বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ডাটাবেজ সিস্টেম

মোট প্রশ্ন৬৭৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডাটাবেজ সিস্টেম

PrepBank · পাতা / · ২০১৩০০ / ৬৭৮

২০১.
ইনডেক্সিং-এর মূল উদ্দেশ্য কী? 
  1. ডাটাবেজ ফাইলকে সংরক্ষণ করা 
  2. ডাটাবেজের রেকর্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি করা 
  3. ডাটাবেজের রেকর্ড মুছে ফেলা 
  4. ডাটাবেজের রেকর্ড দ্রুত খুঁজে পাওয়া
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজের রেকর্ড দ্রুত খুঁজে পাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজের রেকর্ড দ্রুত খুঁজে পাওয়া
ব্যাখ্যা

- ইনডেক্সিং-এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ডাটাবেজের রেকর্ড দ্রুত খুঁজে পাওয়া। 

ইনডেক্সিং: 
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং। 
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো। 
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। তবে- 
• সর্ট করা ফাইলকে অন্য নামে ডাটাবেজ ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। 
• সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়। 
• পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে সর্ট করা ফাইলে তা আপডেট হয় না। 
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। 
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়। 
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো- 
১। ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে। 
২। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়। 
৩। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
8। একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়। 

ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে- 
১। ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
২। সর্টেড ডাটাগুলো নিয়ে ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয়। 
৩। ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০২.
এনক্রিপ্ট করার পর যে মেসেজ মানুষের পাঠযোগ্য রূপে থাকে না তাকে কী বলে?
  1. ক) Key
  2. খ) Algotext
  3. গ) Plaintext
  4. ঘ) Ciphertext
সঠিক উত্তর:
ঘ) Ciphertext
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Ciphertext
ব্যাখ্যা
এনক্রিপশন (Encryption)
- এনক্রিপশন হলো মেসেজ, ডাটা বা তথ্য কে এনকোড করার এমন একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা অনুমোদনহীন কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না । 

• এনক্রিপশনের চারটি মূল অংশ রয়েছে। যথা -
- Plaintext, Ciphertext, Encryption Algorithm এবং Key.

- Plaintext: Plaintext হলো এনক্রিপ্ট করার পূর্বের মেসেজ যা মানুষের পাঠযোগ্য রূপে থাকে।
- Ciphertext: Ciphertext হলো এনক্রিপ্ট করার পরের মেসেজ যা মানুষের পাঠযোগ্য রূপে থাকে না।
- Encryption Algorithm: Encryption Algorithm হলো গাণিতিক ফর্মূলা যা Plaintext থেকে Ciphertext করার জন্য বা Ciphertext থেকে Plaintext প্রিন্ট করার জন্য প্রয়োজন।
- Key: Key হলো গোপন কোড যা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার জন্য প্রয়োজন।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২০৩.
What is the purpose of data encryption?
  1. To make data transfer faster
  2. To ensure data privacy
  3. To store data in memory
  4. To expand computer RAM
সঠিক উত্তর:
To ensure data privacy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To ensure data privacy
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) To ensure data privacy

ডেটা এনক্রিপশন (Data Encryption)

- হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোন মেমোরি ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ করা কিংবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় সেই ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখতে ডেটা এনক্রিপ্ট করতে হয়।
​- ডেটা এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট (Plain text) ডেটাগুলো সাইফার টেক্সট (Cipher text) ডেটাতে রূপান্তরিত হয়, যাতে করে এটি সর্বসাধারণের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে।
- অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার জন্য যে পদ্ধতিতে ডেটা ভেঙে এলোমেলো করা হয়, তাকে ডেটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- তথ্য সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এনক্রিপশন বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। এতে এক ধরনের ডেটা সিকুয়েন্স রাখা হয়। এই ডেটা সিকুয়েন্সকে বলা হয় এনক্রিপশন কী। ডেটাবেজে ডেটার নিরাপত্তা বিধান করার জন্য ডেটা এনক্রিপ্ট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
- উপযুক্ত ডিসাইফার কোড বা ডিক্রিপ্ট পদ্ধতি জানা না থাকলে ঐ ডেটা কেউ অ্যাকসেস করতে পারলেও ব্যবহার করতে পারবে না।
- এনক্রিপ্ট করা ডেটা ব্যবহারের পূর্বে তা ডিসাইফার কোড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞাদের যে শাখায় ডেটার এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার বিষয় নিয়ে গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি (Crypography) বলা হয়।
- এনক্রিপশন পদ্ধতিতে প্রথমে প্রকৃত বা মূল ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। প্রকৃত বা মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট (Plain text) বলা হয়।
- এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় সাইফার টেক্সট (Cipher text)। এটি প্রেরকের সিস্টেম। অন্যদিকে প্রাপকের সিস্টেম সাইফার টেক্সট হতে মূল বা প্রকৃত ডেটাকে উদ্ধার করে।

​Source: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

২০৪.
নিচের কোনটি ডাটাবেজের উপাদান নয়? 
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. প্রসেসর
  4. ডাটা টেবিল
সঠিক উত্তর:
প্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রসেসর
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ: 
- ডাটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ সমাবেশ। 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হলো ডাটাবেজ। 
- একটি ডাটাবেজের এক বা একাধিক টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট মডিউল ইত্যাদি ফাইল থাকতে পারে। 
- ডাটাবেজকে তথ্যভাণ্ডার বলা হয়, চারপাশে অজস্র তথ্য ও উপাত্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- তবে এ সমস্ত তথ্যের সমাবেশকে ডাটাবেজ বলা যাবে না, কারণ ডাটাবেজ হল সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক আছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি। 

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান: 
- ডাটাবেজের অনেকগুলো উপাদান আছে। 
যেমন- ডাটা, রেকর্ড, ফিল্ড, ডাটা টেবিল ইত্যাদি। 
- সমজাতীয় অনেকগুলো ডাটাকে একটি টেবিলে রাখা হয়। 
- একটি টেবিলে অনেকগুলো কলাম ও সারি থাকে। 
- প্রত্যেকটি কলামের একটি করে শিরোনাম থাকে। 
- শিরোনামগুলো ফিল্ড নামে পরিচিত। 
- আর পাশাপাশি কয়েকটি কলামের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি সারি। 
- প্রতিটি সারিকে বলা হয় রেকর্ড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৫.
এম এস এক্সিস একটি -
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং প্যাকেজ
  2. স্প্রেডশিট প্যাকেজ
  3. ডাটাবেজ প্যাকেজ
  4. গ্রাফিক্স প্যাকেজ
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজ প্যাকেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজ প্যাকেজ
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট এক্সিস হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের একটি জনপ্রিয় ইলেক্ট্রনিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম। ১৯৯৩ সলের গোড়ার দিকে মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন এই সফটওয়্যারটি বাজারজাত করে।
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
২০৬.
নিচের কোনটি RDBMS (Relational Database Management System)-এর উদাহরণ নয়?
  1. MySQL
  2. Oracle
  3. Microsoft Access
  4. HBase 
সঠিক উত্তর:
HBase 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
HBase 
ব্যাখ্যা

• HBase হলো একটি NoSQL ডাটাবেস।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

• NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, এবং Couchbase.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।

২০৭.
প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন ধরণের 'কী' নির্দেশ করা হয়েছে?
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেন কী
  3. কম্পোজিট কী
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী
ব্যাখ্যা
• কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. প্রাইমারি কী (Primary Key)
- যে ফিল্ড কোন রেকর্ডকে ইউনিকভাবে (অদ্বিতীয়) সনাক্ত করতে পারে তাকে প্রাইমারি কী বলে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key)
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে। 

৩. ফরেন কী (Foreign Key)
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন  কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০৮.
A powerful data manipulation and definition language is -
  1. Python
  2. HTML
  3. SQL
  4. Java
সঠিক উত্তর:
SQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SQL
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) SQL

SQL (Structured Query Language)
- SQL-এর পুরো অর্থ Structured Query Language।
- এটি একটি শক্তিশালী ডাটা ম্যানিপুলেশন (DML) ও ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (DDL)।
- রিলেশনাল ডাটাবেসে অ্যাক্সেস এবং পরিচালনার জন্য SQL ব্যবহৃত হয়।
- SQL মূলত মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হতো, বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- SQL এক বা একাধিক ডাটাবেস, টেবিল, কলাম, ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্ট ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- SQL কুয়েরি প্রয়োগ করতে SQL উইন্ডো ওপেন করতে হয়।
- SQL তৈরি হয় ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machines) Research Center-এ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

২০৯.
ফাইল ট্রান্সফারের জন্য নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) HTTP
  2. খ) HTML
  3. গ) FTP
  4. ঘ) SMTP
সঠিক উত্তর:
গ) FTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) FTP
ব্যাখ্যা
FTP- File Transfer Protocol নেটওয়ার্কে ফাইল আদান প্রদানের একটি জনপ্রিয় ও বহুল প্রচলিত পদ্ধতি।
২১০.
ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে কী বলে?
  1. ক) কুয়েরি
  2. খ) রিপোর্ট
  3. গ) সর্টিং
  4. ঘ) ইনডেক্সিং
সঠিক উত্তর:
খ) রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
রিপোর্ট
- রিপোর্ট শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো প্রতিবেদন।
- ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে রিপোর্ট বলে।
- সাধারণত কোন তথ্য সরবরাহ বা বিতরণ করার জন্য রিপোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি কলাম ও সারি অনুযায়ী সাজিয়ে রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়।
- ডাটাবেজে রিপোর্টের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ডেটা টেবিলের ভিত্তিতে নয়, কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য দিয়েও রিপোর্ট তৈরি করা যায়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২১১.
SQL এর কোন কমান্ড ডাটাবেজ থেকে ডাটা পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. INSERT
  2. UPDATE
  3. SELECT
  4. DELETE
সঠিক উত্তর:
SELECT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SELECT
ব্যাখ্যা

SELECT কমান্ড ব্যবহার করে ডাটাবেজ থেকে ডাটা পুনরুদ্ধার (Retrieve) করা হয়।

SQL-এ SELECT কমান্ড:
- ডাটাবেজের নির্দিষ্ট বা সমস্ত তথ্য পুনরুদ্ধার করা যায়। 
- WHERE ক্লজ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী ডাটা ফিল্টার করা যায়। 
- ORDER BY ব্যবহার করে ডাটা সাজানো যায়। 
- JOIN ব্যবহার করে একাধিক টেবিল থেকে তথ্য আনা যায়। 

উদাহরণ: SELECT * FROM employees;
উপরের SQL কমান্ডটি employees টেবিল থেকে সব ডাটা পুনরুদ্ধার করবে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) INSERT কমান্ড নতুন ডাটা ডাটাবেজে যোগ (Insert) করতে ব্যবহৃত হয়।
খ) UPDATE কমান্ড বিদ্যমান ডাটাকে পরিবর্তন করতে (Modify) ব্যবহৃত হয়।
ঘ) DELETE কমান্ড ডাটাবেজ থেকে ডাটা মুছতে (Delete) ব্যবহৃত হয়।

উৎস: 
১। Learn Microsoft website. 
২। W3Schools. 

২১২.
One to Many রিলেশন তৈরি করার জন্য কোন উপাদানগুলো প্রয়োজন?
  1. প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
  2. দুটি প্রাইমারি কী
  3. দুটি ফরেন কী
  4. একটি ফরেন কী
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
ব্যাখ্যা

• One to Many রিলেশন তৈরি করার জন্য প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী প্রয়োজন, অর্থাৎ সঠিক উত্তর ক)। ডাটাবেসে One টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড Many টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। এজন্য One টেবিলের প্রাইমারি কী Many টেবিলে ফরেন কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রাইমারি কী প্রতিটি রেকর্ডকে ইউনিকভাবে শনাক্ত করে, আর ফরেন কী দুইটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। দুটি প্রাইমারি কী বা দুটি ফরেন কী ব্যবহার করে সরাসরি One to Many রিলেশন তৈরি করা যায় না।

• ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

২. One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত রিলেশন পদ্ধতি।
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী এর সম্পর্ক হলে One to many রিলেশন তৈরি হয়।

৩. Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২১৩.
SQL কোন ধরনের ডাটাবেজে ব্যবহারযোগ্য?
  1. ফ্ল্যাট ফাইল
  2. রিলেশনাল ডাটাবেজ 
  3. শুধু XML ফাইল
  4. ইমেজ ডাটাবেজ
সঠিক উত্তর:
রিলেশনাল ডাটাবেজ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিলেশনাল ডাটাবেজ 
ব্যাখ্যা

• SQL (Structured Query Language) মূলত রিলেশনাল ডাটাবেজে ব্যবহারযোগ্য। এটি ডাটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ, পুনঃপ্রাপ্তি, আপডেট এবং মুছে ফেলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। রিলেশনাল ডাটাবেজে তথ্য টেবিল আকারে সংরক্ষিত থাকে, যেখানে সারি এবং কলাম থাকে এবং টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক (relationship) থাকে। SQL এই টেবিলগুলোর মধ্যে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, যেমন ডাটা যোগ করা, অনুসন্ধান করা, সাজানো বা ফিল্টার করা। অন্যদিকে ফ্ল্যাট ফাইল, XML ফাইল বা ইমেজ ডাটাবেজে SQL সরাসরি ব্যবহার করা যায় না, কারণ সেগুলো টেবিল-ভিত্তিক কাঠামো সমর্থন করে না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) রিলেশনাল ডাটাবেজ।

• SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ অ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
-বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২১৪.
ডাটাবেজে টেবিলের কলামকে কী বলা হয়?
  1. Tuple
  2. Attribute
  3. Row
  4. Instance
সঠিক উত্তর:
Attribute
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Attribute
ব্যাখ্যা

- একটি রিলেশনাল ডাটাবেজের টেবিলে সাধারণত সারি (rows) ও কলাম (columns) থাকে।
- একটি সারি একটি রেকর্ড বা রেকর্ডসেট (tuple) কে প্রতিনিধিত্ব করে। 
- আর একটি কলাম হলো একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বা প্রপার্টি যা প্রতিটি সারিতে তথ্য ধরে রাখে-  উদাহরণস্বরূপ, রোল, নাম, বিভাগ ইত্যাদি।
- এই কলামকে Attribute বলা হয়। 
তাই “টেবিলের কলাম” = “অ্যাট্রিবিউট (Attribute)” কারণ এটি সারির প্রতিটি রেকর্ডে সেই নির্দিষ্ট তথ্য রাখে।

Tuple:
- একটি সারি বা রেকর্ড বোঝায়, যা টেবিলের একক ডেটাসেট নির্দেশ করে।

Row:
- এটি ডাটাবেজে এক ব্যক্তির বা এক রেকর্ডের সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে।
- উদাহরণ: ছাত্র টেবিলে প্রতিটি Row একজন ছাত্রের তথ্য প্রকাশ করে।

Instance:
- Instance বলতে বোঝায় কোনো টেবিলের একটি নির্দিষ্ট সময়ের ডেটার অবস্থা।
- প্রতিটি কলামের একটি মান (যেমন “রাফি”)-ও একটি Data Instance হিসেবে ধরা যায়।
- উদাহরণ: “Name” Attribute-এর একটি Instance হতে পারে “রাফি”।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]।

২১৫.
নিম্নের কোনটি DML কমান্ড নয়?
  1. Create
  2. Insert
  3. Delete
  4. Update
সঠিক উত্তর:
Create
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Create
ব্যাখ্যা
'Create' DML কমান্ড নয়।

• ডাটাবেজ ভাষা:

যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৬.
সাধারণ ফাইল সিস্টেমের তুলনায় ডাটাবেজে মেমোরী খরচ-
  1. বেশী
  2. কম
  3. সমান
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম
ব্যাখ্যা
একটি সাধারণ ফাইলে তথ্য অগুছালো অবস্থায় থাকে। কারণ, এসব ফাইলে তথ্য কোন সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে দেওয়া হয় না।
তাই, একই তথ্য বিভিন্ন ফাইলে থাকতে পারে। পক্ষান্তরে ডাটাবেজে তথ্য সাজানো অবস্থায় থাকে।
তাই ডাটাবেজের নিম্নলিখিত সুবিধাসমূহ উল্লেখযোগ্য-
(ক) প্রয়োজনীয় সকল তথ্য বিচার-বিশ্লেষণ করে ডাটাবেজ ফাইল তৈরী করা হয়। তাই এতে তথ্যের পুনরাবৃত্তি অর্থাৎ
একই তথ্য একাধিকবার থাকার সম্ভাবনা কম।
(খ) ডাটাবেজে তথ্য সুরক্ষিত থাকে। তাই তথ্য নির্ভেজাল হয়, অর্থাৎ পরিবর্তিত বা ধ্বংস হয় না। এ বৈশিষ্ট্যটুকু ধরে
রাখতে হলে- রেকর্ডসমূহকে সুপরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণ করে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হয়, তথ্যের মান
ঠিক আছে কিনা খেয়াল রাখতে হয়, সর্বোপরি ডাটাবেজের গোপনীয়তা রক্ষা করতে হয়।
(গ) ডাটাবেজে মেমোরী অপচয় কম হয়। যেহেতু একই তথ্য একাধিকবার থাকার সম্ভাবনা কম, সেহেতু
অতিরিক্ত মেমোরী নষ্ট হয় না।
(ঘ) কোয়েরী প্রোগ্রাম দ্বারা তথ্য উদ্ধার করা যায়।এতে ব্যবহারকারীর কোন কোন তথ্য দরকার তা উল্লেখ করলেই
চলে, কিভাবে তথ্যউদ্ধার করতে হবে তা উল্লেখ করার প্রয়োজন হয় না। 
উৎস: এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১৭.
RDBMS-এর ধারণা উপস্থাপন করেন কে?
  1. ফ্রেড কোহেন
  2. রে টমলিনসন
  3. ই এফ কড
  4. জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ
সঠিক উত্তর:
ই এফ কড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই এফ কড
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে ই এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায় ।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায় ।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায় ।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায় ।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১৮.
What type of software is Oracle?
  1. Operating system
  2. Network management tool
  3. Graphics software
  4. Database Management System 
সঠিক উত্তর:
Database Management System 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Database Management System 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Database Management System 

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)
- যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তাকে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) বলা হয়।

DBMS-এর প্রধান কাজসমূহ:
1. ডেটাবেজ তৈরি করা, 
2. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন বা তথ্য অনুসন্ধান করা, 
3. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ করা। 

কিছু পরিচিত DBMS উদাহরণ:
- MySQL, 
- Oracle, 
- Microsoft Access, 
- Microsoft SQL Server, 
- PostgreSQL, 
- SQLite.

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

২১৯.
ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে কোনটি করা যায় না?
  1. নতুন ডাটাবেজ তৈরি
  2. ডাটার আধুনিকীকরণ
  3. ডাটা প্রবেশ করানো
  4. সবগুলোই করা যায়
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই করা যায়
ব্যাখ্যা
- ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে সবগুলো কাজই করা যায় ।

ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
সাধারণত ডাটাবেজকে বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রণ, নতুন ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা প্রবেশ করানো, ডাটার আধুনিকীকরণ, ডাটা এডিটিং ইত্যাদি কাজ করার জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টিকেই বলা হয় ডাটাবেজ প্রোগ্রাম।

ডাটাবেজ প্রোগ্রামের বৈশিষ্ট্য:
- সহজে বিভিন্ন ধরনের ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- সহজে বিভিন্ন ধরনের ডাটা টেবিলে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
- ডাটা এন্টি করার ফর্ম ডিজাইন করা যায়। 
- শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রাপ্য ও প্রদেয় হিসাব, ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট, বার্ষিক রিপোর্ট, উৎপাদন ও বিক্রয় ইত্যাদি যাবতীয় কাজের প্রয়োজনীয় তথ্য সহজে সংরক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 
- বিপুল পরিমান ডাটা থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে দ্রুত খুঁজে বের করা যায়। 
- সহজে নির্দিষ্ট রেকর্ড অনুসন্ধান করা যায়। 
- শর্ত দিয়ে ডাটা এন্ট্রির সীমা নির্ধারণ করা যায়। 
- শর্ত দিয়ে নির্দিষ্ট ডাটা অনুসন্ধান করা যায়। 
- দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য রিলেশন তৈরি করা যায়। 
- দ্রুত তথ্য খুঁজে বের করার জন্য ইনডেক্স ব্যবহার করা যায়। 
- বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক ও লজিক্যাল কাজ করা যায়। 
- প্রয়োজনীয় ডাটা সংগ্রহ করে বিভিন্ন ধরনের রিপোর্ট তৈরি করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২২০.
UTF - 16 এর পূর্ণনাম কী?
  1. Universal Transection Formula - 16
  2. Unicode Transformation Format - 16
  3. Unicode Text Format - 16
  4. Universal Text Format - 16
সঠিক উত্তর:
Unicode Transformation Format - 16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unicode Transformation Format - 16
ব্যাখ্যা
UTF - 16 এর পূর্ণনাম Unicode Transformation Format - 16.
ইউনিকোডের বাইটগুলো প্রক্রিয়া করার পদ্ধতি হচ্ছে UTF - 8, UTF - 16.
[উৎস - ICT, নবম - দশম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ৯০]
২২১.
ডেটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ ও সাজিয়ে রাখতে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. Web Crawler
  2. Index Software
  3. Query Software
  4. Robots.txt
সঠিক উত্তর:
Web Crawler
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Web Crawler
ব্যাখ্যা
Web Crawler বা Spider Software হলো একধরণের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে এবং নতুন নতুন তথ্য তার ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে এবং সাজিয়ে রাখে। 
গুগলের Crawler সফটওয়্যারটি Google Bot নামে পরিচিত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২২২.
প্রেজেন্টেশন ফাইলের এক একটি পৃষ্ঠাকে কি বলা হয়?
  1. ডকুমেন্ট
  2. কুয়েরি
  3. টেবল
  4. স্লাইড
সঠিক উত্তর:
স্লাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্লাইড
ব্যাখ্যা

মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট হলো একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম। এটি একটি গ্রাফিক্স প্যাকেজ প্রোগ্রাম। পাওয়ারপয়েন্টের সাহায্যে পণ্যের বিজ্ঞাপন, মিটিংয়ের আলোচ্য বিষয়, উৎপাদন প্রতিবেদন, ডাটা উপস্থাপনা, গ্রাফ বা চার্ট ইত্যাদির উপস্থাপন কাজ করা যায়।
প্রেজেন্টেশনের এক একটি অংশ বা খন্ডের নাম স্লাইড। একটি প্রেজেন্টেশনে এক বা একাধিক স্লাইড থাকতে পারে।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

২২৩.
ডেটাবেজ থেকে নির্ধারিত শর্ত অনুসারে রেকর্ড বের করার প্রক্রিয়াকে বলা হয়:
  1. আপডেট
  2. কুয়েরি
  3. সর্টিং
  4. সেভিং
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ থেকে নির্ধারিত শর্ত অনুসারে রেকর্ড বের করার প্রক্রিয়াকে "কুয়েরি" (Query) বলা হয়। কুয়েরির মাধ্যমে ব্যবহারকারী ডেটাবেজে থাকা লক্ষ লক্ষ ডেটার মধ্যে থেকে নির্দিষ্ট কিছু তথ্য খুব সহজে খুঁজে পেতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো শিক্ষার্থীর নাম বা রোল নম্বর অনুসারে তথ্য জানতে হয়, তাহলে একটি কুয়েরি তৈরি করে তা ডেটাবেজে চালানো হয় এবং সংশ্লিষ্ট রেকর্ডগুলো বের হয়ে আসে। কুয়েরি SQL ভাষার সাহায্যে লেখা হয়, যেমন: SELECT * FROM students WHERE grade = 'A'। এইভাবে কুয়েরি ডেটা অনুসন্ধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২২৪.
নিচে দেওয়া অপশনগুলোর কোনটি একটি RDBMS সফটওয়্যার হিসেবে বিবেচিত নয়?
  1. MySQL
  2. Oracle
  3. MacOS
  4. Informix
সঠিক উত্তর:
MacOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MacOS
ব্যাখ্যা

• অপশনগুলোর মধ্যে MacOS একটি RDBMS (Relational Database Management System) সফটওয়্যার হিসেবে বিবেচিত নয়। MySQL, Oracle, এবং Informix সবই জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যার, যা ডাটাবেস তৈরি, পরিচালনা এবং ডাটা সংরক্ষণ ও অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়। MySQL সাধারণত ওপেন সোর্স প্রকল্পে ব্যবহৃত হয়, Oracle বড় প্রতিষ্ঠানে প্রায়শই ব্যবহৃত হয়, আর Informixও একটি শক্তিশালী কমার্শিয়াল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। অন্যদিকে, MacOS হলো অ্যাপল কোম্পানির তৈরি একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা কম্পিউটার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়, ডাটাবেস পরিচালনার সরাসরি কাজের জন্য নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) MacOS.

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২২৫.
নিচের কোন ফিল্ডটি প্রাইমারি কী হতে পারে?
  1. ক) ID
  2. খ) Name
  3. গ) Blood Group
  4. ঘ) City
সঠিক উত্তর:
ক) ID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ID
ব্যাখ্যা
কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।

• কী ৩ ধরনের হয়:
১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কী বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
২২৬.
১০২৪ টেরাবাইট = কত?
  1. ক) 1 জেটাবাইট
  2. খ) 1 ইট্রাবাইট
  3. গ) 1 এক্সাবাইট
  4. ঘ) 1 পেটাবাইট
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1 পেটাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1 পেটাবাইট
ব্যাখ্যা
৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়।
এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনো বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়।
এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয় ।

কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
(খ) ১০২৪ = ১ কিলোবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)
২২৭.
ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডগুলোকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে বলে-
  1. কুয়েরি
  2. ক্রিপটোগ্রাফি
  3. ইনডেক্সিং
  4. সর্টিং
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।

• ইনডেক্সিং:
- ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপটোগ্রাফি বলে। 
- ডাটাকে ঊর্ধবক্রম থেকে অধঃক্রম অনুসারে সাজানোকে সর্টিং বলা হয়। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২২৮.
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার পরিচালনা করা
  2. ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা
  3. প্রোগ্রাম তৈরি করা
  4. ওয়েবসাইট নকশা করা
সঠিক উত্তর:
ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও দক্ষভাবে ব্যবস্থাপনা করা। এটি বিপুল পরিমাণ ডেটাকে সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ করে, যাতে প্রয়োজনের সময় দ্রুত ও সহজে ডেটা খুঁজে পাওয়া যায়। DBMS ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, অননুমোদিত প্রবেশ রোধ করে এবং ডেটার অখণ্ডতা বজায় রাখে। একই সঙ্গে এটি একাধিক ব্যবহারকারীকে একসাথে ডেটা ব্যবহারের সুযোগ দেয় এবং ডেটা আপডেট, মুছে ফেলা ও বিশ্লেষণকে সহজ করে তোলে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো-  ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা।

DBMS: 
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- Microsoft Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

২২৯.
কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য কোন কুয়েরি ব্যবহার করা হয়?
  1. Select Query
  2. Parameter Query
  3. Crosstab Query
  4. Action Query
সঠিক উত্তর:
Action Query
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Action Query
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি: 
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-
Select Query: 
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। 
 
Parameter Query: 
- প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
 
Crosstab Query: 
- ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
 
Action Query: 
- কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড।
২৩০.
DBMS এর পূর্ণরূপ-
  1. Database Management Software
  2. Database Management System
  3. Data Management System
  4. Data Management Software
সঠিক উত্তর:
Database Management System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Database Management System
ব্যাখ্যা
DBMS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Database Management System.

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।

DBMS (Database Management System) এর প্রধান কাজসমূহ:
১. ডেটাবেজ তৈরি, ডেটা এন্ট্রি ও সংরক্ষণ করা।
২. ভুল ডেটা খুঁজে সংশোধন করা।
৩. অপ্রয়োজনীয় রেকর্ড/ডেটা মুছে ফেলা।
৪. নির্দিষ্ট ডেটা অনুসন্ধান ও কুয়েরি চালানো।
৫. রিপোর্ট তৈরি ও প্রিন্ট করা।
৬. ডেটা Ascending/Descending (উর্ধ্বক্রম/নিম্নক্রম) অনুযায়ী সাজানো।
৭. একই ডেটা বারবার না আসে, সেটা নিশ্চিত করা (Duplication কমানো)।
৮. প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটাবেজ বা এর অংশবিশেষ প্রিন্ট করা।
৯. ডেটাবেজ আপডেট রাখা।
১০. ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও কে ব্যবহার করবে তা নিয়ন্ত্রণ করা।
১১. ডেটার ব্যাকআপ রাখা ও প্রয়োজনে রিকভারি করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২৩১.
ডাইরেক্ট এক্সেস মেমোরির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ডিস্ক মেমোরি
  2. খ) চৌম্বক টেপ মেমোরি
  3. গ) চৌম্বক ড্রাম মেমোরি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ডিস্ক মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডিস্ক মেমোরি
ব্যাখ্যা

যে ধরনের মেমোরিতে তথ্যকে পঠন/লিখনের জন্য সিকুয়েন্স, একসেস বা, সংযোগ উভয়েই ব্যবহৃত হয়, তাকে ডাইরেক্ট এক্সেস মেমোরি বলে।
যেমন- ডিস্ক মেমোরি।
অন্যদিকে,
- চৌম্বক টেপ মেমোরি হল সিকুয়েন্সিয়াল মেমোরি।
- চৌম্বক ড্রাম মেমোরি হল সাইক্লিক এক্সেস মেমোরি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

২৩২.
নিচের কোন ক্ষেত্রে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করা হয়?
  1. ব্যাংকিং
  2. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  3. টেলিকমিউনিকেশন
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- বর্তমানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে DBMS ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্ষেত্র হচ্ছে-
১. অথ্য ব্যবস্থাপনা:
- ব্যাপক তথ্য নিয়ে কাজ করতে হয় এমন সব সরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন- নির্বাচন কমিশন, পরিসংখ্যান ব্যুরো, শিক্ষা ব্যুরো, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, পর্যটন কর্পোরেশন, কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানসমূহে।

২. ব্যাংকিং:
- ব্যাংকিং সেক্টরের সব ধরনের কার্যক্রম যেমন- ব্যাংকিং লেনদেন, গ্রাহকের বিবরণ, ব্যালেন্স, একাউন্ট স্টেটমেন্ট, ঋণ সংক্রান্ত হিসাব-নিকাশ, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড প্রভৃতি কাজে।

৩. বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান:
- বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে যেমন- বড় শপিং মলে প্রডাক্ট মজুদ, বিক্রয় এবং গ্রাহকদের তথ্য সংরক্ষণ ও বিল তৈরিকরণে, অনলাইন শপিং সার্ভিসে।

৪. এয়ারলাইন্স:
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত টার্মিনালের সাথে টেলিফোন ও অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমানের রিজার্ভেশন ও সিডিউল তৈরিতে।

৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
- স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিবিধ তথ্য যেমন রেজিস্ট্রেশন্স, ও কালেকশন, ভর্তি ফরম পূরণ, রুটিন, পরীক্ষার ফলাফলের গ্রেডিং প্রভৃতি কাজে।

৬. টেলিকমিউনিকেশন:
- টেলিফোন কলের রেকর্ড, মাসিক বিল, প্রি-প্রেইড কলিং গ্রাহকের হিসাব, গ্রাহকের তথ্যাবলি সংরক্ষণে DBMS এর ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।

৭. তথ্য ব্যবস্থাপনা:
- বিভিন্ন অর্থলগ্নীকারক ও ব্যবস্থাপনা যেমন-হোল্ডিং, ক্রয়-বিক্রয়, স্টক, শেয়ার বা বার্ষিক আর্থিক বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজে।

৮. উৎপাদন:
- বিভিন্ন কলকারখানায় উৎপাদন, মজুদ পরিমাণ, চাহিদা, অর্ডার প্রভৃতি হিসাব বিশ্লেষণে।

৯. মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা:
- কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত নথিপত্র, বেতন-ভাতাদি, ওভারটাইম, আয়কর, বোনাস প্রভৃতি হিসাব প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণে।

১০. ওয়েববেজড সার্ভিস:
- ওয়েব ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক নেয়া, উত্তর দেয়া এবং রিসোর্স শেয়ারিং করা।

১১. স্বাস্থ্য সেবায়:
- বড় বড় হাসপাতাল বা ক্লিনিকে রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ, ডায়াগনসিস রিপোর্ট, অনলাইন স্বাস্থ্য সেবায়, বায়োমেডিক্যাল গবেষণায়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৩৩.
নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) ইনফরমেশন ডেটার উপর নির্ভর করে।
  2. খ) ইনফরমেশনকে প্রসেস করে ডেটায় রূপান্তর করা হয়।
  3. গ) ডেটা ইনফরমেশনের উপর নির্ভর করে না।
  4. ঘ) ইনফরমেশন বা তথ্যের ক্ষুদ্রতম এককই ডাটা।
সঠিক উত্তর:
খ) ইনফরমেশনকে প্রসেস করে ডেটায় রূপান্তর করা হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইনফরমেশনকে প্রসেস করে ডেটায় রূপান্তর করা হয়।
ব্যাখ্যা
কোন বিশেষ উদ্দেশ্যে কম্পিউটারে ডেটা প্রক্রিয়াকরণের ফলে প্রাপ্ত ফলাফলকে ইনফরমেশন বা তথ্য বলা হয়। ডেটাকে প্রসেস করেই ইনফরমেশন পাওয়া যায়৷ একটি সিস্টেমের ইনফরমেশন আবার অপর একটি সিস্টেমের ডেটা হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে৷ উপরের 'ক' অপশনটি সঠিক নয়। কারণ ডেটাকে প্রসের করে ইনফরমেশনে রূপান্তর করা হয়। বাকি তিনটি অপশন সঠিক।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি৷
২৩৪.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ?
  1. C
  2. C++
  3. SQL
  4. Cobol
সঠিক উত্তর:
SQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SQL
ব্যাখ্যা
• SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্ৰয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়। 

• C, Cobol এবং C++ প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৫.
ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. Caesar Code
  2. Cipher code
  3. DES
  4. IDEA
সঠিক উত্তর:
Cipher code
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cipher code
ব্যাখ্যা
♦ ডেটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত কয়েকটি পদ্ধতি হলো
◊ সিজার কোড (Caesar Code),
◊ ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES),
◊ ইন্টারন্যাশনাল ডেটা এনক্রিপশন অ্যালগরিদম (International Data Encryption Algorithm - IDEA)।

• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৩৬.
ডাটাবেজে রেকর্ড শনাক্তকরণ ও সম্পর্ক স্থাপনের জন্য যে ফিল্ড ব্যবহৃত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. কী ফিল্ড
  2. ডাটা ফিল্ড
  3. রিলেশন ফিল্ড
  4. টেবিল ফিল্ড
সঠিক উত্তর:
কী ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কী ফিল্ড
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজে রেকর্ড শনাক্তকরণ ও সম্পর্ক স্থাপনের জন্য যে ফিল্ড ব্যবহৃত হয় তাকে কী ফিল্ড বলা হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key)।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩৭.
"One to Many Relation" তৈরি করতে হলে কী প্রয়োজন?
  1. একটি ফরেন কী
  2. দুটি প্রাইমারি কী
  3. দুটি ফরেন কী
  4. প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
ব্যাখ্যা
• One to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে একটি টেবিলের প্রাইমারি কী অপর টেবিলের মধ্যে ফরেন কী হিসেবে থাকতে হয়। এটি দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে যেখানে একটি রেকর্ড অনেক রেকর্ডের সাথে যুক্ত থাকে। অর্থাৎ, “One” পাশের টেবিলের প্রাইমারি কী “Many” পাশের টেবিলের ফরেন কী দ্বারা রেফারেন্স করা হয়। তাই, One to Many রিলেশন তৈরির জন্য প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী উভয়ই প্রয়োজন হয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী।

• ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

২. One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত রিলেশন পদ্ধতি।
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী এর সম্পর্ক হলে One to many রিলেশন তৈরি হয়।

৩. Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২৩৮.
একটি কম্পিউটারের ব্যবহৃত ধীরগতির মেমোরি কোনটি?
  1. ক) ডিস্ক ড্রাইভ
  2. খ) কী -বোর্ড
  3. গ) ক্যাশ
  4. ঘ) রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
ক) ডিস্ক ড্রাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডিস্ক ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
নিচের ছবিতে দেখুন - (University Book)
২৩৯.
ডাটাবেজের ডাটাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিক বা সংখ্যানুক্রমিক সাজানোকে কী বলা হয়?
  1. ইনডেক্সিং
  2. কুয়েরি
  3. ক্রিপ্টোগ্রাফি
  4. সর্টিং
সঠিক উত্তর:
সর্টিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্টিং
ব্যাখ্যা
- একটি টেবিলে ডাটা এন্ট্রি করার পর যে কোনো ফিল্ড বা কলামের ভিত্তিতে ডাটাবেজকে বর্ণানুক্রমিক এবং সংখ্যানুক্রমিক সাজানো বা বিন্যস্ত (Sort) করা যায়।
- ডাটাবেজের ডাটাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিক বা সংখ্যানুক্রমিক সাজানোকেই বলা হয় সর্টিং।

অন্যদিকে, 
- কোনো ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমান ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত ও সহজ উপায়ে যে কোন ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতিকে কুয়েরি বলে।
- ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪০.
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. ক) Microsoft Access
  2. খ) Corel Quattro Pro
  3. গ) Oracle
  4. ঘ) MySQL
সঠিক উত্তর:
খ) Corel Quattro Pro
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Corel Quattro Pro
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডেটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক সফটওয়্যার প্রচলিত আছে। যথা- মাইক্রোসফট এক্সেস (Microsoft Access), ওরাকল (Oracle), মাইএসকিউএল (MySQL), এসকিউএল সার্ভার (SQL Server) এবং ইনফরমিক্স (Informix) ইত্যাদি। Corel Quattro Pro হচ্ছে Spreadsheet Analysis Software।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২৪১.
কোন সফটওয়্যারের সাহায্যে ডাটাবেজ সহজে সর্ট করা যায়?
  1. PowerPoint
  2. Excel
  3. Access
  4. WordPad
সঠিক উত্তর:
Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Access
ব্যাখ্যা
Access এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট করা যায়।

• ডাটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ভাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়।

• রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১। Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে)- ছোট থেকে বড় আকারে,
২। Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে)- বড় থেকে ছোট আকারে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪২.
বিপুল পরিমাণ ডাটা থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ডাটা খুঁজে বের করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ফর্ম
  2. রিপোর্ট
  3. মডিউল
  4. ইনডেক্স
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্স
ব্যাখ্যা

• ইনডেক্স ব্যবহার করলে বিপুল পরিমাণ ডাটা থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় ডাটা খুঁজে বের করা যায়।

• ডাটাবেজ প্রোগ্রামের বৈশিষ্ট্য:
- ডাটাবেজে বিপুল পরিমাণ ডাটা সংরক্ষিত থাকলে সরাসরি অনুসন্ধান করতে বেশি সময় লাগে।
- ইনডেক্স ডাটার জন্য একটি সূচিপত্র (Index Table) তৈরি করে, যা নির্দিষ্ট রেকর্ডের অবস্থান দ্রুত নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।
- ইনডেক্স ব্যবহারের ফলে ডাটাবেজকে প্রতিটি রেকর্ড ধারাবাহিকভাবে খুঁজতে হয় না।
- তাই ইনডেক্স ডাটাবেজের অনুসন্ধান গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করে।
- বড় ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় দ্রুত তথ্য আহরণের জন্য ইনডেক্স একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ফর্ম: ব্যবহারকারীর সুবিধার্থে ডাটা এন্ট্রি ও ডাটা প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- রিপোর্ট: সংরক্ষিত ডাটা বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে উপস্থাপনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- মডিউল: ডাটাবেজ প্রোগ্রামে প্রোগ্রামিং ও অটোমেশন সংক্রান্ত কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪৩.
কম্পিউটারের আগের অবস্থা বা প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ডিস্ক ক্লিনআপ
  2. সিস্টেম রিস্টোর
  3. টাস্ক ম্যানেজার
  4. ব্যাক আপ
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম রিস্টোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিস্টেম রিস্টোর
ব্যাখ্যা

সিস্টেম রিস্টোর প্রোগ্রাম, কম্পিউটারের আগের অবস্থা বা প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়।

- System Restore হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম।
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারের পূর্বের স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
- এটি সফটওয়্যার, ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংসে সমস্যা হলে আগের অবস্থায় রিস্টোর করে।
- এটি সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা, বা ম্যালওয়্যার আক্রমণের কারণে সিস্টেম বাধাগ্রস্থ হলে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তিগত ফাইল (যেমন: ছবি, ডকুমেন্ট) এটি প্রভাবিত করে না।

উল্লেখ্য,
- ডিস্ক ক্লিনআপ: অপ্রয়োজনীয় ফাইল খালি করে, কিন্তু সিস্টেমকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনে না।
- টাস্ক ম্যানেজার: চলমান প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নিরীক্ষণ করে।
- ফাইল কম্প্রেশন: ফাইলের আকার কমিয়ে স্টোরেজ সাশ্রয় করে।

উৎস: মাইক্রোসফট অফিসিয়াল সাপোর্ট ওয়েবসাইট। [link]

২৪৪.
একটি রিলেশনাল ডাটাবেস মডেলে নিচের কোনটি দ্বারা Relation প্রকাশ করা হয়? 
  1. Tuples
  2. Attributes
  3. Tables
  4. Rows
সঠিক উত্তর:
Tables
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tables
ব্যাখ্যা
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায় ।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায় ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪৫.
ডেটাবেজ ডিজাইনের ক্ষেত্রে তারিখ/সময় ডেটা টাইপের আকার কত?
  1. ৮ বিট
  2. ৪ বিট
  3. ৮ বাইট
  4. ১৬ বাইট
সঠিক উত্তর:
৮ বাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ বাইট
ব্যাখ্যা
- Short Text/Text ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত। সাধারণত বর্ণভিত্তিক ডেটার ক্ষেত্রে এ ডেটা টাইপ ব্যবহার করা যায়। এ ফিল্ডে বর্ণের সাথে সাথে সংখ্যাও লেখা যায়।
- Long Text/Memo ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৬৪০০০ ক্যারেক্টার পর্যন্ত, কিন্তু ১ গিগা বাইট পর্যন্ত লেখা যায়।  এটি একটি Conditional Data টাইপ। এটি ডেটাবেজের সবচেয়ে বড় ডেটা টাইপ।
- তারিখ/সময় ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- মুদ্রা জাতীয় ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- লজিকাল/বুলিয়ান ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ১ বিট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৪৬.
কোন ধরনের কোয়েরি ল্যাংগুয়েজ সারা দুনিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে?
  1. ক) QUEL
  2. খ) QBE
  3. গ) SQL
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) SQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) SQL
ব্যাখ্যা

SQL কোয়েরি ল্যাংগুয়েজ হল- Structured Query Language।

এছাড়া
QUEL-QUEery Language
QBE- Query By Example

SQL এর সম্পূর্ন অর্থ হলো Structured Query Language। এটি একটি programming language যার মাধ্যমে আমরা database এর সাথে যোগাযোগ করতে পারি মানে database এ ডাটা আদান-প্রদান করতে পারি। ।
SQL এর মাধ্যমে যে কাজসমূহ করা যায়-
১। database থেকে যে কোন ডাটা নিয়ে আসতে পারবো।
২। database এ নতুন কোন ডাটা আমরা সংরক্ষন করতে পারবো।
৩। আগের কোন ডাটা আমরা update করতে পারবো।
৪। আগের কোন ডাটা আমরা delete করতে পারবো।
৫। নতুন কোন databases তৈরী করতে পারবো।
৬। databases এর মধ্যে নতুন কোন table তৈরী করতে পারবো।
৭। databases এর জন্য নতুন কোন User তৈরী করতে পারবো।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

২৪৭.
ডাটাকে ঊর্ধবক্রম থেকে অধঃক্রম অনুসারে সাজানোকে বলা হয় -
  1. ক) ইনডেক্সিং
  2. খ) লুপিং
  3. গ) কুয়েরি
  4. ঘ) সর্টিং
সঠিক উত্তর:
ঘ) সর্টিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সর্টিং
ব্যাখ্যা
সর্টিং: 
- ডাটাকে ঊর্ধবক্রম থেকে অধঃক্রম অনুসারে সাজানোকে সর্টিং বলা হয়। 
- ডেটাকে দুইভাবে সাজানো বা সর্টিং করা যায়।
- যেমন: ছোট থেকে বড় (Ascending Order) ও বড় থেকে ছোট ( Descending Order). 

ইনডেক্সিং:
- ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ড সমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
- কোন ডেটা তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজানো হয়। 

কুয়েরি: 
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ, পুনরূদ্ধার, ডেটা মডিফাই, ডিলিট ইত্যাদি অপারেশনকে বুঝায়।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- তিনটি কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ সর্বাধিক প্রচলিত - QUEL, QBE, SQL ইত্যাদি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৪৮.
ডাটাবেজ টেবিলের "প্রাইমারি কী" কী কাজ করে?
  1. টেবিলের সকল তথ্য নিরাপদ রাখতে এনক্রিপশন ব্যবহার করে
  2. টেবিলের সকল ডাটা স্থায়ীভাবে মুছে ফেলে
  3. টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে
  4. টেবিলের সাইজ ছোট করার জন্য অতিরিক্ত তথ্য কমিয়ে ফেলে
সঠিক উত্তর:
টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে
ব্যাখ্যা

ডাটাবেজ টেবিলে প্রাইমারি কী (Primary Key) হলো একটি বিশেষ কলাম বা কলামের সেট, যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে (Uniquely) সনাক্ত করে।

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- কী ৩ ধরনের হয়। যথা-

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

২৪৯.
বাংলাদেশে প্রথম টেলি ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রথম চালু করে-
  1. ক) National Bank
  2. খ) Grindlays Bank
  3. গ) Standard Chartered Bank
  4. ঘ) American Express Bank
সঠিক উত্তর:
গ) Standard Chartered Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Standard Chartered Bank
ব্যাখ্যা
টেলি ব্যাংকিং কথাটির অর্থ হলো টেলিফোন ব্যাংকিং। অর্থাৎ টেলিফোনের মাধ্যমে যে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তাকে টেলিফোন ব্যাংকিং বা টেলি ব্যাংকিং বলা হয়। এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার ব্যাংক সীমিত পরিসরে একাউন্ট ব্যালেন্স ট্রানজেকশন, ইলেকট্রনিক বিল পেমেন্ট, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজ করার সুবিধা গ্রহণ করতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু থাকলেও বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক প্রথম এই সেবা চালু করে।
২৫০.
Record means -
  1. Aggregation of file
  2. Aggregation of field
  3. Aggregation of program
  4. Aggregation of table
সঠিক উত্তর:
Aggregation of field
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aggregation of field
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ: 
- এক বা একাধিক পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডাটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টিকে ডাটাবেজ বলে।
- ডাটা শব্দটির অর্থ ‘উপাত্ত’ এবং বেজ শব্দটির অর্থ ‘সমাবেশ’।
- ডাটা, ফিল্ড, রেকর্ড, ডাটা টেবিল ইত্যাদি হলো ডাটাবেজের উপাদান। 
- কোনো ডাটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে এনটিটি বলে।  
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডাটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডাটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একেকটি রেকর্ড। 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হলো - 
মাইক্রোসফট এক্সেস, ফক্সপ্রো, ডিবেজ, ফক্সবেইজ, ওরাকল, প্যারাডক্স, ফোর্থ ডাইমেনশন ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৫১.
সরাসরি ডাটা এন্ট্রি না করে কোন লিস্ট থেকে পছন্দকৃত ডাটা ইনপুট করার জন্য কোন ধরণের ফিল্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. Memo
  2. OLE Object
  3. Hyperlink
  4. Lookup wizard
সঠিক উত্তর:
Lookup wizard
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lookup wizard
ব্যাখ্যা
• Memo:
- এটা Conditional Data টাইপ অর্থাৎ এ জাতীয় ফিল্ডে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন, তারিখ ইত্যাদি ব্যবহার করে লেখা যায়।
- সাধারণত মন্তব্য ফিল্ডে এ ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়।

• OLE Object:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Object Linking and Embedding।
- ফিল্ডের অধীনে টেক্সট, ছবি, গ্রাফ বা সাউণ্ড হিসেবে অন্য কোন প্রোগ্রাম যেমন- এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, ফটোসপ ইত্যাদি থেকে অবজেক্ট দিতে হলে OLE Object হিসেবে দিতে হয়।

• Hyperlink:
- কোন ফিল্ডের অধীনে টেক্সট ও নম্বরের কম্বিনেশন ও অন্যান্য কোন প্রোগ্রামের তথ্যকে লিঙ্ক করে দিতে চাইলে এই ধরনের ফিল্ড টাইপ সিলেক্ট করতে হয়।

• Lookup wizard:
- সরাসরি ডাটা এন্ট্রি না করে কোন লিস্ট থেকে পছন্দকৃত ডাটা ইনপুট করার জন্য এ জাতীয় ফিল্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫২.
ডাটাবেজে Yes/No ডাটার সাইজ কত বিট?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- Short Text/Text ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত। সাধারণত বর্ণভিত্তিক ডেটার ক্ষেত্রে এ ডেটা টাইপ ব্যবহার করা যায়। এ ফিল্ডে বর্ণের সাথে সাথে সংখ্যাও লেখা যায়।
- Long Text/Memo ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৬৪০০০ ক্যারেক্টার পর্যন্ত, কিন্তু ১ গিগা বাইট পর্যন্ত লেখা যায়।  এটি একটি Conditional Data টাইপ। এটি ডেটাবেজের সবচেয়ে বড় ডেটা টাইপ।
- তারিখ/সময় ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- মুদ্রা জাতীয় ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- লজিকাল/বুলিয়ান (Yes/No) ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ১ বিট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২৫৩.
ANSI এর standard definition অনুসারে রিলেশনাল ডাটাবেজের জন্য আদর্শ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ কোনটি?
  1. QUEL
  2. MySQL
  3. SQL
  4. QBE
সঠিক উত্তর:
SQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SQL
ব্যাখ্যা
কয়েকটি সর্বাধিক ব্যবহৃত ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের নাম হচ্ছে - QUEL, QBE, SQL, OQL, XQUERY ইত্যাদি।
ANSI (American National Standard Institute) এর standard definition অনুসারে SQL রিলেশনাল ডাটাবেজের জন্য আদর্শ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে প্রচলিত হয়েছে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
২৫৪.
ডাটা এনক্রিপশন করার পর যে ফরম্যাটে রুপান্তরিত হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) প্লেইন টেক্সট
  2. খ) সাইফার টেক্সট
  3. গ) সিকিউরড টেক্সট
  4. ঘ) ব্লক টেক্সট
সঠিক উত্তর:
খ) সাইফার টেক্সট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাইফার টেক্সট
ব্যাখ্যা
ডাটা এনক্রিপশন: ডাটাবেজ এ সংরক্ষিত ডাটা যাতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবহারকারী ছাড়া অন্য কেও ব্যবহার করতে না পারে সেইজন্য ডাটাকে গোপনীয়তা বজায় রাখার যেই প্রক্রিয়া তাকে ডাটা এনক্রিপশন বলে। এই প্রক্রিয়ার ডাটাকে এনক্রিপ্ট করার পর যে ব্যবহারকারীর নিকট ডিক্রিপশন কোড থাকবে শুধুই সে খুজে বের করতে পারবে। 
-এই পদ্ধতিতে ডাটাকে এনক্রিপ্ট করার পর ডাটাকে সাইফার টেক্সট বলে। এই সাইফার টেক্সট কে পুনরায় প্লেইন টেক্সট এ রুপান্তরিত করার প্রক্রিয়াকে ডাটা ডিক্রিপশন বলা হয়।
-কম্পিউতার বিজ্ঞানের যে শাখায় এই ডাটা এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন নিয়ে গবেষণা করা হয় সেই শাখাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি বলে

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২৫৫.
ডেটাবেজের Design view কোন মেনুতে পাওয়া যায় ?
  1. ক) Edit
  2. খ) Table
  3. গ) Home
  4. ঘ) View
সঠিক উত্তর:
ঘ) View
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) View
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজের Design view পাওয়া যায় View মেনুতে।
Design view তে ফিল্ড নেম, ডাটা টাইপ, এবং ডেসক্রিপশন লেখার টেবিল ওপেন হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি

২৫৬.
ডাটাবেসে ইনডেক্সিং-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. স্টোরেজ স্পেস কমানো
  2. কুয়েরি রিটার্ভাল দ্রুত করা
  3. ডেটা নকল হওয়া প্রতিরোধ করা
  4. ডেটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি রিটার্ভাল দ্রুত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি রিটার্ভাল দ্রুত করা
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেসে ইনডেক্সিং-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কুয়েরি রিটার্ভালকে দ্রুত করা। যখন কোনো টেবিল বড় হয় এবং এতে লাখ লাখ রেকর্ড থাকে, তখন নির্দিষ্ট ডেটা খুঁজে পাওয়া সময়সাপেক্ষ হতে পারে। ইনডেক্স একটি বিশেষ ডেটা স্ট্রাকচার, যা ডাটার অবস্থানকে সূচক হিসেবে সংরক্ষণ করে, ফলে সার্চ অপারেশন অনেক দ্রুত হয়। এটি ঠিক কিতাবের সূচকের মতো কাজ করে, যেখানে পুরো বই পড়ার বদলে সরাসরি প্রয়োজনীয় পাতায় যাওয়া যায়। ইনডেক্সিং স্টোরেজ স্পেস কমায় না, ডেটা নকল প্রতিরোধ করে না এবং ডেটার অখণ্ডতা সরাসরি নিশ্চিত করে না; বরং এটি প্রধানত ডেটা রিটার্ভালের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়।

• ডাটাবেসে ইনডেক্সিং (Indexing):
- ডাটাবেসে ইনডেক্সিং এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো - "কুয়েরি রিটার্ভাল দ্রুত করা"।  
- ইনডেক্স একটি বিশেষ ডেটা স্ট্রাকচার যা সার্চ করার সময় দ্রুত ফলাফল প্রদান করে।  
- এটি ডেটাকে একটি সংগঠিত উপায়ে সংরক্ষণ করে, ফলে নির্দিষ্ট ডেটা খুব কম সময়ে খুঁজে পাওয়া যায়।  
- স্টোরেজ স্পেস কিছুটা বাড়লেও, ডেটা অনুসন্ধানের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।  
- ডেটা নকল হওয়া প্রতিরোধ করা বা ডেটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করা ইনডেক্সের উদ্দেশ্য নয়।  
- সাধারণত B-Tree, Hashing ইত্যাদি টেকনিক ব্যবহার করে ইনডেক্স তৈরি করা হয়।  

সূত্র:
১) কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) geeksforgeeks [link]

২৫৭.
Many to Many রিলেশন তৈরি করতে সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়?
  1. এক্সটেনশন ফাইল
  2. পাসওয়ার্ড ফাইল
  3. জাংশন টেবিল
  4. ইমেজ ফরম্যাট
সঠিক উত্তর:
জাংশন টেবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাংশন টেবিল
ব্যাখ্যা
Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয় যাকে জাংশন টেবিল বলা হয়।

• ডাটাবেজ রিলেশন:

বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

• Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৮.
ডেটাবেজে বর্ণ ও সংখ্যার অনুক্রম হিসেবে তথ্য বাছাই বিন্যাসকে কী বলা হয়?
  1. ডিবাগিং
  2. সর্টিং
  3. ফাইন্ডিং
  4. সার্চিং
সঠিক উত্তর:
সর্টিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্টিং
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজে বর্ণ ও সংখ্যার অনুক্রম হিসেবে তথ্য বাছাই বিন্যাসকে সর্টিং বলা হয়। 

• ডেটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়। ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫৯.
কোনটি ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ এর উদাহরণ?
  1. XQuery
  2. OQL
  3. LINQ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
XQuery
XQuery is a database language that allows you to extract and manipulate data in XML formats, which is a way to share data on the internet. You can use XQuery to access and retrieve any data source in an XML format. With XQuery, you can generate reports on data within an XML database, search text documents on the web for data and extract data for use online.

OQL
OQL, which stands for Object Query Language, is the standard language for object-oriented databases, which represent data as variables, functions or data structures. These databases are popular with companies that want to store large amounts of complex data. Much like SQL does in relational databases, OQL gives you the option to perform queries and retrieve data in object databases.

LINQ
LINQ, or Language Integrated Query, is a language that extracts and processes data from XML documents, relational databases and other third-party sources. With LINQ, you can access data through various sources without having to use a separate database language for each one. This ensures consistency among queries for objects, relational databases and XML, allowing you to filter, order and group operations.

source - indeed website
২৬০.
কোনো ডাটাবেজের রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশকে কী বলে? 
  1. ফাইল
  2. ফিল্ড
  3. রেকর্ড
  4. টেবিল
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
ব্যাখ্যা
ফিল্ড: 
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। 
- প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা। 

রেকর্ড: 
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। 
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। 
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। 

ফাইল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়। 
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬১.
নিম্নের কোন হার্ডডিস্ক ড্রাইভের ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বাধিক?
  1. PATA
  2. IDE
  3. SCSI
  4. SATA
সঠিক উত্তর:
SCSI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SCSI
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলাে হলাে :
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA)হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
২. সাটা (SATA)হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ

IDE/PATA ড্রাইভগুলো 133 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
SCSI ড্রাইভগুলো সাধারণত 640 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল ২০২১ সংস্করণ)
২৬২.
নিচের কোনটি অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. মেমরি কার্ড
  2. ডিভিডি ডিস্ক
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. ফ্লপি ডিস্ক
সঠিক উত্তর:
ডিভিডি ডিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিভিডি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার তার পেরিফেরাল ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত যে সকল ডিভাইসকে উপাত্ত তথ্য ও নির্দেশমালা সংরক্ষনের কাজে ব্যবহার করে সে সকল ডিভাইসকে স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ পেরিফেরালস বলে।

- হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক, টেপ ক্যাসেট—এগুলো মেগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস।
- অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইসের মধ্যে আছে সিডি রম ও ডিভিডি ডিস্ক
- মেমরি কার্ড, মেমরি স্টিক, পেন ড্রাইভ, সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি)—এগুলো ফ্ল্যাশ মেমরি ডিভাইসের মধ্যে পড়ে।

[সূত্র: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই এবং কালের কন্ঠ পত্রিকা]
২৬৩.
স্ট্যাকে ডেটা রাখাকে কী বলা হয়?
  1. ক) Pull
  2. খ) Pop
  3. গ) Push
  4. ঘ) Array
সঠিক উত্তর:
গ) Push
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Push
ব্যাখ্যা
স্ট্যাকের দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে। যথা- Push এবং Pop.
স্ট্যাকে ডেটা রাখাকে বলা হয় Push এবং স্ট্যাক হতে ডেটা তুলে নেয়াকে বলা হয় Pop.
২৬৪.
নিচের কোনটি ডেটাবেইজ সফটওয়্যার?
  1. MS outlook
  2. Corel DRAW
  3. ORACLE
  4. MS word
সঠিক উত্তর:
ORACLE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ORACLE
ব্যাখ্যা
DBMS
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২৬৫.
হাইপারলিংক (Hyperlink) কী?
  1. ক) ওয়েবপেজে প্রদর্শিত ছবি।
  2. খ) ওয়েবপেজে প্রদর্শিত টেক্সট বা ছবির লিংক।
  3. গ) ডাটা এনক্রিপ্টিং মেথড।
  4. ঘ) ওয়েবপেজের তথ্য সাজানোর টুল
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়েবপেজে প্রদর্শিত টেক্সট বা ছবির লিংক।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়েবপেজে প্রদর্শিত টেক্সট বা ছবির লিংক।
ব্যাখ্যা
হাইপারলিংক (Hyperlink)
কোন ফিল্ডের অধীনে টেক্সট ও নম্বরের কম্বিনেশন ও অন্যান্য কোন প্রোগ্রামের তথ্যকে লিঙ্ক করা হলে সেটাকে হাইপার লিংক বলে।
- এর মাধ্যমে ওয়েবপেজে প্রদর্শিত টেক্সট বা ছবির লিংক করা হয়,
- লিংক এ ক্লিক করলে অন্য আরেকটি ওয়েবপেজে নিয়ে যায়।
২৬৬.
Many to Many টাইপের রিলেশন তৈরি করতে কোন উপকরণ বা কৌশল ব্যবহৃত হয়?
  1. ইমেজ ফরম্যাট
  2. জাংশন টেবিল
  3. পাসওয়ার্ড ফাইল
  4. এক্সটেনশন ফাইল
সঠিক উত্তর:
জাংশন টেবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাংশন টেবিল
ব্যাখ্যা

• Many-to-many রিলেশন তৈরি করতে জাংশন টেবিল ব্যবহার করা হয়। ডাটাবেসে যখন একাধিক রেকর্ড একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়, তখন সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব হয় না। তাই দুইটি টেবিলের প্রাইমারি কী নিয়ে একটি আলাদা মধ্যবর্তী টেবিল তৈরি করা হয়, যেটিকে জাংশন বা ব্রিজ টেবিল বলা হয়। এই টেবিল প্রতিটি সম্পর্ককে আলাদা রো হিসেবে সংরক্ষণ করে এবং ডাটার পুনরাবৃত্তি কমায়। ইমেজ ফরম্যাট, পাসওয়ার্ড ফাইল বা এক্সটেনশন ফাইলের সাথে এই সম্পর্কের কোনো যোগ নেই।
- তাই many-to-many রিলেশন তৈরির সঠিক উপায় হলো জাংশন টেবিল।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

• Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬৭.
Salary কোন ধরনের ডাটা?
  1. ক) Logical
  2. খ) Text
  3. গ) Number
  4. ঘ) Currency
সঠিক উত্তর:
গ) Number
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Number
ব্যাখ্যা
ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি ও ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট। নাম, পদবি, তারিখ, বেতন ইত্যাদি হচ্ছে এক একটি ফিল্ডের উদাহরণ। কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় একটি ফিল্ড। প্রতিটি ফিল্ডের একটি নির্দিষ্ট দেটা টাইপ থাকে। যেমন নাম হলো টেক্সট ফিল্ড, বেতন হলো সংখ্যা ফিল্ড।
উৎসঃ উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
২৬৮.
নিচের কোন মাধ্যমটির ডাটা ধারণক্ষমতা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) ফ্লপি ডিস্ক
  2. খ) কমপ্যাক্ট ডিস্ক
  3. গ) ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক
  4. ঘ) মডেম
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক
ব্যাখ্যা

- Data capacity of floppy disk - 800 KB to 2.8 MB
- compact disk - 680 megabytes
- Blue-Ray DVD (digital video disc or digital versatile disc), সাধারণ ডিভিডি এর মত ১২ মি.মি প্লাস্টিক ডিস্কের সাহায্যে তৈরি এবং এর প্রতিটি লেয়ারের ধারনক্ষমতা 25 GB.

২৬৯.
ডাটাবেজ পারফরম্যান্স উন্নত করতে ইনডেক্সিং এর মূল কাজ কী?
  1. টেবিলের ডেটা সংকুচিত করা
  2. ডেটা অনুসন্ধান দ্রুত করা
  3. ডিস্ক স্পেস কমানো
  4. ডেটার নিরাপত্তা বাড়ানো
সঠিক উত্তর:
ডেটা অনুসন্ধান দ্রুত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা অনুসন্ধান দ্রুত করা
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজে ইনডেক্সিং করার মূল উদ্দেশ্য হলো ডেটা অনুসন্ধানকে দ্রুত করা, যা ডেটাবেজের সামগ্রিক পারফরম্যান্স উন্নত করে।

• ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়।

• ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ:
- ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে।
- ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়।
- ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
- একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়।

• ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ:
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
- ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৭০.
একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে কী বলে?
  1. স্কিমা
  2. ইন্সট্যান্স
  3. ডাটা টেবিল
  4. রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
ইন্সট্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্সট্যান্স
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ:
- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি ডাটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করা যায়।
- অর্থাৎ ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
১. ডাটা (Data), 
২. রেকর্ড (Record), 
৩. ফিল্ড (Field) ও 
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

- ডাটাবেজ মেনেজমেন্ট এর সফটওয়্যার হলো Microsoft Access, Microsoft SQL server, Oracle, Corel paradox, lotus approach, Corel paradox, filemaker pro, Fox pro ইত্যাদি। 
- একটি ডাটাবেজে চলকের মানসমূহ (values) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পরিবর্ধন, সংরক্ষণ, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায়ই পরিবর্তিত হয়।
- একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে ঐ ডাটাবেজের ইন্সট্যান্স (Instance) বলে।
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, Britannica.
২৭১.
প্রত্যেকটি এট্রিবিউটের যে মান থাকে তাকে কী বলে?
  1. ভ্যালু
  2. রেকর্ড
  3. এট্রিবিউট
  4. এনটিটি সেট
সঠিক উত্তর:
ভ্যালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভ্যালু
ব্যাখ্যা
এনটিটি:
- এনটিটি হচ্ছে সত্তা যা দিয়ে অবজেক্টকে চিহ্নিত করা যায়।
- কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডাটার এনটিটি।
- যেমন- একজন কর্মচারীর নাম, পদবী, বয়স, ঠিকানা ইত্যাদির সমন্বয়ে এনটিটি গঠিত হয়।
- এনটিটির বাস্তব উপস্থিতি থাকতে পারে অথবা এটি শুধুমাত্র ধারণার উপর ভিত্তি করে হতে পারে।

এনটিটি সেট:
- একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
- একটি ডাটাবেজকে এনটিটি সেট বলা যেতে পারে।

এট্রিবিউট:
- প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে।
- অর্থাৎ, এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

ভ্যালু:
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।

কী:
- সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়।
- এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭২.
ডেটাবেজে টেবিলগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণের জন্য কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. কম্পোজিট কী 
  2. ইউনিক কী
  3. প্রাইমারি কী 
  4. ফরেন কী 
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী 
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজে টেবিলগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য ফরেন কী (Foreign Key) ব্যবহৃত হয়। ফরেন কী হলো একটি টেবিলের একটি কলাম বা কলামের সেট যা অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী বা ইউনিক কীকে রেফার করে। এটি টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক বা রিলেশন তৈরি করে এবং ডেটার অখণ্ডতা (data integrity) বজায় রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি Orders টেবিলে CustomerID কলাম যদি Customers টেবিলের CustomerID প্রাইমারি কীকে রেফার করে, তবে Orders এবং Customers টেবিলের মধ্যে ফরেন কী সম্পর্ক তৈরি হয়। ফরেন কী নিশ্চিত করে যে কোনো অজানা বা অমান্য মান ডেটাবেজে রাখা যাবে না। তাই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের মূল হাতিয়ার হলো ফরেন কী।

- উত্তর: ঘ) ফরেন কী।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

• ফরেন কী (Foreign Key):
- রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭৩.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সাধারণত কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়?
  1. টেলিকমিউনিকেশন
  2. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  3. ব্যাংকিং
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা বড় পরিমাণে তথ্য সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং সহজে অনুসন্ধান করতে সাহায্য করে। এটি শুধুমাত্র তথ্য সংরক্ষণই নয়, তথ্যের নিরাপত্তা, অভিগম্যতা এবং সামঞ্জস্য বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। টেলিকমিউনিকেশন ক্ষেত্রে গ্রাহকের তথ্য, কল লগ এবং বিলিং ব্যবস্থাপনা করতে DBMS ব্যবহার করা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর রেকর্ড, উপস্থিতি, ফলাফল ও কোর্স তথ্য সংরক্ষণে এটি অপরিহার্য। ব্যাংকিং ক্ষেত্রে গ্রাহকের হিসাব, লেনদেন ও ঋণ সম্পর্কিত তথ্য সুরক্ষিতভাবে পরিচালনার জন্য DBMS অপরিহার্য। সুতরাং, উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রেই DBMS প্রয়োগ করা হয়।

উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে। 

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- বর্তমানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে DBMS ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্ষেত্র হচ্ছে-

১. তথ্য ব্যবস্থাপনা:
- ব্যাপক তথ্য নিয়ে কাজ করতে হয় এমন সব সরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন- নির্বাচন কমিশন, পরিসংখ্যান ব্যুরো, শিক্ষা ব্যুরো, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, পর্যটন কর্পোরেশন, কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানসমূহে।

২. ব্যাংকিং:
- ব্যাংকিং সেক্টরের সব ধরনের কার্যক্রম যেমন- ব্যাংকিং লেনদেন, গ্রাহকের বিবরণ, ব্যালেন্স, একাউন্ট স্টেটমেন্ট, ঋণ সংক্রান্ত হিসাব-নিকাশ, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড প্রভৃতি কাজে।

৩. বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান:
- বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে যেমন- বড় শপিং মলে প্রডাক্ট মজুদ, বিক্রয় এবং গ্রাহকদের তথ্য সংরক্ষণ ও বিল তৈরিকরণে, অনলাইন শপিং সার্ভিসে।

৪. এয়ারলাইন্স:
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত টার্মিনালের সাথে টেলিফোন ও অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমানের রিজার্ভেশন ও সিডিউল তৈরিতে।

৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
- স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিবিধ তথ্য যেমন রেজিস্ট্রেশন্স, ও কালেকশন, ভর্তি ফরম পূরণ, রুটিন, পরীক্ষার ফলাফলের গ্রেডিং প্রভৃতি কাজে।

৬. টেলিকমিউনিকেশন:
- টেলিফোন কলের রেকর্ড, মাসিক বিল, প্রি-প্রেইড কলিং গ্রাহকের হিসাব, গ্রাহকের তথ্যাবলি সংরক্ষণে DBMS এর ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।

৭. তথ্য ব্যবস্থাপনা:
- বিভিন্ন অর্থলগ্নীকারক ও ব্যবস্থাপনা যেমন-হোল্ডিং, ক্রয়-বিক্রয়, স্টক, শেয়ার বা বার্ষিক আর্থিক বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজে।

৮. উৎপাদন:
- বিভিন্ন কলকারখানায় উৎপাদন, মজুদ পরিমাণ, চাহিদা, অর্ডার প্রভৃতি হিসাব বিশ্লেষণে।

৯. মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা:
- কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত নথিপত্র, বেতন-ভাতাদি, ওভারটাইম, আয়কর, বোনাস প্রভৃতি হিসাব প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণে।

১০. ওয়েববেজড সার্ভিস:
- ওয়েব ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক নেয়া, উত্তর দেয়া এবং রিসোর্স শেয়ারিং করা।

১১. স্বাস্থ্য সেবায়:
- বড় বড় হাসপাতাল বা ক্লিনিকে রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ, ডায়াগনসিস রিপোর্ট, অনলাইন স্বাস্থ্য সেবায়, বায়োমেডিক্যাল গবেষণায়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২৭৪.
নিচের কোনটি প্রাইমারি কী?
  1. নাম
  2. রোল নম্বর
  3. ঠিকানা
  4. বয়স
সঠিক উত্তর:
রোল নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোল নম্বর
ব্যাখ্যা
কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী। একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

• ফরেন কী:
- রিলেশন টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭৫.
Extended Binary Coded Decimal Interchange Code কয় বিটের?
  1. ১ বিট
  2. ৪ বিট
  3. ৭ বিট
  4. ৮ বিট
সঠিক উত্তর:
৮ বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ বিট
ব্যাখ্যা

৮-বিট বিসিডি কোড Extended Binary Coded Decimal Interchange Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত।
২৫৬ টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে কোড করে কম্পিউটার ব্যবহার উপযোগী করা আছে।
এটি শুধু IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি

২৭৬.
ডাটাবেজে ব্যবহৃত ব্যক্তির নাম কোন ধরনের ডাটা?
  1. ক) Number
  2. খ) Text
  3. গ) Value
  4. ঘ) Special Symbol
সঠিক উত্তর:
খ) Text
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Text
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজে ব্যবহৃত ডাটার ধরন সমূহ:
- Text: সাধারণত নাম জাতীয় ডেটার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Integer: পূর্ণসংখ্যা প্রকাশের জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Real Number: ভগ্নাংশ প্রকাশ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Numeric: সব ধরনের ডেটাই এই ফিল্ডে রাখা যায়। কিন্তু টেক্সট জাতীয় ডেটার ক্ষেত্রে এইগুলোকে বাস্তব সংখ্যায় রুপান্তরিত করে রাখা হয়।
- VarChar: সবথেকে বেশি সংখ্যক ভেরিয়েশন রাখার জন্য এই ডেটাবেজ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২৭৭.
Which of the following is not a primary function of a DBMS?
  1. Database creation
  2. Database interrogation
  3. Database maintenance
  4. Database networking
সঠিক উত্তর:
Database networking
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Database networking
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Database networking

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ-
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
- এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

২৭৮.
1 Exa Byte = 1024 ____
  1. Giga Byte
  2. Terra Byte
  3. Petabyte
  4. Mega Byte
সঠিক উত্তর:
Petabyte
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Petabyte
ব্যাখ্যা
1 Petabyte = 1024 Terabytes.
The units of Computer Memory Measurements are:
- 1 Bit = Binary Digit.
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)
২৭৯.
কোনটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়?
  1. IBM DB2
  2. SQLite
  3. MongoDB
  4. Apache Hadoop
সঠিক উত্তর:
Apache Hadoop
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Apache Hadoop
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে "Apache Hadoop" একটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) নয়। IBM DB2, SQLite, এবং MongoDB – এই তিনটি ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। DB2 একটি রিলেশনাল DBMS, SQLite একটি লাইটওয়েট এমবেডেড RDBMS, আর MongoDB একটি NoSQL ডাটাবেস।
- তবে Apache Hadoop মূলত একটি ডিস্ট্রিবিউটেড ফাইল সিস্টেম ও ডেটা প্রসেসিং ফ্রেমওয়ার্ক, যা বড় ডেটাসেট প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়। এটি ডেটা স্টোর করতে পারে, কিন্তু DBMS হিসেবে কাজ করে না। তাই "Apache Hadoop" ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়।

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২৮০.
Many to Many Relation বলতে কী বোঝায়?
  1. একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একটিমাত্র রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত
  2. একাধিক টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একটিমাত্র রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত
  3. একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত
  4. একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা

◉ Many to Many Relation বলতে বোঝায়, একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত।

ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত রিলেশন পদ্ধতি।

Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২৮১.
ডাটাবেজের প্রোগ্রামের ভিত্তি বলা হয় কোনটিকে?
  1. ফাইল
  2. রেকর্ড
  3. উপাত্ত
  4. ফিল্ড
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
ব্যাখ্যা
- ডাটাবেজ প্রোগ্রামের ভিত্তি হলো ফিল্ড।
- এটি ডাটাবেজের ক্ষুদ্রতম উপাদান।
- এটি কোন বিষয়ের একটি নির্দিষ্ট চরিত্র প্রকাশ করে থাকে।
- কয়েকটি ফিল্ডের সমন্বয়ে একটি রেকর্ড তৈরি হয়।

(সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী- শাহ্ শাহজাহান সজীব)
২৮২.
ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাকে কী বলে?
  1. এট্রিবিউট
  2. এনটিটি
  3. ভ্যালু
  4. প্রাইমারি কী
সঠিক উত্তর:
এনটিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনটিটি
ব্যাখ্যা
এনটিটি
এনটিটি হচ্ছে সত্তা যা দিয়ে অবজেক্টকে চিহ্নিত করা যায়। কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডাটার এনটিটি। যেমন- একজন কর্মচারীর নাম, পদবী, বয়স, ঠিকানা ইত্যাদির সমন্বয়ে এনটিটি গঠিত হয়।

এট্রিবিউট
প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে। অর্থাৎ এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

ভ্যালু
প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।

প্রাইমারি কী
যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৩.
ডাটাবেজ তৈরি করার যাবতীয় নিয়মগুলোকে কী বলে?
  1. ইন্সটেন্স
  2. স্কিমা
  3. রেকর্ড
  4. কুয়েরি
সঠিক উত্তর:
স্কিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্কিমা
ব্যাখ্যা
স্কিমা:
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।
- ডাটাবেজের স্কিমা নিয়মিত পরিবর্তনশীল।
- কোনো ডাটাবেজের স্কিমা মূলত চলকের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ডিক্লারেশনের সাথে জড়িত।
- ডাটাবেজের স্কিমা সাধারণত তিন ধরনের। যথা-
- physical schema,
- logical schema,
- subschemas.
- physical schema হলো ডাটাবেজের ফিজিক্যাল লেভেল ডিজাইন সংক্রান্ত বর্ণনা আর logical schema হলো ডাটাবেজের লজিক্যাল লেভেল ডিজাইন সংক্রান্ত বর্ণনা।
- প্রোগ্রামারগণ logical schema তৈরির মাধ্যমে প্রোগ্রাম ডিজাইন করেন।
- অন্যদিকে, subschemas ডাটাবেজের বিভিন্ন ধরনের ভিউ সংক্রান্ত বর্ণনা প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২৮৪.
কোনো ডেটা তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজানোকে কি বলে?
  1. ক) সর্টিং
  2. খ) কুয়েরি
  3. গ) ইনডেক্স
  4. ঘ) কী
সঠিক উত্তর:
গ) ইনডেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইনডেক্স
ব্যাখ্যা
- কোনো ডেটা তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজানোকে ইনডেক্স বলে।

• ইনডেক্স: 
- এটির কাজ হচ্ছে সুসজ্জিতভাবে বা সুবিন্যস্তভাবে ডেটা ও তথ্যাবলীর সূচী প্রণয়ন করা। 
- কোন ডেটা তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজানো হয়। 

অন্যান্য অপশন:
• সর্টিং: 
- ডেটাকে দুইভাবে সাজানো বা সর্টিং করা যায়।
- যেমন: ছোট থেকে বড় (Ascending Order) ও বড় থেকে ছোট ( Descending Order). 

• কুয়েরি: 
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ, পুনরূদ্ধার, ডেটা মডিফাই, ডিলিট ইত্যাদি অপারেশনকে বুঝায়।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- তিনটি কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ সর্বাধিক প্রচলিত - QUEL, QBE, SQL ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশল মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
২৮৫.
কোন ক্লাউড-ভিত্তিক টুলটি ডেটাবেস টেবিল সর্টিং ও বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়?
  1. Google Sheets
  2. Paint 3D
  3. iTunes
  4. Skype
সঠিক উত্তর:
Google Sheets
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Google Sheets
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড-ভিত্তিক টুলের মধ্যে Google Sheets হল সেই টুল যা ডেটাবেস টেবিল সর্টিং ও বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি অনলাইন স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন যা গুগল দ্বারা সরবরাহিত এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে যেকোনো স্থান থেকে ব্যবহার করা যায়। Google Sheets-এ ব্যবহারকারী সহজেই ডেটা সংগ্রহ, ফিল্টার, সর্টিং, ফর্মুলা প্রয়োগ, চার্ট তৈরি এবং বিভিন্ন ধরনের বিশ্লেষণ করতে পারে। বিশেষ করে ডেটা বিশ্লেষণের জন্য এতে অনেক অ্যাডভান্সড ফাংশন ও টুলস আছে। অন্যদিকে, Paint 3D, iTunes, ও Skype ডেটা বিশ্লেষণ বা টেবিল সর্টিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় না।

• ডাটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ভাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়।

• রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১। Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে)- ছোট থেকে বড় আকারে,
২। Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে)- বড় থেকে ছোট আকারে।

সূত্র:
১) কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

২৮৬.
ডেটাবেজের ফাইল হলো-
  1. রেকর্ডের সমষ্টি
  2. কলামের সমষ্টি
  3. ফিল্ডের সমষ্টি
  4. তথ্যের সমষ্টি
সঠিক উত্তর:
রেকর্ডের সমষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ডের সমষ্টি
ব্যাখ্যা
• রেকর্ড (Record):
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি।
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড।

• ফিল্ড (Field):
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে ফিল্ড। রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে। কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা।

• ফাইল (File):
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়।
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়।
- ডেটাবেজ ফাইলে রেকর্ড সংযোজন করা যায়। এতে ফাইলের আকার বৃদ্ধি পায়।
- ফাইল থেকে রেকর্ড মুছা যায়, এতে ফাইলের আকার হ্রাস পায়। কখনো কখনো রেকর্ডকে টাপল (Tuple) বা সারি (Row) বলা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
২৮৭.
একটি সিস্টেম যেখানে আইটেমগুলো এক প্রান্তে সংযোজিত হয় কিন্তু অন্য প্রান্ত থেকে সরানো হয় তার নাম -
  1. ক) Array
  2. খ) Linked list
  3. গ) Stack
  4. ঘ) Queue
সঠিক উত্তর:
ঘ) Queue
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Queue
ব্যাখ্যা
- Queue এর বাংলা লাইনে দাঁড়ানো।
- Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে।
- একে বলা হয় First In First Out (FIFO)।
- Queue এর একপ্রান্ত দিয়ে Insert /Enqueue হলে অন্যপ্রান্ত দিয়ে Delete/Dequeue হয়।

অন্যদিকে, Stack এ ডাটা ইন্সার্ট এবং ডিলিটের জন্য একটি প্রান্ত থাকে।
২৮৮.
নিচের কোনটি DBMS- এর উদাহরণ?
  1. PHP
  2. Python
  3. Sorcim
  4. Microsoft Access
সঠিক উত্তর:
Microsoft Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Access
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সেই তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার হলো:
- মাইক্রোসফট এক্সেস,
- মাই এসকিউএল,
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার,
- কোরেল প্যারাডক্স
- ওরাকল ইত্যাদি।
----------------
- একটি ডাটাবেজে চলকের মানসমূহ (values) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পরিবর্ধন, সংরক্ষণ, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায়ই পরিবর্তিত হয়।
- একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে ঐ ডাটাবেজের ইন্সট্যান্স (Instance) বলে।
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮৯.
১ পেটাবাইট =?
  1. ৫০ জেটাবাইট
  2. ১০ এক্সাবাইট
  3. ১০ টেরাবাইট
  4. ৫০ টেরাবাইট
সঠিক উত্তর:
১০ টেরাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ২১০ বা ১০২৪ টেরাবাইট

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২৯০.
ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম কোনটি?
  1. ক) ফিল্ড → রেকর্ড → টেবিল → ডাটাবেজ
  2. খ) ফিল্ড → টেবিল → রেকর্ড → ডাটাবেজ
  3. গ) ফিল্ড → রেকর্ড → ডাটাবেজ → টেবিল
  4. ঘ) ফিল্ড → ডাটাবেজ → টেবিল → রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
ক) ফিল্ড → রেকর্ড → টেবিল → ডাটাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফিল্ড → রেকর্ড → টেবিল → ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা
ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম - ফিল্ড → রেকর্ড → টেবিল → ডাটাবেজ।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিঃএকাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী
২৯১.
ডাটাবেজের রেকর্ডগুলোকে সর্ট না করে কোন পদ্ধতিতে ক্রমানুসারে সাজানো যায়?
  1. ফিল্টারিং
  2. মার্জিং
  3. ইনডেক্সিং
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজের রেকর্ডগুলোকে সর্ট না করে যেভাবে ক্রমানুসারে সাজানো যায় তা হলো ইনডেক্সিং। ইনডেক্সিং পদ্ধতিতে ডাটাবেজের মূল রেকর্ডগুলোর অবস্থান অনুযায়ী একটি আলাদা ইনডেক্স টেবিল তৈরি করা হয়, যা নির্দিষ্ট একটি ফিল্ডের ভিত্তিতে (যেমন আইডি, নাম বা তারিখ) রেকর্ডগুলোকে সাজিয়ে রাখে। এতে ডাটাগুলোর ফিজিক্যাল অর্ডার পরিবর্তন না করেই ইউজার নির্ধারিত ক্রমে তথ্য অনুসন্ধান করা বা দেখানো যায়। এই পদ্ধতিতে অনুসন্ধান অনেক দ্রুত হয় এবং বড় ডাটাবেজেও কার্যকারিতা বজায় থাকে। তাই, ইনডেক্সিং হলো এমন একটি কার্যকরী পদ্ধতি যার মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সর্ট না করেও কার্যকরভাবে সাজানো যায়।

• ইনডেক্সিং: 
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং। 
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো। 
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।

- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। তবে- 
• সর্ট করা ফাইলকে অন্য নামে ডাটাবেজ ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। 
• সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়। 
• পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে সর্ট করা ফাইলে তা আপডেট হয় না। 
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। 
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়। 
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

• ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো- 
১। ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে। 
২। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়। 
৩। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
8। একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়। 

• ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে- 
১। ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
২। সর্টেড ডাটাগুলো নিয়ে ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয়। 
৩। ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯২.
একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত এবং প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে কোন কী?
  1. ফরেন কী
  2. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  3. প্রাইমারি কী
  4. অল্টারনেট কী
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট প্রাইমারি কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

ডাটাবেজে একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত এবং প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে এমন কী-কে কম্পোজিট কী বা কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলা হয়।

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।

• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার। যথা -
- প্রাইমারি কী,
- কম্পোজিট কী এবং
- ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৯৩.
কোনটি DBMS এর কাজ নয়?
  1. ক) ডেটাবেজ তৈরি
  2. খ) ডেটাবেজ লিকিং
  3. গ) ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন
  4. ঘ) ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
সঠিক উত্তর:
খ) ডেটাবেজ লিকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডেটাবেজ লিকিং
ব্যাখ্যা
DBMS
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২৯৪.
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ
  2. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. ডাটাবেজ কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
• Create statement
• Drop statement
• Alter statement
•  Rename statement

২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
• Insert statement
• Delete statement
• Update statement

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৫.
নিম্নের কোনটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের উদাহরণ?
  1. Microsoft Access
  2. MySQL
  3. Oracle
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম থাকে।
- ডিবিএমএস ডাটাবেজ তৈরি, এ্যাকসেস করা এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
- ডিবিএমএস ব্যবহারকারী এবং ডাটাবেজের মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে।
- বর্তমানে বিভিন্ন ধরুনের ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।
যেমন- ওরাকল (Oracle), মাইএসকিউএল (MySQL), মাইক্রোসফ্ট এ্যাকসেস (Microsoft Access) ইত্যাদি।

ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রাথমিক কাজগুলো হলো—
১. প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটাবেজ তৈরি করা
২. নতুন ডাটা/ রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা
৩. ডাটার বানান ও সংখ্যার ভুল অনুসন্ধান ও সংশোধন করা
৪. নির্দিষ্ট রেকর্ড অনুসন্ধান ও সংশোধন করা এবং অপ্রয়োজনীয় ডাটা/ রেকর্ড বাদ দেয়া
৫.  ডাটা কুয়েরি করা
৬. রিপোর্ট তৈরি ও প্রিন্ট করা
৭. প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ডাটাবেজকে যে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে সাজানো (sorting
৮. প্রয়োজনে সম্পূর্ণ ডাটাবেজ বা ডাটাবেজের অংশবিশেষ প্রিন্ট করা
৯. ডাটাবেজ হালনাগাদ (update) করা ও যথাসম্ভব ডাটা ডুপ্লিকেশন কমানো ।
১০. ডাটা সংরক্ষণ করা; ইত্যাদি ।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯৬.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয় কোনটি?
  1. Cubrid
  2. MsOutlook
  3. MongoDB
  4. PostgreSQL
সঠিক উত্তর:
MsOutlook
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MsOutlook
ব্যাখ্যা
• Microsoft Outlook is a personal information manager software system by Microsoft.

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।
 
• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৯৭.
টেবিলের শেষ ফিল্ড এর ডেটা টাইপ কোন ধরনের?
  1. ক) Text
  2. খ) Date/Time
  3. গ) Number
  4. ঘ) Memo
সঠিক উত্তর:
গ) Number
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Number
ব্যাখ্যা

টেবিলের শেষ ফিল্ড Number ডেটা টাইপ ধরনের হয়।

- Number: যে ফিল্ডে গাণিতিক ডেটা ব্যবহার করা হয়, সেই ফিল্ডকে প্রকাশ করার জন্য নাম্বার ব্যবহৃত হয়। নাম্বার ফিল্ডে যোগ বা বিয়োগ চিহ্নসহ/ছাড়া পূর্ণসংখ্যা ও ভগ্নাংশ মিলিয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যা ব্যবহার করা যায়।
- এ ফিল্ডের ডেটার উপর গাণিতিক অপারেশন (যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ) করা যায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

২৯৮.
ডেটাবেজ সিস্টেমে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করে -
  1. ক) প্রাইমারি কী
  2. খ) কম্পােজিট প্রাইমারি কী
  3. গ) ফরেন কী
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) প্রাইমারি কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা
প্রাইমারি কীঃ যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে। প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয় ।
কম্পােজিট প্রাইমারি কীঃ যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পােজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।
ফরেন কীঃ কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে। ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
[উৎসঃ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রােগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
২৯৯.
কোন পদ্ধতি ব্যবহার করলে ডেটা টেবিলের বিপুলসংখ্যক ডেটার মধ্যে নির্দিষ্ট ডেটা দ্রুত আলাদা করে প্রদর্শন করা যাবে?
  1. ক্রিপ্টোগ্রাফি
  2. কুয়েরি
  3. এলগরিদম
  4. XML
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
ব্যাখ্যা

ডেটা টেবিলের বিপুলসংখ্যক ডেটার মধ্যে নির্দিষ্ট ডেটা আলাদা করে প্রদর্শন করা, ছাপানো ইত্যাদির প্রয়োজন হতে পারে৷ এজন্য ডেটা কুয়েরির সাহায্য নিলে দ্রুত করা যায়৷
বিভিন্ন ধরনের কুয়েরির মধ্যে আছে সিলেক্ট কুয়েরি, প্যারামিটার কুয়েরি, ক্রসট্যাব কুয়েরি, একশন কুয়েরি।
এরমধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো সিলেক্ট কুয়েরি৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৩০০.
নিচের কোনটি রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার (RDBMS)?
  1. ক) মাইএসকিউএল (MySQL)
  2. খ) ওরাকল (Oracle)
  3. গ) ইনফরমিক্স (Informix)
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডেটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য অনেক সফটওয়্যার প্রচলিত আছে। যথা-
- মাইক্রোসফট এক্সেস (Microsoft Access),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- এসকিউএল সার্ভার (SQL Server),
- ইনফরমিক্স (Informix) ইত্যাদি।
[উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)]