বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

মোট প্রশ্ন২,৩০১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি

PrepBank · পাতা ১০ / ২৩ · ৯০১১,০০০ / ২,৩০১

৯০১.
ধরিত্রী সম্মেলনের ফলাফল হিসেবে কোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেওয়া হয়?
  1. ভিয়েনা ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১
  2. মন্ট্রিল ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১
  3. রিও ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১
  4. লন্ডন ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১
সঠিক উত্তর:
রিও ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিও ঘোষণা ও এজেন্ডা ২১
ব্যাখ্যা
Earth Summit: 
- ১৯৯২ সালের ৩ - ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে প্রথম পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন (Earth Summit) অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন (Climate Change Convention) বিষয়ক চুক্তি হয়।

উল্লেখ্য,
- এর উল্লেখযোগ্য একটি নীতি হচ্ছে Polluter pays principle.
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ১৭৯টি দেশের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, বিজ্ঞানী, মিডিয়া প্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) একত্রিত হয়ে পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল।

⇒ ধরিত্রী সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য সাফল্য:
- রিও ঘোষণা: ২৭টি সার্বজনীন নীতিসহ পরিবেশ ও উন্নয়নের কাঠামো।
- এজেন্ডা ২১: ২১শ শতাব্দীর জন্য টেকসই উন্নয়নের কর্মপরিকল্পনা।
- UNFCCC: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার কনভেনশন যা পরে কিয়োটো প্রোটোকল নামে পরিচিত।
- জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশন: জৈব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।
- বন ব্যবস্থাপনা নীতিমালা: বন সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার ঘোষণা।
- ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র সম্মেলন: ১৯৯৪ সালে টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রথম সম্মেলন।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৯০২.
‘গ্রিন হাউস ইফেক্ট' শব্দটি প্রথম কোন বিজ্ঞানী ব্যবহার করেন?
  1. সোভানটে আরহেনিয়াস
  2. অ্যালফ্রেড বিনেট
  3. ফ্রেডরিখ উইলার
  4. ক্যারোলাস লিনিয়াস
সঠিক উত্তর:
সোভানটে আরহেনিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভানটে আরহেনিয়াস
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউস:
- গ্রিন হাউস হচ্ছে এক ধরনের কাচের ঘর। 
- নির্দিষ্ট মাত্রায় তাপ ধরে রেখে বা সৃষ্টি করে বিভিন্ন উদ্ভিদ ও শাকসবজি জন্মাবার জন্যেই এটা তৈরি করা হয়। 
- প্রধানত শীতপ্রধান দেশে এবং ইদানিং মরুময় তেল প্রধান দেশে এ ধরনের ঘর তৈরি করা হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরো ফ্লরো কার্বন। 
- ‘গ্রিন হাউস ইফেক্ট' কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন সুইডিস রসায়নবিদ সোভানটে আরহেনিয়াস।

অন্যদিকে
- সুইডিস বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক।
- জার্মানীর বিজ্ঞানী ফ্রেডরিখ উইলার ইউরিয়ার আবিষ্কারক।
- ফ্রান্সের বিজ্ঞানী অ্যালফ্রেড বিনেট আই কিউ টেস্টের আবিষ্কারক।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০৩.
বায়ুমন্ডলের স্ট্যাটোস্ফিয়ারিক স্তরের ওজোনস্তরকে রক্ষা বিষয়ক মন্ট্রিল প্রটোকল কোথায় গৃহীত হয়?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. কানাডা
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
পরিবেশ বিষয়ক চুক্তি মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল  ১৬ সেপ্টেম্বর,১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয়।
- ১ জনুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৯ সালে স্বাক্ষরিত মন্ট্রিল প্রটোকলের বিষয়বস্তু ছিল পরিবেশ রক্ষা করা। 
- মন্ট্রিল প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোন স্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়।

উৎস: UNEP website & Britannica.com
৯০৪.
আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস কবে?
  1. ১৯ সেপ্টেম্বর
  2. ১১ সেপ্টেম্বর
  3. ১৩ সেপ্টেম্বর
  4. ১৬ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৬ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
‘আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস’
- ১৯১৩ সালে ফরাসি পদার্থবিদ চার্লস ফ্যাব্রি ও হেনরি বাইসন ওজোন স্তর আবিষ্কার করেন।
- এ স্তরের বৈশিষ্ট্য বের করেন ব্রিটিশ আবহাওয়াবিদ জিএমবি ডবসন।
- ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস পালিত হয়।
- ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ এ মন্ট্রিল প্রটোকলে স্বাক্ষর করে।  

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
- গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭; মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যক্রম: ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
৯০৫.
নিচের কোন চুক্তিটি নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. ক) Extradition Treaty
  2. খ) SALT
  3. গ) NPT
  4. ঘ) ABM
সঠিক উত্তর:
ক) Extradition Treaty
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Extradition Treaty
ব্যাখ্যা
- Extradition Treaty হলো এক দেশের অপরাধীকে অন্য দেশ চুক্তির মাধ্যমে তার নিজ দেশে ফেরত পাঠানো।
- প্রত্যর্পণের জন্য প্রথম আইনটি ১৮৩৩ সালে গৃহীত হয়েছিল বেলজিয়াম।

- ২৬ মে, ১৯৭২ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে আন্তর্জাতিক নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি Strategic Arms Limitation Talk - 1 (SALT-1) স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৮ জুন ১৯৭৯ সালে স্বাক্ষরিত হয় Strategic Arms Limitation Talk - 2 (SALT-2)।

পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (Nuclear Non-Proliferation Treaty)। এই চুক্তিকে সংক্ষেপে বলা হয় NPT।
- ১ জুলাই ১৯৬৮ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয় ৫ই মার্চ ১৯৭০ সালে।

- Anti Ballistic Missile Treaty (ABM)- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে ১৯৭২ সালে।
- এই চুক্তির দুইটি পক্ষ ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন। ১৩ জুন ২০০২ সালে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করে।

তথ্যসূত্র:- সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 
৯০৬.
৩১তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-31) কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. বেলেম, ব্রাজিল
  2. ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়া
  3. আন্তালিয়া, তুরস্ক
  4. নাইরোবি, কেনিয়া
সঠিক উত্তর:
আন্তালিয়া, তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তালিয়া, তুরস্ক
ব্যাখ্যা

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।সার্চ

⇒ ৩০তম জলবায়ু সম্মেলন (কপ-30):
- কপ- ৩০ জলবায়ু সম্মেলন ১০ - ২১ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ব্রাজিলের আমাজনের রেইনফরেস্ট এলাকায় বেলেমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- কপ৩০-এর মূল লক্ষ্য ছিল গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ রোধ এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট ক্ষতি মোকাবিলায় জাতিসংঘের বিদ্যমান কাঠামোকে শক্তিশালী করা।
- এই সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেছেন ব্রাজিলীয় কূটনীতিক আন্দ্রে কোরেয়া দো লাগো।
- জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে স্পষ্ট রূপরেখা না থাকলেও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য তহবিল বাড়ানোর ঘোষণা কপ-৩০–এর সবচেয়ে বড় অর্জন। জলবায়ু সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আর্থিক সহায়তা ধনী দেশগুলোকে ২০৩৫ সালের মধ্যে তিন গুণ বাড়াতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সালে ৩১তম জলবায়ু সম্মেলন তুরস্কের আন্তালিয়া শহরে অনুষ্ঠিত হবে। তবে সভাপতিত্ব করবেন অস্ট্রেলিয়ার জলবায়ু মন্ত্রী ক্রিস বোয়েন আলোচনার।
- জাতিসংঘের নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সালের কপ আয়োজনের অধিকার পশ্চিমা ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া ও অন্য দেশ নিয়ে গঠিত একটি গ্রুপের প্রাপ্য ছিল। ব্রাজিলে চলমান কপ-৩০ সম্মেলনে আলোচনার পর অস্ট্রেলিয়া তুরস্ককে সমর্থন করতে সম্মত হয়েছে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৯০৭.
মন্ট্রিল প্রটোকল কী সম্পর্কিত?
  1. ওজোনস্তর রক্ষা
  2. জীববৈচিত্র্য রক্ষা
  3. জলাভূমি রক্ষা
  4. জৈব নিরাপত্তা
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর রক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর রক্ষা
ব্যাখ্যা

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- বায়ুমন্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারের ওজোন স্তরকে রক্ষা বিষয়ক প্রটোকল।
- গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে।
- কার্যকর হয়: ১৯৮৯ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৬টি + ইউরোপীয় ইউনিয়ন
- ১৬ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ওজোনস্তর দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- বাংলাদেশ অনুসমর্থন করে ১৯৯০ সালে।

উৎস: UNEP Website.

৯০৮.
Earth Day - কবে পালিত হয়?
  1. ক) ১১ মে
  2. খ) ১৯ জুন
  3. গ) ২২ এপ্রিল
  4. ঘ) ৩১ মে
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
ধরিত্রী দিবস বা Earth Day প্রতি বছর ২২ এপ্রিল পালিত হয়। Source: earthday.org
৯০৯.
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলনের (Cop) আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. IPCC
  2. WMO
  3. IUCN
  4. UNFCCC
সঠিক উত্তর:
UNFCCC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNFCCC
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) হলো একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন যা প্রতি বছর জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন চুক্তি (UNFCCC) দ্বারা আয়োজিত হয়।
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এই সম্মেলনটি জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিরোধ, প্রভাব কমানো এবং অভিযোজনের জন্য বিভিন্ন কৌশল ও উদ্যোগ নির্ধারণ করতে সাহায্য করে।

⇒ UNFCCC:
- UNFCCC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- সাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুন থেকে ১৪ জুন তারিখে তে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন (UNCED) শীর্ষক সম্মেলনে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার এমন অবস্থায় স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য তা বিপত্তিকর না হয়।

⤇ Conference of the Parties (COP) হচ্ছে UNFCCC-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ।
- প্রতিবছর COP সম্মেলনের মাধ্যমে UNFCCC-এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও জলবায়ু সম্পর্কিত নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
⤇ কার্যক্রম শুরুর পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুতে এই চুক্তির দপ্তর মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এই চুক্তির সেক্রেটারিয়েটের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় ১৯৯৭ সালে কিয়েটো প্রটোকল ও ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
⤇ ১৯৯২ সালে UNFCCC-এর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯৫ সাল থেকে সদরদপ্তর জার্মানির বনে অবস্থিত।
- তার আগে দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় (১৯৯২ - ৯৫) ছিলো।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৯১০.
'গ্রিনপিস' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬২ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস (Greenpeace) নেদারল্যান্ডস এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭১ সালে।
- সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।

তথ্যসূত্র - Greenpeace অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯১১.
কার্বন নিঃসরণ কমাতে ‘কার্বন বাণিজ্য’ ধারণাটি প্রবর্তিত হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. নাগোয়া প্রোটোকল
  2. কিয়োটো প্রোটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রোটোকল
  4. কার্টাগেনা প্রোটোকল
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রোটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো প্রোটোকল
ব্যাখ্যা

কার্বন বাণিজ্য:
- কার্বন নিঃসরণ কমাতে ‘কার্বন বাণিজ্য’ (Carbon Trading) বা কার্বন ক্রেডিট ধারণাটি মূলত ১৯৯৭ সালের কিয়োটো প্রোটোকল (Kyoto Protocol)-এর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়।
- এই চুক্তিতেই গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে ক্লিন ডেভেলপমেন্ট মেকানিজম (CDM) এবং কার্বন ট্রেডিংয়ের মতো বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।
- পরবর্তী সময়ে প্যারিস চুক্তির আওতাতেও এটি জোরদার করা হয়েছে। 

- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শিল্পোন্নত দেশগুলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নির্গমন বাধ্যতামূলকভাবে হ্রাসকরণের আন্তর্জাতিক চুক্তি হচ্ছে কিয়োটো প্রটোকল।
- গৃহীত হয়: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: কিয়োটো, জাপান।

- বিশ্বের উষ্ণতা রোধে কিয়েটো প্রটোকলকে কার্বন সনদ হিসেবে মনে করা হতো।
- কিয়োটো প্রটোকল কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের নির্গমন কমানোর জন্য 'কার্বন ক্রেডিট' ব্যবস্থাও চালু করেছিল, যার মাধ্যমে এক দেশ অন্য দেশের নির্গমন কমানোর প্রচেষ্টা কিনতে পারে বা বিক্রি করতে পারে। এর মাধ্যমে একটি বৈশ্বিক বাজার তৈরি হয়েছিল, যা 'কার্বন সনদ' বা 'কার্বন ক্রেডিট' নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ১৮০টি দেশের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে পৃথিবীর শিল্পোন্নত ৩৮টি দেশকে ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে তাদের কার্বন নিঃসরণের মাত্রা পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে (১৯৯০) ৫.২% কমানোর জন্য সীমা বেধে দেওয়া হয় এবং বলা হয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ বিষয়ে বাণিজ্য বা যৌথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে (আর্টিকেল-১৭, কিয়োটো প্রটোকল)।
- মূলত এখান থেকে কার্বন বাণিজ্যের সূত্রপাত।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৯১২.
কপ -২৬ শীর্ষ জলবায়ু সম্মেলনে বিশ্বের প্রথম বহুজাতিক সৌর প্রকল্প ‘এক সূর্য এক পৃথিবী এক গ্রিড; - এর উদ্বোধন করেছে কোন দুটি দেশ?
  1. ভারত ও যুক্তরাজ্য
  2. চীন ও রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য ও নরওয়ে
  4. অস্ট্রেলিয়া ও সুইডেন
সঠিক উত্তর:
ভারত ও যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

কপ -২৬ শীর্ষ জলবায়ু সম্মেলনে বিশ্বের প্রথম বহুজাতিক সৌর প্রকল্প ‘এক সূর্য এক পৃথিবী এক গ্রিড; - এর উদ্বোধন করেছে ভারত ও যুক্তরাজ্য।

কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

এছাড়াও,
- কপ- ২৯, ২০২৪ সালে আজারবাইজানে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- কপ- ৩০, ২০২৫ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে। আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৯১৩.
বাংলাদেশ কত সালে WMO এর সদস্যপদ লাভ করে? 
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৮
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
ব্যাখ্যা
WMO:

• বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার পূর্ণরূপ: World Meteorological Organization
• এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। 
• এর সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
• ১৮৭৩ সালে, আন্তর্জাতিক আবহাওয়া সংস্থা থেকে এর উৎপত্তি হয়।
• প্রতিষ্ঠা: ১৯৫০ সালের ২৩শে মার্চ। 
• বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
• বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ২৪ আগস্ট WMO এর সদস্যপদ লাভ করে।
• WMO ১৯৫১ সালে কাজ শুরু করে।
• এর নির্বাহী পরিষদের সদস্য সংখ্যা ৩৬ জন। 

উৎস: WMO ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা। 
৯১৪.
মন্ট্রিয়াল প্রটোকল কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) যুদ্ধক্ষেত্রে শিশুদের ব্যবহার নিবারণ
  2. খ) স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  3. গ) ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাসকরণ
  4. ঘ) রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার রোধ করা
সঠিক উত্তর:
গ) ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাসকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাসকরণ
ব্যাখ্যা
- মন্ট্রিয়াল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি এটি কার্যকর হয়।
- ১৯৮টি দেশ ও অঞ্চল চুক্তিটির অংশীদার।
- চুক্তি গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর ‘আন্তর্জাতিক ওজনস্তর সংরক্ষণ’ দিবস হিসেবে পালিত হয়।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৯১৫.
Worldwatch Institute কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. জেমস গুস্তাভ স্পেথ
  2. রবার্ট এ সাইট্রন
  3. লেস্টার ব্রাউন
  4. ওয়াঙ্গেরি মাথাই
সঠিক উত্তর:
লেস্টার ব্রাউন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেস্টার ব্রাউন
ব্যাখ্যা
Worldwatch Institute:
- Worldwatch Institute যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৪ সালে।
- প্রতিষ্ঠাতা: লেস্টার রাসেল ব্রাউন (আমেরিকান পরিবেশ বিশ্লেষক)।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি.সি, যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ এটি বিশ্বের পরিবেশগত পরিস্থিতি, টেকসই উন্নয়ন, এবং মানবজাতির ভবিষ্যত সম্পর্কিত গবেষণা এবং বিশ্লেষণ চালিয়ে থাকে। 
- এর উদ্দেশ্য হলো পরিবেশ ও প্রকৃতির প্রতি মানুষের প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা, এবং পৃথিবীকে টেকসই ও পরিবেশবান্ধবভাবে পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গৃহীত হওয়ার জন্য প্রভাবিত করা।
- Worldwatch Institute বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করে, যেমন: জলবায়ু পরিবর্তন, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, বায়োডাইভার্সিটি (জীববৈচিত্র্য), খাদ্য নিরাপত্তা, টেকসই অর্থনীতি।

⇒ Worldwatch Institute ১৯৮৪ সালে "State of the World" নামক বার্ষিক রিপোর্ট প্রকাশ করা শুরু করে।
- এটি একটি প্রভাবশালী রিপোর্ট যা পৃথিবীজুড়ে পরিবেশ, সমাজ, অর্থনীতি, এবং রাজনৈতিক অবস্থা নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ এবং গবেষণার মাধ্যমে বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যত সম্ভাবনা তুলে ধরে।

অন্যদিকে -
- World Resources Institute-এর প্রতিষ্ঠাতা: জেমস গুস্তাভ স্পেথ।
- রবার্ট এ সাইট্রন Earthwatch Institute এর প্রতিষ্ঠাতা।
- ওয়াঙ্গেরি মাথাই Greenbelt Movement এর প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: Worldwatch Institute ওয়েবসাইট।
৯১৬.
UNFCCC-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল
  2. রোম, ইতালি
  3. বন, জার্মানি
  4. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
বন, জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন, জার্মানি
ব্যাখ্যা
UNFCCC:
- UNFCCC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- সদর দপ্তর: বন, জার্মানি
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুন থেকে ১৪ জুন তারিখে তে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন (UNCED) শীর্ষক সম্মেলনে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার এমন অবস্থায় স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য তা বিপত্তিকর না হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৯১৭.
বায়ুদূষণে বিশ্বে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) মঙ্গোলিয়া
  4. ঘ) বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
২০২০ সালে প্রকাশিত IQAir World Air Quality Report - 2019 এ ৯৮টি দেশের মধ্যে শীর্ষ বায়ুদূষিত দেশ হলো বাংলাদেশ। তালিকায় ২য় ও ৩য় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে পাকিস্তান ও মঙ্গোলিয়া। ৪র্থ আফগানিস্তান এবং ৫ম স্থানে ভারত। এছাড়া রাজধানী হিসেবে শীর্ষ দূষিত শহর হলো নয়াদিল্লি। ২য় ঢাকা। (সূত্রঃ IQAir World Air Quality Report -2019)
৯১৮.
World Meteorological Organization এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট কে ?
  1. ক) হোয়েসাং লি
  2. খ) কফি আনান
  3. গ) পেত্তেরি তালাস
  4. ঘ) গেরহার্ড আড্রিয়ান
সঠিক উত্তর:
ঘ) গেরহার্ড আড্রিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গেরহার্ড আড্রিয়ান
ব্যাখ্যা
- World Meteorological Organization (WMO) বা বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত।
- WMO ১৯৫০ সালের ২৩শে মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৫১ সালে জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- WMO এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট গেরহার্ড আড্রিয়ান এবং মহাসচিব পেত্তেরি তালাস
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ২৪ আগস্ট WMO এর সদস্যপদ লাভ করে।
[তথ্যসূত্র: WMO ওয়েবসাইট]
৯১৯.
মন্ট্রিল প্রোটোকলে HFCs-এর ব্যবহার হ্রাসের জন্য কোন সংশোধনী গৃহীত হয়েছিল?
  1. বেইজিং সংশোধন
  2. কিগালি সংশোধন
  3. লন্ডন সংশোধন
  4. কোপেনহেগেন সংশোধন
সঠিক উত্তর:
কিগালি সংশোধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিগালি সংশোধন
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- বায়ুমন্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তর।
- এই প্রটোকলে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর পদার্থ নিঃসরণ বন্ধ বা কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

⇒ ১৯৮৯ সাল থেকে মন্ট্রিল প্রটোকল ৬ বার সংশোধন করা হয়। এগুলো হলো:
- London amendment 1990,
- Copenhagen amendment 1992,
- Vienna amendment 1995,
- Montreal amendment 1997,
- Beijing amendment 1999,
- Kigali amendment 2016.

উল্লেখ্য,
• কিগালি সংশোধনী:
- মন্ট্রিল প্রোটোকলের কিগালি সংশোধনী হলো হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs)-এর ব্যবহার এবং উৎপাদন ধীরে ধীরে হ্রাস করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০১৬ সালের ১৫ অক্টোবর রুয়ান্ডার কিগালিতে মন্ট্রিল প্রটোকলের ২৮তম সভায় শক্তিশালী গ্রিন হাউজ গ্যাস-হাইড্রোফ্লোরো কার্বনের ব্যবহার পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনতে মন্ট্রিল প্রটোকল সংশোধিত হয়।
- সংশোধনীটি বাস্তবায়িত হলে এই শতাব্দীর শেষে বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রায় শূন্য দশমিক ৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড কমানো সম্ভব হবে।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।
৯২০.
'মন্ট্রিল প্রটোকল' কীসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জলাশয়
  2. বায়ু দূষণ
  3. পানি দূষণ
  4. ওজোন স্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোন স্তর
ব্যাখ্যা

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
-  এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।
 
উৎস: UNEP ওয়েবসাইট এবং Britannica.

৯২১.
Vulnerable Twenty গ্রুপ কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. বিনিয়োগ
  2. জলবায়ু পরিবর্তন
  3. কৃষি উন্নয়ন
  4. জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
Vulnerable 20 (V20):
- Vulnerable 20 (V20) হলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ঝুঁকিতে থাকা দেশ গুলোকে নিয়ে একটি ফোরাম।
- V20 বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য সংলাপ এবং পদক্ষেপের মাধ্যমে কাজ করে।
- ২০১৫ সালের অক্টোবরে পেরুর রাজধানী লিমায় এটি গঠিত হয়।
- ভি-২০ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের একটি প্লাটফর্ম।
- বাংলাদেশ ২০২০-২০২২ গ্রুপটির সভাপতির হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
- এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি UNDP এর climate vulnerable forum এর সাথে সরাসরি জড়িত।

উৎস: Vulnerable 20 ওয়েবসাইট।
৯২২.
আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস কবে?
  1. ২২ মার্চ
  2. ২২ মে
  3. ৪ মার্চ
  4. ৪ মে
সঠিক উত্তর:
২২ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ মে
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস: 
- আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস ২২ মে বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। 
- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, প্রাকৃতিক সম্পদের অপব্যবহার ও বন্য প্রাণীর সংকটাপন্ন অবস্থা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো দিবসটির লক্ষ্য।
- বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবসের ২০২৪ সালের প্রতিপাদ্য হলো ‘পরিকল্পনায় অংশগ্রহণ, জীবের বৈচিত্র্য সংরক্ষণ’। ।
- বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবসটির সূচনা হয় ১৯৯২ সালে।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৯৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর বিশ্ব জীববৈচিত্র্য দিবস হিসেবে পালন করা হলেও ২০০১ সাল থেকে এটি প্রতিবছর ২২ মে পালন করা হচ্ছে।

• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস:
- ১১ জুলাই - বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।
- ৫ জুন - বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- ৪ অক্টোবর - বিশ্ব প্রাণী দিবস।
- ৮ মার্চ - বিশ্ব নারী দিবস।
- ৭ এপ্রিল - বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।

সূত্র- বিবিসি ও UN ওয়েবসাইট।
৯২৩.
Which of the following organizations is concerned with environmental issues?
  1. OIC
  2. MIGA
  3. IPCC
  4. WMO
  5. None
সঠিক উত্তর:
IPCC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IPCC
ব্যাখ্যা
IPCC পরিবেশগত সমস্যাগুলির সাথে সম্পর্কিত জাতিসংঘের সংস্থা।

IPCC:
- IPCC-এর পূর্ণরূপ: Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিজ্ঞানের মূল্যায়নের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা।
- এর কাজ হলো মানুষের ক্রিয়াকলাপের কারণে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে এগিয়ে নেওয়া।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা এবং জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি ১৯৮৮ সালে IPCC প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে সদস্য: ১৯৫টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- আইপিসিসি জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এর প্রভাব এবং ভবিষ্যতের ঝুঁকি এবং অভিযোজন ও প্রশমনের বিকল্পগুলির নিয়মিত মূল্যায়ন প্রদান করে।

অন্যদিকে,
-  OIC মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- MIGA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- WMO বৈশ্বিক আবহাওয়া ও জলবায়ুর নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান নিয়ে কাজ করে।
 
উৎস: IPCC ওয়েবসাইট।
৯২৪.
ওজোন স্তর সুরক্ষায় গৃহীত প্রটোকল কোনটি?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. কিয়েটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তর সুরক্ষা।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
- এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

​অন্যদিকে,
- কিয়োটো প্রোটোকল হলো ১৯৯৭ সালে গৃহীত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা শিল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।​
​- জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক চুক্তি কার্টাগেনা প্রটোকল।
​- প্যারিস চুক্তি হলো জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট এবং Britannica.

৯২৫.
কোন সম্মেলনের মাধ্যমে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠিত হয়?
  1. রিও সম্মেলন
  2. স্টকহোম সম্মেলন
  3. রিও+১০ সম্মেলন
  4. রিও+২০ সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
স্টকহোম সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টকহোম সম্মেলন
ব্যাখ্যা

UNEP:
- পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme বা জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক কর্মসূচি।
- UNEP জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ৫ জুন, ১৯৭২ সাল।
- চ্যাম্পিয়ন্স অফ দ্য আর্থ পুরস্কার পরিবেশ সম্পর্কিত কাজের জন্য ব্যক্তি এবং সংস্থাকে প্রদান করে থাকে।
- বিশ্ব পরিবেশ দিবস ৫ই জুন।
- সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: ইনগার অ্যান্ডারসেন। [এপ্রিল, ২০২৫]
- ইনগার অ্যান্ডারসেন জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক.
- স্টকহোম সম্মেলনের মাধ্যমে জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) গঠিত হয়। 

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
United Nations ওয়েবসাইট। 

৯২৬.
নিচের কোনটি গ্রিন হাউস গ্যাস নয়?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  2. মিথেন
  3. সালফার ডাই-অক্সাইড
  4. নাইট্রাস অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
সালফার ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফার ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউস:
- গ্রিন হাউস হচ্ছে এক ধরনের কাচের ঘর। 
- নির্দিষ্ট মাত্রায় তাপ ধরে রেখে বা সৃষ্টি করে বিভিন্ন উদ্ভিদ ও শাকসবজি জন্মাবার জন্যেই এটা তৈরি করা হয়। 
- প্রধানত শীতপ্রধান দেশে এবং ইদানিং মরুময় তেল প্রধান দেশে এ ধরনের ঘর তৈরি করা হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরো ফ্লরো কার্বন, ওজোন।
- ‘গ্রিন হাউস ইফেক্ট' কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন সুইডিস রসায়নবিদ সোভানটে আরহেনিয়াস।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২৭.
‘World Development Report’ প্রকাশ করে -
  1. ECO
  2. NAM
  3. IBRD
  4. APTA
সঠিক উত্তর:
IBRD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IBRD
ব্যাখ্যা
• IBRD:
- IBRD সাধারণত বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত।
- IBRD এর পূর্ণরূপ হলো International Bank for Reconstruction and Development.
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটনউডস সম্মেলনের মাধ্যমে IBRD এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৬ সালের জুন মাসে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৯টি।
- সদর দপ্তর - ওয়াশিংটন ডিসিতে।
- IBRD ১৯৭৮ সাল থেকে প্রতিবছর ‘World Development Report’ (WDR) প্রকাশ করে থাকে।

উৎস: বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
৯২৮.
মন্ট্রিল প্রটোকলের ৫ম সংশোধনী কোথায় গৃহীত হয়?
  1. ক) কিগালি, রুয়ান্ডা
  2. খ) লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. গ) বেইজিং, চীন
  4. ঘ) মন্ট্রিল, কানাডা
সঠিক উত্তর:
ক) কিগালি, রুয়ান্ডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কিগালি, রুয়ান্ডা
ব্যাখ্যা
The Kigali Amendment (2016): The amendment to the Montreal Protocol agreed by the Twenty-Eighth Meeting of the Parties (Kigali, 10-15 October 2016) রেফারেন্সঃ ozone.unep.org/treaties/montreal-protocol/amendments
৯২৯.
গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট (Green Belt Movement) কোন দেশভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন?
  1. কেনিয়া
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. গ্রিস
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
ব্যাখ্যা
♦ গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট (Green Belt Movement):
• গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট - কেনিয়ার নাইরোবি ভিত্তিক একটি পরিবেশ বিষয়ক আন্দোলন।
• এর মাধ্যমে গ্রাম্য অঞ্চলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
• শুরুর সময় - ১৯৭৭ সাল।
• শুরুর স্থান - নাইরোবি, কেনিয়া।
• গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট শুরু করেছিলেন কেনিয়ার নাগরিক প্রফেসর ওয়াঙ্গেরি মাথাই। তিনি ২০০৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার ও ২০০৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: গ্রিন বেল্ট মুভমেন্ট ওয়েবসাইট।
৯৩০.
রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় কত সালে?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
• রামসার কনভেনশন 
- ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- রামসারের ডকুমেন্ট অনুসারে - Number of Contracting Parties: 172. 
 
• বাংলাদেশ ও রামসার:
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
 
উৎস-  রামসার ওয়েবসাইট।
৯৩১.
UNEP-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  3. নাইরোবি, কেনিয়া
  4. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
নাইরোবি, কেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইরোবি, কেনিয়া
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP): 
- UNEP এর পূর্ণরূপ: United Nations Environment Programme.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ৫ জুন, ১৯৭২।
- এর সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া। 
- সদস্য রাষ্ট্র: ১৯৩ টি। 

উল্লেখ্য, 
৫ জুনকে “বিশ্ব পরিবেশ দিবস” হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট

৯৩২.
কার্টাগোনা প্রটোকলের বিষয়বস্তু কী?
  1. জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ
  2. জৈব নিরাপত্তা
  3. ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নিংসরণ হ্রাস
  4. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
সঠিক উত্তর:
জৈব নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জৈব নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা
• কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity।
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।

• এক নজরে কার্টাগেনা প্রটোকল:
কার্টাগেনা প্রোটকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯ তারিখে এটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে  অনুমোদিত হয়। তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
কার্টাগেনা প্রোটকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল। 
- চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।
 
উৎস: কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।
৯৩৩.
'Don't make a wave Committee'-এর বর্তমান নাম কী?
  1. Greenpeace International
  2. Green Climate Fund
  3. Earth Watch
  4. Green Belt Movement
সঠিক উত্তর:
Greenpeace International
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Greenpeace International
ব্যাখ্যা
Greenpeace International: 
- গ্রিনপিস আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- এর সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- পরে ১৯৭১ সালে এটি ‘গ্রিনপিস’ নামে রুপান্তরিত হয়। 
- সংস্থাটির মূল উদ্দেশ্য পৃথিবী নামক এই গ্রহের সব ধরনের জীববৈচিত্রের প্রতিপালনের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা। 
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো। 
- গ্রিনপিস ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকা, এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল জুড়ে ৫৫টিরও বেশি দেশে ২৫টি স্বাধীন জাতীয়/আঞ্চলিক সংস্থার একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের পাশাপাশি একটি সমন্বয়কারী সংস্থা, গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের সমন্বয়ে গঠিত।

উৎস: Greenpeace International ওয়েবসাইট।
৯৩৪.
'এজেন্ডা-২১' গ্রহণ করা হয় কোন সম্মেলনে?
  1. কোপেন হেগেন সম্মেলন
  2. স্টকহোম সম্মেলন
  3. বিশ্ব টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন
  4. ১ম ধরিত্রী সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
১ম ধরিত্রী সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ম ধরিত্রী সম্মেলন
ব্যাখ্যা
• রিও সম্মেলন বা ধরিত্রী সম্মেলন (১৯৯২):
- পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Environment and Development (UNCED).
- এটি Earth Summit বা ধরিত্রী সম্মেলন নামেও পরিচিত।
- স্থান: রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল।
- তারিখ: ৩-১৪ জুন, ১৯৯২।

• গুরুত্বপূর্ণ অর্জন:
- UNFCCC,
- জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন (CBD),
- অ্যাজেন্ডা ২১ ।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।
৯৩৫.
["তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়। সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য ব্যাখ্যা, সাম্প্রতিক সমাচার ও ডাইনামিক প্যানেল দেখুন।'']
২০২১ সালে COP-26 সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. প্যারিস
  2. লন্ডন
  3. গ্লাসগো
  4. জেনেভা
সঠিক উত্তর:
গ্লাসগো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লাসগো
ব্যাখ্যা
কপ-২৬:
- ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর - ১২ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো শহরে ২৬তম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- কপ-২৬ সম্মেলনে বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রির মধ্যে রাখার কথা বলা হয়েছে।
- কপ ২৬ সম্মেলন থেকে তারা বলেছে যে ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তিতে নির্ধারিত ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সীমাবদ্ধ রাখার লক্ষ্য অর্জনে একসাথে কাজ করবে।
- বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমনকারী দেশ হলো চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য,
- কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হয় মিশরের শারম আল শেখ, ২০২২ সালে।
- কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, ২০২৩ সালে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৯৩৬.
Green Climate Fund এর সদরদপ্তর কোথায়?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ঘ) সিংগাপুর
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
The Green Climate Fund is headquartered in Songdo, Incheon City, Republic of Korea, where it opened its doors in December 2013. রেফারেন্সঃ https://www.greenclimate.fund/
৯৩৭.
WWF-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
  3. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  4. বার্লিন, জার্মানি
সঠিক উত্তর:
গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

WWF: 
- WWF এর পূর্ণরূপ World Wide Fund for Nature.
- এটি হলো প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংগঠন।
- এটি ১৯৬১ সালের এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- WWF বর্তমানে বিশ্বের ১০০টির অধিক দেশে পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
- সংস্থাটির বৈশ্বিক সদরদপ্তর অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ড শহরে।
- WWF মূলত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, বন রক্ষা এবং প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে থাকে।

সূত্র: WWF ওয়েবসাইট। 

৯৩৮.
"The Kigali Amendment" কোনটির অংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছিল?
  1. স্টকহোম কনভেনশন
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. রিও ডেক্লারেশন
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা
- "The Kigali Amendment" মন্ট্রিল প্রটোকলের অংশ হিসেবে গৃহীত হয়েছিল।

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে গৃহীত হয় এবং
- ১ জানুয়ারি ১৯৮৯ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পরিবেশ রক্ষা এবং ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ।
- ২০১৯ সালে মন্ট্রিল প্রটোকলের "The Kigali Amendment" কার্যকর হয়।
 
উৎস: UNEP website & Britannica.com
৯৩৯.
IPCC এর মতে সঠিক নয় -
  1. ক) আর্কটিকে সামুদ্রিক বরফস্তর কমে যাওয়ার পেছনে মানুষের কর্মকাণ্ডই যে দায়ী
  2. খ) ১৮৫০ সালের পর গত পাঁচ বছর ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে উষ্ণতম
  3. গ) ১৯৫০ এর দশকের পর থেকে তাপপ্রবাহ ঘন ঘন ঘটছে
  4. ঘ) ২০১১-২০ সময়কালে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২.০৯ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়েছে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১১-২০ সময়কালে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২.০৯ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১১-২০ সময়কালে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ২.০৯ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়েছে
ব্যাখ্যা
আইপিসিসির রিপোর্ট 
- ২০১১-২০২০ এই এক দশক সময়কালে ভূপৃষ্ঠের তাপমাত্রা ১৮৫০-১৯০০ এই সময়কালের চেয়ে ১.০৯ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়েছে ।
- ১৮৫০ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত থাকা রেকর্ড অনুযায়ী গত পাঁচ বছর ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে উষ্ণতম।
- ১৯০১-১৯৭১ এই সময়কালের সাথে তুলনায় সমুদ্রের পানির স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধির সাম্প্রতিক হার প্রায় তিন গুণ বেড়েছে।
- ১৯৯০ এর দশক থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপি হিমবাহগুলো গলে যাওয়া, এবং আর্কটিকে সামুদ্রিক বরফস্তর কমে যাওয়া - এ দুটির পেছনে মানুষের কর্মকাণ্ডই যে দায়ী, এমন সম্ভাবনা খুবই জোরালো (৯০%)।
- এটা এখন 'প্রায় নিশ্চিত যে ১৯৫০ এর দশকের পর থেকে অতিরিক্ত গরম পড়া, এবং তাপপ্রবাহ অনেক বেশি ঘন ঘন ঘটছে। অন্যদিকে ঠাণ্ডা পড়ার তীব্রতা কমে যাচ্ছে এবং তা ততটা ঘন ঘন হচ্ছে না।

 উৎস: IPCC এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৪০.
কিয়োটো প্রটোকল কোন আন্তর্জাতিক চুক্তির অংশ হিসেবে গৃহীত হয়?
  1. UNFCCC
  2. Montreal Protocol
  3. Paris Agreement
  4. CDC Agreement
সঠিক উত্তর:
UNFCCC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNFCCC
ব্যাখ্যা

• কিয়োটো প্রটোকল:
- চুক্তির নাম: কিয়োটো প্রটোকল,
- স্থান: কিয়োটো, জাপান,
- স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ সালে কার্যকর হয়।
- আয়োজক সংস্থা: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- জাতিসংঘের ব্যবস্থাপনায় জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- উদ্দেশ্যে: কার্বন ডাইঅক্সাইড ও গ্রিন হাউস গ্যাস উদ্গিরণ কমানো।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সাউথ সুদান এ প্রটোকল অনুসমর্থন করে নি।
- ২০১২ সালে কানাডা নিজেকে প্রত্যাহার করে।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৯৪১.
ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থার সদর দপ্তর কোথায়?
  1. মাল্টা
  2. ডেনমার্ক
  3. বেলজিয়াম
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা (European Environment Agency):
- কাজ: ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পরিবেশ বিষয়ক তথ্য দিয়ে সহায়তা করা।
- গঠন: ১৯৯৪ সাল।
- সদর দপ্তর: কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
- সদস্য: ৩২টি। [ডিসেম্বর, ২০২৪]
- সহযোগী দেশ: ৬টি।

উৎস: European Environment Agency ওয়েবসাইট।
৯৪২.
যুদ্ধবন্ধীদের সাথে আচরণ - জেনেভা কনভেনশনের কোন চুক্তিটির বিষয়বস্তু?
  1. ক) প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
  2. খ) দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
  3. গ) তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
  4. ঘ) চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ (Geneva Convention):
১৯৪৯ সালের ১২ আগস্ট সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় 'জেনেভা কনভেনশন' স্বাক্ষর হয়।
এর আওতায় স্বাক্ষরিত চুক্তির সংখ্যা - ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল
(যুদ্ধকালীন সামরিক, বেসামরিক ও স্বেচ্ছাসেবীদের রক্ষার জন্য এতে চারটি রক্ষাকবচ/চুক্তি থাকায় এই চুক্তিকে “চারটি রেডক্রস কনভেনশন” বলা হয়।)
জেনেভা কনভেনশন - ১৯৪৯ এর স্বাক্ষরিত চারটি চুক্তি হচ্ছে -
১. প্রথম জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - জেনেভা কনভেনশনের প্রথম চুক্তিটি যুদ্ধকালীন সময়ে ভূমি ও স্থল যুদ্ধে আহত ও অসুস্থ সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত।
২. দ্বিতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - দ্বিতীয় চুক্তিটি সমুদ্রে বা জলের যুদ্ধে আহত, অসুস্থ ও জাহাজডুবির স্বীকার সৈন্যদের প্রতি আচরণ ও সুরক্ষা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালের “হেগ চুক্তি” সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - জেনেভা কনভেনশনের তৃতীয় চুক্তিটি হচ্ছে যুদ্ধ-বন্দিদের প্রতি আচরণ সংক্রান্ত।
৪. চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন চুক্তি - চতুর্থ চুক্তিটি যুদ্ধক্ষেত্র বা অবরুদ্ধ অঞ্চলের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি।
উৎসঃ History.com ও Live MCQ Content (Upcoming)

৯৪৩.
'ধরিত্রী সম্মেলন' (Earth Summit) ১৯৯২ কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. জোহানেসবার্গ
  2. প্যারিস
  3. স্টকহোম
  4. রিও ডি জেনেরিও
সঠিক উত্তর:
রিও ডি জেনেরিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিও ডি জেনেরিও
ব্যাখ্যা

- ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিওতে প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit)অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯২ সালে।

ধরিত্রী সম্মেলন: 
- পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Environment and Development (UNCED).
- প্রথম ধরিত্রি সম্মেলন: রিও ডি জেনেইরো, ব্রাজিল।
- তারিখ: ৩-১৪ জুন, ১৯৯২। 
- উদ্দেশ্য: টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি।
- গুরুত্বপূর্ণ অর্জন: UNFCCC, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কনভেনশন (CBD), অ্যাজেন্ডা ২১ স্বাক্ষর।

উল্লেখ্য,
- 'রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন+ ৫' অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে।
- এটি ১৯৯৭ সালে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি বিশেষ ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- 'রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন ১০' অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ২০০২ সালে।
- এটি দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।
- রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন ২০' অনুষ্ঠিত হয় ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও-তে ২০১২ সালে।
- এটি তৃতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।

৯৪৪.
জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ কোন শহরে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. সিডনি
  2. অ্যান্টালিয়া
  3. ইস্তাম্বুল
  4. জুরিখ
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টালিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যান্টালিয়া
ব্যাখ্যা

• জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১:
- ২০২৬ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ আয়োজন করতে যাচ্ছে তুরস্ক।
- মেডিটেরেনিয়ান উপকূলে অবস্থিত তুরস্কের পর্যটননগরী অ্যান্টালিয়া কপ-৩১-এর আয়োজক শহর হবে এবং তুরস্কই আনুষ্ঠানিকভাবে কপ-৩১-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে।
- অস্ট্রেলিয়া যৌথভাবে এ সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় তুরস্ক এ দায়িত্ব পেয়েছে।
- তবে এ সম্মেলনে অংশ নেওয়া দেশগুলোর সরকারের সঙ্গে দর–কষাকষির নেতৃত্ব দেবে অস্ট্রেলিয়া।
- ব্রাজিলে আয়োজিত কপ৩০-এ সমঝোতার মধ্য দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- ২০২২ সালে দুই দেশই সম্মেলনটি আয়োজনের আবেদন করেছিল।

উল্লেখ্য,
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties. 
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা। 
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করেছে ব্রাজিল।

উৎস: UN-Habitat অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।

৯৪৫.
বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
৯৪৬.
UNFCCC স্বাক্ষরিত হয় কোন শহরে?
  1. ক) রিও ডি জেনেরিও
  2. খ) প্যারিস
  3. গ) রোম
  4. ঘ) ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
ক) রিও ডি জেনেরিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রিও ডি জেনেরিও
ব্যাখ্যা
UNFCCC:
- UNFCCC স্বাক্ষরিত  হয় রিও ডি জেনেরিওতে
- UNFCCC হল জাতিসংঘের একটি সংস্থা যা জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির বিরুদ্ধে বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া সমর্থন করার জন্য কাজ করে।
- UNFCCC এর অর্থ হল জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন
- কনভেনশনের প্রায় সর্বজনীন সদস্যপদ রয়েছে ১৯৯ পক্ষ
- UNFCCC ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- UNFCCC সদর দপ্তর বন,জার্মানী

তথ্যসূত্র - UNFCCC এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৪৭.
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে-
  1. সমুদ্র স্তরের উচ্চতা হ্রাস পাবে
  2. মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে
  3. বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি পাবে
  4. নদীর নাব্যতা হ্রাস পাবে
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে
ব্যাখ্যা
গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া:

- গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে।
- এতে করে মেরু অঞ্চলসহ অন্যান্য স্থানে সঞ্চিত থাকা বরফ গলতে শুরু করবে।
- যার কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে।
- ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর স্থলভাগের অনেক নিম্নভূমি সমুদ্রের পানিতে নিমজ্জিত হবে।

তথ্যসূত্র - এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৯৪৮.
২০২৫ সালে 'আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০' এর আয়োজন করবে -
  1. কানাডা
  2. আজারবাইজান
  3. ব্রাজিল
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
• জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP): 
- COP এর পূর্ণরূপ Conference of the parties. 
- ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- এর উদ্দেশ্য জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা। 
- ১৯৯৫ সাল থেকে 'জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন (COP)' নামে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩০ এর আয়োজন করবে ব্রাজিল।
- আমাজনিয়ান শহর বেলেম ডো প্যারাকে কপ-৩০ সম্মেলনের জন্য নির্বাচন করেছে জাতিসংঘ।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট, জাতিসংঘ বাংলাদেশ ওয়েবসাইট এবং ব্রাজিলের সরকারি ওয়েবসাইট।
৯৪৯.
গ্রিনপিস (Greenpeace) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬৫
  2. ১৯৭১
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৮০
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১
ব্যাখ্যা

গ্রিনপিস (Greenpeace):
- এটি মূলত নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম ভিত্তিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- গ্রিনপিস এর প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৭১।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভ্যাঙ্কুভার, কানাডা। 
- প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য: আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদ। 
- এর সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।
- কর্মপদ্ধতি: শান্তিপূর্ণ আন্দোলন, সচেতনতা বৃদ্ধি, গবেষণা ও সাংবাদিকতা।
- স্লোগান: "Because the Earth needs us"

উৎস: গ্রিনপিস ওয়েবসাইট।

৯৫০.
কত সাল থেকে ও কোথায় কপ কনফারেন্স শুরু হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৯৫, জার্মানি
  2. খ) ১৯৯৫, ব্রাজিল
  3. গ) ১৯৯৬, ব্রাজিল
  4. ঘ) ১৯৯৬, জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৫, জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৯৫, জার্মানি
ব্যাখ্যা
The first Conference of the Parties (COP 1) to the UNFCCC was held in Berlin, Germany.1995
৯৫১.
গ্রীনপিস ফাউন্ডেশনের সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আমস্টারডাম
  2. খ) কাইলুয়া
  3. গ) ওয়াশিংটন
  4. ঘ) টরেন্টো
সঠিক উত্তর:
খ) কাইলুয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কাইলুয়া
ব্যাখ্যা
খেয়াল করে দেখুন, নেদারল্যান্ডসের গ্রিনপিস এবং গ্রিনপিস ফাউন্ডেশন আলাদা।
গ্রিনপিস ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৬ সালে। এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের কাইলুয়াতে অবস্থিত।
কানাডাতে প্রতিষ্ঠিত (তবে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক) গ্রিনপিস যখন গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশানালে রুপান্তরিত হয় তখন এটা সেখানে জয়েন করেনি। আলদা থেকে যায়।
৯৫২.
UNCBD-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  2. গ্ল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড
  3. প্যারিস, ফ্রান্স
  4. মন্ট্রিল, কানাডা
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল, কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল, কানাডা
ব্যাখ্যা
UNCBD:
- UNCBD-এর পূর্ণরূপ: United Nation Convention on Biological Diversity.
- এটি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এটি ১৯৯২ সালে ব্রাজিলে রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত 'আর্থ সামিট' বা ধরিত্রী সম্মেলনে গৃহীত হয়েছিল।
- ১৯৯৪ সালে কপ-১ নামে জীববৈচিত্র্য বিষয়ক প্রথম সম্মেলন বাহামাসের রাজধানী নাসাইয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- সদরদপ্তর: মন্ট্রিল, কানাডা।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৯৫৩.
নিচের কোনটি ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ বিষয়ক প্রটোকল?
  1. কিয়েটো প্রটোকল
  2. মন্ট্রিল প্রটোকল
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. কার্টাগেনা প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• মন্ট্রিল প্রটোকল:
- প্রটোকলটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে।
- উদ্দেশ্য: ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ।
- চুক্তির স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১ জানুয়ারি, ১৯৮৯।
-  এটি ক্লোরোফ্লুরোকার্বন (CFC) নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে কাজ করে।
- মন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য বর্তমানে সিএফসি গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

অন্যদিকে,
- কিয়েটো প্রটোকল - গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন - ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
- জৈব নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রোটকল- কার্টাগেনা প্রোটোকল।
 
উৎস: UNEP ওয়েবসাইট এবং Britannica.

৯৫৪.
কার্টাগেনা প্রটোকল কী সম্পর্কিত?
  1. ইরাক পুনর্গঠন
  2. যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো বৈধ চুক্তি
  3. জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা
  4. জাতিসংঘের শিশু অধিকার
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।

⇒ কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে।
- তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

৯৫৫.
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কোনটি?
  1. কল-কারখানা বৃদ্ধি পাওয়া
  2. জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া
  3. খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
  4. গাছপালা বৃদ্ধি পাওয়া
সঠিক উত্তর:
খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তন হলো মানুষের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর্মকান্ডের ফলে বায়ুমন্ডলের গঠনগত পরিবর্তন যা নির্দিষ্ট সময়কালে জলবায়ুর উপাদানসমূহের পরিবর্তন ঘটায় এবং প্রাকৃতিক জলবায়ুগত ভিন্নতা প্রদর্শন করে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই বিশ্বের আবহাওয়ার ধরন দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে।
- বৃষ্টির সময় অনাবৃষ্টি, খরার সময়ে বৃষ্টি, শীতের সময়ে গরম আবহাওয়া এবং গরমের ভিন্নধর্মী আবহাওয়া ইত্যাদিই জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের উপকূলীয় এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাবে এবং বিখ্যাত শহরগুলোও ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বাংলাদেশও এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।
- এছাড়াও এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠ ফুলে উঠা, বন্য জীবজন্তুর সংখ্যা কমে যাওয়া, লোনা পানির প্রবেশ ঝুঁকি বৃদ্ধি, অসময়ে জলোচ্ছ্বাসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, সুপেয় পানি দূষণ, বনাঞ্চল ধ্বংস, বাস্তুসংস্থানের উপর হুমকি, খরা বৃদ্ধি, বন্যা ও লবনাক্ততা দ্বারা ফসলি জমির ক্ষতি ইত্যাদিও এই জলবায়ু পরিবর্তনেরই প্রভাব।
- এভাবে পৃথিবী উষ্ণায়নের ফলে একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় বিশ্বের মোট জনসমষ্টির প্রায় ২০ শতাংশ অধিবাসীর ভাগ্য বিপর্যয় ঘটবে।
- গ্রীনহাউস প্রতিক্রিয়া বিশ্বব্যাপী উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামাজিক, প্রাকৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নানা রকম অস্থিরতা তৈরি করবে। ফলে তৈরি হবে অর্থনৈতিক মন্দা ও খাদ্যাভাব যা উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের জনগণকে করে তুলবে শরনার্থী।
- উন্নত বিশ্বের অধিবাসীরা যখন আর্থ- সামাজিক উন্নতির শিখরে অবস্থান করবে তখন অনেক দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসমষ্টি দারিদ্রসীমার নিচে মানবেতর জীবনযাপন করবে। উদাহরণসস্বরূপ বলা যায় একদিকে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, চীন, ইন্দোনেশিয়ায় জলবায়ু পরিবর্তন ব্যাপকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে অপরদিকে অস্ট্রেলিয়ার মত দেশে শীতকাল পূর্বের তুলনায় বর্ষাসিক্ত হওয়ায় শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫৬.
‘Fridays for Future’ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মালালা ইউসুফজাই
  2. গ্রেটা থুনবার্গ
  3. আন্তোনিও গুতেরেস
  4. ভেনেসা নাকাতে
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রেটা থুনবার্গ
ব্যাখ্যা
Fridays for Future:
- একটি আন্তর্জাতিক জলবায়ু ন্যায়ের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলন,
- যা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে জোরালো নীতিমালা ও পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানায়।
- প্রতিষ্ঠাতা: গ্রেটা থুনবার্গ, সুইডেন।
- সূচনা তারিখ: আগস্ট ২০১৮।
- প্রথম স্থান: সুইডিশ পার্লামেন্ট, স্টকহোম।
- প্রতিবাদ: সুইডিশ সরকারের জলবায়ু নীতির বিরুদ্ধে একক অবস্থান ধর্মঘট।

 উদ্দেশ্য ও দাবি:
- 1.5°C তাপমাত্রা সীমায় রাখতে বৈশ্বিক পদক্ষেপ।
- জলবায়ু ইস্যুতে বৈজ্ঞানিক মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা।
- জলবায়ু-ন্যায় ভিত্তিক নীতি গ্রহণ করা।
- তরুণদের কণ্ঠস্বরকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে প্রাধান্য দেওয়া।

উৎস: Fridays ForFuture .org. 
৯৫৭.
বিপজ্জনক বর্জ্যের আন্তঃসীমান্ত চলাচল এবং নিষ্পত্তি নিয়ন্ত্রণের জন্য স্বাক্ষরিত কনভেনশন কোনটি?
  1. রামসার কনভেনশন
  2. স্টকহোম কনভেনশন
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. রটারডাম কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাসেল কনভেনশন
ব্যাখ্যা

বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য আন্তঃরাষ্ট্রীয় চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

অন্যদিকে,
- ভিয়েনা কনভেনশন: ১৯৮৫ সালে স্বাক্ষরিত, অজোন লেয়ার ধ্বংসকারী পদার্থ (যেমন CFC) নিয়ন্ত্রণের জন্য; বর্জ্য চলাচলের সাথে যোগ নেই।
- স্টকহোম কনভেনশন: ২০০১ সালে স্বাক্ষরিত, স্থায়ী জৈব দূষণকারী পদার্থ (POPs যেমন DDT) উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য; বর্জ্য পরিবহন নয়।
- রামসার কনভেনশন: ১৯৭১ সালে স্বাক্ষরিত, জলাভূমি (ওয়েটল্যান্ডস) সংরক্ষণ ও বৈচিত্র্য রক্ষার জন্য; বর্জ্য-সম্পর্কিত নয়।

উৎস: বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

৯৫৮.
ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ সীমিতকরণ সম্পর্কিত প্রটোকল কোনটি? 
  1. কিয়েটো প্রটোকল
  2. বাসেল কনভেনশন
  3. কার্টাগেনা প্রটোকল
  4. মন্ট্রিল প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ট্রিল প্রটোকল
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল হচ্ছে ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্ষতিকর পদার্থ সীমিতকরণ সম্পর্কিত প্রটোকল।
- এটি গৃহীত হয়: ১৯৮৭ সালে কানাডার মন্ট্রিলে।
- কার্যকর হয়: ১৯৮৯ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৯৬টি ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
- বাংলাদেশ অনুসমর্থন করে ১৯৯০ সালে।

অন্যদিকে,
- কিয়েটো প্রটোকল-গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
- জৈব নিরাপত্তা সংক্রান্ত কার্টাগেনা প্রোটোকল ।
- নাগোয়া প্রটোকল বন্য প্রাণী সংরক্ষণ প্রটোকল ।

উৎস: UNEP Website. [লিঙ্ক]
৯৫৯.
পরিবেশ বিষয়ক "কার্টাগেনা প্রটোকল" কোন বিষয়ের উপর স্বাক্ষরিত আন্তর্জাতিক চুক্তি?
  1. ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত
  2. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত
  3. গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ
  4. ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ কমানো
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল হলো জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে অনুষ্ঠিত জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক কনভেনশনে চুক্তিটি গৃহীত হয়। কার্যকর হয় ২০০৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে।
- বর্তমানে ১৭৩টি দেশ চুক্তিটির অংশীদার।
- বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৪ মে কার্টাগেনা প্রটোকলে স্বাক্ষর করে এবং ২০০৪ সালের ৫ মে এটি অনুমোদন করে।

(তথ্যসূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)

- বাসেল কনভেনশন --  ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি
- কিয়েটো প্রটোকল --  গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ বিষয়ক চুক্তি
- মন্ট্রিল প্রটোকল -- ওজোন স্তরের ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ কমানো সংক্রান্ত চুক্তি
৯৬০.
জাতিসংঘ জলবায়ু বিষয়ক সম্মেলন (কপ-২৯)-এর মূল ফোকাস -
  1. জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কমাতে অর্থায়ন
  2. জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার পর্যায়ক্রমে হ্রাসকরণ
  3. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক
  4. মরুকরণ প্রক্রিয়া হ্রাসকরণ
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কমাতে অর্থায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত কমাতে অর্থায়ন
ব্যাখ্যা
কপ সম্মেলন (Cop Conference):
- COP-এর পূর্ণরূপ: Conference of the Parties.
- জলবায়ুতে মানুষের সৃষ্টি ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় ১৫৪টি দেশ ১৯৯২ সালে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (UNFCCC) স্বাক্ষর করে।
- জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সম্মেলন (COP) প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়।
- এখানে আলোচনা করা হয় কিভাবে ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে আনার উপায় অর্জন করা উচিত এবং কী অগ্রগতি হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করা।

কপ–২৯:
- ২৯তম জলবায়ু সম্মেলন (COP-29) ১১-২২ নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- আয়োজকদের মতে, কপ-২৯ এর মূল ফোকাস অর্থায়নের দিকে থাকবে, কারণ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব থেকে জীবন ও জীবিকা রক্ষা করতে দেশগুলোর জন্য ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।
- প্যারিস চুক্তির অধীনে তাদের হালনাগাদ জাতীয় জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপনের জন্য এই সম্মেলন ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- এ কর্মপরিকল্পনা ২০২৫ সালের প্রথম দিকে নির্ধারিত হবে।

উল্লেখ্য,
- কপ–২৯ সম্মেলনে আলোচনার মূল বিষয় হলো অর্থ।
- কপ-২৯ সম্মেলনের মূল লক্ষ্য, জলবায়ু সংকটের ভুক্তভোগী দরিদ্র দেশগুলোকে আরও অর্থসহায়তা দেওয়ার পথ খুঁজে বের করা।
- ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির অনুযায়ী বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২০৩০ সালের মধ্যে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিশ্বনেতারা।
- এ লক্ষ্যে কার্বন নিঃসরণ কমাতে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি সামলাতে ২০২৫ সাল নাগাদ উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থসহায়তা দিতে রাজি হলেও এখন পর্যন্ত সেই সহায়তার পরিমাণ সন্তোষজনক নয়।

তথ্যসূত্র - UNFCCC ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
৯৬১.
'গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড' এর সদরদপ্তর অবস্থিত-
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) ইনচিয়ন
  3. গ) অকল্যান্ড
  4. ঘ) বেইজিং
সঠিক উত্তর:
খ) ইনচিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইনচিয়ন
ব্যাখ্যা
Green Climate Fund (GCF) জলবায়ু পরিবর্তন রোধে গঠিত হয়েছে ২০১০ সালে। এর সদর দপ্তর দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিয়ন শহরে অবস্থিত। উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।
৯৬২.
বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হলে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ কী পরিমাণ কমাতে হবে?
  1. ২৫%
  2. ৩৭%
  3. ৪৩%
  4. ৫১%
সঠিক উত্তর:
৪৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩%
ব্যাখ্যা

পারিস চুক্তি (Paris Agreement): 
- প্যারিস চুক্তি হলো জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত একটি আইনত বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তি । 
- ১২ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে ২১তম কপ সম্মেলনে 'পারিস চুক্তি' গ্রহণ করা হয়।
- এটি বিশ্বের ১৯৫টি দেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি।
- এটি কার্যকর হয়: ৪ নভেম্বর, ২০১৬।
- পারিস চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখতে চেষ্টা করা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমানোর দিকে পদক্ষেপ নেয়া

⇒ পারিস চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্বব্যাপী গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্প স্তরের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর নিচে রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা চালানো।
- তবে, সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিশ্ব নেতারা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমার মধ্যে বৈশ্বিক উষ্ণতা রাখার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন।

⇒ ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সীমাবদ্ধ রাখতে হলে, ২০২৫ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৪৩% হ্রাস করতে হবে।
- পারিস চুক্তির উদ্দেশ্য মূল্যায়ন করার জন্য এবং দেশগুলোর পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করার জন্য, প্রতি ৫ বছর অন্তর একটি বিশ্বব্যাপী পর্যালোচনা অনুষ্ঠিত হবে। 

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

৯৬৩.
Earth Hour কর্মসূচি প্রথম কোথায় আয়োজন করা হয়?
  1. যুক্তরাজ্যে
  2. অস্ট্রেলিয়ায়
  3. নিউজিল্যান্ডে
  4. জার্মানিতে
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রেলিয়ায়
ব্যাখ্যা
Earth Hour:
- Earth Hour কর্মসূচি প্রথম আয়োজন করা হয় অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ৩১শে মার্চ, ২০০৭, শনিবার।
- অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে বিশ্বের প্রথম আর্থ আওয়ারে ২২ লক্ষেরও বেশি মানুষ এক ঘন্টার জন্য তাদের বাতি নিভিয়ে রেখেছিলেন।

⇒ Earth Hour হলো WWF (World Wide Fund for Nature) দ্বারা পরিচালিত একটি বিশ্বব্যাপী উদ্যোগ, যেখানে মানুষ, সম্প্রদায় এবং ব্যবসায় প্রতি বছর এক ঘণ্টার জন্য অপ্রয়োজনীয় আলো ও বৈদ্যুতিক যন্ত্র বন্ধ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ সুরক্ষার প্রতি সচেতনতা প্রকাশ করে।
- প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার আর্থ আওয়ার পালিত হয়।
- Earth Hour-এর প্রধান লক্ষ্য পরিবেশগত সমস্যা, বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং শক্তি সংরক্ষণের বিষয়ে বিশ্বব্যাপী মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
- Earth Hour ২০২৫ সালে মার্চ মাসের শেষ শনিবার, অর্থাৎ ২৯ মার্চ, রাত ৮:৩০ থেকে ৯:৩০ পর্যন্ত পালিত হয়।

উৎস: i) WWF ওয়েবসাইট।
ii) Earth Hou ওয়েবসাইট।
৯৬৪.
'Earth Hour' উদযাপনটি কোন সংস্থার উদ্যোগ?
  1. UNEP
  2. UNESCO
  3. WWF
  4. Earth Institute
সঠিক উত্তর:
WWF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WWF
ব্যাখ্যা

- Earth Hour' উদযাপনটি  WWF সংস্থার উদ্যোগ

WWF: 
- 'আর্থ আওয়ার' (Earth Hour) হলো একটি বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত আন্দোলন,
- যা প্রতি বছর মার্চ মাসের শেষ শনিবার রাত ৮:৩০ টা থেকে এক ঘণ্টা সময়ের জন্য বিদ্যুৎ ব্যবহার কমিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়।
- এটি WWF (World Wide Fund for Nature)-এর মূল উদ্যোগ, যা ২০০৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে শুরু হয় এবং এখন বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশে পালিত হয়।
- WWF-এর লক্ষ্য এই ইভেন্টের মাধ্যমে মানুষকে পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় করা, যেমন শক্তি সাশ্রয়, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এবং কার্বন নির্গমন হ্রাস। ২০২৬ সালের আর্থ আওয়ার ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: WWF ওয়েবসােইট।

৯৬৫.
মন্ট্রিল প্রটোকলের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস করা
  2. সমুদ্রে প্লাস্টিক দূষণ কমানো
  3. ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করা
  4. বন উজাড় রোধ করা
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর ক্ষয়কারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করা
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৯৬৬.
কোন সংস্থা নিয়মিতভাবে জলবায়ু সম্পর্কিত "Assessment Reports" প্রকাশ করে?
  1. UNEP
  2. UNFCCC
  3. IPCC
  4. IMO
সঠিক উত্তর:
IPCC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IPCC
ব্যাখ্যা
IPCC (Intergovernmental Panel on Climate Change):
- IPCC (আন্তঃসরকারি জলবায়ু পরিবর্তন প্যানেল) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা জাতিসংঘের আওতায় কাজ করে।
- এটি বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ ও মূল্যায়নের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং এর সম্ভাব্য সমাধান সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- IPCC নিয়মিতভাবে "Assessment Reports" প্রকাশ করে, যা জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক দিকগুলো তুলে ধরে।

উৎস: IPCC Official Website
৯৬৭.
নিচের কোনটি 'ই-৮' ভুক্ত দেশ নয়?
  1. ব্রাজিল
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. নেপাল
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেপাল
ব্যাখ্যা

নেপাল 'ই-৮' ভুক্ত দেশ নয়।

ই - ৮:
- ই - ৮ হচ্ছে ৮টি পরিবেশ দুষণকারী দেশ।
- ই - ৮ ভুক্ত দেশসমূহ পরিবেশ দূষণকারী দেশগুলোর জন্য বিভিন্ন আইন-কানুন জারি করে। 
- ই - ৮ ভুক্ত দেশসমূহ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন, রাশিয়া, জাপান, ভারত, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকার নেতাদের দ্বারা গঠিত একটি সংস্থা।

উৎস: Encyclopedia Britannica।

৯৬৮.
রামসার কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয় কোন দেশে?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. ইরান
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

Ramsar Convention:
- এর পূর্ণনাম: Convention on Wetlands of International Importance especially as Waterfowl Habitat.
- উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী জলাভূমির সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- স্বাক্ষর: ১৯৭১ সালে, ইরানের রামসার শহরে।
- কার্যকর হয়: ২১ ডিসেম্বর ১৯৭৫।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- 'কনভেনশন অন ওয়েটল্যান্ডস' নামে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসমূহ স্বাক্ষর করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ রামসার কনভেনশনে যোগ দেয়: ২০ এপ্রিল ১৯৮২।
- বাংলাদেশের রামসার সাইট: ২টি।
১. সুন্দরবন (১৯৯২ সালে অন্তর্ভুক্ত)।
২. টাঙ্গুয়ার হাওর (২০০০ সালে অন্তর্ভুক্ত)।

উৎস: রামসার কনভেনশন ওয়েবসাইট

৯৬৯.
Green Climate Fund - থেকে বাংলাদেশের ন্যায্য অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করনে সরকার কোন প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করেছে?
  1. ক) Bangladesh Climate Change Ttust
  2. খ) Economic Relation Authority
  3. গ) National Designated Authority
  4. ঘ) ‘Damage and Need Assessment (DNA) Cell
সঠিক উত্তর:
গ) National Designated Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) National Designated Authority
ব্যাখ্যা
GCF - থেকে জলবায়ু অর্থায়ন প্রাপ্তির লক্ষ্যে বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রনালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে “National Designated Authority” সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ২০১৮ সালের মে মাস পর্যন্ত, ৮৫.৮২ মিলিয়ন ডলার প্রক্কলিত ব্যয়ে বাংলাদেশের ৩টি প্রকল্প GCF অনুমোদন করেছে। উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
৯৭০.
'Greenpeace' is an environmental organization of -
  1. ক) Amsterdam, Netherlands
  2. খ) Vancouver, Canada
  3. গ) Rome, Italy
  4. ঘ) Lisbon, Portugal
সঠিক উত্তর:
ক) Amsterdam, Netherlands
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Amsterdam, Netherlands
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- এর সদরদপ্তর নেদারল্যান্ডের আমস্টারডামে।
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- পরে ১৯৭১ সালে এটি ‘গ্রীনপিস’ নামে রুপান্তরিত হয়।
- গ্রীনপিস ইন্টারন্যাশনাল ২৭টি সংস্থার একটি কাঠামো।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো। 

উৎস: Greenpeace এর ওয়েবসাইট।
৯৭১.
OPCW সংস্থাটি কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) স্থল যোগাযোগ
  2. খ) রাসায়নিক অস্ত্র
  3. গ) বাণিজ্য
  4. ঘ) মানব পাচার
সঠিক উত্তর:
খ) রাসায়নিক অস্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাসায়নিক অস্ত্র
ব্যাখ্যা
OPCW (Organisations for the Prohibitions of Chemical Weapons) রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা। এটি ১৯৯৭ সালের ২৯ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর সদরদপ্তর নেদারল্যান্ডস হেগ শহরে অবস্থিত। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩ টি। এটি ২০১৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পায়। বর্তমান মহাপরিচালক ফার্নান্দো আরিয়াস।(সূত্রঃ OPCW ওয়েবসাইট)
৯৭২.
জাতিসংঘ কর্তৃক পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পুরস্কার কোনটি?
  1. Champions of the Globe
  2. Champions of the Earth
  3. Champions of the World
  4. Champions of the UN
সঠিক উত্তর:
Champions of the Earth
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Champions of the Earth
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP):
UNEP - এর পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme.
প্রতিষ্ঠা: ৫ জুন, ১৯৭২ সাল।
সদর দপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া।
উদ্দেশ্য: প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর পৃথিবী নির্মাণের উদ্দেশ্যে পরিবেশগত এজেন্ডা নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে UNEP নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।

- এই সংস্থা থেকে পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ পদক- 'Champions of the Earth' প্রদান করা হয়।
- পরিবেশ বিষয়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৪ সাল থেকে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়ে থাকে।
- নীতি নির্ধারণ, বিজ্ঞান, ব্যবসা ও সুশীল সমাজ এই চার ক্যাটাগরিতে পুরস্কার দেওয়া হয়। 
- ২০১৫ সালে পলিসি লিডারশীপ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ’ পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: জাতিসংঘ ও UNEP ওয়েবসাইট।
৯৭৩.
নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিনপিস প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস নেদারল্যান্ডস এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদের অংশ হিসেবে Greenpeace প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭১ সালে।
- সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।

তথ্যসূত্র - Greenpeace অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৭৪.
সাভানা এক ধরনের বিশেষ -
  1. ক) মরুভূমি
  2. খ) তৃণভূমি
  3. গ) মালভূমি
  4. ঘ) আগ্নেয়গিরি
সঠিক উত্তর:
খ) তৃণভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তৃণভূমি
ব্যাখ্যা
সাভানা
- সাভানা অঞ্চলে বাৎসরিক বৃষ্টিপাত ১০০-১৫০ সে.মি.। 
- সাভানা এক ধরনের বিশেষ তৃণভূমি
- মাঝে মাঝে ছোট বৃক্ষ বা ঝোপ থাকে যা তৃণভূমিতে থাকে না।
- সাভানাতে দীর্ঘ শুকনো মৌসুম থাকে।
- ট্রপিক্যাল রেইন ফরেস্টের সীমানায় সাভানা সৃষ্টি হয়েছে।
- আফ্রিকা, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াতে সাভানা আছে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭৫.
নিচের কোনটি IMO এর পূর্ণরূপ?
  1. ক) International Monetary Organization
  2. খ) International Marine Organization
  3. গ) International Maritime Organization
  4. ঘ) International Management Organization
সঠিক উত্তর:
গ) International Maritime Organization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) International Maritime Organization
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক উপকূল সম্পর্কিত সংগঠন (IMO)
▪ IMO এর পূর্ণরূপ ‘International Maritime Organization’ বা আন্তর্জাতিক উপকূল সম্পর্কিত সংগঠন।
▪ এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা সমুদ্রে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা ও এর দ্বারা উপকূলীয় অঞ্চলের পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করে।
▪ ১৯৪৮ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এক সম্মেলনের মাধ্যমে Inter-Governmental Maritime Consultative Organization বা IMCO গঠিত হয়; যা ১৯৮২ সালে নাম পরিবর্তন করে বর্তমান International Maritime Organization বা IMO নাম ধারন করে।
▪ সদস্য সংখ্যা - ১৭৫টি দেশ (পূর্ণাঙ্গ সদস্য) ও ৩টি সহযোগী সদস্য।
▪ সদরদপ্তর - লন্ডন, যুক্তরাজ্য।

তথ্যসূত্র: IMO ওয়েবসাইট।
৯৭৬.
উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় COP-29 সম্মেলনে কত অর্থায়নের অঙ্গীকার করা হয়েছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ১০০ বিলিয়ন ডলার
  2. ২০০ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩০০ বিলিয়ন ডলার 
  4. ৪০০ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
৩০০ বিলিয়ন ডলার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০ বিলিয়ন ডলার 
ব্যাখ্যা

• কপ-২৯ সম্মেলন: 
- আয়োজক: UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)
- স্থান: বাকু, আজারবাইজান।
- সময়কাল: ১১-২২ নভেম্বর, ২০২৪।
- এই সম্মেলনে রাষ্ট্রপ্রধান, বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী এবং উদ্যোক্তারা অংশ নেন।
- যদিও যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ফ্রান্সের মতো বড় কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানরা অনুপস্থিত ছিলেন, তাদের উপস্থিতি এই আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব বহন করতো।
- এই জলবায়ু সম্মেলনে ধনী দেশগুলো দীর্ঘ তেত্রিশ ঘণ্টার আলোচনার পর উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার অঙ্গীকার করেছে।
- ক্ষতিগ্রস্ত ছোট দ্বীপ রাষ্ট্রগুলো ৩০০ বিলিয়ন ডলারের এই অঙ্গীকারকে দুর্বল পদক্ষেপ মনে করে হতাশা প্রকাশ করে; তাদের দাবি, জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
- এবারের কপকে ‘ক্লাইমেট ফাইন্যান্স কপ’ নামে অভিহিত করা হলেও উন্নত দেশগুলো ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল নিয়ে একমত হয়নি।

তথ্যসূত্র: UNFCCC ওয়েবসাইট ও Dhaka Post. Link 

৯৭৭.
নাগোয়া প্রটোকল কোথায় গৃহীত হয়?
  1. কানাডা
  2. জাপান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. কাতার
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

 নাগোয়া প্রটোকল:
- পূর্ণ নাম: The Nagoya Protocol on Access and Benefit-sharing
- নাগোয়া প্রোটোকল হল জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশনের একটি পরিপূরক চুক্তি। 
- ABS সংক্রান্ত নাগোয়া প্রোটোকলটি ২৯ অক্টোবর ২০১০ তারিখে জাপানের নাগোয়ায় গৃহীত হয়।
- প্রটোকলটি ১২ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে কার্যকর হয়।
- এর উদ্দেশ্য হল জিনগত সম্পদের ব্যবহার থেকে উদ্ভূত সুবিধাগুলির ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত বন্টন, যার ফলে জীববৈচিত্র্যের সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহারে অবদান রাখা যায়।
- স্বাক্ষরের স্থান: নাগোয়া, জাপান।

উৎস: Convention on Biological Diversity ওয়েবসাইট।

৯৭৮.
পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগরের নাম কী?
  1. ক) অ্যান্টার্কটিক মহাসাগর
  2. খ) আটলান্টিক মহাসাগর
  3. গ) প্রশান্ত মহাসাগর
  4. ঘ) ভারত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
খ) আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীর বৃহত্তম ও গভীরতম মহাসাগর প্রশান্ত মহাসাগর।
- প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন - ১৬ কোটি ৮৭ লক্ষ বর্গকিলোমিটার।
- গড় গভীরতা - গড় - ৪,১৮৮ মি.; সর্বোচ্চ গভীরতা - ১০,৯২০ মি.
- এই মহাসাগরে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ অবস্থিত।
- ২৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রবাল প্রাচীর অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত‌।
- আর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাসাগরের নাম আটলান্টিক মহাসাগর। 

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস
৯৭৯.
জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. ভিয়েনা কনভেনশন
  3. কিয়োটো প্রটোকল
  4. কার্টাগেনা প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা
কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
- কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
- কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল।
- চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।

উল্লেখ্য,
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- জাতিসংঘ ওজোন স্তর সুরক্ষা ও নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন 'ভিয়েনা কনভেনশন'।
- কিয়োটো প্রটোকল গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন হ্রাস সংক্রান্ত একটি চুক্তি।

তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।
৯৮০.
Cartagena Protocol-এর আলোচ্য বিষয় কী?
  1. ওজোন স্তরের সুরক্ষা
  2. জীববৈচিত্র্য ও জৈব নিরাপত্তা
  3. বিশ্বের উষ্ণতা হ্রাস
  4. বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্য ও জৈব নিরাপত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীববৈচিত্র্য ও জৈব নিরাপত্তা
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রটোকল-এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity।
- এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল।
- এর আলোচ্য বিষয় হলো জীববৈচিত্র্য ও জৈব নিরাপত্তা।

⇒ কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে।
- তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- চুক্তির পক্ষে স্বাক্ষরকারী দেশ: ১০৩টি।
- অনুমোদনকারী: ১৭৩টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

অন্যদিকে -
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।
- কিয়েটো প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: বিশ্বের উষ্ণতা হ্রাস।
- নাগোয়া প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ।

উৎস: UNTC ওয়েবসাইট।

৯৮১.
জাতিসংঘের 'Champion of the Earth' খেতাবপ্রাপ্ত কে?
  1. হিলারি ক্লীন্টন
  2. থেরেসা মে
  3. এঞ্জেলা মার্কেল
  4. শেখ হাসিনা
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নটি বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।]

চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ:

- চ্যাম্পিয়নস অব দ্য আর্থ জাতিসংঘের পরিবেশ-বিষয়ক সর্বোচ্চ বার্ষিক সম্মাননা।
- পরিবেশ বিষয়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়ে থাকে।
- জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি ২০০৫ সাল থেকে পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
- বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সরকারি বেসরকারি পর্যায় থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হয় ৷

⇒ ২০১৫ সালে পলিসি লিডারশীপ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: UNEP ওয়েবসাইট।
৯৮২.
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. রোম
  2. জেনেভা
  3. প্যারিস
  4. নিউ ইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
ব্যাখ্যা

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা:
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা জাতিসংঘের বিশেষায়িত একটি সংস্থা WMO.
- WMO এর পূর্ণরূপ World Meteorological Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৫০ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
• ১৮৭টি দেশ।
• ৬টি অঞ্চল।
- বর্তমান মহাসচিব: সেলেস্তে সাওলো। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

তথ্যসূত্র - WMO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৯৮৩.
IAEA - এর কোন সাবেক মহাসচিব শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) স্টারলিং কোল
  2. খ) হ্যান্স ব্লিক্স
  3. গ) মোহাম্মদ এল বারাদি
  4. ঘ) ইউকিয়ো আমানো
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ এল বারাদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ এল বারাদি
ব্যাখ্যা
- IAEA (International Atomic Energy Agency) সাবেক মহাপরিচালক মোহাম্মদ এল বারাদি এবং IAEA ২০০৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।
- এল বারাদি মিশরের নাগরিক। তিনি ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত IAEA এর চতুর্থ মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যদিকে,
- স্টারলিং কোল IAEA এর প্রথম মহাপরিচালক।
- হ্যান্স ব্লিক্স IAEA এর তৃতীয় মহাপরিচালক।
- ইউকিয়ো আমানো IAEA এর পঞ্চম মহাপরিচালক।
(তথ্যসূত্রঃ IAEA ওয়েবসাইট)
৯৮৪.
কোনটি UNFCCC - এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ?
  1. ক) International Union for Conservation of Nature (IUCN)
  2. খ) International Maritime Organization (IMO)
  3. গ) Conference of the Parties (COP)
  4. ঘ) United Nations Environment Programme (UNEP)
সঠিক উত্তর:
গ) Conference of the Parties (COP)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Conference of the Parties (COP)
ব্যাখ্যা
UNFCCC
• জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত রূপরেখা চুক্তি UNFCCC - এর পূর্ণরূপ - United Nations Framework Convention on Climate Change.
• এটি একটি পরিবেশগত চুক্তি যা ১৯৯২ সালের ৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও - তে ধরিত্রী সম্মেলনে (৩ - ১৪ জুন, ১৯৯২) স্বাক্ষরিত হয় এবং এটি কার্যকর হয় ২১ মার্চ, ১৯৯৪ সাল থেকে।

এক নজরে UNFCCC
• প্রতিষ্ঠাকাল -- চুক্তি স্বাক্ষর - ৪ জুন, ১৯৯২ সাল ও চুক্তি কার্যকর - ২১ মার্চ, ১৯৯৪ সাল
• চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ -- ১৯৭টি
• সদরদপ্তর -- বন, জার্মানি
• বাংলাদেশ ও UNFCCC -- চুক্তি স্বাক্ষর - ৯ জুন, ১৯৯২ সাল এবং  চুক্তি অনুমোদন - ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সাল।
Conference of the Parties (COP) - হচ্ছে UNFCCC - এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ
• প্রতিবছর COP সম্মেলনের মাধ্যমে UNFCCC - এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও জলবায়ু সম্পর্কিত নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
• কার্যক্রম শুরুর পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুতে এই চুক্তির দপ্তর মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। 

তথ্যসূত্র:- UNFCCC ওয়েবসাইট।
৯৮৫.
IMO-এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম কী ছিল?
  1. Intergovernmental Meteorological Organization
  2. Inter-Governmental Maritime Consultative Organization
  3. International Maritime Consultative Organization
  4. Inter-Governmental Maritime & Meteorological Organization
সঠিক উত্তর:
Inter-Governmental Maritime Consultative Organization
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inter-Governmental Maritime Consultative Organization
ব্যাখ্যা
IMO:
- IMO-এর পূর্ণরূপ: International Maritime Organization.
- আন্তর্জাতিক সমুদ্র চলাচল সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৮ সাল।
- কার্যকর হয়: ১৯৫৮ সাল।
- সদরদপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- বর্তমান সদস্য: ১৭৬টি।
- সর্বশেষ সদস্য: কিরগিজস্তান।
- বর্তমান মহাসচিব: আর্সেনিও ডমিঙ্গুয়েজ।

⇒ প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এর নাম ছিল Inter-governmental Maritime Consultative Organization।
- ১৯৮২ সালে IMO নামধারণ করে।
⇒ এর ধারনা গ্রহণ করা হয় ১৯১৪ সালে টাইটানিক দুর্ঘটনার পরে।
- IMO-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ১৯৪৮ এর জেনেভা সম্মেলনে।
⇒ IMO-এর ১৭০ টিরও বেশি সদস্য রয়েছে এবং একজন সেক্রেটারি-জেনারেলের নেতৃত্বে রয়েছেন।
- সেক্রেটারি-জেনারেল চার বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।
- এর কাউন্সিল ৪০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত এবং এরা বছরে দুবার বৈঠকে মিলিত হয়।

উৎস: IMO ওয়েবসাইট।
৯৮৬.
বাসেল কনভেনশন কোথায় গৃহীত হয়?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রিয়া
  4. সুইজারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- বাসেল কনভেনশন হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- এটি বিপজ্জনক বর্জ্যের দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং তাদের ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে গৃহীত হয়।
- এই চুক্তির পুরো নাম হল The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal. 
- বাসেল কনভেনশনটি ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে গৃহীত হয়।
- এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯২ সালে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই চুক্তি ১৯৯৩ সালে অনুমোদন করা হয়।

সূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
৯৮৭.
কোন চুক্তির মাধ্যমে Biosafety Clearing-House (BCH) প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. কার্টাগেনা প্রটোকল
  2. নাগোয়া প্রটোকল
  3. মন্ট্রিল প্রটোকল
  4. কিয়োটো প্রটোকল
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা

• Biosafety Clearing-House (BCH):
- Biosafety Clearing-House (BCH) প্রতিষ্ঠিত হয় কার্টাগেনা প্রটোকলের অধীনে
- Biosafety Clearing-House (BCH) হলো একটি অনলাইন তথ্য কেন্দ্র, যার মাধ্যমে জীবিত পরিবর্তিত জীব (LMOs) সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করা যায়, দেশগুলো তাদের বায়োসেফটি আইন-কানুন, নীতিমালা, সিদ্ধান্ত ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারে,
- এটি Cartagena Protocol বাস্তবায়নে সহযোগিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।

• কার্টাগেনা প্রটোকল:
- কার্টাগোনা প্রটোকল এর পূর্ণরূপ: Cartagena Protocol on Biosafety to the convention on Biological Diversity। এটি জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক প্রটোকল। এর উদ্দেশ্য হলো জৈব জ্বালানি সংরক্ষণ।
- কার্টাগেনা প্রটোকল অনুমোদন: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯, কলম্বিয়ার কার্টাগেনা শহরে।
- তাই শহরের নামানুসারে এর নাম কার্টাগেনা প্রটোকল।
- কার্টাগেনা প্রটোকল গৃহীত ও কার্যকর: কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত ও কার্যকর হয়।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সালে।
- কার্যকর হয়: ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে।
- বাংলাদেশ স্বাক্ষর করে ২০০০ সালে এবং অনুমোদন করে ২০০৪ সালে।

তথ্যসূত্র: UNTC ওয়েবসাইট।

৯৮৮.
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাস নয় কোনটি?
  1. নাইট্রাস অক্সাইড
  2. হাইড্রোজেন
  3. মিথেন
  4. ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
⇒ 'হাইড্রোজেন' গ্রিন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাস নয়।

গ্রিন হাউস গ্যাস:
- গ্রিন হাউজ ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রিন হাউজ গ্যাস।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গ্রিন হাউজ গ্যাস হচ্ছে -
• জলীয় বাষ্প,
• কার্বন ডাই-অক্সাইড,
• নাইট্রাস অক্সাইড,
• মিথেন,
• ওজোন,
• ক্লোরোফ্লোরো কার্বন ইত্যাদি।
- কার্বন ডাই সালফাইড এবং কার্বনিল সাইফাইড পরোক্ষ গ্রিন হাউজ গ্যাস।

তথ্যসূত্র - ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা এবং Royal Society of Chemistry.
৯৮৯.
'Fund for Wild Nature' এর সদরদপ্তর কোথায়?
  1. ক) ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) বন, জার্মানি
  3. গ) ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
Fund for Wild Nature
• ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার হলো উত্তর আমেরিকা ভিত্তিক পরিবেশ সংরক্ষণ তহবিল। বনায়ন বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা জন্য এই সংস্থা কাজ করে থাকে।
• প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৮৩ সাল। 
সদরদপ্তর - সিবাস্টোপোল, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র

তথ্যসূত্র:- ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার ওয়েবসাইট।
৯৯০.
উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে উৎপত্তি হওয়া ঝড়কে বলা হয়-
  1. হ্যারিকেন
  2. সাইক্লোন
  3. টাইফুন
  4. টর্নেডো
সঠিক উত্তর:
হ্যারিকেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যারিকেন
ব্যাখ্যা
হ্যারিকেন:
- উত্তর আটলান্টিক ও উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়।
- হ্যারিকেন বড় এবং ঘূর্ণায়মান ঝড়।
- এটি প্রতি ঘন্টায় ১১৯ কিলোমিটার (৭৪ মাইল প্রতি ঘন্টা) বা উচ্চতর বাতাস তৈরি করে।
- এটি স্থলভাগের দ্রুততম প্রাণী অর্থাৎ চিতার চেয়ে দ্রুত।
- হ্যারিকেনের বাতাস ভবন এবং গাছের ক্ষতি করতে পারে।
- উষ্ণ সাগরের জলের উপরে হ্যারিকেন তৈরি হয়।
- একটি হ্যারিকেন থেকে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যা হতে পারে।

উল্লেখ্য,
- ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে সাইক্লোন বলা হয়।
- এশিয়া ও জাপানের উপকূলের ঘূর্ণিঝড়কে টাইফুন বলা হয়।
- সাধারণত স্বল্প সময় নিয়ে স্বল্প এলাকায় টর্নেডো হয়ে থাকে। স্থলভাগে উচ্চচাপ সৃষ্টির কারণে টর্নেডো হয়।

তথ্যসূত্র - NASA (gov). & redcross.org.
৯৯১.
ব্লু ইকোনমি সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন কে?
  1. ক) পল রোমার
  2. খ) মাইকেল হিউটন
  3. গ) এস্তার দুফলো
  4. ঘ) গ্রুন্টার পাউলি
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রুন্টার পাউলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গ্রুন্টার পাউলি
ব্যাখ্যা
- ব্লু ইকোনমি হলো সমুদ্রনির্ভর অর্থনীতি।
- ব্লু ইকোনমি সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন বেলজিয়ামের অর্থনীতিবিদ গ্রুন্টার পাউলি। ১৯৯৪ সালে তিনি প্রথম এই প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে তার ব্লু ইকোনমি বইয়ে তিনি বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
- তবে বৈশ্বিকভাবে ২০১২ সালের ২০-২২ জুন রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত রিও+২০ সম্মেলনে ব্লু ইকোনমি ধারণাটি গুরুত্ব লাভ করে।
(সূত্র: এসডিজি ওয়েবসাইট এবং দ্য ব্লু ইকোনমি : গ্রুন্টার পাউলি)
৯৯২.
মন্ট্রিল প্রটোকল কোথায় গৃহীত হয়?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
কানাডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিয়াল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিয়াল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৯৯৩.
জি-৭ ভূক্ত একমাত্র এশীয় দেশ কোনটি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) দক্ষিণ কোরিয়া
  3. গ) চীন
  4. ঘ) জাপান
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাপান
ব্যাখ্যা
- জি-৭ (গ্রুপ অব সেভেন) হচ্ছে জাপান, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি সংঘ।
- এই সাতটি দেশ হচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল স্বীকৃত বিশ্বের সাতটি মূল উন্নত অর্থনীতির দেশ।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে-১৯৭৫ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য- ৬ টি।
- বর্তমান সদস্য- ৭ টি (যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, জার্মান, ফ্রান্স, ইতালি, কানাডা)।
- জি-৭ এর একমাত্র এশীয় দেশ- জাপান।

জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন- ৪৯তম
তারিখ: ১৯-২১ মে, ২০২৩।
স্থান: হিরোশিমা, জাপান।

জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন- ৪৮তম।
তারিখ: ২৬-২৮ জুন, ২০২২।
স্থান: ব্যাভারিয়ান রাজ্যের শ্লস এলমাউ শহর, জার্মানি।
 
উৎস :- জি-৭ এর ওয়েবসাইট।
৯৯৪.
১৯৯৫ সালের পূর্বে UNFCCC-এর সদরদপ্তর কোথায় ছিল?
  1. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  2. রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল
  3. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  4. বার্লিন, জার্মানি
সঠিক উত্তর:
জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
UNFCCC:
- UNFCCC-এর পূর্ণরূপ: United Nations Framework Convention on Climate Change.
- এটি জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- সাক্ষরিত হয়: ১৯৯২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- স্বাক্ষরের স্থান: রিও ডি জেনেরিও, ব্রাজিল।
- সদরদপ্তর: বন, জার্মানি।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জুন থেকে ১৪ জুন তারিখে তে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন (UNCED) শীর্ষক সম্মেলনে সাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হার এমন অবস্থায় স্থিতিশীল রাখা, যাতে জলবায়ুগত মানবিক পরিবেশের জন্য তা বিপত্তিকর না হয়।

⤇ ১৯৯২ সালে UNFCCC-এর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯৫ সাল থেকে সদরদপ্তর জার্মানির বনে অবস্থিত।
- তার আগে দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় (১৯৯২ - ৯৫) ছিলো।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।
৯৯৫.
World Resources Institute - এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) লেস্টার ব্রাউন
  2. খ) রবার্ট এ সাইট্রন
  3. গ) ওয়াঙ্গেরি মাথাই
  4. ঘ) জেমস গুস্তাভ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেমস গুস্তাভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেমস গুস্তাভ
ব্যাখ্যা
World Resources Institute 
- এটি একটি বিশ্বব্যাপী গবেষণা অলাভজনক সংস্থা।
- এটি জেমস গুস্তাভ স্পেথের নেতৃত্বে ম্যাকআর্থার ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- ডব্লিউআরআই- এর কার্যক্রম সাতটি ক্ষেত্রে কেন্দ্রীভূত: খাদ্য, বন, পানি, শক্তি, শহর, জলবায়ু এবং মহাসাগর।
- তাদের লক্ষ্য মানব সমাজকে পৃথিবীর পরিবেশ রক্ষা করা এবং বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষার চাহিদা পূরণ করা ।
- এর সদরদপ্তর- ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট অনি দাসগুপ্ত।

অন্যদিকে -
- লেস্টার ব্রাউন Worldwatch Institute এর প্রতিষ্ঠাতা।
- রবার্ট এ সাইট্রন Earthwatch Institute এর প্রতিষ্ঠাতা।
- ওয়াঙ্গেরি মাথাই Greenbelt Movement এর প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: World Resources Institute এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯৯৬.
কোন সম্মেলন থেকে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট’ ধারণার সূত্রপাত হয়?
  1. ক) প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন
  2. খ) রিও+২০ সম্মেলন
  3. গ) স্টকহোম সম্মেলন
  4. ঘ) কোপেনহেগেন সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
খ) রিও+২০ সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রিও+২০ সম্মেলন
ব্যাখ্যা
২০১২ সালের ২০-২২ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরো শহরে অনুষ্ঠিত হয় United Nations Conference on Sustainable Development বা জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলন। এই সম্মেলন ‘রিও+২০ সম্মেলন’ নামেও পরিচিত।
এই সম্মেলন থেকে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট’ এবং ‘ব্রু ইকোনমি’ ধারণার সূত্রপাত হয়।
পরবর্তীতে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত United Nations Sustainable Development Summit এ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট গৃহিত হয়।
সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে প্রণীত ১৭টি লক্ষ্য সম্বলিত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের সময়সীমা স্থির করা হয়।
(সূত্রঃ Sustainable development organisations Website)
৯৯৭.
EEA-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
  2. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
  3. বার্লিন, জার্মানি
  4. মাদ্রিদ, স্পেন
সঠিক উত্তর:
কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

- EEA-এর প্রধান কার্যালয় ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অবস্থিত।  

ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা: 
- EEA এর পূর্ণরূপ European Environment Agency.
- EEA-এর প্রধান কাজ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নকে পরিবেশ বিষয়ক তথ্য সরবরাহ করা এবং পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করা।
- এটি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক-এ অবস্থিত।
- সংস্থাটি ৩২টি সদস্যদেশ নিয়ে গঠিত।    
 
সূত্র: EEA ওয়েবসাইট।

৯৯৮.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী দেশগুলোকে কত বছর পর পর তাদের নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিতে হয়?
  1. প্রতি এক বছর
  2. প্রতি দুই বছর
  3. প্রতি তিন বছর
  4. প্রতি পাঁচ বছর
সঠিক উত্তর:
প্রতি পাঁচ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতি পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা

প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement):
- প্যারিস চুক্তি মূলত জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে। 
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি পাঁচ বছর পর পর তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা জমা দিতে হয়। প্যারিস চুক্তির অধীনে, দেশগুলো প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন করে জলবায়ু লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে জমা দেয়।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

৯৯৯.
রামসার কনভেনশন স্বাক্ষরকারী দেশ কয়টি? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ১৭৯টি
  2. ১৮৩টি
  3. ১৭২টি
  4. ১৭৭টি
সঠিক উত্তর:
১৭২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭২টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রামসার কনভেনশন:

- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) বা রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- এটি একমাত্র আন্তর্জাতিক চুক্তি যা শুধুমাত্র জলাভূমি সংরক্ষণের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- রামসার কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য: জলাভূমি সংরক্ষণ, টেকসই ব্যবহারের প্রচার, বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা।

⇒ ১৯৯৭ সাল থেকে ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব জলাভূমি দিবস হিসেবে IUCN, UNESCO-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি দেশে পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা পালন করে আসছেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
১,০০০.
নেপাল কত সালে জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য পাহাড়ের চূড়ায় মন্ত্রিসভার বৈঠক করে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
জলবায়ু:
 - ২০০৯ সালে নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার ও অন্য ২২ জন মন্ত্রী সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৭ হাজার ১৯২ ফুট ওপরে কালাপাথর শৃঙ্গে বৈঠকে বসেন৷
- প্রধানমন্ত্রী মাধব কুমার নেপাল বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার ক্ষতিকারক প্রভাব যেসব দেশের উপর পড়ছে তার মধ্যে নেপাল অন্যতম৷ হিমালয়ের বরফ বিপজ্জনক মাত্রায় গলছে।
- হিমালয়ের হিমবাহ এশিয়ার প্রধান ১০টি নদীর উৎস। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে আগামী ৫ দশকে এই নদীগুলো শুকিয়ে যেতে পারে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
- হিমালয় পর্বতমালার ১৪টি পর্বতশৃঙ্গের ৮টিই রয়েছে নেপালে।

অন্যদিকে,
- মালদ্বীপ ২০০৯ সালেই জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকির ব্যাপকতা তুলে ধরার জন্য সাগরের তলদেশে মন্ত্রীসভার বৈঠক করেছিলো।

উৎস: CVF ওয়েবসাইট এবং ডয়েচ ভেলে ও বাংলা বিডি নিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।