বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ডাটাবেজ সিস্টেম

মোট প্রশ্ন৬৭৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডাটাবেজ সিস্টেম

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ৬৭৮

.
পরিবর্তনযোগ্য মেমোরির উদাহারন কোনটি? 
  1. ক) পাঞ্চ কার্ড
  2. খ) ROM
  3. গ) RAM
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) RAM
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের যে অংশে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে উপাত্ত জমা করা হয় তাকে কম্পিউটারের স্মৃতি বা মেমোরি বলে।
কম্পিউটার, স্মার্টফোনসহ বিভিন্ন যন্ত্রে মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
মেমোরির ক্ষমতা দুইভাবে প্রকাশ করা হয়। একটি হচ্ছে গতি যা হার্টজ (Hz) দ্বারা এবং অন্যটি হলো ধারণক্ষমতা যা বাইট (Byte) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্য মুছে নতুন করে লেখা যায় তাকে পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি বলে। যেমন- RAM, Magnetic Disk ইত্যাদি।
যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না, তাকে অপরিবর্তনীয় মেমোরি বলে। যেমন- পাঞ্চ কার্ড, ROM ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

.
মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) রেডিও
  2. খ) টেলিভিশন
  3. গ) চ্যাটিং
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গ) চ্যাটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চ্যাটিং
ব্যাখ্যা
ব্রডকাস্ট (Broadcast mode):
এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক আওতাধীন সব গ্রাহক ডেটা গ্রহণ করতে পারে। ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে। রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মোডের উদাহরণ।

মাল্টিকাস্ট (Multicast mode):
মাল্টিকাস্ট মোড অনেকটা ব্রডকাস্ট মোডের মতো হলেও এই মোডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমোদিত সদস্য গ্রহণ করতে পারে। মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্স-এ হয়ে থাকে। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে, চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাট ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
.
একটি ডাটাবেস সিস্টেম যেখানে দুটি বা ততোধিক ফাইল বিভিন্ন সাইটে অবস্থান করে, তাকে বলা হয়-
  1. Centralized database
  2. Cloud database
  3. Distributed database
  4. Relational database
সঠিক উত্তর:
Distributed database
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Distributed database
ব্যাখ্যা
• Distributed database:
- একটি ডাটাবেস সিস্টেম যেখানে দুটি বা ততোধিক ফাইল বিভিন্ন সাইটে অবস্থান করে, তাকে Distributed database বলা হয়।
- বিভিন্ন সাইটে 2টি উপায়ে ডেটা সংরক্ষণ করা যায়। যথা:
১. Replication ও
২. Fragmentation.
- ফ্রাগমেন্টেশন দুটি উপায়ে করা যেতে পারে। যথা:
i) Horizontal fragmentation (Splitting by rows) এবং 
ii) Vertical fragmentation (Splitting by columns).

Source: geeksforgeeks [Link]
.
নিচের কোনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ?
  1. ক) Fortran
  2. খ) Python
  3. গ) QUEL
  4. ঘ) ALGOL
সঠিক উত্তর:
গ) QUEL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) QUEL
ব্যাখ্যা
কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Query Language)
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে তার উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা পুনরুদ্ধার বা রিট্রাইভ করা, ডেটা মডিফাই (Modify) অথবা ডিলেট করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোকে কুয়েরি বলে।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলে।
- ডেটা ম্যানিপুলেশনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ তৈরি হয়েছে।
- তবে নিম্ন লিখিত ৩টি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে -
(ক) QUEL - QUEery Language
(খ) QBE - Query By Example
(গ) SQL - Structured Query Language

- উপরের তিনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের মধ্যে SQL সারা বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

---------------------------
- Fortran, Python, ALGOL উচ্চতর বা তৃতীয় প্রজন্মের পোগ্রামিং ভাষা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
.
ছোট থেকে বড় ক্রমানুযায়ী সাজানো কে কি বলে?
  1. ক) ডিসেন্ডিং
  2. খ) অ্যাসেন্ডিং
  3. গ) ইন্টারপ্রিট
  4. ঘ) ডিজাইন
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাসেন্ডিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অ্যাসেন্ডিং
ব্যাখ্যা

ছোট থেকে বড় বা A TO Z ক্রমানুসারে সাজানোকে অ্যাসেন্ডিং এবং Z to A ক্রমানুসারে সাজানোকে ডিসেন্ডিং বলে।
সুত্রঃ নবম দশম (ভোকেশনাল) কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (NCTB board বই)

.
ডেটাবেজ এ কোনগুলো একই অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. এট্রিবিউট ও ফিল্ড
  2. এনটিটি ও টেবিল
  3. এনটিটি সেট ও টেবিল
  4. কলাম ও টেবিল
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট ও ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট ও ফিল্ড
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ এ এট্রিবিউট ও ফিল্ড একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।

- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদানকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
- ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
.
Primary Key এর কাজ কী?
  1. ডেটা ডিলিট করা
  2. ডেটা দেখতে সার্চিং দ্রুত করা
  3. ইনডেক্সিং প্রক্রিয়াকে সহজ করা
  4. ডুপ্লিকেট রেকর্ড প্রতিরোধ
সঠিক উত্তর:
ডুপ্লিকেট রেকর্ড প্রতিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডুপ্লিকেট রেকর্ড প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা

- Primary Key হলো টেবিলের এমন একটি ক্ষেত্র বা কলাম  যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করে।
- কোনো টেবিলে একটি মাত্র Primary Key থাকতে পারে।
- Primary Key-এর মান null (ফাঁকা) হতে পারে না এবং একই মান (duplicate) রাখা যায় না।

উদাহরণ:
 ধরা যাক Student টেবিলে Student_ID হলো Primary Key।

টেবিলে অন্য কোনো কলাম যেমন Name ডুপ্লিকেট হতে পারে, কিন্তু Primary Key ইউনিক।
এখানে Student_ID ইউনিক হওয়ায় 101 আবার দেওয়া যাবে না।

উৎস: NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

.
কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের একটি কাজ?
  1. ডেটাবেজ রেকর্ড
  2. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
  3. ডেটাবেজ প্রিন্টিং
  4. অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের একটি কাজ।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ-
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
- এসকিউলাইট (SQLite) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
.
ডেটাকে এনক্রিপ্ট করার উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটার আকার ছোট করা
  2. ডেটা দ্রুত পাঠানো ও নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা
  3. ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা
  4. ডেটা ব্যাকআপ করে রাখা
সঠিক উত্তর:
ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা
ব্যাখ্যা
ডেটাকে এনক্রিপ্ট করার উদ্দেশ্য হচ্ছে ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা।

এনক্রিপশন (Encryption):
- এনক্রিপশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে কোড করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যতীত অন্য কেউ তা পড়তে বা বুঝতে না পারে।
- কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরের সময় ডেটাকে বিশেষ কোডে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, যাতে ডেটার গোপনীয়তা বজায় থাকে।
- প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করলে প্রাপক ডিক্রিপ্ট করে (ডেটাকে আসল রূপে ফেরত নিয়ে) ব্যবহার করে।
- এনক্রিপশন এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, সিজার কোডে প্রতিটি অক্ষরকে তার পরবর্তী ৩ সংখ্যক অক্ষরে প্রতিস্থাপন করা হয়।
- যেমন: JULIA ROBERT → MWPLD TOETHV

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০.
কোনটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে পরিচিত?
  1. মাইএসকিউএল
  2. অ্যাডোবি ফটোশপ
  3. গুগল ক্রোম
  4. এমএস ওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
মাইএসকিউএল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইএসকিউএল
ব্যাখ্যা

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
রিলেশনাল ডাটাবেজে ডাটা কোন কাঠামোতে সংরক্ষণ করা হয়?
  1. গ্রাফ
  2. টেবিল
  3. লিস্ট
  4. ট্রি
সঠিক উত্তর:
টেবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেবিল
ব্যাখ্যা

◉ রিলেশনাল ডাটাবেজ (RDBMS)-এ ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষণ করা হয়, যেখানে সারি (Row) এবং কলাম (Column) থাকে।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য হল:  
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
- আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
কোন পদ্ধতিতে কোনো ডেটা টেবিলের একাধিক রেকর্ড অন্য টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে রিলেশন রক্ষা করে?
  1. Many to One
  2. Many to Many
  3. One to One
  4. One to Many
সঠিক উত্তর:
Many to One
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Many to One
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ রিলেশনের প্রকারভেদ:
একাধিক ডেটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়। ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:

One to One রিলেশন:
- যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন। 

One to Many রিলেশন:
- যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব। 

Many to One রিলেশন:
- যদি কোনো একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোনো ডেটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডেটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোনো ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
নিচের কোনটি ওপেন সোর্স DBMS নয়?
  1. Altibase
  2. SQLite
  3. OCR
  4. Cubrid
সঠিক উত্তর:
OCR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
OCR
ব্যাখ্যা
• OCR ওপেন সোর্স DBMS নয়, এটি একটি ইনপুট ডিভাইস।

• DBMS:

- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- MySQL
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৪.
নিচের কোনটি 'PDF' এর পূর্ণরূপ?
  1. ক) Portable Document Format
  2. খ) Portable Device Format
  3. গ) Portable Document Formula
  4. ঘ) Program Document Format
সঠিক উত্তর:
ক) Portable Document Format
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Portable Document Format
ব্যাখ্যা
- পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট (Portable Document Format) যা সংক্ষেপে পিডিএফ (PDF) নামে পরিচিত।
- একটি মুক্ত ফাইল ফরম্যাট যা অ্যাডোবি সিস্‌টেম ১৯৯৩ সালে সৃষ্টি করে।
- এটি দ্বি-মাত্রিক ডকুমেন্ট উপস্থাপনে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:- www.adobe.com
১৫.
নিচের কোনটি DML কমান্ড?
  1. Create
  2. Alter
  3. Delete
  4. Next
সঠিক উত্তর:
Delete
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Delete
ব্যাখ্যা
• DML (Data Manipulation Language) কমান্ড হলো এমন কমান্ড যা ডাটাবেজের মধ্যে থাকা ডেটা পরিবর্তন, মুছে ফেলা বা যোগ করার কাজ করে। এর মধ্যে প্রধান কমান্ডগুলো হলো Insert, Update এবং Delete। প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে “Delete” হলো DML কমান্ড কারণ এটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে “Create” এবং “Alter” হলো DDL (Data Definition Language) কমান্ড, যা ডাটাবেজের কাঠামো পরিবর্তনের কাজে লাগে। “Next” কোনো SQL কমান্ড নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো “Delete”, যা ডাটাবেজের ডেটা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত DML কমান্ড।

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ: 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
'Primary Key'-এর প্রধান ভূমিকা কী?
  1. ডুপ্লিকেট ডেটা সঞ্চয় করা
  2. টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করা
  3. ডেটা আপডেট করা
  4. টেবিল তৈরি করা
সঠিক উত্তর:
টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করা
ব্যাখ্যা
• 'Primary Key'-এর প্রধান ভূমিকা হলো টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করা।
• কী ফিল্ড:

- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
রেকর্ডকে এককভাবে নির্ধারণ করার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Primary Key
  2. Unique Key
  3. Foreign Key
  4. Composite Key
সঠিক উত্তর:
Primary Key
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Primary Key
ব্যাখ্যা

• একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ডাটাবেজে Primary Key ব্যবহার করা হয়। এটি প্রতিটি টেবিলের জন্য একটি বিশেষ কলাম বা কলামসমষ্টি, যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে ইউনিকভাবে চিহ্নিত করে। Primary Key-এর মাধ্যমে কোনো দুইটি রেকর্ডের মধ্যে একই মান থাকতে পারে না এবং এটি কখনো শূন্য (NULL) হতে পারে না। অন্যদিকে, Composite Key হল একাধিক কলামের সমন্বয়ে গঠিত একটি কী যা রেকর্ডকে অনন্য করে, কিন্তু এটি মূলত Primary Key-এর একটি ধরন। Foreign Key হলো অন্য টেবিলের Primary Key-কে নির্দেশ করে যা টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। Unique Key ও Primary Key দুটোই ইউনিক মান নিশ্চিত করে, তবে Unique Key NULL মান রাখতে পারে।
- তাই, রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত হলো Primary Key.

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৮.
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক কে?
  1. ফ্রেড কোহেন
  2. ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার
  3. হেনরি এফ কড
  4. মার্শাল ম্যাকলুহান
সঠিক উত্তর:
হেনরি এফ কড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি এফ কড
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায় ।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৯.
কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে RAM স্থায়ী স্মৃতি স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার অনুপযোগী?
  1. Too Slow
  2. Unreliable
  3. Volatility
  4. Too Bulky
সঠিক উত্তর:
Volatility
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Volatility
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। 
যেমন: RAM. 
 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে র‍্যামের তথ্য মুছে যায় বিধায় এটি স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহারের অনুপযোগী। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২০.
নিচের কোনটি Open Source ডিবিএমএস হিসেবে পরিচিত?
  1. Microsoft SQL Server
  2. MySQL
  3. Oracle
  4. Microsoft Access
সঠিক উত্তর:
MySQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MySQL
ব্যাখ্যা

• MySQL হচ্ছে জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যেটি ওরাকল কর্পোরেশন এর দ্বারা ডেভলপ, ডিস্ট্রিবিউশন এবং সাপোর্ট করা হয়।

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- MySQL
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২১.
কোন MS Office অ্যাপ্লিকেশনটি রিলেশনাল ডাটাবেজ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Excel
  2. PowerPoint
  3. Access
  4. Publisher
সঠিক উত্তর:
Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Access
ব্যাখ্যা

◉ Microsoft Access হলো MS Office-এর একটি Database Management System (DBMS), যা রিলেশনাল ডাটাবেজ তৈরি ও পরিচালনা করতে ব্যবহার করা হয়। এটি SQL ও Graphical Interface ব্যবহার করে tables, queries, forms, reports তৈরি করতে সাহায্য করে।

MS Access:
- MS Access হচ্ছে ডেটাবেজভিত্তিক একটি প্রোগ্রাম।
- Microsoft Access হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরীকৃত মাইক্রোসফট অফিস গ্রুপের মধ্যে একটি বহুল পরিচিত Database প্রোগ্রাম।
- Access উইন্ডোজ ভিত্তিক একটি শক্তিশালী রিলেশনার ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যা দিয়ে ডেটাবেজের বিভিন্ন টেবিল তৈরি করে ডেটা এন্ট্রির জন্য সহজবোধ্য ও আকর্ষণীয় ফর্ম ডিজাইন করা যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
Excel → Excel Spreadsheet software, যা data calculation ও analysis-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
PowerPoint → PowerPoint presentation তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
Publisher → Publisher হলো desktop publishing software, যা brochures, newsletters, ও business cards ডিজাইনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

Source: Microsoft Support Website.

২২.
"প্যারাডক্স" কোন ধরনের সার্ভিস?
  1. ডেটাবেজ
  2. প্রোগ্রামিং
  3. ওয়েব ব্রাউজার
  4. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ
ব্যাখ্যা
• "প্যারাডক্স" হলো ডেটাবেজ প্রোগ্রাম

• ডেটাবেজ:

- ডেটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
- ডেটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।

• ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো:
১. ডাটা (Data)
২. রেকর্ড (Record)
৩. ফিল্ড (Field) ও
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হলো:
- ফোর্থ ডাইমেনশন,
- মাইক্রোসফট এক্সেস,
- ফক্সপ্রো,
- ডিবেজ,
- ফক্সবেইজ,
- ওরাকল,
- প্যারাডক্স,
- MySQL ইত্যাদি।

• ডাটাবেজ এর ব্যবহার:
- অতি দ্রুত ডাটা উপস্থাপন করা যায়।
- অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ডাটা পরিচালনা করা যায়।
- সংরক্ষিত ডাটাকে পরবর্তীতে আপডেট করা যায়।
- ডাটাবেজের তথ্যসমূহকে প্রয়োজনে অ্যাসেন্ডিং (Ascending) ও ডিসেন্ডিং (Descending) অর্ডারে সাজানো যায়।
- অল্প সময়ে ডাটার বিন্যাস ঘটানো যায়। 
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় পণ্যের উৎপাদন, চাহিদা, পরিমান, মজুদ, লেনদেনের হিসাব ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংরক্ষণে ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
SQL কোন সালে তৈরি করা হয়?
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

SQL: 
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language। 
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার। 
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো। 
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে। 
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়। 
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে। 
- SQL কুয়েরি প্রয়োগ করার জন্য SQL উইন্ডো ওপেন করে নিতে হয়। 
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়। 

SQL ফিচার সুবিধা: 
- SQL ইংরেজি ভাষার কাছাকাছি একটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ। এতে SELECT, INSERT, DELETE এ রকম শব্দ দ্বারা কমান্ডসেট তৈরি করা হয়েছে। 
- SQL একটি non-procedural ল্যাংগুয়েজ। যে তথ্যাবলি দরকার কেবল তা বলে দিলেই হয়, কিভাবে কুয়েরি করা যাবে তা বলার দরকার হয় না। 
- SQL একই সময়ে এক একটি রেকর্ডকে প্রসেস না করে বরং এক সেট রেকর্ড প্রসেস করে। 
- SQL বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে। যেমন- ডাটাবেজ এডমিনিস্ট্রেটর, প্রোগ্রামার, ম্যানেজমেন্ট বা বিভিন্ন প্রান্তিক ব্যবহারকারী (End User) ইউজারগণ। 
- SQL বিভিন্ন শ্রেণির কার্যসম্পাদনের জন্য ব্যবহার করা যায়। 
যেমন- 
• ডাটা কুয়েরি করা। 
• ডাটা সন্নিবেশ, আপডেট বা মুছে ফেলা। 
• ডাটাবেজ অবজেক্ট তৈরি, সংশোধন বা মুছে ফেলা। 
• ডাটাবেজ অবজেক্ট এ্যাকসেস নিয়ন্ত্রণ। 
• ডাটাবেজ Consistency-এর নিশ্চয়তা প্রদান। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৪.
ডেটাবেজের উপাদান নয় কোনটি?
  1. রেকর্ড
  2. রোম
  3. ফিল্ড
  4. টেবিল
সঠিক উত্তর:
রোম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোম
ব্যাখ্যা
Database:
Data শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং Base শব্দের অর্থ হচ্ছে সমাবেশ। শাব্দিক অর্থে ডেটাবেজ হচ্ছে কোনো সম্পর্কিত বিষয়ের ওপর ব্যাপক উপাত্তের সমাবেশ।
- অন্যভাবে বলা যায়, পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ফাইল বা টেবিল নিয়ে গঠিত হয় ডেটাবেজ।

ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো-
১. ডেটা (Data)
২. রেকর্ড (Record)
৩. ফিল্ড (Field)
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)

• রোম (ROM) হলো স্টোরেজ ডিভাইস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
২৫.
HTML মূলত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. পাইথন স্ক্রিপ্ট লেখা
  2. ওয়েব পেজ ডিজাইন করা
  3. অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা
  4. ডাটাবেস সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
ওয়েব পেজ ডিজাইন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েব পেজ ডিজাইন করা
ব্যাখ্যা

• HTML মূলত ওয়েব পেজ তৈরি এবং ডিজাইন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি “HyperText Markup Language” এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ওয়েব পেজে বিভিন্ন উপাদান যেমন শিরোনাম, অনুচ্ছেদ, ছবি, লিঙ্ক ইত্যাদি প্রদর্শন করতে সাহায্য করে। HTML একটি মার্কআপ ভাষা, যা ওয়েব ব্রাউজারকে বলে দেয় কিভাবে কনটেন্ট সাজানো ও প্রদর্শন করতে হবে। এটি নিজে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়, তাই এতে লজিক বা স্ক্রিপ্ট লেখা যায় না। HTML ব্যবহার করে ওয়েব পেজের কাঠামো তৈরি করা হয়, এবং CSS ও JavaScript এর সঙ্গে মিলিয়ে সুন্দর ও ইন্টারঅ্যাকটিভ ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। তাই HTML মূলত ওয়েব পেজ ডিজাইন করা কাজে ব্যবহৃত হয়।

- সঠিক উত্তর: খ) ওয়েব পেজ ডিজাইন করা।

• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ হলো  HyperText Markup Language.
- HTML হলো ওয়েব পেজ তৈরি করার জন্য স্ট্যান্ডার্ড মার্কআপ ভাষা। 
-  টিম বার্নার্স-লি ১৯৯১ সালে HTML উদ্ভাবন করেন। 
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: W3C অফিসিয়াল ডকুমেন্টেশন।

২৬.
ডেটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডেটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. সর্টিং
  2. ইনডেক্সিং
  3. অ্যারেঞ্জিং
  4. সার্চিং
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা
• ইনডেক্সিং:
- ডেটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডেটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং
- কোনো ফাইলের ডেটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডেটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডেটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডেটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোনো ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। 
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডেটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডেটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
নিচের কোনটি একটি RDBMS সফটওয়্যার নয়?
  1. MacOS
  2. Informix
  3. Oracle
  4. MySQL
সঠিক উত্তর:
MacOS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MacOS
ব্যাখ্যা

• প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে MacOS, Informix, Oracle এবং MySQL—তাদের মধ্যে শুধুমাত্র MacOS একটি RDBMS (Relational Database Management System) সফটওয়্যার নয়। RDBMS হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাকে টেবিল আকারে সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং পুনঃপ্রাপ্তি করার সুবিধা প্রদান করে। Informix, Oracle এবং MySQL তিনটি সফটওয়্যারই RDBMS হিসেবে পরিচিত এবং তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অ্যাপ্লিকেশনে ডেটা ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, MacOS হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার চালনা ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন রান করানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি ডেটাবেস ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়নি। তাই, RDBMS সফটওয়্যার নয় এমনটি হলো MacOS।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৮.
টেবিলে গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর হলো এক একটি -
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. রো
  4. কলাম
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
ব্যাখ্যা

রেকর্ড Record) : অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। এরকম যতজন গ্রাহকের নাম-ঠিকানা একটি টেবিলে লিপিবদ্ধ থাকবে সে টেবিলে ততগুলাে রেকর্ড আছে বলে ধরা হবে।
ফিল্ড (Field) : রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে ফিন্ড। রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটি ফিন্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে। কলামের একটি সেলের (Cell) ডাটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডাটা।
রাে (Row): সম্পর্কযুক্ত ডাটাবেজে রাে বা সারি হচ্ছে একটি টেবিলের ডাটা রেকর্ড | প্রত্যেক সারি একই গঠনের মধ্যে বিভিন্ন ডাটা ধারণ করে।
কলাম (Column): সম্পর্কযুক্ত ডাটাবেজে কলাম হচ্ছে একটি টেবিলের ডাটা ভ্যালুর একক ধরন। কলাম টেবিলের ডাটা সংজ্ঞায়িত করে।

২৯.
RDBMS-এ কোনো ডেটা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করার জন্য কী প্রয়োগ করা হয়?
  1. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  2. কম্পোজিট কী
  3. ফরেন কী
  4. প্রাইমারি কী
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

• RDBMS-এ (Relational Database Management System) প্রতিটি ডেটা টেবিলের রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করার জন্য প্রাইমারি কী (Primary Key) প্রয়োগ করা হয়। এটি এমন একটি কলাম বা কলামের সমষ্টি যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে এককভাবে চিহ্নিত করে এবং একই মান কোনো দুইটি রেকর্ডে থাকতে পারে না। প্রাইমারি কী সাধারণত ইউনিক এবং নাল (NULL) মান ধারণ করতে পারে না, যা ডেটার অখণ্ডতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি টেবিলের মধ্যে তথ্য অনুসন্ধান, আপডেট ও ডিলিট প্রক্রিয়াকে সহজ করে। অন্যদিকে, কম্পোজিট কী একাধিক কলামের সমন্বয়ে তৈরি হয়, ফরেন কী অন্য টেবিলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে, কিন্তু একক রেকর্ড শনাক্ত করার মূল উপায় প্রাইমারি কী।

• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
- যথা: প্রাইমারি কী, কম্পোজিট কী এবং ফরেন কী।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- যেমন, একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।

• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
মাইক্রোসফট অ্যাকসেস এর শর্ট টেক্সট ডেটা টাইপে কত ক্যারেক্টার পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়?
  1. ক) ৩২
  2. খ) ২৫৫
  3. গ) ৬৪০০০
  4. ঘ) ৬৫৫৩৬
সঠিক উত্তর:
খ) ২৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৫৫
ব্যাখ্যা
ডেটা টাইপ
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রচুর ডেটা নিয়ে কাজ করতে হয়। এই ডেটার টাইপ বা প্রকৃতি আবার বিভিন্ন প্রকার হতে পারে ।
- যথা: শর্ট টেক্টট, লং টেক্সটি, নাম্বার বা নিউমেরিক, ইয়েস/নো বা যুক্তিমুলক, তারিখ/সময়, কারেন্সী, হাইপারলিঙ্ক এবং এটাচমেন্ট ইত্যাদি।

মাইক্রোসফট অ্যাকসেস ডেটাবেজে নিম্নলিখিত ডেটা টাইপগুলো রয়েছে। যথা-

শর্ট টেক্সট (Short Text):
- ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। এই টেক্সট ফিল্ডের রেঞ্জ ১ থেকে ২৫৫ ক্যারেক্টারের মধ্যে। এর অধিক টেক্সট ফিল্ডের জন্য লং টেক্সট ডেটা টাইপ ব্যবহার করতে হবে। আলফানিউমেরিক ডেটা যেমন- নাম, টাইটেল ইত্যাদি ।

লং টেক্সট (Long Text):
- প্রায় ১ গিগা বাইট পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু একটি দীর্ঘ টেক্সট প্রদর্শন করার জন্য এটি প্রথম ৬৪,০০০ ক্যারেক্টারে সীমাবদ্ধ। উদাহরণস্বরূপ, জ্ঞাত দৈর্ঘ্যের কোন পোস্টাল কোড সংরক্ষণ করতে হলে, ফিল্ড সাইজের দৈর্ঘ্য সুনির্দিষ্ট করা থাকতে হবে।

---------------------------
Text fields in desktop databases (.accdb)

Long Text
In .accdb files, the Long Text field works the same as the Memo field of old. That is, it can store up to about a gigabyte of text, even though controls on forms and reports can only display the first 64,000 characters. You can set Long Text fields to display Rich Text, which includes formatting like bold and underline.

Short Text

In .accdb files, the Short Text field works the same as the Text field in earlier versions. It stores up to 255 characters.

Text fields in Access web apps
Long Text
In Access web apps, the Long Text field can store up to 2^30-1 bytes and is equivalent to the SQL Server data type of nvarchar(max). If you want, you can set a character limit to prevent your users from using the full capacity of the field. You can’t store Rich Text in Access web apps.

Short Text
In Access web apps the Short Text field is set to store 255 characters by default, but you can adjust the Character Limit property all the way up to 4000 characters. Its SQL Server equivalent is nvarchar, with lengths from 1 to 4000.

Source:
১. miocrosoft.com এবং
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩১.
কোন প্রক্রিয়ায় ডাটাবেজ থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা হয়?
  1. ডাটা এনালাইসিস
  2. সর্টিং
  3. কুয়েরি
  4. ডাটা সেভিং
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩২.
ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে কী বলে?
  1. ডাটা এনক্রিপশন
  2. ডাটা ডিক্রিপশন
  3. সাইফার টেক্সট
  4. প্লেইন টেক্সট
সঠিক উত্তর:
ডাটা এনক্রিপশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা
ডাটা এনক্রিপশন: 
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়। 
- ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না। 
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে। 
- প্রেরক কম্পিউটারে এনক্রিপ্ট করার নিয়ম বা প্রাপক কম্পিউটারে ডিক্রিপ্ট করার নিয়ম দেয়া থাকে। 
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়। 
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম নিম্নে দেয়া হলো- 
১। সিজার কোড (Caesar Code) ও 
২। ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard-DES)। 

- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। 
যথা: 
প্লেইন টেক্সট: যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়। 
সাইফার টেক্সট: মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়। 
এনক্রিপশন এলগরিদম: গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 
কী: গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
ডেটাবেস পরিচালনার জন্য প্রধানত কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়?
  1. Visual Studio
  2. Oracle
  3. Slack
  4. Canva
সঠিক উত্তর:
Oracle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle
ব্যাখ্যা

• অপশন আলোচনা:
- Canva – এটি একটি গ্রাফিক ডিজাইন টুল, যার সাহায্যে পোস্টার, প্রেজেন্টেশন, সোশ্যাল মিডিয়া গ্রাফিক্স ইত্যাদি ডিজাইন করা যায়। এটি ডেটাবেস ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

- Slack – এটি একটি টিম কমিউনিকেশন টুল, যেখানে টিম মেম্বাররা চ্যাট করতে পারে, ফাইল শেয়ার করতে পারে। এটি মূলত যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, ডেটাবেস ব্যবস্থাপনার জন্য নয়।

- Visual Studio – এটি একটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট (IDE), যা প্রোগ্রামিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও আপনি ডেটাবেসের সাথে কাজ করতে পারেন এতে, এটি মূলত ডেটাবেস ম্যানেজমেন্টের জন্য তৈরি নয়।

- Oracle – এটি একটি শক্তিশালী এবং পেশাদার ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS), যা বড় আকারের ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
Data Manipulation Language কোন ক্ষেত্রে ব্যহৃত হয়?
  1. ক) ডেটা প্রবেশ করানো
  2. খ) ডেটা ‍মুছে ফেলা
  3. গ) ডেটা আপডেট করা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজে ডেটা মুছে ফেলা, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা আপডেট করা, পরিবর্তন করা, ইনডেক্সিং করা, ডেটা রিট্রিভ করা ইত্যাদি করার ক্ষেত্রে Data Manipulation Language ব্যবহার করা হয়।
(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
৩৫.
একটি ব্যাংকের একাধিক শাখায় অবস্থিত কর্মকর্তারা যদি একই তথ্য, একই সময়ে হালনাগাদ করতে চান, তাহলে কোনটি ব্যবহার করবেন?
  1. ক) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট পোগ্রাম
  2. খ) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  3. গ) ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) এমবেডেড কম্পিউটার সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
খ) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা

ডাটাবেজের মুল উদ্দেশ্য হলো, দ্রুত গতিতে ডাটার খোঁজ করা, সবচেয়ে নিরাপদ উপায়ে ডাটা সংরক্ষণ করা ইত্যাদি। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সেই সমস্ত ক্ষেত্রে অপরিহার্য যেখানে একই সময় একাধিক ব্যবহারকারী একই ডাটা ব্যবহার করে থাকেন।
যেমন, একটি ব্যাংকের একাধিক শাখায় অবস্থিত কর্মকর্তারা যদি একই তথ্য, একই সময়ে হালনাগাদ করতে চান, তখন বিভিন্ন সমস্যার তৈরী হতে পারে।
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, এই সমস্যাগুলোকে খুবই দক্ষতার সাথে সামাল দেয়।

৩৬.
রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির প্রবক্তা কে?
  1. ক) E.F.Codd
  2. খ) David Axmark
  3. গ) Allan Larsson
  4. ঘ) Swede Michael
সঠিক উত্তর:
ক) E.F.Codd
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) E.F.Codd
ব্যাখ্যা

১৯৭০ সালে রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপন করেন E.F.Codd  

- ১৯৮৫ সালে তিনি তার বক্তব্যকে আরও বেশি পরিষ্কার ও জোরালো করবার জন্য একটি প্রবন্ধ লিখেন যা 'Codd's Twelve Rules' নামে পরিচিত।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৩৭.
What is PKZip?
  1. A data transfer service
  2. A data compression software
  3. A data management software
  4. A data storage browser
সঠিক উত্তর:
A data compression software
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A data compression software
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) A data compression software

PKZip
- PKZip হলো ডেটা কমপ্রেশন সফটওয়্যার, যা সকল ধরনের ডিজিটাল ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- আমেরিকান প্রোগ্রামার ফিলিপ ক্যাটজ (Phillip Katz) ১৯৮০-এর দশকে PKARC তৈরি করেন, যা System Enhancement Associates Inc. (SEA)-এর ARC প্রোডাক্টের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।
- Katz-এর প্রোগ্রাম ARC-এর চেয়ে দ্রুত এবং দক্ষ ছিল।
- ১৯৮৬ সালে Katz PKWARE, Inc. প্রতিষ্ঠা করেন এই প্রোডাক্টকে প্রচারের জন্য।
- SEA-এর ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের মামলার পরে Katz নতুন কমপ্রেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন প্রোডাক্ট তৈরি করেন।

PKZip এর প্রথম সংস্করণ:
- MS-DOS-এর জন্য লেখা প্রথম PKZip 1989 সালে প্রকাশিত হয়।
- পরে Windows OS-এর জন্যও সংস্করণ আসে।
- Katz-এর উন্নত কমপ্রেশন পদ্ধতি এবং নতুন ফাইল ফরম্যাটের মাধ্যমে ফাইলগুলোকে একটি "zip file"-এ সংকুচিত করা যায়।
- Zip ফাইলগুলো দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২১শ শতকের শুরুর দিকে PKZip-এর জনপ্রিয়তা WinZip এবং WinRAR-এর মতো অন্যান্য প্রোগ্রামের দ্বারা কমে যায়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৩৮.
DDL-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Data Development Language
  2. Data Definition Language
  3. Data Distribution Language
  4. Data Description Language
সঠিক উত্তর:
Data Definition Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Data Definition Language
ব্যাখ্যা

• DDL-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Data Definition Language। এটি একটি বিশেষ ধরণের SQL ভাষা যা ডাটাবেসের কাঠামো বা স্ট্রাকচার তৈরি, পরিবর্তন এবং মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, নতুন টেবিল তৈরি করতে CREATE TABLE, বিদ্যমান টেবিল পরিবর্তন করতে ALTER TABLE, এবং টেবিল মুছে ফেলার জন্য DROP TABLE কমান্ড ব্যবহার করা হয়। DDL ডাটাবেসের স্কিমা বা কাঠামো সংজ্ঞায়িত করে, কিন্তু ডাটার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে না। এটি ডাটাবেস ডিজাইন এবং রক্ষণাবেক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ডেভেলপার এবং ডাটাবেস প্রশাসকদের জন্য অপরিহার্য। তাই DDL ডাটাবেস ম্যানেজমেন্টের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।

• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ল্যাঙ্গুয়েেজের মাধ্যমে ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি ও ডাটা মডিফিকেশন করা হয় থাকে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ ২ ধরনের -

১. Data Definition Language (DDL):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তথ্য সংরক্ষণ ও তথ্য অ্যাক্সেস করার জন্য DDL ব্যবহার করা হয়।

২. Data Manipulation Language (DML):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তথ্য যোগ (ইনসার্ট), মুছে ফেলা (ডিলিট), আপডেট এবং পরিবর্তন (মডিফাই) করার জন্য DML ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯.
কোন প্রতিষ্ঠানে SQL তৈরি করা হয়?
  1. IBM
  2. Microsoft
  3. Apple
  4. Google
সঠিক উত্তর:
IBM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBM
ব্যাখ্যা
SQL:
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- SQL কুয়েরি প্রয়োগ করার জন্য SQL উইন্ডো ওপেন করে নিতে হয়।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই প্রয়োজন মতো ডেটা ট্রান্সমিট করা যায় কোন পদ্ধতিতে?
  1. ক) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. খ) অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. গ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা

আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous transmission) : অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস -এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন। এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়োজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়। সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

উল্লেখ্য,
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে (Asynchronous Transmission) ডাটা প্রাইমারি স্টোরেজে সংরক্ষণের প্রয়োজন হয় না।

৪১.
A ও B দুটি রিলেশনাল টেবিল। একটি কী B টেবিলের জন্য ফরেন কী হলে, A টেবিলের জন্য কোন ধরনের কী হবে?
  1. ক) কম্পোজিট কী
  2. খ) ফরেন কী
  3. গ) প্রাইমারি কী
  4. ঘ) অলটারনেট কী
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাইমারি কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা
কী ফিল্ড (Key):
সাধারণত কোন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় । এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।

কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা-

১। প্রাইমারি কী (Primary Key)
২। কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) 
৩। ফরেন কী (Foreign Key) 

প্রাইমারি কী: যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে ।

কম্পোজিট প্রাইমারি কী: অনেক ক্ষেত্রে দু'টি ফিল্ডের সমন্বয়ে প্রাইমারি কী গঠন করা হয়ে থাকে যার সাহায্যে ঐ টেবিলের যে কোন রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) সনাক্ত করা যায়। এ ধরনের প্রাইমারি কী কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary key) নামে পরিচিত।

ফরেন কী: রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে। ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

অলটারনেট কী :
কোন টেবিলের প্রাইমারি কী ব্যতিত অন্য কী গুলোকে অলটারনেট কী বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪২.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ভাষার ধরন?
  1. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  2. DDL ও DML
  3. মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. UI/UX ল্যাঙ্গুয়েজ
সঠিক উত্তর:
DDL ও DML
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DDL ও DML
ব্যাখ্যা
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL) ও ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML) এই দুইটি ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ।

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়। 
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩.
ফাইল সংখ্যার উপর নির্ভর করে ডাটাবেজ কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) 3
  2. খ) 4
  3. গ) 2
  4. ঘ) 5
সঠিক উত্তর:
গ) 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 2
ব্যাখ্যা

ফাইল সংখ্যার উপর নির্ভর করে ডাটাবেজ দু'ধরনের হয়ে থাকে। যেমন, সাধারণ ডাটাবেজ এবং সম্পর্ক যুক্ত ডাটাবেজ।
(ক) সাধারণ ডাটাবেজ - এই ধরনের ডাটাবেজে একটি ফাইল থাকে।
(খ) সম্পর্কযুক্ত (Relational) ডাটাবেজ - এই ধরনের ডাটাবেজে একাধিক ফাইল থাকে।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৪৪.
কোনটি DBMS সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত?
  1. HTML
  2. Python
  3. Oracle
  4. Java
সঠিক উত্তর:
Oracle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle
ব্যাখ্যা

• DBMS বা ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও পুনরুদ্ধারের কাজ সহজ করে। প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলো মধ্যে Oracle হলো পরিচিত DBMS সফটওয়্যার। Oracle ব্যবহার করে বড় এবং জটিল ডেটাবেস সহজভাবে তৈরি, সংরক্ষণ এবং ম্যানেজ করা যায়। অন্যদিকে, HTML হলো একটি মার্কআপ ভাষা যা ওয়েবপেজ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, Python হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, এবং Java হলো আরও একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। এই তিনটি সফটওয়্যার DBMS নয়, বরং প্রোগ্রামিং বা ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজে আসে। তাই DBMS হিসেবে শুধুমাত্র Oracle সঠিক উত্তর।
 
DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

৪৫.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) ওরাকল
  2. খ) সাইবেজ
  3. গ) বেজ
  4. ঘ) পাওয়ারপয়েন্ট
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাওয়ারপয়েন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পাওয়ারপয়েন্ট
ব্যাখ্যা

পাওয়ার পয়েন্টকে উপস্থাপনা তৈরির অ্যাপ্লিকেশন বা প্রেজেন্টেশন ডেভেলপমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন বলা হয়।
ডাটাবেজ হলো একটি তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা, যেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রথমে সংগ্রহ করা হয়, সেগুলিকে জমা রাখা হয়, এবং প্রয়োজন বিশেষে সেখান থেকে এক্সসেস করা যায়।
ডাটাবেজ গুলিকে বিভিন্ন হিসেব-নিকেশ, বার্ষিক রিপোর্ট, বিভিন্ন স্কুল কলেজের পরীক্ষার ফলাফল তৈরি ও সংরক্ষণ প্রভৃতি কাজে ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৪৬.
কোনটি সর্বাধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা নির্দেশ করে?
  1. পেটাবাইট
  2. গিগাবাইট
  3. এক্সাবাইট
  4. টেরাবাইট
সঠিক উত্তর:
এক্সাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সাবাইট
ব্যাখ্যা
৮ বিট = ১ বাইট
১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট
১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট
১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট
১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট
১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট
১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট
[সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২ (ভোকেশনাল)]
৪৭.
নিচের কোনটি Open Source DBMS?
  1. MySQL
  2. Microsoft SQL Server
  3. Microsoft Access
  4. Oracle
সঠিক উত্তর:
MySQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MySQL
ব্যাখ্যা
• MySQL হচ্ছে জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যেটি ওরাকল কর্পোরেশন এর দ্বারা ডেভলপ, ডিস্ট্রিবিউশন এবং সাপোর্ট করা হয়।

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- MySQL
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪৮.
ডেটাবেজের কাজ নয় কোনটি?
  1. ক) ব্যবহারকারীর নিয়ন্ত্রণ
  2. খ) প্রয়োজনীয় রেকর্ড অনুসন্ধান ও সংশোধন
  3. গ) ওয়েবসাইট ডিজাইন করা
  4. ঘ) ডেটা সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়েবসাইট ডিজাইন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়েবসাইট ডিজাইন করা
ব্যাখ্যা
ওয়েবসাইট ডিজাইন করা ডেটাবেজের কাজ নয়। 

ডেটাবেজ হচ্ছে উপাত্ত বা ডেটার সুগঠিত সমাবেশ যা সহজে ব্যবহার, ব্যবস্থাপনা ও আপডেট করা যায়।

ডেটাবেজের ব্যাবহারসমূহ-
১. প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটাবেস তৈরি করা ।
২. ব্যবহারকারী নিয়ন্ত্রন করা ।
৩. নতুন ডেটা ইনপুট করা।
৪. ডেটার বানান ও সংখ্যার ভুল অনুসন্ধান ও সংশোধন করা।
৫. অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা রেকর্ড বাদ দেওয়া।
৬. প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটা বা রেকর্ড অনুসন্ধান এবং ব্যবহার করা ।
৭. প্রয়োজনে ডেটাবেসকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে বর্নক্রমিক, সংখ্যাক্রমিক, পদবী বা উপাধি ভিত্তিক বা অন্য কোনভাবে বিন্যস্ত করা।
৮. রিপোর্ট তৈরি এবং প্রয়োজনীয় ডেটাবেসের প্রিন্ট নেওয়া।
৯. ডেটার নিরাপত্তা বিধান করা।
১০. ডেটা সংরক্ষন করা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
 
৪৯.
নিচের কোন সম্পর্কটি সঠিক?
  1. সর্টিং - খোঁজা
  2. ইনডেক্সিং - সাজানো
  3. কুয়েরি - বাছাই
  4. সবগুলোই সঠিক
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং - সাজানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং - সাজানো
ব্যাখ্যা
• ইনডেক্সিং: 
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো ।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়। 
- সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়।

• কুয়েরি:
- ডেটাবেজে এক বা একাধিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোন সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা বা ছাপানোর পদ্ধতিকে কুয়েরি বলা হয়।

• সর্টিং:
- যে প্রক্রিয়ায় ডাটাবেজের রেকর্ড সমূহ নির্দিষ্টক্রমে সাজানো হয় তাকে সর্টিং বলে। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এস.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০.
In database management a "primary key" must be:
  1. Unique but may contain null values.
  2. Unique and cannot contain null values.
  3. Can contain duplicates but not nulls.
  4. Neither unique nor not-null required.
সঠিক উত্তর:
Unique and cannot contain null values.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Unique and cannot contain null values.
ব্যাখ্যা

• Primary Key" অবশ্যই অদ্বিতীয় (Unique) হতে হবে যাতে প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যায়, এবং এটিতে শূন্য মান (Null values) থাকতে পারবে না।  

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- কী ৩ ধরনের হয়। যথা:
১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।
৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের। D ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫১.
Relational Database-এ তথ্য সংরক্ষণ করা হয়—
  1. লিংকড লিস্ট আকারে
  2. ফাইল আকারে
  3. টেবিল আকারে
  4. গ্রাফ আকারে
সঠিক উত্তর:
টেবিল আকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেবিল আকারে
ব্যাখ্যা

◉ Relational Database তথ্যকে Rows (Tuples/Record) ও Columns (Attributes/Field) সমন্বয়ে Table (Relation) আকারে সংরক্ষণ করে।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।

• কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
- Oracle,
- MySQL,
- Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫২.
MongoDB কোন ধরনের ডাটাবেজ হিসেবে পরিচিত?
  1. NoSQL ভিত্তিক ডকুমেন্ট ডাটাবেজ
  2. Relational বা টেবিল-ভিত্তিক ডাটাবেজ
  3. Graph ভিত্তিক ডাটাবেজ
  4. Time-series ভিত্তিক ডাটাবেজ
সঠিক উত্তর:
NoSQL ভিত্তিক ডকুমেন্ট ডাটাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NoSQL ভিত্তিক ডকুমেন্ট ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা

MongoDB হলো একটি NoSQL Document-Oriented Database.

ডাটাবেজ প্রোগ্রাম: 
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।

NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি। 

উৎস: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Amazon ওয়েবসাইট। 

৫৩.
MS Powerpoint-এ নতুন স্লাইড যুক্ত করার কমান্ড কোনটি?
  1. Ctrl+Q
  2. Ctrl+X
  3. Ctrl+O
  4. Ctrl+M
সঠিক উত্তর:
Ctrl+M
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ctrl+M
ব্যাখ্যা
MS Powerpoint Shortcut Keys:
• Create a new presentation - Ctrl+N
• Add a new slide - Ctrl+M
• Apply bold formatting to the selected text - Ctrl+B
• Open the Font dialog box - Ctrl+T
• Cut selected text, object, or slide - Ctrl+X
• Copy selected text, object, or slide - Ctrl+C
• Paste cut or copied text, object, or slide - Ctrl+V
• Insert a hyperlink - Ctrl+K
• Insert a new comment - Ctrl+Alt+M
• Undo the last action - Ctrl+Z
• Redo the last action - Ctrl+Y
• End the slide show - Esc
• Print a presentation - Ctrl+P
• Save the presentation - Ctrl+S
• Close PowerPoint - Ctrl+Q
• Open a presentation- Ctrl+O
• Close a presentation - Ctrl+D

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
৫৪.
ডেটাবেজ প্যাকেজ প্রোগ্রাম নয় কোনটি?
  1. Ms-Excel
  2. Informix
  3. Foxpro
  4. Oracle
সঠিক উত্তর:
Ms-Excel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ms-Excel
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-

• Word Processing Package Program:
- Word Star,
- Word Perfect,
- Ms-Word,
- Word Note ইত্যাদি।

• Spreadsheet Package Program:
- Lotus 1-2-3,
- Ms-Excel,
- Quattro Pro ইত্যাদি।

• Database Package Program:
- dBase,
- Foxpro,
- Oracle,
- Informix,
- Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫.
নিচের কোনটি ভুল স্টেটমেন্ট?
  1. 'তথ্য' সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়
  2. 'তথ্য' উপাত্তের উপর নির্ভর করে
  3. 'উপাত্ত' তথ্য তৈরি প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা



উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫৬.
What is the main purpose of data encryption?
  1. To protect data from unauthorized access
  2. To make the data run faster on computers
  3. To change data into random numbers for storage
  4. To convert all files into text format only
সঠিক উত্তর:
To protect data from unauthorized access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To protect data from unauthorized access
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) To protect data from unauthorized access

ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটা এনক্রিপশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট (Plain text) ডেটা এমনভাবে রূপান্তরিত করা হয় যাতে এটি অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জন্য বোঝা বা ব্যবহার করা সম্ভব না হয়। রূপান্তরিত ডেটাকে বলা হয় সাইফার টেক্সট (Cipher text)।
- হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোনো মেমোরি ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ, অথবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখতে।
- ডেটাবেস ও তথ্য সঞ্চালনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে।
- এনক্রিপশন করার জন্য ডেটা সিকুয়েন্স ব্যবহার করা হয়, যাকে বলা হয় এনক্রিপশন কী।
- উপযুক্ত ডিক্রিপ্ট বা ডিসাইফার কোড ছাড়া কেউ সাইফার টেক্সট ব্যবহার করতে পারে না।
- ডেটার এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন নিয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞানে যে শাখায় গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি (Cryptography) বলা হয়।

প্রক্রিয়া:
1. মূল ডেটা বা প্লেইন টেক্সট এনক্রিপ্ট করা হয়।
2. এনক্রিপ্ট করার পর প্রাপ্ত ডেটা হলো সাইফার টেক্সট, যা প্রেরকের সিস্টেমে থাকে।
3. প্রাপক সিস্টেম সাইফার টেক্সট থেকে মূল ডেটা উদ্ধার করতে ডিক্রিপ্ট করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৫৭.
DML-এর কমান্ড হিসেবে কোনটি গণ্য হয় না?
  1. Rename statement
  2. Insert statement
  3. Delete statement
  4. Update statement
সঠিক উত্তর:
Rename statement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rename statement
ব্যাখ্যা

• DML বা Data Manipulation Language হলো SQL-এর সেই অংশ যা ডেটাবেসে থাকা ডেটা পরিবর্তন, যোগ বা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। DML-এর প্রধান কমান্ডগুলোর মধ্যে Insert, Update এবং Delete অন্তর্ভুক্ত, যা যথাক্রমে নতুন রেকর্ড যোগ করা, বিদ্যমান রেকর্ড পরিবর্তন করা এবং রেকর্ড মুছে ফেলার কাজ করে। অন্যদিকে, Rename স্টেটমেন্ট ডেটাবেস অবজেক্ট যেমন টেবিল বা কলামের নাম পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ডেটা ম্যানিপুলেশনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয় বরং ডেটাবেস অবজেক্ট মডিফিকেশনের অংশ।
- সুতরাং, DML-এর কমান্ড হিসেবে Rename statement গণ্য হয় না, কারণ এটি DDL (Data Definition Language)-এর অংশ।

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল:
- Create statement
- Drop statement
- Alter statement
- Rename statement

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল:
- Insert statement
- Delete statement
- Update statement

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮.
ডাটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট তথ্য আহরণ করতে কোন ভাষা ব্যবহার করা হয়? 
  1. HTML
  2. SQL
  3. CSS
  4. XML
সঠিক উত্তর:
SQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SQL
ব্যাখ্যা

- SQL- এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language.
- এটি একটি ডাটাবেজ ভাষা, যা ডাটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ, পরিবর্তন, মুছে ফেলা এবং অনুসন্ধান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

SQL-এর মূল কার্যকারিতা:
- SELECT → ডাটাবেজ থেকে তথ্য বের করা।
- INSERT → নতুন তথ্য যোগ করা।
- UPDATE → বিদ্যমান তথ্য পরিবর্তন করা।
- DELETE → তথ্য মুছে ফেলা।

• অন্যান্য অপশন
- HTML: এটি একটি মার্কআপ ভাষা; ওয়েবপেজ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, ডাটাবেজের তথ্য আহরণের জন্য নয়।
- CSS: Cascading Style Sheets, যা ওয়েবপেজের স্টাইল (রঙ, ফন্ট, লেআউট) নিয়ন্ত্রণ করে, ডাটাবেজের তথ্যের জন্য নয়।
- XML: eXtensible Markup Language, এটি তথ্যের স্টোরেজ এবং ট্রান্সপোর্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ডাটাবেজ থেকে সরাসরি অনুসন্ধানের জন্য নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশোনাল)।

৫৯.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ নয়?
  1. Data Definition Language
  2. Data Manipulation Language
  3. Query Language
  4. C++
সঠিক উত্তর:
C++
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C++
ব্যাখ্যা
C++ একটি সাধারণ প্রোগ্রামিং ভাষা যা ১৯৮০ সালে C ভাষার একটি বর্ধিতাংশ রূপ হিসেবে তৈরি করা হয়। 
মূলত C প্রোগ্রামিং ভাষার সুবিধাজনক বৈশিষ্ট্যগুলোর সমন্বয় সাধন করে সি++ তৈরি হয়।

Data Definition Language, Data Manipulation Language, Query Language এবং SQL ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ |

- একটি ডাটাবেজে পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে। এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়। 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিল ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ- দ্বাদশ( প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৬০.
Which of the following is not a web browser?
  1. Opera
  2. Oracle
  3. Safari
  4. Internet Explorer
সঠিক উত্তর:
Oracle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- ইন্টারনেট হতে তথ্য পাওয়ার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় তাকে ব্রাউজার বলে।
- অর্থাৎ সার্ভারগুলো ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে তথ্য (টেক্সট, ছবি, শব্দ ইত্যাদি) সরবরাহ করতে পারে।
- এসব তথ্য পাবার জন্য ব্যবহারকারীকে বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যাকে বলে ওয়েব ব্রাউজার।
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ওয়েব ব্রাউজার হলো-
• ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer)
• মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Fire Fox)
• সাফারি (Safari)
• অপেরা (Opera)
• গুগল ক্রম (Google Chrome)
• নেটস্কেপ নেভিগেটর ইত্যাদি।

- Oracle হলো ডাটাবেজ সফটওয়্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
ডেটাবেস হল-
  1. তথ্য রাখার হার্ডওয়্যারসমূহ 
  2. তথ্য রাখার প্রোগ্রামসমূহ
  3. তথ্যসমূহের সুসঙ্গঠিত রূপ 
  4. তথ্য স্থানান্তরের জন্য ইন্টারনেট পরিষেবা
সঠিক উত্তর:
তথ্যসমূহের সুসঙ্গঠিত রূপ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তথ্যসমূহের সুসঙ্গঠিত রূপ 
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেস হলো তথ্যসমূহের সুসঙ্গঠিত রূপ। এটি কেবল তথ্য সংরক্ষণই নয়, বরং তথ্যগুলোকে এমনভাবে সাজানো হয় যাতে প্রয়োজন অনুযায়ী সহজে অনুসন্ধান, আপডেট এবং বিশ্লেষণ করা যায়। ডেটাবেস সাধারণত বিভিন্ন ধরনের তথ্য যেমন নাম, ঠিকানা, বিক্রয় হিসাব ইত্যাদি সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। এটি তথ্যের অকার্যকর ভাণ্ডারের পরিবর্তে একটি সুসংগঠিত ও ব্যবস্থাপনার উপায় প্রদান করে। ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা তথ্য যোগ, মুছে ফেলা বা পরিবর্তন করতে পারে। সুতরাং, ডেটাবেস হলো তথ্যকে কার্যকর, সুনির্দিষ্ট এবং সহজলভ্য রূপে সংরক্ষণের পদ্ধতি।

 ডাটাবেজ: 
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়। 
- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। 
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি ডাটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করা যায়।
অর্থাৎ ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি। 
- ডাটাবেজ এর ব্যবহার বর্তমানে কম্পিউটারের ব্যাপক প্রচলনের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যাবলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাবলি, হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি কম্পিউটারে ডাটাবেজ আকারে সংরক্ষণ করে রাখা হয় এবং সমস্ত ডাটাবেজ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২.
কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতিশক্তি হিসেবে পরিচিত-
  1. PROM
  2. ROM
  3. RAM
  4. EPROM
সঠিক উত্তর:
RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM
ব্যাখ্যা
Random Access Memory (RAM): 
যে স্মৃতিতে কোনো একটি তথ্য মুছে ফেলে ঐ জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং সেই তথ্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা যায় তাকে Random Access Memory বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে এর তথ্য মুছে যায়।
- প্রাইমারি স্টোরেজকে সাধারণত RAM বলে কারণ সরাসরি ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করতে এই মেমোরির যে কোনো লোকেশন সিলেক্ট ও ব্যবহার করা সম্ভব।
- মেমোরির প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা লোকেশন অন্য লোকেশনের মতোই এক্সেস করা সহজ এবং একই পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন হয়। এটাকে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয় কারণ RAM চিপে তথ্য লেখাও যায় আবার এ থেকে তথ্য পড়াও যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ , এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল
৬৩.
Spread Sheet শব্দটির আভিধানিক অর্থ কী?
  1. ছড়ানো পাতা
  2. অগ্রগামী হওয়া
  3. গণনা করা
  4. সমাধান করা
সঠিক উত্তর:
ছড়ানো পাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছড়ানো পাতা
ব্যাখ্যা
• স্প্রেড শীট:
- Spread Sheet শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো পাতা।
- Spread অর্থ ছড়ানো এবং Sheet অর্থ পাতা।
- গ্রাফ কাগজের X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপ খোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সংবলিত বড় শীটকে স্প্রেডশীট বলা হয়।
- এক্সেলের সম্পূর্ণ পর্দাটি X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর সেলের সমন্বয়ে গঠিত।
- এক্সেলের সুবিশাল স্প্রেডশীটটিতে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং গাণিতিক পরিগণনা করা যায়।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪.
একাধিক টেবিলের মাঝে সম্পর্ক স্থাপনে ব্যবহৃত হয়-
  1. প্রাইমারি কী
  2. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  3. ফরেন কী
  4. কম্পোজিট ফরেন কী
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী
ব্যাখ্যা
• ফরেন কী ব্যবহার করে একাধিক টেবিলের মাঝে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কী ফিল্ড:

- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. প্রাইমারি কী:
- ডাটা টেবিলের যে ফিল্ডের মানসমূহ দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্যান্য রেকর্ড থেকে সম্পূর্ণরূপে আলাদা করা যায়, তাকে প্রাইমারি কী বলা হয়।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৫.
ডেটার গোপনীয়তা রক্ষার জন্য কী করা হয়?
  1. ম্যানিপুলেশন
  2. ভ্যালিডেশন
  3. এনক্রিপশন
  4. ডিক্রিপশন
সঠিক উত্তর:
এনক্রিপশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো — গ) এনক্রিপশন। 
- ডেটার গোপনীয়তা (Data Confidentiality) রক্ষার জন্য এনক্রিপশন (Encryption) ব্যবহার করা হয়।
- এনক্রিপশন হল একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ডেটাকে এমনভাবে রূপান্তর করা হয় যাতে শুধু অনুমোদিত ব্যক্তি বা সিস্টেমই তা পড়তে পারে।
- উদাহরণ: ইমেইল, ব্যাংকিং তথ্য, ব্যক্তিগত ডেটা ইত্যাদির নিরাপত্তা।

• অপশন আলোচনা:
- ম্যানিপুলেশন: ডেটা পরিবর্তন বা প্রক্রিয়া করা।
- ভ্যালিডেশন: ডেটার সঠিকতা যাচাই করা।
- ডিক্রিপশন: এনক্রিপ্ট করা ডেটাকে আবার মূল রূপে ফিরিয়ে আনা।
- তাই গোপনীয়তা রক্ষার জন্য ব্যবহার হয় এনক্রিপশন।

• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
- প্লেইন টেক্সট: যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।
- সাইফার টেক্সট: মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।
- এনক্রিপশন এলগরিদম: গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।
- কী: গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬.
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কী ধরণের সফটওয়্যার?
  1. ক) ব্যবহারকারী লিখিত প্রােগ্রাম
  2. খ) প্যাকেজ প্রােগ্রাম
  3. গ) এপ্লিকেশন ডেভেলপার প্রােগ্রাম
  4. ঘ) অনুবাদক প্রােগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) প্যাকেজ প্রােগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্যাকেজ প্রােগ্রাম
ব্যাখ্যা

প্যাকেজ প্রােগ্রাম: ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানাের জন্য বেশ কিছু প্রােগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। এ ধরনের প্রােগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়। এ প্রােগ্রামে ব্যবহারিক সমস্যার পূর্ণাঙ্গ সমাধান দেয়ার ব্যবস্থা থাকে। এ সব প্রােগ্রামকে প্যাকেজ প্রােগ্রাম বলে। নিম্নে কয়েকটি প্যাকেজ প্রােগ্রামের উদাহরণ দেয়া হলাে।
যেমনঃ
১। ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
২। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার।
৩। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া এবং প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
৬। এন্টারটেইনমেন্ট এবং এডুকেশন সফটওয়্যার।
৭। ইউটিলিটিস সফটওয়্যার।
৮। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৬৭.
নিম্নলিখিত কোনটি RDBMS হিসেবে কাজ করে?
  1. মাইএসকিউএল
  2. অ্যাডোবি ফটোশপ
  3. গুগল ক্রোম
  4. এমএস ওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
মাইএসকিউএল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইএসকিউএল
ব্যাখ্যা

• RDBMS বা Relational Database Management System হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাকে টেবিল আকারে সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং অনুসন্ধান করতে সক্ষম। প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলোতে মাইএসকিউএল (MySQL) হলো একটি RDBMS। এটি ডেটাবেস তৈরি, ডেটা সংরক্ষণ, আপডেট, মুছে ফেলা এবং জটিল কুয়েরি সম্পাদনের সুবিধা প্রদান করে। অন্যদিকে, অ্যাডোবি ফটোশপ একটি ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, গুগল ক্রোম হলো ওয়েব ব্রাউজার, এবং এমএস ওয়ার্ড হলো টেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনার প্রোগ্রাম। এই সব সফটওয়্যার ডেটাবেস ম্যানেজমেন্টের কাজ করে না, তাই এগুলো RDBMS হিসেবে কাজ করে না। তাই সঠিক উত্তর হলো মাইএসকিউএল।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৮.
রিলেশনাল ডাটাবেজ বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধুমাত্র একটি ফাইলের সমষ্টি
  2. ডেটা প্রিন্ট করার সফটওয়্যার
  3. একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
  4. অনেকগুলো ইনডেক্স ফাইলের সমষ্টি
সঠিক উত্তর:
একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজ হলো একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি, যেখানে প্রতিটি টেবিল সারি (রেকর্ড) এবং কলাম (ফিল্ড) নিয়ে গঠিত। প্রতিটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করা যায় সাধারণ কী (Primary Key) ও বৈদেশিক কী (Foreign Key) ব্যবহার করে, যা ডেটা সংরক্ষণ ও অনুসন্ধানকে সহজ করে। এটি শুধুমাত্র ডেটা সংরক্ষণের জন্য নয়, ডেটার মধ্যকার সম্পর্ক বিশ্লেষণ ও পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হয়। তাই রিলেশনাল ডাটাবেজ কোনো একক ফাইল বা ইনডেক্স ফাইল নয়, বরং তথ্যের সুশৃঙ্খল ও কাঠামোবদ্ধ উপস্থাপনা যেখানে ডেটার অখণ্ডতা এবং পুনঃব্যবহারযোগ্যতা নিশ্চিত করা যায়। এটি আধুনিক সফটওয়্যার ও ব্যবসায়িক সিস্টেমের মূল ভিত্তি।

- সঠিক উত্তর: গ) একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয় ।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

৬৯.
Adata কিসের নাম?
  1. ক) ডিভাইস ড্রাইভারের নাম
  2. খ) একটি এন্টিভাইরাসের নাম
  3. গ) স্টোরেজ সিস্টেম উৎপাদনকারী কোম্পানির নাম
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেমের নাম
সঠিক উত্তর:
গ) স্টোরেজ সিস্টেম উৎপাদনকারী কোম্পানির নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্টোরেজ সিস্টেম উৎপাদনকারী কোম্পানির নাম
ব্যাখ্যা

ADATA Technology, one of the world’s largest vendors of DRAM modules and USB flash drives, provides complete solutions, including memory cards, solid-state drives, and portable hard drives. ADATA products also include storage for mobile devices and the company is now a major provider of LED lighting.

- Adata Linkedin Page

৭০.
A data analyst is using MS Access. Which view allows both editing of records and designing the layout simultaneously?
  1. Design View
  2. Datasheet View
  3. Layout View
  4. SQL View
সঠিক উত্তর:
Layout View
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Layout View
ব্যাখ্যা

MS Access-এ একই সাথে রেকর্ড সম্পাদনা এবং লেআউট ডিজাইন করার জন্য Layout View ব্যবহার করা হয়।

• MS Access-এর বিভিন্ন ভিউ:
১. Layout View (লেআউট ভিউ):
- একই সাথে রেকর্ড দেখা ও সম্পাদনা করা যায়।
- একই সাথে ফর্ম বা রিপোর্টের লেআউট ডিজাইন করা যায়।
- লাইভ ডেটা দেখতে দেখতে ডিজাইন পরিবর্তন করা যায়।
- ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে সুবিধাজনক ভিউ।

২. Design View (ডিজাইন ভিউ):
- শুধুমাত্র লেআউট ডিজাইন করা যায়।
- রেকর্ড বা ডেটা দেখা যায় না।
- আরও বিস্তারিত ডিজাইন নিয়ন্ত্রণ পাওয়া যায়।

৩. Datasheet View (ডেটাশীট ভিউ):
- শুধুমাত্র রেকর্ড সম্পাদনা করা যায়।
- টেবিল আকারে ডেটা প্রদর্শিত হয়।
- লেআউট ডিজাইন করা যায় না।

৪. SQL View (SQL ভিউ):
- SQL কোড লিখে কোয়েরি তৈরি বা সম্পাদনা করা যায়।
- রেকর্ড সম্পাদনা বা লেআউট ডিজাইনের জন্য নয়।

উৎস: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট (লিঙ্ক)

৭১.
ডেটাবেজ ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম
  2. মাউস ড্রাইভার
  3. DBMS সফটওয়্যার
  4. অপারেটিং সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
DBMS সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DBMS সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়‍্যার হিসেবে কাজ করে।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম(Database Management System):
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System. ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়‍্যার হিসেবে কাজ করে।
- সাধারণত ডেটাবেজকে বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য DBMS ব্যবহৃত হয়।
- আবার DBMS-এর অন্তর্গত প্রোগ্রামসমূহ ডেটাবেজ তৈরি, ডেটা প্রবেশ করানো, ডাটার আধুনিকীকরণ, ডাটা এডিটিং ইত্যাদি কাজ করার জন্য DBMS ব্যবহার করা হয়।
- বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।
- যেমন:
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Microsoft Accsess), 
- মাইক্রোসফট ভিজুয়াল বেসিক (Microsoft Visual Basic), 
- মাইক্রোসফট ফক্সপ্রো (Microsoft Foxpro), 
- এসকিউএল (SQL), 
- জাভা (Java), 
- প্যারাডক্স (Paradox),
- ডিবেজ (Dbase), 
- পাওয়ার বিল্ডার (Power Builder), 
- ডেলফি (Delphi), 
- ইনফরমিক্স (Informix), 
- ওরাকল (Oracle) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২.
নিচের কোনটি এক্সপানশনস বাস?
  1. ক) অ্যাড্রেস বাস
  2. খ) কন্ট্রোল বাস
  3. গ) ডেটা বাস
  4. ঘ) লোকাল বাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) লোকাল বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লোকাল বাস
ব্যাখ্যা
বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটলি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।

বাস দুই প্রকার।
যথা -
১. সিস্টেম বাস: অ্যাড্রেস বাস, কন্ট্রোল বাস ও ডাটা বাস
২. এক্সপানশনস বাস: লোকাল বাস
৭৩.
'MS Excel' শীটে মোট কলাম থাকে-
  1. ক) ১২৮টি
  2. খ) ২৫৬টি
  3. গ) ৫১২টি
  4. ঘ) ৩৪৩টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৫৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৫৬টি
ব্যাখ্যা

- 'MS Excel' সিটে সর্বোচ্চ ৬৫,৫৩৬ টি সারি থাকতে পারে।
- মোট কলামের সংখ্যা ২৫৬ টি।
- মোট সেলের সংখ্যা ১,৬৭,৭৭,২১৬টি।

৭৪.
বিকল্পগুলির মধ্যে কোনটি Open Source DBMS?
  1. Oracle
  2. Microsoft Access
  3. MySQL
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
MySQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MySQL
ব্যাখ্যা
• Database Management System:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase,
- MySQL,
- PostgreSQL,
- Maria DB,
- MongoDB,
- Cassandra,
- SQLite,
- Cubrid.

- Oracle, Microsoft Access - Open Source DBMS নয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৫.
বর্তমানে বাংলাদেশে নিচের কোনটিতে MICR Technology ব্যবহার করা হচ্ছে?
  1. ক) জাতীয় পরিচয় পত্র
  2. খ) পাসপোর্ট
  3. গ) ব্যাংকের চেকবই
  4. ঘ) সবগুলোতেই ব্যবহৃত হচ্ছে
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যাংকের চেকবই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্যাংকের চেকবই
ব্যাখ্যা
MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition। MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী। মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
৭৬.
ইনডেক্সিং বলতে কী বোঝায়? 
  1. ডাটাবেজ ব্যাকআপ তৈরির পদ্ধতি
  2. এলোমেলোভাবে ডাটা সংরক্ষণ করার পদ্ধতি
  3. ডাটাবেজ থেকে ডাটা মুছে ফেলার প্রক্রিয়া
  4. ডাটা ফাইলের রেকর্ডগুলো নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ডাটা ফাইলের রেকর্ডগুলো নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা ফাইলের রেকর্ডগুলো নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ইনডেক্সিং: 
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং। 
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো। 
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো- 
• ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে। 
• ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়। 
• ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
• একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়। 

ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে- 
• ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
• সর্টেড ডাটাগুলো নিয়ে ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয়। 
• ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
কোন ধরনের bus ব্যবহৃত হয় না?
  1. ক) address bus
  2. খ) input-reader bus
  3. গ) data bus
  4. ঘ) control bus
সঠিক উত্তর:
খ) input-reader bus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) input-reader bus
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার বাস মূলত ২ প্রকার ।
যথা -১. সিস্টেম বাস ও ২. এক্সপানশন বাস।
আবার তিন ধরনের System Bus হলো - Address Bus , Data Bus ও Control Bus।
Input-reader Bus বলতে কোনো Bus নেই। তাই সঠিক উত্তর (খ) input-reader bus।

৭৮.
ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশন এর ACID প্রপার্টিতে "A" দ্বারা কী বুঝায়?
  1. Availability
  2. Atomicity
  3. Authorization
  4. Authentication
সঠিক উত্তর:
Atomicity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Atomicity
ব্যাখ্যা

ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের ACID প্রপার্টিতে "A" দ্বারা বুঝায় Atomicity.

• ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট।

৭৯.
ফার্মওয়্যার সংরক্ষিত থাকে-
  1. ক) র্যাম
  2. খ) রম
  3. গ) হার্ডডিস্ক
  4. ঘ) ফ্লপি ডিস্ক
সঠিক উত্তর:
খ) রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রম
ব্যাখ্যা
ফার্মওয়্যার হলো কম্পিউটারের রমে সংরক্ষিত কতগুলো স্থায়ী নির্দেশাবলি। কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার প্রস্তুতের সময় এর সেমিকন্ডাক্টর রমে কিছু স্থায়ী নির্দেশ সংরক্ষিত করে দেয়, যেগুলোকে ফার্মওয়্যার বলে। এগুলোকে পরিবর্তন করা যায় না। তবে আপডেট করা যায়। ROM - BIOS হলো এক প্রকার ফার্মওয়্যার। (সূত্রঃ মাইক্রোসফট এবং টেকোপিডিয়া)
৮০.
SQL হলো-
  1. ক) একটি আদর্শ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ
  2. খ) অবজেক্ট অরিয়েন্টেড ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. গ) মেশিন লার্নিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) একটি আদর্শ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) একটি আদর্শ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা
ANSI (American National Standard Institute) এর standard definition অনুসারে SQL রিলেশনাল ডাটাবেজের জন্য আদর্শ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে প্রচলিত হয়েছে।
উৎসঃ উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৮১.
ডাটাবেজের ক্ষুদ্রতম তথ্যের একক কী?
  1. DBMS
  2. Information
  3. Record
  4. Field
সঠিক উত্তর:
Field
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Field
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) Field

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data)
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information)
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record)
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field)
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row)
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column)
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table)
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model)
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
৮২.
কী ফিল্ড প্রধানত কত ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) ছয়
সঠিক উত্তর:
খ) তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিন
ব্যাখ্যা
কী:
- সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়।
- এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে। যেমন- ক্লাশে ছাত্রদের রোল নম্বরের ভিত্তিতে শনাক্তকরণ, ফলাফল ঘোষণা ও স্কলারশীপ বিতরণ করা হয়, তাই রোল নম্বরকে কী ফিল্ড বলা যায়।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা- 
১. প্রাইমারি কী (Primary Key)
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) ও
৩. ফরেন কী (Foreign Key) । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮৩.
DML এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Data Management Language
  2. Data Manipulation Language
  3. Data Maintenance Language
  4. Database Management Language
সঠিক উত্তর:
Data Manipulation Language
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Data Manipulation Language
ব্যাখ্যা

• DML এর পূর্ণরূপ - Data Manipulation Language.

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ: 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪.
কোন সফটওয়্যারটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Brave
  2. Safari 
  3. Mozilla Firefox
  4. Microsoft Access
সঠিক উত্তর:
Microsoft Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Microsoft Access
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো Microsoft Access। এটি একটি জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা ডেটা সংরক্ষণ, সংগঠিত করা, অনুসন্ধান এবং বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। Microsoft Access গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস এবং সহজ টুলসের মাধ্যমে টেবিল, কোয়েরি, ফর্ম ও রিপোর্ট তৈরি করতে সাহায্য করে, ফলে ব্যবহারকারীরা প্রযুক্তিগত জ্ঞান ছাড়াই ডাটাবেজ পরিচালনা করতে পারে। অন্যদিকে Brave, Safari এবং Mozilla Firefox ব্রাউজার, যা শুধুমাত্র ওয়েব ব্রাউজিংয়ের কাজ করে এবং ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টে ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো Microsoft Access.

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Safari, Brave এবং Mozilla Firefox হলো ওয়েব ব্রাউজার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৫.
যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের অধীনে কাজ করে (রিপোর্ট করে), তাহলে কর্মী এবং ম্যানেজারের মধ্যে সম্পর্ক কোন ধরনের?
  1. One-to-One
  2. Many-to-One
  3. Many-to-Many
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
Many-to-One
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Many-to-One
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Many-to-One
• যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের কাছে রিপোর্ট করে, এটি একটি Many-to-One সম্পর্ককে নির্দেশ করে। অর্থাৎ অনেক কর্মী (Many) একজন ম্যানেজার (One)-এর অধীনে কাজ করে। এখানে প্রতিটি কর্মীর জন্য একটি নির্দিষ্ট ম্যানেজার থাকে, কিন্তু একজন ম্যানেজারের অধীনে একাধিক কর্মী থাকতে পারে। এটি তথ্যব্যবস্থাপনা বা ডাটাবেস ডিজাইনে সাধারণভাবে ব্যবহৃত সম্পর্কের উদাহরণ। One-to-One সম্পর্কের ক্ষেত্রে একজন কর্মী এবং একজন ম্যানেজারের মধ্যে কেবল একক সম্পর্ক থাকে। One-to-Many হলে একজন কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে থাকতে পারে, আর Many-to-Many হলে একাধিক কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে কাজ করতে পারে। তাই, এখানে সঠিক উত্তর: খ) Many-to-One.

• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৬.
"ACID principle"- এ 'C' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Communication
  2. Creation
  3. Concurrency
  4. Consistency
সঠিক উত্তর:
Consistency
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Consistency
ব্যাখ্যা
• ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।

 ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID। 
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

সূত্র: techtarget.com
৮৭.
নিচের কোনটি একটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম?
  1. এমএস ওয়ার্ড
  2. গুগল ক্রোম
  3. অ্যাডোবি ফটোশপ
  4. মাইএসকিউএল
সঠিক উত্তর:
মাইএসকিউএল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইএসকিউএল
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮.
ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে কী বলে?
  1. ক) কুয়েরি
  2. খ) রিপোর্ট
  3. গ) সর্টিং
  4. ঘ) ইনডেক্সিং
সঠিক উত্তর:
খ) রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
রিপোর্ট
- রিপোর্ট শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো প্রতিবেদন।
- ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে রিপোর্ট বলে।
- সাধারণত কোন তথ্য সরবরাহ বা বিতরণ করার জন্য রিপোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি কলাম ও সারি অনুযায়ী সাজিয়ে রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়।
- ডাটাবেজে রিপোর্টের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ডেটা টেবিলের ভিত্তিতে নয়, কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য দিয়েও রিপোর্ট তৈরি করা যায়।

সূত্র- কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৮৯.
এক বা একাধিক ফিল্ডের সাহায্যে রেকর্ডগুলোকে Ascending কিংবা Descending ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়া কী নামে পরিচিত?
  1. Indexing
  2. Cryptography
  3. Query
  4. Sorting
সঠিক উত্তর:
Sorting
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sorting
ব্যাখ্যা

• এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডগুলোকে ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়াকে Sorting বলা হয়। এটি ডেটাবেস এবং প্রোগ্রামিং উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। Sorting সাধারণত দুই ধরনের হতে পারে: Ascending (ছোট থেকে বড়) এবং Descending (বড় থেকে ছোট) ক্রম। উদাহরণস্বরূপ, একটি ছাত্রের নাম, রোল নম্বর বা গ্রেড অনুযায়ী তালিকা সাজানো যায়। Sorting ডেটা দ্রুত খুঁজে বের করা, বিশ্লেষণ করা এবং রিপোর্ট তৈরি করা সহজ করে তোলে। অন্য অপশন গুলো- Indexing, Cryptography, Query- তাত্ত্বিকভাবে ভিন্ন কাজ করে। তাই এক বা একাধিক ফিল্ডের সাহায্যে রেকর্ড সাজানোর সঠিক নাম Sorting.

- উত্তর: ঘ) Sorting.

• অপশন আলোচনা:
- কুয়েরি (Query):
- কুয়েরি হলো ডেটাবেস থেকে নির্দিষ্ট তথ্য খোঁজার বা বের করার একটি পদ্ধতি। এটি তথ্য ফিল্টার বা সার্চ করতে ব্যবহৃত হয়, তবে কুয়েরির মাধ্যমে সর্ট করা গেলেও, নিজে থেকে এটি "Sorting" নয়।

- ক্রিপটোগ্রাফি (Cryptography):
- ক্রিপটোগ্রাফি হলো তথ্য গোপন বা নিরাপদ রাখার বিজ্ঞান। এটি ডেটা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহৃত হয়। Sorting-এর সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

- সর্টিং (Sorting):
- এটাই সঠিক উত্তর। এটি রেকর্ড বা তথ্যকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়া বোঝায়।

- ইনডেক্সিং (Indexing):
- ইনডেক্সিং হলো ডেটাবেসে তথ্য খোঁজার গতি বাড়ানোর একটি পদ্ধতি। এটি তথ্য সাজায় না, বরং তথ্য খোঁজা দ্রুত করে। Sorting-এর মতো এটি রেকর্ডের অর্ডার পরিবর্তন করে না।
- ডাটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।

সুতরাং, রেকর্ডকে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং (Sorting) বলে। তাই সঠিক উত্তর হলো: সর্টিং। 

• সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না।
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- অর্থাৎ, এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯০.
এনটিটির অন্তর্গত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে কী নামে চিহ্নিত করা হয়?
  1. ভ্যালু
  2. এনটিটি সেট
  3. ফরেন কী
  4. এট্রিবিউট
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
ব্যাখ্যা

• এনটিটির (Entity) অন্তর্গত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে সাধারণত এট্রিবিউট (Attribute) নামে চিহ্নিত করা হয়। একটি এনটিটি হলো বাস্তব বিশ্বের কোনো বিষয়, যেমন একজন ছাত্র বা একটি বই, যা ডাটাবেসে আলাদাভাবে সংরক্ষিত থাকে। এই এনটিটির প্রতিটি ফিচার বা বৈশিষ্ট্য, যেমন ছাত্রের নাম, বয়স, ঠিকানা বা বইয়ের শিরোনাম, লেখক, প্রকাশন সাল, এগুলোকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে এট্রিবিউট ব্যবহার করা হয়। অন্য অপশনগুলো - যেমন ভ্যালু হলো কোনো এট্রিবিউটের নির্দিষ্ট মান, ফরেন কী হলো সম্পর্কিত টেবিলের মূল কী, আর এনটিটি সেট হলো একই ধরনের একাধিক এনটিটির সমষ্টি। সুতরাং, এনটিটির ফিল্ডকে চিহ্নিত করার জন্য সঠিক উত্তর হলো এট্রিবিউট।

• এট্রিবিউট:
- প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে। 

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন।

• এনটিটি সেট:
- একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
- একটি ডাটাবেজকে এনটিটি সেট বলা যেতে পারে।

• ভ্যালু:
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯১.
কোনটি চিত্রভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম?
  1. ক) ফক্সপ্রো ফর ডস
  2. খ) এক্সেল
  3. গ) ফাইল মেকার প্রো
  4. ঘ) লোটাস
সঠিক উত্তর:
ক) ফক্সপ্রো ফর ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফক্সপ্রো ফর ডস
ব্যাখ্যা
ভিজোয়েল ফক্সপ্রো (Visual Foxpro) ও ভিজোয়েল বেসিক (Visual Basic) হল চিত্র নির্ভর প্রোগ্রাম, অর্থাৎ নির্দিষ্ট একটি কাজের জন্য তৈরীকৃত চিত্র বসিয়ে দিতে হয়।
৯২.
ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের ACID বৈশিষ্ট্যে "D" দ্বারা কী বোঝানো হয়?
  1. Durability
  2. Data Integrity
  3. Data Validation
  4. Dynamic Processing
সঠিক উত্তর:
Durability
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Durability
ব্যাখ্যা

◉ ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের ACID প্রপার্টিতে "D" দ্বারা বুঝায় Durability.

ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট।

৯৩.
১ টেরাবাইট সমান কত বাইট?
  1. ২০
  2. ৩০
  3. ৪০
  4. ৫০
সঠিক উত্তর:
৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০
ব্যাখ্যা
- ১ নিবল সমান ৪ বিট।
- ১ বাইট সমান ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট সমান ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট সমান ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট সমান ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট সমান ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পিটাবাইট সমান ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।
৯৪.
ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রাপ্ত দুর্বোধ্য টেক্সটকে কী বলা হয়?
  1. প্লেইন টেক্সট
  2. এনক্রিপটেড টেক্সট
  3. সাইফার টেক্সট
  4. গোপন টেক্সট
সঠিক উত্তর:
সাইফার টেক্সট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইফার টেক্সট
ব্যাখ্যা
• ডাটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি।
যথা-

১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫.
নিচের কোনটি ডেটা এনক্রিপ্ট করার পদ্ধতি?
  1. প্লেইন কোড
  2. সাইফার কোড
  3. প্যারিটি কোড
  4. সিজার কোড
সঠিক উত্তর:
সিজার কোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিজার কোড
ব্যাখ্যা
♦ ডেটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত কয়েকটি পদ্ধতি হলো
সিজার কোড (Caesar Code),
◊ ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES),
◊ ইন্টারন্যাশনাল ডেটা এনক্রিপশন অ্যালগরিদম (International Data Encryption Algorithm - IDEA)।

- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট, 
২. সাইফার টেক্সট, 
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৯৬.
কোনটি NoSQL ডাটাবেসের উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়?
  1. PostgreSQL
  2. Oracle
  3. MySQL
  4. MongoDB 
সঠিক উত্তর:
MongoDB 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MongoDB 
ব্যাখ্যা

• NoSQL ডাটাবেস হলো এমন একটি ডাটাবেস সিস্টেম যা রিলেশনাল ডাটাবেসের চেয়ে ভিন্নভাবে ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনা করে। এটি সাধারণত স্কেলেবল এবং অতি দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে বড় ডেটা এবং নন-স্ট্রাকচার্ড ডেটার ক্ষেত্রে। উদাহরণ হিসেবে MongoDB একটি জনপ্রিয় NoSQL ডাটাবেস। এটি ডকুমেন্ট-ওরিয়েন্টেড স্টাইল ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে এবং JSON-এর মতো ফরম্যাটে ডেটা স্টোর করে।
- অন্যদিকে PostgreSQL, Oracle, এবং MySQL হলো রিলেশনাল ডাটাবেস যা টেবিল ভিত্তিক এবং SQL ব্যবহার করে ডেটা ম্যানেজ করে।

- তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ঘ) MongoDB.
 
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

৯৭.
এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে কী বলা হয়?
  1. ভ্যালু
  2. এট্রিবিউট
  3. এনটিটি সেট
  4. ফরেন কী
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
ব্যাখ্যা
• এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলা হয়।

• এট্রিবিউট:
- প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন।

• এনটিটি সেট:
- একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
- একটি ডাটাবেজকে এনটিটি সেট বলা যেতে পারে।

• ভ্যালু:
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেল কে প্রস্তাব করেন?
  1. চার্লস ব্যাবেজ
  2. বিল গেটস
  3. এডগার এফ. কড
  4. অ্যালান টিউরিং
সঠিক উত্তর:
এডগার এফ. কড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডগার এফ. কড
ব্যাখ্যা

● ১৯৭০ সালে এডগার ফ্র্যাঙ্ক কড (Edgar F. Codd) আইবিএম গবেষণাগারে রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেল প্রস্তাব করেন। তাঁর গবেষণাপত্র "A Relational Model of Data for Large Shared Data Banks" ডাটাবেজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশনাল ডাটা মডেল অনুযায়ী সমম্বরিতভাবে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বোঝায়।
- ১৯৭০ সালে এডগার এফ কড রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- এডগার এফ কড কে রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবক্তা বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের উদাহরণ— Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটে রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৯.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেম এর কাজ নয়?
  1. ক) নতুন রেকর্ড সংযোজন করা
  2. খ) ডেটার অনুলিপি (ডুপ্লিকেশন) রোধ করা
  3. গ) রিপোর্ট তৈরি করা
  4. ঘ) সবগুলোই DBMS এর কাজ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই DBMS এর কাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই DBMS এর কাজ
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেমের প্রধান কাজঃ
১. নতুন রেকর্ড সংযোজন করা
২. প্রয়োজনে রেকর্ড আপডেট করা
৩. অপ্রোজনীয় রেকর্ড মুছে ফেলা
৪. ডেটা সংরক্ষণ করা
৫. ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
৬. ডেটার অনুলিপি (ডুপ্লিকেশন) রোধ করা
৭. রিপোর্ট তৈরি করা
৮. নির্দিষ্ট ডেটা অনুসন্ধান করা।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, নবম-দশম শ্রেনি।

১০০.
ডাটাবেজে Foreign Key কী নির্দেশ করে?
  1. অন্য টেবিলের Primary Key
  2. একই টেবিলের Index
  3. টেবিলের নাম
  4. একটি Temporary Key
সঠিক উত্তর:
অন্য টেবিলের Primary Key
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্য টেবিলের Primary Key
ব্যাখ্যা

- Foreign Key হলো একটি টেবিলের কলাম (বা কলামগুলোর সেট), যা অন্য টেবিলের Primary Key এর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- এটি ডাটাবেসে সম্পর্ক (Relationship) তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে টেবিলগুলোর মধ্যে তথ্য সঠিকভাবে সংযুক্ত থাকে।
- এটি টেবিলের মধ্যে referential integrity নিশ্চিত করে।
- মানে, Foreign Key-এর মান সবসময় সেই টেবিলের Primary Key-এর সাথে মিলতে হবে।

Foreign Key-এর সুবিধা:
- ডেটা consistency: নিশ্চিত করে যে কোনো অবৈধ মান Foreign Key-তে ঢুকবে না।
- টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন: Master-Detail সম্পর্ক তৈরি করতে সহায়ক।
- Cascade Operations: Parent টেবিলে update বা delete হলে child টেবিলে প্রভাব পড়তে পারে (CASCADE OPTION ব্যবহার করলে)।

- Index: এটি শুধুমাত্র দ্রুত অনুসন্ধান ও সাজানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, সম্পর্ক নির্দেশ করে না।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]।