বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

উপমহাদেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজ সংস্কারক

মোট প্রশ্ন৩২৮এই পাতা২৭প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

উপমহাদেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সমাজ সংস্কারক

PrepBank · পাতা / · ৩০১৩২৭ / ৩২৮

৩০১.
স্বরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. চিত্তরঞ্জন দাশ
  3. সুভাষচন্দ্র বসু
  4. জওহরলাল নেহরু
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাশ
ব্যাখ্যা
স্বরাজ পার্টি: 
- স্বরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন চিত্তরঞ্জন দাশ (সি.আর দাশ) এবং পন্ডিত মতিলাল নেহরু।
- ১৯২২ সালে গয়া কংগ্রেস অধিবেশনে আইনসভায় যোগদানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর চিত্তরঞ্জন দাশ কংগ্রেসের সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
- এরপর কংগ্রেসের ভেতর থেকেই তিনি স্বরাজ পার্টি গঠন করেন।
- ১৯২৩ সালে বঙ্গীয় আইন সভার নির্বাচনে দলটি ৪৬টি আসন জয় করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে।
- চিত্তরঞ্জন দাশ দলের নেতা নির্বাচিত হন এবং রাজনৈতিক ক্ষমতার অংশীদারিত্বের নীতিতে বিশ্বাস রেখে কাজ করেন।
- তাঁর লক্ষ্য ছিল আইনসভায় থেকে প্রতিবন্ধকতার মাধ্যমে ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন সংশোধনে চাপ সৃষ্টি করা।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
৩০২.
'কৃষক-প্রজা পার্টি' রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. চিত্তরঞ্জন দাস
  3. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক:
- তার পূর্ণ নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক। 
- তিনি ১৮৭৩ সালের ২৯ অক্টোবর বরিশাল জেলার বানরীপাড়া থানার চাখার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯০৬ সালে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্টেটের চাকরি গ্রহণ করেন।
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরের অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন ১৯২৭ সালে।
- ১৯৩৫-৩৬ সালে প্রথম বাঙালি মুসলমান হিসাবে কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন।
- শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন ১৯৩৭ সালে। 
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তাঁর বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাঁকে উপাধি দেয় শের-ই-বঙ্গাল অর্থাৎ বাংলার বাঘ।
- তিনি ‘ঋণ সালিশী বোর্ড’ গঠন করেন।
- ১৯৪০ সালে মহাজনী আইন পাসের মাাধ্যমে সুদের হার ও চক্রবৃদ্ধি রহিত করেন।
- তাঁর প্রচেষ্টায় ফ্লাউড কমিশন গঠিত হয় এবং এ কমিশনের সুপারিশেই ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারী দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন পাস হয়। 
- ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টর-অব-ল উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৯৫৯ সালে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান তাঁকে ‘হিলাল-ই-পাকিস্তান’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল প্রায় ৮৯ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজাপুর উপজেলার ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।

৩০৩.
হাজী শরিয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব কে দেন?
  1. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  2. দুদু মিয়া
  3. মাওলানা মুহাম্মদ আলী
  4. মজনু শাহ
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা
ফরায়েজী আন্দোলন:
- ফরায়েজী আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন দুদু মিয়া।
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরিয়ত উল্লাহ।
- জী শরিয়ত উল্লাহ বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- হাজী শরিয়ত উল্লাহর এই সংস্কার আন্দোলনের নামই ফরায়েজি আন্দোলন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে।
- যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- শরিয়ত উল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ হাজী শরিয়ত উল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে -
- মাওলানা মুহাম্মদ আলী খিলাফত আন্দোলনের নেতা ছিলেন।
- স্যার সৈয়দ আহমদ খান আলীগড় আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা।
- মজনু শাহ ফকির বিদ্রোহের নেতা ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৪.
ভারতের অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা কে?
  1. ইন্দিরা গান্ধী
  2. রামনাথ সিং
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. জওহরলাল নেহেরু
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যা
মহাত্মা গান্ধী:
- তাঁর পুরো নাম মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- তিনি ২ অক্টোবর ১৮৬৯ সালে ভারতে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি ধর্মীয় সহনশীলতা এবং অহিংসার মতবাদ গ্রহণ করেছিলেন।
- অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা ও ভারত রাষ্ট্রের জনক মহাত্মা গান্ধী।
- তিনি ১৮৮৮ থেকে ১৮৯১ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডে আইন অধ্যয়ন করেন।
- তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসকে ভারতীয় জাতীয়তাবাদের একটি কার্যকর রাজনৈতিক হাতিয়ারে রূপান্তরিত করেন।
- অসহযোগ আন্দোলন মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বাধীনে প্রবর্তিত ভারতের একটি শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী আন্দোলন।
- ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি অনশনের মাধ্যমে কলকাতায় (কলকাতা) দাঙ্গার অবসান ঘটান।
- ১৯৪৮ সালের জানুয়ারী মাসে তিনি একজন তরুণ হিন্দু ধর্মান্ধ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।
৩০৫.
‘তাহযিব-উল-আখলাক’ পত্রিকা প্রকাশ করেন কে?
  1. নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. হাজী শরীয়তুল্লাহ্
  4. স্যার সৈয়দ আহমেদ খান
সঠিক উত্তর:
স্যার সৈয়দ আহমেদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার সৈয়দ আহমেদ খান
ব্যাখ্যা

স্যার সৈয়দ আহমেদ খানের পত্রিকা প্রকাশ:
 - স্যার সৈয়দ আহমেদ খান ১৮৬৯ সালে ‘তাহযিব-উল-আখলাক’ নামে পত্রিকা প্রকাশ করেন।
- এই পত্রিকার উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার ও গোঁড়ামিমুক্ত করে সামাজিকভাবে সচেতন করা।
- বিভিন্ন কুসংস্কার, দাসপ্রথা, পীরমুরিদ সম্পর্ক ইত্যাদি সম্পর্কে উলে−খিত পত্রিকায় ব্যাপকভাবে প্রচার করেন।
• এছাড়াও, তিনি নিম্ন লিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন-
- বিজ্ঞান সমিতি গঠন।
- ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সমিতি গঠন। 
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি স্থাপন।

 উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৬.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কোন বাঙালি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন?
  1. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  2. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  3. নওয়াব আবদুল লতিফ
  4. হাজী মুহম্মদ মহসিন
সঠিক উত্তর:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা

• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

৩০৭.
বঙ্গবন্ধু জুলিও কুড়ি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত হয়েছিলেন কবে?
  1. ৯ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে
  2. ১০ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে
  3. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে
  4. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১০ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
জুলিও কুরি শান্তি পদক:

- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

তথ্যসুত্র - কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
৩০৮.
১৯৪০ সালে নারায়ণগঞ্জে প্রথম ট্যানারি স্থাপন করেন কে?
  1. রণদা প্রসাদ সাহা
  2. পি সি সরকার
  3. রাজীব প্রসাদ সাহা
  4. জহির উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
রণদা প্রসাদ সাহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রণদা প্রসাদ সাহা
ব্যাখ্যা
ট্যানারি শিল্প:
- ট্যানারি এক ধরনের কাঁচা চামড়া প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠান যেখানে জুতা, থলে বা ব্যাগ, স্যুটকেস, বেল্ট, মানিব্যাগ, জ্যাকেট প্রভৃতি উৎপাদন করা হয়। 
- ট্যানারি শিল্প বলতে চামড়া পাকা করা বা প্রক্রিয়াজাত করা হয়, এমন কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়।
- ট্যানারিতে পশুর কাঁচা চামড়া পাকা করার পর জুতা, ব্যাগ, স্যুটকেস, বেল্ট, মানিব্যাগ, জ্যাকেট ইত্যাদি উৎপাদনের উপযোগী চামড়া তৈরি করা হয়।

⇒ অতীতে কতিপয় দেশীয় রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করে খালি হাতে চামড়া প্রক্রিয়াজাত করা হতো।
- ১৯৪০ সালে নারায়ণগঞ্জে প্রথম ট্যানারি স্থাপন করেন রণদা প্রসাদ সাহা।
- পরবর্তীকালে ট্যানারিটি ঢাকার হাজারিবাগে স্থানান্তর করা হয়।
-  এটি পরবর্তীকালে ঢাকার হাজারীবাগে স্থানান্তর করা হয়।
- এই ট্যানারিকে কেন্দ্র করেই হাজারিবাগ এলাকায় অনেকগুলি ট্যানারি গড়ে উঠে।
- ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্প জনবহুল হাজারীবাগ এলাকা থেকে সাভারে নিজস্ব শিল্পনগরীতে স্থানান্তর করা হয়।

⇒ দেশ বিভাগের পূর্বপর্যন্ত পূর্ববঙ্গে উৎপাদিত সকল কাঁচা চামড়া পশ্চিম বাংলায় বিশেষত, কলকাতায় রপ্তানি হতো।
- ১৯৬০ সাল পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের ট্যানারিগুলো কাঁচা চামড়ার গায়ে লবণ মাখিয়ে তারপর তা রোদে শুকিয়ে প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন করত।
- এ প্রক্রিয়ায় তৈরি আধাপাকা চামড়াকে বলা হতো শাল্টু।
- ১৯৮২ সালে সরকার বিলগ্নীকরণ নীতির আওতায় ট্যানারিগুলোকে ব্যক্তিমালিকানায় হস্তান্তর করে।

উল্লেখ্য,
⇒ রণদা প্রসাদ সাহা:
- রণদা প্রসাদ সাহা বাংলাদেশের প্রখ্যাত সমাজসেবক, জমিদার ও দানবীর ব্যক্তিত্ব ছিলেন।
- আর. পি. সাহা নামেই তিনি সমধিক পরিচিত ছিলেন।
- তিনি বাংলাদেশে হাসপাতাল, একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গরীবদের কল্যাণার্থে ট্রাস্ট গঠন করেন।
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক অপহৃত হন।
- পরবর্তীকালে তার আর কোন খোঁজ পাওয়া যায় নি।
- সমাজসেবায় অবদানের জন্য ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩০৯.
শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক কলকাতার মেয়র নির্বাচিত হন কত সালে? 
  1. ১৯৩৭ সালে
  2. ১৯৩৫ সালে
  3. ১৯৩৮ সালে
  4. ১৯৪০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৫ সালে
ব্যাখ্যা

• শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক: 
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের।
- ১৮৭৩ সালে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জের সাতুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
- রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের কাছে তিনি শেরে বাংলা (বাংলার বাঘ) এবং 'হক সাহেব' নামে পরিচিত ছিলেন।
- ১৯৩৫ সালে তিনি কলকাতার মেয়র হন।
-  ১৯৩৭ সাল থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন।

উৎস: বাংলাপিাডিয়া।

৩১০.
কলকাতায় মুসলিম মহিলা ট্রেনিং স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয় কার প্রচেষ্টায়?
  1. সৈয়দ আমীর আলী
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. সৈয়দ আহমদ খান
  4. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন
ব্যাখ্যা

নারী শিক্ষা বিস্তার ও সমাজসেবায় বেগম রোকেয়ার অবদানঃ 
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন সাহিত্যিক, শিক্ষাব্রতী, সমাজসংস্কারক এবং নারী জাগরণ ও নারীর অধিকার আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- ১৯০৯ সালের ১লা অক্টোবর মাত্র পাঁচজন ছাত্রী নিয়ে ভাগলপুরে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
- রোকেয়ার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় ১৯১৭ সালে এই স্কুল মধ্য ইংরেজি গার্লস স্কুলে এবং ১৯৩১ সালে উচ্চ ইংরেজি গার্লস স্কুলে রূপান্তরিত হয়।
- বেগম রোকেয়া ১৯১৬ সালে “আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম” বা মুসলিম মহিলা সমিতি নামে একটি সংস্থা গড়ে তোলেন।
- তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ১৯২৯ সালে কলকাতায় মুসলিম মহিলা ট্রেনিং স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মুসলিম নারী জ্ঞান-বিজ্ঞানে প্রতিষ্ঠা লাভ করুক, আত্মনির্ভরশীল হয়ে মাথা তুলে দাড়াক, সামাজিক কর্মকান্ডে পুরুষের মত নারীও সমান অবদান রাখতে সক্ষম হোক এটাই ছিল তাঁর স্বপ্ন।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৩১১.
ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধিতে ভূষিত করে -
  1. মোগল সম্রাট
  2. ব্রিটিশ সরকার
  3. কলকাতা সংস্কৃত কলেজ
  4. ব্রাক্ষ্মসমাজ
সঠিক উত্তর:
কলকাতা সংস্কৃত কলেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা সংস্কৃত কলেজ
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১ খ্রি.):
- বাংলার নবজাগরণের ক্ষেত্রে রাজা রামমোহন রায়ের যোগ্য উত্তরসূরি ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- উনিশ শতকের বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবী ও সমাজকর্মী ।
ঈশ্বরচন্দ্রের জন্ম পশ্চিম বঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীর সিংহ গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে।
- কাব্য, অলঙ্কার শাস্ত্র, বেদান্ত, স্মৃতি, জ্যোতিষ ও যুক্তিবিদ্যায় তাঁর অসামান্য পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৮৩৯ সালে কলেজ কর্তৃপক্ষ তাঁকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেন
- তিনি সংস্কৃত কলেজে ইংরেজি শিক্ষা চালু করেন।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে তাঁর মহৎ কীর্তি কলকাতা মেট্রোপলিটন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা।
- উদার ও সংস্কারমনা বিদ্যাসাগর হিন্দু সমাজে প্রচলিত, বাল্য বিবাহ, বহু বিবাহ, বিধবা বিবাহ নিষিদ্ধ, সতীদাহ প্রথা সহ সামাজিক উন্নয়ন ব্যাহতকারী অন্যান্য অশুভ তৎপরতার বিরুদ্ধে জোর আন্দোলন পরিচালনা করেন।
- তাঁর প্রচেষ্টায় বিধবা বিবাহ আইনসম্মত করণে ১৮৫৬ সালে একটি আইন পাস করা হয়।
- ১৮৭২ সালে বহু বিবাহ ও বাল্য বিবাহ রহিতকরণে 'সিভিল ম্যারেজ এ্যাক্ট' প্রণয়নেও তাঁর প্রভূত অবদান রয়েছে।
-  ১৮৯১ সালের ২৫ জুলাই তিনি পরলোকগমণ করেন।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১২.
অবিভক্ত বাংলার কোন নেতা কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র ছিলেন?
  1. স্যার সৈয়দ আহমেদ খান
  2. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

• অবিভক্ত বাংলার কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র ছিলেন- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।

শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকঃ

- তার পূর্ণ নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক। 
- ১৮৭৩ সালের ২৯ অক্টোবর বরিশাল জেলার বানরীপাড়া থানার চাখার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯০৬ সালে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্টেটের চাকরি গ্রহণ করেন।
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরের অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯২৭ সালে তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- ১৯৩৫-৩৬ সালে প্রথম বাঙালি মুসলমান হিসাবে কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন।
- ১৯৩৭ সালে শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন। 
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তাঁর বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাঁকে উপাধি দেয় শের-ই-বঙ্গাল অর্থাৎ বাংলার বাঘ।
- তিনি ‘ঋণ সালিশী বোর্ড’ গঠন করেন।
- ১৯৪০ সালে মহাজনী আইন পাসের মাাধ্যমে সুদের হার ও চক্রবৃদ্ধি রহিত করেন।
- তাঁর প্রচেষ্টায় ফ্লাউড কমিশন গঠিত হয় এবং এ কমিশনের সুপারিশেই ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারী দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন পাস হয়। 
- ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টর-অব-ল উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৯৫৯ সালে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান তাঁকে ‘হিলাল-ই-পাকিস্তান’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল প্রায় ৮৯ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজাপুর উপজেলার ওয়েবসাইট

৩১৩.
রাজা রামমোহন রায় কোন পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন?
  1. সম্বাদ কৌমুদী
  2. মিরাতুল আখবার
  3. ব্রাহ্মণিকাল ম্যাগাজিন
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায়: 
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- ১৭৭৪ সালে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- বিশেষ করে ইংরেজি, বাংলা, আরবি, ফারসি, উর্দু, ল্যাটিন ও গ্রিক ভাষায় তিনি অসামান্য দক্ষতা অর্জন করেন।
- তিনি বেদান্তসূত্র ও বেদান্তসারসহ উপনিষদের অনুবাদ প্রকাশ করেন।
- তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে আছে তুহফাতুল মুজাহহিদদীন (একেশ্বরবাদ সৌরভ), মনজারাতুল আদিয়ান (বিভিন্ন ধর্মের উপর আলোচনা), ভট্টাচারে‍্যর সহিত বিচার, হিন্দুদিগের পৌত্তলিক ধর্মপ্রণালি ইত্যাদি।
- তাছাড়া তিনি সম্বাদ কৌমুদী, মিরাতুল আখবার ও ব্রাহ্মণিকাল ম্যাগাজিন নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশকও ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩১৪.
‘জমির মালিকানা কৃষকের’-কে এই ঘোষণা দিয়েছেন?
  1. মজনু শাহ
  2. মীর নিসার আলী
  3. হাজী শরিয়ত উল্লাহ
  4. দুদু মিয়া
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা
‘জমির মালিকানা কৃষকের’-দুদু মিয়া এই ঘোষণা দিয়েছেন।

দুদু মিয়া:

- দুদু মিয়া হাজী শরীয়তউল্লাহর একমাত্র পুত্র।
- তাঁর আসল নাম মুহসীনউদ্দীন।
- ১৮৪০ সালে পিতার মৃত্যুর পর দুদু মিয়া ফরায়েজী আন্দোলন এর নেতৃত্ব লাভ করেন।
- শিক্ষাগ্রহণের জন্য তিনি প্রায় পাঁচ বছর মক্কায় অতিবাহিত করেন এবং পিতার অসুস্থতার কারণে ১৯ বছর বয়সে দেশে ফিরে আসেন।
- দুদু মিয়াকে ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লব এর পর সরকার বন্দি করে।
- ১৮৬১ সালে মুক্তির পূর্বপর্যন্ত কলকাতার নিকটবর্তী আলীপুর জেলে তাঁকে আটক রাখা হয়।
- ১৮৬২ সালে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- দুদু মিয়ার নেতৃত্বেই ফরায়েজি আন্দোলন অনেক বেশি শক্তিশালী রাজনৈতিক-সামাজিক আন্দোলনের চরিত্র লাভ করে।
- তিনি সমাজের নৈতিক ও সামাজিক ব্যাধিসমূহ নির্মূল করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তিনি উপলব্ধি করেন যে, সমাজের সকল মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে এবং দরিদ্রদেরকে শোষণ ও নির্যাতনের কবল থেকে রক্ষা করতে হবে।
- দুদু মিয়া মনে করতেন, বিশ্বের মালিক ও প্রতিপালক একমাত্র আল্লাহ্।
- সুতরাং ভূসম্পত্তিসহ সকল প্রকার পার্থিব সম্পত্তি ও সম্পদের মালিকও আল্লাহ্।
- তাই কর বা খাজনা যদি দিতে হয়, তবে তা আল্লাহ্ পথে দিতে হবে, কোন ব্যক্তিকে নয়।
- তিনি ঘোষণা করেন ‘জমির মালিকানা কৃষকের’।

⇒ সে সময়কার জমিদারেরা রায়তদের ওপর যে সমস্ত খাজনা ও কর আরোপ করেছিল, দুদু মিয়া সেগুলোকে বেআইনি ও নীতি-বিরুদ্ধ বলে ঘোষণা দেন।
- নিপীড়িত রায়ত ও চাষীদেরকে জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচার থেকে রক্ষা করার জন্য দুদু মিয়া বাংলার পুরনো ঐতিহ্যবাহী সংগঠন পঞ্চায়েত ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করেন।
- তিনি সাম্য ও ন্যায়-বিচারের ভিত্তিতে সব ধরনের ঝগড়া-বিবাদ ও মামলা-মোকাদ্দমা সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করেন।
- তাঁর এ ঘোষণা নির্যাতিত কৃষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের কৃষকরা ফরায়েজী আন্দোলনের সমর্থনে তাঁর চারপাশে ভিড় জমাতে থাকে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৫.
পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী ছিল-
  1. ঢাকা
  2. কলকাতা
  3. আসাম
  4. মেদিনীপুর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
• বঙ্গভঙ্গের মূল পরিকল্পনাকারী- অ্যান্ড্র ফ্রেজার।
- বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ববঙ্গ ও আসাম , নামে নতুন প্রদেশ গঠিত হয়।
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
- বঙ্গভঙ্গের পক্ষে -মুসলিম এবং বিপক্ষে ছিল-হিন্দুরা
- হিন্দুদের তীব্র আন্দোলনের মুখে, রাজা পঞ্চম জর্জ ১৯১১ সালে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদ করেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদের ফলে , নিখিল ভারত মুসলিম লীগ ১৯০৬ প্রতিষ্ঠা হয়

উৎস: বাংলাপিডিয়া, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩১৬.
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. দিনাজপুর
  2. বরিশাল
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন: 
- বিশ শতকের শুরুতে যখন ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো জ্বলছে, বাঙালি মুসলমান মেয়েরা তখনও পিছিয়ে ছিল।
- মুসলমান সমাজের মেয়েরা সব অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল।
- লেখাপড়া শেখা তাদের জন্য একরকম নিষিদ্ধই ছিল।
- সমাজ ধর্মের নামে তাদের রাখা হতো পর্দার আড়ালে গৃহবন্দি করে।
- মুসলমান মেয়েদের এই বন্দিদশা থেকে যিনি মুক্তির ডাক দিলেন, তাঁর নাম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন যাকে সবাই বেগম রোকেয়া নামে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
- ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে তাঁর জন্ম।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩১৭.
'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. সৈয়দ আমীর আলী
  2. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  3. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  4. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আমীর আলী:
- সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীতে জন্ম গ্রহণ করেন।
- উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমীর আলী।
- তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি করতে চেয়েছেন। 
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।
- সৈয়দ আমীর আলী ১৮৭৭ সালে ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটিকে তিনি ভারতের অন্যান্য প্রদেশসমূহের শাখাগুলি অধিভুক্তির পর 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' নামে নতুন নামকরণ করেন।

• সংগঠনের উদ্দেশ্য:

- মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা সঞ্চার ও তাদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা।
- মুসলমানদের নৈতিক উন্নতি সাধন।
- মুসলমানদের ন্যায্য দাবি-দাওয়া নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সরকারের নিকট পেশ করা এবং
- ভারতের হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে মৈত্রী ও সম্প্রীতি সৃষ্টি করা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩১৮.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ. কে ফজলুল হক
  3. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
এ. কে ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ. কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
এ. কে ফজলুল হক: 
- অবিভক্ত বাংলার জাতীয় নেতা আবুল কাশেম ফজলুল হক তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতার জন্য ছিলেন সুপরিচিতি।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
- সর্বভারতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ফজলুল হক।
- তাঁর আপোষহীন ন্যায়নীতি ও অসামান্য বাকপটুতার কারণে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি বেশি পরিচিত ছিলেন শেরে বাংলা (বাংলার বাঘ) নামে।
- ১৯৩৫ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন তিনি। তিনিই ছিলেন এ পদে অধিষ্ঠিত প্রথম বাঙালি মুসলমান।
- অবিভক্ত বাংলা প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন পাবার পর ১৯৩৭ সালে সেখানে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- ওই নির্বাচনে বঙ্গীয় প্রাদেশিক পরিষদে তাঁর দল কৃষক-প্রজা পার্টি তৃতীয় বৃহত্তম দল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগ এবং নির্দলীয় সদস্যদের সঙ্গে জোট গঠন করেন মি. হক এবং এ. কে ফজলুল হক হন অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৪ মার্চ ২০২০)
৩১৯.
'Making of a Nation-Bangladesh' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. নুরুল ইসলাম
  2. ড. কামাল হোসেন
  3. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নুরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
নুরুল ইসলাম:
- প্রফেসর নুরুল ইসলাম ছিলেন একজন অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ এবং লেখক।
- নুরুল ইসলাম জন্মেছিলেন ১৯২৯ সনের ১লা এপ্রিল।

উল্লেখ্য,
- নুরুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
- তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ক্যাম্পেইন করেন।
- এছাড়া, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ‘মুজিবনগর সরকার’ কর্তৃক গঠিত পরিকল্পনা কমিশনের তিনি অন্যতম সদস্য ছিলেন।
- স্বাধীনতার পর তিনি পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।
- ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু হত্যার পরে অধ্যাপক নুরুল ইসলাম স্থাীয়ভাবে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান।

⇒ নুরুল ইসলাম মোট ২৯টি বই লিখেছেন:
- Corruption, Its Control and Drivers of Change, India, Pakistan, Bangladesh: A Primer on Political History, Development Planning in Bangladesh: A Study in Political Economy (UPL, 1979, reprint 1993), Development Strategy of Bangladesh (Pergamon, 1978), Foodgrain Price Stabilization in Developing Countries: Issues and Experiences in Asia (IFPRI, 1996), Exploration in Development Issues: Selected Articles of Nurul Islam (Ashgate, 2003) and Making of a Nation-Bangladesh: An Economist Tale (UPD 2003) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

উৎস: i) Rokomari.com
ii) বাংলাপিডিয়া।
৩২০.
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তাঁর কর্মজীবন শুরু করেছিলেন কোন পেশা দিয়ে?
  1. ইমামতি
  2. ডাক্তারি
  3. সরকারি কর্মকর্তা
  4. শিক্ষকতা
সঠিক উত্তর:
শিক্ষকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষকতা
ব্যাখ্যা

মওলানা আবদলু হামিদ খান ভাসানীঃ
- তৎকালীন পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জ মহকুমা শহরের ধনপাড়া গ্রামে তিনি ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।
- টাঙ্গাইলের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
- ভাসানীর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ-খেলাফত আন্দোলনের মধ্য দিয়ে।
- ১৯৩৭ সালে মওলানা ভাসানী মুসলিম লীগে যোগদান করেন এবং আসাম মুসলিম লীগের সভাপতি হন।
- তিনি পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন ১৯৪৯ সালের ২৪ জুন।
- রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে তাঁকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠায় ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৫৭ সালে মওলানা ভাসানী ঢাকায় পাকিস্তানের সকল বামপন্থী দলের একটি সম্মেলন আহবান করেন।
- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামক নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন এবং দলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন এবং টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম); বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২১.
'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' নামে পরিচিত কে?
  1. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. নওয়াব আব্দুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ১৮৯২ সালে। 
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয়।
- তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকেছেন।

• উল্লেখযোগ্য পদগুলো হলো-
- কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র ১৯২৪ সালে,
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রী,
- ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে খাজা নাজিমউদ্দীন মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী,
- ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী,
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং
- ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২২.
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী 'ন্যাপ' নামে রাজনৈতিক দল গঠন করেন কত সালে?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৫৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা

মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ছিলেন হাজী শরাফত আলী খান।
- ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়।
- পরে তিনি টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে গিয়ে তথাকার অত্যাচারিত কৃষকদের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৩৭ সালে ভাসানী মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং অচিরেই দলের আসাম শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল জন্মলাভ করে।
- নবগঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হন মাওলানা ভাসানী, এবং টাঙ্গাইলের শামসুল হক হন সাধারণ সম্পাদক।
- আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি হিসেবে ভাসানী তখনকার বিরোধী দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট নামে একটি মোর্চা গঠন করেন।
- এ মোর্চার অপরাপর নেতা ছিলেন এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিবুর রহমান ও হাজী মোহাম্মদ দানেশ।
- ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে এবং মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৭টি আসন।
- মওলানা ভাসানী ১৯৫৭ সালে কাগমারিতে আওয়ামী লীগের এক সম্মেলন আহবান করেন।
- টাঙ্গাইলের কাগমারিতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে আওয়ামী লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মধ্যে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কে মতবিরোধ দেখা দেয়।
- ঐ বছর ১৮ মার্চ মওলানা ভাসানী পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতির পদ ত্যাগ করেন।
- তিনি ১৯৫৭ সালে আওয়ামী লীগ ত্যাগ করেন এবং ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- মওলানা ভাসানী ফারাক্কা চুক্তিকে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থি বলে মনে করেন।
- তিনি ১৯৭৬ সালের ১৬ মে রাজশাহী থেকে ফারাক্কা অভিমুখে এক লং মার্চে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৩২৩.
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. আইভি রহমান
  2. শেখ হাসিনা
  3. রওশন এরশাদ
  4. বেগম খালেদা জিয়া
সঠিক উত্তর:
বেগম খালেদা জিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম খালেদা জিয়া
ব্যাখ্যা
বেগম খালেদা জিয়া:
- বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী (১৯৯১-১৯৯৬, ২০০১-২০০৬) এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপার্সন।
- বেগম খালেদা জিয়া ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলার জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর আদি নিবাস ছিল ফেনী জেলার ফুলগাজী থানায়।
- ১৯৬০ সালে তৎকালীন ক্যাপ্টেন এবং পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।
- ১৯৮১ সালের ৩০মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নির্মম হত্যাকান্ডের পর তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কঠিন সংকটের সম্মুখীন হয়।
- দলের তৎকালীন চেয়ারম্যান এবং দেশের রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এইচ.এম এরশাদ এক সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে উৎখাত করেন এবং ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ দেশে সামরিক আইন জারি করেন।
- দলের এ সংকটকালে ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে খালেদা জিয়া দলের সহসভাপতি এবং ১৯৮৪ সালের ১০ মে চেয়ারপার্সন পদে নির্বাচিত হন।
- খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ১৯৮৩ সালে সাতদলীয় জোট গঠন করে জেনারেল এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়।
- এরশাদের স্বৈরশাসন অবসানের লক্ষ্যে পরিচালিত ৯ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামে খালেদা জিয়া অবৈধ সরকারের সঙ্গে কোনোপ্রকার আপস করেন নি।
- ১৯৯১ সালের ২০ মার্চ বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- খালেদা জিয়ার উদ্যোগে রাষ্ট্রপতি-শাসিত থেকে সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় উত্তরণের লক্ষ্যে ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে সংবিধানের ঐতিহাসিক দ্বাদশ সংশোধনী বিল পাস হয়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার অধীনে খালেদা জিয়া ১৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পুনরায় শপথ গ্রহণ করেন।
- ১৯৯৩-৯৪ অর্থবছরে দেশে প্রথমবারের মতো উৎপাদন ও আমদানি পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর প্রবর্তন করা হয়, যার মাধ্যমে রাজস্ব আহরণের নতুন দুয়ার উন্মুক্ত হয়।
- পল্লী অঞ্চলে মেয়েদের মাধ্যমিক শিক্ষা অবৈতনিক করা হয় এবং মাধ্যমিক পর্যায়ের ছাত্রীদের জন্য দেশব্যাপী একটি উপবৃত্তি কর্মসূচি চালু করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩২৪.
মুসলমান নারী কর্তৃক লিখিত প্রথম বাংলা সাহিত্যকর্ম ‘রূপজালাল’–এর লেখক কে?
  1. বেগম রোকেয়া
  2. সুফিয়া কামাল
  3. শামসুন নাহার মাহমুদ
  4. নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
ব্যাখ্যা

নওয়াব ফয়জুন্নেসা:
- অবিভক্ত ভারতীয় রক্ষণশীল মুসলিম নারীদের মধ্যে এক উজ্জল নক্ষত্র নওয়াব ফয়জুন্নেসা সততা, মহানুভবতা, সাহিত্য সাধনা ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রেখে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
- জনকল্যাণে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ইংল্যান্ডের তৎকালীন মহারানী ভিক্টেরিয়া তাকে নওয়াব উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৮৩৪ সালে ত্রিপুরা জেলার (বর্তমানে কুমিল্লা) লাকসাম থানার পশ্চিমগাঁও গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- স্বীয় প্রতিভা বলে দ্রুত বিদুষী হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।
- তিনিই এক মাত্র ভারতীয় মহিলা যিনি ব্রিটিশ কর্তৃক ভারতীয়দের জন্য দেওয়া শ্রেষ্ঠতম সম্মান নওয়াব উপাধি লাভ করেন।
- বাংলাদেশের সরকার ২০০৪ সালে নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীকে মরণোত্তর একুশে পদক প্রদান করে।

⇒ সহিত্য সাধনা:
- আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মুসলমান সাহিত্যিক হিসেবে নবাব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীকে কৃতিত্ব দেয়া হয়।
- তার লেখা পদ্য ও গীতি আলেখ্য 'রূপজালাল' প্রকাশিত হয় ১৮৭৬ সালে। বলা হয়ে থাকে এটি বাংলায় কোন নারী মুসলমান লেখকের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। 'রূপজালাল' বস্তুত রূপকের আশ্রয়ে একটি আত্মজীবনীমূলক রচনা। এরপরেও আরো দুইটি কবিতার বই প্রকাশিত হয় তার, 'সঙ্গীত লহরী' এবং 'সঙ্গীতসার'।

উৎস: i) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) BBC.

৩২৫.
বোফর্স কেলেঙ্কারীর সাথে কে জড়িত ছিলেন?
  1. ইন্দিরা গান্ধী
  2. পারভেজ মোশাররফ
  3. নরসীমা রাও
  4. রাজীব গান্ধী
সঠিক উত্তর:
রাজীব গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজীব গান্ধী
ব্যাখ্যা
রাজীব গান্ধী:
- ভারতের ৪র্থ প্রধানমন্ত্রী (.১৯৮৪-১৯৮৯) ছিলেন।
- তিনি বোফর্স কেলেঙ্কারীর সাথে জড়িত ছিলেন। 
- বোফর্স মূলত সুইডেনের একটি সমরাস্ত্র নির্মাতা কোম্পানি।
- রাজীব গান্ধীকে হত্যা করার জন্য বোমা বহনকারী আত্মঘাতী মহিলা – থানু (গায়েত্রী)।
- রাজীব গান্ধীকে হত্যা করার দায়ে অভিযুক্ত যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত আসামী নলিনী।
- রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পর কংগ্রেসের সভাপতি হন – নরসীমা রাও।

ড. মনমোহন সিং:
- প্রথম শিখ প্রধানমন্ত্রী (২০০৪– ২০১৪) ছিলেন।

ইন্দিরা গান্ধী:
- ভারতের ৩য় প্রধানমন্ত্রী (১৯৬৬-১৯৭৭,১৯৮০-১৯৮৪) ছিলেন।
- ভারতের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
- দেহরক্ষী সাতওয়ান্ত সিং এবং বিআন্ট সিং এর গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যুর পর ব্ল্যাক ক্যাট (ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড) গঠন করা হয়।

উৎস: i) PM India Website
ii) সংবাদ প্রতিদিন
৩২৬.
'মজলুম জননেতা' নামে কে পরিচিত?
  1. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  2. মওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগিশ
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা

মওলানা আবদলু হামিদ খান ভাসানী: 
- তিনি ১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর তৎকালীন পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জ মহকুমা শহরের অদূরবর্তী ধনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁকে “মজলুম জননেতা” বলা হয়, কারণ তিনি সবসময় শোষিত, বঞ্চিত ও প্রান্তিক মানুষের পক্ষে লড়েছেন।
- টাঙ্গাইলের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। 
- ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ-খেলাফত আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ভাসানীর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়।
- মওলানা ভাসানী ১৯৩৭ সালে মুসলিম লীগে যোগদান করেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি আসাম মুসলিম লীগের সভাপতি হন।
- ১৯৪৯ সালের ২৪ জুন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন মওলানা ভাসানী।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনে তাঁকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠায়।
- ১৯৫৭ সালে মওলানা ভাসানী ঢাকায় পাকিস্তানের সকল বামপন্থী দলের একটি সম্মেলন আহবান করেন। 
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামক নতুন একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- তিনি এই দলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ভাসানী ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। টাঙ্গাইলের সন্তোষে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম); বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৭.
'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' হিসেবে খ্যাত নেতা কে?
  1. মাওলানা ভাসানী
  2. এ. কে. ফজলুল হক
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. আবুল মনসুর আহমদ
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- তিনি 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' হিসেবে খ্যাত।

উল্লেখ্য,
- ১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে সম্ভ্রান্ত এক পরিবারে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯২১ সনে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হবার পর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের অসাম্প্রদায়িক মানসিকতা, উদার দৃষ্টিভঙ্গি ও গভীর স্বদেশপ্রেম দ্বারা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দারুণভাবে অনুপ্রাণিত হন।
- ১৯২১ সালে শহীদ সোহরাওয়ার্দী বঙ্গীয় আইন পরিষদে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
- তিনি ব্রিটিশ শাসন অবসানের লক্ষ্যে হিন্দু-মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯২৩ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ এর নেতৃত্বে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' চুক্তি সম্পাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

⇒ ১৯৩৭ সালে তিনি মুসলিম লীগে যোগ দেন।
- ১৯৪৯ সালের আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৬৩ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ পাকিস্তানে গণতন্ত্র ও শিক্ষিত মানুষের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
- বাংলাদেশের তিনি ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র' নামেই পরিচিত।

উৎস: i) সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।