বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ডাটাবেজ সিস্টেম

মোট প্রশ্ন৬৭৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডাটাবেজ সিস্টেম

PrepBank · পাতা / · ৩০১৪০০ / ৬৭৮

৩০১.
প্রধান মেমোরির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) চৌম্বক ডিস্ক
  2. খ) অপটিক্যাল ডিস্ক
  3. গ) সাধারণ চৌম্বক টেপ
  4. ঘ) RAM
সঠিক উত্তর:
ঘ) RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) RAM
ব্যাখ্যা
RAM, ROM হচ্ছে প্রধান মেমোরির উদাহরণ। 

কম্পিউটারের যে অংশে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে উপাত্ত জমা করা হয় তাকে কম্পিউটারের স্মৃতি বা মেমোরি বলে। 

মেমোরি দুই প্রকার। যথা–
১. প্রধান বা প্রাথমিক মেমোরি।
২. সহায়ক মেমোরি।

প্রধান মেমোরি- 
কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা সিপিইউ যখন তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তখন প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো বা সফটওয়্যার যেখানে অবস্থান করে সেটাই হলো প্রধান মেমোরি। প্রধান মেমোরির গতি অনেক বেশি হয়ে থাকে, প্রধান বা প্রাথমিক মেমোরি দুই প্রকার। 
যথা : i. র‍্যাম (RAM) ও ii. রম (ROM)

সহায়ক মেমোরি- 
প্রসেসকৃত তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষনের জন্য প্রধান মেমোরির বাইরে যে অতিরিক্ত মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে সেকেন্ডারি বা সহায়ক মেমোরি বলা হয়। 
যথা-হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক, চুম্বকীয় ডিস্ক, ডিভিডি ডিস্ক, সিডিরম প্রভৃতি সেকেন্ডারি মেমোরির উদাহরণ।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩০২.
একটি প্যারেন্ট রেকর্ড কীভাবে রিলেশনাল ডাটাবেজে বহু চাইল্ড রেকর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে?
  1. Self-referencing
  2. One-to-many
  3. One-to-one
  4. Many-to-many
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজে একটি প্যারেন্ট রেকর্ড বহু চাইল্ড রেকর্ডের সাথে One-to-many (খ) সম্পর্কের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। এই ধরনের সম্পর্ক তখন গঠিত হয়, যখন একটি টেবিলের একটি রেকর্ড অপর একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ডকে নির্দেশ করে। যেমন, একটি "বিভাগ" (department) টেবিলের একটি বিভাগে অনেক "কর্মচারী" (employee) থাকতে পারে। এখানে বিভাগ হলো প্যারেন্ট এবং কর্মচারীরা হলো চাইল্ড। এটি সাধারনত ফরেন কী (foreign key) ব্যবহার করে বাস্তবায়ন করা হয়, যেখানে চাইল্ড টেবিলে প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী রেফারেন্স করে। এইভাবে, একটি রেকর্ড অনেক রেকর্ডের সাথে যুক্ত হতে পারে।

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৩.
প্রেরক ও প্রাপক কম্পিউটারে যথাক্রমে কোন দুটি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়?
  1. ডিক্রিপ্ট → এনক্রিপ্ট
  2. এনক্রিপ্ট → ডিক্রিপ্ট
  3. কপি → পেস্ট
  4. সংরক্ষণ → মুছে ফেলা
সঠিক উত্তর:
এনক্রিপ্ট → ডিক্রিপ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনক্রিপ্ট → ডিক্রিপ্ট
ব্যাখ্যা

 প্রেরক কম্পিউটার ডাটাকে প্রথমে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে পাঠায় এবং প্রাপক কম্পিউটার ডাটা ব্যবহারের আগে সেটিকে ডিক্রিপ্ট (Decrypt) করে।

• ডাটা এনক্রিপশন (Data Encryption):
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য উৎস (প্রেরক) থেকে গন্তব্যে (প্রাপক) প্রেরণের পূর্বে ডাটাকে যে বিশেষ পদ্ধতিতে রূপান্তর করা হয়, তাকে ডাটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- এর ফলে প্রেরিত ডাটা কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সহজে ব্যবহার করতে পারে না।
 
• এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশনের প্রক্রিয়া:
- প্রেরক কম্পিউটার ডাটাকে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে একটি মাধ্যমের (Transmission Medium) মাধ্যমে পাঠায়।
- প্রাপক কম্পিউটার ডাটাটি ব্যবহারের পূর্বে সেটিকে ডিক্রিপ্ট (Decrypt) করে।
- প্রেরক কম্পিউটারে এনক্রিপশনের নিয়ম এবং প্রাপক কম্পিউটারে ডিক্রিপশনের নিয়ম নির্ধারিত থাকে।
- এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

• ডাটা এনক্রিপশনের জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ড হলো—
১. সিজার কোড (Caesar Code),
২. ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (DES – Data Encryption Standard)।
 
• ডাটা এনক্রিপশনের মূল উপাদানসমূহ:
- প্লেইন টেক্সট (Plain Text):
- যে ডাটা সাধারণভাবে পড়া ও বোঝা যায়।
- সাইফার টেক্সট (Cipher Text):
- মূল বার্তাকে এনক্রিপ্ট করার পর যে দুর্বোধ্য টেক্সট পাওয়া যায়।
- এনক্রিপশন অ্যালগরিদম (Encryption Algorithm):
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত গাণিতিক সূত্র বা নিয়মাবলি।

- কী (Key):
- একটি গোপন কোড, যা ডাটা এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এই কী-এর সাহায্যে সাইফার টেক্সটকে পুনরায় প্লেইন টেক্সটে রূপান্তর করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৪.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ নয় কোনটি?
  1. ডেটাবেজ তৈরি
  2. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
  3. ডেটাবেজ মুদ্রণ
  4. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ মুদ্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটাবেজ মুদ্রণ
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ মুদ্রণ ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ নয়।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ-
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
- এসকিউলাইট (SQLite) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৩০৫.
ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের ACID বৈশিষ্ট্যে “D” কী নির্দেশ করে?
  1. Dynamic Processing
  2. Data Validation
  3. Durability
  4. Data Integrity
সঠিক উত্তর:
Durability
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Durability
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের ACID বৈশিষ্ট্যে “D” নির্দেশ করে Durability। এটি নিশ্চিত করে যে একবার কোনো ট্রানজ্যাকশন সফলভাবে সম্পন্ন হলে তার দ্বারা করা সব পরিবর্তন স্থায়ীভাবে ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে, এমনকি সিস্টেম ক্র্যাশ বা পাওয়ার ফেইলিওরের পরও। অর্থাৎ, ডাটাবেজে একটি কমিট হওয়া ট্রানজ্যাকশন কোনোভাবেই হারানো যাবে না। Durability বাস্তবায়নের জন্য সাধারণত লগ ফাইল, ব্যাকআপ, এবং পুনরুদ্ধার ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। এটি ডাটার স্থায়িত্ব ও ব্যবহারকারীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করে। সুতরাং, ACID-এর D হলো Durability, যা ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের স্থায়িত্বের প্রতিশ্রুতি দেয়।

- সঠিক উত্তর: গ) Durability.

ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট।

৩০৬.
একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেন কী
  3. কম্পোজিট কী
  4. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার। যথা- 
• প্রাইমারি কী, 
• কম্পোজিট কী এবং 
• ফরেন কী। 
 
প্রাইমারি কী: 
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে। 
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। 

কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৭.
ডেটাবেজের কুয়েরিকৃত ডেটাকে সামারি আকারে উপস্থাপন করা হয় কোন কুয়েরির মাধ্যমে?
  1. ক) Select
  2. খ) Crosstab
  3. গ) Parameter
  4. ঘ) Action
সঠিক উত্তর:
খ) Crosstab
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Crosstab
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজের কুয়েরিকৃত ডেটাকে সামারি আকারে উপস্থাপন করা হয় Crosstab কুয়েরির মাধ্যমে।

কুয়েরি (Query): ডেটাবেজে এক বা একাধিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোন সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা বা ছাপানোর পদ্ধতিকে কুয়েরি বলা হয়।
- সিলেক্ট কুয়েরি (Select Query): কোনো ডেটাবেজ টেবিলের ফিল্ড বা কলাম নির্বাচন করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে সিলেক্ট কুয়েরি বলা হয়।
- প্যারামিটার কুয়েরি (Parameter Query): ডায়লগ বক্সের তথ্য পূরণ করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে প্যরামিটার কুয়েরি বলে।
- ক্রসট্যাব কুয়েরি (Cross tab Query): শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য যে কুয়েরি করা হয় তাকে, ক্রসট্যাব কুয়েরি বলে।
- অ্যাকশন কুয়েরি (Action Query): কোনো কুয়েরি যখন ডেটাবেজের ডেটার মানের পরিবর্তন করে তাকে অ্যাকশন কুয়েরি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং Microsoft Support Website.
৩০৮.
নিচের কোনটি non-volatile স্টোরেজ প্রযুক্তি?
  1. RAM
  2. NAND flash memory
  3. Cache Memory
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
NAND flash memory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND flash memory
ব্যাখ্যা
NAND flash memory is a type of non-volatile storage technology that does not require power to retain data. An important goal of NAND flash development has been to reduce the cost per bit and to increase maximum chip capacity so that flash memory can compete with magnetic storage devices, such as hard disks. NAND flash has found a market in devices to which large files are frequently uploaded and replaced. MP3 players, digital cameras and USB flash drives use NAND technology.

source - TechTarget website
৩০৯.
নিচের কোনটি রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ নয়?
  1. ক) Oracle
  2. খ) HBase
  3. গ) Spanner
  4. ঘ) MySQL
সঠিক উত্তর:
খ) HBase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) HBase
ব্যাখ্যা
[HBase হচ্ছে নন-রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ। Oracle, Spanner, MySQL রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ।]

ক্লাউড ডাটাবেজ:
ক্লাউড ডাটাবেজ হচ্ছে এমন একটি পরিষেবা যা ডাটাবেজ তৈরি, পরিবর্তন, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়।

ক্লাউড ডাটাবেজের প্রকারভেদ: দুই ধরনের ক্লাউড ডাটাবেজ রয়েছে। যথা -

রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ: রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ হলো এক বা একাধক টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত মডেল, যা ডাটা ও ডাটার মধ্যকার সম্পর্ক প্রকাশ করে। প্রতিটি টেবিলে এক বা একাধিক কলাম ও সারি থাকে।
উদাহরণ: SQL Server, Oracle, MySQL, PostgreSQL, Spanner, and Cloud SQL.

নন-রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ: নন-রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ অসংগঠিত ডাটা সঞ্চয় করে এবং পরিচালনা করে (যেমন- ইমেল এবং মোবাইল বার্তা পাঠ্য, নথি, সমীক্ষা, সমৃদ্ধ মিডিয়া ফাইল এবং সেন্সর ডেটা ইত্যাদি)।
উদাহরণ: MongoDB, Redis, Cassandra, HBase, and Cloud Bigtable.

উৎস: https://cloud.google.com
৩১০.
ডাটাবেজে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ ও উপস্থাপনের জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. রিলেশন শিট
  2. ডেটা চার্ট
  3. ই.আর. ডায়াগ্রাম
  4. ডেটা লগ
সঠিক উত্তর:
ই.আর. ডায়াগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই.আর. ডায়াগ্রাম
ব্যাখ্যা

- ই.আর. (Entity Relationship) ডায়াগ্রাম হলো একটি গ্রাফিক্যাল উপস্থাপন যা দেখায় কিভাবে ডাটাবেজের বিভিন্ন এন্টিটি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত।

ই.আর. ডায়াগ্রামের মূল উপাদানসমূহ
- এন্টিটি (Entity):
- ডাটাবেজে কোনো বাস্তব জগতের বস্তু বা ঘটনা।
- প্রতিটি এন্টিটি সাধারণত একটি টেবিল হিসেবে বাস্তবায়িত হয়।
- উদাহরণ: Student, Teacher, Course, Department

- অ্যাট্রিবিউট (Attribute)
- এন্টিটির বৈশিষ্ট্য বা তথ্য।
- উদাহরণ: Student এন্টিটির জন্য: Student_ID, Name, DOB
- Course এন্টিটির জন্য: Course_ID, Course_Name
- Primary Key: একটি অ্যাট্রিবিউট যা প্রতিটি এন্টিটিকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে, যেমন Student_ID

- রিলেশনশিপ (Relationship)
- দুই বা ততোধিক এন্টিটির মধ্যে সম্পর্ক।
- One-to-One (১:১): একজন শিক্ষক একটি কোর্স পরিচালনা করে।
- One-to-Many (১:অনেক): একটি বিভাগে অনেক শিক্ষক থাকতে পারে।
- Many-to-Many (অনেক:অনেক): একজন শিক্ষার্থী অনেক কোর্সে ভর্তি হতে পারে এবং একটি কোর্সে অনেক শিক্ষার্থী থাকতে পারে।

ই.আর. ডায়াগ্রামের গুরুত্ব
- ডাটাবেজ ডিজাইন: ডাটাবেজের কাঠামো আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে।
- ডাটা অখণ্ডতা (Data Integrity): ডাটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং ডাটা সঠিক রাখে।
- কমিউনিকেশন টুল: ডেভেলপার, ডিজাইনার ও স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে বোঝাপড়া সহজ করে।
- ডাটাবেজ মডেলিং: SQL টেবিল ও সম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]।

৩১১.
কোনটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
  1. Google Docs
  2. Postgre SQL
  3. SQLite
  4. Oracle
সঠিক উত্তর:
Google Docs
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Google Docs
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও পুনরুদ্ধার সহজ করে। দেওয়া অপশনগুলির মধ্যে Google Docs ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট টুল নয়। এটি মূলত একটি অনলাইন ডকুমেন্ট এডিটিং এবং শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। অন্যদিকে PostgreSQL, SQLite, এবং Oracle হলো জনপ্রিয় DBMS যা বিভিন্ন ধরণের ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তাই ডেটা ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে Google Docs এর কোনো ভূমিকা নেই।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

৩১২.
CPU এর গতি বর্তমানে পরিমাপ করা হয় -
  1. Picohertz
  2. Gigahertz
  3. Gigabyte
  4. Terabytes
সঠিক উত্তর:
Gigahertz
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gigahertz
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩১৩.
ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজের মূল কাজ কী?
  1. ডাটাবেজের কাঠামো বা পরিকল্পনা করা
  2. ডাটাবেজের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা
  3. ডাটাবেজ ব্যাকআপ নেওয়া
  4. ডাটাবেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজের কাঠামো বা পরিকল্পনা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজের কাঠামো বা পরিকল্পনা করা
ব্যাখ্যা

• ডেটা ডেফিনিশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL) হল একটি ডাটাবেস ব্যবস্থাপনার অংশ যা মূলত ডাটাবেসের কাঠামো বা স্ট্রাকচার তৈরি এবং সংজ্ঞায়িত করার কাজ করে। DDL ব্যবহার করে টেবিল, কলাম, ডাটাটাইপ, ইনডেক্স, কনস্ট্রেইন্ট ইত্যাদি নির্ধারণ করা যায়। এটি ডাটাবেসের লজিক্যাল কাঠামো নির্ধারণ করে এবং ডাটার সংরক্ষণ ও সংগঠনের জন্য ভিত্তি স্থাপন করে। DDL কমান্ড যেমন CREATE, ALTER, DROP ইত্যাদি ডাটাবেসের অবকাঠামো পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, ডাটাবেসের রিলেশন তৈরি, ব্যাকআপ নেওয়া বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজ DDL-এর মূল কাজের মধ্যে পড়ে না। মূলত এর প্রধান কাজ হলো ডাটাবেসের কাঠামো বা পরিকল্পনা করা।

সঠিক উত্তর: ক) ডাটাবেজের কাঠামো বা পরিকল্পনা করা।
 
• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১৪.
নিচের কোনটি Structured Query Language নয়?
  1. Java
  2. MySQL
  3. Oracle
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
Java, MySQL এবং Oracle এর কোনটাই Structured Query Language (SQL) নয়।


অর্থাৎ, সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো (Structured Query Language নয়)

একটি ট্রিকি প্রশ্ন। তাই, কোন প্রকার বিতর্কে যাবার আগে MySQL and Oracle এই দুটি ল্যাঙ্গুয়েজ, এটা রেফারেন্সসহ দিয়ে খোলামনে বিতর্ক শুরু করতে হবে।

অপশন ক) JAVA
- একটি Programming Language. তবে, SQL নয়। আসলে এটা নিয়ে কারও কোন সন্দেহ থাকার সুযোগ নেই।

অপশন খ) MySQL
- একটি Relational Database Management System (RDBMS). কোন ল্যাঙ্গুয়েজ নয়।
MySQL এর অফিসিয়াল সাইট থেকে - MySQL, the most popular Open-Source SQL database management system, is developed, distributed, and supported by Oracle Corporation.
SQL is the most common standardized language used to access databases. 
অর্থাৎ, রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার। MySQL as a Management System, Structured Query Language (SQL) ব্যবহার করে। নিজে কোন ল্যাংগুয়েজ নয়।

অপশন গ) Oracle
- Oracle Corporation এর আরেকটি Relational Database Management System (RDBMS). কোন ল্যাঙ্গুয়েজ নয়।

Structured Query Language (SQL) একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ। ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

অন্যদিকে,

RDBMS এর পূর্ণরূপ Relational Database Management System.
Relational Database Management System এর উদাহরণ হলো- MS Access, Oracle, MySQL, Microsoft SQL Server, Informix ইত্যাদি।

তথ্যসুত্র:
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বইসমূহ, MySQL এবং Oracle এর অফিসিয়াল সাইট।
৩১৫.
মূল ডেটাকে অন্য ফরমেটে পরিবর্তন করার পদ্ধতি কোনটি?
  1. ম্যানিপুলেশন
  2. ভ্যালিডেশন
  3. এনক্রিপশন
  4. ডিক্রিপশন
সঠিক উত্তর:
এনক্রিপশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।

• ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত কয়েকটি পদ্ধতি হলো:
- সিজার কোড (Caesar Code),
- ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES),
- ইন্টারন্যাশনাল ডেটা এনক্রিপশন অ্যালগরিদম (International Data Encryption Algorithm - IDEA)।

- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট, 
২. সাইফার টেক্সট, 
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩১৬.
1 টেরাবাইট = ?
  1. ক) 26 গিগাবাইট
  2. খ) 29 মেগাবাইট
  3. গ) 210 মেগাবাইট
  4. ঘ) 210 গিগাবাইট
সঠিক উত্তর:
ঘ) 210 গিগাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 210 গিগাবাইট
ব্যাখ্যা
১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ২১০ বা ১০২৪ টেরাবাইট

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩১৭.
নিচের কোনটি জনপ্রিয় ডেটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট প্রোগ্রাম?
  1. QUEL
  2. QBE
  3. MySQL
  4. SQL
সঠিক উত্তর:
MySQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MySQL
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের জনপ্রিয় ডেটাবেজ সফটয়্যার হচ্ছে - MS Access.
আবার MS Excel হচ্ছে মাইক্রোসফটেরই Spreadsheet সফটওয়্যার।
অন্যদিকে,
MySQL - হচ্ছে MySQL AB ও Oracle Corporation - এর ডাটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট প্রোগ্রাম।
''SQL'' = Structured Query Language.

ডেটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধান বা প্রদর্শনের পদ্ধতি হলো কুয়েরি (Query)। ডাটা অনুসন্ধানের জন্যে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহৃত হয়। QUEL, QBE, SQL (Structured Query Language) ইত্যাদি হলো কয়েকটি বহুল ব্যবহৃত কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ।
৩১৮.
সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৫
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
গ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩
ব্যাখ্যা
আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা—
১। ডেটা বাস (Data Bus)
২। অ্যাড্রেস বাস ( Address Bus )
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৯.
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম নিচের কোনটি? 
  1. Norton
  2. Safari
  3. Informix
  4. Opera
সঠিক উত্তর:
Informix
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Informix
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা-
- মাইক্রোসফ্‌ট অ্যাক্সেস,
- ওরাকল,
- মাইএসকিউএল,
- এসকিউএল সার্ভার,
- ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

অন্যদিকে,
- Norton - এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম।
- Safari ও Opera - ব্রাউজিং প্রোগ্রাম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২০.
নিচের কোনটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) Oracle
  2. খ) Excel
  3. গ) MySQL
  4. ঘ) Access
সঠিক উত্তর:
খ) Excel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Excel
ব্যাখ্যা
MS Excel একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৩২১.
মূল তথ্যকে গোপন করার পদ্ধতিকে কি বলা হয়?
  1. ক) Data Syncronization
  2. খ) Data Modulation
  3. গ) Data Hidden
  4. ঘ) Data Encryption
সঠিক উত্তর:
ঘ) Data Encryption
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Data Encryption
ব্যাখ্যা
Data Encryption: ডাটাবেজে ব্যবহৃত ডাটা কে গোপন করার পদ্ধতিকে ডাটা এনক্রিপশন বলা হয়।
Data Modulation: মডেম এর মাধ্যমে ডিজিটাল সিগনালকে এনালগ সিগনালে রুপান্তরিত করার পদ্ধতিকেই ডাটা মডুলেশন বলা হয়।
Data Syncronization: ব্যবহৃত ডাটা কে সুনির্দিষ্ট প্যাটার্নে সাজানোর প্রক্রিয়াকে ডাটা সিনক্রোনাইজেশন বলে।
৩২২.
ডাটা ট্রান্সফার গতি সবচেয়ে বেশি-
  1. ন্যারো ব্যান্ডের
  2. ভয়েস ব্যান্ডের
  3. ব্রডব্যান্ডের
  4. সবগুলোর গতি সমান
সঠিক উত্তর:
ব্রডব্যান্ডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রডব্যান্ডের
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band)
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band) ও
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)
ন্যারো ব্যান্ড: ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত ৪৫ থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা ঝঁনঠড়রপব ইধহফ বলে। ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকেব্যবহার করা হয়।
ভয়েস ব্যান্ড: এই ব্যান্ডের ডাটা গতি ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়।তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকেকম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।
ব্রড ব্যান্ড: ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইড্থ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রডব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩২৩.
একাধিক চাইল্ডকে একটি প্যারেন্টের সাথে যুক্ত করার জন্য কোন ধরনের সম্পর্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. One-to-one
  2. One-to-many
  3. Self-referencing
  4. Many-to-many
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা

• একাধিক চাইল্ডকে একটি প্যারেন্টের সাথে যুক্ত করার জন্য One-to-many (এক-থেকে-অনেক) সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি প্যারেন্ট এককভাবে থাকে, কিন্তু তার সাথে অনেকগুলো চাইল্ড সম্পর্কিত থাকতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্কুলে একটি শিক্ষক থাকতে পারে, কিন্তু তার অধীনে অনেক শিক্ষার্থী থাকতে পারে। ডাটাবেসে এই সম্পর্ক সাধারণত প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী এবং চাইল্ড টেবিলের ফরেন কী ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠিত হয়। One-to-one সম্পর্ক একে এক সম্পর্ক তৈরি করে, Many-to-many সম্পর্ক দুই দিকেই একাধিক যুক্তি দেয়, আর Self-referencing সম্পর্ক নিজেই নিজেকে রেফার করে।
- তাই একাধিক চাইল্ডের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো One-to-many.

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে। 

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৪.
MS Office এর কোন সফটওয়্যার ডেটাবেজ নিয়ে কাজ করে?
  1. MS Groove
  2. MS Access
  3. MS Infopath
  4. MS Powerpoint
সঠিক উত্তর:
MS Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MS Access
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সেস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায় ।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩২৫.
ডেটাকে Ascending Order এবং Descending Order- এ সাজানোকে বলা হয় -
  1. সর্টিং
  2. কুয়েরি
  3. ইনডেক্সিং
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
সর্টিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্টিং
ব্যাখ্যা
সর্টিং: 
- ডাটাকে ঊর্ধবক্রম থেকে অধঃক্রম অনুসারে সাজানোকে সর্টিং বলা হয়। 
- ডেটাকে দুইভাবে সাজানো বা সর্টিং করা যায়।
- যেমন: ছোট থেকে বড় (Ascending Order) ও বড় থেকে ছোট (Descending Order). 

ইনডেক্সিং:
- ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ড সমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
- কোন ডেটা তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজানো হয়। 

কুয়েরি: 
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ, পুনরূদ্ধার, ডেটা মডিফাই, ডিলিট ইত্যাদি অপারেশনকে বুঝায়।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- তিনটি কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ সর্বাধিক প্রচলিত - QUEL, QBE, SQL ইত্যাদি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩২৬.
নিচের কোনটি ডাটাবেজের উপাদান নয়?
  1. ক) ফিল্ড
  2. খ) ওরাকল
  3. গ) রেকর্ড
  4. ঘ) ডাটা টেবিল
সঠিক উত্তর:
খ) ওরাকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওরাকল
ব্যাখ্যা
'ওরাকল' ডাটাবেজের উপাদান নয়।
- 'ওরাকল' জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার।

• ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
ডাটাবেজের অনেকগুলো উপাদান আছে। যেমন- ডাটা, রেকর্ড, ফিল্ড, ডাটা টেবিল।
- সমজাতীয় অনেকগুলো ডাটাকে একটি টেবিলে রাখা হয়। একটি টেবিলে অনেকগুলো কলাম ও সারি থাকে।
- প্রত্যেটি কলামের একটি করে শিরোনাম থাকে। শিরোনামগুলো ফিল্ড নামে পরিচিত।
- আর পাশাপাশি কয়েকটি কলামের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি সারি। প্রতিটি সারিকে বলা হয় রেকর্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৭.
কোন ACID বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে লেনদেনগুলি একে অপরকে প্রভাবিত করে না এবং স্বতন্ত্রভাবে চলে?
  1. Atomicity
  2. Consistency
  3. Durability
  4. Isolation
সঠিক উত্তর:
Isolation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Isolation
ব্যাখ্যা
• ACID বৈশিষ্ট্যের মধ্যে Isolation নিশ্চিত করে যে একাধিক লেনদেন একসাথে চললেও তারা একে অপরকে প্রভাবিত করতে পারে না এবং প্রতিটি লেনদেন স্বতন্ত্রভাবে সম্পন্ন হয়। ডেটাবেজ ব্যবস্থায় যখন একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে লেনদেন করে, তখন একটি লেনদেনের অপূর্ণ বা আংশিক পরিবর্তন অন্য লেনদেন দেখতে পায় না। Isolation-এর ফলে প্রতিটি লেনদেন এমনভাবে সম্পাদিত হয় যেন এটি একা একবারেই সম্পন্ন হয়েছে, অন্য কোনো লেনদেন চলমান নেই। এটি ডেটার অখণ্ডতা রক্ষা করে এবং প্রতিযোগিতামূলক অ্যাক্সেসের সময়ও ভুল বা দ্বৈত ফলাফল এড়াতে সাহায্য করে। তাই Isolation ডেটাবেজের নির্ভরযোগ্যতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করে।

• ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।

 ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID। 
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

সূত্র: geeksforgeeks [লিংক]
৩২৮.
ডেটাবেজ প্যাকেজ প্রোগ্রাম নয় কোনটি?
  1. Quattro Pro
  2. dBase
  3. Oracle
  4. Informix
সঠিক উত্তর:
Quattro Pro
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Quattro Pro
ব্যাখ্যা
♦ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
• Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
• Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quattro Pro ইত্যাদি।
• Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম (General Application Program or Package Program):
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
• এমএস অফিস,
• ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
• নেটস্কেপ নেভিগেটর,
• নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
• ইলেকট্রনিক মেইল,
• পেজ মেকার,
• ফটোশপ,
• ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম (Application Specific or Customized Program):
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলোঃ
• ব্যাংকিং সফটওয়্যার, 
• ইলেকট্রনিস কমার্স, 
• পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৯.
যেকোনো নাম কোন ধরনের ডেটা টাইপ?
  1. ক) লজিক্যাল
  2. খ) নাম্বার
  3. গ) টেক্সট
  4. ঘ) কারেন্সি
সঠিক উত্তর:
গ) টেক্সট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টেক্সট
ব্যাখ্যা
ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি ও ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট। কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় এক একটি ফিল্ড৷ নাম, পদবি, চাকুরিতে যোগদানের তারিখ, বেতন ভাতা ইত্যাদি হচ্ছে এক একটি ফিল্ডের উদাহরণ৷ প্রতিটি ফিল্ডের একটি নির্দিষ্ট ডেটা টাইপ থাকে। যেমনঃ নাম হলো টেক্সট ফিল্ড, বেতন হলো সংখ্যা ফিল্ড ইত্যাদি৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি৷
৩৩০.
কোনটি ডেটাবেজ সফটওয়্যার নয়?
  1. Apache Hadoop
  2. MariaDB
  3. Redis
  4. PowerPoint
সঠিক উত্তর:
PowerPoint
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PowerPoint
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis, MariaDB, Apache Hadoop ইত্যাদি।

• PowerPoint - হলো প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩১.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) ক্যালক (Calc)
  2. খ) ইনফরমিক্স (Informix)
  3. গ) ভিসিক্যালক (VisiCalc)
  4. ঘ) কোয়াট্রোপ্রো (Quattro Pro)
সঠিক উত্তর:
খ) ইনফরমিক্স (Informix)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইনফরমিক্স (Informix)
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম ডাটা তৈরি, অ্যাকসেস এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। বর্তমানে অনেক ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়। এদের মধ্যে উল্লেখযােগ্য কয়েকটি হলাে-
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Microsoft Access),
- ইনফরমিক্স (Informix),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- ফাইল মেকার (File Maker),
- ওরাকল (Oracle),
- ফায়ারবার্ড (Firebird),
- মাই এসকিইএল (My SQL),
- এসকিউএল সার্ভার এক্সপ্রেস (SQL Server Express),
- সাইবেজ (Sybase),
- ইন্টারবেজ (InterBase),
- ডিবেজ(dBase),
- ফক্সপ্রাে (FoxPro) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- ক্যালক (Calc), ভিসিক্যালক (VisiCalc), কোয়াট্রোপ্রো (Quattro Pro), মাল্টিপ্লান (Multiplan), মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel) ইত্যাদি স্প্রেডশীট প্রােগ্রাম।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ) ও ব্রিটানিকা.কম।

৩৩২.
শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য কোন কুয়েরি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক্রসট্যাব কুয়েরি
  2. সিলেক্ট কুয়েরি
  3. অ্যাকশন কুয়েরি
  4. প্যারামিটার কুয়েরি
সঠিক উত্তর:
ক্রসট্যাব কুয়েরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রসট্যাব কুয়েরি
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি:
- ডেটাবেজে এক বা একাধিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোন সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা বা ছাপানোর পদ্ধতিকে কুয়েরি বলা হয়।

• ডেটাবেজে ব্যবহৃত বিভিন্ন কুয়েরি গুলো হলো:
১. সিলেক্ট কুয়েরি (Select Query):
- কোনো ডেটাবেজ টেবিলের ফিল্ড বা কলাম নির্বাচন করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে সিলেক্ট কুয়েরি বলা হয়।

২. প্যারামিটার কুয়েরি (Parameter Query):
- ডায়লগ বক্সের তথ্য পূরণ করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে প্যারামিটার কুয়েরি বলে।

৩. ক্রসট্যাব কুয়েরি (Cross tab Query):
- শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য যে কুয়েরি করা হয় তাকে, ক্রসট্যাব কুয়েরি বলে।

৪. অ্যাকশন কুয়েরি (Action Query):
- কোনো কুয়েরি যখন ডেটাবেজের ডেটার মানের পরিবর্তন করে তাকে অ্যাকশন কুয়েরি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. Microsoft Support Website.
৩৩৩.
কোন ডেটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে কী বলে?
  1. টেবিল
  2. এনটিটি
  3. ফিল্ড
  4. এট্রিবিউট
সঠিক উত্তর:
এনটিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনটিটি
ব্যাখ্যা
• ফিল্ড: ফিল্ড হচ্ছে ডাটাবেজের ভিত্তি। ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডাটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডাটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন।

• রেকর্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড।

• টেবিল: এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।

• এনটিটি: কোন ডেটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে এনটিটি বলে।

• এট্রিবিউট: এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৩৪.
Oracle is an example of -
  1. Graphics software
  2. Spreadsheet software
  3. Database software
  4. Word processing software
  5. None of them
সঠিক উত্তর:
Database software
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Database software
ব্যাখ্যা
Oracle হচ্ছে কর্পোরেট পর্যায়ের জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়‍্যার।

• ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ।
- বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।

• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
- কর্পোরেট ডাটাবেজ হচ্ছে কোনো শিল্প/প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল ধরনের উদ্যোগ ও তা সম্পর্কিত তথ্য।
- এতে কোনো ব্যবসায়ের সমস্ত কার্যকলাপের তথ্য থাকে। এখানে প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস সম্পর্কিত তথ্যও থাকে।

• কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়‍্যারগুলো মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো:
- Informix,
- Oracle,
- SQL Server,
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access, ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৫.
কম্পিউটার নিচের কোন ভাষাটি ব্যবহার করে?
  1. ক) প্রসেসিং
  2. খ) বাইনারি
  3. গ) কিলোবাইট
  4. ঘ) প্রতিনিধিত্বমূলক
সঠিক উত্তর:
খ) বাইনারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাইনারি
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এই সংখ্যাপদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। তাছাড়া প্রায় সকল আধুনিক কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বাইনারি পদ্ধতিতে প্রতিটি অঙ্ককে বিট বলা হয়।
৩৩৬.
কোনটি কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ সফটওয়্যার?
  1. FileMaker
  2. PowerPoint
  3. MS Paint
  4. Notepad
সঠিক উত্তর:
FileMaker
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FileMaker
ব্যাখ্যা
কর্পোরেট ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হচ্ছে FileMaker.

• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
- কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বলতে মূলত বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যেমন-ব্যাংক, বীমা, মোবাইল কোম্পানি, সরকারি-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিকে বোঝানো হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবস্থায় বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের কেন্দ্রিয় অফিসের সাথে শাখা অফিসসমূহের সমন্বয়, বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজকর্ম এবং ডাটা আদান প্রদানের জন্য যে বিশেষ ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে তাকে কর্পোরেট ডাটাবেজ বলে।

• কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়্যারগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access,
- Informix, ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩৭.
৩ এবং ২ যোগ করার পর নিচের কোনটি উত্তর হবে?
  1. ক) (১১০১)
  2. খ) (১১১০)
  3. গ) (০১০১)
  4. ঘ) (১০১০)
সঠিক উত্তর:
গ) (০১০১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) (০১০১)
ব্যাখ্যা

৩+২ = (৫)১০ = (১০১)

৩৩৮.
ডাটাবেজ সিস্টেমে একটি ফিল্ড দ্বারা কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ক) সারি
  2. খ) কলাম
  3. গ) ফাইলের নাম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) কলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কলাম
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ সিস্টেমে একটি ফিল্ড দ্বারা কলামকে নির্দেশ করে। 


উপরোক্ত ডাটাবেজ ফাইলে ফাইলের নামের পরের সারিতেই লেখা আছে রোল-নম্বর, নাম, জন্মতারিখ ও মন্তব্য।
এখানে রোল-নম্বর, নাম, জন্ম তারিখ ও মন্তব্য-এ চারটি হল ফিল্ড
আরও স্পষ্টভাবে বলা যায়, রোল নম্বর নামে যে কলাম আছে, তা একটি ফিল্ড।
তদ্রুপ, নাম, জন্ম তারিখ ও মন্তব্য নামে যে কলাম সমূহ আছে, এগুলোর প্রত্যেকটিকে এক একটি ফিল্ড বলে।
ফিল্ডের নাম (অর্থাৎ কলামের একেবারে উপরে যে নাম আছে) এর অন্তর্গত তথ্যের সাথে মানান সই হওয়াই শ্রেয়।
যে ফিল্ডে রোল নম্বর সমূহ আছে তার নাম যদি তারিখ এবং যে ফিল্ডে তারিখ সমূহ আছে তার নাম যদি রোল-নম্বর রাখা হয় তাহলে ব্যাপারটা উদ্ভট মনে হবে।
সুতরাং ফিল্ডের নাম এমনভাবে রাখা উচিত যেন তা তাৎপর্যপূর্ণ হয়। ফিল্ডের নাম সর্বাধিক ১০ বাইট তথা ১০ অক্ষর হতে পারে। ফিল্ডকে আবার এট্রিবিউট (Attribute), বা কলাম (Column) বা, ডাটা এলিমেন্ট (Data element) নামে অভিহিত করা হয় ।

উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৩৯.
H.323 protocol সাধারণত ব্যবহৃত হয়-
  1. File download
  2. Data security
  3. IP based videoconferencing
  4. File download
সঠিক উত্তর:
IP based videoconferencing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IP based videoconferencing
ব্যাখ্যা
H.323 provides standards for equipment, computers and services for multimedia communication across packet based networks and specifies transmission protocols for real-time video, audio and data details.
H.323 প্রটোকল সাধারণত ব্যবহৃত হয় IP based videoconferencing, Voice over Internet Protocol (VoIP) and Internet telephony. 

[source: techopedia.com]
৩৪০.
ডেটাবেজ সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Oracle
  2. MS Outlook
  3. Redis
  4. Informix
সঠিক উত্তর:
MS Outlook
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MS Outlook
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis ইত্যাদি।

• MS Outlook বা মাইক্রোসফট আউটলুক হলো ইমেইল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪১.
রিলেশনাল ডাটাবেজে ডেটা কীভাবে সংরক্ষিত হয়?
  1. টেবিল আকারে
  2. টেক্সট ফাইলে
  3. ফোল্ডারে
  4. ইমেজ ফরম্যাটে
সঠিক উত্তর:
টেবিল আকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেবিল আকারে
ব্যাখ্যা

◉ রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেলে (যেমন MySQL, PostgreSQL, Oracle ইত্যাদি), ডেটা টেবিল (Table) আকারে সংগঠিত হয়। প্রতিটি টেবিলে কলাম (Column) এবং রো (Row) থাকে। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।

• কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
- Oracle,
- MySQL,
- Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৪২.
'কম্পোজিট প্রাইমারি কী' কী অবস্থায় ব্যবহৃত হয়?
  1. যখন একটি ফিল্ড প্রাইমারি কী হিসাবে ব্যবহৃত হয়
  2. যখন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকে
  3. যখন টেবিল খালি থাকে
  4. যখন টেবিল একাধিকবার সংরক্ষণ করা হয়
সঠিক উত্তর:
যখন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকে
ব্যাখ্যা
• কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৩.
তালিকা প্রদর্শনের পদ্ধতি কোনটি? 
  1. ইনডেক্সিং
  2. কুয়েরি
  3. সর্টিং
  4. এনক্রিপশন
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো - ক) ইনডেক্সিং। 

- তালিকা (List) বা ডেটাসেট প্রদর্শনের জন্য সাধারণত ইনডেক্সিং (Indexing) ব্যবহার করা হয়।
- ইনডেক্সিংয়ের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অবস্থানের উপাদান (element) নির্বাচন ও প্রদর্শন করা সম্ভব — যেমন প্রোগ্রামিংয়ে list[0], list[1] ইত্যাদি।

অপশন আলোচনা:
- কুয়েরি (Query): ডেটাবেস থেকে তথ্য অনুসন্ধান করা হয়।
- সর্টিং (Sorting): তথ্য ক্রমানুসারে সাজানো হয়।
- এনক্রিপশন (Encryption): তথ্য গোপনীয়ভাবে কোডে রূপান্তর করা হয়।
- তাই “তালিকা প্রদর্শনের পদ্ধতি” হলো ইনডেক্সিং (Indexing)।

সূত্র: geeksforgeeks [link]

৩৪৪.
Keyboard এবং CPU-এর মধ্যে কোন পদ্ধতিতে data transmission হয়?
  1. ক) Simplex
  2. খ) Duplex
  3. গ) Half duplex
  4. ঘ) Triplex
সঠিক উত্তর:
ক) Simplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Simplex
ব্যাখ্যা

ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১. সিমপ্লেক্স (Simplex)
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।

৩৪৫.
Who is responsible for maintaining data confidentiality in a database system?
  1. Network user
  2. Programmer
  3. System analyst
  4. Database administrator
সঠিক উত্তর:
Database administrator
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Database administrator
ব্যাখ্যা

• Database Administrator (DBA) ডাটাবেজে সংরক্ষিত ডাটার গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও সঠিক ব্যবহারের দায়িত্ব পালন করেন—তাই ডাটা কনফিডেনশিয়ালিটি রক্ষার মূল দায়িত্ব তাঁর।

• ডাটা সিকিউরিটি (Data Security):
- ডাটা সিকিউরিটি হলো এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে অননুমোদিত (unauthorized) ব্যক্তির হাত থেকে ডাটা সুরক্ষিত রাখা হয়।
- ডাটার গোপনীয়তা, অখণ্ডতা (integrity) ও প্রাপ্যতা (availability) নিশ্চিত করাই ডাটা সিকিউরিটির মূল উদ্দেশ্য।
 
• ডাটা সিকিউরিটির ধরন:
- System Security → ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড যাচাই, সিস্টেমে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ।
- Data Security → ব্যবহারকারী কোন কোন ডাটা বা অবজেক্ট ব্যবহার করতে পারবে, তা নিয়ন্ত্রণ।
 
• ডাটা সিকিউরিটির গুরুত্ব:
- অনলাইন ব্যাংকিং ও ই-কমার্সে গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষায় অপরিহার্য।
- সংবেদনশীল ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ডাটা রক্ষায় প্রয়োজনীয়।
- Distributed database পরিবেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Network user → সাধারণ ব্যবহারকারী, নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত নয়।
- Programmer → সফটওয়্যার তৈরি করেন, ডাটাবেজ সিকিউরিটি পরিচালনা করেন না।
- System analyst → সিস্টেম বিশ্লেষণ করেন, ডাটা কনফিডেনশিয়ালিটি রক্ষা করেন না।

৩৪৬.
Which database component represents the smallest unit of a record?
  1. Data
  2. Field
  3. Record
  4. Table
সঠিক উত্তর:
Field
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Field
ব্যাখ্যা

• Field (ফিল্ড) হলো একটি Record-এর ক্ষুদ্রতম অংশ, যেখানে একটি নির্দিষ্ট Attribute বা তথ্য সংরক্ষিত থাকে।

• ডাটাবেজের উপাদানসমূহ:
- ডাটাবেজ (Database) হলো সম্পর্কযুক্ত ডেটার সংগঠিত সংগ্রহ, যা সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ব্যবহারের জন্য সংগঠিত করা হয়।
- ডাটাবেজে সংরক্ষিত ডেটাগুলো সাধারণত Table আকারে থাকে এবং প্রতিটি Table-এ অনেক Record ও Field থাকে।

• Data (ডাটা):
- Data শব্দটি ল্যাটিন Datum শব্দের বহুবচন।
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম উপাদানকে Data বলা হয়।
- একটি Table-এর বিভিন্ন Field-এ যে তথ্যগুলো Input করা হয় সেগুলোই Data।
- উদাহরণ: Name field-এ “Tareq”, Address field-এ “Dhaka”, Job Title field-এ “Officer” — এগুলো প্রত্যেকটি Data।

• Record (রেকর্ড):
- অনেকগুলো Field একত্রে একটি Record গঠন করে।
- সাধারণত একটি Table-এর সম্পূর্ণ একটি Row-কে Record বলা হয়।
- যেমন কোনো Table-এ যদি একজন ব্যক্তির Name, Address, Phone Number ইত্যাদি থাকে, তবে এগুলো মিলেই একটি Record।

• Field (ফিল্ড):
- Record-এর ক্ষুদ্রতম অংশকে Field বলা হয়।
- Record-এর প্রতিটি উপাদান যেমন Name, Address, Telephone Number ইত্যাদি একটি করে Field।
- Table-এ সাধারণত Column আকারে Field থাকে এবং প্রতিটি Field একই ধরনের Data ধারণ করে।

• Data Table:
- একই ধরনের বা সমজাতীয় Data একটি Table-এ সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের তথ্য আলাদা Table-এ রাখা হতে পারে।
- যেমন: প্রশাসন, হিসাব, বিক্রয় বিভাগ—প্রতিটির জন্য আলাদা Table থাকতে পারে।
- এই Table-গুলো মিলেই একটি Database গঠিত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Data → তথ্যের ক্ষুদ্রতম উপাদান বা মান।
- Record → একাধিক Field নিয়ে গঠিত একটি সম্পূর্ণ Row।
- Table → সমজাতীয় Record-এর সংগঠিত সংগ্রহ যেখানে Row ও Column থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪৭.
ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশান ব্যবহৃত হয় -
  1. ভাইরাস ধ্বংসের জন্য
  2. খারাপ সেক্টরসমূহ পরীক্ষা করতে
  3. ডিস্কের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করতে
  4. ডিস্ক ফরমেট করতে
সঠিক উত্তর:
ডিস্কের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিস্কের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করতে
ব্যাখ্যা
ব্যবহারজনিত কারণে হার্ডডিস্কের ফাইলগুলো বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পরে, একে হার্ডডিস্কের অসজ্জিত অবস্থা বা ডিফ্রাগ বলে।
এ অবস্থায় কোন তথ্য পড়তে অপেক্ষাকৃত বেশি সময়ের প্রয়োজন পড়ে।
এ ক্ষেত্রে ডিস্কের সর্বোচ্চ কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন কমান্ড ব্যবহার করে ফাইলগুলো পুনর্বিন্যস্ত করা হয়।
৩৪৮.
কোনটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার নয়? 
  1. মাইএসকিউএল
  2. ওরাকল
  3. নোটপ্যাড
  4. মাইক্রোসফট এক্সেস
সঠিক উত্তর:
নোটপ্যাড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোটপ্যাড
ব্যাখ্যা
DBMS: 
- DBMS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Database Management System. 
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি। 
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়। 
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে। 

DBMS এর প্রধান ৩টি কাজ: 
- ডেটাবেজ তৈরি, 
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন এবং 
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS: 
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL. 

অন্যদিকে,
- নোটপ্যাড হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৪৯.
ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণের জন্য মাইক্রোসফ্ট এক্সেসে কোন সুবিধা ব্যবহার করা হয়?
  1. ডাটা ভ্যালিডেশন
  2. ইনডেক্সিং
  3. রিপোর্ট ডিজাইন
  4. চার্ট টুল
সঠিক উত্তর:
ডাটা ভ্যালিডেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা ভ্যালিডেশন
ব্যাখ্যা

• ডাটা ভ্যালিডেশন ব্যবহার করে ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

• মাইক্রোসফ্ট এক্সেসের বৈশিষ্ট্য:
- মাইক্রোসফ্ট এক্সেস একটি জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ডাটাবেজ প্রোগ্রাম।
- এক্সেসের মাধ্যমে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা যায়।
- ডাটাবেজে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সংরক্ষণের জন্য ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

• ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা:
- মাইক্রোসফ্ট এক্সেসে ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাটা ভ্যালিডেশন ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ভ্যালিডেশনের মাধ্যমে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- এর ফলে ভুল বা অনাকাঙ্ক্ষিত ডাটা এন্ট্রি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

• ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব:
- সঠিক ডাটা এন্ট্রি নিশ্চিত হলে ডাটাবেজ নির্ভরযোগ্য হয়।
- হিসাবরক্ষণ, রিপোর্ট ও বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায়।
- তাই মাইক্রোসফ্ট এক্সেসে ডাটা ভ্যালিডেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ইনডেক্সিং: বিপুল ডাটা থেকে দ্রুত ডাটা অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- রিপোর্ট ডিজাইন: সংরক্ষিত ডাটা নির্দিষ্ট ফরম্যাটে উপস্থাপনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- চার্ট টুল: ডাটাকে গ্রাফিক্যালভাবে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫০.
কোনো ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইনকে ঐ ডাটাবেজের কী বলে?
  1. ইন্সট্যান্স
  2. এনটিটি
  3. এট্রিবিউট
  4. স্কিমা
সঠিক উত্তর:
স্কিমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্কিমা
ব্যাখ্যা
♦ স্কিমা:
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।
- ডাটাবেজের স্কিমা নিয়মিত পরিবর্তনশীল।
- কোনো ডাটাবেজের স্কিমা মূলত চলকের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ডিক্লারেশনের সাথে জড়িত।
- ডাটাবেজের স্কিমা সাধারণত তিন ধরনের। যথা-
- physical schema,
- logical schema,
- subschemas.
- physical schema হলো ডাটাবেজের ফিজিক্যাল লেভেল ডিজাইন সংক্রান্ত বর্ণনা আর logical schema হলো ডাটাবেজের লজিক্যাল লেভেল ডিজাইন সংক্রান্ত বর্ণনা।
- প্রোগ্রামারগণ logical schema তৈরির মাধ্যমে প্রোগ্রাম ডিজাইন করেন।
- অন্যদিকে, subschemas ডাটাবেজের বিভিন্ন ধরনের ভিউ সংক্রান্ত বর্ণনা প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৫১.
নিচের কোনটি RDBMS (Relational Database Management System)-এর উদাহরণ নয়?
  1. MySQL
  2. Oracle
  3. Microsoft Access
  4. Cassandra
সঠিক উত্তর:
Cassandra
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cassandra
ব্যাখ্যা

• Cassandra হলো একটি ওপেন-সোর্স, ডিস্ট্রিবিউটেড NoSQL ডাটাবেস।
- এটি মূলত বিশাল পরিমাণ ডেটা (Big Data) অনেকগুলো সার্ভারে ছড়িয়ে ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি প্রথাগত রিলেশনাল মডেল অনুসরণ করে না।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

• NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, এবং Couchbase.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।

৩৫২.
নিচের কোনটি ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড?
  1. Cypher Code
  2. DES
  3. NIC
  4. TCP
সঠিক উত্তর:
DES
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DES
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি।
যথা-
 
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।
 
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।
 
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 
 
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৩.
Database System-এ Primary Key এর কাজ কী?
  1. ডাটা দ্রুত সার্চ করা
  2. ডুপ্লিকেট রেকর্ড রোধ করা
  3. নতুন টেবিল তৈরি করা
  4. ইনডেক্সিং নিয়ন্ত্রণ করা
সঠিক উত্তর:
ডুপ্লিকেট রেকর্ড রোধ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডুপ্লিকেট রেকর্ড রোধ করা
ব্যাখ্যা
◉ Primary Key হলো একটি টেবিলের এমন একটি ফিল্ড বা অ্যাট্রিবিউট যা প্রতিটি রেকর্ডকে অন্যদের থেকে আলাদা (Unique) করে। এর মাধ্যমে একই ধরনের ডুপ্লিকেট ডেটা প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয় এবং প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদা করে শনাক্ত করা যায়।

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
• কী ৩ ধরনের হয়। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
৩৫৪.
ডাটাবেজ সিস্টেমের একটি অভ্যন্তরীণ উপাদান নয় কোনটি?
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. র‍্যাম
  4. রিলেশনশিপ
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যাম
ব্যাখ্যা

র‍্যাম (RAM) ডাটাবেজের অভ্যন্তরীন উপাদান নয় কারণ এটি মূলত একটি অস্থায়ী মেমোরি যা কম্পিউটারের চলমান প্রসেস এবং তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।

• ডাটাবেজ (Database):
- 'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
- সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।

৩৫৫.
RDBMS-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ডেটা ফ্ল্যাট টেক্সট ফাইলে রাখে
  2. ট্রানজেকশন সমর্থন করে না
  3. ডেটা XML ফাইলের মধ্যে রাখে
  4. ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
সঠিক উত্তর:
ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা

• RDBMS বা Relational Database Management System-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষণ করা। প্রতিটি টেবিলে সারি (Row) ও কলাম (Column) থাকে, যেখানে সারি দ্বারা রেকর্ড এবং কলাম দ্বারা অ্যাট্রিবিউট প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে ডেটাকে সহজে সংগঠিত, অনুসন্ধান ও হালনাগাদ করা যায়। এছাড়া টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক (Relation) স্থাপন করা যায়, যা ডেটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং নির্ভুলতা বজায় রাখে। SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে এই ডেটার উপর বিভিন্ন অপারেশন চালানো যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো— ঘ) ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে।
 
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫৬.
কোনটি ডাটাবেজ সফটওয়্যার?
  1. ক) সিএসএস
  2. খ) পিএইচপি
  3. গ) মাইএসকিউএল
  4. ঘ) পিএইচপি
সঠিক উত্তর:
গ) মাইএসকিউএল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাইএসকিউএল
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে মাইএসকিউএল হচ্ছে ডাটাবেজ সফটওয়্যার।
 
• ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সেই তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
• জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার হলো:
- মাইক্রোসফট এক্সেস,
- মাই এসকিউএল,
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার,
- কোরেল প্যারাডক্স,
- এসকিউলাইট,
- পোস্টগ্রি এসকিউএল,
- ওরাকল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৫৭.
কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় একটি-
  1. ফাইল
  2. ফিল্ড
  3. টেবিল
  4. বাইট
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড
ব্যাখ্যা

- ডেটা হায়ারার্কি বিট, বাইট, ফিল্ড, রেকর্ড এবং ফাইল নিয়ে গঠিত যা ডেটাবেসের উপাদান।
- কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় একটি ফিল্ড।
- পরস্পর সম্পর্ক যুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।

৩৫৮.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ সফটওয়্যার?
  1. McAfee
  2. Microsoft Defender
  3. Informix
  4. Norton
সঠিক উত্তর:
Informix
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Informix
ব্যাখ্যা
• Informix হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।
- Norton, Microsoft Defender, McAfee হচ্ছে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- উদাহরণ: MySQL, Oracle, PostgreSQL, Microsoft SQL Server, MongoDB, Redis ইত্যাদি।

• অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল অ্যান্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে অ্যান্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রাম গুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- উদাহরণ: Norton, Microsoft Defender, McAfee ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫৯.
কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম নয়?
  1. ক) ফক্সবেজ (FoxBASE)
  2. খ) ফোরট্রান (Fortran)
  3. গ) এম এস এক্সিস (MS Access)
  4. ঘ) ফাইলমেকার প্রাে (Filemaker Pro)
সঠিক উত্তর:
খ) ফোরট্রান (Fortran)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফোরট্রান (Fortran)
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম ডাটা তৈরি, অ্যাকসেস এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
বিভিন্ন ধরনের ডেটাবেজ প্রােগ্রাম সমূহ হচ্ছে-
-ডিবেজ (dBASE),
- ফক্স প্রাে (Foxpro),
- ডিবেজ ৩+ (dBASE Ill+),
- ফক্সবেজ (FoxBASE),
- ফাইলমেকার প্রাে (Filemaker Pro),
- এম এস এক্সিস (MS Access) ইত্যাদি।

ফোরট্রান (Fortran)- প্রোগ্রামিং ভাষা।
[উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৩৬০.
অ্যামাজন ডাইনামোডিবি (Amazon DynamoDB) কোন ধরনের ডাটাবেজ?
  1. রিলেশনাল ডাটাবেজ
  2. NoSQL ডাটাবেজ
  3. গ্রাফ ডাটাবেজ
  4. হাইব্রিড ডাটাবেজ
সঠিক উত্তর:
NoSQL ডাটাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NoSQL ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা

Amazon DynamoDB হলো একটি ফুলি ম্যানেজড NoSQL ডাটাবেজ সেবা, যা উচ্চ পারফরম্যান্স এবং স্কেলেবিলিটি প্রদান করে।

• ডাটাবেজ প্রোগ্রাম: 
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।

• NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি। 

উৎস: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Amazon ওয়েবসাইট। 

৩৬১.
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়‍্যার নয় কোনটি?
  1. ওরাকল
  2. ইনফরমিক্স
  3. মাইক্রোসফট এক্সিস
  4. সাফারি
সঠিক উত্তর:
সাফারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাফারি
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়‍্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

- সাফারি কোনো রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়‍্যার নয় এটি হলো একটি ওয়য়েব ব্রাউজার।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।
৩৬২.
প্রথম বাণিজ্যিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের নাম কী?
  1. এমএস-এক্সেল
  2. আর্চি
  3. ভিসিক্যালক
  4. সিম্ফোনি
সঠিক উত্তর:
ভিসিক্যালক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিসিক্যালক
ব্যাখ্যা
• প্রথম বাণিজ্যিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের নাম হলো ভিসিক্যালক।

• স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার।
- Spreadsheet শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো পাতা।
- গ্রাফ কাগজের ন্যায় X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপখোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সম্বলিত বড় শিটকে স্প্রেডশিট বলা হয়।
- যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে।
- উইন্ডোজভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ, অর্থনৈতিক ও পরিসংখ্যানিক হিসাবনিকাশ এবং যুক্তিমূলক কার্যক্রমসহ তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজও করা যায়।
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারকে ইলেকট্রনিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামও বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য স্প্রেডশিট প্রোগ্রামসমূহ হলো: মাইক্রোসফট এক্সেল, লোটাস ১-২-৩, কোয়াট্রোপ্রো, মাল্টিপ্ল্যান, সুপারক্যাল্ক ইত্যাদি।
- প্রথম বাণিজ্যিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের নাম হলো ভিসিক্যালক, যা ১৯৭৮ সালে বাজারে আসে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৩.
RDBMS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Real Data Binary Management System
  2. Relational Database Management System
  3. Reliable Data Management System
  4. Random Database Management System
সঠিক উত্তর:
Relational Database Management System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Relational Database Management System
ব্যাখ্যা
RDBMS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Relational Database Management System.

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৪.
সিরিয়াল পোর্টে সাধারণত কয়টি পিন থাকে?
  1. ৯টি
  2. ২৫টি
  3. ৬টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
পোর্টঃ কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ। কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়ারের সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্নধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

সিরিয়াল পোর্ট : RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়। মডেম, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়ার এ ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে। মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬৫.
ডেটা এনক্রিপশন প্রক্রিয়ায় ডেটাকে পাঠ-অযোগ্য রূপে রূপান্তরিত করতে কোন উপাদানটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিপ্লেইনটেক্সট
  2. ফায়ারওয়াল
  3. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম
  4. প্লেইনটেক্সট
সঠিক উত্তর:
এনক্রিপশন অ্যালগরিদম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনক্রিপশন অ্যালগরিদম
ব্যাখ্যা

ডেটা এনক্রিপশন প্রক্রিয়ায়, ডেটাকে পাঠ-অযোগ্য (unreadable) ফর্মে রূপান্তর করার জন্য একটি এনক্রিপশন অ্যালগরিদম বা সাইফার ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি গাণিতিক পদ্ধতি, যা ইনপুট (প্লেইনটেক্সট) এবং একটি কী (Key) ব্যবহার করে এনক্রিপটেড ডেটা (সাইফারটেক্সট) তৈরি করে।

ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস থেকে গন্তব্যে পাঠানোর আগে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে পাঠকের পাঠানো ডেটা অন্য কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা পাঠক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য সেই এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের আগে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।

• ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম নিচে দেওয়া হলো:
১. সিজার কোড (Caesar Code)
২. ডেটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard-DES)

ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- প্লেইনটেক্সট হলো এনক্রিপশন প্রক্রিয়ার আগে থাকা আসল বা মূল ডেটা। 
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজকে এনক্রিপ্ট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটি দুর্বোধ্য হয়ে যায়।
৩. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপ্ট করার সময় ব্যবহার করা হয়। এনক্রিপশন অ্যালগরিদম এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট উভয় প্রক্রিয়াতেই ব্যবহৃত হয়।
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬৬.
বহুল ব্যবহৃত ডেটাবেজ ম্যানেমেন্ট প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. ক) মাইক্রোসফট এক্সেল
  2. খ) মাইক্রোসফট একসেস
  3. গ) মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  4. ঘ) মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট
সঠিক উত্তর:
খ) মাইক্রোসফট একসেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাইক্রোসফট একসেস
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ ম্যানেমেন্ট বা তথ্য/উপাত্ত ব্যবস্থাপনার বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট একসেস। এটির নির্মাতা মাইক্রোসফট।
তথ্য ব্যবস্থাপনার অন্যান্য সফটওয়্যারগুলো হলো- ডিবেইজ, ফক্সপ্রো, ওরাকল, ফোর্থ ডাইমেনশন, প্যারাডক্স ইত্যাদি।
মাইক্রোসফট এক্সেল হিসাবের কাজে এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ড লেখালেখির কাজে এবং মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন বা উপস্থাপনার কাজে ব্যবহৃত হয়।
(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
৩৬৭.
ডেটাবেজ - এ Field Name এর আকার নির্ধারণের জন্য কোনটি ব্যবহার করতে হবে?
  1. ক) Datasheet View
  2. খ) Field Name
  3. গ) Field Size
  4. ঘ) Design View
সঠিক উত্তর:
গ) Field Size
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Field Size
ব্যাখ্যা

Create = নতুন ডেটাবেজ খোলা
File Name = ডাটাবেজের নাম
Design View = ডেটাবেজ সেভ এজ ডায়ালগ বক্স
Field Size = ফিল্ডের আকার কি ধরণের হবে তা এটা দ্বারা নির্ধারণ করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, নবম-দশম শ্রেনি।

৩৬৮.
IPv- 6 এর সাহায্যে কত সংখ্যক যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটে সংযোগ করা যেতে পারে?
  1. ক) ২১২৮
  2. খ) ২৩২
  3. গ) ২৬৪
  4. ঘ) ২
সঠিক উত্তর:
ক) ২১২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২১২৮
ব্যাখ্যা
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ বা ৩.৪×১০৩৮ সংখ্যক অর্থাৎঅসংখ্য যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটে সংযোগ করা যেতে পারে।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয় । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩৬৯.
ডাটাবেজে ডাটা ইনসার্ট করার জন্য কোন ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. HTML
  2. CSS
  3. DML
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
DML
উত্তর
সঠিক উত্তর:
DML
ব্যাখ্যা
ডাটা ইনসার্ট করার জন্য ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML) ভাষা ব্যবহৃত হয়।

• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

•ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ দুই ধরনের-

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ ও
- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ।

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে। এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়। 

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭০.
টেলিফোনে কোন পদ্ধতিতে ডাটা ট্রান্সমিশন হয়?
  1. Half-Duplex
  2. Full-Duplex
  3. Simplex
  4. Full-Simplex
সঠিক উত্তর:
Full-Duplex
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Full-Duplex
ব্যাখ্যা
• টেলিফোনে ফুল-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে ডাটা ট্রান্সমিশন হয়।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:

- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। যেমন-ওয়াকিটকি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩৭১.
ইনডেক্সিং এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ডাটা রেকর্ড সংরক্ষণ করা
  2. ডাটা কম্প্রেস করা
  3. ডাটাবেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
  4. নির্দিষ্ট ডাটা দ্রুত খুঁজে পাওয়া
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট ডাটা দ্রুত খুঁজে পাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট ডাটা দ্রুত খুঁজে পাওয়া
ব্যাখ্যা

ইনডেক্সিং এর প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্দিষ্ট ডাটা দ্রুত খুঁজে পাওয়া।

• ইনডেক্সিং:
- ইন্ডেক্সিং হল ডেটা টেবিলের রেকর্ড গুলোকে কোন নির্ধারিত এক বা একাধিক ফিল্ড অনুসারে সাজানোর উদ্দেশ্যে মূল টেবিল অপরিবর্তিত রেখে রেকর্ডগুলোর অ্যাড্রেসকে সাজানো। 
- ইন্ডেক্স পদ্ধতিতে ডেটা ফাইলকে সর্ট করা হলে মূল ডেটা ফাইলে রেকর্ডের ক্রমিক নং পরিবর্তন হয় না।
- ইন্ডেক্সিং পদ্ধতিতে ডেটাবেজ ফাইলের এলোমেলো রেকর্ডগুলো তুলনামূলকভাবে দ্রুত সাজানো যায়।
- ডেটাবেজ ফাইলকে ইন্ডেক্স করা হলে নতুন ইন্ডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল ডেটাবেজ ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
- ডেটাবেজে কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইন্ডেক্স করা ফাইলে তা আপডেট হয়।

• ইন্ডেক্সিংয়ের সুবিধাসমূহ
- ইনডেক্স করার পরে ফাইলে সহজে ডেটা খুঁজে বের করা যায়।
- ইনডেক্স করার পরে ডেটাবেজ ফাইলে নতুন কোন রেকর্ড ইনপুট করা হলেও ইনডেক্স ফাইলগুলো স্বয়ংক্রীয়ভাবে আপডেট হয়ে যায়।
- ডেটাটেবিলের রেকর্ডসমূহের উপর বিভিন্ন অপারেশন যেমন- Searching, Sorting, Reporting এবং Queries ইত্যাদি খুব তাড়াতাড়ি সম্পন্ন করার জন্য ইনডেক্স করা হয়। অর্থাৎ ডেটা সমূহ ইনডেক্স করলে Speedy পারফরমেন্স পাওয়া যায়।
- ইনডেক্স ফাইল মূল ডেটাবেজ ফাইলের কোনরূপ পরিবর্তন না করে বিভিন্নভাবে সাজাতে পারে।

• ইন্ডেক্সিংয়ের অসুবিধাসমূহ
- একাধিক ফিল্ডের উপর ইনডেক্সিং করা থাকে তাহলে কোন ডেটা এডিট করলে ইনডেক্স আপডেট হতে সময় বেশি লাগে যা প্রোগ্রামকে Slow করে, ফলে ব্যবহারকারীকে ডাটা এন্ট্রি কিংবা আপডেট করার জন্য অনেকক্ষণ সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়।
- একাধিক ফিল্ডের উপর এবং অনেক রেকর্ডের জন্য ইন্ডেক্স করা হলে অপেক্ষাকৃত বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ইনডেক্স সংরক্ষণের জন্যও কিছু বেশি জায়গা লাগে।
- ডেটা এন্ট্রির ক্ষেত্রে ইনডেক্স ফাইলের রেফারেন্সসমূহ আপডেট হতে বেশ সময়ের প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৭২.
ডেটাবেজের ডেটার মানের পরিবর্তন করতে কোন কুয়েরি ব্যবহার করা হয়?
  1. অ্যাকশন কুয়েরি
  2. ক্রসটেব কুয়েরি
  3. প্যারামিটার কুয়েরি
  4. সিলেক্ট কুয়েরি
সঠিক উত্তর:
অ্যাকশন কুয়েরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাকশন কুয়েরি
ব্যাখ্যা
কুয়েরি (Query): ডেটাবেজে এক বা একাধিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোন সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা বা ছাপানোর পদ্ধতিকে কুয়েরি বলা হয়।

ডেটাবেজে ব্যবহৃত বিভিন্ন কুয়েরি গুলো হলো:
১. সিলেক্ট কুয়েরি (Select Query): কোনো ডেটাবেজ টেবিলের ফিল্ড বা কলাম নির্বাচন করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে সিলেক্ট কুয়েরি বলা হয়।
২. প্যারামিটার কুয়েরি (Parameter Query): ডায়লগ বক্সের তথ্য পূরণ করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে প্যারামিটার কুয়েরি বলে।
৩. ক্রসট্যাব কুয়েরি (Cross tab Query): শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য যে কুয়েরি করা হয় তাকে, ক্রসট্যাব কুয়েরি বলে।
৪. অ্যাকশন কুয়েরি (Action Query): কোনো কুয়েরি যখন ডেটাবেজের ডেটার মানের পরিবর্তন করে তাকে অ্যাকশন কুয়েরি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং Microsoft Support Website.
৩৭৩.
DDL এর কাজ হচ্ছে -
  1. ডাটাবেজের গঠন সংজ্ঞায়িত করা
  2. ডাটাবেজ থেকে রিপোর্ট তৈরি করা
  3. ডাটাবেজ থেকে ডাটা প্রিন্ট করা
  4. ডাটাবেজে তথ্য অনুসন্ধান করা
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজের গঠন সংজ্ঞায়িত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজের গঠন সংজ্ঞায়িত করা
ব্যাখ্যা
DDL এর কাজ হচ্ছে ডাটাবেজের গঠন সংজ্ঞায়িত করা।

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭৪.
সারিতে এন্ট্রিকৃত গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর মিলে গঠিত হয়
  1. ফিল্ড
  2. রেকর্ড
  3. তথ্য
  4. ডাটা টেবিল
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড
ব্যাখ্যা

রেকর্ড Record) : অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। এরকম যতজন গ্রাহকের নাম-ঠিকানা একটি টেবিলে লিপিবদ্ধ থাকবে সে টেবিলে ততগুলাে রেকর্ড আছে বলে ধরা হবে।
ফিল্ড (Field) : রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে ফিন্ড। রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটি ফিন্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে। কলামের একটি সেলের (Cell) ডাটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডাটা।

৩৭৫.
নিচের কোনটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার?
  1. ক) Word note
  2. খ) Notepad
  3. গ) Paradox
  4. ঘ) MS-Excel
সঠিক উত্তর:
গ) Paradox
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Paradox
ব্যাখ্যা
DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে। 
DBMS-এর অন্তর্গত প্রোগ্রামসমূহ ডেটাবেজ তৈরি, ডেটা প্রবেশ করানো, ডাটার আধুনিকীকরণ, ডাটা এডিটিং ইত্যাদি কাজ করার জন্য DBMS ব্যবহার করা হয়।বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।
যেমন-
মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Microsoft Access),
মাইক্রোসফট ভিজুয়াল বেসিক (Microsoft Visual Basic),
মাইক্রোসফট ফক্সপ্রো (Microsoft Foxpro),
এসকিউএল (SQL),
জাভা (Java),
প্যারাডক্স (Paradox),
ডিবেজ (Dbase),
পাওয়ার বিল্ডার (Power Builder),
ডেলফি (Delphi),
ইনফরমিক্স (Informix),
ওরাকল (Oracle) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩৭৬.
কোনটি ছবির/ ইমেজের এক্সটেনশন ফাইল হিসেবে ব্যবহার হয় না?
  1. .odt
  2. .jpeg
  3. .gif
  4. .bmp
সঠিক উত্তর:
.odt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
.odt
ব্যাখ্যা
.odt (Open Document text document) হল Text file extension.

.jpeg, .gif, .bmp এরা ছবি বা ইমেজের এক্সটেনশন ফাইল।
.jpeg means - Joint Photographic Experts Group Image.
.gif means - Graphical Interchange Format File.
.bmp means - Bitmap Image File .

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ (মাহবুবুর রহমান)
৩৭৭.
কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের অন্তর্গত নয়?
  1. MsOutlook
  2. PostgreSQL
  3. MongoDB
  4. Cubrid
সঠিক উত্তর:
MsOutlook
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MsOutlook
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ডেটার নিরাপত্তা, সংহতি ও একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য সমন্বয় নিশ্চিত করে। প্রদত্ত চারটি বিকল্পের মধ্যে PostgreSQL, MongoDB এবং Cubrid স্পষ্টভাবে DBMS-এর উদাহরণ। PostgreSQL একটি রিলেশনাল DBMS, MongoDB একটি নন-রিলেশনাল বা NoSQL DBMS, আর Cubridও একটি রিলেশনাল DBMS।
- অন্যদিকে, Microsoft Outlook (MsOutlook) মূলত একটি ইমেইল ক্লায়েন্ট এবং ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার, যা ডেটাবেজ পরিচালনার জন্য তৈরি নয়।

- তাই MsOutlook DBMS-এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।
 
• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩৭৮.
ডেটাবেজে Query হলো -
  1. একটি ডাটাবেজ থেকে তথ্য বা তথ্যের জন্য অনুরোধ
  2. তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত একটি ডাটা স্ট্রাকচার
  3. একটি ডাটাবেজের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা
  4. ডাটাবেজ থেকে তথ্য মুছে ফেলার একটি পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
একটি ডাটাবেজ থেকে তথ্য বা তথ্যের জন্য অনুরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি ডাটাবেজ থেকে তথ্য বা তথ্যের জন্য অনুরোধ
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজে Query হলো - একটি ডাটাবেজ থেকে তথ্য বা তথ্যের জন্য অনুরোধ।

• কুয়েরি (Query):

- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।

• কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query,
- Parameter Query,
- Crosstab Query, 
- Action Query.

- কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, এনসিটিবি।
৩৭৯.
ডেটাবেজ সিস্টেমে কোন কী'র সাহায্যে দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়?
  1. Super Key
  2. Composite Primary Key
  3. Foreign Key
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Foreign Key
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Foreign Key
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ কী ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
যেমন- ক্লাসে ছাত্রদের রোল নম্বরের ভিত্তিতে শনাক্তকরণ, ফলাফল ঘোষণা ও স্কলারশীপ বিতরণ করা হয়, তাই রোল নম্বরকে কী ফিল্ড বলা যায়।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে।
যথা: 
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) ও
৩. ফরেন কী (Foreign Key) ।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে। এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে কমপক্ষে একটি ফিল্ড থাকবে যার ডাটাগুলো অদ্বিতীয় অর্থাৎ ঐ ফিল্ডের প্রতিটি ডাটা ভিন্ন ভিন্ন হবে।
যেমন: একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী। 

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোনো ডেটাবেজ ফাইলে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, তখন একটি ফিল্ডকে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। সে সব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড। 

• ফরেন কী:
- অনেক সময় দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে হয়। কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮০.
কুকিজ ও টেম্পোরারি ফাইল জমা হয় কোথায়?
  1. হার্ডডিস্কে
  2. ডি-ড্রাইভে
  3. রমে
  4. ক্যাশ মেমোরিতে
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমোরিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমোরিতে
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়।
প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩৮১.
ডেটা এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) সাইটোগ্রাফি
  2. খ) ক্রিস্টালোগ্রাফি
  3. গ) স্টেনোগ্রাফি
  4. ঘ) ক্রিপ্টোগ্রাফি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্রিপ্টোগ্রাফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্রিপ্টোগ্রাফি
ব্যাখ্যা
ক্রিপটোগ্রাফি
- ডেটা এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন করার প্রক্রিয়াকে ক্রিপটোগ্রাফি বলে।
- ক্রিপ্টোগ্রাফি হ'ল কয়েকটি কোডের মাধ্যমে সুরক্ষিত ডেটা এবং যোগাযোগের সঞ্চারিত করার পদ্ধতি যা কেবলমাত্র ভাগ্যবান ব্যক্তিই সঞ্চারিত প্রকৃত তথ্য সম্পর্কে জানতে পারে।
- প্রক্রিয়া এই ফর্ম তথ্য জন্য অননুমোদিত অ্যাক্সেসযোগ্যতা বাধা দেয়। সুতরাং, পরিষ্কারভাবেই নামটি ইঙ্গিত করে যে 'ক্রিপ্ট' 'লুকানো' লেখার সাথে বোঝায়। - ক্রিপ্টোগ্রাফিতে তথ্যের এনকোডিং গাণিতিক অনুমান এবং অ্যালগরিদম হিসাবে বর্ণিত কয়েকটি গণনা অনুসরণ করে।
- এনকোডড ডেটা এমনভাবে সংক্রমণ করা হয় যাতে এটি মূল ডেটা খুঁজে পাওয়া শক্ত করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৩৮২.
ফাইলমেকার প্রো কী ধরণের প্রোগ্রাম?
  1. ক) ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম
  2. খ) ডাটাবেজ প্রোগ্রাম
  3. গ) স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম
  4. ঘ) এনিমেশন প্রোগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) ডাটাবেজ প্রোগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডাটাবেজ প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
ফাইলমেকার প্রো একটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম যেটি যুক্তরাষ্ট্রের ক্লারিস নামক প্রতিষ্ঠান তৈরী করেছে। এটি উইন্ডোজ ও মেকিনটোশ উভয় পরিবেশে একইভাবে কাজ করে।
ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩৮৩.
কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডাটাবেজের তথ্যকে বর্ণানুক্রম বা সংখ্যানুক্রমে সাজানো হয়?
  1. সর্টিং
  2. ক্রিপ্টোগ্রাফি
  3. ইনডেক্সিং
  4. কুয়েরি
সঠিক উত্তর:
সর্টিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্টিং
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে তথ্যকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সার্টিং (Sorting) বলা হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তথ্যকে বর্ণানুক্রমিক (Alphabetical) বা সংখ্যানুক্রমিক (Numerical) - ভাবে বিন্যস্ত করা হয়, যাতে তথ্য সহজে খুঁজে পাওয়া যায় এবং ব্যবস্থাপনা করা সহজ হয়। উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যবহারকারী যদি কর্মচারীর নাম বা তাদের আইডি অনুযায়ী তালিকা দেখতে চায়, তখন সার্টিং ব্যবহার করে তা দ্রুত পাওয়া যায়। অন্যদিকে, ক্রিপ্টোগ্রাফি তথ্যকে নিরাপদ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, ইনডেক্সিং তথ্যের দ্রুত অনুসন্ধান সহজ করে এবং কুয়েরি ডাটাবেজ থেকে তথ্য বের করার নির্দেশ। তাই তথ্য সাজানোর ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো সর্টিং।

- উত্তর: ক) সর্টিং। 

- একটি টেবিলে ডাটা এন্ট্রি করার পর যে কোনো ফিল্ড বা কলামের ভিত্তিতে ডাটাবেজকে বর্ণানুক্রমিক এবং সংখ্যানুক্রমিক সাজানো বা বিন্যস্ত (Sort) করা যায়।
- ডাটাবেজের ডাটাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিক বা সংখ্যানুক্রমিক সাজানোকেই বলা হয় সর্টিং।

অন্যদিকে, 
- কোনো ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমান ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত ও সহজ উপায়ে যে কোন ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতিকে কুয়েরি বলে।
- ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৪.
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার নয় কোনটি? 
  1. এসকিউএল সার্ভার
  2. মাইএসকিউএল
  3. মাইক্রোসফট এক্সেস
  4. ক্যাসপারস্কি
সঠিক উত্তর:
ক্যাসপারস্কি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাসপারস্কি
ব্যাখ্যা
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার নয়- কাসপারেস্কি। এটি একটি এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যার। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 

- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য হল- 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৫.
ডাটাবেজের উপাদান হতে পারে-
i. ফিল্ড
ii. রেকর্ড
iii. ডাটা টেবিল
  1. i ও iii
  2. i ও ii
  3. ii ও iii
  4. i, ii ও iii
সঠিক উত্তর:
i, ii ও iii
উত্তর
সঠিক উত্তর:
i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
♦ ডাটাবেজ:
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
- ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ এর ব্যবহার:
• অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ডাটা পরিচালনা করা যায়।
• সংরক্ষিত ডাটাকে পরবর্তীতে আপডেট করা যায়। ডাটাবেজের তথ্যসমূহকে প্রয়োজনে অ্যাসেন্ডিং (Ascending) ও ডিসেন্ডিং (Descending) অর্ডারে সাজানো যায়।
• অল্প সময়ে ডাটার বিন্যাস ঘটানো যায়।
• বিভিন্ন শিল্প কারখানায় পণ্যের উৎপাদন, চাহিদা, পরিমান, মজুদ, লেনদেনের হিসাব ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংরক্ষণে ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
• বৈজ্ঞানিক গবেষণা কর্মের জন্য এবং পরবর্তীতে ফলাফল বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ ও অন্যান্য আরো অনেক কাজে ডাটাবেজ ব্যবহৃত হয়।

- ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো:
১. ডাটা (Data), 
২. রেকর্ড (Record), 
৩. ফিল্ড (Field) ও
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।
৩৮৬.
ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. Cypher Code
  2. CSS
  3. HTML
  4. Caesar Code
সঠিক উত্তর:
Caesar Code
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Caesar Code
ব্যাখ্যা

ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড  হলো Caesar Code.

• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস থেকে গন্তব্যে পাঠানোর আগে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে পাঠকের পাঠানো ডেটা অন্য কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা পাঠক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের’ ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য সেই এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের আগে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।

• ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম নিচে দেওয়া হলো:
১. সিজার কোড (Caesar Code)
২. ডেটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard–DES)

• ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডেটা সাধারণভাবে করা হয়।
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজকে এনক্রিপ্ট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটি দুর্বোধ্য হয়ে যায়।
৩. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপ্ট করার সময় ব্যবহার করা হয়।
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮৭.
HPFS কী?
  1. ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  2. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. সাইবার অপরাধ
  4. হ্যাকিং গ্রুপ
সঠিক উত্তর:
ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• ফাইল ম্যানেজমেন্ট: 
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা ও কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম চার প্রকার ফাইল সিস্টেমের যেকোনো একটি অবলম্বন করতে পারে।
 
- ফাইল সিস্টেমগুলো হলো,
• FAT16.
• FAT32.
HPFS.
• NTFS.
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮৮.
DBMS এ Database Engine কি করে?
  1. ক) OQL
  2. খ) CQR
  3. গ) CRUD
  4. ঘ) LANQ
সঠিক উত্তর:
গ) CRUD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) CRUD
ব্যাখ্যা

CRUD:
The term CRUD is strongly connected with managing digital data.
To be more precise, CRUD refers to an acronym of four fundamental operators of persistent database applications:
- Create (create a dataset)
- Read or Retrieve (read datasets)
- Update (update datasets)
- Delete or Destroy (destroy datasets)

৩৮৯.
'GIF' এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Graphics Interface Framework
  2. খ) Graphics Interface Format
  3. গ) Graphics Interchange Format
  4. ঘ) Graphics Interchange Framework
সঠিক উত্তর:
গ) Graphics Interchange Format
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Graphics Interchange Format
ব্যাখ্যা
⇒ 'GIF' এর পূর্ণরূপ Graphics Interchange Format.
⇒ .gif এক ধরনের ইমেজ ফরম্যাট।

⇒ .odt (Open Document text document) হচ্ছে Text file extension.
⇒ .jpeg, .gif, .bmp হচ্ছে ছবি বা ইমেজের এক্সটেনশন ফাইল।
⇒ .jpeg হচ্ছে Joint Photographic Experts Group Image.
⇒ .bmp হচ্ছে Bitmap Image File.

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩৯০.
SQLite সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. একটি ওপেন সোর্স ও ফ্রি রিলেশনাল ডেটাবেজ সফটওয়‍্যার
  2. ডক্টর রিচার্ড হিপ এটি তৈরি করেন
  3. মোবাইল, ডেস্কটপ ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে এ ডেটাবেজ সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায়
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• এসকিউলাইট (SQLite):
- SQLite একটি ওপেন সোর্স ও ফ্রি রিলেশনাল ডেটাবেজ সফটওয়‍্যার।
- ২০০০ সালে ডক্টর রিচার্ড হিপ এটি তৈরি করেন।
- SQLite তৈরিতে C প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
- এটি সি-ভাষার লাইব্রেরি, যা একটি ছোট, দ্রুত ও হাই রিলায়েবল SQL ডেটাবেজ ইঞ্জিন প্রয়োগ করে।
- SQLite বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত ডেটাবেজ ইঞ্জিন।
- মোবাইল, ডেস্কটপ ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে এ ডেটাবেজ সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায়।
- বিভিন্ন ডেটাবেজ সফটওয়্যারের তুলনায় এটি অনেক সহজ বলে ডেটাবেজ শেখার জন্য খুবই জনপ্রিয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৯১.
ডেটাবেজ কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ ২ প্রকার - ১) সাধারণ ডেটাবেজ ২) সম্পর্ক যুক্ত ডেটাবেজ
৩৯২.
নিচের কোনটি জনপ্রিয় DBMS সফটওয়্যার?
  1. Photoshop
  2. AutoCAD
  3. Oracle
  4. Microsoft Word
সঠিক উত্তর:
Oracle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oracle
ব্যাখ্যা

DBMS (Database Management System) হলো সফটওয়্যার যা ডাটাবেস তৈরি, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে। Oracle Database একটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় DBMS সফটওয়্যার।

DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

অন্যান্য অপশনসমূহ,
Microsoft Word → Word Processing Software.
Photoshop → Graphics/Image Editing Software.
AutoCAD → Computer-Aided Design (CAD) Software.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

৩৯৩.
রিলেশনাল ডাটাবেজ কী?
  1. অনেকগুলো ইনডেক্স ফাইলের সমষ্টি
  2. ডেটা প্রিন্ট করার সফটওয়্যার
  3. শুধুমাত্র একটি ফাইলের সমষ্টি
  4. একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
সঠিক উত্তর:
একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
ব্যাখ্যা

রিলেশনাল ডাটাবেজ হচ্ছে একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয় ।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

৩৯৪.
LIFO data structure কোনটি?
  1. ক) Queue
  2. খ) Stack
  3. গ) File
  4. ঘ) Testa
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) Stack
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Stack
ব্যাখ্যা
Stack- কে বলা হয় LIFO ডেটা স্ট্রাকচার। Stack এ দুই ধরনের Operation হয়; যথা- Push এবং Pop .
৩৯৫.
নিচের কোনটি কী ফিল্ডের কাজ নয়?
  1. রেকর্ড শনাক্তকরণ
  2. রেকর্ড প্রিন্ট করা
  3. রেকর্ড অনুসন্ধান
  4. ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড প্রিন্ট করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেকর্ড প্রিন্ট করা
ব্যাখ্যা
রেকর্ড প্রিন্ট করা কী ফিল্ডের কাজ নয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে ভাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

• ফরেন কী:
- রিলেশন টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৬.
কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত - 
  1. মিলিসেকেন্ডে
  2. ন্যানোসেকেন্ডে
  3. মাইক্রোসেকেন্ডে
  4. ম্যাক্রোসেকেন্ডে
সঠিক উত্তর:
ন্যানোসেকেন্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যানোসেকেন্ডে
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমান অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 

- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 
- ব্যবহারকারী ডাটা বা উপাত্ত সরবরাহ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করে কাজের ফলাফল প্রদান করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৯৭.
নিচের কোনটি ডেটাবেজের উপাদান নয়?
  1. রেকর্ড
  2. কুয়েরি
  3. ফিল্ড
  4. ডাটা
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুয়েরি
ব্যাখ্যা
- ডাটাবেজের উপাদানগুলো হলো ডাটা, রেকর্ড, ফিল্ড, ডাটা টেবিল।
- সমজাতীয় অনেকগুলো ডাটাকে একটি টেবিলে রাখা হয়। একটি টেবিলে অনেকগুলো কলাম ও সারি থাকে।
- প্রত্যেকটি কলামের একটি করে শিরোনাম থাকে। শিরোনামগুলো ফিল্ড নামে পরিচিত।
- পাশাপাশি কয়েকটি কলামের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি সারি। প্রতিটি সারিকে বলা হয় রেকর্ড। 

- Query ডাটাবেজের কোন উপাদান নয়।
- ডেটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধান বা প্রদর্শনের পদ্ধতি হলো কুয়েরি (Query)।
- ডাটা অনুসন্ধানের জন্যে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহৃত হয়।
- QUEL, QBE, SQL (Structured Query Language) ইত্যাদি হলো কয়েকটি বহুল ব্যবহৃত কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৮.
SQL মূলত কোন ধরনের ডাটাবেজে ব্যবহৃত হয়?
  1. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ডাটাবেজ
  2. রিলেশনাল ডাটাবেজ
  3. নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ
  4. ফ্ল্যাট ফাইল ডাটাবেজ
সঠিক উত্তর:
রিলেশনাল ডাটাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিলেশনাল ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা
SQL মূলত রিলেশনাল ডাটাবেজে ব্যবহৃত হয়।

• SQL
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ অ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
-বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৯.
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা

ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলোঃ
১। সিমপ্লেক্স
২। হাফ-ডুপ্লেক্স
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স

৪০০.
SQLite কোন ধরণের ডেটাবেজ সফটওয়্যার?
  1. কমার্শিয়াল ডেটাবেজ
  2. ওপেন সোর্স ও ফ্রি রিলেশনাল ডেটাবেজ
  3. ডিস্ট্রিবিউটেড ডেটাবেজ
  4. খ ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ওপেন সোর্স ও ফ্রি রিলেশনাল ডেটাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপেন সোর্স ও ফ্রি রিলেশনাল ডেটাবেজ
ব্যাখ্যা
• এসকিউলাইট (SQLite):
- SQLite একটি ওপেন সোর্স ও ফ্রি রিলেশনাল ডেটাবেজ সফটওয়‍্যার।
- ২০০০ সালে ডক্টর রিচার্ড হিপ এটি তৈরি করেন।
- SQLite তৈরিতে C প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
-এটি সি-ভাষার লাইব্রেরি, যা একটি ছোট, দ্রুত ও হাই রিলায়েবল SQL ডেটাবেজ ইঞ্জিন প্রয়োগ করে।
- SQLite বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত ডেটাবেজ ইঞ্জিন।
- মোবাইল, ডেস্কটপ ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে এ ডেটাবেজ সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায়।
- বিভিন্ন ডেটাবেজ সফটওয়্যারের তুলনায় এটি অনেক সহজ বলে ডেটাবেজ শেখার জন্য খুবই জনপ্রিয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।