বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

মোবাইল প্রযুক্তি ও এর বৈশিষ্ট্য

মোট প্রশ্ন৩০৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

মোবাইল প্রযুক্তি ও এর বৈশিষ্ট্য

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৩০৭

.
GSM সিস্টেমে মাল্টিপল অ্যাক্সেসের জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. TDMA 
  2. CDMA
  3. BDMA
  4. OFDMA
সঠিক উত্তর:
TDMA 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TDMA 
ব্যাখ্যা

• GSM সিস্টেমে মাল্টিপল ব্যবহারকারীর জন্য TDMA (Time Division Multiple Access) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এই প্রযুক্তিতে একটি ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডকে সময় ভাগে ভাগ করা হয়, এবং প্রতিটি ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট সময় স্লটে যোগাযোগ করে। অর্থাৎ, এক ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেলে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে, কিন্তু তাদের সিগন্যালগুলি ভিন্ন সময়ে প্রেরিত হয়। এটি স্পেকট্রাম ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ায় এবং একসাথে অনেক ব্যবহারকারীকে সাপোর্ট দেয়। CDMA, BDMA বা OFDMA অন্যান্য সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু GSM-এর জন্য মূল প্রযুক্তি হলো TDMA, যা ২জি মোবাইল যোগাযোগের ভিত্তি হিসেবে পরিচিত।

- উত্তর: ক) TDMA.

• জিএসএম:
- জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (Global System for Mobile Communication-GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- জিএসএম প্রথম চালু হয় ফিনল্যান্ডে।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- GSM, TDMA ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হলো- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোনটি ৫ম প্রজন্মের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ড নয়?
  1. ক) 5G NR (New Radio Technology)
  2. খ) RAT (Radio Access technology)
  3. গ) MIMO (Multiple Input Multiple Output)
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
৫ম প্রজন্মের মােবাইলফোনে স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
.
GSM কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম?
  1. প্রথম প্রজন্ম (1G)
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম (2G)
  3. তৃতীয় প্রজন্ম (3G)
  4. চতুর্থ প্রজন্ম (4G)
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম (2G)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম (2G)
ব্যাখ্যা

• GSM–কে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
 
•  জিএসএম (GSM):
- জিএসএম (GSM)–এর পূর্ণরূপ হলো গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (Global System for Mobile Communication)।
- এটি মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- জিএসএমকে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
 
• জিএসএম নেটওয়ার্কের রোমিং সুবিধা:
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকায়,
- বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে জিএসএম নেটওয়ার্কের আওতায় থাকলে মোবাইল ফোন ব্যবহার করা সম্ভব।
 
• এসএমএস ও জিএসএমের ভূমিকা:
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (SMS) বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- এসএমএস সেবার জনপ্রিয়তার পেছনে জিএসএম প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
 
• জিএসএম–এ ব্যবহৃত প্রযুক্তি ও সেবা:
- জিএসএম প্রযুক্তিতে TDMA (Time Division Multiple Access) ব্যবহৃত হয়।
- জিএসএম–ভিত্তিক মোবাইল ফোন সেবার মধ্যে রয়েছে—
- এসএমএস,
- কল ফরওয়ার্ডিং,
- আউটগোয়িং কল নিয়ন্ত্রণ,
- ইনকামিং কল নিয়ন্ত্রণ,
- কল হোল্ডিং,
- কলার আইডি,
- কল ওয়েটিং,
- মাল্টিপার্টি সার্ভিস, ইত্যাদি।
 
• জিএসএমের বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম অগ্রণী।
- এটি একটি সেলুলার নেটওয়ার্ক, যেখানে নির্দিষ্ট এলাকায় মোবাইল ফোন জিএসএম নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- জিএসএম নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ কভারেজ দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ 2G GSM নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় 900 MHz বা 1800 MHz ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে।
- জিএসএম হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা সাধারণত ১ ওয়াট বা ২ ওয়াট।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
FOMA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Future-Oriented Mobile Application
  2. Freedom of Multimedia Access
  3. Fast Optical Media Access
  4. Flexible Online Multimedia Access
সঠিক উত্তর:
Freedom of Multimedia Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Freedom of Multimedia Access
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008):
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে।
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম।
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়। এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে।
- ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, FOMA (Freedom of Multimedia Access) ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রি-জি মোবাইল ফোন চালু হয়।
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)।

• মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়:
1. HSPA (High speed package Access),
2. WCDMA (Wide band code division multiple access),
3. 3GPP (3rd Generation Partnership Project )
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) I

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
কোথায় বাণিজ্যিকভাবে প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে?
  1. ক) দক্ষিণ আমেরিকা
  2. খ) ইউরোপ
  3. গ) উত্তর আমেরিকা
  4. ঘ) পূর্ব এশিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
১৯৮৩ সালে উত্তর আমেরিকায় বাণিজ্যিকভাবে প্রথম প্রজন্ম মোবাইল ফোন চালু করা হয় যার নাম ছিল AMPS. উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
কোন নাম্বার ডায়াল করার মাধ্যমে কোনো মোবাইলের IMEI নাম্বার জানা সম্ভব?
  1. *#06#
  2. *#08#
  3. *#04#
  4. *#05#
সঠিক উত্তর:
*#06#
উত্তর
সঠিক উত্তর:
*#06#
ব্যাখ্যা
• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোন LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন: 
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা ছিল খুবই কম; দুর্বল নেটওয়ার্কের দরুন সীমিত এলাকাভিত্তিতে ব্যবহার হতো। 
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে। 
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে। 
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। 
১। প্রথম প্রজন্ম (First Generation-1G: 1979-1990), 
২। দ্বিতীয় প্রজন্ম (Second Generation-2G: 1991-2000), 
৩। তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008), 
৪। চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation-4G: 2009-2020) এবং 
৫। পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation-5G: 2020-...). 

চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation-4G: 2009-2020): 
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য হলো সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার। 
- ফলে LAN, WAN, VoIP, Internet প্রভৃতি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্রটোকলভিত্তিক ভয়েস ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব হচ্ছে। 
- দ্রুত চলনশীল ডিভাইসের ক্ষেত্রে এই প্রযুক্তির ডেটা ট্রান্সফার রেট 100 Mbps, ত্রিমাত্রিক এবং স্থির ডিভাইসের ক্ষেত্রে 1 Gbps পর্যন্ত হতে পারে। 
- এটি LTE (Long Term Evolution) স্ট্যান্ডার্ডে কাজ করে থাকে। 
- মোবাইল ওয়েব অ্যাকসেস, আই.পি টেলিফোনিং, গেমিং সার্ভিসেস, হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টিভি ইত্যাদি ক্ষেত্রে 4G প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়। 
- এর গতি 3G'র চেয়ে 50 গুণ বেশি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
.
CDMA এর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) কল খরচ কম
  2. খ) রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
  3. গ) আলাদা কোড সহ ব্যান্ডউইথ বরাদ্দ করে
  4. ঘ) রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়
সঠিক উত্তর:
খ) রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
• সিডিএমএ (CDMA):
- সিডিএমএ এর পুরো অর্থ হলো Code Division Multiple Access.
- এটি একটি চ্যানেল অ্যাকসেস মেথড যা কিনা বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।

• সিডিএমএ এর বৈশিষ্ট্য:
- বিভিন্ন ধরনের রেডিও কমিউনিকেশন প্রযুক্তির দ্বারা বাস্তবায়িত হয়।
- এই প্রযুক্তিতে ভয়েস এবং ডেটা এ্যাপ্লিকেশনে অনেক ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়।
- এতে ২জি এবং থ্রিজি উভয় প্রযুক্তিই ব্যবহৃত হচ্ছে।
- বেতার তরঙ্গ ব্যান্ডকে কতগুলো কেরিয়ারে বিভক্ত করা হয় যা ১.২৫ মেগাহার্টজ প্রশস্ত।
- আলাদা কোড সহ ব্যান্ডউইথ বরাদ্দ করে।
- কলের খরচ কম।
- রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
NFC-এর প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্র হলো:
  1. ইথারনেট সংযোগ
  2. এইচডি ভিডিও সম্প্রচার
  3. ওয়্যারলেস পেমেন্ট
  4. লং-ডিস্ট্যান্স ওয়াই-ফাই
সঠিক উত্তর:
ওয়্যারলেস পেমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়্যারলেস পেমেন্ট
ব্যাখ্যা

• NFC বা Near Field Communication একটি সংক্ষিপ্ত-দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি যা ডিভাইসগুলোর মধ্যে মাত্র কয়েক সেন্টিমিটার দূরত্বে তথ্য আদান-প্রদানে সক্ষম। এর প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্র হলো ওয়্যারলেস পেমেন্ট। NFC প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা তাদের স্মার্টফোন বা NFC-enabled কার্ড দিয়ে দ্রুত এবং নিরাপদে পেমেন্ট করতে পারে। এই পদ্ধতিতে ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের তথ্য সরাসরি প্রেরণ করা হয় না, বরং এনক্রিপ্টেড টোকেন ব্যবহার করে লেনদেন সম্পন্ন হয়। এছাড়াও NFC ট্যাগ স্ক্যান, পরিচয় যাচাই, এবং ছোট ডেটা ট্রান্সফারেও ব্যবহৃত হয়। অন্য অপশন যেমন ইথারনেট সংযোগ, এইচডি ভিডিও সম্প্রচার বা লং-ডিস্ট্যান্স ওয়াই-ফাই NFC-র কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০.
IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে নিচের কোন প্রযুক্তি?
  1. Wi-Fi
  2. Bluetooth
  3. WiMAX
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bluetooth
ব্যাখ্যা
• IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে Bluetooth প্রযুক্তি Bluetooth.

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

• Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
• Wimax এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১.
কোন নেটওয়ার্ক আওতাধীন সব গ্রাহক ডেটা গ্রহণ করতে পারে?
  1. ক) ব্রডকাস্ট
  2. খ) মাল্টিকাস্ট
  3. গ) ইউনিকাস্ট
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রডকাস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রডকাস্ট
ব্যাখ্যা

ব্রডকাস্ট (Broadcast mode):
এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক আওতাধীন সব গ্রাহক ডেটা গ্রহণ করতে পারে। ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে। রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মোডের উদাহরণ।

মাল্টিকাস্ট (Multicast mode):
মাল্টিকাস্ট মোড অনেকটা ব্রডকাস্ট মোডের মতো হলেও এই মোডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমোদিত সদস্য গ্রহণ করতে পারে। মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্স-এ হয়ে থাকে। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে, চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাট ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

১২.
চ্যাট জিপিটির প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মার্ক জাকারবার্গ
  2. স্যাম অল্টম্যান
  3. বিল গেটস
  4. ল্যারিগেজ
সঠিক উত্তর:
স্যাম অল্টম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যাম অল্টম্যান
ব্যাখ্যা
চ্যাটজিপিটি:
- চ্যাটজিপিটি হলো কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot)।
- ChatGPT এর পূর্ণরূপ: Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।
- চ্যাটজিপিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম অল্টম্যান।

⇒ এটির রয়েছে আকর্ষণীয় কিছু বৈশিষ্ট্য। যেমন:
• কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে,
• সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে,
- টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে,
- এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে।
- সম্প্রতি বিশ্বের ৪টি দেশে চ্যাটজিপিটির অ্যান্ড্রয়েড ভার্সন চালু হয়েছে।
- দেশগুলো হলো: বাংলাদেশ, ব্রাজিল, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র।
- এই চার দেশের বাসিন্দাদের যে কেউ এখন থেকে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনে অ্যাপ ডাউনলোড করে ওপেনএআইয়ের এ সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

উৎস: i) https://www.openai.com.
         ii) ২৬ জুলাই, ২০২৩, সমকাল।
১৩.
মোবাইলে কোন প্রজন্ম হতে ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু হয়?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
খ) ২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২য়
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রজন্ম (Second Generation-2G):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।  
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়। 
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়। 
- দ্বিতীয় প্রজন্মে GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস চালু হয়।
- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয় দ্বিতীয় প্রজন্মে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
FOMA (Freedom of Multimedia Access) সুবিধা কোন প্রজন্মের ফোনে চালু হয়?
  1. ক) 2G
  2. খ) 3G
  3. গ) 4G
  4. ঘ) 5G
সঠিক উত্তর:
খ) 3G
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 3G
ব্যাখ্যা
ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মােবাইল ব্যাংকিং, FOMA (Freedom of Multimedia Access) ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রি-জি মােবাইল ফোন চালু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১৫.
কোন প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্ক হতে ইন্টারনেট প্রোটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার শুরু হয়?
  1. 5G
  2. 2G
  3. 4G
  4. 3G
সঠিক উত্তর:
4G
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4G
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্ম: 
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- সার্কিট সুইচিং বা, প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার। 
- ফোর-জি প্রযুক্তি হচ্ছে মূলত আইপি-ভিত্তিক এক ধরনের নেটওয়ার্ক যা হাই মোবিলিটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট গতিসম্পন্ন এবং লো মোবিলিটির যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১ গিগাবাইট গতিসম্পন্ন হবে। 
- ৫ থেকে ২০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ, কোনোও কোনোও ক্ষেত্রে ৪০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ ক্ষমতা সম্পন্ন। 
- ফোর-জির মূল সুবিধা এই নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব। 
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে হাই ডেফিনিশন টেলিভিশন ও ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা পাওয়া সম্ভব। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
১৬.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে প্রিপেইড পদ্ধতি এবং খুদে বার্তা বা এসএমএস (SMS) সেবা চালু হয়েছিল?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা

• মোবাইল ফোনের দ্বিতীয় প্রজন্ম বা 2G (Second Generation)-তে প্রথম ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু হয়।
- এই প্রজন্মেই গ্রাহকদের জন্য প্রিপেইড বিলিং সিস্টেম এবং টেক্সট মেসেজিং বা এসএমএস (Short Message Service) সেবা প্রবর্তন করা হয়েছিল। জিএসএম (GSM) স্ট্যান্ডার্ডটি এই প্রজন্মের একটি অন্যতম প্রধান উদ্ভাবন।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।

• দ্বিতীয় প্রজন্ম মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চালু হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৭.
সেলুলার ফোন প্রযুক্তি CDMA কোন প্রতিষ্ঠান উদ্ভাবন করে?
  1. ক) Qualcom
  2. খ) IBM
  3. গ) Samsung
  4. ঘ) Nokia
সঠিক উত্তর:
ক) Qualcom
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Qualcom
ব্যাখ্যা
GSM ও CDMA বর্তমান বিশ্বে বহুল পরিচিত সেলুলার ফোন প্রযুক্তি।
CDMA প্রযুক্তিটি একটি Advanced Digital Technology
যা আমেরিকান ওয়্যারলেস্ কমিউনিকেশন গবেষণা উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান Qualcom আবিষ্কার করে।
এটা ইউনিক কোডিং সিস্টেম ব্যবহার করে ডাটা আদান-প্রদান করে।
১৮.
'IMEI' এর পূর্ণরূপ -
  1. International Mobile Equipment Identity
  2. International Mobile Electronic Identity
  3. International Mobile Encryption Identity
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
International Mobile Equipment Identity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Mobile Equipment Identity
ব্যাখ্যা
⚪ সঠিক উত্তর হবে:
ক) International Mobile Equipment Identity
IMEI হলো একটি অনন্য কোড যা মোবাইল ফোন বা মোবাইল ডিভাইসের পরিচয় নির্দেশ করে। এটি সারা বিশ্বে মোবাইল ডিভাইসের ট্র্যাকিং এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়।

⚪ IMEI: 
- IMEI এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের 3GPP মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৯.
মোবাইল ফোন সেল নেটওয়ার্ক কভারেজ এলাকার সাধারণ আকৃতি কী?
  1. চতুর্ভুজাকৃতি
  2. ত্রিভুজাকৃতি
  3. ষড়ভুজাকৃতির
  4. গোলাকৃতি
সঠিক উত্তর:
ষড়ভুজাকৃতির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষড়ভুজাকৃতির
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন সেল নেটওয়ার্ক কভারেজ এলাকার সাধারণ আকৃতি ষড়ভুজাকৃতির (Hexagonal) হয়। এটি কারণ, ষড়ভুজাকৃতির সেল ডিজাইন করলে কোন স্থানে ফাঁক বা ওভারল্যাপ ছাড়াই পুরো এলাকা কার্যকরভাবে কভার করা যায়। ষড়ভুজাকৃতি সেলগুলো পারস্পরিক মিলিত হয়ে একটি বড় এলাকাকে সমান ও দক্ষভাবে ভাগ করে দেয়, যা নেটওয়ার্কের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং সংকেত বিভ্রাট কমায়। গোলাকৃতি বা চতুর্ভুজাকৃতি সেল ব্যবহার করলে কভারেজে ফাঁক পড়তে পারে বা অপ্রয়োজনীয় ওভারল্যাপ হতে পারে। তাই, মোবাইল ফোন সেল নেটওয়ার্কে ষড়ভুজাকৃতির সেল সবচেয়ে উপযোগী ও কার্যকর।

• মোবাইল কমিউনিকেশন:
- একাধিক চলনশীল ডিভাইস অথবা একটি চলনশীল ও অন্যটি স্থির ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত কমিউনিকেশন সিস্টেমকে মোবাইল কমিউনিকেশন বলা হয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে ক্যাবল ছাড়া যোগাযোগের প্রযুক্তি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেমের উৎকর্ষতার ফসল হলো মোবাইল কমিউনিকেশন।
- এটি একটি ডুপ্লেক্স বা দ্বিমুখী কমিউনিকেশন সিস্টেম।
- বর্তমানে সারা পৃথিবীতে মোবাইল কমিউনিকেশন একটি অতি প্রয়োজনীয় এবং জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- মোবাইল কমিউনিকেশনে স্থাপিত এক একটি ফিক্সড ল্যান্ড বা বেজ স্টেশন হলো সেল, যা মোবাইল ফোনের জন্য প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক কাভারেজ প্রদান করে। 
- মোবাইল ব্যবহারকারী চলমান অবস্থায় এক সেল এরিয়া থেকে অন্য সেল এরিয়ায় প্রবেশ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার মোবাইল ইউনিটটি পূর্বের সেল এরিয়ার সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বর্তমান সেল এরিয়ার সাথে সংযুক্ত হয়ে যায়। 
- একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মোবাইল ইউনিটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক সেল নেটওয়ার্কের সংযুক্তি ত্যাগ করে অন্য সেল নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয়ে যায়, একে Handoff বলা হয়।
- স্বয়ংক্রিয় এই ব্যবস্থা মোবাইল ইউনিটে বজায় থাকার কারণে মোবাইল ইউনিটের শক্তি ব্যয় গড় সর্বদা সমান থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২০.
'এস.এম.এস' নিম্নের কোন পদ্ধতিতে ডাটা ট্রান্সমিট করে?
  1. ক) ফুল-ডুপ্লেক্স মোড
  2. খ) হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
  3. গ) সিমপ্লেক্স মোড
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
খ) হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাফ-ডুপ্লেক্স মোড
ব্যাখ্যা
হাফ-ডুপ্লেক্স মােড (Half-duplex mode): এই পদ্ধতিতে দুইদিকেই ডেটা পাঠানাে বা গ্রহণ করা সম্ভব, কিন্তু একসাথে নয়, আলাদা আলাদাভাবে। একটি ডিভাইস ডেটা পাঠালে অন্যটিকে অপেক্ষা করতে হয় তার সুযােগ আসার জন্য।
এই পদ্ধতিতে ডেটার ভেতর সংঘর্ষ (collision) না হওয়ার জন্য বিশেষ সার্কিটের ব্যবস্থা রাখতে হয়।
ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এস.এম.এস ইত্যাদি হাফ-ডুপ্লেক্স মােডে চলে।

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
২১.
NFC কোন প্রযুক্তির সঙ্গে সবচেয়ে বেশী সম্পর্কিত?
  1. Infrared
  2. RFID
  3. Wi-Fi
  4. ক + খ
সঠিক উত্তর:
RFID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RFID
ব্যাখ্যা
• NFC (Near Field Communication) মূলত RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তির সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সম্পর্কিত। NFC হলো একটি সংক্ষিপ্ত দূরত্বের ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি, যা দুইটি ডিভাইস খুব কাছাকাছি আনার মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করে। এটি RFID-এর একটি উন্নত এবং ছোট রেঞ্জের সংস্করণ বলা যায়, যা প্রায় ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কাজ করে। Infrared ও Wi-Fi প্রযুক্তি NFC এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, কারণ Infrared লাইন-অফ-সাইট কমিউনিকেশন ব্যবহার করে আর Wi-Fi দীর্ঘ দূরত্বের ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, NFC প্রযুক্তি RFID-এর সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।

• NFC: 
- NFC এর পূর্ণরুপ Near Field Communication.
- NFC হচ্ছে তারবিহীন যোগাযোগ প্রযুক্তির নাম।
- NFC হলো রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করে খুব কাছাকাছি দূরত্বের দুইটি ডিভাইস বা বস্তুর পরস্পর নিজেদের মধ্যে তারবিহীন ডেটা যোগাযোগ করার এক সেট প্রটোকল।
- এটা ৪ সেন্টিমিটার সর্বোচ্চ ১০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
- এই প্রটোকল ব্যবহার করে সর্বোচ্চ ৪২৪ কিলোবিট/সেকেন্ড গতিতে ডেটা বিনিময় করা যায়।
- ২০০৪ সালে সনি, নকিয়া ও ফিলিপস কর্তৃক সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল হচ্ছে NFC.
- এটি RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৩.৫৬ মেগাহার্টজ ব্যান্ডে ডাটা যোগাযোগ করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২২.
মোবাইল ফোনের ইনপুট ডিভাইস নয় কোনটি?
  1. পাওয়ার সাপ্লাই
  2. কী-প্যাড
  3. ক্যামেরা
  4. মাইক্রোফোন
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার সাপ্লাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোনের ডাটা ইনপুটের জন্য ইনপুট ডিভাইস হলো keypad, touch screen, camera, microphone ইত্যাদি।
- Power supply হলো কোনো বিদ্যুৎচালিত যন্ত্রে বিদ্যুৎশক্তি সরবরাহকারী।
- এর সাহায্যে ডেটা ইনপুট করা যায় না।

• কম্পিউটার ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- কী-বোর্ড
- মাউস
- জয়স্টিক
- বার কোড রিডার
- ওএমআর
- স্ক্যানার ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
Which is an example of fourth-generation mobile phone technology?
  1. TDMA
  2. EDGE
  3. HSPA
  4. LTE
সঠিক উত্তর:
LTE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LTE
ব্যাখ্যা
LTE (Long Term Evolution) হল চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তির উদাহরণ। 

- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এতে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার করা হয়। যার ফলে এই প্রজন্মের মোবাইল ফোন সমূহে আলট্রা-ব্রডব্যান্ড গতির ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যায়।

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. Internet Protocol নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
২. হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টেলিভিশন এবং গেমিং ইত্যাদির ব্যবহার শুরু হয়। 

অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- TDMA এর পূর্ণ রূপ Time Division Multiple Access (TDMA যা দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তি।
- EDGE এর পূর্ণ রূপ Enhanced Data rates for GSM Evolution যা দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তি।
- HSPA এর পূর্ণ রূপ High Speed Packet Access যা তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৪.
মোবাইল ফোন অপারেটররা কোন্ অ্যালগরিদম ব্যবহার করে লোকেশন ট্র্যাক করে?
  1. Shortest Path
  2. Triangulation 
  3. Nearest-neighbour
  4. Encryption
সঠিক উত্তর:
Triangulation 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Triangulation 
ব্যাখ্যা

• মোবাইল ফোন অপারেটররা সাধারণত ব্যবহারকারীর অবস্থান নির্ধারণের জন্য Triangulation (ত্রিভুজীকরণ) অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। এই প্রক্রিয়ায় ফোন থেকে সংকেত পাঠানো হয় নিকটস্থ টাওয়ারগুলিতে, এবং প্রতিটি টাওয়ার থেকে সংকেতের দূরত্ব পরিমাপ করে ফোনের সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করা হয়। একাধিক টাওয়ারের দূরত্বের ভিত্তিতে একটি ত্রিভুজ তৈরি করা হয়, যার ছেদ বিন্দু হলো ফোনের অবস্থান। Shortest Path বা Nearest-neighbour মূলত রুট খুঁজতে বা ডেটা বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়, আর Encryption তথ্য সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং মোবাইল লোকেশন ট্র্যাকিংয়ে মূল অ্যালগরিদম হলো Triangulation.


• Shortest Path:
- Shortest Path হলো সেই অ্যালগরিদম যা একটি গ্রাফ বা নেটওয়ার্কে দুটি বিন্দুর মধ্যে সবচেয়ে ছোট দূরত্বের পথ খুঁজে বের করে।
- এটি সাধারণত নেটওয়ার্ক রাউটিং, GPS নেভিগেশন বা ট্রাফিক অপটিমাইজেশনে ব্যবহৃত হয়।
- মোবাইল ফোনের অবস্থান নির্ধারণে Shortest Path সরাসরি ব্যবহার করা হয় না, কারণ এখানে আমরা ফোনের সঠিক স্থান খুঁজছি, পথ নয়।
- তাই, এটি লোকেশন ট্র্যাকিংয়ের জন্য মূল অ্যালগরিদম নয়।  

• Triangulation:
- Triangulation হলো সেই প্রক্রিয়া যেখানে তিন বা তার বেশি স্থাপনার অবস্থান ও কোণ ব্যবহার করে একটি বিন্দুর সঠিক অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।
- মোবাইল ফোন অপারেটররা টাওয়ার থেকে ফোনের সিগন্যালের দূরত্ব ও কোণ মাপে ফোনের আপাত অবস্থান বের করে।
- কমপক্ষে তিনটি টাওয়ারের ডেটা ব্যবহার করে সঠিকভাবে লোকেশন নির্ধারণ করা যায়।
- এটি হলো মোবাইল লোকেশন ট্র্যাকিংয়ের সবচেয়ে সাধারণ ও কার্যকর পদ্ধতি।
- Triangulation এর মাধ্যমে GPS ছাড়াও ফোনের আনুমানিক অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব।  

• Nearest-neighbour:
- Nearest-neighbour হলো একটি অ্যালগরিদম যা কোনো ডেটা পয়েন্টের সবচেয়ে কাছের পয়েন্ট খুঁজে বের করে।
- এটি সাধারণত ক্লাস্টারিং, ডেটা মাইনিং বা প্রেডিকশন মডেলে ব্যবহৃত হয়।
- মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাকিংয়ে সরাসরি ব্যবহার করা হয় না, কারণ ফোনের সঠিক স্থান নির্ধারণের জন্য Neighbor পদ্ধতি যথেষ্ট নয়।
- তবে কিছু আনুমানিক বা সম্ভাব্য লোকেশন অনুমানের ক্ষেত্রে এটি সীমিতভাবে ব্যবহার হতে পারে।  

• Encryption:
- Encryption হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে তথ্যকে কোড বা সিকিউর ফর্মে রূপান্তর করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যতীত কেউ তথ্য পড়তে না পারে।
- মোবাইল অপারেটররা ফোনের ডেটা সুরক্ষার জন্য Encryption ব্যবহার করে।
- এটি লোকেশন ট্র্যাকিংয়ের জন্য নয়, বরং ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Encryption থাকলেও এটি ফোনের অবস্থান নির্ধারণে সরাসরি সাহায্য করে না।  

সূত্র: University of California, Santa Barbara. [link]

২৫.
কোন প্রযুক্তি ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করে?
  1. ক) FDMA
  2. খ) CDMA
  3. গ) TDMA
  4. ঘ) Both A & B
সঠিক উত্তর:
ঘ) Both A & B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Both A & B
ব্যাখ্যা
ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করার জন্য FDMA ( Frequency Division Multiple Access) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছিলো৷ TDMA, PDMA এ এক সেল থেকে অন্য সেলে সিগনাল আলাদা করা যায় না৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
২৬.
কোন প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব?
  1. প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
  2. দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
  3. তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
  4. চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
ব্যাখ্যা
মোবাইলের দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০): 
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়। 
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়। 
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- 
১। দ্বিতীয় প্রজন্মে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়। 
২। GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব। 
৩। সিগনাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। 
8। পেজিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। 
৫। SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়। 
৬। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী UMTS স্ট্যান্ডার্ড কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ব্যবহার করা হয়?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
♦ তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G):
- ২০০১ সালে জাপানের NTT DoCoMo প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ৩য় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু করেন।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের স্ট্যান্ডার্ড CDMA টেকনোলজির এর পরিবর্তে W-CDMA (Wideband Code Division Multiple Access) টেকনোলজির ব্যবহার দিয়ে তৃতীয় প্রজন্মের সূচনা হয়।
- W-CDMA পদ্ধতি বর্তমানে UMTS ( Universal Mobile Telecommunication System) নামে পরিচিত।
- তৃতীয় প্রজন্মে উচ্চ গতির ডেটা ট্রান্সফার ও মাল্টিমিডিয়া ডেটা ব্যবহারসহ CDMA ও GPRS (General Packet Radio Service) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- ফলে সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE(Enhanced Data rates for GSM Evolution) চালু হয়।
- এই প্রজন্মেই আধুনিক মোবাইল টেকনোলজি HSPA (High Speed Packet Access) এর বাস্তবায়ন করা হয়।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্য রয়েছে-
- ডেটা রূপান্তরের কাজে প্যাকেট সুইচিং ও সার্কিট সুইচিং উভয় পদ্ধতিই ব্যবহৃত হয়। 
- মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার এবং ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।
- EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) পদ্ধতি কার্যকর হয়। 
- ডেটা স্থানান্তর উচ্চগতি সম্পন্ন। ডেটা রেট ২ এমবিপিএস এর অধিক।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয় ।
- এক্ষেত্রে GSM, EDGE, UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
- রেডিও ফ্রিকোয়েন্সী W-CDMA বা UMTS স্ট্যান্ডার্ড।
- চ্যানেল অ্যাকসেস বা সেল সিগন্যাল এনকোডিং পদ্ধতি হলো TD-SCDMA এবং TD-CDMA ।
- উচ্চ স্পেকট্রাম কর্মদক্ষতা।
- আর্ন্তজাতিক রোমিং সুবিধা চালু হয়।
- উদাহরণ: UMTS (Universal Mobile Telecommunication System), IMT (International Mobile Telecommunication)-2000, MC-CDMA, TD-SCDMA, EDGE, HSPA ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮.
wwww কোন প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য?
  1. পঞ্চম প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্ম বা 5G হলো মোবাইল নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির সর্বশেষ উন্নত স্তর, যা দ্রুত ডাটা ট্রান্সমিশন, কম লেটেন্সি এবং বৃহত্তর ব্যান্ডউইথ প্রদান করে। 5G প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারনেটের গতি এত দ্রুত যে, বড় আকারের ফাইল দ্রুত ডাউনলোড ও আপলোড করা যায়। এটি আইওটি (IoT) ডিভাইসের জন্য উন্নত যোগাযোগ সুবিধা দেয় এবং স্বয়ংচালিত যানবাহন, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও স্মার্ট শহরের মতো উন্নত প্রযুক্তি সমর্থন করে। 5G এর মাধ্যমে নেটওয়ার্কের ধারণ ক্ষমতা অনেক গুণ বৃদ্ধি পায়, ফলে একসঙ্গে অনেক ডিভাইস কানেক্ট থাকতে পারে। ফলে এটি আগের প্রজন্মের তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর এবং দ্রুত যোগাযোগ নিশ্চিত করে।

- সঠিক উত্তর: ক)পঞ্চম প্রজন্ম।

• পঞ্চম প্রজন্ম (5th Generation-5G: 2020-Present):

- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়্যারলেস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে wwww নামে পরিচিত।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম।
- এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও (4000 × 2000 পিক্সেল) উপভোগ করা যায়।
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
- নকিয়ার মতে, 5G প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 100 মেগাবিট পর্যন্ত গতি পাওয়া যেতে পারে, যা 4G এর সর্বোচ্চ গতির চেয়ে চার গুণ দ্রুত।
- এতে দ্রুত ওয়েবসাইট, অ্যাপ, ভিডিও বার্তা লোড ও আদান-প্রদান করা যাবে।
- প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ২০১৮ সালের অলিম্পিক গেমসে সফলভাবে 5G নেটওয়ার্ক প্রদর্শনে সফলতা দেখিয়েছে।
- ২০২১ সালে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও পরীক্ষামুলকভাবে কয়েকটি স্থানে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বা এজি চালু হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
২৯.
উচ্চতর ভাষা কোন প্রজন্মের ভাষা?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন প্রকার প্রােগ্রামিং ভাষা ১৯৪৫ সাল থেকে শুরু করে এ যাবত বহু প্রােগ্রামিং ভাষার উদ্ভব হয়েছে। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এই সকল ভাষাকে পাঁচটি স্তরে বা প্রজন্মে ভাগ করা যেতে পারে । যথা
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (1945) : মেশিন ভাষা (Machine Language)
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (1950) : অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (1960) : উচ্চতর ভাষা (High Level Language)
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (1970) : অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (1980) : স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)

৩০.
সর্বশেষ WiFi প্রযুক্তি কোনটি?
  1. Wi-Fi 6 
  2. Wi-Fi 6E
  3. Wi-Fi 7
  4. Wi-Fi 8
সঠিক উত্তর:
Wi-Fi 7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wi-Fi 7
ব্যাখ্যা

• Wi‑Fi 7 হলো বর্তমান সর্বশেষ ফাইনালাইজড WiFi প্রযুক্তি। 

Wi‑Fi স্ট্যান্ডার্ডগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- Wi-Fi 1 (802.11b): ধীর গতি (11 Mbps), 2.4 GHz ব্যান্ডে কাজ করে, মূলত প্রাথমিক ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের জন্য।
- Wi-Fi 2 (802.11a): দ্রুত গতি (54 Mbps), 5 GHz ব্যান্ডে কাজ করে, কম interference সহ ছোট indoor coverage।
- Wi-Fi 3 (802.11g): 2.4 GHz ব্যান্ডে 54 Mbps গতি, backward compatible এবং বাড়ি ও অফিসে ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত।
- Wi‑Fi 4 (802.11n): উচ্চ গতি (উচ্চ Mbps), MIMO (একাধিক অ্যান্টেনা) সমর্থন আর 2.4 + 5 GHz ব্যান্ড ব্যবহার।
- Wi‑Fi 5 (802.11ac): আরও বেশি ব্যান্ডউইথ, 5 GHz ব্যান্ডের ওপর ফোকাস, দ্রুত গতি ও আধুনিক উপযোগিতা।
- Wi‑Fi 6 / 6E (802.11ax): efficiency বৃদ্ধি, জনবহুল স্থানে কাজের জন্য উন্নত, 6 GHz ব্যান্ডের জন্য Wi‑Fi 6E।
- Wi‑Fi 7 (802.11be): গতি ও ব্যান্ডউইথে বড় লাফ, latency কমানো, multi‑link ও উন্নত modulation.
- Wi‑Fi 8 (802.11bn): ভবিষ্যৎ: প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী Ultra‑High Reliability ও অত্যন্ত দ্রুত গতি, কিন্তু এখনও final নয়।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

৩১.
মোবাইল ফোনে কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহার করা হয়?
  1. হাফ ডুপ্লেক্স
  2. সিমপ্লেক্স
  3. ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
3G সিস্টেমে মূলত কোন চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. TDMA
  2. CDMA 
  3. FDMA
  4. OFDMA
সঠিক উত্তর:
CDMA 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CDMA 
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় প্রজন্মের (3G) মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থায় মূলত CDMA (Code Division Multiple Access) এবং এর উন্নত সংস্করণ WCDMA (Wideband CDMA) ব্যবহৃত হয়।
- এটি একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে অনেক গ্রাহককে পৃথক কোডের মাধ্যমে সেবা দিতে সক্ষম।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

অন্যান্য অপশন:
- TDMA: দ্বিতীয় প্রজন্মের বা ২জি নেটওয়ার্কের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- FDMA: প্রথম প্রজন্মের বা ১জি মোবাইল সিস্টেমে অ্যানালগ সিগন্যাল আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হতো।
- OFDMA: চতুর্থ প্রজন্মের বা ৪জি নেটওয়ার্কের মূল প্রযুক্তি যা অত্যন্ত উচ্চ গতির ডেটা নিশ্চিত করে।

উৎস: উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

৩৩.
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) হ্যান্ডঅফ সুবিধা না থাকা
  2. খ) কম ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকুয়েন্সির ব্যাবহার
  3. গ) সিম কার্ড ব্যাবহারের সুবিধা না থাকা
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা থাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা থাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা থাকা
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের মোবাইলে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা ছিলো না।এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে থেকে চালু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
৩৪.
মোবাইল নেটওয়ার্কে মূলত কোন ধরনের টপোলজি ব্যবহৃত হয়?
  1. বাস টপোলজি
  2. রিং টপোলজি
  3. লাইন টপোলজি
  4. স্টার টপোলজি
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো সেলুলোর বা স্টার টপোলজি।

• মোবাইল ফোন:
- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. বিবিসি নিউজ। [Link]

৩৫.
MMS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Multiple Message Service
  2. Multimedia Message Service
  3. Mobile Message Service
  4. Media Message Service
সঠিক উত্তর:
Multimedia Message Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Multimedia Message Service
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস চালু হয়।
- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয় দ্বিতীয় প্রজন্মে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
নিচের কোন পদ্ধতিটি দিয়ে আপনি IMEI চেক করতে পারবেন?
  1. ক্যামেরা অ্যাপ ওপেন করা
  2. ফোনে কল করা
  3. *#06# ডায়াল করা
  4. মেসেজ পাঠানো
সঠিক উত্তর:
*#06# ডায়াল করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
*#06# ডায়াল করা
ব্যাখ্যা

• IMEI চেক করার জন্য সবচেয়ে সহজ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলো *#06# ডায়াল করা।
IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো প্রতিটি মোবাইল ফোনের একটি ইউনিক নম্বর, যা ডিভাইস শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। ফোনের ডায়ালার ওপেন করে *#06# কোডটি ডায়াল করলে সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রিনে IMEI নম্বর প্রদর্শিত হয়। এই পদ্ধতিতে ইন্টারনেট, ক্যামেরা বা মেসেজের কোনো প্রয়োজন হয় না এবং এটি সব ধরনের মোবাইল ফোনে কাজ করে। ক্যামেরা অ্যাপ ওপেন করা, সাধারণ কল করা বা মেসেজ পাঠানোর মাধ্যমে সরাসরি IMEI জানা যায় না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) *#06# ডায়াল করা।

• IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩৭.
মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য কোন প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হয়?
  1. WAP
  2. FTP
  3. HTTP
  4. SMTP
সঠিক উত্তর:
WAP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WAP
ব্যাখ্যা

• WAP → Wireless Application Protocol; মোবাইল ফোনে তারবিহীনভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- FTP → ফাইল আদান-প্রদানের প্রোটোকল; মোবাইল ইন্টারনেট অ্যাকসেস প্রযুক্তি নয়।
- HTTP → ওয়েব পেজ ট্রান্সফারের প্রোটোকল; মোবাইল নেটওয়ার্কে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের প্রযুক্তি নয়।
- SMTP → ই-মেইল প্রেরণের প্রোটোকল; ইন্টারনেট সংযোগ প্রযুক্তি নয়।

• মোবাইল ইন্টারনেট (Mobile Internet):

- GPRS ও EDGE প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যবস্থাকেই মোবাইল ইন্টারনেট বলা হয়।
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য WAP (Wireless Application Protocol) প্রযুক্তিও ব্যবহৃত হয়।
- এ কারণে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য কোনো ধরনের ক্যাবল বা মডেমের প্রয়োজন হয় না।
- WAP প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে দ্রুত ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা সম্ভব।
- এর সাহায্যে ই-মেইল আদান-প্রদান, ই-ব্যাংকিং, ই-কমার্সসহ বিভিন্ন অনলাইন কার্যাবলি সহজে সম্পাদন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
নিচের কোনটি FDMA এবং TDMA এর সম্মিলিত চ্যানেল এক্সেস পদ্ধতি?
  1. GSM
  2. UPTS
  3. GPS
  4. HSPA
সঠিক উত্তর:
GSM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
GSM
ব্যাখ্যা
• জিএসএম (GSM-Global System for Mobile communication):
- ১৯৮২ সালে প্রথম নামকরণ করা হয় Group Speciale Mobile (GSM)।
- এর পর নামের ডেফিনেশন পরিবর্তন করে রাখা হয় Global System for Mobile Communications (GSM)।
- জিএসএম প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের (Third generation) ভার্সনকে Universal Mobile Telecommunication System (UMTS) দ্বারা প্রমিতকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক ও এয়ারটেল জিএসএম প্রযুক্তি ব্যবহার করছে।
- জিএসএম হচ্ছে FDMA (Frequency Division Multiple Access) এবং TDMA (Time Division Multiple Access) এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- FDMA এর সর্বমোট চ্যানেল সংখ্যা হচ্ছে ১২৪ এবং প্রতিটি চ্যানেল হচ্ছে ২০০ KHz।
- ৯৩৫-৯৬০ MHz আপলিংক (Uplink) এবং ৯৩৫-৯৬০ MHz ডাউনলিংক (Downlink) উভয়ের জন্যই ২৫ MHz বরাদ্দ থাকে।
- দ্বৈত পৃথকীকরণ (Duplex separation) হচ্ছে ৪৫ MHz।
- যদি ২০০ KHz চ্যানেলের মধ্যে TDMA ব্যবহৃত হয় তবে একটি ফ্রেমে (Frame) পরিণত হতে ৮ টাইম স্লট (Time Slot) দরকার।
- ফ্রেম সময়কাল হচ্ছে ৪.৬১৫ মিলিসেকেন্ড।
- জিএসএম সর্বপ্রথম মোবাইল রেডিও সিস্টেমের জন্য TDMA এর উন্নয়ন সাধন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৯.
কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়?
  1. GPRS
  2. EDGE
  3. WAP
  4. All above
সঠিক উত্তর:
All above
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All above
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ইন্টারনেট:
- GPRS, EDGE, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- মোবাইল ফোনেই ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব।

• মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা:
- সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- কভারেজের আওতাভুক্ত যেকোনো স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায়।
- যেকোনো স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
- দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।
- বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়।
- থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়।
- স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কে প্রধানত কোন ধরনের নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. সার্কিট সুইচিং
  2. MPLS নেটওয়ার্ক
  3. IP ভিত্তিক নেটওয়ার্ক
  4. ব্লুটুথ ভিত্তিক নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
IP ভিত্তিক নেটওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IP ভিত্তিক নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কে প্রধানত IP ভিত্তিক নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।

• চতুর্থ প্রজন্ম:
- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো- সার্কিট সুইচিং বা, প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- ফোর-জি প্রযুক্তি হচ্ছে মূলত আইপি-ভিত্তিক এক ধরনের নেটওয়ার্ক যা হাই মোবিলিটি যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মেগাবাইট গতিসম্পন্ন এবং লো মোবিলিটির যোগাযোগের ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ১ গিগাবাইট গতিসম্পন্ন হবে।
- ৫ থেকে ২০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ, কোনোও কোনোও ক্ষেত্রে ৪০ মেগাহার্টজ ব্যান্ডউইডথ ক্ষমতা সম্পন্ন।
- ফোর-জির মূল সুবিধা এই নেটওয়ার্কে সর্বোচ্চ গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে হাই ডেফিনিশন টেলিভিশন ও ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা পাওয়া সম্ভব।

• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC ( NIPPON Telegraph and Telephone Corporation) প্রথমে বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
১. প্রথম প্রজন্ম (1979 -1990),
২. দ্বিতীয় প্রজন্ম (1991- 2000)
৩. তৃতীয় প্রজন্ম (2001- 2008),
৪. চতুর্থ প্রজন্ম (2009 - 2020),
৫. পঞ্চম প্রজন্ম (2020 - বর্তমান)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৪১.
ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা কোন প্রজন্মের মোবাইলে যুক্ত হয়?
  1. ক) 2G
  2. খ) 3G
  3. গ) 4G
  4. ঘ) 5G
সঠিক উত্তর:
গ) 4G
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 4G
ব্যাখ্যা
- ৩জি এবং ৪জি উভয়ই এক বিশেষ মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা তার বিহীন কথা বলা, মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার, ভিডিও কল করা, মোবাইল টিভি ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে।
- তবে ৪জি তে যে বিশেষ সুবিধা অতিরিক্ত হিসেবে রয়েছে তা হলো মোবাইল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির তথ্য প্রযুক্তি বই।
৪২.
Which generation of mobile networks is GSM considered to be a part of?
  1. 1G
  2. 2G
  3. 3G
  4. 4G
সঠিক উত্তর:
2G
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2G
ব্যাখ্যা
GSM:
• GSM হচ্ছে একটি সেলুলার টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেম যা 900 MHz এবং 1800 MHz ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে।
• GSM এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে - Global System for Mobile Communications. 
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলগুলোতে GSM প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে
• ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
• ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
- GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ করা সম্ভব।
- সিগন্যাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়৷
- SMS (Short Message Service ) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়।
- মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়।

উদাহরণ:
- GSM-900,
- GSM-1800 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উদাহরণ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩.
সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয় কোন প্রজন্মে?
  1. তৃতীয় প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. প্রথম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয় তৃতীয় প্রজন্মে।

• তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা: ITU এর মতে) যাতে GSM EDGE UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৪৪.
দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কোন সেবাগুলো চালু হয়? 
  1. ক্লাউড কম্পিউটিং এবং IoT
  2. প্রি-পেইড, এসএমএস, এমএমএস ও ইন্টারনেট সেবা
  3. ভয়েস কল এবং ফ্যাক্স
  4. ভিডিও কল এবং ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট
সঠিক উত্তর:
প্রি-পেইড, এসএমএস, এমএমএস ও ইন্টারনেট সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রি-পেইড, এসএমএস, এমএমএস ও ইন্টারনেট সেবা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন: 
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা ছিল খুবই কম; দুর্বল নেটওয়ার্কের দরুন সীমিত এলাকাভিত্তিতে ব্যবহার হতো। 
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে। 
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে। 
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। 

দ্বিতীয় প্রজন্ম (Second Generation-2G: 1991-2000): 
- অ্যানালগ ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ডিজিটাল ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু হয়, তাই Second Generation-2G-কে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়। 
- এ সময়ের মোবাইল ফোনের টেকনোলজির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো GSM (Global System for Mobile Communication) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) সুবিধা। 
- এসব সুবিধা নিয়ে এবং ভয়েসকে নয়েজমুক্ত করার মাধ্যমে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের সূচনা হয়, এজন্য সেকেন্ড জেনারেশন মোবাইলকে জিএসএম বা সিডিএমএ স্ট্যান্ডার্ড ধরা হয়। 
- সময়ের পরিক্রমায় মোবাইল হ্যান্ডসেটের আকৃতি ও ওজন উল্লেখযোগ্য হারে কমতে থাকে। 
- ক্রমান্বয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রি-পেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস ও ইন্টারনেট সেবা চালু হয়। 
- এ সময়ে আন্তর্জাতিক রোমিং সিস্টেম চালু হয়। 
- যখন কোনো মোবাইল ফোন তার সার্ভিস অপারেটরের কভারেজ এরিয়ার বাইরে থেকেও সর্বদা ডেটা সার্ভিস দিতে পারে তখন তাকে রোমিং বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৪৫.
WCDMA মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মের সেবা প্রদান করে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের মোবাইল ফোন: 
- উন্নয়নের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম নামে অভিহিত করা হয়। 
- প্রাথমিক পর্যায়ের মোবাইল ফোনের কার্যক্ষমতা ছিল খুবই কম; দুর্বল নেটওয়ার্কের দরুন সীমিত এলাকাভিত্তিতে ব্যবহার হতো। 
- 1940 সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করে। 
- এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) বাণিজ্যিকভাবে মোবাইল ফোন বা সেলুলার ফোন উৎপাদন শুরু করে। 
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোবাইল ফোন উন্নতির সময়কালকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে। 

তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation-3G: 2001-2008):
- জাপানের DoCoMo কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন চালু করে। 
- দ্বিতীয় হতে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত পার্থক্য হলো সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার। 
- সার্কিট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন অংশ বা পার্টে বিভক্ত হয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পথে গন্তব্যে পৌঁছে, যার ফলে এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কম। 
- প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতিতে নেটওয়ার্কিং রিসোর্স বা ব্যান্ডউইথ বিভিন্ন প্যাকেটে বিভক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন পথে গন্তব্যে পৌঁছে এবং এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুদৃঢ়, এতে অবশ্য উভয় সুইচিং পদ্ধতি চলে। 
- পূর্বের তুলনায় উচ্চ ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার শুরু হয় (ডেটা ট্রান্সফার রেট 2 Mbps- এর বেশি)। 
- মূলত এই প্রজন্মের ফোনে নিম্নের চারটি স্ট্যান্ডার্ড চালু হয়- 
1. HSPA (High speed package Access), 
2. WCDMA (Wide band code division multiple access)
3. 3GPP (3rd Gen Partnership Project) এবং 
4. UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) I  
- ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং, FOMA (Freedom of Multimedia access) ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রি-জি মোবাইল ফোন চালু হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৪৬.
সর্বপ্রথম মোবাইল ফোন চালু হয় কোথায়?
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. যুক্তরাজ্যে
  3. স্কটল্যান্ডে
  4. ডেনমার্কে
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্রে
ব্যাখ্যা
• সেলুলার বা মোবাইল ফোন প্রযুক্তি:
- মোবাইল ফোন বর্তমান বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম।
- ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে সর্ব প্রথম মোবাইল ফোন চালু হয়।
- তার বিহীন দুটি ডিভাইেেসর মধ্যে ডাটা ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে সিস্টেম ব্যবহৃত হয় তাকে মোবাইল যোগাযোগ বলে।
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. জিএসএম (GSM) ও
২. সিডিএমএ (CDMA)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৭.
মোবাইল কমিউনিকেশনে 4G-এর ক্ষেত্রে 3G এর তুলনায় অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য কি?
  1. ভয়েস টেলিফোনি
  2. ভিডিও কল
  3. মোবাইল টিভি
  4. ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা
সঠিক উত্তর:
ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা
ব্যাখ্যা
- 4G হল ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্ম শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ফোরজি নেটওয়ার্কে যেসব সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে সংশোধিত মোবাইল ওয়েব সেবা, আইপি টেলিফোনি, গেমিং সেবা, এইচডিটিভি, হাই-ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্স, ত্রিমাত্রিক টেলিভিশন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং উল্লেখযোগ্য।
- যুক্তরাষ্ট্রে স্প্রিন্ট নেক্সটেল ২০০৮ সালে মোবাইল ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক স্থাপন করে এবং মেট্রোপিসিএস ২০১০ সালে প্রথম এলটিই সেবা চালু করে।
- বাংলাদেশে ২০১৮ সালে মোবাইল ফোনে ৪জি (এলটিই) সেবা প্রদান শুরু হয়।
- ৩জি এবং ৪জি উভয়ই এক বিশেষ মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা তার বিহীন কথা বলা, মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার, ভিডিও কল করা, মোবাইল টিভি ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে। 
- তবে ৪জি তে যে বিশেষ সুবিধা অতিরিক্ত হিসেবে রয়েছে তা হলো মোবাইল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৮.
জিএসএম (GSM) মোবাইল যোগাযোগ ব্যবস্থায় নিচের কোন মাল্টিপল অ্যাক্সেস প্রযুক্তিটি ব্যবহৃত হয়?
  1. TDMA
  2. SDMA
  3. CDMA
  4. OFDMA
সঠিক উত্তর:
TDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TDMA
ব্যাখ্যা

• জিএসএম (Global System for Mobile Communications) প্রযুক্তিতে মূলত TDMA (Time Division Multiple Access) ব্যবহার করা হয়।
- এই পদ্ধতিতে একটি নির্দিষ্ট রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিকে সময়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে (Time Slots) ভাগ করা হয়, ফলে একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে একাধিক গ্রাহক পর্যায়ক্রমে কথা বলতে পারেন।

• জিএসএম:
- জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (Global System for Mobile Communication-GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- জিএসএম প্রথম চালু হয় ফিনল্যান্ডে।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- GSM, TDMA ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হলো- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯.
CDMA-তে প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য যে একক কোড নির্ধারিত হয়, তাকে কী বলা হয়?
  1. PN sequence
  2. SIM code
  3. Channel index
  4. TDMA slot
সঠিক উত্তর:
PN sequence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PN sequence
ব্যাখ্যা
• CDMA (Code Division Multiple Access) একটি বহুল ব্যবহৃত মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি, যেখানে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করতে পারে। কিন্তু সবাইকে আলাদা রাখতে, প্রতিটি ব্যবহারকারীকে একটি "বিশেষ ইউনিক কোড" দেওয়া হয়।
এই ইউনিক কোডটিকে বলা হয় PN Sequence বা Pseudorandom Noise Sequence।
এই কোড ব্যবহার করে প্রতিটি ব্যবহারকারীর তথ্যকে এনক্রিপ্ট বা স্ক্র্যাম্বল করা হয়, যাতে তা অন্যদের থেকে আলাদা থাকে এবং নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর তথ্য আলাদা করে চিনতে পারা যায়।

• অপশন আলোচনা:
- SIM code: এটা GSM-এর জন্য প্রযোজ্য, CDMA-তে SIM কার্ড প্রয়োজন হয় না (পুরোনো সিস্টেমে)।
- Channel index: এটি ফ্রিকোয়েন্সি চ্যানেল নির্দেশ করে, ইউনিক কোড নয়।
- TDMA slot: TDMA প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত হয়, CDMA-তে নয়।

• বর্তমানে মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-GMS এবং CDMA

• GSM:
- GSM হচ্ছে মূলত FDMA ও TDMA এর একটি সম্মিলিত চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS বলে।
- UMTS এর পূর্ণরূপ- Universal Mobile Telecommunication System.

• CDMA:
- CDMA এর পূর্ণরূপ হলো Code Division Multiple Access. এটি একটি ডিজিটাল সেলুলার প্রযুক্তি, যা একাধিক ব্যবহারকারীকে একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে আলাদা কোড ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করতে দেয়। প্রতিটি ব্যবহারকারীকে একটি অনন্য কোড দেওয়া হয়, যার মাধ্যমে তাদের তথ্য অন্যদের তথ্য থেকে আলাদা রাখা যায়।
- সারাংশে, CDMA একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে একই চ্যানেল ব্যবহার করতে পারে, কিন্তু আলাদা কোডের মাধ্যমে তাদের ডেটা আলাদা থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫০.
Bluetooth সাধারনত কোন ধরনের নেটওয়ার্ক তৈরী করে?
  1. ক) PAN
  2. খ) MAN
  3. গ) WAN
  4. ঘ) LAN
সঠিক উত্তর:
ক) PAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) PAN
ব্যাখ্যা
Bluetooth is a wireless technology standard used for exchanging data between fixed and mobile devices over short distances using short-wavelength UHF radio waves in the industrial, scientific and medical radio bands, from 2.402 GHz to 2.480 GHz, and building personal area networks (PANs).
৫১.
iOS মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে?
  1. ক) অ্যাপল
  2. খ) গুগল
  3. গ) মাইক্রোসফট
  4. ঘ) আইবিএম
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যাপল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অ্যাপল
ব্যাখ্যা
iOS একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম যার নির্মাতা হলো অ্যাপল ইনকর্পোরেশন। এটি ২০০৭ সালের ২৯ জুলাই বাজারে আসে। অ্যাপল কোম্পানির আইফোন এবং আইপড টাচে এটি ব্যবহার করা হয়। এটি সি, সি++ এবং অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রস্তুতকৃত। এটি একটি ক্লোজ সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
সূত্রঃ অ্যাপল ইনকর্পোরেশন ওয়েবসাইট
৫২.
মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য প্রযোজ্য টপোলজি কোনটি? 
  1. স্টার টপোলজি
  2. ট্রি টপোলজি
  3. মেশ টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টার টপোলজি
ব্যাখ্যা

• মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য সবচেয়ে প্রযোজ্য টপোলজি হলো স্টার টপোলজি। এই টপোলজিতে একটি কেন্দ্রীয় নোড বা বেস স্টেশন থাকে, যা সকল মোবাইল ডিভাইস বা টাওয়ারের সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি মোবাইল ব্যবহারকারী সরাসরি এই কেন্দ্রীয় বেস স্টেশনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। স্টার টপোলজির সুবিধা হলো, কোনো একটি মোবাইল ডিভাইসে সমস্যা হলেও পুরো নেটওয়ার্ক প্রভাবিত হয় না, কারণ অন্যান্য ব্যবহারকারীরা কেন্দ্রীয় নোডের মাধ্যমে সচল থাকে। এছাড়া, নেটওয়ার্কের পরিচালনা ও ত্রুটি শনাক্ত করা সহজ হয়। মোবাইল নেটওয়ার্কের জন্য এর স্থিতিশীলতা এবং সহজ রক্ষণাবেক্ষণের কারণে স্টার টপোলজি সবচেয়ে উপযোগী।

• মোবাইল ফোন:

- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত টপোলজি হলো সেলুলোর বা স্টার টপোলজি।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৫৩.
'UMTS' কোন প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য়
ব্যাখ্যা
তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা পারাপার ।
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডাটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- ডাটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps.
- তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনপ্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডাটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS (Universal Mobile Telecommunication System) বলা হয়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
IMEI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Interconnection Mobile Equipment Identity
  2. Internal Mobile Equipment Identity
  3. International Mobile Equipment Identity
  4. Integrated Mobile Equipment Identity
সঠিক উত্তর:
International Mobile Equipment Identity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Mobile Equipment Identity
ব্যাখ্যা
♦ IMEI:
- IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের 3GPP মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫৫.
কোন প্রযুক্তি ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করে?
  1. ক) PDMA
  2. খ) CDMA
  3. গ) TDMA
  4. ঘ) GSMA
সঠিক উত্তর:
খ) CDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) CDMA
ব্যাখ্যা
ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করার জন্য FDMA ( Frequency Division Multiple Access) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছিলো৷ TDMA, PDMA এ এক সেল থেকে অন্য সেলে সিগনাল আলাদা করা যায় না৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৫৬.
মোবাইল ফোনের জনক হিসেবে কাকে ধরা হয়?
  1. ভিনটন জি কার্ফ
  2. মার্টিন কুপার
  3. অ্যালান টুরিং
  4. স্টিভ জবস
সঠিক উত্তর:
মার্টিন কুপার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্টিন কুপার
ব্যাখ্যা

• মোবাইল ফোনের জনক হিসেবে মার্টিন কুপারকে ধরা হয়। তিনি প্রথম ওয়্যারলেস মোবাইল ফোনের দ্বারা কল করেছিলেন এবং এই উদ্ভাবনের মাধ্যমে যোগাযোগ প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটান। মার্টিন কুপারের নেতৃত্বে মোটরোলা কোম্পানি এই ফোনটি তৈরি করে, যা মানুষকে যে কোনো স্থানে ফোনের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপনের সুযোগ দেয়। অন্যদের অবদান প্রযুক্তির অন্যান্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, মোবাইল ফোনের বাস্তবায়িত এবং বাণিজ্যিক রূপ দেয়ার ক্ষেত্রে মার্টিন কুপারের অবদান সবার উপরে। তাই মোবাইল ফোনের জনক হিসেবে তার নাম সর্বাধিক পরিচিত।

- উত্তর: খ) মার্টিন কুপার।

• মোবাইল ফোন:
- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে। যথা - প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম,
চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির জনক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট।
- ইন্টারনেটের জনক ভিনটন জি কার্ফ।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক অ্যালান টুরিং।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. বিবিসি।

৫৭.
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালু হয় কত সালে?
  1. ২০০৬ সাল
  2. ২০০৭ সাল
  3. ২০০৮ সাল
  4. ২০০৯ সাল
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সাল
ব্যাখ্যা
• অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম:
- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
- এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল এক্সটেনশন হলো .apk
- APK এর পূর্ণরূপ Android Application Package.
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৫৮.
Bluetooth কার্যকর হওয়ার জন্য কোন স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. IEEE 802.15
  2. IEEE 802.14
  3. IEEE 802.13
  4. IEEE 802.11
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IEEE 802.15
ব্যাখ্যা
• Bluetooth একটি স্বল্প দূরত্বের বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা প্রধানত মোবাইল, ল্যাপটপ, হেডফোনসহ বিভিন্ন ডিভাইসকে তারবিহীনভাবে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি কার্যকর হওয়ার জন্য IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে। এই স্ট্যান্ডার্ড মূলত Wireless Personal Area Network (WPAN) এর জন্য নির্ধারিত, যেখানে কম শক্তি ব্যবহার করে অল্প দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করা হয়। IEEE 802.15 ব্লুটুথ ছাড়াও ZigBee-এর মতো প্রযুক্তি সমর্থন করে। অন্যদিকে, IEEE 802.11 ব্যবহৃত হয় Wi-Fi এর জন্য, IEEE 802.14 ব্যবহৃত হত কেবল মডেম প্রযুক্তির জন্য, আর IEEE 802.13 কোনো কার্যকর মান হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) IEEE 802.15

• PAN: personal area network .- কোন ব্যক্তির নিকটবর্তী বিভিন্ন ইনফরমেশন টেকনোলজি ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান প্রদানের নেটওয়ার্ক সিস্টেমকে PAN বলে। এর পরিসীমা সাধারণত ১০ মিটার , ক্ষেত্রবিশেষে ২০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। আইইইই ৮০২.১৫ দ্বারা PAN নির্ধারিত হয়ে থাকে। যেমন- ব্লটুথ , প্রিন্টার ইত্যাদি।

• LAN: Local area network -সাধারণত 1Km বা তার কম এরিয়ার মধ্যে বেশ কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোন ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে LAN বলে ।এটি আইইইই ৮০২.১১ স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত।

• MAN: Metropoliton Area network -  যখন একটি শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত কিছু কম্পিউটার বা তাদের দ্বারা গঠিত LAN কে নিয়ে নেটওয়ার্ক কে MAN বলে ।  এর বিস্তৃতি ১০ কিলোমিটার ধরা হয়। 

• WAN: Wide Area Network - বিভিন্ন ভৌগলিক দূরত্বে অবস্থিত কিছু LAN বা MAN  একত্রে সংযুক্ত হয়ে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করে তাই  Wide Area Network । যেমন - একটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরের সাথে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং ব্যবস্থা স্থাপন করা।

তথ্যসূত্র : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী।
৫৯.
কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম WWWW নামে পরিচিত?
  1. ক) 5G
  2. খ) 3G
  3. গ) 4G
  4. ঘ) 2G
সঠিক উত্তর:
ক) 5G
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 5G
ব্যাখ্যা
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়্যারলেস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে WWWW নামে পরিচিত। 
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access technology), MIMO (Multiple input multiple output) অন্যতম। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি; একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি। 
৬০.
HSPA টেকনোলজি বাস্তবায়ন হয় কোন প্রজন্মে?
  1. ক) ২য়
  2. খ) ৩য়
  3. গ) ৫ম
  4. ঘ) ৬ষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
খ) ৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩য়
ব্যাখ্যা
HSPA (High Speed Packet Access) টেকনোলজি বাস্তবায়ন হয় তৃতীয় প্রজন্মে । এবং W-CDMA টেকনোলজির মাধ্যমে তৃতীয় প্রজন্মের সূচনা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী
৬১.
মোবাইল ইন্টারনেটে কোন সংযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার হয় না?
  1. ADSL
  2. GPRS
  3. EDGE
  4. WAP
সঠিক উত্তর:
ADSL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ADSL
ব্যাখ্যা

◉ ADSL (Asymmetric Digital Subscriber Line) একটি তারযুক্ত ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি, যা টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ দেয়। এটি মোবাইল ইন্টারনেটে ব্যবহৃত হয় না।

মোবাইল ইন্টারনেট:
- GPRS, EDGE, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন মোবাইল ফোনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
- এখন মোবাইল ফোনেই ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে।
- মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হলে উপযুক্ত হ্যান্ডসেট ব্যবহার করতে হয়। কারণ সকল ধরনের হ্যান্ডসেট ইন্টারনেট ব্যবহারে সক্ষম হয় না।
- এ ক্ষেত্রে খানিকটা উচু মানের হ্যান্ডসেট ও স্মার্টফোন ব্যাবহার করে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করা যায়।
- বর্তমানে বাজারে স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহারের উপযোগী বিভিন্ন ধরনের মোবাইল ফোন কিনতে পাওয়া যায়।

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা
- সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
- সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায়।
- যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
- দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬২.
1G মোবাইল ফোন কোন প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে কাজ করেছিলো?
  1. ডিজিটাল প্রযুক্তি
  2. ইনফ্রারেড সিগন্যাল
  3. অ্যানালগ প্রযুক্তি
  4. ব্লুটুথ কানেকশন
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানালগ প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
1G মোবাইল ফোন অ্যানালগ প্রযুক্তি ওপর ভিত্তি করে কাজ করেছিলো।

• প্রথম প্রজন্ম (1" Generation-1G :1979-1990)
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- আশির দশকে প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন ছিল সেলুলার নেটওয়ার্কনির্ভর এবং এগুলো অ্যানালগ সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।
- নব্বইয়ের দশকের আগ পর্যন্ত এ প্রজন্মের সিস্টেম চলতে থাকে।
- এই প্রজন্মে রোমিং ব্যবস্থা সীমিত ছিল।
- উদাহরণ: AMPS (Advanced Mobile Phone System), TACS (Total Access Communication Suystem) ইত্যাদি।

• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য
১. অ্যানালগ পদ্ধতিতে রেডিও সিগন্যালের ব্যবহার ছিল।
২. সেলুলার নেটওয়ার্কের প্রবর্তন।
৩. বেজ স্টেশন ও মোবাইল ফোন দুটি ভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা হতো।
৪. অর্ধপরিবাহী মেমোরি এবং মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার হতো।
৫. চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি হলো FDMA |
৬. আকার তুলনামূলকভাবে বড় এবং ওজন বেশি ছিল।
৭. কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতো।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৬৩.
FDMA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Frequent Division Multi Access
  2. খ) Frequent Division Multiple Access
  3. গ) Frequency Division Multiple Access
  4. ঘ) Frequency Division Multi Access
সঠিক উত্তর:
গ) Frequency Division Multiple Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Frequency Division Multiple Access
ব্যাখ্যা
FDMA এর পূর্ণরূপ- Frequency Division Multiple Access. 

১. প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
২. রেডিও সিগন্যাল হিসেবে এনালগ সিগন্যালের ব্যবহার।
৩. অপেক্ষাকৃত কম ব্যান্ডের সিগন্যাল ফ্রিকোয়েন্সির ব্যবহার।
৪. FDMA (Frequency Division Multiple Access) পদ্ধতির ব্যবহার।
৫. সেমিকন্ডাক্টর ও মাইক্রোপ্রসেসর প্রযুক্তির ব্যবহার।
৬. আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা না থাকা।
৭. কথা বলার সময় অবস্থান পরিবর্তন হলে ট্রান্সমিশন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৪.
IMEI নম্বর দ্বারা—
  1. মোবাইলের ক্যামেরা চিহ্নিত হয়
  2. মোবাইলের সফটওয়্যার আপডেট হয়
  3. মোবাইলের সনাক্তকরণ
  4. মোবাইলের ব্যাকআপ নেওয়া হয়
সঠিক উত্তর:
মোবাইলের সনাক্তকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবাইলের সনাক্তকরণ
ব্যাখ্যা

◉ IMEI (International Mobile Equipment Identity) নম্বর হল একটি অনন্য ১৫-অঙ্কের কোড যা প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য নির্ধারিত হয়। IMEI নম্বর মোবাইল ফোন/ট্যাবলেটের হার্ডওয়্যার আইডেন্টিফায়ার হিসেবে কাজ করে।

IMEI:
- প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
- IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।
- IMEI হলো একটি ইউনিক (বিশেষ) পরিচয় নম্বর, যা প্রতিটি মোবাইল ডিভাইসকে দেওয়া হয়।
- এটি একটি মোবাইল ডিভাইসের "ফিঙ্গারপ্রিন্ট" হিসেবে কাজ করে, যার মাধ্যমে ডিভাইসটি মোবাইল নেটওয়ার্কে চিহ্নিত করা যায়।
- IMEI সাধারণত ১৫টি ডিজিটের হয়ে থাকে।
- এটি নেটওয়ার্ক অপারেটরদের ডিভাইস ট্র্যাক করতে সহায়তা করে (যেমন: চুরি হওয়া ফোন ব্লক করা)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬৫.
ওয়াইম্যাক্স সাধারণত কত ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে?
  1. 70-100GHz
  2. 0-2GHz
  3. 80-120GHz
  4. 2-66GHz
সঠিক উত্তর:
2-66GHz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2-66GHz
ব্যাখ্যা

ওয়াইম্যাক্স 2 GHz-66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।

• ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- কভারেজ এরিয়া সাধারণত 10 থেকে 60 কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- সাধারণত নেটওয়ার্কের জন্য কোনো প্রকার ক্যাবল বা তারের প্রয়োজন হয় না।
- নেটওয়ার্কে সহজে নতুন ব্যবহারকারী যুক্ত করে নেটওয়ার্কের পরিধি বাড়ানো যায়।
- ডেটা ট্রান্সফারের রেট সাধারণত 80 Mbps থেকে 1 Gbps পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত 2 GHz-66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে। তবে Non Line of Sight-এর জন্য ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 11 GHz এবং Line of Sight-এর জন্য ফ্রিকোয়েন্সি রেঞ্জ 2 GHz থেকে 66 GHz।
- সিগন্যাল নয়েজ (SNR-signal to noise ratio) সর্বোচ্চ 7 dB (decibel)।
- বাধামুক্ত সিগন্যাল ট্রান্সফারের জন্য বিভিন্ন ধরনের এনক্রিপশন সুবিধা আছে।
- ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন হতে পারে।
- ওয়াইম্যাক্স কানেকশন ওরিয়েন্টেড MAC প্রোটোকল ব্যবহার করে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬.
জিএসএম-এর একটি বৈশিষ্ট্য হিসেবে, এর মাধ্যমে কোন সেবা পথিকৃত হিসেবে কাজ করে?
  1. Short Message Service
  2. Multiparty Service
  3. Call Forwarding
  4. Call Holding
সঠিক উত্তর:
Short Message Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Short Message Service
ব্যাখ্যা
• জিএসএম (Global System for Mobile Communication - GSM):
- জিএসএম হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- জিএসএম প্রথম চালু হয় ফিনল্যান্ড-এ।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে, বিশ্বের যে কোনো স্থান থেকে জিএসএম নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা অবস্থায় একজন ব্যবহারকারী তার মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে সক্ষম।
- জিএসএম সিস্টেমে TDMA (Time Division Multiple Access) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় এবং এর মাধ্যমে বিভিন্ন মোবাইল ফোন সার্ভিস যেমন: এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কল নিয়ন্ত্রণ, ইনকামিং কল নিয়ন্ত্রণ, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি প্রদান করা হয়।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- জিএসএম স্বল্প মূল্যের এসএমএস (Short Message Service) সেবা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পথিকৃত।
- মোবাইল হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা সাধারণত ১ ওয়াট বা ২ ওয়াট।
- এটি সেলুলার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট অঞ্চলে মোবাইল ফোনগুলোকে জিএসএম নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- জিএসএম নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ কার্যকরী দূরত্ব ৩৫ কিলোমিটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭.
অ্যানালগ পদ্ধতির রেডিও সিগন্যাল ব্যবহৃত হত কোন প্রজন্মের মোবাইলে?
  1. ক) ১ম প্রজন্ম
  2. খ) ২য় প্রজন্ম
  3. গ) ৩য় প্রজন্ম
  4. ঘ) ৪র্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্ম মোবাইল (১৯৫০-১৯৮৯):
- প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন ১৯৭৩ সালে অ্যানালগ সিস্টেম ও পোর্টেবল ডিভাইসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।
- ১৯৭৯ সালে এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) সেলুলার টেলিফোন উৎপাদন শুরু করে।
- ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকোতে সেলুলার টেলিফোনের কিছু কিছু ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮১ সালে NMT (Nordic Mobile Telephone) কর্তৃক ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধাসহ ১ম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের দ্বিতীয় যাত্রা শুরু করে।

• প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
১. অ্যানালগ পদ্ধতিতে রেডিও সিগন্যালের ব্যবহার ছিল।
২. সেলুলার নেটওয়ার্কের প্রবর্তন।
৩. বেজ স্টেশন ও মোবাইল ফোন দুটি ভিন্ন ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা হতো।
৪. অর্ধপরিবাহী মেমোরি এবং মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার হতো।
৫. চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি হলো FDMA |
৬. আকার তুলনামূলকভাবে বড় এবং ওজন বেশি ছিল।
৭. কথোপকথন চলা অবস্থায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের পরিবর্তন হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতো।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৬৮.
জিএসএম প্রযুক্তি GPRS-এর 'G' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Global
  2. General
  3. Generation
  4. Generalized
সঠিক উত্তর:
General
উত্তর
সঠিক উত্তর:
General
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. জিএসএম (GSM-Global System for Mobile Communication) প্রযুক্তি ও
২. সিডিএমএ (CDMA-Code Division Multiple Access) প্রযুক্তি।
- জিএসএম প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service) ও EDGE সুবিধা প্রদান করে।

- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. IP (Internet Protocol) নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
২. ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রায় ১ Gbps।
৩. হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টেলিভিশন এবং গেমিং ইত্যাদির ব্যবহার শুরু।
৪. Bluetooth, WLAN, GPS (Global Positioning System), WCDMA, GPRS (General Packet Radio Service) প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৯.
GSM প্রযুক্তির কোন নতুন উদ্ভাবনের ফলে মোবাইল নেটওয়ার্কে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো সম্ভব হয়েছে?
  1. IVR
  2. SMS
  3. IRC
  4. USSD
সঠিক উত্তর:
SMS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SMS
ব্যাখ্যা

• GSM প্রযুক্তিতে মোবাইল নেটওয়ার্কে ক্ষুদে বার্তা পাঠানোর সুবিধা এসেছে SMS (Short Message Service) উদ্ভাবনের মাধ্যমে। 

• জিএসএম (Global System for Mobile Communication - GSM):
- জিএসএম হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- জিএসএম প্রথম চালু হয় ফিনল্যান্ড-এ।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে, বিশ্বের যে কোনো স্থান থেকে জিএসএম নেটওয়ার্কের আওতায় থাকা অবস্থায় একজন ব্যবহারকারী তার মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে সক্ষম।
- জিএসএম সিস্টেমে TDMA (Time Division Multiple Access) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় এবং এর মাধ্যমে বিভিন্ন মোবাইল ফোন সার্ভিস যেমন: এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কল নিয়ন্ত্রণ, ইনকামিং কল নিয়ন্ত্রণ, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি প্রদান করা হয়।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- জিএসএম স্বল্প মূল্যের এসএমএস (Short Message Service) সেবা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে পথিকৃত।
- মোবাইল হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা সাধারণত ১ ওয়াট বা ২ ওয়াট।
- এটি সেলুলার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট অঞ্চলে মোবাইল ফোনগুলোকে জিএসএম নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- জিএসএম নেটওয়ার্কের সর্বোচ্চ কার্যকরী দূরত্ব ৩৫ কিলোমিটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার কোনটি?
  1. পিপীলিকা
  2. দুরন্ত
  3. তর্জনী
  4. দোয়েল
সঠিক উত্তর:
তর্জনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তর্জনী
ব্যাখ্যা
• তর্জনী:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার ‘তর্জনী’।
- ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের স্মরণে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ব্রাউজারটির উদ্বোধন করা হয়।
- মোবাইল ব্রাউজার ‘তর্জনী’ চালু করেছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ।
- ‘বাংলাদেশ সরকারের জন্য নিরাপদ ই-মেইল ও ডিজিটাল লিটারেসি সেন্টার স্থাপন’ প্রকল্পের আওতায় তর্জনী ব্রাউজারটি তৈরি করা হয়েছে।
- ব্রাউজারটির বৈশিষ্ট্য হলো এতে বাংলা ভাষা রয়েছে এবং এর বাংলা অপটিমাইজেশন অন্যান্য ব্রাউজারের তুলনায় শক্তিশালী।
- ব্রাউজারটিতে ইংরেজি ভাষাও নির্বাচন করা যায়। 
- সহজে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য ব্রাউজারটিতে রয়েছে তর্জনী সার্চ বার, ডার্ক মোড, ট্যাব, বিজ্ঞাপন বন্ধ, বুকমার্ক, ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা, ইনকগনিটোসহ বিভিন্ন সুবিধা।
- অ্যাপলের অ্যাপ স্টোর এবং গুগল প্লে স্টোর থেকে বিনা মূল্যে নামিয়ে ব্যবহার করা যাবে ব্রাউজারটি। ভবিষ্যতে ব্রাউজারটির ডেস্কটপ সংস্করণও চালু করা হবে।

উৎস: 
১. [Link]
২. প্রথম আলো
৭১.
দুইটি ব্লুটুথ ডিভাইস যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে, তার নাম কী?
  1. লিঙ্কিং
  2. ডিবাগিং
  3. প্যায়ারিং
  4. ব্রডকাস্টিং
সঠিক উত্তর:
প্যায়ারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যায়ারিং
ব্যাখ্যা

• দুটি ব্লুটুথ ডিভাইস যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে, তার নাম হলো প্যায়ারিং (Pairing)।
- এই প্রক্রিয়ায় সাধারণত একটি পাসকি (Passkey) বা পিন (PIN) আদান-প্রদানের মাধ্যমে ডিভাইস দুটির মধ্যে বিশ্বস্ততা ও নিরাপত্তার স্তর তৈরি করা হয়, যাতে তারা তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

• ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- Bluetooth এ Radio Frequency (RF) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- Bluetooth 2.4GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২.
স্টার টপোলজিতে কেন্দ্রীয় সংযোগ পয়েন্ট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস কোনটি?
  1. Switch
  2. Bridge
  3. Repeater
  4. Router
সঠিক উত্তর:
Switch
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Switch
ব্যাখ্যা
স্টার টপোলজি (Star Topology)-তে প্রতিটি কম্পিউটার বা নোড একটি কেন্দ্রীয় ডিভাইস এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে। এই কেন্দ্রীয় ডিভাইসটির মাধ্যমেই সব ডেটা আদান-প্রদান হয়।
- এই কেন্দ্রীয় ডিভাইস হিসেবে Switch সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় কারণ:
- এটি ডেটা প্যাকেটগুলোকে গন্তব্য অনুযায়ী সঠিকভাবে ফরওয়ার্ড করে।
- এটি প্রতিটি ডিভাইসকে একটি আলাদা সংযোগ দেয়, ফলে নেটওয়ার্কের গতি ও নিরাপত্তা বাড়ে।

⚪ অপশন আলোচনা:

Bridge: দুটি নেটওয়ার্ক সেগমেন্ট সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু স্টার টপোলজির কেন্দ্রীয় পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।

Repeater: সিগনাল বুস্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়, কেন্দ্রীয় সংযোগ পয়েন্ট নয়।

Router: বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা রাউট করতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু স্টার টপোলজির জন্য আদর্শ নয়।

⚪ স্টার টপোলজি:
- কোনো নেটওয়ার্কের সবগুলো কম্পিউটার যদি একটি কেন্দ্রীয় হাব (hub)/সুইচ (switch)-এর সাথে যুক্ত থাকে, তাহলে সেটিকে বলে স্টার টপোলজি।
- এটি তুলনামূলকভাবে একটি সহজ টপোলজি। 
- কেউ যদি খুব তাড়াতাড়ি সহজে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চায়, তাহলে সে স্টার টপোলজি ব্যবহার করবে।
- এই টপোলজিতে একটি কম্পিউটার নষ্ট হলেও বাকি নেটওয়ার্ক সচল থাকে।
- কিন্তু কোনোভাবে কেন্দ্রীয় হাব/সুইচ নষ্ট হলে পুরো নেটওয়ার্কটিই অচল হয়ে পড়বে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭৩.
১ম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি কোনটি ছিল?
  1. TDMA
  2. CDMA
  3. FDMA
  4. OFDMA
সঠিক উত্তর:
FDMA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FDMA
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) FDMA

প্রথম প্রজন্মের মোবাইল (1G : 1979-1990)
- যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো Motorola DynaTAC হ্যান্ডহেল্ড মোবাইল ফোন চালু করা হয়, যা Total Access Communication System (TACS) নামে পরিচিত।
 - ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে 1G মোবাইল ফোনগুলো সেলুলার নেটওয়ার্কের উপর ভিত্তি করে এবং অ্যানালগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করত।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTT (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করে, যা 1G প্রযুক্তির সূচনা করে।
- ১৯৯০-এর দশকের শুরু পর্যন্ত এই প্রজন্মের সিস্টেম ব্যবহার হয়।
- এই সময়ের রোমিং সুবিধা সীমিত ছিল।
- উদাহরণস্বরূপ: AMPS (Advanced Mobile Phone System), TACS (Total Access Communication System) ইত্যাদি।

১জি মোবাইল সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য
১. রেডিও সিগন্যালের জন্য অ্যানালগ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হতো।
২. প্রথমবারের মতো সেলুলার নেটওয়ার্কের প্রয়োগ দেখা যায়।
৩. বেজ স্টেশন এবং মোবাইল ফোন দুটি আলাদা ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করত।
৪. ব্যবহৃত হতো অর্ধপরিবাহী মেমোরি ও মাইক্রোপ্রসেসর।
৫. চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি ছিল FDMA (Frequency Division Multiple Access)।
৬. ডিভাইসের আকার বড় ও ওজন বেশি ছিল।
৭. কল চলাকালীন ব্যবহারকারীর অবস্থান পরিবর্তন হলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতো।

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 

৭৪.
ইথারনেটে কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহার করা হয়?
  1. ফুল-ডুপ্লেক্স
  2. সিমপ্লেক্স
  3. হাফ ডুপ্লেক্স
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুল-ডুপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
• ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex) হল একটি ডাটা ট্রান্সমিশন মোড যেখানে ডাটা একসাথে দুটো দিকেই পাঠানো এবং গ্রহণ করা যায়। অর্থাৎ, একে অপরের সাথে এক সময়ে যোগাযোগ করা সম্ভব। ইথারনেট সাধারণত ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করে, যেখানে দুটি ডিভাইস একে অপরের সাথে ডাটা আদান-প্রদান করতে পারে একই সময়ে, কোনো বাধা ছাড়াই।

- ইথারনেট একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি যা স্থানীয় এলাকা নেটওয়ার্ক (LAN) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। এটি প্রাথমিকভাবে ডাটা ট্রান্সমিশন বা তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে।
- ইথারনেটের মাধ্যমে ডিভাইসগুলি একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে এবং নেটওয়ার্কে ডাটা পাঠানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহার করা হয়। এখন, ইথারনেটে ব্যবহৃত 
- ইথারনেটের ক্ষেত্রে: আধুনিক ইথারনেটের প্রযুক্তি যেমন Gigabit Ethernet (১০/১০০/১০০০ এমবিপিএস) এবং 10-Gigabit Ethernet এই মোড ব্যবহার করে থাকে।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ইথারনেট ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
GSM-এ মূলত কয় ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চার ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার ধরনের
ব্যাখ্যা
• জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- ইউরোপীয়ান দেশসমূহে রোমিং (Roaming) করা যায়। অন্যান্য অনেক দেশেই অর্থের বিনিময়ে এই সেবা পাওয়া যায়।
- সিম (SIM) কার্ডের সহজ ব্যবহার।
- ফ্রিকোয়েন্সি হপিং (Hopping) সুবিধা; কম ফ্রিকোয়েন্সীতে অসুবিধা হলে ফ্রিকুয়েন্সী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়। 
- RA বক্সের মাধ্যমে ISDN এর সাথে সংযুক্ত হওয়া যায়।
- উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন।
- GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে। ট্রান্সমিশন পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- GSM এ মূলত চার ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়। এদেরকে GSM 400, GSM 900, GS 1800, GSM 1900 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৬.
কভারেজ এরিয়ার বাইরে গিয়েও মোবাইলে অনবরত ডেটা সার্ভিস পাওয়াকে কী বলা হয়?
  1. রাউটার
  2. রিপিটার
  3. ব্রিজ
  4. রোমিং
সঠিক উত্তর:
রোমিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমিং
ব্যাখ্যা
- কভারেজ এরিয়ার বাইরে গিয়েও মোবাইলে অনবরত ডেটা সার্ভিস পাওয়াকে রোমিং বলা হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা সীমিতমাত্রায় চালু হয়  2G মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের GSM ও CDMA - মোবাইল প্রযুক্তিতে রোমিং সুবিধা বিদ্যমান ছিলো।
- 3G মোবাইল প্রযুক্তি থেকে ব্যাপক মাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা শুরু হয়। 
- 3G হচ্ছে মোবাইল যোগাযোগের একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।
- এতে থাকছে উচ্চ গতির ইন্টারনেট এক্সেস, ভিডিও কলিং এবং উন্নত মাল্টিমিডিয়া ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
৭৭.
কাকে মোবাইল ফোনের জনক বলা হয়?
  1. ক) Martin Cooper
  2. খ) Xing li
  3. গ) Daniel bruce
  4. ঘ) Alfred Hockham
সঠিক উত্তর:
ক) Martin Cooper
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Martin Cooper
ব্যাখ্যা
মোবাইল অর্থ ভ্রাম্যমান বা 'স্থানান্তরযোগ্য'। মোটোরোলা কোম্পানিতে কর্মরত ডঃ মার্টিন কুপার এবং জন ফ্রান্সিস মিচেলকে প্রথম মোবাইল ফোনের উদ্ভাবকের মর্যাদা দেয়া হয়ে থাকে। তাঁরা ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে প্রথম সফলভাবে একটি প্রায় ১ কেজি ওজনের হাতে ধরা ফোনের মাধ্যমে কল করতে সক্ষম হন। মোবাইল ফোনের প্রথম বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে আসে ১৯৮৩ সালে, ফোনটির নাম ছিল মোটোরোলা ডায়না টিএসি ৮০০০এক্স।
Source: CNN
৭৮.
মোবাইলফোন ব্যবস্থায় প্রত্যেকটি সেলে কি থাকে?
  1. BTS
  2. ITS
  3. LTS
  4. WTS
সঠিক উত্তর:
BTS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BTS
ব্যাখ্যা

মােবাইল টেলিফোনে যােগাযােগ করার কাজটি সম্পন্ন করার জন্য পুরাে এলাকাকে অনেকগুলাে সেলে (cell) ভাগ করে নেয়)।
এজন্য মােবাইল টেলিফোনকে অনেক সময় সেলফোনও বলা হয়। প্রয়ােজনের ওপর নির্ভর করে এই সেলগুলাের ব্যাসার্ধ 1 থেকে 20 কিলােমিটার পর্যন্ত হতে পারে।
প্রত্যেকটা সেলে একটি করে বেস স্টেশন (BTS: Base Transceiver station) থাকে।

৭৯.
ISD এর পূর্ণরূপ কী?
  1. International Subscriber Dialing
  2. Internet Standard Dialing
  3. International System Dialing
  4. Internet System Dialing
সঠিক উত্তর:
International Subscriber Dialing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Subscriber Dialing
ব্যাখ্যা
ISD: International Subscriber Dialing
ISD stands for International Subscriber Dialing. It is also known as International Direct Dialing (IDD).
This term describes an International telephone call made by a person without relying on the telephone operator.
 
উৎস: Britannica.com
৮০.
নিচের কোনটি চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের বৈশিষ্ঠ্য?
  1. GSM - পদ্ধতিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ
  2. উন্নত GPRS
  3. VOIP
  4. পেজিং সিস্টেম ব্যবহার
সঠিক উত্তর:
VOIP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
VOIP
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্ম (২০০৯-বর্তমান সময় পর্যন্ত:
২০০৯ সালের অক্টোবর মাসে চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়। চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইলের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো প্যাকেট স্যুইচিং বা সার্কিট স্যুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ভিত্তিক নেটওর্য়াকের ব্যবহার। ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহারের ফলে LAN, WAN, VOIP, Internet ইত্যাদি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিং পরিবর্তে প্রটোকল ভিত্তিক ভয়েস ডাটা ট্যান্সফার করা সম্ভব হচ্ছে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

৮১.
ব্লুটুথ (Bluetooth) কার নামানুসারে নামকরণ করা হয়?
  1. ক) ডেনমার্কের রাজা
  2. খ) জাপানের সম্রাট
  3. গ) ব্রিটেনের রাণী
  4. ঘ) সুইজারল্যান্ডের রাজা
সঠিক উত্তর:
ক) ডেনমার্কের রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডেনমার্কের রাজা
ব্যাখ্যা

ব্লুটুথ (Bluetooth)
- ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে। ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
- ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
- RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
- ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
- ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
- এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৮২.
জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ফ্রিকোয়েন্সি হপিং সুবিধা
  2. উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন
  3. GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• জিএসএম মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- ইউরোপীয়ান দেশসমূহে রোমিং (Roaming) করা যায়। অন্যান্য অনেক দেশেই অর্থের বিনিময়ে এই সেবা পাওয়া যায়।
- সিম (SIM) কার্ডের সহজ ব্যবহার।
- ফ্রিকোয়েন্সি হপিং (Hopping) সুবিধা; কম ফ্রিকোয়েন্সীতে অসুবিধা হলে ফ্রিকুয়েন্সী স্বয়ংক্রিয়ভাবে বেড়ে যায়।
- RA বক্সের মাধ্যমে ISDN এর সাথে সংযুক্ত হওয়া যায়।
- উচ্চ গুণগত মান সম্পন্ন অবিচ্ছিন্ন ট্রান্সমিশন।
- GPRS ও EDGE সুবিধা প্রদান করে। ট্রান্সমিশন পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- GSM এ মূলত চার ধরনের ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহৃত হয়। এদেরকে GSM 400, GSM 900, GS 1800, GSM 1900 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৩.
মোবাইল ইন্টারনেটে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) GPRS
  2. খ) WAP
  3. গ) EDGE
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
GPRS, EDEG, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন মোবাইল ফোনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এখন মোবাইল ফোনেই ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। 

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা:
• সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায় ।
• যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
• দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।
• বিশ্বের যে কোন প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়।
• থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়।
• স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়৷

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৮৪.
GSM মোবাইল প্রজন্মের কোন প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৪র্থ প্রজন্ম
  2. ৩য় প্রজন্ম
  3. ২য় প্রজন্ম
  4. ১ম প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
২য় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
GSM ২য় প্রজন্ম মোবাইল প্রজন্মের প্রযুক্তি।

• সেলুলার বা মোবাইল ফোন প্রযুক্তি:
- মোবাইল ফোন বর্তমান বিশ্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম।
- ১৯৪০ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে সর্ব প্রথম মোবাইল ফোন চালু হয়।
- তার বিহীন দুটি ডিভােেইসর মধ্যে ডাটা ও তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে সিস্টেম ব্যবহৃত হয় তাকে মোবাইল যোগাযোগ বলে।
-বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা-
১। জিএসএম (GSM) ও
২। সিডিএমএ (CDMA)

• জিএসএম:
- Global System for Mobile Communication (GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস) এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএমএস পথিকৃত।
- GSM, TDMA (Time division multiple access) ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হল- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কল কন্ট্রোল, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কল ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

• জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৫.
সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স মোডে কোন কম্পিউটার ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. Printer
  2. Monitor
  3. Mouse
  4. NIC
সঠিক উত্তর:
NIC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NIC
ব্যাখ্যা

• সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স (Full Duplex) মোডে যে কম্পিউটার ডিভাইসটি ব্যবহার করা হয় তা হলো ঘ) NIC (Network Interface Card)। ফুল ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে ডেটা প্রেরণ (send) ও গ্রহণ (receive) করা যায়। নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকার সময় একটি কম্পিউটার একসাথে তথ্য পাঠায় এবং গ্রহণ করে, আর এই কাজটি সম্পন্ন করে NIC। Printer, Monitor বা Mouse একমুখী বা হাফ ডুপ্লেক্স যোগাযোগে কাজ করে; তারা একই সময়ে ডেটা পাঠানো ও গ্রহণ করতে পারে না। তাই ফুল ডুপ্লেক্স যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ডিভাইস হলো NIC.
 
• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৬.
Which of the following services became possible with 3G?
  1. Digital Voice transmission
  2. SMS and MMS
  3. Mobile Banking
  4. None of them
সঠিক উত্তর:
Mobile Banking
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mobile Banking
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) Mobile Banking.

• তৃতীয় প্রজন্ম (২০০১-২০০৮):
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে NTT DoCoMo সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি (আন্তর্জাতিক টেলিফোন সংস্থা: ITU এর মতে) যাতে GSM EDGE UTMS এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য:
- GPRS (General Packet Radio System) স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE (Enhanced Data Rates for Global Evolution) সিস্টেম চালু হয়।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয়।
- ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে ডেটা আদান-প্রদানের নতুন এক মাত্রা যোগ হয়।

অন্যান্য অপশন:
ক) Digital Voice transmission
- 2G প্রযুক্তিতে ডিজিটাল ভয়েস ট্রান্সমিশন চালু হয়েছিল।

খ) SMS and MMS
- SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Messaging Service) চালু হয় 2G-তে।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৮৭.
কোন প্রযুক্তিকে 'গ্রীন ফোন' বলা হয়?
  1. জিএসএম
  2. ডিএসএমএ
  3. সিডিএমএ
  4. এমএমএস
সঠিক উত্তর:
সিডিএমএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিডিএমএ
ব্যাখ্যা
বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- জিএসএম প্রযুক্তি ও সিডিএমএ প্রযুক্তি।
সিডিএমএস সিস্টেমে কম পাওয়ার দরকার হয় তাই ব্যাটারির আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি পায় এবং দীর্ঘক্ষন ধরে কথা বলা যায় যা পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তাই একে গ্রীন ফোনও বলা হয়। বাংলাদেশ সিটিসেল সিডিএমএ প্রযুক্তি ব্যবহার করতো।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৮.
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) TDMA
  2. খ) EDGE
  3. গ) HSPA
  4. ঘ) LTE
সঠিক উত্তর:
ঘ) LTE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) LTE
ব্যাখ্যা
LTE (Long Term Evolution) হল চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোন প্রযুক্তির উদাহরণ। 

- চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এতে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং এর পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার করা হয়। যার ফলে এই প্রজন্মের মোবাইল ফোন সমূহে আলট্রা-ব্রডব্যান্ড গতির ইন্টারনেট সুবিধা পাওয়া যায়।

বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. Internet Protocol নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
২. হাই ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্সিং, থ্রিডি টেলিভিশন এবং গেমিং ইত্যাদির ব্যবহার শুরু হয়। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৯.
মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মে প্রিপেইড সিস্টেমের প্রবর্তন হয়?
  1. 1G
  2. 2G
  3. 3G
  4. 5G
সঠিক উত্তর:
2G
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2G
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের দ্বিতীয় প্রজন্মে প্রিপেইড সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
- ১৯৯০ সালে GSM এবং CDMA স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়।
- এতে ডিজিটাল ট্রান্সমিশন সিস্টেমের ব্যবহার চালু হয় এবং ভয়েস ও ডেটা প্রেরণ সম্ভব হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মকে ডিজিটাল সেলুলার নেটওয়ার্ক বলা হয়ে থাকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইলে প্রিপেইড পদ্ধতি, এসএমএস, এমএমএস, টেক্সট মেসেজিং ব্যবস্থা সেবা চাল হয়।
- ভয়েস প্রেরণের সুবিধা চালু হয়।
- মোবাইল ফোনে পেমেন্ট সিস্টেমের প্রবর্তন হয়।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা এবং মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার সুবিধা চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৯০.
কোনটি এপলের পরিসেবা?
  1. ক) Youtube
  2. খ) Hangouts
  3. গ) Opendoc
  4. ঘ) Picasa
সঠিক উত্তর:
গ) Opendoc
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Opendoc
ব্যাখ্যা
Opendoc is a multi-platform software componentry framework standard created by Apple for compound documents, intended as an alternative to Microsoft's Object Linking and Embedding. Rest of them from Google.
৯১.
ISDN কী ধরনের তথ্য একসাথে ট্রান্সমিট করতে পারে?
  1. শুধুমাত্র ভিডিও
  2. শুধুমাত্র ডেটা
  3. ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
  4. শুধুমাত্র ভয়েস
সঠিক উত্তর:
ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
ব্যাখ্যা

• ISDN (Integrated Services Digital Network) হল একটি ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থা যা একই সময়ে একাধিক ধরনের তথ্য স্থানান্তর করতে সক্ষম। এটি মূলত ভয়েস, ভিডিও এবং ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ISDN একটি লাইন ব্যবহার করে কেবল ভয়েস নয়, বরং ডেটা এবং ভিডিও সিগন্যালও একসাথে প্রেরণ করতে পারে, ফলে আলাদা লাইন ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে না। উদাহরণস্বরূপ, একই সময়ে কেউ ফোনে কথা বলার পাশাপাশি ইন্টারনেটে ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে। তাই ISDN শুধুমাত্র ভয়েস বা শুধুমাত্র ডেটার জন্য সীমাবদ্ধ নয়; এটি ভয়েস এবং ডেটা একসাথে প্রেরণের সুবিধা দেয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) ভয়েস এবং ডেটা একসাথে।

 
 • ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২.
4G এর গতি 3G এর চেয়ে কত গুণ বেশি?
  1. ক) ২০ গুণ
  2. খ) ৩০ গুণ
  3. গ) ৫০ গুণ
  4. ঘ) ৬০ গুণ
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০ গুণ
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের অন্যতম বৈশিষ্ট  হচ্ছে 3G এর চেয়ে ৫০ গুণ গতি বেশি। 

চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল ফোনের বৈশিষ্ট হচ্ছে –
- Internet Protocol ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
- 3G এর চেয়ে ৫০ গুণ বেশি গতি।
- আলট্রা ব্রড-ব্যান্ড গতির ইন্টারনেট ব্যবহার।
- পণ্যের বিল প্রদান করতে সক্ষম।
- Long Term Evolution(LTE) ভিত্তিক 4G মোবাইল সিস্টেম।
উদাহরণ: WiMax2, LTE(long Term Evolution) - Advance ইত্যাদি। 

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৩.
ডেটা ট্রান্সমিশনের হারকে বলে-
  1. ব্যান্ড
  2. ব্যান্ডউইথ
  3. ভয়েসরেট
  4. ভয়েসব্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ব্যান্ডউইথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যান্ডউইথ
ব্যাখ্যা
• ব্যান্ডউইথ (Bandwidth):
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানাান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত bit per second (bps) এ হিসাব করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bit per second (bps) বা ব্যান্ডউইডথ বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৯৪.
ISDN প্রযুক্তির মাধ্যমে একই সঙ্গে কোন কোন ধরনের সিগন্যাল বা তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব?
  1. শুধুমাত্র ডেটা
  2. শুধুমাত্র ভয়েস
  3. শুধুমাত্র ভিডিও
  4. ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
সঠিক উত্তর:
ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভয়েস এবং ডেটা একসাথে
ব্যাখ্যা

• ISDN (Integrated Services Digital Network) হলো এমন একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা যা সাধারণ টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভয়েস এবং ডেটা একসাথে উচ্চগতিতে প্রেরণ করতে পারে।
- এটি একই সংযোগ ব্যবহার করে কথা বলা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা দেয়।

• ইন্টারনেটের সংযোগ পদ্ধতি:
- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো-
১. ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২. আইএসডিএন (ISDN)
৩. ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪. ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫. ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৫.
নিচের কোনটি GSM এর বৈশিষ্ট্য?
  1. আলাদা কোড সহ ব্যান্ডউইথ বরাদ্দ করে
  2. কল খরচ কম
  3. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা
⚪ জিএসএম (GSM):
- GSM এর পূর্ণরূপ Global System for Mobile Communications হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড।
- একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে যেকোনো ব্যক্তি জিএসএম-এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারেন।
- স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস)-এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএসএম পথিকৃৎ।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম-এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- এর সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।

⚪ জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
১. সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
২. সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার।
৩. অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
৪. ব্যান্ডউইথকে টাইম স্লটে ভাগ করে।
৫. কলের খরচ বেশী। 
৬. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায়।

⚪ সিডিএমএর বৈশিষ্ট্য: 
১.আলাদা কোড সহ ব্যান্ড উইডথ বরাদ্দ করে।
২. কলের খরচ কম।
৩. রোমিং সুবিধা পাওয়া যায় না।
৪. সিডিএমএ হ্যান্ডসেটগুলোর ব্যাটারীর আয়ু বেশী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
সর্বপ্রথম কোন দেশ Motorola Dyna TACS নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. চীন
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্র Motorola Dyna TACS নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।

• মোবাইল ফোন:

- মোবাইল ফোনের জনক মার্টিন কুপার।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- ১৯৭৯ সালে জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) প্রথম বাণিজ্যিকভাবে অটোমেটেড সেলুলার নেটওয়ার্ক চালু করার মাধ্যমে 1G এর সূচনা করে।

• মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
যথা:
- প্রথম প্রজন্ম,
- দ্বিতীয় প্রজন্ম,
- তৃতীয় প্রজন্ম,
- চতুর্থ প্রজন্ম এবং
- পঞ্চম প্রজন্ম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৯৭.
ভিডিও কলের সুবিধা শুরু হয় মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের তৃতীয় প্রজন্ম থেকে ভিডিও কলের ব্যবহার শুরু হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৯৮.
স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস) বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কে পথিকৃত?
  1. ক) CDMA
  2. খ) EDGE
  3. গ) GPRS
  4. ঘ) GSM
সঠিক উত্তর:
ঘ) GSM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) GSM
ব্যাখ্যা

জিএসএম বা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (Global System for Mobile Communication-GSM) হলো মোবাইল টেলিফোনি সিস্টেমের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্ট্যান্ডার্ড। একে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সিস্টেম হিসেব বিবেচনা করা হয়।
মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের মধ্যে রোমিং চুক্তি থাকার ফলে বিশ্বের যে কোন স্থান থেকে যেকোন ব্যক্তি জিএসএম এর আওতায় থাকা অবস্থায় নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করতে পারছে। স্বল্প মূল্যের শর্ট মেসেজ সার্ভিস (এসএমএস) এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও জিএসএম পথিকৃত।
GSM,TDMA (Time division multiple access) ব্যবহার করে যেসব মোবাইল ফোন সার্ভিস দেয়া হয় সেগুলো হল- এসএমএম, কল ফরওয়ার্ডিং, আউটগোয়িং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, ইনকামিং কলকে নিয়ন্ত্রণ করা, কল হোডিং, কলার আইডি, কলার ওয়েটিং, মাল্টিপার্টি সার্ভিস ইত্যাদি।

জিএসএম এর বৈশিষ্ট্য:
- স্বল্প মূল্যের এসএমএস এর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জিএসএম পথিকৃত।
- সেলুলার নেটওয়ার্ক বিধায় নির্দিষ্ট এলাকাতে মোবাইল ফোনগুলো জিএসএম এর সাথে সংযুক্ত হয়।
- সর্বোচ্চ দূরত্ব হলো ৩৫ কিলোমিটার ।
- অধিকাংশ টুজি জিএসএম নেটওয়ার্কগুলো 900 MHz বা 1800MHz ব্যান্ডে পরিচালিত হয়।
- হ্যান্ডসেটের ট্রান্সমিশন ক্ষমতা ২ বা ১ ওয়াট।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৯৯.
হাফ ডুপ্লেক্সের তুলনায় ফুল ডুপ্লেক্স:
  1. ভয়েস কমিউনিকেশনের জন্য ব্যবহার করা যায় না
  2. সবসময় ধীর
  3. ব্যান্ডউইথ নষ্ট করে
  4. কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে
সঠিক উত্তর:
কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে
ব্যাখ্যা

• ফুল ডুপ্লেক্স হল একটি কমিউনিকেশন সিস্টেম যেখানে ডেটা একই সময়ে দুই দিকেই প্রেরণ এবং গ্রহণ করা যায়, যা হাফ ডুপ্লেক্সের চেয়ে কার্যকারিতা অনেক বেশি বৃদ্ধি করে। হাফ ডুপ্লেক্সে একটি সময়ে কেবল একদিকে ডেটা পাঠানো যায়, তাই যোগাযোগ ধীর হয়, কিন্তু ফুল ডুপ্লেক্সে উভয় দিকের ট্রান্সমিশন একসাথে ঘটতে পারে। এটি ভয়েস বা ডেটা কমিউনিকেশনের জন্য পুরোপুরি ব্যবহারযোগ্য এবং ব্যান্ডউইথ নষ্ট করে না, বরং আরও দক্ষভাবে ব্যবহার করে। তাই ফুল ডুপ্লেক্সের মূল সুবিধা হলো হাফ ডুপ্লেক্সের তুলনায় কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা।

উত্তর: ঘ) কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। 

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০০.
Cellular Data Network এর ক্ষেত্রে GPRS বলতে কী বুঝায়?
  1. Global Positioning Radio Service
  2. General Positioning Radio Service
  3. Global Packet Radio Service
  4. General Packet Radio Service
সঠিক উত্তর:
General Packet Radio Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
General Packet Radio Service
ব্যাখ্যা
- GPRS বলতে বোঝায় General Packet Radio Service

• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. GSM [Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।

২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।