বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

মোট প্রশ্ন৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জাতীয় অর্জন ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত অর্জন

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৮৩২

২০১.
সম্প্রতি, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কোন বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর
  3. ইউনিভার্সিটি অফ মেলবোর্ন
  4. ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি:
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দিয়েছে মালয়েশিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া’ (ইউকেএম)। 
- ১৩ আগস্ট, ২০২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে সম্মাননা ডিগ্রি তুলে দেন ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ার চ্যান্সেলর তুয়াঙ্কু মুহরিজ ইবনে আলমারহুম তুয়ানকু মুনাওইর।
- সামাজিক ব্যবসা প্রসারে অধ্যাপক ইউনূসের অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।]

উল্লেখ্য,
- মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে অধ্যাপক ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গত ১১ আগস্ট কুয়ালালামপুরে পৌঁছান।
- কুয়ালালামপুরের পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর অফিসে ১২ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। 
- পরে দুই নেতার উপস্থিতিতে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

২০২.
স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে যৌথভাবে কোন বাংলাদেশী ইউটিউব (YouTube) প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. জাবেদ করিম
  2. ফজলুল করিম
  3. জাওয়াদুল করিম
  4. মঞ্জুরুল করিম
সঠিক উত্তর:
জাবেদ করিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাবেদ করিম
ব্যাখ্যা
ইউটিউব (YouTube):
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- ইউটিউব ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- Parent organization: Google
- CEO: Neal Mohan

উল্লেখ্য, 
আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা। জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। 

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা.
২. ইউটিউব এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২০৩.
বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্টজয়ী নারী কে?
  1. নিশাত সুলতানা
  2. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  3. নিশাত মজুমদার
  4. নাজনীন সুলতানা
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
• এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন

উৎস: বিবিসি নিউজ।
২০৪.
বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন কে?
  1. রাহা খন্দকার
  2. নিশাত মজুমদার
  3. তানিয়া মামুন
  4. ওয়াসফিয়া নাজরীন
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
• ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ওই বছরের ২৬ মে সকাল পৌনে ৭টায় বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন তিনি।
- ওয়াসফিয়া নাজরীন বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন।

• নিশাত মজুমদার:
- ২০১২ সালের ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টায় প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে পৃথিবীর শীর্ষচূড়া এভারেস্টে আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার।
- তার এ বিজয়ের মাধ্যমে নারীদের শক্তি ও অর্জন হিমালয় উচ্চতায় স্থান পায় বলে প্রতীয়মান হয়।
- এর আগে ২০০৩ সালে এভারেস্ট বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া কেওক্রাডং জয় করেন নিশাত।

- ষষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করলেন বাবর আলী।

উৎস: প্রথম আলো।
২০৫.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঢাকা
  3. রংপুর 
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

নেপ:
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু করে ।
- ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সূত্র: নেপ ওয়েবসাইট

২০৬.
নিচের কোন সংস্থাটির সচিবালয় বাংলাদেশে অবস্থিত? 
  1. BIMSTEC
  2. CICA
  3. IORA
  4. SAARC
সঠিক উত্তর:
BIMSTEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIMSTEC
ব্যাখ্যা
• বিমসটেক (BIMSTEC):
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ ‘Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation’।
- এর পূর্ব নাম ছিলো BISTEC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation)।
- পরবর্তীতে মায়ানমার যোগদান করলে 'M' যুক্ত হয়ে BIMSTEC হয় এবং নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর বর্তমান নাম ধারন করে।  

এক নজরে BIMSTEC - 
▪ প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
▪ প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
▪ সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ।
▪ সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।

বাংলাদেশে যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- IJSG
- CIRDAP
- BIMSTEC
- SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি।

অন্যদিকে, 
- CICA (Conference on Interaction and Confidence-Building Measures in Asia) এর সদরদপ্তর কাজাখস্তানের রাজধানী নুরসুলতান।
- IORA (Indian Ocean Rim Association) এর সদর দপ্তর মরিশাসের এবেনে।
- SAARC (South Asian Associatiion for Regional Co-operation) সদরদপ্তর : কাঠমুণ্ডু, নেপাল।

(তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
২০৭.
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
  4. সেলিনা হোসেন
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
ব্যাখ্যা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র:
প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
প্রতিষ্ঠিত: ১৯৭৮ সাল।
প্রধান কার্যালয়: ঢাকার কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ।
স্লোগান: "আলোকিত মানুষ চাই"।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের লক্ষ্য:
- মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। 
- বিভিন্ন বিষয়ের জ্ঞান ও রুচিশীল সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানো।
- সারা দেশের সবখানে আলোকিত, কার্যকর এবং উচ্চমূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা।
- দেশের মানুষের চিত্তের আলোকায়ন ঘটানো।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কাজ:
- বর্তমানে একটি দেশব্যাপী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।
- মানবজ্ঞানের সামগ্রিক চর্চা এবং অনুশীলনের পাশাপাশি হৃদয়ের উৎকর্ষ ও জীবনের বহুবিচিত্র কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের উচ্চতর শক্তি ও মনুষ্যত্বে বিকশিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা।

উল্লেখ্য, 
-  ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের 'ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি'। 
- উদ্দেশ্য ছিলো পাঠককে বই পৌঁছে দেওয়া এবং পাঠাভ্যাস বাড়ানো। 
- ২০২৫ সালের প্রথম দিন থেকে বন্ধ হয়ে যাবে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সব কার্যক্রম। 

তথ্যসূত্র: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দৈনিক ইত্তেফাক নিউজ। [লিঙ্ক]
২০৮.
জামাল নজরুল ইসলাম কে ছিলেন?
  1. অর্থনীতিবিদ
  2. রাজনৈতিকবিদ
  3. পদার্থবিজ্ঞানী
  4. খ্যাতিমান কবি
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিজ্ঞানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিজ্ঞানী
ব্যাখ্যা
• জামাল নজরুল ইসলাম:
- জামাল নজরুল ইসলাম ছিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, প্রফেসর ইমেরিটাস, বাংলাদেশী গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানী এবং সৃষ্টিতত্ত্ববিদ।
- তিনি ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা খান বাহাদুর সিরাজুল ইসলাম ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের একজন সাব-জজ এবং তাঁর মা রাহাত আরা বেগম ছিলেন লেখক ও গায়িকা।
- জামাল নজরুল ইসলাম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বি.এস.সি (স্নাতক) ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ১৯৫৯ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে ফাঙ্কশনাল গণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় দ্বিতীয় বি.এস.সি (স্নাতক) ডিগ্রি পান।
- তিনি ১৯৬০ সালে এম.এস.সি (স্নাতকোত্তর) ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

- পেশাগতভাবে ড. ইসলাম ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- তিনি ৫০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ এবং বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় বই প্রকাশ করেছেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভাস’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২০৯.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে- [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. নাটোরের কাঁচাগোল্লা
  2. কুষ্টিয়ার তিলের খাজা
  3. নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা
  4. নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি
ব্যাখ্যা

৫৮তম জিআই পণ্য:
- সম্প্রতি, নেত্রকোনার শতবর্ষের ঐতিহ্যের ধারক ‘বালিশ মিষ্টি’ কে দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
- পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) বালিশ মিষ্টিকে এই স্বীকৃতি দিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২০২৩ সালে ডিপিডিটিতে বালিশ মিষ্টির জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়।
- এর আগে ২০২১ সালে নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বিজয়পুরের সাদামাটি জিআই স্বীকৃতি পেয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ছোট বালিশের মতো লম্বাটে ও তুলতুলে আকারের জন্যই এর নাম ‘বালিশ মিষ্টি’।
- বালিশ মিষ্টির উৎপত্তি নেত্রকোনা শহরের বারহাট্টা রোড এলাকায়।
- আনুমানিক ১২০ বছর আগে স্থানীয় মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক গয়ানাথ ঘোষ প্রথম এই মিষ্টি তৈরি করেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

২১০.
বার্ড (BARD) এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. আখতার হামিদ খান
  3. ড. ফজলে আবেদ
  4. ড. এম এ বারী
সঠিক উত্তর:
ড. আখতার হামিদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. আখতার হামিদ খান
ব্যাখ্যা

বার্ড: 
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ড. আখতার হামিদ খান।
- তিনি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে বার্ড প্রতিষ্ঠা করেন,
- এটি পল্লী উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
- বার্ড পরিচালিত ‘কুমিল্লা মডেল’ পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে ব্যাপক স্বীকৃতি পেয়েছে।
- ২১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হয়, এর সভাপতি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী।
- পল্লী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে।

উৎস: বার্ড ওয়েবসাইট। 

২১১.
নিম্নোক্ত কোন অঞ্চলের লোক সঙ্গীত গম্ভীরা?
  1. দিনাজপুর
  2. সিলেট
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা:
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত।
- ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২১২.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক লাভ করে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. বাংলাদেশ আর্মি নারী কন্টিনজেন্ট
  2. রেড ক্রস বাংলাদেশ
  3. বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট
  4. বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক:
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (এমওএনইউএসসিও) কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় দায়িত্বরত বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট বিএএনএফপিইউ-১ এর সদস্যদেরকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়েছে। 
- অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গত ৭ আগস্ট এ পদক প্রদান করা হয়।
- অনুষ্ঠানে এমওএনইউএসসিও কিনশাসার বিভিন্ন সেকশনে কর্মরত ২৩ জন ইন্ডিভিজুয়াল পুলিশ অফিসার্স (আইপিও)-কে বিএএনএফপিইউ-১ এর সঙ্গে যৌথভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়।
- বিএএনএফপিইউ-১, রোটেশন-১৭ এর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার পুলিশ সুপার কাজী রুবাইয়াত রুমীর নেতৃত্বে মোট ১৭৮ জন শান্তিরক্ষী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 
- তাদের মধ্যে ৬৮ জন নারী জাতিসংঘ পদকে ভূষিত হন। 

উল্লেখ্য,
- কন্টিনজেন্টটি গত বছরের ২৭ মে থেকে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছে।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]

২১৩.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করে?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

উল্লেখ্য,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করে ১৯৭৮ সালে।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগা খান অ্যাওয়ার্ড লাভ করে ১৯৮৯ সালে।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৪ সালে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
২১৪.
কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে কোন বাঙালি গবেষণা করেন?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. অধ্যাপক জামাল নজরুল
  3. ড. ফেরদৌসী কাদরী
  4. মুহম্মদ ইউনূস
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক জামাল নজরুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক জামাল নজরুল
ব্যাখ্যা
- কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করেছেন বাঙালি বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম। 

বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- তিনি ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
২১৫.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মুসা ইব্রাহিম এভারেস্ট জয় করেন কত তারিখ?
  1. ১৯ মে, ২০১০
  2. ২১ মে, ২০১০
  3. ২৩ মে, ২০১০
  4. ২৬ মে, ২০১০
সঠিক উত্তর:
২৩ মে, ২০১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মে, ২০১০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে
প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- এখন পর্যন্ত ৫ জন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও বাবর আলী।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- সর্বশেষ ১৯ মে, ২০২৪ সালে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ আগস্ট ২০২২, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ও দ্যা ডেইলী স্টার, ১৯ মে, ২০২৪।
২১৬.
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর নগদ অর্থ সহায়তার কর্মসূচিতে সকল উপকারভোগীকে কোন পদ্ধতিতে অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে?
  1. G2G পদ্ধতি
  2. G2B পদ্ধতি
  3. G2P পদ্ধতি
  4. G2C পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
G2P পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
G2P পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী:
- সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিসমূহ বাস্তবায়নে যে সকল মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর কাজ করে থাকে তার মধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর অন্যতম।
- সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল (NSSS) -২০১৫ এ সমাজসেবা অধিদপ্তরকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ক্লাস্টারে লিডিং অধিদপ্তর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত নগদ অর্থ সহায়তার কর্মসূচিসমূহের সকল উপকারভোগীকে G2P  পদ্ধতিতে অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে। 
- প্রত্যেক উপকারভোগী ৩ মাস অন্তর ৪ বারে তার প্রাপ্য অর্থ স্বীয় মোবাইল হিসাব নম্বর (নগদ/বিকাশ) এবং এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পেয়ে থাকেন।

উৎস: সমাজসেবা অধিদপ্তর
২১৭.
কমনওয়েলথে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় কোন দেশটি কমনওয়েলথ ত্যাগ করে?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ফিজি
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ। (জুন, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয় ।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
- পরবর্তিতে পাকিস্তান ১৯৮৯ সালে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র- কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২১৮.
'বিটিভি ওয়ার্ল্ড' চালু হয় কখন?
  1. ৭ মার্চ, ২০০৪
  2. ৯ মার্চ, ২০০৪
  3. ৩ এপ্রিল, ২০০৪
  4. ১১ এপ্রিল, ২০০৪
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ২০০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ২০০৪
ব্যাখ্যা
বিটিভি 
- রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কার্যক্রম শুরু করে ১৯৬৪ সালে।
- শিক্ষা এবং বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে দেশ ও জনগণের প্রতি  দায়বদ্ধ থেকে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অবদান রাখা এ জাতীয় গণমাধ্যমের দায়িত্ব।
- প্রতিদিন বাংলা ও ইংরেজি ভাষায়  ৯ টি সংবাদ বুলেটিনসহ বিটিভি সম্প্রচার করছে নাটক, প্রামাণ্যচিত্র, সংগীত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও তথ্য বিষয়ক নানা অনুষ্ঠান।
- উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ‌‘রূপকল্প ২০৪১‍’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছ।
- বিটিভি টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচারের মাধ্যমে প্রতিদিন ১৭ ঘন্টা ৩০ মিনিট আর স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা দর্শকদের কাছে নানা বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠান ও সংবাদ পৌঁ‌ছে দিচ্ছে।
- দু’টি পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র ও ১৪টি রিলে স্টেশনের মাধ্যমে  দেশব্যাপী সম্প্রচারিত হয়।
- ঢাকায় এর সদর দফতর ও প্রধান কেন্দ্র অবস্থিত।
- বর্তমানে চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে স্থানীয়ভাবে নির্মিত পৃথক অনুষ্ঠানমালা প্রতিদিন ২৪ ঘন্টা সম্প্রচারিত হচ্ছে।
- ২০০৪ সালের ১১ এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার শুরু করে।
- ফলে বিটিভির সম্প্রচার এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে দর্শকদের কাছে পৌঁ‌ছে যাচ্ছে।  
- বিটিভি ওয়ার্ল্ড ২৪ ঘন্টা বিরতিহীন স্যাটেলাইট সম্প্রচার করে যাচ্ছে।
- দেশের শতকরা ৯৫ ভাগ এলাকা এবং ৯৭ ভাগ জনগণ বিটিভির সম্প্রচার কাভারেজের  আওতাভুক্ত।
- অনুষ্ঠানমালার শতকরা ৯৩.২ ভাগই নিজস্বভাবে নির্মাণ করে থাকে বিটিভি, বাকিটা বাইরের নির্মাতাদের কাছ থেকে নেয়া হয়।
- জনস্বার্থে অনুষ্ঠানমালার শতকরা ০৯.৪২ ভাগ জুড়ে থাকে কৃষি, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা, নারী ও শিশু, শিক্ষা ও মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়াবলী।
- অনুষ্ঠানের শতকরা ১৪ ভাগ খবর, ১৪.১৩ ভাগ উন্নয়ন ও শিক্ষা, ১৯.৯১ ভাগ বিনোদন ও সংস্কৃতি এবং বাকি ১১.০৬ ভাগ অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্মিত হয়।
- জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানমালা সরাসরি সম্প্রচার ছাড়াও ক্রিকেট, ফুটবল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া মাঠ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে বিটিভি। 

উৎস- বিটিভির ওয়েবসাইট লিংক।
২১৯.
ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনসুর আলী কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ময়মনসিংহ
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনসুর আলী: 
- ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনসুর আলী সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর থানার কুড়িপাড়া গ্রামে ১৯১৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর জন্মস্থান সিরাজগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
- তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত আইনজীবী, রাজনীতিক এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।
- মোহাম্মদ মনসুর আলী দীর্ঘ সময় পাবনা জেলায় রাজনীতি এবং আইনব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক জীবন ছিল অত্যন্ত সক্রিয় এবং তিনি ১৯৫০-এর দশকে আওয়ামী মুসলিম লীগের সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
- এর পর তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৬৬ সালে ছয়দফা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার অবদান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ছিল অসীম।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

২২০.
The Foreshadowing of Bangladesh গবেষণা গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. রেহমান সোবহান
  2. আনিসুর রহমান
  3. নুরুল ইসলাম
  4. হারুন-অর-রশিদ
সঠিক উত্তর:
হারুন-অর-রশিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হারুন-অর-রশিদ
ব্যাখ্যা
The Foreshadowing of Bangladesh:
- The Foreshadowing of Bangladesh গবেষণা গ্রন্থটির লেখক হারুন-অর-রশিদ।
- এটি '১৯৪৭ সালের আগে বাংলার মুসলমানদের অবহেলিত ইতিহাস'।

উল্লেখ্য,
• হারুন-অর-রশিদ:
- হারুন-আর-রশিদ একজন জনপ্রিয় প্রাবন্ধিক, গবেষক, কলাম লেখক এবং বহু গ্রন্থের প্রণেতা।
- ১৯৪৭-পূর্ব ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাধীন অবিভক্ত বাংলা, পাকিস্তানি শাসনকাল, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, সমসাময়িক ভারত ও বাংলাদেশের রাজনীতি, এর গতিধারা ও রাজনৈতিক উন্নয়ন’ তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র।
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র গঠন সব সময় তাঁর গবেষণার কেন্দ্রীয় বিষয়।

⇒ তাঁর গবেষণা-গ্রন্থের মধ্যে -
- The Foreshadowing of Bangladesh 1906-1947 (fourth edition, UPL 2015),
- Inside Bengal Politics 1936-1947 : Unpublished Correspondence of Partition Leaders (second edition, UPL 2012),
- বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পুনর্পাঠ (ইউপিএল ২০১৩),
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন বাংলাদেশের . অভ্যুদয় (আগামী প্রকাশনী ২০০৩),
- বাংলাদেশ : রাজনীতি সরকার ও শাসনতান্ত্রিক উন্নয়ন ১৭৫৭-২০০০ (নিউ এজ পাবলিকেশন্স ২০০১),
- “আমাদের বাঁচার দাবী’ : ৬ দফার ৫০ বছর (বাংলা একাডেমি ২০১৬),
- মূলধারার রাজনীতি : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কাউন্সিল ১৯৪৯-২০১৬ (বাংলা একাডেমি ২০১৬),
- ৭ই মার্চের ভাষণ কেন বিশ্ব ঐতিহ্য-সম্পদ : বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ, (বাংলা একাডেমি ও অন্যপ্রকাশ ২০১৮) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

⇒ প্রফেসর হারুন-অর-রশিদ বর্তমানে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিতে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এনসাইক্লোপিডিয়া’ (২০ খণ্ড) রচনা প্রকল্পের প্রধান হিসেবে গবেষণাকর্মে নিয়োজিত।
- বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় অবদান রাখার জন্য ২০২১ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন।

উৎস: i) Amazon.com
ii) Rokomari.com
২২১.
বাংলাদেশে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়-
  1. ১১ জুন, ২০২০
  2. ১১ জুন, ২০২১
  3. ১১ মে, ২০২০
  4. ১১ মে, ২০২১
সঠিক উত্তর:
১১ মে, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ মে, ২০২০
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল আদালত:
- ২০২০ সালের ৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে “আদালত কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ- ২০২০” এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
- ২০২০ সালের ৯ মে ভার্চুয়াল উপস্থিতিকে স্বশরীরে উপস্থিতি হিসেবে গণ্য করে অধ্যাদেশটি জারি করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো: আব্দুল হামিদ।
- ১০ মে ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে ১১ মে ২০২০ সালে থেকে সীমিত পরিসরে বিচারিক কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয় ।
- প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়তে সরকারের যে অঙ্গীকার, তা পূরণে বিচার বিভাগীয় সফলতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত ভার্চুয়াল আদালত।
- ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে ১ লাখ ৬ হজার ৭৯ জন ব্যক্তি জামিনপ্রাপ্ত হয়ে কারামুক্ত হয়েছেন।

উৎস: channelionline.com
২২২.
সার্কের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
  1. ইব্রাহীম হুসাইন
  2. আবুল আহসান
  3. আব্দুর রউফ
  4. হারুনুর রশীদ
সঠিক উত্তর:
আবুল আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল আহসান
ব্যাখ্যা
সার্ক:
- সার্ক হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
- সার্কের বর্তমান মহাসচিব বাংলাদেশের মোঃ গোলাম সারোয়ার। (জুলাই, ২০২৫)
- প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডু শহরে অবস্থিত।
- সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- এগুলো হলো:
• বাংলাদেশ।
• ভারত
• পাকিস্তান
• নেপাল
• শ্রীলংকা
• ভুটান
• মালদ্বীপ
• আফগানিস্তান।

তথ্যসূত্র - সার্ক ওয়েবসাইট।
২২৩.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৪ সালে তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রকল্পটিকে আরও কার্যকর করতে ইউনূস এবং তার সহযোগীরা 'গ্রাম সরকার' কর্মসূচি প্রস্তাব করেন। যেটি ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তন করেন। এই কর্মসূচির অধীনে ২০০৩ সালে ৪০,৩৯২টি গ্রাম সরকার গঠিত হয়।
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন গরিব বাংলাদেশীদের মধ্যে ঋণ দেবার জন্য।

উৎস: i) Yunus Centre ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

২২৪.
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার কে?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. শাহেদা মুস্তাফিজ
  3. ফারজানা ইসলাম
  4. তাহমিনা আক্তার
সঠিক উত্তর:
শাহেদা মুস্তাফিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহেদা মুস্তাফিজ
ব্যাখ্যা
প্রথম নারী প্রোগ্রামার:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার শাহেদা মুস্তাফিজ।
- ১৯৪৯ সালে জন্ম নেওয়া এ প্রতিভাবান নারী প্রোগ্রামার অর্থনীতিতে পড়াশোনা করেও প্রযুক্তির জগতে নিজের স্থান করে নিয়েছেন।
শাহেদা মুস্তাফিজ যুক্তরাষ্ট্রের এনসিআর করপোরেশনে সফটওয়্যার আর্কিটেকচারে এক বছরের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
- ১৯৭৬ সালে এনসিআর বাংলাদেশের সিস্টেমস ম্যানেজার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়।
- এরপর তিনি লিডস করপোরেশনে ২২ বছর কাজ করেন, যেখানে তিনি ব্যাংকিং সফটওয়্যার ‘এনসিআর ব্যাংক’ (পরে ‘পিসি ব্যাংক’) তৈরি করেন, যা দেশের ব্যাংকিং খাতের অটোমেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৯৮ সালে গড়ে তোলেন নিজের প্রতিষ্ঠান প্রবিতি সিস্টেমস।
- এ ছাড়া তিনি কানাডার ‘টোয়েন্টি-টোয়েন্টি টেকনোলজিস ইনকরপোরেটেড’-এর বাংলাদেশ শাখার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘ই-টেকনোলজিকস ইনকরপোরেটেড’-এর বাংলাদেশ শাখার নির্বাহী সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
-  কাজের বাইরে তিনি শিশুদের জন্য এবং বিশেষ করে নারীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণকেন্দ্র পরিচালনা করেছেন।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
২২৫.
চিত্রকর্ম 'নাইওর' এর চিত্রকর কে?
  1. এস. এম. সুলতান
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদীন
  4. রফিকুন্নবী
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
শিল্পী কামরুল হাসান:

- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২২৬.
‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানটির রচয়িতা কে?
  1. হাছন রাজা
  2. লালন শাহ
  3. শাহ আবদুল করিম
  4. আবদুর রহমান বয়াতি
সঠিক উত্তর:
লালন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালন শাহ
ব্যাখ্যা
লালন শাহ:
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ।
তার অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘মিলন হবে কত দিনে’
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২২৭.
দেশে মুঠোফোনের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় কবে?
  1. ২০১০ সালের মার্চে
  2. ২০১১ সালের মার্চে
  3. ২০১৪ সালের মার্চে
  4. ২০২৪ সালের মার্চে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালের মার্চে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালের মার্চে
ব্যাখ্যা
মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস):
- হাতে থাকা মুঠোফোন এখন আর্থিক লেনদেনের বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
- যোগাযোগের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেনে ব্যবহৃত হচ্ছে মুঠোফোন।
- বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো মোবাইলে আর্থিক সেবায় (এমএফএস) এক মাসে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে, অর্থাৎ দেশে মুঠোফোনের মাধ্যমে প্রতিদিন লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা।
- জানুয়ারি ২০২৫ তে এমএফএস-সেবায় সব মিলিয়ে গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ২৩ কোটি ৯৩ লাখ ২৯৯।
- এর মধ্যে সক্রিয় হিসাব ৮ কোটি ৮৫ লাখ। 
- গ্রাহকসেবা দিতে সারা দেশে এজেন্ট রয়েছে ১৮ লাখ ৪১ হাজার ৯৭৯টি।
- এমএফএস-সেবার শীর্ষে রয়েছে বিকাশ।
- তাদের নিবন্ধিত গ্রাহকসংখ্যা প্রায় আট কোটি।
- বিকাশে দিনে লেনদেন হয় প্রায় চার হাজার কোটি টাকা।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ও ডাক বিভাগের সেবা নগদসহ দেশে এখন এমএফএস প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১৩টি।
- এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, এমক্যাশ, মাইক্যাশ, ট্যাপ প্রভৃতি।
- দেশে মুঠোফোনের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় ২০১১ সালের মার্চে।
- বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম এ সেবা চালু করে।
- পরে সেবাটির নাম বদলে রাখা হয় রকেট।
- এরপর ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এমএফএস-সেবা চালু করে বিকাশ।

উৎস: প্রথম আলো (২৩ মার্চ ২০২৫)
২২৮.
এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২৬ -এ সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞানী? 
  1. অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান
  2. অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান
  3. অধ্যাপক ড. কামরুল ইসলাম
  4. অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান
ব্যাখ্যা

• এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স, ২০২৬: 
- গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‍্যাঙ্কিং ২০২৬-এ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় মালয়েশিয়ায় প্রথম, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।

- সম্প্রতি প্রকাশিত এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী, ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি/মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে তালিকাভুক্ত বিশ্বের ৩৩ হাজার ৩৭১ জন বিজ্ঞানীর মধ্যে এই মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে উঠে আসেন অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।
- ২০২৫ সালেও একই র‍্যাঙ্কিংয়ে তিনি বিশ্বে সপ্তম ছিলেন। 
- স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী টেকসই জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায় তিনি বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
- ২০২৫ সালের ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ ক্যাটাগরিতে তিনি সম্মানিত হন।
- বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এই আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানী নির্বাচিত হন, যাদের একজন ড. সাইদুর রহমান।

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক। (Link) 

২২৯.
বাংলাদেশে স্টারলিংক আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে কবে?
  1. ১০ এপ্রিল, ২০২৫
  2. ২০ এপ্রিল, ২০২৫
  3. ২০ মে, ২০২৫
  4. ২০ জুন, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২০ মে, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ মে, ২০২৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে স্টারলিংক সেবা:
- বাংলাদেশে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা চালুর জন্য স্পেসএক্সের সহযোগী প্রতিষ্ঠান স্টারলিংককে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলনের ভেন্যু রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ৯ এপ্রিল, ২০২৫ পরীক্ষামূলকভাবে স্টারলিংকের ইন্টারনেট সেবা ব্যবহার করা হয়।
- ২০ মে, ২০২৫ বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে স্টারলিংক।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিকভাবে স্টারলিংক দুটি প্যাকেজ নিয়ে বাংলাদেশে তাদের সেবা চালু করছে।
- প্যাকেজ দুটি হলো – স্টারলিংক রেসিডেন্স এবং রেসিডেন্স লাইট।
- এর মধ্যে স্টারলিংক রেসিডেনশিয়াল প্যাকেজের মাসিক খরচ ধরা হয়েছে ৬০০০ টাকা এবং রেসিডেনশিয়াল লাইট প্যাকেজের মাসিক খরচ ৪২০০ টাকা।
- তবে উভয় প্যাকেজের জন্যই গ্রাহকদেরকে ৪৭ হাজার টাকা এককালীন যন্ত্রপাতির খরচ বহন করতে হবে।
- এখানে কোন স্পিড ও ডাটা লিমিট নেই।
- ব্যক্তি ৩০০ এমবিপিএস পর্যন্ত গতির আনলিমিটেড ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
২৩০.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সমুদ্রপথে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে কোন রুটে?
  1. মংলা-খুলনা
  2. বরিশাল-পটুয়াখালী
  3. চট্টগ্রাম - সন্দ্বীপ
  4. কক্সবাজার - সেন্টমার্টিন
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম - সন্দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম - সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা
সমুদ্রপথে ফেরি চলাচল:
- দেশে প্রথমবারের মতো সমুদ্রপথে চট্টগ্রাম-সন্দ্বীপ রুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে।
- এর মাধ্যমে ফেরি যুগে প্রবেশ করল চট্টগ্রামের দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপ।
- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাট থেকে সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ফেরিঘাট নৌপথে এই ফেরি চলাচল করবে।
- ২৪ মার্চ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেরার বাঁশবাড়িয়া ঘাটে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন এই ফেরি সেবার উদ্বোধন করেন।
- ফেরি 'কপোতাক্ষ' দিয়ে শুরু হওয়া এই সেবা প্রতিদিন চারবার যাতায়াত করবে, যা সন্দ্বীপের প্রায় চার লাখ মানুষের জন্য সরাসরি যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মুক্ত করেছে।
- এই ফেরি সেবা চালুর ফলে বাস, ট্রাক, ট্যাংক লরি, মিনিবাস, প্রাইভেট কারসহ সব ধরনের যানবাহন সরাসরি দ্বীপে পৌঁছানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
২৩১.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন - 
  1. স্যার সৈয়দ আহমেদ
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. উপরের কেউ নন 
সঠিক উত্তর:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা

নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহর ভূমিকা:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ঢাকার রমনা এলাকায় নিজের জমি দান করেন।

বঙ্গভঙ্গের পর:
বঙ্গভঙ্গের পরে ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আরও জোরদার করে।

সরকারের ওপর চাপ:
নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।

লর্ড হার্ডিঞ্জের আগমন:
১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় এসে তিন দিন অবস্থান করেন। ৩১ জানুয়ারি, নওয়াব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে এবং পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য একটি মানপত্র প্রদান করে।

সরকারি সুপারিশ:
১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ভারত সরকার একটি ইশতেহার জারি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করে।

শিক্ষার সূচনা:
১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠদান শুরু হয়।

সূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।

২৩২.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন কে?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  2. রাফিয়া বেগম
  3. দিলরুবা আক্তার
  4. নিশাত মজুমদার
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০১২।
২৩৩.
’The Ultimate Fate of the Universe’ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. জামাল নজরুল ইসলাম
  3. ড. নজরুল ইসলাম খান
  4. ফজলে হাসান আবেদ
সঠিক উত্তর:
ড. জামাল নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

• বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- তাঁর বাবার কর্মস্থলে , ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।
- পশ্চিমের উন্নত দেশে ৩০ বছরের অভ্যস্ত জীবন, সম্মানজনক পদ, গবেষণার অনুকূল পরিবেশ, বিশ্বমানের গুণীজন সাহচর্য এবং আর্থিকভাবে লোভনীয় চাকরি ছেড়ে ১৯৮৪ সালে ফিরে আসেন নিজ জেলা চট্টগ্রামে।
-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগে যোগ দিলেন মাসিক তিন হাজার টাকা বেতনে।
- দেশে ফিরে এসে একদিকে জামাল নজরুল ইসলাম গড়ে তুলেছেন উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণাগার আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গাণিতিক ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র বা রিচার্স সেন্টার ফর ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স (আরসিএমপিএস),

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, প্রথম আলো।

২৩৪.
চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কবে? 
  1. ৩১ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে
  2. ১১ আগস্ট, ১৯৭৬ সালে
  3. ১ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে
  4. ২৩ আগস্ট, ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
৩১ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ:
- বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ভুটান।
- ভুটান ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে প্রথম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- ভুটানের পর একই দিনে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- চীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়- ৩১ আগস্ট, ১৯৭৫ সালে। 
---------------------------------------
• স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ:
- স্বাধীনতার পর বিভিন্ন দেশ পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

• আরব বিশ্বের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ ছিল- ইরাক। 
• অনারব মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয়- ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া- একই দিনে, ১৯৭২ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি। 
• ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয়- পূর্ব জার্মানি।
• আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে সবার আগে সেনেগাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
• সমাজতান্ত্রিক দেশ হিসেবে প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ ছিল- পোল্যান্ড।
• দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে- ভেনিজুয়েলা।
• উত্তর আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দেয়- বার্বাডোস।
• ওশেনিয়া অঞ্চলে প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়- টোঙ্গা।

• মহাশক্তিগুলোর মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২।
• যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল ১৯৭২। অপরদিকে ।
• পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।

উৎস: BBC News ও দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা [লিঙ্ক]। 

২৩৫.
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. বগুড়া
  3. কুমিল্লা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ): 
- স্বাধীনতাত্তোর ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিলেন তার মধ্যে দেশের দারিদ্রপীড়িত উত্তরাঞ্চলে পল্লী উন্নয়ন ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা অন্যতম।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় ২.০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদানের মাধ্যমে একাডেমি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে ১০নং আইনের দ্বারা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়া একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- অবস্থান: শেরপুর, বগুড়া। 
- একাডেমির মূল দায়িত্ব প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনা ও পরামর্শ সেবা প্রদান করা।
- একাডেমি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে উল্লিখিত দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে আসছে।
- বর্তমানে আরডিএ সুনির্দিষ্ট ভিশন ও মিশনকে সামনে রেখে কর্মকান্ড পরিচালনা করে  যাচ্ছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৩৬.
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনীমূলক বইটির নাম কী?
  1. তিন শূন্যের পৃথিবী
  2. সামাজিক ব্যবসা
  3. দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে
  4. বাংলাদেশ ২০১০
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে
ব্যাখ্যা

• অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৮ জুন, ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- শিক্ষা জীবনের শুরুতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার গ্রামের মহাজন ফকিরের স্কুল নামে একটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন। 
- মাধ্যমিক পর্যায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ৩৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ তম স্থান অধিকার করেন। 
- ১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন।
- স্নাতকের পর কর্মজীবনের শুরুতেই মুহাম্মদ ইউনূস ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
- ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৬ সালে মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
- তাঁর আত্মজীবনী মূলক বই – দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন - ০৮ আগস্ট ২০২৪।

তার লেখা অন্যান্য বই: 
- তিন শূন্যের পৃথিবী
- বাংলাদেশ ২০১০
- সামাজিক ব্যবসা
- বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি
- যোগ্য প্রার্থীর আন্দোলন 

তথ্যসূত্র: ইউনুস সেন্টার ঢাকা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৩৭.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. কামরুল হাসান
  3. হাশেম খান
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার — কামরুল হাসান।
------------------ 
• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
• দুর্ভিক্ষ–চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।

• সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন - জয়নুল আবেদীন এবং অঙ্গসজ্জা করেন- হাশেম খান।

• বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ হামিদুর (১৯৪৫-১৯৭১) ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সিপাহি এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদ। 

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

iii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।
২৩৮.
কোন বাংলাদেশী প্রথম সাঁতরে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন?
  1. মিজানুর রহমান
  2. আব্দুল মালেক
  3. শাহ আলম
  4. ব্রজেন দাস
সঠিক উত্তর:
ব্রজেন দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রজেন দাস
ব্যাখ্যা
ব্রজেন দাস:
- ব্রজেন দাস বাংলাদেশের একজন বাঙালি সাঁতারু।
- তিনিই প্রথম দক্ষিণ এশীয় ব্যক্তি যিনি সাঁতার কেটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- ১৯৫৮ সালের ১৮ আগস্ট তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- তিনি মোট ৬ বার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- সর্বশেষ ১৯৬১ সালে ১০ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েন।
- ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তিনি মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৯৮ সালের ১ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii) Britannica.
২৩৯.
দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে পৃথিবীর অষ্টম উঁচু পর্বত মানাসলু জয় করেন কে?
  1. বাবর আলী
  2. তৌফিক আহমেদ
  3. তানভীর আহমেদ
  4. এম এ মুহিত
সঠিক উত্তর:
তৌফিক আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌফিক আহমেদ
ব্যাখ্যা

মানাসলু শৃঙ্গ জয়:
- দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে পৃথিবীর অষ্টম উঁচু পর্বত মানাসলু জয় করেন পর্বতারোহী তৌফিক আহমেদ।
- তিনি গত ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ নেপালের স্থানীয় সময় রাত তিনটায় 'মানাসলু' শিখরে ওঠেন ।
- এর পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়াই পৃথিবীর অষ্টম সর্বোচ্চ চূড়া জয় করেন পর্বতারোহী বাবর আলী।
- বাবর আলীর পাশপাশি বাংলাদেশের আরেক পর্বতারোহী তানভীর আহমেদও একই দিনে ‘মানাসলু’ জয় করেছেন। 
- তাদের এই যৌথ অভিযানের নাম ‘মানাসলু অ্যাসেন্ট: ভার্টিক্যাল ডুয়ো’।

উল্লেখ্য,
- হিমালয় পর্বতমালার ৮ হাজার ১৬৩ মিটার উঁচু ‘মাউন্টেন অব দ্য স্পিরিট’ নামে পরিচিত মানাসলু পর্বতের অবস্থান নেপালের মানসিরি হিমাল রেঞ্জে।
- ২০১১ সালে ১২ অক্টোবর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গে ওঠেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী এম এম মুহিত।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

২৪০.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ কোন সংস্থার আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং কাউন্সিলে নির্বাচিত হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. জাতিসংঘ
  3. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
  4. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
এপিসিআইসিটি (APCICT) এবং এপিডিআইএম (APDIM):
- সম্প্রতি, থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনইএসসিএপি) ৮১তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ অধিবেশনে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক জয়লাভ করে।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনইএসসিএপি) এর ২টি আঞ্চলিক সংস্থার গভর্নিং কাউন্সিলে নির্বাচিত হয়েছে।
- সংস্থাগুলো হলো: এশিয়া-প্যাসিফিক ট্রেনিং সেন্টার অন আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট (এপিসিআইসিটি) ও এশিয়া-প্যাসিফিক সেন্টার ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব ডিজাস্টার ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্টের (এপিডিআইএম)।
- দুইটি সংস্থায় বাংলাদেশের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছরের জন্য।

উল্লেখ্য,
- এপিসিআইসিটি (APCICT) এর কাজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা।
- এপিডিআইএম (APDIM) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর দুর্যোগ প্রস্তুতি ও মোকাবেলা সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
২৪১.
বাংলাদেশের একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি কোথায় অবস্থিত?
  1. টঙ্গি
  2. কোনাবাড়ি
  3. যশোর
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
কোনাবাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনাবাড়ি
ব্যাখ্যা
শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (সংশোধন প্রতিষ্ঠান): 
- শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী আইনের সাথে সংঘর্ষে জড়িত বা সংস্পর্শে আসা শিশু বা অভিবাবক কর্তৃক প্রেরীত শিশুদের উন্নয়ন ও স্বাভাবিক জীবনে একীভূত করার লক্ষ্যে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র পরিচারিত হচ্ছে।
- এই কেন্দ্রগুলির লক্ষ্য হল শিশুদের উন্নয়ন ও স্বাভাবিক জীবনে পুনঃএকীভূত করা।
- কেন্দ্রগুলিতে কেইস ওয়ার্ক, গাইডেন্স, কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে শিশুদের মানসিক উন্নয়ন করা হয়।
- বাংলাদেশের একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের কোনাবাড়িতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশে ৩টি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে। 
 
যথা: 
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র - টংগী, গাজীপুর (বালক) 
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র - কোনাবাড়ী, গাজীপুর (বালিকা) 
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র - পুলেরহাট, যশোর (বালক) 

সূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর। 
২৪২.
বর্তমানে দাবা খেলায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার কে?
  1. সাকলাইন মোস্তফা সাজিদ
  2. মনন রেজা নীড়
  3. মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান
  4. আবু সুফিয়ান শাকিল
সঠিক উত্তর:
মনন রেজা নীড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনন রেজা নীড়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- বাংলাদেশ দাবা দল দাবা অলিম্পিয়াডে প্রথম অংশ নেয় ১৯৮৪ সালে৷
- বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার মনন রেজা নীড়।
- ১৪ বছর তিন মাস বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন মনন ।
- অক্টোবর, ২০২৪-এ বিশ্ব দাবা সংস্থার চতুর্থ ফিদে জোন কাউন্সিলের সভায় তার আন্তর্জাতিক মাস্টারের খেতাব অনুমোদন হয় ৷
- তিনি আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদের রেকর্ড ভেঙে।
- আন্তর্জাতিক মাস্টার হতে ২৪০০ রেটিং ও তিনটি নর্ম প্রয়োজন

উল্লেখ্য:
- নিয়াজ মোরশেদ আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন ১৫ বছর পাঁচ মাস বয়সে।
- মনন রেজা নীড়কে নিয়ে বাংলাদেশে এখন আন্তর্জাতিক মাস্টারের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ।
- বাকি চারজন জিল্লুর রহমান, আবু সুফিয়ান, মিনহাজ উদ্দিন, ফাহাদ রহমান ।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা৷

২৪৩.
বাংলাপিডিয়া কে সম্পাদনা করেন?
  1. অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
  2. স্যার উইলিয়াম জোন্স
  3. আব্দুল হামিদ
  4. ড. আহমদ হাসান দানী
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- প্রধান সম্পাদক: অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।

- স্যার উইলিয়াম জোন্স ছিলেন এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সভাপতি ছিলেন আব্দুল হামিদ।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সম্পাদক ছিলেন ড. আহমদ হাসান দানী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
২৪৪.
'Sultana's Dream' বইটি কার লেখা?
  1. নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী
  2. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  3. বেগম সুফিয়া কামাল
  4. সুলতানা রাজিয়া
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যা
'Sultana's Dream' বইটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন-এর লেখা।

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:

- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি।
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।

উল্লেখ্য,
- নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস পালন করা হয়।

রোকেয়ার উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২), Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮), পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪), অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১) প্রভৃতি।
- মতিচূর, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতি গ্রন্থে রোকেয়ার ঐকান্তিক স্বপ্নই এক অভিনব রূপ পেয়েছে। মতিচূর ২য় খন্ডে আছে ‘সৌরজগৎ’, ‘ডেলিসিয়া হত্যা’ (মেরী করেলী রচিত Murder of Delicia, ১৮৯৬ উপন্যাসের গল্পাংশের অনুবাদ), ‘জ্ঞান-ফল’, ‘নারী-সৃষ্টি’, ‘নার্স নেলী’, ‘মুক্তি-ফল’ প্রভৃতি গল্প ও রূপকথা।
- এছাড়া আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ।

Sultana’s Dream:
- Sultana’s Dream গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৪৫.
OIC-এর কততম শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করেন? 
  1. ২য় শীর্ষ সম্মেলনে
  2. ৫ম শীর্ষ সম্মেলনে
  3. ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে
  4. ৭ম শীর্ষ সম্মেলনে
সঠিক উত্তর:
২য় শীর্ষ সম্মেলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য় শীর্ষ সম্মেলনে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত 'OIC' এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

• ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC:
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- OIC এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ.ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-তিন বছর পর পর।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
২৪৬.
দেশের দ্বিতীয় মেট্রোরেল প্রকল্প কী নামে পরিচিত?
  1. এমআরটি-১
  2. এমআরটি-২
  3. এমআরটি-৩
  4. এমআরটি-৪
সঠিক উত্তর:
এমআরটি-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এমআরটি-১
ব্যাখ্যা
এমআরটি-১:
- দেশের দ্বিতীয় মেট্রোরেল প্রকল্পের নাম এমআরটি-১।
- ৩১ দশমিক ২৪১ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন এই মেট্রোরেল দুটি অংশে বিভক্ত।
- অংশ দুটি হলো- বিমানবন্দর রুট (বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর) ও পূর্বাচল রুট (নতুন বাজার থেকে পিতলগঞ্জ ডিপো)।
- এটির (এমআরটি-১) বিমানবন্দর রুট হবে দেশের প্রথম পাতাল বা আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রোরেল, যার মোট দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৮৭২ কিলোমিটার এবং মোট পাতাল স্টেশন ১২টি।
- পূর্বাচল রুটের মোট দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার, যার সম্পূর্ণ অংশ উড়াল এবং মোট স্টেশন সংখ্যা ৯টি। এরমধ্যে ৭টি স্টেশন হবে উড়াল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ১৭ এপ্রিল ২০২৪।
২৪৭.
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ-র জন্মস্থান কোনটি?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. টাঙ্গাইল
  3. কলকাতা
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ:

- তিনি বিশ্ববিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ।
- ১৮৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে এক সঙ্গীতপরিবারে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা সবদর হোসেন খাঁ ওরফে সদু খাঁও ছিলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ।
- মাতার নাম সুন্দরী বেগম।
- তাঁর সঙ্গীতগুরু ছিলেন আগরতলা রাজদরবারের সভাসঙ্গীতজ্ঞ তানসেনের কন্যাবংশীয় রবাবী ওস্তাদ কাশিম আলী খাঁ।
- তিনি দেশিয় বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয়ে অর্কেস্ট্রার স্টাইলে একটি যন্ত্রীদল গঠন করে নাম দেন ‘রামপুর স্ট্রিং ব্যান্ড’।
- ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ‘খাঁ সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- অতঃপর ভারত সরকার তাঁকে একে একে ‘সঙ্গীত নাটক আকাদেমী সম্মান’ (১৯৫২), ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৫৮) ও ‘পদ্মবিভূষণ’ (১৯৭১), বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬১) এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- তিনি ১৯৭২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২৪৮.
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?
  1. আনিসুল হক
  2. সাঈদ খােকন
  3. সাদেক হােসেন খােকা
  4. মােহাম্মদ হানিফ
সঠিক উত্তর:
মােহাম্মদ হানিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মােহাম্মদ হানিফ
ব্যাখ্যা
• ঢাকা সিটি করপোরেশনের ইতিহাস:
⇒ ১৮৬৪ সালের ১ আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
⇒ ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
⇒ ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
⇒ ১৯৭৮ সালে ঢাকা পৌরসভাকে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয় পৌরসভার চেয়ারম্যান ঢাকা মিউিনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র নামে অবিহিত হয়।
⇒ ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়। 

 প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ। 
নগরবাসীর সেবা সহজলভ্য করার বৃহত্তর স্বার্থে ২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর স্থানীয় সরকার সংশোধনী বিল ২০১১ অনুসারে সরকার ঢাকা সিটি করপোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
⇒ এ আইন অনুযায়ী ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
⇒ এর ফলে ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নামে পৃথক দুইটি সিটি কর্পোরেশন যাত্রা শুরু করে।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ওয়েবসাইট।
২৪৯.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
  2. হুলিয়া
  3. ওরা ১১ জন
  4. ধীরে বহে মেঘনা
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
ব্যাখ্যা

ওরা ১১ জন (১৯৭২):
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা।
- বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

উল্লেখ্য,
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।
- ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩)- এটির নির্মাতা আলমগীর কবির।
- 'হুলিয়া' স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটির পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো।

২৫০.
বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় কোন সনে? 
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন:
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় — ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল আণবিক শক্তি কমিশন। 
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বাংলাদেশের একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও অন্যতম নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হল, শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে আণবিক শক্তি উৎপাদন ও এটি নিয়ে গবেষণা করা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ওয়েবসাইট।
২৫১.
রোহানি বাহারিন নিম্নের কোন স্থাপত্যটির নকশাবিদ ছিলেন?
  1. কমলাপুর রেলস্টেশন
  2. কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন
  3. হাতিরঝিল
  4. শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়। এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর। এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।
- ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের উদ্বোধন করা হয়।
- টার্মিনালটির যাত্রী ক্যাপাসিটি ১ কোটি ৬০ লাখ।
- টার্মিনালটির ফ্লোর আয়তন ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গ মিটার।

⇒ এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন।
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।

⇒ ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- তৃতীয় টার্মিনালের জন্য সরকার অর্থায়ন করেছে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।
- বাকি অর্থ জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।
- কমলাপুর রেলস্টেশনটির নকশাকার ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।
- হাতিরঝিল-এর নকশাকার এহসান খান।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.
২৫২.
'স্টেপস' ভাস্কর্যটি সিউল অলিম্পিকের পার্কে স্থান পেয়েছিল। এর ভাস্করের নাম-
  1. নভেরা আহমেদ
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. আবদুল্লাহ খালেদ
  4. সুলতানুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
• ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের হামিদুজ্জামান খান ভাস্করের শিল্পকর্ম 'স্টেপস' ভাস্কর্যটি প্রদর্শনীতে স্থান পায়। 

--------------------- 
• হামিদুজ্জামান খান:
- একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে 'পাখি পরিবার',
- ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে 'মুক্তিযোদ্ধা',
- ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় 'জাগ্রত বাংলা'এবং
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন- হামিদুজ্জামান খান।
- "His piece titled ‘Steps’ has found a permanent place in the Seoul Olympic Park in Korea."

• অলিম্পিকে বাংলাদেশ:
- ১৯৮০ সালেই মস্কো অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।
- কিন্তু শেষ মুহূর্তে গেমস বয়কট করে।
- ১৯৮৪ সালে লস্ অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক গেমসে মার্চ পাস্টে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মাঠে নামে।
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নেন।
- এরপর নিয়মিত অলিম্পিক গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে। 
- এখন পর্যন্ত কোনো আসরেই পদক জেতা হয়নি বাংলাদেশের।

উৎস: Bengal Foundation, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯।
২৫৩.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বহনকারী রকেট কোনটি?
  1. ফ্যালকন ৬
  2. ফ্যালকন ৭
  3. ফ্যালকন ৮
  4. ফ্যালকন ৯
সঠিক উত্তর:
ফ্যালকন ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্যালকন ৯
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে। 
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র - বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
২৫৪.
‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ মোট কতজন নারীকে প্রদান করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন 
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন 
ব্যাখ্যা

‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’:
- ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রাপ্ত নারী চারজন।
 - নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব,
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার,
- মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস ।
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা। 

- নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রোকেয়া পদক দেওয়া হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

২৫৫.
দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথে অর্থায়ন করেছে -
  1. এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার
  2. বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ
  3. এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক ও বিশ্বব্যাংক
  4. বাংলাদেশ সরকার ও জাইকা
সঠিক উত্তর:
এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার
ব্যাখ্যা
দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ:
 
- ১১ নভেম্বর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ উদ্বোধন করেন।
- আর এর মধ্য দিয়ে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে রেলপথে যুক্ত হবে কক্সবাজার, তথা যুক্ত হবে ঢাকাসহ সারাদেশের সঙ্গে।
- রেলপথটি বাংলাদেশকে মিয়ানমার, চীনসহ ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের করিডোরে যুক্ত করবে।
- বাংলাদেশ রেলওয়ে নেটওয়ার্কের ৪৮তম জেলা হিসেবে যুক্ত হয়েছে কক্সবাজার।
- ১ ডিসেম্বর যাত্রী নিয়ে এই নতুন রেলপথে বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
- ২০৪৫ সালের মধ্যে দেশের ৬০টি জেলায় রেল নেটওয়ার্ক স্থাপনের লক্ষ্য আছে বাংলাদেশে রেলওয়ের।
- দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু থেকে মায়ানমারের কাছে ঘুমধুম পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের জন্য ২০১০ সালে ৬ জুলাই দোহাজারী-রামু-ঘুমধুম রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পটি অনুমোদন পায়।
- দোহাজারি-চকরিয়া এবং চকরিয়া-কক্সবাজার (লট-১ ও লট-২) এই দুই লটে চীনা প্রতিষ্ঠান সিআরসি (চায়না রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন) ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান তমা কনসট্রাকশন প্রকল্পের নির্মাণ কাজ পায়।
- এই রেললাইন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা।
- এর অর্থায়ন করেছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও বাংলাদেশ সরকার।
 
তথ্যসূত্র - ঢাকা পোস্ট, ১১ নভেম্বর ২০২৩ ও কালের কন্ঠ, ১০ নভেম্বর, ২০২৩।
২৫৬.
২০২৪ সালে স্বাধীনতা পুরষ্কার পেয়েছেন কত জন নাগরিক?
  1. ৮ জন
  2. ৯ জন
  3. ১০ জন
  4. ১১ জন
সঠিক উত্তর:
১০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জন
ব্যাখ্যা
 স্বাধীনতা পুরস্কার - ২০২৪
- 'স্বাধীনতা পুরস্কার' বাংলাদেশের জাতীয় এবং "সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার"। 
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ' থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা। 
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পাচ্ছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন—

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে
• কাজী আব্দুস সাত্তার
• বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মো. ফজলুল হক (মরণোত্তর)
• ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মো. নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর)।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে
• ড. মোবারক আহমদ খান।

চিকিৎসাবিদ্যায়
• ডা. হরিশংকর দাশ।

সংস্কৃতিতে
• মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।

ক্রীড়ায়
• ফিরোজা খাতুন

সমাজ বা জনসেবায়
• অরন্য চিরান
• বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী 
• এসএম আব্রাহাম লিংকন। 

উৎস:- মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইট।  
২৫৭.
জাতীয় প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রেসক্লাব: 
- জাতীয় প্রেসক্লাব জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিকদের একটি সংঘবিশেষ।
- বিশ্বের কোথাও কোথাও এ ধরনের প্রতিষ্ঠান প্রেসগিল্ড নামেও পরিচিত।
- ঢাকায় অবস্থিত জাতীয় প্রেসক্লাবই বাংলাদেশের প্রধান প্রেসক্লাব।
- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে কলকাতায়। 
- ১৯৫৪ সালের ২০ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 
- বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর ১৯৭২ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রেসক্লাব সংশোধন করে নাম রাখা হয় জাতীয় প্রেসক্লাব।
- ১৯৯৫ সালে জাতীয় প্রেসক্লাবের পতাকা ও প্রতীক নির্বাচন করা হয়।
- জাতীয় প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের একটি প্রফেশনাল ক্লাব হলেও বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে গোড়া থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
- ১৯৬৪ সালের দাঙ্গাবিরোধী শান্তি মিছিল, ১৯৬৭ সালে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রতিবাদ মিছিল এ প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে স্বাধিকার আন্দোলন, একাত্তরের  মুক্তিযুদ্ধ, আরও পরে গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং স্বৈরশাসনের দুঃসহ দিনগুলিতে প্রেসক্লাবই হয়ে উঠেছিল আন্দোলন ও সংগ্রামের কেন্দ্রস্থল।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে হানাদার বাহিনী প্রেসক্লাব ভবনে মর্টারশেল নিক্ষেপ করেছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২৫৮.
এখন পর্যন্ত (২০২৪) কতজন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:

- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।
- এখন পর্যন্ত পাঁচজন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও মো. খালেদ হোসাইন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২।
২৫৯.
ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত গঙ্গা-ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে কত সালে?
  1. ২০২৬ সালে
  2. ২০২৭ সালে
  3. ২০২৯ সালে
  4. ২০৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা

গঙ্গা-ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি: 
- ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা-ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর হওয়ায় এটি ২০২৬ সালে শেষ হবে।
- হিমালয়ের হিমবাহ থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং পদ্মা নামে পরিচিত হয়।
- ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী যৌথ নদী কমিশন গঠনের ঘোষণা দেন।
- এরপর ১৯৯৬ সালে সরকার নতুন করে আলোচনা শুরু করে এবং দীর্ঘমেয়াদি এই পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

২৬০.
OIC এর কততম শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি। (অক্টোবর, ২০২৪)
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (অক্টোবর, ২০২৪)
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৬১.
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের 'তিন শূন্য' তত্ত্ব অর্জনে নিম্নের কোনটি প্রয়োজন?
  1. সামাজিক ব্যবসা
  2. তারুণ্য
  3. সুশাসন
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
থ্রি জিরো তত্ত্ব:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।
- এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
২৬২.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।

এছাড়াও,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনী ইংরেজি ভাষায় লেখা ‘ব্যাংকার টু দ্যা পুওর’ (Banker to the Poor)।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য। সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৬৩.
'চারুপীঠ' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদীন
  3. কামরুল হাসান
  4. মুস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
• এস এম সুলতান:
- এস এম সুলতান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী।
- তার পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান ।
- তিনি ১৯২৩ সালে নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি নড়াইলে ‘শিশুস্বর্গ' ও 'চারুপীঠ' নামে শিশুদের জন্যে দুটি চিত্রাংকন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।

• এস এম সুলতানের চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- হত্যাযজ্ঞ, 
- চরদখল, 
- সভ্যতার ক্রমবিকাশ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২৬৪.
যমুনা রেলওয়ে সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয় কবে?
  1. ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  2. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  3. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  4. ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা

যমুনা রেলসেতু: 

পটভূমি:
- ১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ শুরু হয়।
- ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় ট্রেনের গতি কমিয়ে দেওয়া হয়।

নতুন রেলসেতু নির্মাণ উদ্যোগ:
- এ সমস্যা সমাধানে ২০২০ সালের ৩ মার্চ যমুনা নদীর উজানে আলাদা রেলসেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
- ৪.৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ যমুনা রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

নির্মাণ ও অর্থায়ন:
- এটি দেশের বৃহত্তম রেলসেতু, যার নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই।
- শুরুতে ব্যয় নির্ধারিত ছিল ৯,৭৩৪.০৭ কোটি টাকা, যা পরবর্তীতে ১৬,৭৮০.৯৬ কোটি টাকায় উন্নীত হয়।
- অর্থায়ন:দেশীয় উৎস থেকে: ২৭.৬০%
- জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (JICA) ঋণ: ৭২.৪০%

পরীক্ষামূলক ও আনুষ্ঠানিক চালু:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫: পরীক্ষামূলক চলাচলের পর যমুনা রেলসেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
১৮ মার্চ, ২০২৫: সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]

২৬৫.
কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি কে?
  1. লুই কান
  2. এস এম রেলডলস
  3. এফ আর খান
  4. ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম
সঠিক উত্তর:
ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম
ব্যাখ্যা
কমলাপুর রেলস্টেশন:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশনও।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এটি ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুই মার্কিন নাগরিক।
- তারা ছিলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: i) ২২ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম আলো।
ii) ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, প্রথম আলো।
২৬৬.
বাংলাদেশে রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পায় কোনটি?
  1. কাপ্তাই হ্রদ
  2. হাকালুকি হাওর
  3. বগা লেক
  4. টাঙ্গুয়ার হাওর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রামসার সাইট: 
- বাংলাদেশে রামসার সাইট হিসেবে দুটি স্থান স্বীকৃতি পেয়েছে: সুন্দরবন এবং টাঙ্গুয়ার হাওর।
- বাংলাদেশের প্রথম রামসার সাইট - সুন্দরবন, ১৯৯২ সালের ২১ মে স্বীকৃত হয়, এবং
- টাঙ্গুয়ার হাওর ২০০০ সালের ১০ জুলাই রামসার সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- রামসার কনভেনশন ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালে রামসার সনদ কার্যকর করার মাধ্যমে এ চুক্তির আওতায় আসে এবং জলাভূমি সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে শুরু করে।

সূত্র: রামসার ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
২৬৭.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  3. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. মাওলানা ভাসানী
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি:
- মুক্তিযুদ্ধ ছিল একটি জনযুদ্ধ।
- দেশের সর্বস্তরের মানুষ এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।

⇒ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি),
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি),
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা),
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি),
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি),
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২৬৮.
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) ১০টি মৌলিক কনভেনশন অনুমোদনকারী প্রথম দক্ষিণ এশীয় দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. বাংলাদেশ
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন অনুমোদনকারী:
- গত ২২ অক্টোবর, ২০২৫ আইএলওর তিন কনভেনশন অনুসমর্থন করে বাংলাদেশ, যার দুটি মৌলিক কনভেনশন। 
- কনভেনশনগুলো হলো পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কনভেনশন, ১৯৮১ (নং-১৫৫); কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার মান উন্নয়নে প্রচারণামূলক কাঠামো কনভেনশন, ২০০৬ (নং-১৮৭) এবং কর্মক্ষেত্রে সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধ বিষয়ক কনভেনশন, ২০১৯ (নং-১৯০)। 
- কনভেনশন তিনটির মধ্যে কনভেনশন ১৮৭ ও কনভেনশন ১৫৫ আইএলও'র মৌলিক কনভেনশন।
- এর মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসেবে আইএলওর ১০টি মৌলিক কনভেনশন অনুমোদন করেছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

২৬৯.
বাংলাদেশে প্রথম বাণিজ্যিকভাবে ৫-জি সেবা চালু হয়েছে কবে?
  1. ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  2. ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  3. ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  4. ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

প্রথম বাণিজ্যিক ৫-জি সেবা:
- ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে দেশের দুই শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবি বাণিজ্যিকভাবে ৫-জি সেবা চালু করেছে।
- এর মধ্য দিয়ে দেশে প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে ফাইভ-জির যাত্রা শুরু হয়েছে।
- প্রথম পর্যায়ে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের সাতটি জায়গায় রবির ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে।
- পর্যায়ক্রমে দেশের বাকি অঞ্চলে এই সেবা চালু হবে।
- অন্যদিকে, গ্রামীণফোন রাজধানীসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোর বিভিন্ন জায়গায় তারা ফাইভ-জি চালু করেছে।
- পর্যায়ক্রমে টাওয়ার নামে পরিচিত বেজ ট্রান্সসিভার স্টেশনগুলো (বিটিএস) ফাইভ-জির আওতায় আনা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে আশির দশকের শেষ দিকে এসে প্রথম প্রজন্মের, অর্থাৎ ওয়ান-জি প্রযুক্তি আসে সিটিসেলের মাধ্যমে।
- এরপর ১৯৯৬ সালে আসে টু-জি প্রযুক্তি। এর প্রায় ১৭ বছর পর চালু হয় থ্রি-জি।
- ফোর-জি চালু হয় ২০১৮ সালে।
- সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক ২০২১ সালে দেশে প্রথম ফাইভ-জির পরীক্ষা করেছিল।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

২৭০.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের কোন নারী ক্রিকেটার 'আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ' স্বীকৃতি পেয়েছেন? (মার্চ-২০২৬)
  1. ফারজানা হক
  2. খাদিজা তুল কুবরা
  3. সোবহানা মোস্তারি
  4. জাহানারা আলম
সঠিক উত্তর:
সোবহানা মোস্তারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোবহানা মোস্তারি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় নারী ক্রিকেটার হিসেবে 'আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ' স্বীকৃতি পেয়েছেন সোবহানা মোস্তারি।
- আইসিসির ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের সেরা নারী ক্রিকেটার হয়েছেন তিনি।
- টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
- এই টুর্নামেন্টের পারফরম্যান্সের জন্য মাসসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন সোবহানা।

উল্লেখ্য
- ২০২৩ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে এই স্বীকৃতি পেয়েছিলেন নাহিদা আক্তার।

উৎস: প্রথম আলো।

২৭১.
নিচের কোন লালন শাহ কর্তৃক রচিত গান?
  1. গাড়ি চলে না চলে না
  2. আসি বলে গেল বন্ধু আইল না
  3. সময় গেলে সাধন হবে না
  4. কেমনে ভুলিব আমি, বাঁচি না তারে ছাড়া
সঠিক উত্তর:
সময় গেলে সাধন হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময় গেলে সাধন হবে না
ব্যাখ্যা
লালন শাহ:
- ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭৭২) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে তাঁর জন্ম। মতান্তরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রণ করেন।
- লালনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না, কিন্তু নিজ সাধনাবলে তিনি হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মের শাস্ত্র সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভ করেন। তাঁর রচিত গানে সেই জ্ঞানের পরিচয় পাওয়া যায়।
- আধ্যাত্মিক ভাবধারায় তিনি প্রায় দুহাজার গান রচনা করেন।
- তাঁর গান মরমি ব্যঞ্জনা ও শিল্পগুণে সমৃদ্ধ।
- সহজ-সরল শব্দময় অথচ গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্মস্পর্শী তাঁর গানে মানব জীবনের আদর্শ, মানবতাবাদ ও অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে।
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’, ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’, ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’, 'আমার মনের মানুষেরই সনে', 'সময় গেলে সাধন হবে না' ইত্যাদি তাঁর বিখ্যাত গান।
- ১২৯৭ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭ অক্টোবর, ১৮৯০) ছেউড়িয়ায় লালন পরলোক গমন করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২৭২.
পদ্মা সেতুর প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১৪০ মিটার
  2. ১৪৫ মিটার
  3. ১৫০ মিটার
  4. ১৫৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
১৫০ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫০ মিটার
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
২৭৩.
ভিজিএফ কী?
  1. দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা
  2. খাদ্য ও অর্থ সহায়তা
  3. আবাসন সহায়তা
  4. আশ্রয়ন সহায়তা
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা
ব্যাখ্যা
মানবিক সহায়তা কর্মসূচি: 
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এবং কৃষি ক্ষেত্রে কর্মহীন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে।
- এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
(১) দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)
(২) খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)

দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ): 
- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা :
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।
২৭৪.
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম নিম্নের কোন আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত?
  1. পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ
  2. পাট থেকে সবুজ চা
  3. পাটের জিনোম সিকোয়েন্স
  4. পঞ্চব্রীহি ধান
সঠিক উত্তর:
পাটের জিনোম সিকোয়েন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটের জিনোম সিকোয়েন্স
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম:
- বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম-এর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য।

⇒ ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন মাকসুদুল আলম।
- জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
- তিনি যখন বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের জুট জেনোম সিকোয়েন্সিং প্রকল্পের প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন তখন তার নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালে তোষা পাটের জিন নকশা আবিস্কৃত হয়।
- বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম পাট ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবারসহ মোট আটটি উদ্ভিদের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।
- তিনি ২০১৬ সালে স্বাধীনতা পদক প্রদান লাভ করেন।
- ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে -
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করেছেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল করপোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
- পঞ্চব্রীহি ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
২৭৫.
বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার স্থাপিত হয় ______ ।
  1. যুক্তরাজ্যে
  2. যুক্তরাষ্ট্রে
  3. ভারতে
  4. পাকিস্তানে
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্যে
ব্যাখ্যা

♦ শহীদ মিনার:
- বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহিদ মিনার স্থাপিত হয় যুক্তরাজ্যের লন্ডনে।
- গ্রেট মেনচেস্টারের ওল্ডহ্যামের ওয়েস্টহুড নেবারহুডে নির্মাণ করা হয় এই শহীদ মিনার।
- ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর সেখানকার ‘বাংলাদেশি কালচারাল অ্যান্ড হিস্ট্রি ইন ওল্ডহ্যাম' সে দেশে শহীদ মিনার নির্মাণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

♦ উল্লেখ্য:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়।
- জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর বৈশাখি মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার সূত্র ধরে বাংলাদেশ সরকার এই শহীদ মিনারটি
নির্মাণ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

২৭৬.
ড. মুহম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কোন অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন?
  1. ৭৮তম অধিবেশন
  2. ৭৯তম অধিবেশন
  3. ৮০তম অধিবেশন
  4. ৮১তম অধিবেশন
সঠিক উত্তর:
৭৯তম অধিবেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৯তম অধিবেশন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তার ৭৯তম অধিবেশন:
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
- নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে ভাষণ প্রদান করেন তিনি।
- বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

উল্লেখ্য, 
- সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের সভাপতি ফিলেমন ইয়াং।
- ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
২৭৭.
"মনপুরা ৭০" কী?
  1. একটি উপন্যাস
  2. একটি গান
  3. একটি চিত্রকর্ম
  4. একটি স্থানের নাম
সঠিক উত্তর:
একটি চিত্রকর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি চিত্রকর্ম
ব্যাখ্যা
"মনপুরা ৭০" শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের এক অসামান্য চিত্রকর্ম।

মনপুরা-৭০:
- 'মনপুরা-৭০' একটি চিত্রকর্ম।
- সারি সারি লাশের পাশে স্বজনহারা এক মানুষের বিলাপের ছবি ‘মনপুরা ৭০'।
- জয়নুল আবেদিন এই বিখ্যাত ছবি আঁকেন দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর।
- এ ঝড়ে প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ।
- জয়নুল আবেদিনের এই ছবি শোভা পাচ্ছে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের ৩৫ নম্বর গ্যালারিতে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
২৭৮.
সম্প্রতি, ৪৯তম জাতীয় দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. সুব্রত বিশ্বাস
  2. নিয়াজ মোরশেদ
  3. ফাহাদ রহমান
  4. মনন রেজা নীড়
সঠিক উত্তর:
নিয়াজ মোরশেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়াজ মোরশেদ
ব্যাখ্যা

৪৯তম জাতীয় দাবার প্রতিযোগিতা:
- ৪৯তম জাতীয় দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।
- শেষ রাউন্ডে নিয়াজ ফিদে মাস্টার সুব্রত বিশ্বাসকে হারান আর ফাহাদ সাকের উল্লাহ’র বিপক্ষে হেরে যান।
- এতে নিয়াজ সাড়ে দশ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন ও ফাহাদ সাড়ে নয় পয়েন্টে রানার আপ হন।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় দাবায় এটি নিয়াজের সপ্তম শিরোপা।
- উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ ১৯৭৯-৮২ পর্যন্ত টানা চারবার চ্যাম্পিয়ন ছিলেন জাতীয় দাবায়। এরপর ২০১২ ও ২০১৯ সালে শিরোপা জিতেছেন।
- প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ১৯৭৯ সালে মাত্র ১২ বছর ১১ মাস বয়সে। 
- সবচেয়ে কম বয়সে জাতীয় দাবায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ড এখনো নিয়াজেরই।
- সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন হন ২০১৯ সালে। সবচেয়ে বেশি বয়সে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রেকর্ডও তাঁর।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

২৭৯.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নয়? 
  1. ওরা ১১ জন
  2. গেরিলা
  3. মুখ ও মুখোশ
  4. জয়যাত্রা
সঠিক উত্তর:
মুখ ও মুখোশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুখ ও মুখোশ
ব্যাখ্যা

• চলচ্চিত্র:
- 'মুখ ও মুখোশ' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নয়।
- ‘মুখ ও মুখোশ’ হলো বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) প্রথম নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য সবাক চলচ্চিত্র।
- এটি ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট মুক্তি পায়।
- ছবিটির পরিচালক ছিলেন আব্দুল জব্বার খান।
- তিনি একাধারে একজন দক্ষ অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার এবং বাংলা চলচ্চিত্রের পথপ্রদর্শক ছিলেন।
- তিনি ১৯১৬ সালে মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার উত্তর মসদগাঁওয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- এবং ১৯৯৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে,
• স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র হলো ‘ওরা ১১ জন’।
- চলচ্চিত্রটি ১৯৭২ সালে মুক্তি পায়।
- এটি মহান মুক্তিযুদ্ধকে কেন্দ্র করে নির্মাণ করা হয়েছে।
- ছবিটির পরিচালক হচ্ছে- চাষি নজরুল ইসলাম।

• ‘গেরিলা’ একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- ছবিটি সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছিল।
- ছবিটির পরিচালক- নাসির উদ্দীন ইউসুফ।
 
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের ধারাবাহিকতায় ‘জয়যাত্রা’ ২০০৪ সালে নির্মিত হয়।
- এই ছবিটি নির্মাণ করেন তৌকির আহমেদ। 
- ‘জয়যাত্রা’ মুক্তিযুদ্ধকালে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ, মৃত্যু এবং বেঁচে থাকার সংগ্রামের গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা ও বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ। 

২৮০.
চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল কী? 
  1. আখের ছোবড়া
  2. বাঁশ
  3. জারুল গাছ
  4. নল-খাগড়া
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
ব্যাখ্যা
• চন্দ্রঘোনা পেপার মিলস্:
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল — বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উল্লেখ্য,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বাঁশ জন্মে এবং বাঁশ ব্যবহার করে কর্ণফুলী পেপার মিলে কাগজ তৈরি হয়।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
২৮১.
বাংলাদেশের প্রথম এআই পাওয়ার্ড ভিলেজ কোন জেলায় নির্মাণ করা হবে?
  1. যশোর
  2. কুমিল্লা
  3. চাঁদপুর
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
প্রথম এআই পাওয়ার্ড ভিলেজ:
- কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার প্রত্যন্ত গ্রাম কৈলাইন গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন গ্রাম (এআই পাওয়ার্ড ভিলেজ)।
- ক্ষমতায়ন, উদ্ভাবন ও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি এই তিনটি স্লোগান ধারণ করে ঐ গ্রামের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে।
- জাতিংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এর আর্থিক সহযোগিতায় যুক্তরাজ্যভিত্তিক কোম্পানি ডি- রেডি এবং বাংলাদেশের এআইআইটি সংস্থার প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।
- প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য দুটি দল গঠন করা হয়েছে।
- এর মধ্যে শিক্ষার্থী দলে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ২০ জন মেধাবী শিক্ষার্থী এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠী দলে গ্রামের অসহায় ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ২০ জন সদস্য থাকবেন।

উল্লেখ্য,
এই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছিলেন প্রাচীন নালন্দা মহাবিহার বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য পন্ডিত শীলভদ্র।

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
২৮২.
শিল্পী কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম কোনটি?
  1. চর দখল
  2. তিনকন্যা
  3. দুর্ভিক্ষ
  4. ধান কাটা
সঠিক উত্তর:
তিনকন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনকন্যা
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

২৮৩.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল সনদপত্র প্রদান করতে যাচ্ছে-
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল সনদপত্র:
 - ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ডিজিটাল সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষ ‘রিলিফ ভ্যালিডেশন লিমিটেড সার্টিফায়িং অথরিটির (আরভিএল সিএ)’ সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

উল্লেখ্য:
- দেশের প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিজিটাল সনদের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
- স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল সনদপত্র প্রদানের এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
- ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ নিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- দেশের একমাত্র ডিজিটাল সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষ ‘রিলিফ ভ্যালিডেশন লিমিটেড সার্টিফায়িং অথরিটির (আরভিএল সিএ)’ সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়।
- এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল সনদের জন্য অনলাইনে আবেদন, উত্তোলন, ডিজিটাল স্বাক্ষরিত অনন্য পরিচয় বহনকারী সনদ পাবেন।
- আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা এই ই-সাইন সনদের আওতায় আসবে।

উৎস: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালবেলা।
২৮৪.
'কিং চার্লস তৃতীয় হারমনি অ্যাওয়ার্ড- ২০২৫' পেয়েছেন কে?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. ডা. তাহমিদ আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
কিং তৃতীয় চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫:
- কিং চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড  ব্রিটেনের মর্যাদাপূর্ণ একটি অ্যাওয়ার্ড।
- পরিবেশ রক্ষা, ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প দক্ষতা, পরিবেশবান্ধব ব্যবসা ও প্রকৃতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রে ব্যক্তির উল্লেখযোগ্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি বছর এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়ে থাকে।   
- ব্রিটেনের মর্যাদাপূর্ণ 'কিং তৃতীয় চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫' পুরস্কার অর্জন করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বিশ্বব্যাপী শান্তি, টেকসই উন্নয়ন ও মানুষের এবং প্রকৃতির মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধান উপদেষ্টাকে এই সম্মাননার জন্য মনোনীত হন।
- ১২ জুন ২০২৫ তারিখে দ্য কিংস ফাউন্ডেশন সেন্ট জেমস’স প্যালেস, লন্ডনে তৃতীয় চার্লসের পক্ষ থেকে তাঁকে এই সম্মানজনক পুরস্কার প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠা পায় ‘দ্য কিংস ফাউন্ডেশন’।
- এ দাতব্য প্রতিষ্ঠান তৎকালীন প্রিন্স অব ওয়েলসের উদ্যোগে গঠিত হয়।
- ২০২৪ সালের জুন মাসে রাজা চার্লস প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জীবনযাপনের উদ্‌যাপন হিসেবে নতুন এ পুরস্কার প্রবর্তন করেন।
- এ পুরস্কারের প্রথম বিজয়ী ছিলেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি–মুন।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
২৮৫.
২০২৫ সালে অর্থনীতিতে কতজন ব্যক্তি নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
⇒ অর্থনীতি:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ৩জন।
• ইওয়েল মোকিয়র,
• ফিলিপ আগিয়োঁ ও
• পিটার হাউইট।

⇒ সাহিত্য:
- ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।

⇒ শান্তি:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ম্যারি ই. ক্রনকো,
• ফ্রেড রামসডেল ও
• শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• জন ক্লার্ক,
• মিশেল দেভরেট ও
• জন এম মার্টিনিস।
- অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

⇒ রসায়ন:
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• সুসুমু কিতাগাওয়া,
• রিচার্ড রবসন ও
• ওমর এম. ইয়াগি।
- অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

২৮৬.
ফোর্বসের এশিয়ার শীর্ষ ১০০ স্টার্টআপ তালিকায় বাংলাদেশের কয়টি কোম্পানি স্থান পেয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

এশিয়ার শীর্ষ ১০০ স্টার্টআপ:
- ফোর্বস ম্যাগাজিনের করা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শীর্ষ ১০০টি স্টার্টআপ কোম্পানির মধ্যে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের দুটি কোম্পানি।
- রাইড শেয়ারিং কোম্পানি পাঠাও এবং চাকরি খোঁজার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালনকারী সম্ভব এই তালিকায় স্থান পেয়েছে।
- তালিকায় কনজ্যুমার টেকনোলজি বা ভোক্তাপ্রযুক্তি শ্রেণিতে পাঠাও এবং ভোক্তাপ্রযুক্তি খাতে ফোর্বসের তালিকায় স্থান পেয়েছে স্টার্টআপ কোম্পানি সম্ভব।

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও স্টার্টআপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ।
- রাইড শেয়ারিংয়ের পাশাপাশি খাদ্য সরবরাহ, ই-কমার্স, লজিস্টিকস ও ফিনটেকসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করে পাঠাও।
- অন্যদিকে, সম্ভব বাংলাদেশের মানুষকে দক্ষতা ও লক্ষ্য অনুযায়ী উপযুক্ত চাকরি খুঁজে পেতে সাহায্য করছে।
- এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে চাকরিপ্রার্থীরা ডিজিটাল প্রোফাইল তৈরি করে আবেদন এবং অনলাইন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

২৮৭.
বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে প্রথম জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. শাহ এ এম এস কিবরিয়া
  2. ফারুক চৌধুরী
  3. আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৮৮.
সম্প্রতি, ইউনেস্কোর 'অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায়' কোন শাড়ি বুনন শিল্প স্থান পেয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. জামদানি শাড়ি
  2. টাঙ্গাইল শাড়ি
  3. রাজশাহী সিল্ক শাড়ি
  4. মনিপুরী শাড়ি
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল শাড়ি
ব্যাখ্যা

ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকা:
- বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্প ইউনেসকোর 'অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের' তালিকায় স্থান পেয়েছে।
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ ভারতের নয়াদিল্লিতে ইউনেস্কো ২০০৩ কনভেনশনের চলমান ২০-তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- যা এই কনভেনশনের অধীনে বাংলাদেশের জন্য ষষ্ঠ স্বীকৃতি।

উল্লেখ্য,
- এর আগে ২০০৮ সালে বাংলাদেশের বাউল গান, ২০১৩ সালে জামদানি বুনন শিল্প, ২০১৬ সালে মঙ্গল শোভাযাত্রা, ২০১৭ সালে শীতলপাটি বুনন শিল্প এবং ২০২৩ সালে ‘ঢাকার রিকশা ও রিকশাচিত্র’ ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পায়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

২৮৯.
কামরুল হাসানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম কোনগুলো?
  1. তিনকন্যা ও নাইওর
  2. সোনার তরী ও ভোরের আলো
  3. মায়ের কোলে ও যুদ্ধের ছবি
  4. গ্রামীণ জীবন ও শহরের আলো
সঠিক উত্তর:
তিনকন্যা ও নাইওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনকন্যা ও নাইওর
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

২৯০.
'থ্রি জিরো তত্ত্বের' উদ্ভাবক কে?
  1. অমর্ত্য সেন
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. অ্যাডাম স্মিথ
  4. পল স্যামুয়েল
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
'থ্রি জিরো' তত্ত্ব:
- থ্রি জিরো তত্ত্ব আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ।
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলাদা সম্মান পেয়েছেন তাঁর এই থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সেগুলো হলো জিরো দারিদ্র্য, জিরো বেকারত্ব ও জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ।

তথ্যসূত্র: Yunus Centre.
২৯১.
হরি ধান আবিষ্কার করেন​ -
  1. হরিপদ কাপালি
  2. হরিপদ কুমার
  3. হরিপদ কপিল
  4. হরিপদ পাল
সঠিক উত্তর:
হরিপদ কাপালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপদ কাপালি
ব্যাখ্যা
হরি ধান 
- ধানের উচ্চফলনশীল একটি নতুন জাত আবিষ্কার করেন​ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কৃষক হরিপদ কাপালি।
- যা পরে ‘হরি ধান’ হিসেবে পরিচিতি পায়। 
- লেখক অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবালের মতে, বাংলাদেশের সেরা আবিষ্কার হরিধান। 
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটও ‘হরি ধান’কে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- হরিধানের ফলন হলো বিঘাপ্রতি প্রায় ২২ মণ।
- ১৯৯২ সালে তিনি এ ধানের আবাদ শুরু করেন, যা পরে সারা দেশেই ছড়িয়ে পড়ে। 

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো।
২৯২.
ইকরামুল হাসান শাকিল তাঁর ‘সি টু সামিট’ অভিযান কোথা থেকে শুরু করেন?
  1. সিলেট
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল। মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
২৯৩.
মুসা ইব্রাহিম কত সালে এভারেস্ট জয় করেন?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- এখন পর্যন্ত ৫ জন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও বাবর আলী।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্ট জয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- সর্বশেষ ১৯ মে, ২০২৪ সালে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ আগস্ট ২০২২, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ও দ্যা ডেইলী স্টার, ১৯ মে, ২০২৪।
২৯৪.
বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় -
  1. ৫ মে, ১৯৯৪
  2. ৬ এপ্রিল, ১৯৯৪
  3. ৫ মে, ১৯৯৫
  4. ৭ মে, ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
৫ মে, ১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ মে, ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় - ৫ মে, ১৯৯৫।

- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত – সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২৯৫.
'বেহুলা' ও 'কাজল' ছবি দুটি পরিচালনা করেন কে?
  1. তারেক মাসুদ
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২৯৬.
বাংলাদেশে বর্তমানে যে মেট্রো রেল চালু হয়েছে সেটি হচ্ছে MRT ______ নম্বর লাইন।
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
  5. 6
সঠিক উত্তর:
6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:

- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেলে প্রবেশ করে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি- মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- এই সম্পূর্ণরূপে উড়াল রেলপথ উত্তরা উত্তর থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত ১৭ টি স্টেশনের মধ্যে  ৯টি স্টেশন বর্তমানে চালু রয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো নিউজ, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ সালে ও একাত্তর টিভি ওয়েবসাইট, ০৫ নভেম্বর ২০২৩।
২৯৭.
থিয়েটার নাট্যগ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা -
  1. আলী যাকের
  2. জহরত আরা
  3. আরিফুল হক
  4. আব্দুল্লাহ আল মামুন
সঠিক উত্তর:
আব্দুল্লাহ আল মামুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা
থিয়েটার নাট্যগ্রুপ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর জাতীয় আশা-আকাঙ্খার পরিপূরক হিসাবে জন্ম নিতে থাকে গ্রুপ থিয়েটার।
- সমসাময়িক ঘটনা প্রবাহকে উপজীব্য করে সামাজিক ক্রিয়ার অংশগ্রহণ করতে থাকে।
- ফলে নাটক ক্রমশঃ হয়ে ওঠে একটি শক্তিশালী গণমাধ্যম।
- ১৯৮০ সালের ২৯ নভেম্বর গড়ে উঠে বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান।
- সমাজ ও শিল্পের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং হাজার বছরের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারায় ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে স্বপ্নের স্বদেশ বিনির্মাণে পরিচালিত এই নাট্যান্দোলনের সমন্বিত সংগঠন বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশান, যার বর্তমান সদস্য সংগঠন সারা দেশে প্রায় ৪০০টি।
- এই সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলে যাঁদের হাতে ও নেতৃত্বে তাঁরা হলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রামেন্দু মজুমদার, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন ইউসুফ, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মামুনু রশীদ , আতাউর রহমান সহ অনেক অগ্রজ নাট্যজন। 

⇒ বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন (বিজিটিএফ) ২৯ নভেম্বর ১৯৮০ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকা।
- তিন কমিটি ফেডারেশন কার্যক্রম পরিচালনা করে: সাধারণ কমিটি, কেন্দ্রীয় কমিটি এবং নির্বাহী কমিটি।

উল্লেখ্য,
- আবদুল্লাহ আল মামুন প্রয়াত নাট্যকার, অভিনেতা ও নির্মাতা।
- তিনি নাটকের দল থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- ২০০৮ সালের ২১ আগস্ট তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন ওয়েবসাইট।
ii) কালের কন্ঠ।
২৯৮.
বাংলা ভাষায় প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) প্ল্যাটফর্মের নাম কী?
  1. শাপলা ডট এআই(shapla.ai)
  2. কাগজ ডট এআই(kagoj.ai)
  3. জুলাই ডট এআই(julyj.ai)
  4. বাংলা ডট এআই(bangla.ai)
সঠিক উত্তর:
কাগজ ডট এআই(kagoj.ai)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাগজ ডট এআই(kagoj.ai)
ব্যাখ্যা

‘কাগজ ডট এআই :
- বাংলা ভাষার জন্য এই প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘কাগজ ডট এআই (kagoj.ai)’ চালু করা হয়েছে।
- একই সঙ্গে উন্মোচন করা হয়েছে নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’।
- রাজধানীর একটি হোটেলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ দুটি প্রযুক্তির উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
- অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।
- ‘কাগজ ডট এআই’ বাংলা ভাষাভিত্তিক লেখালেখি, দাপ্তরিক নথি প্রস্তুত, ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও কনটেন্ট তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিশ্চিত করবে, যা বাংলা ভাষার ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও কালের কণ্ঠ।

২৯৯.
বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ পরিচালনা করেন কে?
  1. ফতেহ লোহানী
  2. খান আতাউর রহমান
  3. আবদুল জব্বার খান
  4. গোলাম মুস্তাফা
সঠিক উত্তর:
আবদুল জব্বার খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল জব্বার খান
ব্যাখ্যা

‘মুখ ও মুখোশ’:
- বাংলাদেশের প্রথম বাংলা সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- দিনটি ছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট। চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩১ মে, ২০২৩।

৩০০.
বাংলাদেশ বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. ৩১তম
  2. ৩৩তম
  3. ৩৪তম
  4. ৩৫তম
সঠিক উত্তর:
৩৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের ৩৩তম সদস্য:
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের কাছে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ উৎপাদনের জ্বালানি ‘ফ্রেশ নিউক্লিয়ার ফুয়েল’ বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করেছে রাশিয়া।
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।

উৎস: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।