• IaaS (Infrastructure as a Service)→ IaaS মডেলে সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিংসহ ভার্চুয়াল অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
- NaaS (Network as a Service) → NaaS কেবল নেটওয়ার্ক-সংক্রান্ত পরিষেবা প্রদান করে, সম্পূর্ণ অবকাঠামো নয়।
- PaaS (Platform as a Service)→ PaaS মডেলে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টের জন্য প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়, অবকাঠামো নয়।
- SaaS (Software as a Service)→ SaaS মডেলে ব্যবহারকারী সরাসরি সফটওয়্যার ব্যবহার করে, অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয় না।
• ক্লাউড কম্পিউটিং ও এর সুবিধা:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ডেটা ও কম্পিউটিং সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- এতে ডেটা সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ব্যবহার এবং কম্পিউটিং শক্তি ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায়।
- ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বিভিন্ন পরিষেবাকে সাধারণত চারটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা হয়।
• ১. ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যাজ আ সার্ভিস (IaaS – Infrastructure as a Service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল অবকাঠামো, যেমন— সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিং, ভাড়া দেওয়া হয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- উদাহরণ: Amazon EC2 (Elastic Compute Cloud), যেখানে বিভিন্ন ভার্চুয়াল মেশিন (VM) সরবরাহ করা হয়।
• ২. প্ল্যাটফর্ম অ্যাজ আ সার্ভিস (PaaS – Platform as a Service):
- এই মডেলে অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং পরিবেশ ও ডেভেলপমেন্ট টুল একসাথে সরবরাহ করা হয়।
- এতে ব্যবহারকারী সহজেই অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও ডিপ্লয় করতে পারে।
- নতুন অ্যাপ ডেভেলপারদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।
- উদাহরণ: Microsoft Azure, Google App Engine.
• ৩. সফটওয়্যার অ্যাজ আ সার্ভিস (SaaS – Software as a Service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে।
- ব্যবহারকারীকে সফটওয়্যার ইনস্টল বা রক্ষণাবেক্ষণের ঝামেলা পোহাতে হয় না।
- উদাহরণ: Google Apps, Dropbox, HubSpot।
• ৪. নেটওয়ার্ক অ্যাজ আ সার্ভিস (NaaS – Network as a Service):
- এই মডেলে নেটওয়ার্ক-সংক্রান্ত পরিষেবা, যেমন— নেটওয়ার্ক স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ করা হয়।
- ব্যবহারকারী ক্লাউডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক পরিষেবা গ্রহণ করতে পারে।
- উদাহরণ: Aryaka, Pertino, Smart WAN, VPN (Secure Virtual Private Network) পরিষেবা।
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর অতিরিক্ত সুবিধাসমূহ:
- স্কেলযোগ্যতা: প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই সেবা বাড়ানো বা কমানো যায়।
- খরচ-সাশ্রয়ী: প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করায় অতিরিক্ত খরচ কম হয়।
- সহজ ব্যবহার: ব্যবহারকারী সহজে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- ব্যবসায়িক সুবিধা: নতুন ব্যবসা বা স্টার্টআপ সহজেই প্রযুক্তিগত সুবিধা নিতে পারে।
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।