বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ৭৪ / ১৩১ · ৭,৩০১৭,৪০০ / ১৩,০৮৮

৭,৩০১.
কোন অক্ষরটি হেক্সাডেসিমাল গণনা পদ্ধতির একটি মান নির্দেশ করে?
  1. F
  2. G
  3. H
  4. K
সঠিক উত্তর:
F
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামিং -এ চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- 
১। ডেসিম্যাল (Decimal) বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি, 
২। বাইনারি (Binary) সংখ্যা পদ্ধতি, 
৩। অকটাল নাম্বার সিস্টেম পদ্ধতি এবং 
৪। হেক্সাডেসিম্যাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতি। 

হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি: 
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি হল ১৬-ভিত্তিক একটি সংখ্যা পদ্ধতি। 
অর্থাৎ, শুধুমাত্র প্রতিটি সংখার জন্য ১৬টি সম্ভাব্য মান নিয়ে ষোড়শিক সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত হয়। 
- ষোড়শিক সংখ্যা পদ্ধতির অঙ্কগুলো হল 0-9 এবং A, B, C, D, E, F পর্যন্ত মোট ১৬টি বর্ণ। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)।
৭,৩০২.
ব্যান্ডউইথ সাধারণত কোন এককে হিসাব করা হয়?
  1. bmI
  2. mps
  3. bps
  4. kHz
সঠিক উত্তর:
bps
উত্তর
সঠিক উত্তর:
bps
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইথ (Bandwidth): 
- 'ইন্টারনেট'-এর গতি বা স্পিড তার ব্যান্ডউইথের উপর নির্ভরশীল। 
- প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ ডেটা এক স্থান হতে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হয় অর্থাৎ ডেটা স্থানান্তরের হারকে ব্যান্ডউইথ বলে। 
- ব্যান্ডউইথ সাধারণত bit per second (bps) -এ হিসাব করা হয়। তবে ইদানীং নেটওয়ার্কে অনেক বেশি ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায় বলে বিপিএস (bps) এর পরিবর্তে কেবিপিএস (kbps: প্রতি সেকেন্ডে এক হাজার বিট) বা এমবিপিএস (Mbps: প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বিট) এমনকি জিবিপিএস (Gbps: প্রতি সেকেন্ডে এক বিলিয়ন বিট) অনেক বেশি ব্যবহৃত হয়। 
- আট বিটকে এক বাইট বলা হয় বলে এক MBps বলতে আট Mbps বোঝানো হয়। 

- একটি কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ সেখানে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি এবং মিডিয়ামের উপর নির্ভর করে। 
যেমন- মিডিয়াম হিসেবে সাধারণ টেলিফোনের তার ব্যবহার করলে যত ব্যান্ডউইথ পাওয়া যায়, ফাইবার অপটিক ক্যাবলে তার থেকে অনেক গুণ বেশি পাওয়া যায়। আবার ফাইবার অপটিক ক্যাবলের সাথে যদি যথাযথ স্পিডের টারমিনাল ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করা না হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যান্ডউইথ পাওয়া সম্ভব হয় না। 
- একটি কমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক যেহেতু অনেকে ব্যবহার করে তাই নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ সকল ব্যবহারকারীর মাঝে ভাগ হয়ে যায়। 
- অনেক সময় একজন ব্যবহারকারী কিংবা একটি সার্ভিস ব্যান্ডউইথের একটা বড় অংশ দখল করে অন্যদের শেয়ার কমিয়ে দেয়। 
- একটি নেটওয়ার্কে একজন ব্যবহারকারী কতটুকু প্রকৃত ব্যান্ডউইথ পাচ্ছে সেটি মাপার নানা ধরনের পদ্ধতি রয়েছে, নেটওয়ার্কের ডিজাইনে কিংবা যন্ত্রপাতিতে কোনো সমস্যা থাকলে সেগুলো বের করা সম্ভব। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৭,৩০৩.
কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কম্পোনেন্টগুলোতে শক্তি বা বিদ্যুৎ সরবরাহ করে কোন ডিভাইসটি?
  1. প্রসেসর
  2. মাদারবোর্ড
  3. হার্ডডিস্ক
  4. পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট
ব্যাখ্যা

• পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU):
- পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এমন একটি ডিভাইজ যা কম্পিউটারের শক্তি জোগায়।
- কম্পিউটারের সাথে সংশ্লিষ্ট কম্পোনেটগুলো যথাযথভাবে কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত করার জন্য সরবরাহ করা ভোল্টেজকে রেগুলেট করে।
- এটি কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় ২৩০ ভোল্ট বিদ্যুৎ সাপ্লাইকে রূপান্তর রেগুলেটেড ডিসি ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে।
- পাওয়ার সাপ্লাই একটি ধাতব বক্স, যা কম্পিউটারের কেসিংয়ের ওপরের কোনায় থাকে।
- সাধারণত কেসিংয়ের সাথে পাওয়ার সাপ্লাই ইনস্টল করা থাকে। যদি ইনস্টল করা না থাকে তাহলে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটকে কেসিংয়ের যথাস্থানে স্থাপন করে স্ক্রু-গুলি সংযুক্ত করতে হবে। অতঃপর বিভিন্ন ক্যাবলসমূহ নির্ধারিত স্থানে সংযোজন করার পদক্ষেপ নিতে হবে।
- কাজের ধরন ও ক্যাবল ম্যানেজমেন্টের ওপর ভিত্তি করে এটি মডুলার, সেমি-মডুলার এবং নন-মডুলার -এই তিন ধরনের হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৩০৪.
TCP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Transfer Control Process
  2. Transmission Communication Process
  3. Transmission Control Protocol
  4. Transfer Communication Protocol
সঠিক উত্তর:
Transmission Control Protocol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Transmission Control Protocol
ব্যাখ্যা

TCP:
- TCP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Transmission Control Protocol.
- ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদান প্রক্রিয়া বা ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকলের সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে টিসিপি।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সঙ্গে নিরাপদে সংযোগ স্থাপন অনেকটা টিসিপির ওপর নির্ভর করে।
- ই-মেইলের মতো ইন্টারনেটের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনেও টিসিপি ব্যবহার করা হয়।
- টিসিপির প্রধান কাজ তিনটি।
যথা- ১. 'বাইট স্ট্রিম' সরবরাহ করা, ২. সংযোগবিষয়ক এবং ৩. আস্থা স্থাপন।
- কয়েকটি ছোট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি ফাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। এ কারণেই প্রেরণ করার সময় ফাইলগুলো অন্য লিঙ্কে প্রবেশ করা থেকে এবং হারিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকে।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৩০৫.
বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে কতটি বাইনারি বিট একসাথে ব্যবহৃত হয়?
  1. ২টি
  2. ১৬টি
  3. ৩টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় সাধারণত ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে নেওয়া হয়। কারণ একটি অক্টাল সংখ্যা ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মান নিতে পারে, যা বাইনারিতে ৩টি বিট দ্বারা প্রকাশ করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি ০০০ মানে অক্টাল ০, ১১১ মানে অক্টাল ৭। তাই বড় কোনো বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সেটি তিনটি করে বিট ভাগ করে অক্টাল মান বের করা হয়। এটি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং কোনো মান হারানোর ঝুঁকি কমায়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো: ৩টি।

• একটি অক্টাল সংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করলে প্রতি অঙ্কের জন্য ৩টি বাইনারি বিট লাগে।
উদাহরণস্বরূপ:
অক্টাল 7 = বাইনারি 111
অক্টাল 5 = বাইনারি 101

সুতরাং, বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের সময় প্রতি ৩টি বাইনারি বিট = ১টি অক্টাল ডিজিট। এজন্য ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে গ্রুপ করা হয়।

বাইনারি থেকে অক্ট্যাল রূপান্তর: 
- একটি অক্ট্যাল সংখ্যা তিন বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা যায়। 
- আমরা জানি, বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২ এবং অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮। 
- বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সংখ্যাটির অংকগুলোকে তিন বিট বিশিষ্ট ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এরপর প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে তা বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরিত হয়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৩০৬.
কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য কীসের প্রয়োজন?
  1. ক) পেন ড্রাইভ
  2. খ) ডিভিডি রম ড্রাইভ
  3. গ) মডেম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) মডেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মডেম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগের জন্য মডেমের প্রয়োজন হয়। 

- মডেম হলো এক ধরনের হার্ডওয়ার নেটওয়ার্ক ডিভাইস যা একটি কম্পিউটার স্যাটেলাইট বা টেলিফোন লাইনে ডেটা ট্রান্সমিশন এর কাজ করে।
- একটি ক্ষুদ্র একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা মডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেট সংযোগ করে।
- মডেম এমন একটি ইলেকট্রিক ডিভাইস যা ইনপুট এবং আউটপুট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ডেটা কমিউনিকেশন প্রক্রিয়ায় সাধারণত চার ধরনের মডেমের ব্যবহার দেখা যায়। 
যথা-   Onboard Modem, Internal Modem, Removable Modem, External Modem. 

সূত্র- ১৫০ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৭,৩০৭.
(1010)2 এর সমতুল্য মানের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) (10)10
  2. খ) (14)8
  3. গ) (A)16
  4. ঘ) সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
খ) (14)8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) (14)8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (1010)2 এর সমতুল্য মানের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?

সমাধান:
৭,৩০৮.
মেটা প্ল্যাটফর্মস কোন জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোর অন্তর্ভুক্ত?
  1. টুইটার, স্ন্যাপচ্যাট
  2. ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ
  3. ইউটিউব, টিকটক
  4. লিঙ্কডইন, পিন্টারেস্ট
সঠিক উত্তর:
ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ
ব্যাখ্যা
মেটা প্ল্যাটফর্মস ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোর অন্তর্ভুক্ত।

• মেটা প্ল্যাটফর্মস
- মেটা প্ল্যাটফর্মস হলো একটি সামাজিক মাধ্যম জায়ান্ট।
- এটি ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এবং হোয়াটসঅ্যাপের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোর মালিক।
- এই কোম্পানিটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি পরিবেশে ব্যবহারকারীদের মিথস্ক্রিয়ার ওপর জোর দেয়।
- ফেসবুকের মূল কোম্পানি অক্টোবর, ২০২১ সালে তার নাম পরিবর্তন করে মেটা প্ল্যাটফর্মস রাখে।
- ফেব্রুয়ারি ২০২৩-এ জুকারবার্গ ঘোষণা করেন যে কোম্পানিটি মেটাভার্স থেকে সরে এসে জেনারেটিভ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ওপর মনোযোগ দেবে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৩০৯.
OSI মডেলের কোন স্তরে ইমেইল কাজ করে?
  1. ক) Network layer
  2. খ) Application layer
  3. গ) Transport layer
  4. ঘ) Datalink layer
সঠিক উত্তর:
খ) Application layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Application layer
ব্যাখ্যা
- ইমেইল OSI মডেলের Application layer স্তরে কাজ করে। 
- অ্যাপ্লিকেশন স্তরে ব্যবহারকারীকে অ্যাপ্লিকেশন এর নেটওয়ার্ক অ্যাক্সেস দিয়ে থাকে। 
- এই স্তরের অধীনে রয়েছে ফাইল ট্রান্সফার সফটওয়্যার, ডাটাবেস এক্সেস ও ইমেইল। 
 
OSI মডেলের স্তর ৭ টি:
- Application layer
- Presentation layer
- Session layer
- Transport layer
- Network layer
- Datalink layer
- Physical layer
৭,৩১০.
কোন দুটি গেট দিয়ে যেকোন লজিক গেট বানানো সম্ভব?
  1. AND এবং NOT
  2. OR এবং AND
  3. OR এবং NOT
  4. NAND এবং NOR
সঠিক উত্তর:
NAND এবং NOR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAND এবং NOR
ব্যাখ্যা

NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,৩১১.
VRM কী ধরণের ডিভাইস?
  1. ক) ইনপুট-আউটপুট
  2. খ) ইনপুট
  3. গ) আউটপুট
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) আউটপুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আউটপুট
ব্যাখ্যা
- আউটপুট ইউনিট কম্পিউটারে তথ্য প্রদানের পর কম্পিউটার সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর যে ফল প্রদান করে তাহলো আউটপুট।
- প্রক্রিয়াকরণের পর যে সব যন্ত্রের মাধ্যমে ফলাফল প্রদর্শিত হয় তাদেরকে বলা হয় আউটপুট ডিভাইস (Output Device)।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, ভয়েস রিকগনিশন মেশিন (VRM), টেপ, ডিস্ক ইত্যাদি বহুল ব্যবহৃত আউটপুট ডিভাইস। নিম্নে কিছু আউটপুট ডিভাইসের বর্ণনা করা হল ।

উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৩১২.
অপারেটিং সিস্টেম নয় কোনটি?
  1. CentOS
  2. Ubuntu
  3. Opera
  4. Fedora
সঠিক উত্তর:
Opera
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Opera
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) হলো কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, যা ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার পরিচালনা করার সুযোগ দেয়। CentOS, Ubuntu, এবং Fedora তিনটি আলাদা ধরনের অপারেটিং সিস্টেম, যা লিনাক্স ভিত্তিক এবং বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য উপযোগী।
- তবে Opera একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেটে ব্রাউজিং করার জন্য ব্যবহৃত হয়।


• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন - CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৩১৩.
কুকিজ ও টেম্পোরারি ফাইল জমা হয় কোথায়?
  1. হার্ডডিস্কে
  2. ডি-ড্রাইভে
  3. রমে
  4. ক্যাশ মেমোরিতে
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমোরিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাশ মেমোরিতে
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়।
প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,৩১৪.
NAND গেটকে কেন "Universal Gate" বলা হয়?
  1. এটি সবচেয়ে সাধারণভাবে ব্যবহৃত গেট
  2. এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়
  3. এটি কম বিদ্যুৎ খরচ করে
  4. এটি তৈরি করা সহজ
সঠিক উত্তর:
এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়
ব্যাখ্যা
• NAND গেটকে "Universal Gate" বলা হয় কারণ এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়। অর্থাৎ, NAND গেটের সাহায্যে AND, OR, NOT, NOR, XOR প্রভৃতি সকল লজিক গেট ডিজাইন করা সম্ভব। এই গেটটি এতই কার্যকরী যে, শুধুমাত্র NAND গেট দিয়েই একটি পূর্ণ লজিক সার্কিট নির্মাণ করা যায়। তাই, এটি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল ব্যবহৃত। 

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে, 
মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৩১৫.
নিচের কোনটি Utility Software নয়?
  1. System Cleanup
  2. Disk Defragmenter
  3. Antivirus
  4. COBOL
সঠিক উত্তর:
COBOL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
COBOL
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

ইউটিলিটি সফটওয়্যার- এর উদাহরণ হচ্ছে - 
- Antivirus Software,
- Disk Cleanup,
- Disk Defragmenter,
- Backup Software,
- File Compression Tools,
- System Monitoring Utilities,
- System Cleanup Utilities.

অন্যদিকে,
• COBOL - প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুইয়েজ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৩১৬.
বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপনের সময়কাল কখন?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে) প্রথম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় ১৯৬৪ সালে, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন-এর তত্ত্বাবধানে।
- কম্পিউটারটি ছিল IBM 1620 মডেলের। এটি একটি প্রাথমিক কম্পিউটার সিস্টেম ছিল, যা মূলত গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহার করা হতো।
- এর আগে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে কম্পিউটার প্রযুক্তি ছিল খুবই সীমিত, কিন্তু ১৯৬৪ সালে এই কম্পিউটারটির প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের প্রযুক্তির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল। এর মাধ্যমে দেশের গবেষণা কার্যক্রমে গতি আসে এবং পরবর্তীতে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে থাকে।

- বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য একটি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে বিভিন্ন শস্য গবেষণা ও বিজ্ঞানমূলক কাজে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৭০ ও ১৯৭৪ সালের মধ্যে আরও অনেক কম্পিউটার প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে ১৯৬৪ সালের ঘটনাটি বাংলাদেশের কম্পিউটার যুগের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত।
- এটি ছিল বাংলাদেশের কম্পিউটার বিজ্ঞানের প্রথম পদক্ষেপ, এবং পরবর্তীতে এর ব্যবহার শিক্ষা, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিস্তৃত হতে থাকে।

• বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপন:
- ১৯৬৪ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
- এটি ছিল আইবিএম কোম্পানির একটি মেইনফ্রেইম কম্পিউটার
- IBM 1620 সিরিজের কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্থান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র।
- যন্ত্রটির প্রধান ব্যবহার ছিল জটিল গবেষণা কাজে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন-করণ।

- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ষাটের দশকের শেষ দিকে হাবিব ব্যাংক ও ইউনাইটেড ব্যাংক কম্পিউটার স্থাপন করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো 1969 সালের দিকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে।
- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

৭,৩১৭.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের সহায়ক মেমরি হিসেবে কাজ করে?
  1. র‍্যাম
  2. রম
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. উপরের সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
হার্ড ডিস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ড ডিস্ক
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory) ও 
২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)।

 • প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM (Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- ROM কে Non - Volatile Memory বলে।

• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pen Drive ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেনী।
৭,৩১৮.
সরকারি কার্যক্রম ও সেবাকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনার ব্যবস্থাকে কী বলা হয়?
  1. ই-কমার্স
  2. ই-গভর্নেন্স
  3. ই-লার্নিং
  4. ই-ব্যাংকিং
সঠিক উত্তর:
ই-গভর্নেন্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-গভর্নেন্স
ব্যাখ্যা

• সরকারি কার্যক্রম ও সেবাকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনার ব্যবস্থাকে ই-গভর্নেন্স বলা হয়।

• ই-গভর্নেন্সের সংজ্ঞা:
- সরকারি কার্যক্রম ও সেবাকে ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে পরিচালনার ব্যবস্থাকে ই-গভর্নেন্স বলা হয়।
- ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে সরকারের কর্মকাণ্ড কাগজভিত্তিক পদ্ধতি থেকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তরিত হয়।

• ই-গভর্নেন্সের মূল ধারণা:
- সরকারি কাজ ও প্রক্রিয়ায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির প্রয়োগই হলো ই-গভর্নেন্স।
- ই-গভর্নেন্স জনগণের সাথে সরকারের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করে।
- ডিজিটাল তথ্য বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহজে আদান-প্রদান করা যায়।

• ই-গভর্নেন্সের মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধা:
- সরকারি সেবা স্বল্প সময়ে ও কম খরচে পাওয়া যায়।
- সেবা গ্রহণে হয়রানি কমে আসে।
- সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়।
- নাগরিকরা নিজেদের সুবিধাজনক সময়ে সেবা গ্রহণ করতে পারে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ই-কমার্স: অনলাইনে পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের ব্যবস্থা।
- ই-লার্নিং: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণের পদ্ধতি।
- ই-ব্যাংকিং: ব্যাংকিং সেবা ডিজিটাল মাধ্যমে পরিচালনার ব্যবস্থা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৩১৯.
Which of the following is not an output hardware?
  1. ক) Flim Recoder
  2. খ) Multimedia Projector
  3. গ) VRAM
  4. ঘ) Image Setter
সঠিক উত্তর:
গ) VRAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) VRAM
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট হার্ডওয়্যার নামে পরিচিত।
অর্থাৎ কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করায় সেগুলোকে আউটপুট যন্ত্রাংশ বা আউটপট হার্ডওয়্যার বলা হয়।

উল্লেখযোগ্য আউটপট হার্ডওয়্যারসমূহ হলো:
- মনিটর (Monitor)
- প্রিন্টার (Printer)
- প্লটার (Ploter)
- স্পিকার (Speaker)
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector)
-  ইমেজ সেটার (Image Setter)
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder)
- হেড ফোন (Headphone) ইত্যাদি।

অপরদিকে, VRAM হলো প্রসেসিং হার্ডওয়্যার। 

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৩২০.
WWW এর জনক বলা হয় কাকে?
  1. Vint Cerf
  2. Tim Berners-Lee
  3. Dennis Ritchie
  4. James Gosling
সঠিক উত্তর:
Tim Berners-Lee
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tim Berners-Lee
ব্যাখ্যা

Tim Berners-Lee হলেন World Wide Web (WWW)-এর জনক। তিনি ১৯৮৯ সালে CERN-এ কাজ করার সময় ওয়েব ব্রাউজার, হাইপারটেক্সট, HTTP ও HTML প্রোটোকল তৈরি করেন, যা আজকের ইন্টারনেটের ভিত্তি গঠন করে।

WWW:
- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি (Tim Berners-Lee) ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে (Tim Berners-Lee) WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৩২১.
রিং নেটওয়ার্কে কম্পিউটার যে বিন্দুতে যুক্ত থাকে, তাকে বলা হয় -
  1. কানেক্টর
  2. পয়েন্ট
  3. নোড
  4. হাব
সঠিক উত্তর:
নোড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোড
ব্যাখ্যা
- রিং নেটওয়ার্কে কম্পিউটার যে বিন্দুতে যুক্ত থাকে তাকে নোড বলে। 
- রিং নেটওয়ার্কে কম্পিউটার গুলো নোডের মাধ্যমে বৃত্তাকার পথে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত হয়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে।

- Ring networks have mostly been used in local area networks. A ring network is a closed chain of processing elements.
- Each node in the ring has a unique predecessor and successor nodes.
- The degree of each node is 2, so that it is a regular network. A ring network with N nodes has a diameter N/2 (i.e., O(N)) and it can tolerate one fault, i.e., communication among the processing elements can be maintained in the event of failure of only one of the processing elements.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও Sciencedirect।
৭,৩২২.
নিচের কোনটি 'NOT' গেইটের প্রতীক?
    সঠিক উত্তর:
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্যাখ্যা
    নট গেইটের প্রতীক - 
       

    অর গেইটের প্রতীক -
     

    ন্যান্ড গেইটের প্রতীক -
     

    অ্যান্ড গেইটের প্রতীক -
      

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩২৩.
    ‘ট্যাব’ Key ব্যবহার করা যায়-
    1. স্ক্রিন জুড়ে কার্সর মুভ করতে
    2. একটি অনুচ্ছেদ ইন্ডেন্ট করতে
    3. স্ক্রিনের নিচে কার্সর মুভ করতে
    4. ক ও খ উভয়ই
    সঠিক উত্তর:
    ক ও খ উভয়ই
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক ও খ উভয়ই
    ব্যাখ্যা
    স্ক্রিন জুড়ে কার্সর মুভ করা ও অনুচ্ছেদ ইন্ডেন্ট করার কাজে ‘ট্যাব’ Key ব্যবহার করা যায়।
    উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ৭,৩২৪.
    মূলত কোনটিকে কম্পিউটারের প্রসেসর বলা হয়ে থাকে?
    1. ALU
    2. CPU
    3. UPS
    4. RAM
    সঠিক উত্তর:
    CPU
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    CPU
    ব্যাখ্যা

    • মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর (Processor):
    - কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়‍্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
    মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ। একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
    - মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ (CPU) হিসেবে কাজ করে। মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
    - বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4-বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16-বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32-বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64-বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
    - যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে। এটি ছিল Intel 4000 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।  - বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে বিশ্বের বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইন্টেল কর্পোরেশন (Intel Corporation), মটোরোলা (Motorola), আইবিএম (IBM International Business Machine), এএমডি (AMD Advanced Micro Devices), কোয়ালকম (Qualcomm) ইত্যাদি।
    - মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
    ১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
    ২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
    ৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৭,৩২৫.
    এমএস ওয়ার্ড এ কোনাে কিছু কপি করতে হলে কি-বোর্ডে কমান্ড বাটন হচ্ছে-
    1. ক) Shift + Copy
    2. খ) Shift + Alter + C
    3. গ) Alt + G
    4. ঘ) Ctrl + C
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) Ctrl + C
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) Ctrl + C
    ব্যাখ্যা
    এমএস ওয়ার্ডে
    - কোনো কিছু খুজে বের করতে Ctrl + F
    - কোন কিছু কপি করতে Ctrl + C,
    - পেস্ট করতে Ctrl + V,
    - কোন ফাইল কর্তনে Ctrl + X,
    - কোনো ফাইল Undo করতে Ctrl + Z,
    - Undo-কৃত ফাইলকে Redo করতে Ctrl + Y ব্যবহৃত হয়।

    উৎসঃ মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট
    ৭,৩২৬.
    ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও  পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এর মধ্যে আন্তঃলেনদেন সেবার নাম কী?
    1. ক) NPSB
    2. খ) Pathao
    3. গ) BEFTN
    4. ঘ) Binimoy
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) Binimoy
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) Binimoy
    ব্যাখ্যা
    বিনিময়
    - ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও  পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এর মধ্যে আন্তঃলেনদেন সেবার নাম ‘বিনিময়’।
    - তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে বিনিময়।
    - এ সেবার মাধ্যমে বিকাশ থেকে রকেটে অথবা উপায় থেকে এমক্যাশে বা বিকাশে কিংবা ব্যাংকে তাৎক্ষণিক লেনদেন করা যাবে একটি অ্যাকাউন্ট দিয়ে।
    - ভারতের ইউপিআই (Unified Payments Interface - UPI) এর আদলে তৈরি হয়েছে দেশের Interoperable Digital Transaction Platform (IDTP), যা বিনিময় নামে পরিচিত হবে।
    - এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৩ নভেম্বর ২০২২ এ।
    ৭,৩২৭.
    নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
    1. AVG
    2. AVAST
    3. Norton
    4. উপরের সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    উপরের সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
    - ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে। 
    - প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
    - কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 
    - এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। 
    - উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো - 
    AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

    • Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

    তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।

    ৭,৩২৮.
    AIX অপারেটিং সিস্টেম এর স্বত্বাধিকারী-
    1. ক) IBM
    2. খ) IBS
    3. গ) HP
    4. ঘ) Microsoft Corporation
    সঠিক উত্তর:
    ক) IBM
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক) IBM
    ব্যাখ্যা
    বিভিন্ন ব্রান্ডের কম্পিউটারের জন্য ইউনিক্স এর কয়েকটি ভার্সন আছে। ম্যাকিনটোশ পিসির জন্য A/UX, আইবিএম পিসির জন্য AIX, সান মাইক্রোওয়ার্ক স্টেশনের জন্য Solaris।
    উৎসঃ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
    ৭,৩২৯.
    অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংককে কত বিট বিশিষ্ট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হয়-
    1. ৮ বিট
    2. ৪ বিট
    3. ৩ বিট
    4. ২ বিট
    সঠিক উত্তর:
    ৩ বিট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩ বিট
    ব্যাখ্যা
    - যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
    - অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-

    ১ = ০০১
    ২ = ০১০
    ৩ = ১০১
    ৪ = ১০০

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৩০.
    In cybersecurity, a Zero-Day vulnerability means-
    1. A virus that spreads within 24 hours
    2. A flaw unknown to the vendor, to be fixed before it can be exploited 
    3. A malware that deletes files every day
    4. A hacking tool that lasts for one day 
    সঠিক উত্তর:
    A flaw unknown to the vendor, to be fixed before it can be exploited 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    A flaw unknown to the vendor, to be fixed before it can be exploited 
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: খ) A flaw unknown to the vendor, to be fixed before it can be exploited.

    জিরো-ডে ভানারেবিলিটি (Zero-Day Vulnerability):
    - জিরো-ডে ভানারেবিলিটি হলো সেই নিরাপত্তা দুর্বলতা যা সফটওয়্যার নির্মাতার কাছে অজানা থাকে।
    - এটি একটি ত্রুটি বা দুর্বলতা যা এখনও প্রকাশ করা হয়নি বা কোনো প্যাচ (patch) দ্বারা সমাধান করা হয়নি।
    হ্যাকাররা এই দুর্বলতাটি ব্যবহার করে সফটওয়্যার বা সিস্টেমে অননুমোদিত প্রবেশ করতে পারে।
    - "Zero-Day" নামটি এসেছে কারণ, সফটওয়্যার নির্মাতাকে সমস্যার সমাধান করার জন্য এক দিনও সময় নেই।
    - এটি ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ধরনের সাইবার হুমকি, কারণ কোনো নিরাপত্তা সমাধান আগেই প্রস্তুত থাকে না।
    - সাধারণ অ্যান্টিভাইরাস বা নিরাপত্তা সিস্টেম প্রায়ই এটি চিনতে পারে না, তাই এটি খুবই বিপজ্জনক।
    উদাহরণ এবং বিভ্রান্তিকর ধারণা:
    কোনো জানা দুর্বলতা যার জন্য প্যাচ ইতিমধ্যেই রয়েছে, সেটি জিরো-ডে নয়।
    - পুরোনো হার্ডওয়‍্যারের ত্রুটি বা নির্দিষ্ট সময় পরে সক্রিয় হওয়া ম্যালওয়্যার জিরো-ডে ভানারেবিলিটি নয়।
    - মূল বৈশিষ্ট্য: এটি সফটওয়্যার নির্মাতার অজানায় থাকে এবং একেবারে নতুন আক্রমণের সুযোগ দেয়।
    - সুতরাং, সফটওয়্যার নির্মাতার অজানা দুর্বলতাকেই জিরো-ডে ভানারেবিলিটি বলা হয়।

    উৎস: IBM [link]

    ৭,৩৩১.
    RAM-কে কেন 'ভোলাটাইল' বা অস্থায়ী মেমোরি বলা হয়?
    1. এটি খুব দ্রুত কাজ করে
    2. এতে ডেটা পড়া ও লেখা যায়
    3. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়
    4. এটি সিলিকন দিয়ে তৈরি
    সঠিক উত্তর:
    বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়
    ব্যাখ্যা

    - সঠিক উত্তর: গ) বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়।

    • প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main/Primary Memory):
    - প্রধান মেমোরি কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মাইক্রোপ্রসেসরের কাজের জায়গা বা ওয়ার্কপ্লেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
    - এটি প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফলাফল অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
    - আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি হয়। সেমিকন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ আংশিকভাবে চলাচল করতে পারে। এর প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকন।
    - প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি হলো ফ্লিপ-ফ্লপ নামক ইলেকট্রনিক সার্কিট, যা ০ বা ১ বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
    - কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রধান মেমোরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ক. র‍্যাম (RAM) ও খ. রম (ROM)।

    ক. RAM (Random Access Memory):
    - র‍্যাম কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।
    - সংরক্ষিত ডেটা যে কোনো ক্রমে অ্যাক্সেস করা যায় বিধায় একে র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি (RAM) বলে। এছাড়াও ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই সম্ভব হওয়ায় একে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয়।
    - কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম র‍্যামে লোড হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলে
    - এটি চলমান প্রোগ্রাম এবং বারবার পরিবর্তনশীল ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
    - সিপিইউ (CPU)-এর গাণিতিক ও যুক্তি অংশের (ALU) সাথে প্রধানত রেজিস্টার (Register) এবং প্রাথমিক মেমরি বা মেইন মেমরি (RAM - Random Access Memory)-এর প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকে। ALU-এর কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা ও নির্দেশাবলী সরাসরি এই মেমোরি থেকে গ্রহণ করে এবং প্রসেসিংয়ের পর ফলাফল আবার রেজিস্টার বা র‍্যাম-এ জমা রাখে।

    খ. রম (ROM):
    - কম্পিউটার ROM হচ্ছে Read-Only Memory যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে পরিচিত।
    - কম্পিউটার এর স্মৃতিতে কিছু প্রোগ্রাম এবং ডকুমেন্ট এমন ভাবে দেওয়া থাকে যা আমরা কোনভাবেই রিরাইট, ডিলিট বা কিচ্ছু করতে পারি না। কম্পিউটারের সেই স্মৃতিকেই মুলত বলা হয় ROM বা রিড অনলি মেমোরি।

    রেজিস্টার (Register):
    - এটি সিপিইউ-এর ভেতরে থাকা সবচেয়ে দ্রুতগতির ক্ষুদ্র মেমোরি, যা ALU-কে সরাসরি ডেটা সরবরাহ করে।

    তথ্যসূত্র: 
    - Geeksforgeeks [Link]
    - Computer & ICT Cloud

    ৭,৩৩২.
    জিপিএস কোন উৎস থেকে তথ্য গ্রহণ করে?
    1. মোবাইল টাওয়ার
    2. রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি
    3. স্যাটেলাইট থেকে
    4. ওয়েব সার্ভার থেকে
    সঠিক উত্তর:
    স্যাটেলাইট থেকে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    স্যাটেলাইট থেকে
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: গ) স্যাটেলাইট থেকে 

    জিপিএস (Global Positioning System – GPS)
    - জিপিএস হলো একটি স্যাটেলাইট-নির্ভর একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা, যা পৃথিবীর যে কোনো স্থানের অবস্থান নিখুঁতভাবে নির্ণয় করতে সক্ষম।
    - আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির কারণে, মোবাইল ও অন্যান্য ডিভাইসের মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি বা বস্তু ট্র্যাক করা এবং অবস্থান সঠিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব।
    - জিপিএস নিরন্তর স্যাটেলাইট থেকে তথ্য গ্রহণ করে এবং তা পৃথিবীর বিভিন্ন সার্ভারে প্রেরণ করে।
    - বর্তমানে, জিপিএস রিসিভারগুলো উচ্চ নির্ভুলতা (high accuracy) প্রদান করে।
    - গাড়ি, জাহাজ, বিমান, ল্যাপটপ, স্মার্টফোনসহ আধুনিক অধিকাংশ ডিভাইসে জিপিএস রিসিভার সংযুক্ত থাকে।
    - বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় জিপিএস ভিত্তিক সেবা হলো ট্রেনের অবস্থান সম্পর্কে আগাম তথ্য পাওয়া।
    - নির্দিষ্ট মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে মেসেজ পাঠিয়ে যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলের যে কোনো ট্রেনের সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানতে পারে।
    - এর ফলে যাত্রীরা স্টেশনে সময়মতো পৌঁছাতে পারে।
    - বাংলাদেশের এই সেবাটি গ্রামীণফোন ও রেলের যৌথ উদ্যোগে জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রদান করা হয়।

    Source: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান। 

    ৭,৩৩৩.
    একাধিক প্রসেসর যেন একই প্রোগ্রাম একসাথে প্রসেস না করে, সেটির জন্য কোন কৌশলটি ব্যবহৃত হয়?
    1. ভার্চুয়ালাইজেশন
    2. সিনক্রোনাইজেশন
    3. ইনক্রিপশন
    4. কম্প্রেশন
    সঠিক উত্তর:
    সিনক্রোনাইজেশন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সিনক্রোনাইজেশন
    ব্যাখ্যা
    একাধিক প্রসেসর যেন একই প্রোগ্রাম একসাথে প্রসেস না করে, সেটির জন্য সিঙ্ক্রোনাইজেশন কৌশলটি ব্যবহৃত হয়।

    • মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprocessing Operating System)
    - মাল্টিপ্রসেসিং বলতে দুই বা ততোধিক নির্দেশনা সমান্তরালভাবে দুই বা ততোধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর বা সিপিইউ কর্তৃক পরিচালিত হওয়া বুঝায়।
    - এসব সিপিইউ একই সময়ে কোনো প্রোগ্রামের আলাদা নির্দেশ পালন করে কিংবা সম্পূর্ণভাবে আলাদা আলাদা প্রোগ্রামও নির্বাহ করতে পারে।
    - মাল্টিপ্রসেসিং পদ্ধতিতে কাজের গতি অত্যন্ত দ্রুত হয়।
    - এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর ব্যবহৃত হয় বলে এর উপর বেশি নির্ভরশীল হওয়া যায়, কারণ একটি প্রসেসর খারাপ হয়ে গেলেও কাজ একেবারে বন্ধ হয়ে যায় না।
    - মহাকাশযান, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র ও বড় কলকারখানা এসব ক্ষেত্রে মাল্টিপ্রসেসিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
    - যেহেতু এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর থাকে তাই একাধিক প্রসেসর যাতে একসাথে একই প্রোগ্রাম প্রসেস করতে না পারে সে জন্য একটা ব্যবস্থা থাকে যাকে সিনক্রোনাইজেশন (Synchronization) বলে।
    - মাল্টিপ্রসেসিং-এ প্রতিটি প্রোগ্রামের সাথে একটি ফ্ল্যাগ বিট (Flag bit) যুক্ত থাকে।
    - কোনো প্রোগ্রামের ফ্ল্যাগ বিট শূন্য (০) হলেই কোনো প্রসেসর সেই প্রোগ্রাম প্রসেস করে এবং ফ্ল্যাগ বিট এক (১) করে রাখে।
    - সুতরাং যে প্রোগ্রামের ফ্ল‍্যাগ বিট এক (১) ঐ প্রোগ্রাম কোনো প্রোসেসর প্রসেস করবে না।

    উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
    ৭,৩৩৪.
    Which of the following is the world’s first electronic computer?
    1. ENIAC
    2. MARK-1
    3. EDVAC
    4. UNIVAC
    সঠিক উত্তর:
    ENIAC
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ENIAC
    ব্যাখ্যা
    ENIAC হচ্ছে প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

    • ENIAC:
    - ১৯৪৬ সালে আমেরিকার পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন মশলি ও প্রেসলার একাট যৌথভাবে বৃহদাকার ইলেকট্রনিক কম্পিউটার তৈরি করেন।
    - তাঁরা কম্পিউলিরটির নাম দেন 'এনিয়াক' (ENIAC)।
    - এনিয়াক হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

    • EDVAC:
    - EDVAC তৈরি হয়েছিল ১৯৪৬ সালে।
    - এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ছিল।

    • UNIVAC:
    -জন মশলি ও প্রেসপার একাটি ১৯৪৬ সালে একটি কোম্পানি গঠন করে ১৯৫১ সালে প্রথম ইউনিভ্যাক-(UNIVAC-1) কম্পিউটার তৈরি করেন।
    - এই ইউনিভ্যাকই ছিল প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার।
    -১৯০২ সালে IBM কোম্পানি IBM-650, 701 কম্পিউটার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ও বাজারজাত করে।

    • MARK-1:
    - মার্ক-১ একটি ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার যেটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্‌টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine) কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
    - হাওয়ার্ড এইকিনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৪ সালে এটি নির্মিত হয়।
    - মার্ক-১ ছিল পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র।
    - এটি দ্বারা যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, এমনকি ত্রিকোণমিতিক হিসাবও করা যেত।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউদির শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
    ৭,৩৩৫.
    পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে কে পরিচিত?
    1. Bjarne Stroustrup
    2. Guido Van Rossum
    3. Tim Berners-Lee
    4. Dennis Ritchie
    সঠিক উত্তর:
    Guido Van Rossum
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Guido Van Rossum
    ব্যাখ্যা

    • পাইথন (Python) প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক হলেন Guido Van Rossum।
    - ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে নেদারল্যান্ডের সিডব্লিউআই (CWI)-তে কর্মরত থাকাকালীন Guido Van Rossum পাইথন ভাষাটি তৈরি করেন।
    - তিনি চেয়েছিলেন এমন একটি ভাষা তৈরি করতে যার কোড হবে পরিষ্কার এবং যা সহজে অন্য প্রোগ্রামাররা পড়তে পারবে। ১৯৯১ সালে এটি জনসমক্ষে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে এর জনপ্রিয়তা ক্রমাগত বাড়ছে।

    • পাইথন (Python):
    - পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
    - ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
    - ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
    - পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
    - অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
    - সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
    - যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
    - ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
    - এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

    উল্লেখ্য, 
    - Bjarne Stroustrup: C++ প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
    - Dennis Ritchie: 'C' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
    - Tim Berners-Lee: HTML এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)-এর জনক।

    উৎস:
    ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ২। ব্রিটানিকা।

    ৭,৩৩৬.
    চিহ্নটি প্রোগ্রাম ফ্লোচার্টে কী নির্দেশ করে? 
    1. লুপ
    2. গাণিতিক কাজ
    3. সিদ্ধান্ত
    4. প্রোগ্রামের গতি
    সঠিক উত্তর:
    সিদ্ধান্ত
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সিদ্ধান্ত
    ব্যাখ্যা
    • প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট:
    - কম্পিউটার প্রোগ্রাম লেখার জন্য এই ফ্লোচার্ট ব্যবহার করা হয়।
    - এই ফ্লোচার্টের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণের ধাপসমূহ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা হয়।
    - মূলত সিস্টেম ফ্লোচার্টের চেয়ে প্রোগ্রাম ফ্লোচার্টই বেশি ব্যবহৃত হয়।
    - প্রোগ্রাম ফ্লোচার্টে কতকগুলো জ্যামিতিক চিত্র ব্যবহার করা হয়। 
    - প্রোগ্রাম ফ্লোচার্টে ব্যবহৃত প্রতীকগুলো হলো:

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৩৭.
    বিদ্যুৎ এর সিস্টেম লস কমানোর জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
    1. ক) রেকটিফায়ার
    2. খ) স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মার
    3. গ) স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মার
    4. ঘ) ট্রানজিস্টর
    সঠিক উত্তর:
    খ) স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মার
    ব্যাখ্যা
    একটা নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রোধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। সে জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে উচ্চতর ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয়।

    [সূত্রঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
    ৭,৩৩৮.
    কোনটি সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে?
    1. RAM
    2. Hard Disk
    3. Cache
    4. Keyboard
    সঠিক উত্তর:
    Cache
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Cache
    ব্যাখ্যা
    - উল্লেখিত অপশন সমূহের মধ্যে ক্যাশ মেমরি সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে।

    • ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
    - এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
    - মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
    - কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়। 

    • মেমরির ধারণক্ষমতার ক্রম:

     
    - পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
    - আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৩৯.
    কোনটি নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে?
    1. Compiler
    2. Assembler
    3. Interpreter
    4. Linker
    সঠিক উত্তর:
    Assembler
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Assembler
    ব্যাখ্যা
    • অনুবাদক প্রোগ্রাম:
    - অ্যাসেম্বলি বা উচ্চতর ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে সোর্স প্রোগ্রাম এবং মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রাম বলা হয়।
    - সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করার জন্য যে প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
    - সোর্স প্রোগ্রামকে অনুবাদ করার জন্য তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম আছে। যেমন:
    ১. কম্পাইলার (Compiler):
    - কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

    ২. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
    - অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
    - এ ভাষার অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান মেমোরিতে রক্ষিত অ্যাসেম্বলি ভাষার সব নির্দেশ ঠিক আছে কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানানো।

    ৩. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
    - ইন্টারপ্রেটারও কম্পাইলারের মতো উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
    - ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৪০.
    IPV4 এর ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
    1. IPV4 এ থাকে চারটি অকটেট
    2. প্রতিটি অকটেট . (ডট) দ্বারা পৃথক থাকে
    3. সম্পূর্ণ ঠিকানা প্রকাশের জন্য ৩২ বিটের প্রয়োজন
    4. IPV4 এ মোট 216 সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেস থাকে 
    সঠিক উত্তর:
    IPV4 এ মোট 216 সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেস থাকে 
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    IPV4 এ মোট 216 সংখ্যক আইপি অ্যাড্রেস থাকে 
    ব্যাখ্যা
    • আইপি অ্যাড্রেস:
    - ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
    - আইপি হলো এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
    - বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
    - চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
    - IPv4 অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়
    - তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৪১.
    HSPA, WCDMA, 3GPP ও UMTS এই চারটি স্ট্যান্ডার্ট কোন প্রজন্মের ফোনে চালু হয়?
    1. ১ম
    2. ২য়
    3. ৩য়
    4. ৪র্থ
    সঠিক উত্তর:
    ৩য়
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৩য়
    ব্যাখ্যা
    HSPA, WCDMA, 3GPP ও UMTS এই চারটি স্ট্যান্ডার্ট ৩য় প্রজন্মের ফোনে চালু হয়।
    ভিডিও কল, ইন্টারনেট, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং ইত্যাদি সুবিধা নিয়ে থ্রিজি মোবাইল চালু হয়। 

    উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, বোর্ড বই
    ৭,৩৪২.
    কোনটি আইসির একটি ধরন?
    1. TTL
    2. CR2032
    3. LED
    4. Resistor
    সঠিক উত্তর:
    TTL
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    TTL
    ব্যাখ্যা
    • আইসি বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (Integrated Circuit) হলো একটি ছোট চিপ যা অনেক ধরনের ইলেকট্রনিক উপাদান যেমন ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর একত্রিত করে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন প্লেটে স্থাপন করে। এটি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মূল কাজ সম্পাদন করে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে TTL (Transistor-Transistor Logic) হলো আইসির একটি ধরন। TTL আইসি প্রধানত লজিক সার্কিট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে লজিক ফাংশন সম্পাদন করে। অন্যদিকে CR2032 হলো ব্যাটারি, LED হলো আলো উৎপন্ন উপাদান, এবং Resistor হলো বৈদ্যুতিক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান। সুতরাং, আইসির ধরন হিসেবে সঠিক উত্তর হলো TTL।

    • Integrated Circuit:
    - ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন। 
    - একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে। 
    - তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল। 
    - ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। 
    - একই সাথে কম্পিউটারের মেমোরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে। 

    উৎস: 
    ১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
    ২. ব্রিটানিকা।
    ৭,৩৪৩.
    কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য কোন মেমরি ব্যবহার করা হয়?
    1. র‍্যাম
    2. ম্যাগনেটিক কোর মেমরি
    3. ক্যাশ মেমরি
    4. রম
    সঠিক উত্তর:
    ক্যাশ মেমরি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্যাশ মেমরি
    ব্যাখ্যা
    • ক্যাশ মেমরি:
    - কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
    - সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
    - কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache-ে অবস্থান করে।
    - Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।
    - Cache ২ ধরনের হয়ে থাকে। যথা
    - অভ্যন্তরীণ ক্যাশে বা লেভেল 1 যা প্রসেসর এর অভ্যন্তরে থাকে।
    - বহিঃস্থ ক্যাশে বা লেভেল 2 যা রেম এবং প্রসেসর এর মাঝখানে থাকে।

    উৎস: ব্রিটানিকা।
    ৭,৩৪৪.
    Which cloud computing feature allows providers to supply more resources as customer demand increases?
    1. On-demand service
    2. Resource scalability
    3. Pay-as-you-go
    4. Virtualization
    সঠিক উত্তর:
    Resource scalability
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Resource scalability
    ব্যাখ্যা

    • Resource Scalability বৈশিষ্ট্য গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী রিসোর্স বাড়ানো বা কমানোর সুবিধা দেয়।

    • Resource Scalability:
    - Resource Scalability হলো ক্লাউড কম্পিউটিং-এর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য, যেখানে গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী রিসোর্স সহজে বৃদ্ধি বা হ্রাস করা যায়।
    - গ্রাহকের চাহিদা ছোট বা বড় যাই হোক না কেন, ক্লাউড সেবাদাতা সেই অনুযায়ী রিসোর্স সরবরাহ করতে পারে।

    • NIST অনুযায়ী Resource Scalability:
    - NIST-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, ক্লাউড কম্পিউটিং মডেলে রিসোর্স elastic ও scalable হয়।
    - অর্থাৎ ব্যবহারকারী যত বেশি সেবা চায়, সেবাদাতা তত বেশি পরিমাণে computing power, storage বা bandwidth দিতে পারে।

    • ক্লাউড ব্যবহারে Resource Scalability-এর গুরুত্ব:
    - হঠাৎ ব্যবহারকারী সংখ্যা বেড়ে গেলে সার্ভিস বন্ধ না করে দ্রুত রিসোর্স বাড়ানো সম্ভব হয়।
    - আবার প্রয়োজন কমে গেলে অতিরিক্ত রিসোর্স কমিয়ে খরচ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

    • অন্যান্য অপশন:
    - On-demand service গ্রাহককে যেকোনো সময় সেবা নেওয়ার সুবিধা দেয়।
    - Pay-as-you-go হলো ব্যবহারভিত্তিক পেমেন্ট মডেল।
    - Virtualization হলো হার্ডওয়্যার রিসোর্সকে ভার্চুয়ালি ভাগ করে ব্যবহারের প্রযুক্তি।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৭,৩৪৫.
    কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ (Internal) হার্ডওয়্যারের উদাহরণ কোনটি?
    1. Network card
    2. Game pad
    3. Flat-panel
    4. USB thumb drive
    সঠিক উত্তর:
    Network card
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Network card
    ব্যাখ্যা

    - সঠিক উত্তর: ক) Network card 

    • হার্ডওয়্যার (Hardware):
    - কম্পিউটার সিস্টেম পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের উপাদান নিয়ে গঠিত, যা ব্যবহারকারী প্রদত্ত কোনো প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি পালন করে এবং ফলাফল প্রদান করে।
    - কম্পিউটারব্যবস্থায় হার্ডওয়‍্যার অন্যতম উপাদান। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
    - সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
    - ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্য ডিভাইসসমূহ যেমন-ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি। উল্লিখিত সকল যন্ত্রপাতিই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার।

    • কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ:
    -CPU (central processing unit).
    -Drive (e.g., Blu-ray, CD-ROM, DVD, floppy drive, hard drive, and SSD).
    -Fan (heat sink)
    -Modem
    -Motherboard
    -Network card
    -Power supply
    -RAM
    -Sound card
    -Video card 

    • কম্পিউটারের বাহ্যিক হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ: 
    -Flat-panel, monitor, and LCD
    -Game pad
    -Joystick
    -Keyboard
    -Microphone
    -Mouse
    -Printer
    -Projector
    -Scanner
    -Speakers
    -USB thumb drive 


    তথ্যসূত্র:
    - Computer Hope Website [Link]
    - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৭,৩৪৬.
    TCP-এর পূর্ণরূপ -
    1. Transmission Control Protocol
    2. Transfer Control Protocol
    3. Transfer Control Protocol
    4. Transfer Central Protocol
    সঠিক উত্তর:
    Transmission Control Protocol
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Transmission Control Protocol
    ব্যাখ্যা
    TCP:
    - TCP-এর পূর্ণরূপ: Transmission Control Protocol.
    - ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদান প্রক্রিয়া ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকলের সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে টিসিপি।
    - ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সঙ্গে নিরাপদে সংযোগ স্থাপন অনেকটা টিসিপির ওপর নির্ভর করে।
    - ই-মেইলের মতো ইন্টারনেটের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনেও টিসিপি ব্যবহার করা হয়।
    - টিসিপির প্রধান কাজ তিনটি।
    - প্রথম কাজ হচ্ছে 'বাইট স্ট্রিম' সরবরাহ করা।
    - দ্বিতীয়টি হলো সংযোগবিষয়ক।
    - তৃতীয়টি হলো আস্থা স্থাপন।
    - কয়েকটি ছোট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি ফাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
    - এ কারণেই প্রেরণ করার সময় ফাইলগুলো অন্য লিঙ্কে প্রবেশ করা থেকে এবং হারিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকে।

    উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
    ৭,৩৪৭.
    OpenAI কোন উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে? 
    1. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়ন ও গবেষণা
    2.  ই-কমার্স পরিচালনা
    3. অনলাইন শিক্ষা
    4. ক্লাউড স্টোরেজ সেবা
    সঠিক উত্তর:
    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়ন ও গবেষণা
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়ন ও গবেষণা
    ব্যাখ্যা

    • OpenAI:
    - এটি মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য পরিচিত।
    - এটি একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান যা যান্ত্রিক শিক্ষণ, ভাষা মডেল, এবং স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের উন্নয়নে কাজ করে। 
    - OpenAI-এর সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলো ChatGPT, যা মানুষের মতো ভাষায় কথা বলার এবং জটিল তথ্য বোঝার সক্ষমতা রাখে। - প্রতিষ্ঠানটি কেবল মডেল তৈরি করে না, বরং এদের ব্যবহার নিরাপদ ও নৈতিকভাবে করার দিকে গুরুত্ব দেয়।

    • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
    - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
    - মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
    - AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা।

    » কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় কিছু স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য:
    - কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ। 
    - সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ। 
    - সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা। 
    - সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা। 
    - নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন। 
    - ভাষা বুঝার ক্ষমতা। 
    -  অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা। 
    - মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো। 
    - পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা। 
    - জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা। 

    তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৭,৩৪৮.
    নিম্নলিখিত কোনটি ALU দ্বারা সম্পাদিত হয় না?
    1. গুণ
    2. বিয়োগ
    3. ইন্টারনেট রাউটিং
    4. যোগ
    সঠিক উত্তর:
    ইন্টারনেট রাউটিং
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ইন্টারনেট রাউটিং
    ব্যাখ্যা

    • ALU বা Arithmetic Logic Unit একটি কম্পিউটার প্রসেসরের অংশ যা মূলত অঙ্ক এবং লজিকাল অপারেশন সম্পাদন করে। এটি সংখ্যাগত ক্রিয়াকলাপ যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ, এছাড়াও তুলনা বা লজিক অপারেশন যেমন AND, OR, NOT প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। তবে, ইন্টারনেট রাউটিং ALU-এর কাজের মধ্যে পড়ে না। রাউটিং মূলত নেটওয়ার্ক প্রোটোকল এবং রাউটার বা নেটওয়ার্ক ডিভাইস দ্বারা পরিচালিত হয়। ALU শুধুমাত্র প্রসেসরের অভ্যন্তরীণ গণনা ও লজিকাল সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নেটওয়ার্ক ডেটা প্রেরণ বা প্যাকেটের পথ নির্ধারণ করা তার ক্ষমতার বাইরে। সুতরাং, ALU দ্বারা সম্পাদিত নয়।

    উত্তর: গ) ইন্টারনেট রাউটিং।

    • গাণিতিক যুক্তি অংশ:

    - ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit।
    - ALU নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
    - সাধারণত, গাণিতিক অপারেশনগুলো যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো যেমন তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি সম্পাদন করা হয়।
    - ALU রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও করে।
    - বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর জন্য একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহার করা হয়।
    - বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদন করে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে রাখে।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৭,৩৪৯.
    ডেটা এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
    1. ক) সাইটোগ্রাফি
    2. খ) ক্রিস্টালোগ্রাফি
    3. গ) স্টেনোগ্রাফি
    4. ঘ) ক্রিপ্টোগ্রাফি
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) ক্রিপ্টোগ্রাফি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) ক্রিপ্টোগ্রাফি
    ব্যাখ্যা
    ক্রিপটোগ্রাফি
    - ডেটা এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন করার প্রক্রিয়াকে ক্রিপটোগ্রাফি বলে।
    - ক্রিপ্টোগ্রাফি হ'ল কয়েকটি কোডের মাধ্যমে সুরক্ষিত ডেটা এবং যোগাযোগের সঞ্চারিত করার পদ্ধতি যা কেবলমাত্র ভাগ্যবান ব্যক্তিই সঞ্চারিত প্রকৃত তথ্য সম্পর্কে জানতে পারে।
    - প্রক্রিয়া এই ফর্ম তথ্য জন্য অননুমোদিত অ্যাক্সেসযোগ্যতা বাধা দেয়। সুতরাং, পরিষ্কারভাবেই নামটি ইঙ্গিত করে যে 'ক্রিপ্ট' 'লুকানো' লেখার সাথে বোঝায়। - ক্রিপ্টোগ্রাফিতে তথ্যের এনকোডিং গাণিতিক অনুমান এবং অ্যালগরিদম হিসাবে বর্ণিত কয়েকটি গণনা অনুসরণ করে।
    - এনকোডড ডেটা এমনভাবে সংক্রমণ করা হয় যাতে এটি মূল ডেটা খুঁজে পাওয়া শক্ত করে।

    সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
    ৭,৩৫০.
    স্মার্টফোনে GPS ব্যবহারের জন্য কোনটি প্রয়োজন?
    1. DHCP
    2. Accelerometer
    3. Gyroscope
    4. Satellite Signal
    সঠিক উত্তর:
    Satellite Signal
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Satellite Signal
    ব্যাখ্যা

    • স্মার্টফোনে GPS ব্যবহার করতে মূলত সেটেলাইট সিগন্যাল (Satellite Signal) প্রয়োজন। GPS বা গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম স্যাটেলাইটের মাধ্যমে কাজ করে, যা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। ফোনের GPS রিসিভার এই স্যাটেলাইট থেকে সংকেত গ্রহণ করে এবং সময় ও দূরত্বের হিসাব অনুযায়ী ব্যবহারকারীর সঠিক অবস্থান বের করে। অন্য অপশনগুলো যেমন DHCP ইন্টারনেট সংযোগের জন্য, অ্যাক্সেলরোমিটার এবং জাইরোস্কোপ মোবাইলের আন্দোলন, ঘূর্ণন বা স্ক্রীন অরিয়েন্টেশন বুঝতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু অবস্থান নির্ধারণের জন্য সরাসরি প্রয়োজন হয় না। তাই GPS চালু করতে সেটেলাইট সিগন্যাল অপরিহার্য।
     
    • GPS: 
    - GPS এর পূর্ণরূপ Global Positioning System।
    - জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং হলো একটি নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম।
    - এটি ব্যবহারকারীদের অবস্থান, নেভিগেশন এবং সময় সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করে।
    - এর সাহায্যে আমরা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বসে আমাদের বর্তমান লোকেশন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারি।
    - এই প্রযুক্তি দ্বারা যেকোনো বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব।

    স্মার্টফোনে GPS-এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার:
    - Google Maps, Apple Maps, Waze-এর মাধ্যমে পথনির্দেশনা পাওয়া।
    - রাইড-শেয়ারিং অ্যাপ (Uber, Pathao, Bolt) ব্যবহার করে গন্তব্য নির্ধারণ করা।
    - লোকেশন-ভিত্তিক সার্ভিস (Location-based Services) যেমন ফেসবুক চেক-ইন বা ফাইন্ড মাই ফোন ব্যবহার করা।
    - স্মার্টফোন চুরি হলে তার অবস্থান ট্র্যাক করা।

    • DHCP (Dynamic Host Configuration Protocol):  
    - DHCP হলো একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল যা কম্পিউটার বা ডিভাইসকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে IP অ্যাড্রেস প্রদান করে।  
    - এটি মূলত ইন্টারনেট বা লোকাল নেটওয়ার্কে সংযোগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়।  
    - DHCP-এর সাথে GPS-এর সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।  
    - IP অ্যাড্রেস পাওয়া মানে অবস্থান নির্ণয় করা যায় না।  

    • Accelerometer:  
    - Accelerometer হলো একটি সেন্সর যা ডিভাইসের ত্বরণ (Acceleration) পরিমাপ করে।  
    - এটি সাধারণত স্ক্রিনের অটো-রোটেশন, পদক্ষেপ গণনা বা গেম কন্ট্রোলের জন্য ব্যবহৃত হয়।  
    - GPS-এর মতো অবস্থান নির্ণয় করতে Accelerometer একা যথেষ্ট নয়।  
    - এটি শুধুমাত্র মোশন বা ভঙ্গি নির্ধারণে সাহায্য করে।  

    • Gyroscope:  
    - Gyroscope হলো একটি সেন্সর যা ডিভাইসের ঘূর্ণন বা Orientation পরিবর্তন নির্ণয় করে।  
    - এটি মোবাইলের অঙ্গভঙ্গি সনাক্তকরণ বা গেমিং ও ভার্চুয়াল রিয়ালিটি অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহৃত হয়।  
    - GPS-এর সাথে সরাসরি সম্পর্ক নেই, এটি কেবল অবস্থান পরিবর্তনের দিক নির্ধারণে সাহায্য করতে পারে।  

    • Satellite Signal:  
    - স্যাটেলাইট সিগন্যাল হলো GPS-এর জন্য অপরিহার্য উপাদান।  
    - GPS স্যাটেলাইট থেকে প্রেরিত সংকেত গ্রহণ করে ডিভাইসের অবস্থান নির্ণয় করে।  
    - সঠিক অবস্থান নির্ণয়ের জন্য অন্তত ৪টি স্যাটেলাইটের সংকেত গ্রহণ করতে হয়।  
    - স্মার্টফোনে GPS কাজ করতে হলে এটি বাধ্যতামূলক।  

    সুতরাং, স্মার্টফোনে GPS ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান হলো - স্যাটেলাইট সিগন্যাল।  

    উৎস: 
    - Microsoft. [link]
    - ScienceDirect. [link]
    - Britannica. [link]

    ৭,৩৫১.
    ই-কমার্স নিচের কোন ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে?
    1. ক) বাসস্থান
    2. খ) ব্যবসায়-বাণিজ্য
    3. গ) মহাকাশ অভিযান
    4. ঘ) চিকিৎসা
    সঠিক উত্তর:
    খ) ব্যবসায়-বাণিজ্য
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) ব্যবসায়-বাণিজ্য
    ব্যাখ্যা
    ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে ইন্টারনেট বা অন্য কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়/বিক্রয় বা লেনদেন হয়ে থাকে। 
    ৭,৩৫২.
    প্রযুক্তিগত উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট নিচের কোন যন্ত্রটি প্রথম উদ্ভাবিত হয়?
    1. Telegraph
    2. Teletype
    3. Telephone
    4. Telescope
    সঠিক উত্তর:
    Telescope
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Telescope
    ব্যাখ্যা
    উল্লিখিত যন্ত্রগুলোর মাঝে একমাত্র Telescope প্রথম উদ্ভাবিত হয়। 
    The first telescope is thought to have been built in the Netherlands in the early 1600s, but Italian mathematician Galileo Galilei almost immediately popularized use of the "far seeing" device for scientific purposes.
     
    উৎস: ব্রিটানিকা 
    ৭,৩৫৩.
    BIOS সাধারণত কোথায় থাকে?
    1. হার্ডড্রাইভে
    2. মাদারবোর্ডে
    3. RAM-এ
    4. CPU-তে
    সঠিক উত্তর:
    মাদারবোর্ডে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    মাদারবোর্ডে
    ব্যাখ্যা
    BIOS সাধারণত মাদারবোর্ডে থাকে
    • BIOS (Basic Input Output System):
    - BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
    - BIOS সাধারণত মাদারবোর্ড এ থাকে।
    - কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
    - পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
    - হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
    - BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে। 
    - BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
    উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
    ২। ব্রিটানিকা।


    ৭,৩৫৪.
    ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Computer) কম্পিউটার তৈরি করেন-
    1. ক) মার্কস উইলকিস এবং প্রেসপার একার্ট
    2. খ) ড. জন মউসলি এবং প্রেসপার একার্ট
    3. গ) ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ এবং ক্লিফ ব্যারি
    4. ঘ) ড. জন মউসলি এবং ক্লিফ ব্যারি
    সঠিক উত্তর:
    খ) ড. জন মউসলি এবং প্রেসপার একার্ট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) ড. জন মউসলি এবং প্রেসপার একার্ট
    ব্যাখ্যা
    ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Computer) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
    - এটিই হলাে প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
    [উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)]
    ৭,৩৫৫.
    নিচের কোনটি "প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার"?
    1. Macromedia Flash
    2. MS Access
    3. MS Word
    4. Oracle
    সঠিক উত্তর:
    Macromedia Flash
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Macromedia Flash
    ব্যাখ্যা
    • সফটওয়্যারের প্রকারভেদ:
    - কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
    ১.  সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
    - সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
    - এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
    - কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
    - MS DOS, LINUX, UNIX, MS WINDOWS 98, MS WINDOWS, MAC OS, SYMBIAN, ANDROID, PC DOS, XENIX, AIX, ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।

    ২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
    - অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
    - ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন:
    - ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার: Word Pad, Note Pad, MS Word, Latet.
    - ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার: Oracle, Ms Access, Poxpro.
    - প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার: Microsoft Powerpoint, Macromedia Flash.

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৫৬.
    প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার হচ্ছে -
    1. ENIAC-1
    2. EDSAC
    3. UNIVAC-1
    4. MARK-1
    সঠিক উত্তর:
    ENIAC-1
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ENIAC-1
    ব্যাখ্যা

    ◉ ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) ছিল প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক, ডিজিটাল, এবং প্রোগ্রামযোগ্য কম্পিউটার।

    ENIAC:
    - ENIAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer.
    - ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
    - ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
    - ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

    অন্যান্য অপশনসমূহ, 
    খ) এডস্যাক (EDSAC) – এটি ছিল প্রথম স্টোরড প্রোগ্রাম কম্পিউটার, যা ১৯৪৯ সালে চালু হয়েছিল।
    (গ) পিডিপি-৮ (PDP-8) – এটি ছিল প্রথম মিনি কম্পিউটার, যা ১৯৬৫ সালে বাজারে আসে।
    (ঘ) MARK-1 - MARK-1 ছিল বিশ্বের প্রথম ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার। 

    উৎস:
    ১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৭,৩৫৭.
    ASCII-8 কোড দ্বারা প্রকাশযোগ্য অংক, অক্ষর এবং চিহ্নের সংখ্যা কত?
    1. 1024 টি
    2. 512 টি
    3. 524 টি
    4. 256 টি
    সঠিক উত্তর:
    256 টি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    256 টি
    ব্যাখ্যা

    • ASCII-8 কোড হলো এক ধরনের অক্ষর সংরক্ষণ প্রণালী যা প্রতিটি অক্ষরকে ৮ বিট বা ১ বাইট ব্যবহার করে প্রকাশ করে। যেহেতু ৮ বিটে সর্বোচ্চ 28 = 256টি পৃথক মান প্রকাশ করা সম্ভব, তাই ASCII-8 কোড দ্বারা সর্বাধিক ২৫৬টি ভিন্ন অক্ষর, সংখ্যা, ও বিশেষ চিহ্নের প্রতিনিধিত্ব করা যায়। এর মধ্যে প্রথম ১২৮টি মান মূল ASCII মান হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং বাকিগুলো বিভিন্ন প্রসারিত বা বিশেষ চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ASCII-8 কোড দ্বারা সর্বোচ্চ ২৫৬টি অক্ষর, সংখ্যা ও চিহ্ন প্রকাশযোগ্য। সঠিক উত্তর: ঘ) 256 টি।

    • অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
    - ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
    - 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
    - এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
    - এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
    - ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়।
    - ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৭,৩৫৮.
    File compression helps to -
    1. delete duplicate files
    2. encrypt data automatically
    3. to increase file size
    4. save storage space
    সঠিক উত্তর:
    save storage space
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    save storage space
    ব্যাখ্যা
    File compression helps to save storage space.

    • File Compression Programs:
    - বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমে ফাইল কম্প্রেস (compress) এবং আনকম্প্রেস (uncompressed) করার জন্য বিভিন্ন রকমের টুল ব্যবহার করা হয়।
    - ফাইলের আকার (size) কমানোর জন্য এই টুল গুলো ব্যবহার করা হয়।
    - কিছু compression টুল এর উদাহরণ হল:
    • WinZip,
    • WINRAR,
    • 7-ZIP,
    • PeaZip, ইত্যাদি।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৫৯.
    কম্পিউটারের কাজের গতি বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়-
    1. ভার্চুয়াল মেমোরি
    2. মেইন মেমোরি
    3. চৌম্বক মেমোরি
    4. ক্যাশ মেমোরি
    সঠিক উত্তর:
    ক্যাশ মেমোরি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্যাশ মেমোরি
    ব্যাখ্যা

    - কাজের গতি বৃদ্ধির জন্য প্রসেসর এবং প্রধান স্মৃতির মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপিত বিশেষ ধরনের স্মৃতিকে ক্যাশ মেমোরি বা ক্যাশ স্মৃতি বলা হয়।
    - কোনো এপ্লিকেশন প্রোগ্রামে কাজ করার জন্য যে তথ্যগুলো বারবার ব্যবহৃত হয় সেই তথ্যগুলোকে ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা হয়।

    ৭,৩৬০.
    অ্যাসকি কোড কত বিটের কোড?
    1. ৪ বিট
    2. ৭ বিট
    3. ৮ বিট
    4. ৩ বিট
    সঠিক উত্তর:
    ৭ বিট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ৭ বিট
    ব্যাখ্যা
    • অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
    - ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
    - 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
    - এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
    - এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
    - ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

    • 'A' এর ASCII code = 65.
    • 'B' এর ASCII code = 66.
    • 'C' এর ASCII code = 67.
    • 'a' এর ASCII code = 97.
    • 'b' এর ASCII code = 98.
    • 'c' এর ASCII code = 99.

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৬১.
    নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা নয়?
    1. ক) 101
    2. খ) 367
    3. গ) 452
    4. ঘ) 681
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) 681
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) 681
    ব্যাখ্যা
    অক্টাল সংখ্যা
    - যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
    - এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7.
    - অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 8। যেমন- 101, 367, 452 কিন্তু 681 অক্টাল সংখ্যা নয় কারণ 8 অঙ্কটি অক্টাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ৭,৩৬২.
    নিচের কোন লজিক গেইটের ক্ষেত্রে সবগুলো ইনপুট 1 হলে, আউটপুট 1 হবেনা?
    1. AND
    2. NAND
    3. XNOR
    4. OR
    সঠিক উত্তর:
    NAND
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    NAND
    ব্যাখ্যা
    • AND + NOT = NAND গেট।
    • NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়। অন্যথায় আউটপুট 1 হয়।
    ৭,৩৬৩.
    নিচের কোন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি মাইক্রোব্লগিং সাইট এর উদাহরণ?
    1. Pinterest
    2. Tumblr
    3. Facebook
    4. Flicker
    সঠিক উত্তর:
    Tumblr
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Tumblr
    ব্যাখ্যা
    - Tumblr is an American microblogging and social networking website.
    - The site, Tumblr, was launched in private beta in 2006 and to the public in early 2007.
    - It hosted “tumblelogs,” or short-form blogs, of text and various other types of media. Bloggers can also make their blogs private. 

    - Pinterest is an image sharing and social media service designed to enable saving and discovery of information on the internet using images, and on a smaller scale, animated GIFs and videos, in the form of pinboards.
    - It was founded in 2009.

    - Facebook is an American online social media and social networking service owned by Facebook, Inc. Founded in 2004 by Mark Zuckerberg.

    - Flickr is an American image hosting and video hosting service, as well as an online community.
    - It was created by Ludicorp in 2004 and is a popular way for amateur and professional photographers to host high-resolution photos.

    [উৎস - সংশ্লিষ্ট মাধ্যমগুলোর ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা]
    ৭,৩৬৪.
    ফোনের IMEI দেখতে হলে কোন কোড ডায়াল করা উচিত?
    1. *#911#
    2. *#IMEI#
    3. *#06#
    4. *#123#
    সঠিক উত্তর:
    *#06#
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    *#06#
    ব্যাখ্যা
    • ফোনের IMEI (International Mobile Equipment Identity) নাম্বার দেখতে হলে সঠিক কোড হলো *#06#। এটি একটি ইউনিক নম্বর যা প্রতিটি মোবাইল ফোনের জন্য নির্দিষ্ট এবং ফোন হারিয়ে গেলে সেটি শনাক্ত করতে বা ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারকারীকে ফোনের ডায়াল প্যাডে *#06# টাইপ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিনে IMEI নম্বরটি প্রদর্শিত হয়। এটি কোনো এসএমএস বা কল প্রক্রিয়া নয়, বরং একটি সিস্টেম-নির্ধারিত শর্টকোড। অন্যান্য অপশন যেমন *#911#, *#IMEI# বা *#123# এই কাজে সঠিক নয় এবং কাজও করবে না। তাই IMEI জানার জন্য সঠিক উত্তর: গ) *#06#.

    • IMEI:
    - প্রতিটি স্বতন্ত্র ফোনের জন্য একটি করে স্বতন্ত্র IMEI নাম্বার থাকে যার সাহায্যে ওই ফোনটি সনাক্ত করা যায়।
    - IMEI: IMEI-এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
    - এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
    - এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
    - স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

    উৎস: ব্রিটানিকা।
    ৭,৩৬৫.
    ফাইলমেকার প্রো কী ধরণের প্রোগ্রাম?
    1. ক) ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম
    2. খ) ডাটাবেজ প্রোগ্রাম
    3. গ) স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম
    4. ঘ) এনিমেশন প্রোগ্রাম
    সঠিক উত্তর:
    খ) ডাটাবেজ প্রোগ্রাম
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) ডাটাবেজ প্রোগ্রাম
    ব্যাখ্যা
    ফাইলমেকার প্রো একটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম যেটি যুক্তরাষ্ট্রের ক্লারিস নামক প্রতিষ্ঠান তৈরী করেছে। এটি উইন্ডোজ ও মেকিনটোশ উভয় পরিবেশে একইভাবে কাজ করে।
    ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
    উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
    ৭,৩৬৬.
    ড. হারমান হলেরিথ প্রতিষ্ঠিত কোম্পানিটি পরবর্তীতে কোন নামে পরিচিত হয়?
    1. Microsoft
    2. IBM
    3. Intel
    4. Apple
    সঠিক উত্তর:
    IBM
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    IBM
    ব্যাখ্যা

    • ড. হারমান হলেরিথ প্রতিষ্ঠিত Tabulating Machine Company পরবর্তীতে একীভূত হয়ে IBM (International Business Machines) নামে পরিচিত হয়।

     • ট্যাবুলেটিং মেশিন(Tabulating Machine):
    - ট্যাবুলেটিং মেশিন হলো একটি ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল গণনা যন্ত্র, যা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হতো।
    - এটি বিশেষভাবে জনগণনা ও বৃহৎ পরিসরের ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
     
    • ট্যাবুলেটিং মেশিনের আবিষ্কার:
    - ১৮৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিসংখ্যানবিদ ড. হারমান হলেরিথ (Dr. Herman Hollerith) ট্যাবুলেটিং মেশিন আবিষ্কার করেন।
    - এই যন্ত্রে পাঞ্চ কার্ড (Punched Card) ব্যবহার করে ডেটা ইনপুট দেওয়া হতো।
    - ১৮৮০ সালের আদমশুমারিতে ডেটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে এই মেশিন সফলভাবে ব্যবহৃত হয়।
     
    • ট্যাবুলেটিং মেশিনের বৈশিষ্ট্য:
    - পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হতো।
    - স্বল্প সময়ে বিপুল পরিমাণ ডেটা প্রক্রিয়াকরণ সম্ভব ছিল।
    - মানুষের হাতে করা গণনার তুলনায় দ্রুত ও নির্ভুল ফলাফল প্রদান করত।
     
    • IBM-এর সাথে সম্পর্ক:
    - ১৮৯৬ সালে ড. হারমান হলেরিথ Tabulating Machine Company প্রতিষ্ঠা করেন।
    - পরবর্তীতে এই কোম্পানি একীভূত হয়ে IBM (International Business Machines) নামে পরিচিত হয়।
    - ট্যাবুলেটিং মেশিন আধুনিক কম্পিউটার শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
     
    • ট্যাবুলেটিং মেশিনের গুরুত্ব:
    - ডেটা প্রক্রিয়াকরণে স্বয়ংক্রিয়তার সূচনা করে।
    - আধুনিক কম্পিউটার ও ডেটা প্রসেসিং সিস্টেমের ভিত্তি স্থাপন করে।
    - ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার যুগের সূচনা ঘটায়।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

    ৭,৩৬৭.
    প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
    1. সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ব্যবহার
    2. মাইক্রোপ্রসেসর এর ব্যবহার
    3. অপেক্ষাকৃত কম ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের ব্যবহার
    4. সবগুলোই
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলোই
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সবগুলোই
    ব্যাখ্যা
    মোবাইল ফোনের প্রথম প্রজন্ম:
    - প্রথম প্রজন্মের মোবাইল ফোন ১৯৭৩ সালে অ্যানালগ সিস্টেম ও পোর্টেবল ডিভাইসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।
    - এ ফোন তৈরির পর থেকে মোবাইল কমিউনিকেশনে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন সাধিত হয়।
    - ১৯৭৯ সালে এশিয়ার সর্ববৃহৎ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী জাপানের NTTC (Nippon Telegraph and Telephone Corporation) সেলুলার টেলিফোন উৎপাদন শুরু করে।
    - ১৯৮০ সালের শুরুর দিকে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকোতে সেলুলার টেলিফোনের কিছু কিছু ব্যবহার শুরু হয়।
    - ১৯৮১ সালে NMT (Nordic Mobile Telephone) কর্তৃক ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও সুইডেনে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধাসহ ১ম প্রজন্মের মোবাইল নেটওয়ার্কের দ্বিতীয় যাত্রা শুরু করে।

    • প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
    - নেটওয়ার্কে রেডিও সিগন্যাল হিসেবে অ্যানালগ সিস্টেমের ব্যবহার।
    - সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির ব্যবহার।
    - অপেক্ষাকৃত কম ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের ব্যবহার।
    - মাইক্রোপ্রসেসর এর ব্যবহার।
    - ছোট ও হালকা মোবাইল ফোনের ব্যবহার।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৬৮.
    একটি নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর পরবর্তি নির্দেশ মেমোরির কোন অ্যাড্রেস থেকে গ্রহণ করতে হবে তা কোন রেজিস্টার নির্দেশ করে?
    1. ইন্সট্রাকশন রেজিস্টার
    2. প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার
    3. অ্যাকিউমুলেটর
    4. মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার
    সঠিক উত্তর:
    প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার
    ব্যাখ্যা
    • একটি নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর পরবর্তি নির্দেশ মেমোরির কোন অ্যাড্রেস থেকে গ্রহণ করতে হবে তা প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার নির্দেশ করে।

    • প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার:
    - প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টারে মেমরি অ্যাড্রেসের পর্যায়ক্রম সংরক্ষিত থাকে।
    - একটি নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর পরবর্তী নির্দেশ মেমরির কোন অ্যাড্রেস থেকে গ্রহণ করতে হবে তা প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার নির্দেশ করে।
    - অর্থাৎ প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টারে সব সময় পরবর্তী নির্দেশের অ্যাড্রেস থাকে।
    - এ ধরনের রেজিস্টারকে ইনস্ট্রাকশন পয়েন্টারও বলা হয়।
    - মাইক্রোপ্রসেসর এ ধরনের রেজিস্টারের সাহায্যে নির্দেশসমূহের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে।

    • আ্যাকিউমুলেটর: আ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার। গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য আ্যাকিউমুলেটর ব্যবহৃত হয়।

    • মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার: প্রধান মেমরির কোন ঠিকানায় উপাত্ত বা নির্দেশ পাওয়া যাবে বা লিখতে হবে তার ঠিকানা মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারে থাকে। অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারের সাহায্যে মেমরি হতে ডেটা বা নির্দেশসমূহ পড়া ও লেখার কাজ সম্পন্ন করে।

    • ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার: Instruction বা নির্দেশ সংরক্ষণের জন্য ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। নির্বাহের প্রয়োজনে প্রসেসর কোনো ইনস্ট্রাকশন যখন মেমরি থেকে তুলে আহরণ করে তখন তাৎক্ষণিকভাবে তা ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টারে রাখা হয়।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৬৯.
    কোন হ্যাকাররা সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে আর্থিক বা তথ্যগত ক্ষতি করে?
    1. ডার্ক হ্যাট হ্যাকার
    2. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
    3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
    4. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
    সঠিক উত্তর:
    ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার
    ব্যাখ্যা

    • যে হ্যাকাররা সিস্টেমে বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশ করে এবং ব্যক্তিগত, আর্থিক বা সংবেদনশীল তথ্য চুরি বা ক্ষতি করে, তাদের বলা হয় ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার। তারা সাধারণত তাদের নিজের স্বার্থে বা মুনাফার উদ্দেশ্যে এই ধরনের কাজ করে। ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকাররা কম্পিউটার সিস্টেমের নিরাপত্তার ফাঁকফোকর খুঁজে বের করে এবং তা ভেঙে ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি, ম্যালওয়্যার ছড়ানো বা অর্থনৈতিক ক্ষতি ঘটাতে পারে। তারা কোন ধরনের অনুমতি ছাড়া কাজ করে, ফলে আইনগত দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের কাজ অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। তাই সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকারদের অত্যন্ত বিপজ্জনক হিসেবে দেখা হয়।

    • হ্যাকিং (Hacking):
    প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

    • বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
    ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
    - সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

    খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার:
    - বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

    গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
    - এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

    ৭,৩৭০.
    স্যামসাং এর তৈরি রোবট কোনটি?
    1. সোফিয়া
    2. রোবরে
    3. মুরাতা বয়
    4. আসিমো
    সঠিক উত্তর:
    রোবরে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    রোবরে
    ব্যাখ্যা
    স্যামসাং এর তৈরি রোবট হচ্ছে রোবরে।

    রোবটিক্স:
    - প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
    - রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
    - Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
    - প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
    - ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
    - ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
    - জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

    • জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
    • হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'।
    • সনি কর্পোরেশনের রোবট 'কিউরিও'।
    • সোফিয়া হচ্ছে হ্যানসন রোবটিক্স এর তৈরি রোবট।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
    ৭,৩৭১.
    'Mainframe Computer' এর চেয়ে বৃহৎ কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
    1. ক) Super Computer
    2. খ) Mini Computer
    3. গ) Micro Computer
    4. ঘ) Nano Computer
    সঠিক উত্তর:
    ক) Super Computer
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক) Super Computer
    ব্যাখ্যা
    সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট কম্পিউটারকে বলা হয় মেইনফ্রেম কম্পিউটার। 

    আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা
    হয়।
    ১. অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer)
    ২. বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer)
    ৩. ছোট কম্পিউটার (Mini Computer)
    ৪. ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer)
    এছাড়াও মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারকে কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়।
    যেমন - সুপার মাইক্রো, ডেক্সটপ, ল্যাপটপ, নোটবুক ইত্যাদি।

    উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর কম্পিউটার বই (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
    ৭,৩৭২.
    নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয়?
    1. ক) Data Analysis
    2. খ) File Management
    3. গ) Memory Management
    4. ঘ) Security
    সঠিক উত্তর:
    ক) Data Analysis
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক) Data Analysis
    ব্যাখ্যা
    • মেমোরি ম্যানেজমেন্ট:
    - অপারেটিং সিস্টেম সঠিকভাবে মেমোরি ম্যানেজমেন্ট করে কম্পিউটারের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।
    - কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কমান্ডসমূহ প্রধান মেমোরিতে সংরক্ষণ এবং নির্দেশ অনুযায়ী কার্যাবলি সম্পাদন করে। অর্থাৎ‍ তথ্য কীভাবে মেমোরিতে সংরক্ষিত হবে বা মেমোরি হতে কীভাবে উত্তোলিত হবে তা নিয়ন্ত্রণ করে।
    - প্রয়োজনে তথ্যসমূহ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য সহায়ক মেমোরি ব্যবহার করে।

    • ফাইল ম্যানেজমেন্ট:
    - অপারেটিং সিস্টেম ফাইল তৈরি, ডিলেট, অ্যাকসেস, কপি, মুভ, সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
    - তাছাড়া ফাইলের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান, সংরক্ষণ ইত্যাদি কাজও করে থাকে।

    • সিকিউরিটি:
    - কম্পিউটারের ডেটা বা তথ্যসমূহ নিরাপদে সংরক্ষিত থাকলে অবাঞ্ছিত ব্যবহার হয় না কিংবা ডেটা চুরি বা নষ্ট হয় না।
    - অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের রিসোর্সকে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে রক্ষা করে।

    • এছাড়াও অপারেটিং সিস্টেমের অন্যান্য কাজ গুলো হলো: ইউজার ইন্টারফেস, ইউজার ম্যানেজমেন্ট, ইনপুট-আউটপুট ম্যানেজমেন্ট, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট, রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, কমিউনিকেশন ম্যানেজমেন্ট, ইউটিলিটিস।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৭৩.
    ই-মেইল সার্ভিস ব্যাবহার করার জন্য কোনটি প্রয়োজন নেই?
    1. ক) ইন্টারনেট
    2. খ) প্রেরক ও প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা
    3. গ) ই-মেইল প্রেরণ ও গ্রহণ করার একটি সফটওয়্যার
    4. ঘ) কেবল
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) কেবল
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) কেবল
    ব্যাখ্যা
    ই-মেইল সার্ভিস ব্যাবহার করার জন্য কেবলের প্রয়োজন নেই।কারণ এটি একটি ইন্টারনেটভিত্তিক সার্ভিস।
    উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
    ৭,৩৭৪.
    কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ডাটাবেজের তথ্যকে বর্ণানুক্রম বা সংখ্যানুক্রমে সাজানো হয়?
    1. সর্টিং
    2. ক্রিপ্টোগ্রাফি
    3. ইনডেক্সিং
    4. কুয়েরি
    সঠিক উত্তর:
    সর্টিং
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    সর্টিং
    ব্যাখ্যা

    • ডাটাবেজে তথ্যকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সার্টিং (Sorting) বলা হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তথ্যকে বর্ণানুক্রমিক (Alphabetical) বা সংখ্যানুক্রমিক (Numerical) - ভাবে বিন্যস্ত করা হয়, যাতে তথ্য সহজে খুঁজে পাওয়া যায় এবং ব্যবস্থাপনা করা সহজ হয়। উদাহরণস্বরূপ, একজন ব্যবহারকারী যদি কর্মচারীর নাম বা তাদের আইডি অনুযায়ী তালিকা দেখতে চায়, তখন সার্টিং ব্যবহার করে তা দ্রুত পাওয়া যায়। অন্যদিকে, ক্রিপ্টোগ্রাফি তথ্যকে নিরাপদ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, ইনডেক্সিং তথ্যের দ্রুত অনুসন্ধান সহজ করে এবং কুয়েরি ডাটাবেজ থেকে তথ্য বের করার নির্দেশ। তাই তথ্য সাজানোর ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো সর্টিং।

    - উত্তর: ক) সর্টিং। 

    - একটি টেবিলে ডাটা এন্ট্রি করার পর যে কোনো ফিল্ড বা কলামের ভিত্তিতে ডাটাবেজকে বর্ণানুক্রমিক এবং সংখ্যানুক্রমিক সাজানো বা বিন্যস্ত (Sort) করা যায়।
    - ডাটাবেজের ডাটাগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী বর্ণানুক্রমিক বা সংখ্যানুক্রমিক সাজানোকেই বলা হয় সর্টিং।

    অন্যদিকে, 
    - কোনো ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমান ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত ও সহজ উপায়ে যে কোন ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতিকে কুয়েরি বলে।
    - ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
    - কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি বলে।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৭,৩৭৫.
    ব্লুটুথ কোন ধরনের প্রযুক্তি?
    1. অপটিক্যাল ফাইবার প্রযুক্তি
    2. স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি
    3. স্যাটেলাইট যোগাযোগ প্রযুক্তি
    4. দীর্ঘ দূরত্বের তারযুক্ত প্রযুক্তি
    সঠিক উত্তর:
    স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি
    ব্যাখ্যা

    • স্বল্প দূরত্বের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি: কাছাকাছি ডিভাইসের মধ্যে রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে তথ্য আদান-প্রদান করা হয়, যেমন—মোবাইল ও ব্লুটুথ ইয়ারবাড সংযোগ।

    • ব্লুটুথ(Bluetooth):
    - ব্লুটুথ হলো স্বল্প দূরত্বে ফিক্সড ও মোবাইল ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রোপ্রায়েটারি ওপেন ওয়্যারলেস প্রযুক্তি স্ট্যান্ডার্ড।
    - ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক(PAN) তৈরি হয়, যেখানে উচ্চমাত্রার নিরাপত্তা বজায় থাকে।
    - দশম শতাব্দীর ডেনমার্কের রাজা হারাল্ড ব্লুটুথ(Harald Bluetooth)–এর নাম অনুসারে এই প্রযুক্তির নাম Bluetooth রাখা হয়েছে।
    - বর্তমানে ব্লুটুথ প্রযুক্তি মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, মেডিক্যাল ডিভাইস ও ঘরোয়া বিনোদনমূলক ডিভাইসে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
     
    • ব্লুটুথের বৈশিষ্ট্য:
    - কাছাকাছি অবস্থিত দুই বা ততোধিক ডিভাইসের মধ্যে রেডিও ওয়েভের মাধ্যমে ডাটা স্থানান্তর করে।
    - কোনো লাইসেন্স ছাড়াই 2.4 গিগাহার্টস ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডে কাজ করে।
    - সাধারণত ১০–১০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
    - ইনফ্রারেড কমিউনিকেশনের মতো দেয়াল বা অন্যান্য বাধা ডাটা ট্রান্সমিশনে বড় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না।
    - একটি পিকোনেট(Piconet)–এ একটি মাস্টার ডিভাইস সর্বোচ্চ ৭টি স্লেভ ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করতে পারে।

    • অন্যান্য অপশন:
    - দীর্ঘ দূরত্বের তারযুক্ত প্রযুক্তি: কেবল বা ফাইবারের মাধ্যমে ডাটা আদান-প্রদান করা হয়, যেমন—ইন্টারনেট ব্রডব্যান্ড কেবল।
    - স্যাটেলাইট যোগাযোগ প্রযুক্তি: কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে দূরপাল্লার যোগাযোগ সম্পন্ন করা হয়, যেমন—ডিশ টিভি সেবা।
    - অপটিক্যাল ফাইবার প্রযুক্তি: আলোক সংকেতের মাধ্যমে উচ্চগতিতে ডাটা পরিবহন করা হয়, যেমন—ফাইবার অপটিক ইন্টারনেট সংযোগ।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৭,৩৭৬.
    ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার ব্যবহার করা হয় কেন?
    1. ক) ডিস্ক ফরমেট করতে
    2. খ) হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
    3. গ) ভাইরাস দূর করতে
    4. ঘ) খারাপ সেক্টরসমূহ পরীক্ষা করতে
    সঠিক উত্তর:
    খ) হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ সাজিয়ে রাখতে
    ব্যাখ্যা
    - ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার শুধুমাত্র হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ বা তথ্যসমূহ সাজিয়ে রাখে।
    - ফলে প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় ডেটাসমূহ খুঁজে পায়।
    - এতে প্রোগ্রাম লোড হতে কম সময় লাগে এবং প্রোগ্রাম দ্রুত রান হয় বিধায় কম্পিউটারের স্পিড ঠিক থাকে।

    উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
    ৭,৩৭৭.
    Boot Process নিয়ন্ত্রণ করার কাজটি করে থাকে -
    1. CPU
    2. BIOS
    3. GPU
    4. UPS
    সঠিক উত্তর:
    BIOS
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    BIOS
    ব্যাখ্যা
    BIOS:
    - BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
    - কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি প্রথম Run হয় সেটি হল BIOS.
    - অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা
    - এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
    - কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
    - BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

    উৎস: ব্রিটানিকা।
    ৭,৩৭৮.
    XML এর পূর্ণরূপ কী?
    1. Xclusive Markup Language
    2. Extension Module Language
    3. Extensible Markup Language
    4. Xtensible Module Language
    সঠিক উত্তর:
    Extensible Markup Language
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Extensible Markup Language
    ব্যাখ্যা
    • XML:
    - XML এর পূর্ণরূপ Extensible Markup Language.
    - এক্সটেনসিবল মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ হলো ওয়েব ডকুমেন্টসকে উন্নত করার জন্য একটি নতুন বিশিষ্ট পরিকল্পনা।
    - এটা অন্যান্য মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ বা ভাষা তৈরির একটি জেনারেল পারপাস ল্যাংগুয়েজ বা সাধারণ উদ্দেশ্যজনক ভাষা.
    - সহজেই পরিবর্তনশীল গঠিত ডকুমেন্টস তৈরিতে এবং সহজেই যথাযথ লিখিত এ্যাপ্লিকেশন বোঝার জন্য ব্যবহৃত হয়।
    - HTML বহুবিধ ডকুমেন্টসের জন্য লিংকসকে সমর্থন করে এবং ডাটা পরিচালনার জন্য অনুমতি প্রদান করে।
    - HTML উভয় ওয়েব এবং নন-ওয়েব বেইজ এ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৭৯.
    রিবন এবং কমান্ড গ্রুপের নিচে দুই অংশে বিভক্ত বারটিকে কী বলে?
    1. ক) Status Bar
    2. খ) Formula Bar
    3. গ) Scroll Bar
    4. ঘ) কোনটিই নয়
    সঠিক উত্তর:
    খ) Formula Bar
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) Formula Bar
    ব্যাখ্যা

    রিবন এবং কমান্ড গ্রুপের নিচে দুই অংশে বিভক্ত বারটিকে ফর্মুলা বার বলে।

    - হিসাব-নিকাশ ও ডাটা এনালাইসি কাজের জন্য ব্যবহৃত মাইক্রোসফট এক্সেল প্রোগ্রামের সক্রিয় ঘরের বিষয়বস্তু আনুভূমিকভাবে অর্থাৎ বাম থেকে ডান দিক বরাবর লম্বা যে ঘরে প্রদর্শন করে সে ঘরটিকে ফর্মূলা বার বলা হয়।

    সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

    ৭,৩৮০.
    নিচের কোনটিকে পিকোনেট বলা হয়?
    1. Bluetooth
    2. Wi-fi
    3. Wi-max
    4. LAN
    সঠিক উত্তর:
    Bluetooth
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Bluetooth
    ব্যাখ্যা
    Bluetooth:
    - ১৯৮৯ সালে ‘Bluetooth’ প্রবর্তন করা হয়।
    - ব্লুটুথ হচ্ছে তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) প্রটোকল যা স্বল্প দূরত্বে ডেটা আদান প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
    - ব্লুটুথ Radio technology ব্যবহার করে।
    - এর দূরত্ব সাধারণত ১০ থেকে ১০০ মিটার হয়ে থাকে।
    - RS-232 ডেটা ক্যাবলের বিকল্প হিসেবে সুইডিশ এর এরিকসন কোম্পানি ১৯৯৪ সালে ব্লুটুথ উদ্ভাবন করে।
    - ডেনমার্কের রাজা Harald Bluetooth-এর নাম অনুসারে ব্লুটুথের নামকরণ করা হয়।
    - ব্লুটুথ নেটওয়ার্ককে পিকোনেটও বলা হয়।
    - এর মধ্যে একটি মাস্টার ডিভাইস এবং বাকিগুলাে স্লেভ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
    - কতকগুলাে পিকোনেট মিলে আবার একটি স্ক্যান্টারনেট গঠিত হতে পারে।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ৭,৩৮১.
    The hexadecimal number (5DF)16 to decimal is -
    1. 1503
    2. 1513
    3. 1403
    4. 1523
    সঠিক উত্তর:
    1503
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    1503
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর - ক) 1503

    পূর্ণ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
    ১। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি ডিজিটকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেজ 16 দ্বারা গুণ করতে হবে।
    ২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। উদাহরণস্বরূপ: একক স্থানীয় অংককে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংককে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংককে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে।
    ৩। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার কোনো অংক যদি A, B, C, D, E বা F হয়; তাহলে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
    ৪। প্রাপ্ত গুণফলগুলোকে যোগ করলে দশমিক সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।



    সুতরাং (5DF)16 = (1503)10

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

    ৭,৩৮২.
    বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন হিসেবে নিচের কোন মোবাইল ফোনটিকে সর্বাধিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
    1. Nokia 3310
    2. Simon
    3. BlackBerry 850
    4. Motorola DynaTAC
    সঠিক উত্তর:
    Simon
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Simon
    ব্যাখ্যা

    • বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন হলো IBM Simon।
    - এটি ১৯৯২ সালে তৈরি করা হয়েছিল। আজকের স্মার্টফোনের মতো এতে টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস ছিল এবং এর মাধ্যমে ইমেল পাঠানো, ক্যালেন্ডার মেইনটেইন করা এবং নোট নেওয়ার মতো কাজ করা যেত।

    • স্মার্টফোন:
    - প্রযুক্তি কোম্পানী IBM বিশ্বের প্রথম স্মার্টফোন তৈরি করে যার নাম ছিল সাইমন।
    - 16 আগস্ট, 1994-এ জনসাধারণের কাছে বিক্রি হয়েছিল।
    - এতে একটি টাচস্ক্রিন, ইমেইল ক্ষমতা, একটি ক্যালকুলেটর এবং একটি স্কেচ প্যাড সহ কয়েকটি অন্তর্নির্মিত অ্যাপ রয়েছে৷
    - এটির কোড-নাম ছিল "অ্যাঙ্গলার" এবং ভেগাসের ফল কমডেক্স কনভেনশনে উন্মোচন করা হয়েছিল।
    - ব্যাটারি একবার চার্জ করলে ১ ঘণ্টা চালানো যেত।
    - বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ডিভাইসটি কেবলমাত্র 50,000 ইউনিট স্থানান্তরিত করতে ছয় মাস ব্যয় করেছে।

    • স্মার্টফোনের বৈশিষ্ট্য:
    - ডেটা রূপান্তরের জন্য প্যাকেট সুইচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
    - ডাটা স্থানান্তর উচ্চ গতিসম্পন্ন।
    - মডেম সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
    - মেমোরি বেশি থাকে।

    উৎস: ব্রিটানিকা।

    ৭,৩৮৩.
    বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়?
    1. ক) মাল্টিপ্রসেসিং।
    2. খ) ইন্টার-একটিভ মোড।
    3. গ) ব্যাচ প্রসেসিং।
    4. ঘ) মাল্টি প্রোগ্রামিং।
    সঠিক উত্তর:
    ক) মাল্টিপ্রসেসিং।
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক) মাল্টিপ্রসেসিং।
    ব্যাখ্যা

    মহাকাশযান, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র ও বড় কলকারখানায় মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।

    - মাল্টিপ্রসেসিং বলতে দুই বা ততোধিক নির্দেশনা সমান্তরালভাবে দুই বা ততোধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর বা সিপিইউ কর্তক পরিচালিত হওয়া বুঝায়।
    - এসব সিপিইউ একই সময়ে কোন প্রোগ্রামের আলাদা আলাদা নির্দেশ পালন করে কিংবা সম্পূর্ণভাবে আলাদা আলাদা প্রোগ্রামও নির্বাহ করতে পারে। -মাল্টিপ্রোগ্রামিং সিস্টেমের সাথে মাল্টিপ্রসেসিং সিস্টেমের মূল পার্থক্য হলো মাল্টিপ্রোগ্রামিং-এ একটিমাত্র প্রসেসর ব্যবহৃত হয়, আর মাল্টিপ্রসেসিং-এ একাধিক প্রসেসর ব্যবহৃত হয়।

    সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

    ৭,৩৮৪.
    তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ______ ব্যবহার করে।
    1. ক) ডেসিমাল ডিজিট
    2. খ) হেক্সাডেসিমাল ডিজিট
    3. গ) বাইনারি ডিজিট
    4. ঘ) সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    গ) বাইনারি ডিজিট
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গ) বাইনারি ডিজিট
    ব্যাখ্যা
    • ডিজিটাল কম্পিউটার:
    - যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল, কম্পিউটার বলা হয়।
    - তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে বাইনারি ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
    - ডিজিটাল কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মনিটরে প্রদর্শিত হয়।
    - ডিজিটাল কম্পিউটারের গতি ও কার্যকারিতা অ্যানালগ কম্পিউটারের চেয়ে অনেক বেশি ও ভালো।
    - আবার ডিজিটাল কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা অ্যানালগ কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।
    - বর্তমান বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল পদ্ধতির কম্পিউটার। মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ। 

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৮৫.
    এসএসডি-তে কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করা হয়?
    1. Magnetic Tape
    2. DRAM
    3.  SRAM 
    4. Flash Memory
    সঠিক উত্তর:
    Flash Memory
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Flash Memory
    ব্যাখ্যা

    • এসএসডি (Solid State Drive) হল একটি আধুনিক স্টোরেজ ডিভাইস যা হার্ড ডিস্কের মতো ডেটা সংরক্ষণ করে, তবে এটি কোনো ঘূর্ণমান পার্ট নেই। এসএসডিতে ফ্ল্যাশ মেমোরি (Flash Memory) ব্যবহার করা হয়, যা অস্থায়ী নয়, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও ডেটা সংরক্ষিত থাকে। ফ্ল্যাশ মেমোরি দ্রুত ডেটা পড়া ও লেখা করতে সক্ষম, ফলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপের বুটিং এবং অ্যাপ্লিকেশন লোডিং অনেক দ্রুত হয়। এটি DRAM বা SRAM এর মতো ভলাটাইল মেমোরি নয়, যেখানে বিদ্যুৎ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়। এছাড়া Magnetic Tape বা হার্ড ডিস্কের চেয়ে এটি কম শক্তি খরচ করে এবং কম জায়গা দখল করে। তাই এসএসডি দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং শক্তি সাশ্রয়ী স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

    SSD:
    - SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
    - সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
    - SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
    - SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

    সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
    - কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
    - হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

    উৎস: Avast website এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৭,৩৮৬.
    PSTN এর পূর্ণরূপ কী?
    1. Public Service Telephone Networks
    2. Public Switched Telephone Networks
    3. Public Switched Telecommunication Networks
    4. Public Service Telecommunication Networks
    সঠিক উত্তর:
    Public Switched Telephone Networks
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Public Switched Telephone Networks
    ব্যাখ্যা
    • ফ্যাক্স (Fax):
    - বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
    - ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
    - ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
    - কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
    - প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।
    - PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.
    - ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
     
     
    উৎস:
    ১. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২. ব্রিটানিকা
    ৭,৩৮৭.
    Which of the following are extensions of graphics file?
    1. .bmp
    2. .xml
    3. .doc
    4. .exe
    সঠিক উত্তর:
    .bmp
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    .bmp
    ব্যাখ্যা
    • ইমেজ ফাইল ফরমেট ও এক্সটেনশন:
    - list of the most common image file extensions:
    .ai - Adobe Illustrator file
    .bmp - Bitmap image
    .gif - GIF image
    .ico - Icon file
    .jpeg or .jpg - JPEG image
    .png - PNG image
    .ps - PostScript file
    .psd - PSD image
    .svg - Scalable Vector Graphics file
    .tif or . tiff - TIFF image
    .webp - WebP image.
    • GUI (GUI) এর পূর্ণরূপ হল গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (Graphical User Interface) GUI বা গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস একটি গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেমকে বোঝায়।

    উৎস: কম্পিউটার হোপ।
    ৭,৩৮৮.
    রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার নয় কোনটি? 
    1. এসকিউএল সার্ভার
    2. মাইএসকিউএল
    3. মাইক্রোসফট এক্সেস
    4. ক্যাসপারস্কি
    সঠিক উত্তর:
    ক্যাসপারস্কি
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক্যাসপারস্কি
    ব্যাখ্যা
    - রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার নয়- কাসপারেস্কি। এটি একটি এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যার। 

    রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 

    - একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
    - কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
    - রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
    - রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
    - আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
    - রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
    যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 
    - রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য হল- 
    • সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
    • ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
    • অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
    • সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
    • প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
    • বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
    • আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৮৯.
    (1100101)2 + (1000101)2 = ?
    1. ক) 10011011
    2. খ) 10101010
    3. গ) 10011001
    4. ঘ) 10101101
    সঠিক উত্তর:
    খ) 10101010
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    খ) 10101010
    ব্যাখ্যা
    (1100101)2 + (1000101)2 = (10101010)2
    ৭,৩৯০.
    প্রতারণার মাধ্যমে কারো কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করাকে বলে-
    1. ক) স্প্যামিং
    2. খ) হ্যাকিং
    3. গ) পাইরেসি
    4. ঘ) ফিশিং
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) ফিশিং
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ঘ) ফিশিং
    ব্যাখ্যা

    - প্রতারণার মাধ্যমে কারো কাছ থেকে ব্যক্তিগত তথ্য যেমন- ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে ফিশিং বলে।
    - সদ্য প্রকাশিত গান বা সিনেমার mp3 বা মুভি ফাইল ইন্টারনেট শেয়ার করাকে পাইরেসি বলে।
    - স্প্যামিং হচ্ছে ই-মেইল একাউন্টে অচেনা ও অপ্রয়োজনীয় ই-মেইল আসা যা আমাদের বিরক্তি ঘটায়।
    - হ্যাকিং হচ্ছে সাধারণত অনুমতি ছাড়া কোন কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে কম্পিউটার ব্যবহার করা অথবা কোন কম্পিউটারকে মোহচ্ছন্ন করে তা পুরো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয়া।

    ৭,৩৯১.
    রোবট সোফিয়ার মূল নির্মাতা কে?
    1. মার্শাল ম্যকলুহান
    2. ফানুক হ্যানসন
    3. অড্রে হেপবার্ন
    4. ডেভিড হ্যানসন
    সঠিক উত্তর:
    ডেভিড হ্যানসন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডেভিড হ্যানসন
    ব্যাখ্যা
    • রোবট সোফিয়া:
    - রোবট সোফিয়া তৈরি করেছে হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিকস।
    - এর মূল নির্মাতা ডেভিড হ্যানসন (David Hanson)।
    - রোবট সোফিয়াকে নকশা করা হয় হলিউডের ব্রিটিশ অভিনয় শিল্পী অড্রে হেপবার্ন এর মত করে।
    - রোবট সোফিয়াকে ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল থেকে সক্রিয় করা হয়।
    - ২০১৭ সালের অক্টোবরে সৌদি আরবের নাগরিকত্ব দেয়া হয় এই রোবটকে এবং এটিই প্রথম রোবট যে কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করে।
    - ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি উৎসব ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে অংশ নিয়েছে হংকং-এর তৈরি ও সৌদি আরবের নাগরিকত্ব পাওয়া এই রোবট সোফিয়া।
    - এটি প্রায় ৫০ ধরনের ভাবভঙ্গি দেখাতে পারে।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ৭,৩৯২.
    নিম্নের কোনটি নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার?
    1. ক) চেইন প্রিন্টার
    2. খ) ড্রাম প্রিন্টার
    3. গ) থার্মাল প্রিন্টার
    4. ঘ) ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
    সঠিক উত্তর:
    গ) থার্মাল প্রিন্টার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    গ) থার্মাল প্রিন্টার
    ব্যাখ্যা
    - প্রিন্টার হলো কম্পিউটারের অন্যতম বহুল ব্যবহৃত আউটপুট ডিভাইস।
    - কম্পিউটারের সিপিইউ কর্তৃক প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল কাগজে প্রিন্ট করার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়। 
    - প্রিন্টারের সাহায্যে কোনো তথ্যাবলি প্রিন্ট করা হলে কম্পিউটারের ভাষায় তাকে হার্ডকপি বলে।

    প্রিন্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
    ১। ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার:
    • লাইন প্রিন্টার:
         ক) চেইন প্রিন্টার
         খ) ড্রাম প্রিন্টার
    • ক্যারেক্টার বা সিরিয়াল প্রিন্টার:
         ক) ভেইজি হুইল প্রিন্টার
         খ) ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
    ২। নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার:
    • লেজার প্রিন্টার
    • ইঙ্কজেট প্রিন্টার
    • থার্মাল প্রিন্টার
    • স্থির বৈদ্যুতিক প্রিন্টার ।

    - প্রিন্টারের সাহায্যে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন, ছবি ইত্যাদির হার্ডকপি তৈরি করা হয়।

    উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
    ৭,৩৯৩.
    কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে নিচের কোনটি?
    1. এনকোডার
    2. ডিকোডার
    3. এডার
    4. রেজিস্টার
    সঠিক উত্তর:
    ডিকোডার
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ডিকোডার
    ব্যাখ্যা

    এডার: কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে এডার।
    এনকোডার: এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে
    কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।
    ডিকোডার: ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।
    রেজিস্টার: রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
    উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

    ৭,৩৯৪.
    DVD এর পুর্ণরূপ কি?
    1. ক) Digital Versatile Disk
    2. খ) Digital Version Disk
    3. গ) Digital Video-audio Disk
    4. ঘ) Distance Version Disk
    সঠিক উত্তর:
    ক) Digital Versatile Disk
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক) Digital Versatile Disk
    ব্যাখ্যা
    ডিভিডি যা ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (Digital Versatile Disc) নামেও পরিচিত, এক ধরনের অপটিকাল ডিস্ক-ভিত্তিক উপাত্ত সংরক্ষণের ফরম্যাট। আধুনিক ডিজিটাল যুগের অনেক বেশি তথ্য রাখার চাহিদা থেকে এর সৃষ্টি।
    ৭,৩৯৫.
    কম্পিউটারের প্রাথমিক রূপ কোনটি?
    1. আর্পানেট
    2. এবিসি
    3. টেবুলেটিং মেশিন
    4. এডসাক
    সঠিক উত্তর:
    টেবুলেটিং মেশিন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    টেবুলেটিং মেশিন
    ব্যাখ্যা
    • টেবুলেটিং মেশিন:
    - ১৮৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড. হারম্যান হলিরিথ নামের একজন পরিসংখ্যানবিদ সেন্সাস মেশিন বা টেবুলেটিং মেশিন নামে একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
    - তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্রে তিনি পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করে ১৮৯০ সালের শুমারি মাত্র তিন বছরে শেষ করেন।
    - এ ধরনের মেশিন ছাড়া ১৮৮০ সালের শুমারি করতে সময় লেগেছিল দশ বছর।
    - সেন্সাস মেশিন ব্যবহার করে অনেক দিন পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করা যেত।
    - ড. হলিরিথ ১৮৯৬ সালে 'টেবুলেটিং মেশিন কোম্পানি' নাম দিয়ে একটি ব্যবসায়ীপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেন।
    - পরবর্তীতে তাঁর কোম্পানি আরো কয়েকটা কোম্পানির সঙ্গে একীভূত হয়ে IBM (International Business Machine) কোম্পানি গঠিত হয়।
    - টেবুলেটিং মেশিন উদ্ভাবিত হওয়ার পর হতেই ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে কম্পিউটার তৈরির যুগ শুরু হয়।
    - টেবুলেটিং মেশিনটির প্রধান অংশগুলো ছিল কার্ড পাঞ্চার (Card puncher), কার্ড রিডার (Card reader) এবং ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কার্ড সর্টার (Electromechanical card sorter)।
    - হলিরিথ এর এই গবেষণা ও উন্নয়নের প্রচেষ্ঠার ফলেই 'এনালগ কম্পিউটার' নামক নতুন শ্রেণির গণনাকারী যন্ত্রের উদ্ভব ঘটে।

    উৎস:
    ১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২. কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৭,৩৯৬.
    RFID কোন কোন ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়?
    1. স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়
    2. সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিং
    3. স্টক ম্যানেজমেন্ট
    4. বর্ণিত সবগুলো
    সঠিক উত্তর:
    বর্ণিত সবগুলো
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    বর্ণিত সবগুলো
    ব্যাখ্যা

    • RFID (Radio Frequency Identification) প্রযুক্তি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এটি স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়ে ব্যবহার করা হয়, যার মাধ্যমে যানবাহনের তথ্য শনাক্ত করে দ্রুত টোল সংগ্রহ করা যায়। এছাড়াও, এটি সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিংয়ে কাজে লাগে, যেমন কর্মচারী বা ছাত্রদের উপস্থিতি নজরদারি করা। স্টক ম্যানেজমেন্টেও RFID ব্যবহৃত হয়, যাতে পণ্য বা মালামালের চলাচল ও অবস্থান সহজে ট্র্যাক করা যায়।
    - তাই, উপরের সব ক্ষেত্রেই RFID প্রযুক্তি কার্যকরভাবে ব্যবহৃত হয়। উত্তর: ঘ) বর্ণিত সবগুলো।

     
    • RFID:

    - RFID প্রযুক্তি ১৯৭০ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হয়।
    - এর পূর্ণরূপ: Radio Frequency Identification.
    - রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন (RFID) একটি ওয়্যারলেস প্রযুক্তি।
    - যা রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে বস্তু বা ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে।
    - ২০ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত দূরত্ব বস্তু চিহ্নিত করা যায়।​

    • প্রযুক্তির উপাদান:
    - ট্যাগ (Tag): ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণকারী চিপ ও অ্যান্টেনা।
    - রিডার (Reader): ট্যাগ থেকে তথ্য পড়ে ডাটাবেসে প্রেরণকারী ডিভাইস।​

    • কার্যপ্রণালী:
    - রিডার রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে।
    - ট্যাগ সেই তরঙ্গ গ্রহণ করে তথ্য প্রেরণ করে।
    - রিডার প্রাপ্ত তথ্য ডাটাবেসে আপডেট করে।​

    • ব্যবহার ক্ষেত্রসমূহ:
    - গাড়ির চাবি ও নিরাপত্তা প্রবেশ কার্ড: অ্যাক্সেস কন্ট্রোল।
    - সুরক্ষা ও উপস্থিতি ট্র্যাকিং।
    - স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাপনা।
    - স্বয়ংক্রিয় টোল আদায়।
    - স্টক ম্যানেজমেন্ট,
    - পশুদের পরিচয় নিশ্চিতকরণ।​

    • নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা:
    - RFID কার্ডে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষিত থাকে না।
    - শুধু একটি নম্বর থাকে, যা নিরাপদ ডাটাবেসে সংরক্ষিত তথ্যের দিকে নির্দেশ করে।
    - তথ্য এনক্রিপশন ও পাসওয়ার্ড সুরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়।

    • উদাহরণস্বরূপ:
    - NEXUS, SENTRI, FAST.
    - ১৯৯৫ সাল থেকে সীমান্তে যাত্রীদের দ্রুত প্রবেশের জন্য ভিসিনিটি RFID প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসছে।

    উৎস: US Homeland Security and Britannica. [Link]

    ৭,৩৯৭.
    ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সফটওয়্যারভিত্তিক সেবার উদাহরণ নয় কোনটি?
    1. Google Apps
    2. Dropbox
    3. Azure
    4. Hubspot
    সঠিক উত্তর:
    Azure
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    Azure
    ব্যাখ্যা
    • ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের সুবিধা:
    - ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের সার্ভিস প্রদান করে থাকে।
    - এ সব সার্ভিস মডেলকে চারভাগে ভাগ করা যায়।

    • অবকাঠামোগত সেবা (IaaS: Infrastructure as a service):
    - এই মডেলে অবকাঠামো ভাড়া দেওয়া হয়।
    - অ্যামাজন- এর ইলাস্টিক কম্পিউটিং ক্লাউড (EC2) এরকম একটি মডেল।

    • প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service):
    - এই মডেলে ভার্চুয়াল মেশিন ভাড়া না দিয়ে ভাড়া দেওয়া হয় কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এক্সিকিউশন পরিবেশ, ডেটাবেজ এবং ওয়েব সার্ভার ইত্যাদি।
    - Microsoft-এর Azure এবং Google-এর App Engine এই মডেলের উদাহরণ।

    • সফটওয়্যারভিত্তিক সেবা (SaaS: Software as a service):
    - এই মডেলে ব্যবহারকারীরা সার্ভিসদাতা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা সফটওয়্যার ও ডেটাবেজে অ্যাকসেস এবং ব্যবহারে সুযোগ পায়।
    - এর ফলে ব্যবহারকারীকে সিপিইউ বা স্টোরেজের অবস্থান, কনফিগারেশন ইত্যাদি জানা বা রক্ষণাবেক্ষণ করার প্রয়োজন হয় না।
    - Google Apps, Dropbox, Hubspot ইত্যাদি এই মডেলের উদাহরণ।

    • নেটওয়ার্কভিত্তিক সেবা (NaaS: Network as a Service):
    - এটি এমন একটি মডেল, যেখানে গ্রাহকরা তাদের নিজস্ব নেটওয়ার্ক অবকাঠামো স্থাপনের পরিবর্তে ক্লাউড বিক্রেতার কাছ থেকে নেটওয়ার্ক পরিষেবাগুলো ভাড়া নিয়ে থাকেন।
    - উদাহরণস্বরূপ আর্যাকা এবং পার্টিনো সংস্থা দুটি WAN এবং SVPN (Secure Virtual Private Network) সেবা প্রদান করে থাকে।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
    ৭,৩৯৮.
    কম্পিউটার ভাইরাসকে নামকরণের জনক কে?
    1. ফ্রেড কোহেন
    2. জন মশলি
    3. গ্রেস হপার
    4. এলেন টুরিং
    সঠিক উত্তর:
    ফ্রেড কোহেন
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ফ্রেড কোহেন
    ব্যাখ্যা

    - কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন ফ্রেড কোহেন।

    • কম্পিউটার ভাইরাস:
    - কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
    - কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
    - এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
    - সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
    - প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
    - মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
    - সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৭,৩৯৯.
    ডাটাবেজের উপাদান হতে পারে-
    i. ফিল্ড
    ii. রেকর্ড
    iii. ডাটা টেবিল
    1. i ও iii
    2. i ও ii
    3. ii ও iii
    4. i, ii ও iii
    সঠিক উত্তর:
    i, ii ও iii
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    i, ii ও iii
    ব্যাখ্যা
    ♦ ডাটাবেজ:
    - ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
    - ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
    - ডাটাবেজ এর ব্যবহার:
    • অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ডাটা পরিচালনা করা যায়।
    • সংরক্ষিত ডাটাকে পরবর্তীতে আপডেট করা যায়। ডাটাবেজের তথ্যসমূহকে প্রয়োজনে অ্যাসেন্ডিং (Ascending) ও ডিসেন্ডিং (Descending) অর্ডারে সাজানো যায়।
    • অল্প সময়ে ডাটার বিন্যাস ঘটানো যায়।
    • বিভিন্ন শিল্প কারখানায় পণ্যের উৎপাদন, চাহিদা, পরিমান, মজুদ, লেনদেনের হিসাব ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংরক্ষণে ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
    • বৈজ্ঞানিক গবেষণা কর্মের জন্য এবং পরবর্তীতে ফলাফল বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ ও অন্যান্য আরো অনেক কাজে ডাটাবেজ ব্যবহৃত হয়।

    - ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো:
    ১. ডাটা (Data), 
    ২. রেকর্ড (Record), 
    ৩. ফিল্ড (Field) ও
    ৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।
    ৭,৪০০.
    নর (NOR) গেইটের আউটপুট ১ পেতে হলে ইনপুট কত দিতে হবে?
    1. ক) ০, ০
    2. খ) ১, ০
    3. গ) ০, ১
    4. ঘ) ১, ১
    সঠিক উত্তর:
    ক) ০, ০
    উত্তর
    সঠিক উত্তর:
    ক) ০, ০
    ব্যাখ্যা
    নর গেইট
    - নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
    - অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
    - অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
    - নিচে ২ ইনপুট বিশিষ্ট নর গেইটের সত্যক সারণি দেখানো হলো -



    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)