বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত

মোট প্রশ্ন২,৪০৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আধুনিক পদার্থ ও ভূগোল সংক্রান্ত

PrepBank · পাতা ১২ / ২৪ · ১,১০১১,২০০ / ২,৪০৪

১,১০১.
বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী কত বছর আগে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে?
  1. ৪.৬ বিলিয়ন
  2. ১০.৫ বিলিয়ন
  3. ১৩.৮ বিলিয়ন
  4. ২০ বিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
১৩.৮ বিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩.৮ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা
• বিগ ব্যাং তত্ত্ব অনুযায়ী ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে। 

• বিগ ব্যাং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্ব হলো মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য উদ্‌ঘাটনের তত্ত্ব। 

•  অতি সাম্প্রতিক হিসাবে দেখা গেছে আজ থেকে 13.8 বিলিয়ন বছর বা, 13.8 × 109 বছর  আগে আমাদের এ মহাবিশ্বের উদ্ভব।
- বিগ ব্যাং তত্ত্ব (Big Bang Theory) অনুযায়ী একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র, প্রচণ্ড উত্তপ্ত ও ঘন বিন্দু থেকে মহাবিস্ফোরণের মাধ্যমে মহাবিশ্বের উৎপত্তি হয়েছে।
- তারপর মহাবিশ্ব অবিশ্বাস্য দ্রুতবেগে প্রসারিত হয়েছে এবং ক্রমেই ঠান্ডা হতে হতে বিভিন্ন কণার মধ্যে পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়ার ফলে ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন পদার্থ।
- ক্রমে উপগ্রহ, গ্রহ, নক্ষত্র, গ্যালাক্সি সবকিছু তৈরি হয়েছে। 

• পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৪.৫৪ বিলিয়ন বছর আগে, অর্থাৎ ৪৫৪ কোটি বছর আগে।
- এই তথ্য ভূতাত্ত্বিক গবেষণার ভিত্তিতে পাওয়া যায়। বিশেষ করে প্রাচীনতম শিলা ও চন্দ্র এবং উল্কাপিণ্ড থেকে পাওয়া উপাদানের রেডিওঅ্যাকটিভ ডেটিংয়ের মাধ্যমে এই তথ্য জানা যায়।

তথ্যসূত্র:
- পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি; ড. শাহজাহান তপন।
১,১০২.
কোন বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশে বর্ষাকালে বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে?
  1. ক) দক্ষিণ-পূর্ব মৌসুমী বায়ু
  2. খ) উত্তর-পূর্ব মহাদেশীয় বায়ু
  3. গ) উত্তর-পশ্চিম অয়ন বায়ু
  4. ঘ) দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী
ব্যাখ্যা
• বর্ষাকালে দক্ষিণ-পূর্ব অয়ন বায়ু নিরক্ষরেখা অতিক্রম করে ফেরেলের সূত্রানুসারে উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে বেঁকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু হিসেবে প্রবাহিত হয়।
• সমুদ্র থেকে আগত হওয়ায় এই বায়ু জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকে। ফলে এই মৌসুমি বায়ু হিমালয় পর্বতে বাঁধা প্রাপ্ত হয়ে শৈলোৎক্ষেপ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়।
• এই প্রক্রিয়ায় বর্ষাকালে দেশের সারা বছরের মোট বৃষ্টিপাতের প্রায় ৮০ ভাগ বৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১০৩.
মেরুদেশীয় ব্যাস ও নিরক্ষীয় ব্যাসের মধ্যে পার্থক্য কত কিলোমিটার?
  1. ২৩ কিমি
  2. ৪৩ কিমি
  3. ৩৩ কিমি
  4. ৫৩ কিমি
সঠিক উত্তর:
৪৩ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩ কিমি
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর আকার ও আকৃতি (Size and Shape of the Earth):
- ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল, মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথমবারের মতো মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে দেখেন।
- তিনি বুঝতে পারেন যে পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয়, বরং কিছুটা চাপা এবং স্ফীত। তার তোলা ছবিতেও পৃথিবীকে গোলাকার দেখা যায়।
- তবে বাস্তবে পৃথিবীর আকৃতি একদম নিখুঁত গোল নয়। বরং এটি কিছুটা চাপা ও স্ফীত হওয়ায় এর প্রকৃত আকৃতি হয় অভিগত গোলক (Oblate Spheroid)।

•  পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যাস:
- নিরক্ষীয় ব্যাস (পূর্ব-পশ্চিমে) = ১২,৭৫৭ কি.মি.।
- মেরুদেশীয় ব্যাস (উত্তর-দক্ষিণে) = ১২,৭১৪ কি.মি.
- মেরুদেশীয় ব্যাস ও নিরক্ষীয় ব্যাসের মধ্যে পার্থক্য = ৪৩ কি.মি.।
- গড় ব্যাস = ১২,৭৩৪.৫ কিমি → প্রায় ১২,৮০০ কিমি (গণনার সুবিধার জন্য)।
- পৃথিবীর ব্যাসার্ধ ও পরিধি:
- গড় ব্যাসার্ধ = ৬,৪০০ কি.মি.।
- নিরক্ষীয় পরিধি = ৪০,০৭৭ কি.মি.।
- মেরুদেশীয় পরিধি = ৪০,০০৯ কি.মি.।
- গড় পরিধি ≈ ৪০,০০০ কি.মি.।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,১০৪.
নিচের কোনটি বায়োম এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. তুন্দ্রা জীবভূমি
  2. মরু জীবভূমি
  3. বন জীবভূমি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বায়োম:- 
- বায়োম বা জীবভূমি হচ্ছে বিস্তৃত পরিসরের প্রাকৃতিক ইকোসিস্টেম বা প্রতিবেশ।
- অর্থাৎ প্রতিবেশের উদ্ভিদের ভিন্নতার জন্য প্রতিটি বৃহৎ বায়োম বা জীবভূমি পৃথক নামে পরিচিত।
- যেমন- বন জীবভূমি, তৃণ জীবভূমি, মরু জীবভূমি, তুন্দ্রা জীবভূমি, স্বাদুপানির বায়োম ও সামুদ্রিক লবণাক্ত পানির জীবভূমি।
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়া ও জলবায়ু, সূর্যরশ্মির পতন, সমুদ্রের অবস্থান এবং বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক পরিবেশের উপাদানসমূহের ভিন্নতার কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে পৃথক পৃথক বায়োম বা জীবভূমি তৈরি হয়েছে।

উৎস:  পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১০৫.
পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে দূরত্ব কোন এককে মাপা হয়?
  1. নটিক্যাল মাইল
  2. কসমিক ইয়ার
  3. আলোক বর্ষ
  4. আলোক মাইল
সঠিক উত্তর:
আলোক বর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলোক বর্ষ
ব্যাখ্যা
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না।
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়।
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে।
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,১০৬.
শুক্র গ্রহকে পশ্চিম আকাশে আমরা কীরূপে দেখতে পাই?
  1. শুকতারা
  2. ধ্রুবতারা
  3. সন্ধ্যাতারা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সন্ধ্যাতারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্ধ্যাতারা
ব্যাখ্যা

শুক্র (Venus):
- শুক্র হলো সূর্য থেকে দ্বিতীয় গ্রহ এবং সৌরজগতের ষষ্ঠ বৃহত্তম গ্রহ।
- এটি আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে উষ্ণতম গ্রহ।
- সূর্যের চারিদিকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- ভোর রাতে পূর্ব আকাশে শুক্র গ্রহকে বলা হয় শুকতারা।
- সন্ধ্যাবেলায় পশ্চিম আকাশে একে বলা হয় সন্ধ্যাতারা।
- শুক্র গ্রহেরও কোনো উপগ্রহ নেই।
- শুক্রের কোন বলয় নেই।

উল্লেখ্য,
- শুক্র গ্রহকে পৃথিবীর যমজ গ্রহ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- কারণ এটির আকার এবং আকৃতি অনেকটাই পৃথিবীর সাথে মেলে।
- এটির গঠনও অনেকটা একই রকমের।
- শুক্র গ্রহে বিশাল পাহাড়, সমতল ভূমি ও অনেক আগ্নেয়গিরি রয়েছে বলে বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন।

উৎস: i) NASA ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১০৭.
কোন গ্রিন হাউস গ্যাস কার্বন ডাই-অক্সাইডের চেয়ে ২০ গুণ বেশি তাপ ধারণ করে?
  1. নাইট্রাস অক্সাইড 
  2. ক্লোরোফ্লোরোকার্বন 
  3. মিথেন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন
ব্যাখ্যা

গ্রিন হাউজ প্রভাব: 
- শীতপ্রধান দেশে গ্রিন হাউসের (কাঁচ নির্মিত একটি ঘর) মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে সবুজ উদ্ভিদ জন্মানো হয়। 
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রিন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে। গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট (Green house effect) বলে। 
- গ্রিন হাউস অ্যাফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস প্রথম ব্যবহার করেন। 
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো- কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), মিথেন (CH4), নাইট্রাস অক্সাইড (N2O), ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (CFC) ইত্যাদি। 
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির প্রধান নিয়ামক হিসেবে নিম্নে গ্রিন হাউস গ্যাস সম্পর্কে আলোচনা করা হলো- 
১। কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2): 
- কার্বন ডাই-অক্সাইড বর্ণহীন, সামান্য গন্ধযুক্ত কার্বন ও অক্সিজেন নিয়ে গঠিত একটি গ্যাস। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের ০.০৩ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইড। জীবের প্রশ্বাসের সাথে কার্বন ডাই-অক্সাইড, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে, উদ্ভিদ ও প্রাণিদেহের পচন, মোটরযান ও শিল্প কারখানার জ্বালানি (কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, তৈল) পোড়ানো থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলে যোগ হয়। বর্তমানে তরল ও কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড রেফ্রিজারেন্ট হিসেবে আইসক্রিম, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়। সবুজ উদ্ভিদ এর খাদ্য প্রস্তুতে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করলেও বন উজাড় বৃদ্ধি পাওয়ায়, অধিক হারে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার, মোটরযানের সংখ্যা প্রভৃতি বৃদ্ধির কারণে বায়ুমণ্ডলে বিশ্বব্যাপী কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বাড়ছে এবং বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করছে। 

২। মিথেন (CH4): 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন। এছাড়াও জলাভূমিতে পানির নিচে পানা পচনের মাধ্যমে, ধানের বর্জ্য অবশিষ্টাংশের পচন থেকে মিথেন পাওয়া যায়। তাপ ধারণ ক্ষমতার ক্ষেত্রে মিথেন কার্বন ডাই-অক্সাইডের চাইতে ২০ গুণ বেশি তাপ ধারণ করে। 

৩। ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC): 
- সিএফসি সাধারণত বিষমুক্ত, নিষ্ক্রিয় এবং ফ্লোরিন ও কার্বনের সমন্বয়ে গঠিত যৌগ। সিএফসি হিমায়নে (ফ্রিজ, এসি) ও স্প্রে-ক্যানে (অ্যারেসোল), মাইক্রো ইলেকট্রিক সার্কিট ও প্লাস্টিক ফোমে ব্যবহৃত হয়। 

৪। নাইট্রাস অক্সাইড (N2O): 
- অক্সিজেনের সাথে নাইট্রোজেন যুক্ত হয়ে নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ তৈরি করে। এটিও বর্ণহীন, সামান্য মিষ্টিগন্ধযুক্ত। এই গ্যাসের উৎসসমূহ হলো মোটরযান, শক্তি উৎপাদন কেন্দ্র, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ রাসায়নিক সার, কারখানা। 

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ বাংলা প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১০৮.
সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ ও গ্রহরাজ বলা হয়- 
  1. বুধ গ্রহকে
  2. বৃহস্পতি গ্রহকে
  3. শুক্র গ্রহকে
  4. পৃথিবী গ্রহকে
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি গ্রহকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি গ্রহকে
ব্যাখ্যা

বৃহস্পতি (Jupiter):
- বৃহস্পতি সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ। একে গ্রহরাজ বলে।
- এর ব্যাস ১,৪২,৮০০ কিলোমিটার। আয়তনে পৃথিবীর চেয়ে ১,৩০০ গুণ বড়।
- এটি সূর্য থেকে প্রায় ৭৭.৮ কোটি কিলোমিটার দূরত্বে রয়েছে।
- তাই পৃথিবীর সাতাশ ভাগের একভাগ তাপ পায়। বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি।
- বায়ুমন্ডলের উপরিভাগে তাপমাত্রা খুবই কম এবং অভ্যন্তরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি (প্রায় ৩০,০০০° সেলসিয়াস)।
- সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে বৃহস্পতির সময় লাগে ৪,৩৩১ দিন।
- বৃহস্পতির উপগ্রহের সংখ্যা ৭৯টি। এ গ্রহে জীবের অস্তিত্ব নেই।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট এবং  ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

১,১০৯.
বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে বায়ুর চাপ অত্যন্ত কম এবং মেঘ ও জলীয় বাষ্পহীন?
  1. ক) ট্রপোস্ফেয়ার
  2. খ) স্ট্রাটোস্ফেয়ার
  3. গ) মেসোস্ফেয়ার
  4. ঘ) থার্মোস্ফেয়ার
সঠিক উত্তর:
গ) মেসোস্ফেয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেসোস্ফেয়ার
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডলের মেসোস্ফেয়ার স্তরে বায়ুর চাপ অত্যন্ত কম এবং মেঘ ও জলীয় বাষ্পহীন
- বায়ুর তাপমাত্রার বিন্যাসের ভিত্তিতে বায়ুমন্ডলকে প্রধান ছয়টি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
- বায়ুমণ্ডলের স্তরসমূহ হলো:
১. ট্রপোস্ফেয়ার
২. স্ট্রাটোস্ফেয়ার
৩. মেসোস্ফেয়ার
৪. থার্মোস্ফেয়ার
৫. আয়নোস্ফেয়ার
৬. এক্সোসফেয়ার

মেসোস্ফেয়ার:
মেসো অর্থ মধ্যভাগ। মেসোস্ফেয়ার সাধারণত থার্মোস্ফেয়ার এবং স্ট্রাটোস্ফেয়ার এর মাঝ বরাবর অবস্থান করে।
- এই স্তরে বায়ুর চাপ অত্যন্ত কম এবং মেঘ ও জলীয় বাষ্পহীন।
- ফলে এখানে শ্বাসপ্রশ্বাস সম্ভব নয় এই স্তরের ওপরের অংশকে মোসোপজ বলে।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১০.
নিম্নের কোনটি বৈশ্বিক উষ্ণতার সরাসরি প্রভাব নয়? 
  1. বরফ গলে যাওয়া
  2. ভূমিকম্পের হার বৃদ্ধি
  3. লবণাক্ততা বৃদ্ধি
  4. বৃষ্টিপাতের ধরন পরিবর্তন
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্পের হার বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্পের হার বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
- প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনে বৈশ্বিক উষ্ণতার সরাসরি প্রভাব নয়- ভূমিকম্পের হার বৃদ্ধি। 

মিঠা পানিতে বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাব: 

১। সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি: 
- বৈশ্বিক উষ্ণতা হলো বিশ্বের বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা, যা বিভিন্ন কারণে দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। 
- বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে পানির তাপমাত্রাও বেড়ে যাবে। 
- প্রায় ১০০ বছর আগে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা প্রায় ১০ সেলসিয়াস কম ছিল। 
- কিন্তু ১০০ বছরে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গড় তাপমাত্রা মাত্র ১০ সেলসিয়াস বেড়েছে, কারণ তাপমাত্রা অল্প একটু বেড়ে গেলেই মেরু অঞ্চলসহ নানা জায়গায় সঞ্চিত বরফ গলতে শুরু করে। এ বরফ গলা পানি শেষ পর্যন্ত সমুদ্রে গিয়েই পড়ে যার ফলে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাবে। 
- ফলে পৃথিবীর যে সকল দেশ নিচু, সেগুলো পানির নিচে তলিয়ে যাবে, বাংলাদেশ হচ্ছে সেরকম নিচু এলাকার একটি দেশ। 

২। লবণাক্ততা: 
- সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে গেলে সমুদ্রের লবণাক্ত পানি নদনদী, খালবিল, পুকুর, ভূগর্ভস্থ পানি আর হ্রদের পানিতে মিশে যাবে যার ফলে পানির সকল উৎসই লবণাক্ত হয়ে পড়বে। 
- পানির সকল উৎস লবণাক্ত হলে প্রথমত মিঠা পানিতে বসবাসকারী জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীসমূহ মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে এবং এক পর্যায়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। কারণ, পানির তাপমাত্রা বাড়লে যেরকম পানির দ্রবীভূত অক্সিজেন কমে যায়, ঠিক সেরকম লবণাক্ততা বাড়লেও দ্রবীভূত অক্সিজেন অনেক কমে যাবে, যার ফলে জলজ প্রাণীরা আর বেঁচে থাকতে পারবে না। 
- জলজ উদ্ভিদের বড় একটি অংশ লবণাক্ত পানিতে জন্মাতেও পারে না, বেড়ে উঠতেও পারে না, যে কারণে পানির জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে। 

৩। বৃষ্টিপাত: 
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ও ধরনে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটতে পারে। এ সংক্রান্ত কম্পিউটার মডেলিং থেকে ধারণা করা যায়, কোনো কোনো এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে, আবার কোনো কোনো এলাকায়, বিশেষ করে নাতিশীতোষ্ণ এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যাবে। 
- বৃষ্টিপাত কমে গেলে খরা সৃষ্টি হয়, এমনকি বিস্তীর্ণ এলাকা মরুভূমিতেও পরিণত হতে পারে। 
- বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আর ধরন পরিবর্তন হলে নদনদী, খালবিলে পানির পরিমাণ এবং প্রবাহ পরিবর্তিত হবে, যা অনেক ক্ষেত্রে মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। 
- কম্পিউটার মডেলিং থেকে এটাও অনুমান করা যায়, কোনো এলাকায় শীতকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেক বেড়ে যাবে, যা থেকে অসময়ে বন্যা হতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১১১.
বায়ু প্রবাহের কোন বৈশিষ্ট্যটি সঠিক নয়? 
  1. বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে বেঁকে যায়।
  2. বায়ুপ্রবাহ দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়।
  3. উচ্চচাপের স্থান থেকে নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হয়।
  4. নিম্নচাপের স্থান থেকে উচ্চচাপের দিকে প্রবাহিত হয়।
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপের স্থান থেকে উচ্চচাপের দিকে প্রবাহিত হয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপের স্থান থেকে উচ্চচাপের দিকে প্রবাহিত হয়।
ব্যাখ্যা
বায়ুপ্রবাহ: 
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। 
যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়। 
- বায়ু প্রবাহের আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়। 
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। 
যথা - 
• নিয়ত বায়ু, 
• সাময়িক বায়ু, 
• স্থানীয় বায়ু এবং 
• অনিয়মিত বায়ু। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১২.
মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কোন শিলার ব্যবহার সবচেয়ে বেশি?
  1. পাললিক শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. মিশ্র শিলা
  4. রূপান্তরিত শিলা
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাললিক শিলা
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা: 
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাকে পাললিক শিলা বলে। 
যেমন: চুনাপাথর, বেলেপাথর, পাথুরিয়া কয়লা, সৈন্ধব লবণ, খড়িমাটি প্রভৃতি। 
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে। 
- এ শিলার পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়। আর স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে এ শিলাকে স্তরীভূত শিলাও বলা হয়। 
- পাললিক শিলা ভূ-ত্বকের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ। 
- তবে মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উন্মুক্ত অংশের প্রায় ৭৫ ভাগই পাললিক শিলায় গঠিত। 
- পাললিক শিলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্তরীভূত, জীবাশ্ম বিশিষ্ট, অকেলাসিত, তরঙ্গচিহ্ন ও কোমলতা ইত্যাদি। 
- মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পাললিক শিলা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। 

- পাললিক শিলা প্রধানত তিন প্রকার। 
যথা - 
১। যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বেলেপাথর। 
২। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- চুনাপাথর এবং 
৩। জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা ও গোপালগঞ্জের পিট কয়লা। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৩.
মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের গাঠনিক উপাদানগুলোর মধ্যে মূলত কোনগুলোর প্রাধান্য থাকে? 
  1. অক্সিজেন ও সিলিকন
  2. অ্যালুমিনিয়াম ও ক্যালসিয়াম
  3. সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
  4. সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম 
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা

ভূ-ত্বক: 
- সৃষ্টির আদি অবস্থায় পৃথিবী একটি জ্বলন্ত বাষ্পীয় অগ্নিপিণ্ড ছিল। 
- কোটি কোটি বছর যাবৎ ঘূর্ণনরত এই জ্বলন্ত গ্যাসীয় পিণ্ড ক্রমশ তাপ বিকিরণ করে শীতল ও সংকুচিত হতে থাকে এবং গ্যাসীয় অবস্থা থেকে তরল অবস্থা প্রাপ্ত হয়। এ সময়ে পৃথিবীর গঠনকারী ভারী উপাদানসমূহ পৃথিবীর কেন্দ্রভাগে সঞ্চিত হতে থাকে। 
- অপেক্ষাকৃত হালকা উপাদানসমূহ উপরের দিকে স্তরীভূত হয়ে জমাট বাঁধতে থাকে, ক্রমশ পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বাইরের স্তর জমাট বেঁধে কঠিনাকার ধারণ করে যা ভূ-ত্বক হিসেবে পরিচিত। 

ভূ-ত্বক গঠনকারী উপাদানসমূহ: 
- পৃথিবীপৃষ্ঠের সর্বাপেক্ষা বাইরে শিলা দ্বারা গঠিত যে কঠিন বহিরাবরণ রয়েছে, তাকে ভূ-ত্বক বলা হয়। 
- ভূ-ত্বকের গড় পুরুত্ব ২০ কিলোমিটার। 
- মহাদেশের উঁচু পর্বত চূড়া হতে সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল পর্যন্ত পুরুত্ব সবচেয়ে বেশি (গড় পুরুত্ব ৩৫ কিলোমিটার)। অপরদিকে সমুদ্র তলদেশে এর গড় পুরুত্ব মাত্র ৫ কিলোমিটার। 
- মহাদেশের তলদেশের ভূ-ত্বক মহাদেশীয় ভূ-ত্বক ও মহাসাগরের তলদেশের ভূ-ত্বক মহাসাগরীয় ভূ-ত্বক নামে পরিচিত। 
- মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের গাঠনিক উপাদানগুলোর মধ্যে সিলিকন (Si) ও অ্যালুমিনিয়ামের (Al) প্রাধান্য থাকায় এই স্তরকে সিয়াল স্তর (Sial) নামে অভিহিত করা হয়। 
- সিয়াল স্তরের নিচের অংশ অপেক্ষকৃত ভারী স্তরটি নাম সিমা (Sima) স্তর, এই স্তরটি সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ স্তর। 
- ভূ-ত্বক গঠনকারী উপাদানসমূহের মধ্যে মোট ১৫ টি উপাদান দ্বারা ভূ-ত্বকের শতকরা ৯৯ ভাগের অধিক অংশ গঠিত। 
- এই উপাদানসমূহের মধ্যে প্রধান ৮ টি হলো- অক্সিজেন, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম, লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম। 
- এই পর্যন্ত বিজ্ঞানীগণ ভূ-ত্বক গঠনকারী মোট ১০৫ টি মৌলিক উপাদান আবিষ্কার করেছেন। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১১৪.
যখন সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ থাকে, তখন হয়-
  1. চন্দ্রগ্রহণ
  2. সূর্যগ্রহণ
  3. অমাবশ্যা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সূর্যগ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যগ্রহণ
ব্যাখ্যা
সূর্যগ্রহণ:
- যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ।
- চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে।
- তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে।
- অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে।
- সূর্যগ্রহণ হয় তিন ধরনের। 
- এই ধরনগুলো নির্ভর করে চাঁদ সূর্যকে কতটা ঢেকে ফেলছে তার ওপর।
 
চন্দ্ৰগ্ৰহণ:
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান।
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়।
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া।
- চন্দ্রগ্রহণও আছে তিন রকম।
 
উৎস: ৪ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা।
১,১১৫.
ভূ-পৃষ্ঠের অক্ষাংশ দ্বারা কোনটি পরিমাপ করা যায়?
  1. ধ্রুবতারার অবস্থান
  2. সূর্যের অবস্থান
  3. ক ও খ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও খ
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ:
- ভূ-পৃষ্ঠের যে কোনো স্থানে নিরক্ষরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে অক্ষাংশ বলে।
- প্রধানত দুইটি পদ্ধতিতে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়। যথা:
১। ধ্রুবতারার অবস্থান:
- উত্তর গোলার্ধের কোনো স্থানে ধ্রুবতারা যত ডিগ্রি কোণে অবস্থান করে সেই মানই উক্ত স্থানের অক্ষাংশ।

২। সূর্যের অবস্থান:
- আকাশে সূর্যের অবস্থান অনুযায়ী সেক্সট্যান্ট নামক যন্ত্র ব্যবহার করে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১১৬.
এক স্থানে প্রতিদিন কতবার জোয়ার ও ভাটা সংঘটিত হয়?
  1. ক) ২ বার
  2. খ) ৩ বার
  3. গ) ৬ বার
  4. ঘ) ৫ বার
সঠিক উত্তর:
ক) ২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ বার
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা
• সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর এক স্থানে ফুলে ওঠে এবং এক স্থানে নেমে যায়। পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
• এক স্থানে প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়।
• জোয়ার ভাটার মধ্যকার ব্যবধান প্রায় ১২ ঘণ্টা ১৩ মিনিট।
• জোয়ার—ভাটার স্থিতিকাল ৬ ঘণ্টা ৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ড।
• সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলো স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার-ভাটা অধিক হয়। সাধারণত সমুদ্রের মধ্যভাগ অপেক্ষা উপকূলের কাছে অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা অধিক থাকে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৭.
নিচের কোন পদার্থ প্রকৃতিতে কঠিন, তরল ও বায়বীয় তিন অবস্থাতেই পাওয়া যায়?
  1. ক) পারদ
  2. খ) লবণ
  3. গ) পানি
  4. ঘ) কর্পূর
সঠিক উত্তর:
গ) পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পানি
ব্যাখ্যা
- সূর্য থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাকে বলা হয় সৌরশক্তি।
- সূর্য সকল শক্তির উৎস।
- পৃথিবীতে যত শক্তি আছে তার সবই কোনো না কোনোভাবে সূর্য থেকেই আসা বা সূর্য কিরণ ব্যবহৃত হয়েই তৈরি হয়েছে।
- প্রকৃতপক্ষে সূর্যের শক্তির উৎস পারমাণবিক শক্তি, কারণ সূর্যে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন হয়।
- এ শক্তি পৃথিবীতে বিকিরিত হয়।
- সৌরশক্তির সকল উৎস ফিউশন বিক্রিয়া

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১১৮.
SMOG কি?
  1. ক) সিগারেটের ধোঁয়া
  2. খ) কুয়াশা
  3. গ) দূষিত বাতাস
  4. ঘ) শিশির
সঠিক উত্তর:
গ) দূষিত বাতাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দূষিত বাতাস
ব্যাখ্যা
• SMOG হচ্ছে এক ধরণের দূষিত বাতাস
- ধোঁয়া ও কুয়াশা মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- 'SMOG' শব্দটি SMOKE ও FOG শব্দ দুটো থেকে এসেছে।
- মোটরগাড়ি, কলকারখানার ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য, ধূলিকণা ইত্যাদি মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- SMOG অবস্থায় বেশিক্ষণ বিরাজ করলে ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়।
- এই ধোঁয়ায় অবস্থিত বিভিন্ন গ্যাস বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি ঘটায় এবং মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি করে।
- মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি পেলে তাতে উদ্ভিদ সহজে জন্মে না।
- SMOG শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং মানবদেহে ক্যানসার, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস প্রভৃতি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।

উৎস: National Geographic Society.
১,১১৯.
মূল মধ্যরেখার (০°) প্রতিপাদ স্থান কোন দ্রাঘিমায় অবস্থিত?
  1. ০°
  2. ৯০°
  3. ১৮০°
  4. ৩৬০°
সঠিক উত্তর:
১৮০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০°
ব্যাখ্যা

প্রতিপাদ স্থান (The Antipodes): 
- ​ভূ-পৃষ্ঠে যে কোনো একটি স্থানের ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত স্থানকে প্রতিপাদ স্থান বলা হয়। 
- ​অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠের কোনো বিন্দু কল্পিত ব্যাস ভূ-অভ্যন্তরস্থ কেন্দ্রকে ছেদ করে ঠিক উল্টোপাশে যে বিন্দুটিকে স্পর্শ করবে, সেই বিন্দুটিকে প্রথম বিন্দুটির 'প্রতিপাদ স্থান' বলা হয়। 
​- প্রথম বিন্দুটি যে দ্রাঘিমায় অবস্থিত হয় ঐ বিন্দুটির প্রতিপাদ স্থান ঠিক তার বিপরীতে ১৮০° দূরত্বের দ্রাঘিমায় অবস্থিত হয়। 
​- উদাহরণস্বরূপ, মূল মধ্যরেখার (০°) প্রতিপাদ স্থান হলো ১৮০° দ্রাঘিমারেখা। 
​- অপরদিকে, কোনো স্থানের প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশ একই ডিগ্রিতে অবস্থিত হলেও বিপরীত গোলার্ধে অবস্থিত হয়।
​- উদাহরণস্বরূপ, একটি স্থানের অক্ষাংশ ৪০° উত্তর হলে, এর প্রতিপাদ স্থানের অক্ষাংশ ৪০° দক্ষিণ হবে। 
​- ঢাকার প্রতিপাদ স্থান দক্ষিণ আমেরিকার চিলির নিকটে প্রশান্ত মহাসাগরের অবস্থিত।

​তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১২০.
২০২৫ সালে হংকং থেকে রওনা দেওয়া ক্যাথে প্যাসিফিকের একটি বিমান ২০২৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলসে পৌঁছানোর মূল কারণ কী?
  1. সময় ভ্রমণ
  2. বিমানযাত্রার সময়সূচির ত্রুটি
  3. দিনরাত্রি পরিবর্তন
  4. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার জন্যই - ২০২৫ সালে হংকং থেকে রওনা দেওয়া ক্যাথে প্যাসিফিকের একটি বিমান ২০২৪ সালে লস অ্যাঞ্জেলসে পৌঁছায়।

• আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘন্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- আর্ন্তজাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১২১.
টাইড (জোয়ার-ভাটা) এর কারণ-
  1. ক) চাঁদ ও সূর্যের অভিকর্ষ শক্তির প্রভাব
  2. খ) পৃথিবীর বার্ষিক গতি
  3. গ) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি
  4. ঘ) উপরের সবগুলি
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি
ব্যাখ্যা
টাইড (জোয়ার-ভাটা) এর কারণ প্রধানত ২টি। ১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব এবং ২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণী।
১,১২২.
বিষুবরেখার মান কত ডিগ্রি?
  1. শূন্য ডিগ্রি
  2. নব্বই ডিগ্রি
  3. সাড়ে তেইশ ডিগ্রি
  4. ১৮০ ডিগ্রি
সঠিক উত্তর:
শূন্য ডিগ্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্য ডিগ্রি
ব্যাখ্যা
- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে থাকা কাল্পনিক রেখা নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা বা নিরক্ষবৃত্ত রেখা নামে পরিচিত। এর মান শূন্য ডিগ্রি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১,১২৩.
গ্রীনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে?
  1. নাইট্রাস অক্সাইড
  2. হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড
  3. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  4. সি এফ সি
সঠিক উত্তর:
কার্বন-ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন-ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা

• গ্রীনহাউস গ্যাসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে কার্বন-ডাই-অক্সাইড (CO2) রয়েছে। এটি প্রধানত জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা, তেল এবং গ্যাস পোড়ানোর মাধ্যমে বায়ুমণ্ডলে নিঃসৃত হয়। এছাড়া বন উজাড় এবং বিভিন্ন শিল্পপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে CO2 নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়। কার্বন-ডাই-অক্সাইড বায়ুমণ্ডলের তাপ ধরে রাখে, যা পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য অন্যতম প্রধান কারণ। অন্যান্য গ্রীনহাউস গ্যাস যেমন নাইট্রাস অক্সাইড বা সি এফ সি কম পরিমাণে থাকে, এবং হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড সাধারণত গ্রীনহাউস গ্যাস হিসেবে বিবেচিত হয় না। তাই প্রাকৃতিক এবং মানবসৃষ্ট উভয় উৎসের কারণে CO2 পৃথিবীর গ্রীনহাউস প্রভাবের প্রধান অবদানকারী।

- উত্তর: গ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড। 

• গ্রীনহাউস গ্যাস:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warning) এর হার বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- আমরা জানি, যে বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ ক্ষেত্রে বায়ুমন্ডল হলো গ্রীনহাউস বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদ এবং সূর্যালোক ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে তোলে।
- মানুষ যখন গাছ-পালা কেটে, কাঠ-কয়লা পুড়িয়ে, কারখানার ধোঁয়া ইত্যাদির দ্বারা মিথেন, ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস তৈরি করছে তখন তাকে বলা হয় গ্রীনহাউস গ্যাস।
- বায়ুমন্ডলে তাই গ্রীনহাউস গ্যাসের পুরু চাদর তৈরি হয়েছে কারণ এই সব গ্যাস আর ফিরে যেতে পারে না।
- এই তাপ শোষণের মাত্রা যত বাড়বে পৃথিবীর উষ্ণতা ততই বাড়বে।
- উষ্ণতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াই হলো গ্রীনহাউস প্রভাব।

• গ্রীনহাউস এফেক্ট: 
- পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো যেমন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, ঔষধ, জ্বালানি, পানিসহ প্রয়োজনীয় উপকরণাদি পরিবেশ থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে পাওয়া যাবে। 
- পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হলে বিশেষ করে বনাঞ্চল ধ্বংস হলে বৃষ্টিপাতের হার কমে যায়, চাষাবাদের যথেষ্ট ক্ষতি হয়। 
- গ্রীনহাউস গ্যাস (যেমন- CO2, CO, CH4, N2O ইত্যাদি) বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে তাপমাত্রা বেড়ে যায়, যাকে গ্রীনহাউস এফেক্ট (Green house effect) বলে। 

গ্রীনহাউস এফেক্টের কারণে- 
• সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাবে এবং উপকূল অঞ্চল তলিয়ে যাবে, 
• আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে, 
• বনাঞ্চল ধবংস হবে, 
• বিভিন্ন রোগবালাইয়ের প্রভাবে ফসলের ক্ষতি হবে, 
• মানুষের মধ্যে নতুন সব রোগের প্রকোপ দেখা দিবে, 
• ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের তীব্রতা বেড়ে যাবে। 
- পরিবেশ সুরক্ষিত থাকলে গ্রীনহাউস এফেক্ট থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। তাই এখন থেকেই পরিবেশ সংরক্ষণের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে। 

উৎস:
- জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
- ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১২৪.
জোয়ার-ভাটার ওপর কোন মহাজাগতিক বস্তুর মহাকর্ষীয় আকর্ষণ সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে?
  1. সূর্য
  2. পৃথিবী
  3. নক্ষত্র
  4. চন্দ্র
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র
ব্যাখ্যা
জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। 
- ফলে জোয়ার ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১২৫.
পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ কোনটি?
  1. চন্দ্র
  2.  সূর্য
  3. ফোবস
  4. ডিমোস
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র
ব্যাখ্যা

- চন্দ্র (বা চাঁদ) হলো পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ, এটি পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে এবং সৌরজগতের পঞ্চম বৃহত্তম প্রাকৃতিক উপগ্রহ। 

পৃথিবী (Earth): 
- সৌরজগতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য গ্রহ হচ্ছে 'পৃথিবী'। এটি সৌরজগতের মাঝারী আকারের একটি গ্রহ (গড় ব্যাস হলো ১২,৭৩৪.৫ কি. মি. প্রায়)। 
- পৃথিবী নিজ কক্ষপথটি ডিম্বাকৃতির ও মোট ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড বা এক বছরে সূর্যকে প্রদক্ষিন করে থাকে। 
- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা এক দিনে আর্বতন করে। 
- পৃথিবীর একটি মাত্র উপগ্রহ হলো চন্দ্র। 
- সৌরজগতের সকল গ্রহের মধ্যে কেবল পৃথিবী জীব ও উদ্ভিদের বসবাস উপযোগী গ্রহ। 

চন্দ্র (Moon): 
- চন্দ্র পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। 
- প্রায় ৩৭.৯ মিলিয়ন বর্গ কি. মি. আয়তন বিশিষ্ট চন্দ্র মোট ২৯ দিন ১২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট বা এক চন্দ্র মাসে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। 
- চন্দ্রের নিজস্ব কোনো আলো নাই, সূর্যের আলোকে এটি আলোকিত হয়। এই আলো বিচ্ছুরিত হয়ে পৃথিবীকে রাতের বেলা আলো দিয়ে থাকে। 

অন্যদিকে, 
- ডিমোস ও ফোবস মঙ্গল গ্রহের দুটি প্রাকৃতিক উপগ্রহ। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

১,১২৬.
ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রটিতে পদার্থবিজ্ঞানের কোন নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে?
  1. ক) আলোর প্রতিফলন
  2. খ) শব্দের প্রতিফলন
  3. গ) পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
  4. ঘ) আলোর প্রতিসরণ
সঠিক উত্তর:
খ) শব্দের প্রতিফলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শব্দের প্রতিফলন
ব্যাখ্যা
ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রটিতে পদার্থবিজ্ঞানের শব্দের প্রতিফলন নীতি প্রয়োগ করা হয়েছে। 

- ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রের সাহায্যে হৃত্যন্ত্রের কার্যক্রমের গুণগত ও পরিমাণগত মূল্যায়ন করা যায়।
- শব্দের প্রতিফলনের নীতির ওপর ভিত্তি করে ইকোকার্ডিওগ্রাফি যন্ত্রের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এখানে শব্দ তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
- শব্দতরঙ্গ হচ্ছে যান্ত্রিক তরঙ্গ যা মাধ্যমের সংকোচন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি যন্ত্রে শব্দের প্রতিধ্বনিকে ব্যবহার করা হয়।
- আল্ট্রাসনোগ্রাফি উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দের প্রতিফলনের উপর নির্ভরশীল।
- উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ হৃৎপিন্ডের যখন শরীরের গভীরের কোনো অঙ্গ বা পেশি থেকে প্রতিফলিত হয় তখন প্রতিফলিত তরঙ্গের সাহায্যে ঐ অঙ্গের অনুরূপ একটি প্রতিবিম্ব মনিটরের পর্দায় গঠন করা হয়। এই প্রতিবিম্ব প্রতিফলিত তরঙ্গের দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক প্রতিবিম্ব মনিটরে পর্যবেক্ষণ করা যায়। এক্ষেত্রে 2-10MHz কম্পাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
- টিস্যুর মধ্যে শব্দ তরঙ্গ সাধারণত 1540ms এবং রক্তের মধ্যে 1570ms-1 বেগে সঞ্চালিত হয়।
- আপতিত শব্দ তরঙ্গ হৃত্যন্ত্রের টিস্যুর সংকোচন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে হৃত্যন্ত্রের বিভিন্ন স্থানে সঞ্চালিত হতে থাকে।
- যত বেশি কমাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়, প্রতিফলিত বিম্বের স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা তত বেশি হয়।

সূত্র: ৩৪৫ পৃষ্ঠা, পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১২৭.
আবহাওয়া ও জলবায়ুসংক্রান্ত পরিবর্তন বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে সংঘটিত হয়?
  1. ট্রপোমণ্ডল
  2. স্ট্রাটোমন্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. তাপমণ্ডল
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোমণ্ডল
ব্যাখ্যা
• আবহাওয়া এবং জলবায়ুসংক্রান্ত পরিবর্তন মূলত বায়ুমণ্ডলের ট্রপোমণ্ডল স্তরে সংঘটিত হয়। ট্রপোমণ্ডল হলো বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তর যেখানে আমাদের দৈনন্দিন আবহাওয়া দেখা যায়। এখানে বায়ুর তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, বায়ুর চাপ ও বায়ু প্রবাহের পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন আবহাওয়া ঘটনা যেমন বৃষ্টি, ঝড়, মেঘের সৃষ্টি ইত্যাদি ঘটে। স্ট্রাটোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল ও তাপমণ্ডল অন্যান্য স্তর যেখানে বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন পদার্থ ও তাপমাত্রার পরিবর্তন ঘটে, কিন্তু সেখানকার পরিবর্তনগুলি সাধারণত জলবায়ুর দৈনন্দিন পরিবর্তনের মতো তীব্র নয়। তাই আবহাওয়া ও জলবায়ুসংক্রান্ত পরিবর্তন ট্রপোমণ্ডলে হয়।

বায়ুমণ্ডলের স্তরসমূহ:

- মূলত ভূ-পৃষ্ঠ হতে উপরের দিকে বায়ুমণ্ডলের মোট পাঁচটি স্তর বা পর্যায়ে রয়েছে। বায়ুমণ্ডলের এই ৫ টি স্তর হলো:
১) ট্রপোমণ্ডল (Troposphere),
২) স্ট্রাটোমণ্ডল (Stratosphere),
৩) মেসোমণ্ডল (Mesosphere),
৪) তাপমণ্ডল (Thermosphere) এবং
৫) এক্সোমণ্ডল (Exosphere)।

ট্রপোমণ্ডল (Troposphere): 
• ট্রপোমণ্ডল ভূ-পৃষ্ঠ হতে নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৬-১৯ কিলোমিটার এবং মেরূ অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
• ট্রপোমণ্ডল স্তরে উচ্চতা যত বাড়তে থাকে বায়ুর ঘনত্ব ও উষ্ণতা ততই কমতে থাকে। এই উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে তাপ কমে যাওয়ার প্রবনতাকে বলা হয় স্বাভাবিক তাপ হ্রাস।
• ট্রপোমণ্ডলে সাধারণত প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় ৬০ সেলসিয়াস তাপমাত্রা কমে যায়।
• ট্রপোমণ্ডল স্তরে আবহাওয়া ও জলবায়ুজনিত সকল প্রক্রিয়া ঘটে থাকে।
• মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড় ও কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১২৮.
পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কোনটি প্রয়োজন?
  1. অধিক শিকার
  2. অধিক বৃক্ষনিধন
  3. টেকসই উন্নয়ন
  4. রাসায়নিক ব্যবহার বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
টেকসই উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেকসই উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
• পরিবেশ সংরক্ষণ বলতে বোঝায়—প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশকে এমনভাবে রক্ষা করা যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও তা ব্যবহার করতে পারে।
- এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন হয় টেকসই উন্নয়ন,
যার মূলনীতি হলো:
“বর্তমান প্রজন্মের প্রয়োজন মেটানো, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রয়োজন মেটানোর সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।”  

টেকসই উন্নয়নের মূল দিকগুলো:
- পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখা।
- অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- সামাজিক ন্যায্যতা ও দারিদ্র্য দূরীকরণ। 

এই তিনটি দিক একসঙ্গে সমন্বয় করেই পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন সম্ভব।

অন্যদিকে, 
অধিক শিকার:
এটি বন্যপ্রাণীর সংখ্যা হ্রাস করে এবং জৈব বৈচিত্র্যের ভারসাম্য নষ্ট করে। পরিবেশ সংরক্ষণের পরিপন্থী।

অধিক বৃক্ষনিধন:
বৃক্ষ কেটে ফেলার ফলে বায়ু দূষণ বাড়ে, জলবায়ু পরিবর্তন হয় এবং মাটির ক্ষয় ঘটে। এটি পরিবেশ ধ্বংসের অন্যতম কারণ।

রাসায়নিক ব্যবহার বৃদ্ধি:
কীটনাশক ও সার অতিরিক্ত ব্যবহারে মাটি, পানি ও খাদ্যদূষণ ঘটে, যা মানুষের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ—দুইয়ের জন্যই ক্ষতিকর।

তথ্যসূত্র:
- ভূগোল ও পরিবেশ – নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB)। 
- সাধারণ বিজ্ঞান – অষ্টম শ্রেণি, NCTB ।
১,১২৯.
জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলার সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি সম্পর্কিত কয়টি সূত্র প্রদান করেন?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
কেপলারের সূত্র:
- ডেনমার্কের জ্যোতির্বিদ জোহান কেপলারের (Johann Kepler) গ্রহ সম্পর্কিত সূত্র সূর্যের চারদিকে গ্রহগুলোর গতি ব্যাখ্যা করে।
- ১৬১৮ সালে কেপলার বলেন, গ্রহগুলো কোনো এক বলের প্রভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অবিরাম ঘুরছে।
- এই সম্পর্কে তিনি তিনটি সূত্র প্রদান করেন।
- তার নাম অনুসারে এই তিনটি সূত্রকে কেপলার এর গ্রহ সম্পর্কীয় গতিসূত্র বলা হয়।

- সূত্র তিনটি:
প্রথম সূত্র (উপবৃত্ত সূত্র):- সূর্যকে ফোকাসে রেখে প্রতিটি গ্রহ উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে।
দ্বিতীয় সূত্র (ক্ষেত্রফল সূত্র):- প্রতিটি গ্রহ এমনভাবে ঘুরছে যে, সূর্য ও ঐ গ্রহের কেন্দ্র সংযোজক কাল্পনিক রেখা সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফল অতিক্রম করে।
তৃতীয় সূত্র (আবর্তনকালের সূত্র): - সূর্যের চারিদিকে প্রতিটি গ্রহের আবর্তনকালের বর্গ এর কক্ষপথের অর্ধপরাক্ষের ঘনফলের সমানুপাতিক।

উৎস: পদার্থ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩০.
নাসার তথ্যমতে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা কত?
  1. ১৫° সেলসিয়াস 
  2. ২৫° সেলসিয়াস 
  3. ৩২° সেলসিয়াস 
  4. ২৭° সেলসিয়াস 
সঠিক উত্তর:
১৫° সেলসিয়াস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫° সেলসিয়াস 
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর তাপমাত্রা:
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সারা বিশ্ব জুড়ে তাপমাত্রা বাড়ছে।
- ১৯৭৯ সাল থেকে National Oceanic and Atmospheric Administration (NOAA) সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রার হিসেব রাখছে।
- প্রশান্ত মহাসাগরে এল নিনোর আবির্ভাবের কারণে তাপমাত্রা বৃদ্ধির আরও নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাষ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
- নাসার তথ্যমতে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা ১৫° সেলসিয়াস। 
- নাসা আরো জানায় ২০২৩ সাল ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ডকৃত উষ্ণতম গ্রীষ্মকাল। 

এছাড়াও, 
- শনিগ্রহের গড় তাপমাত্রা -১৪০° সেলসিয়াস। 
- মঙ্গলগ্রহের গড় তাপমাত্রা -১১০° সেলসিয়াস।  
- শুক্রগ্রহের গড় তাপমাত্রা ৪৬৪° সেলসিয়াস। 

তথ্যসূত্র: 
১. নাসা ওয়েবসাইট। [লিংক] 
২. Space.com ওয়েবসাইট। [লিংক] 

১,১৩১.
কোন্ বাঙালি বিজ্ঞানী কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষনা করেছেন?
  1. ড. কুদরত-ই-খুদা
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. জামাল নজরুল ইসলাম
  4. অতীশ দীপংকর
সঠিক উত্তর:
জামাল নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

- জামাল নজরুল ইসলাম ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি গণিতবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানী এবং স্টিফেন হকিংয়ের একজন সহকর্মী। তিনি কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) ও মহাবিশ্বের বিবর্তন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করেছেন এবং এ বিষয়ে বাংলায় একটি বইও লিখেছেন। 

বাঙালি বিশ্ববিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম: 
- বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের মধ্যে মৌলিক বিজ্ঞানে জামাল নজরুল ইসলামের মতো অবদান আর কারও নেই। এই বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানীর জন্ম তাঁর বাবার কর্মক্ষেত্র ঝিনাইদহে ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯ সালে। 
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে মৌলিক গবেষণা করেছেন।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- ছাত্রজীবনে তাঁর সমসাময়িক ও আজীবনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন বিস্ময়কর বিজ্ঞান-প্রতিভা স্টিফেন হকিং। কেমব্রিজ এবং পশ্চিমে শিক্ষার গবেষণা ও অধ্যাপনায় থাকাকালে তাঁর বন্ধু ও সুহৃদমহল গড়ে ওঠে বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীদের নিয়ে। এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তাঁর শিক্ষক ফ্রিম্যান ডাইসন, পদার্থবিজ্ঞানী রিচার্ড ফাইনম্যান, ভারতের সুব্রহ্মনিয়াম চন্দ্রশেখর, পাকিস্তানের আবদুস সালাম, ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও অমিয় বাগচী, তাঁর সহপাঠী জয়ন্ত নারলিকার, ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ জিম মার্লিস প্রমুখ।  
- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে। তিনি এই ধারায় গবেষণা অব্যাহত রেখে পরবর্তীকালে লেখেন ফার ফিউচার অব দ্য ইউনিভার্স বা মহাবিশ্বের দূরবর্তী ভবিষ্যৎ।
- জামাল নজরুল ইসলাম দেশে গড়ে তুলেছেন উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণাগার আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গাণিতিক ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র বা রিচার্স সেন্টার ফর ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স (আরসিএমপিএস), যেটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে দেশের প্রবীণ পদার্থবিজ্ঞানী প্রফেসর এ এম হারুন-অর রশিদ ‘পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে এখানে আগত খ্যাতিমান পদার্থবিজ্ঞানী, আপেক্ষিকতত্ত্ববিদ এবং বিশ্ব সৃষ্টি তাত্ত্বিকদের অবদান’ স্মরণ করে এ প্রতিষ্ঠানকে প্রফেসর ইসলামের শ্রেষ্ঠ কীর্তি আখ্যা দিয়েছিলেন।
- ২০১৩ সালের ১৬ মার্চ মধ্যরাতে এ মহান বিজ্ঞানী আমাদের ছেড়ে গেছেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা।

১,১৩২.
সাইক্লোনের সময় নদীবন্দরের ক্ষেত্রে কয়টি মহাবিপদ সংকেত ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ১টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১টি
ব্যাখ্যা

ঝড়ের সময় আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সমুদ্রবন্দরের ক্ষেত্রে ১০টি এবং নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ৪টি সংকেত নির্ধারিত আছে। এই সংকেতগুলো সমুদ্রবন্দর ও নদীবন্দরের ক্ষেত্রে ভিন্ন বার্তা বহন করে।
- ১ নম্বর নৌ সতর্কতা সংকেত: বন্দর এলাকা ক্ষণস্থায়ী ঝোড়ো আবহাওয়ার কবলে নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার গতিবেগের কালবৈশাখীর ক্ষেত্রেও এই সংকেত প্রদর্শিত হয়। এই সংকেত আবহাওয়ার চলতি অবস্থার ওপর সতর্ক নজর রাখারও তাগিদ দেয়।
- ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত: বন্দর এলাকায় নিম্নচাপের সমতুল্য তীব্রতার একটি ঝড়, যার গতিবেগ ঘণ্টায় অনূর্ধ্ব ৬১ কিলোমিটার বা একটি কালবৈশাখী, যার বাতাসের গতিবেগ ৬১ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। নৌযান এদের যেকোনোটির কবলে নিপতিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ৬৫ ফুট বা তার কম দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট নৌযানকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে।
- ৩ নম্বর নৌ বিপৎসংকেত: বন্দর এলাকা ঝড়ে কবলিত। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ একটানা ৬২-৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত গতিবেগের একটি সামুদ্রিক ঝড় শিগগিরই বন্দর এলাকায় আঘাত হানতে পারে। সব নৌযানকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয় গ্রহণ করতে হবে।
- ৪ নম্বর নৌ মহাবিপদ সংকেত: বন্দর এলাকা একটি প্রচণ্ড বা সর্বোচ্চ তীব্রতার সামুদ্রিক ঝড়ে কবলিত এবং শিগগিরই বন্দর এলাকায় আঘাত হানবে। ঝড়ে বাতাসের সর্বোচ্চ একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার বা তদূর্ধ্ব। সব ধরনের নৌযানকে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে হবে।
১ এবং ২ নম্বর সংকেত কালবৈশাখী এবং বর্ষাকালীন ঝড়ো হাওয়ার জন্য প্রযোজ্য। ৩ এবং ৪ নং সংকেত সমুদ্রবন্দরকেন্দ্রিক বড় ঝড় এবং ঘূর্ণিঝড় এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই নৌ বন্দরের জন্য ৪টি সতর্কতা সংকেত থাকলেও সাইক্লোন জনিত পূর্বাভাসের জন্য প্রযোজ্য সতর্কতা সংকেত ২টি এবং মহাবিপৎসংকেত ১টি।

সূত্র: খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয় এর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো কর্তৃক প্রকাশিত ''ঘূর্ণিঝড় ও আবহাওয়ার নতুন সতর্ক সংকেত এবং গণদুর্যোগ বার্তা''।

১,১৩৩.
বিশ্বব্যাংক অনুযায়ী ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্ব সাহায্যের কত শতাংশ বাংলাদেশকে প্রদান করবে?
  1. ৩০%
  2. ৪০%
  3. ৫০%
  4. ৬০%
সঠিক উত্তর:
৩০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০%
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক অনুযায়ী ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্ব সাহায্যের ৩০ শতাংশ বাংলাদেশকে প্রদান করবে।

জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের ঝুঁকি:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রতিকুল প্রভাবগুলোর কারণে সমুদ্র উপকূলীয় দেশ হওয়ায় বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী একটি বড় জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকা নাজুক হয়ে উঠছে।
- এখানকার ৬০ শতাংশ ভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে মাত্র ৫ মিটার উপরে।
- বিশ্বব্যাংকের এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে যে প্রতি ৩-৫ বছরে বাংলাদেশের দুই- তৃতীয়াংশ অঞ্চল বন্যাপ্লাবিত হয়।
- ফলশ্রুতিতে, অবকাঠামো, বাসস্থান, কৃষি এবং জীবিকার ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়।
- সমুদ্র উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল ঝড় জলোচ্ছ্বাসের ঝুঁকিতেও থাকে।
- 'Inter-governmental Panel on Climate Change (IPCC)'- এর প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০৫০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের কারণে বাংলাদেশের ভূমির ১৭ শতাংশ এবং খাদ্য উৎপাদনের ৩০ শতাংশ হারিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য,
- ২০১০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রণীত 'Economics of Adaptation to Climate Change: Bangladesh' প্রতিবেদন বলা হয়েছে যে শুধুমাত্র ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা মোকাবিলায় ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং আবর্তক ব্যয় বাবদ যথাক্রমে ৫,৫১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ১১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন হবে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২। link
১,১৩৪.
সর্বশেষ কোন সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গিয়েছিল? 
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

ধূমকেতু (Comet): 
- মহাকাশে মাঝে মাঝে একপ্রকার জ্যোতিষ্কের আবির্ভাব ঘটে যাদের একটি মাথা ও একটি লেজ আছে, এসব জ্যোতিকে ধূমকেছূ বলে। 
- ধূমকেতু আকাশের এক অতি বিস্ময়কর জ্যোতিক। 
- সৌরজগতের মধ্যে ধূমকেতুর বসবাস হলেও এরা কিছুদিনের জন্য উপয় হরে পাবার অদৃশ্য হয়ে যায়। 
- সূর্যের চারদিকে অনেক দূর দিয়ে এরা পরিক্রমণ করে। 
- সূর্যের নিকটবর্তী হলে এদের দেখা যায় । 
- এরা সূর্যের যত কাছাকাছি আসতে থাকে তত এর লেজ লম্বা হতে থাকে। 
- এরা অনেক দীর্ঘ কক্ষপথে সূর্যকে পরিক্রমণ করে বলে অনেক বছর পর পর এরা আবির্ভূত হয়। 
- জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালি যে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন তা হ্যালির ধূমকেতু নামে পরিচিত। 
- হ্যালির ধূমকেতু প্রতি ৭৬ বছরে একবার দেখা যায়। 
- মহাবিশ্ব ও আমাদের পৃথিবী হ্যালির ধূমকেতু ২৪০ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দ থেকে দেখা যায় এবং সর্বশেষ ১৯৮৬ সালে হ্যালির ধূমকেতু দেখা গেছে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৩৫.
কোন জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০টি উপাদান থাকে?
  1. ক) MSI
  2. খ) LSI
  3. গ) VLSI
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ক) MSI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) MSI
ব্যাখ্যা
• সমন্বিত বর্তনীর মধ্যে উপাদানের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে মন্বিত বর্তনীকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।

১. মধ্যম মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা MSI (Medium Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০টি উপাদান থাকে ।

২. বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা LSI (Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০০০টি উপাদান থাকে।

৩. অতি বড় মাত্রার সমন্বিত বর্তনী বা VLSI (Very Large Scale Integrated Circuits): এই জাতীয় সমন্বিত বর্তনীতে প্রায় ১০,০০০টির অধিক উপাদান থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৬.
ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য কি?
  1. নতুন ধরনের মাইক্রোফোন
  2. অপটিক্যাল ফাইবারে বার্তা প্রেরণ
  3. বোতাম টিপে ডায়াল করা
  4. ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল সিগনালে বার্তা প্রেরণ
ব্যাখ্যা
- টেলিফোনে প্রধাণত দুটো প্রধান অংশ থাকে। 
যথা- গ্রাহক যন্ত্র ও প্রেরক যন্ত্র। 
- টেলিফোনে সংবাদ আদান দু'পদ্ধতিতে হয়ে থাকে। 
যথা- এনালগ ও ডিজিটাল। 
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দকে সরাসরি তড়িতে পরিণত করে প্রেরণ করা হয়। 
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে তড়িৎশক্তিকে ডিজিটাল সংবাদে রূপান্তর করে। 
- এনালগ পদ্ধতিতে শব্দ আদান-প্রদানে অসুবিধা হয় কিন্তু ডিজিটাল পদ্ধতিতে শব্দ আদান প্রদানে সুবিধা হয়। 
- বর্তমানে ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা বহুলভাবে প্রচলিত। এটির সুবিধা হল কম্পিউটার ব্যবস্থার সঙ্গে সহজে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,১৩৭.
ইলেকট্রনের প্রতিকণা (Antiparticle) কী? 
  1. পজিট্রন
  2. প্রোটন
  3. নিউট্রন
  4. নিউট্রিনো
সঠিক উত্তর:
পজিট্রন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পজিট্রন
ব্যাখ্যা
কণা (Particle) ও প্রতি কণা (Antiparticle): 
- প্রতি কণা হলো এমন কণিকা যার ভর এবং স্পিন অন্য একটি কণিকার সমান, কিন্তু যার চার্জ, বেরিয়ন সংখ্যা, লেপ্টন সংখ্যা অন্য কণিকাটির সমমানের অথচ বিপরীতধর্মী। 
- বলবাহী কণা ছাড়া সকল কণারই প্রতি কণা রয়েছে। 
- ইংরেজ পদার্থবিদ পল ডিরাক গাণিতিকভাবে প্রমাণ করেন যে, ইলেকট্রনের স্পিন 1/2 । এরপর তিনি ইলেকট্রনের বিপরীত কণা পজিট্রন (এন্টিইলেকট্রন, e+) আবিষ্কার করেন এবং এর জন্য পল ডিরাক ১৯৩২ সালে নোবেল পুরস্কার পান। 

- যখন কণা ও প্রতিকণা মিলিত হয় তখন তারা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে নির্ভেজাল শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তির উদ্ভব ঘটে। 
- তবে সাধারণ পরমাণুতে কণা ও প্রতিকণা কখনও একসাথে থাকে না। 
- কণাগুলো যেমন পদার্থ (Matter) গঠন করে তেমনি প্রতিকণাগুলো মিলে প্রতিপদার্থ (Anti Matter) তৈরি করে। 
- মহাবিশ্বের সকল কণাকে দুভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। 
যথা- (ক) ফার্মিওন ও (খ) বোসন। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৩৮.
অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা শনাক্ত, পিত্তথলি ও কিডনি পাথরের অস্তিত্ব নির্ণয় করা যায় কোনটির মাধ্যমে?
  1. ক) এনজিওগ্রাফি
  2. খ) এমআরআই
  3. গ) সিটিস্ক্যান
  4. ঘ) এক্সরে
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক্সরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এক্সরে
ব্যাখ্যা

এক্সরের ব্যবহারঃ    
১। স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙ্গে যাওয়া হাড় ইত্যাদি খুব সহজে শনাক্ত করা যায়।
২। দাঁতের ক্যাভিটি এবং অন্যান্য ক্ষয় বের করার জন্য এক্স-রে ব্যবহার করা হয়।
৩। পেটের এক্স-রে করে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা (Intestional Obstruction) শনাক্ত করা যায়।
৪। এক্স-রে দিয়ে পিক্তথলি ও কিডনি পাথরের অস্তিত্ত্ব বের করা যায়।
৫। বুকের এক্স-রে করে ফুসফুসের রােগ যেমন যক্ষ্মা, নিউমােনিয়া ফুসফুসের ক্যান্সার নির্ণয় করা যায়।
৬। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে, তাই রেডিওথেরাপিতে এক্স-রে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান

১,১৩৯.
দুর্যোগ প্রশমন বলতে কী বোঝায়? 
  1. দুর্যোগ পরবর্তী উদ্ধার অভিযান
  2. আবহাওয়ার পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ
  3. দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
  4. দুর্যোগ পরবর্তী ত্রাণ বিতরণ
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ প্রশমন (Mitigation): 
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করাকে দুর্যোগ প্রশমন বলে। 
- মজবুত পাকা ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল অবলম্বন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত।
- দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৪০.
উত্তর গোলার্ধে ______ উত্তর অক্ষরেখাকে 'কর্কটক্রান্তি' রেখা বলা হয়।
  1. ১৩.৫°
  2. ৬৬.৫°
  3. ২৩.৫°
  4. ৩৩.৫°
সঠিক উত্তর:
২৩.৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩.৫°
ব্যাখ্যা

কর্কটক্রান্তি রেখা ও মকরক্রান্তি রেখা:
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয়।
- দক্ষিণ গোলার্ধে ২৩.৫° দক্ষিণ অক্ষরেখাকে মকরক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়। 
- বাংলাদেশের উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- এই দুটি রেখার মধ্যবর্তী অঞ্চলে সূর্যের আলো লম্বভাবে পৃথিবীতে পড়ে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,১৪১.
বাংলাদেশের অবস্থান কোন দুটি প্লেটের মাঝে, যেখানে ভূস্তরের ভূমিকম্প প্রবণতা রয়েছে?
  1. Indian Plate and African Plate
  2. Indian Plate and Australian Plate
  3. Indian Plate and Sunda Plate
  4. Indian Plate and Myanmar Plate
সঠিক উত্তর:
Indian Plate and Myanmar Plate
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Indian Plate and Myanmar Plate
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ও ভূমিকম্প:
- বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়ে থাকে টেকটনিক প্লেটের সংঘর্ষের কারণে। 
- ভূস্তরের ভূমিকম্প প্রবণ ইন্ডিয়ান প্লেট ও মায়ানমার সাব-প্লেটের (Indian Plate and Myanmar Plate) মাঝখানে বাংলাদেশ অবস্থিত। 
- ভূ-তত্ত্ব বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ভারতীয় ও ইউরেশীয় প্লেট দু'টি (১৯৩৪ খ্রীষ্টাব্দের পর থেকে) দীর্ঘদিন ধরে হিমালয়ের পাদদেশে আটকা পড়ে আছে। 
- কিন্তু বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ভূ-তাত্ত্বিক চ্যুতি এলাকা বা ফল্ট জোন সচল অবস্থায় রয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৪২.
'পৃথিবী সূর্যের চারিদিকে ঘুরে' ধারণাটি প্রথম প্রমাণ করেন কে?
  1. আইজ্যাক নিউটন 
  2. জোহান কেল্লার
  3. বিজ্ঞানী গ্যালিলিও
  4. নিকোলাস কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিকোলাস কোপার্নিকাস
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও দার্শনিক অ্যারিস্টটল মনে করতেন পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘােরে। বিখ্যাত গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী টলেমী জোরালােভাবে বলেন যে পৃথিবীকে কেন্দ্র করেই সবকিছু ঘুরছে। কোপার্নিকাস নামে একজন জ্যোর্তিবিদ সম্পূর্ণ নতুন মতবাদ ব্যাক্ত করেন। তিনি পৃথিবীকেন্দ্রিক মডেলের পরিবর্তে সূর্যকেন্দ্রিক মডেলের প্রস্তাব করেন। তার মডেলের মূল কথা ছিল পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘােরে।

পরবর্তীতে বিজ্ঞানী গ্যলিলিও প্রথম কোপার্নিকাসের মতবাদের পক্ষে প্রমাণ হাজির করেন।

সূত্র: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।
১,১৪৩.
নিচের কোনটি আলোর ক্ষুদ্রতম কণিকা?
  1. পজিট্রন
  2. মেসন
  3. কোয়ান্টাম
  4. ডিউটেরন
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ান্টাম
ব্যাখ্যা
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্লাঙ্ক আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রস্তাবনা করেন।
- এই তত্ত্ব অনুসারে শক্তি কোনো উৎস থেকে অবিচ্ছিন্ন তরঙ্গের আকারে না বেরিয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছ বা প্যাকেট আকারে বের হয়।
- প্রত্যেক প্রকার কম্পাঙ্কের (রঙের আলোর) জন্য এই শক্তি প্যাকেটের একটি সর্ব নিম্ন মান আছে।
- এই সর্ব নিম্ন শক্তি সম্পন্ন কণিকার নাম কোয়ান্টাম বা ফোটন।
- প্লাঙ্কের মতে কৃষ্ণ বস্তুর বিকিরণ আলাদা আলাদা বা গুচ্ছ গুচ্ছ বান্ডিল বা প্যাকেট আকারে সংঘটিত হয়।
- কোয়ান্টম তত্ত্ব ব্যবহার করে ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দীর্ঘ দিনের রহস্যময় আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা
দেন। এতে আলোর কণা তত্ত্ব পুনর্জীবিত হয়। 

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
১,১৪৪.
HAARP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) High-frequency Active Astronomical Research Program
  2. খ) High-frequency Active Astronomical Research Project
  3. গ) High-frequency Active Auroral Research Program
  4. ঘ) High-frequency Active Auroral Research Project
সঠিক উত্তর:
গ) High-frequency Active Auroral Research Program
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) High-frequency Active Auroral Research Program
ব্যাখ্যা
হার্প (HAARP)
- HAARP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে High-frequency Active Auroral Research Program.
- হার্প আয়নোস্ফিয়ার বা আয়নমন্ডলের বৈশিষ্ট্য এবং আচরণ নিয়ে গবেষণা করে।
- আয়নোস্ফিয়ার হচ্ছে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৫০ মাইল থেকে ৪০০ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুমন্ডলীয় এলাকা।
- আয়নোস্ফিয়ারে উচ্চ কম্পাঙ্কের রেডিও তরঙ্গ পাঠানো হয় এবং এর প্রভাব পর্যবেক্ষণ করা হয়।
- হার্প এর অবস্থান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায়।
- এটি ইউএস এয়ার ফোর্স, নেভি, ইউনিভার্সিটি অফ আলাস্কা ফেয়ারব্যাংকস এবং ডিফেন্স এডভান্সড রিসার্চ প্রোজেক্টস এজেন্সির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চলে।
- ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট স্থান পরিবর্তন করে এটিকে ইউনিভার্সিটি অফ আলাস্কা ফেয়ারব্যাংকসে নিয়ে আসা হয়।

সূত্র: https://haarp.gi.alaska.edu
১,১৪৫.
ডায়োট এর ব্যবহার কোনটি?
  1. AC থেকে DC তৈরি করা
  2. DC থেকে AC তৈরি করা
  3. AC সিগন্যালের পজিটিভ অংশ অপসারণ করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
AC থেকে DC তৈরি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AC থেকে DC তৈরি করা
১,১৪৬.
প্রোটিন ও নিউট্রন কি দ্বারা গঠিত?
  1. বোসন
  2. কোয়ার্ক
  3. হেড্রন
  4. কোয়াসার
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোয়ার্ক
ব্যাখ্যা
- কোয়ার্ক পদার্থ গঠনের অন্যতম মৌলিক কণিকা। 
- সকল বস্তু প্রোটন ও নিউট্রন দ্বারা গঠিত।
- আর এই প্রোটন ও নিউট্রন গঠিত হয় কোয়ার্ক দিয়ে।  
- দুটি আপ কোয়ার্ক ও একটি ডাউন কোয়ার্ক নিয়ে প্রোটন এবং  দুটি ডাউন এবং একটি আপ কোয়ার্ক নিয়ে নিউট্রন গঠিত।
- কোয়ার্ক মূলত ৬ টি। এগুলো হলো:
          - আপ (u) ও ডাউন (d), 
          - চার্ম (p) ও  স্ট্রেঞ্জ (s) এবং 
          - টপ (t) ও বটম (b)
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,১৪৭.
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী সাইক্লোন কোন বছর ঘটে ছিল? 
  1. ১৯৬১ সালে 
  2. ১৯৭০ সালে 
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ২০০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালে 
ব্যাখ্যা

সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় (Cyclone): 
- সাইক্লোন শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "Kyklos" থেকে, যার অর্থ হলো Coil of Snakes বা সাপের কুণ্ডলী। 
অর্থাৎ, নিম্নচাপের কারণে যখন বাতাস প্রচণ্ড গতিবেগে ঘুরতে থাকে, তখন সেটাকে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে। 
- দক্ষিণ এশিয়াতে যা সাইক্লোন, আমেরিকাতে সেটা হ্যারিকেন (Hurricane) এবং দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোতে টাইফুন (Typhoon) নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশের উত্তরে হিমালয় পর্বত, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং মাঝখানে ফানেল আকৃতির উপকূলীয় এলাকা বিদ্যমান। 
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ দেশ। 
- ১৯৬০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অসংখ্য সাইক্লোন বাংলাদেশে আঘাত এনেছে যার মধ্যে ১৯৬০, ১৯৬১, ১৯৬৩, ১৯৬৫, ১৯৭০, ১৯৮৫, ১৯৯১, ২০০৭ ও ২০০৯ সালের সাইক্লোন ছিল প্রলয়ংকরী। তবে ১৯৭০ সালের সাইক্লোনটি সর্বকালের সবচেয়ে প্রলয়ংকরী সাইক্লোন হিসেবে পৃথিবীর ইতিহাসে চিহ্নিত হয়েছে। 

সাইক্লোন সৃষ্টির কারণ ও করণীয়: 
- সাইক্লোন সৃষ্টি হয় গভীর সমুদ্রে, তাই এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সহজসাধ্য নয়। 
- তবে যে দুটি কারণ মূলত সাইক্লোন সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তা হলো নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা। 
- সাধারণত সাইক্লোন তৈরি হতে সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়, দুর্ভাগ্যবশত বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারা বছরই এই তাপমাত্রা বিদ্যমান থাকে। 
- সমুদ্রের উত্তপ্ত পানি বাষ্পীভবনের ফলে উপরে উঠে যখন জল কণায় পরিণত হয় তখন বাষ্পীভবনের সুপ্ত তাপটি বাতাসে ছেড়ে দেয়। সে কারণে বাতাস উত্তপ্ত হয় এবং বাষ্পীভবন আরো বেড়ে যায়, ফলে বায়ুমণ্ডল অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি করে। নিম্নচাপ সৃষ্টি হলে আশপাশের বাতাস সেখানে ছুটে আসে, যা বাড়তি তাপমাত্রার কারণে ঘুরতে ঘুরতে উপরে উঠতে থাকে এবং সাইক্লোন সৃষ্টি করে। 
- এই প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট হওয়া ঘূর্ণিঝড়ের বাতাসের বেগ অনেক বেশি হয়। তবে বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার চাইতে বেশি হলে সেটাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। 
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে সবচেয়ে শক্তিশালী সাইক্লোন হয়েছিল ১৯৯১ সালে, তখন বাতাসের বেগ ছিল ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার। 

- সাইক্লোন অত্যন্ত শক্তিশালী, একটি দুর্বল সাইক্লোনও শক্তিতে মেগাটন শক্তির কয়েক হাজার পারমাণবিক বোমার সমান। 
- তাছাড়া যেহেতু সাইক্লোন একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ, তাই এটি প্রতিরোধ করা প্রায় অসাধ্য। 
- সম্প্রতি আমেরিকাতে ঝড়ের সময় সিলভার আয়োডাইড (AgI) নামক রাসায়নিক দ্রব্য বাতাসে ছড়িয়ে পানিকে শীতল করে ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ কমানোর চেষ্টা করা হলেও নানা ধরনের সীমাবদ্ধতার কারণে এটি ঠিকভাবে কাজ করেনি। 
- এছাড়া সাগরে তেল বা অন্যান্য  রাসায়নিক দ্রব্য ছিটিয়ে বাষ্পীভবন কমিয়ে ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার চিন্তাভাবনা করা হয়। তবে প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করা কখনোই বাস্তবভিত্তিক নয়। 
- ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস প্রক্রিয়া জোরদার করে মানুষের প্রাণ বাঁচানোর এবং সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 
- সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড়ের আরেকটি মারাত্মক দিক হলো জলোচ্ছ্বাস। তাই ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকায় উঁচু করে মজবুত আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। 
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় নিচু এলাকায় বসবাস করা মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। 
- জলোচ্ছ্বাস ঠেকানোর জন্য উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ তৈরি করা যেতে পারে, সাথে সাথে সেখানে প্রচুর গাছপালা লাগিয়েও ক্ষতির পরিমাণ কমানো সম্ভব। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৪৮.
'অভিব্যক্তি' বলতে কী বোঝায়? 
  1. জীবের অপরিবর্তিত থাকা 
  2. ধারাবাহিক পরিবর্তন ছাড়া হঠাৎ রূপান্তর 
  3. পরিবেশের প্রভাবে অস্থায়ী পরিবর্তন 
  4. জীবের ধীর ধারাবাহিক রূপান্তরের মাধ্যমে নতুন রূপ ধারণ করা 
সঠিক উত্তর:
জীবের ধীর ধারাবাহিক রূপান্তরের মাধ্যমে নতুন রূপ ধারণ করা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবের ধীর ধারাবাহিক রূপান্তরের মাধ্যমে নতুন রূপ ধারণ করা 
ব্যাখ্যা

বিবর্তন: 
- বিবর্তন একটি জৈবিক পদ্ধতি, এর প্রকৃত অর্থ হলো ক্রমবিকাশ।
- পৃথিবীতে বর্তমানে যত জীব রয়েছে তারা বিভিন্ন সময়ে এ ভূমণ্ডলে আবির্ভূত হয়েছে, আবার অনেক উদ্ভিদ ও প্রাণী সময়ের আবর্তে বিলুপ্ত হয়েছে। যেমন- ডাইনোসর আজ থেকে কয়েক মিলিয়ন বছর আগে বিলুপ্ত হয়েছে, আবার কোন কোন জীব ধীর গতিতে পরিবর্তন ঘটিয়ে এখনও টিকে আছে। 
- কয়েক লক্ষ বা হাজার বছর সময়ের ব্যাপকতায় জীব প্রজাতির পৃথিবীতে আবির্ভাব ও টিকে থাকার জন্য যে পরিবর্তন ও অভিযোজন প্রক্রিয়া তাকে জৈব বিবর্তন বলা হয়। 

- হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টেফেন জে. গোল্ড (১৯৯১) এর মতে 'Evolution' পরিপদটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন জার্মান জীববিদ Albrecht von Haller (১৭৭৪ সালে)। 
- তিনি বলেন ধীর অথচ ক্রমাগত ও পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের মাধ্যমে কোন সত্ত্বা সরল থেকে জটিল হওয়ার ধারাবাহিক পরিবর্তনই বিবর্তন। 
- কোন প্রাণী বা উদ্ভিদ ধীরে ধীরে ধারাবাহিক রূপান্তরের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ নতুন প্রাণী বা উদ্ভিদ এ পরিণত হওয়াকে অভিব্যক্তি বলা হয়। 
- অভিব্যক্তির মূল কথা হলো প্রজাতিগুলো পরিবর্তনযোগ্য অর্থাৎ দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে জীবের চেহারায় পরিবর্তন ঘটে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৪৯.
সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে পৃথিবী গ্রহের অবস্থান কত? 
  1. তৃতীয়
  2. প্রথম 
  3. দ্বিতীয় 
  4. চতুর্থ 
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা

গ্রহ: 
- গ্রহসমূহ সাধারণত গোলাকৃতির, গ্রহগুলোতে বিভিন্ন গ্যাসীয় পদার্থ রয়েছে। 
- কিন্তু গ্রহগুলো নিজেরা শক্তি উৎপাদন করে না, তাই কোনো গ্রহ নিজে আলো বা তাপ নিঃসরণ করে না। 
- পৃথিবী থেকে সূর্যের অন্যান্য গ্রহকে উজ্জ্বল দেখালেও এগুলো আসলে সূর্যের আলোতে আলোকিত। 
- সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে আটটি গ্রহ। 
যেমন- 
বুধ: 
- বুধ সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ। 
- বুধ গ্রহে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই। 

শুক্র: 
- পৃথিবী থেকে সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে সন্ধ্যাতারা এবং ভোরবেলায় শুকতারা রূপে যে তারাটি দেখা যায়, সেটি কোনো নক্ষত্র নয়। এটি আসলে সূর্যের একটি গ্রহ, যার নাম শুক্র। 
- সূর্যের আলো এ গ্রহের উপরে পড়ে, তাই একে আলোকিত দেখা যায়। 

পৃথিবী: 
- কেবল পৃথিবীতেই জীবনের জন্য উপযোগী উপকরণ ও পরিবেশ রয়েছে। 
- পৃথিবী সূর্য থেকে দূরত্বের দিক দিয়ে তৃতীয় গ্রহ। 

মঙ্গল: 
- মঙ্গলকে কখনো কখনো লাল গ্রহ বলা হয় কারণ এর পৃষ্ঠ লাল রঙের। এর পৃষ্ঠ ধূলিময় এবং খুবই পাতলা বায়ুমণ্ডল রয়েছে। 
- মঙ্গলের মাটির নিচে পানি থাকার সম্ভাবনা আছে বলে বিজ্ঞানীরা এখন মনে করেন। 

বৃহস্পতি: 
- বৃহস্পতি সূর্যের সবচেয়ে বড়ো গ্রহ। 
- এটিতে শুধু গ্যাসই রয়েছে, কোনো কঠিন পৃষ্ঠ নেই। 

শনি: 
- শনি গ্রহটিও কেবল গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এটিকে ঘিরে কতগুলো রিং বা আংটা রয়েছে। 

ইউরেনাস: 
- ইউরেনাস গ্যাস ও বরফ দিয়ে গঠিত। 

নেপচুন: 
- নেপচুনও অনেকটা ইউরেনাসের মতো একটি গ্রহ। 
- এছাড়া প্লুটো নামক একটি জ্যোতিষ্ককে গ্রহ বলা হতো। কিন্তু ২০০৬ সালে বিজ্ঞানীরা সিদ্ধান্ত নেন যে, এটি একটি ক্ষুদ্র অসম্পূর্ণ গ্রহাণু।

উৎস: বিজ্ঞান, সপ্তম শ্রেণি।

১,১৫০.
পৃথিবীর আহ্নিক গতি বলতে কী বোঝায়?
  1. পৃথিবীর কক্ষপথ পরিবর্তন
  2. চাঁদের চারপাশে পৃথিবীর আবর্তন
  3. পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন
  4. সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর আবর্তন
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর নিজ অক্ষে আবর্তন
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে নিজ অক্ষে অনবরত পশ্চিম হতে পূর্ব দিকে আবর্তন করছে।
- পৃথিবীর এই আবর্তনকে আহ্নিক গতি বা দৈনিক গতি বলা হয়।
- নিজ অক্ষে একবার ঘুরতে পৃথিবীর মোট ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড বা ২৪ ঘন্টা সময় প্রয়োজন। এই সময়কে সৌরদিন বলা হয়।
- নিরক্ষরেখা বরাবর পৃথিবীর ব্যাস সর্বাপেক্ষা বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলে পৃথিবীর আহ্নিক গতির বেগও সর্বাপেক্ষা বেশি।
- এই গতিবেগ মেরুদ্বয়ের দিকে ক্রমশ কমে আসতে থাকে এবং ৯০° উত্তর ও ৯০° দক্ষিণ মেরুবিন্দু দ্বয়ে প্রায় স্তিমিত হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৫১.
নিচের কোনটি পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্যে দায়ী নয়?
  1. জলীয় বাষ্প
  2. ওজোন
  3. মিথেন
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
- বায়ুমন্ডলে বিদ্যমান নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেন ব্যতীত অন্যান্য গৌণ গ্যাসসমূহ ‘গ্রিনহাউজ গ্যাস’ নামে পরিচিত।
- এসব গ্যাস পৃথিবী থেকে বিকিরিত সূর্যের তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর উষ্ণতা বৃদ্ধি করছে। শিল্পায়ন, নগরায়ন প্রভৃতির কারণে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে এসব গ্রিনহাউজ গ্যাসের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় পৃথিবীর তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে যা ‘গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ নামে পরিচিত।
গ্রিনহাউজ গ্যাসসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- কার্বন ডাই-অক্সাইড
- মিথেন
- জলীয় বাষ্প
- নাইট্রাস অক্সাইড
- ওজোন
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন
- হাইড্রো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ ন্যাশনালজিওগ্রাফিক এবং মার্কিন পরিবেশ এজেন্সি)
১,১৫২.
ট্রপোমণ্ডলে নিচের কোনটি ঘটে? 
  1. কুয়াশা
  2. বৃষ্টিপাত
  3. তুষারপাত
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ট্রপোমণ্ডল (Troposphere): 
- এই স্তরটি বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে নিচের স্তর, ভুপৃষ্ঠের সঙ্গে লেগে আছে। 
- মেঘ, বৃষ্টিপাত, বজ্রপাত, বায়ুপ্রবাহ, ঝড়, তুষারপাত, শিশির ও কুয়াশা সবকিছুই এই স্তরে সৃষ্টি হয়। 
- ট্রপোমণ্ডলের শেষ প্রান্তের অংশের নাম ট্রপোবিরতি (Tropopause)। 
- এই স্তর ভূপৃষ্ঠ থেকে নিরক্ষীয় অঞ্চলে প্রায় ১৬-১৯ কিলোমিটার এবং মেরু অঞ্চলে প্রায় ৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। 

ট্রপোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য: 
- ভূপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর ঘনত্ব ও উষ্ণতা কমতে থাকে। সাধারণভাবে প্রতি ১,০০০ মিটার উচ্চতায় ৬.৫° সেলসিয়াস তাপমাত্রা হ্রাস পায়। 
- উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে বাতাসের গতিবেগ বেড়ে যায়। 
- নিচের দিকের বাতাসে জলীয়বাষ্প বেশি থাকে। 
- ধূলিকণার অবস্থানের ফলে সমগ্র বায়ুমণ্ডলের ওজনের প্রায় শতকরা ৭৫ ভাগ এই স্তর বহন করে। 
- যে উচ্চতায় তাপমাত্রা বন্ধ হয়ে যায় তাকে ট্রপোবিরতি বলে। এখানে তাপমাত্রা - ৫৪° সেলসিয়াসের নিচে হতে পারে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৫৩.
MRI স্ক্যানারে চৌম্বক ক্ষেত্রের তীব্রতা পরিমাপে নিচের কোন এককটি প্রধানত ব্যবহার করা হয়?
  1. টেসলা (T)
  2. জুল (J)
  3. নিউটন (N)
  4. ওয়াট (W)
সঠিক উত্তর:
টেসলা (T)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেসলা (T)
ব্যাখ্যা
MRI:
- MRI এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)।
- MRI যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয় ।
- নিউক্লীয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্র কাজ করে। এই নীতি ব্যবহার করে কোনো অণুর প্রকৃতি সম্পর্কে তথ্য জানা যায় ৷
- MRI একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি।
- এই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না।
- শরীরের যে অংশের MRI স্ক্যান করা হয় সেখান থেকে প্রাপ্ত সংকেতকে একটি কম্পিউটারের সাহায্যে পরিবর্তিত করে সেই অংশের অত্যন্ত স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠন করা হয় ।
- প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে।
- এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে।
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়।
- ব্রেন এবং মেরুরজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।
- MRI স্ক্যানারে চৌম্বক ক্ষেত্রের তীব্রতা পরিমাপে টেসলা এককটি প্রধানত ব্যবহার করা হয়।

অন্যদিকে, 
- কাজ ও শক্তির একক জুল (J).
- বলের একক নিউটন (N).
- ক্ষমতার একক ওয়াট (W).

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১,১৫৪.
কোনটি আবিষ্কারের ফলে ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব এসেছে? 
  1. কম্পিউটার
  2. অসিলেটর
  3. ট্রানজিস্টর
  4. টেলিভিশন
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর: 
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে ইলেকট্রনিকস জগতে বিপ্লব এসেছে। 
- ১৯৪৮ সালে বেল ল্যাবরেটরির উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন পৃথিবীর প্রথম ব্যবহারিক পয়েন্ট-কন্টাক্ট ট্রানজিস্টর তৈরি করতে সক্ষম হন। 
- ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। 
- n-p-n এবং p-n-p দুই ধরনের ট্রানজিস্টর আছে। 
- n-p-n ট্রানজিস্টরের যেদিক দিয়ে কারেন্ট ঢোকে তার নাম কালেক্টর এবং n-p-n ট্রানজিস্টরের যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম অ্যামিটার (Emitter)। 
- মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতো। 
- এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে। আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। 
- এই ট্রানজিস্টর দিয়ে অসংখ্য ইলেকট্রনিকস যন্ত্রপাতি তৈরি করা হয়। 
- ছোট সিগন্যালকে বড় করার জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়, যেটাকে বলা হয় অ্যামপ্লিফায়ার। 
- নানা ধরনের সিগন্যালকে প্রক্রিয়া করার জন্যও ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৫৫.
মহাকাশে মানুষ বহনকারী প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহটির নাম কি?
  1. ক) স্পুটনিক-১
  2. খ) ভস্টক-১
  3. গ) ইনটেলসেট-১
  4. ঘ) ল্যান্ডসেট-১
সঠিক উত্তর:
খ) ভস্টক-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভস্টক-১
ব্যাখ্যা

Vostok, any of a series of manned Soviet spacecraft, the initial flight of which carried the first human being into space. Launched on April 12, 1961, Vostok 1, carrying cosmonaut Yury A. Gagarin, made a single orbit of Earth before reentry.
সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১,১৫৬.
কোন বিজ্ঞানী তাপ গতিবিজ্ঞানে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন?
  1. ক) কোপার্নিকাস
  2. খ) লর্ড কেলভিন
  3. গ) ইরাতোস্থিনিস
  4. ঘ) গ্যালিলিও
সঠিক উত্তর:
খ) লর্ড কেলভিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লর্ড কেলভিন
ব্যাখ্যা
১৭৯৮ সালে কাউন্ট রামফোর্ড দেখান, তাপ এক ধরনের শক্তি এবং যান্ত্রিক শক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর করা যায়। আরও অনেক বিজ্ঞানীর গবেষনার উপর ভিত্তি করে লর্ড কেলভিন ১৮৫০ সালে তাপ গতিবিজ্ঞানের (থার্মোডিনামিক্সের) দুটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র দিয়েছিলেন।
উৎসঃ ৯ম-১০ম শ্রেণি - পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই।
১,১৫৭.
সূর্য কী?
  1. ধূমকেতু
  2. নক্ষত্র 
  3. গ্রহ
  4. উপগ্রহ
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নক্ষত্র 
ব্যাখ্যা

সূর্য: 
- সূর্য একটি নক্ষত্র। 
- এটি একটি জ্বলন্ত গ্যাসপিণ্ড। 
- এটি হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এর ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটার। 
- পৃথিবী থেকে এর গড় দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। 
- সূর্যের বিকিরণকৃত তাপের মাত্র ২০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ পৃথিবীতে আসে। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৫৮.
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত 'GPS' এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Great Positioning System
  2. Global Positioning System
  3. Global Pointing System
  4. Global Publication System
সঠিক উত্তর:
Global Positioning System
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Global Positioning System
ব্যাখ্যা
GPS: 
- আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত GPS এর পূর্ণরূপ 'Global Positioning System'
- GPS হলো এমন একটি স্যাটেলাইটনির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থা যার মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের যেকোনো স্থানের অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়। 
- সময়ের সাথ সাথে জিপিএস প্রযুক্তির ব্যাপক উন্নতি সাধনের কারণে এখন মোবাইলের মাধ্যমেই যেকোনো বস্তু বা ব্যক্তির অবস্থান যথাযথভাবে নির্ণয়, ট্র্যাকিং সহ আরও অনেক সুবিধা ভোগ করা যায়। 
- জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং হলো একটি নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম। 
- এটি ব্যবহারকারীদের অবস্থান, নেভিগেশন এবং সময় সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করে। 
- এর সাহায্যে আমরা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বসে আমাদের বর্তমান লোকেশন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারি। 
- আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই প্রযুক্তি দ্বারা যেকোনো বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব। 

উৎস: Britannica.com
১,১৫৯.
টেকটোনিক প্লেট তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. আলফ্রেড ওয়েগেনার
  2. চার্লস ডারউইন
  3. আইজ্যাক নিউটন
  4. নিকোলাস কোপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড ওয়েগেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড ওয়েগেনার
ব্যাখ্যা
◉ আলফ্রেড ওয়েগেনার ১৯১২ সালে মহাদেশীয় সঞ্চালন তত্ত্ব (Continental Drift Theory) প্রস্তাব করেন, যা পরবর্তীতে টেকটোনিক প্লেট তত্ত্বের ভিত্তি তৈরি করে। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠ বিশাল প্লেটে বিভক্ত, যা ধীরে ধীরে সরে যায় এবং ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরি ও পাহাড় গঠনের জন্য দায়ী।

টেকটোনিক প্লেট:
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।

- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত। প্লেটগুলো হলো:
• ইউরেশীয় প্লেট (Eurasian Plate),
• উত্তর আমেরিকান প্লেট (North American Plate),
• দক্ষিণ আমেরিকান প্লেট (South American Plate),
• আফ্রিকান প্লেট (African Plate),
• অ্যান্টার্কটিক প্লেট (Antarctic Plate),
• ভারত-অস্ট্রেলীয় প্লেট (Indo-Australian Plate) ও
• প্রশান্ত মহাসাগরীয় প্লেট (Pacific Plate)

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,১৬০.
সাইক্লোন গঠনের পেছনে কী দায়ী?
  1. উচ্চচাপ
  2. নিম্নচাপ
  3. সমুদ্রস্রোত
  4. নিম্ন তাপমাত্রা
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নচাপ
ব্যাখ্যা
• সাইক্লোন: 
- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা। 
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়। 
- বঙ্গোপসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। 
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। 
 
উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৬১.
কিসের সমন্বয়ে আইসি (IC) তৈরি হয়?
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) ক্যাপাসিটর
  3. গ) ডায়োড
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, ডায়োড বা রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে।
আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। সাথে সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১,১৬২.
আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ভিত্তিতে কোনটির ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়?
  1. মহাকর্ষ
  2. নাক্ষত্রিক গতি প্রকৃতি
  3. সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্ব
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিকতার নীতি (Principle of Relativity): 
- যখন কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ পরিমাপ করা হয় তখন কোনো স্থির বিন্দুকে প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- ঐ প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দূরত্বকে তার অবস্থান বলা হয় এবং প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দ্রতিকে বেগ বলা হয়।
- কিন্তু এই মহাবিশ্বে কোনো কিছুই স্থির নয়।
- সুতরাং পরম স্থির বলে কোনো অবস্থান পাওয়া সম্ভব নয় যাকে স্থির প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা যায়।
- তাই প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে যা পরিমাপ করা হয় তা পরম নয়।
অর্থাৎ, সব সময় অবস্থান বা বেগকে আপেক্ষিকভাবে পরিমাপ করি।
- চিরায়ত বল বিদ্যার মতে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি।
- কিন্তু ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান।
- তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক।
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এদের পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ।
- উচ্চ গতিশীল (আলোর কাছাকাছি বেগে) বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধ মানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টাইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক বলা হয়। - পরমাণবিক ও নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে এই তত্ত্বের গুরত্ব অপরিসীম।
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বে বলেন প্রাকৃতিক নিয়মাবলীর গাণিতিক সূত্রসমূহ সকল জড় কাঠামোতে অভিন্ন। এটাই আপেক্ষিকতার নীতি।
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬৩.
টর্নেডো কী কারণে সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ভূমিকম্প
  2. খ) অত্যধিক বৃষ্টিপাত
  3. গ) ঘূর্ণিঝড়
  4. ঘ) বায়ুর নিম্মচাপ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়ুর নিম্মচাপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বায়ুর নিম্মচাপ
ব্যাখ্যা
• টর্নেডো বায়ুর নিম্মচাপের জন্য সৃষ্টি হয়।

টর্নেডো: টর্নেডো মূলত অতি দ্রুত আবর্তনশীল ক্ষুদ্র আকারের অথচ প্রলয়ঙ্কারী বজ্রঝড়।
- টর্নেডো একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ যা স্থলভাগে সৃষ্টি হয়।
- স্থলভাগে নিম্নচাপ সৃষ্টির ফলে উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে শীতল ও ভারী বায়ু প্রবল বেগে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়ে টর্নেডোতে রূপ নেয়।
- এটি চোঙ আকৃতির হয়ে থাকে এবং এই বজ্রঝড়ের মধ্যভাগে বায়ু অতিদ্রুত বেগে উপরে উঠতে থাকে।
- এই চোঙ যদি ভূমি স্পর্শ করে তখন ধ্বংসলীলা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে।
- তবে চোঙ ভূমি স্পর্শ না করলে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয় না।
- টর্নেডোর ব্যাস ভূ-পৃষ্ঠের উপরে ১০০ থেকে ৫০০ গজ পর্যন্ত হয়। 

উৎস: ভূগোল-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬৪.
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঋতু বৈচিত্রের পরিবর্তনের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. বন্যা
  2. তীব্রখরা
  3. ভূমিক্ষয়
  4. অতিবৃষ্টি
সঠিক উত্তর:
ভূমিক্ষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিক্ষয়
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব: 
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের ঋতুচক্র বদলে যাচ্ছে, এর নেতিবাচক প্রভাব দেশের কৃষি উৎপাদনের উপরে পড়তে শুরু করেছে। 
- বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম একটি নিদর্শন বৃষ্টিপাতের ধরন পাল্টে যাওয়া।
- খরাসহ বিভিন্ন কারণে দেশে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দিনে দিনে নিম্নমুখী হয়ে সেচ কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে যার ফলে বিভিন্ন কৃষির উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। 
- জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দেশে ফসল উৎপাদন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
- পরিবেশ ও কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, আবহাওয়ার অসংলগ্ন আচরণের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে কৃষি খাতকে ইতিমধ্যে ধকল পোহাতে হচ্ছে। 
- দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি ছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রের আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। 
- ফলে অতিবৃষ্টি, অসময়ে বৃষ্টি, বন্যা, তীব্রখরা, নদীর নাব্যতা সংকট, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি সমস্যা দিন দিন প্রকট হচ্ছে। 
- এই সবগুলোই কৃষি খাতের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। 
যেমন- 
• ফসল উৎপাদনে খরার প্রভাব, 
• ফসল উৎপাদনে তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাব, 
• ফসল উৎপাদনে লবণাক্ততা বৃদ্ধির প্রভাব, 
• ফসল উৎপাদন এবং কার্বন নিঃসরণ, 
• সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি ও ফসল উৎপাদনে তার প্রভাব ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- বায়ু প্রবাহের প্রভাবের জন্য ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা সৃষ্টি, জমির উর্বরতার হ্রাস-বৃদ্ধি, ভূমিক্ষয়, জমির গঠন, বাস্তুসংস্থানের সক্রিয়তা, পানিচক্র বা খাদ্য চক্রের মত প্রক্রিয়ার স্বাভাবিকতা রক্ষা ইত্যাদিতে পরিবর্তন ঘটে। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬৫.
বায়ূ দূষণের ফলে সৃষ্ট রোগ কোনটি?
  1. ক) আমাশয়
  2. খ) ডায়রিয়া
  3. গ) অ্যাজমা
  4. ঘ) টাইফয়েড
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যাজমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অ্যাজমা
ব্যাখ্যা
- জগতের প্রতিটি প্রাণের অস্তিত্বের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বায়ু। বায়ু দূষণের ফলে মানব স্বাস্থ্যের উপর যে প্রভাব পড়ে তা হলো- 

মানব স্বাস্থ্যের উপর বায়ু দূষণের প্রভাব:
- বায়ু দূষণের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় মানব স্বাস্থ্য।
- দূষিত বায়ু গ্রহণের মাধ্যমে শুধুমাত্র শ্বাস-প্রশ্বাসই নয় এর মাধ্যমে জীবনও বিপন্ন হতে পারে।
- বায়ু দূষণের ফলে শ্বাসনালীতে জ্বালা, কাশি ও দম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- বিশেষ করে সালফারের অক্সাইডগুলো ফুসফুসে নানা ধরনের রোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ।
- নাইট্রোজেনের অক্সাইডগুলোর বিষাক্ত প্রতিক্রিয়ায় ফুসফুস ফুলে যায় এবং ফুসফুসে পানি জমে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
- অতিমাত্রায় বায়ু দূষণ দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানি, শ্বাসনালীর প্রদাহ ও কণ্ঠস্বর ভঙ্গের কারণ হতে পারে।

বায়ু দূষণের ফলে মানব স্বাস্থ্যের আরো যেসব ক্ষতি হতে পারে:
১. অ্যাজমা
২. ব্রঙ্কাইটিজ 
৩. মাথাব্যাথা 
৪. চোখের সমস্যা 
৫. হাইপারটেনশন 
৬. রক্তের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা হ্রাস
৭. হৃদরোগ
৮. অবসন্নতা  
৯. মাথা ঘূন্নি 
১০. আলসার
১১. বমি বমি ভাব 
১২. খিচুনী ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৬৬.
কোন গ্রহের চারটি বৃহত্তম চাঁদকে গ্যালিলিয়ান উপগ্রহ বলা হয়?
  1. ইউরেনাস
  2. মঙ্গল
  3. বৃহস্পতি
  4. শনি
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা

বৃহস্পতির চাঁদ বা উপগ্রহ:
- বৃহস্পতির ৯৫টি চাঁদ রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সংঘ (IAU) দ্বারা স্বীকৃত।
- এই চাঁদগুলো ১৬১০ সালে জ্যোতির্বিজ্ঞানী গ্যালিলিও গ্যালিলি প্রথম দূরবীক্ষণ যন্ত্র ব্যবহার করে আবিষ্কার করেন।
- চারটি বৃহত্তম চাঁদকে (গ্যালিলিয়ান স্যাটেলাইটস) গ্যালিলিয়ান উপগ্রহ বলা হয়।

• বৃহত্তম চারটি চাঁদ-
- আইও (Io): সৌরজগতের সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরিময় বস্তু।
- ইউরোপা (Europa): এর বরফ আচ্ছাদনের নিচে তরল জলের একটি মহাসাগর থাকতে পারে, যেখানে জীবনের জন্য উপাদান রয়েছে।
- গ্যানিমিড (Ganymede): সৌরজগতের বৃহত্তম চাঁদ, যা বুধ গ্রহের চেয়েও বড়।
- ক্যালিস্টো (Callisto): এতে কয়েকটি ছোট গর্ত রয়েছে, যা ইঙ্গিত করে যে এর পৃষ্ঠে খুব সামান্য কার্যকলাপ বিদ্যমান।

উৎস: NASA Science ওয়েবসাইট।

১,১৬৭.
উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র কোনটি? 
  1. পাইরোমিটার 
  2. ট্যাকোমিটার 
  3. ওডোমিটার 
  4. অডিওমিটার 
সঠিক উত্তর:
পাইরোমিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাইরোমিটার 
ব্যাখ্যা

- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র- পাইরোমিটার। 

আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিমাপক যন্ত্র: 
- সেক্সট্যান্ট- সূর্য ও অন্যান্য গ্রহের কৌণিক উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র। 
- সিসমোগ্রাফ- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র। 
- মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র- ওডোমিটার। 
- ট্যাকোমিটার- উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র। 
- অ্যালটিমিটার- উচ্চতা নির্ণায়ক যন্ত্র। 
- অডিওমিটার- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক যন্ত্র। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১,১৬৮.
পৃথিবীর প্রকৃত আকৃতি কীসের মতো?
  1. আয়তাকার
  2. নিখুঁত গোলক
  3. উপবৃত্তাকার
  4. অভিগত গোলক
সঠিক উত্তর:
অভিগত গোলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিগত গোলক
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর আকার ও আকৃতি (Size and Shape of the Earth):
- ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল, মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথমবারের মতো মহাকাশ থেকে পৃথিবীকে দেখেন।
- তিনি বুঝতে পারেন যে পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয়, বরং কিছুটা চাপা এবং স্ফীত। তার তোলা ছবিতেও পৃথিবীকে গোলাকার দেখা যায়।
- তবে বাস্তবে পৃথিবীর আকৃতি একদম নিখুঁত গোল নয়। বরং এটি কিছুটা চাপা ও স্ফীত হওয়ায় এর প্রকৃত আকৃতি হয় অভিগত গোলক (Oblate Spheroid)।

•  পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যাস:
- নিরক্ষীয় ব্যাস (পূর্ব-পশ্চিমে) = ১২,৭৫৭ কি.মি.।
- মেরুদেশীয় ব্যাস (উত্তর-দক্ষিণে) = ১২,৭১৪ কি.মি.
- পার্থক্য = ৪৩ কি.মি.।
- গড় ব্যাস = ১২,৭৩৪.৫ কিমি → প্রায় ১২,৮০০ কিমি (গণনার সুবিধার জন্য)।
- পৃথিবীর ব্যাসার্ধ ও পরিধি:
- গড় ব্যাসার্ধ = ৬,৪০০ কি.মি.।
- নিরক্ষীয় পরিধি = ৪০,০৭৭ কি.মি.।
- মেরুদেশীয় পরিধি = ৪০,০০৯ কি.মি.।
- গড় পরিধি ≈ ৪০,০০০ কি.মি.।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,১৬৯.
মহাবিশ্বের উৎপত্তি এবং বিবর্তন সম্পর্কে কোনটিতে আলোচনা করা হয়?
  1. ক) জেনেটিক্স 
  2. খ) কসমোলজি
  3. গ) সমুদ্রবিদ্যা
  4. ঘ) প্রত্নতত্ত্ববিদ্যা
সঠিক উত্তর:
খ) কসমোলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কসমোলজি
ব্যাখ্যা
মহাবিশ্বের উৎপত্তি এবং বিবর্তন সম্পর্কে কসমোলজি শাখায় আলোচনা ও গবেষণা করা হয়। কসমোলজি মূলত জ্যোতির্বিদ্যার একটি শাখা। NASA'র সংজ্ঞানুসারে, কসমোলজির সংজ্ঞা হল "সম্পূর্ণ মহাবিশ্বের বৃহৎ আকারের বৈশিষ্ট্যগুলির বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন।" 

সূত্র: নাসা ওয়েবসাইট। 
১,১৭০.
ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ কত হলে তাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়?
  1. ৪০ কিলোমিটার বা তার বেশি
  2. ৪৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
  3. ৫১ কিলোমিটার বা তার বেশি
  4. ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
সঠিক উত্তর:
৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি
ব্যাখ্যা
• সাইক্লোন হলো একটি প্রাকৃতিক বায়ুপ্রবাহ যা শক্তিশালী ঘূর্ণায়মান বাতাসের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়। সাধারণত, যখন বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হয়, তখন তাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়। এই ধরনের বাতাস খুবই শক্তিশালী এবং এর ফলে প্রচণ্ড বৃষ্টিপাত, প্রবল ঝড়, ও বন্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়। সাইক্লোন সাধারণত গভীর নিম্নচাপের অঞ্চল থেকে সৃষ্টি হয় এবং এটি স্থল বা সাগরের উপরে দ্রুত বেগে চলতে থাকে। সুতরাং, ঘন্টায় বাতাসের গতি যদি ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হয়, তখন সেটাকে সাইক্লোন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সাইক্লোনের কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে, তাই এটি গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

সাইক্লোন:

- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
- সাধারণভাবে সাগরের তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তা সাইক্লোন সৃষ্টির জন্যে উপযোগী হয়।
- বঙ্গোসাগরে প্রায় সারাবছর এই পরিমাণ তাপমাত্রা থাকার কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।
- বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে একে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৭১.
পুকুরের পানির ভেতর মাছকে কিছুটা ওপরে দেখা যাওয়ার কারণ আলাের কোন ঘটনা?
  1. ক) প্রতিফলন
  2. খ) প্রতিসরণ
  3. গ) অপবর্তন
  4. ঘ) সমবর্তন
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিসরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা

আলোর প্রতিসরণের ফলে- 
১) পুকুরের পানির ভেতর মাছকে কিছুটা ওপরে দেখা যায়।
২) একটি সরল দণ্ডকে তির্যকভাবে পানিতে ডোবালে বাঁকা দেখা যায়
৩) পানিতে ডােবানাে পয়সা উপর থেকে তাকালে কিছুটা উপরে দেখা যায়
৪) খাড়াভাবে তাকালে পুকুরের গভীরতা প্রকৃত গভীরতা থেকে কম মনে হয়
(উৎসঃ  ৯ম- ১০ম শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান আলোকে )

১,১৭২.
বোসন কোন ধরনের কণা?
  1. যৌগিক কণা 
  2. জটিল কণা 
  3. দুর্বল কণা
  4. মৌলিক কণা 
সঠিক উত্তর:
মৌলিক কণা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক কণা 
ব্যাখ্যা

কণা: 
- কণাকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- মৌলিক কণা এবং যৌগিক কণা। 
- মৌলিক কণা হলো এমন কণা যার ভিতরে আর কোনও কণা নেই। 
- যৌগিক কণা হলো এমন কণা যা দুটি বা ততোধিক মৌলিক কণার সমন্বয়ে গঠিত। 
 
বোসন: 
- বোসন হল মৌলিক কণা যেগুলো পূর্ণসংখ্যার মান (০, ১, ২ ইত্যাদি) স্পিন করে। 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা ০, ১ ইত্যাদি। 
-  স্পিন হল কণার চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের একটি পরিমাপ। 
- স্পিন পূর্ণসংখ্যা থাকার কারণে, বোসনরা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না। 
- পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই শক্তিস্তরে একই কোয়ান্টাম সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি কণা একই স্থান দখল করতে পারে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। 
যথা- ১। গেজ বোসন ও ২। হিগস বোসন। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৭৩.
IC এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Integrated Circuit
  2. খ) Integrated Circle
  3. গ) Integrated Cycle
  4. ঘ) Internal Coil
সঠিক উত্তর:
ক) Integrated Circuit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Integrated Circuit
ব্যাখ্যা

- IC এর পূর্ণরূপ - Integrated Circuit
- আইসি হল একটি সংকর সমন্বিত বর্তনী যার উপরে একাধিক ভিন্ন ভিন্ন অর্ধপরিবাহী বস্তু ও নিষ্ক্রিয় (প্যাসিভ) উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত ক্ষুদ্র ইলেক্ট্রনিক বর্তনী।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটকে মাইক্রোইলেক্ট্রনিক সার্কিট, মাইক্রোচিপ বা চিপও বলা হয়।

উৎস: Britannica

১,১৭৪.
ফেরেলের সূত্রানুযায়ী, বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে কোন দিকে বেঁকে যায়?
  1. সোজা দিকে
  2. উল্টো দিকে
  3. ডান দিকে
  4. বাম দিকে
সঠিক উত্তর:
ডান দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডান দিকে
ব্যাখ্যা
• কোরিওলিস প্রভাব:
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ু উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয়।
- বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তনের এই শক্তিকেই বলা হয় কোরিওলিস প্রভাব/শক্তি।
- গোলার্ধভিত্তিক এই পরিবর্তন কোনো প্রবাহিত চলমান বস্তুর উপর পৃথিবীর ঘূর্ণন বলের প্রভাব বলে অনুমান করা যায়।
- এই দিক পরিবর্তনকারী শক্তি -
১. বায়ুপ্রবাহের দিক পরিবর্তনে প্রভাব ফেলে যা সর্বদা লম্বভাবে ক্রিয়া করে।
২. কোরিওলিস শক্তি বায়ুর গতির উপর কোনো প্রভাব ফেলে না।
৩. কোরিওলিসের প্রভাব মেরুতে সবচেয়ে বেশি এবং বিষুবীয় এলাকায় অস্তিত্ব লোপ পায়।

• পৃথিবীর আবর্তন:
- আহ্নিক গতির কারণে পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে।
- পৃথিবীর এইরূপ আর্বতনের সাথে সাথে সাগর মহাসাগরের পানিরাশিও পশ্চিম হতে পূর্বদিকে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্র স্রোতের সৃষ্টি হয়।
- আবর্তন গতির ফলে সৃষ্ট সমুদ্র স্রোত ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে প্রবাহিত হয।
- যেমন: উত্তর গোলার্ধে উপসাগরীয় স্রোত ও ক্যানারি স্রোতের প্রবাহ ঘড়ির কাঁটার দিকে অর্থাৎ ডান দিক ঘুরে প্রবাহিত হয়।
- একইভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে ব্রাজিল স্রোত ও পশ্চিমা বায়ু প্রবাহজনিত স্রোত ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে ঘুরে প্রবাহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৭৫.
বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়?
  1. নাইট্রোজেন
  2. পটাশিয়াম
  3. অক্সিজেন
  4. ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
- মাটিতে নাইট্রোজেনের উৎস নাইট্রোজেন লবণ। 
- বায়ুমণ্ডলে শতকরা প্রায় ৮০ ভাগ নাইট্রোজেন থাকা সত্ত্বেও উদ্ভিদ সরাসরি বায়ুমণ্ডল থেকে নাইট্রোজেন গ্রহণ করতে পারে না। 
- উদ্ভিদ মাটি থেকে আয়নিত অবস্থায় নাইট্রোজেন গ্রহণ করে থাকে। 
- বিশ্বে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া অন্যতম প্রধান এবং বহুল ব্যবহৃত সার। 

- বজ্রপাত একটি শক্তিশালী সার প্রদানকারী এজেন্ট। 
- প্রতিবার বজ্রপাত ঘটলে বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন বা অক্সিজেনের সাথে মিলিত হয়ে অ্যামোনিয়াম এবং নাইট্রেট তৈরি করে। 
- নাইট্রোজেন তারপর বৃষ্টিতে মাটিতে ধুয়ে যায়। 
- গাছপালা তখন মাটি থেকে নাইট্রোজেন শোষণ করে এবং বৃদ্ধির জন্য ব্যবহার করে। 
- যেহেতু ইহা ক্লোরোফিলের একটি মূল উপাদান বিধায় নাইট্রোজেন গাছের সবুজায়ন ঘটায়। 

Lightening is a potent fertilizing agent. Every time it strikes, nitrogen in the atmosphere is combined with hydrogen or oxygen to form ammonium and nitrate, two forms of nitrogen. The nitrogen then goes into solution in atmospheric moisture and is washed to the ground in rainfall. Plants then absorb nitrogen from the ground and utilize it for growth. Since it is a key constituent in chlorophyll, the green pigment of plants, nitrogen causes a greening of the plant.

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং cals.arizona.edu
১,১৭৬.
‘পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন’ এই বিষয়টি কে পরীক্ষা করে দেখান?
  1. ক) নিউটন
  2. খ) আইনস্টাইন
  3. গ) স্টিফেন হকিং
  4. ঘ) ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
খ) আইনস্টাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আইনস্টাইন
ব্যাখ্যা
১৯০৫ সালে আইনস্টাইন দেখান যে, পদার্থ এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে অভিন্ন। E = mc2, একে আইনস্টাইনের পদার্থ ও শক্তির অভিন্নতা বিষয়ক সূত্র বলা হয়।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১,১৭৭.
অন্ধদের জন্য লিখনরীতির উদ্ভাবন করেন-
  1. ক) ব্রেইল
  2. খ) কপার্নিকাস
  3. গ) ডেভিটবোর
  4. ঘ) টমাস আলভা এডিসন
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রেইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রেইল
ব্যাখ্যা
- Braille, universally accepted system of writing used by and for blind persons and consisting of a code of 63 characters, each made up of one to six raised dots arranged in a six-position matrix or cell.
- These Braille characters are embossed in lines on paper and read by passing the fingers lightly over the manuscript.
- Louis Braille, who was blinded at the age of three, invented the system in 1824 while a student at the Institution Nationale des Jeunes Aveugles (National Institute for Blind Children), Paris.

Source: Britannica
১,১৭৮.
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ভিডিও কনফারেন্সিং একটি ___ প্রক্রিয়া।
  1. একমুখী
  2. উভমুখী
  3. বহুমুখী
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উভমুখী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উভমুখী
ব্যাখ্যা
আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা: 
- ভিন্ন ভৌগোলিক দূরত্বে কিছু ব্যক্তি অবস্থান করে টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের মাধ্যমে সংযুক্ত থেকে কোন সভা অথবা সেমিনার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং। 
- বিভিন্ন ধরনের টেলিকনফারেন্সিং ব্যবস্থা রয়েছে। 
যেমন- পাবলিক কনফারেন্স, ক্লোজড কনফারেন্স এবং অনলি কনফারেন্স। 
- টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,১৭৯.
মহাবিশ্বের গঠনে অদৃশ্য বস্তুর অবদান প্রায়-
  1. 70%
  2. 27%
  3. 5%
  4. 35%
সঠিক উত্তর:
27%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
27%
ব্যাখ্যা
By fitting a theoretical model of the composition of the universe to the combined set of cosmological observations, scientists have come up with the composition:
~68% dark energy, ~27% dark matter, ~5% normal matter. 

Source: science.nasa.gov
১,১৮০.
ভূমিকম্পের কেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ-পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. সমকেন্দ্র
  2. উপকেন্দ্র
  3. অনুকেন্দ্র
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপকেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকেন্দ্র
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
- কম্পকেন্দ্র বরাবর লম্বভাবে ভূ-পৃষ্ঠের যে বিন্দুটি থাকে, তাকে উপকেন্দ্র বলা হয়।
- সাধারণত ভূ-ত্বকের ৩২ কি.মি. এর মধ্যে ভূমিকম্পের উৎস স্থান থাকলেও কোনো কোনো ক্ষেত্রে গভীরতা আরও বেশি হতে পারে।
- কম্পকেন্দ্র থেকে ভূমিকম্প চারিদিকে ঢেউ-এর মত ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়ে থাকে। ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৮১.
মহাকাশযাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল কত সালে?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৫১ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
  5. ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
- মহাকাশযাত্রার প্রথম পদক্ষেপটির সূচনা হয়েছিল ১৯৫৭ সালের ৪ঠা অক্টোবর।
- এই যাত্রার সূচনা করে তৎকালীন সোভিয়েট ইউনিয়ন।
- তারা স্পুটনিক-১ নামক - কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে উৎক্ষেপণ করে।
- স্পুটনিক শব্দের অর্থ হলো ভ্রমণসঙ্গী বা সহযাত্রী।
- একই বছর ২রা নভেম্বর স্পুটনিক-২ নামক আরেকটি কৃত্রিম উপগ্রহ তারা মহাকাশে পাঠান।

উল্লেখ্য,
- প্রথম মার্কিন কৃত্রিম উপগ্রহের নাম এক্সপ্লোরার-১।
- এই উপগ্রহ ১৯৫৮ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ভস্টক-১ নামক সোভিয়েট কৃত্রিম উপগ্রহ মানুষ নিয়ে প্রথম পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে।
- প্রথম মহাকাশে গিয়েছিলেন সোভিয়েট ইউনিয়নের ইউরি গ্যাগারিন।
- তিনি ১৯৬১ সালের ১২ই এপ্রিল ভস্টক-১ কৃত্রিম উপগ্রহে চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করেন।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১,১৮২.
জ্যোতিষ্ক কত প্রকার?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭
ব্যাখ্যা

মহাশূন্যে অবস্থিত বস্তুসমূহকে জ্যোতিষ্ক বলা হয়ে থাকে।
জ্যোতিষ্ক ৭ প্রকার।
যথা-নক্ষত্র, নীহারিকা, গ্রহ, উপগ্রহ, ছায়াপথ, ধূমকেতু এবং উল্কা।
উৎস: ভূগােল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

১,১৮৩.
জোয়ার-ভাটা সম্পর্কিত কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) ভাটার স্রোতের বিপরীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়
  2. খ) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাবে জোয়ার-ভাটা হয়
  3. গ) দৈনিক একবার জোয়ার-ভাটা হয়
  4. ঘ) জোয়ার-ভাটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে নদীখাত গভীর হয়
সঠিক উত্তর:
গ) দৈনিক একবার জোয়ার-ভাটা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দৈনিক একবার জোয়ার-ভাটা হয়
ব্যাখ্যা
প্রধানত দুটি কারণে জোয়ার-ভাটার সৃষ্টি হয়। এগুলাে হলাে-
(১) চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব
(২) পৃথিবীর আবর্তনের ফলে উৎপন্ন কেন্দ্রাতিগ শক্তি।
জোয়ার-ভাটার প্রভাব (Effects of Tides): মানব-জীবনের উপর জোয়ার-ভাটার যথেষ্ট প্রভাব আছে। বিশ্বের সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশসমূহে জোয়ার-ভাটার নিম্নের প্রভাবসমূহ লক্ষ করা যায়।
১। জোয়ার-ভাটার মাধ্যমে ভূখন্ড থেকে আবর্জনাসমূহ নদীর মধ্য দিয়ে সমুদ্রে গিয়ে পতিত হয়।
২। দৈনিক দুবার জোয়ার-ভাটা হওয়ার ফলে ভাটার টানে নদীর মােহনায় পলি ও আবর্জনা জমতে পারে না।
৩। জোয়ার-ভাটার ফলে সৃষ্ট স্রোতের সাহায্যে নদীখাত গভীর হয়।
৪। বহু নদীতে ভাটার স্রোতের বিপরীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ (Hydroelectricity) উৎপাদন করা হয়।
উৎসঃ ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৮৪.
মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কে প্রাথমিক ও প্রধান তত্ত্ব কোনটি?
  1. ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব
  2. বিগব্যাং তত্ত্ব
  3. আপেক্ষিক তত্ত্ব
  4. নিউটনের গতি সূত্রীয় তত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
বিগব্যাং তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিগব্যাং তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কে প্রাথমিক ও প্রধান তত্ত্ব হলো বিগব্যাং তত্ত্ব (খ)। এই তত্ত্ব অনুযায়ী, প্রায় ১৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে মহাবিশ্ব একটি অত্যন্ত ঘন ও উত্তপ্ত বিন্দু থেকে বিস্ফোরণের মাধ্যমে প্রসারিত হতে শুরু করে। সেই বিস্ফোরণের ফলেই স্থান, সময়, পদার্থ ও শক্তির সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ধীরে ধীরে গ্যালাক্সি, নক্ষত্র, গ্রহ ও অন্যান্য জাগতিক বস্তুর গঠন ঘটে। ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্ব জীবজগতের বিকাশ ব্যাখ্যা করে, আপেক্ষিক তত্ত্ব মহাকর্ষ ও স্থান-সময়ের সম্পর্ক ব্যাখ্যা করে এবং নিউটনের গতি সূত্র বস্তুগত গতি বোঝায়, কিন্তু মহাবিশ্বের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করে না।

মহাবিশ্ব: 
- এ সৃষ্টি জগতে যা কিছু আছে তার সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
যেমন- ক্ষুদ্র পোকামাকড় ও ধূলিকণা থেকে শুরু করে এই পৃথিবী, দূর-দূরান্তের গ্রহ-নক্ষত্র, ধূমকেতু, গ্যালাক্সি এবং দেখা না দেখা সবকিছু নিয়েই মহাবিশ্ব। 
- অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মহাবিশ্বের শুরু ও শেষ নেই, তবে কেউ কেউ এখনও বিশ্বাস করেন মহাবিশ্বের আকার ও আকৃতি আছে। 
- বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন, মহাবিশ্বের কোনো কোনো অংশে বস্তু বা পদার্থের উপস্থিতি অন্য অংশের চেয়ে বেশি। 
- যেসব অংশে পদার্থ বা বস্তু বেশি জড়ো বা ঘনীভূত হয়েছে, তাদের বলা হয় গ্যালাক্সি বা নক্ষত্রজগৎ। গ্যালাক্সি হলো গ্রহ ও নক্ষত্রের এক বৃহৎ দল। 
- বাসভূমি পৃথিবী যে গ্যালাক্সিতে অবস্থিত তার নাম ছায়াপথ বা মিল্কিওয়ে, এরকম কোটি কোটি গ্যালাক্সি রয়েছে মহাবিশ্বে, যেখানে রয়েছে কোটি কোটি নক্ষত্র। 
- গ্যালাক্সিগুলো মহাকাশে ঘুরে বেড়ায়, গ্যালাক্সির নক্ষত্রগুলোকে যত কাছাকাছি মনে হয়, আসলে তা নয়; এরা পরস্পর থেকে অনেক দূরে। 
- আলো এক সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ যেতে পারে। পৃথিবী ও সূর্যের দূরত্ব প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার। সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড। 
- অন্যদিকে সূর্য থেকে এর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র আলফা সেন্টোরিতে আলো পৌঁছাতে সময় লাগে ৪ বছরের চেয়ে বেশি। এক দূরবর্তী নক্ষত্র থেকে অন্য দূরবর্তী নক্ষত্রে আলোর পৌঁছাতে সময় লাগতে পারে কয়েক মিলিয়ন বছর। এ থেকে বুঝায় যায়, নক্ষত্রগুলোর মধ্যবর্তী দূরত্ব কত বেশি আর মহাবিশ্ব কত বিশাল। 

মহাবিশ্বের উৎপত্তি: 
- মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও বিকাশ সংক্রান্ত যেসব তত্ত্ব আছে, তার মধ্যে বহুল প্রচলিত হলো 'বিগব্যাং তত্ত্ব', বাংলায় একে বলা হয় 'মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব'। 
- এই তত্ত্ব মতে, মহাবিশ্ব একসময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ও একক বিন্দুতে অসীম ঘনত্বের (Infinitely dense) অবস্থায় ছিলো। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব অনুসারে, মহাবিশ্ব স্বতঃস্ফূর্তভাবে অতি দ্রুত প্রসারিত হয়ে যায়। দ্রুত প্রসারণের ফলে মহাবিশ্ব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং বর্তমান প্রসারণশীল অবস্থায় পৌঁছায়। 
- অতি সম্প্রতি জানা গেছে যে, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ সংঘটিত হয়েছিল প্রায় ১৩.৭৫ বিলিয়ন বছর (১৩৭৫ কোটি বছর) পূর্বে এবং এটাই মহাবিশ্বের বয়স। 
- বিগব্যাং তত্ত্ব একটি বহু পরীক্ষিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব যা বেশিরভাগ বিজ্ঞানী গ্রহণ করেছেন, কারণ জ্যোতির্বিদদের পর্যবেক্ষিত প্রায় সকল ঘটনাই এই তত্ত্ব সঠিক ও ব্যাপকভাবে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম। 
- বর্তমান কালের বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিংসহ সকল জ্যোর্তিবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেছেন। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

১,১৮৫.
সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ কোনটি?
  1. Mercury
  2. Venus
  3. Mars
  4. Uranus
সঠিক উত্তর:
Mercury
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mercury
ব্যাখ্যা

• বুধ (Mercury): 
- বুধ গ্রহ সৌরজগতের সবচেয়ে ছোট গ্রহ এবং সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ।
- সূর্য থেকে এর গড় দূরত্ব ৫.৮ কোটি কিলোমিটার; এর ব্যাস ৪,৮৫০ কিলোমিটার।
- সূর্যের খুব কাছাকাছি থাকায় সূর্যের আলোর তীব্রতার কারণে সবসময় একে দেখা যায় না।
- বুধ হল সবচেয়ে দ্রুততম গ্রহ, প্রতি ৮৮দিনে (পৃথিবীর) সূর্যের চারপাশে ঘুরে আসে।
- এটি প্রতি ৮৮ দিনে সূর্যের চারপাশে দ্রুত গতিতে ঘুরে আসে, মহাকাশে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২৯ মাইল (৪৭ কিলোমিটার) গতিতে ভ্রমণ করে, যা অন্য যেকোনো গ্রহের চেয়ে দ্রুত।
- সুতরাং বুধ গ্রহে ৮৮ দিনে এক বছর হয়।
- বুধের মাধ্যাকর্ষণ বল এত কম যে এটি কোনো বায়ুমন্ডল ধরে রাখতে পারে না।
-  এখানে নেই মেঘ, বৃষ্টি, বাতাস ও পানি। সুতরাং প্রাণির অস্তিত্ব নেই।
- ১৯৭৪ সালে মার্কিন মহাশূন্যযান মেরিনার-১০ বুধের যে ছবি পাঠায় তা থেকে দেখা যায় যে, বুধের উপরিতল একদম চাঁদের মতো।
- ভূত্বক অসংখ্য গর্তে ভরা এবং এবড়ো-থেবড়ো। এখানে আছে অসংখ্য পাহাড় ও সমতলভূমি।
- বুধের কোনো উপগ্রহ নেই।

উৎস: NASA.

১,১৮৬.
সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য কমপক্ষে কত তাপমাত্রার প্রয়োজন?
  1. ২৩° সেলসিয়াস 
  2. ২১° সেলসিয়াস 
  3. ২৪° সেলসিয়াস 
  4. ২৭° সেলসিয়াস 
সঠিক উত্তর:
২৭° সেলসিয়াস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭° সেলসিয়াস 
ব্যাখ্যা

ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone।
- এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ।
- ঘূর্ণিঝড়ের বাতাস কুণ্ডলি পাকানো সাপের আকার ধারণ করে বলে এরূপ নামকরণ করা হয়েছে। 
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির একটি আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত।
- ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্র পৃষ্ঠে সাধারণত ২৭° সেলসিয়াস বা এর বেশি তাপমাত্রা প্রয়োজন হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলে নিম্নচাপ এবং চারপাশে উচ্চচাপ বিরাজ করে।
- এসময় উচ্চচাপযুক্ত বায়ু প্রবলবেগে ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রভাগে যেখানে নিম্নচাপ থাকে সেদিকে ধাবিত হয়। এ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে সম্পন্ন হয়।
- এটি উষ্ণ সমুদ্রপৃষ্ঠে উৎপত্তি লাভ করে মহাদেশীয় মূলভাগের দিকে অগ্রসর হয়।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রস্থলকে চোখ বলে।  

তথ্যসূত্র: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,১৮৭.
GMT কী?
  1. পৃথিবীর মধ্যভাগের সময়
  2. পৃথিবীর মানমন্দির
  3. সময় আবিষ্কারের স্থান
  4. একটি শহর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর মধ্যভাগের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথিবীর মধ্যভাগের সময়
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মান সময়: 
- গ্রিনিচ মান মন্দির যুক্তরাজ্য অবস্থিত। 
- Greenwich Mean Time (GMT) একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রণীত সময় পদ্ধতি। 
- বাংলাদেশের সাথে GMT এর পার্থক্য +৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচ মান সময় অপেক্ষা বাংলাদেশ সময় ৬ ঘণ্টা আগে। 
- পৃথিবীতে প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার জন্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট করে। 
- সেজন্যে বাংলাদেশ মূল মধ্যরেখা বা গ্রিনিচ মানমন্দির থেকে ৯০ ডিগ্রি পূর্বদিকে অবস্থিত হওয়ায় বাংলাদেশের সাথে গ্রিনিচের সময়ের পার্থক্য ৯০ x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘন্টা। 
- গ্রীনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত স্থানগুলোর সময় গ্রীনিচ এর থেকে এগিয়ে থাকে। 

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৮৮.
সোলার প্যানেল মূলত কীভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে?
  1. সূর্যের তাপ শক্তিকে বিদ্যুতে রূপান্তর করে
  2. সূর্যের আলোক শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে
  3. সূর্যের চৌম্বক ক্ষেত্র ব্যবহার করে বিদ্যুৎ তৈরি করে
  4. উপরের কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
সূর্যের আলোক শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্যের আলোক শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে
ব্যাখ্যা

◉ সোলার প্যানেল আসলে ফোটোভোল্টায়িক (Photovoltaic, PV) সেল দ্বারা তৈরি। সূর্যের আলোতে থাকা ফোটন (Photon) যখন প্যানেলের সিলিকন স্তরে আঘাত করে, তখন তা সিলিকনের ইলেকট্রনগুলোকে উত্তেজিত করে। এই ইলেকট্রনগুলোর গতি থেকেই ডাইরেক্ট কারেন্ট (DC) বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। পরবর্তীতে ইনভার্টার ব্যবহার করে এই DC কে Alternating Current (AC) এ রূপান্তরিত করা হয়, যা আমরা বাসা-বাড়ি বা শিল্পে ব্যবহার করি।

সৌর কোষ: 
- সৌর কোষ বা সৌর সেল হলো এক ধরনের ডিভাইস যা সূর্যের আলো (ফোটন) শোষণ করে এবং এটিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে।
- সৌর সেল বা ফটোভোলটাইক কোষে সিলিকন (Si) ব্যবহৃত হয়, যা একটি অর্ধপরিবাহী (Semiconductor) পদার্থ।
- এটি সূর্যের আলোকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• সৌর সেলের কাজের পদ্ধতি:
- সূর্যের ফোটন সিলিকন পরমাণুতে আঘাত করে।
- ইলেকট্রন-হোল জোড় সৃষ্টি হয়।
- p-n জাংশনের বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র ইলেকট্রন প্রবাহ তৈরি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

১,১৮৯.
বাংলাদেশে র শীতলতম স্থান -
  1. ক) লালপুর
  2. খ) শ্রীমঙ্গল
  3. গ) শ্রীহরপুর
  4. ঘ) লালাখাল
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীমঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীমঙ্গল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার

অন্যদিকে,
উষ্ণতম স্থান - লালপুর
শীতলতম স্থান – শ্রীমঙ্গল
উষ্ণতম মাস – এপ্রিল
শীতলতম মাস – জানুয়ারি
সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের স্থান – লালাখাল
সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাতের স্থান - লালপুরে।

উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
 
১,১৯০.
কোন রশ্মিটি আধান নিরপেক্ষ?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) ক + খ
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গামা রশ্মি
ব্যাখ্যা
- ধনাত্মক আধান গ্রন্থ রশ্মি আলফা রশ্মি,
- ঋণাত্মক আধান গ্রন্থ রশ্মি বিটা রশ্মি
- আধান নিরপেক্ষ রশ্মি গামা রশ্মি

মনে রাখুন-
১। আলফা ও বিটা রশ্মি হলো কণা প্রবাহ কিন্তু গামা রশ্মি হলো তাড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ।
২। গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যর চেয়ে অনেক কম। একে চোখে দেখা যায় না।

সূত্র- পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম - ১০ম শ্রেণি।
১,১৯১.
নিউক্লিয়ার ফিশান ও ফিউশনের ফলে উৎপন্ন শক্তি কীভাবে নিরূপণ করা যায়? 
  1. নিউটনের প্রথম গতি সূত্রে দিয়ে
  2. ওহমের V = IR সূত্র দিয়ে
  3. নিউটনের গতিসূত্র F = ma সমীকরণ দিয়ে
  4. আইনস্টাইনের E = mc2 সমীকরণ দিয়ে
সঠিক উত্তর:
আইনস্টাইনের E = mc2 সমীকরণ দিয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনস্টাইনের E = mc2 সমীকরণ দিয়ে
ব্যাখ্যা
ভর-শক্তি সম্পর্ক (Mass-Energy Relation): 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হলো ভর-শক্তি সম্পর্ক। 
- চিরায়ত বলবিদ্যায় কোনো বস্তুর ভর ধ্রুব রাশি এবং শক্তি সর্বদাই নিত্য। চিরায়ত বলবিদ্যায় আরো ধরা হয় যে, ভর এবং শক্তি দুটি ভিন্ন সত্তা। 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বে চিরায়ত বলবিদ্যায় পুরাতন ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটে। এই তত্ত্বানুসারে ভর এবং শক্তি দুটি অভিন্ন সত্তা। 
- ভরকে সম্পূর্ণরূপে ধংস করা যায় এবং তা থেকে শক্তির উৎপন্ন হয়। 
অর্থাৎ, ভর সম্পূর্ণরূপে শক্তিতে রূপান্তর হয় এবং একই ভাবে শক্তিও উপযুক্ত পরিবেশ পেলে ভরে রূপান্তর হয়। 

সুতরাং, E = mc2, এটিই আইনস্টইনের বিখ্যাত ভর-শক্তি সমীকরণ। এই সমীকরণ প্রমাণ করে ভর ও শক্তি ভিন্ন সত্তার নয়, বরং একই সত্তার দুটি ভিন্নরূপ মাত্র। 
- নিউক্লিয় ফিশান ও ফিউশনের ফলে যে শক্তি পাওয়া যায় তা এই সমীকরণ দিয়ে সঠিক ভাবে পরিমাপ করা যায়। 
- সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্র থেকে যে শক্তি পাওয়া যায় তাও এই সমীকরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। 
অর্থাৎ, এই সমীকরণ মহাজগতিক সকল শক্তির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,১৯২.
বায়ুমণ্ডলে কোন উপাদানটির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. হিলিয়াম
  3. জলীয়বাষ্প
  4. নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি থাকে নাইট্রোজেন।

• বায়ুমণ্ডল:
- পৃথিবী পৃষ্টের চারপাশে বেষ্টন করে যে অদৃশ্য আবরণ রয়েছে তাকে বায়ুমণ্ডল বলে।
- বায়ুমণ্ডল মধ্যাকর্ষণ শক্তির ফলে পৃথিবীর গায়ের সাথে লেগে থাকে এবং আবর্তণ করে।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ১০,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত বায়ুমন্ডল বিস্তৃত ।
- ভূ-পৃষ্ঠের প্রধান দুটি উপাদান নাইট্রোজেন আবং অক্সিজেন।

• বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,১৯৩.
পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক কে?
  1. আইনস্টাইন
  2. ওপেনহাইমার
  3. অটোহ্যান
  4. রোজেনবার্গ
সঠিক উত্তর:
ওপেনহাইমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওপেনহাইমার
ব্যাখ্যা
পারমানবিক বোমা: 
পারমানবিক বোমা ওপেন হেইমার আবিষ্কার করেন। 
- তিনি মার্কিন তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। 
- তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন, কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেন এবং গটিংজেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট অর্জন করেন। 
- ম্যানহাটন প্রকল্প মার্কিন সরকারের গবেষণা প্রকল্প যা প্রথম পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছিল। 
- ম্যানহাটন প্রকল্পের বিজ্ঞানীরা দক্ষিণ নিউ মেক্সিকোতে আলামোগোর্ডোর কাছে একটি পরীক্ষায় প্রথম পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটান। 

উৎস: Britannica.com
১,১৯৪.
দক্ষিণ মেরুর অক্ষাংশ কত?
  1. ক) ০°
  2. খ) ৯০°
  3. গ) ১২০°
  4. ঘ) ১৮০°
সঠিক উত্তর:
খ) ৯০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৯০°
ব্যাখ্যা
অক্ষাংশ নির্ণয় (Determining latitude):
- আমরা জানি পৃথিবী বৃত্তের কেন্দ্রে উৎপন্ন কোণ ৩৬০°।
-অক্ষাংশ নির্ণয় করার জন্য গ্লোবটিকে আমরা যদি মাঝখান দিয়ে পূর্ব থেকে পশ্চিমে কেটে নেই তাহলে এর মধ্যে আমরা পৃথিবীর ঠিক মধ্যবিন্দু পাব। এখন যদি আমরা কোনো একটি স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করতে চাই তাহলে সেই মধ্যবিন্দুর সঙ্গে নির্ণেয় স্থানটির নিরক্ষরেখার (০°) পরিপ্রেক্ষিতে যে কোণ উৎপন্ন হয় তা নির্ণয় করতে হবে। এই কোণই হলো সেই স্থানের অক্ষাংশ।
যেমন— নিরক্ষীয় তল থেকে উত্তর মেরুর কৌণিক দূরত্ব বা উৎপন্ন কোণ ৯০°। এটাই হলো উত্তর মেরুর অক্ষাংশ। এভাবে দক্ষিণ মেরুর অক্ষাংশও ৯০° । 



উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম - দশম শ্রেণি।
১,১৯৫.
সৌরজগতের কোন গ্রহটি খালি চোখে দেখা যায় না?
  1. শুক্র
  2. নেপচুন 
  3. প্লুটো 
  4. বুধ
সঠিক উত্তর:
নেপচুন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেপচুন 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - নেপচুন । 

গ্রহ সম্পর্কিত সাধারণ তথ্য:

- সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে আটটি গ্রহ।
- সূর্য থেকে গ্রহগুলো দূরত্ব অনুযায়ী পর পর যেভাবে রয়েছে তা হলো বুধ (Mercury), শুক্র (Venus), পৃথিবী (Earth), মঙ্গল (Mars), বৃহস্পতি (Jupiter), শনি (Saturn), ইউরেনাস (Uranus) এবং নেপচুন (Neptune)।
- গ্রহদের মধ্যে সবচেয়ে বড় বৃহস্পতি এবং ছোট বুধ।
- বুধ, শুক্র, মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনি বেশ উজ্জ্বল এবং কোনো যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই দেখা যায়।
- ইউরেনাস ও নেপচুন এত দূরে অবস্থিত যে দূরবীক্ষণ ছাড়া এদের দেখা যায় না।

• নেপচুন সম্পর্কিত তথ্য:
- নেপচুন আমাদের সৌরজগতের অষ্টম এবং সবচেয়ে দূরবর্তী গ্রহ।
- এই গ্রহটি পৃথিবী থেকে খালি চোখে দেখা যায় না।
- ১৬১২ এবং ১৬১৩ সালে গ্যালিলিও তার ছোট টেলিস্কোপ দিয়ে পর্যবেক্ষণের সময় নেপচুনকে একটি স্থির নক্ষত্র হিসেবে রেকর্ড করেছিলেন। 
- নিরক্ষীয় ব্যাস ৩০,৭৭৫ মাইল (৪৯,৫২৮ কিলোমিটার) হওয়ায়, নেপচুন পৃথিবীর চেয়ে প্রায় চারগুণ প্রশস্ত।
- সূর্য থেকে নেপচুনের গড় দূরত্ব ৪.৫ বিলিয়ন কিলোমিটার।
- নেপচুনের এক দিনে প্রায় ১৬ ঘন্টা সময় লাগে (নেপচুনের একবার আবর্তন বা ঘূর্ণন করতে যে সময় লাগে)।
- নেপচুন সূর্যের চারপাশে একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথ সম্পূর্ণ করে (নেপচুনিয়ান সময়ে এক বছর) প্রায় ১৬৫ পৃথিবী বছরে (৬০,১৯০ পৃথিবী দিন)।
- নেপচুনের নামকরণ করা হয়েছিল রোমান সমুদ্র দেবতার নামে।
- নেপচুনের ১৬টি উপগ্রহ আছে। 
- নেপচুনের বৃহত্তম উপগ্রহ ট্রাইটন আবিষ্কার করেন ১০ অক্টোবর, ১৮৪৬ সালে, জোহান গটফ্রাইড গ্যাল গ্রহটি আবিষ্কার করার মাত্র ১৭ দিন পরে।

উল্লেখ্য - বর্তমানে প্লুটো গ্রহ হিসেবে স্বীকৃত নয়।

উৎস : NASA এবং ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি। 

১,১৯৬.
নিচের কোনটি ট্রানজিস্টরের কাজ?
  1. দুর্বল সংকেতকে বিবর্ধিত করা
  2. ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ করা
  3. তাপ উৎপাদন করা
  4. বিদ্যুত প্রবাহকে একমুখীকরণ
সঠিক উত্তর:
দুর্বল সংকেতকে বিবর্ধিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্বল সংকেতকে বিবর্ধিত করা
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনিক অ্যাম্পলিফায়ার দুর্বল অন্তর্গামী সংকেতকে বৃহৎ বহির্গামী সংকেতে সংকেতে পরিণত করে। অর্থাৎ ট্রানজিস্টর বিবর্ধক হিসাবে কাজ করে। ট্রানজিস্টরের আরেকটি ব্যবহার হলো এটি সুইচ হিসাবেও ব্যবহার করা হয়।
ডায়োড পরিবর্তী প্রবাহকে একমুখী প্রবাহে রূপান্তরিত করে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১,১৯৭.
কোথায় সারা বছরই দিন-রাত্রি সমান থাকে?
  1. কর্কটক্রান্তি অঞ্চলে
  2. মকরক্রান্তি অঞ্চলে
  3. মেরু অঞ্চলে
  4. বিষুবীয় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
বিষুবীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষুবীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
দিন-রাত্রি সমান:
- ২১ জুন উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে বড় দিন ও ছোট রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
- ২২ ডিসেম্বর উত্তর গোলার্ধের সবচেয়ে ছোট দিন ও বড় রাত এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বিপরীত অবস্থা বিরাজ করে।
২১শে মার্চ ও ২৩শে সেপ্টেম্বর সূর্য নিরক্ষরেখা বা বিষুবীয় রেখার (০°) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই দুই দিন পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য সমান হয়
- ২১শে মার্চ উত্তর গোলার্ধে বসন্তকাল থাকায় এই উত্তর গোলার্ধে বিষুব 'বাসন্ত বিষুব’ (Vernal Spring Equinox) নামে অভিহিত।
- অপরদিকে ২৩শে সেপ্টেম্বর উত্তর গোলার্ধে শরৎকাল বিরাজ করায় উত্তর গোলার্ধে এই বিষুব ‘শারদ বিষুব' (Autumnal Equinox) নামে অভিহিত হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৯৮.
পৃথিবীর উপগ্রহ কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১টি
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর উপগ্রহ একটি- চাঁদ। বুধ ও শুক্রের কোন উপগ্রহ নেই। মঙ্গল গ্রহের উপগ্রহ দুইটি। যথা- ফোবোস এবং ডিমোস। উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১,১৯৯.
'Cosmic Ray'-কে বাংলায় বলা হয়-
  1. রঞ্জন রশ্মি
  2. তেজস্ক্রিয় রশ্মি
  3. ক্যাথড রশ্মি
  4. মহাজাগতিক রশ্মি
সঠিক উত্তর:
মহাজাগতিক রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাজাগতিক রশ্মি
ব্যাখ্যা
মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic rays): 
 - 'Cosmic Ray'-কে বাংলায় বলা হয় মহাজগতিক রশ্মি। 
- মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে উচ্চ শক্তিসম্পন্ন যে আহিত কণাসমূহ প্রবেশ করে তাদেরকে সমষ্টিগতভাবে মহাজাগতিক রশ্মি বলা হয়। 
- ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন পদার্থবিজ্ঞানী। 
- বেলুনের মাধ্যমে বহনযোগ্য বিভিন্ন যন্ত্রের মাধ্যমে হেস এবং তার সহকর্মীরা প্রমাণ করেছিলেন, যে বিকিরণ পরিবেশকে আয়নিত করে তার উৎস হল মহাজাগতিক। 
- মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৬ সালে অপর বিজ্ঞানী কার্ল ডেভিড অ্যান্ডারসনের সাথে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও নোবেল পুরস্কার ওয়েবসাইট।
১,২০০.
নিচের কোনটি গ্রীন হাউস গ্যাস নয়? 
  1. ওজোন
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. হিলিয়াম
  4. মিথেন
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিলিয়াম
ব্যাখ্যা
- 'হিলিয়াম' গ্রীন হাউস গ্যাস নয়।

গ্রীন হাউস গ্যাস: 
- গ্রীন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউজ গ্যাস। 
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রীন হাউজ গ্যাস হচ্ছে - 
• জলীয় বাষ্প, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড, 
• নাইট্রাস অক্সাইড, 
• মিথেন, 
• ওজোন, 
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি। 
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry.