বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ক্লায়েন্ট সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং

মোট প্রশ্ন৪৩৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ক্লায়েন্ট সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৪৩৫

.
নিচের কোনটি পাবলিক ক্লাউডের উদাহরণ?
  1. Microsoft Azure
  2. Nutanix
  3. Amazon Web Services
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

Microsoft Azure এবং Amazon Web Services উভয়ই পাবলিক ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান।
- অপরদিকে, Nutanix মূলত প্রাইভেট ক্লাউড ও হাইব্রিড ক্লাউড সমাধান প্রদান করে, পাবলিক ক্লাউড নয়।
-পাবলিক ক্লাউডের সেবা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
-পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ, ও অন্যান্য রিসোর্সসমূহ বিনাখরচে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ:
১। যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড সেবা গ্রহণ করা যায়।
২। বিভিন্ন ধরণের রিসোর্স (হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়্যার ইত্যাদি) শেয়ার করে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানির খরচ কমানো যায়।
৩। কোম্পানির অপারেটিং খরচ তুলনামুলক কম।
৪। ক্লাউডে সংরক্ষিত তথ্য যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় এক্সেস করা যায় এবং তথ্য কীভাবে প্রসেস বা সংরক্ষিত হয় তা জানার প্রয়োজন হয় না।
৫। সহজে কাজকর্ম মনিটরিং এর কাজ করা যায় ফলে বাজেট ও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করা যায়।
৬। অধিক নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ সিস্টেম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
পৃথিবীর প্রথম কমপিউটিং মেশিনের নকশাকারি কে?
  1. স্যার চার্লস ব্যাবেজ
  2. লেডি এ্যাডা অগাস্টা ল্যাভ্লেস
  3. জন ভন নিউম্যান
  4. এইচ এডোয়ার্ড রবার্ট
ব্যাখ্যা

- চার্লস ব্যাবেজ পৃথিবীর প্রথম কমপিউটিং মেশিনের নকশাকারী। তাকে আধুনিক কম্পিউটারের জনকও বলা হয়।
- এইচ এডোয়ার্ড রবার্ট মাইক্রোকম্পিউটার এর জনক।
- লেডি এ্যাডা অগাস্টা ল্যাভ্লেস পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার।

.
কোনটি Pay-As-You-Go ক্লাউড মডেলের সুবিধা?
  1. পরিবর্তনশীল লোডের জন্য খরচ কার্যকর
  2. ব্যবহার ট্র্যাক করার প্রয়োজন নেই
  3. উচ্চ প্রাথমিক বিনিয়োগ
  4. সবসময় সীমাহীন রিসোর্স
ব্যাখ্যা

• Pay-As-You-Go (PAYG) ক্লাউড মডেলটি মূলত খরচ কার্যকর এবং নমনীয়তা প্রদান করে। এতে ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র ব্যবহৃত রিসোর্সের জন্যই অর্থ প্রদান করেন, যা বিশেষভাবে পরিবর্তনশীল লোড বা ট্রাফিকের জন্য উপযোগী। অর্থাৎ, হঠাৎ চাহিদা বাড়লেও অতিরিক্ত খরচ হয় না এবং কম ব্যবহারের সময় কম খরচ হয়। এই মডেলে কোনো উচ্চ প্রাথমিক বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই, এবং ব্যবহার ট্র্যাক না করলে খরচ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হতে পারে। এছাড়া, রিসোর্স সীমাহীন নয়; এটি প্রদানকৃত পরিমাণ অনুযায়ী সীমিত। তাই মূল সুবিধা হলো “পরিবর্তনশীল লোডের জন্য খরচ কার্যকর”।

সঠিক উত্তর: ক) পরিবর্তনশীল লোডের জন্য খরচ কার্যকর।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. Infrastructure-as-a-Service - IaaS:
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. Platform-as-a-Service - PaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. Software-as-a-Service - SaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

⚪ যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ক্লাউডে নিজের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ্লিকেশন ডিপ্লয় করতে চাইলে আপনি কোন সার্ভিস ব্যবহার করবেন?
  1. Amazon EC2
  2. Amazon RDS
  3. Google Workspace
  4. Salesforce
ব্যাখ্যা
• আপনি যদি ক্লাউডে নিজের অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপ্লিকেশন ডিপ্লয় করতে চান, তবে Amazon EC2 ব্যবহার করাই উপযুক্ত হবে। Amazon EC2 (Elastic Compute Cloud) হলো একটি IaaS (Infrastructure as a Service) সার্ভিস যা আপনাকে ভার্চুয়াল সার্ভার চালানোর সুযোগ দেয়। এখানে আপনি নিজে পছন্দমতো অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন করতে পারেন এবং নিজের অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল ও কনফিগার করতে পারেন। এটি সম্পূর্ণভাবে কাস্টমাইজযোগ্য এবং স্কেলযোগ্য, ফলে আপনার অ্যাপ্লিকেশনের প্রয়োজনে রিসোর্স বাড়ানো বা কমানো যায়। অন্যদিকে, Amazon RDS একটি ম্যানেজড ডেটাবেস সার্ভিস, Google Workspace অফিস টুলসের সমষ্টি, আর Salesforce একটি CRM প্ল্যাটফর্ম - এসব দিয়ে অপারেটিং সিস্টেম বা কাস্টম অ্যাপ ডিপ্লয় করা যায় না।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউডের অবস্থান বা বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্বতিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড:
- যে টাকা দিবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড। যেমন- আমাজনের EC2।
- এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
- Amazon, Microsoft পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত।

২. প্রাইভেট ক্লাউড:
- কোনো বড় সংস্থার নিজের বিভিন্নরকম সার্ভিস চালানোর জন্য নিজের ডেটা সেন্টারকেই ক্লাউড মডেল হিসেবে ব্যবহার করে, তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। 

৩. হাইব্রিড ক্লাউড:
- দুই বা ততোধিক অর্থাৎ প্রাইভেট এবং পাবলিক ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
ডোমেইন নাম হলো-
  1. ক) ওয়েব সাইটের একটি স্বতন্ত্র নাম
  2. খ) সার্ভারের নাম
  3. গ) ওয়েব ফাইলের নাম
  4. ঘ) ফোল্ডারের নাম
ব্যাখ্যা
• ডোমেইন নাম হলো ওয়েব সাইটের একটি স্বতন্ত্র নাম।
• ডোমেইন নাম:
আইপি অ্যাড্রেস নাম্বার দ্বারা লিখিত হয়। আইপি অ্যাড্রেস এর জন্য সংখ্যা মনে রাখা কষ্টকর। আইপি অ্যাড্রেসকে সহজে ব্যবহারযোগ্য করার জন্য ইংরেজি অক্ষরের কোন নাম ব্যবহার করা হয়। ক্যারেক্টার ফর্মের দেয়া কম্পিউটারের এরূপ নামকে ডোমেইন নেম বলে। যেমন-আইপি অ্যাড্রেস 173.248.140.183 এর পরিবর্তে www.rafkhata.com ডোমেইন নেম ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি পাবলিক ক্লাউড এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) IBM Blue Cloud
  2. খ) Sun Cloud
  3. গ) Google Cloud
  4. ঘ) HP Data Centers
ব্যাখ্যা

HP Data Centers- একটি প্রাইভেট ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।

- প্রাইভেট ক্লাউড- যখন বড় কোনো সংস্থা নিজেদের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্লাউড সিস্টেম ডেভেলোপ করে তখন তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে।
- এটি সাধারনত একটি সংস্থায় অভ্যন্তরীণভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা হয়।
- এটি ব্যক্তিগত প্রকৃতির কারণে অধিক সুরক্ষিত। এতে খরচ অনেক বেশি হয়, নিজস্ব ডেটা সেন্টার বসাতে হয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিজস্ব জনবল রাখার প্রয়োজন হয়।
- অপরদিকে, IBM Blue Cloud, Sun Cloud, এবং Google Cloud হল পাবলিক ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

.
Amazon Web Services (AWS) মূলত কী ধরনের পরিষেবা প্রদান করে?
  1. মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন
  2. ডেস্কটপ সফটওয়্যার
  3. ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা
  4. ওয়েব ব্রাউজার
ব্যাখ্যা

• Amazon Cloud Platform (Amazon Web Services – AWS):
- Amazon Cloud Platform, যা সাধারণভাবে Amazon Web Services (AWS) নামে পরিচিত, হলো অ্যামাজনের একটি ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা।
- এটি ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে সার্ভার, স্টোরেজ, ডাটাবেস, নেটওয়ার্ক এবং অন্যান্য কম্পিউটিং সুবিধা ব্যবহার করার সুযোগ দেয়।

• AWS এর মূল বৈশিষ্ট্য:
সার্ভার অন ডিমান্ড: ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী ভার্চুয়াল সার্ভার (EC2) চালাতে পারে।
স্টোরেজ সলিউশন: S3, EBS, Glacier-এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
ডাটাবেস সেবা: RDS, DynamoDB এর মাধ্যমে ক্লাউডে ডাটাবেস পরিচালনা।
নেটওয়ার্কিং ও নিরাপত্তা: Virtual Private Cloud (VPC), IAM, Security Groups।
স্কেলেবল ও ফ্লেক্সিবল: ব্যবসা বা অ্যাপ্লিকেশন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রিসোর্স সহজে বৃদ্ধি বা হ্রাস করা যায়।
পেমেন্ট মডেল: Pay-as-you-go অর্থাৎ শুধু ব্যবহারের জন্যই খরচ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে "মাল্টি-টেন্যান্সি" বলতে কী বুঝায়?
  1. শুধুমাত্র স্থানীয়ভাবে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়
  2. একাধিক ক্লাউড সার্ভিস প্রদান করা
  3. একই ফিজিক্যাল সার্ভারে একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন রান করা
  4. একাধিক অপারেটিং সিস্টেম রান করা
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে "মাল্টি-টেন্যান্সি" বলতে বোঝায় একই ফিজিক্যাল সার্ভারে একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন রান করা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিখ্যাত আ্যমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মাইক্রোসফট ও গুগল ২০০৮ সালে এবং আলিবাবা ২০০৯ সালে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand,
- Pay as you go

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান 
২. ব্রিটানিকা।
.
কোন কোম্পানি ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং শুরু করে?
  1. গুগল
  2. মাইক্রোসফট
  3. আমাজন ওয়েব সার্ভিস
  4. আইবিএম
ব্যাখ্যা

আমাজন ওয়েব সার্ভিস ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর অন্তর্ভুক্ত সেবা নয় কোনটি?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. BaaS
ব্যাখ্যা
• BaaS ক্লাউড কম্পিউটিং এর অন্তর্ভুক্ত সেবা নয়।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:

- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং মিশ্রিত অবকাঠামোর উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়? 
  1. হাইব্রিড ক্লাউড
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. পাবলিক ক্লাউড
  4. কমিউনিটি ক্লাউড
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing): 
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেট-ভিত্তিক প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারীদের দূরবর্তী বিশাল কম্পিউটার রিসোর্স ভাড়ায় ব্যবহারের সুযোগ দেয়। 
- এর মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও কম্পিউটিং কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়। আধুনিক প্রযুক্তি ও ব্যবসা এই ধারণার ওপর নির্ভরশীল। 
- বিনামূল্যে বা অর্থের বিনিময়ে পাওয়া এই সেবায় হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকে, আর ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে এসব সুবিধা গ্রহণ করেন। 
- এটি একটি সমন্বিত প্রযুক্তি, যা ব্যবহারকারী ও সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ের জন্য লাভজনক। 
- ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্ধতিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা-
১। প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud): 
- একক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় কিংবা থার্ড পার্টির ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয় যাতে অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, এ ধরনের ক্লাউডকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। 
- এ সব পরিচালনা অত্যন্ত ব্যয়বহুল, তবে অনেক বড় প্রতিষ্ঠানের অনেক শাখায় ডেটা সেন্টার না বসিয়ে একটিমাত্র ক্লাউড ডেটা সেন্টার স্থাপন করলে প্রতিষ্ঠানটির জন্য সাশ্রয়ী হয়। 

২। পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud): 
- জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ক্লাউডকে পাবলিক ক্লাউড বলে। 
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত সকলের বিনামূল্যে বা স্বল্প ব্যয়ে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ এবং অন্যান্য রিসোর্স ইত্যাদির সার্ভিসযুক্ত ক্লাউড-ই পাবলিক ক্লাউড। 
- Amazon, Microsoft এবং Google ইত্যাদি তাদের নিজস্ব ডেটা সেন্টারে পাবলিক ক্লাউডের অবকাঠামো স্থাপন ও পরিচালনা করার মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। 

৩। হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud): 
- দুই বা ততোধিক ধরনের ক্লাউডের (প্রাইভেট, পাবলিক বা কমিউনিটি) সংমিশ্রণই হলো হাইব্রিড ক্লাউড। 
- বিভিন্ন ধরনের ক্লাউড পৃথক বৈশিষ্ট্যের হলেও এক্ষেত্রে একই সাথে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করে। 
- ক্লাউড সার্ভিসের ক্ষমতাবৃদ্ধির জন্য একাধিক ক্লাউডকে একীভূত করা হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১২.
পাবলিক ক্লাউড ব্যবহার করলে সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি কী হতে পারে?
  1. অন্যান্য ব্যবহারকারীর সাথে রিসোর্স ভাগ করা
  2. ইন্টারনেট সংযোগ না থাকা
  3. বেশি প্রাথমিক খরচ
  4. সীমিত স্কেলেবিলিটি
ব্যাখ্যা

• পাবলিক ক্লাউড ব্যবহারের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি হলো অন্যান্য ব্যবহারকারীর সাথে রিসোর্স ভাগ করা। পাবলিক ক্লাউডে একাধিক গ্রাহক একই সার্ভার, স্টোরেজ বা নেটওয়ার্কের মতো রিসোর্স ব্যবহার করে, যা ‘মাল্টি-টেন্যান্সি’ নামে পরিচিত। এতে এক ব্যবহারকারীর ভুল বা দুর্বল নিরাপত্তা অন্য ব্যবহারকারীর ডেটা বা অ্যাপ্লিকেশনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যদিও ক্লাউড প্রদানকারীরা শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখে, তবুও হ্যাকিং, ডেটা লিক বা অ্যাক্সেস কন্ট্রোল সমস্যা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। অন্য অপশন গুলো- ইন্টারনেট সংযোগ না থাকা, বেশি প্রাথমিক খরচ বা সীমিত স্কেলেবিলিটি- নিরাপত্তা ঝুঁকির সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, বরং ব্যবহার ও খরচ সংক্রান্ত। তাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি হলো রিসোর্স ভাগাভাগি।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রকারভেদ:
- ক্লাউডের অবস্থান বা বিস্তৃতি অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং পদ্বতিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. পাবলিক ক্লাউড:
- যে টাকা দিবে, সেই সার্ভিস পাবে, এমন ক্লাউডকে বলা হয় পাবলিক ক্লাউড। যেমন- আমাজনের EC2।
- এটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত।
- Amazon, Microsoft পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত।

২. প্রাইভেট ক্লাউড:
- কোনো বড় সংস্থার নিজের বিভিন্নরকম সার্ভিস চালানোর জন্য নিজের ডেটা সেন্টারকেই ক্লাউড মডেল হিসেবে ব্যবহার করে, তাকে প্রাইভেট ক্লাউড বলে। 

৩. হাইব্রিড ক্লাউড:
- দুই বা ততোধিক অর্থাৎ প্রাইভেট এবং পাবলিক ক্লাউডের সংমিশ্রণকে হাইব্রিড ক্লাউড বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৩.
"Distributed Computing"-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. একাধিক কম্পিউটার ব্যবহার করে সমস্যা দ্রুত সমাধান
  2. একটি মেশিনের মেমোরি ব্যবহার কমানো
  3. সিপিইউ ক্লক স্পিড বাড়ানো
  4. সব ক্লাউড সার্ভারকে একটি কম্পিউটারে প্রতিস্থাপন করা
ব্যাখ্যা

• "Distributed Computing" বা বিতরণকৃত কম্পিউটিং-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো জটিল সমস্যা সমাধান বা বড় ডেটা প্রসেসিং কাজকে একাধিক কম্পিউটারে ভাগ করে দ্রুত এবং কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা। এতে কাজগুলো সমান্তরালভাবে চলে, ফলে একটি একক কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা যেমন কম মেমোরি বা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতার সমস্যা এড়ানো যায়। এছাড়া, সিস্টেমের নির্ভরযোগ্যতা ও স্কেলেবিলিটিও বৃদ্ধি পায়, কারণ কোনো একটি কম্পিউটার ব্যর্থ হলেও অন্যগুলো কাজ চালিয়ে যেতে পারে। তাই Distributed Computing-এর মূল লক্ষ্য হলো একাধিক কম্পিউটার ব্যবহার করে সমস্যা দ্রুত সমাধান করা, যা অপশন গুলোর মধ্যে ক) একাধিক কম্পিউটার ব্যবহার করে সমস্যা দ্রুত সমাধান।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল, যাতে ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা:

১. Resurce Flexibility/Scalability (যত চাহিদা ক্ষত সার্ভিস):
- ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছায় যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র তার জন্য পেমেন্ট করতে হবে।
- বৈশিষ্ট থেকে বলা যায় গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী, ইউটিলিটি-ভিত্তিক কম্পিউটিং পরিষেবা প্রদানের জন্য কোন প্রযুক্তিটি Distributed Computing এর একটি দৃষ্টান্ত হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

১৪.
কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা ব্যবহারকারীকে চাহিদা অনুযায়ী ভার্চুয়াল মেশিনের ভাড়া প্রদান করে?
  1. ক) Infrastructure as a Service (IaaS)
  2. খ) Platform as a Service (PaaS)
  3. গ) Software as a Service (SaaS)
  4. ঘ) Storage as a Service (STaaS)
ব্যাখ্যা

সেবার মান অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 

সেবার ধরণ (Service Model) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস ৩ প্রকার। যথা-
১. Infrastructure as a Service-laaS
২. Platform as a Services-PaaS
৩. Software application as a Service-SaaS

১. Infrastructure as a Service-laaS
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক
কম্পিউটিং রিসাের্স ভাড়া দেয়, যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়ােজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও
সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

২. Platform as a Services-PaaS
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়ােজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম,
ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রােগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। অ্যাপ্লিকেশন
ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. Software application as a Service-SaaS
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারে।

=========

IaaS provides users with virtualized computing resources, such as virtual machines, storage, and networking, which can be rented and accessed over the internet on an as-needed basis.

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান; Massachusetts Institute of Technology (MIT)

১৫.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রধান সার্ভিস মডেল নয় কোনটি?
  1. Infrastructure as a Service
  2. Platform as a Service
  3. Software as a Service
  4. Hardware as a Service
ব্যাখ্যা
• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে। 
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্ধাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সার্ভিস মডেল অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. DaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. IaaS
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সাধারণত তিনটি প্রধান সার্ভিস মডেল রয়েছে: IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service), এবং SaaS (Software as a Service)। IaaS ব্যবহারকারীদের ভার্চুয়ালাইজড হার্ডওয়্যার এবং নেটওয়ার্ক সুবিধা প্রদান করে, PaaS সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং ডিপ্লয়মেন্টের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে, আর SaaS ব্যবহারকারীদের সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। তবে DaaS (Desktop as a Service) মূলত ক্লাউড-ভিত্তিক ডেস্কটপ প্রদান করে, যা মূল তিনটি সার্ভিস মডেলের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে DaaS ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান সার্ভিস মডেল হিসেবে গণ্য হয় না।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service):
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।

উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service):
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।

উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

৩. SaaS (Software as a Service):
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।

উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭.
কোন কোম্পানি ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস হিসেবে OneDrive চালু করেছে?
  1. Amazon
  2. Apple
  3. Google
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা
• OneDrive হলো Microsoft কোম্পানির ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস। এটি ব্যবহারকারীদের ফাইল, ছবি এবং ডকুমেন্ট অনলাইনে সংরক্ষণ এবং যেকোনো ডিভাইস থেকে সহজে অ্যাক্সেস করার সুযোগ দেয়। Microsoft তাদের অফিস 365 স্যুটের সাথে OneDrive কে যুক্ত করে ব্যবহারকারীদের একাধিক সুবিধা প্রদান করে থাকে। এই সার্ভিসটি ব্যক্তিগত এবং ব্যবসায়িক উভয় প্রয়োজনে ব্যবহার করা হয়, যেখানে ফাইল শেয়ারিং এবং রিয়েল-টাইম সহযোগিতাও সহজ হয়। OneDrive এর মাধ্যমে ডেটা সুরক্ষা ও ব্যাকআপ নিশ্চিত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্লাউড স্টোরেজ হিসেবে OneDrive চালু করেছে Microsoft কোম্পানি।

• Dropbox: 
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৮.
অ্যাপল এর ক্লাউড সেবা চালু হয় কত সাল থেকে?
  1. ক) ২০০৬
  2. খ) ২০০৮
  3. গ) ২০১০
  4. ঘ) ২০১১
ব্যাখ্যা
ক্লাউড সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান :

- অ্যামাজন এর AWS (৩ মার্চ, ২০০৬)।
- গুগুল এর Google Cloud Platform (৭ এপ্রিল, ২০০৮)।
- মাইক্রোসফট এর Azure (১ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)।
- অ্যাপল এর iCloud (১২ অক্টোবর, ২০১১)।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।
১৯.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সার্ভিস মডেলের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. SaaS
  2. OaaS
  3. PaaS
  4. IaaS
ব্যাখ্যা

• OaaS মডেলটি ক্লাউড কম্পিউটিং- এর সার্ভিস মডেল নয়। 

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে। 
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সেবা নয়?
  1. IaaS
  2. SaaS
  3. PaaS
  4. YaaS
ব্যাখ্যা
YaaS ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সেবা নয়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service)
এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
Amazon EC2,
Google Cloud Storage,
Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
Google App Engine,
Microsoft Azure App Services,
Heroku,
Salesforce Platform.

৩. SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
Google Docs,
Microsoft 365,
Lotus,
Yahoo!mail,
Zoho.

ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১.
Google Docs কোন ধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

◉ Google Docs একটি ক্লাউড-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ওয়ার্ড প্রসেসিং, স্প্রেডশীট এবং অন্যান্য প্রোডাক্টিভিটি টুল ব্যবহার করতে দেয়। এটি SaaS মডেলের অন্তর্গত কারণ। 

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে। অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২.
কোন ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের প্রয়োগ দেখা যায়?
  1. MAN
  2. WAN
  3. LAN
  4. PAN
ব্যাখ্যা
• ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক মূলত LAN (Local Area Network)-এ বেশি ব্যবহৃত হয়। একটি LAN সাধারণত একটি অফিস, স্কুল, বা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে সীমিত এলাকায় স্থাপিত হয় যেখানে অনেকগুলো কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সংযুক্ত করা হয়। এখানে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে, যা ফাইল, প্রিন্টার, ডাটাবেস বা অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুযোগ প্রদান করে এবং অন্যান্য কম্পিউটারগুলো ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি প্রতিষ্ঠানে সার্ভার থেকে কর্মীরা তথ্য সংগ্রহ বা শেয়ার করে থাকে। LAN ব্যবহারের ফলে ডাটা শেয়ারিং সহজ হয়, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় এবং নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়। তাই LAN-এই ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কের প্রধান প্রয়োগ দেখা যায়।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- LAN এর ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।
- LAN এর ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) পটুয়াখালী
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
দেশে বর্তমানে ২ টি সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন রয়েছে।
প্রথমটি ঝিলিংঝা, কক্সবাজার ও দ্বিতীয়টি কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।
সূত্রঃ সমকাল ও যুগান্তর
২৪.
কোন প্রতিষ্ঠান ২০০৬ সালে বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহার শুরু করে? 
  1. গুগল
  2. মাইক্রোসফট 
  3. অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস 
  4. আইবিএম 
ব্যাখ্যা

ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। 
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে। 
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়। 
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে। 
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া। 

- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে। এভাবেই ক্লাউড কম্পিউটিং জন সাধারণের হাতের মুঠোয় আসে। 
- যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে- 
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি: 
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে। 
২. অন-ডিমান্ড: 
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে। 
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো: 
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে। 

উৎস:
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৫.
কোনটি SaaS সফটওয়্যার নয়?
  1. Microsoft 365
  2. Google App Engine
  3. Google Docs
  4. Zoho
ব্যাখ্যা
Google App Engine হচ্ছে একটি PaaS সফটওয়্যার।

• SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

• PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৬.
নিচের কোন সেবাটি Cloud Computing ব্যবহারকারীরা ভোগ করতে পারে?
  1. ক) Resource Flexibility
  2. খ) On Demand
  3. গ) Pay as you go
  4. ঘ) Above all
ব্যাখ্যা
- অপশনের সকল সার্ভিস Cloud Computing ব্যবহারকারীরা ভোগ করতে পারে।

Cloud Computing:

- এমন একটি ইন্টারনেট সেবা যা কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কম্পিউটিং এর চাহিদাকে পূরণ করে।
- এটি একটি ব্যবসায়িক মডেল, যার দ্বারা ব্যবহারকারী এবং সার্ভিস প্রদানকারী উভয়ই ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হয়।
- ‘Cloud’ শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত। এখানে Cloud অর্থ হচ্ছে মেঘ। 

নিচের সেবাগুলো Cloud Computing ব্যবহারকারীরা ভোগ করে থাকে:
Resource Flexibility: 
- যত চাহিদা তত সার্ভিস দিতে সক্ষম
- ছোট কিংবা বড় যেকোন ক্রেতার সব রকম চাহিদা মেটানো হয়ে থাকে। 
- ক্রেতা তার সুবিধামত সেবা কমাতে বা বাড়াতে পারে।

On Demand: 

- যখন চাহিদা তখন সার্ভিস দিতে সক্ষম 
- ক্রেতা যখন সেবা চাইবে সার্ভিসদাতা তখনই সেবা দিতে পারবে।

Pay as you go: 

- এটি একটি পেমেন্ট মডেল 
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবল তার জন্যে পেমেন্ট করবে। 

সোর্স:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৭.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা নয়?
  1. ক) সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়
  2. খ) নিজস্ব কোন হার্ডওয়ারের প্রয়োজন হয় না
  3. গ) অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই সুবিধা
ব্যাখ্যা
সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়, নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যারের প্রয়োজন হয় না, অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম থাকে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়ে থাকে ইত্যাদি ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ। উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৮.
Which of the following is not part of cloud computing?
  1. Public Cloud
  2. Private Cloud
  3. Hybrid Cloud
  4. Local Cloud 
ব্যাখ্যা

Local Cloud is not part of cloud computing.

ক্লাউডের প্রকারভেদ
- ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারকারীর ধরন অনুযায়ী তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

পাবলিক ক্লাউড (Public Cloud)
- পাবলিক ক্লাউড হলো এমন ক্লাউড যা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত।
- যে কেউ অর্থ দিয়ে এই সার্ভিস ব্যবহার করতে পারে।
- উদাহরণ হিসেবে বলা যায় আমাজনের EC2।
- সুবিধা হলো যে কেউ সহজেই সার্ভিস নিতে পারে।
- অসুবিধা হলো একাধিক ব্যবহারকারী একই সার্ভারে থাকায় নিরাপত্তার ঝুঁকি থাকে।
- Microsoft, Google প্রভৃতি প্রতিষ্ঠান এই ধরনের ক্লাউড পরিচালনা করে।

প্রাইভেট ক্লাউড (Private Cloud)
- প্রাইভেট ক্লাউড হলো কোনো বড় সংস্থার নিজস্ব সার্ভিস পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত ক্লাউড।
- সংস্থার নিজস্ব ডেটা সেন্টারকে ক্লাউড মডেলে ব্যবহার করা হয়।
- সমস্যা হলো খরচ বেশি এবং ডেটা সেন্টার পরিচালনার জন্য মানুষ প্রয়োজন।
- সুবিধা হলো একাধিক ডিপার্টমেন্টের জন্য আলাদা ডেটা সেন্টার না বসিয়ে একটিকেই ভাগাভাগি করে ব্যবহার করা যায়।

হাইব্রিড ক্লাউড (Hybrid Cloud)
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক ও প্রাইভেট ক্লাউডের সংমিশ্রণ।
- প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয় প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে।
- অতিরিক্ত চাহিদা হলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেওয়া হয়।
- খরচ পাবলিক ক্লাউডের তুলনায় বেশি।
- সুবিধা হলো স্থানীয়ভাবে কাজ করা যায়, আর প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত চাহিদা পূরণ করা যায় পাবলিক ক্লাউডের মাধ্যমে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 

২৯.
'কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেটে হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া' - কোনটির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) ক্লায়েন্ট সার্ভার
  2. খ) ওয়েব সার্ভার
  3. গ) ক্লাউড কম্পিউটিং
  4. ঘ) ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেম
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া।
যেমন- কোন প্রতিষ্ঠানের একটি ওয়েব সাইট রয়েছে এবং এই ওয়েব সাইটে একটি ব্লগ চলবে। ব্লগের অধিকাংশ ব্লগার এবং ভিজিটর বাংলাদেশের। বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টা হতে রাত ১২টা পর্যন্ত এই ব্লগে ব্যবহারকারী বেশি থাকে। এর মধ্যে রাত ৮টা হতে রাত ১২টা পর্যন্ত ব্যবহারকারীর সংখ্যা খুব বেশি থাকে, ফলে ঐ সময় সার্ভারে খুব চাপ পড়ে, এই লোড কমানোর জ্য ৩/৪টি সার্ভার ব্যবহার করতে হয়, কিন্তু অন্য সময়ে লোড কম থাকার ফলে ১টি সার্ভারেই কাজ হয়।
তাহলে ঐ প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটটি চালানোর জন্য ২৪ ঘন্টাই ৩/৪টি সার্ভার ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না, শুধুমাত্র যে সময়ে লোড বেশি থাকে সে সময়ের জন্যই অতিরিক্ত সার্ভারগুলি ভাড়া নিতে পারলেই অনেক খরচ বেঁচে যায়। এতে করে সার্ভার ভাড়া দেয়া কোম্পানিও ফ্রি সময়ে তাদের সার্ভারগুলি অন্য প্রতিষ্ঠানের নিকট ভাড়া দিতে পারছে।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩০.
Google Docs is an example of which cloud service?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. DaaS
ব্যাখ্যা
Google Docs is an example of SaaS (Software as a Service) cloud service.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service)
এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।
উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।
উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

৩. SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।
উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩১.
What is the term used to describe the ability to easily increase or decrease the amount of resources used in cloud computing?
  1. ক) Flexibility
  2. খ) Scalability
  3. গ) Elasticity
  4. ঘ) Agility
ব্যাখ্যা
Elasticity refers to the ability to quickly and easily scale up or down the amount of resources used in cloud computing, such as increasing the number of virtual machines or the amount of storage, to meet changing demand.

Reference: Harvard University website
৩২.
কোনটি অনলাইন স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
  1. Google Photos
  2. USB Flash Drive
  3. Backblaze
  4. Apple iCloud
ব্যাখ্যা

• অনলাইন স্টোরেজ বা ক্লাউড স্টোরেজ হলো এমন একটি সেবা যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফাইল, ছবি, ভিডিও বা অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। Google Photos, Backblaze এবং Apple iCloud এই ধরনের ক্লাউড সেবা, যেখানে ব্যবহারকারী যেকোনো স্থানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তার ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে। তবে USB Flash Drive অনলাইন স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম নয়। এটি একটি ফিজিক্যাল ডিভাইস, যেখানে তথ্য সংরক্ষণ করা হয় এবং সরাসরি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহার করতে হয়। তাই USB Flash Drive ক্লাউড বা অনলাইন স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, এটি শুধুমাত্র লোকাল বা পোর্টেবল স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।

- উত্তর: খ) USB Flash Drive.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৩৩.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কোন আর্কিটেকচার অনুযায়ী গড়ে উঠেছে?
  1. Event-Driven Architecture
  2. Layered Architecture
  3. Peer-to-Peer (P2P) Architecture
  4. Client-server architecture
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web):
- World Wide Web বা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর সংক্ষিপ্ত রূপ WWW। একে ওয়েবও বলে।
- ওয়েব হলো এমন একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো ওয়েব সার্ভারের মধ্যকার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- এসব ওয়েব সার্ভারগুলোতে সারা বিশ্বের ওয়েব পেজগুলো সংরক্ষিত থাকে।
- মূলত সারা বিশ্বের ওয়েব পেজগুলোর সংগ্রহই হলো ওয়েব।
- ১৯৮৯ সালে যুক্তরাজ্যের Sir Tim Berners Lee ও Sir Sam Walker এবং বেলজিয়ামের Robert Cailiau সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত CERN (The European Center for Nuclear Research)-এ ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের আবিষ্কার করেন।
- তবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে Mosaic নামক গ্রাফিক্যাল ওয়েব ব্রাউজার আবিষ্কারের এক বছর পর।

ওয়েব যেভাবে কাজ করে: 
- ওয়েব ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচার অনুযায়ী গড়ে উঠেছে।
- এর অর্থ হচ্ছে ক্লায়েন্ট কম্পিউটার ওয়েব ব্রাউজার এর মাধ্যমে প্রোগ্রামটি বা ওয়েবটি রান করে অনুরোধ (Request) পাঠাবে সার্ভারে।
- সার্ভার, ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের অনুরোধকৃত তথ্যটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের ব্রাউজারের কাছে পাঠিয়ে দেবে এবং ব্রাউজার তা অনুবাদ করে স্ক্রিনে প্রদর্শন করবে।
- আর এভাবেই ওয়েব ব্রাউজার তার কার্যক্রম সম্পাদিত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
কোনটি ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস?
  1. Google Drive
  2. Dropbox
  3. OneDrive
  4. উপরের সবগুলি
ব্যাখ্যা

◉ ক্লাউড স্টোরেজ হলো একটি অনলাইন ডাটা স্টোরেজ সিস্টেম, যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডাটা সংরক্ষণ, অ্যাক্সেস এবং শেয়ার করতে পারেন।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড স্টোরেজের কিছু সুবিধা:
i) Remote Access – যে কোনো জায়গা থেকে ফাইল অ্যাক্সেস করা যায়।
ii) Automatic Backup – ডাটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেভ থাকে।
iii) Collaboration – একাধিক ব্যবহারকারী একই ফাইলে কাজ করতে পারে।
iv) Security & Encryption – ক্লাউডে সংরক্ষিত ডাটা সুরক্ষিত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৩৫.
সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. Amazon
  2. Apple
  3. Alibaba
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• Amazon হলো সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠান যারা বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা শুরু করে।
- ২০০৬ সালে Amazon Web Services (AWS) নামক সেবা চালু করে, যা ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রথম বড় বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।
- Amazon ক্লাউড কম্পিউটিং এর মাধ্যমে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা স্টোরেজ, কম্পিউটিং ক্ষমতা এবং অন্যান্য সেবা সরবরাহ শুরু করে, যা অন্যান্য অনেক কোম্পানির জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়।

অপশন আলোচনা:
• Microsoft: তাদের ক্লাউড সেবা Azure চালু করেছে পরবর্তীতে (২০১০ সালে)।
• Alibaba: তাদের ক্লাউড সেবা Alibaba Cloud চালু করেছে (২০০৯ সালে)।
• Apple: তাদের iCloud সেবা চালু করেছে (২০১১ সালে), তবে এটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহৃত সেবার শুরু নয়।

তাহলে, Amazon ছিল ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রথম বাণিজ্যিক ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান

৩৬.
সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্কে 'হোস্ট' বলতে কী বোঝায়?
  1. টার্মিনাল
  2. স্টোরেজ ডিভাইস
  3. ডেটাবেজ
  4. প্রধান কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্কে 'হোস্ট' বলতে প্রধান কম্পিউটারকে বোঝায়।

• সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network):
- সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রধান কম্পিউটারটিকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।

• হোস্ট ও টার্মিনাল সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ককে ২ ভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা।
১. সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network)
২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩৭.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল নয়? 
  1. SaaS
  2. PaaS
  3. HaaS
  4. IaaS
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল নয়- HaaS । 

ক্লাউড কম্পিউটিং: 

- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ। আসলে ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল। 
- আকাশে সর্বত্র যেভাবে মেঘ ছড়িয়ে আছে, ইন্টারনেটও ঠিক তেমনিভাবে সর্বত্র জালের মত ছড়িয়ে আছে। 
- ইন্টারনেটের মেঘ থেকে সর্বনিম্ন খরচে সর্বোচ্চ সুবিধা পাওয়ার উপায় বের করতে গিয়েই ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্ম হয়। 
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে। 

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল: 
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। 
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 
অর্থাৎ, SaaS ক্লাউড সার্ভিস মডেলটি ব্যবহারকারীদের সরাসরি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন চালানোর সুযোগ দেয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর জন্য সত্য নয় কোনটি?
  1. ক) স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট হয়
  2. খ) তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বেশি
  3. গ) অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম
  4. ঘ) ক্লাউড সার্ভিস সার্বক্ষণিক ব্যবহারযােগ্য
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা-
ক্লাউড সার্ভিস সার্বক্ষণিক ব্যবহারযােগ্য,
-যে কোনাে জায়গা থেকে ডেটা আপলােড ও ডাউনলােড করা যায়,
-নিজস্ব হার্ডওয়্যার খুব বেশি প্রয়োজন হয় না,
-অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম,
-স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট হয়ে থাকে ইত্যাদি।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধাঃ
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে তথ্যের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা কম। তথ্য বা ডেটার উপর এবং প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যারের উপর ব্যবহারকারীর একক নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
৩৯.
কোন নেটওয়ার্ককে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক বলা হয়?
  1. Peer to Peer Network
  2. Hybride Network
  3. Personal Network Area
  4. Client-Server Network
ব্যাখ্যা
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক কে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):

- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়। 

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):

- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
নিজের কোনটি ক্লাউড স্টোরেজ নয়?
  1. গুগল ড্রাইভ
  2. ওয়ান ড্রাইভ
  3. হার্ড ড্রাইভ
  4. ড্রপবক্স
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা- Resource Scalability, On Demand এবং Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৪১.
যে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে তাকে বলে -
  1. ক) পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network)
  2. খ) হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)
  3. গ) ডোমেইন নেটওয়ার্ক (Domain Network)
  4. ঘ) ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
ব্যাখ্যা
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে নেটওয়ার্কভুক্ত সকল কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
এই ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট এবং এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
এখানে সাধারণত কোন ডেডিকেটেড সার্ভার থাকে না।

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে অর্থাৎ এটি সার্ভার হিসেবে কাজ করে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটার ক্লায়েন্ট হিসেবে এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।

আর হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
৪২.
Azure কী?
  1. ক) Google Cloud
  2. খ) Microsoft Cloud Platform
  3. গ) Amazon Web Services
  4. ঘ) Oracle Cloud
ব্যাখ্যা
• Azure হলো Microsoft Cloud Platform.
- এটিকে Microsoft Azure বলা হয়।

Microsoft Azure:
- Microsoft-এর ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম Microsoft Azure.
- ফেব্রুয়ারি ১, ২০১০ সালে Microsoft Azure বণিজ্যিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- Microsoft Azure ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেলের Platform-as-a-Service (PaaS) এর অন্তর্ভুক্ত।

প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft Azure website.
৪৩.
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের "Hypervisor" কোনটির জন্য দায়ী?
  1. ভার্চুয়াল মেশিন ম্যানেজমেন্ট
  2. ক্লাউড নেটওয়ার্ক ট্র্যাকিং
  3. ডেটা এনক্রিপশন
  4. কানেকশন লোড ব্যালেন্সিং
ব্যাখ্যা

◉ Hypervisor হল একটি সফটওয়্যার, যা একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন (VM) তৈরি ও পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়।
এটি ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার ও ভার্চুয়াল মেশিনগুলোর মধ্যে একটি স্তর হিসেবে কাজ করে, যাতে একাধিক অপারেটিং সিস্টেম একই হার্ডওয়্যার প্ল্যাটফর্মে চালানো যায়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। Amazon Web Services ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৪৪.
PaaS দ্বারা কী বুঝায়?
  1. Platform as a Services
  2. Program as a Services
  3. Pay as a Services
  4. Private Services
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল বা সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

1. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-laaS) 
2. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS)
3. সফ্টওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS)

প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
 
৪৫.
IaaS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Infrastructure as a Server
  2. Information as a Server
  3. Information as a Service
  4. Infrastructure as a Service
ব্যাখ্যা
• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-
১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে। 
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PanS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৬.
Direct to Home (DTH) প্রযুক্তি হলো-
  1. ক) সরাসরি তথ্যের আদান-প্রদান প্রযুক্তি
  2. খ) বাড়িতে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ প্রযুক্তি
  3. গ) স্যাটেলাইট টিভি প্রযুক্তি
  4. ঘ) হোম থিয়েটার প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
কেবল লাইনের সংযোগ ছাড়াই স্যাটেলাইট টিভি দেখার উন্নত প্রযুক্তি হচ্ছে ডিটিএইচ। সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে সংকেত গ্রহণের মাধ্যমে বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখা যায় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে। সূত্রঃ প্রথম আলো।
৪৭.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রসঙ্গে “edge computing” বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. এটি একটি ক্লাউড নিরাপত্তা ফায়ারওয়াল
  2. পুরনো ক্লাউড সার্ভার ব্যবহার করা
  3. ডেটার কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
  4. এটি ক্লাউড বিল নির্ধারণের একটি টুল
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রসঙ্গে “এজ কম্পিউটিং (Edge Computing)” বলতে বোঝানো হয় ডেটা সেন্টারের পরিবর্তে ব্যবহারকারীর বা ডিভাইসের কাছাকাছি স্থানে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ। সাধারণত ক্লাউড কম্পিউটিং-এ সব ডেটা দূরবর্তী সার্ভারে পাঠিয়ে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়, যা অনেক সময় নেটওয়ার্ক লেটেন্সি বা বিলম্ব সৃষ্টি করে। এজ কম্পিউটিং এই সমস্যা কমায়, কারণ ডেটা উত্সের নিকটে প্রক্রিয়াকরণ হয়, ফলে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিক্স সম্ভব হয়। এটি ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT), স্বয়ংচালিত যানবাহন, স্মার্ট সিটি ইত্যাদিতে বিশেষভাবে কার্যকর। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ডেটার কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেকনোলজি (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-

১.রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• এজ কম্পিউটিং (Edge Computing):
- এজ কম্পিউটিং হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্লাউড সার্ভারে নয়, বরং ব্যবহারকারী বা ডেটা উৎসের কাছাকাছি স্থানে সম্পন্ন করা হয়।  
- এটি ডেটা ট্রান্সফারের সময় কমায় এবং দ্রুত রেসপন্স প্রদান করে।  
- সাধারণত সেন্সর, আইওটি (IoT) ডিভাইস বা লোকাল সার্ভারের মাধ্যমে ডেটা প্রক্রিয়া করা হয়।  
- এই প্রযুক্তি ক্লাউডের উপর নির্ভরতা কমিয়ে দক্ষতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে।  
- উদাহরণস্বরূপ, স্বয়ংচালিত গাড়ি, স্মার্ট সিটি বা রিয়েল-টাইম মনিটরিং সিস্টেমে এজ কম্পিউটিং ব্যবহৃত হয়।  
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে, প্রতিস্থাপন নয়।  

সুতরাং, এজ কম্পিউটিং বলতে বোঝায় ডেটা উৎস বা ব্যবহারকারীর কাছাকাছি স্থানে গণনা সম্পন্ন করা।  

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IBM [link]

৪৮.
SaaS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Server as a service
  2. খ) Storage as a service
  3. গ) Software as a service
  4. ঘ) Server as a storage
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: 

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a service - laaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার (Software/application as a service - SaaS):
-  ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯.
ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় সার্ভারের মূল ভূমিকা কোনটি?
  1. অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করা
  2. ডেটা সরবরাহ করা
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার ইনস্টল করা
  4. ডিভাইসের হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করা
ব্যাখ্যা

• সার্ভার ক্লায়েন্টের অনুরোধ অনুযায়ী ডেটা, রিসোর্স বা সেবা সরবরাহ করে। যেমন— ওয়েব সার্ভার ওয়েবপেজ দেয়, ডাটাবেজ সার্ভার তথ্য সরবরাহ করে।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক: 
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫০.
টুইটারের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) মার্ক জাকারবার্গ
  2. খ) রেইড হকম্যান
  3. গ) জাওয়াদুল করিম
  4. ঘ) জ্যাক ডর্সি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
টুইটার সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের একটি ওয়েবসাইট। ২০০৬ সালের মার্চ মাসে টুইটারের যাত্রা শুরু হলেও জুলাই মাসে জ্যাক ডর্সি আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করেন। উৎসঃ আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি
৫১.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সেবার ধরন নয়?
  1. IaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. HaaS
ব্যাখ্যা

HaaS ক্লাউড কম্পিউটিং-এর সেবার ধরন নয়।

সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
১. IaaS (Infrastructure as a Service)
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের অবকাঠামোগত সেবা।
- এখানে ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ইত্যাদি ভাড়া দেয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার ইনস্টল করে চালাতে পারেন।

• উদাহরণ:
- Amazon EC2,
- Google Cloud Storage,
- Rackspace.

২. PaaS (Platform as a Service)
- এটি একটি প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা।
- এখানে ডেভেলপাররা নিজের অ্যাপ তৈরি ও চালাতে পারেন, কিন্তু সার্ভার/ওএস মেইনটেইন করতে হয় না।
- ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, OS, ডেটাবেজ, ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি সরবরাহ করে।

• উদাহরণ:
- Google App Engine,
- Microsoft Azure App Services,
- Heroku,
- Salesforce Platform.

৩. SaaS (Software as a Service)
- এটি একটি সম্পূর্ণ সফটওয়্যার সেবা।
- ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
- আলাদা করে ইনস্টল করার দরকার পড়ে না।

• উদাহরণ:
- Google Docs,
- Microsoft 365,
- Lotus,
- Yahoo!mail,
- Zoho.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫২.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুফল কোনটি?
  1. ক) সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য
  2. খ) ইন্টারনেট সংযোগ লাগে না
  3. গ) এ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়
  4. ঘ) তথ্যের গোপনীয়তা বজায় থাকে
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের “ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)” এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিচের ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি : ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড : ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো : এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
এক কথায় বলা যায়, কম্পিউটার ও ডাটা স্টোরেজ সহজে, ক্রেতার সুবিধামত চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলো ক্লাউড কম্পিউটিং।

৫৩.
ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস মডেল (PaaS) এর অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. Dell Servers
  2. Microsoft Windows OS
  3. Amazon S3
  4. Google App Engine
ব্যাখ্যা

•একটি PaaS (Platform as a Service) প্রদানকারী এমন একটি ক্লাউড পরিষেবা, যা ডেভেলপারদের অ্যাপ তৈরি, চালানো ও ডিপ্লয় করার জন্য সম্পূর্ণ প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে। এতে হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ডাটাবেস, রানটাইম এবং ডেভেলপমেন্ট টুলসহ সবকিছু প্রস্তুত থাকে, ফলে ব্যবহারকারীকে অবকাঠামো ব্যবস্থাপনা নিয়ে ভাবতে হয় না।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Google App Engine হলো একটি প্রকৃত PaaS পরিষেবা, কারণ এটি কোড আপলোড করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্কেলিং, লোড ব্যালান্সিং এবং রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট করে। অন্যদিকে Dell Servers হার্ডওয়্যার, Microsoft Windows OS একটি অপারেটিং সিস্টেম এবং Amazon S3 স্টোরেজ পরিষেবা। তাই সঠিক উত্তর ঘ) Google App Engine.

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে। এ সব সার্ভিস মডেলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১। অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
- এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়। অ্যামাজন-এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল। EC2-এর প্রতিটি সার্ভারে 1 থেকে 4 টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলোই ভাড়া নিয়ে থাকেন। ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতো অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে
পারেন।

২। প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
- এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Google -এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

৩। সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়‍্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়। এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ (আলিম শ্রেণি)।

৫৪.
নিম্নের কোনটি ক্লাউড সার্ভিস মডেলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়?
  1. Infrastructure as a Service (IaaS)
  2. Platform as a Service (PaaS)
  3. Software as a Service (SaaS)
  4. Website as a Service (WaaS)
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড সার্ভিস মডেল মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত: IaaS, PaaS, এবং SaaS. Infrastructure as a Service (IaaS) ব্যবহারকারীর জন্য ভার্চুয়ালাইজড হার্ডওয়্যার সরবরাহ করে, যেমন সার্ভার ও স্টোরেজ। Platform as a Service (PaaS) ডেভেলপারদের জন্য সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে। Software as a Service (SaaS) ব্যবহারকারীদের সরাসরি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন ব্রাউজারের মাধ্যমে ব্যবহার করার সুবিধা দেয়। তবে, Website as a Service (WaaS) কোনো স্বীকৃত ক্লাউড সার্ভিস মডেল নয়; এটি মূলত একটি বিপণনধর্মী টার্ম যা ওয়েবসাইট হোস্টিং বা ডিজাইন পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত।
- তাই ক্লাউড সার্ভিস মডেলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় ঘ) WaaS.

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়‍্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফ্টওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫.
How does Cloud computing differ from traditional computing?
  1. ক) Cloud computing is networking device
  2. খ) Cloud computing is more expensive
  3. গ) Cloud computing is less flexible
  4. ঘ) Cloud computing is based on a delivery of computing services over the Internet
ব্যাখ্যা
-  Cloud computing refers to the delivery of computing services—including servers, storage, databases, networking, software, analytics, and intelligence—over the Internet (“the cloud”) to offer faster innovation, flexible resources, and economies of scale.
- Traditional computing typically refers to the traditional model of deploying and maintaining computer hardware and software on-premises.

Reference: https://aws.amazon.com/what-is-cloud-computing/
৫৬.
কোন ক্লাউড মডেলে সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিং ভাড়া দেওয়া হয়?
  1. NaaS
  2. PaaS
  3. SaaS
  4. IaaS
ব্যাখ্যা

• IaaS (Infrastructure as a Service)→ IaaS মডেলে সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিংসহ ভার্চুয়াল অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
- NaaS (Network as a Service) → NaaS কেবল নেটওয়ার্ক-সংক্রান্ত পরিষেবা প্রদান করে, সম্পূর্ণ অবকাঠামো নয়।
- PaaS (Platform as a Service)→ PaaS মডেলে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টের জন্য প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়, অবকাঠামো নয়।
- SaaS (Software as a Service)→ SaaS মডেলে ব্যবহারকারী সরাসরি সফটওয়্যার ব্যবহার করে, অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয় না।

• ক্লাউড কম্পিউটিং ও এর সুবিধা:

- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে ব্যবহারকারীরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ডেটা ও কম্পিউটিং সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- এতে ডেটা সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ব্যবহার এবং কম্পিউটিং শক্তি ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায়।
- ক্লাউড কম্পিউটিং-এর বিভিন্ন পরিষেবাকে সাধারণত চারটি প্রধান ভাগে বিভক্ত করা হয়।
 
• ১. ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যাজ আ সার্ভিস (IaaS – Infrastructure as a Service):

- এই মডেলে ভার্চুয়াল অবকাঠামো, যেমন— সার্ভার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্কিং, ভাড়া দেওয়া হয়।
- ব্যবহারকারী নিজে অপারেটিং সিস্টেম ও প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল ও নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- উদাহরণ: Amazon EC2 (Elastic Compute Cloud), যেখানে বিভিন্ন ভার্চুয়াল মেশিন (VM) সরবরাহ করা হয়।
 
• ২. প্ল্যাটফর্ম অ্যাজ আ সার্ভিস (PaaS – Platform as a Service):

- এই মডেলে অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং পরিবেশ ও ডেভেলপমেন্ট টুল একসাথে সরবরাহ করা হয়।
- এতে ব্যবহারকারী সহজেই অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও ডিপ্লয় করতে পারে।
- নতুন অ্যাপ ডেভেলপারদের জন্য এটি বিশেষভাবে উপযোগী।
- উদাহরণ: Microsoft Azure, Google App Engine.
 
• ৩. সফটওয়্যার অ্যাজ আ সার্ভিস (SaaS – Software as a Service):

- এই মডেলে ব্যবহারকারী সরাসরি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে।
- ব্যবহারকারীকে সফটওয়্যার ইনস্টল বা রক্ষণাবেক্ষণের ঝামেলা পোহাতে হয় না।
- উদাহরণ: Google Apps, Dropbox, HubSpot।
 
• ৪. নেটওয়ার্ক অ্যাজ আ সার্ভিস (NaaS – Network as a Service):

- এই মডেলে নেটওয়ার্ক-সংক্রান্ত পরিষেবা, যেমন— নেটওয়ার্ক স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা, সরবরাহ করা হয়।
- ব্যবহারকারী ক্লাউডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক পরিষেবা গ্রহণ করতে পারে।
- উদাহরণ: Aryaka, Pertino, Smart WAN, VPN (Secure Virtual Private Network) পরিষেবা।
 
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর অতিরিক্ত সুবিধাসমূহ:

- স্কেলযোগ্যতা: প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই সেবা বাড়ানো বা কমানো যায়।
- খরচ-সাশ্রয়ী: প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করায় অতিরিক্ত খরচ কম হয়।
- সহজ ব্যবহার: ব্যবহারকারী সহজে বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- ব্যবসায়িক সুবিধা: নতুন ব্যবসা বা স্টার্টআপ সহজেই প্রযুক্তিগত সুবিধা নিতে পারে।
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৫৭.
কোন ধরণের নেটওয়ার্ক সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক হিসেবে পরিচিত?
  1. Personal Network Area
  2. Hybride Network
  3. Client-Server Network
  4. Peer to Peer Network
ব্যাখ্যা
⚪ Client-Server Network একটি সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্ক হিসেবে পরিচিত, যেখানে সার্ভার তথ্য ও পরিষেবা সরবরাহ করে এবং ক্লায়েন্টরা সেই পরিষেবা ব্যবহার করে। এই ধরনের নেটওয়ার্কে সার্ভার সাধারণত শক্তিশালী এবং বিভিন্ন ক্লায়েন্টের অনুরোধের প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।

⚪ ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক কে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়।

⚪ নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network):
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- একে সার্ভার-বেজড নেটওয়ার্কও বলা হয়। 

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network):
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network):
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮.
কোন ক্লাউড সেবায় নেটওয়ার্ক, CPU ও স্টোরেজ ভাড়া দেওয়া হয়?
  1. Infrastructure-as-a-Service
  2. Platform-as-a-Service
  3. Software-as-a-Service
  4. Storage-as-a-Service
ব্যাখ্যা

• Infrastructure-as-a-Service: মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন CPU, নেটওয়ার্ক ও স্টোরেজ ভাড়া দেওয়া হয়।
- Platform-as-a-Service: অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য প্রস্তুত প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়।
- Software-as-a-Service: প্রস্তুত সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার করার সুবিধা দেয়।
- Storage-as-a-Service: মূলত ডেটা সংরক্ষণের সুবিধা প্রদান করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং(Cloud Computing):
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন—হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, স্টোরেজ ও নেটওয়ার্ক ডিভাইস ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করার প্রযুক্তি।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিজস্ব কম্পিউটার বা সার্ভার ছাড়াই ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- ২০০৬ সালে বিশ্বখ্যাত Amazon Web Services(AWS) বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা চালু করে।
 
• সেবার ধরন অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের শ্রেণিবিভাগ:

• Infrastructure-as-a-Service(IaaS):
- এই সেবায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, CPU, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
ব্যবহারকারী নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ভার্চুয়াল মেশিন তৈরি ও ব্যবহার করতে পারে।
- উদাহরণ: Amazon Elastic Compute Cloud(EC2).

• Platform-as-a-Service(PaaS):
- এই সেবায় ব্যবহারকারীকে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন না দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য একটি প্রস্তুত প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়।
- ব্যবহারকারী সেই প্ল্যাটফর্মের উপর অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপ, টেস্ট ও ডিপ্লয় করতে পারে।
- উদাহরণ: Google App Engine.

• Software-as-a-Service(SaaS):
- এই সেবায় ব্যবহারকারীরা ক্লাউডে চলমান প্রস্তুত সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহার করতে পারে।
- সফটওয়্যার ইনস্টল বা রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয় না।
- উদাহরণ: Google Workspace.
 
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) Microsoft-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫৯.
পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে
  2. প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট
  3. ডেডিকেটেড সার্ভার প্রয়োজন
  4. কম্পিউটারে শ্রেণিবিন্যাস বা হায়ারার্কি থাকে
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো খ) প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।

পিয়ার টু পিয়ার (P2P) নেটওয়ার্কে কোন বিশেষ সার্ভার বা কেন্দ্রীভূত নিয়ন্ত্রণ থাকে না। এখানে প্রতিটি কম্পিউটার বা নোড একই সাথে সার্ভার ও ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ, প্রতিটি কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করতে পারে এবং তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে। P2P নেটওয়ার্কে নির্দিষ্ট কোনো ডেডিকেটেড সার্ভার প্রয়োজন হয় না, এবং প্রতিটি কম্পিউটার সমানাধিকারভিত্তিকভাবে রিসোর্স ভাগাভাগি করে। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে এটি ফাইল শেয়ারিং, অনলাইন স্ট্রিমিং বা ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো কাজে কার্যকর। Hierarchy বা centralized control এখানে প্রযোজ্য নয়।

• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network),
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)।

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোস ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
- ডেডিকেটেড সার্ভার না থাকায় কম্পিউটারগুলোর কোন শ্রেণীবিন্যাস নেই।

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে। তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০.
কোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে টরেন্ট ওয়েবসাইট থেকে রিসোর্স শেয়ার করা যায়?
  1. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক
  2. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  3. ক + খ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)। 

ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

যে কোনো টরেন্ট ওয়েবসাইটে আমরা যখন প্রবেশ করি তখন যে ওয়েব পেইজগুলো প্রদর্শন করে তা আসে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কিন্তু টরেন্ট থেকে রিসোর্স শেয়ার বা ম্যাগনেটিক ফাইলের মাধ্যমে কিছু ডাউনলোড করা হয় পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।

হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) IEEE [লিংক]
৬১.
What does URL stand for?
  1. Universal Resource Locator
  2. Uniform Resource Locator
  3. Unified Resource Locator
  4. Unique Resource Locator
ব্যাখ্যা
URL:
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator.
- ওয়েবসাইট বা পেইজের অ্যাড্রেসকে URL বলা হয়।
- পৃথিবীতে এক নামে একটিমাত্র ওয়েবসাইট থাকে।
- কোন ওয়েব পেজকে প্রদর্শন করতে ওয়েব ব্রাউজারে এর ঠিকানা নির্দিষ্ট করে দিতে হয়।
- URL হচ্ছে ওয়েবসাইটের একক বা Unique ঠিকানা।
- নির্দিষ্ট URL-এ প্রবেশ করে আমরা ঐ Website এর বিভিন্ন Resource গুলো  Locate করতে পারি।

https://web.livemcq.com/#intro প্রদত্ত URL টির -

- https হচ্ছে প্রোটোকল,
- web.livemcq.com হচ্ছে ওয়েব সার্ভারের নাম (ডোমেইন নেম)
- '/' বা Slash এর পর #intro হচ্ছে ডিরেক্টরি নাম (পাথ)
- Domain Name সচরাচর 'www' দিয়েই শুরু হয়। যেমন: https://www.12ka4.com/intro

তাহলে,
URL এর তিনটি অংশ থাকে। যথা -

i) প্রোটোকলের নাম,
ii) হোস্ট নেইম এবং
iii) ফাইল নেইম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬২.
নিচের কোনটি হাইব্রিড ক্লাউড?
  1. ক) Amazon Elastic Compute Cloud
  2. খ) Elastra-private cloud
  3. গ) HP Data Centers
  4. ঘ) Community Cloud
ব্যাখ্যা
- Community Cloud একটি হাইব্রিড ক্লাউড, যা বিশেষ কোন কমিউনিটির জন্য তৈরি করা হয়।
- হাইব্রিড ক্লাউড হলো পাবলিক আর প্রাইভেটের সংমিশ্রণ।
- এখানে প্রাইভেট ক্লাউড দিয়ে প্রাথমিক চাহিদা মেটানো হয়, আর প্রাইভেট ক্লাউডের ধারণক্ষমতা অতিক্রান্ত হয়ে গেলে পাবলিক ক্লাউডের সাহায্য নেয়া হয়।


পাবলিক ক্লাউড হলো এমন একধরনের ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবস্থা যেটা সকলের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
যে অর্থ প্রদান করবে সেই সেবা নিতে পারবে এমন ক্লাউড ব্যবস্থাকে মূলত পাবলিক ক্লাউড কম্পিউটিং বলে। এখানে যেহেতু একাধিক ব্যবহারকারী একই ক্লাউড থেকে সেবা গ্রহণ করে সেক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে কিছুটা দ্বিধা থেকেই যায়।
যেমন: Amazon Web Services

সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৬৩.
আমাজন ক্লাউডফ্রন্ট সাধারণত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক
  2. ভিডিও কল করা
  3. নিরাপত্তা কী পরিচালনা
  4. ডেটা এনক্রিপশন করা
ব্যাখ্যা
• Amazon CloudFront হলো একটি Content Delivery Network (CDN) সার্ভিস, যা অ্যামাজনের ওয়েব সার্ভিসেস (AWS)-এর অংশ। এর প্রধান কাজ হলো ওয়েবসাইট, ভিডিও, অ্যাপ্লিকেশন, এবং অন্যান্য ওয়েব কনটেন্টগুলোকে ব্যবহারকারীদের নিকটবর্তী সার্ভার থেকে দ্রুত এবং নিরাপদে সরবরাহ করা। এতে লোড টাইম কমে এবং পারফরম্যান্স বেড়ে যায়।

• অপশন আলোচনা:
- Amazon CloudFront লাইভ ভিডিও কল বা মিটিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয় না।
- ডেটা এনক্রিপশন এবং নিরাপত্তা চাবি ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যা AWS-এর অন্য সার্ভিস যেমন KMS (Key Management Service) করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।

• AWS:
- অ্যামাজনের ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS.
- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকেই। 
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
 
উৎস: aws.amazon.com
৬৪.
Google Apps, Dropbox, HubSpot are examples of—
  1. IaaS
  2. SaaS
  3. PaaS
  4. NaaS
ব্যাখ্যা

• Google Apps, Dropbox এবং HubSpot হলো Software as a Service (SaaS)–এর উদাহরণ।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মূল সুবিধা:
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিজস্ব হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও নেটওয়ার্ক অবকাঠামো তৈরি না করেও বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটিং সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- এই সুবিধাগুলো সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট কিছু সার্ভিস মডেলের মাধ্যমে প্রদান করে।

• Infrastructure as a Service (IaaS):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভার, স্টোরেজ ও অন্যান্য অবকাঠামো ভাড়া নিতে পারে।
- নিজস্ব হার্ডওয়্যার কেনার প্রয়োজন হয় না।
- অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সার্ভিসদাতার উপর থাকে।
- উদাহরণ: Amazon Elastic Compute Cloud (EC2).
 
• Platform as a Service (PaaS):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীদের জন্য প্রস্তুত কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করা হয়।
- এতে অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ ও ওয়েব সার্ভার অন্তর্ভুক্ত থাকে।
- ব্যবহারকারীরা সহজে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও পরিচালনা করতে পারে।
- উদাহরণ: Microsoft Azure, Google App Engine.
 
• Software as a Service (SaaS):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সরাসরি ক্লাউডে থাকা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজ ব্যবহার করতে পারে।
- সফটওয়্যার ইনস্টলেশন, কনফিগারেশন বা আপডেট নিয়ে ভাবতে হয় না।
- উদাহরণ: Google Apps, Dropbox, HubSpot.

• Network as a Service (NaaS):
- এই মডেলে ব্যবহারকারীরা নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো তৈরি না করেও নেটওয়ার্ক সেবা গ্রহণ করতে পারে।
- WAN ও Secure Virtual Private Network (SVPN)–এর মতো সেবা পাওয়া যায়।
- উদাহরণ: Aryaka, Pertino।
 
• সামগ্রিক সুবিধা:
- খরচ কমে।
- সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
- রক্ষণাবেক্ষণের ঝামেলা কমে।
- প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা গ্রহণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি।

৬৫.
In which network does each computer act as both client and server?
  1. Peer-to-peer network
  2. Client-server network
  3. Hybrid network
  4. Wide area network
ব্যাখ্যা

• Peer-to-Peer Network-এ প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে client এবং server হিসেবে কাজ করে, অর্থাৎ সবাই সমানভাবে রিসোর্স শেয়ার করে।

• কম্পিউটার নেটওয়ার্কের শ্রেণিবিভাগ:
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো ও সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো Client Server Network, Peer-to-Peer Network এবং Hybrid Network.
 
• Peer-to-Peer Network:
- Peer-to-Peer Network এমন একটি নেটওয়ার্ক, যেখানে প্রতিটি কম্পিউটার সরাসরি একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে।
- এই নেটওয়ার্কে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে না।
- প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে client ও server হিসেবে কাজ করে।
 
• Peer-to-Peer Network-এর বৈশিষ্ট্য:
- প্রত্যেক কম্পিউটার থেকে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- সব কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভূমিকা পালন করে।
- ছোট পরিসরের নেটওয়ার্কে এটি বেশি উপযোগী।

• Peer-to-Peer Network-এর ব্যবহারিক দিক:
- ফাইল শেয়ারিং।
- ছোট অফিস বা বাসার নেটওয়ার্ক।
- কম খরচে সহজ নেটওয়ার্ক স্থাপন।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Client-server network → এখানে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে।
- Hybrid network → এটি client-server ও peer-to-peer-এর সমন্বয়।
- Wide area network → এটি নেটওয়ার্কের বিস্তৃতির ধরন।
 

৬৬.
মাইক্রোসফটের ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের নাম কী?
  1. মাইক্রোসফট ওয়েব সার্ভিসেস
  2. মাইক্রোসফট ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম
  3. মাইক্রোসফট অ্যাজুর
  4. মাইক্রোসফট ক্লাউড
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফটের ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের নাম মাইক্রোসফট অ্যাজুর (Microsoft Azure)। এটি একটি শক্তিশালী এবং বহুমাত্রিক ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ধরণের ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা প্রদান করে, যেমন ভার্চুয়াল মেশিন, ডেটাবেজ, অ্যাপ্লিকেশন হোস্টিং, এআই এবং মেশিন লার্নিং পরিষেবা। অ্যাজুর ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের তথ্য ও অ্যাপ্লিকেশন ক্লাউডে সংরক্ষণ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী স্কেল করতে পারে। এটি Public, Private ও Hybrid- তিন ধরনের ক্লাউড পরিবেশই সমর্থন করে। নিরাপত্তা, নির্ভরযোগ্যতা ও বিশ্বব্যাপী ডেটা সেন্টারের সুবিধার জন্য অ্যাজুর বর্তমানে অন্যতম জনপ্রিয় ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত।

• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.

- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫। 
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা (তথ্য: জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত)।

• কিছু বিখ্যাত ক্লাউড প্লাটফর্মের উদাহরণ:
- Amazon Web Services (AWS) – Parent Company: Amazon,
- Microsoft Azure – Parent Company: Microsoft,
- Google Cloud Platform (GCP) – Parent Company: Google,
- IBM Cloud – Parent Company: IBM,

- Oracle Cloud – Parent Company: Oracle,
- Salesforce – Parent Company: Salesforce,
- Alibaba Cloud – Parent Company: Alibaba Group,

- DigitalOcean – Parent Company: DigitalOcean,
- VMware Cloud – Parent Company: VMware,
- Huawei Cloud – Parent Company: Huawei.

উৎস: মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৭.
কোনটি প্রাইভেট ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Dell
  2. AWS
  3. VMware
  4. HPE
ব্যাখ্যা
• Amazon Web Services বা, AWS পাবলিক ক্লাউডের অন্তর্ভুক্ত। অপরদিকে, Vmare, HPE, Dell হচ্ছে প্রাইভেট ক্লাউড।

- পাবলিক ক্লাউডের সেবা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
- পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ, ও অন্যান্য রিসোর্সসমূহ বিনাখরচে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ-
১। যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড সেবা গ্রহণ করা যায়।
২। বিভিন্ন ধরণের রিসোর্স (হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ইত্যাদি) শেয়ার করে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানির খরচ কমানো যায়।
৩। কোম্পানির অপারেটিং খরচ তুলনামুলক কম।
৪। ক্লাউডে সংরক্ষিত তথ্য যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় এক্সেস করা যায় এবং তথ্য কীভাবে প্রসেস বা সংরক্ষিত হয় তা জানার প্রয়োজন হয় না।
৫। সহজে কাজকর্ম মনিটরিং এর কাজ করা যায় ফলে বাজেট ও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করা যায়।
৬। অধিক নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ সিস্টেম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৮.
ইন্টারনেট ভিত্তিক বিভিন্ন কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. রেন্ট-এ-কম্পিউটার
  2. ক্লাউড কম্পিউটিং
  3. ওশান কম্পিউটিং
  4. লোন কম্পিউটিং
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা। - আমজান বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS)।

- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
পাবলিক ক্লাউড,
প্রাইভেট ক্লাউড ও
মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৯.
ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কিত নিচের কোন উক্তিটি মিথ্যা?
  1. আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
  2. সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
  3. মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়।
  4. ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের প্রধান বৈশিষ্ট্য তিনটি।
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭০.
কোন প্রযুক্তি 'On Demand' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে?
  1. ক) Big Data Analytics
  2. খ) Client Server System
  3. গ) Internet of things
  4. ঘ) Cloud Computing
ব্যাখ্যা
Cloud Computing প্রযুক্তি 'On Demand' সার্ভিস মডেল অনুসরণ করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. Resource Flexibility/Scalability (যত চাহিদা তত সার্ভিস):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১.
'Microsoft Azure' যে ধরণের ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার অন্তর্ভুক্ত-
  1. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
  2. সফটওয়্যার সেবা
  3. অবকাঠামোগত সেবা
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• 'Microsoft Azure' এর ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মধ্যে IaaS, PaaS এবং SaaS সবগুলোই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২.
Google এর App Engine কোন ধরনের সেবা দিয়ে থাকে?
  1. অবকাঠামােগত সেবা
  2. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
  3. সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা
  4. কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Paas: Platform as a service) : এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রােগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি। এই প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারকারী স্বল্প ব্যয়ে তার অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার উন্নয়ন করতে পারেন। Microsoft -এর Azure এবং Google এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।
৭৩.
Oracle Corporation is primarily associated with:
  1. Search engines
  2. Social media
  3. Database management and cloud services
  4. E-commerce
ব্যাখ্যা
• ওরাকল কর্পোরেশন (Oracle Corporation):
- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি কর্পোরেশন।
- ১৯৭৭ সালের ওরাকল যাত্রা শুরু করে।
- Headquarters: Austin, Texas, United States.
- Founders: Larry Ellison, Bob Miner, Ed Oates.
- কোম্পানিটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার সিস্টেম এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার পণ্যে পারদর্শী-বিশেষভাবে নিজস্ব ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের ব্র্যান্ড।
- Oracle Corporation, Database management and cloud services নিয়ে কাজ করে।

কয়েকটি Search engine এর নাম হল:
- google,
- bing,
- yahoo.

কয়েকটি Social media এর নাম হল:
- facebook,
- instagram,
- whatsapp.

কয়েকটি E-commerce এর নাম হল:
- amazon,
- alibaba,
- daraz.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৪.
HTTP 404 কি ধরনের সতর্ক বার্তা?
  1. ক) সার্ভার বন্ধ
  2. খ) সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন হয়ে গেসে
  3. গ) পেইজ পাওয়া যাচ্ছে না
  4. ঘ) সার্ভার পাওয়া যাচ্ছে না
ব্যাখ্যা

100 Continue
101 Switching Protocols
102 Processing
200 OK
201 Created
202 Accepted
203 Non-authoritative Information
204 No Content
300 Multiple Choices
301 Moved Permanently
302 Found
303 See Other
304 Not Modified
305 Use Proxy
307 Temporary Redirect
308 Permanent Redirect
400 Bad Request
401 Unauthorized
402 Payment Required
403 Forbidden
404 Not Found
405 Method Not Allowed
406 Not Acceptable
407 Proxy Authentication Required
408 Request Timeout
409 Conflict
410 Gone
411 Length Required
412 Precondition Failed
413 Payload Too Large
414 Request-URI Too Long
415 Unsupported Media Type
416 Requested Range Not Satisfiable
417 Expectation Failed
418 I'm a teapot
421 Misdirected Request
422 Unprocessable Entity
423 Locked
500 Internal Server Error
501 Not Implemented
502 Bad Gateway
503 Service Unavailable
504 Gateway Timeout
505 HTTP Version Not Supported
506 Variant Also Negotiates
507 Insufficient Storage
508 Loop Detected
510 Not Extended
511 Network Authentication Required
599 Network Connect Timeout Error

৭৫.
ক্লাউড কম্পিউটিং কী?
  1. ওয়েবসাইট তৈরি করার প্রক্রিয়া
  2. ডাটা স্টোরেজ ডিভাইস ব্যবহার করা
  3. কম্পিউটারে অথ্য সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়া
  4. কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সার্ভিস বা সেবা প্রদান
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সার্ভিস বা সেবা প্রদান।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand,
- Resource scalability,
- Pay as you go.

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়:
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড ,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৬.
গাইডেড মিডিয়া বলা হয় কোনটিকে?
i) তারমাধ্যম ii) কো-এক্সিয়াল ক্যাবল iii) মাইক্রো ওয়েভ
  1. ক) i ও ii
  2. খ) i ও iii
  3. গ) ii ও iii
  4. ঘ) i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
গাইডেড মিডিয়ায় কোন সলিড ধাতব মাধ্যম দিয়ে নির্দেশিত কোন পথে বিদ্যুতিক সংকেত বা আলোক সংকেত প্রবাহিত হয়। যেমনঃ কো-এক্সিয়াল ক্যাবল, টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল, ফাইবার অপটিক ক্যাবল।
৭৭.
IaaS-এর মধ্যে ‘I’ কোন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ?
  1. Infrastructure
  2. Integrated
  3. Interface
  4. Internet
ব্যাখ্যা

IaaS-এ ‘I’ হলো Infrastructure এর সংক্ষিপ্ত রূপ। IaaS বা Infrastructure as a Service হলো একটি ক্লাউড কম্পিউটিং মডেল, যেখানে ব্যবহারকারীরা ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার কেনার পরিবর্তে ভার্চুয়ালাইজড কম্পিউটিং রিসোর্স যেমন সার্ভার, স্টোরেজ, নেটওয়ার্ক ইত্যাদি ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারেন। এটি ব্যবহারকারীদের নিজের ডেটা সেন্টার পরিচালনার ঝামেলা ছাড়াই প্রয়োজনীয় অবকাঠামো প্রদান করে। IaaS-এ মূলত Infrastructure হলো ভিত্তি, যা ব্যবহারকারীরা তাদের অ্যাপ্লিকেশন ও সার্ভিস চালানোর জন্য ব্যবহার করে। ফলে, ‘I’ বলতে এখানে বোঝানো হচ্ছে Infrastructure, যা সঠিক উত্তর।

- সঠিক উত্তর: ক) Infrastructure.

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS):
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়‍্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে।
- এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়‍্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS):
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮.
নিম্নলিখিত কোনটি একটি পাবলিক ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান?
  1. Microsoft Azure
  2. Amazon Web Services
  3. Google Cloud Platform
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

◉ পাবলিক ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এমন কোম্পানি যারা ক্লাউড কম্পিউটিং পরিষেবা (যেমন: স্টোরেজ, ভার্চুয়াল মেশিন, ডাটাবেস, নেটওয়ার্কিং, এবং AI/ML পরিষেবা) ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরবরাহ করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি কম্পিউটিং প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট ও কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশনসমূহ নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে সক্ষম।

• ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ:
- Amazon web services,
- Microsoft Azure,
- Google Cloud,
- IBM Cloud,
- Oracle,
- Digital Ocean,
- CloudFlare,
- Linode,
- Rackspace,
- VMware ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট নয়?
  1. ক) Resource Scalability
  2. খ) Server Reduce
  3. গ) On Demand
  4. ঘ) Pay as you go
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের “ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (ঘওঝঞ)” এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও
বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিমোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য
থাকবে। 
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি : ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে
সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড : ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা
বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো : এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।


[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ,এইচএসসি প্রোগ্রাম]
৮০.
যে ক্লাউড সংস্থা প্লাটফর্ম-ভিত্তিক পরিষেবা সরবরাহ করে, তাকে কী বলে?
  1. IaaS
  2. SaaS
  3. PaaS
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• যে ক্লাউড সংস্থা প্ল্যাটফর্ম-ভিত্তিক পরিষেবা সরবরাহ করে, তাকে PaaS (Platform as a Service) বলা হয়। PaaS হলো এমন একটি ক্লাউড সেবা যেখানে ব্যবহারকারী সরাসরি হার্ডওয়্যার বা নেটওয়ার্ক পরিচালনা করার ঝামেলা ছাড়া সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, পরীক্ষা ও ডিপ্লয় করতে পারে। এখানে প্রয়োজনীয় প্ল্যাটফর্ম, যেমন অপারেটিং সিস্টেম, ডাটাবেস, মিডলওয়্যার এবং ডেভেলপমেন্ট টুলস, ক্লাউড প্রদানকারী সরবরাহ করে। ব্যবহারকারী শুধু নিজের অ্যাপ্লিকেশন ও কোড পরিচালনা করে। উদাহরণ হিসেবে Google App Engine, Microsoft Azure App Service এবং Heroku উল্লেখযোগ্য। এটি ডেভেলপারদের জন্য সময় এবং খরচ বাঁচায়, কারণ তারা ইন্সটলেশন, আপডেট বা ইনফ্রাস্ট্রাকচার পরিচালনা নিয়ে ভাবতে হয় না।

- সঠিক উত্তর: গ) PaaS.

• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা

• Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়।
- অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

• Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

•  Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়‍্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৮১.
কোনটি P2P অ্যাপ্লিকেশনের উদাহরণ?
  1. Facebook
  2. Google Drive
  3. Gmail
  4. BitTorrent 
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে P2P (Peer-to-Peer) অ্যাপ্লিকেশনের উদাহরণ হলো ঘ) BitTorrent.
P2P অ্যাপ্লিকেশনে কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভারের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর না করে ব্যবহারকারীরা সরাসরি একে অপরের সঙ্গে ডেটা আদান-প্রদান করে। BitTorrent এই পদ্ধতিতে কাজ করে, যেখানে একটি ফাইল ছোট ছোট অংশে ভাগ হয়ে বিভিন্ন ব্যবহারকারীর কাছ থেকে একসঙ্গে ডাউনলোড হয়।
- অন্যদিকে Facebook, Google Drive এবং Gmail হলো ক্লায়েন্ট-সার্ভার ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন, যেখানে সব তথ্য একটি কেন্দ্রীয় সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে এবং ব্যবহারকারীরা সেই সার্ভারের মাধ্যমেই সেবা গ্রহণ করে।
- তাই সঠিক উত্তর BitTorrent.

 
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 

৮২.
সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর বিভাজন নয় কোনটি?
  1. ক) অবকাঠামোগত সেবা
  2. খ) সফটওয়্যার সেবা
  3. গ) পাবলিক ক্লাউড ভিত্তিক সেবা
  4. ঘ) প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা
ব্যাখ্যা
• নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠান সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়াকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে। ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু ১৯৬০ এর দশক থেকেই।
২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
- সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS)।


ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
- পাবলিক ক্লাউড
- প্রাইভেট ক্লাউড
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
৮৩.
রিং টপোলজি কোন ধরনের নেটওয়ার্ক টপোলজি?
  1. ক) MAN
  2. খ) WAN
  3. গ) LAN
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১। স্টার টপোলজি
২। বাস টপোলজি
৩। রিং টপোলজি
৪। ট্রি টপোলজি
৮৪.
Azure, একটি জনপ্রিয় PaaS ভিত্তিক ক্লাউড পরিষেবা। এটি নিচের কোন কোম্পানি দ্বারা তৈরি?
  1. Salesforce
  2. SAP
  3. Microsoft
  4. Oracle
ব্যাখ্যা
• ক্লাউডের মডেল (Model of Cloud Computing):
- ক্লাউড কী সেবা দিচ্ছে, তার ভিত্তিতে ক্লাউডকে তিন ভাগে ভাগ করা। যথা-

১. Infrastructure-as-a-Service (laaS) বা অবকাঠামোগত সেবা:
- এই ধরণের সেবায় অবকাঠামো বা Infrastructure ভাড়া দেওয়া হয়। অর্থাৎ নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, ভার্চুয়াল মেশিন, ভার্চুয়াল স্টোরেজ ইত্যাদির মতো মৌলিক রিসোর্সসমূহের অ্যাক্সেস সরবরাহ করে।
- এতে সুবিধা হলো, সবকিছু ইউজার নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এবং অসুবিধা হলো সবকিছুর ব্যবস্থা ইউজারকে নিজেই করতে হয়।
- আমাজন এর ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2) এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

২. Platform-as-a-Service (PaaS) বা প্লাটফর্মভিত্তিক সেবা:
- এখানে সরাসরি ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেয়া হয় প্লাটফর্ম, যার উপরে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন ইউজারেরা।
- গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, মাইক্রোসফটের Azure এই ধরণের সেবার উদাহরণ।

৩. Software-as-a Service (SaaS) বা সফটওয়্যার সেবা:
- সফটওয়্যার অ্যাজ এ সার্ভিস হলো ক্লাউডভিত্তিক এমন একটা সেবা, যেখানে ইউজাররা ক্লাউডের উপরে চলছে এমন রেডিমেইড সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- Google Docs এই ধরণের সেবার উদাহরণ, গুগল ডক দিয়ে মাইক্রোসফট অফিসের প্রায় সব কাজই (ডকুমেন্ট, স্প্রেডশিট, প্রেজেন্টেশন) করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮৫.
Amazon CloudFront মূলত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. সিকিউরিটি কী বা পাসওয়ার্ড ম্যানেজ করার জন্য
  2. ইমেইল মার্কেটিং পরিচালনা করার জন্য 
  3. কনটেন্ট ডেলিভারি নেটওয়ার্ক (CDN) হিসেবে
  4. সফটওয়্যার প্রোগ্রামিং করা
ব্যাখ্যা

◉ Amazon CloudFront হলো AWS-এর Content Delivery Network (CDN) সেবা, যা ওয়েবসাইট, ভিডিও, অ্যাপ ইত্যাদির কনটেন্ট ব্যবহারকারীর কাছে দ্রুত পৌঁছে দেয়। এটি বিশ্বব্যাপী অবস্থিত edge location ব্যবহার করে, যাতে ব্যবহারকারীরা নিকটবর্তী সার্ভার থেকে কনটেন্ট পান → ফলে লেটেন্সি কমে যায় এবং স্পিড বাড়ে।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।

Amazon Web Services (AWS):
- অ্যামাজনের ক্লাউড প্লাটফর্ম হলো AWS.
- AWS এর পূর্ণ রূপ Amazon Web Services.
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকেই।
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

AWS মূলত তিনটি key cloud service model-এ কাজ করে:
- IaaS (Infrastructure as a Service) → Example: EC2, S3.
- PaaS (Platform as a Service) → Example: AWS Elastic Beanstalk.
- SaaS (Software as a Service) → Example: AWS WorkSpaces.

উৎস: Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট।

৮৬.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এ "লোড ব্যালান্সিং"-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যবহারকারীর প্রবেশাধিকার কমানো
  2. কাজের চাপ সমানভাবে বিতরণ করা 
  3. নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক এনক্রিপ্ট করা
  4. ব্যাকআপ ডেটা সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং-এ "লোড ব্যালান্সিং"-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কাজের চাপ সমানভাবে বিতরণ করা (উত্তর: খ)। এটি একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সার্ভার, নেটওয়ার্ক, বা অন্যান্য রিসোর্সে আসা অনুরোধসমূহকে এমনভাবে পরিচালনা করা হয় যাতে কোনো একটি নির্দিষ্ট সার্ভার বা রিসোর্স অতিরিক্ত চাপের সম্মুখীন না হয়। এর ফলে সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং ডাউনটাইম বা স্লো-ডাউন এড়ানো যায়। লোড ব্যালান্সিং ব্যবহারকারীদের জন্য আরও নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ভরযোগ্য সেবা নিশ্চিত করে এবং একাধিক সার্ভার ব্যবহারের মাধ্যমে স্কেলেবিলিটি বাড়ায়। এটি ক্লাউড পরিবেশে উচ্চ প্রাপ্যতা ও দক্ষতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা, প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও সফটওয়্যার সেবা।
- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- পাবলিক ক্লাউড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড
- ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা- Resource Scalability, On Demand ও Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৭.
ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রধান চ্যালেঞ্জ কী?
  1. উচ্চ গতি
  2. ডেটা নিরাপত্তা
  3. কম খরচ
  4. সহজ অ্যাক্সেস
ব্যাখ্যা

ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রধান চ্যালেঞ্জ হল ডেটা নিরাপত্তা।
- যেহেতু ক্লাউড পরিষেবাগুলি ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, তাই ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য হ্যাকারদের জন্য ঝুঁকির মধ্যে থাকতে পারে। ডেটা ব্রিচ, সাইবার আক্রমণ, অননুমোদিত অ্যাক্সেস, এবং তথ্য গোপনীয়তা সংক্রান্ত উদ্বেগ ক্লাউড কম্পিউটিং-এর অন্যতম প্রধান সমস্যা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self-service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity,
- measured service.

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। CSA (Cloud Security Alliance).

৮৮.
প্রটোকলভিত্তিক ভয়েস ডেটা ট্রান্সফার চালু হয় কোনটিতে?
  1. ক) ২য় প্রজন্মের ফোনে
  2. খ) ৩য় প্রজন্মের ফোনে
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্মের ফোনে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের মােবাইল ফোনের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য হলাে সার্কিট সুইচিং বা প্যাকেট সুইচিং ডেটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে ইন্টারনেট প্রটোকলভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার।
ফলে LAN, WAN, VoIP, Internet প্রভৃতি সিস্টেমে প্যাকেট সুইচিংয়ের পরিবর্তে প্রটোকলভিত্তিক ভয়েস ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব হচ্ছে।
৮৯.
কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে? 
  1. OaaS
  2. PaaS
  3. KaaS
  4. CaaS
ব্যাখ্যা
- PaaS মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে। 

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল: 
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure-as-a-Service - IaaS): 
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়। 
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2). 

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform-as-a-Service - PaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে। 
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। 
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure. 

৩. সফটওয়্যার সেবা (Software-as-a-Service - SaaS): 
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। 
- উদাহরণ: Google Docs. 

এখানে,
- CaaS, KaaS, OaaS গুলো Cloud Computing এর সেবার কোনো ধরণ নয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০.
কোন নেটওয়ার্ককে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকে?
  1. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক
  2. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক
  3. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক
  4. ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্কে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা থাকে, কারণ এই নেটওয়ার্কে একটি নির্দিষ্ট সার্ভার থাকে যা রিসোর্স বা তথ্য সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান এবং নেটওয়ার্কের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

নেটওয়ার্কের প্রকারভেদ:
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ক্লায়েন্ট-সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- এই নেটওয়ার্কে একটি কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে, যা ডাটা স্টোরেজ, নিরাপত্তা এবং অ্যাপ্লিকেশন চালনার জন্য দায়ী।
- ক্লায়েন্ট কম্পিউটারগুলো সার্ভার থেকে রিসোর্স (যেমন ফাইল, ডাটা) গ্রহণ করে।
- রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সহজ হয়, কিন্তু সার্ভার ব্যর্থ হলে নেটওয়ার্ক বন্ধ হতে পারে।
- উদাহরণ: Gmail, Google Drive, কিংবা Amazon Web Services-এর মতো ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা যেখানে কেন্দ্রীয় সার্ভার রিসোর্স নিয়ন্ত্রণ করে।

২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- এই নেটওয়ার্ক বিকেন্দ্রীভূত, অর্থাৎ কোনো কেন্দ্রীয় সার্ভার নেই।
- প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে।
- রিসোর্স শেয়ারে সব কম্পিউটার সমান ভূমিকা পালন করে।
- উদাহরণ: BitTorrent ফাইল শেয়ারিং সিস্টেম।

৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- এটি ক্লায়েন্ট-সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- কিছু ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সার্ভার থাকে, আবার কিছু ক্ষেত্রে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক-এর মতো বিকেন্দ্রীভূত শেয়ারিং হয়।
- উদাহরণ: পুরোনো Skype সিস্টেম, যেখানে কিছু কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ছিল।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

 

৯১.
সর্বপ্রথম ক্লাউড সার্ভিস সেবা প্রদান করে কোন সংস্থা?
  1. ক) অ্যামাজন
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) অ্যাপল
  4. ঘ) গুগুল
ব্যাখ্যা
ক্লাউড সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান: 

- অ্যামাজন এর AWS (৩ মার্চ, ২০০৬)।
- গুগুল এর Google Cloud Platform (৭ এপ্রিল, ২০০৮)।
- মাইক্রোসফট এর Azure (১ ফেব্রুয়ারি, ২০১০)।
- অ্যাপল এর iCloud (১২ অক্টোবর, ২০১১)।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।
৯২.
সেবার বিস্তৃতি অনুসারে কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর শ্রেণিবিভাগ নয়?
  1. পাবলিক ক্লাউড 
  2. প্রাইভেট ক্লাউড
  3. হাইব্রিড ক্লাউড
  4. সিকিউরড ক্লাউড
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS),
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও
- সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS).

• ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
- পাবলিক ক্লাউড,
- প্রাইভেট ক্লাউড,
- মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

•  ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলের বৈশিষ্ট্য তিনটি। যথা -
- Resource Scalability,
- On Demand,
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৩.
Which of the following best represents a feature of cloud computing?
  1. Fixed resource allocation
  2. On-demand self-service
  3. Physical hardware ownership
  4. Single-user access
  5. Manual backup processes
ব্যাখ্যা

On-demand self-service হচ্ছে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের একটি মূল বৈশিষ্ট্য, যা ব্যবহারকারীদের ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপ ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিসোর্স (যেমন স্টোরেজ, কম্পিউটিং পাওয়ার) অ্যাক্সেস করতে দেয়।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং একটি প্রযুক্তি, যা ইন্টারনেট এবং কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার ব্যবহার করে ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলোর নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করার সক্ষমতা প্রদান করে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেকনোলজি (NIST) অনুসারে, ক্লাউড কম্পিউটিং এমন একটি মডেল, যেখানে ক্রেতারা তাদের তথ্য ও অ্যাপ্লিকেশনগুলো কোনো সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করতে পারে, এবং এতে তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকতে হবে-

১. Resurce Flexibility/Scalability (যত চাহিদা ক্ষত সার্ভিস):
- ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছায় যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, শুধুমাত্র তার জন্যি প্রস্রন্ট করতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৯৪.
নিম্নের কোন প্রযুক্তি ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুযায়ী (On Demand) তথ্য, সফটওয়্যার বা সংস্থান সরবরাহ করে?
  1. মেশিন লার্নিং
  2. ক্লায়েন্ট-সার্ভার সিস্টেম
  3. ব্লকচেইন টেকনোলজি
  4. ক্লাউড কম্পিউটিং
ব্যাখ্যা

◉ Cloud Computing এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী অনলাইনেই ডেটা স্টোরেজ, সফটওয়্যার, এবং কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে। এই ব্যবস্থায় ব্যবহারকারীরা 'Pay-as-you-go' বা 'On Demand' ভিত্তিতে সেবা গ্রহণ করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং:
ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:

১. Resource Flexibility/Scalability (যত চাহিদা তত সার্ভিস):
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand (যখন চাহিদা তখন সার্ভিস):
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে।
- ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go (যখন ব্যবহার তখন মূল্যশোধ):
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল।
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৫.
কোন সেবাটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. IMAP
  2. SaaS
  3. SMTP
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা। - আমজান বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

- সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a Service - IaaS), প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা (Platform as a service - PaaS) ও সফটওয়্যার সেবা (Software as a service - SaaS)।

- ক্লাউডের অবস্থান অথবা মানুষের মাঝে ক্লাউড কম্পিউটং সেবার বিস্তৃতি অনুসারে একে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-পাবলিক ক্লাঊড, প্রাইভেট ক্লাউড ও মিশ্র বা হাইব্রিড ক্লাউড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৬.
ক্লাউড শব্দটি কিসের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিলো?
  1. যোগাযোগ
  2. ইন্টারনেট
  3. মোবাইল
  4. মেঘ
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড অর্থ হচ্ছে মেঘ।
- ক্লাউড শব্দটি ইন্টারনেটের রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিলো। 
- অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত দিক থেকে কম্পিউটারের জগতে ক্লাউড কম্পিউটিং এক নতুন বিপ্লবের সূচনা করেছে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে রিসোর্স স্কেলেবিলিটি, অন-ডিমান্ড ও পে-অ্যাজ-ইউ-গো এই ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
মডেমে কী থাকে?
  1. ক) মডুলেটর
  2. খ) ডিমডুলেটর
  3. গ) ক ও খ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মডেমঃ এই যন্ত্রের মাধ্যমে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদান করে। Modulator/Demodulator এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে মডেম
মডেম কম্পিউটারের ভাষাকে টেলিফোনের ভাষায় রূপান্তর এবং টেলিফোন ভাষাকে কম্পিউটারের ভাষায় রূপান্তর করে তথ্য আদান প্রদান করে।
টেলিফোন লাইনের তারটি সংযুক্ত করতে হয় মডেমের সাহায্যে এবং মডেমের তারটি সংযুক্ত করতে হয় কম্পিউটারের সাথে। তথ্য গ্রহণ এবং প্রদানকারী উভয় কম্পিউটারের সাথে মডেম সংযুক্ত করতে হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯৮.
গুগলের কোন সেবাটি ক্লাউড-ভিত্তিক ডকুমেন্ট তৈরি ও শেয়ার করার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Google Drive
  2. Google Docs
  3. Google Meet
  4. Google Ads
ব্যাখ্যা
• Google Docs:
- Google Docs হল গুগলের একটি ক্লাউড-ভিত্তিক ডকুমেন্ট এডিটিং ও শেয়ারিং টুল।
- এটি মূলত Microsoft Word-এর একটি অনলাইন বিকল্প, তবে এতে রয়েছে রিয়েল-টাইম সহযোগিতা ও সংরক্ষণের সুবিধা।
- এর মাধ্যমে ক্লাউড ভিত্তিক ডকুমেন্ট তৈরি ও শেয়ার করা যায়। 

• মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
→ Real-time collaboration:
- একাধিক ব্যক্তি একই সময়ে একটি ডকুমেন্টে কাজ করতে পারে।
- কে কী সম্পাদনা করছে তা লাইভ দেখা যায়।

→ Auto-saving:
- ডকস এর প্রতিটি পরিবর্তন স্বয়ংক্রিয়ভাবে Google Drive-এ সংরক্ষিত হয়, আলাদাভাবে Save করার প্রয়োজন পড়ে না।

→ একাধিক ফাইল ফরম্যাটে এক্সপোর্ট:
- Word (.docx), PDF, TXT ইত্যাদি ফরম্যাটে ডাউনলোড করা যায়।

→ শেয়ারিং কন্ট্রোল:
- যে কাউকে Viewer, Commenter বা Editor হিসেবে নির্ধারণ করা যায়।
- লিংক শেয়ার করেই অনেকে কাজ করতে পারে।

→ যেকোনো জায়গা থেকে অ্যাক্সেস:
- যেহেতু এটি ক্লাউড-ভিত্তিক, তাই মোবাইল, ট্যাবলেট বা কম্পিউটার—যেকোনো ডিভাইস থেকে ব্যবহার করা যায়।

তথ্যসূত্র:
- Google Docs অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
৯৯.
দেশের প্রস্তাবিত প্রথম ক্লাউড ডেটা সেন্টার কোনটি?
  1. ক) পদ্মা ক্লাউড
  2. খ) যমুনা ক্লাউড
  3. গ) বঙ্গবন্ধু ক্লাউড
  4. ঘ) মেঘনা ক্লাউড
ব্যাখ্যা
মেঘনা ক্লাউড
- দেশের প্রথম ক্লাউড ডেটা সেন্টার হতে যাচ্ছে ‘মেঘনা ক্লাউড’।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের আওতাধীন Bangladesh Data Center Company Limited (BDCCL) এবং জেননেক্সট টেকনোলজি লিমিটেড যৌথ উদ্যোগে এই ক্লাউড ডেটা  সেন্টার গড়ে তোলা হবে।
- ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- নিজস্ব প্রযুক্তি ও জনবলের মাধ্যমে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ ক্লাউড’ শিরোনামে উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে।
১০০.
কোন নেটওয়ার্কে সব কম্পিউটার একই সময়েই সার্ভার ও ক্লায়েন্টের ভূমিকা পালন করে?
  1. পিয়ার টু পিয়ার
  2. ক্লায়েন্ট সার্ভার
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• যে নেটওয়ার্কে সব কম্পিউটার একই সময়ে সার্ভার ও ক্লায়েন্টের ভূমিকা পালন করে, তাকে পিয়ার-টু-পিয়ার (Peer-to-Peer, P2P) নেটওয়ার্ক বলা হয়। এতে কোনো কেন্দ্রীভূত সার্ভার থাকে না। প্রতিটি কম্পিউটার অন্য কম্পিউটারের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফাইল, প্রোগ্রাম বা সার্ভিস শেয়ার করতে পারে। অর্থাৎ, একটি কম্পিউটার ডেটা চাইলে ক্লায়েন্ট হিসেবে কাজ করে এবং অন্যদিকে সেই একই কম্পিউটার অন্যের জন্য তথ্য সরবরাহ করলে সার্ভার হিসেবে কাজ করে। এই নেটওয়ার্ক সাধারণত ছোট বা মাঝারি আকারের পরিবেশে ব্যবহৃত হয়, যেখানে দ্রুত ফাইল শেয়ারিং এবং সরাসরি সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) পিয়ার টু পিয়ার।
 
• নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১। ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client-Server Network), 
২। পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) ও 
৩। হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybride Network)। 

• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে। 

• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট। 

• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
- তবে এর পাশাপাশি অল্প বিস্তারে পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের অংশ থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।