বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

মোট প্রশ্ন৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৮৩২

.
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের থ্রি - জিরো তত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. বেকারত্ব
  2. নেট কার্বন নিঃসরণ
  3. ক্ষুধা
  4. দারিদ্র্য
সঠিক উত্তর:
ক্ষুধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুধা
ব্যাখ্যা

 • জিরো ক্ষুধা থ্রি - জিরো তত্ত্বে নেই।

• থ্রি - জিরো তত্ত্বে:
- অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের টেকসই উন্নয়নের 'থ্রি-জিরো' তত্ত্ব ।
- থ্রি-জিরো তত্ত্ব' আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। 

⇒ সেগুলো হচ্ছে-
• জিরো দারিদ্র্য,
• জিরো বেকারত্ব,
• জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে বাসযোগ্য নিরাপদ পৃথিবী ও নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে ‘থ্রি জিরো’ তত্ত্বকে বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ইউনূস।

উৎস: The Business Standard.

.
বাংলাদেশ 'গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন' স্বাক্ষর করে কবে?
  1. ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  2. ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫
  4. ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৯ আগস্ট, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা

• গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন:
- গুমবিরোধী সনদটি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়। 
- ৩২টি দেশ এটি অনুস্বাক্ষর করার পরে ২০১০ সালে তা বাস্তবায়ন শুরু হয়।
- সামগ্রিকভাবে এই সনদের লক্ষ্য গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া। 

- ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর দ্য প্রোটেকশন অব অল পারসন্স ফ্রম এনফোর্সড ডিসেপিয়ারেন্স’ (আইসিপিপিইডি) শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। 
- গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে সই করে বাংলাদেশের পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ ২৯ আগস্ট ২০২৪ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যমুনায় উপদেষ্টামণ্ডলীর সভা চলাকালে কনভেনশনে সই করেন ড. ইউনূস।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৫ তম
  2. ২৯ তম
  3. ৩১ তম
  4. ৩৪ তম
সঠিক উত্তর:
২৯ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (জুলাই, ২০২৫)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (জুলাই, ২০২৫)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
.
কোন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ প্রবর্তন করা হয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. কান চলচ্চিত্র উৎসব
  2. ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব
  3. বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
  4. টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
সঠিক উত্তর:
বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
ব্যাখ্যা
জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ:
- দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।
- আগামী ১৭-২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠাতব্য বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার দেওয়া হবে।
- সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ভিশন এশিয়া’ বিভাগে অংশ নেওয়া ছবিগুলোর মধ্যে একটি ছবিকে পুরস্কারটি দেওয়া হবে।
- ভিশন এশিয়া বিভাগে স্থান পেয়েছে বিভিন্ন দেশের ১১টি চলচ্চিত্র।
- সামাজিক ন্যায়বিচার, বাক্স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার অথবা অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াইকে উপজীব্য করে নির্মিত চলচ্চিত্রকে এ পুরস্কার দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
.
'The Spirit of Islam' বইটির লেখক কে?
  1. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  2. সৈয়দ আমীর আলী
  3. সৈয়দ আমীর হামজা
  4. রাজা রামমোহন রায়
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আমীর আলী: 
- সৈয়দ আমীর আলী The Spirit of Islam এবং A short History of the Saracens নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন।
- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত শিয়া পরিবারে তাঁর জন্ম।
- লন্ডনের লিঙ্কন্স ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাশ করার পর ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন। 
- ১৯০৪ সালে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য নিয়োজিত হন এবং আমৃত্যু সে পদে বহাল থাকেন।

সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শান্তির জন্য নোবেল বিজয়ী ড. ইউনূস কোন গ্রাম থেকে ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম শুরু করেন?
  1. আনোয়ারা
  2. মনিপুর
  3. জোবরা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জোবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোবরা
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:

- বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস। ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে এটি একটি বৈধ এবং স্বতন্ত্র ব্যাংক হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- জোবরা গ্রামে ঋণ দেয়ার মাধ্যমে এর কাজ শুরু করে যা চট্টগ্রামে অবস্থিত।
.
সম্প্রতি, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কোন বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ইউনিভার্সিটি অফ মেলবোর্ন

  2. টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়, জাপান
  3. ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর
  4. ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি:
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দিয়েছে মালয়েশিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া’ (ইউকেএম)। 
- ১৩ আগস্ট, ২০২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে সম্মাননা ডিগ্রি তুলে দেন ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ার চ্যান্সেলর তুয়াঙ্কু মুহরিজ ইবনে আলমারহুম তুয়ানকু মুনাওইর।
- সামাজিক ব্যবসা প্রসারে অধ্যাপক ইউনূসের অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।]

উল্লেখ্য,
- মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে অধ্যাপক ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গত ১১ আগস্ট কুয়ালালামপুরে পৌঁছান।
- কুয়ালালামপুরের পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর অফিসে ১২ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। 
- পরে দুই নেতার উপস্থিতিতে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

.
কর্নেল জামিল কত সালে 'বীর উত্তম' উপাধি লাভ করেন?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে শহীদ হন কর্নেল জামিল। তিনি ২০০৯ সালে বীর উত্তম উপাধি পান।
অর্থাৎ, সব মিলিয়ে বর্তমানে বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত - ৬৮ জন

(তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট প্রথম আলো রিপোর্ট)
.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ একক প্রকল্প কোনটি?
  1. পদ্মা বহুমুখী সেতু
  2. মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- রাশিয়ার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তায় পাবনার রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরমাণু শক্তি কমিশন।
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট এবং মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম-২৩৫।
- দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় একক প্রকল্প রূপপুরে খরচ হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা।
- জুলাই ২০১৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ছিল প্রকল্পের মেয়াদ।
- গত বছর প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
১০.
'মনপুরা ৭০’  কী? 
  1. একটি চর
  2. চিত্রকর্ম 
  3. চলচ্চিত্র
  4. স্মৃতিস্তম্ভ্য
সঠিক উত্তর:
চিত্রকর্ম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্রকর্ম 
ব্যাখ্যা

- মনপুরা ৭০' হলো বিখ্যাত চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিন কর্তৃক অঙ্কিত একটি চিত্রকর্ম,

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:

- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন জীবনের ২৯ বছর বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
- জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালে দুর্ভিক্ষ চিত্রমালার জন্য বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন।
- এ ছাড়াও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে নৌকা (১৯৫৭), সংগ্রাম (১৯৫৯), বীর মুক্তিযোদ্ধা (১৯৭১), ম্যাডোনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৯৭০ সালে তিনি গ্রামবাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন বিখ্যাত ৬৫ ফুট দীর্ঘ ছবি 'নবান্ন'।
- 'সোনার বাংলার শ্মশান' হওয়ার আখ্যান ছিল 'নবান্ন'।
- এর পরপরই বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রচন্ড সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাতে তিন লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারান।
- ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস নিয়ে 'মনপুরা ৭০' শীর্ষক ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের আরেকটি স্ক্রলচিত্র আঁকেন।

এছাড়াও,
- তার ভিন্নধর্মী ছবির মধ্যে আমারা দেখি সাঁওতাল দম্পতি, সাঁওতাল রমণীদ্বয়, মই দেওয়া, সংগ্রাম, বিদ্রোহী, কিংবা কাদায় পড়া কাঠবোঝাই গরুর গাড়ি ঠেলার মতো চিত্রকর্ম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১১.
বর্তমানে বিশ্বের কয়টি দেশের বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করা হয়েছে? (জুলাই, ২০২৫)
  1. ৪৯টি
  2. ৫৯টি
  3. ৬৯টি
  4. ৭৯টি
সঠিক উত্তর:
৫৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯টি
ব্যাখ্যা
ই-পাসপোর্ট:
- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ গত ২ জুন, ২০২৫ তারিখে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তৃতা দেয়।
- বাজেট বক্তৃতায় বলেন, বিশ্বের ৫৯টি দেশে বাংলাদেশ মিশনে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
- আরো জানান বাংলাদেশের সকল মিশনে ই-পাসপোর্ট, ই-ভিসা এবং ই-ট্রাভেল পারমিট প্রচলনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- এছাড়াও স্বয়ংক্রিয় ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য বিভিন্ন চেকপোস্টে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন ই-গেইট স্থাপন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে।

তথ্যসূত্র: বাসস। [link]
১২.
শিশুদের জন্য ‘শিশুস্বর্গ’ ও ‘চারুপীঠ’ নামে দুটি চিত্রাংকন প্রতিষ্ঠান কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. এস এম সুলতান
  2. হাশেম খান
  3. জয়নুল আবেদীন
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
এস এম সুলতান:
- এস এম সুলতান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী।
- তার পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান।
- তিনি ১৯২৩ সালে নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- এস এম সুলতান নড়াইলে ‘শিশুস্বর্গ' ও 'চারুপীঠ' নামে শিশুদের জন্যে দুটি চিত্রাংকন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।

• এস এম সুলতানের চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- হত্যাযজ্ঞ,
- চরদখল,
- সভ্যতার ক্রমবিকাশ প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৩.
During the Liberation War of Bangladesh in 1971, which committee in the USA did Dr. Muhammad Yunus establish?
  1. National Liberation Council
  2. Bangladesh Citizens Committee (BCC)
  3. Bangladesh Economic Forum
  4. National Unity Front 
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Citizens Committee (BCC)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Citizens Committee (BCC)
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, মুহাম্মদ ইউনূস তখন যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনারত। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সেখানে স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন জোগাতে বাঙালিদের সংগঠিত করা, তহবিল সংগ্রহের পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসনসহ জাতিসংঘে কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি একটি নাগরিক কমিটি (Bangladesh Citizens Committee) প্রতিষ্ঠা করেন এবং অন্য বাংলাদেশিদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তিযুদ্ধের জন্য সমর্থন সংগ্রহ করতে বাংলাদেশ ইনফরমেশন সেন্টার পরিচালনা করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশভিলে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে প্রকাশ করতেন ‘বাংলাদেশ নিউজলেটার’।

⇒ অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়ে আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন’-এ তিনি এসব উল্লেখ করেছেন।

এছাড়াও,
- ১৯৭৪ সালে মুহাম্মদ ইউনূস তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রকল্পটিকে আরও কার্যকর করতে ইউনূস এবং তার সহযোগীরা 'গ্রাম সরকার' কর্মসূচি প্রস্তাব করেন। যেটি ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তন করেন। এই কর্মসূচির অধীনে ২০০৩ সালে ৪০,৩৯২টি গ্রাম সরকার গঠিত হয়।
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন গরিব বাংলাদেশীদের মধ্যে ঋণ দেবার জন্য।

উৎস: i) Nelson Mandela Foundation ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৪.
নিম্নের কোনটি সরকারি আইনগত সহায়তার হেল্পলাইন নম্বর  হিসেবে পরিচিত?
  1. ১৬৪২০
  2. ৩৩৩
  3. ১০৯৮
  4. ১৬৪৩০
সঠিক উত্তর:
১৬৪৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৪৩০
ব্যাখ্যা

- কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিগত সরকারের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে আইনি সহায়তার দিতে হেল্পলাইন চালু করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৬৪৩০ নম্বরে ফোন করে সহায়তা চাওয়া যাবে

বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার।
- ১০৯: নারী নির্যাতন বা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নম্বর।
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

সূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১৫.
UNCAC বাংলাদেশ স্বাক্ষর করেন কত সালে?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ দুর্নীতিবিরোধী সনদ (UNCAC):
- UNCAC এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention Against Corruption.
- জাতিসংঘ দুর্নীতিবিরোধী সনদ (UNCAC) হলো দুর্নীতিবিরোধী বহুপাক্ষিক বৈশ্বিক চুক্তি।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ দ্বারা গৃহীত হয়: ৩১ অক্টোবর, ২০০৩।
- কার্যকর হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ২০০৫।
- স্বাক্ষরস্থল: মেরিডা, মেক্সিকো।
- স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রের সংখ্যা (Signatories) : ১৪০।
- পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রের সংখ্যা (Parties) : ১৯১।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে: ২০০৭ সালে।

উৎস: UN ওয়েরবসাইট।

১৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত? ( জুলাই-২০২৫)
  1. নরসিংদী
  2. গাইবান্ধা
  3. কক্সবাজার
  4. ফেনী
সঠিক উত্তর:
গাইবান্ধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাইবান্ধা
ব্যাখ্যা
- দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র তিস্তা সোলার লিমিটেড।
- গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে নির্মিত দুইশ মেগাওয়াটের এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ।
- দেশের সবচেয়ে বড় ও এশিয়ার অন্যতম বড় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র এটি।
- তিস্তা সোলার লিমিটেড নামের এই কেন্দ্রটি গড়ে তুলেছে বেক্সিমকোর গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার লিমিটেড।

উৎস: দ্যা ডেইলি স্টার লিংক।
১৭.
‘ভাটিয়ালি’ গান বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসংগীত?
  1. রাজশাহী ও রংপুর 
  2. বরিশাল ও পটুয়াখালী
  3. ময়মনসিংহ ও সিলেট
  4. রংপুর ও দিনাজপুর 
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ ও সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ ও সিলেট
ব্যাখ্যা

• ভাটিয়ালি:
- ভাটিয়ালি এক ধারার  লোকগীতি।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্য সুরের দীর্ঘ টান ও লয়।
- প্রচলিত মতে মাঝিমাল্লাদের গান থেকে ভাটিয়ালি সুরের উৎপত্তি।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ও সিলেট জেলায় এই গান বিশেষভাবে প্রচলিত।

অন্যদিকে,
- ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত।
- গম্ভীরা হলো চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত।
- ধামাইল গান প্রধানত সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রচলিত মেয়েদের আচার-কেন্দ্রিক নাচ ও গানের নাম।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১৮.
বাংলাদেশ টেলিভিশন রঙিন সম্প্রচার শুরু করে কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।

১৯.
কোন বাংলা গানকে ইউনেস্কো "Heritage of Humanity" অভিধায় ভূষিত করেছে?
  1. রবীন্দ্রসঙ্গীত
  2. নজরুলগীতি
  3. লালনগীতি
  4. বাউল গান
সঠিক উত্তর:
বাউল গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাউল গান
ব্যাখ্যা
বাউল সংগীত:
- ‘বাউল গান’ বাউল সম্প্রদায়ের আধ্যাত্মিক গান। বাউল একটি ধর্মীয় লোক-সম্প্রদায়।
- বাউলরা ধর্মীয় তত্ত্ব ও দর্শন, জীবনবোধ ও আদর্শের কথা গানের ভাষায় প্রকাশ করেন। মৌখিক ধারার এ গানই বাউল সংগীত হিসেবে পরিচিত।
- বাউল গানের স্রষ্টা লালন শাহ্। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া বাউল গানের কেন্দ্র-ভূমি, কালক্রমে তা পার্শ্ববর্তী যশোর, ফরিদপুর, পাবনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে। অনুরূপভাবে এ গান পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া, বর্ধমান ও বীরভূম জেলায় প্রসার লাভ করেছে।
- ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন, মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনা করে ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষণা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে ‘Intangible Cultural Heritage of Humanity’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
২০.
মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান কে ছিলেন?
  1. বেনজীর ভুট্টো
  2. ফাতিমা আরা
  3. ড. ফাহমিদা মির্জা
  4. বেগম খালেদা জিয়া
সঠিক উত্তর:
বেগম খালেদা জিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম খালেদা জিয়া
ব্যাখ্যা

• বেগম খালেদা জিয়া :
-  বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন।
- ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
-  তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান।
- বেগম জিয়া ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় ইস্কান্দার মজুমদার ও তৈয়বা মজুমদারের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বেগম জিয়া। 

- ১৯৯৬ সালে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর খালেদা জিয়া টানা দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হন, কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং পুনরায় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রতিশ্রুতির কারণে, তিনি এক মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেন। 
- ১৯৯৯ সালে বেগম জিয়ার নেতৃত্বেবিএনপি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামী এবং ইসলামী ঐক্যজোটের সাথে চারদলীয় জোট গঠন করে।
- ফোর্বস ম্যাগাজিন নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে তার ভূমিকার জন্য ২০০৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর নারীদের তালিকায় তাকে ২৯ নম্বরে স্থান দেয়।
- ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে ( শ্রীলংকা) ।
- বিশ্বের প্রথম মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী  ছিলেন বেনাজীর ভুট্টো।

উৎস: বিএনপি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২১.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
  2. ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
  3. ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
  4. ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:
- দ্রুতগতির এই উড়ালসড়কের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কিলোমিটার।
- এক্সক্সপ্রেসওয়ের ১১.৫ কিলোমিটার অর্থাৎ বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করা হয়।
- ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয়।
- বিদেশি বিনিয়োগে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় পরিবহন খাতে এটাই প্রথম প্রকল্প।
- সম্পূর্ণ এক্সপ্রেসওয়ে অর্থাৎ তেজগাঁও থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত আগামী বছরের জুনে চালু করার লক্ষ্য
ঠিক করেছে সরকার ।
- পুরো উড়ালসড়কে ৩১টি স্থান দিয়ে যানবাহন ওঠানামা (র‍্যাম্প) করার ব্যবস্থা থাকছে।
- কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশে ওঠা নামার জন্য মোট ১৫টি র‍্যাম্প থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি র‍্যাম্প আগামীকাল যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
- প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও হালকা ট্রাককে ৮০, বাস ও মিনিবাস ১৬০, মাঝারি ট্রাক ৩২০ এবং ভারি ট্রাক বা ট্রেইলরে ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩ ও দৈনিক যুগান্তর, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
২২.
লালন শাহ কত তারিখে পরলোক গমন করেন?
  1. ১৭ অক্টোবর, ১৮৮৯
  2. ১৭ অক্টোবর, ১৮৯০
  3. ১৭ অক্টোবর, ১৮৯১
  4. ১৭ অক্টোবর, ১৮৯২
সঠিক উত্তর:
১৭ অক্টোবর, ১৮৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ অক্টোবর, ১৮৯০
ব্যাখ্যা

লালন শাহ:
- লালন শাহ (১৭৭২-১৮৯০) বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা, গায়ক।
- ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭৭২) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- মতান্তরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রণ করেন। 

⇒ লালন শাহ যৌবনকালে একবার তীর্থভ্রমণে বের হয়ে পথিমধ্যে বসন্ত রোগে আক্রান্ত হন। তখন সঙ্গীরা তাঁকে পরিত্যাগ করে চলে যায়। এমতাবস্থায় সিরাজ সাঁই নামে একজন মুসলমান ফকির তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় বাড়িতে নিয়ে সেবা-শুশ্রূষা দ্বারা সুস্থ করে তোলেন। পরে লালন তাঁর নিকট বাউলধর্মে দীক্ষিত হন এবং ছেউড়িয়াতে একটি  আখড়া নির্মাণ করে স্ত্রী ও শিষ্যসহ বসবাস করেন। 

⇒ লালনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না, কিন্তু নিজ সাধনাবলে তিনি হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মের শাস্ত্র সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভ করেন। আধ্যাত্মিক ভাবধারায় তিনি প্রায় দুহাজার গান রচনা করেন। তাঁর গান মরমি ব্যঞ্জনা ও শিল্পগুণে সমৃদ্ধ।

⇒ লালন কোনো জাতিভেদ মানতেন না। লালনের গান এক সময় এতই জনপ্রিয় ছিল যে, তা সাধারণ মানুষ ও নৌকার মাঝিদের মুখে মুখে শুনা যেত। বহু তীর্থভ্রমণ এবং সাধু-সন্ন্যাসীদের সঙ্গলাভের পর ছেউড়িয়ার আখড়ায় বসেই লালন আজীবন সাধনা ও সঙ্গীতচর্চা করেন। লালনের লেখা গানের কোনো  পান্ডুলিপি পাওয়া যায়নি। সম্ভবত পরবর্তীকালে শিষ্যদের কেউ সেগুলি সংগ্রহ ও সংকলিত করেন।

⇒ ১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭ অক্টোবর, ১৮৯০) ছেউড়িয়ায় লালন পরলোক গমন করেন। প্রতিবছর দোল পূর্ণিমা (মার্চ-এপ্রিল) ও মৃত্যু বার্ষিকীতে ভক্তবৃন্দ তাঁর মাযারে সমবেত হন এবং তিন দিন ধরে সাধুসেবা ও সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২৩.
২০২৪ সালে কত জনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়?
  1. ৭ জন
  2. ১১ জন
  3. ১৪ জন
  4. ২১ জন
সঠিক উত্তর:
২১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জন
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ।
- শুরুতে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ ছিল পঁচিশ হাজার টাকা।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী  আবুল বরকত  রফিক উদ্দিন আহমদ,  আবদুস সালাম ও  আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।
- সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২১ (একুশ) জন বিশিষ্ট নাগরিক-কে একুশে পদক ২০২৪ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
- একুশে পদক হিসাবে ১৮(আঠার) ক্যারেট স্বর্ণ নির্মিত ৩৫ (পঁয়ত্রিশ) গ্রাম ওজনের একটি পদক, ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা, একটি সম্মাননা পত্র ও একটি রেপ্লিকা প্রদান করা হবে। ["একুশে পদক" নীতিমালা ২০১৭]

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
বাংলাপিডিয়া। 
২৪.
'শিশু স্বর্গ' প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নিতুন কুন্ড
  2. কামরুল হাসান
  3. এস এম সুলতান
  4. জয়নুল আবেদিন
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
শিশু স্বর্গ:
- বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান প্রতিষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান 'শিশু স্বর্গ'।
- এস এম সুলতান তার জীবনের সঞ্চয় দিয়ে শিশুদের জন্যে একটি নৌকা তৈরি করে এতে 'শিশু স্বর্গ' নামে ভ্রাম্যমাণ চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান খোলেন।
- পরবর্তীতে নড়াইলের মাছিমদিয়ায় এস এম সুলতানের গ্রামে বাংলাদেশ সরকার সুলতান কমপ্লেক্স তৈরি করে।
- সেখানে 'শিশু স্বর্গ' নামে শিশুদের চিত্রাঙ্কন শেখার একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়া এস এম সুলতান চারুপীঠ এবং নন্দকানন নামে আরো দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন।

উৎস: নড়াইল জেলা ওয়েবসাইট ও সমকাল।
২৫.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ২০১০
  2. ২০১১
  3. ২০১২
  4. ২০১৫
সঠিক উত্তর:
২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ প্রথম প্রকাশিত হয় — ২০১২ সালে।

• অসমাপ্ত আত্মজীবনী:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম বই 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' প্রথম প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বইটির ভূমিকা লিখেছেন শেখ হাসিনা।
- এই প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ, সাহিত্যিক এবং সাংবাদিকদের একটি দল।
- বাংলাদেশে এই বই প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
- এছাড়া ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে ভারতে পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া থেকে এবং পাকিস্তানে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস পাকিস্তান থেকে। এছাড়া পাকিস্তানে উর্দু ভাষাতেও এর অনুবাদ বের হবার কথা রয়েছে।
- ইংরেজিতে এই বইয়ের ভাষান্তর করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ফকরুল আলম।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান।
২৬.
২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে ভারতের কোন বিষয় সংক্রান্ত বিরোধের অবসান হয়?
  1. ছিটমহল সংক্রান্ত
  2. সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত
  3. স্থল ভূমির সীমানা নির্ধারন
  4. বন্দী বিনিময় সংক্রান্ত
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র জয়:
- সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ২০০৯ সালে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ।
- ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্র সীমানা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
- মিয়ানমারের সঙ্গে মামলার রায়ে আদালতে মোট বিতর্কিত অঞ্চলের (ডিসপিউটেড এরিয়া) মধ্যে ১ লাখ ১১ হাজার বর্গ কিলোমিটার বাংলাদেশের সার্বভৌম অঞ্চল বলে রায় দেয়।
- আবার ভারতের সঙ্গে মোট ২৫ হাজার ৬০০ বর্গ কিলোমিটার বিতর্কিত অঞ্চলের (ডিসপিউটেড এরিয়া) মধ্যে, বাংলাদেশ প্রায় ১৯ হাজার ৫০০ বর্গ কিলোমিটার অর্জন করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৭.
বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর কোথায় নির্মিত হবে?
  1. খুলনা
  2. কক্সবাজার
  3. চট্রগ্রাম
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর:
- বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ করা হচ্ছে কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ি ধলঘাট এলাকায়।
- বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে ১ হাজার ৩১ একর জায়গার নির্মাণ করা হচ্ছে এই বন্দরটি।
- মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প ২০২০ সালের ১০ মার্চ একনেক সভায় অনুমোদন দেয়া হয়।
- ১১ নভেম্বর, ২০২৩ মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর চ্যানেল উদ্বোধন ও প্রথম টার্মিনাল নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
- এ ছাড়া প্রকল্প এলাকায় সড়ক নির্মাণ করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।
- ২০২৪ সালের অক্টোবরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রকল্পটির ব্যয় ২৪ হাজার ৩৮১ কোটি টাকা নির্ধারণ করে। 
- এ প্রকল্পে অর্থায়ন করছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)।
- মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ হলে ৮ হাজার ২০০ টিইইউএস ক্ষমতাসম্পন্ন কন্টেনার বহনকারী জাহাজ নোঙ্গর করতে পারবে।
- ২০২৯ সালের মধ্যেই বন্দরটি চালু হতে পারে। 

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
২৮.
প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে কে অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়ায় আরোহণ করেন?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. মুসা ইব্রাহিম
  3. বাবর আলী
  4. ইকরামুল ইসলাম শাকিল
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
ব্যাখ্যা

- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে  অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়ায় আরোহণ করেন বাবর আলী।

• অন্নপূর্ণা-১ পর্বতের চূড়া জয়ী: 

- হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত অন্নপূর্ণা-১ বিশ্বের দশম সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- এর উচ্চতা ৮০৯১ মিটার।
- পর্বতারোহীদের মৃত্যুর হার বিবেচনায় বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পর্বত হিসেবে পরিচিত।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে অন্নপূর্ণা-১ পর্বত জয় করেছেন বাবর আলী।
- পর্বতারোহী বাবর আলী পেশায় চিকিৎসক।
- তিনি চট্টগ্রামভিত্তিক পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক।
- ১৯ মে, ২০২৪ তারিখে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।
- গত বছর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে একই অভিযানে বিশ্বের সর্বোচ্চ উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্ট এবং চতুর্থ সর্বোচ্চ উচ্চতার লোৎসে পর্বত জয় করেন।

উল্লেখ্য,
-  এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

২৯.
জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদর দপ্তরে 'বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ' প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. UNWTO
  2. FAO
  3. WHO
  4. UNDP
সঠিক উত্তর:
FAO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FAO
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) সদর দপ্তরে বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষের উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ এবং এফএওর মধ্যে পঞ্চাশ বছরের সম্পর্কের প্রতীক এই কক্ষ।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এফএওর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশের জনগণকে নিপীড়ন, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা থেকে মুক্ত করাই বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের লক্ষ্য ছিল।
- মুজিব বর্ষ’ ২০২০-২১ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সময় এ শৈল্পিক কাজটি করা হয়েছিল।
- এটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পেয়েছে।
- এটি আমাদের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর স্থানের সাক্ষ্য বহন করে। 

উৎস: যুগান্তর।
৩০.
‘তিনকন্যা’ চিত্রকর্মটির চিত্রশিল্পী কে?
  1. শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ
  2. এস এম সুলতান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩১.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ৭৬তম
  2. ৭৭তম
  3. ৭৮তম
  4. ৭৯তম
সঠিক উত্তর:
৭৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৯তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তার ৭৯তম অধিবেশন:
- সর্বশেষ সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এই অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং।
- এই অধিবেশনে সংঘাত নিরসন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সাহায্য করাসহ বিস্তৃত বিষয় নিয়ে আলেচনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।
- নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে ভাষণ প্রদান করেন তিনি।
- বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
৩২.
‘ভাওয়াইয়া’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকগীতি?
  1. বরিশাল
  2. রংপুর
  3. ঢাকা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

• ভাওয়াইয়া:
- ভাওয়াইয়া উত্তরবঙ্গে (রংপুর) প্রচলিত এক প্রকার  লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গান সুরলালিত্যে ভরপুর এবং এর একটি নিজস্ব গীতরীতি আছে।
- বৈশিষ্ট্যগত কারণে সাধারণত উত্তর বাংলার শিল্পী ছাড়া এ গানের সুরসংযোজনা সকলের পক্ষে সম্ভব হয় না।

- ভাওয়াইয়া গান ভাবসমৃদ্ধ বিধায় ‘ভাব’ থেকে ‘ভাওয়াইয়া’ কথাটির উৎপত্তি বলে অনুমিত হয়।
- এ গানের মূল সুর নর-নারীর প্রণয়। প্রণয়ের বিচ্ছেদ জ্বালাই এতে অধিক রূপায়িত হয়।

যেমন: ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’, ‘ছাড় রে মন ভবের খ্যালা’ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৩.
বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ এর সংগীত পরিচালক কে ছিলেন?
  1. হীরালাল সেন
  2. সমর দাস
  3. আবদুল জব্বার খান
  4. সঞ্জয় দাস
সঠিক উত্তর:
সমর দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমর দাস
ব্যাখ্যা
প্রথম সবাক চলচ্চিত্র:
 -  পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।
-  ছবিটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
-  বাংলাদেশের প্রথম এই সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' এর সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস।
-  ১৯৫৫ সালের ৩০ অক্টোবর শেষ হয় 'মুখ ও মুখোশ 'চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হয় । 
-  মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
-  হীরালাল সেন পরিচালিত ‘আলী বাবা ও চল্লিশ চোর’ হলো উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
৩৪.
'Small loans, big dreams' বইটি কে লিখেছেন?
  1. ড. অমর্ত্য সেন
  2. অ্যালেক্স কাউন্টস
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. রেহমান সোবহান
সঠিক উত্তর:
অ্যালেক্স কাউন্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালেক্স কাউন্টস
ব্যাখ্যা
'Small loans, big dreams':
- গ্রামীণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা অ্যালেক্স কাউন্টস লিখেছেন ‘স্মল লোনস, বিগ ড্রিমস’।
- 'Small loans, big dreams' যার আভিধানিক বাংলা অর্থ ‘ক্ষুদ্র ঋণ, বড় স্বপ্ন’।
- অ্যালেক্স কাউন্টস ক্ষুদ্রঋণের প্রসারে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অসামান্য ভূমিকা নিয়ে ২০০৮ সালে বইটি লেখেন।
- এতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণের যে উদ্ভাবন ও বিকাশ ঘটেছে, তার ক্ল্যাসিক বিবরণ তুলে ধরেছেন অ্যালেক্স।
- ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরুর মধ্য দিয়ে একজন প্রান্তিক নারীর জীবন বদলানোর চিত্র তুলে এনেছেন তার লেখায়।
- এই বইয়ে লেখক আরও দেখিয়েছেন, ক্ষুদ্র ঋণ অর্থনৈতিক বৈষম্য কমাতে কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের অমর একুশে বইমেলায় বইটির প্রথমবারের মত এটির এশীয় সংস্করণ বের করা হয়।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]
৩৫.
'সাঁওতাল দম্পতি' চিত্রকর্মের শিল্পী কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. এস এম সুলতান
  4. মুর্তজা বশীর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা

'সাঁওতাল দম্পতি' চিত্রকর্ম:
- 'সাঁওতাল দম্পতি' চিত্রকর্মের শিল্পী জয়নুল আবেদিন।
- কাঠের প্যানেলে তৈল মাধ্যমে জয়নুল আবেদিন ‘সাঁওতাল দম্পতি’ প্রথম এঁকেছিলেন ১৯৫১ সালে।
- পরে ছবিটির একাধিক সংস্করণও করেছিলেন তিনি। 
- বিষয়বস্তু: মাথায় মাথাল অর্থাৎ বাঁশ বা বেতের তৈরি এক ধরণের গ্রামীণ টুপি পরে খালি পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক যুগল যা গ্রামীণ বাংলার জীবন ও সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি।
- ছবিটি জয়নুল আবেদিন এঁকেছিলেন ১৯৬৩ সালে। পেইন্টিং-এর ওপরে তার নাম স্বাক্ষর করা আছে।

⇒ জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- জয়নুল আবেদিনকে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের পুরোধা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় তার প্রতিষ্ঠা করা ‘ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমানে যেটিকে আমরা ‘চারুকলা ইনস্টিটিউট’ হিসেবে জানি।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
iii) BBC.

৩৬.
বিশ্বের কোন দেশে সর্বাধিক অপরিণত বা সময়ের আগে শিশু জন্ম নেয়?[জানুয়ারি,২০২৫]
  1. নেপাল
  2. ভারত
  3. বাংলাদেশ
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
অপরিণত শিশু জন্মহার:

- সময়ের আগে শিশু জন্মহার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় পাঁচ লাখ শিশু সময়ের আগে জন্ম নেয়।
- অকালিক শিশুর জন্মের হার বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি, ১০০ শিশুর মধ্যে ১৬টি।
- এসব শিশুর মৃত্যুঝুঁকি বেশি থাকে এবং তারা সহজে রোগাক্রান্ত হয়।
- ২০১০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে অকালিক শিশুর জন্মের হার কমানো যায়নি।
- প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে এই হার বেশি।
- ২০২০ সালে বিশ্বে ১০টি শিশুর মধ্যে ১টি সময়ের আগে জন্ম নেয়।
- বাংলাদেশে অকালিক শিশুর জন্মের হার ১৬ শতাংশ, যা বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বেশি।
- সরকারের পদক্ষেপে ঝুঁকিপূর্ণ মায়েদের জন্য চিকিৎসা সেবা এবং নবজাতকের সেবা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, সেবা নিশ্চিত করতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং প্রতিরোধে জোর দিতে হবে। 

উল্লেখ্য, 
- ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. তাবাসুম পারভীন জানিয়েছেন, বাংলাদেশে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অপরিণত শিশুর জন্ম হয়।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে সেন্ট্রাল সেমিনারে ‘প্রিম্যাচুরিটি অ্যাকসেস টু কোয়ালিটি কেয়ার এভরিহোয়ার’ শীর্ষক প্রবন্ধে তিনি এ তথ্য উপস্থাপন করেন।


ছবিসূত্র: প্রথম আলো ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক] এবং ল্যানসেট জার্নাল [লিঙ্ক]
৩৭.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার উইজডেন বর্ষসেরা টি-টুয়েন্টি দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. লিটন কুমার দাস 
  2. সাইফ হোসেন 
  3. মোস্তাফিজুর রহমান
  4. শরিফুল ইসলাম 
সঠিক উত্তর:
মোস্তাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা

•  উইজডেনের বর্ষসেরা একাদশ - ২০২৫: 
 - ক্রিকেটের বাইবেল খ্যাত উইজডেনের বর্ষসেরা (২০২৫ সালের) পুরুষ টি-টোয়েন্টি দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমান।
- উইজডেনের সম্পাদকীয় বিভাগ গত বছরের সব ধরনের স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পারফরম্যান্স বিবেচনা করে এই একাদশ সাজিয়েছে। 
- ২০২৫ সালে তিনি মোট ৫৯টি উইকেট শিকার করেন। তার ইকোনমি রেট ছিল মাত্র ৬.৭৮। 
- ১১ রান খরচায় ৩ উইকেট ছিল তার সেরা বোলিং পারফরম্যান্স।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার। 

৩৮.
বাংলাদেশের কোন স্থপতি যুক্তরাষ্ট্রের সিয়ার্স টাওয়ারের নকশা প্রণয়ন করেন?
  1. তানভীর কবির
  2. এহসান খান
  3. রোহানি বাহারিন
  4. ফজলুর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
ফজলুর রহমান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফজলুর রহমান খান
ব্যাখ্যা
ফজলুর রহমান খান (এফ আর খান):
- ফজলুর রহমান খান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত স্থপতি।
- বাংলাদেশি-আমেরিকান বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি ও পুরকৌশলী ফজলুর রহমান খান ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলীদের অন্যতম বলা হয়।
- তাঁকে বলা হয় স্থাপত্যশিল্পের আইনস্টাইন। 

⇒ তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ারের (বর্তমানে উইলিস টাওয়ার) নকশা প্রণয়ন করেন।
- ১৯৫৫ সালে তিনি শিকাগো শহরের স্কিডমোর, ওউইং ও মেরিল নামের প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানে প্রকল্প প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯৭২ সালে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডে’ ম্যান অব দ্য ইয়ার বিবেচিত হন এবং পাঁচবার স্থাপত্যশিল্পে সবচেয়ে বেশি অবদানকারী ব্যক্তিত্ব হিসাবে অভিহিত হওয়ার গৌরব লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে আমেরিকার ‘নিউজ উইক’ ম্যাগাজিন শিল্প ও স্থাপত্যের ওপর প্রচ্ছদ কাহিনিতে তাকে মার্কিন স্থাপত্যের শীর্ষে অবস্থানকারী ব্যক্তি হিসাবে বর্ণনা করে।
- তার অন্যান্য অবদানের মধ্যে রয়েছে শিকাগোর জন হ্যানকক সেন্টার, বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হজ টার্মিনাল এবং বাদশাহ আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য মডেল অঙ্কন।
- তিনি Tube in Tube নামে স্থাপত্য শিল্পের এক নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিলেন, যার মাধ্যমে অতি উচ্চ (কমপক্ষে একশ তলা) ভবন স্বল্প খরচে নির্মাণ করা সম্ভব।
- ১৯৯৮ সালে শিকাগো শহরের সিয়ার্স টাওয়ারের পাদদেশে অবস্থিত জ্যাকসন সড়ক পশ্চিম পার্শ্ব এবং ফ্রাঙ্কলিন সড়কের দক্ষিণ পার্শ্বের সংযোগস্থলটিকে নামকরণ করা হয় "ফজলুর আর. খান ওয়ে"।
- ১৯৮২ সনের ২৬শে মার্চ জেদ্দায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন৷
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) যুগান্তর।
৩৯.
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কোন ব্যক্তি ইউটিউব প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. সালমান করিম
  2. জাওয়াদুল করিম
  3. জাবেদ করিম
  4. ফজলুর করিম
সঠিক উত্তর:
জাবেদ করিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাবেদ করিম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত জাবেদ করিম স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে যৌথভাবে ইউটিউব প্রতিষ্ঠা করেন।

YouTube:
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- এটি ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা।
- সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- CEO: নীল মোহন।

উল্লেখ্য,
- জাবেদ করিম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সফটওয়্যার প্রকৌশলী।
- জাভেদ করিমের ‘মি অ্যাট দ্য জু’ শিরোনামের ভিডিওটিই ইউটিউবে আপলোড করা প্রথম কনটেন্ট। 
- জাবেদ করিমের বাবা বাংলাদেশি।
- পেশায় সফটওয়্যার প্রকৌশলী জাভেদ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- তার বাবা নাইমুল করিম একজন গবেষক এবং মা ক্রিস্টিন মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিজ্ঞানী।
- ইউটিউব বিক্রি করে দেওয়ার পর জাভেদ করিম ইউনিভার্সিটি ভেঞ্চারস (ওয়াই ভেঞ্চারস) সহ-প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রতিষ্ঠানটি এয়ারবিএনবি এবং রেডিটের মতো স্টার্টআপগুলোর বিনিয়োগ ও পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেছে। 

এছাড়াও,
⇒ গুগল ২০০৬ সালে ১৬৫ কোটি ডলারে তাদের কাছ থেকে ইউটিউব কিনে নেয়।

উৎস: i) YouTube ওয়েবসাইট।
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৪০.
ইউনেস্কোর কততম সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়?
  1. ২৯তম
  2. ৩০তম
  3. ৩১তম
  4. ৩৩তম
সঠিক উত্তর:
৩০তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০তম
ব্যাখ্যা

 ২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
→ প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
→ ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
→ ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
→ পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
১৮ নভেম্বর ২০২৪ ঋণমান যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান 'মুডিস' বাংলাদেশের ঋণমান রেটিংস কত করে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. Aa3
  2. Baa1
  3. Ba2
  4. B2
  5. Ba3
সঠিক উত্তর:
B2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
B2
ব্যাখ্যা
- মার্কিন রেটিং এজেন্সি মুডিস বাংলাদেশের ঋণমান 'বি-ওয়ান' থেকে কমিয়ে 'বি-টু'তে এনেছে। [নভেম্বর ১৮, ২০২৪]
- এর ফলে পূর্বাভাসের অবনতি ঘটেছে।
- অর্থাৎ, এ পূর্বাভাস 'স্থিতিশীল' থেকে 'নেতিবাচক' অবস্থায় চলে গেছে।
- বাংলাদেশের রেটিং কমানো প্রসঙ্গে সংস্থাটি বলছে, 'সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার পর সরকার পরিবর্তনের ফলে উচ্চ রাজনৈতিক ঝুঁকি, নিম্ন প্রবৃদ্ধি সরকারের তারল্যের ঝুঁকি, বৈশ্বিক ভঙ্গুরতা এবং ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি বাড়িয়েছে।'
- বিশ্বের প্রধান তিনটি ঋণমান যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানের একটি মুডিস।
- ২০২৪ সালের ৩১ মে প্রতিষ্ঠানটি সর্বশেষবার বাংলাদেশের ঋণমান কমিয়েছিল।
সেবার তারা ঋণমান এক ধাপ কমিয়ে বিএ৩ থেকে বি১-এ নামায়। 
এর কারণ হিসেবে মুডিস জানিয়েছিল, বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে উঁচু মাত্রার দুর্বলতা ও তারল্যের ঝুঁকি রয়েছে।

উৎস: The Daily Star
প্রথম আলো।
৪২.
মা ও মনি হলো-
  1. একটি ভাস্কর্যের নাম
  2. একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম
  3. একটি উপন্যাসের নাম
  4. একটি টেলিভিশন প্রোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম
ব্যাখ্যা
• মা ও মণি গোল্ডকাপ:
- 'মা ও মণি' হলো — একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম। 
- ঢাকায় ১৯৯২ সালে ক্লাবগুলোকে নিয়ে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- (১৪ বছরের নিচে) টুর্নামেন্ট ১৯৯২ সালের ২৬ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩, দৈনিক জনকন্ঠ।
৪৩.
বাংলাদেশ বেতারের প্রথম কী নামকরণ করা হয়?
  1. পাকিস্তান রেডিও
  2. পূর্ব পাকিস্তান রেডিও
  3. ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  4. পূর্ব পাকিস্তান ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বেতার:
- বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ করা হয় 'ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র'।
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪৪.
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা

অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ।
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।

এছাড়াও,
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইন প্রবর্তনের পর ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় মুসলিম লীগ ও কৃষক প্রজা পার্টির কোয়ালিশন সরকার গঠিত হয় যার মুখ্যমন্ত্রী (অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী) নির্বাচিত হন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৫.
A world of three zeros.-গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ড. আবুল বারাকাত চৌধুরি
  2. ড. আবুল মনসুর আহমেদ
  3. ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনুস :
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ১৯৪০ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের একজন শিক্ষক।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ (Microcredit) এবং 'সামাজিক ব্যবসা' ধারণার প্রবর্তক।
- অধ্যাপক ইউনুস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্তির দিক থেকে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয়।

- তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'দারিদ্র্যহীন বিশ্বের অভিমুখে' এবং '(Banker to the Poor)।
- তিনি বিশ্ব খাদ্য পুরষ্কার পেয়েছিলেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য বই :
A world of three zeros,
Creating a world unlimited potential ,
Without poverty,
Super happiness,

উৎস: ইউনূস সেন্টার।

৪৬.
অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা 'সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান' নিচের কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত?
  1. গ্রামীন ব্যাংক
  2. বেলা
  3. বাপা
  4. ব্র্যাক
সঠিক উত্তর:
বেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলা
ব্যাখ্যা
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান:
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান নতুন অন্তবর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হয়েছেন।
- তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।
- পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী তিনি।
- তিনি ফ্রেন্ডস অব আর্থ ইন্টারন্যাশনাল এবং আইইউসিএনের নির্বাহী সদস্য।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের জন্ম ১৯৬৮ সালে, ঢাকায়।
- পরিবেশবিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৭ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক, ২০১২ সালে র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২০০৯ সালে ‘পরিবেশের নোবেল’খ্যাত গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল প্রাইজে ভূষিত হন তিনি।
- ২০০৯ সালে টাইম সাময়িকী তাঁকে হিরোজ অব এনভায়রনমেন্ট খেতাবে ভূষিত করে।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগের জন্য তাঁর নেতৃত্বাধীন বেলা সম্মানজনক ট্যাঙ্গ পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৯ আগস্ট, ২০২৪, প্রথম আলো।
৪৭.
"কাঁচের দেয়াল" বিখ্যাত চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন কে?
  1. সিদ্দিকুর রহমান
  2. জহির রায়হান
  3. সত্যজিৎ রায়
  4. শামীম আখতার
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার প্রথম ছবি "কখনো আসে নি" ১৯৬১ সালে মুক্তি পায়, এটি তার চলচ্চিত্র পরিচালনার যাত্রা শুরু করে।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দে তিনি তার প্রথম গল্পসংগ্রহ "সূর্যগ্রহণ" প্রকাশ করেন।

এছাড়াও 
- তিনি "লেট দেয়ার বি লাইট" নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেছিলেন, তবে মুক্তিযুদ্ধের কারণে তা অসমাপ্ত থেকে যায়।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি "সঙ্গম" পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি হিসেবে পরিচিত।
- "কাঁচের দেয়াল" ছবির জন্য তিনি অনেক পুরস্কার লাভ করেন।

তাঁর পরিচালিত অন্যান্য ছবিগুলো:
- সঙ্গম, 
- কাঁচের দেয়াল, 
- আনোয়ারা, 
- বেহুলা। 

তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো:
- তৃষ্ণা, 
- শেষ বিকেলের মেয়ে, 
- হাজার বছর ধরে, 
- আরেক ফাল্গুন, 
- বরফ গলা নদী, 
- আর কতদিন, 
- কয়েকটি মৃত্যু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৪৮.
কোন বিদেশী পত্রিকা বঙ্গবন্ধুকে 'poet of politics' উপাধি দিয়েছিলেন?
  1. নিউজ গার্ডিয়ান
  2. দি ইকোনোমিস্ট
  3. নিউজ উইক
  4. দি সান
সঠিক উত্তর:
নিউজ উইক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজ উইক
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- রাজনীতির কবি’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তিনি শুধু বাঙালির বঙ্গবন্ধু নয়, বিশ্ববরেণ্য রাজনীতিক ’বিশ্ববন্ধু’ উপাধিতেও বিশ্বনন্দিত।
- ১৯৭১ সালের ৫ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত নিউজ উইক ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধুকে (Poet of Politics ) ’রাজনীতির কবি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন
- সকল শ্রেণী ও আদর্শের অনুসারীদের একতাবদ্ধ করার জন্য সম্ভবত তাঁর ‘স্টাইল’ সবচেয়ে বেশি উপযোগী ছিল।
- এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ৭ মার্চের ভাষণকে এক অনবদ্য কবিতা এবং বঙ্গবন্ধুকে মহাকবি হিসেবে ভূষিত করার অবারিত যুক্তি রয়েছে।
- এ জন্যই বঙ্গবন্ধু বিশ্বপরিমন্ডলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন এক অসাধারণ মহাগ্রন্থে।
 
উৎস:- বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৪৯.
ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকায়
  2. খুলনায়
  3. নারায়ণগঞ্জে
  4. চাঁদপুরে
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁদপুরে
ব্যাখ্যা
• ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট:
- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট) — চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত।
- এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে মৎস্য সেক্টরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৎস্য চাষীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এছাড়াও - 
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৫০.
নিম্নোক্ত কোন বাংলাদেশী ‘সি টু সামিট’ অভিযান সম্পন্ন করেছেন?
  1. বাবর আলী
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. ওয়াসফিয়া নাজনীন
  4. শাহরিয়ার আলম
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
ব্যাখ্যা

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ‘সি টু সামিট’ অভিযান সম্পন্ন করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।

উল্লেখ্য,
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল। ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল। ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে। এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।

৫১.
সর্বশেষ বাংলাদেশের কোন শিল্পটি ইউনেস্কোর 'বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য' এর তালিকায় স্থান পেয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. জামদানি বুননশিল্প 
  2. শীতলপাটি বুননশিল্প
  3. ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’
  4. টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্প
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্প
ব্যাখ্যা

• ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭), ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩) ও টাঙ্গাইল শাড়ি বুননের ঐতিহ্যবাহী শিল্প (২০২৫) ।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে টাঙ্গাইল শাড়ি বয়ন শিল্প।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভারতের নয়াদিল্লির লালকেল্লায় এক অধিবেশনে ইউনেসকোর রিপ্রেজেন্টেটিভ লিস্ট অব ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটিতে (আইসিএইচ) আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- দীর্ঘদিন ধরে বাঙালির নন্দনচর্চা, ঐতিহ্য ও সামাজিক বুননে বিশেষ স্থান দখল করে থাকা টাঙ্গাইলের শাড়ি তার সূক্ষ্ম, দীপ্তিময় নকশা ও অপূর্ব কারুকাজের জন্য বিশ্বে পরিচিত। 

উৎস: i) বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
ii) প্রথম আলো।

৫২.
বাংলাদেশের মোট ভৌগলিক নির্দেশক (GI) পণ্য কতটি?
  1. ৬০টি
  2. ৬১টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬২টি
সঠিক উত্তর:
৬২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২টি
ব্যাখ্যা

( এটি একটি চলমান/সাম্প্রতিক প্রশ্ন। এ ধরণের প্রশ্নগুলোর উত্তর সর্বদা পরিবর্তনশীল)

- ১০ এ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশের মঞ্জুরকৃত জিআই পণ্য ৬২ টি।
- ৬২ তম জিআই পণ্য- কালিগঞ্জের তোয়ালে।

• জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- বর্তমানে দেশে জিআই পণ্য ৬২টি। (১০ এ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত)।

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর [লিংক] ও প্রথম আলো।

৫৩.
'গাড়ি চলে না' গানের গীতিকার কে?
  1.  শাহ্ আব্দুল করীম
  2. বাপ্পা মজুমদার
  3. ফকির লালনশাহ্
  4. দলছুট
সঠিক উত্তর:
 শাহ্ আব্দুল করীম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 শাহ্ আব্দুল করীম
ব্যাখ্যা

' গাড়ি চলে না' গানের গীতিকার -  শাহ্ আব্দুল করীম।

• শাহ্‌ আবদুল করিম:

- লোকসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, সুরকার শাহ আবদুল করিমের জন্ম ১৯১৬ সালে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ধলআশ্রম গ্রামে। 
- তাঁর জীবনের প্রথমপর্বে সঙ্গীতের দীক্ষা ঘটেছিল বাংলা ভাবসাধক ও বাউল পরিমন্ডলে।
- প্রথম জীবনে তিনি বাউল, ভক্তিমূলক, জারি, সারি, রাধাকৃষ্ণবিষয়ক পালাগান গেয়েছেন। কিন্তু পরিণত বয়সে তিনি গণসঙ্গীত রচনা ও পরিবেশনে খ্যাতি অর্জন করেন।
- সঙ্গীতজীবনের একদিকে তিনি ছিলেন গণচেতনার সঙ্গীত রচয়িতা, সুরকার ও গায়ক, অন্যদিকে ছিলেন বাউল-আঙ্গিকের সঙ্গীতশিল্পী। 
-  কৈশোরকাল থেকেই গণসঙ্গীতের প্রতি শাহ আবদুল করিমের আকর্ষণ ছিল। সম্ভবত জীবনের বাস্তবতা তাঁকে গণসঙ্গীত রচনায় উদ্বুদ্ধ করে।

তাঁর কিছু বিখ্যাত সঙ্গীতের পঙ্‌ক্তি এ রকম:
- আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম।
- কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া।
- গাড়ি চলে না, চলে না, নারে।
- বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে।
- গান গাই আমার মনরে বুঝাই।
- আইলায় না আইলায় নারে বন্ধু।
- বসন্ত বাতাসে সইগো, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৫৪.
‘মনপুরা ৭০’ চিত্রকর্মটির বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ
  2. ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস
  3. ১৯৭২ সালের সাইক্লোন
  4. ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন: 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন জীবনের ২৯ বছর বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। 
- জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালে দুর্ভিক্ষ চিত্রমালার জন্য বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন।
- এ ছাড়াও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে নৌকা (১৯৫৭), সংগ্রাম(১৯৫৯), বীর মুক্তিযোদ্ধা(১৯৭১), ম্যাডোনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৯৭০ সালে তিনি গ্রামবাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন বিখ্যাত ৬৫ ফুট দীর্ঘ ছবি ‘নবান্ন’। 
- ‘সোনার বাংলার শ্মশান’ হওয়ার আখ্যান ছিল ‘নবান্ন’।
- এর পরপরই বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রচন্ড সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাতে তিন লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারান। 
- ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস নিয়ে ‘মনপুরা ৭০’ শীর্ষক ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের আরেকটি স্ক্রলচিত্র আঁকেন তিনি।
- এছাড়াও তার ভিন্নধর্মী ছবির মধ্যে আমারা দেখি সাঁওতাল দম্পতি, সাঁওতাল রমণীদ্বয়, মই দেওয়া, সংগ্রাম, বিদ্রোহী, কিংবা কাদায় পড়া কাঠবোঝাই গরুর গাড়ি ঠেলার মতো চিত্রকর্ম।

উৎস: ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলা (অক্টোবর ২৬, ২০২৩)।
৫৫.
১৭ অক্টোবর ২০২৪ সালে ন্যায্যমূল্যে অত্যাবশ্যকীয় কৃষিজাত পণ্য বিক্রির জন্য কোন অ্যাপ চালু করা হয়?
  1. কৃষক ডট কম
  2. ফসল ডট কম
  3. পণ্য ডট কম
  4. ফার্মারস ডট কম
সঠিক উত্তর:
ফসল ডট কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফসল ডট কম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------------- 
• ১৭ অক্টোবর ২০২৪ ন্যায্যমূল্যে অত্যাবশকীয় কৃষিজাত পণ্য বিক্রির জন্যে — ফসল ডট কম অ্যাপ চালু করা হয়।

ফসল ডট কম:
- ১৭ অক্টোবর ২০২৪ - 
ঢাকা মহানগরের কারওয়ান বাজারস্থ ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) চত্তরে ফসল ডট কম লিমিটেড কর্তৃক ন্যায্যমূল্যে অত্যাবশকীয় কৃষিজাত দ্রব্যাদি বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
- ফসল ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা সাকিব হোসাইন। 

উৎস: প্রথম আলো, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকা রিপোর্ট।
৫৬.
বাংলাদেশে কোথায় কমনওয়েলথ সমাধি রয়েছে?
  1. কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুর
  2. কুমিল্লা ও গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা
  4. ঢাকা ও কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ সমাধি: 
- বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধি রয়েছে, একটি কুমিল্লার ময়নামতি এবং অপরটি চট্টগ্রামে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৩৯-১৯৪৫) বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে নিহত ভারতীয় (তৎকালীন) ও ব্রিটিশ সৈন্যদের স্মৃতিরক্ষার্থে এই সমাধিক্ষেত্রগুলো নির্মাণ করা হয়।
- কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি ১৯৪৬ সালে তৈরি হয়েছে। যার অধিকাংশই হাসপাতালের মৃত সৈনিকদের। চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি ১৯৪৩-১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছে। 
- এই সমাধিক্ষেত্রগুলো Commonwealth War Graves Commission (CWGC) দ্বারা পরিচালিত হয়।
- প্রতি বছর নভেম্বর মাসে এ দুটি সমাধিক্ষেত্রে ধর্মীয় প্রার্থনাসভার আয়োজন করা হয়। 

সূত্র: চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জেলা ওয়েবসাইট। 
৫৭.
কোন সাময়িকী তাদের প্রতিবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে The Revolutionary Economist হিসেবে আখ্যায়িত করেন?
  1. Nature
  2. BBC
  3. The New York Times
  4. The Economist
সঠিক উত্তর:
Nature
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nature
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানবিষয়ক খ্যাতনামা সাময়িকী নেচার ২০২৪ সালের শীর্ষ ১০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। 
- সেখানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘জাতির নির্মাতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ নেচারের শীর্ষ ১০ ব্যক্তির তালিকায় রয়েছেন জার্মানির ন্যাশনাল মেট্রোলজি ইনস্টিটিউটের পরিচালক পদার্থবিদ একেহার্ড পেইক। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
৫৮.
পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি কে ছিলেন?
  1. আবুল হাসনাত
  2. এম ফিরোজ আহমেদ
  3. এ. এম. এম. শফিউল্লাহ
  4. জামিলুর রেজা চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
জামিলুর রেজা চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিলুর রেজা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার ও প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
৫৯.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামেরে ডিজাইনার কে?
  1. বিমান মল্লিক
  2. কামরুল হাসান
  3. মাইনুল হোসেন
  4. জয়নুল আবেদিন
  5. এ এন এ সাহা
সঠিক উত্তর:
এ এন এ সাহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এন এ সাহা
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ', নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- এ মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন এ সাহা।

« অন্যদিকে,
- কামরুল হাসান জাতীয় প্রতীক ও পতাকার ডিজাইনার।
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।
- বিমান মল্লিক প্রথম ডাকটিকিটের ডিজাইনার।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।
৬০.
উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক ছবি আলীবাবা ও চল্লিশ চোর নির্মাণ করেন -
  1. দাদা সাহেব ফালকে
  2. হীরালাল সেন
  3. গুনরাম বাবু
  4. সত্যজিৎ রায়
সঠিক উত্তর:
হীরালাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হীরালাল সেন
ব্যাখ্যা
হীরালাল সেন: 
- হীরালাল সেন হলেন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৮৬৬ সালে মানিকগঞ্জ জেলার বগজুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯০৪ সালে উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক ছবি আলীবাবা ও চল্লিশ চোর নির্মাণ করেন।
- ১৯০৩ সালে তাঁর রয়াল বায়োস্কোপ কোম্পানি থেকে প্রথম বাংলায় সিকে সেনের মাথার তেল ‘জবাকুসুম’ বটফেস্ট পালের ‘এডওয়ার্ড টনিক’ ও ডব্লিউ মেজর কোম্পানির ‘সালসা পিলা’ প্রভৃতি বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মিত হয়।
- তাছাড়া তিনি প্রামাণ্যচিত্র ও সংবাদচিত্রও নির্মাণ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬১.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনকে শিল্পাচার্য উপাধি দেয়-
  1. কলকাতা আর্ট কলেজ
  2. ঢাকা আর্ট কলেজ
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. বাংলাদেশ সরকার
সঠিক উত্তর:
ঢাকা আর্ট কলেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা আর্ট কলেজ
ব্যাখ্যা
১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে ‘ শিল্পাচার্য’ উপাধি পান।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত বাঙালি চিত্রশিল্পী।
- জন্মগ্রহণ: ১৯১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহকুমার কেন্দুয়ায়।
- জয়নুল আবেদিন ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত কলকাতার সরকারি আর্ট স্কুলে পড়েন।
- তাঁর প্রচেষ্টায়  সোনারগাঁয় লোকশিল্প জাদুঘর ও ময়মনসিংহে জয়নুল সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠিত হয়। 

তাঁর চিত্রকর্মের মধ্যে অন্যতম:
নৌকা , সংগ্রাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ম্যাডোনা
- তাঁর দীর্ঘ দুটি স্ক্রল ’নবান্ন’ এবং ‘মনপুরা-৭০’ প্রশংসিত দুটি শিল্পকর্ম।
- ১৯৩৮ সালে চিত্র প্রদর্শনীতে তিনি নিখিল ভারত স্বর্ণপদক লাভ করেন।

এছাড়াও,
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে জাতীয় অধ্যাপকের সম্মান লাভ করেন। 
- জয়নুল আবেদিন ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় মারা যান।

উৎস: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প  ফাউন্ডেশন।
৬২.
পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র 'জুটন' কে আবিষ্কার করেন?
  1. মোবারক আহমেদ খান
  2. কাজী হামিদুল হক
  3. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
  4. আব্দুল খালেক
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
ব্যাখ্যা
জুটন:
- জুটন হচ্ছে পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র।
- এর আবিষ্কারক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
- এখানে পাট ও সুতার অনুপাত ৭০ : ৩০।
- এ প্রক্রিয়ায় তুলার আঁশের তৈরি বস্ত্রের বিকল্প হিসেবে এক ধরনের নতুন বস্ত্র উদ্ভাবনের জন্য পাট ও তুলার আঁশ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশানো হয়।

অন্যদিকে,
⇒ জুটিন:
- পাট থেকে ঢেউটিনের আবিষ্কার করেন ড. মোবারক আহমেদ খান।
- পাট (Jute) দিয়ে তৈরী বলে এ টিনের নাম জুটিন (Jutin).
- তাঁর অন্যান্য আবিষ্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সোনালি ব্যাগ, হেলমেট ও টাইলস।
- তাঁর তৈরি সোনালি ব্যাগ বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হচ্ছে।

উৎস: i) বাংলা পিডিয়া।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৬৩.
বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে বাংলাদেশের কোন গার্মেন্টস? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ওরিয়েন্ট গার্মেন্টস লিমিটেড
  2. হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড
  3. গ্রিনলিফ গার্মেন্টস লিমিটেড
  4. ফেয়ারটেক্স গার্মেন্টস লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড
ব্যাখ্যা

• বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা: 
- বাংলাদেশের গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
- হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) লিড প্লাটিনাম সনদে ১১০ এর মধ্যে ১০৮ স্কোর পেয়েছে। 
- এটি বর্তমানে বিশ্বের যেকোনো গ্রিন ফ্যাক্টরির মধ্যে সর্বোচ্চ স্কোর।
- হ্যামস গার্মেন্টস হা-মিম গ্রুপের অংশ, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় গার্মেন্টস রপ্তানিকারক।
- বর্তমানে বাংলাদেশে ২৭৩টি লিড সার্টিফায়েড গ্রিন ফ্যাক্টরি রয়েছে, যার মধ্যে ১১৫টি প্লাটিনাম ও ১৩৯টি গোল্ড মানের।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি সর্বোচ্চ রেটিংপ্রাপ্ত গ্রিন কারখানার মধ্যে ৬৯টিই এখন বাংলাদেশে অবস্থিত।   [ব্যাখ্যা আপডেট - ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

তথ্যসূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও প্রথম আলো। (Link) 

৬৪.
নিচের কোন স্থানটি বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে এখনও স্থান পায়নি?
  1. পাহাড়পুর
  2. মহাস্থানগড়
  3. ষাটগম্বুজ
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
• মহাস্থানগড় বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে এখনও স্থান পায়নি।

মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী ।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দুর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উঁচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি। এগুলো হলো:
⇒ নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (১৯৮৫ সালে)।
- পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার ৩২২তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

⇒ বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে)।
- ষাটগম্বুজ মসজিদ ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

⇒ সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ওয়েবসাইট ও বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৫.
৪৯তম জেলা হিসেবে বাংলাদেশের রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়েছে-
  1. নাটোর
  2. শেরপুর
  3. নড়াইল
  4. জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
নড়াইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নড়াইল
ব্যাখ্যা
রেল নেটওয়ার্ক:
- বর্তমান দেশে মোট ৪৯ জেলা রেল নেটওয়ার্কের অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
- ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে দেশের ৪৯তম জেলা হিসেবে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হয় নড়াইল।
- পদ্মা সেতু রেল সেতু প্রকল্পের আওতায় ২৮ কিলোমিটার রেলপথ পড়েছে নড়াইলে।
- এই দিন থেকেই খুলনা-ঢাকা এবং বেনাপোল-ঢাকা রুটে জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ও রূপালী এক্সপ্রেস নামের আন্তঃনগর ট্রেন নড়াইল-লোহাগড়ার মধ্য দিয়ে চলাচল শুরু হয়েছে।
- এরই প্রেক্ষিতে, নড়াইল শহর ও লোহাগড়া উপজেলায় একটি করে রেলস্টেশনও নির্মাণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- এ দেশে প্রথম রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা- জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৬৬.
টাইম ম্যাগাজিন- ২০২৫ -এ বিশ্ব স্বাস্থ্যে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তিদের তালিকার মধ্যে কোন বাংলাদেশি অন্তর্ভুক্ত?
  1. ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা
  2. ডা. তাহমিদ আহমেদ
  3. ডা. মো. শামিউল ইসলাম
  4. ডা. মো. হারুন-অর-রশিদদ
সঠিক উত্তর:
ডা. তাহমিদ আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডা. তাহমিদ আহমেদ
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক খ্যাতনামা সাময়িকী ‘টাইম’ তাদের ২০২৫ সালের ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য খাতে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তি’র তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে ডা. তাহমিদ আহমেদকে।
- ডা. তাহমিদ আহমেদ আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক ।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর করা ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় আছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- ‘টাইম–১০০’ শীর্ষক এই তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসকে ‘লিডার বা নেতা’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।

উৎস : প্রথম আলো।
৬৭.
বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘ম্যাডোনা-৪৩’ এর চিত্রকর কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. এস এম সুলতান
  4. রফিকুন্নবী
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
• বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘ম্যাডোনা-৪৩’ এর চিত্রকর জয়নুল আবেদিন।

জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৮.
বাংলাদেশ কবে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৯৭২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
  2. ১৯৭৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
  3. ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
  4. ১৯৭৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ: 
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে।
- এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।
- ৫০টি সদস্যরাষ্ট্র নিয়ে, জাতিসংঘের যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে এর সংখ্যা ১৯৩টি। 
- জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।
- বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়
- দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্যরাষ্ট্র।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬৯.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে? 
  1. তানভীর কবীর
  2. হামিদুর রহমান
  3. হামিদুজ্জামান
  4. অস্কার বাদল
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
• ‘কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান। 

• কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার:

- শহিদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং আওয়ামী লীগের উদ্যোগে যুক্তফ্রন্ট সরকার কর্তৃক ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্তভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হয়।

- এরফলেই শহীদ মিনারের নতুন স্থাপনা নির্মাণ করা সহজতর হয়ে ওঠে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
- তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহিদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- শহিদ মিনার প্রথম নির্মিত হয় ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। 
- শহীদ মিনারটি ছিল ১০ ফুট উচ্চ ও ৬ ফুট চওড়া।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। 
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা ওয়েব সাইট।
৭০.
বাংলাদেশ মিয়ানমার সমুদ্রসীমা মামলার রায় হয় -
  1. ১৫ জুন, ২০০৯
  2. ২০শে মে, ২০১০
  3. ১৮ এপ্রিল, ২০১২
  4. ১৪ মার্চ, ২০১২
সঠিক উত্তর:
১৪ মার্চ, ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ মার্চ, ২০১২
ব্যাখ্যা
সমুদ্র সীমা:
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।

অন্যদিকে,
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
৭১.
কোলন ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য ফ্লোরকক্সিব নামক জৈবযৌগ আবিষ্কার করেছেন -
  1. ড. জসিম উদ্দিন
  2. ডা. মাজহারুল ইসলাম
  3. ড. আনিসুজ্জামান
  4. ড. মাকসুদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ড. জসিম উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. জসিম উদ্দিন
ব্যাখ্যা
কোলন ক্যান্সার ও ড. জসিম উদ্দিন
- প্রাণঘাতী কোলন ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ের নাম কোলনিক অ্যাডেনোমা।
- অ্যাডেনোমায় আক্রান্ত কোষগুলোতে সাইক্লোঅক্সিজেনেজ-২ (কক্স-২) এনজাইম অতিরিক্ত মাত্রায় বিস্তৃত থাকতে দেখা যায়।
- এটি শনাক্তকরণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও চিকিৎসাবিজ্ঞানী ড. জসিম উদ্দিন একটি জৈব যৌগ আবিষ্কার করেছেন।
- এটি ফ্লোরকক্সিব নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
- এ প্রাণরাসায়নিক যৌগটি প্রাণির দেহে প্রবেশ করানোর পর এটি কক্স-২ এনজাইমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করা শুরু করে। 

অন্যদিকে,
- বর্তমানে ড. জসিম উদ্দিন মেরি গেডেস স্ট্যাহলম্যানের ক্যানসার রিসার্চের অধ্যাপক এবং বায়োকেমিস্ট্রির রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত আছেন।

তথ্যসুত্র - দৈনিক ইত্তেফাক।
৭২.
‘অভ্র’ কীবোর্ডের প্রাথমিক সংস্করণ কত সালে প্রথম উন্মুক্ত করা হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
‘অভ্র’ কি-বোর্ড:
মূল উদ্ভাবক: ডা. মেহদী হাসান খান।
সহ প্রতিষ্ঠাতা: রিফাত নবী,তানবিন ইসলাম সিয়াম, শাবাব মুস্তফা।
উন্নয়নকারী: ওমিক্রনল্যাব।
প্রাথমিক সংস্করণ: ২৬ মার্চ ২০০৩।
স্থায়ী মুক্তি: ৫.৬. ০ / ২৭ আগস্ট ২০১৯।
লে–আউট: প্রভাত, মুনির অপটিমা, অভ্র ইজি (ওমিক্রন ল্যাব প্রকাশিত সহজ একটি লে–আউট), বর্ণনা, জাতীয় (বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল প্রকাশিত বাংলা লে–আউট)।
প্ল্যাটফর্ম: উইন্ডোজ (অভ্র), লিনাক্স (ibus-avro), ম্যাক ওএস (iAvro), অ্যান্ড্রয়েড (রিদমিক), আইওএস (রিদমিক)।

সূত্র- বিবিসি। [Link]
৭৩.
‘সমাচার দর্পণ’ কে সম্পাদনা করেন?
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. রামমোহন রায়
  3. জন ক্লার্ক মার্শম্যান
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
জন ক্লার্ক মার্শম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন ক্লার্ক মার্শম্যান
ব্যাখ্যা

সমাচার দর্পণ:
- 'সমাচার দর্পণ' হল প্রথম বাংলা সংবাদপত্র।
- জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় ২৩ মে ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম বাংলা সংবাদপত্র 'সমাচার দর্পণ'।
- এটি ছিল একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা।
- পত্রিকায় সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের সংবাদ, সরকারি বিজ্ঞপ্তি, ব্রিটেনের খবর, ইউরোপিয়ান দেশগুলোর সংবাদ, জন্ম-মৃত্যু ও বিবাহের সংবাদ, চলতি বিষয় এবং ভারতের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সংবাদকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো।
- সংবাদপত্রটি শ্রীরামপুর খ্রিস্টান মিশনের আর্থিক সহযোগিতায় প্রকাশিত হলেও এতে কোনো ধরনের ধর্মীয় গোঁড়ামি বা ধর্মীয় প্রভাব ছিল না।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৩ জুন, ২০১৪।

৭৪.
‘সি টু সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন কে?
  1. নিশাত মজুমদার
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. ওয়াসফিয়া নাজনীন
  4. মুসা ইব্রাহীম
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
ব্যাখ্যা
‘সি টু সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন ইকরামুল হাসান শাকিল।

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
৭৫.
বাংলাদেশ IDA এর সদস্যপদ লাভ করে -
  1. ১০ মে, ১৯৭২
  2. ১৭ আগস্ট, ১৯৭২
  3. ২৩ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৭ আগস্ট, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ আগস্ট, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
IDA:
- IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association.
- তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- যার কারণে IDA কে 'Soft Loan Window' বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৫টি। (জুলাই, ২০২৫)
- বাংলাদেশ IDA এর সদস্যপদ লাভ করে ১৭ আগস্ট, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - IDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৬.
'মাদার অব হিউম্যানিটি' উপাধিতে কাকে ভূষিত করা হয়?
  1. শিরীন শারমিন
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. শেখ হাসিনা
  4. মাদার তেরেসা
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
মাদার অব হিউম্যানিটি:
- মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় ইতোমধ্যে বিশ্বের কাছে প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- ব্রিটিশ মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ (মানবতার জননী) বলে আখ্যায়িত করেছে।
- কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্রিটেনভিত্তিক গণমাধ্যম 'চ্যানেল ফোর'। 
- চ্যানেলটির এশিয়া প্রতিনিধি জনাথান মিলার তার প্রতিবেদনে তুলে ধরেন ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনের কিছু অংশ।
- ওই প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ বলে ভূষিত করা হয়।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করেছে নেদারল্যান্ডসের নামকরা 'ডিপ্লোম্যাট ম্যাগাজিন'।
- সাময়িকীটি তাদের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে ‘শেখ হাসিনা : মাদার অব হিউম্যানিটি’।

উৎস: কালের কন্ঠ ও প্রথম আলো।
৭৭.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. সেনেগাল
  4. লেবানন
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনেগাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৭৮.
গবেষণামূলক বই ‘৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থান' এর লেখক কে?
  1. আহম্মদ ফয়েজ
  2. নুরে আলম
  3. নাহিদ ইসলাম
  4. ফাহিমউর রহমান
সঠিক উত্তর:
নুরে আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরে আলম
ব্যাখ্যা
৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থান:
- সাংবাদিক ও গবেষক মুহাম্মদ নূরে আলমের গবেষণামূলক বই ‘৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থান’।
- বইটি অমর একুশে বইমেলা-২৫ এ প্রকাশিত হয়।
- বইটিতে ৫টি অধ্যায় রয়েছে। 
- ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন, গণহত্যা, জুলাই বিপ্লবের রক্তাক্ত দিনলিপি, জুলাই শহিদদের বীরত্ব গাঁথা ইত্যাদি নানান বিষয় নিয়ে বইটি প্রকাশ করেছে ৩৬শে জুলাই থিঙ্কট্যাঙ্ক গ্রুপ।
- বইটিতে বিচার বহির্ভূত হত্যা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, ও ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ব্যাপক ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ ও গণহত্যার বর্ণনার রয়েছে বিস্তারিতভাবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৭৯.
২০২৪ সালের পুরুষ "অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ" ক্রিকেটের চ্যাম্পিয়ন দল কোনটি?  
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. শ্রীলংকা
  4. আফগানিস্তান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 
------------------
• অনূর্ধ্ব–১৯ (পুরুষ ) এশিয়া কাপ-২০২৪: 
- ২০২৪ সালে প্রতিপক্ষ ভারতকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ।
- ফাইনালে ভারতকে ৫৯ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার এশিয়া চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ।

- ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়: সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- ভ্যানু - দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, দুবাই।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্সআপ: ভারত।
- ম্যান অব দ্য ম্যাচ: ইকবাল হোসেন।
- ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট: ইকবাল হোসেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো অনূর্ধ্ব–১৯ এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৮০.
প্রথমবারের মতো ‘জলাভূমি নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করা হয়েছে নিচের কোনটিকে?
  1. বিলজোয়ানা ও বিলভালা জলাভূমি
  2. চলন বিল ও ডাকাতি বিল
  3. সেন্টমার্টিন ও শাহ পরীর দ্বীপ
  4. হাকালুকি হাওর ও টাঙ্গুয়ার হাওর
সঠিক উত্তর:
বিলজোয়ানা ও বিলভালা জলাভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলজোয়ানা ও বিলভালা জলাভূমি
ব্যাখ্যা
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা জলাভূমিকে প্রথমবারের মতো ‘জলাভূমি নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করা হয়েছে। 
- রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ি উপজেলার বিলভালা মৌজার ১৫.০৮ একর জলাভূমিকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়।
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা শীতকালে দেশি ও পরিযায়ী পাখির অন্যতম আশ্রয়স্থল।
- এসব বিলে কালেম, কোড়া, ডাহুক, গুড়গুড়ি, জলপিপি, জলময়ূরসহ দেশি জলচর পাখির পাশাপাশি বালি হাঁস, পাতি সরালি, বড় সরালি, পিয়াং হাঁস, খুন্তে হাঁস, ভূতি হাঁসসহ বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী হাঁস দেখা যায়।
- প্রায় শতাধিক পাখি ছাড়াও উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসবাস রয়েছে এসব জলাভূমিতে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও মানবসৃষ্ট চাপে এই জলাভূমির জীববৈচিত্র্য আজ হুমকির মুখে।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।

উৎস: THE BUSINESS STANDARD বাংলা (৭ মে, ২০২৫)
৮১.
বিখ্যাত চিত্রকর্ম ‘ তিন কন্যা’ এর চিত্রকর কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. হাশেম খান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

কামরুল হাসান:
- বাংলাদেশের পটুয়া চিত্রশিল্পী;
- পূর্ণ নাম: আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান;
- জন্ম: ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর, কলকাতা, ভারত;
- মৃত্যু: ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি, ঢাকা, বাংলাদেশ;
- প্রখ্যাত পরিচিতি: 'পটুয়া' নামে পরিচিত।
- বিখ্যাত শিল্পকর্ম ও স্মারক:
- তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম 'তিনকন্যা' ও 'নাইওর'।
- এই  চিত্রকর্ম অবলম্বনে যথাক্রমে যুগোস্লাভিয়া সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) দুটি স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের কভার ডিজাইনও করেছেন তিনি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- স্বাধীনতাযুদ্ধকালে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' পোস্টারটি খুব বিখ্যাত হয়।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮২.
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের লোগো 'বলাকা' এর ডিজাইনার কে?
  1. হাশেম খান
  2. শামীম শিকদার
  3. নিতুন কুন্ডু
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক "বলাকা" ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

» শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক "বলাকা" ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

» কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বণিক বার্তা।

৮৩.
স্বাধীনতা পর বাংলাদেশ প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে?
  1. Commonwealth
  2. ILO
  3. OIC
  4. UNESCO
সঠিক উত্তর:
Commonwealth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Commonwealth
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ:
• বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থা কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।

অন্যদিকে: 
- বাংলাদেশ OIC এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে। 
- বাংলাদেশ UNESCO এর সদস্য পদ লাভ করে ২৭ অক্টোবর ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ ILO এর সদস্য পদ লাভ করে ২২ জুন ১৯৭২।

উৎস: স্ব স্ব ওয়েবসাইট।

৮৪.
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯১০ সালে
  2. ১৯০৫ সালে
  3. ১৯০৩ সালে
  4. ১৯০১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১০ সালে
ব্যাখ্যা
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর:
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থল হাতেম খাঁন মহল্লায় অবস্থিত।
- এই জাদুঘর প্রত্ন সংগ্রহে সমৃদ্ধ।
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের রাজন্যবর্গ, সমসাময়িক জ্ঞানী, গুণী ও পন্ডিতজন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।
- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে প্রদর্শিত সুষমামন্ডিত শত শত মূর্তি, রাজ্যপালের ভাতুরিয়া লিপি, প্রথম মহিপালের রাজভিটালিপি, দেওপাড়া প্রশস্তি এবং লক্ষণ সেনের বাগবাড়ী প্রশস্তিতে বরেন্দ্রের নিজস্ব শিল্প ঘরানার যথার্থতা উন্মোচিত হয়েছে।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে রয়েছে সমৃদ্ধশালী একটি পুঁথি সংগ্রহশালা।
- এছাড়াও রয়েছে প্রায় পনেরো হাজার দুষ্প্রাপ্য গ্রন্থ ও পত্রিকা সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থাগার।
- বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৫.
সম্প্রতি, আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা থেয়ারওয়ার্ল্ডের ‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন কে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  2. ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. মোঃ তৌহিদ হোসেন
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড:
- সম্প্রতি, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস থেয়ারওয়ার্ল্ডের ‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন।
- স্থানীয় সময় ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ নিউইয়র্কে থেয়ারওয়ার্ল্ডের বার্ষিক উচ্চপর্যায়ের গ্লোবাল এডুকেশন ডিনার-এ মুহাম্মদ ইউনূসকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- শিক্ষা ও সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাঁর পথপ্রদর্শক ভূমিকা এবং মানবকল্যাণে আজীবন প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা পেলেন তিনি।
- মুহাম্মদ ইউনূসের পাশাপাশি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডিকেও সম্মাননা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- শিশুদের জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা থেয়ারওয়ার্ল্ড বিশ্বব্যাপী শিক্ষার সংকট নিরসন এবং নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনা বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৮৬.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কত তম অধিবেশনে প্রথম সভাপতিত্ব করে?
  1. ৪০তম
  2. ৪১তম
  3. ৪২তম
  4. ৪৩তম
সঠিক উত্তর:
৪১তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে প্রথম সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮৭.
কত সালে বাংলাদেশ International Monetary Fund এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• International Monetary Fund (IMF)
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা।
- এটি ১৯৪৪ সালে ব্রেটন উডস সম্মেলনে প্রতিষ্ঠইত হয়।
- IMF এর কার্যক্রম ১৯৪৭ সালের মার্চে শুরু হয়।
- বর্তমানে, IMF এর সদস্য সংখ্যা ১৯১টি। 
- এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
৮৮.
ইউনেস্কো কবে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ১১ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
  2. ১৫ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
  3. ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
  4. ২১ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৮৯.
বিটিভি কোন সাল থেকে রঙিন সম্প্রচার শুরু করে?
  1. ১৯৭৯ সাল
  2. ১৯৮০ সাল
  3. ১৯৮১ সাল
  4. ১৯৮২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর বিটিভি ওয়ার্ন্ড চ্যানেল বন্ধ হয়ে বিটিভি নিউজ নামে যাত্রা শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।

৯০.
একদিনে ক্রিকেট ম্যাচে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস কার?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. তামিম ইকবাল
  3. লিটন দাস
  4. মুশফিকুর রহিম
সঠিক উত্তর:
লিটন দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিটন দাস
ব্যাখ্যা
লিটন দাস:
- বাংলাদেশের হয়ে একদিনের ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেন লিটন দাস।
- ২০২০ সালের ৬ মার্চ সিলেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি ১৪৩ বলে ১৭৬ রান করেন যা বাংলাদেশের যেকোন ব্যাটসম্যানের পক্ষে সর্বাধিক।

উল্লেখ্য,
- লিটন দাস বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে একজন উইকেট কিপার এবং ডানহাতি ব্যাটসম্যান।
- তিনি ২০১৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করেন।
- তিনি ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর করেছেন (১৭৬)।
- তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২য় সবচেয়ে কম বলে অর্ধশতক রান করেন (১৮ বলে) যা ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে কম বলে অর্ধ শতক রান করার রেকর্ড।
- তিনি বর্তামানে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের শ্রেষ্ঠ ওপেনার।

অন্যদিকে -
- এর আগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিলো তামিম ইকবালের (১৫৮ রান)।

উৎস: ESPN Cricinfo.
৯১.
সম্প্রতি সুদানে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী কোন মিশনে দায়িত্বরত অবস্থায় হামলার শিকার হন?(ডিসেম্বর,২০২৫)
  1. UNIMOG 
  2. UNISFA
  3. UNITSO
  4. UNMISS
সঠিক উত্তর:
UNISFA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNISFA
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা আবেইতে UNISFA মিশনে দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার হন।

• ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা ঘটে। এই হামলায় বাংলাদেশের ৬ জন শান্তিরক্ষী শাহাদাত বরণ করেন।

• নিহত শান্তিরক্ষীদের মৃতদেহ ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।
• মৃতদেহ এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে দেশে আনা হয়।
• বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম মৃতদেহ গ্রহণ করেন।

উৎস: UNISFA নিউজ ও বিবিসি।

৯২.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশকে পোলিওমুক্ত ঘোষণা করে কত সালে?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০১২ সালে 
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা

পোলিও:
- ২৪ অক্টোবর বিশ্ব পোলিও দিবস-২০২৫।
- এবারের প্রতিপাদ্য 'পোলিও নির্মূল করুন: প্রতিটি শিশু, প্রতিটি টিকা, সর্বত্র'।
- রোটারি বাংলাদেশ পোলিও প্লাস কমিটির তথ্যমতে, দেশে পোলিও টিকা কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৭৯ সালে।
- তবে পোলিও নির্মূলের জন্য নিরবচ্ছিন্নভাবে আন্তর্জাতিক, জাতীয়, আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক টিকা দিবস ধারাবাহিকভাবে পালন শুরু হয় ১৯৯৫ সালে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৪ সালে বাংলাদেশকে পোলিওমুক্ত ঘোষণা করে।

উৎস: যুগান্তর।

৯৩.
বাংলাদেশের কোন বনাঞ্চল বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সুন্দরবন
  2. পার্বত্য চট্রগ্রামের বনাঞ্চল
  3. সিলেটের পাহাড়ি বনভূমি
  4. রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
• ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাদেশের ৩টি স্থানকে বিশ্ব ঐতিহ্যস্থল হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এগুলো হলো -
১) বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ - ১৯৮৫ সালে ঘোষিত ৩২১ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।
২) নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার - ১৯৮৫ সালে ঘোষিত ৩২২ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।
৩) সুন্দরবন - ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র: বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
৯৪.
সম্প্রতি, চীনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক এআই অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশ দল কোন পদক জিতেছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. রৌপ্য পদক
  2. স্বর্ণ পদক
  3. ব্রোঞ্জ পদক
  4. চ্যাম্পিয়ন পদক
সঠিক উত্তর:
ব্রোঞ্জ পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রোঞ্জ পদক
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক এআই অলিম্পিয়াড:
- চীনের বেইজিংয়ে আন্তর্জাতিক এআই অলিম্পিয়াড ২ আগস্ট থেকে ৯ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এই অলিম্পিয়াডে বিশ্বের ৭৩টি দেশের ৮৬টি দল অংশ নেয়।
- আন্তর্জাতিক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অলিম্পিয়াডের এই আসরে দুটি ব্রোঞ্জপদক জিতেছে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ দলের হয়ে ব্রোঞ্জপদক পেয়েছে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. রিয়াসাত ইসলাম ও সেন্ট যোসেফ উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আরেফিন আনোয়ার। 
- নটর ডেম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মিসবাহ উদ্দিন পেয়েছে ‘অনারেবল মেনশন’। 
- চার সদস্যের দলের অপর সদস্য নটর ডেম কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আবরার শহীদ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

৯৫.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কে দায়িত্ব পালন করেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. এ কে ফজলুল হক
  4. নূরুল আমিন
সঠিক উত্তর:
এ কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের পর কৃষক প্রজা পার্টি ও মুসলিম লীগের সমর্থনে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হন।

অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ।
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।

এছাড়াও,
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইন প্রবর্তনের পর ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় মুসলিম লীগ ও কৃষক প্রজা পার্টির কোয়ালিশন সরকার গঠিত হয় যার মুখ্যমন্ত্রী (অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী) নির্বাচিত হন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৬.
বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী কততম দেশ?
  1. ৫৪ তম
  2. ৫৭ তম
  3. ৫৯ তম
  4. ৬১ তম
সঠিক উত্তর:
৫৪ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ তম
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ ১২৯ তম স্বাক্ষরকারী দেশ।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৯৭.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ কী ধরণের স্যাটেলাইট হবে?
  1. কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট
  2. ওয়েদার স্যাটেলাইট
  3. আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
  4. ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট
সঠিক উত্তর:
আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
ব্যাখ্যা
 বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -২ আর্থ অবজারভেটরি স্যাটেলাইট।
- ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।
- এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে।
- ফলে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য অরবিটাল স্লট প্রয়োজন হবে না।
- এই স্যাটেলাইটের লাইফ টাইম হবে ১৮ বছরের মতো।
- দেশের সমুদ্রসীমায় ‘সি রিসোর্স’ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণে এই স্যাটেলাইট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। 

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর সফল উৎক্ষেপণ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে স্যাটেলাইট ক্লাবের ৫৭ তম গর্বিত সদস্যে। 

উৎস: ২৪ জুলাই, ২০২৩, যুগান্তর।
৯৮.
'মনপুরা ৭০' চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কে?
  1. এস. এম. সুলতান
  2. কামরুল হাসান
  3. সফিউদ্দিন আহমেদ
  4. জয়নুল আবেদিন
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
মনপুরা ৭০:
- সত্তরের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত মানুষের অসহায়তাকে অবলম্বন করে একটি চিত্রশিল্প ‘মনপুরা ৭০’।
- ‘মনপুরা ৭০’ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম।
- আধুনিকযুগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন শিল্পচর্চার পথিকৃৎ।
- ১৯৪৩-এর বাংলার মন্বন্তর-ভিত্তিক চিত্রমালা তাঁকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয় এবং এক সকরুণ মানব-ট্র্যাজেডির তাৎক্ষণিক, সহানুভূতিপূর্ণ ও সবল রূপায়ন হিসেবে এগুলি বহির্বিশ্বেও শিল্পরসিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- দুর্ভিক্ষের স্কেচে, কেবল তুলির কালো রেখায় যার সূচনা, সেটাকে বর্ণপ্রয়োগের ন্যূনতায় ও স্পেস ব্যবহারের পরিমিতিবোধে তিনি ক্রমশ এক নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তরিত করেন।
- তাঁর এ পর্যায়ের ছবিগুলো- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ ‘সংগ্রাম’ এবং লোকশৈলীর মটিফে জ্যামিতিক বিন্যাসে সন্নিবেশিত চিত্র- ‘পাইন্যার মা’, ‘প্রসাধন’, ‘গুণটানা' প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯৯.
'গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস'-এ বাংলাদেশের কোন খেলোয়াড়ের নাম উঠেছে?
  1. নিয়াজ মোর্শেদ
  2. ব্রজেন দাস
  3. জোবেরা রহমান লিনু
  4. রানী হামিদ
সঠিক উত্তর:
জোবেরা রহমান লিনু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোবেরা রহমান লিনু
ব্যাখ্যা
জোবেরা রহমান লিনু:
- জোবেরা রহমান লিনু বাংলাদেশের বিখ্যাত টেবিল টেনিস খেলোয়াড়।
- বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের রেকর্ড ১৬ বারের চ্যাম্পিয়ন তিনি।
- ১৯৭৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ১৬ বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন তিনি।
- ২০০২ সালের মে মাসে নাম লেখান ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে’।

উল্লেখ্য,
- মাত্র আট বছর বয়সে ১৯৭৩ সালে জোবেরা রহমান লিনু প্রথম টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
- ১৯৭৪ সালে প্রথম জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেন।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশে ইউনিসেফের ক্রীড়াদূতও হয়েছিলেন লিনু। 

উৎস: ১৪ আগস্ট, ২০২০, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
১০০.
নীতি পর্যালোচনা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'সিপিডি' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  3. বদিউল আলম মজুমদার
  4. অধ্যাপক রেহমান সোবহান
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক রেহমান সোবহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক রেহমান সোবহান
ব্যাখ্যা
সিপিডি:
- সিপিডি (CPD)-এর পূর্ণরূপ: Center for Policy Dialogue.
- সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) হলো বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা যা সরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক পদক্ষেপের বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৩ সালে অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এর সদর দপ্তর ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত।
- সিপিডির লক্ষ্য বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য একটি চাহিদা-চালিত এবং জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, তথ্যবহুল বিতর্ক উদ্দীপিত করা, জ্ঞান তৈরি করা এবং গবেষণা, সংলাপ, প্রচার এবং সমর্থনের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণকে প্রভাবিত করা।

অন্যদিকে,
- সুজনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

উৎস: i) সিপিডি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।