কৌটিল্য:
- ভারতে মৌর্য শাসনের শুরু করেছিলেন রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- সেই রাজার প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষাগুরু ছিলেন কৌটিল্য।
- সংস্কৃত ভাষায় রচিত খ্রিস্টপূর্ব তিন শতকের এ গ্রন্থটির রচয়িতা ছিলেন সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী কৌটিল্য যিনি অতীব বুদ্ধিমান ‘চাণক্য’ বা সম্রাটের প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক বিষ্ণুগুপ্ত বলেও পরিচিত।
⇒ বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, সেই সময় কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্রে যা লিখে গেছেন, তা আজকের রাজনীতি, কূটনীতি, প্রশাসন ব্যবস্থাপনা, সমাজনীতি ও অর্থনীতিতে সমানভাবে প্রযোজ্য।
- কৌটিল্য তাঁর শাস্ত্রে লিখেছেন, ‘সকল উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করে অর্থের ওপর। সে জন্য সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে হবে খাজাঞ্চিখানার দিকে। জিহ্বার ডগায় বিষ রেখে যেমন মধুর স্বাদ আস্বাদন সম্ভব নয়, তেমনি একজন লোক রাজকর্মচারী হয়ে রাজার রাজস্বের সামান্য পরিমাণ না খেয়ে বসে থাকবেন, এটা অবিশ্বাস্য। জলের নিচের মাছের গতিবিধি যেমন লক্ষ করা সম্ভব নয়, তেমনি রাজকর্মচারীর তহবিল আত্মসাৎ করাও পর্যবেক্ষণ করা অসম্ভব। আকাশের অতি উঁচুতে পাখির ওড়াউড়ি দেখা সম্ভব, কিন্তু রাজকর্মচারীর সকল কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অসম্ভব।’
অন্যদিকে,
- বানভট্ট ছিলেন সপ্তম শতাব্দীর একজন বিখ্যাত সংস্কৃত কবি ও গদ্যকার, যিনি উত্তর ভারতের রাজা হর্ষবর্ধনের (৬০৬-৬৪৭ খ্রিস্টাব্দ) সভাকবি ছিলেন।
- কালিদাস ছিলেন প্রাচীন ভারতের, বিশেষ করে গুপ্ত যুগের (সম্ভবত ৪র্থ-৫ম শতাব্দী) সর্বশ্রেষ্ঠ সংস্কৃত কবি ও নাট্যকার, যাঁকে প্রায়শই ভারতের শেক্সপিয়র বলে গণ্য করা হয়।
- মেগাস্থিনিস ছিলেন একজন প্রাচীন গ্রিক কূটনীতিক, পর্যটক এবং ইতিহাসবিদ, যিনি মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজত্বকালে (খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী) পাটলিপুত্রে গ্রিক শাসক সেলুকাস আই নিকেটর-এর দূত হিসেবে এসেছিলেন।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।