উত্তর
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ - আকাঙ্ক্ষী।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় - [আ+√কাঙ্ক্ষ্+ইন্]
অর্থ: আকাঙ্ক্ষা করে এমন, অভিলাষী।
অন্যদিকে
চৌধুরি, আকাশচুম্বী ও আকর্ষণীয় শব্দ গুলো শুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৬৭ / ৬৯ · ৬,৬০১–৬,৭০০ / ৬,৯৫৩
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- সঠিক বানান = অনস্বীকার্য।
অর্থ:
-অস্বীকার করা যায় না এমন, অবশ্যস্বীকার্য।।
অন্যদিকে,
• অশুদ্ধ = পরিমান;
• শুদ্ধ = পরিমাণ;
• অশুদ্ধ = অবিশ্রুতি;
• শুদ্ধ = অভিশ্রুতি;
• অশুদ্ধ = বৈচিত্র;
• শুদ্ধ = বৈচিত্র্য;
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম চালু করেন- বাংলা একাডেমি। বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানের নিয়ম প্রণয়ন করে ১৯৯২ সালে।
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানের নিয়ম:
বাংলা একাডেমি ড. আনিসুজ্জামানকেই সভাপতি করে বানানের নিয়মগুলো সূত্রবদ্ধ করার জন্য কমিটি গঠন করে। এ কমিটি বিশ্বভারতী, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রবর্তিত পাঠ্য বইয়ের বানানরীতিকে সমন্বিত করে একটি অভিন্ন বানানের নিয়ম নির্ধারণ করেন, যা বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম' বলে পরিচিত। যার প্রথম প্রকাশ ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর এবং পরিমার্জিত সংস্করণ ১৯৯৪ সালের জানুয়ারি।
উক্ত নিয়ম অনুসরণ করে একই কমিটির অন্যতম সদস্য জামিল চৌধুরী প্রণয়ন করেন 'বাংলা বানান-অভিধান'। ১৯৯৪ সালের জুনে বাংলা একাডেমি এটি প্রকাশ করে।
বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত থাকার জন্য বাংলাদেশের সমসাময়িক সাহিত্য এবং পত্র-পত্রিকায় ওই বানানকে 'প্রমিত' হিসেবে গণ্য করা হয়।
উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।
• শুদ্ধ বানান- হীনবুদ্ধি।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
- শব্দটি বিশেষণ পদ।
অর্থ:
- মন্দমতি।
- তীক্ষ্ণধী নয় এমন।
অন্যদিকে, অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো-
• 'হীনমতি' বিশেষণ পদ।
অর্থ: দুর্বুদ্ধি; নীচমতি; মূঢ়মতি।
• 'হীনম্মন্যতা' বিশেষ্য পদ।
অর্থ: নিজের সম্বন্ধে হীন ধারণা পোষণ।
• 'হীনস্বাস্থ্য' বিশেষণ পদ।
অর্থ: ভগ্নস্বাস্থ্য।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• শুদ্ধ বানান – ধূলিসাৎ।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
শব্দের অর্থ:
- ১) মাটিতে পরিণত, ধুলায় পর্যবসিত। ২)সম্পূর্ণ বিনষ্ট।
অন্যদিকে,
- অত্যান্ত – অত্যন্ত,
- কিম্বদন্তী – কিংবদন্তি,
- তত্ত্ববধান– তত্ত্বাবধান।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• সঠিক উত্তর হলো - গ) নির্বাচকমণ্ডলী।
অর্থ্যাৎ,
সকল নির্বাচককে একত্রে "নির্বাচকমণ্ডলী" বলা হয়।
অপশনের অন্যান্য বানানগুলো ভুল রয়েছে।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুসারে, বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যতিচিহ্ন হলো:
অন্ত্যযতি:
১. দাঁড়ি (1),
২. প্রশ্নচিহ্ন (?),
৩. বিস্ময়চিহ্ন (!),
৪. দুই দাঁড়ি (।।)।
অভ্যন্তর যতি:
৫. কমা (,),
৬. সেমিকোলন (;),
৭. হাইফেন (-),
৮. ড্যাশ (_),
৯. কোলন (:),
১০. কোলন-ড্যাশ (:-),
১১. বিন্দু (.)।
অন্যান্য যতি:
১২. ঊর্ধ্বকমা ('),
১৩. ত্রিবিন্দু (...),
১৪. উদ্ধৃতিচিহ্ন ('.../"..."),
১৫. বন্ধনীচিহ্ন (({{-]})),
১৬. বিকল্পচিহ্ন (/)।
উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (দ্বিতীয় খণ্ড)।
বানানের কিছু নিয়ম নিম্নরূপ:
- কিছু স্ত্রীবাচক শব্দের শেষে ঈ-কার হবে।
যেমন: তরুনী, কল্যানী, কিশীরী, মাতামহী, বুদ্ধিমতী, যুবতী, লক্ষ্মী, শ্রীমতী, সতী ইত্যাদি।
- ভাষা ও জাতির নামের শেষে ই-কার হবে।
যেমন: আফগানি, আরবি, ইংরেজি, ইহুদি, কাশ্মিরি, জাপানি, তুর্কি ইত্যাদি।
- বিশেষণবাচক 'আলি প্রত্যয়যুক্ত শব্দের শেষে ই-কার হয়।
যেমন: চৈতালি, পূবালি, মিতালি, সোনালি, বর্ণালি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
সঠিক উত্তর: গ) আমি যে বিভাগের ছাত্র তার নাম বাংলা।
-----------
ব্যাখ্যা:
মূল বাক্য: "আমি বাংলা বিভাগের ছাত্র।" - এটি একটি সরল বাক্য (একটি উদ্দেশ্য + একটি বিধেয়)।
জটিল বাক্যের বৈশিষ্ট্য:
- একটি প্রধান খণ্ডবাক্য + এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য।
- সংযোজক শব্দ (যে, যা, যার, যেখানে ইত্যাদি) দ্বারা যুক্ত থাকে।
- যে-সে, যিনি-তিনি, যারা-তারা, যা-তা ইত্যাদি সাপেক্ষ সর্বনাম এবং যদি-তবে, যেহেতু-সেহেতু, যখন-তখন, যত- তত, যেমন-তেমন ইত্যাদি সাপেক্ষ যোজক যুক্ত করে সরল বাক্যকে জটিল বাক্যে রূপান্তরিত করা যায়।
সুতরাং সঠিক উত্তর: গ) আমি যে বিভাগের ছাত্র তার নাম বাংলা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ); ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সমাস-ঘটিত অশুদ্ধি:
অশুদ্ধ - শুদ্ধ:
নিরভিমানী - নিরভিমান।
অর্ধরাত্রি - অর্ধরাত্র।
মাতাজাতি - মাতৃজাতি।
মহিমামণ্ডিত - মহিমমণ্ডিত।
ভ্রাতাবৃন্দ - ভ্রাতৃবৃন্দ।
নিরহঙ্কারী - নিরহঙ্কার।
অহোরাত্রি - অহোরাত্র।
নির্দোষী - নির্দোষ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম:
তৎসম শব্দে 'অপর, পরা, পূর্ব, প্রা' ইত্যাদি উপসর্গের সঙ্গে 'অহ্ন' প্রত্যয় যুক্ত হলে 'অহ্ন' শব্দের 'দন্ত- ন' পরিবর্তিত হয়ে 'মূর্ধন্য- ণ' হয়।
যেমন- অপরাহ্ণ, পরাহ্ণ, প্রাহ্ণ, পূর্বাহ্ণ ইত্যাদি।
• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে, পূর্বাহ্ন শুদ্ধ নয়, এর শুদ্ধ বানান- 'পূর্বাহ্ণ'।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মতি- ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন।
বহুবচনের অপপ্রয়োগজনিত ভুল রয়েছে - ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল।
সঠিক রূপঃ ক্লাসে অনেক ছাত্রছাত্রী এসেছিল।
গ্রীষ্মের তাপদাহে জীবন অতিষ্ঠ -গুরুচণ্ডালী বলতে বোঝায় তদ্ভব এবং তৎসম শব্দের মিশ্রণ।
সঠিক রূপঃ গ্রীষ্মের দাবদাহে জীবন অতিষ্ঠ।
সঠিক রূপঃ ইহার আবশ্যকতা নাই (বিশেষ্য - বিশেষন জনিত ভুল)
সঠিক রূপঃ ঘটনা বর্ণিত হয়েছে (বাচ্যজনিত)।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
শুদ্ধ বানান- বাক্স্বাধীনতা।
- শব্দটি বিশেষ্য পদ।
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- কথা বলা বা মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• যে বাক্যে একটি প্রধান খন্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হয় তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
• যেমন- যেই তার দর্শন পেলাম (আশ্রিত বাক্য), সেই আমরা প্রস্থান করলাম (প্রধান খণ্ডবাক্য)।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• 'বিভীষিকা' শুদ্ধ।
অন্যদিকে,
অশুদ্ধ: অভিভুত
শুদ্ধ: অভিভূত
অশুদ্ধ: উত্তরন
শুদ্ধ: উত্তরণ
অশুদ্ধ: ভ্রাতুস্পুত্র
শুদ্ধ: ভ্রাতুষ্পুত্র
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বানানঃ
- অদ্যাবধি,
- তিরস্কার,
- দারুণ,
- দৈন্য,
- দীনতা,
- জাত্যভিমান
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
ভাববাচ্য:
- যে বাক্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে।
যেমন:
- আমার খাওায়া হলো না।
- আমাকে এখন যেতে হবে।
- তোমার দ্বারা এই কাজ হবে না।
- কোথায় থাকা হয়।
অন্যদিকে,
কর্তৃবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্তার অর্থ-প্রধান্য রক্ষিত হয় এবং ক্রিয়াপদ কর্তার অনুসারী হয়, তাকে কর্তৃবাচ্য বলে।
যেমন:
- ছাত্ররা অঙ্ক করছে।
- কর্তৃবাচ্যে ক্রিয়াপদ সর্বদাই কর্তার অনুসারী হয়।
- কর্তৃবাচ্যে কর্তায় প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি এবং কর্মে দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী বা শূন্য বিভক্তি হয়।
যেমন:
- শিক্ষক ছাত্রদের পড়ান।
- রোগী পথ্য সেবন করে।
কর্মবাচ্য:
- যে বাক্যে কর্মের সাথে ক্রিয়ার সম্বন্ধ প্রধানভাবে প্রকাশিত হয়, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
যেমন:
- আলেকজান্ডার কর্তৃক পারস্য দেশ বিজিত হয়।
- চোরটা ধরা পড়েছে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• প্রত্যক্ষ উক্তির বাক্যের সর্বনাম এবং কালসূচক শব্দের পরোক্ষ উক্তিতে নিম্নলিখিত পরিবর্তন সংঘটিত হয়।
যেমন:
প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ
→ এই-সেই,
→ ইহা-তাহা,
→ এ-সে,
→ আজ-সেদিন,
→ আগামীকাল-পরদিন,
→ গতকাল-আগেরদিন,
→ গতকল্য-পূর্বদিন,
→ ওখানে-ঐখানে ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
• গুরুচণ্ডালী দোষ:
- তৎসম শব্দের সঙ্গে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কখনো কখনো গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে।
- এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায়।
যেমন-
'গরুর গাড়ি', 'শবদাহ', 'মড়াপোড়া' প্রভৃতি স্থলে যথাক্রমে 'গরুর শকট', 'শবপোড়া', 'মড়াদাহ' প্রভৃতির ব্যবহার গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে।
------------------
• দুর্বোধ্যতা:
অপ্রচলিত, দুর্বোধ্য শব্দ ব্যবহার করলে বাক্যের যোগ্যতা বিনষ্ট হয়। যেমন- তুমি আমার সঙ্গে প্রপঞ্চ করেছো। (চাতুরী বা মায়া অর্থে, কিন্তু বাংলা 'প্রপঞ্চ' শব্দটি অপ্রচলিত)।
• উপমার ভুল প্রয়োগ:
ঠিকভাবে উপমা অলংকার ব্যবহার না করলে যোগ্যতার হানি ঘটে।
যেমন:
- আমার হৃদয়-মন্দিরে আশার বীজ উপ্ত হলো।
[বীজ ক্ষেতে বপন করা হয়, মন্দিরে নয়। কাজেই বাক্যটি হওয়া উচিত: আমার হৃদয়-ক্ষেত্রে আশার বীজ উপ্ত হলো।]
• বাহুল্য-দোষ:
প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহারে বাহুল্য দোষ ঘটে এবং এর ফলে শব্দ তার যোগ্যতাগুণ হারিয়ে থাকে।
যেমন:
- দেশের সব আলেমগণই এ ব্যাপারে আমাদের সমর্থন দান করেন।
['আলেমগণ' বহু বচনবাচক শব্দ। এর সঙ্গে 'সব' শব্দটির অতিরিক্ত ব্যবহার বাহুল্য-দোষ সৃষ্টি করেছে।]
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ); ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
অর্থানুসারে বাক্যকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. বর্ণনা বা বিবরণমূলক বাক্য: যে বাক্যের সাহায্যে কোনো কিছু বর্ণনা বা বিবৃত করা হয়, সে বাক্যকে বলা হয় বর্ণনামূলক বাক্য।
যেমন-
- পৃথিবী সূর্যের চারদিকে ঘোরে।
- লোকটি প্রতিদিন পুকুরে সাতার কাটে।
- সে কবিতা লিখছে ইত্যাদি।
এ বাক্যকে আবার অস্তিবাচক বা হ্যাঁসূচক বাক্য ও নেতিবাচক বা না-সূচক বাক্য- এ দুভাগে ভাগ করা
হয়েছে।
ক. অস্তিবাচক বাক্য:
যে বাক্য দ্বারা কোনো কিছুর বর্ণনায় ইতিবাচক দিক তুলে ধরা হয়, সে বাক্যকে বলা হয় অস্তিবাচক বাক্য।
যেমন-
- আমি প্রত্যদিন সকালে হাটি।
- ছাত্ররা নিয়মিত লেখাপড়া করে।
- ভালো লোক ভালো কাজের পরামর্শ দেন।
খ. নেতিবাচক বাক্য:
যে বাক্যের সাহায্যে কোন কিছুর নেতিবাচক বর্ণনা দেয়া হয়, তাকে বলা হয় নেতিবাচক বাক্য।
যেমন-
- সে এখন আর গান গায় না।
- ছেলেটির অসুখ এখনও ভালো হয়নি।
- তিনি এবার গ্রামে যাবেন না ইত্যাদি।
২. প্রশ্নবোধক বাক্য: যে বাক্যের সাহায্যে কোনো কিছু জিঞ্জাসা বা প্রশ্ন করা হয়, তাকে বলা হয় প্রশ্নবোধক বাক্য।
যেমন:
- তুমি কি লোকটিকে চিন?
- সে কি আজ বাড়ি যাবে?
- তুমি কি প্রতিদিন স্কুলে যাও ইত্যাদি।
৩. অনুজ্ঞাসূচক বাক্য: যে বাক্যের সাহায্যে আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ, নিষেধ, প্রস্তাব ইত্যাদি প্রকাশিত হয় তাকে বলা হয় অনুজ্ঞাসূচক বাক্য। যেমন-
আদেশ : এখান থেকে বিদায় হও।
অনুরোধ : দয়া করে আমার কাজটি করে দাও।
উপদেশ : অযথা সময় নষ্ট করো না।
নিষেধ : অনুমতি ছাড়া কখনও তার ঘরে প্রবেশ করো না।
প্রস্তাব : চল, খেলার মাঠে ফুটবল খেলি আসি।
৪. ইচ্ছাসূচক বাক্য: এ ধরনের বাক্যে শুভজনক প্রার্থনা, আশিস, আকাঙ্ক্ষা করা হয়।
যথা-
- তোমার মঙ্গল হোক।
- পরীক্ষায় সফল হও।
৫. বিস্ময়সূচক বাক্য: যে বাক্যে আশ্চর্যজনক কিছু বুঝায় তাকে বিস্ময়সূচক বাক্য বলে।
যথা-
- হুররে, আমরা জিতেছি!
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
খ) শীর্ণ, সাক্ষর, সত্তা:
শীর্ণ: এটি শুদ্ধ।
সাক্ষর: এটি শুদ্ধ।
সত্তা: এটি শুদ্ধ।
ফলাফল: এই গুচ্ছ শুদ্ধ।
----------------
অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
ক) সত্ত্বর, চোষ্য, মুমূর্ষু:
সত্ত্বর: এটি অশুদ্ধ। সঠিক বানান হলো সত্বর।
চোষ্য: এটি অশুদ্ধ। সঠিক বানান হলো চোষ্য বা চূষ্য।
মুমূর্ষু: এটি শুদ্ধ।
ফলাফল: এই গুচ্ছ অশুদ্ধ, কারণ ‘সত্ত্বর’ ও ‘চোষ্য’ শব্দ দুটি বানানগতভাবে ভুল।
গ) উজ্জল, দ্বন্দ্ব, শ্বশুর:
উজ্জল: এটি অশুদ্ধ। তৎসম শব্দ ‘উজ্জ্বল’ হবে।
দ্বন্দ্ব: এটি শুদ্ধ।
শ্বশুর: এটি শুদ্ধ।
ফলাফল: এই গুচ্ছ অশুদ্ধ।
ঘ) নীড়, বিচ্যুত, বাণী:
নীড়: এটি শুদ্ধ।
বিচ্যুত: এটি শুদ্ধ।
বাণি: এটি অশুদ্ধ। এর শুদ্ধ - বাণী।
ফলাফল: এই গুচ্ছটি অশুদ্ধ।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
যৌগিক ক্রিয়া:
একটি সমাপিকা ও একটি অসাপিকা ক্রিয়া যদি একত্রে একটি বিশেষ বা সম্প্রসারিত অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
যেমন:
- সাইরেন বেজে উঠল।
- ঘটনাটি শুনে রাখ।
মিশ্র ক্রিয়া:
বিশেষ্য, বিশেষণ ও ধ্বনাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে কর, হ্, দে, পা, যা, কাট্, গা, ছাড়, ধর্, মার্ প্রভৃতি ধাতুযোগে গঠিত ক্রিয়াপদ বিশেষ বিশেষ অর্থে মিশ্র ক্রিয়া গঠন করে।
যেমন:
- আমরা তাজমহল দর্শন করলাম।
- ঝম্ ঝম্ করে বৃষ্টি পড়ছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম-দশম শ্রেণি।
• কর্তৃবাচ্য থেকে ভাববাচ্য:
নিয়ম: কর্তৃবাচ্যের বাক্যকে ভাববাচ্যে পরিবর্তিত করতে হলে-
(১) কর্তায় ষষ্ঠী বা দ্বিতীয়া বিভক্তি হয় এবং (২) ক্রিয়া নাম পুরুষের হয়।
যেমন-
কর্তৃবাচ্য - ভাববাচ্য:
(ক) আমি যাব না। - আমার যাওয়া হবে না।
(খ) তুমিই ঢাকা যাবে। - তোমাকেই ঢাকা যেতে হবে।
(গ) তোমরা কখন এলে - তোমাদের কখন আসা হলো?
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
প্রশ্নসূচক- এ ধরনের বাক্যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়।
যথাঃ যাবে নাকি? কেন এসেছ? 'সে কি যাবে?' - এ বাক্যে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়েছে।
বিষ্ময়সূচক- এ ধরনের বাক্যে আশ্চর্যজনক কিছু বোঝায়।
যেমনঃ তাজ্জব ব্যপার!
আদেশসূচক- এ ধরনের বাক্যে আদেশ করা হয়।
যেমনঃ চুপটি করে বস।
বিবৃতিসূচক- সাধারণভাবে হ্যাঁ বা না বোধক বাক্য।
যেমনঃ সে ঢাকা যাবে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
• প্রথম অংশে ভাবের অর্থ স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়।
--------------------
• ভাব-সম্প্রসারণ:
- ভাব-সম্প্রসারণ হল ভাবকে সুসংগত ও অর্থবহভাবে বিস্তার করা।
- এটি সাধারণত কবিতা, গল্প বা গদ্যের কোনো অংশের মূল ভাবকে বিস্তারিতভাবে বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করার প্রক্রিয়া।
- ভাব সম্প্রসারণে মূল ভাবের সার্থকতা, যুক্তি ও উদাহরণ তুলে ধরা হয়।
- ভাব-সম্প্রসারণকে তিনটি অংশে ভাগ করা যায়:
- প্রথম অংশ: ভাবের অর্থ স্পষ্ট করা।
- দ্বিতীয় অংশ: ভাবের ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ।
- তৃতীয় অংশ: ভাবের তাৎপর্য ও প্রাসঙ্গিকতা।
------------------------------
উল্লেখ্য,
• ভাব-সম্প্রসারণের সময় অনুসরণীয় বিষয়সমূহ:
- প্রতিটি অংশ আলাদা অনুচ্ছেদে লেখা যেতে পারে।
- ব্যাখ্যা করার সময় যুক্তি, উদাহরণ বা তুলনার মাধ্যমে ভাবকে শক্তিশালী করা উচিত।
- বাক্যগুলো পরস্পরের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ও সম্পর্কযুক্ত হওয়া উচিত।
- প্রয়োজনে মূল লেখার সংক্ষিপ্ত উদ্ধৃতি ব্যবহার করা যেতে পারে।
- আলাদা শিরোনাম প্রয়োজন হয় না।
- যদি মূল ভাব রূপক বা প্রতীকের আড়ালে থাকে, তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে।
- অংশের রচয়িতার নাম উল্লেখ করা প্রয়োজন নেই।
- সাধারণত ভাব-সম্প্রসারণ প্রায় ২০০ শব্দ বা সর্বাধিক ২০টি বাক্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত।
উৎস:
ভাষা শিক্ষা, ড. হায়ৎ মামুদ;
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
একটি প্রধান বাক্যের সাথে এক বা একাধিক খণ্ড বাক্য সাধারনভাবে বা কোন অনুগামি সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সাপেক্ষ সর্বনাম দিয়ে যুক্ত হয়ে পরস্পর সাপেক্ষ ভাবে ব্যবহৃত হলে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
এখানে, 'কাকলি বললো যে' প্রধান বাক্য আর 'শম্পাই কাজটি করেছে' হলো- অপ্রধান বা খণ্ড বাক্য।
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
• করণ কারক:
যার দ্বারা বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে। 'করণ' শব্দের অর্থ উপায় বা সহায়।
বাক্যের ক্রিয়াপদকে 'কার দ্বারা বা কী উপায়ে জিজ্ঞাসা করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক।
করণ কারকে বিভক্তির ব্যবহার:
করণ কারকে সাধারণত দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি তৃতীয়া বিভক্তির (অনুসর্গের) ব্যবহার হয়। তবে অন্য বিভক্তিগুলোরও প্রয়োগ রয়েছে-
- করণ কারকে 'দ্বারা বিভক্তি (অনুসর্গ): তোমাদের দ্বারা দেশের ক্ষতি হবে।
- করণ কারকে 'দিয়া বিভক্তি (অনুসর্গ): তোমার লোক দিয়ে কাজটা করাবে।
- করণ কারকে শূন্য (০) বা অ-বিভক্তি: রফিক তাস খেলে।
- করণ কারকে এ-বিভক্তি: গ্যাসে গাড়ি চলে।
- করণ কারকে তে-বিভক্তি: তার কথা যেন মধুতে মাখা।
উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• অনুজ্ঞাবাচক বাক্য:
আদেশ, নিষেধ, অনুরোধ বা প্রার্থনার উদ্দেশ্যে যে বাক্য হয়।
উদাহরণ:
- আমাকে একটি কলম দাও। (আদেশ/অনুরোধ)।
- তাঁর মঙ্গল হোক। (প্রার্থনা)।
• বাক্যের অন্য প্রকারগুলো হলো:
• বিবৃতিবাচক বাক্য :
যেসব বাক্যে কোনো তথ্য বা ঘটনা সাধারণভাবে বলা হয়, সেগুলো বিবৃতিবাচক বাক্য।
এগুলো দুই রকমের হতে পারে:
• ইতিবাচক: যেমন —
- আমরা রোজ বেড়াতে যেতাম।
নেতিবাচক: যেমন —
- তারা তোমাদের ভোলেনি।
• প্রশ্নবাচক বাক্য:
বক্তা যখন কারও কাছ থেকে কোনো তথ্য জানতে চায়, তখন প্রশ্নবাচক বাক্য হয়।
উদাহরণ:
- তোমার নাম কী?
- সুন্দরবনকে কোন ধরনের বনাঞ্চল বলা হয়?
• আবেগবাচক বাক্য:
কোনো আবেগ (আনন্দ, বিস্ময়, দুঃখ, ভয় ইত্যাদি) প্রকাশ করতে যে বাক্য হয়।
উদাহরণ:
- দারুণ! আমরা জিতে গিয়েছি।
- অত উঁচু পাহাড়ে উঠে আমি তো ভয়েই মরি!
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, নবম দশম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
কমা (,) :
• বাক্য সুস্পষ্ট করতে বাক্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে প্রতিটি ভাগের মাঝে কমা বসে। যেমন- সুখ চাও, সুখ পাবে বই পড়ে।
• পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে ব্যবহৃত হলে শেষ পদটি ছাড়া প্রতিটির পরে কমা বসে। যেমন- ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মন সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ভালবাসা, আনন্দে ভরে থাকে।
• সম্বোধনের পরে কমা বসে। যেমন- রশিদ, এদিকে এসো।
• জটিল বাক্যের প্রত্যেকটি খণ্ডবাক্যের পরে কমা বসে। যেমন- যে পরিশ্রম করে, সেই সুখ লাভ করে।
• কোন বাক্যে উদ্ধৃতি থাকলে, তার আগের খণ্ডবাক্যের শেষে কমা (,) বসে। যেমন- আহমদ ছফা বলেন, 'মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ।' তুমি বললে, 'আমি কালকে আবার আসবো।'
• মাসের তারিখ লেখার সময় বার ও মাসের পর কমা বসে। যেমন- ২৫ বৈশাখ, ১৪১৮, বুধবার।
উৎস: উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২১ সংস্করণ)।
কমা:
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। শব্দ , বর্গ ও অধীনে বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
- কমাকে ‘পাদচ্ছেদ’ বলা হয়।
- যেমন:
• গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত- বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।
• সুজন, দেখ তোকে আসছে।
দাঁড়ি:
- দাঁড়ি অর্থ পূর্ণচ্ছেদ।
- দাঁড়ি সাধারণত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে।
যেমন:
• প্রান্ত ফুটবল খেলা পছন্দ করে।
• যথাযথ অনুসন্ধানের পর বলা যাবে কী ঘটেছিল।
সেমিকোলন:
- সেমিকোলন অর্থ হচ্ছে ‘অর্ধচ্ছেদ’।
- স্বাধীন অথচ ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত একাধিক বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে অথবা একই ধরনের বর্গকে পাশাপাশি সাজাতে সেমিকোলন ব্যবহৃত হয়। যেমন:
• সোহাগ ক্রিকেট পছন্দ করে; আমি ফুটবল পছব্দ করি।
• কোনো বইয়ের সমালোচনা করা সহজ; কিন্তু বই লেখা অত সহজ না।
কোলন:
- বাক্যের প্রথম অংশের কোনো উক্তিকে দ্বিতীয় অংশে ব্যাখ্যা করা এবং উদাহরণ উপস্থানের কাজে কোলন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
• ভাষার দুটি রূপ: কথ্য ও লেখ্য।
• সভার সিন্ধান্ত হলো: প্রতি মাসে সব সদস্যকে দশ টাকা করে চাদাঁ দিতে হবে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
- প্রদত্ত অপশনগুলোতে সহযোগীতা শব্দটিতে অপ-প্রয়োগ ঘটেছে।
- এর সঠিক প্রয়োগ হবে সহযোগী + তা = সহযোগিতা।
উৎসঃ বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম।
বানান নির্দেশিকা:
শ্রদ্ধা + অঞ্জলি = শ্রদ্ধাঞ্জলি
শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ
উপন্যাস + ইক = ঔপন্যাসিক
কোন শব্দের প্রথমে উ/ঊ/ও কিংবা উ/ঊ/ঔ কার থাকলে ইক প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পর তা ঔ কার হয়ে যায়।
আ + কাঙ্ক্ষ্ + অ + আ = আকাঙ্ক্ষা
সুতরাং অপশন খ তে বানানের ভুল থাকায় এটি সঠিক উত্তর।
তথ্যসূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• ধাঁধা বানানটি সঠিক।
ধাঁধা[স. দ্বন্দ্ব >]
অর্থ:
১. কৌতূহলোদ্দীপক জটিল প্রশ্ন।
২. দিশেহারা ভাব; সংশয়; দৃষ্টিবিভ্রম।
৩. জটিল সমস্যা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান
অশুদ্ধ বাক্য: মহারাজা সভাগৃহে প্রবেশ করিলেন।
শুদ্ধ বাক্য: মহারাজ সভাগৃহে প্রবেশ করিলেন।
অন্যদিকে:
শুদ্ধ বাক্য: অধ্যয়নই ছাত্রদের তপস্যা।
শুদ্ধ বাক্য: হাতে টাকা নেই, একারণেই চোখে সরষে ফুল দেখছ।
শুদ্ধ বাক্য: সভায় অনেক ছাত্র এসেছিল।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।