বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ডাটাবেজ সিস্টেম

মোট প্রশ্ন৬৭৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডাটাবেজ সিস্টেম

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৬৭৮

১০১.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এর কাজ?
  1. প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধান করা
  2. নতুন ডেটা/রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা
  3. অপ্রয়োজনীয় ডেটা/রেকর্ড বাদ দেওয়া
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত সবগুলোই ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এর কাজ।

• DBMS এর কাজসমূহ:
- প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটাবেজ তৈরি করা।
- নতুন ডেটা/রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা।
- ডেটার ভুল খুঁজে বের করে সংশোধন করা।
- অপ্রয়োজনীয় ডেটা/রেকর্ড অপসারণ করা।
- সম্পাদনার কাজ সম্পন্ন করা।
- প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধান করা।
- প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ডেটাবেসকে যেকোনো ফিল্ডের ভিত্তিতে সাজানো।

- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা DBMS হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাবেজ তৈরি, পরিবর্তন, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: MySQL, PostgreSQL, Microsoft Access, SQL Server, FileMaker, Oracle, dBASE, Clipper, and FoxPro. ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০২.
কোনটি প্রাইমারি কী-এর উদাহরণ?
  1. মোবাইল নম্বর
  2. ব্লাড গ্রুপ
  3. নাম
  4. ঠিকানা
সঠিক উত্তর:
মোবাইল নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবাইল নম্বর
ব্যাখ্যা

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
• কী ৩ ধরনের হয়। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

১০৩.
অসংগঠিত ডেটা যেমন ডকুমেন্ট, JSON বা ছবি পরিচালনা করার জন্য কোন ধরনের ডাটাবেস তৈরি করা হয়েছে?
  1. Relational database
  2. Hierarchical database
  3. NoSQL database
  4. Network database
সঠিক উত্তর:
NoSQL database
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NoSQL database
ব্যাখ্যা

• NoSQL ডাটাবেস এমন ধরনের ডাটাবেস যা অসংগঠিত বা অর্ধ-সংগঠিত ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি রিলেশনাল ডাটাবেসের তুলনায় বেশি নমনীয়, কারণ এতে টেবিল ও সুনির্দিষ্ট স্কিমার প্রয়োজন হয় না। NoSQL ডাটাবেসে ডকুমেন্ট, JSON, XML, ছবি বা অন্যান্য মাল্টিমিডিয়া ফাইল সহজেই সংরক্ষণ করা যায়। এই ধরনের ডাটাবেস বড় পরিমাণ ডেটা, উচ্চ-লেভেলের স্কেলেবিলিটি এবং দ্রুত অনুসন্ধানের সুবিধা প্রদান করে। বিশেষ করে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, সোশ্যাল মিডিয়া এবং রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিংয়ে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তাই অসংগঠিত ডেটার জন্য NoSQL ডাটাবেস সবচেয়ে উপযুক্ত।

সঠিক উত্তর: গ) NoSQL database.

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data):
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information):
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record):
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field):
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row):
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column):
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table):
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS):
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model):
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

এছাড়াও,

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৪.
ডেটাবেজ সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. FoxPro
  2. Oracle
  3. WinRAR
  4. Redis
সঠিক উত্তর:
WinRAR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WinRAR
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis ইত্যাদি।

• WinRAR একটি ফাইল আর্কাইভিং সফটওয়্যার যা ফাইল সংকোচন এবং নিষ্ক্রিয়করণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৫.
Which SQL command is used to remove a stored function from the database permanently?
  1. CREATE
  2. DROP
  3. REMOVE
  4. DELETE
সঠিক উত্তর:
DROP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DROP
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) কোনো অবজেক্ট যেমন টেবিল, ইনডেক্স বা ফাংশন সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলার জন্য DROP স্টেটমেন্ট ব্যবহৃত হয়। এটি একটি Data Definition Language (DDL) কমান্ড। ফাংশন মুছতে সাধারণত DROP FUNCTION function_name; সিনট্যাক্স ব্যবহার করা হয়।

• ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে। ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML):
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উল্লেখ্য:
- CREATE: এটি নতুন ডাটাবেজ অবজেক্ট (যেমন টেবিল বা ফাংশন) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, মুছতে নয়।
- REMOVE: এসকিউএল-এ অবজেক্ট ডিলিট করার জন্য 'REMOVE' নামে কোনো স্ট্যান্ডার্ড বা অফিসিয়াল কমান্ড নেই।
- DELETE: এটি একটি DML কমান্ড যা টেবিলের ভেতরের নির্দিষ্ট রেকর্ড বা ডেটা মোছার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ডাটাবেস অবজেক্ট বা স্ট্রাকচার মুছে ফেলে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৬.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ডাটাবেজ সিস্টেমে কোন একটি অংশ অকেজো হয়ে গেলে সম্পূর্ণ সিস্টেম অকার্যকর হয়ে যেতে পারে।
  2. ডাটাবেজ এর রেকর্ড সমূহ সাজানো অবস্থায় থাকে না।
  3. সাধারণ ফাইল সিস্টেম এর তুলনায় ডাটাবেজে মেমোরির খরচ বেশি।
  4. ডাটাবেজ সফটওয়্যার এর মূল্য ফাইল সিস্টেম এর চেয়ে কম।
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজ সিস্টেমে কোন একটি অংশ অকেজো হয়ে গেলে সম্পূর্ণ সিস্টেম অকার্যকর হয়ে যেতে পারে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজ সিস্টেমে কোন একটি অংশ অকেজো হয়ে গেলে সম্পূর্ণ সিস্টেম অকার্যকর হয়ে যেতে পারে।
ব্যাখ্যা
সুবিধাঃ
ডাটাবেজের নিম্নলিখিত সুবিধাসমূহ উল্লেখযোগ্য-
(ক) প্রয়োজনীয় সকল তথ্য বিচার-বিশ্লেষণ করে ডাটাবেজ ফাইল তৈরী করা হয়। তাই এতে তথ্যের পুনরাবৃত্তি অর্থাৎ
একই তথ্য একাধিকবার থাকার সম্ভাবনা কম।
(খ) ডাটাবেজে তথ্য সুরক্ষিত থাকে। তাই তথ্য নির্ভেজাল হয়, অর্থাৎ পরিবর্তিত বা ধ্বংস হয় না। এ বৈশিষ্ট্যটুকু ধরে
রাখতে হলে- রেকর্ডসমূহকে সুপরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণ করে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হয়, তথ্যের মান
ঠিক আছে কিনা খেয়াল রাখতে হয়, সর্বোপরি ডাটাবেজের গোপনীয়তা রক্ষা করতে হয়।
(গ) ডাটাবেজে মেমোরী অপচয় কম হয়। যেহেতু একই তথ্য একাধিকবার থাকার সম্ভাবনা কম, সেহেতু
অতিরিক্ত মেমোরী নষ্ট হয় না।
(ঘ) কোয়েরী প্রোগ্রাম দ্বারা তথ্য উদ্ধার করা যায়।এতে ব্যবহারকারীর কোন কোন তথ্য দরকার তা উল্লেখ করলেই
চলে, কিভাবে তথ্যউদ্ধার করতে হবে তা উল্লেখ করার প্রয়োজন হয় না।

অসুবিধাঃ
ডাটাবেজে সুবিধার পাশাপাশি অসুবিধাও রয়েছে। ডাটাবেজের উল্লেখযোগ্য অসুবিধাসমূহ হলো-
(ক) সাধারণ ফাইল সিস্টেম-এর তুলনায় ডাটাবেজ সফটওয়ার-এর মূল্য এবং তার ব্যবস্থাপনায় খরচ বেশী।
(খ) ডাটাবেজ সিস্টেমের কোন একটি অংশ অকেজো হয়ে গেলে সম্পূর্ণ সিস্টেমটিই বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

সূত্রঃ এসএসসি কম্পিউটার শিক্ষা কোর্স, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১০৭.
IP-V6 এড্রেস কোন ফরম্যাটে লেখা হয়?
  1. Binary format
  2. Octal format
  3. Decimal format
  4. Hexadecimal format
সঠিক উত্তর:
Hexadecimal format
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hexadecimal format
ব্যাখ্যা
- ‘IP’ এর পূর্ণরূপ হলো ‘Internet Protocol’.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস I
Pv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 X ৪ বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলাে IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
-  IPv6  এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal format এ লেখা হয়।  

[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি  - মোঃ মজিবুর রহমান]
১০৮.
কাজের গতি বাড়ানোর জন্য কম্পিউটারে‌ কোন মেমোরি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ভার্চুয়াল মেমোরি
  2. খ) মেইন মেমোরি
  3. গ) চৌম্বক মেমোরি
  4. ঘ) ক্যাশ মেমোরি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যাশ মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা
- কাজের গতি বৃদ্ধির জন্য প্রসেসর এবং প্রধান স্মৃতির মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপিত বিশেষ ধরনের স্মৃতিকে ক্যাশ মেমোরি বা ক্যাশ স্মৃতি বলা হয়।
- কোনো এপ্লিকেশন প্রোগ্রামে কাজ করার জন্য যে তথ্যগুলো বারবার ব্যবহৃত হয় সেই তথ্যগুলোকে ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা হয়।
১০৯.
কোন ACID গুণটি নিশ্চিত করে যে লেনদেনের আগে এবং পরে ডাটাবেসের অবস্থা সঠিক থাকবে?
  1. Isolation
  2. Atomicity
  3. Durability
  4. Consistency
সঠিক উত্তর:
Consistency
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Consistency
ব্যাখ্যা
⚪ ACID গুণাবলী (properties) হল একটি ট্রানজেকশন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় চারটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য যা ডেটাবেসের স্থিতিশীলতা এবং নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে। প্রশ্নে যে ACID বৈশিষ্ট্যটি ডেটাবেসের বৈধ অবস্থান (valid state) বজায় রাখার জন্য ট্রানজেকশনের পূর্ব এবং পরের অবস্থায় সাহায্য করে, তা হল Consistency।

Consistency বৈশিষ্ট্যটি নিশ্চিত করে যে, ট্রানজেকশনের পূর্বে এবং পরে ডেটাবেস একটি বৈধ অবস্থায় থাকবে। অর্থাৎ, ট্রানজেকশন সম্পন্ন হলে ডেটাবেসের সঠিকতা (correctness) এবং এক্সপেকটেড অবস্থান বজায় থাকবে।

⚪ ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।

ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID।
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

উৎস: techtarget.com
১১০.
প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা যাবে কোন ফিল্ডটিকে?
  1. Name
  2. Date of birth
  3. Student ID
  4. Father's name
সঠিক উত্তর:
Student ID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Student ID
ব্যাখ্যা
কী-ফিল্ড: যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।

কী ৩ ধরনের হয়:
১) প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
যেমন: ID, Phone No. হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না ৷
- একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত। তেমনি Phone No. এর ক্ষেত্রেও একজনের ডাটা আরেকজনের সাথে মিলে না।

২) কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।
যেমন: একই ডাটা টেবিলে যদি ID এবং Phone No. উভয় থাকে তাহলে তারা কম্পোজিট প্রাইমারি কী হবে।

৩) ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১১১.
নিচের কোনটি একটি Many-to-Many (M:N) সম্পর্ককে সঠিকভাবে বর্ণনা করে?
  1. টেবিল A-এর প্রতিটি রেকর্ড ঠিক একটি টেবিল B-এর রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত
  2. টেবিল A-এর একটি রেকর্ড টেবিল B-এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে না
  3. টেবিল A-এর একটি রেকর্ড শুধুমাত্র টেবিল B-এর একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে
  4. টেবিল A-এর অনেক রেকর্ড টেবিল B-এর অনেক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
টেবিল A-এর অনেক রেকর্ড টেবিল B-এর অনেক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেবিল A-এর অনেক রেকর্ড টেবিল B-এর অনেক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা

• Many-to-Many (M:N) সম্পর্ক এমন একটি সম্পর্ক যেখানে একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড একই সময়ে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, “ছাত্র” এবং “কোর্স” টেবিলের ক্ষেত্রে, একটি ছাত্র একাধিক কোর্সে ভর্তি হতে পারে, এবং একটি কোর্সেও অনেক ছাত্র থাকতে পারে। তাই, Many-to-Many সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো রেকর্ড কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সীমাবদ্ধ থাকে না। প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে, (ঘ) সঠিক। এখানে বলা হয়েছে যে টেবিল A-এর অনেক রেকর্ড টেবিল B-এর অনেক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, যা Many-to-Many সম্পর্কের মূল সংজ্ঞার সাথে মিলে যায়। অন্যগুলো শুধুমাত্র One-to-One বা One-to-Many সম্পর্ক নির্দেশ করে।

ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১২.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এর কাজ কী?
  1. ক) ডেটা ইমেইল।
  2. খ) ডেটাবেজ তৈরি করা।
  3. গ) ডেটার নিরাপত্তা বিধান করা।
  4. ঘ) খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা DBMS হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাবেজ তৈরি, পরিবর্তন, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণঃ MySQL, PostgreSQL, Microsoft Access, SQL Server, FileMaker, Oracle, dBASE, Clipper, and FoxPro. ইত্যাদি।

DBMS এর কাজসমূহঃ
১। প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটাবেজ তৈরি করা (Create)।
২। নতুন ডেটা/রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা (Append)।
৩। ডেটার ভূল অনুসন্ধান করা ও সংশোধন করা (Debug)।
৪। অপ্রয়োজনীয় ডেটা/রেকর্ড বাদ দেওয়া(Delete)।
৫। সম্পাদনার কাজ সম্পন্ন করা (Edit)।
৬। প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধান করা (Search)।
৭। প্রয়োজন অনুয়ায়ী সম্পুর্ন ডেটাবেজকে যেকোন ফিল্ডের ভিত্তিতে বিন্যস্ত করা (Sort)।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

১১৩.
"Amazon Aurora" কোন ধরনের সার্ভিস?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  2. ডেটাবেজ
  3. প্রোগামিং
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ
ব্যাখ্যা
• "Amazon Aurora" - ডেটাবেজ প্রোগ্রাম।

• ডেটাবেজ:
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
- ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো- ১. ডাটা (Data) ২. রেকর্ড (Record) ৩. ফিল্ড (Field) ও ৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হলো:
- মাইক্রোসফট এক্সেস
- ফক্সপ্রো
- ডিবেজ
- ফক্সবেইজ
- ওরাকল
- প্যারাডক্স
- ফোর্থ ডাইমেনশন
- MySQL ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৪.
নিচের কোনটি একটি RDBMS সফটওয়্যার নয়?
  1. Microsoft Access
  2. MySQL
  3. Linux
  4. Informix
সঠিক উত্তর:
Linux
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Linux
ব্যাখ্যা

• Linux হলো একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার পরিচালনা করে। এটি ডাটাবেস পরিচালনা করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সফটওয়্যার নয়।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৫.
নিচের কোনটি ভিডিও ফাইল এক্সটেনশন?
  1. .mp3
  2. .vcf
  3. .gif
  4. .flv
সঠিক উত্তর:
.flv
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.flv
ব্যাখ্যা
.mp3 (MP3 Audio File) - Audio file extension.
.vcf (vCard File) - Data file extension.
.gif (Graphical Interchange Format File) - Raster image file extension.
.flv (Flash Video File) - Video file extension.
১১৬.
MPEG কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন ?
  1. ক) Image
  2. খ) Audio
  3. গ) Video
  4. ঘ) Flash
সঠিক উত্তর:
গ) Video
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Video
ব্যাখ্যা

- MPEG (.mpg এবং .mp4) হল Video ফাইল এক্সটেনশন।
- .flv-Flash video file এক্সটেনশন ।
- .doc -Microsoft word file extension.
- .mp3-audio file extension.
- .jpg, .jpeg - image file extension.

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)

১১৭.
যে স্থায়ী মেমোরিতে প্রোগ্রাম করা যায় এবং প্রয়োজনে মুছে ফেলা যায় তা হলো-
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) PROM
  4. ঘ) EPROM
সঠিক উত্তর:
ঘ) EPROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) EPROM
ব্যাখ্যা
EPROM (erasable programmable read-only memory) is programmable read-only memory (programmable ROM) that can be erased and re-used.
১১৮.
UPDATE ও ALTER কমান্ডদ্বয় যথাক্রমে কোন ধরনের স্টেটমেন্ট? 
  1. DML , DDL
  2. DDL , DML
  3. DML , DML
  4. DDL , DDL
সঠিক উত্তর:
DML , DDL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DML , DDL
ব্যাখ্যা

- ডেটাবেজ টেবিলে তথ্য (Insert) ইনসার্ট, (Update) আপডেট এবং ডিলিট (Delete) করার জন্য ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বা DML ব্যবহার করা হয়।

• DML এর সাহায্যে ডেটাবেজে নিম্নলিখিত কাজ করা হয়:

- টেবিলে নতুন কোনো তথ্য ইনসার্ট করা: ইনসার্ট অপারেশন (Insert).
- টেবিলের কোনো তথ্য ডিলিট করা: ডিলিট অপারেশন (Delete).
- টেবিলের তথ্য আপডেট করা: আপডেট অপারেশন (Update).

• উদাহরণ:
- টেবিলের রেকর্ড পরিবর্তন / আপডেট করতে:
- গঠন: UPDATE SET Column =  WHERE Condition
- উদাহরণ: UPDATE student SET Age = 05 WHERE Roll = 063
- ব্যাখ্যা: Student নামের টেবিলে Age=05 পরিবর্তন করা হবে যে রেকর্ডের Roll = 063

- ডেটাবেজে টেবিল তৈরি, টেবিল সংশোধন, টেবিল বাদ দেয়া ইত্যাদির জন্য যে SQL স্টেটমেন্ট ব্যবহার হয় তাকে ডেটা ডেফিনিশন/ডেসক্রিপশন ল্যাঙ্গুয়েজ বা DDL বলা হয়।
- ডেটার কাঠামো নির্ধারণ, ইউজারের সুবিধার্থে নতুন টেবিল তৈরি করা, টেবিল সংশোধন করা, ডেটার টাইপ পরিবর্তন করা, টেবিল বাদ দেয়া ইত্যাদির ক্ষেত্র DDL এ পড়ে।
- DDL এর মাধ্যমে ডেটাবেজ/ডিসক্রিপশনে কাঠামোগত কাজগুলো করা হয়।

• উদাহরণ:
- টেবিলের কলাম পরিবর্তন করতে:
- গঠন: SQL > ALTER TABLE ADD/ DROP Column definitions
- উদাহরণ: SQL > ALTER TABLE student ADD Age NUMBER (3)
- ব্যাখ্যা: এখানে student নামের টেবিলে Age নামে একটি নতুন কলাম যোগ হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১১৯.
ডাটাবেজ এর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
  1. ক) ফিল্ড
  2. খ) ডাটা টেবিল
  3. গ) রেকর্ড
  4. ঘ) ডাটা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ডাটা
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ এর বিভিন্ন উপাদান গুলোর বর্ণনা:

ডাটা: ডাটাবেজ এর সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম একক হলো ডাটা। ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ড এ আমরা যা ইনপুট দেই তাই ডেটা। যেমন: ধরি, ডাটাটেবিলের একটি ফিল্ড এর নাম হলো name যার একটি ডাটা হলো কারো নাম jabbar.

ফিল্ড: ডাটা টেবিলের এক একটি কলামকে এক একটি ফিল্ড বলা হয়। একটি ফিল্ড সাধারণত একই টাইপের ডাটা স্টোর করে থাকে। যেমন: Name ফিল্ড এ সব সময় কারো নাম থাকে। এখানে কারো রোল বা আইডি থাকে না।

রেকর্ড: ডাটা টেবিলের এক একটি রো এক একটি রেকর্ড নামে পরিচিত। একটি রেকর্ড এ অনেকগুলো ফিল্ড এর ডাটা থাকতে পারে। যেমন:  Name ফিল্ড এর Jobbar, Roll ফিল্ড এর 11506025, Class  ফিল্ড এর 10 এর সমন্বয়েই Jobbar এর রেকর্ড।

ডাটা টেবিল: সমজাতীয় ডাটাকে সংরক্ষণ করে একটি টেবিলে রাখা হয় যাকে ডাটা টেবিল বলে। যেমন: Jobbar, Rofiq, Sahadat, Mira এর সকল ডাটা নিয়ে গঠিত টেবিল ডাটা টেবিল নামে পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১২০.
একটি টেবিলের প্রাইমারী কী-এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী-এর সম্পর্ক হলে কোন রিলেশন তৈরি হয়?
  1. One to One
  2. Many to Many
  3. One to Many
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
One to Many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One to Many
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

২. One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- একটি টেবিলের প্রাইমারী কী-এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী-এর সম্পর্ক হলে One to Many রিলেশন তৈরি হয়।

৩. Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
১২১.
কম্পিউটারের মেমোরি থেকে সংরক্ষিত ডাটা উত্তোলনের পদ্ধতিকে কি বলে?
  1. Read out
  2. Read from
  3. Read
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
Read
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Read
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারে আমরা যখন কোন তথ্য রাখি, তা কম্পিউটার মেমোরি তে জমা থাকে এবং পরবর্তীতে আমাদের চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটার মেমোরি থেকে read করে আমাদের প্রদান করে থাকে।
সুতরাং Read হচ্ছে সঠিক উত্তর।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১২২.
পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক ফিল্ড এর সমন্বয়ে কী গঠিত হয়?
  1. রেকর্ড
  2. ফাইল
  3. ডেটা টেবিল
  4. ইনফরমেশন
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড
ব্যাখ্যা

◉ অনেকগুলো সম্পর্কযুক্ত ফিল্ড একসাথে মিলেই একটি রেকর্ড গঠন করে।

ডেটাবেজ (Database):
ডেটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ হচ্ছে ঘাঁটি বা সমাবেশ। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডেটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হচ্ছে ডেটাবেজ।
- ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদান হলো ডেটা, ফিল্ড, রেকর্ড, ডেটা টেবিল ইত্যাদি।

ডেটা:
- ডেটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি, তাই ডেটা।

ফিল্ড:
- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।

রেকর্ড:
- সম্পর্কযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়।
- অনেকগুলো ফিল্ডের ডেটার সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

ডেটা টেবিল:
- সমজাতীয় সকল ডেটাকে একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১২৩.
নিচের কোনটি "Open-source relational database management system"?
  1. PostgreSQL
  2. SAP HANA
  3. SQL Server
  4. DB2
সঠিক উত্তর:
PostgreSQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PostgreSQL
ব্যাখ্যা
• PostgreSQL:
- এটি একটি ওপেন সোর্স রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- PostgreSQL একটি উন্নত, শক্তিশালী এবং নির্ভরযোগ্য RDBMS, যা SQL (Structured Query Language) এবং বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষার সাথে ব্যবহার করা যায়।
- এটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স হওয়ায়, এর সোর্স কোড যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন এবং কাস্টমাইজ করতে পারে।
- PostgreSQL অত্যন্ত স্কেলেবল এবং পারফরম্যান্সে উন্নত।

অন্য অপশন আলোচনা:
• SAP HANA:
- SAP HANA একটি প্রোপ্রাইটরি ডাটাবেস সিস্টেম যা মূলত ইন-মেমরি ডেটাবেস হিসাবে কাজ করে।
- এটি একটি ক্লোজড সোর্স ডাটাবেস, অর্থাৎ এর সোর্স কোড সাধারণ মানুষের জন্য খোলা নয়।
- SAP HANA প্রধানত ব্যবসায়িক বিশ্লেষণ, ডেটা প্রক্রিয়াকরণ এবং অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়।

• SQL Server:
- SQL Server মাইক্রোসফটের তৈরি একটি ক্লোজড সোর্স রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- এটি একটি শক্তিশালী ডাটাবেস, তবে এটি ওপেন সোর্স নয়।
- SQL Server-এ লাইসেন্সিং খরচ রয়েছে এবং এর সোর্স কোড সাধারণ মানুষের জন্য উপলব্ধ নয়।

• DB2:
- DB2 হল IBM এর তৈরি একটি রিলেশনাল ডাটাবেস সিস্টেম, এবং এটি ওপেন সোর্স নয়।
- DB2 একে অপরের মধ্যে স্কেল এবং পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত, তবে এটি প্রোপ্রাইটরি সফটওয়্যার এবং এর জন্য লাইসেন্সের প্রয়োজন।

- এটি একটি ওপেন সোর্স ডাটাবেস সিস্টেম, যেখানে অন্য সব অপশনগুলির সোর্স কোড সাধারণ মানুষের জন্য উপলব্ধ নয় এবং তারা ক্লোজড সোর্স।

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।
১২৪.
ডাটাবেজে তথ্য যোগ করা, পরিবর্তন করা বা মুছে ফেলা এই কাজগুলো কোন পদ্ধতির মাধ্যমে করা হয়?
  1. এনক্রিপশন
  2. ইনডেক্সিং
  3. কুয়েরি
  4. ডাটা মাইগ্রেশন
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেসে তথ্য যোগ করা (Insert), পরিবর্তন করা (Update) বা মুছে ফেলার (Delete) মতো কাজগুলো কুয়েরি (Query) পদ্ধতির মাধ্যমে করা হয়।

• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ - করে দিতে হয়।

• কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।
- যেমন:
• Select Query:
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Parameter Query:
প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Crosstab Query:
-ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Action Query:
-কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

• ইনডেক্সিং:
- ইনডেক্সিং হচ্ছে ডাটাবেজের মধ্যে ক্রম সাজানোর একটি বিশেষ পদ্ধতি। - ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে ডেটা দ্রুত সময়ে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। -

• সর্টিং:
- এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

• এনক্রিপশন:
- এনক্রিপশন ডেটাকে নিরাপদ করার একটি প্রক্রিয়া যাতে কেবল অনুমোদিত ব্যক্তি তা পড়তে পারে।

• ডাটা মাইগ্রেশন:
- ডাটা মাইগ্রেশন হলো একটি ডাটাবেস বা সিস্টেম থেকে অন্য ডাটাবেস/সিস্টেমে বিদ্যমান তথ্যকে নিরাপদে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া।
- এটি সাধারণত সফটওয়্যার আপগ্রেড, সার্ভার পরিবর্তন, ক্লাউডে যাওয়া বা পুরোনো সিস্টেম থেকে নতুন সিস্টেমে ডাটা নেওয়ার সময় করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২৫.
SQL-এর পূর্ণরূপ কোনটি? 
  1. Structured Query Language
  2. Systematic Question Logic
  3. Simple Query List
  4. Standard Question Language
সঠিক উত্তর:
Structured Query Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Structured Query Language
ব্যাখ্যা

• SQL-এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language। এটি একটি বিশেষ ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষা যা ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটা সংরক্ষণ, পরিবর্তন এবং পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। SQL ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা ডেটা কোয়েরি করতে, নতুন টেবিল তৈরি করতে, বিদ্যমান টেবিলের তথ্য আপডেট বা মুছে ফেলতে পারেন। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ভাষা, যা প্রায় সব রিলেশনাল ডেটাবেস যেমন MySQL, PostgreSQL, Oracle ইত্যাদিতে প্রযোজ্য। SQL-এর মাধ্যমে ডেটা হ্যান্ডলিং করা সহজ এবং কার্যকর হয়, কারণ এটি মানব-বোধগম্য সিনট্যাক্সে লেখা হয় এবং জটিল ডেটা অপারেশনও সহজভাবে সম্পন্ন করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Structured Query Language.

• SQL Query:
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language।
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ অ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center SQL তৈরি করা হয়েছে।

• SQL ফিচার সুবিধা:
- SQL ইংরেজি ভাষার কাছাকাছি একটি কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ। এতে SELECT, INSERT, DELETE এ রকম শব্দ দ্বারা কমান্ড সেট তৈরি করা হয়েছে।
- SQL একটি non-procedural ল্যাঙ্গুয়েজ। যে তথ্যাবলি দরকার কেবল তা বলে দিলেই হয়, কীভাবে কোয়েরি করা যাবে তা বলার দরকার হয় না।
- SQL একই সময়ে এক একটি রেকর্ডকে প্রসেস না করে বরং এক সেট রেকর্ড প্রসেস করে।
- SQL বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে। যেমন- ডাটাবেজ এডমিনিস্ট্রেটর, প্রোগ্রামার, ম্যানেজমেন্ট বা বিভিন্ন এ্যান্ড ইউজারগণ।

• SQL বিভিন্ন শ্রেণির কার্যসম্পাদনের জন্য ব্যবহার করা যায়।যেমন-
- ডাটা কোয়েরি করা।
- ডাটা সন্নিবেশ, আপডেট বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট তৈরি, সংশোধন বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট অ্যাকসেস নিয়ন্ত্রণ।
- ডাটাবেজ Consistency-এর নিশ্চয়তা প্রদান।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।

১২৬.
FORTRAN কী?
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম
  3. প্রোগ্রামিং ভাষা
  4. কম্পিউটার ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
প্রোগ্রামিং ভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রোগ্রামিং ভাষা
ব্যাখ্যা
• ফোরট্রান (FORTRAN):
-  FORTRAN এর পূর্ণরূপ Formula Translation.
- ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।
- জন বাকাস ও তাঁর সহযোগীরা আইবিএম-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় ১৯৫৭ সালেএটি তৈরি করেন।
- ফোরট্রানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলো হচ্ছে ফোরট্রান I, ফোরট্রান II, ফোরট্রান iv, ফোরট্রান ৭৭, এবং ফোরট্রান ৯০। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১২৭.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ কুয়েরি ভাষার উদাহরণ?
  1. SQL
  2. Microsoft Excel
  3. Python
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
SQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SQL
ব্যাখ্যা

•  SQL (Structured Query Language) হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ যা রিলেশনাল ডাটাবেজ থেকে ডেটা কুয়েরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ডাটাবেজ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ:
- ডাটাবেজ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ (Database Query Language) হলো এক ধরনের বিশেষায়িত কম্পিউটার ভাষা যা ডাটাবেজের সাথে যোগাযোগ এবং তথ্য পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এই ভাষা ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারী ডাটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট ডেটা খুঁজে বের করতে, নতুন ডেটা যোগ করতে, বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তন করতে অথবা ডেটা মুছে ফেলতে পারেন। 
- এটি ডাটাবেজের কাঠামো বা স্কিমা (Schema) তৈরি ও পরিবর্তন করতে সাহায্য করে, যেমন নতুন টেবিল তৈরি করা বা কলাম যুক্ত করা।
- এটি অত্যন্ত শক্তিশালী অনুসন্ধান ফাংশন প্রদান করে, যার মাধ্যমে বড় ডেটাসেট থেকে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী তথ্য খুঁজে বের করা যায়।

বিভিন্ন ডাটাবেজ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ:
- SQL (Structured Query Language): হলো রিলেশনাল ডাটাবেজের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ও স্ট্যান্ডার্ড কুয়েরি ভাষা। উদাহরণ: MySQL, Oracle, PostgreSQL, Microsoft SQL Server।
- XPath: XML (eXtensible Markup Language) ডকুমেন্টের মধ্যে তথ্য খোঁজার জন্য ব্যবহৃত ভাষা।
- Cypher Query Language: গ্রাফ ডাটাবেজ (Graph Database) যেমন Neo4j-এর জন্য ব্যবহৃত কুয়েরি ভাষা।
- XQuery,
- GraphQL,
- QUEL, QBE, OQL ইত্যাদি।

অপশন সমূহ:
- Microsoft Excel: এটি একটি স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, কোনো কুয়েরি ভাষা নয়।
- Python: এটি একটি সাধারণ প্রোগ্রামিং ভাষা, ডাটাবেজ কুয়েরি ভাষা নয়।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১২৮.
ডাটাবেজ টেবিলের "প্রাইমারি কী" কী কাজ করে?
  1. টেবিলের সকল তথ্য নিরাপদ রাখতে এনক্রিপশন ব্যবহার করে
  2. টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে
  3. টেবিলের সকল ডাটা স্থায়ীভাবে মুছে ফেলে
  4. টেবিলের সাইজ ছোট করার জন্য অতিরিক্ত তথ্য কমিয়ে ফেলে
সঠিক উত্তর:
টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে
ব্যাখ্যা

◉ ডাটাবেজ টেবিলে প্রাইমারি কী (Primary Key) হলো একটি বিশেষ কলাম বা কলামের সেট, যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে (Uniquely) সনাক্ত করে।

কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- কী ৩ ধরনের হয়। যথা-

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

১২৯.
নিচের কোনটি RDBMS সফটওয়্যার নয়?
  1. MySQL
  2. IBM Db2
  3. MongoDB
  4. Oracle
সঠিক উত্তর:
MongoDB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MongoDB
ব্যাখ্যা

• MongoDB হলো একটি NoSQL ডেটাবেজ যা ডকুমেন্ট-ভিত্তিক কাঠামো ব্যবহার করে। এটি প্রচলিত রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)-এর মতো টেবিল, সারি বা কলামের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি।
-  
NoSQL ডেটাবেজগুলো ভিন্ন কাঠামোতে (যেমন ডকুমেন্ট, গ্রাফ বা কী-ভ্যালু পেয়ার) ডেটা সংরক্ষণ করে, যা কিছু বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশনের জন্য বেশি উপযোগী।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- IBM Db2,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩০.
What is a Record composed of?
  1. Field
  2. Data table
  3. Data
  4. None
সঠিক উত্তর:
Field
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Field
ব্যাখ্যা

- অনেকগুলো ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড

- ডাটা: 
Data শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datum-এর বহুবচন। Datum অর্থ হচ্ছে তথ্যের উপাদান। তথ্যের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতর অংশসমূহ হচ্ছে ডাটা বা উপাত্ত। ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি তাই ডাটা। উদাহরণস্বরূপ নিচের টেবিলের Tareq একটি ডাটা যা Name ফিল্ডের অধীনে আছে। Dhaka অন্য একটি ডাটা যা Address ফিল্ডের অধীনে আছে এবং Officer আরেকটি ডাটা যা Job Title ফিল্ডের অধীনে আছে। ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডের অধীনে এন্ট্রিকৃত সব তথ্যই হলো ডাটা।

- রেকর্ড: অনেকগুলো ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। সাধারণভাবে পুরো একটি সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। যদি কোন টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। এরকম যতজন গ্রাহকের নাম-ঠিকানা একটি টেবিলে লিপিবদ্ধ থাকবে সে টেবিলে ততগুলো রেকর্ড আছে বলে ধরা হবে।
- ফিল্ড: রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড। রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে। কলামের একটি সেলের (Cell) ডাটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরো কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডাটা।
- ডাটা টেবিল: সমজাতীয় সকল ডাটাকে এক একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। ধরা যাক, একটি অফিসের তিনটি শাখা আছে, যথা- প্রশাসন শাখা, হিসাব শাখা ও বিক্রয় শাখা। প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের জন্য একটি টেবিল নির্দিষ্ট করা আছে যেখানে ঐ শাখার সকল উপাত্ত সংরক্ষিত আছে। হিসাব শাখার জন্য আবার আলাদা একটি টেবিলে অফিসের আয়-ব্যয় বা কর্মচারীদের বেতন-ভাতার হিসাব সংরক্ষিত আছে এবং বিক্রয় শাখার জন্য আর একটি টেবিলে দৈনন্দিন বিক্রয় সংক্রান্ত নথিপত্র লিপিবদ্ধ আছে। তিনটি টেবিলই থাকবে একটি মল ফাইল বা ডাটাবেজের অধীনে।

উৎস: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩১.
রিলেশনাল ডাটাবেজে "প্রাইমারি কী" এর প্রধান কাজ কী?
  1. ডেটার ব্যাকআপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করা
  2. টেবিলের কলাম সংখ্যা নির্ধারণ করা
  3. প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা
  4. ডাটাবেজের ব্যাকআপ তৈরি করা
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজ টেবিলে প্রাইমারি কী (Primary Key) হলো একটি বিশেষ কলাম বা কলামের সেট, যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে (Uniquely) বা অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করে।

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- কী ৩ ধরনের হয়। যথা-

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

১৩২.
আধুনিক এমবেডেস সিস্টেমে কিসের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়?
  1. মাইক্রো চিপ
  2. মাইক্রো প্রসেসর
  3. মাইক্রো কন্টোলার
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মাইক্রো কন্টোলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রো কন্টোলার
ব্যাখ্যা
এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- তবে, আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্‌, ATM প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
১৩৩.
ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডের অধীনে এন্ট্রিকৃত সব তথ্যই হলো -
  1. ডাটা
  2. রেকর্ড
  3. ফিল্ড
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ডাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা
ব্যাখ্যা


উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৩৪.
ডেটা এনক্রিপশন করা হয়-
  1. ডেটা আদান প্রদানের জন্য
  2. ডেটা সংরক্ষণের জন্য
  3. ডেটার গোপনীয়তা রক্ষার জন্য
  4. ডেটার মান বৃদ্ধির জন্য
সঠিক উত্তর:
ডেটার গোপনীয়তা রক্ষার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটার গোপনীয়তা রক্ষার জন্য
ব্যাখ্যা
ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়
- ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে মাধ্যমের ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- প্রেরক কম্পিউটারে এনক্রিপ্ট করার নিয়ম বা প্রাপক কম্পিউটারে ডিক্রিপ্ট করার নিয়ম দেয়া থাকে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্‌টওয়্যার ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৫.
Query হলো -
  1. ডেটাবেজ ফাইল সংরক্ষণ করা
  2. প্রয়োজনে ডেটাবেজ শেয়ার করা
  3. ডেটাবেজ আপডেট রাখা
  4. ডেটাবেজ থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।

• কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query,
- Parameter Query,
- Crosstab Query:
- Action Query:
- কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, এনসিটিবি।
১৩৬.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ সফটওয়্যার নয়?
  1. MySQL
  2. McAfee
  3. MongoDB
  4. Redis
সঠিক উত্তর:
McAfee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
McAfee
ব্যাখ্যা
• McAfee হলো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- উদাহরণ: MySQL, Oracle, PostgreSQL, Microsoft SQL Server, MongoDB, Redis ইত্যাদি।

• অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল অ্যান্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে অ্যান্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রাম গুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- উদাহরণ: Norton, Microsoft Defender, McAfee ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭.
নিচের কোনটি Open Source DBMS?
  1. ক) MySQL
  2. খ) PostgreSQL
  3. গ) SQLite
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
MySQL, PostgreSQL এবং SQLite সবগুলোই Open Source DBMS.

• অন্যান্য জনপ্রিয় Open Source DBMS:
- Altibase
- Maria DB.
- Cassandra
- Cubrid ইত্যাদি।

উৎস: MySQL, PostgreSQL এবং SQLite এর Website.
১৩৮.
নিচের কোনটি কর্পোরেট ডাটাবেজ সফটওয়্যার?
  1. IBM/VM
  2. VM/SPCMS
  3. Teradata
  4. MS Word
সঠিক উত্তর:
Teradata
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Teradata
ব্যাখ্যা
Teradata একটি কর্পোরেট ডাটাবেজ সফটওয়্যার।

• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
- কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বলতে মূলত বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যেমন-ব্যাংক, বীমা, মোবাইল কোম্পানি, সরকারি-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিকে বোঝানো হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবস্থায় বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের কেন্দ্রিয় অফিসের সাথে শাখা অফিসসমূহের সমন্বয়, বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজকর্ম এবং ডাটা আদান প্রদানের জন্য যে বিশেষ ডাটাবেজ সফটওয়্যার ব্যবহার করে তাকে কর্পোরেট ডাটাবেজ বলে।

• কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়্যারগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access,
- Informix, ইত্যাদি।

• বাকি অপশনগুলো:
- VM/SPCMS এবং IBM/VM হচ্ছে মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেম।
- MS Word একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৯.
কোন কী প্রাইমারি হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. নাম
  2. ব্লাড গ্রুপ
  3. ঠিকানা
  4. মোবাইল নম্বর
সঠিক উত্তর:
মোবাইল নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোবাইল নম্বর
ব্যাখ্যা

• প্রাইমারি কী বা প্রাথমিক চাবি হলো একটি ডাটাবেস টেবিলের একটি বিশেষ কলাম যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করে। এটি এমন একটি তথ্য যা একরকম কোনো রেকর্ডে পুনরাবৃত্তি হতে পারে না এবং কোনো রেকর্ডকে ভিন্ন রেকর্ড থেকে আলাদা করতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, নাম বা ঠিকানা একাধিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে একই হতে পারে, তাই এগুলো প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার উপযুক্ত নয়। ব্লাড গ্রুপও সাধারণত একাধিক মানুষের মধ্যে একই হতে পারে। মোবাইল নম্বর প্রায়ই ব্যক্তির জন্য অনন্য হয় এবং প্রতিটি রেকর্ডের সাথে একভাবে সম্পর্কিত থাকে, তাই এটি প্রাইমারি কী হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই মোবাইল নম্বর হলো প্রাইমারি কী।

• কী-ফিল্ড:

- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
• কী ৩ ধরনের হয়। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

১৪০.
কোন রিলেশনটির জন্য জাংশন টেবিলের প্রয়োজন হয়?
  1. Many to Many
  2. One to One
  3. One to Many
  4. Many to One
সঠিক উত্তর:
Many to Many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Many to Many
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ রিলেশন:
- ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার প্রয়োজনে ডাটা ফাইলসমূহের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে নিতে হয়।
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
• One to One রিলেশন,
• One to Many রিলেশন,
• Many to One রিলেশন,
• Many to Many রিলেশন।

• Many to Many:
- রিলেশন যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিল One to Many রিলেশনের মতো কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪১.
ডাটা টেবিলে ইমেজ সংযোজনের জন্য কোন ধরনের ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়?
  1. OLE Object
  2. Memo
  3. Hyperlink
  4. Look up wizard
সঠিক উত্তর:
OLE Object
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OLE Object
ব্যাখ্যা
• ডাটা টাইপ:
- ডাটাবেজ ডিজাইন করার সময় ডাটাবেজের ফিল্ডের টাইপ অর্থাৎ ফিল্ডে এন্ট্রিকৃত ডাটার টাইপ বা প্রকৃতি নির্ধারণ করতে হয়।
- ডাটাবেজ ব্যবহারের উদ্দেশ্যের উপর নির্ভর করে ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত ফিল্ডের নাম, ডাটা টাইপ, ডাটার ফরমেট ও ফিল্ডের দৈর্ঘ্য।
- ফিল্ডের টাইপ বা ডাটার টাইপ বিভিন্ন প্রকার হতে পারে।

• বিভিন্ন প্রকার ফিল্ড টাইপ বা ডাটা টাইপ নিম্নে উল্লেখ করা হলো:
• OLE Object:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Object Linking and Embedding"।
- ফিল্ডের অধীনে টেক্সট, ছবি, গ্রাফ বা সাউণ্ড হিসেবে অন্য কোন প্রোগ্রাম যেমন- এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, ফটোসপ ইত্যাদি থেকে অবজেক্ট দিতে হলে OLE Object হিসেবে দিতে হয়।

• Memo:
- Memo "Conditional Data" টাইপ।
- অর্থাৎ এ জাতীয় ফিল্ডে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন, তারিখ ইত্যাদি ব্যবহার করে লেখা যায়। সাধারণত মন্তব্য ফিল্ডে এ ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়।

• Hyperlink:
- কোন ফিল্ডের অধীনে টেক্সট ও নম্বরের কম্বিনেশন ও অন্যান্য কোন প্রোগ্রামের তথ্যকে লিঙ্ক করে দিতে চাইলে এই ধরনের ফিল্ড টাইপ সিলেক্ট করতে হয়।

• Look up wizard:
- সরাসরি ডাটা এন্ট্রি না করে কোন লিস্ট থেকে পছন্দকৃত ডাটা ইনপুট করার জন্য এ জাতীয় ফিল্ড ব্যবহার করা হয়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪২.
তথ্য সংরক্ষণের উপর ভিত্তি করে ROM কে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

ROM এর পূর্ণরূপ বা সম্পূর্ণ নাম হল “রিড অনলি মেমোরি“।
ইংরেজিতে, “Read Only Memory“. মানে, কম্পিউটারের এই ধরনের মেমোরিতে থাকা information ও data কেবল read করা যেতে পারে। তাছাড়া, নতুন করে কোন ডাটা বা ইনফরমেশন এই মেমোরিতে স্টোর বা জমা করতে পারবেনা।
তথ্য সংরক্ষণের উপর ভিত্তি করে ROM কে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথাঃ MROM, PROM, EPROM, EEPROM, EAPROM

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১৪৩.
লোকাল কম্পিউটার থেকে কোনো ডেটা বা ফাইল রিমোট কম্পিউটারে কপি করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় -
  1. ক) ডাউন লোডিং
  2. খ) আপলোডিং
  3. গ) প্রিলোডিং
  4. ঘ) নেটলোডিং
সঠিক উত্তর:
খ) আপলোডিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আপলোডিং
ব্যাখ্যা
FTP এমন একটি সার্ভিস, যা ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল কপি করা যায়।
- এটি টিসিপি/আইপি প্রোটোকল সুট ফ্যামিলির অন্যতম সদস্য।
- ফাইল কপি করার জন্য এফটিপি ব্যবহার করা হবে যখন দুটো কম্পিউটারেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকবে।
- লোকাল কম্পিউটার থেকে কোনো ডেটা বা ফাইল রিমোট কম্পিউটারে কপি করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় আপলোডিং এবং
- রিমোট কম্পিউটার থেকে কোনো ফাইল বা ডেটা লোকাল কম্পিউটারে কপি করাকে বলা হয় ডাউন লোডিং।
১৪৪.
নিচের কোনটি ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়?
  1. NTFS
  2. ANTP
  3. FAT16
  4. HPFS
সঠিক উত্তর:
ANTP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ANTP
ব্যাখ্যা
• ANTP ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়।

• ফাইল ম্যানেজমেন্ট:
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা ও কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম চার প্রকার ফাইল সিস্টেমের যেকোনো একটি অবলম্বন করতে পারে।

- ফাইল সিস্টেমগুলো হলো,
FAT16.
• FAT32.
HPFS.
NTFS.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৫.
কোনটি সহায়ক মেমোরি?
  1. ক) RAM
  2. খ) PROM
  3. গ) Floppy Disk
  4. ঘ) ROM
সঠিক উত্তর:
গ) Floppy Disk
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Floppy Disk
ব্যাখ্যা
সাহায্যকারী বা সেকেন্ডারি মেমোরি:
প্রোগ্রাম এবং ডেটা স্থায়ীভাবে ধারণ করতে এই স্মৃতি ব্যবহৃত হয়।
এটা অপেক্ষাকৃত বড় স্মৃতি অংশ ।
RAM বা মূল স্মৃতিতে কোনো তথ্য স্থায়ী ভাবে থাকে না।
কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM এর সমস্ত তথ্য মুছে যায়। শুধুমাত্র ROM এ তথ্য স্থায়ী ভাবে থাকে।
সেজন্য মূল স্মৃতি বা RAM কে সাহায্য করার জন্য কতকগুলো স্মৃতি স্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে যাতে প্রয়োজন অনুসারে RAM সেসব স্মৃতি থেকে তথ্য নিতে পারে। আর এই সব স্মৃতিকে সাহায্যকারী স্মৃতি বলে।
যেমন: হার্ডডিস্ক, ফ্লপিডিস্ক, চুম্বকীয় টেপ CD, DVD ইত্যাদি সাহায্যকারী স্মৃতি হিসাবে ব্যবহৃত হয় ।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল),
১৪৬.
Which data structure stores data in a Last-in, First-Out (LIFO) order?
  1. Queue
  2. Linked List
  3. Tree
  4. Stack 
সঠিক উত্তর:
Stack 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Stack 
ব্যাখ্যা

Stack বা স্ট্যাক হলো সেই ডেটা কাঠামো যা ডেটা সঞ্চয় করে Last-in, First-Out (LIFO) নীতিতে। এর মানে হলো, যে উপাদানটি সবশেষে স্ট্যাকে প্রবেশ করে, সেটিই সবার প্রথমে স্ট্যাক থেকে বের হয়।

Stack:
- Stack কে বলা হয় LIFO (Last In First Out) ডেটা স্ট্রাকচার।
- এ যে ডেটা শেষে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় LIFO I
প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, স্ট্যাকের (Stack) দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে। যথা Push এবং Pop.
- স্ট্যাকের উপরে একটি আইটেম রাখাকে পুশ (Push) বলা হয়।
- স্ট্যাকের উপর থেকে একটি আইটেম অপসারণ করাকে পপ (Pop) বলা হয়।
- Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় FIFO (First In First Out) I

উৎস: Computerhope Website.

১৪৭.
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কোনটি?
  1. Microsoft Access
  2. Internet Explorer
  3. Opera
  4. Google Chrome
সঠিক উত্তর:
Microsoft Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Access
ব্যাখ্যা
• Microsoft Acces হলো রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।

• কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
- Oracle,
- MySQL,
- Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
Internet Explorer, Opera, Google Chrome হলো ওয়েব ব্রাউজার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৪৮.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ নয়?
  1. ক) ডেটাবেজ তৈরী করা
  2. খ) নতুন ডেটা/ রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা
  3. গ) ডেটা সংরক্ষণ করা
  4. ঘ) কম্পিউটারের সিকিউরিটি প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্পিউটারের সিকিউরিটি প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কম্পিউটারের সিকিউরিটি প্রদান করা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের সিকিউরিটি প্রদান করা ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ নয়। কম্পিউটারের সিকিউরিটি সাধারনত অ্যান্টিভাইরাস প্রদান করে থাকে।
১৪৯.
রিলেশনাল ডাটাবেসে ফরেন কী কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  1. এটি প্রাইমারি কী-এর প্রয়োজনীয়তা দূর করে
  2. এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব কুয়েরি দ্রুত করে
  3. এটি স্টোরেজ স্পেস বাড়ায়
  4. টেবিলগুলোর মধ্যে রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে
সঠিক উত্তর:
টেবিলগুলোর মধ্যে রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেবিলগুলোর মধ্যে রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেসে ফরেন কী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি টেবিলগুলোর মধ্যে রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে। ফরেন কী একটি টেবিলের কলামকে অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী-এর সাথে যুক্ত করে, ফলে ডাটার মধ্যে যৌক্তিক সম্পর্ক নিশ্চিত হয়। এর মাধ্যমে ভুল বা অসঙ্গত ডাটা প্রবেশ করা রোধ করা যায়, যেমন—যে রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত কোনো ডাটা নেই, তা ইনসার্ট হতে পারে না। এছাড়া, ডিলিট বা আপডেটের সময় সম্পর্কিত ডাটার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ), কারণ ফরেন কী ডাটাবেসকে নির্ভরযোগ্য ও সুশৃঙ্খল রাখতে সহায়তা করে।
 
• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

• ফরেন কী (Foreign Key):
- রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫০.
কোনটি সর্বাধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা নির্দেশ করে?
  1. পেটাবাইট
  2. ইট্রাবাইট
  3. এক্সাবাইট
  4. জেটাবাইট
সঠিক উত্তর:
ইট্রাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইট্রাবাইট
ব্যাখ্যা
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট =১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট =১ ইট্রাবাইট (YB)

ইট্টাবাইট(YB)> জেটাবাইট(ZB)> এক্সাবাইট(EB)> পেটাবাইট(PB)> টেরাবাইট(TB)> গিগাবাইট(GB)> মেগাবাইট(MB)> কিলোবাইট(KB> বাইট(B)
বিট(B): বিট এখানে সবচেয়ে ছোট এবং ৮ বিট মিলে হয় এক বাইট।


কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১৫১.
যখন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী অন্য টেবিলের ফরেন কী-এর সাথে সম্পর্কিত হয়, তখন কোন রিলেশন তৈরি হয়?
  1. One to Many
  2. One to One
  3. Many to Many
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
One to Many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One to Many
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

২. One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- একটি টেবিলের প্রাইমারী কী-এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী-এর সম্পর্ক হলে One to Many রিলেশন তৈরি হয়।

৩. Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
১৫২.
MS Excel- এ সঠিকভাবে লেখার ফর্মুলা কোনটি?
  1. ক) Sum(C9:C12)
  2. খ) Sum(C9+C12)
  3. গ) Sum=(C9:C12)
  4. ঘ) =Sum(C9:C12)
সঠিক উত্তর:
ঘ) =Sum(C9:C12)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) =Sum(C9:C12)
ব্যাখ্যা

=sum(C9,C12) and =sum (C9:C12) দুইটাই sum এর সঠিক ফর্মুলা।
=sum(C9,C12) -- এটা শুধু C9 এবং C12 সেল দুটির যোগ করবে।
=sum(C9:C12) -- এভাবে লিখলে C9 থেকে C12 পর্যন্ত সকল সেলকে যোগ করবে।

১৫৩.
'হার্ডডিস্ক' মাপার একক হল-
  1. ক) মেগাবাইট
  2. খ) গিগাবাইট
  3. গ) কিলোবাইট
  4. ঘ) টেরাবাইট
সঠিক উত্তর:
খ) গিগাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গিগাবাইট
ব্যাখ্যা

হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক মেমোরি।
ধাতব পাতের উভয়পৃষ্ঠে চুম্বকীয় পদার্থের প্রলেপ থাকে।
এজন্য এ ডিস্ককে চুম্বকীয় ডিস্কও বলা হয়।
হার্ডডিস্কের ধারণ ক্ষমতা নির্ণয় করা হয় সাধারণত গিগাবাইট, টেরাবাইট ইত্যাদি এককে। তবে, 'গিগাবাইট' এককটি হার্ডডিস্কের ধারণ ক্ষমতা মাপার বহুল প্রচলিত একক।

১৫৪.
ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন করা হয় কেন?
  1. ক) ডিস্ক ক্লিনআপ করতে
  2. খ) ভাইরাস দূর করতে
  3. গ) খারাপ সেক্টরসমূহ পরীক্ষা করতে
  4. ঘ) হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
সঠিক উত্তর:
ঘ) হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
ব্যাখ্যা
ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ বা তথ্যসমূহ সাজিয়ে রাখে। ফলে প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় ডেটাসমূহ খুঁজে পায়।
- এতে প্রোগ্রাম লোড হতে কম সময় লাগে এবং প্রোগ্রাম দ্রুত রান হয় বিধায় কম্পিউটারের স্পিড ঠিক থাকে।
[উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
১৫৫.
নিচের কোনটি একটি NoSQL ডাটাবেজ?
  1. MySQL
  2. Oracle
  3. MongoDB
  4. SQL Server
সঠিক উত্তর:
MongoDB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MongoDB
ব্যাখ্যা

◉ MongoDB একটি জনপ্রিয় NoSQL ডাটাবেজ, যা ডকুমেন্ট-ভিত্তিক ডাটা মডেল ব্যবহার করে।

NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, এবং Couchbase.

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
MySQL, Oracle, এবং SQL Server হলো রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS), যা SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে ডেটা ম্যানিপুলেশন করে।

উৎস: ওরাকল ওয়েবসাইট। [লিংক] 

১৫৬.
DBMS-এর “Concurrency Control” কী কাজে ব্যবহৃত হয়? 
  1. একাধিক ব্যবহারকারীর সমসাময়িক অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণে
  2. টেবিল মুছে ফেলার জন্য
  3. ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য
  4. ডেটা ব্যাকআপের জন্য
সঠিক উত্তর:
একাধিক ব্যবহারকারীর সমসাময়িক অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক ব্যবহারকারীর সমসাময়িক অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণে
ব্যাখ্যা

- Concurrency Control হলো DBMS-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া যা নিশ্চিত করে যে একাধিক ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রাম একসাথে ডাটাবেসে কাজ করলেও ডেটা সঠিক এবং consistent থাকে।
- উদাহরণ: দুই ব্যবহারকারী একই সময়ে একই ছাত্রের তথ্য আপডেট করতে চাচ্ছে। Concurrency Control ছাড়া একে অপরের পরিবর্তন overwrite হতে পারে।

মূল উদ্দেশ্য:
- ডেটার Integrity বজায় রাখা: একাধিক ব্যবহারকারী যখন একই ডেটা পড়ে বা পরিবর্তন করে, তখন ডেটা consistency এবং সঠিকতা বজায় থাকে।
- Deadlock এবং Race Condition প্রতিরোধ: এটি নিশ্চিত করে যে ডাটাবেসে দুই বা ততোধিক ট্রানজেকশন একই রিসোর্সের জন্য একসাথে আটকে না যায়।

Concurrency Control-এর ধরন:
- Pessimistic Concurrency Control: যখন একজন ব্যবহারকারী ডেটা পরিবর্তন করছে, অন্যরা তা পরিবর্তন করতে পারে না।
Lock mechanism ব্যবহার করে।
- Optimistic Concurrency Control: প্রথমে সব ব্যবহারকারী ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে। Commit করার সময় যদি কোনো conflict হয়, DBMS সেই conflict handle করে।
- উদাহরণ:
- Banking System: একজন ব্যবহারকারী একই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা transfer করছে এবং অন্যজন একই সময়ে balance check করছে।
- Concurrency Control নিশ্চিত করে যে, একই সময়ে একাধিক ট্রানজাকশন চললেও ডেটাবেসে কোনো আপডেট হারিয়ে যাবে না, সব আপডেট সঠিকভাবে প্রতিফলিত হবে এবং ডেটা করাপশন বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থা সৃষ্টি হবে না।

উৎস: Britannica. [লিংক]।

১৫৭.
অ্যামাজন ডাইনামোডিবি (Amazon DynamoDB) কোন ধরনের ডাটাবেজ?
  1. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ডাটাবেজ
  2. NoSQL ডাটাবেজ
  3. টাইম সিরিজ ডাটাবেজ
  4. রিলেশনাল ডাটাবেজ
সঠিক উত্তর:
NoSQL ডাটাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NoSQL ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা

• অ্যামাজন ডাইনামোডিবি (Amazon DynamoDB) হলো একটি পুরোপুরি ম্যানেজড NoSQL ডাটাবেজ সার্ভিস, যা মূলত কী-ভ্যালু (Key-value) এবং ডকুমেন্ট ডাটা মডেল সমর্থন করে।
-
এটি প্রথাগত রিলেশনাল ডাটাবেজের মতো টেবিল রিলেশন বা ফিক্সড স্কিমা অনুসরণ করে না। এটি অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন এবং যেকোনো পরিমাণ ডাটা স্কেল করতে সক্ষম, যা বড় বড় অ্যাপ্লিকেশন বা গেমিং প্ল্যাটফর্মের জন্য আদর্শ।

• ডাটাবেজ প্রোগ্রাম: 
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।

• NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি। 

উৎস: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Amazon ওয়েবসাইট। 

১৫৮.
ডাটাবেজে ইন্ডেক্সের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ডাটা স্টোরেজ ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করা
  2. কোয়েরির পারফরম্যান্স উন্নত করা
  3. ডাটা ডিলিট করা
  4. টেবিলের সাইজ কমানো
সঠিক উত্তর:
কোয়েরির পারফরম্যান্স উন্নত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়েরির পারফরম্যান্স উন্নত করা
ব্যাখ্যা

◉ ডাটাবেজে ইন্ডেক্স এর মূল উদ্দেশ্য হলো ডাটা রিট্রিভাল (Data Retrieval) এর গতি বৃদ্ধি করা, অর্থাৎ কোয়েরি দ্রুত সম্পাদন করতে সাহায্য করে।

ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- এটি মূলত B-Tree, B+ Tree, Hash Indexing ইত্যাদি ব্যবহার করে কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো:
১। ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে।
২। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়।
৩। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
৪। একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫৯.
এনটিটির প্রতিটি ফিল্ডকে কী নামে সংজ্ঞায়িত করা হয়?
  1. এট্রিবিউট
  2. এনটিটি সেট
  3. ভ্যালু
  4. রেকর্ড
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
ব্যাখ্যা

• তথ্যপ্রযুক্তিতে বা ডাটাবেস ডিজাইন পরিপ্রেক্ষিতে, একটি এনটিটি হলো কোনো বাস্তব বা ধারণাগত বস্তুর প্রতিনিধিত্ব। প্রতিটি এনটিটির ফিল্ডকে সাধারণত এট্রিবিউট (Attribute) নামে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এট্রিবিউট হলো সেই বৈশিষ্ট্য বা গুণ যা এনটিটির তথ্য প্রকাশ করে, যেমন “নাম”, “ঠিকানা” বা “বয়স” ইত্যাদি। অন্য বিকল্পগুলো যেমন এনটিটি সেট হলো একই ধরনের এনটিটিগুলোর সমষ্টি, ভ্যালু হলো ফিল্ডের নির্দিষ্ট মান এবং রেকর্ড হলো একটি সম্পূর্ণ এনটিটির তথ্যের সারি। তাই প্রতিটি ফিল্ডের সঠিক সংজ্ঞা হলো এট্রিবিউট, যা এনটিটির তথ্যের নির্দিষ্ট দিক বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়।

বিস্তারিত আলোকপাত: 
- কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাকে ডাটার এনটিটি বলে।
- একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
- এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউটের যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬০.
কোন সফটওয়্যারের সাহায্যে ডেটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা যায়?
  1. উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. ডেটাবেজ সফটওয়্যার
  4. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ সফটওয়্যারের সাহায্যে ডেটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা যায়।

ডেটাবেজ সফটওয়্যার:
যে সফটওয়‍্যারের সাহায্যে কোনো ডেটা সংরক্ষণ করে প্রয়োজন অনুসারে ঐগুলো সাজানো বা অন্য কাজে লাগানো যায়, তাকে ডেটাবেজ সফটওয়‍্যার বলা হয়।

- স্প্রেডশিট সফটওয়্যার ব্যবহার হয় সংখ্যা বিশ্লেষণ, হিসাব-নিকাশ, চার্ট তৈরি, ও ফর্মুলা ব্যবহারে।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) হলো কম্পিউটারের সমস্ত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় করা।
- উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার হলো মাল্টিমিডিয়া প্লেয়ার সফটওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
১৬১.
একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সঙ্গে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত করার জন্য রিলেশনাল ডাটাবেজে কোন সম্পর্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. One-to-one
  2. Many-to-many
  3. One-to-many
  4. Self-referencing
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে যখন একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত থাকে, তখন এটি One-to-many (এক থেকে বহু) সম্পর্ক হিসেবে পরিচিত। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্যারেন্ট টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড একাধিক চাইল্ড টেবিলের রেকর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে, কিন্তু চাইল্ড রেকর্ড শুধুমাত্র এক প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি “বিভাগ” টেবিলের প্রতিটি বিভাগে অনেক “কর্মচারী” থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিটি কর্মচারী শুধুমাত্র একটি বিভাগে থাকে। এই সম্পর্ক তৈরি করতে সাধারণত চাইল্ড টেবিলে প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী ব্যবহার করে ফরেন কী কলাম সংযুক্ত করা হয়। তাই, প্যারেন্ট-চাইল্ড সম্পর্ক বোঝাতে One-to-many সবচেয়ে উপযুক্ত।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬২.
DBMS এর প্রধান কাজ হলো-
  1. ডেটাবেজ তৈরি
  2. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন
  3. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS):
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা/তথ্য/রেকর্ড একসেস, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ও আধুনিকীকরণের কাজ করা হয়।
- তথ্য ব্যবস্থাপনাকে সুন্দর ও কার্যোপযোগী করে তুলতে পারে DBMS।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজের মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে।
- DBMS-এর প্রধান তিনটি কাজ হচ্ছে-
১. ডেটাবেজ তৈরি,
২. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
৩. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬৩.
নিম্নের কোনটি RDBMS-এর উদাহরণ?
  1. Windows 10
  2. MS Excel
  3. Oracle
  4. MS PowerPoint
সঠিক উত্তর:
Oracle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle
ব্যাখ্যা
Oracle একটি RDBMS.

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

• অন্য অপশনগুলো:
- Windows 10 হচ্ছে একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- MS Excel হচ্ছে একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার।
- MS PowerPoint হচ্ছে একটিপ্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৪.
রিলেশনাল ডাটাবেজ কী?
  1. অনেকগুলো ইনডেক্স ফাইলের সমষ্টি
  2. ডেটা প্রিন্ট করার সফটওয়্যার
  3. শুধুমাত্র একটি ফাইলের সমষ্টি
  4. একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
সঠিক উত্তর:
একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ হচ্ছে একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৫.
BLOB এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Binary Logical Object
  2. Binary Logical Object Bit
  3. Binary Large Object
  4. Binary Large Object Bit
সঠিক উত্তর:
Binary Large Object
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Binary Large Object
ব্যাখ্যা
• BLOB:
- BLOB একটি ডেটা টাইপ।
- BLOB এর পূর্ণরূপ হলো Binary Large Object.
- যেকোনো ধরনের ডেটাকে এই ডেটা টাইপের মধ্যে রাখা যায়।
- ছবি যেহেতু বাইনারিতে রূপান্তরিত হয়েই কম্পিউটারে রক্ষিত হয়, তাই ছবির ক্ষেত্রে BLOB ডেটা টাইপ ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৬৬.
কম্পিউটারের কোন অংশ তথ্য সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে?
  1. ক) ডিস্ক ড্রাইভ
  2. খ) কী -বোর্ড
  3. গ) মনিটর
  4. ঘ) প্রিন্টার
সঠিক উত্তর:
ক) ডিস্ক ড্রাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডিস্ক ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
ডিস্ক ড্রাইভ হলো কম্পিউটারের একধরনের স্মৃতি সংরক্ষণ হার্ডওয়্যার। কি বোর্ড ইনপুট ডিভাইস, মনিটর এবং প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস।
১৬৭.
ডাটা এনক্রিপশনের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ডাটা মুছে ফেলা
  2. ডাটা দ্রুত প্রেরণ করা
  3. ডাটা সংরক্ষণ করা
  4. ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
• ডাটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
 - ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)।

• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা:
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬৮.
তথ্যের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতম অংশসমূহ হচ্ছে
  1. ফিল্ড
  2. রেকর্ড
  3. সেল
  4. ডাটা
সঠিক উত্তর:
ডাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা
ব্যাখ্যা
Data শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datum-এর বহুবচন। তথ্যের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতম অংশসমূহ হচ্ছে ডাটা বা উপাত্ত।
প্রক্রিয়াকরণ করে তথ্যে পরিণত করার জন্য ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি টাই ডাটা।
১৬৯.
কোনটি SQL (Structured Query Language) এর একটি বৈধ কমান্ড নয়?
  1. SELECT
  2. INSERT
  3. MODIFY
  4. DELETE
সঠিক উত্তর:
MODIFY
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MODIFY
ব্যাখ্যা

◉ SQL (Structured Query Language) হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটা ম্যানিপুলেশন, কুয়েরি, এবং ডাটাবেজ কন্ট্রোল করার জন্য ব্যবহৃত একটি স্ট্যান্ডার্ড ভাষা। MODIFY SQL এর কোনো বৈধ কমান্ড নয়। ডাটাবেজে ডেটা পরিবর্তন করার জন্য UPDATE কমান্ড ব্যবহৃত হয়।

SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।

নিচে SQL এর কিছু সাধারণ কমান্ডের বর্ণনা দেওয়া হলো:
SELECT: এই কমান্ডটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা রিট্রিভ (পুনরুদ্ধার) করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: SELECT * FROM users;
INSERT: এই কমান্ডটি ডাটাবেজে নতুন ডেটা যোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: INSERT INTO users (name, age) VALUES ('John', 25);
DELETE: এই কমান্ডটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: DELETE FROM users WHERE id = 1;
UPDATE: এই কমান্ডটি ডাটাবেজে বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তন (মডিফাই) করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: UPDATE users SET age = 30 WHERE id = 1;

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭০.
কোন তথ্যটি রিলেশনাল ডাটাবেজের Primary key সম্পর্কে সঠিক?
  1. এটি ডুপ্লিকেট ভ্যালু গ্রহণ করতে পারে
  2. এটি ডাটাবেজের প্রতিটি টেবিলে একই হতে হবে
  3. এটি একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে
  4. এটি NULL ভ্যালু রাখতে পারে
সঠিক উত্তর:
এটি একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে
ব্যাখ্যা

◉ রিলেশনাল ডাটাবেজে Primary Key একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।

কী (Key): 
- সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. প্রাইমারি কী (Primary Key)
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) ও
৩. ফরেন কী (Foreign Key)

প্রাইমারি কী:
যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে। কোন ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে। এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে কমপক্ষে একটি ফিল্ড থাকবে যার ডাটাগুলো অদ্বিতীয় অর্থাৎ ঐ ফিল্ডের প্রতিটি ডাটা ভিন্ন ভিন্ন হবে।
যেমন- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।

প্রাইমারি কী'র কিছু বৈশিষ্ট্য: 
- Primary Key-তে ডুপ্লিকেট মান থাকতে পারে না। প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য এটি Unique হতে হয়।
- প্রতিটি টেবিলে আলাদা আলাদা Primary Key থাকতে পারে এবং প্রতিটি টেবিলে এটি ভিন্ন হতে পারে।
- Primary Key কখনো NULL হতে পারে না, কারণ এটি প্রতিটি রেকর্ডকে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

এছাড়াও, 
কম্পোজিট প্রাইমারি কী: 
যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, তখন একটি ফিল্ডকে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। সে সব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

ফরেন কী: 
অনেক সময় দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে হয়। কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Database System Concepts - Silberschatz, Korth, Sudarshan.

১৭১.
কোন সম্পর্কের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজে একটি প্যারেন্ট রেকর্ড একাধিক চাইল্ড রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়?
  1. One-to-many
  2. Self-referencing
  3. Many-to-many
  4. One-to-one
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে One-to-many (এক-থেকে-বহু) সম্পর্কের মাধ্যমে একটি প্যারেন্ট রেকর্ড একাধিক চাইল্ড রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়। এই ধরনের সম্পর্কে একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড অন্য টেবিলের এক বা একাধিক রেকর্ডকে নির্দেশ করতে পারে, কিন্তু চাইল্ড টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড শুধুমাত্র একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্কুলের ডাটাবেজে শিক্ষক টেবিলের এক শিক্ষক একাধিক ছাত্র টেবিলের রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এটি ডাটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং ডাটার সংহতি বজায় রাখে। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে, One-to-one এক-এক সম্পর্ক তৈরি করে, Many-to-many অনেক-থেকে-অনেক এবং Self-referencing টেবিল নিজেই নিজের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) One-to-many.

• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭২.
কর্মচারী তথ্যের টেবিলে, কোনটি প্রাইমারি কী হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত? 
  1. নাম 
  2. আইডি 
  3. বিভাগ 
  4. ঠিকানা
সঠিক উত্তর:
আইডি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইডি 
ব্যাখ্যা

• কর্মচারী তথ্যের টেবিলে প্রাইমারি কী হিসেবে এমন একটি ফিল্ড বেছে নেওয়া উচিত যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করতে পারে এবং কখনোই পুনরাবৃত্তি হবে না। এখানে নাম, বিভাগ বা ঠিকানা অনন্য নাও হতে পারে, কারণ একাধিক কর্মচারীর একই নাম, একই বিভাগ বা একই ঠিকানা থাকতে পারে। তাই এগুলো প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। অন্যদিকে, আইডি সাধারণত প্রতিটি কর্মচারীর জন্য আলাদা এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদান করা হয়। এটি সব রেকর্ডকে এককভাবে চিহ্নিত করতে সক্ষম।
- তাই আইডি প্রাইমারি কী হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত, কারণ এটি ডেটা ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে এবং রিলেশনাল ডাটাবেসে দ্রুত অনুসন্ধান ও রেফারেন্স করার সুবিধা দেয়।

 
কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৩.
একটি RDBMS-এর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সাধারণত কোন ভাষা ব্যবহার করা হয়?
  1. SQL
  2. CSS
  3. XML
  4. HTML
সঠিক উত্তর:
SQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SQL
ব্যাখ্যা

• একটি RDBMS (Relational Database Management System)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সাধারণত SQL ভাষা ব্যবহার করা হয়। SQL-এর পূর্ণরূপ Structured Query Language, যা ডেটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ, অনুসন্ধান, হালনাগাদ ও মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত হয়। RDBMS যেমন MySQL, Oracle, PostgreSQL ইত্যাদি ডেটাবেসে টেবিল আকারে তথ্য থাকে এবং সেই তথ্য পরিচালনার জন্য SQL সবচেয়ে উপযোগী। অন্যদিকে CSS ও HTML ওয়েবপেজের নকশা ও কাঠামোর জন্য ব্যবহৃত হয়, আর XML মূলত ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) SQL.
 
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
- আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

• SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৭৪.
Which of the following is an open-source DBMS?
  1. Oracle
  2. PostgreSQL
  3. Microsoft Access
  4. Microsoft SQL Server
সঠিক উত্তর:
PostgreSQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PostgreSQL
ব্যাখ্যা

• PostgreSQL হলো একটি ওপেন-সোর্স ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)। ওপেন-সোর্স (Open-source) হওয়ার অর্থ হলো এর সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত এবং এটি ব্যবহারের জন্য কোনো লাইসেন্স ফি দিতে হয় না। এটি তার উচ্চতর ডেটা ইন্টিগ্রিটি এবং স্কেলেবিলিটির জন্য ব্যাংক এবং বড় আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- MySQL
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid

অন্যান্য অপশন:
- Oracle: ক্লোজড-সোর্স বা প্রোপাইটারি ডাটাবেস সফটওয়্যার যার লাইসেন্স ফি অনেক বেশি।
- Microsoft Access: মাইক্রোসফটের একটি বাণিজ্যিক ডাটাবেস টুল যা মূলত ছোট আকারের ডেটাবেস তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Microsoft SQL Server: মাইক্রোসফটের একটি এন্টারপ্রাইজ লেভেল RDBMS, যা সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক এবং ক্লোজড-সোর্স।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৭৫.
কোন সফটওয়্যারটি মূলত ডেটাবেস ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Canva
  2. Slack
  3. Visual Studio
  4. Oracle
সঠিক উত্তর:
Oracle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle
ব্যাখ্যা
• অপশন আলোচনা:
ক) Canva – এটি একটি গ্রাফিক ডিজাইন টুল, যার সাহায্যে পোস্টার, প্রেজেন্টেশন, সোশ্যাল মিডিয়া গ্রাফিক্স ইত্যাদি ডিজাইন করা যায়। এটি ডেটাবেস ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

খ) Slack – এটি একটি টিম কমিউনিকেশন টুল, যেখানে টিম মেম্বাররা চ্যাট করতে পারে, ফাইল শেয়ার করতে পারে। এটি মূলত যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, ডেটাবেস ব্যবস্থাপনার জন্য নয়।

গ) Visual Studio – এটি একটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট (IDE), যা প্রোগ্রামিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও আপনি ডেটাবেসের সাথে কাজ করতে পারেন এতে, এটি মূলত ডেটাবেস ম্যানেজমেন্টের জন্য তৈরি নয়।

ঘ) Oracle – এটি একটি শক্তিশালী এবং পেশাদার ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS), যা বড় আকারের ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭৬.
ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে কী বলা হয়?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) রেজুল্যশন
  3. গ) পিকচার টিউব
  4. ঘ) পিক্সেল
সঠিক উত্তর:
খ) রেজুল্যশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেজুল্যশন
ব্যাখ্যা
পিক্সেল :
কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

রেজুল্যশন:
ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে রেজুল্যশন বলে।
একটি মনিটরের রেজুল্যুশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে।
অর্থাৎ মনিটরে অক্ষর বা ইমেজ তত পরিচ্ছন্ন ও স্পষ্ট হবে। 

[উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়]
১৭৭.
কোন সম্পর্ক ব্যবহার করে রিলেশনাল ডাটাবেজে অনেক চাইল্ড এক প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে যুক্ত হতে পারে?
  1. Many-to-many
  2. Self-referencing
  3. One-to-one
  4. One-to-many
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে “একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে অনেক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত হওয়া” বোঝাতে One-to-many সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়। এতে একটি টেবিলের এক রেকর্ড (Parent) অন্য টেবিলের এক বা একাধিক রেকর্ডের (Child) সাথে সংযুক্ত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি Teacher টেবিলের এক শিক্ষকের সাথে অনেক Student রেকর্ড যুক্ত থাকতে পারে। এখানে Teacher হলো Parent এবং Student হলো Child। One-to-many সম্পর্ক বাস্তবায়নের জন্য সাধারণত চাইল্ড টেবিলে Parent এর প্রাইমারি কী কে ফরেন কী হিসেবে রাখা হয়। এটি ডাটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করে এবং ডাটাবেজে লজিকাল সম্পর্ক সহজে অনুসরণ করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) One-to-many।

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭৮.
নিচের কোনটিকে তথ্যভান্ডার বলা হয়?
  1. ক) মেমরি
  2. খ) ডাটাবেজ
  3. গ) সি পি ইউ
  4. ঘ) হার্ড ডিস্ক
সঠিক উত্তর:
খ) ডাটাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা
- ডাটাবেজ হলো কম্পিউটারভিত্তিক একটি পদ্ধতি, যার সাহায্যে সংগৃহীত উপাত্ত সংরক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরুদ্ধার করা যায়।
- অন্যকথায়, ডেটাবেজ হচ্ছে সংগৃহীত উপাত্তের ভান্ডার, যা থেকে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বিভিন্ন উপায়ে এবং আকারে তথ্য সংগ্রহ করা যায়।

- ডাটাবেজকে বলা হয় তথ্যভান্ডার।

- সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমাবেশই হচ্ছে ডাটাবেজ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( নবম - দশম শ্রেণি )
১৭৯.
নিচের কোনটি ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজের (DDL) এর উদাহরণ নয়?
  1. Create
  2. Drop
  3. Insert
  4. Rename
সঠিক উত্তর:
Insert
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Insert
ব্যাখ্যা

• SQL-এ DDL (Data Definition Language) মূলত ডাটাবেস বা টেবিলের কাঠামো (Structure) তৈরি, পরিবর্তন বা মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত হয়। Insert কমান্ডটি টেবিলের কাঠামো পরিবর্তন করে না, বরং টেবিলের ভেতরে নতুন ডেটা বা তথ্য যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি DML (Data Manipulation Language)-এর অন্তর্ভুক্ত।

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML): 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

১৮০.
Excel শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?
  1. গণনা করা
  2. সংরক্ষণ করা
  3. শ্রেষ্ঠতর হওয়া
  4. সমাধান করা
সঠিক উত্তর:
শ্রেষ্ঠতর হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রেষ্ঠতর হওয়া
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট এক্সেল:
- Excel শব্দের আভিধানিক অর্থ শ্রেষ্ঠতর হওয়া। গুণ, কৃতিত্ব প্রভৃতি বিবেচনায় শ্রেষ্ঠতর বা উৎকৃষ্টতর হওয়া।
- বিশ্বখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরী ও বাজারজাতকৃত এ প্রোগ্রামটি এক সাথে অনেক সমস্যা সামাধানে অন্যান্য অনেক প্রোগ্রাম থেকে শ্রেষ্ঠতর।
- উইন্ডোজ ভিত্তিক এ Application প্রোগ্রামটির সাহায্যে জটিল গাণিতিক পরিগণনা, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং তথ্যকে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপনায় নিখুঁতভাবে চার্ট বা গ্রাফ তৈরী করা ইত্যাদি ছাড়াও আরও অনেক জটিল কাজকে সহজে সমাপন করা যায়।
- এক্সেলের সুবিশাল পৃষ্ঠাটি কলাম ও সারিভিত্তিক সেলে বিভক্ত হওয়ায় এতে বিভিন্ন তথ্য সন্নিবেশ করে তথ্য বিশ্লেষণ করা যায় বলে একে স্প্রেডশীট এ্যানালাইসিস প্রোগ্রাম বলা হয়।
- Spread Sheet শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো পাতা।
- Spread অর্থ ছড়ানো এবং Sheet অর্থ পাতা।
- গ্রাফ কাগজের X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপ খোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সংবলিত বড় শীটকে স্প্রেডশীট বলা হয়।
- এক্সেলের সম্পূর্ণ পর্দাটি X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর সেলের সমন্বয়ে গঠিত।
- এক্সেলের সুবিশাল স্প্রেডশীটটিতে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং গাণিতিক পরিগণনা করা যায়।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮১.
Push এবং Pop নিচের কার সাথে সম্পর্কিত?
  1. Union
  2. Stack
  3. Array
  4. Queue
সঠিক উত্তর:
Stack
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Stack
ব্যাখ্যা
♦ প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, স্ট্যাকের (Stack) দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে। যথা- Push এবং Pop.
• Push:
- স্ট্যাকের উপরে একটি আইটেম রাখাকে পুশ (Push) বলা হয়।

• Pop:
- স্ট্যাকের উপর থেকে একটি আইটেম অপসারণ করাকে পপ (Pop) বলা হয়।

উৎস: Computerhope Website.
১৮২.
নিচের কোন উক্তিটি সত্য নয়?
  1. ক) ক্যাশ মেমােরির চেয়ে রেজিস্টারের আকার ছোট।
  2. খ) রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির গতি বেশি।
  3. গ) রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যে যুক্ত থাকে।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো সত্য।
সঠিক উত্তর:
খ) রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির গতি বেশি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির গতি বেশি।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস  সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।


উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
 
১৮৩.
কম্পোজিট প্রাইমারি কী তে প্রাইমারি কী এর সাথে অতিরিক্ত যে ফিল্ডগুলো থাকে তাদেরকে কী বলে?
  1. Support key
  2. Attribute key
  3. Alternate key
  4. Additional key
সঠিক উত্তর:
Alternate key
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alternate key
ব্যাখ্যা
কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- দুই বা ততোধিক ফিল্ড বা Attribute সমষ্টি সম্মিলিতভাবে কোনো Entity সেটকে শণাক্ত করতে পারলে তাদেরকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে। কম্পোজিট প্রাইমারি কী এর ক্ষেত্রে একটি ফিল্ডকে প্রাইমারি কী হিসেবে বিবেচনা করে বাকিগুলোকে Alternate key বলে।
- ধরি, একটি টেবিলে রোল, মোবাইল নং একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী গঠন করল। এই ক্ষেত্রে যদি রোল নং কে প্রাইমারি কী হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাহলে মোবাইল নং হলো Alternate key.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, geeksforgeeks।
১৮৪.
শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য কোন কুয়েরি ব্যবহার করা হয়?
  1. Cross tab Query
  2. Select Query
  3. Parameter Query
  4. Action Query
সঠিক উত্তর:
Cross tab Query
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cross tab Query
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি (Query):
- ডেটাবেজে এক বা একাধিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোন সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা বা ছাপানোর পদ্ধতিকে কুয়েরি বলা হয়।

• ডেটাবেজে ব্যবহৃত বিভিন্ন কুয়েরি গুলো হলো:
১. ক্রসট্যাব কুয়েরি (Cross tab Query):
- শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য যে কুয়েরি করা হয় তাকে, ক্রসট্যাব কুয়েরি বলে।


২. সিলেক্ট কুয়েরি (Select Query):

- কোনো ডেটাবেজ টেবিলের ফিল্ড বা কলাম নির্বাচন করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে সিলেক্ট কুয়েরি বলা হয়।

৩. প্যারামিটার কুয়েরি (Parameter Query):
- ডায়লগ বক্সের তথ্য পূরণ করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে প্যারামিটার কুয়েরি বলে।

৪. অ্যাকশন কুয়েরি (Action Query):
- কোনো কুয়েরি যখন ডেটাবেজের ডেটার মানের পরিবর্তন করে তাকে অ্যাকশন কুয়েরি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৮৫.
ওপেন সোর্স ডেটাবেইজের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ওরাকল
  2. খ) এসকিউএল সার্ভার
  3. গ) আইআইএস
  4. ঘ) পোষ্টগ্রেস
সঠিক উত্তর:
ঘ) পোষ্টগ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পোষ্টগ্রেস
ব্যাখ্যা

- যে ডেটাবেজ একাধিক টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং যে ডেটাবেজে বিভিন্ন টেবিলের মধ্যে লজিক্যাল সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে তাকে বলা হয় রিলেশনাল ডাটাবেজ।
- ডেটার প্রকৃতি অনুযায়ী আলাদা-আলাদা টেবিল তৈরি করা হয়। পরে টেবিলসমূহের মধ্যে রিলেশন তৈরি করে রেকর্ডসমূহ সামগ্রিকভাবে ব্যবহার করা যায়।
- ফ্রি এবং ওপেন সোর্স ডেটাবেইজগুলো হল- মাইসিকুয়েল, পোষ্টগ্রেস, এসকিউলাইট।

সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

১৮৬.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ প্রোগ্রাম নয়?
  1. Oracle
  2. Opera
  3. MySQL
  4. Microsoft Access
সঠিক উত্তর:
Opera
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Opera
ব্যাখ্যা
♦ ডেটাবেজ:  
- ডেটাবেজ হলো সংগৃহীত উপাত্তের একটি সুসজ্জিত তালিকা। বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন উপায়ে ডেটাবেজ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা যায় খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে। 

- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হলো -
• মাইক্রোসফট এক্সেস
• ফক্সপ্রো
• ডিবেজ
• ফক্সবেইজ
• ওরাকল
• প্যারাডক্স
• ফোর্থ ডাইমেনশন
• MySQL ইত্যাদি।

• Opera একটি ওয়েব ব্রাউজার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
১৮৭.
কোন কী টাইপ দুই বা অধিক অ্যাট্রিবিউট একসাথে নিয়ে একটি ইউনিক আইডি গঠন করে?
  1. Composite key
  2. Secondary key
  3. Simple key
  4. Foreign key
সঠিক উত্তর:
Composite key
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Composite key
ব্যাখ্যা
• কোন কী টাইপ যখন দুই বা তার বেশি অ্যাট্রিবিউট একসাথে নিয়ে একটি ইউনিক আইডি গঠন করে, তাকে Composite key বলা হয়। এটি একটি টেবিলের রেকর্ডগুলোকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। সাধারণত, একক অ্যাট্রিবিউট যদি ইউনিক না হয়, তখন দুটি বা তার বেশি অ্যাট্রিবিউট মিলিয়ে ইউনিক আইডি তৈরি করতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি টেবিলের জন্য “Student_ID” বা “Course_ID” একা ইউনিক না হয়, তবে “Student_ID” এবং “Course_ID” দুটো মিলিয়ে একটি Composite key তৈরি করা হয়। এই কী ডাটাবেজে ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও অনুসন্ধানে সাহায্য করে। তাই, Composite key একাধিক অ্যাট্রিবিউটের সমন্বয়ে গঠিত ইউনিক চিহ্ন।

• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮৮.
First In First Out (FIFO) নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) Array
  2. খ) Stack
  3. গ) Union
  4. ঘ) Queue
সঠিক উত্তর:
ঘ) Queue
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Queue
ব্যাখ্যা
- Queue এর বাংলা লাইনে দাঁড়ানো।
- Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে।
- একে বলা হয় First In First Out (FIFO)।
- Queue এর একপ্রান্ত দিয়ে Insert /Enqueue হলে অন্যপ্রান্ত দিয়ে Delete/Dequeue হয়।

অন্যদিকে, Stack এ ডাটা ইন্সার্ট এবং ডিলিটের জন্য একটি প্রান্ত থাকে।
১৮৯.
নিচের কোনটি Database Transaction Property- এর অন্তর্গত নয়?
  1. Atomicity
  2. Consistency
  3. Information
  4. Durability
সঠিক উত্তর:
Information
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Information
ব্যাখ্যা
Information, Database Transaction Property- এর অন্তর্গত নয়।

ACID:

- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।
ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID। 
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

উৎস: techtarget.com
১৯০.
নন-রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কোনটি?
  1. ক) Oracle
  2. খ) MySQL
  3. গ) Redis
  4. ঘ) Spanner
সঠিক উত্তর:
গ) Redis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Redis
ব্যাখ্যা
Types of cloud databases
- Like a traditional on-premises database, cloud databases can be classified into relational databases and non-relational databases. 

Relational cloud databases 
Relational cloud databases consist of one or more tables of columns and rows and allow you to organize data in predefined relationships to understand how data is logically related. These databases typically use a fixed data schema, and you can use structured query language (SQL) to query and manipulate data. They are highly consistent, reliable, and best suited to dealing with large amounts of structured data. 
- Examples of relational databases include SQL Server, Oracle, MySQL, PostgreSQL, Spanner, and Cloud SQL.

Non-relational cloud databases
Non-relational cloud databases store and manage unstructured data, such as email and mobile message text, documents, surveys, rich media files, and sensor data. They don’t follow a clearly-defined schema like relational databases and allow you to save and organize information regardless of its format. 
- Examples of non-relational databases include MongoDB, Redis, Cassandra, Hbase, and Cloud Bigtable.

Source: https://cloud.google.com/
১৯১.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম নয়?
  1. Microsoft Access
  2. Oracle
  3. Fox pro
  4. Power Point
সঠিক উত্তর:
Power Point
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Power Point
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
উদাহরণ: Microsoft Access, Microsoft SQL server, Oracle, Corel paradox, lotus approach, Corel paradox, filemaker pro, Fox pro ইত্যাদি।

• Power Point হলো একটি প্রেজেন্টেশন প্রোগ্রাম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
১৯২.
ডেটাবেজ স্ট্রাকচারকে পরিবর্তন করতে কোন কমান্ড ব্যবহৃত হয়?
  1. Alter
  2. Select
  3. Rename
  4. Update
সঠিক উত্তর:
Alter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alter
ব্যাখ্যা
- DDL-এর পূর্ণরূপ Data Definition Language ।
- প্রয়োজনীয় তথ্যের সাহায্যে ডেটাবেজ তৈরি, সংশোধন, বাতিল ইত্যাদি ডেটাবেজ ব্যবস্থামূলক কাজে ব্যবহৃত ভাষাকে DDL বা ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- DDL এর কয়েকটি কমান্ড-

• CREATE- নতুন ডেটাবেজ তৈরি করা।
• ALTER- ডেটাবেজ স্ট্রাকচারকে পরিবর্তন করা।
• DROP- ডেটাবেজ ডিলিট করা।
• TRUNCATE- টেবিল থেকে সব রেকর্ডসমূহ মুছে দেয়া।
• RENAME- ডেটাবেজ নাম পরিবর্তন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৯৩.
ডাটাবেজে কোনো রেকর্ড সংযোজন বা সংশোধন করলে কী হয়?
  1. ইনডেক্স করা ফাইল আপডেট হয়
  2. সর্ট করা ফাইল আপডেট হয়
  3. নতুন করে ইনডেক্স করতে হয়
  4. রেকর্ডগুলোর অ্যাড্রেস সাজানো হয়
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্স করা ফাইল আপডেট হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্স করা ফাইল আপডেট হয়
ব্যাখ্যা
ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। তবে-
• সর্ট করা ফাইলকে অন্য নামে ডাটাবেজ ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। 
• সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়।
• পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে সর্ট করা ফাইলে তা আপডেট হয় না। 
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর।
- সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৯৪.
RDBMS-এ কোনো ডেটা টেবিলের প্রতিটি এন্ট্রি স্বতন্ত্র করতে কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  2. কম্পোজিট কী
  3. প্রাইমারি কী
  4. ফরেন কী
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

• RDBMS-এ কোনো ডেটা টেবিলের প্রতিটি এন্ট্রি বা রেকর্ড স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করতে প্রাইমারি কী (Primary Key) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি বিশেষ কলাম বা কলামগুলোর সমষ্টি যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অনন্য মান নিশ্চিত করে। প্রাইমারি কী কখনো খালি (NULL) হতে পারে না এবং এটি টেবিলের প্রতিটি এন্ট্রিকে স্বতন্ত্রভাবে শনাক্ত করার জন্য অপরিহার্য। অন্যদিকে কম্পোজিট কী হলো একাধিক কলাম মিলিয়ে তৈরি করা যায় এমন চাবি, এবং ফরেন কী অন্য টেবিলের প্রাইমারি কীকে রেফার করে। তাই সরাসরি প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদা করার জন্য ব্যবহৃত হয় প্রাইমারি কী।

- উত্তর: গ) প্রাইমারি কী।

• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
- যথা: প্রাইমারি কী, কম্পোজিট কী এবং ফরেন কী।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- যেমন, একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।

• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯৫.
ইউনিকোড সিস্টেমের UTF-8 এ প্রতিটি বর্ণের জন্য কয় বাইট পর্যন্ত স্থান সংরক্ষণ করা আছে?
  1. ক) 8 বাইট
  2. খ) 4 বাইট
  3. গ) 16 বাইট
  4. ঘ) 32 বাইট
সঠিক উত্তর:
খ) 4 বাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 4 বাইট
ব্যাখ্যা
- ইউনিকোডের বাইটগুলো প্রক্রিয়া করার জন্য কয়েক ধরণের পদ্ধতি রয়েছে:
- তার মাঝে UTF-8 এবং UTF-16 (UTF: Unicode Transformation Format) হচ্ছে সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি। 
- UTF-8 এ প্রতি বর্ণের জন্য এক থেকে চার বাইট পর্যন্ত স্থান সংরক্ষণ করা আছে।
- UTF-16 এ প্রতি বর্ণের জন্য কমপক্ষে ২ বাইট স্থান সংরক্ষণ করা আছে ।
 
উৎস: আইবিএম ওয়েবসাইট 
১৯৬.
একটি ডাটাবেজের রেকর্ডের সবচেয়ে ছোট অংশকে কী বলা হয়?
  1. রেকর্ড
  2. টেবিল
  3. ফাইল
  4. ফিল্ড
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
ব্যাখ্যা
ফিল্ড: 
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড।
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। 
- প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা। 

রেকর্ড: 
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। 
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। 
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। 

ফাইল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়। 
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৭.
যখন আপনি ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী রেকর্ড খুঁজতে বলেন, তখন এটিকে বলা হয়:
  1. আপডেট
  2. সর্টিং
  3. সেভিং
  4. কুয়েরি
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
ব্যাখ্যা
• যখন আপনি ডেটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী রেকর্ড খুঁজতে বলেন, তখন এটিকে কুয়েরি (ঘ) বলা হয়। কুয়েরি হল একটি নির্দিষ্ট অনুরোধ যা ডেটাবেজে পাঠানো হয়, যাতে নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়। এটি সাধারণত SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি জানতে চান কোন ছাত্রদের নম্বর ৮০-এর বেশি, তাহলে আপনি সেই শর্ত অনুযায়ী একটি কুয়েরি চালাবেন। কুয়েরির মাধ্যমে ডেটাবেজে থাকা লক্ষ লক্ষ রেকর্ড থেকে খুব সহজেই প্রাসঙ্গিক ডেটা বের করা যায়। এটি ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং তথ্য বিশ্লেষণের জন্য অপরিহার্য।

• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৯৮.
DML-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Data Material Language
  2. Data Multiple Language
  3. Data Multilayer Language
  4. Data Manipulation Language
সঠিক উত্তর:
Data Manipulation Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Data Manipulation Language
ব্যাখ্যা
♦ ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:  
- যে ল্যাঙ্গুয়েেজের মাধ্যমে ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি ও ডাটা মডিফিকেশন করা হয় থাকে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ ২ ধরনের -

১. Data Definition Language (DDL):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য DDL ব্যবহার করা হয়।

২. Data Manipulation Language (DML):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট এবং মডিফাই করার জন্য DML ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৯.
নিচের কোন ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ তথ্য খোজা ও তথ্য গণনায় ব্যবহৃত হয়?
  1. Query Language
  2. Data Manipulation Language
  3. Data Definition Language
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
Query Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Query Language
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ মানে হচ্ছে তথ্যভান্ডার। কম্পিউটার আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত ফাইলের স্তুপে জমা থাকতো তথ্য, এখন তথ্য সংরক্ষণ করা হয় ডেটাবেজে।
কয়েকটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজঃ
- Data Definition Language - এটি এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যেটি ডেটার প্রকার ও উহাদের মাঝে সম্পর্ক নির্ণয় করে।
- Data Manipulation Language - ইহা এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যার সাহায্যে ডেটা হালনাগাদ হয়।
- Query Language - ইহা এমন এক ধরণের ল্যাংগুয়েজ যেটি তথ্য খোঁজা, তথ্য গণনায় ব্যবহৃত হয়।
QUEL, QBE, SQL ইত্যাদি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২০০.
"কী ফিল্ড" কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. রেকর্ড ডাটা যাচাই করার জন্য
  2. পাসওয়ার্ড এনক্রিপশন করার জন্য
  3. রেকর্ড শনাক্ত ও সম্পর্ক স্থাপনে
  4. ডাটা টাইপ পরিবর্তনের জন্য
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড শনাক্ত ও সম্পর্ক স্থাপনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড শনাক্ত ও সম্পর্ক স্থাপনে
ব্যাখ্যা

• "কী ফিল্ড" রেকর্ড শনাক্ত ও সম্পর্ক স্থাপনে ব্যবহৃত হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।