বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত

মোট প্রশ্ন২,৪০৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত

PrepBank · পাতা ১৩ / ২৪ · ১,২০১১,৩০০ / ২,৪০৪

১,২০১.
জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হয়- 
  1. পৃথিবীর সাথে সূর্যের আকর্ষণের ফলে
  2. পৃথিবীর সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে 
  3. পৃথিবীর সাথে গ্রহ নক্ষত্রের আকর্ষণের ফলে
  4. গ্রহ-নক্ষত্রের সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে 
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে 
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে জোয়ার-ভাঁটা সংঘটিত হয়। 

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। ফলে জোয়ার ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২০২.
NASA-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নিউইয়র্ক
  2. লস এঞ্জেলেস
  3. ওয়াশিংটন ডি.সি
  4. শিকাগো
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি.সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি.সি
ব্যাখ্যা

NASA:
- NASA এর পূর্ণরূপ: National Aeronautics and Space Administration.
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত: ২৯ জুলাই, ১৯৫৮।
- বাণিজ্যিক যাত্রা শুরু: ১ অক্টোবর, ১৯৫৮।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- মূল কাজ: মহাকাশ গবেষণা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নয়ন, মহাকাশ অনুসন্ধান।

উৎস: নাসা ওয়েবসাইট।

১,২০৩.
নিম্নের কোনটি মিঠা পানির উৎস নয়? 
  1. হ্রদ
  2. মহাসাগর
  3. নদী
  4. ভূগর্ভস্থ পানি
সঠিক উত্তর:
মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাসাগর
ব্যাখ্যা
বারিমণ্ডল: 
- 'Hydrosphere'-এর বাংলা প্রতিশব্দ বারিমণ্ডল। 
- 'Hydro' শব্দের অর্থ পানি এবং 'Sphere' শব্দের অর্থ মণ্ডল। 
- পৃথিবীর সর্বত্র রয়েছে পানি, এ বিশাল জলরাশি পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থায় থাকে যেমন- কঠিন (বরফ), গ্যাসীয় (জলীয়বাষ্প) এবং তরল। বায়ুমণ্ডলে পানি রয়েছে জলীয়বাষ্প হিসেবে, ভূপৃষ্ঠে রয়েছে তরল ও কঠিন অবস্থায় এবং ভূপৃষ্ঠের তলদেশে রয়েছে ভূগর্ভস্থ তরল পানি। 
- বারিমণ্ডল বলতে বোঝায় পৃথিবীর সকল জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ। 
- পৃথিবীর সকল জলরাশির শতকরা ৯৭ ভাগ পানি রয়েছে সমুদ্রে (মহাসাগর, সাগর ও উপসাগর) এবং মাত্র ৩ ভাগ পানি রয়েছে নদী, হিমবাহ, ভূগর্ভস্থ, হ্রদ, মৃত্তিকা, বায়ুমণ্ডল ও জীবমণ্ডলে। 
- পৃথিবীর সমস্ত পানিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- লবণাক্ত ও মিঠা পানি। 
- পৃথিবীর সকল মহাসাগর, সাগর ও উপসাগরের জলরাশি লবণাক্ত এবং নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানি মিঠা পানির উৎস। 
- জলরাশির অবস্থানভিত্তিক বিস্তরণ ও শতকরা হার হচ্ছে- 
• সমুদ্র = ৯৭.২৫, 
• হিমবাহ = ২.০৫, 
• ভূগর্ভস্থ পানি = ০.৬৮, 
• হ্রদ = ০.০১, 
• মাটির আর্দ্রতা = ০.০০৫, 
• বায়ুমণ্ডল = ০.০০১, 
• নদী = ০.০০০১ এবং 
• জীবমণ্ডল = ০.০০০০৪ ইত্যাদি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২০৪.
বাংলাদেশ সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা প্রণয়ন করে -
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা:
• বাংলাদেশে প্রায়শই ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, খরা, নদীভাঙন, শৈত্যপ্রবাহ ও বজ্রপাতসহ বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবেলা করতে হয়। বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগের তীব্রতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বাংলাদেশের জাতীয় নীতি, পরিকল্পনা, এবং বিভিন্ন কর্মসূচী প্রণয়নে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে।
বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় রয়েছে-
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২,
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫,
- দুর্যোগ বিষয়ক স্থায়ী আদেশাবলি ২০১৯,
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০২১-২৫,
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা - ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
 
 
১,২০৫.
রঙিন টেলিভিশনের মৌলিক রং গুলো কি কি?
  1. ক) আসমানী,সবুজ, নীল
  2. খ) নীল, সবুজ, লাল
  3. গ) সাদা, লাল, সবুজ
  4. ঘ) হলুদ, লাল, নীল
সঠিক উত্তর:
খ) নীল, সবুজ, লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নীল, সবুজ, লাল
ব্যাখ্যা

রঙিন টেলিভিশন
রঙিন অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্য রঙিন টেলিভিশনে যে সকল মৌলিক যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়, সাদাকালো অনুষ্ঠান সম্প্রচারের জন্যও একই যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। তবে রং সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য রঙিন টেলিভিশনে বাড়তি কিছু যন্ত্রপাতি ব্যবহৃত হয়। রঙিন টেলিভিশনের ক্যামেরায় রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং-এর পৃথক পৃথক ইলেকট্রন টিউব থাকে।

রঙিন টেলিভিশনের গ্রাহক যন্ত্রেও তিনটি রং যেমন লাল, নীল ও সবুজের জন্য তিনটি ইলেকট্রনগান ব্যবহার করা হয়। এর পর্দাও তৈরী হয় তিন রকম ফসফর দানা দিয়ে। ইলেকট্রন গান থেকে যখন ফসফরাসের উপর ইলেকট্রন বীম পতিত হয় তখন একটা বিশেষ রং শুধু একটি বিশেষ রং-এর দানাকে আলোকিত করে। ফলে পর্দায় একই সাথে ফুটে ওঠে লাল, নীল ও সবুজ রঙের বিন্দু, যার বিভিন্ন রকম মিশ্রণে টেলিভিশন পর্দায় ফুটে ওঠে রঙিন ছবি।

রঙিন টেলিভিশন সম্পর্কিত আলোচনা থেকে আমরা শিখলাম যে, রঙিন টেলিভিশনে রঙিন ছবি উৎপাদনের জন্য মূলত: লাল, নীল ও সবুজ এ তিনটি রং ব্যবহৃত হয়।

সুত্রঃ সবাই কাছাকাছি, বিজ্ঞান, এসএসসি।

১,২০৬.
বায়ুমন্ডলে ধূলিকণা ও কণিকার শতকরা হার কত?
  1. ক) ০.০২
  2. খ) ০.৪১
  3. গ) ০.০১
  4. ঘ) ০.০৩
সঠিক উত্তর:
গ) ০.০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ০.০১
ব্যাখ্যা
বায়ুমন্ডলে ধূলিকণা ও কণিকার শতকরা হার ০.০১ ভাগ । এটিই থাকে সবচেয়ে কম পরিমাণে। সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকে নাইট্রোজেন। বায়ুমন্ডলে যার শতকরা হার ৭৮.০২ ভাগ।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
১,২০৭.
সমুদ্রবায়ু প্রবলবেগে প্রবাহিত হয়—
  1. ক) সকালে
  2. খ) রাত্রিতে
  3. গ) অপরাহ্ণে
  4. ঘ) মধ্যাহ্নে
সঠিক উত্তর:
গ) অপরাহ্ণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অপরাহ্ণে
ব্যাখ্যা
- দিনের বেলায় স্থলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় বলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়, কিন্তু জলভাগ বেশি উত্তপ্ত হয় না বলে সেখানকার বায়ু উচ্চচাপ যুক্ত হয়। ফলে এ সময় জলভাগ থেকে স্থলভাগের দিকে বায়ু প্রবাহিত হয়। একে সমুদ্রবায়ু বলে।
- এ বায়ু সকাল ১০টা থেকে প্রবাহিত হতে থাকে।
- বিকালে (অপরাহ্ণে) এ বায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়।
- রাত ৩টায় স্থলবায়ুর বেগ সবচেয়ে বেশি হয়।

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২০৮.
কোনটি মুক্ত জলাশয়ের অন্তর্ভূক্ত?
  1. ক) পুকুর
  2. খ) ডোবা
  3. গ) বিল
  4. ঘ) দিঘী
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) বিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদন ক্ষেত্রকে প্রধানত অভ্যন্তরীণ ও সামুদ্রিক এ দুই ভাগে ভাগ করা যায়। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে রয়েছে মুক্ত জলাশয় ও বদ্ধ জলাশয়। মুক্ত জলাশয়ের মধ্যে আছে প্লাবন ভূমি, নদী, বিল, কাপ্তাই হ্রদ ও সুন্দরবন। এর আয়তন ৪০.৪৭ লাখ হেক্টর, যা মোট অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের শতকরা ৮৮.৪৬ ভাগ। বদ্ধ জলাশয়ের মধ্যে আছে পুকুর, মরা নদীর অংশ বা বাঁওড় ও উপকূলীয় চিংড়ি খামার। এর আয়তন ৫.২৮ লাখ হেক্টর, যা মোট অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের ১১.৫৪ শতাংশ। আমাদের সমুদ্র তটরেখা ৭১০ কিলোমিটার দীর্ঘ। অর্থনৈতিক এলাকা ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত। মোট সামুদ্রিক জলসম্পদের আয়তন ১৬৬ লাখ হেক্টর, যা দেশের মোট জলসম্পদের ৭৮.৩৯ শতাংশ।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

১,২০৯.
প্রাণী ও উদ্ভিদের বিবর্তনের অধ্যয়নকে কী বলা হয়?
  1. Evolution
  2. Microbiology
  3. Mycology
  4. Embryology
সঠিক উত্তর:
Evolution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Evolution
ব্যাখ্যা

• প্রাণী ও উদ্ভিদের বিবর্তনের অধ্যয়নকে Evolution বা বিবর্তনবিজ্ঞান বলা হয়। এটি জীববিজ্ঞানের একটি শাখা, যা জীবজগতের পরিবর্তন ও প্রজাতির উদ্ভব, বিবর্তন, এবং বিভিন্ন জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করে। বিবর্তনবিজ্ঞান দেখায় কিভাবে প্রজাতি সময়ের সাথে সাথে অভিযোজিত হয় এবং পরিবেশের সঙ্গে খাপ খায়। উদ্ভিদ ও প্রাণীর শারীরিক, জেনেটিক এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীরা জীবনের বিবর্তনের পদ্ধতি ও কারণ সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Evolution.

অন্যদিকে, 
- ভ্রুণ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Embryology, 
- অণুজীব বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় Microbiology,  
- ছত্রাক সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় Mycology. 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২১০.
বস্তুর ভর সৃষ্টি করে কোন কণা?
  1. লেপটন
  2. প্রোটন
  3. হিগস-বোসন
  4. ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
হিগস-বোসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিগস-বোসন
ব্যাখ্যা
হিগের কণা:

- ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী পিটার হিগস ১৯৬৪ সালে এমন একটি কণার ধারনা দেন, যা বস্তুর ভর সৃষ্টি করে এবং এর ফলে মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্ভব হয়েছে।
- এই কণাটিকে হিগের কণা বলা হয়।
- হিগস কণা একটি বোসন কণা।
- হিগস বোসন কণাটি ঈশ্বর কণা নামে পরিচিত।
- পদার্থবিজ্ঞানী লিওর লেডারম্যান ১৯৯৩ সালে হিগস কণাকে ঈশ্বর কণা নামে চিহ্নিত করেন। 
- ৪ই জুলাই ২০১২ সালে এই বোসন কণাটি আবিষ্কৃত হয়।
- হিগস-বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দেয়ার জন্য ২০১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান 'পিটার ডব্লিউ হিগস ও ফ্রাঁসোয়া ইংলার্ট'।
- হিগের কণা সৃষ্টিতে অবদান রাখেন বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসুর 'কণা পরিসংখ্যান তত্ত্ব'।
- বিজ্ঞানী হিগের সাথে সতেন্দ্রনাথকে জড়িয়ে হিগের কণার নাম দেন- হিগস বোসন কণা।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১,২১১.
সূর্যে কোন গ্যাসের পরিমান বেশি?
  1. হাইড্রোজেন
  2. হিলিয়াম
  3. আর্গন
  4. জেনন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
সূর্যে হাইড্রোজেনের পরিমান বেশি থাকে।

সূর্য (Sun):

- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- এটি একটি জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড।
- এটি হাইড্রোজেন(৯১.২%) ও হিলিয়াম(৮.৭%) গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার।
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড।
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টোরাই।
- সূর্যের মোট গ্রহ ৮ টি।
- সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ (mercury)
- নিজের অক্ষে একবার আবর্তন করতে সূর্যের সময় লাগে ২৫ দিন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, Britannic.
১,২১২.
'গ্রাফাইট' কোন ধরণের শিলা?
  1. ক) রূপান্তরিত শিলা
  2. খ) মিশ্র শিলা
  3. গ) আগ্নেয় শিলা
  4. ঘ) পাললিক শিলা
সঠিক উত্তর:
ক) রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা
আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক চাপ, তাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ায় পরিবর্তিত হয়ে যে নতুন রূপ ধারণ করে তাকে ‘রূপান্তরিত শিলা’ বলে।

রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস।
অন্যদিকে,
- ল্যাকোলিথ ও গ্রানাইট : অন্তঃজ আগ্নেয় শিলা
- কয়লা : পাললিক শিলা।

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি : পৃষ্ঠা: ৫০-৫১
১,২১৩.
নিচের কোনটি মানব ভূগোলের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ভূমিরূপবিদ্যা 
  2. মৃত্তিকা ভূগোল
  3. জীবভূগোল 
  4. আঞ্চলিক ভূগোল
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক ভূগোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক ভূগোল
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক ভূগোল (Physical geography):
⇒ ভূগোলের যে শাখায় ভৌত পরিবেশ ও এর মধ্যে কার্যরত বিভিন্ন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
পৃথিবীর ভূমিরূপ, এর গঠন প্রক্রিয়া, বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, জলবায়ু ইত্যাদি প্রাকৃতিক ভূগোলের আলোচ্য বিষয়।
- ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology)
- জলবায়ুবিদ্যা (Climatology)
- জীবভূগোল (Biogeography)
- মৃত্তিকা ভূগোল (Soil geography)
- সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography)

 • মানব ভূগোল (Human geography):
⇒  পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন পরিবেশে মানুষ কীভাবে বসবাস করছে, কীভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে, কেন এভাবে জীবনযাত্রা নির্বাহ করছে তার কার্যকারণ অনুসন্ধান মানব ভূগোলের আলোচ্য বিষয়।
- অর্থনৈতিক ভূগোল (Economic geography)
- জনসংখ্যা ভূগোল (Population geography)
- আঞ্চলিক ভূগোল (Regional geography)
- রাজনৈতিক ভূগোল (Political geography)
- সংখ্যাতাত্ত্বিক ভূগোল (Quantitative geography)
- পরিবহন ভূগোল (Transport geography)
- নগরভূগোল (Urban geography)
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (Disaster management)

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,২১৪.
E = mc2 সূত্রটি প্রদান করেন-
  1. ক) আর্কিমিডিস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) আইনস্টাইন
  4. ঘ) নিউটন
সঠিক উত্তর:
গ) আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা

• E = mc2 সূত্রটি বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের ভর-শক্তির সমীকরণ।
• যেখানে, E = শক্তি, m = ভর, c = আলোর বেগ।
• ১৯০৫ সালে তিনি দেখান যে, পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন।
• এটি ভরকে শক্তিতে এবং শক্তিকে ভরে রূপান্তরের জন্য আইনস্টাইনের বিখ্যাত সমীকরণ।
• একে আইনস্টাইনের 'থিওরি অফ রিলেটিভিটি' বা 'আপেক্ষিকতাবাদ' বলা হয়।

১,২১৫.
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (NASA) সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. কেপ কেনেডি
  2. ফ্লোরিডা
  3. নিউ ইয়র্ক
  4. ওয়াশিংটন ডি.সি
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি.সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াশিংটন ডি.সি
ব্যাখ্যা

NASA:
- NASA মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
- NASA-এর পূর্ণরূপ হলো: National Aeronautics and Space Administration.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৯৫৮।
- বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু: ১ অক্টোবর, ১৯৫৮।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থা হিসেবে মহাকাশ গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি উন্নয়ন, এবং মহাকাশ অনুসন্ধানকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট।

১,২১৬.
জ্যোতির্বিজ্ঞান এর ইংরেজি কী?
  1. Astronomy
  2. Astronautics
  3. Astrology
  4. Astronaut
সঠিক উত্তর:
Astronomy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Astronomy
ব্যাখ্যা
জ্যোতির্বিজ্ঞান:
- জ্যোতির্বিজ্ঞান এর ইংরেজি Astronomy.
- জ্যোতির্বিজ্ঞান একটি বৈজ্ঞানিক শাখা যা পৃথিবীর বাইরের বস্তু ও ঘটনার অধ্যয়ন করে।
- দূরবীন আবিষ্কার এবং গতিসূত্র ও মহাকর্ষ সূত্র উদ্ভাবনের (১৭শ শতকে) আগে প্রাচীন সময়ে জ্যোতির্বিজ্ঞান মূলত সূর্য, চন্দ্র ও গ্রহগুলোর অবস্থান পর্যবেক্ষণ ও পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হতো—মূলত ক্যালেন্ডার তৈরি, জ্যোতিষশাস্ত্র এবং নৌচালনার কাজে।
- কালের সাথে সাথে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ক্ষেত্র বিস্তৃত হয়েছে।
- এখন এর আওতায় পড়ে:
সৌরজগৎ (সূর্য, গ্রহ, উপগ্রহ, ধূমকেতু, গ্রহাণু ইত্যাদি)
মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির তারাসমূহ
এবং আরও দূরবর্তী অন্যান্য গ্যালাক্সি
- বিজ্ঞানভিত্তিক মহাকাশযানের মাধ্যমে পৃথিবীকেও গ্রহ হিসেবে জ্যোতির্বিজ্ঞানের আওতায় আনা হয়েছে। তবে এর বিস্তারিত বিশ্লেষণ মূলত ভূবিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত।
- সার্বিকভাবে, জ্যোতির্বিজ্ঞান আমাদের মহাবিশ্বকে জানার একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
 
 উল্লেখ্য,
- Astrology বা জ্যোতিষশাস্ত্র হলো এমন একটি শাস্ত্র, যা নভোমণ্ডলে বিভিন্ন জ্যোতিষ্ক অর্থাৎ গ্রহ-নক্ষত্র ইত্যাদির অবস্থান বিবেচনা করে মানুষের ভাগ্যগণনা তথা ভাগ্য নিরূপণ করে।
 - Astronautics মহাকাশ ভ্রমণ এবং অনুসন্ধানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি।
- একজন মহাকাশচারী (Astronaut) হলেন একজন ব্যক্তি যাকে মানব মহাকাশযান কর্মসূচি দ্বারা প্রশিক্ষিত, সজ্জিত এবং নিয়োজিত করা হয় একটি মহাকাশযানের কমান্ডার বা ক্রু সদস্য হিসেবে কাজ করার জন্য।
 
উৎস: Britannica.
১,২১৭.
সমুদ্রের লবণাক্ততার প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) নদী
  2. খ) ভূমি
  3. গ) আগ্নেয়গিরি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নদী
ব্যাখ্যা

সমুদ্রের পানিতে অনেক রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে যা সমুদ্রকে লবণাক্ত করে তোলে। তাদের অধিকাংশই পাহাড় ও মাটি থেকে দ্রবীভূত রাসায়নিক পদার্থ বহনকারী নদী সমুদ্রে নিয়ে যায়।
এর মাঝে অন্যতম হলো সোডিয়াম ক্লোরাইড, যাকে আসলে লবণ বলা হয়।

১,২১৮.
কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশে যে অঞ্চলটি আলোকে আটকায়, তাকে কী বলা হয়?
  1. সিংগুলারিটি
  2. ইভেন্ট হরিজন
  3. মহাকর্ষীয় তরঙ্গ
  4. স্পেসটাইম
সঠিক উত্তর:
ইভেন্ট হরিজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইভেন্ট হরিজন
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণ গহ্বর:
- ১৯৬৯ সালে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণ গহ্বর আবিষ্কার করেন মার্কিন বিজ্ঞানী জন হুইলার।
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম।
- ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- কৃষ্ণ গহ্বরের চারপাশে যে অঞ্চলটি আলোকে আটকায়, তাকে বলা হয় ইভেন্ট হরিজন।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,২১৯.
নিচের কোনটি পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়?
  1. বন্যা
  2. ভূমিকম্প
  3. জলোচ্ছ্বাস
  4. ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা
ভূমিকম্প: 
- পৃথিবীর ভেতরে হঠাৎ সৃষ্ট কোনো কম্পন যখন ভূপৃষ্ঠে আকস্মিক আন্দোলন সৃষ্টি করে, সেটাকেই ভূমিকম্প বলে। 
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে মিনিট খানেক পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে এবং পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ঘটতে পারে। 
- ভূমিকম্প একটি ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যা মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে একটি দেশ বা অঞ্চল পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে পারে। 
- কোন ধরনের আগাম সতর্ক সংকেত ব্যতীত সংঘটিত দুর্যোগ হলো ভূমিকম্প। 
- ভূমিকম্প সংঘটনের ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল চিহ্নিত করা সম্ভব হলেও ভূমিকম্প সংঘটনের পূর্বে সতর্কতা প্রাপ্তি এখনো সম্ভব হয়নি। 
- অন্যদিকে বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস ক্ষেত্রে পূর্বাভাস পাওয়া যায়। 

উৎস:
ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যাল এবং বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২২০.
সুনামির প্রধান কারণ কোনটি? 
  1. ঘূর্ণিঝড় 
  2. জোয়ার-ভাটার প্রভাব 
  3. সমুদ্রতলের ভূমিকম্প 
  4. সমুদ্রের ঢেউ
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলের ভূমিকম্প 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলের ভূমিকম্প 
ব্যাখ্যা

সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। 
- যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। 
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 
 
উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২২১.
কত উপায়ে পরিবেশ দূষণ ঘটে থাকে?
  1. ক) দুই উপায়ে
  2. খ) তিন উপায়ে
  3. গ) চার উপায়ে
  4. ঘ) পাঁচ উপায়ে
সঠিক উত্তর:
গ) চার উপায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চার উপায়ে
ব্যাখ্যা
পরিবেশ দূষণ প্রধানত চার প্রকারের হয়ে থাকে। যথা- পানি দূষণ, বায়ু দূষণ, মাটি দূষণ এবং শব্দ দূষণ। 

- আমাদের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা পারিপার্শিক অবস্থা দূষিত হলে তাকে পরিবেশ দূষণ বলে।
- দূষণকে বিভিন্নভাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। যা নিম্নরূপ:
১. বায়ু দূষণ :বিশুদ্ধ বাতাসে ক্ষতিকারক পদার্থ বা বিষাক্ত গ্যাস, অণুজীব, কার্বন ডাই অক্সাইডের মিশ্রণকে বায়ু দূষণ বলে। বায়ু দূষণ সবচেয়ে জটিল অবস্থার একটি।
২. পানি দূষণ : বিশুদ্ধ পানিতে অজৈব ও জৈব এবং ক্ষতিকারক উপাদানের উপস্থিতিকে পানি দূষণ বলে।
৩. মাটি দূষণ: মাটির দূষণ হল মাটির ভৌত, রাসায়নিক এবং জৈবিক বৈশিষ্ট্যের এমন একটি পরিবর্তন যার কারণে এটি মানুষ এবং অন্যান্য জীবকে প্রভাবিত করে।
৪. পানি দূষণ: অপ্রয়োজনীয় ও অবাঞ্ছিত শব্দ যা পরিবেশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে তাকে শব্দ দূষণ বলে।

পরিবেশ দূষণের কারণসমূহ-
- বায়ু দূষণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ গাছ কাটা।
- বড় বড় কারখানার ধোঁয়ায় এবং যানবাহনে ব্যবহৃত জ্বালানির কারণেও বায়ু দূষণ বেড়ে যায়।
- বড় বড় কারখানার ধোঁয়ায় বায়ু দূষণও অনেক বেড়ে যায়।
- কীটনাশক, বর্জ্য ও নর্দমা সঠিক জায়গায় না ফেলে বিশুদ্ধ নদী, জলাশয়, হ্রদে ফেলা হয়। যার কারণে বিশুদ্ধ পানি ও মাটি দূষিত হচ্ছে।
- শহরগুলোর জনসংখ্যা ও নগরায়ণ জনসংখ্যা যেমন বাড়ছে, শিল্পায়নও বাড়ছে।
- বৃহৎ মহাসাগরে খনিজ তেল ফুটো হওয়া
- বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন বাড়ছে। এর পাশাপাশি, মেশিন, উড়োজাহাজের, লাউডস্পিকার দ্বারা সৃষ্ট শব্দ শব্দ দূষণের প্রধান কারণ।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১,২২২.
হেনরি বেকরেল কোন সালে ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন?
  1. ১৮৮৮ সালে
  2. ১৮৯২ সালে
  3. ১৮৯৪ সালে
  4. ১৮৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity): 
- হেনরি বেকরেল ১৮৯৬ সালে ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- তিনি দেখেন যে, ইউরেনিয়ামের সকল যৌগ নিজের থেকেই অস্বচ্ছ কালো কাগজে মোড়া ফটোগ্রাফিক প্লেটকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, এর জন্য বাহ্যিক কোনো শক্তির সাহায্যে উদ্দীপ্ত করতে হয় না। 
- পরবর্তিতে মেরি কুরি এবং পিয়েরে কুরি ইউরেনিয়াম আকরিক থেকে পোলোনিয়াম ও রেডিয়াম নিস্কাশন করেন, এদের তেজস্ক্রিয়তা কয়েক হাজার গুণ বেশি। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরাম এক রহস্যময়ী কণা এবং রশ্মি নির্গত হয়, এই প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- কোনো অস্থায়ী নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকিরণ নিঃসরণের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বা তেজস্ক্রিয় ক্ষয় বলে। 
- তেজস্ক্রিয় বিকিরণকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি বলে। 
- তেজস্ক্রিয় মৌলের যে পরমাণুর তেজস্ক্রিয় ক্ষয় ঘটে তাকে জনক পরমাণু বলে। 
- নিউক্লিয়াসে থেকে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হবার পর যে পরমাণুটি পড়ে থাকে তাকে দুহিতা পরমাণু বলে। 

তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্য: 
১। তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত বিরামহীন ঘটনা। 
২। তেজস্ক্রিয় পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটলেও তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা অপরিবর্তিত থাকে অর্থাৎ কোনো মৌলের যেকোনো যৌগের তেজস্ক্রিয় ধর্ম অভিন্ন। 
৩। এটি একটি অপ্রত্যাবর্তী প্রক্রিয়া। 
৪। তেজস্ক্রিয়তা তেজস্ক্রিয় পদার্থের তাপমাত্রা, চাপ, রাসায়নিক সংযোগ, আলো, তড়িৎক্ষেত্র, চৌম্বকক্ষেত্র ইত্যাদির উপর নির্ভর করে না। 
৫। তেজস্ক্রিয়তার উৎপত্তিস্থল পদার্থের নিউক্লিয়াসে। 
৬। তেজস্ক্রিয়তার বিকিরণ ধনাত্মক চার্জ যুক্ত কণা, ঋণাত্মক চার্জ যুক্ত কণা ও তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ প্রবাহের সমষ্টি। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২২৩.
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা কর্তৃক প্রদত্ত তথ্য মতে পৃথিবীর বর্তমান গড় তাপমাত্রা কত ডিগ্রী সেলসিয়াস?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৫
  4. ১৯
সঠিক উত্তর:
১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫
ব্যাখ্যা
সৌরজগতের তাপমাত্রা:

- প্রতিটি গ্রহের গড় তাপমাত্রা একটি গ্রহ সূর্য থেকে যত দূরে থাকে গ্রহের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা ততই শীতল হতে থাকে।
- শুক্র ব্যতিক্রম, কারণ সূর্যের সান্নিধ্য এবং এর ঘন বায়ুমণ্ডল এটিকে আমাদের সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ করে তোলে।
- আমাদের সৌরজগতের গ্রহগুলির গড় তাপমাত্রা হল:
• বুধ: ১৬৭° সেলসিয়াস।
• শুক্র: ৪৬৪° সেলসিয়াস।
• পৃথিবী: ১৫° সেলসিয়াস।
• মঙ্গল: -৬৫° সেলসিয়াস।
• বৃহস্পতি: -১১০° সেলসিয়াস।
• শনি: -১৪০°C
• ইউরেনাস: -১৯৫° সেলসিয়াস।
• নেপচুন: -২০০° সেলসিয়াস।
• বামন গ্রহ প্লুটো: -২২৫° সেলসিয়াস।

তথ্যসূত্র - নাসা ওয়েবসাইট।
১,২২৪.
হিগস্‌ বোসন কণা কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
• হিগস বোসন (Higgs Boson):
- হিগস বোসন কণা আবিষ্কৃত হয় ৪ জুলাই ২০১২ সালে।
কণাটি ২০১২ সালের ৪ জুলাই আবিষ্কৃত হয়।
- সুইজারল্যান্ডের ইউরোপীয় কণা পদার্থবিজ্ঞান গবেষণাগার CERN-এ অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী কণা ত্বরক 'লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার' (LHC)-এর গবেষকদের দ্বারা।
- এই হিগস বোসনই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত।

হিগস বোসন কণার বৈশিষ্ট্য:
- হিগস বোসন এর স্পিন ০, তবে এর ভর আছে।
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে। এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও Space.com website.
১,২২৫.
গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় কত ঘণ্টা আগে? 
  1. ৩ ঘণ্টা
  2. ৪ ঘণ্টা
  3. ৫ ঘণ্টা
  4. ৬ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
গ্রীনিচ মান সময়: 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রীনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রীনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচের থেকে এগিয়ে থাকে। 
- গ্রীনিচের পশ্চিমের স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ থেকে পিছিয়ে থাকে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২২৬.
ক্যাথোড রশ্মি ব্যবহার হয়-
  1. ক) রাস্তায় বাতি জ্বালাতে
  2. খ) অসিলোস্কোপে
  3. গ) চিকিৎসা শাস্ত্রে
  4. ঘ) দোকানে নিয়ন বাতি জ্বালাতে
সঠিক উত্তর:
খ) অসিলোস্কোপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অসিলোস্কোপে
ব্যাখ্যা
• ক্যাথোড রশ্মি ব্যবহার হয় অসিলোস্কোপে।

ক্যাথোড রশ্মি: ঋণাত্মক ইলেকট্রোনকে ক্যাথোড বলে এবং ধনাত্মক ইলেকট্রোনকে এনোড বলে।
- সামনে ধাতব বা অনুরূপ বস্তু রাখলে প্রতিপ্রভ পর্দায় এ বস্তুর আকৃতি অন্ধকার ও কম উজ্জ্বল দেখায়।
- চলমান ইলেকট্রন বীম বিদ্যুৎ কারেন্ট হিসেবে গমন করে বলে তার চতুর্দিকে চুম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি হয়।
- অতএব চলমান ইলেকট্রন বীমের চতুর্দিকে তড়িৎক্ষেত্র ও চুস্বকীয় ক্ষেত্র ব্যবহার করে ইলেকট্রন বীমের বিসরণ ঘটানো যায়।
- ফলে প্রতিপ্রভ পর্দায় ইচ্ছামত উজ্জ্বল রেখা তৈরি করা যায়।
- অসিলোস্কোপ, কম্পিউটার মনিটরে চলমান ইলেক্ট্রন বীমকে ক্যাথোড রশ্মি হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২২৭.
নিচের কোনটি সাময়িক বায়ু?
  1. মৌসুমি বায়ু
  2. অয়ন বায়ু
  3. মেরু বায়ু
  4. পশ্চিমা বায়ু
সঠিক উত্তর:
মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ:
- বায়ুপ্রবাহ মূলত চার প্রকার। যথা-
# নিয়মিত বায়ু।
# স্থানীয় বায়ু।
# সাময়িক বায়ু।
# অনিয়মিত বায়ু।

• নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিন প্রকার। যথা-
# অয়ন বায়ু।
# মেরু বায়ু।
# পশ্চিমা বায়ু।

• সাময়িক বায়ু প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
# স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।
# মৌসুমি বায়ু।

• স্থানীয় বায়ু হলো দুই প্রকার। যথা-
# পার্বত্য বায়ু।
# উপত্যকা বায়ু।

• অনিয়মিত বায়ু দুই প্রকার। যথা-
# ঘূর্ণিবাত বায়ু।
# প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২২৮.
কোন প্রাকৃতিক ঘটনার ফলে সুনামি সৃষ্টি হতে পারে? 
  1. ভূমিকম্প 
  2. অগ্ন্যুৎপাত 
  3. ভূমিধ্বস 
  4. সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

সুনামি (Tsunami): 
- সুনামি এটি জাপানী শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ 'পোতাশ্রয়ের ঢেউ' (Harbour Wave)। 
- সমুদ্র বা বৃহদাকার হ্রদের তলদেশে ইত্যাদি ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত প্রাকৃতিক কারণ ও পারমানবিক বা অন্য কোনো কারণে বিস্ফোরণের ফলে উঁচু ও বিশালাকার ঢেউ উপকূলে আঘাত হানে, এই ঢেউগুলো সুনামি নামে পরিচিত। 
- ক্রমাগত একের পর এক ঢেউ আসতে থাকায় সুনামি-কে ওয়েভ ট্রেন (Wave Train) বা ঢেউ-এর রেলগাড়ি নামেও অভিহিত করা হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ শে ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে জাভা দ্বীপের নিকটবর্তী অঞ্চলে সৃষ্ট সমুদ্র তলদেশীয় ভূমিকম্পের ফলে ব্যাপক সুনামি আঘাত হানে, যার ফলে মোট ১৪টি দেশে ব্যাপক প্রাণহানি ও আর্থ-সামাজিক ক্ষয়ক্ষতি সংঘটিত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২২৯.
'সিডর' শব্দের অর্থ কী?
  1. ক) চোখ
  2. খ) বন্যা
  3. গ) ঝড়
  4. ঘ) সমুদ্র
সঠিক উত্তর:
ক) চোখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চোখ
ব্যাখ্যা
‘সিডর’ শব্দের অর্থ চোখ।
- ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ড ভাবে আঘাত হানে।
- সিডরকে ১৯৭০ ও ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর সবচেয়ে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় বিবেচনা করা হয়।

সূত্র: বিবিসি বাংলা
১,২৩০.
নিচের কোন রশ্মিটি ধনাত্মক চার্জ বহন করে?
  1. ক) বিটা রশ্মি
  2. খ) গামা রশ্মি
  3. গ) আলফা রশ্মি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) আলফা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলফা রশ্মি
ব্যাখ্যা
আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জ বহন করে। 

আলফা রশ্মির বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
- আলফা রশ্মি দুইটি প্রোটন ও দুইটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত। 
- আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জ বহন করে। 
- এর শক্তি 1MeV হতে 9MeV পর্যন্ত হয়। 
- এই রশ্মির তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
- আয়নিত করবার ক্ষমতা অনেক বেশি। 
- ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়।
- ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
- জিঙ্ক সালফাইডে আলফা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে। 

সূত্র- ৩৪৩ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৩১.
মহাদেশীয় ভূত্বকের প্রধান উপাদান কী?
  1. আয়রন ও সিলিকন
  2. সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
  3. সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
  4. কার্বন ও অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

- মহাদেশীয় ভূত্বকের প্রধান উপাদান হলো সিলিকন (Si) এবং অ্যালুমিনিয়াম (Al)। এই কারণে এই স্তরকে 'সিয়াল' (Sial) স্তরও বলা হয়। 

পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠন: 
- সৃষ্টির সময় পৃথিবী ছিল একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড, উত্তপ্ত অবস্থা থেকে এটি শীতল ও ঘনীভূত হয়। এই সময় পৃথিবীর বাইরের ভারী উপাদানগুলো এর কেন্দ্রের দিকে জমা হয় আর হালকা উপাদানগুলো ভরের তারতম্য অনুসারে নিচ থেকে উপরে স্তরে স্তরে জমা হয়, পৃথিবীর এই বিভিন্ন স্তরকে মণ্ডল বলে। উপরের স্তরটিকে অশ্মমণ্ডল বলে, অশ্মমণ্ডলের উপরের অংশ ভূত্বক নামে পরিচিত। 

ভূত্বক (Earth's Crust): 
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। 
- ভূ-অভ্যন্তরের অন্যান্য স্তরের তুলনায় ভূত্বকের পুরুত্ব সবচেয়ে কম; গড়ে ২০ কিলোমিটার। 
- ভূত্বক মহাদেশের 'তলদেশে গড়ে ৩৫ কিলোমিটার এবং সমুদ্র তলদেশে তা গড়ে মাত্র ৫ কিলোমিটার পুরু। 
- সাধারণভাবে মহাদেশীয় ভূত্বকের এ স্তরকে সিয়াল (Sial) স্তর বলে, যা সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়াম (AI) দ্বারা গঠিত। 
- এটি সিয়াল স্তরের তুলনায় ভারী এবং এর প্রধান খনিজ উপাদান সিলিকন (Si) ও ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত। অনুমান করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ ও গভীর সমুদ্র তলদেশে বিদ্যমান। 
- ভূত্বকের উপরের ভাগেই বাহ্যিক অবয়বগুলো দেখা যায়। যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমি ইত্যাদি। 
- ভূত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২৩২.
বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ-
  1. ক) বেশি হয়
  2. খ) কম হয়
  3. গ) খুব কম হয়
  4. ঘ) একই হয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) একই হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) একই হয়
ব্যাখ্যা
• বৈদ্যুতিক পাখা ধীরে ধীরে ঘুরলে বিদ্যুৎ খরচ একই হয়।
- ইলেকট্রিক রেগুলেটর (Electric Regulator) ব্যবহার করলে ফুল স্পিডে বা আস্তে যেভাবেই ঘুরানো হয় পাওয়ার একই খরচ হয়। কারন ইলেকট্রিক্যাল রেগুলেটর ইন্ডাকটর দ্বারা তৈরি।
- ফ্যান চলার সময় এই রেগুলেটর কমিয়ে দিলে ফ্যানের গতি কমে কিন্তু ইন্ডাক্টর উত্তপ্ত হয়। এই উত্তাপের কারনে বৈদ্যুতিক পাওয়ার খরচ হয়। 
- আবার ইলেকট্রনিক রেগুলেটরের (Electronic Regulator) বেলায় ভিন্ন। এটি একটি ভেরিয়েবল রেজিস্টর। এটি তৈরি হয় থাইরিস্টর ইলেকট্রনিক ডিভাইস দিয়ে। 
- এতে উত্তাপের পরিমাণ অত্যন্ত কম থাকার কারনে রেগুলেটর লসও খুবি নগন্য হয়। ফলে ফ্যানের গতি কমালে পাওয়ার কম খরচ হবে এবং ফ্যানের গতি বাড়ালে পাওয়ার খরচ বাড়বে। 
- তাই ইলেকট্রনিক রেগুলেটর ব্যবহার করলে ফ্যানের গতি কম হলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। 

উৎস: সাধারন বিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৩৩.
সর্বপ্রথম কে সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের ব্যাখ্যা প্রদান করেন?
  1. ক) কোপার্নিকাস
  2. খ) গ্যালিলিও
  3. গ) আইনস্টাইন
  4. ঘ) নিউটন
সঠিক উত্তর:
ক) কোপার্নিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোপার্নিকাস
ব্যাখ্যা

- নিকোলাস কোপারনিকাস ১৫৪৩ সালে প্রথম আধুনিক সূর্যকেন্দ্রিক সৌরজগতের মতবাদ প্রদান করেন।
- তিনি পৃথিবী নয় বরং সূর্যকে সৌরজগতের কেন্দ্র হিসাবে উল্লেখ করেন।
- তিনি আঠারো শতকের আগে এমন একটি মডেল প্রনয়ন করেন যখন চারিদিকে টলেমী এবং এরিস্টটলের মতবাদ চলছিল।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান

১,২৩৪.
যে রেখা নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব নির্দেশ করে, তাকে কী বলে? 
  1. অক্ষাংশ
  2. নিরক্ষরেখা
  3. সমাক্ষরেখা
  4. দ্রাঘিমাংশ
সঠিক উত্তর:
অক্ষাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্ষাংশ
ব্যাখ্যা
অক্ষরেখা (Latitude): 
- পৃথিবীর গোলাকৃতি কেন্দ্র দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে কল্পিত রেখাকে অক্ষ (Axis) বা মেরুরেখা বলে। 
- এই অক্ষের উত্তর-প্রান্ত বিন্দুকে উত্তর মেরু বা সুমেরু এবং দক্ষিণ-প্রান্ত বিন্দুকে দক্ষিণ মেরু বা কুমেরু বলে। 
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে, একে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে। 
- নিরক্ষরেখার উত্তর-দক্ষিণে পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। নিরক্ষরেখার উত্তর দিকের পৃথিবীর অর্ধেককে উত্তর গোলার্ধ ও দক্ষিণ দিকের অর্ধেককে দক্ষিণ গোলার্ধ বলে। 
- এই নিরক্ষরেখাকে ০° ধরে উত্তর দিকে ও দক্ষিণ দিকে দুই মেরু পর্যন্ত ৯০° বা এক সমকোণ ধরা হয়। 
- পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির জন্য নিরক্ষরেখা বৃত্তাকার, তাই এ রেখাকে নিরক্ষবৃত্তও বলে। 
- নিরক্ষরেখার সমান্তরাল যে রেখাগুলো রয়েছে সেগুলো হলো অক্ষরেখা, এই অক্ষরেখাগুলো আসলে কল্পনা করা হয়েছে যাদের সমাক্ষরেখা বলে। 
- নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে (Angular Distance) ঐ স্থানের অক্ষাংশ বলে। 
- একই গোলার্ধের একই অক্ষাংশ মানসমূহের সংযোগ রেখাকে অক্ষরেখা বলে। 

অক্ষাংশ নির্ণয়ের বিভিন্ন পদ্ধতি: 
১। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে: 
- যে যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি পরিমাপ করা যায় তাকে সেক্সট্যান্ট যন্ত্র বলে। সেক্সট্যান্ট যন্ত্রের সাহায্যে সূর্যের উন্নতি কোণ নির্ণয় করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। কোনো স্থানের অক্ষাংশ = ৯০° – (মধ্যাহ্ন সূর্যের উন্নতি ± বিষুবলম্ব)। এখানে, সূর্য যেদিন যে অক্ষাংশের উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় সেটাই সেদিনের সূর্যের বিষুবলম্ব। 

২। ধ্রুবতারার সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয়: 
- ধ্রুবতারার উন্নতি জেনে কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। এর সাহায্যে শুধু উত্তর গোলার্ধের কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। নিরক্ষরেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি ০° এবং উত্তর মেরুতে ঠিক মাথার উপর ধ্রুবতারার উন্নতি ৯০° হয়। সুতরাং উত্তর গোলার্ধে কোনো স্থানের অক্ষাংশ ধ্রুবতারার উন্নতির সমান। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৩৫.
তেজস্ক্রিয়তার এস.আই লব্ধ একক কোনটি? 
  1. কুরী
  2. ওহম
  3. বেকেরেল
  4. রন্টজেন
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকেরেল
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- কয়েকটি বিশেষ ধরনের নিঃসরণ করে ভারী নিউক্লিয়াসগুলো স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙ্গে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- ১৮৯৬ খ্রিস্টাব্দে হেনরি বেকারেল তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন। 
- তেজস্ক্রিয়তার এস.আই লব্ধ একক হলো বেকেরেল (Bq), যা আবিষ্কারকের নামানুসারে করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ যেমন: রেডন (Rn), রেডিয়াম (Ra), থোরিয়াম (Th), ইউরেনিয়াম (U) ইত্যাদি। 
- উচ্চমাত্রায় তেজস্ক্রিয়তার ফলে গাছপালা মরে যায়। এছাড়া অন্যান্য খাদ্যশৃংখলের মাধ্যমে এরা প্রাণীদেহে প্রবেশ করে ভয়াবহ রোগ সৃষ্টি করে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৩৬.
একটি ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাস সর্বোচ্চ কত কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে?
  1. ক) ৩০০ কিলোমিটার
  2. খ) ৪০০ কিলোমিটার
  3. গ) ৫০০ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৬০০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬০০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬০০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
একটি ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাস ৩০০ হতে সর্বোচ্চ ৬০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। 

ঘূর্ণিঝড় (Cyclone)  ঘূর্ণিঝড় হলো গ্রীষ্মমন্ডলী ঝড় বা বায়ুমন্ডলীয় একটি উত্তাল অবস্থা যা বাতাসের প্রচন্ড ঘূর্ণায়মান গতির ফলে সংঘটিত হয়। এটি সাধারণ  প্রাকৃতিক দুর্যোগসমূহের একটি। ঘূর্ণিঝড় হলো গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঝড় (Tropical cyclone) বা বায়ুমন্ডলীয় একটি উত্তাল অবস্থা যা বাতাসের প্রচন্ড ঘূর্ণায়মান গতির ফলে সংঘটিত হয়।

ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘সাইক্লোন’ গ্রিক শব্দ ‘কাইক্লোস’ (Kyklos) থেকে এসেছে। কাইক্লোস শব্দের অর্থ কুন্ডলী পাকানো সাপ। ঘূর্ণিঝড়ের উপগ্রহ চিত্র থেকে এমনতর নামকরণের যথার্থতা বোঝা যায়। ব্রিটিশ-ভারতীয় বিজ্ঞানী ও আবহাওয়াবিদ  হেনরী পিডিংটন ১৮৪৮ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত সামুদ্রিক দুর্যোগ বিষয়ক পুস্তক The Sailor’s Horn-book for the Law of Storms -এ প্রথমবারের মতো সাইক্লোন শব্দটি ব্যবহার করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১,২৩৭.
LED is-
  1. ক) Light Emitting Diode
  2. খ) Light Energy Diode
  3. গ) Light Emitting Dimension
  4. ঘ) Light Electric Dimension
সঠিক উত্তর:
ক) Light Emitting Diode
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Light Emitting Diode
ব্যাখ্যা
LED - Light Emitting Diode.
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১,২৩৮.
পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান গ্যাস কোনটি?
  1. Carbon dioxide (কার্বন ডাই অক্সাইড)
  2. Nitrous oxide (নাইট্রাস অক্সাইড)
  3. Water vapor (জলীয় বাষ্প)
  4. Methane (মিথেন)
সঠিক উত্তর:
Carbon dioxide (কার্বন ডাই অক্সাইড)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Carbon dioxide (কার্বন ডাই অক্সাইড)
ব্যাখ্যা
- কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী বায়ুমণ্ডলের একক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্রীনহাউস গ্যাস।

A large amount of physical evidence shows that carbon dioxide (CO2) is the single most important greenhouse gas in the atmosphere controlling Earth's temperature. 
This is because CO2, like ozone, N2O, CH4, and chlorofluorocarbons, does not condense and precipitate from the atmosphere at current climate temperatures, whereas water vapor can and does.
 
উৎস: nasa.gov
 
১,২৩৯.
মরা কটাল কখন হয়?
  1. চন্দ্র ও সূর্য, পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে অবস্থান করলে
  2. পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে
  3. অমাবস্যায়
  4. পূর্ণিমা তিথিতে
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র ও সূর্য, পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে অবস্থান করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র ও সূর্য, পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে অবস্থান করলে
ব্যাখ্যা
• মরা কটাল/ মরা জোয়ার: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়।
- এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে।

• ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 

- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে। 

 উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪০.
কত ডিগ্রী দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে?
  1. ০° দ্রাঘিমারেখা
  2. ৯০° দ্রাঘিমারেখা
  3. ১৮০° দ্রাঘিমারেখা
  4. ৩৬০° দ্রাঘিমারেখা 
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০° দ্রাঘিমারেখা
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা: 
- ১৮০° দ্রাঘিমারেখা পৃথিবীর পশ্চিম বা পূর্ব গোলার্ধের তারিখ বিভাজিকার (Date line divider) কাজ করে। এজন্যই ১৮০° দ্রাঘিমারেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলে। 
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাকে কোথাও কোথাও বাঁকিয়ে দেওয়া হয়েছে।
- কারণ ১৮০° দ্রাঘিমারেখা অনুসরণ করে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে টানা হলেও সাইবেরিয়ায় উত্তর-পূর্বাংশ এবং অ্যালিউসিয়ান, ফিজি এবং চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে চলার জন্য এই রেখাটিকে অ্যালিউসিয়ান দ্বীপপুঞ্জের কাছে এবং ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জে ১১° পূর্ব দিয়ে বাঁকিয়ে এবং বেরিং প্রণালিতে ১২° পূর্বে বাঁকিয়ে শুধু পানির উপর দিয়ে টানা হয়েছে।
- তা না হলে স্থানীয় অধিবাসীদের বার নির্ণয় করতে অসুবিধা হতো।
- কারণ একই স্থানের মধ্যেই সময় এবং বার দুই রকম হতো।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,২৪১.
ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী, বায়ুপ্রবাহ কোন দিকে বাঁক নেয়? 
  1. উত্তর গোলার্ধে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে উভয় দিকে বাঁক নেয়
  2. উত্তর গোলার্ধে বাম দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে ডান দিকে
  3. উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে
  4. বায়ু কখনোই বাঁক নেয় না
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ুপ্রবাহ সমুদ্রস্রোতের অন্যতম প্রভাব। 
- প্রধান বায়ুপ্রবাহের গতি অনুসরণ করে সমুদ্রের প্রধান শ্রোতগুলো প্রবাহিত হয়। 
- অয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে সমুদ্রস্রোত পূর্ব হতে পশ্চিম দিকে এবং প্রত্যয়ন বায়ু প্রবাহিত অঞ্চলে পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ুর চলাচল নিয়ত পরিবর্তনশীল। 
- বায়ু সবসময়ই একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- ভূ-পৃষ্ঠের সমান্তরাল অর্থাৎ আনুভূমিকভাবে বায়ুর এ সঞ্চালনকে বলা হয় বায়ুপ্রবাহ। 
- বায়ুচাপের পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ। 
- বায়ু সাধারণত কয়েকটি বিশেষ নিয়ম দ্বারা পরিচালিত হয়- 
• নিম্নচাপমন্ডলের উত্তপ্ত ও হালকা বায়ু যখন উপরে উঠে যায় তখন বায়ুমন্ডলে চাপের অসমতা সৃষ্টি হয়। ফলে উচ্চ তাপমন্ডল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু সবর্দা নিম্নচাপমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। 
• পৃথিবী পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে আবর্তনশীল এবং নিরক্ষরেখা থেকে মেরু অঞ্চলের দিকে আবর্তনের কারণে গতিবেগ ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। ফেরেলের সূত্রানুযায়ী, বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৪২.
ভূমিকম্পের তীব্রতা নির্ণয় করার যন্ত্র কোনটি?
  1. ফ্যাদোমিটার
  2. ব্যারোমিটার
  3. ম্যানোমিটার
  4. সিসমোগ্রাফ
সঠিক উত্তর:
সিসমোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিসমোগ্রাফ
ব্যাখ্যা

- ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট তরঙ্গ বা ভূ-অভ্যন্তরের কম্পন শনাক্ত এবং রেকর্ড করার জন্য সিসমোগ্রাফ (Seismograph) যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়। এই যন্ত্রের মাধ্যমে ভূমিকম্পের উৎপত্তি, স্থায়িত্ব এবং তীব্রতা সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়। যদিও ভূমিকম্পের গাণিতিক পরিমাপ বা মাত্রা প্রকাশে রিখটার স্কেল বহুল পরিচিত, তবে মূল তথ্যটি সিসমোগ্রাফ যন্ত্র থেকেই পাওয়া যায়। 

বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র: 
• ম্যানােমিটার- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ফ্যাদোমিটার- সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
• ব্যারােমিটার- বায়ুমন্ডলের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
• সেক্সট্যান্ট- সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র।
• সিসমোগ্রাফ- ভূমিকম্পের তীব্রতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
• হাইগ্রোমিটার- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
• পাইরোমিটার- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১,২৪৩.
'আমপান’ ঝড়ের নামকরণ করেছিল 
  1. ক) ভারত 
  2. খ) বাংলাদেশ 
  3. গ) থাইল্যান্ড 
  4. ঘ) পাকিস্তান 
সঠিক উত্তর:
গ) থাইল্যান্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) থাইল্যান্ড 
ব্যাখ্যা
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লুএমও) আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার অন্তর্ভুক্ত আটটি দেশ। দেশগুলি হল বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, মলদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড এবং ওমান। এই প্যানেলকে বলা হয় ইকনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দা প্যাসিফিক (এএসসিএপি)। ভারতের তরফেও অনেক ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। সেগুলি হল, অগ্নি, আকাশ, বিজলি, জল, লহর, মেঘ, সাগর। 
আমপান’ ঝড়ের নামকরণ করেছিল থাইল্যান্ড। আবার ‘ফণী’ ঝড়ের নাম দিয়েছিল বাংলাদেশ। ‘বুলবুল’ নাম ছিল পাকিস্তানের দেওয়া। 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম।
১,২৪৪.
গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ব্যবহার করে মহাবিশ্বের বৈজ্ঞানিক অধ্যয়নকে কী বলে?
  1. Astrology
  2. Astronomy
  3. Cosmology
  4. Astrophysics
সঠিক উত্তর:
Astronomy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Astronomy
ব্যাখ্যা
Astronomy vs Astrology:

Astronomy/ জ্যোতিবিদ্যা/ জ্যোতির্বিজ্ঞান - গণিত, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ব্যবহার করে মহাবিশ্বের বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন।

Astrology/ জ্যোতিষশাস্ত্র - এর মাধ্যমে বিভিন্ন জ্যোতিস্ক অর্থাৎ গ্রহ-নক্ষত্র ইত্যাদির অবস্থান বিবেচনা করে মানুষের ভাগ্যগণনা তথা ভাগ্য নিরূপণ করা হয়। যারা এই কাজ করে তাদের বলা হয় জ্যোতিষি।

Cosmology: মহাবিশ্বের জন্ম, বিবর্তন ও শেষ পরিণতি নিয়ে বিজ্ঞানের যে শাখায় গবেষণা করা হয়, তাকেই বলে কসমোলজি বা বিশ্বসৃষ্টিতত্ত্ব।

Astrophysics: জ্যোতির্বিজ্ঞানের যে শাখায় নভোমন্ডলে অবস্থিত বস্তুসমূহ; যথা: সূর্য, নক্ষত্র, গ্রহ, উপগ্রহ, উল্কা, নীহারিকা ইত্যাদির ভৌত এবং রাসায়নিক গুণাবলি তথা ঔজ্জ্বল্য, আকার, ভর, ঘনত্ব, তাপমাত্রা, রাসায়নিক গঠন, তাদের উৎপত্তি, বিবর্তন ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান (Astrophysics)

উৎস: Britannica.
১,২৪৫.
ভূমিকম্পের কারণ নয় কোনটি?
  1. বৃষ্টিপাত
  2. ভূগর্ভস্থ বাষ্প
  3. হিমাবাহ এর প্রভাব
  4. আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা
♦ ভূমিকম্প:

• ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিকম্প বলে। 
• ভূ-অভ্যন্তরস্থ শিলারাশিতে সঞ্চিত শক্তির আকস্মিক অবমুক্তির কারণে সৃষ্ট এই স্পন্দনের মাত্রা মৃদু কম্পন থেকে প্রচন্ড ঘূর্ণনের মধ্যে হতে পারে। তাই ভূমিকম্প পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই সংঘটিত হয়।

ভূমিকম্পের প্রধান কারণগুলো হলো: 
- পৃথিবীর উপরিভাগ কতগুলো ফলক/প্লেট দ্বারা গঠিত। এই প্লেটসমূহের সঞ্চালন প্রধানত ভূমিকম্প ঘটিয়ে থাকে।
- আবার অগ্নুৎপাতের ফলে প্লেটসমূহের উপর ভূকিম্পন সৃষ্টি হয়।

ভূমিকম্পের অপ্রধান কারণ: 
- শিলাচ্যুতি,
- তাপ বিকিরণ,
- ভূগর্ভস্থ বাষ্প,
- ভূগর্ভস্থ চাপের বৃদ্ধি বা হ্রাস,
- হিমবাহের প্রভাব ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি। 
১,২৪৬.
আকাশগঙ্গা ছায়াপথের কেন্দ্রে অবস্থিত কৃষ্ণগহ্বরের নাম কী?
  1. স্যাগিটারিয়াস- এ স্টার
  2. ক্লাপ্টাপেক- থিটা
  3. এন্ড্রোমিডা- জি
  4. গ্যালাওটাগি- II
সঠিক উত্তর:
স্যাগিটারিয়াস- এ স্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যাগিটারিয়াস- এ স্টার
ব্যাখ্যা

- Like most large galaxies, the Milky Way is glued together by a supermassive black hole at its center, buried deep in the constellation Sagittarius.
- Our galaxy's supermassive black hole, called Sagittarius A∗ (or Sgr A∗), constantly pulls stars, dust and other matter inward, forming a stellar megalopolis 1 billion times denser than our corner of the galaxy.
সূত্র: Encyclopedia Britannica

১,২৪৭.
ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করার WMO এর আঞ্চলিক সংস্থার অন্তর্ভুক্ত দেশ? 
  1. ক) নয়টি দেশ
  2. খ) পাঁচটি দেশ 
  3. গ) সাতটি দেশ 
  4. ঘ) আটটি দেশ। 
সঠিক উত্তর:
ঘ) আটটি দেশ। 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আটটি দেশ। 
ব্যাখ্যা
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লুএমও) আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার অন্তর্ভুক্ত আটটি দেশ। দেশগুলি হল বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, মলদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড এবং ওমান। 

Source: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম
১,২৪৮.
দৈর্ঘ্যের একক-
  1. ক) m
  2. খ) M
  3. গ) L
  4. ঘ) km
সঠিক উত্তর:
ক) m
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) m
ব্যাখ্যা
দৈর্ঘ্যের একক m এবং মাত্রা L
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই
১,২৪৯.
কোনটির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে?
  1. উপাদান
  2. তাপমাত্রা
  3. আকার আকৃতি
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
পরিবাহিতা: 
- স্থির তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট পরিবাহীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তড়িৎ প্রবাহ পরিবাহীর দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্যের সমানুপাতিক। 
অর্থাৎ, কোনো পরিবাহীর স্থির তাপমাত্রায় দুই প্রান্তের বিভব পার্থক্য V থাকা অবস্থায় এর ভিতর দিয়ে I পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ হলে ও'মের সূত্রানুসারে, 
I ∝ V 
বা, I = GV 
এখানে, G একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক। 
- একে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা (conductance) বলে। 
- পরিবাহীতায় একক সিমেন্স (Siemens)। একে সংক্ষেপে S দিয়ে প্রকাশ করা হয়। 

- একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত বেশী তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তত বেশী। 
- আবার একই বিভব পার্থক্যে যে পরিবাহীর ভিতর দিয়ে যত কম তড়িৎ প্রবাহিত হবে সে পরিবাহীর রোধ তত বেশী। 
- প্রকৃতপক্ষে কোনো পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা তার রোধের মানের বিপরীত সংখ্যা। 
- উপাদান, তাপমাত্রা এবং আকার আকৃতির উপর পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা নির্ভর করে। 
- তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সকল পরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা হ্রাস পায়। 
- সকল ধাতুই উত্তম পরিবাহী কিন্তু একই আকার আকৃতির সকল ধাতুর তড়িৎ পরিবাহিতা সমান নয়।
যেমন- রূপার তড়িৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশী। 
- অপরদিকে জার্মেনিয়াম, সিলিকন ইত্যাদির তড়িৎ পরিবাহিতা সাধারণ তাপমাত্রায় খুবই কম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫০.
বৈদ্যুতিক শক্তি ও চৌম্বকত্বকে একত্রিত করে বিজ্ঞানীরা যে বল আবিষ্কার করেন, তার নাম কী?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. নিউক্লিয়ার বল
  3. দুর্বল নিউক্লিয় বল 
  4. বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল
ব্যাখ্যা

প্রকৃতির রহস্য উদঘাটন:
- প্রাচীনকালে চীন দেশে একটুকরো লোড স্টোনকে সমজাতীয় অন্য একটি লোড স্টোনের টুকরোকে অদৃশ্য একটা শক্তি দিয়ে আকর্ষণ করতে দেখা গিয়েছিল, বিশেষ ধরনের এই পদার্থের বিশেষ এই ধর্মটির নাম দেওয়া হয়েছিল চৌম্বকত্ব (Magnetism) । 
- একইভাবে প্রাচীন গ্রিসে আম্বর নামের পদার্থকে পশম দিয়ে ঘষা হলে সেটি এই দুটি পদার্থকে একটি অদৃশ্য শক্তি দিয়ে আকর্ষণ করত, এই বিশেষ ধর্মের নাম দেওয়া হলো ইলেকট্রিসিটি বা বৈদ্যুতিক শক্তি (Electricity)। 
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে এটি নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয় এবং বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন এটি একই বলের দুটি ভিন্ন রূপ এবং এই বলটির নাম দেওয়া হয় বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল (Electromagnetism)। 
- পরবর্তীতে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কৃত হওয়ার পর বিটা রশ্মি নামে একটা বিশেষ বিকিরণ ব্যাখ্যা করার সময় 'দুর্বল নিউক্লিয় বল' নামে নতুন এক ধরনের বল আবিষ্কৃত হয়। 
- পদার্থবিজ্ঞানীরা পরে দেখালেন বিদ্যুৎ চৌম্বকীয় বল এবং দুর্বল নিউক্লিয় বল একই বলের ভিন্ন ভিন্ন রূপ, তাদেরকে একত্র করে সেই বলের নাম দেওয়া হলো ইলেকট্রো উইক ফোর্স। পদার্থবিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, প্রকৃতিতে মহাকর্ষ বল এবং নিউক্লিয়ার বল নামে আরও যে দুটি বল রয়েছে ভবিষ্যতে সেগুলোও একই সূত্রের আওতায় আনা যাবে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২৫১.
বর্ষাকালে বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড়ের প্রধান কারণ কী?
  1. পাহাড়ি ঢলের স্রোত
  2. সমুদ্রের উচ্চ জোয়ার
  3. উত্তর-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
  4. দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বর্ষাকালে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প নিয়ে আসে, যা বাংলাদেশে বৃষ্টিপাত ঘটায়। এই মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। 

ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- বাংলাদেশে সংঘটিত প্রচণ্ড শক্তিশালী এবং মারাত্মক ধ্বংসকারী প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ঘূর্ণিঝড় উল্লেখযোগ্য। স্থান অনুসারে ঘূর্ণিঝড়ের বিভিন্ন নামকরণ হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রমুখী ও ঊর্ধ্বমুখী বায়ুরূপে পরিচিত। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। 
- বাংলাদেশে আশ্বিন-কার্তিক এবং চৈত্র-বৈশাখ মাসে এ ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- বর্ষাকালে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর কারণে ঘূর্ণিঝড় হয় এবং একই ধরনের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে ফানেল আকৃতির কারণে এ দেশে অধিক সংখ্যক ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়। 
- ঘূর্ণিঝড় একটি সাময়িক প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- গত তিন দশকে বাংলাদেশের পূর্বাংশে বেশি ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, টেকনাফ, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, উরিরচর, চর জব্বার, চর আলেকজান্ডার প্রভৃতি স্থানে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২৫২.
পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে সমানভাবে বিভক্তকারী রেখাটির নাম কী?
  1. বিষুবরেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. দ্রাঘিমাংশ
  4. মকরক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবরেখা
ব্যাখ্যা

• পৃথিবীকে উত্তর-দক্ষিণে বিভক্তকারী বৃত্তাকার রেখাটিকে নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বলে।

- ভূ-পৃষ্ঠের যেকোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে এবং যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে একে প্রকাশ করা হয়, তাকে অক্ষরেখা বলে।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- দক্ষণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- ৬৬.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে সুমেরু বৃত্ত বলা হয়।
- ৬৬.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে কুমেরু বৃত্ত বলা হয়।
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে আছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,২৫৩.
পরিচলন বৃষ্টি বেশি হয় কোন অঞ্চলে?
  1. ক) মেরু অঞ্চলে
  2. খ) শীত প্রধান অঞ্চলে
  3. গ) নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে
  4. ঘ) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিরক্ষীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• দিনের বেলায় সূর্যের কিরণে জল বাষ্পে পরিণত হয়ে সোজা উপরে উঠে যায় এবং শীতল বায়ুর সংস্পর্শে এসে ওই জলীয়বাষ্প প্রথমে মেঘ ও পরে বৃষ্টিতে পরিণত হয়ে সোজাসুজি নিচে নেমে আসে। এরূপ বৃষ্টিপাতকে পরিচলন বৃষ্টি বলে।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে স্থলভাগের চেয়ে জলভাগের বিস্তৃতি বেশি এবং এখানে সূর্যকিরণ সারাবছর লম্বভাবে পড়ে। এ দুটি কারণে এখানকার বায়ুমণ্ডলে সারাবছর জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই বৃষ্টি বেশি হয়। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি (বোর্ড বই)। 
১,২৫৪.
টেলিভিশন সম্প্রচারে ক্যামেরার কাজ কী?
  1. ক) ছবিকে তড়িৎ সংকেতে রূপান্তর করা
  2. খ) ছবিকে শব্দ তরঙ্গে রূপান্তর করা
  3. গ) তড়িৎ সংকেতকে ছবিতে রূপান্তর করা
  4. ঘ) শব্দ তরঙ্গকে ছবিতে রূপান্তর করা
সঠিক উত্তর:
ক) ছবিকে তড়িৎ সংকেতে রূপান্তর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ছবিকে তড়িৎ সংকেতে রূপান্তর করা
ব্যাখ্যা

টেলিভিশনে শব্দ ও ছবি প্রেরণের জন্য প্রেরক স্টেশনে থাকে পৃথক পৃথক প্রেরক যন্ত্র, যার সাহায্যে তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গরূপে শব্দ ও ছবি প্রেরণ করা হয়।
যে ছবি বা দৃশ্য প্রেরণ করতে হবে তা টেলিভিশন ক্যামেরা তাড়িত সংকেতে রূপান্তরিত করে। এ সংকেতকে মডুলেশন প্রক্রিয়ায় উচ্চ কম্পাঙ্কের বাহক তরঙ্গের সাথে মিশ্রিত করা হয়। পরে এন্টেনার সাহায্যে তাড়িতচৌম্বক বেতার তরঙ্গ হিসেবে প্রেরণ করা হয়। (উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান)

১,২৫৫.
ভূপৃষ্ঠে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি আছে?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. তামা
  3. দস্তা
  4. সীসা
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
- ভূপৃষ্ঠে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আছে অ্যালুমিনিয়াম ধাতু (৮.১%)। 

 ভূত্বক: 
- ভূপৃষ্ঠে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাই ভূত্বক। 
- ভূত্বকের পুরুত্ব খুবই কম। 
- ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন। 
- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ- ৪২.৭%, 
- সিলিকনের পরিমাণ- ২৭.৭%, 
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ- ৮.১%, 
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ- ৫.১%, 
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ- ৩.৭%, 
- সোডিয়ামের পরিমাণ- ২.৮%, 
- পটাসিয়ামের পরিমাণ- ২.৬% এবং 
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%। 

উৎস:
ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।
১,২৫৬.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে Ultra Violet Rays শোষিত হয়?
  1. স্ট্রাটোমন্ডল
  2. ওজোন মন্ডল
  3. মেসোমন্ডল
  4. তাপমন্ডল
সঠিক উত্তর:
ওজোন মন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন মন্ডল
ব্যাখ্যা
স্ট্রাটোমন্ডল (Stratosphere): 
বায়ুমন্ডলের দ্বিতীয় স্তরটি হলো স্ট্রাটোমন্ডল। 
যা ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। 
এ স্তরের শেষ সীমা স্ট্রাটোবিরতি (Stratopause)। 
এ স্তরে ২০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত তাপমাত্রার কোনো পরিবর্তন হয় না। 
স্ট্রাটোবিরতিতে তাপমাত্রা ০° সেলসিয়াস বা এর কাছাকাছি হয়। এ স্তরে বায়ুর ঘনত্ব ও চাপ উভয়ই কম।

স্ট্রাটোমন্ডলে জলীয়বাষ্প ও ধূলিকণার পরিমাণ খুব নগন্য এবং প্রায় মেঘশূন্য থাকে। এ স্তরে বাতাস অত্যন্ত হালকা। বাতাসের ঊর্ধ্ব বা নিম্ন গতি নেই, তবে সমান্তরাল গতি দেখা যায়। 
স্ট্রাটোমন্ডলে ঝড়-বৃষ্টি থাকে না বলে এ স্তরের মধ্য দিয়েই সাধারণত বিমান চলাচল করে থাকে। 
 
স্ট্রাটোমন্ডলের উপরের দিকে ওজোন (Ozone) গ্যাসের স্তর রয়েছে যা ওজোন মন্ডল বা Ozonesphere নামে পরিচিত। এ স্তরটির গভীরতা ১২-১৬ কিলোমিটার। 
 
ওজোন স্তর সূর্যরশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (Ultra Violet Rays) শোষণ করে। জীবজগতের জন্য সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি খুবই ক্ষতিকর। তবে এটি ওজোন স্তর ভেদ করে পৃথিবীতে পৌছাতে পারে না। এ স্তর সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি শোষণ করায় তাপমাত্রা (প্রায় ৭৬° সেলসিয়াস) অনেক বেশি।


উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫৭.
কোন শিল্পে ব্যবহৃত রঞ্জক পদার্থ পানি দূষণের জন্য বেশি দায়ী?
  1. ক) সিমেন্ট
  2. খ) ইউরিয়া শিল্প
  3. গ) টেক্সটাইল
  4. ঘ) চামড়া ও ডায়িং শিল্প
সঠিক উত্তর:
গ) টেক্সটাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টেক্সটাইল
ব্যাখ্যা
টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহৃত রঞ্জক পদার্থ পানি দূষণের জন্য বেশি দায়ী।
- টেক্সটাইল ও ডায়িং শিল্প বিশ্বের অন্যতম পরিবেশ দৃষণকারী একটি শিল্প।
- বাংলাদেশের শিল্প কলকারখানা থেকে নির্গত দূষিত পানির শতকরা ১৭-২০ ভাগই আসে টেক্সটাইল ও ডায়িং শিল্প হতে।
- টেক্সটাইল ও ডায়িং শিল্পে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রকার রঞ্জক পদার্থের সাথে লবণ, ক্ষার, ভারী ধাতু, জারক ও বিজারক দ্রব্য, এসিড ইত্যাদি দূষক হিসেবে পরিবেশে যুক্ত হয়।

উৎস: রসায়ন-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৫৮.
উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ বিশাল লবণাক্ত জলরাশিকে বলে____
  1. ক) সমুদ্র
  2. খ) মহাসাগর
  3. গ) সাগর
  4. ঘ) উপসাগর
সঠিক উত্তর:
খ) মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহাসাগর
ব্যাখ্যা
বারিমন্ডলের উন্মুক্ত বিস্তীর্ণ বিশাল লবণাক্ত জলরাশিকে মহাসাগর বলে। পৃথিবীতে পাঁচটি মহাসাগর রয়েছে৷
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল বোর্ড বই
১,২৫৯.
উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম দিকে যে ঘূর্ণিঝড় গঠিত হয়, তাকে __________ নামে অভিহিত করা হয়।
  1. টাইফুন
  2. হারিকেন
  3. সাইক্লোন
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
টাইফুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইফুন
ব্যাখ্যা
• উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম দিকে যে ঘূর্ণিঝড় গঠিত হয়, তাকে টাইফুন নামে অভিহিত করা হয়। টাইফুন মূলত শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যা সাধারণত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার, বিশেষ করে জাপান, ফিলিপাইন, চীন ও তাইওয়ান অঞ্চলে সৃষ্টি হয়। এই ঘূর্ণিঝড়ের গতি খুব দ্রুত এবং এটি ব্যাপক ক্ষতি সাধন করতে পারে। অন্যদিকে, একই ধরনের ঘূর্ণিঝড়কে আটলান্টিক ও উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে হারিকেন বলা হয়। আবার ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে এর নাম সাইক্লোন। তাই, উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম দিকে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে টাইফুন বলা হয়।
- সঠিক উত্তর: ক) টাইফুন।

সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়:

• সাইক্লোন, টাইফুন ও হারিকেন সবগুলোই সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়।

• হারিকেন:
- উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চল, মধ্য এবং পূর্ব উত্তর প্রশান্ত মহাসাগর, ক্যারিবিয়ান সাগর এবং মেক্সিকো উপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে 'হারিকেন' বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কিউবা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে হারিকেন আঘাত করে।

• টাইফুন:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় 'টাইফুন'।
- চীন, তাইওয়ান, ফাইলিপাইন ও জাপানে প্রায় প্রতি বছরই টাইফুনের কারণে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়।

• সাইক্লোন:
- বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় 'সাইক্লোন' হিসেবে পরিচিত।
- সাইক্লোনের কারণে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে প্রচুর জানমালের ক্ষতি হয়।

• এ ছাড়াও, দক্ষিণ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্ব ভারত মহাসাগরের ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় সিভিয়ার ট্রপিক্যাল সাইক্লোন।
• আর দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত মহাসাগরে একে ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বলা হয়।

• যেসব এলাকায় ঘূর্ণিঝড় হয় না:
- পৃথিবীর বিষুব রেখা বরাবর সাগরে সাধারণত কোনো ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় না।
- বিষুব রেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়।
- অন্যদিকে দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরেও কোনো ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয় না।

উল্লেখ্য, কোনো টাইফুন তার এলাকা থেকে সরে গিয়ে হারিকেন প্রবণ অঞ্চলে প্রবেশ করলে একে তখন একে হারিকেন হিসেবেই ডাকা হয়। একইভাবে কোনো হারিকেন দিক পরিবর্তন করে টাইফুনের এলাকায় চলে এলেও একে তখন টাইফুন বলা হয়।

উৎস: ওয়ার্ল্ড মেটেওরলজিক্যাল অর্গানাইজেনশনের ওয়েবসাইট এবং The Daily Star Bangla.
১,২৬০.
এক্সরে রশ্মি ব্যবহৃত হয়-
  1. ক্যান্সার চিকিৎসায়
  2. চোরাচালান রোধে
  3. পাকস্থলীতে পাথর শনাক্তকরণে
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
এক্সরের ব্যবহার

চিকিৎসা ক্ষেত্রে ঃ রোগ নির্ণয় এবং নিরাময়ের ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানে সর্বাধিক ব্যবহারের কারণেই এক্সরে জনসাধারণের কাছে বহুল পরিচিত। এক্সরের ভেদন ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে রেডিওগ্রাফি গ্রহণ করা হয়।
কোমল এক্সরে মাংসপেশী ভেদ করতে পারে কিন্তু হাড় বা ধাতু ভেদ করে যেতে পারে না। কোমল এক্সরে ব্যবহার করে দেহের হাড় ভাঙলে, কোনো অবাঞ্ছিত বস্তু যেমন বন্দুকের গুলি, দুর্ঘটনায় কোনো ধাতব বস্তু দেহে প্রবেশ করলে, পাকস্থলি বা মুত্রথলিতে পাথর সৃষ্টি হয়েছে কিনা তা সনাক্ত ও অবস্থান চিহ্নিত করা যায়। এজন্য শল্য চিকিৎসায় যুগান্তকারী উন্নতি সাধনের জন্য এক্সরের অবদান অকল্পনীয়।
এছাড়াও ফুসফুসের কোনো ক্ষত, পরিপাক নালীতে ক্ষত বা টিউমার, দাঁতের গোড়ায় আলসার ইত্যাদি নির্ণয়ে এক্সরে সর্বদাই ব্যবহার হচ্ছে।
বর্তমানে ক্যান্সার চিকিৎসায় এবং কোনো কোনো চর্মরোগ নিরাময়ে এক্সরে ব্যবহার করা হয়।

গোয়েন্দা বিভাগে ঃ চোরাচালান ধরার জন্য কাঠের, ধাতব বাক্সে বা চামড়ার থলিতে বিস্ফোরক, নিষিদ্ধ বস্তু লুকানো থাকলে কিংবা কেউ গহনা বা মুদ্রা গলাধকরণ করলে তা সন্ধানের জন্য এক্সরে ব্যবহার করা হয়। এমনকি হত্যাকান্ড অনুসন্ধানেও এক্সরে প্রয়োগ করা হয়। 

সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

অতিরিক্ত তথ্য :
রঞ্জন রশ্নি বা এক্স-রে ১৮৯৫ সালে আবিষ্কার করেন উইলহেম কনরাড রেন্টজেন। প্লেন এক্স-রে থেকে শুরু করে, কন্ট্রাস্ট এক্স-রে, সিটি স্ক্যান (plain CT, Contrast CT, Spiral CT,3-D CT reconstruction, Ultrafast CT), পিইটি সিটি (PET-CT) সহ আরো অকেন ক্ষেত্রেই এক্স-রের ব্যবহার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সবধরনের এঞ্জিওগ্রাম, প্রচলিত (Conventional angiogram), সিটি এঞ্জিওগ্রাম (CT angiogram) এগুলো সবই মূলত এক্স-রে নির্ভর পরীক্ষা। তাই নিশ্চিন্তে বলাই যায় এটার মাধ্যমে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা নাই।

মেডিকেল ইমেজিং ইতিহাসে রঞ্জন-রশ্মি (X-ray) আবিষ্কারের কাহিনী পুরনো একটা ব্যাপার (Wilhelm Conrad Roentgen-১৮৯৫) হলেও এর বহুমাত্রিক প্রয়োগ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্লেন এক্স-রে (Plain X-ray) থেকে শুরু করে, কন্ট্রাস্ট এক্স-রে (Single contrast, Double contrast), সিটি স্ক্যান (plain CT, Contrast CT, Spiral CT,3-D CT reconstruction, Ultrafast CT), পিইটি সিটি (PET-CT) ইত্যাদি অনেক ক্ষেত্রেই এক্স-রের ব্যবহার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সবধরনের এঞ্জিওগ্রাম, প্রচলিত (Conventional angiogram), সিটি এঞ্জিওগ্রাম (CT angiogram) মূলত এক্স-রে নির্ভর পরীক্ষা।

এক্স-রে এর পরে সবচাইতে যেটি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটি হচ্ছে অতি-কম্পাঙ্কের শব্দ (Ultrasound), এটা এখন ঘরে ঘরে পরিচিত একটি পরীক্ষা। আল্ট্রা-সাউন্ড পরীক্ষা শুধু পেটের রোগ নির্ণয় বা রোগ চিকিৎসায় সীমাবদ্ধ নেই, হার্টের পরীক্ষা-Echocardiography (2-D, M-mode, Doppler study, Color Doppler study), রক্ত-নালীর ভিতরকার আল্ট্রাসাউন্ড (IVUS-Intravascular ultrasound), খাদ্যনালী, শ্বাসনালীর আল্ট্রাসাউন্ড (Intraluminal ultrasound), কনট্রাস্ট আল্ট্রাসাউন্ড ইত্যাদি নানাভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

এম আর আই (MRI) স্ক্যানের ক্ষেত্রে পরমাণুগুলোর চৌম্বকশক্তিকে বিভিন্নভাবে পরিবর্তিত করে ছবি তুলে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। গাডোলিনিয়াম জাতীয় দ্রব্য ব্যবহার করে ব্রেন, স্পাইনাল কর্ড, রক্তনালীর ছবি কোন কনট্রাস্ট ছাড়াই তোলা যায়। তেজস্ক্রিয় পরমাণুর তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করে শরীরে ঢোকানোর পর বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ত্রুটিবিচ্যুতি এবং কার্জকারিতা পরীক্ষা করা যায়। এই পরীক্ষাগুলোকে রেডিওসিন্টিগ্রাফী (Radioscintigraphy) বলা হয়ে থাকে।

কোন কোন পরমাণু থেকে পজিট্রন নির্গত হয় যেমন ফ্লুরোডক্সাইগ্লুকোজ (FDG, Flurodeoxyglucose)। শরীরের ভিতর এফডিজি প্রবেশ করানোর পর যেসব টিস্যুতে বিপাক প্রক্রিয়া বেশী সেখানে এফডিজি জমা হয় এবং বেশী মাত্রাই ব্যবহৃত হয়, ফলে সেখান থেকে বেশী মাত্রায় পজিট্রন নির্গত হতে থাকে যা বিশেষ ধরনের ডিটেক্টরের মাধ্যমে নির্ণয় করা যায়।

ক্যান্সার কোষে বিপাক প্রক্রিয়া বেশী থাকায়, পিইটি স্ক্যান (PET- Positron emission tomography) করে লুকিয়ে থাকা টিউমার সনাক্ত করা যায়। পিইটি স্ক্যানের সাথে সিটি যোগ করলে পিইটি-সিটি (PET-CT) হয়, কম্পিউটার সফটওয়্যার এ-দুটোকে একত্রিত করে দিতে পারে, যা দিয়ে অঙ্গের ত্রুটিবিচ্যুতি সনাক্ত করার সাথে সাথে এর কার্যক্ষমতাও নিরূপণ করা যায়।

বর্তমানে ব্যবহৃত মেডিকেল ইমেজিং
শুধুমাত্র রোগ নির্ণয়ে নয়, রোগের চিকিৎসাতেও ইমেজিং গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা রাখে। যেমন, করোনারী এঞ্জিওগ্রাম শুধুমাত্র হার্টের রক্তনালীর রোগ নির্ণয়েই ব্যবহৃত হয়না, স্টেন্ট (Stent) পরিয়ে ব্লক (Block) সারাতেও এটি কাজে লাগে।


১,২৬১.
দুইটি স্থানের দ্রাঘিমাংশের পার্থক্য কত হলে, সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট হয়?
  1. ৪ ডিগ্রি
  2. ১ ডিগ্রি
  3. ১০ ডিগ্রি
  4. ২ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
১ ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ডিগ্রি
ব্যাখ্যা

• মূল মধ্যরেখাঃ
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের কাছে গ্রিনিচ (Greenwich) মান মন্দিরের উপর দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত কল্পিত রেখাকে ০ দ্রাঘিমা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- গ্রিনিচের মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বই হলো সেই স্থানের দ্রাঘিমাংশ।
- প্রতি ১দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য ৪ মিনিট সময় ব্যবধান হয়।

 
গ্রিনিচের সময়:
- গ্রিনিচের দ্রাঘিমা শূন্য ডিগ্রি (০ ) ধরা হয়।
- এখন আমরা যদি গ্রিনিচের সময় এবং অন্য কোনো স্থানের সময় জানতে পারি, তাহলে দুই স্থানের সময়ের পার্থক্য অনুসারে প্রতি ৪ মিনিট সময়ের পার্থক্যে ১দ্রাঘিমার পার্থক্য ধরে ঐ স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করতে পারি।
- গ্রিনিচের পূর্ব দিকের দেশগুলো সময়ের হিসেবে গ্রিনিচের চেয়ে এগিয়ে থাকে এবং গ্রিনিচের পশ্চিমে অবস্থিত দেশগুলোর সময় গ্রিনিচের সময় থেকে পিছিয়ে থাকে।
- বাংলাদেশ গ্রিনিচ থেকে ৯০° পূর্বে অবস্থিত বলে বাংলাদেশের সময় ৬ ঘণ্টা এগিয়ে।
- এভাবে দ্রাঘিমার সাহায্যে সময় এবং সময়ের মাধ্যমে দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২৬২.
সাধারণ হাইড্রোজেনের কেন্দ্রে থাকে-
  1. ক) একটি নিউট্রন
  2. খ) একটি প্রোটন
  3. গ) প্রোটন ও নিউট্রন
  4. ঘ) প্রোটন ও ইলেকট্রন
সঠিক উত্তর:
খ) একটি প্রোটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একটি প্রোটন
ব্যাখ্যা
নিরপেক্ষ ও বৈদ্যুতিক চার্জহীন পারমাণবিক কণা নিউট্রন, যা সাধারণ হাইড্রোজেন বাদে প্রতিটি পারমাণবিক নিউক্লিয়াসের উপাদান। সাধারণ হাইড্রোজেনের কেন্দ্রে একটি মাত্র প্রোটন থাকে। তবে বাড়তি একটি কিংবা দুইটি নিউট্রনসহ হাইড্রোজেনের নিউক্লিয়াসও রয়েছে।
[সূত্রঃ পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
১,২৬৩.
আলফা রশ্মি হলো মূলত -
  1. ক) ইলেকট্রন
  2. খ) প্রোটন
  3. গ) হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) নিউট্রন
সঠিক উত্তর:
গ) হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিলিয়াম নিউক্লিয়াস
ব্যাখ্যা
আলফা কণিকার ধর্ম ও প্রকৃতি
১। আলফা কণিকা দুটি প্রোটন ও দুটি নিউট্রন নিয়ে গঠিত অর্থাৎ এটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস। এর ভর 6.6×10-27 কেজি। 
২। ইহা ধনাত্মক চার্জ বহন করে। এর পরিমাণ 3.2×10-19 কুলম্ব। 
৩। এর শক্তি 1MeV বা 1.6x10-13J হতে 9MeV বা 1.44 x 10-12J পর্যন্ত হয়। 
৪। এই রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়। 
৫। এর আয়নিত করার ক্ষমতা খুব বেশী। β -কণিকার চেয়ে প্রায় 100 গুণ এবং γ -কণিকার চেয়ে প্রায় 1000 গুণ বেশী। 
৬। এটি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে। 
৭। ইহা সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়। এর ভেদন ক্ষমতা খুব কম। 
৮। জিংক সালফাইডে আলফা কণিকা প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করে। 
৯। ধাতব প্লেটের মধ্য দিয়ে যাবার সময় আলফা কণিকার কণাগুলো চারিদিকে বিক্ষিপ্ত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬৪.
বিগ ব্যাং এর কতবছর পরে সৌরজগৎ সৃষ্টি হয়েছিলো?
  1. ৪ বিলিয়ন
  2. ৪.৬ বিলিয়ন
  3. ৫ বিলিয়ন
  4. ৯ বিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
৯ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা
• বিগ ব্যাং-এর প্রায় ৯ বিলিয়ন (৯০০ কোটি) বছর পরে সৌরজগৎ সৃষ্টি হয়।

• বিগ ব্যাং (Big Bang) ঘটেছে আনুমানিক ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে। 
- অর্থাৎ আমাদের এই মহাবিশ্বের বয়স ১৩.৮ বিলিয়ন বছর। 
- আমাদের সৌরজগৎ (Solar System) গঠিত হয়েছে আজ থেকে আনুমানিক ৪.৫ থেকে ৫ বিলিয়ন বছর আগে ।
- বিগ ব্যাং এর সময় থেকে এটির (সৌরজগৎ সৃষ্টির) সময়কাল প্রায় ৮.৫ থেকে ৯ বিলিয়ন বছর পর। 

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
১,২৬৫.
পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে কোনটিকে?
  1. বন্যা
  2. খরা
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. সুনামি
সঠিক উত্তর:
সুনামি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামি
ব্যাখ্যা
সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। 
- যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ, সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। 
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 
- সুনামিকে পৃথিবীর তৃতীয় প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। 
- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৬৬.
কোথায় দিনরাত্রি সর্বত্র সমান?
  1. মেরুরেখায়
  2. নিরক্ষরেখায়
  3. উত্তর গোলার্ধে
  4. দক্ষিণ গোলার্ধে
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরেখায়
ব্যাখ্যা
নিরক্ষরেখা: 
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয়েছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে। 
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ায় এ রেখাও বৃত্তাকার। 
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাবে ভাগ করেছে। 
- এ রেখার উত্তরে পৃথিবীর অর্ধাংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণের অর্ধাংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়। 
- এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি, তাই নিরক্ষরেখায় দিন রাত সর্বত্র সমান। 
- নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব স্থির করা হয়। 

উৎস: ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৬৭.
ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে কী সৃষ্টি হয়?
  1. উচ্চচাপ
  2. নিম্নচাপ
  3. সমচাপ
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা

• ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে তীব্র নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়, যার কারণে চারপাশের বাতাস দ্রুত কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়ে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি করে।

• ঘূর্ণিঝড় (Cyclone):
- ঘূর্ণিঝড় একটি শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- এটি সাধারণত সমুদ্রের উষ্ণ অঞ্চলে সৃষ্ট হয় এবং কেন্দ্রের দিকে প্রবল বায়ু প্রবাহ ঘূর্ণায়মান অবস্থায় প্রবেশ করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং চারদিকে উচ্চচাপ থেকে বাতাস দ্রুত বেগে কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়।
- বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় সাধারণত বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে।
- ঘূর্ণিঝড়ের সাথে প্রবল বৃষ্টি, ঝড়ো বাতাস ও জলোচ্ছ্বাস ঘটে।
- এর ফলে মানুষের প্রাণহানি, ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১,২৬৮.
কিসের ফলে ”জোয়ার-ভাটা সৃষ্ট” হয়?
  1. বার্ষিক গতি
  2. ঘূর্ণমায়ন গতি
  3. ঋতু পরিবর্তন
  4. আহ্নিক গতি
সঠিক উত্তর:
আহ্নিক গতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহ্নিক গতি
ব্যাখ্যা

• আহ্নিক গতির ফল (Results of Rotation):
-পৃথিবীতে দিবারাত্রি সংঘটন।
- জোয়ার-ভাটা সৃষ্ট।
- বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোতের সৃষ্টি।
- তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি।
- সময় গণনা বা সময় নির্ধারণ।
- উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ সৃষ্টি।

•বার্ষিক গতির ফল (The results of Revolution):বার্ষিক গতির ফল হলো-
(১)দিবারাত্রির হ্রাস-বৃদ্ধি,
(২) ঋতু পরিবর্তন।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

১,২৬৯.
ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতা হঠাৎ কমে যাওয়া কিসের ইঙ্গিত দেয়?
  1. ক) ভাল আবহাওয়ার
  2. খ) আসন্ন ঝড়ের
  3. গ) বৃষ্টির সম্ভাবনা
  4. ঘ) তাৎপর্যহীন
সঠিক উত্তর:
খ) আসন্ন ঝড়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আসন্ন ঝড়ের
ব্যাখ্যা

ব্যারোমিটারের পারদস্তম্ভের উচ্চতা ধীরে ধীরে কমতে থাকলে বোঝা যাবে বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে। কারণ জলীয় বাষ্প বায়ুর চেয়ে হালকা। এক্ষেত্রে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে।
হঠাৎ যদি পারদস্তম্ভেরউচ্চতা খুব কমে যায় তবে বুঝতে হবে চারদিকে বায়ুমণ্ডলের চাপ সহসা কমে গেছে এবং ঐ স্থানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে। পার্শ্ববর্তী উচ্চচাপের স্থান থেকে প্রবল বেগে বায়ু ঐ নিম্নচাপের অঞ্চলে ছুটে আসবে। সুতরাং ঝড়ের সম্ভাবনা আছে।
ব্যারোমিটারে পারদস্তম্ভের উচ্চতা ধীরে ধীরে বাড়লে বুঝতে হবে বায়ুমণ্ডল থেকে জলীয় বাষ্প অপসারিত হচ্ছে এবং শুষ্ক বাতাস সেই স্থান অধিকার করছে। সুতরাং আবহাওয়া শুষ্ক ও পরিস্কার থাকবে; যা ভালো আবহাওয়ার ইঙ্গিত।

সংক্ষেপেঃ
ব্যারোমিটারে পারদের উচ্চতাঃ
ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেলে - ভালো আবহাওয়ার ইঙ্গিত।
কমলে - বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
হঠাৎ কমে গেলে - ঝড়ের পূর্বাভাস।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২৭০.
নিচের কোনটিতে রেডিও আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
  2. খ) পিত্ত পাথর গলাতে
  3. গ) কিডনির পাথর গলাতে
  4. ঘ) পরমাণু অস্ত্র তৈরিতে
সঠিক উত্তর:
ক) গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
ব্যাখ্যা

কোন কোন আইসোটোপ অস্থিতিশীল হয়ে থাকে। অর্থাৎ এদের নিউক্লিয়াসের মধ্যে পরিবর্তন ঘটে থাকে। ফলস্বরূপ, এই আইসোটোপ থেকে কিছু কণা বিচ্ছুরিত হয়, কখনো কখনো ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রশ্মি বিচ্ছুরিত হয়ে থাকে। এই প্রকার আইসােটোপকে রেডিও আইসোটোপ (radio isotope) বলা হয়।

An exceptionally useful radioactive isotope is iodine-131, which has a half-life of eight days. It is employed in medicine to monitor thyroid gland functioning, to treat goitre and thyroid cancer, and to locate tumours of the brain and of the liver.

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান ও Britannica

১,২৭১.
দ্রুত গতি সম্পন্ন ইলেকট্রন ধাতুকে আঘাত করলে কি উৎপন্ন হয়?
  1. এক্সরে
  2. নিউটন
  3. প্রোটন
  4. অণু
সঠিক উত্তর:
এক্সরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক্সরে
ব্যাখ্যা

দ্রুতগতি সম্পন্ন ইলেকট্রন কোন ধাতুকে আঘাত করলে তা থেকে অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের এবং উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন এক প্রকৃতির বিকিরণ উৎপন্ন হয়।
- এই বিকিরণকে বলা হয় এক্সরে বা এক্স রশ্মি(X-Ray)।
- ১৮৯৫ সালে নভেম্বর মাসের আট তারিখে উইলিয়াম রন্টজেন এই রশ্মি আবিষ্কার করেন।
- তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত ছোট হয় পদার্থ ভেদ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে রোগ নির্ণয়ে যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে রঞ্জন রশ্মি।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান নবম দশম শ্রেণী

১,২৭২.
গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া এই দেশের জন্য ভয়াবহ আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে-
  1. সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে
  2. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যেতে পারে
  3. নদ-নদীর পানি কমে যেতে পারে
  4. ওজোন স্তরের ক্ষতি নাও হতে পারে
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে
ব্যাখ্যা
[গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। এতে করে মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর অন্যান্য স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে। যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে।]

• গ্রিন হাউজ প্রভাব:
- গ্রিন হাউজ হলো এমন একটি কাঁচের ঘর যেখানে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে গাছপালা জন্মানোর জন্য উপযোগী আবহাওয়া তৈরিকরা হয়।
- সূর্যের আলো যখন এই কাঁচের ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে তখন ভিতরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
- পৃথিবীও গ্রিন হাউজের মত এমন একটি আবাসস্থল যেখানে প্রতিদিনই তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে যা পৃথিবী হতে দূরীভূত হচ্ছে না।
- গ্রিন হাউজের তাপমাত্রা ধরে রাখার প্রক্রিয়াটি বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রক্রিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- এ কারণেই গ্রিন হাউজ এর সাথে মিল রেখে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে চিহ্নিত করা হয়েছে গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া হিসেবে।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়ন হলো বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি।
- এটিকে গ্রিন হাউজের প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা হয়।
- বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য বিভিন্ন ধরনের গ্যাসকে দায়ী করা হয়। এগুলো হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, মিথেন, ওজোন, জলীয়বাষ্প প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭৩.
নিম্নের কোন যন্ত্রে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) রেডিও
  2. খ) টেপরেকর্ডার
  3. গ) টেলিভিশন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার (Step up Transformer) : যে ট্রান্সফর্মার অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহকে অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে আরোহী বা স্টেপ আপ ট্রান্সফর্মার বলে।
উদাহরণ :
দূরদূরান্তে তড়িৎ প্রেরণের জন্য আরোহী বা স্টেপআপ ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয়। 
অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার (Step down Transformer) : যে ট্রান্সফর্মার অধিক বিভবের অল্প তড়িৎপ্রবাহকে
অল্প বিভবের অধিক তড়িৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে তাকে অবরোহী বা স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার বলে।
উদাহরণ :
অবরোহী বা স্টেপডাউন ট্রান্সফর্মার ব্যবহৃত হয় নিম্ন ভোল্টেজ ব্যবহারকারীর যন্ত্রপাতি যেমন রেডিও, টেলিভিশন, টেপরেকর্ডার, ভিসিআর, ভিসিপি, ইলেকট্রিক ঘড়ি, ওয়াকম্যান ইত্যাদিতে। 

উৎস : পদার্থবিজ্ঞান শিক্ষণ, বিএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
১,২৭৪.
বেলেপাথর, কয়লা ও চুনাপাথর কোন শিলার অন্তর্ভুক্ত?
  1. আগ্নেয় শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. আগ্নেয়গিরি শিলা
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা

• আগ্নেয় শিলা (Igneous Rocks):
- জন্মের প্রথমে পৃথিবী একটি উত্তপ্ত গ্যাসপিণ্ড ছিল।
এই গ্যাসপিণ্ড ক্রমান্বয়ে তাপ বিকিরণ করে তরল হয়।
- পরে আরও তাপ বিকিরণ করে এর উপরিভাগ শীতল ও কঠিন আকার ধারণ করে।
- এভাবে গলিত অবস্থা থেকে ঘনীভূত বা কঠিন হয়ে যে শিলা গঠিত হয় তাকে আগ্নেয় শিলা বলে।

যেমন: ব্যাসন্ট,রায়োলাইট, অ্যান্ডিসাইট, গ্রানাইট, গ্যাব্রো, ডলোরাইট, ল্যাকোলিথ, ব্যাথোলিথ,।

• পাললিক শিলা (Sedimentary Rocks):
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে।
যেমন: - বেলেপাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাদাপাথর ও কেওলিন পাললিক শিলার।

• রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks):
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।
যেমন:
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস;
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,২৭৫.
আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রধান কারণ কি?
  1. ক) বৃষ্টি
  2. খ) কুয়াশা
  3. গ) বায়ুপ্রবাহ
  4. ঘ) মেঘ
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ুপ্রবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বায়ুপ্রবাহ
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ কোনাে জায়গার আবহাওয়া উপরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু কোনাে এলাকার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলে সে এলাকায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। যেমন- বাংলাদেশে বর্ষাকালে প্রচুর জলীয়বাষ্পপূর্ণ মৌসুমি বায়ু প্রবাহিত হওয়ায় প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আবার শীতকালে বাংলাদেশের উপর দিয়ে শুষ্ক মহাদেশীয় বায়ু প্রবাহিত হওয়ার কারণে বৃষ্টিপাত হয় না বললেই চলে।
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির ভূগোল)
১,২৭৬.
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সাথে জড়িত নন কে?
  1. ক) বেল বার্ডিন
  2. খ) জ্যাক কেলবি
  3. গ) ওয়াল্টার ব্রাটেইন
  4. ঘ) উইলিয়াম শকলি
সঠিক উত্তর:
খ) জ্যাক কেলবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জ্যাক কেলবি
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য ১৯৪৭ সালে বেল বার্ডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলিকে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়। জ্যাক কেলবি আইসি আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই এবং ব্রিটানিকা।

১,২৭৭.
কোন পর্যায়ে দুর্যোগের ক্ষতি মূল্যায়ন করা হয়?
  1. সতর্কতা পর্যায়ে
  2. উদ্ধার পর্যায়ে
  3. পুনর্বাসন পর্যায়ে
  4. প্রভাব পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
পুনর্বাসন পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনর্বাসন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
পুনর্বাসন - পর্যায়ে দুর্যোগের ক্ষতি মূল্যায়ন করা হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- সাধারণভাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলতে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করার জন্য দুর্যোগ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে যে কৌশল ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় সেগুলোর সমন্বিতরূপকে বুঝায়।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না বলে ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসের জন্য বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
- নতুবা দুর্যোগে সবকিছু হারিয়ে মানবজীবন হয়ে উঠে দুর্বিষহ।
- দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত আলোচিত বিষয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য:
১. দুর্যোগকালীন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
২. দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের জন্য স্বল্প সময়ে প্রয়োজনীয় ত্রাণ, চিকিৎসাসামগ্রী ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
৩. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র (Disaster Management Cycle):
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায় এবং
খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়।

⇒ ‘‘পুনর্বাসন’’ অর্থ-
-  দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পূর্বাবস্থায় বা অধিকতর ভাল অবস্থায় ফিরিয়ে আনা;
- ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর মানসিক, অর্থনৈতিক ও ভৌত কল্যাণ সাধনসহ তাদের সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আক্রান্ত এলাকায় স্বাভাবিক জীবন, জীবিকা ও কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনা;
- ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে, প্রয়োজনে, অন্যত্র স্থানান্তর করা।

উৎস: i) ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
১,২৭৮.
জোয়ার ভাঁটার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রথম গৌণ জোয়ার কতক্ষণ পরে ঘটে?
  1. ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
  2. ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট
  3. ১২ ঘন্টা
  4. ২৪ ঘন্টা
সঠিক উত্তর:
৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট
ব্যাখ্যা
• জোয়ার ভাঁটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে।
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়।
- সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা হয়।
- এক মুখ্য জোয়ার চলে যাবার ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট অর্থাৎ প্রায় সাড়ে বার ঘন্টা পরে সেই জায়গায় গৌণ জোয়ার এবং ঐ স্থানের প্রত্যেক জোয়ারের প্রায় ৬ ঘন্টা ১৩ মিনিট অর্থাৎ প্রায় সোয়া ছয় ঘন্টা পরে ভাঁটা হয়।

• জোয়ার ভাঁটার কারণ:
- বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়।
- জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১.মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
২. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৭৯.
আলবার্ট আইনস্টাইনের প্রধান অবদান হলো-
  1. কম্পিউটার টেকনোলজি
  2. ল'জ অব মোশন
  3. থিওরি অব রিলেটিভিটি
  4. এরোপ্লেন আবিষ্কার
সঠিক উত্তর:
থিওরি অব রিলেটিভিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থিওরি অব রিলেটিভিটি
ব্যাখ্যা
- আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত দুইভাগে বিভক্ত, যথা- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব এবং আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব। 
- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব পরস্পরের তুলনায় ঊর্ধ্ব বা নিম্নগতিশীল বস্তুসমূহ বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করেছে। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে। 
- পক্ষান্তরে আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব শুধু পরস্পরের তুলনায় সমগতিতে সঞ্চরণশীল বা অসঞ্চরণশীল বস্তু বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। 
- এটি সাধারণ তত্ত্বের একটি বিশেষ রূপ। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৫ সালে। 
- অইিনস্টাইনের স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকে আলাের বেগ যে স্থির কিংবা গতিশীল সব মাধ্যমে সমান তা ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। 
- স্পেশাল থিওরি অব রিলেটিভিটি থেকেই সর্বকালের সবচেয়ে চমকপ্রদ সূত্র E=mc2 বের হয়ে আসে, যেখানে দেখানাে হয় বস্তুর ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব। 

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৮০.
সৌরজগতের কোন গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা সর্বাধিক?
  1. বৃহস্পতি
  2. শনি
  3. নেপচুন
  4. মঙ্গল
সঠিক উত্তর:
শনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শনি
ব্যাখ্যা

• শনি (Saturn):
- শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর দূরত্ব ১৪৩ কোটি কিলোমিটার।
- এটি গ্যাসের তৈরি বিশাল এক গোলক।
- এর ব্যাস ১,২০,০০০ কিলোমিটার।
- শনির ভূত্বক বরফে ঢাকা।
- এর বায়ুমন্ডলে আছে হাইড্রোজেন ও হিলিয়ামের মিশ্রণ, মিথেন ও অ্যামোনিয়া গ্যাস।
- সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরতে শনির সময় লাগে পৃথিবীর প্রায় ২৯.৫ বছরের সমান।
- শনি উজ্জ্বল বলয় দ্বারা বেষ্টিত এবং এর ৮২টি উপগ্রহ আছে (সর্বাধিক)। 
- নাসা'র তথ্য অনুযায়ী ১৪৬টি উপগ্রহ আছে। 

অন্যদিকে,
- বৃহস্পতির ৭৯টি উপগ্রহ আছে।
- মঙ্গল এর ২টি উপগ্রহ আছে।
- নেপচুন এর ১৪টি উপগ্রহ আছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,২৮১.
আইনস্টাইন কোন তত্ত্বের সাহায্যে সর্বপ্রথম ব্ল্যাকহোল অস্তিত্বের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন?
  1. ক) বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  2. খ) সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
  3. গ) বসু আইনস্টাইন পরিসংখ্যান
  4. ঘ) আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
খ) সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাকহোল হলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে অদ্ভুত ও রহস্যময় বস্তু। ব্ল্যাকহোলের মাঝে শক্তিশালী মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বিরাজমান এমনকি আলো ব্ল্যাকহোলের হাত থেকে বেরিয়ে আসতে পারে না।
আলবার্ট আইনস্টাইন তার সাধারণ আপেক্ষিক তত্ত্ব দিয়ে 1916 সালে প্রথম ব্ল্যাকহোল বা কৃষ্ণগহ্বরের অস্তিত্বের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
উৎস: www.space.com
১,২৮২.
পৃথিবীতে প্রধান টেকটোনিক প্লেট কয়টি?
  1. ৫টি 
  2. ৭টি 
  3. ৮টি 
  4. ১০টি 
সঠিক উত্তর:
৭টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি 
ব্যাখ্যা

◉ পৃথিবীর ভূত্বক বিভিন্ন টেকটোনিক প্লেটে বিভক্ত। প্রধান টেকটোনিক প্লেট ৭টি। 

​টেকটোনিক প্লেট:
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।
- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।

​প্লেটগুলো হলো: 
- ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
- উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
- দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate),
- আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
- অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
- ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate) ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,২৮৩.
Which date marks the occurrence of equal day and night across the globe?
  1. February 14
  2. December 25
  3. October 31
  4. July 4
  5. September 23
সঠিক উত্তর:
September 23
উত্তর
সঠিক উত্তর:
September 23
ব্যাখ্যা
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত: ২২ ডিসেম্বর। 
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত: ২২ ডিসেম্বর। 

 আবার, 
- উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত: ২১ জুন। 
- দক্ষিণ গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত : ২১ জুন। 
- পৃথিবীর দিনরাত্রি সর্বত্র সমান: ২১ মার্চ ও ২৩ সেপ্টেম্বর। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,২৮৪.
অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল ইউনিট বলতে কী বোঝায়?
  1. পৃথিবী ও সূর্যের গড় দূরত্ব
  2. আলো এক বছরে অতিক্রান্ত দূরত্ব
  3. সৌরজগতের ব্যাস
  4. মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির ব্যাস
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী ও সূর্যের গড় দূরত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবী ও সূর্যের গড় দূরত্ব
ব্যাখ্যা
অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল ইউনিট: 
- অ্যাস্ট্রোনোমিক্যাল ইউনিট সংক্ষেপে AU বা au, হলো একটি দৈর্ঘ্যের একক, যা মূলত পৃথিবী ও সূর্যের গড় দূরত্ব বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
- ১ AU = ১৪৯,৫৯৭,৮৭০.৭ কিমি (1.495×108 km বা প্রায় ৯২,৯৫৫,৮০৭.৩ মাইল)।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ বা বস্তুর দূরত্ব তুলনা করতে এটি খুবই সুবিধাজনক।
- যেমন: বৃহস্পতি (Jupiter) সূর্য থেকে প্রায় ৫.২ AU দূরে, প্লুটো প্রায় ৪০ AU দূরে।
- ১ AU মানে, পৃথিবী যতটা দূরে সূর্য থেকে, ঠিক ততটাই।

উৎস: Britannica.
১,২৮৫.
ট্রানজিস্টরের এর তাপমাত্রা বাড়লে নিচের কোন ঘটনাটি ঘটে?
  1. রোধ বৃদ্ধি পায়
  2. ধারকত্ব বৃদ্ধি পায়
  3. রোধ হ্রাস পায়
  4. ধারকত্ব হ্রাস পায়
সঠিক উত্তর:
রোধ হ্রাস পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোধ হ্রাস পায়
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টরের তাপমাত্রা বাড়লে এতে ব্যবহার হওয়া অর্ধপরিবাহী পদার্থের রোধ কমে যায়, যা এর কার্যক্ষমতা এবং সংকেত পরিচালনার প্রভাব ফেলে।

• ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ট আবিষ্কার বলা হয়।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের করেন।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের কারণে জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লেকে ১৯৫৬ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়।
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ তিনটি। যথা - এমিটার, কালেক্টর এবং বেস।
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়,কম্পিউটার গরম কম হয় এবং ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৮৬.
মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে- উক্তিটি সর্বপ্রথম কে করেন?
  1. গ্যালিলিও
  2. হাবল
  3. নিউটন
  4. স্টিফেন হকিং
সঠিক উত্তর:
হাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাবল
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ:

- মহাবিশ্ব প্রতিনিয়ত সম্প্রসারিত হচ্ছে- উক্তিটি করেছেন মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল
- ১৯২০ সালে বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডউইন হাবল, তার 2.5 m টেলিস্কোপের সাহায্যে গ্যালাক্সিগুলো পর্যবেক্ষণের সময় লক্ষ্য করলেন যে, গ্যালাক্সিগুলো পরস্পর থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে।
- গ্যালাক্সিসমূহ নিজেরা এবং পৃথিবী হতে দ্র“তগতিতে দূরে সরে যাচ্ছে এবং গ্যালাক্সিগুলোর মধ্যে দূরত্ব যতো বেশি পরষ্পর হতে দূরে সরে যাওয়ার বেগও ততো বেশি।

তথ্যসূত্র - পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৮৭.
ঝড় ও বজ্রপাত বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে সৃষ্টি হয়? 
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল 
  2. তাপমণ্ডল 
  3. মেসোমণ্ডল 
  4. ট্রপোমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল
ব্যাখ্যা

- ঝড় ও বজ্রপাত বায়ুমণ্ডলের ট্রপোমণ্ডল নামক স্তরে সৃষ্টি হয়। 

বায়ুমণ্ডল: 
- বায়ুমণ্ডল যে সমস্ত উপাদানে গঠিত তাদের প্রকৃতি, বৈশিষ্ট্য ও উষ্ণতার পার্থক্য অনুসারে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি স্তরে ভাগ করা হয়। 
যথা- ট্রপোমণ্ডল, স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, তাপমণ্ডল ও এক্সোমণ্ডল। 

ট্রপোমণ্ডল: 
- ভূ-পৃষ্ঠের নিকটতম বায়ুস্তরকে বলে ট্রপোমণ্ডল। 
- আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত যাবতীয় প্রক্রিয়ার বেশির ভাগ বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে ঘটে। 
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই বায়ুমণ্ডলের এই স্তরে সৃষ্টি হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

১,২৮৮.
'বৃহস্পতি' আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে কত গুণ বড়?
  1. ১০০০ গুণ
  2.  ১১০০ গুণ
  3. ১৩০০ গুণ
  4. ১৫০০০ গুণ
সঠিক উত্তর:
১৩০০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩০০ গুণ
ব্যাখ্যা

বৃহস্পতি (Jupiter):
- বৃহস্পতি আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- একে গ্রহরাজ বলে। এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার।
- এটি সূর্যথেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়। 
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯টি।
- এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,২৮৯.
'জেমস ওয়েব' একটি -
  1. ক) নভোযান
  2. খ) টেলিস্কোপ
  3. গ) ধূমকেতু
  4. ঘ) স্টেরয়েড
সঠিক উত্তর:
খ) টেলিস্কোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টেলিস্কোপ
ব্যাখ্যা
জেমস ওয়েব মহাকাশ টেলিস্কোপ:
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (NASA) মহাকাশে ইতিহাসের বৃহত্তম টেলিস্কোপ পাঠায় (২২ ডিসেম্বর, ২০২১)। 

- টেলিস্কোপটির নাম ‘দ্য জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ' (James Webb Space Telescope)। 
- নাসার সঙ্গে টেলিস্কোপটি তৈরিতে সাহায্য করেছে ইউরোপিয়ান এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সি। 
- ১৯৯৭ সালে প্রথম টেলিস্কোপটির ওপর কাজ শুরু হয়। 
- পৃথিবী থেকে ১৫ লাখ কিলোমিটার দূরে এ অবলোহিত রশ্মির টেলিস্কোপটিকে বসানো হবে।

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
১,২৯০.
বাংলাদেশের জলবায়ু কেমন?
  1. আর্দ্র ও শীতল
  2. শুষ্ক ও শীতল
  3. উষ্ণ ও আর্দ্র
  4. আর্দ্র ও শুষ্ক
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষ্ণ ও আর্দ্র
ব্যাখ্যা
আবহাওয়া: 
- আবহাওয়া বলতে স্বল্প সময়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট স্থানের বায়ুমণ্ডলের অবস্থাকে বোঝায়। 
- বায়ুর তাপমাত্রা, চাপ, বায়ু কোন দিক থেকে কত জোরে প্রবাহিত হচ্ছে, বায়ুর আর্দ্রতা বা বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ, মেঘ, কুয়াশা ও বৃষ্টিপাত- এই অবস্থাগুলোকে একত্রে আবহাওয়া বলা হয়। 
যেমন- কোনো দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বোঝা যায় আবহাওয়া বেশ গরম, আবার কোনো দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বোঝা যায় আবহাওয়া বেশ ঠান্ডা। আবার আকাশ মেঘলা অথবা কুয়াশাচ্ছন্ন- এরকম অবস্থাও স্বল্প সময়ের আবহাওয়া নির্দেশ করে। 

জলবায়ু: 
- জলবায়ু সহসা বদলায় না, জলবায়ু হলো কোনো স্থানের অনেক বছরের আবহাওয়ার একটি সামগ্রিক বা গড় ফল। 
যেমন- বাংলাদেশের জলবায়ু উষ্ণ ও আর্দ্র- থেকে বোঝা যায় বাংলাদেশে বেশ গরম পড়ে এবং বায়ু ভেজা বা আর্দ্র থাকে। আবার রাশিয়ার জলবায়ু শীতপ্রধান; এ থেকে বুঝা যায় রাশিয়ায় সাধারণত খুব শীত পড়ে। 

আবহাওয়া ও জলবায়ুর পার্থক্য: 
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান মূলত একই। 
- বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, আর্দ্রতা (জলীয় বাষ্পের আপেক্ষিক পরিমাণ), বৃষ্টিপাত সবগুলোই আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান। 
- উপাদানসমূহ একই হলে আবহাওয়া ও জলবায়ুর মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে- 
১। কোনো স্থানের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পকালীন অবস্থাই আবহাওয়া, আর কোনো স্থানের অনেক বছরের আবহাওয়ার গড় অবস্থাই জলবায়ু। 
২। কোনো স্থানের আবহাওয়া অল্প সময়ের মধ্যে পরিবর্তিত হতে পারে। কিন্তু কোনো স্থানের জলবায়ু সহসা পরিবর্তন হয় না, পরিবর্তন হতে অনেক বছর লেগে যায়। 
৩। কাছাকাছি অঞ্চলের আবহাওয়া একই সময়ে ভিন্ন হতে পারে। 
যেমন- কোনো নির্দিষ্ট দিনে ফরিদপুরে বৃষ্টি হতে পারে কিন্তু বরিশালে বৃষ্টি নাও হতে পারে। 
- কিন্তু কাছাকাছি অঞ্চলের জলবায়ু সাধারণত একই রকম। 
যেমন- বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলবায়ু একই রকম। 

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১,২৯১.
বায়ুর গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্রের নাম কি?
  1. ফ্যাদোমিটার
  2. অলটিমিটার
  3. টেকোমিটার
  4. এনোমোমিটার
সঠিক উত্তর:
এনোমোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এনোমোমিটার
ব্যাখ্যা

বায়ুর গতিবেগ পরিমাপক যন্ত্রের নাম হল এনোমোমিটার ।
- সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপক যন্ত্র ফ্যাদোমিটার।
- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র অলটিমিটার।
- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র টেকোমিটার।
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র অডিওমিটার।
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র অডিওমিটার।
- দুধের বিশুদ্ধতা পরিমাপক যন্ত্র ল্যাকটোমিটার।

উৎস: Britannica.com

১,২৯২.
গামা রশ্মির প্রকৃতি কী?
  1. ধনাত্মক চার্জযুক্ত
  2. ঋণাত্মক চার্জযুক্ত
  3. তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ
  4. নিউট্রন কণা
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• গামা রশ্মি (Gamma rays) হলো উচ্চ-শক্তির তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ, যা পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয়।

- এগুলো চিহ্নিত কণার মতো নয়, তাই এগুলোর কোনো ভর বা চার্জ থাকে না।
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুব ছোট এবং ফ্রিকোয়েন্সি খুব বেশি।

• প্রধান বৈশিষ্ট্য:
- উচ্চ শক্তি এবং প্রখর বিকিরণ।
- বৈদ্যুতিক ও চৌম্বক ক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়।
- পারমাণবিক বিক্রিয়া, নিউক্লিয়ার ফিশন বা ফিউশন ইত্যাদি থেকে নির্গত।
- মানবদেহে প্রবেশ করলে আণবিক ক্ষতি করতে পারে, তাই সুরক্ষা ব্যবস্থা প্রয়োজন।

অপর দিকে,
- ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণাগুলো আলফা বা বিটা কণার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- নিউট্রন কণা চার্জহীন কণার উদাহরণ, গামা রশ্মি নয়।

তথ্যসূত্র:
- NCTB পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- Britannica [লিংক]।

১,২৯৩.
ভূগোলবিদ কার্ল রিটার ভূগোলকে কী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. প্রকৃতির বিজ্ঞান
  2. পৃথিবীর বিজ্ঞান
  3. মানুষের কর্মকাণ্ড ও জীবনধারা
  4. পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনা
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর বিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

ভূগোলের ধারণা:
- ইংরেজি 'Geography' শব্দটি থেকে ভূগোল শব্দ এসেছে।
- 'Geo' শব্দের অর্থ 'ভূ' বা পৃথিবী এবং 'graphy' শব্দের অর্থ বর্ণনা।
- সুতরাং 'Geography' শব্দটির অর্থ পৃথিবীর বর্ণনা।
- প্রাচীন গ্রিসের ভূগোলবিদ ইরাটোসথেনিস প্রথম 'Geography' শব্দ ব্যবহার করেন।

ভূগোলের বিভিন্ন সংজ্ঞা:
⇒ ভূগোলবিদ ডাডলি স্ট্যাম্পের (Professor L. Dudley Stamp) মতে, পৃথিবী ও এর অধিবাসীদের বর্ণনাই হলো ভূগোল। 

⇒ জার্মান ভূগোলবিদ কার্ল রিটার (Professor Carl Ritter) ভূগোলকে বলেছেন 'পৃথিবীর বিজ্ঞান'।


⇒ বৃটিশ ভূগোলবিদ অধ্যাপক ম্যাকনি (Professor E. A. Macnee) মানুষের আবাসভূমি হিসেবে পৃথিবীর আলোচনা বা বর্ণনাকে বলেছেন ভূগোল। তাঁর মতে, ভৌত ও সামাজিক পরিবেশে মানুষের কর্মকান্ড ও জীবনধারা নিয়ে যে বিষয় আলোচনা করে তাই ভূগোল। বৃটিশ 

⇒ বিখ্যাত মার্কিন ভূগোলবিদ অধ্যাপক রিচার্ড হার্টশোর্ন (Professor Richard Hartshorne) বলেন, পৃথিবীপৃষ্ঠের পরিবর্তনশীল বৈশিষ্ট্যের যুক্তিসংগত ও সুবিন্যস্ত বিবরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয় হলো ভূগোল।

⇒ আধুনিক ভূগোল শাস্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা জার্মান ভূগোলবিদ আলেকজান্ডার ফন হামবোল্টের (Alexander von Humbolt) মতে, ভূগোল হলো প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত বিজ্ঞান; প্রকৃতিতে যা কিছু আছে তার বর্ণনা ও আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,২৯৪.
মৃত প্রাণী বা উদ্ভিদের বয়স নির্ধারণে কার্বনের কোন আইসােটোপ ব্যবহৃত হয়? 
  1. কার্বন-১২
  2. কার্বন-১৪
  3. কার্বন-১৩
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
কার্বন-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন-১৪
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয়তা: 
- ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়। 
যেমন- ইউরেনিয়াম-৯২, নেপচুনিয়াম-৯৩, প্লুটোনিয়াম-৯৪, পোলোনিয়াম-৮৪ ইত্যাদি। 
- কার্বন মৌলের ৬ টি প্রােটন ও তিনটি আইসােটোপ রয়েছে। 
যেমন - কার্বন-১২, কার্বন-১৩ ও কার্বন-১৪। 
- এই তিনটির মধ্যে কার্বন-১৪ অস্থিতিশীল বা তেজস্ক্রিয়। এতে ৬টি প্রােটন ও ৮টি নিউট্রন রয়েছে। 
- মৃত প্রাণী বা উদ্ভিদের বয়স হিসাব করতে কার্বন-১৪ (C-14) ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯৫.
সর্বপ্রথম সৌরজগৎ কে আবিষ্কার করেন?
  1. মাইকেল কলিন্স
  2. জন ক্যাবট
  3. নীল আর্মস্ট্রং
  4. অ্যারিস্টটল
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যারিস্টটল
ব্যাখ্যা
- অ্যারিস্টটল দুই হাজার বছরেরও বেশি সময় আগে বড় বিজ্ঞানী ও দার্শনিক ছিলেন। 
- তিনি মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘোরে। 
- এখন থেকে প্রায় দুই হাজার বছর পূর্বে বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোর্তিবিজ্ঞানী টলেমী জোরালোভাবে বলেন যে, পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে। 

- নিকোলাস কোপার্নিকাস (১৪৭৩-১৫৪৩) নামে একজন জ্যোর্তিবিদ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ নিয়ে আসেন। 
- তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের বদলে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। 
- তার মডেলের মূল কথা হলো পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে। 
- তিনি আরও একটি নতুন তত্ত্ব দেন 'পৃথিবী তার নিজের অক্ষের উপর আবর্তন করছে'। 
- পরবর্তীতে বিজ্ঞানী গ্যালিলিও ও কেপলার, কোপারনিকাসের এই মতবাদের পক্ষে প্রমান হাজির করেন। 
- বর্তমানে সূর্যকেন্দ্রিক এই মডেল প্রমাণিত এবং বিজ্ঞানী ও সাধারণ মানুষ তা গ্রহণ করেছে। 

উল্লেখ্য যে,
মূলত জ্যোর্তিবিজ্ঞানী নিকোলাস কোপার্নিকাস প্রথম ধারণা দেন যে, পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে। কিন্তু অপশন অনুযায়ী বেস্ট উত্তর হচ্ছে অ্যারিস্টটল।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১,২৯৬.
টেলিগ্রাফের আবিষ্কারক কে?
  1. ক) আলভা এডিসন
  2. খ) স্টিফেনসন
  3. গ) জেমস ওয়াট
  4. ঘ) স্যামুয়েল মোর্স
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্যামুয়েল মোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্যামুয়েল মোর্স
ব্যাখ্যা

রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- স্টিফেনসন।
বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- জেমস ওয়াট।
ফনোগ্রাফ ও বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক- টমাস আলভা এডিসন।
টেলিগ্রাফের আবিষ্কারক- স্যামুয়েল মোর্স।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা।

১,২৯৭.
কৃষ্ণ গহবরের যে সীমা থেকে কোনো কিছু বেড়িয়ে আসতে পারে না তাকে কী বলে?
  1. মহাকর্ষীয় প্রকোপ বলয়
  2. ঘটনাদিগন্ত
  3. হাবল অঞ্চল
  4. ব্লাক ফোর্স
সঠিক উত্তর:
ঘটনাদিগন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনাদিগন্ত
ব্যাখ্যা
কৃষ্ণ গহবর:
- কৃষ্ণ গহবর সাধারণত একটি তারার মৃত্যুর পর গঠিত হয়।
- যখন একটি বড় তারার জীবাশ্মের প্রক্রিয়া ঘটে, তখন এটি তার কেন্দ্রীয় অংশে অতিরিক্ত শক্তি সঙ্কুচিত হয়ে কৃষ্ণ গহবরের সৃষ্টি করে।
- কৃষ্ণ গহবর মহাকর্ষীয়ভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী এক ধরনের মহাজাগতিক বস্তু, যা এত বেশি মহাকর্ষীয় শক্তি সৃষ্টি করে যে, এর থেকে আলো পর্যন্ত বেড়িয়ে আসতে পারে না।

ইভেন্ট হরিজন:
- কৃষ্ণ গহবরের সেই সীমা যেখানে থেকে কিছু ফিরে আসতে পারে না।
- এটি মূলত গহ্বরের "নিষিদ্ধ এলাকা" বা ঘটনাদিগন্ত
- ঘটনাদিগন্তের ব্যাসার্ধ (Event Horizon Radius) হল সেই সীমারেখা যেখানে থেকে কিছু বস্তুর পক্ষে কৃষ্ণ গহবর থেকে ফিরে আসা সম্ভব নয়।
- কৃষ্ণ গহ্বরের ঘটনাদিগন্তের ব্যাসার্ধ সাধারণত শোয়ার্জশিল্ড রেডিয়াস (Schwarzschild Radius) দিয়ে নির্ণয় করা হয়, যা নিম্নলিখিত সূত্র দিয়ে হিসাব করা হয়:

Rs = 2GM/c2

এখানে,
Rs​ = শোয়ার্জশিল্ড রেডিয়াস
G = মহাকর্ষীয় ধ্রুবক
M = কৃষ্ণ গহ্বরের ভর
c = আলোর বেগ

গ্রাভিটেশনাল লেন্সিং:
- কৃষ্ণ গহবর তার চারপাশের আলোকে বেঁকিয়ে দিতে পারে, যা দূরের জ্যোতিষ্কের ছবি বিকৃত করে।

কৃষ্ণ গহবরের গঠন এবং আচরণের উপর গবেষণা করতে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ধরনের টেলিস্কোপ ব্যবহার করেন। যেমন:

- গ্রাউন্ড-বেসড টেলিস্কোপ
- স্পেস টেলিস্কোপ (যেমন, ইভেন্ট হরিজন টেলিস্কোপ)

উৎস: ব্রিটানিকা, নাসা, পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র(শাহাজাহান তপন স্যার)।

১,২৯৮.
মাইক্রোইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক্স বর্তনীকে কী বলে?
  1. ক) এন-ট্রানজিস্টর
  2. খ) আইসি
  3. গ) পি-ট্রানজিস্টর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) আইসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আইসি
ব্যাখ্যা
আইসি: মাইক্রোইলেকট্রনিক্স প্রযুক্তির সাহায্যে অতিক্ষুদ্র পরিসরে ইলেকট্রনিক্স বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এই বর্তনীগুলোকে বলে মাইক্রোইলেকট্রনিক্স সার্কিট বা ইন্টিগ্রেটেড সাকিট বা আইসি বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,২৯৯.
সাইক্লোনের উৎপত্তির জন্য সমুদ্রের তাপমাত্রা ন্যূনতম কত ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হতে হবে?
  1. ২১° সেলসিয়াস
  2. ২৭° সেলসিয়াস
  3. ২৩° সেলসিয়াস
  4. ৩০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
২৭° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা

- সাইক্লোন (ঘূর্ণিঝড়) সৃষ্টির জন্য সমুদ্রের জলের তাপমাত্রা ন্যূনতম ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়, যা উষ্ণ ও আর্দ্র বাতাস সরবরাহ করে এবং ঘূর্ণিঝড়কে শক্তি জোগায়। 

সাইক্লোন: 
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone.
- এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ। ঘূর্ণিঝড়ের বাতাস কুণ্ডলি পাকানো সাপের আকার ধারণ করে বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির একটি আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত। 

সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ: 
- সাইক্লোন নামক দুর্যোগটি সৃষ্টির প্রধান কারণ উচ্চ তাপমাত্রা ও নিম্নচাপ। 
- গভীর সমুদ্রে এবং আঘাত হানে উপকূলীয় এলাকায় সাইক্লোন সৃষ্টি হয়। 
- সাধারণত সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হওয়া প্রয়োজন এবং ঝড়ের সময় বাযুপ্রবাহের গতিবেগ ৬৫ কিলোমিটার বা তার বেশি হয়। 
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এইরূপ তাপমাত্রা বিদ্যমান। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে। এসময় উচ্চচাপযুক্ত বায়ু প্রবলবেগে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগে যেখানে নিম্নচাপ থাকে সেদিকে ধাবিত হয়, এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়। 
- এটি উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠে উৎপত্তি লাভ করে মহাদেশীয় মূলভাগের দিকে অগ্রসর হয়। 
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলে। 
- এছাড়াও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। 

উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩০০.
মহাবিশ্বের সম্প্রসারণ সম্পর্কিত সূত্র প্রদান করেন কে?
  1. স্টিফেন হকিং
  2. এডুউন হাবল
  3. জি. লেমেটার
  4. জন হেস এবং ডি. কার্ল
সঠিক উত্তর:
এডুউন হাবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এডুউন হাবল
ব্যাখ্যা

- ১৯২৯ সালে বিজ্ঞানী এডুইন হাবল তাঁর দীর্ঘ নয় বছরের পর্যবেক্ষণের ফলাফল পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, মহাবিশ্ব অত্যন্ত দ্রুত গতিতে সম্প্রসারিত হচ্ছে।
- তাঁর এই সিদ্ধান্তকে তিনি একটি সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেন। এটি হাবলের সূত্র নামে পরিচিত।
সূত্রটি হলো-
- গ্যালাক্সিসমূহ নিজেরা এবং পৃথিবী হতে দ্রুতগতিতে দূরে সরে যাচ্ছে এবং গ্যালাক্সিগুলোর মধ্যে দূরত্ব যতো বেশি, পরস্পর থেকে দূরে সরে যাওয়ার বেগও তত বেশি।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি