বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

মোট প্রশ্ন৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৮৩২

১০১.
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য "জাগ্রত চৌরঙ্গী" এর ভাস্কর কে?
  1. অখিল পাল
  2. আবদুর রাজ্জাক
  3. শামীম শিকদার
  4. হামিদুজ্জামান খান
সঠিক উত্তর:
আবদুর রাজ্জাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

• জাগ্রত চৌরঙ্গী' ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন ভাস্কর্য শিল্পী আবদুর রাজ্জাক।
- এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য।

• জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- ডান হাতে গ্রেনেড, বাঁ হাতে রাইফেল, লুঙ্গি পরা, খোলা শরীর, দৃপ্ত পায়ে পেশিবহুল মুক্তিযোদ্ধার ভাস্কর্যটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে দাঁড়ানো।
- এটিই দেশে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগ স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- ভাস্কর: আবদুর রাজ্জাক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পত্রিকা রিপোর্ট।

১০২.
বাংলাদেশ কত সালে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
WIPO:
- ১৯৬৭ সালে WIPO প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্ণরূপ World Intellectual Property Organization.
- WIPO হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- এর মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- WIPO এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। (জুলাই, ২০২৫)
- সদর দপ্তর অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।

তথ্যসূত্র - WIPO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০৩.
বাংলাদেশের কোন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সার্কের 'সাংস্কৃতিক রাজধানী' হিসেবে স্বীকৃতি পায়?
  1. ময়নামতি
  2. সোনারগাঁও
  3. মহাস্থানগড়
  4. সোমপুর বিহার
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন নগরী।
- প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন হতে জানা যায় যে, কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসক বর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।
- ২০১৬ সালে মহাস্থানগড় সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পায়

তথ্যসূত্র: বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১০৪.
কার হাতে আমাদের জাতীয় পতাকা বর্তমান রূপ লাভ করেছে?
  1. শিব নারায়ণ দাস
  2. আ. স. ম. আবদুর রব
  3. পটুয়া কামরুল হাসান
  4. এস.এম. সুলতান
সঠিক উত্তর:
পটুয়া কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়া কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মানচিত্র: 
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সমর ব্যবহৃত পতাকায় লাল বৃত্তে সোনালি রঙে বাংলাদেশের মানচিত্র অঙ্কিত ছিল।
- মানচিত্র খচিত পতাকার মাধ্যমে সারা বিশ্বকে জানিয়ে দেয়া হয়েছিল এই ভূখণ্ডে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।
- মানচিত্র খচিত এই পতাকা আমাদের সংগঠিত, একত্রিত ও ঐক্যবদ্ধ করেছে।
- ছাত্রলীগ নেতা সিরাজুল আলম খানের নির্দেশে জাতীয় পতাকা তৈরির নকশা করা হয়।
- এই পতাকা তৈরির কাজে ছিলেন শিব নারায়ণ দাস। 
- ১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা মার্চে যখন উত্তাল সারা দেশ, সে সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের পশ্চিম দিকের গেটে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ২রা মার্চ, ১৯৭১ সালে প্রথমবারের মতো উত্তোলন করেন ছাত্রনেতা আ. স. ম. আবদুর রব।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে পটুয়া কামরুল হাসানকে জাতীয় পতাকার নকশা চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- পটুয়া কামরুল হাসানের হাতেই আমাদের জাতীয় পতাকা বর্তমান রূপ লাভ করেছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০৫.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে বক্তব্য প্রদান করেন?
  1. ৭৭তম
  2. ৭৬তম
  3. ৭৯তম
  4. ৭৮তম
সঠিক উত্তর:
৭৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৯তম
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।

এছাড়াও, 
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তার ৭৯তম অধিবেশন:
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।

-সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের সভাপতি ফিলেমন ইয়াং।

সূত্র: ইউনূস সেন্টার ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

১০৬.
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন-
  1. মুসা ইব্রাহীম
  2. এম এ মুহিত
  3. বাবর আলী
  4. নিশাত মজুমদার
সঠিক উত্তর:
মুসা ইব্রাহীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুসা ইব্রাহীম
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট বিজয়ে বাংলাদেশ: 
- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মূসা ইব্রাহীম।
- সময়: ২৩মে, ২০১০ সালে।
- বাংলাদেশের হয়ে দুই বার এভারেস্টের চূড়ায় আরোহন করেছেন- এম এ মুহিত।
- প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন- নিশাত মজুমদার (১৯ মে, ২০১২)।
- পঞ্চম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন বাবর আলী। 

উৎস: প্রথম আলো। 
১০৭.
বাংলাদেশ সম্প্রতি জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদস্য নির্বাচিত হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. SCO
  2. IAEA 
  3. ICSC
  4. GECF
সঠিক উত্তর:
ICSC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ICSC
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------------
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ: 
- বাংলাদেশ সম্প্রতি [নভেম্বর ২০২৪] জাতিসংঘের আইসিএসসি [ICSC] সদস্য নির্বাচিত।
-যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সিভিল সার্ভিস কমিশনের (আইসিএসসি) সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত  মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত।
-তিনি ২০২৫ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চার বছরের জন্য আইসিএসসির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
- ICSC এর পূর্ণরূপ হলো The International Civil Service Commission.
- এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১৯৭৪ সালে গঠিত একটি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ সিভিল সার্ভিস ফোরাম।
- এটির সদরদপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।
- বর্তমান [ডিসেম্বর, ২০২৪] চেয়ারম্যান Mr. Larbi Djacta [Algeria]

তথ্যসূত্র:-বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক] ও আইসিএসসি ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
১০৮.
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয় কোনটি?
  1. উত্তরাধিকার
  2. বাংলা একাডেমি পত্রিকা
  3. ধানশালিকের দেশ
  4. বাংলা একাডেমি সমাচার
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি সমাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি সমাচার
ব্যাখ্যা
- 'বাংলা একাডেমি সমাচার' বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয়।

- বাংলা একাডেমি থেকে ছয়টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
বাংলা একাডেমি পত্রিকা:
- গবেষণামূলক ত্রৈমাসিক।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উপর বিশেষ গুরুত্বসহ অন্যান্য বিষয়েও বাংলায় রচিত গবেষণামূলক প্রবন্ধ এতে প্রকাশিত হয়।

উত্তরাধিকার:
- মাসিক পত্রিকা।
- এতে সৃজনশীল রচনা, যথা: গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, গ্রন্থ-সমালোচনা ইত্যাদি মুদ্রিত হয়।

ধানশালিকের দেশ:
- ত্রৈমাসিক কিশোর পত্রিকা।
- কিশোরোপযোগী গল্প, কবিতা, ছড়া ইত্যাদি এই পত্রিকায় মুদ্রিত হয়।

• বাংলা একাডেমি বিজ্ঞান পত্রিকা:
- ষাণ্মাসিক এই পত্রিকাটি বিজ্ঞান বিষয়ক রচনার সমন্বয়ে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বার্তা:
- একাডেমির কার্যক্রম ও যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বিবরণ এতে উপস্থাপিত হয়ে থাকে।
- বর্তমানে এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বাংলা একাডেমি জার্নাল:
- ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত ষাণ্মাসিক পত্রিকা।
- বাংলা সাহিত্যের নির্বাচিত রচনা ইংরেজির অনুবাদ এবং বাংলা সাহিত্য ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইংরেজি ভাষায় রচিত মৌলিক রচনা এতে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

সূত্র: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১০৯.
বাংলাদেশের ওষুধশিল্পে প্রথমবারের মতো মার্কিন পেটেন্ট প্রাপ্ত ‘বঙ্গভ্যাক্স’ কোন ধরনের টিকা?
  1. ডেঙ্গু টিকা
  2. যক্ষ্মা টিকা
  3. ম্যালেরিয়া টিকা
  4. কোভিড–১৯ টিকা
সঠিক উত্তর:
কোভিড–১৯ টিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোভিড–১৯ টিকা
ব্যাখ্যা

কোভিড-১৯ টিকা ‘বঙ্গভ্যাক্স’:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে ওষুধশিল্পে প্রথমবারের মতো গ্লোব বায়োটেকের আবিষ্কৃত কোভিড-১৯ টিকা বঙ্গভ্যাক্স মার্কিন পেটেন্ট (মেধাস্বত্ব) পেয়েছে।
- গ্লোব বায়োটেকের বিজ্ঞানী কাকন নাগ ও নাজনীন সুলতানার তত্ত্বাবধানে ‘কোভিড-১৯’ শনাক্তকরণ কিট, টিকা এবং ওষুধ আবিষ্কারের গবেষণার ফলশ্রুতিতে তৈরি এই টিকা।
- প্রথমে এই টিকার টার্গেটের সম্পূর্ণ কোডিং সিকুয়েন্স ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের এনসিবিআই ডেটাবেজে প্রকাশিত হয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ২০২০ সালে গ্লোব বায়োটেক আবিষ্কৃত এই এমআরএনএ টিকা কোডিড-১৯ ভ্যাকসিন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

উল্লেখ্য,
- গ্লোব বায়োটেক বলেছে, এটি একটি নিজস্ব উদ্ভাবিত মৌলিক প্রযুক্তির এমআরএনএ টিকা।
- এটি তৈরিতে ন্যানোটেকনোলজির নিজস্ব উদ্ভাবিত মৌলিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
- এটি বিশ্বের একমাত্র এক ডোজের বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট–বিরোধী কার্যকরী কোভিড টিকা।
- এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমআরএনএসহ অন্যান্য প্রযুক্তির টিকা তৈরি করা যাবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১১০.
‘রামসার কনভেনশনে’ বাংলাদেশ কত সালে স্বাক্ষর করে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) বা রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

উল্লেখ্য,
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- ১৯৯৭ সাল থেকে ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব জলাভূমি দিবস হিসেবে IUCN, UNESCO-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি দেশে পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা পালন করে আসছেন।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
১১১.
বাংলাদেশের একাত্তরের গণহত্যাকে স্বীকৃতি প্রদানকারী মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. দ্য প্রিভেনশন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড
  2. দ্য হিউম্যান রাইটস ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন
  3. জেনোসাইড ওয়াচ ইনস্টিটিউট ফর প্রিভেনশন
  4. লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন
সঠিক উত্তর:
লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন
ব্যাখ্যা
একাত্তরের হত্যাকাণ্ড:
⇒ ১৯৭১ সালে বাঙালির ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর পরিচালিত হত্যাযজ্ঞকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন।

অন্যদিকে
• বাংলাদেশিদের ওপর পাকিস্তানিদের নির্মম হত্যাযজ্ঞকে ‘জেনোসাইড বা গণহত্যা’ বলে স্বীকৃতি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
• বিশ্বজুড়ে গণহত্যা প্রতিরোধ, মানুষের নিরাপত্তা ও জবাবদিহি তৈরিতে কাজ করে লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন।
• বাংলাদেশর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এই স্বীকৃতি পায়।
• একাত্তরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে চিহ্নিত করে লেমকিন ইনস্টিটিউট।

সূত্র: প্রথম আলো ও দৈনিক যুগান্তর।
১১২.
সম্প্রতি, টাইম সাময়িকীর ২০২৫ এ প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন-
  1. হাসনাত আব্দুল্লাহ
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. তারেক রহমান
  4. বেগম খালেদা জিয়া
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর করা ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় আছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
 - ‘টাইম–১০০’ শীর্ষক এই তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসকে ‘লিডার বা নেতা’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।
- ৬টি ক্যাটাগরিতে মোট ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম প্রকাশ করে মার্কিন এই সাময়িকী।
- নেতাদের তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ‘লৌহমানবী’ খ্যাত ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো, মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কসহ ২১ জন।

উৎস: প্রথম আলো।লিংক
১১৩.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন?
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- তিনি ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

⇒ ইংরেজি ভাষায় লেখা ‘ব্যাংকার টু দ্যা পুওর’ (Banker to the Poor) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনী।
- তাঁর আরও কিছু বই: দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য, গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন, বাংলাদেশ ২০১০, যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন, ক্রিয়েটিং অ্যা ওয়ার্ল্ড উইদাউট পোভার্টি, সামাজিক ব্যবসা, এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস, বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি প্রভৃতি। 

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য। সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা। তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।

১১৪.
নবনির্মিত মওলানা ভাসানী সেতু কোন দুটি জেলাকে যুক্ত করেছে?
  1. কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা
  2. গাইবান্ধা, রংপুর
  3. রংপুর, কুড়িগ্রাম
  4. কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা
ব্যাখ্যা

মওলানা ভাসানী সেতু:
- তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’।
- এটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ঘাট থেকে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার এবং প্রস্থ ৯.৬০ মিটার এবং সেতুটিতে মোট ৩০টি পিলার রয়েছে।
- সেতুটি সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় ও এলজিইডির তত্ত্বাবধানে চীনা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে।
- মোট নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ৮৮৫ কোটি টাকা।
- ২০ আগস্ট, ২০২৫ সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তথ্যসূত্র- বাসস। [link]

১১৫.
বাংলাদেশ ওআইসি (OIC) শ্রম কেন্দ্রের সংবিধিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে কবে?
  1. ১০ এপ্রিল, ২০২৫
  2. ১৩ এপ্রিল, ২০২৫
  3. ১৮ এপ্রিল, ২০২৫
  4. ২০ এপ্রিল, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১৩ এপ্রিল, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ এপ্রিল, ২০২৫
ব্যাখ্যা
ওআইসি শ্রম কেন্দ্র সংবিধিতে স্বাক্ষর:
- ওআইসি শ্রম কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে শ্রম সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য।
- ওআইসি শ্রম কেন্দ্র সংবিধি হল একটি দলিল যা শ্রম কেন্দ্রের কার্যক্রম, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং এর সংগঠন সম্পর্কে নিয়ম ও কাঠামো নির্ধারণ করে।
- এই সংবিধি OIC এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে শ্রম এবং কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সহযোগিতাকে কার্যকর করতে সহায়তা করে।
- গত ১৩ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) শ্রম কেন্দ্রের সংবিধিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।
- সৌদি আরবের জেদ্দায় ওআইসি সদর দপ্তরে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এ দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- এ দলিলে স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ শ্রম অধিকার ও শ্রমিকদের কল্যাণ বৃদ্ধিতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১১৬.
কত সালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ২০১২ সাল
  2. ২০১৫ সাল
  3. ২০১৮ সাল
  4. ২০২৪ সাল
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ:
- সকল স্তরের জনসাধারণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর আলোকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়।
- এটি ফেব্রুয়ারি ২০১৫ থেকে কার্যক্রম শুরু করে।
- নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর ০২ ফেব্রুয়ারি 'জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস' হিসেবে উদ্যাপিত হয়ে আসছে।
- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ একটি কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী সংস্থা।
- সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে খাদ্যের ভেজাল রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণাসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, খাদ্যের নিরাপত্তা ও গুণগতমান পরীক্ষণ, রেস্তোরাঁর গ্রেডিং ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
১১৭.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আহত কত জনকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৭৩৪ জন
  2. ৮৪০ জন
  3. ১২০১ জন
  4. ১৪০১ জন
সঠিক উত্তর:
১৪০১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪০১ জন
ব্যাখ্যা
জুলাই যোদ্ধা:
- গত ২৭ ফেব্রুয়ারি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ১৪০১ জনকে জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।
- অতি গুরুতর ৪৯৩ জন আহতকে 'ক' শ্রেণিতে এবং গুরুতর আহত ৯০৮ জনকে 'খ' শ্রেণিতে রেখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই তালিকা প্রকাশ করে।
- গেজেটে আহতদের মেডিকেল কেস আইডি, নাম, বাবা-মায়ের নাম ও স্থায়ী ঠিকানা প্রকাশ করা হয়।
- আহতদের ধরন ভেদে ‘গ’ শ্রেণির তালিকাও প্রকাশ করবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- এসব তালিকা ধরে গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবার এবং আহতদের আর্থিকভাবে সহায়তা করবে সরকার।

উল্লেখ্য,
- গত ১৫ জানুয়ারি গণঅভ্যুত্থানে ৮৩৪ জন শহীদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১১৮.
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশা করেন কে?
  1. রোহানি বাহারিন
  2. এহসান খান
  3. সালেহ রহমান
  4. বারহাম সালিহ
সঠিক উত্তর:
রোহানি বাহারিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোহানি বাহারিন
ব্যাখ্যা
তৃতীয় টার্মিনাল:
- ০৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।
- ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী এই টার্মিনালের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছিলেন।
- টার্মিনালটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা।
- টার্মিনালটির নকশা করেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ও ব্যস্ততম হিসেবে পরিচিত সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের নকশাকার রোহানি বাহারিন।
- বিশ্বমানের এই টার্মিনালে ১ হাজার ৪৪টি গাড়ি রাখার সক্ষমতাসহ বহুতল গাড়ি পার্কিং তৈরি করা হচ্ছে।
- এই টার্মিনালে একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্ক করে রাখা যাবে।

তথ্যসূত্র - হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট।
১১৯.
"আজব ও জবর আজব অর্থনীতি" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. মোহাম্মদ ইউনুস
  2. আবুল মাল আবদুল মুহিত
  3. রেহমান সোবহান
  4. আকবর আলি খান
সঠিক উত্তর:
আকবর আলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর আলি খান
ব্যাখ্যা
- 'আজব ও জবর আজব অর্থনীতি' গ্রন্থের রচয়িতা আকবর আলি খান। 

আকবর আলি খান: 

- আকবর আলি খান ছিলেন একজন বাংলাদেশি সরকারি আমলা, অর্থনীতিবিদ এবং শিক্ষাবিদ।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জের মহুকুমা প্রশাসক বা এসডিও ছিলেন এবং যুদ্ধকালীন সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সাথে কাজ করেন।
- ২০০৬ সালে তিনি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন।
- পরবর্তীতে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন না হবার আশঙ্কায় তিনি তিনজন উপদেষ্টার সাথে একযোগে পদত্যাগ করেন। 

আকবর আলি খানের লেখা কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: 
- পরার্থপরতার অর্থনীতি,
- আজব ও জবর আজব অর্থনীতি,
- দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ,
- বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি,
- অবাক বাংলাদেশ;
- বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি,

সূত্র:- দৈনিক প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার।
১২০.
টাইমের 'শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫' স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের কোন খাবার?
  1. এমডিসিএফ-২
  2. ওরস্যালাইন
  3. সিএমএফ -১
  4. ডিএমএফ- ২
সঠিক উত্তর:
এমডিসিএফ-২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমডিসিএফ-২
ব্যাখ্যা

'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫':
- 'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫'-এর সম্মান পেল আইসিডিডিআর, বি ও ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির উদ্ভাবিত অন্ত্র সুস্থকারী খাবার এমডিসিএফ-২।
- বিশ্বখ্যাত টাইম সাময়িকী তাদের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ 'টাইম শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবন ২০২৫' তালিকায় 'সামাজিক প্রভাব' বিভাগে আইসিডিডিআর, বি এবং সেন্ট লুইসের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির দীর্ঘদিনের যৌথ গবেষণার ফসল অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের অন্ত্রের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারকারী বিশেষ সম্পূরক খাদ্য এমডিসিএফ-২-কে স্থান দিয়েছে।
- এমডিসিএফ হলো মাইক্রোবায়োটা ডিরেক্টেড কমপ্লিমেন্টারি ফুড বা অন্ত্রের জীবাণুদেরকে উদ্দীপ্ত করার জন্য একটি বিশেষ সম্পূরক খাবার।

উৎস: iccddrb ওয়েবসাইট।

১২১.
গম্ভীরা গান কোন অঞ্চলে প্রচলিত?
  1. বৃহত্তর রাজশাহী
  2. বৃহত্তর বগুড়া
  3. বৃহত্তর দিনাজপুর
  4. বৃহত্তর ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
বৃহত্তর রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহত্তর রাজশাহী
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা:
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয়  লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর  রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত। 
- গম্ভীরা গানের উৎপত্তি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় হিন্দুসমাজে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২২.
জনাব এফ আর খান পেশায় কী ছিলেন?
  1. আণবিক বিজ্ঞানী
  2. ক্যান্সার চিকিৎসক
  3. স্থপতি
  4. কম্পিউটার বিজ্ঞানী
সঠিক উত্তর:
স্থপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থপতি
ব্যাখ্যা
এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান পেশায় স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি।
- তিনি ১৯২৯ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ-এ ভর্তি হন।
- ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।
- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস কর্তৃক 'কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার' মনোনীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালে শিকাগোর ওন্টারিও সেন্টারে একটি ফলকে তাঁর সম্বন্ধে - মন্তব্য লেখা হয় 'ইনোভেশন ফলোজ প্রোগ্রাম'।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হৃদরোগে মারা যান।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া।
১২৩.
'ম্যাডোনা-৪৩' কার অঙ্কিত চিত্রকর্ম?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. এস এম সুলতান
  3. কামরুল হাসান
  4. কাইয়ুম চৌধুরি
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমার কেন্দুয়াতে (বর্তমান নেত্রকোণা) জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সবচেয়ে বড় খেতাব হেলাল-ই-ইমতিয়াজ অর্জন করেন এবং ১৯৭১ সালে সেটি বর্জন করেন।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

⇒ জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে 'শিল্পাচার্য' উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক (বাংলাদেশ) সম্মান লাভ করেন।
- ১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁও এ একটি লোকশিল্প জাদুঘর এবং ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করেন। এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর অংকিত কিছু চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সংবিধানের মূল সাজসজ্জার পরিকল্পনাকারী ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- 'মুক্তিযোদ্ধা' জয়নুল আবেদিনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রকর্ম।
- ১৯৪৩ সালের ভয়াল দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে জয়নুল আবেদিনের আঁকা স্কেচধর্মী চিত্রকর্ম 'ম্যাডোনা'।
- তাঁর আরো কিছু বিখ্যাত শিল্পকর্ম: দুর্ভিক্ষ, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, বিদ্রোহী, মনপুরা, নবান্ন, মহিলা ইত্যাদি।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে ভিত্তি করে আঁকা ৬৫ ফুট দীর্ঘ স্ক্রল পেইন্টিং (চাইনিজ ইঙ্ক, জলরঙ ও মোম) ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আঁকা ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা’ পেইন্টিংটির মাঝে তাঁর কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়।

⇒ ম্যাডোনা-৪৩:
- ১৯৪৩ সালের ভয়াল দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে জয়নুল আবেদিনের আঁকা স্কেচধর্মী চিত্রকর্ম 'ম্যাডোনা'।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিরে সময় যেসব ছবি এঁকেছেন, তার বেশিরভাগেরই মূল বিষয়বস্তু ছিল মা ও শিশু।
- মূলত এই দু’টি চরিত্রকে প্রাধান্য দিয়েই তিনি এঁকেছেন একের পর এক কালজয়ী ছবি।
- এই চিত্রমালা দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা ও মানবিক দুর্দশা ফুটিয়ে তোলে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
১২৪.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সেতু কোনটি?
  1. পদ্মা সেতু
  2. মেঘনা সেতু
  3. বঙ্গবন্ধু সেতু
  4. গড়াই সেতু
সঠিক উত্তর:
পদ্মা সেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদ্মা সেতু
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
১২৫.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদ নির্বাচনে বাংলাদেশ কয় বার জয়লাভ করেছে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. নির্বাচিত হয়নি
সঠিক উত্তর:
২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বার
ব্যাখ্যা

• নিরপত্তা পরিষদ:
- জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ।
- দেশগুলো নিরাপত্তা পরিষদেরও স্থায়ী সদস্য।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ হলো: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
- অস্থায়ী সদস্যরা ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। 
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই ৫টি দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু’বার নির্বাচিত হয়, প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।

১২৬.
রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অনুযায়ী কাজী নজরুল ইসলাম কবে থেকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসাবে বিবেচিত হবেন?
  1. ১৯৭২ সালের ৪ মে
  2. ১৯৭৩ সালের ২৪ মে
  3. ১৯৭২ সালের ২৪ মে
  4. ১৯৭৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ৪ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালের ৪ মে
ব্যাখ্যা
জাতীয় কবির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশের জাতীয় কবির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেলেন কাজী নজরুল ইসলাম।
- তিনি ১৯৭২ সালের ৪ মে থেকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসাবে বিবেচিত হবেন।

- ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে কলকাতা থেকে সরকারি উদ্যোগে সপরিবার ঢাকায় আনা হয়।
- তাঁর বসবাসের জন্য ধানমন্ডির ২৮ নম্বর (পুরাতন) সড়কের ৩৩০-বি বাড়িটি বরাদ্দ দেওয়া হয়।
- ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের জন্য কাজী নজরুল ইসলামকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি বঙ্গভবনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর, তৎকালীন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ উল্লাহ কবি নজরুল ইসলামকে ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করেন।
- একই অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী কবি নজরুল ইসলামের উদ্দেশে একটি মানপত্র পাঠ করেন।
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান করে।
- একই বছর, ১৯৭৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল 'দুখু মিয়া'।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি 'বিদ্রোহী কবি'।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে 'বুলবুল' নামে খ্যাত।

• কাজী নজরুল ইসলামের সংগীত বিষয়ক গ্রন্থ:
- চোখের চাতক,
- নজরুল গীতিকা,
- সুর সাকী,
- বনগীতি প্রভৃতি।
• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- রাজবন্দীর জবানবন্দি,
- দুর্দিনের যাত্রী,
- যুগবাণী,
- রুদ্র-মঙ্গল।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক] ও প্রজ্ঞাপন [লিঙ্ক]
১২৭.
বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিটের নকশা করেছিলেন কে?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. বিমান মল্লিক
  3. কাইয়ুম চৌধুরী
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
বিমান মল্লিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিমান মল্লিক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ডাকটিকিট: 
বাংলাদেশের ডাকটিকিট একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক উপাদান, যা স্বাধীনতার পর দেশের পরিচয় ও ঐতিহ্যকে বিশ্বে তুলে ধরার লক্ষ্যে প্রকাশিত হয়েছে।

প্রথম ডাকটিকিটের প্রকাশ:
প্রকাশের তারিখ: ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই।
স্থান: একযোগে মুজিবনগর, কলকাতার বাংলাদেশ মিশন ও লন্ডন থেকে।
সংখ্যা: প্রথমবার প্রকাশিত ডাকটিকিটের সংখ্যা ছিল ৮টি।

নকশা ও ডিজাইন:
নকশা: ডাকটিকিটগুলোর নকশা করেছিলেন প্রবাসী বাঙালি বিমান মল্লিক।
বৈশিষ্ট্য: প্রথম ডাকটিকিটটি স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত ছিল, যার রং গাঢ় লাল, নীল ও বেগুনী।
মূল্যের বার্তা:
মূল্য: ১০ পয়সা।
বার্তা: ডাকটিকিটের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভূখণ্ড এবং দেশের পরিচয় বিশ্বকে জানানো হয়।

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী স্মারক ডাকটিকিট:
মুক্তিযুদ্ধ শেষে প্রথম স্মারক ডাকটিকিট ২১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়, যা ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি ধারণ করে।

ডাকটিকিটের সংখ্যা ও সুভ্যেনির:
বাংলাদেশ ডাকবিভাগ বর্তমানে ৭৩২ প্রকার ডাকটিকিট এবং ২৮টি সুভ্যেনির প্রকাশ করেছে।

জাতীয় ডাকটিকিট দিবস:
তারিখ: ২৯ জুলাই।
দিবস: ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই থেকে বাংলাদেশে 'জাতীয় ডাকটিকিট দিবস' পালিত হচ্ছে।

এটি বাংলাদেশী সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতীয় আবেগকে ধারণ করে।

উৎস:
i) ডাক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। [link]
ii) জুলাই ২৯, ২০২১, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১২৮.
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ কতবার নির্বাচিত হয়?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. নির্বাচিত হয়নি
সঠিক উত্তর:
২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বার
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ।
- দেশগুলো নিরাপত্তা পরিষদেরও স্থায়ী সদস্য।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য ৫টি দেশ হলো: যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
- অস্থায়ী সদস্যরা ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। 
- নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই ৫টি দেশের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু’বার নির্বাচিত হয়, প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
১২৯.
ইউনেস্কোর 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড' তালিকায় স্থান পাওয়া বাঙালি লেখকের গ্রন্থ কোনটি?
  1. পুতুলনাচের ইতিকথা
  2. সুলতানা’স ড্রিম
  3. তিতাস একটি নদীর নাম
  4. চিলেকোঠার সেপাই
সঠিক উত্তর:
সুলতানা’স ড্রিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতানা’স ড্রিম
ব্যাখ্যা
Sultana’s Dream:
- Sultana’s Dream গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন।  
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।
- জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকোর ‘ওয়ার্ল্ড মেমোরি’র তালিকায় স্থান পেয়েছে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা উপন্যাস ‘সুলতানা’স ড্রিম’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলা অঞ্চলে নারীস্বাধীনতার অন্যতম পথিকৃৎ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ঐতিহ্যগত উত্তরাধিকারের স্বীকৃতি পায় বাংলাদেশ।
- মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান বাটোরে ইউনেসকোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড কমিটি ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক’ বা মৌক্যাপের দশম সাধারণ সভায় ঘোষণাটি দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মৌক্যাপের কাছে ‘সুলতানা’স ড্রিম’-এর নামের আবেদন জানিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। 

উৎস:বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১৩০.
যমুনা রেলসেতু আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  2. ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  3. ০৮ মার্চ, ২০২৫
  4. ১৮ মার্চ, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১৮ মার্চ, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ মার্চ, ২০২৫
ব্যাখ্যা

যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা সেতু যমুনার নদীর ওপর অবস্থিত রেল সেতু।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে যমুনা রেলসেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,

- শুরুতে সেতুর ব্যয় নির্ধারিত ছিল ৯,৭৩৪.০৭ কোটি টাকা, যা পরবর্তীতে ১৬,৭৮০.৯৬ কোটি টাকায় উন্নীত হয়।
- এর মধ্যে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অর্থায়ন এসেছে দেশীয় উৎস থেকে এবং ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।
- রেল সেতুটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।

১৩১.
কক্সবাজার বিমানবন্দর দেশের কততম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে? [মে, ২০২৫]
  1. ৩য়
  2. ৪র্থ
  3. ৫ম
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর:
- বর্তমানে দেশে তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে।
• ঢাকা: শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর,
• চট্টগ্রাম: শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং
• সিলেট: ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের জুলাই মাস থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দর দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।

- ২০২১ সালে বিমানবন্দরটিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার প্রকল্প শুরু হয়।
- এর আওতায় রানওয়ে সম্প্রসারণ, নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণ এবং ২৪ ঘণ্টা ফ্লাইট পরিচালনার উপযোগী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
- সম্প্রসারণের পর কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ের দৈর্ঘ্য হবে ১০,৭০০ ফুট বা ৩.২৬ কিলোমিটার, যা হবে দেশের সবচেয়ে বড় রানওয়ে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
১৩২.
জাপান কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  4. ১৫ আগস্ট ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা

→ জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়: ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, সংগ্রামের নোটবুক ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৩৩.
বাংলাদেশ প্রথমবার কখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসে।
- ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের 377(V) রেজ্যুলেশন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারন পরিষদে প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হয়- ১৯৮৬ সালে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি — হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী। 

উৎস: UN General Assembly, প্রথম আলো।

১৩৪.
জহির রায়হান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. কখনও আসেনি
  2. জীবন থেকে নেয়া
  3. সঙ্গম
  4. স্টপ জেনোসাইড
সঠিক উত্তর:
কখনও আসেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কখনও আসেনি
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- জহির রায়হান (১৯ আগস্ট ১৯৩৫ — ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।
- তাঁর আসল নাম ছিল জহিরুল্লাহ।
- পরবর্তী সময়ে তিনি জহির রায়হান নামে পরিচিত হন।
- ১৯৫২ সালে তিনি ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি যে ১০ জন প্রথম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেন তিনি তাঁদের অন্যতম।
- তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ সূর্যগ্রহণ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬১ সালে জহির রায়হান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনও আসেনি মুক্তি পায়।
- তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।
- জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩৫.
বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।
১৩৬.
কোন চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ -এর দেশভাগ নিয়ে নির্মিত হয়?
  1. নদীর নাম মধুমতি
  2. চিত্রা নদীর পাড়ে
  3. হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. সূর্য দীঘল বাড়ি
সঠিক উত্তর:
চিত্রা নদীর পাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্রা নদীর পাড়ে
ব্যাখ্যা
• 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্র:
- এটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত।
- পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- ছবিটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায়।
- শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ মোট সাতটি ক্যাটাগরিতে এটি ১৯৯৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

অন্যদিকে,
- 'নদীর নাম মধুমতি', 'হাঙর নদী গ্রেনেড' চলচ্চিত্র মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে।
- 'সূর্য দীঘল বাড়ি' চলচ্চিত্র গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত।

উৎস: বাংলা ট্রিবিউন এবং চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র।
১৩৭.
'রায়বেশে নৃত্য' চিত্রকর্মটি কার?
  1. মুর্তজা বশীর
  2. এস. এম. সুলতান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
'রায়বেশে নৃত্য' শিল্পকর্মটি পটুয়া কামরুল হাসানের।

কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- রায়বেশে নৃত্য,
- তিন কন্যা,
- নাইওর,
- বাংলাদেশ,
- এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও প্রতীকেরও ডিজাইনার।
 
এছাড়া, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের কয়েকটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম:
- ম্যাডোনা-৪৩,
- সংগ্রাম,
- মনপুরা-৭০,
- মইটানা,
- পইন্যার মা,
- নবান্ন,
- দুর্ভিক্ষ,
- দ্য রেবেল ক্রো প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩৮.
গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত? 
  1. ধানমন্ডি
  2. শেরে বাংলা নগর
  3. মতিঝিল
  4. মিরপুর
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা নগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা নগর
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর/ July Memorial Museum:  
- অবস্থান: শেরে বাংলা নগর, ঢাকা। 
- ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গণভবন জনতার দখলে চলে যায়।
- এরপর সরকারি বাসভবন 'গণভবন' -কে রূপান্তর করে তৈরি করা হয়েছে।
- এটি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের সংগ্রাম, দলিল-দস্তাবেজ এবং ঐতিহাসিক ঘটনাবলী সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

- ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এটির নির্মাণকাজ চলে।
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর মাধ্যমে এটিকে আইনগত ভিত্তি প্রদান করে। 

উল্লেখ্য, 
- জাদুঘরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হলো সেখানে সংরক্ষিত একটি রেড টেলিফোন, যেখানে শেখ হাসিনার ফোনালাপের অডিও রেকর্ড রাখা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: 
i) ডেইলি স্টার। 
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। 
iiii) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

১৩৯.
"আনোয়ারা, বেহুলা ও কাজল" চলচ্চিত্র গুলোর পরিচালনা করেন কে?
  1. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. জহির রায়হান
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৪০.
১৯৮৮ সালের কোন মিশনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়?
  1. UNTSO
  2. UNIIMOG
  3. UNTAG
  4. খ + গ
সঠিক উত্তর:
খ + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ + গ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও বাংলাদেশ
- ২৯ মে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস।
- ১৯৪৮ সালের ২৯ মে জাতিসংঘ প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন কার্যক্রম শুরু করে।
- জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশনের নাম- UN Truce Supervision Organization।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে প্রথম নারী শান্তিরক্ষী গ্রহণ হয় ২০০৭ সালে, লাইবেরিয়ায়।

- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন UNIIMOG ও UNTAG -এ যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের এই মিশনে যোগদানের সূচনা হয়।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের এশীয় কার্যালয় অবস্থিত- ঢাকায়।
- ১৯৮৮ সালে সংস্থাটি শান্তিতে নোবেল লাভ করে।
- বাংলাদেশ এই পর্যন্ত ৪৩ টি দেশ ও অঞ্চলে ৬৩ টি মিশন সম্পন্ন করেছে।
- এই শান্তিরক্ষা মিশনে এই পর্যন্ত ১৬৮ বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী শহিদ হয়েছেন।

তথ্য - জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ওয়েবসাইট।
১৪১.
জনাব এফ আর খান বাংলাদেশের জন্য গৌরব। তিনি কি ছিলেন?
  1. স্থপতি
  2. ক্যান্সার চিকিৎসক
  3. আণবিক বিজ্ঞানী
  4. কম্পিউটার বিজ্ঞানী
সঠিক উত্তর:
স্থপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থপতি
ব্যাখ্যা
• এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান পেশায় স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি।
- তিনি ১৯২৯ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।

- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস কর্তৃক ‘কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার’ মনোনীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালে শিকাগোর ওন্টারিও সেন্টারে  একটি ফলকে তাঁর সম্বন্ধে মন্তব্য লেখা হয় ‘ইনোভেশন ফলোজ প্রোগ্রাম’।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হূদরোগে মারা যান।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪২.
বাংলা চাল উৎপাদনে বিশ্ব কত তম? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
• চাল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ:
- যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কৃষি দপ্তরের ফরেন অ্যাগ্রিকালচারাল সার্ভিসের তথ্য অনুসারে,

• চাল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশ:
১. চীন।
২. ভারত।
৩. বাংলাদেশ।
৪. ইন্দোনেশিয়া।
৫. ভিয়েতনাম।

উৎস: USDA Foreign Agricultural Service (.gov) ওয়েবসাইট।
১৪৩.
’তিনকন্যা’ ও ’নাইওর' এ দুটি  চিত্রকর্মের চিত্রকর কে? 
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. রফিকুন নবী
  4. এসএম সুলতান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- 'তিনকন্যা' ও 'নাইওর' তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অপরদিকে,
- জয়নুল আবেদিন চিত্রকর্ম: ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা, 'নবান্ন', 'মনপুরা ৭০', 'মই দেয়া', 'সাঁওতাল রমণী', 'বিদ্রোহী' এবং 'কাক'।
- এসএম সুলতানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম:  'প্রথম বৃক্ষরোপণ', 'চরদখল', 'জমি চাষ', 'হত্যাযজ্ঞ', এবং 'মাছ ধরা-৩। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪৪.
'The Art of Triumph' একটি-
  1. গ্রন্থ
  2. চিত্রকর্ম
  3. স্থাপনা
  4. ড্রোন শো
সঠিক উত্তর:
গ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রন্থ
ব্যাখ্যা

• The Art of Triumph:
- The Art of Triumph হলো ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়কার গ্রাফিতি চিত্রগুলোর একটি সংকলন, যা এই আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি এবং প্রতিরোধের এক শক্তিশালী দলিল হিসেবে কাজ করে।
- এটি শিক্ষার্থীদের আঁকা বিভিন্ন গ্রাফিতি চিত্রের একটি বই যা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলিকে তুলে ধরে।
- জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন (July Shaheed Smriti Foundation) এই সংকলনটির সম্পাদনা ও প্রকাশনার দায়িত্বে ছিল। 

উৎস: The Art of Triumph গ্রন্থ ও টিবিএস নিউজ।

১৪৫.
নিচের কোনটি এস.এম সুলতানের চিত্রকর্ম?
  1. জমি চাষ
  2. ধান মাড়াই
  3. গ্রাম্য কাইজা
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
এস.এম  সুলতান: 
- এস.এম  সুলতান (১৯২৩-১৯৯৪) ছিলেন চিত্রকর।
- পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান।
- তবে এস.এম সুলতান নামেই তিনি সমধিক পরিচিত।
- সুলতানের ছবিতে পরিপূর্ণতা এবং প্রাণপ্রাচুর্যের পাশাপাশি আছে শ্রেণির দ্বন্দ্ব, এবং গ্রামীণ অর্থনীতির কিছু ক্রুর বাস্তবতার চিত্রও।
- হত্যাযজ্ঞ (১৯৮৭) ও চরদখল (১৯৮৮) এরকম দুটি ছবি।
- এস এম সুলতানের চিত্রকর্ম ‘জমি চাষ’,  ‘ধান মাড়াই’ ও ‘গ্রাম্য কাইজা’।
নড়াইল শহরের মাছিমদিয়ায় তাঁর জন্মস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
- সেখানে সরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা।
- সংগ্রহশালার দ্বিতল ভবনটিতে প্রদর্শনীর জন্য রাখা হয়েছে তাঁর ৭৪টি শিল্পকর্ম।
- এর মধ্যে ২৩টি মূল ছবি। অন্য ৫১টি রেপ্লিকা (মূল ছবি থেকে প্রিন্ট করা)।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বড় চিত্রকর্ম ‘সভ্যতার ক্রমবিকাশ’।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
প্রথম আলো (২৬ মার্চ ২০২১)
১৪৬.
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় কবে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
- শিশুদের ডায়রিয়া, টিটেনাস, পারটুসিস, যক্ষা, হাম ও পোলিওর টিকা দিতে  ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়। 
- প্রথমে আটটি থানায় শুরু হলেও পরবর্তীতে সারা দেশে বিস্তৃত হয়।
- এতে মোট ছয়টি রোগের টিকা দেওয়া হয়।

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ইউনিসেফ ওয়েবসাইট।
১৪৭.
বর্তমানে বিশ্বে বাঘের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ২য়
  2. ৫ম
  3. ৭ম
  4. ৮ম
সঠিক উত্তর:
৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম
ব্যাখ্যা

বাঘের সংখ্যা:
- বিশ্বে বাঘের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম।
- বর্তমানে বাংলাদেশে বাঘের সংখ্যা ১৪৬।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত সুন্দরবনই এখানকার বাঘের মূল বিচরণক্ষেত্র।

- এ ছাড়া খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট এবং শরণখোলার বনাঞ্চলও বাঘের আবাসস্থল।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক বাঘ থাকা দেশগুলোর তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারত।
- দেশটিতে বর্তমানে ৩ হাজার ১৬৭টি বাঘ রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৪৮.
বাংলাদেশে তৈরি Patrol Craft কোন ধরনের বাহন?
  1. সাবমেরিন
  2. যুদ্ধজাহাজ
  3. উড়োজাহাজ
  4. রেল ইঞ্জিন
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধজাহাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধজাহাজ
ব্যাখ্যা
'Patrol craft' বা 'patrol boat' বাংলায় 'টহল জাহাজ' নৌপথ বা সমুদ্রপথ পাহারায় নিয়োজিত জাহাজ।
- এগুলো দ্রুতগতিসম্পন্ন ও অস্ত্রসজ্জিত থাকে। নঁকশা ও কার্য়ক্ষমতা ভেদে এসকল জাহাজের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।
- নেীবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ বাহিনী এ ধরনের জাহাজ ব্যবহার করে।
- টহল জাহাজ সাধারনত সামুদ্রিক সীমান্ত পাহারায় নিয়োজিত থাকে।
- দুর্জয় শ্রেণি হচ্ছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য নির্মিত বৃহৎ টহল জাহাজের একটি শ্রেণি।
- এই শ্রেণির মোট আটটি জাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে এবং চারটি জাহাজ বর্তমানে সক্রিয় রয়েছে।

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট।
১৪৯.
জাতীয় সংসদ ভবন কত সালে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ ভবন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন পৃথিবীর দৃষ্টিনন্দন আইনসভা ভবনের একটি।
- রাজধানী ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার আয়তন ২১৫ একর।
- দৃষ্টিনন্দন এ ভবনের নকশা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত স্থপতি লুই আই কান।
- সংসদ ভবন এলাকাকে প্রধান ভবন, দক্ষিণ প্লাজা ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্লাজা এই তিনটি অংশে ভাগ করা হয়েছে।
- সংসদের পেছন দিকে ক্রিসেন্ট লেক নামে একটি নান্দনিক জলাধার রয়েছে।
- সংসদের মূল ভবনের পাশাপাশি রয়েছে উন্মুক্ত সবুজ পরিসর, মনোরম জলাধার ও সংসদ সদস্যদের কার্যালয়।
- ১৯৬১ সালে ৯ তলা জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবনের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
১৫০.
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. কফি আনান
  2. নেলসন ম্যান্ডেলা
  3. আর্থার লুইস
  4. টনি মরিসন
সঠিক উত্তর:
নেলসন ম্যান্ডেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেলসন ম্যান্ডেলা
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা
- নেলসন ম্যান্ডেলা বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের কিংবদন্তি নেতা।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি।
- একই সঙ্গে দেশটিতে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি।
- ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই কেপটাউনের কুনু গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
 - ১৯৪৪ সালে যোগ দেন আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (এএনসি)।
- ১৯৬২ সালে ম্যান্ডেলা ও তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধাকে গ্রেপ্তার করে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
- ১৯৬৪ সালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে পাঠানো হয় রবেন দ্বীপের কারাগারে।
- দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি মুক্তি পান।
- ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর এই মহান নেতা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সূত্র- ব্রিটানিকা। 
১৫১.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।

⇒ উল্লেখ্য:
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
- ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।

⇒ অন্যদিকে:
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইউনূস সেন্টার।

১৫২.
বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. রংপুর
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি:
- বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি রাজশাহীতে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮২ সালে স্থাপিত হয়।
- ১৯৮৬ সালে এটি বর্তমান রূপ লাভ করে।
- জাতীয়ভাবে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে পোস্টাল একাডেমি স্থাপিত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৫৩.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর বিকল্প গ্রাউন্ড স্টেশন কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১:

-গাজীপুরের তেলিপাড়া এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর গ্রাউন্ড
স্টেশন তৈরি হয়েছে।
এর গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশের গাজীপুর থেকে। এ জন্য গাজীপুরের জয়দেবপুরে তৈরি করা হয়েছে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন।
- বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে রাঙামাটির বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন।
- দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবার সম্প্রসারণ
করা সম্ভব হবে।
- দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে।
- স্যাটেলাইটভিত্তিক টেলিভিশন সেবা ডিটিএইচ (ডাইরেক্ট টু হোম) ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার
কাজেও এ স্যাটেলাইটকে কাজে লাগানো যাবে।
- মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান হবে ১৯৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এই কক্ষপথ থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও সার্কভুক্ত সব দেশ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমিনিস্তান ও কাজাখস্তানের কিছু অংশ এই স্যাটেলাইটের আওতায় আসবে।

তথ্যসূত্র- গাজীপুর জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৫৪.
প্রাথমিক স্তরে ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু আছে-
  1. ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত
  2. ৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত
  3. ৭ম শ্রেণি পর্যন্ত
  4. ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
৫ম শ্রেণি পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম শ্রেণি পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মৌলিক বা বাধ্যতামূলক শিক্ষা চালু রয়েছে।
- সরকারি পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিনামূল্যে পড়াশুনা করতে পারে খুদে শিক্ষার্থীরা।
 -এবার অবৈতনিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত কার্যকর করতে যাচ্ছে সরকার।
- ফলে অষ্টম শ্রেণি (নিম্ন মাধ্যমিক) পর্যন্ত পড়তে শিক্ষার্থীদের কোনো বেতন লাগবে না।
- শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সরকারের লক্ষ্য শিক্ষাকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক করা।
- প্রথম পর্যায়ে নিম্ন মাধ্যমিক স্তরে অবৈতনিক শিক্ষা বাস্তবায়ন করা হবে।
- এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।
- এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। 

উৎস: দৈনিক জনকণ্ঠ (৭ মে ২০২৪)
১৫৫.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে ‘Annihilate These Demons' শিরোনামের পোস্টারটি কে এঁকেছিলেন?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. এস এম সুলতান
  4. আনোয়ারুল হক
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। 
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।

⇒ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে "ANNIHILATE THESE DEMONS (এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে)" শিরোনামের পোস্টারটি এঁকেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।
- ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ থেকে নয় মাসব্যাপী বাংলাদেশজুড়ে পাকিস্তানি বাহিনী যে নির্মম গণহত্যাযজ্ঞ, ধ্বংসযজ্ঞ ও নারীর প্রতি নিগ্রহযজ্ঞ চালায়, তার মূল নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারী ছিলেন পাকিস্তানের খোদ প্রেসিডেন্ট অর্থাৎ জেনারেল ইয়াহিয়া। 
- সুতরাং শিল্পী কামরুল হাসান তাঁর ব্যঙ্গাকৃতির মুখাবয়বে ফুটিয়ে তোলেন ১৯৭১-এর সব নিষ্ঠুরতা, অমানবিকতা ও ধ্বংসের প্রতীকী রূপ। 
- মুক্তিযুদ্ধের মতো এক বিশাল প্রতিরোধযজ্ঞে একটি পোস্টার বা একটি শিল্পকর্মও কত শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল, এটাই তার বাস্তব প্রমাণ। 
- এই পোস্টার ১৯৭১ সালের মে মাসে প্রথমে কলকাতা থেকে জয় বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তারপর ওই মাসেই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার এক রঙে এর লক্ষাধিক কপি ছাপিয়ে মুক্তাঞ্চলে বিলি করে।
- কিছুদিন পরে বিদেশিদের উদ্দেশে প্রচারিত এই পোস্টারের ইংরেজি ভাষ্যের বক্তব্য ছিল: Annihilate the Demons।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো। 

১৫৬.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার মূল নকশাকার কে ছিলেন?
  1. কামরুল হাসান 
  2. আ স ম আব্দুর রব 
  3. শিবনারায়ণ দাস
  4. সিরাজুল ইসলাম 
সঠিক উত্তর:
শিবনারায়ণ দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিবনারায়ণ দাস
ব্যাখ্যা

• জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক- পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস। 
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার। ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলের (বর্তমান সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ১১৮ নং কক্ষে তিনি এই নকশা তৈরি করেছিলেন 

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো। 

১৫৭.
দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থার নাম কী?
  1. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
  2. জাতীয় সংবাদ সংস্থা, বাংলাদেশ
  3. বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা
  4. বাংলাদেশ তথ্য ও সংবাদ সংস্থা
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- বাসস ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে।
- পাকিস্তানের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপিপি) ঢাকা ব্যুরোকে নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় রূপান্তরিত করা হয়।
- ঢাকার প্রধান কার্যালয় এবং চট্টগ্রামে একটি ব্যুরো নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে বিএসএসের রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো রয়েছে।
- জাতীয় সংবাদ সংস্থাটির প্রতিনিধিরা দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় নিয়োজিত রয়েছেন।
- সংস্থাটি প্রায় সার্বক্ষণিকভাবে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, উন্নয়নমূলক এবং অন্যান্য খবর প্রায় ৫০টি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়।
- বাসস আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি থেকে সংবাদ সংগ্রহ করে এবং ভারতের প্রেস ট্রাস্ট (পিটিআই), পাকিস্তানের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপিপি), চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া, মালয়েশিয়ার বারনামা এবং অস্ট্রেলিয়ার ট্রান্সডাটা সংস্থার সঙ্গে সংবাদ বিনিময় করে।
- ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের বাংলা পত্রিকার সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

উৎস: Jagannath University Journal of Social Sciences.
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
১৫৮.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তিতে জনসংহতি সমিতির পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা
  2. প্রসেনজিত চাকমা
  3. উষাতন তালুকদার
  4. রাজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ‘পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি’।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।
১৫৯.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে নিশাত মজুমদার কত সালে এভারেস্ট জয় করেন?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০১২।
১৬০.
কত সাল থেকে প্রতিবছর ১ জানুয়ারি 'পাঠ্যপুস্তক উৎসব দিবস' উদ্‌যাপন করা হচ্ছে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৮৩ সাল থেকে শুরু হয় বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ।
- তবে ২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের নির্ধারিত কয়েকটি বিষয়ের বই শিক্ষার্থীদের দেওয়া হতো।
- ওই সময়ে একজন শিক্ষার্থীকে অর্ধেক নতুন আর অর্ধেক পুরোনো বই দেওয়া হতো।
- শিক্ষার্থীরা সব বই পাওয়ার জন্য মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা থাকতে হতো।
- ঝরে পড়া রোধ, শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে ধরে রাখার নিমিত্তে ২০০৯ সাল থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সরকার।
- ২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর ১ জানুয়ারি 'পাঠ্যপুস্তক উৎসব দিবস' উদ্‌যাপন করা হচ্ছে। 

সূত্র: দেশ রূপান্তর ও প্রথম আলো।
১৬১.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ফারাক্কা পানি চুক্তির মেয়াদ কত বছর?
  1. ২০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ বছর
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা বাঁধ:
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- এর অবস্থান বাংলাদেশ থেকে ১৬.৫ কিলোমিটার উজানে ভারতের ভূখণ্ডে গঙ্গা নদীর ওপরে।

উল্লেখ্য,
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।

⇒ ফারাক্কা পানি চুক্তি:
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।
- চুক্তি অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি - ৩১শে মে পর্যন্ত দুই দেশ চুক্তিতে উল্লেখিত ফর্মুলা অনুযায়ী পানি ভাগাভাগি করে নেবে।
- চুক্তিতে বলা হয়েছে, নদীতে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানি থাকলে দুই দেশ সমান সমান পানি ভাগ করে নেবে।
- পানির পরিমাণ ৭০ হাজার কিউসেক থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে ৪০ হাজার কিউসেক পাবে বাংলাদেশ, অবশিষ্ট প্রবাহিত হবে ভারতে।
- আবার নদীর পানির প্রবাহ যদি ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি হয় তাহলে ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে ভারত, অবশিষ্ট পানি প্রবাহিত হবে বাংলাদেশে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা।
১৬২.
বাংলা একাডেমির ‘কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছেন কে?
  1. কথাশিল্পী বর্ণালী সাহা
  2. কবি আল মুজাহিদী
  3. কবি মোহাম্মদ রফিক
  4. অধ্যাপক হ্যান্স হার্ডের
সঠিক উত্তর:
কবি আল মুজাহিদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবি আল মুজাহিদী
ব্যাখ্যা
কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫:
- বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত দ্বি-বার্ষিক পুরস্কার 'কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার'।
- সম্প্রতি, ‘কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ এ ভূষিত হয়েছেন কবি আল মুজাহিদী।
- কবি আল মুজাহিদী কবিতা ছাড়াও তিনি গল্প, উপন্যাস, সমালোচনা ইত্যাদি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রেখেছেন।

উল্লেখ্য,
- ‘সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪’ এ ভূষিত হয়েছেন অধ্যাপক হ্যান্স হার্ডের ও কথাশিল্পী বর্ণালী সাহা।
- কবি জসীমউদ্‌দীন সাহিত্য পুরস্কারের অর্থমূল্য দুই লাখ টাকা এবং সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ সাহিত্য পুরস্কারের অর্থমূল্য প্রতিটি এক লাখ টাকা।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৫’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের পুরস্কারের অর্থ, সম্মাননাপত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১৬৩.
প্রথম 'অল ইন্ডিয়া রেডিও-ঢাকা' সম্প্রচার হয় কত সনে?
  1. ১৯৩৯
  2. ১৯২৬
  3. ১৯৪৫
  4. ১৯৩৫
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯
ব্যাখ্যা
অল ইন্ডিয়া রেডিও:
- 'অল ইন্ডিয়া রেডিও' হল ভারত সরকারের একটি বেতার সম্প্রচার সংস্থা। 
- এটি 'আকাশবাণী' নামেও পরিচিত।
- এটি ভারতের বৃহত্তম বেতার নেটওয়ার্ক।
- ১৯২৭ সালের ২৩শে জুলাই 'অল ইন্ডিয়া রেডিও' এর যাত্রা শুরু হয়।
- 'অল ইন্ডিয়া রেডিও-ঢাকা' বলতে বোঝানো হয় অল ইন্ডিয়া রেডিওর ঢাকা কেন্দ্র অথবা ঢাকা থেকে সম্প্রচারিত অল ইন্ডিয়া রেডিওর কোনো অনুষ্ঠান।
- ১৯৩৯ সালের ১৬ই ডিসেম্বর 'অল ইন্ডিয়া রেডিও-ঢাকা' যাত্রা শুরু করে।

তথ্যসূত্র - আকাশবাণী ওয়েবসাইট।
১৬৪.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা কে তৈরি করেন?
  1. শিব নারায়ন দাস
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. কামরুল হাসান
  4. মোস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- মানচিএ খচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিব নারায়ন দাস।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬৫.
বর্তমানে বাংলাদেশে ইউনেস্কোর স্বীকৃত বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংখ্যা কতটি? 
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

• ইউনেসকোর 'অপরিমেয়/বিমূর্ত/অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।

- বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো:
 ১) বাউলগান (২০০৮), 
২) জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), 
৩) মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), 
৪) শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও 
৫) ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।
৬) টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প (২০২৫)

তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট। 

১৬৬.
সম্প্রতি, বহির্বিশ্বের কোথায় ১৪ এপ্রিলকে ‘বাংলা নববর্ষ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. টোকিও, জাপান
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  4. রোম, ইতালি
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
‘বাংলা নববর্ষ’ স্বীকৃতি:
- বাঙালি জাতির অন্যতম বড় উৎসব ‘বাংলা নববর্ষ’।
- সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ১৪ এপ্রিলকে ‘বাংলা নববর্ষ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

- নিউইয়র্কে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৩২ স্টেট সিনেট লুইস সেপুলভেদার প্রস্তাবে অঙ্গরাজ্যের আইনসভার অধিবেশনে ২২ জানুয়ারি আইনপ্রণেতারা সর্বসম্মতিক্রমে ১৪ এপ্রিলকে বাংলা নববর্ষ হিসেবে উদ্‌যাপনের এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
- গভর্নর ক্যাথি হোকুল ২৩৪ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করেন।
- ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়, অঙ্গরাজ্যের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের স্বীকৃতি হিসেবে এবং এই রাজ্যে বসবাসরত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি দৃঢ় করার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
২০২২ সাল থেকে বাংলা নববর্ষ নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১৬৭.
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ৬.১৫ কি. মি.
  2. ৬.৫০ কি. মি.
  3. ৬ কি. মি.
  4. ৬.০৫ কি. মি.
সঠিক উত্তর:
৬.১৫ কি. মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.১৫ কি. মি.
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
 
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
১৬৮.
মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোন দেশের?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় গণপরিবহণের জন্য ‘ঢাকা মেট্রোরেল’ হলো ‘জাইকা’-এর অর্থায়নে একটি সরকারি প্রকল্প।
- প্রকল্পটি রাষ্ট্রায়ত্ত ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) পরিচালনা করছে।
- প্রকল্পের জন্য মোট ৫টি রুট লাইন প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে এমআরটি লাইন ১, ২, ৪, ৫, এবং ৬।
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে মেট্রোরেল চালু হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- ডিএমটিসিএলের বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটির নাম ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-৬।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

তথ্যসূত্র - Dhaka Metro Mass Rapid Transit System ওয়েবসাইট।
১৬৯.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কোন শান্তিরক্ষা মিশনে প্রথম অংশ নেয়?
  1. UNTSO
  2. UNAMIR
  3. UNIIMOG
  4. UNTAC
সঠিক উত্তর:
UNIIMOG
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNIIMOG
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৮৮ সালে United Nations Iran-Iraq Military Observer Group (UNIIMOG) মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়।
- তারপর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ৪০টি দেশে জাতিসংঘের মোট ৫৪টি মিশনে অংশ নিয়েছে।
- জাতিসংঘ মিশনে শান্তিরক্ষী প্রেরণে বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম।

অন্যদিকে,
- UNTSO হলো ফিলিস্তিনে নিয়োজিত জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন।
- UNTAC (United Nations Transitional Authority in Cambodia) হলো কম্বোডিয়ায় প্রেরিত মিশন।

উৎস: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ওয়েবসাইট।
১৭০.
কত সালে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা): 
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার ‘ফুড ফর ওয়ার্ক’ বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য :
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ /পুননির্মাণ
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৭১.
দেশের প্রথম নারী আলোকচিত্রী কে?
  1. সাইদা খানম
  2. তাহমিনা হক
  3. মজিদা খাতুন
  4. সাইদা বেগম
সঠিক উত্তর:
সাইদা খানম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইদা খানম
ব্যাখ্যা
সাইদা খানম:
- দেশের প্রথম নারী আলোকচিত্রী সাইদা খানম।
- সাইদা খানম-এর জন্ম ১৯৩৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর।
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৮ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন।
- পরবর্তীকালে ১৯৭২ সালে পুনরায় লাইব্রেরি সায়েন্সে স্নাতকোত্তর করেন। 
- সাইদা খানম আলোকচিত্র সাংবাদিক হিসেবে ১৯৫৬ সাল থেকে 'বেগম' পত্রিকায় কাজ করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৯ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে সাপ্তাহিক বেগম পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তাঁর প্রথম গল্প। 
- ১৯৬২ সালে ‘চিত্রালী’ পত্রিকার হয়ে একটি অ্যাসাইনমেন্টে গিয়ে বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও অস্কারজয়ী সত্যজিৎ রায়ের ছবি তুলে সমাদৃত হন সাইদা খানম।
- সৃষ্টিশীল আলোকচিত্রী হিসেবে সাইদা খানম ২০১৯ সালে একুশে পদক পান। 

উৎস: i) প্রথম আলো। 
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৭২.
কোন দেশের নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব
কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে
পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
১৭৩.
জমিদারি প্রথা রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. মাওলানা আব্দুর রশিদ
সঠিক উত্তর:
এ কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
• জমিদারি প্রথা (১৯৫০) রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ১৮৭৩ সালে বরিশাল জেলার রাজাপুর থানার সাতুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কলকাতার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-৪৩) ছিলেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৭৪.
নিচের কোন সাহিত্যিক সার্ক সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেননি?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. ফখরুল আলম
  3. আনিসুজ্জামান
  4. হুমায়ূন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
- হুমায়ূন আহমেদ সার্ক সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেননি। 

• সার্ক সাহিত্য পুরস্কার:

- সার্ক সাহিত্য পুরস্কার সার্ক লেখক ও সাহিত্য প্রতিষ্ঠান (ফসওয়াল) কর্তৃক প্রবর্তিত বার্ষিক পুরস্কারবিশেষ।
- ২০০১ সাল থেকে অনিয়মিতভাবে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলা একাডেমির সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান সার্ক সাহিত্য পুরস্কার-২০১৯ অর্জন করেন।
- ২০১৫ সালে সেলিনা হোসেন।
- ২০১২ সালে ফখরুল আলম।
- ২০০১ সালে শামসুর রাহমান এই পুরস্কার অর্জন করেন।

উৎস: প্রথম আলো।
১৭৫.
'এফ আর খান' বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত -
  1. কথাসাহিত্যিক
  2. স্থপতি
  3. রাজনীতিবিদ
  4. অর্থনীতিবিদ
সঠিক উত্তর:
স্থপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থপতি
ব্যাখ্যা
এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত স্থপতি।
- বাংলাদেশি-আমেরিকান বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি ও পুরকৌশলী ফজলুর রহমান খান ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাদের আদিবাড়ি ছিল মাদারীপুর জেলার শিবচরে।

⇒ তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ারের (বর্তমানে উইলিস টাওয়ার) নকশা প্রণয়ন করেন।
- তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলীদের অন্যতম বলা হয়।
- ১৯৫৫ সালে তিনি শিকাগো শহরের স্কিডমোর, ওউইং ও মেরিল নামের প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানে প্রকল্প প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯৭২ সালে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডে’ ম্যান অব দ্য ইয়ার বিবেচিত হন এবং পাঁচবার স্থাপত্যশিল্পে সবচেয়ে বেশি অবদানকারী ব্যক্তিত্ব হিসাবে অভিহিত হওয়ার গৌরব লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে আমেরিকার ‘নিউজ উইক’ ম্যাগাজিন শিল্প ও স্থাপত্যের ওপর প্রচ্ছদ কাহিনিতে তাকে মার্কিন স্থাপত্যের শীর্ষে অবস্থানকারী ব্যক্তি হিসাবে বর্ণনা করে।
- তার অন্যান্য অবদানের মধ্যে রয়েছে শিকাগোর জন হ্যানকক সেন্টার, বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হজ টার্মিনাল এবং বাদশাহ আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য মডেল অঙ্কন।
- তিনি Tube in Tube নামে স্থাপত্য শিল্পের এক নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিলেন, যার মাধ্যমে অতি উচ্চ (কমপক্ষে একশ তলা) ভবন স্বল্প খরচে নির্মাণ করা সম্ভব।
- ১৯৯৮ সালে শিকাগো শহরের সিয়ার্স টাওয়ারের পাদদেশে অবস্থিত জ্যাকসন সড়ক পশ্চিম পার্শ্ব এবং ফ্রাঙ্কলিন সড়কের দক্ষিণ পার্শ্বের সংযোগস্থলটিকে নামকরণ করা হয় "ফজলুর আর. খান ওয়ে"।
- ১৯৮২ সনের ২৬শে মার্চ জেদ্দায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন৷ 
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) যুগান্তর।
১৭৬.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ১০০ উইকেট শিকারী বোলার কে?
  1. এনামুল হক জুনিয়র
  2. নাইমুর রহমান
  3. মোহাম্মদ রফিক
  4. আলমগীর কবির
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ রফিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ রফিক
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
১৭৭.
অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয়ী প্রথম বাংলাদেশী কে?
  1. খালেদ হোসেন
  2. বাবর আলী
  3. মুসা ইব্রাহীম
  4. আক্তার হোসেন
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
ব্যাখ্যা

অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয়ী বাংলাদেশী:
- হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত অন্নপূর্ণা-১।
- এর উচ্চতা ৮০৯১ মিটার।
- অন্নপূর্ণা-১ বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- পর্বতারোহীদের মৃত্যুর হার বিবেচনায় বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পর্বত হিসেবে পরিচিত।
- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয় করেছেন বাবর আলী।
- ৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে তিনি এই পর্বতচূড়া জয় করেছেন।
- ২০২৪ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একই অভিযানে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্ট এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ উচ্চতার লোৎসে পর্বত জয় করেন তিনি।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৭৮.
‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ কোন খ্যাতিমান শিল্পীর চিত্রকর্ম?
  1. এস.এম. সুলতান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. রফিকুন নবী
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ শিল্পী কামরুল হাসানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৭৯.
‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’ এর অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. শূন্য দারিদ্র্য
  2. শূন্য দুর্নীতি
  3. শূন্য প্লাস্টিক
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ ও গ
ব্যাখ্যা
শূন্য প্লাস্টিক ও শূন্য দুর্নীতি ‘থ্রি-জিরো তত্ত্ব’–এর অন্তর্ভুক্ত লক্ষ্য।

থ্রি জিরো তত্ত্ব:

- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।
- এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
১৮০.
বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেছেন কে?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরিন
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. বাবর আলী
  4. এম এ মুহিত
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরিন
ব্যাখ্যা

সেভেন সামিট জয়:
- বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে ‘সেভেন সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেছেন ওয়াসফিয়া নাজরিন।
- তিনি সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন।

⇒ বাংলাদেশ অন সেভেন সামিট কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০১১ সালে ওয়াসফিয়া তাঁর সেভেন সামিট অভিযান শুরু করেন। 
- ওয়াসফিয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ২৬ মে এভারেস্ট জয় করেন।
- এরপর বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গও জয় (সেভেন সামিট) করেন তিনি।  
- তিনি আফ্রিকার মাউন্ট কিলিমানজারো, এশিয়ার মাউন্ট এভারেস্ট, অ্যান্টার্কটিকার মাউন্ট ভিনসন, ইউরোপের এলব্রুস, উত্তর আমেরিকার মাউন্ট ডেনালি, দক্ষিণ আমেরিকার অ্যাকোংকাগুয়া পর্বতশৃঙ্গ, অস্ট্রেলিয়ার (ওশেনিয়া) সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কারস্তনেজ পিরামিড জয় করেন।

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ার পাপুয়া অঞ্চল দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার (ওশেনিয়া) সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কারস্তনেজ পিরামিড জয়ের মধ্য দিয়ে সাতটি পর্বত জয়ের কাজটি সম্পন্ন করেন তিনি।
- ১৬ হাজার ২৪ ফুট উচ্চতার কারস্তনেজ পিরামিডের স্থানীয় নাম পুনাক জায়া।
- সেভেন সামিটের অংশ হিসেবে ওশেনিয়া অঞ্চলের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হিসেবে ধরা হয় এটিকে। এটি ছিল সেভেন সামিটের ৭ নম্বর চূড়া জয়।

এছাড়াও,
- ২০২২ সালের ২২ জুলাই প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে২-এর চূড়ায় আরোহণ করেন।
- ২০১৪ সালে দুঃসাহসী অভিযানের জন্য ওয়াসফিয়া নাজরীনকে ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বর্ষসেরা অভিযাত্রীর খেতাব দেওয়া হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC.

১৮১.
Which Bangladeshi recently received the 'Women in Diplomacy' award?
  1.  Shaheen Anam
  2. Abida Islam
  3. Rabab Fatima
  4. Saida Muna Tasneem
সঠিক উত্তর:
Abida Islam
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abida Islam
ব্যাখ্যা

• Women in Diplomacy' award :
- যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম 'উইমেন ইন ডিপ্লোমেসি' পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
- লন্ডনে কর্মরত নারী কূটনীতিকদের পেশাদারিত্ব ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
-বাংলাদেশ হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম যে ক্যাটাগরিতে সম্মাননা পেয়েছেন, সেটি হচ্ছে—'চ্যাম্পিয়ন ফর উইমেন রাইটস অ্যান্ড জেন্ডার ইকুয়ালিটি'।

অন্যদিকে, 
-  বাংলাদেশে সামাজিক ন্যায়বিচার, অন্তর্ভুক্তি ও লিঙ্গ সমতার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজা তৃতীয় চার্লস শাহীন আনামকে অনারারি এমবিই খেতাবের জন্য মনোনীত করেছিলেন।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

১৮২.
চীন বাংলাদেশকে কত সালে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ১৯৭৩ সালে 
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত।
- উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- একই বছর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ পায়।

উৎস: i) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৮৩.
'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' কোন দেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়?
  1. রাশিয়া
  2. বাংলাদেশ
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:

- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
১৮৪.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন কে?
  1. নুজহাত আফরীন
  2. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  3. ফাতেমা হক
  4. নিশাত মজুমদার
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০১২।
১৮৫.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. গাজীপুর
  3. ধামরাই
  4. যাত্রাবাড়ী
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি): 
- বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে।
- ক্রীড়ার মানোন্নয়ন, উদীয়মান ও প্রতিভাবান শিশু-কিশোর-তরুণ ক্রীড়াবিদদের নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়।
- ক্রীড়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং আধুনিক ও যথোপযোগী প্রশিক্ষণ দানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়।
- ১৯৮৬ সাল থেকে এ প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়।
- রাজধানী ঢাকা থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৮৬.
কোনটি নদী বন্দর নয়?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. বাঘাবাড়ি
  3. বেনাপোল
  4. চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থলবন্দর: 
- বেনাপোল স্থলবন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর।
- এই বন্দরটি বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতের সাথে রপ্তানি-আমদানি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এই বন্দরটি বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত।

এছাড়া,
- ১৯৮৩ সালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় বড়াল নদীর তীরে স্থাপিত হয়েছে বাঘাবাড়ি নদী বন্দর। 
- চাঁদপুর বন্দর বাংলাদেশের একটি প্রাচীন নদীবন্দর। 
- নারায়ণগঞ্জ বন্দর বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের একটি নদী বন্দর । 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১৮৭.
কোন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ প্রবর্তন করা হয়েছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. কান চলচ্চিত্র উৎসব
  2. ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
  3. বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
  4. টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
সঠিক উত্তর:
বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
ব্যাখ্যা

জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ:
- দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।
- আগামী ১৭-২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠাতব্য বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার দেওয়া হবে।
- সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ভিশন এশিয়া’ বিভাগে অংশ নেওয়া ছবিগুলোর মধ্যে একটি ছবিকে পুরস্কারটি দেওয়া হবে।
- ভিশন এশিয়া বিভাগে স্থান পেয়েছে বিভিন্ন দেশের ১১টি চলচ্চিত্র।
- সামাজিক ন্যায়বিচার, বাক্স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার অথবা অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াইকে উপজীব্য করে নির্মিত চলচ্চিত্রকে এ পুরস্কার দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১৮৮.
কোন স্থলবন্দরে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পতাকা স্ট্যান্ড নির্মাণ করা হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. আখাউড়া
  2. বেনাপোল
  3. বাংলাবান্ধা
  4. বুড়িমারী
সঠিক উত্তর:
বাংলাবান্ধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাবান্ধা
ব্যাখ্যা

সর্বোচ্চ পতাকা স্ট্যান্ড:
-দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে দেশের সর্বোচ্চ পতাকাস্ট্যান্ড নির্মাণ করা হয়েছে।
-
৪ নভেম্বর, ২০২৫ এই পতাকাস্ট্যান্ডের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৮ ফুট প্রস্থের পতাকা তৈরি করে ১১৭ ফুট উচ্চতায় উত্তোলন করা হয়।
- স্থলবন্দর কার্যালয় ও ভারতীয় সীমান্তরেখার মধ্যখানে ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ডটি নির্মাণ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১৮৯.
কোন বিজ্ঞানী পাটের জীবন রহস্য আবিষ্কারের নেতৃত্ব দিয়েছেন?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. কাজী ফারুক আহমেদ
  3. সফিকুল ইসলাম
  4. মাকসুদুল আলম
সঠিক উত্তর:
মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম:
- মাকসুদুল আলম ছিলেন জিনতত্ত্ববিদ।
- ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন মাকসুদুল আলম।
- জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
- তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য।
- ২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন
- পাট ছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবারসহ মোট আটটি উদ্ভিদের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।

উল্লেখ্য,
- ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম মারা গেছেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২২ ডিসেম্বর ২০১৪, প্রথম আলো।
১৯০.
Which European Country first introduced Bangladesh as an independent country?
  1. Belgium
  2. East-Germany
  3. Poland
  4. Ukraine
সঠিক উত্তর:
East-Germany
উত্তর
সঠিক উত্তর:
East-Germany
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
১৯১.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন -
  1. জাকিয়া সুলতানা
  2. সায়মা ওয়াজেদ
  3. জাহাঙ্গীর আলম
  4. টেড্রস আধানোম
সঠিক উত্তর:
সায়মা ওয়াজেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সায়মা ওয়াজেদ
ব্যাখ্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও):
⇒ প্রধানমন্ত্রী কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

 উল্লেখ্য,
• প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ– পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। 
• ১ নভেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক সম্মেলনে এ নির্বাচন হয়।
• সায়মা ওয়াজেদ ৮-২ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আগামী পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন।
• ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারিতে সায়মা ওয়াজেদ তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

তথ্যসূত্র -Live MCQ সালতামামি ২০২৩, প্রথম আলো (১ নভেম্বর, ২০২৩)।
১৯২.
কোন সংস্থা বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. World Bank
  2. UNDP
  3. WTO
  4. IMF
সঠিক উত্তর:
World Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Bank
ব্যাখ্যা
⇒ বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

বিশ্ব ব্যাংক:
- বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়ন ব্যাংক হলো বিশ্ব ব্যাংক।
- এটি ১৯৪৪ সালে অনুষ্ঠিত ব্রেটনউডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৪৬ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৯টি। (জুলাই, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে এর সদস্য পদ লাভ করে।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: অজয় বঙ্গা। (জুলাই, ২০২৫)
- বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে বিশ্ব ব্যাংক।
- বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপ ৫টি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত। এগুলো হলো:
• IBRD.
• IDA.
• IFC.
• ICSID.
• MIGA.

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৯৩.
দেশে ক্যানসার শনাক্তে জিন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে কোন প্রতিষ্ঠান? [মে, ২০২৫]
  1. আইসিডিডিআরবি
  2. বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়
  3. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  4. বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
আইসিডিডিআরবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসিডিডিআরবি
ব্যাখ্যা
ক্যানসার শনাক্তে জিন প্রযুক্তি:
- বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং ১ লাখ ১৭ হাজার মানুষ মারা যান।
- ক্যানসারের ওপর নজরদারি করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গ্লোবোক্যান এ তথ্য জানায়।
- বাংলাদেশে ক্যানসার চিকিৎসার একটি বড় দুর্বলতা হচ্ছে, দেশে ঠিকভাবে রোগ শনাক্ত হয় না।
- সম্প্রতি, দেশে ক্যানসার শনাক্তে জিন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- গত ২৪ এপ্রিল আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) জিনোম সিকোয়েন্সিং–ভিত্তিক ক্যানসার শনাক্ত শুরু করেছে।
- এতে অল্প সময়ে রিপোর্ট পাওয়া যাবে। এ ছাড়া কোনো ওষুধ ক্যানসারের ক্ষেত্রে অকার্যকর হয়ে থাকলে, তাও জানিয়ে দেবে আইসিডিডিআরবি।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান যুগে তিনভাবে বা তিন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্যানসার শনাক্ত হয়। ইমিউনোহিস্টো কেমিস্ট্রি (আইএইচসি), রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (আরটি–পিসিআর) টেস্ট এবং নেক্সট জেনারেশন সিকোয়েন্সিং (এনজিএস)। 
- ক্যানসার শনাক্তে আইএইচসি পরীক্ষা বাংলাদেশে বেশি হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
১৯৪.
বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এ.আই) সংবাদ উপস্থাপকের নাম কী?
  1. জয়
  2. জয়ীতা
  3. মেরিনা
  4. অপরাজিতা
সঠিক উত্তর:
অপরাজিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাজিতা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সংবাদ উপস্থাপক হচ্ছে 'অপরাজিতা'
- ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই বেসরকারি টিভি নেটওয়ার্ক চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের পর্দায় হাজির হন এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ উপস্থাপক।
- এই দিনেই প্রথমবারের মতো দেশের কোনো টিভি চ্যানেলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সংবাদ উপস্থাপক দেখা গিয়েছে।
- অপরাজিতার পুরোটাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সফটওয়্যারে তৈরি।
- তার যে অবয়ব, তা শুধু পর্দাতেই দেখা যায়; বাস্তব জীবনে তার কোনো শারীরিক উপস্থিতি নেই।

উল্লেখ্য,
- চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া ২০১৮ সালে বিশ্বের প্রথম এআই সংবাদ উপস্থাপক শুরু করেছিল।

তথ্যসূত্র: ১৯ জুলাই ২০২৩,প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৯৫.
'Banker to the poor' নিম্নের কোন ব্যক্তির আত্মজীবনী?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. রেহমান সোবহান
  3. রেজওয়ানা চৌধুরী
  4. মাহবুব আলম চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
Banker to the Poor:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি আত্মজীবনী 'Banker to the Poor'।
- এই বইটি তার মাইক্রোক্রেডিট অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আরও কিছু বই: দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য, গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন, বাংলাদেশ ২০১০, যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন, ক্রিয়েটিং অ্যা ওয়ার্ল্ড উইদাউট পোভার্টি, সামাজিক ব্যবসা, এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস, বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি প্রভৃতি।

উৎস: i) Rokomari.com
ii) Banker to the Poor.
১৯৬.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কোন সালে স্বীকৃত হয়?
  1. ১৯৯৮
  2. ১৯৯৯
  3. ২০০০
  4. ২০০১
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯
ব্যাখ্যা
• ২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৯৭.
বাংলাদেশের ওষুধশিল্পে প্রথম মার্কিন পেটেন্ট (মেধাস্বত্ব) প্রাপ্ত টিকার নাম কী?
  1. ডেঙ্গু ভ্যাক্স
  2. বঙ্গভ্যাক্স
  3. বঙ্গফ্লু
  4. টাইফয়েড কনজুগেড ভ্যাকসিন
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভ্যাক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভ্যাক্স
ব্যাখ্যা

কোভিড-১৯ টিকা ‘বঙ্গভ্যাক্স’:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে ওষুধশিল্পে প্রথমবারের মতো গ্লোব বায়োটেকের আবিষ্কৃত কোভিড-১৯ টিকা বঙ্গভ্যাক্স মার্কিন পেটেন্ট (মেধাস্বত্ব) পেয়েছে।
- গ্লোব বায়োটেকের বিজ্ঞানী কাকন নাগ ও নাজনীন সুলতানার তত্ত্বাবধানে ‘কোভিড-১৯’ শনাক্তকরণ কিট, টিকা এবং ওষুধ আবিষ্কারের গবেষণার ফলশ্রুতিতে তৈরি এই টিকা।
- প্রথমে এই টিকার টার্গেটের সম্পূর্ণ কোডিং সিকুয়েন্স ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের এনসিবিআই ডেটাবেজে প্রকাশিত হয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ২০২০ সালে গ্লোব বায়োটেক আবিষ্কৃত এই এমআরএনএ টিকা কোডিড-১৯ ভ্যাকসিন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গভ্যাক্স বিশ্বের একমাত্র এক ডোজের বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট–বিরোধী কার্যকরী কোভিড টিকা।
- এটি তৈরিতে ন্যানোটেকনোলজির নিজস্ব উদ্ভাবিত মৌলিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
- এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমআরএনএসহ অন্যান্য প্রযুক্তির টিকা তৈরি করা যাবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১৯৮.
সিকান্দার আবু জাফর সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?
  1. সবুজপত্র
  2. ভোরের কাগজ
  3. ইত্তেফাক
  4. সমকাল
সঠিক উত্তর:
সমকাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমকাল
ব্যাখ্যা
সিকান্দার আবু জাফর: 
- তিনি ১৯১৯ সালে তেঁতুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতরচয়িতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক।
- 'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক সিকান্দার আবু জাফর।
- তাঁর রচিত বিখ্যাত গান - আমাদের সংগ্রাম চলবেই, জনতার সংগ্রাম চলবেই।

• তাঁর রচিত  গ্রন্থাবলি:
কবিতা:
- প্রসন্ন প্রহর, 
- তিমিরান্তক।  

উপন্যাস:
- মাটি আর অশ্রু, 
- জয়ের পথে, 
- পূরবী, 
- নবী কাহিনী। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯৯.
বাংলাদেশের বিখ্যাত ব্যক্তি 'রানী হামিদ' নিচের কোন খেলার সাথে জড়িত?
  1. ক্রিকেট
  2. ফুটবল
  3. টেনিস
  4. দাবা
সঠিক উত্তর:
দাবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাবা
ব্যাখ্যা
রানী হামিদ: 
- রানী হামিদ বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার। 
- তিনি ৩ বার ব্রিটিশ মহিলা দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন।
- রানী জাতীয় মহিলা দাবায় চ্যাম্পিয়ন হন ১৮ বার।
- ১৯৮৪ সালে আন্তর্জাতিক দাবা ফেডারেশন থেকে 'ফিদে' খেতাব অর্জন করেন। 
- ১৯৮৫ সালে তিনি ফিদে আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।
- সর্বশেষ, কমনওয়েলথ দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০১৫ তে স্বর্ণ পদক লাভ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম আবারো উজ্জ্বল করেন তিনি। 

উৎস: ১৭ ডিসেম্বর ২০২০, যুগান্তর।
২০০.
বাংলাদেশ কতবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়?
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ৪ বার
  4. ৫ বার
সঠিক উত্তর:
২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বার
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।
- বাংলাদেশ ২ বার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।
- প্রথমবার (১৯৭৯-৮০) এবং দ্বিতীয়বার (২০০০-০১)।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।