PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি
PrepBank · পাতা ৭৫ / ১৩১ · ৭,৪০১–৭,৫০০ / ১৩,০৮৮
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Cryosurgery মূলত শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রা (খুব ঠান্ডা) প্রয়োগ করা হয়—যেমন ক্যান্সার বা চর্মরোগের চিকিৎসায়।
• ক্রায়োসার্জারি (Cryosurgery):
- ক্রায়োসার্জারি হলো এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- একে Cryotherapy নামেও পরিচিত।
- গ্রিক শব্দ ‘Cryo’ (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং ‘Surgery’ (হাতের কাজ) থেকে শব্দটির উৎপত্তি।
• ক্রায়োসার্জারির কাজের মূল উদ্দেশ্য:
- অস্বাভাবিক বা রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা।
- সুস্থ টিস্যুকে যতটা সম্ভব অক্ষত রাখা।
- নির্দিষ্ট স্থানে নিয়ন্ত্রিতভাবে চিকিৎসা করা।
• ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার ক্ষেত্র:
- অশ্বরোগ।
- ছানি।
- প্রোস্টেট ক্যান্সার ও লিভার ক্যান্সার।
- চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা।
• ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত তাপমাত্রা ও উপাদান:
- প্রধানত Liquid Nitrogen ব্যবহার করা হয়।
- প্রায় –41°C তাপমাত্রায় কোষ ধ্বংস করার কাজ সম্পন্ন হয়।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে।
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)
খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
উত্তর
ব্যাখ্যা
(1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 X ৪ বা 32 বিটের যা 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলাে IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- অনুবাদক প্রোগ্রামের কাজ হলো উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা।
তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১) কম্পাইলার: সম্পূর্ন প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য।
২) ইন্টারপ্রেটার: লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুর হয়।
৩) অ্যাসেম্বলার: শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য।
উৎস প্রোগ্রাম:
- হিউম্যান লেঙ্গুয়েজে রচিত প্রোগ্রামকে সাধারনত উৎস প্রোগ্রাম বলা হয়।
- কম্পিউটার এইসব উৎস প্রোগ্রাম বুঝে না।
বস্তু প্রোগ্রাম:
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদক প্রোগ্রামের সাহায্যে কম্পিউটার এর গ্রহন উপযোগী প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়। এই প্রোগ্রামকেই বস্তু প্রোগ্রাম বলা হয়।
- বস্তু প্রোগ্রামে রুপান্তরিত না করলে কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেয়া যায় না।
- কম্পিউটার শুধুই বস্তু প্রোগ্রাম বুঝে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• মেসেজ বা ই-মেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে ভুয়া ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে তার সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংক তথ্য বা ব্যক্তিগত ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াকে Phishing বলা হয়। এই পদ্ধতিতে প্রতারকরা নিজেকে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান বা পরিচিত ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে, যাতে ব্যবহারকারী সহজেই বিভ্রান্ত হয়। সাধারণত আকর্ষণীয় লিংক, জরুরি বার্তা বা ভয়ের ভাষা ব্যবহার করে ব্যবহারকারীকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা হয়। ফিশিং আক্রমণের ফলে আর্থিক ক্ষতি, পরিচয় চুরি এবং গোপনীয়তা লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই অচেনা লিংক বা সন্দেহজনক ই-মেইল থেকে সতর্ক থাকা অত্যন্ত জরুরি।
- সঠিক উত্তর: ক) Phishing.
• সাইবার অপরাধ:
- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
•বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
• ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
• ফ্রেকিং (Phreaking):
- বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।
• হ্যাকিং (Hacking):
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।
• ভিশিং (Vishing):
- মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়। ।
• স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি পোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।
• প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।
• ডিবাগিং (Debugging):
- প্রোগ্রামিং এর ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে ডিবাগিং বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়।
- প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
ব্যাখ্যা
১. Ctrl +O = ডকুমেন্ট ওপেন করা
২. Ctrl + N = নতুন ডকুমেন্ট খোলা
৩. Ctrl + S = ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করা
৪. Ctrl + W = ডকুমেন্ট বন্ধ করা
৫. Ctrl + A = ডকুমেন্টের সব কন্টেন্ট সিলেক্ট করা।
উৎস: মাইক্রোসফট সাপোর্ট
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড হলো Caesar Code.
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস থেকে গন্তব্যে পাঠানোর আগে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে পাঠকের পাঠানো ডেটা অন্য কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা পাঠক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের’ ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য সেই এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের আগে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
• ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম নিচে দেওয়া হলো:
১. সিজার কোড (Caesar Code)
২. ডেটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard–DES)
• ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডেটা সাধারণভাবে করা হয়।
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজকে এনক্রিপ্ট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটি দুর্বোধ্য হয়ে যায়।
৩. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপ্ট করার সময় ব্যবহার করা হয়।
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি লিমিটেডের (BTCL) OTT (Over The Top) কলিং সেবা 'আলাপ' উদ্বোধন করা হয় ৪ এপ্রিল ২০২১। এটা দেশের প্রথম সরকারি OTT অ্যাপ। সরকারের জন্য অ্যাপটি তৈরি করে দেশীয় প্রতিষ্ঠান ‘রিভ সিস্টেমস’। ২৪ মার্চ ২০২১ ‘আলাপ’ অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোরে ছাড়া হয়। গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি ইন্সটল করলেই একজন গ্রাহক নিজের বর্তমান মুঠোফোন নম্বরের সঙ্গে মিলিয়ে একটি নতুন আলাপ নম্বরের মালিক হবেন।
আলাপের বৈশিষ্ট্য:
১. ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই ‘আলাপ’ থেকে ‘আলাপ’ কথা বলা ও চ্যাট করা যাবে বিনামূল্যে।
২. যাদের ‘আলাপ’ নেই, শুধু টেলিফোন আছে, তাদের সঙ্গেও কথা বলা যাবে।
৩. ‘আলাপ’ থেকে যেকোনো মোবাইল বা ল্যান্ডফোনে কথা বললে প্রতি মিনিটে খরচ হবে ৩০ পয়সা (এর সঙ্গে ১৫% ভ্যাট যুক্ত হবে)।
৪. যেকোনো মোবাইল বা ল্যান্ড ফোন নম্বর থেকেও ‘আলাপ’-এ কল করা যাবে।
উৎস: ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১. ওয়াইম্যাক্স 2.0 - 66 GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
২. ডেটা স্থানান্তরের গতি অনেক। 80-1000 Mbps।
৩. কার্যক্ষমতা/এলাকা 10 থেকে 50 কি.মি. পর্যন্ত।
৪. শক্তিশালী এনক্রিপশন থাকায় ডেটা নিরাপত্তা বেশি।
৫. ওয়াইম্যাক্স-এর স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
৬. Wimax নেটওয়ার্ক-এর ব্যান্ডউইথ 30 Mbps থেকে 75 Mbps।
৭. TDD (Time Division Duplexing) এবং FDD (Frequency Division Duplexing) সমর্থন করে।
• ওয়াইম্যাক্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত সার্ভিসসমূহ:
১. ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি)।
২. ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন (আইপিটিভি)।
৩. ওয়াইফাই-এর হটস্পট।
৪. মোবাইল টেলিফোন সার্ভিস ও মোবাইল ডেটা টিভি।
৫. মোবাইল ইমার্জেন্সি রেসপন্স সার্ভিস এবং ফাইবার অপটিক ক্যাবলের বিকল্প পন্থা হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ইনজেক্ট প্রিন্টারের তুলনায় লেজার প্রিন্টারের প্রধান সুবিধা:
- লেজার প্রিন্টার ইনজেক্ট প্রিন্টারের তুলনায় দ্রুত কাজ করতে সক্ষম।
- এটি প্রতি মিনিটে অনেক বেশি পৃষ্ঠা প্রিন্ট করতে পারে, যা অফিস বা বাণিজ্যিক কাজে বিশেষভাবে উপযোগী।
- লেজার প্রযুক্তিতে টোনার ব্যবহার করা হয়, যা দ্রুত শুকায় এবং স্পষ্ট প্রিন্ট দেয়।
- ইনজেক্ট প্রিন্টারের তুলনায় লেজার প্রিন্টারের প্রিন্টিং গতি অনেক বেশি, এবং বৃহৎ পরিমাণে প্রিন্ট করার জন্য এটি বেশি কার্যকর।
- যদিও লেজার প্রিন্টারের প্রাথমিক খরচ কিছুটা বেশি, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি বেশি সাশ্রয়ী ও সময়-সাশ্রয়ী।
সুতরাং, ইনজেক্ট প্রিন্টারের তুলনায় লেজার প্রিন্টারের প্রধান সুবিধা হলো এর - উচ্চ প্রিন্টিং গতি।
সঠিক উত্তর: ঘ) উচ্চ প্রিন্টিং গতি।
তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- একটি ওয়েবসাইট বা পেইজের পুর্ণাঙ্গ অ্যাড্রেসকে URL বলে।
- URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator.
যেমন: http://www.xyz.com. এইটিই একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েব অ্যাড্রেস বা URL.
- শুধুমাত্র www.xyz.com বা, xyz.com কে URL বলা হয় না।
- একটি URL এর তিনটি অংশ থাকে।
i) প্রোটোকলের নাম,
ii) হোস্টনেইম এবং
iii) ফাইল নেইম।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ প্রজন্মে ভাগ করা যায়। যথা-
১। প্রথম প্রজন্ম (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language)।
২। দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)।
৩। তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)।
৪। চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)।
৫। পঞ্চম প্রজন্ম (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি,মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার এবং কমিউনিকেশন টেকনোলজির বিকাশের সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আর ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরণের ক্রাইম সংগঠিত হচ্ছে। এসব ক্রাইমকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম।
নিম্নে প্রচলিত কিছু সাইবার ক্রাইম বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ভিত্তিক ক্রাইমের নাম দেওয়া হলো -
১. হ্যাকিং এর মাধ্যমে অন্যের তথ্য হস্তগত করা।
২. অবৈধভাবে কোন সিস্টেমের সকল রিসোর্স ব্যবহার বা ধ্বংসের জন্য বাইরে থেকে সিস্টেমে প্রবেশ করা ।
৩. কোন সিস্টেমকে এমনভাবে পরিবর্তন করা যাতে ঐ সিস্টেম তার নির্ধারিত সার্ভিস প্রদান না করে ।
৪. আপত্তিকর ই-মেইল বার্তা প্রেরণ ।
৫. কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি ও বিতরণ করা, ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( এইচ এস সি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মেমোরি তৈরির মূল, ধারণক্ষমতা এবং অ্যাক্সেস টাইম বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারে ব্যবহৃত মেমোরি রেজিস্টার থেকে শুরু করে অপটিক্যাল ডিস্ক পর্যন্ত স্মৃতিগুলোকে বিভিন্ন ক্রমে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে।
- CD, RAM এর চেয়ে Cache Memory তে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।
Cache Memory:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে Cache Memory বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য Cache Memory ব্যবহৃত হয় ৷
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- আ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার। গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য আ্যাকিউমুলেটর ব্যবহৃত হয়।
• মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার:
- প্রধান মেমোরির কোন ঠিকানায় উপাত্ত বা নির্দেশ পাওয়া যাবে বা লিখতে হবে তার ঠিকানা মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারে থাকে।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারের সাহায্যে মেমোরি হতে ডেটা বা নির্দেশসমূহ পড়া ও লেখার কাজ সম্পন্ন করে।
• প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার:
- প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টারে মেমোরি অ্যাড্রেসের পর্যায়ক্রম সংরক্ষিত থাকে।
- একটি নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর পরবর্তী নির্দেশ মেমোরির কোন অ্যাড্রেস থেকে গ্রহণ করতে হবে তা প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার নির্দেশ করে।
• ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার:
- Instruction বা নির্দেশ সংরক্ষণের জন্য ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। নির্বাহের প্রয়োজনে প্রসেসর কোনো ইনস্ট্রাকশন যখন মেমোরি থেকে তুলে আহরণ করে তখন তাৎক্ষণিকভাবে তা ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টারে রাখা হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Symantec,
• McAfee,
• AVG Anti-Virus,
• AVIRA,
• AVAST Anti-Virus,
• TREND micro,
• ESET NOD32,
• Kaspersky Anti-Virus,
• Microsoft Security Essential,
• ZoneAlarm Anti-Virus,
• Cobra Anti-Virus,
• Bitdefender,
• Norton Anti-Virus,
• Panda Anti-Virus,
• PC Tools Anti-Virus etc.
অপরদিকে, কতিপয় ভাইরাস হলোঃ
• AIDS,
• Bye Bye,
• Bad boy,
• Cindrella,
• CIH
উত্তর
ব্যাখ্যা
গ্রিক শব্দ 'metron' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়। কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথাঃ
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)
খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন।
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।
• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে বাযুশূন্য টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
স্প্যামিং (Spaming) :
- অনাকাঙিক্ষত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানােকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়। যখন কোনাে ব্যবহারকারী কোনাে ওয়েবসাইট ভিজিট করেন বা কোনাে গ্রুপের মেসেজ বাের্ডে প্রবেশ করেন তখন স্প্যামাররা সেখান থেকে ই-মেইল অ্যাড্রেস সংগ্রহ করে। ব্যবহারকারীর ই-মেইলে বিভিন্ন প্রতারণামূলক মেসেজ পাঠায়।
• DoS (Denial of Service):
- ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে।
- কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
• Man-in-the-Middle:
- দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়।
- ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।
উৎস: প্রথম আলো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না।
উৎস: Computer Hope website.
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ৫টি আউটপুট বিশিষ্ট এনকোডারের ইনপুট সংখ্যা হলো ৩২টি।
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যদি 25 = 32টি ইনপুট হয় তাহলে 5টি আউটপুট হবে।
- যদি 26 = 64টি ইনপুট হয় তাহলে 6টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারে ইনপুট প্রদানের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহার করা হয় তাকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- গাণিতিক যুক্তি অংশ ও নিয়ন্ত্রণ অংশকে একত্রে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ বা, CPU বলে।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অর্থাৎ, 0, 0 এই দুটি সিগনালকে প্রথমে NOR তারপর NOT এ পাঠালে আউটপুট মিথ্যা আসবে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
1G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-AMPS
2G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-GSM, CDMA
3G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-HSPA,WCDMA, UTMS, 3GPP
4G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড- WiMAX 2, LTE
5G মোবাইল ফোন স্ট্যান্ডার্ড-RAT, MIMO, 5G NR
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কসমূহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network),
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক (Peer to Peer Network) এবং
৩. হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid Network)।
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
• পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক:
- পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কে প্রত্যেক কম্পিউটার হতে রিসোর্স শেয়ার করা যায়।
- এই নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার একই সাথে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট।
- এরা প্রত্যেকেই রিসোর্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সমান ভুমিকা পালন করে।
• হাইব্রিড নেটওয়ার্ক:
- হাইব্রিড নেটওয়ার্ক মূলত ক্লায়েন্ট সার্ভার এবং পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারনত হাইব্রিড নেটওয়ার্কে সার্ভার অংশের প্রাধান্য থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ সঠিক উত্তর খ) ডিএনএ পর্যবেক্ষণ, কারণ এটি সরাসরি জৈবিক ও অপরিবর্তনীয় বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে।
• বায়োমেট্রিক্স:
- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা:
১. শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- আইরিশ শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।
২. আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ,
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
১ এর পরিপূরক মানে ০ এর স্থলে ১ এবং ১ এর স্থলে ০ হবে।
⇒ ১ এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করলে বাইনারি সংখ্যার ২ এর পরিপূরক পাওয়া যায় ।
⇒ অর্থাৎ বাইনারি সংখ্যার ২ এর পরিপূরক এবং ১ এর পরিপূরক এর মধ্যে পার্থক্য ১.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- সাধারণত একটি ওয়েবসাইটের কাঠামোতে তিনটি অংশ থাকে। যথা:
১. হোম পেজ (Home Page)
২. প্রধান অংশ (Main Section) ও
৩. উপশাখা (Subsection)
হোম পেজ:
হোম পেইজ হলো ওয়েবসাইটে প্রবেশের প্লাটফর্ম। এটি সুন্দর ও আকর্ষনীয় হওয়া উচিৎ। ওয়েব ব্রাউজার শুরুতে এই পেইজটি লোড করে। এখানে ওয়েবসাইটের অন্যান্য সকল পেইজের তথ্য সংক্ষিপ্ত আকারে দেওয়া থাকে। একটি ওয়েবসাইট কোন ধরনের তথ্য বহন করছে তা হোম পেইজ থেকেই জানা যায়। অন্যান্য পেইজ ব্রাউজ করার জন্য এই পেইজে লিংক দেওয়া থাকে।
প্রধান অংশ:
হোম পেইজের পরের ওয়েব পেজগুলোকে প্রধান অংশ বা মূল সেকশন বলে। ওয়েবসাইটের প্রধান অংশটি কয়েকটি ওয়েব পেজ নিয়ে গঠিত হতে পারে। সাধারণত হোম পেজের বিষয়গুলোর উপর বিস্তারিত তথ্য এখানে সন্নিবেশ করা থাকে।
উপশাখা:
প্রধান অংশে অন্তর্ভূক্ত পেইজ আবার এক বা একাধিক পেইজের সাথে যুক্ত থাকে যাদেরকে উপশাখা বা সাব- সেকশন পেইজ বলে। এই পেইজগুলোতে বিস্তারিত তথ্য এবং লিংক যুক্ত করে তথ্যের সমন্বয় করা হয়।
♦ হোম পেইজ ও হোম পেইজের সাথে লিংককৃত পেইজগুলো কিভাবে সাজানো যায় তার উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটের কাঠামোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. হায়ারারকিক্যাল কাঠামো (Hierarchical Structure)
২. লিনিয়ার কাঠামো (Linear Structure)
৩. নেটওয়ার্ক কাঠামো (Network Structure)
৪. হাইব্রিড কাঠামো (Hybride Structure)
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• SQL ইনজেকশন হলো একটি সাইবার আক্রমণের ধরন যা মূলত ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট লক্ষ্য করে। এই আক্রমণে হ্যাকাররা ওয়েব ফর্ম বা URL ইনপুটে ক্ষতিকর SQL কোড ঢুকিয়ে ডেটাবেজের তথ্য চুরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, লগইন ফর্মে সাধারণ টেক্সটের পরিবর্তে বিশেষ SQL স্টেটমেন্ট প্রবেশ করিয়ে তারা অপ্রত্যাশিতভাবে অ্যাক্সেস পেতে পারে। SQL ইনজেকশন প্রতিরোধে প্রস্তুত ওয়েব কোডে ইনপুট যাচাই, প্রিপেয়ার্ড স্টেটমেন্ট ব্যবহার এবং যথাযথ অনুমতি সীমাবদ্ধতা রাখা জরুরি। এটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, সোশ্যাল মিডিয়া বা ইমেইল সার্ভার নয়, বরং সরাসরি ওয়েবসাইটের ব্যাকএন্ড ডেটাবেজের উপর প্রভাব ফেলে।
- সঠিক উত্তর: খ) ডেটাবেজ-ভিত্তিক ওয়েবসাইট।
• সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
• উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার থেফ্ট,
- সাইবার বুলি,
- স্ফুফিং,
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং,
- স্নিকিং,
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism),
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- Microsoft. [link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
ক. কম্পিউটার ভাইরাস
খ. কম্পিউটার ওয়ার্ম
গ. ট্রোজান হর্স
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন ধরনের ম্যালওয়্যার, যা কোনো কার্যকরী ফাইলের (Executable File) সঙ্গে যুক্ত হয়।
- যখন ওই প্রোগ্রামটি (এক্সিকিউটিবল ফাইল) চালানো হয়, তখন ভাইরাসটি অন্যান্য কার্যকরী ফাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংক্রমিত হয়।
- অন্যদিকে কম্পিউটার ওয়ার্ম সেই প্রোগ্রাম, যা কোনো নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্যান্য কম্পিউটারকেও সংক্রমিত করে।
- ক্ষতিকর সফটওয়্যারের উদ্দেশ্য তখনই সফল হয়, যখন সেটিকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী
উত্তর
ব্যাখ্যা
- BSA (Business Software Alliance) হলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা সফটওয়্যার সংক্রান্ত কপিরাইট লঙ্ঘন এবং পাইরেসি রোধে কাজ করে।
- বাংলাদেশে সফটওয়্যার পাইরেসি এই সংস্থা মূল ভূমিকা পালন করছে।
- তারা নিয়মিত সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম, আইনগত পদক্ষেপ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে লিগ্যাল সফটওয়্যার ব্যবহারে উৎসাহিত করে।
- BCS (Bangladesh Computer Society): এটি মূলত বাংলাদেশের কম্পিউটার পেশাজীবী ও শিক্ষাব্যক্তিদের সমিতি, পাইরেসি রোধের জন্য নয়।
- BTRC (Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission): এটি টেলিকমিউনিকেশন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, মূলত ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ নীতি ও লাইসেন্স তদারকি করে।
- BSTI (Bangladesh Standards and Testing Institution): এটি মূলত বাংলাদেশে মান নির্ধারণ ও পণ্য/সেবা পরীক্ষা ও প্রত্যয়ন সংস্থা।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• GPS (Global Positioning System) সিগন্যাল মূলত রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে প্রেরিত হয়। এই সিগন্যাল পৃথিবীর চারপাশে অবস্থান নির্ধারণ করতে সক্ষম স্যাটেলাইট থেকে রিসিভার পর্যন্ত পৌঁছায়। রেডিও তরঙ্গকে বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে সহজে প্রেরণ করা যায় এবং এটি বড় দূরত্বে প্রায় ক্ষতি ছাড়া পৌঁছাতে সক্ষম। আলোর তরঙ্গ বা ইনফ্রারেড তরঙ্গ প্রধানত দৃষ্টি সরাসরি থাকা অবস্থায় ব্যবহার হয়, এবং শব্দ তরঙ্গ বায়ুমণ্ডলে গমন করতে প্রয়োজনীয় মাধ্যমের উপর নির্ভর করে। তাই সঠিক ও কার্যকর GPS যোগাযোগের জন্য রেডিও তরঙ্গই সবচেয়ে উপযুক্ত মাধ্যম। স্যাটেলাইট থেকে প্রাপ্ত এই সিগন্যাল সময় এবং অবস্থানের তথ্য প্রদান করে, যা রিসিভারকে সঠিক স্থান ও গতিবেগ নির্ধারণে সাহায্য করে।
- সঠিক উত্তর: ক) রেডিও তরঙ্গ।
• জিপিএস (Global Positioning System – GPS):
- জিপিএস হলো একটি স্যাটেলাইট-নির্ভর একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা, যা পৃথিবীর যে কোনো স্থানের অবস্থান নিখুঁতভাবে নির্ণয় করতে সক্ষম।
- আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির কারণে, মোবাইল ও অন্যান্য ডিভাইসের মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি বা বস্তু ট্র্যাক করা এবং অবস্থান সঠিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব।
- জিপিএস নিরন্তর স্যাটেলাইট থেকে তথ্য গ্রহণ করে এবং তা পৃথিবীর বিভিন্ন সার্ভারে প্রেরণ করে।
- বর্তমানে, জিপিএস রিসিভারগুলো উচ্চ নির্ভুলতা (high accuracy) প্রদান করে।
- গাড়ি, জাহাজ, বিমান, ল্যাপটপ, স্মার্টফোনসহ আধুনিক অধিকাংশ ডিভাইসে জিপিএস রিসিভার সংযুক্ত থাকে।
- বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় জিপিএস ভিত্তিক সেবা হলো ট্রেনের অবস্থান সম্পর্কে আগাম তথ্য পাওয়া।
- নির্দিষ্ট মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে মেসেজ পাঠিয়ে যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলের যে কোনো ট্রেনের সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানতে পারে।
- এর ফলে যাত্রীরা স্টেশনে সময়মতো পৌঁছাতে পারে।
- বাংলাদেশের এই সেবাটি গ্রামীণফোন ও রেলের যৌথ উদ্যোগে জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রদান করা হয়।
Source: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- AVIRA,
- AVAST Anti-Virus,
-TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essential,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tool Anti-virus ইত্যাদি।
অপরদিকে,
Perrin.Exeহলো কম্পিউটার ভাইরাস।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়); তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল
উত্তর
ব্যাখ্যা
= (1 x 82) + (2 x 81) + (3 x 80)
= 83
উত্তর
ব্যাখ্যা
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।
এখানে,
(5C)16
= 12 × 160 + 5 × 161
= 12 × 1 + 5 × 16
= 12 + 80
= 92
সুতরাং, (5C)16 = (92)10
.................................
............................................
⚪ দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System):
এটি আমাদের দৈনন্দিন গাণিতিক কাজে ব্যবহৃত সাধারণ সংখ্যা পদ্ধতি। এটি Base-10 অর্থাৎ ১০টি অঙ্ক (০ থেকে ৯) ব্যবহার করে।
উদাহরণ:
345 মানে হচ্ছে
= 3 × 10² + 4 × 10¹ + 5 × 10⁰
= 300 + 40 + 5
= 345
⚪ হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):
এটি Base-16 অর্থাৎ মোট ১৬টি চিহ্ন ব্যবহার করে:
০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F
যেখানে A = 10, B = 11, ..., F = 15
উদাহরণ:
2F মানে হচ্ছে
= 2 × 16¹ + 15 × 16⁰
= 32 + 15 = 47 (Decimal)
⚪ রূপান্তর (Conversion):
⚪ Hex → Decimal:
প্রতিটি অক্ষরকে তার দশমিক মানে রূপান্তর করো এবং base-16 অনুসারে গুন করো।
উদাহরণ: (3B)16 = 3 × 16 + 11 = 59 (Decimal)
⚪ Decimal → Hex:
দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করো। ভাগশেষকে নিচ থেকে উপরের দিকে সাজাও।
উদাহরণ: 9210
92 ÷ 16 = 5, বাকি 12 → 12 = C
ফলাফল: (5C)16
⚪ ব্যবহার:
- Hexadecimal সাধারণত ব্যবহৃত হয় কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, মেমোরি অ্যাড্রেস, কালার কোডিং ইত্যাদিতে।
- Decimal ব্যবহার হয় আমাদের প্রতিদিনের সংখ্যার কাজে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
এক্স অর গেইট
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
এক্স নর গেইট
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR)গেইট বলে।
- এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইটর বিপরীত কাজ করে।
- দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
উত্তর
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) হল একক ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিলিকন চিপ।
- এটি মাইক্রোকম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ।
- মাইক্রোপ্রসেসর একক চিপ বা আইসি আকারে মাইক্রোকম্পিউটারের ভেতরে সন্নিবিষ্ট থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে মাইক্রোকম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ সমাধান করা হয়।
সূত্র- Computer History [লিঙ্ক]
উত্তর
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৬১৩, ১৭১০, ৬৭ কিন্তু ৩৮৭ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের পঞ্চম প্রজন্মে সুপার কম্পিউটার উদ্ভাবিত হয়েছে।
• কম্পিউটারের পঞ্চম প্রজন্ম:
- সাধারণত ২০০১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত নির্মিত কম্পিউটারগুলোকে পঞ্চম প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত ধরা হয়।
- প্রকৃতপক্ষে, পঞ্চম প্রজন্ম বলতে ভবিষ্যতের উন্নততর প্রযুক্তির কম্পিউটারকেও নির্দেশ করে।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষায় যোগাযোগ করতে ও কথার অর্থ বুঝতে সক্ষম হবে। অর্থাৎ, এগুলো হবে বুদ্ধিমান কম্পিউটার।
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তি VLSI থেকে UVLSI (Ultra Very Large Scale Integration) পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।
• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. একীভূত বর্তনীর (Integrated Circuit) মাধ্যমে বহু মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার।
২. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence বা AI) প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি ও ব্যাপক ব্যবহার।
৩. স্বয়ংক্রিয় অনুবাদক ও শ্রবণযোগ্য শব্দের মাধ্যমে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের সুবিধা।
৪. উন্নত প্রোগ্রামিং প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা।
৫. তথ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতায় অসাধারণ অগ্রগতি।
৬. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উন্নতি।
৭. উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবস্থার সহজলভ্যতা।
৮. শক্তিশালী সুপার কম্পিউটারের উদ্ভাবন ও ক্রমোন্নয়ন।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৪ সালে প্রথম মাউস তৈরি করা হয় সহজে এবং দ্রুত বিভিন্ন প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- বর্তমানে মাউস হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত ইনপুট যন্ত্র।
- মাউস হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- সাধারণত কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেবার জন্য দুই অথবা তিনটি বোতামে সমন্বিত ইনপুট ডিভাইসটিকে মাউস নামে অভিহিত করা হয়।
- মাউস বিভিন্ন পোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারে সরাসরি যুক্ত।
- এটি কি-বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- বিভিন্ন মেন্যুর ওপর মাউস পয়েন্টার নিয়ে এটির বাম পাশের বোতামটি চাপলে উক্ত মেন্যু সচল হয়।
- ডান পাশের বোতামটি বিশেষ ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত Graphical User Interface অপারেটিং সিস্টেমে ফাইল ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সকল কাজেই মাউসের সাহায্যে করা হয়।
- এছাড়া ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ একই কার্সর কি দিয়ে করা গেলেও মাউসের সাহায্যে দ্রুত করা যায়।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- একটি লাইন প্রিন্ট করার পর এটি পরবর্তী লাইনে যায়।
- ১৯৫৫ সালে এর ব্যবহার শুরু হয়।
উৎস: merriam-webstar
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে নেটওয়ার্কের প্রধান ভূমিকা হল ক্লায়েন্ট এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করা। নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ক্লায়েন্ট সার্ভারের রিসোর্স বা সার্ভিসের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ করতে পারে। এটি মূলত ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেয়, যাতে ডেটা রিমোটলি অ্যাক্সেস করা যায়। নেটওয়ার্ক ডেটা সংরক্ষণ, সার্ভারের অনুলিপি তৈরি বা ক্লায়েন্ট হার্ডওয়্যার এনক্রিপশনের জন্য সরাসরি দায়ী নয়, বরং এটি শুধুমাত্র যোগাযোগ ও তথ্য পরিবহনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। সুতরাং, ক্লায়েন্ট-সার্ভার মডেলে নেটওয়ার্কের মূল কাজ হল ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া।
উত্তর: ক) ক্লায়েন্টকে সার্ভারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়।
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক (Client Server Network) বা সার্ভার বেসড নেটওয়ার্ক:
- ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক পদ্ধতিতে অন্তত একটি কম্পিউটারকে সার্ভার হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- এই সার্ভারের সাথে একাধিক কম্পিউটারের সংযোগ দেওয়া হয়।
- এই সংযোগকৃত কম্পিউটারগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বা ক্লায়েন্ট বলে।
- সার্ভার ক্লায়েন্টকে সেবা প্রদান করে।
- বিভিন্ন ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভারের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে।
- অর্থাৎ একই সঙ্গে একাধিক ব্যবহারকারী সার্ভার থেকে ডেটা ফাইল, প্রিন্টার, বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারবে।
- এই পদ্ধতির নেটওয়ার্কিং-এর জন্য সার্ভার কম্পিউটারে নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ককেন্দ্রিক অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো উইন্ডোজ এনটি/২০০০ সার্ভার, ওএস/২ সার্ভার, ইউনিক্স বা লিনাক্স সার্ভার ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে -
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র্যানসমওয়্যার (Ransomware)
- Rootkits
- ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।
• Key loggers হচ্ছে এক ধরনের স্পাইওয়্যার (Spyware), যেটা সাধারণত keystroke logger নামেও পরিচিত। এটি কম্পিউটারের কীবোর্ডে টাইপিং ডাটা ট্র্যাক এবং রেকর্ড করে।
• র্যামসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
• বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (Adware).
উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২. মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট [Link]
উত্তর
উত্তর
ব্যাখ্যা
RFID-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification।
RFID-এর পরিচিতি ও ব্যবহার:
- RFID-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification।
- এটি হলো ক্রেডিট কার্ডের মতো পাতলা এবং ছোট একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কোনো বস্তু, ব্যক্তি বা প্রাণীকে শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এতে খুব ছোট একটি চিপ, একটি কয়েল ও অ্যান্টেনা থাকে।
- প্রাণীদেহের RFID ট্যাগগুলো সাধারণ RFID ট্যাগ থেকে একটু ভিন্ন হয়; এগুলো ক্যাপসুল আকৃতির হয়।
- সাধারণত পোষা প্রাণী যেমন গরু, ছাগল ইত্যাদির পরিচয় নির্দিষ্ট করার জন্য RFID ট্যাগ তাদের দেহে সিরিঞ্জের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।
RFID-এর ব্যবহার:
- কোনো প্রাণী ট্র্যাক (track) করা বা প্রাণীটির অবস্থান নির্ণয় করা।
- স্ক্রু আকৃতির ট্যাগকে গাছে কিংবা কাঠের জিনিসে লাগানো, যা পরে আইডেন্টিফিকেশনের সুবিধা দেয়।
- ক্রেডিট কার্ড শেপের ট্যাগ ব্যবহার করে অফিস-বাসায় মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা।
- দোকানে পণ্যের মধ্যে RFID ট্যাগ লাগিয়ে চুরি প্রতিরোধ করা (ট্যাগ দোকানের বাইরে গেলে অ্যালার্ম বেজে উঠবে)।
- শিপিং কন্টেইনার, ভারী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি পরিবহণের সময় RFID ট্যাগ ব্যবহার করে পরিচয় নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি ‘গুগোল’ (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- Google + হলো একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা।
- গুগলের সার্ভিসসমূহ: Google Nest, Drive, Google Maps, Google Workspace, Chrome, Gmail, Android, Google Assistant, YouTube, Google Keep, Google Meet, Contacts, Google Photos, Chromebook, AdSense প্রভৃতি।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. Text Based Operating System:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি।
২. Graphics Based Operating System:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) BellSouth
স্মার্টফোন
- স্মার্টফোন হলো বিশেষ ধরনের মোবাইল ফোন, যা মোবাইল কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- প্রথম স্মার্টফোন ডিজাইন করেছিল IBM।
- বেলসাউথ ১৯৯৩ সালে স্মার্টফোন বাজারে নিয়ে আসে।
- ১৯৯৩ সালে IBM তৈরি করেছিল Simon নামে প্রথম স্মার্টফোন, যা টাচস্ক্রিন এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন সমর্থন করত।
- এই স্মার্টফোনে ক্যালেন্ডার, ঠিকানা বই, ক্যালকুলেটর এবং অন্যান্য ফাংশন অ্যাক্সেস করার জন্য টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস ছিল।
- স্মার্টফোনে ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।
উৎস: ব্রিটানিকা।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকেই।
- তবে ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
উৎস: aws.amazon.com
অন্যদিকে,
- Azure মাইক্রোসফটের ক্লাউড সেবা দানকারী প্লাটফর্ম।
- Cloudera যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডাটা ম্যানেজম্যান্ট সেবাদানকারী কোম্পানি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ওয়েব পোর্টাল হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিভিন্ন লিংক, তথ্য ও সার্ভিস বা সেবার সংগ্রহ যা ব্যবহারকারীদেরকে তথ্য জানানোর জন্য সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়।
- ওয়েব পোর্টালের হোম পেজে বিভিন্ন তথ্য ও লিংকসমূহ ইনডেক্স আকারে থাকে বিধায় ব্যবহারকারীরা সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় তথ্যের উৎস বা লিংক খুঁজে পায়। - একটি ওয়েব পোর্টাল সাধারণত আঞ্চলিক খবর, স্থানীয় তথ্য, স্টক রিপোর্ট, সরকারি সেবার তথ্য, জাতীয় খবর এবং গুরুত্বপূর্ণ ই-মেইল সেবা প্রদান করে।
- অবশ্য ওয়েব পোর্টাল ব্যক্তিগত, আঞ্চলিক, সংস্কৃতিক, সরকারি, কর্পোরেট ইত্যাদি ধরনের হতে পারে। যেমন: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (www.bangladesh.gov.com) হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি ওয়েব পোর্টাল।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• NAND এবং NOR উভয়কেই বলা হয় Universal Gate. কারণ শুধু NAND অথবা শুধু NOR দিয়েই যেকোনো বুলিয়ান ফাংশন (AND, OR, NOT, XOR ইত্যাদি) তৈরি করা যায়।
লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0.
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- আমজান বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।
সার্ভিস মডেল অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের শ্রেণিবিভাগ: সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে (তিন) ভাগে ভাগ করা যায়-
অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-laaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়; যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারে সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালাতে পারেন। উদাহরণ: Amazon Web Services, Google Cloud ইত্যাদি।
প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা ( Platform as a services-PaaS): এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন। উদাহরণ: AWS Elastic Beanstalk, Google App Engine ইত্যাদি।
সফটওয়্যার সেবা (Software/Application as a services-SaaS): এই ব্যবস্থায় ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন। উদাহরণ: ইমেইল, ক্যালেন্ডারিং, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, Slack (Collaboration and Messaging), অফিস টুলস (যেমন: মাইক্রোসফট ৩৬৫) ইত্যাদি।
[IBM Cloudএবং Microsoft Azure এর ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মধ্যে IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service) এবং SaaS (Software as a Service) সবগুলোই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।]
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. https://www.azure.microsoft.com
৩. https://www.ibm.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
- HPFS-এর পূর্ণ অর্থ High Performance File System.
- এটি শুধুমাত্র OS/2 অপারেটিং সিস্টেমের জন্য প্রযোজ্য।
• NTFS:
- NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
- এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- এটিতে UNIX বা UNIX সমর্থিত অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
- তাছাড়া এতে Windows NT এবং Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
- NTFS সিস্টেমের অন্যতম সুবিধা হলো প্রত্যেক ব্যবহারকারী কী পরিমাণ স্পেস ব্যবহার করবে, তা কন্ট্রোল করা যায়।
- NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো 8GB.
• FAT16:
- FAT16-এর পূর্ণ অর্থ হলো File Allocation Table-16.
- এটি DOS-এর আদর্শমান। অর্থাৎ MS DOS-এর ওপর ভিত্তি করে FAT16-এর ফাইল সিস্টেম উন্নয়ন করা হয়েছিল।
- FAT-16 -এ Windows 95, OS/2 এবং Windows NT অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
• FAT 32:
- FAT 32-এর পূর্ণ অর্থ হলো File Allocation Table-32.
- এটি বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় পার্টিশন সেক্টর। কারণ এ ধরনের পার্টিশন এরিয়ায় সবচেয়ে বেশি ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
একটি নেটওয়ার্ক মিডিয়ার মধ্য দিয়ে ডেটা সিগন্যাল প্রবাহের সময় নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করার পর এটেনুয়েশনের কারণে সিগন্যাল আস্তে আস্তে দূর্বল হয়ে পড়ে। তখন এই সিগন্যালকে পুনরোদ্ধার করে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়। মাঝামাঝি অবস্থানে থেকে এই কাজটি যে ডিভাইস করে থাকে তাকে রিপিটার বলে।
এটি একটি ২-পোর্ট বিশিষ্ট ডিভাইস।
রিপিটার ফিজিক্যাল লেয়ারে কাজ করে।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- EVM এর পূর্ণরূপ: Electronic Voting Machine বা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন।
- গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোট প্রয়োগে মেশিন বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি অণুসৃত হয় বলে সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম নামে পরিচিত।
- এতে একটি মেশিনে প্রায় চার হাজারটি পর্যন্ত ভোট দেয়া যায়।
- সর্বোচ্চ ৬৪ জন প্রার্থীর তালিকা থাকে।
- বাটন চাপ দিয়ে অক্ষরজ্ঞানহীন ব্যক্তিও ভোট দিতে পারে।
- ইভিএম পদ্ধতি প্রথম চালু হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৬০ সালে।
- ২০০৭ সালে ঢাকার অফিসার্স ক্লাবের কার্যকরী সংসদের নির্বাচনে এ পদ্ধতি প্রথম ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
২. যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট, [সেপ্টেম্বর ২০১৮]।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- বাস টপোলজির ক্ষেত্রে, সকল ডিভাইসসমূহ একটি একক সংযোগ লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকে। এই সংযোগ লাইনকে বাস (Bus) বলা হয় যা ব্যাকবোন হিসাবেও পরিচিত। এই সংযোগ লাইনের দুপ্রান্তে দুটি টার্মিনেটর থাকে ।
- প্রতিটি নোড (নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি ডিভাইসকে নোড বলা হয়) ড্রপ ক্যাবল দ্বারা বা সরাসরি ব্যাকবোন তারের সাথে সংযুক্ত থাকে। এক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহ দ্বিমুখী হয়ে থাকে।
- যখন একটি নোড অপর একটি নোডে বার্তা প্রেরণ করতে চায়, তখন ডেটা এবং প্রাপকের তথ্য কমন সংযোগ লাইনে প্রেরণ করে। কমন লাইনে সংযুক্ত সকল নোড বার্তাটি পায় অর্থাৎ ব্রডকাস্ট হয় এবং কেবলমাত্র প্রাপক তা গ্রহণ করে।
- একাধিক হোস্ট একই সাথে ডেটা প্রেরণ করার সময় বাস টপোলজির সমস্যা হতে পারে।
- বাস টপোলজির সুবিধা
১। এই টপোলজির প্রধান সুবিধা হলো নেটওয়ার্ক খুব সাধারণ এবং ফিজিক্যাল লাইনের সংখ্যা মাত্র একটি। ফলে ইন্সটলেশন সহজ ও সাশ্রয়ী।
২। কো-এক্সিয়াল বা টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবলগুলো মূলত বাস-ভিত্তিক নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত হয় যা 10 Mbps পর্যন্ত সমর্থন করে। Attenuation
৩। রিপিটারের সাহায্যে নেটওয়ার্কের ব্যাকবোন সহজে সম্প্রসারণ করা যায়।
৪। এই টপোলজি সরল এবং ছোট আকারের নেটওয়ার্কে ব্যবহার করা সহজ।
৫। এই টপোলজির কোনো একটি নোড নষ্ট হলেও অন্য নোডগুলো প্রভাবিত হয় না।
৬। সহজেই কোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে যুক্ত এবং নেটওয়ার্ক হতে বিচ্ছিন্ন করা যায়।
৭। কেন্দ্রীয় কোন নেটওয়ার্ক ডিভাইস (হাব, সুইচ) বা সার্ভারের প্রয়োজন হয় না, ফলে খরচ কম হয়।
উৎস: Live MCQ লেকচার।
উত্তর
উত্তর
ব্যাখ্যা
• মনিটরের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
১. পিক্সেল:
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
২. রেজুল্যশন:
- ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে রেজুল্যশন বলে।
- একটি মনিটরের রেজুলাশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে।
- অর্থাৎ মনিটরে অক্ষর বা ইমেজ তত পরিচ্ছন্ন ও স্পষ্ট হবে।
- একটি CRT তে যতগুলো পিক্সেল কলাম ও সারি থাকে, তার গুণিতক মান হলো উক্ত CRIটির রেজুলাশন।
- যেমন- একটি CRT তে 640টি কলাম এবং 4৪০টি পিক্সেল সারি আছে, তাহলে CRT এর রেজুলাশন হবে 640 x 4801.
৩. নন-ইন্টারলেস্ড:
- মনিটরের জন্য নন-ইন্টারলেসড গুরুত্বপূর্ণ।
- টেলিভিশনের ছবি চোখে দৃশ্যমান এবং গতিমান রাখার জন্যে একটা ছবিকে ফ্রেম হিসেবে পাঠানো হয়।
- একটা ফ্রেমে ২৫টি লাইন থাকে এবং পরবর্তী ফ্রেমের ২৫টি লাইন থাকে।
- এখন গতিময়তা দেবার জন্যে এক ফ্রেমকে অন্য ফ্রেমের ওপর ১,৩,৫,৭,৬২,৪. ৬. ৮ পদ্ধতিতে উপস্থাপন করা হয়। একে ইন্টারলেসিং বলে।
- যেহেতু কম্পিউটারের কার্যগতি টেলিভিশনের ফ্রিকোয়েন্সির চেয়ে অনেক অনেক বেশি, তাই মনিটরের চিত্র নন-ইন্টারলেসড হওয়া ভাল। এতে মানুষের চোখ ভালো থাকবে এবং দৃশ্যমানতা বৃদ্ধি পাবে।
৪. লো-রেডিয়েশন:
- বর্তমানে ব্লাক ট্রনিট্রিন পদ্ধতি আবিষ্কারের ফলে মনিটরের পর্দাকে এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে ভেতরের ইলেকট্রনসমূহ বাইরে যথাসম্ভব না বেরিয়ে পর্দায় লেখার উজ্জ্বলতা বাড়াবে আর সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে মানুষের চোখ রক্ষা পাবে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- হোম পেইজ ও হোম পেইজের সাথে লিংককৃত পেইজগুলো কিভাবে সাজানো যায় তার উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটের কাঠামোকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ১. হায়ারারকিক্যাল কাঠামো (Hierarchical Structure)
২. লিনিয়ার কাঠামো (Linear Structure)
৩. নেটওয়ার্ক কাঠামো (Network Structure) ও
৪. হাইব্রিড কাঠামো (Hybride Structure) ।
লিনিয়ার কাঠামো:
- এই ধরনের কাঠামোতে পেইজগুলো একটি নির্দিষ্ট সিকুয়েন্স অনুযায়ী সাজানো থাকে।
- কোন পেইজ কোন পেইজের পরে হবে তা ওয়েব ডিজাইনের সময় ঠিক করা হয়।
- এই ধরনের পেইজগুলোতে সাধারণত Next, previous, Last, First ইত্যাদি অনুযায়ী সাজানো থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ALU বা Arithmetic Logic Unit একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ যা মূলত গণিতীয় এবং যৌক্তিক (arithmetic and logical) অপারেশন সম্পাদন করে। ALU সাধারণত Addition (যোগ), Subtraction (বিয়োগ) এবং Multiplication (গুণ) এর মতো মৌলিক গণিত অপারেশন এবং AND, OR, NOT এর মতো যৌক্তিক অপারেশন করতে সক্ষম। তবে File storage (ফাইল সংরক্ষণ) ALU-এর কাজের মধ্যে পড়ে না। এটি একটি ইনপুট/আউটপুট বা মেমরি-সংক্রান্ত কাজ, যা প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের বাইরে মেমরি বা স্টোরেজ ডিভাইস দ্বারা পরিচালিত হয়। সুতরাং, ALU গণিত ও যৌক্তিক কাজ করে, কিন্তু ডেটা সংরক্ষণ বা ফাইল ম্যানেজমেন্টে সরাসরি অংশ নেয় না।
সঠিক উত্তর: ঘ) File storage.
• মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)।
গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
CRUD:
The term CRUD is strongly connected with managing digital data.
To be more precise, CRUD refers to an acronym of four fundamental operators of persistent database applications:
- Create (create a dataset)
- Read or Retrieve (read datasets)
- Update (update datasets)
- Delete or Destroy (destroy datasets)
উত্তর
ব্যাখ্যা
⇒ .gif এক ধরনের ইমেজ ফরম্যাট।
⇒ .odt (Open Document text document) হচ্ছে Text file extension.
⇒ .jpeg, .gif, .bmp হচ্ছে ছবি বা ইমেজের এক্সটেনশন ফাইল।
⇒ .jpeg হচ্ছে Joint Photographic Experts Group Image.
⇒ .bmp হচ্ছে Bitmap Image File.
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- Merriam Webster অনলাইন ডিকশনারী অনুসারে ন্যানোটেকনোলজি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- এক ন্যানোমিটার হচ্ছে এক মিটারের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ১ ন্যানোমিটার (1nm) = 10-9 মিটার (m)।
- ন্যানোটেকনোলজির ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া আছে। যথা-
১. ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ (Bottom Up):
- এ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারের ছোট জিনিস দিয়ে বড় কোনো জিনিস তৈরি করা হয়।
- ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে ন্যানোমিটার স্কেলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বস্তুর উপাদান দিয়ে কাঙ্ক্ষিত কোনো বস্তু তৈরি করা যায়।
২. বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র (Top down):
- টপ ডাউন পদ্ধতিতে কোনো জিনিসকে কেটে ছোট করে, তাকে নির্দিষ্ট আকার দেয়া হয়।
- এক্ষেত্রে সাধারণত Etching প্রক্রিয়াটি সম্পর্কিত। আমাদের বর্তমান ইলেকট্রনিক্স হলো টপ ডাউন প্রযুক্তি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• বর্তমান বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবস্থা পুরোপুরি প্যাকেট সুইচিং (Packet Switching) প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে ডেটাকে ছোট ছোট প্যাকেটে ভাগ করে ইন্টারনেটের বিভিন্ন রাউটার ও নোডের মাধ্যমে গন্তব্যে পাঠানো হয়।
• প্যাকেট সুইচিংয়ের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি ব্যান্ডউইথ শেয়ারিং সাপোর্ট করে, ফলে একই চ্যানেল ব্যবহার করে একাধিক ব্যবহারকারী ডেটা আদান-প্রদান করতে পারেন।
- 'ফল্ট টলারেন্ট' বা ত্রুটি সহনশীল তাই নেটওয়ার্কের কোনো একটি পথ অকেজো হলেও ডেটা বিকল্প পথে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে।
- এই পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য IP (Internet Protocol) ব্যবহার করা হয়।
- প্রতিটি প্যাকেটের সাথে উৎস এবং গন্তব্যের আইপি ঠিকানাসহ অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ তথ্য যুক্ত থাকে।
- ডেটা প্যাকেটগুলো ভিন্ন ভিন্ন সময় বা পথে গন্তব্যে পৌঁছানোর কারণে এতে সামান্য 'ডিলে' বা বিলম্ব হতে পারে।
অন্যান্য অপশন:
- Cable TV Broadcasting: এটি মূলত ব্রডকাস্টিং বা সম্প্রচার প্রযুক্তি যা এনালগ বা ডিজিটাল সিগন্যাল আকারে তথ্য একমুখীভাবে প্রেরণ করে।
- ISDN: ইন্টিগ্রেটেড সার্ভিসেস ডিজিটাল নেটওয়ার্ক মূলত সার্কিট সুইচিং ব্যবহার করে ডিজিটাল ডেটা ও ভয়েস আদান-প্রদান করে।
- Telephone Network: প্রথাগত টেলিফোন নেটওয়ার্ক (PSTN) সার্কিট সুইচিং ব্যবহার করে যেখানে কলের সময় একটি নির্দিষ্ট ফিজিক্যাল কানেকশন বজায় রাখা হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা [link]
উত্তর
ব্যাখ্যা
টেলেক্স একধরণের টেলিপ্রিন্টার। এতে একটি টাইপরাইটার থাকে। যে তথ্য, সংবাদ বা চিঠি প্রেরণ করতে হবে তা টাইপরাইটারে টাইপ করতে হয়। যে নম্বরে প্রেরণ করা হয়, সে নম্বরে তা টাইপ হয়ে বেরিয়ে আসে।
From Britannica:
Telex, an international message-transfer service consisting of a network of teleprinters connected by a system of switched exchanges. Subscribers to a telex service can exchange textual communications and data directly and securely with one another.
উত্তর
ব্যাখ্যা
• যে ধরনের RFID ট্যাগের নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎস থাকে, তাকে অ্যাক্টিভ ট্যাগ বলা হয়। এই ট্যাগে একটি অন্তর্নির্মিত ব্যাটারি থাকে যা ট্যাগকে শক্তি সরবরাহ করে, ফলে এটি নিজেই সংকেত পাঠাতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে প্যাসিভ এবং ইন্ডাকটিভ ট্যাগের কোনো ব্যাটারি থাকে না; তারা রিডারের সিগন্যাল থেকে শক্তি গ্রহণ করে কাজ করে। সেমি-প্যাসিভ ট্যাগে ব্যাটারি থাকে কিন্তু শুধুমাত্র ট্যাগের চিপ এবং সেন্সর চালাতে ব্যবহৃত হয়, তা নিজে থেকে সংকেত প্রেরণ করে না। অ্যাক্টিভ ট্যাগের নিজস্ব শক্তি থাকার কারণে এটি দূরত্বে রিডার থেকে অনেক দূরে থাকলেও সিগন্যাল পাঠাতে সক্ষম হয় এবং সাধারণত উচ্চ ব্যান্ডউইথ এবং দীর্ঘ রেডিয়াসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) অ্যাক্টিভ ট্যাগ।
RFID-এর পরিচিতি ও ব্যবহার:
- RFID-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification।
- এটি হলো ক্রেডিট কার্ডের মতো পাতলা এবং ছোট একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কোনো বস্তু, ব্যক্তি বা প্রাণীকে শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এতে খুব ছোট একটি চিপ, একটি কয়েল ও অ্যান্টেনা থাকে।
- প্রাণীদেহের RFID ট্যাগগুলো সাধারণ RFID ট্যাগ থেকে একটু ভিন্ন হয়; এগুলো ক্যাপসুল আকৃতির হয়।
- সাধারণত পোষা প্রাণী যেমন গরু, ছাগল ইত্যাদির পরিচয় নির্দিষ্ট করার জন্য RFID ট্যাগ তাদের দেহে সিরিঞ্জের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।
RFID-এর ব্যবহার:
- কোনো প্রাণী ট্র্যাক (track) করা বা প্রাণীটির অবস্থান নির্ণয় করা।
- স্ক্রু আকৃতির ট্যাগকে গাছে কিংবা কাঠের জিনিসে লাগানো, যা পরে আইডেন্টিফিকেশনের সুবিধা দেয়।
- ক্রেডিট কার্ড শেপের ট্যাগ ব্যবহার করে অফিস-বাসায় মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা।
- দোকানে পণ্যের মধ্যে RFID ট্যাগ লাগিয়ে চুরি প্রতিরোধ করা (ট্যাগ দোকানের বাইরে গেলে অ্যালার্ম বেজে উঠবে)।
- শিপিং কন্টেইনার, ভারী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি পরিবহণের সময় RFID ট্যাগ ব্যবহার করে পরিচয় নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে।
কন্ট্রোল ইউনিট (CU) কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা CPU-এর নিয়ন্ত্রণ এবং সমন্বয় পরিচালনা করে। এটি প্রোগ্রামের নির্দেশাবলী পড়ে এবং সেগুলি অনুযায়ী মেমরি, ALU এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। CU কোনো ক্যালকুলেশন বা তথ্য সংরক্ষণ করে না, বরং সব ইউনিটের মধ্যে নির্দেশ ও সময়সীমা নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে, ফলে CPU সঠিকভাবে এবং কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে।
কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)
নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
• বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।
খ. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।
গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
আইসি-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে কম্পিউটারের পুরাে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশকে একটি আইসি চিপ আকারে রাখা সম্ভব হয়। ছােট সিলিকন পদার্থের তৈরি এ চিপকেই মাইক্রোপ্রসেসর বলা হয়। ১৯৬৯ সালে ইনটেল কোম্পানি ৪০০০ নামে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে । ১৯৭১ সালে ইনটেল আরও শক্তিশালী মাইক্রোপ্রসেসর ইনটেল ৪০০৪ তৈরি করেন। এর পর তাঁরা তৈরি করেন ৮০০৮ প্রসেসর। এই ইনটেল ১৯৭৪ সালে ৮০৮০ মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে কম্পিউটারকে মানুষের দ্বারপ্রান্তে এনে দেয়।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex),
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)।
- সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।
- হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
- যেমন- ওয়াকি টকি।
- ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
- যেমন: টেলিফোন, মোবাইল।
উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
উত্তর
ব্যাখ্যা
অক্ষরগুলো হলো 0, 1, 2, ..., 9, A, B, C, D, E, F
এখানে A = 10, B = 11, ..., F = 15
A5 হেক্সাডেসিমাল এর অর্থ হলো:
A = 10 (Hex), 5 = 5
এখন,
A5 এর দশমিক রূপ,
= (A × 16¹) + (5 × 16⁰)
= (10 × 16) + (5 × 1)
= 160 + 5
= 165 (Decimal)
তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি - ২; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী (ভোকেশনাল)।
- M. Morris Mano, Digital Logic and Computer Design.
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
বর্তমানে ল্যাপটপ, ট্যাব, পিডিএ, স্মার্ট ফোন ইত্যাদি ডিভাইসে ব্লুটুথ বিল্ট ইন আকারে থাকে।
তাছাড়া ইউএসবি ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টারের সাহায্যে যে কোন কম্পিউটারে ব্লুটুথ সক্রিয় করা যায়।
এটি বর্তমানে বহুল প্রচলিত ও জনপ্রিয় ডেটা কমিউনিকেশন প্রটোকল।
এর ডেটা ট্রান্সফার রেট প্রায় ১ মেগাবিট/সেকেন্ড বা তারচেয়ে বেশি।
ব্লুটুথ ব্যবহার করে একই সাথে একাধিক ডিভাইসের সংযোগ দেওয়া যায়।
এ যাবৎ ব্লুটুথের অনেক ভার্সন বাজারে বের হয়েছে।
বর্তমানে ব্লুটুথ ভার্সন ৪.০ বিদ্যমান এবং তা ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে।
ব্লুটুথ ভার্সন ---- ডেটা রেট
1.2 ---- 1 Mbit/s
2.0 + EDR ---- 3 Mbit/s (বাস্তবে ২.১ Mbit/s)
3.0 + HS ---- 3 Mbit/s
4.0 ---- 26 Mbit/s (তাত্ত্বিকভাবে)
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• নর গেইট (NOR Gate):
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম। বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন। এগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তপাঠ, শিক্ষক ডট কম, জাগো অনলাইন স্কুল, টেন মিনিট স্কুল প্রভৃতি।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
এটি কম শক্তি খরচে কম দূরত্বের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। IEEE 802.15 স্ট্যান্ডার্ড মূলত ব্যক্তিগত এলাকা নেটওয়ার্ক (PAN) এর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা ব্লুটুথের মতো প্রযুক্তির জন্য উপযুক্ত।
⚪ ব্লুটুথ (Bluetooth):
- ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বের ভেতর বিনা খরচে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য বহুলপ্রচলিত ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
- ব্লুটুথের সাহায্যে বিনা খরচে স্বল্প দূরত্বে থাকা আধুনিক প্রায় সকল ডিভাইস নিজেদের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে বিধায় এটিকে তারবিহীন (Wireless) পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) প্রটোকল বলা হয়।
- এটি প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.15 নামে পরিচিত।
- Bluetooth কার্যকরী পাল্লা হচ্ছে ১০ মিটার। তবে বিদ্যুৎ কোষের শক্তি বৃদ্ধি করে এর পাল্লা ১০০ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি করা যেতে পারে।
- বর্তমানে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, গেমিং কনসোল, ডিজিটাল ক্যামেরা, প্রিন্টার, ল্যাপটপ, জিপিএস রিসিভার প্রভৃতি যন্ত্রাদিতে Bluetooth প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে।
⚪ এছাড়াও,
• Wifi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
• Wimax এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
উত্তর
ব্যাখ্যা
◉ অনলাইন পেমেন্ট নিরাপদ হওয়ার জন্য শুধু কার্ড বা মোবাইল ব্যাংকিং-ই যথেষ্ট নয়, বরং ডেটা এনক্রিপশন প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL (Secure Sockets Layer) বা বর্তমানের TLS (Transport Layer Security) ব্যবহার করা হলে ব্যবহারকারীর তথ্য (কার্ড নাম্বার, পাসওয়ার্ড, OTP ইত্যাদি) এনক্রিপ্টেড আকারে সার্ভারে পৌঁছে, ফলে মাঝপথে হ্যাকারদের পক্ষে চুরি করা কঠিন হয়।
ই-কমার্স:
- ই-কমার্সের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক কমার্স।
- যে পদ্ধতিতে কোন পণ্য ক্রয় বিক্রয়, অর্ডার নেয়া ও তার মূল্য পরিশোধ থেকে যাবতীয় বাণিজ্যিক কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করা হয় তাকে ই- কমার্স বলে।
- বর্তমানে ই-কমার্স ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে সকল পেমেন্ট সিস্টেম প্রচলিত আছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ই-পেমেন্ট সিস্টেম অর্থাৎ ব্যাংক লেনদেন, ক্রেডিট কার্ড বা ভিসা কার্ড বা মাস্টার কার্ড, ডেবিট কার্ড, স্মার্ট কার্ড, ই-মানি, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার, মানিগ্রাম ইত্যাদি।
- তবে আন্তজার্তিকভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম জনপ্রিয় হলেও আমাদের দেশিয় বা স্থানীয়ভাবে ই-পেমেন্ট সিস্টেমের পাশাপাশি কল-টু-পে, ক্যাশ অন ডেলিভেরি, কুরিয়ার সার্ভিস ডেলিভেরি, নগদ, বিকাশ, শিওর ক্যাশ, রকেট, ডি-ম্যানি ইত্যাদি বেশি প্রচলিত।
TLS (Transport Layer Security):
- অনলাইন লেনদেনকে নিরাপদ করার জন্য ব্যবহৃত এনক্রিপশন প্রোটোকল। এটি ব্যবহারকারীর তথ্য (যেমন কার্ড নাম্বার, পাসওয়ার্ড, OTP) এনক্রিপ্ট করে সার্ভারে পাঠায়, ফলে হ্যাকাররা মাঝপথে ডেটা পড়তে বা পরিবর্তন করতে পারে না।
উৎস:
১। ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Kaspersky website.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
- NOR গেইটে সবগুলো ইনপুট 0 হলে কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে।
চিত্র: NOR গেইট
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- ক্যাবলটি প্রায় ২০,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, ভারতীয় উপমহাদেশ, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের মধ্যে টেলিযোগাযোগ বহন করে।
- প্রতি সেকেন্ডে ২৪ টেরাবাইটের ব্রডব্যান্ড যোগাযোগ সরবরাহ করে।
- ক্যাবলটি ১৯টি ল্যান্ডিং পয়েন্টের মাধ্যমে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, জিবুতি, ইয়েমেন, সৌদি আরব, মিশর, ইতালি, তুরস্ক ও ফ্রান্সকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি বাংলাদেশের ২য় সাবমেরিন ক্যাবল সংযুক্তি যা পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় ২০১৭ সালে সংযুক্ত হয়।
• The Kuakata Cable Landing Station (Kuakata CLS) is located at Kuakata, Patuakhali, Bangladesh, owned and operated by Bangladesh Submarine Cable Company (BSCCL) for the cable landing of SEA-WE-ME 5 (SMW5) in Bangladesh.
উৎস: www.submarinenetworks.com.
উত্তর
ব্যাখ্যা
- 5G বা পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সিস্টেম মোবাইল ফোনের মধ্যে অত্যাধুনিক ও সর্বশেষ সংস্করণ।
- প্রাথমিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়া প্রথম ২০১৮ সালের অলিম্পিক গেমসে সফলভাবে 5G নেটওয়ার্ক প্রদর্শনে সফলতা দেখিয়েছে।
- এ ধরনের মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক ওয়্যারলেস ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Wireless Web) বা সংক্ষেপে wwww নামে পরিচিত।
- এই প্রজন্মের মোবাইল ফোনের পারফর্ম্যান্স 4G'র তুলনায় অনেকগুণ বেশি এবং অনেক দ্রুতগতিতে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম।
- এর মাধ্যমে 4K টিভি বা ভিডিও (4000 × 2000 পিক্সেল) উপভোগ করা যায়।
- এ ধরনের মোবাইল ফোনের স্ট্যান্ডার্ডগুলোর মধ্যে 5G NR (New Radio Technology), RAT (Radio Access Technology), MIMO (Multiple Input Multiple Output) অন্যতম।
- ২০২১ সালে বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশেও পরীক্ষামুলকভাবে কয়েকটি স্থানে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল ইন্টারনেট সেবা বা এজি চালু হয়েছে।
উল্লেখ্য,
- টেলিটকই বাংলাদেশে সর্বপ্রথম 5G চালু করে।
- ১২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক দেশের ছয়টি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে।
- বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু হয়েছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি ত্বকের ক্যান্সার ও অবাঞ্ছিত টিস্যু অপসারণে ব্যবহৃত হয়।
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে অত্যন্ত নিম্ন তাপমাত্রা (যেমন, তরল নাইট্রোজেন ব্যবহার করে) প্রয়োগ করে অস্বাভাবিক কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- এটি সাধারণত ত্বকের ক্যান্সার, মাংসপিণ্ড বা অন্যান্য অবাঞ্ছিত টিস্যু অপসারণে ব্যবহৃত হয়।
- চিকিৎসার সময় শরীরের নির্দিষ্ট অংশে তরল নাইট্রোজেন বা আর্গন গ্যাস প্রয়োগ করা হয়, যা কোষের তাপমাত্রা অত্যন্ত নিচে নামিয়ে দেয় এবং কোষগুলো ধ্বংস করে।
• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিম্নে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
- SQLite একটি ওপেন সোর্স ও ফ্রি রিলেশনাল ডেটাবেজ সফটওয়্যার।
- ২০০০ সালে ডক্টর রিচার্ড হিপ এটি তৈরি করেন।
- SQLite তৈরিতে C প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে।
- এটি সি-ভাষার লাইব্রেরি, যা একটি ছোট, দ্রুত ও হাই রিলায়েবল SQL ডেটাবেজ ইঞ্জিন প্রয়োগ করে।
- SQLite বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত ডেটাবেজ ইঞ্জিন।
- মোবাইল, ডেস্কটপ ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে এ ডেটাবেজ সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায়।
- বিভিন্ন ডেটাবেজ সফটওয়্যারের তুলনায় এটি অনেক সহজ বলে ডেটাবেজ শেখার জন্য খুবই জনপ্রিয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
source: tesla.com
উত্তর
ব্যাখ্যা
উত্তর
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের তৃতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৬৫ সাল হতে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- Integrated Circuit, অর্ধপরিবাহী স্মৃতি, উন্নত কার্যকারিতা, নির্ভরশীলতা এই প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- একীভূত বর্তনীতে অনেক ট্রানজিস্ট্রর, অর্ধপরিবাহী ডায়োড এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ থাকে।
- কম্পিউটারের আকার আরও ছোট হয়, দাম কমে, কাজের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে- অধিক সংখ্যক ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস সংযোজন, অধিক প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা, সুর ও শব্দ সৃষ্টির ক্ষমতা, তারের সাহায্যে দূরবর্তী কোন কম্পিউটারের সাথে তথ্য আদান প্রদান ক্ষমতা ইত্যাদি।
- এই সময়ে মিনি কম্পিউটারের উদ্ভব ঘটে।
- এই প্রজন্মে উচ্চতর ভাষার প্রচলন এবং নির্বাহী পদ্ধতির উন্নয়ন ঘটে।
- IBM 360, IBM 370, GE 600 ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
উত্তর
ব্যাখ্যা
• iBAS++ বাংলাদেশের সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় একটি আধুনিক প্রযুক্তি। এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Budget and Accounting System। এটি সরকারী বাজেট প্রণয়ন, ব্যয় অনুমোদন এবং হিসাবরক্ষণ প্রক্রিয়াকে স্বয়ংক্রিয় ও কেন্দ্রীয়কৃত করে। iBAS++ ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর এবং সংস্থা তাদের আর্থিক লেনদেন অনলাইনে রেকর্ড করতে পারে, যা স্বচ্ছতা, নির্ভুলতা এবং সময়োপযোগী হিসাবরক্ষণ নিশ্চিত করে। এছাড়া, এটি সরকারের আর্থিক তথ্য বিশ্লেষণ সহজ করে, বাজেটের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমায় এবং সরকারি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তকে কার্যকর করে। কর্মচারীদের বেতন, পেনশন ও জিপিএফসহ অন্যান্য আর্থিক প্রক্রিয়া iBAS++ এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। তাই, এটি বাংলাদেশের সরকারি আর্থিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন।
• iBAS++:
- iBAS++ হলো সরকারের একটি সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার।
- এটি বাজেট তৈরি, অনুমোদন এবং বাস্তবায়ন—সবকিছু এক জায়গায় পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- সরকারি অফিসগুলোর খরচ, বরাদ্দ ও হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে এতে রেকর্ড হয়।
- সিস্টেমটি বাস্তব সময়েই (real-time) আর্থিক তথ্য দেখায়, ফলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।
- কর্মচারীদের বেতন, পেনশন, জিপিএফসহ নানা আর্থিক কার্যক্রমও iBAS++ এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- চেক বা ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের মাধ্যমে পেমেন্ট ছাড়ানোর সুবিধা রয়েছে।
- বরাদ্দ অনুযায়ী খরচ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এতে বাজেট নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের আর্থিক রিপোর্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করা যায়।
- এটি সরকারের আর্থিক কার্যক্রমকে স্বচ্ছ, দ্রুত এবং কাগজবিহীন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সামগ্রিকভাবে, iBAS++ পুরো সরকারি অর্থব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করে তুলেছে।
সূত্র: iBAS++ website.