বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

মোট প্রশ্ন১৩,০৮৮এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি

PrepBank · পাতা ১২৭ / ১৩১ · ১২,৬০১১২,৭০০ / ১৩,০৮৮

১২,৬০১.
ফিল্ড নেম এর আকার নির্ধারণের জন্য কোনটি ব্যবহার করতে হবে?
  1. ক্রিয়েট
  2. ফিল্ড নেম
  3. ফিল্ড সাইজ
  4. ডিজাইন ভিউ
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড সাইজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড সাইজ
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো — গ) ফিল্ড সাইজ। 
- ডেটাবেসে ফিল্ড নেমের আকার বা ফিল্ডে সংরক্ষিত ডেটার সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করার জন্য ফিল্ড সাইজ (Field Size) ব্যবহার করা হয়।

- উদাহরণ: একটি টেক্সট ফিল্ডের জন্য ৫০ অক্ষরের সীমা নির্ধারণ করা।
- এটি ডেটার স্টোরেজ অপটিমাইজ করতে ও ডেটা ইনপুট নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

অপশন আলোচনা:
- ক্রিয়েট (Create): নতুন টেবিল বা ডেটাবেস তৈরি করা।
- ফিল্ড নেম (Field Name): ফিল্ডের নাম নির্ধারণ করে, আকার নয়।
- ডিজাইন ভিউ (Design View): টেবিলের কাঠামো ডিজাইন ও সম্পাদনার জন্য ব্যবহার হয়, তবে ফিল্ড সাইজ সেট করতে “ফিল্ড সাইজ” অপশন ব্যবহার করতে হয়।
-  সুতরাং ফিল্ড নেমের আকার নির্ধারণ করতে ব্যবহার করতে হবে ফিল্ড সাইজ (গ)।

সূত্র: [link]

১২,৬০২.
মাইক্রো কম্পিউটারকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) চার
  2. খ) পাঁচ
  3. গ) ছয়
  4. ঘ) তিন
সঠিক উত্তর:
ক) চার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চার
ব্যাখ্যা
মাইক্রো কম্পিউটার
- মাইক্রো (micro) শব্দটির অর্থ হল ক্ষুদ্র। 
- মূলত মাইক্রো কম্পিউটার বলতে কম্পিউটারের ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়। 
- এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়। 
- একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়। 
- মাইক্রো কম্পিউটারগুলো সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, ব্যক্তিগত ব্যবহার, খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- মাইক্রো কম্পিউটারের কিছু উদাহরণ হল IBM PC, APPLE POWER ইত্যাদি। 

- মাইক্রো কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. ডেক্সটপ কম্পিউটার, 
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার, 
৩. পামটপ কম্পিউটার এবং 
৪. নোটবুক কম্পিউটার। 

উৎস
: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১২,৬০৩.
কোনটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) IBM 650
  2. খ) IBM 704
  3. গ) EDSAC
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২,৬০৪.
অপারেটিং সিস্টেম নয় -
  1. Android
  2. MAC OS
  3. Symbian
  4. Python
সঠিক উত্তর:
Python
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Python
ব্যাখ্যা
• Python - হচ্ছে একটি পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল এমন একটি সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে, কম্পিউটার বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সকল কাজ অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন ধরণ:
১. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- যখন একটি অপারেটিং সিস্টেমে এক সময়ে শুধুমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে, তখন তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেমকে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।

- উদাহরণ:
- CP/M,
- Symbian OS,
- Palm OS,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95/98.

২. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী এক সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সে অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

- উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Android,
- Windows 2003/2008 Server,
- Unix,
- Linux.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬০৫.
আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে কিসের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়?
  1. মাইক্রো স্ট্যাট
  2. মাইক্রো ফাইবার
  3. মাইক্রো অপারেটর
  4. মাইক্রো কন্টোলার
সঠিক উত্তর:
মাইক্রো কন্টোলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রো কন্টোলার
ব্যাখ্যা
এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- তবে, আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্‌, ATM প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
১২,৬০৬.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ধারণা কোন তত্ত্ব থেকে উদ্ভূত?
  1. অভিবাসন তত্ত্ব
  2. শিক্ষণ তত্ত্ব
  3. কানেকটিভিটি তত্ত্ব
  4. সিমুলেশন তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
সিমুলেশন তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিমুলেশন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির (VR) ধারণা মূলত সিমুলেশন তত্ত্ব থেকে উদ্ভূত। সিমুলেশন তত্ত্ব অনুযায়ী, বাস্তব বিশ্বের অভিজ্ঞতা এবং পরিস্থিতি কৃত্রিমভাবে নকল বা পুনর্গঠন করা যায় যাতে ব্যবহারকারী একটি বাস্তবসম্মত পরিবেশে নিজেকে উপস্থিত মনে করতে পারে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি এই তত্ত্বকে প্রযুক্তিগত দিক থেকে বাস্তবায়ন করে, যেখানে কম্পিউটার জেনারেটেড পরিবেশ ব্যবহারকারীকে দর্শন, শ্রবণ, স্পর্শ বা অন্যান্য ইন্দ্রিয় অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী বাস্তব বা কল্পিত দৃশ্যের সঙ্গে সরাসরি ইন্টারঅ্যাকশন করতে পারে। শিক্ষণ, অভিবাসন বা কানেকটিভিটি তত্ত্বের তুলনায় সিমুলেশন তত্ত্ব VR-এর মূল ধারণার সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত।
 
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলা হয়।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬০৭.
Kernel কী?
  1. কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার
  2. অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ 
  3. একটি সফটওয়্যার অ্যাপ
  4. প্রিন্টারের অংশ
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ 
ব্যাখ্যা

- Kernel হলো একটি অপারেটিং সিস্টেমের (Operating System) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল অংশ।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- ব্যবহারকারী যেসব প্রোগ্রাম চালায়, সেগুলোর হার্ডওয়্যার রিসোর্স ব্যবহারের সব কাজ Kernel পরিচালনা করে।

Kernel এর কাজ:
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: কোন প্রোগ্রাম কতটা RAM ব্যবহার করবে, তা নির্ধারণ করে।
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: বিভিন্ন প্রোগ্রামের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও সময় নির্ধারণ করে।
- ডিভাইস কন্ট্রোল: ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস যেমন কীবোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদির সাথে যোগাযোগ করে।
- সিস্টেম কল হ্যান্ডলিং: ব্যবহারকারী প্রোগ্রাম থেকে আসা অনুরোধগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো হার্ডওয়্যারে প্রেরণ করে।

Kernel এর ধরন:
- Monolithic Kernel: পুরো সিস্টেমের সব কাজ Kernel-এর মধ্যেই হয় (যেমন Linux Kernel)।
- Microkernel: Kernel ছোট এবং শুধু মূল কাজ করে; বাকিগুলো আলাদা প্রোগ্রাম সামলায় (যেমন Minix, QNX)।
- Hybrid Kernel: Monolithic ও Microkernel-এর মিশ্র রূপ (যেমন Windows NT, macOS)।

উদাহরণ:
- Linux Kernel → Linux অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত।
- NT Kernel → Windows অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত।
- XNU Kernel → macOS ও iOS এ ব্যবহৃত।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]

১২,৬০৮.
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তি কী নামে পরিচিত?
  1. ইন্টারসীড
  2. ই-মেইল
  3. ইন্টারনেট
  4. ইন্টারকম
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলা হয়। 

• ইন্টারনেট: 
- কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয় ইন্টারনেট। 
- ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক। 
- আরপানেট দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। 
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে। এ নেটওয়ার্কের নাম আর্পানেট। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

১২,৬০৯.
What is the full form of IBAN?
  1. International Banking Account Number
  2. International Bank Account Number
  3. Internal Bank Account Number
  4. Integrated Bank Access Number
সঠিক উত্তর:
International Bank Account Number
উত্তর
সঠিক উত্তর:
International Bank Account Number
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) International Bank Account Number

IBAN (International Bank Account Number)
- IBAN হলো আন্তর্জাতিক ব্যাংক একাউন্ট নম্বর।
- এটি ব্যবহার করা হয় দেশের বাইরে লেনদেন (cross-border transactions) সহজ এবং নিরাপদ করার জন্য।
- এই সিস্টেমের মাধ্যমে ব্যাংক ও সরকারগুলোর মধ্যে দ্রুত এবং নিরাপদ আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সম্ভব হয়।
- IBAN প্রধানত ইউরোপে ব্যবহৃত, তবে কিছু অ-ইউরোপীয় দেশেও এটি ব্যবহৃত হয়।
- ব্যাংকগুলো প্রায়ই বিদেশে টাকা পাঠানোর জন্য SWIFT এবং IBAN উভয় নম্বরই চায়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

১২,৬১০.
নিচের কোন গেইটে যেকোনো একটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 0 হয়?
  1. NOT gate
  2. OR gate
  3. AND gate
  4. None
সঠিক উত্তর:
AND gate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AND gate
ব্যাখ্যা
- AND gate এ দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং একটি মাত্র আউটপুট থাকে। 
- এখানে আউটপুট ইনপুট গুলোর যৌক্তিক গুগফলের সমান। 
- AND (অ্যান্ড) গেইটে যেকোনো একটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 0 হয়। 
- অর্থাৎ সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হয়।
- অন্য সকল অবস্থায় আউটপুট 0 হবে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,৬১১.
কোন ডিজিটাল সার্কিট বিট প্যাটার্ন সংরক্ষণ করে এবং একটি নির্দিষ্ট দিকে সরাতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিমাল্টিপ্লেক্সার
  2. কাউন্টার
  3. মাল্টিপ্লেক্সার
  4. শিফট রেজিস্টার
সঠিক উত্তর:
শিফট রেজিস্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিফট রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

◉ শিফট রেজিস্টার হলো এক ধরনের সিকুয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট, যা ডেটা বিটগুলিকে স্টোর (সংরক্ষণ) করে এবং ক্লক সিগন্যালের সাহায্যে ডেটাকে লেফট বা রাইট দিকে শিফট (সরানো) করতে পারে।

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসরের অভ্যন্তরে থাকা একটি উচ্চগতির বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- এটি ডেটা প্রসেসিংয়ের আগে অস্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে, যা প্রসেসরের কার্যক্ষমতাকে দ্রুততর করে।
- রেজিস্টার একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত একটি সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- একটি n-বিট রেজিস্টার-এ n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে এবং এটি n-বিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
- রেজিস্টার হলো CPU-এর অভ্যন্তরে থাকা প্রথম মেমোরি ডিভাইস, যা প্রসেসিং-এর সময় দ্রুত ডেটা সঞ্চয় ও পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করে।
- সরল এবং সাধারণ রেজিস্টারগুলো শুধুমাত্র ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট দ্বারা তৈরি হয় এবং ক্লক পালস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

• গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং
২. শিফট রেজিস্টার।

শিফট রেজিস্টার: 
- যে রেজিস্টার বাইনারি ডাটাকে ডানদিক বা বাম দিকে বা উভয় দিকে সরাতে পারে তাকে শিফট রেজিস্টার বলে।
- শিফট রেজিস্টারে একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ চেইন আকারে একটির সাথে অপরটি যুক্ত থাকে যাতে একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট পরবর্তী ফিল্প-ফ্লপের ইনপুটের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ পায় যা একটি স্টেজ থেকে অপর স্টেজে শিফট সূচনা করে।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ দেওয়া হয়। এক একটি পালসে এক একটি বিট সরানো হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬১২.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি হোম রোবট তৈরি করে?
  1. ক) FANUC
  2. খ) YASKAWA
  3. গ) BOSTON DYNAMICS
  4. ঘ) iROBOT
সঠিক উত্তর:
ঘ) iROBOT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) iROBOT
ব্যাখ্যা

১৯৯০ সালে এমআইটি কতৃক প্রতিষ্ঠিত iRobot নামক প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন ধরনের হোম রোবট তৈরি করে।

এই প্রতিষ্ঠানের তৈরি Roomba নামক রোবটটি বাসার কাজে অত্যন্ত দক্ষ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

১২,৬১৩.
ENIAC computer was the first  -
  1. electronic digital computer.
  2. personal computer.
  3. laptop computer.
  4. computer to use integrated circuits.
সঠিক উত্তর:
electronic digital computer.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
electronic digital computer.
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) electronic digital computer.

- ENIAC হলো প্রথম প্রোগ্রামযোগ্য, সাধারণ-উদ্দেশ্যের, ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নির্মিত হয়।
- 1946 সালে এটি সম্পন্ন হয় এবং এতে প্রায় 18,000 ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হয়েছিল।
- ENIAC প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 5,000টি যোগফল করতে সক্ষম ছিল, যা তখনকার সময়ের সবচেয়ে শক্তিশালী হিসাব যন্ত্র হিসেবে বিবেচিত হত।

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২-১৯৫৯)
- আকারে বিশাল এবং অত্যন্ত ভারী।
- কাজের সময় উচ্চ শব্দ এবং তাপ উৎপন্ন হতো।
- তথ্য সংরক্ষণের ক্ষমতা সীমিত।
- কার্যক্রমের গতি ধীর।
- প্রথমে মেশিন ভাষা, পরে অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।

উদাহরণ:
- ABC,
- ENIAC,
- UNIVAC.

উৎস: ১। কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।  

১২,৬১৪.
'2FA' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. ক) Two-Factor Authorization
  2. খ) Two-Factor Administration
  3. গ) Two-Factor Authentication
  4. ঘ) Two-Factor Acknowledgement
সঠিক উত্তর:
গ) Two-Factor Authentication
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Two-Factor Authentication
ব্যাখ্যা
2FA
- '2FA' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Two-Factor Authentication.
- গুগল, ফেসবুকসহ বিভিন্ন একাউন্টের বাড়তি নিরাপত্তার জন্য '2FA' ব্যবহার করা হয়।
- '2FA' চালু থাকলে কেউ অযাচিতভাবে একাউন্টে প্রবেশ করতে গেলে গ্রাহকের মোবাইল অথবা ইমেইলে OTP কোড প্রেরণ করা হয়।
১২,৬১৫.
প্রক্রিয়াকরণের আগে কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে দেওয়া কাঁচা তথ্যকে কী বলা হয়?
  1. তথ্য
  2. ডাটা
  3. রেকর্ড
  4. ডাটাবেজ
সঠিক উত্তর:
ডাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা
ব্যাখ্যা

• ডাটা(Data): প্রক্রিয়াকরণের আগে ইনপুট হিসেবে দেওয়া কাঁচা তথ্য।

• ডাটা(Data):
- ডাটা শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Datum থেকে।
- Datum শব্দের অর্থ হলো তথ্যের উপাদান।
- প্রক্রিয়াকরণের আগে কম্পিউটারে যে কাঁচা তথ্য ইনপুট হিসেবে দেওয়া হয়, তাকে ডাটা বলা হয়।
- উদাহরণ: কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর নাম, বয়স, মূলবেতন ইত্যাদি প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা ডাটা।
 
• ডাটাবেজ(Database):
- ডাটাবেজ শব্দটি Data + Base থেকে এসেছে, যার অর্থ তথ্যের ভাণ্ডার।
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটার সুশৃঙ্খল সংগ্রহকে ডাটাবেজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ সাধারণত টেবিল আকারে সংরক্ষিত থাকে।
- একটি ডাটাবেজে এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম ও রিপোর্ট থাকতে পারে।
- ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যকে সাধারণভাবে অভ্যন্তরীণ ডাটা বলা হয়।
- সব তথ্য ডাটাবেজে থাকে না; যেসব তথ্যের সাথে পরস্পর সম্পর্ক ও সংগঠন থাকে, সেগুলোই ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়।
- উদাহরণ: ভোটার তালিকা, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের ব্যক্তিগত তথ্য।
 
• ডাটাবেজের উপাদানসমূহ:
- ডাটা টেবিল: ডাটাবেজের মূল কাঠামো, যেখানে ডাটা সারি ও কলামে সংরক্ষিত থাকে।
- রেকর্ড: টেবিলের একটি পূর্ণ সারি, যা একটি নির্দিষ্ট সত্তার সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে।
- ফিল্ড: টেবিলের প্রতিটি কলাম, যা ডাটার নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।

• অন্যান্য অপশন:
- তথ্য(Information): প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত অর্থবহ ফলাফল।
- ডাটাবেজ(Database): পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডাটার সুশৃঙ্খল ভাণ্ডার।
- রেকর্ড(Record): টেবিলের একটি সম্পূর্ণ সারি যা নির্দিষ্ট সত্তার তথ্য বহন করে।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬১৬.
'1010' বাইনারি সংখ্যাকে ডেসিমেল সংখ্যায় পরিবর্তন করুন।
  1. ক) 10
  2. খ) 11
  3. গ) 20
  4. ঘ) 21
সঠিক উত্তর:
ক) 10
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 10
ব্যাখ্যা
1010 = (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) +( 0 × 20)
= 8 + 0 + 2 + 0
= 10

∴ (1010)2 = (10)10
১২,৬১৭.
ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশের মধ্যে কোন চিহ্ন দ্বারা বিভাজন করা হয়?
  1. #
  2. $
  3. @
  4. &
সঠিক উত্তর:
@
উত্তর
সঠিক উত্তর:
@
ব্যাখ্যা
ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশের মধ্যে '@' চিহ্ন দ্বারা বিভাজন করা হয়।

• E-mail:
- E-mail বা Electronic Mail হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এটি ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।

• একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে:
- যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং
- শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত।
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে।
যেমন: mitu123@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার mitu123@ অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং
এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১২,৬১৮.
নিচের কোনটি বাইপােলার মেমােরি?
  1. গতিশীল র‍্যাম
  2. ইপ্রম (EPROM)
  3. ইএপ্রম (EAPROM)
  4. PROM
সঠিক উত্তর:
PROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PROM
ব্যাখ্যা

বাইপােলার মেমােরি: সেমিকন্ডাক্টর পদার্থের তৈরি ট্রানজিস্টর হলাে বাইপােলার ডিভাইস। ট্রানজিস্টর বা ট্রাইজিস্টর লজিক বা টিটিএল ব্যবহার করে এ ধরনের মেমােরি তৈরি করা হয় । নিশ্চল র‍্যাম, ROM এবং PROM বাইপােলার মেমােরি ।
ইউনিপােলার মেমােরি: ইউনিপােলার মেমােরিকে মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর বা MOSFET দিয়ে তৈরি করা হয়। গতিশীল র‍্যাম, ইপ্রম (EPROM), ইএপ্রম (EAPROM) হলাে ইউনিপােলার র্যামের উদাহরণ।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১২,৬১৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি?
i. রেজিস্টার
ii. ক্যাশ মেমোরি
iii. মাইক্রোপ্রসেসর
  1. i ও iii
  2. i ও ii
  3. ii ও iii
  4. i, ii ও iii
সঠিক উত্তর:
i ও ii
উত্তর
সঠিক উত্তর:
i ও ii
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনাল মেমোরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমোরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমোরিকে বোঝানো হয়।

১.রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমোরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত। 

২. ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরিব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬২০.
GUI ডিজাইনে “widget” বলতে কী বোঝায়?
  1. একটি ওয়েব সার্ভার
  2. প্রোগ্রামিং ভাষা
  3. একটি ডেটাবেসের ধরন
  4. গ্রাফিকাল কন্ট্রোল এলিমেন্ট
সঠিক উত্তর:
গ্রাফিকাল কন্ট্রোল এলিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফিকাল কন্ট্রোল এলিমেন্ট
ব্যাখ্যা

• GUI (Graphical User Interface) ডিজাইনে “widget” বলতে বোঝায় একটি গ্রাফিকাল কন্ট্রোল এলিমেন্ট যা ব্যবহারকারীর সঙ্গে ইন্টারঅ্যাকশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এগুলো সফটওয়্যারের ভিজ্যুয়াল অংশের উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীকে তথ্য প্রদর্শন, ইনপুট নেওয়া, বা কিছু কার্য সম্পাদনের সুযোগ দেয়। উদাহরণ হিসেবে বাটন, টেক্সট ফিল্ড, চেকবক্স, রেডিও বাটন, স্লাইডার ইত্যাদি widget-এর মধ্যে পড়ে। প্রতিটি widget নিজস্ব কার্যকারিতা এবং ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা নিয়ে আসে, যা GUI-কে ব্যবহারবান্ধব ও ইন্টারঅ্যাকটিভ করে তোলে। তাই, GUI ডিজাইনে widget মূলত গ্রাফিকাল কন্ট্রোল এলিমেন্ট। সঠিক উত্তর: ঘ।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬২১.
ডাটাবেজ সিস্টেমে কোনটি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) প্রাইমারি কী
  2. খ) ফরেন কী
  3. গ) কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ টেবিলের কলামকে বলা হয় ফিল্ড। যে সকল ফিল্ড অদ্বিতীয় তাদের কী ফিল্ড বলা হয়। সাধারণত কী ফিল্ডের সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়৷ কী ফিল্ড তিন প্রকারঃ প্রাইমারি কী, কম্পোজিট প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী।
(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
১২,৬২২.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. ওয়েবক্যাম
  2. প্রিন্টার
  3. স্পিকার
  4. মনিটর
সঠিক উত্তর:
ওয়েবক্যাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েবক্যাম
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড,
- মাউস,
- অপটিকাল রিডার,
- জয়স্টিক,
- মাইক্রোফোন,
- স্ক্যানার,
- গ্রাফিক্স প্যাড,
- লাইট পেন,
- ওয়েবক্যাম,
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

তথ্যসূত্র - উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
১২,৬২৩.
হারমনি অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) আইবিএম
  3. গ) হুয়াওয়ে
  4. ঘ) অ্যাপল
সঠিক উত্তর:
গ) হুয়াওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হুয়াওয়ে
ব্যাখ্যা
চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে উদ্ভাবিত নতুন অপারেটিং সিস্টেম হলো হারমনি। এটি ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট প্রথম অবমুক্ত করা হয়। এটি মাইক্রোকার্নেলের উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়। ইন্টারনেট অব থিংস বা সকল স্মার্ট ডিভাইসে এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার উপযোগী। (সূত্রঃ হুয়াওয়ে)
১২,৬২৪.
Ctrl +B কী বোর্ড কমান্ড দিয়ে কী করা হয়?
  1. ক) Font সাইজ ছোট করা হয়
  2. খ) Font সাইজ বড় করা হয়
  3. গ) Bold করা হয়
  4. ঘ) Copy করা হয়
সঠিক উত্তর:
গ) Bold করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Bold করা হয়
ব্যাখ্যা
Ctrl +B কী বোর্ড কমান্ড দিয়ে গুগল ডক এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে অক্ষর বোল্ড করা হয়।
১২,৬২৫.
কোন বাস সিপিইউ এবং মেমরির মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে?
  1. ডাটা বাস
  2. এড্রেস বাস
  3. কন্ট্রোল বাস
  4. এক্সপানশন বাস
সঠিক উত্তর:
ডাটা বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটা বাস
ব্যাখ্যা

◉ ডাটা বাস (Data Bus) হল CPU এবং মেমরির মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের প্রধান মাধ্যম। এটি বাইডাইরেকশনাল (Bidirectional), অর্থাৎ এটি CPU থেকে মেমোরিতে এবং মেমোরি থেকে CPU-তে ডাটা পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারে।

কম্পিউটার বাস: 
- বাস মূলত কম্পিউটারের সাংগঠনিক বিভিন্ন অংশ যেমন-ইনপুট অংশ, আউটপুট অংশ, মাইক্রোপ্রসেসর, মেমরি বা রেজিস্টার, মাদারবোর্ডে অবস্থানরত অন্য চিপসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কার্যাবলি সম্পাদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২। এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস। 

সিস্টেম বাস: 
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে। সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১। ডেটা বাস (Data Bus)
২। অ্যাড্রেস বাস (Address Bus)
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus)

ডেটা বাস (Data Bus):
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরের বিভিন্ন উপাদান যেমন মাইক্রোপ্রসেসর, হার্ডডিস্ক, র‍্যাম, ইনপুট/আউটপুট পোর্ট ইত্যাদির মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে যে বাস ব্যবহৃত বাসকে ডেটা বাস বলা হয়।

এড্রেস বাস: শুধু মেমোরি এড্রেস স্থানান্তর করে।
কন্ট্রোল বাস: শুধু কন্ট্রোল সিগনাল স্থানান্তর করে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১২,৬২৬.
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও কোন মেমরির তথ্য মুছে যায় না?
  1. RAM
  2. SRAM
  3. ROM
  4. DRAM
সঠিক উত্তর:
ROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ROM
ব্যাখ্যা
রম (ROM):
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory. 
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমরি (Non-Volatile Memory)। 
অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। 
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলে। 
- সাধারণত রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। 
- রমে ম্যানুফেকচাররার কর্তৃক প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে। 
- সাধারণত রমে সংরক্ষিত তথ্য শুধু পড়া যায়, লেখা যায় না। 

অন্যদিকে,
- RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- DRAM (Dynamic RAM) এবং SRAM (Static RAM) এর তথ্য বিদ্যুৎ চলে গেলে মুছে যায়, তাই এরা ভোলাটাইল মেমোরি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬২৭.
Which transmission mode is generally used in video conferencing?
  1. Broadcast
  2. Multicast 
  3. Unicast
  4. Half-duplex
সঠিক উত্তর:
Multicast 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Multicast 
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) Multicast 

• মাল্টিকাস্ট (Multicast)
- মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হলো মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোডই গ্রহণ করতে পারে না। 
- শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে। 
- যেমন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।

ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে ডেটা পাঠানো হয়। প্রাপকের সংখ্যা ও ডেটা গ্রহণের অধিকারের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। ইউনিকাস্ট (Unicast)
২। ব্রডকাস্ট (Broadcast) এবং
৩। মাল্টিকাস্ট (Multicast) |

• ইউনিকাস্ট (Unicast)
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে। 
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না। 
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট (Unicast) মোডও বলা হয়।

• ব্রডকাস্ট (Broadcast)
- ব্রডকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড (কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোড-ই গ্রহণ করে। 
- যেমন টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোন মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ করতে পারেন। 
- এক্ষেত্রে একটি প্রেরক থেকে নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২,৬২৮.
ক্লাউড ভিত্তিক স্টোরেজ সার্ভিস নয় কোনটি?
  1. ক) গুগল ড্রাইভ
  2. খ) ড্রপবক্স
  3. গ) ওয়ান ড্রাইভ
  4. ঘ) পোস্টবক্স
সঠিক উত্তর:
ঘ) পোস্টবক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পোস্টবক্স
ব্যাখ্যা
ক্লাউড ভিত্তিক স্টোরেজ সার্ভিসগুলো হলঃগুগল ড্রাইভ, ওয়ান ড্রাইভ, ড্রপবক্স ইত্যাদি।
ই-মেইল ক্লায়েন্ট প্রোগ্রামগুলো হলঃ আউটলুক, জিমব্রা, ইনকি, পোস্টবক্স ইত্যাদি।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১২,৬২৯.
'Cyberstalking' এক ধরনের -
  1. ভাইরাস
  2. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  3. সাইবার সিকিউরিটি
  4. সাইবার অপরাধ
সঠিক উত্তর:
সাইবার অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার অপরাধ
ব্যাখ্যা
♦ সাইবার অপরাধ:
• ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
• বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার বুলি,
- স্পুফিং,
- ফিশিং,
- স্নিকিং,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
১২,৬৩০.
নিচের কোনটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স সাইট?
  1. ক) Amazon.com
  2. খ) Cellbazaar 
  3. গ) E-selling 
  4. ঘ) E-business 
সঠিক উত্তর:
ক) Amazon.com
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Amazon.com
ব্যাখ্যা
E-Commerce (ই-কমার্স) জগতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স সাইট  হিসেবে বিশ্বখ্যাত হল অ্যামাজন (Amazon) ডট কম। 

ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা কেনা-বেচা করাকে ই-কমার্স(E-Commerce) বলে। এখানে ‘E’ দ্বারা ‘ Electronic’ শব্দটিকে বুঝানো হয়েছে। 

Amazon.com: 
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় ই-কমার্স সাইট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ইন্টারনেট ভিত্তিক খুচরা বিক্রেতা।
- প্রতিষ্ঠাতা –জেফ বেজোস (Jeff Bezos). 
- ৫ জুলাই,১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন রাজ্যের সিয়াটলে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।


এছাড়াও সারা বিশ্ব জুড়ে জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট হলো – alibaba.com, ebay.com, walmart.com, flipkart.com 

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,৬৩১.
প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র অ্যাবাকাসকে সুয়ানপান বলা হয় কোন দেশে?
  1. রাশিয়া
  2. জাপান
  3. চীন
  4. ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস:
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- গুটি গুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা যেত।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাকাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া ( Sketia)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৩২.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. On-demand self service
  2. Broad network access
  3. Limited customization
  4. Physical ownership of servers
সঠিক উত্তর:
Physical ownership of servers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Physical ownership of servers
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা। 
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। 

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য: 
- On-demand self service, 
- Broad network access, 
- Limited customization, 
- resource pooling, 
- rapid elasticity, 
- measured service. 

- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে 'Physical ownership of servers' বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় না। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,৬৩৩.
কোনটি প্রথম বৃহৎ আকারের ইলেকট্রনিক কম্পিউটার?
  1. ক) Leo
  2. খ) Osborne1
  3. গ) Cray-1
  4. ঘ) Colossus
সঠিক উত্তর:
ঘ) Colossus
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Colossus
ব্যাখ্যা
Colossus হলো প্রথম বৃহৎ আকারের ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
 
Colossus was the first large-scale electronic computer, which went into operation in 1944 at Britain’s wartime code-breaking headquarters at Bletchley Park.
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
১২,৬৩৪.
কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে কোনটিকে?
  1. C
  2. Python
  3. BASIC
  4. ALGOL
সঠিক উত্তর:
C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C
ব্যাখ্যা
'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা:
- সি একটি বহুল ব্যবহৃত উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- এটি অন্যান্য উচ্চ স্তর ল্যাংগুয়েজগুলোর মধ্যে অনেক সমৃদ্ধ ও জনপ্রিয় ভাষা।
- আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরির ডেনিস রিচি ১৯৭০ সালে এ ভাষার উদ্ভাবন করেন।
- ভাষাটির নাম 'C' রাখা হয়েছে কারণ, B নামের অপর একটি ভাষা আগেই তৈরি হয়েছে।
- C যাতে তার গুণাগুণ না হারায় সেজন্য ১৯৮৩ সালে কম্পাইলার এবং সফ্টওয়্যার প্রস্তুতকারকদের একটি গ্রুপ আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI)-কে C এর জন্য একটি নীতি নির্ধারণের আবেদন জানান।
- ১৯৮৯ সালের শেষের দিকে নির্ধারিত কমিটি C এর জন্য ANSI নীতি নির্ধারণ করে।
- সিস্টেম প্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে এ ভাষা অধিক হারে ব্যবহৃত হয়।
- উপাত্ত সঞ্চালনের বর্ণনার জন্য এ ভাষার সুবিধা অনেক বেশি বলে ভাষাটি অন্যান্য ভাষার চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয়।
- C ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে।
- এ ভাষারও অনেক সংস্করণ রয়েছে। যেমন- C, ANSI C, Visual C, Turbo C প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৩৫.
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. PostgreSQL
  2. Oracle
  3. MongoDB
  4. MySQL
সঠিক উত্তর:
MongoDB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MongoDB
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS) হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাকে টেবিল আকারে সংরক্ষণ ও পরিচালনা করে এবং টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে। এর মাধ্যমে সহজেই ডেটা ম্যানিপুলেশন, অনুসন্ধান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। PostgreSQL, Oracle, এবং MySQL হলো RDBMS-এর জনপ্রিয় উদাহরণ, কারণ এগুলো ডেটাকে রিলেশনাল টেবিল ফরম্যাটে সংরক্ষণ করে।
- অন্যদিকে, MongoDB একটি NoSQL ডেটাবেজ, যা ডকুমেন্ট-ভিত্তিক ডেটা স্টোর করে এবং টেবিলের পরিবর্তে JSON-এর মত ফরম্যাট ব্যবহার করে।
- তাই MongoDB রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উদাহরণ নয়।


• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- এডগার এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৩৬.
রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে কী বলে?
  1. প্রাইমারি কী
  2. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  3. ফরেন কী
  4. ইউনিক কী
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরেন কী
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে। 

• কী ফিল্ড:

- সাধারণত কোন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় । এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা-

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে ।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- অনেক ক্ষেত্রে দু'টি ফিল্ডের সমন্বয়ে প্রাইমারি কী গঠন করা হয়ে থাকে যার সাহায্যে ঐ টেবিলের যে কোন রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) সনাক্ত করা যায়। এ ধরনের প্রাইমারি কী কম্পোজিট প্রাইমারি কী নামে পরিচিত।

৩. ফরেন কী:
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৩৭.
কোন কম্পিউটার ডিভাইসটি সাধারণত ফুল ডুপ্লেক্স মোডের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. NIC
  2. Printer
  3. Monitor
  4. Mouse
সঠিক উত্তর:
NIC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NIC
ব্যাখ্যা

• ফুল ডুপ্লেক্স মোডে তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ একই সময়ে সম্ভব হয়, যা উচ্চ গতির নেটওয়ার্ক যোগাযোগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের সংযোগের জন্য সাধারণত NIC (Network Interface Card) ব্যবহার করা হয়। NIC কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক কার্ড, যা ডিভাইসটিকে LAN বা ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত করে এবং দুই দিকেই ডেটা আদান-প্রদানের সুবিধা দেয়। অন্যদিকে, Printer, Monitor বা Mouse সাধারণত এক দিকের তথ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এগুলো ফুল ডুপ্লেক্স সমর্থন করে না। তাই, দ্রুত ও সঠিক নেটওয়ার্ক যোগাযোগের জন্য NIC হল সবচেয়ে উপযুক্ত ডিভাইস, যা ফুল ডুপ্লেক্স মোডে কাজ করতে সক্ষম।

উত্তর: ক) NIC.

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা ট্রান্সমিশন মোডের উপর ভিত্তি করে মোবাইল কমিউনিকেশন সিস্টেমকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১. সিমপ্লেক্স মোড:
- ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে ডাটার একদিকে প্রবাহকে সিমপ্লেক্স মোড বলে।
- সিমপ্লেক্সের উদাহরণ- রেডিও-টিভি, PABX, কীবোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. ফুল-ডুপ্লেক্স মােড:
- ফুল-ডুপ্লেক্স মােডে একই সময়ে উভয় প্রান্তের দুটি ডিভাইস একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে পারে।
- ফুল-ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- মোবাইল ফোন, টেলিফোন, ম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইত্যাদি।

৩. হাফ-ডুপ্লেক্স মোড:
- যখন এক প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় , আবার যখন অপর প্রান্ত থেকে ডেটা প্রেরণ করা হয় তখন প্রথম প্রান্ত থেকে ডেটা - শুধুমাত্র গ্রহণ করা যায় তাকে হাফ ডুপ্লেক্স মোড বলে।
- হাফ ডুপ্লেক্সের উদাহরণ- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Microsoft [link]

১২,৬৩৮.
এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) বলতে কী বোঝায়?
  1. শুধু ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)
  2. শুধু অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR)
  3. VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
  4. শুধু 3D ভিডিও গেম
সঠিক উত্তর:
VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)
ব্যাখ্যা

• এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) হলো এমন একটি প্রযুক্তি ক্ষেত্র যা বাস্তব এবং ভার্চুয়াল জগতের অভিজ্ঞতাকে একত্রিত করে। এটি কেবল ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) বা অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR) নয়, বরং উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR) এর মতো আরও উন্নত ফর্মগুলিও এতে আসে। VR ব্যবহারকারীকে সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল পরিবেশে নিয়ে যায়, AR বাস্তব জগতের সঙ্গে ভার্চুয়াল উপাদান overlay করে, আর MR বাস্তব এবং ভার্চুয়াল উপাদানকে মিলিয়ে ইন্টারেক্টিভ অভিজ্ঞতা তৈরি করে।
- তাই XR হলো VR, AR এবং MR এর সমন্বয়, যা প্রযুক্তি ও ইন্টারঅ্যাকশনের নতুন মাত্রা উন্মোচন করে। সঠিক উত্তর: গ) VR, AR এবং মিক্সড রিয়েলিটি (MR)।


• এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR):
- এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (XR) হলো একটি প্রযুক্তি যা বাস্তব ও ভার্চুয়াল পরিবেশের মধ্যে ইন্টারঅ্যাকশনকে একত্রিত করে।
- এটি শুধু একটি প্রযুক্তি নয়, বরং VR, AR এবং MR-কে একসাথে অন্তর্ভুক্ত করে।
- XR ব্যবহারকারীদের বাস্তব ও ভার্চুয়াল উপাদানের সাথে মিলিয়ে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়।
- এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়, যেমন- শিক্ষা, গেমিং, চিকিৎসা এবং শিল্পক্ষেত্রে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- VR হলো একটি কম্পিউটার-জেনারেটেড পরিবেশ যেখানে ব্যবহারকারী সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করে।
- ব্যবহারকারী সাধারণত হেডসেট বা VR গিয়ার ব্যবহার করে ভার্চুয়াল পরিবেশের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করে।

• অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR):
- AR হলো প্রযুক্তি যা বাস্তব জগতে ভার্চুয়াল উপাদানগুলো সংযুক্ত করে।
- এটি বাস্তব ও ভার্চুয়াল উপাদানকে একসাথে প্রদর্শন করে, যেমন- মোবাইল স্ক্রিন বা AR চশমার মাধ্যমে।

• মিক্সড রিয়েলিটি (MR):
- MR হলো এমন প্রযুক্তি যা ভার্চুয়াল এবং বাস্তব উপাদানকে একত্রিত করে এবং ব্যবহারকারীকে উভয়ের সাথে ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ দেয়।
- এটি VR এবং AR এর মিশ্রণ হিসেবে বিবেচিত।

সূত্র: University of California, Los Angeles - Advanced Research Computing [link]

১২,৬৩৯.
বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজে পেতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  2. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  3. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
  4. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজ সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
•অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৪০.
নিচের কোনটি কার্নেলের কাজ নয়?
  1. ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট
  2. ওয়েব ব্রাউজিং
  3. সিপিইউ শিডিউলিং
  4. মেমোরি ম্যানেজমেন্ট
সঠিক উত্তর:
ওয়েব ব্রাউজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েব ব্রাউজিং
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজিং করা কার্নেলের কাজ নয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামসমষ্টি ব্যবহৃত হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• কার্নেল:
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কার্নেল বলে।
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৪১.
কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. SUN SOLARIS
  2. Symbian
  3. iOS
  4. Blackberry OS
সঠিক উত্তর:
SUN SOLARIS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SUN SOLARIS
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে SUN SOLARIS একটি পরিচিত অপারেটিং সিস্টেম। এটি ইউনিক্স-ভিত্তিক একটি সিস্টেম যা মূলত সার্ভার এবং কর্মক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

• কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- উদাহরণসমূহ:
- Microsoft Windows,
- Linux,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- MacOS
- Ubuntu ইত্যাদি।

• মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
- মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি OS যা শুধুমাত্র একটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়, যেমন একটি স্মার্টফোন, ব্যক্তিগত ডিজিটাল সহকারী (PDA), ট্যাবলেট বা অন্যান্য এম্বেডেড মোবাইল OS।
- উদাহরণসমূহ:
- iOS,
- Symbian,
- Windows Phone OS,
- Android,
- Blackberry OS ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১২,৬৪২.
নিচের কোনটি 2.4-5GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে?
  1. ক) Bluetooth
  2. খ) Wifi
  3. গ) WiMax
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) Wifi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Wifi
ব্যাখ্যা
Bluetooth 2.45GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
Wifi 2.4-5GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।
WiMax 2-66GHz ফ্রিকোয়েন্সিতে কাজ করে।

 
১২,৬৪৩.
স্মার্টওয়াচ সাধারণত কোন ডিভাইসের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে?
  1. প্রজেক্টর
  2. রাউটার
  3. স্মার্টফোন
  4. স্ক্যানার
সঠিক উত্তর:
স্মার্টফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্মার্টফোন
ব্যাখ্যা
স্মার্টওয়াচ সাধারণত স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।

স্মার্ট ওয়াচ:
- স্মার্ট ওয়াচ হলো সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস।
- সময় বলার পাশাপাশি স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন। প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে এবং যা পরিধানকারীর স্মার্টফোনের ক্ষমতা তাঁর ঘড়িতে প্রসারিত করতে সক্ষম।
- ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতেও পারে। তাছাড়াও, ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন।
- ১৯৭৫ সালে Calcron নামে প্রথম ক্যালকুলেটর ঘড়ি তৈরি হয়।
- ১৯৮০-এর দশকে, Seiko কোম্পানি কম্পিউটিং সুবিধাসম্পন্ন ঘড়ি বাজারে আনে।
- ২০১৪ সালে, Google স্মার্টওয়াচের জন্য Android Wear অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে।

• স্মার্টওয়াচের কাজ (Functions of Smartwatch):
- কল, এসএমএস, ইমেইল ও অ্যাপ নোটিফিকেশন দেখায়।
- কিছু স্মার্টওয়াচ থেকে সরাসরি ফোন কল করা যায়।
- স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে পেডোমিটার ও হার্ট রেট মনিটর থাকে।
- টাচস্ক্রিন বা বোতামের মাধ্যমে চালানো যায়।
- স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযোগ করে বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শন করে।
- রঙিন বা সাদা-কালো ই-পেপার ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়।

সোর্স: ব্রিটানিকা।
১২,৬৪৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটার কী-বোর্ডের মডিফায়ার কী হিসাবে কাজ করে?
  1. Delete
  2. Shift
  3. insert
  4. F9
সঠিক উত্তর:
Shift
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shift
ব্যাখ্যা
মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী।

নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। নেভিগেশন কী এর মধ্যে রয়েছে- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি। 

নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে। ১৭ টি নিউমেরিক কী রয়েছে।

আলফানিউমেরিক কী:
- (A - Z) এবং (0 -9) এগুলো টাইপ রাইটারের মতো সাজানো থাকে। এগুলোকে আলফানিউমেরিক কী বলে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা
১২,৬৪৫.
Which of the following is a high-level programming language commonly used for general-purpose programming and data science?
  1. Python
  2. Assembly Language
  3. Machine Code
  4. Binary Code 
সঠিক উত্তর:
Python
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Python
ব্যাখ্যা

Python হলো একটি হাই-লেভেল এবং ইন্টারপ্রেটেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এর সিনট্যাক্স বা কোড লেখার নিয়ম ইংরেজি ভাষার মতো সহজ হওয়ায় এটি মানুষের জন্য বুঝতে এবং শিখতে খুব সহজ। বহুমুখী ব্যবহার এবং এর লাইব্রেরিগুলোর (যেমন: NumPy, Pandas) কারণে এটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং বিশেষ করে ডেটা সায়েন্স ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্ষেত্রে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভাষা।

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
২। অ্যামাজন ওয়েবসাইট। [link]

১২,৬৪৬.
EC2 কোন কোম্পানির ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস?
  1. Amazon
  2. Google
  3. Microsoft
  4. Apple
সঠিক উত্তর:
Amazon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Amazon
ব্যাখ্যা
• EC2:
- অ্যামাজন এর ক্লাউড কম্পিউটিং সার্ভিস হলো Amazon Elastic Compute Cloud (EC2).
- EC2 এর প্রতিটি সার্ভারে ১ থেকে ৮ টি ভার্চুয়াল মেশিনে চলে, ক্রেতারা এগুলােই ভাড়া নিয়ে থাকেন।
- ব্যবহারকারীরা ভার্চুয়াল মেশিনে নিজেদের ইচ্ছেমতাে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করে নিজের নিয়ন্ত্রণে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,৬৪৭.
Linkedin অফিশিয়ালি চালু হয় কত সালে?
  1. ২০০১ সাল
  2. ২০০২ সাল
  3. ২০০৩ সাল
  4. ২০০৪ সাল
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৩ সাল
ব্যাখ্যা
• LinkedIn:
- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ৷
- ২০০২ সালে রেইড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- ২০০৩ সালে LinkedIn অফিসিয়ালি চালু হয়।
- বর্তমান CEO  Ryan Roslansky.
- সদর দপ্তর  Sunnyvale, California, United States.
- ২০০৬ সালে এটির সদস্যসংখ্যা ২০ মিলিয়নের অধিক ছিল এবং বর্তমানে ২০০টিরও বেশি দেশে ১ বিলিয়নেরও বেশি মানুষ LinkedIn ব্যবহার করে।

উৎস: লিংকডইনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১২,৬৪৮.
78055 সংখ্যাটি কোন নম্বর সিস্টেমের অন্তর্গত?
  1. ক) বাইনারি, অক্টাল
  2. খ) ডেসিমেল, অক্টাল
  3. গ) হেক্সাডেসিমেল, ডেসিমেল
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমেল, অক্টাল
সঠিক উত্তর:
গ) হেক্সাডেসিমেল, ডেসিমেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হেক্সাডেসিমেল, ডেসিমেল
ব্যাখ্যা
সংখ্যাটি 78055
সংখ্যাটির একটি ডিজিট 8 যা বাইনারি ও অক্টাল সংখ্যাপদ্ধতির ভিত্তির মধ্যে পরে না।

তাই সংখ্যাটি বাইনারি ও অক্টালের হতে পারে না।
১২,৬৪৯.
Last In First Out (LIFO) নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) Array
  2. খ) Stack
  3. গ) Queue
  4. ঘ) Testa
সঠিক উত্তর:
খ) Stack
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Stack
ব্যাখ্যা
Stack- কে বলা হয় LIFO ডেটা স্ট্রাকচার। Stack এ দুই ধরনের Operation হয়; যথা- Push এবং Pop .

Queue এর বাংলা লাইনে দাঁড়ানো। Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে। একে বলা হয় First In First Out (FIFO)।

অ্যারে  (Array) - একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে অ্যারে বলা হয়।

উৎস: geeksforgeeks.org [Link]
১২,৬৫০.
নিচের কোন সংখ্যাটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত?
  1. 76
  2. 85
  3. 58
  4. 9A
সঠিক উত্তর:
76
উত্তর
সঠিক উত্তর:
76
ব্যাখ্যা

◉ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি একটি 8-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। 76 হল একটি বৈধ অক্টাল সংখ্যা, কারণ এর উভয় অঙ্ক (7 এবং 6) 0-7 এর মধ্যে পড়ে।

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যাগত পদ্ধতি যেখানে মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের বিভিন্ন লো-লেভেল অপারেশনে অক্টাল সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বাইনারি ও হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
(২০৪), (৫১৫) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১২,৬৫১.
নিচের কোনটিতে পাঠ (Read) করার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না?
  1. রম
  2. চৌম্বক টেপ
  3. ডিস্ক
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধ্বংসাত্মক মেমমারি: যে মেমােরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিক তথ্য মুছে যায় তাকে ধ্বংসাত্মক মেমােরি বলা হয়।
যেমন- চৌম্বক কোর ।
অধ্বাংসাত্মক মেমােরি: যে মেমােরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না তাকে অধ্বংসাত্মক মেমােরি বলা হয়।
যেমন- রম, চৌম্বক টেপ, ডিস্ক ইত্যাদি।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১২,৬৫২.
ই-কমার্সে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. অগমেন্টেড রিয়েলিটি
  2. আইপি এড্রেস
  3. বারকোড স্ক্যানার
  4. পাবলিক কী ইনফ্রাস্ট্রাকচার
সঠিক উত্তর:
পাবলিক কী ইনফ্রাস্ট্রাকচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক কী ইনফ্রাস্ট্রাকচার
ব্যাখ্যা
ই-কমার্সে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাবলিক কী ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

- E-Commerce এ নিরাপত্তার জন্য public key infrastructure (PKI) ব্যবহৃত হয়, যা ইলেকট্রনিক সার্টিফিকেট, এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন কী এবং সুরক্ষিত যোগাযোগের প্রোটোকল সরবরাহ করে।

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

• ই-কমার্স এর ধরণ:
পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। -
১। Business to Consumer (B2C),
২। Business to Business (B2B),
৩। Consumer to Business (C2B),
8। Consumer to Consumer (C2C),

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। ব্রিটানিকা।
১২,৬৫৩.
বিটকয়েন আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) অ্যাডওয়্যার্ড স্নোডেন
  2. খ) সাতোশি নাকামোতো
  3. গ) রিচার্ড নক
  4. ঘ) বিল গেটস
সঠিক উত্তর:
খ) সাতোশি নাকামোতো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাতোশি নাকামোতো
ব্যাখ্যা
- বিটকয়েন একধরনের ক্রিপ্টো-কারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রা। ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এই মুদ্রার লেনদেন হয়ে থাকে।
- ২০০৮ সালের শেষের দিকে জাপানের একজন নাগরিক সাতোশি নাকামোতো নামের কেউ বা একদল সফটওয়্যার বিজ্ঞানী এই ‘ক্রিপ্টোকারেন্সির’ উদ্ভাবন করেন। যদিও এই ব্যক্তির আসল নাম বা পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

উৎস: বিবিসি ওয়েবসাইট 
১২,৬৫৪.
MIPS-এর "lw" কমান্ডের কাজ কী?
  1. দুটি রেজিস্টারের মান যোগ করা
  2. মেমোরি থেকে একটি বাইট রেজিস্টারে নেওয়া
  3. মেমোরি থেকে একটি ওয়ার্ড রেজিস্টারে নেওয়া
  4. রেজিস্টার থেকে একটি ওয়ার্ড মেমোরিতে রাখা
সঠিক উত্তর:
মেমোরি থেকে একটি ওয়ার্ড রেজিস্টারে নেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেমোরি থেকে একটি ওয়ার্ড রেজিস্টারে নেওয়া
ব্যাখ্যা

• MIPS (Microprocessor without Interlocked Pipeline Stages) আর্কিটেকচারে “lw” (load word) কমান্ড মূলত মেমোরি থেকে একটি পূর্ণ ওয়ার্ড (৪ বাইট) রেজিস্টারে লোড করার কাজ করে। এটি সাধারণত একটি বেস রেজিস্টার এবং একটি অফসেট ব্যবহার করে মেমোরির ঠিকানা নির্ধারণ করে। কমান্ডটি নির্দিষ্ট ঠিকানার মেমোরি কন্টেন্টকে রেজিস্টারে স্থানান্তরিত করে, ফলে প্রোগ্রাম রেজিস্টারের মাধ্যমে ডেটা ব্যবহার করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি lw $t0, 0($t1) লেখা থাকে, তাহলে $t1-এ থাকা ঠিকানার মেমোরি মান $t0 রেজিস্টারে লোড হবে। সুতরাং, এখানে সঠিক উত্তর হলো: গ) মেমোরি থেকে একটি ওয়ার্ড রেজিস্টারে নেওয়া।

MIPS: 
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা প্রতি সেকেন্ডে সম্পাদিত মিলিয়ন সংখ্যক নির্দেশনার সংখ্যা বোঝায়।
- এটি সাধারণত CPU পারফরম্যান্স নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computing) প্রসেসরগুলোর ক্ষেত্রে।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

১২,৬৫৫.
মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা - কোনটির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) ই-সার্ভিস
  2. খ) ই-লার্নিং
  3. গ) ই-গভর্ন্যান্স
  4. ঘ) ই-কমার্স
সঠিক উত্তর:
গ) ই-গভর্ন্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ই-গভর্ন্যান্স
ব্যাখ্যা

শাসন ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল পদ্ধতির প্রয়োগই হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স।
ই-গভর্ন্যান্সের ফলে নাগরিকের হয়রানি ও বিড়ম্বনার অবসান ঘটে।
ই-গভর্ন্যান্সের একটি উদাহরণ হলো মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা। এর ফলে ফলাফল জানার যে বিলম্ব এবং বিড়ম্বনা, তার অবসান ঘটে।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

১২,৬৫৬.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. Light-pen
  2. Digitizer
  3. Film Recorder
  4. OCR
সঠিক উত্তর:
Film Recorder
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Film Recorder
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Film Recorder

• ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।


উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) 
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬৫৭.
_____ are credited with inventing the Internet communication protocols we use today and the system referred to as the Internet.
  1. ক) Vinton Cerf and Bob Kahn
  2. খ) Claude Shannon and Paul Baran
  3. গ) Paul Mockapetris and John Postel
  4. ঘ) Sir Tim Berners-Lee and Barry Shein
সঠিক উত্তর:
ক) Vinton Cerf and Bob Kahn
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Vinton Cerf and Bob Kahn
ব্যাখ্যা
Vinton Cerf  and Bob Kahn are credited with inventing the Internet communication protocols we use today and the system referred to as the Internet.
 
Source: Britannica
১২,৬৫৮.
DHCP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Dynamic Host Communication Protocol
  2. Dynamic Host Computer Protocol
  3. Dynamic Host Configuration Protocol
  4. Dynamic Hosting Cable Protocol
সঠিক উত্তর:
Dynamic Host Configuration Protocol
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dynamic Host Configuration Protocol
ব্যাখ্যা
- DHCP এর পূর্ণরূপ Dynamic Host Configuration Protocol.
- ডায়নামিক হোস্ট কনফিগারেশন প্রোটোকল (DHCP) হল একটি ক্লায়েন্ট/সার্ভার প্রোটোকল যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) হোস্টকে তার IP ঠিকানা এবং অন্যান্য সম্পর্কিত কনফিগারেশন তথ্য যেমন সাবনেট মাস্ক এবং ডিফল্ট গেটওয়ে প্রদান করে।
- DHCP কনফিগার করা হয় যেখানে ম্যানুয়ালি আইপি এসাইন করা কঠিন অর্থাৎ যেখানে নেটওয়ার্ক টি অনেক বড়।
- একটি TCP/IP-ভিত্তিক নেটওয়ার্কের প্রতিটি ডিভাইসের নেটওয়ার্ক এবং এর সংস্থানগুলি অ্যাক্সেস করার জন্য একটি ইউনিক ইউনিকাস্ট IP ঠিকানা থাকতে হবে।
- DHCP ব্যতীত, নতুন কম্পিউটার বা কম্পিউটারের আইপি ঠিকানা যা এক সাবনেট থেকে অন্য সাবনেটে স্থানান্তরিত হয় সেগুলি ম্যানুয়ালি কনফিগার করা আবশ্যক, নেটওয়ার্ক থেকে সরানো কম্পিউটারগুলির জন্য IP অ্যাড্রেসগুলি ম্যানুয়ালি পুনরুদ্ধার করা আবশ্যক৷

উৎস: [Microsoft]
১২,৬৫৯.
ডিজাইনার এবং আর্টিস্টরা ডিজিটাল ড্রয়িং করার জন্য প্রধানত কোন ইনপুট ডিভাইস ব্যবহার করে থাকেন?
  1. Keyboard
  2. Trackball
  3. Graphics tablet
  4. Scanner
সঠিক উত্তর:
Graphics tablet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Graphics tablet
ব্যাখ্যা

• ডিজাইনার এবং আর্টিস্টরা ডিজিটাল ড্রয়িং বা ইলেকট্রনিক আর্ট তৈরি করার জন্য প্রধানত গ্রাফিক্স ট্যাবলেট (Graphics tablet) ব্যবহার করে থাকেন। এটি একটি স্পেশালাইজড ইনপুট ডিভাইস, যা হাতে ধরে রাখার পেন বা স্টাইলাসের মাধ্যমে কম্পিউটারের স্ক্রিনে সরাসরি আঁকার অনুভূতি দেয়। এর মাধ্যমে আকার, রেখার ঘনত্ব, চাপের মাত্রা এবং রঙের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়, যা মাউস বা কীবোর্ডের মাধ্যমে করা কঠিন। অন্যান্য ডিভাইস যেমন কীবোর্ড, ট্র্যাকবল বা স্ক্যানার সরাসরি আঁকার জন্য নয়, বরং কমান্ড দেওয়া বা প্রাপ্ত কাজ ডিজিটাল আকারে ইনপুট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ডিজিটাল আর্টে গ্রাফিক্স ট্যাবলেট সবচেয়ে কার্যকর।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
- এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।

উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard)
- ওএমআর (OMR)
- মাউস (Mouse)
- ওসিআর (OCR)
- ট্যাকবল (Trackball)
- স্ক্যানার (Scanner)
- জয়স্টিক (Joystick)
- ডিজিটাইজার (Digitizer)
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)
- লাইটপেন (Lightpen)
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader)
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad)
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale)
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।

আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor)
- প্রিন্টার (Printer)
- প্লটার (Ploter)
- স্পিকার (Speaker)
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector)
- ইমেজ সেটার (Image Setter)
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder)
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।

যেমন:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি বা ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬৬০.
নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি যন্ত্রের সংযোগস্থলকে কী বলা হয়? 
  1. Dot
  2. Mode
  3. Node
  4. Connector
সঠিক উত্তর:
Node
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Node
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক টপোলজি: 
- একটি নেটওয়ার্কের ফিজিক্যাল ডিভাইস (যেমন- ক্যাবল, পিসি, রাউটার ইত্যাদি) যেভাবে নেটওয়ার্কে পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে টপোলজি বলা হয়। 
- নেটওয়ার্কে সংযুক্ত প্রতিটি যন্ত্রের সংযোগস্থলকে নোড (Node) বলা হয়। 
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কে মূলত ছয় ধরণের টপোলজি থাকে। 
যথা: 
১) বাস নেটওয়ার্ক টপোলজি (Bus Network Topology), 
২) রিং নেটওয়ার্ক টপোলজি (Ring Network Topology), 
৩) স্টার নেটওয়ার্ক টপোলজি (Star Network Topology), 
৪) ট্রি নেটওয়ার্ক টপোলজি (Tree Network Topology), 
৫) মেশ নেটওয়ার্ক টপোলজি (Mesh Network Topology) এবং 
৬) হাইব্রিড নেটওয়ার্ক টপোলজি (Hybrid Network Topology)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ  শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১২,৬৬১.
কম্পিউটিং-এ ক্লিপবোর্ডের প্রধান কাজ কী?
  1. ফাইল স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা
  3. সিস্টেম সেটিংস প্রদর্শন করা
  4. ইন্টারনেটে সংযোগ করা
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটিং-এ ক্লিপবোর্ড মূলত অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন আমরা কোনো টেক্সট, ছবি বা ফাইল কপি করি, তখন তা সরাসরি হার্ড ড্রাইভে নয়, ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত হয়। এরপর ব্যবহারকারী চাইলে সেই তথ্য পেস্ট করতে পারে অন্য কোনো স্থানে। ক্লিপবোর্ড কম্পিউটারের মেমরির অংশ হিসেবে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীর কাজকে দ্রুত ও সহজ করে। এটি তথ্য স্থানান্তরের একটি মধ্যবর্তী ধাপ, যা ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে না। তাই ক্লিপবোর্ডের প্রধান কাজ হলো অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা, যাতে ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যবহার করতে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা।
 
• Clipboard:
- প্রোগাম থেকে কপি করা ডাটা Clipboard এ থাকে।
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা কম্পিউটার চালু করার সময় হার্ডডিস্ক থেকে অস্থায়ী মেমোরি র‌্যামে জমা হয় এবং কম্পিউটার বন্ধ করলে তা মুছে যায়। 
- অন্যদিকে ক্লিপবোর্ড হলো কোনো নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের একটি সুবিধা যাতে ডেটা সংরক্ষিত থাকে শুধু ঐ সফটওয়্যারে তৎক্ষণাৎ ব্যবহার করার জন্য।
- ক্লিপবোর্ড RAM এর একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোন স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি। যথা- cut, copy, paste।
- সাধারণত প্রোগ্রাম RAM এ লোড হয় কিন্তু প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা ক্লিপবোর্ডে জমা থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

১২,৬৬২.
PNG কোন ধরণের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. ক) flash
  2. খ) audio
  3. গ) video
  4. ঘ) image
সঠিক উত্তর:
ঘ) image
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) image
ব্যাখ্যা
PNG হচ্ছে Image এর ফাইল এক্সটেনশন। 

- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে এক প্রকার ফাইলের ফরমেট নির্দেশকারী একটি সূচক যা ফাইলের নামের শেষে যুক্ত থাকে। 
- কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রামে বিভিন্ন ধরণের ফাইল এক্সটেনশন থাকে। 
যেমন- doc, xls, mkv, txt ইত্যাদি।  

সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
১২,৬৬৩.
যে ভাষায় শুধুমাত্র ০ এবং ১ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. অ্যাসেম্বলি ভাষা
  2. মেশিন ভাষা
  3. মধ্যম স্তরের ভাষা
  4. উচ্চস্তরের ভাষা
সঠিক উত্তর:
মেশিন ভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেশিন ভাষা
ব্যাখ্যা

• যে প্রোগ্রামিং ভাষায় শুধুমাত্র ০ এবং ১ ব্যবহার করে নির্দেশ লেখা হয় তাকে মেশিন ভাষা বলা হয়।

• মেশিন ভাষা (Machine Language):
- মেশিন ভাষা হলো কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা, যা কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে ও কার্যকর করতে পারে।
- এই ভাষায় নির্দেশগুলো বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়।
- বাইনারি সংখ্যা বলতে ০ এবং ১ এর সমন্বয়কে বোঝায়।
- মেশিন ভাষা ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা তুলনামূলকভাবে কঠিন, কারণ এতে শুধুমাত্র সংখ্যার মাধ্যমে নির্দেশ প্রকাশ করতে হয়।
- কম্পিউটারের প্রসেসর মেশিন ভাষার নির্দেশ সরাসরি কার্যকর করতে পারে।

• প্রোগ্রামিং ভাষার স্তর:
- প্রোগ্রামিং ভাষাকে সাধারণত নিম্নস্তরের ভাষা ও উচ্চস্তরের ভাষায় ভাগ করা হয়।
- মেশিন ভাষা এবং অ্যাসেম্বলি ভাষা নিম্নস্তরের ভাষার অন্তর্ভুক্ত।
- উচ্চস্তরের ভাষা মানুষের জন্য তুলনামূলকভাবে সহজবোধ্য।

• মেশিন ভাষার বৈশিষ্ট্য:
- এতে ০ এবং ১ ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে।
- দ্রুত কার্যকর হয়।
- মানুষের জন্য বোঝা কঠিন।

• অন্যান্য অপশন:
- অ্যাসেম্বলি ভাষা → নিম্নস্তরের ভাষা যেখানে নেমোনিক কোড ব্যবহার করা হয়।
- উচ্চস্তরের ভাষা → মানুষের জন্য সহজবোধ্য প্রোগ্রামিং ভাষা, যেমন Java, Python।
- মধ্যম স্তরের ভাষা → নিম্নস্তর ও উচ্চস্তরের ভাষার মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ভাষা।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

১২,৬৬৪.
সার্চ ইঞ্জিন নয় কোনটি?
  1. ক) Google.com
  2. খ) Amazon.com
  3. গ) Yahoo.com
  4. ঘ) Bing.com
সঠিক উত্তর:
খ) Amazon.com
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Amazon.com
ব্যাখ্যা
সার্চ ইঞ্জিন:
- সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ওয়েব সার্চ (তথ্য সার্চ) করার জন্য মূলত এটি ডিজাইন করা হয়েছে।
- Google.com, Yahoo.com, Bing.com হল জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। 
- এছাড়াও আরও জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন যেমন- Baidu, Duck Duck Go, Yandex ইত্যাদি। 

অন্যদিকে,
- Amazon.com হল কেনাবেচার জন্য ওয়েবসাইট।
- ekanei.com, Olx.com এই ওয়েবসাইটগুলো ই-কমার্স সাইট। এগুলোর সাহায্যে অনলাইনে কেনাবেচা করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,৬৬৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি নয়?
  1. মাইক্রোপ্রসেসর
  2. ক্যাশ মেমরি
  3. রেজিস্টার
  4. সবগুলোই ইন্টারনাল মেমরি
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনাল মেমরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

১.রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমোরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত। 

২. ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরিব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৬৬.
সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্কের প্রধান কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
  1. ওয়ার্কস্টেশন
  2. টার্মিনাল
  3. হোস্ট
  4. ক্লায়েন্ট
সঠিক উত্তর:
হোস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোস্ট
ব্যাখ্যা

সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্কের প্রধান কম্পিউটারকে হোস্ট বলা হয়। 

• ক্লায়েন্ট-সার্ভার সেটওয়ার্ক (Client-Server Network)
- এক বা একাধিক ডেডিকেটেড সার্ভারের সমন্বয়ে এ ধরনের নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- এ ডেডিকেটেড সার্ভার ক্লায়েন্ট পিসি'র জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস প্রদান করে।
- সার্ভিসসমূহ হলো ফাইল, প্রিন্ট মেসেজ, ডেটাবেজ, অ্যাপ্লিকেশন ইত্যাদি।

হোস্ট ও টার্মিনাল সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ককে ২ ভাগে বিভক্ত করা হয়। 
• সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized Network):
- সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়।
- প্রধান কম্পিউটারটিকে হোস্ট বা সার্ভার বলা হয়।
- এটি সকল প্রসেসিং ও নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে।
 
২. ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed Network):
- পরস্পর সংযুক্ত কিছু ওয়ার্কস্টেশন, বিভিন্ন শেয়ারড স্টোরেজ ডিভাইস এবং প্রয়োজনীয় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- ওয়ার্কস্টেশনগুলোর নিজস্ব মেমোরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা থাকায় এগুলো নিজস্ব সফটওয়‍্যার, ডেটা ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে লোকাল কাজগুলো করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১২,৬৬৭.
A program that translates the entire source code into machine code at once is known as a/an _______
  1. Interpreter
  2. Assembler
  3. Compiler
  4. Loader
সঠিক উত্তর:
Compiler
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Compiler
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক প্রোগ্রাম যা হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ সোর্স কোডকে (Source Code) একবারে পড়ে অবজেক্ট কোড বা মেশিন কোডে রূপান্তর করে। এটি পুরো প্রোগ্রামের ভুলগুলো (Errors) একসাথে রিপোর্ট করে। সি (C) বা সি++ (C++) এর মতো ল্যাঙ্গুয়েজে কম্পাইলার ব্যবহৃত হয়।

• কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে পুরোপুরি মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

• কম্পাইলারের কাজ:
- সোর্স (উৎস) প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট(বস্তু) প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো।
- প্রোগ্রামের যেকোনো ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা।

• কম্পাইলারের বৈশিষ্ট্য:
- পুরো প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করে।
- প্রোগ্রাম নির্বাহের গতি তুলনামূলক দ্রুত।
- ডিবাগিং বা প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগে।

অন্যান্য অপশন:
- Interpreter: এটি সোর্স কোডকে একবারে অনুবাদ না করে লাইন বাই লাইন অনুবাদ এবং এক্সিকিউট করে।
- Assembler: শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
- Loader: এটি কোনো অনুবাদক নয়, বরং এক্সিকিউটেবল ফাইলকে মেমরিতে লোড করে রান করার ব্যবস্থা করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬৬৮.
২ থেকে -৩ বাদ দিলে থাকে -
  1. ক) ০০০১
  2. খ) ১১০১
  3. গ) ০১০১
  4. ঘ) ১০০১
সঠিক উত্তর:
গ) ০১০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ০১০১
ব্যাখ্যা

২ - (-৩)
= (৫)১০
= (০১০১)

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)

১২,৬৬৯.
এমবেডেড কম্পিউটারে সাধারণত নিচের কোনটি থাকে না?
  1. ROM
  2. মাইক্রোকন্ট্রোলার
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড (Embedded) কম্পিউটার সিস্টেম হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত কম্পিউটার, যা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট কাজ বা সীমিত কাজের জন্য ডিজাইন করা হয়। এতে নিচের উপাদানগুলো সাধারণত থাকে:
ROM – প্রোগ্রাম সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়
মাইক্রোকন্ট্রোলার – সিস্টেমের মূল নিয়ন্ত্রণকারী
ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম – বাইরের যন্ত্রের সাথে যোগাযোগের জন্য

তবে, অপারেটিং সিস্টেম সব এমবেডেড সিস্টেমে থাকে না। অনেক এমবেডেড সিস্টেম Real-Time Operating System (RTOS) ব্যবহার করলেও ছোট ও সহজ ডিভাইসগুলোতে অপারেটিং সিস্টেম ছাড়াই সরাসরি কোড রান করে। অপারেটিং সিস্টেমের পরিবর্তে ROM এ নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য - ফার্মওয়্যার থাকে।

তাই, এখানে, সর্বোত্তম উত্তর হিসবে - "গ) অপারেটিং সিস্টেম" নেয়া হয়েছে। যেহেতু বেশীরভাগ এম্বেডেড কম্পিউটারেই অপারেটিং সিস্টেমের পরিবর্তে ফার্মওয়্যার থাকে।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি ক্যাবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২,৬৭০.
মেধাসত্ব বা সৃষ্টিশীল কাজ চুরি করাকে কী বলে?
  1. ক) Hacking
  2. খ) Spamming
  3. গ) Plagiarism
  4. ঘ) Vishing
সঠিক উত্তর:
গ) Plagiarism
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Plagiarism
ব্যাখ্যা
লেখাচুরি (Plagiarism):
- গবেষণাকেন্দ্রিক পরিমণ্ডলে Plagiarism অতি প্রচলিত একটি শব্দ।
- মেধাসত্ব বা সৃষ্টিশীল কাজ চুরি করাকে Plagiarism বলে।
- ভিন্ন ব্যক্তির লেখা বা যে কোন কিছু সজ্ঞানে চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়াই Plagiarism ।
- অন্য ব্যক্তির আইডিয়া ধার করে নিজের কাজে ব্যবহার করতে হলে তার যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া কিংবা নাম জানা না থাকলে অন্তত ‘সংগৃহীত’ উল্লেখ করে দেওয়াই বাঞ্ছনীয় এবং ন্যূনতম ভদ্রতার পরিচায়ক।
- ছবি, গানের কথা, কবিতা, গবেষণাপত্র, প্রবন্ধ, প্রতিবেদন যে কোন গঠনমূলক রচনার ক্ষেত্রে অন্য উৎস মারফত সরাসরি বা হুবহু তথ্য ব্যবহারের প্রয়োজন হলে
মূল লেখকের নাম উল্লেখ না করা অশোভন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- Plagiarism প্রতিরোধে Paraphrasing চর্চা করা যেতে পারে।
- মূল লেখার বিষয়টিকে অপরিবর্তিত রেখে জুতসই প্রতিশব্দ সহযোগে নিজের ভাষায় সারমর্ম আকারে উপস্থাপন করাকে Paraphrasing বলে।
- তবে সেক্ষেত্রেও মূল লেখকের নাম, সম্ভব হলে সন উল্লেখপূর্বক কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা আবশ্যক।
- এছাড়াও বর্তমানে বিভিন্ন সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাহায্যে কোন লেখায় Plagiarism হয়েছে কিনা তা সনাক্ত করা সম্ভব।
- Turnitin তেমনি একটি জনপ্রিয় সফ্টওয়্যার যা অনলাইনে ক্রয় করে নিজস্ব অ্যাকাউন্ট খুলে যে কেউ এর সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

সূত্র: তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১২,৬৭১.
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. হার্ডওয়ার রিসোর্স শেয়ার করা
  2. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা
  3. তথ্য সংরক্ষণ করা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলতে বুঝায় দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ। যে বিশেষ ব্যবস্থায় মডেম, ক্যাবল বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এক কম্পিউটারের সাথে অন্য এক বা একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তাদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করাই হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ।

কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ফলে একটি কম্পিউটারের যাবতীয় তথ্য একাধিক ব্যবহারকারীর স্ব স্ব কম্পিউটারের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে । কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যোগাযোগ, তথ্যের আদান প্রদান, ই-কমার্স, ইলেক্ট্রনিক মেইল, ইলেকট্রনিক লাইব্রেরি, বুলেটিন বোর্ড ইত্যাদির প্রচলন ও প্রসার ক্রমেই বেড়েই চলেছে।

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্দেশ্যগুলো নিম্নরূপ :
- ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা।
- হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার করা।
- সফটওয়্যার রিসোর্স শোয়ার করা।
- তথ্য সংরক্ষণ করা ।
- ই-কমার্স ব্যবহার করা ।
- তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
- মেসেস বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৭২.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) Panda
  2. খ) COBOL
  3. গ) Cobra
  4. ঘ) Symantec
সঠিক উত্তর:
খ) COBOL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) COBOL
ব্যাখ্যা
কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার-
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- AVIRA,
- AVAST Anti-Virus,
- TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essential,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tool Anti-Virus ইত্যাদি।
 
অন্যদিকে, COBOL এর পূর্ণরূপ Common Business Oriented Language. অর্থাৎ  COBOL হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। 

[উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) এবং কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট]
১২,৬৭৩.
বাংলাদেশে কত সালে 4G সেবা চালু হয়?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
4G:
- 4G হল ফোর্থ জেনারেশন বা চতুর্থ প্রজন্ম শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ফোরজি নেটওয়ার্কে যেসব সুবিধা পাওয়া যায় সেগুলোর মধ্যে সংশোধিত মোবাইল ওয়েব সেবা, আইপি টেলিফোনি, গেমিং সেবা, এইচডিটিভি, হাই-ডেফিনিশন মোবাইল টিভি, ভিডিও কনফারেন্স, ত্রিমাত্রিক টেলিভিশন এবং ক্লাউড কম্পিউটিং উল্লেখযোগ্য।
- যুক্তরাষ্ট্রে স্প্রিন্ট নেক্সটেল ২০০৮ সালে মোবাইল ওয়াইম্যাক্স নেটওয়ার্ক স্থাপন করে এবং মেট্রোপিসিএস ২০১০ সালে প্রথম এলটিই সেবা চালু করে।
- বাংলাদেশে ২০১৮ সালে মোবাইল ফোনে ৪জি (এলটিই) সেবা প্রদান শুরু হয়। ১৯ ফেব্রুযারী, ২০১৮ সালে প্রথমবারের মত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চালু করে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংক।
- ৩জি এবং ৪জি উভয়ই এক বিশেষ মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা তার বিহীন কথা বলা, মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার, ভিডিও কল করা, মোবাইল টিভি ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করে। 
- তবে ৪জি তে যে বিশেষ সুবিধা অতিরিক্ত হিসেবে রয়েছে তা হলো মোবাইল ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা। 
- IP based Network হল - 4G এর বৈশিষ্ট্য।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৬৭৪.
কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে কী বলে?
  1. RAM
  2. ROM
  3. হার্ডওয়্যার
  4. সফ্‌টওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ROM
ব্যাখ্যা
ROM: 
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory. 
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমোরি (Non-Volatile Memory), অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। 
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলে। 
- সাধারণত রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। 
- রমে ম্যানুফেকচাররার কর্তৃক প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে। 
- সাধারণত রমে সংরক্ষিত তথ্য শুধু পড়া যায়, লেখা যায় না। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৭৫.
A computer program that instructs other programs to perform a particular type of operation is-
  1. ক) System software
  2. খ) Application program
  3. গ) Compiler
  4. ঘ) Interpreter
সঠিক উত্তর:
ক) System software
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) System software
ব্যাখ্যা
System software is computer software designed to provide a platform to other software. Examples of system software include operating systems like macOS and Windows.
Source: techterms.com
১২,৬৭৬.
“Syntax error” কী?
  1. ভাষার ব্যাকরণ নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি
  2. প্রোগ্রামের লজিকে ত্রুটি
  3. প্রোগ্রামের আউটপুটে ত্রুটি
  4. রানটাইমের সময় ত্রুটি
সঠিক উত্তর:
ভাষার ব্যাকরণ নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষার ব্যাকরণ নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি
ব্যাখ্যা
• “Syntax error” হলো প্রোগ্রামে ভাষার ব্যাকরণগত নিয়ম ভঙ্গ করার কারণে ঘটে যাওয়া ত্রুটি। অর্থাৎ, যখন কোড লেখার সময় প্রোগ্রামিং ভাষার নির্ধারিত গ্রামার বা কাঠামোর নিয়ম মেনে চলা হয় না, তখন এই ত্রুটি দেখা দেয়। যেমন, বন্ধনী না দেওয়া, ভুলভাবে কমা ব্যবহার, বা কীবোর্ডের ভুল কমান্ড ব্যবহার ইত্যাদি। এটি মূলত কোড কম্পাইল বা ইন্টারপ্রেট করার সময় ধরা পড়ে এবং প্রোগ্রাম চলতে দেয় না যতক্ষণ না এই ত্রুটি ঠিক করা হয়। “Syntax error” লজিক বা রানটাইম ত্রুটির থেকে আলাদা, কারণ এটি শুধুমাত্র ভাষার নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি নির্দেশ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো (ক) ভাষার ব্যাকরণ নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- উৎস প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়, তাকে বলা হয় অনুবাদক সফটওয়্যার।
- কম্পিউটার কেবল মেশিনের ভাষা বোঝে।
- সেজন্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম যন্ত্র ভাষা ভিন্ন অন্য কোন ভাষায় রচিত হলে তা যান্ত্রিক ভাষা রূপান্তর করতে হয়। এজন্যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন প্রকার। 
যথা- 
১। কম্পাইলার, 
২। ইন্টারপ্রেটার এবং 
৩। অ্যাসেম্বলার। 

১) কম্পাইলার: সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য।

২) ইন্টারপ্রেটর: লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুঁজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুরু হয়।

৩) অ্যাসেম্বলার: শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১২,৬৭৭.
ডাটাবেজে 'Many-to-Many' রিলেশন বাস্তবায়নে কোনটির প্রয়োজন হয়?
  1. Composite Primary Key
  2. Junction Table
  3. Self-referencing Table
  4. Foreign Key
সঠিক উত্তর:
Junction Table
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Junction Table
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে দুটি টেবিলের মধ্যে সরাসরি 'Many-to-Many' রিলেশন তৈরি করা সম্ভব নয়। এই সম্পর্কটি বাস্তবায়নের জন্য মাঝখানে একটি তৃতীয় টেবিলের প্রয়োজন হয়, যাকে Junction Table বা Bridge Table বলা হয়। এটি মূল দুটি টেবিলের প্রাইমারি কি-গুলোকে ফরেন কি হিসেবে ধারণ করে দুটি 'One-to-Many' রিলেশন তৈরির মাধ্যমে many-to-many সম্পর্ক স্থাপন করে।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়। যাকে Junction Table বা Bridge Table বলা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬৭৮.
AND গেইট এর আউটপুট হয় ইনপুটগুলোর যৌক্তিক _______ এর সমান।
  1. ক) যোগ
  2. খ) বিয়োগ
  3. গ) গুণ
  4. ঘ) ভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গুণ
ব্যাখ্যা
অ্যান্ড গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- অর্থাৎ যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৭৯.
CDMA সিস্টেমে একাধিক ব্যবহারকারীকে কীভাবে পৃথক করা হয়?
  1. সময়ের স্লটে
  2. ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে
  3. ইউনিক কোডের মাধ্যমে
  4. ভৌগোলিক অবস্থানের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
ইউনিক কোডের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিক কোডের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• CDMA (Code Division Multiple Access) সিস্টেমে একাধিক ব্যবহারকারীকে পৃথক করার জন্য ইউনিক কোড ব্যবহৃত হয়। প্রতিটি ব্যবহারকারীর ডেটা একটি বিশেষ ক্রিপ্টোগ্রাফিক কোড দিয়ে সংকেতিত হয়, যা অন্যদের থেকে আলাদা। এই কোডের মাধ্যমে একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড এবং একই সময়ে একাধিক ব্যবহারকারী একসঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে, কারণ প্রত্যেক ব্যবহারকারীর সংকেত তাদের নির্দিষ্ট কোড দ্বারা পৃথক করা হয়। ফলে, CDMA সিস্টেমে ব্যবহারকারীরা একই ফ্রিকোয়েন্সি এবং একই সময় ভাগাভাগি না করে, ইউনিক কোডের মাধ্যমে আলাদা হয়। তাই CDMA-তে ব্যবহারকারী পৃথককরণ হয় গ) ইউনিক কোডের মাধ্যমে।

• মোবাইল ফোন প্রযুক্তির প্রকারভেদ:
- বর্তমানে প্রচলিত মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. GSM (Global System for Mobile Communication):
- GSM হলো TDMA এবং FDMA এর সম্মিলিত একটি চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- এই প্রযুক্তিতে মোবাইল ডেটা ট্রান্সমিশনের ক্ষেত্রে উচ্চগতির প্রযুক্তি GPRS (General Packet Radio Service), EDGE(Enhanced Data Rate for GSM Evolution) ব্যবহৃত হয়।
- সেল কভারেজ এরিয়া ৩৫ কি.মি.।
- এতে আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা আছে।

২. CDMA (Code Division Multiple Access):
- এই প্রযুক্তিতে ডেটা পাঠানো হয় ইউনিক কোডিং পদ্ধতিতে।
- যে পদ্ধতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে স্প্রেড স্পেকট্রাম বলা হয়।
- মোবাইল অপারেটর সিটিসেল এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- সেল কভারেজ এরিয়া ১১০ কি.মি.।
- আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা নেই।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।
১২,৬৮০.
নিম্নলিখিত কোন সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. G
  2. K
  3. 9
  4. X
সঠিক উত্তর:
9
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9
ব্যাখ্যা

9 সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬৮১.
ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ডাক্তারের কাছ থেকে রোগীর চিকিৎসা পাওয়ার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. ই-হেলথ
  2. টেলিমেডিসিন
  3. টেলিকনসালটেশন
  4. টেলিহেলথ
সঠিক উত্তর:
টেলিমেডিসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেলিমেডিসিন
ব্যাখ্যা
ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ডাক্তারের কাছ থেকে রোগীর চিকিৎসা পাওয়ার পদ্ধতিকে টেলিমেডিসিন বলে।

• টেলিমেডিসিন):

- টেলিমেডিসিন হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে অবস্থানরত রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা চিকিৎসাসেবা প্রদান করা।
- মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের উন্নত ব্যবহারের মাধ্যমে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা দূরবর্তী অবস্থান থেকেও রোগী পরামর্শ, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসার তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করতে পারেন।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রোগীকে চাক্ষুষ দেখা এবং ই-মেইলের মাধ্যমে রিপোর্ট ও পরামর্শপত্র আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়।
• এ ধরনের উল্লেখযোগ্য সেবাগুলোর মধ্যে:
- Teledoc,
- Maven,
- Clinic,
- iClinic, MDlive,
- Amwell, 
- Doctor on Demand ইত্যাদি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, NCTB.
১২,৬৮২.
লিংকড ইন এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া
  2. নিউইয়র্ক
  3. জর্জিয়া
  4. টেক্সাস
সঠিক উত্তর:
ক্যালিফোর্নিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা
LinkedIn:

- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- ২০০২ সালে রেইড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে ২০০টিরও বেশি দেশে ৯৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ LinkedIn ব্যবহার করে।
- সদর দপ্তর: Sunnyvale, California, United States.
- Parent organization: Microsoft Corporation.
- CEO: Ryan Roslansky.
- Founders: Reid Hoffman, Jean-Luc Vaillant, Eric Ly, Konstantin Guericke, Allen Blue.

তথ্যসূত্র - লিংকড ইন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১২,৬৮৩.
প্রোগ্রামের বাগ শনাক্তকরণ এবং সমাধানের প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Installation
  2. Compiling
  3. Debugging
  4. Programming
সঠিক উত্তর:
Debugging
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Debugging
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রামের বাগ শনাক্তকরণ এবং সমাধানের প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়। যখন কোনো সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম লেখা হয়, তখন তাতে অনেক সময় ত্রুটি বা “বাগ” থাকতে পারে। এই বাগগুলো প্রোগ্রামের সঠিক কাজকে বাধাগ্রস্ত করে। ডিবাগিং হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে প্রোগ্রামের কোড বিশ্লেষণ করে বাগগুলো খুঁজে বের করা এবং সেগুলো ঠিক করা হয়। ডিবাগিং প্রোগ্রামারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমে প্রোগ্রামকে নির্ভরযোগ্য এবং সঠিকভাবে কাজ করার মতো তৈরি করা যায়। এটি প্রোগ্রামিং-এর একটি অপরিহার্য ধাপ। সঠিক উত্তর: গ) Debugging.

• প্রোগ্রাম ডিবাগিং:
- প্রোগ্রাম তৈরির সময় বিভিন্ন কারণে প্রোগ্রামে ভুল হতে পারে, প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ (Bug) বলে।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং সংশোধন করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- সব ভুল-ত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।

• প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা:
- ডেটা ভুল,
- যুক্তিগত ভুল এবং
- সিনট্যাক্স ভুল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১২,৬৮৪.
যে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডে সমস্ত কম্পোনেন্ট যুক্ত থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. পাওয়ার সাপ্লাই
  2. মাদারবোর্ড
  3. প্রসেসর
  4. হার্ড ডিস্ক
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা

• যে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডে কম্পিউটারের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট যুক্ত থাকে তাকে মাদারবোর্ড বলা হয়। মাদারবোর্ড কম্পিউটারের প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে প্রসেসর, র‍্যাম, হার্ড ডিস্ক, গ্রাফিক্স কার্ড, পাওয়ার সাপ্লাইসহ বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সংযুক্ত থাকে এবং একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এটি পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে সমন্বয় করে এবং ডেটা আদান-প্রদান সহজ করে। মাদারবোর্ডে বিভিন্ন স্লট, পোর্ট ও চিপসেট থাকে যা কম্পিউটারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই কম্পিউটারের অন্যান্য সব অংশকে একত্রে কাজ করানোর জন্য মাদারবোর্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) মাদারবোর্ড।

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভিতরে থাকা প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে সিস্টেমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযোজনের সুযোগ থাকে।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়শই কম্পিউটারের “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সব উপাদানকে একত্রিত করে সংযোগ প্রদান করে।
- ভালো ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে: Gigabyte, Intel, Foxconn, Asus ইত্যাদি।

অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড কম্পিউটারের কেসের ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল। 
২। ব্রিটানিকা। 
৩। বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

১২,৬৮৫.
ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. PSTNN
  2. FAXTN
  3. PIST
  4. PSTN
সঠিক উত্তর:
PSTN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
PSTN
ব্যাখ্যা
• ফ্যাক্স (Fax):
- PSTN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Public Switched Telephone Networks.

- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪৩ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন।
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)।
- ফ্যাক্স হাফ ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে।
- ফ্যাক্স ট্রান্সমিশনে সাধারণত PSTN প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়।
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২,৬৮৬.
যেসব সফটওয়্যারে পেরিফেরাল ডিভাইস চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও নির্দেশনা থাকে, তাদের কী বলা হয়?
  1. অপারেটিং সফটওয়্যার
  2. সিস্টেম সফটওয়্যার
  3. ফাইল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
  4. ডিভাইস ড্রাইভার
সঠিক উত্তর:
ডিভাইস ড্রাইভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিভাইস ড্রাইভার
ব্যাখ্যা

◉ ডিভাইস ড্রাইভার হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটার এবং পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। এটি ডিভাইসকে সঠিকভাবে চালাতে সহায়তা করে।

ডিভাইস ড্রাইভার (Device Driver):
- কম্পিউটারের সাথে সাধারণত বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস যেমন: কি-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার, মনিটর, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি রম বা ডিভিডি রম ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু শুধু সিপিইউয়ের সাথে এ ধরনে ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করলেই এগুলো কাজ করে না।
- এর জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টলেশন।
- যে সকল সফটওয়্যারের সাহায্যে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইসকে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করার পর চালনা করা হয় বা যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে, যা সহজেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে উক্ত ডিভাইসটি পরিচালনা করতে সক্ষম হয় তাদেরকে বলা হয় ডিভাইস ড্রাইভার।
- সাধারণত কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস ক্রয়ের সময় বিক্রেতারা উক্ত ডিভাইসের সাথে একটি ডিভাইস ড্রাইভারের সিডি বা ডিভিডি দিয়ে দেয়।
- তবে আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ধরনের ডিভাইস ড্রাইভার সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত করা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬৮৭.
ভিডিও কনফারেন্সিং প্রক্রিয়াটি একটি ___ প্রক্রিয়া।
  1. ক) একমুখী
  2. খ) উভমুখী
  3. গ) বহুমুখী
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) উভমুখী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উভমুখী
ব্যাখ্যা

ভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে কিছু ব্যক্তি অবস্থান করে টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে কোন সভা অথবা সেমিনার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং।
বিভিন্ন ধরনের টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন- পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স এবং অনলি কনফারেন্স।
টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১২,৬৮৮.
নিচের কোনটি ক্লাউড সার্ভিস মডেল নয়?
  1. Software as a Service (SaaS)
  2. Platform as a Service (PaaS)
  3. Infrastructure as a Service (IaaS)
  4. Wesite as a Service (WaaS)
সঠিক উত্তর:
Wesite as a Service (WaaS)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wesite as a Service (WaaS)
ব্যাখ্যা

◉ Wesite as a Service (WaaS) ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের কোনো সার্ভিস মডেল নয়। 

ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশকে। ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজোন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে। ২০১০ সালে The Rackspace Cloud এবং NASA মুক্ত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল
সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অবকাঠামোগত সেবা (Infrastructure as a services-IaaS): ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।

২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a services-PaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়‍্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।

৩. সফ্টওয়্যার সেবা (Software/application as a services-SaaS): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৬৮৯.
মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র কোনটি?
  1. প্রধান মেমোরি
  2. সহায়ক মেমোরি
  3. কোর মেমোরি
  4. ম্যাগনেটিক মেমোরি
সঠিক উত্তর:
প্রধান মেমোরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান মেমোরি
ব্যাখ্যা
• স্টোরেজ ডিভাইস:
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device) ও 
২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device)।

• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র‍্যাম। 
 
উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৯০.
অক্টাল সংখ্যা 174 এর দশমিক মান কত হয়?
  1. 112
  2. 108
  3. 136
  4. 124
সঠিক উত্তর:
124
উত্তর
সঠিক উত্তর:
124
ব্যাখ্যা
• (174)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 124.

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(174)8
= (1 × 82) + (7 × 81) + (4 × 80)
= 64 + 56 + 4
= 124

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,৬৯১.
ড. স্যামুয়েল হার্স্ট নিচের কোনটির জনক?
  1. রোবটিক্স
  2. ন্যানোটেকনোলজি
  3. মোবাইল
  4. টাচস্ক্রিন
সঠিক উত্তর:
টাচস্ক্রিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাচস্ক্রিন
ব্যাখ্যা
• টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবিষ্কারক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট।
- ১৯৬৫ সালে E.A. Johnson সর্বপ্রথম টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি বর্ণনা করেন।
- ১৯৬০ এর দশকে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ১৯৭১ সালে ড. হার্স্ট প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।
- পরবর্তীতে তিনি ১৯৭৫ সালে সফল ও কার্যকর টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন যা ১৯৮২ সালে প্রকাশ্যে আসে।
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্‌।
- তিনি ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- অ্যাপল পরবর্তীতে টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি, স্মার্ট ফোন ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- বিশ্বের প্রথম স্মার্ট ফোন মোবাইল - Simon যা ১৯৯৪ সালে IBM বাজারজাত করে।

উৎস: WEF ওয়েবসাইট ও elprocus ওয়েবসাইট।
১২,৬৯২.
ভাল পারফরম্যান্স এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাধারণত উইন্ডোজ কোন ড্রাইভে ইনস্টল করা হয়?
  1. Pendrive
  2. H drive
  3. C drive
  4. G drive
সঠিক উত্তর:
C drive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
C drive
ব্যাখ্যা

• উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে ইনস্টল করা হয়। এর প্রধান কারণ হলো, কম্পিউটার প্রস্তুতকারকরা ডিফল্টভাবে প্রাইমারি পার্টিশনকে C ড্রাইভ হিসেবে নির্ধারণ করে, যেখানে সিস্টেম ফাইল, ড্রাইভার ও প্রয়োজনীয় কনফিগারেশন থাকে। C ড্রাইভকে প্রাইমারি করার ফলে হার্ডওয়্যারের সাথে দ্রুত যোগাযোগ হয়, ফলে পারফরম্যান্স ভালো থাকে। এছাড়া স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উইন্ডোজ গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো আলাদা রেখে দেয়, যাতে অন্যান্য ড্রাইভে ডেটা থাকলেও সিস্টেম অক্ষত থাকে। Pendrive বা H, G ড্রাইভে ইনস্টল করলে তা স্থিতিশীল ও কার্যকর হয় না। তাই ভালো পারফরম্যান্স ও স্থায়িত্বের জন্য C ড্রাইভেই উইন্ডোজ ইনস্টল করা হয়।

• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২,৬৯৩.
আধুনিক কম্পিউটারের বেসিক ডিজাইন করেন-
  1. ক) এলান টুরিং
  2. খ) ল্যারি পেইজ
  3. গ) জন ভন নিউম্যান
  4. ঘ) রেমন্ড সামুয়েল টমলিসন
সঠিক উত্তর:
গ) জন ভন নিউম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জন ভন নিউম্যান
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের জনক বলা হয় চার্লস ব্যাবেজ। (কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বই অনুসারে)
- আধুনিক কম্পিউটারের জনক ভন নিউম্যান।
- কম্পিউটার আবিস্কার করেন হাওয়ার্ড এইকেন।
- প্রোগ্রমিং ধারণার প্রবর্তক অ্যাডা লাভলেস।

১২,৬৯৪.
পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে কে পরিচিত?
  1. James Gosling
  2. Dennis Ritchie
  3. Guido Van Rossum
  4. Brendan Eich
সঠিক উত্তর:
Guido Van Rossum
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Guido Van Rossum
ব্যাখ্যা

• পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে Guido van Rossum পরিচিত। তিনি ১৯৮০-এর দশকে নেদারল্যান্ডসের সেন্ট্রাল ইনস্টিটিউট ফর ম্যাথমেটিকাল রিসার্চ-এ কাজ করার সময় পাইথন তৈরি করেন। পাইথনের উদ্দেশ্য ছিল একটি সহজ, পাঠযোগ্য এবং শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করা, যা নতুন শিক্ষার্থী থেকে পেশাদার ডেভেলপার সবাই ব্যবহার করতে পারে। এটি কোডিংয়ে সরলতা এবং উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সাহায্য করে। অন্য উল্লেখিত নামগুলোও গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামার বা ভাষার স্রষ্টা, যেমন James Gosling জাভা প্রবর্তক, Dennis Ritchie C ভাষার স্রষ্টা, এবং Brendan Eich জাভাস্ক্রিপ্টের জনক। তাই পাইথনের জন্য সঠিক উত্তর হলো গ) Guido Van Rossum.

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- Dennis Ritchie: 'C' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- James Gosling: Java প্রোগ্রামিং ভাষার প্রধান উদ্ভাবক।
- Brendan Eich: JavaScript প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১২,৬৯৫.
IoT ডিভাইসের তথ্য বিনিময়ের জন্য কোন প্রটোকল সবচেয়ে জনপ্রিয়?
  1.  MQTT 
  2. HTTP
  3. FTP
  4. POP3
সঠিক উত্তর:
 MQTT 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 MQTT 
ব্যাখ্যা

• IoT ডিভাইসের তথ্য বিনিময়ের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রটোকল হলো MQTT. MQTT হলো একটি হালকা ওজনের, পাবলিশ-সাবস্ক্রাইব ভিত্তিক প্রটোকল যা বিশেষভাবে কম ব্যান্ডউইথ ও শক্তি খরচে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি সেন্সর, স্মার্ট হোম ডিভাইস, এবং বিভিন্ন রিমোট IoT অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উপযুক্ত, কারণ এটি দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে ছোট ডেটা পাঠাতে পারে। অন্যদিকে HTTP মূলত ওয়েব সার্ভিসের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং IoT-তে কম কার্যকর। FTP ও POP3 যথাক্রমে ফাইল ট্রান্সফার ও ইমেল গ্রহণের জন্য, তাই IoT ডিভাইসের রিয়েল-টাইম ডেটা শেয়ারিংয়ে MQTT এর মতো সুবিধা দেয় না। সুতরাং, IoT-এর জন্য MQTT সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর প্রটোকল।

- সঠিক উত্তর: ক) MQTT.

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

১২,৬৯৬.
বাংলাদেশে তথ্য অধিকার আইন চালু হয় কবে?
  1. ২০০৮
  2. ২০০৯
  3. ২০১০
  4. ২০১১
সঠিক উত্তর:
২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯
ব্যাখ্যা

তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন মানুষের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করে।
২০০৯ সালে 'বাংলাদেশে তথ্য অধিকার ২০০৯' নামে একটি আইন চালু হয়েছে।
এই আইনের আওতায় কর্তৃপক্ষের নিকট হতে প্রত্যেক নাগরিকের তথ্য লাভের অধিকার রয়েছে এবং কোনাে নাগরিকের অনুরোধের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে তথ্য সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবেন। এই আইনের মূল প্রতিপাদ্য হলাে জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা হলে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারী ও বিদেশী অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বেসরকারী সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, দুর্নীতি হ্রাস ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১২,৬৯৭.
পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগ কোন কম্পিউটার দিয়ে শুরু হয়েছিল?
  1. Altair 8800
  2. IBM PC
  3. Apple II
  4. Commodore 64
সঠিক উত্তর:
Altair 8800
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Altair 8800
ব্যাখ্যা

Altair 8800, যা 1975 সালে প্রকাশিত হয়েছিল, এটি প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল পার্সোনাল কম্পিউটার হিসেবে বিবেচিত হয়।
- Altair 8800 পার্সোনাল কম্পিউটিং বিপ্লবের সূচনা করেছিল এবং পরবর্তীতে Apple, IBM এবং অন্যান্য কোম্পানিগুলো পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারে প্রবেশ করে।

• পার্সোনাল কম্পিউটার: 
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা। 
২। National Museum of American History ওয়েবসাইট। 

১২,৬৯৮.
Pentium II এক ধরণের-
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) হার্ডডিস্ক
  3. গ) প্রসেসর
  4. ঘ) সিডিরম
সঠিক উত্তর:
গ) প্রসেসর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রসেসর
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ। 
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে। 
- উদাহরণ: CISC are Intel 386, Intel 486, Pentium, Pentium Pro, Pentium II ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৬৯৯.
কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্মগুলো (Generations) কে কতভাগে ভাগ করা হয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্ম (Generations of Programming Languages) মূলত ৫টি ভাগে বিভক্ত করা হয়।

প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language)।
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)।
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)।
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)।
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)।

প্রথম প্রজন্ম: মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ, বাইনারি কোড (0s এবং 1s) ব্যবহার করে (Machine Code)।
দ্বিতীয় প্রজন্ম: অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ, Mnemonics ব্যবহার করে (Assembly Language)। 
তৃতীয় প্রজন্ম: উচ্চ-স্তরের ভাষা (High-Level Language), সহজবোধ্য সিনট্যাক্স (C, C++, Java, Python)। 
চতুর্থ প্রজন্ম:  ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট ও স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ, কম কোড (SQL, MATLAB, PHP)।
পঞ্চম প্রজন্ম:  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক ভাষা, মেশিন লার্নিং ও লজিক্যাল প্রোগ্রামিং (Prolog, Lisp, Mercury)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১২,৭০০.
নিচের কোনটি ১০২৪ টেরাবাইটের সমতুল্য?
  1. ১ এক্সাবাইট
  2. ১ গিগাবাইট
  3. ১ পেটাবাইট
  4. ১ ইয়োট্রাবাইট
সঠিক উত্তর:
১ পেটাবাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ পেটাবাইট
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।