বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত

মোট প্রশ্ন২,৪০৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত

PrepBank · পাতা / ২৪ · ৫০১৬০০ / ২,৪০৪

৫০১.
কীসের আকর্ষণে জোয়ার ভাটা হয়?
  1. ক) সূর্য
  2. খ) চন্দ্র
  3. গ) নক্ষত্র
  4. ঘ) উপগ্রহ
সঠিক উত্তর:
খ) চন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চন্দ্র
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সকল পদার্থ একটি অপরটিকে আকর্ষণ করছে। এ আকর্ষণকে মহাকর্ষ (gravitation) বলে। মহাকর্ষের প্রভাবে পৃথিবী সর্বদা সূর্যের চারদিকে এবং চন্দ্র সর্বদা পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। আর এই কারণেই পৃথিবীর জলরাশি কখনো বিচ্ছিন্ন হতে পারে না। মহাকাশে অবস্থিত সব নক্ষত্র, গ্রহ ও উপগ্রহের এ আকর্ষণের পরিমাণ সমান না। বড় পদার্থের আকর্ষণ ক্ষমতা ছোট পদার্থ অপেক্ষা বেশি। চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। ফলে জোয়ার ভাঁটায় চন্দ্রের প্রভাব বেশি লক্ষ্য করা যায়। জোয়ার-ভাঁটার ক্ষেত্রে চন্দ্র ও সূর্য উভয়ই পৃথিবীর ওপর নিজ নিজ শক্তি প্রয়োগ করলেও চন্দ্রের শক্তির অধিকতর প্রয়োগ হয়।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ভূগোল প্রথম পত্র বই (উন্মুক্ত)
৫০২.
কোনটির কারণে রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়?
  1. জলীয় বাষ্প
  2. ওজোন
  3. লবণ
  4. দুর্বল এসিড
সঠিক উত্তর:
ওজোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন
ব্যাখ্যা
রাবার: 
- বর্তমান দুনিয়ায় রাবার একটি অতি প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য দ্রব্য।
- পেন্সিলের লেখা মোছার ইরেজার থেকে শুরু করে সাইকেল, রিক্সা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন এসবই রাবার।
- এছাড়াও রাসায়নিক, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক শিল্পে, পানির পাইপ, সার্জিকেল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল ইত্যাদি প্রস্তুতিতে বিপুল পরিমাণ রাবার ব্যবহৃত হয়। 
- প্রাকৃতিক রাবার একটি অদানাদার, পানিতে অদ্রবণীয় কঠিন কিন্তু প্লাস্টিকের চেয়ে নরম পদার্থ। 
- রাবার জৈব দ্রাবক এসিটোন, মিথানল ইত্যাদিতে অদ্রবণীয় হলেও ইথার, টারপিন, পেট্রোল ইত্যাদিতে দ্রবণীয়।
- রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 

- রাবার একটি তাপ সংবেদনশীল ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ।
- বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ ও তাপ কুপরিবাহী। তবে বিশেষভাবে তৈরি রাবার বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে।
- অন্যান্য পদার্থে তাপ দিলে আয়তন বাড়ে কিন্তু রাবারে তাপ দিলে আয়তন কমে। 
- রাবার পানি, এসিড, দুর্বল ক্ষার ইত্যাদির সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তাই প্রলেপ দেয়ার কাজে রাবারকে ব্যবহার করা হয়। 
- রাবার এসিড, ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া না করলেও বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা আক্রান্ত হয়।
-অনুরূপভাবে, প্রাকৃতিক রাবার ওজোনের (O3) সাথে বিক্রিয়া করে, ফলে রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ও একসময় নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০৩.
চাঁদের উপর সর্বপ্রথম পা রাখেন-
  1. ক) ইউরি গ্যাগরিন
  2. খ) মাইকেল কলিন্‌স
  3. গ) নীল আর্মস্ট্রং
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন এনড্রুন
সঠিক উত্তর:
গ) নীল আর্মস্ট্রং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নীল আর্মস্ট্রং
ব্যাখ্যা

- নাসা প্রেরিত অ্যাপোলো-১১ মহাকাশযানে করে ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই মানুষ প্রথম চাঁদে পা রাখে।
- এদিন মার্কিন নভোচারী ‘নীল আর্মস্ট্রং’ প্রথম মানব হিসেবে চাঁদের বুকে পা রাখেন। তার কিছুক্ষণ পর দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে ‘বাজ অলড্রিন’ চাঁদের বুকে পা রাখেন।
- তাদের অপর সঙ্গী ‘মাইকেল কলিন্স’ চাঁদের কক্ষপথে কমান্ড মডিউলে অবস্থান করছিলেন।
সোর্স নাসা ওয়েবসাইট।

৫০৪.
পৃথিবীর কতটি উপগ্রহ আছে? 
  1. ২ টি 
  2. ১ টি 
  3. ৩ টি 
  4. ৪ টি 
সঠিক উত্তর:
১ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি 
ব্যাখ্যা

পৃথিবী (Earth): 
- সৌরজগতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রহ হলো পৃথিবী। 
- এটি সৌরজগতের মাঝারী আকারের একটি গ্রহ (গড় ব্যস হলো ১২,৭৩৪.৫ কি. মি. প্রায়)। 
- পৃথিবী নিজ কক্ষপথটি ডিম্বাকৃতির ও মোট ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড বা এক বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিন করে থাকে। 
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা এক দিনে আর্বতন করে। 
- পৃথিবীর এক (১) টি মাত্র উপগ্রহ হলো চন্দ্র। 
- সৌরজগতের সকল গ্রহের মধ্যে কেবল পৃথিবী জীব ও উদ্ভিদের বসবাস উপযোগী গ্রহ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০৫.
কৃষ্ণগহ্বর অস্তিত্বের পূর্বাভাস পাওয়া যায় কোন তত্ত্বে?
  1. বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  2. সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  3. আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব
  4. ফটো ইলেকট্রিক ইফেক্ট
সঠিক উত্তর:
সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাকহোল হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে অদ্ভুত ও রহস্যময় বস্তু। ব্ল্যাকহোলের মাঝে শক্তিশালী মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বিরাজমান এমনকি আলো ব্ল্যাকহোলের হাত থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না।
আলবার্ট আইনস্টাইন তার সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব দিয়ে 1916 সালে প্রথম ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্বের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।

উৎস: www.space.com
৫০৬.
নিম্নের কোনটি নক্ষত্র নয়?
  1. ক) সূর্য
  2. খ) ব্যাটেলজিউস
  3. গ) প্রক্সিম সেন্টরাই
  4. ঘ) অ্যানড্রোমিডা
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যানড্রোমিডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অ্যানড্রোমিডা
ব্যাখ্যা

অ্যানড্রোমিডা একটি সর্পিলাকার ছায়াপথ (spiral galaxy)।
এর অবস্থান অ্যানড্রোমিডা তারামণ্ডলে। অপর নাম মেসিয়ার ৩১ বা এম৩১ (M31)।
জ্যোতির্বিদ চার্লে মেসিয়ে এর নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয়। একে আবার অনেক সময় গ্রেট নেবুলাও বলা হত।
বড় ছায়াপথদের মধ্যে অ্যানড্রোমিডা হল আমাদের ছায়াপথের সবচেয়ে নিকটবর্তী ছায়াপথ। নাম রাখা হয়েছিল পৌরাণিক রাজকুমারী অ্যানড্রোমিডার নাম অনুসারে।

৫০৭.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে ওজোন গ্যাসের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  3. মেসোস্ফিয়ার
  4. থার্মোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
◉ ওজোন স্তর বা Ozone Layer মূলত স্ট্রাটোস্ফিয়ারের ১৫–৩৫ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এটি সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি (UV) রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীর জীবজগতকে সুরক্ষা দেয়।

স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere):
- বায়ুমণ্ডলের দ্বিতীয় স্তর স্ট্রাটোমণ্ডল।
- ট্রপোবিরতির উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত স্ট্রাটোমণ্ডল নামে পরিচিত।
- স্ট্রাটোমণ্ডল ও মেসোমণ্ডলের মধ্যবর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রার স্থিতাবস্থাকে স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause) বলে।

• স্ট্রাটোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য (Characteristics of the Stratosphere):
- বায়ুমণ্ডলের এই স্তরেই ওজোন (O3) গ্যাসের স্তর বেশি পরিমাণে আছে।
- এ ওজোন স্তর সূর্যের আলোর বেশিরভাগ অতিবেগুনি রশ্মি (Ultraviolate rays) শুষে নেয়। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ৪° সেলিসিয়াস পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় ৷
- এই স্তরের বায়ুতে অতি সূক্ষ্ম ধূলিকণা ছাড়া কোনোরকম জলীয়বাষ্প থাকে না। ফলে আবহাওয়া থাকে শান্ত ও শুষ্ক।
- ঝড়বৃষ্টি থাকে না বলেই এই স্তরের মধ্য দিয়ে সাধারণত জেট বিমানগুলো চলাচল করে ।
- প্রায় ৫০ কিলোমিটার উচ্চতায় তাপমাত্রা পুনরায় হ্রাস পেতে শুরু করে। এটি স্ট্রাটোমণ্ডলের শেষ প্রান্ত নির্ধারণ করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫০৮.
টেলিভিশনের মৌলিক রং নয় কোনটি?
  1. ক) হলুদ
  2. খ) লাল
  3. গ) নীল
  4. ঘ) সবুজ
সঠিক উত্তর:
ক) হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হলুদ
ব্যাখ্যা
টেলিভিশন
- টেলিভিশন এমন একটি যন্ত্র, যেখানে দূরবর্তী কোনো টেলিভিশন সম্প্রচার স্টেশন থেকে শব্দের সাথে সাথে ভিডিও বা চলমান ছবিও দেখা যায়। 
- ১৯২৬ সালে জন লজি বেয়ার্ড প্রথম টেলিভিশনের মাধ্যমে ভিডিও বা চলমান ছবি পাঠিয়েছিলেন। 
- টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি আলাদা সিগন্যাল হিসেবে পাঠানো হয়। 
- চলমান ছবি বা ভিডিও পাঠাতে হলে প্রতি সেকেন্ডে ২৫টি স্থিরচিত্র পাঠাতে হয় এবং আমাদের চোখে তখন সেগুলোকে আলাদা আলাদা স্থিরচিত্র মনে না হয়ে একটি চলমান ছবি বলে মনে হয়। 
- টেলভিশনে রঙিন ছবি পাঠানোর জন্য টেলিভিশন ক্যামেরা প্রতিটি ছবিকে লাল, সবুজ ও নীল (RGB) এই তিনটি মৌলিক রংয়ে ভাগ করে তিনটি আলাদা ছবি তুলে দেয়। 

- টেলিভিশন ক্যামেরার ভেতরে আলো CCD ( Charge Coupled Device) ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক সিগন্যালে রূপান্তরিত করা হয়। 
- এই বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গ ব্যবহার করে এন্টেনার ভেতর দিয়ে পাঠানো হয়। 
- বর্তমানে ইলেকট্রন গান দিয়ে স্ক্রিনে ছবি তৈরি না করে লাল, সবুজ ও নীল রংয়ের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এলইডি ( Light Emitting Diode) -তে বিদ্যুৎ প্রবাহ করে ছবি তৈরি করা হয়। 
- এলইডি টেলিভিশনের ছবির ঔজ্জ্বল্য অনেক বেশি এবং গুণগত মানও অনেক ভালো। 
- এন্টেনার সাহায্যে টেলিভিশনের সিগন্যাল পাঠানো ছাড়াও কো-এক্সিয়াল ক্যাবল দিয়েও সিগন্যাল পাঠানো যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫০৯.
পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে পূর্ব–পশ্চিমে অতিক্রম করা অক্ষরেখাটির নাম কী?
  1. কর্কটক্রান্তি রেখা
  2. নিরক্ষরেখা
  3. সুমেরুবৃত্ত
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখা
ব্যাখ্যা

নিরক্ষরেখা: 
- পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে যে রেখাটি পূর্ব-পশ্চিমে সমগ্র পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে নিরক্ষরেখা বলে। 
- নিরক্ষরেখার অপর নাম হলো- বিষুবরেখা (Equator), ০° অক্ষরেখা (০° Latitude), মহাবৃত্ত (Great circle)। 

কর্কটক্রান্তি ও মকরক্রান্তি রেখা: 
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলে। 
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। 
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে। 

সুমেরুবৃত্ত ও কুমেরুবৃত্ত: 
- উত্তর গোলার্ধে ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরুবৃত্ত এবং ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরুবৃত্ত বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৫১০.
সৌরজগতের কোন গ্রহটি  খালি চোখে দেখা যায় না?
  1. প্লুটো
  2. শুক্র
  3. বুধ
  4. নেপচুন
সঠিক উত্তর:
নেপচুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেপচুন
ব্যাখ্যা

• নেপচুনের তথ্য:
- নেপচুন আমাদের সৌরজগতের অষ্টম এবং সবচেয়ে দূরবর্তী গ্রহ।
- নেপচুনই আমাদের সৌরজগতের একমাত্র গ্রহ যা খালি চোখে দেখা যায় না।
- ১৬১২ এবং ১৬১৩ সালে গ্যালিলিও তার ছোট টেলিস্কোপ দিয়ে পর্যবেক্ষণের সময় নেপচুনকে একটি স্থির নক্ষত্র হিসেবে রেকর্ড করেছিলেন। 
- নিরক্ষীয় ব্যাস ৩০,৭৭৫ মাইল (৪৯,৫২৮ কিলোমিটার) হওয়ায়, নেপচুন পৃথিবীর চেয়ে প্রায় চারগুণ প্রশস্ত।
- সূর্য থেকে নেপচুনের গড় দূরত্ব ৪.৫ বিলিয়ন কিলোমিটার।
- নেপচুনের এক দিনে প্রায় ১৬ ঘন্টা সময় লাগে (নেপচুনের একবার আবর্তন বা ঘূর্ণন করতে যে সময় লাগে)।
- নেপচুন সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ সম্পূর্ণ করে (নেপচুনিয়ান সময়ে এক বছর) প্রায় ১৬৫ পৃথিবী বছরে (৬০,১৯০ পৃথিবী দিন)।
- নেপচুনের নামকরণ করা হয়েছিল রোমান সমুদ্র দেবতার নামে।
- নেপচুনের ১৬টি উপগ্রহ আছে। 
- নেপচুনের বৃহত্তম উপগ্রহ ট্রাইটন আবিষ্কার করেন ১০ অক্টোবর, ১৮৪৬ সালে, জোহান গটফ্রাইড গ্যাল গ্রহটি আবিষ্কার করার মাত্র ১৭ দিন পরে।

উৎস: NASA.

৫১১.
মানব-সৃষ্ট দুর্যোগের উদাহরণ কোনটি? 
  1. ভূমিকম্প 
  2. বন্যা 
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. জলাবদ্ধতা
সঠিক উত্তর:
জলাবদ্ধতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলাবদ্ধতা
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ (Disaster): 
- একটি বিপর্যয় যখন কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের বেশির ভাগ মানুষকে বিপদাপন্ন করে তুলে এবং তাদের নিজস্ব মোকাবিলা ক্ষমতার বাইরে চলে যায়, তখন তাকে দুর্যোগ বলে। 
- দুর্যোগ একটি এলাকার স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রচণ্ডভাবে বিঘ্ন ঘটায় এবং জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে। 
- ক্ষতিগ্রস্থ সমাজের পক্ষে নিজস্ব সম্পদ দিয়ে এই ক্ষতি মোকাবিলা করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। 
- দুর্যোগ কোনো স্থানের জনবসতিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়, যার ফলে ঐ জনবসতি সহজে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে না। 

বিশ্বব্যাপী দুর্যোগসমূহের প্রকারভেদ: 
- পৃথিবীর যে কোনো দেশে দুই ধরনের দুর্যোগ সংঘটিত হয়। 
যেমন- 
১। প্রাকৃতিক দুর্যোগ: 
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। 
যেমন: অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্প, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি। 

২। মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ: 
- মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। 
যেমন: জলাবদ্ধতা, অগ্নিকান্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১২.
কোন মুসলিম মনীষী সর্বপ্রথম পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ক) প্রফেসর আব্দুল কালাম
  2. খ) প্রফেসর আব্দুস সালাম
  3. গ) এপিজে আবুল কালাম
  4. ঘ) প্রফেসর ইসহাক
সঠিক উত্তর:
খ) প্রফেসর আব্দুস সালাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রফেসর আব্দুস সালাম
ব্যাখ্যা
Abdus Salam was a theoretical physicist who became the first Muslim to be awarded the Nobel Prize in the sciences.Source: bbc.com
৫১৩.
কৃষ্ণবিবরের গঠন বা মহাকর্ষিক প্রভাবের কারণে মূলত কোন কণা মুক্ত হতে পারে না? 
  1. প্রোটন 
  2. ফোটন 
  3. ইলেকট্রন 
  4. নিউট্রন 
সঠিক উত্তর:
ফোটন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফোটন 
ব্যাখ্যা

কৃষ্ণবিবর (Black hole): 
- ১৯৬৯ সালে জন হুইলার নামক জনৈক মার্কিন বিজ্ঞানী কৃষ্ণবিবর আবিষ্কার করেন। 
- তিন সৌর ভরের সমান বা বেশি ভরের নক্ষত্রের সুপার নোভা বিস্ফোরণের পর এর অন্তর্বস্তু অনির্দিষ্টভাবে সংকুচিত হতে থাকে। 
- সংকোচনের কারণে আয়তন প্রায় শূন্য এবং ঘনত্ব প্রায় অসীম হওয়ায় মহাকর্ষ ক্ষেত্র এমন প্রবল হয় যে, এ জাতীয় বস্তু থেকে এর মহাকর্ষকে কাটিয়ে কোনো প্রকার আলো বা সংকেতও বেরিয়ে আসতে পারে না, তাই বস্তুটিকে আর দেখা যায় না। নক্ষত্রের এই অবস্থাকে বলা হয় কৃষ্ণবিবর (Black hole)। 
- বাস্তবে g-এর মান এত বেশি হয় যে, এমনটি ফোটন কণাও এর পৃষ্ঠ থেকে মুক্ত হতে বা বেরিয়ে আসতে পারে না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫১৪.
পৃথিবীর জলরাশির শতকরা কত ভাগ সমুদ্র ও মহাসাগরে রয়েছে? 
  1. ৯৫.০০%
  2. ৯৭.২৫%
  3. ৯২.৮৫%
  4. ৯৯.৯৯%
সঠিক উত্তর:
৯৭.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৭.২৫%
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডল: 
- 'Hydrosphere'-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। 
- 'Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি, এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। 
- বারিমণ্ডল বলতে বোঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ। 
- পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর) এবং মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। 
- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। 
- পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। 
- জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ ও শতকরা হার হচ্ছে- 
সমুদ্র = ৯৭.২৫%
• হিমবাহ = ২.০৫%, 
• ভূগর্ভস্থ পানি = ০.৬৮%, 
• হ্রদ = ০.০১%, 
• মাটির আর্দ্রতা = ০.০০৫%, 
• বায়ুমণ্ডল = ০.০০১%, 
• নদী = ০.০০০১% এবং 
• জীবমণ্ডল = ০.০০০০৪% ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫১৫.
পৃথিবীর সবচেয়ে বড় টেকটোনিক প্লেট কোনটি?
  1. ইউরেশিয়ান প্লেট
  2. উত্তর আমেরিকান প্লেট
  3. প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
  4. আফ্রিকান প্লেট
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট
ব্যাখ্যা
• প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate):
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate) হলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় টেকটোনিক প্লেট।

- এর আয়তন প্রায় 40,000,000  বর্গকিলোমিটার যা উত্তর আমেরিকা মহাদেশের চেয়েও বড়।
- এটি প্রধানত প্রশান্ত মহাসাগর (Pacific Ocean) এর নিচে অবস্থিত এবং বেশ কয়েকটি ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির জন্য পরিচিত।

• টেকটোনিক প্লেট:

- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
-  ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।
- প্লেটগুলো হলো:
- ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
- উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
- দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate),
- আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
- অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
- ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate).

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫১৬.
LED তে শক্তির কী ধরনের রূপান্তর হয়?
  1. ক) আলোক শক্তি তাপশক্তিতে
  2. খ) তাপ শক্তি আলোক শক্তিতে
  3. গ) তড়িৎ শক্তি আলোক শক্তিতে
  4. ঘ) তড়িৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ শক্তি আলোক শক্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ শক্তি আলোক শক্তিতে
ব্যাখ্যা
LED এর পূর্ণরূপ - Light Emitting Diode.
অর্থাৎ, LED থেকে আলো নির্গত হয়। এতে তড়িৎ শক্তি আলোক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

শক্তির রূপান্তর
প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্রকার শক্তি রয়েছে। এ সকল শক্তি একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত এবং এক শক্তিকে অন্য শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। একেই শক্তির রূপান্তর বলে।
নিচে শক্তির রূপান্তরের কয়েকটি উদাহরণ দেয়া হল।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে তাপ ও আলোক শক্তি:
বৈদ্যুতিক বাল্বের ভিতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে সেটি ফিলামেন্টে বাঁধাপ্রাপ্ত হয় এবং উত্তপ্ত হয় এবং আমরা আলো দেখতে পাই। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি তাপে এবং তাপশক্তি আলোকশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে যান্ত্রিক শক্তি:
বিদ্যুৎ শক্তি চালনা করে পাখা ঘুরানো হয়। এ ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

রাসায়নিক শক্তি থেকে তাপশক্তি:
কয়লা পোড়ালে তাপ শক্তি উৎপন্ন হয়। রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এ তাপ উৎপন্ন হয়। এ ক্ষেত্রে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে শব্দ শক্তি:
বিদ্যুতের সাহায্যে বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজানো হয়। বৈদ্যুতিক ঘণ্টা বাজার ফলে শব্দ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

বিদ্যুৎ শক্তি থেকে চুম্বক শক্তি:
কাঁচা লোহার উপর অন্তরীত (Insulted) তামার তার জড়িয়ে বিদ্যুৎ চালনা করলে লোহাটি চুম্বকে পরিণত হয়। এক্ষেত্রে বিদ্যুৎ শক্তি চুম্বক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

তাপ শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি:
কয়লা পুড়িয়ে তাপ উৎপন্ন করা হয়। এ তাপের সাহায্যে পানিকে বাষ্পে পরিণত করা হয়। যা দ্বারা টারবাইন চালানো হয়। আবার টারবাইন চালিয়ে ডায়নামো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়। এক্ষেত্রে তাপশক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

আলোক শক্তি থেকে রাসায়নিক শক্তি:
ফটোগ্রাফিক ফিল্মের উপর আলো ফেললে রাসায়নিক ক্রিয়ার মাধ্যমে আলোক চিত্র তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

যান্ত্রিক শক্তি থেকে পারমাণবিক শক্তি:
ইউরেনিয়ামকে নিউট্রন দিয়ে আঘাত করলে ভেঙ্গে যায় এবং প্রচুর পরিমাণ পারমাণবিক শক্তি উৎপন্ন করে। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি পারমাণবিক শক্তিতে পরিণত হয়।

সূত্র: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৭.
পৃথিবীর বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর কোনটি?
  1. ক) আটলান্টিক মহাসাগর
  2. খ) ভারত মহাসাগর
  3. গ) উত্তর মহাসাগর
  4. ঘ) প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
প্রশান্ত মহাসাগর পৃথিবীর বৃহত্তম এবং গভীরতম মহাসাগর। এর আয়তন ১৬ কোটি চল্লিশ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার এবং গড় গভীরতা ৪২৭০ মিটার।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী
৫১৮.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে উৎকৃষ্টমানের 'বিটুমিনাস' কয়লা পাওয়া যায়?
  1. ক) রানীপুকুর
  2. খ) শ্যামপুর
  3. গ) পার্বতীপুর
  4. ঘ) মধ্যপাড়া
সঠিক উত্তর:
গ) পার্বতীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পার্বতীপুর
ব্যাখ্যা
- দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ৯নং হামিদপুর ইউনিয়নে ভবানীপুর বাজার হইতে দক্ষিনে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি অবস্থিত  । 
- এখানে সবচেয়ে দামী বিটুমিনাস কয়লা উত্তোলন করা হয়।
-  এই কয়লা খনি থেকে বার্ষিক ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বিটুমিনাস কয়লা উৎপাদন করা হয়।
- এখানে উত্তোলিত কয়লার অধিকাংশই বড় পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়। 
- দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তগত ভবানীপুরে বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত। 
- এটি দেশের প্রথম কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরন করে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানী হিসাবে প্রচলিত গ্যাস বা তেলের পরির্বতে বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্প হইতে উত্তোলনকৃত উন্নতমানের বিটুমিনাস কয়লা ব্যবহার করা হয়।
 
উল্লেখ্য,
রংপুর জেলার রানীপুকুর ও শ্যামপুর এবং দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় কঠিন শিলার সন্ধান পাওয়া গেছে। 
 
উৎস: দিনাজপুর জেলা ওয়েবসাইট; বাংলাদেশ সম্পদ ও শিল্প, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫১৯.
নিচের কোন দুর্যোগটি পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়? 
  1. ঘূর্ণিঝড় 
  2. বন্যা 
  3. জলোচ্ছ্বাস 
  4. ভূমিকম্প 
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প 
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প: 
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। 
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। 
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। 
- কোন ধরনের আগাম সতর্ক সংকেত ব্যতীত সংঘটিত দুর্যোগ হলো ভূমিকম্প। 
- ভূমিকম্প সংঘটনের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল চিহ্নিত করা সম্ভব হলেও ভূমিকম্প সংঘটনের পূর্বে সতর্কতা প্রাপ্তি এখনো সম্ভব হয়নি। 

অন্যদিকে, 
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস ক্ষেত্রে পূর্বাভাস পাওয়া যায়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যাল এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫২০.
কোনটির জন্য নদীর মোহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না?
  1. ক) পৃথিবীর আহ্নিক গতি
  2. খ) নিয়ত বায়ুপ্রবাহ
  3. গ) সমুদ্র জলের লবণাক্ততার পার্থক্য
  4. ঘ) জোয়ার ভাটা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জোয়ার ভাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জোয়ার ভাটা
ব্যাখ্যা
দৈনিক দুবার জোয়ার-ভাটা হওয়ার ফলে ভাটার টানে নদীর মোহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ।
৫২১.
নিচের কোনটি পাললিক শিলা?
  1. ব্যাসল্ট
  2. কোয়ার্টজাইট
  3. গ্রানাইট
  4. চুনাপাথর
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুনাপাথর
ব্যাখ্যা
ভূত্বক গঠিনকারী উপাদানসমূহ শিলা নামে পরিচিত। গঠন অনুসারে শিলা তিন প্রকার।
যথা:
- আগ্নেয় শিলা
- পাললিক শিলা ও
- রূপান্তরিত শিলা।

পলি সঞ্চিত হয়ে গঠিত শিলা পাললিক শিলা নামে পরিচিত।
পাললিক শিলার মধ্যে রয়েছে:
- কয়লা
- বেলেপাথর
- চুনাপাথর
- কাঁদাপাথর
- কেওলিন
- শেল প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- গ্রানাইট : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- ব্যাসল্ট : বহিঃজ আগ্নেয় শিলা
- কোয়ার্টজাইট : রূপান্তরিত শিলা।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫২২.
নিচের কোনটি প্রাকৃতিক ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. জীবভূগোল
  2. জলবায়ুবিদ্যা
  3. ভূমিরূপবিদ্যা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক ভূগোল (Physical geography):
- ভুগোলের যে শাখায় ভৌত পরিবেশ ও এর মধ্যে কার্যরত বিভিন্ন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
- পৃথিবীর ভূমিরূপ, এর গঠন প্রক্রিয়া, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, জলবায়ু ইত্যাদি প্রাকৃতিক ভুগোলের আলোচ্য বিষয়।
১। ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology)।
২। জলবায়ুবিদ্যা (Climatology)।
৩। জীবভূগোল (Biogeography)।
৪। মৃত্তিকা ভূগোল (Soil geography)।
৫। সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography)।

তথ্যসূত্র - ভুগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫২৩.
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের উদ্ভব ঘটে কোন শতাব্দীতে?
  1. অষ্টাদশ শতাব্দীতে
  2. ঊনবিংশ শতাব্দীতে
  3. বিংশ শতাব্দীতে
  4. একবিংশ শতাব্দীতে
সঠিক উত্তর:
ঊনবিংশ শতাব্দীতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊনবিংশ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যা
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে। 
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। 
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়। 
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। 
- পরবর্তীতে তিনি বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২৪.
“ক্রেসকোগ্রাফ” যন্ত্র আবিষ্কার করেন-
  1. ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. খ) জগদীশ চন্দ্র বসু
  3. গ) আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
  4. ঘ) চার্লস ডারউইন
সঠিক উত্তর:
খ) জগদীশ চন্দ্র বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জগদীশ চন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা

জগদীশ চন্দ্র বসুর উল্লেখযেযাগ্য আবিষ্কারের মধ্যে রয়েছে মাইক্রোওয়েভ রিসিভার ও ট্রান্সমিটারের উন্নয়ন, এবং ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র যা দিয়ে গাছের বৃদ্ধি নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা যায়।
উদ্ভিদের জীবনচক্র তিনি প্রমাণ করেছিলেন।
তিনি গাছেরও যে প্রাণ আছে এটা আবিষ্কার করেন।
বেতার যন্ত্রের প্রথম উদ্ভাবক হিসাবে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
যদিও বেতারের আবিষ্কারক হিসাবে বিশ্বে স্বীকৃতি লাভ করেছিলেন মার্কনি, কারণ জগদীশ বসু এটার আবিষ্কারকে নিজের নামে পেটেন্ট করেননি।
উৎসঃ বিবিসি।

৫২৫.
ক্যালসিয়ামের আকরিক নিচের কোনটি?
  1. বক্সাইট
  2. জিপসাম
  3. হেমাটাইট
  4. বোরাক্স
সঠিক উত্তর:
জিপসাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিপসাম
ব্যাখ্যা
সোডিয়ামের আকরিক: 
- রকসল্ট, 
- চিলি সল্টপিটার, 
- ন্যাট্রোন, 
- বোরাক্স ইত্যাদি। 

ক্যালসিয়ামের আকরিক: 
- চুনাপাথর, 
- জিপসাম
- ডলোমাইট ইত্যাদি। 

আয়রনের আকরিক: 
- ম্যাগনেটাইট, 
- হেমাটাইট, 
- আয়রন পাইরাইটস, 
- লিমোনাইট ইত্যাদি। 

অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক: 
- বক্সাইট, 
- কোরান্ডাম, 
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৫২৬.
ওজোন গ্যাস রয়েছে-
  1. ক) ট্রপোস্ফিয়ার
  2. খ) মেসোস্ফিয়ারে
  3. গ) স্ট্রাটোস্ফিয়ারে
  4. ঘ) আয়নোস্ফিয়ারে
সঠিক উত্তর:
গ) স্ট্রাটোস্ফিয়ারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্ট্রাটোস্ফিয়ারে
ব্যাখ্যা
ভূপৃষ্ঠ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের স্তর স্ট্রাটোস্ফিয়ারে রয়েছে ওজোন গ্যাস যা আমাদেরকে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মির হাত থেকে রক্ষা করে৷
উৎসঃ ষষ্ঠ শ্রেণীর বিজ্ঞান বোর্ড বই
৫২৭.
হিগস বোসন কণার অপর নাম কী?
  1. আলফা কণা
  2. ফোটন
  3. ঈশ্বর কণা
  4. নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বর কণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বর কণা
ব্যাখ্যা

• হিগস বোসন কণা হলো মৌলিক পদার্থ যা ভরের উৎস, এবং সাধারণভাবে এটিকে “ঈশ্বর কণা (God Particle)” বলা হয়।

- ১৯৯৩ সালে লিওনার্ড গডেলম্যান (Leon Lederman) এই কণার জন্য বই লিখে এটিকে প্রখ্যাত করেন “God Particle” নামে।
- নামটি এসেছে কণাটি এতই গুরুত্বপূর্ণ যে পুরো পদার্থবিজ্ঞান এবং ব্রহ্মাণ্ডের গঠন বোঝার জন্য অপরিহার্য, কিন্তু খুব ধীরে ধীরে এবং কঠিনভাবে আবিষ্কার করা যায়।

হিগস বোসন কী?
- হিগস বোসন হলো একটি মৌলিক কণা যা হিগস ক্ষেত্রের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- হিগস ক্ষেত্র হলো সেই ক্ষেত্র যা অন্য কণাগুলিকে ভর (Mass) প্রদান করে।
- এটি প্রথমভাবে প্রস্তাব করেন পিটার হিগস (Peter Higgs) ১৯৬৪ সালে।

আবিষ্কার ও পরীক্ষা:
- CERN-এর Large Hadron Collider (LHC)-এ ২০১২ সালে হিগস বোসনের অস্তিত্ব প্রমাণিত হয়।
- এটি Standard Model of Particle Physics-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
 
বৈশিষ্ট্য:
- ভরযুক্ত কণার উৎপত্তি বোঝায়।
- স্থিতিশীল নয়; খুব দ্রুত অন্য কণায় রূপান্তরিত হয়।
- পদার্থবিজ্ঞান ও মহাবিশ্বের গঠন বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র:
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

৫২৮.
সাইক্লোন সৃষ্টি হওয়ার প্রধান কারণ কী?
  1. নিম্ন তাপমাত্রা
  2. উচ্চচাপ
  3. নিম্নচাপ
  4. সমুদ্রস্রোত
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা
• সাইক্লোন সৃষ্টি হওয়ার প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের ওপর নিম্নচাপের সৃষ্টি। যখন সমুদ্রের পানি গরম হয়, তখন তার থেকে বাষ্প উঠতে থাকে এবং বাতাসের চাপ কমে যায়। এই নিম্নচাপের কারণে বাতাস কেন্দ্রের দিকে দ্রুত আকৃষ্ট হয় এবং ঘূর্ণায়মান গতিতে বাতাসের সঞ্চালন শুরু হয়। এই ঘূর্ণায়মান বাতাসের ভেলকমল অঞ্চল সৃষ্টি হয়, যাকে সাইক্লোন বলা হয়। উচ্চচাপ বা নিম্ন তাপমাত্রা সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ নয়, বরং গরম সমুদ্রের পানি এবং নিম্নচাপই এর মূল কারণ।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) নিম্নচাপ।


সাইক্লোন:

- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়।
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫২৯.
কৃষ্ণবিবর নামে আখ্যায়িত অঞ্চলের সীমাকে বলে-
  1. ক) পূর্ব দিগন্ত
  2. খ) ঘটনা দিগন্ত
  3. গ) আদি দিগন্ত
  4. ঘ) পশ্চিম দিগন্ত
সঠিক উত্তর:
খ) ঘটনা দিগন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঘটনা দিগন্ত
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার। কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল। কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম এবং ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
৫৩০.
আধুনিক বিজ্ঞানের জনক কে?
  1. ক) কোপার্নিকাস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) আইজ্যাক নিউটন
  4. ঘ) আলবার্ট আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যালিলিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্যালিলিও
ব্যাখ্যা

১৫৪৩ সালে কোপার্নিকাস সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ব্যাখ্যা দেন।
গ্যালিলিও গাণিতিক সূত্র দেওয়ার পর পরীক্ষা করে সেই সূত্রটি প্রমাণ করার বৈজ্ঞানিক ধারার সূচনা করেন। তাই গ্যালিলিওকে অনেক সময় আধুনিক বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
অন্যদিকে,
নিউটন বলবিদ্যা ও গতিবিদ্যার ভিত্তি স্থাপন করেন এবং
আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার সূত্র প্রদান করেন।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৩১.
সুনামির প্রধান কারণ কী? 
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. আগ্নেয়গিরি
  3. সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
  4. সূর্যের আকর্ষণ 
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলের ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা

সুনামি (Tsunami) হলো সমুদ্রের তলদেশে হঠাৎ সৃষ্ট বিশাল শক্তির কারণে উৎপন্ন এক ধরনের বৃহৎ সমুদ্র তরঙ্গ। এর প্রধান কারণ হলো— সমুদ্রতলের ভূমিকম্প। 

​সুনামি:
- ভূমিকম্প বা আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের কারণে সৃষ্ট বিশাল সামুদ্রিক ঢেউকে সুনামি বলে।

​সুনামি (Tsunami) একটি জাপানি শব্দ। জাপানি ভাষায় এর অর্থ হলো 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ'।
- সুনামির পানির ঢেউ সমুদ্রের স্বাভাবিক ঢেউয়ের মতো নয়। এটা সাধারণ ঢেউয়ের চেয়ে অনেক বিশালাকৃতির। এটি অতি দ্রুত ফুঁসে ফুলে ওঠা জোয়ারের মতো, যা উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করে।
- সুনামির পানির ঢেউগুলো একের পর এক উঁচু হয়ে আসতেই থাকে তাই একে ঢেউয়ের রেলগাড়ি বা 'ওয়েভ ট্রেন' বলে।

​সুনামির কারণ:
- ভূমিকম্প: সমুদ্রের তলে ভূমিকম্প হলে, জলের স্থানচ্যুতি ঘটে এবং সুনামি তৈরি হয়।
- ভূমিধস: সমুদ্রের তলে বা উপকূলীয় অঞ্চলে ভূমিধস হলে, তা বিশাল ঢেউ তৈরি করতে পারে।
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত: সমুদ্রের তলে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত হলে, তা জলকে স্থানচ্যুত করে এবং সুনামি তৈরি করতে পারে।
- পারমাণবিক বা অন্য কোন বিস্ফোরণ।

উৎস: মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৫৩২.
সৌর শক্তির উৎস হলো-
  1. ক) ফিউশন বিক্রিয়া
  2. খ) চেইন বিক্রিয়া
  3. গ) ফিশন বিক্রিয়া
  4. ঘ) রাসায়নিক বিক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) ফিউশন বিক্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফিউশন বিক্রিয়া
ব্যাখ্যা
- সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলা হয় সৌরশক্তি। 
- সূর্য সকল শক্তির উৎস। 
- পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকেই আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে। 
- প্রকৃতপক্ষে সূর্যের শক্তির উৎস পারমাণবিক শক্তি, কারণ সূর্যে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়। 
- এ শক্তি পৃথিবীতে বিকিরিত হয়। 
- সৌরশক্তির সকল উৎস ফিউশন বিক্রিয়া

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৩.
নিচের কোনটি নিম্ন উচ্চতার মেঘ?
  1. ক) স্ট্রেটাস
  2. খ) সিরোকিউম্যুলাস
  3. গ) নিম্বোস্ট্রেটাস
  4. ঘ) সিরাস
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রেটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্ট্রেটাস
ব্যাখ্যা
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতার ভিত্তিতে মেঘকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো:
উঁচু উচ্চতার মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬,০০০ মিটারের উর্ধ্বে অবস্থিত মেঘসমূহ উঁচু উচ্চতার মেঘ।
উঁচু উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- সিরাস
- সিরোকিউম্যুলাস
- সিরোস্ট্রেটাস প্রভৃতি।
মাঝারি উচ্চতার মেঘ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ থেকে ৬,০০০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত মেঘসমূহ মাঝারি উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
মাঝারি উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- অল্টোস্ট্রেটাস
- কিউম্যুলাসস্ট্রেটাস
- নিম্বোস্ট্রেটাস
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ:
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২,০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত মেঘসমূহ নিম্ন উচ্চতার মেঘ নামে পরিচিত।
নিম্ন উচ্চতার মেঘসমূহ হলো:
- স্ট্রেটাস
- স্ট্রেটোকিউম্যুলাস
- কিউম্যুলাস
- কিউম্যুলোনিম্বাস।
(তথ্যসূত্র: বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা)
৫৩৪.
কোন ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টিগোচরীভূত হয়?
  1. লেক্সেল
  2. কোহুটেক
  3. হেইল-বপ
  4. হ্যালির ধূমকেতু
সঠিক উত্তর:
হ্যালির ধূমকেতু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যালির ধূমকেতু
ব্যাখ্যা
ধূমকেতু (Comet): 
- ধূমকেতু এক ধরনের জ্যোতিষ্ক। 
- ধূমকেতুর দুইটি অংশ রয়েছে। 
যেমন: মস্তক (Head) বা কেন্দ্র ও পুচ্ছ (Tail)। 
- কোনো কোনো ধূমকেতুর মস্তক বা কেন্দ্র গ্রহ অপেক্ষা বড় হয়ে থাকে। 
- ধূমকেতুর রয়েছে গ্যাসীয় পদার্থের তৈরি সুদীর্ঘ পুচ্ছ। 
- অধিকাংশ ধূমকেতু উপবৃত্তাকার কক্ষপথে গ্রহসমূহের আবর্তন পথের উল্টোদিকে ছুটে চলে। 
- হ্যালির ধূমকেতু (Hally's Comet) প্রতি ৭৬ বছর অন্তর পৃথিবীর আকাশে দৃষ্টিগোচরীভূত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৫.
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর কোনটি?
  1. মেসোস্ফিয়ার
  2. ট্রপোস্ফিয়ার
  3. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  4. তাপমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
ট্রপোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর হলো ট্রপোমণ্ডল বা  ট্রপোস্ফিয়ার। 

• বায়ুমণ্ডল:
- যে গ্যাসীয় আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে আছে তাকে বায়ুমণ্ডল বল হয়। 

• বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়।
যথা-
- ট্রপোমণ্ডল,
- স্ট্রাটোমণ্ডল,
- মেসোমণ্ডল,
- তাপমণ্ডল ও
- এক্সোমণ্ডল।

• এর মধ্যে ট্রপোমণ্ডল হলো বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর এবং এক্সোমণ্ডল হলো সবচেয়ে উপরের স্তর। 

• ট্রপোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য:
- ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর ঘনত্ব ও উষ্ণতা কমতে থাকে। সাধারণভাবে প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় ৬.৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়।
- উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বেড়ে যায়।
- নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে।
- ধূলিকণার অবস্থানের ফলে সমগ্র বায়ুমন্ডলের ওজনের প্রায় শতকরা ৭৫ ভাগ এই স্তর বহন করে।
- যে উচ্চতায় তাপমাত্রা বন্ধ হয়ে যায় তাকে ট্রপোবিরতি বলে। এখানে তাপমাত্রা - ৫৪° সেলসিয়াসের নিচে হতে পারে।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৫৩৬.
নাসার বিজ্ঞানীরা যে নতুন চাঁদ-সদৃশ বস্তু আবিষ্কার করেছেন, বৈজ্ঞানিক ভাষায় সেটিকে কী বলা হয়? 
  1. Crescent Moon
  2. Waxing Gibbous Moon
  3. Quasi Moon
  4. First Quarter Moon 
সঠিক উত্তর:
Quasi Moon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Quasi Moon
ব্যাখ্যা

কোয়াসি-মুন:
- নাসার বিজ্ঞানীরা ২০২৫ পিএন৭ নামের একটি নতুন চাঁদ-সদৃশ বস্তু আবিষ্কার করেছেন।
- এটি একটি ছোট মহাকাশীয় বস্তু যা দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর কাছাকাছি থাকে।
- এর কক্ষপথ এমনভাবে ঘোরে যে কখনও এটি পৃথিবীর সামনে দেখা যায়, আবার কখনও পিছনে চলে যায়।
- ফলে আমাদের দৃষ্টিকোণ থেকে এটি পৃথিবীর উপগ্রহের মতো মনে হয়।
- কিন্তু এই নতুন চাঁদ-সদৃশ বস্তু পৃথিবীর উপগ্রহ নয়।
- এটি সূর্যের চারপাশে এমন কক্ষপথে ঘুরছে যা দেখে মনে হয় এটি পৃথিবীর সঙ্গে চলছে। 
- বৈজ্ঞানিক ভাষায় এই ধরনের বস্তুকে ‘কোয়াসি-মুন’ বা আংশিক চাঁদ বলা হয়
- এটি মূলত ১৯ মিটার ব্যাসের একটি ছোট গ্রহাণু।
-এই ছোট গ্রহাণু ২০৮৩ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি থাকবে।

অন্যদিকে,
• Crescent Moon (অর্ধচন্দ্র) হলো চাঁদের এমন একটি পর্যায় যেখানে চাঁদ New Moon এবং পূর্ণিমার মধ্যে থাকে। 
- এসময় চাঁদের পুরো অংশ আলোকিত হয় না, শুধু ছোট অংশ সূর্যের আলোয় প্রতিফলিত হয়ে দৃশ্যমান হয়।

• Waxing Gibbous Moon হলো চাঁদের এমন পর্যায় যেখানে অর্ধেকের বেশি অংশ আলোকিত থাকে।

• First Quarter Moon হলো চাঁদের সেই পর্যায় যখন অর্ধেক অংশ আলোকিত থাকে এবং নিখুঁত অর্ধবৃত্তের মতো দেখা যায়।

উৎস:
১. প্রথম আলো;
২. The Daily Ittefaq;
৩. BBC News.

৫৩৭.
গ্রিন হাউজ গ্যাসের উদাহরণ কোনটি? 
  1. আর্গন
  2. হাইড্রোজেন
  3. মিথেন
  4. সালফার ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউজ প্রভাব: 
- ওজোন স্তরে ক্ষত সৃষ্টি হলে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়ে কৃষি ও পরিবেশের ওপর যে বিরুপ প্রভাব ফেলে একেই গ্রিন হাউজ প্রভাব (Green House Effect) বলা হয়। 
- গ্রিন হাউস ইফেক্টের ফলে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হচ্চে। 
- ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ক্রমে গলে যাচ্ছে। 
- এর ফলে বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর নিম্নভূমি ক্রমশ নিমজ্জিত হবে। 
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে: 
• জলীয় বাষ্প, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড, 
• নাইট্রাস অক্সাইড, 
মিথেন
• ওজোন, 
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি। 
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস। 

অন্যদিকে,
- আর্গন, হাইড্রোজেন ও সালফার ডাই-অক্সাইড গ্রীন হাউজ গ্যাস নয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৩৮.
সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে একবার ঘুরতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. কসমিক বছর
  2. সৌর বছর
  3. চন্দ্র বছর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কসমিক বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কসমিক বছর
ব্যাখ্যা
কসমিক বছর (Cosmic Year):
- সময়কাল: প্রায় ২২৫ মিলিয়ন বছর।
- এটি হলো সৌরজগৎ মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারপাশে একবার ঘুরতে যে সময় লাগে।

চন্দ্র বছর (Lunar Year):
- সময়কাল: প্রায় ৩৫৪ দিন।
- এটি ১২টি সিনোডিক মাস বা ১২টি চন্দ্র চক্র নিয়ে গঠিত, যা কিছু ক্যালেন্ডারে ব্যবহৃত হয়।

সৌর বছর (Solar Year):
- সময়কাল: ৩৬৫ দিন ৫ ঘণ্টা ৪৮ মিনিট ৪৬ সেকেন্ড।
- এটি পরপর দুটি বসন্ত বিষুবের (Vernal Equinox) মধ্যে সময় ব্যবধান।

নাক্ষত্রিক বছর (Sidereal Year):
- সময়কাল: ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা ৯ মিনিট ১০ সেকেন্ড।
- এটি হলো সূর্যের বার্ষিক আপাত গতিপথ অনুযায়ী নির্দিষ্ট এক স্থানে ফিরে আসার সময়।

অ্যানোমালিস্টিক বছর (Anomalistic Year):
- সময়কাল: ৩৬৫ দিন ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড।
- এটি হলো পৃথিবীর কক্ষপথে সূর্যের নিকটতম বিন্দু (perihelion) থেকে পরবর্তী একই অবস্থানে ফিরে আসার সময়কাল।

উৎস: Britannica.
৫৩৯.
বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন‌ কে? 
  1. স্টিফেন হকিং
  2. জি. লেমেটার
  3. জন হুইলার
  4. আইনস্টাইন
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা

• স্টিফেন হকিং: 
- স্টিফেন হকিং একজন পদার্থবিদ ও গণিতজ্ঞ। 
- স্টিফেন হকিং মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন‌। 
- তাঁর রচিত বইসমূহ- 
• A Brief History of Time, 
• The Universe in a Nutshell এবং 
• The Grand Design ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- মহাবিস্ফোরণ বা বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিজ্ঞানী জি. লেমেটার। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৪০.
ট্রপোস্ফিয়ার এলাকার বিস্তৃতি
  1. ভূপৃষ্ঠের ১৮ কিমি উপর পর্যন্ত
  2. ভূপৃষ্ঠের ১০০ কিমি উপর পর্যন্ত
  3. ভূপৃষ্ঠের ৮০ কিমি উপর পর্যন্ত
  4. ভূপৃষ্ঠের ১২০ কিমি উপর পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
ভূপৃষ্ঠের ১৮ কিমি উপর পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূপৃষ্ঠের ১৮ কিমি উপর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
• ভূপৃষ্ঠের ১৮ কিমি উপর পর্যন্ত বায়ুর স্তরকে ট্রপোস্ফিয়ার বলে।
• এটি নিকটতম স্তর।
• এ স্তরে বজ্রপাত, বিদ্যুৎ চমকানো, ঘূর্ণিঝড় ও টর্নেডো ইত্যাদি সংঘটিত হয়। 

উৎস - মাধ্যমিক ভূগোল, বোর্ড বই
৫৪১.
তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন কে? 
  1. গ্যালিলিও
  2. মার্কনী
  3. আইনস্টাইন
  4. ম্যাক্সওয়েল
সঠিক উত্তর:
মার্কনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্কনী
ব্যাখ্যা
- ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে। 
- ১৮৬৪ সালে বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল আলোর তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের ধারণা দেন। 
- তিনি তড়িৎ ক্ষেত্র এবং চুম্বক ক্ষেত্র একত্র করে তড়িৎ চুম্বকীয় তত্ত্বের বিকাশ ঘটান যা পরবর্তীতে জার্মান পদার্থবিজ্ঞানী হেনরিখ হার্জের পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত হয়। 
- ১৮৯৬ সালে বিজ্ঞানী মার্কনী তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ ব্যবহার করে অধিক দূরত্বে সংকেত পাঠানোর পন্থা আবিষ্কার করেন। 
- বাঙ্গালী বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসুও একই প্রকার পরীক্ষা নীরিক্ষা চালান। 
- পরবর্তীতে তিনি বেতার যন্ত্র আবিষ্কার করেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪২.
কোনটি জলজ আবহাওয়াজনিত (hydro-meteorological) দুর্যোগ নয়?
  1. ভূমিকম্প
  2. খরা
  3. তুষারপাত
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
• Hydro-meteorological দুর্যোগ:
- Hydro-meteorological শব্দটি দুটি অংশ থেকে গঠিত:
- Hydro এর অর্থ পানি সংশ্লিষ্ট।
- এবং Meteorological অর্থ আবহাওয়া বা জলবায়ু সংক্রান্ত ঘটনা।
- Hydro-meteorological দুর্যোগ বলতে মূলত জলবায়ু ও আবহাওয়াজনিত কারণে সৃষ্ট প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলিকে বোঝায়।
- বন্যা, ভূমিধস উভয় hydro-meteorological দুর্যোগ হিসেবে পরিচিত।
- এই দুর্যোগগুলো সরাসরি জলবায়ু (Climate) এবং আবহাওয়ার (Weather) পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- প্রধানত বৃষ্টিপাত, বায়ুর গতি, তাপমাত্রা এবং আর্দ্রতার পরিবর্তন এই দুর্যোগগুলির কারণ।
- জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগের কিছু উদাহরণ হলো: বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধস, ভারি বৃষ্টি, খরা, তুষারপাত।
- ভূমিকম্প জলজ আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ নয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।প্রা
৫৪৩.
মহীসোপান কত ডিগ্রি কোণে সমুদ্রের তলদেশে নিমজ্জিত থাকে?
  1. ১ ডিগ্রি
  2. ৫ ডিগ্রি
  3. ১০ ডিগ্রি
  4. ১৫ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
১ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর মহাদেশসমূহের স্থলভাগের যে অংশ অল্প ঢালু হয়ে সমুদ্রের পানির মধ্যে নেমে গেছে তাকে মহীসোপান বলে। মহীসোপান ১° কোণে সমুদ্র তলদেশে নিমজ্জিত থাকে।

মহীসোপানের গড় প্রশস্ততা ৭০ কিলোমিটার।
ইউরোপের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে পৃথিবীর বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত। উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূলে দ্বিতীয় বৃহত্তম মহীসোপান অবস্থিত।

বাংলাদেশের দক্ষিণে বঙ্গোসাগরে মহীসোপানের বিস্তৃতি প্রায় ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)
৫৪৪.
অর্ধপরিবাহীতে কি মেশালে পরিবাহীর ন্যায় আচরণ করে?
  1. ক) আয়োডিন
  2. খ) সোডিয়াম
  3. গ) ফসফরাস
  4. ঘ) ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
গ) ফসফরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফসফরাস
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহীর সাথে ফসফরাস মেশালে ফসফরাসের মুক্ত ইলেকট্রন থাকার কারণে সেটার সহযোগীতায় সেমিকন্ডাক্টর কন্ডাক্টর বা পরিবাহীর ন্যায় আচরণ করে। উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
৫৪৫.
মহাকর্ষ বল সরবরাহ করে কিন্তু কোন তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ নিঃসরণ করে না, এমন পদার্থকে বলা হয় -
  1. ক) ব্ল্যাকহোল
  2. খ) ডার্ক ম্যাটার
  3. গ) ডার্ক এনার্জি
  4. ঘ) পালসার
সঠিক উত্তর:
খ) ডার্ক ম্যাটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডার্ক ম্যাটার
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণবিবর বা কৃষ্ণগহ্বর:
একটি তারকায় যদি যথেষ্ট ভর ও ঘনত্ব থাকে তাহলে তার মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র এত শক্তিশালী হবে যে, আলো সেখান থেকে নির্গত হতে পারবে না। সেই তারকার পৃষ্ঠ হতে নির্গত আলো বেশি দূরে যাওয়ার আগেই তারকাটির মহাকর্ষীয় আকর্ষণ তাকে পেছনে টেনে নিয়ে আসবে। ঐ সব তারকা থেকে আলো আসতে পারে না বলে আমরা এদের দেখতে পাই না। তবে এদের মহাকর্ষ আকর্ষণ আমাদের বোধগম্য হবে, এই সমস্ত বস্তুপিণ্ডকে কৃষ্ণবিবর বা কৃষ্ণগহ্বর বলে।

• ডার্ক ম্যাটার বা অদৃশ্য বস্তু:
গ্যালাক্সিতে বিপুল পরিমাণ ভর রয়েছে যা মহাকর্ষ বল সরবরাহ করে কিন্তু কোনো তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ নিঃসরণ না করায় তা' দৃশ্যমান হয় না, এদেরকেই অদৃশ্য ভর বা ডার্ক ম্যাটার বলে। ধারণা করা হয় গ্যালাক্সিতে অদৃশ্য ভরের পরিমাণ দৃশ্যমান ভরের প্রায় দশগুণ।

• ডার্ক এনার্জি বা অদৃশ্য শক্তি:
মহাবিশ্বে মহাকর্ষের বিপরীতে একটি বল ক্রিয়াশীল রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন যা মহাবিশ্বের প্রসারণকে ত্বরান্বিত করছে। একে অদৃশ্য শক্তি বা ডার্ক এনার্জি বলা হয় ।

• নিউট্রন নক্ষত্র বা পালসার:
কোনো নক্ষত্র যখন সুপারনোভা হিসেবে বিস্ফোরিত হয়, তখন এর কোর বা মূলবস্তুর চাপ এত বেশি হয় যে, প্রোটন ও ইলেকট্রন একত্রিত হয়ে নিউট্রন গঠন করে। তাই একে নিউট্রন নক্ষত্র বলা হয়। নিউট্রন নক্ষত্রের সাথে জড়িত থাকে অতি উচ্চ চৌম্বক ক্ষেত্র। এটি তাই নির্দিষ্ট সময় অন্তর রেডিওপাল্‌স বা বেতার স্পন্দন নির্গমন করে, তাই একে পালসার বলা হয়।

সূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; (ড. শাহজাহান তপন, মুহম্মদ আজিজ হাসান, ড. রানা চৌধুরী)
৫৪৬.
চাঁদের সবচেয়ে বড় গহ্বরটির নাম কী?
  1. ক) ডিমোস
  2. খ) ক্লেভিউস
  3. গ) ফোবোস
  4. ঘ) গ্যানিমেড
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লেভিউস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্লেভিউস
ব্যাখ্যা
চাঁদ (Moon)
- পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮১,৫০০ কিলোমিটার।
- চাঁদ পৃথিবীর চারদিকে নিজ কক্ষপথে ২৯ দিনে একবার আবর্তন করে।
- চাঁদের ব্যাস ৩,৪৭৫ কিলোমিটার।
- ১৯৬৯ সালের ২১ শে জুলাই সর্বপ্রথম মানুষ চাঁদে অবতরণ করেন।
- চাঁদে পানি, বায়ু, উদ্ভিদ বা প্রাণী নেই।
- চাঁদে বহু সমতলভূমি, পাহাড় পর্বত ও বৃহদাকার গর্তের উপরিভাগ দেখা যায়।
- চাঁদের সবচেয়ে বড় গহ্বরটির নাম ক্লেভিউস।
- চাঁদের আকাশ দিনে-রাতে একই রকম কালো।
- চাঁদের নিজস্ব আলো নেই।
- সূর্যের আলোতে চাঁদ আলোকিত হয়।
- চাঁদের যে পৃষ্ঠে সূর্যালোক পড়ে সে পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১০০° সেলসিয়াস এর ওপরে এবং অন্ধকার পৃষ্ঠের তাপমাত্রা হিমাঙ্কের ১৫০° সেলসিয়াসের নীচে।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫৪৭.
'মহাবিশ্বের সব বস্তুপিণ্ড একসময় একত্রিত অবস্থায় ছিল'-এই ধারণাটি কোন তত্ত্বের মূল বক্তব্য? 
  1. স্টেডি স্টেট তত্ত্ব 
  2. স্থির মহাবিশ্ব তত্ত্ব 
  3. নীহারিকা তত্ত্ব 
  4. বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব 
সঠিক উত্তর:
বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব 
ব্যাখ্যা

বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব (Big Bang Theory): 
- ১৯২৭ সালে বেলজিয়ামের জ্যোতির্বিদ জর্জ লেমাইটার (George Lemaitre) প্রসারণশীল বিশ্ব সংক্রান্ত তত্ত্ব প্রদান করেন যা হাবলের সূত্রের সাথে মিলে যায়। 
- ১৯৩১ সালে তিনি আরো প্রস্তাব করেন যে, প্রসারণশীল বিশ্বকে যদি সময়ের সাথে পিছিয়ে নেয়া হয়, তাহলে একটা বিন্দুতে উপনীত হতে পারা যায়, যেখানে মহাবিশ্বের সমস্ত ভর পুঞ্জীভূত ছিল, যাকে আদিম পরমাণু বলা যেতে পারে এবং এখান থেকেই স্থান-কালের উদ্ভব। 
- তাই জর্জ লেমাইটারকে বিগ ব্যাংগ মডেলের জনক বলা হয়ে থাকে।
- জর্জ গ্যামো মহাবিশ্বের প্রসারণ সম্পর্কে ধারণা করেছিলেন যে, যেহেতু গ্যালাক্সিসমূহ পরষ্পর থেকে দূরে সরে যাচ্ছে তাই সুদূর অতীতে নিশ্চয়ই তারা পরষ্পরের খুব কাছাকাছি ছিল। 
অর্থাৎ, কোনো এক সময় মহাবিশ্বের সব বস্তুপিন্ড একত্রিত অবস্থায় ছিল এবং এক মহাবিস্ফোরণের ফলেই এগুলো ক্রমেই ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে, এই তত্ত্বের নাম মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব বা বিগ ব্যাংগ তত্ত্ব। 

- বিগ ব্যাংগ বা মহাবিস্ফোরণ পরিচিতি বিস্ফোরণ থেকে সম্পূর্ণ পৃথক একটি ঘটনা। সাধারণ বিস্ফোরণ একটি নির্দিষ্ট স্থান বা কেন্দ্র থেকে শুর করে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু বিগ ব্যাংগের বিস্ফোরণ একই সময় সকল স্থানে অর্থাৎ সর্বত্র ঘটেছিল। 
- প্রকৃতপক্ষে বিগ ব্যাংগ বলতে মহাবিশ্ব সৃষ্টির শুরু বোঝায় যখন থেকে স্থান ও সময় গণনা আরম্ভ হয়। অর্থাৎ, বিগ ব্যাংগের পূর্বে কিছুই ছিল না। 
- বিগ ব্যাগ-এর পর 10-43 s পর্যন্ত কী ঘটেছিল তা কেউ জানতে পারেনি, কিছুটা ধারণা পেয়েছে মাত্র। 
- মহাবিশ্ব শুরু হয়েছিল একটি অপরিমেয় ক্ষুদ্র, অসীম তাপ ও অসীম ঘনত্ববিশিষ্ট শক্তির উৎস থেকে। একে বলা হয় অনন্যতা বা অদ্বৈত বিন্দু (Singularity)। এতে সব মৌলিক বলগুলো একত্রে একীভূত বল হিসেবে ছিল। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪৮.
স্টিফেন হকিং কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য সর্বাধিক পরিচিত?
  1. জিনতত্ত্ব
  2. রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  4. কৃষ্ণগহ্বর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণগহ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণগহ্বর
ব্যাখ্যা

◉ স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking) একজন বিশ্ববিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও মহাকাশবিদ। কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) এবং মহাবিশ্বের উৎপত্তি বিষয়ক তাঁর গবেষণা তাঁকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি দিয়েছে। বিশেষ করে “হকিং রেডিয়েশন (Hawking Radiation)” তত্ত্ব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

স্টিফেন হকিং:
- স্টিফেন হকিং ছিলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time.
- তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত Centre for Theoretical Cosmology এর পরিচালক ছিলেন।
- সম্মান: রয়্যাল সোসাইটির ফেলো, প্রেসিডেন্টিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম, কপলি মেডেল
- ১৪ মার্চ ২০১৮ স্টিফেন হকিং মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- A Brief History of Time,
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design,
- A Brief History of Time.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৪৯.
ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী ভেড়ার নাম কী?
  1. নেনী
  2. টমি
  3. শেলী
  4. ডলি
সঠিক উত্তর:
ডলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডলি
ব্যাখ্যা
ক্লোনিং:
- প্রাকৃতিক ক্লোন হলো একটি জীব অথবা একদল জীব যাদের উদ্ভব ঘটে অযৌন অঙ্গজ জননের দ্বারা।
- এদের ধরন হয় মাতৃ জীবের ন্যায়।
- একটি কোষ বা কোষগুচ্ছ যখন একটিমাত্র কোষ থেকে উৎপন্ন হয় এবং তাদের প্রকৃতি মাতৃকোষের ন্যায় হয়, তাকেও ক্লোন বলে।
- প্রাকৃতিকভাবে ব্যাকটেরিয়া, অনেক শৈবাল, বেশিরভাগ প্রোটোজোয়া এবং ঈস্ট, ছত্রাক ক্লোনিং এর মাধ্যমে বংশবৃদ্ধি করে।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে প্রয়োজনবোধে কোনো বিশেষ জিনের সংখ্যাবৃদ্ধি করে তার প্রতিলিপি তৈরি করা হয়।
- কোনো কোনো কোষকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আবাদ মাধ্যমে রেখে বিভাজন ঘটিয়ে এতে উৎপন্ন করা হয় একগুচ্ছ একই ধরনের কোষ।
- আবার কোনো অণুজীব উদ্ভিদ কিংবা প্রাণীর অনুরূপ অনেক জীব উৎপাদন করাকে ক্লোনিং বলে।
- ক্লোনিং তিন ধরনের। যথা- 

১। জিন ক্লোনিং:
- একই জিনের অসংখ্য প্রতিলিপি তৈরি করাকে জিন ক্লোনিং বলে।
- জিন ক্লোনিং রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তির মাধ্যমে করা হয়।

২। সেল ক্লোনিং:
- একই কোষের অসংখ্য হুবহু একই ধরনের কোষ তৈরি করাকে সেল ক্লোনিং বলে।

৩। জীব ক্লোনিং:
- একটি মাত্র জীব থেকে জিনগত হুবহু এক বা একাধিক জীব তৈরির পদ্ধতিকে জীব ক্লোনিং বলে।
- প্রাকৃতিক পরিবেশে উদ্ভিদের ক্ষেত্রে অঙ্গজ জননের ফলে উৎপন্ন উদ্ভিদ একটি ক্লোন।
- মনোজাইগোটিক যমজ একে অপরের ক্লোন।

- সম্প্রতি জিন প্রযুক্তির দ্বারা সম্ভব হয়েছে একই প্রাণীর দেহকোষ থেকে সম্পূর্ণ নিউক্লিয়াসকে বের করে সে প্রাণীর নিষেককৃত ডিম্বাণুতে ইনজেকট করে নিউক্লিয়াস স্থাপন করা।
- ডিম্বাণুতে দেহকোষের নিউক্লিয়াস স্থাপন করার পূর্বে নিষেককৃত ডিম্বাণুর নিউক্লিয়াসকে অপসারণ করা হয়। এ ডিম্বাণু থেকে যে প্রাণী সৃষ্টি হয় তা হুবহু তার মাতার ন্যায় হয়।
- ডলি নামক ভেড়া হলো পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী যা একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছে।
- এ ক্লোনিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনো ইঁদুর, খরগোস, গরু ও শূকর এমনকি বানর পর্যন্ত ক্লোন করা হয়েছে।
- ইঁদুর, ডলি নামক ভেড়া, বানর, প্রভৃতি ক্লোনিংয়ের পর বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি এখন মানুষের উপর।
- এ প্রক্রিয়াটি কিন্তু মোটেই দূরূহ নয়, তাই ইতিমধ্যে বিভিন্ন উন্নত দেশে মানুষের ক্লোন করার প্রক্রিয়া আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫০.
'A Brief History of Time' গ্রন্থটির লেখক -
  1. Jamal Nazrul Islam
  2. George Lemaitre
  3. Kepler
  4. Stephen Hawking
সঠিক উত্তর:
Stephen Hawking
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Stephen Hawking
ব্যাখ্যা
• 'A Brief History of Time' গ্রন্থটির লেখক হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী Stephen Hawking. এই বইটি ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মহাবিশ্বের গঠন, সময়ের প্রকৃতি, কৃষ্ণগহ্বর (black holes), বিগ ব্যাং (Big Bang), আপেক্ষিকতা ও কোয়ান্টাম মেকানিক্সের মতো জটিল ধারণাগুলো সাধারণ পাঠকের জন্য সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করে। স্টিফেন হকিং বইটিতে মূলত মহাবিশ্বের উৎপত্তি, বিকাশ ও সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করেছেন। এটি বিজ্ঞানের জনপ্রিয়ীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি কপি বিক্রি হয়েছে। এই গ্রন্থই তাকে সাধারণ মানুষের মাঝে বিজ্ঞানী হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়।

- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।

তাঁর রচিত বইসমূহ-
- A Brief History of Time,
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design, ইত্যাদি।

- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং ছিলেন একজন ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী।
- পৃথিবীর মানুষের কাছে “The Scientist on a Wheelchair” হিসেবে পরিচিত।
- স্টিফেন হকিং এর জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র- ‘Theory of Everything.’

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫৫১.
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে বলে -
  1. ক) গামা রশ্মি
  2. খ) অবলোহিত রশ্মি
  3. গ) মহাজাগতিক রশ্মি
  4. ঘ) অতি বেগুনী রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মহাজাগতিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চশক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদের সমষ্টিকে মহাজগতিক রশ্মি বলে।
বিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫৫২.
অণুবীক্ষণ যন্ত্র কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) গ্যালিলিও
  2. খ) লিউয়েন হুক
  3. গ) রবার্ট হুক
  4. ঘ) মাইকেল ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
খ) লিউয়েন হুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লিউয়েন হুক
ব্যাখ্যা

১৬৮৩ সালে ডাচ বিজ্ঞানী লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেন এবং এই যন্ত্র ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়া, হাইড্রা, ভলভক্স ইত্যাদি আবিষ্কার করেন ।
গ্যালিলিও টেলিস্কোপ ও থার্মোমিটার আবিষ্কার করেন।
রবার্ট হুক প্রথম কোষপ্রাচীর আবিষ্কার করেন।
মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো ও তড়িৎ বিশ্লেষণের সূত্র আবিস্কার করেন।
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ এবং ব্রিটানিকা।

৫৫৩.
নিউক্লিয়াসের সংযোজনকে বলা হয়-
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) ফিউশন
  3. গ) মেসন
  4. ঘ) ফিশন
সঠিক উত্তর:
খ) ফিউশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফিউশন
ব্যাখ্যা

- নিউক্লিয়াসের সংযোজনকে ফিউশন বলে।
- নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ফিশন বলে।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৫৪.
'পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে' ধারণাটি প্রথম প্রমাণ করেন কে? 
  1. বিজ্ঞানী গ্যালিলিও
  2. নিকোলাস কোপার্নিকাস
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. জোহান কেল্লার
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস
ব্যাখ্যা
- বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘােরে। 
- বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমী জোরালােভাবে বলেন যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে। 
- কোপার্নিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ ব্যাক্ত করেন, তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের পরিবর্তে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। 
- তার সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের মূল কথা ছিল 'পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘােরে'। 
- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) একজন জ্যোর্তিবিজ্ঞানী ছিলেন। 
- নিকোলাস কোপার্নিকাসই প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। 
- তিনি প্রচলিত বৃত্তাকার কক্ষপথের ধারণা পাল্টে উপবৃত্তাকার কক্ষপথের কল্পনা করেন। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী গ্যলিলিও প্রথম কোপার্নিকাসের মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫৫.
নিচের কোন বিবৃতি সত্য?
  1. ক) বরফকে উত্তপ্ত করে পানিতে পরিণত করলে আয়তন কমবে
  2. খ) সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে
  3. গ) বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি
  4. ঘ) সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা

এক খন্ড বরফকে উত্তপ্ত করে পানিতে পরিণত করলে আয়তন কমবে এবং একই পরিমাণ পানি যখন বরফে পরিণত হয় তখন বরফের আয়তন বেড়ে যায়।
সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে কারণ বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি যার ফলে বরফ পানিতে ভাসে।
Source: britannica.com

৫৫৬.
নিচের কোন বিশেষ ইলেকট্রনিকস ডিভাইসে ব্যাটারির এক ধরণের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয় উল্টো সংযোগে হয় না?
  1. ক) ডায়োড
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) আইসি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়োড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ডায়োড
ব্যাখ্যা

ডায়োড এমন একটি ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, যেখানে ব্যাটারির এক ধরণের সংযোগে বিদ্যুৎ প্রবাহ হয়, উল্টো সংযোগে হয় না।
ডায়োডের ব্যবহারের কোন শেষ নেই। সাধারণ ডায়োড ছাড়াও বিভিন্ন রঙিন ছোট ছোট আলো হল Light Emitting Diode।
ডায়োডের আরো একটি ব্যবহার হচ্ছে AC থেকে DC তৈরি করা অর্থাৎ ডায়োড রেক্টিফায়ার হিসাবে কাজ করে।
উৎসঃ পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৫৭.
নিচের কোনটি গ্রীনহাউস গ্যাস?
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. হাইড্রোজেন
  4. মিথেন
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা

• গ্রীন হাউস গ্যাস: 
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে- 
• জলীয় বাষ্প,
• কার্বন ডাই অক্সাইড,
• নাইট্রাস অক্সাইড,
• মিথেন,
• ওজোন,
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড (CS2) এবং কার্বনিল সাইফাইড (COS) পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry.

৫৫৮.
কোয়াসি মুন কী?
  1. চাঁদের চারপাশে ঘূর্ণায়মান ছোট উপগ্রহ
  2. পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ঘোরে কিন্তু স্থায়ী নয় এমন ক্ষুদ্র গ্রহাণু
  3. সূর্যের চারপাশে ঘূর্ণায়মান গ্রহ
  4. পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রাকৃতিক উপগ্রহ
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ঘোরে কিন্তু স্থায়ী নয় এমন ক্ষুদ্র গ্রহাণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ঘোরে কিন্তু স্থায়ী নয় এমন ক্ষুদ্র গ্রহাণু
ব্যাখ্যা

• কোয়াসি-মুন।
- কোয়াসি-মুন এমন একটি বস্তু, যা পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি ঘোরে, কিন্তু স্থায়ীভাবে পৃথিবীর উপগ্রহ নয়।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি একটি অজানা 'কোয়াসি-মুন' বা আধা-চাঁদ সদৃশ বস্তু আবিষ্কার করেছেন।
- নতুন এই মহাজাগতিক বস্তুটির নাম '২০২৫ পিএন৭'।
- এটি সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে, তবে পৃথিবীর কক্ষপথের কাছাকাছি অবস্থান করে।
- হাওয়াইয়ের হেলেয়াকালা আগ্নেয়গিরিতে অবস্থিত 'প্যান-স্টারস'- মানমন্দির গত ২৯ আগস্ট '২০২৫ পিএন৭'-কে প্রথমবারের মতো পর্যবেক্ষণ করে।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৫৫৯.
মুখ্য জোয়ারের অপর নাম কী?
  1. পরোক্ষ জোয়ার
  2. প্রত্যক্ষ জোয়ার
  3. মরা কটাল
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ জোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ জোয়ার
ব্যাখ্যা

• জোয়ার-ভাঁটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে  ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 
- জোয়ার ভাঁটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরুপে সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬০.
সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব-
  1. ক) ৯৩ লক্ষ কিলোমিটার
  2. খ) ৯৩ মিলিয়ন কিলোমিটার
  3. গ) ৯৩ মিলিয়ন মাইল
  4. ঘ) ১৫০ মিলিয়ন মাইল
সঠিক উত্তর:
গ) ৯৩ মিলিয়ন মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯৩ মিলিয়ন মাইল
ব্যাখ্যা
Earth orbits our Sun, a star. Earth is the third planet from the Sun at a distance of about 93 million miles (150 million km).
Source: NASA
৫৬১.
গ্যালাক্সি প্রধানত কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
গ্যালাক্সি:

- প্রধানত গ্যালাক্সি ২ প্রকার।
- স্বাভাবিক গ্যালাক্সিঃ আমরা জানি যে, গ্যালাক্সি হল মহাবিশ্বের মৌলিক উপাদান। আমাদের ছায়াপথ ছাড়াও মহাবিশ্বে লক্ষ লক্ষ গ্যালাক্সি রয়েছে। এদের বলা হয় স্বাভাবিক গ্যালাক্সি।
- রেডিও গ্যালাক্সিঃ যেসব গ্যালাক্সি রেডিও কম্পাঙ্কের তড়িৎ চৌম্বক বিকিরিণ নিঃসরণ করে তাদের রেডিও গ্যালাক্সি বলে।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫৬২.
কোন স্কেলের সাহায্যে ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয়?
  1. হাইড্রোমিটার
  2. ফ্যাদোমিটার
  3. ব্যারোমিটার
  4. রিখটার স্কেল
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
ব্যাখ্যা
রিখটার স্কেল:

- ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে। 
- 1935 সালে আমেরিকার ভূকম্প বিশারদ চার্লস ফ্রান্সিস রিখটার ভূমিকম্পের যে মাত্রামাপক স্কেল প্রণয়ন করেন সেই স্কেলকে রিখটার স্কেল বলে।
- রিখটার পরিমাপক স্কেল হলো কোন ভূমিকম্পের প্রাবল্যকে সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা, এটি একটি 10 মাত্রা ভিত্তিক লগারিদম পরিমাপ।
অর্থাৎ এই পরিমাপে যে কোন সংখ্যার ভূমিকম্প- পূর্ববর্তী সংখ্যার চাইতে 10 গুণ বেশি শক্তিশালী।যেমন তিন মাত্রার ভূমিকম্পের চেয়ে চার মাত্রার ভূমিকম্প দশগুণ বেশি শক্তিশালী।

ভূমিকম্প:
 
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। 
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। 
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। 
- বড় ধরনের ভূমিকম্প নদীর গতিপথও পরিবর্তন করতে পারে। যেমন - ভূমিকম্পের ফলে আমাদের অন্যতম প্রধান নদী ব্রহ্মপুত্রের গতিপথ বদলে গিয়েছিল। 
- পৃথিবীর মাঝে জাপান এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। 
- ২০১০ সালে হাইতিতে, ২০১১ সালে জাপানে এবং ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্প ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল। 
- জাপানের ভূমিকম্পের পর সেখানে সৃষ্ট সুনামি নিউক্লিয়ার শক্তি কেন্দ্রে আঘাত করে একটি নিউক্লিয়ার দুর্ঘটনা ঘটিয়েছিল। 
- রিখটার স্কেলে ৫ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প আমরা অনুভব করতে পারি। 
- এই স্কেলে এক মাত্রা বেড়ে যাওয়া মানে তার শক্তি ৩০গুন বেড়ে যাওয়া। 
- ১৯৮৪ সালে মানিকগঞ্জ এলাকায় রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার বড় একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। 

অন্যদিকে, 
- আর্দ্রতা পরিমাপক যন্ত্র হাইড্রোমিটার। 
- বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার। 
- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।
৫৬৩.
কোয়াশিয়রকর রোগ কেন হয়?
  1. ক) শর্করার স্বল্পতার জন্য
  2. খ) ভিটামিন ই এর অভাবে
  3. গ) খনিজ পুষ্টির অভাব
  4. ঘ) আমিষের স্বল্পতার অভাবে
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিষের স্বল্পতার অভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমিষের স্বল্পতার অভাবে
ব্যাখ্যা
কোয়াশিয়রকর রোগ হয় আমিষের অভাবে ২-৪ বছরের শিশুদের। এ রোগের লক্ষণগুলো হলো- শিশুর বৃদ্ধি হ্রাস পায়, পেটের পীড়া দেখা দেয়, পেশি ক্ষয় হতে থাকে, পানি জমে শরীর ফুলে যায়। ‌
৫৬৪.
মেরুজ্যোতি বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে দেখা যায় ?
  1. এক্সোমণ্ডল
  2. মেসোমণ্ডল
  3. তাপমণ্ডল
  4. ট্রপোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাপমণ্ডল
ব্যাখ্যা
তাপমণ্ডল বা থার্মোস্ফিয়ার
- মেসোবিরতির উপরে প্রায় ৫০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এই স্তরের বাতাস অত্যন্ত হালকা ও ক্ষীণ।
- তাপমণ্ডল নিচের দিক থেকে আয়নোস্ফিয়ার, এক্সোস্ফিয়ার ও ম্যাগনেটোস্ফিয়ার নামক তিনটি স্তরে বিভক্ত।
- তাপমণ্ডলের আয়নোস্ফিয়ারে মেরুজ্যোতি(Aurora) তৈরি হয়।
- পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এলাকায় রাতের আকাশে মেরুজ্যোতি দেখা যায়।
- আয়নোস্ফিয়ারে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়।

উল্লেখ্য,
বায়ুমন্ডলকে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
১. ট্রপোমণ্ডল,
২. স্ট্রাটোমন্ডল,
৩. মেসোমণ্ডল,
৪. তাপমণ্ডল ও
৫. এক্সোমণ্ডল।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেনি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।
৫৬৫.
নিচের কোনটি ঘূর্ণিঝড়ের প্রচণ্ড শক্তি হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) সুপ্ত তাপ
  2. খ) আপেক্ষিক তাপ
  3. গ) লীন তাপ
  4. ঘ) বিকীর্ণ তাপ
সঠিক উত্তর:
ক) সুপ্ত তাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সুপ্ত তাপ
ব্যাখ্যা
- পানির বাষ্পায়নের সময় পানি যে রকম তার বাষ্পীভবনের সুপ্ততাপটুকু নিয়ে নেয়, এর উল্টোটাও সত্যি। 
- যদি কোনো প্রক্রিয়ায় বাষ্প পানিতে রূপান্তরিত হয় তখন সেটি তাপ সরবরাহ করে। 
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় সমুদ্রের জলীয় বাষ্পে ভরা বাতাস উপরে উঠে যখন জলকণায় রূপান্তরিত হয় তখন বাষ্পীভবনের সুপ্ততাপটা শক্তি হিসেবে বের হয়ে আসে। 
- এই শক্তিটা ঘূর্ণিঝড়ের প্রচণ্ড শক্তি হিসেবে কাজ করে।
 
 উৎস: নবম-দশম শ্রেণি; পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই। 
৫৬৬.
নেপচুনের কয়টি উপগ্রহ রয়েছে?
  1. ১৩টি 
  2. ১৬টি
  3. ১৪টি
  4. ১৮টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা

• নেপচুনের তথ্য:
- নেপচুন আমাদের সৌরজগতের অষ্টম এবং সবচেয়ে দূরবর্তী গ্রহ।
- নেপচুনই আমাদের সৌরজগতের একমাত্র গ্রহ যা খালি চোখে দেখা যায় না।
- ১৬১২ এবং ১৬১৩ সালে গ্যালিলিও তার ছোট টেলিস্কোপ দিয়ে পর্যবেক্ষণের সময় নেপচুনকে একটি স্থির নক্ষত্র হিসেবে রেকর্ড করেছিলেন। 
- নিরক্ষীয় ব্যাস ৩০,৭৭৫ মাইল (৪৯,৫২৮ কিলোমিটার) হওয়ায়, নেপচুন পৃথিবীর চেয়ে প্রায় চারগুণ প্রশস্ত।
- সূর্য থেকে নেপচুনের গড় দূরত্ব ৪.৫ বিলিয়ন কিলোমিটার।
- নেপচুনের এক দিনে প্রায় ১৬ ঘন্টা সময় লাগে (নেপচুনের একবার আবর্তন বা ঘূর্ণন করতে যে সময় লাগে)।
- নেপচুন সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ সম্পূর্ণ করে (নেপচুনিয়ান সময়ে এক বছর) প্রায় ১৬৫ পৃথিবী বছরে (৬০,১৯০ পৃথিবী দিন)।
- নেপচুনের নামকরণ করা হয়েছিল রোমান সমুদ্র দেবতার নামে।
- নেপচুনের ১৬টি উপগ্রহ আছে।
- নেপচুনের বৃহত্তম উপগ্রহ ট্রাইটন আবিষ্কার করেন ১০ অক্টোবর, ১৮৪৬ সালে, জোহান গটফ্রাইড গ্যাল গ্রহটি আবিষ্কার করার মাত্র ১৭ দিন পরে।

উৎস: NASA.

৫৬৭.
কোন গ্যাসটি বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে?
  1. ক) কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  2. খ) জলীয় বাষ্প
  3. গ) সিএফসি
  4. ঘ) নাইট্রিক অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
গ) সিএফসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিএফসি
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের ওজন স্তর অবক্ষয়ের জন্য সিএফসি গ্যাসের ভূমিকা সর্বোচ্চ। 

CFC-এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন। মূলত মিথেন বা ইথেনের ক্লোরিন ও ফ্লোরিনের জাতকসমূহকে সিএফসি বলা হয়।
গন্ধহীন, অদাহ্য, অবিষাক্ত এবং নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট এসব যৌগের বাণিজ্যিক নাম ফ্রেয়ন।

সিএফসি (CFC) এর ব্যবহার- 
১। কীটনাশক ও পােকামাকড় দমনের জন্য বিষাক্ত দ্রবণ তৈরিতে দ্রাবক হিসাবে CFC ব্যবহার করা হয়।
২। শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ইনহেলার, মেডিক্যাল স্প্রে-প্রভূতি ক্ষেত্রে CFC ব্যবহার করা হয়।
৪। সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে CFC ব্যবহার করা হয়।
৫। CFC এর ফুটনাংক কম হওয়ায় বিভিন্ন ধরণের রেফ্রিজারেশন এবং শীতাতাপ নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হয়।
৬। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে CFC যৌগের ব্যবহার রয়েছে।

সূত্র: United States Environmental Protection Agency
৫৬৮.
কিসের প্রভাবে শুক্র সৌরজগৎ এর উষ্ণতম গ্রহ?
  1. শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত ও অস্ত যায় বলে
  2. শুক্রের কোন উপগ্রহ নেই বলে
  3. এই গ্রহে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল আছে বলে
  4. এসিড বৃষ্টি হয় বলে
সঠিক উত্তর:
এই গ্রহে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল আছে বলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই গ্রহে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল আছে বলে
ব্যাখ্যা
শুক্র গ্রহ: 
• সৌরজগতে মোট আটটি গ্রহের মধ্যে শুক্র সূর্যের দ্বিতীয় নিকটতম ও পৃথিবীর নিকটতম গ্রহ। 
• শুক্র গ্রহকে সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে সন্ধ্যাতারা এবং ভোরে পূর্ব আকাশে শুকতারা হিসেবে দেখতে পাওয়া যায়।
• শুক্রের আকাশে বছরে দুইবার সূর্য উদিত ও অস্ত যায়।

• শুক্র সৌরজগৎ এর উষ্ণতম গ্রহ।
• এই গ্রহে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘন বায়ুমণ্ডল থাকায় এটি তাপ ধরে রাখে।
• বুধ সূর্যের নিকটতম গ্রহ। কিন্তু বুধে কোন বায়ুমণ্ডল নেই বলে তাপ ধরে রাখতে পারে না। 

• শুক্রের বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের আধিক্যের কারণে এসিড বৃষ্টি হয়ে থাকে।
• বুধ গ্রহের ন্যায় শুক্রেরও কোন উপগ্রহ নেই।

- আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলির গড় তাপমাত্রা হল:
• বুধ: ১৬৭° সেলসিয়াস।
• শুক্র: ৪৬৪° সেলসিয়াস।
• পৃথিবী: ১৫° সেলসিয়াস।
• মঙ্গল: -৬৫° সেলসিয়াস।
• বৃহস্পতি: -১১০° সেলসিয়াস।
• শনি: -১৪০°C
• ইউরেনাস: -১৯৫° সেলসিয়াস।
• নেপচুন: -২০০° সেলসিয়াস।
• বামন গ্রহ প্লুটো: -২২৫° সেলসিয়াস।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
৫৬৯.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব প্রথম প্রবর্তন করেন কে?
  1. জর্জ লেমিটার
  2. আলবার্ট আইন্সটাইন
  3. স্টিফেন হকিং
  4. ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
জর্জ লেমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ লেমিটার
ব্যাখ্যা

• জর্জ লেমিটার: বিগ ব্যাং তত্ত্বের জনক
- ১৯৩১ সালে বেলজিয়ান জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও ক্যাথলিক পাদ্রী জর্জ লেমিটার প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে বিগ ব্যাং তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- এই তত্ত্ব ১৯৩০-এর দশকে প্রচলিত বৈজ্ঞানিক ধারণা থেকে একটি বিপ্লবাত্মক বিচ্যুতি ছিল, যা আজ প্রায় সব জ্যোতির্বিজ্ঞানীর দ্বারা গৃহীত,।
- সেই সময়ে অনেক জ্যোতির্বিজ্ঞানী এখনও মহাবিশ্বের প্রসারণশীল ধারণা মেনে নিতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন।
- সমগ্র দৃশ্যমান মহাবিশ্ব গ্যালাক্সি সমূহের বিস্ফোরণ দিয়ে শুরু হয়েছিল, তা অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল।
- এই তত্ত্বের আধুনিকতম ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking) তাঁর 'A Brief History of Time' বইয়ে।

উৎস: American Museum of Natural History.

৫৭০.
বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
  1. কিউরিসিটি রোভার
  2. স্পুটনিক - ১
  3. স্পুটনিক - ২ 
  4. ব্র্যাক অন্বেষা
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক - ১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পুটনিক - ১
ব্যাখ্যা

স্পুটনিক:
- স্পুটনিক ছিল একাধিক কৃত্রিম উপগ্রহের একটি সিরিজ।
- স্পুটনিক ১ ছিল বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ।
- এর প্রথমটি ১৯৫৭ সালের ৪ অক্টোবর সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এই উৎক্ষেপণের মাধ্যমেই শুরু হয় মহাকাশ যুগ।
- এটি একটি ৮৩.৬ কেজি (১৮৪ পাউন্ড) ওজনের ধাতব ক্যাপসুল ছিল।
- এটি পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরতে থাকে—যার সর্বোচ্চ দূরত্ব (অ্যাপোজি) ছিল ৯৪০ কিমি এবং সর্বনিম্ন দূরত্ব (পেরিজি) ছিল ২৩০ কিমি।
- প্রতি ৯৬ মিনিটে এটি একবার করে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করত।
- স্পুটনিক ১ প্রায় তিন মাস কক্ষপথে ঘুরে ১৯৫৮ সালের ৪ জানুয়ারি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে পুড়ে যায়।
- এই উৎক্ষেপণ আমেরিকানদের মাঝে প্রবল আলোড়ন তোলে—কারণ তারা ভাবত, যুক্তরাষ্ট্র প্রযুক্তিতে সোভিয়েত ইউনিয়নের চেয়ে এগিয়ে।
- এই ঘটনার পর শুরু হয় মহাকাশ প্রতিযোগিতা, যা ঠান্ডা যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৭১.
শনি গ্রহ প্রধানত কোন উপাদান দিয়ে গঠিত?
  1. রডিয়াম ও কার্বন
  2. হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
  3. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  4. লোহা ও সিলিকন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম
ব্যাখ্যা

• শনি:
- শনি গ্রহ সূর্য থেকে ষষ্ঠ গ্রহ এবং আমাদের সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- শনি গ্রহটি বেশিরভাগ হাইড্রোজেন এবং হিলিয়াম দিয়ে তৈরি। ।
-এই গ্রহের নামকরণ করা হয়েছে কৃষি ও সম্পদের রোমান দেবতার নামে, যিনি বৃহস্পতিরও পিতা ছিলেন।
- নিরক্ষীয় ব্যাস প্রায় ৭৪,৮৯৭ মাইল (১২০,৫০০ কিলোমিটার) হওয়ায়, শনি গ্রহ পৃথিবীর চেয়ে ৯ গুণ প্রশস্ত। 
-  শনির একদিন মাত্র ১০.৭ ঘন্টা সময় নেয় (শনির একবার ঘুরতে বা ঘুরতে যে সময় লাগে),
- শনি সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ ঘুরে আসতে (শনির সময়ে এক বছর) প্রায় ২৯.৪ পৃথিবী বছরে (১০,৭৫৬ পৃথিবী দিন) পূর্ণ করে।
- ৮ জুন, ২০২৩ পর্যন্ত, শনির কক্ষপথে ১৪৬টি উপগ্রহ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়ন (IAU) কর্তৃক তাদের আবিষ্কার

উৎস: NASA.

৫৭২.
হ্যালির ধূমকেতু আবার কত সালে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে?
  1. ক) ২০৬০
  2. খ) ২০৬১
  3. গ) ২০৬২
  4. ঘ) ২০৬৩
সঠিক উত্তর:
খ) ২০৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০৬১
ব্যাখ্যা

- ধূমকেতু হলো ধুলো, বরফ ও গ্যাসের তৈরি এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু। এই বস্তু মূলত সৌরজগতের একটি ছোট্ট অংশ, যেটি সূর্যকে কেন্দ্র করেই ঘোরে।
- ক্ষণস্থায়ী ধূমকেতুর প্রতি ঘূর্ণনকাল ২০০ বছরের নিচে হয়, আর দীর্ঘস্থায়ী ধূমকেতুর ক্ষেত্রে সেটা ২০০ বছরেরও অধিক।
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৫ বছর পর পর দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
- হ্যালির ধূমকেতু সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে দেখা গিয়েছিল এবং ২০৬১ সালে আবার দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সূত্র: Spcae.com এবং somoynews.tv

৫৭৩.
নদী ভরাট বা দখল পরিবেশে কী প্রভাব ফেলে?
  1. নদীর গভীরতা বাড়ে।
  2. মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
  3. বন্যার ঝুঁকি বাড়ে।
  4. পানির প্রবাহ দ্রুত হয়।
সঠিক উত্তর:
বন্যার ঝুঁকি বাড়ে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্যার ঝুঁকি বাড়ে।
ব্যাখ্যা
• নদী ভরাট বা দখল করার ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ সংকুচিত হয়ে পড়ে। যার ফলে নানাবিধ সমস্যা দেখা দেয়। 

এতে যা ঘটে থাকে —
-  নদীর ধারণক্ষমতা কমে যায়।
-  বর্ষার সময় অতিরিক্ত পানি নদীতে জায়গা না পেয়ে প্লাবিত হয়।
ফলে বন্যার ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়।

এছাড়াও,
• নদী ভরাট বা দখলের কারণে— 
- জলজ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
-  মৎস্য সম্পদ হ্রাস পায়।
- জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হয়।

তথ্যসূত্র: 
-  সপ্তম শ্রেণি, বিজ্ঞান ও পরিবেশ ; জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB)। 
-  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (BWDB): নদী ব্যবস্থাপনা ও দুর্যোগ বিষয়ে প্রতিবেদন।
৫৭৪.
শ্বেত বামন কী?
  1. গ্রহ
  2. নক্ষত্র
  3. ব্লাকহোল
  4. গ্যালাক্সি
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র
ব্যাখ্যা
শ্বেত বামন বা হোয়াইট ডোয়ার্ফ তারকা: 
- শ্বেত বামন হলো এক ধরনের ক্ষীণ উজ্জ্বলতার তারকা, যা মাঝারি ও নিম্ন ভরের তারকাদের জীবনচক্রের শেষ পর্যায়ে গঠিত হয়।

প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- প্রথম আবিষ্কৃত তারকাগুলোর সাদা রঙের কারণে এদের হোয়াইট ডোয়ার্ফ বলা হয়।
- কম উজ্জ্বলতা সম্পন্ন হয়।
- ভর প্রায় সূর্যের সমান, কিন্তু ব্যাস পৃথিবীর সমান।
- অত্যন্ত ঘন এবং সংক্ষিপ্ত আকৃতির হয়।
- গড় ঘনত্ব পানি থেকে প্রায় ১০ লক্ষ গুণ বেশি।
- এই তারকারা মহাকাশে নিভে যাওয়া সূর্যের মতো ধীরে ধীরে শীতল হতে থাকে এবং একসময় সম্পূর্ণভাবে নিষ্ক্রিয় কালো ডোয়ার্ফে পরিণত হয়।

উৎস: Britannica.
৫৭৫.
পৃথিবী থেকে উপরে উঠলে মাধ্যাকর্ষণ বল—
  1. ক) অপরিবর্তিত থাকে
  2. খ) কমে যায়
  3. গ) বেশি হয়
  4. ঘ) প্রথমে কমে, পরে বাড়ে
সঠিক উত্তর:
খ) কমে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কমে যায়
ব্যাখ্যা
মাধ্যাকর্ষণ বল:

- পৃথিবী থেকে উপরে উঠলে মাধ্যাকর্ষণ বল কমে যায়
- পৃথিবী ও যেকোন বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষন তা অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বল
- পৃথিবীর কেন্দ্রে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি শূন্য মানের হয়
- মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারনে পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকে পড়ি না।
- মাধ্যাকর্ষণ শক্তির সূত্র আবিষ্কার করেন নিউটন

তথ্যসূত্র - Britannica.com এবং নাসা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৭৬.
ফোটন কণা -
  1. ক) ভর সম্পন্ন
  2. খ) গতিশীল
  3. গ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
  4. ঘ) প্রতিটি ফোটন কণা শব্দের বেগে চলে
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তড়িৎ নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা

আলাে যে ক্ষুদ্র শক্তির প্যাকেট রুপে নির্গত হয় তাকে ফোটন বলে।
ফোটন ভরহীন, তড়িৎ নিরপেক্ষ স্থিতিশীল/সুস্থিত। ফোটন এর দুইটি সম্ভাব্য সমবর্তন দশা রয়েছে।
ফোটন এর কোনো চার্জ না থাকার কারনে তড়িৎ বা চুম্বক ক্ষেত্র প্রভাব বিস্তার করতে পারেনা।
কোয়ান্টাম তত্ত্বের অপর নাম ফোটন তত্ত্ব।

৫৭৭.
বাণিজ্যিক যোগাযোগ উপগ্রহ হিসেবে ব্যবহৃত প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?
  1. স্পুটনিক-২
  2. ইনটেলসেট-১
  3. ল্যান্ডসেট-১
  4. এক্সপ্লোরার-১
সঠিক উত্তর:
ইনটেলসেট-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইনটেলসেট-১
ব্যাখ্যা

- ইনটেলসেট-১, যা 'আর্লি বার্ড (Early Bird)' নামেও পরিচিত, ১৯৬৫ সালের ৬ এপ্রিল উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এবং এটিই ছিল বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ।

কৃত্রিম উপগ্রহ ও এর ইতিহাস: 

- মানুষের পাঠানো যেসব বস্তু বা মহাকাশযান পৃথিবীকে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরে তাদের বলা হয় কৃত্রিম উপগ্রহ। 
- রকেটের সাহায্যে এদের উৎক্ষেপণ করা হয়। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বা অভিকর্ষ বলের প্রভাবে চাঁদের মতো এরা এদের নিজস্ব কক্ষপথে ঘুরে। 
- কৃত্রিম উপগ্রহ চাঁদের তুলনায় অনেক ছোট এবং চাঁদের তুলনায় অনেক নিচু দিয়ে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরে। 
- নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরার জন্য এদের প্রয়োজনীয় দ্রুতি থাকতে হয়। পৃথিবী থেকে কৃত্রিম উপগ্রহের উচ্চতা যত বেশি হবে তার দ্রুতি হবে তত কম। ফলে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে এরা বেশি সময় নেবে। 
- পৃথিবী ২৪ ঘণ্টায় এর নিজ অক্ষের চারদিকে একবার ঘুরে। সুতরাং, কোনো কৃত্রিম উপগ্রহ যদি ২৪ ঘণ্টায় পৃথিবীর চারদিকে একবার ঘুরে আসে, তাহলে একে পৃথিবী থেকে স্থির বলে মনে হবে। 

- মহাকাশযাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর। তারা স্পুটনিক-১ নামক কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে, স্পুটনিক শব্দের অর্থ হলো ভ্রমণসঙ্গী বা সহযাত্রী। একই বছর ২রা নভেম্বর স্পুটনিক-২ নামক আরেকটি কৃত্রিম উপগ্রহ তারা মহাকাশে পাঠান। 
- প্রথম মার্কিন কৃত্রিম উপগ্রহের নাম এক্সপ্লোরার-১, এই উপগ্রহ ১৯৫৮ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি মহাকাশে পাঠানো হয়। 
- ভস্টক-১ নামক সোভিয়েত কৃত্রিম উপগ্রহ মানুষ নিয়ে প্রথম পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। যে মানুষটি প্রথম মহাকাশে গিয়েছিলেন, তিনি হলেন সোভিয়েত ইউনিয়নের ইউরি গ্যাগারিন। তিনি ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল ভস্টক-১ কৃত্রিম উপগ্রহে চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন। 
- ভস্টক-৬ নামক কৃত্রিম উপগ্রহে (মহাকাশযান) চড়ে প্রথম সোভিয়েত নারী মহাকাশচারি ভেলেনটিনা তেরেসকোভা মহাকাশে ঘুরে আসেন ১৯৬৩ সালে। 

- বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের জন্য যোগাযোগ উপগ্রহ হিসেবে ইনটেলসেট-১ কৃত্রিম উপগ্রহকে পাঠানো হয়। 
- রিমোটসেনসিং বা দূর অনুধাবনের জন্য পাঠানো প্রথম উপগ্রহ হলো ল্যান্ডসেট-১, একে পাঠানো হয় ১৯৭২ সালে। 
- আন্তর্জাতিক যোগসূত্র স্থাপনের জন্য অ্যাপোলো-সয়োজ টেস্ট প্রজেক্ট নামে একটি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে প্রথম পাঠানো হয় ১৯৭৫ সালে। 
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এপর্যন্ত হাজার হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠিয়েছে। কয়েক হাজার কৃত্রিম উপগ্রহ বর্তমানে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং হাজার হাজার অব্যবহৃত কৃত্রিম উপগ্রহ বা তাদের অংশবিশেষ মহাকাশে ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।

৫৭৮.
বাংলাদেশে বছরের দীর্ঘতম দিন-
  1. ক) ২২ জুলাই
  2. খ) ২০ জুন
  3. গ) ২২ জুন
  4. ঘ) ২১ জুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ জুন
ব্যাখ্যা
দীর্ঘতম দিন:

- পৃথিবীর দীর্ঘতম দিন ২১ জুন
- পৃথিবীর ক্ষুদ্রতন দিন ২৩ ডিসেম্বর
- ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর পৃথিবীর সর্বত্র দিবারাত্রি সমান।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ,নবম - দশম শ্রেণি।
৫৭৯.
'Big Bang Theory'র ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন-
  1. বার্নার
  2. স্টিফেন হকিং
  3. ডারউইন
  4. নিউটন
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা

• 'Big Bang' তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।

- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল, হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটি বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। জি ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।

• স্টিফেন হকিং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time।
- তাই বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design.

উৎস: ব্রিটানিকা

৫৮০.
কোন স্পেস টেলিস্কোপ ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থলাভিষিক্ত হয়?
  1. জেমস ওয়েব
  2. পাথ ফাইন্ডার
  3. স্পিটজার
  4. জন কেপলার
সঠিক উত্তর:
জেমস ওয়েব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেমস ওয়েব
ব্যাখ্যা

- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ২০২১ সালে হাবল টেলিস্কোপের স্থলাভিষিক্ত হয়। 

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ: 
- মহাকাশে পাঠানো এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় টেলিস্কোপ হচ্ছে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (জেডব্লিউএসটি)। 
- মহাজাগতিক রহস্য অনুসন্ধানের পাশাপাশি মহাবিশ্বের প্রান্তে কী আছে, তা নিয়েও আশ্চর্যজনক ছবি প্রকাশ করছে টেলিস্কোপটি। 
- ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর মহাকাশে পাঠানোর পর থেকে টানা তিন বছর টেলিস্কোপটির মাধ্যমে দূরবর্তী বিভিন্ন গ্রহের বায়ুমণ্ডলের তথ্য বিশ্লেষণসহ মহাজাগতিক রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। 
- তিন বছর আগে এই দিনে দক্ষিণ আমেরিকার ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে ইউরোপিয়ান আরিয়ান রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হয় জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ। 
- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপকে বিখ্যাত হাবল স্পেস টেলিস্কোপের উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে
- প্রায় ৩০ বছর ধরে তৈরি করা হয়েছে টেলিস্কোপটি, খরচ হয়েছে প্রায় এক হাজার কোটি মার্কিন ডলার। 
- বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ হলেও মাত্র তিন বছরের মধ্যেই টেলিস্কোপটি মহাজাগতিক তথ্য সম্পর্কে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। 

- জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ এমন গ্যালাক্সির খোঁজ পেয়েছে যেটি পৃথিবী থেকে ১৩.৪ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
- ২০২৩ সালে টেলিস্কোপটি প্রথম এক্সোপ্ল্যানেট বা বহিঃসৌরজাগতিক গ্রহ আবিষ্কার করে।
- এলএইচএস ৪৭৫বি নামের গ্রহটি পৃথিবীর মতোই দেখতে।
- জেমস ওয়েব বেশ কয়েকটি ব্ল্যাকহোলও আবিষ্কার করেছে। আর তাই টেলিস্কোপটির মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও অনেক চমকের খোঁজ পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা [লিঙ্ক] এবং ব্রিটানিকা।

৫৮১.
পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. অটোহ্যান
  3. রোজেনবার্গ
  4. ওপেন হেইমার
সঠিক উত্তর:
ওপেন হেইমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপেন হেইমার
ব্যাখ্যা
পারমানবিক বোমা: 
- পারমানবিক বোমা ওপেন হেইমার আবিষ্কার করেন। 
- তিনি মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। 
- তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেন এবং গটিংজেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অর্জন করেন। 
- ম্যানহাটন প্রকল্প মার্কিন সরকারের গবেষণা প্রকল্প যা প্রথম পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছিল। 
- ম্যানহাটন প্রকল্পের বিজ্ঞানীরা দক্ষিণ নিউ মেক্সিকোতে আলামোগোর্ডোর কাছে একটি পরীক্ষায় প্রথম পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটান। 

উৎস: Britannica.com
৫৮২.
যে নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয়তা বেশি, তার অর্ধায়ু-
  1. বেশি হয়
  2. কম হয়
  3. অসীম হয়
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
কম হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম হয়
ব্যাখ্যা
অর্ধায়ু (Half Life): 
- একটি নির্দিষ্ট তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস ঠিক কোন মুহূর্তে বিকিরণ করবে সেটি বলা সম্ভব নয়, পদার্থবিজ্ঞান শুধু তার বিকিরণ করার সম্ভাবনাটি বলতে পারে। 
- সে কারণে তেজস্ক্রিয়তার পরিমাণ বের করার জন্য 'অর্ধায়ু' (Half Life)-এর ধারণাটি ব্যবহার করা হয়। 
- যে পরিমাণ সময়ের ভেতর অর্ধেক সংখ্যক নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ঘটে সেটি হচ্ছে অর্ধায়ু। 
- কাজেই যে নিউক্লিয়াসের তেজস্ক্রিতা যত বেশি তার অর্ধায়ু তত কম। 
- স্থিতিশীল নিউক্লিয়াস, যার কোনো তেজস্ক্রিয়তা নেই তার অর্ধায়ুকে 'অসীম' বলে বিবেচনা করতে পারি। 
- তেজস্ক্রিয়তা নিউক্লিয়াসের ঘটনা, তাই তেজস্ক্রিয় রশ্মি বিকিরণ করে একটি নিউক্লিয়াস অন্য নিউক্লিয়াসে পরিবর্তিত হয়। 
- ভিন্ন নিউক্লিয়াস চার্জহীন পরমাণু হওয়ার জন্য খুব সহজেই এক দুইটি বাড়তি ইলেকট্রন তার কাছাকাছি পরিবেশ থেকে নিতে পারে কিংবা ছেড়ে দিতে পারে। তার কারণ নিউক্লিয়াসের ভেতরকার নিউক্লিয়ার শক্তি অনেক বেশি হলেও পরমাণুর ইলেকট্রনের শক্তি সে তুলনায় খুবই কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৮৩.
ভূত্বকের আকস্মিক কম্পনকে কী বলা হয়? 
  1. টর্নেডো
  2. ভূমিকম্প
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. অগ্ন্যুৎপাত
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প (Earthquake): 
- পৃথিবীর কঠিন ভূত্বকের কোনো কোনো অংশ প্রাকৃতিক কোনো কারণে কখনো কখনো অল্প সময়ের জন্য হঠাৎ কেঁপে ওঠে, ভূত্বকের এরূপ আকস্মিক কম্পনকে ভূমিকম্প বলে। 
- ভূকম্পন সাধারণত কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয় আবার কখনো কিছু সময় পর পর অনুভূত হয়। 
- এ কম্পন কখনো অত্যন্ত মৃদু আবার কখনো অত্যন্ত প্রচন্ড হয়। 

ভূমিকম্পের প্রধান কারণ: 
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতকগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত, এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে। 
- অগ্ন্যুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকম্পন সৃষ্টি হয়। 

ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ: 
১। শিলাচ্যুতি বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি: কোনো কারণে ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি ঘটলে বা শিলাতে ভাঁজের সৃষ্টি হলে ভূমিকম্প হয়। ১৯৩৫ সালে বিহারে এবং ১৯৫০ সালে আসামে এ কারণেই ভূমিকম্প হয়। 
২। তাপ বিকিরণ: ভূত্বক তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে ফাটল ও ভাঁজের সৃষ্টি হয়ে ভূমিকম্প হয়। 
৩। ভূগর্ভস্থ বাষ্প: পৃথিবীর অভ্যন্তরে অত্যধিক তাপের কারণে বাষ্পের সৃষ্টি হয়। এই বাষ্প ভূত্বকের নিম্নভাগে ধাক্কা দেওয়ার ফলে প্রচন্ড ভূকম্পন অনুভূত হয়। 
৪। ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস: অনেক সময় ভূগর্ভে হঠাৎ চাপের হ্রাস বা বৃদ্ধি হলে তার প্রভাবে ভূমিকম্প হয়। 
৫। হিমবাহের প্রভাব: হঠাৎ করে হিমবাহ পর্বতগাত্র থেকে নিচে পতিত হলে ভূপৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে এবং ভূমিকম্প হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৮৪.
নিচের কোন অবস্থাকে জোয়ার-ভাটা বলা হয় না? 
  1. সমুদ্রের পানি উপকূলে ফুলে ওঠা
  2. সমুদ্রের পানি উপকূলে নেমে যাওয়া
  3. সমুদ্রের মধ্যভাগে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়া
  4. দেশের ভিতরে নদীপথ দিয়ে সমুদ্রের পানি প্রবেশ ও নেমে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
দেশের ভিতরে নদীপথ দিয়ে সমুদ্রের পানি প্রবেশ ও নেমে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশের ভিতরে নদীপথ দিয়ে সমুদ্রের পানি প্রবেশ ও নেমে যাওয়া
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা: 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়। 
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে। 
- উপকূলে কোন একটি স্থানে একটি জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট পর ভাটা হয়। 
- উপকূলে কোন একটি স্থানে পর পর দুটি জোয়ার বা দুটি ভাটার মধ্যে ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট। 
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়। 
অর্থাৎ, সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু’বার জোয়ার ও দু’বার ভাটা হয়। 
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার ভাটা বেশি অনুভূত হয়। 
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে। 
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার-ভাটা বলে না। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮৫.
রেডিয়েশন ডোজের একক কোনটি?
  1. বেকেরেল
  2. ওয়াট
  3. জুল
  4. সিভার্ট
সঠিক উত্তর:
সিভার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিভার্ট
ব্যাখ্যা

• SI একক সিস্টেমে রেডিয়েশন ডোজের একক হলো সিভার্ট (Sv)।

- রেডিয়েশন ডোজ হলো দেহে বিকিরণ দ্বারা শোষিত শক্তির পরিমাণ, যা মানুষের শরীরের কোষ বা টিস্যুতে প্রভাব ফেলে।
- এটি রেডিওঅ্যাকটিভ বিকিরণের ঝুঁকি নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
- ১ সিভার্ট = শরীরের টিস্যু প্রতি কিলোগ্রামে ১ জুল শক্তি শোষণ + রেডিয়েশন টাইপ অনুযায়ী ক্ষতি মান্য।
- সাধারণভাবে ব্যবহার হয় মিলিসিভার্ট (mSv) বা মাইক্রোসিভার্ট (μSv) হিসেবে, কারণ পূর্ণ Sv অনেক বেশি শক্তিশালী।

রেডিয়েশন ডোজের ধরন:
- Absorbed Dose (Gy, Gray): শোষিত শক্তির পরিমাণ।
- Equivalent Dose (Sv): রেডিয়েশন টাইপ অনুযায়ী মানবদেহের ক্ষতির মান।
- Effective Dose (Sv): বিভিন্ন টিস্যু ও অঙ্গের ক্ষতি গণনায় ব্যবহৃত।

তথ্যসূত্র:
- NCTB মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই। 
- ব্রিটানিকা [লিংক]

৫৮৬.
জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য প্রতি লিটার পানিতে কতটুকু অক্সিজেন থাকা প্রয়োজন?
  1. ১.০ মিলিগ্রাম
  2. ৫.০ মিলিগ্রাম
  3. ০.৫ মিলিগ্রাম
  4. ০.০৫ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
৫.০ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.০ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা
- পানিতে বসবাসকারী প্রাণীদের শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অক্সিজেনের দরকার হয়। আর তারা এই অক্সিজেন পায় পানিতে দ্রবীভূত হয়ে থাকা অক্সিজেন থেকে। 
- জলজ প্রাণীদের বেঁচে থাকার জন্য ১.০ লিটার বা প্রতি লিটার পানিতে কমপক্ষে ৫.০ মিলিগ্রাম অক্সিজেন থাকা দরকার। 
- এই অক্সিজেন নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে কমে গেলে জলজ প্রাণীগুলোর সমস্যা হতে থাকে। 
- যদি পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন না থাকে, তাহলে মাছসহ অন্যান্য প্রাণী বাচঁতেই পারবে না। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৫৮৭.
Constellation বলতে নিচের কোনটিকে বোঝানো হয়?
  1. আকাশগঙ্গা
  2. প্রক্সিমা সেন্টারাই
  3. নক্ষত্রমণ্ডলী
  4. উল্কা
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্রমণ্ডলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্রমণ্ডলী
ব্যাখ্যা
নক্ষত্রমণ্ডলী (Constellation):
- মেঘমুক্ত অন্ধকার রাতে আকাশের দিকে তাকালে মনে হয় কয়েকটি নক্ষত্র বিশেষ আকৃতিতে মিলে জোট বেঁধেছে।
- এভাবে আমাদের পরিচিত আকৃতিতে দেখা নক্ষত্রদলকে নক্ষত্রমণ্ডলী বলে।
- প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এক একটি নক্ষত্রদলকে কাল্পনিক রেখা দ্বারা যুক্ত করে বিভিন্ন আকৃতি কল্পনা করে বিভিন্ন নাম দিয়েছেন। - এদের কোনোটা দেখতে ভল্লুকের মতো, কোনোটা শিকারির মতো।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য: 
- সপ্তর্ষিমণ্ডল (Great Bear),
- কালপুরুষ (Orion),
- ক্যাসিওপিয়া (Cassiopeia),
- লঘুসপ্তর্ষি (Little Bear),
- বৃহৎ কুকুরমন্ডল (Canis Major) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫৮৮.
তেজস্ক্রিয়তা ঘটনাটির প্রকৃতি কেমন?
  1. চাপ নিয়ন্ত্রিত
  2. চৌম্বক ঘটনা দ্বারা প্রভাবিত হয়
  3. স্বতঃস্ফূর্ত
  4. বিদ্যুৎ প্রভাবিত
সঠিক উত্তর:
স্বতঃস্ফূর্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বতঃস্ফূর্ত
ব্যাখ্যা
• তেজস্ক্রিয়তা:
- তেজস্ক্রিয় মৌল হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কণা এবং রশ্মি নির্গত হওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity) বলা হয়। 

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ সাধারণত আলফা ও বিটা-এ দুই প্রকারের তেজস্ক্রিয় কণা এবং গামা রশ্মি নিঃসরণ করে।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি সম্পূর্ণ নিউক্লিয়ার ঘটনা এবং এর মাধ্যমে নিউক্লিয়াসের ভাঙনের ফলে একটি মৌল আর একটি নতুন মৌলে রূপান্তরিত হয়।
- তেজস্ক্রিয়া একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও প্রকৃতি নিয়ন্ত্রিত ঘটনা।
- এটি চাপ, তাপ, বিদ্যুৎ বা চৌম্বকক্ষেত্রের ন্যায় বাইরের কোনো প্রক্রিয়া দ্বারা প্রভাবিত হয় না।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
৫৮৯.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে অরোরা সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ট্রপোমণ্ডল
  2. খ) স্ট্র্যাটোমণ্ডল
  3. গ) মেসােমন্ডল
  4. ঘ) আয়নমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়নমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আয়নমন্ডল
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলের আয়নোস্ফিয়ারে অরোরা সৃষ্টি হয়।
সূর্য থেকে আসা আয়ন  বায়ুমন্ডলের অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন অণুর সাথে সংঘর্ষের ফলে যে শক্তি উৎপন্ন হয় তা আলোকরূপে নির্গত হয়। অক্সিজেন কণা সবুজ ও লাল আলো এবং নাইট্রোজেন কণা নীল ও পার্পল আলোর সৃষ্টি করে।
পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি এলাকায় রাতের আকাশে অরোরা দেখা যায়, বাংলায় যাকে বলে মেরুজ্যোতি বা মেরুপ্রভা। 


ছবিতে অরোরা।

সূত্র: National Geographic ও Nasa
৫৯০.
সবচেয়ে শক্তিশালী তেজষ্ক্রিয় রশ্মি কোনটি?
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. এক্স-রে রশ্মি
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা

• সবচেয়ে শক্তিশালি তেজষ্ক্রিয় রশ্মি গামা রশ্মি

• তেজষ্ক্রিয় রশ্মি: 
- প্রকৃতিতে এমন কতকগুলি পরমাণু পাওয়া যায় যারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চ ভেদনদক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি, বিটা কণিকা ও আলফা কণিকা বিকিরণ করে। ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, রেডিয়াম প্রভৃতি এ ধরণের পরমাণু। স্বতঃস্ফুর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরী বেকেরেল আকস্মিকভাবে এ রশ্মি আবিষ্কার করেন। তাঁর নাম অনুসারে এই রশ্মির নাম দেয়া হয় "বেকেরেল রশ্মি”। পরবর্তিতে মাদাম কুরী  এবং তাঁর স্বামী পিয়ারে কুরী নানা পদার্থের তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষণা শুরু করেন। এই রশ্মি বর্তমানে তেজস্ক্রিয় রশ্মি (Radioactive rays) নামে পরিচিত।
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্মি বিকিরণের প্রক্রিয়াকেই তেজস্ক্রিয়তা বলে।

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য:

১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ও অবিরাম ঘটনা। তাপ, চাপ, তড়িৎ ক্ষেত্র, চৌম্বক ক্ষেত্র অথবা কোনো ভৌত কারণ দ্বারা তেজস্ক্রিয়তা প্রভাবিত হয় না।
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে আলফা কণিকা (a), বিটা কণিকা (β) ও গামা রশ্মি (y) নির্গত হয়।
৩। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তি স্থল হলো নিউক্লিয়াস। পরমাণুর ভাঙ্গনের ফলেই তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয়। তেজস্ক্রিয়তার ফলে এক প্রকার পরমাণু অন্য এক প্রকার পরমাণুতে পরিণত হয়।
৪। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া।

অপশন আলোচনা:

আলফা রশ্মি:
- ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে কম।
- বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।

বিটা রশ্মি:
- ভেদন ক্ষমতা আলফা রশ্মির চেয়ে বেশী।
- বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।

গামা রশ্মি:
- গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
- এই রশ্মি আলোর বেগে গতিশীল।
- বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না।
- ভেদন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
- শক্তি ও ফ্রিকোয়েন্সি সর্বাধিক।
- চার্জ ও ভর নেই।

এক্স-রে রশ্মি:
- এক্স-রে শক্তিশালী হলেও এটি তেজস্ক্রিয় রশ্মি নয়, বরং কৃত্রিমভাবে উৎপন্ন হয়।

এ কারণে গামা রশ্মি সবচেয়ে শক্তিশালী তেজস্ক্রিয় রশ্মি।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯১.
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম প্রধান কারণ নিচের কোনটি?  
  1. ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
  2. খ) সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালন
  3. গ) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
  4. ঘ) সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরণ করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে। সমুদ্রস্রোতের প্রধান কারণসমূহ হলো -নিয়ত বায়ুপ্রবাহ, পৃথিবীর আহ্নিক গতি প্রভৃতি। স্বল্পতম সময়ে ও সংক্ষিপ্ত পথে জাহাজ চালাতে নাবিকেরা সমুদ্রস্রোত অনুসরণ করেন। স্রোতের অনুকূলে জাহাজ চালিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে গন্তব্য বন্দরে পৌঁছানো যায়।
সমুদ্রস্রোতকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- উষ্ণ স্রোত এবং স্রোত। নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি হালকা হয় 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম 
৫৯২.
কোন বস্তুর ত্বরণ বলতে কী বুঝায়?
  1. ক) সময়ের সাথে দ্রুতি পরিবর্তনের হার
  2. খ) সময়ের সাথে দ্রুতির বৃদ্ধির হার
  3. গ) সময়ের সাথে অবস্থান পরিবর্তনের হার
  4. ঘ) সময়ের সাথে বেগ বৃদ্ধির হার
সঠিক উত্তর:
ঘ) সময়ের সাথে বেগ বৃদ্ধির হার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সময়ের সাথে বেগ বৃদ্ধির হার
ব্যাখ্যা
সময়ের সাথে বস্তুর অসম বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলে। ত্বরণ ২ প্রকার হতে পারে, যথা-সুষম ত্বরণ ও অসম ত্বরণ। উৎসঃ ৮ম শ্রেণির বিজ্ঞান
৫৯৩.
আপেক্ষিক ভর শূন্য কার?
  1. ক) প্রোটন
  2. খ) নিউট্রন
  3. গ) ইলেকট্রন
  4. ঘ) মেসন
সঠিক উত্তর:
গ) ইলেকট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইলেকট্রন
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনের আপেক্ষিক ভর শূন্য, নিউট্রনের আপেক্ষিক আধান শূন্য।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
৫৯৪.
রিখটার স্কেলে পরিমাপ করা হয়-
  1. ভূমিকম্পের তীব্রতা
  2. শব্দের তীব্রতা
  3. সমুদ্রস্রোত 
  4. আবহাওয়া পরিবর্তন 
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্পের তীব্রতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্পের তীব্রতা
ব্যাখ্যা

◉ ভূমিকম্পের আপেক্ষিক শক্তি/মাত্রা (Magnitude) রিখটার স্কেলে পরিমাপ করা হয়।

রিখটার স্কেল:
- ভূমিকম্পের মাত্রা পরিমাপ করা হয় রিখটার স্কেলে।
- 1935 সালে আমেরিকার ভূকম্প বিশারদ চার্লস ফ্রান্সিস রিখটার ভূমিকম্পের যে মাত্রামাপক স্কেল প্রণয়ন করেন সেই স্কেলকে রিখটার স্কেল বলে।
- রিখটার পরিমাপক স্কেল হলো কোন ভূমিকম্পের প্রাবল্যকে সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা, এটি একটি 10 মাত্রা ভিত্তিক লগারিদম পরিমাপ।
অর্থাৎ এই পরিমাপে যে কোন সংখ্যার ভূমিকম্প- পূর্ববর্তী সংখ্যার চাইতে 10 গুণ বেশি শক্তিশালী।যেমন তিন মাত্রার ভূমিকম্পের চেয়ে চার মাত্রার ভূমিকম্প দশগুণ বেশি শক্তিশালী।

ভূমিকম্প:
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে।
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও ব্রিটানিকা।

৫৯৫.
কোন সমীকরণ মহাজাগতিক সকল শক্তির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম?
  1. ভর-বেগের সমীকরণ
  2. কৃষ্ণ বস্তুর সমীকরণ
  3. ভর-শক্তির সমীকরণ
  4. মাইকেলসন-মোরলে সমীকরণ
সঠিক উত্তর:
ভর-শক্তির সমীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভর-শক্তির সমীকরণ
ব্যাখ্যা

ভর-শক্তি সম্পর্ক (Mass Energy Relation): 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ অবদান হলো ভর-শক্তি সম্পর্ক। 
- চিরায়ত বলবিদ্যায় কোনো বস্তুর ভর ধ্রুব রাশি এবং শক্তি সর্বদাই নিত্য। 
- চিরায়ত বলবিদ্যায় আরো ধরা হয় যে, ভর এবং শক্তি দুটি ভিন্ন সত্তা। 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বে চিরায়ত বলবিদ্যায় পুরাতন ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটে। 
- এই তত্ত্বানুসারে ভর এবং শক্তি দুটি অভিন্ন সত্তা। 
- ভরকে সম্পূর্ণরূপে ধংস করা যায় এবং তা থেকে শক্তির উৎপন্ন হয়। 
অর্থাৎ, ভর সম্পূর্ণরূপে শক্তিতে রূপান্তর হয় এবং একই ভাবে শক্তিও উপযুক্ত পরিবেশ পেলে ভরে রূপান্তর হয়।

ভর-শক্তি সমীকরণ: 
- E = mc2 এটিই আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি সমীকরণ। 
- এই সমীকরণ প্রমাণ করে, ভর ও শক্তি ভিন্ন সত্তার নয়, বরং একই সত্তার দুটি ভিন্নরূপ মাত্র। 
- নিউক্লিয় ফিশান ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা আইনস্টাইনের বিখ্যাত ভর-শক্তির সমীকরণ দিয়ে সঠিকভাবে পরিমাপ করা যায়। 
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাও এই সমীকরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। 
অর্থাৎ, এই সমীকরণ মহাজাগতিক সকল শক্তির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৯৬.
কোথায় সাঁতার কাটা সহজ? 
  1. পুকুরে
  2. বিলে
  3. নদীতে
  4. সাগরে
সঠিক উত্তর:
সাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাগরে
ব্যাখ্যা
- নদীর পানি অপেক্ষা সমুদ্রের পানিতে প্লবতা বেশি হওয়ায় সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ। 
- প্লবতা প্রবাহীর ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে (সমানুপাতিক)। 
- নদীর পানির তুলনায় সমুদ্রের পানির ঘনত্ব কিছু বেশি। 
- তাই সাঁতার কাটার সময় নদীর পানির তুলনায় সমুদ্রের পানিতে বেশি উর্ধ্বমুখী বল পাওয়া যায়। 
- এ কারণে নদীর পানি অপেক্ষা সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ। 
 
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি ও কালের কণ্ঠ।
৫৯৭.
কোন গ্রিক বিজ্ঞানী পৃথিবীর ব্যাসার্ধ নির্ণয় করেছিলেন?
  1. পিথাগোরাস
  2. অ্যারিস্টটল 
  3. ইরাতোস্থিনিস
  4. আর্কিমিডিস
সঠিক উত্তর:
ইরাতোস্থিনিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাতোস্থিনিস
ব্যাখ্যা

গ্রিক, ভারতবর্ষ, চীন এবং মুসলিম সভ্যতার অবদান: 
- বর্তমানে পদার্থবিজ্ঞান বলতে যে বিষয়টিকে বোঝানো হয়, প্রাচীনকালে সেটি শুরু হয়েছিল জ্যোতির্বিদ্যা, আলোকবিজ্ঞান, গতিবিদ্যা এবং গণিতের গুরুত্বপূর্ণ শাখা জ্যামিতির সমন্বয়ে।
- গ্রিক বিজ্ঞানী থেলিসের (BC 624-586) নাম আলাদাভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে, কারণ তিনিই প্রথম কার্যকারণ এবং যুক্তি ছাড়া শুধু ধর্ম, অতীন্দ্রিয় এবং পৌরাণিক কাহিনিভিত্তিক ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছিলেন। থেলিস সূর্যগ্রহণের ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন এবং লোডস্টোনের চৌম্বক ধর্ম সম্পর্কে জানতেন। 
- সেই সময়ের গণিতবিদ ও বিজ্ঞানীদের মাঝে পিথাগোরাস (527 BC) একটি স্মরণীয় নাম। জ্যামিতি এবং কম্পমান তারের ওপর তার মৌলিক কাজ ছিল। 
- গ্রিক দার্শনিক ডেমোক্রিটাস (460 BC) প্রথম ধারণা দেন যে পদার্থের অবিভাজ্য একক আছে, যার নাম দেওয়া হয়েছিল অ্যাটম (এই নামটি আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ব্যবহার করে থাকে)। তবে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় তার ধারণাটি প্রমাণের কোনো সুযোগ ছিল না বলে সেটি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। 
- সেই সময়কার সবচেয়ে বড় দার্শনিক এবং বিজ্ঞানী অ্যারিস্টটলের মাটি, পানি, বাতাস ও আগুন দিয়ে সবকিছু তৈরি হওয়ার মতবাদটিই অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য ছিল। 
- আরিস্তারাকস (310 BC) প্রথমে সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ধারণা দিয়েছিলেন এবং তার অনুসারী সেলেউকাস যুক্তিতর্ক দিয়ে সেটি প্রমাণ করেছিলেন, যদিও সেই যুক্তিগুলো এখন কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। 
- গ্রিক বিজ্ঞান এবং গণিত তার সর্বোচ্চ শিখরে উঠেছিল সর্বকালের একজন শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের (287 BC) সময়। তরল পদার্থে ঊর্ধ্বমুখী বলের বিষয়টি এখনো বিজ্ঞান বইয়ের পঠনসূচিতে থাকে। গোলীয় আয়নায় সূর্যরশ্মিকে কেন্দ্রীভূত করে দূর থেকে শত্রুর যুদ্ধজাহাজে আগুন ধরিয়ে তিনি যুদ্ধে সহায়তা করেছিলেন। 
- গ্রিক আমলের আরেকজন বিজ্ঞানী ছিলেন ইরাতোস্থিনিস (276 BC), যিনি সেই সময়ে সঠিকভাবে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বের করেছিলেন। 

- এরপর প্রায় দেড় হাজার বছর জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চা প্রায় বন্ধ হয়েছিল। শুধু ভারতীয়, মুসলিম এবং চীনা ধারার সভ্যতা গ্রিক ধারার এই জ্ঞানচর্চাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল। 
- ভারতবর্ষে আর্যভট্ট (476), ব্রহ্মগুপ্ত এবং ভাস্কর গণিত ও জ্যোতির্বিদ্যার অনেক মূল্যবান কাজ করেছেন। 
- শূন্যকে সত্যিকার অর্থে ব্যবহার করার কাজটিও ভারতবর্ষে (আর্যভট্ট) করা হয়েছিল। 
- মুসলিম গণিতবিদ এবং বিজ্ঞানীদের ভেতর আল খোয়ারিজমির (783) নাম আলাদাভাবে উল্লেখ করতে হয়। তার লেখা আল জাবির বই থেকে বর্তমান অ্যালজেবরা নামটি এসেছে। 
- ইবনে আল হাইয়াম (965) কে আলোকবিজ্ঞানের স্থপতি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- আল মাসুদি (896) প্রকৃতির ইতিহাস নিয়ে 30 খণ্ডে একটি এনসাইক্লোপিডিয়া লিখেছিলেন। 
- ওমর খৈয়ামের নাম সবাই কবি হিসেবে জানে; কিন্তু তিনি ছিলেন উঁচুমাপের একজন গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ এবং দার্শনিক। 
- চীনা গণিতবিদ ও বিজ্ঞানীরাও পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে অনেক কাজ করেছেন। তাদের মাঝে শেন কুয়োর নামটি উল্লেখ করা যায় (1031), যিনি চুম্বক নিয়ে কাজ করেছেন এবং ভ্রমণের সময় কম্পাস ব্যবহার করে দিক নির্ধারণ করার বিষয়টি উল্লেখ করেছিলেন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৯৮.
খাদ্য শৃঙ্খলের উদাহরণ হিসেবে কোনটি সঠিক? 
  1. পাখি → পশু → সাপ → ঘাস
  2. পতঙ্গ → মাটির নিচে প্রাণী → ঈগল
  3. মাছ → পাখি → উদ্ভিদ → ব্যাঙ → সাপ
  4. ঘাস → পতঙ্গ → ব্যাঙ → সাপ → ঈগল
সঠিক উত্তর:
ঘাস → পতঙ্গ → ব্যাঙ → সাপ → ঈগল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘাস → পতঙ্গ → ব্যাঙ → সাপ → ঈগল
ব্যাখ্যা
খাদ্য শৃঙ্খল: 
- এ পৃথিবীতে সকল শক্তির উৎস সূর্যের আলো। 
- বাস্তুতন্ত্রের উৎপাদক হচ্ছে সবুজ উদ্ভিদ। 
- প্রাথমিক স্তরের খাদক খাদ্যের জন্য উৎপাদকের উপর নির্ভরশীল। আবার দ্বিতীয় স্তরের খাদক নির্ভরশীল প্রাথমিক স্তরের খাদকের উপর। তৃতীয় স্তরের খাদক খায় দ্বিতীয় স্তরের খাদকদেরকে। এভাবে একটি বাস্তুতন্ত্রে সকল জীব (উদ্ভিদ ও প্রাণী) পুষ্টি চাহিদার দিক থেকে ধারাবাহিকভাবে সংযুক্ত থাকে আর এভাবে গড়ে উঠে খাদ্যশৃঙ্খল। 
অর্থাৎ, উদ্ভিদ উৎস থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে একে অন্যকে খাওয়ার মাধ্যমে শক্তির যে স্থানান্তর ঘটে, তাই খাদ্যশৃঙ্খল। 
যেমন: ঘাস → পতঙ্গ → ব্যাঙ → সাপ → ঈগল। 

খাদ্যজাল: 
- বাস্তুতন্ত্রে অসংখ্য খাদ্যশৃঙ্খল থাকে। 
- এসব খাদ্যশৃঙ্খল কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং বিভিন্ন খাদ্যশৃঙ্খল পরস্পর সম্পর্কযুক্ত। খাদ্যশৃঙ্খলের এ ধরনের সংযুক্তিকে খাদ্যজাল বলা হয়। 

অন্যদিকে, 
ক) অপশনের শৃঙ্খলটি সঠিক নয় কারণ এখানে পাখি, পশু, সাপ এবং ঘাসের মধ্যে খাদ্য শৃঙ্খল সঠিকভাবে অনুসৃত হয়নি। ঘাস একটি উৎপাদক হিসেবে শুরু হওয়া উচিত ছিল, এবং পশু ও পাখি সাধারণত শিকারি বা ভোক্তা প্রাণী হিসেবে কাজ করে। 
খ) অপশনের শৃঙ্খলেও একটি সঠিক খাদ্য শৃঙ্খল নেই, কারণ মাটির নিচে প্রাণী (যেমন শুঁটকি বা মাটির প্রাণী) পাখির খাদ্য হতে পারে, তবে এখানে উৎপাদক এবং অন্য স্তরের ভোক্তাদের সম্পর্ক সঠিকভাবে উল্লেখ করা হয়নি। 
গ) অপশনের শৃঙ্খলটি সঠিক নয়, কারণ এখানে মাছ, পাখি, উদ্ভিদ, ব্যাঙ, এবং সাপের মধ্যে খাবারের চেইন ঠিকভাবে সাজানো হয়নি। উদ্ভিদ (যেমন ঘাস) সাধারণত খাদ্য শৃঙ্খলের প্রথম স্তরে থাকবে, তারপর ভোক্তা প্রাণীরা আসবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৫৯৯.
বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান মহাকাশ নিয়ে গবেষণা করে থাকে?
  1. বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘর
  2. বিসিএসআইআর
  3. স্পার্সো
  4. বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১
সঠিক উত্তর:
স্পার্সো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পার্সো
ব্যাখ্যা
স্পারসো:
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটির ম্যান্ডেট হচ্ছে- কৃষি, বন, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অংকন, পানি সম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, পরিবেশ, ভূগোল, সমুদ্র বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা এবং উক্ত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার আগারগাঁও- এ অবস্থিত।
- এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রদানে এ কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সংস্থাটি LANDSAT ও NOA নামক কৃত্রিম উপগ্রহ ব্যবহার করে ভূমি জরিপের কাজে নিয়োজিত।
- বাংলাদেশের স্যটেলাইট ইমেজারিগুলো স্পারসোর তত্ত্বাবধানে থাকে।
- এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এর অধীন।

উৎস: বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান(স্পারসো), sparrso.gov.bd.
৬০০.
পরিবেশ দূষণের প্রাকৃতিক কারণ নয় কোনটি?
  1. বন্যা
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. গাছপালা নিধন
  4. অগ্ন্যুৎপাত
সঠিক উত্তর:
গাছপালা নিধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাছপালা নিধন
ব্যাখ্যা
পরিবেশ দূষণ (Environment Pollution):

- পরিবেশে জীবের স্বাভাবিক অবস্থা বা জীবনযাত্রায় বিঘ্ন সৃষ্টিতে সক্ষম ক্ষতিকর অবস্থার নাম দূষণ।
- অন্যদিকে পানি, বাতাস, মৃত্তিকা বা পরিবেশের কোনো উপাদানের ভৌত, রাসায়নিক বা জৈবিক যে কোনো ধরনের অনাকাঙ্খিত পরিবর্তনই প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণ।
- মানুষের বহুমুখী কর্মকাণ্ডই পরিবেশ দূষণের সবচেয়ে বড় কারণ।

প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের কারণ:
- প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের কারণসমূহকে দুইটি ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা যেতে পারে। যথা:

১/ প্রাকৃতিক কারণ: 
বন্যা ও খরা, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

২/ মানবসৃষ্ট কারণ: 
গাছপালা নিধন, পাহাড় কর্তন, অপরিকল্পিত নগরায়ন, কীটনাশক ব্যবহার, ভূ-গর্ভস্থ পানি আহরণ, শিল্প র্বজ্য, জ্বালানি দহনের নির্গত ধোঁয়া।

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।