACS) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩৬.
EDGE কোন মোবাইল প্রযুক্তির উন্নত সংস্করণ?
  1. GSM
  2. LTE
  3. CDMA
  4. Wi-Fi
সঠিক উত্তর:
GSM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSM
ব্যাখ্যা

• EDGE (Enhanced Data Rates for GSM Evolution) হলো GSM (Global System for Mobile Communications) প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। এটি মূলত 2.5G বা 2G-এর পরবর্তী ধাপে উন্নয়নের প্রতিনিধিত্ব করে। GSM প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে EDGE দ্রুতগতির ডেটা সেবা প্রদান করে, যা ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ইমেইল এবং মাল্টিমিডিয়া পরিষেবার জন্য সহায়ক। 

• EDGE:
- জিপিআরএস এর চাইতে উন্নত মোবাইল ফোন প্রযুক্তি হলো ইডিজিই।
- EDGE এর পুরো অর্থ হলো Enhanced Data rates for GSM Evolution।

• ইডিজিই এর বৈশিষ্ট্য (Features of EDGE):
১. এটি স্ট্যান্ডার্ড GPRS এর চাইতে চারগুণ বেশি ট্রাফিক বহন করতে পারে।
২. থ্রিডি নেটওয়ার্কের জন্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স ইউনিয়ন এর চাহিদাগুলো EDGE পূরণ করেছে।
৩. ৯টি মডুলেশন ও কোডিং স্কিম ব্যবহার করে।
৪. বড় আকারের চিপ ভেন্ডরদের দ্বারা GSM এবং WCDMA/HSPA উভয়টির জন্যই বর্তমানে EDGE সমর্থন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩৭.
স্মার্টফোনে NFC ব্যবহার করে কী করা যায়?
  1. দীর্ঘ-দূরত্ব ডেটা ট্রান্সফার
  2. কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট
  3. স্যাটেলাইট কল
  4. লং-রেঞ্জ ওয়াই-ফাই
সঠিক উত্তর:
কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট
ব্যাখ্যা

NFC (Near Field Communication) হলো একটি শর্ট-রেঞ্জ ওয়্যারলেস প্রযুক্তি (সাধারণত 4 সেমি-এর কম দূরত্বে কাজ করে)। এর মাধ্যমে স্মার্টফোন বা ডিভাইসের মধ্যে খুব কাছাকাছি অবস্থায় কন্ট্যাক্টলেস পেমেন্ট (Google Pay, Apple Pay ইত্যাদি) করা যায়। 

NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৩৮.
GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে কী বলা হয়?
  1. ক) CDMA
  2. খ) UMTS
  3. গ) 3G
  4. ঘ) HSPA
সঠিক উত্তর:
খ) UMTS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) UMTS
ব্যাখ্যা
GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS (Universal Mobile Telecommunication Syste) বলা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
২৩৯.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) মেশিন লার্নিং
  2. খ) এন এল পি
  3. গ) রোবটিক্স
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা


উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
২৪০.
মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত SIM- এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কী?
  1. ক) Subscriber Identity Module
  2. খ) Subscriber Identity Method
  3. গ) Subscriber Identification Mechanism
  4. ঘ) Subscriber Identification Management
সঠিক উত্তর:
ক) Subscriber Identity Module
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Subscriber Identity Module
ব্যাখ্যা
- 'SIM'- এর পূর্ণরূপ হলো Subscriber Identity Module
- গ্রাহকদেরকে জিএসএম মোবাইল ফোনের সার্ভিস প্রোভাইডার একটি সিম কার্ড সরবরাহ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২৪১.
মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক কত সালে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ক) ২০০২
  2. খ) ২০০৪
  3. গ) ২০০৬
  4. ঘ) ২০০৮
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৪
ব্যাখ্যা
টেলিটক একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধনকৃত টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল অপারেটর হিসেবে যাত্রা শুরু করে ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর। সূত্রঃ টেলিটক এর ওয়েবসাইট।
২৪২.
জিএসএম প্রথম চালু হয় কোন দেশে?
  1. ইংল্যান্ড
  2. আয়ারল্যান্ড
  3. ফিনল্যান্ড
  4. স্কটল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• জিএসএম:
- জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (Global System for Mobile Communication-GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- জিএসএম প্রথম চালু হয় ফিনল্যান্ডে।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- GSM, TDMA ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হলো- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৩.
মোবাইল ফোনে কোন Mood এ যোগাযোগ হয়?
  1. ক) Simplex
  2. খ) Full-Duplex
  3. গ) Half-Duplex
  4. ঘ) Duplex
সঠিক উত্তর:
খ) Full-Duplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Full-Duplex
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোনে Full-Duplex Mood এ যোগাযোগ হয়।
• ফুল-ডুপ্লেক্স মোড (Full-Duplex mode): যে পদ্ধতিতে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে প্রেরক ও প্রাপক উভয় দিক থেকে একই সময়ে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তাকে ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলে। 
- এক্ষেত্রে যে কোনো প্রান্ত একই সময়ে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণও করতে পারে।
- উদাহরণ: টেলিফোন, মোবাইল, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৪৪.
কোন মোবাইল প্রযুক্তি হতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) দ্বিতীয়
  4. ঘ) প্রথম 
সঠিক উত্তর:
খ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক হতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়। 

বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. ডেটা রূপান্তরের কাজে Packet Switching ও Circuit Switching উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়।
২. উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর। ব্যান্ডউইডথ ২ mbps এর অধিক।
৩. চ্যানেল একসেস TD-SCDMA, TD-CDMA পদ্ধতির।
৪. ব্যাপক আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা।
৫. ভিডিও কলের ব্যবহার শুরু।
৬. নেটওয়ার্কে GPRS ও EDGE পদ্ধতির ব্যবহার।
৭. মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনেই ইন্টারনেট ব্যবহার।
৮. মোবাইল ফোনেই ইন্টারনেট ব্রাউজিং, টিভি দেখা, গান শোনা প্রভৃতি করা যায়।  

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২৪৫.
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়? 
  1. ভিডিও কলিং
  2. আন্তর্জাতিক রোমিং
  3. ভয়েস কল নয়েজমুক্ত করা
  4. এসএমএস ও এমএমএস
সঠিক উত্তর:
ভিডিও কলিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিডিও কলিং
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের বিভিন্ন প্রজন্ম: 
- মোবাইল প্রযুক্তির বিকাশ বিভিন্ন ধাপে হয়েছে, যা মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে পরিচিত। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা সীমিত ছিল এবং দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে এগুলো কেবল নির্দিষ্ট এলাকায় ব্যবহৃত হতো। 
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। 
- বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোনের উৎপাদন শুরু করে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation)। 
- সময়ের সঙ্গে মোবাইল প্রযুক্তির উন্নয়ন পাঁচটি প্রজন্মে বিভক্ত হয়েছে। 

দ্বিতীয় প্রজন্ম (2G: 1991-2000): 
- 2G প্রযুক্তিতে অ্যানালগ ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন চালু হয়, তাই এটি ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক নামে পরিচিত। 
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্য GSM (Global System for Mobile Communication) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তি। 
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েসকে নয়েজমুক্ত করার পাশাপাশি এসএমএস (SMS), এমএমএস (MMS), প্রি-পেইড সিস্টেম ও ইন্টারনেট সেবা যুক্ত করা হয়। 
- মোবাইল ফোনের আকৃতি ও ওজন ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতে থাকে। 
- আন্তর্জাতিক রোমিং সিস্টেম চালু হয়, যার ফলে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা নিজ দেশের কভারেজের বাইরে গিয়েও পরিষেবা পেতে পারেন। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২৪৬.
IMEI-এর কোন অংশ দিয়ে নির্মাতা ও মডেল নির্ধারণ করা যায়?
  1. TAC (Type Allocation Code)
  2. SNR (Serial Number)
  3. CD (Check Digit)
  4. SIM code
সঠিক উত্তর:
TAC (Type Allocation Code)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TAC (Type Allocation Code)
ব্যাখ্যা

• IMEI-এর মাধ্যমে মোবাইলের নির্মাতা ও মডেল নির্ধারণ করা যায় TAC (Type Allocation Code) এর মাধ্যমে। IMEI হলো একটি ১৫ অঙ্কের ইউনিক নম্বর, যা প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য আলাদা। এর প্রথম ৮ অঙ্কের অংশকে TAC বলা হয়, যা নির্দিষ্ট ডিভাইসের মডেল ও নির্মাতাকে চিহ্নিত করে। পরবর্তী ৬ অঙ্ক SNR (Serial Number) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা নির্দিষ্ট ইউনিটকে আলাদা করে, এবং শেষের ১ অঙ্ক CD (Check Digit) হলো যাচাই সংখ্যার জন্য। তাই মোবাইলের মডেল বা কোম্পানি জানতে চাইলে IMEI-এর TAC অংশটি ব্যবহার করতে হয়, SIM কোড কোনোভাবেই IMEI বা ডিভাইসের মডেল নির্ধারণে সাহায্য করে না।

উত্তর: ক) TAC (Type Allocation Code).

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস:
- androidauthority. [link]
- GSMA. [link]

২৪৭.
মোবাইল ব্যাংকিং ও ই-কমার্স চালু হয় কোন প্রজন্মে?
  1. 1G
  2. 3G
  3. 4G
  4. 5G
সঠিক উত্তর:
3G
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3G
ব্যাখ্যা
3G এ মোবাইল ব্যাংকিং ও ই-কমার্স চালু হয়।

• তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা: ITU এর মতে) যাতে GSM EDGE UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২৪৮.
CDMA এর পূর্ণরূপ কী?
  1.  Channel Division Multiple Access 
  2. Code Division Multiple Access
  3. Central Data Mobile Access
  4. Code Direct Multiple Access
সঠিক উত্তর:
Code Division Multiple Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Code Division Multiple Access
ব্যাখ্যা

• CDMA এর পূর্ণরূপ হলো Code Division Multiple Access। এটি একটি ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে একাধিক ব্যবহারকারীকে একসাথে ডেটা ট্রান্সমিশন করার সুবিধা দেয়। CDMA সিস্টেমে প্রতিটি ব্যবহারকারীর ডেটা একটি অনন্য কোড দিয়ে এনকোড করা হয়, যা ট্রান্সমিশন সময় একে অপরের সাথে সংঘর্ষ কমায়। ফলে, একই চ্যানেল বা ফ্রিকোয়েন্সি একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে ব্যবহার করতে পারে, যা ব্যান্ডউইথের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে। এটি সাধারণত মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। CDMA প্রযুক্তির কারণে কলের গোপনীয়তা ও সিগন্যালের গুণগত মানও বৃদ্ধি পায়।

• বর্তমানে মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-GMS এবং CDMA

• GSM:
- GSM হচ্ছে মূলত FDMA ও TDMA এর একটি সম্মিলিত চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS বলে।
- UMTS এর পূর্ণরূপ- Universal Mobile Telecommunication System.

• CDMA:
- CDMA এর পূর্ণরূপ- Code Division Multiple Access.
- ট্রান্সমিশন পাওয়ার কম হওয়ায় রেডিয়েশন কম থাকে।
- অপেক্ষাকৃত ভালো মানের কল পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৪৯.
4G মোবাইল প্রযুক্তির একটি বিশেষ সুবিধা কোনটি?
  1. শুধুমাত্র ভয়েস কল সেবা
  2. সার্কিট সুইচিং নির্ভর ডাটা ট্রান্সমিশন
  3. সম্পূর্ণ IP-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক এবং উচ্চগতির ডাটা সেবা
  4. শুধুমাত্র টেক্সট মেসেজ আদান-প্রদান
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ IP-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক এবং উচ্চগতির ডাটা সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূর্ণ IP-ভিত্তিক নেটওয়ার্ক এবং উচ্চগতির ডাটা সেবা
ব্যাখ্যা

• 4G প্রযুক্তি IP-ভিত্তিক হওয়ায় দ্রুতগতির ইন্টারনেট ও মাল্টিমিডিয়া সেবা প্রদান করে।
 
• চতুর্থ প্রজন্ম (4G) (2009–বর্তমান):
- ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের (4G) মোবাইল ফোন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়।
- এটি 2G ও 3G প্রযুক্তির তুলনায় আরও উন্নত ও আধুনিক মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থা।
 
• 4G প্রযুক্তির মূল ধারণা ও নেটওয়ার্ক কাঠামো:
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—
- সার্কিট সুইচিংয়ের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP)–ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার।
- IP–ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহারের ফলে—
- LAN,
- WAN,
- VoIP,
- Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্রোটোকলভিত্তিক ভয়েস ও ডাটা ট্রান্সমিশন সম্ভব হয়।
 
• চতুর্থ প্রজন্মে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য প্রযুক্তিসমূহ:
- চতুর্থ প্রজন্মের (4G) মোবাইল প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগুলো হলো—
- WiMAX,
- Flash-OFDM (Orthogonal Frequency Division Multiple Access),
- 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project – Long Term Evolution)।
 
• চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- ডাটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 20 Mbps.
- উচ্চ গতির ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়।
- ত্রি-মাত্রিক (3D) ছবি প্রদর্শনের সুবিধা রয়েছে।
- USB পোর্টের মাধ্যমে সরাসরি কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
- ইন্টারনেট মডেম ও SIM কার্ড ব্যবহার করে সরাসরি কম্পিউটারে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা সম্ভব।
- উন্নত ওয়ারলেস ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫০.
Android OS এর স্বত্বাধিকার কোন প্রতিষ্ঠানের?
  1. মাইক্রোসফট
  2. অ্যাপল
  3. গুগল
  4. স্যামসাং
সঠিক উত্তর:
গুগল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুগল
ব্যাখ্যা
• Android OS (Operating System) হলো একটি ওপেন সোর্স মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, যা মূলত স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• Android OS প্রথমে Alphabet Inc.-এর অধীনস্থ ছিলো। 
- এরপর Google ২০০৫ সালে Android Inc. কোম্পানিকে অধিগ্রহণ করে এবং
- তখন থেকে Android OS এর স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান হলো গুগল।

অন্যদিকে,
• স্যামসাং:  তারা Android OS ব্যবহার করে, কিন্তু OS-এর মালিকানা তাদের কাছে নেই। 
• অ্যাপল: তারা iOS-এর মালিক। এটি Android-এর প্রতিযোগী হিসেবে বিবেচিত হয়। 
• মাইক্রোসফট:  তারা Windows OS-এর স্বত্বাধিকারী। 

তথ্যসূত্র:
- Android Authority. 
- Britannica. 
২৫১.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. GSM পদ্ধতি চালু
  2. IP ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার
  3. ডিজিটাল মডুলেশন ব্যবহার
  4. প্যাকেট সুইচিং ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
IP ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IP ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য:
- ২০১০ সালে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বাস্তবায়ন শুরু হয়।
-সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে IP ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহার শুরু হয়।
- 3G এর চেয়ে ৫০ গুণ গতি বৃদ্ধি পায়।
- স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে ডেটা ট্রান্সফার স্পীড ১ গিগাবিট/সেকেন্ড এবং চলনশীল ডিভাইসের ক্ষেত্রে ডেটা ট্রান্সফার স্পীড ১০০ মেগাবিট/সেকেন্ডে উন্নীত হয়।

অন্যদিকে,
• ডেটা রূপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহৃত হয় তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে।
• উন্নতমানের অডিও এর জন্য ডিজিটাল মডুলেশন ব্যবহার শুরু হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে।
• GSM পদ্ধতিতে ডেটা এবং ভয়েস প্রেরণ করা সম্ভব হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৫২.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোন LTE স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে?
  1. ৪র্থ প্রজন্ম
  2. ৩য় প্রজন্ম
  3. ২য় প্রজন্ম
  4. ১ম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
৪র্থ প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• ৪র্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন LTE স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে।

• চতুর্থ প্রজন্ম মোবাইল:
- ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
- 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- চতুর্থ প্রজন্মের (4G) উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMAX, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৩.
মোবাইল ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে কত সালে?
  1. ১৯৪০ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
- মোবাইল অর্থ ভ্রাম্যমান বা 'স্থানান্তরযোগ্য'।
- মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত ড. মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে প্রথম মোবাইল ফোনের উদ্ভাবকের মর্যাদা দেয়া হয়ে থাকে।
- তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে একটি প্রায় ১ কেজি ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন।
- মোবাইল ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে, ফোনটির নাম ছিল মোটোরোলা ডায়না টিএসি ৮০০০এক্স।
- টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবিষ্কারক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট।
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্।

উৎস:
১. দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২. CNN [লিঙ্ক]
২৫৪.
WAP এর পূর্ণরূপ হলো-
  1. Wireless Application Protocol
  2. Wireless Access Protocol
  3. Windows Access Protocol
  4. Windows Application Protocol
সঠিক উত্তর:
Wireless Application Protocol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wireless Application Protocol
ব্যাখ্যা
• GPRS এবং EDGE প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সিস্টেমই হলো মোবাইল ইন্টারনেট।
• মোবাইল ফোনে WAP প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হয়।
• WAP এর পূর্ণরূপ Wireless Application Protocol.
• মোবাইলে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য কোন প্রকার ক্যাবল বা মডেমের প্রয়োজন হয় না।
• WAP প্রযুক্তির কারণেই মোবাইল ফোনের সাহায্যে খুব দ্রুত ইন্টারনেট ব্রাউজিং, ই-মেইল আদান-প্রদান, ই-ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি কার্যাবলি সহজেই সম্পদান করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৫.
'Phablet' শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে কোন দুটি শব্দ থেকে?
  1. Pocket এবং Tablet
  2. Phone এবং Tablet
  3. Phone এবং Alphabet
  4. Palmtop এবং Tablet
সঠিক উত্তর:
Phone এবং Tablet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phone এবং Tablet
ব্যাখ্যা
ফ্যাবলেট (Phablet):
- ফ্যাবলেট হল ট্যাবলেট ও স্মার্টফোনের মাঝামাঝি এক ধরনের কম্পিউটিং বা মোবাইল ডিভাইস।
- যার স্ক্রিন সাইজ সাধারণত ৫ ইঞ্চি থেকে বড় কিন্তু ৭ ইঞ্চি থেকে ছোট।

• Phone এবং Tablet এর সংমিশ্রণে Phablet [Ph + ablet) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে। 

- Samsung এর Glaxy Note, HTC এর One ইত্যাদি জনপ্রিয় ফ্যাবলেটের উদাহরণ।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৫৬.
সেলুলার নেটওয়ার্কে প্রধানত কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. অপটিক্যাল ফাইবার
  2. রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি
  3. স্যাটেলাইট লেজার
  4. ইনফ্রারেড
সঠিক উত্তর:
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি
ব্যাখ্যা

সেলুলার নেটওয়ার্কে প্রধানত রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।

• সেলুলার নেটওয়ার্ক

- সেলুলার নেটওয়ার্কে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী ব্যবহার করা হয়। 
- সেলুলার রেডিও সিস্টেমে রেডিও সার্ভিসের সাথে ভূমি এলাকায় সিগন্যাল বা সংকেত সরবরাহ করা হয় যা নিয়মিত আকারের সেলে (Cell) বিভক্ত। 
- সেল ষড়ভূজাকার, বর্গাকার, বৃত্তাকার বা অন্য কোন অনিয়মিত আকারের হতে পারে, যদিও ষড়ভূজাকারই প্রথাগত বা প্রচলিত। 
- প্রত্যেক সেলের জন্য বহু সংখ্যক ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ রয়েছে যার সমতুল্য রেডিও বেস স্টেশন রয়েছে। 
- এই ফ্রিকোয়েন্সিসমূহের একটি শ্রেণি পুনরায় ব্যবহার করা যেতে পারে। 
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যাতে একই ফ্রিকোয়েন্সি প্রতিবেশী বা পাশাপাশি সেলে পুনঃব্যবহৃত না হয়। 
- সম্পূর্ণ ভিন্ন ট্রান্সমিশনের জন্য বিভিন্ন এলাকায় একই রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি পুনরায় ব্যবহার করা যেতে পারে। 
- যদি একটি মাত্র সাধারণ ট্রান্সমিটার থাকে তবে যে কোন প্রদেয় ফ্রিকোয়েন্সিতে কেবলমাত্র একটি ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা যেতে পারে। 
- একই ফ্রিকোয়েন্সি পুনরায় ব্যবহার করার ক্ষেত্রে একটি মানসম্পন্ন FDMA সিস্টেমে বিভিন্ন সেলের মধ্যে কমপক্ষে এক সেল বিরতি অবশ্যই থাকতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৫৭.
কোন প্রযুক্তির মোবাইল ফোনকে গ্রীন ফোন (Green Phone) বলা হয়?
  1. LTE প্রযুক্তি
  2. CDMA প্রযুক্তি
  3. GPRS প্রযুক্তি
  4. AMPS প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর:
CDMA প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CDMA প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় বলে একে গ্রীন ফোন বলা হয়।

• CDMA:
- CDMA এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Code Division Multiple Access.
- এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- CDMA সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হওয়ায় ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায়, তাই একে গ্রীন ফোন বলা হয়।

• সিডিএমএ এর বৈশিষ্ট্য:
- CDMA ডাটা আদান প্রদান করে Spread Spectrum পদ্ধতিতে।
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।
- বেতার তরঙ্গ ব্যান্ডকে কতগুলো কেরিয়ারে বিভক্ত করা হয় যা ১.২৫ মেগাহার্টজ প্রশস্ত।
- প্রত্যেক গ্রাহকের জন্য আলাদা কোড দেয়া হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

২৫৮.
মোবাইল ফোন ডেটা ট্রান্সমিশনে কোন ধরণের মোড ব্যবহার করে?
  1. সিমপ্লেক্স মোড
  2. হাফ ডুপ্লেক্স মোড
  3. ফুল ডুপ্লেক্স মোড
  4. ইউনিকাস্ট মোড
সঠিক উত্তর:
ফুল ডুপ্লেক্স মোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল ডুপ্লেক্স মোড
ব্যাখ্যা

• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা
১। সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ- রেডিও, টিভি।

২। হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- উদাহরণ-ওয়াকিটকি।

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স:
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে।
- উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫৯.
GSM, TDMA ব্যবহার করে মোবাইল ফোন কোন সার্ভিসটি দেয়া সম্ভব?
  1. কল ফরওয়ার্ডিং
  2. ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা
  3. এসএমএম
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• GSM এ মূলত চার ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়।
- এদেরকে GSM 400, GSM 900, GS 1800, GSM 1900 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

• জিএসএম:

- জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (Global System for Mobile Communication-GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- জিএসএম প্রথম চালু হয় ফিনল্যান্ডে।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- GSM, TDMA ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হলো- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬০.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি কী ছিল?
  1. EDGE
  2. CDMA
  3. FDMA
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
FDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FDMA
ব্যাখ্যা

• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোনে FDMA (Frequency Division Multiple Access) পদ্ধতি ব্যবহার করা হতো। 
- এই পদ্ধতিতে উপলব্ধ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডকে নির্দিষ্ট সংখ্যক সরু চ্যানেলে ভাগ করা হতো এবং প্রতিটি ব্যবহারকারীকে কথা বলার জন্য একটি নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ করা হতো।

• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- এই প্রজন্মে এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
- সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো এফডিএমএ(Frequency Division Multiple Access - FDMA)।
- সমসাময়িক কালের সাধারণ টেলিফোনের তুলনায় মোবাইল ফোনসমূহ আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা।
- সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সি তুলনামূলকভাবে কম।
- কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এতে মাইক্রোপ্রসেসর এবং সেমি কন্ডাক্টর প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- একই এলাকায় অন্য মোবাইল ট্রান্সমিটারের দ্বারা সৃষ্ট রেডিও ইন্টারফারেন্স নেই।
- উদাহরণ: এডভান্সড মোবাইল ফোন সিস্টেম (Advanced Mobile Phone System-AMPS), নর্ডিক মোবাইল টেলিফোন (Nordic Mobile Telephone), টোটাল একসেস কমিউনিকেশন সিস্টেম (Total Access Communication System-TACS) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৬১.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সেবা কোনটি?
  1. AMPS
  2. LTE
  3. HSPA
  4. EDGE
সঠিক উত্তর:
AMPS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AMPS
ব্যাখ্যা
WiMAX, LTE (Long Term Evolution) ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সেবা।
HSPA এগুলো ৩য় প্রজন্মের মোবাইল সেবা।
AMPS, TACS প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সেবা।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
২৬২.
৫জি মোবাইল প্রযুক্তির মূল বৈশিষ্ট্য হলো –
  1. বেশি ল্যাটেন্সি
  2. নিম্ন ল্যাটেন্সি
  3. কম ব্যান্ডউইথ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
নিম্ন ল্যাটেন্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্ন ল্যাটেন্সি
ব্যাখ্যা

৫জি প্রযুক্তির একটি মূল বৈশিষ্ট্য হলো নিম্ন ল্যাটেন্সি।

• ৫জি:
- ৫জি হলো পঞ্চম প্রজন্মের টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ২০১৯ সালে চালু হওয়া এবং বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত এই প্রযুক্তি দ্রুততর কানেক্টিভিটি, উচ্চতর ব্যান্ডউইথ এবং নিম্ন ল্যাটেন্সি (অর্থাৎ অপেক্ষার সময় অনেক কম) প্রদান করে।
- এর ফলে ফোন কল, স্ট্রিমিং, ভিডিও কনফারেন্সিং, গেমিং এবং ব্যবসায়িক অ্যাপ্লিকেশনগুলোর কর্মক্ষমতা অনেক উন্নত হয়, পাশাপাশি সংযুক্ত সিস্টেম ও মোবাইল অ্যাপের প্রতিক্রিয়াশীলতাও বৃদ্ধি পায়।
- ৫জি স্মার্টফোনের ডাউনলোড গতি দ্বিগুণ করতে সক্ষম এবং ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) সংযুক্ত যন্ত্রপাতির জন্য পারফরম্যান্স অনেক বেশি উন্নত করে।
- ৫জি প্রযুক্তি উন্নত ডিজিটাল অপারেশন যেমন মেশিন লার্নিং (ML), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটির (AR) ডেটা প্রক্রিয়াকরণকে উন্নত করে, যা পারফরম্যান্স এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা দুটোই বৃদ্ধি করে।
- এটি স্বয়ংক্রিয় যানবাহন, ড্রোন এবং অন্যান্য রোবোটিক সিস্টেমের কাজেও সহায়তা করে।
- ৫জি “ওপেনরোমিং” প্রযুক্তিও সমর্থন করে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী চলাচলের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেলুলার নেটওয়ার্ক থেকে ওয়াই-ফাইতে অথবা ওয়াই-ফাই থেকে সেলুলারে কোনো বিরতি ছাড়াই ও পাসওয়ার্ড ছাড়াই পরিবর্তন করতে পারে।
- ৫জি সিগন্যাল ট্রান্সমিশনের জন্য টেলিকম কোম্পানিগুলো একটি ভিন্ন ধরনের অ্যান্টেনা ব্যবহার করে, যাকে MIMO (মাল্টিপল-ইনপুট মাল্টিপল-আউটপুট) বলা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৬৩.
ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। 
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 - 1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991 - 2000):
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চালু হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001 - 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৬৪.
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯১
  2. খ) ১৯৯৯
  3. গ) ২০০১
  4. ঘ) ২০১০
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১
ব্যাখ্যা
১৯৯১ সালে GSM এর সুবিধা নিয়ে সর্বপ্রথম দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের যাত্রা শুরু হয়। ২০০১ সালে জাপানের NTT DoCoMo প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু করে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
২৬৫.
মোবাইল ইন্টারনেটে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার হয় না?
  1. DSL
  2. GPRS
  3. EDGE
  4. WAP
সঠিক উত্তর:
DSL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DSL
ব্যাখ্যা

◉ DSL (Digital Subscriber Line) হলো একটি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট প্রযুক্তি, যা টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে স্থির (Fixed-line) ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। এটি মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয় না।

মোবাইল ইন্টারনেট: 
- GPRS, EDEG, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন মোবাইল ফোনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
- এখন মোবাইল ফোনেই ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে উপযুক্ত হ্যান্ডসেট ব্যবহার করতে হয়। কারণ সকল ধরনের হ্যান্ডসেট ইন্টারনেট ব্যবহারে সক্ষম হয় না।
- এ ক্ষেত্রে খানিকটা উচু মানের হ্যান্ডসেট ও স্মার্টফোন ব্যাবহার করে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়।
- বর্তমানে বাজারে স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোন কিনতে পাওয়া যায়।

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা
- সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায়।
- যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
- দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২৬৬.
টেক জায়ান্ট হুয়াওয়েই (Huawei) কর্তৃক উদ্ভাবিত অপারেটিং সিস্টেমের নাম কী?
  1. ক) iOS
  2. খ) Symbian
  3. গ) Android
  4. ঘ) HarmonyOS
সঠিক উত্তর:
ঘ) HarmonyOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) HarmonyOS
ব্যাখ্যা
iOS: আইফোনে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে iOS. এর উদ্ভাবক হচ্ছে অ্যাপল।
Android: বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে Android। বর্তমানে এটি গুগলের মালিকাধীন।
Symbian: মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, বর্তমানে এর প্রচলন কম।
HarmonyOS: যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক চায়নিজ টেক জায়ান্ট হুয়াওয়েই (Huawei) ব্যান করার পর হুয়াওয়েই তাদের স্মার্টোফোনে গুগলের এন্ড্রয়েড  অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারছে না। ফলশ্রুতিতে  হুয়াওয়েই HarmonyOS নামক মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করে।
২৬৭.
Android অপারেটিং সিস্টেম কী ধরনের প্লাটফর্ম?
  1. ক) ক্লাউড সাের্স
  2. খ) ওপেন সাের্স
  3. গ) উভয় ধরনের
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) ওপেন সাের্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওপেন সাের্স
ব্যাখ্যা
Android - হলো স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- Open Handset Alliance - এ অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করে এবং পরে গুগল এটি কিনে নেয়।
- এটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার।
অপশনের অন্যান্যগুলো ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম নয়।
২৬৮.
সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং-এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নির্ভর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে?
  1. তৃতীয় প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. পঞ্চম প্রজন্ম
  4. দ্বিতীয় প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন (4th Generation-4G: 2009-2020):
- ভালো মানের থ্রিজি কভারেজের অভাব থেকেই শুরু হয় চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা।
- ইন্টারনেট নির্ভর মোবাইল ফোন সিস্টেমে আল্ট্রা-ব্রডব্যান্ড গতির ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাচ্ছে।
- দ্রুত চলনশীল ডিভাইসে ডেটা স্থানান্তর গতি 100 Mbps, ত্রিমাত্রিক এবং স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে 1 Gibps পর্যন্ত হতে পারে।
- 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- 4G প্রযুক্তির গতি 3G এর চেয়ে 50 গুণ বেশি।
- মোবাইল ওয়েব অ্যাকসেস, ভিডিও কনফারেন্সিং, আই.পি টেলিফোন, থ্রিডি টিভি, হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, গেমিং সার্ভিসেস ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়। উদাহরণ: WiMAX2.

• চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
১. এ প্রজন্মে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং-এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) নির্ভর নেটওয়ার্ক ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট বেশি।
৩. 4G এর গতি 3G এর চেয়ে প্রায় ৫০ গুণ বেশি।
৪. উচ্চগতির ফ্রিকোয়েন্সি এবং ত্রি-মাত্রিক ছবি প্রদর্শনের ব্যবস্থা।
৫. বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে পরিবর্তনের সময় নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ।
৬. উন্নতমানের মোবাইল টেলিভিশন দেখার উপযোগী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
২৬৯.
ইন্টারনেট মডেম ও সিম কার্ড ব্যবহার করে সরাসরি কম্পিউটারে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করার সুযোগ তৈরি হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে?
  1. চতুর্থ প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. প্রথম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- ডেটা রূপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়। তবে প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতির সাহায্যে খুব দ্রুত ছবি ও ভয়েস আদান প্রদান করা যায়।
- মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।
- EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) পদ্ধতি কার্যকর হয়। ফলে অধিক পরিমাণ ডেটা স্থানান্তর সম্ভব হয়।
- ডেটা স্থানান্তর উচ্চগতি সম্পন্ন।
- ডেটা রেট ২ এমবিপিএস এর অধিক।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- এক্ষেত্রে GSM, EDGE, UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী W-CDMA বা UMTS স্ট্যান্ডার্ড।
- চ্যানেল অ্যাকসেস বা সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো TD-SCDMA এবং TD-CDMA .
- উচ্চ স্পেকট্রাম কর্মদক্ষতা।
- আর্ন্তজাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৭০.
GSM এর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. কলের খরচ বেশি
  2. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
  3. এর পূর্ণরূপ: Global System for Mobile Communications
  4. সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ২০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ২০০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ২০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• জিএসএম (GSM):
- GSM এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communications হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ব্যক্তি জিএসএম-এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারেন।

- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস)-এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএসএম পথিকৃৎ।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম-এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- এর সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
১. সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
২. সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
৩. অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
৪. ব্যান্ডউইথকে টাইম স্লটে ভাগ করে।
৫. কলের খরচ বেশি। 
৬. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।

• সিডিএম এর বৈশিষ্ট্য: 
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারির আয়ু বেশী।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭১.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক কোন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. সার্কিট সুইচিং
  2. ব্রডকাস্টিং সুইচিং
  3. ইন্টারনেট প্রোটোকল
  4. এনালগ প্রযুক্তি
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট প্রোটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট প্রোটোকল
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক ইন্টারনেট প্রোটোকল প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।

• চতুর্থ প্রজন্ম:
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- সার্কিট সুইচিং বা, প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- ফোর-জি প্রযুক্তি হচ্ছে মূলত আইপি-ভিত্তিক এক ধরনের নেটওয়ার্ক যা হাই মোবিলিটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট গতিসম্পন্ন এবং লো মোবিলিটির যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১ গিগাবাইট গতিসম্পন্ন হবে।
- ৫ থেকে ২০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ, কোনোও কোনোও ক্ষেত্রে ৪০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ ক্ষমতা সম্পন্ন।
- ফোর-জির মূল সুবিধা এই নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে হাই ডেফিনিশন টেলিভিশন ও ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা পাওয়া সম্ভব।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC ( NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২৭২.
4G এর সমার্থক প্রযুক্তির নাম কী?
  1. GSM
  2. EDGE
  3. WCDMA
  4. LTE
সঠিক উত্তর:
LTE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LTE
ব্যাখ্যা

• LTE (Long-Term Evolution) হচ্ছে 4G প্রযুক্তির বিকল্প নাম। এটি মূলত 4G নেটওয়ার্কের উন্নত সংস্করণ, যা উচ্চগতির ইন্টারনেট, ভয়েস ও ভিডিও কলিং সুবিধা প্রদান করে।

চতুর্থ প্রজন্ম মোবাইল:
- ২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
- 4G এর প্রযুক্তি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে।
- চতুর্থ প্রজন্মের (4G) উদ্ভাবিত প্রযুক্তির মধ্যে WiMAX, Flash-OFDM (Orthogonal frequency Division Multiple Access), 3GPP LTE (3rd Generation Partnership Project Long Term Evolution) ব্যবহৃত হচ্ছে।

LTE-এর বৈশিষ্ট্য:
- 4G নেটওয়ার্কের স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে পরিচিত। 
- High-speed Data Transmission (ডাউনলোড স্পিড: 100 Mbps+, আপলোড: 50 Mbps+)। 
- OFDM (Orthogonal Frequency-Division Multiplexing) প্রযুক্তি ব্যবহার করে। 
- VoLTE (Voice over LTE) এর মাধ্যমে উন্নতমানের ভয়েস কল সেবা প্রদান করে। 

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- WCDMA (Wideband Code Division Multiple Access) হলো 3G প্রযুক্তির একটি স্ট্যান্ডার্ড। 
- EDGE (Enhanced Data Rates for GSM Evolution) হলো 2.5G প্রযুক্তি। 
- GSM (Global System for Mobile Communications) একটি 2G প্রযুক্তি। 

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IEEE Communications on 4G LTE.

২৭৩.
GMS-১৯০০ কোন মোবাইল প্রজন্মের উদাহরণ?
  1. ক) প্রথম 
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
GMS-১৯০০ দ্বিতীয় মোবাইল প্রজন্মের উদাহরণ। 

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্য-
১। ভয়েসকে নয়েজ মুক্ত করা।
২। ডিজিটাল পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
৩। উন্নতমানের অডিও এর জন্য ডিজিটাল মডুলেশন ব্যবহৃত হয়।
৪। সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো FDMA, TDMA, CDMA,
৫। মোবাইল কমিউনিকেশনে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন।
৬। সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয়।
৭। সীমিতমাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২৭৪.
কোন প্রযুক্তি ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করে?
  1. PDMA
  2. FDMA
  3. TDMA
  4. HDMA
সঠিক উত্তর:
FDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FDMA
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ট্রান্সমিটার থেকে সিগনালসমূহকে পৃথক করার জন্য FDMA ( Frequency Division Multiple Access) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছিলো৷
TDMA, PDMA এ এক সেল থেকে অন্য সেলে সিগনাল আলাদা করা যায় না, কারণ অবস্থান পরিবর্তনের সাথে উভয়েরই ফলাফল পরিবর্তিত হয়৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
২৭৫.
মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মে SMS এবং MMS চালু হয়?
  1. 1G
  2. 3G
  3. 2G
  4. 4G
সঠিক উত্তর:
2G
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2G
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের ২য় প্রজন্মে SMS এবং MMS চালু হয়।

মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
-মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।

দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২৭৬.
Qualcomm বিখ্যাত কোনটির জন্য?
  1. ক) মোবাইল চিপ নির্মাণ
  2. খ) নেটওয়ার্কিং কোম্পানি
  3. গ) চতুর্থ প্রজন্মের কানেকশন সিস্টেম
  4. ঘ) পঞ্চম প্রজন্মের অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
ক) মোবাইল চিপ নির্মাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মোবাইল চিপ নির্মাণ
ব্যাখ্যা
Qualcomm বিখ্যাত স্মার্টফোনের সিপিইউ চিপ নির্মাণের জন্য।
source:Qualcomm
২৭৭.
নিচের কোনটি ৫ম প্রজন্মের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ড?
  1. ক) HSPA ( (High speed package Access)
  2. খ) MIMO (Multiple Input Multiple Output)
  3. গ) WCDMA (Wide band division multiple access)
  4. ঘ) UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)
সঠিক উত্তর:
খ) MIMO (Multiple Input Multiple Output)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) MIMO (Multiple Input Multiple Output)
ব্যাখ্যা
তৃতীয় প্রজন্মের মােবাইলফোনে ৪টি স্ট্যান্ডার্ড চালু আছে। যথাঃ
1. HSPA ( (High speed package Access)
2. WCDMA (Wide band division multiple access)
3, 3GPP (3rd Gen Partnership Project)
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System)
৫ম প্রজন্মের মােবাইলফোনে স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
২৭৮.
ISDN-এ H-চ্যানেলের উদ্দেশ্য কী?
  1. উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য
  2. সংকেত প্রেরণের জন্য
  3. শুধুমাত্র ভিডিও স্ট্রিমিং-এর জন্য
  4. শুধুমাত্র ভয়েস যোগাযোগের জন্য
সঠিক উত্তর:
উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য
ব্যাখ্যা
• ISDN-এ H-চ্যানেলের মূল উদ্দেশ্য হলো উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হওয়া। সাধারণত ISDN-এ B-চ্যানেল ভয়েস বা ডেটা বহন করে এবং D-চ্যানেল সিগন্যালিং ও কন্ট্রোলের কাজ করে। কিন্তু যখন অনেক বেশি ব্যান্ডউইথ বা দ্রুত ডেটা আদান-প্রদানের প্রয়োজন হয়, তখন H-চ্যানেল ব্যবহার করা হয়। H-চ্যানেল বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যায় যেমন H0 (384 kbps), H11 (1.536 Mbps) এবং H12 (1.920 Mbps)। এগুলো মূলত ভিডিও কনফারেন্সিং, মাল্টিমিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন বা বড় ডেটা ফাইল স্থানান্তরের মতো কাজে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো— ক) উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য।

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৯.
কোনটি IMEI-এর প্রধান ব্যবহার?
  1. ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধি করা
  2. ক্যামেরার গুণমান বাড়ানো
  3. ব্যাটারির আয়ু বৃদ্ধি করা
  4. হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা
সঠিক উত্তর:
হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা
ব্যাখ্যা

​• IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য একটি ইউনিক শনাক্তকরণ নম্বর। এর প্রধান ব্যবহার হলো হারানো বা চুরি হওয়া ফোন সনাক্ত ও ট্র্যাক করা। যখন ফোনটি নেটওয়ার্কে সংযোগ করে, তখন এই নম্বর ব্যবহার করে অপারেটর ফোনের অবস্থান চিহ্নিত করতে পারে এবং প্রয়োজনে নেটওয়ার্কে ফোনটি ব্লক করা যায়। এটি ব্যবহারকারীকে নিরাপত্তা দেয় এবং চুরি প্রতিরোধে সাহায্য করে। IMEI-এর কাজ ইন্টারনেটের গতি, ক্যামেরার গুণমান বা ব্যাটারির আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। তাই IMEI-এর মূল উদ্দেশ্য হলো হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা।

সঠিক উত্তর: ঘ) হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা। 

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২৮০.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. ক) মেশিন লার্নিং
  2. খ) রোবটিক্স
  3. গ) স্পিচ টু টেক্সট
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা


উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
২৮১.
হাতে ব্যবহার্য প্রথম মোবাইলের মডেল কী ছিলো?
  1. ক) Nokia 1110
  2. খ) Vodafone VM1
  3. গ) Motorola DynaTAC 8000X
  4. ঘ) Samsung SH-100
সঠিক উত্তর:
গ) Motorola DynaTAC 8000X
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Motorola DynaTAC 8000X
ব্যাখ্যা
The Motorola DynaTAC 8000X was the world's first truly portable commercial mobile phone, and cost $4,000 when it first went on sale in the US in 1983.
source: telegraph.co.uk
২৮২.
E-commerce সেবা সুবিধা চালু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইলে?
  1. ক) তৃতীয় প্রজন্ম
  2. খ) চতুর্থ প্রজন্ম
  3. গ) পঞ্চম প্রজন্ম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইলে E-commerce সেবা কার্যক্রম চালু হয়। 

তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন (3G): 
- ২০০১ সালে জাপানের NTT DoCoMo প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ৩য় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু।
- ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবস্থা চালু।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স, ভিডিও কনফারেন্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।
- EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) পদ্ধতি কার্যকর হয়।
- মডেমের ব্যবহার। 
- ডেটা রূপান্তরে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট পদ্ধতির ব্যবহার।  

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮৩.
বর্তমানে প্রথম শ্রেণির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনে কোন ধরনের মনিটর ব্যবহৃত হয়?
  1. LAD
  2. AMOLED
  3. CRT
  4. LCD
সঠিক উত্তর:
AMOLED
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AMOLED
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে প্রথম শ্রেণির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনে AMOLED ধরনের মনিটর ব্যবহৃত হয়। 

- টেলিভিশনের মতো দেখতে কম্পিউটার ব্যবস্থার অংশটিকে মনিটর বলা হয়। টিভি কার্ড ব্যবহার করে মনিটর দিয়ে টিভির ন্যায় টেলিভিশন স্টেশন থেকে সম্প্রচারিত অনুষ্ঠান দেখা যায়।
- মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১। সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
২ এলসিডি মনিটর (LCD Monitor)
৩। এলইডি মনিটর (LED Monitor) এবং
৪। এমোলেড মনিটর (AMOLED Monitor)

• এমোলেড মনিটর (AMOLED Monitor):
- AMOLED -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Active-Matrix Organic Light Emitting Diode.
- AMOLED হলো মোবাইল ফোন, টেলিভিশন এবং এ জাতীয় ডিসপ্লে এর জন্য একটি নতুন ডিসপ্লে প্রযুক্তি।
- বর্তমানে প্রথম শ্রেণির অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট ফোনে AMOLED ধরনের মনিটর ব্যবহৃত হয়। যেমন: LG Flex, Nexus, Samsung Galaxy S সিরিজ।
- AMOLED এর পারফরমেন্স LCD এর চেয়ে অনেকগুণ বেশি।
- AMOLED এর ডিসপ্লেতে মাত্র দুইটি লেয়ার থাকে। একটি হলো OLED (Organic Light Emitting Diode) লেয়ার যার মাধ্যমে লাইট নির্গত হয়, আর অপরটি হলো TFT (Thin-Film Transistor) সার্কিট দিয়ে তৈরি ব্যাকপ্লেন যা OLED এ বিদ্যুৎ সরবরাহ করে উজ্জ্বলতা নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২৮৪.
কোনটি ব্লুটুথ প্রযুক্তির নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য?  
  1. ক) ডেটা এনক্রিপশন
  2. খ) ওয়াই-ফাই ডাইরেক্ট
  3. গ) ইনফ্রারেড কমিউনিকেশন
  4. ঘ) এনএফসি
সঠিক উত্তর:
ক) ডেটা এনক্রিপশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডেটা এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Bluetooth এর স্টান্ডার্ড  IEEE 802.15
- Bluetooth 2.45GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- Bluetooth এ রেডিও তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়। 
- ব্লুটুথ প্রযুক্তির একটি নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য হলো ডেটা এনক্রিপশন। 


সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
২৮৫.
সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
  2. কলের খরচ কম।
  3. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।
  4. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।
সঠিক উত্তর:
রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।
ব্যাখ্যা

সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য -
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮৬.
কোন নাম্বারের মাধ্যমে মোবাইলের IMEI নাম্বার জানা সম্ভব?
  1. *#09#
  2. *#06#
  3. *#07#
  4. *#08#
সঠিক উত্তর:
*#06#
উত্তর
সঠিক উত্তর:
*#06#
ব্যাখ্যা
• নির্দিষ্ট মোবাইলের IMEI নাম্বার জানার জন্য সঠিক ডায়াল কোড হল খ) *#06#।
- এটি হলো একটি ইউনিভার্সাল কোড, যা মোবাইল ফোনের IMEI নাম্বার দ্রুত জানিয়ে দেয়। IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি ১৫ সংখ্যার ইউনিক কোড যা প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য আলাদা। এই কোডটি ফোনের পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি হারানো বা চুরি হয়ে যাওয়া ফোন ট্র্যাক করতে সাহায্য করতে পারে।

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৮৭.
What is 2G mobile system also known as?
  1. Analog cellular network
  2. Digital cellular network
  3. Satellite network
  4. Optical network
সঠিক উত্তর:
Digital cellular network
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Digital cellular network
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Digital cellular network

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
-মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

২৮৮.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি কী ছিল?
  1. CDMA
  2. GDMA
  3. FDMA
  4. TDMA
সঠিক উত্তর:
FDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FDMA
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো "FDMA".

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম, চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

• মোবাইল ফোনের প্রথম প্রজন্ম:

- প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন ১৯৭৩ সালে অ্যানালগ সিস্টেম ও পোর্টেবল ডিভাইসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।
- এ ফোন তৈরির পর থেকে মোবাইল কমিউনিকেশনে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হয়।
- ১৯৭৯ সালে এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) সেলুলার টেলিফোন উৎপাদন শুরু করে।
- ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকোতে সেলুলার টেলিফোনের কিছু কিছু ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮১ সালে NMT (Nordic Mobile Telephone) কর্তৃক ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধাসহ ১ম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের দ্বিতীয় যাত্রা শুরু করে।

• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
- এই প্রজন্মে এনালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
- সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো এফডিএমএ (Frequency Division Multiple Acces - FDMA)।
- সমসাময়িক কালের সাধারণ টেলিফোনের তুলনায় মোবাইল ফোনসমূহ আকারে ছোট এবং ওজনে হালকা।
- সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সি তুলনামূলকভাবে কম।
- কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- এতে মাইক্রোপ্রসেসর এবং সেমি কন্ডাক্টর প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- একই এলাকায় অন্য মোবাইল ট্রান্সমিটারের দ্বারা সৃষ্ট রেডিও ইন্টারফারেন্স নেই।
- উদাহরণ: এডভান্সড মোবাইল ফোন সিস্টেম (Advanced Mobile Phone System-AMPS), নর্ডিক মোবাইল টেলিফোন (Nordic Mobile Telephone), টোটাল একসেস কমিউনিকেশন সিস্টেম (Total Access Communication System-TACS) ইত্যাদির।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৯.
মোবাইল যোগাযোগে BS বলতে কী বোঝায়?
  1. Base System
  2. Base Station
  3. Binary Systam
  4. Binary station
সঠিক উত্তর:
Base Station
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Base Station
ব্যাখ্যা
• দুটি চলনশীল ডিভাইস অথবা একটি চলনশীল ও অন্যটি স্থির ডিভাইসের মধ্যে ডেটা ও তথ্য আদান প্রদান করার লক্ষ্যে ডিজাইনকৃত সিস্টেমকে মোবাইল টেলিফোন সিস্টেম বলে।
• চলনশীল ডিভাইসকে মোবাইল স্টেশন (Mobile Station বা MS) অথবা মোবাইল ইউনিট বা মোবাইল সেট এবং স্থির ডিভাইসকে Land unit বলা হয়।
• মোবাইল সেবা প্রদানকারী বা সার্ভিস প্রোভাইডার তার আওতাধীন এলাকাকে ছোট ছোট অংশে ভাগ করে।
• প্রতিটি ভাগকে একটি সেল (Cell) বলে। এই সেল থেকেই সেলুলার ফোন নামে মোবাইল ফোনের আরেকটি নামকরণ করা হয়েছে।
• একটি এ্যান্টেনা এবং একটি ছোট অফিস নিয়ে একটি সেল গঠিত হয়, এ্যান্টেনাসহ ছোট অফিসকে বলে বেস স্টেশন (Base Station বা BS)।
- প্রতিটি বেস স্টেশন কন্ট্রোল করা হয় মোবাইল সুইচিং সেন্টার দ্বারা যেখান থেকে কল সংযোগ, কল ইনফরমেশন রেকর্ডিং, বিলিং সিস্টেম কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৯০.
কোন সংস্থা বিশ্বব্যাপী IMEI নাম্বার নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. W3C
  2. GSM Association
  3. IETF
  4. ITU
সঠিক উত্তর:
GSM Association
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSM Association
ব্যাখ্যা
⚪ IMEI (International Mobile Equipment Identity) নম্বরগুলি বিশ্বব্যাপী নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হলো GSM Association।
- অতএব, সঠিক উত্তর হলো: GSM Association
- GSM Association (GSMA) হল একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা মোবাইল যোগাযোগের মান নির্ধারণ এবং মোবাইল ফোনের জন্য IMEI নম্বর বরাদ্দের দায়িত্বে থাকে।
- IMEI নম্বর মোবাইল ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য এবং পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।

⚪ IMEI: 
- IMEI এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের 3GPP মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৯১.
IMEI-র TAC অংশটি কোন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত হয়?
  1. ISO
  2. IEEE
  3. ITU
  4. GSMA
সঠিক উত্তর:
GSMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSMA
ব্যাখ্যা
• IMEI নম্বরের TAC (Type Allocation Code) অংশটি GSMA কর্তৃক নির্ধারিত হয়। GSMA হলো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা মোবাইল অপারেটর এবং নির্মাতাদের প্রতিনিধিত্ব করে। তারা নতুন মোবাইল ডিভাইসের জন্য ইউনিক TAC কোড বরাদ্দ করে, যা একটি ডিভাইসের মডেল ও উৎপাদনকারীর তথ্য নির্ধারণে সাহায্য করে। TAC কোড মোবাইল ডিভাইসের পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি IMEI নম্বরের প্রথম অংশ হিসেবে কাজ করে। ISO, IEEE, ও ITU বিভিন্ন প্রযুক্তি ও যোগাযোগ মান নির্ধারণের সঙ্গে জড়িত হলেও, IMEI-এর TAC বরাদ্দের দায়িত্ব GSMA-এর। তাই TAC বরাদ্দে GSMA-ই প্রধান কর্তৃপক্ষ।

• IMEI:
- IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য ১৫ ডিজিটের নম্বর যা মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মোবাইল ডিভাইসের সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যারের সাথে সম্পর্কিত, এবং এটি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের জন্য এককভাবে নির্ধারিত থাকে।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের ট্র্যাকিং এবং চুরির পরেও ফোন শনাক্ত করা সম্ভব।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।

- IMEI নম্বরটি ফোনের সেটিংস এ অথবা ফোনের ব্যাটারি এর নিচে (কিছু ডিভাইসে) মুদ্রিত থাকে।
- IMEI নম্বরটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে, মোবাইল ফোনের অপারেটর বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফোন ব্লক করা যেতে পারে, যার ফলে ফোনটি ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
- IMEI নম্বর সাধারণত সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে একটি ডিভাইসের উৎপাদন দেশ, কোম্পানি এবং মডেল সম্পর্কিত তথ্যও পাওয়া যায়।

- IMEI নম্বরটি ফোনের নিরাপত্তা এবং মালিকানার প্রমাণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
- IMEI পরিবর্তন বা তাতে কোনো ধরনের ম্যানিপুলেশন অবৈধ এবং আইনত দণ্ডনীয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের চুরি ঠেকানো এবং সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৯২.
প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে-
  1. NTTC
  2. Motorola
  3. TACS
  4. Nokia
সঠিক উত্তর:
NTTC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NTTC
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

•  মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা
- প্রথম প্রজন্ম,
- দ্বিতীয় প্রজন্ম,
- তৃতীয় প্রজন্ম,
- চতুর্থ প্রজন্ম এবং
- পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৯৩.
হারমনি অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) আইবিএম
  3. গ) হুয়াওয়ে
  4. ঘ) অ্যাপল
সঠিক উত্তর:
গ) হুয়াওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হুয়াওয়ে
ব্যাখ্যা
চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে উদ্ভাবিত নতুন অপারেটিং সিস্টেম হলো হারমনি। এটি ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট প্রথম অবমুক্ত করা হয়। এটি মাইক্রোকার্নেলের উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়। ইন্টারনেট অব থিংস বা সকল স্মার্ট ডিভাইসে এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার উপযোগী। (সূত্রঃ হুয়াওয়ে)
২৯৪.
কোন কম্পিউটার ডিভাইসটি সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স মোডের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. NIC
  2. Printer
  3. Monitor
  4. Mouse
সঠিক উত্তর:
NIC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NIC
ব্যাখ্যা

• ফুল ডুপ্লেক্স মোডে তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ একই সময়ে সম্ভব হয়, যা উচ্চ গতির নেটওয়ার্ক যোগাযোগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের সংযোগের জন্য সাধারণত NIC (Network Interface Card) ব্যবহার করা হয়। NIC কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক কার্ড, যা ডিভাইসটিকে LAN বা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করে এবং দুই দিকেই ডেটা আদান-প্রদানের সুবিধা দেয়। অন্যদিকে, Printer, Monitor বা Mouse সাধারণত এক দিকের তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এগুলো ফুল ডুপ্লেক্স সমর্থন করে না। তাই, দ্রুত ও সঠিক নেটওয়ার্ক যোগাযোগের জন্য NIC হল সবচেয়ে উপযুক্ত ডিভাইস, যা ফুল ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করতে সক্ষম।

উত্তর: ক) NIC.

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা - শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Microsoft [link]

২৯৫.
CDMA সিস্টেমে একাধিক ব্যবহারকারীকে কীভাবে পৃথক করা হয়?
  1. সময়ের স্লটে
  2. ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে
  3. ইউনিক কোডের মাধ্যমে
  4. ভৌগোলিক অবস্থানের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ইউনিক কোডের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিক কোডের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• CDMA (Code Division Multiple Access) সিস্টেমে একাধিক ব্যবহারকারীকে পৃথক করার জন্য ইউনিক কোড ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি ব্যবহারকারীর ডেটা একটি বিশেষ ক্রিপ্টোগ্রাফিক কোড দিয়ে সংকেতিত হয়, যা অন্যদের থেকে আলাদা। এই কোডের মাধ্যমে একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড এবং একই সময়ে একাধিক ব্যবহারকারী একসঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে, কারণ প্রত্যেক ব্যবহারকারীর সংকেত তাদের নির্দিষ্ট কোড দ্বারা পৃথক করা হয়। ফলে, CDMA সিস্টেমে ব্যবহারকারীরা একই ফ্রিকোয়েন্সি এবং একই সময় ভাগাভাগি না করে, ইউনিক কোডের মাধ্যমে আলাদা হয়। তাই CDMA-তে ব্যবহারকারী পৃথককরণ হয় গ) ইউনিক কোডের মাধ্যমে।

• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. GSM (Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।

২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
২৯৬.
5G এর প্রধান সীমাবদ্ধতা কী?
  1. সীমিত ব্যান্ডউইথ
  2. ছোট কভারেজ এলাকা
  3. ধীর ডেটা গতি
  4. কম সংযোগযোগ্যতা
সঠিক উত্তর:
ছোট কভারেজ এলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছোট কভারেজ এলাকা
ব্যাখ্যা

• 5G এর প্রধান সীমাবদ্ধতা হলো ছোট কভারেজ এলাকা, যা উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল ব্যবহার ও অবকাঠামোর খরচের কারণে হয়।
- 5G সাধারণত উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি (millimeter wave) ব্যবহার করে।
- উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল দূরত্বে কম শক্তি রাখে এবং দৃঢ় বাধা (দেওয়াল, ভবন) অতিক্রম করতে পারে না।
- তাই প্রতি সেল টাওয়ারের কভারেজ এলাকা ছোট হয়।
- ছোট কভারেজ এলাকায় সার্ভিস দিতে অধিক সংখ্যক টাওয়ার এবং বেস স্টেশন প্রয়োজন।
- ফলে স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বাড়ে।
- উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করলে সংযোগ স্থিতিশীল রাখতে হয়।
- শহর বা গ্রামীণ অঞ্চলে বাধার কারণে সিগন্যাল হ্রাস পেতে পারে।

• সুবিধাসমূহ:
- 5G নেটওয়ার্কে ডাউনলোড এবং আপলোডের গতি ১০ গিগাবিট/সেকেন্ড পর্যন্ত হতে পারে।
- এটি HD/4K ভিডিও স্ট্রিমিং, গেমিং এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উপযুক্ত।
- 5G এ ল্যাটেন্সি মাত্র ১ মিলিসেকেন্ড পর্যন্ত হতে পারে।
- রিয়েল-টাইম অ্যাপ্লিকেশন যেমন অটোনোমাস গাড়ি, রিমোট সার্জারি এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশন এর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- 5G নেটওয়ার্ক একসাথে মিলিয়ন ডিভাইস সংযোগ রাখতে সক্ষম।
- এটি IoT (Internet of Things) ডিভাইস, স্মার্ট সিটি এবং সেন্সর নেটওয়ার্কের জন্য উপযোগী।
- 5G উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে বেশি ডেটা স্থানান্তর করতে পারে।
- ব্যান্ডউইথের ব্যবহার আরও কার্যকরী হয়।
- বিশেষ করে জরুরি পরিষেবা এবং কৌশলগত অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উপযুক্ত।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

২৯৭.
জিএসএম এর পূর্ণরূপ কী ?
  1. General Signal Modulation
  2. Global Satellite Mobile
  3. General System for Messaging
  4. Global System for Mobile communications
সঠিক উত্তর:
Global System for Mobile communications
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Global System for Mobile communications
ব্যাখ্যা

• জিএসএম (GSM) এর পূর্ণরূপ হলো Global System for Mobile communications। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রযুক্তি যা মোবাইল ফোনে ভয়েস কল এবং ডেটা ট্রান্সমিশন পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। GSM প্রযুক্তি সেলুলার নেটওয়ার্ক ভিত্তিক, যেখানে এলাকা ভাগ করা হয় সেল বা সেল টাওয়ার হিসেবে। প্রতিটি সেলে নির্দিষ্ট ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কমিউনিকেশন করা হয়, যা একই সময়ে অনেক ব্যবহারকারীকে সেবা প্রদান করতে সক্ষম। GSM নেটওয়ার্ক নিরাপদ, এবং এটি সিম কার্ড ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষিত রাখে। এটি বিশ্বব্যাপী সর্বাধিক ব্যবহৃত মোবাইল কমিউনিকেশন স্ট্যান্ডার্ড। সঠিক উত্তর হলো ঘ) Global System for Mobile communications।

• জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- ইউরোপীয়ান দেশসমূহে রোমিং (Roaming) করা যায়। অন্যান্য অনেক দেশেই অর্থের বিনিময়ে এই সেবা পাওয়া যায়।
- সিম (SIM) কার্ডের সহজ ব্যবহার।
- ফ্রিকোয়েন্সি হপিং (Hopping) সুবিধা; কম ফ্রিকোয়েন্সীতে অসুবিধা হলে ফ্রিকুয়েন্সী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়।
- RA বক্সের মাধ্যমে ISDN এর সাথে সংযুক্ত হওয়া যায়।
- উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন।
- GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে। ট্রান্সমিশন পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- GSM এ মূলত চার ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়। এদেরকে GSM 400, GSM 900, GS 1800, GSM 1900 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৯৮.
IMEI নম্বরের প্রথম অংশ কী নির্দেশ করে?
  1. ম্যানুফেকচারিং কোড
  2. ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বর
  3. সফটওয়্যার সংস্করণ
  4. তৈরি হওয়ার তারিখ
সঠিক উত্তর:
ম্যানুফেকচারিং কোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যানুফেকচারিং কোড
ব্যাখ্যা
• IMEI নম্বরের প্রথম অংশ ম্যানুফেকচারিং কোড নির্দেশ করে। এটি সাধারণত TAC (Type Allocation Code) নামে পরিচিত, যা কোনো মোবাইল ডিভাইসের ব্র্যান্ড ও মডেল শনাক্ত করতে সাহায্য করে। TAC কোড ডিভাইসটি কোন কোম্পানি তৈরি করেছে এবং এটি কোন নির্দিষ্ট মডেলের অন্তর্গত, তা স্পষ্ট করে। এটি ডিভাইসের সিরিয়াল নম্বর, সফটওয়্যার সংস্করণ বা তৈরি হওয়ার তারিখ নির্দেশ করে না। তাই, IMEI নম্বরের প্রথম অংশ ম্যানুফেকচারিং কোড বা ব্র্যান্ড ও মডেলের তথ্য প্রকাশ করে, যা মোবাইল ফোন বা যেকোনো সেলুলার ডিভাইসের সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৯৯.
What technology was used in 2G mobile systems?
  1. Analog
  2. Satellite
  3. Digital
  4. Microwave
সঠিক উত্তর:
Digital
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Digital
ব্যাখ্যা
Digital technology was used in 2G mobile systems. 

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩০০.
ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইথ কে কয়ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
ক) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইথ ৩ কয়ভাগে ভাগ করা হয়
১. ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band)
২. ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band) ও
৩. ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)

ন্যারো ব্যান্ড: ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত 45 থেকে 300 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে । এ ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা Sub Voice Band বলে। ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।

ভয়েস ব্যান্ড: এই ব্যান্ডের ডাটা গতি 9600 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয় তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।

ব্রড ব্যান্ড: ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইড্থ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়